All language subtitles for [SubtitleTools.com] Tomb.Raider.2018.720p.WEB-DL.x264-[YTS.AM]-Bengali

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

ভাবানুবাদঃ কুশল ০১৯১৮১১০০৯৯ www.facebook.com/dhup.chaya.161 Our group on facebook: Bangla Subtitle

মে ১৭, ২০০৯

হিমিকোর উপর অতিরিক্ত অনুসন্ধান!.

কিংবদন্তী এটাই বলে যে, হিমিকো ছিল জাপানের প্রথম সম্রাজ্ঞী

এক ভয়ংকর জাদুকর ছিল সে।

যে তার স্ম্রাজ্য শাসন করতো, তার কালো জাদুতে,

সর্বত্র মৃত্যু এবং ধ্বংস ছড়িয়েছে সে,

তার হাতের একটিমাত্র স্পর্শে।

সে নিবৃত্ত হয়েছিল ভাগ্যের ছোট্ট এক পরিহাসে।

তারই সৈন্যদলের একজন সেনা হিমিকোকে জোর করে টেনে এনেছিল...

ভয়ংকর শয়তান সাগরের মধ্যখানে এক মানব শুন্য দ্বীপে।

সেখানে তাকে সমাহিত করা হয়েছে পাহাড়ের পাদদেশে, খুব গহীনে।

পুরোনো ম্যাপে আমি একটা জায়গার হদিস পেয়েছি, যা অন্য কেউ জানে না।

সে সেখানেই আছে।

মুক্তির অপেক্ষায় দিন গুনছে সে।

আমাকে আগে সেখানে যেতে হবে।

এমনকি এ কাজের জন্য...

সবচেয়ে বড় ত্যাগ স্বীকার করতেও দ্বিধা নেই...

দরকার হলে আমার লারাকেও ছেড়ে আসবো।

তোমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, লারা।

কিছু একটা করতে হবে।

তোমার দ্বারা কোন কাউন্টার এট্যাক হচ্ছে না,

ওই দক্ষতাটাই তোমার নেই।

- থ্যাংকস, টেরি। - স্বাগতম।

কাম অন, লারা!

লাফালাফি বাদ দিয়ে ফাইট শুরু করো।

সাবাস মেয়ে!

মারো!

দারুন, লারা! এইতো হচ্ছে।

- শেষ হয়েছে। - এখনো শেষ হয়নি।

তাহলে শেষ করো।

কাম অন, লারা!

এরকম ভাবে বলো নাতো।

তোমাকে একেবারে শুইয়ে দিয়েছে গো। একেবারে কাত হয়ে গেছ তুমি।

- কাত হইনি। - আচ্ছা, কাত না তাহলে।

সাইজ করে দিয়েছে।

সে নিশ্চই কোন সুপার হিরো না।

সত্যটা হল, আমি নিজেই তাকে সুযোগ দিয়েছি।

সব ঠিক আছে তো?

হ্যা, একদম।

ফাইটটা দারুন জমজমাট ছিল।

ধন্যবাদ!

পরেরবার তোমার রেহাই নেই বাপু।

একেবারে সাইজ করে দিব তোমায়।

রাতে বাসায় আছো তো?

হ্যা।

পরে দেখা হবে।

আচ্ছা।

আমার আপেলটা কে নিয়েছে?

বুঝা উচিত ছিল, সেটা তুমিই নিতে পারো।

আমি এমনটা করব কেন?

কেননা কিনে খাওয়ার সাধ্য তো আর নেই।

সব সময় তো দেনার নিচেই পরে থাকো।

টেরি, সব দেনা আমি শোধ করে দিব। বলেছি তো।

তা তো আমি আদায় করবোই।

একটা কাজ খুঁজে নাও, লারা।

তোমার কী মনে হয়, খামোখাই এই পোশাক পরেছি?

শোন লারা, তোমাকে পছন্দ করি আমি, কিন্তু...

- হেই। - হাই।

- হাই, সব ভালো তো? - হুম, দারুন।

তুমি?

- হ্যা। - হ্যা মানে?

সোজা কথায় আসো, ডিনারের কথা বলো তাকে।

কাম অন!

আর কিছু?

না, না ,না।

সমস্যা কী? কথা বলতেও লজ্জা পাও নাকি!

বলদ কোথাকার।

জানো তো, এই শেয়াল ধাওয়া বেশ সাড়া ফেলেছে?

হ্যা, কিছুটা হলেও ফেলেছে।

ত্রিশজন কুকুরের দলে যোগ দিয়েছে। এখন শেয়াল খুঁজে বের করতে হবে।

- কাজটা কঠিন। - হুম।

এটাকে জমকালো করতে দ্রুতগামী কাউকে দরকার নাকি?

হ্যা, গতি না থাকলে মজা নেই।

কিন্তু সহজেই তারা জিতবে, এটা ভাবাও বোকামি।

কী ফুসুরফাসুর হচ্ছে?

আমরা একটা "শেয়াল ধাওয়া" এর আয়োজন করেছি।

- সেটা আবার কী?? - কিছুটা দৌড়ের মতোই।

এখানে শেয়ালটা প্রথমে পালাবে।

তার বাইকের পিছন থেকে রঙ এর চিহ্ন এঁকে।

আর সে রঙ দেখে বাজি ধরা কুকুরগুলো তাড়া করবে তাকে।

শেয়াল যদি সব রঙ শেষ হবার আগে পর্যন্ত ধরা না পড়ে....

তাহলে বাজির সব টাকা তার।

কত টাকা?

৬০০ কুইড।

মনে হচ্ছে নিজেকে শেয়াল হিসেবে ভাবা শুরু করে দিয়েছো।

তোমরা কি সিরিয়াস?

তোমার কি ফাজলামো মনে হচ্ছে?

না, মানে, আসলে আমি...

তুমি অংশ নিচ্ছ।

ধাওয়া খাওয়া শেয়াল আর তার পিছনে সবাই।

শেক্সপিয়র না?

হেমলেট এর ডায়লগ?

না, জাস্ট মাথায় আসলো আরকি।

এটা হেমলেটেরই, তুমিও জানো।

আরেকটা কথা....

এত ভাব নাও কেন তুমি?

ব্রুস।

তোমার ধারে কাছেই থাকতে চাই আমি।

৫, ৪, ৩ ,২ ,১.... ভাগো!!

হেই!

মাফ করবেন!

যাও, যাও, যাও!

সে গেল কোথায়?

ফিরতে খুব বেশি দেরি হবে না, সোনা আমার।

- ওই, দেখে চলো! - তুমি তোমার আয়নাতে চোখ রাখো!

যাও, যাও!

তোমাকে এখানে দেখে ভালোই লাগছে।

এনা।

তোমার আসার দরকার ছিলনা,

আমার কোন অভিভাবক দরকার নেই।

সত্যিই?

