All language subtitles for Ratsasan (2018) Tamil HDrip Bsub

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French Download
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese Download
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American) Download
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

1 নিয়মিত সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি সম্পর্কে আপডেট পেতে জয়েন করুন ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ fb.com/groups/SouthFansBD

-হাই, চিনু। -এই।

নতুন বন্ধু নাকি?

অবশ্যই, বিদেশী কুকুর অনেক দামী।

মাথা খুব গরম...বাসায়ও চুপচাপ থাকে না।

তোর বাসায় বেড়াতে না যাওয়ার জন্য ভালোই বাহানা খুঁজে বের করেছিস।

তা অবশ্য মন্দ বলিস নি। আমি বোঝাতে চাচ্ছিলাম এই কুকুর বেনামি কুকুর আসা থেকে রক্ষা করে।

আমাদের তো অনেক এলাকার কুকুরের বাচ্চা আছে।

এটা খুব স্বাস্থ্যকর, জানিস?

রাস্তার কুকুরের মত আজেবাজে জায়গাতে এটা মোটেও গন্ধ শুঁকে বেড়ায় না।

থামো।

এজন্য তোর খুব সময় দিতে হবে এটার সঠিক যত্ন রাখার জন্য।

এটাকে এমন জায়গায় নিয়ে আসিস না।

যদি রাস্তার কুকুরেরা এটাকে কামড়ায় তাহলে ইনফেকশান ছড়িয়ে যাবে।

এটাকে তো সারাক্ষণ বাসায় রাখাও যায় না আমার এটাকে একবার হলেও বের করতে হবে।

এই, না, থাম।

শিরোনাম।

চেন্নাইয়ের নাগানাল্লুর হৃদের পাশে...

সাম্যুক্তা নামের ১৫ বছরের স্কুল ছাত্রীর লাশ...

...পাওয়া গেছে। পলিথিনের ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় ঐ মেয়েকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।

এই খুনের আসল কারণ এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে আদেশ দেওয়া হয়েছে এই ব্যাপারে গভীরভাবে তদন্ত করার জন্য।

এই নৃশংস ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে ভয়ের শিহরণ জাগিয়ে দিয়েছে।

...ঐ এলাকায়, স্পটে থাকা আমাদের রিপোর্টারদের মতে।

অনুবাদ অংশগ্রহণে সাইফুদ্দিন শাকিল

অনুবাদ অংশগ্রহণে আবরার শাফিন

সম্পাদনা আবরার শাফিন

"পিশাচ"

আলো জ্বালাও।

মনিটরে শটটা আমাকে চালিয়ে দেখাও।

চালাচ্ছি, স্যার।

ঐ ছুরিতে রক্ত লাগানোর শটটা আমাদের আরো কাছ থেকে নিতে হবে...ভুলিও না।

যদি রক্ত দেখানো হয়, তাহলে আমরা U সার্টিফিকেট পাবো না...প্রযোজক ও মানা করছে।

এখানে এলার্ম রিং বাজছে কেন? এটা বন্ধ করে দাও।

আমি বন্ধ করতে পারছি না, স্যার।

১৫ বছরের এক স্কুল ছাত্রী সাম্যুক্তা নৃশংসভাবে খুন।

এই রুম পূর্ণ হয়ে আছে...

মানসিক বিকারগ্রস্থ লোকের সাথে জড়িত খবরের কাগজের ১০০টা কাটিং ছবি।

এসব একটা সিনেমা নির্মাণের জন্য।

অরুন কুমারের নির্মিত সিনেমা। -১২ বছরের স্বপ্ন।

এসব আমার হোম-ওয়ার্ক আর আমার প্রথম সিনেমার স্ক্রিপ্টের জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই।

অরুন...

আমাদের খারাপ সময়ের আগেই অফিসে পৌঁছাতে হবে।

এটা প্রযোজকের আদেশ।

বিষ্ণু বিশাল।

তাড়াতাড়ি কর, দেরী হয়ে যাচ্ছে।

আমালা পল।

অরুন, এটা কত তম প্রযোজক??

অগণিত।

শুভ কামনা রইলো।

প্রথমে, ওপেনিং শট...আমরা টপ এঙ্গেল থেকে কাজটা শুরু করবো।

একটা মেয়ে রাস্তা পার করায় তাড়াহুড়ো করছিলো...

তোমার গল্পে অবশ্য ভালোই রোমাঞ্চকর।

শুরুটা একটু বেশি ডার্ক হয়ে গেল।

এমন সিনেমা পারিবারিক দর্শকেরা দেখবে না।

এক কাজ করো...ক্লাইম্যাক্সের দৃশ্যটা নতুন করে লিখো সেখানে ভালোই উত্তেজনা রাখো সাথে মারপিট দৃশ্য।

এটাকে কমার্শিয়াল প্যাকেজ করে দাও, তাহলে তুমি কাজটা পাবে।

তুই একটা সিনেমা নির্মাণের জন্য এত কষ্ট করে যাচ্ছিস।

কিন্তু বর্তমান প্রথার নাম করে, তোর সব কষ্ট বৃথা চলে যাবে।

আমি নিশ্চিত বৃথা যাবে না।

প্রথা বদলাবে

গল্প ঠিক আছে...তুমি কি কোন শর্টফিল্ম বানিয়েছো?

যখন আমি আমার নিজের খরচই চালাতে পারি না, সেখানে আমি কীভাবে শর্টফিল্ম বানাবো??

সেই বিগত ৭৫ বছর ধরে কি এভাবে সিনেমা বানানো হচ্ছে?

তোর বাবা মরেছে যে দেড় বছর হয়ে গেল।

উনি আমাদের জন্য কোন সম্পত্তি রেখে যায়নি।

উনি ভালো সম্মান অর্জন করেছিলো।

এজন্য তুই এই এসআই পদের জন্য উপযুক্ত।

তোর দুলাভাইয়ের সাথে কথা বলেছি, সে সব ব্যবস্থা করে দিবে।

অরুন, তুই কেবল এসআই পরীক্ষা দে আর বাকিটা আমি সামলে নিবো।

বুঝেছিস?

অরুন, এই মাসের ভাড়া?

আপনি কি লাশের চরিত্র করতে চান?

-শুভকামনা রইলো। -ধন্যবাদ।

গল্পটা আমার খুব ভালো লাগছে।

কি হয়েছে?

আগামীকাল এসে অগ্রিম টাকা নিয়ে যেতে বলছে।

প্রযোজক 'হ্যাঁ' জানিয়ে দিয়েছে।

সুপার, অসাধারণ।

রোল ক্যামেরা..

একশান।

আমি গতকাল তোমার রাশিফল দেখেছি।

এটা তোমার বা আমার রাশিতে মানাবে না...

সেটা যেন সিনেমার ফলাফলের উপর প্রভাব না ফেলে।

ভাই, তুমি কোন চিন্তা করিও না আমি চাকুরি করবো।

তুমি চেষ্টা চালিয়ে যাও।

মা।

তোর তো ২৬ বছর হয়ে গেছে...এমনিতেই, আমি লোকের সাথে জবাব ও দিতে পারছি না।

আমি তোর কাছে শেষবারের মত মিনতি করছি...

যদি আমরা শান্তিতে জীবন কাটাতে চাই তাহলে তোর একটা চাকুরি করতে হবে।

স্যার, আমরা লাশটা বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে দেখাবো।

টপ এঙ্গেল থেকে ওপেনিং শট শুরু হবে একটা কালো গাড়ির দিকে নির্দিষ্ট করে।

প্রযোজক স্যার আমাকে আসতে বলছে।

উনি ব্যবসায়িক এক মিটিংয়ের কাজে মুম্বাইতে চলে গিয়েছেন।

উনি জানিয়েছেন, আপনাকে উনার সাথে ৬ মাস পরে এই ব্যাপারে আলাপ করতে।

হ্যালো।

মা, আমি দুলাভাইয়ের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।

তোর বাবার সম্মানই যথেষ্ট, তোর জন্য এই চাকুরিটা নিশ্চিতভাবে হওয়ার।

তুই তো জানিস ও না, এই এস আই পোস্টের জন্য সেখানে কত রাজনীতি চলবে!!!

আমি আশা করছি, আমি তোকে বিশ্বাস করতে পারি, তুই আবেদন করে ফেল।

তুমি কি পরিচালনা ছেড়ে দিয়ে অভিনয়ের জীবন শুরু করে দিয়েছো?

হ্যাঁ, অভিনয়।

তাহলে ঐ লাশের চরিত্রের কি হবে?

আমি সেটার ব্যবস্থা করবো।

কখন?

অতি শীঘ্রই।

ততদিনে আমিও লাশ হয়ে যাবো।

অরুন, সিনেমাকে ভুলে যা।

এখন তুই একজন নতুন শিক্ষানবিস পুলিশ

তোর উপরের কর্মকর্তা অফিসারের আদেশ তুই অবশ্যই মেনে চলবি।

এখানের সবাই সেটাই করে যাচ্ছে।

নেমে যা।

আমার বাহিরে কাজ আছে।

আমি একবার ফিরে আসলে, আমি তোকে শেখাবো...

আরে বস তো।

বসে পড়।

কোর্টের দিকে চল।

আমাকে জবাব দে।

না, অনেক ব্যাথা করছে, না।

ওমা!! না...

-আমাকে আর মারিয়েন না। -তাহলে জবাব দে।

অনেক ব্যাথা করছে, প্লিজ স্যার আমাকে মারিয়েন না।

হ্যালো।

এদিকে আসো।

তুমি নতুন এস আই, না?

হ্যাঁ, স্যার।

ভালো।

একে এত মাইর লাগাও যেন, সে সত্য কথা বের করে ফেলে।

স্যার, আমি আজকেই কাজে যোগ দিয়েছি।

তো?

প্রথম দিনেই পাপ-মুক্ত থাকতে চাও?

এই, ওকে ব্যবহার করে নিজের প্রশিক্ষণটা করে নাও।

এই লোক সত্যিটা না স্বীকার করা পর্যন্ত তুমি এখান থেকে বেরিয়ে আসবে না, যাও...

তুমি পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করতে চাও না? তাহলে, কেন তুমি ঠিকভাবে মারছো না??

এটা ধরো।

-সেটা আমাকে দাও...এদিকে এসো। -স্যার?

আমাকে দেখো।

ওমা, স্যার...অনেক ব্যথা করছে, ওমা!!

এভাবে মারতে হবে। এখন ধরো।

তোর কি জ্ঞানবুদ্ধি বলতে কিছু নাই?

আমি তোকে কোর্টে ডেকেছিলাম আর তুই এখানে গল্প শোনাচ্ছিস।

তোর নিজের স্ক্রিপ্ট অপরাধীকে তাও কিনা ইউনিফর্ম পড়া অবস্থায়।

যদি সে পালিয়ে যেতো?

আমি পালিয়ে যেতাম না ওর গল্পটা ভালো ছিলো।

তো, তুই ওকেও পুরো গল্প শুনিয়েছিস?

যদি তুই তোর গল্প অন্য কোথাও শুনিয়ে বেড়াস, তাহলে কিন্তু ভালো হবে না, মনে রাখিস...

আচ্ছা, স্যার।

থিনি, কাছে আসো...আমার কাছে এসো।

আমি তোমাকে কতবার মানা করেছি, আমাকে ছাড়া একা বের হইয়ো না।

তুমি আমার কথা শুনবে না?

দেখো, তোমার মুখে কত ময়লা জমে গেছে।

শয়তান মেয়েটার কখনোই শিক্ষা হবে না।

ওর সন্ধ্যায় বাসায় না ফিরে আসা পর্যন্ত আমার ভয়ে ভয়ে কাজ করতে হয়।

আমি ওর বাবাকে জানাবো, তাহলে ওর এভাবে দেরীতে বাসায় ফেরা বন্ধ হবে।

আমুধা।

আমি তোকে কতবার বলেছি?

আগামীকাল থেকে ঠিক সাড়ে ৪টা বাজে তোকে আমি বাসায় ফিরতে দেখতে চাই।

আমুধা।

আমাকে বলো।

কোন প্রতিবেশী?

কোন আত্মীয়?

-পাসুপতি ভাই। -স্যার।

কি হয়েছে?

খুনের মামলা, স্যার।

কি হয়েছে?

আমার মেয়ে ওর পরীক্ষার জন্য পড়ালিখা করছিলো।

তখন সে মদ খেয়ে, আমার মেয়ের কাছে আসলো।

আমার মেয়ের সাথে জোরাজুরি করছিলো।

আমি তাকে থামানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করছিলাম।

আমার মেয়েকে বাঁচানোর জন্য।

আমি তাকে মেরে ফেললাম, স্যার...

তোমার স্বামী কি করে?

সেটা সেই ছিলো, আমি তাকে খুন করেছি।

তোমার আজকে কি পরীক্ষা আছে?

তামিল।

- পাসুপতি ভাই, FIR মামলা দায়ের করা হয়েছে? -হয়েছে স্যার।

সেটা ছিঁড়ে ফেলুন।

ওকে পরীক্ষার হলে যেতে দিন।

স্যার।

আমি আমার দুলাভাইকে বলে আপনাকে অর্ডার এনে দিবো।

মা, তুমি এসব ভুলে গিয়ে তোমার পরীক্ষা দিয়ে আসো

লক্ষ্মী...

- তার মেয়ে হারিয়ে গেছে ... - আমি নিশ্চিত তাকে বাসার কাছ থেকে অপহরণ করেছে।

-সময় এইতো ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে হবে। -আইজি ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করছে।

উনি তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়।

তাছাড়া, সে কাস্টমেও কাজ করে।

তো, যখন তুমি সব তথ্য পাবে আমাকে রিপোর্ট এনে দেখিও।

হ্যাঁ, স্যার।

ঐ মেয়ে মনে হয় তার বাসার কাছ থেকেই হারিয়ে গিয়েছে।

তো, তুমি চেক করে দেখিও, সে এলাকার রাস্তায় কোন বিল্ডিংয়ের সিসিটিভি ফুটেজে কিছু পাওয়া যায় কিনা!!

হ্যাঁ, স্যার।

যখন ঐ মেয়ে হারিয়ে গিয়েছিলো...

তার পোষা কুকুরের গলায় বাঁধা অবস্থায় একটা উপহারের বক্স দেখা গিয়েছিলো।

তার বাবা-মা সেটা দেখে চমকে গিয়েছিলো।

এটাই সে উপহারের বক্স।

এই নাও।

তোকে কে অনুমতি দিয়েছিলো খুনের আসামী মহিলাকে ছেড়ে দেওয়ার?

যে বাবা নিজের মেয়েকে ধর্ষণ...

ঐ মেয়ে আমাদের আম্মুর বয়সী।

তোর সুবিধা আছে দেখে যা ইচ্ছে, তুই করে বসবি।

আমি কোন সুবিধা নি নাই।

আপিসি সেকশন ১২০ ধারা অনুযায়ী নিজেকে রক্ষা করার জন্য খুন করলে

তুমিও ভালো করেই জানো...আমি কেবল সেই সেকশনের জন্য তাকে মুক্তি দিয়েছি।

তো, তুই নিয়মমাফিক মুক্তি দিয়েছিস।

তাহলে কেন তুই আদেশ নেওয়ার জন্য আমার জাল স্বাক্ষর করেছিস?

তাহলে তুমি কি ভেবেছিলে?

আমার প্রথমে তোমার মনোযোগ পেতে হবে এরপর একজন এসআই বরাদ্দ করতে হবে...

সব ফর্মালিটি শুরু করে...তদন্ত করতে হবে ততক্ষণে এই মামলাই বন্ধ হয়ে যাবে...

ঐ মেয়ের জীবনও শেষ হয়ে যেতো।

তোর যা ইচ্ছে বলে যাচ্ছিস...

যদি ভবিষ্যতে কোন সমস্যার সৃষ্টি হয় তাহলে সেজন্য কে দায়ী হবে???

মামা...

মামা...

তুই আইনের ব্যাপারে কথা বলছিস, নিজেই বেআইনী কাজ করে বেরিয়ে।

প্লিজ আমাকে সাহায্য করো আমারো বাবার স্বাক্ষর লাগবে।

এমনিতেই এই বরাদ্দ করা কাজগুলো আমাকে প্রচন্ড মাথাব্যথা দিচ্ছে।

তুই আমাকে দিয়ে স্বাক্ষর করাতে চাস?

