All language subtitles for Ann Maria Kalippilaanu [2016] Malayalam Movie - Bangla Sub - Saifuddin Shakil

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish Download
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

এটা আমার করা প্রথম বাংলা সাবটাইটেল। আশা করি আপনাদের সবার বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটা দেখতে ভাল লাগবে (অনুবাদকঃ সাইফুদ্দিন শাকিল)

"আন মেরিয়া রাগাণ্বিত"

এটা তখন ঘটেছিল যখন ক্লাস ফোরে...

বাবা দীর্ঘ লাফের জন্য প্রথম কোন মেডেল পায়...

স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আগের দিনে...

তুমি তো চিনো কাক্কাদান পাহাড়, যেটা আমাদের গ্রামের ঐদিকে উপস্থিত...???

আমি সেই পাহাড়ের শিখর পর্যন্ত উঠি...

এটা হচ্ছে সেই রহস্য যেটা আমার বাবা আমাকে বলেছিল।

সে পাহাড়ের শিখর উপর দাঁড়িয়ে...

আমি আমার চোখ বন্ধ করে তিনবার প্রার্থনা করি...

হে সৃষ্টিকর্তা, দয়া করে আমাকে মেডেল জয় করতে সাহায্য করুন...

যখন আমি আমার চোখ খুলে দেখি...

সেখানে কিছু একটা ছিল??? কি???

একজন এঞ্জেল আমার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল...

ঐ এঞ্জেল টি আমার মাথায় হাত রেখে আমাকে আর্শীবাদ করল...

এরপর কি হল???

পরের দিন, আমি দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতায় মেডেল জয় করলাম।

এটা ছিল তোমার বাবার জীবনের প্রথম মেডেল জয়

তারপর থেকে...

মেডেল জয়ের প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

আমি ও কি বাবা মেডেল জয় করতে পারি, যদি আমি এঞ্জেল থেকে আশীর্বাদ পাই???

কেন নয়???

এর সাথে, তোমার প্রচুর অনুশীলন করা ও জরুরি।

আমি তোমাকে একদিন ঐখানে নিয়ে যাব।

তখন তুমি আশীর্বাদ পাবে, ঠিক আছে???

সত্যি???

অবশ্যই... পিঙ্কি প্রমিস...!!!

বাবা আমাকে বলেছে যে, আমি দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরষ্কার জিতব।

আমি এই বাচ্চার উপর বিরক্ত...

সাবধানে, আমি দেখেছি সে কিভাবে পড়ল।

বাবু একটা গভীর শ্বাস নাও তো...

গতকাল থেকে তার খারাপ ঠান্ডা লেগেছে।

সে কি গতকাল আইসক্রিম খেয়েছে???

প্যারাসিট্যামল ৫০০

অর্ধেক ট্যাবলেট,দিনে তিন বার করে দুইদিন খাবে।

টক্সিসিটি ২৫০

৫ এম.এল করে ৫ দিন।

এন,

এটা আমার মেয়ে...

কিন্তু স্যার, এঞ্জেলের চেহারা নেই কেন???

এঞ্জেলের চেহারা যেকোন কিছু অথবা যে কারোর মত হতে পারে।

তোমার নিজের ই সেটা খুঁজে নিতে হবে, এন।

এই, তাড়াতাড়ি কর।

খুব দেরী হয়ে যাচ্ছে।

আমাকে তোমাকে বলেছিলাম না???

যে তুমি যদি তোমার মেয়ের জন্মদিনে উপস্থিত থাকতে না পার এটা আমার সমস্যা নয়

তুমি তোমার মেয়ের সাথে এর পরিণতি নিয়ে তোমার নিজেকেই মোকাবেলা করতে হবে।

একটি আইফোন কি কেউ তার মেয়ের ১০ম জন্মদিনে গিফট হিসেবে দেয়???

তুমি সম্পূর্ণ ভাবে বেখেয়ালি হয়ে পড়েছ।

তো, এখানে খারাপের কি আছে???

আন-মেরিয়া,

আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই।

ধুর...

আন-মেরিয়া,

আমি চাই, তোমাকে কিছু...

ঠিক আছে আভিনাশ... তুমি এখন তৈরি...

তুমি এটা করতে পারবে...

এবার অবশ্যই তোমার তাকে বলতে হবে...

তৈরি তো...!!

ওহ..!!

আন-মেরিয়া আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই...

কি বল??

যে... এটা... আমি...

আমি লাঞ্চের জন্য ফ্রাইড রাইস আর চিলি চিকেন এনেছি। তুমি কি এনেছ??

ভাত...!!

ওহ... ঠিক আছে।

ধুর...!!!

এবার ও পরিকল্পনা বেস্তে গেল।

আমরা একই সময়ে পৌছেছি।

সে মনে হয় আমার কথা শুনতে পায় নি।

ইংরেজিতে, A বর্ণ টি ছাড়া প্রতি ১০ সেকেন্ডে একটি বাক্য বা কথা বলা কঠিন।

A বর্ণটির ব্যবহার না করে, তাই না???

আমি কি দেখাতে পারি কিভাবে A বর্ণটির ব্যবহার ছাড়া ১ মিনিট ইংরেজি তে কথা বলা যায়???

আমি ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত গণনা করতে যাচ্ছি।

আপনি দেখতে পারেন আমি কি কোথাও A বর্ণটির ব্যবহার করেছি???

A বর্ণটির ব্যবহার কেবল তখন ই হয়েছে, যখন আমি ইংরেজি ১০১ বলছি।

এটা চমকপ্রদ, এন।

আমার বাবা আমাকে এটা শিখিয়েছে।

দেখুন... এখানে ও A বর্ণটির প্রয়োগ নেই।

আমাদের প্রতিষ্ঠানের রামধনু গ্রপের আন্তস্কুল ক্রীড়ার জন্য নির্বাচন...

আগামীকাল হতে যাচ্ছে...

যারা ফরম পুরণ করেছে অনুশীলনের জন্য তারা মাঠে যেতে পারবে।

আন্তস্কুল চ্যাম্পিয়ন শীপের জন্য নির্বাচন আগামীকাল হবে।

তোমরা জান, নিশ্চই???

ভাল করে কর...!!!

আমাদের স্কুল অবশ্যই জয়ী হতে হবে।

এখানে এত কান্নার কি আছে???

এটা তুমি এবং তোমার ভবিষ্যতের জন্য ভাল হবে।

যদি তুমি তোমার আশেপাশের লোকজন কে তোমার দুঃখের কথা জানাতে চাও...

এটা তোমার জন্য লজ্জাজনক হয়ে দাঁড়াবে।

হ্যা, স্যার। আমি দেখেছি।

মেখা টিচার তখন কান্না করছিল।

ডেভিড স্যার তার সাথে ধমকিয়ে কথা বলছিল।

আর এখন আমি শুনছি তার শরীরের অবস্থা ভাল নেই।

আমার সন্দেহ হচ্ছে যে, মেখা টিচার হয়ত কোন বিপদের মধ্যে আছে।

যখন ডেভিড স্যার বলেছিল, আমরা একসাথে ভাল সময় কাটিয়েছি...

কেন মেখা টিচার কান্না করছিল, স্যার??

এটা হয়ত ভাল জিনিস নয়, যা তিনি বলেছেন???

আমাকে এই ব্যাপারে তদন্ত করতে দাও।

তুমি এখন যেতে পার, আন।

আর শোন; এই কথাটি কাউকে জানিও না, ঠিক আছে???

ঠিক আছে। তুমি এখন যেতে পার।

দেখ ডেভিড, তুমি হয়ত বোর্ড সদস্যের পরিচালকের আত্মীয়...

কিন্তু যা হোক না কেন, তুমি একজন শিক্ষক...

এই টিচার নিশ্চই কোন অভিযোগ করে নি, ঠিক???

করেছে কি সে???

না...

তাহলে, তো সমস্যার সমাধান হয়ে গেল।

তাহলে তার অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও কার অভিযোগ আছে আমার বিরুদ্ধে??

সন্ধ্যার সময়...

একটি জিপে অনেক পুলিশ তাদের ইউনিফরম পড়ে এখানে এসেছে...

কল্পনা কর ঘটনাটি...

সেখানে আমাদের রুখবার মত কেউ ছিল না।

কলোনীর প্রায় সব লাইট বন্ধ হয়ে গেল,

...এবং আমরা টর্চলাইটের সাহায্যে যুদ্ধ করছিলাম।

পুলিশ বাহিনী তাদের জীবনের ভয় নিয়ে পলায়ন করল সেই স্থান থেকে।

এরপর তাদের কে আর কোথাও দেখা যায় নি।

জাফর ভাই আর সাজি ভাই এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছিল।

আমি দ্রুত রক্তিম আপেল গাছে উঠে গেলাম।

আমি গাছের উপরে বসে সব দেখছিলাম।

ইতোমধ্যে, একজন পুলিশ আমি যে গাছে উঠেছিলাম, সেখানে উঠার চেষ্টা করছিল।

আমি কি এটা হতে দিতে পারি??? আমি তাকে সজোরে এক লাথি দিলাম...

...এবং সে মাটিতে পড়ে গেল কাঁঠালের মত করে।

তুমি কি সত্যি একজন পুলিশ কে লাথি মেরেছিলে???

আমাকে সে অন্ধকারে কে ই বা দেখবে???

এসব আমার কাছে তেমন কিছু নয়।

আমি প্রতিদিন ই এইরকম দুইটি লড়াইয়ে যুক্ত থাকি।

সত্যি???

তোমরা সবাই কি চলে যাচ্ছ???

অভিনাশ ভাই, হ্যা শারাত ভাই। দুই মিনিট ...

তোমার কাছে ২০ টাকা হবে???

আমার রিচার্জের জন্য টাকা টা লাগবে।

আমার কাছে এত টাকা হবে না।

আমাকে গুণতে দাও।

ঠিক আছে। আমার ই তো রিচার্জের জন্য টাকাগুলো লাগবে। তাই না???

ধুর...

ঠিক আছে। আমি এন কে মোবাইল টা দিচ্ছি কথা বলার জন্য।

এই নাও, তোমার বাবা রেড রোজ থেকে কল করেছে।

বাবা, তুমি আমার সাথে কথা বল না।

প্রায় অনেক দিন হয়ে গেছে তুমি কল করেছ যে...

বাবু, আমাকে তোমাকে বলেছিলাম না???

আমাদের কাছে এখানে কোন মোবাইল ফোন নেই। শুধু স্যাটেলাইট ফোন আছে।

এজন্য আমি প্রায় তোমাদের কল করতে পারি না।

না বাবা। আমি কোন বাহানা শুনতে চাই না...

তুমি কেন বাসায় ফিরে আসছো না??? আমি অপেক্ষা করছি তোমার জন্য।

আমার আগামীকাল অনুশীলন আছে।

তুমি এখনো আমাকে এঞ্জেলের কাছে নিয়ে যাও নি, তাই না???

আমি এখনো এঞ্জেলের আশীর্বাদ পেলাম না।

ওহ... এখন তো শুধু প্রস্তুতি অনুশীলন হচ্ছে, তাই না মা???

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আসতে দাও।

এরপর... নাহয় আমরা দুজনে একসাথে এঞ্জেলের কাছে যাব।

বাবু, এখন বাবাকে একটা কিস দাও...

কল এখন কেটে যাবে। (উম্মা)

এইতো আমার মেয়ে।

তোমার আগামীকালের প্রস্তুতি অনুশীলনের জন্য শুভকামনা রইল।

এইবার তোমাকে আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

...এবং মেডেল ও জয় করতে হবে।

আর শোন ,আমি তোমার জন্য উপহার পাঠিয়েছি তোমার আম্মুর কাছে।

তোমার আম্মু থেকে উপহার টা নিয়ে নিও। ঠিক আছে???

নিভিয়া...

নিভিয়াঃ হ্যা রয় শুনছো??? রয়ঃ বল কি বলবে।

আমার জন্য নয়... অন্তত বাচ্চাটার জন্য ভাবো...

এখন প্রায় ১ বছর হতে চলল।

আমার মনে হয় না আমরা এভাবে সংসার জীবন অতিবাহিত করতে পারব...

এই লোক...

কি হল লতা?? কল আসা কি এখনো বন্ধ হয় নি??

এটা সেই লোক আপা। আমি গতকাল তাকে রাস্তায় ও দেখেছি।

সে আমাকে সব জায়গায় ফলো করছে। আমি বুঝতে পারছি না তার সাথে কি করব।

কিছু ভাড়াটে গুন্ডা পাঠানো উচিৎ এসব লোকদের শায়েস্তা করার জন্য।

তখন ই এসব লোকেরা শিক্ষা পাবে।

ঠিক ই বলেছেন আপা।

মা, ভাড়াটে গুন্ডা মানে কি???

আমি তো এখন অনেক কথাই বলেছি।

আর তুমি শুধু এই অর্থটির মানে বুঝতে চাও???

তুমি তোমার গ্লাসের দুধ এবং খাবার ঠিকমত খাও।

তোমার তো আগামীকাল দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতার অনুশীলন আছে, তাই না??? এখন শক্তি অর্জন করে নাও খাবার খেয়ে।

এটা ফাইনাল দীর্ঘ লাফ। তুমি করতে পারবে।

এর বাহিরে অন্য কিছু চিন্তা করো না। শুধু মনসংযোগ করে লাফ দাও...

এটা ফাউল।

কিভাবে?? এটা ফাউল ছিল না... আমি স্পষ্ট দেখলাম।

দীনেশ, তুমি কি বিষয় শিখেছ???

আমি যদি বলি এটা ফাউল, এটা অবশ্যই ফাউল।

ঠিক আছে।

ওহ, খেলোয়াড বাসায় ফিরে এসেছে তাহলে???

তোমার দীর্ঘ লাফ কেমন ছিল??

স্যার বলেছে আমার দীর্ঘ লাফ নাকি ফাউলের মত ছিল।

আমি...

তুমি চা খেয়ে নাও, মা।

এটা খুব ই কর্কশ আওয়াজ...!!

আমি বলছি আমি তোমার সব উপহার নিয়ে নিব, যা তোমার বাবা তোমাকে দিয়েছিল...

যাও... ঘুমাতে যাও এক্ষুণি।

আমি যদি বলি এটা ফাউল, এটা অবশ্যই ফাউল।

টিচার আপনি কি চলে যাচ্ছেন???

এন, আমি এই স্কুলের চাকুরী ছেড়ে দিয়েছি। এটা ই ঠিক।

ভাড়াটে গুন্ডাদের পাঠিয়ে এমন লোকদের শায়েস্তা করা উচিৎ।

তাদের কেবল তখন ই উচিৎ শিক্ষা হবে।

এন, মন খারাপ করে রেখ না...

