All language subtitles for [SubtitleTools.com] Unstoppable.2018.HDRip.Bsub.by.ArRmaN

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese Download
jw Javanese Download
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

আজকে একটু খাটা যাক!

- ওটা ছেড়ে মালের গাড়িটা নিয়ে আসো। - জ্বী, স্যার!

- তাজা হবে? - সব তাজা!

- আমারগুলো কোথায়? - কিছুক্ষণ বাদে দিয়ে আসবো।

- আজকের মাছ তাজা না? - হ্যাঁ, ভালোই।

দিনটা ব্যস্ত কাটবে। যাও!

শেষের দিকটায় আগে যেও।

হ্যাঁ!

- আমারগুলো? - একটু সবুর করুন। শীঘ্রই এসে পড়বে।

- ছুন-শিক! - সামনের সপ্তাহে বেতন পাবো।

- সু-সুং এর ওখানে ২ বক্স। - আর ৪ বক্স ম্যাকরল!

- এক বক্স ম্যাকরল অর্ডার করেছিলেন! - ধন্যবাদ।

- আপনার সরি। - এখানে রাখুন।

- কাল ২ টা ম্যাকরল দিবেন। - আচ্ছা।

- হ্যালো। - হ্যাঁ।

- আমি যাচ্ছি। - বাই।

- ধন্যবাদ। - আপনাকেও ধন্যবাদ।

- আমার শেষ। - আমারও।

দেখো!

- এরকম করতে পারো না। - আর কিছুদিন সময় দিন।

সময়? যথেষ্ট সময় দিয়েছি!

বিশ্বাস করুন এবার নিশ্চিত দিয়ে দেবো।

না দিতে পারলে বেরিয়ে যাও!

হারামী। ও ইউনিয়ন লিডার নাকি গ্যাংস্টার?

না বলেকয়ে জায়গাটার সংস্কার করে

এখন বিক্রেতাদের টাকা দিতে জোর করছে।

অনেক বাড় বেড়েছে।

তোমার টাকাও তো দেয়নি, নাকি?

গত মাসেরটা এখনো বাকী। আশাকরি এই মাসে দিয়ে দিবে।

আমাদেরকে ডেলিভারি সার্ভিস ভাবে?

যেনো জিনিস ডেলিভারি করছি তাই পয়সা পাচ্ছি না।

ওর ভাগ্য ভালো যে আমরা আগের মতো নেই।

চুপ। এদিকে আসছে।

- আরে খাং। - জ্বী, স্যার।

সবকটা দোকানে পৌঁছে দিয়েছি।

ভালো।

এভাবে কাজ করে যাও!

ভালো থাকবেন, স্যার।

খুশি নাকি?

হারামীটা।

হ্যাঁ, ভাই!

বুঝেছি।

আসছি তাহলে।

- তাড়াতাড়ি চলো। - কোথায় যাচ্ছো?

বোধহয় ইতিমধ্যেই বুঝিয়ে বলেছি?

মাত্র ৩ মাস সময় লাগবে

নয়তো সর্বোচ্চ ৬ মাস লাগবে আপনার ইনভেস্টমেন্ট উসুল করতে।

এডভান্সটা আগে পেতে পারি?

কীসের অপেক্ষা করছো?

ন্যাশনাল মার্কেটের ৫০% এর বেশি তিনি পরিচালনা করেন।

সবই ওনার হাতের তালু হয়ে তারপর যায়।

- লজ্জা দিচ্ছেন আমায়। - সত্যিটাই বলছি।

তোমার কথা ভাবি বলেই এই মিটিংয়ের আয়োজন করেছি।

বেশ...

আগে জিনিসটা দেখতে পারি?

কী মনে হয়? চমৎকার না?

কত্ত বড়।

সাবধানে। হাতে চোট পাবেন।

পেট আর পায়ের মাংস দেখুন একবার!

- পাখা মেলো সোনা! - মাগো।

একে আমরা ট্রিপল A লেভেল ডাকি।

এরকম কিছু আগে কখনো দেখেছেন?

তাহলে গভীর সমুদ্রের মাছ ধরার জাহাজ আগামী মাসে আসবে?

আরে, ভাই...

ভাবছেন আমি চিটিংগিরি করছি?

বাদ দেন তাহলে।

ভাই,

ও খুব ভালো লোক

সেকারণে কয়েকবার প্রতারিতও হয়েছে।

আর এই জিনিসের সাথে পরিচিতও না, তাই ওর ব্যাপারটা একটু বুঝুন।

প্লিজ মাফ করবেন।

আপনি এর আগে প্রতারিত হওয়ায় বিস্তারিতভাবে বুঝিয়ে বলছি...

জ্বী।

৩ মাসে লাগে কেন?

ট্রলার আসার জন্য ১ মাস,

মার্কেটে পৌঁছাতে আরেক মাস,

আর শেষের ১ মাস কাস্টমারদের জন্য, কেনা ও খাওয়ার জন্য!

বুঝেছেন?

৫.০০০ কিং ক্র‍্যাবের পেছনে ইনভেস্ট করতে যাচ্ছেন, তাইতো?

প্রতি পিসের বাজারমূল্য অন্ততপক্ষে ২০০ ডলার।

এই সাইজের গুলো ৩০০ বেচা যাবে! তো হিসাবটা আপনি কষুন!

তিনশো...

জীবনে কতো কতো লটারি কিনেছেন

কখনো দু-চার পয়সা জিতেছেন?

এটা আসল লটারি।

বলছি আপনাকে,

জাহাজ একবার এসে গেলে

এরকম একটা মাছের ট্রাককে ৩ মাসের মধ্যে বিদায় জানাতে পারবেন।

কারণ হাওয়াই গাড়িতে চড়বেন তখন।

- এই নিন এডভান্স... - ব্যবসাটার ব্যাপারে তুমি নিশ্চিত?

নিশ্চিত, আমি সবরকম খোঁজখবর নিয়েছি।

জিনিসটা দেখো। এটাই আসল ব্যবসা।

- দেখো! এটাই আমাদের শেষ সুযোগ। - আচ্ছা।

এই নিন এডভান্স।

- আমি আর গুনে দেখছি না। - হ্যাঁ, এমাউন্ট ঠিকঠাক আছে।

অনেক কষ্টে টাকাটা জোগাড় করেছি। দয়া করে একটু দেখবেন।

মাত্রই ব্যাংক থেকে তুলে এনেছেন দেখছি।

যাবো?

- ওটা আপনি নিয়ে যান। - ধন্যবাদ, স্যার।

চিন্তা কোরো না। সব ঠিকঠাকই হবে।

অসংখ্য ধন্যবাদ, ভাই।

- কল দিও। - আচ্ছা।

আস্তে আস্তে খান।

- হ্যালো। - হ্যালো।

বস, পেমেন্ট!

- দুজনের জন্য টেবিল। - প্লিজ, ওদিকে।

আজকেও খাটুনি গেছে? এতে ডিনার হয়?

খুব চাপ গেছে। খেতে পর্যন্ত পারিনি।

পানি নাও! পেট খারাপ কোরো না।

তোমারও খিদে পেয়েছে নিশ্চয়ই।

না, তুমি খাও। আমিও লাঞ্চে রোল খেয়েছি।

কিং ক্র‍্যাব রোল খাওয়া ভালো, তাই না?

দেরি করলে যে?

আসলে...

পার্ককে তো চেনো?

একটু কথা বলতে ডেকেছিল।

ইদানীং তার দিনকাল ভালো যাচ্ছে।

শুনলাম কিং ক্র‍্যাবের ব্যবসায় ভালোই টাকা...

- কিং ক্র‍্যাব? - হ্যাঁ, সবাই ওটার ব্যবসা ধরছে।

আমার অগোচরে কোনো ঝামেলা পাকাওনি তো?

একদমই না।

আমি আসলেই তোমার এই শান্ত জীবনযাপনের তারিফ করি।

জানি এটা তোমার পক্ষে কঠিন কিন্তু...

চলো দেনা শোধ করে সব নতুনভাবে শুরু করি।

সেটাই আমি ভাবছি। অন্য কিছু মাথায় নেই।

কিং ক্র‍্যাব আছে অবশ্য।

- এই খবরটা পার্ক কেবল আমাকে দিয়েছে... - সোনা।

তুমি তো জানো সে আমার কাছে কতো ঋণী...

শোনো!

ব্যায়ামের যন্ত্রপাতির কথা ভুলে গেলে? তোমার বন্ধু তো সেটাও শুধুমাত্র তোমাকে বলেছিল!

টাকার সাথে বন্ধুও হারালে!

আর আফ্রিকায় যে হট বানের ব্যবসা করতে চেয়েছিলে সেটা?

