All language subtitles for [SubtitleTools.com] Promising Young Woman (2020) WEB-DL Bangla Subtitle

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

মারা খাক সেই মেয়ে।

- মারা খাক। - হ্যাঁ। মারা খাক।

- মারা খাক। - বিজনেসের ব্যাপারটাই তো এমন।

সামান্য গলফ নিয়ে এত তামাশা করার তো কিছু নেই।

এমন তো না যে, আমরা ক্লায়েন্টদের স্ট্রিপ ক্লাবে নিয়ে যাচ্ছিলাম।

সেটা তো এখন আর করাও যায় না।

সেইটাই। সেটাও এখন আর করা যায় না...

- গত বছরের ক্রিসমাস পার্টির পর থেকে। - আচ্ছা।

কিন্তু গলফ ক্লাব তো মেয়েদের সেখানে খেলতেই দেয় না।

তো?

তো, সেকারণে আমাদের ক্লায়েন্টদের মিটিংগুলো তাকে বাদ দিয়েই করতে হবে।

দ্যাখ, তার উচিৎ নিজের সমস্যাগুলো আগে দূর করা,

আমরা কেন তার চেয়ে এগিয়ে, সেটা নিয়ে কাউমাউ করার বদলে।

বাপরে।

চোখে ভুল দেখছি না তো আবার?

- কেউ আমারে মাইরালা। - ইয়াক।

এই মেয়ে, তোমার কি কোনো আত্মমর্যাদাবোধ নেই?

আসলে এই ধরনের মেয়েরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনে।

সতর্ক না থাকলে, যে কেউ ফায়দা নিতে পারে।

বিশেষ করে, এই ক্লাবে যেই টাইপের ছেলেপেলে, তারা।

মালটা কিন্তু হট।

একদম যাচ্ছেতাই অবস্থা।

ব্রায়ানের সাথে কথা বলে দেখি।

আমার মনে হয়, সে বিষয়টা বিবেচনা করে দেখবে...

যদি আমরা সবাই তাকে খুব ভালোভাবে...

এমন করলে তো ছেলেরা ফায়দা নিতে চাইবেই।

উফ, এই হচ্ছে মেয়েগুলোর অবস্থা।

এতদিনে তো এদের শিক্ষা হয়ে যাওয়ার কথা, ঠিক না?

তার ফ্রেন্ডরাই বা কোথায়?

কোথাও ভেগে-টেগে গেল নাকি?

বেচারিকে এভাবে রেখে চলে গেল, এখন তো সে যেকারো হাতে পড়তে পারে।

কিছু একটা করা দরকার, পল।

আচ্ছা? হয়ত।

- আমি যেয়ে দেখছি। - ওহ !

- ওরে ! - জেরি !

বাপরে, আমি তো জানতামই না...

- তুই এত চালু। - খালি দেখবো সে ঠিক আছে কিনা।

- হ্যাঁ, তাতো অবশ্যই। - হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।

- তোর সেরাটা দিস, ভাই। - হ্যাঁ। যেয়ে দ্যাখ...

- সে ঠিক আছে কিনা। - আমরা তোর জন্য দোয়া করবো।

- ইয়াল্লাহ্‌... - হেই।

তুমি ঠিক আছ?

কী খুঁজছ তুমি?

ফোন।

এখানে নেই।

এখানেই তো থাকার কথা। একটু আগেও ছিল।

বাথরুম-টাথরুমে রেখে এসেছ নাকি আবার?

না।

ঠিক থাকবে তো তুমি?

ওহ, হ্যাঁ।

বাড়ি যাবে কীভাবে?

''রাইড''... ''রাইড'' অ্যাপ আছে তো।

হ্যাঁ, আছে।

কিন্তু সেজন্য মনে হয় তোমার ফোন লাগবে।

- আরে, ধুর। - হ্যাঁ।

জানি।

ধুর।

আচ্ছা, দেখো, আমি এমনিতেও বের হচ্ছি,

তাই যাওয়ার পথে তোমাকে নামিয়ে দিতে পারবো।

- না। - চিন্তার কিছু নেই।

কোনো সমস্যা হবে না।

- সত্যিই। - না।

তাহলে কীভাবে বাড়ি যাবে তুমি?

কিচ্ছু হবে না। আসো। কোনো সমস্যা হবে না।

চলো।

এইতো।

পারবে তো?

রেলিং ধরে নামতে থাকো।

- ঠিক আছ তুমি? - ইয়াল্লাহ্‌।

এসব কী? আমি তো সেদিনই গাড়িটা পরিষ্কার করালাম।

সে ঠিক আছে।

না, আমি ঠিক নেই।

আমি বমি করবো না।

মনে হয় করবো না।

না?

শুনলেন তো, স্যার?

সে... সে বমি করবে না।

ইয়ে !

এখান থেকে কয়েক ব্লক পরেই আমার অ্যাপার্টমেন্ট।

শুতে যাওয়ার আগে আমার সাথে কি একটু ড্রিংক করবে?

এখানেই আমার বাসা।

হয়ে যাবে নাকি একটা বিয়ার?

আচ্ছা।

আমাদের কি ২৪২ র‍্যালে ড্রাইভে নামিয়ে দিতে পারবেন?

কয়েক ব্লক পরেই।

অ্যাড্রেসটা ম্যাপে দিয়ে দেন।

জো হুকুম, জাহাঁপনা।

একদম টাটকা ড্রিংক।

এই নিন, ম্যাডাম।

সেসময় আমরা ফ্রেন্ডরা যা বলল, তার জন্য সরি।

ওরা... ওরা শুধু ফালতু বকে।

ব্যাপার না।

এই নাও।

এইতো পেরেছ।

তুমি কি একা থাকো এখানে?

না, আসলে আমার রুমমেট শহরের বাইরে আছে, তাই চিন্তার কিছু নেই।

- আচ্ছা। - চিয়ার্স।

এটা খেতে জঘন্য।

তুমি এত্ত সুন্দর।

একটা কথা বলি? আমি কি তোমার...

তোমার ওখানে একটু ময়লা লেগে আছে।

এইতো, ঠিক এখানে।

ওয়াও।

- আমি একটু শোবো। - ওহ।

হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।

আমার সাথে আসো।

- ঘুমিয়ে পোড়ো না। - কী?

একটা মানুষ এত সুন্দর কীভাবে হয় !

দাঁড়াও।

- তুমি এসব... - ঘাবড়িয়ো না।

তোমার কোনো ক্ষতি হবে না।

তুমি এসব... ?

ঘাবড়িয়ো না।

- তোমার কোনো ক্ষতি হবে না। - তুমি এসব কী করছ?

উফ, তোমার যা বডি।

তুমি এসব কী করছ?

হুম?

তুমি এসব কী করছ?

দাঁড়াও।

তুমি এসব...?

হেই।

হেই।

বললাম, তুমি এসব কী করছ?

প্রমিসিং ইয়াং উয়োমেন

কার বিছানা গরম করে আসলে !

রাতে কি খুব মজা হয়েছে, সোনাপাখি?

ইশ, ধরা খেয়ে গেল বেচারি !

কী আর করা !

দেখো আবার প্রেগন্যান্ট যেন না হয়ে যাও !

- রেট কত, জান? রেট কত? - ধুর বাল !

- কী সমস্যা, জান? - রাগলে নাকি?

একটু মজাও কি করা যাবে না? এইযে ম্যাডাম, সমস্যা কী?

একটু হাসলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে?

- এত সিরিয়াস কেন ! - এভাবে তাকিয়ে দেখছটা কী?

অনেক হয়েছে। কোনো রসবোধ নেই নাকি?

আচ্ছা, মারা খাও তাহলে।

রাতে তো তোর আসার শব্দ পেলাম না।

সব ঠিক আছে তো?

কাজে ব্যস্ত ছিলাম।

হুম।

কিন্তু কফিশপ তো মনে হয় ৯ টায় বন্ধ হয়ে যায়।

আমাদের প্রোডাক্টের লিস্ট বানাতে হচ্ছিল।

তোদের ওখানে দেখি কাজের অনেক প্রেশার।

ম্যানেজারের সাথে কথা বলিস তো।

বলবো।

জানিস, গ্র্যাহামের সাথে কথা হয়েছে আমার। আর সে বলল, হেড অফিসে নাকি...

একজন কর্মচারী নিয়োগ দেবে।

তোর মেজাজ খারাপ হতে পারে,

কিন্তু আমি তাকে বলেছি, সে যেন তোকে বিবেচনায় রাখে।

- হাই। আমাকে কি... - সেটা কেন করতে গেলি?

কারণ তুই এখানে মনমরা হয়ে থাকিস আর তোর কাজের মান দিনদিন খারাপ হচ্ছে।

কিন্তু আমার এখানেই ভালো লাগে।

না, লাগে না।

লাগে না, তবে তোকে ভালো লাগে।

এছাড়া ভালো লাগে...

হ্যালো?

...কাস্টোমারদের সাথে মিষ্টি ভাষায় কথা বলতে।

- আচ্ছা। আমাকে কি একটু... - না।

- ক্যাসি। - ক্যাসি ক্যাসি করিস নাতো।

আমি ঠিক আছি। গেইল, বিশ্বাস কর।

জনি বলল, সে নাকি তোকে গত সপ্তাহ ফলআউট ক্লাবে দেখেছে।

বলল, তুই নাকি পুরাই টাল ছিলি, কেউ ছিল না তোর সাথে।

তোকে নিয়ে একটু টেনশন করছিল। যদিও আমার মাথাব্যথার বিষয় না...

সে নিশ্চিত অন্য কেউকে দেখেছে। আমি কখনও সেখানে যাইনি।

আচ্ছা।

তোমার বেণিগুলো সুন্দর।

ধন্যবাদ।

আচ্ছা, আরেকটা ড্রিংক হয়ে যাক?

মনে হয় না আমার আর...

দাঁড়াও, আরেকটা ড্রিংক দিতে বলি। ম্যাডামকে একটা ভডকা ক্র্যানবেরি দিও।

হেই। তোমার বয়স কত?

- আম্‌... - ফুর্তির বয়স তো হয়ে গেছে, না?

এক কাপ কফি হবে?

দুধ দেবো?

কী?

ক্যাসান্ড্রা?

- হ্যাঁ। - রায়ান।

কুপার। আমরা ফরেস্ট মেডিকেল স্কুলে একই ক্লাসে ছিলাম।

সেকেন্ড ইয়ার নিউরোলজি, ডক্টর হাদিদের ক্লাস।

ওহ। হ্যাঁ।

রায়ান। হাই।

হায়রে, তুমি এখানে কেন কাজ করছ?

মানে...

আমি ওটা বোঝাতে চাইনি...

ওভাবে বলা উচিৎ হয়নি। আমি আসলে...

তুমি এটা বোঝাতে চাওনি যে, আমি কেন একটা ফালতু কফিশপে কাজ করছি?

হ্যাঁ। না, আমি বলতে চাচ্ছিলাম যে, মানে, তোমার মত...

- অস্বস্তিটা কাটানোর কোনো উপায় নেই, আছে? - নাহ।

আমি তাহলে যাই। আমি যেয়ে আবার ফেরত আসি?

আমি পারবো ; আরেকবার করতে পারবো...

- এবং আরও ভালো করবো পরেরবার। - দুধ দেবো?

কী?

তোমার কফিতে।

না।

তবে চাইলে তুমি থুতু দিতে পারো।

সেটা... সেটা আমার প্রাপ্য।

ধন্যবাদ।

তুমি কি যাবে আমার সাথে বাইরে?

কী?

মানে... ডেটে।

সিরিয়াসলি? আমি কিন্তু এইমাত্র তোমার কফিতে থুতু দিলাম।

আর শেষটা আমি সবসময় করি...

সামান্য একটু লিপগ্লস লাগিয়ে...

যাতে ঠোঁটে একটা ভেজা ভেজা ভাব আসে।

মাঝখানে হালকা করে লাগাবেন...

আর লাগাবেন ওপরে।

ব্যাস, হয়ে গেল।

পেয়ে গেলেন আপনি ব্লো-জবের জন্য পারফেক্ট ঠোঁট।

তো,

লাইক এবং সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না কিন্তু।

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ, বন্ধুরা।

লাভ ইউ। বাই।

বইটা তোমার সত্যিই পড়া দরকার।

''গলদা চিংড়ির উপাখ্যান'' একটা কালজয়ী প্রবন্ধ রে ভাই।

এটা পড়ে আমার মাথা খুলে গিয়েছিল, যেমনটা...

যেমনটা গলদা চিংড়ি তার নখ দিয়ে খোলে।

জানো, আমি একটা উপন্যাস লিখছি।

লেখার চেষ্টা করছি আরকি,

কারণ আমি সেইরকম পারফেকশনিস্ট, বুঝলে?

কিন্তু উপন্যাসটা শেষ করতে পারছি না।

উপন্যাসটা নিয়ে আমি বারবার খালি ভাবতে থাকি,

খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দুনিয়ার ত্রুটি বের করি।

এটায় আমি মূলত...

আজকের যুগে একজন ছেলে হয়ে জন্মানোর মর্মটা তুলে ধরতে চাচ্ছি।

মানে, এই দুনিয়ায় একজন ছেলে হয়ে জন্মানোর মর্মটা তুলে ধরতে চাচ্ছি।

একটা সাহসী, অপরাধময়, তারছিঁড়া প্রেমের গল্প।

আর সমস্ত ঘটনা ঘটবে নিউইয়র্কে,

তাও আবার এক রাতে।

কী ভাবছিলাম জানো?

এ নিয়ে আর কথা বলবো না।

আমি চাই না উপন্যাসটার নজর লাগুক।

তুমি কোকেন সেবন করো তো?

