All language subtitles for Munjya 2024 Hindi 720p WEBRip x264 Bangla Sub By RS & SS

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic Download
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian Download
cs Czech
da Danish
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada Download
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam Download
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian Download
so Somali
es Spanish Download
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili Download
sv Swedish
tg Tajik
tt Tatar
te Telugu Download
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

🌻 অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ রাফেয়া সাদ ও সোহাগ শুভ 🌻

কাজটি ভালো লেগে থাকলে চাইলে ডোনেট করতে পারেন Bkash/Nagad: 01717933540

..:::Subsource & Opensubtitles ID:::.. https://subsource.net/u/1304151 https://www.opensubtitles.org/en/profile/iduser-8202869

আউচ! ব্যাথা পাচ্ছি তো! মা, আর মেরো না।

আহ! লাগছে তো!

মা, প্লিজ ভাইয়াকে মেরো না।

তাহলে তুই মুন্নির প্রেমে পড়েছিস?

হ্যাঁ, ওকে ভালোবাসি আর সবসময় ভালোবাসবো।

ও তোর চাইতে ৭ বছরের বড়।

ওর জীবনটা তছনছ করে দিয়েছিস।

ওর হবু জামাইয়ের খাবারে ইদুর মারার বিষ মিশিয়ে দিয়েছিস।

তো?

ওই মুখপোড়া বলদটা তো আর মরে যায় নি?

তুই...

-তুই আর পাল্টাবি না, তাই না? - মা! মা!

- মা, আমাকে ছাড়ো, ছেড়ে দাও। - আমার সাথে আয়। আয় বলছি।

- আমি ন্যাড়া হতে চাই না। - চুপ করে আমার সাথে আয়।

- ছাড়ো আমাকে। - যা।

বাবা, প্লিজ, আমাকে ছেড়ে দাও।

- কি হচ্ছে এসব? - ওর সব চুল ফেলে দিন।

তাড়াতাড়ি।

ছাড় আমাকে!

ভাইয়া?

ভাইয়া, আমরা কি বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছি?

মাথা খারাপ নাকি।

তাহলে কোথায় যাচ্ছি?

চেতুকওয়াড়ি ।

চেতুকওয়াড়ি?

জীবনেও না! আমি ওখানে পা রাখছি না!

ও জায়গায় ভয় লাগে।

ভয় পাস নে।

আমি আছি না।

চল।

মুন্নি শুধু আমার,

আর ওর যদি বিয়ে হয়, একমাত্র আমার সাথেই হবে।

এসব জিনিস দিয়ে কি হবে?

কালো জাদু

যজ্ঞ শেষ হলে মুন্নি,

সারাজীবনের জন্য আমার হয়ে যাবে।

এ দুনিয়ার কিছুই আর আটকাতে পারবে না।

আমার মনে হয় না এগুলো দিয়ে সত্যি সত্যি কাজ হয়।

চুপ থাক, গাধা!

এসব নিয়ে প্রচুর পড়াশোনা করেছি।

এখানেই অপেক্ষা কর, এখনই আসছি।

যজ্ঞের জন্য সামান্য মুত লাগবে।

ছিহ!

ভাইয়া?

ভাইয়া... হয়েছে?

কাল সকাল সকাল স্কুলে যেতে হবে।

ভাইয়া?

ওঁ হ্রীং ক্লীং চেকটোবায়ও নম!

ওহ মহাদেবী, দয়া করে আমার বলিদান গ্রহণ করো।

তুমি কি পাগল হয়ে গেলে?

কি করছো তুমি?

নরবলি দিচ্ছি!

কিন্তু আমি তো মেয়ে!

কিহ?

মেয়ে হলেও চলবে!

ভাইয়া, প্লিজ, ছেড়ে দাও।

মুন্নির জন্য সবকিছু করতে রাজি।

আহ! ব্যাথা লাগছে!

-গোতিয়া! -গোতিয়া!

-গোতিয়া! -গোতিয়া!

-গোতিয়া! -গোতিয়া!

মুন্নিকে বিয়ে করবো। মুন্নিকে বিয়ে....

-গোতিয়া! -গোতিয়া!

-গোতিয়া! -গোতিয়া!

নড়ছে না তো। গোতিয়া!

-গোতিয়া! গোতিয়া!

ওরা এসব করছে কেন?

এই যজ্ঞ না করলে অনেক বড়, অনর্থ হয়ে যেতে পারে।

মস্তক মুণ্ডন অনুষ্ঠানের ১০ দিনের মধ্যেই তোমার ছেলে মারা গেছে।

ও যদি মরা থেকে জেগে উঠে, তাহলে রাক্ষস হয়ে যাবে।

ব্রহ্মরাক্ষস!

মুঞ্জা?

মুঞ্জা! চেতুকোয়াডি! চেতুকোয়াডি! চেতকোবা! আয়!

দেখেছি ওটা।

“কসমস” পড়ে তুই কি করবি শুনি, হাহ?

মা, এটা কসমেটোলজি।

আর সেটা আসলে কি?

এটা হচ্ছে স্টাইলিং, একই জিনিস যা আমরা করি।

কাম অন! আমরা যেটা এখানে করি সেটা শিখতে তোর এতদূর যাওয়া লাগবে?

কেন? এখানে আমাদের এত ভালো ব্যবসা আছে।

ওসব করার চাইতে তোর ব্যবসা সামলানো উচিত।

তুমি কখনোই আমায় কোথাও যেতে দাও না।

যা।

যেয়ে কিছু খেয়ে আয়।

আমার ক্ষুধা নেই।

ক্ষুধা থাকে না কিভাবে?

তোর দাদী তোর জন্য মিষ্টি ডালের চাপটি বানিয়েছে।

যা।

ওয়াও... মিষ্টি ডালের চাপটি!

পেয়েছিস?

অবশ্যই!

এমনকি ফুল স্কলারশিপ পর্যন্ত পেয়েছি।

এতো খুশির সংবাদ!

নে, খেয়ে দেখ।

মা রাজি হয়েছে?

হুম।

ওদের হ্যাঁ বলে দে।

ওসব আমি সামলে নিব।

না, দাদী, থাক। দরকার নেই।

এটা খা।

খাচ্ছি। অনেক গরম।

আস্তে খা।

মাকে কিছু বলো না।

তুই একদম তোর বাবার মতন হয়েছিস।

সত্যি?

বাবাও আমার মত ছিল?

ওসব নিয়ে কথা বলার দরকার নেই।

দাদি, তুমি কখনোই বাবার ব্যাপারে কিছু বলো না।

মাও তার ব্যাপারে কখনো কিছু বলে না।

আমি শুধু এটাই বলতে চাইছি

যে তোর বাবাও তোর মত ভীতু ছিল।

মানে?

পাম্মি এখানে কলেজে পড়াশুনা করতো

আর তোর বাবা ওর প্রেমে পড়ে যায়।

কিন্তু কখনোই ওর মনের কথা তোর মাকে খুলে বলতে পারে নি।

এ কারণে আমি নিজেই পাম্মির বাবা-মার কাছে প্রস্তাব নিয়ে যাই।

আমার জন্য চাপটি রাখো নাই।

মাত্র দুই ঘণ্টা আগেই পুরো এক বাটি ভর্তি চিড়া খেয়ে গেছে।

হ্যাঁ, খেয়েছি। এখানে আয়।

কেমন হয়েছে?

ঠিকঠাক।

আরেকটু মিষ্টি হলে ভালো হত।

বিট্টু, বেলা তোর জন্য পার্লারে অপেক্ষা করছে।

যা, দেখা করে আয়।

ওর আমেরিকান বন্ধুটাও এসেছে। ডোব্বা? না, কুবা!

হেই!

জানো ছোট থাকতে আমরা এই গাছে চড়তাম,

আর খুব মজা হতো তখন।

বিট্টু!

বিট্টু!

বিট্টু?!

বিট্টু!

বিট্টু!

বিট্টু!

বেলা।

সব ঠিকঠাক, বিট্টু?

এত আনমনা হয়ে যাস কেন?

তোর মন কোথায় থাকে?

- ঠিক আছিস? - হ্যাঁ, হ্যাঁ।

- তুই শিওর? - হ্যাঁ।

- হেই! - হেই, আমার জান।

তোর কুবাকে মনে আছে, তাই না?

হাই, কুবা।

জানো কুবা, যখন বিট্টু আর আমি ছোট ছিলাম,

আমরা একদম মানিকজোড় ছিলাম।

আমরা সবসময় একসাথেই থাকতাম।

- যেমনটা ওর আর আমার দাদীরা ছিল। - সত্যি?

আর জানো, আমি ওর বড় হওয়ায়,

অনেকটা অন্ধভক্তের মত ও আমার সব কথা শুনতো।

সবাই এটা বলাবলি করত যে...

বেলা যেখানে যাবে বিট্টুকে সেখানেই পাবে!

তোর মনে আছে?!

সো কিউট, ব্রো!

বেলা।

দাদী!

তুমি কেমন আছো?

খুব ভালো।

দাদি, আমি কাল জুম্বা স্টুডিও উদ্বোধন করছি।

তোমাদের সবার কিন্তু আসতেই হবে।

তুই চাস এই বয়সে আমি জুম্বা (এক ধরনের ব্যায়াম) করি?

না, তোমার জুম্বা করা লাগবে না।

শুধু অনুষ্ঠানে থাকবে।

এগুলো সব বিট্টুর আইডিয়া তাই ওর অবশ্যই....

আরে! ও কোথায় গেল?

জাস্ট আমার কথা শুনুন।

ডায়নোসররা মিস সুইটিকে খুব প্যারা দিচ্ছে।

হুট করেই ভবিষ্যত থেকে একটা হেলিকপ্টার চলে আসে।

আপনি ওটা থেকে নামলেন...

