Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
আমার মনে হয়...
...পুলিশের কাছে গেলেই ভাল হত।
বা* হত!
পুলিশ এমনিই আমায় সন্দেহ করছে।
গ্রামের বাড়িতেও গেছে।
এখন গেলে জেলে ভরবে।
ভরলে তোকে ভরবে।
আমার কী?
আমি কিছু করেছি?
খা**র ছেলে!
-পুলিশ-- -আরে চুপ থাক না!
স্যার।
দুটোকেই পাওয়া গেছে।
দুটোকে মানে?
আমি কী করেছি?
আমি কিছু করিনি।
বল!
বল!
বল, শুয়োরের ব**!
মুখ খোল!
বলবি না?
বলবি না?
বলবি না শালা?
বল! বল!
বলবি?
বলবি?
বলবি?
বলবি না?
বল। বলবি না?
বলবি না তোরা?
শুয়োরের ব**, বল!
বল, কু**র বাচ্চা!
মুখ খোল!
-স্যার! -কী?
স্যার, মরে যাবে তো।
নেহার মা ওকে টাকা দিত না।
ওর ব্যাঙ্ক একাউন্টও বন্ধ ছিল।
আমার কাছেও কোনও টাকা ছিল না।
কিন্তু...
আমাদের খুব নেশার বাই উঠত।
পরে...
নেহা ওর চাচা, বশীরের কাছে যায়।
যাওয়ার পর...
উনি আমাদের দিয়ে একটা ভিডিও শুট করান।
টাকার জন্য কাজটা করেছি, স্যার।
নইলে করতাম না।
তাই তুমি আর অর্ণব, দুই বন্ধুতে
বশীরের জঙ্গলের বাড়িতে গেলে ওকে খুন করতে।
কারণ বশীর নেহাকে খুন করেছে।
বশীরের মোটিভ কী?
একটা ভিডিও করার পর থেকে...
ও বারবার নেহাকে বিরক্ত করত।
খালি ডাকত আবার ভিডিও করতে।
খুব বিরক্ত করেছে।
আর বশীর নেহাকে খুন না করলে
পুলিশের কথা শুনে পালাল কেন এখান থেকে?
অর্ণব।
ও তোমায় সাহায্য করেছে কেন?
অর্ণবও নেহাকে পছন্দ করত।
আমি ওকে বলি বশীর নেহাকে খুন করেছে।
পরে ও আমার সঙ্গে বশীরের কাছে যায়।
তাছাড়া ওর কোনও দোষ নেই।
গাধা নাকি তোমরা?
মাথায় এতটুকু বুদ্ধি নেই?
সময় মতো পুলিশের কাছে আসতে।
বশীরকে জীবিত ধরতে পারতাম আমরা।
জল খাও।
(প্রার্থনা করছে)
এশা!
সোনিয়া কি নেহার ছোটবেলার ছবি পেয়েছেন?
না, স্যার। এখনও পাননি।
আর জীবনে কোনওদিন পাবেন বলে মনে হয় না।
মানে?
আপনি কি আবার কোনও স্বপ্ন দেখেছেন?
দেখেছি। কিন্তু...
তার সঙ্গে এই কেসের কোনও মিল নেই।
কী স্বপ্ন, স্যার?
আচ্ছা...
আমরা কি ব্রিজের উপর উঠে গেছি?
হ্যাঁ, স্যার।
আমাকে একটু রেলিংয়ের পাশে দাঁড় করাও।
এই যে। এদিকে।
এই ব্রিজটা আমার খুব প্রিয়।
মনে হয় যেন পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে আছি।
আচ্ছা, এশা।
হ্যাঁ, স্যার?
ডাক্তারিতে কত ধরনের পোলিওর বর্ণনা আছে?
তুমি কি জানো
প্যারালিটিক পোলিও হচ্ছে সবচেয়ে মারাত্মক?
না, স্যার।
নেহা কী ধরনের নাচ করত যেন?
