Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
সাবটাইটেল অনুবাদে দিহান
সাবটাইটেল অনুবাদে রৌদ্র সরকার
সাবটাইটেল অনুবাদে রাকিব
সাবটাইটেল অনুবাদে মোঃ নাজমুল হাসান
সম্পাদনায় মোঃ নাজমুল হাসান
মুভি ডাউনলোড করতে ভিজিট করুনঃ ★teambsmbd.com
শিনদে, ওদিকে যাচ্ছে।
হ্যাঁ।
শিনদে, ওর সাথে দৌড়িয়ে লাভ নেই।
- সে আমাদের থেকেও অনেক জোরে দৌড়ায়। - হ্যাঁ, ওখানেও উঠে গেলো।
বানিয়া, তোর কি ভয় লাগে না?
কোনও ভয় লাগে না।
একটু দাঁড়া।
হাসি দে!
- তোমাকেই বেকি'র দেখাশোনা করতে হবে। - ঠিক আছে।
আমি এক মাসের জন্য পুনে যাচ্ছি।
আরে! আবার যদি তোমার সাহায্যের দরকার হয়?
এক কাজ করো, শিনদে।
আমি এখানে থাকি, তুমি পুনে গিয়ে আমার ভর্তি পরীক্ষা দাও।
কী বলছ?
জানোই তো, শহরের চেয়ে জঙ্গল আমার বেশি ভালো লাগে।
আর মানুষের চেয়ে প্রাণী বেশি ভালো লাগে।
চিন্তা কোরো না।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই এখানে ফিরে আসব।
ঠিক আছে।
মানি, ওগুলো তোমার ছেলের জুতো না?
- তুমি কিভাবে বুঝলে? - তুমি অনেক আস্তে হাঁটছ।
মনে হচ্ছে, তোমার জুতোর সাইজের থেকেও বড়োটা পরেছ।
ঠিকই ধরেছ।
পুনেতে সাবধানে থাকবি, পড়াশোনা করবি,
গাছে উঠবি না, ছাদ থেকে লাফ দিবি না। এসব করবি না, ঠিক আছে?
তুই এখন আর বাচ্চা নেই।
আমি ওসব আর করিও না।
মনে আছে তুই যখন প্রতাপগড় গিয়েছিলি?
হাঁটু ভেঙে আর সারা শরীরে জখম নিয়ে ফিরে এসেছিলি।
সেটা অনেক আগের কথা।
আমি তখন অনেক ছোট ছিলাম।
এখন তো আমি বড় হয়ে গিয়েছি।
ওটা প্রতাপগড় ছিলো, আর এটা পুনে।
পরীক্ষার জন্য যাচ্ছি, আমি দ্রুতই ফিরে আসব।
তুই আমাকে প্রতিদিন কমপক্ষে একটি মেসেজ দিলেই আমি খুশি থাকব।
হ্যাঁ, দেবো।
আরে হ্যাঁ, বানিয়া।
যাওয়ার আগে একটা কাজ করে দিয়ে যা।
কী?
পরিবারের সবাইকে নিয়ে ওয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলতে চাই।
আমি তোর খালাকে হারাতে চাই।
ঠিক আছে, দাও।
তুমি সবাইকে এড করতে চাও?
হ্যাঁ, সবাইকেই।
ঠিক আছে।
- টিফিনের বাটি বাম দিকে রয়েছে। - ঠিক আছে।
চিভদার দুটি প্যাকেট আছে,
একটু ভাত এবং চারটি আম আছে।
দারুন।
সাথে পাঁচশ টাকার একটা নোটও রয়েছে।
সব খরচ করবি না।
ভেজা কাপড়গুলি প্লাস্টিকের ব্যাগে আছে। শুকিয়ে গেলে...
হয়ে গেছে।
তোমার পরিবারের সবাই নতুন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রয়েছে।
এত তাড়াতাড়ি?
এতো তাড়াতাড়ি যদি স্কুলের পড়া পড়তি, তাহলে তোর গণিতের শিক্ষক...
আমাকে প্রতি সপ্তাহে ডেকে পাঠাতো না।
আমি সবসময়ই গণিতে ভালো ছিলাম।
আমি তার প্রশ্নের ভুল খুঁজে বের করতাম,
সে কারণেই তিনি তোমাকে ডেকে পাঠাতেন।
আসি।
- আরে, বানিয়া... সাবধানে যাস। - হ্যাঁ।
- ওনার ব্যক্তিগত জিনিস থেকে দূরে থাকবি। - হ্যাঁ, ঠিক আছে।
বিশেষ করে, অনুমতি ছাড়া তার বইয়ে হাত দিবি না।
- হ্যাঁ, বুঝেছি। - জানিসই তো, সে একজন বিখ্যাত লেখক।
- আমি জানি। - ঠিকানা জানিস তো?
ভ.রা. ভাগবত, ৭৩৪, ডেকান জিমখানা।
আসি।
দুষ্টু, তুই গ্রুপের নাম দিয়েছিস "দ্য গ্রেট সোপ অপেরা"!
বানিয়া...
ইন্সপেক্টর হালদীকার?
ভাগবত, ডেকান জিমখানা, পুনে ০৪ থেকে বলছি।
দয়া করে একটি অভিযোগ লিখুন।
কী?
গত সপ্তাহে আপনি ডেকান থানায় ছিলেন না?
এভাবে হঠাৎ করে কীভাবে তারা আপনাকে বদলি করে দিলো?
তাহলে দায়িত্বে কে আছে?
আমাকে তাদের নাম্বারটি দিন।
না, আমি আঘাত পাইনি।
দরজা খোলার সাথে সাথেই ওরা পালিয়ে গিয়েছিল।
দিনে দুপুরে যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে,
তাহলে একা একজন লোক কীভাবে নিরাপদে থাকবে?
কেন আমার মাথার উপরে কোনও সিসিটিভি লাগাচ্ছি না?
আচ্ছা রাখছি। আমি নিজেই নাম্বারটি খুঁজে নেবো।
বাহ্!
চুরি হয়েছে?
তুমি কে?
আমি বানেশ ফিনে।
আমাকে ওদেরকে খুঁজতে দিন।
এই জাতীয় জিনিসগুলি আমার খুব ভালো লাগে।
ভালেরাও আমাকে বলেছিল।
ফুরসুঙ্গির বানেশ এক পিচ্চি ছেলে।
আপনাকে নামটা ঠিক বলেছে, কিন্তু ঠিকানা ভুল বলেছে।
আমি এখন বানেশ্বরে থাকি।
তুমি কী করো?
আমি এখানে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য এসেছি।
আমি ইউটিউবে চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং রসায়ন নিয়ে পড়ছি।
আইন আমার প্রিয় বিষয়,
তবে সত্যি বলতে, আমি ভুট্টা চাষ করতে চাই।
আজকাল সকালে আমি পাখি ধরি,
এবং বিকেলে চুরি করি।
তাড়াহুড়োর কিছু নেই।
এটি কোনও পেন্সিল চুরি নয়।
দুটি চিত্রকর্ম,
দুটি মূর্তি,
এবং একটি কলম চুরি হয়েছে।
তাই না?
আপনি লিখছিলেন, ঠিক?
আমি অনেকদিন পর লিখতে গিয়েছিলাম।
কিন্তু, সরস্বতী দেবীর জন্য লেখার ভাব আসছিল না।
বাদ দিতেও পারছিলাম না।
যখনই লেখার জন্য কাগজে কলম রাখি,
হয় স্বাস্থ্য, না হয় মেজাজ অথবা ফোনের জন্য তালগোল পাকিয়ে যায়।
ওগুলো কি নতুন চারা গাছ?
- কী? - খুব ভালো মজা হবে।
তুমি থামো।
আমি পুলিশকে ফোন করছি।
ওদের কাজ ওদেরকেই করতে দাও।
হ্যালো।
ডেকান জিমখানা ৭৩৪-তে একটি চুরি হয়েছে।
পার্শ্ববর্তী মাঠে মুখ্যমন্ত্রী একটি সমাবেশ করছেন।
এই থানার সমস্ত পুলিশের লোক ওখানেই থাকবে।
তাদের ফ্রি হয়ে এখানে আসতে আসতে,
তিন ঘন্টা লাগবে।
তুমি কীভাবে জানলে?
ততক্ষণে আমি সহজেই চোরকে বের করতে পারব।
মিঃ ভাগবতের বাংলোয় কাউকে ঢুকতে দেখেছিলেন?
দেখুন, আমি এই বাড়িকে পাহারা দেই, তার বাড়ি নয়।
কিছুক্ষণ আগে এখানে একটি টেম্পো এসেছিল।
আমার ধারণা, কেউ তাদের ভুল ঠিকানা দিয়েছিল।
- তাই, সেটা চলে যায়। - আপনার ভুল হচ্ছে।
ওটা কোনও টেম্পো ছিল না, বেবি ট্যাক্সি ছিল।
ওটায় একটি লোক আর একটি ছেলে ছিল।
আমি পাম্প চালু করতে গিয়েছিলাম।
ফিরে এসে দেখি বেবি ট্যাক্সি নেই।
দুঃখিত। আমরা খুব দুঃখিত।
ঠিক আছে।
- ধন্যবাদ। - হাস্যকর।
গত কয়েক ঘন্টা ধরে মিসেস শালিগ্রামের মেয়ে,
এসব করে চলেছে।
শুভ হোলি!
শুভ হোলি!
নেত্র শালিগ্রাম।
একটি স্কুল পড়ুয়া ছেলে।
ষষ্ঠ বা সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে।
ঠিক আছে।
এটা কি গজনান হোসিয়ারি?
গোলাপী শার্ট এবং খাকি প্যান্ট,
এসব কোন স্কুলের ইউনিফর্ম?
১১ নম্বর পৌরসভা বিদ্যালয়?
ঠিক আছে।
না, আমি কিনতে চাই না, আমি এমনিতেই...
এখন মনে হচ্ছে আমি পুনেতে আছি।
এটা তো ভূষণ ভূস্কাটে।
ও ওয়াড়কে বস্তিতে থাকে।
পুরাতন বাজারের পেছনে থাকে।
তার বাবা অনেক আগে মারা গিয়েছিল এবং ছয় মাস আগে মা মারা যায়।
সে কী করেছে?
অসাধ্য সাধন করেছে!
ভূষণ ভূস্কাটে কোথায় থাকে?
ওখানে ওই বাড়িটি দেখতে পারছেন, ওখানেই।
- ওটা? - হ্যাঁ।
- আরে, তাড়াতাড়ি আয়। - হ্যাঁ, আসছি।
আমাকে এখানে ধরে রেখেছেন কেন?
আমি কী করেছি?
বুড়োর কাছ থেকে চুরি করতে তোকে পাঠানো হয়েছিল।
তুই সেটাও করতে পারলি না, গাধা।
ওটা যা তা চুরি ছিল না।
আপনারা ওই বুড়োকে খুন করতে চেয়েছিলেন।
এই কারণেই আপনারা আমাকে ওখানে পাঠিয়েছিলেন।
আপনারা তাকে খুন করতেন,
আর আমি ধরা খেতাম।
নিজেকে এত চালাক ভাবিস?
আপনারা কতো চালাক তা তো দেখতেই তো পাচ্ছি!
আপনার তার বাড়ি দখল করতে চান। এটাই আপনাদের পরিকল্পনা ছিল, তাই না?
আমি তোকেই খুন করে ফেলব।
না, না!
চল।
ওরা কোথায়?
ওদেরকে ধর।
থাম।
থাম।
থাম।
আরে, থাম!
চল।
আয়।
আরে, তুমি কি ওকে রঙের দোকান থেকে এনেছ?
তুমি ওকে কীভাবে খুঁজে পেলে?
L.O.L.
লিংক অফ লজিক। (যুক্তির সূত্র ধরে।)
অনিল এবং বনসোড়ে পুনের ছোটখাটো চুরি করে।
অনিল আপনার বাড়িকে চিহ্নিত করেছিল।
বনসোড়ে চারাগাছ বিক্রি করতে এসেছিল, আসলে, সে আপনার বাড়ি দেখে গিয়েছে।
তারপরে তারা ওকে চুরি করতে পাঠায়।
যাই হোক, ওকে নিয়ে আমরা কী করব?
আপনি চাইলে পুলিশকে ফোন করি।
প্লিজ, ফোন দিবেন না।
আমি দুদিন ধরে কিছু খেতে পাইনি।
তারা আমাকে বড়ো এক থালা ভাত দিয়েছিল।
এই কারণেই আমি এটি করেছিলাম।
কী?
তুই আসলেই অল্প একটু ভাতের জন্য এটা করেছিস?
একবার দুই টুকরো রুটির জন্য ড্রেনের ঢাকনা চুরি করেছিলাম।
এদিকে আয়।
- না। - ভয় পাস না, এদিকে আয়।
আমরা যদি ওকে পুলিশে দেই,
পুলিশ ওকে রিমান্ডে দেবে।
আমরা যদি ওকে বাসায় ফেরত পাঠাই,
তার ক্ষুধা আর ওসব লোকেরা ওকে একা থাকতে দেবে না।
আমি তোকে পড়াবো,
আর খাবারও দেবো।
তুই কি সরস্বতী সদনে থাকতে চাস?
সেটা কোথায়?
আরে, এটাই!
তোর নাম কী খোকা?
ভূষণ।
একবার স্কুলের মারামারিতে আমি দু'জনকে কামড়েছিলাম।
তখন থেকে আমার নাম ভুভু।
এসবের জন্য তোমার পুরষ্কার প্রাপ্য, বানিয়া।
আসলে, একজন লেখকের কাছে তার সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হচ্ছে তার কলম।
এটা ১৯৪৫ সালের অনেক পুরনো কলম।
আমি তোমাকে এটি পুরষ্কার হিসেবে দিচ্ছি।
আমি এটা দিয়ে বারোটি বই,
একশ পঁচিশটি গল্প এবং আটশ'টি প্রবন্ধ লিখেছি।
বাপরে!