- অভ্যাস নেই। - উফ, কী যে বলো।

আমার সকালে কাজ আছে।

তাতে কী? আমারও আছে।

নাও।

ঠিকমত টান দাও।

না।

নাকে ঢুকিয়ে তারপর টান দাও।

না, দাঁড়াও। একটু যদি...

দাঁড়াও, অন্যভাবে ট্রাই করি।

এইতো হয়ে গেছে।

ইয়াল্লাহ্‌। তুমি এত্ত, এত্ত সুন্দর।

কিন্তু তুমি এত মেকআপ কেন করেছ?

কারণটা কি বলা যাবে?

মেয়েরা যে কেন এত মেকআপ করে, আমার বুঝে আসে না কখনও।

তোমাদের তো মেকআপ ছাড়াই কত সুন্দর লাগে।

ছেলেদের কিন্তু এসব একদম পছন্দ না, জানো?

এটা তো কেবল মেয়েদের কষ্ট বাড়ায়,

এর দ্বারা নারীজাতির ওপর জুলুম হয়, আর এটা বাদ দেওয়া দরকার।

আমি তোমাকে দেখতে চাই।

তোমার আসল রূপ দেখতে চাই।

তোমার সমস্ত তিল, সমস্ত ত্রুটি দেখতে চাই।

আমার ভালো লাগছে না।

এক গ্লাস পানি দেয়া যাবে?

হ্যাঁ। নিশ্চয়ই।

ফাইজলামি নাকি?

হেই।

তোমাকে বলছি।

হেই !

কত ডাকলাম তোমাকে !

তুমি ঘুমিয়ে পড়েছিলে।

লক্ষ্মী মেয়ে।

এবার কি একটু ভালো লাগছে?

না।

জানো, আমি...

আমি আজরাতে একটু হলেই বের হতাম না।

কিন্তু এখন বুঝতে পারছি যে, বের হওয়াটাই ঠিক ছিল।

তোমাকে পেয়ে মনে হচ্ছে যেন আপন কাউকে পেয়েছি।

আমার জন্য একটা গাড়ি ডাকতে পারবে?

তুমি তো মাত্রই এলে।

- না, আমার বাড়ি যেতে হবে। - না।

যেও না।

থাকো।

উফ, তুমি এত্ত...

আমার যেতে হবে।

না, তোমার বাড়ি যাওয়া লাগবে না।

আমার বাড়ি যেতে হবে।

- হেই, নীল। - হ্যাঁ?

বললাম, আমার বাড়ি যেতে হবে।

খাইছেরে !

এসব কী?

তুমি আবার সাইকো-টাইকো নাকি?

সাইকো কেন হতে যাবো?

- আমি তো ভেবেছিলাম, তুমি... - টাল?

- হ্যাঁ। - সত্যি সত্যি টাল?

শিট।

হ্যাঁ।

আসলে আমি টাল না।

কিন্তু সেটাই তো ভালো, তাই না?

- আমার মনে হয় তোমার যাওয়া উচিৎ। - ওহ।

- এখন আবার আমাকে যেতে বলছ? - না।

আমাকে... আমাকে অনেক নেশায় ধরেছে।

আমাকে ভয়ংকর রকমের নেশায় ধরেছে।

আমার মাথা কাজ করছে না।

আমার মনে হয় তোমার যাওয়া উচিৎ।

কিন্তু এক সেকেন্ড আগেই তুমি আমাকে থেকে যেতে বলছিলে।

বেশ জোরাজুরি করছিলে তুমি।

আমি একটা ভালো ছেলে।

সত্যিই?

আমার তো তোমাকে আপন মনে হয়েছিল।

আপন মনে হয়েছিল?

আচ্ছা।

বলো দেখি, আমি কী করে আমার পেট চালাই?

সরি। বেশি কঠিন প্রশ্ন করে ফেলেছি।

আমার বয়স কত?

এই শহরে আমি কতদিন ধরে আছি?

আমার শখের কাজগুলো কী?

আমার নাম কী?

ঠিক আছে।

ঠিক আছে, আমি বুঝেছি তুমি কী বলতে চাচ্ছ।

কী চাও তুমি আমার কাছে?

যেন বলি, আমি একটা আবালচোত?

আচ্ছা, আমি একটা আবালচোত।

এত ভয় কীসের, নীল?

একটু শান্ত হও।

অন্তত তুমি আমার অচেতন হওয়ার সুযোগে আমার সাথে সেক্স করার চেষ্টা করোনি।

সেজন্য তোমাকে বাহবা দিতেই হয়।

কিছু ছেলেপেলে তো... অচেতন মেয়ে পেলেই কাজ সেরে দেয়।

কিন্তু তুমি আমাকে জাগিয়েছিলে, আমার ভোঁদায় আঙ্গুল চালানোর আগে।

- আমার সেটা ভালো লেগেছে। - কী বলতে চাচ্ছ তুমি?

যে, আমি মেয়েদের ভোগ করার জন্য ওঁত পেতে থাকি?

জানি না। তুমিই বলো।

আমি একটা ভালো ছেলে।

নিজেকে নিজেই সান্ত্বনা দাও ওসব বলে।

তুমিও বলতে গেলে একই গোয়ালেরই গরু।

আমি সেটা কীভাবে জানি, জানো?

না।

কারণ প্রত্যেক সপ্তাহ, আমি কোনো একটা ক্লাবে যাই,

আর প্রত্যেক সপ্তাহ, আমি প্রচণ্ড রকমের টাল হওয়ার ভান করি।

আর প্রত্যেক...

...প্রত্যেক সপ্তাহ, তোমার মত একটা ''ভালো ছেলে''...

আমি ঠিক আছি কিনা, সেটা দেখতে আসে।

এরপরও কি চুদতে চাও আমাকে?

না, আমার শিক্ষা হয়ে গেছে।

হুম।

চাওয়ার কথাও না।

পরেরবার বাইরে গেলে, সাবধানে থেকো, নীল।

আর হ্যাঁ, তোমার উপন্যাসটা থার্ডক্লাস হতে যাচ্ছে।

শুভরাত্রি, নিনা।

এটা কী?

মা, এটা কী?

কী বলতে চাচ্ছিস?

এই গিফট কীসের !

আজ তোর জন্মদিন, ক্যাসি।

ওহ।

হ্যাঁ।

কোন ধরণের...

কোন ধরণের মানুষ নিজের ৩০ তম জন্মদিন ভুলে যায়?

জান, বাদ দাও তো। থাক...

না, স্ট্যানলী। সবসময় ভালো লাগে না।

সামান্য একটা ভুল হয়ে গেছে, মা।

জানোই তো, আমার তারিখ-বারিখ অত মনে থাকে না।

তিলকে তাল বানানোর দরকার নেই।

তিলকে তাল বানানোর দরকার নেই?

তিলকে তাল বানানোর দরকার নেই?

তুই... তুই নিজের জন্মদিন ভুলে গিয়েছিস।

তোর কি পার্টি করতে মন চায় না?

ফ্রেন্ডদের সাথে দেখা করতে মন চায় না?

তুমি তো জানো, আমার কোনো ফ্রেন্ড নেই, মা।

এ বিষয়ে মজা করবি না। দোহাই লাগে।

তোর আচরণ কতটা অস্বাভাবিক, একবারও ভেবে দেখেছিস?

তুই... তুই এখনও আমাদের এই বাড়িতে থাকিস।

এখনও সেই ফালতু কফিশপে কাজ করে যাচ্ছিস,

তোর আর নিনার মেডিকেল স্কুল ছাড়ার পর থেকে।

তুই সারারাত বাইরে থাকিস আর কী যে করিস, খোদাই জানেন।

- আচ্ছা। - আর তোর...

তোর তো বয়ফ্রেন্ড পর্যন্ত নেই। কোনো ফ্রেন্ড নেই।

মা, এসব কথা আমার বার্থডে কার্ডে লিখে দিলেও পারতে।

আচ্ছা, সে যেভাবে তার বার্থডে সেলিব্রেট করতে চাচ্ছে, সেভাবে করুক না?

- কেমন? - আমার সমস্ত ফ্রেন্ড তোর কথা জিজ্ঞেস করে।

আমি... আমি বুঝতে পারি না তাদের কী বলবো।

আমি... আমি তো জানিই না তোর কী হয়েছে।

আমি তো...

তুই গিফটটা আমাদেরকে একটু খুলে দেখা, ক্যাস।

কেমন?

খোল।

হ্যাঁ।

আশা করি তোর পছন্দ হবে।

ধন্যবাদ।

মাগো।

- সেইটাই। - আংকেল-আন্টি দেখি স্পষ্টভাষী।

একদম জায়গামত আঘাত করেছে।

- সুটকেসটা সুন্দর তো? - সে আর বলতে !

আজ পর্যন্ত তারা আমাকে বাড়ি থেকে বের হতে...

বলার জন্য যত রূপক ব্যবহার করেছে, তার মধ্যে এটাই সবচেয়ে চোখে লাগার মত।

তাহলে ছাড়ছিস না কেন?

- কী? - উনাদের বাড়িটা।

তুই... অনলাইনে বাড়ি কেনাকাটার সাইটে খোঁজ কর,

কিংবা কোথাও বাসা ভাড়া দিলে, সেখানে ট্রাই কর।

কোনো পাগল-ছাগল তার বাড়ির কোনায় জায়গা দিলে, সেখানে থাক।

আমার সেই সামর্থ্য নেই, গেইল।

তোর দেয়া বেতনে সেসব জুটবে না।

কোনো পাগল-ছাগলের বাড়ির কোনাও জুটবে না।

তাহলে অন্য চাকরিটা কর।

যেকোনো একটা চাকরি কর।

তুই কি আমাকে ছাঁটাই করছিস?

মনে হয় করা উচিৎ।

দ্যাখ, এটা তোর ধারণা...

যে আমি হয়ত এসবই চাই।

আমার বয়ফ্রেন্ড, ইয়োগা ক্লাস, বাড়ি, বাচ্চাকাচ্চা,

আর আমার মা'র গর্ব হয়, এমন চাকরি লাগলে, সেসবের পেছনে আমি আগেই ছুটতাম।

চাইলে এখনও ছুটতে পারি। কিন্তু আমি সেসব চাই না।

সত্যিই চাই না।

কিন্তু কিছু তো চাইতে হবে তোর।

হেই।

ওহ। তুমি।

- হাই। - এক কাপ কফি, থুতু ছাড়া।

সে গতবার আমার কফিতে থুতু দিয়েছিল।

আমি ফিরে এসেছি কারণ, আম্‌...

আমার মনে হয় তুমি আমাকে সেইদিন ভুয়া নম্বর দিয়েছিলে।

আমার তো এমন করার কথা না।

সেটাই তো।

তো আমি কয়েক ঘণ্টা মাথা খাটিয়ে খুবই বুদ্ধিদীপ্ত, খুবই রোম্যান্টিক একটা ম্যাসেজ লিখে...

সেটা রেড নামের এক তেল ব্যবসায়ীকে সেন্ড করে দিয়েছিলাম।

- সেই লোক কি পটেছিল? - ভাবতে পারিনি যে পটবে।

কারণ ম্যাসেজটা ছিল খুবই বেমানান।

কিন্তু তার সাথে আমার জমবে না, কারণ তার তেলের কারবার আছে ;

তাই ভাবলাম, তোমার সাথে আরেকবার কথা বলে দেখি।

এইমাত্র ফোন বাজার শব্দ শুনলাম।

- না, তুই শুনিসনি। - আমি অবশ্যই ফোন বাজার শব্দ শুনেছি।

দিনে কয়েকবারই কল্পনার জগত থেকে তার ফোন আসে।

দেখো, তোমার যদি ইন্টারেস্ট না থাকে, কোনো সমস্যা নেই।

এই মুহূর্তে আমার কাউকে ডেট করার সেরকম কোনো ইচ্ছা নেই।

ওহ। বুঝেছি।

আমারও নেই।

তুমি কি তাহলে চাও যে, আমাদের মাঝে বন্ধুত্ব হোক...

আর আমি বুকভরা কষ্ট নিয়ে চুপিচুপি তোমাকে সারাক্ষণ কামনা করি?

ডেটিং জিনিসটা ভয়ংকর। মানুষ মাত্রই ভয়ংকর।

তো, আমি গতমাসে এক মহিলার সঙ্গে ডেটে গিয়েছিলাম...

যে গৃহহীনদের মানবিক উপায়ে মারতে চাচ্ছিল।

তুমি আমার মা'র সঙ্গে ডেটে গিয়েছিলে?

দেখো,

মেডিকেল স্কুলে থাকতে, আমি তোমাকে অনেক পছন্দ করতাম।

বুঝলে?

আমি সত্যি সত্যি তোমাকে পছন্দ করি,

আর কফিতে তোমার থুতু দেয়ার বিষয়টা আমি কিছুতেই ভুলতে পারছি না।

তা, এই উইকেন্ডে আমার সাথে লাঞ্চ করতে চলো না।

প্লিজ। তোমার ভালো না লাগলে, আমরা সরাসরি কথা বলে নেবো ;

তারপর তুমি চলে এসো ; কেউ জ্বালাবে না তোমাকে।

এমন তো নয় যে, হত্যা আপনার অপছন্দ।

আপনার বই তো হত্যার কাহিনী দিয়ে ভর্তি।

তবে কিছু কিছু জিনিস আপনার বরাবরই অপছন্দ, প্রভু।

সুগন্ধিওয়ালা জিনিস।

ফিতা টাইপের জিনিস।

কোঁকড়ানো চুলওয়ালা জিনিস।

অ্যাই।

এত সাজগোজ করেছিস যে।

কোথায় যাচ্ছিস?

আমি বাইরে লাঞ্চ করতে যাচ্ছি।

কার সাথে?