ঘরদোর রঙ করছিলে নাকি?

অনেকদিন যাবৎ তোমার কোন দেখা নেই।

তুমি আমাকে কখনোই দেখোনি।

দুঃখিত।

আসার জন্য ধন্যবাদ।

আজ কী নিয়ে ঝামেলা হল?

টাকাটা আমার দরকার ছিল খুব।

না, সেটার কোন প্রয়োজন নেই। উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু সম্পদ রয়েছে তোমার।

- যদি তুমি...

- আমার দরকার নেই।

সাত বছর হয়ে গেছে, লারা।

টোকিও পুলিশও তোমার বাবাকে খোঁজা বন্ধ করে দিয়েছে...

সেটাও ৫ বছর আগে।

বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থাও আমাদের থেকে আর কোন টাকা পয়সা নিচ্ছে না।

আমি জানি, মেনে নেয়াটা কঠিন অনেক,

কিন্তু তোমাকে এসে কাগজগুলোকে অবশ্যই স্বাক্ষর করতে হবে।

এ কারণেই এসেছো তুমি?

না, আমি এসেছি তোমার জন্য।

একবার ভেবে দেখো, তুমি পৃথিবীর কত কাজে আসতে পারো...

তোমার ক্ষমতা দিয়ে, তোমার অর্থ সম্পদ দিয়ে।

এসব সম্পদ আমার না, সবই তার।

শোন, ব্যাপারটা সহজ...

যদি তুমি কাগজগুলো স্বাক্ষর না করো, তাহলে সব...

তোমার বাবার সবকিছুই, সব নিলামে চলে যাবে।

শুধুমাত্র কোম্পানীটাই না।

ক্রফট ম্যানর ও।

বাড়িটা হারালে কেমন লাগবে একবার ভেবে দেখেছো?

লারা, তোমার বাবা হারিয়ে গেছে।

কিন্তু যেখান থেকে তিনি থেমেছেন, সেখান থেকেই শুরু করতে পারো তুমি।

তার রক্তই বইছে তোমার শরীরে।

মাফ করবেন।

আমি সেরকম ক্রফট নই।

তোমার যাবার দরকার নেই, বাবা।

ফিরতে খুব বেশি দেরি হবে না, সোনা আমার।

তোমার বুঝতে হবে,

আমরা ক্রফট পরিবার, আমাদের অনেক কাজ, অনেক দায়িত্ব রয়েছে।

কিন্তু তোমাকে অনেক মিস করি আমি।

জানি, আমিও তোমাকে অনেক মিস করি।

আর তার জন্য একটা সমাধানও আছে।

দেখেছ এটা?

এটা তোমার মায়ের ছিল। বিশেষ ক্ষমতা আছে এটার।

বিশেষ ক্ষমতা মানে?

কাউকে গভীর ভাবে অনুভব করতে চাইলে,

এটাকে খুব শক্ত করে আঁকড়ে ধরবে।

আর তার কথা ভাববে। তখন সেই মানুষটিও সেটা বুঝতে পারবে,

- সত্যিই? - হ্যা।

এটা একটা ম্যাজিক!

আর এর মানে হচ্ছে সবসময় আমরা একসাথেই থাকবো,

তা আমি যেখানেই থাকি না কেন।

ঠিক আছে?

আমার শুন্যতা টের পাবার আগেই ফিরে আসব আমি।

অই!

কুরিয়ার সার্ভিস হলে পিছন দিয়ে যান।

আমি কুরিয়ার সার্ভিস না।

আসলে, কুরিয়ার সার্ভিসই।

তাহলে পিছন দিয়ে যান।

এনা মিলারের সাথে দেখা করতে এসেছিলাম।

তাহলে অন্য সবার মত এখানে একটু স্বাক্ষর করতে হবে।

নাম কী আপনার?

লারা।

লারা...?

ক্রফট।

যে কাগজগুলোতে স্বাক্ষর দরকার...

তোমার বুঝার জন্য দাগ দেয়া আছে।

মি. ইয়াফিকে কি সব কিছু বুঝিয়ে দিতে হবে?

এখানে স্বাক্ষর করার মানেই...

কি... বাবা মারা গিয়েছে?

আমি বুঝি, এটা কতটা কঠিন তোমার জন্য।

আমিও তাকে অনেক মিস করি।

এটা বাবার ছিল?

হ্যা, রিচার্ডের উইল অনুযায়ী

তার মৃত্যুর পর এটা তোমাকে আমার দেয়ার কথা ছিল।

কাড়াকুড়ি -জাপানিজ ধাঁধা।

নিয়ম অনুযায়ী,

তোমাকে আগে কাগজগুলো স্বাক্ষর করতে হবে।

এসবের প্রতি তোমার বাবার প্রচন্ড আগ্রহের মানে কখনোই আমি বুঝিনি।

এরকম কতগুলো যে ঘরে ছড়িয়ে আছে চিন্তাও করতে পারবে না।

এটা দেয়ার নিশ্চই কোন কারন তো আছে।

"আমার শেষ ঠিকানার প্রথম লেটার।"

লেটার? সে তো কোন লেটার (চিঠি) রেখে যায়নি।

- মাফ করবেন আমাকে। - লারা...

"আমার শেষ ঠিকানা।"

প্রথম লেটার (বর্ণ)।

কী এসব...

কিসের পিছনে লেগেছিলে তুমি?

হ্যালো বাছা।

জানতাম, তুমি ধাঁধাঁটার সুরাহা করতে পারবে।

দুর্ভাগ্যক্রমে, এই ভিডিওটি তুমি দেখার মানে হচ্ছে...

আমি আর বেঁচে নেই।

এতক্ষণে সেটাও নিশ্চই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে...

যে ব্যবসা আর বোর্ড রুমের বাইরেও...

অন্য কিছুতে আমার জীবন অনেকটা জড়িয়ে আছে।

এমনকিছু, যা তোমাকে কখনোই বলতে পারিনি।

তোমার মায়ের মৃত্যুর পর, হতাশায় মুষড়ে পড়েছিলাম আমি।

আমি মরিয়া হয়ে পৃথিবী জুড়ে খুঁজতে লাগলাম...

অন্য জগতের এমন কিছু সংকেত,

যা প্রমান করে কিছু দৈব ক্ষমতার অস্তিত্ব রয়েছে।

যে ভাবেই হোক... তাকে আবার অনুভব করার জন্য।

এ নেশা আমাকে পেয়ে বসলো।

এখন...

তোমার একটু সাহায্য চাই।

আমি চাই, হিমিকো প্রজেক্টের সকল রিসার্চের সব কাগজপত্র তুমি পুড়িয়ে ফেলো।

একেবারে সব পুড়িয়ে দাও।

নোটবই, ভিডিও, সবকিছু।

এটা ভীষন জরুরী বিষয়।

এসব যদি ভুল হাতে পড়ে, তাহলে...

