All language subtitles for Alludu Adhurs (02- 19- 44)

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

"নমস্কার" সবাইকে

এই মুভির অফিসিয়াল ইংলিশ সাব নেই। উল্টাপাল্টা সিংহালা সাব থেকে গুগল ট্রান্সলেটেড ইংলিশ সাবে কাজ করেছি যেটা বেশ কষ্টসাধ্য। ইংলিশ সাবের সাথে মুভির বেশির ভাগ ডায়ালগের মিল নেই, এজন্য মুভির প্রায় ৩০% ডায়ালগ আমি নিজেই লিখেছি।

এটা আমার করা ৬ষ্ঠ বাংলা সাবটাইটেল, ইংলিশ সাবের সাথে বেশির ভাগ ডায়ালগ মিল না থাকায় মুভির প্রায় ৩০% ডায়ালগ আমি নিজেই লিখেছি। ভূল ত্রুটি ক্ষমা করবেন।

অনুবাদ ও সম্পাদনায় : অমিতাভ বর্মন

অনুবাদ ও সম্পাদনায় : অমিতাভ বর্মন

বাংলা সাবটাইটেল ভাল লেগে থাকলে রেটিং ও ফিডব্যাক দিয়ে উৎসাহিত করবেন আশা করি

অনুবাদ ও সম্পাদনায় : অমিতাভ বর্মন

আমার নাম সাই শ্রীনিবাস ....

আমি নবম শ্রেণিতে পড়ি।

আমি ব্যাটম্যান, আয়রন ম্যান, আর সুপার হিরোদের সিনেমা খুব পছন্দ করি ।

কিন্তু সম্প্রতি, আমার মনে প্রেমের ফুল ফুটেছে।

হেই... এসব কী গান শুনিস?

স্কুলের সময় হয়ে যাচ্ছে, রেডি হয়ে নে

বাবা, মাকে এ্যরেন্জ ম্যারেজ করেছিলো,

কোন রোমান্টিক অনূভুতিই নেই।

বসুন্ধরা...

আমার বন্ধুরা...

হাই.. হাই..

আমার বোন..

হাই।

হ্যালো.. এতে এমন কিছুই হয়নি..

আরেকটা নাও।

সমস্যা নেই, নাও..

- শ্রীনু, তুমি কি বসুকে খুঁজছো? - হুম ।

- বসু তো তার বাবার সাথে গ্রামে গেছে। - তাই নাকি?

আমার ব্যাপারে কিছু বলেছে?

হুম বলেছে।

তোমার কাছে থাকা ম্যাথ বইটা গিরিজাকে দিতে বলেছে।

যাওয়ার সময় তার মন কী খারাপ ছিলো?

মন খারাপ থাকবে কেনো? সে তো তার বাবার সাথে গেছে।

হাসিমুখেই গেছে।

বাই ...

যাওয়ার সময় শুধু টাটার সাথে কথা বলছিলো, কিন্তু তোর ব্যাপারে কিছুই বলেনি।

ওটা হলো তার পোষা টাটা!

আর ছোট্ট মেয়েটা কী বলেছে?

তাকে বলবে,

তার কপালে আমার বোন কেনো, কোনো মেয়েই জুটবে না।

বাই... বাই।

বন্ধুরা, হাতে হাত রেখে প্রতিজ্ঞা করো..

যদি ভালোবাসতে চাও, পাখিকে ভালোবাসো...

মাটিকে ভালোবাসো...

বাড়ির দরজায় থাকা কুকুর, বিড়ালকেও ভালোবাসো।

তাহলে অান্টি...?

আন্টিরা মহিলা, এর মানে তারা সবাই আমার বিরুদ্ধে ।

আজ থেকে সব মহিলারা আমাদের শত্রু।

ছোটবেলা থেকেই যদি এভাবে বড় হয়ে উঠে তাহলে পরে তার চারপাশের মেয়েদের অবস্থা কেমন হবে?

আসুন... দ্রুত..

ধরা পড়লে আমাদের মেরে ফেলবে, বাবা তাড়াতাড়ি এসো।

ঠাম্মা এসো...নয়তো আমাদের মেরে ফেলবে!

পালাও পালাও।

বাবু প্লিজ

বাবু...বাবু

- তিরুপতী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী.. - ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী?

হুম...সত্যনারায়ন স্বামী..

সত্যনারায়ন স্বামী?

- বেজওয়ালা কানকা দুর্গম্মা মা.. - কানকা দুর্গম্মা মা?

হুম

ইশ্বরের কাছে অনেক পার্থনা করার পর, আমাদের একমাত্র পুত্রসন্তান..

- জন্মগ্রহন করেছে। - বিশ্বাস কর আমাকে

কোন ব্যাপার না...

আমাকে নিজের ছেলে মনে করবেন!

- বাবু - ওকে বুঝিয়ে বলো..

বাবু, হাতজোড় করে বলছি, আমাদের ছেলেকে ভিক্ষা দাও ।

ওকে আগে মারি, তারপর সুইগিতে খাবার অর্ডার করবো!

থামো, বাবু

ছেলের জীবন ভিক্ষা চাচ্ছি, খাওয়ার কথা বলছি না।

ওকে ছেড়ে দিতে বলেছি।

না, না।

ভাই, মাছি মেরে শুধু শুধু হাত কালো করবে কেনো?

দিদি...!

অপমানজনক, সব মহিলারা আমাদের শত্রু।

এটা জানার পরেও, তুই একটা মেয়েকে "আই লাভ ইউ" ম্যাসেজ পাঠিয়েছিস!

এই শ্রীনুর হাত থেকে তোকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।

- মরার জন্য তৈরী হ - এটা আমার দোষ না।

দেবী শ্রী প্রসাদের গান শোনার কারনেই ওটা ঘটেছিলো।

- দেবী শ্রী প্রসাদ? - হুম ।

কিভাবে হলো....কিভাবে হলোরে?

সেই মেয়েটিকে দেখে আমার জ্বর এসেছিলো।

ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজা গানের জন্য,

আমার মন পাগল হয়ে গেলো, আর তার নম্বর নিয়ে তাকে ম্যাসেজ পাঠালাম।

তুই আমাকে মারার জন্য এদের ভাড়া করেছিস?

আমার এত বাজেট নেই।

ওরা তোকে না, আমাকে মেরে ফেলতে এসেছে।

ঐ ম্যাসেজ পাঠানো মেয়েটা

নিজামবাদের নেতা রেড্ডি সাহেবের মেয়ে।

এজন্য আমরা ভয়ে পালাচ্ছিলাম, আর তুই উল্টাপাল্টা বুঝলি

আর মাঝখান থেকে তুই বাইক নিয়ে ঢুকে পড়লি।

বয়েজ, তোমরা আমাকে ভূল বুঝোনা

ওকে মারলে আমি খুব খুশি হবো!

শুধু তাকেই না, তার পুরো পরিবারকে মেরে ফেলো!

আমার সাহায্য হিসেবে, এটা ধরো

ক্যাচও ধরলে দুর্দান্ত, তোমার ব্যাজটিও দুর্দান্ত!

মিঃ রেড্ডিকে বলো যে, স্যার বলেছে।

বাই...

বাই...

বাই...

হেই, ওদিকে যা

তাড়াতাড়ি আয়..

মার ওকে

শ্রীনু আমার ফ্রেন্ড,

অ্যাকশন নিয়ে তার আছে আলাদা ট্রেন্ড!

এর মধ্যে কোনো হ্যাশট্যাগ নেই।

হেই, ওকে মারতে বললাম বলে

ওরা সবাই ওকে মারতে গেলো,

কিন্তু তুই মাঝখান থেকে বাধা দিচ্ছিস কেনো?

আরে, লোকের ত্যাড়া কথা শুনতে ভাল লাগে না

আমি আমার গ্রাম আর সমাজ থেকে এমন কথা শুনতে ভয় পাই

যে সে নিজের বন্ধুকে মেরে ফেলতে সাহায্য করেছে।

এজন্য আমি আমার বন্ধুকে বাঁচালাম।

এতে নাক গলানোর তোরা কারা রে শালা?

মনে হয় তোর চরিত্রে সমস্যা আছে

একবার আমি যদি মনে করি, সেটা আমার

সেটার জন্য আমি শুধু আমার প্রান না

জীবনটাও দিয়ে দিবো।

এটাই আমার চরিত্র।

আমাদের চরিত্র কী জানিস?

কাউকে মারার সময় কেউ বাঁধা দিলে, তাকেও মেরে ফেলি।

বুকের পাটাও যেমন বড়,

হাত দুটোও তেমনি শক্ত।

মস্তিষ্ক তীক্ষ্ণভাবে কাজ করে,

একবার মারলে, দ্বিতীয়বার মারার প্রয়োজন পড়ে না।

যদি চাস, তাকে জিজ্ঞাসা করে দেখ।

ওহ...রক্ত!

- তোকে বাঁচানো ব্যতীত আমি তোর ক্ষতের ব্যাথার ভাগ নেবো না। - আমি জানি

বেশি ভরসা করাটাই ভূল!

মা, বাবা, দিদি, ঠাম্মা.....পালাও।

পালাও...ভাই দাড়াও

চলো আমাদের গ্রামে যাই, আর এখানে থাকবো‌ না, চলো ঠাম্মা

এসআই সাহেব, আমি আমাদের গ্রাম পারুকুর যেতে চাই।

কারো হুমকি শুনে ভয়ে এভাবে পালিয়ে যাবেন নাকি?

ভয় পাবেন না।

কারণ এই হুমকিটা দিয়েছেন নিজামাবাদের জয়পাল রেড্ডি।

আপনি শুধু একবার বলুন প্যাটেল

আমি তার মাথা, ধড় থেকে আলাদা করে ফেলবো।

বলুন প্যাটেল

এতো উতলা হওয়ার কী আছে?

সময়টা দেখো

আজকালকার ছেলেরা এমনই।

প্রেমের জন্য মেরে ফেলা কী ঠিক?

সময়ের সাথে সাথে আমাদের চিন্তাভাবনারও পরিবর্তন করা উচিত।

আমার কথা শোনো

ওদের বিয়ে দিয়ে দাও।

- আমি সেটা পারবো না, প্যাটেল - আমার কথাটা শোনো দেবা

- আমি পারবো না, প্যাটেল - আমার কথাটা শোনো দেবা

কিন্তু প্যাটেল..

যা বলছি তাই শোনো।

২২ বছর বয়সী মেয়ের, তার বাবাকে মারতে দেখেও

কোনো প্রতিক্রিয়াই নেই!

তোমার বাবাকে তোমার পছন্দের ছেলের সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য বলছি কিন্তু সে রাজী নয়।

তাকে মেরে ফেললে, তুমি বিয়ে করতে পারবে।

তাকে মেরে ফেলবো?

মেরে ফেলি?

নাকি একে মারবো?

বাহ...বাহ

ভালোবাসার মানুষকে কেউ মারতে চাইলাম বলে এতো কষ্ট পাচ্ছো?

ওহো

এ কী তোমার বাবার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ?

আমি এমন মেয়েকে পছন্দ করিনা যে তার বাবাকে ভালবাসে না ।

তোমার ভালবাসা পবিত্র নয়।

তোমার বাবার ক্ষতি হোক এমন কিছু করো না,

নয়তো তার ঘাড় থেকে মাথাটা কেটে ফেলবো।

প্যাটেল, আমি আমার বাবার পছন্দের ছেলেকেই বিয়ে করবো।

এটাই শুনতে চাচ্ছিলাম।

বাবা- মা ছোটবেলা থেকে তার সন্তানকে বড় করতে কতটা ত্যাগ স্বীকার করে

তোমাদের সেটা বোঝা উচিত।

অকালে প্রিয়জনের মৃত্যু দেখাটা অনেক কষ্টের!

প্রিয়জনদের হারিয়ে ফেলাটা

কত কষ্টের তা আমি খুব ভাল করেই জানি।

তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য, তাঁর লোকেরা এসেছিলো

জয়পাল রেড্ডি আমাকে ফোন করে তাকে নিয়ে যেতে বলেছেন।

আমি জয়পাল রেড্ডির ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে জানতাম না

এসআই সাহেব, আপনি জয়পাল রেড্ডির সাথে একটু কথা বলে দেখুন, একবার ফোন করুন।

ওকে ছেড়ে দিলে, ও গ্রামে চলে যাবে প্লিজ..

হ্যালো ..

ওরা অনেক ভয়ে আছে স্যার ।

আপনি ওদের ছেড়ে দিলে, তারা গ্রামে চলে যাবে বলছে।

ওকে আমার কাছে এসে ক্ষমা চাইতে বলো।

স্যার কিন্তু...

তোমার কথা শুনলাম তো..

আমি যা বলি, তাই শুনো।

নিজামবাদে গিয়ে তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

দুঃখিত, আমি যাবো না, ওখানে গেলে শুধু আমার শরীরটাই ফিরে আসবে, আমি নই

তোর কী হয়েছে, বন্ধু?

যদি তুই জয়পাল রেড্ডিকে শান্ত করতে চাস, তোকে অবশ্যই তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। এটাই ফিক্সড!

অসম্ভব ।

হেই কেরে তুই?

ভয়ে হাতের সাথে সাথে পাও কাঁপছে!

ক্ষমা চাওয়ার জন্য হায়দ্রাবাদ থেকে লরিতে চড়ে এখানে এসেছি।

ছেলেটা হায়দ্রাবাদ থেকে এসেছে ভাই ।

তাঁর নাম পান্ডু

সে আমার বন্ধু

ম্যাসেজ সেই পাঠিয়েছিলো

আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে সে অনেক ভয় পাচ্ছে

আমি তাকে সাহস যোগাতে এসেছি।

সে ম্যাসেজ পাঠানোর জন্য...

তুই, স্যরি বল

সত্যি কথা বলতে ... সেদিন যা ঘটেছিলো তা আমার জন্য না

দেবী শ্রী প্রসাদের জন্য ঘটেছে।

তাহলে ক্ষমা চাইতে অন্য তিন জন আসেনি কেনো?

তিনজন ??

কেনো তুইনা বললি, দেবী... শ্রী...প্রসাদ?

এদের মস্তিষ্কের সাথে সংগীতের কোনও অনুভূতি আছে বলে মনে হয় না।

- ন্যাকামো বন্ধ করে ক্ষমা চা। - ঠিক আছে ।

দেবী শ্রী প্রসাদ তিনজন নয়.....একজন।

এক নম্বর রকস্টার ডিএসপি।

আমার বন্ধুর জন্য স্পোর্স্টস একাডেমিতে অপেক্ষা করছিলাম

আপনার মেয়েকে দেখার সময়, আমার মনে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজছিলো।

আর আমি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলে, তাকে ম্যাসেজ পাঠাই

দুঃখিত স্যার ... দুঃখিত স্যার ...

দুঃখিত..স্যরি বস... আমরা যাই, বাই।

দরজা বন্ধ করো।

স্যার ...

তিনি বলেছিলেন, ক্ষমা চাইলে আপনি মাফ করে দিবেন।

ছেলেদের চোখের নজর ভালো নয়, তারা যেটা পছন্দ করে, সেটা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে যায়।

আমার মেয়ের উপর মুগ্ধ হয়ে তাকে ম্যাসেজ পাঠিয়েছিস

যে হাতে ম্যাসেজ পাঠিয়েছিস সেটা আমার মেয়েকে দেখাতে চাই..

কৌমথি

আসছি বাবা

ভালবাসা ম্যাজিকের মতো

ওয়াও!... আর্কিটেকচার এত সুন্দর!

একে দেখলে তো..

যে কেউ তার প্রেমে পড়ে যাবে।

কিরে সত্যিই মেয়েটির প্রতি তোর কোনও অনুভূতি নেই তো?

এই পরিস্থিতিতে, এই‌ প্রশ্নটা জিজ্ঞাসা করা কী খুব প্রয়োজন?

তার প্রতি আমার কোন অনূভুতি নেই।

স্যার, আসলে ম্যাসেজটা আমি পাঠাইনি, সে পান্ডু।

শ্রীনু...

আমিই তাকে নিয়ে এসেছি..

এসব সমাধান করার জন্য ।

সেই এসব কিছুর জন্য দায়ী ।

নাটক শুরু করেছো?

আমাকে এক মিনিট সময় দিন, আমি আমার চরিত্রটা কী তা ব্যাখ্যা করছি..

তোর চরিত্র সম্পর্কে জেনে আমাদের কী হবে?

কারণ বিষয়টা চরিত্রের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

সাধারণত মেয়েরা কোনও কারণ ছাড়া আমার কাছে আসতে পারে না স্যার।

সুন্দরী মেয়ে বা আন্টি কেউ আমার কাছে পাত্তা পায় না।

ভালোবাসাকে অর্থহীন ভাবতাম

কিন্তু আপনার মেয়েকে দেখে, আমার চরিত্র পরিবর্তন হয়ে গেছে

এখন আমি পুরোপুরি বিশ্বাস করি,

প্রথম দর্শনেই প্রেম হয়, স্যার।

হেই..

স্যার, আরও ৪০ সেকেন্ড বাকি আছে,

আমি আপনার সময় নষ্ট করতে চাই না

এজন্যই বলছি, যেহেতু আমার বন্ধু দোষ করেনি, তাই তাকে শাস্তি দেওয়ার কোন কারন দেখছি না।

কারও অধীনে কাজ করতে চাইতাম না বলে আমি নিজেই একটা ব্যবসা শুরু করেছিলাম।

এক বছরে লাভ হয়েছিল ১০ কোটি টাকা।

যদি ব্যবসায়ে আমি এতো যত্নবান হই,

ভবিষ্যতে স্ত্রীর প্রতি কতোটা যত্নবান হবো, একবার ভাবুন স্যার।

এইসব গড়েতোলা ব্যাকগ্রাউন্ড একপাশে রেখে,

বাবা হয়ে একবার চিন্তা করে দেখুন..

আপনার মেয়ে, কৌমথির জন্য আমিই একমাত্র যোগ্য ছেলে।

আপনি নিশ্চই এমন সুযোগটা মিস করতে চাইবেন না স্যার!

সুতরাং আপনি যদি আমাকে পছন্দ করেন, আমি বাবাকে বলে বিয়ের ব্যবস্থা করতে পারি।

এক মিনিট সময় শেষ হয়েছে, স্যার ।

তোর হাত পা গুলো কাঁপছে কেনো?

আমরা তো ভবিষ্যতে আত্মীয় হতে চলেছি।

এনগেজমেন্টের জন্য সানজায়া মন্ডপই ঠিক করবো?