এক ফ্রেন্ডের সাথে।

ক্যাসি।

তোকে খুব সুন্দর লাগছে, মা।

ধন্যবাদ, বাবা।

- কঙ্কালের হাতটা সে কোথা থেকে পেয়েছিল? - সে ওটা পেয়েছিল...

ওটা আসলে... ওটা তার দাদার ছিল।

না। ওটা... সে ওটা পেয়েছিল স্টাফদের রুম থেকে,

কিন্তু আসল ধাক্কাটা আমি তখনই খেলাম, যখন সে আমার চোখে চোখ রাখল,

ওটা বের করলো আর আমাকে দেখিয়ে ওটা নাড়াল।

আর আমার খাওয়ার রুচিটাও চলে গেল।

তোমাকে যে কেন গল্পটা বলতে গেলাম, সেটা ভেবেই অবাক হচ্ছি।

শোনো, একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলার নিজের যোনি থেকে...

কঙ্কালের হাত বের করার চেয়ে রোম্যান্টিক বিষয় আর হতেই পারে না।

ঠিক। একদম ঠিক বলেছ।

আমি যেখানে কাজ করি, সেখানে তো কোনো জায়গা থেকে কোনোকিছুই বের হয় না।

আচ্ছা, তুমি তাহলে চাচ্ছিলে না...

- কী? - মেডিকেলের পড়াশুনা চালিয়ে যেতে, নাকি...

না।

সত্যিই? কী হয়েছিল?

আমি অন্য কিছু করতে চাচ্ছিলাম।

কেন?

জানি না।

তুমি তো খুব ভালো স্টুডেন্ট ছিলে। সব জানতে তুমি।

- তুমি... - আমি মোটেও সব জানতাম না।

অবশ্যই জানতে। তুমি ব্রিলিয়ান্ট ছিলে।

আমি... আমি তো কিছুই পারতাম না। আমি...

মনে আছে, একবার আমি মৃতদেহ থেকে ভুল কিডনি সরিয়ে ফেলেছিলাম?

আর সেই তুমি-ই এখন বাচ্চাদের অপারেশন করছ।

হ্যাঁ। আস্তে আস্তে উন্নতি করেছি।

খোদার শোকরিয়া। কিন্তু তুমি তো সবার চেয়ে এগিয়ে ছিলে।

তুমি... তুমি খুব ভালো একজন ডাক্তার হতে পারতে।

হয়ত আমার প্যাশনের কমতি ছিল।

কফি-টফি খাবে নাকি?

মুভি দেখার আগে আমাদের হাতে কিছু সময় আছে।

আমি তোমাকে একটা ছেলের কাহিনী বলতে পারি, যার নুনু...

খঞ্জনীতে আটকে গিয়েছিল।

সে কি কাহিনী !

পিছন থেকে দেখলে কি মানুষ তোমাকে আমার মেয়ে মনে করতে পারে?

মানে, উচ্চতার কারণে।

- উচ্চতার কথা বলছি। - না।

কোনো মেয়েমানুষের সাথে ঘুরাঘুরি করতে গেলে, আমার ভয় হয়।

আমার ভয় হয় যে, যদি আমি তাকে চুমো দেই,

মানুষ হয়ত বলবে, ''বাচ্চাটাকে চুমো দেয়া বন্ধ কর।''

- চিৎকার করে বলা ঠিক হচ্ছে না যদিও... - না।

এক্ষেত্রে তুমি বেশি লম্বা না হওয়ার চেষ্টা করে দেখতে পারো।

- লম্বা হতে মানা করছ। - হ্যাঁ।

- বুঝলাম। - মানুষের নজর না কাড়াই ভালো।

আরে। এ তো... এ তো অদ্ভুত কাকতাল।

কী?

মনে হয়...

না।

হ্যাঁ, এটা আমার অ্যাপার্টমেন্ট।

সত্যিই খুব অদ্ভুত কাকতাল।

হ্যাঁ। তুমি কি...

মানে, আমরা তো এসে গেছি।

তুমি কি ওপরে গিয়ে আমার সাথে ড্রিংক করতে চাও, কিংবা...

নিশ্চয়ই। কেন নয়?

তাড়াহুড়ো করে ফেলছি। সরি, আমি আসলে...

না, চলো ওপরে যাই।

আমি ওপরে যাবো না, যদি তুমি না চাও...

আমার বুঝতে ভুল হয়েছিল। আমি তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছি।

থাক, তুমি তো এসে গেছ।

আমি গাড়িতে করে চলে যাবো।

- শিওর তুমি? - হ্যাঁ।

আমি মনে হয় তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি।

দোষ তোমার না।

ভর্তির সেকশনে কোনো অ্যাসিস্ট্যান্ট নেই।

ভর্তির সেকশনে একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট লাগবে।

- ব্যবস্থা হলে আপনাকে জানাবো। - আচ্ছা। ধন্যবাদ।

ক্যাসি, তুমি...

তুমি এখানে... তুমি এখানে কী করছ?

আমি আমার হার্পিসের ওষুধ নিতে এসেছি।

তোমারও হার্পিস হয়েছে।

এবার না হয় একটু সহজ হয়ে কথা বলতে পারবো আমরা।

তো, আমি...

আমি তোমার সাথে আবারো ডেটে যেতে চাই।

ওহ।

- যদি কোনো সমস্যা না হয়। - সমস্যা নেই।

কিন্তু আমাদের আস্তেধীরে আগাতে হবে। আমার মনে হয়...

অবশ্যই। একদম। আমি...

আমি আস্তেধীরে আগাতে পারবো।

তুমি চাইলে, আমি একজায়গাতেই থাকার চেষ্টা করবো।

ধন্যবাদ।

ইয়েস। সরি।

কবিতা লিখতে ইচ্ছা করছে।

কি যে অস্থির লাগছে।

তা, তুমি আজ কখন ফ্রি আছো? ডিনার করতে যাবে নাকি?

তুমি কি এখন ব্যস্ত?

না। আসলে...

ছেলেটা ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত, আর...

সত্যি বলতে, আমার এখন আর কিছুই করার নেই।

- ইশ। - সব... সব শেষ।

- মজা করলাম। আমার শিফট শেষ। - ইয়াল্লাহ্‌।

- আমি এখনই আসছি। - আচ্ছা।

আচ্ছা।

চলে যেও না।

- ইয়াল্লাহ্‌। - কী?

তুই কি ঐ ছেলেকে ডেট করছিস?

না।

তোর জন্য খুশি লাগছে।

তো, রায়ান...

তুমি তাহলে বাচ্চাদের ডাক্তার?

হ্যাঁ। হ্যাঁ।

কখনও কোনো বাচ্চাকে মেরেছ?

কী?

অপারেশন করতে গিয়ে।

কখনও কোনো বাচ্চাকে মেরে ফেলেছ?

আহ্‌... না। না।

সত্যিই?

- গেইল। - আমি...

তবে অপারেশন করতে গিয়ে কিছু বাচ্চা ঠিকই মারা গিয়েছে।

মানে তুমি বাচ্চা মেরেছ। বুঝলাম...

গেইল, তাকে বাচ্চা মারা নিয়ে প্রশ্ন করা বন্ধ কর।

আমি প্রশ্ন করা তখনই বন্ধ করবো, যখন সে বাচ্চাদের মারা বন্ধ করবে।

আমার... আমার তাতে আপত্তি নেই।

ওর তাতে আপত্তি নেই।

তোরা কপোত-কপোতীরা তাহলে থাক।

- তালা লাগিয়ে যেতে পারবি তো, সোনা? - নিশ্চয়ই।

আচ্ছা, তোরা দুজন কাউন্টারের ওপর সেক্স করতে চাইলে,

ব্লিচ কিন্তু পেছনের রুমে আছে।

সকালবেলা এসে যেন আমি কোনোকিছুতে কারো পাছার নিশান না দেখি।

বোঝা গেছে?

বোঝা গেছে, মজনু?

হ্যাঁ।

মজা কর তোরা। ইশ।

মেয়েটা ভালো।

হ্যাঁ। আমার খুব ভালো ফ্রেন্ড।

মেডিকেল স্কুলের কারো সাথে কি তোমার এখনও বন্ধুত্ব আছে, নাকি...

না।

সত্যিই? কারো সাথে নেই?

সত্যিই, কারো সাথে নেই।

বাপরে, আমি তো... আমি তো...

আমি তো ওদের ছাড়তেই পারি না।

তুমি এখনও ঐ ছেলেগুলোর সাথে আড্ডা দাও?

ওরা অতটাও খারাপ না। বিশ্বাস করো।

ভালো কথা।

ম্যাডিসন মেকফি'র তো ক'দিন আগে টুইন বেবী হয়েছে।

বাচ্চাদের ছাড়া এখন আর কিছুই বোঝে না সে।

ম্যাডিসনকে আমার মনে নেই।

তোমরা... তোমরা তো মনে হয় ক্লোজ ফ্রেন্ড ছিলে।

তোমরা দুজন আর আরেকটা মেয়ে খুব ক্লোজ ছিলে।

না।

শুনেছ নাকি?

অ্যাল মনরো এক বিকিনি মডেলকে বিয়ে করতে যাচ্ছে।

প্রপোজ করার জন্য তার নামে একটা বিদঘুটে ট্যাটু করিয়েছিল।

সেই মেয়ে রাজিও হয়ে গেছে।

অ্যাল কেমন, জানোই তো?

এত ভালো কপাল ওর।

অ্যাল মনরো?

তোমার... তোমার তো অ্যাল মনরোকে মনে থাকার কথা।

হ্যাঁ, সে তো মনে হয় লন্ডনে শিফট হয়েছিল।

হ্যাঁ, সেখানে কয়েক বছর ছিল,

কিন্তু ক'দিন আগেই দেশে ফিরেছে বিয়ে করার জন্য।

অনেক দেখাসাক্ষাৎ হয় ওর সাথে?

আমরা অত ক্লোজ না, তবে খোঁজখবর রাখা হয়।

আমাদের মূলত কাজের সুবাদে দেখা হয়,

যেহেতু সে একজন এনেস্থেশিওলজিস্ট (ডাক্তার)।

ভালো।

তার বিয়ে হবে?

সেটাই তো। ঈশ্বর মেয়েটাকে রক্ষা করুক।

অ্যালেক্সান্ডার মনরোর পোস্টঃ অবশেষে ভালোবাসার মানুষটাকে বিয়ে করতে চাচ্ছি ! তার একজন বিকিনি মডেল হওয়াটা এক্ষেত্রে বোনাস !

ম্যাডিসন মেকফি'র কমেন্টঃ বিশ্বাসই করতে পারছি না যে, আমার সবচেয়ে প্রিয় দুই মানুষের বিয়ে হতে যাচ্ছে।

হোটেল সেন্ট জোনে স্বাগত, মিস।

ধন্যবাদ।

একটা জিঞ্জার এল (সফট ড্রিংক) আর এক বোতল শ্যাম্পেইন।

- লাগবে না। আমি পারবো। - ওহ, কিন্তু...

ক্যাসি।

ম্যাডিসন।

ইয়াল্লাহ্‌।

তোকে তো অসাধারণ লাগছে।

আমি প্রথমে দেখে চিনতেই পারিনি।

তোকে একদম আগের মত লাগছে।

- কী যে বলিস ! আমাকে তো বুড়ি বুড়ি লাগে। - না।

এটাই হচ্ছে টুইন বেবী হওয়ার পরিণাম।

কষ্ট হলেও মেনে নিতে হয়।

তোর বাচ্চাকাচ্চা আছে?

না।

একদিন হবে।

শ্যাম্পেইন? কীসের নামে ড্রিংক করবো?

পুরনো দিনের বন্ধুত্বের নামে।

আহ।

আমি তো ভেবেছিলাম, বাচ্চাদের দেখাশোনা করতে গিয়ে বিরক্তির চোটে মরেই যাবো,

তবে মাতৃত্বের ব্যাপারটা আমি অনেক উপভোগ করছি।

শেষ হয়ে গেল নাকি? আরেক বোতল দেয়া যাবে?

ধন্যবাদ।

কতকাল যে দিনের বেলা এভাবে টাল হই না।

- কত্ত মজা। - কত্ত মজা।

সত্যি বলতে, আমি জানি, ছেলেরা বলে যে তারা কর্মজীবী বউ পছন্দ করে,

কিন্তু সেটা একদম সত্যি না।

- না? - না।

কলেজে এরা প্রত্যেকেই ফেমিনিস্ট (নারীবাদী) চায়,

কেননা একটু স্মার্ট গার্লফ্রেন্ড জুটাতে পারলে সবার সামনে ভাব মারা যায়।

আর পরিসংখ্যান থেকে দেখা গেছে,

ফেমিনিস্টদের পায়ুপথে সঙ্গমের প্রতি ঝোঁক বেশি থাকে।

এটা কিন্তু হাতে-কলমে প্রমাণিত।

সত্যিই?

কিন্তু, বিয়ের কথা আসলে,

সব ছেলে একই জিনিস চায়।

কী চায়?

একটা ভালো মেয়ে।

আমার যতদূর মনে পড়ে,

মেডিকেল স্কুলে থাকতে তুই কিন্তু অতটা ভালো মেয়ে ছিলি না।

কিন্তু ফ্রেড... ধন্যবাদ।

ফ্রেড তো তখন আমাকে চিনত না।

আমি যখন ল'রিয়ালে কাজ করছিলাম, তখন দেখা হয়েছে আমাদের।

বেচারা ফ্রেড।

কিছু কিছু জিনিস না জানাই তার জন্য ভালো, ঠিক না?

তুই তোর মনের মত জীবন পাওয়াতে আমি খুব খুশি, ম্যাডিসন।

থ্যাংকস রে।

- আসলেই মনের মত জীবন পেয়েছি। - হ্যাঁ।

আসলে আমি একটা বিশেষ ব্যাপারে কথা বলতে আজকে তোর সাথে দেখা করতে চাচ্ছিলাম।

তাইতো বলি !

