Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
স্মৃতিগুলো আমার মনে ভাসছে,
সমুদ্রের বুকে যেভাবে দ্বীপগুলো ছড়িয়ে আছে।
এখন আমি, একে একে দ্বীপগুলো ঘুরে আসবো।
সিনেমাটি আমার বন্ধু এবং তাদের পরিবারকে উৎসর্গ করলাম।
FRIEND
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদে - আরমান আল মাহমুদ সোহেল রানা
- অনুবাদে - এফ আর সজীব রাকিব হোসেইন
- অনুবাদে - প্রমিত সরকার ধ্রুব তৌহিদুল ইসলাম সুমন
- অনুবাদে - রহস্যময় পরিব্রাজক আল মাকসুদ
- সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
জুন-সুক!
জুন-সুক!
আগে খেয়ে নাও।
জুন-সুক আমার দেখা সেরা ফাইটার ছিল।
একবার গোটা এক ফুটবল টিমকে পিটিয়েছিল।
গতকাল আমার মা, জাপান থেকে একটা টিভি রেকর্ডার এনেছে।
টিভি রেকর্ডার? সেটা কী?
ওটা দিয়ে ক্যাসেট প্লেয়ারের মতো টিভি রেকর্ড করা যায়।
মিথ্যা বলিস না ব্যাটা! এরকম কিছু নেই!
না রে, সত্যি বলছি!
ওটা সত্যিই টিভি রেকর্ডার।
এটা সত্যি হলে তো টিভি স্টেশন ইতিহাস হয়ে যাবে।
টিভির সবকিছু সবাই রেকর্ড করে ফেলবে।
হ্যাঁ।
না, সত্যি বলছি রে! বাজি লাগাবি?
- ঠিক আছে। - ব্যাটা, তুই নাছোড়বান্দা।
দেখলি তো?
সাং-ত্যেক তোর টিউব এখন আমার।
এটা চলে কিনা দেখে তবেই বিশ্বাস করবো।
মহিলাদের ওটাকে ভদ্রভাষায় কী বলে জানিস?
ভালভা!
ধুর গাধা! এরকম কোনো শব্দ নেই।
মাসিক বলে।
মাসিক? সেটা কী?
আমার আন্টির ম্যাগাজিন পড়েছিলাম,
সেটা শুধু মাসিক নিয়েই লেখা।
তাহলে যোনিকেও মাসিক বলে?
হ্যাঁ, বড়রা যোনির বদলে মাসিক বলে।
আরেকটা দেখবি?
জুং-হো'র মা ব্যবসার কাজে প্রায়ই জাপানে যেতো।
তাই ওর বাড়িতে দারুণ সব জিনিস থাকতো।
ও আবার ব্রুস লির বিগ ফ্যান ছিল।
মাসিকের ছবি? সেটা কী?
কোনটা নিবি? একটা নে।
- এটা নিবি? - ওররে!
- এটা কত? - এটার দাম বেশি।
এটা সবচেয়ে বড়, তাই দাম পড়বে ২,০০০ উয়ন।
- ২,০০০ উয়ন? - বাদ দে তাহলে।
না, টাকা নিয়ে আসছি।
ওই, এদিকে আয়।
- কাউকে বলবি না, কেমন? - আচ্ছা।
জুন-সুক
অস্থির তো।
দে দেখি।
ওররে! অস্থির!
থার্ড গ্রেডে আমরা ডং-সু'র বন্ধু হয়ে যাই।
তবে সেটা ছিল ওর বাবা যে সৎকার ব্যবসায়ী
সেটা জানার দুই বছর আগে।
তাহলে ওদের সাথে আমরা এখন যুদ্ধ শুরু করছি না কেন?
টিভিতে পরিসংখ্যান দেখিসনি?
আমরা সংখ্যায় কম হলেও,
আমাদের অস্ত্রশস্ত্র অনেক আধুনিক।
ধুর গাধা!
প্রেসিডেন্ট পার্ক চায় আমরা যেন এটাই ভাবি।
উত্তর কোরিয়ার কমান্ডোরা কেমন মারপিট পারে জানিস?
আর রাশিয়া ওদেরকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র দেয়।
হ্যাঁ, তবে আমেরিকাও আমাদের অনেক দেয়।
কে বলেছে?
জুন-সুক!
- কোথায় যাচ্ছ? - নুড়ি বীচে।
- গাড়িতে যাবে? - না।
তাই? পরে দেখা হবে তাহলে।
ও হ্যাঁ, হিউং-ডো!
ও বড় বসের ছেলে জুন-সুক
- জুন-সুক, কোন গ্রেডে পড়ো? - সিক্সথ গ্রেড।
দেখা হবে!
চলো।
কে রে?
তোর বাবার লোক না?
ওয়াও! অস্থির!
গ্যাংস্টার!
অতো দ্রুতগতির না হলে গোল্ড মেডেল কীভাবে জিতেছে?
কারণ মানুষের সাথে রেসে নেমেছিল,
আর মানুষ পানির উপর সাঁতার কাটে।
পানির নিচে মানুষ শ্বাস নিতে পারে না।
তাই ওকে পানির উপর সাঁতরাতে হয়।
একারণেই তো হারবে।
কেন? কেন হারবে?
যাকগে, কে বেশি দ্রুতগতির সেটা বড় কথা নয়।
জুন-সুক! তোর কাকে বেশি দ্রুত মনে হয়?
কী?
যদি গোল্ড মেডালিস্ট ছো ওহ-র্যুন
আর সমুদ্রের কচ্ছপ পানিতে রেসে নামে?
জানি না।
তাহলে বাজি লাগাবি?
পারিস তো শুধু বাজি লাগাতে।
মনে পড়ছে না কেন
ওরা এত রেস নিয়ে পড়েছিল।
কারণ ও বকেই যাচ্ছে, গাধা!
পরে, মাধ্যমিকে আমরা আলাদা স্কুলে পড়ি।
তবে পরে আমাদের শরীরে চুল গজানো শুরু হলে
আবার একসাথে চলাফেরা শুরু করি।
ভাইরে, আমাকে একটা মস্তবড় আবালের মতো লাগছিল।
তাই দাঁতমুখ খিঁচিয়ে
হারামীদের জিজ্ঞেস করলাম ক্যালানি খেতে চায় কিনা।
কিন্তু ওরা ভয় পেয়ে ক্ষমা চেয়ে নিলো।
সর ব্যাটা!
এই, হারামীগুলো ছুংহাক স্কুলের না?
শালাদের কাণ্ড দেখ।
কানের নিচে দিয়ে আসবো নাকি?
আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি নামহাং হাই স্কুলের
২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে।
- আমাদের অনুষ্ঠানে আসার জন্য ধন্যবাদ - আশাকরি আপনারা উপভোগ করবেন।
এখন সময় আজকের হাইলাইট ইভেন্ট
সাত-মেয়ের ব্যান্ড রেইনবোর গান শোনার।
আশাকরি আপনাদের ভালো সময় কাটবে।
এখন আপনাদের সামনে আসছে
রেইনবো!
কীবোর্ডের সুন্দরীকে দেখছিস?
ও আমার।
ভাইয়া! খেতে আয়।
মা, ভালো কিছু হয়েছে নাকি?
আমাদের এখন নিজ বাড়ি আছে।
আজকে লীজে সাইন করেছি।
তাই নাকি?
উঠার আগে কয়েকমাস অপেক্ষা করতে হবে।
- কোথায়? - বসু-দং -এ।
বসু-দং।
আমার স্কুল থেকে অনেক দূরে।
তোর ভাইকে কলেজ পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করতে হবে।
তবুও!
আচ্ছা, শেষ অধ্যায় থেকে
কেউ প্যাসিভ ফর্মের একটা ইনফিনিটিভের
উদাহরণ দিতে পারবে?
জু-বুন!
একটা উদাহরণ দে।
আমি পারি না।
তুই পারিস না?
তাহলে যেটা পারিস সেটা বল।
- আমি কিছুই পারি না। - এটা নিয়ে গর্ব করিস?
বেঞ্চের উপরে উঠে দাঁড়া! পরের সারি!
আমিও পারি না।
তুইও দাঁড়া! পিছনের জন!
না, না।
তুই না। ওর পিছনের জন।
পিছনের ঐ শয়তানটা।
পিছনে বসে প্রচুর পরিশ্রম করেছ, তাই না? আগে তোর মোজা খোল!
নিজেকে ছাত্র দাবী করিস কী করে?
পিছনে যা! পরের জন আয়!
তোর বাবা কী করে?
- একজন ব্যবসায়ী। - ব্যবসায়ী?
তুই তো গোবর গণেশ!
যেখানে তোর বাপ নিজের বসের গালমন্দ শুনছে
তোকে স্কুলে পড়ানোর জন্য
আর তুই কিনা ত্রিশটা প্রশ্নের ঠিকঠাক উত্তর করতে পারিস না?
এদিকে আয়!
জলদি আয়!
যা!
পরের জন!
তোর বাবা কী করে? কী করে তোর বাবা?
- সৎকার ব্যবসায়ী। - সৎকার ব্যবসায়ী?
Your father grooms corpses
to put you through school
তোর লেখাপড়ার এ অবস্থা কেন, হাহ?
যা!
এদিকে আয়।
পরের জন!
তোর বাবা কী করে?
বল! কী করে?
গ্যাংস্টার।
বিশ্বাস হচ্ছে না।
মাদারচোদ!
এদিকে আয়
ভালো তো!
তোর বাবা গ্যাংস্টার, তাই না?
ভালো তো!
তোর বাপকে গিয়ে বলিস না কেন?
এত ভালোর কী হলো?
ডং-সু! চল যাই!
ওর বাবা কি আসলেই গ্যাংস্টার?
হ্যাঁ, স্যার!
ও কেমন? নিজেও কি গ্যাংস্টার?
- ও আমাদের স্কুলের বস। - বস?
মারামারিতে ওস্তাদ।
পরেরটা কি ওর মাস্তুতো ভাই?
- না, ও হলো স্কুলের সেকেন্ড বস। - সেকেন্ড বস?
হ্যাঁ, স্যার।
মনে হচ্ছে আপনি ভুল করে ফেলেছেন।
যাইহোক, আমি ভুল করেছি সেটা বলার তুই কে?
হারামজাদা!
হাত নিচে নামা!
তুই তাকিয়ে দেখছিস কী?
ওস্তাদ ক্লিয়ার!
এটা কি? ব্যাগে রাখ।
- রবিবার কী করবি? - কেন?
জুন-সুকের বাসায় যাবি?
গত সপ্তাহে ক্লাসের পর, জুন-সুক...
ডোরুকো জুন-সুকের বন্ধু।
যদিও আমাদের থেকে বড়।
যাইহোক, সে বলছে যে জিন-সোক ওর কাজিন।
- জিন-সোক? - রেইনবো'র সেই গায়িকা!
শনিবার ডোরুকো সব মেয়েগুলোকে নিয়ে জুন-সুকের বাসায় আসবে।
আমিও যাব। চল যাই!
সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে চললে তুই একটার সাথে ঘুমাইতেও পারবি।
- ঘুমাব? - হ্যাঁ!
জুন-সুক!
কী চলছে?
শুনলাম তুই নাকি আসবি না।
কখনো দেখা হয়নি, তাই না?
এই হলো ডোরুকো, দ্য 'নাইফ কিং'।
দেখা হয়ে ভালো লাগল!
তোরা মেয়ে দেখতে এসেছিস, তাই না?
ওদের আগে রেইনবো ব্যান্ড...
বা সেভেন স্ক্যারি প্রিন্সেসে দেখেছিস।
বসে পড়!
এটা বন্য বিড়াল।
সে একটু বেশিই হিংস্র। তাকে পোষ মানানোর চেষ্টা করছি।
দুষ্টু মেয়ে।
শান্ত করার জন্য ওকে বিছানায় নিয়ে যেতে হবে।
চলো বিছানায়।
উড়ন্ত পাখির সোনা দেখেছিস? কী হাস্যকর?
আমার বন্ধু একজন ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র।
ও আমাদের থেকে একেবারে আলাদা।
ও সবসময়ই আমাদের স্কুলের টপে থাকে।
দেখ।
তাছাড়া সাথে একটা রুমালও থাকে।
এতো বেশি সাউন্ড কেন?
আমি ভেবেছিলাম তুই
মেয়েদের না, আমাকে দেখতে আসবি।
স্যরি।
বন্ধুত্বের মধ্যে স্যরি বলতে কিছু নেই।
আমরা একই মিডল স্কুলে যেতে পারতাম!
আমরা একসাথে থাকলে হয়তো আমিও ভালো ছাত্র হতাম।
তাহলে আবার লেখাপড়া শুরু করছিস না কেন?
কোনটাকে চাস?
- মানে? - মেয়েদের কোনটাকে চাস?
তিনটার মধ্যে একটাকে পছন্দ কর।
তোর পাশে যেটা ছিলো সেটা হবে?
জিন-সোক?
নাহ।
তিন, চার, পাঁচ ছয়, সাত, আট
জিন-সোক! এদিকে আসো!
শেষ।
- এদিকে আসো! - কে, আমি?
চল একসাথে করি।
বসো।
- তুমি বাজাতে পারো? - অল্প পারি।
তাহলে বাজাও।
আমি ব্যস এটুকুই পারি...
