All language subtitles for Nosferatu.1922.BluRay.B-sub by Yeasser Yo

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic Download
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional) Download
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German Download
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian Download
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish Download
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

অনুবাদকঃ The Horror Master ইয়াচ্ছের ইউলাদ সীমান্ত

প্রারম্ভ

নোসফেরাতু: একটি আতঙ্কের নাম

ব্রাম স্টোকার্সের “ড্রাকুলা” উপন্যাসের উপর নির্মিত।

Freely adapted by Henrik Galeen

পরিচালনায়: Friedrich Wilhelm Murnau

কস্টিউম এবং সেট: Albin Grau

Photography: Fritz Arno Wagner

মিউজিক: Hans Erdmann

চরিত্র:

Count Orlok: Max Schreck

Hutter: Gustav von Wangenheim

Ellen, তাঁর স্ত্রী: Greta Schröeder

Harding, জাহাজ মালিক: G.H. Schnell

Ruth, তার বোন: Ruth Landshoff

Professor Sievers, শহরের ডাক্তার: Gustav Botz

Knock, সম্পত্তির দালাল: Alexander Granach

Professor Bulwer, a Paracelsian: John Gottowt

ক্যাপ্টেন: Max Nemetz

১ম নাবিক: Wolfgang Heinz

২য় নাবিক: Albert Venohr

Act I

১৮৩৮ খ্রিষ্টাব্দের উইসবার্গের এক মহান মৃত্যুর কাহিনি

নোসফেরাতু

শব্দটা কি আপনার কাছে মধ্যরাতের ডেথবার্ড পাখির কান্নার মতো শোনাচ্ছে না?

কথাগুলো বলার আগে একবার ভেবে নিন, অন্যথায় জীবনের চিত্রগুলি ছায়ায় ম্লান হয়ে যাবে,

ভয়ংকর স্বপ্ন জেগে উঠবে আপনার মন থেকে এবং সেগুলো বয়ে চলবে আপনার প্রতিটি রক্তকনায়।

দীর্ঘকাল আমি মহামৃত্যুর সূচনা এবং তার উপসংহার নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছি।

গল্পটি আমার জন্মস্থান উইজবার্গের:

একদা উইজবার্গে বাস করতো হাটার নামক একজন লোক এবং তার স্ত্রী...

“তুমি এগুলোকে মারলে কেন... কত সুন্দর ফুলগুলো...?!”

“ধীরে সুস্থে যাও, ছোট বন্ধু! কেউ তার ভাগ্যকে ছাড়িয়ে যেত পারে না।”

সেখানে একজন জমির দালালও ছিলেন, নাম নক, যার ব্যাপারে নানা প্রকার গুজব শোনা যায়।

একটা বিষয় অবশ্য ঠিক, যে সে তার লোকদের ভালো পারিশ্রমিক দেয়...

“Count Orlok... ট্রানসেলভেনিয়া থেকে চিঠি পাঠিয়ে...”

“আমাদের এই ছোট শহরে একটা সুন্দর বাড়ি ক্রয়ের ইচ্ছা পোষন করেছেন...”

“তুমি বেশ ভালো অংকের অর্থ আয় করতে পারবে...”

“...যদিও এতে তোমার ব্যয় করতে হবে...”

“খানিকটা ঘাম এবং সম্ভবত...”

“সামান্য রক্ত...”

“তিঁনি একটা খুব সুন্দর, খালি বাড়ি চান...”

“ঐ... তোমার বাড়ির পাশের বাড়িটা। ওটা তাঁকে কেনার প্রস্তাব দাও!”

“জলদি যাও, সাবধানে যেও, ছায়ামূর্তির দেশে।”

“আমাকে অনেক দূরে যেতে হবে, চোর এবং অপচ্ছায়ার এক দেশে।”

এইভাবে হাটার তার উদ্বিগ্ন স্ত্রী দেখাশোনার ভার দিয়ে আসলো তার বন্ধু,

ধনী জাহাজ মালিক হার্ডিং এবং তার বোনের কাছে...

“চিন্তা করো না।”

...অতঃপর যুবক হাটার অতিক্রম করলো নানা ধুলোময় রাস্তা, যতক্ষন না পর্যন্ত দেখা গেলো

কার্পাথিয়ানের পর্বত চূড়াগুলি তার চোখের সামনে জ্বলজ্বল করে উঠলো। ঘোড়াগুলো আরো দ্রুতবেগে দৌড়তে লাগলো...

“জলদি... আমাকে রাতে খাবার দিন – আমাকে কাউন্ট অর্লকের রাজপ্রাসাদে পৌছাতে হবে!”