তোর তো কোনো খোঁজই নেই, না জানি কবে থেকে।

আমি আমার মেডিকেল স্কুল ছাড়ার কারণ নিয়ে তোর সাথে কথা বলতে চাচ্ছিলাম।

আচ্ছা, বল।

তুই তো ঘটনা জানিস, তাই না?

সে... সে তো কবেকার কথা।

জানি, কিন্তু তোর মনে তো আছে।

এইতো হালকা-পাতলা।

কখনও সেটা নিয়ে ভাবিস?

ভাবতে যাবো কেন?

তাইতো। কেন ভাবতে যাবি?

তাহলে, এখন যদি একটা ফ্রেন্ড তোর কাছে আসত,

তোর বাড়ি আসত, আর বলত যে, তাদের মনে হয় তাদের সাথে...

আগের রাতে খারাপ কিছু ঘটেছে...

- ক্যাসি... - খারাপ কিছু।

- সে তো কত বছর আগের কথা। - তাহলে তুই কী বলতি?

তুই...

- কী বলতি তুই? - আমার...

আমার একটু অস্বস্তি লাগছে।

তুই কি তার পিঠপিছে তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতি...

আর পুরো ব্যাপারটাকে নাটক ভেবে উড়িয়ে দিতি?

কিন্তু তুই আমার ওপর ক্ষেপে আছিস কেন !

এমন তো না যে, শুধু আমিই সেসময় ব্যাপারটা বিশ্বাস করিনি।

এখন তোর যদি অসংখ্য সেক্স পার্টনার-ওয়ালা মেয়ে হিসেবে পরিচিতি থাকে,

তাহলে তো মানুষের তোকে বিশ্বাস না করাটাই স্বাভাবিক,

যখন তুই তাদের বলবি যে, তোর সাথে কিছু একটা ঘটেছে।

মানে...

এটা তো ভণ্ডামির পর্যায়েই পড়ে।

তোর কাছে সেটাকে ভণ্ডামি মনে হয়েছিল?

নিয়মটা তো আমি বানাইনি।

দ্যাখ, তুই যখন এই পরিমাণ টাল হবি, তখন অনেক কিছুই ঘটবে।

প্রতিবার তুই গলা পর্যন্ত মদ খেয়ে অচেতন হবি...

আবার এটাও চাবি যে, মানুষ তোর পক্ষ নিক...

যখন তুই অনাকাঙ্ক্ষিত কারো সাথে সেক্স করে ফেলবি, সেটা তো সম্ভব না।

মানে...

হতাশ করলি আমাকে।

আমি আশা করেছিলাম, এতদিনে হয়ত তোর চিন্তাধারায় পরিবর্তন আসবে।

- সরি। - তোর খাতিরেই,

আমি আশা করেছিলাম, এতদিনে হয়ত তোর চিন্তাধারায় পরিবর্তন আসবে।

দ্যাখ... দ্যাখ, মাথা গরম করিস না।

আমি বিল দিয়ে দিচ্ছি, ঠিক আছে?

এটা আমার ট্রিট।

হ্যালো?

তুই ঠিক আছিস, ম্যাডিসন?

আমার মাথা ঘুরাচ্ছে। আমার...

ওহ ! শিট।

ইয়াল্লাহ্‌।

সরি।

তোকে এতদিন পর দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগল।

তুই একদম আগের মতই আছিস।

ঠিক আছে।

তো?

সে ওখানে আছে।

রুম নম্বর ২৫।

আপনার টাকা খামের ভিতর আছে।

আপনি এ ব্যাপারে শিওর তো?

আমি শিওর।

ক্যাসি, হাই।

গতকাল তোর সাথে লাঞ্চ করে খুব ভালো লাগল।

পুরনো দিনের কথা মনে করিয়ে দিলি।

আচ্ছা, শোন।

আমি কাল বেশ খানিকটা টাল ছিলাম।

আমি কেন জানি মনে করতে...

আচ্ছা, তুই কি আমাকে আমাদের বয়সী কোনো ছেলের সাথে কথা বলতে দেখেছিলি?

সে মনে হলো তোকে চেনে।

কিছু হিসাব মেলানোর চেষ্টা করছি আরকি।

ক্যাসি, সরি। প্লিজ কলব্যাক করিস।

আমার... আমার একটু ভয় করছে।

আমি জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে সেই হোটেলেরই এক রুমে পেয়েছিলাম।

মনে হচ্ছে, আমার সাথে কিছু একটা ঘটেছিল।

আমি... আমি বুঝতে পারছি না।

তোর বাড়িতে আসবো তো?

- কাল দেখা হবে। - বাই, অ্যাম্বার।

এক্সকিউজ মি।

এক্সকিউজ মি ! হাই।

- আমাকে বলছেন? - হ্যাঁ।

হাই। সরি।

কী হয়েছে?

সরি, আসলে আমার ফোনের ব্যাটারি শেষ,

আর আমার কাজে যেতে অনেক দেরি হচ্ছে।

তুমি কি আশেপাশেই থাকো? এরিয়াটা চেনো?

হ্যাঁ। কেন?

ক্যাসেল ডাইনারে কীভাবে যাবো, বলতে পারবে?

আসলে আমার বাসায় যাওয়ার খুব তাড়া আছে।

প্লিজ। আমাকে একটা মিউজিক ভিডিও শুট করতে হবে,

- আর আমি... - মিউজিক ভিডিও?

হ্যাঁ, আমি... আমি একজন মেকআপ আর্টিস্ট, আর...

ওদের সাথে এটাই আমার প্রথম কাজ, আর আমার যদি দেরি হয়,

- ওরা হয়ত আমাকে... - ইয়াল্লাহ্‌।

ইয়াল্লাহ্‌।

আপনি কি ''ওয়েট ড্রিমস'' ব্যান্ডের জন্য কাজ করছেন?

ওটার কথা ভুলে যাও।

আমি ক্যাসেল ডাইনার চিনি।

লাগবে না।

- অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করে নেবো। - মোটেও না।

ইয়াল্লাহ্‌, আপনি ''ওয়েট ড্রিমস''-এর সাথে কাজ করছেন !

ইয়াল্লাহ্‌ ! ওরা কি এই মুহূর্তে সেখানে আছে?

তুমি একটু শান্ত হও, প্লিজ।

আমি আপনাকে চিনিয়ে দেবো।

সরি। লাগবে না।

আমি না চিনিয়ে দিলে, আপনি খুঁজে পাবেন কীভাবে?

সম্ভব না।

তুমি যদি এই ব্যাপারে কাউকে বলো কিংবা পোস্ট করো,

তাহলে কিন্তু আমি শেষ।

কসম খাচ্ছি, আমি কিচ্ছু পোস্ট করবো না।

কথা দিচ্ছি।

আমার ফোনটা রাখেন। সিরিয়াসলি, রাখেন।

উফ ! ঠিক আছে।

ঢোকো।

তবে তোমাকে শান্ত থাকতে হবে।

অবশ্যই শান্ত থাকবো।

তুমি দেখি আসলেই ওদের জাবড়া ফ্যান।

আমি সারাক্ষণ ওদের নিয়েই ভাবি। জর্জের কুকুরকে উৎসর্গ করে...

আমার তো আলাদা একটা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও আছে।

কাকতালীয় ব্যাপার তো।

জানি।

একটা কথা বলি?

এগুলোর সবই ভাগ্যের লিখন।

সেরকমটাই মনে হচ্ছে, না?

জ্বি?

ডিন ওয়াকার এখন রেডি ; আপনি যেতে পারেন।

ডেইজি।

- জ্বি, আমি। - ডিন ওয়াকার।

প্লিজ বসো।

আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট বলল, তুমি নাকি তোমার...

মেডিকেলের পড়াশুনা শেষ করতে চাচ্ছ।

জ্বি।

আমাকে কি বলা যাবে, কোন কারণে তোমার...

নতুন করে মেডিকেলে পড়ার ইচ্ছা জাগল?

আসলে...

এখানকার স্মৃতি আমার পিছু ছাড়ছিল না।

হ্যাঁ। জায়গাটা সত্যিই অসাধারণ।

এমন রিকুয়েস্ট আমরা সাধারণত পাই না।

জ্বি, আসলে আমি একটু অদ্ভুত কারণে মেডিকেল স্কুল ছেড়েছিলাম।

ওহ।

আমি নিনার সাথে যা ঘটেছিল, সেজন্য স্কুল ছেড়েছিলাম।

হুম।

নিনা ফিশার।

তাকে মনে নেই?

অ্যালেক্সান্ডার মনরোকে হয়ত মনে আছে?

ওহ, হ্যাঁ। অ্যালেক্সান্ডার মনরো।

সে ক'দিন আগেই দেশে ফিরে আমাদের এখানে বক্তৃতা দিয়েছে।

ওহ, ছেলেটা... ছেলেটা খুবই ভালো।

খুব স্মার্ট।

- তুমি কি ওর ফ্রেন্ড? - না।

আপনার তাহলে অ্যাল মনরোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর কথা মনে নেই?

না।

সে তার রুমে নিয়ে গিয়েছিল নিনা ফিশারকে,

সেই মেয়েটাকে, যাকে আপনার মনে নেই,

যেখানে সে নিজের বন্ধুদের সামনে তার সাথে বারবার সেক্স করেছিল

আর নিনা তখন এতটাই মাতাল ছিল যে, সে বুঝতে পারছিল না তার সাথে কী হচ্ছিল।

তার সারা গায়ে কালশিটে দাগ পড়ে গিয়েছিল।

যেটাকে আপনি হাতের নিশানও বলতে পারেন।

রিপোর্ট করা হয়েছিল?

জ্বি।

নিনা কার সাথে কথা বলেছিল, জানো?

আপনার সাথে।

কিন্তু আপনার তো কিছু মনে নেই, তাই...

আপনার মতে, আমাদের কাছে নাকি পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ছিল না।

বলেছিলেন, একই ঘটনার ব্যাখ্যা দুপক্ষ নাকি দুভাবে দিচ্ছিল।

সত্যি বলতে...

আমাদের কাছে এমন অভিযোগ সবসময় আসে।

সপ্তাহে একটা কি দুটা তো আসেই।

তোমার ফ্রেন্ড নিনাকে মনে নেই বলে দুঃখিত,

কিন্তু এতটুকু বলতে পারি, সেই সময়ে,

আমি বিষয়টার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করেছিলাম।

অ্যাল মনরোর ফ্রেন্ডরা সবাই দেখছিল, হাসছিল।

কারো সাথেই এমন হওয়া উচিৎ না।

কিন্তু এমনও তো হতে পারে যে, সে বেশি ড্রিংক করে ফেলেছিল,

যার কারণে সে সবকিছু ঠিকভাবে মনে করতে পারেনি...

মানে তার ড্রিংক করা উচিৎ হয়নি?

- আমি সেটা বলছি না। আমি... - দুঃখিত, আমি...

আমি আপনাদের সমালোচনা করতে চাচ্ছি না, ডিন ওয়াকার।

আমি ব্যাস খোলাখুলি আলাপ করতে চাচ্ছি।

কোনো মানুষই স্বীকার করতে চায় না...

যে, সে নিজেকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।

যে, সে একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আর সেই সিদ্ধান্তগুলো, সেই ভুলগুলো,

তার জন্য অনেক ক্ষতি ও অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

- অনুশোচনা? - হ্যাঁ।

তাহলে তুমিই বলো, আমি কী করবো?

একটা মেধাবী তরুণের জীবন বরবাদ করে দিবো...

প্রতিবার যখন এই ধরণের কোনো অভিযোগ পাবো?

আপনি তাহলে ছেলেটার কথা বিশ্বাস করতে রাজি আছেন?

আমার তাকে ছাড় দিতে হবে।

তাতো দিবেনই।

কারণ দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা যায় না।

নিঃসন্দেহে।

হ্যাঁ।

আপনার মূল্যবান সময়ের জন্য ধন্যবাদ।

- তোমার ফ্রেন্ড ভালো আছে? - না।

সে ভালো নেই।

তবে অ্যাল মনরো ভালো আছে।

জেনে খুশি হবেন যে, সে জীবনে অনেক সফল হয়েছে।

- সে তো বিয়ে করতে যাচ্ছে, তাই... - হুম।

আপনি মনে হয় সেক্ষেত্রে ঠিক কাজটাই করেছিলেন।

আমাদের অবশ্যই ছেলেদেরকে ছাড় দিতে হবে।

সেজন্য আমি কী করেছি জানেন,

তিন ঘণ্টা আগে, আপনার মেয়ে অ্যাম্বারকে স্কুল ছুটির পর গাড়িতে তুলেছি,

আর সেই রুমে এখন যেই ছেলেরা থাকে, তাদের কাছে রেখে এসেছি।

- কী? - বেশ সুন্দরী মেয়ে আপনার।

দেখে বোঝাই যায় না যে বয়স এত কম।

- তুমি মিথ্যা বলছ। - খেয়াল করলাম, ওদের রুমে...

কতগুলো ভডকার বোতলও ছিল।

কিন্তু আমি নিশ্চিত, ওরা আপনার মেয়েকে অনেক দেখেশুনে রাখবে।

সে খুবই এক্সাইটেড ছিল।

ওহ, দাঁড়ান।

তার ফোনটা আমার কাছে ছিল।

সে পরে চাইতে পারে।

তুমি একটা পাগল।

না।

আমাকে বলো, আমার মেয়ে এই মুহূর্তে কোন রুমে আছে।

বললাম তো... ঠিক যেই রুমে নিনা ছিল।

তোমাকে তো বললাম, আমার সেসব মনে নেই।

সেটা আপনার ব্যর্থতা।

এসব কেন করছ তুমি?

