Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
চলো! চলো! চলো! চলো! চলো!
-গাড়ি ছাড়ো। -তাড়াতাড়ি ভাগো এখান থেকে!
মেইন রোড ধরে এগিয়ে যাচ্ছে।
- ওদেরকে খসাতে হবে, মিক! - চেষ্টা তো করছি!
- গলিতে ঢোকো। ডানদিকে। - আচ্ছা।
ধ্যাত!
ওকে। ওকে।
- শালার! আরও আসছে! - ওহ, শিট!
৭ নাম্বার রোডের দিকে যাচ্ছে।
কিছু করো, কালি। কিছু একটা করো!
সামনে ডানদিকে একটা টানেল আছে। ওটা ধরেই এগিয়ে যাবে।
হারামজাদাগুলোকে পেয়েছি এবার!
বুম।
ওহ খোদা!
তোমার সমস্যাটা কী, অ্যাডামস? কী করছো এসব?
অ্যাডামস! কী হলো। সমস্যাটা কী? থামলে কেন?
অ্যাডামস! অ্যাডামস!
অ্যাডামস, কী বলছি তোমাকে?!
অ্যাডামস! অ্যাডামস!
Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Translated By HASIBUJJAMAN HASIB ; MOHAMMAD YOUSUF SARAH IQBAL ; KAMRUL HASAN SHIMUL ; RUBAYED HASAN FUAD ANAS AHMED
Edited By F U A D A N A S A H M E D
S T R A N G E R T H I N G S ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
CHAPTER ONE MADMAX
শালা! শালা!
- আরও একটা খুচরা পয়সা! - ডাস্টি, সাবধানে! মিউস ব্যথা পাবে তো।
- তোমার কুশনের নিচে একবার দেখতে দিবে প্লিজ? - ডাস্টি।
মম, প্লিজ? খুব জরুরি!
আমার আদরের মিউটা কী বলে রে!?
ভালো থেকো, মম।
লুকাস, শুনতে পাচ্ছো? ২৫ সেন্ট পেয়েছি চারটা। তোমার কী খবর?
তোমার খুচরার পাঁচ গুণ পেয়েছি আমি।
- কীভাবে? - তুমি যখন এতিমের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছো
আমি তখন বুড়ো হামফ্রির লন সাফ করে দিয়েছি।
বুড়ো হামফ্রির এত টাকা হলো কবে?
- কথা বন্ধ করে, মাইককে কল দাও। - তুমি দাও।
সারাদিনের পরিশ্রম সেরে এখন আমি সুপুরুষের মতো গোসল করতে যাচ্ছি।
ওভার অ্যান্ড আউট।
মাইক, শুনছো? মাইক, শুনতে পাচ্ছো?
হ্যাঁ। হ্যাঁ, শুনছি।
- তুমি এই চ্যানেলে কী করছো? - কিছু না।
আমার আর লুকাসের মোট ছয় ডলার হয়েছে।
- তোমার কী খবর? - ইশ্! এখনও জানি না।
- জানো না মানে? - আসছি আমি। উইলকে কল দাও।
কী করছো তুমি?
ফেরত দিয়ে দিবো!
- বাই! - মাইক!
- মাইক! দাড়াও বলছি! - এই। বাসার ভেতর দৌড়াদৌড়ি করবে না।
কী শুরু করলে তোমরা?
মাইক! মাইক!
বজ্জাত!
- হেই! - আচ্ছা। দু'ঘণ্টা পর নিতে আসবো আমি।
- ঠিক ৯:০০ টায়, ওকে? - ওকে।
যে কোনো প্রয়োজনে, যদি বাসায় ফিরতে চাও,
ওদের ফোন থেকে বাসায় একটা কল দিতে বলবে। ওকে?
- হেঁটে... - হেঁটে কিংবা বাইকে ফেরা যাবে না। জানি আমি।
- আচ্ছা। বাবা... - মম, এখন যাই।
যাও মজা করো।
ড্রাগনকে খতম করতে ব্যবহার করো জাদুর তরবারি!
ওহ, খোদা! অচেনা এক জায়গায় চলে এলাম তো আমি।
- নিচু হও! নিচু হও! নিচু হও! - হচ্ছি! হচ্ছি!
যাচ্ছি! যাচ্ছি! যাচ্ছি!
আচ্ছা। চুপ করো। চুপ করো। চুপ করো!
না। না। না!
না! না! না! এই গেমটা একদমই সহ্য হয়না আমার।
ছাতামাথার ফালতু গেম!
এখনও তোমার খেলা শেখার অনেক বাকি। কিন্তু শিখতে বেশিদিন লাগবে না।
কিন্তু তার আগ পর্যন্ত, প্রিন্সেস ড্যাফনি শুধুই আমার।
যাইহোক। সেন্টাপিড আর ডিগ ডাগ-এ আমি এখনো সবার ওপরে আছি!
ঠিক জানো তো?
কী জেনে বলবো?
ফাজলামো হচ্ছে আমার সাথে?!
সরো! সরো! না, না, না, না, না। এই! না! না! না!
