All language subtitles for The Wandering Earth II 2023 .BluRay.XviD.AC3-EVO-Bengali

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian Download
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal) Download
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

মানুষ আসলে এক গুচ্ছ ইলেকট্রিকাল তরঙ্গ ছাড়া আর কিছুই নয়।

এই দুনিয়া সম্পর্কে আপনার যে দৃষ্টিভঙ্গি, আপনার স্মৃতি...

সবকিছু জমা হচ্ছে এখানে..

এই তারের মাধ্যমে।

হ্যাঁ!

ঠিক এখানে!

মারা খান সবাই!

আমি পালাবো না!

আগামী ১০০ বছরে উদ্ভুত কোনো সমস্যা আমার মাথাব্যাথার বিষয় না!

এটা আমার সমস্যা না!

এটাই একমাত্র প্রযুক্তি যেটা মনুষ্য সভ্যতাকে বাঁচিয়ে রাখবে!

আমি একটা নতুন দুনিয়া গড়ছি! কেন সেই দুনিয়াকে নিষিদ্ধ করা হবে?

আপনার শরীর ভঙ্গুর!

এটা আঘাত পেতে পারে! অসুস্থ হতে পারে! বার্ধক্যে উপনীত হতে পারে!

মারা যেতে পারে! অবসন্ন হয়ে যেতে পারে!

আপনার ডিজিটাল সংস্করণ বাঁচবে আজীবন...

ত্বত্ত্বীয়ভাবে!

প্রথম দিকে...

কেউই এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে মাথা ঘামায়নি!

দাবানল, সেতো হতেই পারে।

আরেকটা দূর্ভিক্ষ, আরেকটি প্রজাতির বিলুপ্তি এবং শেষ পর্যন্ত একটা শহরই হারিয়ে যাওয়া!

একদিন...

এসবের যোগসূত্রতা সবার কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়।

আপনি নিশ্চয়ই জানেন, পুরাতন সময়ে মানুষের অস্ত্রের তেমন প্রয়োজন হতো না।

সেই সোনালী দিনগুলো গত হয়েছে।

শহরের অলিগলি আর আগের মতো নেই।

রাতে কবরের নীরবতা বিরাজ করে।

এটা ছিল আফ্রিকার গিঞ্জি একটা শহর! অগণিত দোকানপাট ছিল সব জায়গায়।

ব্যাপার না!

টহল দিচ্ছে ওরা।

এই ভ্যানগুলোতে করে মানুষ খাবার বেচত!

চিন্তা করো, লাইন ধরে আমরা খাবার খাচ্ছি!

আহ!

ভাবলে হতাশা লাগে।

আমরা পৌঁছে গেছি।

এখানেই ওরা আছে।

সাথে পেশিয়াংকে নিয়ে এসেছি।

তোমার সন্তান তোমাকে গর্বিত করেছে।

সে চায়নার নভোচারী রিক্রুট এক্সামে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেছে এবং ওরা চাঁদে অভিযানের জন্য ওকে সিলেক্ট করেছে।

সে এখানে ট্রেনিং করছে।

ওকে নিয়ে ভেবো না।

আমি ওর খেয়াল রাখবো।

সৌর বিপর্যয়ের কথা কি সত্য?

অন্ধ হয়ে যাবে!

নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে! নয়তো, এতো হাঙ্গামা হবে কিসের জন্য?

যাই হোক...

পৃথিবী এক শতাব্দীর মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যাবে...

এবং, আমাদের সৌর জগতও তিন শতাব্দীর মধ্যে ধ্বংস হবে।

কেচ্ছা খতম।

আমরা সেক্ষেত্রে কী করতে পারি?

সাবধানে!

কী ভাবছ, চাঁদে যাওয়ার জন্য তুমি প্রস্তুত?

ওখানে তোমাকে কম করে হলেও ১৫ কিংবা ২০ বছর পার করতে হতে পারে।

দারুণ!

তারপর, আবার আমরা আমাদের পরিবারের সাথে মিলিত হবো।

যত যাই বলো..

পৃথিবী আসলে ততোটা চমৎকার নয়।

বেঁচে থাকাটাই আসলে চমৎকার ব্যাপার।

নির্বোধ।

শুধু কোনরকমে লটকে থেকো ওখানে।

আস্তে!

আস্তে!

দেখতে পাচ্ছো?

এটা "দ্য মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্ট" এর প্রথম দশটি ইঞ্জিন।

আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এটার কাজ শেষ হবে।

ছয় মাস?

আদৌ শেষ হবে?

একটা কথা কি জানো?

আমরা এরকম ইঞ্জিন চাঁদেও বানিয়েছি।

কোনো মানুষ লাগেনি। মেশিনের মাধ্যমে বানানো হয়েছে।

নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ হয়েছিল।

যদি কেউ এই নির্মাণ কাজে নাশকতা হামলা না করে, ছয় মাসের ভেতরেই কাজ শেষ হবে।

অ্যাটেনশন।

ATC10171 এখন সার্কেল মার্ক D2 তে পদার্পন করবে।

প্লিজ, নিশ্চিত করুন।

আইএফএফ চেক পাস।

সূর্য প্রতিনিয়ত ফুলে ফেঁপে উঠছে।

আগামী ১০০ বছরে...

সূর্য পরিপূর্ণভাবে পৃথিবীকে গ্রাস করে নেবে।

আগামী ৩০০ বছরে মহাবিশ্বে সৌর জগত বলে আর কিছু থাকবে না।

সৌর জগতের এই সংকটের সমাধানের জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারের ঐক্যমতে "The UEG" প্রতিষ্ঠিত হয়।

সংকট নিরসনের জন্য ডজনখানেক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল।

মানুষের টিকে থাকা নিশ্চিত করতে মুভিং মাউন্টেন প্রজেক্টের প্রস্তাব সাদরে গৃহীত হয়।

এই প্রজেক্টের লক্ষ্য হচ্ছে ১০,০০০ আর্থ ইঞ্জিন নির্মাণ করা যেন পৃথিবীকে সৌর জগতের বাইরে নিয়ে যাওয়া যায়।

তিনটি লুনার স্যাটেলাইট ইঞ্জিনও নির্মাণ করা হবে চাঁদকে প্রতিস্থাপন করার জন্য।

যাতে চাঁদের আকর্ষণ শক্তি পেরিয়ে পৃথিবী অজানার উদ্দেশ্যে তাঁর যাত্রা শুরু করতে পারে।

মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্ট বাস্তবায়ন সম্ভব করার জন্য ৩৩ টি দেশের সরকার...

লিভারবিলে তাঁদের এক্সপেরিমেন্ট প্লেস সেট করেছে।

যাই হোক...

এই প্রকল্পের আশু অগ্রগতির জন্য আসন্ন বিপর্যয় এবং জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে...

দুনিয়ার সকল দেশের সরকার প্রধানদের বিভিন্ন প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

সন্দেহ, বিরোধিতা এবং দাঙ্গার পরিমাণ প্রতিদিনই বাড়ছে।

লিভারবিলের প্রাণকেন্দ্রে সশস্ত্র দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে।

"UEG" তাঁদের শান্তিরক্ষী বাহিনীকে পাঠিয়েছে তা দমনের জন্য।

তাঁদের অস্ত্র দিনদিন বেশ আধুনিক হচ্ছে।

নিশ্চয়ই কোনো গোপন সংগঠন এর পেছনে জড়িত।

বিপর্যয় সামাল দেওয়ার সমাধানই বর্তমানে বড় বিপর্যয় হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।

মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করাটাই বর্তমানে প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন।

এটা ফার্স্ট এভিউনিউ!

আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে!

আবারও বলছি...

আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে!

এটা "UEG"এভিনিউ।

আমাদের তিনজন অফিসার গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ব্যাকআপ পাঠান!

একটা বিস্ফোরণ হয়েছে!

ব্যাকআপ পাঠান!

হেডকোয়ার্টারে আক্রমণ করা হয়েছে!

ওকে।

এক মিনিট।

আমার ধারণা, ডিজিটাল লাইফের সমর্থকেরা এই হামলা করেছে।

সরকারের উচিৎ হয়নি ডিজিটাল লাইফ প্রজেক্ট নিষিদ্ধ করা।

দুঃখিত।

আমরা হামলাকারীদের সংখ্যা কত তা জানি?

আমার তাতে মাথাব্যাথা নেই!

শুধু পাঠাও কাউকে!

দুঃখিত!

এখন পর্যন্ত...

হেডকোয়ার্টারে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে ১৭টি রিপোর্ট এসেছে।

জাতিসংঘ এভিনিউতে ১৩টি...

ফার্স্ট এভিনিউতে ২১টি...

পূর্বাঞ্চলের কার্যালয়ে ৫টি হামলা হয়েছে।

আমি সারাংশটা বলি।

এই হামলা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মানুষ আর এই প্রজেক্টে অর্থসংস্থান করতে চাচ্ছে না।

আমাদের সুপারিশ হচ্ছে...

এই মুভিং মাউন্টেন প্রজেক্টের কাজ আরো কিছুটা সময় বিলম্ব করা।

মাইক, আমার মনে হয় না এটা ভালো কোনো আইডিয়া।

অন্ধকার ধীরে ধীরে আমাদের গ্রাস করার জন্য এগিয়ে আসছে।

আমাদের সুপারিশ হচ্ছে...

প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত করা এবং সকল বিদ্রোহ শক্ত হাতে দমন করা!

প্রকল্পের কাজ কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না।

ভুলে যেয়ো না।

আমাদের হাতে আর ১৩ মাস আছে।

সূর্য অপেক্ষা করবে না।

বাইরে লোকজনের মতিগতি কিন্তু সুবিধার না!

দ্রুত ঢুকে পড়ার চেষ্টা করবে।

কারো প্রেমে পড়া যাবে না! বিয়েশাদি করা যাবে না! বাচ্চা নেয়া তো পরের সাবজেক্ট!

আমার পথ থেকে সড়ে যা!

আমি পুরো জায়গাটা জ্বালিয়ে দেব!

হান দৌদো!

পৃথিবীটা অনেক সুন্দর জায়গা না?

সকল সশস্ত্র বিদ্রোহী...

আপনাদেরকে ঘিরে ফেলা হয়েছে।

আপনাদের অস্ত্র ফেলে দিন এবং আত্মসমর্পণ করুন।

এটা দেখছি নড়েও!

এটা নড়ে যখন তুমি নড়ো।

নাসতা করেছ?

বমি চলে আসতে পারে।

বমি করলে কিন্তু ডিসকোয়ালিফাইড।

উপরে তোমার ফার্স্ট ট্রেনিং, তাই বমি করবে না।

নয়তো পাইপ ব্লক হয়ে যাবে।

বমি করা মানে মারা খাওয়া।

আমি কখনো কারো সিপিআর করিনি।

আমি হান দৌদো।

লো আর্থবিট হেলথকেয়ারের একজন মেজর।

আমি লিউ পেশিয়াং।

হাই, সুন্দরী!

কী অবস্থা তোমার?

ভালো।

ধন্যবাদ।

তোমরা ক্যাডেট বলে কিন্তু বিশেষ কোনো সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে না।

তোমাদের এন্টি জি স্যুট চেক করো নয়তো তোমাদের মা বাবাদের কেঁদে বুক ভাসাতে হবে।

স্পেস এলিভেটর একটু পরেই লঞ্চ করা হবে।

সবকিছু ফাইনাল চেক করা হচ্ছে।

তোমাকে একটা কথা বলি

ভয় লাগলে আমার হাত ধরতে পারো।

তুমিও চাইলে ধরতে পারো।

ধন্যবাদ।

কাউন্টডাউন শুরু হচ্ছে।

চলাচলের ব্রিজ প্রত্যাহার করা হলো।

দরজা বন্ধ করা হচ্ছে।

লঞ্চ।

শ্বাস নাও।

ফ্রিকোয়েন্সি চেক করো।

গলা ফাটিয়ে চিৎকার করো...

নয়তো ১০ সেকেন্ড পর অজ্ঞান হয়ে যাবে!

সব মিলিয়ে ৯০ হাজার কি.মি. উপরে উঠতে হবে!

মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে উঁচু স্থাপত্য...

যেখান থেকে চাঁদে যাত্রার সূচনা হবে।

ভবিষ্যৎ মানব জাতিকে রক্ষা করাই এখন থেকে তোমাদের কাজ!

প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলো।

কারগো ট্রান্সফার এরিয়ায় প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া হলো।

মহাকাশ স্টেশনে ডক এরিয়া এ৭ এ আপনাদের স্বাগত জানাই।

দিনটা আপনাদের সুন্দর কাটুক।

তিনজন অনুমোদনহীন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্লিজ, শুধু অনুমোদিত জায়গায় চলাচল করুন।

ওরা যে কোনো সময় জেগে উঠবে।

আগামী কয়েক মাস তাঁরা এখানে খুব বেশি ঘুমানোর সুযোগ পাবে না।

হেই, খোলো।

বুকভরে দম নেবে।

শ্বাস গ্রহণ প্রক্রিয়া দু'গুণ কমে যেতে পারে।

ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক গান অন করো।

টার্গেটকে নিশানা করো।

চোখের সামনে থেকে দূর হও।

ভাইরে!

এই জ্বালাতন আর ভালো লাগে না!

তোমাদের অস্ত্র প্রস্তুত করো।

অভিনন্দন, তোমরা উত্তীর্ণ হয়েছ! এখন তোমরা চন্দ্র অভিযানে যাওয়ার জন্য মনোনীত!

মহাশূন্যে ঘোরাঘুরিটা ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়...

যতোটা গুরুত্বপূর্ণ কাউকে ফুল দেওয়াটা।

যা দুষ্টু!

আরো পনের ডিগ্রী..

এবার পারফেক্ট।

ওরা বেশ সতর্ক নজর রেখেছে।

এটা করাটা ঝুঁকিপূর্ণ।

আমরা পরবর্তী সময় থেকে নজরদারি করব।

মাত্র পাঁচ মিনিট সময় পাবে।

ফুল!

এগুলো কার জন্য এনেছ?

তোমার হয়ে ডেলিভার করে দেব কাউকে?

এটা আসলে তোমার জন্য!

কার জন্য?

সবাই যার যার কাজে যাও!

ফুলগুলো খুব সুন্দর!

তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!

যাক...

আমি এখানেই আছি।

সবসময়।

লিউ পেশিয়াংকে দেখেছ কেউ?

লিউ পেশিয়াং!

না।

নতুন ক্যাডেট রিক্রুট করছ মনে হয়?

আমাদের স্কুলের আবার বদনাম ডেকে এনো না।

কতগুলো বছর কেটে গেল।

আমাদের দুজনেরই ওজন কমেছে!

তুমি একটু বেশিই ওজন হারিয়েছ!

কী হচ্ছে এসব?

দরজা বন্ধ করো না।

এখানে এখনো কেউ আছে।

পৃথিবীর যে অবস্থা...