এটা মারাত্বক সর্বনাশা হতে পারে।

তাই, প্লিজ সব ধ্বংস করে দাও।

আমি জানি, কী করতে হবে, তা বলে দেয়াটা তুমি পছন্দ করো না,

কিন্তু, কথা দাও,

এই ভিডিও আর কখনো দেখবেনা তুমি,

কিন্তু, যদি আবার দেখোই...

তুমি আমার সুপ্ত আহ্বান টের পাবে।

আশা করি- কী করণীয়, সেটাও বুঝে যাবে।

বাবা ভালবাসে তোমায়।

"হিমিকো!"

অক্টোবর ৫.

তারা রাণী হিমিকোকে মৃত্যুর জননী বলে ডাকে।

তাকে নিয়ে যত গল্প আছে...

তার সব গল্পই শেষ হয়েছে রক্ত গঙ্গায়।

মানুষকে সম্মোহন করে নিয়ন্ত্রণ করতো সে।

সর্বত্র মৃত্যু এবং ধ্বংস ছড়িয়েছে সে,

তার হাতের একটিমাত্র স্পর্শে।

এই রক্তপাত বন্ধ হয়েছিল,

যখন তার নিজেরই সেনাপতি... তাকে জীবিত সমাহিত করেছিল একটা সমাধিক্ষেত্রে।

বাইরের দুনিয়া থেকে দূরে এক দ্বীপে তাকে কবর দিয়েছিল,

যেখানে কেউ পৌঁছুতে পারবেনা।

ইতিহাস এর অস্তিত্ব মুছে ফেলেছে।

ইয়ামাতাই এর হারানো দ্বীপ।

আমি নিশ্চিত এটাই সেই জায়গা।

জুলাই, ২৯, ২০১১.

অবশেষে একজনকে পেলাম,

যে ওই দ্বীপে আমাকে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছে।

আমাকে সেখানে যেতে হবে, এটা নিশ্চিত হতে, যে...

তার অবাধ্য ক্ষমতা যেন কোন ভুল হাতে না পড়ে।

উম...

এই মাদুলিটা আমার বাবাকে দিয়েছিল...

জাপানের রাজা শোয়া।

ঠিক ঠিক, যাই হোক...

এটা জাপানের তৈরি না।

ঠিক বলেছ।

শোয়া এটা পেয়েছিলেন মারাঠার...

মহারাজার নাতির কাছ থেকে।

মারাঠা? আমাকে হাসাতে চাও নাকি?

সে সেটা পেয়েছিল টাইবু থেকে,

বার্মার শেষ রাজা...

যিনি ভারতে নির্বাসিত হয়েছিলেন।

- "ভারতে নির্বাসিত?" - হুম।

দারুন মজাদার গল্প তো।

সব প্রমাণাদি কাগজপত্রে লিখিত আছে তোমার কাছে?

কাগজপত্র যদি আমার কাছে থাকতো,

এটা নিয়ে জাদুঘরে যেতাম আমি, কিন্তু...

আজ তোমার দিন ভাল।

তাই নাকি?

এলেন, তোমাকে না কাস্টমারদের সাথে টাংকি মারতে মানা করেছি?

জাস্ট সাধারণভাবেই আলাপ করছি। টাংকি মারছি না কোন।

টাংকিই কিন্তু মারছিলাম...

দেখতো এটা।

সব সময়ের মতোই সুন্দর একটা হাসি।

ভালোই। আমি কি বলি...

তোমাকে বরং একটা ভাল অফার দেই।

দশ।

প্লিজ।

আরেকটু বাড়া যায় না?

আমার বাবার এটাই শেষ স্মৃতি চিহ্ন।

ওহ, তোমার বাবা মারা গেছে।

আফসোস, এটা আসলেই কষ্টের কথা

কোন তরুণীর জন্য তার বাবাকে হারানো।

আসলেই। ঠিক আছে ৯০০০ তাহলে।

তুমি তো মাত্র ১০ বললে?

আসলে সবাই এখানে এসে সবসময়...

মরা বাবার অজুহাতটাই দেখায়।

আর তুমিও সেটা বোকার মত বিশ্বাস করো।

আমি সব সময় এমন ভুল করিনা।

গত সপ্তাহে দুইবার বোকা হয়েছো।

মাত্র দুই বার করেছি।

এটাই সত্য।

ভাল, দামদর করতে ভালোই লাগছে...

কারন এখন দাম হচ্ছে ৮।

- আচ্ছা, তুমিই জিতেছ। - অবশেষে।

ধন্যবাদ তোমাকে।

ধন্যবাদ।

একারনেই এটা লাগিয়েছি!

একারনেই এটা দিলাম।

সে তো আমাকে পুড়িয়েই ফেলছিল!

নিজেকে বদলাও, এলেন। অনেক হয়েছে।

মারাত্মক গরম কফি।

মাফ করবেন, ইংরেজি জানেন আপনি?

না, না।

না? ধন্যবাদ।

দুঃখিত, মাফ করবেন।

লু রেন কে চেনেন? লু রেন?

নামই শোনেন নি?

- ইংরেজি জানো? - লেডি।

সাহায্য লাগবে নাকি তোমার?

হ্যা।

লু রেন নামে এই লোকটাকে খুঁজছি আমি।

সে সম্ভবত...

- লু রেন এর নৌকা। - হ্যা।

এন্ডারেন্স, অইতো, ওই দিকটাতে।

"এন্ডারেন্স"? কোনটা?

ওই!

থামো!

সামনে এগুবে না একদম!

আমার ব্যাগ ফেরত দাও।

বখশিশটা হারালে আরকি।

তোর জিহ্বাটা হারাবি এখন!

লু! লু রেন!

বাঁচাও! বাঁচাও!

ভাগো! সে আবার টাল হয়েছে।

ধন্যবাদ।

কী?

আমার নৌকায় কী করছ তুমি?

আমি তাদের সাথের না।

আমি লু রেন নামে একজনকে খুঁজছি।

অভিনন্দন, তুমি পেয়ে গেছ আমাকে। এবার ভাগো এখান থেকে।

প্লিজ, দাঁড়াও... কথা শোন আমার...

আচ্ছা, চলো।

আমি এখানে কোন ঝামেলা বাঁধাতে আসিনি।

হাটতে থাকো।

তুমি কি বন্দুকটা একটু নামিয়ে আমার কথা শুনবে...

ওহ খোদা!