একটা কালো লেদারের জ্যাকেট আর হ্যাঁট পরে।

সাথে একটা চামড়ার চাবুক আর ব্যাম!

তারপর আপনি ডায়নোসরগুলোকে ধরে খুব চাবকিয়ে মিস সুইটিকে বাঁচাবেন।

সমাপ্তিতে....

একটা হলিউড-স্টাইল চুমু!

সেই তো!

কত খরচ পড়বে এর জন্য?

যেহেতু আপনি আমার বন্ধু,

২০ লাখে করে দিব।

প্লাস ট্যাক্স।

এই, ব্যাটা চামার,

আমাকে কি বোকা ভেবেছিস।

- চলো সুইটি, এখান থেকে যাই। - হ্যাঁ, চলো।

কিন্তু স্যার, স্যার... আচ্ছা, স্যার, আপনার ট্যাক্স দেয়া লাগবে না।

- ঠিক আছে, স্যার, দুই লাখে করে দিব। - আমার দরকার নেই, চলো যাই।

স্যার! অন্তত বিলটা তো দিয়ে যান!

এমন চলতে থাকলে,

তোর তো ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে, বন্ধু।

বিট্টু!

মনে হয় বাবা এবার দ্রুত আমার এনগেজমেন্ট পাকা করে ফেলবে।

তুই তো আসবি, তাই না?

হ্যাঁ, মা আর দাদির সাথে কথা বলবো।

আসলে সমস্যা হলো যখনই গ্রামের বাড়ির কথা বলি তখনই মা খুব রেগে যায়।

- শোন, আমি তোর সাথে পরে কথা বলছি। - আগে মার সাথে কথা বলে নিই।

তোকে কিন্তু আসতেই হবে।

- মার সাথে আগে কথা বলে দেখি। - হ্যাঁ.., বাই।

হেই...

এটা বেলার জুম্বা স্টুডিওর ভিডিওর জন্য।

হাঙর, ডায়নোসর, এলিয়েন.....

কিচ্ছু লাগবে না।

শুধু একটা সাধারণ প্রোমোশনাল ভিডিও বানিয়ে দিবি।

ঠিক আছে, বানিয়ে দেব।

এমনকি আমার ওস্তাদও এর চাইতে বড় আপোষ করেছে।

কাজেই, আমিও তাই করবো।

কু-বেল...কুবে?

হাহ...?

- বেশ দাঁতভাঙা শব্দ, তাই না?! -হেই!

কুবা আর বেলা - কুবেলা।

সুন্দর। সুন্দর। দারুণ!

এই বেলা, শোনো....

ভাই, কুবেলা অনেকটা টাবেলার (গরুর খোয়াড়) মত শোনায় না?

আর, অনেক ধন্যবাদ, স্পিলবার্গ,

ভিডিওটা ফ্রীতে তৈরি করে দেয়ার জন্য।

এর পরিবর্তে, আমি তোমাকে জুম্বা শিখিয়ে দেব।

হ্যাঁ?

আবার দেখা হবে। দুই মিনিট।

হ্যাঁ, আমি ঢাকনাটা তুলতেই দেখি

গুলাব জামুনগুলো এত্তো বড় বড়!

হ্যাঁ। সেফ ব্যাটা সব জিনিস স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বড় করে বানিয়েছে।

- বিট্টু, তোর সাথে কিছু কথা বলার ছিল। - আর কেউই ওদের ডিনার খেয়ে শেষ করতে পারেনি,

- জানিস তো। - আমার সাথে একটু আয়।

শোন, আমাকে সত্যি সত্যি একটা কথা বলবি?

কুবাকে তোর কেমন লাগে?

আমি ওকে বিয়ে করতে চাই না।

চুপ থাক।

জানিস তো,আমি চাই তোর আর আমার মত

কুবার সাথেও এমন সম্পর্ক গড়ে উঠুক।

তুই আমার ব্যাপারে এমন কিছু জানিস যেটা আমি অন্য কাউকে বলিনি।

মানে.... তুই সত্যিকার আমাকে জানিস।

হেই বেলা!

- ডুড, ওতো বেলাকে প্রপোজ করতে চাইছে।

চেতুকওয়াড়ি! চেতুকওয়াড়ি!

‘চিপলুন!’

যা! চেতুকওয়াড়ি যা!

-‘চিপলুন!’ - চেতুকওয়াড়ি!

চিপলুন!

আপনি কি বয়রা নাকি? চিপলুন! চিপলুন!

আপনার মনোযোগ কোথায় থাকে? চিপলুন! চিপলুন!

টিকেট?

এই নেন।

তুই ঠিক আছিস?

দেখ, আমি জানি তুই তোর দেবরকে পছন্দ করিস না।

কিন্তু রুক্কু তো আমাদের নিজের মেয়ের মতন।

ওর বাগদান অনুষ্ঠান মিস করি কেমন করে?

যেহেতু, রুক্কু আমাদের মেয়ের মতন, তাই আমরা অবশ্যই যাবো।

কিন্তু ওকে নিয়ে যাওয়া কি জরুরী?

ওই জায়গা থেকে কতদিন ওকে দূরে রাখতে পারবি?

যতদিন পারি রাখবো।

তোমার মনে নেই গতবার কি হয়েছিল?

চলো যাই।

ওয়াও!

এই....

এখানে দাঁড়িয়ে কি করছো?

ঘরে কত কাজ পরে আছে।

ওগুলো কে করবে শুনি, আমি? যাও ভেতরে!

হ্যাঁ, কিন্তু....

এখনই ভেতরে যাও, গাধা মহিলা!

যাও!

খুব ব্যাথা করছে, না?

হুম।

ডাক্তার কিছু পেইনকিলার দিয়েছে।

হুম।

চাচি, আমি ওকে বলেছিলাম যে অমাবস্যা রাতে নারিকেল গাছে না চড়তে।

সামান্য কয়টা টাকা বাঁচাতে.... আমার কোন কথাই শুনল না।

মুখটা বন্ধ রাখ, জাগ্গু।

ওই ভিদে হারামিটা আমাকে চ্যালেঞ্জ করল।

আমি তো গাছে চড়ে ওর মাথায় নারকেল ভাঙতে চেয়েছিলাম,

কিন্তু কপাল খারাপ, পা ফস্কে গেল।

ভগবান জানে কে অভিশাপ দিয়েছে!

পাম্মি, ঘরে গিয়ে দেখ সাভিত্রি কিভাবে পাপড় ভাজছে।

যা।

এই রুক্কু, ওখানে বসে আছিস কেন?

এখানে এসে আমার পিঠটা চুলকে দে।

আমার হাতের দশা তো দেখছিস, না?

তোর বিয়ে হয়ে গেলে আমার পিঠ চুলকে দেবে কে, হ্যাঁ?

আয়।

বিট্টু, তুই তো নিশ্চয়ই এসব করতে পারিস।

মানে পিঠ চুলকানো, এসব আর কি।

আমি নিশ্চিত তুই এসব মেয়েলি কাজ তোর পার্লারে করেই থাকিস।

এই... ওরা বাইরে ঘুরতে যাবে।

কেন?

বালু....

ঠিক আছে।

তোর গ্রামের বাড়িতে আরও নিয়মিত আসা উচিত,

আমারও ভালো লাগে।

হ্যাঁ, কিন্তু মাকে কিভাবে রাজি করাবো?

মা শুধুমাত্র তোর বাগদান অনুষ্ঠানের কারণে আসতে রাজি হয়েছে।

নাহলে....

হুম।

চেতুকওয়াড়ি!

বিট্টু, চেতুকওয়াড়ি!

বিট্টু, চেতুকওয়াড়ি!!!

চেতুকওয়াড়ি!

এই, বিট্টু!

আমার বাবার ব্যাপারে কিছু জানিস?

উনার কি হয়েছিল?

না, জানি না।

আমাদের যাওয়া উচিত। চল যাই।

এখানে এত সময় থাকা ভালো না। চল ফিরে যাই।

কেন?

আরে, ওই তো অভিশপ্ত জায়গা চেতুকওয়াড়ি।

চল যাই।

ওই জায়গাটা তো আমাদের।

তোমাকে শুধু বিক্রির চুক্তিনামায় সই করতে হবে।

হায় ভগবান,

তুই চেতুকওয়াড়ি বিক্রি করে দিতে চাচ্ছিস?

সমস্যা কি, শুনি?

ক্রেতারা জায়গা না দেখেই কিনতে রাজি হয়ে গেছে।

উনাদের যদি সমস্যা না থাকে, তবে আমাদের কেন থাকবে?

বউদি, তুমি কি মাকে বোঝাতে পারো না?

বালু, তুই জানিস ও জায়গা অভিশপ্ত।

আরে মা, এই কারণেই তো বিক্রি করে দিতে চাইছি।

না, আমি এটা হতে দেব না।

কেন?

তোমার বড় ছেলেকে সই করতে বললে

তো ঠিকই ঢ্যাঙঢ্যাঙিয়ে সই করে দিতে, তাই না?

চেতুকওয়াড়ি বিক্রির প্লান তো প্রথমে তোমার বড় ছেলেই করেছিল, তাই না?

দাদা ওটা বিক্রি করতে চেয়েছিল বউদির পার্লার দেয়ার জন্য।

ও কি বলে নাই “চেতুকওয়াড়ি অভিশপ্ত নয়, শুধু ওই গাছটা অভিশপ্ত”?

“আমি গাছ পুড়িয়ে ফেলে ওই জায়গা বেঁচে দেব।”

সবাই জানে এরপর কি হয়েছে।

এই, নির্বোধ!

তোর বাকওয়াস যথেষ্ট শুনেছি! চুপ কর!

কি... বাবার কি হয়েছিল?

কিছু হয়নি, বিট্টু। তুই বাইরে যা।

- বাইরে যা। - না। দাদি?

