Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Corsican
Croatian
Danish
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
অনুবাদিকা- সারাহ্ ইকবাল
ধারণা করা হচ্ছে অভিযোগপত্রটি,
গ্রান্ড জুরি বোর্ডের কাছে পাঠানো ফলাফলের একটি অংশ মাত্র।
বর্তমানে, টেক্সাসে কবর ডাকাতির ব্যাপারটা শীর্ষ সংবাদ হিসেবে আছে।
একজন তথ্য সরবরাহকারীর তথ্যানুসারে মুয়ের্তো কাউন্টি শেরিফ ডিপার্মেন্টের অফিসাররা,
টেক্সাসের নিউট নামক গ্রামাঞ্চলের পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে গিয়ে পৌঁছালে
সেখানে তারা বীভৎস এক চিত্রকর্মের মুখোমুখি হোন।
একটি লাশের অবশিষ্টাংশকে বিকৃত করে একটি স্মৃতিস্তম্ভের সাথে তার দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে।
দ্বিতীয় লাশটিকে কবস্থানের পরিধির ভেতরে অবস্থিত একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়।
তদন্তকারী দল থেকে জানা গেছে, কমপক্ষে ডজন খানেক খালি কবর পাওয়া গেছে।
আর ধারণা করা হচ্ছে, অনুসন্ধান চলাকালীন আরও কিছু বেরিয়ে আসবে।
ডেপুটিদের রিপোর্ট অনুযায়ী, কিছু কিছু লাশের অংশ বিশেষ আলাদা করে ফেলা হয়েছে।
কোন ক্ষেত্রে মাথা, কোন ক্ষেত্রে পা আলাদা করে ফেলা হয়েছে।
লাশের অবশিষ্টাংশ অক্ষত অবস্থায় আছে।
প্রমাণাদি থেকে ইংগিত পাওয়া যাচ্ছে যে, এই ডাকাতি বেশ কিছুদিন যাবত ধরে সংঘটিত হচ্ছিল।
শেরিফ জিসাস ম্যাল্ডোনাডো এই পৈশাচিক মামলা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে নারাজ ও
তিনি বলেছেন, তার কাছে জোরালো প্রমাণ আছে যে,
এই কর্মকান্ডের পেছনে এই স্টেটের বাইরের লোকজনের সম্পৃক্তা আছে।
এলাকার বাসিন্দারা সবাই কবরস্থানে এসে জড়ো হয়েছে,
নিজেদের আত্মীয়স্বজনের লাশের অবশিষ্টাংশ না সরানো হয়ে গেছে সেই ভয়ে।
এখন পর্যন্ত কাউকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়নি, যেহেতু তদন্ত এখনো গতিশীল।
টেক্সাস-লুইসিয়ানা সীমান্তের নিকটবর্তী বিশাল টেক্সাকো শোধনাগারে,
অয়েল স্টোরেজ ইউনিটের আগুনকে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।
তিনটা স্টোরেজ ইউনিট রাতের মধ্যে পুড়ে মাটিতে মিশে গেছে।
তিনজন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছে ও ডজন খানেক আহত হয়েছে।
টেক্সাসের তিনটা শহরের আগুন নিয়ন্ত্রণকারী দল প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,
৪০ ফুট উচ্চতার এই আগুনের শিখাকে বশে আনার।
দক্ষিণ দিকে ৬০ মাইল দূরে অবস্থিত হোস্টন শহরের বাড়িগুলো থেকে আগুনের শিখা দৃশ্যমান।
সানফ্রানসিসকোর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও স্বীকার করেছে যে,
তারা কলেরার মহামারীর কবলে পড়তে পারে।
৪০ জনের মতো আক্রান্তকারী রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।
যারা নাকি এই রোগকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী।
হোস্টন পুলিশ একটি নির্মম হত্যাকান্ড মীমাংসা করতে হিমশিম খাচ্ছে,
আপাতদৃষ্টিতে, যেটিকে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছিল।
এক যুবক, স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে খেলা চলাকালীন সময়ে, রাগ সামলাতে না পেরে,
দশ তলার জানালা থেকে লাফ দিয়েছে।
আরেকজন লোক ওই একই জানালা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিলেও,
পুলিশ কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হোন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোকটিকে লাফ দিতে...
তিনি হামলা নিয়ে কোন কৈফিয়ত দেননি।
লেফটেন্যান্টকে সামান্য আঘাতের জন্য চিকিৎসার পর, হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ আটলান্টাতে ১৬ তলা নির্মাণাধীন একটি ভবন ধসে,
২৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।
যেই ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম এই ভবনের নৈর্মিতিক নকশার পেছনে কাজ করেছে,
তারা এই ধসের কোন কারণ ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।
নির্মাণকৌশল প্রতিষ্ঠানের মতে, এই ভবন ধসে পড়ার পেছনে কোন যুক্তিসংগত কারণ নেই,
ও এর পেছনে অন্তর্ঘাতী কাজ আছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন।
ইন্ডিয়ানার গ্যারিতে, পুলিশ একজন পুরুষ ও একজন নারীর...
লাশ সনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে।
তাদেরকে কুপিয়ে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আলাদা করে ফেলা হয়েছে।
পুরুষটির জননেন্দ্রিয় কেটে ফেলা হয়েছে বলে,
পুলিশ প্রথম লাশ দুটিকে দুজন মহিলার বলে চিহ্নিত করেছিল।
ঠিক আছে?
ফ্রাঙ্কলিন!
আহ!
- তুমি ঠিক আছো? - আমি তো...ধুর।
আচ্ছা।
গরমে তো পাগল হয়ে যাচ্ছি। জানি না, আর সহ্য করতে পারবো কিনা।
শুনো, এভাবে পশ্চাৎদিকে ফিরে যাওয়াটা,
রাশিচক্রের প্রকৃত গতির সঠিক দিকের বিপরীত ও বিসঙ্গত।
আর, এটা, কুলক্ষণ।
তাহলে তো, অমঙ্গলজনক গ্রহগুলো পশ্চাৎদিকে যায়,
আর শনিগ্রহও অমঙ্গলজনক। - ক্ষতিকারকতা বাড়ছে।
তুমি কি এসব শব্দ দক্ষতা বাড়ানোর কলাম পড়ে শিখছো?