যা ইচ্ছা কর।

হেই..

নিজামাবাদের কুকুর, বিড়াল, ছাগল

এমনকি প্রতিটা মানুষ জানে, এই প্যাটেল

কতোটা ভয়ঙ্কর!

হেই

নিজামাবাদের কুকুর, বিড়াল, ছাগল

সবাই আপনার ক্ষমতার কথা জানে,

আর আমার সাহসের কথাটা জানবে না, প্যাটেল?

ক্ষমা চেয়ে চুপচাপ চলে যাবো ভেবেছিলাম,

আপনি আপনার মেয়েকে ডেকে গল্পটা বদলে দিয়েছেন

সত্যিই ভালবাসা ম্যাজিকের মতো!

সোনা...তুমি আমার হৃদয়ের সাথেও সংযুক্ত হয়ে গেছো

আমার প্রেমে না পড়া পর্যন্ত এখানেই থাকো

কিছুদিনের মধ্যে যখন তুমি আমার প্রেমে পড়ে যাবে

হায় ভগবান, এই কথা আমি বাবাকে কীভাবে বলবো সেটা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই।

কারন আমি তোমার বাবার সামনেই বলছি,

আমি তোমায় ভালোবাসি।

কিরে পান্ডু...তোর কিছু বলার আছে?

- অনেক কিছু বলার আছে। - চিন্তা করিস না, উপরে যা।

স্যার যা বলতে চেয়েছিলাম তা বলেছি, এখন আমাদের পালাতে হবে।

তুইতো দেখি লিফটের থেকেও ফাস্ট!

ওও ভগবান!

থামো ..

সে আমার বাড়িতে এসে আমার মেয়েকে "আই লাভ ইউ" বলে গেলো

তোরা তখন কিছু করতে পারলি না, এখন এই বাড়ির বাইরে যেয়ে মারলে...

আমি আমার ইজ্জত হারাবো ।

তোরা খাবি না? অনেক সুস্বাদু!

তোর কী লজ্জা হয় না, তুই ওখানে কী করছিলি?

তালগোল পাকানো ছাড়া আর কিছু পারিস না?

সবসময় অন্যদের শুধু বিপদে ফেলাই না

সেখান থেকে রক্ষাও করি।

তোর ধাক্কাতে পুরো পরিবারটাই চলে গেল।

পরিবারটা এখন নিরাপদ।

পালিয়ে নিরাপদে রইল, এখন তোর অবস্থা কী?

আমিও লাফ দিচ্ছি

একেবারে উপর থেকে।

সবাই শুনুন।

প্লিজ আমাকে কিছুটা জায়গা দিন, আমি লাফ দেবো..

তুমি আসলে কে? সরাসরি কমিশনার অফিসের ছাদ থেকে লাফ দিতে চাইছো কেনো?

তোমার সমস্যাটা কী সেটা আমাকে বলো, আমি সমাধান করে দেবো।

জয়পাল রেড্ডি নামে নিজামাবাদে একজন প্যাটেল আছে

সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, সে আমাকে মেরে ফেলবে।

আমি জিমে গিয়ে বডি বানিয়েছি কি তার হাতে মরার জন্য?

সে কারণেই আমি নিজের মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তোমার জীবনের দায়িত্ব আমার,

তুমি নিরাপদে নেমে এসো বাবা।

কি আর করবেন, স্যার..? আপনি জানেন জায়পাল রেড্ডি কতো ভয়ঙ্কার?

আমি তাকে বুঝিয়ে বলবো।

- পাক্কা? - পাক্কা

তার চোখ দেখে আমার পা কাঁপছে, আমার ভয় করছে স্যার ।

আপনি অনুমতি দিলে আমি ছাদ থেকে লাফ দিবো।

- প্লিজ স্যার .. - এভাবে তাকাবেন না।

বাচ্চা ছেলেটা ভয় পাচ্ছে।

বাচ্চা..!

কী ব্যাপার আমাকে বলুন তো?

দেখুন...

আমি আদালতের সিদ্ধান্তে বিশ্বাস করি না,

মীমাংসায় বিশ্বাস করি।

আসলে আপনাদের দুজনের মধ্যে সমস্যাটা কি?

সমস্যাটি হলো...ও

থামুন

আপনারা কোথায় এসে চিৎকার করছেন? এটা পুলিশ স্টেশন, বাজার নয়!

এখন বুঝতে পারছি, কেনো সে ছাদ থেকে লাফ দিতে চেয়েছিলো।

তুমি ওখানে যাচ্ছো কেনো? এখানে আমি আছিতো।

আসলে কি হয়েছে বলো তো..

এটাই স্যার

প্রথমবার ডুলপেট বডি বিল্ডিং ক্লাবে মিঃ জয়পাল রেড্ডি আমাকে দেখেছিলেন,

দেখে আমাকে পছন্দ করেছেন স্যার।

কী?

তারপরে একদিন তিনি ফোন করে আমাকে তার বাড়িতে আসতে বলেন।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক ফোন করে ডেকেছেন, না গেলে তার অপমান হবে না?

- এজন্য তার বাড়িতে গেলাম - বাড়িতে গিয়ে..?

মা কৌমথি,.. স্যার তাকে ডাকলেন

আসছি বাবা ... মেয়েটা বলেছিলো" স্যার।

তুমি তার মেয়েকে মাঝখানে টেনে আনছো কেনো?

আমাকে বলতে দিন স্যার..

মেয়েটার দিকে ইঙ্গিত করে জিজ্ঞাসা করলেন, তার পছন্দ কেমন?

মেয়েটা বললো, ক্লাসিক! স্যার

তখন তিনি আমাকে তার মেয়েকে বিয়ে করতে বললেন।

কি ... গণ্ডগোল ...

দুঃখিত স্যার, আমি যখন ওনাকে বলেছিলাম ওনার মেয়ের প্রতি আমার কোনও অনুভূতি নেই

সিদ্ধান্ত কখনোই বদলাবে না‌ বলে স্যার

তখন উনি ছুঁরি নিয়ে...

হেই হেই ... মিথ্যা বলবি না

সে আমার বাড়িতে এসেছিলো,

- আমার চোখের সামনে আমার মেয়েকে.. - আই লাভ ইউ বলেছিলাম?

তুমি কি আই লাভ ইউ বলেছিলে?

জয়পাল রেড্ডির বাড়িতে গিয়ে তাঁর নিজের মেয়েকে তার সামনে ভালবাসার কথা বলবে কে?

বাইরের লোকেরা জানতে পারলে, জয়পাল রেড্ডির সম্মানের কী হবে?

আরে..ইহ..ইহ..আপনি

তুমি যে সত্য কথা বলছো সেটা কিভাবে বিশ্বাস করবো?

যখন প্রমাণ আছে তখন বিশ্বাস করা ভুল হবে না স্যার।

প্রমাণ নং -০১

আমাকে বাঁচান

আমাকে বাঁচান

তার মানে তুমি নির্দোষ

প্রমাণ নম্বর -০২... দয়া করে জয়পাল রেড্ডির ফোন কৈ জিজ্ঞাসা করুন

মিঃ রেড্ডি, আমাকে আপনার ফোনটা দিন

দে..

কৌমথিকে জিজ্ঞাসা করুন, সে আমাকে বিয়ে করতে চায় কিনা, স্যার

মা..

তুমি কি চিরঞ্জিবি শ্রীনিবাসকে বিয়ে করতে চাও?

ওহে ..

ছি, ছি, আমি ওকে চিনি না

ধন্যবাদ ম্যাডাম ... ধন্যবাদ ...

দেখেছেন স্যার...আমরা দুজন দুজনকে পছন্দ করি না, আমি এখনও ছোট্ট একটা বাচ্চা!

একটা ছোট্ট বাচ্চাকে জোর করে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন স্যার।

ছেলে যখন তাকে পছন্দ করে না তখন...

জোর করে বিয়ে দেয়াটা ঠিক না।

বাবা ... তুমি কি চাও বলো?

স্যার, বাবা হিসাবে আমার মতো জামাই চাইলে কোনও দোষ নেই

তিনি সম্মানী ব্যক্তি এজন্য আমি না বলেছিলাম, আর এজন্য তিনি আমাকে মারতে চেয়েছিলেনন।

তবে আমি তার অনুভূতি বুঝতে পারি, আপনি চাইলে স্যার আরও ১০ দিন চেষ্টা করবো

চেষ্টা করবি .. কি চেষ্টা করবি?

মানে আমি তার মেয়েকে ভালবাসার চেষ্টা করবো

এই ১০ দিনের মধ্যে একে অপরকে যদি পছন্দ করে ফেলি এবং একে অপরকে ভালবেসে ফেলি

তাহলে সম্পর্কটা আরও মজবুত হবে

এটা বিয়ে বলে কথা, স্যার

হেই...

এ এসব উল্টাপাল্টা কি বলছে?

যদি এই ১০ দিনের মধ্যে আমাদের মধ্যে একই অনুভূতি না হয়

আমাদের দুজনের মধ্যে, আমি আবার বলছি স্যার.....

আমাদের দুজনের মধ্যে একই অনুভূতি না হলে এই বিয়ে হবে না।

বিয়ে পার্টির পক্ষ থেকে জয়পাল রেড্ডিকে আমার সাথে একটি চুক্তি করতে বলুন যে আমার কোনো ক্ষতি করবে না ... তাহলে আমি যাবো।

তুই আমার মেয়েকে তোর সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য চুক্তি করছিস... তুমি কি পাগল?

তুই আমার মেয়ের জীবনে কেনো... চোখের সামনে দেখলেই তোকে মেরে ফেলবো।

মেরে ফেললে কি সমস্যার সমাধান হবে?

এদিকে আপনি বলছেন বিয়ে করতে

ছেলে- মেয়ে দুটো বলছে বিয়ে করবে না

আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।

- ওদের বিয়ে না দিয়ে ছাড়বেন না, তাইতো? - এটাই বুঝলেন?

- হেই .. সুদর্শন - স্যার ..

- একটা চুক্তিপত্র তৈরী করোতো - ঠিক আছে স্যার

শ্রীনিবাস...বাবা: উমা মহেশ্বর রাও

কৌমথি...বাবা: জয়পাল রেড্ডি

আগামী ১০ দিন পরেও পরস্পরের মধ্যে যদি রোমান্টিক অনুভূতি না হয়

তাহলে তাদের জোর করে বিয়ে দেয়া যাবে না।

বিয়ের নামে উগ্র পরিস্থিতি সৃষ্টি করে

শ্রীনিবাসের কোনও ক্ষতি করা যাবে না।

নিজামাবাসী আমি জয়পাল রেড্ডি, এতে সম্মতি দিলাম ...

স্যার, মিডিয়া থেকে লোক এসেছে স্যার

ওহ, এখানে মিডিয়া চলে আসলে সমস্যাটা আরও বাড়বে!

শীঘ্রই সাইন করুন

ছেলেটা উল্টাপাল্টা কিছু করবে মনে হচ্ছে স্যার

হ্যা জনাব ..

না হলে এই ভিডিওটি ভাইরাল করে দেবো

না স্যার .. না স্যার ..

তাহলে আমি লাফ দিই ..

চুপ কর ...

ধন্যবাদ স্যার ...আমি এখন এই ১০ দিন নিরাপদ

বাকি জীবনটা আমি আনন্দের সাথে কাটাবো... ধন্যবাদ স্যার

হেই...

আশির্বাদ করুন, স্যার আসি স্যার..

প্যাটেল, কৌমথিকে এই ১০ দিনের জন্য হায়দ্রাবাদে পাঠিয়ে দেই?

সেখানে গিয়ে কিছুদিন থাকুক

আপনি কী বলতে চাইছেন? ... ১০ দিনের চুক্তিতে অলরেডি সাইন করে ফেলেছেন

আপনি কিছুই বলছেন না কেনো, প্যাটেল?

উনি মনে হয় স্বপ্নের জগতে আছেন!

প্যাটেল..

১০ দিনের চুক্তি, কন্যা সেট, সেগুলো বড় কথা না

সে আমার নিজের বাড়িতে এসে আমার গলায় ছুরি ধরলো!

আমারই সামনে আমার মেয়েকে ভালবাসার কথা বললো!

আমি তোমায় ভালোবাসি

আমাকে দিয়ে ১০ ​​দিনের চুক্তিতে স্বাক্ষর করিয়েছে!

আমার মেয়ের ভালবাসাই ওর মৃত্যু ডেকে আনবে

আমি চাই, আমার মেয়ে ওর প্রেমে পড়ুক!

প্রতিশোধও চাচ্ছে...ভালোবাসাও চাচ্ছে!?

আমরা কিছু বুঝতে পারিনি, প্যাটেল!

আমার মেয়ের ভালবাসার জন্য এতো কিছু করলো,

তবুও ঈশ্বর তাকে বাঁচাতে পারেন নি!

এই প্রকল্পে সমস্যাটি হলো..

এই জমির মাঝখানে একটি হ্রদ রয়েছে

যদি এই অ্যাপার্টমেন্টটি এই ছাদ দিয়ে নির্মিত হয় তবে এই প্রকল্পটি আমাদের হবে

হ্রদে ছাদ দেওয়ায় সমস্যা কী?

সরকারকেও এতে একমত হতে হবে

সরকার মেনে নিলেও...

আমি তা মানি না।

উন্নয়নের চেয়ে পরিবেশটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ

তাহলে ভবনটি কোথায় তৈরি হবে?

আরও কয়েকটি পাইল দিয়ে চারপাশে ভবনটি তৈরি করা হবে

হ্রদের পাশের অঞ্চলটি আচ্ছাদিত

সেলিব্রেটিরাও সময় কাটানোর জন্য এখানে আসবে।

এ সমস্যাটার সমাধান তো হলো, ওদিকে তোর কৌমতী সমস্যার কী হবে?

সাধারণত সব মেয়েই একই রকম হয়

উদাহরণস্বরূপ ... আকর্ষণীয় ব্যাজ

এগুলো আমাদের আশেপাশের গ্রামগুলিতে দেখা যায়

আমার কৌমথিও ঠিক এমন।

সকালে দুই কোলে করে সাইকেল চালাও,

বেড়াতে যাও...সন্ধ্যায় ফুসকা খাও...আর গিয়ে প্রপোজ করো

দেখবি এমনিই পটে যাবে।

এখান থেকে সর শালা..!

হেই, এদিকে আয়

কৌমথি!

এটা ফুসকা ব্যাজ না..., ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাজ!

নিশ্চই আমাদের মেরে ফেলার পরিকল্পনা নিয়ে আসছে!

তাদের যদি পরিকল্পনা থাকে...আমাদেরও পরিকল্পনা আছে।

1 ..

2 ..

3 ... শীঘ্রই বল

উম ...

তোমরা এসব কি করছো...কি করছো?

মেয়েরা ..

আরে ...

নিজামাবাদে গিয়ে..

বাবার গলায় ছুরি ধরিস!

আমাকে ভালবাসার কথা বলিস!

ওখানে তো হিরোগিরি দেখিয়েছিলি... এখানে দরজা বন্ধ করে দিচ্ছিলি কেন?

ঐদিন তো তোমাকে এমন এ্যঙেলে দেখিনি

বাবা বললো... মা কৌমথি

আমি বললাম... আসছি বাবা

এগুলো দেখতে গ্রামের ব্যাজের মতো,

দুই রাউন্ড নিয়ে শহরে ঘুরলাম,

সিনেমা দেখে...সন্ধ্যায় ফুসকা কিনলাম

ভেবেছিলি এগুলো করলে আমি পটে যাবো?

আমি ভেবেছিলাম.. তোমরা গ্যাং নিয়ে এসে আমাদের মেরে ফেলবে!

সেজন্য আসেনি... ছেলেদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার প্রোগ্রামে এসে

ওকে একটু সঙ্গ দিয়ে এসেছিলাম।

হ্যাঁ...

শালা...তুই যতই চেষ্টা করিস না কেন, আমি তোকে কোনোদিনই পছন্দ করবো না।

এভাবে বললে..মেয়ে পটানোর ঐতিহ্য রক্ষা হবে কিভাবে?

তাই নাকি?

যদি তাই হয়..

তাহলে এই গাধার কাছে পটতে পারি

এর কাছেও পটতে পারি

এমনকি এর কাছেও পটতে পারি!

কিন্তু ... তোর কাছে কখনো পটবো না।

তুই বলেছিলি না আমাকে ১০ দিনের মধ্যে পটানোর আত্মবিশ্বাস আছে?

আমার সেটা পছন্দ হয়েছে।

কানখুলে শোন..

ওখানকার মিষ্টি.. এখানে লবনের মতো লাগছে, তাই না?

চেষ্টা করে দেখ ...শুভ কামনা থাকলো।

হেই..

ও তোদেরকে গাধা বলেছে!

গাধা বললেও পটে যাবে বলেছে তো!

চেষ্টা করে তো দেখি, যদি পটে যায়!

স্যার, আপনি মলে এসেছেন কেনো? হলে সিনেমা দেখবেন নাকি?

তোমাকে হলের সিনেমা না

আমি মলের সিনেমা দেখাবো!

ঐ যে দেখো নায়িকা এসে গেছে

এখন দেখো... আমার পরিচালনা

হ্যালো, স্যার

বাবা শ্রীনু...কি করছো?

বসে বসে কোটেশ্বর রাও এর ধর্মোপদেশ শুনছি,

আর খাবার খাচ্ছি স্যার।

এজন্যই...

এজন্যই আমি ওকে এতো পছন্দ করি!

তুমি এক কাজ করো..

শীঘ্রই এএমবি মলে চলে এসো,

কফি শপে বসে নির্দ্বিধায় কথা বলা যাবে।

চল শুরু করি.

হ্যাঁ...

হেই কিউটি, তোমরা এখানে কি করছো?

হেই, এটাতো কাকতালীয় ঘটনা!

তোমরা কি এখানে কফি খেতে এসেছো?

তোমরা কি কাপ ধুতে এসেছো?

তাহলে তোমরা আমাদের সাথে যোগ দিচ্ছো, তাইতো?

পান্ডু গ্রামে চলে গেলো, আর শ্রীনুর মাথা কাটা গেলো..

আমাদের রাস্তা এখন পরিষ্কার!

স্যার, নমস্কার স্যার

তোমরা এখানে কি করছো?

