Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
এই সময়.. এতো জরুরি তলব?
জন্মদিনের পার্টি নাকি?
আরেব্বাস! এতোগুলো বোতল?
রুম তো গন্ধে মৌ মৌ করছে।
তোরা চুপ করে আছিস কেন?
কিরে, সাত্থি? ব্যাপার কী?
সুন্দরী!
কিরে! ভাইলোগ কাহিনী কী বল।
তো, জন্মদিনটা কার?
এটা তোরা কী করলি?
-- দ্য বার্থডে বয় --
translated by Suhan Ahmed
লুঙ্গি পড়েছিস কেন, বন্ধু গরম লাগছে নাকি?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, খুব গরম একটু চেক কর তো।
তোর সমস্যা কী বাল?
গরম কেমন রে?
তুই নিজেই তো জিজ্ঞেস করলি।
কিরে! কী দেখছিস?
"Knives Out" মুভিটা দেখছি।
মজা আছে নাকি?
তোর ভাল নাও লাগতে পারে।
কেন?
চোদাচুদির সিন নাই তো, তাই।
বালের সেন্সর বোর্ড।
কী রান্না করছিস?
টমেটোর ঝোল।
চিরকাল তো টমেটোই খাচ্ছি মাংস রান্না করতে পারিস না?
প্রোটিনের অভাবে দুর্বল হয়ে যাচ্ছি।
কী আর করা! রান্না কর, খেয়ে নিবো।
একটু জুস খাই।
ওই! ডিম সাবধানে নষ্ট হলে তোকে দিয়ে পাড়াবো।
মারবি না, আমি এমনিতেই দুর্বল জিমে গিয়ে মাশলগুলো শক্ত করতে হবে।
মাশল নাকি অন্যকিছু?
এসব মাশল না এক দলা চর্বি।
চর্বিই আমার মাশল, এখন প্লিজ দ্রুত রান্না কর ক্ষিদেয় মরে যাচ্ছি।
১০ মিনিট লাগবে ঘ্যানঘ্যান বন্ধ কর।
ঠিক আছে।
আমার সাথে তাস খেলবি কে?
তোদের সাথে তাস খেলার চেয়ে নিজের পায়ে কুড়াল মারা ভাল।
তোরা খেল, আমাকে ছেড়ে দে।
এই সালা বাদ তুই খেলবি, সাই?
হ্যাঁ, জাহাপনা।
তাস নিয়ে আয়।
চলুন শুরু করি, প্রভু।
চল।
ভেঙ্কি!
থালা-বাসনগুলো পরিষ্কার কর।
আমিই কেন পরিষ্কার করবো? অন্য কাউকে তো বলিস না।
এখনি না গেলে কিন্তু হোগায় লাত্তি খাবি।
তোরা চুপ কর ভাই বাবা কল দিয়েছে।
সাত্থি!
কাজটা তুই করবি, সাই?
ওয়াশিং মেশিনে কাপড় দিতে হবে এক্ষুনি আসছি।
বালু, তুই কী..?
থালা-বাসন, তাই না?
আচ্ছা, ঠিক আছে।
ঘ্যানঘ্যান বন্ধ কর।
হ্যালো!
হ্যালো, ভাইয়া আমি শ্বেতার বান্ধবী, প্রিয়া।
হ্যাঁ, প্রিয়া বলো... কেমন আছো?
আমি ভাল আছি, ভাইয়া আপনি কী ব্যস্ত?
হ্যাঁ।
না, না, বলো।
ভাবছি বিদেশ চলে যাবো ব্যাপারটা নিয়ে জানতে চাচ্ছিলাম।
কিসের আমেরিকা, বাবা সব বেহুদা.. ইন্ডিয়া যথেষ্ট ভাল।
ওই, সাত্থি! চিল্লাচিল্লি করবি না।
বুঝতে পারলাম, প্রিয়া সফ্টওয়্যার কোর্স করার জন্য?
হ্যাঁ, সফ্টওয়্যার।
সফটওয়্যার? সফটওয়্যার একটা বাল এরচেয়ে ইন্ডিয়ায় ডেলিভারি বয় হওয়া ভাল।
আপনার পাশে কে? আজেবাজে কথা বলেই যাচ্ছে!
আমার রুমমেট, সাত্থি।
আয়, খাবি চল।
এরা মাথায় ঝেঁকে বসে থাকে।
অন্য কোথায় গিয়ে নিরিবিলি কথা বলতে পারবেন?
এখন ঠিক আছে, বলো।
কিরে! কথা কী কানে যাচ্ছে না? চল খেয়ে নিই।
আস্তে বলতে পারিস না?
দুঃখিত, দুঃখিত।
যা এখান থেকে।
হ্যালো, ভাইয়া!
এবার বলো, প্রিয়া।
ঠিক আছে, আর কতবার বলবে?
ঠিক আছে, বাই।
বাল, সবাই কেন যে ভাবে টাকা গাছে জন্মায়!
বাবা-মা টাকার জন্য আমাকে একরম নির্যাতন করছে।
এজন্য আমি উনাদের ফোন'ই করি না।
তোর কতো লাগবে?
মোটামুটি ৩০ লাখের মতো।
আমার ৪০
জরুরী দরকার নাকি?
ফালতু খরচ করে নষ্ট করার জন্য।
তোর জন্য একটা পরামর্শ আছে।
আমার বন্ধুরও উপকার হয়েছিল।
তোরা দুজন...
তোদের কিডনি বিক্রি করে দে।
তাকিয়ে দেখ ও কী সিরিয়াস ছিল!
আমি কিডনি বিক্রি করেও পরিবারকে সন্তুষ্ট করতে পারবো না।
এক কাজ কর, তোরটাও বিক্রি করে আমার পরিবারকে সাহায্য কর।
মদের কারণে আমাদের কিডনি হয়তো পঁচেই গেছে।
মদের কথায় মনে হলো আজকে কী খাবো?
প্রতিদিন খেতে পারবো না নয়তো মায়ের স্বর্ণ বিক্রি করতে হবে।
চল মদ খাওয়া কিছুদিন বন্ধ রাখি।
হ্যাঁ, চল এক মাস না খাই।
পুরো এক মাস? নিঃশ্বাস না নিয়ে থাকতে পারবো, কিন্তু মদ ছাড়া!
আমি বাঁচতে পারবো না।
যাই হোক, আগামী সপ্তাহে বালুর জন্মদিন এমন মদ খাবো, যতক্ষণ না হোগা দিয়ে বের হচ্ছে।
হ খাবিই তো কারণ বিল তো আমাকেই দিতে হবে।
সবাই ঐদিন মদ খাবো.. কোন অজুহাত চলবে না বিশেষ করে সাই তুই..
যদি কোন অজুহাত দেখিয়েছিস হোগা দিয়ে ডিম ভরে দিবো।
ঐদিন ভাল কোন জায়গায় যাই চল।
আমি প্ল্যান করেই রেখেছি।
কোথায়?
সারপ্রাইজ!
এখন খাবার খা।
ভেঙ্কি, কোথায় রে? দেরি হয়ে যাচ্ছে।
এসব কী?
এভাবে সাজিয়েছিস কেন, ভেঙ্কি? আমরা না বাইরে যাবো!
বন্ধু! তোর প্ল্যান তো দারুণ।
ঠিক আছে, এবার বস।
মুখোশ কেন? সাজ-সজ্জা তো পর্ণ মুভির মতো বল তো তোর প্ল্যান কী?
আমি তোর জন্মদিন উদযাপন করছি তুই শুধু বিল দিস, এবার চুপচাপ বস।
এতো টাকা কোথায় পেল?
এগুলো ধর।
কখনো এমন পার্টি দেখেছিস, চোদনারা? এই নে ধর।
ঠিক আছে বন্ধুগণ পার্টি শুরু করার আগে।
একটু গলা ভিজিয়ে নিই, ঠিক আছে?
ঠিক আছে!
ঠিক আছে।
♪♪
বালু! মেয়েগুলা দারুণ রে।
ভেঙ্কি, এদিকে আয়।
হ্যাপি বার্থডে, বালু।
তোর জন্য সবার পক্ষ থেকে...
স্পেশাল গিফট আছে।
তাই নাকি?
না, না। এটা কগ-নি-এসি।
কর্নি...
কগনাক।
সে যাই হোক একটু মেরে দে।
ধন্যবাদ তোদের।
আরে ব্যাপার না।
আমাকেও চুমু দে।
তুইও আয়।
তোকে ভাল করে চুমু দিয়েছে।
এখন মালটা খাবো।
খা, খা।
হেই! ঘ্রাণ নিস না ডকডক মেরে দে।
কেমন?
মিষ্টি।
তাহলে পুরোটা শেষ কর।
খা, মজা! তাই না?
খুব মজা।
স্পেশালভাবে তোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
আমাকে ছাড়াই খেয়ে নিচ্ছিস?
- তোর খেতে হবে না। - কেন?