তারমানে, শনিগ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে।
এটার অবশ্যই খারাপ প্রভাব রয়েছে যেহেতু এটি এখন পশ্চাৎদিকে চলছে।
- বিশ্বাস হচ্ছে, ও আমাকে কী কথা শুনাচ্ছে? - জানি না।
আমার দাদাকে এখানে কবর দেওয়া হয়েছে। উনার কী কিছু হয়েছে?
- তোমার দাদার নাম কী? - ওই যে বিশালদেহী লোকটা,
ফ্ল্যাশলাইট হাতে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে, উনিই আমাদের শেরিফ।
তুমি উনাকে গিয়ে বলো, তোমার দাদার কবর এখানে।
- উনি ভেতরে যেতে দিবেন। - ধন্যবাদ।
তোমার প্রেয়সীকে এক মিনিটের জন্য নিয়ে যাচ্ছি। সোনা, চলো তোমাকে শেরিফের কাছে নিয়ে যাই।
আমাদের যেতে দিন। মেয়েটার দাদার কবর এখানে।
ক্লাইডের চোখকে ফাঁকি দিয়ে, পুরোটা সময় জুড়ে এখানেই ছিল।
এমনকি ক্লাইডও জানতো না। ওরা জানতো না কেন...
আশেপাশে অনেক কিছুই ঘটে, যা নিয়ে ওরা কথা বলে না।
আমি অদ্ভুত সব জিনিস দেখতে পাই।
জানো, ওরা আমার কথাকে বুড়ো লোকের পাগলামো বলে উড়িয়ে দেয়।
মানুষজন বুড়ো লোকের কথায় শুধু হাসে।
ওরা শুধু হাসে আর এমন ভাব দেখায় যেন খুব জানে।
ওরা নিশ্চিত। ওই লোকটা বলছিল, কবর খোঁড়া হয়েছিল কিনা ওরা বলতে পারবে।
ফ্রাঙ্কলিন, চিন্তা করো না। আমি নিজে দেখে এসেছি। আমার মনে হয়নি, খোঁড়া হয়েছিল।
- ওহ, কী এটা? - কীসের গন্ধ?
এই দুর্গন্ধ কীসের?
জানালা লাগিয়ে দাও।
হেই, ঐ যে, পুরনো কসাইখানা।
যেখানে দাদা উনার গবাদিপশু বিক্রি করতেন।
আমাদের একজন চাচা আছেন, যিনি এফটি. ওয়ার্থে এমন একটা জায়গায় কাজ করেন।
ঐ যে, ঐখানেই ওরা পশুগুলোকে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে বারি দিয়ে হত্যা করে থাকে।
- কী বীভৎস। - প্রথম বারিতেই এগুলো সাধারণত মরে না।
ওরা ছটফট করতে করতে মরিয়া হয়ে উঠলে, তখন তিনবার বারি দিয়ে হত্যা করতে হয়।
অনেকসময়, ওরা জীবিত থাকতেই, ওদের চামড়া উঠানো শুরু করে দেয়।
এটা তো মর্মান্তিক। লোকজনের খাবারের জন্য পশুপাখি মারাটা ঠিক নয়।
ওরা অবশ্য এখন আর এভাবে মারে না।
এখন, বড় বন্দুক দিয়ে গুলি ছুঁড়ে কঙ্কালে গুলি বিদ্ধ করে মেরে ফেলে।
শুধু বুম! বুম! আর বুম!
ফ্রাঙ্কলিন, আমি মাংস পছন্দ করি। কথার বিষয়বস্তু বদলাও।
- বুম। - ভয়ংকর। এখনো চলছে।
ওহ, কী গরম রে, বাপ।
- ভবঘুরে। - ওকে উঠিয়ে নিবো নাকি?
- হুম, ও ওখানে শ্বাসরোধে মারা যাবে। - ওর চেহারাসুরত কেমন?
শালার বাচ্চাটার শরীর থেকে কসাইখানার গন্ধ আসবে।
ওহ, ছেলেটার উপর একটু দয়া তো দেখাও। ও ফ্রাঙ্কলিনের পাশে বসবে।
- তুমি কী করতে চাচ্ছো? - ছেলেটা দেখতে অদ্ভুতুড়ে।
- ওকে উঠিয়ে নাও। - না!
বেশ, মনে হচ্ছে, আমরা মাত্রই ড্রাকুলাকে গাড়িতে উঠালাম।
- তুমি কোথায় যাচ্ছো? - দক্ষিণে।
তুমি ওখানে কাজ করো?
আরে, না।
- তুমি এখানে কী করে এলে? - আমি কসাইখানাতে ছিলাম।
- আমার চাচা কসাইখানার জন্য কাজ করেন। - আমার ভাই কাজ করতো।
আমার দাদাও করতেন।
আমার পরিবার সবসময়ই মাংসের ব্যবসার সাথে জড়িত।
পুরোই ড্রাকুলার পরিবার।
হেই, তুমি কি কসাইখানার ওই ঘরে গিয়েছিলে?
যেখানে ওরা গবাদিপশু গুলোকে বিশাল এয়ার গান দিয়ে গুলি করে?
- আরে, ওই বন্দুক কোন কাজের না। - আমি একবার চাচার সাথে গিয়েছিলাম।
হাতুড়ি দিয়ে মারার যে পুরনো পদ্ধতি ছিল,
বুঝলে, ওইটাই ভালো ছিল। ওদের ভালো মতো মারা যেতো।
কীভাবে শুনি? আমার তো মনে হয়েছে, বন্দুকই ভালো।
আরে, না, না।
নতুন উপায়ে, লোকজন কাজ হারাচ্ছে।
তুমিও এসব কাজ করো?