- ৭৫১,৩০০ পয়েন্ট! - অসম্ভব।
- ম্যাডম্যাক্স কে? - তোমার চেয়ে ভালো কেউ।
- তুমি নাকি? - জানোই তো ডিগ ডাগ আমার একদম সহ্য হয় না।
- তাহলে কে? - হ্যাঁ, বলে ফেলো, কিথ।
বলতে পারি। সেজন্য আমাকেও কিন্তু কিছু দিতে হবে।
না, না না। অসম্ভব। আমার বোনের সাথে কোনোভাবেই তোমাকে দেয়া সম্ভব না।
মাইক, রাজি হয়ে যাও। যা চায় দিয়ে দাও।
আমার বোন কোনো রাস্তার মেয়ে না!
- কিন্তু, এটা তো ভালোর জন্যই। - না, থাক বাদ দাও ওসব। কী বলছি শোনো,
ও তোমার পরিবারে ওর জঘন্য ফুস্কুড়ি ছড়িয়ে দেবে।
ব্রণ আর ফুস্কুড়ি এক না। আর এটা মোটেও ছোঁয়াচে না, ইঁচড়ে পাকা বদমাশ কোথাকার।
ওহ, আমি বদমাশ? তোমার সঙ্গে ডেটে যেতে ওর বয়েই গেছে।
কত কামাও তুমি, হ্যাঁ? ঘণ্টায় আড়াই ডলার?
- বেশ। - আমার চুল নিয়েও তাহলে একটু মজা করো?
হেই। হেই, তোমরা কি...
উইল! তুমি ঠিক আছো?
হ্যাঁ। একটু...
- দম নিতে এলাম। - এসো। ডিগডাগ খেলতে হবে।
শীর্ষস্থান আবার জিতে নেই চলো, হাহ্?
গুড মর্নিং, জিম।
- জিম। একটু দাড়াও। কথা আছে। - দূর হও আমার সামনে থেকে।
আচ্ছা, না... কথাটা আসলেই তোমার শোনা দরকার।
- চলে যাও, চলে যাও তুমি। - বিশ্বাস করো। মাত্র পাঁচটা মিনিট লাগবে!
হ্যাঁ, আমি বো ডেরেকের সাথে ডেটে যেতে চাই। প্রত্যেকেরই তো কিছু চাওয়া থাকে।
এটা ছোটখাটো কোনো ব্যাপার না, জিম।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বুঝলে?
আমি বেশ খোঁজখবর নিয়েই এসেছি। বলছি তো!
- হেই। মর্নিং, চিফ। - মর্নিং।
মর্নিং, মারে।
তোমার পেছনে খোঁচাতে থাকা এলিয়েনগুলোর কোনো হদিশ পেলে, মারে?
আমার বিশ্বাস, হকিন্সে রাশিয়ান স্পাই ছিল। কে জানে, হয়তো এখনও আছে।
রাশিয়ান স্পাই!
এলিয়েনদের সাথে এবার স্পাইও যোগ হয়েছে নাকি? নয়তো এখানে এলো কীভাবে? ঠিক বুঝতে পারলাম না।
একাধিক রিপোর্টের ভিত্তিতে বলছি আমি। একাধিক রিপোর্ট, বুঝলে?
হকিন্সে একটি রাশিয়ান বাচ্চা অবস্থান করছে।
- বাচ্চা? কী বলছো এসব? - অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মেয়ে।
- "অলৌকিক"? - "অতিমানবিক"।
যে মেয়েটা একটা বাচ্চার প্যান্ট ভিজিয়ে দিয়েছিল ওর কথা বলছে নাকি?
- ওটা প্র্যাংক ছিল। - কোন মেয়ে?
প্র্যাংক তো মনে হয় না।
আচ্ছা, পাঁচ মিনিট দিলাম তোমাকে। এক সেকেন্ডও বেশি পাবে না।
সুপারশপের এক কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে,
এক বাচ্চা মেয়ে স্পর্শ না করেই দরজা ভেঙে ফেলেছিল।
ওটা শুনেছি।
চিমনি থেকে বের হওয়া দাড়িওয়ালা মোটুর গল্পটা শুনেছো?
তারপর গতমাসে, টেড হুইলারের এক সহকর্মী দাবি করে
মাথা কামানো এক রাশিয়ান মেয়ে টেডের বেজমেন্টে লুকিয়ে ছিল।
এখন অবশ্য টেড তা অস্বীকার করছে।
- ওহ, ওয়াও, দারুণ তো! - কিন্তু এদের মধ্যে যোগসূত্র আছে।
- বুঝিয়ে বলো। - এই মেয়েটা, আসলে...
কোনো এক ধরনের রাশিয়ান অস্ত্র, ঠিক আছে?
বারবারা ঐ মেয়েটাকে দেখে হয়তো সাহায্য করতে চেয়েছিল।
কিন্তু তার আগেই রাশিয়ানরা ওদের ধরে নিয়ে গেছে...
দাঁড়াও, মানে তুমি বলতে চাচ্ছো, বারবারা হল্যান্ডকে রাশিয়ান স্পাই-রা কিডন্যাপ করেছে?