ক্লাসিকাল।
-ক্লাসিকাল? -হ্যাঁ।
ছোটবেলায় কারুর প্যারালিটিক পোলিও হলে তার পক্ষে তো ক্লাসিকাল নাচা সম্ভব না।
পুরস্কার পাওয়া তো দূরের কথা।
বুঝলাম না, স্যার।
তোমাকে একটা কথা বলেছিলাম।
ভুলে গেছ বোধহয়।
বিশ্বাস আর সুযোগ।
মনে আছে?
হ্যাঁ, স্যার।
আমার বিশ্বাস ছিল সোনিয়া মিথ্যে কথা বলবে।
তাই প্রকৃতি সেটা প্রমাণ করতে আমাদের একটা সুযোগ করে দিল।
সোনিয়া ভাবল কেস বন্ধ হয়ে গেছে।
সে নিশ্চিন্ত হয়ে পড়ল।
তারপর ভুল বলা শুরু করল।
সে প্যারালিটিক পোলিওর কথা না বলে
অন্য কোনও পোলিওর কথা বললে তাকে আর সন্দেহ করতে পারতাম না।
কিন্তু সোনিয়া কেন মিথ্যে কথা বলবেন?
আইজি স্যারের ভিডিও বানানোর কথা...
হুম।
-তোমায় সোনিয়াকে বলতে বলেছিলাম। -হুম।
এই মিথ্যেটা বলার পেছনে একটা কারণ ছিল।
সোনিয়া যাতে তোমাকে নেহার ছোটবেলার ছবিগুলো দেয়।
কিন্তু সে পাঁচ বছরের নীচের কোনও ছবি তোমাকে দেখাতে পারেনি।
এখানে পাঁচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আমি স্বপ্নে যে দুটো বাচ্চাকে দেখেছি
তাদের দুজনের বয়সই পাঁচ।
একজন একটা মেয়ে।
অন্যজন আমি।
তুমি এক কাজ করো।
-মৈমনসিংহ যাও। -হুম।
ওখানে গিয়ে সবকটা রিহ্যাব সেন্টারে খোঁজ নাও
দু হাজার আট সালে স্নিগ্ধা নামে কত রোগী সেখানে ভর্তি ছিল।
বুঝেছ?
স্যার।
মৈমনসিংহে সব মিলিয়ে চারটে নিরাময় কেন্দ্র আছে।
একটায় ২০০৮ এ স্নিগ্ধা আলম নামে একজনের কথা জানা গেছে।
উনি নাকি ২০০৫ এ এখানে ভর্তি হন।
তারপর ২০১০ এর দিকে তিনি মারা যান।
স্নিগ্ধার যে ঠিকানা আপনারা দিয়েছিলেন
সেখানে গিয়ে তো কিছুই পাওয়া যায়নি।
কোনও বাড়িঘর নেই। ধুধু মাঠ।
যে ফোন নম্বর দিয়েছেন সেটাও এখন আর ব্যবহার হচ্ছে না।
ষোলো বছর কি কম কথা, আপা?
হয়ত সেখানে বাড়ি ছিল। এখন আর নেই।
আসলে এখানে যারা চিকিৎসা নিতে আসে তারা কেউই আসল ঠিকানা দেয় না।
ফোন নম্বরও আসল দেয় না।
যাতে তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে না পারি।
তাদের বোঝা আমাদের কাঁধে চাপিয়ে পালিয়ে যায়।
ম্যাডাম।
আমায় একটু সুযোগ দিলে আমি কয়টা কথা বলতাম।
উনি আমার বড় বোন লাগতেন।
সৎ বোন।
কিন্তু কোনওদিন বুঝিনি।
আপন বোনের মতোই পিরিত ছিল।
আমি তিরিশ বছর বিদেশে থাকি।
কোরিয়ায়।
তাই জানতেও পারিনি বোনটা কবে মরে গেছে।
কেউ খবরও দেয়নি।
দেশে এসে শুধু জানতে পারলাম বোনটা আর নেই।
আর আমার নাকি একটা ভাগ্নিও ছিল।
কিন্তু সে মেয়ে কোথায় আছে, কেমন আছে, তাও জানি না।
আপনি একটু সাহায্য করলে খুব উপকার হয়।
হ্যাঁ, খুব উপকার হয়।
আমি তো এখানে আছি ২০১৪ থেকে।
তার আগেই মনে হয় উনি মরে গেছেন।
আর ওই মেয়ের কথা বললেন না?