সে তো একটা বাচ্চা মেয়ে।

কিন্তু ছেলেগুলোর কাছে তাকে অতটা বাচ্চা নাও মনে হতে পারে।

আমাকে বলো সে কোন রুমে আছে।

আমাকে বলো সে কোন রুমে আছে !

এখনই বলো, সাইকো কোথাকার !

আমাকে বলো সে কোথায় !

এখনই বলো !

আমাকে বলো সে কোন রুমে আছে !

প্লিজ !

প্লিজ আমাকে বলো।

তুমিই ঠিক, খুশি এবার?

এটাই কি শুনতে চাচ্ছ তুমি?

তুমিই ঠিক।

তুমিই ঠিক।

এইতো লাইনে এসেছেন।

আপনি শুরুতেই আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলালে, আমার হয়ত এতকিছু করা লাগত না।

নিজের প্রিয় মানুষটার প্রসঙ্গ উঠেছে বলেই হয়ত এবার আপনার টনক নড়েছে।

প্লিজ আমাকে বলো আমার মেয়ে কোথায়।

শান্ত হন।

ডিন ওয়াকার, আপনার কি সিরিয়াসলি মনে হয়...

আমি অমন কিছু করতে যাবো?

আপনার মত তো আর আমার ছেলেদের ওপর অত ভরসা নেই।

অ্যাম্বার একটা রেস্টুরেন্টে আছে,

তার প্রিয় ব্যান্ড কখন মিউজিক ভিডিওর জন্য আসবে, সেই অপেক্ষায় আছে।

রেস্টুরেন্টটার নাম ক্যাসেল ডাইনার ; চাইলে ফোন করে দেখতে পারেন।

এখনই ফোন করলে ভালো হয়,

নয়ত সে কক্ষনও ধরতে পারবে না যে, তাকে ধাপ্পা দেয়া হচ্ছে।

বলদ টাইপের মেয়ে, তাই না?

তবে অনেক সুন্দরী।

ব্রেইন দিয়ে আর কীই বা হবে?

সেটা তো মেয়েদের জন্য একটা অভিশাপ।

দেখা হয়ে খুব ভালো লাগল, ডিন ওয়াকার।

ঐ ! তুমি রাস্তা আটকায় রাখছো !

সামনে থেকে গাড়ি সরাও তো বাল !

সমস্যা কী তোমার?

ঐ ! ঐ !

তুমি মাঝখানে গাড়ি পার্ক করছো।

লাইসেন্স কীভাবে পেলা তুমি?

ডিপার্টমেন্ট সুদ্ধ সবার ধোন চুষে দিছিলা নাকি?

হ্যালো।

তোমার সাথে কথা বলতিছি।

আমার দিকে তাকাও, বলদা মাগী।

শুনিতিছো?

তোমার কি খুব ইচ্ছা... আচ্ছা, ঠিক আছে।

আসো তাহলে। দেখি কার কত তেজ।

কই যাও?

তোমার গাড়ি কি ওখানেই রেখে দিবা?

এখানে আসতিছো নাকি? হ্যাঁ?

রেগে গেছো নাকি?

খাইছে !

এইটা লোহার রড নাকি?

সাইকো কোথাকার !

একটু শান্ত হও, কেমন?

একটু শান্ত হও না।

ওরে বাপরে !

থামো, থামো, থামো, থামো !

শালার সাইকো মাগী।

কিছু বলছিলে?

মারা খা।

বাল।

রায়ান, তুমি এখানে...?

বেঁচে আছো তাহলে।

মজা করলাম। তুমি ফোন ধরছিলে না।

- তাই আমি... - শিট। মুভির কথা ভুলেই গেছি।

ওহ, আমি... আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আমি কাজে ব্যস্ত ছিলাম।

হ্যাঁ, আমি... আমি কফিশপে গিয়েছিলাম।

গেইল বলল, তুমি নাকি আজ ছুটি নিয়েছিলে।

- আম্‌... - সব ঠিক আছে তো?

হ্যাঁ।

আমি ঠিক আছি। আমি আসলে একটু ব্যস্ত।

কোনো ব্যাপার না। আমরা এরপরও মুভি দেখতে পারবো...

যদি ডিনারটা বাদ দেই।

আমি আসলে একটু ক্লান্ত।

- আচ্ছা। - কাল ফোন দেই?

নিশ্চয়ই। ঠিক আছে।

- আচ্ছা। - তুমি ঠিক আছ তো?

তোমাকে কেমন জানি...

কী?

মনমরা লাগছে।

না, আমি ঠিক আছি। আমি আসলে...

একটু বেশিই কফি খেয়ে ফেলেছি।

এজন্যই কফিশপে কাজ করতে হয় না।

মাথায় থাকল।

আচ্ছা, শুভরাত্রি।

হ্যাঁ, শুভরাত্রি।

যাওয়া যাক।

- আচ্ছা, সাবধানে পা ফেলো কিন্তু। - উপ্‌স !

আমরা বাসায় পৌঁছে কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ করতে পারবো না,

কারণ আমার বাবা-মা সজাগ কিনা, তার কোনো ঠিক নেই।

- আচ্ছা। - তাদের অসম্মান করা যাবে না।

ভাড়া দেখি দিনদিন বেড়েই যাচ্ছে।

১.২ কিঃমিঃ? মানে...

অত বেশি দূরে না।

- হাঁটতে পারবে তো? - জানি না।

চেষ্টা করে দেখি। চলো।

আসো।

যাওয়া যাক।

পারবে তুমি। বেশ মজা হচ্ছে।

হ্যাঁ।

ক্যাসি?

রায়ান।

তুমি এখানে কী করছ?

ফ্রেন্ডদের সাথে দেখা করতে আসলাম,

কারণ আজ আগেভাগে ছুটি পেয়ে গেছি।

আমি বুঝিয়ে বলছি।

লাগবে না। আমি...

মাফ করে দাও, ভাই।

আমি জানতাম না যে, ওর পার্টনার আছে, কিন্তু...

- সে... - সে তোমার, ভাই।

আমার?

আহ...

তুমি কি ওর নাম জানো?

ক্লেয়ার?

- ওয়াও। - প্রায় কাছাকাছি।

আচ্ছা। ভালো থাকো।

যেও না, রায়ান। দাঁড়াও, প্লিজ।

ক্যাসি, তুমি যদি... তোমার ইন্টারেস্ট না থাকলে,

আমাকে সরাসরি বললেই পারতে।

এত বাজে রিয়্যাকশন।

এত বড় অপমান।

দূরে গিয়ে মরো তুমি !

আচ্ছা, তুমি না টাল?

ওহ, শিট।

তুমিই তাহলে সেই সাইকো, যাকে জেরি বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল।

আমি তোমার কথা বুঝতে পারছি না।

তোমার পেছনে আমি সময় নষ্ট করবো না, সোনাপাখি।

একদম না। তাই তোমার এই পাগলামি অন্য কোথাও মারাও।

তুমি তো অতটা হটও না।

তোমার নিজের তো মেয়েদের পেন্টি খোলার যোগ্যতাই নেই, পল।

শেষ কবে তুমি মদ না খাওয়া কোনো মেয়ের সাথে সেক্স করেছিলে?

সাবধান হয়ে যাও।

সাবধান তো তোমার হওয়া দরকার।

আমিই একমাত্র মেয়ে না যে এসব করে।

আমি ছাড়াও আরও মেয়ে আছে, তারা আরও বেশি পাগলামি করে।

তোমাকে বিশ্বাস হয় না আমার।

এই শহরে এক মহিলা আছে, যে এক জোড়া কাঁচি নিয়ে ঘোরে।

তুমি... তুমি মিথ্যা বলছ।

হুম। পরেরবার সাহস করে কোনো মেয়ের কাছে যাও।

দেখো তোমার সাথে কী হয়।

কেন?

কেন তোমরা মেয়েরা সবসময় ছেলেদের মজা মাটি করো?!

তোমাকে কি কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি?

করলে খুবই খুশি হবো।

ওহ, দুঃখিত। আমি এখন আর ওকালতি করি না,

যদি সেজন্যই এসে থাকো।

আমি সেইজন্য আসিনি।

আজ সম্ভবত আপনার হিসাব চোকানোর দিন।

আমি এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম।

আসো।

অফিস থেকে জানলাম, আপনি নাকি রেস্টে আছেন।

আপনার ঠিকানা পাওয়া খুব সহজ ছিল।

চাওয়ামাত্রই ওরা দিয়ে দিয়েছে।

আমি ওদের বলেছিলাম যেন কেউ চাইলে দিয়ে দেয়।

এতে আপনার ক্ষতি হতে পারে।

পাওনাদারের কাছ থেকে লুকিয়ে লাভ নেই।

তার পাওনা মেটাতেই হবে।

হয়ত।

আপনাকে নার্ভাস লাগছে, মিঃ গ্রিন।

আমি আপনার সাথে সাত বছর আগের একটা ঘটনা নিয়ে কথা বলতে এসেছি।

আপনার হয়ত মনে নেই যে, আপনার অ্যালেক্সান্ডার মনরো নামের এক ক্লায়েন্ট ছিল।

আপনি তার মত অনেক ছেলেকে সাহায্য করেছিলেন।

আর সেই মেয়েটাকে তো আপনার অবশ্যই মনে নেই,

যাকে আপনি হুমকি দিয়ে, টর্চার করে তার মামলা তুলে নিতে বাধ্য করেছিলেন।

আমার তাকে মনে আছে।

নিনা?

এটাই কি নাম ছিল ওর?

সরি, তার পুরো নামটা আমার মনে নেই, কিন্তু...

তুমি তো নিনার কথাই বলছ, তাই না?

হ্যাঁ।

আমার তাকে মনে আছে।

তুমি কি এখানে আমাকে কষ্ট দিতে এসেছ?

আপনি কি চান, আমি আপনাকে কষ্ট দেই?

মনে হয়।

ভুল বুঝতে পেরে আমার মনোজগতে ভীষণ নাড়া লেগেছিল,

কিন্তু ডাক্তাররা সেটাকে আমার মানসিক অসুস্থতা বলে চিহ্নিত করেছিল।

আমি যখন কাজে, তখন এটা ঘটেছিল, তাই...

তাই আমি এখন রেস্টে আছি।

জানো, কোর্টের প্রতিটা মামলার মীমাংসার জন্য আমি বোনাস পেতাম।

প্রতিটা অভিযোগ প্রত্যাহার হওয়ার জন্যও আমি বোনাস পেতাম।

আমরা সবাই পেতাম। এক বান্দা ছিল।

তার একমাত্র কাজ ছিল মানুষের সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তন্নতন্ন করে খুঁজে...

সবরকম লাভজনক তথ্য বের করা।

সে তাদের পুরনো বন্ধুবান্ধব, অতীতের সেক্স পার্টনারদের সাথে কন্টাক্ট করত।

জেনে অবাক হবে, এই ইন্টারনেটের যুগে মানুষের ''নোংরা'' তথ্য বের করাটা কত সহজ।

আগেকার দিনে, কোনো মেয়েকে দোষী দেখাতে তার অতীত ঘাঁটতে হত।

আর এখন, পার্টিতে তার একটা মাতালওয়ালা ছবিই যথেষ্ট।

এতে জুরিবর্গ কতটা বৈরী হয়ে ওঠে, সেটা বিশ্বাস হবে না তোমার।

আমাকে সাহায্য করো।

আমি ঘুমাতে পারি না।

আমি ঘুমাতে পারি না।

আমি ঘুমাইনি সেই কতকাল...

আমি নিজেকে কখনও ক্ষমা করবো না।

এতটুকু জেনে রাখো।

আমি যা করেছি, সেজন্য নিজেকে কখনও ক্ষমা করবো না।

আমি আপনাকে ক্ষমা করে দিলাম।

আমি অত্যন্ত দুঃখিত।

ঘুমাতে যান।

আমি কি এবার ভিতরে যাবো?

- না। - ওহ।

আমি তো তারপরও আমার টাকা পাচ্ছি, না?

হ্যাঁ।

ক্যাসি?

নিনার ১৬ তম জন্মদিনের কথা মনে আছে?

উফ। সেটা আমি কীভাবে ভুলি?

আমার অবস্থা তো কাহিল ছিল।

নিনা দোলনার ওপর বমি করেছিল।

হুম। মোটেও গর্ব করার মত কোনো ঘটনা ছিল না।

আর একটা ছেলে আপনার ফুলদানি চুরি করেছিল।

তারপর নিনা তাকে দিয়ে সেটা আপনার কাছে ফেরত আনিয়েছিল আর মাফ চাইয়েছিল।

ছেলেটা এত ভয় পেয়েছিল তাকে।

সে ছেলেটার কান ধরে ছিল এবং বলছিলঃ

"এক্ষনই আমার আম্মুকে সরি বল, বদমাশ কোথাকার।"

ছেলেটার নাম যেন কী ছিল?

সাইমন বা স্টিভ, এই টাইপ কিছু।

তুমি এখানে কেন এসেছ?

আপনাকে একটু দেখতে চাচ্ছিলাম।

তুমি এসব বাদ দাও।

এতে আমাদের কারোরই লাভ হবে না।

এতে নিনার তো লাভ হবেই না।

তোমারও কোনো লাভ হবে না।

দেখো, আমি জানি, তোমার খারাপ লাগে তুমি তার সাথে ছিলে না বলে,

কিন্তু তোমাকে ওসব ভুলে যেতে হবে।

আমি সেটার একটা ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি।

কিন্তু তুমি তা পারবে না।

বাচ্চামো কোরো না, ক্যাসি।

তার সাথে কেন গেলাম না, সেটা ভেবে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয়।

শুধু তোমার না।

আমারও নিজেকে অপরাধী মনে হয়।

ক্যাসি।

আগের কথা ভুলে যাও।

প্লিজ।

আমাদের সবার খাতিরে।

আপকামিং ইভেন্ট অ্যাল মনরোর সিঙ্গেল জীবনের সমাপ্তি উপলক্ষে ব্যাচেলর পার্টি

আপনি কি আপনার অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার ব্যাপারে নিশ্চিত?