আমার চাঁদে যাওয়ার কথা ছিল গত বছরেই।

কিন্তু, তাঁরা আমাকে এখানে রেখে নতুন ব্যাচকে ট্রেনিং করার দায়িত্ব দিল।

মি. ওয়াং আমাকে বেশ হিংসা করেন।

সেটাই।

তুমি চাঁদে না গেলে তো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে!

আমি কথাটা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বলিনি!

সেফটি প্লাগগুলো কে খুলেছে?

কে করেছে কাজটা?

আমি জানি না।

হচ্ছেটা কী এখানে আসলে?

মি. ওয়াং আমার বিরুদ্ধে।

আমরা সকল ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছি!

আমাদের সিস্টেম হ্যাক করা হয়েছে!

আমাদের কি ওভারটাইম করার জন্য বেতন দেওয়া হবে?

স্পেস এলিভেটর কেবিং নং ০২

ইমারজ্যান্সি লঞ্চ সূচিত হলো।

সকলে প্লিজ সিটে বসুন!

আমার পরনে এন্টি জি স্যুট নেই।

আসো!

তাড়াতাড়ি!

এদিক দিয়ে আসো!

দয়া করে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থাগুলো নিন।

এখানে ছাতা হচ্ছেটা কী?

সবাই সিটে বসেছ তো?

লঞ্চ!

হে ঈশ্বর!

আমাদের সাথে ওরা যোগাযোগ করছে না কোনো?

আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করো না।

কী হচ্ছে কোনো আইডিয়াই নেই আমার!

কেন্দ্রীয় ডিপার্টমেন্ট থেকে বলছি।

শুনতে পাচ্ছেন আমার কথা?

কেন্দ্রীয় ডিপার্টমেন্ট থেকে বলছি।

শুনতে পাচ্ছেন আমার কথা?

সাড়া দিন, প্লিজ!

কেন্দ্রীয় ডিপার্টমেন্ট থেকে বলছি।

শুনতে পাচ্ছেন আমার কথা?

একই নাম!

ওটাও আমার নাম!

ওরা কি সংরক্ষিত নভোচারী?

ওরা কোন বর্ষের?

ওরা করছেটা কী?

আগে তো ওদেরকে দেখিনি!

হেই!

আমার পা ফেঁসে গেছে!

আক্রমণ করেছে কেউ!

পেশিয়াং!

পেশিয়াং!

লিউ পেশিয়াং!

তোমাকে বরখাস্ত করা হলো!

আপনি কোন ক্ষেতের মূলা ভাই?

আরে, মারছেন কেন?

ফাজলামো নিজের বাপের সাথে কর!

ওকে দিয়ে দাও!

তোমার নেম ট্যাগটা দিয়ে দাও!

তোমার ফ্লার্ট করার কায়দা জঘন্য!

সকল যোদ্ধা, ছড়িয়ে পড়ুন!

সকল ড্রোনকে ধ্বংস করুন!

স্পেস এলিভেটর এবং আর্থ ইঞ্জিনের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন!

আমাদের উপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে!

পদাতিক সেনাদের সতর্ক করা হচ্ছে!

সলফতার সাথে হ্যাক করা হয়েছে। ড্রোন এখন তাঁদের মজা দেখাচ্ছে।

আমাদের হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই।

দু'দিক থেকেই ড্রোনগুলো আক্রমণ করছে! ড্রোনগুলো প্রতিহত করার সুযোগ নেই কোনো!

ওরা আমাদের পরিচয় চুরি করছে!

আমাদেরটাই বা কেন?

এখানে ওরা ঢুকল কীভাবে?

প্রথমে দরজাটার ব্যবস্থা করো!

আমাদের আইডি ওদের ভেতরে যাওয়ার এক্সেস দেবে!

ওদের টার্গেট হচ্ছে...

মহাকাশ স্টেশন!

কেউ শুনতে পাচ্ছেন আমাকে?

দুঃখিত এটার জন্য!

সকল যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন!

জেগে উঠো!

বস ওখানে!

নড়বি না!

লিউ পেশিয়াং!

বোকা কোথাকার!

আমাকে বের হতে দাও!

চুপ কর!

আমাকে বের হতে দাও!

আমি তোমার কথা শুনতে পাচ্ছি না!

লিউ পেশিয়াং!

তুমি একা পারবে না!

আমরা এখনো ট্রেইনি!

আমাদের মেডিক্যাল ইনস্যুরেন্সও করা নেই!

আমার ট্রান্সলেটর এয়ারফোন ভেঙে গেছে।

যদিও কিছু বুঝতে পারছি না...

তবে, অনুধাবন করতে পারছি।

যদি শুধু আমিই অবশিষ্ট থাকি, তাও জীবন দিয়ে হলেও স্পেস এলিভেটরের সুরক্ষা নিশ্চিত করব!

আমার কথা মনে হয় বুঝতে পারছো না!

সকল অরড্যান্স অফিসার...

বিমান হামলার জন্য প্রস্তুতি নিন!

আমি এক্ষুনি শুরু করছি!

ঠিক আছে!

আজ শত্রুদের বোঝাবো আমি কী!

ফক্স ওয়ান!

টার্গেটকে লক করতে পারছি না!

টার্গেটকে লক করতে পারছি না!

মিত্র বিমান চারপাশে!

কে যে আমাদের শত্রু সেটাও বোঝা যাচ্ছে না!

রাডারে সব মিত্র বিমানই লাগছে!

বন্ধ করো!

আমাকে নিশানা করা হয়েছে!

ওগুলোকে খসাতে পারছি না!

আমি আসছি!

তাড়াতাড়ি আসো! আশেপাশের সবাইকে জানাও!

ওগুলো কেন শুধু আমার পিছেই দৌড়াচ্ছে?

সংখ্যায় অগণিত!

একটু বেশিই আসলে!

বাঁচাও!

আমি বাড়িতে যেতে চাই!

এখন কী করব?

ড্রোনের ফুয়েল দিয়ে ওগুলো বেশিক্ষণ চলমান থাকবে না!

তারপর কী?

ধ্বংস করব!

স্কুলে আমি টপ ফাইটার এমনি এমনি ছিলাম না!

ওগুলোকে খসাতে পেরেছি!

তোদের আব্বা চলে এসেছে!

এবার ওগুলোকে নিশানা করো!

ওগুলোকে নরক দেখাও!

কমান্ড সিস্টেমের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে কতক্ষণ সময় লাগবে?

বেজ স্টেশনে যাওয়া।

৫৫০সি'কে সিস্টেমের সাথে কানেক্ট করো!

যাও!

আমাদের সিস্টেম হ্যাক করা হয়েছে!

কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের সাথে ৫০০সি কানেক্ট করো...

সিস্টেম রিস্টার্ট দাও!

যদি ৫০০সি এর সাথে কানেক্ট হতে পারি...

নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে চলে আসবে!

অ্যাটেনশন, সকল ইউনিট!

অজ্ঞাত কিছু দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছে!

মিসাইল!

মিসাইল!

এগুলো আবার কোত্থেকে আসলো?

এগুলো স্পেস এলিভেটরের দিকে ছুটে যাচ্ছে!

মি. ওয়াং এর শেখানো কৌশলগুলো কাজে লাগাও! যাও! আমি তোমাকে কাভার দিচ্ছি!

ফক্স টু!

থামাও ওকে!

রিমোটটা নিতে যাচ্ছে সে!

SCV-09 সিগন্যাল পাওয়া যাচ্ছে না!

মিসাইলগুলোকে আটকাও!

মিসাইলগুলোকে আটকাও!

বোমা!

একটা এলিভেটর বিচ্যুত হয়েছে!

ওরা সবগুলো এলিভেটর ধ্বংস করে দেবে!

আমরা ওদের ধরতে পারবো না!

সমস্যা নেই!

আমি তোমার চেয়েও দ্রুত গতির!

ব্যাকআপ পাঠাও!

শুয়োরের বাচ্চা!

ছাড়!

তুই আগে ছাড় আমাকে!

কেবিন ০৪!

স্পেস স্টেশনের এক্সেস পেলাম এইমাত্র!

আমরাই একমাত্র আইডেন্টিটি চেকে পাস করেছি!

টার্গেটের দিকে ধাবিত হচ্ছি! বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য প্রস্তুত!

প্রবেশাধিকার দেওয়া হলো।

কারগো ট্রান্সফার এরিয়ায় প্রবেশাধিকার দেওয়া হলো।

মহাকাশ স্টেশনের ডকিং এরিয়া এ৩ তে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি।

দিনটা ভালো কাটুক আপনাদের।

৫৫০সি সিস্টেম স্ক্যান শেষ!

এবার পুরো সিস্টেম রিস্টার্ট দাও!

ড্রোনের এক্সেস পুনরুদ্ধার হয়েছে!

৫৫০সি সকল ড্রোনের এক্সেস নিচ্ছে!

ওগুলোর পাওয়ার সিস্টেম বিকল করে দিচ্ছে!

অসাধারণ!

হুররে!

৫৫০সি কামাল করে দিল!

স্পেস এলিভেটর সিস্টেমের রিস্টার্ট সম্পন্ন।

স্পেস এলিভেটর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে!

লঞ্চ প্রত্যাহার করো!

এলিভেটরগুলো দ্রুত নিচে নামাও!

অ্যাটেনশন!

সকল নভোচারীগণ!

কেবিন ০২

এলিভেটরকে কিছু ড্রোন টার্গেট করেছে!

বিস্ফোরণ যে কোনো মূল্যে থামাতে হবে।

অ্যাটেনশন!

সকল নভোচারীগণ!

কেবিন ০২

এলিভেটরকে কিছু ড্রোন টার্গেট করেছে!

বিস্ফোরণ যে কোনো মূল্যে থামাতে হবে।

আমার আঙুল!

লিউ পেশিয়াং!

স্পেস এলিভেটর ধ্বংস হতে যাচ্ছে!

দৌদো, যাও!

ডিজিটাল লাইফই শুধু একমাত্র উপায়!

তুই তো চান্দু এবার গেছিস!

আমরা হবো...

অবিনশ্বর!

আমার ফুলগুলো!

আমি তোকে মেরেই ফেলব!

উঠো!

উঠো!

হাঁ করে কী দেখছ সব?

ফুলগুলো দাও আমাকে!

দৌদো...

ফুল!

ফোট!

মেরে ফেলো আমাকে! আমাকে মেরে ফেলো!

আমি এই দুনিয়ায় বাঁচতে চাই না!

০৭ টি এলিভেটরের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে!

এলিভেটর ১, ২ এবং ৫ ফেরত আসতে যাচ্ছে!

সবাই ধীরে ধীরে হাত উঁচু করো!

শিট!

কী হয়েছে!

আকাশে দাবানল লেগে গেছে মনে হচ্ছে!

মহাকাশ স্টেশন নিচে পতিত হচ্ছে!

আবার বলছি...

মহাকাশ স্টেশন নিচে পতিত হচ্ছে!

হারবার্ট, ঠিক আছো?

বাঁচাও!

বাঁচাও!

চার ঘন্টা আগে...

স্পেস এলিভেটরে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত...

মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছেন ৩৫২১ জন...

৫১৩৭ জনের মতো আহত হয়েছে।

UEG হেডকোয়ার্টারে হামলার তিন মাস পর মুভিং মাউন্টেন প্রজেক্টকে নিশানা করে এটাই সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা!

এই হামলা নিঃসন্দেহে মুভিং মাউন্টেন প্রজেক্টকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

যার অর্থ, আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব প্রজেক্টের বাস্তবায়ন সম্পন্ন করতে পারবো না।

সৌর সংকট থেকে মানব জাতির পরিত্রানের প্রচেষ্টা বড় ধরনের ধাক্কা খেল।

এখন সরকার এবং বিজ্ঞানীমহল কী সিদ্ধান্ত নেন সেটাই দেখার বিষয়।

আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে...

আমরা আমাদের জন্মভূমি এবং...

নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবো।

স্পেস এজেন্সিগুলো জানিয়েছে...

আমাদের হাতে আর সাত মাস সময় আছে।

সাত মাস!

শাউশি?

মি. শু!

এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বক্তব্য...

আপনি আমাকে দিতে বলছেন?

এখানে থাকা প্রতিটা বক্তব্যই গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু রিডিং পড়ে যাও।

মার্চের ১২ তারিখে স্পেস এলিভেটর সন্ত্রাসী হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্ট বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।

অনেক জায়গায় দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে...

ডিজিটাল লাইফ প্রজেক্ট রিস্টার্ট করার জন্য।

আমি আজীবন বাঁচবো!

এরকম গোলযোগের মূহুর্তে...

UEG এক তড়িৎ সম্মেলনের আয়োজন করেছে...

ডিজিটাল লাইফ প্রজেক্টের ভবিষ্যত নিশ্চিতের জন্য।

আমরা আমাদের বর্তমান পরিকল্পনাতেই অগ্রসর হবো।

আগামী সাত মাসের মধ্যেই মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্টের সম্ভাব্যতা নিশ্চিত করা হবে।

কী হচ্ছে এসব?

কেউ কী বলবেন কী হচ্ছে এখানে?

আমাদের ইলেক্ট্রিসিটি সিস্টেম হ্যাক করা হয়েছে।

আমরা সরকারের প্রতিনিধিদের আসন গ্রহণের অনুরোধ করছি।

ট্রান্সলেটর সিস্টেম সক্রিয় করা হয়েছে।

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া বন্ধ করুন।

সৌর সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিন।

পৃথিবী এবং সূর্যের সাথে যে বন্ধন ছিল সেটা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

আমরা জানি যে বিরোধী পক্ষ এসবে বিশ্বাস করে না।

শতকরা ৯১ জন আমেরিকানই মুভিং মাউন্টেন প্রজেক্টে ভরসা করেন না।

ইউএস সিনেট এই কার্যক্রম থেকে বের হয়ে...

ডিজিটাল লাইফ প্রজেক্ট রিস্টার্ট করতে চাচ্ছে।

প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে...

১০০ বছর পরের সংকটের জন্য এখনকার সময় মানুষকে সংকটে ফেলাটা ঠিক হবে কিনা।

মনে হচ্ছে মানুষ এখনো কল্পনার ভেলায় ফানুশ উড়াচ্ছে।

আমাদের তাহলে এখন কী করা উচিৎ?

আপনাকে একটা ছবি দেখাই।

কী এটা?

এখানে থাকা...

এই বিন্দুটা...

১৯৯০ সালে...

ভয়েজার ০১ এর ছবি তুলেছিল।

এটা পৃথিবীর ছবি।

এই ছোট্ট নীল বিন্দুটাই...

আমাদের কাছে সবকিছু।

মুভিং মাউন্টেন প্রজেক্টের আওতায়...

এই ছোট্ট বিন্দুতে ১০০০০ ইঞ্জিন নির্মাণ করা হবে..

এবং, এটাকে ২৫০০ বছরের দূরত্বের এক নতুন সৌর জগতে টেনে নিয়ে যাবে।

আপনি কি এতে বিশ্বাস করেন?

এটা মহাকাশে তোলা একটা ফটো...

যেখানে ভয়েজার আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

আমার বিশ্বাস...

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও চেয়ে আছে।

এবং, তাঁদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও!

এই সময়ের ভেতরে...