দেখো।
- এটাকে আমি মেরেছি। - ধুর।
- আমাকে দেখতে দাও। - ওরা মাথাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় না।
- এগুলো তুমি তুলেছো? - হুম।
ফ্রাঙ্কলিন।
ওরা মাথা দিয়ে পনির বানায়, বুঝলে।
ওরা...
ওরা মাথাটা নিয়ে...
জিহ্বা বাদে বাকিটুকু সিদ্ধ করে,
তারপর হাড্ডি থেকে সব মাংস ছাড়িয়ে আনে।
ওরা সবকিছুকেই কাজে লাগায়। কিছুই ফেলে দেয় না।
ওরা চোয়াল থেকে শুরু করে,
মাংসপেশি, চোখ, বন্ধনী, সবকিছুকেই কাজে লাগায়।
- ওহ। - এটা দেখো।
নাক, মুখের লালা ও মাংসকে একসাথে নিয়ে সিদ্ধ করে, বড়সড় চর্বির স্তুপ বানিয়ে থাকে।
বাহ। আমি তো এসবের ব্যাপারে জানতামই না।
এটা আসলেই দারুণ । তোমার ভালো লেগেছে?
হুম, অবশ্যই। আমার ভালো লেগেছে। দারুণ।
এসব শুনেই গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। আমরা কি অন্য কথা বলতে পারি?
তোমার ভালো লাগতো, যদি না জানতে, ওখানে আসলে কী ছিল।
আমার লাগতো না, আর দয়া করে, এসব কথা বন্ধ করো।
আরে।
বাদ দাও, তুমি সবাইকে অস্বস্তিতে ফেলে দিচ্ছো।
আরে, ঠিক আছে।
কী করছো তুমি?
হেই, ছুরিটা রেখে দাও।
আরে!
আরে, বাদ দাও।
আরে, কী করছো এসব নিজের সাথে?
ওহ, মাই গড, কী করছো এসব?
ওটা সরিয়ে রাখো।
আমার কাছে এই ছুরিটা আছে।
এটাও সরিয়ে রাখো।
- এই ছুরিটা বেশ কিন্তু। - আচ্ছা বুঝলাম রে, ভাই।
বন্ধ করে রাখো।
হেই, তুমি আমার ছবি তুলেছো।
হেই, তোমরা আমাকে আমার বাড়ি নিয়ে যেতে পারো।
আমি এই রাস্তার মাথায় থাকি।
আসলে, ঠিক বলতে পারছি না। আমাদের একটু তাড়া আছে।
- কত কাছে? - বেশ কাছেই।
বেশ, যেহেতু এতোই কাছে হয়, তাহলে তুমি হেঁটে গেলেই তো পারো, তাই না?
হুম, তোমরা আমাদের সাথে রাতের খাবার খেতে পারবে।
তোমার মাথার পনির পছন্দ? আমার ভাই এটা খুব ভালো বানাতে পারে। তোমার ভালো লাগবে।
আমার মতে, তোমার এখন নেমে যাওয়া উচিত। ঠিক না, জেরি?
হুম, আমি দুঃখিত।
এটা তেমন ভালো উঠেনি।
- ছবিটা দারুণ কিন্তু। এর মূল্য পরিশোধ করো। -হুহ?
দুই ডলার দাও। ছবিটা তো দারুণ।
না, ভাই। ফ্রাঙ্কলিন, ওকে ছবিটা ফেরত দিয়ে দাও।
- ও ছবিটা বেচতে চেষ্টা করেছে। - মজা করছো নাকি?
না, সত্যি বলছি।
তুমি কী করছো?
হেই, জেরি, গাড়ি থামাও।
হেই, ম্যান। কী হচ্ছে? করছোটা কী এসব?
বেরিয়ে যাও।
ওহ, মাই গড।
ওহ, আমি পুলিশকে ডাকার জন্য অর্ধেক প্রস্তুত হয়ে ছিলাম।
এই শেষবারের মতন, আমি কোন ভবঘুরেকে গাড়িতে উঠালাম।
হেই, ফ্রাঙ্কলিনের রাশিচক্র সম্পর্কে শুনো।
ওহ, স্যালী।
"ঘোরাঘুরি করলে, বড়সড় পরিকল্পনা আঁটলে,
" আর আশেপাশের লোকজনের মেজাজ বিগড়ালে,
"একটা অপ্রীতিকর ও অনিশ্চিত দিন কাটতে পারে।
পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো লোকজনকে খুব একটা আনন্দ দিচ্ছে না।"
- একদম কড়ায়গণ্ডায় মিলে গেলো। - ফ্রাঙ্কলিন, এটা ঠিক হয়ে যাবে।
এখন স্যালীরটা পড়ো। ওর রাশি মকর।
ওহ, না।
শনিগ্রহের ভর রয়েছে মকরের উপর।
" কিছু কিছু সময় আমরা বাস্তবে যা কিছু ঘটছে সেসবকে সত্য বলে বিশ্বাস করতে পারি না।
নিজেকে চিমটি কেটে, তখন সত্যতা যাচাই করে নেওয়া উচিত"।
সবাই বের হও।
দ্রুত, যাতে জলদি বাড়ি ফিরতে পারি।
কেউ একজন আসছে।
কেমন আছেন?
আপনি কি গাড়িতে গ্যাস ভরে দিবেন, প্লিজ?
আমার কাছে কোন গ্যাস নেই।
- আপনার কাছে গ্যাস নেই? - আমার ট্যাংক খালি।
গ্যাস বহনকারী গাড়ি দুপুরের আগে আসবে না।
হতে পারে, কাল সকালের আগে আসবে না।
হেই, আপনি বুড়ো ফ্রাঙ্কলিনের বাড়িটা চিনেন?