আমার পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত চলবে?
নাকি এটাতে আবার কালি ভরতে হবে?
প্রিয় খোকা, তুমি সত্যিই চমৎকার!
যা ভেবেছিলাম, তুমি তার থেকেও দ্রুত ভাবো।
তুমি হলে...
ম্যাডাম, আমি সাধারণ সাংবাদিক হতে চাই না।
আমি ক্রাইম রিপোর্টার হতে চাই।
ক্রাইম মেয়েদের জন্য নয়।
তুমি ফ্যাশনের উপর খবর করছ না কেন?
এটা তোমার জন্য ভাল হবে।
না, তবে আমার বাবা বলেন...
একজন সাংবাদিককে অবশ্যই সমাজের আসল চেহারা দেখাতে হবে।
যাও, তোমার বাবাকে বলো...
'সমাজের আসল চেহারা' হলো একটা বাজে কথা।
আপনি এবং আপনার পত্রিকা একইরকম।
মেক আপ দিয়ে সব ভরা, নকল চেহারা।
- কী? - কোনকিছু করা ছাড়াই...
কিম কারদাশিয়ানের ছবি আপনার পত্রিকায় ছাপা হয়।
আপনার আশেপাশে কী হচ্ছে, তা নিয়ে কি আপনার মাথাব্যাথা আছে?
আপনি শুধু মুখে মেকাপ মেখে নিজেকে সাংবাদিক মনে করেন।
- মুখ সামলে কথা বলো। - আমি কেন বলব?
আমি মানতে পারব না।
আমাকে সাংবাদিকতায় সুযোগ দিন না হলে, আমার ব্লগ আছে।
তাছাড়া আপনাদের খবরের কাগজের বিক্রি সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
দুই বছরের মধ্যে আমারদেরও একই সংখ্যক গ্রাহক থাকবে।
এরমধ্যেই আপনার ১২ জন কর্মী চলে গেছে।
প্রধান সম্পাদক অন্য যায়গায় অফার পাচ্ছেন।
এটি প্রায় বন্ধের পথে আছে।
সংক্ষেপে, আপনার পরিবর্তন দরকার আর আমার একটি সুযোগ দরকার।
আরও আগেই আমাকে আপনার কাজটি দেওয়া উচিত ছিল।
এক মিনিট দাঁড়াও।
বসো।
বসো, বসো।
আমার তোমাকে পছন্দ হয়েছে।
বারো হাজার দেবো...
কোন চুক্তি হবে না...
শিক্ষা বিভাগের খবরাখবর আনবে।
কিন্তু ম্যাডাম, আমি ক্রাইম বিভাগে চাচ্ছিলাম।
তোমার কেনও মনে হচ্ছে, শিক্ষা বিভাগে কোনও অপরাধ নেই?
আপনি অনেক বেশি দাম চেয়েছিলেন বলে তার কাছে গিয়েছিলাম।
এমনকি তাকে আমরা অগ্রিম দুই হাজারও দিয়েছিলাম।
কিন্তু সেই এজেন্ট আমাদের টাকা নিয়ে হাওয়া হয়ে গেছে।
এটা কি সে?
হ্যাঁ, ইনি।
- এটা আগের ছবি। - কী?
এটা আগের ছবি।
এটা পরের।
মেহতা, সে যে পরিমাণ টাকার কথা বলেছিল...
সেই টাকা তার চিকিৎসার জন্য খরচ করবে।
ওহ।
কিন্তু, ও যদি ভর্তি না হতে পারে...
- আমদের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। - তাই নাকি?
ও পুনেতে পড়াশোনা করতে চায়।
- ভালো। - দত্ত, তোমার জন্য মিষ্টি।
আপনিও নিন।
এটা কীসের জন্য?
এক পরিবারের দুইজন শিক্ষার্থী,
একজন এমবিএ-তে, অন্যজন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়েছে।
একই সময় ভর্তি হয়েছে।
দারুণ, এ তো ভালো কথা।
তারমানে, তুমি ম্যানেজমেন্টও সামলাতে পারো?
অবশ্যই।
ডানদিকে ম্যানেজমেন্ট।
বাম দিকে ইঞ্জিনিয়ারিং।
ওদিকে সরকারি চাকরি।
ওখানে জুনিয়র স্কুল থেকে জুনিয়র কলেজ।
আপ্পা বলে, আমাদের অবশ্যই একটি 'শিক্ষামূলক কেন্দ্র' থাকা উচিত।
- এই আপ্পাটা কে? - কী
এই যে!
কী খবর, মেহতা?
মাফ করবেন, আমি আপনাকে চিনতে পারিনি।
বুদ্ধিমান পুরুষরা তাদের কাজ দিয়ে পরিচিত হয়,
তাদের নামে নয়।
ভর্তি করতে হবে?
হ্যাঁ।
পনেরো।
পনেরো।
- আরেকটু কম। - পঞ্চাশ পয়সা দিতে চাও?
পঞ্চাশ পয়সায় করবে?
পিন্ট্যা, রাস্তার অপরপাশে ম্যাকডে দোকানে যাও।
আর, পঞ্চাশ টাকার বার্গার পঞ্চাশ পয়সায় নিয়ে এসো।
প্রভাদেবীতে ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাট,
করজটে একটি পাঁচ একর খামার,
ধাতব নীল এডিশন, স্পোর্টস এডিশনের...
একটি চল্লিশ লাখ টাকার গাড়ি।
মেহতা, তুমি দুটো জিনিস গোপন করতে পারবে না।
টাকা এবং একটি ভুঁড়িওয়ালা পেট।
তুমি লুকাতে পারবে না।
পনেরো।
নয়তো, পরের বছর যখন আমার রুমে থেকে এসব করব...
তখন পুরো পঁচিশ লাগবে।
পিন্ট্যা, তুমি কি এক বছর অপেক্ষা করতে চাও?
অগ্রিম দশ।
আর দুই জোড়া নতুন জুতো।
- জুতো? - আপ্পা নতুন জুতোর জন্য পাগল।
তার শার্ট পুরনো হতে পারে,
তবে তার জুতো সবসময় একেবারেই নতুন হতে হবে।
দত্ত, সবারই কিছু না কিছু খুঁত থাকে।
আমাদের অন্তত নতুন জুতোতে সেটা ঢেকে রাখা উচিত।
পিন্ট্যা হাসি দাও।
ওনাকে জড়িয়ে ধরো।
বলো, "চিজ"...
এটি রেকর্ডের জন্য।
অন্য কারও কাছে গেলে,
এটা হবে তোমার 'অতীতের' ছবি।
সাবধানে থাকবেন।
বিজয়া, এসো।
দেখা হবে, দাদু।
যাও।
যাই।
এতো খাওয়া বন্ধ কর।
আরে, বিস্কুটও খা।
এরিথ্রোসাইটের সংক্রমণ,
লাল রক্ত কণিকা।
হজম শক্তির সংক্রমণ।
কার্যকারক এজেন্ট।
পরজীবী হোস্ট।
এই যে, মশাই।
সাবধান!
তুমি তো সব সাইকেলগুলো ফেলে দেবে।
আমি কি ফেলেছি?
না ফেলা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাও?
যদিও এটি তোমার দোষ নয়।
ভর্তির জন্য লড়াই করা আমাদের দেশে সাধারণ ঘটনা।
- নাও। - ধন্যবাদ।
আমাকে কমপক্ষে একশো সাতানব্বই নাম্বার পেতে হবে।
একশো সাতানব্বই?
তুমি তো ছোট লক্ষ্য ঠিক করেছ।
আমি দু'শ পাঁচ নাম্বারের জন্য প্রস্তুত।
আমাকে বোকা বানিয়ে দিয়েছ।
শুধুশুধু চিন্তা করছ।
হ্যাঁ।
এই এক পরীক্ষার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।
তোমার কি বিকল্প পরিকল্পনা নেই?
তোমার মত শহুরে ছেলেদের জন্য সব ধরনের পরিকল্পনা থাকে।
আমাদের মতো ছোট গ্রামের ছেলেদের,
এই একটি পরীক্ষা পুরো জীবন পাল্টে দেওয়ার মতো একমাত্র সুযোগ।
আরে...
এদিকে আসো।
সবগুলো পড়ে গেলো।
চলো, ওকে সাহায্য করি।
যখন বিদ্যুৎ শক্তির ফোটন কমে যায়...
তুমি কি আগামী বছরের সিলেবাস প্রস্তুত করছ?
অনেক হয়েছে, বন্ধু।
আরে, না।
কী হয়েছে?
আমি আমার কম্পাস বাক্স আনতে ভুলে গেছি।
চিন্তা কোরো না।
আমি দিচ্ছি।
আরে হয়েছে, থামো।
ধন্যবাদ।
নেবো এটা?
হ্যাঁ।
তুমি পরে শুনলে হিংসে করবে।
ডাক্তার হওয়ার জন্য তুমি বানেশ ফিনের কলম ব্যবহার করেছিলে।
- বানেশ ফিনে? - হ্যাঁ।
ধানেশ লানজেকার।
তুমি কি বাহাতি?
ঘন্টা বেজে গেছে। চলো, যাই।
এখানে।
আমরা যদি একই ক্লাসে থাকতে পারতাম!
শুভ কামনা রইলো।
শুভ কামনা আমার দরকার।
পরে দেখা হবে।
তোমার পরীক্ষা কেমন হলো?
- এই যে শুনছেন? - হ্যাঁ।
- হাই, আমি "পুনে ডেইলি" থেকে এসেছি। - হাই।
পরীক্ষা কেমন হলো?
আপনার কি মনে হয়, আপনি ডাক্তার হতে পারবেন?
আমি কী মনে করি তাতে কিছু যায় আসে না।
পরীক্ষকদের সেসব নিয়ে ভাবা উচিত।
আমাদের কি আগে কোথাও দেখা হয়েছিল?
না।
জানেন, কিছু মানুষের সাথে দেখা হওয়ার সময়,
- মনে হয়, আপনি তাদের অনেক আগে থেকেই চেনেন। - ব্যাঙ কোথাকার।
- এবার থামো। - কী বললে!
প্লিজ।
সব ছেলেদেরই এক সমস্যা।
আপনাদের মুখ দেখেই সব বুঝা যায়।
নতুন মেয়ে দেখলেই, কোনও বাহানা খুঁজে নিজের পরিচয় দিন...
ফোন নম্বর, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক আইডি চান,
কফি, সিনেমা এবং সবশেষে রাতে বাইরে বেড়াতে যেতে চান।
মাত্রই আমি দুটি ছেলেকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম।
'রাতের বাইরে বের হতে আমরা কেন এত তাড়াহুড়ো করি?"
পাগলের মতো হয়ে যান!
কী, খুব শক লাগলো?
না, এটা হাস্যকর।
আসলে, আমার স্কুলে আপনার মতো এক মেয়ে ছিলো।
তবে, সে আরও কম বিরক্তিকর ছিলো।
আবোলি।
ভেবেছিলাম, আপনি আবোলি।
আমিই তো আবোলি।
আপনি কে?
আমি?
বানিয়া!
- আরে! - হাই!
কেমন আছো?
আমি শিক্ষা এবং অপরাধের উপর প্রতিবেদন করছি।
তুমি স্কুলে আমার রাবার চুরি করতে।
- এখন, অপরাধের উপর প্রতিবেদন। - চুপ করো।
আমাকে এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে হবে, তোমার সাথে পরে আবার কথা হবে।
- অজুহাত দিবে না। - সত্যি বলছি।
ঠিক আছে, কিন্তু ফোন করবে।
- আমি তোমার ফোনের অপেক্ষা করব। - ফোন করব।
যাই।
শুনছেন, স্যার।
ধানেশ লানজেকার নামে এই ক্লাসরুমে একজন ছাত্র ছিল।
কোনও ধারনা নাই।
প্লিজ স্যার, একটু মনে করুন না।
নীল টি-শার্ট, লাল দাগ...
বেগুনি ব্যাগ এবং সে বামহাতি।
হ্যাঁ।
হ্যাঁ।
তার একটা জরুরি কাজ ছিলো।
তাই সে আগেই চলে গেছে।
ঠিক আছে।
দেখা হবে, তাহলে।
- স্বরগেট যাচ্ছেন? - হ্যাঁ।
আপনার মানিব্যাগ আপনার সামনের পকেটে রাখুন।
রাস্তাঘাট অনেক ব্যস্ত।
খুব খুশি হয়েছি যে, তোমরা আমার সাথে থাকো।
আমার পক্ষ থেকে ছোট উপহার।
আমি গল্প বলতে যেই অনাথ আশ্রমে যাই,
সেখানের বাচ্চারা এটি তৈরি করেছে।
অনেক সুন্দর এটা।
ধন্যবাদ, দাদু।
ওই কলমের ব্যাপারে আমি দুঃখিত।
তুমি গতকাল থেকে এটা বলা শুরু করেছ।
বাদ দাও! তাছাড়া আমি তো আর লিখি না।
কলমটা এত দামিও ছিল না।
আমি দামি আর মূল্যবানের মধ্যে পার্থক্য বুঝি।
তাই নাকি?
তাহলে আর মূল্যবান সময় নষ্ট কোরো না।
তোমার বাস নয়টায় ছাড়বে না?
দেখা হবে।
আপনি আবার কখন আসবেন?
আমি যাবো আর ফিরে আসব।
যাই।
দেখা হবে।
বিদায়।
মামা, আপনি কি সাইকেলটি উপরে উঠাতে পারবেন?