আমি ২ বিষয়ে খারাপ করেছি... বাবা জানতে পারলে, চামড়া তুলে ফেলবে।

এই নাও, বাবার স্বাক্ষর করে দাও।

যখন তুই কাজ করতে আসিস তখন তোর মনকে বাসায় রেখে আসিস।

বুঝেছিস?

যদি তারা আগামীকাল আমাকে জিজ্ঞেস করে আমার ই প্রেসকে এই ব্যাপারে জবাব দিতে হবে।

সেখানে লোকাল রাজনীতিও আছে আমাদের সেটার খেয়াল রাখতে হবে।

তোকে যে বেতন দেওয়া হচ্ছে সেজন্যই কাজ করে যা।

বেশি করতে যাস না।

অরুন, এটা তোর জন্য প্রথম ও শেষ সতর্কবার্তা।

মনে রাখিস!!

শুনেছিস?

এটা তোর প্রথম ও শেষ সতর্কবার্তা।

তোর মা আসেনি?

মা বলছিলো, তার মাথা ব্যথা করছে এজন্য মা বাসাতেই থাকবে।

যাক, ভালোই হলো।

মামা, নতুন টিচার জানেও না যে আমি কোকিলা টিচারের মেয়ে।

এখন থেকে তুমি আমার বাবা।

ম্যাডাম যাই বলবে, তুমি কেবল মাথা নাড়াবে এর চেয়ে বেশি কথা বলতে যেও না।

যদি দরকার হয়, তুমি আমাকে মারিও কিন্তু তবুও তোমার মুখ খুলিও না।

কথা না বলে চল তো।

ভেতরে আসো।

এখানে বসো।

আপনি কি সত্যি আম্মুর বাবা?

অবিশ্বাস্য।

অবিশ্বাস্য?? আরে, না।

কেন?

আসলে, আপনাকে দেখতে অনেক কমবয়স্ক লাগছে।

ধন্যবাদ।

মনে হচ্ছে মামা, টিচারের কথায় পটে গেছে।

আসলে, মিস আমার খুব কম বয়সে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিলো।

আমার মৃত্যু পথযাত্রী দাদার ইচ্ছে ছিলো তাই উনি আমাকে ওর মায়ের সাথে বিয়ে দিলো।

আচ্ছা, সেসব বাদ দিন...আপনি কি জানেন আপনার মেয়ে কি করেছে??

না, আমি জানি না মিস।

রেজাল্ট কার্ডে সে আপনার জাল স্বাক্ষর দিয়েছে।

এটা দেখতে হুবহু আমার স্বাক্ষরের মতো!

কিন্তু আমি সেটা বুঝে ফেলেছি।

আপনি বুদ্ধিমতী, মিস।

তোকে...

তোর সাহস কী করে হয়?

-তুই আর কখনো এমন করবি? -ওমা!! ব্যথা পাচ্ছি...না

-তুই আর কখনো এমন করবি?? -বাবা, না...না!!

আমাকে ছাড়ুন, মিস...আমাকে জবাব দে। তুই আর কখনো এমন করবি??

-প্লিজ, থামুন। -ব্যথা পাচ্ছি তো বাবা।

তোর সাহস কি করে হয়, আমার জাল স্বাক্ষর দেওয়ার?

থামুন।

আচ্ছা, দেখা হবে।

যখন তোমার মাথা ব্যাথা করছিলো কেন তুমি বাসায় বিশ্রাম করলে না?

কেন তুমি নিজের উপর এতটা চাপ নিচ্ছো?

সমস্যা নাই, আমার বিশ্রাম করতে হবে না, তুমি চলে যাও।

আচ্ছা, চলো।

তুমি কোথায় যাচ্ছো?

আসলে...

আম্মু একটা সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর চাচ্ছিলো।

আমি ওকে এটা সারপ্রাইজ উপহার হিসেবে দিতে চাই।

এটা দিচ্ছো ঠিক আছে...কিন্তু ওকে টাকা-পয়সা দিয়ে নষ্ট করতে যেও না।

ওকে মাথায় তোলা ছেড়ে দাও।

আচ্ছা, চলো।

আপনি কিভাবে এতটা নিষ্ঠুর হতে পারেন?

বেচারি...মেয়ে না?

সে অনেক বড় ভুল করছে, মিস।

তাতে কি?

যদি আমার মা বেঁচে থাকতো, তাহলে তুমি কি আমাকে এভাবে মারতে পারতে???

আরে, এই সিন তো ছিলোই না।

তোমার মা বেঁচে নেই, আম্মু??

এদিকে আয়।

তুই নতুন কিছু করার আগে ব্যাপারটা সামলাতে দে।

এখন থেকে বাবা তোকে আর মারবে না, আম্মু।

আমি তোকে আর মারবো না।

আমি দুঃখিত।

ওকে ক্যালকুলেটর কিনে দেওয়া ওকে মাথায় তুলে রাখা নয়তো...

আমি তোমার কাছে প্রতিজ্ঞা করছি আমি ওকে আর কখনোই টাকা দিবো না।

আচ্ছা...আমাকে বলো... কে আমার মেয়েকে সাহায্য করবে?

আমি বলছি না।

আপনি সেখানে দাঁড়িয়ে আছেন কেন? আরে...

আমাকে তোর মায়ের কথা মনে করিয়ে দিস না!!

আমাকে তার কথা মনে করিয়ে দিস না!!

আমাকে এটা দিয়ে দাও আমি ওকে সারপ্রাইজ দিবো।

তুমি ওকে এটা দেওয়ার সাথে সাথে অনেক উপদেশ ও দিয়ে বসবা...

ম্যাডাম...

কি হয়েছে?

এই মেয়ে তার রেজাল্ট কার্ডে তার বাবার জাল স্বাক্ষর করছে।

বেচারি।

এজন্য এই মেয়ে কাঁদছে?

ওর বাবা ওকে খুব মেরেছে।

কি?? ওর বাবা??

হ্যাঁ।

তার উপর, ওর মা ও মারা গেছে।

ওর মা ও মারা গেছে?

কে বলেছে?

ওর বাবা।

না, আমি দিব্যি করে বলছি আমি কিছুই করি নাই।

-কোথায় সে? -এইতো সে।

আরে না, খেলা শেষ

তো, সে তার বাবা?

স্যার...স্যার...

-নমস্কার। -নমস্কার।

আমরা ওকে চিনি।

নমস্কার।

ম্যাডাম, আমি ওর মরে যাওয়া মা।

আর ও আমার ছোট ভাই।

আমি আম্মুর বাবা।

আর আমি আম্মুর মামা।

আমার এখনো বিয়ে হয়নি।

স্যার, উনি কি সেটা জিজ্ঞেস করছে?

-কেবল ছোট একটা তথ্য। -আচ্ছা, চালিয়ে যা।

আম্মু, এসব কি?

তুমি পড়ালিখা করো না, তোমার বাবার জাল স্বাক্ষর করে তোমার মামাকে বাবা বানিয়ে এখানে নিয়ে এসেছো।

ম্যাডাম, আমাকে একা দোষ দেওয়া বন্ধ করুন।

আমার মামাই আমার বাবার এই জাল স্বাক্ষর করেছিলো।

তুই আমার চেয়েও ভালোভাবে আমার স্বাক্ষর দিয়েছিস...

আর এজন্যই তুই ফেঁসে গেছিস।

ঠিক!! ওকে এই মহান কাজের জন্য চাদর পড়িয়ে সংবর্ধনা জানাও।

আমি তোমাকে শতবার বলেছি... আমাকে আর ধৈর্য্য ধরতে বলিও না।

প্রত্যেক সপ্তাহে ওর সাহস বেড়েই চলেছে।

ও পড়ালিখায় মোটেও ভালো না।

আর তুমিও কখনো ওকে সাজা দাও না।

ও আমার আদেশ মেনে চলে না।

আম্মু, চাটনি খাবি নাকি?

তুমি এখানের অনিয়ম কি দেখতে পাচ্ছো না?

বলো।

ও এত দুষ্ট হয়ে গেছে কারণ আমরা ওকে অনেক মাথায় তুলে নষ্ট করে ফেলছি।

এই মাসে তুমি ওকে হোস্টেল আছে দেখে এমন স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিও।

আম্মু বলছিলো, তুমি অসুস্থ তাই আজকে স্কুলে আসবে না।

তুমি কেন স্কুলে চলে আসছো?

আগে, আমার তোকে মারা উচিৎ।

তাহলে সব ঠিক হবে।

তুমি কি ওর জন্য নতুন স্কুল দেখবে নাকি আমাকে ওর জন্য দেখতে হবে?

আমাকে উত্তর দাও।

প্লিজ...না, বাবা।

ধন্যবাদ।

তুমি আমার না জানা মত করে অনেক কিছুই লুকিয়ে ফেলেছো।

কিন্তু উপরের একজন তো আমাদের সবাইকে দেখছে।

তুমি কি সেটা জানো?

এখন তুমি কি করবে?

সমস্যা নাই, আমি সব সামলে নিবো।

সব জিনিসগুলো জায়গায় রেখে দিবে ঠিক আছে, তো???

তোমাকে...

কায়াল।

আমি ওকে কিছু বলবো না ওকে???

হাই।

হ্যালো।

এসব বন্ধ কর নাহলে আমি তোকে মারবো।

এই...

আমি তোকে কতবার বলেছি, যখন অপরিচিত কেউ তোর কাছে আসবে, আমার কাছে ছুটে চলে আসতে?

তাদেরকে দেখতে ভালো আর দয়ালু মনে হলেও আসলে তারা একেবারে নিষ্ঠুর খারাপ লোক।

খারাপ ছেলেরা।

খুব সাবধানে থাকিস।

আরে, কেবল একটা স্বাক্ষরের ব্যাপার ছিলো!!

আর তুমি এমনভাবে বলছো যেন আমি একজন অপরাধী।

ছোট অপরাধ করলেও...

তোমাকে অপরাধীই বানাবে।

-হ্যাঁ, দুলাভাই? -ছবি পেয়েছিস?

হ্যাঁ, পেয়েছি।

আগামীকাল সকালে থানায় জমা দিতে হবে এসব সাবধানে রাখিস...

ওকে।

তুই এটা লুকাচ্ছিলি?

তর এসব বাসায় অনেকগুলো আছে না?? এখন, যা...

যা গিয়ে এসব রেখে আয়।

আমি বলছি, যা।

ওহ মা!!

মা...

দোকানের লোকেরা তোকে ধরে ফেলার আগে এসব তার জায়গায় রেখে আয়।

ম্যাডাম, এসব বাচ্চার সাথে রাখতে দিন।

না, সমস্যা নাই।

যদি আপনার নাও দরকার হয়, তাও আপনার এটা নিতে হবেই।

কারণ উনি এসবের টাকা দিয়ে দিয়েছে

কে টাকা দিয়েছে?

ঐ...বাইকে বসে থাকা লোকটি।

তুই সাম্যুক্তার মৃত্যুর সাথে আমুধার হারিয়ে যাওয়া কেসটা ঐ পুতুলের সাথে জড়াতে যাস না।

ঐ পুতুলের মাথাই আমাদের হাতে পাওয়া একমাত্র প্রমাণ।

আমাদের সেটা ব্যবহার করেই আগানো উচিৎ।

তুই আমাকে শেখাতে যাস না কিভাবে কেসে আগাতে হবে।

দুলাভাই, তোমার তো আমাকে সাপোর্ট করতে হবে।

আমরা অবশ্যই অপরাধীকে ধরতে পারবো।

বেশি চাপ নিতে যাস না।

ইতোমধ্যে ডেভিড রাজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে যেকিনা আমুধাকে জানে মারার হুমকি দিয়েছিলো

আজকের দিনের মধ্যে এই কেসটা দেখবি প্রায় শেষ হয়ে যাবে।

না।

আজকে এই কেসটা শেষ হবে না।

কেন তুই এভাবে কথা বলছিস?

দুলাভাই, দয়া করে আমার কথাটা শোনো।

এটা সত্যি যে ম্যাডাম, আমি ঐ মেয়েকে প্রেমের পত্র দিয়ে প্রেম নিবেদন করেছিলাম।

কিন্তু আমার ওকে মারার সাহস নেই, ম্যাডাম

তাহলে তুই পুলিশকে দেখা মাত্র এভাবে পালিয়ে যাচ্ছিলি কেন??

আমি ভয় পেয়ে গেছিলাম, ম্যাডাম।

এটাই আসল সময়, দুলাভাই আমি কি প্রমাণের কথা বলবো?

এই মহিলা খুব অহংকারী।

সে তার উপরের অফিসারদের কথারও ভালোভাবে জবাব দিতে চায় না।

উনি তোর মতো অধস্তনদের কথা কখনোই শুনতে চাইবে না

তাহলে তুমি গিয়ে বলো।

আমি?

তুই চুপ থাক।

আমি কেবল তার আদেশ মেনে চলছি এই বেতন নিয়ে, শান্তিতে জীবন কাটাচ্ছি।

আমাকে এসব ভেজালের মধ্যে টানতে যাস না

এই তদন্ত একেবারে ভুল দিকে এগোচ্ছে।

যেদিকেই যাক, তুই সেটাতে খুশী থাক এসবের ব্যাপারে ভাবতে যাস না।

-আমাকে জ্বালাতন করা বন্ধ কর। -দয়া করে আমার কথাটা শোনো।

এই।

ঐখানে কি হচ্ছে?

না ম্যাডাম, সে এই কেসের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছিলো।

এদিকে এসো।

তোমার মাইরে সে যেন সত্যটা স্বীকার করে ফেলে।

যাও।

এই, শুরু হয়ে যাও। মারো ওকে।

আমাকে মারিয়েন না, ম্যাডাম আমি নির্দোষ, ম্যাডাম।

হ্যালো...

হাই, জান।

তুই খাবার খেয়েছিস?

মা এখন ব্যস্ত আছে...

আমি নির্দোষ, স্যার।

দাদী কি বলছে?

অনেক ব্যথা করছে। আরে, না।

তাই নাকি?

ভালো মেয়ের মত দাদীর কথা শুনিস, ঠিক আছে?

আমি তোকে পরে ফোন দিবো ঠিক আছে???

ঠিক আছে মা, আমি এখন ফোন রাখছি।

তোর কি হয়েছে?

ম্যাডাম, ওকে মেরে কোন লাভ নেই।

আমরা যে খুনীকে খুঁজছি...সে কোন ধর্ষক বা কোন কিডন্যাপার বা তার মত উত্ত্যক্তকারী না।

একজন মানসিক বিকারগ্রস্থ লোক যেকিনা প্ল্যান করে তার শিকারকে খুন করছে।

আমার মানে...সে একজন সাইকো।

বাজে বকা বন্ধ কর।

ম্যাডাম, এক মিনিট।

এটা হচ্ছে সাম্যুক্তার ছবি যেকিনা আগে হারিয়ে গিয়েছিলো।

আর এটা হচ্ছে আমুধার ছবি যেকিনা ২ দিন আগে হারিয়ে গেল।

এই দুই ঘটনার মধ্যে মিল কোথায় জানেন?

তারা দুজনই ১৫ বছরের স্কুল ছাত্রী।

আর দুজনকেই অপহরণ করা হয়েছিলো স্কুল থেকে বাসায় ফিরে আসার সময়ে।

এটা সাম্যুক্তার লাশের ছবি...যখন তার লাশ ২ দিন আগে ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয়।

এটা হচ্ছে ঐ পুতুলের মাথা...যেটা ২ দিন আগে আমুধার অপহরণের সময় পাওয়া গিয়েছিলো

এখন, এটা দেখুন ম্যাডাম।

সাম্যুক্তার মাথার মত, এই পুতুলের মাথার ও চুল ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে...

সাম্যুক্তার চোখ উপড়ে ফেলা আর মুখ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

একই জিনিস, এই পুতুলের সাথেও করা হয়েছে।

এসব ছাড়াও, একটা বিশেষ...

ছুরির চিহ্ন সাম্যুক্তার মাথায় আছে...

আর কানে...

আর নাকেও...

একই চিহ্ন পুতুলের মুখেও পাওয়া গেছে।

তো...

এসব দৃষ্টান্ত দেখে তুই এই সিদ্ধান্তে আসছিস যে একই লোক কাজটা করছে।

আমার মানে...

তুই বলছিস, এসব একজন সাইকোর কাজ?