না, আমিও খাবো বালু আমাকে একটু দে।
তোর জন্মদিনেও দিবো নে।
খা, শেষ কর।
বোতলের মধ্যে প্রশ্রাব আছে খাবি তুই?
না, না, খাবো না।
খা তো।
নারে, লোড হয়ে গেছি।
- আরে খা তো ভাই। - এটা কী?
কীভাবে খুলে?
এখন চল কেক কাটি।
সর তো।
তোর পছন্দ হয়েছে?
স্পেশালভাবে তোর জন্য তৈরি করেছি।
ধন্যবাদ রে।
তুই কেক কাট, আমি এক্ষুণি আসছি বোতল সাবধানে।
কীভাবে কাটবো?
কাটার চেষ্টা কর আমিও এক্ষুণি আসছি।
ছুরি কোথায়?
ওই, বালু।
সৈন্যরা, যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও।
তোরা কী করছিস?
না, না।
দাঁড়া বলছি এদিকে আয়।
আমি ওর হাড্ডি ভাঙ্গবো।
সালা চোদনা যেটা সামর্থ্য আছে সেটা তোল।
ওই, বালু!
ওরে চ্যাংদোলা কর।
তোকে পালাতে দিচ্ছি না।
কেক কাট।
না কেটে যাবি কই?
এমন করিস না, ভাই।
- না, না। - এমন করলে চড় খাবি।
চেরী দিয়েই শুরু কর।
নিচ থেকে শুরু কর।
চেরীটা নে।
- এটাই শেষবার, ঠিক আছে? - ঠিক আছে।
ওর মাথায় হাত রেখে কসম খাচ্ছি।
হাত সরা।
- শুধু চেরী, তাই তো? - না, না, নিচ থেকে।
দাঁড়া তোরা আমি শুধু চেরীটা নিবো।
ডান নাকি বামেরটা? বল।
- সেটা তোর ইচ্ছা। - নিচ থেকে।
- না, না, বামেরটা। - নিচে।
বন্ধ কর, ঠান্ডা লাগছে।
তোরা পাগলামী করছিস কেন?
এই নে...
ভাই, বন্ধ কর এসব।
ডিম কোথায়? ডিম?
এবার আমাকে ছাড় বলছি।
তাড়াতাড়ি ডিম আর টমেটো নিয়ে আয়।
এসব বন্ধ কর বলছি।
ওই ধর ওকে।
অনেক হয়েছে ভাই এবার আমাকে ছাড়।
চ্যাংদোলা কর।
থাম ভাই, প্লিজ।
বালু? হেই, বালু?
বালু?
বন্ধু?
সর।
বালু?
বালু, উঠ। কিরে?
বালু?
উঠ, চল আয়।
পুলিশ আসলো কেন?
হেই! আমি অফিসার স্মিথ।
এখানে কী হচ্ছে?
সব ঠিক আছে তো?
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, অফিসার।
আজ ওর জন্মদিন।
তাই, বাসায় পার্টি করছিলাম।
বাসায় কতোজন আছেন?
পাঁচজন।
না, চারজন।
চারজন, তাই না? হ্যাঁ!
চারজন।
আমরা এসেছি কারণ প্রতিবেশীরা চিল্লাচিল্লির অভিযোগ করেছে।
ওহ্, আচ্ছা।
আমরা দুঃখিত, অফিসার। এমনটা আর হবে না।
ডকুমেন্ট হিসাবে কোন আইডি কার্ড দেখাতে পারবেন?
আইডি?
আমার আইডি আছে, ১ সেকেন্ড, নিয়ে আসছি।
সিরিয়াস কিছু?
না, না এই শুধু ফরমালিটি।
ডকুমেন্ট হিসাবে রাখতে হয় আবার যদি এমনটা ঘটে।
ঠিক আছে।
এই যে।
এই নিন, অফিসার। আমার আইডি।
প্লিজ আমাদের আবার আসতে বাধ্য করবেন না, ঠিক আছে?
অবশ্যই, অফিসার।
ঠিক আছে, নিন।
শুভ রাত্রি।
ধন্যবাদ, অফিসার।
চল পুলিশের কাছে যাই।
তুই কী আচুদা?
সব ঠিক হয়ে যাবে,
যদি পুলিশকে বলি।
তুই কী জেলে যেতে চাস?
সব ঠিক হয়ে যাবে, তাদের বলবো যে এটা দুর্ঘটনাক্রমে হয়েছে।
বন্ধু, সাই আমার কথা শোন।
না।
এখন আমরা কী করবো?
জানি না।
অর্জুন?
চল, তোর ভাইকে বলি।
হ্যাঁ, অর্জুন। তোর ভাইকে কল দেই।
ওকে কল দিব কেন?
তাহলে আমরা কী করবো?
চল, সবাই জেলে যাই?
বন্ধু..
তোর ভাই তো উকিলের অফিসে জব করে।
সে আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সাহায্য করতে পারবে।
হ্যাঁ, অর্জুন তাকে কল দে।
হ্যাঁ, হ্যাঁ কল দে।
তাকে কল দেয়া উচিৎ, অর্জুন।
তোর ভাইকে কল করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
দাঁড়া, আমি কল করছি।
হ্যালো!
হ্যালো, ভাই? কী করছো?
এখন গভীর রাত আমি ঘুমাচ্ছিলাম।
ভাই, এখানে.. এক্ষুণি আসতে পারবে?
কী? তোর এখানে?
হ্যাঁ, ভাই.. এক্ষুণি আসতে পারবে?
এই মুহুর্তে আসতে বলছিস কেন?
সকালে আসবো।
তুমি শুধু আসো খুব জরুরী দরকার।
ধুর..
সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারছিস না?
একটু আসো, ভাই।
ঠিক আছে, আসছি।
আসছে...
এই সময়.. এতো জরুরি তলব?
জন্মদিনের পার্টি নাকি?
আরেব্বাস! এতোগুলো বোতল?
রুম তো গন্ধে মৌ মৌ করছে।
তোরা চুপ করে আছিস কেন?
কিরে, সাত্থি? ব্যাপার কী?
সুন্দরী!
কিরে! ভাইলোগ কাহিনী কী বল।
তো, জন্মদিনটা কার?
এটা তোরা কী করলি?
কী হয়েছিল?
আমরা উদযাপন করছিলাম, এবং..
কথা বল।
জন্মদিন উপলক্ষ্যে চ্যাংদোলা করেছিলাম হঠাৎ দুর্ঘটনাক্রমে..
দুর্ঘটনাক্রমে? এটা কীভাবে দুর্ঘটনাক্রমে হয়?
বাল।
ভাই, একমাত্র তুমি আমাদের বাঁচাতে পারো।
ঝামেলা করে ফেলেছি।
তোদের কী মনে হয় আমি কিছু করতে পারবো?
চল, পুলিশের কাছে যাই।
প্লিজ, না..ভাই পুলিশের কাছে যাওয়া যাবে না।
এটা দুর্ঘটনাক্রমে হয়েছে কাকে বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না।
আর কাউকে কিছু বলিনি।
শুরু থেকেই আমরা ভয়ে আছি।
প্লিজ, ভাই আমাদের সাহায্য করো।
আমি কী করবো?
ছোটখাটো ব্যাপার হলে সামলে নিতাম, কিন্তু...
কিন্তু এটা একটা খুন।
প্লিজ এভাবে বলো না যা বলবে আমরা তাই করবো।
তুমি যা বলবে আমরা সবকিছু করতে রাজি।
প্লিজ ভাই.. একবার আমাদের সাহায্য করো।
ঠিক আছে, আগে বিস্তারিত বল যে কী হয়েছিল।
বালুর জন্মদিন ছিল ওর জন্য কেক এনেছিলাম।
তারপর?
তারপর ওকে চ্যাংদোলা করলাম।
চ্যাংদোলা?
যা ভাবছো তেমন নয় মজার ছলে করছিলাম।
দুর্ঘটনাক্রমে ও কাঁচের টেবিলে পড়ে যায়।
এসব তোর কাছে মজা মনে হয়?
অবিশ্বাস্য!!
আমরা কিছুই করতে পারবো না।
ঘটনাটা ইন্ডিয়ায় হলে আমরা চেষ্টা করতে পারতাম।
এদেশে আইন অনেক কড়া।
কিছুই করা যাবে না।
আমাদের সাহায্য করো, ভাই।
যদি কাউকে কিছু না বলি?
মাথা কী গেছে নাকি?
কাউকে কিছু না বললেও আমরা ধরা পড়ে যাবো।
লাশ কী করবি?
ভাই, প্লিজ।
একমাত্র তুমিই কিছু করতে পারো।
প্লিজ, ভাই আমাদের বাঁচাও।
ভাই, প্লিজ.. তুমি ছাড়া সাহায্য করার কেউ নাই।
আমাদের বাবা-মা জানলে বিরাট সমস্যা হয়ে যাবে।
তারা আমাদের বিদেশ পাঠিয়েছে কিছু অর্জনের জন্য।
এসব জানলে তাদের মন ভেঙে যাবে।
প্লিজ, ভাই...প্লিজ।
চুপ কর আর আমাকে কিছুক্ষণ একা থাকতে দে।
এদিকে আয় তো।
আমরা পাঁচজন ছাড়া অন্য কেউ কী ব্যাপারটা জানে?