অবশ্যই।
আমাকে দিন।
- পত্রিকা। - আমাকে একটি পত্রিকা দিন।
- এই নিন। - পানি।
- পানি লাগবে, স্যার? - না।
পানি, ঠাণ্ডা পানীয়।
পানি, ঠাণ্ডা পানীয়।
বানেশ্বর! বানেশ্বর!
পুনে - বানেশ্বর।
আসুন।
- "ছাত্র ধানেশ লানজেকার আত্মহত্যা করেছেন"। - বানেশ্বর!
আসুন, আসুন।
আসুন।
পুনে - বানেশ্বর।
বানেশ্বরে কে যাবেন? আসুন।
বানেশ্বর।
আসুন। পুনে - বনেশ্বর।
আসুন।
করিডোরের সিসিটিভি নষ্ট হয়ে গেছে।
হোস্টেলের ছেলেরা বিল্ডিংয়ের পিছনে আড্ডা মারে।
এজন্য...
আটটা ও দশটা বাজে হোস্টেলের চারদিক ঘুরে পাহারা দিতে হয়।
না, না... এরমধ্যেই আমরা লাশ পাঠিয়ে দিয়েছি।
আমার আটটায় পাহারা দেওয়ার আগেই এটি ঘটেছিল।
- ঠিক আছে। - ঠিক আছে, ধন্যবাদ।
- ধন্যবাদ, ম্যাডাম। - সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে।
তাহলে, আমি কি এখন বাড়িতে যাবো?
আপনি আমাকে থানায় আসতে বলছেন?
আরে, না।
মানি আমার ড্রপটা দাও।
- নমস্কার, স্যার। - নমস্কার।
স্যার, আপনি কি কোনও প্রমাণ পেয়েছেন যে ধানেশ লানজেকার আত্মহত্যা করেছে?
মানে সিসিটিভি ফুটেজ অথবা আত্মহত্যার নোট।
তুমি কে?
সাংবাদিক নাকি?
কেন?
সাংবাদিক না হলে কি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় না?
বানিয়া।
স্যার, পরীক্ষার দু'মিনিট আগে ছেলেটার সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল।
সে আমাকে বলেছিল যে, তাকে একশো সাতানব্বই নাম্বার পেতে হবে।
সে কীভাবে আত্মহত্যা করতে পারে?
আমার ধারণা, সে বুঝেছিল যে ভালো নাম্বার পাবে না, তাই হয়তো আত্মাহত্যা করেছে।
তা কীভাবে সম্ভব? কোনও না কোনও প্রমাণ তো অবশ্যই থাকবে।
দেখো, আমাদের কাজকে কঠিন করে তুলো না।
সুপারভাইজার বলেছে যে, সময় শেষ হওয়ার আগেই সে ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে গিয়েছিল।
সিঁড়ির সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পরিষ্কারভাবে তাকে উপরে উঠতে দেখা গেছে।
সে স্টোর রুমে গিয়ে ব্লেড দিয়ে নিজের কব্জি কেটে আত্মহত্যা করলো।
তারমানে, তার কাছে একটি ব্লেড ছিলো।
- আমরা ব্লেড খুঁজে পেয়েছি। - কীভাবে?
সে তার কম্পাসের বাক্স আনতে ভুলে গিয়েছিল।
শুধু আমিই এই ব্যাপারে জানি।
স্যার।
দাঁড়াও।
যেই ছেলেটা কম্পাসের বাক্স আনতে ভুলে গিয়েছিল, সে আবার ব্লেড আনার কথা মনে রেখেছিল?
কীভাবে?
সে কি আগে থেকেই ধারণা করতে পেরেছিল?
"যদি আমার আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করে।"
"আমার হাতের কাছে ব্লেড রাখা উচিত"।
ওই...
একটা আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, আর তুমি এটা নিয়ে মজা করছ?
না, স্যার।
মজা করছি না।
সে ব্লেড নিয়ে আসেওনি, আর তার কাছে ছিলোও না।
আপনিই এটাকে আত্মহত্যা বলে মজা করছেন।
আমাকে গিয়ে ঘটনার স্থানটি দেখতে দিন।
আরে, পিছু হটে যাও।
তোমার কি এটাকে "ক্রাইম শো" মনে হচ্ছে?
দেখো, সবাই গোয়েন্দা হতে চায়।
- নিজেও বাড়ি যাও, আর আমাদেরও বাড়িতে যেতে দাও। - এসো।
গতরাত থেকে এখানেই আছি,
আর এই চোখের রোগ নিয়ে বিপদে আছি।
আমার চোখের ড্রপটা দাও।
এই যে।
আরে!
এটা পুরানো প্যাকেট।
- কী? - একমাস আগেই মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
আপনার দৃষ্টি ভালোই আছে।
নিন।
চোখে দিন।
পরেরবার সঠিকভাবে পরীক্ষা করে নেবেন।
আপনার ওষুধ আর সাথে ঘটনাস্থলও।
চলো যাই, মানে।
ওকে উপদেশ দেওয়ার মতো তুমি কে?
তুমি মাত্র একবার ওই ছেলের সাথে দেখা করেছিলে।
সে তোমার ভালো বন্ধুও ছিল না!
কারও সাথে বন্ধুত্ব হওয়ার জন্য এক মিনিটই যথেষ্ট।
আপনি কি ওকে আমার সাথে থাকতে দেননি?
আপনি ওকে তেমন জানতেনই না।
ডাক্তার হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তবে তুমি অবশ্যই উকিল হতে পারবে।
কোনকিছুতে ব্যর্থ হলে সেটা মেনে নেই।
তবে চেষ্টা করার আগে তো আর হাল ছাড়তে পারি না।
বানিয়া, আমি আছি।
আমি, ভুভুও আছে।
ও যা বলছে, সেটা কি তোমরা বুঝতে পারছ?
দাদা বলেছে না?
তাতেই হবে!
ঠিক আছে।
তোমার মিশন তুমি করো।
তোমার মাকে কী বলবে?
মাকে বলেছি,
আমি "ধ্যান চর্চার ক্যাম্পে" থাকব।
দাদু, প্লিজ।
প্লিজ, আমাকে তদন্ত করতে দিন।
এটা যতটা সহজ মনে হচ্ছে তত সহজ নয়।
এই কারণেই তোমার জন্য চিন্তা হচ্ছে, দাদু।
- হ্যাঁ, বলো। - হ্যালো।
আমি হাসপাতাল থেকে বলছি।
শোনো।
আমি পোস্ট মর্টেমের রিপোর্ট চুরি করেছি।
কী?
বানিয়া, ওর বাম হাতে কাটার দাগ আছে।
আবোলি, সে বাঁ হাত দিয়ে কাজ করত।
তাহলে, কীভাবে সে তার বাম কব্জি কাটবে?
ধানেশ যদি নিজেই হাত না কাটে, তবে কে কেটেছে?
সে যেই হোক না কেন,
ওকে আমি ধরেই ছাড়ব।
স্যার, পরীক্ষায় ব্যর্থতার কারণে...
শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা খুব বেড়েছে।
স্যার, এই ব্যাপারে আপনি কী বলবেন?
আমি শিক্ষার্থীদের বলতে চাই,
তোমরা পরীক্ষা বারবার দিতে পারবে,
তবে তোমার জীবন বারবার ফিরে আসবে না।
আত্মহত্যা কোনও সমাধান না।
- স্যার। - কথা বলছিলেন শিক্ষামন্ত্রী মনোহর কোল্টে।
সরস্বতী দেবীর শেষ ইচ্ছা কি এটাই ছিল!
যথাযথ শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সরকারের দায়িত্ব।
হ্যালো, ভুভু...
তুই কি কলেজে যেতে চাস?
এখানে আয়।
দ্রুত আয়।
বাহ্।
দারুন।
দিনের বেলা খুব কমই স্কুলে যেতাম।
আর, আপনার কারণে আজকে এখানে এসেছি।
রাতের বেলা কলেজে ভর্তি হয়ে গেলাম।
শোন। করিডোরের সিসিটিভি কাজ করে না।
পাহারাদার হোস্টেলের দিকে আছে।
চল, সাবধানে ভিতরে যাই।
চল, আয়। চল।
আমি বই পড়ে মুখস্থ করার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী।
এক নাম্বার কাজ।
ভাইয়া, আমিও কম্পিউটার ব্যবহার করা শিখতে চাই।
আমার স্কুলে ৫০০জন ছাত্রছাত্রীর জন্য ৬টি কম্পিউটার ছিল।
কখনও সুযোগ পাইনি।
কী-বোর্ডে কেউ যেন হাত না দেয়, সেজন্য...
নিতির মতো ছাত্ররা কী-বোর্ডে থুথু দিয়ে রাখত।
একটু চুপ করবি?
ভাইয়া, চলো। না হলে অধ্যক্ষ আমাদের খুঁজতে চলে আসবেন।
ধুরো।
ভুভু, এটা কেনও কেউ খেয়াল করেনি?
কী?
একটা ছেলে ধানেশের পিছে পিছে যায়,
আর পনেরো মিনিট পর, সেই ছেলেই মাঠ থেকে দৌড়ে আসে।
তাহলে?
তাহলে, পনেরো মিনিট ধরে সে কী করছিল?
সে কেনও ভয় পেয়ে পালিয়ে গেলো?
সম্ভবত, এই পনেরো মিনিটের মধ্যেই সে ধানেশকে খুন করেছে।
আর সে কারণেই সে পালিয়ে যাচ্ছে।
ধ্যাৎ!
ভাইয়া, বেবী ট্যাক্সির নাম্বার নিন।
এমএইচ ১২ এআর ৮৪২৩।
আমি আগামীকাল ডাম্পারকে ডাকব।
সে রিকশার পেছনে পোস্টার লাগায়।
আমি নিশ্চিত সে জানে যে,
এই বেবী ট্যাক্সির ড্রাইভারকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে।
পেয়েছি।
আম্বাদাস পাতিল, ধানকাভদী।
- কীভাবে? - আরওএফএল।
"রেজাল্ট অফ ফাউন্ড লিংক"
বেবী ট্যাক্সিতে একটা স্টিকার আছে।
"রিভার্স কিং।"
পুনেতে এমন ড্রাইভারদের খুঁজে বের করেছি যারা "উল্টো বেবী ট্যাক্সি।" চালায়।
সে গত বছর "পুনে বেবী ট্যাক্সি ফ্যাশন শো"-তে জিতেছিল।
আম্বাদাস পাতিল, ধানকাভদী।
আম্বাদাস ওর গাড়িতে কয়েকশ যাত্রীকে নিয়ে চড়েছে।
কিন্তু, ওই ছেলেকে নিয়ে গাড়ি চালাতে ঝামেলা হয়েছিলো।
আম্বাদাসের এখনও মনে আছে, ছেলেটি নীল টুপি পরেছিল।
নীল টুপি।
আম্বাদাসের কি মনে আছে, ওই ছেলেটিকে কোথায় নামিয়েছিল?
অবশ্যই।
সে আম্বাদাসকে স্বস্তিক হোস্টেলে নিয়ে যেতে বলেছিল।
আম্বাদাসও গেলো।
আম্বাদাস তার ব্যাগগুলো নিয়ে যায়।
আম্বাদাস তাকে স্বরগেটে নিয়ে গিয়েছিল। স্বরগেট...
সে আম্বাদাসকে ২০০ টাকা দিয়েছিল।
আম্বাদাস খুশি হয়ে গেলো।
ওই ছেলের একটা ছবি দেখালে, অম্বাদাস কি চিনতে পারবে?
একশভাগ পারবে।
- আম্বাদাস পারবেই। - আর আপনি?
তুই আবার কে?
- আপনি কে? - আরে পিচ্চি, তুই কে?
আমি পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। ও হচ্ছে ভুভু।
আর ইনি হচ্ছেন আম্বাদাস।
তাতে কী?
আম্বাদাস কি আমাদের স্বস্তিক হোস্টেলে নিয়ে যেতে পারবে?
সম্ভব না।
আম্বাদাস এখন রাতের খাবার খাবে।
- যা, ভাগ। - চলুন, ভাইয়া।
চিন্তা করবেন না।
সে উল্টো করে বেবী ট্যাক্সি চালাতে পারে।
দেখা যাক, এই রাস্তায় সে উল্টো করে গাড়ি চালাতে পারে কিনা।
আমি ওনাকে চ্যালেঞ্জ করলাম।
চল।
আম্বাদাস কখনই আম্বাদাসের দক্ষতা নিয়ে সন্দেহ করে না।
আপনি দারুন।
আম্বদাস কি তার নাম্বার দেবে?
নাম্বার?
তাড়াতাড়ি নেমে যা! নিচে নাম!
সে তার ফোন নাম্বারও উল্টো করে দিয়েছে।
মনীষ? আইসি কলেজ?
শিক্ষা এবং আয় কার্যক্রমে পড়?
- হ্যাঁ। - পরীক্ষার জন্য শুভকামনা রইলো।
ধন্যবাদ।
কিন্তু, তুমি...
আসলে, আমার বন্ধু এখানে থাকত।
নাম কী?
গুন্ড্যা।
সে সোমবার পরীক্ষা দিয়ে তাড়াহুড়ো করে চলে যায়।
নীল টুপি, কালো ব্যাগ।
- হ্যাঁ, ২০২। - হ্যাঁ।
সে বেশ তাড়াহুড়ো করে চলে গিয়েছিল।
মানে, সে পনেরো দিন খুব ভালো করে পড়াশোনা করেছিল।
আমাদের গুন্ড্যা অনেক চমৎকার।
না, ওর নাম বিপিন।
- তার নাম তো বিপিন বোজেওয়ার, তাই না? - হ্যাঁ ঠিক, বিপিন।
হ্যাঁ, বিপিন আমাদের বলেছিল।
আমরা তার জিনিসপত্র নিতে এসেছি।
- সে কি কিছু ফেলে গেছে? - হ্যাঁ।
সে কিছু কাপড় চোপড় ফেলে গেছে।
কাপড় নিয়ে যাওয়ার জন্য ফোন করেছিলাম।
কিন্তু, ফোনে তাকে পাইনি।
তোমরা যখন এসেছ,
এগুলো নিয়ে ওকে দিয়ে দিও।
ধন্যবাদ।
তুই কীভাবে জানলি যে,
সে এই কাপড়গুলো রেখে গেছে?
