All language subtitles for Sarkar (2018) Tamil HDRip Bsub By Abeg

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American) Download
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

অনুবাদক নিয়ামুল হক আবেগ

এটি আমার প্রথম সাবটাইটেল, তাই ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

মুভি জগতের সকল লেটেস্ট আপডেট পেতে আমাদের গ্রুপ "worldwide blockbuster movie freak" এর সাথেই থাকুন।😇

তোমাদের মধ্যে কে কে সুন্দর রামাস্বোয়ামীকে চিনো?

কি জানো তুমি?

উনি GL কোম্পানির CEO, বর্তমানে আমেরিকাতে বসবাস করেন।

তিনি প্রতিবছর ৮০০কোটি টাকা করে পাচ্ছেন। এবং তিনি কোর্পোরেট দুনিয়ার অন্যতম সেরা বুদ্ধিমানদের একজন।

উনি জন্মসূত্রে তামিলিয়ান।

GL কোম্পানি তাকে CEO পদে নিয়োগ দিয়েছেন তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ধ্বংস করার জন্য।

সে কর্পোরেট দুনিয়ার দৈত্য।😈

আমি যতদূর জানি, উনি ততটা ভালো মানুষ নয়।

তোমরা তার ব্যাপারে যা যা শুনেছো,

তার অনেকটাই সত্যি।

উনি যদি কোনো কোম্পানিকে ধ্বংস করবে বলে ঠিক করে নেয়,

তা করেই সে দেশ ছাড়েন তিনি।

যদি তিনি কোনো দেশের সংবাদের শিরোনামে আসেন, তাহলে সে দেশের কোম্পানির প্রধানদের হৃদয় ভুমিকম্পের মতন কাঁপতে শুরু করে।

এবার উনি ভারতে আসছেন।😰

তোমরা নিশ্চই বুঝতে পারছো যে, তোমাদের কেন ইমার্জেন্সি ডেকে পাঠানো হয়েছে!

তার এবারের টার্গেটে আমাদের কোম্পানি থাকতে পারে।

এমনকি আমাদের কোম্পানিও তার টার্গেট হতে পারে। কীভাবে ওর থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, সেই উপায় বের করতে হবে।

ওর সম্পর্কে যত তথ্য এবং মিটিং আছে, সব গুগল থেকে খুঁজে বের করো।

এর আগে কোন কোন কোম্পানিকে সে টার্গেট করেছে,এবং তাদের সাথে কি করেছে তা খুঁজে দেখো।

দ্রুত কাজ শুরু করে দাও।

শেষবার ৫ বছর আগে সে...

তার ভাইয়ের বিয়েতে ভারতে এসেছিলো।

এখন শুনেছি তার ভাই এবং ভাবীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু, এই মেয়েটার চোখ, সুন্দরের উপর রয়েছে।

- এই, দেখ, দেখ, দেখ! - কি রে?

ও সত্যিই অনেক নিষ্ঠুর!

সকলে ওকে 'চেঙ্গিস খান' নামেও ডাকে!

কিন্তু আসলে সে হেব্বি চালাক।

দেখতেও দারুণ! এটা দেখ।

স্যার, স্যার, স্যার... স্যার, এক মিনিট, স্যার!

স্যার, এক মিনিট, স্যার.. এক মিনিট!

তামিলনাড়ুতে আপনাকে স্বাগতম, স্যার।

আপনি কি জানেন, আপনার ভারতে আসার খবর শুনে অনেক কর্পোরেট প্রধান আতংকিত?

সবাই এখন এই চিন্তায় রয়েছে যে এবার আপনি কোন কোম্পানিকে টার্গেট করবেন?

অনেকে তো ইতিমধ্যে তাদের কোম্পানির ধ্বংস শুরু বলে ধরেই নিয়েছে।

- স্যার, আপনি এবার কোন কোম্পানিকে টার্গেট করে এসেছেন! - প্লীজ, বলুন স্যার।

আমি এখানে কোনো কোম্পানি ক্রয় করতে আসিনি।

না এসেছি কাউকে পথে নামাতে।

আজ কিসের দিন?

তামিলনাড়ুর রাজ্য সরকার নির্বাচনের দিন। আপনারা সবাই ভোট দিয়েছেন তো?

জ্বী স্যার, দিয়েছি।

আমিও এখানে শুধুমাত্র নিজের ভোট দিতে এসেছি।

আমি ভারতে মাত্র ৪ ঘণ্টার জন্য এসেছি।

প্রথমে ট্রিপলিক্যান কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবো, এরপর পরিবারের সাথে গিয়ে ডিনার করবো। তারপর...

আজ রাতেই আমি চলে যাবো।

ধন্যবাদ।😇

বিশ্বাসই করা যায় না!

শুধুমাত্র একটি ভোট দেওয়ার জন্য নিজস্ব প্লেনে করে তিনি ভারতে এসেছেন।

আচ্ছা, সবাই...নিজ নিজ কাজে ফিরে যাও এবার।

- এলিসা? তুমি বাইরে দাঁড়াও। - আচ্ছা, স্যার।

এই নিন, আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট।

মারিমুত্থু দাদা! আপনি এদিকটা একটু দেখেন।

হাই

নীলা!

- কেমন আছো? - আমি ভালো আছি।

তোমার আসার খবর টিভিতে দেখেছিলাম। কিছুক্ষণ আগে শুনলাম তুমি এসে গেছো।

- হুম। - ভালই।

তোমার বাবাও নাকি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে?

গত দুইবার এমএলএ ছিলেন। যদি এবার জিতে তাহলে মন্ত্রীর পদ পাবেন।

ও

ভাবী কেমন আছে?

আছে মোটামুটি। ভালোবেসে বিয়ে, তারপরে ছাড়াছাড়ি, এখন বাড়িতে।

তোমার ভাইকে কোর্টে দেখেছিলাম। তার সাথে কথা বলতে গেলাম আর মুখ ঘুরিয়ে চলে গেলো।

স্যার একটা সেলফি?

২ মিনিট অপেক্ষা করুন।

আমি কি একটা সেলফি তুলতে পারি?

অবশ্যই।

আমার ইন্সট্রাগ্রামে আজকে লাইকের বন্যা হবে।

আচ্ছা! তোমার ফেসবুকে রিলেশনশিপ 'সিঙ্গেল' দেওয়া যে?

এখনও সিঙ্গেল, তাই আরকি।

তোমার সাথে একটা মেয়ে এলো যে, সে কে?

ও, সে তো একটাই মেয়ে, তাই 'সিঙ্গেল'!😂

আসলে ও আমার পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট।

সত্যি বলতে কি, পাশে কোনো মেয়ে থাকলে...

আমি কাজ করতে শক্তি পাই।😉

তাহলে এটাই তোমার শক্তির গোপন রহস্য!

আচ্ছা, কাজে যেতে হবে, আসি।

আমার বাবার ভোটের মার্কা..

কুড়াল

- কুড়াল? - হুম।

- নমষ্কার, স্যার। - নমষ্কার।

কি হয়েছে, স্যার?

উনার ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে।

কি, সুন্দরের ভোট অন্য কেউ দিয়ে ফেলেছে!

মি. সুন্দর রামস্বামীর ভোট অন্য কেউ অবৈধভাবে দিয়ে দিয়েছে!

নির্বাচনে এটা কেমন অরাজকতা?

এভাবে আর কত ভোট অবৈধভাবে জালিয়াতি করা হচ্ছে?

- আপনার এ ব্যাপারে কি বলার আছে, স্যার? - আমাকে দয়া করে কিছুক্ষণ একা থাকতে দিন।

১৯৯১ সালে ঠিক এভাবেই শ্রী শিবাজী গনেশান এর ভোট জালিয়াতি করে দিয়ে দেয়া হয়েছিলো।

আজ পর্যন্ত না জানি এমন কত ভোট অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছে।

কি এসব, খবরটা সবখানে ছড়িয়ে পড়ছে!

বাদ দেন এসব। যা হওয়ার, হয়ে গেছে। এখন কি হবে?

এখন কিই বা করার আছে?

ভোটের সময় শেষ হয়ে গেছে। এমনিতেও ১০ মিনিট পর সে আমেরিকায় চলে যাবে।

স্যার, সামান্য ভুল হয়ে গেছে। দয়া করে কোনো ঝামেলা করবেন না।

এটা 'সামান্য ভুল'?

আমি এই একটা ভোট দেওয়ার জন্য ১৩ হাজার কি.মি. পথ পাড়ি দিয়ে এসেছি।

সবাই সরে দাঁড়ান, প্লীজ।

ভারতীয় দূতাবাসকে এই খবর জানাও এখনি।

বলো, বাবা।

কি হয়েছে রে? টিভিতে এসব কি দেখাচ্ছে?

সুন্দরের ভোট জালিয়াতি হয়েছে।

এই জন্য সে ওখানে কোনো সমস্যা করবে না তো?

জানি না, বাবা। ওকে অনেক চিন্তিত দেখাচ্ছে।

ভোটের সময় প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। ওকে কোনোরকমে বুঝিয়ে আমেরিকা পাঠিয়ে দিতে পারিস কি না দেখ।

আচ্ছা, বাবা।

কি হয়েছে,তুমি কি দূতাবাসে কল করেছিলে?

আমরা কয়েকটা নাম্বারে চেষ্টা করেছি, কিন্তু কেউ ধরছে না।

তোমাকে নির্বাচন কমিশনে যোগাযোগ করতে বলেছিলাম!

কমিশনারের মোবাইলে রিং বাজছে, কিন্তু কেউ ধরছে না, স্যার।

স্যার, মোবাইলে রিং বাজছে এটাই অনেক বড় ব্যাপার।

স্যার, এদিকেও কোনো সাড়া পাচ্ছি না।

ঠিকাছে!

তুমি ঠিক আছো তো?

হুম

আমি কি তোমার সাথে আসতে পারি?

হুম

স্যার, কোনদিকে যাবো? বামে আপনার বাড়ি, আর ডানে এয়ারপোর্ট।

আর সোজা গেলে?

সামনে কোর্ট স্যার।

ঐদিকেই যাও।

হাই, সুন্দর। আপনার সমস্যার ব্যাপারে শুনেছি।

আমি দিল্লীর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছি। আপনার সাথে কথা বলার ব্যবস্থা করছি।

হাই! আমি জ্যেত মালানি বলছি।

আমি এখন দিল্লিতে আছি।

আমি কাল সকালের মধ্যেই আসছি।

আমি আমার অফিসের ঠিকানা আপনার লোকেদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।

কিছু কাগজে স্বাক্ষর করা বাকী আছে।

আমি এসে আপনার সাথে দেখা করছি।

মি. জ্যেত মালানি।

ওখানকার আজকের ভোটের কার্যক্রম স্থগিত করে দিন।

আমার ভোট দেওয়ার আগ পর্যন্ত,

ভোট গণনার কাজ যেন স্থগিত থাকে।

আমি কাল সকালে ওখানে আসছি, এসেই এ ব্যাপারে দেখছি।

আচ্ছা ঠিকাছে।

মার্ক

জ্বী!

আমাকে নির্বাচনী নিয়মাবলী পাঠাও। আমি সেটা একটু পড়ে দেখবো।

আচ্ছা।

ভারতীয় নির্বাচনী নিয়মাবলী।

অবশ্যই।

এত সহজে যাবে না!

GL কোম্পানির CEO মি. সুন্দর রামস্বামীর ভোট জালিয়াতি হওয়াতে

কর্তৃপক্ষ ব্যাপারটির তদন্ত শুরু করেছে,

যাতে শীঘ্রই কোনো সমাধান বের করা যায়।

তোমাদের শিক্ষাজীবনে তোমরা অবশ্যই পড়েছিলে,,

সমস্যার জন্য সমাধান নির্ণয়, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত এবং বিবেচনা করা নিয়ে।

এখন দেখো, বিশ্বের ১ নং CEO কীভাবে তার সদ্ব্যবহার করছে।

তোমাদের ওর কাছ থেকে শেখা উচিৎ।

আমি নিশ্চিত, সে এবার তাদের ব্যান্ড বাজিয়ে ছাড়বে।

শুধু সম্পত্তির হিসাব না,

কন্টেইনারে মোট টাকা আর কাকে কখন কত দিয়েছি, সব প্রামাণ আছে দেখি তার কাছে!

এগুলো কারো হাতে যেতো আমরা একদম শেষ হয়ে যেতাম।

রেন্ডু! একে বাঁচিয়ে রাখলে আমাদের বাঁচা কষ্ট হয়ে যাবে।

এসব যদি সিসিটিভি ক্যামেরাতে ধরা পড়তো,

তাহলে আমাদের সকলের বাঁচা মুশকিল হয়ে যেতো।

এটা খোল!

কি? নিজেকে জেমস বন্ড ভাবিস নাকি?

জেমস বন্ড, না?

থু! - রাস্তার কুকুর কোথাকার।

Saattai.com এর মুত্থুকুমার?

স্যার!

ছবি তোলার শখ তোর না? ছবি তুলবি? যা তোর বোনের ছবি তুল! - স্যার!

এসো।

স্যার!

আমি আসাতে ওরা আবার রাগ করবে না তো?

আরে না! রাগ করার কি আছে?

আবার এই মেয়েকেও সাথে নিয়ে এসেছে।😒

ঘুমাচ্ছে মনে হয়।

না দেখছে।😏

আরে বাপরে!

কাকু চলে এসেছে।😍

হেই, বাচ্চারা!

- যাত্রা কেমন ছিলো তোর? - দারুণ দারুণ।

- হাই, মা। - আয়, বাবা।

কেমন আছো সবাই।

এসো নীলা।

কি রে তুই! আসা মাত্র কোর্ট, কেইস এসব শুরু করে দিলি?

নয়তো কি করবো, মা?

এতদূর থেকে তো আমি এই একটা মাত্র ভোট দিতেই এসেছিলাম!

- বাচ্চারা, গিফট পছন্দ হয়েছে? - হুম, দারুণ হয়েছে কাকু।

নীলা, বসো।

হেই, বসো।

এখন আর সুষ্ঠু নির্বাচন কোথায় হয়?

প্রার্থীরা আজেবাজে সব মার্কা বাছাই করে।

মানুষও নিজের ইচ্ছেমতো ভোট দিয়ে যায়।

সেইসব দিন এখন কোথায়?

এখন তো সবাই টাকা দিয়ে ভোট কিনে নেয়।

বান্ডিলে বান্ডিলে টাকা আর টাকা।

কেউ আর এখন ভালো নয়।

আপনি এভাবে বলছেন কেনো?😞

আমার বাবা তো অনেক ভালো মানুষ।😞

তিনি অনেক কম টাকা দেয়।😐

শুধু চা-নাস্তা করার টাকা দেয়।😐

আজিব ফ্যামিলি! -স্যরি মা, তুমি এখানে বসে আছো তা খেয়াল করিনি।

এসো, আমাদের সাথে খেতে এসো।

খেতে চলো।

হেই, কেমন আছো?

তোমার দিদি কেমন আছে?

ভালই আছে। অনেক সুখে আছে।😏

সকাল ৮:৩০ এর মধ্যেই ভোট গণনা সমাপ্ত হয়েছে।

AIMMK (রাজনৈতিক দল) ইতিমধ্যে আনন্দ উৎযাপন শুরু করেছে।

২৩৪ টি নির্বাচনী এলাকার সবগুলোতেই তারা বিপুল ভোটে বিজয়লাভ করেছে।

গতবারের মুখ্যমন্ত্রী মাসিলামানি এই নিয়ে ৩য় বারের মতো শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।

তুমি এখানে?

এমনি, তোমাকে সাহায্য করতে চলে এলাম।

আচ্ছা, এসো।

জানি, এমনি এমনি আসোনি তুমি। তোমার বাবার নির্বাচন এর ফল প্রকাশ হবে, তাই এসেছো।

তা বলতে পারো। আজ সকালেই ভোট গণনা শেষ হয়েছে।

আমার বাবা ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে ফলাফলে শীর্ষে অবস্থান করছে।

- তাই নাকি? - জ্বী।

আমি কালই আপনার ঘটনাটা শুনেছিলাম। কিন্তু আপনি কোর্ট পর্যন্ত চলে আসবেন, এটা আশা করিনি।

আপনি কাল ভোট গণনা করতে নিষেধ করেছিলেন।

কিন্তু তারা ইতোমধ্যে গণনা শেষও করে ফেলেছে। মি. ভেঙ্কটেশান ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে শীর্ষে অবস্থান করছেন।

এই এলাকার ভোটের ফলাফল এখনি প্রকাশ করবেন না।

আমি ভোট দেওয়ার পরেই আপনারা..

ফলাফলটা প্রকাশ করতে পারবেন।

এটা কি সম্ভব?

একজন নাগরিককে ভোট দিতে হলে তাকে নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখাতে হয়।

কিন্তু উনি একজন প্রবাসী ভারতীয়।

প্রবাসীদের নিজস্ব ভোটার আইডি কার্ডের সাথে পাসপোর্টও দেখাতে হয়।

এই দুটো না দেখে ভোট দিতে দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ।

এইজন্যে নির্বাচন কমিশন ১২ জনক কর্মচারীকে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

এটা শুধু অন্যায়কারীদের শাস্তি দেওয়ার ব্যাপার নয়।

অন্যায় যা হয়েছে তা ঠিক করারও ব্যবস্থা করতে হবে।

জনগণের সর্বোচ্চ অধিকার হচ্ছে ভোটাধিকার।

সেই অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হলে তা নিবারণের চেষ্টাও করা উচিৎ।

এই একটা ভোটে কী বা এমন পার্থক্য হবে?

স্যার! প্রত্যেকটা ভোটই গুরুত্বপূর্ণ।

আমেরিকাতে রাষ্ট্রভাষা ইংরেজী হবে নাকি জার্মানী, এই নিয়ে যখন ভোট হয়েছিলো,

মাত্র একটা ভোটের ব্যবধানে তখন ইংরেজী জিতে যায়।

ফ্রান্সে সামরিক শাসন নাকি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, এই নিয়ে ভোটগ্রহণ করা হয়েছিলো,

মাত্র ১ টা ভোটের ব্যবধানে গণতন্ত্র জিতে যায়।

হিটলারের কথাই বলি!