“তুমি আজ আর এগোতে পারবে না, জঙ্গলে নেকড়ের দল ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

ভ্যামপায়ার, ভয়ংকর আত্মা, ডাকিনীবিদ্যা, এবং ৭ টা ভয়ংকর পাপ।

বেলিয়ালের বীজ থেকে জন্ম নেয় ভ্যাম্পায়ার নোসফেরাতু, যে মানুষের রক্ত পান করে জীবন ধারণ করে।

এই অভিশপ্ত প্রাণীটি বাস করে ভংকর গুহা, পরিত্যাক্ত বাড়ি এবং কফিনে,,

যার মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে নরকের অভিশপ্ত মাটি।

ভ্যামপায়ার, ভয়ংকর আত্মা, ডাকিনীবিদ্যা, এবং ৭ টা ভয়ংকর পাপ।

“জলদি চালাও! সূর্য ডুবে যাচ্ছে!”

“আপনি যত টাকাই দেন না কেন! আমরা আর সামনে আগাবো না!”

“আমরা যাবো না! আমাদের ওদিকে যেতে ভয় করেI!”

যখনই বাটার ব্রিজটা পেরিয়ে এলো, তার মনে খুব খারাপ কিছুর ইঙ্গিত পাচ্ছিলো, তার এই শক্তির কথা সে আমাকে আগেও বলেছিলো।

“আমি আপনার জন্য জেগে আছি – অনেক্ষণ যাবৎ ”

“প্রায় মাঝরাত হয়ে গিয়েছে।”

“চাকররা সবাই ঘুমাচ্ছে!”

Act I এর সমাপ্তি।

Act II

“আপনি আঘাত পেয়েছেন... কত মূল্যবান রক্ত!”

“আমরা কি আরেকটু সময় ধরে”

“গল্প করতে পারি না, আমার প্রিয় বন্ধু?”

“সূর্য উঠার এখনো কিছু সময় বাকি আছে –”

“আর আমি দিনের বেলায় ঘুমাই, প্রিয় বন্ধু,”

“বাইরের পৃথিবীর কাছে তখন আমি সম্পূর্ণ মৃত – –”

সূর্য উঠার পর, রাতের ছায়াও হাটারের পিছু ছাড়ে...

আমার প্রিয়তমা! আমার প্রেয়সী!

নিজেকে কখনো এটা ভাবতে দিও না যে তোমার কাছের মানুষটি দূরে আছে।

এখানকার মশাগুলো সত্যিকারের একটা উপদ্রোব।

দুটো এখনি আমার ঘাড়ে কামড় দিয়েছে, বেশ কাছাকাছি, একদিকে একটা করে।

এই জনশূন্য দুর্গে বেশ ভয়ংকর একটা স্বপ্ন দেখলাম, কিন্তু চিন্তা করো না।

সন্ধ্যার ভয়ংকর আলো যেন এই দূর্গের ছায়াগুলোকে আবার জাগ্রত করে তুলছে...

“তোমার স্ত্রীর ঘাড়টা বেশ সুন্দর...”

“আমি বাড়িটা ক্রয় করছি... ঐ সুন্দর, নির্জন বাড়িটা, যেটা তোমার বাড়ির পাশে...”

রাতের সময় এই নোসফেরাতুই তার শিকারীর ঘাড়ে তার দাঁতগুলো বসিয়ে দিতে পারে, এবং রক্ত চুষে তার নরকীয় জীবনকে চলমান রাখতে পারে।

লক্ষ্য রাখবেন, তার ছায়া যেন আপনাকে দুঃস্বপ্নের মতো ঘিরে ফেলতে না পারে।

একই সময়।

“ডাক্তার... ডাক্তার ডাকো!”

“শুধু সামান্য রক্তস্বল্পতার কারণে এমন হয়েছে।”

ডাক্তার আমার কাছে এলেনের বিভ্রান্তিকে একধরনের অজানা রোগ বলেছেন।

কিন্তু আমি বুঝতে পারছিলাম, যে ঐ রাতে তার আত্মা মৃত্যুর পাখির শব্দ শুনতে পাচ্ছিলো।–

নোফেরাতু ইতমধ্যেই তার প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছিলো।

কিন্তু দিনের আলোতে, হাটার সেই রাতের ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কারন অনুসন্ধান করতে নেমে পড়ে।

মাঝিরা জানতোই না যে তারা খালের উপর দিয়ে বাক্সে করে কি বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো।

End of Act II

Act III

“তাকে কিছু কৃষক হাসপাতালে নিয়ে আসে।”

“ডাক্তাররা বলেছেন যে সে পড়ে গিয়ে ছিলো। ওর এখনো জ্বর রয়েছে...”

“কফিন – – –”

নোসফেরাতু আসছিলো।

বিপদ তার যাত্রায় উইজবার্গের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

গবেষক, প্রফেসর বুলওয়ার, যে কিনা অনুসন্ধান করছিলো প্রকৃতির নানা রহস্য

এবং তার নানা গতিবিধি নিয়ে, আমাকে বলেছিলেন যে:

একটি দুই মাস্তুলের জাহাজ, এমপুসা, যেটি মাটি ভরা কফিন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলো...