- বুড়ো ফ্রাঙ্কলিনের বাড়ি? - জ্বি।
এটা পাহাড়ের উপর অবস্থিত দোতলা পাথরের বাড়ি।
মনে হয়, আপনাকে পেছনে ওই রাস্তা দিয়ে ঘুরে যেতে হবে। যদিওবা ঠিক জানি না।
হুম, মনে হয়, ওইদিকে এমন একটা বাড়ি দেখেছিলাম।
যাকগে, এখন দেখুন, আপনারা নিশ্চয়ই পুরনো কোন বাড়িতে গিয়ে খামাকা ঝামেলায় পড়তে চান না।
ওই ধরণের বাড়িগুলো বিপদজনক। আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আমরা সাবধানে থাকবো।
আপনারা নিশ্চয়ই অন্য লোকের সম্পত্তিতে ঢুকে খামাকা ঘোরাঘুরি করতে চাইবেন না।
কিছু মানুষ এসব পছন্দ করে না। আর তারা তা প্রকাশ করতেও অনীহা করে না।
- ওহ, জায়গাটার মালিক আমার বাবা। - ওটা আপনার বাবার বাড়ি, তাই না?
হুম।
দেখুন, আমার এখানে দারুণ বার্বিকিউ পাওয়া যায়।
কেন না আপনারা এখানে কিছু সময় কাটিয়ে নেন?
গ্যাসের গাড়ি যে কোন মুহূর্তে চলে আসতে পারে।
যাকগে, তুমি কিছু বার্বিকিউ আনতে যাবে নাকি?
এই মেয়েগুলোকে নিয়ে নিশ্চয়ই পুরনো বাড়িতে যাওয়াটা ঠিক হবে না।
তারচেয়ে ভালো, এখানেই থাকুন।
আশেপাশে আর কোন গ্যাস স্টেশন আছে নাকি জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল।
তোমার মনে হয় না, যদি থাকতো, উনি আমাদের বলতেন?
আরে ব্যাটা, জিজ্ঞাসা করতে তো কোন সমস্যা নেই, তাই না?
আচ্ছা, আমি জিজ্ঞাসা করে আসছি।
আমি আগেই জানতাম, ঝামেলা বাঁধবে। আগেই গ্যাস নেওয়ার জন্য থামা উচিত ছিল।
- চাপ দাও। - আমি টেনে নিচে নামাচ্ছি।
- এই যে। - কি মনে হয়, এখানে রুম সার্ভিস আছে?
ফ্রাঙ্কলিন, পাগল একটা, তুমি তো দেখছি ভ্যানের অবস্থার বারোটা বাজাচ্ছো।
উম, হুম, মাত্রই শুরু করেছিলাম।
হেই, মনে হয়, এগুলো ওই ছেলেটার রক্ত।
দেখো। দেখো।
- এটা রক্ত না বলো? - হুম, তাই তো লাগছে।
ওহ, এটা রক্ত, বুঝলে। ছেলেটা নিজেকে বেশ গভীরভাবেই কেটেছিল।
তুমি কি নিজের সাথে এমনটা করতে পারতে?
- আমি উন্মাদ নই। - হুম, হুম।
আসলেই বুকের পাটা লাগে, মানে, নিজের সাথে এমন কিছু একটা করতে। ঈশ্বর!
হেই, আমি কি ওকে রাগানোর মতো কিছু বলেছিলাম?
- যাকগে, কী? - ফ্রাঙ্কলিন, তুমি ওর থেকেও বড় পাগল।
হেই, আমি আমাদের জন্য বার্বিকিউ নিয়ে এসেছি।
- নিউট সবথেকে কাছের গ্যাস স্টেশন। - ওহ।
আমরা কি দাদার বাড়িতে যাচ্ছি না? ওখানে একটা ছোট নদী আছে। তোমরা সাঁতার কাটতে পারবে।
চলো, যাওয়া যাক।
চলে এসো, স্যালী। আমরা দাদার ওখানেই যাচ্ছি।
চলো, যাই!
হেই, ওই ছেলেটা পুরো ভ্যানে রক্ত মাখিয়ে গেছে।
- মনে হচ্ছে, ও কিছু একটা লিখতে চেয়েছিল। - কী করেছে ও?
ও কি ভ্যানে কিছু লিখেছে নাকি?
তোমার ছুরিটা দাও তো।
থ্যাংক ইউ।
ফ্রাঙ্কলিন, ওই স্টেশনে পৌঁছানোর আগে যদি আমাদের গ্যাস শেষ হয়ে যায়, তাহলে
তুমি আমাদের তোমার চেয়ারের পেছনে দড়ি দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাবে।
হেই, তোমাদের কি ধারণা, ওই ছেলেটা শুধু ভয় দেখাতেই,
আমার ছবির ওভাবে পুড়িয়ে ফেলেছিল?
ওহ, আশা করি, ওরা বাড়িটাকে ভেঙে পড়তে দেয়নি।
মনে হচ্ছে, বেলা লুগোসির জন্মস্থানে চলে এসেছি।
- আমার ভয় করছে। - আমি তোমাকে সাহায্য করছি।
- ওই জানালাটা দেখছো? - অদ্ভুত।
হেই, আমার হাতের দিকে খেয়াল রেখো।
- সোজা থাকো। চলো। হেই। - আমি এখান থেকে তোমাকে নিচ্ছি।
আমি ওই ছেলের রক্তের প্রলেপটা দেখতে চাই।
- ওরে। - উদ্ভট। ভাবছি, এটার কী কোন মানে আছে নাকি।
এটা জোরোর চিহ্ন। ও তোমাদের ধরতে আসছে।
- চলে এসো। - তুমি এটা মুছে ফেলছো না কেন?
আমি তোমাকে ভেতর দেখাতে চাই।
- জেরি! - আচ্ছা।
হেই, এক মিনিট। দাঁড়াও, এক মিনিট।
- চলে এসো, কার্ক। - এই নাও, তুমি নিজেই এটা মুছে নিও।
তোমার কি মনে হয়, ওই ছেলে আমাদের পিছু করে এখান পর্যন্ত আসতে পারে?
কীসের জন্য?
আমার ছুরিটা কোথায়? কার্ক?