সে নাৎসি প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলো শুধুমাত্র মাত্র একটি ভোটে।

ওয়াশিংটন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলো মাত্র একটি ভোটের ব্যবধানে।

ভারতেও..

বাজপায়ী দলের পতন ঘটেছিলো মাত্র ১ টা ভোটে।

আপনি যা বলছেন, সত্যি।

এইজন্যে আমরা নির্বাচনের ৬ মাস আগ থেকে প্রচারণা শুরু করি

যাতে সবাই ভোট দেয়ার ব্যাপারে সচেতন হয়।

রুল নাম্বার ১,

আমার ভোটার আইডি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি!

রুল নাম্বার ২,

আমি একজন প্রবাসী ভারতীয়।

আমার অরজিনাল পাসপোর্ট ও চেক করা হয়নি।

আর রুল নাম্বার ৩,,

সেকশন 49 P

49 O এর ব্যাপারে সবাই জানে। কিন্তু আমি 49 P এর কথা বলছি,

ভারতীয় নির্বাচনী সংবিধানের 49 P এর মতে,

যদি কারও ভোট অবৈধভাবে পূর্বেই দেওয়া হয়ে যায়,

তবে ঐ ব্যাক্তির কাছ থেকে ব্যালট ভোট গ্রহণ করতে হবে।

সেই ভোট মূল ভোটের সাথে পরবর্তীতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এরকম কোনো নিয়ম আছে কি?

হ্যাঁ, উনি ঠিক বলছেন। এমন নিয়ম সংবিধানে আছে।

সেকশন 49 P লিখে প্রয়োজনে মোবাইলে থেকে গুগলে সার্চ করে দেখতে পারেন।

কিন্তু সেকশন 49 P এর ব্যাপারে তো তেমন কেউ জানেই না।

কাল রাতের আগে আমি নিজেও এর ব্যাপারে জানতাম না স্যার।

আজ থেকে ১০ বছর আগে সেকশন 49 O এর ব্যাপারেও তো কেউ জানতো না স্যার।

কিন্তু এখন তো সবাই জানে, তাই না?

না ভোট

সেকশন 49P এর ব্যাপারেও সবার জানা উচিৎ।

সবাইকে এক এক করে না জানিয়ে,

সরাসরি আদালত থেকে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হলে একদিনেই পুরো ভারতবাসী এ ব্যাপারে জেনে যাবে।

কিন্তু উনি ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে এমনিতেই শীর্ষে আছেন।

স্যার, একটা ভোটে হয়তো এখানে কোনো পরিবর্তনই হবে না।

কিন্তু এই পদক্ষেপ নিলে সবাই প্রত্যেকটা ভোটের গুরুত্বটুকু বুঝতে পারবে।

ভবিষ্যতে শুধু আইনের বইপত্রেই নয়,

আইন নিয়ে পড়াশোনা করে এমন প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সিলেবাসে,

এই মামলাটিই প্রশ্ন হিসেবে থাকবে।

আর উত্তর হিসেবে থাকবে আপনার নাম।

সকল বিচার বিশ্লেষণে এই আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হচ্ছে যে,

সকল জনগণকে নির্বাচনের গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

সেই জন্য এই মামলার অবতারণা অনেক জরুরী।

যেহেতু ভোট গণনা ভোট গ্রহণের মতোই সমান গুরুত্ব বহন করে।

তাই মি. সুন্দরের এই মামলাকে একটা মাধ্যম হিসেবে পেশ করা যায়।

এছাড়া সেকশন 49 P এর ব্যাপারেও জনগণকে অবহিত করা ও জরুরী।

যদি কারও ভোট তার পূর্বে কেউ অবৈধভাবে প্রদান করে থাকে,

তবে সেকশন 49 P মোতাবেক সে একটি ব্যালট ভোট প্রদান করতে পারবে।

এমনটা না করে আপনার সাথে অন্যায় করা হয়েছে।

তাই এই অন্যায় প্রতিরোধ করতে, এবং ভবিষ্যতে এমনটা যেন না হয় তাই,

একই স্কুলে, একই কেন্দ্রে

আপনার ভোটটি পুনরায় গ্রহণ করার ব্যবস্থা করা হবে।

আপনার ভোট গ্রহণের পরেই,

নির্বাচন কমিশন ওই এলাকার ফলাফল প্রকাশ করবে।

যেহেতু আগামী ৫ দিন স্কুলের কর্মদিবস,

তাই আগামী শনিবারে ওই স্কুলে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে।

এই আদালত নির্বাচন কমিশনকে আপনার ভোটটি গ্রহণের আদেশ দিয়ে আজকের মতো এখানেই স্থগিত করা হচ্ছে।

অভিনন্দন। আপনি উকিলের চাকরি করলে আমাদের ভাতে মারা যেতো।

AlMMK দলের নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যে নিজেদের বিজয় উৎযাপন করছে,

কারণ তাদের দল বর্তমানে শীর্ষে অবস্থান করছে।

আপরদিকে আমাদের আমেরিকান প্রবাসী 'সুন্দর' আদালতে...

আমরা জিতে গিয়েছি তাইনা?

আমি কাল সারারাত ঘুমাই নি।😩 অনেক ক্ষিদাও লেগেছে।

ইনফোওয়্যারের চেয়ারম্যান আজ আমাকে দুপুরের খাবারের নিমন্ত্রণ দিয়েছেন।

স্যার, আপনার ব্যাপারে সব রেডিও চ্যানেলে কথোপকথন হচ্ছে।

উনি অনেক বড় বিচারক, তাই না স্যার?

হ্যাঁ, ঠিক। উনি প্রতি ঘণ্টা হিসেবে টাকা নেন।

কোর্ট, বিমানভাড়া সব মিলিয়ে প্রায় লাখ টাকা।

একটা ভোটের জন্য লাখ টাকা, স্যার?

স্যার, ওই দেখুন কালেক্টরের অফিস।

গত মাসের ১২ তারিখে, এক বাবা, মা, তাদের ছেলে-মেয়ে সহ ওখানে দাঁড়িয়ে আগুনে পুড়ে আত্মহত্যা করেছিলো।

২৫ হাজার টাকার ঋণ ছিলো বলে তাদের।

আমি ওখানেই ছিলাম।

শুনে অবাক হবেন স্যার! মেয়েগুলো সেদিন ১ ইঞ্চিও নড়েনি, স্যার।

শুধু তাদের বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলো।

Note কেউ ওদের বাঁচাও! -কেউ দয়া করে এসে ওদের বাঁচাও!

মাত্র ২৫ হাজার টাকার দায়ে, স্যার।

তাদের মধ্যে এখন কি কেউ বেঁচে আছে?

একটা মেয়েকে বাঁচানো গিয়েছিলো।

তার আধপোড়া শরীর নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো।

সরকার কি কোনো উদ্যোগ নেয়নি?

করেছে তো, স্যার! পরেরদিন সকালে অফিসের সামনে দমকল মেশিন বসিয়েছে।

দমকল মেশিন?

টাকার ঋণ এর সাথে দমকল মেশিনের কি সম্পর্ক?

মানুষ ঋণগ্রস্ত থাকলে তাতে সরকারের কি আসে যায়, স্যার!

এখানে যাতে আর কেউ আত্মহত্যা না করে, তাই সরকার দমকল মেশিন বসিয়েছে।

জনগণ কি করেছে?

- হোয়াটসঅ্যাপে এই খবরটা ভাইরাল করেছে। - হোয়াটসঅ্যাপে?

হোয়াটসঅ্যাপে তারা অন্যদের এই খবরটা জানিয়েছে।

তারা কি করেছে?

তারপর তারা অন্যদের জানিয়েছে,, অন্যরা বাকীদের জানিয়েছে।

আর তারপর?

তারপর আর কি স্যার? অন্য খবর ভাইরাল হলো আর এই খবরটা সবাই ভুলে গেলো।

এখানে সমস্যার সমাধান হয় না, স্যার। অন্য সমস্যার নিচে চাপা পড়ে যায়।

ড্যানি, গাড়িগুলো একটু থামাও তো।

নীলা, তুমি ইনফোওয়্যার চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে অপেক্ষা করো।

বলবে যে, আমি আধ ঘণ্টার মধ্যে চলে আসবো।

যাও।

তুমি কোথায় যাচ্ছো? আমি তো ওখানে কাউকেই চিনি না।

সুন্দর

মি. সুন্দর আসেননি?

আমি উনার বন্ধু। সে কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে আসবে।

ও, আচ্ছা। আমি ইনফোওয়্যার থেকে নারায়ণ। আপনাকে স্বাগতম।

আমি আজ অনেক খুশি।

এই শহরের বড় বড় সব মহারথী আজ আমার নিমন্ত্রণে এখানে এসেছেন। এজন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

আরেকটা কথা, ভোটের গণনা কার্যক্রম এখনও চলছে।

আর তাতে মি. মালারভান্নান,

AIMMAK দলের প্রার্থী হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন।

এছাড়াও তামিলনাড়ুর গর্ব,

মি. সুন্দর রামাস্বোয়ামীও এখানে উপস্থিত রয়েছেন।

তাছাড়া, উনি নিজের ভোটের দাবী চেয়ে সবেমাত্র কোর্ট থেকে এখানে এসেছেন।

কথার মাঝখানে কথা বলছি, তার জন্য দুঃখিত।

আসলে আমিও আজ অনেক খুশি।

যেমনটা তিনি বললেন।

আমরা সবাই আজ এখানে একত্রিত হয়েছি। আমাদের সবার কমন ব্যাপার কি জানেন? টাকা।

উনি একজন শিক্ষাবিদ,তার নিজস্ব ৬ টা বিশ্ববিদ্যালয় আছে, তাই না?

সেখানে কোনো সীট কি সে ফ্রি তে ছেড়ে দেয়?

ওইযে ছেলেটা আইন নিয়ে কেন পড়ালেখা করছে?

মানুষের দোষ খুঁজে বের করে তা থেকে টাকা রোজগারের উদ্দেশ্যে

ওই যে অডিটর, সরকারকে ফাঁকি দিয়ে ট্যাক্স কমানোর জন্যই তো এই পদে।

এই যে,

এই ছোট ভাইটি আমেরিকা কেন গিয়েছে?

১৮০০ কোটি টাকা বেতনের চাকরীর জন্যই তো বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে।

কিন্তু রাজনীতিবিদরা, এত টাকা খরচ করার পর তাদের কাছ থেকে আবার সেবার আশা করেন?

প্রত্যেকটা ভোটের জন্য ১০ হাজার টাকা করে খরচ হয়।

কীভাবে আমাদের কাছ থেকে আপনারা বিনামূল্য সেবা আশা করেন?

১০ হাজার টাকাকে কীভাবে ২০ হাজার বানানো যায়, এ নিয়ে আমাদের চিন্তা করতে হয়।

শুনুন!

আপনি বললেন আমাদের সবার মধ্যে কমন ব্যাপার হচ্ছে, টাকা!

ভুল।

অনেক বড় ভুল ধারণা।

আমাদের মধ্যে কমন ব্যাপার হলো,,,

মানুষ

মানুষের সমর্থন।

জানেন তো?

যেমন, টিভি চ্যানেলের জন্য দর্শক।

ব্যবসায়ীদের জন্য ক্রেতাগণ, রাজনৈতিক নেতাদের জন্য ভোটার,

বিমানের জন্য যাত্রী, খবরের কাগজের জন্য পাঠক

বুঝলেন?

যাদেরকে এক কথায় বলা হয়, সাধারণ জনগণ।

জনগণ।

যদি তারা বিরোধ করে বসে,

তাহলে তখন আমরা আর কেই বা ব্যবসায়ী, কে রাজনীতিবিদ, কেই বা CEO,,,

Note সঠিক বলেছেন স্যার!👏

ওই একই কথা আমি একটু ঘুরিয়ে বললাম আরকি।

আমরা জনগণের কাছ থেকে টাকা নেই। যেমনটা আপনারা ক্রেতাদের কাছ থেকে নিয়ে থাকেন।

তাই আমাদের মধ্যে কমন ব্যাপার হলো টাকা।

পুরো তামিলনাড়ুতে আমাদের দলের ২৩৪ জন প্রার্থীকে নিয়েই সংবাদমাধ্যমে ঝড় চলছে।

এই ছোট ভাইয়ের একটি ভোট চুরি হয়ে গেছে, সেই খবরটিও শিরোনাম বানিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।

আপনারা হয়তো ব্যাপারটা বুঝতে পারেননি।

সে এসব কোনো কল্যাণের কাজে ব্যবহার করছে না।

যতবার টিভিতে ওর কথা বলবে, ততবারই GL এর CEO, GL এর CEO, GL এর CEO এই কথাটা বলা হবে।

এটাই তো তোমার প্রতিভা, তাই না?

কিন্তু এই ছোটভাই আমাদের রাজনীতিবিদদের প্রতিভার ব্যাপারে জানে না।

তুমি শনিবারে আবার ভোট দিতে যাবে, তাই না?

তোমার ভোট কোনো আবার চুরি হয়ে যাবে না তো?

আমাকে চ্যালেঞ্জ করে দেখতে পারো।

তোমার ওই একটা ভোটও, আমাদের দলের নামে চলে আসবে।

আমার যাওয়ার সময় হয়ে গেছে।

নেতাজির সাথে দেখা করতে হবে।

ছোট ভাই, শনিবারে ভোটটা কষ্ট করে আমাদের দলের প্রার্থীকে দিয়ে দিও।

AIMMK দলের প্রধান মি. মাসিলামানি তার বিপক্ষের প্রার্থী মি. চিন্নাস্বামীর বিপক্ষে

২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়লাভ করেছেন।

অপরদিকে, GL এর CEO মি. সুন্দর রামস্বামী বর্তমানে সব গণমাধ্যমে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন।

শুনছো?

তোমার মেয়ে কানাডা থেকে ফোন করেছে।

হাই, বাবা। অভিনন্দন।

টানা তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী।

সব তামিল চ্যানেলে তোমাকে নিয়েই কথা বলা হচ্ছে। সরি, আমি আসতে পারলাম না।

জামাই কেমন আছে রে?

ভালই আছে সে।

তুমি একদম মিষ্টি খাবে না কিন্তু, বাবা।

এখনও খাইনি।

ওষুধ ঠিকমতো নিচ্ছো তো? - হ্যাঁ, মা নিচ্ছি।

- টাইলেনল? - সেটাও খাচ্ছি।

- সালফোনাইল বাইগেনাইডস? - সব খাচ্ছি রে, মা।

- কত মিলিগ্রাম, বাবা? - ২.৫ মিলিগ্রাম, মা।

চিন্তা করিস না মা, আমি মিষ্টি খাবো না।

তোর মাকে বল,

শুধু ২ প্যাগ মদ যেন খেতে দেয়।

আচ্ছা, শুধু আজকের জন্য। হুইস্কি খেয়ো না যেন! শুধু ব্র‍্যান্ডি খেয়ো।

আচ্ছা, মা।

আচ্ছা, বাবা, মালারভান্নান আংকেল কে একটু ফোনটা দিও তো।

Note তামিলনাড়ুতে কেউ কি কখনও আমাদেরকে হারাতে পারবে? অসম্ভব তাইনা?😂

- নেতাজির মেয়ে আপনার সাথে কথা বলবে। - এদিকে দাও, এদিকে দাও।

মা, কেমন আছো তুমি? - হ্যালো, আংকেল।

আমি ভালো আছি। নির্বাচন নিয়ে খুব মেতে আছেন দেখছি।

গতবারের চেয়ে এবারে আরও বেশি ভোটে জিতেছি আমরা।

আংকেল, আরেকটা কথা ছিলো। বাবাকে বলবেন না এ ব্যাপারে।

বলো, মা।

আশেপাশে কেউ নেই তো?

না, আশেপাশে কেউই নেই মা।

খবরে দেখলাম, ট্রিপলিকেন কেন্দ্রে আগামী শনিবার নাকি, GL এর CEO সুন্দর আবার ভোট দেবে।

আরে শয়তান একটা, ওর জন্য ভেঙ্কটেশের কেন্দ্রে ভোট গণনা বন্ধ রাখা হয়েছে।

এ কথা বলতেই আমি ফোন করেছি।

ও কোনো সাধারন লোক নয়, ভয়ংকর বুদ্ধিমান সে।

আরে ও কি বা* ছিঁড়বে আমাদের?

আমাদের সামনে টিকতেও পারবেনা সে।

না, আপনি ওর ব্যাপারে কিছুই জানেন না।

গত বছর সে কানাডায় এসেছিলো। এখানে সে তিন সপ্তাহ থেকেছিলো।

তিন সপ্তাহের মাথায় ও সব টিভি চ্যানেলে প্রধান শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছিলো।

এখানকার বড় একটা আইটি কোম্পানি সে বন্ধ করে দিয়েছে।

৩২ হাজার লোক চাকরীচ্যুত হয়েছিলো তার জন্য। তার মধ্যে, ১০ হাজার লোক দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলো।

সে ঘটনার প্রভাব আজ পর্যন্ত এখানে রয়ে গেছে।

তার সাথে একদমই টেক্কা দিতে যাবেন না।

কিন্তু, আমরা তো সব কেন্দ্রেই জয়লাভ করেছি, মা।

ওর হাতে কেবল একটাই তো ভোট রয়েছে।

আমার কথা শুনুন। ৩ টা দেশ এরই মধ্যে তার ভয়ে, তাকে তাদের দেশে যেতে নিষেধ করে দিয়েছে।

তার কাজে কোনোরকম বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।

আচ্ছা, মা।

আপনি ওকে কিছু বলেন নি তো?