তাড় ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না।
একটা মেয়ে ছিল।
মাঝেমধ্যে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসত।
আমাদের এখানকার তো অ্যালবাম আছে।
তাতে স্নিগ্ধা আর ওর মায়ের ছবি থাকলে থাকতেও পারে।
আপনি ওঁদের দেখান।
পেলেন কিছু?
ভাই, আপনার বাড়ি কোথায়?
আমার বাড়ি পাবনা, সুজানগর।
হ্যাঁ!
আপনার কথা শুনেই বুঝেছি আপনি আমার এলাকার মানুষ।
আমার বাড়ি তো সাতবাড়িয়া।
বিয়ে হয়েছে নাটোরে।
আমি অবশ্য আপনার কথা শুনে বুঝিনি।
নাটোরে বিয়ে হয়ে মনে করুন, কথা ঢং বদলেছে, না, আপা?
আচ্ছা, ভাই...
আপনি কানা হলেন কীভাবে?
কপাল, কপাল।
স্যার, আপনিই ঠিক ছিলেন।
সোনিয়া নেহার আসল মা না।
আমি আমার দুঃস্বপ্নের কথা কী বলেছিলাম?
সেখানে আমি দেখেছি, আমার মা আমাকে কুকুর দিয়ে খাওয়াচ্ছে।
এর অর্থ হল...
একজন মা তার সন্তানকে হত্যা করেছে।
এবার তুমি এক কাজ করো।
সোনিয়াকে গ্রেপ্তার করো।
তাহলে দেখবে সমস্ত ঘটনা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসবে।
পরিষ্কার?
সুজানগর?
সুজানগর।
টাকার জন্য আমি...
আমার চেয়ে ৩০ বছরের বড়, রশিদ আখতারকে বিয়ে করি।
বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি...
আরামদায়ক জীবন...
এসবের প্রতি আমার খুব আকর্ষণ ছিল।
আমাদের দুকনের সম্পর্কে...
কোনও ভালবাসা ছিল না।
ছিল শুধু অপেক্ষা।
রশিদের মৃত্যুর অপেক্ষা।
আমি ইচ্ছে করে গর্ভবতী হই।
কারণ আমি একটা কথা জানতাম।
তার সমস্ত সম্পত্তি...
তার সন্তানের মাধ্যমে আমি পেতে পারি।
কিন্তু নেহা ভয়ানক অসুস্থ হয়ে জন্মায়।
ওর জন্মে ভালবাসার ভূমিকা ছিল না।
তাই প্রথম থেকেই ওর প্রতি ছিল আমার বিতৃষ্ণা।
ওর জন্মের পর সেটা আরও বেড়ে যায়।
জরাজীর্ণ ওই বাচ্চাটাকে আমার সারাক্ষণ মেরে ফেলতে ইচ্ছে করত।
রশিদ বোধহয় সেটা টের পেয়েছিল।
তাই সে মেয়ের নিরাপত্তার জন্য সমস্ত সম্পত্তি ওর নামে উইল করল।
কিন্তু ওর ২১ হওয়ার আগে পর্যন্ত সব সম্পত্তি বাবা-মা দেখাশুনো করবে।
আর ২১ হয়ে গেলেই সব সম্পত্তির মালিক হবে নেহা।
এর মাঝে ও মারা গেলে...