- কিডন্যাপ করেছে, খুনও করেছে। - খুনও করেছে?
- বুঝতে পারছো না, জিম? - না।
এর সঙ্গে হয়তো আন্তর্জাতিক কোনো ষড়যন্ত্রও যুক্ত থাকতে পারে।
হকিন্সে রাশিয়ানদের অনুপ্রবেশের কথা বলছি আমি
তোমার কাছে ঐ মেয়ের কোনো খোঁজ আছে? মানে, দিনকয়েকের মধ্যে কেউ তাকে দেখেছে?
এগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার...
এক্সকিউজ মি, সরি...
- ওকে। - হ্যালো?
মেরিল কল করেছিল। ওর কুমড়ো ক্ষেত দেখে আসতে বলেছে।
- বললো, ওর বজ্জাত প্রতিবেশী... - অলরাইট।
...ইউজিন নাকি, ওর সব নষ্ট করেছে। ধন্যবাদ।
সরি, এভাবে কথার মাঝখানে চলে যাওয়াটা আমার মোটেও পছন্দ না।
- কিন্তু, কী আর করার, ইমার্জেন্সি। - পাঁচ মিনিট সময় দিয়েছিলে।
হ্যাঁ, শোনো, তোমার এলিয়েন থিওরিটাই বরং বেশি ভালো ছিল।
আর একটা পরামর্শ দেবো?
অহেতুক বনের মোষ না তাড়িয়ে বাড়ি যাও? বুঝলে?
- দেখো, আমি কোনো মোষ-টোষ তাড়াচ্ছি না। - যা বলছি শোনো, বাড়ি যাও।
জানি, জঘন্য হয়েছে।
না, মোটেও না।
- একদম ভালো হয়নি। - আরে, হয়ে যাবে।
শুধু একটু সাজাতে হবে।
- দাগ দেয়া যাবে? - হ্যাঁ, অবশ্যই।
প্রথম প্যারাগ্রাফে, তুমি
নর্দার্নের বিপক্ষে বাস্কেটবল খেলার কথাটা ব্যবহার করেছো
তোমার জীবনের রূপক হিসেবে, এটা ভালো ছিল।
কিন্তু, তারপর এখানে,
হঠাৎ, যুদ্ধে তোমার দাদুর অভিজ্ঞতার কথা বলতে শুরু করলে।
বাস্কেটবল? যুদ্ধ? কানেকশন কী? 🤔🤔🤔
কানেকশন আছে, কারণ...
কারণ, আমরা দু'জনই জয়ী হয়েছিলাম।
- আবার প্রথম থেকে শুরু করবো? - না, মানে...
ডেডলাইনটা কবে?
কালকেই অগ্রিম আবেদনের শেষ দিন।
আজ রাতে আমায় সাহায্য করতে আসবে?
আজ রাতে আমাদের ডিনার করার কথা, মনে আছে?
- ওহ,মাই গড! - গত সপ্তাহেও বাদ দেয়া হয়েছিল।
- থাক, তোমার যাওয়া লাগবে না, এসব নিয়েই থাকো - না, না, না। লাভটাই বা কী?
- এই, শান্ত হও। - শান্তই আছি। আমি শান্তই আছি।
সত্যিটাই ভেবে দেখলাম, আসলে...
- শেষমেশ ড্যাডের সাথেই আমার কাজ করতে হবে। - মোটেও না।
জানি না, ন্যান্স। কেমন হবে বলো তো?
ইনস্যুরেন্স আছে, সুযোগ সুবিধাও আছে। সাথে আরও কত কিছু।
আর সুযোগটা নিলে, সামনের বছরটাও তোমার সাথে কাটাতে পারতাম।
- স্টিভ... - শুধু তোমায় একটু দেখে রাখতাম আরকি।
এই অধমকে যেন ভুলে না যাও।
ন্যান্স, সত্যি বলছি।
- আই লাভ ইউ। - আই লাভ ইউ, টু।
হ্যান্ডসামটা কে রে?
উপরওয়ালাই ভালো জানেন।
ফিগার দেখলি?
কেমন হেলে-দুলে যাচ্ছে।
এই হলো মানব-মস্তিষ্ক।
জানি, জানি, পুরোপুরি মিলছে না।
দেখতে আরেকটু থিকথিকে, তাই না? আপাতত এটা দিয়েই কাজ চালানো যাক।
এতে রয়েছে বিবর্তনের ফলে সৃষ্ট লক্ষকোটি কোষ।
যারা কাজ করে সমষ্টিগতভাবে।
না, আমি মোটেও ভুল বলিনি। মাথাও ঠিক আছে আমার...
একশত বিলিয়ন।
আহ, তুমিই তাহলে আমাদের নতুন শিক্ষার্থী।
হ্যাঁ, আপনার জন্যই নিয়ে এলাম।
আচ্ছা, দাঁড়াও, দাঁড়াও। এত সহজে যেতে পারবে না।
এদিকে দাঁড়াও, লজ্জার কিছু নেই।
ডাস্টিন, ড্রাম বাজাও।
ক্লাস, স্বাগত জানাও, সুদূর ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আগত...