হট দেশে হট বান বেচবে? কোন আক্কেলে?

শুনেছিলাম কেনিয়ায় ওই ব্যবসা করে এক লোকের কপাল খুলেছিল।

ব্যস! পাগল করে দিলে।

ওটার কথা মাথায়ও আনবে না!

হ্যাঁ, জানি, বুঝেছি।

পার্ককেও একই কথা বলেছি।

আমার দ্বারা কোনো ব্যবসাই হবে না, কিং ক্র‍্যাব আর যাই হোক।

যদিও আপাতদৃষ্টিতে কিং ক্র‍্যাব রেস্টুরেন্টের অভাব নেই।

চুপ করো।

লোকে একে ভালো ব্যবসা বলে তাই...

- চুপ করতে বলেছি! - আচ্ছা। খেয়ে নাও।

কে?

কে রে!

এই!

দেখেছি তোকে!

কোন ফ্লোর আমি জানি!

ধুর।

প্লিজ।

আরেকটা সুযোগ দিন।

এবার নিশ্চিত দিয়ে দেবো টাকা।

ভালোকরে শুনো।

দাঁড়াও।

তুমি এখানে পা রাখলে, বুঝলে?

আর পিছলে পড়ার মতো পড়ে গেলে

তারপর মাথায় আঘাত পেলে।

সহজ না?

অন্ততপক্ষে তোমার ইনস্যুরেন্সের টাকা তো পাবো।

দেখো এই ক্যাচালের জন্য কতজন এসেছে। ওদের বেতনও দেয়া হচ্ছে না।

একবারেই করা যাক, ওকে?

ওকে, ওকে!

প্লিজ, স্যার।

প্লিজ এমনটা করবেন না।

কেন? খুবই কঠিন নাকি?

প্লিজ।

আরেকটা সুযোগ দিন।

নাকি টেরাস থেকে লাফ দিবে?

সেটা সহজ?

- কত নাম্বার ফ্লোর এটা? - ৭, স্যার।

৭ নাম্বার ফ্লোর...

কাজ হতে পারে।

- লাফ দিয়ে মাথায় আঘাত পেতে পারবে? - না।

ঠিক। যেমনটা মনে হয় তার চেয়েও কঠিন এটা।

আমি একটু সাহায্য করি তবে।

সাহায্য করো!

প্লিজ!

শক্ত করে ধরো নয়তো নিজেরা মরবে।

ঘাবড়াবে না। আমি প্রফেশনাল।

শান্ত থাকো।

৩ গোণার মাধ্যমে, ওকে?

১, ২, ৩!

এই নিন, স্যার।

শক্ত করে ধরতে বলেছিলাম, হারামী।

- মরোনি তো? - না, বস।

বাবা...

সব তো পণ্ড করে দিচ্ছিলাম!

আমার শশুড়মশাইকে মেরে ফেলতাম!

তোমরা বাইরে যাও, এটা নাও।

তাড়াতাড়ি বাইরে যাও!

গিয়ে টিভি দেখো।

বাবা!

আপনার যে একটা সুন্দরী মেয়ে আছে আমায় বলেননি কেন?

বসে কেন? দাঁড়ান।

আপনার হাঁটুর জয়েন্টের পক্ষে এটা ভালো না।

হাঁটুতে ব্যথা পেতে পারেন।

মেয়ে জামাইয়ের সামনে স্বাভাবিক থাকতে পারেন।

আশাকরি আমার উপর রাগ করেননি।

ধুর, নিশ্চয়ই ব্যথা হচ্ছে।

এটাই তোমার মেয়ের লাইফলাইন, বুঝেছো?

পারলে আমাদের ঠেকাও।

বাবা!

একটা সিগারেট দাও তো।

হ্যাঁ? জ্বী, স্যার।

- দেখে চালাও। - হ্যাঁ?

ধুর।

ঠিক আছো? ঘাড়ে ব্যথা পাওনি তো?

ঠিক আছি। একটু ভয় পেয়েছি।

দুঃখিত।

ধুর...

এইযে, স্যার।

শুনছেন?

আপনি ঠিক আছেন?

- হ্যাঁ। - আরও সাবধানে চালাতেন।

আগে গাড়ি ঠিক করিয়ে নিন, আমাদের ইনস্যুরেন্স ক্ষতিপূরণ দিবে।

বেশ, আমার মনে হয় আগে রিপোর্ট করা দরকার।

তাই একটু বের হয়ে গাড়িটা চেক করুন।

দুঃখিত...

কিন্তু আমাদের তাড়া আছে।

এটা রেখে আমাকে যেতে দিন।

এমনিতেও আপনার গাড়িকে ঠিক মনে হচ্ছে।

আপনাকে জোর করছি না।

বয়রা নাকি? আমার কথা শোনেননি?

টাকাটা নিয়ে কেটে পড়ুন।

রিপোর্ট করার জন্য গাড়িটা চেক করতে আপনাকে প্রয়োজন...

এই সরুন!

কী জ্বালা।

কী করছেন আপনি?

বিরক্তিকর, আপনাকে যেতে বললাম!

এটা রাখুন।

নিন!

এই!

হচ্ছেটা কী?

যেখানে আগে ক্ষমা চাওয়ার কথা সেখানে টাকা ছুড়ে মারছেন কেন?

আমাকে সামলাতে দাও। গাড়িতে গিয়ে বসো।

আমরা কোনো ভুল করিনি! এতো অভদ্রতা করছেন কেন?

তুমি চুপ করো।

এই, বের হয়ে আসুন! এক্ষুণি!

আরে, শুনছি তো।

মিস, সমস্যাটা মেটাতে আমি টাকা দিচ্ছি।

ভাবেন টাকার মাধ্যমে সব সমস্যা মেটে? হ্যাঁ?

মেটে না।

দং-ছুল!

কী?

টাকাগুলো তুললে কেন?

আমি তো...

ফেরত দিতে তুলেছি। এই নিন।

পুলিশ ডাকো। পুলিশ ডাকতে বললাম!

বুঝেছি। প্লিজ গাড়িতে গিয়ে বসো। আমাকে দেখতে দাও।

কী সমস্যা তোর?

দুঃখিত, স্যার।

ভুল যখন করেছিস ক্ষমাও চাওয়া উচিত, হারামী!

দুঃখিত।

দুঃখিত।

আপনার সুন্দরী স্ত্রীকে বেশ আপসেট দেখাচ্ছে।

ওর হয়ে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।

আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

জ্বী।

ইনস্যুরেন্সের ব্যবস্থা হয়ে গেলে আপনাকে কল দিবো।

চলো।

- ঠিক আছো? - হ্যাঁ।

ওরা কী?

জানি না। ভয়ংকর কোনো লোকজন হয়তো।

সিট বেল্ট পরো, চলো।

UNSTOPPABLE

বুঝতে পারছি! আজকে আমার কপাল ভালো!

আজকে কপাল খুলে গেছে!

ধুর, আবার এসেছে।

বলেছি তো দিয়ে দেবো! টাকাটা মেরে খাবো না।

জানি কিন্তু টাকাটা আমার আজকে লাগবে

ডেলিভারির মালামাল কিনতে হবে...

জানি। ভালোভাবেই বুঝতে পারছি।

কিন্তু এই ব্যবসায় বাকি দেয়াটা সাধারণ বিষয়।

ভাই-ব্রাদারদের সাথে এতো হিটলারি কেন করছো?

আজকে অন্তত

কিছু টাকা তো দিন।

সমস্যায় আছি।

- সবাই সমস্যায় থাকে! - হাতজোড় করছি।

দুঃখিত আমি।

ধুর...

হা-ইউং। দুই হাজার দাও।

ধুর।

আজকে এটাই দিতে পারি।

কিন্তু...

লাগবে না?

এখানে কাজ করতে চাও না?

জাহাজ কবে আসছে? এক মাস তো হয়ে গেল!

কীভাবে ওরকম একটা বড় জাহাজ হাওয়াই গাড়ির মতো

ঠিক সময়ে পৌঁছাবে?

ধৈর্য ধরো। চলে আসবে।

আমার কিছু টাকার দরকার।

এবার কোনো অঘটন ঘটলে তোমার বউ একদম মেরে ফেলবে।

তুমি জানো পার্ক আমার কাছে কেমন ঋণী

তাই সে আমার কোনো ক্ষতি করতে পারে না।

ভাই।

তোমার কাছে আমি কী?

তুমি?

কীভাবে যে বুঝাই।

তুমি...

খুবই গুরুত্বপূর্ণ...

ভাই, তোমাকে তো পাওয়াই যাচ্ছিল না! তাহলে জাহাজ এসে গেছে?

- খবর দেখেছো? - কীসের খবর?