অনুশীলনের কথা ভুলে যাও... উৎফুল্ল হয়ে উঠ...!!!

এনঃ অভিনাশ, অভিনাশঃ হ্যা বল।

এনঃ- তুমি কি আমাকে সাহায্য করতে পারবে??? অভিনাশঃ- অবশ্যই। যেকোন মুহুর্তে।

ডেভিড স্যার অবশ্যই মার খাওয়া উচিৎ।

...এবং যখন তিনি মার খেয়ে মাটিতে পড়ে থাকবে,

একজন অবশ্যই তার বুকের উপর বসে থাকবে, একেবারে সিনেমার মত করে।

...এবং তাকে বলবে এটা এন মেরিয়ার পক্ষ থেকে বাঁদরমুখো শয়তান।

এসবের জন্য তোমাকে একটা ভাড়াটে গুন্ডা জোগাড় করতে হবে আমার জন্য।

কে আমি???

ভাড়াটে গুন্ডা??

কেন তুমি পারবে না???

ওহ...

হ্যা, অবশ্যই পারব।

আমাকে দেখতে দাও।

এটা কি জিনিস???

এটা সেই উপহার যেটা বাবা আমাকে দিয়েছে।

তুমি আমাকে কল দিতে পারবে এর সাহায্যে।

এটার ২ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জ আছে।

সবকিছু সঠিকভাবে ভাবে হতে হবে।

এটা তো কষ্টকর ব্যাপার দেখছি।

যদি এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২ সপ্তাহ আগে শুরু হত...

তাহলে সেখানে কোন সমস্যাই দাঁড়াত না।

এখন মাত্র ২ সপ্তাহ হয়েছে কাক রবি ভাই জেল থেকে ছাড়া পেল।

বতল সুরা ভাই লোকদের হাতে মারে না। শুধু ছুড়ি দিয়ে আঘাত করে।

এখন তাহলে কাকে বলি??

ভাই, ভালভাবে চিন্তা কর।

হয়ত তোমার আত্মীয়দের মধ্যে কিছু গুন্ডা আছে, তাই না???

আমার আপাতত এমন কাউকে মনে পড়ছে না।

যখন তুই বললি সে তোর কাছে জীবনে প্রথমবারের মত কিছু চেয়েছে...

আমি ভেবেছিলাম হয়ত ফুল বা অন্য কিছু হবে।

তোর ওকে ভুলে যাওয়া উচিৎ...!

ভাই এভাবে বল না...

দয়া করে আমাকে এভাবে ছেড়ে দিও না।

এটা আমার কাছে জীবন-মৃত্যুর মত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তোমাকে কিছু একটা অবশ্যই করতে হবে।

এটা এমন নয় যে, আমার টাকার দরকার আছে...

এটা এমন যে, এইরকম লোক খুঁজে পাওয়া কষ্টকর।

যেহেতু তুই প্রথমবারের মত কোন কিছু আমার কাছ থেকে চাইলি...

আমাকে চেষ্টা করতে দেয়।

আত্মীয় তো, তাই না???

এইরকম এক লোক আছে আমার কাছে।

সে আমার দূর সম্পর্কের আত্মীয় হয়।

বাটারফ্লাই গিরীশ...

বাটারফ্লাই গিরীশ???

হ্যা... বাটারফ্লাই...!!

যদি কেউ তাকে মারতে আসে, সে তার চারপাশে তারা দেখে, তাই তো???

যখন গিরীশ ভাই কাউকে মারে, সে ব্যক্তি তার চারপাশে প্রজাপতি উড়তে দেখে...

বড় বড়, বিভিন্ন রঙের প্রজাপতি...

তুমি যদি তার কাছ থেকে একটা মার খাও,

তুমি তোমার চারপাশে অন্ধকারময় দেখবা...

এভাবে সে এমন নাম পেল।

সে কি সত্যি অনেক বড় গুন্ডা??

ডেভিড স্যার বেশ বড়সড়...

তুই কি সন্দেহ করছিস যে, সে বড় বড় গুন্ডা নাকি না???

তুই কি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া গিরীশ ভাইয়ের সত্যিকারের ঘটনা শুনতে চাস???

হ্যা

আমাদের গিরীশ ভাই এবং এক অভাগা গান্ধী সুকু...

...মালাবারে যাচ্ছিল সিমন স্যারের ব্ল্যাকমানি প্রেরণের জন্য।

টানেল মানি(ব্ল্যাকমানি)???

হ্যা, ব্ল্যাকমানি...

আমরা যদি অনেক টাকা কোন ব্যাগে করে নিয়ে কোথাও যেতে চাই, পুলিশ আমাদের ধরবে।

তাই এই ঝামেলা এড়াতে,

সব টাকা বড় কোন পিভিসি পাইপে লুকিয়ে রাখতে হয়।

এটা ই হল টানেল মানি(ব্ল্যাকমানি)।

এসব বাদ দেয়... গল্পটা মন দিয়ে শোন...

তো গিরীশ ভাই এবং গান্ধী সুকু জিপে চড়ে সেই রাতে যাচ্ছিল...

কিরে কি হল???

কিছু একটা সমস্যা হয়ত গাড়িতে হয়েছে, আমি দেখছি।

গিরীশ,

মনে কষ্ট নিও না, ঠিক আছে??

আমরা এভাবে আর কতদিন সিমন স্যারের জন্য কাজ করব???

এখানে ৫-৬ কোটি টাকা অবশ্যই থাকবে।

এটা যথেষ্ট আমাদের জীবন সুন্দরভাবে গড়ার জন্য।

আমি যদি তোমাকে জিজ্ঞেস করতাম, তুমি আমাকে টাকাগুলো চুরি করতে দিতে না...

তুমি এটাকে বিশ্বাসঘাতকতা বলে মনে কর না...

এসব লোকেরা অভিজ্ঞ তাদের কাজে...!!

তুমি কি চেষ্টা করে দেখতে চাও???

দেখতে পার চেষ্টা করে...

আমার কাছে নষ্ট করার মত সময় নেই।

আমি সেসব লোকদের অপেক্ষা করিয়ে রাখতে পারি না, যারা এই টাকার আশায় পথ চেয়ে আছে।

তো বল সিন কি???

তো আমরা শুরু করি???

আমি এসব দেখতে পারব না...

তো বন্ধুরা ওকে শেষ করে দাও।

আমরা চা খাওয়ার পর ফিরে আসব।

এই ড্রাইভার, চল যাই...

যথেষ্ট হয়েছে।

এই বাটারফ্লাই লোক ই যোগ্য এই কাজে।

উনাকে দ্রুত জানাও এই কাজের ব্যাপারে।

এন কে এই ব্যাপারে আমাকে বলতে দাও।

মন কর কাজ হয়ে গেছে।

তাহলে গুন্ডা কি তৈরি...

বাটারফ্লাই গিরীশ...

কি এখানে, এত সকালে???

তোর স্কুল নেই আজকে???

শনিবারে স্কুল বন্ধ থাকে।

বন্ধ?? হ্যা...

গিরীশ ভাই, তুমি কি লোক পেটানোর জন্য কাজ করবে???

এসটি.এম্ব্রোস...

হ্যা করবে।

কিছু সময়ের জন্য,

আমরা কেবল ছোট কাজ নিচ্ছি।

কার দরকার শুনি??

একজন শিক্ষক কে মারতে হবে। বেশ ভাল

কলেজের শিক্ষার্থীরা ও এসব কাজে জড়িয়ে পড়ছে দেখছি??

তাদের কে শুরু হতে দেয়, দোস্ত।

তারা কলেজের শিক্ষার্থী না। তারা স্কুলের শিক্ষার্থী।

নিম্ন মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর...

যা ভাগ এখান থেকে।

তুই...!!! ওটা মারিস না।

দেখ সময় কিভাবে বদলে যাচ্ছে...!!

কিরে কি হইছে??? দোস্ত,

তুই কি জানস তোর মত বেকার যুবকেরা সাধারণত কি করে??

তাদের কাছে তোর মত অনেক বেকার বন্ধু থাকে।

আর কি হবে?? না দোস্ত এটা না।

তাদের এই ধরনের প্রেমের সম্পর্ক কখনোই ঘটে না।

তুমি তার পিছু নিতে নিতে হয়রান হয়ে যাবি,

কোন ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারের সাথে একদিন তার বিয়ে হয়ে যাবে।

আমরা সেদিন তার বিয়েতে বিয়ের খাবার খাব।

এরপর, বিয়ের প্রথম রাতে... যথেষ্ট হয়েছে।

এসবের জন্য আমার প্রতিষোধ হবে আমাদের বিয়ের দাওয়াত। তুই দেখে রাখিস।

বিয়ের দাওয়াত...!!!

তোর ভালভাবে এই ঘর পুনঃনির্মাণ করার সামর্থ্য নেই,

...আর তুই বিয়ের দাওয়াতের ব্যাপারে কথা বলছিস...???

আকাইম্যার ঢেঁকি... শাড়ি টা বেশ ভাল...

যা ভাগ এখান থেকে।

তুই ই আমার ছেলেটা কে নষ্ট করছিস...

তুই এখান সড়ে যেতে পারছিস না?? আমি তো এখন তোকেই আঘাত করে বসতাম।

তুই তো এখানে আমাদের স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই বসে আছিস।

তোর কি কোন ঘর নেই???

ওহ, তোরা এখানে...

গিরীশ, তোর অনেক টাকা ধার হয়ে গেছে...

এম্ব্রোস টাকার ব্যাপার টা দেখছে।

তাহলে স্যার, আপনি কোন ব্যাপার টা দেখছেন??

আমি... আপাতত খানার প্রতি মনোনিবেশ করছি... তাই নয় কি??

তাদের অটোরিক্সা কোন বিজ্ঞানীর পরীক্ষা করে দেখতে হবে...

আমার সন্দেহ হচ্ছে এটা হয়ত পানির মাধ্যমে চলে...!!

তারা তো কাজ ই করে না, বরং অন্যের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়

আমি কখনোই তাদের মাঝে ৩য় কোন ব্যক্তি দেখি নাই।

এই টেক্সি তে ভ্রমণ কে সাধু এম্ব্রোস বলে

এই, এটা সাধু এম্ব্রোস নয়,

এস এবং টি তার প্রাথমিক অবস্থা

শান্তিমাট্টাম থারাভাদু তার ঘরের নাম

সে কই যে গেল?

সে কি সত্যি চলে গেছে নাকি??

কিরে ঐ শুয়োর টা কোথায়???

আমি তাকে গত ১ বছর আগে দেখেছিলাম...!!

কুত্তারবাচ্চা, তুই আমার সাথে মিথ্যা কথা বলছিস???

যদিও সবাই আমাকে বারণ করেছে তোকে এই কাজে না নেয়ার জন্য, যদি আমি তোকে এই কাজে নেই...

তুই তোর জীবনে কিছুটা সাভলম্বী হতে পারবি...

তুই যদি কাজ টা ভালভাবে করিস,

তুই ধীরে ধীরে ভাল জীবিকার মাধ্যমে সাভলম্বী হতে পারবি।

বুঝেছিস তো?? হ্যা ভাই।

কিরে কি হল??

কিছু সময়ের মধ্যে ফিরে আসবো ভাই...

কিছু মনে করিও না ভাই...ঠিক আছে???

আমরা আর কতদিন সিমন স্যারের হয়ে কাজ করবো??

এখানে প্রায় ৫-৬ কোটি টাকা আছে।

এগুলো পর্যাপ্ত জীবন কাটানোর জন্য।

আমি যদি তোমাকে জিজ্ঞেস করতাম তবে তুমি আমাকে টাকাগুলো চুরি করতে দিতে না।

এটা কে বিশ্বাসঘাতকতা মনে করিও না।

তারা খুব ই অভিজ্ঞ তাদের কাজে...

তুমি কি চেষ্টা করে দেখতে চাও...???

চেষ্টা করে দেখতে পার...

আমার কাছে নষ্ট করার মত সময় নেই।

আমি সেসব লোকদের অপেক্ষা করিয়ে রাখতে পারি না, যারা এই টাকার আশায় পথ চেয়ে আছে।

তো বল সিন কি...??

তাহলে শুরু করা যাক...???

এটা তার প্রতিনিয়ত ছল...

যাও মার ওকে...

আমি আমার মোবাইল হারিয়ে ফেলেছি,

এবং সে আমার জিপের গ্লাস ভেঙ্গে দিয়েছে।

ভণ্ড প্রতারক...

সাবধান করে দিস ওকে...

আমি যদি তাকে আর কখনো দেখি, আমি তাকে জানে মেরে ফেলব।

বুঝেছিস??

ভাই, আমি একটা বিস্কুট নিচ্ছি...

ঘুরিয়ে এক থাপ্পড় মারা উচিৎ...

এই দোস্ত,

তোকে আমি হাজার বারের মত বলছি না???

আমাকে না জানিয়ে কোন কাজ করতে না...

তুই জানস কেন?

তুই যা ই করিস না কেন, আমার ই মার খেতে হয়।

যদি তুই আমাকে বলিস তুই কি করেছিলি,

আমি অন্তত বুঝব, আমি কেন মার খাচ্ছি।

আমরা এখন কিভাবে তার টাকাগুলো তাকে ফেরত দিব???

কোন চিন্তা মাথায় আসছে না...!!!

এত কিছু করার পর, তোর কেন কোন চিন্তা মাথায় আসছে না??

আমি জানি কি করতে হবে।

আমি তাকে ওয়ালের মধ্যে ধাক্কা দিলাম, এই শোন...

সরা, তোদের ফালতু ফুটবল...

তারা কিভাবে এখানে এল??

এদিকে আয়।

শোন,

তুই আমাদের কাছে জীবনে প্রথমবারের মত কিছু চেয়েছিস...

আর তোর গিরীশ ভাই মনে কষ্ট পাচ্ছে তোকে না বলার থেকে।

তুই তাদের কে বলতে পারিস আমরা কাজ টা করে দিব।

আর,

ওদের কে বলিস আমাদের ৫০০০ টাকা দিতে হবে...

১০,০০০ টাকা ঠিক আছে, ১০,০০০ টাকা।

এটা আমাদের সর্বনিম্ন বাজেট, তাও শুধু তোর জন্য।

১০,০০০ টাকা???

আমার কাছে এত টাকা তো নেই।

যদি আমি আমার জন্মদিনের বকশিস হিসেবে যে টাকা পেয়েছি, তাও গুণতে যাই তবও সব মিলিয়ে এত টাকা হবে না,

এমন কি ঐ টাকার অর্ধেক ও হবে না।

টাকা গণনার মত সময় নেই। গিরীশ ভাই ভীষন ব্যস্ত...