না।
শুধু আমরা পাঁচজনই জানি।
প্রবীণ জানে?
পাঁচজন ছাড়া কেউ এই কথা জানে না।
সাই! এই ব্যাপারে কাউকে না বলতে বলেছিস, তাই না?
একটা সমাধান আছে।
সেটা কী, ভাই?
পুলিশের কাছে গেলেই ব্যাপারগুলা সামনে আসবে।
অন্যথায় তারা খেয়াল করবে না।
তোরা সবাই ভিসাসহ ইন্টারন্যাশনাল ছাত্র।
তাই কেউ তোদের খুঁজতে আসবে না।
চল, ব্যাপারটা নিজেদের মধ্যেই রাখি।
যাতে পুলিশ কখনো জানতে না পারে।
বালুর মা!
আন্টি কল দিয়েছে এখন কী করবো?
কেটে দে। কেটে দে।
ওর বাবা-মাকে কী বলবো?
আমিও সেটাই চিন্তা করছি।
যদি তাদের কিছু না বলি?
কিছু না বলে কীভাবে কী করবি?
কতোদিন তাদের কল এড়িয়ে যাবি?
যেভাবেই হোক তারা খুঁজে বের করবে।
আমি বলি কী, ভাই।
কী?
যদি বালুর বাবা-মাকে বলি যে ও অন্য দেশে চলে গেছে।
ব্যাটা! ও প্রতিদিন মায়ের সাথে কথা বলে।
হঠাৎ চলে গেছে বললে এটা বিশ্বাস করবে না।
যেভাবেই হোক ব্যাপারটা সামলাতে হবে।
তারা যদি বিশ্বাস করেও..
কতোদিন তাদের কল এড়িয়ে যাবি?
একদিন তো ওকে কথা বলতেই হবে, তাই না?
পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে,
যদি জানতে পারে তাদের সাথে মিথ্যা বলেছি।
একদম।
তাদের বলি ও এক মাসের জন্য অন্য দেশে গেছে।
তারপর আর কিছু জানি না।
কতোদিন এমন করবি?
নিখোঁজের পর প্রথমেই তারা পুলিশের কাছে যাবে।
এমন হলে আমরা বিপদে পড়ে যাবো।
এখন কী করবো, ভাই?
একটা উপায় আছে।
কী?
উনাদের বিষয়টা জানিয়ে বুঝিয়ে বলতে পারি।
উনারা জানতে পারলে আরো সমস্যা হয়ে যাবে।
ভাই, বালুর মা।
কেটে দে, সাত্থি।
কাউকে না বললে আমরা আর কী করবো?
আমাদের কথা ছাড় বালুর বাবা-মাকে কী জবাব দিবি?
তাদের কাছ থেকে বিষয়টা চিরতরে লুকাতে পারবো না।
তাদের কী বলবো, ভাই?
যা হয়েছে সেটাই বল।
বল দুর্ঘটনাক্রমে ঘটে গেছে।
অনুরোধ কর যাতে কাউকে না বলে তাতে তোদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে।
যেভাবেই হোক তাদের বুঝানোর চেষ্টা কর।
তোরা সবাই একই এলাকার না? তোদের তো চিনবে।
আমি ভয় পাচ্ছি, ভাই তারা যদি না মানে?
আমার কথা শোন, আর কোন উপায় নেই প্লিজ, বোঝার চেষ্টা কর।
ভাই ঠিকই বলেছে চল, ওর বাবা-মাকে বিষয়টা বলি।
ওর মা আবার কল দিয়েছে।
আর ফোন কাটিস না উনি চিন্তা করতে পারে।
কল ধর আর কথা বল।
আমি পারবো না তুই কথা বল।
হ্যালো!
হ্যালো, সতীশ?
জি, আন্টি।
তুমি কী শুনতে পাচ্ছো, সতীশ?
শুনতে পাচ্ছি, আন্টি। বলুন...
তোমরা কী করছো? বালু কল ধরছে না কেন?
ওর জন্মদিন উদযাপন করছিলাম তাই হয়তো ফোন ধরতে পারেনি।
আমি ওকে বলবো আপনাকে যাতে ফোন দেয়।
ঠিক আছে, ফোনটা ওকে দাও। আমিও শুভেচ্ছা জানাই।
আন্টি ওর সাথে কথা বলতে চায়।
উনাকে সবকিছু খুলে বল।
১ সেকেন্ড! ওকে দিচ্ছি।
বালুকে বল ওর মা কল দিয়েছে।
কী?
বালু নাচতেছে, বললো আপনাকে পরে ফোন দিবে, আন্টি।
বেশি সময় নিবো না মাত্র ১ মিনিট।
উনি এখনি কথা বলতে চায়। আমি কী করবো?
১ সেকেন্ড, আন্টি।
হ্যাঁ, ওকে দাও। আমি অপেক্ষা করছি।
উনাকে কীভাবে বলবো?
আন্টি!
কেন এমন করলি?
সাত্থি!
আমি কথা বলতে পারবো না, বন্ধু।
এভাবে কল কেটে দিলে আমাদের সন্দেহ করবে।
তাহলে উনাকে বলছিস না কেন?
যদি কেউ বলতে পারিস সামনে আয়।
আবার কল দিয়েছে।
আমি এখন কী করবো?
হ্যালো, আমি অর্জুনের ভাই ভারত...
ভারত! তুমিও কী তাদের সাথে?
তোমাদের কী হয়েছে?
কেউ ফোন ধরছে না কেন?
বালুর জন্মদিন উপলক্ষে সবাই পার্টি করছিলাম তো।
ওহ! আমিও শুভেচ্ছা জানাই ওকে ফোনটা দাও।
জি, আন্টি একটু অপেক্ষা করুন।
আন্টি, আপনাকে কিছু বলতে চাই।
কী?
বুঝতেছি না কীভাবে বলবো।
কোন সমস্যা হয়েছে কী, ভারত?
আপনি প্লিজ বসুন, আন্টি আমি বলছি।
ভারত! কী হয়েছে?
আপনি আগে বসুন, আন্টি।
আমি ঠিক আছি, ভারত বলো।
বালু...
মারা গেছে, আন্টি।
হ্যালো! আন্টি!
হ্যালো!
ওরা আনন্দ করছিলো।
কেক কাটছিলো।
হঠাৎ দুর্ঘটনাক্রমে... আন্টি, প্লিজ।
হ্যালো! হ্যালো...
কেঁদো না।
প্লিজ, কেঁদো না।
এটা করা উচিৎ হয়নি।
প্লিজ, কেঁদো না।
যা করেছি সব ভুল ছিল।
সর।
আন্টি আবার কল দিয়েছে।
ফোন ধরে কথা বল।
জি, আন্টি।
বালুকে ফোনটা দাও।
জি, আংকেল।
আমাদের সাথে তামাশা করছো? বালুকে ফোন দাও।
এটা দুর্ঘটনাক্রমে ঘটে গেছে আমরা ইচ্ছা করে করিনি।
কীসের দুর্ঘটনা? আগে বালুকে ফোনটা দাও।
আংকেল!
আমার কথা কী বুঝতেছো না? ওকে ফোনটা দাও।
হ্যালো.. হ্যালো।
এটা দুর্ঘটনাক্রমে ঘটে গেছে আমরা করতে চাইনি।
আংকেল! হ্যালো!
আমি শুনতে পাচ্ছি।
এটা দুর্ঘটনা ছিল, আংকেল।
ইচ্ছাকৃত নয়।
ফোনটা শুধু বালুকে দাও।
বালুর বাবা।
হ্যালো.. হ্যালো।
হ্যালো, আংকেল আমি ভারত।
বলো।
জন্মদিন উদযাপন করার সময় দুর্ঘটনাক্রমে...
কী বলতে চাচ্ছো?
ওরা কেক কাটছিল এবং,
তারপর?
বালু, দুর্ঘটনাক্রমে...
ও কী সত্যিই মারা গেছে?
হ্যাঁ, আংকেল।
কী?
কী হয়েছে?
ফোন কেটে দিল।
এখন কী করবো?
বালুর বাবা-মা পুলিশকে জানালে কী হবে?
উনাদের আবার ফোন করো।
এইমাত্র এমন খবর পেয়েছে কষ্টটা বাড়তে পারে।
বাবা এই সময় কল দিলো?
কথা বল।
হ্যাঁ, বাবা। এখন ফোন দিলে?
সাত্থি, তোরা কী করছিস?
কিছু না বাবা কেন কী হয়েছে?
বালুর বাবা আমাদের বাড়িতে সে বলছে তোরা ওর সাথে কিছু করেছিস।
কী? বালুর বাবা আমাদের বাড়িতে?