ঝামেলা হয়ে গেছে।

জাহাজটা ভুল পথে গিয়ে চীনা সমুদ্রসীমা অতিক্রম করে ফেলেছে।

কী? চীনে গেল কেন?

জাহাজটা ধরা পড়েছে...

আর চীনারা বিষয়টাকে

কূটনীতিক ইস্যুর রূপ দিয়েছে। বেশি চিন্তা করো না।

তবে প্রেসিডেন্টই কেবল মিটমাট করতে পারে।

তাই জাহাজের মালিক ব্লু হাউজ বুলেটিনে আবেদন করেছে।

এবার অপেক্ষা করে দেখা যাক।

- কীসের বুলেটিন? - হাল ছেড়ো না।

- দাঁড়াও! - আবার কল দিবো।

কোথায় আবেদন করেছে বললে?

হ্যালো!?

এই পরিচিত আবেগ আমি পছন্দ করি না।

ব্লু হাউজ চেনো?

আমাদের দেশ তা হতে দেবে না।

ব্লু হাউজ বুলেটিনের নাম শুনেছো?

ছাড়ো তো!

লোকটাও না।

আপনার স্বামী নিশ্চয়তা দিয়েও এখনো পরিশোধ করেনি।

আপনি হয়তো জানেনও

কিন্তু বন্ধকের দখল নেয়া একবার শুরু হলে,

রেন্ট ডিপোজিট হয়তো ফেরত পাবেন না।

তা এড়াতে কোনো উপায় আছে?

আসলে...

আছে একটা।

হানি বানি: রাতে দেরি করবে না!

দামী জায়গা মনে হচ্ছে। চলো অন্য কোথাও যাই।

কেন? এরকম একটা দিনে একটু বিলাসিতা করার সামর্থ্য আমরা রাখি।

বসো! দাঁড়াও কোটটা খুলে দিই।

ওয়াও, দেখো একবার!

সুস্বাদু মনে হচ্ছে না?

আজকে একটা আঙুলও নড়াবে না।

আমি খোল ছাড়িয়ে দিচ্ছি। তুমি কেবল খাবে।

সম্ভবত এভাবে কাটতে হবে। কাঁচিটা হাস্যকর।

শুনেছি এটা শরীরের পক্ষে ভালো। টরাইন সমৃদ্ধ

তাই বার্ধক্যজনিত রোগ প্রতিরোধ করে আর মহিলাদের জন্যেও ভালো।

টরাইন তো চেনো।

এছাড়াও এই রেস্টুরেন্ট জন্মদিনের ব্যক্তিকে

তোমার পছন্দের স্প্যাঘেটি দেয়, কারনারা নাকি?

ভালো উদ্যোগ, তাই না?

দেখো!

দেখো দেখি, স্যরি।

তোমার মুখে গিয়ে লাগলো কীভাবে? স্যরি।

এবার ঠিকমতো করবো।

সোনা, আমরা ডিভোর্স নিতে পারি?

বলছো কী এসব?

উকিলের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম।

তিনি বললেন যেহেতু সবে শর্তাধীন দখলের আবেদন করা হয়েছে,

এটা প্রকৃতপক্ষে কার্যকর হতে একটু সময় নিবে।

- তাই... - তাই?

আমরা ভুয়া ডিভোর্স নিলে...

ধুর না! কক্ষনোই সেটা করবো না।

তাহলে কী করবো?

আগামী মাসের ভাড়া কীভাবে দিবে?

আর অন্যসব খরচাপাতি?

না বললাম!

আমি ব্যবস্থা করে নেবো। সত্যি বলছি।

জাহাজটা শুধু আসুক একবার...

জাহাজ?

কীসের জাহাজ?

জাহাজ...

বলতেই যাচ্ছিলাম... কিন্তু সঠিক সময় পাচ্ছিলাম না।

সব সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারবো।

এটা আসলেই ভালো ব্যবসা।

এইবার আমার উপর আস্থা রাখতে হবে। দেখো এটা।

আগে কথা শোনো।

তোমাকে আয়েশে রাখতে চাই। সেকারণেই এটা করেছি।

আর জাহাজ এসে পড়লে সেটা সম্ভব হবে।

তো... এই...

কিং ক্র‍্যাবের পেছনে...

কত টাকা ইনভেস্ট করলে?

বেশি না...

ছোট্ট লোণে...

বড় বিল।

- লোণ? - হ্যাঁ...

যা পেতে পারি তার তুলনায় সামান্য ইনভেস্টমেন্ট!

দশ হাজার?

শেষে আরেকটা শূন্য বসাও...

কী?

এক লাখ!

শুধু কাঁকড়ার পেছনে এতো টাকা ঢাললে কোন আক্কেলে?

শুধু কাঁকড়া নয়। কিং ক্র‍্যাব।

তুমি, তুমি...

খাং দং-ছুল!

চাপ নিও না, জি-সু।

আজকে একটা বিশেষ দিন।

মজাদার খাবার খেয়ে একটু ভালো সময় কাটানো যাক।

থাকো তুমি, এক্ষুণি আসছি। দেরি হবে না।

বসো।

ধন্যবাদ।

ওয়াইফের মন ভালো নেই,

তাই তাড়াতাড়ি নিয়ে যাওয়া উচিত।

ধরবেন না। আমি নিচ্ছি।

জন্মদিনের গান বাজাতে পারবেন?

না, পারছি না।

- ওহ, পারবেন না। - না।

অন্তত একবার?

হ্যাঁ?

- ঠিক আছে। - আচ্ছা।

[ হানি বানি ]

ট্যাক্সিতে আছি। বাসায় দেখা হবে।

[ বিয়ের প্রতিশ্রুতি ]

স্যরি, তোমার উপর আমার আস্থা আছে।

তাড়াতাড়ি বাসায় আসো।

সোনা?

কে?

এই সময়ে আবার কে?

হচ্ছেটা কী...

তাড়াতাড়ি।

যাওয়া যাক।

সোনা, এসে গেছি।

ওভাবে চলে আসা উচিত হয়নি তোমার।

সোনা।

জি-সু।

ঘুমিয়ে পড়লে?

জি-সু!

জি-সু!

এই মুহূর্তে বন্ধ আছে...

জি-সু!

জি-সু...

ক্রাইম সিনের তদন্ত সম্পন্ন করেছি আমরা।

ওখানে একটাই সিকিউরিটি ক্যামেরা আছে

কিন্তু রাত ৯:৩০ থেকে ওটা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

আমাদের বিশ্বাস...

সন্দেহভাজন এই গাড়িটা ব্যবহার করেছিল।

ওটা আগে কখনো দেখেছেন?

না।

পার্কিং লট অন্ধকার থাকায়, আর বৃষ্টির কারণে

প্লেট নাম্বার বোঝা যাচ্ছে না।

যাইহোক, আমরা ট্রাভেল রুটও খোঁজার চেষ্টা করছি।

দয়াকরে ফলাফলের অপেক্ষা করুন।

দয়াকরে আমার স্ত্রীকে খুঁজে বের করুন।

- হ্যাঁ। - হাতজোড় করছি।

কিছু পেলে জানাবো।

ভাই!

কিছু পেলে?

আশেপাশে খোঁজ নিয়েছি... কিন্তু রাতে বৃষ্টি হয়েছিল তো।

আসলে হচ্ছেটা কী?

হ্যালো।

শক পেয়েছো নিশ্চয়ই।

কে বলছেন?

জবাব দিন!

বাহ্, চমৎকার গলা। দাঁড়াও

সোনা।

জি-সু!

জিজ্ঞেস করলে আমি কে।

আমিই তোমার স্ত্রীকে তুলে এনেছি।

পুলিশের কাছে গেলে কেন?

ভাই, কী হয়েছে? কে কল করেছে?

তারা কখনোই খুঁজে পাবে না।

আমার সাথে কথা বলো যেহেতু সে আমার কাছে।

নয়তো পুলিশে যাও। পছন্দ তোমার।

তাহলে ওকে... সরিয়ে দিতে পারি।

এই! দাঁড়াও। দাঁড়াও, বুঝেছি।

আমাকে কী করতে বলো?

তোমার বাসার ফ্রিজে

একটা বিজনেস কার্ড থাকার কথা।

ওখানে ২ টার মধ্যে দেখা করো।

একান্তে কথা বলতে চাই তাই কাউকে না আনলে ভালো হয়।

বুঝেছো? বিদায়!

দাঁড়াও!

ভাই, কী হয়েছে?

কে কল করেছিল?

[ ইছন গ্রিল হাউজ ]

কয়জন আপনারা?

একজনের সাথে ২ টায় দেখা করার ছিল।

আপনি মি. খাং দং-ছুল?