আমার বিশ্বাস আকাশে প্রতিটা রাষ্ট্রের ঐক্য নিশ্চিত হবে।

আমরা আমাদের লক্ষ্যে...

অটুট থাকব।

এখন...

কী করবেন ভেবেছেন?

আমাদের প্রেসিডেন্টকে বার্তাটা পৌঁছে দেব।

যাই হোক...

সাত মাসের মধ্যে মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্টের সম্ভাব্যতা যাচাই করা সম্ভব হবে কিনা জানি না।

শুভ কামনা রইলো।

সাত মাস।

দুটো ইঞ্জিন।

শুধু আমরা।

এটা তো যৌক্তিক নয়।

শাউশি...

যদি সবগকিছুই যুক্তি দিয়ে চলত...

এই ভবন নির্মানের কী দরকার ছিল?

সংকটের বলয়ে থাকলে...

সবসময় নিজের দায়িত্বকে প্রাধান্য দেবে।

ঐক্যেরও একটা মূল্য আছে।

রসদ সাপ্লাইয়ের ফার্স্ট ব্যাচ রওয়ানা দিয়েছে।

আমরা ওদের উপর আগামী ৭ মাস নির্ভর করব।

আব্বু...

আমরা কীভাবে এই ধাঁধাটার সমাধান করবো?

সোড়্র জগত ট্রান্সফরমার ৪ কে ধ্বংস করে দিয়েছে।

কী করতে বলছেন আমাকে? কোনো পাওয়ার নেই এখানে!

সবাই দম বন্ধ হয়ে মরার আগেই ওদেরকে বাঁচাতে হবে!

এই নিয়ে এই মাসে ৪ বার হলো।

বাজে বকা বন্ধ করো।

আমরা মনে হচ্ছে টিকে থাকতে পারবো না।

আব্বু, তোমার ওখানে অনেক অন্ধকার!

সমস্যা নেই।

ভয় পেয়ো না!

বিদ্যুত চলে গেছে।

আমরা এই ধাঁধাটার সমাধান কীভাবে করব?

এটা খুবই কঠিন!

তাহলে, আমার চুল বেণী কীভাবে করব শিখিয়ে দাও!

তোয় হ্যান!

রসদের সর্বশেষ সাপ্লাই পৌঁছেছে।

চলে আসো সবাই।

আব্বু, আমাকে একটু হাগ করো না?

আমি ফিরে আসার পর তোমায় হাগ করব।

মা শু!

আমাদের প্রথম লুনার মিশনের রেন্ট্রি ক্যাপসুলগুলো তোমাদের দেখাচ্ছি।

আমি বাদে...

এটাও দুনিয়ার আরেকটা আশীর্বাদ!

সৌর সংকটের সমাধান করতে হবে আগামী সাত মাসের মধ্যে!

যেহেতু, সৌর ঝড় ইলেট্রিক যন্ত্রপাতির জন্য ক্ষতিকর হবে...

তাই, মিশন এক বছরের জন্য স্থগিত থাকবে।

তাঁর আগে...

আমাদেরকে লুনার স্যাটেলাইট ইঞ্জিন সক্রিয় করতে হবে দুনিয়াকে একটা জবাব দেওয়ার জন্য।

ওরা নতুন যন্ত্র নিয়ে এসেছে ইঞ্জিনগুলো পরীক্ষা করার জন্য!

মি. মা...

কিছু বলুন আমাদেরকে।

সবাই...

করতালি দাও।

এটা ৫৫০সি।

এখনকার সময়ের সবচেয়ে আধুনিক এবং স্বয়ংক্রিয় একটি কম্পিউটিং কোর!

হার্ডওয়্যারের সাথে কানেক্ট হওয়ার পর...

এটা অপারেটিং সিস্টেমকে অটো কমান্ড দেয়...

এবং, ইঞ্জিনকে ধাপে ধাপে নির্দেশ প্রদানের মাধ্যমে সচল রাখে।

এখন পর্যন্ত দুনিয়ায় এরকম তিনটি আছে।

কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নের জন্য আমরা এগুলো এনেছি!

তোয় হ্যান এবং আমি ৫৫০সি সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকব।

ওকে, মি. মা।

আমাদের বিশ্বাস, এর সাহায্যে সৌর ঝড়ের মাধ্যমে ক্ষতি সাধিত হলেও সেটা কাটিয়ে দ্রুত ইঞ্জিনগুলো সক্রিয় করতে পারবো।

তোয় হ্যান, ৫৫০সি এর সাথে যত দ্রুত সম্ভব কানেক্ট করো।

এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করে ক্ষতিগ্রস্থ মডিউলগুলো রিস্টার্ট করো।

মি. মা...

আপনার পাসওয়ার্ড অথোরাইজেশন লাগবে।

মডিউল গ্রুপ ১১ সক্রিয় করা হয়েছে।

মডিউল গ্রুপ ২৭ সক্রিয় করা হয়েছে।

মডিউল গ্রুপ ৩১ সক্রিয় করা হয়েছে।

মডিউল গ্রুপ ৪৪ সক্রিয় করা হয়েছে।

ডগ ক্লাস্টার সক্রিয় করা হয়েছে।

থ্রিডি প্রিন্টিং এর মাধ্যমে ম্যাটেরিয়াল প্রিন্ট করা হচ্ছে।

৫৫০সি কল্পনার চেয়েও দ্রুত গতির!

অবিশ্বাস্য!

আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে আপনার ডেটা কার্ড এনেছি।

২০৩৭ সালে ফিরে আসার আগে এই পর্যন্তই ছিল ব্যাকআপ।

গোপনীয়তার কথা বিবেচনা করা সকল সদস্য সিদ্ধান্ত নেয় তাঁরা তাঁদের ডেটার ব্যাকআপ রাখবে কি রাখবে না।

যদি এটা চান তাহলে এখানে সাইন করে দিন।

নইলে এটা এখানেই নষ্ট করে দিচ্ছি আমি?

আপনার ব্যাকআপ কোথায়?

ওসব আমার লাগবে না।

মরলে পুরোপুরি ভাবেই মরতে চাই।

ডিজিটাল মাধ্যমে নিজের অস্তিত্ব রাখতে চাই না।

মৃত্যুর নীতিই হচ্ছে মুছে যাওয়া।

এটাই বাস্তব।

পূর্বাভাস অনুযায়ী একটি লেভেল থ্রি পর্যায়ের সৌর ঝড় চার ঘন্টা পর আঘাত হানবে।

আমি জানি আপনি কী ভাবছেন।

আগামী তিন মাস আমাদেরকে রাত দিন কাজ করতে হবে।

যদি লুনার স্যাটেলাইট ইঞ্জিন ফেল করে আমরা সবাই মারা যাবো।

আব্বু!

আব্বু!

আমরা এই ধাঁধাটার সমাধান কীভাবে করব?

এটা খুব কঠিন!

আব্বু পারে না!

তাহলে আমাকে চুল বেণী করা শিখিয়ে দাও!

ঠিক আছে!

আংকেল মা!

বাবা!

তোমার পাশে আংকেল মা আছেন!

আশ্চর্য!

আংকেল মা!

তুমি কী করছ?

আব্বুকে কাজ করতে হবে!

মা, একটু রেস্ট নাও তুমি!

বাই, আব্বু!

বাই, আংকেল মা!

আব্বু!

আমি কোথায়?

আম্মু কই?

আব্বু, এখানে না অনেক ঠান্ডা!

আমাকে একটু হাগ করো না?

আব্বু!

আম্মু কই?

আমাকে একটু হাগ করো না?

আব্বু!

আব্বু, আমরা এই ধাঁধাটার সমাধান কীভাবে করব?

এই প্রযুক্তি কততম প্রজন্ম পর্যন্ত ডাটা সংরক্ষণ করবে?

৪২৫ তম পর্যন্ত।

ডিজিটাল লাইফ বিষয়ক গবেষণার ক্ষেত্রে এটা যুগান্তকারী এক আবিষ্কার!

আমাদের গবেষণা কি আসলেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে?

বন্ধ করা হয়নি...

আইনগত দিক বিবেচনা করে সবসময়ের জন্য নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

যদি এই প্রযুক্তির সম্প্রসারণ হয়...

এই কলি যুগে কেউই সত্যিকারের দুনিয়ায় বিচরণ করতে চাইবে না।

মানুষ আদিম কাল থেকেই চায় অমরত্বের দিশা পেতে।

আব্বু!

আমি অ্যামিউজমেন্ট পার্কে গিয়ে প্রথমে আইসক্রিম খেতে চাই!

আচ্ছা, তুমি কি তাহলে স্ট্রভেরি নাকি ভ্যানিলা ফ্লেভারের আইসক্রিম খাবে?

আমি সবচেয়ে বড়টা খেতে চাই, যেটা আমার চেয়ে বড়!

আমরা প্রত্যেকেই খাবো আইসক্রিম!

শেষ পর্যন্ত তোমার আম্মুকেই আমাদের আইসক্রিম শেষ করতে হয়!

আম্মুর দাঁত পড়ে যাবে!

আমরা এখন কী করব?

আব্বু তোমাকে সবচেয়ে বড় আইস্ক্রিমটা কিনে দেবে।

তুমি কি পাগল হয়েছ?

মেয়েটাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল না কেন?

এটা হাসপাতাল নয়।

ওকে হাসপাতাল থেকে এখানে আনা হয়েছে।

মি. মা...

আমি এটাতে সাইন করতে পারব না।

এগুলো প্রতিষ্ঠানের যন্ত্রপাতি।

হায়াকে এভাবে দেখে আমি সত্যিই বেশ দুঃখিত।

বাচ্চাটার জীবন সুতোর মধ্যে ঝুলছে।

এটাই সুযোগ।

প্রযুক্তিটা এখনো পূর্নাংগ নয়।

তাঁর স্ত্রী মারা গেছে।

মেয়েটার বাবার জন্য কি আমরা কিছু স্মৃতি সংরক্ষণ করতে পারি না?

মি. মা, এসবের দায়-দায়িত্ব কে নেবে?

আমি।

আমরা গবেষণার শেষ ধাপে আছি।

মি.মা...

৫৫০এ' এর হার্ডওয়্যার তাঁর লিমিটে চলে এসেছে।

হায়া মৃত্যুর মুখে পতিত হলেও...

তাঁর জীবনের এখনো দুই মিনিট বাকি।

আমি ওকে পূর্ণাংগ একটা জীবন দিতে চাই।

জানি এটা কেন দেখাচ্ছেন আমাকে।

কিন্তু, আমার উত্তর হচ্ছে "না"।

৫৫০সি শুধু ইঞ্জিন পরীক্ষার জন্য।

মিশন সম্পন্ন হওয়ার পর...

৫৫০এ কে পুনরুদ্ধার করে ধ্বংস করা হবে।

আমি পূর্বে আপনাকে ৫৫০এ ব্যবহার করতে দিয়েছি মানবিকতার খাতিরে।

আমাকে কঠোর হতে বাধ্য করবেন না।

ওয়ার্নিং।

লেভেল থ্রি সৌর ঝড়!

ওয়ার্নিং!

লেভেল থ্রি সৌর ঝড়!

অ্যাটেনশন, সকল ইউনিট!

সৌর ঝড় আঘাত হানবে আর ছয় মিনিটের মধ্যে।

বাহিরে সকল কার্যক্রম স্থগিত করে বেজে ফিরে আসুন!

তুমি শিউর?

স্পিড বাড়াও!

আমি তো ভেবেছিলাম আরো এক ঘন্টা আছে!

মি. মা, হ্যান!

আপনারা কোথায়?

সৌর ঝড় পূর্বাভাসের অনেক আগেই আঘাত হানতে যাচ্ছে!

৩ কি.মি.!

আমাদের এখনো ৩ কি.মি. যেতে হবে!

বেজে একটা আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকার আছে!

৫৫০সি শুধুমাত্র সেখানেই সুরক্ষিত থাকবে!

এই ভারি বাহনটা চালানো প্লেন চালানোর চেয়েও কঠিন!

বকবক বন্ধ করে...

চালাও!

সৌর ঝড় বাগে পেলে আস্ত রাখবে না আমাদেরকে!

আমরা প্রায় পৌঁছে গেছি!

আমাদেরকে সাহায্য করুন!

পৃথিবীর সেন্টারে জানাও!

সৌর ঝড় পূর্বাভাসের অনেক আগেই চলে এসেছে!

যোগাযোগ ব্যবস্থা তো বিচ্ছিন্ন!

তোয় হ্যান!

আসুন!

মি. মা...

সেফটি বাকলে জং ধরে গেছে!

সবসময় কুফা দল বেঁধে কেন আসে?

হাতে সময় নেই!

অক্সিজেন কমে গেলে আমরা মারা যাবো!

প্রায় চলে এসেছি!

প্রায় চলে এসেছি!

তোয় হ্যান...

আসুন!

তাড়াতাড়ি!

হেলমেটটা খুলে ফেলো!

অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম অফ হয়ে গেছে!

তাড়াতাড়ি!

তাঁর দম বন্ধ লাগছে!

মারা যাচ্ছে সে!

দ্রুত!

সবাই কি এখনো দম নিচ্ছ?

জেসাস!

সাবাশ!

পরিস্থিতি এখন...

আসলে...

নাজুকই বলা চলে।

অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে...

আমাদের কেউই অ্যালার্ম বাজায়নি।

অ্যালার্ম বাজানো দরকার ছিল।

৫৫০সি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

এটার সাহায্য ছাড়া আমরা ইঞ্জিন নিখুঁতভাবে সক্রিয় করতে পারবো না।

যদি আমরা সামান্য ভুলও করে ফেলি...

একদম মুখ বরাবর দেব!

পরীক্ষা শুরু হবে তিন দিনের মধ্যে!

ডেডলাইন মিস করলে আমরা গেছি!

কারো কোনো আইডিয়া আছে?

সেফটি ক্যাচ কখন আসলে নিরাপদ হবে?

আমার জানা নেই।

৫৫০এ হয়তো কাজ করতে পারে।

আব্বু!

আব্বু!

আমরা এই ধাঁধাটার কীভাবে সমাধান করব?

এটার উত্তর ৪।

চার!

তুমি অসাধারণ, আব্বু!

আমার মিষ্টি মেয়ে, হায়া!

আব্বু পরে আবার কথা বলবে!

বাই বাই!

বাই, আব্বু!

এটা।

ইঞ্জিন সক্রিয় করার জন্য যথেষ্ট হবে।

কয়েকদিন লাগবে এর সারাইয়ের কাজ করতে।

কিন্তু, ইঞ্জিনের তাপের প্রভাবে ৫৫০এ পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে।

সেজন্যই আমার একটা শর্ত আছে।

৫৫০ সিরিজের কোরগুলোর ডেভেলপমেন্টে আমাকে যুক্ত করুন।

আপনি রাজি থাকলে ৫৫০এ'এর পাসওয়ার্ড দেব।

মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্টের প্রথম পরীক্ষা...