দেখে মনে হচ্ছে, এটা বাচ্চাদের ছিল।
এটা আমার ঘর। আমি আট বছর থাকতে একবার এখানে ঘুমিয়েছিলাম।
- আমার দাদীমা মারা যাবার পরপর। - কী হয়েছিল?
- আমার দাদীমার কী হয়েছিল? - হুম। উনি মারা গিয়েছিলেন যে।
- এই দেয়ালচিত্রের ব্যাপারে কী বলবে? - এগুলোও ভালো দিন পার করে এসেছে।
ছোটকালে, এই পশুগুলো আমার সাথে কথা বলে থাকতো।
জেব্রাগুলোকে দেখো। আমার জেব্রার প্রতি আলাদা ভালোলাগা কাজ করতো।
স্যালী!
স্যালী!
অনুবাদিকা- সারাহ্ ইকবাল
অনুবাদিকা- সারাহ্ ইকবাল
অনুবাদিকা- সারাহ্ ইকবাল
চলে এসো, ফ্রাঙ্কলিন। ঘোরাঘুরি করে মজা পাবে।
মনে হয় না, আজ আমি আর কোন মজাদার ঘটনা হজম করতে পারবো।
- হেই, ফ্রাঙ্কলিন। - হেই, ফ্রাঙ্কলিন। কী সমস্যা?
তুমি বলেছিলে, আশেপাশে সাঁতার কাটার জায়গা আছে?
হ্যাঁ।
বেশ, আমি ও প্যাম সাঁতার কাটতে যেতে চাই।
ওই দুইটা ছাউনির মধ্যদিয়ে যে সরু রাস্তাটা আছে, ওটা দিয়ে হেঁটেন যাও।
চলো, আমরা খুঁজে নিতে পারবো।
- জেরি আর শেলীও যাচ্ছে নাকি? - না। আমরা ঘন্টাখানেকের মধ্যে ফিরে আসবো।
হুম। আমরা ঘন্টাখানেকের মধ্যে ফিরে আসবো।
স্যালী?
স্যালী!
পৃথিবীতে শূন্য।
ওকে গুলি করে, যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিয়ে দাও।
- শাপ ও মাকড়শা। - চুপ!
আর কাঁকড়া। মানুষখেকো টিকটিকি।
- কার্ক, বাঁচাও। কার্ক! - ওরে, ওরে।
ওহ।
ধুর!
এটাই হওয়ার কথা।
ওহ, তুমি ঠিক আছো?
যাইহোক, ফ্রাঙ্কলিন এখানে কী করে এসেছিল?
কেউ নিশ্চয়ই ও ছোট থাকতে ওকে কোলে করে নিয়ে এসেছিল।
ফ্রাঙ্কলিন কখনোই ছোট ছিল না।
গ্যাসোলিন।
আমার গিটার ও কিছু অর্থকড়ি দিয়ে রেখে গেলেই হবে। এমনিতেও তো, আমরা ফিরে আসবো।
ফিরে এসে, আমার গিটার ফিরিয়ে নিবো ও আরও কিছু অর্থকড়ি দিয়ে যাবো।
ওরা তোমার গিটার চায় না। ওরা আমাদের কাছে গ্যাস বিক্রি করবে না।
চলো তো, ফিরে যাই।
হেই, এদিকে এসো।
এদিকে এসে, দেখে যাও।
- জেনারেটর। - কী?
জেনারেটর! বিদ্যুতের জন্য।
হেই, এইযে, কেউ কি আছেন?
হ্যালো, বাড়িতে কেউ আছেন?
তোমার জন্য একটা জিনিস এনেছি।
চলো!
হ্যালো?
- হেই, প্যাম। দেখে যাও এসে। - কী? না!
হ্যালো?
বাড়িতে কেউ আছেন?
হ্যালো?
হেই, প্যাম।
হ্যালো?
কার্ক?
কার্ক!
কার্ক?
কার্ক।
কার্ক?
কার্ক
ওহ! ওহ, গড।
কার্ক! কার্ক!
ও তোমাকে খুঁজে বের করবে, ফ্রাঙ্কলিন।
- তোমাদের কি মনে হয় না, এটার কোন মানে আছে? - আমরা আছি তো।
- অবশ্যই, এটা আমাকে নিয়ে। - ও তোমাকে মেরে ফেলবে, ফ্রাঙ্কলিন।
- হয়তো, এসবের কোন মানে নেই, হাহ? - তুমি অতিরিক্ত ভাবো।
ও আমাদেরকে খুঁজে তো আর পায়নি। মানে, ও তো আর আমাদের নাম জানে না।
আমি ওকে তোমার নাম বলেছি। তোমার ঠিকানাও দিয়েছি।
এমনকি তোমার জিপ কোডও দিয়েছি। ও তোমাকে খুন করতে যাচ্ছে।
জেরি।
- তুমি কি করছো? - আমার ছুরিটা খুঁজে পাচ্ছি না।
ঐ ছুরি কোন কাজের না। ও ঐ ছুরিটাকেও পছন্দ করে।
শেষবার কখন তোমার হাতে ছিল?
শেষবার আমার না, তোমার হাতে দেখেছি।
আমি তোমাকে দিয়েছিলাম, মনে পড়ে? তুমি ওটার কী করেছো?
জানি না। আমি কি ফিরিয়ে দেইনি তোমাকে?
না। ভ্যান থেকে নামার সময়, আমার কাছে ছিল না।
- তুমি আমাকে ফিরিয়েই দাওনি। - ঠিক আছে, আমি খুঁজছি।
অন্ধকার হয়ে আসার আগে, নদীর আশপাশ থেকে একটু ঘুরে আসি। পথটা কোনদিকে?
ওই দুইটা ছাউনির মধ্যদিয়ে যে সরু রাস্তাটা আছে, ওটা দিয়ে হেঁটে যাও।
- আমিও আসি? - তোমার এখানে থাকাটাই ভালো।
ঠিক আছে।
খুঁজে পাচ্ছি না।
তুমি কি আমার উপর রাগ?
না, তোমার উপর রাগ না।
তুমি আসলেই রাগ, তাই না?