মাথাই নষ্ট!

তোমরা এখনো বলোনি ওকে,তাই না?

ওরও জানা উচিত, তাই না?

ওর জানা উচিত কিভাবে আর কোথায় ওর বাপটা মরেছিল!

চুপ কর, বালু।

বাবার কি হয়েছিল?

কি হয়েছে জানতে চাইছিস, হাহ?

ও চেতুকওয়াড়ি গিয়েছিল গাছটা পুড়িয়ে ফেলার জন্য।

সেখানে পিছলে পরে সমুদ্রে ডুবে মারা যায় তোর বাপ।

মিথ্যে কথা!

- আমি বিশ্বাস করি না। - অবশ্যই, করিস না।

তুই তো তোর বাবার মতই।

তাকে সাবধান করেছিলাম,

“গ্রামের কেউ তোমার সাথে চেতুকওয়াড়ি যাবে না।

একা যেও না।” কিন্তু শুনলই না আমার কথা!

আপনি মিথ্যা বলছেন।

- মিথ্যে বলছি? - হ্যাঁ।

তাহলে গ্রামবাসীকে গিয়ে জিজ্ঞেস কর তোর বাবার ব্যাপারে।

তারা সবাই বলবে যে তোর বাবা পাগল ছিল!

খবরদার বাবাকে নিয়ে আজেবাজে কথা বলবেন না নয়তো.....!

নয়তো কি, হাহ?

এই! বালু!

-বিট্টু! -বিট্টু!

-বিট্টু! -বিট্টু!

-বিট্টু! থাম! -বিট্টু! আমার কথা শোন।

- বিট্টু! - যাস নে।

-বিট্টু! থাম! -বিট্টু!

-বিট্টু!

তুই এসেছিস!

-বিট্টু!

চিন্তা করো না, ওকে খুঁজে পাবোই। ওর কিছু হবে না।

হ্যাঁ পাপিয়া... বল?

কি?

বালুর স্কুটার পেয়েছিস।

কোথায় পেয়েছে?

কোথায়?

সমুদ্রপাড়ে।

চেতুকওয়াড়ির কাছে।

চেতুকওয়াড়ি...

হ্যাঁ, ওকে, জানিয়ে দেব।

চেতুকওয়াড়ি...

বালু, ও তো চেতুকওয়াড়ি গেছে।

ওকে এখনই নিয়ে আসতে হবে।

মা, কি বলছো বুঝতে পারছো?

এই সময়ে চেতুকওয়াড়ি কে যাবে শুনি?

- কিন্তু... - শোন....

দাঁড়াও।

পাপিয়াকে বল আমার স্কুটার এনে দিতে

আর এক কেজি পাপড় ফ্রী নিয়ে যেতে বল, ওকে?

এখানেই থাকো, আমরা এখনই আসছি।

‘ভাইয়া, আমরা কোথায় যাচ্ছি?’

‘চেতুকওয়াড়ি ’

‘চেতুকওয়াড়ি ?’

‘আমার ভয় লাগছে।’

‘ভয় পাস নে। আমি তো আছি।’

‘চল যাই।’

গিতা.... ডাইনী বুড়ি!

বিট্টু কোথায়?

বিট্টু।

তাহলে ওর নাম বিট্টু, হাহ?!

বিট্টু.....

কতদিন ধরে এখানে আটকা পরে আছি।

অবশেষে, আমার বংশধর এসেছে।

অবশেষে, এখানে থেকে মুক্তি মিলবে!

ভাইয়া, ওকে ছেড়ে দে, নয়তো....

নাআআআ!!!

আমি ব্রহ্মরাক্ষস!

ব্রহ্মরাক্ষস না!

তুই একটা ইচড়েপাঁকা ছেলে।

বিট্টু।

চল যাই, বিট্টু।

আয়।

আয়।

জলদি চল।

আয়।

দাদি... ওটা কি ছিল?

ভুত?

মুঞ্জা।

ওকে আমি দুঃস্বপ্নে দেখেছি।

তোর বাবাও একই রকম দুঃস্বপ্ন দেখতো।

বাবা?

অনেক বছর আগে, ও আমার বড় ভাই ছিল।

মানে?

তোকে এতদিন আমি এসবের কিছুই বলিনি।

আর কিই বা বলতাম, শুনি?

যে আমিই তোর বাবাকে ওখানে যেতে দিয়েছি?

সব আমার দোষ।

কিন্তু চিন্তা করিস না।

ও এখানে আসতে পারবে না।

ও ওই গাছের সাথে বাঁধা পড়ে আছে।

ওর অস্থি ওখানে পোতা আছে।

বিট্টু, যতদিন আমি বেঁচে আছি....

তোর কোন ক্ষতি হতে দেব না।

দাদি.....

ধন্যবাদ, দাদি।

আমি এখন এই লাঠি দিয়ে তোর চাচার পিঠের ছালচামড়া তুলে ফেলবো!

বিট্টু?

বিট্টু....?

দাদি....

দাদি!!!

দাদি!

বিট্টু, ঠিক আছিস?

দাদি?

দাদি....? দাদি....?

দাদি...

দাদি আর নেই রে।

পুলিশ বলছে উনি পাথরে পা পিছলে পড়ে গেছেন

আর বিট্টু বলছে মুঞ্জা উনাকে মেরে ফেলেছে।

মুঞ্জা?

না, মুঞ্জা মাকে মারে নি, ও মেরেছে।

ও যদি সেদিন না যেত, তাহলে মাও ওর পিছু পিছু যেত না

আর এসবের কোন কিছুই তখন ঘটতো না।

এর জন্য রুক্কুর বাগদান পর্যন্ত মুলতবি রাখতে হচ্ছে।

দাদার বউ আর তার ছেলে আমার জীবনে অভিশাপ ছাড়া আর কিছু নয়।

প্রথমে আমার ভাইকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে, আর এখন মা ও চলে গেল।

আমরা যদি আর এক মূহুর্তও এখানে থাকি,

তাহলে এই গোঁয়ার হাদারামটাকে চিতায় পুড়িয়ে মারবো বলে দিলাম।

আমরা চলে যাবো। এখনই।

বিট্টু!

- শালা! লুইচ্চা! - কি সমস্যা?

কি হচ্ছে এখানে? ওকে মারছেন কেন?

- কি সমস্যা? - ওকে পেটানোই দরকার! আমাকে চিমটি দেয়!

- কি? - আমি তো আপনাকে চিমটি দিইনি। কি হচ্ছে এসব?

- মিথ্যে বলবি না! তোকে আমি.... - এই, এই, শান্ত হন!

- কোথাও চিমটি দিয়েছে ও, শুনি? - এই যে এখানে। এখানেই চিমটি দিয়েছে।

না, আমি... আপনি যা বলছেন তা আমি করিনি।

-খবরদার মিথ্যা বলবি না! -ওকে, শান্ত হন! থামুন! থামুন!

বিট্টু, তুই পেছনে গিয়ে বস।

- কিন্তু মা, আমি তো কিছু করিনি। কসম। - বিট্টু, পেছনে গিয়ে বস।

যা।

এখন দেখি কে আপনাকে চিমটি দেয়।

কি লুইচ্চার লুইচ্চা!

বিট্টু ওকে চিমটি দিয়েছে!

চিমটি দিয়েছে! বিট্টু চিমটি দিয়েছে!

চিমটি দিয়েছে!

আমি চিমটি দিয়েছি!

শুধু তুই-ই আমাকে দেখছিস।

এখন থেকে তুই আমার গাছ।

চেতুকওয়াড়ি থেকে...মুক্তি!

মুন্নি.... খোঁজ ওকে!

খোঁজ ওকে! খোঁজ ওকে!

মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবো!

মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবো!

মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবো!

মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবো!

মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবো!

মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবো!

মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবো!

দাদি তোর জন্য একটা রেখে দিয়েছিল।

খেয়ে নে।

বিট্টু...

বিয়ে করতে চাই!

মুন্নি! খোঁজ ওকে!

খোঁজ ওকে!

এই মুন্নিটা কে? ওকে আমি কেন খুঁজবো?

তুই আমার দাদিকে মেরে ফেলেছিস। তোর মুন্নিকে আমি কেন খুঁজবো?

বিট্টু! খোঁজ ওকে! মুন্নি! খোঁজ ওকে!

মুন্নি! খোঁজ ওকে! এখনই!!!

খোঁজ ওকে!

খোঁজ ওকে!

বিট্টু?

“বিয়ে করতে চাই... বিয়ে করতে চাই...”

“মুন্নিকে বিয়ে করতে চাই!”

“বিয়ে করতে চাই... বিয়ে করতে চাই...”

“মুন্নিকে বিয়ে করতে চাই!”

“বিয়ে করতে চাই... বিয়ে করতে চাই...”

“মুন্নিকে বিয়ে করতে চাই!”

- এ তো কালা, ফর্সা বানিয়ে দেব?! - না!!

আমার বাচ্চাটা কই? আমার বাচ্চাকে দেখেছেন?

- বিট্টু... - খোঁজা বন্ধ করবি না! নয়তো...

“মুন্নিকে বিয়ে করতে চাই!”

“বিয়ে করতে চাই...”

“বিয়ে করতে চাই...”

“বিয়ে করতে চাই...”

কি?

কি রে, কিছু বলবি তো, না?!

শোন, দাদির মৃত্যুতে আমি নিজেও কষ্ট পাচ্ছি,

তাই বলে আমি কখনো ভাবিনি তুই এসব শুরু করবি।

“এসব” বলতে কি বোঝাতে চাইছিস?

এসব!

বেশ, এসব বলতে কোনগুলো?

তুই গাঁজা টানা শুরু করেছিস!

তোর মায়রে বাপ.....