না, না... আমি তার সাথে কোনো কথাই বলিনি।

যাক, ভালো হয়েছে। ও চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ওর সাথে আর দেখাও করবেন না।

- রাখি, আংকেল! - আচ্ছা, রাখছি, মা।

আমি সকালবেলা কী সব যেন বলে ফেলেছি।

কিন্তু আমি চলে আসার সময় সে তো, হেসে হেসে সিগারেট টানছিলো।

তার ওই হাসির পেছনে কি কারণ থাকতে পারে?

স্যার, এটা আমাদের গর্ব যে GL এর মতন বিশাল মাপের কোম্পানির CEO আমাদের শহরের লোক।

কিন্তু, চারপাশে বলাবলি হচ্ছে, আপনি নাকি আপনার ভোটটা টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছেন স্যার?

আমার নিজেরই ভোট আমাকে টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে, এটা আমার জন্য কোনো লজ্জার বিষয় নয়।

কিন্তু, জাতীর জন্য এটা লজ্জাজনক ব্যাপার।

তাছাড়া আমি শুধু উকিলের পেছনে খরচ করেছি, বিচারকের জন্য নয়।

- মাত্র একটা ভোট দিয়ে.. - কীইবা এমন করে ফেলবো আমি, তাই তো?

হ্যাঁ, স্যার।

দেখলেন তো, উনি নাকি সাংবাদিক!

তিনি জিজ্ঞেস করছেন যে এই একটা ভোটে আমি কিইবা এমন করে ফেলবো!

আমি সুন্দর রামাস্বোয়ামীর নামে অন্য কেউ ভোট দিয়ে চলে গেছে,

সরকার সেটা গ্রহণও করে ফেলেছে।

আমি যদি এখন হাত গুটিয়ে বসে থাকি,

কোনো মেয়ে কীভাবে আমাকে বিয়ে করতে ভরসা পাবে! বলুন?

তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন, যারা নিজেদের ভোট চুরি হওয়ার পরেও হাত গুটিয়ে বসে থাকে,

- তারা নিজেদের স্ত্রী-দের বিপদ দেখলেও চুপ করে থাকবে? - অবশ্যই।

স্যার‍, আপনি কি সেসব লোকদের ফুসলাবার চেষ্টা করছেন, যাদের ভোটও একইভাবে চুরি হয়েছে?

কে? কে বললো এটা?

তালি, হাত তালি দিন সবাই।👏

আমি তাদের ফুসলাবার চেষ্টাই করছি, বন্ধু। আপনি একদম ঠিক ধরেছেন।

আমি ভোটটা পুনরায় দিতে পারলে এটা আইন হয়ে দাঁড়াবে তখন।

কেউ যখন তার অধিকার আদায়ে লড়াই করে, একই সময় অন্যরাও তখন সেই অধিকারের ব্যাপারে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসে।

আমি আজ যে অধিকার পেয়েছি, কাল তা সবাই দাবী করবে।

এখন সেকশন 49 P এর কথা জানার পরেও,

যদি জনগণ নিজেদের অধিকার ছেড়ে দেয়,

নিজেদের সবচেয়ে দামি মানবাধিকার নিজেদের ভোট যারা অন্যদের দেওয়ার সুযোগ করে দেয়, তারা কোন ধরনের লোক.... কিছুক্ষণ আগেই আমি বললাম তো সেটা।

এসব বলার অন্য পন্থাও রয়েছে, আপনি স্ত্রী-র সুরক্ষার সাথে এর তুলনা করছেন কেন?

কি আর করার, এখানে অর্ধেক লোকেরই তো মাথায় বুদ্ধি নেই।

কি বললেন, বুদ্ধি নেই!

আচ্ছা! সরি, সরি.. বসুন আপনারা।

সরি, ভুল আমারই।

এখানে অর্ধেক লোকের মাথায় বুদ্ধি আছে।😉

দেখলেন তো, আমি প্রথমে যেটা বলেছি, এখনও একই কথা একটু ঘুরিয়ে বলেছি শুধু।

প্রথমবার আপনারা প্রতিবাদ সবাই করেছিলেন, কিন্তু এখন সবাই চুপ করে আছেন।

একই ভাবে, একই কথা যখন একটু ব্যঙ্গাত্মক ভাবে বলা হয়, সবাই তাৎক্ষণিক সে কথার প্রতিবাদ করে।

আর এটাকেই বলে মার্কেটিং।😎

দেখলি তো? কীভাবে সরকারের কাছ থেকে সে নিজের অধিকার আদায় করে নিচ্ছে।

আমার ভোটও অন্য কেউ চুরি করেছিলো। এখন সেকশন 49 P অনুসারে আমি আমার ভোট ফেরত চাই! সে একা কেন এই অধিকার পাবে!

সে বলেছে, নিজের ভোটাধিকার ছেড়ে দেওয়া মানে, নিজের স্ত্রী-র অধিকার অন্য কারও হাতে ছেড়ে দেওয়া।

এই দেখ, গুগলে সার্চ দিলে সেকশন 49 P এর ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য চলে আসে।

কেউ যখন তার অধিকার আদায়ে লড়াই করে,

একই সমস্যায় অন্যরা তখন সেই অধিকার দাবীতে আসে।

আমি আজ যে অধিকার পেয়েছি, কাল তা সবাই দাবী করবে।

ইউটিউবে যেই ভিডিওই চালাই না কেন, তার ভিডিওটা আগে আসে।

সেইভাবে সেট করে রেখেছে।

সে ওখানে কাজ করে তো।

একজন বড় ব্যবসায়ী এসে নিজের ভোটাধিকার চেয়ে নিচ্ছে।

আমাদের কাল্লাকুরুচিতেও অনেক ভোট অবৈধভাবে চুরি হয়েছে। আমরাও নিজেদের অধিকার ফেরত চাই।

পোল্লাচি-র এতগুলো ভোট কী আমরা এভাবেই ছেড়ে দেবো?

আমরাও নিজেদের অধিকার ফেরত চাই।

বন্ধু, অনেকেই নিজের ভোট চেয়ে মামলা করতে চাচ্ছে।

কিন্তু তাদের কাছে তো তেমন টাকা নেই। চল আমরা তাদের মামলা নিয়ে সাহায্য করবো।

ত্রিচি আইন কলেজের ছাত্ররা একটা ওয়েবসাইট খুলেছে।

যদি কেউ আমাদের ভোট অবৈধভাবে চুরি করে থাকে, তাহলে ওরা আমাদের মামলা নেবে.. যদি আমরা আমাদের রেশন কার্ড আর আইডি কার্ড দেখাতে পারি।

আন্টি, আমাকেও লিংকটা একটু পাঠাবেন। আমার ভোটটাও চুরি হয়ে গিয়েছিলো।

দাঁড়ান, ধাক্কাধাক্কি করবেন না... রেশন কার্ড আর আইডি কার্ড থাকলে সবাই মামলা করতে পারবেন।

২৮ হাজার মামলা জমা হয়ে গেছে এর মধ্যে।

আরও বাড়বে।

মি. মাসিলামানি মুখ্যমন্ত্রীর পদ গ্রহণের পূর্বেই,

লাখ লাখ লোক দাবি করছে যে, তাদের ভোট চুরি হয়েছিলো।

ত্রিচি আইন কলেজের ছাত্রদের দ্বারা নির্মিত একটি অ্যাপ দ্বারা,

তিন লক্ষাধিক লোক তাদের ভোটাধিকার ফেরত চাইছে এখন।

বাপরে! ৩ লাখ ৩০ হাজার লোক নিজেদের ভোটাধিকার ফেরত চাইছে!😱

এতে করে বোঝা যায় যে, কি পরিমান অবৈধ ভোট নির্বাচনে দল জেতানোর কাজে ব্যবহার করা হয়।

এই পর্যন্ত ৩ লাখ ৩০ হাজার জন তাদের ভোটাধিকার ফেরত চেয়ে মামলা করেছে।

ভালই

এরা হচ্ছে উকিল জ্যেতমালানির সহকারী উকিল। এখন থেকে ও আমার মামলার সাথে এগুলোও সামলাবে।

তোমাদেরকে যে আমি সাহায্য করেছি এটা যেনো কেউ না জানে।

সবাই শোনো।

তোমাদের সবাইকে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার জন্য এখানে ডেকেছি।

এখানে আমার বাড়ি..

আসার পর থেকেই

একটু সমস্যায় জড়িয়ে পড়েছি।

আমার ফিরে যেতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে।

অনেক কাজ পড়ে রয়েছে।

তাই

তোমরা সবাই আজই,

এখনি

চলে যেতে পারো।

মি. সুন্দর, আমরা আপনাকে এভাবে বিপদে ফেলে চলে যেতে পারি না।

আপনার আমাদের প্রয়োজন হতে পারে।

চিন্তা করবেন না, আমরা আপনার সাথে যতক্ষণ আছি, কেউ আপনার কিচ্ছু করতে পারবে না।

তাই বুঝি?😉

না, স্যার। যদি আমরা যদি নাও থাকি, তাও কেউ আপনার কিচ্ছু করতে পারবে না!😎

আচ্ছা, তোমরা বেরিয়ে পড়। আমার কাজ শেষ হওয়ার পর, আমি শীঘ্রই চলে আসবো।

নেতাজির মেয়ের কথায় তোমার সাথে কথা বলতে এসেছি।

এতদিন বসে থাকা আপনার উচিৎ হয়নি।

প্রত্যেক কেন্দ্রে প্রায় ২ হাজার জন মামলা করেছে। এভাবে চুপ করে আছেন কেন?

এমনটা হবে ভাবিনি তো।

পরশুদিন শপথ গ্রহণ হবে।

এর আগে ছেলেটা কোনো ঝামেলা না বাঝায়,

তাই তাকে কালকের মধ্যেই শেষ করতে হবে।

আপনি এখনও গদিতে বসেননি। তার আগেই মারামারির কথা বলছেন?

একটা মানুষকে মারলে সব সমাধান হয়ে যায় না, রেন্ডু স্যার!

কাউকে মারলে অন্তত

৬ মাস সেই ভয়টা জনগণের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে হয়।

তাকে কেটে টুকরো টুকরো করে আপনাকে ফোন দিবো আমি।

পুলিশ অব্দি যেনো খবর টা না যায়।

আপনি লাশটাকে কোনো রাস্তার উপর ফেলে আসার ব্যবস্থা করবেন।

মানুষের মোবাইলে মোবাইলে যেন কয়েকদিন লাশটার ছবি ঘুরে।

তবে গিয়ে মানুষের মনে ভয় জাগ্রত হবে।

প্রতিবার জানতে চায় এই মন, তুমি কি আমার প্রতি আকর্ষিত?

হঠাৎ কি হয়েছে আবার তোমার?

এমন করছো কেন?

শুনো না? প্রতিবার জানতে চায় এই মন, তুমি কি আমার প্রতি আকর্ষিত?

প্রতিমুহূর্ত তোমার কথা ভেবে এই মন থাকে চিন্তিত,

তুমি কি আমায় নিয়ে ঠিক এমনটাই ভাবো, শুধু তাই নিয়ে থাকি ভাবান্বিত..😌

এসব কথা বলছো কেন তুমি?

এই পিচ্চিগুলো ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে, সংস্কৃত কবিতা বুঝবেনা।😉

তাই ভাবলাম তোমাকে আবৃতি করে শোনাই।😉

রাজনীতি বাদ দিয়ে তুমি কি সাহিত্য চর্চা শুরু করেছো!

তাও আবার রাজনীতিবিদের মেয়ে হয়ে!

এক মিনিট!

তোদের কি আমাকে মেরে ফেলার জন্য পাঠিয়েছে?

নাকি শুধু ভয় দেখানোর জন্য পাঠিয়েছে?

যদি ভয় দেখানোর জন্য হয়ে থাকে,

তাহলে আমি ভয় পেয়ে গেছি।😉

ভয় দেখাতে বলেনি,

শেষ করে দিতে বলেছে।

শুধু তোকে না,

Note: সবকটাকে।🔫

হাত লাগিয়ে দেখ!😎

ছুঁয়ে দেখ!

তোমার এখানে আর থাকা ঠিক হবে না, তুমি আমেরিকা চলে যাও।😞

হ্যালো।

তাই নাকি?

এটা কি সত্যি?

সত্যি?

ওকে নজরে রাখো।

না, ধরার দরকার নেই, আমি আসছি।

কি হয়েছে?

এই সব কিছুর জন্য যে দায়ী তাকে খুঁজে পেয়েছি।

কে, তোমার বাবা?😉

ধ্যাত! মোটেও না।😏

তোমার ভোট যে চুরি করেছিলো,

তার খোঁজ পেয়েছি।

কে সে?😷

আমি সেই লিজেন্ডকে দেখার জন্য আমি ছটফট করছি।

বন্ধু, মাল খেলে নাকি ঘর ধ্বংস হয়!

কিন্তু! বাংলা মদ তো শুধু মাথা ঠান্ডা করে! এটা কিভাবে ঘর ধ্বংস করে?

অ্যালকোহল যে জিনিসে থাকে এমন কিছু যে কোনও বাড়ি ধ্বংস করতে পারে! বুঝেছিস?

- ওই দেখুন, দুই টাকলার সাথে এক লোক ডাবল শার্ট পরে আসছে। - এই যে সে।

গরীবের এলাকায় দেখছি মহারথীদের পা পড়েছে আজ।

কি রে ভাই!!! ও মা,, ও মা...

কি রে ভাই, এমন বিনা কারণে মারছো কেনো কেন?

ব্যাপার কি?

ওও,, তোমাকে তো টিভিতে দেখেছিলাম মনে হচ্ছে!

নিজের ভোট ফেরত চাচ্ছিলে না?

আরে হ্যাঁ, তুমিই তো। আমাকে কোন কারণে মারছো?

কারণ?😤

আমার ভোট কেন দিয়েছিস তুই?

ভোট? ভাই, তোমার নাম কি?

কি রে ভাই তুই!আমার নাম না জেনেই, আমার ভোট দিয়ে এসেছিস!😓

আমি প্রতি নির্বাচনে এমন হাজার খানেক ভোট দিয়ে আসি।

সেই হাজারের মধ্যে কি তুমি একজন! আমরা বসে কথা বলি?

বসো, আমরা বসে কথা বলি।

ওরা তোকে এর জন্য কয় টাকা দিয়েছে?

৬ হাজার সাথে ২০০ টাকা গাড়িভাড়া।

আমি এই একটা ভোট দেওয়ার জন্য প্রাইভেট প্লেনে করে বডিগার্ড সাথে নিয়ে এসেছিলাম।

মাত্র একটা ভোট দেওয়ার জন্য দেহরক্ষী দেবতা মুনেশ্বরানের কি দরকার?

আরে বডিগার্ড মানে হলো, নিরাপত্তা রক্ষী।

ও..ও ওই নিরাপত্তা? আচ্ছা শোনো তাহলে।

এখানে সকলকে "ভোট চাই" বলে ভিক্ষা করায় কে তুমি জানো?

আমি।😎

পরিচিত হয়ে নেই, আমার নাম কৌশিক। তোমার সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো।

এই! মটকি টা এদিকে দে তো!

এদিকে দে!

যদি চাও আমাদের বন্ধুত্ব টিকে থাকুক, তাহলে এটা এক নিঃশ্বাসে শেষ করো তো দেখি।

নয়তো আমি তোমার কোনো কথাই শুনবো না।

এটাই এখানকার নিয়ম। নাও ধরো।

আমি খেয়েছি অল্প ওখান থেকে।

আরে আমি মুখ লাগাই নি, চিন্তা করো না।

এত তাড়াতাড়ি টানছো! আগের অভ্যাস আছে না কি?

দারুণ!👏

এবার? একটা গান হয়ে যাক?

কী গাইবো?

আরে ও আমেরিকার মানুষ। ও ইংরেজি গান পারে খালি!

হেই, হেই, হেই! আমি শুধু আমেরিকাতে কাজ করি।

কিন্তু আমি জাত থেকে এবং মন থেকে,

পুরাই লোকাল।

তুমি যে লোকাল এটা আমি আগেই বুঝে গিয়ছিলাম, যখন আসার সাথে সাথে তুমি আমাকে চড় মেরেছিলে তখন।

আচ্ছা, তুমি যে লোকাল তা প্রমাণের জন্য, আমি তোমাকে কিছু শব্দ বলবো।

তুমি সেগুলো লোকাল চেন্নাই ভাষায় অনুবাদ করে দেখাও দেখি।

খালি মটকী মুখে ঢুকিয়ে রেখেছো কেনো? ফেলে দাও ওটা!

তাহলে শুরু করা যাক?

হ্যাঁ! শুরু করো।

Let's rock..

বাজিয়ে দাও।

Big shot..

মহারথী।

বাহ! দারুণ বলেছে।👏

বন্ধু! আমরা জয় করবো এই বিশ্ব।

এই পুরো দুনিয়া আনন্দে মাতোয়ারা করে দিবো আমরা।

দারুণ, দারুণ, দারুণ👏

আজ থেকে আমি তোমার বন্ধু।😎

এরপর কি?

গান শুরু করা যাক!

শান্ত হোন সবাই, শান্ত হোন।

আমার কথা শুনুন।

ওরা শপথ গ্রহণের দিন হরতাল ডেকেছে।

শুধু আমার কেন্দ্রেই ৩০০০ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সারা শহরে মামলা চলছে। তারা শপথ গ্রহণ স্থগিত করতে চাচ্ছে।

কাল সকাল ১০ টায় মামলার শুনানি। তার আগেই আপনি কিছু করুন!

সব প্রার্থীরাই বিপদে পড়েছে। মামলার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিন।

- দরকার হলে অনশন করুন। - এই।

কথা শুনুন সবাই!

চুপ করবেন সবাই!

বল, মা।

কি বাবা! গুরুত্বপূর্ণ মিটিং চলছে নাকি?

হ্যাঁ, রে মা।

শপথ গ্রহণ স্থগিত করার জন্য মামলা করা হয়েছে।

কাল সকাল ১০ টায় মামলার শুনানি।

তুমি কি সিদ্ধান্ত নিলে?