স্যার, আমরা ওদের প্রেমে হাবুডাবু খাচ্ছি

সেজন্য বিয়ে করার চেষ্টা করছি, স্যার

- বিয়ে করতে বরের দরকার হয় - হ্যাঁ স্যার ...

তোমাদের মতো ব্যান্ড নয়!

বেরিয়ে যাও ...যত্তসব অসভ্যের দল!

আরে যাও

দেখো... মা

তুমি যেভাবেই হোক ছেলেটাকে বিয়ে করে ফেলো

তোমার বাবা তো একপায়ে খাড়া!

এসব কফি খেয়ে সময় নষ্ট না করে বিষয়টা নিয়ে একটু ভাবো

মামুনি..একটু জড়িয়ে টড়িয়ে ধরে চুমুটুমু খাও

তাহলে ছেলেটা তোমাকে পছন্দ করবে!

আমাকে এভাবে মারলো কেন?

চাপ চলছে ...

ছেলেটাকে পছন্দ করতে না পারার চাপ!

হ্যালো আঙ্কেল...আমি তো মলে এসেছি, আপনি কোথায়?

আমাদের জন্য কফি শপের ৩ নং টেবিল রিজার্ভ করা আছে

তুমি গিয়ে বসো, আমি ১০ মিনিটের মধ্যে আসছি।

ঠিক আছে ..

এই ছেলেটা জয়পাল রেড্ডির জামাই হলে,

আমাদেরও পকেটেও কিছু মাল্লু আসবে! চলো..চলো

এসব কি সোনা?

কালো কফি?

ফিগার খারাপ হয়ে যাবে ভেবে দুধ, চিনি খাওয়া যাবেনা

এমনটা ভাবার কোনো দরকার নেই।

তুমি যেমনই হও না কেনো.. এই শ্রীনুর কাছে সব সময়ই সুন্দর!

তুমি শুধু খুশি থাকলেই হবে।

এই সংলাপটা কে লিখেছে?

আমি লিখেছি।

কি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছো এখানে?

পরিকল্পনা?

বলেছিলে... অবশ্যই কোনো পরিকল্পনা নিয়ে আসবে

কোনো পরিকল্পনা নেই,

ঐতিহ্যগত ভাবে বলা হয়, "চেষ্টার অসাধ্য নাকি কিছুই নেই"

কোথায় ঐতিহ্য?

কোথায় ঐতিহ্য?

কোথায় ঐতিহ্য?

কোথায় ঐতিহ্য?

কোথায় ঐতিহ্য?

হেই..

ওহ ...এসব তাহলে তোমার প্রস্তুতি?

শুরুটা তো ভালই

তাহলে আর দেরী কেনো...অ্যাকশন শুরু করো!

এবার বলবে ... "তোরা কারা?"

তোরা কারা?

বলেছিলাম না..

এসব ওর সাজানো রে!

তুই তো সুপার রে!

ওয়াও!

বিশ্বাস করো সত্যিই আমি এদের চিনি না।

তুই তো সত্যিই সুপার রে!

এক সেকেন্ড...তোরা এখানে কেনো?

তোকে সাহায্য করতে এসেছি!

ওহ!

হেই, তোমরা আমাকে ছেড়ে ওর সাথে মারামারি করছো কেনো?

আমাকে এসে মারো...

কী?!!

তোকে তো...

হেই.. এসো

রেড্ডি সোনা...কুড়ালের কোপ লাগলে বড়সড় একটা দুর্ঘটনা ঘটতো।

এই নকল কুড়ালকে নিয়ে এতো বাহানা দেখানোর কি আছে?

এবার বলো, এটা কি নকল কুড়াল?

ওহ, তাহলে এই টেবিলটা নকল!?

ভেবেছিলে এভাবে ধরার অভিনয় করলে, তোমার স্পর্শে মুগ্ধ হয়ে..

আমি তোমাকে "আই লাভ ইউ" বলবো?

এসব ফাইটের চিন্তা বাদ দিয়ে অন্য কিছু ভাবো!

- চল যাই - হুম..হুম

আসলে এরা কারা বলতো?

নিশ্চয়ই ওর বাবা ওদের পাঠিয়েছে।

ওর বাবা আমাকে মারার জন্য লোক পাঠালে, ওকে কেনো আক্রমণ করবে?

তুই নিজেই আক্রমণ করিয়ে, নিজেই বাঁচাবি, কৌমথিকে এটা বোঝানোর জন্য

হয়তো জয়পাল রেড্ডি এই পরিকল্পনা করেছিলো।

অদ্ভুত পরিকল্পনা ...আমার চরিত্রের চেয়ে বিভ্রান্তিকর!

তা নয় ...কৌমথির মনে বাল্ব জ্বালাতে হলে তোকে কোথাও একটা স্যুইচ লাগাতে হবে।

স্যুইচ কোথায় পাই...?

বসুন্ধরা ..

বসু..

বসু...বসু...

কৌমথির সাথে শ্রীনু এখানে কি করছে?

শ্রীনু তুমি!... কেমন আছো?

এসব কি বসু? আমাকে দেখেও না দেখার ভান করছিলে কেনো?

না তেমন কিছু না শ্রীনু।

- তুমি না বলেছিলে আমেরিকা গিয়েছিলে? - পরের মাসে আবার যাবো।

ভিসার কাজের জন্য হায়দ্রাবাদ এসেছিলাম।

- তুমি কোথায় উঠেছো? - এখানকার একটা হোটেলে।

কী তুমি হোটেলে উঠেছো?

হায়দ্রাবাদে আমাদের বাড়ি থাকতে হোটেলে উঠেছো?

আমি হোটেলে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।

কানের গোড়ায় এমন একটা দেবো যে হাসপাতালে গিয়ে থাকতে হবে!

মা জি..!

এই শুনছো..?

আর কারও সাথে কথা বলার ইচ্ছা নেই, আমরা কি এবার ভিতরে আসতে পারি?

মা জি...আপনার ছেলে পুত্রবধূ নিয়ে এসেছে!

- আরতি আনুন - তুই কি যে বলিস..!

- আমার মা.. মহালক্ষ্মী - নমস্কার আন্টি

এরা সবাই আমার আপনজন।

তার অপরূপ চাহনির জন্য কলেজে সবাই তাকে ইন্দ্রানী বলে ডাকত।

- এই আমার বাবা..একজন বড় নির্মাতা - নমস্কার আঙ্কেল

বাবু সোনা..

এ হলো লতালু ...আমাদের গৃহকর্মী

আমি যখন ছোট ছিলাম তখন থেকেই আমাদের সাথে আছে ...বাড়ির মতো।

নমস্কার

বাহঃ...বাহঃ...বাহঃ

কাজের লোককেও নমস্কার...কী সংস্কার!

আমার খুব পছন্দ হয়েছে।

লতালু..

ওরে.. এই মেয়েটা কে বল্লি না তো

তোর বান্ধবী নাকি?

তার থেকেও বেশি কিছু!

ওর নাম বসুন্ধরা.. বি - টেক, হায়দ্রাবাদ

মার্কিন দূতাবাসের কাজে এসেছে।

শুধু শুধু হোটেলে থাকবে কেনো? এজন্য আমাদের বাড়িতে নিয়ে এসেছি।

আমাদের ছেলে সময় সময় এইভাবে ভালো কাজ করে আসছে মা।

তুমি কোথায় যাচ্ছো?

তোমার রুমে লাগেজগুলো রাখতে যাচ্ছি।

আমার রুমে লাগেজ রাখবি কেনো? গেস্ট রুম আছে তো!

গেস্ট রুমে?

আমি ছোট থাকতে এখানে এসেছি .. আমার কি কোনো দায়িত্বজ্ঞান নেই?

গেস্ট রুমে রাখতে চাইলে নিজে গিয়ে রাখো।

মা, এ কিন্তু অনেক বেশি বেশি বলছে!

তুই ওর সাথে এমন করছিস কেনো?

তুমি যতদিন ইচ্ছা এখানে থাকতে পারো, খুশি মনে।

এসো..

খুব ভাল মানাবে ... একেই ঠিক করে ফেলুন।

- তাই নাকি? - হুম

হয়ে গেলো

হেই.. কিউটি

কিন্তু তুই শ্রীনুর বন্ধুকে ভুল সংকেত দিয়েছিলে কেনো?

আমি শুধু একটা বিস্কুট ছুড়ে দিয়েছি

বিস্কুট!

হাই কিউটি.

কৌমথি তোমাকে একটা গুরুত্বপুর্ন কথা বলার আছে

শ্রীনু একটা মেয়েকে এনে তার বাড়িতে রেখেছে!

তাই নাকি?...কে সে কিউটি?

মেয়েটাকে দিয়ে তোমাকে ফাঁদে ফেলানোই ওর পরিকল্পনা।

সাবধান থেকো...ঠিক আছে, বাই

ও যাই করুক কোনো ব্যাপার না, ভালোবাসা ছাড়া সাবধান থাকার দায়িত্ব তোমার।

কার সাথে দেখা করতে চাও?

শ্রীনুর বাচ্চা

শ্রীনুর বাচ্চা?

- সে - ওহ ..

বাবু..

বাবু...তার মানে আপনি ওর বাবা?

এই মেয়েটা কে?

জেরা করছেন...তার মানে আপনি অবশ্যই ওর মা!

হেই, তুমি এভাবে বাড়িতে ঢুকে পড়লে কেনো?

কেন তুমি আমার বাড়িতে আসোনি?

কৌমথি..!

পরিকল্পনাটা কি?

আমাকে হিংসা করার মানে হচ্ছে

আমাকে পুরো ফোকাসে রেখে অন্য কাউকে এনে বাড়িতে রেখেছো!

তাকে লুকিয়ে রেখে আমাকে সেট আপ করা হচ্ছে?

ও এখানে কেন?

আমি নই কোনো লাইটার

আমি খুব ব্রাইটার (বুদ্ধিমতী)!

সু্ইচটি কোথায়?...হেই সুইচ

একি!..তুমি ভাবছো আমি এসব কি খেয়ে বলছি

বিয়ার!

মা জি...এতো বিয়ার খোর!

এই মেয়েটা কে?

- মা, এ হলো... - হেই

আমার বাবার গলায় ছুরি ধরে

আমাকে "আই লাভ ইউ" বলেছো!

বাবু সোনা

বাড়িতে ওত সুন্দর একটা মেয়ে থাকতে

তুমি এই বিয়ার খোরের প্রেমে পড়েছে কেনো বাবু সোনা?

এসব কি? ... ভালইতো

দেখতে তো একটা পিস!!

আমি গৃহকর্মী

গৃহকর্মী?

তাহলে পরিবারের সদস্যদের মতো নাক গলাচ্ছিস কেনো?

তোকে তো...

তুই মাঝখানে লাফালাফি করলে একদম মেরেই ফেলবো!

মা জি, সাবধান!

স্যুইচ, হেই ...স্যুইচ

তুমি কোথায়?

হেই...তুমি এসব কি করছো?

মেয়েটার কি এমন ফিগার!

তোমার কাছে আমার মতো এমন হট ফিগার থাকতেও

কোনো মুল্য নেই।

নতুন করে ভাবো।

ওকে একটু আপডেট হতে বলুন না।

বলবো মা

কিউট আন্টি!

সুইট আঙ্কেল!

আশীর্বাদ করুন।

এভাবে বাড়ির গুরত্বপুর্ন ব্যক্তি মাতলামী করে বাড়িতে এলে

- কি হয় জানেন? - কি হয়?

কি ব্যাপার আঙ্কেল? এতো চিন্তিত কেনো?

একটা উচ্ছৃঙ্খল মেয়ে এসে মনটাই খারাপ করে দিয়ে চলে গেলো।

উচ্ছৃঙ্খল মেয়ে নয় .... উচ্ছৃঙ্খল বেবি!

ওহ ...উচ্ছৃঙ্খল বেবি না!?

তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে, বাইরে এসো

শ্রীনু, মেয়েটা কে?

উম ... লজ্জা লাগছে?!

মেয়েটা বাড়ি পর্যন্ত চলে এলো, গল্পটা নিশ্চই অনেকদুর এগিয়েছে!

হ্যাঁ, এগিয়েছে... গ্রাম থেকে হায়দ্রাববাদ পর্যন্ত এগিয়েছে!

সেখান থেকে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি ... ধুর ছাই!

ও কল করেছে!

কথা বলো..

হ্যালো ..

আবহাওয়া ভালই.. বাইরে এসে নিজের স্যুইচের সাথে কথা বলছো?

ও কিভাবে দেখছে পাচ্ছে?

এই কৌমথির চোখে ফাঁকি দেয়া অত সহজ না

এতো লুকোচুরি না করে সোজা এসে..

আমাকে মালাটা পরাও না!

আমাকে মালাটা পরাও না!

আমাকে মালাটা পরাও না!

কি বললো?

মালা পরাতে বললো!

তাহলে আর কি...মালাটা পরিয়েই ফেলো।

স্যার

আমাদের ছোট্ট মামুনি ঐ শ্রীনুর ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছে!

কি বলছিস?!

সত্যি বাজিয়েছে?

তার মানে আমার মেয়ে ওকে পছন্দ করবে না?

ভাই..

আমার এটা ভাল লাগলো না, মেয়ে হয়ে এমন কাজ করলো!

এমন দেবো না..!

যার জন্য আমার মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে.. তাকে সে কেনো পছন্দ করবে?

সে খুব বুদ্ধিমতী

ভালই করেছে

আমার মতোই হয়েছে

ভালই করেছে

সে খুব বুদ্ধিমতী

আপনি হাত ধুচ্ছেন কেনো?

খাওয়ার পরে হাত ধোবোনা?

আপনিতো এখনও খাননি ভাই ..!

এই আর কি..

হাত মুখটা আবার ধুয়ে নিলাম!

ভালই..ম্যানেজ করেছে

আমি খাবার দিচ্ছি, আপনি বসুন..

স্যার... ডাক্তার এসেছে

ওনার নাম অমরাম...মনোরোগ বিশেষজ্ঞ

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কেন?

আর কতদিন চাপা রাখবেন?

সব খুলে বলুন..না হলে রোগ আরও বাড়বে

হেই .. যাও .. যাও .. সবাই বাইরে যাও

বলুন ... আপনার সমস্যা কি?

এই..

যেমন কোনো কিছু পাচ্ছি না

যা ঘটেনি, তাই ঘটছে মনে হয়!

আগের দিন আমি আমার বড় মেয়েকে প্রদীপ জ্বালাতে দেখছিলাম

কিন্তু হঠাৎ করে সব উধাও হয়ে গেলো।

- প্রদীপগুলো জ্বলছিলো? - তার কোনও চিহ্নও নেই

কোনো সন্দেহ নেই...সমস্যা আছে!

শুধু তাই নয়...না খেয়েই আগের দিন হাত ধুতে গিয়েছিলো

হাতে কিন্তু কোনো খাবার লেগে ছিলো না!

- আপনার কি হাত আছে? - হ্যাঁ , আমার হাত আছে!

হাত আছে তো!

তাহলে কোনো সমস্যা নেই,

কবে থেকে এই সমস্যা?

যেদিন থেকে বড় মেয়েটা হারিয়ে গেলো!

ওহ ভগবান!

তার মানে এটা শক,... একটা বড় ধাক্কা!

বিভ্রান্তির সেকেন্ড স্টেজ!

সেকেন্ড স্টেজ?!

এর কি কোনও চিকিৎসা নেই, ডাক্তার?

হ্যাঁ, আছে।

এর জন্য আয়ুর্বেদ, হোমিওপ্যাথি, অ্যালোপ্যাথি, সীতাপ্যাথি

টেলিপ্যাথি..কোটিপ্যাথি..এমন অনেক চিকিৎসা আছে।

ধরে অজ্ঞান করে শুয়িয়ে দিয়ে

অস্ত্রোপচারের মতো অনেক কিছুই আছে...তবে

এটার জন্য কেবল একটি সমাধানই আছে..

সেটা হলো ... সঙ্গীত থেরাপি

সেটা কেমন?

রাগ ...উত্তেজনা ...দুঃখ

মনের অস্তিরতা যখন বৃদ্ধি পাবে

তখন মনকে শান্ত করতে ওটা করতে হবে।

আপনি যদি সেটা করতে পারেন, মাথা থেকে সব চিন্তা আস্তে আস্তে চলে যাবে।

আমার তেমন গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই।

আপনাকে কোনও সংগীত প্রতিযোগিতায় যেতে বলছি না

আপনি যখন রেগে যাবেন তখন এটা প্রয়োগ করবেন।

গানটা খুবই সহজ এবং সাধারণ হলেও হবে।

এক কথায় বললে,.. ইলাই রাজার সুর!

ওহ, সুর!

হাসির মাধ্যমে নিজের স্ট্রেস দূর করবেন।

খুবই সাধারনভাবে সেটা করবেন, ঠিক আছে তাহলে...আমি আসি।

যদি এই চিকিৎসা কাজ না করে?

কল করবেন

আপনাকে?

অ্যাম্বুলেন্স!

ভাই, ছোট মামুনি মনে হয় শ্রীনুর প্রেমে পড়েছে!

কি বলছিস?

তোরা বলতে চাইছিস, ওরা ডুবে ডুবে জল খাচ্ছে!

এটা শুনে আপনার হাসি পাচ্ছে?

প্রতিশোধ নেয়ার জন্য রক্ত টগবগ করছে!

ছোট মামুনি নিশ্চই সেটা পছন্দ করবে!

স্বাচ্ছন্দ্যে..

গাও

একটা গান ..

আমার বাড়ির ফুলের বাগান

আমার রাজ্য...

শান্ত হন...শান্ত হন

ওহ ফুলের সুন্দর

মিষ্টি ঘ্রান

থানা না ...

অবশ্যই ...আবার বলুন

অবশ্যই পছন্দ করবে!

তোমরা যদি প্রতিশোধ নিতে পারো

ছোট মামুনি অবশ্যই সেটা পছন্দ করবে।

উম, দুর্দান্ত

অবশ্যই নেবো ভাই।

তুমিতো সোনার ছেলে

শ্রীনুর প্রেমের ঘন্টা বাজাবো..

তানা না ... তানা না ... তানা না ...

সাধারণ মা..

সাধারণ বাবা..

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এসব আর ভাল লাগেনা

একই জিনিস ...একই জিনিস ...একই জিনিস

মা বাবা..

সত্যি, এসব কি হচ্ছে বাড়িতে?

কি হয়েছে বাবা?

তুই এভাবে চিৎকার করেছিস কেনো?