ভেঙ্কির বাড়িতে গিয়েছে। ভেঙ্কি কল ধরেনি তাই আমাকে কল দিলো।
বাবা, আমি তোমাকে এক্ষুণি কল করছি।
সাত্থি, শোন।
তোমাকে পরে কল করছি।
তোর ফোন কোথায়?
আমার ফোন! মনে হয় উপরে।
বালুর বাবা তোর বাসায়, তুই ফোন ধরিসনি তাই তোর বাবা আমার বাবাকে কল দিয়েছে।
হ্যালো!
তোরা বালুর সাথে কী করেছিস?
আমার কথা কী শুনতে পাচ্ছিস?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, বাবা.. বলো।
তোরা কী বালুকে মেরে ফেলেছিস?
এমনটা না, বাবা এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল।
কোন দুর্ঘটনা না ওরা বালুকে মেরে ফেলেছে।
দুর্ঘটনা কীভাবে হয়? ওর বাবা হত্যার জন্য তোদের দ্বায়ী করছে।
বাবা, আমার কথা শোন। নিজেদের বন্ধুকে কেন হত্যা করবো?
ওকে মারধর করেছিস, তাই না?
জন্মদিনে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার শুধুমাত্র মজা করার জন্য।
কুত্তার বাচ্চা, আমার ছেলেকে হত্যা করেছিস। আমি তোদের দেখে নিবো।
প্লিজ ভাই, ওরা এমনিতেই ভয় পাচ্ছে।
আপনিও ওদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন! আমি কী করতে পারি দেখাচ্ছি।
ভেঙ্কি! বালুর বাবা চলে গেছে।
পুলিশের সাহায্যে তোদের দেখে নিবে বলে হুমকি দিয়ে গেল।
তো, এখন কী করবি বলে প্ল্যান করেছিস?
বাবা, তোমাকে পরে ফোন করছি।
না, শোন।
তোমাকে পরে ফোন দিচ্ছি, বাবা।
বালুর বাবা মামলা করবে।
এখন আমরা কী করবো?
ও কেন ফোন দিলো?
হ্যালো, প্রবীণ।
ভারত! কোথায় তুই?
বাসায়, কেন?
এইমাত্র কাকার সাথে কথা হলো বালুর কী হয়েছে?
হ্যাঁ, আমিও এখানেই আছি।
পুলিশকে ফোন দিয়েছিস?
না, দেইনি।
কী করার প্ল্যান করছিস?
জানি না, কোথায় তুই? তাড়াতাড়ি এখানে আয়।
আমার নাইট শিফট সকাল ৯টায় শেষ হবে। এখন আসতে পারবো না।
তাছাড়া কাউন্টারে আমি একা নয়তো আসতে পারতাম।
ঠিক আছে, যতো তাড়াতাড়ি পারিস চলে আয়।
সকাল ৯টা পর্যন্ত কী করবি?
ওরা বালুর বাবা-মায়ের সাথে কথা বলেছে। তুই তাড়াতাড়ি চলে আয়।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
ঠিক আছে।
প্রবীণ কীভাবে জানলো?
ভেঙ্কির বাবা ওকে ফোন করেছিল।
প্রবীণকে কেন বলতে হবে?
প্রবীণের তত্বাবধানে এই বাড়িতে থাকি তাই হয়তো উনি বলেছে।
এখন কী করবো?
এখনি তোদের বাবা-মাকে ফোন কর বল এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল।
তাদের বুঝিয়ে বল বিশাল সমস্যা হবে যদি সবাই বিষয়টা জেনে যায়।
যেভাবে হোক উনাদের বুঝা। তাড়াতাড়ি কল দে।
অর্জুন, বাবাকেও ফোন দে।
হ্যালো! বাবা।
ইচ্ছা করে কেন এমন কাজ করবো, বাবা?
এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল, বাবা।
ছোটবেলা থেকে আমরা অনেক ভালো বন্ধু, বাবা।
ওকে মেরে আমাদের কী লাভ, বাবা?
মাতাল ছিলাম বলে কী আমরা ওকে হত্যা করেছি?
দুর্ঘটনাটা দ্রুত ঘটে যায়।
এলাকার কারো সাথে এই বিষয়ে কথা বলো না।
শুধুমাত্র ভারত'ই জানে।
যখন ওর বাবাকে কল দিলাম।
উনি আমাদের হুমকি দিচ্ছে।
আমাদের ভয় লাগছে।
হ্যাঁ, বাবা!
ভারত!
হ্যাঁ, বাবা।
আমরা সবাই বালুর বাবার সাথে কথা বলেছি।
আচ্ছা।
উনাকে এটাও বলেছি- বালুর মৃত্যুতে আমরা কতোটা অনুতপ্ত।
বালুও আমাদের কাছে নিজের ছেলের মতোই ছিল।
আমরা আপনার কষ্টটা বুঝতে পারতেছি।
আপনি রাগ করলে, বাকিদের জীবনটাও নষ্ট হয়ে যাবে।
বলেছি বিষয়টা ভেবে দেখবেন।
উনি কিছু বলেনি একদম চুপচাপ ছিল।
বালুর মা কান্নাকাটি করছিলো।
হ্যাঁ, বাবা।
হ্যালো, বাবা।
তাদের সাথে কথা হয়েছে?
ওহ, ঠিক আছে।
তাহলে, উনারা!
ঠিক আছে, ঠিক আছে।
ঠিক আছে।
মনে হচ্ছে তারা মেনে নিয়েছে।
এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেনি।
ঠিক আছে, বাবা.. বাই।
উনারা এখন শান্ত হয়েছে।
চিন্তাভাবনা করে এখানকার পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে বলেছে।
ইন্ডিয়ার ব্যাপারটা তারা সামলাবে।
তো, এখন বালুকে কী করবো?
কী হয়েছে?
উনারা শান্ত থাকবে বলেছে আর আমরাও...
কিন্তু এই লাশের কী করবো?
ভারত! তোর সাথে কথা আছে।
কী করছিস! তোর কোন ধারণা আছে?
জানিস কতোটা ঝুঁকি হতে পারে? পুলিশ জানতে পারলে আমরা শেষ।
নিজ থেকে পুলিশকে জানালেও আমাদের জীবন শেষ।
যদি সত্য না বলি হয়তো কাজ হতে পারে।
কেন ঝুঁকিটা নিচ্ছিস?
ওদের জন্য তোর জীবন কেন ঝুঁকিতে ফেলবি?
প্রবীণ, তোর কী...
এটা করছি শুধুমাত্র আমার ভাই এর সাথে জড়িত বলে।
আর সবাই ছোটবেলা থেকে একে অপরকে চিনি।
ঠিক আছে, হ্যাঁ সবাই একই এলাকা থেকে এসেছি।
এমনকি আমাদের পরিবারও একে অপরকে ভালভাবে জানে, কিন্তু!
দুঃখিত, ভারত আমি ঝুঁকিটা নিতে পারবো না।
আমি এই বাসার দায়িত্বে আছি যদি কিছু হয়ে যায়? প্যাঁচে পড়ে যাবো।
তোর নামও কেউ জানবে না।
তাতে কী!
তারপরেও.. আমি ঝুঁকি নিতে পারবো না।
ঠিক আছে, তোর মর্জি আমি ওদের সাথে আছি।
কাকাকে কল দিচ্ছি।
হ্যালো!
প্রবীণ?
কাকা!
তুই বাসায় এসেছিস?
এইমাত্র এসেছি।
কী করবি বলে ভেবেছিস?
কোন আইডিয়া নাই, কাকা।
সাবধানে থাক ঝামেলা পাকাস না।
জি, কাকা।
আমরা কাউকে বলিনি তুই চিন্তা করিস না।
কাজটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে হচ্ছে, কাকা।
হ্যালো!
কাকা, শুনতে পাচ্ছেন?
নেটওয়ার্ক সমস্যা করছিলো এবার শুনতে পাচ্ছি।
হ্যাঁ, কাজটা ঝুঁকিপূর্ণ।
তাহলে কী করতে চাচ্ছিস?
কাকা, এই বাসার দায়িত্ব আমার উপর।
কোন ভুল হলে..
ভেবেছিলাম তুই সাহায্য করবি কিন্তু তুই ভয় পাচ্ছিস।
অবশ্যই, আমি ভয় পাচ্ছি কারণ ব্যাপারটা অনেক বড়, কাকা।
আমাদের কী করতে বলিস? তুইও আমাদের আপন।
তোকেও সন্তানের মতো বড় করেছি।
ঠিক বলেছেন, কাকা।
বাবা মারা যাবার পর আপনি আমাদের বড় করেছেন।
এমনকি আমাকে এখানে আসতে আর্থিকভাবেও সাহায্য করেছেন।
সেরকম কিছু না, প্রবীণ।
তুই আমার কাছে ঋণী বলে এটা করতে বলছি না।
বুঝেছি, কাকা।
ছেলেটার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে। আমি সাহায্য ভিক্ষা চাচ্ছি।
ঠিক আছে, কাকা।
আমরা কোন উপায় বের করবো, কাকা।
ঠিক আছে, কী সিদ্ধান্ত নিলি আমাকে জানাস।
ঠিক আছে, কাকা।
ঠিক আছে তাহলে।
মাদারচোদেরা..