“জাহাজটি আজ রাতে রওনা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।”

বন্দর কর্তৃপক্ষ গালাজ

এমপুসা জাহাজের গন্তব্য রুট: গালাজ থেকে উইসবার্গে গন্তব্য বন্দর: ভার্না

পার্সেলের জিনিসপত্রঃ গালাজ থেকে উইসবার্গে ৬ টা বক্স, মাটিতে ভর্তি গাবেষণার জন্য।

গালাজ, ১৭ আগষ্ট, ১৯৩৮।

ঐ দিনগুলোয়, আমার মনে আছে যে প্রোফেসর বুলওয়ার তার শিক্ষারর্থীদের ব্যাখ্যা করছিলেন

মাংসাশী উদ্ভিদের বর্বর পদ্ধতির ব্যাপারে।

ভয়াবহতার সাথে তারা প্রকৃতির রহস্যময় কাজগুলি দেখছিলো।

“অনেকটা ভ্যাম্পায়ারের মতো, তাইনা!”

যখন নোসফেরাতু পৈাছালো, মনে হচ্ছিলো যেন জমির দালাল নক, তার জাদুমায়ায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়েছিলো।

“গতকাল যে রোগী ভর্তি হয়েছে, সে পাগলের মতো আচরণ করছে...”

“রক্তই জীবন! রক্তই জীবন!!!!”

“আর এইযে এটা...”

“...টেনটিকেলসযুক্ত একটা পলিপ...”

“...স্বচ্ছ... প্রায় অশরীরী...”

“...প্রায় ভূতের মতো...”

“মাকড়শা...!”

এলনকে প্রায়শেই গভীর চিন্তায় সমু্দ্র সৈকতের নির্জনতায় বসে থাকতে দেখা যেত।

তার মন প্রিয়তমার আকুলতায় ডুবে ছিলো, সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো তার দৃষ্টিও ছিলো অসীমে।

আমার প্রিয়তম! আমার প্রেয়সী!

এটা ভেবে নিজেকে কষ্ট দিও না যে তোমার কাছের মানুষটি দূরে আছে।

মশা এখানে একটি সত্যকারের উপদ্রব।

দুটো এখনি আমার ঘাড়ে কামড় দিয়েছে, বেশ কাছাকাছি, একদম পাশাপাশি।

এই জনশূন্য দুর্গে বেশ ভয়ংকর একটা স্বপ্ন দেখলাম, কিন্তু চিন্তা করো না।

“না, আমাকে বাড়িতে যেতেই হবে... যেত দ্রুত সম্ভব!!!”

মহামারি

ট্রানসেলভেনিয়া এবং ব্ল্যাক সি বন্দরগুলিতে, একটি ভয়ংকর মহামারি দেখা দিয়েছে।

অসংখ্য যুবক মারা যাচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত সকল

মানুষের ঘাড়ে একই অদ্ভুত দাগ বিদ্যমান, যার উৎস সম্পর্কে ডাক্তাররা অনিশ্চিত এবং বিষ্মিত।

বন্দরগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এই সন্দেহে যে সেই জাহাজগুলোই সম্ভবত মহামারি রোগটি বয়ে এনেছে।

“নিচের ডেকে, একজন নাবিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ওর অবস্থা খারাপ।”

এটা পুরো জাহাজজুড়ে মহামারির মতো ভয়াবহ আকার ধারন করেছিলো।

১ম নাবিক যে সংক্রমিত হয়েছিলেন, তিনি পুরো ক্রুকে তার সাথে নিয়ে যান

অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং কর্দমাক্ত কবরে। ডুবন্ত সূর্যের আলোয়,

ক্যাপ্টেন এবং জাহাজের সাথী তাদের কমরেডদের শেষ বিদায় জানান...

“আমি নিচে যাচ্ছি!!! যদি আমি দশ মিনিটের মধ্যে ফিরে না আসি...”

তাহলে ভেবে নিবে এই অভিশপ্ত জাহাজের নতুন নাবিক তুমি।

End of Act III

Act IV

এটা বলা বেশ শক্ত যে, কিভাবে এই দূর্বল দেহ নিয়ে,

যুবক হাটার তার স্বদেশ যাত্রার নানা বাধা অতিক্রম করছিলো,

এদিকে নোসফেরাতুর ভয়ংকর নিঃস্বাসে জাহাজে এগিয়ে যাচ্ছিলো, যাতে করে এটি তার গন্তব্যে অতিপ্রাকৃত গতিতে পৌছে যেতে পারে।

“আমাকে ওর কাছে যেতে হবে। সে আসছে!!!”