নির্মাণাধীন ভবনের চেয়ে এতো বড় বাড়িতে

কেউ যখন এই বাড়িতে দুদিনের জন্য এসেছে, তাকে একটু ভাল যত্ন আহ্বান করা উচিত, তাই না?

তাই নাকি?

এখন কি হয়েছে বলবি তো?

ওর চোখে জল কেনো? কে এর জন্য দায়ী?

পেঁয়াজ! বাবু

কিছুই হয়নি শ্রীনু... পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে চোখে জল এসেছে!

এরপরে আর কি কি কাটবে?

বেড়া কাটবে!

মারবো একটা...ও বেড়া কাটবে? ওকে কাটতে দিয়েছিলি কেনো?

তুই নিজে পেঁয়াজ কাটতে পারতিস না?

এই ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে এতো উত্তেজিত হচ্ছো কেনো?

ছোট্ট বিষয়?... যদি ছুরিতে হাত কেটে যেতো!?

যদি কারেন্টে শক লাগতো?

যদি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হতো?

রান্নাঘরের মতো বিপজ্জনক জায়গায় তুমি কেনো গিয়েছিলে?

রান্নাঘর বিপজ্জনক জায়গা?!

দেখ..আর একবার যদি ওর হাতে ছুরি দেখি, তাহলে সেটা তোর শরীরে ঢুকিয়ে দেবো!

এই বাড়িতে আমিই বিগ বস!

উল্টাপাল্টা কাজ করলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হবে।

এখানে ননী আসুক

কিংবা নাগার্জুন

এমনকি এনটিআর আসলেও..

কোনো ছাড় নেই!

বাবু..সোনা

নায়কেরা সত্যিই আমাদের বাড়িতে আসবে?

হ্যাঁ, আসবে...চিরঞ্জিবি তোর জন্য আসবে!

ওকেও কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারছি না

তুমিও কিছু বলছো না।

তোমাকে কি হিসেবে দেখবো?

আমাদের ছেলের অতিথি হিসেবে দেখবো?

নাকি

স্হায়ীভাবে আমাদের বৌমা হিসাবে দেখবো?

ছয় মাস আগে মুম্বাইয়ের একটা অার্কিটেকচারাল মিটিংয়ে

শ্রীনুর একটা প্রজেক্টের ব্যাখ্যা সবারই পছন্দ হয়েছিলো।

সেজন্য শ্রীনু প্রজেক্টের কাজটাও পেয়েছিলো।

শুভ কামনা রইল।

অভিনন্দন!

বসুন্ধরা ..

বসুন্ধরা ..

কফি ...

খুব সুস্বাদু

তুমি কি আমাকে অনুসরণ করছো?

আমি তখন বুঝতে পারলাম

শ্রীনু আমাকে ভালবাসে।

হেই..আদিত্য স্কুল..ক্রিকেট বল.. ভুলে গেছো?

- শ্রীনু..? - ঠিক ধরেছো

ওহ ভগবান...সত্যিই আশ্চর্যজনক!

- কেমন আছো? - আমি ভাল আছি

দুঃখিত শ্রীনু ...আমি অন্য কাউকে ভালবাসি।

তুমি কি মজা করছো?

না শ্রীনু.. ইতিমধ্যে আমি অঙ্গীকারবদ্ধ

দারুন..

সেদিন তোমাকে দেখে আমার প্রথম অনুভূতি

সেই স্মৃতি ... গল্প বলা

মিষ্টি মিষ্টি কথা..., সব অনর্থক?

ভালবাসা ম্যাজিকের মতো শ্রীনু

তুমি আমাকে নিয়ে যেমন অনুভব করেছো, আমি অন্য কাওকে নিয়ে একই অনুভব করেছি

সেজন্যই এটা ম্যাজিক!

আমার জন্য দুঃখজনক ঘটনা।

বসু..ক্রিকেট বল..আদিত্য স্কুলে আমার অনুভূতি সব আমার ভ্রম!

ও সেদিন খুব দুঃখ পেয়েছিলো।

ভেবেছিলাম আমার সাথে আর কখনো কথা বলবে না।

ধন্যবাদ.

কি ব্যাপার শ্রীনু?

হ্যাঁ, অনুসরন তো করেছি

তবে আমি যাকেই ভালবাসি

সে আমাকে ভাল বাসুক বা না বাসুক, কোনো ব্যাপার না

আমার ভালবাসা একদম সলিড

আমার ভালবাসা কখনই ব্যর্থ হবে না।

সকালে আমি আমার বাগদত্তার সাথে ব্যবসার কাজে দুবাই যাচ্ছি

সেখান থেকে সরাসরি আমেরিকা

বিয়েটা ওখানে হবে

তুমি কিন্তু অবশ্যই আসবে।

কোনও প্রয়োজন হলে আমাকে যেকোন সময় কল দিও

কারণ তুমি আমার প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ ভালবাসা।

নিজের লাভারের জন্য কাউকে হুট করে এভাবে মারবে?

সে শুধু লাভার নয়, প্রথম প্রেম

শুধু লাভার হলে ছেড়ে দিতাম, সমস্যা ছিলোনা।

তবে প্রথম প্রেম কখনো ভোলা যায় না

তার কোনো সমস্যা হলে, ব্যথাটা এখানে লাগে।

আমার ভালবাসা না পেলেও, ও নিজেকে পাল্টায়নি

আমার প্রতি ওর নিঃশর্ত ভালবাসার বদল হয়নি।

আমি শুধু জানি ভালবাসা কি

কিন্তু সত্যিকারের ভালবাসা কি?

সেটা ও জানে।

এখন বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে গেলো..

মাতালরা আমাদের আত্মীয় হতে যাচ্ছে!

তাই নাকি?

না, না, না, আমি মানতে পারলাম না দুঃখিত, না

- এটা হতে পারে না - স্যার ...

দুই দিনের মধ্যে জাতীয় টুর্নামেন্টের জন্য বাছাই হবে

এখনও কোনো কোচ নেই,

আমরা কীভাবে আমাদের প্রতিভা দেখাবো?

চিন্তা কোরোনা গার্লস.. আমি তোমাদের জন্য নতুন কোচ নিয়োগ দিয়েছি

- সত্যিই - হ্যাঁ

সে তোমাদের এমন ভাবে ট্রেনিং করাবে যে

ইতিমধ্যে সোনার মেডেল তোমাদের গলায় ঝুলছে!

ওয়াও!

কোথায় সে?

স্যার এসে গেছেন..

হেই, কেমন আছো তোমরা?

তুমি?

স্যার, সে আমাদের নির্যাতন না করে সাঁতার কাটা শেখাতে পারবে না।

তার মানে কি?

হাঙ্গর..তিমি..শ্রীনিবাস.. সাঁতারে এরা একই শ্রেনীর, জানো সেটা?!

একে আরও বেশি বেতন দিতে হবে।

- অভিনয় হচ্ছে...তুমি কোচ হবে? - হ্যাঁ

আমিই কোচ এবং আমি কৃষ্ণা গানের প্রশিক্ষণও দেই

গোপীচানের সাথে!

সে তো ব্যাডমিন্টন খেলে!

হ্যাঁ, ব্যাডমিন্টনে শীর্ষে উঠতে গেলেও সাঁতারের প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

তোমরা জানো না নাকি?... এসব কি কোচ?

গেম যাই হোক না কেনো ট্রেনিং তো নিতেই হবে।

গেমতো যে কেউ শেখাতে পারে, তবে তাদের জিততে শেখানোটাও জরুরী।

- তাহলে একবার সাঁতার কেটে দেখাও - হ্যাঁ ...

- না - না .. না .. না

পাহাড়ে আরোহণ করতে চাইলেই তো আর এভারেস্টে ওঠা যায় না

লাফানোর জন্য কমপক্ষে পর্যাপ্ত উচ্চতা থাকতে হয়।

কাব্যিক ভাষায় বললে...

পুলে নামতে হলে সেটা আমার হৃদয়ের থেকেও বড় হতে হবে

আমার ভালবাসার মতো গভীর হতে হবে,.. তোমার কি আছে?

মানে, পুলের .. পুলের ..

এটাই ... এটাই ... ট্রেনিং!

সাগরের মাছকেও সাঁতার শিখিয়েছে

আর সামান্য সুইমিং পুলে তোমাদের সাঁতার শেখাতে পারবে না!?

মাত্র ২ মিনিট.

জলের নিচে দম বন্ধ করে থাকো

- তোমাকে কোচ হিসেবে মেনে নেবো - ২ মিনিট কেনো

৫ মিনিট থাকতে পারি... ভালবাসবে তো?

৫ মিনিট থাকলে তোমাকে সোজা উপরে যেতে হবে।

হেই, সেটা আমি দেখবো

তুমি ভালোবাসবে তো?

চিন্তা করে দেখবো..

তাতেই চলবে।

আমি ডুব দিচ্ছি..

বড় বড় লেকচার দিয়ে ম্যানেজ তো করলাম..

এখন জলের নিচে থাকবো কিভাবে?

আমি তো...

সাঁতার কাটতেই পারি না।

1 ..

হেই..

2 ..

হেই..

3 ..

ভগবান!

ভগবান!

হ্যালো .. প্রথমবার জলের নিচে গেছো?

গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে আবার উঠে এলে কেনো?

তোমরা কি মজা করছো? এবার দেখো..

৫ মিনিটই থাকবো...তোমার ভালবাসার জন্য।

দেখা যাক ..

৩০ সেকেন্ড হয়ে গেছে

১ মিনিট ...

২ মিনিট হয়ে গেল ...

মনে হয় সে মারা গেছে...চল আয়

হেই, এসব কি? মাত্র ২ মিনিট হয়েছিলো, আমাকে এভাবে তুলে আনলে কেনো?

আর ১০ সেকেন্ড থাকলে তোমার শরীরটা এমনি ভেসে উঠতো!

তুমি কি ভয় পেয়ে গিয়েছিলে?

জলের নীচে ধ্যান করার সময় আমাকে বিরক্ত করলে কেনো?

তোমার ভালবাসার জন্য আমি আবার ঝাঁপ দেবো

- হেই - হেই ..ঝাঁপ দিচ্ছি

ইডিয়েট....মরে যাবে

শালা

ওই, কৌমথি..

তোমার ভালবাসা আমাকে মরতে দেবে না।

পাগল কোথাকার!

এটাকে মজা ভেবো না

তোমার বাবাকে বলো,.. দুর্দান্ত জামাই আসছে।

জয়পাল রেড্ডির মেয়ে আমার প্রেমে পড়েছে স্যার।

তার মানে এটা এ বছরের সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর খবর!

জয়পাল রেড্ডি খবরটা শুনলে হতবাক হয়ে যাবে!

- আমি বলেছিলাম তো - স্যার..

ডিসিপি স্যার

হ্যালো ..

রেড্ডি সাহেব, ভাল আছেন তো?

আপনি এবং আপনার মেয়ে খুব বুদ্ধিমান

অবশেষে ঘন্টাটা বাজলো এবং ছেলেটির প্রেমে পড়ে গেলো।

তাহলে আর কি... ফুলের মালা নিয়ে আসুন..আসুন।

ওয়াও...অসাধারন জায়গা

তুমি ...তোমার হাসির মতই ... খুব সুন্দর!

"ভালোবাসা নাকি ম্যাজিকের মতো" কথাটা

বিশ্বাস করিনি।

প্রথমবার তোমাকে যখন দেখেছিলাম

ভালবাসাটা ধীরে ধীরে ম্যাজিকে পরিনত হচ্ছিলো।

সারা জীবন তুমি আমার সাথে থাকবে, হৃদয়ে শুধু সেটাই অনুভূত হচ্ছিলো।

এই ১০ দিনের গল্পটা যদি সত্যি নাও হতো

তোমার জন্য,.. তোমার ভালবাসার জন্য..

মাসের পরে মাস, বছরের পরে বছর কেটে গেলেও

আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করতাম কৌমথি।

"ভালবাসা ম্যাজিকের মতো".. আমি এখন পুরোপুরি বিশ্বাস করি।

তোমাকে প্রথমবার দেখে খারাপ ছেলে ভেবেছিলাম শ্রীনু

তোমার সাথে চলা ...তোমার গুণাবলী

তোমার চালাকি,

তোমার একগুঁয়েমি,

তোমার প্রতিশ্রুতি ...

আমার স্মার্টনেস..., আমার কিউটনেস

সব একসাথে পেয়েছো, তাই না?

তাহলে আর দেরি কেনো.. তুমিতো তিনটা যাদুকরী শব্দ বলেই ফেলেছো,

এখনো কতো রোম্যান্স করার বাকি আছে

কত জড়িয়ে ধরা ... কত চুমু খাওয়া ...!

শ্রীনু...

আমি তোমাকে ভালোবাসি না!

হেই,.. মজা করছো?

না, শ্রীনু...তোমার কাছে ভালবাসা হচ্ছে ম্যাজিক

কিন্তু আমার কাছে ভালবাসা হচ্ছে দুর্ঘটনা

কেবল ব্যথা!

আমি তোমাকে ভালোবাসি না

- ভুলে যাও - ভুলে যাবো?!

তাহলে পুলে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেদিন তুমি আমাকে বাঁচিয়েছিলে কেনো?

কেনো সেদিন আমার উপর মায়া দেখিয়েছিলে? এটাকে তুমি কি বলবে?

এটাই মানবতা ...

ওহ... মানবতা?!

শ্রীনু... আমি শুধু তোমাকে পছন্দ করি

ভালবাসা এবং পছন্দ করার মধ্যে অনেক পার্থক্য।

পছন্দ করো, কিন্তু ভালবাসো না, হেই এটা কি নতুন কিছু?

বলো...এখানে নতুন কিছু আছে কিনা বলো

শ্রীনু .. আমি তর্ক করতে চাচ্ছিনা

আমি তোমাকে ভালোবাসি না।

আবার বলছি, আমি তোমাকে ভালোবাসি না।

চোখে প্রেমের অশ্রু গোপন করার চেষ্টা করো না, কৌমথি

আবেগ এখান থেকে আসলে হয়তো থামাতে পারবে

কিন্তু এখান থেকে আসলে তা থামাতে পারবে না।

তুমি যখন আমাকে জড়িয়ে ধরলে, তখন তোমার হার্টবিট বলে দিয়েছে

তুমি আমাকে কতটা ভালবাসো।

তোমার হার্টবিট তোমার নিয়ন্ত্রণে নেই, কৌমথি

যখন ওরা আমাকে হত্যা করতে এসেছিলো, তখন তুমি কেনো মৃত্যুর মাঝে লাফিয়েছো?

তোমার কাছে ভালোবাসার মূল্য আছে কিনা আমি জানি না, কৌমথি

তুমি কি বুঝতে পারছো না যে ... তুমি না বুঝেই এমন অভিনয় করছো?

এতবার বলছি, তবুও বুঝতে পারছো না কেনো?

আমি তোমাকে ভালোবাসি না.. ভালোবাসি না ..ভালোবাসি না।

এতো পরিষ্কার করে বলার পরেও তাহলে অপেক্ষা কিসের?

আয়..আয়..আয়

আয়

তুই আয়..আয়..আয়

যত চেষ্টাই করো না কেনো, তুমি আমার থেকে দূরে যেতে পারবে না।

চোখে ভালোবাসা লুকিয়ে রেখে, মুখে মিথ্যা কথা বলছো...

মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি?

কারণটা কি বলো।

হেই! চুপ

গলা নামিয়ে কথা বল

তুই কি সমাধান করবি?

আমি ওকে একটা ভিখারির সাথে বিয়ে দেই

বা কেটে নদীতে ভাসিয়ে দেই

তার মধ্যে তুই নাক গলানোর কে রে?

বুঝতে পারলি না?

মৃত্যুর সঙ্গে খেলছিস তুই!

তুই যে মৃত্যুর সঙ্গে খেলছিস তার নাম কি জানিস?

গজা ..!

গজার বিরোধিতা করলে..

ছুরিটা তোর বুকে এসে ঢুকবে।

ভয় পেয়ে পালাতে চাইলেও..

ছুরিটা তোর পিঠে এসে ঢুকবে।

ছুরিটা যে এসে ঢুকবে সেটা নিশ্চিত।

এটা সেই শ্রীনুর ছবি

আমাদের লোকজনকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছে।

উকিল বলেছে যে, আগামীকাল আপনার জামিন হবে।

হ্যালো, স্যার..

হেই ...

ওরে বাবা...কি করেছি আমি?

আমাকে দেখামাত্রই সব কিছু কেঁপে উঠলো কেনো?

আমরা হোয়াটসঅ্যাপেও সংযুক্ত না,

টুইটারে গালাগালিও করিনি... কখনও একে অপরকে ফেসবুকেও দেখেনি।

তাহলে স্যার আমার উপর এত রাগ করছেন কেনো?

আমি যাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলাম তুই তাকে বাঁচিয়েছিস!

এজন্য আমি তোকে মেরে ফেলতে চাই।

তোর মৃত্যু নিশ্চিত ...

শুধু জানতে চাই..আপনি কাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন? আর আমি কাকে বাঁচিয়েছি?

সেদিন মলে যখন কৌমথিকে মেরে ফেলার জন্য লোক পাঠিয়েছিলাম, তুই তাদের মারধর করেছিলি।

সেটা তোর প্রথম ভুল ছিলো।

তার মানে মলের ঘটনার মূলে আপনি..!

বিষয়টা পরিষ্কার করার জন্য ধন্যবাদ...তারপর ব্রো?

তোকে যখন খোঁজার চেষ্টা করছিলাম,

তখন জয়পাল রেড্ডি আমার কাছে এসেছিল।

আমার মেয়েকে মেরে তোমার প্রতিশোধ নিলে

আমি আমার সীমানা পার হতে পারবো, আমার লোকজনও পার হতে পারবে।

তুমি আমার সীমানা পার হতে পারবে, আমার লোকদের পার করতে পারবে

তবে আমার জামাই..

যে আমার মেয়েকে ভালবাসে

মলে যে তোমার লোকদের মারধর করেছে

সে কে জানো?

রাজ্যের বাঘকে মারার জন্য খাঁচার ভেতরের ছাগলটাকে ব্যবহার করছে।

আমার মেয়েকে স্পর্শ করলে সে তোমাকে মেরে ফেলবে।

সে তোমার মৃত্যু ..!

তুমি কি সেই মৃত্যুর নামটা জানো?

শ্রীনু

আমার জামাই শ্রীনু।

ওহ,..প্যাটেল এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করছে!