- এটা কেন করলি? - কী করেছি?
সাং-ত্যেকর জন্য এটা কেন করলি?
ও আমার বন্ধু।
আর আমি?
আমি জিন-সোককে তোর জন্য ডাকিনি।
তাহলে আমি কী?
আমি কি ব্যস তোর চামচা?
মরার শখ জেগেছে তোর?
মরার শখ জেগেছে তোর?
তুমি একেবারে সহজ সরল।
আসলে, আমি তোমার থেকে বয়সে বড়।
আমি ৮ম শ্রেণিতে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলাম তাই আমাকে দুইবার থাকতে হয়েছিল।
তাই?
চলো আমরা বন্ধু হই।
আজ, আমি তোমাকে চুমু খাবো।
কোথায় যাচ্ছিস?
জিন-সুক! অনেক দিন পর দেখা!
দূর হ!
এতো ভাব নিচ্ছিস কেন, শালী?
তুই কি পাগল? উঠ হারামজাদা!
এই! শালা বোকাচোদা!
গাধা কোথাকার!
এই বালটা আবার কী?
শালা ভোদাই!
আয় এবার।
শালা বোকাচোদারা!
- দে আমাকে। - ঠিক আছিস?
দে আমাকে, শালা!
এসব আবার কীসের জন্য রেখেছিস?
তাকিয়ে কী দেখছিস? চুদির ভাইয়েরা!
উঠ, উঠে দাঁড়া।
উঠে দাঁড়া, শালারা।
সোজা হয়ে দাঁড়া।
মাদারচোদ!
নিজেদের কী মনে করিস তোরা?
গুন।
গুনতে বলেছি, বানচোত।
এক,দুই,তিন,
চিক চিক! এরকমভাবে মাল পড়ছিল আমার।
আর তখনই, আমার আন্টি দরজা লাথি মেরে খুলে ফেললো।
ভাইরে ভাই, জানিস আমি কেমন আঁতকে উঠেছিলাম?
আন্টি আমার হাতের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
"কী এটা?”
এত নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম যে বলি কী জানিস?
কী?
ওহ, এটা?
এই তো যে,আমি লোশন... লোশন মালিশ করছি আমি।
মিথ্যে বলছিস!
আমি সত্যি বলছি!
ঐ আবালদের দেখ।
- কোথায়? - ঐ যে ওখানাকার বোকাচোদারা!
এইদিকে আয়, শালারা।
দাঁড়া বলছি!
তোমরা ঠিক আছো তো? এখন আয়, শালারা।
চল, এখন আয়, শালারা।
সাং-ত্যেক?
হ্যাঁ?
পরেরবার তুই ক্যালাবি।
কাজটা তুই শেষ করবি।
আমি আসার আগেই।
আর যদি না করিস,
তাহলে ও আবার আসবে তোকে মারতে।
ওকে এমনভাবে মারবি
যাতে প্যান্ট খারাপ করে দেয়।
যদি তোর সাথে ওর চোখাচোখি হয়,
বা মাফ করে দিয়ে বন্ধুত্ব করসি
বা মেরে ল্যাংড়া করে দিবি।
তাহলে পরে আর কোনো ঝামেলাই হবে না।
ভালো।
যেমনটা বললি পরেরবার তেমনই করবো।
এবার তুই আমার একটা উপকার কর।
আপনার সাথে কথা আছে।
স্যার কী বললো? আবার ঝেড়েছে নাকি?
আমাদের এক্সফেল করে দিয়েছে।
ধুর!
আরে সব ভালোই ছিলো। কাল থেকে আমরা আবার স্কুলে যেতে পারবো।
ধুর শালা!
- ধন্যবাদ তোমাকে। - আরে...
চল সিনেমা দেখে বিষয়টা উদযাপন করি।
- সিনেমা? - হ্যাঁ।
লেঙ্গুর টিকেট কিনবে।
লেঙ্গুর মানে?
- চল দৌড়াই! - ঐ আবুল...
নে।
- দেখবি নাকি? - ওদের সাথে?
কেন নয়?
রাস্তা থেকে সর!
ঐ চোদনা!
গিয়ে চুপ করে বস!
এভাবে তাকাচ্ছিস কেন বে? একাবারে চোখ উপড়ে ফেলবো!
আবে, তোরটা তো ঘোড়ার মতো লম্বা।
আরে ধুর!
- আয়, গাধারা! - জলদি।
আমাকে একটা আকিজ বিড়ি দে।
আবে, কি দুর্গন্ধ! একদম জঘন্য!
- একটা বিড়ি দে। - লাইটার আছে?
পরিচিত মনে হচ্ছে...
শালা তোরা!
আসলেই তোরা?
জুন-সুক! সাং-ত্যেককে মারছে!
জলদি! জলদি!
কী হয়েছে?
চল!
এইসব কিছুই আমার জন্যে হয়েছিল।
সেজন্যে আমি আমার জীবনের সবথেকে বড় সিদ্ধান্তটা নিই।
ধর।
শক্ত করে ধর।
উপরে তোল।
তোয়ালে দে! তোয়ালেটা দে!
দিচ্ছিস না কেন?
কোথায় যাচ্ছিস? কোথায় যাচ্ছিস?
সর! সর!
এই পাগলটা কে দেখি?
রাস্তাঘাটে যেন ভুলেও আমার সাথে দেখা না হয়।
কী এটা?
চল সিউল চলে যাই।
ডং-সুকে বহিঃস্কার করা হয়েছে আর শুনলাম জুং-হোও অন্যত্র চলে গেছে।
আমাকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।
সাং-ত্যেক।
যদি তোর বাড়ি ছেড়ে আমার কাছে এসে থাকিস...
তাহলে, তুই ঠিক কাজটাই করেছিস!
চল একসাথে গ্যাংস্টার হয়ে নিজেদের জীবন বরবাদ করি!
কী ভেবেছিস, আমি তোকে এসব বলব?
এরকমটা না।
জানিস...
কখন বুঝলাম আমার বাড়ির অবস্থা একদম বিগড়ে গেছে?
যখন বাচ্চা ছিলাম...
আশেপাশে আংকেলদের সংস্পর্শ ভালই উপভোগ্য ছিল।
আমার মা হাসপাতালে গেল।
আর আমি পালিয়ে যাওয়ার পর বাড়িতে ফিরে আসি।
যাদেরকে আমি আংকেল ডাকতাম...
তাদের কেউই আমাকে শাসন পর্যন্ত করেনি।
ধুর বাল।
যদি তাদের কারও আমাকে নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তা হতো তাহলে হয়ত...