- হ্যাঁ। - এদিকে আসুন।

এটা আপনার।

হারামীর দল।

[ প্রাইভেট নাম্বার ]

হ্যালো?

খাওয়াদাওয়া হচ্ছে?

কী করতে চাচ্ছো?

তোমার কথামতো আসলাম। এখন দেখা দিচ্ছো না কেন?

আমার স্ত্রী কোথায়?

ওখানকার পাঁকাল মাছ দারুণ খেতে...

কাজ পড়ে গেল, কী যে করি।

যাইহোক, একটা ব্যাগ দেখতে পাচ্ছো?

ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আছে। আগ্রহ জাগছে?

খুলে দেখো।

কী এসব?

তোমার বউয়ের দাম।

কী?

আমরা গরিব হলে

বাড়ির জিনিসের বিনিময়ে চাল নিয়ে আসি।

টাকার জন্য চুলও বেচে দিই, আমরা কি সেরকমটা করি না?

চলো বিনিময় করি! আমি তোমার বউ নিই! আর তুমি আমার টাকা।

- কী বাল... - মাছ বেচো, তাই না?

তাহলে বউকে বেচতে পারবে না কেন? সবই তো টাকার জন্য।

প্লিজ স্যার...

আমাদের সাথে এমন করছো কেন?

তোমার বউ বেশ হট। মার্কেটে ভালোই চলবে।

সবাই প্রথম প্রথম ভালোমানুষ সেজে ভাব নেয়।

কিন্তু কেউই টাকা হাতছাড়া করে না! শেষমেশ নিয়ে নেয়!

তুমিও চোখজোড়া একবার বন্ধ করে টাকাটা নিয়ে নিতে পারো।

এক পলকে। কঠিন কিছু না।

আর তোমাকে বলেছিলাম কাউকে না আনতে!

আমার কথা শোনা উচিত ছিল। কষ্ট পেলাম।

ছুন-শিক!

- বের হ, হারামী। - কী হয়েছে?

জ্বী, স্যার।

হ্যালো?

সমস্যা কী?

ঠিক আছো?

শালা কুত্তার বাচ্চা!

না!

- কাউকে কিডন্যাপ করার সাহস হয় কী করে? - না, উনি না!

আন্তরিকভাবে দুঃখিত, স্যার।

গাড়িটা সরাও! তাড়াতাড়ি!

ক্ষমা চাচ্ছি।

কিডন্যাপারের কাছ থেকে টাকাটা পেয়েছেন?

হ্যাঁ।

বসুন।

প্লিজ, বসুন।

বাপরে... অনেক টাকা।

- ডিটেকটিভ জাং! - কী?

আমাকে দ্রুত বেরুতে হবে।

ওনার ওয়াইফকে অপহরণ করা হয়েছে

আর উনি অপহরণকারীর কাছ থেকে টাকা পেয়েছেন।

- টাকাটা নিয়েছেন? - হ্যাঁ।

তাহলে তো...

টাকার জন্য আপনি ওয়াইফকে হস্তান্তর করেছেন?

না, তা নয়।

প্রথমে আমার ওয়াইফকে অপহরণ করা হয় তারপর টাকা পাই।

- তো, তিনি টাকাটা নিয়েছেন - হ্যাঁ

- আর সেটা কিডন্যাপারের কাছ থেকে? - সেরকমই বলছে।

এটা মানব পাচার আইন লঙ্ঘন হতে পারে।

যাইহোক, বুঝেছি।

এটা আমাদের তদন্তের এভিডেন্স হওয়ায়

এখানে রাখছি এটা।

এখানে রাখা লাগবে?

অন্ততপক্ষে সন্দেহভাজনকে সনাক্ত করতে

এটার ফিঙ্গারপ্রিন্ট টেস্ট করা লাগবে।

আমরা নিরাপদে রাখবো, চিন্তা করবেন না।

- হিসাবরক্ষককে ডাকুন। - জ্বী, স্যার।

- গুড নাইট। - ধন্যবাদ, স্যার।

প্যারামিটারের গাড়িগুলোর ব্ল্যাক বক্স চেক করেছেন?

হ্যাঁ, সবকটা চেক করেছি।

কিন্তু ভারী বর্ষণের কারণে স্পষ্টভাবে চেহারা দেখতে পাইনি।

আগে সন্দেহভাজনের গাড়িটা খুঁজে পেতে হবে।

কিন্তু দুইদিন কেটে গেল।

সন্দেহভাজনের গাড়ির সাথে মিলে

এমন মডেল চেক করতে আমরা প্রচুর খাটছি।

অন্য থানাকেও সহযোগিতার জন্য বলেছি,

তাই ধৈর্য ধরুন...

ধুরো! চুপ করো!

বের করো ওদের!

একটু ধৈর্য ধরুন।

কিছু পেলে জানাবো আপনাকে।

এক্সকিউজ মি।

হ্যাঁ, ওদের সাথে কথা বলেছি...

শুনলাম ওদেরকে আগে আক্রমণ করা হয়...

এই ব্যক্তিকে কোথাও দেখেছেন?

নিখোঁজ ব্যক্তি

নিখোঁজ

"বিয়ার" নামের লোকটার সাথে যোগাযোগ আছে?

আছে কিন্তু...

ওকে শুধুমাত্র টাকা কাজ করাতে পারে।

টাকা নেই। তো কাজও নেই।

কিন্তু আমাদের কাছে গ্যাসের টাকাও নেই।

পুলিশকে টাকাগুলো না দেয়া উচিত ছিল...

ওর সমস্যা কী?

আমি বিপদে আছি...

টাকাটা ভীষণ দরকার।

পরে করছি।

এই হারামী আসলেই বুঝে না।

দিয়ে দেবো! বললাম তো!

বের হও!

বের হতে বললাম!

বের কর।

যা।

যা না!

এক্ষুণি আমার টাকা দাও।

তাড়া আছে বলছে।

দিতেই যাচ্ছিলাম। সব টাকা জোগাড় করে রেখেছি।

ধুর, মুশকিল ছিল।

এই, দুঃখিত।

অপেক্ষায় রাখার জন্য দুঃখিত।

আন্তরিকভাবে।

- ভাই... - হ্যাঁ?

আশেপাশের কোনো হেলিকপ্টার লোককে চেনো?

হেলিকপ্টার? মানে মানব পাচার?

হ্যাঁ... ওরাও অন্যসব চক্রের মতো।

ওদের কোথায় পেতে পারি?

বসে অপেক্ষা করো।

লোক খোঁজায় পুলিশের চেয়ে আমরা দ্রুত।

তাই অপেক্ষা করো।

আগে কাপড় পাল্টাই। অপেক্ষা করো কেমন!

- ছুন-শিক। - হ্যাঁ।

তোমার কাহিনী শোনার পর বিষয়টা নিয়ে একটু ভাবলাম।

এটা কোনো অপহরণ নয়।

তবে?

- বলেছিলে সে টাকা পেয়েছে। - হ্যাঁ।

ওটা ভরণপোষণ।

মহিলাটা ভাবছে ডিভোর্স নিতে পারবে না, তাই তাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে

টাকা নিয়ে কেটে পড়ো।

- কিডন্যাপার ওকে হুমকি দিয়েছে! - ধুর।

তাহলে পরকীয়া!

প্রতিনিয়ত অজস্র মানুষ আমাদের প্রচুর পরিমাণে টাকা দিয়ে

তাদের স্বামী কিংবা স্ত্রীকে মেরে ফেলতে বলছে!

কিছুক্ষণ আগে কোথায় ছিলাম জানো?

একটা স্বামীর ছবি তুলতে প্লেনে ছিলাম

যে কিনা বিজনেস ট্রিপে গিয়ে স্ত্রীকে ঠকাচ্ছে!

এই, মিজা!

ঠিকমতো তুলেছো তো?

সাবাশ।

চলো।

জানি সে একটু অদ্ভুত, কিন্তু লোক খোঁজায় তুখোড়।

জি-সু'কে খুঁজে পেতে হবে।

কালকের মধ্যে পারবে?

কালকের মধ্যে?

আজকের দিন তো প্রায় শেষ...

সেটা একটু...

পারবে কি পারবে না?

পারতে পারি...

কিন্তু রাতের জন্য এক্সট্রা টাকা লাগবে...

দাঁড়াও!

আমাকে কথা বলতে দাও।

যাইহোক।

কালকের মধ্যে তাহলে।

লোকটা কে?

প্লিজ সাহায্য করো। হাতজোড় করছি।

- তুমি করছো না কেন? - ধুর...

এটা করা উচিত হবে না...