কেবল এসব না ম্যাডাম...সারা বিশ্বের সাইকোদের মধ্যে ২৭% সাইকোরাই...

খুন কিংবা অপহরণের সময় তাদের শিকারে চিহ্ন রেখে যায়।

উদাহরণ হিসেবে...

১৯৭০ সালে আমেরিকায় জোডিয়াক নামের একজন সিরিয়াল কিলার...

১০ লোকের খুন করেছে... আর শিকারে তার চিহ্ন রেখে গেছে।

ডেনিস রাডার নামের আরেক সাইকো সবসময় মেয়ের চিহ্ন শিকারে রেখে যেতো।

কেবল ল্যান্ডস্কেপে মুডে দেখলে, এই ব্যাপারটা খুঁজে বের করা হয়।

এটা BTK ভাবে দেখা যায়।

ভারতের দক্ষিণ মুম্বাইতে রাভিন্দার নামের একজন সাইকো তার শিকারকে খুন করে।

বিয়ারের বোতলে তার চিহ্ন রেখে যেতো।

ওয়াশিংটনের জন এলেন আর মালান..

চিহ্ন হিসেবে কলিং কার্ড ব্যবহার করতো।

একইভাবে, জন ফিয়ান্সে নামের আরেক সাইকো তার চিহ্ন হিসেবে ভাঙা ক্রস রাখতো।

তাদের মধ্যে অনেকের নিজের বিভিন্ন মাধ্যম থাকতো তার শিকারকে মারার।

উনিশ শতকে, লন্ডনে জ্যাক নামের সাইকো...

বেশ্মা মেয়েদের খুন করে তাদের শরীরকে দুভাগ করতো।

তারা কেন নিজেকের মার্ক বা চিহ্ন রেখে যেতে???

কারণ তারা প্রত্যেক মানুষকে তাদের চিহ্ন দ্বারা ভয় দেওয়ার চেষ্টা করতো।

সাইকোরা সে ভয়টা উপভোগ করে।

তারা সেটা দিয়েই কাজে আগাতে থাকে।

এমন আরো শত উদাহরণ আছে, ম্যাডাম

ঐ নষ্ট পুতুল তেমনই একটা চিহ্ন।

সে আমাদের মধ্যে যে ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে সে নিশ্চয়ই সেটা এখন খুব উপভোগ করছে।

এজন্যই আমি বলছি ম্যাডাম, আমাদের এই দিকেই তদন্তে আগানো উচিৎ হবে।

তুই কি বলতে চাচ্ছিস, আমি ভুল দিকে আগাচ্ছি?

ম্যাডাম, আমি সেভাবে বলতে চাইনি।

তো, যখন সাম্যুক্তা মারা গেল সেখানে কোন পুতুল পাওয়া গেল না।

ম্যাডাম, আমরা সে ব্যাপারে অনুসন্ধান করবো।

ওকে।

সাম্যুক্তার খুনের কেস নিয়ে তুই কেন এত আগ্রহ দেখাচ্ছিস?

আমি আমার গল্পে ব্যবহারের জন্য এসব খবরের কাগজ সংগ্রহ করেছি।

ওহ মা!! তাই নাকি!!

তুই সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ না করে...

তোর বাবার মর্যাদাকে ব্যবহার করে এই এসআই হয়ে গিয়েছিস???

ম্যাডাম...

এই।

এসব গল্পের কথা এখানে বলতে আসিস না।

তোর স্ক্রিপ্টের জ্ঞান তুই কেবল তোর সিনেমায় ব্যবহার করিস।

কেসের তদন্তের ক্ষেত্রে এসব ভিত্তিহীন কথা বলতে যাস না।

যদি তুই তোর এসব সৃজনশীলতা সঠিক ব্যবহার করতিস তাহলে এতোদিনে তুই পরিচালক হয়ে যেতিস...

তুই সেসব করতে পারিসনি সে কারনে এখানে আছিস।

সাম্যুক্তার ২ দিন ধরে অপহরণের ঘটনার পর তার লাশে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিলো।

আমুধা যে হারিয়ে গেল, সেটার ও আজকে ২ দিন হতে চললো।

ম্যাডাম, যদি আমরা জলদি একশান না নিই, তাহলে আমুধার ও একই অবস্থা হবে।

এমনই ঘটবে।

শোন!! তুই আমাকে আদেশ দেওয়ার কেউ না...

যা গিয়ে আমার জন্য সিগারেট নিয়ে আয়।

তাড়াতাড়ি চলে আসিস।

আমি বলছি, যা।

আমি, এসি(সহকারী কমিশনার) বলছি ঐ এলাকা ঘিরে ফেলো।

সাধারণ মানুষকে ভেতরে ডুকতে দিও না বিশেষভাবে মিডিয়াকে ছবি বা ভিডিও নিতে দিও না।

আমি পথেই আছি।

অরুন, তুই ফাটিয়ে দিয়েছিস।

পরিশেষে, ঐ এসআই ঠিক বলেছিলো সে যেমনটা বলেছিলো, সেটাই ঘটেছে।

এখানের কোন খবর আমার অনুমতি ছাড়া মিডিয়ার কারো কাছে ছড়াতে দিও না।

আচ্ছা ম্যাডাম।

সাম্যুক্তার খুনের কেসের অফিসার।

না, স্যার।

সাম্যুক্তার খুনের তদন্ত চলাকালীন আমরা এমন কোন উপহারের বক্স পাইনি।

একবার ওর বাবা-মায়ের কাছে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।

স্যার, আমরা এমন কোন উপহারের বক্স পাইনি।

সাম্যুক্তা হোস্টেল থেকে ফিরে আসার সময় তাকে অপহরণ করা হয়েছিলো।

আপনি হোস্টেলে গিয়ে খোঁজ নিলে হয়তো কোন খবর জানতে পারেন।

যখন আমি ময়নাতদন্ত করছিলাম...

আমি আমার কান্না থামিয়ে রাখতে পারিনি।

আমার মনে হয়, খুনি জানেও না ব্যথা জিনিসটা আসলে কি!!!

কালো মন।

বেচারি মেয়ে, সে তার চোখ ছিদ্র করে ফেললো।

এরপর সে তার দাঁত ভেঙ্গে ফেললো আর প্রত্যেকটা চুল উপড়ে ফেললো।

তার উপর, সে ধারলো ছুরি দিয়ে ঐ মেয়ের সারা শরীরে দাগ দিয়েছে

সে এসব করেছে, ঐ মেয়ে জীবিত থাকা অবস্থায়।

এই লোক এন্টিসোশ্যাল পার্সোনালিটি ব্যাধিতে ভুগেছে।

তার আক্রমণ আর দানবীয় আচরণ দেখে বলা যায়।

সাধারণ অর্থে সে একজন সাইকো।

সম্পূর্ণ একজন সাইকো।

স্যার...

ঐ মেয়ের কি ধর্ষণ হয়েছিলো?

কোন ধর্ষণ হয়নি।

কিন্তু...

তার শরীরের গোপন অঙ্গে...

স্যার...

এটা সাম্যুক্তার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।

একদম একই।

এই মেয়েকে একইভাবে খুন করা হয়েছে যেভাবে আমুধাকে মারা হয়েছে।

আমি নিশ্চিত।

স্যার...

কেবল এই ২টা জিনিস মিলেছে দেখে আমরা কিভাবে নিশ্চিত হতে পারি যে খুনী একজন??

ম্যাডাম...

কেউ তার নামে একটা উপহার দিয়ে গিয়েছিলো এরপর সে এখান থেকে চলে গেল।

কিন্তু ওর সাথে যা ঘটেছে, সেটা শুনে আমি হতচকিত হয়ে ব্যাপারটা ভুলে গিয়েছিলাম।

আমি এটা সাম্যুক্তার হোস্টেল থেকে পেলাম।

এখানে কি হচ্ছে, লাক্সমি?? আমি মাত্রই ডিসিপি থেকে কথা শুনে এখানে আসলাম

সাম্যুক্তার বন্ধ হয়ে যাওয়া খুনের মামলার সাথে আমুধার খুনের কেসের কি কোন সম্পর্ক আছে?

কিভাবে?

না, স্যার। আসলে...

বলো, লক্ষ্মী...

স্যার...

তোমার তদন্ত মতে, একজন সাইকো এসব খুনের পেছনে আছে।

যদি এখানে কোন উদ্দেশ্যই না থাকে আর তার সাথে কোন জড়িত ব্যাপারই না থাকে।

তাহলে আমরা কিভাবে কেসে আগাবো?

আমরা কাকে সন্দেহ করবো?

আমরা খুনীকে কিভাবে ধরবো?

আমার মনে হচ্ছে, এই কেসটা সত্যি আমার ভীষণ মাথা ধরাতে যাচ্ছে।

স্যার, আমার একটা আইডিয়া আছে

কিন্তু এই কাজে একটা ঝুঁকি আছে।

বলো।

স্যার...

এই কেসে, শিকারকে অপহরণ করার পর বক্সে উপহার হিসেবে পুতুলে চিহ্ন রাখা হয়।

তারপর লাশকে সাধারণ মানুষের ভিড় আছে এমন জায়গায় ফেলে আসা হয়...

খুনী এভাবে কাজটা করছে কারণ এটাই তার প্রচারের ধরণ।

যেভাবে একজন শিল্পী তার কার্যবিধি একেবারে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে করে।

সাইকো লোকের মনোযোগ পেতে আর তাদের মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছে।

এভাবেই সে কাজ করে যাচ্ছে।

এভাবেই সে লোকের মানসিক অবস্থা বুঝছে।

আর তার স্থির মস্তিষ্ক তাকে সাহায্য করছে প্ল্যান অনুযায়ী তার শিকারকে খুন করতে।

তাকে থামাতে হলে, আমাদের অবশ্যই তার মানসিক অবস্থার বুদ্ধিটাকে দমাতে হবে।

যদি মিডিয়া বা খবরের কাজ তার ব্যাপারে কোন খবর না দেয়...

আর যদি কেউ তার প্রতি মনযোগ না দেয়, তাহলে সে সহজেই পথভ্রষ্ট হবে।

সে বিভ্রান্ত হয়ে যাবে।

সে অন্য টার্গেটের প্রতি মনযোগী হবে।

সে তার প্ল্যানে ভুল করে বসবে।

সে সময় আমার ও সুযোগ পেয়ে যাবো তাকে হাতেনাতে ধরার জন্য।

সেজন্য, আমুধার লাশকে আমাদের সবার কাছ থেকে গোপণ করতে হবে।

এমনকি তার বাবা-মা থেকেও..

স্যার, আমাদের এই আইডিয়া চেষ্টা করে দেখা উচিৎ।

এই।

যদি পরে এই বিষয় ছড়িয়ে যায় তোর মত একজন এসআইয়ের...

কোন চিন্তা করতে হবে না।

আমাদেরই মাথাব্যথা বাড়বে।

আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, সিএম আর মিডিয়াকে জবাব দিতে হবে।

ম্যাডাম, ঐ সাইকো আমুধা দিয়ে শেষ হবে না।

দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের অন্য কোন উপায় নেই ঐ সাইকোকে ধরার জন্য।

সে এত নৃশংসভাবে খুন করছে, ময়নাতদন্ত করা ডাক্তারের চোখেও জল চলে আসছে।

আপনি কি চান, তার বাবা-মায়েরাও সেটা দেখুক?

আপনি কি মনে করেন, তাদের কি সাহস আছে এটা সহ্য করার???

অরুন...

একটা কেস সামলানোর নীতি আছে।

যদি আমরা সেটা ফলো করে চলি, তাহলে সেটা সবার জন্য ভালো হবে।

তুমি তার বাবা-মায়ের সাথে দেখা করে তাদেরকে এই ব্যাপারে জানিয়ে দাও।

আমাকে ডিজিপির সাথে কথা বলতে দাও।

স্যার, এটা তো সাধারণ কার্যপ্রণালী এই কেসে কোন কাজে দিবে না।

তাই, আমি এই আইডিয়া নিয়ে আসছি।

প্লিজ স্যার।

কি কাজ করতে হবে আর কি করতে হবে না তুমি সেটার বিচার করতে যেও না।

কেবল তুমি তোমার আদেশ মেনে চলো। এখন, যাও।

এটা আমুধা হতে পারে না।

আচ্ছা, চলো আমরা গিয়ে দেখি।

দয়া করে কান্না করিও না।

দয়া করে চলো

চিন্তা করিও না।

কেন আমরা এখানে আসলাম?

আমি যাবো না।

আমার দেখার সাহস নেই।

যদি এটা আমাদের মেয়ের লাশ হয়ে থাকে তাহলে আমাকেও মেরে ফেলো...আমিও মারা যাই।

আরে, উঠো।

না।

সে এখানে নাই।

কি হয়েছে?

এটা আমাদের মেয়ে না।

তুমি কি নিশ্চিত?

আমি সিরিয়াস।

আমাদের মেয়ের কিছুই হবে না।

আসো, চলো বাসাই যাই।

স্যার, আপনি ভালোভাবে দেখেছেন?

এটা আমাদের মেয়ে না।

চলো।

স্যার, ভিতরে আমুধার লাশ নেই?

আমি তোমার ব্যাপারটা ডিজিপির সাথে আলাপ করেছিলাম।

উনি অনুমতি দিয়েছে।

স্যার, তাহলে আমুধার লাশ?

সেটা সরকারী গোপণ লাশঘরে সংরক্ষিত আছে।

বাহির থেকে দেখতে এটা সাধারণ হাসপাতালের গুদামঘরের মতো।

যখন রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো অপরাধীদেরকে আমরা ধরি।

আমরা তাদেরকে মেরে এখানে তার লাশ নিয়ে আসি।

আমরা পালানো কেস দায়ের করে তাদের নামে মিথ্যে খোঁজ মামলা চালাই।

যখন একবার পরিস্থিতি সামলে যায় আমরা তাদের লাশের মীমাংসা করে ফেলি

মি. অরুন, সাইকোকে ধরার জন্য তোমার লজিকে সত্যি যুক্তি আছে।

আমরা অনুমতি পাওয়া মাত্র, আইজিকে জানিয়ে আমুধার লাশকে এখানে নিয়ে আসলাম।

এই জায়গা ডাঃ নাদানের দায়িত্বে আছে।

আমুধার লাশকে লুকানোর কোন ঝামেলাই নেই।

যদি খুনী সাইকো হয়ে থাকে...

তার পরবর্তী চেষ্টার আগে তাকে গ্রেফতার করতে হবে।

বেরিয়ে যাও।

বেরিয়ে যাও।

প্লিজ, ভিতরে আসুন।

চল মা।

হ্যালো স্যার...আমি দাস।

আমি আম্মুর বাবা।

ও পড়ালিখায় কিছুটা দুর্বল।

এজন্য আমার ওকে এই স্কুলে ভর্তি করাতে হলো।

আমি শুনেছি, আপনি খুব কঠোর প্লিজ, ওর দিকে একটু খেয়াল রাখিয়েন।

আপনি চলে যান আমি ওর খেয়াল রাখবো।

আচ্ছা মা, দেখা হবে নিজের খেয়াল রাখিস।

যাও গিয়ে নিজের সিটে বসো।

এই মডেল এখন আর পাওয়া যায় না এটা বন্ধ হয়ে গেছে।

এমন পুতুল এখানেও বিক্রি করা হয় না।

তারাও গতবছর কেনা বন্ধ করে দিয়েছে।

কেবল একটা পুতুল বাকি আছে।

আসুন, আমি আপনাকে দেখাচ্ছি

স্যার।

স্যার।

এই টাইপের পুতুলগুলো বিদেশী।

কিন্তু এসব পুরনো হয়ে গেছে এখন এসব কেউ কিনতে চায় না

আমরাও চিন্তা করছি, এসব বন্ধ করে দিবো।

প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজকের বিশ্বে মেয়েদের পড়ালেখা করা অনেক জরুরি বিষয়।

একটা জাতির উন্নতি মেয়েদের প্রতি আচরণে লুকিয়ে আছে।

উদাহরণ হিসেবে উন্নত দেশগুলোতে..

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে, ভারত প্রথমে আছে।

কারণটা হচ্ছে আমরা আমাদের দেশের মেয়েদেরও সম্মান গুরুত্ব দিয়ে আসছি।

-তুমি একটা সামান্য গণিত করতে পারো না। -স্যার...