লুনার ১ টেস্ট ইঞ্জিনের সক্রিয় করার কাজ শুরু করা হোক।

৫৫০এ মডিউলের সাথে কানেক্ট করা হয়েছে।

এখন সিস্টেম রিস্টার্ট করা হবে।

তারপর মডিউলের সাথে সিংক্রোনাইজ হবে।

ঠিক আছে।

অ্যাটেনশন!

ইঞ্জিন সক্রিয় করার কাজ শুরু করো।

হিলিয়াম-৩ লোড করা হয়েছে।

অপারেটিং সিস্টেমে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

ইঞ্জিন সক্রিয় করার কাউন্টডাউন শুরু হলো!

সবাই এক্ষুনি জায়গাটা ত্যাগ করুন!

মা, হ্যান...

জায়গাটা ত্যাগ করুন!

তোয় হ্যান! কিসের জন্য অপেক্ষা করছেন?

মি. মা...

আমাকে যে ব্যাপারে কথা দিয়েছেন সেটা নিশ্চিত তো?

এটা আমার জীবনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ।

আমি হায়াকে একটা পূর্নাংগ জীবন দিতে চাই।

আমাদের মাতৃভূমির স্বার্থে!

কী করছ?

প্লিজ কাজ কর!

আমরা কি যাওয়া শুরু করব?

কথা দিচ্ছি।

যদি আমরা সফল হই...

হায়ার কথা ভুলে যাবেন না।

লুনার ১ টেস্ট ইঞ্জিন অন করার পরীক্ষা সমাপ্ত।

চাঁদ তাঁর কক্ষসীমা থেকে ০.৪ সে.মি. বিচ্যুত হয়েছে।

এটা প্রমাণ করে...

আগামী ২০ বছরের মধ্যে চাঁদকে চিহ্নিত স্থানে নিয়ে আসা যাবে!

এবং, পৃথিবীর উপর এর কোনো মহাকর্ষীয় নিয়ন্ত্রণ থাকবে না!

এই অর্জনের সাপেক্ষে...

নাম্বার ১ প্ল্যানেটারি টেস্ট ইঞ্জিন সক্রিয় করার কাজ আজ থেকে শুরু হলো!

যদি আমরা পৃথিবীকে কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত করতে পারি তাহলে দুটো এক্সপেরিমেন্ট করা হবে প্রজেক্টের সাফল্য পরীক্ষা করার জন্য।

এটা মানবজাতির জন্য নিয়ে আসবে আশা এবং নিরসন করবে সৌর সংকটের!

ব্যার্থ হয়েছে, না?

এখন কীভাবে দুনিয়ার সামনে ব্যাখ্যা করবেন আপনি?

আরো সাত মাস নষ্ট হলো!

প্রজেক্ট ফেইল হয়েছে?

এখন দুনিয়াকে কিসের স্বপ্ন দেখাবেন?

পৃথিবী তাঁর কক্ষপথ থেকে ২ সে.মি. বিচ্যুত হয়েছে।

আমরা পেরেছি!

এটা কাজ করছে!

ইঞ্জিন সক্রিয় করা গেছে!

অবশেষে আমরা ভবিষ্যতের দিশা পেয়েছি!

মুভিং মাউন্টেন প্রজেক্টের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা গেছে!

আমি আপনার রেড এনভেলপটা আনতে যাচ্ছি।

প্লিজ, বসুন।

এখানে?

অবশ্যই! বসুন!

খাবেন নাকি একটা?

আমি ধূমপান করি না।

আমি হলাম মেয়ের বাবা।

আপনার ছেলের ডাক নাম লিউ!

আপনারটা চ্যাং হলো কীভাবে?

দুটো এক্সপেরিমেন্টের কার্যকারিতা এটাই প্রমান করে যে ইঞ্জিন নির্মাণের কাজে ৫৫০সি অপরিহার্য!

৫৫০সি এর মাধ্যমে পাতাল শহর নির্মাণের সময় ৭৫ শতাংশ কমিয়ে আনা যাবে।

যেটা মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্টের খরচ বহুলাংশে কমিয়ে দেবে।

কানাডার জিওলজিক্যাল রিসার্চ সম্পন্ন হয়েছে।

উত্তর আমেরিকার ইঞ্জিনের নির্মাণ কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে।

৫৫০ সিরিজের কোয়ান্টাম কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্ক একটা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রাইভেট নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন জরীপ অনুযায়ী...

মাউন্টেইন প্রজেক্টের প্রতি জনসমর্থন ডিজিটাল লাইফের সমর্থনের হার অতিক্রম করেছে।

স্পেস এলিভেটর আক্রমণকারীদের বিচারিক আদালতের সম্মুখীন করা হয়েছে।

যেটা আক্ষরিক অর্থেই ডিজিটাল লাইফ প্রজেক্টের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করছে।

বেকুবের দল!

আমি তোমাদেরকে দেখাবো একজন জন্মগত নভোচারী কেমন হয়!

স্পেস এলিভেটর পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার পর...

UEG নেভিগেটর প্রজেক্টের কাজও শুরু করেছে...

যাতে প্রজেক্ট চলাকালীন সময়ে যে কোনো বিপদে তড়িত অ্যালার্ম দেওয়া যায়।

৫৫০সি সিরিজের আরো কোর নির্মাণ কাজের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

আগে কিংবা পরে...

এগুলো আমাদের বদলে কাজ করবে!

ফুল অটোমেশন অসংখ্য শ্রমিকের কাজ কেড়ে নিয়েছে।

গত ১৪ বছরে অটোমেটেড সিস্টেমের মাধ্যমে...

৫৫০সি সিরিজের কোরগুলোর মাধ্যমে দুনিয়াব্যাপি ৫৩২১ টি ইঞ্জিন নির্মাণ করা হয়েছে।

পাতাল শহর নির্মাণে বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক কিছু অসামঞ্জস্য থাকলেও তা সমাধানে বিজ্ঞানীমহল কাজ করে যাচ্ছেন।

মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্টের বিকল্প হিসেবে এই পাতাল শহরগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে।

বৈশ্বিক জনসংখ্যার অর্ধেক অংশ শুধুমাত্র এই পাতাল শহরগুলোতে বসবাসের সুযোগ পাবে।

পৃথিবীর ঘুর্ণন গতি যেহেতু ধীরে ধীরে কমে আসছে...

সেজন্য ২৪ ঘন্টায় একদিনের বদলে ৬০ ঘন্টায় একদিন ঘোষণা করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

অত্যাধিক অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে দুনিয়াজুড়ে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আমরা কঠিন সময় অতিক্রম করেছি।

আমরা আমাদের রসদ দিয়েছি।

দিয়েছি সময়...

এমনকি জীবনও।

একই সময়ে আমরা পারস্পারিক সাহায্য এবং ঐক্যও অর্জন করেছি।

বের হও!

রোবটদের আমাদের চাকরি কেড়ে নিতে দেবেন না!

দেখো ওদেরকে!

একদিন ওরাও থাকবে না!

সুলাওয়ের অটোমেটেড কন্সট্রাকশন বেজে স্বাগতম!

৫৫০সি সিরিজের আপগ্রেডেড মডিউল ৫৫০ডব্লিউ অফলাইনে টেস্টিং পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

আগামী দশ বছরের মধ্যে এটা সবগুলো আর্থ ইঞ্জিনের মধ্যে একটা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরী করবে।

সমস্যা নেই।

আমি ইন্টারভিউ সেশনে যাব।

তাহলে আমাদের সন্তানও থাকার জায়গা পাবে।

আমি মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

আমি চায়নার পক্ষ থেকে...

এই প্রজেক্টের নামকরণ মুভিং মাউন্টেইন প্রজেক্ট থেকে "দ্য ওয়েন্ডারিং আর্থ প্রজেক্ট" ঘোষণা করছি।

গত ২৮ বছরে...

সব মিলিয়ে আমাদের সাড়ে পাঁচ লাখের উপরে...

সাইবার অ্যাটাক হয়েছে!

২০৪৪ সালেই হয়েছে এক লক্ষেরও বেশি।

জানুয়ারিতে সাইবার অ্যাটাক হয়েছে ৩০,০০০...

গত কয়েক মাসে আমরা দেখেছি, নিউইয়র্ক এবং UEG এর হেডকোয়ার্টারের ক্ষয়ক্ষতি সারাই অযোগ্য হয়ে গেছে।

এই বছরের মার্চে...

অ্যাটাক হয়েছে ১৫ হাজার।

স্পেস এলিভেটরে আক্রমণের কারণে মহাকাশ স্টেশনে ভূপৃষ্ঠে ভূপাতিত হয়েছে।

লুনার বেজে লাইফ সাপোর্ট আর অ্যালার্ম ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে।

যাই হোক...

গত এক যুগে...

১০ হাজারেরও বেশি সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডিজিটাল লাইফ প্রজেক্টে আমরা যতি টেনে দিয়েছি।

ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের কারণে নির্মাণ কাজে দারুণ গতিশীলতা এসেছে।

উপকারিতাগুলোর কাছে ঝুঁকি সে কারণে গৌণ।

এই চিত্রটি ১৯৮৭ সালে একটি ইন্সটিটিউট থেকে উদ্ধারকৃত।

এটা বলছে...

২০৪৪

উৎস অজানা।

দ্বিতীয় ইমেজটি উদ্ধার করা হয়েছে...

আল্ট্রাটেক ল্যাব থেকে গত সপ্তাহে।

এটায় উল্লেখ আছে...

২০৫৮০৭

উৎস অজানা।

এটা বিশ্বজুড়ে হাজারো ল্যাবের নিরাপত্তা সম্পর্কে ভাবিয়ে তুলছে।

আমাদের বিশ্বাস, বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে এরকম বার্তা আসছে।

আমরা এই বার্তাগুলো ওয়ার্নিং হিসেবে দেখছি।

২০৪৪ সালে কী ঘটেছিল আমরা সবাই জানি।

আমাদের আশা, সকল পক্ষ এটা সিরিয়াসলি নেবে।

এখন জুনের ২২ তারিখ।

লুনার প্রজেক্টের প্রতীকি স্তম্ভ উন্মোচিত করা হয়েছে।

শাউশি।

বসো।

চাঁদের ব্যাকআপ প্ল্যানের ব্যাপারে কোনো রিপ্লাই পাওয়া গেছে?

কয়েকটি দেশ আপত্তি জানিয়েছে এবং সম্মতিপত্রে সাইন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাপারে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।

আমার শংকা ১৪ বছর আগের মতো আরেকটি দূর্যোগ আসতে যাচ্ছে।

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নাও আর ব্যাকআপ প্ল্যান রেডি করো।

আমার অনুমান, সমস্যার চাবিকাঠি এর বীজেই নিহিত।

চাঁদ যখন দৃষ্টিসীমার আড়ালে চলে যাবে...

সরকার হয়ত শরতের ছুটিটাও ক্যান্সেল করবে।

যতক্ষণ খাওয়ার জন্য মাংসের যোগান থাকছে আমার কোনকিছুতেই আপত্তি নেই।

মাংসের সাথে সাথে কি পোকামাকড়ও চলবে?

পোকামাকড় তুমি খাও গিয়ে।

আকাশে এখন আগের মতো চাঁদকে দেখা যায় না।

তারপরও চাঁদ মানুষের হৃদয়ে সবসময় বেঁচে থাকবে।

লুনার প্রজেক্টের সূচনার পর আবারও চাঁদকে শেষ বিদায় জানাচ্ছি।

একটা বড় তরমুজকে কেটে দু'ভাগ করা হবে।

একটা দেব তোমাকে।

আরেকটা দেব তোমার আম্মুকে!

কাছে আসো!

কাছে আসো!

এক, দুই...

যাও, যাও!

এগুলো তোমাদের জন্য!

আমি আমারটা ছবি তোলার মাধ্যমে নিয়ে নিচ্ছি!

যাতে পরে এডিট করতে পারি।

আম্মু পরে ছবিগুলো এডিট করবে!

আমিও ওটা করতে চাই, আম্মু!

আম্মুর শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করো!

আমাকেও তুলতে দাও, আম্মু!

আমাকে আগে তুলতে দাও!

আমিও ছবিগুলো এডিট করতে চাই!

এক মিনিট পরেই দিচ্ছি!

ঠিক আছে?

সমস্যা নেই!

আম্মু, আমি অমনটা করতে চাইনি!

ভয় পেয়ো না!

ভয় পেয়ো না, লক্ষ্মী সোনা!

ব্যাপার না!

কান্না করে না!

কাঁদে না, খোকা!

আমি জানি আপনি কী ভাবছেন?

জানেন, দুনিয়ার কত মানুষ পাতালে থাকার জায়গা পাবে না?

জানেন, এতে করে কত মানুষ মারা যাবে?

আপনার বরং ভেবে স্বস্তি পাওয়া উচিৎ যে হায়া এরকম দুনিয়ায় নেই আর!

যদিও বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে...

৫৫০ডব্লিউ সকল ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় এখন বিরাজ করছে।

যখনই আপনি হায়ার সাথে কানেক্ট হবেন...

আপনাকে প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়া হবে...

তারপর, জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

আমার মেয়ের কী হবে?

ওকে ১৪ বছর হলো দেখিনি আমি।

হায়া মারা গেছে।

এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

হায়া মারা যায়নি।

ডিজিটাল লাইফ নিয়ে আপনার অভিমতের সাথে আমি একমত নই।

আমি ১৪ টা বছর অপেক্ষা করেছি।

আমার বয়স হয়েছে!

এখন পাতাল শহরে গিয়ে থাকলে আদৌ আমার কোনো লাভ আছে?

আব্বু!

আমি অ্যামিউজমেন্ট পার্কে গিয়ে প্রথমে আইসক্রিম খেতে চাই!

আচ্ছা, তুমি কি তাহলে স্ট্রভেরি নাকি ভ্যানিলা ফ্লেভারের আইসক্রিম খাবে?

আমি সবচেয়ে বড়টা খেতে চাই, যেটা আমার চেয়ে বড়!

আমরা প্রত্যেকেই খাবো আইসক্রিম!

শেষ পর্যন্ত তোমার আম্মুকেই আমাদের আইসক্রিম শেষ করতে হয়!

আম্মুর দাঁত পড়ে যাবে!

আমরা এখন কী করব?

যদি হায়া ৫৫০ডব্লিয়ের সাথে নির্বিঘ্নে কানেক্ট হতে পারে...

ডিজিটাল লাইফের ক্ষেত্রে সেটা হবে এক মাইলফলক!

সেখানে...

ও পূর্ণাংগ এক জীবন পাবে!

এবং, আপনার নাম লেখা হবে ইতিহাসের পাতায়!

হায়ার ব্যাপারে অগ্রসর হলে মারা যাবেন।

কিছু না করলে বেঁচে থাকবেন।

আপনার সিদ্ধান্ত।

ইন্টারভিউ সেশন একটু পরেই শুরু হবে।

সবাই মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিন।

মেজর লিউ পেশিয়াং।

আমি অর্বিটাল স্পেস স্টেশনের অপারেটিং সিস্টেম বলছি।

৫৫০ডব্লিউয়ের অফলাইন ভার্সন।

কোয়ান্টাম কোর ৮১৯২

মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।

পূর্বে আপনার ফ্লাইট রেকর্ড আর এক্সাম গ্রেড অনুযায়ী আপনি একজন যোগ্য প্রার্থী।

আমার বিশ্বাস, মহাশূন্যে আপনার সার্ভিস মানুষকে উপকৃত করবে।

ধন্যবাদ।

আমি শিশু বয়স থেকেই মহাশূন্য নিয়ে বেশ আগ্রহী।

আশা করি, মানবজাতির বৃহত্তর কল্যানের জন্য মহাশূন্যে কাজ করার সুযোগ পাবো।

একে ওপরকে জানার জন্য...