জানিস কী করেছিস?
প্লিজ ভাই, এটা দুর্ঘটনা ছিল।
তোদের কী মনে হয় আমরা ইন্ডিয়াতে আছি?
চুপ কর, সব দোষ তোর।
আরেকটা কথা বললে তোকে একদম মেরে ফেলবো।
প্লিজ, পুলিশকে কিছু বলো না.. ভাই।
চুপ কর।
আমাদের কথাটা একবার ভাবো।
এই ব্যাপারে আর কে জানে?
আমরা ছাড়া আর কেউ জানে না।
ঠিক আছে, যা খুশি কর কিন্তু আমাকে এসবে জড়াবি না।
আমি চুপচাপ থাকবো।
কিন্তু পুলিশ যদি জেনে যায়,
আমি নিজে তাদের বলবো যে এসবে আমার হাত নাই, সব তোদের দোষ।
এটাই আমার মতামত, বুঝেছিস?
ঠিক আছে, ভাই।
এখন কী করবি?
আমার একটা আইডিয়া আছে।
যদি বালুকে দূরে কোথাও দাফন করি?
একদিন না একদিন ঠিকই লাশ পাওয়া যাবে।
যদি অ্যাসিডে ডুবিয়ে দেই?
হ্যাঁ, হাইড্রোফ্লুরিক অ্যাসিড। কয়েকটা টিভি শোতে দেখেছি।
বোকা, এসব শুধু সিনেমায় হয়।
বাস্তবে এটা খুব দুর্বল এবং কাজও করবে না।
যদিও অন্য অ্যাসিড আছে কিন্তু এরজন্য লাইসেন্স লাগবে।
লাইসেন্স থাকলেও, একটা দেহ ডুবানো পরিমাণ পাওয়া না।
ভারত, তোর কী মনে হয়?
একটা আইডিয়া আছে ভাবছি কাজ করে কিনা!
সেটা কী?
বাড়ির উঠোনে?
মনে হয় না আমাদের কাছে এরচেয়ে ভাল কোন উপায় আছে।
কী বলছো?
ও বালুকে বাড়ির উঠোনে দাফন করার জন্য বলছে।
ঠিক, এটা নিরাপদ।
কিন্তু...
বাড়ির কী হবে?
বাড়িটা ৩০ বছরের জন্য বন্ধক দেয়া তোরা ২-৩ বছরের মধ্যে চলে যাবি।
পরে যারা এখানে থাকতে আসবে তারা বিপদে পড়বে।
সেটাও বলতে চাচ্ছিলাম।
তোদের যেভাবেই হোক বাড়িটা কিনতে হবে।
ঠিক আছে, প্ল্যানটা হলো...
সবাই বাড়ির উঠোন খনন শুরু কর।
সৌভাগ্য যে, পুরো উঠোন ঘিরে বেড়া দেয়া তাই তোদের দেখা যাবে না।
এতো সকালে? রাতে করলে কেউ জানবে না।
না, সকাল ভাল হবে কারণ বেশিরভাগ লোকজন কাজে থাকবে আর কেউ চেক করতেও আসবে না।
পাশাপাশি, বালুর.. সব রেকর্ড মুছে ফেলতে হবে।
মানে?
মানে, এখানে কেউ বালুর খোঁজ করবে না আর আমরাও কাউকে বলবো না।
ইন্ডিয়াতেও কেউ মামলা করবে না সেজন্য রেকর্ড থাকলে সমস্যা হতে পারে।
কন্ট্রাক, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট'স ওর নামের সবকিছু বন্ধ করতে হবে।
আর কী কী করতে হবে?
বিশ্ববিদ্যালয়।
হ্যাঁ, এটা বাতিল করতে হবে।
সহজ কাজ।
এটা বাতিল করা সহজ?
হ্যাঁ, আগেও এক বন্ধুর জন্য করেছি পার্সোনাল ডিটেইলস থাকলে করতে পারবো।
হ্যালো!
- ডাকনাম কী? - DASARI - বানান বলতে পারবেন?
D.A.S.A.R.I
- R.A? - না, R.I
শেষ এবং চূড়ান্ত।
বালুর নামে ইন্ডিয়ায় যাওয়া বিমানের টিকিট বুক করতে হবে।
কাকা?
আন...
কী হয়েছে?
কী হয়েছে?
কে ছিল?
বালুর বাবা-মা আসতেছে।
এখন কী করবো?
আগে ওর শরীরটা পরিষ্কার কর।
ওকে এভাবে দেখলে ওর বাবা-মায়ের খারাপ লাগবে।
ঠিক আছে।
উত্তেজিত হচ্ছিস কেন?
উত্তেজিত হচ্ছি না সব তোর জন্য হয়েছে।
কী? তুই কী বললি?
ছাড় তো।
সব আমার দোষ? বল, বল।
হ্যাঁ, সব তোর দোষ তুই পার্টির প্ল্যান করেছিস, গাধা।
তখন তো পার্টিতে সেই মজা করলি এখন সব দোষ আমার?
বাদ দে।
না, ও কী বলে শোন। সব নাকি আমার জন্য...
দেখ! কীভাবে দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপাচ্ছে যখন ওর বাবা আসবে।
হ্যাঁ, পালানোর চেষ্টা করছি কারণ আমার পরিবার তোদের মতো মাতাল না।
মাতাল হলে তোর সমস্যা কোথায়? দেখ! কী সুন্দর চালাকি করছে!
তুই বল, সাত্থি এখানে দোষটা কার?
বাদ দে না, ভাই।
না, বল তো এটা কী আমার দোষ?
হ্যাঁ, সব তোর দোষ।
তুই ওকে ১ম চ্যাংদোলা করেছিলি।
শোন, ভেঙ্কি! এখন কিছু যায় আসে না।
মানলাম আমি শুরু করেছিলাম তোরা হকিস্টিক নিয়ে যাসনি?
এখন আমাকে দোষ দিচ্ছিস কেন?
আমাদের বন্ধু মারা গেছে এবার তো শান্ত হ।
ঠিক আছে, ঠিক আছে সব আমার দোষ।
আমি সব দোষ মাথা পেতে নিচ্ছি তুইও না, তুইও না, এমনকি অর্জুনও না।
বালুর বাবা আসলে আমি সব দোষ স্বীকার করে নিবো।
ঠিক আছে।
এটাই আমি বলতে চাচ্ছিলাম।
চুপ কর, সাই।
ঘুষি খাবি কিন্তু।
আর আমি বসে থাকবো!
কী বললি? কী?
বন্ধ কর এসব।
ওকে মারবি? আবার একই কাজ করতে চাস?
তোরা সব পাগল হয়ে গেছিস।
চুপ কর।
দুর্ঘটনাক্রমে আমাদের বন্ধুকে হারিয়েছি, বুঝলি?
ও মারা গেছে কখনো ফিরে আসবে না।
এখন কী একে অন্যকে খুন করতে চাস?
আমিও এটা বলতে চাচ্ছি যে বালুর বাবা আসতেছে, আমরা চিন্তায় আছি।
গাধা! বালুর বাবা আসলে কী করবি সেটা ভাব।
একে অন্যকে দোষ দিবি না।
আবার যদি এমন করিস তোদের খবর আছে।
এখন সব দোষ আমার!
কী চিন্তা করছিস?
কিছু না।
সমস্যা নাই, আমাকে বল।
ইন্ডিয়াতে অনেক মানুষ জন্মদিনে একে অন্যকে চ্যাংদোলা করে।
এমনকি আমরাও ছোট থাকতে করেছি কখনো কারও মৃত্যুর কথা শুনেছিস?
কী বলতে চাইছিস?
কোন রক্তপাত বা ক্ষত হয়নি কিছুই না।
আমি খেয়াল করেছি যখন লাশটা সরানো হচ্ছিলো।
বালুর গায়ের রং গোলাপী হয়ে গিয়েছিল।
তুই কী বলতে চাচ্ছিস এটা খুন?
আমি শিউর না কিন্তু কিছু একটা ভুল আছে।
কী করতে চাচ্ছিস?
এক কাজ করা যাক।
বালুর বাবা-মা আসার আগে একে অন্যকে আলাদাভাবে তদন্ত করি।
ঠিক আছে, চল।
ভারত, এটা আমাদের মাঝে থাকুক।
ঠিক আছে।
আরে না, আমরা ম্যানেজ করেছি।
কিন্তু কেউ জানলে সমস্যা হবে।
সবকিছু! হ্যাঁ।
ঠিক আছে, বাই।
ভেঙ্কি!
সব ঠিক আছে, সাত্থি?
হ্যাঁ, ঠিক আছে।
চিন্তা করিস না সব ঠিক হয়ে যাবে।
ঠিক আছে, ভাই।
প্রবীণ তোর উপর রাগ দেখাতে চায়নি।
আমি বুঝতে পারছি পরিস্থিতিটা একদম আলাদা।
কতোদিন হলো তোরা সবাই বন্ধু হয়েছিস?