সবাই মামলার শুনানি বন্ধের দাবীতে আমরণ অনশন করবো ভাবছি।

সবাই এভাবে নিজেদের ভোট ফেরত চাইলে তো, দলের জন্য অনেক বড় বিপদ হয়ে দাঁড়াবে।

অনশনের কোনো দরকার নেই।

কেন, মা?

অনশন করে কোনো লাভ হবে না। আমি আগেই বলেছি যে,

তার সাথে অকারণে লাগতে যেও না! মামলার শুনানি কয়টায় বললে যে?

কাল সকাল ১০ টায়।

তাহলে তো তোমাকে কাল সকাল ৮ টায় শপথ গ্রহণ করে ফেলতে হবে।

মা!

১০ টায় শুনানি, তার আগে ৮ টায় তুমি শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করো।

আমরা আগে ক্ষমতায় বসতে হবে।

আর তারপরেই হাই কোর্টের বিচারকদের নিয়ে মিটিং-এ বসে তাদের রাজী করাবে,

শুনানি যাতে পিছিয়ে দেয়া হয়।

হোম সেক্রেটারি কে ঘোষণা করতে বল যে, হাই কোর্টের ভবনটা মেরামত করতে হবে।

পরবর্তী ১ সপ্তাহ মেরামতের কাজে লাগিয়ে দাও।

এই ১ সপ্তাহই যথেষ্ট।

এর মধ্যেই সবার মামলা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করা যাবে।

আচ্ছা, মা।

গভর্নরকে কল দিয়ে বলো তুমি আগামীকাল সকাল ৮ টায় শপথ গ্রহণ করবে।

আচ্ছা, মা।

তামিলনাড়ুর ৩ লাখ মানুষের নিজেদের ভোটাধিকার দাবীতে করা মামলার শুনানী আজ সকাল ১০ টায় করা হবে।

অপরদিকে জানা গেছে যে, আজ সকাল ৮ টায় মুখ্যমন্ত্রী মাসিলামানি গভর্নরের বাসভবনে শপথ গ্রহণ করবেন।

হ্যালো, সুন্দর, আমি বার কাউন্সিলের কাছাকাছি আছি।

১০ টা বাজে কোর্ট চেম্বার বসবে।

১০ টায় নয় স্যার, চেম্বার সকাল ৮ টায় বসবে।

৮ টায়, কীভাবে?

কিছুদিন আগে কর্ণাটক মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহণ, সকাল ৮ টা বাজে হওয়ার কথা থাকলেও,

রাতের আড়াইটা বাজে আদালতের রায়ে সেই শপথ গ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়

আমি সেই মামলার প্রেক্ষিতে আজকের শুনানির সময় এগিয়ে এনেছি।

দারুণ করেছো, আমি ১০ মিনিটের মধ্যে আসছি।

- শোন.. - জ্বী স্যার।

শুনানি তো ১০ টায় হওয়ার কথা। এত তাড়াতাড়ি কীভাবে শুরু হলো?

- স্যার, অগ্রিম শুনানি। - তাহলে এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিস কি?

- জলদি কোনো ব্যবস্থা কর। - আমি দেখছি, স্যার।

যেহেতু আপনারা প্রত্যেক কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০০০ লোক পুনরায় ভোটের আবেদন করেছেন।

পুনরায় ভোট নয়, মাই লর্ড।

ওরা এখন পর্যন্ত নিজের ভোটটাও দিতে পারেনি।

উনি আমাদের ভাষা ও জানেন না।

এমতাবস্থায়, বর্তমান নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে, পুনরায় ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হোক।

পুনরায় ভোটগ্রহণ কোনো সহজ বিষয় নয়। নির্বাচনে কত অর্থ ও শ্রম ব্যয় হয় জানেন আপনি?

স্যার, পুলিশ ১ হাজার টাকা চুরির দায়ের চোরকে ধরার জন্য ১০ হাজার টাকাও ব্যয় করে থাকে।

যদি পুলিশ ৯ হাজার টাকা বাঁচানোর চিন্তা করতো,

অপরাধীরা আজ নিশ্চিন্তে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতো, মাই লর্ড।

এটা টাকার প্রশ্ন নয়,

জনগণের অধিকারের প্রশ্ন।

ইলেকশন কমিশনার এক্ষেত্রে কি বলছে?

উনি যখন নিজের ভোটাধিকার দাবি করেছিলো, আমরা উনাকে তখন পুনরায় ভোটের সুযোগ করে দিয়েছিলাম।

এখন এতগুলো লোক ভোট ফেরত চাচ্ছে।

আমরা তাদের অধিকারের বিরুদ্ধে কীভাবে প্রত্যাখ্যান করবো?

প্রায় প্রত্যেক কেন্দ্রে ২০০০ জন তাদের ভোটাধিকার ফেরত চাচ্ছে।

বেশিরভাগ কেন্দ্রে প্রার্থীরা মাত্র ৮০০ থেকে ১৫০০ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।

এখন হয়তো সেই ফলাফল পরিবর্তন ও হতে পারে।

শুধু তাই নয়, মাই লর্ড।

বেশিরভাগ প্রার্থী এমন অবৈধ ভোট দ্বারা জয়লাভ করেছে।

আর কোন উপায়েই বা আমরা এর প্রতিকার করবো?

২০১৬ এর তামিলনাড়ু নির্বাচনে,

বিজয়ী আর পরাজয়ী দলের ভোটের পার্থক্য,

মাত্র ২ লাখ ৬০ হাজার ছিলো, মাই লর্ড।

কিন্তু এবার মামলাকারীর সংখ্যা-ই,

৩ লাখ ৪৫ হাজার জন।

আপনি শপথ গ্রহণ স্থগিত করার আবেদন জানিয়েছেন।

কিন্তু গভর্নরের বাসভবনে ইতোমধ্যেই শপথ গ্রহণ কার্যক্রম চলছে।

এই জন্যেই তো, মাই লর্ড, আপনার সিদ্ধান্তের আবশ্যকতা।

আপনাদের সবাইকে দেখে আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি।

যেমনটা আপনারা জানেন,

আপনাদের এই মুখ্যমন্ত্রী কতটা যোগ্য।

নির্বাচন কমিশনের কাছে এই ক্ষমতা আছে?

১৯৭৫ সালের নির্বাচনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মিস. ইন্ধিরা গান্ধী,

রে বারেলি কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেছিলেন।

কিন্তু উনার সামান্য দোষের কারণে এলাহাবাদ হাই কোর্ট,

পরবর্তীতে তার এম.পি পদ বাতিল করে দেয়।

জনগণ গণতন্ত্রের উপর বিশ্বাস করে,

তাই প্রতি ৫ বছরে একবার করে ভোট দেয়,

যোগ্য প্রার্থী জয়লাভ করবে এই আশায়।

কিন্তু এমন অরাজকতায় ভরা রাজনীতির জন্য,

আজ গণতন্ত্রের উপর থেকে আস্থা হারাতে বসেছে জনগণ, মাই লর্ড।

এখন

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী

যেমনটা আপনারা জানেন..

- স্যার। - গভর্নরের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট তো?

- হ্যাঁ, স্যার। - কোথা থেকে ফোন করছে?

কোর্ট থেকে, স্যার।

উনি দিল্লির মানুষ। তুমি আমাদের নিজের লোক। ফোনটা বন্ধ করে রাখো।

আমি এম. মাসিলামানি,

আমি এম. মাসিলামানি,

শপথ করিতেছি যে, আজকের দিন হতে,

শপথ করিতেছি যে, আজকের দিন হতে,

আমার রাজ্যের

আমার রাজ্যের

একটু অপেক্ষা করুন।

স্যার, মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছে।

একটু অপেক্ষা করুণ।

স্যার! নেতাজি অপেক্ষা করছে, সময় চলে যাচ্ছে।

আপনি কি দয়া করে নিজের আসনে ফিরে যাবেন?

আচ্ছা ঠিকাছে।

মি. মাসিলামানি, হাইকোর্ট এবং নির্বাচন কমিশন মিলে একটি ঘোষণা দিয়েছে,

যে নির্বাচনটা

২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো,

তার ফলাফল বাতিল করা হয়েছে।

পরবর্তী নির্বাচন,

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

এমতাবস্থায়, আমি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে,

আমাকে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, মাঝপথে বন্ধ করতে হচ্ছে।

ধন্যবাদ।

আমাদের বিজয় একেবারে মাটি হয়ে গেলো।

আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ আমাদের দলীয় অফিসে নির্ধারণ করা হবে।

আপাতত বিদায় নিচ্ছি।

অনেক ধন্যবাদ।

হ্যালো, মা! নাও, কথা বলো।

নিন।

- মা, - ওকে তোমরা কি বলেছিলে?

১৫ দিন পর আবার নির্বাচন। এখন কীইবা আর করার আছে, মা?

পুরো দেশ তামাশা দেখছে, বাবা।

এখন আমাদের চুপ করে থাকার মানে হলো, আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া।

অনশন, আন্দোলন, হরতাল যা পারো করো। জনগণের সাথে বিরোধী দল পর্যন্ত যেন ভয়ে কেঁপে ওঠে।

আরেকটা বিষয়, এখন সুন্দরকে ছেড়ে দিলে, সে সোজা আমেরিকা চলে যাবে।

১৫ দিন পরে এসে সে নিজের ভোটটা দিয়ে যাবে।

১৫ দিন পরে তাকে কিছু করতে গেলে, সেটা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে।

আমেরিকা তে ওর সাথে কিছুই করতে পারবে না কেউ।

যা করার এখনই করতে হবে।

জনগণ আর ছাত্রদের ওইদিকে অনশনে লাগিয়ে দাও।

ওকে ছেড়ে দিও না, বাবা।

ওকে মারলে, আমাদের দল আরও ১০ বছর অনায়াসে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে।

আমাদের বিরোধী, আমাদের বন্ধু, সবাই যেন এখন আমাদের ভয়ে কাঁপে।

এমনকি আমাদের নিজেদের দলের লোকেরাও যেন আমাদের সামনে ভয়ে মাথা নিচু করে থাকে।

তোর তো কাজ শেষ।

এবার তো আমেরিকা চলে যাবি।

মা, তুমি ওকে এভাবে তাড়িয়ে দিতে চাইছো কেন?

শুধু এই ভোটের জন্যই তো সে কোম্পানির কাছ থেকে ছুটি নিয়ে এসেছে।

এই একটা ভোটের জন্য কত ঝামেলা বাঁধালো, কত পরিকল্পনা করলো।

পারলে আর কয়েকটা দিন ছুটি নিয়ে দীপাবলি টা আমাদের সাথে কাটিয়ে যা।

আমার সাথে এসো মা। হুম

হাই!

সুন্দর মামা, তুমি এসেছো?

মামা, তুমি না বলেছিলে, আমাকে ঠিক করে দেবে?

দেবো তো, মা, দেবো।

দেখেছো দিদি, তোমাকে বলেছিলাম না, মামা আমাকে ঠিক করে দেবে।

হ্যাঁ, বাবু।

মামা, এটা কখন ঠিক করে দেবে?

আরেকটু শুকিয়ে নিক। তারপরে ঠিক করে দেবো, হুম?

- এই নাও। - ধন্যবাদ।

- কোন ক্লাসে পড় তুমি? - ক্লাস থ্রি।

- তুমি? - ক্লাস টু।

এই মেয়েটাই এখন বর্তমান তামিলনাড়ুর ভাগ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তোমার সন্তান যদি একটুখানিও এমন আগুনে পুড়ে যেতো, তুমি কতটা কষ্ট পেতে, মা?

তার নিজেরই বাবা,

পুরো পরিবারের গায়ে আগুন ধরিয়ে,

নিজেও তাতে পুড়ে মারা গেছে।

মা!

ওই বাবা তার নিজেরই মেয়ের গায়ে আগুন লাগানোর সময়

কতটা যন্ত্রণায় ভুগেছিলো, ভাবতে পারো?

কে তাকে এত চড়া সুদে টাকা ঋণ নিতে বাধ্য করেছিলো, মা?

এসো, মা।

এখানে প্রত্যেকটা বিছানায় শুয়ে থাকা মানুষগুলো সাধারণ রোগী নয়, মা

প্রত্যেকে একেকটা মন্ত্রণালয়।

এইযে ইনি,

৬ সদস্যের এক পরিবারের কর্তা।

তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জন করা ব্যক্তি।

ওভারটাইম চাকরী করার বদলে,

আজ চার মাস উনি হাসপাতালে পড়ে আছেন।

তেমন কিছুই না।

সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফেরার সময়, এক সরকারী বাসের সাথে উনার সংঘর্ষ হয়।

সরকার যখন গাড়ির চালক নিয়োগ দেয়,

তখন এমন গাফিলতি করে অদক্ষ চালক নিযুক্ত করে,

তারই ফলস্বরুপ এমন নিরীহ লোকগুলো নিজেদের পা হারায়।

সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়।

যেখানে ছোট ছোট দেশগুলো প্রযুক্তিতে এত উন্নতিলাভ করছে।

সেখানে আমাদেরই দেশে বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ-এর তার ছিড়ে গিয়ে, ৩টা বাচ্চার মৃত্যু ঘটে।

তাদের বাঁচাতে গিয়ে এই নিরীহ দিনমজুর তার দুটি হাত হারিয়েছে।

বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়।

শুধুমাত্র মশার কামড়ে একমাসে ৮৭ জনের মৃত্যু আর কোন জায়গায় হয়, মা?

ডেঙ্গু জ্বর।

দেখছো,

আরেকটা বাচ্চা তার জীবন নিয়ে লড়াই করছে।

এটা, জনসেবা মন্ত্রণালয়।

জনসেবা, সড়ক ও যোগাযোগ, শিক্ষা, বিদ্যুৎ, কৃষি.....

এখানে প্রত্যেক রোগীর ভোগান্তির পেছনে কোনো না কোনো মন্ত্রণালয় দায়ী আছে, মা।

রাজনীতিবিদেরা ৫ বছরে দেশ বদলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গদিতে বসে, আর গদিতে বসেই সব ভুলে যায়।

আমি তাদের সেই মুখোশের নিচে লুকিয়ে থাকা জল্লাদের চেহারাটা সকলকে দেখাতে চাই, মা।

ওরা আবার ক্ষমতায় এলে, আমি এই লড়াই চালিয়ে যাবো।

আমি কাউকে পরোয়া করি না এখন আর।

মাসিলামানির শপথ গ্রহণের সময় কোর্টের রায়ে,

গভর্নর যখন শপথ অনুষ্ঠান স্থগিত ঘোষণা করেছিলো,

তারপরেই সারা তামিলনাড়ুতে জনগন হরতাল ডেকে দোকানপাট বন্ধ রাখে।

রাজ্যের অনেক জায়গায় জনগণ বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকে প্রচুর নাশকতা সৃষ্টি করে।

আমরা সুন্দরের ঘরে শুধুশুধু হামলা করছি। ঘরে এখন কেউই নেই।

আয়, সবগুলো রুম খুঁজে দেখ।

হ্যাঁ?

Note এই! গাড়ি থামা! নেমে আয়।

Note ওই সামনে থেকে সর!

দরজা খোল।

কি সমস্যা আপনার?

Note সব যায়গায় তন্নতন্ন করে খুঁজে দেখ কোথায় আছে।ওই গাড়িগুলো ও দেখ। ওদেরকে গাড়ি থেকে নামতে বল সবটাকে।

আমি কিছুই শুনতে চাই না। কাল সকালে এখানে পুলিশ আসবে। তার আগেই ওকে মারতে হবে।

১২ ঘণ্টা ধরে খুঁজে তোরা একটা লোককে খুঁজে বের করতে পারলি না। এখন আমাকে জিজ্ঞেস করছিস কি করবি?

হেই সিকিউরিটি! ওয়াকি টকি দে।

হেই, আমি বলছি।

কি হচ্ছে ওখানে।

সুন্দর নামে একজন লোক আপনার সাথে দেখা করতে চাইছে।

- সে কি একলা না সাথে কেউ আছে? - না, সে একলাই এসেছে।

তাকে ভেতরে ঢুকতে দে।

আমরা মোট কয়জন আছি রে?

এখানে ১৮ জন। নিচে আরও ২০ জন আছে।

সবাইকে উপরে আসতে বল।

- অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রাখ। - হেই, অস্ত্র নে।

হেই, উকিলকে ফোন লাগা।

স্যার, উকিল লাইনে আছে।

- ভারাধা। - হ্যালো, স্যার।

সুন্দর আমাদের পার্টি অফিসে এসেছে।

ভেতরেই আসছে। তাকে এখানে মারলে কোনো আইনি সমস্যা হবে না তো?

পার্টি অফিসে?

আচ্ছা, একটু অপেক্ষা করুণ, আমি আপনাকে কিছুক্ষণ পরে কল করছি।

আমি সিনিয়র উকিলের সাথে আলোচনা করে আপনাকে জানাচ্ছি।

নমষ্কার।😎

শুনলাম সারাদিন নাকি আমার খোঁজ করেছেন?😎

তাই ভাবলাম, নিজেই এসেই দেখা করে যাই।

আশেপাশের লোকদের কথা বেশি শুনবেন না।

সংবাদমাধ্যম আর আইনের কথাও বেশি ভাববেন না।

অপরাধ করার আগেও বেশি ভাববেন না, সেটা তো এমনিতেই হয়ে যায়।

মানুষ ও স্বাভাবিকভাবে মারা যায়।

যেসব অপরাধ আপনারা করে থাকেন, সেগুলোর প্রমাণ আপনাদের শত্রুর কাছে অস্ত্র হয়ে দাঁড়ায়।

আপনাদের শেষ করার জন্য সেসব অস্ত্রই যথেষ্ট।

টাকা।

কন্টেইনারের পর কন্টেইনার ভরা টাকা আপনারা জমিয়ে রাখেন।

অথচ মরার সময়, কন্টেইনারগুলো একবার চোখে দেখার সৌভাগ্যটুকুও হয় না।

শেষে আপনার মতো বয়স্ক রাজনীতিবিদেরা অনেক আগে করা কোনো অপরাধের দায়ে,

শেষ বয়সে জেল খাটতে হয়।

আপনার যখন ৭৫-৮০ বছর বয়স হবে, ভাবুন তো কেমন হবে তখন।

কি অমানবিক যন্ত্রণা।

ওই! তোর এসব ভাষণ অন্য কোথাও গিয়ে করিস। এটা যুদ্ধক্ষেত্র।

কি এমন মহৎ কাজ করেছিস তুই? শপথ গ্রহণটাকে শুধু ১৬ দিন পিঁছিয়ে দিয়েছিস শুধু!