ওহ, আমি তোমার দোষ দিবো না।
আমি...
কার্ক!
তুমি আসলেই চাওনি, আমি আসি, তাই না?
ওহ, ফ্রাঙ্কলিন, আমি আসলে ক্লান্ত।
অনেক ধকল গিয়েছে।
স্যালী, তুমি কি বিশ্বাস করেছিলে,
প্যাম যেসব কথা শনিগ্রহ ও পশ্চাৎ দিকে গমন নিয়ে বলেছিল?
জানি না। সবকিছুর কোন না কোন মানে থাকেই।
হুম।
ওই ছেলেটা তো আমাদের পিছু নিয়ে এখান পর্যন্ত আসবে না, কী বলো?
যাকগে, মানে, ওর পিছু নেওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই।
ও হয়তো ভয়ে আছে, কার্ক ওকে মেরে ফেলবে।
স্যালী?
আবার কী?
থাক।
বাদ দাও।
কার্ক!
হ্যালো?
বাড়িতে কেউ আছেন?
এক্সকিউজ মি, আমি আমার বন্ধুদের খুঁজছিলাম।
হ্যালো?
কেউ কি আছেন?
ধুর।
কার্ক?
তোমরা কি ভেতরে আছো?
দেখো, লুকোচুরি খেলা বন্ধ করো। আমাকে আর উল্লু বানিয়ো না।
প্যাম, এটা কি তুমি?
আচ্ছা, অনেক হয়েছে।
বেরিয়ে এসো। বেরিয়ে এসো, বলছি।
কার্ক?
ওরা নিশ্চয়ই হারিয়ে গেছে। ওদের কাছে ফ্ল্যাশলাইট বা কিছুই নেই।
যদি ওরা মিনিটখানেকের মধ্যে ফিরে না আসে, আমরা ওদেরকে খুঁজতে যাবো।
যদি আমরাও হারিয়ে যাই তাহলে?
স্যালি, আমাদের ওই গ্যাস স্টেশনে গিয়ে, লোকজন নিয়ে আসা দরকার।
আমি জেরিকে ছাড়া এখান থেকে একচুলও নড়বো না।
জেরি!
জেরি!
জেরি!
জেরি!
- জেরি! - জেরি!
হেই!
ওরা অল্পসময়ের মধ্যেই হয়তো ফিরে আসবে।
স্যালী, আমাদের গ্যাস স্টেশনে যাওয়া উচিত।
স্যালী?
আমার মতে, আমাদের যাওয়া উচিত।
ভ্যানের ভেতর কি চাবিটা আছে?
- আমাকে একটু ফ্ল্যাশলাইটটা দেওয়া যাবে? - কীসের জন্য?
আমাকে ফ্ল্যাশলাইটটা দাও। আমি ওদেরকে খুঁজতে যাচ্ছি। তোমার আসার দরকার নেই।
স্যালী, যেও না। মনে হয় না, এটা খুব একটা ভালো বুদ্ধি।
মনে হয় না, তোমার যাওয়া উচিত। আমি আরও একবার হর্ণ বাজাতে যাচ্ছি।
- আমাকে ফ্ল্যাশলাইটা দিয়ে দাও। - না।
এখন, আমি হর্ণ বাজাবো আর আমরা আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবো।
তারপরও, ওরা না আসলে, আমরা যাবো।
ঠিক আছে?
স্যালী, ওরা চাবি নিয়ে গেছে। আমাদের কাছে চাবি নেই।
ওরা চাবি নিয়ে গেছে।
থামো! থামো! থামো! ফ্রাঙ্কলিন!
- জেরি ওর সাথে চাবি নিয়ে গেছে। - আমাকে ফ্ল্যাশলাইটটা দাও!
না, স্যালী, আমরা যেতে পারি না! দেখো, কী হবে, যদি ওরা ফিরে এসে আমাদের না পায়?
- আমাকে ফ্ল্যাশলাইটা দাও! - না, আমার ফ্ল্যাশলাইটটা লাগবে।
- আমি ওদেরকে খুঁজতে যাবো। - আচ্ছা, আচ্ছা। আমিও তোমার সাথে যাবো।
না, স্যালী। আমিও তোমার সাথে যাচ্ছি। কিন্তু, আমার কাছেই ফ্ল্যাশলাইট থাকবে।
- আমাকে ফ্ল্যাশলাইটটা দাও। - দেখো, আমিও তোমার সাথে আসবো।
আমি তোমাকে পাহাড়ি রাস্তায় ঠেলতে পারবো না।
স্যালী, দেখো, জানি। ওহ!
- আমি তোমার সাথে আসছি, তবে এটা আমার - বাদ দাও, আমি এটা ছাড়াই যাচ্ছি।
আচ্ছা, আচ্ছা। স্যালী, দাঁড়াও! স্যালী, দাঁড়াও! আমিও আসছি।
স্যালী? এক মিনিট দাঁড়াও।
ঠিক আছে, চলো।
চলো। আমিও আসছি
স্যালী, আমি তোমার সাথে তাল মেলাতে পারছি না।
স্যালী?
স্যালী, দাঁড়াও।
দাঁড়াও।
জেরি!
জেরি!
জেরি!
জেরি!
দাঁড়াও।
- মনে হলো, কিছু একটা শুনেছি। - আলো দেখতে পাচ্ছি।
- তাই? - হ্যাঁ।
ওহ, মনে হচ্ছে, কোন বাড়ি।
যাকগে, ঠেলো। ঠেলো।
ঠেলতে থাকো।
- এটা একটা বাড়ি। - তাই? আমি ভালো মতো দেখতে পাচ্ছি না।
ওহ, ফ্রাঙ্কলিন।
কী হলো ,স্যালী।
এসো, ধাক্কা দাও।
এটা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
আমি কিছু একটা আওয়াজ শুনেছি।
দেখো।
- হেই, জেরি! - জেরি!
জেরি!
স্যালী, আমি কিছু একটা শুনেছি। থামো।
কেউ একজন, প্লিজ।
বাঁচাও!