আমাদের কৌতূহলী যাত্রায় যুক্ত হওয়া নতুন এক সঙ্গী, ম্যাক্সিন।
- নামটা ম্যাক্স। - সরি?
কেউ আমায় ম্যাক্সিন ডাকে না, ম্যাক্স বললেই হবে।
- ম্যাডম্যাক্স। - বসে পরো, ম্যাক্স।
- হ্যালো। - হাই।
এটা ছাড়া আর কোনো রঙের হবে? কমলা রঙ টা আমার পছন্দ হয়।
হুম...
পেছনটায় একবার দেখতে হবে।
ওহ, শিট!
- তুমি আমার তো চাকরি খাবে দেখছি। - সেটাই তো আমার মাস্টার-প্ল্যান।
চাকরি গেলেই তো তোমাকে আমার ওখানে চাকরি দিতে দেবো, তখন আর লুকোচুরি খেলতে হবে না।
বব? বব। এখন কাজে যেতে হবে।
জানি, সরি। তোমাকে ভুলতেই পারছি না।
- নিজেকে টিনেজারের মনে হচ্ছে। - আমারও।
মনে পড়ে? হাই স্কুলে তো তুমি আমাকে চিনতেই না।
থামো।
বব, এবার যেতে হবে।
ওকে।
তুমি গিয়ে ইলেক্ট্রনিক হাবিজাবি বিক্রি করো। রাতে আমরা একসাথে মুভি দেখবো।
মুভি আজ জোনাথান বাছাই করবে?
- হ্যাঁ। - ওকে।
- ওকে, ওকে। - ওকে।
আরে দেখো, সবুজও একটা আছে।
জোনাথানকে বোলো, হরর কিছু যেন না নেয়, হরর মুভি আমার একদম পছন্দ না।
আপনি বলছেন, গতকালও এগুলো ভালো ছিল?
শুধু ভালো?
এ অঞ্চলের সেরা ছিল এগুলো, চিফ। আপনার তো দেখার কথা।
হাজারও চেষ্টা করেও এর কারণ বুঝে উঠতে পারিনি।
তারপরই মনে পড়লো... ইউজিনের কথা।
কেন?
যার তার কাছে আমার নামে বাজে কথা বলে বেড়াচ্ছিল।
কেন?
আসলে, "পিক ইউর পাম্পকিন" সিস্টেমটা ও-ই শুরু করেছিল।
কিন্তু, ভাবটা এমন যে, ওর অনুমতি ছাড়া আর কেউ করতে পারবে না।
আমি বললাম, "পারলে আইনগত ভাবে আগাও, দেখি কদ্দূর যেতে পারো!"
আপনার ধারণা ওই বুড়ো ইউজিনই
রাতের আঁধারে এসে আপনার ক্ষেতে বিষ ঢেলেছে?
ইউজিন নিজে আসেনি।
- হয়তো কাউকে দিয়ে করিয়েছে। - আচ্ছা!
শুনুন চিফ, ব্যাপারটা আমি হালকাভাবে নিচ্ছি না। বুঝতে পারছেন নিশ্চয়ই?
ঠিক হ্যালোউইনের আগের দিন যখন কিনা বেচাকেনা জমজমাট থাকার কথা, তখনই এমন ঘটলো!
কাকতালীয়ও তো বলা যায় না।
একদমই কাকতালীয় বলা যায় না।
ক্ষেতে কি কেউ কাজ করছে?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, তুইও মর!
হেই, আসতে ভুলবে না কিন্তু।
- হাই, ন্যান্সি। - হাই! থ্যাংকস।
- আরেকটা নেয়া যাবে? - হ্যাঁ, অবশ্যই।
চলে আসবে।
"চলে এসো। খেলা হবে!"
উহু, মোটেও আসছি না আমি।
হ্যালোউইনটাও কি তাহলে তুমি বসে বসে একা কাটাবে নাকি? এসব মেনে নেওয়া যায় না।
আসলে, আমায় নিয়ে ভেবো না। আমি একা থাকবো না।
উইলের সাথে ট্রিট-অর-ট্রিক এ থাকবো আমি।
- সারা রাত? - হ্যাঁ।
না, অসম্ভব। রাত ৮টার মধ্যেই বাড়ি ফিরে তুমি
টকিং হেডস শুনবে নয়তো ভোনেগ্যাট বা কিছু একটা পড়ে বাকি রাত কাটিয়ে দেবে।
শুনে তো বেশ ভালোই রাত কাটবে মনে হচ্ছে।
জোনাথান, চলে এসো তো। কে জানে, হয়তো মনের মতো কারো সাথে পরিচয়ও হয়ে যেতে পারে।
- ওহ মাই গড! এই অদ্ভুত চশমাটা খুলো তো! - তোমায় খুব মিস করছিলাম।
- মাত্র তো ঘন্টাখানেক হলো। - তাই নাকি?