আমাকে মারতে একে ফিটিং করছে।

চিত্রনাট্যটা পাল্টাতে হবে।

ব্রো..বিপদে পড়েছিলো বলে মেয়েটাকে বাঁচিয়েছিলাম, তাই বলে কি আমাকে মেরে ফেলবে?

আসলে কৌমথিকে তুমি মারতে চাও কেনো?

২০ বছর আগে যখন আমার বোনের বিয়ে হচ্ছিলো

জয়পাল রেড্ডি জোর করে আমার বোনকে বিয়ে করতে চেয়েছিলো

বাধা দিতে গিয়ে আমার বাবা মারা যায়

বাবার মৃত্যু সহ্য করতে না পেরে আমার বোনও মরে যায়।

আমি তখন রাগে জয়পাল রেড্ডিকে মেরে ফেলতে গিয়েছিলাম।

হেই...এসব কি?

ওতো মরে উপরে চলে গেলো

এখন খুনের দায়ে তোকে তো জেলে যেতে হবে।

প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আস্তে আস্তে হয়ে গেলাম..

রিয়েল এস্টেটের রাজা ... গজা।

তার ব্যবসা .. সম্পত্তি দখল করার জন্য

জয়পাল রেড্ডির ক্লায়েন্টদের দ্বারা জোর করে স্বাক্ষর করিয়েছিলাম।

তার বড় মেয়ে বসুন্ধরা রেড্ডিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছিলাম।

হেই..

হেই, থামো

জয়পাল রেড্ডি বসুন্ধরাকে অন্য কারও সাথে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলো

বাবা, দিদি তো উপরের ঘরে নেই

ঘরে নেই..!?

ভাই, সারা বাড়ি তল্লাশি করেছি, কিন্তু কোথাও খুঁজে পেলাম না।

বড় মামুনি কথা বলছে

বড় মামুনি?

মা, বসু..

বসুর প্রেমিক গজা।

আমি আপনার মেয়েকে বিয়ের মন্ডপ থেকে তুলে এনে আমার কাছে রেখে দিয়েছি...

যত্ন করে।

গজা ...এসব কি বলছো?

সত্য কথা

আমার বোনের লাশ দেখে আমার যে ব্যথা অনুভূত হয়েছিল ..

তোমার বাবাকে সেই ব্যথাটা অনুভব করাতে চেয়েছিলাম।

আমি এসব বিশ্বাস করি না গজা..

..তুমিতো আমাকে ভালবাসো।

তোমাকে বলেছিলাম, আমাকে বিশ্বাস না করতে

তারপরও তুমি আমাকে ভালবেসেছো

কিন্তু এটাই আমার উদ্দেশ্য ছিলো।

তুমি বলেছিলে, আমি নাকি তোমার প্রান!

আমাকে না পেলে নাকি তুমি মরে যাবে

যাও.. গিয়ে আত্মহত্যা করো!

আমার প্রতি ভালবাসা ... বসুন্ধরাকে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিলো।

বসুর মৃত্যুর কারণ আমিই ছিলাম।

জয়পাল রেড্ডি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে আমাকে জেলে পাঠিয়ে দেয়।

জয়পাল রেড্ডির মেয়ে বসুন্ধরা রেড্ডি,

কৌমথি রেড্ডির বোন!

কি কাকতালীয় ঘটনা?

কৌমথির আমার প্রেমকে অস্বীকার করার কারণ তাহলে এটাই

এ জানে বসুন্ধরা মারা গেছে, যে ছিলো আমার প্রাক্তন লাভার

যে কৌমথিকে এ মারার চেষ্টা করছে, সে এখন আমার বর্তমান লাভার

এজন্যই বলি মেয়েদের পিছনে ঘুরিস না!

গল্পটা এখন পরিষ্কার হয়ে গেলো।

তাই বলে তোমার প্রতিশোধের জন্য আমার গার্লফ্রেন্ডকে মেরে ফেলবে?... দেখে নেবো

দেখে নেবো..

- সাবধানে থাকিস - সাবধানে থাকিস

যেমনটা আশা করেছিলাম..

নিজামাবাদের মতো ব্যাকগ্রাউন্ড থাকতে

আপনি হায়দ্রাবাদে পাত্রী খুঁজছেন কেনো?

কেনো খুঁজবো না? ব্যাকগ্রাউন্ড বলতে ওখানে শুধু গ্রামের হাওয়া আছে

এখানে শহরে নতুন হাওয়া, নতুন পরিবেশ - চিন্তা করো না

আমি মানিয়ে নেবো।

ইনি হলেন মিঃ পল্লাকোন্ডে

ব্লিচের ব্যবসা করেন...আমেরিকাতে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা আছে।

তাঁর স্ত্রী, তাদের ছেলে বান্দর পিচ্চাই ..

বান্দর পিচ্চাই?!

আমার বাবার নাম পিচ্চাই

গ্রামের নাম বান্দর

দুটো এক সাথে মিশে হলো বান্দর পিচ্চাই!

হেই থামো ...এগুলো কে জিজ্ঞাসা করেছে?

কিছু না বলে বলে...একগুঁয়েমিটা অনেক বেড়ে গেছে।

ভারতীয় মেয়ে কিন্তু... ইতালীয়ান মার্বেলের মতো!

আমেরিকান মনে হয়েছিল ... কিন্তু এখন আফ্রিকা থেকে আমদানী হয়েছে মনে হচ্ছে!

শহরে বড় হয়েছে...এজন্য শাড়ি পড়ার অভ্যাস নেই।

কোনো ব্যাপার না, আঙ্কেল

সংসার জীবনে গেলে আমি সব ম্যানেজ করে নেবো।

চমৎকার

কী আছে এবং কী নেই, সেটা কল্পনা করা আমার ছেলের অভ্যাস।

উম..এটাই আপনার জন্য সুযোগ, স্যার

এক সপ্তাহের মধ্যেই বিয়ে দিয়ে

আমি আমার মেয়েকে নিরাপদে আমেরিকা পাঠাতে চাই।

ততোদিন আপনারা এখানে থাকতে পারেন।

শ্রীনু এসে সমস্যা করলে কি হবে?

শ্রীনু এবং গজার মধ্যে যে ঝামেলা চলছে

সেটার সমাধান করতে করতেই এদিকে বিয়ে হয়ে যাবে।

কিরে শ্রীনু এসেছে?

না ভাই, গজা এসেছে

ওহহ ... তার মানে গজা, শ্রীনুকে মরে ফেলেছে।

ভাই, শ্রীনুও এসেছে।

দুজন একসাথে আমাদের মেরে ফেলার জন্য আসছে নাকি?

ভাবের চোটে বিল্ডিং কেঁপে উঠলো...এরা কারা?

হেই..

স্মার্ট ছেলে.

আয়..

খেলা তো কেবল শুরু হলো

ফিতা..ফিতা..ফিতা বাঁধছিলাম..তুমি চালিয়ে যাও

এখন আপনার মেয়েকে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলবো

- দেখি.. আমাকে কে আটকায়? - হেই..

কি আজেবাজে কথা বলছো?!

খুন...খুন...এসব আর কতো করবে?

অন্য কিছু ভাবো..

বিয়ে করে ফেলো।

বিয়ে..

বিয়ে!

আমি...

- বিয়ে - হ্যাঁ...তুমি

নায়কের মতো চ্যালেঞ্জ নেবো?

স্যরি ব্রো...সারা রাত আমি এটা নিয়ে ভেবেছি

বাবার সাথে সাথে বোনটাও মরে গেলো

কি অনুভূতি? .. কি অনুভূতি? ..

হেই..

- বেদনা দায়ক - হ্যাঁ ...

বেদনা দায়ক

কাছের মানুষ হয়ে ভাবলাম, আমি যদি এমন পরিস্থিতিতে থাকতাম তাহলে কেমন লাগতো?

যেমন..যেমন..

- বন্ধু - হ্যাঁ....বন্ধু

একজন বন্ধু হয়ে ওরকম পরিস্থিতির অনুভুতিটা বুঝতে পারলাম

এজন্য ... যাও এবং বিয়ে করো

হ্যাঁ

ওনার বড় মেয়েটাকে হারিয়ে তো আর ফিরে পাননি

এখন যদিও উনি তার ছোট মেয়েটাকে হারাবে, তবুও নাতি- নাতনীর মুখটা তো দেখতে পারবে।

একজন যাবে, আরেক জন আসবে.. এটাই তো জীবন!

তার মানে ও তাকে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দেবে? সেটা কখনো সম্ভব না।

কেনো সম্ভব না?

আর বিয়ের একটা সুন্দর ভিডিও বানাবে

সেই ভিডিওটা ওনার কাছে হোয়াটসঅ্যাপ করবে।

শনিবার, রবিবার মেগা শো চলবে

প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য নতুন ট্রেন্ড তৈরি হবে, ব্রো

তুমি যেটা ১০ ​​মিনিটের জন্য দেখছো,

আমি সেটা ১০ ​​বছর ধরে চলা সিরিয়ালের মতো দেখছি ...

না

এ মরবে.... ও মারবে

থামো,.. মামা।

- তুমি না ওর প্রেমে পড়েছিলে?! - পড়েছিলাম ব্রো

কিন্তু আমার ভালবাসার চেয়ে, তোমার প্রতিশোধ নেয়াটা বড়

এজন্য নিজের ভালবাসাকে বিসর্জন দিয়েছি।

কার জন্য?

আমাদের বোনের জন্য।

আমাদের বোন..

এ পাগল নাকি?

দুটো ছেলের এটা কেমন জড়াজড়ি!

তুমি আমার আরেক আত্মা

এবার তো থামুন

এসব কি হচ্ছে?

- এই কে? - হাল্কা লেডিস

ছেলে

- এই কে? - তার বোনের প্রেমিক,

- তার বোনের প্রেমিক হলে একে বিয়ে করবে কেনো? - তার বোনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য

- তার বোন কে? - ওনার লাভার

ওনার লাভার!...ওহ ভগবান! আঙ্কেল আপনারও তাহলে প্রেমের গল্প আছে?

- আমি খুবই বিভ্রান্ত .. - এসব কি হচ্ছে বাবু?

আমি নিজেই কিছু বুঝতে পারছি না, তোমাকে কি বোঝাবো?...গিয়ে বসো।

স্যরি গাইজ...আমি বিভ্রান্ত, আপনারা চালিয়ে যান।

চলো এবার শোটা দেখি।

বাবা..

গজার হিংস্রতা

খুব শীঘ্রই শুরু হবে।

সে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড!

এসো।

ওরা তো মেয়েটাকে নিয়ে চলে গেলো, আমরা এখন এখানে থেকে কি করবো?

তুমি কি চুপ করবে?

তোমার মুখের দিকে তাকাও.. আর তোমার মায়ের মুখের দিকে তাকাও

ফলাফলটা কি?

পরবর্তী জন্মে অন্তত এমন একটা সুন্দরী পেলে

পরবর্তী প্রজন্মটা কালারফুল হবে।

শুধু একবার কল্পনা করো।

সে যদি মেয়েটার সাথে কিছু করে?

কোনো ব্যাপার না... সেও দেখতে সাদা।

- তোমার লজ্জা করে না? - কেনো আঙ্কেল?

আমার মেয়েকে তুমি ভালবাসলে.. ওর হাতে এভাবে তুলে দিলে কেনো?

সে বলেছিলো, আমাকে ভালবাসে না.. এ জন্য ওকে তার হাতে তুলে দিয়েছি।

- এখন তো আমি তৃতীয় পক্ষ। - দেখো..

আমার মেয়েকে তার কাছ থেকে ফিরিয়ে আনবে, বলো কি চাও?

কি দিবেন?

এই বাড়িটা লিখে দেবো।

হবে না

গ্রামের জমিটা লিখে দেবো।

- আমি আমার সমস্ত সম্পত্তি লিখে দেবো। - হবে না।

আমি আমার মেয়েকে তোমার সাথে বিয়ে দেবো।

তাহলে আমার কি হবে?

ওই যা....ঠিক ভেবেছি।

এটাই...এটাইতো আমি চেয়েছিলাম

গজা ...শ্রীনু আসছে।

ভাই...আমাদের শ্রীনু আসছে।

স্বাগত...

স্বাগত...

অপ্সরা তোমাকে দেখে মুগ্ধ ...

দুর্দান্ত ...

দুর্দান্ত ..

স্বাগত...

স্বাগত...

সত্যিকারের বাঘ পাওয়া গেছে ..

দুর্দান্ত ..

দুর্দান্ত ..

এই মামা...আমার বন্ধু এসেছে, উৎসবের আয়োজন করো।

- হাই মামা .. - হ্যালো ...

মামার কথা মতো কৌমথিকে মেরে ফেললে এক ঝাপটায় সব কিছু শেষ হয়ে যেতো।

তাহলে এই মজাটাই পেতাম না।

ওকে বিয়ে করে ওর ভবিষ্যৎটাই নষ্ট করে দেবো, সারাদিন শুধু টর্চার করবো

তখন আমি সন্তুষ্ট হবো।

তুমি কি কাজের ছেলে

আমার প্রতিশোধের পরিবেশটাই পাল্টে দিয়েছো।

আমার ভেতরে পরিবর্তন এনে দিয়েছো।

লাভ ইউ শ্রীনু

ভাই ...দেখুন, আমাদের অভাগা বোনটা

ছবিতে কেমন হাসছে!

ছবি হাসছে...এই পাগলগুলোর জন্য ঠিক আছে।

- হ্যাঁ, হাসছে - বসো শ্রীনু

ব্রো ...তুমি কি করবে আমি জানি না

আমার বিয়ে কিন্তু তোমার হাতেই হবে।

আমার সময় কোথায় ব্রো... আমারও তো বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।

ওয়াও... ভাগ্যবান মেয়েটা কে?

- মেয়েটাকে তুমি চেনো, ব্রো - তাই নাকি?...কে?

আমার হৃদয়...

কৌমথি

হ্যালো...মেয়েটাকে বিয়ে করার বুদ্ধি দিয়ে

- এখন এসব কি? - তখন আমার শ্বশুরমশাই, তার সাথে আমাকে বিয়ে দেবে না বলেছিলো

এজন্য ব্রো, তোমাকে বিয়ে করতে বলেছিলাম।

এখন সে নিজেই আমার পায়ে পড়ে..

মেয়েকে ফিরিয়ে দেয়ার অফার দিয়েছে।

যাই হোক, আমি প্রথমে মেয়েটার প্রেমে পড়েছি

সিনিয়র মতে,.. মেয়েটা আমার, ব্রো

এজন্য আমি তাকে বিয়ে করবো।

কি রে... মজা করছিস?

সাধারন ভাবে বললে, এটাই সমস্যা ভাই ..

সবাই রসিকতা মনে করে।

যতো যাই করি না কেনো গভীর কণ্ঠে না বললে

কেউ সেটা বিশ্বাস করবে না।

কৌমথি শুধু আমার।

ব্রো... আমার জীবনে একটা দর্শন আছে

আমি আগে থেকে সেধে কাওকে মারি না

তবে একবার কাউকে মারলে...

এমন ভাবে মারি যে,.. দ্বিতীয়বার তাকে আর মারার প্রয়োজন হয় না।

থাম...হেই শ্রীনু

থাম

ধরো..

ধরো ..

হেই ধরো ..

তোমার গ্যাংয়ের সবাইকে আমার পিছনে দৌড় করানো খুব সহজ

কিন্তু আমি তা করবো না

কারণ আমাদের বন্ধুত্ব খাঁটি

আর এই খাঁটি বন্ধুত্বকে যখন তুমি অনুভব করবে

তখন কৌমথিকে নিয়ে এসে আমার হাতে তুলে দিও।

আমি আমাদের বন্ধুত্ব নিয়ে এত চিন্তা করছি কেনো জানো?

কারণ..তুমি এই পৃথিবীর সব থেকে মহান প্রেমিক।

তোমার বোনকে তোমার মতো করে

অন্য কেউ ভালবাসতে পারবে না।

তোমার চারপাশের লোকজন আমাকে হয়তো একজন ভিলেন...ভিলেনের মতোই ভাবছে,

কিন্তু এখানে একজন নায়ক আছে... একজন নায়ক আছে...

নায়ক?

তুমি বাজিগর সিনেমার শাহরুখ খান ...!

হ্যাঁ..

এক সপ্তাহের মধ্যে তুমি আমার বন্ধুত্বকে বুঝতে পারলে কৌমথিকে আমার হাতে তুলে দিও

আর যদি বুঝতে না পারো, তাহলে নিজেই কৌমথিকে বিয়ে করে নিও।

তোমাকে আমি সুখী দেখতে চাই ভাই...সুখী দেখতে চাই।

বন্ধু আমার বন্ধু ..

তুমি আমার জান..

আসি, বন্ধু...

তুমি আমার আত্মা ..

তুমি বাজিগর সিনেমার শাহরুখ খান...!

তার চোখে মুখে ছিলো সত্যের ছাপ

গল্পে আত্মবিশ্বাস

ত্যাগ করার যোগ্যতা

ও...কোনো সাধারণ মানুষ না।

হায়রে বলদ...!

সে মেয়েটাকে ভালবাসতো, তারপরেও আমার হাতে তুলে দিলো।

তার মানে কি?

আমাকে নিশ্চই সে অনেক বিশ্বাস করে।

- কিছু করছেন না বলে এতো প্রীতি! - কী?

মানে ভাই..আমিও বিশ্বাস করি সে খুব ভাল ছেলে, ভাই

এটাই...এটাই

আমাদেরও তো তার উপর বিশ্বাস রাখতে হবে?

মনে নেই ও কী বলেছিলো?

আমার মধ্যে একজন নায়ক আছে!

তোমরা কি কখনো সেটা বলেছো?

হাজার হাজার লোক তোমাকে পাম্প দেবে, সবার কথা বিশ্বাস করবে?

ভাই .. আমি ওখানে একটা ছায়া দেখেছি!

কৌমথিকে নিতে শ্রীনু এসেছে, ভাই

তাকে সন্দেহ করা মানে আমাকে সন্দেহ করা।

সে আমার আরেক আত্মা!

অন্য আত্মা ..

পান করো.

আমি নিজের হাতে না দিলে ..

সে কৌমথিকে নিয়ে যাবে না।

হেই..

চলো যাই ..

যাবো মানে... এক সপ্তাহ সময় দিয়েছিলে না?

বলেছিলে, সে নিজে আমাকে তোমার হাতে না তুলে দিলে নিয়ে যাবে না!