আমি কোন নেশা করছি না!

পাম্মি আন্টি বলছিলো দাদির মৃত্যু তোর উপর খুব প্রভাব ফেলেছে।

তুই সারারাত বাইরে থাকিস,

আর দিনে যখনই বাসায় আসিস, বিছানায় লুটিয়ে পরিস।

শুধুমাত্র তোর চোখ দেখেই,

যে কেউ ভাববে তুই নেশা করিস।

কিন্তু আমি তো নেশা করছি না, কসম কেটে বলছি।

তাহলে তোর সমস্যাটা কি?

বললে বিশ্বাস করবি?

তুই কি পাগল হয়েছিস, বিট্টু? এসব মাঞ্জু-ভাঞ্জু বলতে কিছু নেই।

মুঞ্জা।

হ্যাঁ, যেটাই হোক, মুঞ্জা।

তুই এলিয়েনে বিশ্বাস করতে পারলে,

ভূতে বিশ্বাস করিস না কেন?

আরে ইয়ার, এলিয়েনের ব্যাপারে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে।

এটারও কোন না কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা থাকবে হয়তো।

আমার বিশ্বাস হয় না।

ঠিক আছে, তবে।

কি করছিস তুই?

তোর মায়রে বাপ! এটা কি রে?

মুঞ্জার কাজ।

তোর কি মাথাটা গেছে, ভাই?

কোন বাজে চর্মরোগ হবে আর কি।

একটু পাউডার লাগিয়ে দে ঠিক চলে যাবে।

দাঁড়া।

বিট্টু,

আমার নুডলসে তো ড্রাগ মেশাসনি, তাই না?

না, মেশাই নি।

ও সূর্যাস্তের পরে আসে আর সূর্য ওঠার আগে চলে যায়।

তুই ওকে দেখতে পাবি না, শুধু আমি দেখি।

কিন্তু ঠিকমতো মনযোগ দিলে,

হয়তো ওকে শুনতে পাবি।

ও আসবে। শসস।

আসবে ও।

ওই, আখাম্বা!

ও কি চায়?

বিয়ে করতে চায়...

মুন্নি নামের কোন মেয়েকে।

ওকে। আর কোন তথ্য?

আর তথ্য আবার কি?

কি হলো?!

জানি না। হুট করে চলে গেল।

হলিউড ফিল্মে,

ওরা জানে এ ধরনের ভূতদের সাথে কিভাবে যোগাযোগ করতে হয়।

ওই, মজনু!

মুঞ্জা।

উপস, স্যরি, মুঞ্জা, মুঞ্জা।

ও, প্রিয় মুঞ্জা!

আমি, দিলজিৎ সিং ঢিলন,

ওরফে স্পিলবার্গ সিং,

তোমার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণভাবে আলোচনা করতে চাই।

তাই, পবিত্র যিশু খ্রিষ্টের নামে,

ওয়াহেগুরু,

- এবং গনপতি বাপ্পা.. - মোরেয়া!

মোরেয়া!

Please, tell us... দয়া করে, আমাদের বলো....

তুমি কি চাও?

হাহ?

মনে হয় মুঞ্জা ইংরেজি জানে না।

ও সম্ভবত স্কুলেও যায়নি, বেচারা।

সমস্যা নেই, আমি হিন্দিতে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।

- এবিসিডি-জেকে-ওয়াইজেড! - মুঞ্জা! মুঞ্জা!

আমি ইংলিশ স্কুলে গিয়েছি!

ওকে, ওকে!

আমি দুঃখিত, মি. মুঞ্জা, দুঃখিত!

না বুঝে ভুল করে ফেলেছি।

এখন দয়া করে বলো, তুমি কি চাও।

মুন্নি! মুন্নিকে বিয়ে করব! মুন্নি!

এই মুন্নিটা আসলে কে যাকে বিয়ে করতে চাও?

- আমি জানি না সে কে! - মুন্নি!

খোঁজ ওকে!

আমি খুবই দুঃখিত! এতে আমাদের তো দোষ নেই।

আমাদের মেরো না।

- পালা! পালা! পালা! - খোঁজ ওকে!

মি. মুঞ্জা, এই মুন্নি চলবে?

না!

শুধুমাত্র মুন্নি কানিৎকার!

নয়তো....

ভাই রে, খুব দ্রুত কিছু একটা সমাধান বের করতে হবে।

নয়তো, তোর মা তোর সাথে আমাকেও রিহ্যাবে পাঠিয়ে দেবে।

না, একটা সূত্র পেয়েছি।

তাহলে মুঞ্জা মুন্নিকে ছোটবেলা থেকেই চেনে, তাই না?

হ্যাঁ।

তার মানে মুন্নি আমাদের গ্রামেরই কেউ।

তাই, আমাদের গ্রামে যাওয়া উচিত।

হতে পারে আমরা মুন্নির ব্যাপারে আরও তথ্য পেয়ে যেতে পারি।

একদম।

চল তবে যাই।

আমার রুক্কুর সাথেও দেখা হয়ে যাবে।

মুঞ্জাকে ধন্যবাদ, ওর এনগেজমেন্টও ক্যান্সেল হয়ে গেছে।

তার মানে...

চল ওকে ফোন দিয়ে দেখি।

আসলে, চল ভিডিও কল দিই।

ওকে, চল। রেডি।

হুম, রেডি।

দাঁড়া!

রেডি।

- হেই, রুক্কু। - বিট্টু!

- তুই কি নেশাভাঙ শুরু করেছিস? - হাহ?

পাম্মি চাচি হোয়াটস অ্যাপে মাকে বলেছে।

হোয়াটসঅ্যাপের সবকিছু বিশ্বাস করতে নেই, রুক্কু।

যাইহোক, ওসব বাদ দে। তোর সাহায্য দরকার।

- হুম? - দাদির গ্রামে থাকাকালীন,

সে কি মুন্নি কানিৎকার নামে কাউকে চিনত?

আমি কোন মুন্নিকে চিনি না।

তবে কানিৎকারের নাম শুনেছি.....

আমাদের পাশের বাড়িতেই কানিৎকাররা থাকতো।

রুক্কু, তুই কি ওখানে যেয়ে খোঁজ নিতে পারবি ওদের পরিবারে মুন্নি নামের কেউ আছে কিনা?

ওদের পরিবার তো অনেক আগেই গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে।

জাগ্গু চাচার পরিবার ওদের বাড়ি কিনে নিয়েছে।

ওরা কোথায় গেছে? রুক্কু প্লিজ খোঁজ নে।

অবশ্যই খোঁজ নিবি, ওকে?

এক মিনিট,

তুই মুন্নির বিষয়ে জানতে চাচ্ছিস কেন, হাহ?

কারণ আছে। পরে বলবো।

পরে সব ব্যাখ্যা করবো।

প্লিজ কিছু একটা কর, রুক্কু। প্লিজ খোঁজ নে।

আমাদের কাছে দাদির ছোটবেলার কিছু ছবি আছে।

কানিৎকার পরিবারের ছবিও সেখানে আছে।

হতে পারে মুন্নিকে ওই ছবির কোনটায় পাওয়া যাবে।

আমি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দেব।

পাঠিয়ে দে!

রুক্কু!

আর শোন...

বাই।

কিরে, ভাই, তুই তো পরিচয় পর্যন্ত করিয়ে দিলি না।

তাতে কি হয়েছে?

পরেরবার কম পাউডার ব্যবহার করিস।

ওটার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার সম্পর্ক কি, শুনি?

ভাই, রাত হয়ে যাচ্ছে

কিন্তু এখন পর্যন্ত ছবিগুলো পেলাম না।

- পেয়েছিস? - হ্যাঁ, হ্যাঁ, পেয়েছি!

- মুন্নি! - হেই...!

ও কই?

এখানে নেই।

আমাকে দেখতে দে।

এটা তো আক্কা!

কি?

বেলা আর আক্কা তো দেখতে হুবহু একই রকম।

বেলার দাদি, আক্কা!

অশ্বিনি নাদকারনি।

তারমানে উনি বিয়ের আগে কানিৎকার ছিলেন।

এ তো ভালই হলো! উনি তো এই পুনেতেই থাকে।

যা!

এখনই! এখনই! এখনই!

- জলদি, চল এখান থেকে ভাগি! - আমি আসছি!

চল যাই।

হাহ?

চল যাই। ও রেগে আছে।

বিট্টু.....

বিট্টু, আমি খুবই দুঃখিত।

দাদির ব্যাপারে শুনেছি।

বিট্টু, ইশ আমি যদি তোর সাথে থাকতে পারতাম।

বেলা, আমার একটু তাড়া আছে।

- পরে দেখা করব, ওকে? - হ্যাঁ, চল যাই।

তোর সবসময় তাড়া থাকে।

না, বিষয়টা এমন না।

ভেতরে আয়, আয় আমার সাথে।

- না, আসলে... আমার... আমার যাওয়া দরকার। - আয় না, বিট্টু।

তোর সাথে কথা আছে।

- কি হয়েছে? - শোন,

আশা করি তুই এ ব্যাপারে আক্কাকে কিছু বলিসনি।

না উনাকে জানাই নি।

তোর দাদি উনার ছোটবেলার বন্ধু।

বিট্টু...

কি?

না।

ওকে। থ্যাংক গড।

- বিটস.. - হ্যাঁ?

- তুই ঠিক আছিস? - হ্যাঁ।

শোন, আমি বুঝি তোর এখন কেমন লাগছে,

কিন্তু তোর নিজের শরীরের যত্ন নেয়াটাও তো জরুরী।

মানে বলতে চাইছি.....

এক কাজ করি, তোর জন্য সেই জুসটা বানাই?

ঠিক আছে?

Remember the juice we used to have at the park during summer vacations? গরমের ছুটিতে আমরা পার্কে বসে যেটা খেতাম, সেই জুসটার কথা মনে আছে?