তোমার টাকা গুণতে গুণতে হয়ত,

...সে তার সিদ্ধান্ত বদলিয়ে ফেলবে।

হ্যা। সে অনেক ব্যস্ত গুন্ডা...

উনাকে জিজ্ঞেস করে দেখিও তো আইফোন ৬ প্লাস চলবে নাকি...

৬ প্লাস...???

আইফোন??? হে সৃষ্টিকর্তা...!!!

ওহ, এই দুইজন কে এখানে দেখছি...

গিরীশ ভাই,

আন-মেরিয়া বলছে সে তোমাকে একটি নতুন মোবাইল দিবে।

আইফোন...

তুই দেখেছিস ফোন টা?? হ্যা...

আমি এখানে কাস্টমার কেয়ার ছাড়া অন্য কোন কল পাই না এই মোবাইলে।

কেন আমার আরেকটা মোবাইল দরকার???

ধুর, ভাই...

এটা সম্পূর্ণ নতুন মোবাইল যেটা আন-মেরিয়ার বাবা তাকে উপহার দিয়েছে।

এর দাম প্রায় ৫০ হাজার টাকা হবে আর তুমি এটা চাও না ভাই???

কত বলছোস?? ৫০ হাজার টাকা।

তাহলে ওর থেকে নিয়ে আয় মোবাইল টা।

সে আমাকে মোবাইল টা দিবে না।

তোমার আগামীকাল তার বাসায় গিয়ে তার থেকে মোবাইল টা নিয়ে আসতে হবে।

কারণ তার টিচার কে মারার পূর্বে সে তোমাকে ইংরেজিতে কিছু কথা বলতে চায়।

তাহলে ভাই সেখানে যাও...

একজন অসাধারণ গুন্ডা হিসেবে।

এই এই শোন, তুমি কে??

সর এখান থেকে...

ভাই, আপনি কি বাটারফ্লাই গুন্ডা??

হায় রে, গেল মোবাইল টা...

আপনাকে ডেভিড স্যার কে মারতে হবে...

যখন সে মার খেয়ে মাটিতে পড়ে থাকবে,

আপনাকে তার বুকে বসে...

...বলতে হবে, এটা আন-মেরিয়ার জন্য, বাঁদরমুখো শয়তান...

এটা কি আমার তার মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে থাকলেও বলতে হবে???

নাহয় একটা কাজ কর...

তুমি যা বলেছ টা একটা ছোট কাগজে লিখে আমাকে দাও।

আমি তাকে মারার আগে বলে দিব...

আমি আগেই লিখে রেখেছি।

তোমার...

তুমি কি যেন বলেছিলে তোমার নাম???

তো আন-মেরিয়া তুমি শুধু দেখ...

আজ তো সোমবার...

আগামীকাল সন্ধ্যার আগে, সে আমার হাতে চরম ধোলাই খাবে...

এরপর, সে তোমার স্কুলে খুড়িয়ে খুড়িতে আসতে হবে...

আমি গুন্ডা... গুন্ডা...!!

এখানে কি হচ্ছে এসব???

দোস্ত,

আমি এইমাত্র শুনলাম,

এর দাম প্রায় ৫৫ হাজার টাকা হবে... হায় রে সৃষ্টিকর্তা...

এরমধ্যে ৩০ হাজার সুকুর জন্য...

বাকি টাকা দিয়ে আমরা কি করব??

দোস্ত,

আমাদের টেক্সিটার পিছনের সিট মেরামত করতে হবে...

আমরা তো ইতোমধ্যে সিট টা বদলিয়েছি, তাই না??

আরে টা না, দোস্ত...

আমাদের এটার সম্পূর্ণ মেরামত করতে হবে অথবা নতুন একটা টেক্সি নিতে হবে।

আমরা যদি টেক্সি টা মেরামত করি, তাহলে আমরা আবার টেক্সি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পারব।

তুই যদি তৈরি থাকিস, আমি ও তৈরি।

ওহ, প্রয়োজন নেই...

আচ্ছা শোন, কারোর এই ব্যাপারে জানার দরকার নেই।

যদি তারা জানতে পারে,

সব দোকান মালিকেরা ময়লার ঝাঁকের মত আমাদের চারপাশে ঘুরবে।

ছিঃ

তুই পারলি না এমন ভাবে বর্ণনা করতে যে, পিঁপড়েরা যেমন গুড়ের পাশে ঘুরে??

গিরীশ ভাই, তুমি এটা কোথা থেকে পেলে?? আমার এক দূর সম্পর্কের মামাত ভাই আমাকে দিয়েছে।

মামাতো ভাই???

কেন?? তার মামার ছেলে থাকতে পারে না??

তুই শুধু দাম টা বল...

এটা তো দারুণ এক মোবাইল।

কিন্তু এখানে একটা সমস্যা আছে... কি সমস্যা??

এখানে একটা কান্ট্রি লক আছে... দেখছ ভাই??

দেখ স্পাইডারম্যানের ফটো?? কোন দেশ??

তুমি এখান থেকে শুধু আমেরিকায় কল দিতে পারবে...

আমরা এটা থেকে কেবল আমেরিকায় কল দিতে পারব??

যদি বিশেষ প্রয়োজন হয়, তবে তুমি কানাডায় ও কল দিতে পারবে...

তাহলে আমরা এটা বিক্রি করে কিছুই পাব না??

না, ভাই মনে হয় না।

এটা...

তুমি যদি চাও আমি তোমাকে ২০০০ টাকা দিতে পারি...

অথবা তুমি এটা নিয়ে যেতে পার এম্ব্রোস...

আমি যদি এটা এখানে রেখে দেই, আমি এটা বিক্রি করতেও পারব না।

চল আমরা যা পাচ্ছি তাই নিয়ে নেই।

এটা ভুলেও চিন্তা করিস না, মোবাইল টা ওর বাসায় গিয়ে আরেকটা নিয়ে আসবি।

তোকে যদি সেখানে কেউ দেখে, তুই হয়ত চরম মার খাবি সেখানে।

চল এক কাজ করি...

আমাকে ২০০০ টাকার সাথে আরো ১০০০ টাকা দেয়...

এটা রেখে দেয়। আর মাত্র ১০০০ টাকা বেশি দিবি আর কি...

তোর গুণতে হবে না... দিয়ে দেয়...

দিয়ে দেয় সাবু...

২৫০০ টাকা যথেষ্ট...

এই কি বলস এগুলো... এটা যথেষ্ট...!!

তার সাথে কথা বলে তাকে বুঝাও... আমি এটা বিক্রি করে কিছুই পাব না...

চল, যাই তাহলে। ঠিক আছে তাহলে আসি।

এই দোকান শীঘ্রই নষ্ট হয়ে যাবে...

যা এখান থেকে...

এই বেকুব টা যা চায় তাকে দিয়ে দেয়...

তারা আমার সাথে চালাকি করতে এসেছে??

সে হয়ত এতক্ষণে মার খেয়ে পড়ে আছে, তাই না??

হ্যা, অবশ্যই...

আমরা যা চিন্তা করলাম সেই পরিমাণ টাকা তো পেলাম না, তাই না??

কিন্তু তোর চিন্তা করার দরকার নেই

শীঘ্রই অন্য কোন শিশু...

হয়ত তারা নালিশ নিয়ে আসবে তাদের বাবাকে মারার জন্য...

তুই শুধু দেখে রাখ...

আমি কখনোই কোন শিশুর দোষ দিব না...

কারণ

কোন শিশু এই পৃথিবীতে কখনোই তার স্যার কে মারবার চিন্তা করে নি বল???

সেটা ঠিক...

অনেক আগের কথা আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম...

আমি একদিন জর্জ স্যার কে মারব, যে আমাদের ক্লাস ফোরে গণিত পড়াতেন...

আমি এই কথাটি আমার গণিত বইয়ে লিখে রেখেছিলাম না ভুলবার জন্য।

পরের দিন সে যখন আমার হোমওয়ার্ক দেখছিল,

সে দেখছে আমি বইয়ে কি লিখেছিলাম...

খুব ভাল...

তুই গাধা নাকি...!!

এখনকার সময়ে এটা খুবই কষ্টকর দুইজনের পক্ষে একত্রে কোন টেবিলের নিচে লুকিয়ে থাকা

তোমার ঐদিনের জাম্প টা ফাউল ছিল না...

আমার মনে হয় ডেভিড স্যার নিশ্চই চরম মার খেয়েছে...

তাকে আজ কোথাও দেখা যাচ্ছে না।

আমি এই এলাকায় আছি।

যদি বাটারফ্লাই গিরীশ কিছু প্রতিজ্ঞা করে, সে অবশ্যই সেটা করবে। ওভার...

তো সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে তাহলে। ওভার...

এই, এইতো বেল পড়ার শব্দ শোনা যাচ্ছে

সে এখন নিশ্চই হাসপাতালে পড়ে আছে।

চল, আমরা ক্লাসে চলে যাই।

এভাবে কি কেউ কাউকে মারে নাকি??

কিরে সে না বলছে স্যার কে মারবে?? মারে নাই কেন??

শারাত আমাদের সাথে কোন ধোঁকাবাজি করবে না।

আমি এই ব্যাপারে নিশ্চিত...

আমাকে তার কাছে এই ব্যাপারে কথা বলতে দাও... যদি নাহয়, আমি তোমাকে মেরে ফেলব।

ভাই, সে তো মার খায় নাই...

ওহ, সে মার খায় নি কারণ...

এটা এত সহজ না...

গতকাল হয়ত প্রস্তুতি ছিল,

আজ ছিল ধমকি...

আগামীকাল দেখিস কি হয়...

এটা এখানে রাখ...

গিরীশ ভাই,

তুমি ডেভিড স্যার কে মার নাই??

বস এখানে কেন?

তোর কেন এই ব্যাপারে এত চিন্তা হচ্ছে??

ঠিক ই তো, আমার কেন চিন্তা হচ্ছে এই ব্যাপারে?

কেন আমার চিন্তা হবে...!!

চালাক ছেলে...

গতকাল হয়ত প্রস্তুতি ছিল,

আজ ছিল ধমকি...

আগামীকাল দেখিও কি হয়...

তুই বল করবি,

তুই এখানে ফিল্ডিং করবি। আর তুই ঐখানে ফিল্ডিং করবি।

তোরা দুজনেই আমার দলে খেলতে পারবি।

তুই ওখানে গিয়ে বস... আমি আগে ব্যাটিং করব।

আমি আগে ব্যাটিং করছি, ঠিক আছে তো?? শারাত ভাই...

শারাত ভাই, একটু এদিকে আসো না...

তোরা যে কেউ আগে ব্যাটিং করতে পারস... আমি একটু পর আসছি...

তার এখন ই এখানে আসতে হবে...

এই ভাই, কি অবস্থা??

তুমি আমাকে ফলো করছো কেন??

তুমি জানো মেডাম যদি জানতে পারে এসবের ব্যাপারে তাহলে কি হবে??

আরে কিছুই হবে না।

ওর বাসা কোথায়?? তুমি কি জানো?? চল যাই...

ঠিক আছে, নিরাপদে সাইকেল চালাও

আমি সেই বাটারফ্লাই গুন্ডার বাসায় যেতে চাই...

তুমি যেতে পারবে না।

আমি জানি না তার বাসা কোথায়...

তাহলে আইফোন ফেরত দেয়, চোর।

কি??

চোর??

না ভাই। ওরা আমার বন্ধু...

তারা আমাকে ডাকতে আসছে চোর-পুলিশ খেলার জন্য...

তাই না??

সত্যি বলছি...!!

১, ২, ৩...

ধুর...

আজ আমাকে আর কতবার সাপে কামড় দিবে এই লুডু খেলায়??

সাপেরা ও জানে না এই ব্যাপার টা... তাহলে আমরা কিভাবে জানবো??

তা ঠিক বলছিস... তো খেল তাহলে...

গিরীশ ভাই,

ওরা তোমাকে ডাকছে...

এগুলো তো সেই ঝামেলার বাচ্চাগুলো, তাই না??

হ্যা যা ওদের সাথে গিয়ে মোকাবেলা কর...

আমি যাচ্ছি না। তুই গিয়ে তোর ঝামেলার মোকাবেলা কর...

ভাই, তুই ও সাথে চল।

চল আমরা একসাথে এই সিম্পল ভেজালের সমাধা করি।

আমি তোর সাথে আছি না?? আস, যাই ওদের কাছে।

কি বল??

আমি ওদের কে এখানে নিয়ে এসেছি, কারণ ওরা তোমার সাথে দেখা করতে চায়...

বল কি ব্যাপার??

আপনি বলেছিলেন না, আপনি স্যার কে মারবেন?? মারলেন না কেন??

না। আমি মারি নাই। তো?

তো আপনি আমাদের সাথে ধোঁকাবাজি করছেন??

হ্যা, আমরা তোমাদের সাথে ধোঁকাবাজি করছি... তো তুই কি করবি, পিচ্চি শয়তান??

আপনি ভালোয় ভালোয় আমার আইফোন আমাকে দিয়ে দেন...

আমার বাবা আমার জন্য এটা কিনেছিল...

আপনারা তো চোর...

তুই কি চিন্তা করেছিলি??

আমি তোর টিচার কে মারব?? হ্যা??

তুই শুনিস নি মা-বাবা-শিক্ষক সৃষ্টিকর্তা পরেই তাদের স্থান...???

যা ভাগ এখান থেকে...

তুই যদি আর ১ সেকেন্ড এখানে থাকিস...

আমি তোর স্কুলে কল দিয়ে তোর বাবা-মা আর স্কুলের সবাই কে এই ব্যাপার টা বলে দিব।

যা ভাগ এখান থেকে। শীঘ্রই চলে যা এখান থেকে...

তুই আমাদের সাথে কান্ট্রি লক দিয়ে চালাকি করতে এসেছিলি??

যা ভাগ... এভাবে কি দেখছিস??

আয়, চল আমরা চলে যাই।

আমি তোমাকে কতবার মানা করেছিলাম??

এখানে না আসার জন্য।

তুমি তো শুনলে না...

তারা আমাদের কে শাসাতে এসেছিল...!!

এই, এই...

এটা আমার জায়গা... সর...

আমাকে একটা সোডা ও দিস...

ওইতো সে এখানে... দাঁড়া...

গিরীশ, তোকে আমাদের সাথে থানায় যেতে হবে।

কেন, স্যার? কি??

তুই কি দাওয়াতের অপেক্ষায় আছিস নাকি থানায় যাওয়ার জন্য??

না স্যার, ঐরকম কিছু না। তো??