-তুমি এই বছর কিভাবে পাশ করবে? -স্যার, ব্যথা করছে।

-স্যার। -আমাকে বল।

তুমি পড়ালিখা না করে বাকি সব করে বেড়াবে!

-স্যার, প্লিজ -আমাকে বল, এখন কি করা উচিৎ?

-স্যার প্লিজ -আমাকে জবাব দাও।

-ইনবারাজ স্যার। -স্যার, ব্যথা করছে।

অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে।

তুমি চলে যাও আমি ওদেরকে পাঠাচ্ছি।

স্যার।

স্যার, প্লিজ।

আগামীকাল, আমি সবাইকে একটা গণিতের সমাধান করতে বলবো, সেটা সবাইকে করতে হবে।

হ্যাঁ, স্যার।

নাহলে, সবাই এই বছর ফেল করবে।

বুঝেছো?

হ্যাঁ, স্যার।

এখন, সবাই চলে যাও।

স্যার...

স্যার, প্লিজ স্যার।

আমাদের স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণিতে ১০০% ফলাফলের জন্য...

একাদশ শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষার্থীদের মধ্যে খারাপ ছাত্রীদের শক্তভাবে সামলাতে হবে।

যেখানে এভারেজ ছাত্রীদের পাশ করতে কষ্ট হয়

তুমি তো বিলো এভারেজ ছাত্রী।

তুমি তো নিশ্চিত ফেল করবে।

আগামী বছর, তুমি আমার নামের একটা কালো দাগ হতে পারো না, শার্মি।

গত সপ্তাহে, আমি তোমাকে একটা ছেলের সাথে বাইকে ঘুরতে দেখলাম।

না স্যার।

তুমি ভালো করে পড়ালেখা করতে চাও না।

তুমি মজা করে ঘুরে বেড়াও।

তুমি খুবই দুর্বল ছাত্রী।

আমার মনে হয়, আমার তোমার বাবা-মায়ের সাথে দেখা করা উচিৎ।

প্লিজ স্যার, না।

প্লিজ স্যার, না।

তুমি চাও না, আমি তাদের সাথে দেখা করি?

তাহলে তুমি আমার কথামতো চলবে?

তুমি কি কথামতো চলবে নাকি না?

ওকে।

যদি তুমি আমার কথা না মেনে চলো...

তাহলে ক্লাস থেকে চলে যাও আর অনুষ্ঠানে যোগ দাও।

যদি তুমি আগামী বছর দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হতে চাও...

তাহলে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দাও।

চেন্নাইতে আমাদের স্কুল ১ নাম্বার স্থানে আছে।

সেটার কারণ হচ্ছে, আমরা আমাদের বাচ্চাদেরকে তাদের নিরাপত্তার সাথে ভালোভাবে শিক্ষাদান করি

তাদের এই নিরাপত্তার দায়িত্বের জন্য আমি সব শিক্ষকদের তারিফ করছি।

এখন, আমাদের স্পেশাল অতিথি মিসেস এনাবেলে জর্জ...

একটা ম্যাজিক শো উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন।

ওকে।

আগামীকাল থেকে আমরা ইউনিট ফোর পড়বো।

ওকে ম্যাডাম।

কোকিলা আপা...

-আপনার স্বামী চলে আসছে? -ও বাহিরে অপেক্ষা করছে।

আগামীকাল আমি অর্ধ দিবস ছুটি নিচ্ছি

আমি কায়ালকে স্পিস থেরাপি ট্রেনিংয়ে নিয়ে যাবো।

ওকে...কোন উন্নতি হয়েছে কি?

হ্যাঁ, ও কেবল মা বলতে পারে।

ভিজি মিস।

ওহ! দুঃখিত, মিরা।

আমি ভুলে গেছিলাম

এই নাও।

মিস।

-এটা খুবই দারুণ, মিস। -ধন্যবাদ।

তোমার বাবা-মা কে নমস্কার জানিও।

কেন আপনি নিজেই বলছেন না??

শুভ বিবাহবার্ষিকী...আপনাদের দুজনকে এই দিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

-ধন্যবাদ, ম্যাডাম। -আচ্ছা, আসি।

-এই মেশিনে এত ফিচার আছে? -অবশ্যই

আমি এমন একটা কায়ালের জন্য নিয়েছি।

রেকর্ড করা আওয়ার বারবার শুনলে তার স্পিস প্রশিক্ষণ সহজ হবে।

সেটা তো ঠিক আছে... তো, তুমি কখন বিয়ে করবে???

আমি বিয়ে করার জন্য, কায়ালকে ছাড়তে পারি না।

যে ওকে মেনে নিবে আমি তাকেই বিয়ে করবো।

এমন কাউকে পাওয়া কষ্টকর হবে, ভিজি।

এই, সাবধানে, সাবধানে।

গতকাল আমাদের বিবাহবার্ষিকী ছিল

ও প্রতিজ্ঞা করেছিলো বাসায় শীঘ্রই ফিরে আসবে।

আপনারা বন্ধুরা আর আত্মীয়ের বাসায় ও খোঁজ নিয়েছেন কি???

আমরা সব জায়গায় খোঁজ নিয়েছি।

কোন আইডিয়া নেই, স্যার।

স্যার।

আমি কেবল দেখলাম, মিরা অটোতে উঠে বসেছে।

আমি অটোর নাম্বার চেক করিনি।

তুমি কি অটোতে কোন নাম বা কোন চিহ্ন দেখেছো কি???

না, আমার মনে নাই।

বাস আসা মাত্রই, আমি চলে গেলাম।

ঠিক আছে, আমাদের সাথে চলো।

ঐ এলাকার সব অটোতে আমরা খোঁজ করবো।

যদি তুমি সে লোককে চিনতে পারো।

না, আমার কোন কিছুই মনে নেই।

কায়ালের স্কুলের সময় শেষ হয়ে গেছে ও অপেক্ষা করছে, আমার যেতে হবে।

ম্যাডাম, প্লিজ।

আপনার দেওয়া প্রত্যেক তথ্যই আমাদের জন্য অনেক সুবিধার হবে।

এটা এক মেয়ের জীবন বাঁচাতে পারে।

স্যার, আমিও সেটার জন্য চিন্তিত।

কিন্তু আমি আপনাকে কি বলছি, সেটা আপনি বুঝছেন না কেন??

আমি কেবল এসবই জানি।

ম্যাডাম, প্লিজ আমাদেকে সাহায্য করুন।

স্যার, আপনি কেন বোঝার চেষ্টা করছেন না।

কায়াল হয়তো কান্না করা শুরু করে দিবে তাহলে সে আরো দুর্বল হয়ে যাবে।

হ্যালো, মিরার ব্যাপারে কোন তথ্য নেই যেকিনা হারিয়ে গেছে।

আমাদের পরিস্থিতির কথা ভেবে ভয় হচ্ছে আমাদের ওকে খুঁজে বের করতে হবে, প্লিজ।

স্যার, আমার উপর ও একটা বাচ্চার দায়িত্ব আছে।

আমার যেতে হবে।

দুঃখিত।

ম্যাডাম।

এখন সাবানের ফেনা বের করা বন্ধ কর।

কখন বাস আসবে আর আমরা বাসায় যাবো!!

আমাদের জলদি বের হওয়ার জায়গায় আমাদের দেরী হয়ে গেল কারণ...

তুই জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকেই এটা নিয়ে খেলে যাচ্ছিস।

যদি এমন করতে থাকিস...আমি তোকে প্রতিজ্ঞা করছি আমি তোকে আর বাহিরে নিয়ে যাবো না, কায়াল।

অটো।

এদিকে আসো।

ম্যাডাম, তুমি অটো ডাকছো না?

প্লিজ, আসো ম্যাডাম।

প্লিজ আসো কোন চিন্তা করিও না।

-ম্যাডাম, ম্যাডাম। -বসো।

ওকে ফলো কর।

ম্যাডাম, প্লিজ বসো।

অপেক্ষা কর, সে কোথাও যাচ্ছে না।

এই যে শুনেন।

এক মিনিট, অপেক্ষা কর।

দোস্ত, সুযোগটা মিস করে ফেললাম।

বাদ দে, আমাদের অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে।

এটা কে রে?

দেখ, ওর সাথের কেউ হবে।

তুই কি ওর দেহরক্ষী নাকি?

স্যার।

স্যার, স্যার, প্লিজ, না।

আমি জানতাম না যে, তুমি একজন পুলিশ।

তুমি কি আমাকে গুন্ডা ভেবেছো?

না।

আমি তোমাকে বেকার যুবক ভেবেছিলাম।

এর থেকে গুন্ডাই ভালো ছিলো।

কায়ালের বাবা এখন কোথায় আছে?

কায়াল আমার মেয়ে না।

সেটা আমি জানি।

কায়াল তোমার বড় বোনের মেয়ে।

উনি দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে মারা গেছেন।

কায়ালের সমস্যা আছে দেখে, ওর স্বামী ওকে ছেড়ে চলে গেছেন

তখন তুমি কায়ালের দায়িত্ব নিয়েছো।

আমি ঠিক বলেছি না?

তুমি এসব কিভাবে জানো?

আমি আম্মুর থেকে তোমার ব্যাপারে জেনেছি।

আম্মু কিভাবে...?

আমি ওকে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, ওর রেজাল্ট কার্ডে স্বাক্ষর করলে যেন ও আগামীবার ধরা না খায়।

তোমার ব্যাপারে সব তথ্য জানিয়ে সে আমাকে সাহায্য করলো।

এসব কায়ালের কাজ?

হ্যাঁ, কায়ালের।

ও সবসময় কিছু না কিছু আঁকাআঁকি করে।

সে রঙের মাধ্যমে কথা বলে।

আমি ওকে সেটা করতে দিই।

মনে আছে, গতবার ওর স্কেচ করা পেন্সিলের জন্য তুমি টাকা দিয়েছিলে।

না, না...দরকার নেই।

খুশী?

ওকে?

শুভ রাত্রি।

অরুন...

আগামীকাল, আমরা একসাথে গিয়ে ঐ এলাকার সব অটো চেক করবো।

যদি আমার কোন কিছু মনে পড়ে আমি তোমাকে সে ব্যাপারে জানাবো।

ধন্যবাদ।

"It's like I found something I was searching for a long time"

"And now I have lost my sleep"

"Everything seems to fall in place without any plans or efforts"

"Our actions and reactions communicate a lot more that words now"

"It's like I found something I was searching for a long time"

"And now I have lost my sleep"

"Oh my dear, even men smile and feel shy but it's all a secret"

"Sometimes even the artist steps aside and enjoys another performance"

"It's a wonder that we are in each other's mind even as we wage our daily battles"

"To forget what it means to be lonely is a wonderful feeling"

"Every time I hear your name, I can feel the butterflies in my stomach"

"All I see is you, everywhere I turn around"

"Now we embark on this new journey together and"

"I promise to take care of you with all my heart and soul"

"It's like I found something I was searching for a long time"

"And now I have lost my sleep"

স্যার, পাম্পচার হয়ে গেছে।

হ্যালো।

ঐ অটোকে থামাও।

কি হয়েছে, স্যার?

ওকে থামাও।

অটো।

আচ্ছা।

থামো, থামো।

নোলাবুর ব্রিজে।

আমরা হেরে গেছি।

স্যার, কি হয়েছে?

মিরার লাশ...

পৌরসভার ময়লাতে পাওয়া গেছে।

স্যার, এটার মানে?

হ্যালো, বলো ভিজি।

মিরা যে অটোতে উঠেছিলো।

ভিজি বাহিরে এসে কথা বলো।

হ্যালো, ঐ অটোর পিছনে...

ভিজি, তোমার কথা ভাঙা ভাঙা আসছে।

হ্যালো?

তুমি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো?

হ্যালো?

হ্যালো।

ঐ অটোর পিছনে।

ভিজি, তোমার কথা ভাঙা ভাঙা আসছে।

হ্যালো।

সাবধানে, এখানের কেউ কিছু স্পর্শ করিও না।

সাবধানে, দেখো।

ময়লা সরিয়ে সেখান থেকে লাশ বের করো।

সাবধানে কাজ করো।

স্যার, আমরা কেফোর পুলিশ থানা থেকে আসছি।

স্বাগতম কনস্টেবল স্যার, কর্পোরেশনের লোক সবার প্রথমে লাশ এখানে দেখছে।

-সাবধানে নামাও। -সবাই পিছনে যাও।

ধৈর্য্য ধরো।

নমস্কার স্যার।

-আর কত সময় লাগবে, স্যার? -কেবল এক ঘন্টা।

আমাদের এলাকার মধ্যে আছে

কিন্তু আমাদেরকে আদেশ দেওয়া হয়েছে কেসটা আপনার দিকে সরিয়ে নিতে।

-উঠাও। -সাবধানে।

-খেয়াল রাখিস যেন লাশের কিছু না হয়। -সাবধানে, ছেড়ে দিস না।

ধর।

ভালোভাবে ধর।

হ্যালো।

মীরা যে অটোতে উঠেছিলো, সে অটোর পিছনে একটা লাল রঙের স্টার আঁকা আছে।

তাছাড়া ইংরেজিতে রেস লিখা আছে।

আমি এটা জানানোর জন্য তোমাকে ফোন দিয়েছিলাম।

আমি সত্যি কথা বলছি। আমি বলছি, স্যার।

স্যার, আমি কাউকে খুন করিনি।

আমি কেবল মেয়েদের উত্ত্যক্ত করতাম।

তুই কেবল মেয়েদের উত্ত্যক্ত করতিস?

বল, কে তোর সাথে আছে??

দয়া করে আমাকে মারা বন্ধ করুন আমার সাথে একটা লোক আছে।

ইনবারাজ, স্যার।

ইনবারাজ?

আমি স্কুলের মেয়েদের ভুলিয়ে ভালিয়ে তার বাসার দিকে নিয়ে যেতাম।

সেজন্য উনি আমাকে টাকা দিতো এখানেই আমার কাজ শেষ।

এসবের বাহিরে, আমি জানিও না উনি মেয়েদের সাথে কি করে!!!

ইনবারাজ কি করে?

উনি স্কুলের টিচার।

স্কুলের টিচার এমন কাজ করে?

তাই নাকি? তাই নাকি??

সে কোন স্কুলে কাজ করে?

আমি স্কুল চিনি না আমি উনার বাসা চিনি।

তুই যে সম্মান দিয়ে কথা বলছিস যেন সে তোর বস

তার বাসা কোথায়?

সারদাপেট, অরবিন্দান সড়কে।

-কি হয়েছে, স্যার? -এই।

ভিতরে যাও।

ভিতরে চেক করে দেখো।

আচ্ছা স্যার।

তো এই জানোয়ার নাকি।

আম্মু তার ক্লাসে পড়ালেখা করে।

শিক্ষার্থীরা,

সবাই কি পেপার পেয়েছো?

হ্যাঁ, স্যার।

চুপ করো।

কে ৩৫% এর কম মার্ক পেয়েছো?

স্যার।

স্যার, মিরার স্কুলের ব্যাগ।

মিরা।

দুলাভাই।

তোমার পার্সেন্টেজ কত?

৩৪, স্যার।

আমি শুনতে পাইনি।

জোরে বলো যেন সবাই শুনতে পায়।

৩৪, স্যার।

আমরা পুরো বাসা ভালোভাবে খুঁজে দেখেছি এখানে খুনের সাথে জড়িত কিছু পাইনি।

আরুন, সে নিশ্চয়ই স্কুলে আছে।

তুমি সব পরীক্ষায় ফেল করেছো।

আচ্ছা, সবাই চলে যাও।

স্কুল আমাকে জানিয়েছে, অধঃপতন ছাত্রীদের তালিকা তাদের কাছে দিয়ে দিতাম।

আমার মনে হয়, তোমার নাম আমার সবার আগে দেওয়া উচিৎ।

স্যার, প্লিজ না।

এমন করিয়েন না, প্লিজ।

তুমি মোটেও আমার কথা শোনো না।

তাহলে আমি এখন কি করবো?

আচ্ছা, তাহলে আমি তোমার নাম তালিকায় দিবো।

আমি আপনার কথা মেনে চলবো, স্যার আমি আপনার কথা মেনে চলবো।

-তুমি কি মেনে চলবে? -আমি মেনে চলবো, স্যার।

তাহলে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দাও।

যাও।

স্যার, প্লিজ এমন করিয়েন না, প্লিজ আমাকে যেতে দিন।

-আমি ৫ পর্যন্ত গুণবো। -প্লিজ, স্যার।

প্লিজ স্যার, আমি বাসায় যেতে চাই।

এক

দুই

ইনবারাজ, টিচার...