আমাদের প্রিয়! দু মিনিটের বেশি লাগবে না।

ঠিক আছে।

বেলা, তোর রিং কোথায়?

উম, ফেরত দিয়ে দিয়েছি।

ফেরত দিয়ে দিয়েছিস? মানে?

এত বড় প্রতিশ্রুতির জন্য আমি তৈরি না।

ওহ।

আমি দুঃখিত।

আমরা ব্রেক আপ করিনি।

কুবা আর আমি এখনো প্রেম করছি তবে একটু বিরতি নিচ্ছি।

না! বেলা!

ধন্যবাদ।

ওকে, ওয়েলকাম।

ওয়েলকাম।

ধন্যবাদ।

বিট্টু, তুই কি শিওর যে নেশা করিসনি?

হ্যাঁ।

ওকে, তৈরি হয়ে গেছে...

মুন্নিকে বিয়ে করবো!মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবে!

মুন্নিকে বিয়ে করবো!মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবে!

মুন্নিকে বিয়ে করবো!

মুন্নিকে বিয়ে করবো!

মুন্নিকে বিয়ে করবো!মুন্নিকে বিয়ে করবো! মুঞ্জা মুন্নিকে বিয়ে করবে!

ভালোবাসা সত্যিই মানুষকে কানা করে দেয়, তাই না ভাই?

আক্কার এই অবস্থা দেখেও, এই পিচ্চি তো বেশ আগ্রহভরে...

মি. মুঞ্জা... মি.মুঞ্জা, তুমি অনবদ্য!

আমরা তোমাকে বিয়ে করিয়ে দেব,

এমনকি তোমার বিয়ের ভিডিও ফ্রীতে করে দেব!

শুধু বলো কিভাবে এই বিয়ে করাতে হবে।

চেতুকওয়াড়ি!

চেটকোবা!

তন্ত্র! মন্ত্র!

তারপর বলি!

পাত্রীকে বলি!

ওর আত্মাকে মুক্তি দিতে হবে! বিয়ে!

খুন!

কোনভাবেই না!

আমি কাউকে খুন করতে পারবো না।

চাইলে আমাকে মেরে ফেলো।

তোকে না!

প্রথমে পাম্মি!

প্রথমে পাম্মিকে মারবো!

তারপর এই আখাম্বাটাকে!

দাঁড়াও, মি. মুঞ্জা, কি সব বালছাল কথা বলছ?

খুনোখুনি এবং রাহাজানি দিয়ে কখনো কিছুর সমাধান হয় না।

ও এখানে নেই।

কোথায় গেছে তাহলে?

পাত্রীকে বলি দে।

চিন্তা করো না, মি. মুঞ্জা।

আমরা দেখছি ব্যাপারটা। তাই না, বিট্টু?

শুধু বলো কখন করতে হবে।

আমরা মুন্নিকে নিয়ে আসবো।

না!

মুন্নি না...

বেলা!

বেলাকে বিয়ে করব! বেলাকে বিয়ে করব! মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

বেলাকে বিয়ে করব! বেলাকে বিয়ে করব! মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

বেলাকে বিয়ে করব! বেলাকে বিয়ে করব! মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

বেলাকে বিয়ে করব! মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

এখন বেলাকে বিয়ে করব।

এই যে।

ভয় পেলে একজন আরেকজনের হাত ধরে রাখবি, ওকে?

চুপ কর!

পেছনের দরজা দিয়ে পালা।

বিট্টু!

বেলা! বলি!

বেলা! বলি! ওকে খুন কর!

স্যরি, বেলা।

এই!

শান্ত হ, বিট্টু।

ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই।

নিশ্চিত কোন সমাধান বের করে ফেলবো।

- হ্যাঁলেলুয়া! - হ্যাঁলেলুয়া!

হ্যাঁলেলুয়া!হ্যাঁলেলুয়া!হ্যাঁলেলুয়া!

প্রস্তুত?

সবাই আমার সাথে বলো...

হ্যাঁলেলুয়া!

- হ্যাঁলেলুয়া! - হ্যাঁলেলুয়া!

- হ্যাঁলেলুয়া!

- হ্যাঁলেলুয়া!

সবাই আমার সাথে বলো...

- হ্যাঁলেলুয়া!

- হ্যাঁলেলুয়া!

এখানে আসো, বাছা।

বলো।

ও নদীর পারে মুততে গিয়েছিলো,

তারপর যখন ফিরে আসলো, তখন থেকেই এই অবস্থা।

প্লিজ, আমার বউকে বাঁচান।

চিন্তা করোনা, বাছা।

ইশ্বরের শক্তি তোমার সাথে আছে।

- হ্যাঁলেলুয়া!

- হ্যাঁলেলুয়া!

- হ্যাঁলেলুয়া! - হ্যাঁলেলুয়া!

হ্যাঁলেলুয়া! হ্যাঁলেলুয়া! হ্যাঁলেলুয়া!

এ তো পুরোই গাঁজাখুরি।

হেই...

তোর নাম কি?

আমার নাম... সানি লিওনি!

ফাজিল কোথাকার! তোর নাম জিজ্ঞেস করেছি?

আমি... আমি ভূত।

তাকে ছাড়ব না!

চুপ কর, শয়তান!

হালেলুয়া!

না, না, না।

ঈশ্বরের হাত!

ঈশ্বরের হাত!

-হালেলুয়া! -হালেলুয়া!

আমাকে বাঁচিয়েছেন।

হালেলুয়া!

হালেলুয়া!

হালেলুয়া!

হালেলুয়া!

তো, চিট্টু কে আর স্পিলবার্গ কে?

না...

এ হলো বিট্টু, চাচাতো ভাই। আমি স্পিলবার্গ।

দারুণ। দারুণ।

স্টিভেন আমার পুরনো বন্ধু।

কোন ভাবেই না, স্টিভেন স্পিলবার্গ?!

সেই সব দিনগুলোতে, অনেক অভিনয় করতাম।

তখন, সে আমার জন্য একটা মুভির স্ক্রিপ্টও লিখেছিল।

ইন্ডিয়া জোন্স।

কিন্তু এক আমেরিকান আমার রোলটা ছিনিয়ে নেয়।

দেখ...

আমি খুব ব্যস্ত।

তাই প্রাইভেট মিটিং, এক্সট্রা চার্জ।

অবশ্যই, বুঝতে পেরেছি।

বাইরে রুমালওয়ালা আন্টির কাছে সমস্ত পেমেন্ট করে দিয়েছি।

দেখুন আমাদের সমস্যাগুলো খুবই ব্যক্তিগত।

সব ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান আমার কাছে আছে।

- পাইলস, বন্ধ্যাত্ব, গুপ্তরোগ...? - না!

না, ওরকম ব্যক্তিগত সমস্যা নয়!

ভয়ঙ্কর, ভুতুড়ে এবং আধ্যাত্মিক ধরণের ব্যক্তিগত বিষয়।

ওহ, আধ্যাত্মিক!

তাহলে ঠিক জায়গায় এসেছ।

স্যার...

আমি বর্ণবাদী হতে চাই না, কিন্তু...

আমার সমস্যা মহারাষ্ট্রীয় সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত,

আর আপনি...

শয়তানের কোন ধর্ম নেই, বাছা।

শয়তান শুধুই শয়তান।

আর যাইহোক...

আমি এলভিস করিম প্রভাকর।

ঠিক আছে। কিন্তু আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে।

- তাছাড়া, আপই জানেন... - চল, স্পিলবার্গ।

স্যার, ওখানকার শয়টানটাই ওর জীবনটা দুর্বিষহ করে তুলেছে।

চল, স্পিলবার্গ।

দেখুন ওর অবস্থা!

আরে, মুঞ্জা।

এখন আমি বলি কি,

এই ঘরেই থাকো... ঠিক আছে?

তোমার সমস্যাটাই আসল।

এজন্যই সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে হবে।

বাইরে যা দেখেছ তা কেবল অভিনয় ছিল।

আপনি জালিয়াত?

জালিয়াতি, হাহ?

মানুষ বিশ্বাস করতে চায়,

তারা যা চায় সেটাই তাদের সাথে করব।

কাউকে কোন কিছুতে রূপান্তর বা জোর করার চেষ্টা করি না।

আমি শুধুই একজন শিল্পী এবং এটা আমার শো।

তাহলে মুঞ্জার কথা জানলেন কিভাবে?

এটা মুঞ্জার উপর সম্পূর্ণ এনসাইক্লোপিডিয়া।

আজ পর্যন্ত চারটা মুঞ্জার গতি করেছি।

ওয়াও, চারটা মুঞ্জা?

"সবাই বিশ্বাস করে যে যদি কোন ছেলে"

"মস্তক মুণ্ডন অনুষ্ঠানের ১০ দিনের মধ্যে মারা যায়"

"সে ব্রহ্মরাক্ষস বা মুঞ্জায় পরিণীত হয়।"

"মুঞ্জাকে শুধু তার নিকটাত্মীয়রাই দেখতে পায়।"

"তার মূল লক্ষ্য অপূর্ণ ইচ্ছাটাকে পূরণ করা,"

"যার বেশিরভাগই বিয়ে,"

"এজন্যই তাদের কিছুটা অশ্লীল হিসেবে দেখা হয়।"

"তবে আসল কথা হচ্ছে, কোন মেয়ে"

"এমন ভয়ঙ্কর প্রাণীর সাথে জড়ানোর কথা ভাববে?"

"হয়ত, তার দেহের ছাই গাছের নীচে চাপা দেওয়া হয়েছে,"

"আর তাই সে ঐ গাছের সাথে লটকে আছে।"

"তবে কখনও কখনও ঐ শয়তানটা"

"তার নিকটাত্মীয়কে বস করে"

"এবং অবিরামভাবে "বিয়ে! বিয়ে!" বলে তাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলে।"

তার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে।

পাদ্রী, এটা বলুন যে এর থেকে কীভাবে মুক্তি পাবো?