বাহ, তুমি।

ভিতরে আসতে পারি?

হ্যাঁ।

কিছু লাগবে তোমার? কফি লাগবে?

নাকি আরেকটা পোলা লাগবে, যার সাথে বাড়ি যাওয়া যায়?

এমন কাউকেই লাগবে।

এখানে কোনো হারামি-টারামি পাওয়া যাবে নাকি?

হ্যাঁ। আট নম্বর ফ্লোরে একটা রেসিস্ট পোলা আছে।

- হ্যাঁ। - পারফেক্ট।

তুমি কী চাও, ক্যাসি?

আমি মাফ চাইতে এসেছি, সেইরাতে যা...

ওহ।

আমি ব্যাপারটা কীভাবে বুঝাবো, সেটা ভাবার চেষ্টা করছি।

এমন না যে, আমি ইন্টারেস্টেড না।

আমি সত্যিই ইন্টারেস্টেড।

খুব, খুব ইন্টারেস্টেড।

আচ্ছা।

আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

মানে... তুমি...

সরি, আমরা... আমরা তো কয়েকবার ডেটে গিয়েছি।

তুমি যে আমাকে চুমো দিতে বা স্পর্শ করতে চাও না, তাতে আমার কোনো দুঃখ নেই।

কিন্তু পরে দেখি, সেই তুমিই...

মাথায় ফেডোরা পরা এক ফাউল পোলার সাথে বাড়ি যাচ্ছ।

আমি মানছি, ফেডোরা পরা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

সেইরাতে যা হলো...

ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলা কঠিন, কিন্তু এমনটা আর হবে না।

কথা দিচ্ছি, এমনটা আর কক্ষনও হবে না।

সম্পর্কটাকে কি আরেকটা সুযোগ দেয়া যায়?

আমাকে কি আরেকটা সুযোগ দেয়া যায়?

আমি...

আমি জানি না।

ঠিক আছ তুমি?

আম্‌...

সমস্যা নেই। আমি...

পরে দেখা হবে।

শপ এখন বন্ধ।

ভালো।

আমার সাথে ডিনারে যাবি, ঢঙ্গী কোথাকার?

হ্যাঁ।

শিট।

আমাদের একসাথে প্রথম ফার্মেসী ভ্রমণ।

হ্যাঁ।

বড় একটা পদক্ষেপ নিলাম।

দাঁড়াও। তুমি সিরিয়াসলি প্যারিস হিল্টনের গান গাচ্ছ?

- কী? হ্যাঁ। - আচ্ছা, ঠিক আছে।

থামো।

থামো তো।

কিচ্ছু হবে না। ওরা কিছু বলবে না।

উফ। থামো।

পাশে অন্য কাউকে পেলে, নিজেকে অতটা দুঃখী মনে হয় না।

দই খাচ্ছি আর ইমপ্রেস করার নতুন নতুন তরীকা খুঁজে পাচ্ছি।

কত সপ্তাহ যে ফার্মেসীতে এমন ছেলেমানুষি করিনি।

- কি আজিব। - সত্যিই, অনেক সপ্তাহ।

ধন্যবাদ।

সরি।

ওরা কিছু মনে করেনি।

পনির?

আমার খুব পছন্দ।

জ্বি। ধন্যবাদ।

- রুটি? - নিশ্চয়ই।

আচ্ছা।

ওহ। ধন্যবাদ।

বাড়িটার প্রশংসা করতেই হয়। অসাধারণ।

- এত্ত সুন্দর। - হ্যাঁ, আমারও ভালো লাগে।

সুজান বাড়িটার পেছনে অনেক সময় দেয়।

- দেখেই বোঝা যায়। - হ্যাঁ।

ঠাণ্ডা হওয়ার আগেই খেয়ে নাও।

দেখেই জিভে জল এসে যাচ্ছে।

- ওহ। ওহ। - ধন্যবাদ।

সসটা আমি বানিয়েছি।

সসটা তো...

সসটা খুবই সুস্বাদু।

অসাধারণ।

রায়ান, শুনলাম তুমি নাকি একজন ডাক্তার।

তোমার বাবা-মা নিশ্চয়ই খুব গর্বিত।

দুর্ভাগ্যবশত, না। উনারা চাচ্ছিলেন আমি যেন ডিজে হই।

ছেলেটা রসিক।

হ্যাঁ।

খুব রসিক।

তুই তো বলিসনি যে ও রসিক, ক্যাসি।

- বাবা। - তুমি উনাদের বলোনি যে আমি...

- তুমি উনাদের বলোনি যে আমি রসিক? - না।

আমি বলেছি যে, তুমি বোরিং, কিন্তু বড়লোক।

আমি বোরিং, বড়লোক তেমন একটা না।

না? সেক্ষেত্রে,

তোমাকে বিদায় করে দিতে হবে, খোকা।

তুমি ডাক্তারির কোন ডিপার্টমেন্টে আছ?

পিডিয়াট্রিক, মানে...

বাচ্চাদের ডিপার্টমেন্ট।

উনার নাম যেন কী, আহ্‌...

ঐ ডাক্তারটার নাম যেন কী? ক্যাসির ডাক্তার।

- গ্যারি? - না।

ডঃ ক্যাটজেন টাইপ কিছু একটা।

হ্যাঁ। বাবা, উনার বয়স তো আশির মত ছিল।

হ্যাঁ, সেটাই...

তুমি... তুমি ডঃ ক্যাটজেনকে চেনো না?

না।

আচ্ছা, আমাকে একটু বলো তো।

বাচ্চাদের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কি বড়দের চেয়ে আলাদা হয়?

না, বলতে গেলে প্রায় একইরকম।

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কেবল...

ব্যান্ডেজ জাতীয় জিনিসগুলো বিভিন্ন কালারের হয়ে থাকে।

এটা এমন জটিল কোনো বিষয় না।

আচ্ছা...

বুঝতে পেরেছি।

ওহ।

সসটার স্বাদ অসম্ভব ভালো।

শুভরাত্রি।

শুভরাত্রি।

রায়ানের সাথে দেখা করানোর জন্য ধন্যবাদ।

জানি, তোর জন্য এটা কত কঠিন ছিল।

আসলে, তোর মা, সে...

মানে, আমরা দুজনই খুব খুশি যে...

উফ, বাবা।

সে অতটাও ভালো না।

হ্যাঁ।

আমি মনে হয় ক্লান্ত।

আচ্ছা।

মামণি, নিনাকে আমরা নিজেদের মেয়ের মত দেখতাম।

তুই তো সেটা জানিস।

আমরা তাকে সত্যিই খুব মিস করি।

কিন্তু তোকে মিস করেছি সবচেয়ে বেশি।

কাল দেখা হবে।

তোমার মা... উফ, তোমার মা এত হট।

সরি।

তোমার মা সেইরকম হট।

তার নম্বর লাগবে নাকি?

- আমি তোমাদের সেটিং করায় দিতে পারি। - সত্যিই?

ওহ।

আমার চেয়ে মনে হয় সে-ই তোমাকে বেশি পছন্দ করে।

দোয়া করি সেটা যেন সত্যি না হয়।

আমি কি...

একটা কথা বলি তোমাকে?

নিশ্চয়ই।

আমার মনে হয় তুমি অসাধারণ। আমি...

- প্লিজ, রায়ান। - চুপচাপ আমার কথা শোনো, ঢঙ্গী।

- প্লিজ থামো। - চুপ। আমি...

প্লিজ আমার কথাটা শোনো।

আমার মনে হয় তুমি অসাধারণ। আমি...

আমি...

আমি... আমি... আমি মনে হয় তোমার প্রেমে পড়ে যাচ্ছি।

আমিও মনে হয় তোমার প্রেমে পড়ে যাচ্ছি।

ওহ।

- ওরে আমার খোদা। - এটা নিয়ে...

- ওরে খোদা ! - এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি কোরো না।

- আমি তোমাকে একটা সাইকেল কিনে দেবো। - না।

- আমি তোমাকে একটা সাইকেল কিনে দেবো। - রায়ান, শান্ত হও।

আমি শান্তই আছি।

অনেক শান্ত আছি।

আমি তো দুনিয়ার সবচেয়ে শান্ত মানুষ।

ক্যাসি।

শিট।

ম্যাডিসন, তুই এখানে কী করছিস?

সরি। আমি...

আমি কল করার ট্রাই করেছিলাম।

ম্যাসেজ দিয়েছিলাম কতগুলো, ঐ ছেলেটাকে নিয়ে।

তোর ঐ ফ্রেন্ডটাকে নিয়ে।

কি জানি, তোর ফোন নম্বর হয়ত কাজ করছিল না।

হয়ত আমার কাছে পুরনো নম্বরটা ছিল। আমি আসলে... মানে...

আমাকে তোর বারান্দায় অপেক্ষা করতে দেখে হয়ত ভাবছিস, আমি কোনো পাগল-টাগল ;

হয়ত আমাকে তুই সন্দেহের চোখে দেখছিস।

ম্যাডিসন, আমি দুঃখিত। আমার কলব্যাক করা উচিৎ ছিল।

ছেলেটা তোর সাথে কিছু করেনি। বিশ্বাস কর।

তুই শিওর তো? আমি... আমার তো মনে হচ্ছিল...

জানি তোর কী মনে হচ্ছিল, কিন্তু ওরকম কিছু ঘটেনি।

সে তোর গায়ে হাত দেয়নি।

যা বাঁচাটা বাঁচলাম।

ওহ।

ওহ, আমার... আমার তো টেনশন হচ্ছিল যে...

যে আমি ... যে ওর আর আমার মধ্যে...

সে স্রেফ তোকে বিছানায় শুইয়েছিল।

তুই যাতে ঠিক থাকিস, সেজন্য তোর ওপর নজর রেখেছিল।

আমি কলব্যাক করিনি বলে মন থেকে দুঃখপ্রকাশ করছি।

এমনটা করা উচিৎ হয়নি।

ঠিক আছে।

উফ। শোন, আমি...

আমি তোকে একটা জিনিস দেখাতে চাই।

দেখা।

আমরা ভিতরে যাই?

চল।

তোকে পানি-টানি কিছু দেবো?

না, ধন্যবাদ।

ওহ।

সেদিন আমাদের লাঞ্চ শেষে...

আমি প্রচণ্ড টাল ছিলাম আর যখন জ্ঞান ফেরে, তখন নিজেকে হোটেল রুমে সেই ছেলের সাথে পাই।

আর তুই নিনা সম্পর্কে যা বলেছিলি, আমি সেই বিষয়ে ভেবে দেখেছি।

মানে, আমরা সবাই যেভাবে তোদের সাপোর্ট করিনি...

আর সেসব ভাবতে গিয়ে আমার একটা জিনিস মনে পড়েছে।

কী?

কী?

একটা ভিডিও ছিল।

- কী? - একটা ফালতু ভিডিও।

সবার কাছে সেন্ড হয়েছিল।

আমার কাছেও সেন্ড হয়েছিল।

কেউ বাদ যায়নি। যেই সময়ের কথা, তখন...

এসব নিয়ে কেবল গালগল্পই হত।

গালগল্প?

সেই সময়ে তো সারাক্ষণ কত কিছুই ঘটত।

তুই তো জানিস পরিস্থিতি কেমন ছিল।

প্রতিনিয়ত কারো না কারো অচেতন হওয়ার ঘটনা ঘটত।

আমি আশা করেছিলাম যেন সেসব সত্যি না হয়।

কিন্তু, আম্‌,...

আমি সবসময় যাবতীয় ছবি-টবি আমার ফোনে সেভ করে রাখতাম।

তাই, আম্‌...

নে।

না জানি কীভাবে আমরা সবার তখন ভিডিওটা দেখার সাহস হয়েছিল, আর...

কী?

তা দেখে আমাদের হাসি পেয়েছিল।

ফোনটা তোর কাছে রাখতে পারিস।

তোকে ভিডিওটা দেখতে হবে না। আমি থাকলে দেখতাম না।

তারপরও তোর ইচ্ছা, তোর যা খুশি কর।

কিন্তু আমাকে এর মধ্যে জড়াস না।

আর...

দয়া করে আমার একটা উপকার করবি?

হ্যাঁ।

জীবনেও আর আমার সাথে কন্টাক্ট করিস না।

অ্যাল, খাইয়া দে !

আরে ভাই, থাম।

চালায় যা। আমরা আছি।

শান্ত হ। শান্ত হ।

ওরে আমার খোদা।

তোরা পাগল হয়ে গেছিস।

রায়ান, কই তুই ! দেখে যা।

চরম একটা জিনিস মিস করবি ভাই।

ঐ, আমাকে ভিডিওতে আনিস না। মামা, ক্যামেরা সরা।

এসব কী করছিস তোরা? ইয়াল্লাহ্‌।

রায়ান, প্লিজ।

তোদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

সিরিয়াসলি ভাই।

অ্যাল, অ্যাল।

ক্যাসি, তুমি... তুমি এখানে কী করছ?

তুমি ঠিক আছ তো...

আমরা কি নিরিবিলি কোথাও গিয়ে কথা বলতে পারি?

আমি তো একটু ব্যস্ত।

আমাদের এখনই কথা বলা দরকার।

ঠিক আছে। তা কাহিনী কী?

- সব ঠিক আছে তো? - আমি কত্ত বড় আবাল।

কী হয়েছে?

আমি এক মুহূর্তের জন্য সত্যি সত্যি ভেবেছিলাম, সব বুঝি ঠিক হয়ে যাবে।

ক্যাসি।

এটা দেখো।

তুমি কী দেখাচ্ছ আমাকে? এটা কী?