-হ্যাঁ, স্যার? -আমি উনাকে কোথায় খুঁজে পাবো?

স্কুলের সময় তো শেষ হয়ে গেছে...উনি নিশ্চয়ই উনার সাইদাপেটের টিউশন সেন্টারে আছেন।

স্যার।

পাঁচ

স্যার, কি হয়েছে?

কিছু না, চল যাই।

- চল ওর টিউশন সেন্টারে যাই। -আচ্ছা।

স্যার, প্লিজ স্যার।

প্লিজ এমন করিয়েন না, স্যার

স্যার।

আমার ভুল ছিল, স্যার!

স্যার...

স্যার!

আপনি কী ব্যাপারে জানতে চান আমার কাছ থেকে?

তুমি এসব করো কেন?

তোমরা কি কখনো একাকীত্বের গভীরতা অনুভব করেছো?

কেউ তোমাকে জাগাবে ...

আর কেউ তোমার খেয়াল রাখবে। এখন, এসব ছাড়াই যদি জীবনযাপন করতে হয়?

তখন তোমার নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করবে।

কোনো উত্থানপতন ছাড়াই নিরামিষ জীবন।

জীবনে...

উত্তেজনা অবশ্যই জরুরি।

- আর তার জন্যে আমি - আর তার জন্যে কি?

মেয়েদের মেরে ফেলবি? তাদের নৃশংসভাবে খুন করবি?

আমি তাদেরকে মারিনি।

ইনবারাজ!

আমরা জানি তুমি ঐদিন বিকেলে তোমার ঘরে নিয়ে গিয়েছিলে।

মিরা আমার টিউশনের ছাত্রী।

ঐদিন, সে অটোরিকশায় চড়ে যাচ্ছিল, যা আমি প্রত্যাশা করছিলাম।

ওহ স্যরি। আমি কাস্টমারকে দেখিনি।

আমার অটোরিকশায় উঠা ইত্তেফাক ছিল।

- তুমি কি নিশ্চিত? - অবশ্যই স্যার।

তারপর আমি তাকে আমার ঘরে যাওয়ার জন্যে জোর করি।

এটা বেশ চমৎকার না?

এমন ধরনের এমব্রয়ডারি আমার বউও করতে পারে।

সে এই ধরনের অনেক নকশা করেছে এবং সেগুলো সারা ঘরে লাগিয়েছে।

আপনি কি সত্যি বলছেন?

ঘরে চলো তারপর নিজেই অবাক হয়ে যাবে।

যাও!

এখানে বসো, সোনা।

- আমি তোমার জন্যে লাচ্চি বানিয়ে আনছি - ঠিক আছে স্যার।

মিরা এটা শুধুমাত্র ভিটামিন ট্যাবলেট। তেমন খারাপ কিছু না।

হেই হেই ! শোনো!

হেই, মিরা!

মিরা, শোনো!

মিরা, দরজা খোলো!

যখন আমি বের হয়ে তাকে খুজঁছিলাম...

মিরা সেখানে ছিল না।

তার নিরুদ্দেশ হওয়ার খবর শুনেই...

পুনরায় স্কুলের চাকরিতে যোগদান করি।

আমি এর চাইতে বেশি কিছু করিনি।

মিথ্যে বলবে না ইনবারাজ!

তুমি এমন ভান করেছো যেন তোমার ভিতরে কোনো ভয় কাজ করছে না।

তুমি চারটা মেয়েকেই হত্যা করেছো।

তুমি কি অভিনয় করে এই কেস থেকে পাড় পেতে চাচ্ছো?

তোমাকে বাঁচিয়ে রাখার কোনো প্ল্যানই নেই আমাদের!

সত্যিটা বলো...তাইলে অন্তত আজীবন কারাবাস হলেও করতে পারবে।

স্যরি জেন্টলম্যান।

তোমরা কি অমীমাংসিত কেসে আমাকে ফাঁসিয়ে দিয়ে এর থেকে মুক্তি পেতে চাচ্ছো?

তুই কি ভাবছিস আমরা তোকে ফাঁসাচ্ছি?

তুই কি সেটাই ভাবছিস?

এখন, উঠ! উঠ!

তুই মেয়েদের অত্যাচার করে খুন করবি! দাঁড়া, তোকে জেলে নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করবো এখানে না।

ইনবারাজ!

স্যার, এসব কী? প্লিজ সবাই বাইরে যান!

সে মেয়েদের নিকট অগ্রসর হওয়ার জন্যে নিজের শিক্ষকতা পেশার সুবিধা নিচ্ছে।

সে ধরা পড়েছে কারণ আমরা তাকে চক্রে ঘুরিয়ে একটা কর্ম করতে দিয়ে হাতেনাতে ধরেছি।

স্যার, যেহেতু সকল প্রমাণ তার বিরুদ্ধে,

তাই সে প্রতিবার একই গল্প শুনিয়ে পাড় পেতে চাচ্ছে।

যদি দোষী সাব্যস্ত হয়, সে খুব ভালো করেই জানে যে তার নিশ্চিত মৃত্যু হবে।

সে অবশ্যই মিথ্যে বলছে।

আমার মনে হয় যদি তাকে তৃতীয় শ্রেণীর ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয়, তাইলে সে নিজের মুখ খুলবে।

গুড জব, লক্ষ্মী।

তুমি তাকে ধরতে পারবে না, এই ভেবে আমি শংকায় ছিলাম।

- তোমার টিমকে অভিনন্দন। - ধন্যবাদ, স্যার।

ধন্যবাদ, স্যার।

আপনি পুতুলটা কারের ডিক্কিতে কেন রাখছেন?

এইটা?

আম্মুকে বলিস না।

এটা আম্মুর জন্য আমার সারপ্রাইজ গিফট এবং কেক কাটার পরেই তার হাতে এটা তুলে দেবো।

আম্মু...

শুভ জন্মদিন।

ধন্যবাদ।

পিয়ানো?

খুশি তো?

একটু দাঁড়াও।

এসো একটা সেলফি তুলি। সবাই এসো।

হেই, এদিকে এসো।

- এদিকে তাকাও। - মুখটা গোমরা করে রেখেছিস কেন?

হাসো!

কেসের ব্যাপারে ভুলে গিয়ে হাসি দে!

হেই, এই মেয়েটা।

মেয়েটার দিকে তাকাও...

তাকে দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে, দুলাভাই।

সে ভারি সুন্দর।

- আমি মেয়েটাকে তুই যাকে পছন্দ করিস। - হ্যালো।

কী বলতে চাচ্ছো?

ভয় পেয়ো না।

দ্বিতীয় তলা, স্যার।

পুলিশ হাসপাতালের চারপাশ ঘিরে ফেলেছে।

তুমি এখান থেকে পালাতে পারবে না।

বন্দুক ফেলে দাও।

কাছে আসবে না।

নাইলে, তাকে গুলি করে দেবো।

ইনবারাজ, তুমি প্রতিবারই ভুল করছো।

তাকে ছেড়ে দাও।

না!

তোমরা আমাকে ফাঁসিয়ে খতম করে দিতে চাচ্ছো।

আমাকে যেতে হবে!

তুমি যাই বলো না কেন, সকল প্রমাণ তোমার বিরুদ্ধে।

আত্মসমর্পণ করো আর আমরা তোমার কোনো ক্ষতি করবো না।

আমি যাই করিনা কেন, তোমরা আমাকে সবশেষে এনকাউন্টার করেই মারবে।

আমি তা ভালো করেই জানি।

তুমি পালাতে পারবে না, ইনবারাজ। বন্দুকটা আমাকে দিয়ে দাও।

না, আমি দেবো না!

তোমরা সবাই বন্দুক ফেলে দিয়ে পিছনে চলে যাও!

আমি বলছি পিছনে যাও আর নাইলে তাকে শেষ করে দেবো।

আমার কথা শোনো ইনবারাজ।

পিছনে যাও, পিছনে যাও!

ম্যাম...

সে উল্টোভাবে বন্দুকটা ধরেছে।

তাছাড়া তাকে উতলা দেখাচ্ছে।

এখনের জন্য, তার কথা শুনুন।

সে হাসপাতাল ছাড়ার আগেই তাকে আমরা হাতেনাতে ধরে ফেলবো।

চুপ করো তুমি!

ম্যাম, সে খুব সূক্ষ্মভাবে বন্দুকটা তাক করে রেখেছে, যেকোনো মুহুর্তেই গুলি চালাতে পারে সে।

আমি জানি সেটা! প্রথমে তুমি এখান থেকে চলে যাও!

ম্যাম...

যে করেই হোক ভেংকটকে বাঁচাতেই হবে আমাদের।

- আর নাইলে নতুন একটা ঝামেলা বেধে যাবে। - আমি বলছি, এখান থেকে যাও!

দেখো...

আমি আবারো বলছি!

বন্দুক নিচে ফেলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করো।

না!

আমি ৩ পর্যন্ত গুনবো আর তার মধ্যেই আমি চাই তোমরা সবাই বন্দুক ফেলে দিয়ে পিছনে চলে যাবে!

নাইলে আমি তাকে গুলি মেরে দিবো বলছি।

এক!

দুই!

বন্দুক ফেলে দাও।

তিন!

তোমরা কি ফেলবে নাকি না?

আমি যাই করিনা কেন, তোমরা আমাকে সবশেষে এনকাউন্টার করেই মারবে।

অরুন!

- অরুন! - কী হয়েছে?

আম্মুকে অনেকক্ষণ যাবত পাওয়া যাচ্ছিলো না।

আমরা সব জায়গায় তাকে তন্নতন্ন করে খুঁজেছি।

- আমি বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি রে! - চিন্তা করো না।

তার কিছুও হবে না। সে হয়ত কাছে কোথাও...

না, সে ভিতরেই ছিল...

'বিরতি'

স্যার!

কখন হলো এসব?

- শক্ত হও। আমরা তাকে কালকের মধ্যেই খুঁজে বের করবো। - না, স্যার। আমার মেয়ে...

কিছুই হবে না।

দাঁড়াও! দাঁড়াও!

যে ছোট ছেলেটা তার নিজের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করছিলো সে কোথায়?

শুভ জন্মদিন।

কেসের ব্যাপারে ভুলে যাও।

হাসো!

আম্মুকে ডাক দাও, কেক কাটার সময় হয়ে গেছে না?

ঠিক আছে আংকেল।

যাও, তাকে ডেকে নিয়ে এসো।

আম্মু, কেক কাটার সময় হয়েছে। তোমার বাবা ডাকছে, এসো।

দাঁড়াও, এক মিনিট।

আম্মু, কেক কাটার সময় হয়েছে। তোমার বাবা ডাকছে, এসো।

দাঁড়াও, এক মিনিট।

প্লিজ প্লিজ! আর কিছু সময় অপেক্ষা করো।

আংকেল, সে আসছে না।

সে কার সাথে কথা বলছিলো সে ব্যাপারে তোমার কি কোনো ধারনা আছে?

না আংকেল।

ভয় পেয়ো না।

আবার চিন্তা করে আমাকে উত্তর দাও।

সে ঐদিকে একটা ছেলের সাথে দাঁড়িয়েছিলো, যে কিনা নীল রঙের টিশার্ট পড়েছিলো।

- শুভ জন্মদিন। - ধন্যবাদ, আন্টি।

স্যার, আমি আম্মুকে তুলে নিয়ে যায়নি।

আমি ভিডিওতে তাকে তোমার সাথে বাইরে যেতে দেখেছি।

তোমার সাথে কথা বলার পর থেকে তাকে ঘরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

- মিথ্যে বলবে না! - স্যার, আমি মিথ্যে বলতে যাবো কেন?

আমি কোনো কিছু বিবেচনা না করেই জেলের ভিতরে তোমাকে পেটাবো।

জবাব দাও!

স্যার...

স্যার, আমি যদি আম্মুকে তার জন্মদিনে প্রপোজ করি...

তখন সে আমার ভালোবাসা গ্রহণ করবে আর তাই তাকে আমি একলা ডেকেছিলাম।

ঠিক তখন, একটা ভ্যান পিছন দিক হতে এসে হাজির হয়।

- একটা ভ্যান? - জ্বি, স্যার।

আমি ভেবেছিলাম এটা আম্মু'র কোনো আত্মীয়ের হবে আর তাই 'গুডবাই' বলে ভ্যানে তুলে দেই।

তুমি কি ভ্যানের ভিতরে থাকা লোকটিকে দেখেছো?

না, স্যার।

কী ধরনের ভ্যান ছিল সেটা?

অন্ধকারে ভালোভাবে খেয়াল করিনি।

জন্মদিনের পার্টিতে আসা কারো গাড়ি হবে এটা।

আমি নিশ্চিত এটা সাইকোপ্যাথের ভ্যানই হবে। আশেপাশে চেক করে দেখো!

আচ্ছা অরুন।

মামা!

আপনি কি গাড়িটা চেক করেছেন?

স্যার এটা সহকারী কমিশনারের গাড়ি।

ঠিক তখন, একটা ভ্যান পিছন দিক হতে এসে হাজির হয়।

- একটি ভ্যান? - জ্বি, স্যার।

আমি ভেবেছিলাম এটা আম্মু'র কোনো আত্মীয়ের হবে আর তাই 'গুডবাই' বলে ভ্যানে তুলে দেই।

তুমি কি ভ্যানের ভিতরে থাকা লোকটিকে দেখেছো?

না, স্যার।

কী ধরনের ভ্যান ছিল সেটা?

অন্ধকারে ভালোভাবে খেয়াল করিনি।

অরুন।

- আমরা কি আম্মুকে জীবিত পাবো... - প্লিজ!

আম্মুকে বাঁচানোর জন্য আমি আমার জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দিবো।

তার নিরুদ্দেশ হওয়ার দুদিন হয়ে গেল।

আমি তোর দিকে তাকিয়ে আছি।

তার থেকে পুলিশের সমান মেধা আছে।

সে যদি তাকে ধরেও ফেলে, ও পালিয়ে চলে আসতে পারবে!

মনে নেই, কীভাবে ও আমাকে ফাঁদে ফেলে আমার সই তোকে দিয়ে নকল করিয়েছিল?

তার চোখগুলো বেশ বড় এবং গোলাকার।

যে করেই হোক ও পালিয়ে আসবে!

আমরা যদি তাকে খুঁজে পাই...

আমি নিজের ভালোর জন্য এই চাকরি ছেড়ে দেবো!

আর দরকার পড়লে এই শহর ছেড়েও চলে যাবো।

আমাদের গ্রামের বাড়িতে চলে যাবো।

বেশ ভালো হবে এতে...

আমি তার ব্যাপারে চিন্তা করা বন্ধ করতে পারছি না। সে আমার চোখের সামনেই ছিল...

যার জন্যই আমার চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না।

আম্মু!

আমরা তাকে ফিরে পাবো। জীবন হচ্ছে সকল কিছুতেই দ্বিধাহীন থাকা।

কি বলিস, অরুন?

অরুন!

সেখানে কী আছে?

কিছু না।

আম্মু?

না! শোনো আমার কথা।

এটা কি আমাদের আম্মু?

শোনো আমার কথা। না, দুলাভাই!

- ছেড়ে দে! - না! যাবেন না।

আমাকে যেতে দে। এক পলক দেখতে দে!

আমি বলছি, ছাড় আমাকে!

- যাবেন না! প্লিজ! - আমি বলছি, ছাড় আমাকে।

সেখানে যাবেন না!

মনে রেখো, আমিও একজন পুলিশ অফিসার।

আমাকে দেখতে দে।

ছেড়ে দে! আমি বলছি, যেতে দে আমাকে!

না! যাবেন না!

অরুন!

কী হলো, অরুন?

কী হয়েছে?

কী হবে?

কিছুই হয়নি। দেখো...

আমি আম্মুর জন্য এই টেডি বিয়ারটা কিনেছি।

আমি গাড়ির ডিক্কিতে রেখেছিলাম এটা আর যখন এটা বাহির করতে গেলাম।

একই জায়গায় আবারো আঘাত পেয়েছি।

তুমি কী দেখছো?

অরুন...

তুই বললি না, তুই আম্মুর ব্যাপারে একটা ক্লু পেয়েছিস?