বাঁচাও আমাকে, প্লিজ!
কেউ বাঁচাও আমাকে!
বাঁচাও!
প্লিজ! প্লিজ! প্লিজ, বাঁচাও আমাকে।
প্লিজ!
বাঁচাও! বাঁচাও আমাকে!
বাঁচাও!
বাঁচাও! বাঁচাও!
বাঁচাও!
বাঁচাও! বাঁচাও! আমাকে!
বাঁচাও আমাকে! ঈশ্বর! বাঁচাও! বাঁচাও!
দরজা বন্ধ করুন। বাঁচান আমাকে।
ওরে, কী হলো, ওরে, ওরে।
- এদিকে এসো। - কেউ আমাকে মারার চেষ্টা করেছে।
বাঁচান, বাঁচান...
শান্ত হও। তুমি ঠিক আছো। কিচ্ছু হয়নি।
- ওহ,এখন, শান্ত হও। - পুলিশকে ডাকুন।
- ও এখানে আসতে পারে। - এখন বলো, কী ঘটেছিল?
- ও..ও...ও মেরে ফেলেছে... - আরে, আরে, শান্ত হও।
ও ফ্রাঙ্কলিনকে মেরে ফেলেছে, বোধহয়। পুলিশকে ডাকুন।
- এতো ঘাবড়ানোর কিচ্ছু নেই। - আর জেরিকেও।
আমি..আমি জানি না, বাকিদের সাথে কী ঘটেছে।
এখন বাইরে কেউ নেই।
শান্ত হও, শান্ত হও।
- ওহ, প্লিজ। - কী হয়েছে?
প্লিজ। পুলিশকে কল দিন।
এখানে কোন ফোন নেই।
আমাদের... চাইল্ড্রেস পর্যন্ত গাড়ি চালিয়ে যেতে হবে।
হুম, হুম। এখন তো শান্ত হয়ে বসো।
তুমি শান্ত হয়ে বসো। আমি ট্রাক নিয়ে আসছি।
- ঘাবড়াবে না। কিচ্ছু হবে না। - যাবেন না।
শান্ত হও তো।
আগামীকাল আবহাওয়া উষ্ণ অথবা খানিকটা মেঘাচ্ছন্ন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে,
তবে বৃষ্টিপাতের কোন সম্ভাবনা নেই।
কালকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৯০ ও রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে।
বর্তমান তাপমাত্রা ৯৬, আর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ঘন্টায় তিন মাইল বেগে বাতাস বইছে।
আর্দ্রতা ৯৮, ব্যারোমিটার ২৯.৯ দেখাচ্ছে ও ক্রমশ বাড়ছে।
মুয়ের্তো কাউন্টি পুলিশ,
আজ সকাল থেকে মুয়ের্তো কাউন্টি কবরস্থানে তদন্তকাজ শুরু করেছে।
যেখানে নাকি কবরস্থানে অবৈধভাবে প্রবেশের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ডেপুটিদের রিপোর্ট অনুযায়ী, কমপক্ষে ডজন খানেক খালি কবর পাওয়া গেছে।
শেরিফের মতে,
কিছু লাশের মাথা ও পা কেটে ফেলা হয়েছে,
আর কয়েকটির হাত-পা কেটে ফেলা হয়েছে।
ম্যাল্ডোনাডোর কাছে তথ্য আছে যে, এই ডাকাতির পেছনে,
পশ্চিমের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার কুখ্যাত ও বড়সড় অলংকার চোর চক্রের হাত আছে।
কিন্তু এভাবে লাশকে বিকলাঙ্গ করার পেছনে কী কারণ থাকতে পারে তিনি সেটা বলেননি।
- কী করছেন আপনি? - তোমার ঘাবড়ানোর কিছু নেই।
না!
তুমি আমাকে সহযোগিতা করলে, ইয়ং লেডি, আমাদের মধ্যে কোন ঝামেলা বাঁধবে না।
- এখন, শুনো.... - আপনি কী চান?
শুনো, এসবের কোন দরকার নেই। কেউ তোমাকে কিচ্ছু করবে না।
না!
না! না! না!
দরজায় তালা দিতে ও বাতি নিভিয়ে আসতে হলো।
বৈদ্যুতিক খরচ যে কোন লোকের ব্যবসার বারোটা বাজানোর জন্য যথেষ্ট।
আশা করি, তোমার নিচে বসে থাকতে খুব এক
তোমার চিন্তার কিছু নেই। তুমি শুধু শান্ত হয়ে বসো, আমরা শীঘ্রই পৌঁছে যাবো।
শুনো, শুনো, শুনো, শুনো।
এসব করার কোন মানে নেই।
কিছুক্ষণের মধ্যেই, সব ঝামেলা চুকে যাবে।
দাঁড়াও।
হাদারাম।
বদের হাড্ডি।
এদিয়ে আয় বলছি, আহাম্মক!
- কোথায় ছিলি তুই? - আমি রাস্তায় ঘোরাঘুরি করছিলাম।
গাধা, তুই তো ডিউকদের ওখানে আজ ধরাই পড়ে গিয়েছিলি।
না, না, ওরা আমাকে দেখেনি। ওরা কিছুই জানে না।
আমি তোকে কবরস্থান থেকে দূরে থাকতে বলেছিলাম!
আমি তোকে বলেছি, আমি তোকে বলেছি,
তোকে বলেছিলাম, নিজের ভাইকে কখনোই একা ছেড়ে যেতে না, আর তুই...
গাড়ি থেকে মেয়েটাকে বের করে আন। কী হলো, যা, মেয়েটাকে বের করে আন।
বের করে আন ওকে।
আশা করি, তোর ভাই ওই ছেলেমেয়েগুলোর কাউকে ভেগে যেতে দেয়নি।
ওকে ঘরে নিয়ে চল। পরে পুরো কাউন্টি এখানে এসে ভীড় জমাবে।
তোর কি আত্মসম্মান বলে কিছু নেই?