- এটা অ্যাল মনরো নাকি? - হুম।

ইয়াল্লাহ্‌, এটা...

দাঁড়াও, এটা কি... আমি এটা...

আমি এটা দেখতে চাচ্ছি না, ক্যাসি।

কেন চাচ্ছ না?

তখন তো তোমার কোনো সমস্যা হয়নি।

এসব কী বলছ তুমি? আমি তো...

ওরে আমার খোদা।

- তোরা পাগল হয়ে গেছিস। - রায়ান, কই তুই !

দেখে যা। চরম একটা জিনিস মিস করবি ভাই।

আমার... আমার কিছু মনে নেই। সত্যিই মনে নেই।

তেমন একটা গায়ে লাগেনি, তাই না?

আমি তখন ছোট ছিলাম। আমি...

তোমাকে আমার জন্য একটা কাজ করতে হবে,

আর আমি চাই সেটা নিয়ে তুমি খুব ভালো করে ভাবো।

আমি ভিডিওটা যেকোনো মুহূর্তে...

তোমার অ্যাড্রেস বুকে যাদের পাবো, তাদের সবাইকে সেন্ড করে দিতে পারি।

তোমার বাবা-মাকে।

তোমার কলিগদেরকে।

তোমার সমস্ত পুরনো বন্ধু আর তাদের বউদেরকে।

ক্যাসি, প্লিজ।

আমি এটা এখনই সেন্ড করে দিবো,

যদি তুমি অ্যাল মনরোর ব্যাচেলর পার্টি কোথায় হবে, সেটা আমাকে না বলো।

কী?

কেন?

অত জেনে তোমার কাজ নেই।

কিন্তু তুমি কী করতে যাচ্ছ?

সেটা নির্ভর করে।

কীসের ওপর?

এখানে জানাজানি হলে কি তোমাকে বের করে দেবে?

- প্লিজ। - ডঃ রায়ান কুপার?

শিট।

তুমি তো বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করো, তাই না?

ওদের কিন্তু সাবধান থাকতে হবে। আমাদের স্কুল ছাড়ার পর থেকে...

কতকিছুই তো বদলে গেছে, তাই না?

একটু ভেবে দেখো, প্লিজ। প্লিজ।

তোমাকে বলে বোঝাতে পারবো না, আমি এই বিষয়ে কতটা ভেবেছি।

- ঠিক আছে। - ঠিক আছে।

এই নাও ঠিকানা। খুশি?

এই উইকেন্ডে ওরা সবাই সেখানে থাকবে।

আমাকে... আমাকে খারাপ মানুষ মনে কোরো না।

ক্যাসি, আমি, আমি...

আমি তোমাকে ভালোবাসি।

আমি তোমাকে ভালোবাসি, ক্যাসি।

তোমার আমাকে মাফ করে দিতে হবে।

বলো, আমাকে মাফ করে দেবে।

না।

তুমি কি তাহলে পারফেক্ট?

তুমি বুঝি কখনও লজ্জিত হওয়ার মত কিছু করোনি?

তুমি...

আমি কীভাবে...

তুমি কি সবাইকে বলে দেবে?

আমি জানি না।

এই ভয় নিয়ে বেঁচে থাকাটা আমার জন্য মুশকিল হয়ে যাবে।

আমি তো কিছু করিওনি।

আচ্ছা।

বেচারা রায়ান, নিষ্পাপ দর্শকের মত শুধু তামাশা দেখনেওয়ালা।

হ্যাঁ।

ওদের কাউকে আমার সেখানে যাওয়ার কথা বলতে যেও না।

নয়ত আমিও একইভাবে ভিডিওটা সবাইকে সেন্ড করে দিবো।

আর তখন আমাদের কারোরই ডাক্তার হওয়া হবে না,

লুজার কোথাকার।

ধন্যবাদ।

বাই, রায়ান।

- খাইছেরে। - খাইছে। বলিস কী?

ডাক্তার চলে আসছে।

স্ট্রিপার এসে গেছে, মামারা ! খেলা হবে !

- খেলা হবে ! - নার্স, আমার অসুস্থ লাগছে !

টেম্পারেচারটা চেক করে দেন তো।

তোদের তো বলেছিলাম, কোনো স্ট্রিপার আসতে পারবে না।

অ্যানেস্তেশিয়া'র কানে গেলে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠবে।

আচ্ছা, তোদের মধ্যে কে এটারে আসতে বলছিস?

- জো? - আমি কিছু করি নাই।

স্বীকার করার সাহস নেই কারো?

অ্যানেস্তেশিয়া জেনে গেলে, তোদের কেউ কিন্তু...

- আস্ত থাকবে না, বুঝেছিস? - মুড়ি খা তুই।

তুমিই কি বর?

হ্যাঁ।

তাহলে চুপচাপ বসো।

ওরে বাবারে !

এবার।

তোমরা সবাই দুষ্টু ছেলেদের মত আমার সামনে হাঁটু গেড়ে বসো।

- ওহ... - জলদি।

সবাই এখানে আছে তো?

কেউ যেন বাদ না যায়।

সবাই আছে। সমস্ত রোগী হাজির, নার্স।

ওপরে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে।

না, দরকার নেই। আমি চাচ্ছি না।

দেখো, আমি কিছুই করবো না...

যদি তুমি তা না চাও,

কিন্তু আমি আমার টাকাটা কেবল তখনই পাবো, যখন তোমার সাথে ওপরে যাবো।

ঠিক আছে।

আচ্ছা, আমি গেলাম।

আমি যেন সকালে মালটারে এখান থেকে হামাগুড়ি দিয়ে বাইর হতে দেখি !

তার যেন হাঁটার মত অবস্থা না থাকে !

আমাদের জন্যও একটু রাখিস, ভাই !

তো এখন আমাকে... আহ্‌...

বিছানায় যাও।

আচ্ছা।

তোমাকে একটু ভয় পাচ্ছি আমি।

ভয়ের কিছু নেই। বিছানায় যাও।

ঠিক আছে।

ওহ ! না, না, না। সরি।

এটা না পরালে হয় না?

এটা আমার নিরাপত্তার জন্য। আমি যখন প্রাইভেটে পারফর্ম করি,

ছেলেরা তখন অনেকসময় গায়ে হাত লাগায়, তাই...

ওহ, আচ্ছা। ঠিক আছে।

তোমাকে এসব... তোমার এসব করার...

আমি একজন ভদ্রলোক।

- তাই নাকি? - হ্যাঁ।

জেনে হয়ত অবাক হবে যে, ভদ্রলোকেরাই...

মাঝেমাঝে দুনিয়ার নিকৃষ্টতম কাজগুলো করে থাকে।

ওহ।

সরি, তুমি কি... এগুলো একটু লুজ করে দিতে পারবে?

- অভ্যস্ত হয়ে যাবে। - উহ।

দেখো, কথাটা শুনে আমাকে ভোঁদাই মনে হতে পারে,

কিন্তু তুমি... তুমি তো আমার সাথে উল্টাপাল্টা কিছু করবে না, তাই না?

আসলে... আমি আমার বাগদত্তাকে ভালোবাসি,

আর আমাদের বিয়ে হতে যাচ্ছে।

তাই আমি... আমি কোনোরকম ঝামেলা...

আমাকে দেখে কি মনে হয়, আমি তোমাকে দিয়ে...

জোর করে কিছু করাতে পারি?

- না। - তাহলে?

তা, তোমার নাম কী?

ক্যান্ডি।

- তোমার আসল নাম বলো। - নিনা।

নিনা ফিশার।

কী বললে তুমি?

বললাম, আমার নাম নিনা ফিশার।

আমাকে কি যেতে দেয়া যায়?

সরি, সেটা সম্ভব না।

ছেলেদের কেউ কি তোমাকে এসব করতে বলেছে?

জো বলেছে?

কিন্তু সে তো এতটাও হারামি না।

তোমার কথা বুঝতে পারছি না।

- তুমি নিনা ফিশার হতে পারো না। - কেন পারি না?

কারণ সে মারা গেছে, বুঝলে?

নিশ্চিত অন্য কোনো নিনা ফিশারের কথা বলছ।

- পাক্কা কাকতালীয় ব্যাপার। - আমার সেরকমটা মনে হয় না।

দয়া করে এগুলো একটু খুলে দিতে পারবে?

মজা নিও না তো।

আমি কোন দুঃখে একটা মৃত মেয়ের নাম বলতে যাবো?

অ্যাই, এসব পাগলামি ছাড়ো। থামো এবার।

কিন্তু আমি তো কিছু করছি না।

তোরা কই ! হেই, জো?

ব্র্যান্ডন, চিপ। কই তোরা !

একটু ওপরে আসতে পারবি?

ওরা মনে হয় তোমাকে শুনতে পাচ্ছে না।

আর পাওয়ার কথা থাকলেও, এতক্ষণে তারা সবাই অজ্ঞান হয়ে গেছে।

কারণ মেডিকেল স্কুলে থাকতে আমি একটা জিনিস ভালোভাবেই শিখেছি,

সেটা হচ্ছে, মানুষের চোখ ফাঁকি দিয়ে তার ড্রিংকে কোনোকিছু মেশানোটা কত সহজ।

ওদের, বিশেষ করে জো'র তো সেটা মনে থাকার কথা।

আমি কি তোমাকে চিনি?

তোমার আমাকে মনে থাকার কথা না, অ্যাল।

তুমি তো কত জনপ্রিয় ছিলে।

তুমি নিনার ফ্রেন্ড।

শিট !

তুমি নিনার ফ্রেন্ড।

আমি তাহলে নজরে পড়েছিলাম তোমার।

টাশকি খেলাম।

আমি তো তখন এমন মেয়ে ছিলাম না, যাকে দেখলেই চুদতে মন চায়,

তাই ভেবেছিলাম, হয়ত আমি তোমার নজর এড়িয়ে গেছি।

তু- তু- তু- তু... তুমি কী চাও?

টাকা? আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছ?

তুমি যা করেছিলে, আমি সেটা তোমার মুখ থেকে শুনতে চাই।

তুমি কি ঐ ঘটনার কথা বলছ?

আমি কোন ঘটনার কথা বলছি বলে মনে হয়?

আমি তো কিছুই করিনি !

আ... আমরা তখন ছোট ছিলাম।

এই কথাটা যদি আমি আরেকবার শুনি।

দেখো...

এমন কি হতে পারে না যে, তার পরে অনুশোচনা হয়েছিল?

- হ্যাঁ, খুব অনুশোচনা হয়েছিল (!) - আমি তো কিছু করিনি !

- করেছ ! - ধুত্তোরি..

দেখো, আমি...

আমি জানি না তুমি আমার মুখ থেকে কী শুনতে চাও,

কি-কি-কিন্তু আমরা করিনি...

কী?

জানো তো।

না।

সে তার মাথাটা পর্যন্ত ঠিকমত তুলতে পারছিল না।

সে জানতোও না তার সাথে কী হচ্ছিল।

আমরা তখন পার্টিতে ছিলাম ভাই।

মা... মানে, দেখো, আমরা সবাই টাল ছিলাম,

কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু নিনাও সেটা এঞ্জয় করছিল।

ভিডিও দেখে তো মনে হয়নি সে এঞ্জয় করছিল।

কীসের ভিডিও?

ওহ, তোমার মনে নেই?

তোমার ফ্রেন্ড জো সব রেকর্ড করেছিল।

আর বিশ্বাস করো, ভিডিওটা এখন কারও হাতে পড়লে,

তোমার খবর হয়ে যাবে।

দেখো, আ-আমি তোমাকে সবকিছু দিতে রাজি আছি, ঠিক আছে?

আমি সবকিছু করতে রাজি আছি।

সবকিছু।

আহারে। কেঁদো না।

সিরিয়াসলি, কান্নাকাটি কোরো না তো।

যা করেছিলে, সেটা আমাকে বলো।

কিন্তু আমি তো কোনো ভুল করিনি !

তাকে স্কুল ছাড়তে হয়েছিল।

ক্লাসের সেরা স্টুডেন্ট, তারপরও স্কুল ছাড়তে হয়েছিল।

আমিও ছেড়েছিলাম, তার দেখভাল করার জন্য।

দুজন উধাও হয়ে গিয়েছিলাম।

কিন্তু তুমি ঠিকই আরামসে গ্র্যাজুয়েট হয়ে গেলে।

তোমার মধ্যে কখনও অপরাধবোধ জেগেছিল,

নাকি তুমি হাঁফ ছেঁড়ে বেঁচেছিলে তার চলে যাওয়ায়?

এর জন্য আমারও কম জ্বালা সহ্য করতে হয়নি, বুঝলে?

এভাবে অভিযুক্ত হওয়াটা একটা ছেলের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার।

একটা মেয়ের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার কোনটা, সে সম্পর্কে কোনো ধারণা আছে তোমার?

তুমি তো ধরেই নিয়েছিলে যে, তুমি বুঝি পার পেয়ে গেছ,

কেননা সবাই বিষয়টা ভুলে গিয়েছিল।

- শিট। - কিন্তু আমি ভুলিনি।

তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে !

বুকে পাথর ছেড়ে আমার স্কুল ছাড়তে হয়েছিল, জানো?

ছোটবেলা থেকেই আমার ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা ছিল।

কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে, আমার খুব মন চাচ্ছে...

ডাক্তারির লাইনে ফিরে আসতে।

থামো।

- জানো... - প্লিজ। প্লিজ থামো। হেই।

নিনা অসাধারণ একটা মেয়ে ছিল।

এত স্মার্ট।

বাঁচাও !

একটু বেশিই স্মার্ট।

বাঁচাও ! আমাকে বাঁচাও !

শিট !

বাঁচাও আমাকে !

তোমার জানা দরকার সে কেমন ছিল, বুঝলে?