আমরা আবার নির্বাচনে জিতবো।

আমাদের নেতাজি তৃতীয় প্রজন্মের রাজনীতিবিদ।

গত ৫৫ বছর ধরে উনি রাজনীতিতে আছেন।

কোনো প্রচার দরকার হয় না। মিটিং দরকার হয় না। শুধু নেতাজির চেহারাটাই যথেষ্ট।

গত ৫৫ বছর ধরে দেখতে দেখতে এই চেহারা আমাদের মাথায় বসে গেছে।

সব ধরনের পণ্যে নেতাজির চেহারা ভাসে এখন।

ভালো থেকে খারাপ, সব ব্যাপারে নেতাজির চেহারা লুকিয়ে আছে।

আর এটাই এখন আমাদের ব্র‍্যান্ড..

ব্র‍্যান্ডের ব্যাপারে বুঝিস তুই?

আমাদের নেতাজির চেহারাই আমাদের কাছে ব্র‍্যান্ড...

এই ব্র‍্যান্ডের সাহায্যে কোনো কুকুর বা গাধাকেও যদি নির্বাচনে দাঁড় করিয়ে দেই, আরামসে জিতে যাবে।

যদি তোর ক্ষমতা থাকে, আমাদের হারিয়ে দেখা!

হায় আল্লাহ্‌! একটু বেশিই হয়ে গেলো।

মিস্টার রেন্ডু (তামিল শব্দ রেন্ডু এর অর্থ দ্বিতীয়)

যদি আপনি একজনের পেছনে দাঁড়িয়ে ২য় স্থানে থেকে এতো অহংকার করতে পারেন, তাহলে ভাবুন,

মেধা তালিকায় স্থান পেয়ে, ইন্টারভিউতে সিলেক্ট হয়ে, ১ নাম্বার দেশের, ১ নাম্বার কোম্পানির,

১ নাম্বার সিটে বসে আমার অহংকার কেমন হওয়া উচিৎ!😎

চ্যালেঞ্জ করার আগে ভালো করে খেয়াল করবেন, সামনে কে দাঁড়িয়ে আছে!

কি বলছিলেন তখন?

ব্র‍্যান্ড?

এসব ব্র‍্যান্ড ধ্বংস করে পথে নামানোর স্পেশালিষ্ট আমি।😎

বলে রাখছি, শুনুন, মি. রেন্ডু।

আপনার উপরে যিনি ১ নাম্বারে আছেন,

মানে আপনার নেতাজি,

আমি সেই ব্র‍্যান্ড ধ্বংস করে ছাড়বো।

যদি আপনাদের দল আবারও জিতে, আপনার নেতাকে আমি জিততে দেবো না।

যেই কেন্দ্রেই উনি দাঁড়াবে, আমি তার বিপক্ষে থাকবো।

আপনার ওই ব্র‍্যান্ড কে আমি ছিড়ে টুকরো টুকরো করবো।

- উকিল বলেছে মারতে পারবো। - মার ওকে।

মেরে দিয়েছি।🙏

ঐ, ঐ, মারিস না ওকে।

হেই, ছেড়ে দে ওকে।

কি রে, ছোট ভাই?

তুই নাকি আমার বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়বি।

এটাকে এসি রুমে বসে কম্পিউটার গেম খেলা মনে করেছিস?

কত জীবন বিসর্জন দিতে হবে আর রক্তের বন্যা বহাইতে হবে তুই জানিস না!

রাজনীতির আসল খেলা, আমি তোকে দেখাচ্ছি!

আমি,

অপেক্ষা করছি!😎

নতুন নতুন সব মুভির আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ: "Worldwide Blockbuster Movie Freak"এর সাথেই থাকুন।

খেলা শুরু😎

কি বলছিস?

হ্যাঁ, স্যার। সুন্দর স্যার কাল রাতে এসেছিলো।

রেন্ডু স্যারের সাথে কথা বলেছিলো।

মেইন ব্লক গেইট থেকে অনেক দূরে হওয়াতে, আমি তাদের কথা কিছু শুনতে পাইনি।

প্রায় ৪০ মিনিটের মতো মিটিং চলেছিলো।

- তারপরে আমি বাড়ি চলে গিয়েছিলাম। - দারুণ খবর শুনালি।

কি যে খুশি লাগছে।মনে লাড্ডু ফুঁটছে।🎼

মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে, তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ।"

কি বাবা? খুশিতে এমন গাইছো যে!

আমার মেয়ের জামাইয়ের সিদ্ধান্তের খুশিতে গাইছি রে, মা।

কে, দিদির স্বামী? আমি তো ভেবেছি তুমি উনার উপর রেগে আছো।

আরে না। আমি তোর স্বামীর কথা বলছি।

হ্যাঁ, আমার স্বামী?

এইমাত্র শুনলাম,GL কোম্পানির CEO যাকে তুই ভালোবাসিস! কাল রাত্রে সে আমাদের পার্টি অফিসে কথা বলতে গিয়েছিলো।

তাই নাকি? তুমি কীভাবে জানো?

পার্টি অফিসে আমার গুপ্তচর আছে তো।

তুমিও না বাবা? আচ্ছা, তাতে এত আনন্দের কী আছে!

সে নিশ্চই কাল রেন্ডু (দ্বিতীয় নেতা) স্যারের সাথে হাত মিলিয়ে নিয়েছে।

সে যদি এখন মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করে, তাহলে আমার জন্য এম.এল.এ-র পদ পাওয়া সোজা হয়ে যাবে।

আরে এ দেখি GL এর জামাই!😂

আমি গিয়ে ওকে একটু সুপারিশ করে দেখি।

জামাইবাবু! এসো জামাইবাবু, এসো!

এসো, এসো।

আংকেল, আমি আপনার কাছ থেকে ক্ষমা চাইতে এসেছি।

ক্ষমা! কি বলছো তুমি এসব!

আগে ভেতরে এসো তুমি।

- আসলে কথা হচ্ছে। - আরে তুমি! কেমন আছো?

হাই কাকু!

সবাই ভেতরে যাও।

আগের সব কথা ভুলে যাও।

শুভদিন দেখে বড়দের ডেকে, সবাই একসাথে বসে, সব কথা ঠিক করে নিবো।

- কি রে, মা? ঠিক আছে তো? - যাও বাবা।😳

আরে, ও তো রাগ করে চলে গেলো!😱

ওটা রাগ নয় বাবা, লজ্জা পেয়ে চলে গেছে।😉

আংকেল, আমি কাল রাতে আপনাদের পার্টি অফিসে গিয়েছিলাম।

আমি শুনেছি সব।

রেন্ডু স্যারের সাথে কথা বলেছি।

- আমিও এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। - তুমিও?

আমি তো জানতামও না যে তুমি আমাদের দলে যোগ দিচ্ছো! বসো, বসো।

জামাই, আমার যে কি খুশি লাগছে।

জামাইবাবু, মুখ্যমন্ত্রীকে বলে আমাকে এম.এল.এ-র সিটটা ব্যবস্থা করে দাও।

আমি মুখ্যমন্ত্রীকে এসব কথা বলতে পারবো না।

কেন?

কারণ আমি নির্বাচনে তার বিপক্ষে দাঁড়িয়েছি।

ওই! কি দেখছো এভাবে, জুরাসিক পার্ক কোথাকার!

সেটিং রে।😉

- কৌশিক - বস!

- তুমি জানো তোমাকে আমি আমার পাশে কেন রেখেছি? - জানি না, বস।

এই শহরের সব ভালো আর খারাপ লোকগুলো দেখতে একইরকম।

তোমার বন্ধু আর আত্মীয়-স্বজনদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিও।

আচ্ছা, বস!

আমাকে তাদের কাছ থেকে সাবধান থাকতে হবে।

এসো।

- বস, এরা সবাই লেমিনেট নাকি? - আরে না।

লেমিনেট তো ফটো হয়ে থাকে, এরা নমিনেট মানে প্রার্থী।

মুখটা দেখো, ল্যাঙরা আমের মতন।

নির্বাচনী নিয়মাবলী জানেন কি?

উনি নিয়মাবলী জানেন বলেই, এখনও দেশে নির্বাচন চলছে।

পরিচয়পত্র?

এই নিন, পরিচয় প্রমাণপত্র।

পাসপোর্ট।

আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স।

সব একদম অরজিনাল।

জন্ম সনদ?

জন্ম সনদ?

গোষ্ঠী সনদ।

রাজ্য সনদ।

আয়কর সনদ।

ব্যাংক কার্ড?

ব্যাংক কার্ড,

রেশন কার্ড,

ক্রেডিট কার্ড,

ভোটার আইডি,

একটা পোস্টকার্ডও আছে। অবসর সময়ে যদি ইচ্ছে করে কাউকে চিঠি লিখে পাঠাবেন।

রেশন কার্ডের ছবির সাথে তোমার চেহারার মিল নেই কেন?

কি বলে! আমি এই কার্ড দিয়ে তোমার ভোট দিয়েছি।

কি বলে সে?

রেশন কার্ডের চেহারা আমার মতো হতে হবে? নাকি আমার চেহারা রেশন কার্ডের মতো হতে হবে।

রেশন কার্ডের এই চেহারাটার সাথে তোমার চেহারার মিল নেই।

সেটা কার দোষ?

সে তো দপ্তরের দোষ।

সেই দপ্তরটা কার?

ইয়ে মানে... সরকারের।

হায় আল্লাহ্‌! একজন সরকারী কর্মচারী চাকুরীরত অবস্থায় সরকারের বদনাম করছে।

পরিষ্কার শুনলেন তো সবাই?

ভাই! দয়া করে আমার চাকুরিটা খেয়ে দেবেন না। এমনিতেও ভোট চুরির দায়ে ১২ জনের চাকরি চলে গেছে।

আমি বাড়ি তৈরির জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছি।

প্রতিমাসে তার কিস্তি দিতে হয়। একটু আমার দিকটাও বিবেচনা করে দেখুন!

আপনার এলাকার দশ জনের স্বাক্ষর লাগবে।

একটু ঐ দিকটা একটু দেখুন।

এই দশ জনে না হলে বাইরে আরও দশ জন দাঁড়িয়ে আছে।

সেই দশজনে না হলে আরও দশ জন নিয়ে আসবো।

আরও দরকার হলে ট্রাকভর্তি লোক নিয়ে আসবো।

সব তথ্য নির্ভুলভাবে দেওয়া আছে।

আমি এখান থেকে যাওয়ার পর, আবেদনপত্রে নাম ভুল দিয়েছি,

বা আবেদনপত্রে কোনো ভুল হয়েছে,

দিল্লির কোর্ট পর্যন্ত চক্কর কাটাবো, বলে দিলাম।

স্যার!

আপনিই বলুন, মি. নারায়ণ,

মি. সুন্দর আর আমাদের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর লড়াই কেমন হবে?

আমি তাদের দুইজনকেই খুব ভালোভাবে চিনি।

মুখ্যমন্ত্রী গত তিনবারের নির্বাচনে বিজয়ী।

অন্যদিকে মি. সুন্দর কর্পোরেট দুনিয়ার মহারথী, সকলে তাকে চেঙ্গিস খান নামেও চিনে।

জ্ঞান, বিচক্ষণতা আর অভিজ্ঞতার বিচারে তাকে কম টক্করের ভাবা যাবেনা।

সত্যিই হাড্ডাহাড্ডি একটা লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

আরে হাড্ডাহাড্ডি কিছুই না।

এই ছোট ভাইটির বয়স কম,

কিন্তু বুদ্ধিতে অনেক ভালো।

সে এমনিতে ১৮০০ কোটি টাকা আয় করে।

এখন ইনকামটা বাড়াতে চাচ্ছে আরকি।

সে এখানে এসেছে তার কোম্পানির প্রচার করতে।

গত দুই দিনে ওর কোম্পানির দাম শেয়ার মার্কেটে কেমন বেড়েছে ওকেই জিজ্ঞাসা করে দেখুন।

অবশ্যই বেড়েছে।

সে এখানে কোম্পানির শেয়ার বাড়াতে এসেছে?

নাকি নিজের প্রচারে এসেছে! সেটা তো সে-ই ভালো জানে।

মি. সুন্দর পথেই আছেন, উনি আমাদের প্রোগ্রামেই আসছেন।

অনুষ্ঠানে ডাকার সময় তো বলেছিলেন শুধু আমরা দুইজন। এটা সরাসরি সম্প্রচার না?

আমাদেরও জানা ছিলো না, স্যার। মাত্র খবরটা পেলাম।

মোবাইলে আমার ভিডিও করে সম্প্রচার করার চেয়ে ভালো, আমি নিজেই গিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে যাই।

- স্যার আপনার আসন এটা। আপনি এখানে বসুন। - আচ্ছা।

বলুন এবার! আপনার কি কি সন্দেহ আছে?

এখানকার মানুষ ভোট ছাড়া কিছুই করতে পারে না।

আর তুমি সেই ভোট ছাড়াই,

পুরো রাজ্যসভাকে নাড়িয়ে দিয়েছো?

ভালোই বুদ্ধি তোমার।

কোম্পানির ভালোই মার্কেটিং করে দিলে এই সুযোগে।

কোম্পানির জন্য তুমি সব করতে পারো, তারই প্রমাণ দিচ্ছো তুমি, তাই তো?

এটাই তাহলে আপনার সন্দেহ?

আমার কোম্পানির CEO এর পদ থেকে,

এই মুহূর্তে আমি পদত্যাগ করছি।

সে এমন কীভাবে করতে পারে?

এমন করবেন না, মি. সুন্দর।

আপনি GL এর CEO, এটা আমাদের জাতির জন্য গর্ব।

আপনি সত্যি ভেবে বলছেন তো, স্যার?

এত বড় কোম্পানির একটা ছোট পোস্টও সাধারণ মানুষের জন্য স্বপ্নের মতো ব্যাপার।

ঐ কোম্পানি এখন আর আমার নয়।

এবার কি বলবেন আপনি?

তুমি এসব করে কোনো লাভ নেই। জিতবে আমাদের নেতাজিই।

রাজনীতিতে বিরোধী দল না থাকা গণতন্ত্রের জন্যই বিরাট হুমকিস্বরুপ।

তোমার আত্মবিশ্বাস দেখে সত্যিই অবাক হচ্ছি।

আমরা অনেক বড় রাজনৈতিক দল।

আর তুমি একজন মাত্র মানুষ।

ভারতের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার জন্য, "মহাত্মা গান্ধী" একলাই যথেষ্ট ছিলো।

এখনকার দিনে একজন মানুষ পুরো একটা দলে আর পুরো একটা দল একজন মানুষে পাল্টে যায়...

মাত্র এক দিনের মধ্যেই, স্যার।

ছোট ভাই চাকরী ছেড়ে দিয়েছে, তার কাছে অনেক সময় আছে। কিন্তু আমি বেকার মানুষ না।

আমাকে কাজে যেতে হবে।

বন্ধ করো।

শুনো ছোট ভাই, তোমাকে রেকর্ডের বাইরে একটা কথা বলছি।

তুমি নেতাজির বিপক্ষে দাঁড়াচ্ছো শুনে, সবাই এমনিতে তোমার উপর ক্ষেপে আছে।

অযোধ্যাকুপ্পাম এলাকার ধারেকাছেও যেওনা না।

অন্য এলাকায় গেলে হয়তো শুধু গালাগালি শুনবে।

ঐ এলাকাতে গেলে একেবারে কেটে রেখে দেবে।

কি কুপ্পাম বললেন?

অযোধ্যাকুপ্পাম।

আমার প্রথম মিটিং ওখানেই করবো।😎

জনগণের অবস্থা দেখো, ভাই।

আমাদের এত সহজে ছেড়ে দিবে বলে মনে হচ্ছে না।

এর চেয়ে ভালো হতো আমরা ঘর থেকেই প্রচারণা করতাম। তুমি টুইটার থেকে টুইট করে দিতে।

সেটা আরো অনেক সোজা হতো।

সে বলছিলো আমাকে নাকি কেটে রেখে দেবে।

তেমন তো কিছু দেখতে পাচ্ছি না।

দেখো, তোমাকে ওরা কিছু করছে না, তার পেছনে অবশ্যই কারণ আছে।

তুমি এই এলাকায় ভোটে দাঁড়ানোয়, এই এলাকাতে ভোটের চাহিদা বেড়ে গেছে।

৫০০০ টাকার জায়গায় বিরোধী দল এখন ওদের ৯০০০ টাকা করে দেবে।

তুমি বেঁচে থাকলেই তো ওরা টাকা গুলো পাবে।

দয়ে করে থামুন, থামুন আপনারা।

সকলে শান্ত হোন, দয়া করে শান্ত হোন। ধন্যবাদ, ধন্যবাদ।

আমরা IIT এর ছাত্ররা এই প্রোগ্রামটা আয়োজন করেছি।

এই প্রোগ্রামটা ফেসবুক লাইভে দেখানো হচ্ছে।

এটা একটা মজাদার প্রোগ্রাম। উনি এখানে কোনো সমস্যা করতে আসেননি।

আপনারা সবাই মিলে এখন উনার সাথে মজা করবেন। আপনাদের যা মনে আসে উনাকে বলতে পারেন।

তুমি রাজনীতিতে নতুন তো।

দেখো এখনি কতকিছু সহ্য করতে হয়।

স্যার, আপনি বলতে পারেন, টমেটোর কেজি কত করে?