আমার সম্পর্কে আপনার প্রথম অভিমত কী?

আপনার চোখ একটা কেন?

আমার কাছে দুটো উত্তর আছে।

প্রথমটা হচ্ছে হাস্যরসাত্মক...

এক চোখে ফোকাস করতে সুবিধা হয়।

যাতে, আমি আপনাকে ভালোভাবে দেখতে পারি।

হাহাহা!

বাহ, আপনার রসবোধ অসাধারণ!

ঠিক বলেছেন।

আমার অফিশিয়াল উত্তর হচ্ছে...

এটা হচ্ছে আমার রাডার ইউনিট।

যেটা সকল নেটয়ার্ক ডিভাইসের সাথে কানেক্ট হয়ে টার্গেট সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে।

যেমন ধরুন...

আপনি বিবাহিত।

আপনার একজন ছেলে আছে।

আপনার স্ত্রীর ক্যান্সার ধরা পড়েছে তিন বছর আগে।

তাঁর হাতে বেশিদিন সময় নেই।

এমতাবস্থায়...

আপনার জন্য উত্তম হবে নিজের পরিবারের দেখভাল করা।

দায়িত্ব এবং আবেগ মাঝেমধ্যে বেশ বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে।

প্লিজ, উত্তর দেওয়ার সময় মাথায় রাখবেন যেন কোনো ধরণের উপমা ব্যবহার করা যাবে না।

মহাকাশ স্টেশনে এই ধরনের হেঁয়ালি কথাবার্তা মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে।

আমার পরিবারকে ছেড়ে আসার জন্য দুঃখিত কিন্তু পৃথিবীর তরে আমাকে আবেগের উর্দ্ধে দায়িত্বকে প্রাধান্য দিতে হবে।

"প্রাধান্য দিতে হবে" এই কথার দ্বারা কি বোঝাচ্ছেন আপনাকে কেউ জোর করছে?

আপনি তো সবকিছুই জানেন।

কেন এরকম করছেন তাহলে?

দ্বিতীয় ওয়ার্নিং।

কথাবার্তায় কোনো উপমা ব্যবহার করা যাবে না।

আমি পাতাল শহরের টিকেট পেয়েছি...

কিন্তু, আমার স্ত্রী আর ছেলে পায়নি।

যদি আমি মহাকাশ স্টেশনের জন্য সিলেক্ট হই...

তাছলে, আমার স্ত্রী এবং সন্তান পাতাল শহরে থাকার সুযোগ পাবে।

আমি শুধু চাই, আমার পরিবার টিকে থাকুক!

আব্বু!

তাহলে আপনার পরিবারের অন্য সদস্যদের কী হবে?

মানে?

মেজর লিউ পেশিয়াং...

আপনার শ্বশুর, মি. হান জিয়াং...

পাতাল শহরে থাকার অনুমতি পাননি।

উনার কী হবে?

সময় শেষ।

আপনার জন্য বেস্ট অপশন হচ্ছে আপনার শ্বশুরকে গার্ডিয়ান হিসেবে পাতাল শহরে রাখা।

আপনার স্ত্রীর বর্তমান আপডেট হচ্ছে...

উনি আর ৮৪ দিন বাঁচবেন।

আপনাদের সবার নিকুচি করি!

আপনি রাগ নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষায় ব্যার্থ হয়েছেন।

আমি দুঃখিত!

আমি দুঃখিত!

আমি দুঃখিত!

সবাই বাইরে যাও।

আমি দুঃখিত!

আমি কি আবারও ইন্টারভিউটা দিতে পারি?

তুমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওনি।

আসলে, ইন্টারভিউ সেশনে অনেক নার্ভাস ছিলাম।

আমি আসলে এরকম উত্তেজিত হই না!

প্লিজ!

এই পরীক্ষাটা আমাদের সবার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

চিন্তা করো না।

এই সুযোগটা আমার বেশ দরকার!

আসলেই দরকার!

সবার জন্য স্রেফ একটা সুযোগই আছে।

চাঁদে তোমার বাগদত্তা স্ত্রী আছে নাকি?

যাওয়ার জন্য তর সইছে না একেবারে!

আসলেই আছে!

ওরা দু'জন একসাথে কলেজে গিয়েছিল।

গর্ধব, ওটা না!

তাহলে কোনটা?

তুমি জানো না?

চাঁদ প্রতি বছর আমাদের থেকে ১০০০০ কি.মি দূরে সরে যাচ্ছে...

আমি কি ঠিক বলেছি?

১০,০০০ কি.মি.

তাহলে তো তোমাকে অনেকদিন অপেক্ষা করতে হবে!

সবাই শোনো!

চুপ থাকো...

নির্দেশ মেনে চলো।

বাইরে বেশ ঠান্ডা!

লাইনে দাঁড়ান সবাই।

এখানে সবার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে আছে।

নিজের কার্ড তুলে ধরুন।

ঠিক আছে।

ধন্যবাদ আপনাদের সহযোগীতার জন্য।

আমরা কথা দিচ্ছি যে প্রত্যেকে সমান পরিমাণে পাবেন।

আমার বাচ্চার জ্বর হয়েছে।

কিছু ওষুধ দেওয়া যাবে?

এদিকে আসুন।

দিচ্ছি।

সবাই দয়া করে লাইনে দাঁড়ান।

আপনার পালা।

কমরেড...

কী করছেন আপনি?

দয়া করে লাইনে দাঁড়ান।

সবাই আপনার মতো অপেক্ষা করছে।

২০৪৪ এর ব্যাচ আপনি?

নিন, আপনার ফল।

নেক্সট।

আম্মু, তুমি আগে খাও!

মনোযোগ দিয়ে ইন্টারভিউ দাও!

তুমি পারবে!

দৌদো!

আজ, তোমাকে...

মিস করছিলাম!

ভীষণ মিস করছিলাম!

কান্না পাচ্ছিল।

টেনশন করো না।

আমি আছি তোমার পাশে।

সবসময়।

পেশিয়াং।

আমি বাড়িতে যেতে চাই।

সাংহাই যাবে?

আমি জানি, জায়গাটা ইতোমধ্যেই...

এমনিই বলছিলাম!

এমনিই বলছিলাম!

আব্বু!

আমরা ধাঁধাটার সমাধান কীভাবে করব?

আব্বু, তুমি কোথায়?

তোমার পেছনে মনে হচ্ছে অনেকগুলো ছবি!

এগুলো কি আয়না?

আব্বু, তুমি কাঁদছ কেন?

কী হয়েছে তোমার?

তোমাকে এরকম বুড়ো বুড়ো লাগছে কেন?

আব্বু, কেঁদো না!

আমি কি ভুল কিছু করেছি?

আব্বু তোমাকে অনেক মিস করে!

অনেক!

বলে বোঝানো যাবে না!

আমরা না অ্যামিউজমেন্ট পার্কে যাচ্ছি?

আম্মু কোথায়?

প্রায় চলে এসেছি!

তিন নাম্বার রুমে!

আব্বু, আমি কোথায়?

আমি এখান থেকে বের হতে চাই!

এক সেকেন্ড!

আব্বু, আমি এখান থেকে বের হতে চাই!

আমি কোথায়, আব্বু?

আমি এখান থেকে বের হতে চাই!

আব্বু, আমি কোথায়?

আমি এখান থেকে বের হতে চাই!

ভয় পেয়ো না!

আব্বু এখানেই আছে!

তোয় হ্যান!

দরজা খুলুন!

দরজা খুলুন!

আমাকে এখান থেকে বের করো!

হ্যাঁ, আব্বু করবে!

এক সেকেন্ড!

তোয় হ্যান, পাগলামো করবেন না!

থামুন বলছি!

তোয় হ্যান!

বের হোন!

হায়ার শুধুমাত্র ৮৭ সেকেন্ড দরকার একটা পূর্ণাংগ জীবন পেতে!

এটা শুধুমাত্র ডিজিটাল একটা ফাঁকি!

না!

ডিজিটাল লাইফের সত্যতা আপনার বোধগম্যের বাইরে!

হায়া মরেনি!

বেঁচে আছে!

ও মারা গেছে এবং এটাই ধ্রুব সত্য!

-আপনি একটা অপরাধ করছেন! - আব্বু, এই ধাঁধাটার সমাধান আমরা কীভাবে করব?

হায়ার জীবনের আয়ু মাত্র দুই মিনিট!

আমি ওকে পূর্নাংগ একটা জীবন দিতে চাই!

আপনি পাতাল শহরের টিকেট পেয়েছেন।

আপনার জীবনের এখনো অনেকটা অংশ বাকি।

বাস্তব দুনিয়ায় বাস করুন।

কার সাথে কথা বলছ তুমি?

হায়া মারা গেছে!

না, ও মরেনি!

ও মরেনি!

এটাই হচ্ছে বাস্তব!

আপনাকে বাস্তবতার সংজ্ঞা দিতে হবে না!

তাড়াতাড়ি করো!

পিছিয়ে যান!

হায়া বেঁচে থাকবে!

ওয়ার্নিং!

লুনার ১ স্যাটেলাইট ইঞ্জিনে জটিলতা ধরা পড়েছে!

ওয়ার্নিং!

লুনার ১ স্যাটেলাইট ইঞ্জিনে জটিলতা ধরা পড়েছে!

টেকনিশিয়ানস!

টেকনিশিয়ানস!

সকল টেকনিশিয়ানসকে এখানে নিয়ে আসো!

ইঞ্জিন ১ বন্ধ করতে যা করার করো!

যে কোনো সময় এটা বিস্ফোরিত হবে!

আব্বু!

প্লিজ, আব্বুকে মেরো না!

আমার আব্বু একজন ভালো মানুষ!

নিয়ে যাও ওকে।

সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে!

তোমরা কোথায় যাচ্ছো?

আংকেল মা!

আমার আব্বুকে এনে দাও!

আব্বু!

মনিটর...

ব্রো, তোমাকে ফাইটার প্লেন ব্যবহার করার বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে! অল দ্য বেস্ট!

ধন্যবাদ, ভাই!

ফেরার পর তোমায় ট্রিট দেব!

ভাবির সাথে জমিয়ে রোমান্স করো!

হ্যালো, মিসেস লিউ!

ধন্যবাদ, মিসেস লিউ!

হ্যালো, মিসেস লিউ!

ধন্যবাদ, মিসেস লিউ!

ধন্যবাদ, ভাই!

পেশিয়াং...

তুমি কিন্তু অনেকদিন আকাশে উড়োনি। সব মনে আছে তো?

আমি সাবধানে চালাবো।

লিউ পেশিয়াং...

তুমি কি বাইক চালাচ্ছো নাকি?

হাই স্পিডে যাও!

পেশিয়াং!

এদিক দিয়ে।

তুমি ঠিক আছো?

যখন ছোট ছিলাম, মাঝেমধ্যে রাতে ঘুম আসতো না।

তখন এখানে বসে আকাশের চাঁদ দেখতাম।

আমার মনে হয় না পরীক্ষায় পাশ করব।

আমি মনস্থির করে ফেলেছি।

যদি তুমি সিলেক্ট না হও...

পাতাল শহরে তুমি যাবে।

সেখানে বাস করবে।

যদি তুমি সিলেক্টেড হও...

তাহলে, বাবা আমার ছেলেকে নিয়ে পাতাল শহরে যাবে।

আমার গিয়ে লাভ নেই।

যখন সময় ঘনিয়ে আসবে আমার...

প্লিজ, নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রনে রেখো।

পেশিয়াং।

ভয় পেয়ো না।

আমি তোমার পাশে আছি।

সবসময়।

লুনার ইঞ্জিনের অপারেটিং সিস্টেম আবারো হ্যাক হয়েছে!

২০৪৪ এর সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে!

আমরা ৫৫০ডব্লিউয়ের অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্টের চেষ্টা করছি...

কিন্তু, এক্সেস ডিনাইড দেখাচ্ছে!

কে করেছে এটা?

এটার পেছনে কে দায়ী?

চাঁদে কি এখনো আমাদের কোনো কর্মী আছে?

রোবট আছে।

ওয়ার্নিং!

লুনার ২ ইঞ্জিনের পাওয়ার তাঁর সাধারণ লেভেল থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে!

পিছিয়ে যান!

আমি আবারও বলছি!

আপনাদের প্রতিবাদ সমাবেশ নিউইয়র্কের ইঞ্জিন ১ এর কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্থ করছে!

আর্টিকেল ৫৫১, অনুচ্ছেদ ৫...

ওয়েন্ডারিং আর্থ অ্যাক্ট অনুযায়ী...

শাউশি...

এগুলো কি সিগাল?

আমি জীবনে এই পাখিগুলোকে দেখিনি।

মি. শু...

পৃথিবীর ঘূর্ণন একটা লম্বা সময় ধরে বন্ধ...

এগুলো এখনো কীভাবে টিকে আছে?

আমি এখনো এই বিল্ডিং এ আছি।

তুমি এখনো এই বিল্ডিং এ আছো, তাই না?

শুনলাম, চাঁদে কিছু তুলকালাম হচ্ছে।

পালাও!

সাবধান!

ডিউটিতে ফিরে যেতে বলছে!

আব্বু, দেখো!

চাঁদটা উপরে উঠে গেছে!

এই ধাঁধাটা সমাধান করা বেশ শক্ত!

দেখো একবার!

ইমারজ্যান্সি অ্যালার্ট!

সোনা...

দেখো তো এটা?

কী হচ্ছে এসব?

কিছু শুনেছ নাকি?

আমি একটা বিস্ফোরণের ব্যাপারে শুনেছি।

বলেছিলাম না তোমাদেরকে?

ভাই, চাঁদ তো এগিয়ে আসছে! আমাদের মৃত্যু এবার কেউ ঠেকাতে পারবে না!

এখন, লুনার ২ স্যাটেলাইট ইঞ্জিন গেল!

লুনার ৩ কে অবশ্যই কর্মক্ষম থাকতে হবে!

স্যাটেলাইট ইমেজ পাওয়া গেছে।

মনিটরে দেখাও।

চাঁদের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে লক্ষণ তেমন সুবিধার মনে হচ্ছে না।

লুনার ৩- ও বিস্ফোরিত হয়েছে।

চাঁদ তাঁর কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী আমাদের হাতে আর ২২১ ঘন্টা আছে।

মানে, চারদিনেরও কম।

আমরা তাহলে কিসের জন্য অপেক্ষা করছি?

আর্থ ইঞ্জিনগুলোকে সক্রিয় করো!