আজকে আমাকে এই পরিস্থিতিতে পরতে হত না।
এখন থেকে, তুই নিজের মতো জীবন কাটাবি।
আর আমারটা আমি যেমন চাইবো।
ঐ রাতে আমি যখন বাড়িতে ফিরে গেলাম
মা চুপিসারে দরজাটা খুলে দিল।
এটা কি জুন-সুকের বাড়ি?
অনেকদিন পর দেখা।
মাম্মারা! বহুতদিন পর দেখা!
কোথায় ছিলি?
তোকে, অনেকদিন দেখি না!
এই স্যুটে তোকে একদম ভদ্রলোকের মতো লাগছে।
কোথায় ছিলি এতদিন?
ঐ, শুধু শুধু এসব আনতে গেলি কেন?
ওহ, এ কিছুই না।
এই, জিন-সোক!
দেখেছো! তোমাকে বলেছিলাম না?
আমার বন্ধুরা আমাকে ঠিকই দেখতে আসবে।
এসব ভেতরে নিয়ে যাও।
আর হ্যাঁ, ও আমার স্ত্রী।
তুই ওকে চিনিস, তাই না?
যেদিন ওকে লাগিয়েছিলাম...
তারপর এখানে নিয়ে আসি।
তাকিয়ে দেখছিস কী, মাগি?
তোর ভোদা ফাটিয়ে দিব একদম।
ঐ, করছিস কী?
মাফ করিস!
তোদেরকে আবার দেখেতে পেয়ে খুব খুশি হয়েছি।
তোর অবস্থা তো ভালো ঠেকছে না।
না আমি ঠিক আছি।
একটু ঠান্ডা আর সর্দি লেগেছে এই আর কি।
যখন থেকে ড্রাগস নেওয়া বন্ধ করেছি।
কীসের ড্রাগস?
ফিলোপোন, অবশ্যই।
তুই কি ফিলোপোনের কথা বলছিস?
না, না।
মজা করছিলাম।
ওহ হ্যাঁ, শুনলাম তোরা দুজনেই নাকি এখন কলেজে আছিস।
জুনিয়র কলেজ আর কি।
বাহ! ভালো তো।
এখন তাহলে আমার কলজের দুইটা অভিজাত বন্ধু আছে।
আমি লুলা হয়ে গেলে আমার সেবা করিস, ঠিক আছে?
এরকমটা বলছিস কেন?
দুঃখিত, আমাদের কাছে দেওয়ার মতো এটুকুই ছিল।
ঠিক আছে, কোনো সমস্যা নেই।
ঐ, মাগি!
তো, তোর স্বামী একটা গ্যাংস্টার হওয়াতে
আমার কলেজের সুদর্শন বন্ধুদের সামনে
এত তেজ দেখাচ্ছিস?
আমাদের সবার কাছে চোদা খেতে চাস, হাহ?
খানকি মাগি!
- জুন-সুক! - আমাকে বাধা দিস না!
একটু পরেই অভিযোগ দেওয়া শুরু করবে।
- খানকির পোলা... - ওকে দেখ একবার!
এদিকে আয় মাগি!
মরার শখ হয়েছে নাকি?
জুন-সুক!
ওর কী হয়ে গেল?
আমাকে যেতে হবে।
ঠিক আছে!
আমি জানতাম না...
ওর মা মারা গিয়েছে।
ও তোমাকে কল দিতে মানা করেছিল।
হারামি।
আমাকে মদ খাওয়াবে চলো।
দেখি একটা কলেজ ছাত্রের সাথে ডেট করতে কেমন লাগে।
এর বদলে কি আমার সাথে ভিতরে ফিরে যাবে?
না।
শেষকৃত্য কেমন ছিল?
ডং-সু'র বাবা আমাদের অনেক সাহায্য করেছে।
ডং-সুর কী খবর?
জেলে আছে।
আমিও সেখানে ছিলাম।
গ্যাংয়ে যোগ দিতে হলে ওকে এর অভিজ্ঞতা নিতে হবে।
- সাং-ত্যেক! - কী?
তুই কোট পরে আছিস, তাই না?
কোট?
চল একটা ক্রিসমাস কার্ড কিনি গিয়ে।
আমি মায়ের কাছে একটা কার্ড পাঠাতে চাই।
মায়ের জন্য আমার খুব খারাপ লাগে।
আমাকে গর্ভে নেওয়ার জন্য...
আর ঐ বুড়ো হারামিটার দেখভাল করার জন্য।
মাকে ৫ বছর হাসপাতালে রাখা হয়েছিল, পরে মরা যায়।
ঐ বুড়ো হারামিটা...
আমাকে একটা পয়সা পর্যন্ত দেয়নি ভেবেছে আমি ড্রাগস কিনব।
তাই গায়ে দেওয়ার জন্য কোনো কাপড় কিনতে পারিনি।
ঠান্ডায় ধুকে মরছি।
সাং-ত্যেক আমাকে একটা প্রতিজ্ঞা কর।
- কী? - একজন গ্যাংস্টার হওয়াতে যতটুকু জানি আর কি...
কারো সাথে যদি কখনো ঝামেলায় পড়িস
কেবল আমাকে বলবি তোর জন্য ওকে মেরে ফেলব।
আর...
যখন আমি বুড়ো হবো।
গ্যাংস্টারদের মতো বাঁচার জন্য
তুই কি আমাকে একটা ট্যাক্সি কিনে দিতে পারবি?
- ট্যাক্সি? - হ্যাঁ।
মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি তোর উপর নির্ভর হতে চাই না।
ঐ সময় হয়ত...
আমার বউ-বাচ্চা থাকতে পারে।
বোকার মতো কথা বলা বন্ধ কর।
না, তুই-ই আমার একমাত্র আর সত্যিকারের বন্ধু।
আমার চেনাপরিচিত সবাই গ্যাংস্টার।
- কথা দে। - আমি চাই না।
প্লিজ, কথা দে!
ঠিক আছে, কথা দিলাম।
বরফ ভেদ করে একটি মুক্ত ঘোড়ার গাড়ির উপর বসে...
মাঠঘাট পার হতে থাকি আমরা হেসে হেসে।
আমার কোনো অনুশোচনা নেই।
ও তোমার ছেলে না?
ও একটা অকর্মা।
জলদি খা।
খাও!
কথা কানে যাচ্ছে না?
খেতে বলেছি!
তুমি যে ড্রাগগুলো চেয়েছিলে সবকটাই তোমার কাছে সাপ্লাই করেছি।
কিন্তু শুনলাম তুমি নাকি অন্য কারো জন্য কাজ করছ?
চিন্তা কোরো না এটায় রোগজীবাণু নেই।
তোমার একটু ভোগা দরকার।
জানো তোমার কত খেয়াল রেখেছি আমি?
তোমার কৃতজ্ঞতা শেখা উচিত।
হারামজাদা!