এই টেক্সি তে পর্যাপ্ত তেল নেই থানায় যাওয়ার জন্য...

তো এটা উচিৎ না তেল ভর্তি করে টেক্সি নিয়ে কিছুক্ষণ পর থানায় যাওয়া??

এসবের দরকার নেই...

সরকার আমাদের কে সে ভরপুর ডিজেল দিছে, তাই যথেষ্ট তোদের মত লোকদের থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য...

তো কথা না বাড়িয়ে চল...

একে নিয়ে চল...

সাবধানে... সাবধানে...

কিরে কত টাকা হল??

দোস্ত, টাকা টা...

দোস্ত,

ভাই যার কাছে টাকা ছিল তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

বাহ দারুণ,

সমস্যা নেই, স্যার...

আপনার বন্ধু কে ফেরত আসতে দিন...

তার আসা পর্যন্ত আপনি এখানে কিছু গ্লাস পরিষ্কার কর...

তুই ভাল ই করেছিস??

হ্যা

তো, তুই ভাল ই করেছিস?? হ্যা

তুই ঐ মেয়েকে চিনিস??

তুই চিনস না??

না...

তো, তুই এ মেয়েকে চিনস না??

না

তুই এই মেয়ের থেকে আইফোন ছিনতাই করেছিস??

হ্যা, স্যার।

যখন বাচ্চা খেলছিল, সে তার টেক্সি করে যাওয়ার সময় ওর থেকে আইফোন ছিনতাই করে...

আমি দেখছি, স্যার।

না, স্যার।

আমার মানে... না, স্যার।

তারা মিথ্যা বলছে...

কে? ওরা?

আমি চিনতাই করি নাই।

শয়তান প্রতারক... তুই আমার সাথে মিথ্যে বলিস??

সত্য কথাটা বল...

তুই ই ছিনতাই করেছিস, তাই না? ওহ...

স্যার, আমি ছিনতাই করি নাই।

আমি আমার পারিশ্রমিকের টাকা টা নিয়েছি ঐ মেয়ের থেকে...

তো তুই বাচ্চাদের সাথে ধোঁকাবাজি করে চলিস?? বেয়াদব...

এর চেয়ে তো চুরি বা ছিনতাই করাও উত্তম...

আমি ছিনতাই করেছি...

তো তুই ছিনতাই করেছিস?? আঙ্কেল...

কিছু না, মা... এটা কিছু না...

তো মোবাইল টা কই??

স্যার, সমস্যা কি??

কিছু না...

আমি তোকে বলেছিলাম না?? কোন সমস্যা নাই। তুই এখানে কেন??

স্যার আমার বন্ধু। চিন্তা করিস না...

কান্ট্রি লক, তাই না? হ্যা...

তুই এভাবে সেসব মানুষদের কে ধোঁকা দিয়ে চলিস যারা অন্যদের ধোঁকা দেয়??

আঙ্কেল? হ্যা...

দয়া করে মা কে এই ব্যাপারে কিছু বলিয়েন না...

সে আমাকে মোবাইলে গেমস খেলার জন্য বকা দিবে।

এই, ওকে বাসায় ছেড়ে আসো।

ঠিক আছে স্যার।

বাবু, আমি তোমাকে কল দিব।

এই, ওদের বিবৃতি লিখে রাখ।

ঠিক আছে স্যার।

তারা বাচ্চাদের সাথেও ধান্দাবাজি শুরু করে দিছে।

গিরীশ,

এটা কি সত্যি আইফোন ৬ ব্র্যান্ড নিউ ছিল?

এখানে সাইন কর।

তুই ঐ বাচ্চার জন্য বেঁচে গেলি।

বুঝছিস?

তোকে অবশ্যই প্রতি সপ্তাহে এসে এখানে সাইন করে যেতে হবে।

আর হ্যা শোন...

জেমস স্যার তোকে ৩-৪ টি কেসের জন্য টার্গেট করে রাখছে।

একদিন সে সবগুলো অভিযোগের জন্য তোকে ধরবে।

তো সাবধানে থাকিস। তুই এখন যেতে পারস। এইতো তোর চাবি...

তোর কি সমস্যা??

স্যার, আমি যখন জিমে ছিলাম তখন সে আমাকে মারছে।

কে? এই ছেলে? হ্যা

ধুর...

তোর লজ্জা নাই?

তো যা এখান থেকে...

যা...!! কিন্তু...!!

যা ভাগ এখান থেকে...

দোস্ত, তুই কোথায় মরতে গিয়েছিলি, বেয়াদব?

তুই আমাকে বলে যাবি না টেক্সি নিয়ে যাওয়ার আগে?

এই দোকানদার আমাকে তার দাস করে রেখেছিল...

আমি না... আমার কাছে এক পয়সা ও নেই...

দাঁড়াও এখানে... তুমি অভিযোগ করতে চাও? আমি বাঁধা দিব না...

এই এস আই আমার দূর সম্পর্কের মামা...

আমার এইরকম আরেক মামা আছে...

উনি একজন এস পি...

আমার আরো একজন মামা আছে...

সে কি কালেক্টর? না...

সে একজন মন্ত্রী...

জস সি কুরিয়ান...

আমি জেমস আঙ্কেল এজন্য অভিযোগ করলাম কারণ তুমি আমার সাথে ধান্দাবাজি করতে চেয়েছে...

চল যাই, আমরা যদি এখানে থাকি, আমরা শীঘ্রই ধরা খাব। চল যাই...

টেক্সি স্টার্ট দেয়...

এই বাচ্চা শুধু ঝামেলা করবে... অনেক বড় ঝামেলা...

ঐ পুলিশ আমার মাথা ধরে এমন ভাবে ঘুরালো না... আমার মনে হচ্ছে আমার ঘাড় মচকে গেছে...

যদি তার মামারা এত বড় প্রভাবশালী লোক হয়,

কেন সে তাদের কে পাঠাচ্ছে না তার ঐ পিটি স্যার কে মারার জন্য?

দোস্ত, পুলিশ আমাকে ধরছে এটা কোন সমস্যা নয়। কিন্তু তারা আমাকে ঐ মেয়ের সামনে ধরছে এটাই আমার সমস্যা।

আরে ধুর... এটা নাকি তোর সমস্যা?

তুই জানস আমি কয়টা গ্লাস ধুয়েছি? না...

আমি যতগুলো গ্লাসে মদ জীবনে খেলাম ও না তার চেয়েও বেশি...

আর তোর ঐ মেয়ের ব্যাপারে চিন্তা হচ্ছে...

হমম...

তার কি এতকিছুর পর ও মনে তৃপ্তি ঘটে নি?

আমি তোমাকে মোবাইল টা আবার দিতে পারি...

গিরীশ ভাই, কিন্তু তুমি কি অবশ্যই স্যার কে মারবে??

দাঁড়া আমি তোর সাথে আজ সবকিছু দফারফা করছি...

হায় সৃষ্টিকর্তা...

এম্ব্রোস...

গিরীশ, হ্যা

সে কি তোমার থেকে টাকা নিয়ে বলছে কাউকে মারবে?

আস এদিকে...

গিরীশ ঐ লোক কে আগামীকাল নিজেই মারতে যাবে...

ঠিক আছে তো, গিরীশ? হ্যা...

তো,

আমি এটা নিয়ে যাচ্ছি... না, আবার না।

আমার নাম্বার টা মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখ...

যদি গিরীশ আগামীকাল ঐ লোক্কে মারতে না যায়,

আমাকে এই নাম্বারে একটা কল দিও...

কে? কি? কেন? আমি এসব জিজ্ঞেস করতে চাই না...

তোকে আগামীকাল ঐ লোক কে মারতেই হবে...

আর তা নাহলে... তুই তো আমাকে ভালভাবেই চিনিস, তাই না?? হ্যা

এভাবে আমাদের হিসাব টা ও সমাধা হয়ে যাবে...

এর মাধ্যমেই হবে তো...

এম্ব্রোস,

হ্যা

বলেন সুকু ভাই...

তো, এটা ঠিকমত হবে তো? গিরীশ মারবে তো ঐ লোক কে, তাই না?

অবশ্যই মারবে ভাই।

এখন এটা ছাড়া আমাদের অন্য কোন পথ ও নেই। তাকে মারতেই হবে।

তা নাহলে, এই সুকু আমাদের কে খতম করে দিবে।

তাছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিটি স্যার...

অবশ্যই দেখতে মোটা লোকদের মত হবে...

তুই থাকবি তো আমার সাথে সেখানে??

আমি অবশ্যই তোর ঢাল হয়ে সেখানে থাকব।

আমি তোর পাশে থাকব, তোর ছায়ার মত করে।

তাহলে চল...

এই বাটারফ্লাই কি পারবে তার কাজে স্বার্থক হতে?

কেন তোমার কি কোন সন্দেহ আছে? তাহলে দেখ কি হয়...

ঐ তো এই লোক... যে ঐখানে বসে আছে...

এটা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।

এটা মুভির মত হবে না।

ভাল করে দেখ কি হয়...

হ্যা

তুমি যদি বারবার এই দৃশ্য দেখতে চাও, মোবাইলে ভিডিও করে রাখতে পার।

এই লোকের জন্য আমি একাই যথেষ্ট... তুই এখানে অপেক্ষা কর।

তা ঠিক বলেছিস

আমি তাহলে টেক্সি স্টার্ট দিয়ে তোর জন্য অপেক্ষা করছি...

তুই ওকে মারার পরপর ই আমরা এই টেক্সি করে পালিয়ে যাব। ওকে...

গিরীশ ভাই,

ডায়ালগ বলতে ভুলে যেও না কিন্তু...

শুধু দেখ, আমি কি বলছি...

এখন শুধু দেখ... গিরীশ ভাই পুরাই মাসালা হিরো...

দেখ কিভাবে বাটারফ্লাই গিরীশ ভাই তাকে শূণ্যে ভাসায়...

অনেক হয়েছে...

দেখ...

তার স্টাইল টা দেখ...

কি হয়েছে ভাই?

যা ভাগ...

দেখছো?

গিরীশ?

আমার হাত ছাড়...

এম্ব্রোস ভাই, আমিও আসছি তোমার সাথে...

চল আমরা গিয়ে দেখি... আস...

আমার মনে হয় সে মারা গেছে...

আমার একটা এম্বুলেন্স দরকার এক্ষুণি... আম্মু তাড়াতাড়ি পাঠাও...

আমাকে তুই কোথায় নিয়ে যাচ্ছিস বেয়াদব?

তোর জন্য, আমি আমার অর্ধেক মজুরি হারাবো...

মা, তুমি এগুলো কি বলছো?

আমি তোমাকে বলেছিলাম না?

নিলে হাসপাতালে,

ঐখানে তারা ১০ কেজি করে চাল, ডাল, শস্য দিচ্ছে বিনামূল্যে ঘরের গৃহিনী দের।

গিরীশ আমাকে বলছে তোমাকে ঐখানে নিয়ে যেতে।

তাহলে তো ভাল ই হল।

নাহলে, তুই যদি বলতিস কেউ ওকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছে,

আমি সেখানে যাওয়ার চিন্তা ও করতাম না...

তুই কি আমাকে ঐখানে মরবার জন্য নিয়ে যাচ্ছিস?

না মা...

আমি টেক্সি দাঁড় করিয়েছি এজন্য যে, যদি তুমি এক বস্তা চাল আগেই নিয়ে থাক...

না, আমি নেই নি।

তাহলে ঠিক আছে।

আমি তোমার জন্য ১টা চিনির বস্তার ব্যবস্থা করে দিব।

তাহলে চল...

আমরা হয়ত চিনির বস্তা হাসপাতাল থেকেই পেতে পারি, তাই না?

তা ঠিক... এই হাসপাতালের লোকেরা এখন চিনির বস্তার লেনদেন করছে...

চুপ কর...

তুই আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিস?

ঐ গিরীশ...

এটা কি তাহলে তোর চালের ব্যবসা...??

আমি তোর পরে খবর নিচ্ছি দাঁড়া...

গিরীশ, তুই এখানে কিভাবে এলি?

এটা গিরীশের মা।

এখানে চিন্তার কোন কারণ নেই...

আমার মনে হয় এটা সামান্য লড়াইয়ের জন্য হয়েছে।

আপনি আসার কিছুক্ষণ আগে সে জ্ঞান ফিরে পেয়েছে।

আমি এখন পর্যন্ত কিছু জিজ্ঞেস করি নাই তোমার থেকে...

এটা কে?

সে যখন মার খাচ্ছিল তখন তুমি কি করছিলে?

বলি ও না...

এটা আমার ভাড়া করা গুন্ডা...

আমি তোকে মেরেই ফেলব।

শয়তান ছেলে... তোকে আমি আজকে মেরেই ফেলব।

হায় রে ডাক্তার মেডাম,

এখন সে বাচ্চাদের সাথে ও ধান্দাবাজি শুরু করছে...

মেডাম আপনি কি এই ছেলে কে এমন কোন ড্রাগ ইঞ্জেকশানে পুশ করে দিতে পারবেন, যাতে ও আজীবন কোমায় চলে যায়।

আমি চরম বিরক্ত এই ছেলেকে নিয়ে...

না আপা, সব ঠিক হয়ে যাবে।

আসো বাসায়...

বাকি কথা নাহয় বাসায় গিয়ে হবে।

তোমার খেলা দিনদিন বেলাইন হয়ে যাচ্ছে দেখছি...

উপরে আয় বলছি...

না। তোর যদি সাহস থাকে তুই নীচে আয়।

ঐ, না...

কে বলেছিল গিরীশ অনেক বড় গুন্ডা?

সে আমাকে নিজেই বলেছিল...

সে আমার সাথে মিথ্যে বলেছে...

সে কোন গুন্ডা না... সে একজন টেক্সি ড্রাইভার...

এখন সে ঐ কাজ ও ছেড়ে দিছে।

এখন সে এম্ব্রোস ভাইয়ের সাথে আকাইম্মা ঘুরে বেড়ায় সারাদিন।

কসম করে বলছি...

এখন তাহলে আমরা কি করতে পারি?

মোবাইল টা ও গেল... ঐটা অবশ্য সমস্যা না...

আমি বাবাকে বোঝাতে পারব... কিন্তু মা আজকে আমাকে মেরেই ফেলবে।

আমার বাবা-মা জানতে পারলে, আমি শেষ।

দেখ ওকে... অল্পবয়সে পেকে গেছে...

যদি তোমার পিটি স্যার তোমার দীর্ঘ লাফ কে ফাউল বলে, এটা অবশ্যই ফাউল ই ছিল।

কেন তুমি এটা মেনে নিচ্ছ না?