তাহলে কোরো না।

এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সুন্দরভাবে কাজটা করে দিলে

এর থেকে ৫% দেবো তোমায়।

ভালোকরে পড়ে সিদ্ধান্ত নাও।

কল দিও।

কী এটা?

কীসের ৫%?

এগ্রিমেন্ট।

"ধারা ১, B এর কাছে A এর বিক্রিত দ্রব্য..."

"K-I-N-G..."

বাপরে...

বড় হবে হয়তো, কিং!

কিং ক্র‍্যাব?

এই লোকটা হতে পারে। একদম।

- ব্যাগ! - জুম করো।

ঠিক।

প্লেটটা দেখো। ৯২৯১

সবে আসলাম।

এই গরমে চামড়ার জ্যাকেট পরে আছি কেন?

পরে কল দিবো, ডিটেকটিভ কিম।

- হ্যালো, স্যার। - হ্যালো।

আপনাদের সেল লিস্ট দেখার ছিল।

লিস্ট... ভেতরে চলুন।

- ভেতরে? - হ্যাঁ।

বাইরে দেখাতে পারেন না?

কম্পিউটার ভেতরে।

আপনার টাইটেলটা...?

- হেড অব সেলস। - তাই?

- আশাকরি ভুয়া অফার দেন না। - অবশ্যয়ই না।

পেয়েছি!

কার্নিভাল।

ছই মান-শিক।

ছই মান-শিক? ওকে। এক্ষুণি আসছি।

বাড়িটা তো বেশ সুন্দর। বড়লোকরা বেশি টাকা টাকা করে।

৯২৯১ এর মালিক এখানে থাকে। এই নাও ডকুমেন্ট।

ওহ, তুমি তো দারুণ। দেখো কত তাড়াতাড়ি খুঁজে পেলে।

আমি সবসময়ই দারুণ। শালা হারামী।

তো এখন আমরা কী করবো?

এটা খুবই বিপদজনক তাই তোমরা এখানে থাকো আর আমি...

ভাই! বিপদজনক বলছে! দাঁড়াও!

একা গিয়ে ওখানে কী করতে পারবে?

- সবসময় এমন করে। - হ্যাঁ।

ওটার বিনিময়ে কত পেয়েছো?

৫ গ্র‍্যান্ড।

ওরে হারামী! মাত্র ৫ হাজারে নিজের নাম বেচে দিলি?

টাকাটা দরকার ছিল।

- বাচ্চাদের খাওয়াতে হতো। - ধুর শালা।

গোটা বাড়ি জুয়ায় হারিয়ে এখন বাচ্চাদের চিন্তা করছিস?

তোকে বলছি!

কে তোমার প্লেট কিনেছে মনে আছে?

না, অনেক লোক ছিল সেখানে।

তাহলে...

প্লেটটা কোথায় বিক্রি করেছো?

দাঁড়াও, গাড়ি থামাও।

এটাই কি সেই জায়গা?

সন্দেহজনক লাগছে।

ওর সমস্যা কী?

হ্যালো।

স্বাগতম।

- তো... - হ্যাঁ?

যে প্লেটটা কিনেছে তাকে খুঁজে পেলে জি-সু'কেও পেয়ে যাবো, তাই তো?

আসলে, পাবো কি পাবো না গ্যারান্টি দিতে পারছি না...

কী বলেছি বুঝেছো?

কিন্তু এটা আমাদের অনুসন্ধানকে সহজ করতে পারে।

না পারলেও হতাশ হবে না।

বাইরে কয়েকটা গুণ্ডা আছে, দেখেছো?

তাকাবে না!

ওরা এখানকার নিরাপত্তাবাহিনী, তাই ভুলভাল কিছু ঘটলে,

আমি ব্যবস্থা নেবো, ওকে?

তোমরা কেবল আমার সাথে থাকবে।

বুঝলে?

- এখানে হিরোগিরি দেখাবে না। - বুঝেছি।

- অপেক্ষা করানোর জন্য দুঃখিত। - সমস্যা নেই।

তোমরা নতুন কাস্টমার হওয়ায় দামটা বলে নিই।

কমপ্যাক্ট হলে মিনিমাম $১০ হাজার,

আর ভ্যানের জন্য $২০ হাজার।

গাড়ির প্লেট লাগবে না? তাহলে ড্রাগস লাগবে?

ফালতু কথা না বলে ক্লায়েন্টের খতিয়ান বইটা দেখাও।

মি. ছই মান-শিকের প্লেট যে কিনেছে তার কন্টাক্ট দরকার আমাদের।

- তোমরা ডিটেকটিভ? - না।

পাগলের দল।

দরজা লাগাও!

- কয়েকটা ধড়িবাজ পেয়েছি। - ধড়িবাজ?

না, না... পেছনো থাকো।

আমার পেছনে থাকো। সব ঠিক হয়ে যাবে।

পিছে থাকতে বলেছি।

দাঁড়াও, একটা মিনিট সময় দাও।

- এখানে কোন লাঠিসোটা আছে? - ভাবো আছে?

বেশ এই খবরের কাগজে হয়ে যাবে!

শালার ভাইয়েরা, আমাকে চেনো?

এখনই মজা দেখাচ্ছি।

দাঁড়াও, আঙুল ভেঙে দিয়েছো।

ভাই, ওকে বাঁচাও একটু।

হচ্ছে কী?

এদিকে আসো!

ধুর।

ফেব্রুয়ারির ২৬ তারিখে ৯২৯১। এই খরিদ্দারকে কোথায় পাবো?

আমরা কী করে বলবো?

আমরা টাকা নিই প্লেট দিই, ব্যস।

জাংসেং পোর্ট... আবারও ওখানে।

সবকিছু জাংসেং পোর্টে ঘটে।

তারা কে আমরা জানি না তবে প্রতি ২ কি ৩ মাস পরপর

তারা জাংসেং পোর্টে আসে

আর প্রচুর পরিমাণে লোরাজেপাম ও প্লেট নিয়ে যায়।

লোরাজেপাম? ঘুমের ওষুধ না?

না, এটা প্রপোফলের মতো ওষুধ। সেলেব্রিটিরা পছন্দ করে।

ভদ্রভাবে ওকে আরও ডিটেইলসে বললে তোমারই মঙ্গল।

যেখানে প্রপোফল একটা অনিদ্রা প্রশমনকারী ঘুমের ওষুধ,

সেখানে লোরাজেপাম এক ধরণের...

কামোদ্দীপক।

তারা আবার কবে আসবে জানো?

একদমই না।

আমরা কল পেলেই মাল পাঠাই...

হ্যাঁ, কয়েকদিন আগে আমার এক স্টাফ একটা কার্ড পায়।

এইযে।

[ ম্যানেজার, পার্ক ইন-ছাং ]

সে একটু বেশিই উগ্র না?

এই ভাই তো তার ঘুষির জন্য কুখ্যাত।

সাঙ্ঘাতিক ঘুষিগুলো এখনো চোখে ভাসছে!

সে সটান একটা ষাঁড়ও মেরে ফেলতে পারে।

মেরেছে বৈকি, অনেকদিন আগে।

যুবক বয়সে ওর ডাকনাম ষাঁড় ছিল।

ও সত্যি সত্যি রেগে গেলে...

প্রথমে সেটা তার চোখে দেখতে পাবে।

ওর চোখ এমন হয়ে যায়।

আমাকে দেখো, কীসের দিকে তাকাচ্ছি বুঝতে পারছো না?

পারছো?

আসলেই পারছি না।

- ওর চোখ এরকম বদলে গেলে। - হ্যাঁ।

ওর সাথে ঝামেলা করলে, তুমি এক্কেবারে শেষ, বুঝলে?

- তাই? - তোমাকেও সাবধান হতে হবে।

- খুকজে হোটেল চেনো? - কে না চেনে?

খবরে এভাবে চোখ ঢেকে রাখা হারমীটার কথা মনে আছে?

যখন হোটেলটা ধ্বসে পড়ে, প্রচুর লোককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়?

- খবরের সেই হিরো। - খাং দং-ছুল!

- ঠিক, ও সেই লোক। - আমি তার অন্ধ ভক্ত!

একটা দেবীকে বিয়ে করে সে এখন শান্তিতে জীবনযাপন করছে।

ওয়াও।

ভুল লোকের সাথে লেগেছিস।

আমি? আমি লেগেছি?

না, হারামীগুলো।

ওরা ভুল লোকের সাথে লেগেছে।

তাড়াতাড়ি আসো!

হ্যাঁ, আসছি স্যার!

এটা আমাদেরই বার কিন্তু মালিক এখন অন্য কেউ।

এটা দেখে দুই বছর আগের মনে হচ্ছে।

যাও!

একটু বের হও। কথা আছে।

হ্যাঁ।

কী?

কী বললেন?