এম.ও.এম।
- মানে? - কিছু মনে করো না।
শুনতে ভালোই লাগছে, তাই না?
- সে তাড়াহুড়ো করে চলে গিয়েছিল না? - হ্যাঁ।
তাই, ভেবে দেখলাম সে অবশ্যই কিছু না কিছু ফেলে গেছে।
দেখ।
বিশ দিন আগে সবাইকে পাসপোর্ট আকারের ছবি জমা দিতে হয়।
তাহলে, সে কেন শনিবারে পরীক্ষার আগে...
এই জায়গায় তার ছবি তুলেছিল?
ভুভু, আমরা এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছি।
তুমি নিজেকে কী মনে করো?
ওকে ফোন করে হুমকি দিচ্ছ!
ভর্তির জন্য কমিশনে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে কলেজে আসো!
তোমার মতো অনেক আনাড়ি এজেন্টদের সাথে কাজ করেছি।
আমাদের প্রতিষ্ঠান নতুন হতে পারে, কিন্তু, আমাদেরও সুনাম আছে!
এসব হুমকি ধামকি বন্ধ করো।
না হলে, একদম টেনে হিঁচড়ে সিপি অফিসে নিয়ে যাবো।
তার বদলে আপনার নাম্বার দিয়ে দিন!
সরাসরি আপনাকেই প্রস্তাব দেবো।
এত সাহস কীভাবে হলো?
আরে, আপনি তো রেগে গেছেন!
আমি অনেকবার অনুরোধ করেছিলাম।
কোনও সাড়া পাইনি।
একবার হুমকি দিলাম,
আর সাথে সাথেই সাড়া পেলাম।
বিল্ডিং তৈরি করার আগেই...
আপনার প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করে ফেলেছেন।
আমি জানি।
কাঠামো এখনও প্রস্তুত না,
আপনার পর্যাপ্ত কর্মীও নেই।
কোনও সুযোগ সুবিধাও তৈরি করা হয়নি।
শুধু জমি আছে বলেই মনে করছেন একটা প্রতিষ্ঠান চালাতে পারবেন?
ছাত্রছাত্রীর কী হবে?
ছাত্রছাত্রী কোথায় পাবেন?
কোনও পরিকল্পনা করেছেন নাকি?
একশ দশ।
কত?
আমার কাছে একশ দশজন ভর্তির জন্য আছে।
এ কারণেই আমি সরাসরি মেসেজ পাঠিয়েছিলাম।
আমরা তিন কিস্তিতে করব।
একজন ভর্তির জন্য চার লাখ টাকা।
নিবেন, নাকি আমি সিপি অফিসে পাঠিয়ে দেবো?
তার ছেলের ভর্তির ব্যাবস্থাও আমি করেছিলাম।
এমবিএ।
উনি বলেছিলেন যে, ভর্তির জন্য তার ছেলের যথেষ্ট যোগ্যতা নেই।
আমি তাকে বলেছিলাম,
আজকাল শিক্ষিত হতে হলে যোগ্যতার দরকার নেই, ধনী হওয়া দরকার।
পরীক্ষার আগের রাতে আপনার ভাগ্নের মতো,
সকল ছাত্রছাত্রী পরীক্ষার উত্তর পায় না।
বাজে কথা বাদ দাও। কী চাও, সেটা বলো।
আপনি আমার সাথে যেভাবে কথা বলেছেন,
আপনাকে কানের নিচে চড় মারতে ইচ্ছে করেছিল।
তারপর ভাবলাম, হয়তো আমার কথাতেই কাজ হয়ে যাবে।
আপনারও কি তাই মনে হয় না?
দুঃখিত।
নিজেই নিজেকে চড় মারেন।
নিজেই নিজেকে মারেন।
আস্তে করে মারবেন,
কিন্তু মারতে হবে।
বাদ দিন।
আপনার জায়গাতে আমি হলে,
এরমধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিতাম,
বিল্ডিং বানিয়ে সব কোর্স শুরু করে ফেলতাম।
আমি এখনও করতে পারি।
এখন ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার দরকার নেই,
তবে, লেখাপড়ার জন্য ছাত্রছাত্রীদের দরকার আছে।
ভেবে দেখুন।
না হলে, আমার কাছে এতজন ভর্তির জন্য আছে যে...
আমার নিজেকেই একটা কলেজ চালু করতে হবে।
করব?
করব নাকি?
বিজয়া, চল।
ভাইয়া দেখুন, মিলান ডিজিটাল।
- ভাইয়া... - বলো।
গত সপ্তাহে আমার এক বন্ধু এখানে এসেছিল।
- মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার জন্য। - আচ্ছা।
সে এখানে কিছু ছবি তুলেছিল।
এই যে! আমরা ওকে খুঁজছি।
আমরা এখানে এসব করি না।
শুনুন।
এই ছেলেটি একজনকে খুন করেছে।
তখন থেকেই পালিয়ে আছে। সে গত শনিবার এখানে এসেছিল।
প্লিজ, আপনি শনিবারের খাতাটি কি একটু খুঁজে দেখবেন?
আমাকে দশ মিনিট সময় দিন। আমি চেক করে দেখছি।
আপনার এখানে ইন্টারনেট আছে?
- নেটের স্পিড কেমন? - নিজেই গিয়ে দেখো।
যাও।
ভাইয়া, দারুন গান না!
টুটু আর টেম্পল রান, প্রতিদিন সকালে উঠেই এই গানগুলো দেখে।
চল, এখানের কাজ শেষ।
এরপর কী করব?
তোর একটা ইমেল আইডি খুলে দেবো?
কীরকম দেবো?
মাঝারি মানের।
ঠিক আছে।
ভুভুবার্কস@জিমেইল.কম
কেমন মনে হয়?
খুব সুন্দর!
এই যে ভাই, আপনার ছবি পেয়ে গেছি।
দেখে যান।
ঠিক আছে।
- চলুন। - আয়।
- ছবি কোথায়? - এখানে।
- খুঁজে পেয়েছেন! - হ্যাঁ, খুঁজে পেয়েছি।
তোর কি শুধু ছবিই লাগবে?
সাথে কোনও ফ্রেমের দরকার নেই?
- ভাইয়া! - আমি কি একটা ফ্রেম তৈরি করে দেবো?
দত্ত ভাই!
- যা, ওকে ধর! - ওকে ধর!
থাম!
ওকে ধর!
সরে যা।
অনেক হয়েছে, এবার আয়।
ভাইয়া।
চল, আয়।
হ্যালো, আবোলি।
এখনি ফরাসখানা থানায় এসো।
হ্যাঁ, রাখছি।
চল।
ওই, এখানে আয়।
এটা দেখ...
এটা ভালো করে দেখ।
- কানের ইনফেকশন? - হ্যাঁ।
- এটা ঠিক আছে। - ঠিক আছে, তাই তো?
প্লিজ স্যার, আমার কথা শুনুন।
আজ প্রথমবারের মতো আমাদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে।
চমৎকার!
স্যার, বিষয়টা ধানেশের আত্মহত্যার ব্যাপারে।
একটা ছেলে ধানেশকে খুন করে,
তারপর বেবী ট্যাক্সিতে উঠে স্বস্তিক হোস্টেলে যায়।
- আচ্ছা! - কিন্তু, তার আগে...
ছেলেটি মিলান ডিজিটাল নামে এক স্টুডিওতে কিছু ছবি তুলেছিল।
আমি আজ সেই স্টুডিওতে ওই ছবিগুলোর জন্য গিয়েছিলাম।
জানি না, ওই লোকটা কীভাবে যেন বুঝতে পারলো!
সে আমাদের মারার জন্য গুণ্ডা পাঠিয়েছিল।
আপনাকে অনুরোধ করছি, স্যার।
আপনি মিলান ডিজিটাল যান, আর খোঁজ করুন...
ওই ছেলে আর স্টুডিওর মধ্যে সম্পর্ক কী?
কীসের ভিত্তিতে?
কারণ, আগামীকাল বৃষ্টি হবে না বলে?
কবে থেকে কোনও জায়গায় অভিযান চালাতে পুলিশের কোনও কারণ প্রয়োজন হয়?
অবৈধ পর্ন সামগ্রী, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র, জালিয়াতি...
দখল, অবৈধ বিদ্যুৎ, নকল সফটওয়্যার?
মাত্র দশ মিনিটের মধ্যে সে সব খুঁজে বের করেছিল।
ভেবে দেখুন, এক ঘন্টার মধ্যে আপনি কী কী খুঁজে পাবেন!
হত্যার তদন্ত করতে গিয়ে, আপনি হয়তো আরও অনেক কিছুর খুঁজে পাবেন!
আমার এসব মনে হয় না।
তাহলে আপনি ওখানে গিয়ে কেন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না?
তুই কি জন্মের পর থেকেই প্রতিবন্ধী নাকি?
স্যার, আমার কথা শুনুন।
পুলিশরা খুব কমই সুযোগ পায়,
তাদের সততা আর সাহস একসাথে প্রমাণ করার জন্য।
আপনি সেই সুযোগ পেয়েছেন, এটা হাত ছাড়া করবেন না।
আর কানে পেন্সিল দিবেন না।
আপনার কানের সব জায়গাতে পেন্সিলের দাগ বসে গেছে!
আজকে তোমাদের ভাগ্য ভালো ছিল, তবে তোমাদের আরও সাবধান হতে হবে।
আমি জানি বাজারে কী হয়েছিল,
কিন্তু, এসব ঘটনা ঠিক কোন দিকে মোড় নিচ্ছে?
এসবকিছু পেছনে যার হাত রয়েছে, সেই ছেলেটা কোথায়?
এখানে।
মিলান ডিজিটালের দুটো কম্পিউটারের সব ছবি এখানে আছে।
আরে ফাজিল! তাহলে তুমি ইন্সপেক্টরকে বলোনি কেন?
কারণ, ওই মানুষটা তদন্তে কোনও সাহায্য করছে না।
হতে পারে, সে কিছু লুকাচ্ছে!
আমি ইন্সপেক্টরকে বিশ্বাস করি না।
তাই, সন্দেহ হলে কোনও কথা বলতে হয় না।
রিভার্স কিং! খুঁজে বের করুন!
আম্বাদাস কখনও কোনও গাড়ি বা মুখ ভুলে যায় না।
কখনও না।
দেখান।
মনে হয় না, আম্বাদাস এই ছেলেকে চিনে।
এটা?
আম্বাদাসের তো একে ছেলে বলেই মনে হচ্ছে না!
একটি মিনিট।
- উঠুন! - কী হয়েছে?
উঠুন না!
এই পিচ্চি কিন্তু মার খাবে!
বসুন।
দারুন।
এবার দেখান।
না।
আম্বাদাস একদম নিশ্চিত!
এটাই সে!
যদি এটাই সে হয়, তবে ওকে খুঁজে পেতে অনেক মজা হবে।
এমএসইবি।
এই ছবি দিয়ে তুমি কীভাবে ওর নাম খুঁজে পাবে?
আমাকে পাঁচ মিনিট সময় দিন।
- তুমি লাইট আনো, আর তুমি মোমবাতি আনো। - ঠিক আছে।
পেয়ে গেছি।
কীভাবে?
আরওএফএল।
মনীশ বলেছিল, সে হোটেলের রুমে অনেক দিন ধরে খুব মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করছিল।
তাহলে সে কেনও রুম থেকে চলে গিয়ে,
পরীক্ষার চার দিন আগে তার হলের টিকিটের জন্য ছবিগুলো তুললো?
কারণ, তার হলের টিকিট শেষ মুহুর্তে তৈরি করা হয়েছিল।
যার মানে, সে কোনও নিয়মিত শিক্ষার্থী না।
সুতরাং, তাকে একজন পুরাতন ছাত্র হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছিল।
তিন বছর আগে সিলেবাস পরিবর্তিন করা হয়েছিল।
তাই, তাকে অবশ্যই তিন বছর আগের সব পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছিল।
আমি গত তিন বছরের শীর্ষ শিক্ষার্থীদের তালিকা খুঁজে দেখেছি।
আমি ১৪-১৫ সালের তালিকায় তার ছবি পেয়েছি।
যেই ছেলেটা আবারও সব পরীক্ষা দিচ্ছে,
আর, যে ধানেশকে খুন করেছিল।
আমোল তেকোড়ে।
তোমার সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগল, আমোল তেকোড়ে।
৯১ আপ্পা, ৯১!
আমি আজকের শতকে দুটি বাজি ধরেছি।
পার্কার সরাসরি ফোন করেছিল, সে আমাকে ৫% টাকার প্রস্তাব দিয়েছে।
তাহলে?
আমি বলেছি, ঠিক আছে।
আপনি ৫% রেখে বাকিটা আমাকে দিয়ে দিন!
তারপর ২০% এর প্রস্তাব দিয়েছে।
দুই বছর পর্যন্ত আমরা ৫০% পর্যন্ত নেবো!
পার্কারকে নিয়ে, খান্দেরকে ব্যাবসা থেকে বের করতে হবে।
ছক্কা! ছক্কা, আপ্পা ছক্কা!
৯৭! সে ৯৭ রানে আছে, আপ্পা!
১৪ বছর...
এই মিটিংয়ের জন্য আমি ১৪ বছর অপেক্ষা করেছি।
আরে, আহত বাঘ!
ওই ছেলেদের পিছনে গিয়েছিলি কেন?
তারা আমাদের ছেলের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছিল!