আমার বাবা, রিচার্ড ক্রফট তোমার কাছ থেকে একটা নৌকা কিনতে চেয়েছিল।

না, এখানে আসেনি সে।

হ্যা, এসেছিল সে।

তুমিই তো লু রেন।

এটা তো তোমারই।

হ্যা, আমি আমার নাম জানি। ধন্যবাদ।

আমার বাবারও একই নাম। সে'ই লিখেছিল এটা, আমি না।

তাহলে আমি তার সাথে কথা বলতে চাই।

তোমার মত হাজার লোকের কাছেই তার দেনা রয়েছে...

- কোথায় সে? - আমি কিছু জানি না! বুঝেছো?

একদিন সে তার নৌকা নিয়ে হওয়া হয়ে গেল,

তারপর আর তাকে দেখিনি আমি।

সেটা কি সাত বছর আগে?

মনে হয় আমি জানি, আমাদের বাবারা কোথায় গিয়েছিল।

পাতালপুরিতে গিয়েছে নাকি?

এক জনশূন্য দ্বীপের দিকে গিয়েছে তারা।

জাপানের উপকূল থেকে দূরে কোথাও।

ইয়ামাতাই নামে ডাকা হতো দ্বীপটিকে।

তাদের সাথে কী হয়েছে, সেখানে গিয়ে সেটা বের করতে চাই আমি।

শুভকামনা রইল। কমপক্ষে ৬ হাজার দ্বীপ আছে...

জাপানের উপকূলের আশেপাশে।

সেখানে মানুষও পাবে কিনা সন্দেহ।

যাই হোক... আমার কাছে একটা ম্যাপ আছে।

এখন আমাকে শুধু এসবের মানে উদ্ধার করতে হবে।

মনে হয় এগুলো স্থানাঙ্ক।

অবস্থান।

এগুলো ঘড়ির কাটা।

এগুলো ঘড়ির কাটা না।

নিশ্চিত ঘড়ির কাটা না।

এগুলো তো ঘড়ির কাটাই!

তিনটা...

এই একটা!

এটা শয়তান সাগরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত।

হয়তো তোমাকে পায়ে পাথর বাঁধতে হবে

আর নৌকা থেকে জলে ঝাঁপাতে হবে।

দারুন একটা রোমাঞ্চকর অভিযান হবে!

মৃত্যু কখনো রোমাঞ্চকর হয়না।

তুমি কি আসলেই জানতে চাও না, কী হয়েছে তাদের?

ওসবে আমার কিছু যায় আসে না, বুঝেছো?

দেখ, আমি ব্যাস্ত মানুষ। অনেক কাজ পড়ে আছে।

গতরাতে কত টাকা হেরেছিলে?

এরকম ভাবার কারণ?

দেখে মনে হচ্ছে শোক ভুলার চেষ্টা করছো,

সেলিব্রেট তো করছো না।

আমাকে ইয়ামাতাই নিয়ে গেলে এগুলো তোমার।

এ টাকা খরচ করবো কিসে? আমার কফিনে?

তাহলে বরং এটার মত দুটো জং ধরা বালতি জোগাড় করি গিয়ে।

একটা নৌকা নাও, কিংবা দুটো...

সবগুলোই জায়গামতো আশ্রয় নেয়ার আগেই ডুবে যাবে।

তোমার আসলে একজন অভিজ্ঞ নাবিক দরকার।

তো, অন্য জুতোয় কী আছে?

জুন 23.

সম্ভবত আমি ধাঁধার দ্বিতীয় অংশটা খুঁজে পেয়েছি।

পুরোনো ড্রয়িংটা সেই সমাধির আভাস দিচ্ছে...

যেখানে জটিল এক দরজা রাণীকে সুরক্ষিত ভাবে আগলে রেখেছে।

আমি সংকেত গুলোর মানে বের করার একটা উপায় পেয়েছি।

আমি নিশ্চিত, তার কাছে পৌঁছুতে পারব।

সমাধির প্রাচীন ইতিহাস জানতে হলে

হিমিকোর ভাগ্য পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হবে।

আত্মার গভীর খাদ অতিক্রম করতে হবে,

হিমিকোর সামনে দাঁড়াতে বাঁচার জন্য পুজো করতে হবে,

হাজারো ভৃত্যের আক্রমন প্রতিহত করতে হবে

যারা হিমিকোর শেষ নিদ্রার জায়গায় প্রহরা দিচ্ছে,

তার চাবুক ছিনিয়ে নেয়ার মাধ্যমে।

জুলাই 6

আমি নিশ্চিত, আমার কাজে কেউ নজর রাখছে।

তাদের নামও এখন আমার জানা...

"অর্ডার অফ ট্রিনিটি।"

একটা পুরোনো জঙ্গী সংগঠন, যারা...

অতি প্রাকৃতিক ক্ষমতার শক্তি অর্জন করতে চায়...

যাতে পুরো মানব সভ্যতাকে তারা শাসন করতে পারে।

ট্রিনিটির আকাঙ্খিত অস্ত্রটা যদি হয় এই হিমিকো, তাহলে কী হবে?

ঘুম আসছে না নাকি?

পরিবেশটা খুব সুন্দর।

যতক্ষন পারো, মজা করে নাও।

আমরা বিস্তৃত আর উত্তাল সাগরের দিকে এগুচ্ছি...

যা হংকং আর ক্যালিফোর্নিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর জায়গা।

ছুটি কিভাবে কাটাতে হয়, তোমার বাবা নিশ্চই জানতো সেটা।

হু, অপ্রত্যাশিত জিনিস সামাল দেয়ার দক্ষতা ছিল তার।

সে পাগল হয়ে গিয়ে থাকলেও আমি অবাক হবোনা।

সম্ভবত সে জানতো না, কোনটা যে বাস্তবতা আর কোনটা না।

কোন এক প্রাচীন মৃত্যুর রাণী দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল সে।

কিছু পুরুষ আসলে মেয়েলোকের মত বেয়াড়া হয়।

আর কিছু পুরুষ হয় খুব বোকা।

কী?

শুভ রাত্রি, লু রেন। সুইট ড্রিমস।

উইলিয়াম এর মত না হলেও বেশ কাছাকাছি ছিল।

উইলিয়াম তো পৌরাণিক গল্পের নায়ক, বাবা।

সব পৌরাণিক গল্পের ভিত্তিই হচ্ছে বাস্তবতা।

আমাকে আবার যেতে হবে, বাছা।

মাত্রই তো এলে।

- আমার শুন্যতা টের পাবার আগেই... - তার আগেই ফিরে আসবে তুমি।

এনা তোমাকে দেখে রাখবে।

আমি চাইনা তোমার কোন কর্মচারী আমাকে বাচ্চার মত পাহারা দিক।

আমি নিজের খেয়াল রাখতে পারি।

সোনা আমার।

লারা...