বর্ণনা ও বয়স বোধহয় নিখোঁজ ব্যক্তির সাথে মিলছে।

দয়া করে একবার দেখে জানান আমাদের।

না, এটা জি-সু না।

ডিটেকটিভ কিম!

মাত্র তার পরিচয় ভেরিফাই করলাম,

২ বছর আগে তার নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে রিপোর্ট করা হয়।

লি উন-জুং।

নিখোঁজ হওয়ার সময় তার বয়স ২৮ ছিল।

২০১৫ এর এপ্রিলের কোনো এক সময়ে,

তার মিসিং রিপোর্ট দায়ের করা হয়।

তবে আসল কাহিনী হলো... সে তখন জ্যান্ত লাশের ন্যায় ছিল।

কোমায় ছিল সে।

আরও মজার বিষয়, যখন সে নিখোঁজ হয়

অপ্রত্যাশিতভাবে মিডিয়া এই কেসে আগ্রহ দেখাতে শুরু করে।

তখন কী ঘটেছিল বলে মনে হয়?

ব্যাপক অনুসন্ধান চালায় পুলিশ।

যা ব্যর্থতায় গিয়ে শেষ হয়। তারা তাকে খুঁজে পায়নি।

আর এভাবে সময় কেটে যায়,

যখন সবাই কেসটার কথা ভুলতে বসেছে,

একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হাজির হয়। কে জানো?

নিখোঁজ ব্যক্তির স্বামী।

সে আত্মসমর্পণ করতে পুলিশের সামনে হাজির হয়।

আত্মসমর্পণ করতে?

আমি খাং দং-ছুল। আমিই কল করেছিলাম।

আমার স্ত্রী...

সম্প্রতি অপহৃত হয়েছে।

সিগারেট আছে?

আমাদের বিয়ের আগে

আমার স্ত্রীকে একটা কথা দিয়েছিলাম।

যা-ই ঘটুক না কেন...

সেরা স্বামী হয়ে থাকবো।

এখন পেছনের সব কথা ভেবে...

মনে হচ্ছে তার জন্য কিছুই করিনি।

স্বামীটার জন্যে খুব দুঃখ হচ্ছে।

বেচারা খুব ভালো স্বামী।

লাখের মধ্যে একজন।

এই প্রথম তোমাকে কোনো চিঠি লিখছি...

চলো আশায় বাঁচি, সোনা।

তোমাকে আমার পাশে পেয়ে

আমি ভীষণ সুখী। ধন্যবাদ তোমায়, ভালোবাসি তোমায়।

ভণ্ডামি করিস না, হারামী।

তোর কারণে লোকে চোখের পানি ফেলে

তুই নাকি প্রকৃত ভালোবাসার নিদর্শন।

কিন্তু তোর সব কর্মকাণ্ড আমার কাছে টাকা কামানোর নাটক মনে হয় কেন?

বুঝতে পারছি না...

আমি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করি তাদেরকে...

যারা ন্যায়পরায়ণ ও নৈতিক সাজতে চায়।

তারা অন্যের কষ্টে কাঁদে

কিন্তু নিজে কষ্টে নেই ভেবে স্বস্তি অনুভব করে।

তোর প্রোগ্রামের প্রডিউসার ঠিক এরকম লোক।

আমি নিশ্চিত, সে তোর বউয়ের চেয়ে রেটিংয়ের কথা বেশি ভাবে।

মুখখানি দেখো...

এটা কি সেই লোকের চেহারা যে দাবি করে সে সুখী?

তোকে টাকা দিচ্ছি।

এজন্যই কি টিভিতে যাস না?

আমার সাথে কেন এমন করছেন?

খোদার দোহাই... ভালো হয়ে যা, হারামী।

বউয়ের ট্রাজেডি বেচে

টাকা কামাতে

শো করেছিলি?

তোর মনোবাসনা তবে পূর্ণ করছি।

দিচ্ছি তোকে টাকা, কুত্তার বাচ্চা!

বিনিময়ে...

তোর জ্যান্ত লাশ হয়ে থাকা স্ত্রীকে নিয়ে নিচ্ছি।

তোর জন্যে এটা এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো।

এখন তোকে মানুষের মতো লাগছে।

এবার মুক্ত তুই।

আমার মাথা নিশ্চয়ই ঠিক ছিল না। সবকিছুতে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।

আমার লক্ষ্মী স্ত্রীর সাথে...

ওরকম করা উচিত হয়নি।

এইযে, দাঁড়ান।

এটা আমার আর লাগবে না

কিন্তু আপনার হয়তো কাজে আসতে পারে...

মানব পাচার চক্রের পর্দা ফাঁস

দে-সুং ফাইনানসিয়াল?

কী হলো?

মারা গেছে!

দে-সুং ফাইনানসিয়ালে স্বাগতম।

আমরা আছি সবার কল্যাণে!

অপেক্ষা করালাম বলে দুঃখিত।

আগের মিটিংটা লম্বা ছিল। আমি ক্ষমাপ্রার্থী, স্যার।

কী করতে পারি আপনার জন্য?

- আমাদের আগেও দেখা হয়েছে। - হ্যাঁ?

আমাকে চিনতে পারছো না?

দিনে আমি ডজন ডজন ক্লায়েন্টের সাথে দেখা করি সবাইকে মনে রাখি কী করে?

করছেন কী আপনি?

আমার স্ত্রী কিছুদিন আগে কিডন্যাপ হয়েছে।

এখন মনে পড়ছে?

- আপনি ঠিক আছেন? - আমাদের ইনস্যুরেন্স ক্ষতিপূরণ দিবে।

বাইরের আবহাওয়া বেশ ভালো...

আমার সব ক্লায়েন্ট কেন...

আহ্, হ্যাঁ, মনে পড়েছে!

সেই বয়রা লোক! অবশ্যয়ই মনে আছে।

কিন্তু ভেবে পাচ্ছি না আমার কাছে কেন এসেছেন।

ওই কেসের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

এটা একটু সরান...

ব্যথা পাচ্ছি!

কিডন্যাপ কেসের জন্য পুলিশের কাছে যাওয়া উচিত আপনার!

ও কোথায়?

বলেছি তো জানি না। করছেন কী আপনি?

আপনি কি গুণ্ডা? এক্ষুণি বের হোন!

কী হচ্ছে...

আপনার সমস্যা কী?

দেখছো কী? বের করো!

বের হোন এক্ষুণি!

আমার সাথে আসছিস তুই।

ছুন-শিক... এটা একটু বেশিই হয়ে যাচ্ছে না?

এভাবে ঝুলিয়ে রাখলে স্বীকার করবে না...

কিছু পড়ছে, ঠিক আছে ও?

কী? দু-শিক! বলো!

হারামীটা মুখ খুলছেই না।

টর্চার করার জন্য কিছু আছে তোমার কাছে?

বলছো কী? পাগল হলে?

একদমই নেই!

ফালতু বকো না।

গাড়ির ব্যাটারির সাহায্যে মানুষ পোড়ানো কেবল সিনেমায় ঘটে।

বাস্তবে মানুষ মারা পড়তে পারে।

আগেভাগে সতর্ক করে দিতে, আবুল!

- শুনছেন... - কী?

বেশি হয়ে যাচ্ছে না... ওটা...

ওরে হারামী...

আজকে তুই শেষ।

ভুল যখন করেছিস ক্ষমাও চাওয়া উচিত, হারামী!

দুঃখিত।

আপনার সুন্দরী স্ত্রীকে বেশ আপসেট দেখাচ্ছে।

ওর হয়ে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।

- কথা বল। - বস, দু-শিক বলছি।

এখনো বেঁচে আছিস? ওর সাথে কথা বলতে দে।

আপনার সাথে কথা বলবে।

হ্যালো?

হ্যাঁ, আমি।

ভিডিও কলে আসা যাক।

ধুর...

তোমাকে বেশ বিধ্বস্ত দেখাচ্ছে।

তুমি অনেকদূর এসেছো।

আর কদ্দুর আসবে?

জি-সু...

জি-সু!

দং-ছুল...

তুমি...

দাঁড়াও, দাঁড়াও।

ওর মুখ খুলিয়েছো?

ও মুখ খুলেছে, তাই না?

ওই শালা নিশ্চয়ই সব বলে দিয়েছে। মুখ বন্ধ রাখতে পারে না ও।

না, বস!

কিছু বলিনি। কসম করে বলছি!

দয়াকরে বিশ্বাস করুন!

তাই নাকি?

হ্যাঁ, স্যার। সত্যি বলছি!