আচ্ছা। আচ্ছা, হয়েছে। হয়েছে।
সরি।
- এই মেয়ে ম্যাড ম্যাক্স হতেই পারে না। - হুম। মেয়েরা আবার ভিডিও গেমস খেলে নাকি!
আর ওরা যদি খেলতও, ডিগডাগ এ ৭৫০,০০০ পয়েন্ট পাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়।
- অসম্ভব। - কিন্তু ওর নাম ম্যাক্স।
- তো কী হয়েছে? - তো, আর কয়টা ম্যাক্সকে চিনি আমরা?
- জানি না। - শূন্য। সংখ্যাটা শূন্য।
ও যেদিন স্কুলে পা রাখলো,
তার ঠিক আগের দিন, একই নামের কেউ একজন আমাদের টপ স্কোর ভেঙে ফেলল।
- মানে, ব্যাপারটা কেমন কাকতালীয় না? - ঠিক তাই। ও-ই নিশ্চয়ই সেই ম্যাড ম্যাক্স।
আর তাছাড়া, ও স্কেটবোর্ডও চালায়। তারমানে, ও ভালোই অস্থির বলা যায়।
অস্থির? এখনো তো ওর সাথে একটা কথাও বলোনি তুমি।
কথা বলার প্রয়োজনও নেই। মানে, একটা বার দেখো ওকে। আরে, গেল কোথায়?
ওহ! ঐ তো।
পেয়েছি। এই যে।
"আমার ওপর নজর রাখা বন্ধ করো, গাধার দল।"
ধুর ছাই।
উইলিয়াম বায়ার্স।
তোমার মা চলে এসেছেন।
কি মনে হয়, ও ঠিক আছে এখন?
বাড়ি ফিরে যাবার সময়, ও সবসময়ই অদ্ভুত আচরণ করে।
ঠিক জানি না। আজকে ও চুপচাপ ছিল।
সবসময়ই তো চুপচাপ থাকে।
এখন একটু ভালো লাগছে?
উইল?
হ্যাঁ। হ্যাঁ, সরি।
হেই। কী বলেছিলাম, মনে আছে? কথায় কথায় সরি বলা বন্ধ করতে হবে।
সরি। মানে, হ্যাঁ। মনে আছে।
আর শোনো, দুশ্চিন্তার কিছুই নেই, বুঝেছো?
শুধু বলবে, তুমি কাল রাতটা কেমন কেটেছে, কী কী দেখেছো এসব।
হেই, আর পুরোটা সময় আমি তোমার সাথেই থাকবো। তাই কোনো সমস্যাই হবে না, ওকে?
ওকে।
- হেই, কী খবর? - ভালো।
হেই।
স্যার উইল, কী খবর?
মা। বাবা।
চলো দেখা যাক, কী অবস্থা তোমার।
গতবারের চেয়ে, এক পাউন্ড ওজন কমে গেছে মনে হচ্ছে।
নিশ্চয়ই, হ্যালোউইন ক্যান্ডিদের জন্য জায়গা খালি করছো নিশ্চয়ই!
তোমার পছন্দের ক্যান্ডি কোনটা?
মরুভূমিতে বন্দী তুমি। একটা মাত্র ক্যান্ডি পাবে। বলো কোনটা চাও!
- বুঝতে পারছি না। - ভেবে দেখো।
জীবন-মরণ সমস্যা, যে কোনো একটা বেছে নিতে হবে?
- মনে হয়, রিসে'স পিসেস। - রিসে'স পিসেস।
দারুণ জিনিস। দারুণ জিনিস।
আমার অবশ্য মাউন্ড বেশি পছন্দ,
কিন্তু, পিনাট বাটার আর চকলেটের সাথে, কোনো কিছুরই তুলনা হয় না।
অলরাইট, এবার বলো তো কী খবর তোমার?
সর্বশেষ যে এপিসোডটা দেখেছো, সেটার কথাই বলো।
আসলে, আমরা বন্ধুরা আমার সাথেই ছিল, পর মুহূর্তেই দেখি ওরা নেই।
হঠাৎ আবার ওখানে চলে গিয়েছিলাম।
আপসাইড ডাউনে?
আচ্ছা, তারপর কী হলো?
বিকট শব্দ শুনে, বাইরে গেলাম, গিয়ে দেখি আরও ভয়ানক অবস্থা।
ভয়ানক মানে?
অদ্ভুত এক ঝড় হচ্ছিল।
আচ্ছা। ঝড় দেখে, তোমার কেমন লাগল?
আমি ভয়ে...
জমে গিয়েছিলাম।
-হার্টবিট বেড়ে গিয়েছিল? -শুধুই জমে গিয়েছিলাম।
জমে গিয়েছিলে মানে, ঠাণ্ডায় জমে যাওয়ার মতো?
না, খুব বেশি ভয় পেলে যেমন হয়,
কথা আঁটকে যায় দমবন্ধ হয়ে আসে।
মনে হচ্ছিল... মনে হচ্ছিল যেন সেই অশুভ শক্তি আমার দিকেই তাকিয়ে ছিল।
অশুভ শক্তি?