তুমি কি তোমার কথা রাখবে না?

আবেগের বশে কিছু হয়তো বলেছিলাম .. কেউ কি নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারে?

চলো যাই

আমার ফোন ..

মামা

হ্যাঁ, আসছি

এসো

আসছি ... আসছি...

ওখানে থাকুক

আস্তে আস্তে

দিদি..!

গজা আমার সাথে প্রতারণা করেছিলো বলে

আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম।

যখন জলে লাফ দিয়েছিলাম ... একদল লোক আমাকে উদ্ধার করেছিলো।

তবে... বাবা, গজা

সবাই জানে আমি মারা গেছি।

সবার থেকে দূরে থাকতে... আমি ভেবেছিলাম আমেরিকা চলে যাবো।

কিন্তু শ্রীনু আমাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসে।

সেদিন কারাগারে গজার কাছ থেকে তোমার দিদির কথা জানতে পারি।

এখনও কি গজাকে ভালোবাসো?

হ্যাঁ, ভালবাসি।

সে তোমাকে ঠকিয়েছে, বসু!

শ্রীনু...ভালবাসাটা ম্যাজিকের মতো

ভালবাসার মানুষ বারবার না বলা সত্বেও, তাকে নিঃশর্ত ভাবে ভালাবেসে যাওয়াটা...

আমি তোমার থেকে শিখেছি।

গজার সাথে আমার বাবার একটা ঝামেলা চলছিলো বলে

সে আমার ভালবাসাকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিলো।

এজন্য...

- তার ভালবাসার জন্য অপেক্ষা করছি। - কতো দিন এভাবে অপেক্ষা করবে?

আজীবন অপেক্ষা করবো।

গজা আমাকে কতোটা ভালবাসে.. সেটা আমার মন জানে।

এক্সিডেন্ট করা একটা বাচ্চার জীবন বাঁচিয়ে সে মানবতার পরিচয় দিয়েছিলো

সেদিন সে আমার মন কেড়ে নিয়েছিলো।

দুঃখিত শ্রীনু

দিদির সাথে হওয়া ঘটনার কারনেই

ভালবাসার কনসেপ্টের প্রতি আমি আমার শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলেছিলাম।

সেজন্য..

তোমাকে ভালবাসি... তারপরেও ভালবাসিনা বলেছিলাম।

আমি বুঝতে পারছি।

কিন্তু দিদি..

শ্রীনুকে তুই কিভাবে চিনিস?

হেই..মনে পড়ে আদিত্য স্কুল, ক্রিকেট বল, মিষ্টি.?

শ্রীনু..!

ঠিক ধরেছো... আমি।

- ওহ ভগবান! - দাড়াও

ছোটবেলায় কি বলেছিলে তা মনে আছে?

তাকে বলো,.তার কপালে আমার বোন কেনো, কোনো মেয়েই জুটবে না।

আমি অবশ্য তখন সেটা বলেছিলাম, তোমাকে পছন্দ করতাম না বলে।

দাড়াও

প্রথমে গজার মন পরিবর্তন করে

তার গলায় আমার প্রাক্তন লাভারকে ঝুলাতে হবে।

মানে, তোমার দিদিকে তার হাতে তুলে দিতে হবে।

তবেই না তোমার বাবা ঘটা করে

আমাদের দুজনের সেটিং করিয়ে দেবে।

- কী? - বিয়ে

দিদি...প্লিজ একটু পিছনে ঘুরবি?

আমি আর দাঁড়াতে পারছি না।

ভাই ..কৌমথিকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না ভাই!

পাওয়া যাচ্ছে না?!

দেখলে...অতি বিশ্বাসের ফল?

সে পালিয়ে গেলো

গতকাল আমরা যখন মাতাল হয়েছিলাম, তখন সে পালিয়ে গেছে।

২০ টা বছর তোমার জন্য, তোমার প্রতিশোধের জন্য

যে ত্যাগ স্বীকার করেছি, সবটাই জলে গেলো।

তোমার মাতলামিটা বন্ধ করো তো মামা।

হেই, সব জায়গায় দেখেছিস?

বাথরুমেও দেখেছি ভাই!

হেই, বাথরুমে দেখতে গেলি কেনো? ও সত্যিই বাথরুমে থাকলে কি হতো?

না দেখলে কীভাবে বুঝবো যে, সে ওখানে আছে কি নেই, ভাই?

শ্রীনু নিজেই মেয়েটাকে আমার হাতে তুলে দিয়ে গেছে

আমি এখন ওকে কি জবাব দেবো?

- দুঃখিত ভাই .. - ভাই ...ভাই ...ভাই

আমার মনে হয় গত রাতেই শ্রীনু, কৌমথিকে নিয়ে ভেগেছে।

বার বার সবাই একই কথা বলছিস কেনো?

শ্রীনুকে সন্দেহ করা মানে আমাকে সন্দেহ করা।

কতবার বলবো?

আমার তো জয়পাল রেড্ডিকে সন্দেহ হচ্ছে।

তাঁর বাড়িতে গিয়ে খোঁজ কর।

- চলো যাই - হ্যাঁ, যাচ্ছি

- হেই,..হেই - হ্যাঁ, ভাই ...

মেয়েটা যে নিখোঁজ হয়ে গেছে, শ্রীনু যেনো কোনোভাবেই জানতে না পারে

জানতে পারলে আমার উপর তার বিশ্বাস হারিয়ে যাবে।

ঠিক বলেছেন ভাই ... ঠিক আছে ভাই।

চল আয়

এখন বলুন ব্যাপারটা কি?

ও কি অমিতাভ বচ্চন, নাকি ধর্মেন্দ্র?

নিজেদের বন্ধুত্ব, কৌমথির চেয়ে বড় হয়ে গেলো?

সে শুধু ফ্রেন্ড না, বেস্ট ফ্রেন্ড।

আমার বন্ধুত্বকে সে খুব শিগ্রই বুঝতে পেরে ওকে ছেড়ে দেবে।

সে কবে বুঝতে পারবে? আর ততোদিন আমরা এখানে কি করবো?

আপনার মেয়ে আপনার নিজের বাড়িতেই আছে, সেটা কল্পনা করবেন!

এটা আর এমন কি? ...উনি এসব অলরেডি...

হেই.. কৌমথি!

কই কৌমথি?

কেনো দেখতে পাচ্ছেন না?

লাল শাড়িতে কত সুন্দর লাগছে!

একটা চুমু দিতে চাই .. একটা চুমু দিতে চাই ..

কোথায়?

এতো প্যাটেলকে ঘোল খাওয়াচ্ছে..! সে আসলেই খুব ভাল খেলোয়াড়

ওকে অনুসরন করার মধ্যেই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

হেই..শাড়িতে তোমাকে কতটা সেক্সি লাগছে তুমি জানো?

আরও একটা চুমু খেতে চাই।

হেই.. হেই.. হেই ..

এভাবে নাচ্ছো কেনো?

আপনার মেয়ে সুড়সুড়ি দিলে কি করবো?

সে কল্পনা করছে মাত্র।

দাড়াও আসছি ... শুধু শুধু তোমাকে অপেক্ষায় রাখলাম।

হেই..হেই..হেই, থামো

- এসব কি করছো? - কি আবার..

চুমু খাওয়া তো ভাল সংস্কার শশুরমশাই!

হেই.. ওকে থামতে বল।

সে ওখানে আছে আপনিও ভাবুন না!

আমার মেয়ে ওর সাথে যা করছে সেটা আমাকে ভাবতে বলছিস?

থাম।

বার বার ...

এমন দিন ফিরে আসে না ...

ফিরে এসো ...

স্মরণীয় দিনগুলো ...

ঘিরে আছে ..

ছোট্ট ছোট্ট প্রশ্ন ..

না তাকিয়ে ..

আমার আর করার নেই কিছু ..

কিছু শুনতে চাই ..

কিছু বলতে চাই ..

প্রখর তাপে ..

এই রৌদ্রের নিচে ..

ছাড়তে পারি না ..

থামানো যায় না ..

তুমি যে কি করো না?

ওয়াও.. কি সুন্দর মুহুর্ত!

তাহলে এতো হৈচৈ কেনো?

আনন্দ করো।

ডাক্তার মিথ্যা বলেছেন ...

কোনো সমস্যা নেই যখন, তাহলে চিকিৎসা কেনো?

আসলে এসব হচ্ছেটা কি?

এটা অদ্ভুত একটা রোগ বাবু, বলার আগেই অদৃশ্য হয়ে যায়।

- কোনও সংক্রামক রোগ নাতো? - না, না, না

ওহ ভগবান!..আমার ভালবাসা আসল বলে আমি কৌমথিকে দেখতে পাচ্ছি,

আমার ভালবাসার মধ্যে কোনো ভেজাল নেই।

তাহলে এটা কফি বা চা...

মামুনি..

হেই.. দেখো .. আমার মেয়ে

আপনার ভালবাসাকে সত্য প্রমাণ করার জন্য অভিনয় করছেন?

তোমার কি মনে হয় .. আমি অভিনয় করছি?

মামুনি ওখানে আছে

হেই, তুই কি আমার মেয়েকে দেখতে পাচ্ছিস?

ওখানে ..

না...

হেই, তোরা দেখতে পাচ্ছিস?

আমরাও দেখতে পাচ্ছি না।

ওর প্রতি আমার কি ভালবাসা নেই? ওকি আমার মেয়ে না?

মামুনি

তুই ঠিক আছিস তো?

গজা কী করবে সেটা ভেবে ভয় পাচ্ছি বাবা!

আমারও একই চিন্তা হচ্ছে।

দেখ ...তুই শুধু আমার কল্পনায় আসবি

ঐ শ্রীনুর কল্পনায় যাবি না।

সে একটা বদমায়েশ!

ঠিক আছে, বাবা।

এটা যদি তাঁর কল্পনা হয় তাহলে আমিও ওকে দেখতে পাচ্ছি কেনো?

কারন তার বাবা তাকে জন্ম দিয়েছে, আর তুমি তাকে বিয়ে করতে চলেছো।

এটাই সত্য...

এদিকে আয়

ওরে পাগল...ওরা তোকে বোকা বানাচ্ছে!

মেয়েটাকে আমিও দেখতে পাচ্ছি।

তুমি কি বলতে চাইছো?

- মেয়েটাকে দেখতে পাচ্ছি - তুমিও দেখতে পাচ্ছো?

হুম ..

ভাল করে দেখো...এখনও কি দেখতে পাচ্ছো?

লজ্জা করে না তোর

লজ্জা তো তোমার পাওয়া উচিত!

যখন আমার বয়স পাঁচ বছর ছিলো

বই দেয়ার নাম করে পাশের বাড়ির আন্টির সাথে কি করেছিলে?

কি করেছিলাম? বই দিয়েছিলাম।

বই তো বসার রুমে ছিলো ...বেড রুমে কী ছিল?

দুজন একই কাপড়ে ...

বই, বেডরুমে রেখেছিলে কেনো?

এখন কি দেখতে পাচ্ছো?

না পাচ্ছি না... তোর মাকে ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।

এজন্যই ছেলে, তার বাবার উপর এতো রাগান্বিত

বাবা ও ছেলের সম্পর্ক ...

হেই, তুই দেখতে পাচ্ছিস না?

আমার মেয়ে সত্যিই এখানে আছে।

- ওহ - দেখ..

মামুনি...মামুনি

ছাড়ুন না, আবার আসলে তখন দেখতে পাবেন

আবার ফিরে আসবে?

আবহাওয়া ভালই আছে, আমরা দুজন লং ড্রাইভে যাচ্ছি।

আবার দেখা হবে শশুরমশাই .. বাই

ব্রো... আমার কি হবে?

ওহ..তুমিও কল্পনা করতে থাকো ব্রো

আমিও কল্পনাশক্তির মাস্টার, তুমি জানো?

কল্পনা করতে হবে..

আমি আসছি..

মা..কৌমথি

ও তোকে নিয়ে গিয়ে বললো প্রতিশোধ নেবে

এদিকে একজনের কাছে বন্ধুত্ব বড়

আমি আবার তোকে কল্পনায় দেখছি

কি হচ্ছে কিছু বুঝতে পারছি না।

হ্যালো ...

- ভাই - বল..

কৌমথি এখানে নেই ভাই।

তাই নাকি?

শ্রীনুর বাড়িতে গিয়ে একটু দেখবো?

শ্রীনুকে সন্দেহ করা মানে..

আপনাকে সন্দেহ করা, সেটা জানি ভাই।

মানে বলছি, কৌমথি নিজেই তো শ্রীনুর বাড়িতে যেতে পারে ভাই

সেটা নিশ্চিত হয়ে যেতো আর কি...এজন্যই

আহ .. তাহলে ঠিক আছে।

ভাই হ্যাঁ বলেছে..অন্যভাবে বুঝিয়ে রাজি করিয়েছি।

চল যাই

হ্যালো শ্রীনু...আমি কারি

হ্যাঁ কারি, বলো..

তেমন কিছু না, তোমার বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলাম একবার দেখা করে যাই।

আমি তো একটু বাইরে আছি।

ওহ তাই? ঠিক আছে, পরে একদিন আসবো তাহলে।

ঠিক আছে।

অ্যাকশন!

হেই..হেই, আপনারা কারা?

শুটিং..

পরিচালক ..

শুটিংয়ের লোক!

ফালতু কাজের মেয়ে!

কোথায় গেলো? আয়..

- হেই, তোমরা কারা? - শুটিং

শুটিং?... অনুমতি কে দিয়েছে?

আমাদের অনুমতি লাগে না.. স্বেচ্ছায় আসি ...ধন্যবাদ।

হেই..

কে এই সুন্দরী?

তোমাদের আবার কি হলো?

সে আমাদের গৃহ-কর্মী

তাকে দেখে কেউ চাকরানী বলবে?

এই প্রজন্মের শ্রীদেবী এখানে কি করছে?

এই চার দেয়ালের মাঝে আটকে রেখে, তাকে দিয়ে থালা বাসন ধোয়াচ্ছেন?

তারকা হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিরা শ্রমিক হয়ে যায়, শ্রমিক হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিরা তারকা হয়ে যায়!

রচয়িতা হিসাবে...

তোমাকে আমার পছন্দ হয়েছে।

চলে এসো...

তুমি যে বলেছিলে, বাড়িতে নেই ভাই!

বাড়িতে যে আসবো না, তাতো বলিনি ভাই

যাই হোক, এসব সেট আপ কিসের?

"মেয়েটি এখন কোথায়?" নামে একটা ওয়েব সিরিজ করছে নেটফ্লিক্স

তাই নাকি? ... মেয়েটা এখন কোথায়?

এই "মেয়েটি এখন কোথায়?"

- ওয়েব সিরিজটা আমি তৈরী করছি... - তাই?

তাহলে মেয়েটা এখন কোথায়?

ভাই .. সে কৌমথির কথা জিজ্ঞাসা করছে

ওহ কৌমথি?

বাড়িতেই আছে।

আমার মনে হচ্ছে তোমরা কোনও পরিকল্পনা নিয়ে বাড়িতে এসেছো!

না, না, এমন কিছু না, শ্রীনু

শুটিংয়ের মেকআপ সম্পর্কে জানতে এসেছিলাম।

তোমরা সবাই একটু দাড়াও, এক মিনিট...

শ্রীনু এখন.. আমাকে ফোন করেছে কেনো?

ভাই, তুমি এখন কোথায় আছো ভাই?

হ্যাঁ, আর কোথায় .. বাড়িতে

কৌমথি কোথায়?

কৌমথি আমার কাছেই আছে।

কথা বলবে?

দরকার নেই ভাই.. তোমার উপর আমার পুরো বিশ্বাস আছে।

সমস্যা নেই..লাভ ইউ ব্রাদার।

দেখলে মামা?

কিভাবে ম্যানেজ করলাম।

সাজালে আংশিক নয়, পুরোপুরি সাজাতে হয়।

কেনো আমাদের সাজানো ভাল হয়নি?

বলিউডের গানের আইটেম বাচ্চাদের মতো সাজিয়েছো।

ওহ, আর আমাদের ভাই?

সে তো সানি লিওনের মতো, কোনোও ভুল করে না।

আমাদের ভাইয়ের মতো আমরা অতটা অভিজ্ঞ নই।

ধন্যবাদ শ্রীনু...রিহার্সালের সময় হয়ে গেছে। আমরা যাই?

শুটিংয়ের জন্য তোমার মা, বাবা দুজনেই খুব সহায়তা করেছেন।

কিন্তু মাঝখানে শুধু একজন একটু বিরক্ত করেছে।

গজা..কৌমথির উপর থেকে তোমার মনোনিবেশ আমি পাল্টাবোই।

আমি তোমাকে মিস করছি, বসু

কিন্তু কি করবো?

ভালবাসার চেয়ে আমার বোনের প্রতিশোধ নেওয়াটা বেশি গুরুত্বপুর্ন।

হেই আনোয়ার..সুব্বু..কোথায় তোরা?

জেনারেটরটা এখনো চালু করিসনি কেনো তোরা?

জেনারেটর তো মেরামত করতে দিছি, ভাই

সুব্বু...

সুব্বু..!

স্বামী আইয়াপ্পা ..

একটু দেখেশুনে হাঁট, ভূতের ভয় আছে!

কারেন্ট চলে যাওয়ার সাথে সাথে কীভাবে চিৎকার শুরু করেছে দেখ

গজা ...

কে তুমি?

আমি ...গজা

আমার কণ্ঠস্বর চিনতে পারছো না?

বসু..

হ্যাঁ ... আমি গজা

স্বামী ... আইয়াপ্পা... আইয়াপ্পা

স্বামী ... স্বামী...

ভাই ..

ভয় পেয়েছেন নাকি ভাই?

গজা ...

গজা ...

ভাই, ভয় লাগছে!

স্বামী ... আইয়াপ্পা... আইয়াপ্পা

স্বামী ... আইয়াপ্পা ... আইয়াপ্পা...

এই সময় এখানে কি করছো?

সবাই মিলে তীর্থযাত্রায় যাচ্ছো?

না, কবরে যাচ্ছিলাম!

সবাই এতো চিন্তিত কেনো...কৌমথি কোথায়?

কৌমথি..

- হেই..হেই..শ্রীনু - কৌমথি..

কৌমথি...

শ্রীনু..

তুই শ্রীনুকে মারলি কেনো?