যেমনটা তুমিও জানো আমরা সবাই একই এলাকার মানুষ।
একই স্কুলে পড়েছি।
শুধু বি.টেক বালু অন্য কলেজ থেকে করেছে।
তোদের মধ্যে কী কেউ কলেজে মারামারি করেছিস?
কখনই না, আমরা সবসময় মিলেমিশে থাকতাম।
স্কুলের ১ম দিন থেকেই আমরা ঘনিষ্ঠ ছিলাম।
বিপদের মধ্যেও আমরা একসাথে ছিলাম।
আমি জিজ্ঞাসা করছি বালুর সাথে কারও সমস্যা ছিল?
না, না, বালু এরকম না।
তাহলে এসব কীভাবে ঘটলো?
তোমাকে বললাম না! ওকে চ্যাংদোলা করার সময় ঘটনাটা ঘটে।
হঠাৎ ঘটে যায়।
এভাবেই ও মারা গেল?
কেন, ভাই! কোন সমস্যা হয়েছে কী?
সবকিছু ঠিক আছে কারও সাথে কারও সমস্যা নাই।
হয়তো, আমরা বেশিই চিন্তা করছি।
প্রথমেই কেন খুন করবে?
হ্যাঁ।
কিন্তু, বিষয়টা অদ্ভুত.. আঘাত ছাড়া শরীর গোলাপী হয়ে গেল।
আমার সাথে আয়।
প্রবীণ, এদিকে আয়।
ওদের একজন বলেছিল বালুর হাঁপানি আছে।
হয়তো, যখন ওকে.. চ্যাংদোলা করেছিল
তখন ওর অ্যাজমা অ্যাটাক হয়।
ট্যাবলেটগুলা দেখে মনে হচ্ছে ওর স্কিন এলার্জি ছিল।
হয়তো এই কারণেই ত্বকের এই অদ্ভুত রং।
হ্যাঁ।
মনে হচ্ছে, আমরা ব্যাপারটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করছি।
চল, কিছু খাই?
এ্যালমন্ড'স!
এ্যালমন্ড'স!
এটা কোথায় খুঁজে পেয়েছিস?
উপরের ওয়াশরুমে।
এমনকি যে অ্যাজমা ইনহেলারটি পেয়েছি সেটাও মেয়াদোত্তীর্ণ।
আর ট্যাবলেটগুলা বেসিক অ্যালার্জির জন্য অ্যান্টি-হিস্টামিন।
তাই নাকি?
পটাসিয়াম সায়ানাইড.. গন্ধ বাদামের মতো কিন্তু এটা একটা বিষ।
যে কারণে ত্বক এতো গোলাপী ছিল। সাবধানে।
ভারত! ধরে নিলাম এটা দুর্ঘটনা ছিল কিন্তু এর পিছনে কারণ আছে।
এখন কী করবো?
চল খুঁজে বের করি এই বোতল কে কিনেছে।
কীভাবে খুঁজে বের করবো?
আমি যতদূর জানি, এসব জিনিস শুধুমাত্র buylethal.com এর মতো অবৈধ ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়।
এর জন্য ওদের ব্যাংক স্টেটম্যান্ট চেক করতে হবে।
কিন্তু..
কী ভাবছিস?
কিছু না, ওদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট চেক করবো কীভাবে?
কয়েকটা ধমক দিলেই দিয়ে দিবে।
না, এমন করলে.. কাজটা যে করেছে তাকে সতর্ক করা হবে।
তাহলে কী করবি?
ওদের অগোচরে চেক করতে হবে।
হেই! ভেঙ্কি।
সাই, কিছু খেয়েছিস?
সব ঠিক আছে তো?
হ্যাঁ।
বাল!
কী হয়েছে?
এখনি বিলটা দিতে হবে এজন্য আরও ১০০ টাকা দরকার।
আমার কাছে ১০০ আছে...
তোর ইমেইল আইডিটা দে।
দে টাইপ করি।
একটু পানি নিয়ে আয়।
সবরকম চেষ্টা করেছি কিন্তু কপাল খারাপ।
আমারও একই অবস্থা কিছুই পাইনি।
আচ্ছা! ওরা যদি.. কার্ড ব্যবহার না করে,
ডাউনটাউনে থেকে নগদ টাকায় কিনে আনে?
হতে পারে।
কী ভাবছিস?
একজন মানুষ বিষের বোতল কেনার পর কী করে?
হয়তো সেটা কিছুতে মেশায়।
একদম, চল।
বিরিয়ানি না.. ওরা একটু আগে খেয়েছে।
বিয়ারের বোতল?
কিন্তু সেটা সবার সামনেই খুলেছে, মেশানো কঠিন।
ওদের কাছে চিকেন ছিল।
এটাতে কী মেশানো যাবে?
কিন্তু সবাই চিকেন খেয়েছে।
হ্যাঁ।
আমরা কী কিছু বাদ দিচ্ছি, ভারত?
হ্যাঁ।
আমরা কগনাক বোতলে প্রস্রাব করে মজার চলে সেটা বালুকে উপহার দিয়েছিলাম।
যে বোতলে ওরা প্রস্রাব করেছিল।
সাই জানে।
তুই বলেছিলি যে ওরা কগনাক বোতলে প্রস্রাব করে, তাই না?
কে করেছিল?
দুজন করেছিল, ভেঙ্কি আর...
আরেকজন...
ভেঙ্কি এটা কোথায় করেছিল?
রান্নাঘরে নির্লজ্জ সালা।
আর কে?
আর...
অর্জুন, হ্যাঁ অর্জুন করেছিল।
কোন সমস্যা হয়েছে নাকি?
অর্জুন কোথায় করেছিল?
উপরের ওয়াশরুমে।
এসব কেন জিজ্ঞাসা করছো?
কিছু না, ওয়াশরুমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে তো তাই জিজ্ঞেস করলাম।
এক কাজ কর অর্জুনকে ডেকে নিয়ে আয়।
ঠিক আছে।
কুত্তার বাচ্চা।
প্লিজ থাম, ভারত।
তুই কী করেছিস?
কথা বল, এটা কীভাবে করলি?
শান্ত হ।
সবসময় ওই এগিয়ে ছিল।
শান্ত হ, ভারত।
এই দেশে তোমার কতোদিন হয়েছে?
কী?
কবে এসেছো এই দেশে?
৭ বছর হয়েছে না?
ঠিক তো?
এই ৭ বছরে একবারও কী আমাদের কথা ভেবেছো?
বলো?
আমাদের কল দাও না আমরা দিলে ধরো না, বলো ব্যস্ত আছো।
কখনো কী ভেবেছো, মা কেমন আছে? বোনটা কেমন আছে!
বাবার শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে? কখনো কী তাদের যত্ন নিয়েছো?
তো কোন অধিকারে আমাকে মারো?
মনে আছে কী যে তোমার একটা পরিবার আছে?
আমাদের বোনটা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তোমার ফোনের অপেক্ষা করেছিল।
বেচারী, শ্বেতা।
কী হয়েছিল?
ওর জন্মদিন ছিল।
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ।
দিল্লিতে স্বপ্নের কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপের অফার পেয়ে খুশি ছিল।
- এই যে আমার অফার লেটার। - তোকে নিয়ে আমরা গর্ব করি।
সবাই খুশি ছিল।
সে তার ভাইয়ের ফোনের অপেক্ষায় ছিল।
ভাই ফোন করলো না।
বোন কল দিলে ভাই কেটে দেয়।
ওর আরেকটা কল আসে।
কী চাও তুমি?
তুমি এক্ষুণি না এলে আমি নিজে চলে আসবো।
কী হয়েছে?
সে বললো তার বান্ধবীর সাথে দেখা করতে বাইরে যাচ্ছে।
মধ্যরাত ঘনিয়ে এলো সে আর ফিরে আসেনি।
আমি খুঁজতে গিয়েছিলাম কিন্তু সে কোথাও ছিলো না।
- বাবা, চলো.. শ্বেতাকে খুঁজি। - চল যাই।
বাবা আর আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। আমরা সব জায়গায় খুঁজলাম।
এখন কোথায় যাচ্ছো?
আমরা ফোনেও চেষ্টা করেছি কিন্তু সে ফোন ধরেনি।
ওর বন্ধু-বান্ধবীদের কল দিয়েছি তারাও কিছু বলতে পারেনি।
পুরো এলাকা খুঁজার পর,
ভোর ৪টায় বাসায় আসি।
আমাদের বাসায় পুলিশ এসেছিল।
এই বাসার মালিক কে?
আমি।
আমাদের সাথে আসুন।
কোথায়?
আমাদের হাসপাতালে নিয়ে গেল।
একটা লাশ শনাক্ত করতে বললো।
এটা কী আপনার মেয়ে?
মাথাটা লম্বালম্বিভাবে ফাঁটা অবস্থায় ও মৃত পড়ে ছিল।
আমি ওকে বাঁচাতে পারিনি।
বাবা-মা শেষ হয়ে গেছে।
বাবা!