প্লিজ।

কিন্তু তার বর্ণনা দেয়া খুবই কঠিন,

কারণ সে সবসময় স্বকীয়তা বজায় রাখত।

এমনকি তখনও, যখন তার চার বছর বয়স ছিল।

জন্মের প্রথম দিন থেকেই তার সবকিছুতে পরিপক্বতা ছিল।

একই চেহারা। একই হাঁটার ভঙ্গি।

তার রসবোধ ছিল।

বড়দের মত রসবোধ ছিল তার।

চালাক টাইপের মেয়ে ছিল।

আমি তার প্রচণ্ড ভক্ত ছিলাম।

আমি বিশ্বাস হয়নি, যখন সে আমার ফ্রেন্ড হতে চাইল।

আমি বাদে বাকিরা কে কী ভাবল, সে সেসবের একদম ধার ধারত না,

কারণ সে তো ছিল...

নিনা।

কিন্তু তারপর সে বদলে গেল।

হঠাৎ, সে অন্যকিছু হয়ে গেল।

সে তোমার হয়ে গেল।

হাঁটাহাঁটি করার সময়ে, সে নিজের নাম শুনত না।

তোমার নাম শুনত।

খালি তোমার নাম থাকত তার চারদিকে।

তার সবখানে, সারাক্ষণ।

যার ফলে...

...সে একদম ভেঙে পড়েছিল।

তাই আমি যখন আবারো তোমার নামটা শুনলাম,

তোমার গা-গোলানো জঘন্য নামটা...

আমি ভাবলাম, শেষ কবে মানুষ নিনার নাম মুখে এনেছিল?

কিংবা তার কথা ভেবেছিল?

আমি বাদে।

আর সেটা ভেবে আমার এত্ত খারাপ লাগল, কারণ অ্যাল...

তোমারই তো সবখানে তার নাম থাকা উচিৎ।

না। না।

চিন্তার কিছু নেই। সব জীবাণুমুক্ত করে নিয়েছি।

- না। - আমি খুব ভালো একজন ডাক্তার হতে পারতাম।

- তুমি একটা পাগল। - সত্যিটা কী, জানো?

আমার মোটেও নিজেকে পাগল মনে হয় না।

আমি যতদ্রুত পারি, কাজটা শেষ করবো।

থামো। থামো !

- আমার ওপর থেকে সরো ! - না !

দোহাই লাগে, নড়াচড়া বন্ধ করো !

- থামো, প্লিজ ! দোহাই... - না !

তুমি...

না !

শিট !

থামো। থামো।

শিট। শিট।

সব তোমার দোষ !

ধ্যাত।

থামো। থামো। থামো !

দোহাই লাগে, নড়াচড়া বন্ধ করো !

নড়াচড়া বন্ধ করো !

থামো।

অস্থির একটা রাত কাটল।

ওহ।

সেই নার্স নাকি?

এ তো দেখি সাংঘাতিক অবস্থা !

জোস।

জো।

অ্যাল, অ্যাল, ঘাবড়াস না, ঠিক আছে?

অ্যানেস্তেশিয়া কক্ষনও জানতে পারবে না।

ব্যাপারটা আমাদের মধ্যে গোপন থাকবে।

সে মরে গেছে, জো।

কী যে বলিস।

আমি মজা করছি না।

আচ্ছা, আমি... তোর কথা শুনে হাসি পাচ্ছে।

কী?

তুই নিজের ব্যাচেলর পার্টিতে খুন করছিস?

ফাইজলামি নাকি?

অ্যাল, তুই পারিসও।

আচ্ছা, এরে কি এখান থেকে সরাবো, যাতে তুই একটু ঘুমাতে পারিস?

ঠিক আছে।

এইযে, সোনা, তোমার যাওয়ার সময় হয়ে গেছে।

ওঠো।

ওর আবার কী হলো?

এইযে, সোনা, ওঠো।

যাওয়ার সময় হয়ে গেছে।

সোনা, আমরা কি আজকে...

ওরে আমার খো...

শিট। সে মরে গেছে নাকি?

অ্যাল, সে মরল কেন?

বললাম তো।

এসব কীভাবে হলো?

আমি জানি না।

আচ্ছা। শোন।

অ্যাল, তোর কোনো দোষ নেই।

কি জানি। দেখে তো মনে হচ্ছে দোষ আমারই।

না, না, না, না।

তোর কোনো দোষ নেই।

আ-আ আমি কি...

- আমি কি এর জন্য জেলে যাবো? - কী?

- আমার বিয়ে, আমার চাকরির কী হবে? - না।

অ্যানেস্তেশিয়া তো আমাকে ছেড়ে চলে যাবে।

না, না।

অ্যাল, এটা অ্যাকসিডেন্ট ছিল, বুঝেছিস?

কিন্তু...

হেই !

এটা অ্যাকসিডেন্ট ছিল।

মানে, এটা তো অ্যাকসিডেন্টই ছিল।

হ্যাঁ, এটা তো অ্যাকসিডেন্টই ছিল।

কেউ জেলে-মেলে যাবে না,

কারণ কেউ এ ব্যাপারে কখনও জানবে না।

কেউ জিজ্ঞেস করলে, বলে দেবো যে, আমরা গতরাতে তাকে বের হতে দেখেছি।

সে আমাদের বিনোদন দিয়েছে, তারপর চলে গেছে।

- চলে গেছে? - চলে গেছে।

তুই টেনশন করিস না।

সব ঠিক হয়ে যাবে, বুঝেছিস?

আমরা সব সামলে নেবো।

বাকিরা বের হওয়ার আগেই বডিটা সরায় ফেলতে হবে।

হেই, হেই, হেই, হেই।

কিচ্ছু হবে না। আমার দিকে তাকা।

তোর কোনো দোষ নেই, অ্যাল।

- থ্যাংকস। - তুই কোনো ভুল করিসনি।

কিচ্ছু হবে না।

তুই কোনো ভুল করিসনি।

তোর কোনো দোষ নেই।

হাতকড়াটা খুলে দিতে পারবি?

আচ্ছা, এখানে আয়। এখানে আয়।

আপনারা কি তার ফোন ট্র্যাক করে তাকে খুঁজে বের করতে পারবেন না?

দুঃখিত, ম্যাম।

ফোনটা সে অফ করেই বেড়িয়েছিল।

মনে হচ্ছে, সে নিজেই চাচ্ছিল না...

সে কোথায় ছিল, সেটা কেউ জানুক।

কিন্তু সে... সে তো...

সে তো এভাবে গুম হয়ে যাওয়ার মত মেয়ে না।

তুমি ওনাদের পুরো সত্যটা বলছ না, জান।

স্ট্যানলী।

আমি... মানে, তার...

তার মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছিল।

সত্যিই হচ্ছিল।

- তার মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছিল। - হ্যাঁ, হচ্ছিল।

তার... অবশ্যই উন্নতি হচ্ছিল।

সে ফিরে আসবে।

জানো তো সে কেমন।

সে সবসময়ই ফিরে আসে।

সে কি কাউকে ডেট করছিল?

তার কি কোনো বয়ফ্রেন্ড ছিল?

হ্যাঁ।

আপনি কি ডঃ কুপার?

জ্বি।

ডিটেকটিভ ওয়ালার।

জ্বি, ভিতরে আসুন, প্লিজ।

বসুন।

আপনি তাহলে বাচ্চাদের ডাক্তার?

জ্বি।

খুব ভালো কাজ করছেন।

সমাজের সেবায় অবদান রাখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

জ্বি, নিশ্চয়ই।

আপনার অফিসে এসে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত, ডক্টর।

আপনি কি ক্যাসান্ড্রা থমাস নামের কাউকে চেনেন?

হ্যাঁ। জ্বি।

চিনি।

- কীভাবে চেনেন তাকে? - আমরা...

আমরা ডেট করছিলাম।

ডেট ''করছিলেন''?

আমাদের কয়দিন আগে ব্রেকআপ হয়েছে।

কয়দিন আগে বলতে কবে?

গতবার বৃহস্পতিবার।

তারপর থেকে তার সাথে কোনো কন্টাক্ট হয়েছে?

না। আচ্ছা, আপনি আসলে কোন প্রসঙ্গে কথা বলছেন?

ক্যাসান্ড্রার বাবা-মা নিখোঁজ হওয়া প্রসঙ্গে একটা রিপোর্ট লিখিয়েছেন।

বুঝলাম না, কী?

কেন?

কারণ উনাদের মেয়ে নিখোঁজ।

কবে থেকে?

শুক্রবার থেকে।

সে তার বাবা-মাকে একটা ট্রিপে যাওয়ার ব্যাপারে বলেছিল,

কিন্তু তার কলিগ এই ব্যাপারে কিছু বলতে পারল না।

এই উইকেন্ডে সে কোথায় গিয়েছিল, সে সম্পর্কে কোনো ধারণা আছে?

সে ট্রিপের কথা উল্লেখ করেছিল।

- হ্যাঁ। - সেটা কোথায়, কোনো ধারণা আছে?

ন-না। না।

আমি দুঃখিত।

কোনো ব্যাপার না, ডক্টর।

শুধু আপনাকেই বলছি, আহ্‌,

সে মনে হচ্ছে খুব একটা সুস্থ ছিল না।

মানে, মানসিকভাবে।

তার বাবার কথা শুনে মনে হলো, সে একটু মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিল।

হ্যাঁ, তার...

তার অবস্থা ভালো ছিল না।

এমন কি হতে পারে যে, সে নিজের ক্ষতি করতে চাচ্ছিল?

হ্যাঁ।

হতে পারে।

হতে পারে, হ্যাঁ।

আমার সেরকমটাই মনে হচ্ছিল।

আপনার সততার জন্য ধন্যবাদ।

আপনাকে আর বিরক্ত করতে চাচ্ছি না,

কিন্তু ভালো হয়, যদি আপনি কাল একটু থানায় আসেন,

মানে, বিবৃতি দেয়ার জন্য।

অবশ্যই। যেভাবে পারি, সাহায্য করবো আপনাদের।

সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ, ডক্টর।

- খুব উপকার করলেন। - ধন্যবাদ।

বেশ কিউট তো।

জ্বি।

অ্যানেস্তেশিয়া, তুমি আমার জীবনের সেরা উপহার।

তুমি আমার নৈতিকতার উৎস আর এই জীবনের একমাত্র ভালোবাসা।

অ্যাল, তুমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড

আর আমার আদর্শ জীবনসঙ্গী।

আমি তোমাকে ভালোবাসি।

অ্যাল আমার ভাইয়ের মত।

আমরা একসাথে বড় হয়েছি। আমরা..

আমরা খুবই ক্লোজ ফ্রেন্ড।

আমরা একসাথে ভালো সময়, খারাপ সময় পার করেছি।

আর... আর আমি তাকে অনেক ভালোবাসি।

আর তার জীবনে এসেছে অ্যানেস্তেশিয়া, যে...

আমার জানামতে, চরম আকর্ষণীয় একটা মেয়ে।

দারুণ লাগছে।

- কী অবস্থা, ভাই? - এইতো।

ঐখানে কনে পক্ষের যেই মেয়েটাকে দেখছিস না?

বাপরে। এমন মেয়েকে দেখলেই তো...

বাসায় গিয়ে বউয়ের কাছে বলতে ইচ্ছা করে...

জানিস, সে সার্কাসের ওপর ট্রেনিং নিয়েছে?

একই সময়ে তার পাছা আর মুখের ওপর মাল ফেলা যাবে।

- খুবই মূল্যবান তথ্য। - অবিশ্বাস্য।

- ওদের বিয়েটা সুন্দরভাবেই হলো। - হ্যাঁ।

তোকে দেখে ভালো লাগল।

হ্যাঁ। আমারও ভালো লাগল।

- হাই, কেমন আছ? - ওহ, জো। - হেই।

- দেখা হয়ে ভালো লাগল। - দারুণ স্পিচ দিয়েছ।

- আমি ড্রিংক নিয়ে আসি। - চিয়ার্স।

ক্যাসান্ড্রা থমাসের ম্যাসেজ (পূর্বপরিকল্পিত)

২৩ জুলাই, আমি অ্যালেক্সান্ডার মনরোর ব্যাচেলর পার্টিতে যাচ্ছি ; ঠিকানাঃ ক্যাবিন ৫৭, ভার্নিংটন উডস

আমি যদি গায়েব হয়ে যাই, সেক্ষেত্রে চিঠি আর পার্সেলটা দয়া করে পুলিশের কাছে পৌঁছে দিয়েন।

তুমি নিশ্চয়ই ভাবোনি যে, সমস্ত হিসাব চুকে গেছে, ভেবেছিলে নাকি?

ক্যাসি

নিনা

এইবার সমস্ত হিসাব চুকল।

বিয়েটা তোমার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকুক !

- আপনি কি অ্যালেক্সান্ডার মনরো? - জ্বি।

আপনাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে...

- ক্যাসান্ড্রা থমাসকে খুনের দায়ে। - না, না, না, না।

অফিসার, কনেকে এখান থেকে সরাও।

আপনাদের নিশ্চয়ই কোনো ভুল হচ্ছে।

- আপনার চুপ থাকার অধিকার রয়েছে। - এক্সকিউজ মি !

কাহিনী কী, একটু বুঝিয়ে বলবে? অ্যাল !

- স্যার... - হেই, হেই !

আপনার উকিল নিয়োগ দেয়ার অধিকার রয়েছে।

আপনার যদি সেই সামর্থ্য না থাকে, সেক্ষেত্রে একজনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

- বোঝা গেছে, স্যার? - হ্যাঁ।

অফিসার, তাকে গাড়িতে উঠাও।

ইতি,

ক্যাসি এবং নিনা।

Bangla Subtitle by Ahmed Irtiza Chowdhury

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.