এমনিতেই ভুতের ভয়ে মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে

তার মধ্যে এসে কৌমথিকে খুজে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

গজা ..

তোমরা সবাই মিলে,

সবাই মিলে...?

তোমরা সবাই মিলে,

ভাই ..

আমাকে মারলে কেনো?

মাম্মি

তুমি তো মরে গেছো, তাই না?

তাহলে আবার ফিরে এলে কেনো?

মরে গেলে তো শুধু প্রানটাই চলে যায়

ভালবাসা তো মরে না।

সেই ভালবাসাই আমাকে এখানে এনেছে।

জন্ম জন্মান্তরে গজার উপর শুধু আমার অধিকার

তাইনা গজা?

কোনো সন্দেহ আছে?

কোনো সন্দেহ নেই..

ভাইয়ের উপর শুধু আপনার অধিকার আছে।

যদি তাই হয় ...তোমার ভাই ইচ্ছা করে

অন্য কাওকে বাড়িতে এনেছে কেনো?

হেই ..অন্য কাওকে বাড়িতে এনেছে কেনো?

হেই.. অন্য কাওকে বাড়িতে এনেছে কেনো?

অন্য কোনও মেয়ে এই বাড়িতে আসলে

তোদের সবাই কে মেরে ফেলবো।

ইতিমধ্যে আমাদের ভাই অর্ধেক মরে গেছে।

এতো দিন পরে এই বাড়িতে এলাম ...

কোনো আতিথেয়তা নেই!

কফি বা চা কিছু একটা নিয়ে আয়

কফি বা চা খাবো...আমি কি অতিথি নাকি?

ভূত ... ভূত আরোহী!

তাহলে চিরঞ্জীবি স্যারের ব্লাড ব্যাংক থেকে

রক্তের বোতল নিয়ে আসবে?

ভূতের সাথে মজা করছিস?

সবাই এতো মার খাচ্ছে..

আর তুই চুপি চুপি

পালাচ্ছিস? .. পালাচ্ছিস?

বোন ... বোন ...

বোন ... বোন ...

আমি?!

তাহলে আমার বোনকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিস কেনো?

অন্য কোনো মেয়েকে বাড়িতে না আনতে ভাইকে নিষেধ করেছিলাম,

কিন্তু ভাই তাকে বাড়িতে এনে, আবার অন্য কোথাও পাঠিয়ে দিয়েছে।

ওহ, পাঠিয়ে দিয়েছো?

হ্যাঁ, পাঠিয়ে দিয়েছে।

আমার মাথায় ব্যথা করছে কেনো? কেউ কি আমাকে আঘাত করেছে?

হেই ..শ্রীনু ফিরে এসেছে।

আমরা..আমরা..আমরা কেনো মারবো শ্রীনু? আমাদের কী দরকার মারার?

- ছি..ছি..কে আমাকে শাড়ি পরিয়েছে? - শ্রীনু..

চিন্তা করো না .. কৌমথি নিরাপদেই আছে।

কৌমথি নিরাপদে আছে?

আমি কি সেটা জিজ্ঞাসা করেছি ... আমাকে বলছো কেনো?

আমার তো সন্দেহ হচ্ছে!

কেমনজানি সন্দেহ হচ্ছে!

সন্দেহের কিছু নেই শ্রীনু ..আমি সব খুলে বলছি।

হেই..

আমাকে ওর মতো বোকা ভেবে মজা করছিস?

দেখো না গজা..ওরা আমার সাথে কেমন মজা করছে!

তোমাকে এমন বিষন্ন দেখাচ্ছে কেনো গজা?

আমাকে একটু জড়িয়ে ধরো না গজা

জড়িয়ে ধরো..

জড়িয়ে ধরুন..জড়িয়ে ধরুন ভাই

আমি জানি গজা..তুমি আমাকে কতো ভালবাসো

চুমু খাওয়ায় বাধা দিচ্ছো কেনো গজা?

বাধা দিয়েন না ভাই...খেতে দিন।

বাই গজা ..

তোমার ড্রেসটা খুব সুন্দর!

তোমার হাসিটাও খুব কিউট!

তুমি সবসময় শুধু আমার হাসির প্রশংসা করো!

এর উন্মাদনা তো মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে!

হেই পিচ্চাই..তুই এখানে কার সাথে কথা বলছিস?

বৌমা আর ছেলে যখন একান্তে বসে কথা বলছে, তখন ব্যাগড়া দিচ্ছো? কোনো কমন সেন্স নেই?

কোথায় বৌমা?... আমি তো দেখতে পাচ্ছি না ।

হেই..

ওর কোলে বসছো কেনো তুমি?

স্যরি বেবি!

আমার বাবা একটা বদ লোক ... খারাপ আচরণ করে ফেলেছে

তুমি কষ্ট পাওনি তো?

যাও...

এইনে মা..আরেকটু খা

বাবা যথেষ্ট খেয়েছি।

- আর একটু খা না মা - বাবা প্লিজ .. পেট ভরে গেছে

- ঠিক আছে, বিশ্রাম কর - ঠিক আছে, বাই

- হেই - আপেল ...

- এক মিনিট দাড়াও ... - কেন শশুরমশাই?

আমার মেয়ে যদি আমার কল্পনায় আসে.. তাহলে পায়েসের বাটিটা খালি হলো কিভাবে?

এতে পায়েস কোথায়, ..এটাও আপনার কল্পনা!

আপনি পায়েসের কথা কল্পনা করছিলেন, এজন্য কল্পনায় মেয়ে এসে খেয়েছে, শশুরমশাই।

শশুরমশাই, এ তো সব মায়া

মায়া..সবই মায়া শশুরমশাই!

বেবি, খুব ভাল

আমরা অনেক মজা করেছি।

আরে পায়েস যদি আমার কল্পনা হয়.. তাহলে আমি এর স্বাদ পাচ্ছি কিভাবে?

হাই, শশুরমশাই...কেমন আছেন?

- হেই. - ব্রেকফাস্টে কি আছে?

তুমি না একটু আগে নিয়ে গেলে!

আমি কখন এসেছিলাম? আমি তো মাত্র আসলাম।

দাড়াও, দাড়াও..আমার একটা সন্দেহ আছে

পায়েস যদি আমার কল্পনা হয়.. তাহলে আমি এর স্বাদ পাচ্ছি কিভাবে?

অদৃশ্য পায়েসের স্বাদ পাচ্ছেন মানে আপনি তো কল্পনার রাজা!... স্বাদ অনুভব করুন

হেই.. আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি!

আমার সাথে এসব কি হচ্ছে?

- ডাক্তার সাহেব... - হ্যাঁ, প্যাটেলের কি অবস্থা?

সমস্যা তো কমেনি বরং দিন দিন আরো বেড়েই চলেছে!

সমস্যা কমেনি তার মানে, প্যাটেল তো সেই রোগীর মতো কন্ট্রোলের বাইরে চলে গেছেন!

কে সেই রোগী, স্যার?

- আমি ছবি পাঠাচ্ছি.. - হ্যাঁ, পাঠান..

এখানে একটা চুমু দাও

এখানে ... কত সুন্দর!

ওহ মা, এতো প্যাটেলকেও ছাড়িয়ে গেছে!

হেই হেই হেই ..

হেই...তুমি আমার মেয়ের সাথে কোথায় যাচ্ছো?

হেই..থামো

হেই..থামো

হেই..হেই

তোমরা ভিতরে কি করছো? দরজা খোলো..

- হেই.. - বাবা ...

মা বসু... ঠিক সময়ে এসেছিস মা

কেমন আছিস মা?

হারিয়ে গেছি বাবা, তবুও তোমাকে দেখে খুব ভাল লাগছে।

দেখ না মা.. শ্রীনু ওকে ভিতরে নিয়ে গিয়ে কি করছে!

দরজা বন্ধ করে দিয়েছে।

তুমি চিন্তা করো না, আমি দেখছি...

আমেরিকাতে একটা প্রবাদ আছে.. চিন্তা করার দরকার নেই

কৌমথি..

- এই সুন্দরী মেয়েটা কে? - প্যাটেলের দ্বিতীয় মেয়ে, বসুন্ধরা

কৌমথি..

তাকে আগে কখনও দেখিনি তো?

কবরে ছিল ..সে মরে গেছে ছয় মাস হয়ে গেছে।

- আমি বসু.. - হেই, ভেতরে এসো

হেই..কৌমথি...কৌমথি

হেই..

এখানে গন্ডগোল .. চলো বেবি।

দরজা খোলো.. হেই, কোথায় সবাই?

গান প্যাটেল.. এতে আপনার চিন্তা দুর হবে!

দুটো মেয়েইকেই ভিতরে নিয়ে গেছে, আর এখন আমি এসব গান গাইবো?

হেই..

কি শশুরমশাই... মনে হয় কাউকে খুঁজছেন?

হেই, তোমার লজ্জা করে না?

ছোটটাকে ভালবাসো

আর বড়টাকে নিয়ে নাচানাচি করছো?

নাচানাচি, মানে রোম্যান্স?

মানে, আপনি কি বসুন্ধরার সাথে আমার রোম্যান্স করা কল্পনা করছেন?

কল্পনা?

মরে যাওয়া বসুন্ধরা এসে আমার সাথে নাচবে কেনো?

আর এই বয়সে আপনার এই চিন্তাভাবনা কেনো শশুরমশাই?

আমি এবং কৌমথি হলে একটা কথা ছিলো

কিন্তু, বসু..কিভাবে..কিভাবে পারলেন শশুরমশাই?

শ্রীনু আমাকে ভালবাসে, আর তুমি এসব ভাবছো,বাবা?

আমি কষ্ট পেয়েছি ...আমি খুব কষ্ট পেয়েছি।

মা...মা...প্লিজ...প্লিজ মা

রাগ করে না, মা

আমি এলাম তোমার দেখাশোনা করতে, আর তুমি এসব কল্পনা করছো?

আমি কষ্ট পেয়েছি, বাবা.. খুব খুব কষ্ট পেয়েছি।

বসু...বসু

তাছাড়া, এসব একসময় আমিও ভাবতাম যখন আমি ক্লাস নাইনে পড়তাম, শশুরমশাই

আজ সেই ভাবনাটা আপনার কারণে সত্য হলো, আমি খুব খুশি...আপনি জানেন?

- বসুকে তুমি আগে থেকে চিনতে? - হ্যাঁ , সেতো আমার প্রাক্তন লাভার!

তাহলে ছোট মামুনি?

সেতো আমার বর্তমান লাভার!

মানে, তোমার সাথে প্রেম প্রেম খেলার জন্য কি ওদের জন্ম দিয়েছি?

সেটা তো আমি জানি না.. আপনাই ভাল জানেন!

ভাইকে এরকম মনমরা থাকতে কখনও দেখিনি

কিভাবে কমবে এই হতাশা?

বিনোদনের এগুলো মাঝে মাঝে করতে হয়।

সেজন্যই, সূর্যের তাপ থেকে বাঁচতে তার কথা মতো

অটোতে করে এসে আমার মন পরিবর্তন হয়ে গেছে।

কার কথায়?

চমন্তী ... পুরোহিত চমন্তী

ভূতদের তাড়িয়ে দিন।

অন্য মেয়ে বাড়িতে এনেছিলাম বলে বসুন্ধরা পুনরায় ফিরে এসেছে

তাহলে চমন্তীকে বাড়ির মধ্যে আনার কি দরকার?

এ জন্যই বাড়িতে না এনে তাকে বাড়ির বাইরে রেখে এসেছি।

এমন ভয়ংকর ভাবে হেসো না তো, মামা ভয় লাগে।

এজন্যই ওসব চমন্তী বাদ।

- খুশি থাকতে হলে..তাকে এভাবে ছুড়ে ফেলে দাও। - ছুড়ে ফেলে দেবো?

- এজন্যই বসুন্ধরাকে একটা শিক্ষা দেয়ার জন্য তাকে এখানে এনেছি। - শিক্ষা দিতে?

কে সে?

কাতরা ..

সাড়া জাগানো একজন মহা তান্ত্রিক!

ভূতেরা তাকে দেখে

প্রস্রাব করে ফেলে।

সেই একমাত্র বসুন্ধরাকে বের করতে পারবে।

সেই ভূতের নাম কী?

বেঁচে থাকা অবস্থায় তো বসুন্ধরা ছিলো, মরার পর কি নাম রেখেছে জানি না!

যেটুকু প্রশ্ন করবো শুধু সেটুকুর উত্তর দেবে

- আজে বাজে কথা বললে আমি একদম... - কাতরা..

সমাধি বানানো উচিত ছিলো

এই লম্বুটা কে?

হেই...

সম্মান..

তান্ত্রিক মশাই, রাগ নিয়ন্ত্রন করে এই ভূতকে বাড়ি থেকে তাড়ানোর ব্যবস্থা করুন।

সুতরাং..

- তুমি গিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করো। - আমি?

হ্যাঁ, তুমি ... তুমিই যখন মেরেছো মেয়েটাকে,

ভূতও তেমনি টার্গেট করেছে তোমাকে! গিয়ে পরিষ্কার করো..

চন্দা..

চন্দা..

তোমাকে আহ্বান করছি... তুমি কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো?

চন্দা ..

এসো...

চন্দা ..

- কে ও? - চন্দা

ও তো চন্দা না, স্বামী

- আমার সাথে সবাই বলুন - কি? ..

ছ্যা, এদিকে না.. ওদিকে তাকিয়ে বলুন

চন্দা.. এসো ...

এসো ...

চন্দা ..

মেয়ের কথা বলেছিলেন..

- ছেলে আসছে! - ছেলের মধ্যে মেয়ে আছে!

ছেলে নাকি মেয়ে?

চিন্তা করবেন না .. তার ভিতরে ভূত আছে।

- আপনি বলতে চাইছেন, উভলিঙ্গ? - এতো লিঙ্গের কি দরকার?

তাড়াতাড়ি বের করে দিন।

তুই পুরুষ হোস বা মহিলা, তাতে কিছু যায় আসে না

এই বোতলে পুরে ফেলবোই।

যখন নিয়ে গিয়ে কবরে দাফন করবো

ভাববেন যে ভূত এই বাড়ি থেকে চলে গেছে।

আমাকে বাঁচাও গজা ...

গজা ... আমাকে বাঁচাও

এতো নাটক করছে মনে হচ্ছে,

উবাদা প্রস্তুত করুন

একে কিভাবে তাড়াবেন সেটা ভাবুন

এতো কোনও সাধারণ লোক নয়

- সত্যি খুব সাহসী .. - সময়টা ভাল, পেমেন্ট বাড়িয়ে নেবো

ঠিক আছে, গুরু

ওরে ব্রহ্মাজি এদিকে আসুন

মামা, আমাকে বাঁচাও

আমার কথা শুনুন, একজন ভাল তান্ত্রিক আনুন

মামা, এ এরকম করছে কেনো?

এই আপনি এসব কি করছেন?

- আমি কি করবো? - এরকম করছেন কেনো?

- ছোট্ট একটা নাটকে অভিনয় করছি। - অভিনয় করছে

ওরে ব্রহ্মা জি, আমাকে নিয়ে যান

এসব বন্ধ করতে তুমি কি চাও বলো?

- আমি চমন্তীকে চাই। - চমন্তী?

বসুন্ধরার সাথে চমন্তীর কি কাজ?

কেনো এতো প্রশ্ন করছেন ব্রহ্মা জি?

আগে তার এসব পাগলামী বন্ধ করতে,

চার্মিং চমন্তী তুমি কোথায় চলে এসো...

এতো কিছুর পরে এই ডাব খেয়ে কিছুটা প্রশান্তি পাচ্ছি, ভাই

ভাই ..শ্রীনু, কৌমথিকে বাইকে করে নিয়ে গেলো ভাই

শ্রীনু এখানেই আছে।

- শ্রীনু এখানেই আছে - হ্যালো, ব্রাদার্স

কাওকে খুঁজছো?

একটু আগে কৌমথিকে নিয়ে তুমি ভেতরে ঢুকেছো না?

তার মানে কৌমথি তোমার বাসায় নেই ভাই?

তোমার বন্ধুত্বকে বিশ্বাস করে আমি আমার কৌমথিকে তোমার বাসায় রেখেছিলাম।

আমার কৌমথির কি হয়েছে ভাই?

আমার কৌমথির কি হয়েছে?

হেই, কৌমথি..

হ্যালো শ্রীনু, আমার বাবা গজার বাড়ি থেকে আমাকে জোর করে নিয়ে এসে

রুমে আটকে রেখেছে ...একটু আসবে? প্লিজ

বাবা দরজা খোলো.. প্লিজ বাবা, .. বাবা

জয়পাল রেড্ডি কৌমথিকে নিয়ে গেছে দু'দিন হয়ে গেছে

তোমরা বসে বসে কি করছিলে?

কি করছিলি তোরা?

তুমি চিন্তা করো না শ্রীনু, আমি দেখছি... তোমার বিশ্বাসের মর্যাদা আমি রাখবো।

চলো..

শুভ কামনা, ভাই ..

সকালে বসুন্ধরা ডায়াবেটিসের ট্যাবলেট নিয়ে এসেছিলো

আমি শুধু একটু জল এনেছিলাম।

উনি যদি জানতে পারে এটা কল্পনা নয়, বাস্তব তাহলে কি হবে কে জানে!

কৌমথি...

হেই, কৌমথিকে এখানে কোথাও লুকিয়ে রেখেছে।

হেই ...হেই...হেই ...কোথায়?

কোথায় আমার কৌমথি?

এসব কি ভাই?

সবাই শুধু আপনার কলার ধরে!

মেয়েকে ঘরে লুকিয়ে রেখে

নাটক করছেন?

পুরো বাড়িতে খুঁজে দেখ।

সবাই আয়...খোঁজ

ছোট মামুনি এই বাড়িতে?

এ কি পাগল নাকি?

বৌদিদি এখানে কেনো?

তার বাবার ভালবাসার জন্য, সকালের শিফট এখানে,

আমাদের ভাইয়ের ভালবাসার জন্য, রাতের শিফট আমাদের বাড়িতে।

ডাবল ডিউটি ​​করছে।

বিরিয়ানি খাবি?

না বৌদিদি...রাতের খাবো

হ্যাঁ, আমরা রাতে দেখা করবো।

গুড নাইট।

হেই..হেই..হেই...এখানে কি করছো?