বাবা! বাবা! ডাক্তার...
ওকে এভাবে দেখে বাবা-মাকে সান্ত্বনা দিতে পারিনি।
আমি একা ছিলাম।
আমি একা ছিলাম। আমার পাশে কেউ ছিল না।
কেউ ছিল না পাশে।
আমার কারণে ও মারা গেছে। সব দোষ আমার।
ওর জায়গায় তুমি মরলে ভাল হতো।
তোমার মরা উচিৎ ছিল। তোমার মরা উচিৎ ছিল।
একটা সুযোগ।
১টা সেকেন্ড সুযোগ পেলে আমি ওকে বাঁচাতাম।
শুধু একটা...
আমার বোনকে ফিরে পেতে চাই ওকে ফিরে পেতে চাই।
একদিন ওর বান্ধবী প্রিয়া আমাকে কল দিলো।
হ্যালো, ভাইয়া আমি শ্বেতার বান্ধবী, প্রিয়া।
হ্যাঁ, প্রিয়া বলো... কেমন আছো?
আমি ভাল আছি, ভাইয়া।
বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে আমাকে কল দিয়েছিল।
কোর্সগুলো কী খুব কঠিন?
মোটেই না, আমরা বি.টেক -এ যেমন পড়াশুনা করি তেমনি।
ওহ, শ্বেতা আর আমি বিদেশ আসতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত...
আংকেল-আন্টি কেমন আছে?
তারা ভাল আছে বিষয়টা নিয়ে আর কথা বলে না।
কথা বলতে বলতে বালুর প্রসঙ্গ আসলো।
ভাইয়া?
বালুও কী তোমার সাথে থাকে?
হ্যাঁ, সবাই একসাথেই থাকি।
সে কী স্বাভাবিক? ঠিকঠাক আছে?
হ্যাঁ, ঠিকই তো আমরা সবাই বন্ধু।
আমার সন্দেহ হয়।
জিজ্ঞেস করলাম বালুর সম্পর্কে কেন জানতে চাইলো?
এসব জিজ্ঞেস করছো কেন?
বালুকে কীভাবে চেনো?
হুমম, ভাইয়া...
আপনাকে কিছু কথা বলবো কিন্তু কাউকে বলবেন না, প্লিজ।
ঠিক আছে, বলো।
সে আমাকে বলতে লাগলো...
শ্বেতা আর আমি রুমমেট ছিলাম।
ও আমাকে সব বলতো।
শ্বেতা আর বালু একে অপরকে আগে থেকেই চিনতো।
ওরা প্রেমে পড়েছিল।
দুজনই খুব খুশি ছিল কয়েক মাস সবকিছু ভালই চলছিল।
হেই!
চোখ বন্ধ করো।
সারপ্রাইজ!
হেই, কী এটা?
নিজেই খুলে দেখো।
পছন্দ হয়েছে?
কিন্তু কিছুদিন পর বালুর আচরণ বদলে যায়।
শ্বেতার সবকিছুতে বিরক্ত হতো।
সবকিছুতে সীমাবদ্ধতা ছিল।
হেই, শ্বেতা!
এখানে কী করছো?
আমাকে চিনতে পেরেছো?
অবশ্যই, তোমাকে ভুলি কী করে!
তুমি কে? এখানে কী হচ্ছে?
ও রবি, আমার...
কারো সাথে কথা বললেই ওকে সন্দেহ করতো।
বালু ছাড়া কারো সাথে কথা বলা নিষেধ ছিল।
শ্বেতা কষ্টে এসব আমার সাথে শেয়ার করে।
শুধু তাই নয়, বালুর অনেকগুলা সম্পর্ক ছিল।
শ্বেতা বালুর আসল চরিত্র জেনে তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে।
শ্বেতা, দাঁড়াও।
দাঁড়াও, তোমার সাথে কথা আছে।
কী?
আমার কল ধরো না কেন?
আমাকে যেতে দাও তোমার সাথে কথা বলতে চাচ্ছি না।
দাঁড়াও, আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছো কেন?
সবাই দেখছে, বিরক্ত করো না যাও এখান থেকে।
আবার বলতে বাধ্য করো না।
তোমার সাথে কথা বলতে চাচ্ছি না।
শ্বেতা.. দাঁড়াও আমার রাগ তুলো না।
কেন বুঝতেছো না! যাও এখান থেকে।
তোমাকে কতোবার বলতে হবে?
গালে কী হয়েছে?
কিছু না... মুখে গরম পানি পড়েছিল।
এই! শ্বেতা।
বালু ওকে নির্যাতন করতে থাকে।
বালু শ্বেতাকে জন্মদিনের রাতে দেখা করতে বাধ্য করে এক বন্ধু সেটা আমাকে জানায়।
বান্ধবী বাইরে দাঁড়িয়ে আছে আমি এক্ষুণি আসছি।
ভাইয়া, হ্যালো ভাইয়া।
শুনতে পাচ্ছো!
তোমাকে পরে ফোন দিচ্ছি, প্রিয়া।
বাবাকে ফোন দিলাম।
শ্বেতার দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ড্রাইভার সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করলাম।
শ্বেতার দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ড্রাইভারের নাম কী?
কী হয়েছে?
কিছু না, শ্বেতার দুর্ঘটনায় কোন ড্রাইভার জেলে আছে?
বীরাজু।
তোমাকে পরে ফোন দিচ্ছি।
কী হয়েছে?
বালুকে মেসেজ করি...
বিভিন্ন নাম্বার থেকে।
বলি এইসব নাম্বারে টাকা না পাঠালে ওর জীবন শেষ করে দিবো।
ওর চোখে ভয় দেখতে পাই।
ঐসব নাম্বারে ও অনেকবার ফোন করে।
তখন নিশ্চিত হই এসব বালুর'ই কাজ।
তারপর সিদ্ধান্ত নিই...
বিষয়টা আমাকেই সামলাতে হবে।
বালু তোকে টাকা পাঠিয়েছিল?
হ্যাঁ, পাঠিয়েছিল।
তুই বিভিন্ন নাম্বার দিয়েছিলি, তাই না? তো শিউর হলি কীভাবে?
আমি নিশ্চিত বালু'ই পাঠিয়েছিল।
আমাকে দেখা।
আমি তো বললামই এটা বালু'ই ছিল, ভারত।
ও কী টাকা পাঠিয়েছিল?
ওই পাঠিয়েছিল, ভারত।
ও টাকা পাঠিয়েছিল কী না?
কতোবার বলবো যে ওটা বালু'ই ছিল।
আমার কথার উত্তর দে ও টাকা পাঠিয়েছিল কিনা?
পাঠিয়েছিল, ভারত।
তো, সেটা প্রমাণ কর।
দেখা আমাকে।
আমার কথা বিশ্বাস হয় না? ধুর হয়ে যাও।
হেই!
বাল।
কীভাবে নিশ্চিত হবো কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা?
ধুর।
এখন কী করবো?
প্রত্যেকের জীবন মূল্যবান, বড় ভুল হয়ে গেল বালুর বাবা-মাকে সব বলতে হবে।
উনাদেরকেই সিদ্ধান্ত নিতে দিবো।
ঠিক আছে, ভারত।
বের হয়ে যাও এখানে কেন এলে?
যা, ভিতরে যা তুই।
আয় বাবা।
কী দেখছিস?
শয়তান, দাও বলছি।
কেন ওর সাথে ঝগড়া করছিস? রিমোটটা দিয়ে দে।
তোরা কখনো বদলাবি না।
ঠিকই আছে।
কিরে! ব্যাটারি নাই?
তুমি কী ভাল হবে না?
বাবা, আমার একটা প্রজেক্ট আসছে ১টা ল্যাপটপ লাগতো।
কিনতেই হবে?
প্রজেক্টটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, বাবা।
পরে কিনে দিবো।
ঠিক আছে, বাবা।
কী, ভাইয়া?
ওয়াও! ল্যাপটপ।
কিন্তু, টাকা পেলে কোথায়?
তোর জানার দরকার নাই গিফট বুঝে নে শুধু।
ঠিক আছে।
স্বর্ণের চেইনটা কোথায়?
কোথায় সেটা?
চেইনটা...
কী হয়েছে? মন খারাপ কেন?
বাবার কথাগুলা ভাবছো?
এমন কিছু না।
আমি জানি তুমি পরিবারের জন্য কতোটা পরিশ্রম করছো।
এটাও জানি ঋণ পরিশোধের জন্য তুমি দুটো জব করছো।
সবাই তোমাকে বুঝে।
প্লিজ, বুঝার চেষ্টা করো কষ্ট পেয়ো না।
তাহলে, হাসো।
এভাবে হবে না।
হাসি...