যেন সে আঞ্জু ববি জর্জ(খেলোয়াড়)

যদিও এটা ফাউল নাহয়,

তুমি কিভাবে ভাড়াটে গুন্ডা পাঠাতে পার তোমার স্যার কে মারার জন্য?

তুমি এসব কোথা থেকে শিখেছো?

তুমি আর আপু(কাজের লোক) যখন কথা বলছিলে এই ব্যাপারে সেদিন তখন শুনেছিলাম...

তুমি তাহলে ওকে এসব কাজে সাহায্য করছো...

আমি...

যদি এমন ঘটনা ঘটতে থাকে, তোমাকে আমি বেঙ্গলে পাঠিয়ে দিব...

এখানে এত বছর কাজ করার পর...

ভিতরে যাও বলছি...

তোমার লাফানো আর এথলেটিক বন্ধ করছি দাঁড়াও...

তুমি এখন থেকে শুধু গান আর নাচের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে...

একজন ১০ বছরের মেয়ে কিভাবে তার টিচার কে মারার জন্য গুণ্ডা ভাড়া করতে পারে...

সৃষ্টিকর্তা ই জানে এই মেয়ে ১৫ বছরের হলে আর কি কি ঘটাবে?

আমি আমার মেয়ের একাই দেখাশোনা করব...

মোবাইল টা ওকে দাও...

আচ্ছা, দিচ্ছি অপেক্ষা কর।

এই নাও...

তোমার বাবার সাথে কথা বল...

তাকে তুমি তোমার গুন্ডার গল্প টা শোনাও...

বাবু, তুমি কেন গুন্ডা ভাড়া করেছো?

কি হচ্ছে এসব, বাবু?

যদি স্যার বলে থাকে এটা ফাউল হয়েছে তাহলে বাবাকে আগে ব্যাপার টা বলতে পারতে, তাই না?

তুমি বলেছিলে আমাকে তুমি ২ দিনের মধ্যে কল দিবে এবং এরপর আর কল ই দিলে না, তাই না?

বাবু, এর কারণ...

আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করছি?

তোমার চেহারার দিকে তাকাও এতসব করার পর ও...

যদি তোমার বাবা জানতে পারে এই ব্যাপারে, তোমাকে মেরে ফ্ল্যাট বানিয়ে দিবে।

বাবু,

তুমি এনের থেকে বয়সে বড় না?

যখন ও তোমাকে এসব বোকামির কাজ করতে বলে, তুমি কেন তার সবসময় সাপোর্ট কর?

আমি খুবই রেগে গিয়েছিলাম...

আমার তাকে এরকম বকা দিয়ে কথা বলা উচিৎ হয় নাই।

সে হয়ত মন খারাপ করে বসে আছে। বাদ দাও...

বাচ্চারা, ঠিক?

কিন্তু যখন সে আমাকে বলছে সে গুন্ডা ভাড়া করছে আমার আলাপ চলাকালে...

সৃষ্টিকর্তা ই জানে বাচ্চারা ইদানিং কিসব বুঝে কি কি করছে??

তোমার রয় কে পরিস্থিতির ব্যাপারে জানিয়ে তাকে ফেরত আসতে বল...

এটা করা উচিৎ, কারণ সে সবসময় তার বাবা কে মিস করে...

তার এই দীর্ঘ লাফের প্রতি পাগলামো, সে তার বাবা থেকে পেয়েছে, যা ওর বাবা অনেক আগে করেছিল।

হয়ত এজন্যই...

হয়ত, এটা তার বাবাকে উৎফুল্ল করার জন্য সে করছে।

আমি জানিনা শাইনি...

যদি সেই পিটি স্যার জানতে পারে সে লোক পাঠিয়েছে তাকে মারার জন্য,

আমি জানি না তখন কি বাজে একটা পরিস্থিতি হবে...

আমি এখন যদি এই ব্যাপারে তদন্ত করতেও যাই, তাও পারব না।

ঠিক আছে ট্রেসা।

আমি ঐ ফোন টা লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম,

রয়ের কোন বুদ্ধি ই নাই যে, কি বাচ্চাদের কিনে দিতে হয় বা কি না...

আমি...

আমার তোমার আর রয়ের ব্যাপারে চিন্তা হচ্ছে...

আমি আমার আর রয়ের ব্যাপারে কোন চিন্তাই করছি না...

শুধু কয়েকটা সাইন...

আর আমাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে কিছু লোকদের...

আর কিছুই না...

তুমি কি এখন সুখী হয়েছো একটি পরিবার কে উপবাসে রেখে?

তুমি বেয়াদব...

লতা, তুমি ওকে টিফিন বক্স দিয়েছো? হ্যা, আপা।

ঐ তো আসছে বাঁদর টা...

আমার ২০০০ টাকার দরকার...

২০০০

কিসের জন্য?

আমি তোমাকে গতকাল ভুলে গেছি...

আমাদের স্কুলে খুব শীঘ্রই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে...

আমি একটা দলীয় গান... দুঃখিত...

আমি একটা দলীয় নাচ দলের অংশ হতে চাচ্ছি।

তাই এজন্য আমাকে টিচার কে টাকাটা ফি হিসেবে দিতে হবে...

নাচ?

তুমি তো খেলাধুলায় ছিলে, তাই না?

তুমি আমাকে বলেছ না,

সব ধরনের দৌড়ানো লাফানো বন্ধ করে দিতে...

আর গান বা নাচের দলে যোগ দিতে??

এই নাও...

যাও ভাল করে নাচ...

স্যার কি জানে, তুমি ই সে ব্যক্তি যে স্যার কে মারার জন্য লোক পাঠিয়েছ??

আমি?

আমি একা না...

বল আমরা...

তো আমি ও এই ভেজালের মধ্যে আছি?

এই গিরীশ, তুই আজকে কাউকে মারতে যাচ্ছিস না?

আমাকে গতকালের ব্যাথা থেকে ভাল হতে দে...

খুব বেশি কি ব্যাথা হচ্ছে?

কিসের ব্যাথা...

আমি তোমার টিচার কে মাটিয়ে মিশিয়ে ফেলতাম...

কিন্তু আমি যখন তাকে মারতে যাব, আমার তখন কলেজের স্যারের কথা মনে পড়ল...

কোন কলেজের?

ওহ... ঐ মেডিকেল কলেজ যেখানে তুই ডায়েরিয়ার জন্য ভর্তি ছিলি?

সত্যি নাকি?

যদি তাই হয়??

এটা রাখ ভাই...

৪০০০ টাকা...

তুমি কয়েকদিন কাজের জন্য যেতে পার নাই, তাই না?

তুই তো দেখছি চরম বেশরম ই না...

ওর টাকা ওকে ফেরত দেয় বলছি...

ফেরত দেয় বলছি...

সমস্যা নেই, আন্টি...

মা আমাকে এখানে আসতে বলছে...

তাহলে আমরা আসি??

আমি প্রসাব করতে বসলাম কে কল দিচ্ছে এখন??

ওহ তুই? কি বল?

ঐ এন-মেরিয়া আমাকে আরো কিছু টাকা দিয়ে গেল।

সত্যি নাকি?

এটা আবার নতুন কোন কারবার নাকি?

তুই টাকা রাখছোস তাহলে...

আমরা এবার সত্যিকারের গুন্ডা পাঠাবো এই কাজের জন্য।

এটা এসবের জন্য না। তো?

জলদি এদিকে আয়...

চল আমরা একসাথে কিছুক্ষণ মদ খাই...

তুই এজন্য কল দিছস?

আমি যেকোন কাজের জন্য তৈরি যেখানে শারীরিক পরিশ্রম লাগবে না...

গিরীশ, তুমি কি ব্যস্ত? না মেডাম।

আমি জানতে পারছি আন-মেরিয়া আমাকে মিথ্যে বলে কিছু টাকা নিছে...

ঐ টাকা টা হয়তো সে তোমাকে দিছে...

এখানে তার জমানো অনেক টাকা ও আছে।

না ঠিক আছে, গিরীশ। তুমি রেখে দাও টাকাগুলো।

আমি আমার মেয়ের প্রতি খুব একটা সময় দিতে পারি নাই...

এজন্য সে যখন কিছু করতে চাইল,

সে তোমার কাছে গেল কাজের জন্য।

তোমার যদি দরকার হয়,

আমি তোমাকে আরো টাকা দিতে পারি?

না মেডাম।

এটা ভুলেও চিন্তা করিও না ওর মা তোমাকে ভাড়াটে গুণ্ডা হিসেবে টাকাটা দিচ্ছে...

এটা খুব ই কষ্টকর আমার অসতর্কতার জন্য তোমাকে এসব শুনতে হচ্ছে...

এটা কে ক্ষতিপূরণ হিসেবে চিন্তা করিও...

ঠিক আছে, মেডাম।

আমি কি যেতে পারি?

আর একটা কথা শোন,

আমার মেয়ের সাথে আর দেখা করিও না...

ওহ সৃষ্টিকর্তা...

আমি আশা করি প্রতিদিন কেউ না কেউ এভাবে ক্ষতিপূরণ বা অন্য কিছুর জন্য আমাদের টাকা দিক...

গিরীশ, বার বন্ধ হয়ে যাবে। তুই সকালে এখানে আসছিস, না?

ফ্রিতে তো না? আমরা টাকা দিচ্ছি তো...

যা এখান থেকে...

হ্যালো, এখানে কোন ঝামেলা করিও না।

দোস্ত, সে আমার সাথে ধ্মকিয়ে কথা বলল...

এই এম্ব্রোস, হ্যা

আমরা এখন পর্যন্ত কতজন কে এভাবে বোকা বানিয়ে এসেছি??

অগণিত মানুষ...

আমি এই অগণিত বারের মধ্যে এই প্রথম...

কেমন যেন লাগছে...

কি?

এক ধরনের অনুশেচনাবোধ কাজ করছে...

আমার ঐ বাচ্চার মোবাইল তাকে ফেরত দিতে হবে...

দোস্ত,

আগামীকাল দেখবি প্রশান্তি পাবি, সব দোষ এভাবে ভুলে যাবি...

মদ খা, দোস্ত...

এভাবে চলতে দেয়া যায় না...

যদিও আমরা লোকদের বোকা বানিয়ে আসি এতদিন...

এই প্রথমবারের মত আমরা কোন বাচ্চা কে বোকা বানিয়েছি...

আমি যখন মার খাচ্ছিলাম, তখন সে একমাত্র সেখানে ছিল...

আমাকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে...

তুই পালানোর সময় টেক্সি টা নিয়ে যেতে পারতিস...

সে বুঝেছে সে আমার দ্বারা ধোঁকা খেয়েছে, তবু ও সে আমাকে আবার টাকা দিল।

অসহায় মেয়ে...

এটা ছিল...

ঐ মোবাইল টা সে তার বাবা থেকে পেয়েছে...

যদি আমি তাকে আবার ধোঁকা দেই, সৃষ্টিকর্তা অ আমাকে মাফ করবে না...

দোস্ত,

গিরীশ...

দোস্ত, দাঁড়া...

এই, কিরে ঐ নোট ৪ আসছে?

হ্যা, গতকাল আসছে।

ঐটা নিরাপদে রাখ। আমার মোবাইল টা পানিতে পড়ে গেছে।

এটা আর অন হচ্ছে না...

তুমি কি এটা বন্ধ থেকে খুলেছিলে? না, আমার কি খোলা উচিৎ?

না। এটা অন করিও না...

কখনোই ঐ মোবাইল টা খুলিও না, যেটা পানিতে পড়েছিল...

এটা...

আমরা...

এই ভিজা মোবাইল থেকে,

তোমার পানি চুষে বের করে নিতে হবে...

এভাবে করে বুঝছো... এটা কিভাবে পানিতে পড়ল...

আমি যখন বাথরুমে ছিলাম,

এটা আমার পকেট থেকে কমেডে পড়ে যায়।

এটা আমার পকেট থেকে কমেডে পড়ে যায়।

যা ভাগ এখান থেকে শয়তান...

এই,

তুমি কি করছো সুকু ভাই থেকে ঐ মোবাইল টা নিয়ে?

তুমি কি করছো সুকু ভাই থেকে ঐ মোবাইল টা নিয়ে?

সে মোবাইল টা নিয়ে এসেছিল এখানে, যেটা আমি তাকে দিয়েছিলাম।

বল...

আমি ঐটা বিক্রি করে দিছি...

আমি আমার লোকসান পুষিয়ে নিছি মোবাইল টা বিক্রি করে...

কেন?

না এমনি... আমি...

আমার ঐটা ফেরত পাওয়া খুব ই দরকারী...

তুই ঐটা কার কাছে বিক্রি করছিস???

ওহ... তুই ঐটা ফেরত পেতে চাস...

একটা ভাল লোক মোবাইল টা আমার কাছ থেকে কিনেছে... তুই জানস সে লোক টি কে??

কে ঐ লোক?

এটা আমি, বেবী...

এটা উদ্দেশ্য ছিল না...

আমি আমার মোবাইল টা বদলিয়েছি...

মধ্যরাতের মধ্যে আমি আমার সব নাম্বার এই নতুন মোবাইলে নিয়ে নিলাম।

এজন্য হয়ত আমি কল করতে পারি নাই...

কিছু নতুন কোম্পানি?? কমলা নাকি আম বা অন্য কিছু?

এই জোশি,

এই মোবাইল টার নাম যেন কি? -এপেল...

এইতো এপেল...

তুই সাবু কে চিনস?

সে আমাকে এটা একেবারে নতুন মোবাইল, এখন পর্যন্ত কেউ এটা ব্যবহার করে নাই...

তাই এটা আমি ভাল দামে কিনে নিয়েছি...

ভাল ই হইছে...

আর তোর অভিযোগ ছিল না আমি স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে জানি না??

তাই আমি চিন্তা করেই এটা কিনলাম, এখন আমি ও এটার ব্যবহার করতে পারি...

আর হ্যা...

তাহলে আমাদের লেনদেন ৩.৫ কোটি ঠিক করছি??

কি ৫০ লাখ...

৫০ লাখ তো বাদ দেয়, আমি এক টাকা ও দিব না...

তোর যদি দরকার হয়, তখন কল দিস, আপাতত বাদ দেয় এসব...

জোশি, এই নতুন মোবাইল টা খুব দারুণ না...

এটা ধরে রাখতেও ভাল লাগছে...

ও তুমি বলেছিলে না তুমি কয়দিনের মধ্যে যাচ্ছ??

দুই সপ্তাহের মধ্যে ভাই...

দুই সপ্তাহ...

তুমি কেন দুবাই যাচ্ছ??