স্যার, লবণের কেজি কত করে জানেন?

আপনি লবণ দিয়ে কখনও ভাত খেয়েছেন?

আপনারা সবাই দেখছি মজা করার মুডে আছেন।

আমি সত্যিই টমেটোর কেজি কত করে তা জানিনা।

স্যার, টমেটো দেখতে কেমন হয়, সেটা কি জানেন?

ঐ, উনাকে টমেটো চিনিয়ে দে তো।

এই যে স্যার, টমেটো এরকম হয়।

ফাজিল কোথাকার।

এই টমেটোকে নিয়ে মজাদার, অপরাধের গল্প শুনবেন?

বিশ্বের ৭টি বড় বড় দেশে,

আমাদের দেশের টমেটো দিয়ে, টমেটো সস বানিয়ে খাওয়া হয়।

আমাদের মাটিতে চাষ করা টমেটোর বিদেশে প্রচুর চাহিদা।

কিন্তু সেখানেই আসল রহস্য।

এখানে প্রচুর পরিমাণ টমেটো এমনিতে শুকনো জমিয়ে রাখা হয়।

জানেন কেন?

সেই টমেটোগুলো ট্রাকে করে বহন করার সময়,

৪ ভাগের ১ ভাগ টমেটো পঁচে গিয়ে,

বাতিল হয়ে পড়ে।

উদাহরণ হিসেবে মনে করুন, এই দুইজনের কাছে ৫০ কেজি, ৫০ কেজি করে টমেটো আছে।

উচ্চ চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমি শুধু একজনের কাছ থেকেই টমেটো কিনলাম।

চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমি আরেকজনের কাছ থেকে, টমেটো কিনলাম না।

টমেটো কয়দিন তাজা থাকে? - ২ দিন।

কার টমেটো আগে পঁচবে, এই ভয়ে দুইজনেই চুপসে থাকে।

অন্যদিকে, টমেটোর দাম নির্ধারণ করে সস প্রস্তুতকারী কোম্পানিরা

৪০ টাকার টমেটোর কেজি তখন বিক্রি হয়, শুধুমাত্র কেজি ৬ টাকা দরে।

আবার তারা কিনবে শুধু একজনের কাছ থেকে।

আরেকজনের টমেটো শেষে...পঁচে.. ডাস্টবিনে পড়ে থাকে।

বিদেশে বসে মানুষ তার পরিবারের সাথে

মজা করে টমেটো সস খায়।

এদিকে আমাদের কৃষকেরা, অভাবের যন্ত্রণায় আত্মহত্যা করে মারা যায়।

তাই পরেরবার আমরা কারও উপর টমেটো মারার আগে,

সেই টমেটোর চাষীর,

কথাটাও একটু ভেবে নেবো।

কি হলো?

সবাই চুপ হয়ে গেলেন?

আমাকে নিয়ে মজা করছিলেন না, করুন।

- স্যার আমার একটা সন্দেহ আছে। - বলুন।

স্যার, আমরা হয় মজা করে, নয়তো টাকা পাওয়ার জন্য ভোট দিয়ে আসি।

কিন্তু আপনি একটা ভোট দেওয়ার জন্য এত কিছু কেন করলেন?

সেকশন 49 P খুঁজে বের করলেন, সরকারের পতন ঘটালেন, নিজের চাকরী ছেড়ে দিলেন। এতকিছু কেন, স্যার।

আপনাদের সত্যি কথাটা বলবো?

বলুন, বলুন..

আমি বড় হয়েছি 'রামেশ্বরামে'-এ।

সমুদ্র পাড়ে সৈন্যবেষ্টিত এলাকায় দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করা এক জেলে পরিবার ছিলো আমাদের।

যারা মাছ ধরতে যেতো, তারা ফিরে আসবে এমন কোনো নিশ্চয়তা ও ছিলো না।

পরিবারের কর্তা মারা গেলে, সেই পরিবার পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে যেতো।

প্রত্যেকদিন ক্ষুধার সাথে লড়াই করতে হতো আমাদের।

সেদিন নির্বাচনের দিন ছিলো।

আমার বাবা এসব ব্যাপারে তেমন মাথা ঘামায়নি।

তিনি সেদিন মাছ ধরতে চলে গিয়েছিলেন। আমার এক চাচাও সাথে গিয়েছিলো।

সেদিন আমার বাবা এটা চিন্তা করেনি যে,

রাজনীতিবিদেরা ৫ বছরের জন্য ক্ষমতা পেয়ে থাকে।

কিন্তু সাধারণ জনগণ,

ঐ একদিনের জন্যই সকল ক্ষমতার অধিকারী হয়ে থাকে।

আমার বাবা নিজের ভুল বুঝতে পেরে পরে,

ভোট দেওয়ার জন্য উল্টো রওনা দিয়েছিলেন।

আর তখন,

পার্শ্ববর্তী সীমান্ত রক্ষীবাহিনী,

উনাদের উপর গুলি চালিয়ে দেয়।

সেদিন আমার বাবা,,,,

সেদিন আমার বাবা সহ, মোট ১৩ জন জেলে...

স্পটে মারা যায়।

যারা সেদিন বেঁচে গিয়েছিলো, তারা আহতদের বাড়ি নিয়ে আসতে চাইছিলো।

আমার আহত বাবা মারা যাওয়ার আগে বলেছিলো,

"আমাকে নিয়ে যাওয়ার কোনো দরকার নেই।"

"আমার সৎকার, শ্রাদ্ধ, অনুষ্ঠান এসব করতে প্রায় ২০০০ টাকা খরচ যাবে।"

"সেই টাকায় আমার সন্তানেরা প্রায় ২ বছর খেতে পারবে।"

"তার চেয়ে ভালো,

আমাকে তোমরা,

এই সমুদ্রের পানিতেই ভাসিয়ে দাও.."

উনি মারা যাওয়ার পর,

উনাকে ভাসিয়ে দিলো

সমুদ্রে।

মানুষকে শেষ দহনের পর,

তার ছাইগুলো সমুদ্রে ফেলা হয়।

আর আমার বাবাকেই সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া হলো।

নির্বাচনে যারা জিতেছিলো, তারা আমাদের খবরও নেয়নি।

জেলেদের সমিতি থেকে টাকা ধার নিয়ে আমার মা পড়ালেখা করেছিলো।

তারপর উনি স্কুলের শিক্ষকতা করে আমাদেরকে পড়ালেখা করিয়েছিলেন।

আমি নিজেকে উচ্চশিক্ষিত করার জন্য পাগলের মতন দিনরাত এক করে পড়েছি, নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে পড়েছি।

যত রকম ইন্টারভিউ দেওয়া যায়, সব দিয়েছি আমি।

যেই শহর কিংবা দেশে থাকি না কেন, বারবার ফিরে এসেছি,

নির্বাচনের দিন।

আপনারা কে যেন জিজ্ঞেস করছিলেন,

আমি লবণ দিয়ে ভাত খেয়েছি কি না! আরে আমি জেলে পরিবারের ছেলে।

ওখানকার বাতাসে নিঃশ্বাসের সাথেও আমরা লবণ নিতাম।

দুঃখিত।

এখানে যারা আছেন,

যাদের বাড়ি চেন্নাই তে না,

এই শহরের বাইরে থেকে এসেছেন এমন কে কে আছেন? একটু কষ্ট করে হাত তুলুন।

আপনাদের মধ্যে কারা কারা নিজেদের বাড়ি ফিরে যেতে চান?

যাচ্ছেন না কেন?

স্যার এখানে সবাই টাকা রোজগার করার জন্যই আসে।

স্যার, আপনি রামেশ্বরামের, আমি পদুকোট্টাইয়ের। আমিও নিজের বাড়ি ফিরে যেতে চাই।

কিন্তু আমাদের এলাকায় হাইড্রোকার্বনের সমস্যা। কীভাবে যাবো, বলেন?

আমি তিরুনেলভেলির, সুদখোরদের সমস্যা।

আমি চেঙ্গালপেট্টার, বেতনের সমস্যা।

আমি থাঞ্জাভুরের, মিথেন সমস্যা।

আমি কাঞ্চিপুরামের, বালির সমস্যা।

কাভেরী নদীতে পানি নেই।

কৃষ্ণ নদ ও খালি পড়ে আছে।

এলাকা প্রধানরাও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এসব সমস্যার মধ্যে কীভাবে ফিরে যাবো?

৩২ টা জেলায় ৩২ টা সমস্যা।

নিজের বাড়িতে বসবাস করার সৌভাগ্যটুকু হচ্ছে না।

এভাবে চুপ করে থাকলে একদিন খাবারটুকুও আর জুটবে না।

ওদের একদিন আমাদের সব প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

কি বললেন, স্যার? আরেকবার বলবেন?

ওদের একদিন আমাদের সব প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

প্রশ্ন করবেন কখন?

প্রশ্ন করা ছাড়া জবাব কীভাবে পাবেন?

- ওরা যা যা সমস্যা বলেছে সব একটা কাগজে লিখে নাও। - আচ্ছা, স্যার।

আমি এখনি জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছি।

মুখ্যমন্ত্রী মাসিলামানি কে গিয়ে জিজ্ঞেস করবো।

তিন বার ক্ষমতায় এসে ওরা কি এমন করেছে, তাই জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছি। এখনি,

এখান থেকে, সোজা।

স্যার, স্যার, এখন উনার সাথে দেখা করতে যাবেন না। এখন উনি দলীয় সভায় আছেন। এখন যাওয়াটা ঠিক হবে না।

আমি যখন, এখন জিজ্ঞেস করতে যাবো ঠিক করেছি, তাহলে এখনই যাবো।

- স্যার, তাহলে আমরাও আপনার সাথে যাবো। - আমরাও যাবো।

আমরাও যাবো!

আমরাও যাবো!

আমরাও যাবো!

আমরাও যাবো..

আমরাও যাবো!✋

আমরাও যাবো!✋

প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে গেলে, এমনিই ঝামেলা হবে।

এত লোক একসাথে গেলে ঝামেলা আরও বড় হবে।

তাই

আমরাও যাবো, আমরাও যাবো, আমরাও যাবো..✋

চলুন।😎

নেতাজি, সুন্দর এখানে আপনার সাথে দেখা করতে আসছে।

এখানে?

ভয় পেয়ে গেলো নাকি?

বাইক নিয়ে আসছে নাকি।

গাছ লাগালে নাকি ভালো বৃষ্টি হয়। এটা কোনো কথা হলো?

সমুদ্রে কি গাছ থাকে?

সেখানে কি বৃষ্টি হয় না?

এসব বললে আবার আমাকে বলবে গাধা।

তারা ৫ হাজার, ১০ হাজার কিংবা ২০ হাজার টাকার নোট কেন ছাপায় না,

দেশ কীভাবে চালাবে তারা?

কি রে বাছাধন?

আমার দলে যোগ দিতে এসেছিস, নাকি আমেরিকা ফিরে যাচ্ছিস সে কথা বলতে এসেছিস, কোনটা?

দুটোর মধ্যে একটাও না। আমি এখানে প্রশ্ন করতে এসেছি।

আমারই মঞ্চে এসে তুই আমাকেই প্রশ্ন করবি?

সামনে কত মানুষ দেখছিস?

আমি যদি একবার বলি,

বলাও লাগবে না, যদি একটু ইশারাও করি।

তোকে কচুকাটা করে এখানেই পুঁতে দেবে।

এখানে ৩২ টা জেলার ৩২ টা প্রধান সমস্যার কথা উল্লেখ আছে।

ওখানকার সবাই খুব কষ্টে জীবনযাপন করছে।

আপনি নির্বাচনে জিতলে এসব সমস্যার সমাধান করে দেবেন, মাইকে সেটা ঘোষণা করে দিন।

আমি আপনার বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়াবো না, সোজা কথা।

সোজাসুজি বল যে তুই ভয় পেয়ে গিয়েছিস।

স্কুলের ছেলেদের মতো দরখাস্ত দিচ্ছিস।

তামিল পড়তে পারি আমি। এতটুকু পড়ালিখা তো জানিই।

কি রে এসব?

গত ৩০ বছরে যেসব সমস্যা বড় বড় রাজনীতিবিদেরা সমাধান করেনি,

তুই সেগুলো মাত্র ১ পৃষ্ঠায় লিখে নিয়ে চলে এসেছিস।

এসব সমাধান করলে তো দেশে আর দরিদ্রতাই থাকবে না।

তারা অভাবে না থাকলে, ভোট দেওয়ার জন্য টাকা দেবো কীভাবে?

তাদেরকে ক্ষুধায় মরতে দে।

তাদের সেই ক্ষুধার আর্তনাদ কান পর্যন্ত পৌঁছালে।

তারপরেই তো তারা সেই ৫০০০ টাকা নেওয়ার জন্য

কুকুরের মতো ছুটে আসবে।

তুই এসবের কি বুঝবি? ধর

না।

আপনি ভুল জানেন।

তারা একটা সীমা পর্যন্ত নিজেদের ক্ষুধা সহ্য করতে পারবে।

কিন্তু আপনি যখন তাদের আত্মসম্মানে হাত দেবেন,

জানেন তো কী হবে!

'পাগলা ষাঁড়কে লাল কাপড় দেখালে যা হয়।'

ছোট ভাই, তামিলনাড়ুতে মোট দুইটি প্রধান দল আছে।

এক আমার,

আরেক ওই যে কথা বলছে, উনার।

উনি এখন আমাদের দলের সাথে যোগ দিয়ে মহাজোট করতে এসেছেন।

এখন আমি সংখ্যাগরিষ্ঠ অবস্থানে আছি।

জনগণ যদি এখন রাগের মাথায় ভোটও দেয়,

১০০ ভোট সাবান মার্কায় পড়লে,

২০০ ভোট পড়বে চিরুনি মার্কায়।

দল সংখ্যাগরিষ্ঠ যখন, সমস্যাগুলোতে তাহলে আরও দ্রুত সমাধান করা যায়।

আরে গাধা কোথাকার....

আমি কি শুধু মানুষের জন্য টাকা খরচ করেই যাবো?

২৩৪ জন এম.এল.এ,

৩৬ জন মন্ত্রী, এদের সবার আয়ের উৎস তোর হাতের ওই সমস্যাগুলোতে আছে।

তুই মাত্র এক কেন্দ্রে আমার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে কি এমন করে ফেলবি?

খুব শীঘ্রই আমার দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বী একমাত্র দল হয়ে উঠবে।

আর কি চাই, বল?

ও!

আচ্ছা!

এবার বুঝলাম।

এই রাজনীতির নোংরা খেলার মেশিনে আপনি একটা চাকা মাত্র।

শুধু চাকা নয়, পুরো মেশিনটাকেই বদলাতে হবে।💪

আমি শুধু আপনার কেন্দ্রে আপনার বিরোধী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম।

এবার বলছি,

শুধু আপনার কেন্দ্রে নয়,

পুরো ২৩৪ টি আসনে,

আমি আপনার বিরোধী প্রার্থী দাঁড় করাবো।😎

আরে ও এমনি বাজে বকছে, নেতাজি।

তোর কাছে এত টাকা আছে?

আপনি বলেছিলেন না আমি এখানে আপনার মানুষদের ভীড়ে এসে ফেঁসে গিয়েছি!

আমি আসার আগে এখানে কয়জন মানুষ ছিলো?

এবার একটু ভীড়ের দিকে ভালোভাবে তাকিয়ে দেখুন।

শুনতে পাচ্ছেন? শব্দ?

শুনতে পাচ্ছেন গর্জন?

এত লোক মাত্র একদিনের মধ্যেই একত্রিত হয়েছে।

রেন্ডু স্যার।

এখনকার দিনে একজন মানুষ পুরো একটা দলে আর পুরো একটা দল একজন মানুষে পাল্টে যায়?

মাত্র এক দিনের মধ্যেই।

ছেড়ে দিন ওদের।

কে রে?

আপনি মহিলা, তাই ছেড়ে দিচ্ছি। আপনি সহ্য করতে পারবেন না।

দুই সন্তানের জননী হয়ে কেন আমি ব্যথা সহ্য করতে পারবো না? মারুন আমাকে, মারুন।

মার আমাকে, মার।

যেই হাত এতদিন ভোট দেওয়ার জন্য টাকা নিতো, সেই হাতে মার.... মার।

যেই পা এতদিন নেতাদের পেছনে কুকুরের মতো চলতো, সেই পায়ে মার।

হেই, যেই মুখে তোদের প্রশ্ন করেছি, সেই মুখে মার।

ব্যথা পাচ্ছিস?

ওই লোকগুলোও একইভাবে ব্যথা পাচ্ছে। সাধারন মানুষগুলোও এমন করে ব্যথা পাচ্ছে।

আমাকে ক্ষমা করে দিন।

সব আমার কারণেই হয়েছে।

বাবা, তুমি কষ্ট পেওনা। আজ আমরা জেনেছি যে, আমরা জবাব চাইলে মার খেতে হবে।

এই ব্যথা কষ্টের নয়, বাবা।

এই ব্যথা আমাদেরকে নিজের অধিকার স্মরণ করিয়ে দেবে।

ও কিছু না। একটু হলুদ লাগিয়ে দিলে সেরে যাবে।

আমি আপনাদের সবার কথা আজ শুনেছি।

এক মা, মার খাওয়ার সময় কি বলেছে তাও শুনেছি।

দুই সন্তানের জননী কেন ব্যথা সহ্য করতে পারবে না, এমনই বলেছেন উনি।

শ্রমজীবিদের ব্যথা এটা।

এটা সহ্য করুন।

আর এই ব্যথার ভিত্তির উপর গড়ে তুলুন,

এক নতুন তামিলনাড়ু। সবাই একসাথে মিলে এটা করতে হবে।

সব তামিল গণমাধ্যমে আজ একটা বিষয় নিয়েই চর্চা হচ্ছে,

গতকাল রাতে সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর মিটিং-এ ঘটা বিক্ষোভ নিয়ে।

সে তো সব জায়গায় সরাসরি চলে যাচ্ছে, মামা।

সব নিউজ চ্যানেলে শুধু তাকেই দেখাচ্ছে।

কাল রাতে সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর মিটিং-এ বিক্ষোভ হামলার পর,

জনগণ এই মত প্রকাশ করছে যে, AIMMK দল এখন,

জনগণ এর বিরোধী হয়ে উঠেছে।

অমানবিকভাবে মেরেছে সবাইকে।

মানবাধিকার সংস্থার লোকগুলো কি করছে?