সব সম্পত্তি অনাথ আশ্রমের ট্রাস্টে চলে যাবে।
যে আশা নিয়ে আমি রশিদকে বিয়ে করলাম, সেটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।
নেহা যত বড় হচ্ছিল...
তত তার অসুস্থতা বাড়ছিল।
আমার সমস্ত আশা শেষ হয়ে যাচ্ছিল।
ঠিক এমন সময়...
...একটা সুযোগ এলো আমার হাতে।
রশিদের মৃত্যু।
মারা গেল রশিদ।
সবকিছু আমার দিকে চলে এলো।
আমি যা খুশি করতে পারব।
নেহা এত অসুস্থ ছিল...
আমি আর ঝুঁকি নিতে চাইনি।
কারণ ও মরে গেলে আমি আর ওই সম্পত্তি পেতাম না।
তাই...
আমি নিজে হাতে আমার পাঁচ বছরের মেয়ে, নেহাকে মেরে ফেলি।
বাড়ির পেছনে বাগানে ওর ছোট্ট বডিটাকে লুকিয়ে ফেলতে
আমার খুব একটা কষ্ট হয়নি।
তারপর আমি আমার শহর মৈমনসিংহে যাই।
গোপনে ওর বয়সী একটা বাচ্চা দত্তক নিই।
বাচ্চাটার বাবা-মা ছিল মাদকাসক্ত।
খুব অল্প টাকার বিনিময়ে বাচ্চাটাকে বিক্রি করে দেয়।
আমি মেয়েটাকে নিয়ে ইউএসএ চলে যাই।
সেখানে বসে আমার সম্পত্তি আর ব্যবসা দেখাশুনো করতাম।
মাঝেমধ্যে দেশে ফিরতাম।
কিন্তু নেহাকে আনতাম না।
তারপর নিশ্চিত হলাম, ওর ছোটবেলার চেহারা কারুর মনে নেই।
তখন নেহাকে নিয়ে দেশে এলাম।
নকল নেহার বয়স ২১ হলে
তার কাছ থেকে সম্পত্তি বুঝে নেওয়ার প্ল্যান ছিল আমার।
কিন্তু সে আমায় ধোঁকা দিল।
আমাকে সম্পত্তি দিতে অস্বীকার করে।
সে ভেবেছিল ওই সম্পত্তি দিয়ে বাকি জীবন নেশা করে কাটাবে।
আমার আসল চেহারা ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেয় সে।
আমি তাকে ৫০ লক্ষ টাকা দিতে চাই।
কিন্তু সে রাজি হয় না।
তার পুরো টাকাই চাই।
আমি তাকে কোণঠাসা করতে তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিই।
কিন্তু তাতে কী লাভ?
একুশ হলে এমনিতেই সবকিছু তার হয়ে যাবে।
আমি বশীরের সাহায্য নিই।
ও আমাকে পছন্দ করত।
তার মাধ্যমে আমি নেহাকে দিয়ে পর্ন ভিডিওতে অভিনয় করাই।
ভিডিওগুলো কখন ফাঁস হয়ে যায়...
সবসময় তো আটকে রাখতে পারব না আমি।
আমি ওই দিয়ে নেহাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু সে নিজের মানসম্মান নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত ছিল না।
তার দরকার ছিল শুধু টাকা আর টাকা।
সে আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দিল।
কে এসেছিল?
বশীর আঙ্কেল।
তুমি এখানে কেন এসেছ?
আমি ভেবে দেখলাম তুমিই ঠিক।
তোমার টাকা আমার তোমাকে বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।
তোমার জন্য আমার একটা অফার আছে।
আশা করি তোমার ভাল লাগবে।
খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে তোমাকে।
কফি খাবে?
ঠিক যেভাবে ছোট্ট নেহাকে হত্যা করেছিলাম...