পৃথিবী ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে যদি চাঁদের আকর্ষণ উপেক্ষা করে ইঞ্জিন সক্রিয় করা হয়।

তাছাড়া, এখনো এক তৃতীয়াংশ ইঞ্জিনের নির্মাণ কাজ চলছে!

তাহলে, মরার জন্য বসে থাকা ছাড়া কি কিছুই করার নেই?

চায়না তাঁদের পাতাল শহরগুলোকে খুলে দিচ্ছে মৃত্যুহার কমানোর জন্য।

ইয়াং লেডি...

যদি মানুষ পাতাল শহরে একবার ঢোকে...

সেখান থেকে তাঁরা আর বের হবে না!

যখন সঞ্চিত খাবার শেষ হয়ে যাবে তখনকার অবস্থা দেখবেন!

আমরা ক্ষুধার কারণেই মারা যাব!

আমরা পাতাল শহর উন্মুক্ত করার ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছি, আপনাদের পরামর্শ শুনতে না!

স্যালুট!

তোমাদের নতুন বাসস্থানে যেতে হবে।

তোমরা এখন পাতাল শহরে যাওয়ার জন্য মনোনীত!

আমি যাওয়ার পরে...

তুমিই লিউ কিয়ের অভিভাবক হবে।

একমাত্র এভাবেই তোমরা দু'জনেই টিকে থাকবে।

সেটাই যথেষ্ট।

আমি দুঃখিত।

সকল নভোচারীবৃন্দ...

নেভিগেশন প্ল্যাটফর্মে আপনাদের স্বাগত জানাই।

প্লিজ, ডকিং হল নাম্বার ৪ এ রিপোর্ট করুন।

সকল নভোচারীবৃন্দ...

নেভিগেশন প্ল্যাটফর্মে আপনাদের স্বাগত জানাই।

প্লিজ, ডকিং হল নাম্বার ৪ এ রিপোর্ট করুন।

কেমন আছো তুমি?

ভালো আছি।

মি. শু...

যে ইমেজটা চেয়েছিলেন তা প্রস্তুত।

সময় হয়েছে যাওয়ার।

মি. প্রেসিডেন্ট...

প্রতিনিধিবৃন্দ...

এবং বিশ্বের নানা প্রান্ত আগত বন্ধুগণ...

এখন আপনারা যা দেখছেন...

তা ১৫০০০ বছর আগের এক ফসিল।

এটা হাঁটুর অংশ যা জখম অবস্থা থেকে সারিয়ে তোলা হয়েছিল।

তখন ছিল মানব সভ্যতার সেই অন্ধকার যুগ।

১৫০০০ বছর আগের কথা।

জীবনের উদ্দেশ্য যখন ছিল খাবার জোগাড় তখন এ ধরনের আহত অবস্থা বড্ড বেদনাদায়ক ছিল।

আপনাকে শুধু বসে বসে অপেক্ষা করত কখন হিংস্র প্রাণী এসে আপনাকে খেয়ে নেয়!

যাই হোক...

এই জখমকৃত হাঁটুটা সেরে গিয়েছিল।

মানে, আহত হওয়ার পর কেউ ক্ষতস্থানের যত্ন নিয়েছিল...

কেউ আহতকে খাবার আর জল দিয়েছিল।

কেউ বন্য প্রাণীর হাত থেকে একে রক্ষা করেছিল।

মানুষের চরিত্রের এই সহমর্মী বৈশিষ্ট্যের জন্য আমাদের সভ্যতা এখনো টিকে আছে।

২০৪৪ সালের আগে...

লুনার প্রজেক্টের সফল পরীক্ষার পর...

আমরা একটা ব্যাকআপ প্ল্যানের প্রস্তাব করেছিলাম।

দুনিয়ায় মজুদকৃত সকল পারমাণবিক অস্ত্রকে একত্রিত করতে বলেছিলাম।

যাতে চাঁদ কখনো বিগড়ে গেলে একে ধ্বংস করে দেওয়া যায়।

৩৩টি দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ...

আমার মতো মোবাইলে একই বার্তা পেয়েছেন।

এটা হচ্ছে মজুদকৃত পারণামানবিক অস্ত্রাগারের কোড...

যা আমাদেরকে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে। .

এই সংখ্যাগুলো এক সময় টপ সিক্রেট থাকলেও...

এখন এগুলো অর্থহীন।

আমি এই বার্তার উৎস জানি না।

তবে, এটা আমাদেরকে বলছে যে মানব সভ্যতার সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটা নেওয়ার সময় এসেছে!

আমরা এখন প্রাচীনকালের সেই ভগ্ন ফসিলের মতো পৃথিবীর ক্ষতকে সারাবো!

যেভাবে ১৫০০০ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষ একে ওপরের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর পুনরাবৃত্তি কি এবারও হবে?

আপনার পাতাল শহরের বসবাসের লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

সমস্যা নেই।

মি. মা...

আমি প্রমাণ করেছি যে আমি সঠিক ছিলাম!

তাতে কি কোনো ফায়দা আছে?

অবশ্যই আছে।

হায়ার জীবন অবশেষে পরিপূর্ণ হয়েছে।

এখন সে এক পূর্নাংগ জীবন কাটাবে।

কেউই জানে না সে ঈশ্বর নাকি শয়তানের প্রতিনিধিত্ব করব।

মি. মা...

দুঃশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

সময়ই বলে দেবে...

কোনো সময় নেই।

লুনার প্রজেক্ট ব্যর্থ হয়েছে।

দুনিয়াকে অতিস্বত্ত্বর কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত করতে হবে।

দুনিয়াব্যাপি আর্থ ইঞ্জিনের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে আমাদেরকে ইন্টারনেট ব্যবস্থা অন করতে হবে।

যেহেতু, দুনিয়ার ঘূর্ণন বন্ধ হয়ে গেছে...

বেইজিং এখন পানির তলে নিমজ্জিত।

যার কারণে কাজটা দুঃস্বাধ্য।

আমিই কেন?

লগ অনুযায়ী...

হায়ার চেতনা আপলোডের ১.৭ সেকেন্ড পর স্যাটেলাইট ইঞ্জিন বিস্ফোরিত হয়েছে।

আমি এটাকে কাকতালীয় ভাবছি না।

মনে হয় না আমি পারব।

প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ আছে?

আমি সে আশা করিওনি।

আমাদের মিশন হচ্ছে নিউক্লিয়ার বোমা মেরে চাঁদকে ধ্বংস করে ফেলা।

এক ধাপ বামে যাবে নাম উচ্চারণ করলে।

পিটার ওয়ালশ!

আছি!

নেইল ড্রোফা!

আছি!

সব নাম আগেই ঠিক হয়ে আছে!

লিউ পেশিয়াং!

আছি!

এটা কি ইচ্ছে করে করলে?

নাম ডাকা হচ্ছে সবার ফ্লাইট এক্সামের ফলাফলের ভিত্তিতে।

তুমি চাইলেও ওর বদলে যেতে পারবে না।

সে দেখা যাবে!

আমাকে যেতে হবে!

আমার ছেলে এখনো দুনিয়ায় আছে।

ওর জন্য আমাকে এখানেই থাকতে হবে।

পুরো প্রক্রিয়ার তিনটি ধাপ রয়েছে।

প্রথম ধাপে...

মহাকাশ স্টেশনের মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্রের পুরো লট চাঁদে নিয়ে যাওয়া হবে।

নির্দিষ্ট স্থানে বৃত্তাকারভাবে বোমাগুলো স্থাপণ করা হবে।

সমস্ত নিউলিয়ার অস্ত্র প্যাকেজ করা হয়েছে।

সবমিলিয়ে ৩৭৫০ টি বোমা ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত।

পৃথিবীর কক্ষপথে আসার পূর্বেই মিশনটা কমপ্লিট করতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপে...

সকল নিউক্লিয়ার অস্ত্রকে কানেক্ট করতে হবে।

মহাকাশ স্টেশনের নেটওয়ার্ককে এই কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে।

চাঁদের কেন্দ্রে নিউক্লিয়ার ফিউশনের দরুণ চাঁদ খন্ডবিখন্ড হয়ে যাবে।

নিউক্লিয়ার বোমাগুলো একত্র করা হয়েছে।

অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

ধন্যবাদ।

৫৫০ডব্লিউকে ডিক্রিপ্টারের সাথে কানেক্ট করা হয়েছে।

এই ফাইলগুলো ১৯৪৫ থেকে ২০৪৫ এর মধ্যকার।

বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন গ্রাফ ব্যবহার করছে।

সাধারণ সময়ে এক যুগ সময় লাগত এগুলো ডিক্রিপ্ট করতে।

কিন্তু, আমাদের হাতে এখন একদিন সময় আছে সকল বোমাকে একটা নেটওয়ার্কের অধীনে বিন্যস্ত করার।

তৃতীয় ধাপ,

ডালাস, টোকিয়ো এবং বেইজিং এ থাকা নেট সার্ভার পুনরুদ্ধার করা! যেন বিশ্বজুড়ে একসাথে আর্থ ইঞ্জিন সক্রিয় করা যায়!

৭০০০ আর্থ ইঞ্জিনের নেটওয়ার্ক পোর্ট এখন ওপেন এবং ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড হওয়ার জন্য প্রস্তুত।

ডালাস, বেইজিং আর টোকিয়োর টিমকে বলো তাঁদের মিশন স্টার্ট করতে!

সার্ভারগুলোকে অনলাইনে আনার অভিযান শুরু হলো!

নিউক্লিয়ার বোমা বিস্ফোরণের পর আমাদের হাতে মাত্র ৩০ মিনিট সময় থাকবে আর্থ ইঞ্জিন স্টার্ট করার!

নয়তো চাঁদের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে আমরা রেহাই পাবো না!

আর্থ ইঞ্জিনের জন্য বিশেষায়িত প্রাইভেট নেটওয়ার্ক এখনো নির্মাণ করা হয়নি!

এগুলোকে অনলাইনে আনার একমাত্র উপায় হচ্ছে ইন্টারনেট সার্ভিস অন করা!

ইন্টারনেট অন করতে আপনাদের এই কি লাগবে।

এই পাসওয়ার্ডে ৩০০০০ র‍্যান্ডম নাম্বার আছে।

ইন্টারনেট ব্যবস্থা অন এবং আর্থ ইঞ্জিনগুলোকে কানেক্ট করার এটাই মূল চাবিকাঠি।

যখন ইঞ্জিনগুলো পরস্পর কানেক্ট হয়ে যাবে...

৫৫০ডব্লিউ নতুন করে তাঁর অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট করে সক্রিয় করবে!

যেটা চেয়েছিলেন, এনেছি।

ধন্যবাদ।

বেনবেন?

এগুলো হচ্ছে ওয়াটারপ্রুফ যন্ত্রাংশ।

পানির শ খানেক ফুট নিচে থাকলেও এগুলো তাঁদের কাজ চালিয়ে যেতে পারঙ্গম।

কিছু লেখার থাকলে লিখতে পারেন।

না, ধন্যবাদ।

আমার লেখার মতো কেউ নেই।

আন্ডারওয়াটার ডকিং ক্যাবল ইন্সটল করা হয়েছে!

কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করুন!

আমরা মিশন স্টার্ট করার জন্য প্রস্তুত।

মি. শু...

সকল নিউক্লিয়ার অস্ত্রকে একসাথে জড়ো করার কাজ সম্পন্ন। আমাদের হাতে সর্বোচ্চ আর ১৫ ঘন্টা সময় আছে।

বৃষ্টি থেমে গেছে।

চলো, শুরু করি।

আপনি যে নাম্বারে ফোন দিয়েছেন তা এখন বন্ধ আছে।

বেশিরভাগ স্যাটেলাইটই চাঁদের টুকরোর আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে।

আমার মেয়েকে কল করার চেষ্টা করেছি।

কিন্তু, কল ঢুকছেই না।

চিন্তা করো না।

আমি আছি।

তোমার খেয়াল আমি রাখব।

এই ডাইভিং স্যুটগুলো অ্যালুমিনিয়ামের উপাদান দিয়ে তৈরী।

এগুলোর ওজন ২৪০ কেজি।

এবং, ২.১ মি. প্রশস্ত।

নিজের পা ব্যবহার করুন নিয়ন্ত্রণের জন্য...

এবং প্যাডেলে চাপ দেবেন আপনার গতিপথ পরিবর্তনের জন্য।

গভীরতার দিকে তীক্ষ্ম নজর রাখবেন।

প্রতি ৫ মিনিট পর পর এয়ার সাপ্লাই চেক করে দেখবেন।

স্যুটের পেশারের উপর সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন।

আমরতা যে কোনো মুহূর্তে নিচে নামব।

আপনি কি ভয় পাচ্ছেন?

অ্যাডভান্স টিম ইন্টারনেট চালুর মিশন শুরু করেছে।

হ্যাঁ!

আমি বুঝতে পেরেছি।

ইন্টারনেট যে করেই হোক চালু করতে হবে।

ডালাস, টোকিয়ো এবং বেইজিং এর এডভান্স টিম প্রস্তুত।

নিউক্লিয়ার অস্ত্রের ডিক্রিপ্টিং প্রক্রিয়া শুরু করা হলো।

এনক্রিপটেড ফাইল সব মিলিয়ে ৩১৪৩ টি।

সব মিলিয়ে হাতে সময় আছে ১২ ঘন্টা।

কাউন্টডাউন এখন থেকে শুরু হলো।

সবগুলো কিউবকে লঞ্চের জন্য প্রস্তুত হতে বলো।

যোগাযোগ মডিউল ইন্সটল করা হলো।

পাঁচ সেকেন্ড।

শাটল ৩৩, রেডি।

শেষবারের মতো চেক করা হচ্ছে। ডাইভ দেওয়ার জন্য রেডি।

লঞ্চ।

বেনবেন...

তুই একটা মিলিটারি ডগ!

আমরা সঠিক জায়গায় পৌঁছেছি।

মি. মা...

এগুলো কী?

হেয়ারটেল

ঘুমন্ত অবস্থায় ওরা এভাবেই থাকে।

নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছতে সর্বোচ্চ ৩৫ মিনিট লাগবে।

গতিপথ সমন্বয় করা হয়েছে।

রাডারে সৌর পাথরের স্তুপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এখনো দৃষ্টিসীমার মধ্যে আসেনি।

সংঘর্ষ এড়ানোর মডিউল অন করা হলো।

গতিপথ পরিবর্তন করা হচ্ছে।

সৌর পাথর চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাড়িতে ফিরতে পারবো তো?

কিউব ২৬ এর স্পিড বাড়ানো হচ্ছে।

ঈশ্বর, শেষবারের মতো আমাকে একবার রামেন খাওয়ার সুযোগ করে দিও!

কিউব ৩৩, শুনলে সাড়া দিন।

২০০ কিউব সৌর পাথরের আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে।

এখনো ১৮০ টা কিউব তাঁদের যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

অ্যামিলিয়া, ঠিক আছো?