ওরা এমনিতেই এসেছিল।
বিজয়া, ফাইলগুলো কোথায়?
- মনোজ ওগুলো প্রস্তুত রেখেছে। - ঠিক আছে।
বল, মনোজ!
হারামজাদা!
আপ্পা, পুলিশ মিলান ডিজিটালে অভিযান চালিয়েছে।
ওরা সবকিছুতে তালা মেরে দিচ্ছে।
আমাদের তিনটা ফাইল আর কাগজপত্র...
সব ওখানেই আছে।
ওর নাম বানেশ ফিনে।
সে ইন্সপেক্টরকে বাধ্য করেছে,
এই বিষয়টা খতিয়ে দেখার জন্য।
আমরা তাকে হালকা ভাবে নিয়েছিলাম, সে আমাদের জন্য বিপদ হতে চলেছে, আপ্পা।
হারামজাদা।
এটা ওই একই ছেলে, আপ্পা।
সে মিলান ডিজিটালে ছেলেটির সম্পর্কে জানতে গিয়েছিল।
সে খুব কাছে এসে পড়েছে।
সে যদি এত কাছেই এসে পড়ে, তুই ওকে কেন ছেড়ে দিয়েছিলি?
বানেশ ফিনে।
পারলে আমাকে ধর!
বন্ধু, আমি তোমার কাছে আসছি।
প্রস্তুত থেকো।
থামো, এখানে থাম।
চল।
- করব না। - কী করছিস?
- টুটু আয়। - আরে, টুটু!
- ওই। - ভুভু?
ওহ, খোদা!
- কেমন আছ? - তুই এখানে কী করছিস?
সকাল বেলায় হাঁটছি।
বাহ্!
খুব ভালো।
ভাইয়া, এ হলো টুটু।
হাই।
ও গলার চেন ছিনতাই করে।
- কী? - হ্যাঁ।
সে তো মাঝে মাঝে লোকাল ট্রেনেরও চেনে টান মারে।
আর এ হচ্ছে টেম্পল রান।
ওর সদস্যরা মন্দিরের ঠিক বাইরে থাকে।
এগুলো কি ওদের নাম?
টেম্পল রান আর?
- টুটু। - টুটু!
সে একবার সোনার চেন গিলে ফেলেছিল।
গিলে ফেলেছিল?
হ্যাঁ।
পুলিশ ওকে জোর করে বাইশটি কলা খাইয়েছিল।
যথেষ্ট হয়েছে!
এরপরেই চেন বেড়িয়ে আসে।
কিন্তু কেউই ওটা ধরতে চায়নি।
তখন থেকে ওর নাম টুটু।
সে সবসময় আমাকে খাওয়ায়।
- আমি তোর গল্পের কথা অনেক শুনেছি। - কোনটা?
আরে বানসোরের গল্প! ওর মুখ এখনও ফুলে আছে।
ভালোই যাচ্ছে মনে হয়!
তুই এখন ওনার সাথে থাকিস? তোর জন্য ভালোই হবে।
নে।
নিজের জন্য বড়ো দেখে চকলেট কিনে নিস।
- দেখা হবে তাহলে। - ঠিক আছে।
- দেখা হবে। - যাই।
আয়, আমরা যাই।
- বাই। - বাই, টুটু।
- চলেন, যাই। - সে এই বাইকে এসেছিল, তাই না?
না, সে এটা চুরি করার চেষ্টা করছিল।
ওরা তোর বন্ধু?
- টেম্পল রান আর... - টুটু...
টুটু!
সব ভদ্র পেশাতেই ধোঁকাবাজি আছে।
আবার, ধোঁকাবাজি পেশাতেও ভদ্র মাুনষ আছে।
সবাই একজন বানেশ আর একজন দাদুর দেখা পায় না।
চল, যাই।
আবোলি নাকি?
তুই কীভাবে জানলি?
এল-ও-এল।
চলেন।
বানিয়া, শোনার পরেও আমি বিশ্বাস করতে পারিনি যে...
পুলিশ মিলান ডিজিটালে অভিযান চালিয়ে সব তথ্য আটক করেছে।
পুলিশ তাদের কাজ গুরুত্ব সহকারে করলে সবকিছু সহজ হয়ে যেত।
- পরেরবার ওকে আমি ছাড়ব না। - এই মামলা আমাদের।
আপ্পা, দয়া করে ওই ডেন্টাল কলেজে এখনি ফোন কর।
আপ্পা, ওই ছেলেটা।
আরে, ফিনে।
তুই বানেশ ফিনে, তাই না?
হ্যাঁ, আমি ফিনে।
খুব জোরে ভাগতে পারিস তো।
পাখি ধরার বদলে তুই এখানে কী করছিস?
বিজয়া, লম্বা ঠোঁটের পাখিটার নাম যেন কী?
আপ্পা, মাছ রাঙা।
না, লাল ঝুঁটিওয়ালা পাখি।
আর, সাবধানে কথা বল।
ও তোকে এখানেই পেটাবে।
লাল ঝুঁটিওয়ালা না, ধানেশ পাশি।
যেই পাখির বাঁকা লম্বা ঠোঁট রয়েছে।
ঠোকরাতেই থাকে।
কিন্তু, এখানে ঠোকর দেওয়া চলবে না।
এখানে চলবে না।
তোর মার আর কেউ নেই।
বাবাও মারা গেছে।
ওই বৃদ্ধ মানুষটার জীবন কেন দুর্বিষহ করে তুলতে চাইছিস?
কিরে, ফিনে?
এতেই ভয় পেয়ে গেলি?
ওকে দেখ!
আমি তোর সম্পর্কে সব জানি।
আপনি কে?
আমি?
আমি?
আমি কাগজপত্র সেট করি।
আমি তোর মত ছেলেদের কাগজপত্র সেট করি।
ফোন চেক কর।
ফোন চেক কর।
বন্ধু বানিয়ে নে।
নে, কর।
আমি তোকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছি। বন্ধু করে নে।
আমি তোকে ভালো করে বলছি।
আপনি কি ভালো কিছুর যোগ্য?
ফিনে!
তুই তো অনেক বুদ্ধিমান...
নাকি তুই ভবিষ্যৎ বলতে পারিস?
কথাটা ঠিক না?
বল।
বল, আমাকে।
এত তাড়া কীসের?
আবার দেখা হলে, তখন আপনাকে বলব।
তুই আমার সাথে আবার দেখা করতে চাস?
অবশ্যই।
আমি কোনও কাজ বাকি রাখতে পারি না।
এটা আমার সাথে যায় না।
অনুরোধ গ্রহণ করা হলো।
চেক করেন।
সোলাপুরকার স্যার কোথায় গিয়েছেন?
উনি এখানে আর চাকরি করেন না।
- চাকরি করেন না মানে? - মানে...
বানিয়া।
স্যার।
আপনি কী খুঁজে পেয়েছেন?
আমার চেহারা দেখে বুঝতে পারছ না?
আমি ডেকান পুলিশ থানায় বদলি হয়ে গেছি।
কী?
গত তিনমাসে প্রথমবারের মতো নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেছিলাম।
আর, এই হলো তার ফল।
সব তথ্য গতরাতে সিলগালা করা হয়েছে। কিন্তু, আমাকে আদেশ করেছিল না ধরার জন্য।
নিকামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনেছিলাম, কিন্তু তারা আমাকে ওকে ছেড়ে দিতে বলল।
আজকে সকালে এখানে জানতে পারলাম যে,
আমাকে বদলি করা হয়েছে।
এটা হচ্ছে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটা সতর্ক,
যাতে, এই ব্যাপারে আর মাথা না ঘামাই।
আপনি বাইরের লোকের হুমকিতে ভয় পাচ্ছেন?
ভিতর থেকেও হুমকি আসছে।
উপরমহল থেকে।
এগারো বছরে,
আমি কখনও একসাথে সাহস আর সততা দেখাইনি।
এই প্রথমবার দেখলাম, আর দেখো, কী হলো!
বুঝতে পারিনি, আপনার মতো মানুষ এত সহজে ভয় পেয়ে যাবে।
বাসায় যখন প্রেগন্যান্ট স্ত্রী থাকবে, তখন তুমিও বুঝবে।
যাও এখন।
একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে এই কেসের সাথে আমি আর জড়িত নেই।
দুঃখিত।
বানিয়া, ওরা প্রথমে আমোলকে বাঁচানোর জন্য মিলান ডিজিটালে গুণ্ডা পাঠিয়েছিল।
আর এখন, পুলিশকে উপরমহল থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে?
এই আপ্পাই বা আমোলকে এভাবে জান দিয়ে বাঁচাচ্ছে কেন?
আমোল তেকোড়ে কে?
আপ্পা কেনও তাকে বাঁচাচ্ছে? আমাদের অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে।
আমরা ওকে খুঁজব।
তুমি শিক্ষা বোর্ডে যাও...
আর পরিচিত কারও কাছ থেকে তথ্য জোগাড় করো।
- ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
আবোলি, এটা এখন আমাদের কেস,
এবং এটা আমাদের সমাধান করতেই হবে।
কেউ আমাদের সাহায্য করুন আর না করুক।
- হ্যালো... - হ্যালো, বানেশ ফিনে?
হ্যাঁ।
অনিল জামভেকার বলছি।
- কে? - আমি সেদিন ওই ক্লাসরুমে শিক্ষক হিসেবে ছিলাম।
আমি তোমার তদন্তের ব্যাপারে শুনেছি।
তোমার সাথে দেখা করতে চাই।
আমি আমোল তেকোড়ের ব্যাপারে সবকিছু জানি।
আপনি কী জানেন?
মালভাদি বাস স্টপ থেকে রাত ৮টার বাসে উঠবে।
তোমার সাথে ওখানেই দেখা করব।
এসবের সাথে কে কে জড়িত, তার সব তোমাকে বলব।
আমার জীবনও বিপদের মধ্যে রয়েছে।
চল।
হ্যালো।
আপনি সব জানতেন!
তাহলে ওইদিন আমাকে সত্য কথা বলেননি কেন?
কী, ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট!
কিরে, তোকে একদম ঠোকর দিয়ে ধরেছি, তাই না?
পরীক্ষার খাতার নকলের সম্পর্কে আপনি আর কিছু বলতে পারবেন?
জি, ম্যাডাম।
ম্যাডাম, পরীক্ষার কাগজ আসা মাত্রই স্ক্যান করা হয়।
আচ্ছা।
- নাম্বার শুধু বাইরে থাকতেই পাল্টানো যায়। - আচ্ছা।
অপারেটরের কাছে থাকার সময়।
লকার রুমের ভিতরে কাগজপত্র যেমনটা থাকার কথা তেমনই থাকে।
পিল্লাই নামে নতুন এক অফিসার আছে।
উনিই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।
আমাকে যেতেই হবে। আপনার সাথে পরে আবার দেখা করব।
ধন্যবাদ।
ঠিক আছে।
তোর জানা উচিত ছিল...
আমি কথা বলার চেয়ে কাজ বেশি করি।
এজন্য মৌখিক কথাবার্তা শেষে এখন কাজে দেখাব।
অকর্মা!
দশম শ্রেণিতে কেশভ নামে আমার এক বন্ধু ছিল, কিন্তু আমরা ওকে পিন্ট্যা বলে ডাকতাম।
একবার আমি জ্যামিতি খাতায় নকল করেছিলাম।
মনে আছে, আমরা যেভাবে টেবিলে উত্তর লিখে রাখতাম?
হ্যাঁ, ঠিক।
দত্ত, তুই কখনও ওভাবে নকলের চেষ্টা করেছিলি?
একবারও না, দরকারই হয়নি। আমার উচ্চতার জন্য...
সহজেই উঁকি মেরে আমার চারপাশের উত্তরপত্র দেখতে পারতাম।
প্যারার কিছু ছিলো না।
সবাই তো আর তোর মতো লম্বা না।
তাই না?
সবার লম্বা হওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারে না।
ওই পিন্ট্যা আমাকে বলেছিল...
"রুদ্রনাথ নকল করিস না, আমি স্যারের কাছে বিচার দেবো।"
আমি ওকে চুপ করতে বলে, ওর নিজের চরকায় তেল দিতে বলেছিলাম।
আমি সবগুলো কাগজ নকল করেছিলাম।
শেষ পৃষ্ঠা নকল করার সময়, সে আমার নামে নালিশ করে।
তারা আমার নকল ধরে ফেলে।
শাস্তি হিসেবে একটা বছর হারিয়েছিলাম।
আমি পড়ালেখা ছেড়ে দিয়েছিলাম।
বাসা থেকে পালিয়ে গিয়েছিলাম।
ওটা ছিল পঁচিশ বছর আগের কথা!
পঁচিশ বছর!
গত বছর...
গত বছর, দশম শ্রেণীর পরীক্ষার জন্য...
একইভাবে পিন্ট্যার ছেলেও হাজির হয়।
বুদ্ধিমান ছেলে, পড়ুয়া ছেলেদের সাথে থাকে।
ফাইনাল পরীক্ষা ছিল।
প্রতিদিন বাবা আর ছেলেকে পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতে দেখতাম।
আমি ওকে প্রতিদিন পরীক্ষা দিতে ছেড়ে দেই।
শুধু শেষের দিনের পরীক্ষায়...
শেষ পরীক্ষায়...
আমি ওকে রাস্তা পার হতে দেইনি।
বাপ-বেটাকে গাড়িতে বসতে বাধ্য করেছিলাম।
পরীক্ষা কেন্দ্রের অপরপাশে তিন ঘন্টা ধরে বসেছিলাম।
একটা শব্দও লিখতে পারেনি।
তার চোখ লাল হয়ে ফুলে যায়।
কাঁদতে কাঁদতে চোখ ফুলে যায়।
দুঃখিত, দুঃখিত, দুঃখিত।
তাকে বলেছিলাম যে, পঁচিশ বছর আগের ক্ষত...