সেভাবে আমি নেহাকে হত্যা করলাম।
আমি আমার সব কাজে বশীরকে ব্যবহার করি।
শেষবারের জন্য আবারও ওকে ব্যবহার করলাম।
বাড়ি থেকে সব আঙুলের ছাপ মুছে ফেললাম।
বশীরেরগুলো ছাড়া।
বশীর ধূর্ত ছিল।
পুলিশ আসার কথা শুনে পালিয়ে গেল।
সবটাই আমার কথায় বিশ্বাস করে
ভুল করল।
নিজের ঠিকানা আমাকে বলে দিল।
অবশেষে তুমি এলে?
বশীরের হাঁফানির সমস্যা আমাকে সাহায্য করল।
আমার একটা কথা মনে হল।
বশীর এই কেসের মূল সন্দেহভাজন।
তাই ও মরে গেলে কেস দুর্বল হয়ে যাবে।
কিন্তু আমি ভুল ছিলাম।
ঠিক।
অপরাধীরা সবসময় ভুল করে।
স্যার, সোনিয়া সন্দেহ এড়াতে
সমস্ত সম্পত্তি ট্রাস্টকে দান করার নাটক করেছে।
এই ট্রাস্ট তার নিজেরই।
এবং সে আড়ালে থেকে একে পরিচালনা করে।
সোনিয়াকে গ্রেপ্তার করার কথা আমরা কখনওই ভাবতাম না।
কিন্ত্রু সেটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র এশার কারণে।
এই কেস থেকে ওকে সরিয়ে দেওয়ার পরও সে তদন্ত চালিয়ে যায়।
অত্যন্ত সাহসী কাজ।
আগামী পরশু তদন্ত কমিশন রুমির সাক্ষ্য নেবে।
আমি চাই তুমি ওর সঙ্গে কথা বলে ওকে বোঝাও।
নিজেদের ভুল বোঝাবুঝিটা দূর করে ফেলো।
রুমি খারাপ কিছু বললে...
তুমি বিপদে পড়বে।
সেটা বোঝো আশা করি।
আমাকে নিয়ে চিন্তা করবেন না, স্যার।
আপনি কাজ সেরে আসুন, ড্রাইভার সাহেব।
আমাদের একটু সময় লাগবে।
স্যার, নীলা আন্টি দেশে ফিরেছেন কবে?
উনি গতকালই ফিরেছেন।
ওঁর ছেলে আমাকে কাল রাতে ফোন করে জানিয়েছে।
একটু সাবধানে। এখানে একটা আইল্যান্ড আছে।
স্যার, একটু...
স্যার, একটু।
কী হয়েছে?
কী হয়েছে?
নীলা আন্টি মারা গেছেন।
ওনার ছেলে, , ছেলের বৌ বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন।
এসে দেখেন মেঝেতে পড়ে আছেন।
তাঁদের কান্নার শব্দ শুনে আমরা পাশের ফ্ল্যাট থেকে এসেছি।
-এশা। -এসে দেখি এই অবস্থা।
এশা।
মানুষটা খুব ভাল ছিল।
স্যার আপনি ঠিক আছেন?
চলো।
চলুন।
আমার শরীরটা ভাল লাগছে না।
তুমি আমায় একটা গাড়ির ব্যবস্থা করে দাও।
আমি আপনাকে পৌঁছে দিচ্ছি চলুন।
তুমি এখানে থাকো।
সবটা জানো।
যাও।
বাড়ির ভেতর ঢুকে পড়ো এক্ষুনি।
এবার শেষ করে দিও।
প্লিজ।
সিকিউরিটি।
সিকিউরিটি।
এই, সিকিউরিটি।
সিকিউরিটি।
দরজা খোলা কেন?
সোভান।
এই, সোভান।
সোভান।
সোভান!
সোভান।
এই, সোভান।
সোভান।
কীরে?
কতক্ষণ ধরে তোকে ডাকছি।
কানে শুনিস না? কোথায় ছিলি তুই?
কথা বলছিস না কেন?
কীরে?
এই।
চুপ।
সোভান কে বে?