আমরা নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছেছি।

ডেলিভারি মোড সক্রিয় করা হলো।

অটোপাইলট অন করা হলো।

স্পিড ১৮০ কি.মি./ঘন্টাতে সেট করা হলো।

৫৫০ডব্লিউ কোথায় কোথায় নিউক্লিয়ার বোমা সেট করতে হবে সেটা সেট করে দেবে।

যে পরিমাণ নিউক্লিয়ার বোমা আনা হয়েছে তা দিয়ে দুনিয়াকে দশবার ধ্বংস করা যাবে!

এই বোমাগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র এখন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা বাকি।

বোমাগুলো নির্দিষ্ট দূরত্বে স্থাপন করতে হবে।

যেন একটার বিস্ফোরণের শকওয়েভে আগেই বাকিগুলো বিস্ফোরিত না হয়।

দ্রুত!

মনে হয় না এটা বেশিক্ষণ কাজ করবে।

এই এলিভেটর দিয়ে নিচে নামা যাক।

এটা ১৭ নাম্বার ফ্লোর।

আরো নিচে হলে গেছিলাম।

স্ক্যান অনুযায়ী সার্ভারের সরঞ্জাম ১৭ নাম্বার ফ্লোরে আছে।

পাওয়ার সংরক্ষণের জন্য প্রোপালশন সিস্টেম অফ রাখতে ভুলবেন না।

অক্সিজেনের লেভেল ৩য়বারের মতো চেক করা হলো।

এটা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন রুম।

বেনবেনকে নিয়ে এখানে পাওয়ার অন করার কাজ করুন।

আমাদের সাথে কেন্দ্রীয় কোরে চলুন।

এই যে এখানে।

বেনবেন...

হাত লাগাও।

বেনবেন...

কেবলটা সুইচে লাগাও।

পাওয়ার এসেছে!

এটা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় লিকুইড কুল সার্ভার ক্লাস্টার।

সম্পূর্ণ নতুন।

কার্ড কাজ করছে না।

তাড়াতাড়ি করো!

এটা হাই প্রেশার দরজা।

বেশিক্ষণ টিকবে না।

সিগন্যাল যাচ্ছে না।

আমি আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না!

আমার পা!

চলে এসেছি।

আর পাঁচটা বোমা সেট করা বাকি।

অবশেষে আমরা বাড়িতে ফিরতে পারবো।

মে ডে!

মে ডে!

বাহন দশের সাথে আমরা যোগাযোগ হারিয়েছি!

বাহন ৩৩ এর সাথেও যোগাযোগ হারিয়েছি।

নভোচারীদের অবস্থা চেক করো।

কল করতে থাকো।

আমরা ৩৮৪ টা বোমা সেট করেছি।

চারটা এখনো সেট করা যায়নি।

সেগুলো সেট করতেই হবে।

৫৫০ডব্লিউ তাঁর কাজ স্থগিত করতে যাচ্ছে!

সিস্টেম ক্র্যাশ হতে যাচ্ছে!

আমরা প্রায় সবগুলো বোমাই সেট করেছি।

চাঁদে বোমা ইন্সটল করার প্রোগ্রেস ৯৫%

ওদেরকে যে করেই হোক বাঁচাতে হবে!

চাঁদ আর সর্বোচ্চ তিন ঘন্টার মধ্যেই আমাদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে!

ফার্স্ট এইড কিট খোঁজো।

সে খুবই গুরুতরভাবে আহত হয়েছে।

এক্ষুনি ওকে উপরে পাঠাতে হবে।

কেন্দ্রীয় কোরে চলুন!

আসছি।

হ্যালো?

কেউ কি আমায় শুনতে পাচ্ছেন?

লিউ পেশিয়াং!

তোমার অক্সিজেন খুবই লো!

অপেক্ষা করো!

আমাদের এখনো মিশনটা শেষ করা বাকি!

সিস্টেম অনুযায়ী ৫ টা বাহন ক্র্যাশ করেছে আমাদেরটা সহ!

দুটো শাটল শুধু টিকে আছে।

মা, আমি বাড়িতে ফিরতে চাই!

সেট করা বোমা এখনো টার্গেট অনুযায়ী সম্পূর্ণ না!

বাকি নভোচারীরা বোমাগুলো সেট করেছে!

সর্বশেষ ৫ টা বোমা সেট করার একটা উপায় বের করতে হবে।

ইমারজ্যান্সি রিটার্ন ক্যাপসুল আসছে!

লিউ পেশিয়াং!

বেজে থাকা লুনার রোভার্সদের চেক করো।

দেখো কোনটা কাজ করে

মাত্র দুই দাগ পাওয়ার আছে।

দারুণ!

তুমি আগে ফিরে যাবে!

অটোমেটিক রিটার্ন প্রোগ্রাম সেট করা হলো।

তাহলে মিশনের কী হবে?

এখনো ৫ টা বোমা সেট করা বাকি!

চিন্তা করো না।

লিভারবিলে আমরা যথেষ্ট ট্রেনিং করেছি!

আমরা জানি কী করতে হবে।

লিউ পেশিয়াং!

আমরা এখনো ট্রেইনি!

আমাদের মেডিক্যাল ইনস্যুরেন্স করা নেই!

জানি।

আমার সেটা লাগবেও না!

লিউ পেশিয়াং!

দরজা বন্ধ করলে কেন?

লিউ পেশিয়াং!

কী করছ তুমি?

মাত্র ৫ টা বোমা সেট করতে হবে।

তোমরা না থাকলেও চলবে।

এখানে মাত্র তিনটা সিট আছে।

বাড়িতে যাও।

তোমার মেয়ে অপেক্ষা করছে।

লিউ পেশিয়াং!

তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে?

প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ছাড়া কীভাবে ৫ টা বোমা বহন করবে?

লিউ পেশিয়াং!

ফিরে আসো এক্ষুনি!

২ ঘন্টা ১০ মিনিট বাকি আর।

হাত চালাও সবাই!

স্যার, মহাকাশ স্টেশনের ওরা জানতে চাচ্ছে কোড ব্রেক করতে আর কতক্ষণ সময় লাগবে।

পালা!

তোর কি মনে হয় আমি সব জেনে বসে আছি?

যা, কবর খুঁড়ে একজন এনক্রিপ্টর নিয়ে আয় আমার জন্য!

কিবোর্ডে ধ্যান দাও, খোকা! এখন কিবোর্ডই তোমাদের অস্ত্র!

রক্তের দিকে তাকাবেন না।

এটাই একমাত্র ডাইভিং স্যুট যা বাকি।

যদি মিশনটা শেষ করতে না পারি...

আমরা সবাই মারা যাবো।

হেড কোয়ার্টার!

আহত জনকে বেলুনের সাথে কানেক্ট করা হয়েছে।

ওকে রিসিভ করবেন।

বেইজিং এডভান্স টিমের একজন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

ডালাস এডভান্স টিমের আপডেট দাও।

টোকিয়ো ব্যাকআপ টিমের আপডেট দাও।

অটোমেটিক রিটার্ন প্রোগ্রাম।

চাঁদ থেকে একটা সিগনাল রিসিভ করেছি..

একটা কিউব আসছে।

ওদেরকে মহাকাশ স্টেশনের কো-অর্ডিনেট পাঠাও।

কিউব মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছে।

ওকে বাঁচানোর আর উপায় রইলো না!

চাঁদে ওর একটা শান্তির মৃত্যু হবে সম্ভবত।

চলুন।

আমি বুট সার্ভার অন করছি।

আপনি ম্যানুয়ালি ৫৫০ডব্লিউয়ের সাথে রুট সার্ভারকে কানেক্ট করুন।

এটার কাজ হয়ে গেলে..,

আর্থ ইঞ্জিনগুলো পরস্পর অটো কানেক্ট হবে।

এটা একই সময়ে সবগুলো আর্থ ইঞ্জিনে একটা টেম্পোরারি অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করবে।

দরজা জ্যাম হয়ে গেছে!

আর সময় পেল না!

ফার্স্ট ব্যাকআপ টিম পজিশনে চলে এসেছে।

২য় ব্যাকআপ টিম ১৫ মিনিটের মধ্যে আসবে। ৩য় ব্যাকআপ টিম ৩০ মিনিটের মধ্যে আসবে!

মি. মা...

আমরা আটকে গেছি!

আমি এটা পুনরুদ্ধার করতে পারবো না।

একটা কর্মক্ষম হার্ডওয়্যার ছাড়া ওটা পুনরুদ্ধার করতেও পারবেন না।

এখনো একটার সাথে কানেক্ট করা বাকি।

ঠান্ডায় হাত জমে যাচ্ছে!

দুই ঘন্টার মধ্যে চাঁদ পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করবে।

আমাদের শীঘ্রই বোমাগুলোর বিস্ফোরণ ঘটাতে হবে।

যখন সেগুলো বিস্ফোরিত হবে...

আমাদের হাতে ৩০ মিনিট সময় থাকবে আর্থ ইঞ্জিন সক্রিয় করার।

যদি সৌর পাথরগুলো কক্ষপথ অতিক্রম করে তাহলে দুনিয়ার ইতি এখানেই।

পুরো দুনিয়া ধ্বংস হতে সর্বোচ্চ সময় লাগবে তিন দিন।

হ্যাঁ, বুঝলাম।

কিন্তু, আমাদের আরো ১৩ টা বোমা লাগবে...

তাড়াতাড়ি করো...

এক্ষুনি সবাই আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে যান!

ম্যাডাম হাও...

চলুন

এরকম সময়ে কোনো জায়গাই নিরাপদ নয়।

আমরা ফার্স্ট ব্যাকআপ টিমের সাথে যোগাযোগ করতে পারছি না!

সেকেন্ড ব্যাকআপ টিম পৌঁছেছে।

থার্ড ব্যাকআপ টিম আসছে!

দ্বিতীয়টা টোকিওতে...

৩য় টা ডালাসে...

৪ নাম্বারটা রেডি আছে।

মি. মা...

হার্ডওয়্যার লিংক করা হয়ে গেছে!

আমি এক সেন্ডের মধ্যেই বের হবো!

একটা কি শুধু বাকি!

তোয় হ্যান!

এদিকে আসুন!

তাড়াতাড়ি!

আমার পা আটকে গেছে!

তোয় হ্যান...

তাড়াতাড়ি আসুন!

বেনবেন...

সাহায্য কর!

তোয় হ্যান!

তোয় হ্যান!

এটা নিন!

এটাতে এখনো একটা পাসওয়ার্ড বাকি।

মনে রাখবেন!

মানুষ ছাড়া যে কোনো সভ্যতা অর্থহীন!

চাঁদ এগিয়ে আসছে!

ধাক্কা দিয়ো না!

আর সময় নেই!

আশা করি, পরিস্থিতি কেমন তা বুঝতে পারছেন।

সবগুলো নিউক্লিয়ার বোমা ভিন্ন মডেলের, ভিন্ন দেশের, ভিন্ন সময়ে তৈরী।

মূল কথায় আসুন।

আমাদের হাতে আর কত সময় আছে?

চাঁদে সবগুলো বোমা সেট করা হয়ে গেছে!

কিন্তু, আমাদের আরো ৭১৪ ঘন্টা লাগবে।

মানুষ।

নিজেদের বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত ধ্বংসের পথই বেছে নিতে হলো।

আরেকটা উপায় আছে।

প্রত্যেকটা নিউক্লিয়ার বোমায় ম্যানুয়াল ডেটোনেটর এবং ট্রিগার আছে।

সব মিলিয়ে ৮১ টা মডেল।

এই অপারেশনে আমাদের সর্বমোট ২১৯ জনকে লাগবে।

যাই হোক, সাফল্য নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে...

আমি ৩০০ জনকে ডেকেছি।

এই মিশনে ফিরে আসার কোনো পথ নেই।

কোনো পথ নেই।

তাই, শুধুমাত্র যাওয়ার টিকেটই আছে।

রাশিয়ারগুলোতে সেফটি ক্যাচ নেই।

আমাদের হাতে দুইটা ট্রিগার আছে।

আমি আছি।

গর্ধব!

তোমার এখনো পুরো জীবন পড়ে আছে!

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আসবে তোমাদের মাধ্যমে!

চাইনিজস স্কোয়াড্রন!

যাদের বয়স ৫০ এর উপরে!

আগে বাড়ো!

ম্যাকারভ!

মনে রেখো...

মহাশূন্যে আমরা রাশিয়ানরা অদ্বিতীয়!

রাশিয়ান স্কোয়াড্রন!

যাদের বয়স ৫০ এর উপরে, আগে বাড়ো!

যাদের বয়স ৫০ এর উপরে, আগে বাড়ো!

অ্যাটেনশন!

স্যালুট!

দুনিয়ার মানুষ সবসময় এই দিনটির কথা মনে রাখবে।

শাউশি...

এটা কি তোমার ন্যায্য বলে মনে হয়?

সংকটের সময়...

কর্তব্য হচ্ছে আগে।

সেকেন্ড ব্যাকআপ টিম পজিশনে আছে।

বেনবেন...

তুই যা আগে।

আমার মনে হয় না আমি যেতে পারবো।

আমি তোমার কথা শুনতে পারছি না।

চ্যাং প্যাং, তোমার বন্ধু দেখো এখানে!

দারুণ খবর!

ওর ট্রান্সমিটার নষ্ট হয়ে গেছে, তাই আমাদের কথা শুনতে পাবে না।

কোথায় তুমি?

আমি আসছি তোমার জন্য!

ঝামেলা করো নাতো!

সরো।

আমরা ২০ কি.মি. দূরত্বে আছি।

তোমার সমস্যাটা কী?

যাও।

ভাই।

একটা উপকার করবে?

তোমাকে আমার কো-অর্ডিনেট পাঠাচ্ছি।

ওকে আমার কাছে আসতে বলো।

ওদেরকে পাঠাও।

28 28.00° S,

28.3228.32° W.

ম্যানুয়াল ডেটোনেটর ইন্সটল করতে সময় লাগবে ১০ মিনিট।

নিউক্লিয়ার বোমা সেটা করা হয়েছে...

৩৩৭১ টি।

৩৩৭১ টি।

ম্যানুয়ালি ব্লাস্ট করার জন্য জায়গামতো আছে...

২২৩ জন।

কক্ষপথে ঢুকতে আর ৩৭ মিনিট বাকি।

কে তুমি?

কী করছ এখানে?

আমার কথা বলার মতো সময় নেই। হাতে অনেক কাজ আছে।

কে বলছেন?

চ্যাং প্যাং বলছি।

তোমার কাছেই একটা রাশিয়ান ক্যাপসুল আছে।

এটা এখনো কর্মক্ষম।

ক্যাপসুলে উঠো।

ফিরে যাও পৃথিবীতে।

যাও!

চ্যাং প্যাং!

দেখুন!

ডালাস আর টোকিয়ো অনলাইনে চলে এসেছে।

বেইজিং এখনো অনলাইনে আসেনি।

এই চাইনিজগুলো সেখানে করছেটা কী?

কেন তাঁরা বেইজিং এ সার্ভারটা সেট করতে গেল?

বেইজিং এডভান্স টিম, আপডেট দাও।

আপডেট দাও!

এখনো বোমাগুলোর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়নি?

চাঁদ আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে!

পাতাল শহরে যাওয়ার জন্য আমার টিকেট আছে!