বাবা ভালবাসে তোমায়, কখনো ভুলো না সেটা।

জানি আমি।

জানতাম, ঝাঁকুনিতে ঘুম ভেঙে যাবে তোমার।

তোমার দ্বীপই আমাদের খুঁজে নিয়েছে।

ইয়ামাতাই!

জাহাজের সব নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছি!

- জাহাজ ছাড়তে হবে আমাদের! - কী?

এটা ডুবলে মারা পড়ব নিশ্চিত।

এটা বেশিক্ষণ টিকবে না।

এখান থেকে আমাদের এক্ষুণি বেরুতে হবে!

দাঁড়াও!

বাবার কাগজপত্র!

বাদ দাও ওসব! লারা!

ওহ!

লারা, জলদি!

লু!

লাইফবোট!

সাবধান!

লু!

লু!

কোথায় আমি?

ঘুম ভাঙল দেখছি।

তোমার জন্য চিন্তা হচ্ছিল আমার।

প্রবাল পাথর।

ঐটাতেই আঘাত পেয়েছিলে তুমি।

ভাগ্য ভাল, তোমাকে খুঁজে পেয়েছি।

অধিকাংশরাই, এখানে আসার চেষ্টা করে যারা, স্রোতেই মারা পড়ে।

এখানে আসাটা একরকম অসম্ভব।

আর এখান থেকে যাওয়াটা আরো কঠিন।

আমার ব্যাগ...?

এই যে, এখানে।

এখানে তুমি কেন এসেছো, লারা?

আমার দুইটা মেয়ে আছে।

তোমার মতোই কালো চুল।

তোমার মতোই সুন্দরী।

মাফ করবে...

ভদ্রতা ভুলে গেছি। অনেকদিন কোন অতিথির সাক্ষাৎ পাইনি কিনা।.

আমার নাম ম্যাথিয়াস ভোগেল।

ক্ষিধে পেয়েছে নিশ্চই।

একসময় মনে হতো...

এই ক্যানগুলোর কোন একটায়,

কারো কান পাওয়া যেতে পারে।

এটা ভীষন পাগলামি, তাই না?

এতদিন এক দ্বীপে আটকা থাকলে

তোমার মাথাও কিছুটা খারাপ হয়ে যাবে।

আমার কথা হয় শুধুমাত্র...

এই ফোনের অন্য প্রান্তের একজনের সাথে।

আর সেও একই কথাই বলে।

এই দ্বীপে আমার কাজ না ফুরানো পর্যন্ত বাড়ি ফেরার কোন উপায় নেই।

কী ধরনের কাজ করো তুমি?

নানা ধরনের কাজ। আমার কর্তা যেভাবে বলেন আরকি।

এটা খুঁজছো তো?

আমার মন্দ ভাগ্যই বারবার চমকে দেয় আমাকে।

"হিমিকোর দরজা।"

রিচার্ড প্রবেশ পথ খুঁজে পেয়েছিল।

কত সময় যে নষ্ট হলো।

তুমি যে জিনিসটা নিয়ে এসেছো...

দুনিয়াতে সেটা আমার সবচাইতে আকাঙ্খিত জিনিস।

অনেক ধন্যবাদ তোমাকে।

আমার বাবার সম্পর্কে কী জানো তুমি?

এখন আমি সেই মিল খুঁজে পাচ্ছি,

সেই একই চেহারা, একই বুদ্ধিমত্তা।

সেই একই বেয়াড়াপনা।

দরকার ছিল তার সহযোগিতা।

কিন্তু সে রিচার্ড বলেই, প্রত্যাখ্যান করেছে আমাকে।

সে ভেবেছে, দুনিয়াকে রক্ষা করছে সে।

সে কোথায়?

সে এখন কোথায়?

ঈশ্বরের কাছে। মেরে ফেলেছি কিনা।

দুঃখিত, একটু বেশিই নিরস ভাবে বললাম মনে হয়। গুছিয়ে বলার অভ্যাস নেই কিনা।

সাত বছর পেরিয়ে গেছে।

সাতটি বছর।

চলো।

জলদি! জলদি!

নিচে নামো।

সরাও এটা!

আগাও!

সামনে আগাও!

চলো!

তোলো এটা!

সামনে যাও, জলদি!

বাধো তাকে!

যার যার কাজে যাও!

লারা ক্রফট!

তোমার এখানে আসাটা উচিত হয়নি।

কিন্তু আসতে পেরেছো বলে ভীষন খুশি হয়েছি।

সব গুছিয়ে নাও! আমরা ক্যাম্প সরিয়ে নিচ্ছি!

সবাই, সব গুছিয়ে নাও!

ক্যাম্প সরিয়ে নেয়া হবে!

আগাও সবাই!

সরাও এটা, জলদি!

জলদি! সামনে আগাও!

এই মানুষগুলো কারা?

কেউ কেউ জাহাজের জেলে।

সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে কিছু স্মাগলারকে ভাড়া করা হয়েছিল...

তার বদলে তারা তাদের এখানে নিয়ে এসেছে।

আগাও সবাই!

সে আমার বাবাকে মেরে ফেলেছে।

আমার বাবাকেও মেরেছে সে।

তারা দেখেছে সবাই।

ঠান্ডা মাথায় মেরেছে।

দুঃখিত।

তোমাকে এখানে এনে ঝামেলায় ফেলেছি।

আসলে, তুমি একটা মাতাল নাবিকের ফায়দা লুটেছ।

আরে, তাড়াতাড়ি হাটো!

অন্তত, এখনো একেবারে মরে তো আর যাইনি।

তা না!

উপরে কিছু লোক লাগবে!

তাড়াতাড়ি করো!

তুমি ঠিক আছো?

তাকে তোল, আর নিজের কাজে যাও!

দাঁড়াও।

- এক্ষুণি! - তাকে বিশ্রাম নিতে দাও, আমরা ম্যানেজ করে নিব।

তাকে এক্ষুণি কাজে যেতে হবে!

সে অসুস্থ, তার খানিকটা বিশ্রাম দরকার।

যার যার কাজে যাও!

কথা কানে যায় না! যার যার কাজে যাও!

হেই লারা...

লারা, প্রস্তুত থেকো!

হেই।

যাও!

যাও!

সাবধান!

সবাই ছড়িয়ে পড়ো।

ধর তাকে!

তাকে ধর!

সে তো নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে, আমরাও কি ঝাঁপ দিব?

না।

তার পিছু নেয়ার জন্য রগ কে পাঠাব।

সে বাচঁলে, রগ তাকে ফেরত নিয়ে আসবে।

সত্যি?!

ধীরে, মাথা ঠান্ডা করো। তোমাকে ক্যাম্পে ফিরিয়ে নিয়ে যাব।

জোরাজুরি বন্ধ কর!

দাঁড়াও!