তোকে আমি বিশ্বাস করি না, হারামী।

আমার সব কার্ড টেবিলে থাকাকালীন তোমার স্ত্রীকে ফিরিয়ে দিলে,

তুমি আমাকে বারের পেছনে পাঠাতে পারো। আমি অতোটা বোকা নই।

এখন...

কুত্তার বাচ্চাটাকে এক্ষুণি শেষ করে দাও।

কী?

তোমাকেও কিছু দেয়া উচিত, তাহলে সেটা আমাদের সমানে সমান করবে।

ওকে মারো, এক মিনিট সময় পাচ্ছো।

আমি কি মজা করছি?

হ্যাঁ?

শালা কুত্তার বাচ্চা...

ভিডিও কর।

এটা সরা!

কী করছিস তুই?

কী করছিস, হারামীর বাচ্চা!

এই!

এমন করিস না! করিস না!

জি-সু! এক্ষুণি থাম!

কে আগে মারতে পারে বাজি ধরা যাক!

থাম, শুয়োরের বাচ্চা!

থাম, কুত্তার বাচ্চা!

ধুরো বাল...

কেন থামবো? বাজি বললাম তো!

ঠিক আছে, বুঝেছি!

ঠিক আছে!

এই, এদিকে আসো!

প্লিজ... দাঁড়ান...

না, প্লিজ...

কী করছো তুমি?

তোমরা দুজন কী করছো?

ভাই!

একসাথে শুরু করবে? ওকে, শুরু!

ভাই!

প্লিজ না...

মেরে ফেলছো তো ওকে!

কী করলে তুমি?

জিতেছো।

জি-সু...

লাস্ট চান্স। আমার টাকা ফিরিয়ে দাও।

তবেই তোমার বউকে ফিরিয়ে দেবো।

কোথায় আনবো?

কোথায়?

আগে টাকা আনো, তারপর বলবো।

বাই।

কীভাবে একটা লোককে সত্যি সত্যি মেরে ফেললে?

এখন আমরা কী করবো?

ছুরি কীসের জন্য?

আমি যা ভাবছি তা?

৯১১ তে কল করা...

না, না... ও মরেনি!

কী বাল বকছো?

ওর ঘাড়ের ধমনীতে চাপ দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য অজ্ঞান করে দিয়েছে।

মাথা থেকে একটু রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে ওর জ্ঞান ফেরাতে পারি।

৯১১ তে কল করা দরকার বোধহয়।

ওঠ! এই, ওঠ বলছি!

আসলেই উঠবে নাকি?

ধুর... দেরি হয়ে যায়নি তো?

লাগছে! লাগছে।

কীরে ভাই?

দুজনে আমাকে বোকা বানালে?

তোমরা দুজনেই

বড় রহস্যময় লোক।

দাঁড়া এবার, ঠিক আছিস?

কোরিয়ান অবস্থার উন্নতির কারণে সম্প্রতি কোরিয়ান মেয়েরা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

সে তাদেরকে বাধ্য করে ধনীদের জন্য পতিতাবৃত্তি করতে

নতুবা ওদেরকে প্লাস্টিক সার্জারি করিয়ে বিক্রি করে দেয়।

কিছু মেয়ে ঋণের টাকা না দেয়ায় ধরা পড়ে

আর কিছু সুন্দর চেহারা থাকায় কিডন্যাপ হয়।

ওরা জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে বলে ধরা পড়ে না।

যাইহোক শুধুমাত্র টাকা কামানোর উদ্দেশে এই হারামী

মানুষকে কব্জা করে।

বড় অংকে বেচার জন্য সে যেকোনো মূল্যে হোক সুন্দর মেয়েদের পাকড়াও করে।

এমনকি টাকার জন্য সে মানুষের অঙ্গও বেচে।

যাইহোক,

ও একটা ক্ষ্যাপা পাগল যে ভাবে টাকা দিয়ে সব কেনা যায়।

পাক্কা হারামী।

আর?

মজার ব্যাপার হলো কোনো স্বামী কিংবা বাবা

টাকা পাওয়ার পর বউ কিংবা মেয়েকে ফেরত চায়নি।

- ওরাও স্বাভাবিক নয়। - হাসছিস কেন?

হারামী, এটা মজার?

না, মজার না।

এখন কোথায় সে?

ওটা গাংউন প্রদেশের কোথাও অবস্থিত। কিন্তু সঠিক কোথায় বলতে পারি না...

সত্যিটা বলে দিলে ভালো হয়!

আসলেই জানি না!

ধরা না পড়ার জন্য সে তার আস্তানা ঘনঘন পালটায়।

আমি সত্যিই জানি না।

বিশ্বাস করুন।

আমি বরং টাকাটা নিয়ে আসি।

কোত্থেকে?

পুলিশ স্টেশন থেকে।

পুলিশের কাছ থেকে আনবে কীভাবে?

দরকার পড়লে, চুরি করবো।

তুমি যেতে পারবে না, তোমাকে চেনে সবাই।

ঝোঁকের মাথায় কিছু করতে গেলে সব পণ্ড হয়ে যাবে।

আমাকে প্ল্যান করতে দাও।

পুলিশ স্টেশন থেকে চুরি করবো কীভাবে?

তবে কি বসে বসে আঙুল চুষবো?

ওকে সাহায্য করবে না?

আমাকে বিশ্বাস করে একটিবার সুযোগ দাও।

আচ্ছা।

তবে তাড়াতাড়ি করতে হবে।

যাচ্ছিস কোথায়?

এদিকে আয় এক্ষুণি!

- আসতে বললাম! - দয়াকরে মারবেন না।

সাহায্য করো! বাঁচাও আমাদের!

হ্যালো, আপনাদের জন্য কী করতে পারি?

সিউল সেন্ট্রাল প্রসিকিউটরস অফিস থেকে প্রসিকিউটর লি।

স্যালুট! আমি লি জং-হিউক!

আমি এভিডেন্স নিতে এসেছি।

- তো... - জ্বী, স্যার!

আমরা হিসাব শাখায় যাবো।

জ্বী, স্যার! ওটা বর্ধিত ভবনের ২য় তলায়।

- ধন্যবাদ আপনাকে। - ভালো থাকবেন, স্যার।

ভাই, বুঝিয়ে দিই।

এটা পেন-মাইক।

তুমি কারো ছদ্মবেশ ধারণ করতে পারবে না।

তাই এখানে বসে শুনতে থাকো আর কোনো গণ্ডগোল হলে

তৎক্ষণাৎ আমাদের নিতে আসবে।

আচ্ছা।

মাত্র ২৬ বছর বয়সে এতো চুল পাকলো কী করে তোমার।

- কী করি? - স্প্রে করে দাও।

তোমাকে আমার এসিস্ট্যান্টের মতো লাগতে হবে।

কত্তগুলো, নিজে করো।

বের হও, হাঁদারাম!

শুভ সন্ধ্যা।

- আমি ভুল কী করেছি? - চুপ করে চল।

- আমি করিনি। - চুপ করতে বললাম।

এদিকে আসো, ছুন-শিক।

- শান্ত থাকো। - আচ্ছা।

- আমি যা বলবো শুধু তাই করবে। - হিসু করবো।

চেপে রাখো!

একটা অমায়িক হাসি দাও।

একটু দাঁড়াও।

- আবার কী? - ওষুধ খেতে হবে।

ওরে শালা!

তালগোল পাকিয়ো না।

এক্সকিউজ মি! শুভ সন্ধ্যা।

কী করতে পারি?

আমরা সিউল সেন্ট্রাল প্রসিকিউশন থেকে এসেছি।

আমি প্রসিকিউটর লি জিন-হো।

দেখা হয়ে ভালো লাগলো।

কী কাজে এসেছেন?

একটু এভিডেন্স চেক করার ছিল।

একটু দাঁড়ান...

কেস নাম্বার কত?

কিম জি-সু'র অপহরণ কেস।

এই নামে দুইটা আছে। কোনটা?

- কেবল কেস নাম্বারটা বলতে পারেন। - কেস নাম্বার?

- নেই, তাই না? - হ্যাঁ?

আমাদের কাছে নাম্বারটা নেই। এই কেসে এখনো নাম্বার দেয়া হয়নি।

ঠিক বলেছেন... এখনো নাম্বার দেয়া হয়নি।

তাহলে এটাই হবে।

কিম জি-সু, জন্ম ১৯৮৫

হ্যাঁ, এটাই।

একটু দাঁড়ান।

শ্বাস ফেলো।

গাধা, যাচ্ছো কোথায়?

ব্যাগের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভেরিফাই করা যায়নি

তাই আগামীকাল এটা আমরা ব্যাংকে ফেরত পাঠাতে যাচ্ছিলাম।

কিন্তু আরও তদন্ত করার ছিল নাকি?