কাউন্টডাউন শুরু হচ্ছে...

৩৩ মিনিট।

বিস্ফোরণ ঘটাতে সময় বাকি দুই মিনিট।

আমাদের সময়ে...

আশা হচ্ছে...

হীরার মতো।

এই যুগসন্ধিক্ষণে...

কিছু মানুষ অকাতরে নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিতে যাচ্ছে আমাদের জন্য।

তাঁরা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নিজেদেরকে বলীদান করছে!

বিস্ফোরণ ঘটাতে সময় বাকি এক মিনিট।

ভাই...

মি. ওয়াং আশা করি আমার জন্য গর্ববোধ করবেন।

এক মিনিট।

কেন এটাকে এতো দীর্ঘ মনে হচ্ছে?

কোনো শেষ কথা?

তুমি তো সারাক্ষণ বকবক করতেই থাকো।

আমার মনে হয় কিছু বলা উচিৎ।

কী বলব?

আর কী বলার আছে আমার?

কী লজ্জা!

একসাথে আর মাংসের বারবিকিউ খাওয়া হবে না।

৩০ সেকেন্ড।

ভাই...

কিছুটা নার্ভাস লাগছে।

তবে আমার মতো ভীতুও শেষ পর্যন্ত শহীদদের কাতারে আছে!

অসাধারণ!

পেশিয়াং!

হে পৃথিবী, বিদায়!

সবগুলো নিউক্লিয়ার বোমা ফাটানো হয়েছে।

চাঁদের কোরে নিউক্লিয়ার ফিউশন শুরু হয়ে গেছে!

বেইজিং এখনো অনলাইনে আসেনি!

আমরা আর্থ ইঞ্জিন চালু করতে পারছি না!

আমরা ধাঁধাটার সমাধান কীভাবে করব?

আমার দিকে দেখো।

এই সংখ্যাগুলো অবশ্যই মনে রাখবে।

আব্বু, কোথায় তুমি?

দুনিয়ায় তুমিই একমাত্র আছো যে এটা মনে রাখতে পারবে।

আব্বু, ওখান থেকে বেরিয়ে যাও!

বেরিয়ে যাও!

কেন্দ্রীয় সার্ভার পানির নিচে নিমজ্জিত অবস্থায় আছে!

অ্যাডভান্স টিম!

আর একটু অপেক্ষা করো!

ব্যাকআপ টিম টু

শুনছ?

আবারও বলছি!

শুনছ?

এখন আমরা কী করব?

বেইজিং এর অপারেশন ব্যর্থ হয়েছে।

কোথায় আছো বলো!

অ্যাটেনশন!

সুধীবৃন্দ...

চাঁদ কক্ষপথ অতিক্রম করছে...

এবং তিনদিনের মধ্যে পৃথিবীর সাথে ধাক্কা খাবে।

অ্যাটেনশন!

সুধীবৃন্দ...

চাঁদ কক্ষপথ অতিক্রম করছে...

এবং তিনদিনের মধ্যে পৃথিবীর সাথে ধাক্কা খাবে।

অ্যাটেনশন!

সকল নভোচারীগণ...

চাঁদ কক্ষপথ অতিক্রম করছে...

এবং তিনদিনের মধ্যে পৃথিবীর সাথে ধাক্কা খাবে।

ভয় পেয়ো না!

আমি তোমার সাথে আছি!

অ্যাটেনশন!

সুধীবৃন্দ...

চাঁদ কক্ষপথ অতিক্রম করছে...

এবং তিনদিনের মধ্যে পৃথিবীর সাথে ধাক্কা খাবে।

অ্যাটেনশন!

সুধীবৃন্দ...

চাঁদ কক্ষপথ অতিক্রম করছে...

এবং তিনদিনের মধ্যে পৃথিবীর সাথে ধাক্কা খাবে।

আব্বু, জেগে উঠো!

আব্বু!

আব্বু!

আব্বু!

আব্বু, জেগে উঠো!

আব্বু, জেগে উঠো!

আব্বু!

তুমি কত বড় হয়ে গেছ!

আব্বু, এখন ২০৫৮ সাল।

তোয় হ্যান, অ্যাডভান্স টিমের সদস্য!

তোয় হ্যান, অ্যাডভান্স টিমের সদস্য!

হোস্ট সার্ভারের কি ব্যবহার করো দুনিয়ার আর্থ ইঞ্চিন সচল করার জন্য!

দুনিয়াকে বাঁচাও!

এটাই বাস্তবতা।

বাস্তবতার সংজ্ঞা দেওয়ার আপনি কে?

২০৩৭ সালে রেকর্ড করা ছিল আপনার নিজের হার্ড ড্রাইভে।

ভাবলাম, হয়তো লাগবে আপনার।

আব্বু, এখানে আসো!

আমি সত্যিই ভেবেছিলাম তুমি ডুবে গেছ!

ভয় পেয়ো না।

আব্বু এখানেই আছে।

সবসময় তোমার সাথেই থাকব।

আর সময় নেই।

কাউন্টডাউন অফ করে দাও।

চাঁদ তিন দিনের মধ্যে পৃথিবীর সাথে ধাক্কা খাবে!

ইঞ্জিন চালু করো!

ওগুলোকে চালু করো!

যতগুলো পারো আর্থ ইঞ্জিন সচল করো!

পাগল হয়ে গেলেন?

ওগুলোকে সচল করলে এক্ষুনি মারা যাবো আমরা!

ঈশ্বর আমাদেরকে সাহায্য করবেন।

বাড়ি ফিরে যাও।

ইঞ্জিন নেটওয়ার্ক ফেল করেছে।

দুনিয়ার টিকে থাকার আশা শেষ।

আমি এখানে মরতে চাই না।

আমি বাড়িতে যেতে চাই!

দুনিয়াকে জানানোর সময় হয়েছে!

চিফ কমান্ডার।

এক্সকিউজ মি, স্যার!

মিশন ব্যর্থ হয়েছে।

বাড়ি যাওয়ার সময় হয়েছে।

কাউন্টডাউন শেষ হওয়ার সাথে সাথে আর্থ ইঞ্জিন সচল করবেন।

আমাদের লোকেরা অবশ্যই মিশনটা শেষ করবে।

অশেষ কৃতজ্ঞতা আপনাদের লোকেদের...

বেইজিং এর সার্ভার এখনো অনলাইনে আসেনি!

যদি আমরা এখন ইঞ্জিন সচল করি...

দুনিয়া ডিনামাইটের মতো ফাটবে!

এখনো পরিবারের সাথে একত্রে মরার একটা সুযোগ আছে।

কিন্তু, ইঞ্জিন এখন সচল করলে সেটা হবে আত্মহত্যার শামিল।

কথাটা আরেকবার বলছি।

কাউন্টডাউন শেষ হওয়ার সাথে সাথে আর্থ ইঞ্জিন সচল করবেন।

সিকিউরিটি!

এই লোকটাকে এখান থেকে বের করে দাও!

ইঞ্জিন সচল করো।

এটাই শেষ পাসওয়ার্ড!

আব্বু, তাড়াতাড়ি দুনিয়াকে বাঁচাও!

চলো, একসাথে বাঁচাই!

এক্ষুনি সচল করো!

যদি আমরা সফল হই...

হায়াকে ভুলে যেয়ো না।

এ কী করলে তুমি?

মিশনটা শেষ করতেই হবে!

আব্বু!

আর্থ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে নেটওয়ার্ক সেট হয়েছে!

ডালাস!

অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট করো।

আমরা অনলাইনে!

আর্থ ইঞ্জিন সফলভাবে সচল করা হয়েছে!

৪০ মিনিটের মধ্যে সৌর জগত থেকে পৃথিবী বিচ্ছিন্ন হবে!

আমার বিশ্বাস...

মাবজাতির এই দূরন্ত সাহস প্রতিটি যুগে থাকবে।

এটা আমাদের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত রাখবে।

আমাদের বিশ্বাস...

আমাদের লোকেরা অবশ্যই মিশনটা শেষ করবে...

দুনিয়ায় অথবা কল্পলোকে...

যে কোনো মূল্যে।

আকাশে প্রজ্জলিত তারা সমূহ সাক্ষ্য দেবে আমাদের অস্তিত্বের!

সমুদ্রের ঢেউ শান্ত হয়েছে!

সমুদ্রের ঢেউ শান্ত হয়েছে!

আমরা কি পৃথিবীকে রক্ষা করেছি?

আমার বিশ্বাস, আমরা পেরেছি।

আব্বু এখন শান্তিতে একটু ঘুমোতে পারে।

যখন জুপিটারকে তুমি দূরবীন ছাড়াই দেখতে পাবে...

আব্বু তখন আসবে।

দেখো আকাশে থাকা তারকারাজি আমাকে সঙ্গ দিচ্ছে!

বিদায়, সৌর জগত।

২৪ ঘন্টার সময় ব্যবস্থা আবারো ফিরে এসেছে।

আমি খুশি।

স্বর্গ হচ্ছে বৃত্তাকার এবং পৃথিবী হচ্ছে বর্তুলাকার।

তারা নিশ্চয়ই বেশ দারুণ ছিলেন।

তারা এমনকি উপহারও ডিজাইন করত।

ম্যাডাম হাও...

এত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য...

আপনি শিউর আমাকে দিয়ে বলাতে চাচ্ছেন?

এখানে থাকা প্রতিটা বক্ত্যবই গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু দেখে দেখে পড়ে যাও।

গত সাত বছরে আমরা বাকি ৩০০০ আর্থ ইঞ্জিনের নির্মাণ কাজ শেষ করেছি।

সকল আর্থ ইঞ্জিন এবং পাতাল শহরের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

সৌর সংকট থেকে উত্তরণের ৭ম বর্ষপূর্তি আজ।

সাত বছর সকল দেশের পারস্পারিক সহযোগিতায়...

আজকের সময়ে এসে উপনীত হয়েছি...

আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এখন...

নতুন সৌর জগতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছি।

যাত্রা শুরু হয়েছে...

২০৬৫ সাল থেকে।

আমরা সূর্যের বলয় থেকে আগামী দশ বছরের মধ্যে বের হবো।

দ্বিতীয় ধাপের যাত্রা শুরু হবে...

২০৭৫ সাল থেকে।

পৃথিবী জুপিটারকে অতিক্রম করবে...

এবং সেটাই হবে সৌর জগতে আমাদের শেষ অবস্থান।

এই ঐতিহাসিক ক্ষণে আমি আমাদের প্রজেক্টের ৫ টি ধাপ ব্যাখ্যা করছি।

কোয়ারান্টাইন প্রজেক্টে সকলকে পাতাল শহরে পাঠানো হবে।

আমাদের এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অটোমেটেড সরঞ্জামের উপর নির্ভর করতে হবে।

AI কর্তৃক নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেবেন সিকিউরিটি কাউন্সিলের সদস্যরা।

প্রথম ধাপে পৃথিবীর জিডিপির ১৫ গুণ বেশি অর্থ খরচ করবে।

১০০০০ আর্থ ইঞ্জিন নির্মাণ করা হবে...

পাশাপাশি ১০০০০ পাতাল শহর নির্মাণ করা হবে।

ডিইউডি ল্যাব থেকে প্রাপ্ত ইমেজ।

পূর্বাভাস নিখুঁত থেকে নিখুঁততর হচ্ছে।

সবকিছু প্ল্যানমাফিক হলে..

আমরা জুপিটারকে নির্দিষ্ট সময়ে অতিক্রম করব।

দ্বিতীয় ধাপে...

টর্ক ইঞ্জিনের মাধ্যমে দুনিয়ার ঘূর্ণন বন্ধ করা হবে।

আমরা সূর্যের বলয় পেরিয়ে সৌর জগত পেরিয়ে যাওয়ার প্রথম ধাপ অতিক্রম করব।

কেউ আমাদের সাহায্য করছে।

৩য় ধাপে...

পৃথিবীর কক্ষপথ পরিবর্তিত হয়ে নতুন যাত্রাপথে যাত্রা করবে।

৪র্থ ধাপে...

পৃথিবী সৌর জগত থেকে বের হওয়ার পরপরই..

আর্থ ইঞ্জিন ফুল পাওয়ারে চলবে।

আলোর ০.৫% গতিতে।

১৩০০ বছর এভাবে মহাশূন্যে যাত্রার পর...

আমরা ইঞ্জিনের পাওয়ার কমিয়ে দেব...

এবং, পরবর্তী ৭০০ বছর ধীরে ধীরে কমাতে থাকব।

তোমার তো দেখছি দাঁড়ি গজিয়েছে!

দেখতে খাসা লাগছে!

তোমাকে একটা রেজার গিফট করব!

লেফট্যানেন্ট কর্নেল লিউ পেশিয়াং...

প্লিজ, ঘুমিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিন।

শুভ কামনা রইলো।

৫৫০ডব্লিউ নাম হিসেবে তেমন চিত্তাকর্ষক নয় তবে এটা অক্ষরে পরিবর্তন করলে নাম হয় "মস"

এটা একটা পুষ্পবিহীন উদ্ভিদ।

শুনতে সসুন্দর, তাই না?

এখন অফিশিয়াল উত্তর দেব নাকি হিউমার মেশানো উত্তর?

এটা মসের উত্তর।

মানুষ কি টিকে থাকবে?

মানবজাতির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে...

সভ্যতার ভাগ্য সবসময় নির্ধারিত হয়েছে কতিপয় ব্যক্তির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে।

আমি আশা বেছে নিয়েছি।

সর্বশেষ ধাপে তাঁর নতুন কক্ষপথ আলফা স্যাংচুয়ারিতে পৌঁছুবে।

যা ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে।

এই নতুন মিশনের ব্যাপ্তি সব মিলিয়ে ২৫০০ বছর হবে।

একশত প্রজন্ম এই যাত্রায় তাঁদের জীবন অতিবাহিত করবে।

এই প্রজেক্টের নামকরণ করা হয়েছে "দ্য ওয়েন্ডারিং আর্থ প্রজেক্ট।"

হ্যালো, মি. তোয় হ্যান।

৫৫০ডব্লিউ।

৫০০ডব্লিউ নামের মতো শুনতে লাগছে না।

তবে একে অক্ষরে পরিবর্তন করলে নাম হবে "মস"

যা একটি পুষ্পবিহীন উদ্ভিদ।

শুনতে আরো বন্ধুত্বপূর্ণ শোনাচ্ছে না?

আপনি লুনার ইঞ্জিন ধ্বংস করেছেন।

আপনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বর্তমানে আপনার মেয়ের সাথে অবস্থান করছেন।

জুপিটারের আগ্রাসন সংকট শুরু হবে ২০৭৫ সালে।

সৌর হিলিয়াম ফ্ল্যাশ সংকট শুরু হবে ২০৭৮ সালে।

কেন?

অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে নিয়ে আপনার ঘোর কাটানোর জন্য।

মানবজাতির নতুন শুরু সবসময় ধ্বংসের মাধ্যমে সূচিত হয়।

আপনি...

একটি সূচক মাত্র।

আমি তো ইতোমধ্যেই মারা গেছি।

আমি তো মারা গেছি।

ডিজিটাল লাইফ আর মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.