বেশ...তো সেই অশুভ শক্তি তোমার কাছে কী মনে করে এসেছিল?
খুন করতে।
তোমাকে খুন করতে?
আমাকে না।
বাকি সবাইকে।
দেখুন, আপনাদেরকে সরাসরি সত্যটাই বলছি।
ভালো হবার আগে অবস্থা হয়তো, আরেকটু বেশি খারাপ হবার সম্ভাবনা আছে।
আরও খারাপ? এই এক মাসেই তো দুটো এপিসোড দেখে ফেললো।
মাসটা শেষ হবার আগেই আরও কয়েকটা দেখে ফেলতে পারে।
এর নাম অ্যানিভার্সারি ইফেক্ট (বার্ষিক প্রভাব) সাধারণত সৈন্যদের ক্ষেত্রে এ সমস্যাটা দেখা যায়।
কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার অ্যানিভার্সারি, মস্তিষ্কে যন্ত্রণাদায়ক স্মৃতিগুলো ফিরিয়ে আনে
আরও ভালোভাবে বলতে, মস্তিষ্কে স্মৃতির বাঁধ যেন এ সময়টায় একদম খুলে যায়।
এসবের সাথে বাচ্চাটার সম্পর্ক কী?
ওর এসব দুঃস্বপ্ন চলতেই থাকবে?
হ্যাঁ, সেটা তো আছেই। পাশাপাশি, ব্যক্তিত্বেও কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
যেমন মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া। ক্ষিপ্র হয়ে যাওয়া।
আর তখন আমরা কী করবো?
আচ্ছা। মস্তিষ্কের এসব কেস নিয়ে আসলে, এখনও প্রচুর গবেষণা চলছে...
আর যতদূর জানি, রোগীর সাথে স্বাভাবিক আচরণ করাটাই সবচেয়ে বড় চিকিৎসা।
ওর পাশে থাকুন। জোর করে কথা বলাবেন না।
ওকে ইচ্ছেমতো থাকার সুযোগ দিন।
সরি, আপনি তাহলে বলছেন যে, ওর অবস্থা দিনের পর দিন শুধু খারাপ হবে
আর আমাদেরকে এসব দেখেও না দেখার অভিনয় করে যেতে হবে?
শুনতে অদ্ভুত লাগছে? লাগারই কথা।
কিন্তু, এটাতেই এখন ওর জন্য সবচেয়ে উপকার হবে।
দেখুন। গত বছর যা যা হয়েছিল, তার সবই জানি আমি।
কিন্তু, সেই লোকগুলো আর নেই। আর নেই। বুঝলেন?
তাই, এখন ব্যাপারটা সামলানোর ব্যাপারে
আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই, আমি আপনাদের জন্যই কাজ করছি।
শুধু বলবো, আমায় বিশ্বাস করুন।
"বিশ্বাস করুন"?
-এসব কী কথা? -হুম, আমি জানি।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে এসেছে, লোকটা কিছু তো অন্তত জানে।
আর দেখো, মস্তিষ্কে আঘাতের যে ব্যাপারটা বললো, সেটাও সত্যি।
ও ঠিক হয়ে যাবে। ঠিক আছে?
বব দ্য ব্রেইনের কী খবর?
এ নামে ডাকবে না ওকে।
সরি। পুরনো অভ্যেস।
ও ভালোই আছে। বেশ ভালো আছি আমরা।
বেশ তো। আমিও তোমাদের নিয়ে খুশি।
সত্যিই। হেই...
যে কোনো সমস্যায়, সবার আগে আমাকে জানাবে।
সবার আগে আমাকে জানাবে।
ওকে।
ওরা আপনার জন্য রেডি, স্যার।
-প্যাটি। -স্যাম।
গুড আফটারনুন, স্যার।
-আরও একটা উষ্ণ সফরে যাচ্ছো তাহলে? -ভাগ্যের লিখন, স্যার।
এখনও কিছু পাওনি?
কিচ্ছু না।
-ওহ! ধুর! মা তো আমায় আজ মেরেই ফেলবে। -তাহলে চলে যাও! ও এলে রেডিওতে জানিয়ে দেবো।
মতলব ভালোই। আমাকে ভাগিয়ে দিয়ে একলা ওকে পটানোর ফন্দি করেছো!
- হ্যাঁ, তুমি থাকলেই তো বিপদ! - ঠিক তাই।
কারণ, এই মুক্তোঝরা হাসির প্রেমে না পড়া অসম্ভব!
-টেন ও'ক্লক! টেন ও'ক্লক! -কী?
-তর্ক করছে! তর্ক করছে! -ওহ খোদা।
দেখতেই তো পাচ্ছি। এটা দেখতে আবার বাইনোকুলার লাগে নাকি!
আস্ত একটা গাধা!
মেয়েটা অসাধারণ।
ও-ই আমাদের...