তিন ঘন্টা ক্ষমা চাইলেও ভালো হবে না।
ভালো হয়?
আমি ওদেরকে চলে যেতে দেই।
অবশেষে তারা যখন চলে যাচ্ছিল, তখন পিন্ট্যাকে বললাম...
"ফাইনাল পরীক্ষা না দিতে পারলে, এমনই হয়।"
তুই তোর পরীক্ষায় অংশ নিতে চাস, তাই না?
আচ্ছা, চাস না?
নাকি তোকেও আমি আটকে রাখব?
শুধু একজন অসৎ ব্যক্তিই আরেকজন অসৎ ব্যক্তিকে ভয় পায়।
আরে, সবাই অসৎ।
একমাত্র তফাৎ হলো তুই এখনও জানিস না, কিন্তু আমি জানি।
যে ফর্ম বিনামূল্যে পাওয়ার কথা,
এই লোকেরা সেই ফর্ম দশ টাকা দিয়ে কেনে।
আমার মতো লোকদের এজেন্ট বানায়, তারাই সবচেয়ে বেশি দূর্নীতিবাজ।
ভাবছিস, ওদের সবাইকে তুই ধরতে পারবি?
পারবি তুই?
এই খুনের জন্য দায়ী সবাইকেই আমি খুঁজে বের করব।
এমন করিস না।
এমন করার সাহসও দেখাবি না।
আমাকে হুমকি দিচ্ছেন?
ভয় লাগছে না তোর?
সত্যি?
আপনাকে চাইতে হয়েছিল, আর এতেই সব বুঝা যায়।
যা স্ট্যাটাস আপডেট কর,
"সাথে একজনকে নিয়ে আমার ভয় লাগছে।"
হারামজাদা!
বাসায় ফিরে যা।
এখনই।
চল।
আমি যাব না।
যা করার করুন।
- দত্ত। - হ্যাঁ।
ওকে "ধন্যবাদ" দে।
হ্যাঁ, আপ্পা।
ফিনে, তুই তোর সময় আর জীবন দুটোই নষ্ট করছিস।
ভাইয়া।
আমাকে ছেড়ে দিন।
- এটা খুলে দে। - আমাকে ছেড়ে দিন।
- আয়। - না, যাবো না।
কীসের জন্য অপেক্ষা করছিস? এদেরকে ফেলে দে।
ভুভু...
ভুভু...
বন্ধ করে দে।
বানিয়া!
আমি এখানে, তোমার হাত দাও।
ভুভু... তোর হাত দে।
এখানে, এখানে...
বানিয়া! তোমার হাত দাও।
আমার হাত ধরো।
বানিয়া।
ভুভু...
ভুভু... ভুভু...
- ভুভু... - সব ঠিক আছে।
ধীরে ধীরে দাঁড়াও।
- ভুভু... - চিন্তা করিস না।
- সব ঠিক আছে। - ভুভু...
লাগবে না।
বিপদে পড়েছে লিখে বানেশ আমাকে মেসেজ দিয়েছিল।
তারপর সে বাসে ওঠে।
সে তার মোবাইলের জিপিএস চালু করে আমাকে তার অবস্থান জানিয়ে দেয়।
আমি সেই জায়গা খুঁজে বের করে সঠিক সময়ে সেখানে পৌঁছাই।
ওরা আমাদের কখনও মারতে চায়নি।
আমাদেরকে শুধু ভয় দেখাতে চেয়েছিল।
- কিন্তু আমি ভয় পাইনি। - থামো, থামো।
এখন? এখন কী হবে?
ওকে একবার ভালো করে দেখো।
ভাইয়া।
আমি সব জায়গায় আপনার সাথে সাথে গিয়েছি।
কিন্তু, আজকে পানির ট্যাংকে ভিতরে প্রথমবার...
আমার মনে হয়েছিল, আমার আসা উচিত হয়নি।
আপনি মনে করেন সবাই আপনার মতো হবে।
আমার খুব ভয় লাগছে।
আমিও ভয় পাচ্ছি।
তারপরেও, এতটুকু ঝুঁকি নিলে বিপদ তো আসবেই।
তোমার তদন্ত করার জন্য অন্যের জীবনও ঝুঁকিতে ফেলতে চাইছ?
আরে, তুমি একজন সাধারণ ছেলে।
তুমি কোনও সুপারহিরো না যে, উড়তে বা দেয়ালে চড়তে পারবে।
মাটিতে পড়লে তোমার হাঁটুর চামড়া ছিঁড়বে, দাঁত ভেঙ্গে যাবে।
ছেঁড়া অংশে সেলাই করা লাগবে।
এক মিনিটের মধ্যে ওর মত একটা ছেলে ডুবে মারা যেতে পারে।
তোমার মা আমাকে ফোন করেছিল।
সে খুব চিন্তায় ছিলো।
তুমি আর না ফিরে আসলে কী হতো?
আমি কীভাবে তাকে মুখ দেখতাম?
এরকম ঘটনা ঘটতেই পারে।
বেরিয়ে যাও।
আপনি কি আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছেন?
হ্যাঁ।
কেন?
আমি চাই না, এরকম কোনও ঘটনা তোমার জীবনে সত্যি হয়ে আসুক।
তুমি এখন ভিতরে যেতে পারো,
কিন্তু, আগামীকালই বাড়িতে চলে যাবে।
ক্যাচ নে!
আয়!
একটা উইকেট নে।
আয়।
গতরাতে আমার বাবা আমাকে বুঝাতে চেষ্টা করেছেন।
কী?
এসব বন্ধ করতে?
না! উনি বলেছেন এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
তুমি তো জানো, বানিয়া...
আমার বাবার বাম পা নেই।
তিন বছর আগে..
জমির দালালদের মামলা সমাধান করতে গিয়ে...
তিনি আরটিআই-এর সকল তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।
ওদিকে এক রাস্তায় কিছু লোক ওনাকে সতর্ক করেছিল,
এবং খুব মেরেছিল।
উনি সারারাত রাস্তার উপরে শুয়ে ব্যথায় চিৎকার করেছিল।
কিন্তু তাতেও উনি থেমে যাননি।
উনি থেমে যাননি, আর শেষ পর্যন্ত ওই পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়।
মাঠটা দখলমুক্ত হয়।
সবসময় আমি একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হই...
"আমি কেন এখানে আসি?"
এটাই সেই মাঠ?
হুম।
যখন আমি ওই ছেলেগুলোকে খেলতে দেখি,
আমার পঙ্গু বাবাকে নিয়ে খুব গর্ব করি।
বানিয়া, আমরা যেই কাজ করছি...
সেই কাজের গুরুত্ব হয়তো অনেকে বুঝতে নাও পারে!
কিন্তু কয়েকবছর পর যখন সুশিক্ষিত ডাক্তাররা...
আমাদের মতো মানুষের জীবনে বাঁচাবে,
সেই সময়ের খুশিটা কল্পনা করো।
সফল হওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।
কোনোকিছু বাদ দেয়া খুব সহজ।
তবে, সামনে এগিয়ে যাওয়া খুবই প্রয়োজন।
আমি আমোল তেকোড়েকে খুঁজে বের করব।
নমস্কার, স্যার।
আপনি কি ওনাকে চেনেন?
না, চিনি না।
কোথায়?
উনি ওই হোটেলের উপরে ক্লাস নিতেন।
ধন্যবাদ।
কে?
নমস্কার।
আমোল তেকোড়ে বাসায় আছেন?
না।
কেন?
ডাক্তারদের জন্য আমাদের একটা ক্যাম্প ছিলো।
আমার বন্ধু দানেশ আমোলের সাথে দেখা করতে বলেছে।
দাঁড়ান, আমি আসছি।
জাপুর?
- আপনার কাছে তার মোবাইল নাম্বার আছে? - আমি জানি না।
আমোল কি তুলজাপুরে?
দেবীর ছবি ছাড়া সবগুলো মূর্তি পুরাতন লাগছে।
সে কি টাকা পাঠিয়েছে?
যেই খামের ভিতরে সে টাকা পাঠাতো,
আমি সেই খামের টুকরা পেয়েছি।
ওর বন্ধু ওখানে থাকে।
সরকারি মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে থাকে।
তুলজাপুর?
সত্যি?
আমি দত্তকে পাঠাচ্ছি।
ওকে আগামীকাল ধরবি,
আর বিষয়টা শেষ করে ফেলবি।
এই ছেলেটা বেশ সমস্যা করছে।
ঠিক আছে।
ওই দত্ত, তুলজাপুরে যা।
ধরে নিন, হয়ে গেছে। চল।
তাড়াতাড়ি যা।
ওখানে একজন এজেন্ট ছিল।
কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিল।
সে আমাকে টাকার জন্য ফোন করতেই থাকত।
সে আমার কাছে চার দাবি করেছিল।
আমি বলেছিলাম, চার খুব বেশি হয়ে যায়।
সে বলল, তিন কিস্তিতে দিয়ে দিবেন।
আমিও তিন কিস্তিতে দিয়েছিলাম।
আরে গাধারা, ওগুলো এখানে ফেল।
তাড়াতাড়ি।
এখন সে বুঝতে পারবে,
গাঁথুনি কীভাবে দেওয়া হয়।
মাস্টার, তুমি আমার কাছে কত পাও?
কিছুই পাই না, কিছু না।
- আরে... - না, ধন্যবাদ।
এভাবেই এদেরকে 'ধন্যবাদ' জানাতে হয়।
আপনি কত পার্সেন্ট বলেছিলেন?
ত্রিশ পার্সেন্ট ফাইনাল করা যাক।
আমার ভিন্ন একটা প্রস্তাব আছে।
তিনশো ভর্তি সাথে চার কোটি টাকা, চল্লিশ পার্সেন্ট...
আমরা তো ভেবেছিলাম, তুমি আরও চাইবে।
যারা নিজের মূল্য সম্পর্কে জানে না, তারা হয় কাপুরুষ নয় বেশি চালাক।
আমি আমার মূল্য জানি।
কিন্তু আপ্পা, এই বস্তাগুলোর ভিতরে কী আছে?
কেঁচোর তৈরি মাটির সার।
আপনারা কী ভেবেছিলেন?
এই যে শুনছেন!
জেনারেল ওয়ার্ড কোনদিকে?
ডানে গিয়ে উপরতলায়।
- ধন্যবাদ। - সমস্যা নেই।
নিজের খেয়াল রাখবেন।
আমোল তেকোড়ে।
তুমি কি পালিয়ে বেড়াচ্ছ?
তুমি কে?
তুমি কী ভেবেছিলে?
তুমি যা করেছ, সেটা কেউ কখনও বুঝতে পারবে না?
এসো।
ওই, থাম।
তোমাকে বাঁচানোর জন্য ওদেরকে ডাক দিয়েছ?
ওরা আমাকে বাঁচাতে এখানে আসেনি, এসেছে আমাকে খুন করতে।
ধানেশকে খুন করতে ওদেরকে দেখে ফেলেছিলাম।
- কী? - হ্যাঁ।
ওই তো সে।
ফিনে তুইও আছিস?
থাম।
এখনই এর সব শেষ করে ফেলব।
থাম! ফিনে থাম!
তোর খেল খতম।
থাম।
দৌড় দাও।
থাম।
যাও।
এসো।
থাম।
আমোল তেকোড়ে।
আজকেই তো শেষ দিন।
- পারলে দৌড় দে। - আমি কিছুই বলব না।
- এখন তোকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। - আমি কিছুই বলব না।
চলো।
তুমি যদি একমাত্র সাক্ষী হও,
তাহলে ধানেশকে খুন করলো কে?
আপ্পা!
কী?
হ্যাঁ।
আপ্পাই তাকে খুন করেছে।
আপ্পা অন্য শিক্ষার্থীর জন্য আমাকে পরীক্ষা দিতে বসিয়েছিল।
সে তার কুকর্ম ঢাকার জন্যই ধানেশকে খুন করেছিল।
বলতে চাচ্ছ,
বদলি পরীক্ষা দেওয়ার কুকর্মকে ঢাকার জন্য সে ধানেশকে খুন করেছিল?
তুমি কার জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলে?
রাহুল খামকার নামের কারও একজনের।
এই রাহুল খামকার কে?
আমি জানি না।
- এক ছেলের পরিচয় না প্রকাশের জন্য সে ধানেশকে হত্যা করেছিল? - না।
শুধু একজনের নয়।
শুধু ওই কেন্দ্রেই কমপক্ষে আট থেকে দশজনের পরীক্ষা অন্য কেউ দিয়েছিল।
পুরো পুনে জুড়ে এরকম প্রায় একশোর মতো হবে।
পুরো রাজ্যে থেকে প্রতি বছর কমপক্ষে,
প্রায় পাঁচশ হাতুড়ে ডাক্তার স্নাতক পাশ করে।
কী?
পাঁচ থেকে দশ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়।
প্রাইভেট কলেজ হলে চল্লিশ থেকে আশি লাখ দিতে হয়।
আমি কেনও যে এসব ঝামেলায় জড়াতে গেলাম!
মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় টাকা উপার্জনের জন্য,
কিছু ছাত্রছাত্রীদের লেকচার দিতাম।
সেখানেই ওরা আমাকে খুঁজে পেয়েছিল।
বলেছিল যে আমাকে দেড় লাখ টাকা দেবে।
আমি এসব করতে চাইনি।
তবে একজন দরিদ্র ছাত্রের জন্য এটা অনেক টাকা ছিল।
আমাকে লোভ দেখানো হয়েছিল।
আর আমি রাজি হয়ে যাই।
তাই আমি পুনে এসেছিলাম।
স্বস্তিক হোস্টেলে পনেরো থেকে পড়াশোনা করি।
আপ্পার স্টুডিও মিলান ডিজিটাল থেকে হলের টিকিটের জন্য ছবি তুলেছিলাম।
ঠিক আছে? এবার এসো।
ভয়ে ভয়ে পরীক্ষা দিতে যাই।
দুঃখিত।
আরে ভাই, দুঃখিত।
সমস্যা নেই।
ধানেশ আমাকে চিনে ফেলে।
সে আমার লেকচার সিরিজে অংশ নিয়েছিল।
সে প্রফেসরের কাছে অভিযোগ করে।
প্রিন্সিপালকে বলার পরিবর্তে প্রফেসর আপ্পাকে ফোন করে।
স্যার, খাতা।
তোমার এখনও অনেক সময় আছে।
আমাকে প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করতে হবে। প্লিজ, আমার খাতাটি নিন।
ধানেশ বাইরে গেলে, ওকে স্টোর রুমে ডেকে নিয়ে যায়।
আমি ভুল করছি না।
আমি নিজের চোখে সব দেখেছি।
আপনরা প্রতারণা করছেন, এসব ভুল কাজ।
- আপ্পার গায়ে হাত দেওয়ার সাহস কীভাবে হলো? - আরে।
ওকে রেজার ব্লেড দিয়ে ভয় দেখাবি না।
সে আপনাকে মারার চেষ্টা করেছিল।
ছেড়ে দে।
চিন্তার কিছু নেই, ভয় পেয়ো না।
কী হয়েছে?
তুমি এখন কী করতে চাও?
সবার কাছে এসব প্রকাশ করে দেবো, আমি অভিযোগ করব।
ঠিক আছে, অভিযোগ কোরো। তোমার নাম কী?
- ধানেশ। - ধানেশ।
এমন ছাত্রদের অবশ্যই 'ধন্যবাদ' জানাতে হয়।
- আপ্পা। - তুই ওকে ব্লেড দিয়ে মারতে চেয়েছিলি?
ধানেশ লানজেকার, তাই না?
- হ্যাঁ। - আমি আপ্পা।
দেখা হবে।
বিদায়।
আপ্পা।
ওই, দাঁড়া!
আমার টাকার প্রয়োজনের জন্য একটি ছেলেকে তার জীবন দিতে হয়েছে।
তুমি যদি গতকাল না আসতে,
তারা আমাকেও মেরে ফেলত।
এই পরীক্ষাগুলো কি জীবনে এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে?
এটা স্পষ্ট যে, শিক্ষার বাজার বসে গেছে।
তোমরা এমনই এক অদ্ভুত দুষ্টচক্রের মধ্যে আটকে আছ।
এই পুরো ঘটনায়, ওই আমাদের একমাত্র সাক্ষী।
ওকে ধন্যবাদ যে, এসব আমরা খুঁজে পেয়েছি।
এটি কেবল একটি খুনই ছিল না,
এটি একটি বিশাল জালিয়াতি।
আমাদের কাছে সাক্ষী আছে,
তবে, ধানেশ পরীক্ষায় কতো নাম্বার পেয়েছিল শিক্ষা বোর্ড থেকে সেটা খুঁজে বের করতে হবে।
আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি।
মিঃ মার্নে আমাকে একজনের ঠিকানা দিয়েছেন।
ভালো।
এবার, আমি রাহুল খামকারকে খুঁজে বের করব।
তোমার কথা বলার মাঝে একটা প্রশ্ন করতে চাই, কীভাবে বের করবে?
সব বলছি।
ওদের মতো ১০জনকে ফেসবুকে খুঁজে পেয়েছি।
এদের মধ্যে ছয়জন পুনে থাকে।
তাদের মধ্যে চারজনের বয়স পঁচিশ বছরের কম।
আর, দুজন মাত্রই দ্বাদশ শ্রেণি শেষ করেছে।
একজন থাকে সোপানবাগে, আরেকজন থাকে সুখরাভার পেঠে।
সুখরাভার পেঠে আমার দল কাজ করে।
ভাইয়া...
দুঃখিত।
আমি আপনার সাথে কাজ করতে চাই।
সুখরাভার পেঠে কি তার খোঁজ লাগাবো?
ভালোই হলো!
একজন মধ্যবয়সী সৌখিন গোয়েন্দা,
একজন সাবেক কিশোর অপরাধী এবং একজন অতি উৎসাহী সাংবাদিক।
এরা সবাই আমার বাড়িতে বসে এক বিশাল জালিয়াতি প্রকাশ করার চেষ্টা করছে।
আর, আমি চেয়ে চেয়ে দেখছি।
ঠিক আছে, যাও।
আমি ওকে নিরাপদে রাখব।
ধন্যবাদ।
- চলো। - ফাফি...
এই প্রথমবারের মতো আমার উপদেশ কেউ শোনেনি বলে আমি খুশি হয়েছি।
এসো।
- হ্যালো। - হ্যাঁ।
মিঃ পিল্লাই আছেন?
- হ্যাঁ। - ওনাকে কোথায় পাওয়া যাবে?
উনি ওখানে বসে আছে।
ঠিক আছে, ধন্যবাদ।
সমস্যা নেই।
নমস্কার।
মিঃ মার্নে আমাকে পাঠিয়েছেন, আমি মিঃ পিল্লাইয়ের সাথে দেখা করতে চাই।
তার সাথে কোনও কাজ আছে?
একটি কেসের ব্যাপারে তার সাথে কথা বলতে চাই।
কোন কেস?
একটি ছেলে আত্মহত্যা করেছিল।
আত্মহত্যার মতো করে সেটাকে সাজানো হয়েছিল।
সে আত্মহত্যা করেছে এটা প্রমাণ করতে, তার পরীক্ষার নাম্বার এখানেই পরিবর্তন করতে পারে।
আমাকে রোল নাম্বার দিন, আমি তার নাম্বার চেক করে দেখছি।
বসুন।
হ্যাঁ, নাম্বার বলুন।
- বিবি ৩৭২১৩২০। - বিবি ৩৭২১৩২০।
হায়, খোদা! ওই ছেলে তো পরীক্ষায় ফেল করেছে।
দুইশ নাম্বারের মধ্যে ষাট পেয়েছে!
কী?
এটা অসম্ভব।
প্লিজ, আমাকে মিঃ পিল্লাইয়ের কাছে নিয়ে চলুন।
আমি কীভাবে নিয়ে যাবো?
সে তো আপনার সামনেই বসে আছে।
আমি মার্নেকে সতর্ক করেছিলাম, সে যেন তোমাকে সরাসরি আমার কাছে পাঠায়।
বসো! আরে, বসো।
আপ্পা আমাকে খবর দিয়েছিল।
তুমি যদি কখনও এখানে আসো, তাহলে যেন তোমাকে না ছেড়ে দেই।
কে?
রাহুল আছে?
রাহুল স্যার? অপেক্ষা করুন, ডেকে দিচ্ছি।
হ্যালো।
ফিনে...
তুই তো আস্তে আস্তে অনেক দূর পৌঁছে গিয়েছিস।
এবার তোকে ফাইনাল পরীক্ষা দিতেই হবে।
প্রশ্ন বলছি।
ফিনে এখন কাকে বাঁচাবে?
ক) আবোলি।
খ) দাদু।
গ) আমোল।
ঘ) নিজেকেই।
ফিনে, তুই হয়তো দ্রুত যেতে পারিস!
কিন্তু আমি, যেকোনও জায়গায় যেতে পারি।
যা।
সমাধান খুঁজে বের কর।
- হ্যালো, টুটু। - বলুন, বানেশ ভাইয়া।
এখনই ভূষণকে নিয়ে দাদুর বাড়িতে যা।
তার জীবন বিপদের মধ্যে রয়েছে।
ঠিক আছে।
ভুভু, দাদুর উপর হামলা করা হয়েছে।
চল।
দাদু!
- ধুর! - ভাইয়া, এটা দেখুন।
দাদু! দাদু!
আমোল, আমোল কোথায়?
ভুভু, আমোলকে খুঁজে বের কর।
টেম্পল, তুই ওদিকে যা।
তুই ওদিকে যা, দ্রুত যা।
দাদু! দাদু!
আমোল!
আমোল! আমি এটা দেখছি!
- ওনার দেখাশোনা করো। - হ্যাঁ, আমি দেখছি।
দাদু!
আমোল! আমোল!
বেরিয়ে এসো।
আমোল, কথা বলো।
আমোল! আমোল! আমোল!
- কী হয়েছে, আমোল? - চল, সবাই যাই।
বাইক চালু কর।
ভুভু, ওনার যত্ন নিস।
দাদু!
ভূভু, হাসপাতালে আয়।
হ্যাঁ।
সাবধান!
ডাক্তার।
ভাগ্য ভালো যে হাঁটুর আঘাত তেমন মারাত্মক নয়।
তবে, এই বয়সে শারীরিক হামলা মানসিক অবস্থার জন্য খুব বিপজ্জনক।
এ কারণেই তার রক্তচাপ বেড়ে গেছে।
- ওনাকে স্বাভাবিক হতে দিন। ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
বল।
এই হাসপাতাল কি ভালো?
যেই জায়গার নাম বলব, আগামীকাল সকালে আমোলকে নিয়ে সেখানে আসবি।
আমি জানি না সে কোথায়।
কসম খেয়ে বল তো?
বল না!
আমোল যদি কালকে আমার কাছে না আসিস,
তাহলে, আবোলি শেষ হয়ে যাবে।
দাদুও শেষ হয়ে যাবে।
এ বছরের রেজাল্টও নাই হয়ে যাবে।
আমি রেজাল্ট পাল্টে দেবো।
যারা ১৯০ নাম্বার এর বেশি পেয়েছে,
আমি তাদের নাম্বার থেকে একটা সংখ্যা পাল্টে দেবো।
তাদের মধ্যে কিছু কিছু হতাশ হয়ে গিয়ে আত্মহত্যা করবে।
ঠিক তোর ধানেশের মতো।
বাকিরা আমার কাছে আসবে।
বিজয় তোকে ঠিকানা পাঠিয়ে দেবে।
আমোলকে সাথে করে নিয়ে আসবি।
আমি আসব না।
আরে হ্যাঁ, তুই আসবি।
আজকের রাতটা তুই চিন্তা করার সময় পাবি।
অপরিচিত কাউকে বাঁচাবি,
নাকি তোর প্রিয় দুইজনকে হারাবি!
আর সাথে, প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের পুরো ব্যাচের জীবন নষ্ট করে দিবি?
সমাধান কর।
এটি একশ নাম্বারের প্রশ্ন।
সমাধান কর।
আমাদের তদন্ত আমাদের প্রিয় মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
প্রথমে তুই ছিলি, তারপরে দাদু, আর এখন আবোলি।
ভুভু, আমরা অনেক দূর চলে এসেছিলাম... কিন্তু এখন সব বাদ দিতে হবে।
কোনও রাস্তাই তো খুঁজে পাচ্ছি না।
বানেশ কুমার।
তুমি এভাবে বাঁচতে পারবে,
আমরা পারব না।
দাদু!
আমার কথা শোনো, এটা ঠিক যে তোমার কারণে আমার উপর হামলা হয়েছিল।
তবে আমি এখন নিরাপদ, সেজন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
তুমি এসব না করলে,
আমার কখনই এসব করার সাহস হতো না।
আমোলকে ওয়ারড্রোবের ভিতরে লুকানোর বুদ্ধিও আসতো না।
তোমার মতো করে আমাকে তুমি ভাবতে শিখিয়েছ!
তুমি না বলেছিলে, হাল ছেড়ে দেওয়া সহজ, তারপরেও লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।
কিন্তু দাদু, সে আমাকে যা করতে বলছে তা আমি করতে পারব না!
তুমি তো আর একা নও!
বুদ্ধিমান আর সৎ ছেলেরা তোমার সাথে আছে।
এই জালিয়াতি যেকোনও মূল্যে বন্ধ করতে হবে।
নয়তো, এই চক্রের পাল্লায় পড়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট হবে।
দেবী সরস্বতীর দোয়া বৃথা হতে পারে না।
বিজয় তুই কি পৌঁছেছিস?
আমি মন্দির থেকে বের হয়েছি।
বানিয়া, বানিয়া।
বানিয়া।
আমাকে ছেড়ে দে।
- তুমি আমাকে এখানে এনেছ কেন? - প্লিজ, আমার কথা শোনো।
- তুমি আমাকে এখানে এনেছ কেন? - আমার কথা শোনো।
আইপিএলে খেলোয়াড়দের নিলাম হয় জানিস?
এটি ঠিক সেই নিলামের মতো।
তেকোড়ে, তুই এখন থেকে আমাদের দলে।
তোকে বিশ্বাস করেছিলাম, কিন্তু, এই কাজ কেন করলি?
- আমি তোকে বিশ্বাস করেছিলাম। - আমি দুঃখিত, আর কোনও উপায় ছিলো না।
আমাকে ছেড়ে দে।
- আমাকে ছেড়ে দে! - বানিয়া।
আরে, ফিনে...
আপ্পা তোকে একটা ম্যাসেজ দিয়েছে।
মেডিকেলের রেজাল্ট উল্টাপাল্টা করা হবেই।
তোর পাকনামির জন্য হাজার হাজার শিক্ষার্থীর পুরো জীবন বরবাদ হয়ে যাবে।
এভাবেই শেষ বলে ছক্কা মারতে হয়!
- চল! - তুই আমাকে এজন্য এখানে এনেছিলি?
- ধন্যবাদ। - পার্কার!
খান্দেরও...
দারুন!
আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মনোহর কোল্টেকে,
কিছু কথা বলার জন্য অনুরোধ করছি।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় না।
প্রতিষ্ঠান শুরু হয়,
তোমাদের মত উজ্জ্বল ছাত্রদের কৃতিত্ব দিয়ে।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ প্রাপ্য।
এই গ্রুপ ওফ ইনস্টিটিউটের এটাই একমাত্র উদ্দেশ্য।
প্রথম পর্যায়ে দুটি কলেজ, হল, প্রচুর বইসহ লাইব্রেরী,
- এবং ক্যাম্পাসে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই। - হ্যাঁ, বিজয়া।
- কী হয়েছে? - আপ্পা, সে আমাদের বোকা বানিয়েছে।
- কী? - ও আমোল তেকোড়ে না।
কী?
এ হচ্ছে রাহুল খামকার।
- কী? - পরে, আমাদের এসব নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
ওকে ছেড়ে দে।
বিজয়া, এসব কীভাবে হলো?
জানি না, কিন্তু...
বাজে কথা বন্ধ করে ওকে গিয়ে খুঁজে বের কর।
এটাকে দ্বিধা বলে।
শিক্ষার ভবিষ্যত কী?
একজন শিক্ষার্থী কীভাবে প্রস্তুতি নেবে?
তারা কি সুযোগ সুবিধা পাবে?
আমি নিশ্চিত, এই প্রশ্নগুলি আপনাদের মাথায় আসে।
কিন্তু বন্ধুরা, এই দুটোই প্রশ্নের উত্তরই আপনারা এই ক্যাম্পাসে খুঁজে পাবেন।
কিরে, আপ্পা।
আজ রাতে তোকে অনেক ফিটফাট লাগছে।
কিন্তু, এতো চিন্তিত দেখাচ্ছে কেন?
আমোল কোথায়?
আমরা জানি।
আপনাদের এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা জানি ।
আপ্পা, তুই কী ভাবিস তুই একাই আরেকজনের পরীক্ষা দিতে পারিস?
এসব আমরাও পারি।
ফিনে, তোকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।
তোকে টুকরো টুকরো করে ফেলব! আমার সাথে পাংখা নিস না।
সবাইকে ধন্যবাদ।
তাড়াতাড়ি বল!
আমল কীভাবে গায়েব হয়ে গেল?
কীভাবে গায়েব হয়ে গেল?
বাদ দে।
তবে, সে কীভাবে দেখা দেবে তা তোকে বলে দিচ্ছি।
বন্ধুরা, যখন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করা হচ্ছে...
এর পিছনে আমাদের কিছু গল্প আছে।
চলুন, আমাদের গল্প দেখা যাক।
ভিডিও, প্লিজ...
রাহুল খামকার।
তোর খেলা শেষ।
আমাকে ছেড়ে দে।
আমাকে ছেড়ে দে।
চুপ কর।
আমরা তোকে ছেড়ে দেবো কেনও?
আমার বাবা শিক্ষামন্ত্রী।
তোরা জানিস সে কে! শিক্ষামন্ত্রী!
মনোহর কোল্টে।
- মিথ্যাবাদী। - চুপ কর।
উনি আমার বাবা।
তার প্রথম স্ত্রীর ছেলে।
আমাদের ব্যাপারে কেউ জানে না।
কিন্তু, আমার বাবা জানতে পারলে উনি তোদেরকে বাঁচতে দেবে না।
আমি আমোল তেকোড়ে।
শিক্ষামন্ত্রীর ছেলে রাহুল খামকার,
এক রাতে মোটর বাইক প্রতিযোগিতায় দুর্ঘটনায় পড়ে।
তাই, আপ্পা আন্ধারে আমাকে বলেছিলেন,
তার জায়গায় মেডিকেল ভর্তির পরীক্ষা দিয়ে দিতে।
ধানেশ লানজেকার নামের এক ছেলে আমাকে চিনে ফেলে।
ঠিক তখনই, সেই কলেজে আমার চোখের সামনে...
আপ্পা আন্ধারে তাকে খুন করে।
ধানেশ লানজেকার আত্মহত্যা করেনি।
এরা সবাই মিলে ওকে খুন করেছে।
ওকে খুন করা হয়েছিল।
সবাইকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।
সবাইকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।
- দুঃখিত স্যার, আমি কিছুই জানতাম না। - স্যার, এসব কী সত্য?
স্যার, উনি কি আপনার ছেলে?
ওই, আপ্পা!
দেখলি তো...
এই কারণেই তোর স্কুলে পড়াশোনা করা উচিত ছিল।
তুই যদি তোর বন্ধুদের কথা শুনতি...
তাহলে, তোকে আজকে পালাতে হতো না।
তুই ওখানে থাকলি না কেন?
পুরো ঘটনাটি আমরা ফেসবুকে লাইভ করেছি!
আরে, তুই কী মনে করেছিস?
এতে করে পুরো সিস্টেম পাল্টে যাবে?
পড়াশোনা থাকলে, টাকা থাকবে।
টাকা থাকলে ক্ষমতাও থাকবে।
এই ক্ষমতা ব্যবহার করে আমি চলে যাচ্ছি।
যা...
পালিয়ে যা...
কিন্তু, কোথায় যাবি?
মন্ত্রী তো গা ঢাকা দিয়েছে।
দত্ত তো অর্ধেক মরেই গেছে।
বিজয় নিকম পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
শুধু তুই বাকি, যে সব জানে।
কাগজপত্র ঠিক করা, ভর্তি করা, অন্যের পরীক্ষা দেয়া...
আরো হয়তো অনেক বড়ো বড়ো কাজ করেছিস।
তাদের সবাই তোর জন্য অপেক্ষা করছে।
ওদের নাম যেনও প্রকাশ না পায়,
সেজন্য, ওরা সবাই তোকে চুপ করিয়ে রাখতে চাইছে।
তুই কী করবি?
তুই কী করবি, আপ্পা?
নাকি, এই ছাদ থেকে লাফ দিবি?
তোরা না মারা পর্যন্ত আমি কোথাও যাবো না ।
তুই...
তুই আমাকে ইনসুলিন দিয়ে হত্যা করতে চাইছিস?
তোকে কে বললো যে এতে ইনসুলিন আছে?
তুই পাঁচ মিনিটের মধ্যে অজ্ঞান হয়ে যাবি।
আমি কী করব তা তোকে বলে দিচ্ছি, যাতে এসব তোকে পরে তাড়া না করে।
তুই পরীক্ষার কাগজ সেট করেছিলি না?
দেখ, আমি কীভাবে এর সমাধান করি।
অপশন ১: রাহুল খামকার।
দুইজন রাহুল খামকার ছিল।
আমি প্রথম রাহুল জ্যোতি খামকারের বাড়িতে গিয়েছিলাম।
তাকে অনেক ধনী বলে মনে হয়েছিল।
তার বাড়িতে সরস্বতীর মূর্তি দেখেছিলাম।
মনে পড়লো, মূর্তিটা আগে কোথাও দেখেছি।
হাসপাতালে দাদু দেবী সরস্বতীর কথা বলেছিলেন।
হঠাৎ সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেল!
শিক্ষামন্ত্রী একটি অনুষ্ঠানে যেমন মূর্তি পেয়েছিলেন,
ওই মূর্তিটা ঠিক সেরকমই ছিলো।
একটা ছেলে তার মায়ের নামে পরিচিত,
এবং তার বাবার পরিচয় গোপন রেখেছে,
তারপরেও সে কীভাবে এত ধনী হলো?
আমার মনে সন্দেহ হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় জানতে পারি যে সে তার মোটর বাইক বিক্রি করতে চায়।
আমি সাথে সাথে তাকে ফোন করেছিলাম।
হ্যালো, রাহুল খামকার?
হ্যাঁ, বলছি।
আপনার মোটর বাইক বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখেছি।
আমি ওটা কিনতে আগ্রহী।
আমরা কি ডিপি চৌকিতে দেখা করতে পারি?
দশ মিনিটের মধ্যে পারব।
ঠিক আছে, আমি ওখানে আসছি।
আমি ওকে ডিপি কর্নার থেকে অপহরণ করেছিলাম।
আমরা তাকে জোরাজুরি করি,
আর তার বাবা, শিক্ষামন্ত্রী সম্পর্কে সত্য জানতে পারি।
অপশন ২: আমোল তেকোড়ে।
আমোলের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতেই হয়েছিল,
নয়ত, এসব কিছুই সম্ভব হতো না।
বিজয় যখন আমোলকে গাড়ির ট্রাংকে করে নিয়ে যাচ্ছিল,
আম্বাদাস বেবি ট্যাক্সি পেছনে চালিয়ে তার গাড়িতে ধাক্কা মারে।
রাস্তা থেকে সরে যা।
তুই কি সত্যি সত্যি উল্টো করে চালাচ্ছিস?
এটা কি তোর বাবার রাস্তা?
না, আম্বাদাসের বাবা ভিন্ন চাকরি করত।
ভিন্ন চাকরি করত?
- ক্ষতিপূরণ কে দেবে? - জানি না।
কী হচ্ছে এখানে? তাড়াতাড়ি কর।
- ক্ষতিপূরণ কে দেবে? - চল, যাই।
স্যার, দেখলেন তো?
সে উল্টো পথে গাড়ি চালাচ্ছে, তার নাম্বার প্লেট ভেঙে গেছে।
কিন্তু, আম্বাদাসের পুরো বেবি ট্যাক্সি নষ্ট হয়ে গেছে। সে কীসের জন্য চিৎকার করছে?
আর তখনই আমোলকে বের করে রাহুলকে ভিতরে রাখা হয়।
স্যার, আপনি সিদ্ধান্ত নিন।
- আচ্ছা, চলে যান। - তুই যা।
সে তার বাইরের স্ট্যাম্প ঢাকতে চেষ্টা করার পরেও বোল্ড আউট হয়ে যায়।
অপশন ৩: তোর আস্তানা।
ভর্তি হয়ে গেলে, রেস্টুরেন্টে গিয়ে মিটিং করে নতুন জুতোর বাক্স নিয়ে আসতি।
পুলিশের দল নিয়ে ইন্সপেক্টর সেখানে তল্লাশি চালায়।
সেখানে তারা অনেকগুলো জুতোর বাক্স খুঁজে পায়।
মজার বিষয় হলো, ওই বাক্সগুলিতে কোনও জুতো ছিল না।
দেখো...
- সব জব্দ করো। - জি, স্যার।
এবং অপশন ৪: তুই নিজে!
রুদ্রনাথ ওরফে আপ্পা আন্ধারে।
ডায়াবেটিস আছে, আর খুব কথা বলে!
প্রভু শিবের ভক্ত, মন দিয়ে শিক্ষার ব্যবসায় করে!
থানায় তোর কাছে আমি ইনসুলিন দেখেছিলাম।
তারমানে, ডায়াবেটিস আছে।
তোর কপালের তিলকে বুঝা যায় যে তুই শিবের ভক্ত।
আজ সোমবার।
ভেবেছিলাম, মন্দিরে তোকে প্রসাদ দেওয়া হবে।
তুই কি কিছু বুঝতে পেরেছিস যে, আজ সকালে মন্দিরে তোর সাথে কী হয়েছিল?
বিজয়া তুই পৌঁছেছিস?
আমি এখনই মন্দির থেকে বের হচ্ছি।
- আরে, গাধা। - দুঃখিত।
দুঃখিত, দুঃখিত।
তুই এতকিছু ভাবতে পারিসনি,
কিন্তু, সেই একটি ধাক্কাই তোকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট ছিল।
মেডিকেলে পড়ে অনেক সুবিধা হয়েছে।
কত নাম্বার পেয়েছি, সেই কথা থাক।
যাই পড়েছিলাম, সেটা আজকে কাজে লেগেছে।
তুই একজনকে বাঁচানোর জন্য বেছে নিতে বলেছিলি।
আমি চারজনকেই বেছে নিয়েছিলাম।
আবুলি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিল।
পিলাই এবং ধুরির ব্যাপারে দাদু পুলিশকে জানিয়েছিল।
আমার বাবা আমাকে একবার বলেছিলেন,
"বানিয়া..."
"যেখানে শিক্ষা আছে, সেখানে ভয়ের কিছু নেই।"
"যেখানে ভয় রয়েছে, সেখানে শিক্ষা বলতে কিছু থাকে না।"
বাকি কথা মনে থাকুক আর না থাকুক,
এই কথা কখনোই ভুলতে পারব না।
এক নাটকীয় মোড়ে শিক্ষা কেলেঙ্কারীর জন্য...
রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী মনোহর কোল্টেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে।
যা পুরো মহারাষ্ট্র রাজ্যকে হতবাক করে দিয়েছে।
সাতজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে,
এবং এতে অনেক সম্মানীত ব্যক্তির নাম রয়েছে।
মৃত ধানেশ লানজেকার ২০০ এর মধ্যে ১৯৯ নাম্বার পেয়ে,
রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
বানেশ, ১৯৯! সে পেয়েছে ১৯৯ নাম্বার!
আমাদের ধানেশ প্রথম হয়েছে!
হ্যাঁ।
আমরা সেফ রুম থেকে তার আসল কাগজ উদ্ধার করে চেক করেছি।
দুঃখিত, আপনার ছেলে ডাক্তার হতে পারেনি।
কিন্তু, এরপর থেকে সকল যোগ্য ছাত্রছাত্রী...
তাদের নিজস্ব যোগ্যতায় ডাক্তার হবে।
ঠিক আছে?
লেখককে লিখতে অনুপ্রেরণা জোগায়,
একজন লেখক জীবনে এরকম চরিত্র খুব কমই খুঁজে পান।
তুমি আমার কাছে সেই প্রেরণা, ফাফি।
তোমার সাহসিকতার ব্যাপারে পুরো বিশ্বকে বলব।
তুমি আমাকে বাস্তব জীবনের এই আধুনিক অভিযানের মুখোমুখি করেছ।
আর তুমি শুধু দ্রুতই ছুটো না,
তুমি প্রতিভাবান এবং দুষ্টু।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.