শুধু মুক্তি পেতে চাচ্ছো কেন?

চলো ঐ শয়তানটাকে শেষ করে দেই।

কিন্তু কিভাবে?

শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুসারে, বিয়ে করতে হলে,

প্রথমে তাকে শারীরিক রূপ ধারণ করতে হবে।

এজন্য তাকে ছাগলের দেহকে বস করতে হবে।

এটা দেখ। এই সিম্বলটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

মুঞ্জার পরিবারের কারো রক্ত ​​ব্যবহার করে

ছাগলের মাথায় এই সিম্বল তৈরি করতে হবে।

তখন সে ছাগলের দেহকে বস করতে পারবে।

ছাগলের দেহ পাওয়ার পর

সে একটা মেয়েকে বিয়ে করবে।

আর তারপর মেয়েটাকে মেরে ফেলতে হবে।

তারপর মুঞ্জা আর ঐ মেয়ে দুজনেই ভূত হয়ে

সুখে ঘুরে বেড়াবে।

ঐ বদমাশটা কখনই বলবে না

যে যদি তুমি মুঞ্জার বসে থাকা ছাগলটা বিয়ের আগেই

মেরে ফেলো,

তাহলে মুঞ্জা শেষ।

ওহ।

কিন্তু সেটা করার জন্য, তাকে বিয়ে দেওয়ার ভান করতে হবে।

কিন্তু সেটাও সেই আসল গাছের নিচে হতে হবে।

শুধু ভানই তো করতে হবে।

তাই? আর বেলাকে কি বলব? হাহ?

"চলো চলো, বেলা, তোমাকে একটা ছাগলকে বিয়ে করতে হবে?"

পয়েন্ট।

তোমাদের সাহায্য করব,

কিন্তু আমিই ঈশ্বরের শক্তি, কোন অপরাধী নই।

মেয়েটাকে ওখানে কিভাবে নিয়ে যাবে সেটা তোমাদের সমস্যা।

বিট্টু, কিছু বলো।

- আচ্ছা... - কি?

দেখ বেলা, কথা একটাই।

আমার পোর্টফোলিওর জন্য একটা বিজ্ঞাপনের শুটিং করতে হবে।

তাই বিট্টু পরামর্শ দিল, তোমার জুম্বা স্টুডিওতে বিজ্ঞাপনটা তৈরি করছি না কেন?

কিন্তু এখনই?

বলছি, বিজ্ঞাপনটির শুটিং করতে আমাদের টাকা লাগবে...

আমরা এখানে থাকতে তুমি টাকা চিন্তা করছ কেন?

না, মানে, টাকা আমাদের কাছেও নেই।

তাই আমরা ওর গ্রামে শুটিং করব।

কি সুন্দর জায়গা!

আর ওখানকার বিচ একেবারে হাওয়াইয়ের মতো!

আর থাকার জায়গা নিয়েও চিন্তা করতে হবে না।

সেখানে ওদের বিশাল বাড়ি আছে।

- কি? - হ্যাঁ।

- বাড়ি... - কি বড় ঘর!

এছাড়াও, এত ভালো ভালো ছাত্র থাকার পর,

আমাদের পেশাদার মডেলের প্রয়োজন নেই!

-নেই? - ওদিকে একবার দেখো!

ওহ, ওহ, ওহ, প্রত্যেককে একজন দেবদূতের মতো লাগছে।

তাই না?

মেকআপ বিট্টুই সামলে নেবে।

তাই না, বিট্টু?

- হ্যাঁ। - হ্যাঁ!

বিটস। বিটস।

ধন্যবাদ।

শুরু করা যাক।

এটা সামলে রেখো।

আমি তোমার সাথে যোগাযোগ করব।

কারণ তোমার কাছাকাছি থাকলে...

মুঞ্জা সন্দেহ করতে শুরু করবে।

চিন্তা করো না। ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে আছে।

কিন্তু আপনি কি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন?

আমার মনে হয় ঈশ্বর আমাকে বিশ্বাস করে।

এবং তোমাকেও বিশ্বাস করে!

হ্যাঁ?

হালেলুয়া!

আরে, টুরিস্টগুলো এসে গেছে!

স্বাগতম! স্বাগতম!

বালুর ঘরোয়া খাবারে স্বাগতম।

আসুন, আসুন। এখানে, স্যাম্পল চেষ্টা করে দেখুন।

তোমাকে কোথায় যেন দেখেছি?

হ্যাঁ, আমি স্পিলবার্গ, বিট্টুর চাচাতো ভাই।

প্রণাম নেবেন, আঙ্কেল।

আপনি এত মিষ্টি।

এখান থেকে ভাগ!

এদিকে দেখ!

তুই কি বললি, হাহ?

তোমার মায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী,

পুনের বাড়িটা বিট্টুর আর এই বাড়িটা রুক্কুর।

রুক্কু?

আমরা এখানে থাকলে তোর কোন সমস্যা আছে?

না।

তাহলে, আমরা এখানেই থাকব।

সর।

হেই, বেলা...

ধন্যবাদ।

বিট্টু, ইদানীং আমাকে এড়িয়ে চলছিস কেন?

আমি ডাইনী নাকি?

- না! -তাহলে বস।

জানিস তুইই আমার সবথেকে ভালো বন্ধু, তাই না?

জানিস, ইউএসএ থেকে ফিরে আসার পর,

এই ক বছরে একটা জিনিস ছাড়া

সবকিছু বদলে গেছে।

আমাদের বন্ধুত্ব।

কথা বলো।

না, মেজাজ ঠিক নেই।

ওর সাথে কথা বলো।

বললাম তো মেজাজ ভালো নেই। কোথায় যাচ্ছিস?

সবাই মনে করে কুবা এবং আমি এই "আদর্শ" কাপল।

ও চায় আমি ক্লাস ছেড়ে তার সাথে লন্ডনে চলে যাই।

মোদ্দা কথা হচ্ছে, আমি কি চাই, তাই না?

আমি জানি না।

মাঝে মাঝে, মনে হয় সে আমার জন্য সঠিক লোক নয়।

আবার মাঝে মাঝে চিন্তা হয় যে যদি ওকে হারিয়ে ফেলি,

তবে ওর মতো ভালো কাউকে আর পাবো না।

আমি জানি না।

আমার জায়গায় তুই থাকলে কি করতি?

আমি জানি না।

কিন্তু আমার দাদি বলে

সাহসী হওয়ার অর্থ এই নয় যে ভয়ের অস্তিত্ব নেই।

তা সত্ত্বেও আমরা কীভাবে এগিয়ে যাব...

তুই জানিস?

কি?

তুই বলে দিয়েছিস, বিটস।

ভয় জাহান্নামে যাক!

ওর সাথে ব্রেক আপ করতে যাচ্ছি... এটাই উপযুক্ত সময়।

- কি! - হ্যাঁ।

ধন্যবাদ, বিট্টু।

স্বাগতম।

এখানে?

এখানে বাজছে।

বেলা, আমার ভালোবাসা!

"তুমিই আমার হৃদস্পন্দন।"

"সেখানেই থাকবে, সেখানেই থাকবে।"

আমাকে মাফ করে দাও।

আমিই দায়ী।

এটা ধরও।

ধরো।

তোমাকে তোমার ইচ্ছামতো জীবন কাটাতে বাধা দেব না।

জুম্বা করতে পারো, পুনেতেও থাকতে পারো।

আসলে, তোমার দাস হিসেবে,

আমি তোমার সাথে এখানে থাকব।

তুমি কি আমাকে গ্রহণ করবে? প্লিজ?

- আহ্! - কাঁদে না, বোকা মেয়ে।

আজ আমাদের খুব আনন্দের দিন।

যাও।

এই চকলেটগুলো সবাইকে দাও

এবং সবার দিনটাকে আরও মধুর করে তোল।

এই সৈকতটা খুবই সুন্দর, বেলা।

কুবা, বিশ্বাসই হচ্ছে না তুমি এখানে এসেছ।

অবশ্যই, ডার্লিং।

- একটা কথা বলি। - কি?

আগেই বলেছি, না?

বলো।

কুবা!

এই গার্লফ্রেন্ড চোরটা কে, হাহ?

অনেক দিন হলো!

তুমি আমাকে ছুঁতেও দাও না।

জানি, বাবু, কিন্তু এখানে নয়।

আমরা একটা গ্রামে আছি।

কে দেখবে, হাহ?

আশেপাশে একটা কুকুরও নেই।

আমি জানি, কিন্তু...

কুবা !

কুত্তা!!!

-বেলা! -কুবা!

জলদি করো!

হ্যাঁ।

জলদি করো! জলদি করো!

বেলা...মারা যাচ্ছি।

সিস্টার! জলদি অপারেশন থিয়েটার প্রস্তুত করো।

আর বড় বড় সুই নিয়ে এসো।

ডাক্তার, কেমন আছে?

শীতকালে মানুষের উপর

বন্য কুকুরের আক্রমণের গল্প শুনেছি,

কিন্তু এই প্রথম এধরণের আক্রমণ দেখলাম।

কিন্তু ও সুস্থ তো হয়ে উঠবে, তাই না?

হ্যাঁ, আমরা সেলাই করে দিব, কিন্তু...

মানে,...

তার...

কি?

তার...

- কি? - ঐ...

- গুলাব জামুন? - হ্যাঁ! হ্যাঁ!

তার দুটো গুলাব জামুনই বন্য কুকুরটা খেয়ে ফেলেছে।

কি!!!

তার...

আরে...