ওরা এভাবে মানুষকে মারতে পারে না।

সে ভালো নাকি খারাপ তা জানি না।

কিন্তু সে এখন সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

লায়োলা কলেজের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে,

মি. সুন্দর রামস্বামীর সমর্থক প্রায় ৫২% জনগণ।

গতকালের প্রতিবেদনেও

এই সংখ্যা ছিলো মাত্র ৪%।

২৩৪ আসনে আমি প্রার্থী দাঁড় করাবো বলেছিলাম।

আর কিছুদিন পরেই নির্বাচন।

কাল রাতে যা হয়েছে তা সবাই টিভিতে দেখেছে, খবরের কাগজে পড়েছে।

সবাই এখন এটা জানতে আগ্রহী যে, এরপর আমরা কি করবো।

ঐ দেখুন।

আরেকটা খুশির সংবাদ।

আমরা ডাকা ছাড়াই প্রত্যেক কেন্দ্রে প্রায় ২০০-৩০০ জন লোক দাঁড়াতে রাজী হয়ে আছে।

এরপর আমরা কি করবো আমি বলছি।

প্রথমেই আমাদের কাজ করার জন্য একটা জায়গা দরকার।

জায়গা? এই যে ভবন।

কিন্তু এখানে তো অনেক পরিবার থাকে।

আরে এটা কোনো ব্যাপার হলো?

সরুন, সরুন দেখি,,,, সবাই সরুন।

শুনুন সবাই। নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত, এই ব্লকটা হচ্ছে অফিসঘর।

ওই ব্লকটা হবে বাড়ি।

আমরা সবাই একই ঘরে থাকবো।

একই পরিবারের মতো।

আমরা কোথাও গেলে একসাথে থাকি আর খাই তো?

একই রকমভাবে।

- ঠিক আছে? - ঠিক আছে।

শত্রুদের,

করি না ভয়।

কাল কি হলো,

ভুলে যাও।

আজ কিছু করে,

দেখিও দাও।

তৈরি তো?

প্রথমত সবাইকে ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ কেন দিচ্ছি?

প্রতি আসনে কারা কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, এই নিয়ে সবাই প্রশ্ন করছে।

প্রত্যেক কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০০-৩০০ জন দাঁড়াতে আগ্রহী।

এইজন্য ধন্যবাদ।

এটা একটা রাজনৈতিক দল, এটা ভেবে আপনাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

এটা কোনো নোঙরা রাজনৈতিক দল নয়।

কোনো ব্র‍্যান্ড ও নয়।

প্রত্যেক এলাকা থেকে আপনারা নিজেদের প্রতিনিধি বাছাই করুন।

আমরা তাদের দাঁড়া করাবো।

প্রত্যেক এলাকাতে নিঃস্বার্থে নিবেদিত প্রাণ কিছু লোক থাকে।

আপনারা তাদেরই খুঁজে বের করুন।

তাঁরা এলাকার শিক্ষক হতে পারে, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক হতে পারে, গ্রামের নবীন কৃষক ও হতে পারে।

প্রত্যেক এলাকা থেকে ৩ জন করে লোক বাছাই করুন।

তারা হয়তো প্রথমে রাজী হবে না। কিন্তু আপনারা ছাড়বেন না।

নিজেদের প্রতিনিধি আপনারা নিজেরাই গড়ে তুলুন।

আপনাদের বাছাই করা প্রতি ৩ জনের মধ্যে যোগ্য একজনকে আমরা নিজেরাই বাছাই করে নেবো।

কোনো ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকার হবে না। শুধু ইন্টারনেট স্ক্যান!

তাদের পাঠানো ইমেইল, মেসেজ, পুরোনো পরিশোধকৃত বিল,

ট্রাফিক কেইস, স্কুল বা কলেজের উপস্থিতির হার, নিয়মানুগত ও স্বাস্থ্যবান,

মা-বাবাকে কীভাবে সেবা করে, পরীক্ষার নাম্বার ইত্যাদি

এইসব আমরা স্ক্যান করে দেখবো... তারা কখনও কোনো নিয়ম ভঙ্গ করেছে কি না।

সেখান থেকেই আপনাদের আসনে আপনাদের যোগ্য প্রতিনিধিদের দাঁড় করানো হবে।

উনি দেখছি নির্বাচনকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাবে।

জনগণেরা তৈরি হয়ে উঠুন।

নিজেদের যোগ্য প্রতিনিধি নিজেরাই বাছাই করুন।

আর এটাই আমাদের

সরকার

কখন ঠিক করে দেবে, মামা?

কৃষিজীবি, আইয়ানার, থেনি এলাকা।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার স্কুলশিক্ষিকা, সাভারিমালা, তিন্ধিভানাম এলাকা।

ফখরুদ্দীন, রামেশ্বরম এলাকা।

শেখর দাদা, ভেদারনায়েম এলাকা

সমাজকর্মী কল্কি, পোল্লাচি এলাকা।

এই তরুণ-তরুণীরা কোনো রাজনৈতিক দলের না হয়ে,

যেভাবে শুধুমাত্র নিজের রাজ্যের কথা চিন্তা করে,

প্রত্যেক এলাকা থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করছে, সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমার শুভ কামনা রইলো।

অবৈধ ফ্যক্টরি বন্ধের দাবীতে সংগ্রামী, প্রফেসর ফাতিমা বাবু, তুটিকোরিন এলাকা।

আমাদের এলাকার অক্ষয় ট্রাস্টের মালিক মি. নারায়ণ কৃষ্ণ, উনি প্রতিদিন ৪০০ এতিমের খাবারের ব্যবস্থা করেন।

আমাদের আত্তুর এলাকায় ৩৫০ জনের শিক্ষার ব্যবস্থাকারী, মুঘাবাড়ি ফাউন্ডশনের প্রতিষ্ঠাতা মি. রমেশ।

আসুন, স্যার।

ভাই, উনার কথা ফোনে বলেছিলাম।

স্যার, আমার নাম রত্নাস্বামী। নাগাপাট্টিনাম এলাকার ছোটখাট সাইনবোর্ড আর্টিস্ট।

আমার বন্ধু মুত্থুকুমার শখের সাংবাদিক ছিলো।

saattai.com নামে একটা ওয়েবসাইট চালাতো সে।

প্রায় দশ দিন ধরে, ঠিক করে বললে, নির্বাচনের আগে থেকেই ওকে পাওয়া যাচ্ছে না।

ও কোথায় গেছে কিছুই জানি না। আমি পুলিশকেও এ ব্যাপারে জানিয়েছি।

কাল যখন ওর বাড়িতে গেলাম, ওর বোন আমাকে একটা হার্ডডিস্ক দেয়।

তাতে যা আছে তা দেখে আমি চমকে গেছি।

পুলিশ বা সাংবাদিককে জানানোর চেয়ে ভাবলাম, আপনাকেই ব্যাপারটা বলি।

এই মুহূর্তে আমরা জনগণের ৬৪% সমর্থনে এগিয়ে আছি।

এটা মাসিলামানির বিরুদ্ধে একটা বড় অস্ত্র হতে পারে।

নির্বাচনের আগে,

ব্যবহার করবো নাকি?

তুমি শেষ বলে ছক্কা মারার উপায় করে দিলে, ভাই।

দারুণ করেছো।

কি হয়েছে, আংকেল?

আসলে!

মা, ভেতরে যাও।

ওই গ্যাংস্টার অপুর সাহায্যে, আমরা যা যা অপকর্ম করেছি।

তার সব রেকর্ড একটা হার্ডডিস্কে সুন্দরের কাছে আছে।

কখন সেটা সবার সামনে চলে আসে, সেই ভয়ই পাচ্ছি।

যদি তা সবার সামনে আসে।

আমাকে ১০ ঘণ্টা সময় দাও, বাবা।

তার সব ভোট আমি কেড়ে নেবো।

রেন্ডু আংকেল।

হ্যাঁ, মা।

একটা প্রেস মিটিং ডাকুন। বাবা প্রেসের সামনে কথা বলবে।

হতে পারে সে ব্যবসা জগতের ক্রিমিনাল।

কিন্তু আমি জন্মগত ক্রিমিনাল।

লোকে বলছে আমি নাকি পুলিশ দিয়ে ওদের উপর আক্রমণ করেছিলাম।

সে যখন ওইদিন আমার মঞ্চে এসে আমার পাশের চেয়ারে বসেছিলো,

আমি কি তাঁকে সাদরে বরণ করিনি?

তাকে আমার পাশেই বসতে বলেছিলাম।

দেখেছিলেন তো আপনারা টিভিতে।

কি দরকার ছিলো তার, এতগুলো লোক নিয়ে এসে আমার সেই লোক সমাবেশে ঝামেলা বাঁধানোর?

ঐদিকে দেখুন আপনারা।

দুইদিন আগে যখন ও আমার পার্টি অফিসে এসেছিলো, কি হাল করেছিলো সবার।

দেখলেন তো?

শান্তি কে চাইছে আর অরাজকতা কে চাইছে?

সে চাইছে এসব?

আপনারা সেসব কথা কি ভুলে গেছেন,

যখন আমি আপনাদের অধিকারের জন্য লড়াই করেছিলাম?

এখন স্যুট-বুট পরে সে একটু স্টাইল দেখানোতে আপনারা তার উপর আস্থা রাখা শুরু করে দিয়েছেন?

এই সাদা জামার মানুষটাকে আপনাদের আর ভালো লাগছে না?

বলুন,

আপনারাই বলুন।

তার চেয়ে ভালো আমি মরে যাই।

আমি আপনাদের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়ে রাখছি।

দুটো কর্পোরেট কোম্পানির কাছ থেকে,

৬০ হাজার কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে,

সে আমাদের দেশটাকে বরবাদ করতে এসেছে।

কাল সকাল ৯টায় আপনাদের এ ব্যাপারে প্রমাণ দেবো আমি।

নেতাজি, নেতাজি, সে কি সত্যিই ৬০ হাজার কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছে?

আরে ধুর! অত টাকা কেউ দিলে আমি নিজেই নিয়ে নিতাম।

তাহলে প্রমাণ?

আমার মেয়ে সেসব ব্যবস্থা করবে।

ম্যাডাম, এটা ৬০০০ টাকা, এটা ২০০০ টাকা।

অপু, সব তৈরি তো?

হ্যাঁ।

আচ্ছা।

কখনও সামনাসামনি কোনো দুর্ঘটনা দেখেছেন, আংকেল?

না! ওই মোবাইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে, ভিডিও দেখেছিলাম।

ওহ! আমরা এখনি তাকে মারতে যাচ্ছি নাকি? ভালো, ভালো!

আংকেল, আপনি কখনো দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছেন?

উপরওয়ালার রহমতে, এখন পর্যন্ত না।

সিটবেল্ট টা ভালোভাবে পরে নিন।

কেন, মা?

পড়ে নেন, বলছি।

দুর্ঘটনা

ওর হবে না,

আমাদের হবে।

এমন করো না, মা। বাদ দাও।

গাড়িতে ৬টা এয়ার ব্যাগ আছে।

আমাদের তেমন কিছুই হবে না।

হেই, বড় ডাক্তার কে ডেকে আন।

বেচারি মেয়েটার কত কষ্ট হচ্ছে।

কি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিডিও করছিস? বড় ডাক্তার কে ডেকে আন।

ওই, যা না। বড় ডাক্তারকে ডেকে আন।

মা! তুমি উঠছো কেন?

- মা! মা! - রেকর্ড হয়েছে তো?

- মা। - চিন্তা করবেন না আংকেল।

সব ঠিক আছে তো? বাড়ি যাওয়া যাক তাহলে?

মা, এক মিনিট।

আমরা নিজেদের গাড়িতেই কেন দুর্ঘটনা ঘটালাম?

যাতে সে ব্রিফকেস টা চুরি করতে পারে।

আমরা এত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটিয়েছি একটা খালি ব্রিফকেস চুরি হওয়ার জন্য?

খালি ব্রিফকেস?

কিন্তু সেটাতে তো বাবার সকালে বলা প্রমাণগুলো ছিলো।

কিন্তু সেসব তো!

মি. মাসিলামানির ঘোষণার পরে,

আগামীকাল সকাল ৯টায় মি. সুন্দরের বিরুদ্ধে দেখানোর জন্য প্রমাণগুলো নিয়ে,

উনার মেয়ে কোমাল্লাভাল্লি আসার সময় রাত ৯টায় একটি লরির সাথে দুর্ঘটনার স্বীকার হন।

ঐ রাস্তায় লাগানো ক্যামেরার রেকর্ড থেকে দেখা গেছে,

ঐ লরির চালক এসে কোমাল্লাভাল্লির গাড়ি থেকে

প্রমাণসহ ব্রিফকেসটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ থেকে সন্দেহ করা হচ্ছে যে, মি. সুন্দর-ই দুর্ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।

কি রে মা! তোর দুর্ঘটনার কথা শুনে আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।

তুই ঠিক আছিস শোনার পর আমার প্রাণ ফিরে এসেছে।

স্যার, এইসব সাজানো নাটক ছিলো। জনগণ এখন আমাদের উপর ক্ষেপে আছে।

জনগণ তার উপর রেগে আছে, বুঝলাম।

কিন্তু তার হাতে তো এখনও বড় অস্ত্রটা রয়ে গেছে।

Sattai.Com এর মুত্থুকুমারের হার্ডডিস্ক টা।

যদি সেটা প্রকাশ করে দেয়?

জনগণ আরও ক্ষেপে যাওয়ার আগে আমাদের হার্ডডিস্কটার কথা প্রকাশ করে ফেলা উচিৎ।

কেউ ওর ওসব প্রমাণ নিয়ে মাথা ঘামাবে না।

তামিলনাড়ুর সকল অলি-গলি, রাস্তা-ঘাটে শুধু তোমার নামই প্রচার হবে।

হ্যাঁ, মা।

টিভির প্রত্যেক খবরে খবরে তোমার কথা হবে।

তোমার জন্ম, শৈশবকাল, বেড়ে ওঠা, সংগ্রাম সবকিছু।

শুধু পাশের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নয়,

দেশের প্রধানমন্ত্রী তোমার দুয়ারে এসে উপস্থিত হবে।

হ্যাঁ, মা।

যদি আমরা কখনো জেলে যাই,

সেখানেই শেষ,

১ টা অপরাধ ৪ টা অপরাধে পরিণত হবে, সঙ্গে আরও ৪ জনের নাম বেরিয়ে আসবে।

দলের তখনই পতন ঘটে যাবে।

আমরা যদি না ও থাকি, আমাদের দলের পতন ঘটতে দেওয়া যাবে না, বাবা

রাস্তার নাম, ব্রিজের নাম, স্টেডিয়াম, বিশ্ববিদ্যালয়, সব তোমার নামে নামকরণ হবে।

তোমার নামের মূর্তি আর স্ট্যাম্প ছাপানো হবে একদিন।

তুমি জেলে গেলে, এসব কখনও হবে?

এখন আমাদের যেটা দরকার,

নির্বাচনে পূর্ণ সমর্থন।

ভেবেছিলাম পুরো দলটারই পতন ঘটবে।

তুই এসে আশার প্রদীপ জ্বালালি মা।

রেন্ডু সব জানে।

ও সব কাজে আমার সাথেই ছিলো।

ওই সুন্দর-কে একদম ছাড়িস না, মা।

ছাড়িস না।

মি. মাসিলামানির মৃত্যুতে উনার অবর্তমানে রায়পুরাম নির্বাচনী এলাকাতে,

উনার মেয়ে কোমাল্লাভাল্লি প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবে।

সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মাসিলামানির এই হঠাৎ মৃত্যুতে,

জনগণ ক্রমশ সুন্দর রামাস্বয়ামীর রাজনৈতিক দলের বিমুখী হয়ে পড়ছে।

সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর এই হঠাৎ মৃত্যুর জন্য সুন্দর রামস্বোয়ামীই দায়ী,

এমনটাও অনেকে দাবী করছে।

- ফিরে যাও, ফিরে যাও। - রাজ্য ছেড়ে চলে যাও।

- ফিরে যাও, ফিরে যাও। - রাজ্য ছেড়ে চলে যাও।

- সুন্দর। - মুর্দাবাদ।

- সুন্দর। - মুর্দাবাদ।

নির্বাচন প্রায় চলে এসেছে।

প্রমাণগুলো প্রকাশ করবো কি না, তাও বুঝতে পারছি না।

এমনিতেই জনগণ উনার উপর ক্ষিপ্ত।

এখন মৃত মানুষের দোষ প্রকাশ করতে গেলে।

জনগণ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে যাবে।

এখানে খারাপ লোক মারা যাবার পরও সে মহান হয়ে যায়।

আমি তোমার সাথে আলাদা কথা বলতে চাই।

এখানে আলাদা বলার কিছু নেই।

আমরা সবাই এক।

আচ্ছা।

বর্তমান পরিস্থিতি তুমি ভালোই টের পাচ্ছো।

আপাতত তুমি কোনো ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর বিরুদ্ধেও জিততে পারবে বলে মনে হয় না।

জনগণের সমর্থনের হিসেবে,

তুমি মাত্র ২%

আর আমি ৯৮%

আমি তোমার জন্য একটা চুক্তি নিয়ে এসেছি।

তুমি আজই আমেরিকা ফিরে যাও।

কাল নির্বাচনে তুমি উপস্থিত থাকবে না।

হুম!