এখন থেকে...
তোমার আর হিয়ং-ডো'র উপর
আমার নজর থাকবে।
নিজের খেয়াল রেখো।
এই, ছেলে!
তোমার বাবা কেমন আছে?
চিয়ার্স!
লোকজন বলে...
আমি নাকি আমার আগের বসের পিঠে ছুরি বসিয়েছিলাম।
কিন্তু এসব ব্যস হিংসাত্মক অপবাদ।
সত্যি কথা বলতে...
আমি একবারও তার ক্ষতি করার কথা ভাবিনি।
আমিযা চাইছিলাম তা হচ্ছে...
দুই নাম্বার হতে।
যাতে সে হোঁচট খেলে আমি সর্তক থাকতে পারি।
আমাদের বিশ্বকে
সঠিক পথে নিয়ে যেতে আমরা বাধ্য।
এর জন্যই।
গ্যাংস্টারদের আসলে কী করা উচিত?
গ্যাংস্টাররা ছায়ার পিছনে থেকে পরিচালনা করে
কিন্তু আমরা কি আমাদের পরিস্থিতি আরও সুখকর করে তুলছি না?
আমি কি ঠিক বলেছি?
তুমি জানো বিশ্বস্ততা কী?
টাকাই বিশ্বস্ততা।
তোমার দরকার হবে। নিয়ে নাও।
ও আর্মি থেকে...
ছুটি নিতে পারেনি।
ব্যাপার না।
সাং-ত্যেকের এত দূর আসার দরকার নেই।
আর্মির এমনিতেই অনেক কাজ।
একটু ঘুমিয়ে নে।
ডং-সু আমি অনাথ হয়ে গেছি রে।
তুই আর এখন বাচ্চা নস।
৫ম শ্রেণীতে পড়ার সময়...
মুং-গিল আমার লাল ঠোঁট নিয়ে আমায় খেপাতো।
বলত আমার বাবা আমাকে...
মরা মানুষের যকৃত খাওয়ায় বলে এমনটা হয়েছে।
যদিও মুং-গিল বয়সে অনেক বড় ছিল।
আমার জন্য তুই ওকে মারধর করতিস।
তখন থেকেই আমি তোর অনুসরণ করি।
তাই?
আমি...
কাল থেকে শুরু করব।
আমি এখন সাং-গনের হয়ে কাজ করছি।
ও কোনো গ্যাংস্টার নয়, একটা নিচ।
জানিস না? ও বাচ্চাদের কাছে ড্রাগস বিক্রি করে।
আমার কিছু যায় আসে না।
ডং-সু!
- যদি ওর হয়ে কাজ করিস... - মরা মানুষের সৎকার করানোর চেয়ে তো ভালো।
ডং-সু!
তোর বাবার সাহায্যের জন্য আমি কৃতজ্ঞ!
তোর ব্যাপারে বাবাকে বলব।
আমার দুই বন্ধু, যারা জীবনে একই রঙ ভাগ করে নিয়েছিল
তারা আবার নিজেদের রঙে ফিরে যায়।
কয়েকবছর পর ওদের...
এমন কিছু হবে যেটা আশাও করেনি।
দোস্ত আমার! সাং-ত্যেক!
ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছিস।
একজন মানুষকে তার মনের দিগন্তকে আরও প্রশস্ত করতে বিশ্বটা দেখতে হবে।
আমি কি তোর সাথে যাবো নাকি?
গিয়ে মাফিয়াদের থেকে কিছু জিনিস শিখব?
এতে হাসির কী আছে?
গ্যাংয়ের অনেক বিদেশী ছাত্রও আছে।
যাইহোক, মনে হচ্ছে ড্রাগ নেওয়া পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছিস।
আর মনে করাস না।
যেহেতু অন্যান্য ছেলেরা ছেড়ে দিতে আরম্ভ করেছিল।
তাই আমিও আত্মসম্মানবোধ থেকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।
ভালোই হয়েছে।
লোকজন মনে করে গ্যাংস্টাররা দূষিত জীবন যাপন করে, কিন্তু মোটেও তা নয়।
আমরা কখনো ড্রাগে আসক্ত, মাগীবাজ এবং মদ্যপদের
কাজে নিই না।
উপরে ওঠার জন্য কাজ দরকার।
কিন্তু আমরা ওদের কোনোটাই দিই না।
যতক্ষণ না ওদের...
মাথা খারাপ হচ্ছে।
তুই তো গুরুদের মতো কথা বলছিস।
কোনো দলেই
যা খুশি তাই করে উপরে উঠতে পারবি না।
শেষে ওরা তোকে আগাছার মতো উপড়ে ফেলবে।
শুনতে খুবই বিশ্রী শোনাচ্ছে না?
এই, একজন গ্যাংস্টারের দার্শনিকের মতো
কথা বলে লাভ কী?
যাই বলিস তুই একটা গুন্ডা ছাড়া আর কিছুই না।
এই তোরা দুইজন, এ দিকে আয়!
জ্বি, বস!
তোরা কি পাগল?
আমার বন্ধুর দিকে ওভাবে তাকিয়েছিস কেন?
মাফ করে দিন, বস!
তোদের খাবার কোনো অধিকার নেই।
ট্র্যাঙ্কে গিয়ে বসে থাক, আর কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হ।
- যা এক্ষুনি! - জ্বি বস!
স্যরি।
বন্ধুত্বের মধ্যে স্যরি বলতে কিছু নেই।
এখন আমাকে নামাতে পারিস।
নড়িস না!
আমি এতদিন...
এটার জন্য অপেক্ষা করছি।
আজকের জন্য ধন্যবাদ। সাবধানে যাস।
- পরে দেখা হচ্ছে। - আচ্ছা।
এই, জুন-সুক!
বাচ্চাগুলোকে এবার ছেড়ে দে।
এই অপদার্থগুলো, তোরা বের হতে চাস?
- না, বস! - ওরা ঠিক আছে।
চল যাই!
শুভ সন্ধ্যা, চেয়ারম্যান সাহেব!
এখন, হরিম অ্যাপার্টমেন্টের কন্সট্রাকশনের জন্য...
লটারি শুরু হবে।
এর প্রক্রিয়া অনুযায়ী...
প্রথমে জাংউ কন্সট্রাকশনের ছা সাহেবকে দিয়ে শুরু করছি।
সাতচল্লিশ নাম্বার!
সব কিছু ভেতরে আছে।
কুত্তার বাচ্চারা তোদের আমি খাওয়াই পড়াই।
এমন কথা বার্তা বলার সাহস কী করে হয়?
শালার বানচোতের দল।
এই, খানকির পোলা!
আমাকে মিথ্যা বলার চেষ্টা করছিলি?
আমি ব্যস ওকে ডেকেছি...