আমি খুবই দুঃখিত।

- দ্রুত করো। - চলো, যাই।

ঐ সাহস দেখিও না! আমি মরে গেছি!

না!

- না, না, না। - সাহায্য করো!

সে কাঁদছে কেন?

আমি...

না!!

বেলা!

বেলা!

বেলার বিয়ে! বেলার বিয়ে! মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

এখনই! এখনই! এখনই! বেলার বিয়ে!

এখনই! বেলার বিয়ে! এখনই!

মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

- এখনই!!!! - স্যার! স্যার! স্যার!

ধৈর্যই ফল সবসময় মিষ্টি হয়।

তোমর গুলাব জামুনও মিষ্টি ও সুস্বাদু হবে।

তোর দুটাও কি খেয়ে ফেলবো?

বিট্টু, আমেরিকান লোকটার কি হয়েছে?

শহহহ। চুপ। চুপ।

আমাকে দেখতে পাচ্ছে।

সে আমার বোন, আমার কাজিন, রুক্কু।

রুক্কু... সুন্দর চুল।

আগামীকাল করবানি।

তারপর বিয়ে!

নাহলে, রুক্কু টাক হয়ে যাবে!

আরে!

বেলার বিয়ে! বেলার বিয়ে! মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

- সে বিয়ে করতে চায়? - বেলার বিয়ে!

- বেলাকে। -বেলার বিয়ে!

- কি? - চুপ।

বেলার বিয়ে!

- আমাদের হাতে বেশি সময় নেই। - মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

এবং বিয়ের সমস্ত আয়োজন করতে হবে।

বেলার বিয়ে! বেলার বিয়ে! মুঞ্জা বেলাকে বিয়ে করবে!

- রুক্কু... - হ্যা?

কোথায় কড়া পাম ওয়াইন পাওয়া যাবে?

"নিজেকে সন্দেহ করবেন না এবং ভয়ে সময় নষ্ট করবেন না"

"অথবা আপনি যাকে প্রিয় মনে করেন তাকে হারাতে পারেন।"

"অন্য কেউ আপনার সুযোগ কেড়ে নিতে পারে,"

একটু অদ্ভুত স্বাদ।

স্থানীয় জিনিস।

স্পেশাল।

-সত্যি? -হুম।

এসো। আমার এক বন্ধুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেই।

সে খুবই শান্ত। আমার সাথে এসো।

চলো, চলো।

- হ্যালো? - হ্যালো, পাদ্রী জি?

সবকিছু প্রস্তুত।

দয়া করে জলদি চলে আসুন।

আমি আসতে পারব না।

তোমাদের সাফল্যের জন্য আমি রিচুয়াল করছি।

শুধু খুব সাবধানে নির্দেশাবলী অনুসরণ করো।

মুঞ্জার পরিকল্পনামাফিক চলো।

বিয়ের জন্য বেলা ও ছাগলটাকে চেটুকওয়াড়িতে নিয়ে যাও।

মুঞ্জার আত্মা বদলের প্রতীকটা মনে আছে?

জেড এর মত করে জিক-জিক-জিক লাইন আঁকো।

সে বিট্টুর রক্ত দিয়ে ছাগলের মাথায় এই প্রতীক বানাতে বলল।

রুক্কু। বিট্টুর রক্ত ​​ব্যবহার করে ছাগলের কপালে প্রতীক বানাও।

দ্রুত! দ্রুত!

প্রতীকটা বানাতে হবে। জলদি!

চিহ্নটা তৈরি হওয়ার সাথে সাথেই মুঞ্জা ছাগলটার দেহে ঢুকে যাবে।

ছাগলের দেহে ঢোকার সাথে সাথে...

ছাগল মেরে ফেলবে।

তাহলেই মুঞ্জার পরিকল্পনা মাঠে মারা যাবে, আর তার খেল খতম হয়ে যাবে।

তুই কি করছিস?

বিয়ের ভিডিও বানাচ্ছি!

ওহ,বিয়ে!

কার বিয়ে?

আমি নাচতে চাই।

একদম! চলো তোমাকে সাজিয়ে দেই।

আমার সাথে এসো। তোমাকে নাচের জন্য তৈরি করে দেই।

- চলো। - তবে সাবধান,

যদি, ভুলবশত, প্রতীকটি অন্য কারো উপর তৈরি হয়,

তাহলে তোমার খেল খতম।

তোমাদের সাফল্য কামনা করছি।

আশা করি পরিকল্পনায় কাজ হবে।

মুঞ্জা জি, পাত্রী রেডি।

কে? আমি?

আমার বর কোথায়?

- এখানে! - তোমার বর?

তোমার বর ওখানে।

ওহ, এত সুন্দর!

আমার কুব্বু!

সুইটি, আমার কুব্বুকে দেখো!

বিট্টু! মন্ত্র জপ কর!

ওঁ হ্রীং ক্লীং চেকটোবায়ও নম!

ওহ মহাদেবী, দয়া করে আমার বলিদান গ্রহণ করো।

বল!

ওঁ হ্রীং ক্লীং চেকটোবায়ও নম!

ওহ মহাদেবী, দয়া করে আমার বলিদান গ্রহণ করো।

মরে গেল?

বিয়ে হওয়ার আগেই বিধবা হয়ে গেলাম।

ওহ, রুক্কু...

হ্যালো?

রুক্কু...

জলদি! বেলাকে বলি দে!

জলদি, পাদ্রীর স্ক্রলটা বের কর!

আমার কাছে আছে, বিট্টু।

কোন পাদ্রী? কুত্তার বাচ্চাটা কে?

- পড়! তাড়াতাড়ি পড়! - ঠিক আছে, ঠিক আছে, ঠিক আছে।

[মন্ত্র]

প্রতারক! মিথ্যাবাদী! আমাকে ধোঁকা দিলি!

[মন্ত্র]

- হয়েছে। - রেডি? শেষ!

দেখো, বরের মতোই মেকআপ করেছি।

হেই!

আমার বরের কাছ থেকে দূরে সর।

দুঃখিত।

হায় ঈশ্বর! সে আর আমি এখন একই রকম!

হাসি দাও!

হাহ?

বেলা?

বেলা?

ঠিক আছো?

ঠিক আছো?

কুত্তার বাচ্চা! আমাদের অদল বদল করে দিয়েছিস!

পালাও! পালাও! পালাও!

হেই, তাকে কি খাইয়েছিস?

বেলা আমার!

বিট্টুরে খাইছি!

না-আ-আ-আ-আ-আ!!!

অদল বদল মানে...

সে মুঞ্জা,

আর ওই ছাগলটা বেলা?

বেলা।

বেলা।

চলো, চল যাই, এখান থেকে পালাই, বেলা।

হাহ, এই সময়ে কে ফোন করে?

কি? কিভাবে সম্ভব?

মেয়েটার কপালেও একই প্রতীক তো তৈরি করো নি?

এখন কি করব?

আমি আসছি। তোমাদের সাথে ঐ ছাগলটা আছে?

হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ, আছে।

দারুণ, যাই ঘটুক না কেন, ছাগলটাকে হাতছাড়া করো না।

নইলে তোমার বেলা চিরতরে হারিয়ে যাবে।

চিন্তা কোরো না, বেলা। যাই ঘটুক না কেন, কথা দিচ্ছি তোমার কোন ক্ষতি হতে দেব না।

আরে, থাম!

ওটাই আমার ছাগল!

এতক্ষণ ধরেই খুঁজছিলাম।

- ফিরিয়ে দাও। - আমার ছাগল ফেরত দাও।

- আঙ্কেল, এটা আপনার ছাগল না। - চুপ কর।

তোমরা সবগুলো অপরাধী ছাড়া কিছুই নও।

না, না, না।

- চলো, জাজ্ঞু। - একে ধরো।

বাবা, প্লিজ, ফিরিয়ে দাও। তোমার পায়ে পরছি। প্লিজ।

- চুপ কর, বিশ্বাসঘাতক! - না, না, না, এমনটা করো না।

- বাবা, প্লিজ। - রাস্তা থেকে সর!

চাচা, দয়া করে এটা করবেন না।

চাচা, শুনুন...

মা!

কি হয়েছে?

বাবা আমাদের ছাগল নিয়ে গেছে।

ছাগল?

হ্যাঁ, রাস্তায় পেয়েছি আর আঙ্কেল আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল।

এমনকি বিট্টুকে মারলো আবার মায়ের নাম ধরে গালাগালিও দিল।

- কি?! - আর ঔদ্ধত্য গলায় বলল,

"তোর পাম্মি আন্টিকে বল গিয়ে "

"যদি ক্ষমতা থাকে তাহলে যেন ছাগলটাকে ফেরত নিয়ে যায়!"

শালার কুত্তার ***!

এখনই একটা সবক দিয়ে আসছি।

পাম্মি, প্লিজ। পাম্মি, প্লিজ না...

সামনে থেকে সরে যা, সাবিত্রী।

থামো, থামো। কি করছ পাম্মি?

খোল!

পালাও, রুক্কু! পালাও!

পালা।

বিট্টু!

বিট্টু!

দরজা খোল।

-বিট্টু! - বেলার কি হয়েছে?

ওটা বেলা না... মুঞ্জা।

মুঞ্জা?

সব আমার দোষ, মা।

আমি যদি চেটুকওয়াড়িতে না যেতাম,

না মুঞ্জা আমার পিছে পিছে আসত,

না দাদী মারা যেত,

আর বেলাও ছাগলে পরিণত হত না।

কি?

মুঞ্জা দাদিকে মেরেছে।

আর এখন আমার পিছনে পরেছে।

সে বেলাকে মেরে তাকে বিয়ে করতে চায়, মা।

সব আমার দোষ।

আমি একটা লুজার।

পাগল নাকি?