না, না, না!

আমি পাগল হইনি, সব কল্পনা।

পাত্তা না দিলেই সব মিলিয়ে যাবে।

বাবা?

দেখো আমাকে।

বাবা?

এসব সত্যি না। পাত্তা না দিলেই মিলিয়ে যাবে।

আমার দিকে তাকাও।

প্লিজ।

তোমার কি এটার কথা মনে আছে?

সবসময় আমরা এটা....

আমিই বাবা!

আমি লারা!

বাছা!

এই জায়গায় তুমি কী করছো?

বাবা, খুব যন্ত্রণা হচ্ছে! বাঁচাও আমাকে!

ভয় পেওনা।

এটা তোমার চেয়ে আমাকে বেশি কষ্ট দিবে।

মানে?

তুমি ঠিক আছো।

সব ঠিক হয়ে গেছে।

কোন ব্যাপার না।

কাজ হয়ে গেছে।

এখন বিশ্রাম নাও।

তুমি আমার পাশে আছো তো?

কোথাও যাচ্ছি না আমি।

ভোগেল! পেয়ে গেছি!

সাবাস! আমরা পেয়ে গেছি।

পেয়ে গেছি তাকে।

ট্রান্সপোর্ট পাঠাও।

ভেবেছিলাম, চলে গেছো বুঝি।

যখনই তোমাকে এখানে দেখতে পেতাম,

তুমিই হওয়ায় মিলিয়ে যেতে।

দাও, আমি করে দিচ্ছি।

এদিকে এসো।

যাই হোক, তুমি কতদূর কী করলে?

কোথায় পড়েছ, অক্সফোর্ডে না ক্যামব্রিজে?

বলোনা, কোথায় পড়েছ?

আসলে জানো, বাবা...

কোন ইউনিভার্সিটিতে যাইনি আমি।

এখনো ঢের সময় আছে। তুমিতো এখনো বাচ্চাই।

না, আমি বাচ্চা ছিলাম তখন যখন আমায় ছেড়ে এসেছিলে তুমি।

আহ! আস্তে!

জীবনের সবচাইতে কঠিন দিন ছিল...

যখন তোমার কাছে ফেরার আশা বাদ দিতে হয়েছিল।

বুঝতে পেরেছিলাম, সে এখান থেকে যেতে দিবেনা আমায়।

কার কথা বলছো? কে "সে"?

হিমিকো!

ট্রিনিটি ভোগেলকে পাঠিয়েছে তার সমাধি খোঁজার জন্য।

যাতে সে তার সুপ্ত ক্ষমতা লাভ করতে পারে।

তাদেরকে থামাতে হবে।

ঠিক।

ভোগেল আমাকে ছাড়া কোনভাবেই সমাধি খুঁজে পাবে না।

যদি আমি মরে যাই...

আর আমার রিসার্চের সব কাগজ যদি তুমি পুড়িয়ে ফেলে থাকো,

জীবনেও সে খুঁজে পাবে না সেটা।

তো...

সেক্ষেত্রে...

"সব কাগজ" বলতে কী বুঝাচ্ছো

তুমি কী বুঝতে পারছোনা?

কাগজগুলো যদি পুড়িয়েই ফেলতাম, তোমাকে কখনোই খুঁজে পেতাম না।

যেভাবে পেরেছি, যেখানেই পেরেছি, ভুল তথ্য দিয়ে তাদের দূরে রেখেছি।

এত বছর আড়ালে তাদের নজরে রেখেছি যাতে তারা ভুল পথে হাটে,

আর তুমি কিনা নিজ হাতে তাদের সব দেখিয়ে এলে।

একটা বন্দুকওয়ালা পাগল, প্রাচীন কোন সমাধি খুঁজেই পেলো।

তো কী হয়েছে তাতে?

ভোগেল যদি সেই সমাধি উন্মোচিত করে ফেলে...

হিমিকোর অভিশাপ পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে।

বাবা, শোন...

এখানে আসাটা, তোমার একটা ভুল ছিল।

তোমাকে খুঁজতেই এখানে আসতে হয়েছে আমার।

সমাধি যতক্ষণ সুরক্ষিত ছিল,

তুমিও সুরক্ষিত ছিলে।

আমি তোমার নিরাপত্তা চেয়েছিলাম।

কিন্তু আমি আসলে ছোট করে দেখেছি...

কী?

- আমার নির্বুদ্ধিতাকে? - না।

তোমার সাহসিকতাকে।

আমাদের এখন থেকে বেরুতে হবে।.

কোন উপায় নেই, লারা!.

ভোগালের কাছে একটা স্যাটেলাইট ফোন আছে।

এটা হাতাতে পারলে আমরা সাহায্য চেয়ে ফোন করতে পারি।

ভোগালের একটা জঙ্গি বাহিনী আছে।

তুমিই আমাকে শিখিয়েছ- কখনো আশা ছাড়তে নেই।

তখন ভিন্ন সময় ছিল।

আমিও ছিলাম ভিন্ন একটা মানুষ।

- লারা... - আমি এখনো সেই ভিন্ন মানুষটারই মেয়ে।

লারা!

কাম অন!

অন্য ভাবে মেলানোর চেষ্টা করো।

একভাবে না হলে অন্য ভাবে, বারবার চেষ্টা করতে থাকো।

মরা, এটা খোলার কোড কোথায় যে পাই।

আবার বিস্ফোরক লাগাও।

নতুন করে সেট করো।

জ্বি বস।

ঐদিকটায় যাও। ক্যাচাল বন্ধ করো।

বন্দুকটা নাও, আমি স্যাটেলাইট ফোনের জন্য যাচ্ছি।

এখান থেকে সবার বেরুবার একটা উপায় বের করতে হবে।

আমাদের এক্ষুণি পালাতে হবে!

ভোগেল! তারা পালাচ্ছে!

যাও!

গুলি করো সব কয়টাকে!

-তাদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাও। -আচ্ছা।

আমি তোমার পিছনেই আছি। যাও!

ধুর!

আমাদের যেতে হবে।

আমি থাকব।

লারাকে ছেড়ে আমি যাচ্ছি না।

অসাধারন জিনিস, তাই না রিচার্ড?

যদি জানতাম, এতগুলো বছর তুমি বেঁচেই ছিলে।

অন্তত একটা কথা বলার মত মানুষ তো পেতাম।

তোমার সাহায্য লাগবে, রিচার্ড।

দরজাটা খোল।

সাত বছর হয়ে গেছে।

আমি আমার পরিবারের ফিরে কাছে যেতে চাই।

এটা খুললে তোমার পরিবারও থাকবে না।

খোল বলছি।

খোল!

খোল এটা!

অসম্ভব!