আমি বিদেশী অতিথি।
তোর যমজ ভাই।
একই মায়ের পেটে আমাদের জন্ম।
আমাদের বাপও সেম সেম।
তোরা যেটাকে পুটকি বলিস...
আমরা সেটাকে বলি পোঁ*।
বুঝেছিস?
কে আপনি?
কী উল্টোপাল্টা বলছেন?
আমার বাড়িতে ঢুকলেন কীভাবে?
এই!
বোকা*দা নাকি রে?
ছাদের উপর কি হেলিপ্যাড বসিয়েছিস?
সেখানে হেলিকপ্টারে নেমে সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে নীচে নামব?
হেঁটে হেঁটে ঢুকেছি তোর বাড়িতে।
বাইরে পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল।
আমাকে দেখা মাত্র তুই ভেবে দু ফাঁক করে স্যালুট মারল।
বুঝেছিস?
-স্যার। -স্যার।
ব্যাস।
গটগট করে ঢুকে পড়লাম তোর বাড়িতে।
এই, সোভান!
সোভান!
ইঃ!
ডেকে লাভ নেই।
সোভান আর তরিকুলকে এক জায়গায় পাঠিয়ে দিয়েছি।
ওরা সেখানে বসে বসে গাঁজা টানছে।
বুঝেছিস?
এই।
তোর মা তোকে বলেনি
কলকাতায় তোর একটা যমজ ভাই আছে?
আমিই সেই মাল।
শালা!
তোর মাটা কী হারামি রে!
দু বছরের...
...বাচ্চাকে ফেলে...
একটা দুধের শিশুকে ফেলে তোকে সঙ্গে নিয়ে এই দেশে চলে এলো।
রেখে আসলো কার কাছে?
খচ্চরের মতো একটা বাপের কাছে।
প্রত্যেক রাতে সোনাগাছিতে যেত। আমাকে পেটাত শালা!
খরচা দিত না।
শালা দু নম্বরি করে বড় হয়েছি।
কুড়ি বছর জেল খেটেছি, মাদারচ*দ!
তোর মায়ের জন্য।
জেলে বসে প্রতিজ্ঞা করেছি প্রতিশোধ নেব।
নিয়েছি।
ছাদের উপর থেকে তোর মমতাময়ী মাকে ধাক্কা মেরে
সোজা পরপারে পাঠিয়ে দিয়েছি।
মজার কথা কী জানিস?
তোর মা আমাকে তুই ভেবে কত আদর করছিল।
তুই বল তো।
তুই তো আইনের লোক।
এটা কোন আইন রে?
তুই আমি দেখতে সেম সেম, না?
তোকে নিয়ে চলে এলো।
আর আমি বোকা*দা সেখানে আঙুল চুষছি।
শালা!
পুলিশ হয়েছিস বলে কী ভেবেছিস?
তোর পিস্তল একদম পোঁ* ঢুকিয়ে দেব!
এতদিন তক্কে তক্কে ছিলাম।
বাগে পেয়েও তোকে শেষ করতে পারিনি।
তোর তো কই মাছের প্রাণ রে।
এই যে।
এই দেখ।
সঙ্গে মাল এনেছি।
তুই তো কানা*দা।
দেখবি কীভাবে?
চল।
বেডরুমে চল।
আজ তোর চোখ অপারেশন করব।
চল!
চল।
কী ব্যাপার? কোথায় ছিলেন আপনারা?
এই তো, পাশেই ছিলাম।
আপনাদের তো এখানে থাকার কথা।
ম্যাম, রুমি স্যার তো অনেক আগেই উঠে গেছেন।
উনি আসুক না না আসুক।
নিজেদের কাজটা ঠিক করে করুন।
-সরি, ম্যাম। -সরি, ম্যাম।
হুম।
সোভান ভাই।
স্যার।
সোভান ভাই।
স্যার।
এখনও পর্যন্ত মনে হচ্ছে নীলা আন্টি হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে।
পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট এলে--
স্যার।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.