বলিসনি তুই?

এই নে গাড়ির চাবি। নে এটা।

নাও।

গাড়ি নিয়ে চলে যাও!

তার দিকে তাকাবি না।

যাও, সূর্য অস্ত যাওয়ার আগেই আম্মুকে নিয়ে আসিস।

আমাদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করাবি না। চাবিটা নিয়ে যা।

আমি বলছি, যা!

যা বলছি!

ওগো, ভিতরে চলো।

তুমি আমার জন্মদিনে টেডি বিয়ার উপহার দাওনি কেন?

না, আমি সেটা গাড়িতে রেখে এসেছিলাম...

তুমি সবসময় এরকম করো।

এখন, সেটা আমাকে দাও, বাবা।

আচ্ছা, দিচ্ছি..

ঐখানে রাখো।

"Oh my dear, open your eyes"

"I am left with nothing but tears"

"A world without you..."

"is full of pain and sorrow"

"Tell me, where are you and I shall come retrieve you"

"All I want is to have you back"

"Oh my dear, open your eyes"

"I am left with nothing but tears"

- আম্মু, সাবধানে। - তাকে হতভম্ব করিয়েন না।

"A world without you..."

আপনি যদি তাকে এভাবেই বিরক্ত করতে থাকেন, তাইলে সে ড্রাইভিং শিখবে কেমনে?

"is full of pain and sorrow"

আমি ভালোভাবে গাড়ি চালাতে পারিনা।

"Tell me, where are you and I shall come retrieve you"

"All I want is to have you back"

"A family full of joy and celebration..."

"A family lived on the land of peace and harmony"

"But today, it finds itself in a pitch dark world"

"You love was the ever flowing stream in the family"

"Our lives were filled with your love"

"And now without you, we are nothing but dried"

"leaves that are blown away into a dry land"

"Wish this was all a bad nightmare. Hope it ends and you return home"

"The hearts awaits every single day expecting a miracle"

"It's nothing but a dead end now"

"When will you come back to us, again?"

সে নির্যাতন করার পরেই আমাদের ছোট্ট আম্মুকে মেরে ফেলেছে...

আর এখন আমরা এখানে কান্নাকাটি করছি জেনে, সে নিশ্চয় বেশ খোশমেজাজে আছে।

এখনো আমরা কিছু করতে সক্ষম হলাম না, অরুন!

"A world without you..."

আপনার মেয়ের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।

"Tell me, where are you and I shall come retrieve you"

আমি এটা দিয়ে কী করবো, ডাক্তার?

সে ওকে নৃশংসভাবে খুন করেছে...

আর তার শরীরের অংশ কুচিকুচি করে ফেলেছে।

আমি জানি না তার কাছ থেকে কতক্ষণ এই খবর লুকিয়ে রাখতে পারবো।

আমরা যাচ্ছি। খেয়াল রেখো।

হাসপাতালে এটা খুবই সংকটময় মুহুর্ত ছিল আর তাই আমরা বন্দুক ব্যবহার করেছি।

মি. অরুন মেয়েদের স্কুলেও গুলি চালিয়েছিল। ওটা কি ছিল? হিরোগিরি?

তার বিরুদ্ধে কোনো FIR মামলাও করা হয়নি।

সেখানে কোনো বৈধ প্রসিকিউশন ছিল না।

তাইলে তোমরা কীভাবে উল্লেখ করলে যে, সেই(ইনবারাজ) হচ্ছে খুনি?

তোমরা কী ভেবেছো, পুলিশকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে না?

মি. অরুন দুদিনের মধ্যেই কমিটির সামনে এসে হাজির হতে হবে।

নাইলে তুমি আর অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।

এটা হচ্ছে তলবপত্র, যাতে তোমাকে কমিটির সামনে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

দুঃখিত অরুন, আমার কোনো চয়েস ছিল না।

আমি তোমাকে অফিসিয়ালি তিন মাসের জন্য বরখাস্ত করছি।

তোমাকে এই কেসের দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

অরুন!

অরুন! না!

না অরুন! না!

ওখানের ছাত্রী হওয়া ছাড়া এই চারজনের মাঝে অন্য কোনো সংযোগ রয়েছে।

আমি সেটা বের করতে ব্যর্থ হলাম...

আমি একজন অকম্মা, ভিজি।

এমনকি আমি আমার আশেপাশের কাউকেও রক্ষা করতে পারিনি।

একজনকেও না!

তাহলে একজন পুলিশ অফিসার...

লাভটাই বা কী!

আমি ভয় পাচ্ছি।

আমার পাশে থেকো, ভিজি।

আমি পুলিশের চাকরি ছেড়ে দেবো চলো এই জায়গা ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যায়।

আমি সেটা বের করতে ব্যর্থ হলাম...

আমি একজন অকম্মা, ভিজি।

এমনকি আমি আমার আশেপাশের কাউকেও রক্ষা করতে পারিনি।

একজনকেও না!

হেই! তুমি এসব রেকর্ড করতে গেলে কেন?

স্যরি।

যখন কেউ কথা বলে, ও সেগুলো এটাতে রেকর্ড করে...

তার স্পিচ ট্রেনিংয়ের জন্য এসব পুনরায় শুনতে থাকে।

আমার ছাত্রী মিরা যে কোম্পানি থেকে এটা কিনেছিল একই জায়গা থেকেই ও কিনেছে সেটা।

তো...

মিরাও কি শ্রবণ সহায়কের জন্যে একই সুবিধা ভোগ করতো?

হ্যাঁ।

মিরা'র শরীর থেকে পাওয়া জিনিসপাতি।

মিরার শ্রবণ সহায়ক।

শুভ বিবাহবার্ষিকী। তোমাদের এই দিনটার জন্য অসংখ্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

যখন তার মাথায় আঘাত করা হয় তখনই রেকর্ডিং শুরু হয়েছে।

এটা হয়ত মিরার কণ্ঠ।

আমার মতে এই মিউজিক এখনো কোথাও রিলিজ হয়নি।

আসল বিষয়টা হচ্ছে এই মিউজিকের কোনো ভাষা নেই।

তবে হালকা মেক্সিকান এবং ইন্ডিয়ান মিশ্রণ রয়েছে।

এসবের ভিত্তিতে, আমার জানামতে এটা হয়ত এঙলো- ইন্ডিয়ান স্টাইলের মিউজিক হতে পারে।

তাছাড়া, বাজানোর স্টাইলের ভিত্তিতে, যে সাইকোকে আপনি খুঁজছেন সে হয়ত একজন পিয়ানোবাদক।

স্যার, এই ধরনের প্রোগ্রাম আয়োজন করা সম্ভব।

কিন্তু সেটা রাত ৯-১০টা পর্যন্ত খালি সময়েই করা যাবে।

তো, তার জন্যে আমাদের হেডঅফিসের অনুমতি লাগবে।

স্যার, আমি সাময়িক বরখাস্ত।

তাইলে আর কি, অনুমতিপত্র ছাড়া, সেটা একটা...

ইস্যু হয়ে যাবে আর আমি আমার হেডঅফিস এ নিয়ে কোনো জবাবদিহিতা করতে পারবো না।

অরুন, আমি তোর অবস্থা বুঝতে পারছি।

তুই সেখানে উপস্থিত না হওয়াতে লক্ষ্মী ম্যাম কমিটির কাছে উপহাস হয়েছেন।

উনি তোর উপর রেগে আছেন।

তারা তাকে সতর্ক করেছিল আর তোকে দুদিনের মধ্যে উপস্থিত হতে বলেছিল।

আর তুই উনার কাচা থেকে অনুমতিপত্র চাইবি।

তুই কি ভাবছিস উনি সেটাতে সই করবে?

নমস্কার চেন্নাই! ৯২.৭ এফএম হতে আমি আরজে কার্তিক টপ ১০০ হিটস নিয়ে হাজির হয়েছি।

যেহেতু আপনাদের জন্য অসাধারণ গান প্লে করা হবে...

আপনারা সবাই আমাদের প্লে করা এই গানটা শুনুন, তাছাড়া এটা একটা দুর্লভ গান...

আর আমাদের জানান কে এই গানের কম্পোজার এবং কোথায় শুনেছেন এই গান...

আর এটা নোট এবং বিটসের তথ্য প্রদান করুন।

আমরা আমাদের প্রথম কলারকে লাইনে পেয়ে গেছি। তার সাথে কথা বলতে দিন।

- নমস্কার স্যার। - নমস্কার স্যার।

আমি টাম্বারাম থেকে মারি বলছি।

তো, মারি স্যার এখন আপনি যে গানটা শুনেছেন, আপনার কাছে সেটার কোনো তথ্য আছে?

এটা তো শুধুমাত্র সাধারণ একটা মিউজিক।

আমাদেরকে কোনো ক্লু দিন, তারপরেই আমরা সেটার ব্যাপারে বলতে পারবো।

আপনার জন্য গানটি প্লে করা হলো।

আমাদের পরবর্তী কলার, হ্যালো, নমস্কার।

গানটা শুনতে বেশ ভালোই লাগছে তবে...

পরিচিত কোনো গান বলে মনে হচ্ছে না।

আন্দাজ করতে পারছি না।

আরেকজন কলার কল দিয়েছেন। নমস্কার!

আপনার জন্য গানটি প্লে করা হলো, এঞ্জয় করুন।

নমস্কার! সেখানে চলুন।

আপনার জন্য গানটি প্লে করা হলো ম্যাম, এঞ্জয় করুন।

আপনার জন্য গানটি প্লে করা হলো ম্যাম, এঞ্জয় করুন।

আজকের শো'র সর্বশেষ গান।

অসাধারণ সুর।

স্যার, এই প্রোগ্রাম আধা ঘণ্টা যাবত চলে।

আপনি ইস্যুটা বলার কারণে আমরা এখনো শো'টাকে এক ঘণ্টা যাবত চালিয়ে যাচ্ছি।

এরপরে, অভিনেতা কারুনা কারানের সাথে আমাদের লাইভ প্রোগ্রাম রয়েছে। তিনি ইতোমধ্যেই বাইরে অপেক্ষা করছেন

স্যার!

স্যার!

মনে হয় একজন মেয়ে এই মিউজিকটা শুনেছে।

সে লাইনে অপেক্ষা করছে।

বলতে থাকো শ্বেতা, এই মিউজিক থেকে তুমি কী তথ্য পেয়েছো?

এটা আমি আমাদের স্কুলের বার্ষিক উৎসবের দিন শুনেছি।

তো তুমি এটা তোমাদের স্কুলের বার্ষিক উৎসবের দিন শুনেছো?

হ্যাঁ স্যার!

শ্বেতা, বার্ষিক উৎসব কবে উদযাপিত হয়েছিল?

তিন মাস আগে বার্ষিক উৎসব উদযাপিত হয়েছিল।

তুমি কি অনুষ্ঠানটা রেকর্ড করেছিলে?

স্যার, আপনার কাছে কি এই মহিলার ব্যাপারব কোনো তথ্য কিংবা ফোন নাম্বার রয়েছে?

স্যার, এই মহিলা বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছে।

সে অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ছিল।

তবে যখন থেকে সে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছে, আমরা তার ব্যাপারে কোনো খবরাখবর নিই নি।

হ্যালো।

- হ্যালো ভিজি, তুমি কি স্কুলে আছো? - হ্যাঁ।

মিরা নিরুদ্দেশ হওয়ার কিছুদিন আগে, স্কুলে কি কোনো ম্যাজিক শো হয়েছিল?

হ্যাঁ।

এই বুরো মহিলা কি সেটা সম্পাদন করেছিল?

হ্যাঁ।

কিছুক্ষণের জন্য প্রিন্সিপ্যালের রুমে যাও আর ম্যাজিশিয়ানের ভিডিওটা দেখে এসো।

- হ্যাঁ অরুন? - হ্যালো, ভেংকট...

আমুধা'র স্কুলে যা,কিছুদিন আগে সেখানে একটা ম্যাজিক শো হয়েছিল।

গিয়ে ভিডিওটা চেক কর।

একটু সামনে নিন প্লিজ।

থামুন! থামুন!

এই কেসে, সাম্যুক্তা প্রথম শিকার ছিল।

সাম্যুক্তা ২০ই অক্টোবর কিডন্যাপ হয়েছিল।

বার্ষিক উৎসবের অনুষ্ঠান ১৮ই অক্টোবর হয়েছিল।

দ্বিতীয়, আমুধা।

১৬ই নভেম্বর কিডন্যাপ হয়েছিল।

তার স্কুলে ১৪ই নভেম্বর শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছিল।

তৃতীয়, মিরা।

২০ই ডিসেম্বর কিডন্যাপ হয়েছিল, অরুন।

বার্ষিক উৎসবের অনুষ্ঠান ছিল, ১৮ই ডিসেম্বর।

চতুর্থ...

আম্মু...

মেয়েদেরকে কিডন্যাপের দুদিন আগে...

প্রত্যেক স্কুলেই অনুষ্ঠান ছিল।

প্রতিটা অনুষ্ঠানের সাধারণ ইভেন্ট হচ্ছে ম্যাজিক শো।

এই মহিলা তার জাদুমন্ত্র মেয়েদেরকে কিডন্যাপের কাজে ব্যবহার করছে।

কীভাবে?

প্রথমে, সে তার ম্যাজিক শোর মাধ্যমে প্রত্যেক শিশুকে ইম্প্রেস করছে।

দ্বিতীয়ত, সে ছাত্রীদের মধ্য থেকে স্বেচ্ছাসেবীদেরকে একটা কিছু করার জন্য আমন্ত্রণ জানায়।

সে স্বেচ্ছাচারী ছাত্রীদের সাথে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাদের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে যায়।

চতুর্থত, সে বাছাই করা ছাত্রীদের নিজের শিকার বানায়।

পঞ্চমত, সে সেই ছাত্রীদেরকে ঠিক দ্বিতীয় দিনের সাক্ষাতেই...

..কিডন্যাপ করে, কোনো ঝামেলা ছাড়াই।

এটাই হচ্ছে তার রুটিন প্যাটার্ন।

প্রথম জিনিস, আমাদেরকে অবশ্যই বের করতে হবে এই মহিলা কি...

কোনো স্কুলে ম্যাজিক শো করছে কিনা।

তবে আমাদেরকে সেটা গোপনীয়তার সহিত করতে হবে।

আমরা সেসব তথ্য এক ঘণ্টার মধ্যেই পেয়ে যাবো।

অরুন, এই মাসের ১৭ তারিখ পোরুরে'র আন্নাই ম্যারি স্কুলে...

একটা ম্যাজিক শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এটা তো ঐ মহিলাটাই।

আজকে কত তারিখ?

আজকে ১৯ তারিখ।

অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার দ্বিতীয় দিন।

সময় হয়ে গেছে, ঘণ্টা বাজিয়ে দাও।

ঠিক আছে ম্যাম।

হ্যালো!

দাঁড়াও!

আরো ১০ মিনিট অপেক্ষা করো।

ভেংকট, গেইট লাগিয়ে দে।

সিকিউরিটি, মেইন গেট লাগিয়ে দাও।

- প্রিন্সিপ্যাল রুম? - শেষের রুমটা।

ম্যাম, আমিই আপনাকে ফোন করেছিলাম।

থামুন! থামুন।

ও কোন ক্লাসে পড়ে?

ওর নাম সানজানা, ১০ম শ্রেণির 'ক' শাখাতে পড়ছে।

সে স্কুলের কৃতি ছাত্র।

১০ম শ্রেণি "ক" শাখার ক্লাসরুম?

দ্বিতীয় তলায়।

- এখানে অপেক্ষা করো। - মেয়েরা, এই ডায়াগ্রামটা নোট করো।

- ম্যাম, আমি অরুন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট হতে এসেছি। - হ্যাঁ?

হ্যাঁ স্যার? কী ব্যাপার?

স্যার, কোনো সমস্যা?

ম্যাম, শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে একটা ছোট সচেতনতা সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়েছে।

আচ্ছা স্যার। এগিয়ে যান।

মেয়েরা...

কটা ছোট্ট উপদেশ।

আমাদের আশেপাশের প্রত্যেকেই ভালো এবং দয়ালু নয়।

যেকোনো পন্থাতেই ঘরে কিংবা পাবলিক স্থানে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

তোমরা যদি কখনো সমস্যায় পড়ো, এই পাঁচটি পয়েন্ট স্মরণ করবে।

পয়েন্ট ১: ভয় পাবে না!