ম্যাড ম্যাক্স।
ডিনার শেষে, ইয়ার্ড সেলের জন্য তোমাদের কিছু খেলনা নিয়ে আসবে।
-আচ্ছা। -দুই বাক্স ভরে।
-দুই বাক্স? -বললামই তো।
চাইলে, কয়েকটা দিতে পারি,
কিন্তু বাকিগুলোর সাথে আমার সব স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
-স্মৃতি? -ওগুলো শুধুই কয়েকটা প্লাস্টিকের টুকরো, মাইকেল।
আমার অ্যাটারিও তো নিয়ে গেছ।
নিজের খেলনা হারাতে না চাইলে, ন্যান্সির খেলনা চুরি করাও ঠিক হয়নি।
চুরি করিনি। আমি ধার নিয়েছিলাম।
ওহ, আর গত সপ্তাহে তুমি তো মি. কোয়ালস্কিকে গালিও দাও নি, তাই না?
অন্যের রচনা চুরি করো নি? আবার বাথরুমের দেওয়ালে ছবিও আঁকো নি?
বাথরুমের দেয়ালে তো সবাই-ই তো আঁকে।
তো তোমার বন্ধুরা পাহাড় থেকে লাফ দিলে, তোমারও লাফ দিতে হবে?
জানি, গত বছরটায় তোমার অনেক ধকল গেছে, মাইকেল। কিন্তু ধৈর্যের তো একটা সীমা আছে।
এসব তো এবারই প্রথম নয়।
১০ টা হলুদ কার্ড পেয়ে বসেছো। এবার তো বেঞ্চ গরম করতে হবে, বৎস।
আর যদি আমি দলের কোচ হতাম। তাহলেও, দলে ঠাঁই পেতে কিনা সন্দেহ।
দুটো বাক্স চাই। দুটো।
[বাড়িটি বিক্রি হবে]
ওকে, রেডি?
হ্যাঁ।
আচ্ছা।
কিছু মনে করো না, রান্না করতে পারিনি।
তোমাদের পছন্দের বেকড্ জিটি বানাতে নিচ্ছিলাম,
কিন্তু সময়ের কথা খেয়ালই ছিল না।
"পরে দেখি, ওরে বাপরে, ৫ টাকা বেজে গেছে!"
-সমস্যা নেই। -কেএফসি আমার খুব পছন্দ।
বাইরে "বাড়ি বিক্রির নোটিশ" সাইনবোর্ড দেখলাম।
ওটা কী পাশের বাড়ির কারো, নাকি...
-তুমি বলবে না আমি? -তুমিই বলো।
মারে বাউম্যান নামে এক লোককে ভাড়া করেছি। নাম শুনেছো?
-না। -পরিচিত লাগছে না।
শিকাগো সান-টাইমসের তদন্ত সাংবাদিক ছিলেন উনি।
বেশ নামডাক আছে।
এখন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেন। আর কেসটা উনি নিতে রাজি হয়েছেন।
দারুণ।
আসলেই বেশ দারুণ ব্যাপার।
আমি আসলে ঠিক বুঝতে পারছি না?
উনি ঠিক সেটাই করবেন, যা ঐ অলস গাধা হারামি জিম হপ...
সরি।
হকিন্স পুলিশ যা করতে পারেনি সেটাই করবেন উনি।
প্রথমবারের মতো, কেসটা একজন সত্যিকারের গোয়েন্দার হাতে পড়েছে।
মানে...
মানে আমরা এবার বার্বকে খুঁজে পাবো।
এই লোকটা ছাড়া আর কাউকে দিয়েই হবে না।
উনি অলরেডি কিছু দারুণ তথ্যও পেয়ে গেছেন। আমাদের শেষ নোটটা দিয়ে হলেও উনাকে চাই।
এজন্যই বাড়ি বিক্রি করে দিচ্ছেন?
চিন্তা করো না, মা। আমরা ভালো আছি।
খুব ভালো আছি।
বহুদিন পর, প্রথমবারের মতো একটু আশার আলো দেখতে পাচ্ছি আমরা।
এক্সকিউজ মি। আমি...একটু আসছি।
-অসাধারণ স্বাদ এটার। -হুম।
এল, শুনতে পাচ্ছো? এল?
এই যে আমি। মাইক।
৫৫২তম দিন, সন্ধ্যা ৭:৪০।
এখনও আমি লাইনে আছি।
কথাগুলো শুনতে পেলে কিছু একটা বলো, নয়তো কোনো সংকেত দাও।
আমি আসলে, খুব বেশি কথাও বলবো না। শুধু জানতে চাচ্ছি, তুমি ভালো আছো কিনা।
আমি একটা গাধা।
মাইক।
-মাইক? -হ্যালো, সত্যিই তুমি?
হ্যাঁ, সত্যিই আমি, ডাস্টিন। এই চ্যানেলে আবার কী করছো তুমি?
সারাটা দিন ধরে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। ঠিকই বলেছিলে। ম্যাক্সই আসলে ম্যাড ম্যাক্স।
-হ্যাঁ, আমি একটু ব্যস্ত আছি। -কিন্তু.....
-এখন আমরা কী করবো? -প্ল্যানমাফিকই কাজ করবো।
মাইকের তো পছন্দ হবে না।
শেষবার কী বলেছিলাম মনে আছে? আমাদের পার্টি স্বৈরাচারের কোনো স্থান নেই।
- এখানে চলবে শুধু গণতন্ত্র। - ম্যাক্স যদি "না" বলে?