স্যরি বস। ক্ষমা করে দিন।
এই তোরা সবাই বাইরে যা।
জ্বি, বস!
চুদির ভাই, এবার কান খুলে শোন।
বাকি বসেরা নিজেদের রক্ত ঝরিয়েছে...
এই কোম্পানি শুরু করার জন্য।
- কী বললি তুই? - চুপ কর, আমাকে বলতে দে।
এই টাকা ব্যয় হচ্ছে...
জেলে থাকা আমাদের বসের জন্য,
আর আমাদের ছেলে পেলেদের জন্য।
আশাকরি সব ঠিক ঠাক মাথায় ঢুকে গিয়েছে।
এটা চালিয়ে দেয়ার অনুমতি আছে আমার কাছে।
কিন্তু আমি এটা করব না, একজন বসের সম্মানার্থে।
দেখ, বন্ধু।
সরকারের নজর এখন...
বিগ বসের উপর আছে।
তাই ছেলে পেলেদের উপর নজর রাখো।
কিছুদিন বসের সাথে যোগাযোগ কোরো না।
শালারা আমাদের নিশ্চয়ই গাধা মনে করে।
সব কেমন চলছে জুন-সুক?
হাঙ্গর ডানার চাহিদা কেমন?
মানুষ তো মরিয়া, এমন কি ইয়াকুযাকে এর বিকল্প ভাবতে শুরু করেছে।
একটু অপেক্ষা করুন তারপর এগুলো বিক্রি করা শুরু করবো।
এমনটা করা উচিত হবে না।
সাং-গনের কোনো খবর আছে?
আমরা না নিলে কীভাবে থাকবে?
আগে যা ছিল, এখন আর তা নেই।
আমরা এখন ওকে ছুঁতে পারবো না।
তাহলে ওর ডান হাতের ব্যাপারে কিছু করা যায়?
ও আমার বাবা মায়ের মৃত্যুর সময় সাহায্য করেছে...
এমনটা স্বপ্নেও ভাববে না।
এটা ভালো।
কী বললি রে শালার পুত?
খানকির পোলা!
এই বাচ্চা পোলাটায় আমারে শালার পুত কয়!
এটা কি পাতি মাস্তানদের ফ্যাশন শো নাকি?
কী খবর তোর?
ভালো, তোর?
শুনলাম তুই নাকি কন্সট্রাকশনের কাজ করছিস।
গভীর সমুদ্রের মাছ ধরার সাথে এর তেমন কোনো পার্থক্য নেই।
আগামীকাল রাতে মোকমা বারে আসিস।
তুই আমাকে আসতে বললেই কি আমার আসতে হবে নাকি?
সাং-ত্যেক আর জুং-হোও আসবে।
তোরও আসা উচিত।
সাং-ত্যেক?
ওহ, আচ্ছা ও এখন কী করছে?
দেখি, সময় পেলে আসবো।
বেশ।
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ।
ভালো হয়েছে! মাল খা এবার!
তো কয়দিন থাকবি সেখানে?
তিন বছর তো থাকতে হবে কমপক্ষে।
সব ঠিক ঠাক থাকলে হয়তো পিএইচডি করার জন্য আরো বেশি দিন থাকতে পারি।
এই! মালটার কথা শোন!
তারমানে, সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে আমরা আর তোকে দেখতে পাবো না?
আমি কি সেটা বললাম নাকি? ক্ষমা করিস তাহলে।
তো তুই বড় দান মেরেছিস তাই আমরা এখন আর কিছু না, তাই না?
এই, সোনা!
আমার প্রিয় গানটা সেট করো তো।
সত্যি? আমার অনেক ভালো লাগে যখন তুমি এই গানটা গাও।
আমার বন্ধু জুং-হোর বিয়ের শুভ কামনায়...
আর আমার বন্ধু সাং-ত্যেকের জন্য।
আমি আশা করব তোদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হোক।
আমি এই গান আজ তোদের দুজনকে উৎসর্গ করছি।
তো তুমি চাও যে, সারাজীবন আমি লাশ পরিষ্কার করে যাই?
আমি কি কখনো তোকে বলেছি এই সব করে আমার মুখ উজ্জ্বল করতে?
তুই কে আমাকে এসব বলার?
আচ্ছা! আচ্ছা!
তো আমাকে মরার আগ পর্যন্ত লাশ দেখে পার করতে হবে?
ভেবেছিস তোর মাস্তানির এই টাকা আমাকে দিয়ে নিজেকে ধন্য মনে করবি?
ডং-সু এখন কী করছে?
ওদের সম্পর্ক খারাপ চলছে।
ডং-সু এখন তার দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠেছে।
- সত্যি? - তুই খবরের কাগজে দেখেছিস?
প্রেসিডেন্ট রোহ গ্যাংদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে,
ব্যাপারগুলো এখন সত্যি উদ্বেগজনক।
যেহেতু সাম্প্রতিক সাং-গনের দিন যাচ্ছে...
তাই ওর উঠা বসাও এখন ক্ষমতাবানদের সাথে।
আর আমি শুনলাম যে ডং-সু এখন অনেক ব্যস্ত।
হ্যালো, বুসান পুলিশ থেকে বলছি।
জ্বি, আমি বুসানের একজন সাধারণ বাসিন্দা।
আমার কাছে খবর আছে যে...
- কী হচ্ছে এই সব? - ওকে গ্রেফতার করো!
বের হ!
চলুন।
স্যার, সুয়ানার কাজ শেষ।
বিগ বস আপনাকে ডেকেছে।
- ইওন-গি! - জ্বি, বস!
- জানো ছো ওহ-রয়্যুন কে? - সেই সাঁতারু?
হ্যাঁ, সেই সাঁতারু।
যদি ছো ওহ-রয়্যুন আর একটা সামুদ্রিক কচ্ছপ
সাঁতার প্রতিযোগিতা করে
তবে কে জিতবে?
কাপড় খারাপ করে দিয়েছে বোধহয়।
হারামিটা আমাদের বসকে বেচে দিয়েছে।
ও ঘুমালে ব্যস ছুরিটা ঢুকিয়ে দিতে হবে।
- বুঝেছিস? - জ্বি স্যার।
আজ রাতেই কাজটা শেষ করতে হবে।
তুই জুন-সুককে কী বলেছিস?
বলেছি, আমরা বিয়েতে যাচ্ছি।
আচ্ছা।
কে এই আদেশ দিয়েছে?
জুন-সুক?
মারা খা!
তো তুই এসব কেন করছিস?
বোধহয় এটাই আমার নিয়তি।
নিয়তি?