ভয় আমাদের সবচাইতে বড় শত্রু।

এটা আমাদের শারীরিক এবং মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়।

পয়েন্ট ২: অবস্থার মোকাবেলা করো।

শত্রুকে দেখিয়ে দাও যে তুমি সাহসী।

পয়েন্ট ৩: একত্রে, অবস্থা হতে পালানোর পথ বের করো।

পয়েন্ট ৪: অন্যজনকে তথ্য প্রদানের চেষ্টা করো।

পয়েন্ট ৫: যদি উপরের কোনটাই কাজে না লাগে,

তাহলে নিজের পূর্ণ শক্তি কাজে লাগিয়ে শত্রুকে আঘাত করতে থাকো।

তোমরা কি জানো, কোনো মানুষই বাচ্চা জন্ম নেওয়ার সময়ে কোনো ব্যথা সহ্য করতে পারে না।

তাই, নিজের শক্তিবল দেখিয়ে দাও!

সাহসী এবং আত্মবিশ্বাসী হও!

ঠিক আছে তো মেয়েরা?

আরেকটা জিনিস, মনে রাখবে, পুলিশ তোমাদের নিরাপত্তার স্বার্থে সর্বদা নিয়োজিত আছে।

তোমরা সবাই কি একটা মোবাইল নাম্বার জানো?

ম্যাম, প্রিন্সিপ্যাল আপনার সাথে দেখা করতে চায়।

- আপনি তার সাথে দেখা করে আসুন। - ঠিক আছে।

এখন বলো আমাকে, তোমরা কি একটা মোবাইল নাম্বার নিতে চাও?

জ্বি, স্যার।

মেয়েরা, এটা আমার পার্সোনাল নাম্বার। সেভ করে রাখো।

- তুমি আমার নাম্বার লিখে রাখো? - জ্বি, লিখেছি।

দেখাও আমাকে।

খুন ভালো।

তোমাদেরকে মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

বাই।

অটো রিক্সা #6267।

সাবধানে! সাবধানে! তাকে হাতছাড়া করো না।

থেমো না। যেতে থাকো।

আমি থামতে বারণ করেছি! তাইলে থামলে কেন?

ভেংকট আমরা সিগন্যাল মিস করেছি।

অটো রিক্সাটি গোকুলাম পার্কের বাম দিকে গেলো।

ফলো করতে থাকো।

চালাও। যাও!

অরুন তুই যেখানে আছিস সেখান থেকে বাঁয়ে নে আর সেখানে বসন্ত মনি টিউশন সেন্টার দেখতে খুঁজে পাবি।

সে ঐখানে নেমেছে।

ডানে নাও?

হ্যাঁ

অরুন, এইতো মেয়েটা।

ভেংকট, সে এখন বাইকে উঠছে।

তাকে ফলো কর।

দূরত্ব বজায় রেখে যেতে থাক।

সাবধানে, আনবু।

গাড়ি গায়েব হয়ে গেছে।

আনবু, তুই সোজা যা। তোরা দুজন বামে যা।

জ্বি স্যার, আপনি কী চান?

ভ্যানের লোকটা তোর থেকে কী জিজ্ঞেস করলো?

সে ঠিকানার কথা বলছে।

সে দেখতে কেমন?

আপনি কে?

আমি অরুন, মনে করে দেখো, আমি তোমার ক্লাসে গিয়ে তোমাকে আমার নাম্বার দিয়েছিলাম।

ওহ! দুঃখিত স্যার...

আপনি নিশ্চয় আমার বোন সাঞ্জানার ক্লাসরুমে গিয়েছিলেন।

আমি সংগীতা। আমরা যমজ।

সাঞ্জানা এখনো বাড়ি ফেরেনি কেন?

তার মিউজিক ক্লাস আছে।

- কোথায়? - স্কুলের পিছনে।

কি ব্যাপার,স্যার?

-কী হয়েছে, সায়মন? - একটা গিফট বক্স পেয়েছি।

সায়মন, একবার কন্ট্রোল রুমের দিকে গিয়ে এসো।

সাঞ্জানার নাম্বার ট্রেস করে এসো।

হ্যালো স্যার।

- অরুন? - হ্যালো।

নাম্বারটা ট্রেস করা হয়েছে।

এটা কাথিপাড়া ব্রীজের গুইন্ডি অতিক্রম করছে।

ভালো, গভীরভাবে মনিটর করো।

গুইন্ডি, কাথিপাড়া।

অরুন, নাম্বারটি বিনি রোড থেকে সেন্ট থোমাস পর্বতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

খুব ভালো।

আমরা সেন্ট থোমাস এলাকার দিকে যাচ্ছি।

ট্র‍্যাকিং করতে থাকো।

অরুন, এটা রখন প্যাট্রিক চার্চ ক্রস করে ব্রিট্টো কলোনির দিকে যাচ্ছে।

আমরা সেন্ট থোমাস পর্বতের কাছেই চলে এসেছি। বামে! বামে!

আর কোনো নড়চড় হচ্ছে?

আর কোনো নড়চড়?

অরুন, যে নাম্বারটা নড়চড় করছিল সেটা সিগন্যাল হারিয়ে ফেলেছে।

ধ্যাত!

সর্বশেষ সিগন্যাল কোথায় পাওয়া গিয়েছিল?

ব্রিট্টো কলোনি,বাভা স্ট্রিট।

ম্যাম...

ম্যাম...

আমরা কোথায়, ম্যাম?

আমার পরিবার আমার আশায় বসে আছে।

আমি যেতে চাই।

ব্রিট্টো কলোনি হতে বের হওয়ার জন্য তাদের নিকট আর কোনো পথ নেই।

সেটাই যদি হয়, তাইলে সিগন্যাল পুনরায় ফেরত আসবে...

..পরবর্তী টাওয়ারব এবং আমরা একটা ইঙ্গিতও পেয়ে যাবো।

ডানে! ডানে!

ম্যাম

আমি টয়লেটে যেতে চাই।

ভেংকট, এটা এখানে কোথাও ই হবে।

তুমি সোজা গিয়ে চেক করো।

বামে নাও।

হ্যালো, সাঞ্জানা।

অরুন স্যার, আমি সাঞ্জানা বলছি।

বলো।

আমি একটা জায়গায় এসে ফেঁসে গেছি।

আমি জানি সাঞ্জানা, তুমি জানো তোমার যথাযথ লোকেশন কোথায়?

এখন আমি একটা বাথরুমে লুকিয়ে আছি।

চিন্তা করো না সাঞ্জানা, আমরা কাছাকাছি চলে এসেছি।

অরুন, কন্ট্রোল রুম থেকে কল এসেছে।

এক মিনিট। হ্যালো।

অরুন, ঐ মেয়েটার ফোন উত্তর দিক হতে বরাবর ২০০ মিটার দূরত্বে রয়েছে।

দাসকান্ত স্ট্রিটে।

তবে অরুন, তুমি বিপরীত দিকে গাড়ি চালাচ্ছো।

ওহ শিট! থামো! উল্টো ঘুরিয়ে নাও!

দাসকান্ত স্ট্রিটে!

আমি খুবই ভয় পাচ্ছি।

- স্যার! - কি হয়েছে, সাঞ্জানা?

- স্যার! স্যার! - বলো, সাঞ্জানা!

সে ভেঙে ভিতরে আসছে।

আমি বুঝতে পারছি না এখন কী করবো।

তোমার কি মনে আছে আমি যা শিখিয়েছিলাম?

সে আমাকে মেরে ফেলবে!

চিন্তা করো না। সাহস বজায় রাখো!

প্লিজ আমাকে বাঁচান, স্যার!

আমরা তোমার লোকেশন খুঁজে পেয়েছি। চিন্তা করো না।

তুমি কি বাথরুমে কোনো জানালা দেখতে পাচ্ছো?

জলদি, সাঞ্জানা!

Yes, there is one

সাহসী হয়ে অবস্থার মোকাবেলা করো।

জানালা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করো আর যদি পালাতে পারো...

কিছু দিয়ে সেটা ভাঙার চেষ্টা করো!

আর জানালা ভাঙার চেষ্টা করো।

সায়মন, আমাকে সাঞ্জানার যথাযথ লোকেশনটা দাও।

অরুন, তোমার ডান পাশে। শুধুমাত্র ৫ মিটার দূরে।

অরুন...

সেলফোনটা তুমি যেখানে দাঁড়িয়েছো সেখানেই আছে।

সাঞ্জানা!

সাঞ্জানা!

সাঞ্জানা!

তুমি ঠিক আছো তো?

আমি ঠিক আছি।

তুমি কি ব্যথা পেয়েছো?

তেমন কিছু হয়নি তো?

বুড়ো মহিলাটা কোনদিকে গিয়েছে?

এইদিকে।

এখানে থাকো। আমি আসছি।

ভেংকট, তাকে ফলো কর!

ভেংকট!

- ভেংকট! - আমি ঠিক আছি। কোনো সমস্যা নেই।

স্যার, প্লিজ কোডাইকানাল ২০০০ ব্যাচের লিস্টটা আমাদের দেখান।

এটাই কি সে?

সে চেন্নাইয়ে থাকে, অরুন।

মহিলাটির নাম...

এনাবেল জর্জ না।

তার নাম মেরি ফার্নান্দেজ।

এই ফটোর ব্যক্তিই হচ্ছে ফার্নান্দেজ।

সে একজন যাদুকর ছিল।

এই মহিলা, যে একজন মিউজিক টিচার ছিল..

তার স্বামীর মৃত্যুর পরে যাদুকে পার্ট টাইম পেশা হিসেবে বেছে নেয়।

একই স্টেজে, সে তার ছেলে ক্রিস্টোফারকে পরিচয় করিয়ে দেয়।

কিন্তু সবাই ক্রিস্টোফারকে দেখে হতভম্ব হয়ে যায়।

কারণ? শিশুকাল থেকেই...

তার এক ধরনের হরমোনজনিত সমস্যা ছিল যার দরুন তাকে দেখতে একটা পূর্ণবয়স্ক লোক মনে হয়।

তাই, কোনো ছাত্র তার সাথে মিশতো না এবং তাকে একঘরে করে দিয়েছিল।

ক্রিস্টোফার!

এদিকে আসো।

সোফিয়া।

ক্রিস্টোফারের সোফিয়া নামের এখন বান্ধবী আছে জেনে মেরি কিছুটা শান্তি পায়।

কিন্তু সোফি'র অন্যান্য বন্ধুরা সেটা মেনে নিতে পারেনি।

ভালো, চলো খেয়ে নেওয়া যাক। আসো।

যাতে কেউ ক্রিস্টোফারকে খারাপ কিছু করতে না পারে...

সেদিকে নজর দিয়ে মেরি তাকে ভালোমতো দেখাশোনা করতে থাকে।

ধন্যবাদ, সোফি।

কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে...

সে ক্রিস্টোফারকে অন্যতম সেরা যাদুকর বানাতে চেয়েছিল।

আর তাই মেরি তাকে ট্রেনিং করানো শুরু করে।

একই সময়ে...

ক্রিস্টোফারের ভিতরে সোফির জন্যে ফিলিংস জাগ্রত হতে থাকে।

সোফিয়া!

সোফি..

এসব কি? বলো আমাকে।

- সোফিয়া... - অসাধারণ!

আমি তোমাকে ভালোবাসি।

প্রথমে সোফিয়া হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল।

সোফিয়া!

পরে সে তাকে পরামর্শ দিয়ে...

বোঝানোর চেষ্টা করে।

কিন্তু সেই বোঝানোটা বিফলে গেলো...

সোফিয়া তার থেকে দূরে সরে যেতে লাগলো।

ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি ক্রিস্টোফার।

সোফিয়ার এড়িয়ে চলাটা তাকে জর্জরিত করে তোলে।

প্লিজ, সোফিয়া আমার সাথে কথা বলো।

ও যখন তোমার সাথে কথা বলতে আগ্রহী না তাহলে ওকে জ্বালাতন করছো কেন?

সোফিয়া!

আমার মায়ের পরে একমাত্র তুমিই যে কিনা আমার অনেক খেয়াল রাখো।

সোফিয়া তাকে আর সহ্য করতে পারেনি।

সোফিয়া!

সে তাকে লাইব্রেরীতে নিয়ে গিয়ে জেনেটিক সম্পৃক্ত কিছু বই পড়তে বাধ্য করে।

কিন্তু সোফিয়া কেন?

সোফিয়া তার হরমোন অবস্থা নিয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা দিয়েছিল।

এমনভাবে বলো না, সোফিয়া।

- আমি স্বাভাবিক আছি। - না, ক্রিস্টোফার!

আমাকে ওটা আবার বলতে বাধ্য করো না!

- সোফিয়া, প্লিজ। - এটা পড়ো।

আমি এসব বুঝবো না...

- বলেছি, এগুলো পড়তে! - সোফিয়া, আমার সাথে চিরতরে থাকো।

এমনকি ক্রিস্টোফার যখন জেদ করেছিল...

সোফিয়া তার ধৈর্যের বাদ ভেঙে...

...তাকে বলেছিল যে সে এখন বিয়ের জন্য উপযুক্ত নয়।

তখন সোফিয়া তাকে বলে ফেলে যে সে একজন পুরুষত্বহীন।

সোফিয়া তার দিকে চেঁচিয়ে তাকে পুরুষত্বহীনের মানে বোঝাতে চেয়েছিল!

শেষে সোফিয়া তাকে প্রেম, বিয়ে এমনকি বন্ধুত্বের নাম করে ওকে অনুসরণ করতে সতর্ক করেছিল।

মা!

মা!

সেই রাতে সে মেরিকে কেঁদে কেঁদে তার অবস্থা সম্পর্কে জানায় যে সবাই তাকে ঘৃণা করে।

কিন্তু ওর মা, মেরি?

অনেক প্রতিকুল অবস্থার সঙ্গে লড়াই করে উনি তার মধ্যে আশা জুগিয়েছেন যে, সে শ্রেষ্ঠ যাদুকর হবে।

তার আত্মসম্মান পুনরায় মোচন করতে এবং তার অপূর্ণতা ঢাকতে...

সে তাকে সামান্য সাজিয়েছিলো।

সে তার আস্থার সাথে স্কুলে যায়।

'পুরুষত্বহীন' শব্দটি! পুরুষত্বহীন'।

এতে ক্রিস্টোফারের হৃদয় দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

সরো, সরো!

আমাকে দেখে হাসছো তুমি, না!

ম্যাম, আমি দুঃখিত।

সেইদিন ক্রিস্টোফারের সাথে আমার ওভাবে কথা বলা উচিত হয়নি।

পরের দিন আমার জ্বর ছিলো বিধায় আমি স্কুলে যাইনি।

মেরিও তাকে শান্তভাবে বুঝিয়ে ব্যাপারটা সমাধান করেছিল।

সে বলেছিল তারা দুজন যেন আবার বন্ধু হয়ে যায়...

এবং তাকে একটা উপহার দেয়।

যখন আমি ঐ ভদ্রমহিলাকে গ্রেফতার করেছিলাম...

ওখানের সবার চোখে আমি একটা ভয়ের ছায়া দেখেছিলাম।

মুক্তি পাওয়ার কয়েকদিন পর...

শুনেছিলাম তারা দুজন একটি দুর্ঘটনায় মারা যায়।

কিন্তু সে এখনো জীবিত আর কৌশলে প্রতিহিংসায় খুন করছে।

এটা বেশ অবাক করার বিষয়।

কোনোভাবে...

যত শীঘ্রই সম্ভব তাকে গ্রেফতার করো...

নয়তো আমাদের আরো অনেককে শিকার হতে দেখতে হবে।

হ্যালো।

ইমার্জেন্সি!

কী হয়েছে?

তুমি যে ছবি, ভিডিওগুলো দিয়েছিলে আমি সব দেখেছি।

- একবার আমার রুমে এসো! - আমি আসছি, স্যার।

স্যার।

স্যার!

স্যার! স্যার!

রাজামানিক্কাম স্যার!

অরুন...

আমরা যে রাজামানিক্কামের সাথে দেখা করেছি ওটা জেনে এসি দুরাইকে ওখানে পাঠিয়েছেন।

রাজামানিক্কামকে হত্যা করা হয়েছে, ভেংকট!

আমি উনার বাড়িতে গিয়ে উনার লাশ খুঁজে পেয়েছি।

কী বলছিস তুই?