তারপর?

তুমি ইতিমধ্যে আমার জন্য অনেক সমস্যা বাঁধিয়ে দিয়েছো।

সত্যি কথা বলতে গেলে, উপকারই করেছো।

২৩৪ আসনে আমার শত্রু কে কে, তা তুমি আমায় চিনতে সাহায্য করেছো।

এই ২৩৪ জনের বিরুদ্ধে ২৩৪ টা মামলা তৈরি করে রেখেছি।

নির্বাচন শেষ হওয়ার ১ সপ্তাহের মধ্যেই সবার দিন গণনা শুরু হবে।

একজন একজন করে শেষ করবো সবাইকে।

আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, গাঞ্জা(মাদক) মামলা,

এইসবে এরা সবাই কীভাবে ফাঁসবে তা দেখার মতো হবে।

তুমি তো জেনেই গেছো যে তুমি জিতে যাবে। তাহলে কেন আজ আমাকে চলে যেতে বলছো?

তোমার ওই একটি ভোট যাতে না দেওয়া হয়।

তবেই সেটাকে আমার সম্পূর্ণ বিজয় মনে হবে।

তোমার মত প্রতিনিধি যাতে আর দাঁড়ানোর সাহস না পায়।

তুমি ফিরে গেলে সেটা একটা উদাহরণ হিসেবে থাকবে।

ফিরে যাওয়া আমার স্বভাবে নেই।

তুমি আপাতত যেতে পারো।

আচ্ছা, তা হলে, আমি শপথ গ্রহণ করার পরেই, তোমার লোকগুলো একজন একজন মরবে আর তুমি তা দেখবে।

সোনা,

এখনো তো ক্ষমতাও পাওনি।

তার আগেই প্রতিশোধের চিন্তা করছো?

তোমার বাবা, মাসিলামানি,

নির্বাচনে জিতে,

শপথ গ্রহণ করতে গিয়েছিলো,

আমি এম. মাসিলামানি, এই শপথ করিতেছি যে! এইটুকু বলেই থেমে যেতে হয়েছিলো।

যাও!

আগে তোমাকে জিততে হবে, তারপরে হবে আসনগ্রহণ,

তারপরে অন্যকিছু করার চিন্তা করিও।

দূর থেকে তুমি শুধু দেখতেই থাকবে, কতকিছু ঘটে যাবে শুধুমাত্র,

এক দিনের মধ্যেই।

ভুলে যেওনা! আমি একজন কর্পোরেট ক্রিমিনাল।😎

জানি, তুমি জন্মগতই ক্রিমিনাল।

এবার যেতে পারো।

নির্বাচনের দিন

সবাই এমন চুপ হয়ে আছো কেন?

ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে প্রায় ১ ঘণ্টা। ১৫% ভোট এর মধ্যেই দেওয়া হয়ে গেছে।

ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে মাত্র,

শেষ তো হয় নি, তাই না?

কেন্দ্রের দিকে চলো।

অনিতা, একটু দাঁড়াও।

স্যার, নিশ্চিত তো?

আমারও তাই মনে হচ্ছে।

এই মুহূর্তের তাজা খবর।

তিন দিন আগে চুরি হওয়া প্রমাণ,

যেগুলো প্রয়াত মাসিলামানি মি. সুন্দরের বিরুদ্ধে জমায়েত করেছিলেন, সেগুলো উদ্ধার করা গিয়েছে।

সাংবাদিক "সাত্তাই" মুত্থুকুমার এমনটাই তার টুইটারে লিখেছেন।

উনার কাছে নাকি মি. সুন্দরের বিরুদ্ধে প্রমাণপত্র ভরা ব্রিফকেসটি রয়েছে।

আজ সকালে নাকি তিনি প্রয়াত মাসিলামানির পার্টি অফিসে উনার মেয়ে কোমাল্লাভাল্লি-কে এসব প্রমাণপত্র দেখালে সে বলে,

নির্বাচন চলাকালীন এসব প্রমাণপত্র প্রকাশ করা,

নির্বাচনের নীতির বিরুদ্ধে হবে।

তাই কোমাল্লাভাল্লি, মুত্থুকুমার-কে এসব প্রকাশ করতে নিষেধ করে দেয়।

সে আরও বলেছে, কোমাল্লাভাল্লি কাল সকালে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই এসব প্রমাণ নিজেই সবার সামনে প্রকাশ করবে।

উত্তেজিত হওয়ার দরকার নেই।

মুত্থুকুমারের নাম দিয়ে আমি নিজেই এসব টুইট করেছি।

কি!

তুমি নিজেই নিজের বিরুদ্ধে টুইট করেছো!

সুন্দর, আমরা সব কেন্দ্র মিলিয়ে মাত্র ২% ভোট পাচ্ছি।

এখন এমন কেন করলে?

আমাদের হাতে এখনও ৬ ঘণ্টা সময় আছে।

পরবর্তী প্রত্যেকটা সেকেন্ড আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি যা যা বলবো, তাই করবে।

কিছু না বুঝলে জিজ্ঞেস করবে।

ঠিক আছে?

এসব সুন্দর-এর কাজ।

তার নিজের কাছেই নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ আছে!

মাঝখান থেকে আবার তোমারও একটু সুনাম করে দিলো!

সে অন্য কারও নামে কেন টুইট করছে?

ম্যাডাম, আপনার বাবার জোগাড় করা সব প্রমাণাদি,

আপনি এই মুহূর্তে প্রকাশ করছেন না, কেননা তা নীতিবিরুদ্ধ হবে।

এমন একটা কঠিন সিদ্ধান্ত কেন নিলেন?

নির্বাচন চলাকালীন কোনোপ্রকার তথ্য প্রকাশ করা, নির্বাচনের নীতিবিরুদ্ধ হয়ে থাকে।

তাই আগামীকাল নির্বাচন শেষ হওয়ার পর আমি সবকিছু প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

- সত্যিই দারুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ম্যাডাম। - ধন্যবাদ।

ম্যাডাম!

আরেকটা সুখবর আছে।

Saataai.com এর মুত্থুকুমার এইমাত্র আরেকটা টুইট করেছে।

মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা সুন্দর যেই কন্টেইনার-এ রেখেছে, তার লোকেশন জানিয়ে টুইট করেছে।

কন্টেইনার!

সেগুলো তো আমাদের টাকা।

সে ওগুলো নিজের টাকা বলে দাবী করছে কেন?

তিনটি ধারায় সুন্দরের উপর মামলা করা হয়েছে।

আজকেই তাকে গ্রেফতার করার আশা করা যাচ্ছে।

নির্বাচনের পর এই টাকা সরকারের নিকট প্রদান করা হবে।

যেহেতু এখন ভোটগ্রহণ চলছে,

সুন্দরের বিরুদ্ধে এই প্রমাণগুলো সমস্যার সৃষ্টি করবে।

জনগণের ভোট প্রদানে এটি প্রভাব ফেলতে পারে।

আর সেটা নির্বাচনের নীতিবিরুদ্ধ।

মি. মুত্থুকুমার।

আজ সকালেই আমি আপনার সাথে দেখা হওয়ার পর

এই তথ্যগুলো আজ প্রকাশ না করে আগামীকাল সকালে প্রকাশ করতে বলেছিলাম।

আজকের দিনে দয়া করে আর কোনোপ্রকার তথ্য প্রকাশ না করার জন্য!

আমি আপনাকে অনুরোধ করছি।🙏

স্যার, আমরা নির্বাচনে হেরে গেলেও সমস্যা নেই। আপনি প্লীজ টুইট করা বন্ধ করুন।

পুলিশ আমাদের চারদিকে খুঁজছে। আমার বাবা বারবার ফোন করছে।

আরে আগে বলবে না? আমি তো এইমাত্র আবার টুইট করেছি।

সে তো বলেছিলো এখানে টাকাভর্তি কন্টেইনার আছে।

এ তো দেখছি কারও লাশ।

স্যার, এটা মুত্থুকুমারের লাশ।

Saataai.com এর মুত্থুকুমার নাকি? দেখে তো মনে হচ্ছে অনেকদিন আগেই মারা গেছে।

তার মানে মুত্থুকুমার বেঁচে নেই?

তার মানে কোমাল্লাভাল্লি আজ সকালে মুত্থুকুমারের সাথে দেখা করেনি।

উনি নিজেই তো বলেছিলো এর সাথে সকালে দেখা করে প্রমাণগুলো নিয়েছেন।

দশ দিন আগেই যে মারা গেছে, তার সাথে উনি আজ সকালে কীভাবে দেখা করেছেন?

আজ সকালেই আমি আপনার সাথে দেখা হওয়ার পর

আজ সকালেই আমি আপনার সাথে দেখা হওয়ার পর

আজ সকালেই আমি আপনার সাথে দেখা হওয়ার পর

১০ দিন আগেই যে মারা গিয়েছে, সে কীভাবে আজ সকালে এসে দেখা করেছিলো,

তা জানার জন্য আমরা নানাভাবে কোমাল্লাভাল্লির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।

- কিন্তু যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। - দুপুর ২ টা বাজে।

ভোট কতদূর এগোলো?

৪৫% ভোটগ্রহণ শেষ।

সাধারণত ৫৫%-৬০% মানুষই শুধু ভোট দিতে আসে।

চিন্তা করো না, মা।

সে যাই করুক না কেন, আমরাই জিতবো।

আপনারা অনেকেই হয়তো এরই মধ্যে সন্দেহ করছেন।

এই সবকিছুর পেছনে সুন্দর রয়েছে।

হ্যাঁ।

আমিই।

১৫ দিন আগে মারা যাওয়া মুত্থুকুমারের নাম দিয়ে আমার করা আমার প্রথম টুইট থেকেই

কোমাল্লাভাল্লি জানতো যে সেটা আমিই ছিলাম। কিন্তু,

আমি কি করতে যাচ্ছি অথবা মৃত মানুষ আবার ফিরে আসবে এসব না ভেবেই,

মিথ্যা কথা বলে ফেলেছে।

শুধু তাই নয়।

সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কীভাবে ঘটেছিলো,

সেই রহস্যও খুব শীঘ্রই তাঁর খুব কাছের লোক দ্বারা,

সরাসরি উন্মোচিত হবে।

তিনি হলেন,

মাসিলামানির সহধর্মিণী।

কোমাল্লাভাল্লির মা।

কেউ যদি এখনও ভোট না দিয়ে থাকেন, একটু অপেক্ষা করুন।

২:৩০ বাজে উনি লাইভে আসবেন, উনার কথা শোনার পর ভোট দেবেন।

মা!

মা!

- কি মা? - মা-কে পাওয়া যাচ্ছে না।

মাকে কিছু বলতে দেওয়া যাবে না, আংকেল।

আমাদের হাতে আর ৪ ঘণ্টা আছে।

মাকে চুপ করানো গেলে, আমি এদিকটা সব সামলে নিতে পারবো।

মা!

মা কোথায়?

আপনার বাবার শোকসভায় যাচ্ছে বলে গেলো।

তুমি তো একটু তাড়াতাড়িই চলে এসেছো। সাংবাদিকেরা আসছে।

১০ মিনিটের মধ্যে চলে আসবে।

সংবাদটা কে দিবে তাই খুঁজছো তো?

যতই অপেক্ষা করো, সাংবাদিকেরা আসবে না।

নির্বাচন শেষ হওয়ার পর অবশ্য খবর প্রকাশ হবে।

কি খবর জানো?

এক মিনিট ম্যাডাম।

আমি এখন এসব মারপিট করার মুডে নেই!

আমার মাথা এমনিতে গরম হয় না। কিন্তু তোরা আমার ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছিস।

একবার শুরু করলে,

আমি একবার শুরু করলে থামবো না, বলে রাখলাম।

নীলা!

নীলা!

ফেসবুকে লাইভ চালু করো।

ম্যাডাম

আমাকে যা যা বলেছেন সব মিডিয়াকে বলুন।

- নীলা, রেডি? - হ্যাঁ, রেডি।

বলুন, ম্যাডাম।

বলুন।

আমার

আমার স্বামী, মাসিলামানি হার্ট অ্যাটাক করে মারা যায়নি।

উনার মৃত্যুর কারণ,

আমার মেয়ে, কোমাল্লাভাল্লি।

আমি তাকে, আমার স্বামীকে হাই ডোজের ওষুধ খেতে দিতে দেখেছি।

কিন্তু আমি সে কাজে বাধা দিই নি। কারণ উনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন না।

Saatai.com এর মুত্থুকুমারের হত্যার খবরটাও এদের আমিই দিয়েছি।

আমার মেয়ে যদি এখন ক্ষমতায় আসে,

পুরো রাজ্যকে সে ধ্বংস করে দেবে।

ধরে রাখো! ধরে রাখো!

এই ফেসবুক লাইভটা সব চ্যানেলে।একসাথে দেখানো হচ্ছে।

আমি জানি, আপনারা সবাই এটা দেখছেন।

৫৩% ভোট এরই মধ্যে দেওয়া হয়ে গেছে।

সাধারণত ৮০% মানুষ সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে থাকে।

যদি এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে চান,

তাহলে বাকী থাকা প্রত্যেক ব্যক্তিকে আজ ভোট দিতে হবে।

এটাই একমাত্র উপায়।

এরা এখনো কলেজ স্টুডেন্টস, কীইবা চায় তারা?

শুধু মুত্থুকুমার নয়,

মোট ১৮ জন সাংবাদিককে হত্যা করেছে তারা,

যারা তাদের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো।

সবাই এদের মতো কমবয়সী ছিলো।

এই রাজ্যটাকে সকলের জন্য অরাজকতা মুক্ত সুন্দর ও আনন্দময় করার স্বপ্ন দেখতো তারা।

কি দোষ ছিলো তাদের?

কোন সাহসে তারা এদের হত্যা করেছে?

তারা আসলে আমাদের মানুষ বলে মনে করে না।

শুধু নির্বাচনের সময়ই আমাদেরকে দরকার হয় ওদের।

টাকা দিয়ে ভোট কিনে তারা নিজেদের ক্ষমতা আদায় করে নেয়।

এত বড় রাজ্যে,

মাত্র ৪৫-৫০% লোক ভোট দেয়।

তার মধ্যেও ১০% টাকা দিয়ে কেনা ভোট। আর ৫% অবৈধ ভোট।

আরও ৫% আসে উপহারের লোভে।

২০% লোক নির্ধারণ করে যে পুরো ১০০% জনগণের সরকার কে হবে।এটাই কি গণতন্ত্র!

একজন নাগরিক তার দেশের জন্য যদি কিছু করে থাকে,

তাহলো ভোট প্রদান।

আর মাত্র ৩ ঘণ্টা সময় আছে ভোটপ্রদান প্রক্রিয়া শেষ হতে।

এখন আর ঘরে অলস হয়ে বসে থাকলে চলবেনা।

যতই জরুরী কাজ থাকুক, তা আপাতত বন্ধ রাখুন।

সকলে ভোট দিতে নিজ নিজ কেন্দে যান।

যদি আধা ঘণ্টা একটা লাইনে দাঁড়িয়ে দেশের জন্য একটা ভোট দিয়ে আসার মতো আপনার ধৈর্য না থাকে,

তাহলে আপনি হচ্ছেন দেশের সবচেয়ে বড় চোর,

আপনি হচ্ছেন দেশের সবচেয়ে বড় অপরাধী।

৩ ঘণ্টা সময় আছে মাত্র,

যদি আপনারা হাল ছেড়ে দেন,

আগামী ২০ বছর ধরে এই অরাজকতাই চলবে।

আগামী ৫০ বছরের জন্য এই দেশটা পিছিয়ে পড়বে।

ভোটার আইডি কার্ড হাতে নিন।

প্রয়াত মাসিলামানির হত্যার অপরাধে,

AIMMK দলের বর্তমান প্রধান, কোমাল্লাভাল্লি এবং

রেন্ডু ওরফে মালারভান্নান কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Note মনে পড়ছে আপনাদের? সে শুরু করেছিলো শুধুমাত্র একটি ভোট দিয়ে।

২১০ জন এম.এল.এ

আপনারা প্রত্যেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে লড়ে একজোট হয়ে জিতেছেন।

কিন্তু! আপনাদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন?

২১০ জন এম.এল.এ, ২১০ টি প্রতীক।

সত্যিই অবাক করার মতো।

মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন?

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

এই ২০৯ জনের মধ্যে স্ক্যান করে একজন যোগ্য প্রার্থী বের করতে হবে।

আমি ২০৯ জন বললাম, কারণ

আমি এই দলের অংশ নই।

রাজনীতিতে বিরোধী দল না থাকা গণতন্ত্রের জন্য বিরাট হুমকিস্বরুপ।

আমি বিপক্ষেই থাকবো,

বিরোধী দল হয়ে।

জনগণের হয়ে প্রশ্ন করার জন্য।

আমি ভেবেচিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর এটাই চূড়ান্ত।

আপনাদের মধ্যে সাবেক জেলা কালেক্টর, মি. সারকুনাম, IAS হবেন মুখ্যমন্ত্রী।

আমি উনাকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য যোগ্য মনে করি।

১৪ দিনের মধ্যেই

এমন ঐতিহাসিক পরিবর্তন, তরুণদের দ্বারাই সম্ভব হয়েছে।

অন্যান্য রাজ্যে গিয়ে যদি,

তাদের সমগ্র জাতির জন্য কারা নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে গিয়েছে, তা জিজ্ঞেস করেন

তাঁরা ৪০-৫০ বছর আগের কারও নাম বলবেন।

কিন্তু একই প্রশ্ন যদি আজ তামিলনাড়ুতে জিজ্ঞেস করেন,

সবাই এই বছরের কথাই বলবে।

যারা গতমাসে আমাদের জন্য নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে গেছে।

যদিও সেটা খুবই মর্মান্তিক ছিলো,

আমি তবুও গর্ব করি।

বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটি দেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।😇

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.