আমি জুন-সুকের মতো বস হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
বাছা শোন,
বস হওয়া চেষ্টা করা আর…
উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে বাঁচা এক নয়।
তুই বয়স এখনো কম, তাই আবার ভেবে দেখিস৷
বুঝেছিস?
যাইহোক, জুন-সুক কোথায়?
নবীনদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
নবীনদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে?
- এটা কে এনেছে? - আমি, স্যার।
এরকম ছুরি দিয়ে কাউকে মারতে পারবি না।
বড় হওয়া জরুরি না।
চাকু যদি শুধুমাত্র ছয় ইঞ্চিও হয়…
তবে এটা দিয়ে কাউকে মারতে পারবি। কিন্তু পাতলা হলে হবে না,
পাতলা হলে হাড়ের সাথে লেগে ভেঙে যেতে পারে।
এজন্যই
সাশিমি কিংবা সুইডিশ ছুরি সাধারণত ব্যবহার হয়।
- বুঝা গেছে? - জ্বি স্যার।
ছুরি মারার পর...
ছুরিটাকে নব্বই ডিগ্রি ঘুরাতে হবে।
যতবড় হনুই হোক না কেন...
ছুরি ভিতরে যাওয়ার সাথেই...
মারা যাবে।
যদি ফুসফুসে ঢুকাতে পারিস, তবে ও চিৎকার করতে পারবে না।
আর যদি একবার ফুসফুসে বাতাস ঢুকে যায়, তবে ও নিশ্চিত মারা যাবে।
সবসময় খেয়াল রাখবি...
ও যেন পূর্ণ অনুভূতি পায়।
- জুন-সুক কোথায়? - সেরারা বুকের সামনের চাইতে…
পিছনের ফুসফুসকেই লক্ষ্য করে।
সাং-ত্যেক।
ভেবেছিলাম তোর আর জুং-হোর সাথে বিমানবন্দরে দেখা করব।
কিন্তু মাফ করিস, আমি পারিনি।
সাং-ত্যেক!
তুই যখন হাইস্কুল থাকতে বাড়ি থেকে পালিয়েছিলি।
আর আমি তোকে বাড়িতে ফেরত পাঠিয়েছিলাম।
তুই জানিস না আমি তোকে নিয়ে কতটা গর্ব বোধ করতাম।
ইশ, যদি তোর জায়গায় আমি থাকতাম।
এটা হাস্যকর, তাই না?
আজ সারাদিন আমি বাড়িতেই ছিলাম,
ডং-সুর সাথে একটা ঝামেলা হওয়াতে।
ভাবছিলাম ‘বন্ধু’ শব্দটার মানে কী?
আমি আসলে বন্ধুত্বের সঠিক অর্থ জানতাম না,
যতক্ষণে আমাদের শিক্ষক বোর্ডে এর মানে লিখে দিলো।
মনে পড়ে স্যার লিখেছিল, ‘দীর্ঘস্থায়ী এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’।
অনেক মহৎ, না?
আমার বাবা সবসময় বলত,
বিশ্বস্ততাই হচ্ছে মানুষের জীবন।
কিন্তু আমি এটা নিয়ে এখন সন্দিহান।
বস্তুত, আমি নিশ্চিত নই বিশ্বস্ততা কী মানে রাখে!
সাং-ত্যেক!
আমি ভাবছি তোর মত লম্বা সফরে বেরিয়ে পড়বো৷
আমি এই চিঠি জুং-হোর ঠিকানায় পাঠাবো।
ফিরে না আসা অব্দি নিজের খেয়াল রাখিস।
তোর বন্ধু, জুন-সুক।
তুই আসলি না কেন? ওদেরকে দেখে তোর ভালো লাগতো।
আমি পরে দেখা করে নেব।
সাং-ত্যেক কাল আমেরিকা চলে যাচ্ছে।
- ওকে বিদায় জানাতে যাবি? - বিদায় জানাতে?
তোর সে সময় আছে?
স্যরি, আমি ডোরুকো'র শেষকৃত্যে যেতে পারিনি।
আমি আসলে খুবই ব্যস্ত ছিলাম।
তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস ডং-সু।
আমি তো সবসময় তোর চাইতে লম্বাই ছিলাম।
তোর চামচা হিসেবেও।
- আমি সংক্ষেপে বলছি। - লাগলে সময় নে।
ডং-সু!
আমার বাবার মৃত্যুর পর তুই আমাকে কী বলেছিলি, মনে আছে?
কী?
তোকে কী বলেছিলাম?
আমি তোর সাথে কখনোই ঝামেলা করিনি,
যখন সবকিছু বদলে গেল, তখনও না।
তোর জায়গায় আমি হলেও করতাম না।
আমরা কি আগের কথামতো চলতে পারি না?
কী?
আমাকে মারার জন্য কেউ বলেছিল তোকে?
আজ আমার বাবার মৃত্যুবার্ষিকী।
বন্ধু হিসেবে আমার শেষ একটা কথা রাখবি?
বলে যা।
তুই হাওয়াই চলে যা।
তুই কি সেখানে কিছুদিন থাকতে পারবি?
এর মধ্যে, সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
আমি তোর জন্য সবকিছু ঠিক করে দেবো।
তুই হাওয়াইতে চলে যা।
ঠিক আছে, আমি চলে যাব কয়েক বছর পরে দেখা হচ্ছে।
আজকে ওর বাবার মৃত্যুবার্ষিকী।
আমি কখনো তোর উপর ক্ষুব্ধ হইনি।
আমাদের যা বলা হয়েছে আমরা কি তাই করিনি?
- আমার গাড়ি কোথায়? - আপনি কোথায় যাচ্ছেন বস?
এয়ারপোর্ট কত দূরে?
এয়ারপোর্ট?
তুই তোর কাজ করে ফেলেছিস... এখন চলে যা...
যখন আমি ফিরে আসি,
ডং-সুর মৃত্যু সংবাদ
আর কারো কাছে সংবাদ ছিল না।
ওহ, হাই! জুং-হো!
সাং-ত্যেক এখানে!
যেদিন তুই গেলি সেদিনই ঘটনা ঘটেছে।
আমি আশা করিনি জুন-সুক এত দ্রুত অ্যাকশনে যাবে।
ও দুই বছরের জন্য গায়েব হয়ে যায়।
হয়তো বা কোনো মন্দির বা ওরকম কোথাও।
তারপর শুনলাম ও জিন-সোকের সাথে সব রফাদফা করে ফেলেছে।
ওর গ্যাং ওকে হাওয়াইতে পাঠানোর চেষ্টা করে।
কেসটা যতদিন না মীমাংসা হয় ততদিনের জন্য।
কিন্তু সেটা অতটা সহজ ছিল না।
শেষমেশ ও আর এসব সহ্য করতে পারল না।
লুকাতে লুকাতে ক্লান্ত হয়ে পরেছিল তাই সে আরো দুর্বল হয়ে পরছিল।
আস্তে আস্তে নিজেকে বিপদে টেনে আনলো।
তোর এত সময় লাগলো কীসে?