যখন তুমি এই বেবীর জন্য গাড়ি চালাচ্ছ, এটা তোমার কাছে দুবাইয়ের চেয়ে কম কিসে??

আমি কি তোমার সবকিছুর ঠিকমত দেখাশোনা করছি না?

ঐরকম কিছু না ভাই...

আমার বউ দুবাইতে নার্সের চাকরী করে, তো তাই?

মা আমাকে বলছে এটা উচিৎ না স্বামী-স্ত্রী একে অপরের থেকে এত দূরে থাকা...

তোমার মা এই বয়সেও এমন কথা বলছে?

তাহলে তুমি দুই দিনের মধ্যে চাকরী টা ছেড়ে দিতে পার...

তোমার তো সেখানে দুই সপ্তাহের মধ্যে যেতে হবে??

আমার তাহলে অন্য কোন চাকরী খুঁজতে হবে...

অথবা নিজেকেই গাড়ি চালানো শিখতে হবে...

হয়ত এটাই আমার ভাগ্যে ছিল??

আরেকজনের কল আসছে দেখছি...

বেবী বলছি,

মাথাচান,

তোমাকে আমার কাছে আর কল করতে হবে না আরো কিছু সময় চেয়ে...

এটা সম্ভব না...

মাথাচান ভাই, এটা কখনোই সম্ভব না।

আমি কোম্পানি তে পৌছে গেছি... আমি তোমাকে পরে কল দিচ্ছি...

ভাই,

অফিসে আস, এটা কি এমন জায়গা এসব ব্যাপারে কথা বলার জন্য? যা...

ভাই,

এন্টনি স্যার নতুন হাতি কিনছে

তুমি আমাকে হাতি এনে দিবে বলে বোকা বানিয়েছ...

কখনোই আমার সামনে এসে হাতির ব্যাপারে আর কথা বলিস না... যা ভাগ...

যা ভাগ এখান থেকে...

কি এসব? আয়...

কে এই ছেলে?

আমি জানি না...

তুমি কে? তুমি কি চাও?

আমি আপনাকে দেখতে আসছি, স্যার...

স্যার?

কিন্তু এখানে কোন স্যার নাই...

আপনি স্যার...

তুমি আমাকে স্যার বলছো?

তাহলে তাড়াতাড়ি বল কি বলবে, স্যারের অনেক কাজ আছে...

আমি আপনার থেকে মোবাইল টা নিতে এসেছি, স্যার...

হায় সৃষ্টিকর্তা...!!

এই অসহায় লোক মোবাইল টা কিনল আর পরের দিন থেকেই মানুষ মোবাইল টা কিনতে চলে এসেছে...

ঠিক আছে। তুমি কর দিতে পার এই মোবাইলের জন্য?

আমার কাছে তো কোন টাকা নেই...

তাহলে তুমি কিভাবে পরিষোধ করবে স্বর্ণ দিয়ে? আমি আপনার জন্য কোন কাজ করে পরিষোধ করে দিব

তুমি তো বেশ চালাক দেখছি??

তোমার নাম কি?

গিরীশ... তুমি কোথায় থাক??

লাকসাম বিদু কলোনী তে... কোথায়?

লাকসাম বিদু কলোনী...

তাহলে তুমি লাকসাম বিদু কলোনী থেকে??

তাহলে আমি তোমার জন্য কিছু ব্যবস্থা করছি...

এরা পেরুনগুডি কোম্পানি, তাই তো?

কোম্পানি টা আমি তোমার নামে লিখে দিব?

তুমি আমাকে এখানে কাজ করে আমাকে টাকা পরিষোধ করবে...

যাও গিয়ে সত্যিকারের কাজ খুঁজো...

যেসব কাজের জন্য তুমি যোগ্য, ঠিক আছে?

এখন আসতে পার...

যা বলছি...

আচ্ছা...

এই জিনিসের এত চাহিদা...

আমার এটা আরো আগে কেনা উচিৎ ছিল...

আমি এই ভ্রমণ টা বাদ দিতে পারতাম না...

আমি আজ স্কুলে যাচ্ছি না, ঠিক আছে তো?

স্কুলে যাও বাবু... বাবা আছে তো এখানে...

বাবু, তুমি এক কাজ কর...

তুমি আজ স্কুলে যাও... এগুলো সব তোমার বন্ধুদের দিও...

যাও এন...

আমি ব্যাংক থেকে মাত্র বের হলাম...

আমি আধা ঘন্টার মধ্যে আসছি...

তুমি ঐ ছেলে না যে এই মোবাইলের জন্য এসেছিলে? হ্যা

Didn't you understand তুমি কি বুঝ নাই আমি কি বলেছি?

যদি বেবী কিছু কিনে থাকে, সে কখনোই এটা বিক্রি করে না...

যেকোন মূল্য হোক না কেন...

বুঝেছ??

আমার সময় নষ্ট না করে চলে যাও আমার সামনে থেকে...

খুব ই বিরক্তিকর দেখছি...

ইংরেজি?

এই, কথা বল তো এর সাথে...

এর আবার কি হইছে?

এই গিরীশ, ঐ দিকে এতক্ষণ কি তাকিয়ে আছোস?

সাবু,

একটা আইফোন ৬ এর দাম কত হবে?

কেন?

তুই বিক্রি করতে চাস নাকি?

আমি ১টা কিনতে চাই... তুই কিনতে চাস?

চেষ্টা ও করিস না...

মনে আছে গতবার আমরা একটা মোবাইল নিয়ে তখন কি ভেজালে না পড়লাম??

সেই ঝামেলা হয়েছিল...

দোস্ত, তেমন কিছু না...

আমাকে একটা কিস্তির মত করে নিয়ে দেয় না ঐরকম মোবাইল...

গিরীশ, আমাকে বিরক্ত করিস না...

আমার এখানে কোন কিস্তির অফার নেই...

যেহেতু এটা তুই, তাই তোকে আমি ৫০০০ টাকার মোবাইল কিস্তিতে দিতে পারি...

দোস্ত, তুই শুধু...

না...

আইফোন অসম্ভব...

এই এই মেয়েকে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। তার লোকেরা তাকে খুঁজছে...

৫০ টাকা রিচার্জের জন্য তুই ৫০,০০০ টাকার কথা বলছোস?

তোমার মোবাইল নিয়ে চলে যাও...

আইফোন ছিনতাই করার চিন্তা ও করিস না... আমাদের এখানে সি সি টিভি আছে...

তোমার বাবার আর কয়দিন ছুটি আছে??

তাকে আর এসব ব্যাপারে চিন্তাই করতে দিব না...

আমি আপাতত তাকে আর কোথাও যেতে দিচ্ছি না...

দাদার সাথে দেখা করার আগ পর্যন্ত...

এবার, অবশ্যই আমরা এঞ্জেলের সাথে দেখা করব...

তুমি কি এনের সাথে এই ব্যাপারে কথা বলেছ?

না

মনে রাখিও...

এখন বা পরে, তোমাকে অবশ্যই তার সাথে এই ব্যাপারে কথা বলতেই হবে।

তুমি বিয়ে করার পর, সন্তান হলেই...

কেন রয় তোমার সবকিছু ছেড়ে ঐ রিফিউজি ক্যাম্পে সেবার জন্য চলে যেতে হয়??

সব আমার ই দোষ...

আপা,

আমি ও যদি এইরকম সামাজিক সেবার জন্য বাহিরে চলে যাই তখন এনের দেখাশোনা কে করবে?

রয় তো এখন আকাশে ঘুড়ির মত উড়ে বেড়াতে পারে...

সে নিশ্চিত, আমি আমাদের বাচ্চার দেখাশোনা একাই করতে পারব...

আমার বাচ্চার এমন বাবার দরকার নেই, যে শুধু তার মেয়ে কে ভালবাসে...

তুমি কি একবার চিন্তা করেছ এনের কি হারাবে তোমার এমন সিদ্ধান্তে?

তোমরা শুধু তোমাদের হারানো জিনিস টাই দেখছ...

চল আমরা বাহিরে যাই?

প্রথম নৌকায় চড়ব...

এরপর থ্রিডি মুভি দেখব পিভিয়ারে...

আর আগামীকাল আমি স্কুলে যাচ্ছি না...

এর মধ্যে আমরা এঞ্জেলের সাথে দেখাও করে নিব...

আর...

এই... বাবু...

বাবার তো এখন ই যেতে হবে... স্যার, আপনার গাড়ি চলে এসেছে...

আমার গাড়ি চলে এসেছে...

বাবু,

আমি তোমাকে আর কখনোই জোর দিব না এরপর থেকে...

কিন্তু এখন যদি পারো ওর সাথে কিছু সময় কাটাও...

তালাকের জন্য,

চিন্তা করিও না যে, আমি তোমাকে শুধু তালাকের জন্য এখানে ডেকেছি...

সবকিছু এত তাড়াতাড়ি হয়ে যাচ্ছে...

সে তো এখনো বাচ্চা, তাই না? সে শীঘ্রই ভুলে যাবে সবকিছু?

এখন আমি কি করতে পারি?

যাও সরকারের কাছে গিয়ে নালিশ কর...

সরকার মদের দোকান বন্ধ করে দিচ্ছে না, যেখানে আমার মত গরীবেরা গিয়ে মদ খেত...

এইতো...

আমি চলে যাচ্ছি... ঠিক আছে, ভাই।

মদ খান, স্যার আপনার মদ খান...

কিরে গাড়ির কাশি হয়েছে নাকি?

আমি তোমাকে কোথায় যেন দেখেছি?

আমি...

তুমি ঐ ছেলে না, যে সকালে আমার কাছে মোবাইল চাইতে এসেছিলে?

এই নাও...

আমি তোমাকে পরিষ্কার ভাবে বলে দিয়েছিলাম না, আমি তোমাকে মোবাইল টা দিচ্ছি না??

কিন্তু স্যার... চুপ কর... যা এখান থেকে......

যা বলছি...

এদিকে আয়...

এদিকে আয়...

তুই এই গাড়ি চালাতে পারবি?

এটা কোন সাধারণ গাড়ি না...

তুই পারবি তো চলাতে? স্যার, আমি পারবো।

তো গাড়ি চালিয়ে আমাকে ঘরে দিয়ে আয়...

এখানে এই ব্যাপারে কথা বলার আর কিছু নেই...

আমি যে টাকা ধার্য করেছি যদি সেটা...

তাহলে আমি আগামীকাল আসব টাকা টা নিতে...

যদি নাহয় তাহলে তুই আমাকে আর কল দিস না...

মোবাইল টা রাখ...

এই শোন...

গাড়ি দাঁড় করিয়ে গাড়ির বুটের ভিতর থেকে দলিল গুলো নিয়ে আয় তো...

একেবারে সামনে পাবি...

কিরে পাস নাই?? এই তো...

বেবী স্যার,

আমরা বাসায় পৌছে গেছি...

পেরুনগুডি...

কার বাড়ি? আপনার বাসা...

আমার মোবাইল কোথায়?

আমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম...

ওহ আচ্ছা,

তুমি যখন কাগজপত্র গুলো দেখছিলে...

তুমি ঐখানে কোন টাকা দেখ নাই? হ্যা...

আমি শুনেছি, তুমি তো এমন ছিলে না...

আমি এসব ছেড়ে দিছি...

আমি প্রকৃতপক্ষে এখন ভাল কাজ করতে চাচ্ছি...

তো তুমি সিদ্ধান্ত নিয়েছ ভাল জীবন শুরু করবে?

এভাবে করে...

তুমি যদি সিদ্ধান্ত নিয়েই থাক ভাল জীবন শুরু করার, এখন থেকে সব ভাল কিছুই ঘটবে তোমার সাথে...

এই...

এটা রাখ...

রাখ বলছি...

যেহেতু তুমি সিদ্ধান্ত নিলে তুমি ভাল জীবন শুরু করবে,

তুমি যদি চাও আমার ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতে পার...

ঠিক আছে...

এখনকার সময়, এটা খুব কষ্টকর কাউকে বিশ্বাস করা...

তো তুমি আগামীকাল থেকে আসতে পার...

ঠিক আছে... ওকে স্যার...

ভাই,

টাকা আর কাগজপত্র গুলো গাড়ির ভিতরে আছে...

ঐগুলো ওখানেই থাকবে...

এটা বেবীর বাসা...!!

মেরী,

তোমার বেবী চলে এসেছে...

কিন্তু, তোর এটা আমার সাথে করা উচিৎ হয় নাই...

কেন দোস্ত?

তুই জানস কেন আমি এই কাজ করছি??

এখন আমি কি করব?

আমার ভয় হচ্ছে যদি আমাকেও কোথাও কোন কাজ করতে হয়...

এই এম্ব্রোস, এভাবে আমরা আর কতদিন চলব?

আমাদের এখন অবশ্যই কোন কিছু করা উচিৎ...

আমার ও তাই মনে হচ্ছে...

অবশ্যই দোস্ত...

এর কারণ তুই মার খেয়েছিস...

যখন সে মারের কথা ভুলে যাবি, তখন এই স্বপ্ন ও ভুলে যাবি...

যাস না ভাই...

আমি ফিরে আসছি দোস্ত...

গিরীশ,

তুমি না বলেছিলে তুমি তোমার বাবার সাথে ঐ পাহাড়ে যাবে??

তুমি যাও নাই...

কারণ, বাবা...

চল, আমরা যাই...

আমার বাবা চলে এসেছে...

তোর কাছে লাইসেন্স আছে? হ্যা, ভাই।

যদি তোর কাছে কোন মোবাইল না থাকে আমাকে বলতে পারিস...

আমার কাছে এমন একটা ফোন আছে, যেটা আমি আগে ব্যবহার করতাম...

ঐটা টাচস্কিন মোবাইল না...

তোর দরকার আছে?

যদি আপনি আমাকে মোবাইল দিতে ই চান,

আপনি আমাকে আইফোন টা দিতে পারেন...

কেন এর পিছনে লাগছিস? কেন এই মোবাইল চাই ই চাই?

এই মোবাইল আপনার কাছে থাকা উচিৎ না।

তো কার কাছে থাকা উচিৎ?

এটা অনেক বড় ঘটনা...

যে গল্পটা আমাকে আপনার কাছে নিয়ে এসেছে...

এটা গল্প??

তুমি বল... আমি শুনছি...

ভাড়াটে গুন্ডা??

তুমি কি যথেষ্ট উপযুক্ত নাকি ভাড়াটে গুন্ডা হিসেবে??

তুই ঐখানে এভাবেই চলে গেলি...?

তুই না, আমি এটা এ লোক থেকে জিজ্ঞেস করছি...

কাকে?

ঐ ৪ ফুট লম্বা... সাবু...

হ্যা, বেবী স্যার।

এই কুত্তারবাচ্চা...