এই মুক্তোঝরা হাসি দেখেও কীভাবে ম্যাক্স "না" বলবে?
এটা করতে মানা করেছি তোমাকে।
-কাল দেখা হবে। -আচ্ছা।
মিউস!
মিউস।
-থামো! থামো! -কী?
আহা, এসবে তো তোমায় মানিয়ে নিতে হবে। এটাই ভবিষ্যৎ।
এখন ভবিষ্যৎটা নামিয়ে রেখে, একটা খালি বাটি দাও।
হেই, ছোট্টবন্ধু। কোনটা ভালো লাগবে বুঝতে না পেরে, কয়েকটা নিয়ে এলাম।
-কোনটা দেখবে? -তোমার যেটা ইচ্ছা।
আচ্ছা।
কী করছো?
"জোম্বি বয়"? এই "জোম্বি বয়" টা কে?
-আমি। -কেউ তোমায় এ নামে ডেকেছে?
হেই, আমায় তো বলতে পারো।
যাই হোক না কেন, আমায় তো অন্তত বলতে পারো, উইল।
-আমার সাথে এমন করা বন্ধ করবে? -মানে? কেমন?
আর সবাই যেমনটা করে। যেন আমার সত্যিই কোনো সমস্যা আছে।
কী বলছো এসব?
মম, ডাস্টিন, লুকাস, সবাই।
এমন আচরণ করে মনে হয় যেন আমি অসুস্থ!
যেন আমি একটা ছোট বাচ্চা। যেন নিজেকে দেখে রাখার ক্ষমতাটুকুও নেই আমার।
এসব আমায় আরও বেশি কষ্ট দেয়। নিজেকে তখন সত্যিই অদ্ভুত কোনো প্রাণী মনে হয়।
-তুমি মোটেও অমন নয়। -হ্যাঁ, আমি অমনই।
আমি অমনই।
আসলে কী জানো? ঠিকই বলেছো।
তুমি আসলেই অদ্ভুত।
-মানে? -হ্যাঁ, সত্যি বলছি। তুমি আসলেই অদ্ভুত।
কিন্তু তাতে কী? তুমি কী স্বাভাবিক হতে চাও? আর দশটা মানুষের মতন হয়ে যেতে চাও?
অদ্ভুত হওয়াই সবচেয়ে ভালো। আমিও তো অদ্ভুত।
এজন্যই বুঝি, তোমার কোনো বন্ধু নেই?
আমার বন্ধু আছে, উইল।
তাহলে তুমি সবসময় আমার সাথেই আড্ডা দাও কেন?
কারণ তুমি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু, বুঝেছ?
বিরক্তিকর মানুষদের চেয়ে জোম্বি বয় এর সাথে বন্ধুত্ব করাই ভালো।
কী বললাম, বুঝতে পেরেছো?
আচ্ছা, দেখো...
কাকে তুমি বন্ধু বানাতে? বাউয়ি নাকি, কেনি রজার্স?
ঠিক তাই। এসব ব্যাপারে তুলনা চলে না।
আসল কথা হলো, স্বাভাবিক মানুষজন আজ পর্যন্ত
দুনিয়ায় তেমন কোনো কিছুই করতে পারে নি।
- বুঝতে পেরেছো? - বেশ...
- কেউ না কেউ তো কেনি রজার্সকে পছন্দ করেই। - কেনি রজার্স!
কেনি রজার্সকে আমি খুব পছন্দ করি।
- হাসির কী হলো? - কিছু না।
মি. মম। পারফেক্ট!
বাড়তি ডায়পারগুলো মমি কোথায় রাখে?
হেই! ভীতুর দল!
হেই।
আচ্ছা, বাজতে থাকুক।
অপ্রয়োজনীয় কোনো কল হবে হয়তো।
ওকে।
- বাদ দাও। - আরে, ভাই!
হেই, কী কথা ছিল আমাদের?
নো সিগনাল।
- মানে? - নো সিগনাল।
এখন ৮-১-৫ বাজে। দেরি করে ফেলেছো তুমি।
হ্যাঁ, একটু দেরি হয়ে গেছে। এরপর থেকে আর ভুল হবে না, ঠিক আছে?
আর এখন ৮টা ১৫ বাজে। একে ৮-১-৫ বলা যাবে না।
আটটা পনেরো।
এখন বলো তো, কী কী শিখেছিলাম আমরা?
প্রথমে ডিনার, তারপর ডেজার্ট। সবসময়।
এটাই নিয়ম।
ঠিক আছে?
হ্যাঁ।
..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Translated By HASIBUJJAMAN HASIB ; MOHAMMAD YOUSUF SARAH IQBAL ; KAMRUL HASAN SHIMUL ; RUBAYED HASAN FUAD ANAS AHMED
Edited By F U A D A N A S A H M E D
Feel Free To Give FEEDBACK & REVIEWS
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন কাছের মানুষদের সাথে
:.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.