উপরের ঘরে আছে.. চলো গিয়ে দেখি

হ্যাঁ, এই দেখো

মামুনি, দেখ তোকে খুঁজতে এরা বাড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে।

এরা সব শ্রীনুর বন্ধু।

আমি তোর সাথে কল্পনায় কথা বলি শোনার পরও তোকে খুঁজছে।

শুধু শরীরটাই বেড়েছে... বুদ্ধিসুদ্ধি একদম বাড়েনি!

এই পাগলের প্রেমে তোর দিদি কিভাবে পড়েছিলো?

- হেই, ওকে নিয়ে আয় - ঠিক আছে ...

এসো..

ওরে..

আমার মেয়েকে নিতে যেয়ে আমার কল্পনাকে নিয়ে যাচ্ছো কেনো?

নিয়ে গেলে যেতে দিন আঙ্কেল, কৌমথি তো আমার সাথেও আছে।

চাইলে আপনার সাথেও শেয়ার করতে পারি, এই আপেলের মতো!

একে তো ভাই, প্যাটেলের চেয়ে ডাবল পাগল মনে হচ্ছে!

এটা সঠিক জায়গা নয় ...

তোর প্যাটেল তো বাস্তবতা এবং কল্পনার মধ্যে পার্থক্যই বোঝে না।

এসো..

ছোট মামুনি ... ছোট মামুনি ...

ভাই...ওরা ছোট মামুনিকে নিয়ে যাচ্ছে!

ভাবো, ফিরে আসছে..

কীভাবে ফিরে আসবে?

হেই..

ছোট মামুনিকে তুই কিভাবে দেখতে পাচ্ছিস?

হেই..

ছোট মামুনিকে তুই কিভাবে দেখতে পাচ্ছিস?

ইয়ে..মানে..ইয়ে..মানে..

শ্রীনুই ছোট মামুনিকে বাড়িতে নিয়ে এসে, আমাদের দিয়ে মিথ্যা বলিয়েছিলো প্যাটেল।

হাই, শশুরমশাই

এখানে কেনো?

সবকিছু ঠিক আছে তো?

আমার দুর্বলতার সুযোগে এতোদিন আমার সাথে অভিনয় করেছিস?

ওকে ছেড়ে দাও বাবা।

তুই তো আমার কল্পনা, তুই কিছুই জানিস না।

আমি কল্পনা নই... সত্যি!

তোমার সামনে দাড়িয়ে আছি আমি জীবিত বসুন্ধরা!

আমি যে এখনো বেঁচে আছি, তার কারন..

শ্রীনু... বাবা

আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন থেকেই ও আমাকে চেনে

ভালবাসার জন্য নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে

শ্রীনু আমার ভালবাসাকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে

এজন্য ওর কাছে আমি ঋনি বাবা।

শ্রীনুর প্রেমে কোনো শর্ত নেই .. কোনও ক্যালকুলেশনও নেই

কিন্তু সে প্রেমের জন্য কি না করেছে সেটাতো জানো ,বাবা

একজন নিজের প্রতিশোধ নিতে একটা মেয়ের ভালবাসাকে দুরে ঠেলে দিয়েছে,

আরেক জন সেই ভালবাসাকে ফিরিয়ে আনতে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে,

নিজের পছন্দের মেয়েকে জোর করে বিয়ে করতে পারতো

শ্রীনু সেটা করেনি, বাবা

আমি কিছু বুঝতে পারছি না..

যে মেয়ে তোমার ভালবাসাকে ফিরিয়ে দিয়েছে,

যে তার বাবার জন্য তোমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছে,

তার জন্য এতো কিছু করলে কেনো?

ভয়, এক মুহুর্ত থাকে, শশুরমশাই

রাগ, এক ঘন্টা থাকে

দুঃখ, এক সপ্তাহ থাকে

কিন্তু প্রেম, প্রান চলে যাওয়ার পরেও থাকে।

ব্যর্থতা, প্রেমের পরীক্ষা নয় .. দায়িত্ব

ভালবাসার মানুষকে সুখী রাখা আমাদের দায়িত্ব

এটা আজীবনের দায়িত্ব, শশুরমশাই।

কাওকে হারানোর স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকতে কত কষ্ট হয় সেটা বুঝাবার জন্য আমি এই সব করেছি।

আমি ভয়ে ছিলাম, কেউ এসে ঠিক কে ভূল বলবে।

আমার ভূলগুলো তুমি ধরিয়ে না দিলে হয়তো সেগুলো বুঝতেই পারতাম না।

সারাজীবন ভূলই রয়ে যেতো।

কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না কিভাবে সেটা শোধরাবো?

ভূল শোধরাবার একটা উপায়ই আছে, শশুরমশাই

আমাকে কি করতে হবে? বলো..

তুমি যা বলবে, আমি তাই করবো।

বসুকে গজার সাথে বিয়ে দিয়ে দিন, এতে তার প্রতি যে অন্যায় হয়েছে...

সেটার ন্যায়বিচার হবে।

ওকে তার হাতে তুলে দেয়ার জন্য, আমি যদি তার পায়ে ধরেও ক্ষমা চাই

সে কি আমার কথা শুনবে?

গজাকে রাজি করানোর দায়িত্ব আমার।

ওহ শীট ..এই যাদুকরী বাড়িটা কল্পনার যোগ্য না

তিনি সবাইকে দুরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন!

সে চলে গেলে আমার কী হবে? আমি কোনও ঝুঁকি নিতে চাই না।

আমি আমার পরিবারকে নিয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছি, সাথে কল্পনাকেও!

এটা আমাদের গাড়ি... ব্লু কালারের

গিয়ে পিছনে বসো।

এসো, বসো

সিট বেল্ট লাগাও

বসেছি.. চালা

আর কিছুদিন হলে আমাদের প্যাটেল স্যারেরও এই দশা হতো!

ফোনে ডাক্তার সাহেব সেটাই বলেছিলো।

হেই, গজা!

হ্যালো ..

শ্রীনু, শীঘ্রই আমার বাড়িতে এসো

নিয়ে যাও,

নিয়ে যাও, ভাই

কৌমথিকে তোমায় দিয়ে দিলাম... নিয়ে যাও ভাই

এতো তাড়াহুড়ো কেনো ভাই? এখনো এক দিন সময় আছে তো।

ইতোমধ্যে অনেক দেরী হয়ে গেছে, ভাই

কৌমথি ফোন করে যখন বলেছিলো যে জয়পাল রেড্ডি তাকে আটকে রেখেছে,

আমি যদি তোমার জায়গায় থাকতাম, তাহলে ওকে তুলে নিয়ে আসতাম।

কিন্তু তুমি সেটা করো নি!

আমাকে বলেছো..

এটাই আমার প্রতি তোমার বিশ্বাস,

এটাই তোমার প্রতি আমার বিশ্বাস।

তবে একটা জিনিস ...

- তোমাকে একটা সাহায্য করতে হবে. - শুধু বলো, ভাই

বোন, ঐ শ্রীনুর ফাঁদে পড়ে..

গজা প্রতিশোধ নিতে ভুলে গেছে।

কিছু একটা কর, যাতে ওর আবার প্রতিশোধ নেয়ার ইচ্ছা জাগে।

ফোন?

কি হয়েছে ভাই?

বসুন্ধরা ভূত হয়ে এসে অনেক নির্যাতন করছে!

হেই..বসু?

তারমানে, কৌমথির বোন?

- ভূত? - হুম ...

তোমাকে আগে ভূতের সিনেমা দেখা বন্ধ করতে হবে, ব্রো

এটা সত্যিকারের ভূত ব্রো

ভূত ঘরে এসে আমার সাথে উল্টাপাল্টা করছে!

তাকে বিয়ে না করলে নাকি আমাকে ছেড়ে যাবে না!

তুমি কি আমাকে ছেড়ে যেতে চাও, গজা?

আমাদের বিয়ে না হওয়া অবধি ...

আমার আত্মার শান্তি,

তোমার আত্মার শান্তি হবে না।

মানুষ কীভাবে ভূতকে বিয়ে করতে পারে?

আমাদের বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত ... আমি তোমার সাথেই থাকবো।

তোমাকে বিয়ে করলে ... তুমি আমাকে ছেড়ে যাবে তো?

যাবো..

কিন্তু তার আগে বিয়ের ব্যবস্থা করো।

ভাল পুরোহিত নিয়ে আসতে হবে, খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে

গান বাজনার আয়োজন করতে হবে.. বিয়ের শোভাযাত্রা করতে হবে

অগ্নি প্রজলন, বেদ মন্ত্রের সাক্ষী রেখে

তোমার আমাকে বিয়ে করতে হবে, গজা।

তবেই আমার আত্মা শান্তি পাবে।

হেই, কি হয়েছে ভাই?

এতো টেনশন করছো কেনো?

- বসু এসেছিলো.. - তুমি থামবে ব্রো?

ভূত এসেছিলো .. আমি বিশ্বাস করি না

আমি বিশ্বাস করি।

দেখো..

এখন বিশ্বাস হলো..

কৌমথি যে নিয়ে গিয়েছিলো,

সেটা তুমি নও।

বসু, তোমার মধ্যে ঢুকে

কৌমথিকে কিডন্যাপ করেছিলো।

তুমি এটাই বুঝলে?!

এ কি সেটাই ভাবছে?

তার মানে, বসু আমার মধ্যে ঢুকেছিলো?

আমাকে এখনি একটি সুতো পরতে হবে, আমাকে একটা তাবিজ পরতে হবে।

- আমাকে এক্ষুণি যেতে হবে.. - হেই..

তুমি যাই করো না কেনো, বসু তোমাকে ছাড়বে না!

একটাই সমাধান আছে..

সেটা কি?

বসুকে আমায় বিয়ে করতে হবে!

ভূতের সাথে কীভাবে বিয়ে হবে, ব্রো?

প্রয়াত বসুন্ধরা!

বিয়ের পাত্রী দেরী করে আসবে কেনো, বাবা?

প্রয়াত মানে দেরী করে আসা না... ইতিমধ্যে মৃত!

ভূতের সাথে বিয়ে!.. এটাতো পাগলামী

পাগলামী কি বলছেন? পাগল!

বিয়ের পর যদি ফুলসজ্জা করতে চায় তখন কি করবেন, ভাই?

এজন্যই তো আমি ভয় পাচ্ছি?

ভূতের বাচ্চা যদি ভূত হয়ে জন্মায় তখন কি হবে, ভাই!?

হেই, সবাই ব্লুটুথ অন রাখবি

আমাকে অনুসরন করবি।

সব কিছু প্রস্তুত, ভাই।

আমি খাবার টেবিলের দিকে আছি, শ্রীনু

আর কেউ আছে ওখানে?

চারজন আছে, তবে যথেষ্ট না

ঠিক আছে, শোন

কেউ যেনো সন্দেহ না করে, বিয়েটা যাতে ভালমতো সম্পন্ন হয় সেদিকে সবাই খেয়াল রাখবি।

বসুন্ধরা যে ভূত নয়, সেটা যেনো গজা ও তার গ্যাং বুঝতে না পারে।

এবার ধরা খাবি!

ঐ ব্রহ্মা আমার ব্লুটুথের সব কথা শুনে ফেলেছে!

এখন কি করবো?

ও কিছুই করতে পারবে না,

বিয়ে শেষ না হওয়া অব্দি ওর পিছু ছাড়বি না। ওকে অনুসরন করতে থাকবি।

প্রয়োজন হলে দড়ি দিয়ে বেধে রাখবি।

কেনো পাও ভয়...যেখানে পান্ডু রয়!

যেভাবেই হোক এই বিয়েটা বন্ধ করতে হবে, কিভাবে? .. কিভাবে?

ভয় হচ্ছে শ্রীনু

এভাবে প্রতারণা করে বিয়ে করা

- ঠিক হচ্ছে না। - সব ঠিক হচ্ছে।

তুমি কোনো চিন্তা করো না

যাই ঘটুক না কেনো. সব সামাল দিতে আমি আছি না?

সে এখানে কি করছে?

এই ভিডিওটা ছড়িয়ে গেলে সব আয়োজন..

সব প্লান...জলে যাবে!

জামাই ..

স্যার..স্যার..আমার মায়ের অবস্থা খুব খারাপ, ফোনটা একটু দেবেন? ফোন করবো..

তুমি শ্রীনুর দলের লোক না?

- স্যার, স্যার, শ্রীনুকে আমি চিনি না, স্যার - তোমার মতলব কি বুঝিনা ভেবেছো?

এখানে রেখে দিই।

- body..body..body - some body?

- না - তার মানে, no body?

- না, ভাই - তাহলে what body?

everybody

- ওদিকে একবার দেখুন - কী দেখবো?

body..body..body

কি body..body?

কাবাডি .. কাবাডি .. কাবাডি ..

কাবাডি .. কাবাডি ..

যতোই চেষ্টা করো না কেনো, ফোন খুঁজে পাবে না!

তোমাকেও কেউ খুঁজে পাবে না!

পাত্রীকে ডাকুন..

কোথায় আছে...কখন আসবে

কে জানে?

ব্রো.. তুমি একবার ডাকো না ব্রো

বসু...প্রিয়তমা

ব্রো..আবার ডাকো ব্রো

বসু...প্রিয়তমা

কিছু একটা ভূল হচ্ছে!

এভাবে ডাকলে হয়তো রেগে যাবে

ভালবেসে ডাকো ব্রো..ভালবেসে

বসু..

ভূত আসছে .. পালাও

পালাও ... পালাও ...

হেই, দরজা বন্ধ করো

বসু, আত্মীয় স্বজন না থাকলে বিয়ে করবে না, এটা ওর শেষ ইচ্ছা!

কেউ পালানোর চেষ্টা করলে তাদের শিরশ্ছেদ করা হবে।

বসুন...কেউ কোথাও যাবেন না।

পুরোহিত মশাই.. মন্ত্র পড়ুন...

ঠিক আছে,

- এটা পরিয়ে দাও - এটা পরিয়ে দাও, ব্রো

ব্রো..এখানে..এখানে, ব্রো

পরিয়ে দাও..পরিয়ে দাও, ব্রো

এটাই চেয়েছিলাম।

তুমি ...তোমার ভূত ...তোমার অভিনয়

এসব দেখে এই গজা ভয় পেয়ে যাবে?

গজাকে ভয় দেখানোর ফল এখন টের পাবে..

আমাকে বোকা ভেবেছিলি?

আমি তোর মতো প্লান বানাতে না পারলেও

কিভাবে মেরে ফেলতে হয় সেটা জানি।

হেই,..অভিনয় মিলছে?

তোর সাজানো নাটকের কথা কিভাবে জানলাম ভাবছিস?

ভয় হচ্ছে শ্রীনু

যাই ঘটুক না কেনো, সব সামাল দিতে আমি আছি না?

বন্ধুত্ব.. বন্ধুত্ব করে ২০ বছর ধরে জমানো প্রতিশোধের নেশা

কৌমথিকে দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছিস।

হেই..প্যাটেল

আমি এখন আপনার মেয়েদের আপনার চোখের সামনেই মারবো।

তোমার প্রতি অবিচার করেছি আমি, তুমি চাইলে আমাকে মেরে ফেলো

আমার মেয়েদের সাথে কিছুই করো না।

মেয়েদের জীবন যখন সংকটাপন্ন

চোখে তো ভয় থাকার কথা!

ভয় পাবো?

আমি...হেই..

নিজামাবাদের বস আমি, হায়দ্রাবাদের বস তুমি, সেটা এখন ভূলে যাও।

যে আমাদের সাথে কানামাছি খেলেছে, ওকে অতোটা দূর্বল ভেবো না

বাঘ...বাঘের বাচ্চা!

ও শুধু এখন আমার জামাই না... আমার শক্তি।

তুমি ইচ্ছা করলেও আমার মেয়েদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।

যেদিন থেকে ওকে আমার জামাই হিসেবে মেনে নিয়েছি, সেদিন থেকে আমার মেয়েদের ক্ষতির আশঙ্কা হারিয়েছি।

কারণ ...

আমার জামাই দুর্দান্ত ...

এখন তোমার যা মনে চায় করো..

যা ইচ্ছা করো

আমি নিশ্চিন্ত!

জামাই ..

সে তোমার প্রথম প্রেমকে মারতে যাচ্ছে,

তোমার লাভারকেও মারতে যাচ্ছে।

এখন কি চেয়ে চেয়ে দেখবে...?

অন্য কাওকে মারতে চাইলে তাকে হয়তো মেরে,

মাটির উপরে শুইয়ে রাখতাম।

কিন্তু আমার প্রথম প্রেমকে কেউ মারতে চাইলে তাকে মেরে,

৬ ফুট মাটির তলায় পুঁতে ফেলবো।

হেই..

তোমার ভালবাসাকে ফিরিয়ে দিতে

আমি এতো নাটক করলাম,

আর তুমি তোমার ভালবাসাকে এভাবে মারতে যাচ্ছিলে?

তার কিছু হয়ে গেলে ...তোমার কি হতো?

তোমার কিছু হয়ে গেলে...আমার কি হতো?

তোমাদের দুজনের বিয়ে দেবো বলে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমার মেয়ে ওকে ভালবাসেনা জেনেও, ভালবাসা পাওয়ার জন্য শ্রীনু এতো কিছু করলো

আর যে তোমাকে ভালবাসে সেই বসুকে মেরে প্রতিশোধ নেওয়ার ইচ্ছাটা ভূলতে পারবে না?

ওনার ভূলের কারনে সেদিন তোমার বোন দূরে চলে গেছে

তোমার ভূলের কারনে বসুন্ধরাও দূরে চলে যেতো।

যাতে সেসব না ঘটে সেজন্য আমি এতো কিছু করেছি।

প্রেমিক হিসেবে তার ভালবাসা সফল করতে চেয়েছিলাম

বন্ধু হিসেবে তোমাকে নতুন জীবনে ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলাম।

এজন্য আমি প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে

ভালো কিছু করার কথা ভেবেছিলাম।

শুধু ভাল কিছু করো নি... আমাকে মানুষ বানিয়েছো।

আমাকে বাঁচিয়ে... আমার প্রতিশোধের নেশাকে মেরেছো।

প্রতারনা করেছো .. কিন্তু

তুমিই সত্যিকারে বন্ধু ..

তুমি আমার আরেক আত্মা।

প্রত্যেকের জীবন সেট করতে..

প্রত্যেক বাড়িতে এমন জামাই থাকা উচিত, সেটাই মনে হচ্ছে।

তাহলে আমার জামাই কেমন?

জামাই দুর্দান্ত!

জামাই দুর্দান্ত!

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.