তুই আমার কাছে চুরি করা জিনিস বিক্রি করলি কেন?

চুপ কর বেয়াদব...

আমি তোকে খুঁজে পেলে দেখিস কি করি...

আমি তোকে কেটে দুভাগ করে ২ ফুটের বানিয়ে দিব...

ফোন রাখ... কিন্তু বেবী স্যার...

ভাড়াটে গুন্ডা...

তোর তো ১টা মুরগী হত্যা করার ও যোগ্যতা নাই...

তুই কিভাবে ভাড়াটে গুন্ডা হইলি?

তুই তো সেই দয়াটুকু ও দেখালি না, যা ঐ পিচ্চিটা তোকে দেখালো...

সে তো অন্তত তোকে হাসপাতালে নিয়ে গেল।

কিন্তু তুই জিজ্ঞেস করেছিলি কেন সে তার পিটি স্যার কে মারতে চায়?

এটা ঠিক... আমি বলতে ভুলে গেছি।

তোমার অবশ্যই জিজ্ঞেস করা উচিৎ ছিল এজন্য, তোমার ঘিলুতে কিছু থাকতে তো হবে...

এই, ঐ বস্তাগুলো থেকে ১টা এদিকে আন...

এখানে এভাবে কাজ হয়...

এটা শারীরিক পরিশ্রমের কাজ...

এটা মাথায় রাখ...

রাখ এটা... রাখ বলছি...

এইতো...

কেন তুমি আর এথল্যাটিকে যাচ্ছ না?

আমি তোমাকে বলেছি এজন্য না?

এজন্যই তো...

আমি আর দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতার অংশ হব না...

কারণ আমার ভয় লাগে যদি আমার লাফ দেওয়ার সময় ডেভিড স্যার আশেপাশে থাকে...

কেন তুমি ভয় পাবে?

এবার খেলার সময় আমিও থাকব তোমার সাথে...

যদি ডেভিড স্যার ফাউল বলে... আমি উনাকে জিজ্ঞেস করব... ঠিক আছে?

বাবা কি আসবে আমাকে এঞ্জেলের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য?

সে অবশ্যই আসবে।

সে সবসময় তোমার বাবা ই থাকবে...

যদি সে নাও আসে,

ঐ কাক্কাদান পাহাড়, এঞ্জেল তো সেখানেই থাকবে...

আমি একদিন তোমাকে ঐখানে নিয়ে যাব।

এখন ঘুমাও আম্মু।

তুই এত তাড়াতাড়ি চলে এলি যে??

কাজ তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেছে... তাই বাসায় চলে আসলাম...

কিভাবে?

তুই এখানে ফিরে এসেছিস কাজ শেষ হওয়ার পর...??

সাধারণত তোর কাজ থাকলে তো তুই আগে হাসপাতালে যাস... তাই না?

আমি পেরুনগুডি বেবী নামের এক ব্যবসায়ীর ড্রাইভার হিসেবে কাজ করছি...

মা, তোমার কি শরীর খারাপ লাগছে নাকি?

তোকে দেখার পর থেকে, আমি ভাল নেই...

তোর আর কাজ করার দরকার নেই...

তুমি কি বলতে চাচ্ছ?

আমি বলছি, তোর আর কাজ করার দরকার নেই...

আমি সবকিছু দেখব...

যখন গিরীশ ঐ স্যার থেকে মার খাচ্ছিল,

আমি ঐখান থেকে পালিয়ে আসছিলাম সাথে তুই ও... ঠিক তো?

তখন ই আমি বুঝেছিলাম, তুই আমার সত্যিকারের পার্টনার...

আমি তোকে কিভাবে শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া কাজ করা যায়...

আমরা ফাটিয়ে দিব... হ্যালো বেবী স্যার...

না

কেউ না...

হ্যা, আমি আসছি...

অফিসার সাহেব এত সকালে কি তার অফিসে যাচ্ছে নাকি?

তুই কই যাচ্ছস?

তুই যেহেতু কাজ শুরু করে দিয়েছিস,

আমি কিভাবে কাজ না করে থাকতে পারি?

তুই যদি আমার পাশে নাও থাকস, তবুও আমি লোক ঠকিয়ে ঠিক ই চলতে পারব...

যেহেতু তুই নাই, তোর পরিবার থেকে আরেকজন কে সঙ্গী হিসেবে নিলাম...

এখন দেখিস কি করি আমরা মিলে...

শারাত? তুই?

এই গোফ কিসের জন্য? এই এম্ব্রোস...

ভাই আমি কি? সর, যা এখান থেকে...

৩ বোতল রাম মদের দাম মাত্র ১৪০ টাকায়...

১ লিটার উৎসবের জন্য, ১ লিটার লুসিফারের, ১ লিটার ম্যানসন ঘরের জন্য...

আর ৪ টা কিংফিসার...

বাকি টাকাগুলো একে দাও...

এত তাড়াতাড়ি প্যাকেট হয়ে গেছে...

এম্ব্রোস, তুই আমার জন্য ১টা বোতল কিনতে পারবি?

সর, সর বোতল ভেঙ্গে যাবে...

আমার বোতল... পুরো বোতল... আমার বিয়ার... ১ মিনিট...

এটা নাও...

বাকি টাকাটা দাও...

পুরো বোতল নাই। আমি তোমাকে কোয়াটার বোতল দিব...

১০ টাকা... এই নাও...

বাকি টাকা তুই রাখ...

দেখছোস?

আমরা এই টাকাগুলো কামিয়েছি শুধু লাইনে দাঁড়িয়ে দুপুরের মধ্যে...

ওহ সৃষ্টিকর্তা... ধন্যবাদ এসব মদের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য...

আমি এখন শুধু ২.৫ লিটার কিনতে পারব...

আমি মনে করেছিলাম তুমি অর্ধেক লিটারের টাকার ব্যবস্থা করে ফেলবে, আমার কাউন্টারে পৌছার আগেই...

এটা কিছুই নয়,

সকাল ৪টায় আসতে দেয়...

আমরা আমাদের ভাগ্য পালটে ফেলব,

তোর মোছ টা ঘুরিয়ে নেয় স্টাইল করে...

এভাবে করব এম্ব্রোস ভাই?

দাঁড়া তুই আমার সত্যিকারের নাম বলিও না...

ভাই,

তো থোডুপুজহা এই সকালে যাচ্ছেন...

আর বিকেলে কোট্টায়ামে লেনদেনের কারবার আছে...

আমি সেখানে সকাল ৬ টায় পৌছে যাব... ঠিক আছে?

এই, হ্যা

এদিকে আয়...

আমি তোকে এতদিন কিছু দেই নি...

আমি জানি...

তো আমার মনে চাচ্ছে এই কাজ টা করতে...

কিন্তু এটা ব্যাপার না...

এই নে...

তুই ভাল হতে চেয়েছিলি, তো মোবাইল টা ঐ পিচ্চিকে দিয়ে দিস, ঠিক আছে?

দিয়ে দিস কিন্তু...

এই নে...

যা ওকে গিয়ে দিয়ে আয়...

যা...

তুই কি আগামীকাল থেকে কাজে আসা বন্ধ করে দিবি?

কারণ তুই যা চেয়েছিলি তা তো পেয়ে গেলি...

বেবী স্যার, আমি অবশ্যই আসবো...

আমি এর দাম পরিশোধ করে দিব আপনার এখানে কাজ করে...

দেখিয়েন স্যার...

তাহলে আমি তোর জন্য ১০০ টাকা কমিয়ে রাখব...

আপা চিন্তা করিয়েন না...

আমি ওর ব্যাপারে খোঁজ নিব...

আমার ভাই ওকে চিনে...

গিরীশ খারাপ ছেলে না...

সে ধোঁকাবাজ...

কিন্তু সে হয়ত খারাপ না...

কিন্তু সে তার বাসায় থাকে বেশিরভাগ সময়, আবার সেখানে খায় ও...

আমি তার মায়ের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম...

তিনি অনেক ভাল...

আর শানাদ তো যায় তার সাথে...

হ্যা, আমি যাই সেখানে...

তুই চুপ কর...

তুই ওকে এসব কাজে উৎসাহ দিস আর নষ্ট করে দিচ্ছস...

এখন সে অবশ্য খুশী আছে...

স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা,

আগামী সোম, মঙ্গল, বুধবার হতে যাচ্ছে...

যারা এই প্রতিযোগিতায় আগ্রহী,

তারা তাদের শ্রেণী শিক্ষকের কাছে নিজেদের নাম দিবে...

শুধু তারাই যারা অংশগ্রহণ হতে চায় এই প্রতিযোগীতায়...

এই বার্ষিক ক্রীড়া প্রতি্যোগিতায় অংশগ্রহণ কারীরা থাকবে, অন্যরা চলে যেতে পার...

তো এটা তোমার সমস্যা...

ঐ পিটি স্যার ই সমস্যা...

এটা তার সবচেয়ে বড় ইচ্ছে যে সে দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতায় মেডেল পাবে...

সে এখনো তার নাম দেয় নাই...

এটা আমি ওর জন্য করতে পারি...

কিন্তু এন কে আসতে হবে এবং অংশগ্রহণ করতে হবে...

আন-মেরিয়া মেডাম,

তোমার দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতায় মেডেল জয় করতে হবে না??

এজন্য অবশ্যই তোমাকে তোমার নাম দিতে হবে...

না। আমি বাছাই হব না...

ডেভিড স্যার বলবে ফাউল হইছে...

তখন তো কোন সমস্যাই হবে না তুমি যদি এঞ্জেল থেকে আশীর্বাদ পেয়ে যাও??

কাক্কাদান পাহাড় খুব একটা দূরে নয় এখান থেকে...

আমি তোমাকে ঐখানে নিয়ে যাব...

সে দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরষ্কার পেতে চায়...

তাও মাত্র ক্লাস ফোরে পড়ে সে তার বাবার মত হতে চায়...

কিন্তু যখন আমি ঐ টিচার কে দেখি, আমার মনে চায় আমি পালিয়ে যাই তার সামনে থেকে...

হায় রে পোড়া কপাল। আমি ওকে প্রতিজ্ঞা ও কওরে ফেলছি...

যেহেতু এটা বাচ্চাদের ব্যাপার,

তাদের প্রত্যেকের জীবনের সবচেয়ে বড় হিরো হচ্ছে তার বাবা...

সব শিশুরাই তার বাবার মত ছোটবেলায় যা যা করেছে তা সব কিছু করতে চায়

তারা এরজন্য দোষী না...

তুমি আমার বড় ছেলে সানির সাথে দেখা করেছ? হ্যা

আমার এক মেয়ে ছিল ওর চেয়ে বড়...

সেলিনা...

সে যখন ক্লাস সিক্সে পড়ে,

একদিন সে বাসায় এসে বলে,

সে নতুন বউ হিসেবে ওপ্পানা(এক ধরনের মুসলিম নাচ) এর জন্য,

স্কুলের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় নির্বাচিত হইছে...

টিচার দের দোষ নেই...

আমার মেয়ে অনেক সুন্দরী ছিল...

তার মায়ের মত...

তো,

ঐ নাচের পোশাক সহ অন্যান্য জিনিসের জন্য...

সে ৩০০ টাকা চেয়েছিল...

আমি তাকে সরাসরি বলে দেই,

যে সে তখন ই ঐ নাচের অনুষ্ঠানের জন্য কনে হতে পারবে যদি সেখানে কোন টাকা না লাগে।

সে রাতভর অনেক কান্নাকাটি করল...

তার মা ও অনেক চেষ্টা করল আমাকে বোঝানোর জন্য...

তোমার মেয়ের অনেক দরকার টাকা টা। তুমি কেন দিচ্ছ না??

আমি তখন অনেক কিপটে ছিলাম,

আমি তার কোন কথা শুনি নাই...

যখন স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আসল, সে স্কুলে যায় নি কারণ সে দুঃখী ছিল।

সেদিন তারা সবাই নানার বাসায় যাচ্ছিল...

যাওয়ার পথে একটা প্রাইভেট বাসের সাথে ওদের টেক্সির সংঘর্ষ হয়...

পুরো ১ দিন,

আমার মেয়ে আইসিইউ তে অজ্ঞান ছিল...

আমি সেখানে দৌড়ে ছুটে গেলাম মনে কষ্ট নিয়ে...

যখন আমার মেয়ের জ্ঞান ফিরে আসল,

আমার মেয়ে আমার হাত ধরে বলল,

যদি বাবা ঐদিন তুমি টাকা টা দিতে,

আমার হয়ত আজ এই অবস্থা হত না...

এসব বলার পরের দিন সে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল...

এরপর থেকে আমি আর কোন মুসলমান বিয়ের দাওয়াতে যাই না...

যদি আমার বন্ধুরা,

অথবা ঘনিষ্ঠ কোন আত্মীয় ও বলে, আমি অন্য কোন বাহানা দিয়ে দেই...

এটা আমার জন্য খুব ই কষ্টকর মুসলমান বধুদের দেখা...

আমার মেয়েটা একবার এমন সাজে সাজতে চেয়েছিল...

এজন্য আমি এসব বলছি...

যদি কোন শিশু কোন কিছু পাওয়ার প্রবল ইচ্ছে রাখে বা স্বপ্ন দেখে,

যদি আমাদের সম্ভব হয়, অবশ্যই তাদের সে ইচ্ছেটা পূরণ করা উচিৎ...

যখন তারা বড় হবে,

সেসব বাচ্চাদের তখন আর এমন ছোট ইচ্ছে আর থাকবে না...

তাই,

যদি তুমি ঐ মেয়ের ইচ্ছে পূরণ করতে চাও...

মেডেলের মাধ্যমে বা...

এঞ্জলের মাধ্যমে করে দাও...

আর হ্যা...

তুমি বলছো না, সে এখন লাফ দিতে ভয় পায়, তাই না?

এই জীবনে, আমাদের সেসব জিনিস বেশি করা উচিৎ যা আমরা করতে ভয় পাই...

এভাবে আমরা সাহসী হব...

তুমি বলিও ঐ মেয়েকে...

আমি যদি ওকে ঐ পাহাড়ের উপরে নিয়ে যাই,

যদি এঞ্জেল না আসে...

এটা কি কোন বড় সমস্যা?

ঐ মেয়ে কিখনো এঞ্জেল দেখেছে? না...

যেকোন কাউকে দেখিয়ে বলবে এটা এঞ্জেল...

এভাবে তাকে বোঝানো কি খুব কঠিন হবে নাকি?

যদি এমন ই হয়, আমরা ঐ মেয়ে কে বুঝিয়ে দিব...

বলেন কিভাবে?