তোর উপর চিৎকার করি বলেই তুই লুজার হয়ে যাস নি।

আমি তো সবাই উপরেই চিৎকার করি।

হ্যাঁ, তুই একটু অদ্ভুত।

কিন্তু যাই হোক না কেন, তুই আমার ছেলে।

আরে আমিই কোনদিন আমার মায়ের কথাও শুনিনি, তো তুই শুনবি কেন?

কান্না কাটি থামা, নাহলে একটা দিবো!

ঠিক আছে!

মা!!!

পেয়েছি!

চল, বিট্টু!

চল!

বিট্টু গেছে।

ঈশ্বরের শক্তি!

হালেলুয়া!

আরে, বোকা!

বৃত্তটা পার হলেই ছাই হয়ে যাবি।

এটা কোন সাধারণ লবণ নয়।

এতে রহস্যময় আয়োডিন আছে।

যতক্ষণ সে এই বৃত্তের মধ্যে থাকবে,

ততক্ষণ কিছুই করতে পারবে না।

এখন, আমরা আত্মা অদল বদল করব।

হ্যাঁ।

যাও, ছাগলটা নিয়ে এস।

- আরে, জাগ্গু! - হ্যাঁ?

তোর মেয়ে হওয়া উচিত ছিল!

তুই আসলেই ভাল রান্না করতে পারিস!

ঐ মায়ের ছেলে!

ছাগলটা কোথায়?

এখানে।

বেলা!

- আমি এখনি আসছি। - কোন ভাবেই না!

চার ঘণ্টা ধরে চেপে আছি!

প্লিজ!

প্লিজ! প্লিজ! প্লিজ!

চিন্তা করো না। এখনই আসছি।

জলদি এসো। ভয় লাগছে।

আমিও ভয় পাচ্ছি!

আমি খাইনি। আজ আমার উপোষ।

বালু একাই আস্ত ছাগল খেয়ে ফেলেছে।

ওরে, না!

তুমি আস্ত ছাগল খেয়ে ফেলেছ?

হ্যাঁ, খেয়েছি।

তাতে তোর বাপের কি, হাহ?

খেলা শেষ।

বেলা।

বেলা।

-বেলা। - আমি শেষ!

বেলা?

বেলা?

স্পিলবার্গ!

রুক্কু...

আমাকে সাহায্য করো, রুক্কু...

আমাকে সাহায্য করো। রুক্কু...

- রুক্কু... আমাকে সাহায্য করো। -বেলা।

রুক্কু, আমাকে এই রাক্ষসটার হাত থেকে বাঁচাও।

রুক্কু, আমাকে এই রাক্ষসটার হাত থেকে বাঁচাও।

বেলা, তুমি ঠিক আছো?

ঈশ্বরের শক্তি!

তুই আমার বিয়ে নষ্ট করেছিস!

বিট্টু, আমরা বেলাকে বাঁচাতে পারব।

যদি সে আস্ত ছাগলটা খেয়েই থাকে,

তাহলে বেলার আত্মা তার ভিতরেই আছে।

কি? আত্মা?

মুঞ্জাকে ব্যস্ত রাখো।

যতক্ষণ না এই হাবাটার কপালে প্রতীকটা আঁকছি।

- ধরো শালাকে। - হেই, হেই, হেই!

-ধরো! -তুমি!

তোকে একটা শিক্ষা দেব।

সে মুঞ্জার ব্লাডলাইন থেকে এসেছে।

তার রক্ত ​​দিয়ে আমাদের প্রতীকটি আঁকতে হবে।

ওহ, ঠিক আছে, ঠিক আছে, ঠিক আছে।

কুত্তার বাচ্চা...

বিট্টু!

ওঁ হ্রীং ক্লীং চেকটোবায়ও নম!

হেই!!!

দেখ, বেলাকে খুঁজে পেয়েছি, বিট্টু!

সে এখানে ছিল। দেখ, বেলা...

বেলা।

ওহ, ছাগল হয়ে যাওয়া বেলা!

তিনজনেরই একই প্রতীক।

হয়ত ওটার পরিবর্তে অন্যটাকে জবাই করেছিলাম।

বেলা!

বেলা!

বিট্টু...

বিট্টু...

ঠিক আছে। সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

আমি আছি না! সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

ঠিক আছে।

"মুঞ্জা!"

"মুঞ্জা!"

হাই।

"মুঞ্জা!"

তুই...

মা!

"মুঞ্জা!"

না! না! না!

- বিট্টু... -বেলা, পালাও!

-পালাও! - ঈশ্বরের শক্তি!

বিট্টু, তুমি কি জানো দাদাভাই ভূতেদের শক্তি কোথা থেকে আসে?

আমাদের ভয় থেকে।

কিন্তু যদি সেই ভয় দূর করা যায়,

তাহলে কোন শক্তি বা ভূত আমাদের আটকে রাখতে পারবে না।

যে মেয়েটাকে ভালবাসো

তাকে আজ তোমাকেই বাঁচাতে হবে।

সারা জীবন তুমি শুধু ঝোড়ো হাওয়া হয়েই হয়ে গেছো।

কিন্তু এখন, মুক্ত হওয়ার সময় এসেছে।

ওঁ হ্রীং ক্লীং চেকটোবায়ও!

ওহ মহাদেবী, দয়া করে আমার বলিদান গ্রহণ করো।

ওঁ হ্রীং ক্লীং চেকটোবায়ও!

ওহ মহাদেবী, দয়া করে আমার বলিদান গ্রহণ করো।

ওঁ হ্রীং ক্লীং চেকটোবায়ও!

ওহ মহাদেবী, দয়া করে আমার বলিদান গ্রহণ করো।

তাকে ছেড়ে দাও।

ছেড়ে দাও!

ছাড়।

এরইমধ্যে ছেড়ে দিয়েছি।

তাকে ছেড়ে দে!

বিট্টু!

না!!!

বেলাকে ছাড়!

বেলাকে ছেড়ে দিতে বলেছি!

ছাড়!

নিজেকে কি মনে করিস, হাহ?

সবার জীবনটাকে নরক বানিয়ে দিয়েছিস!

সবসময় শুধু বিয়ে, বিয়ে, বিয়ে!

কখনও মুন্নিকে জিজ্ঞাসা করেছিস যে সে আসলে কী চায়?

এটাই তোর ট্রু লাভ, তাই না?

আমার দাদিকে মেরেছিস!

তাকে মারা তোর উচিত হয়নি!

আমার কোন ক্ষতি করতে পারবি না!

আমি ব্রহ্মরাক্ষস!

ব্রহ্মরাক্ষস নয়!

তুই একটা বোকা বাচ্চা ছাড়া আর কিছুই নোস...

তাকে ছাড়!

"মুঞ্জা!"

সবকটাকে ভোগে পাঠাবো।

বিট্টু!!!

ভিতরে রাখা জিনিসটাও নিয়ে যাও।

বিট্টু?

হেই, শুনলাম, চলে যাচ্ছ?

হ্যাঁ, আরও অ্যাডভান্সড লেভেলের জুম্বা শেখার জন্য ব্রাজিল যাচ্ছি।

আর আক্কা আমার বাবা-মায়ের সাথে আমেরিকায় থাকবে।

কিন্তু, বাড়িটা থাকছে, তাই...

নিশ্চয়ই, আমাদের যোগাযোগ থাকবে।

বেলা, আমি...

তোমাকে কিছু বলতে চেয়েছিলাম...

অনেকদিন ধরে।

কিন্তু কখনও সাহস করে উঠতে পারি নি।

উম,

আমি তোমাকে ভালবাসি।

বিট্টু...

মানে, তোমাকে "ভালোবাসি" ভালবাসি।

ওহ, বিট্টু...

আমিও তোমাকে খুব পছন্দ করি।

কিন্তু জানিই না আমি কি চাই।

কিন্তু বিটস, নিশ্চিত জানি...

তোমাকে কখনো হারাতে চাই না।

বুঝতে পেরেছি।

বেলা, মুঞ্জার মতো তোমার কাঁধে বোঝা হয়ে থাকতে চাই না।

যাও, নিজের মত জীবনটা উপভোগ করো আর সুখে থাকো।

আমি ভালো থাকব।

ঠিক আছে, বেলা...

আর হ্যাঁ, যখন ফিরে আসবে

তখন সবকিছুই পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে

একটা জিনিস একই রকম থাকবে...

আমাদের বন্ধুত্ব।

রুকো যারা,সবুর করো শেষে পোস্ট ক্রেডিট সিন আছে!!!

কাজটি ভালো লেগে থাকলে চাইলে ডোনেট করতে পারেন Bkash/Nagad: 01717933540

🌻 অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ রাফেয়া সাদ ও সোহাগ শুভ 🌻

হালেলুয়া!

হালেলুয়া!

ঈশ্বরের শক্তি!

আমি গাছ... একটা বিশাল গাছ।

পানি ঢালো!

পানি ঢালো!

-পানি ঢালো! -হ্যাঁ, হ্যাঁ। ভাই, পানি...

বিট্টূ!

🌻 অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ রাফেয়া সাদ ও সোহাগ শুভ 🌻

"মুঞ্জা!"

"মুঞ্জা!"

ভাস্কি!

ভাস্কি!

ভাস্কি!

ভাস্কি!

ভাস্কি!!!!

আমার আরও কাজ আছে! সারাদিন এই বাল করতে পারব না!

ভাস্কি!!

ভাস্কি!!

জেডি!

জেডি!

কোথায় ছিলি?

তুই কোথায় ছিলি? এই নে, কাপড়গুলো পর।

- হ্যাঁ। - ছি ছি!

এগুলো কোন কাঙালের কাপড়?

ওগুলো আমার। তোর ভালই ফিট হবে!

মুন্নির প্যান্টি পরিস, তাই না? পার্ভাট শালা!

মুন্নি!

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.