১০ নম্বর রুম!
- কুত্তার বাচ্চা... - ও পাগল হয়ে গেছে!
তোরা কী চাস, গাধার বাচ্চা?
আমি তোকে ছেলের মতো ভাবতাম।
আমি জানি না কী বলতে হবে।
ঐ জুং-হো ছেলেটা সাহায্য করার জন্য তার সেরাটা চেষ্টা করছে।
কোর্টে গিয়ে বলবি তুই কিছুই জানতিয়া না, আর কখনোই আদেশ দিসনি।
নিজেকে গুটিয়ে নে, আমি ঘুষের ব্যাপারটা দেখে নেব।
যা পুলিশ বলেছে তা সত্ত্বেও
আমি বিশ্বাস করি না তোর কোনো দায় আছে।
কোর্টে এটাই তোর আত্মরক্ষা হবে, একদম যা লেখা আছে তা মেনে চলবি।
আমি জানতাম ডং-সুর এভাবেই পরিসমাপ্তি হবে।
- শুয়োরের বাচ্চা... - নিজেকে সংযত কর, গাধা।
ডং-সু আমারও বন্ধু।
তুই জানিস না আমি এটা তোকে বাঁচানোর জন্য করছি?
যখন আমি ওর দিকে তাকালাম, ৩০ টার বেশি ছুরির আঘাত দেখেছি।
তাকে ৩০ বারের চেয়েও বেশি ছুরিকাঘাত করা হয়।
কেস নাম্বার ৯৩-২৫১৬৮।
একটা সুসংগঠিত অপরাধ।
প্রথম এবং তৃতীয় মাত্রার হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন।
বিবাদীপক্ষ লি জুন-সুক প্লিজ উঠে দাঁড়ান।
আপনার আইডি নাম্বার এবং বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বলুন।
৬৪০২২৭- ১১৯৫৯১৪।
স্থায়ী ঠিকানা হচ্ছে ১৮৯ ওয়ামাংডং, দক্ষিণ বুসান।
বর্তমান ঠিকানা হচ্ছে ১১০৯ দ্যেরিম ভিলা, ছুংহাকডং, বুসান।
প্রসিকিউশন শুরু করতে পারে।
পার্ক ইওন-গি এবং সং গি-হোকে আপনি চেনেন?
১৯৯০ সালে হত্যার জন্য জেলে নেয়া হয়েছিল যাকে?
হ্যাঁ, আমি ওদেরকে চিনি।
তাহলে আপনি কি ডং-সু কেও চেনেন...
যাকে অক্টোবর ১৯৯০ সালে নাইট ক্লাবের সামনে
হত্যা করা হয়?
হ্যাঁ, ও আমার বন্ধু।
তো আপনি কি পার্ক ইওন-গি এবং সং গি-হোকে আদেশ দিয়েছিলেন
হান ডং-সুকে হত্যা করার জন্য?
হ্যাঁ, আমি ওদেরকে আদেশ দিয়েছিলাম।
কেমন আছিস বন্ধু?
- ভালো, আর তুই? - আমিও ভালো আছি।
- কেমন যাচ্ছে সবকিছু? - খুব সুন্দর।
সাং-ত্যেক! সাং-ত্যেক কাঁদবি না।
একজন বন্ধু হয়েও এরকম
পরিস্থিতিতে ফেলে দেওয়ার জন্য স্যরি।
না।
না, স্যরি বলিস না।
বন্ধুত্বের মাঝে স্যরি বলতে কিছু নেই।
সাং-ত্যেক, আমাদের মাত্র ১০ মিনিট সময় আছে।
- দ্রুত কথা বলা যাক। - আচ্ছা, ঠিক আছে।
- তোর স্বাস্থ্য কি ঠিক আছে? - একদম!
দেখ! আমার স্বাস্থ্য!
তোর বাবা কেমন আছে?
তোর বাবা-মা দুজনই ভালো আছে, তাই না?
হ্যাঁ।
বাবা তোকে দেখতে আসার জন্য কিছু টাকাও দিয়েছে।
আমার বোনের গত মাসে বিয়ে হয়ে গেছে।
অনেক খারাপ হলো সেটা।
তোর মা আমাকে কথা দিয়েছিল।
কিন্তু মনে হয় আমি আমার সুযোগ হারিয়েছি।
যাই হোক, অভিনন্দন!
তোর কী খবর? তোর কি গার্লফ্রেন্ড হয়েছে?
- এখনো হয়নি। - সমস্যাটা কী তোর?
কারো সাথে পরিচয় করিয়ে দিব নাকি?
তুই? তুই কীভাবে করাবি?
জুন-সুক! কেন এরকমটা করলি?
সময় শেষ হয়ে গেছে।
ডং-সুর জন্য খারাপ লাগছে তোর?
সে কারণে কী?
বল আমাকে।
কোর্টের সামনে এমনটা বললি কেন?
- অপমান! - কী?
ডং-সু আর আমি গ্যাংস্টার ছিলাম।
আর গ্যাংস্টারদের অপমান করা উচিত না।
এই! আমি আবার ফিরে আসবো।
পরের মাসে আবার আসব।
জুন-সুক! আমি আবার আসবো! নিজের খেয়াল রাখিস!
সাং-ত্যেক!
যদি ছো ওহ-রয়্যুন আর
আরেকটা সামুদ্রিক কচ্ছপ একসাথে সাঁতারের প্রতিযোগিতায় নামে
কে জিতবে?
- ছো ওহ-রয়্যুন। - দেখলি?
কোনোভাবেই না!
পানির নিচে একটা কচ্ছপ অনেক বেশি দ্রুত।
কচ্ছপটাই জিতবে।
পানির নিচে না, উপরে।
এই, তুই আগে পানির নিচে বলেছিলি।
আমি? কখন বললাম?
শালা মিথ্যুক কোথাকার।
এই, আমরা ঝামেলায় পড়ে গেছি!
অনেক দূরে চলে এসেছি। চল ফিরে যাই।
হ্যাঁ, স্রোত তীব্র হতে পারে দ্রুত।
চল যাই।
আমার যেমনটা মনে আছে।
জুন-সুক তখন ডং-সুর পক্ষে ছিল।
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদে - আরমান আল মাহমুদ সোহেল রানা
- অনুবাদে - এফ আর সজীব রাকিব হোসেইন
- অনুবাদে - প্রমিত সরকার ধ্রুব তৌহিদুল ইসলাম সুমন
- অনুবাদে - রহস্যময় পরিব্রাজক আল মাকসুদ
- সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.