তুমি যদি ২০০০ টাকা খরচ কর,

একটা সুন্দর স্বর্গের মানুষ ঐখানে এমনি নিয়ে যেতে পারবা...

আমি দিব তোমাকে টাকা টা...

কিন্তু কে আসবে?

আমি আসবো... কি??

এই এঞ্জেল আসবে... ফালতু কথা বলিস না...

তুই তো মন্দিরের সেবাকারী??

এখন তুই বাজে বকছিস নান্দুকানি...

আমি এতদিন লোকদের বোঝালাম না আমি মন্দিরের সেচ্ছাসেবক??

কেন? তুই সন্তুষ্ট হোস নাই?

মানুষ তো সন্তুষ্ট হইছে...

তাহলে এটা কি এমন কষ্টকর হবে একটা পিচ্চি মেয়ে কে বোঝানো??

আমি তাকে সহজে বুঝিয়ে ফেলব...

ঠিক আছে?

এটা... এই... গিরীশ...

তুই চিন্তা করিস না... যা...

এঞ্জেল পাহাড়ের উপরে ঠিক সময়ে পৌছে যাবে...

কি গিরীশ?

বল কি ব্যাপার...

কি হইছে অভিনাশ?

বল না...

বল...

আসলে...

আমি জিজ্ঞেস করতে এসেছি যদি আমি আন-মেরিয়া কে কাক্কাদান পাহাড়ে এঞ্জেল দেখাতে নিয়ে যাই...

আমি জানি তুমি আমার মেয়ের সাথে ঘুরে বেড়াও...

আমি যদি নাও বলি, তুমি কি যাবে না??

আমি ও যাব সাথে...

যা হোক... তোমরা যেতে পার...

সাবধানে দৌড়াও...

তুমি আমাদের কে কোথায় নিয়ে আসছো?

আশা করি নান্দুকানি ঠিক সময়ে চলে আসবে...

তার কোন সন্দেহ না হলেই হয়...

তুমি কি কিছু শুনেছ??

এটা অবশ্যই এঞ্জেল...

আস...

কে এটা?

তুমি এঞ্জেল না?

এঞ্জেল??

না...

হ্যা। আমি এঞ্জেল...

এটা কঠিন হবে...

কিন্তু দেখা যাক কি করা যায়...

আমাকে একটা গোপণ হ্যান্ডশেক দাও...

আমি চেষ্টা করব, ঠিক আছে?

কে তুই?

আমি এসবের দেখাশোনা করছি...

এসব?

কি সব?

মানে এই সব আর কি...

কুয়াশা আসার আগে বাচ্চাদের কে নিয়ে বাসায় চলে যা...

হমম... কি হমম...?

হে??

তোর মধ্যে নিশ্চই কোন কিন্তু আছে...

আমি এই ব্যাপারে কি করতে পারি? বাচ্চাদের এই সময়ে এখানে নিয়ে আসা??

কেন সে আমার সাথে এত রাগ দেখাচ্ছে??

এটা এঞ্জেল...

সে কোন এঞ্জেল না...

না??

কেরালার এঞ্জলেরা দেখতে তাহলে তোর মত হয় গাধা...

ঐ বেয়াদব নান্দুকানি কই??

সে কি পাহাড় থেকে পড়ে মারা গেছে নাকি??

কই যে গেল আকাইম্মা টা??

এজন্য ই এঞ্জেলেরা পৃথিবীতে আসে না...

ডানাগুলো ভীষন ভারী...

এটা কি?? ঈগল??

বাচ্চারা কোথায়?? চল ওদের কে বুঝাই...

তুই এতক্ষণ কই ছিলি?

তুই যতটা সহজ মনে করস, অতটা সহজ না...

এঞ্জেলের পোশাক পড়া খুবই কষ্টকর ব্যাপার...

এটা জোসের মেয়ের পোশাক,

আমি এটা তাদের বাসা থেকে চুরি করেছি...

ঐ মেয়ে অনবরত কান্না করতেই আছে...

আস... ওকে গিয়ে বুঝাই... আস...

আসবি না? ভাল ই হইছে, তোর দেরী হইছে যে...

তোর ঐরকম উদ্ভট পোশাক আর ডানার দিকে দেখ...

গিরীশ, আমাকে মন্দিরে ফিরে যেতে হবে...

দাঁড়া বলছি...

তুই যা টাকা দিয়েছিলি তা যথেষ্ট ছিল না... ঠিক ভাবে কাজ করার জন্য...

এই ডানাগুলোর পিছনে ৫০০ টাকা বেশি গেল...

কেরালা সত্যি সৃষ্টিকর্তার নিজের বাসভূমির মত...

তোর স্কুল তো স্বর্ণের খনি দেখছি...

মেডাম বা ছাত্রী উভয়ের সাথে মজা নিচ্ছস...

এই ছেলে আজীবন এরকম মজা করে আসছে জীবনে...

সে তো আর এমনি এমনি বেঙ্গালুরু ছেড়ে আসে নি...

তুই কোন একশান নিচ্ছিস না??

খুব অল্পজন ই আমার টোপ টা বুঝতে পারছে...

কিন্তু...

এখানকার মেয়েরা অতটা সাহসী না বেঙ্গুলুরু এর মেয়েদের মত...

তো তুমি আগামীকালের প্রতিযোগিতায় প্রথম হতে যাচ্ছ...

এখন মনে আর কোন হিংসা রাখিও না তোমার পিটি স্যারের প্রতি, ঠিক আছে?

এটা উচিৎ হবে না রাগান্বিত বা হিংসাত্মক মনোভাব রাখা টিচারের প্রতি...

তুমি তাদের আশীর্বাদ পাবে না...

এমন কি এঞ্জেল ও এটা পচ্ছন্দ করবে না...

২ টা তরমুজের শরবত দাও...

তুমি খাবে না জুস? না...

এই নাও...

কি হইছে ভাই??

কে ও?

বাদ দে...

এটা কি? কি হইছে?

হইছে...

এটাই...

ওরা ফিরে আসছে...

চিন্তা করার কিছু নাই...

তুমি আগামীকাল প্রথম পুরষ্কার পাবে... ঠিক আছে?

হে বল বাবু...

আমরা কাক্কাদান পাহাড়ে গিয়েছিলাম...

গিরীশ ভাইয়া আমাকে নিয়ে গিয়েছিল...

তোমার কথামত, এঞ্জেল এসেছিল সেখানে...

সে আমাকে আশীর্বাদ ও করছে...

লতা, ও গান গেয়ে যাচ্ছে ঐ এঞ্জেলের সাথে দেখা করার পর থেকেই...

আন-মেরিয়া এরপর তুমি...

কে ও?

কেন ও আমাকে মারার জন্য এসেছিল?

তোমাকে কিছু বলতে হবে না...

এখন দেখ কি হয়, তুমি ব্যাগ রেডি রেখে বাড়ি যাওয়ার জন্য তৈরি হও...

আমি এখানে চুপ কওরে বসে থাকতে আসি নাই...

এভাবে আপনি ক্লাস ফোরের বাচ্চার সাথে ব্যবহার করবেন??

এই লোক আর আপনার মেয়ের মধ্যে কিসের সম্পর্ক??

তুমি জানতে চাও সে কে?

সে একজন গুণ্ডা যাকে আমার মেয়ে ভাড়া করেছে তোমাকে মারার জন্য...

তোমার মত লোকদের অবশ্যই গুন্ডাদের হাতে পেটানো উচিৎ...

আমার মেয়ের যদি কিছু হয়,

ডেভিড স্যার আমাকে লাফ দিতে দেয় নি...

আমি ভয়ে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যাই...

তারা আমাকে স্কুল থেকে বাহির করে দিবে...

না

না এটা হবে না...

আমরা...

ভাইয়া তুমি কি জান??

আমার বাব-মায়ের তালাক হয়ে যাবে...

বাবা হয়ত আমাকে আর দেখতে আসবে না...

আমি মা কে জিজ্ঞেস করি নাই কারণ আমি তাকে কষ্ট দিতে চাই নাই...

যদি আমার বাবা আমার সাথে থাকত,

ঐ টিচার আমার সাথে এরকম করতে পারত...

কারণ আমার জন্য কেউ নেই...

চিন্তা করিও না...

এই,

আমি তোকে বলতে ভুলে গেছি...

এটা আন-মেরিয়ার জন্য... তুই বাঁদরমুখো শয়তান...

আমি যদি তোকে আর কোনদিন ঐ স্কুলে দেখি...

তোকে আর কেউ খুঁজে পাবে না...

তুই শুনছোস তো? তুই টিচারের নামে কলঙ্ক...

স্বাগতম স্কুলের ৩য় দিনের...

২০১৬-২০১৭ এর রামাপুরাম আন্তজেলা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়...

এই প্রতিযোগিতা বিভিন্ন ভাগে হবে এই মাঠে...

টিচার ও প্রতিযোগী দের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,

এখন বড় বালক-বালিকা দের গোলক ও রিং নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা হচ্ছে...

জেভেলিনের মাধ্যমে বড় বালক দের প্রতিযোগিতা শুরু হল,

মাঠের ডান পাশে...

তালিকাভুক্ত প্রতিযোগী দের অনুরোধ করা হচ্ছে মাঠে শীঘ্রই নিজ নিজ জায়াগায় অবস্থান করার জন্য...

ছোট মেয়েদের দীর্ঘ লাফ শুরু হতে যাচ্ছে,

মাইক পয়েন্টের কাছে দীর্ঘ লাফের প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে...

এরপর ছোট ছেলেদের দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতা শুরু হবে...

ছোট মেয়েদের দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতা ২য় রাউন্ডে শেষ হবে...

টিচার ও বাবা-মা দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি...

তারা দুপুরের খাবার অগ্রিম নিতে পারবে কেন্টিন থেকে...

ওহ, সে মাটি ছুঁয়ে ফেলেছে... সেখান থেকে হেঁটে আস...

সর্বশেষ দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতা এরপর হবে...

ঐটা ঠিকমত করিও...

৩য় ও সর্বশেষ রাউন্ড একটু পর শুরু হবে...

এই, এঞ্জেল এসেছে এখানে...

এটা তাহলে এঞ্জেল...

কি হইছে?

আমার মনে হয় না আমি আজকে জিতব... কেন??

ফাইনাল দীর্ঘ লাফ তো...

তুমি অবশ্যই জিতবে...

কিন্তু এখানে সামান্য সমস্যা আছে...

আমি এখন ই ঠিক করে দিচ্ছি...

তুমি যেভাবে জুতোর ফিরা বাঁধছো ঐটাই সমস্যা...

এভাবে জুতোর ফিতে বাঁধতে হবে...

এইতো... এখন শক্ত করে ফিতা বাঁধা হইছে...

এভাবে চ্যাম্পিয়নেরা জুতোর ফিতে বাঁধে...

কি এটা?

এই সাইডে আছে দেখছি...

কেন এখন তুমি ভয় পাচ্ছ??

তুমি যা চেয়েছিলে এঞ্জেল থেকে তা তো পেয়ে গেলে...

তুমি মেডেল জিতে গেছ...

কিন্তু তুমি তো এটা চাও নি এঞ্জেল থেকে, তাই না?

তুমি তো এটা চেয়েছিলে, তাই না?

যাক, ভাল ই হইছে এই লোক ঐদিন পাহাড়ের উপরে ছিল...

সবকিছু ভালমত শেষ হল...

সে কি সত্যিকারের এঞ্জেল নাকি??

না এটা হবে না...

তো আন-মেরিয়ার দীর্ঘ দিনের ইচ্ছে পূরণ হল অবশেষে...

আন-মেরিয়া হয়ত একদিন পিটি উষা বা আঞ্জু ববি জর্জ হবে বা হবে না...

কিন্তু সে যখন একটা ছোট বাচ্চার মনের বড় ইচ্ছে পূরণ করল,

গিরীশ নিশ্চই ভীষণ আত্মতৃপ্তি পেয়েছে...

আন-মেরিয়া বিশ্বাস করে আমি একজন এঞ্জেল যে তার জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসল...

কারণ ডাঃ রয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে এখন থেকে এই এলাকায় সামাজিক সেবা করবে এবং তালাক হচ্ছে না তার সাথে তার বউয়ের...

আন-মেরিয়া ছিল গিরীশের জীবনের এঞ্জেল...

গিরীশ, যে শুধুশুধু এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াত...

সে দায়িত্বশীল হয়ে পড়েছে তার জীবনে...

ডেভিড স্যারের জীবনে গিরীশ ছিল তার এঞ্জেল...

জ্ঞানীরা বলেছেন, অনেক বড় ঘা এর কোন ঔষুধ নেই...

হয়ত এটা সত্যি...

বেবী এখনো তার দুঃখ লুকিয়ে রাখে তার এঞ্জেল কে হারানোর ব্যাথা টা, আর শক্ত হয়েছে জীবনে...

তাকে এভাবেই চলতে দাও...

শারাতের জীবনে এঞ্জেল ছিল এম্ব্রোস...

সে তার ভুল বুঝতে পেরে আবার স্কুলে যাওয়া শুরু করছে...

জেলে যাওয়ার ভয় তাকে সুন্দর জীবনে আবার ফিরিয়ে আনল...

এটা কি ঠিক হবে? না...

অভিনাশ এখনো তার এঞ্জলের অপেক্ষায় আছে...

আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই...

ঠিক আছে...

আজ আমি পারবোই...

বেচারা এম্ব্রোস,

একটা এঞ্জেল কখনোই তার জীবনে আসে নাই...

এখন সে ভাল জীবন কাটাতে চায়...

বেবী স্যার বলছে একে ট্রাক ড্রাইভারের কাজ দিতে...

তো ভ্রমণ কোথায়? ঝারখান্ডে...

ওখানে তো মাওবাদী আছে?? হ্যা...

কে ট্রাক টা চালিয়ে নিয়ে যাবে?

বেবী স্যার এই সাহসী লোকের ব্যবস্থা কওরে দিছে...

এটাই ওর ভাগ্য...

শুধু ওর পাশে বসেন...

সে বাকি সবকিছুর দেখাশোনা করবে...

আমি যাই তাহলে দোস্ত... যাই আবার তাড়াতাড়ি ফিরে আসিস...

যা...

ঝারখান্ড ই তো...

হিন্দি কি কোন সমস্যা হবে? ঠিক আছে। আমি দেখে নিব।

চল ঝারখান্ড যাই...

আমরা তাহলে চল যাই এম্ব্রোস...

আমরা জানবো সুকু কি এম্ব্রোসের জীবনে এঞ্জেল হয় নাকি ডেভিল...

ঝারখান্ড অভিযানের মাধ্যমে আমাদের যাত্রা শেষ হল।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.