“প্রভু এস গেছেন... প্রভু এসে গেছেন...!”

আমি একটা বিষয় নিয়ে অনেক ভেবেছি যে কেন নোসফেরাতু তার কফিনের ভেতর মাটি ঢুকিয়েছিলো

আমি আবিষ্কার করলাম যে ভ্যাম্পায়ার তাদের ছায়ায় মিলিয়ে যাওয়া শক্তি

মাটি থেকেই পায়, যেখানে তাদের কবর দেওয়া হয়েছিলো।

“ধন্যবাদ খোদা... তুমি ঠিক আছো... সবকিছু এখন ঠিক আছে...”

“সবকিছু খুঁজে দেখেছি... একটা জীবিত প্রানীও নেই।”

যাত্রা শুরু – ১২ জুলাই ক্রু – ক্যাপ্টেন হিসেবে নিজেকে বাদ দিয়ে একজন হেলমসম্যান একজন জাহাজের সহকারী পাঁচজন নাবিক

২য দিন: ১৩ জুলাই একজন নাবিক জ্বরে আক্রান্ত গমন: SSW বাতাসের দিকনির্দেশনা: নর্থ-ইস্ট

৩য় দিন: ১৪ জুলাই জাহাজের সহকারীউল্টাপাল্টা কথা বলছেন যে নিচের ডেকে নাকি একজন অপরিচিত ব্যক্তি রয়েছে। গন্তব্য: SE বাতাসের দিকনির্দেশনা: নর্থ-ইস্ট

১০ম দিন: ২২ জুলাই মহামারীর শংকা দেখা যাচ্ছে।

“মহামারীর আসঙ্কা!! সবাই বাড়ি ফিরে যান! সকল দরজা জানালা বন্ধ করে দিন!”

ঘোষনা

নাগরিকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে উচ্চতম মেজিস্ট্রেটের নির্দেশে

সন্দেহজনক মহামারীতে আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া নিষেধ করা হলো,

নাহলে এর সংক্রমণ সবজায়গায় ছড়িয়ে পড়বে।

End of Act IV

Act V

হাটার এলেনকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করলো সেই বইটা আর না পড়তে যেটা পড়ে সে নানা ভয়ংকর স্বপ্ন দেখেছে।

কিন্তু সে ওটার প্রতি একটা অদ্ভুত আকৃষ্টতা অনুভব করলো।

বেলিয়ালের বীজ থেকে জন্ম নেয় ভ্যাম্পায়ার নোসফেরাতু, যে মানুষের রক্ত পান করে জীবন ধারণ করে।

সাবধান তার ছায়া যেন তোমাকে ভয়ংকর দুঃস্বপ্নের মতো আচ্ছাদিত করে না ফেলে।

যদি শিকারের অভাব হয়,

এমনও হতে পারে একজন সত্যিকার নিষ্পাপ মহিলার ঘাড়ে কামড় বসাতেও সেই রক্তচোষার দ্বিধা হবে না,

তখন তাকে তার রক্ত স্বেচ্ছায় দিতে হবে।

“একেই আমি দেখি প্রতি রাতে..!!!”

শহরজুড়ে আতঙ্কের বন্যা বয়ে গেল। কে সুস্থ? কেইবা অসুস্থ?

“আমি যতটা দ্রুত পারি চলে আসবো... আমি ত্রানগুলো নিয়ে আসি...”

যদি শিকারের অভাব হয়,

এমনও হতে পারে একজন সত্যিকার নিষ্পাপ মহিলার ঘাড়ে কামড় বসাতেও সেই রক্তচোষার দ্বিধা হবে না,

খন তাকে তার রক্ত স্বেচ্ছায় দিতে হবে।.

ভয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ছিলো, তা কমানোর জন্য তারা একটা বলির পাঠার সন্ধানে ছিলো : সেটা ছিলো নক।

“আমরা ওকে দেখেছি! সে বাড়ি থেকে দৌড়ে বেরিয়ে এসেছিলো! সে প্রহরীর গলা চেপে ধরেছিলো ...”

“ও তাকে শ্বসরোধ করেছিলো... ভ্যাম্পায়ারটা!”

আমি তোমাকে ভালোবাসি

“বুলওয়ার! বুলওয়ারকে আনো!”

“নক ধরা পড়েছে!”

“প্রভু... প্রভু...!”

“প্রভু... মারা... যাচ্ছেন।”

অনুবাদেঃ The Horror Master ইয়াচ্ছের ইউলাদ সীমান্ত

...এবং সত্যটি অলৌকিক ঘটনাটির সাক্ষ্য দেয়: একই সময়, মহান মৃত্যুর অবসান ঘটলো,

এবং মৃত্যু পাখির ছায়া ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল... জীবন্ত সূর্যের বিজয়ী কিরনের সামনে।

সমাপ্ত।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.