এটা ঐ মহিলাটি হবে!

নিশ্চিত ঐ মহিলাটি এখান থেকে ১০ কিলোমিটারের বেশি দূরে যেতে পারেনি।

আশেপাশের এলাকায় সতর্ক করে দাও, ভেংকট।

ঠিক আছে, আমি ওটা দেখে নিবো।

তুমি এক্ষুণি স্পট থেকে চলে যাও, অরুন!

তুমি যে ছবি, ভিডিওগুলো দিয়েছিলে আমি সব দেখেছি।

এখানে কী করছো, অরুণ?

রাজামানিক্কাম আমার সাথে দেখা করতে চেয়েছিলেন এবং সেটা খুব জরুরি ছিল।

এক মিনিট।

এখানেই থাকো!

পাসুপতি, এসো।

জ্বী, ম্যাম।

অরুণ, ম্যাডাম আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন তোমাকে গ্রেফতার করে স্টেশনে নিয়ে যেতে।

কী...আমার অপরাধ কী?

কোনো কথা না বলে ওখানে গিয়ে বসো।

তুমি! কী করছো?

তোমরা সবাই কী করছো?

ওকে স্টেশনে নিয়ে এসো।

স্বাগতম, অরুন সাহেব।

দেখে মনে হচ্ছে তুমি মানুষকে তোমার পিছনে দৌড়ানোর জন্য ভালো সময় দিচ্ছো?

ম্যাম, আমরা আগে যেগুলো খুঁজে পেয়েছিলাম...

তার চেয়ে বেশি এই কেসের ব্যাপারে গুরুতর কিছু রয়েছে।

যেমন আমি বলেছিলাম, ওর মন স্থিতিশীল ছিলো না এবং সে কিংকর্তব্যবিমূঢ়ও ছিলো।

এজন্যই সে এই কেসের সম্পৃক্ত লোকদের নিশানা করা শুরু করে।

শোনো!

তোমাকে সাসপেন্ড করার কারণ ছিল আমি তোমাকে এই কেসের বাইরে রাখতে চেয়েছিলাম।

ম্যাম, প্লিজ!

তুমি কি চুপ করবে না?

দুরাই...

- জ্বী, ম্যাম। - হাতকড়া পড়িয়ে ওকে লকআপে ঢুকাও।

ম্যাম, প্লিজ আমার কথা শুনুন!

ম্যাম, এটা খেলা না! এটা সিরিয়াস!

স্যার, তাকে অভিযুক্তের চোখে দেখছেন কেন?

নিজের চরকায় তেল দাও।

আমি রাউন্ডে যাচ্ছি ওর উপর নজর রেখো।

রাজামানিক্কামের বাড়িতে তোলা ছবিগুলো কোথায়?

ওগুলো সেল্ফে রয়েছে।

প্লিজ, আমার একটা উপকার করো।

ঐ ছবিগুলো আমাকে এনে দাও।

স্যার!

ওটা তো ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে।

এখন এগুলো নিয়ে আসলে ঝামেলা হয়ে যাবে।

ইতোমধ্যে...

ইতিমধ্যে ঐ পিশাচ কোনো কারণ ছাড়াই গজরানি শুরু করবে।

পাঁচ মিনিটের ভেতরে আমার সবগুলো ছবি চাই।

আমি কেবলমাত্র দেখতে চাই ওগুলো থেকে কোনো হদিস পাই কিনা।

প্লিজ।

এই নিন।

এক মিনিট, স্যার।

প্লিজ, টেবিলটি একটু ধরুন তো।

শোনো...

স্যার?

এই নজিরটি রাজামানিক্কাম প্রকাশ করতে চেয়েছিল।

মহিলাটির ছয়টি আঙুল রয়েছে।

আমরা সেদিন ভুল ব্যক্তিকে খুঁজছিলাম।

অরুন ইতোমধ্যে আমাদের কাস্টোডিতে আছে।

হ্যাঁ স্যার, আমি ওকে সকাল ৯ টার আগে সম্মুখীন করবো।

- তখন আমি কোনো বাহানা চাই না। - ম্যাম!

হ্যাঁ, স্যার।

ধন্যবাদ, স্যার।

ওর হাতকড়া কে খুলেছে?

ম্যাম, প্লিজ আমার কথা শুনুন। এই ছবিগুলো দেখুন।

এই ছবিগুলো ল্যাবে পাঠানোর অনুমতি দেয়নি?

কীভাবে করলে তুমি...

পাসুপতি!

ম্যাম, আমরা মেরি ফার্নান্ডেজকে খুঁজলে সাইকোকে ধরতে পারবো না।

বেবি...

এখনো ঘুমোওনি তুমি?

ম্যাম!

তুমি আমাকে দিয়ে গান গাওয়াতে চাইছো?

ঠিক আছে।

Baby is drowsing cozy and fair

Mother sits near by the rocking chair

ম্যাম, প্লিজ আমার কোথা শুনুন!

পেছনে যাও তো...

দোলানোয় সে শান্ত হয়ে গিয়েছে।

চিন্তা করো না বেবি, মা তো কাছেই আছে।

ম্যাম, সমস্যাটি আরো বেশি খারাপ হতে চলছে।

শুভরাত্রি, মা।

ম্যাম, আমরা মেরি ফার্নান্ডেজকে খুঁজলে সাইকোকে ধরতে পারবো না।

কারণ আসল সাইকো হচ্ছে ওর ছেলে, ক্রিস্টিফার।

এই ছবিগুলোতে প্রমাণ রয়েছে।

সে এটা জানে না যে তাকে ট্রেস করে বের করা হয়েছে।

সে ফ্রিতে ঘুরে বেড়াবে।

তুমি কি পাগল হয়েছো?

তুমি কেসটি ঘুরানোর চেষ্টা করছো?

- ম্যাম, এই অবস্থায়... - বেরিয়ে যাও!

ম্যাম, এই পরিস্থিতিতে পুলিশ একজন মহিলাকে খুঁজবে!

অভিযুক্তের নাম: মেরি ফার্নান্ডেজ।

বয়স: প্রায় ৫০-৫৬ কাছাকাছি।

গোল্ডেন হ্যায়ার আর সে বধির।

সে হুইল চেয়ার ব্যবহার করে।

কাউকে একবার সন্দেহ হলে তথ্য অনুযায়ী টহল দিয়ো।

টয়লেট একবার যেয়ে তারপর ঘুমালে কেমন হয়?

প্লিজ।

শুধুমাত্র আজকের রাতের জন্য আমাকে ইউনিফর্ম পরে কাজ করতে দিন।

নিশ্চিত আমি তাকে ধরে ফেলবো।

আর তারা প্রশ্ন করলে আমি কী উত্তর দেবো বলে তোমার মনে হয়? আমার বুড়ো আঙুল চোষবো?

কায়াল, সিঁড়ির নিচে খেলা করো না।

মা।

কায়াল, রুমে যাও!

আপনি এমন মন মানসিকতায় থাকলে কীভাবে কাজ হবে?

বেরিয়ে যাও!

আমাদের অহংবোধের কারণে ক্রিস্টোফার পালিয়ে যাবে।

যদি তুমি চুপ করে বেরিয়ে না যাও...

আমি তোমাকে এভাবেই গ্রেফতার করতে বাধ্য হবো!

- ফোনটা ধরো, অরুন! - ম্যাম, তুলুন।

এসব কী ভিজি? পাগল হয়ে গিয়েছো নাকি?

অরুন!

আমি জানি না কে তবে কেউ একজন এখানে আছে।

কেউ আমাকে খুন করার চেষ্টা করছে। কোথায় তুমি?

ভিজি...

- ভিজি, কী হচ্ছে? - তাড়াতাড়ি এখানে এসো!

উত্তর দাও, ভিজি!

হ্যালো?

ভিজি?

ভিজি?

মনে হয় সে চলে গিয়েছে।

সে দেখতে কেমন ছিল?

একজন বৃদ্ধ লোকের মতো লাগছিল।

ক্রিস্টোফার!

ভিজি, কায়ালের খেয়াল রেখো! আমি আসছি।

কায়াল ঠিক আছে। সে নিরাপদ...

কী হয়েছে, ভিজি?

হ্যালো, ভিজি?

কায়াল!

কায়াল কোথায়, ভিজি?

কায়াল!

ভিজি, কায়ালের কী হয়েছে?

ভিজি, কায়াল কোথায়? ওর কী হয়েছে?

সে কায়ালকে তুলে নিয়ে গিয়েছে!

যেভাবেই হোক ওকে বাঁচাও, প্লিজ।

স্যার?

কী হয়েছে?

বলুন, কী হয়েছে?

ক্রিস্টোফার কায়ালাকে তুলে নিয়ে গিয়েছে।

ম্যাম...

ক্রিস্টোফার আমার সন্তানকে অপহরণ করেছে!

তুমি কিছু করার চেষ্টা করছো?

তুমি, যাও! হাতকড়া আমাকে দাও।

আগামীকাল আমি কমিটিতে উপস্থিত না হওয়া অবধি...

আমি চাই না তুমি স্টেশন থেকে এক ইঞ্চিও পা বাড়াও।

এখান থেকে তুমি পালানোর চিন্তা বা সাহস করো...

আমি তোমাকে মেরে ফেলবো!

অসম্ভব, ম্যাম!

পাসুপতি!

স্যার, এই নিন। নিন, নিন ওটা!

পাসুপতি, কী করছো তুমি?

আপনি কখনো নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছুই বুঝেন না।

আমার জেলে যাইয়াটা কোনো সমস্যা না। তবে বাচ্চাটাকে অবশ্যই বাঁচাতে হবে।

আমার কথা শোনো!

শোনো, ম্যাম সামান্য রেগে আছেন।

উনি ঘণ্টাখানিক কোনো ঝামেলা চান না।

তাই উনাকে বিরক্ত করো না, যাও!

হ্যালো, শুনুন!

আপনার কারের চাকা ঢিলে হয়ে গিয়েছে।

হ্যালো, আপনাকেই বলছি!

পেছনের চাকা ঢিলে হয়ে গিয়েছে।

হ্যালো।

হ্যালো, অরুন!

- ভেংকট? - ঐ মহিলার কোনো হদিস পেলে?

সাইকোটি মহিলা নয়।

এটা উনার ছেলে, ক্রিস্টোফার।

সে তার বৃদ্ধ চেহারার সুবিধা নিচ্ছে।

আর ঐ সাইকো এখন কায়ালকে তুলে নিয়ে গিয়েছে!

মানে কী, অরুণ?

হ্যাঁ! আমি সামনাসামনি দেখা হলে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

ক্রিস্টোফারকে আমরা কীভাবে চিনতে পারি?

তার বাম হাতের ছয় আঙুল রয়েছে, ভেংকট।

এই তথ্যটি সবাইকে জানিয়ে সতর্ক করে দাও।

হ্যালো, ভেংকট?

ভেংকট, শুনছো আমার কথা?

ভেংকট, তুমি কি লাইনে আছো?

হ্যালো, ভেংকট?

ভেংকট, শুনতে পাচ্ছো?

- হ্যালো! - এক মিনিট।

কী হয়েছে, ভেংকট?

ক্রিস্টোফার!

হ্যালো!

হ্যালো!

ক্রিস্টোফার, নিচে নামো!

ভেংকট, কী হয়েছে?

ওকে পেয়েছি, অরুন!

সত্যি বলছো, ভেঙ্কট?

ক্রিস্টিফার, নিচে নামো!

ভেংকট, কী হয়েছে?

ভেংকট, কোথায় তুমি?

আমি সাবওয়েতে ডা. নন্দনের সমাধিতে যাচ্ছি।

ভেংকট, কায়াল তোমার সাথে?

ভেংকট, কায়াল কি তোমার সাথে?

এক মিনিট!

অরুন, কায়াল ওখানে।

সে ঠিক আছে।

হ্যালো! ভেংকট, দ্বিতীয়বার ভেবো না। ওলে গুলি করে ফেলো!

ক্রিস্টোফার, নেমে এসো!

ভেংকট...

ওকে গুলি করো!

ভেংকট!

ভেবো না! গুলি করো ওকে!

হাঁটু গেড়ে উপরে হাত তোলো!

ভেংকট, চিন্তা করো না...

গুলি করো ওকে, ভেংকট!

নড়বে না!

ভেংকট...

ওকে গুলি করো!

ভেংকট, আমার কথা শোনো! দ্বিতীয়বার এমন সুযোগ পাবে না!

ভেংকট, সব চিন্তা বাদ দিয়ে ওকে গুলি করো!

ভেঙ্কট, ওকে গুলি করো বলছি!

ভেংকট, গুলি করো ওকে!

হ্যালো?

হ্যালো, ভেংকট? কী হয়েছে?

হ্যালো, ভেংকট?

হ্যালো, ভেংকট?

- হ্যালো? - নন্দন স্যার।

অরুন।

স্যার, সাইকোটি মেরি ফার্নান্ডেজ নয়, উনার ছেলে, ক্রিস্টোফার।

মানে কী, অরুন?

সে উনার বাড়ি থেকে কায়ালকে অপহরণ করেছেন।

হায় ভগবান!

স্যার, সাবওয়ের কাছাকাছি ভেংকটের গুলির নিশানা বরাবর সে রয়েছে।

স্যার, দেখবেন স্যার?

- স্যার? - দাঁড়াও!

কায়াল, তুমি এখানে কীভাবে আসলে?

তাড়াতাড়ি, দ্রুত!

ভেংকট!

ভেংকট!

ভেংকট!

দৌড়াও!

দৌড়াও মা!

দৌড়াও মা!

কায়াল, দৌড়াও মা!

না! না!

অরুণ, মানাপাক্কাম পোস্ট অফিসের কাছে, পুলিশ ছয় বছরের একটি মেয়েকে ধরে আছে।

সদ্য খবরটি পেলাম আমরা!

ক্রিস্টোফার!

আমার মেয়েকে যেতে দাও!

আমি দ্বিতীয়বার চিন্তা করবো না।

আমি তোমাকে গুলি করবো।

ক্রিস্টোফার, না!

কায়াল!

কায়াল!

না!

আমার মেয়ের ক্ষতি করো না।

এই, এই!

না!

আমরা তার স্থিতিশীল মনোভাব ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফেলবো।

ওটা তাকে বিভ্রান্ত করবে।

সে দিশাহারা হয়ে যাবে।

তার মনোযোগ অন্যদিকে চলে যাবে।

সে তার পরিকল্পনায় বিরাট একটা ভুল করবে।

আর সেই সুযোগে আমরা তাকে গ্রেফতার করে ফেলবো!

পুরুষত্বহীন

পুরুষত্বহীন!

পুরুষত্বহীন!

কায়াল, সরে যাও!

কায়াল, যাও!

কায়াল, দৌড়াও!

কায়াল, দৌড়াও!

কায়াল, না!

কায়াল, না! ওটা করো না!

গতকাল আইপিএলে ম্যাচে কলকাতায় নাইট রাইডার্স

চেন্নাই সুপার কিংসে কাছে ৪৫ রানে পরাজিত হয়েছিল।

তুমি ঠিক আছো?

ক্রিস্টোফার, যে সাইকো স্কুলের মেয়েদের হত্যা করছিল...

গতরাতে পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যা করেছে।

সাব ইন্সপেক্টর লক্ষ্মী আর উনার টিমকে তামিলনাড়ুর...

মানুষ ও চিফ মিনিস্টার এই কারণে তাদের ব্যাপক প্রশংসা করেন।

এ বিষয়ে আরো খবর জানার জন্য আমাদের সাথে যোগদানকারী সাংবাদিক পনির সেলভাম রয়েছেন।

নমস্কার, পনির সেলভাম।

হ্যালো।

আমি ভারত ফিল্মসের প্রযোজক রামস্বামী।

ক্রিস্টোফার একজন সাইকো পুরো রাজ্যে বর্তমানে এই কথা চলছে।

আমার মনে হয় যে এই সত্যিকারের গল্পটি আমাকে বিস্তারিত বলার সঠিক সময় এখনই।

স্ক্রিপ্ট নিয়ে আমার অফিসে আসুন সেখানেই না হয় আলোচনা করবো।

অনুবাদ অংশগ্রহণে সাইফুদ্দিন শাকিল

অনুবাদ অংশগ্রহণে আবরার শাফিন

সম্পাদনা আবরার শাফিন

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.