নিজে পারলে খুলে নাও।

তুমি সাহায্য করো বা না করো, সমাধির ভিতরে আমি ঢুকবই।

নামাও ওইটা!

Put it down.

তুমি কি ভেবেছো, তীর ছোড়ার আগে

আমি বন্দুকের ট্রিগার টানতে পারবো না?

মারো তাকে, লারা। মারো!

অস্ত্রটা নামিয়ে ফেলো।

মারো তাকে, আমরা তাকে হিমিকোর কাছে যেতে দিতে পারিনা।

তুমি কি এসব আজগুবি গপ্পো বিশ্বাস করো? নিশ্চই না?

তোমার বাবাকে বলো দরজাটা খুলতে, নাহলে মারা পড়বে সে।

তুমি বললে সে শুনবে, লারা।

ট্রান্সপোর্টও চলে আসছে।

আমরা সবাই এই মরার দ্বীপ থেকে বেরুতে পারবো।

সে আমাকে মেরে ফেলুক।

হাজার জীবন বাঁচানোর জন্য একটা মরণ ঢের শ্রেয়।

সিদ্ধান্তটা তোমার।

ট্রিগারে চেপে বসা আঙ্গুলটা তোমার কিনা।

- সরি বাবা। - না!

এতদূরে আমি তোমাকে মরতে দেখতে আসিনি।

আমি নিজেই কাজটা করবো।

আমিই খুলবো এটা।

অবশেষে একজন জ্ঞানসম্পন্ন ক্রফট পেলাম।

লেডিস ফার্স্ট।

পথের চিহ্ন রেখো।

সে এখনো নিঃশ্বাস ফেলছে।

অথবা এটা বায়ুমন্ডলীয় চাপের একটা ফল

হাঁটতে থাকো।

একবার যদি নিজের চেহারাটা দেখতে...

এটা বাইরের মানুষের জন্য ডিজাইন করা হয়নি।

এটা সেখানে রাখা হয়েছে, যেন ভিতরের মানুষ সুরক্ষিত থাকে।

বাবা?

আত্মার খাদ।

এরপর তুমি যাচ্ছ।

"হিমিকোর সামনে দাঁড়াতে বাঁচার জন্য পুজো করতে হবে।"

আমরা কাছাকাছি চলে এসেছি।

"মৃত্যুর রাণী দিনকে রাত করে দেয়।"

"জীবন ফিরিয়ে আনতে তাকে অবশ্যই মরতে হবে।"

ওহহ!

- মেঝে কী হচ্ছে! - লারা!

এসব থামানোর নিশ্চই কোন উপায় আছে।

চারদিকে খেয়াল করো!

জলদি! দ্রুত!

ভোগেল, হচ্ছেটা কী?

"বাঁচতে হলে পুজো করো।"

এটা একটা চাবির ছিদ্র। আমাদের চাবিটা লাগবে!

পুজোর চরকা!

লারা!

এটা কাজ করছে না।

অন্য পুজোর চরকাগুলো চেষ্টা করো!

এটা দেখোতো!

না।

দাঁড়াও।

এটা একটা রঙ এর ধাঁধা!

"মৃত্যুর রাণী দিনকে রাত করে দেয়।"

- কালো! - কালো! এখানে!

ধুর!

নীল!

না!

এইযে!

কাজ করছে না এটা!

লারা!

শেষ একটা! হলুদ!

কাজ হচ্ছে না!

আরেকটাবার চেষ্টা করো, মরা!

"মৃত্যুর রাণী দিনকে রাত করে দেয়।"

"জীবন ফিরিয়ে আনতে..."

"জীবন!"

জলদি!

জীবনের রঙ!

মেঝে সব ধ্বসে যাচ্ছে!

সবুজ!

পরিবারে তোমার বুদ্ধিই সবচাইতে বেশি ছিল, সবসময়।

চলো, যাওয়া যাক, বাছা।

মেঝে কোথায় গেল?

ধ্বসে গেছে।

ফ্লেয়ার।

কাম অন, লারা।

আমি বরং তার জন্য যাই।

আমিও তোমার সাথে যাবো।

তোমার বাবা আমাদের জন্য জীবন দিয়েছেন।

হিমিকোর সৈন্য... হাজারো ভৃত্যের সমাবেশ।

এক শাস্ত্রীয় পুজোতে তারা আত্মাহুতি দিয়েছিল...

পরজন্মে রাণীর প্রতি তাদের অর্ঘ্য হিসেবে।

ঠিক তোমার নোটের মতোই।

পেয়ে গেছি তাকে।

ঠিক, এটাই সে। আমাদের কাজ প্রায় শেষ।

তোমার মন পাল্টানোর জন্য এখনো সময় আছে।

কল্পনা আর বাস্তবতার মাঝে অনেক ফারাক, রিচার্ড।

যা তুমি কখনোই বুঝতে চাওনি।

জেন্টেলম্যান।

খোল এটা।

বলেছিলাম না, ভয়ের আসলে কিছুই নেই।

এটা জাস্ট একটা...

...বুড়ো মহিলা।

ট্রান্সপোর্ট এর ব্যবস্থা করো।

কিছু একটা মিলছে না।

এখানের কোন ছবিতেই তাকে অত্যাচারী মনে হচ্ছে না।

দেখে মনে হচ্ছে, সে স্বেচ্ছায় এখানে এসেছে।

তাকে জোর করে আনা হয়নি।

মৃত্যুর রাণী দিনকে রাত করে দেয়।

জীবন ফিরিয়ে আনতে তাকে অবশ্যই মরতে হবে।

"জীবন ফিরিয়ে আনতে..."

সর্বত্র মৃত্যু এবং ধ্বংস ছড়িয়েছে সে, তার হাতের একটিমাত্র স্পর্শে।

সব পৌরাণিক গল্পের ভিত্তিই হচ্ছে ...

...বাস্তবতা।

হাজার জীবন বাঁচানোর জন্য একটা মরণ ঢের শ্রেয়।

দাঁড়াও!

সে নিজেই নিজের জীবন দিয়েছিল।

পৃথিবীকে রক্ষা করছিল সে।

দেখেছো?

ছল চাতুরী সব।

হয়েছে, তাকে নেয়ার ব্যবস্থা করো।

তারা এটাকে জাদু ভেবেছিল।

সে নিজেই এর বাহক ছিল।

তার কোন দোষ ছিলনা...

এটা ছিল একটা মহামারী ব্যাধি।

এজন্যই ট্রিনিটি এটাকে বাইরে নিয়ে আসতে চায়।

এটাকে বাইরে নিয়ে গেলে পুরো পৃথিবীতে হাজার হাজার মানুষ মরবে।

আমার শুধু সামান্য একটু টুকরো লাগবে তোমার।

যাও! ধরো তাকে!