দেখ তোর ভাই, দরজার অবস্থা কী করেছে!
ওর কি বাড়ির প্রতি কোন মায়াদয়া নেই?
ওকে ওখানে নিয়ে যা।
তুই বোকার মতন কাজ করেছিস!
তোর বাকি ছেলেমেয়েগুলোকে ধরা উচিত ছিল!
ওরা কোথায়?
তুই আস্ত একটা বোকারাম।
ওহ!
আমি তো ভাবলাম, তোমাদের তাড়া ছিল।
ছেলেমেয়েগুলো কোথায়? কোথায়? দেখা আমাকে!
- ওদের কেউ পালাতে পারেনি? - উহু-উহু।
- পাক্কা? - হুম।
তুই...
বোকারাম! তুই দরজা নষ্ট করে ফেলেছিস!
হেই, দারুণ করেছো। মেয়েটা ভালো কিন্তু।
এই যে, উজবুক, উপরে গিয়ে, তোর দাদাকে নিয়ে আয়।
শুনো, ইয়ং লেডি, তুমি এতো উত্তেজিত হইয়ো না।
দেখো, তোমার জন্য জলদিই কিছু খাবারের ব্যবস্থা করছি, কেমন?
ওখানে ফিরে যা!
ফিরে যা বলছি!
তুমি খামাকা ঘাবড়িয়ো না।
শান্ত থাকো।
এক্ষুনি তোমার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হবে।
হেই।
হেই, মুখোশধারী।
দাদাকে নামাতে আমাকে সাহায্য করো।
সাবধানে।
দেখো, দাদাভাই। দেখো, দেখো।
এই যে! এই যে!
থামো!
চুপ!
তোমরা একদল শিকারি কুকুরের মতো আচরণ করছো।
আমরা তো মজা করছিলাম।
তোমাদের কি এটাকে পার্টি মনে হচ্ছে?
প্লিজ।
আপনি চাইলে ওদেরকে থামাতে পারেন।
না, উনি পারে না।
মুখ বন্ধ কর!
তোমাকে সাহায্য করতে পারছি না, ইয়ং লেডি।
- প্লিজ, আপনি ওদেরকে আমাকে মারতে দিতে পারেন না। - চুপ করো।
ওর কথায় পাত্তা দিবে না।
এই চেহারাটা খুব পছন্দ?
পাগল! আপনার ওদেরকে থামানো দরকার!
প্লিজ!
উনি কিছুই না! উনার কাজ শুধু রান্না করা!
চুপ থাক, হারামখোর।
আমি ও মুখোশধারীই সব কাজ করি। উনার এসব পছন্দ না।
কি ঠিক বলছি না? তুমি তো শুধু রান্নাই করো।
মুখ বন্ধ রাখতে বলেছি!
তোরা কিছুই জানিস না!
আমি জানি, তুমি কিছুই করো না। আমি আর ও মিলেই সবকিছু করি।
আমার খুন করতে আসলে আগ্রহ নেই।
যাকগে, সবসময় নিজেদের ভালো লাগার কাজই যে করতে হবে, এমন কোন কথা নেই।
ওহ, প্লিজ। প্লিজ।
আপনারা কী চান?
আমি সব... সবকিছু করতে রাজি আছি।
এই বেচারি আর কষ্ট দেওয়ার দরকার নেই।
তুমি চুপ থাকো! মনে রেখো, তুমি শুধুই রাঁধুনি। আমি আর ও মিলে ব্যাপারটা সামলাবো।
তাহলে, সামলা। আমি এসবে নেই।
আমাদের কোন তাড়া নেই। কারণ তুমি কোথায় ভেগে যাচ্ছো না।
না।
শুনছো তুমি? এটাতে ব্যাথা পেতে পারো, তবে খুব বেশি না।
অপেক্ষা করার কোন মানে নেই।
আমাকে রুমটা খুলতে হবে।
ভাবছিলাম... দাদাভাইকে এবার সুযোগটা দিলে কেমন হয়।
তুমি সবসময়ই বলো, উনি সেরা।
উনি যে সেরা, তাতে কোন সন্দেহ নেই।
উনাকে একবার আঘাত করতে দাও। হেই, দাদাভাই, তোমাকে এবার একটু সুযোগ দিতে চাই।
উনাকে একটা আঘাত করতে দেই চলো।
এখন, তুমি চুপ করো। ব্যাথা পাবে না একটুও।
কেন না, বুড়ো দাদু সর্বকালের সেরা খুনি।
কেন না, উনি এক আঘাতেই কাজ সেরে ফেলতে পারতেন।
কেন না, একবার উনি পাঁচ মিনিটের ভেতর ৬০ জন লোককে মেরেছিলেন।
উনি আরও বেশি করতে পারতেন যদি নাকি,
গরুগুলোকে পথ থেকে দ্রুত সরানো যেতো।
শুনো, এখন, কেঁদেকেটে লাভ নেই।
বুডো দাদু সেরা। একটুও ব্যাথা পাবে না।
না! না!
না! না!
না! ওহ! প্লিজ না!
প্লিজ! প্লিজ! প্লিজ, না!
না, না, না!
না!
ওকে মারো, দাদাভাই!
মারো ওকে, দাদাভাই!
ওকে মারো, দাদাভাই!
ওকে মারো!
কুত্তীটাকে মারো!
মারো ওকে!
কী হলো!
মারো, দাদাভাই। কুত্তীটাকে মারো।
সাবধানে। মারো, দাদাভাই।
ওকে মারো দাদাভাই, মারো ওকে।
শুরু করো, শুরু করো, মারো ওকে।
মারো।
- আমার হাতুড়িটা দাও। আমি ওকে সামলাচ্ছি। - মারো ওকে, দাদাভাই। মারো।
- আমাকে হাতুড়িটা দাও। - মারো ওকে, মারো ওকে, দাদাভাই।
- আমি ওকে মারবো। - কুত্তীটাকে মেরে ফেল।
বাঁচাও!
বাঁচাও!
যাও!
যাও।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.