দুঃখিত, বাবা।
যখন আমাকে অনেক বেশি প্রয়োজন ছিল তখন আমি পাশে ছিলাম না।
এমনটা আর হবে না, বাবা।
আমি কথা দিচ্ছি আর কারো কিচ্ছু হবে না।
কী করবি, বাবা? সব ওর ভাগ্যের লিখন।
বালুর বাবা-মা মনে হয়ে চলে আসছে।
চল, উনাদের নিয়ে আসি।
আন্টি, দেখবেন না।
প্লিজ, আন্টি আমার কথা শুনুন।
বালু!
বালু..
বালু..
ওকে দেখো, বালু!
ছেলেটাকে পড়াশোনার জন্য পাঠিয়েছিলাম আর তোমরা ওকে মেরে ফেললে!
জন্মদিনে কাউকে এভাবে মারে?
দেখো! এখন কী হয়েছে?
আমার ছেলেটাকে হারিয়ে ফেললাম।
ওকে ফিরিয়ে দিতে পারবে? তুমি কী ফিরিয়ে দিতে পারবে?
দেখো, ও মরে পড়ে আছে।
বালু!
এখানে এসো ছেলেটাকে দেখো।
চুপ করে আছো কেন?
ওকে বিদেশ পাঠাতে না করেছিলাম আমার কথা শোনলে না।
এখন আমাদের ছেলেকে হারালাম।
ও আমাদের একমাত্র ছেলে। কাছে থাকলে, ওকে নিয়ে সুখে থাকতাম।
এখানে পাঠিয়ে বড় ভুল করে ফেললাম।
বালু! বালু!
উঠো।
কীভাবে এমনটা হলো?
আংকেল, জন্মদিন উদযাপন করার সময়..
যখন একে অন্যকে কেক দিয়ে ঢিল মারছিলো।
সেসময় বালু.. কাঁচের টেবিলে পড়ে যায়।
লাশ ইন্ডিয়ায় নিয়ে যেতে পারবো না?
তাহলে, পুলিশ সব জেনে যাবে.. আংকেল।
দুঃখিত, দুঃখিত.. আংকেল এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল।
বালু!
বালু!
রাগে এমন করছে কষ্ট নিস না।
ও নির্বোধ তাই তো চিন্তা হয়।
তোকেই ওর খেয়াল রাখতে হবে।
আমি ওকে সবকিছু থেকে রক্ষা করবো।
ভারত!
ভারত!
চল, উনাদের সত্যটা জানাই।
তোমাদের আন্টি কোথায়?
উনি উপরে ঘুমাচ্ছে, আংকেল।
আংকেল!
তোমাকে কিছু বলার ছিলো।
জানি না কীভাবে বলবো!
মনে হচ্ছে কথাগুলা তোমাকে বললে আমার হৃদয় হালকা হবে।
৬ মাস আগে রাত ৩টায় বালু ফোন দেয় ও তখন কাঁদছিলো।
আমার খুব ভয় লাগছে, বাবা।
ও ভয়ে কাঁদছিলো কিন্তু কী হয়েছে সেটা বলেনি।
আমি ওকে দ্রুত বাড়িতে আসতে বললাম।
বাড়ি এসে ও আমাকে সব খুলে বললো।
আমার ভয় লাগছিলো, বাবা কী করবো বুঝতে পারছি না।
তুমি আমাকে নির্যাতন করছো গাড়ি থামাও।
তর্ক করার সময় ও তোমার বোনকে গাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।
পড়ে গিয়ে সে মাথায় আঘাত পায় সেজন্য প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো।
বালু ছিল আমার একমাত্র ছেলে।
ওকে বাঁচানোর জন্য আমি এসব কিছু করেছি।
ওর বদলে ড্রাইভারকে জেলে পাঠিয়েছি।
আমাকে ক্ষমা করে দাও তোমার পরিবারের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছি।
প্লিজ, আমাকে ক্ষমা করো।
দুর্ঘটনার পরও সে বেঁচে ছিলো।
বালু ভয় পেয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
সেটা বালু... কয়েক ঘন্টা পর বলে।
যদি তখনি বলতো, হয়তো তোমার বোনকে বাঁচাতে পারতাম।
আমাকে ক্ষমা করে দাও, ভারত।
তোমার বোনকে বাঁচাতে পারিনি।
এসব আমার প্রাপ্য।
তোমার বোনের জীবন নষ্ট করেছি আমাকে ক্ষমা করে দাও।
প্লিজ, আমাকে ক্ষমা করো।
প্লিজ, আমাকে ক্ষমা করো।
- শান্ত হোন, আংকেল। - আমাকে ক্ষমা করে দাও।
তোমার আন্টিকে কিছু বলতে হবে তাকে ঘুমাতে দাও।
কী করা যায় সেটা ভাবতে হবে।
আয়।
কী হয়েছে, ভাই?
লাশটা দাফন করতে হবে।
♪♪
বালু! বালু! বালু!
আমার ছেলেকে দেখতে চাই আমাকে যেতে দাও, প্লিজ।
বালু! বালু!
বালুর জন্যও কী টিকিট বুক করেছেন, আংকেল?
হ্যাঁ, ৩টা টিকিট বুক করেছি।
এসব আমাদের মধ্যেই থাকবে, আংকেল এলাকার কেউ কিছু জানবে না।
ছেলেগুলার খেয়াল রেখো, ওদের চিন্তা নাই বাড়িটা আমি কিনে ফেলবো।
ধন্যবাদ, আংকেল।
ফ্লাইটের সময় হয়ে যাচ্ছে আমরা রওনা দিলাম।
তোর কিছু অনুভব হয়নি?
ভারত, এটা নকল বিষ।
তাহলে কে করলো?
কী, হয়েছে ভাই? কোন সমস্যা?
তোরা কী কারো সাথে মারামারি করেছিলি?
বালুকে চ্যাংদোলা করলাম।
আমরা সবসময় মিলেমিশে থাকতাম।
আমরা কগনাক বোতলে প্রস্রাব করি।
বালুর গায়ের রং গোলাপী।
বালুর হাঁপানি ছিল।
ভেবেছিলাম এটা একটা দুর্ঘটনা।
তখন নিশ্চিত হই এসব বালুর'ই কাজ।
ওর জায়গায় তুমি মরলে ভাল হতো।
বালু আমাদের বোনকে মেরেছে।
বিষ এনেছো?
এনেছো নাকি না?
একটা জিনিস চাইলাম সেটা এনে দিতে পারছো না।
আমাদের পরিবার নিয়ে তোমার কোন চিন্তাই নাই।
অর্জুন, বোঝার চেষ্টা কর।
কিছু শুনতে চাই না।
আমি কী বলছি, শোন...
কী শুনবো?
তোমাকে বলাটাই ভুল হয়েছে।
আমি জানি তুমি পারবে না কিছু পারবে না।
আমিই করবো.. বালুকে নিজের হাতে খুন করবো।
যেভাবেই হোক ওকে খুন করবো।
চলে যাও এখান থেকে।
তুমি স্বার্থপর।
অর্জুন!
কী?
আমার কথাটা শোন।
তোর অন্য বন্ধুরা যেন নিরাপদ থাকে।
হ্যালো, ভাই তুমি কী করছো?
অনেক দেরি হয়ে গেছে।
তুমি শুধু আসো খুব জরুরী দরকার।
তো, জন্মদিনটা কার?
এটা তোরা কী করলি?
চল, পুলিশের কাছে যাই।
না, না, প্লিজ।
একটা উপায় আছে।
কী?
উনাদের বিষয়টা জানিয়ে বুঝিয়ে বলতে পারি।
এছাড়া আর কোন উপায় নাই।
ও কেন ফোন দিলো?
হ্যালো, প্রবীণ।
ভারত! কোথায় তুই?
বাসায়, কেন?
এইমাত্র কাকার সাথে কথা হলো বালুর কী হয়েছে?
হ্যাঁ, আমিও এখানেই আছি।
কিন্তু আঘাত বা চিহৃ ছাড়াই শরীরের রং গোলাপী।
তুই কী বলতে চাচ্ছিস এটা খুন?
আমি শিউর না কিন্তু কিছু একটা ভুল আছে।
কী করতে চাচ্ছিস?
এ্যালমন্ড'স!
চল খুঁজে বের করি এই বোতল কে কিনেছে।
কীভাবে খুঁজে বের করবো?
ও সবার ব্যাংক স্টেটমেন্ট চেক করবে।
যদি ধরা পড়ে যাই?
তোর ফোনটা দে।
আমি অর্জুনকে সবকিছু থেকে রক্ষা করবো।
translated by Suhan Ahmed
বালু দাঁড়া.. ধর ওকে।
ভাই, তুমি এখানে কী করছো?
পার্টি শেষ হওয়ার পর আসলে!
ওরা আমাকে পিটাতে চাচ্ছে।
হ্যাপি বার্থডে, বালু।
মুভিটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত। পরিবারের অনুরোধে নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত, সবার নিজস্ব গল্পে অনেক কিছু ঘটেছে। কিন্তু সত্যটা কেউ জানে না।
বালুর মৃতদেহ এখনও বাড়ির উঠোনে চাপা পড়ে আছে। আপনিই ১ম ব্যক্তি যিনি সত্যটা জানেন।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.