যাক, অনেক হয়েছে, রিচার্ড।

এখন শুধু এখান থেকে বেরুতে হবে।

এখান থেকে কোথাও যাচ্ছ না তুমি!

বুঝতে চেষ্টা করো, রিচার্ড।

তোমার মেয়ের কথাটা ভাবো।

কাম অন!

কাম অন!

- বাবা? - লারা।

ভোগেল চলে গেছে।

- তাকে গিয়ে আটকানো উচিত। - জলদি, চলো যাই।

- না, দূরে থাকো! দূরে থাকো! - কী বলছো তুমি?

আমার আর কিছুই করার নেই।

আমি আক্রান্ত হয়ে গেছি।

না!

আমাকে স্পর্শ করো না! দূরে থাকো তুমি!

তোমাকে অবশ্যই ভোগেলকে থামাতে হবে, আর এই দোজখ থেকে বেরুতে হবে।

আর আমি হিমিকোকে শেষবারের মত চিরতরে সমাহিত করে দিব।

সবে তো তোমাকে খুঁজে পেলাম।

কথা দাও, তাকে থামাবে তুমি! কথা দাও আমায়!

কোন না কোন উপায় নিশ্চই আছে!

লারা,

তুমি খুব বুদ্ধিমতী একটা মেয়ে।

অন্য কোন উপায় নেই।

তোমাকে আমার প্রয়োজন, বাবা।

না, প্রয়োজন নেই। আমার একার দশ জনের সমান তুমি।

তুমি বলেছিলে না? ম্যাজিক বিশ্বাস করো না?

তাহলে এসব কী? সোনা আমার?

এই দ্বীপে একা একা সবসময়...

তোমার বেড়ে ওঠা দেখার স্বপ্ন বুনতাম।

না।

এখন আমার চোখের সামনে তুমি।

এটাই তো ম্যাজিক!

মন শক্ত করো বাছা।

অনেক কাজ পড়ে আছে।

যাও, সামনে আগাও!

একদম সময় নেই, লারা!

যাও, যাও তুমি!

বাবা ভালবাসে তোমায়...

I love you.

ওরে বাচ্চা মেয়ে! আসলেই লড়তে চাও নাকি?

তারচেয়ে বরং বাড়ি ফেরা যাক।

তুই কাউকে রক্ষা করতে পারবিনা।

ট্রিনিটি সব জায়গায় ছড়িয়ে আছে।

আচ্ছা?

আমি কথা দিয়েছি।

না, না, না!

তুই এখান থেকে কোনভাবেই বেরুতে পারবিনা!

না, না!

রিচার্ডের সাথে সাক্ষাৎ হলে,

তাকে আমার শুভেচ্ছা জানাস।

সেটা তুই নিজেই জানিয়ে দিস।

তুই ভুল পরিবারের সাথে পাঙ্গা নিয়েছিস!

লারা!

লারা!

লারা?

অন্তত এখনো...

একেবারে মরে তো আর যাইনি আমরা।

তা না।

ভোগেল, ব্যাটেল ট্রান্সপোর্ট ব্রাভো 5 থেকে বলছি।

ভোগেল, আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছ?

বস।

তো তোমরাই আমাদের বাড়ি নিয়ে যাচ্ছ, তাই না?

অফিসিয়ালি সে এখন মৃত।

আমি বিশ্বাস করিনা, সে মারা গেছে।

- তোমার মাঝেই তার ছায়া রয়েছে। - ধন্যবাদ, এনা।

সত্যি।

সবকিছুর দায়িত্বে এখন তুমিই, লারা।

এটা আমাদের সকল সম্পত্তির লিস্ট।

ধন্যবাদ।

আমার মনে হয়, তুমিই দায়িত্বে থাকলে সবকিছুর ভাল উন্নতি হবে, এনা।

তা, তুমি যেটা ভাল মনে করো...

লেনা দেনা, ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র,

ওসবের সাথে আমার খুব একটা যায় না।

বাবাও তেমন ছিল না। সে রকমই বুঝা গেল।

এই সব কোম্পানি কি আমাদেরই?

হ্যা।

তাদের নামও এখন আমার জানা...

অর্ডার অফ ট্রিনিটি।

একটা পুরোনো জঙ্গী সংগঠন, যারা...

অতি প্রাকৃতিক ক্ষমতার শক্তি অর্জন করতে চায়...

যাতে পুরো মানব সভ্যতাকে তারা শাসন করতে পারে।

কী ধরনের কাজ করো তুমি?

নানা ধরনের কাজ। আমার কর্তা যেভাবে বলেন আরকি।

এই সব কোম্পানি কি আমাদেরই?

তুই কাউকে রক্ষা করতে পারবিনা।

ট্রিনিটি সব জায়গায় ছড়িয়ে আছে।

আমি জানি, মেনে নেয়াটা কঠিন অনেক...

কিন্তু তোমাকে এসে কাগজগুলোকে অবশ্যই স্বাক্ষর করতে হবে।

আমার মনে হয়, তুমিই দায়িত্বে থাকলে

সবকিছুর ভাল উন্নতি হবে, এনা।

তা, তুমি যেটা ভাল মনে করো...

আমার কথা হয় শুধুমাত্র...

এই ফোনের অন্য প্রান্তের একজনের সাথে।

তোমাকে বুঝতে হবে,

আমরা ক্রফট পরিবার, অনেক দায়িত্ব আমাদের....

অনেক কাজ পড়ে আছে।

Tomb Raider ভাবানুবাদঃ কুশল ০১৯১৮১১০০৯৯ www.facebook.com/dhup.chaya.161 Our group on facebook: Bangla Subtitle

আরে, তুমি আবারো?

মাদুলিটার জন্য ফিরে আসলাম।

ভেবেছিলাম ভুলে গেছো তুমি।

এর একটা রক্তক্ষয়ী ইতিহাস আছে।

বলেছিলাম না, দিনটা তোমার জন্য ভালো ছিল।

হ্যা, তা বলেছিলে।

- আবার শুরু করেছো, এলেন? - আরে নাহ।

জানিনা, দুনিয়ার খবর রাখো কিনা, কিন্তু...

আজকাল এত সতর্ক হয়েও লাভ নেই,

কারন পুরো দুনিয়াতেই পাগলামি বেড়ে গেছে।

হ্যা, হ্যা, ধন্যবাদ, এলেন।

তোমার হাতেরটা হচ্ছে একটা HK USP, 9 mil, বর্ধিত ম্যাগজিন।

আমারো নিজস্ব পছন্দ এটা।

তোমার ভাল লেগেছে?

তা আর বলতে।

আমি দুইটাই নিব।

ভাবানুবাদঃ কুশল ০১৯১৮১১০০৯৯ www.facebook.com/dhup.chaya.161 Our group on facebook: Bangla Subtitle

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.