হ্যাঁ, আমাদের সেরকমই বলা হয়েছে তবে ফরেনসিক সার্ভিস চায় ওটা।

আচ্ছা...

সাইন করুন।

- ধন্যবাদ, স্যার। - ধন্যবাদ।

একটু দাঁড়ান!

দায়িত্বে থাকা ডিটেকটিভকে জানাতে ভুলে গেছি।

দুঃখিত, প্লিজ একটু দাঁড়ান।

- কী? আমরা জানাতে পারবো। - আমাদের তাড়া আছে।

জানাতে হবে নয়তো আমার উপর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তেমন কিছু আপ্যায়ন করার মতো নেই এটা দিয়ে একটু গলা ভেজান।

একটুখানি সময় লাগবে।

হ্যালো, হিসাবরক্ষক বলছি।

ডিটেকটিভ কিম,

কিম জি-সু'র কেসের ব্যাপারে,

সিউল সেন্ট্রাল অফিস থেকে প্রসিকিউটর লি এসেছেন।

বলছেন এভিডেন্স চেক করবেন।

প্রসিকিউশনে ওই কেস এখনো রিপোর্ট করা হয়নি।

তাহলে প্রসিকিউটর আসে কী করে?

উনি বলছেন সিউল সেন্ট্রাল অফিস থেকে এসেছেন।

আচ্ছা।

একটু দাঁড়ান।

ডিটেকটিভ কিম এক্ষুণি চলে আসবেন।

ওনাকে আসতে হবে না। আমরা জানিয়ে দেবো...

- প্রসিকিউটর সাহেব, আপনার আইডি দেখতে পারি? - কী?

আইডি নেই, আছে?

- ওটা গাড়িতে... - থামো! হাত উপরে তোলো!

বসে পড়ো! এক্ষুণি! দুজনই বসো!

ঠিক আছে!

- নড়বে না! - আচ্ছা!

হ্যালো, হিসাবরক্ষক বলছি! এখানে সমস্যা হয়েছে! সাহায্য করুন!

দুঃখিত। আমরা ক্ষমা চাচ্ছি...

আমরা ক্ষমা চাচ্ছি, দয়াকরে ক্ষমা করে দিন।

কী রে ভাই?

আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

আমরা শেষ।

কে তোমরা?

ওটা আবার কী?

কোথায় গেল?

আগুন!

এখানে!

তুমি অনেক বড় বজ্জাত!

ইমারজেন্সি হলেও একটা গাড়ির বিস্ফোরণ ঘটালে কী করে?

প্যান্টে হিসু করে দিয়েছি বোধহয়।

তোমরা দুজনেই বজ্জাতের হাড্ডি!

টাকা কোথায়?

এইতো!

রাস্তা দেখো!

দুঃখিত, স্যার।

কয়েকটা ঘুসি মেরেছিলাম শুধু।

দুঃখিত, স্যার।

শালা হারামী...

ওর দাম কত জানিস তুই?

জানিস না, তাই তো? তাই এমনটা করেছিস।

মাথামোটা শুয়োর!

কুত্তার বাচ্চা!

পাগল হয়ে যাচ্ছি।

তোমার টাকা ফেরত এনেছি।

আমার দেখা সবচেয়ে

পাগলা কুত্তার বাচ্চা তুই।

কীভাবে আনলি?

তাহলে এসে আমাকে খুঁজে বের কর।

পুলিশ আনলে, তোর জানেমন শেষ।

হারামীটার সমস্যা কী?

তল্পিতল্পা গুটিয়ে কেটে পড়ো।

টাকা হাতে আসলে, দুজনকেই মেরে দিবে।

জ্বী, স্যার।

আপনি এভিডেন্স চুরি করে থানায় আগুন লাগিয়েছেন?

পাগল হয়ে গেলেন?

একবার স্ত্রীকে ফেরত পেয়ে গেলে, ভুলের মাশুলটাও দিয়ে দেবো।

আমার গাড়ি বরবাদ করলেন কেন? বড় সমস্যায় পড়েছি...

ওঠো, সো-ইয়ন।

ওঠো না।

ওঠো, সো-ইয়ন!

আপু...

সব ঠিক হয়ে যাবে।

আমরা ছাড়া পাবো...

এদিকে আসো, সব ঠিক আছে।

ঠিক আছে।

আপু...

তুমি আগে যাও।

তাড়াতাড়ি যাও!

আচ্ছা।

সো-ইয়ন।

তাড়াতাড়ি বের হও!

সো-ইয়ন, তাড়াতাড়ি।

ওরে শালী!

দাঁড়া বলছি।

কী করছিস তুই?

ধুরো।

করছোটা কী?

এটা কীভাবে...

ভীষণ ভয় পাইয়ে দিয়েছেন!

স্যার... পুলিশ স্টেশনে চলুন... প্লিজ।

কী ব্যাপার?

তাড়াতাড়ি পুলিশ স্টেশনে চলুন!

মাগো...

হচ্ছেটা কী...

হারামীর দল...

ট্যাক্সিতে উঠেছে?

এইযে, শুনুন!

বন্ধ মনে হচ্ছে।

তাই না?

বন্ধই তো!

কল ধরছে না?

- এটা তো বন্ধ। - আজব তো।

হারামীগুলো নিশ্চয়ই কোনো ফন্দি আঁটছে।

- ভাই, তুমি তো খুলতে পারবে। - যন্ত্রপাতি লাগবে।

খুলছে না... দাঁড়াও...

ধুর, খাং দং-ছুল! শালা পাগল!

ভাই! আমাদেরকে নিয়ে যাও!

তোর বস কোথায়?

কোথায়? লবিতে?

কী সমস্যা?

তাড়াতাড়ি নিচে নাম!

জ্বী, স্যার। মালটাকে তারা সকালে নিয়ে যাবে।

চলো, একটা ডাণ্ডা লাগবে।

মর! মর!

মাথা! মাথা!

জি-সু...

আমরা খারাপ লোক নই, ভালো লোক।

প্রসিকিউটর।

ছাড়ো!

হয়েছে কী?

এখানে কী হয়েছে?

কে তোমরা?

না, কেবল...

এতো দেরি হলো কেন?

কে তুমি?

আমি সিউল সেন্ট্রালের প্রসিকিউটর লি।

দেখা হয়ে ভালো লাগলো, গুড জব।

কিন্তু অনেক দেরিতে এসেছেন!

মি. পার্ক? আমাদের উচিত...

ডিটেকটিভ কিম কোথায়?

এইতো।

না, আপনি নন। আমাদের সাথে আসা আরেকজন কিম।

গুড জব।

- ধন্যবাদ। - আপনার মুখে লেগেছে দেখছি।

প্লিজ ঝামেলাটা সামলান।

সব এভিডেন্স নিচে নিয়ে যান, তারপর কী... জানা আছে?

জ্বী, স্যার।

- গুরুতর মনে হচ্ছে। - জ্বী, স্যার।

বস, আপনি কোথায়?

সবকিছু তছনছ করে দিয়েছে পুলিশ।

হ্যালো? হ্যালো?

বস!

কী রে? হারমীটা পুলিশ নাকি?

পিছে যাও!

জোরে, জোরে! দ্রুত!!!

দ্রুত, দ্রুত!

ধুর!

আজকে একটু মজা নিবো।

বালের বেল্টটার সমস্যা কী!

হারামীটা।

আয়! এবার আয়, শালা হারামী!

জি-সু!

আয়! আবার মারতো দেখি!

আয়!

শালা বোকাচোদা!

পালিয়ে যাচ্ছিস?

আয় আবার! হারামীর বাচ্চা!

বালের গাড়ি চালায়, গাধার বাচ্চা।

ধুরো কুত্তার বাচ্চা।

বালের জিনিস!

জোরে ঠেল!

ঠেলতে থাক!

এবার সরে যা!

পিষে ফেল!

ওই!

পেয়েছি তোকে...

বাল আমার।

শালা কুত্তার বাচ্চা!

বাকি সবার মতো জীবনযাপন করছিস না কেন?

তুই কোথাকার কী হয়ে গেছিস, হারামী?

শালা কুত্তার বাচ্চা।

শুয়োর।

বোকাচোদা।

হারামী।

বের হ, শালা শুয়োর।

এক্ষুণি বের হ!

শুয়োর, কোথায় গেলি?

এক্ষুণি বের হ!

হারামীর বাচ্চা, কোথায় লুকিয়ে আছিস?

কথা কানে ঢোকে না?

দুঃখিত, স্যার।

ধুর, ব্যথা করছে।

দুঃখিত, ভুল করেছি।

মাফ করে দাও।

কাছে এসো না।

এসো না...

দুঃখিত। আমি ছাড়া আমার মায়ের আর কেউ নেই।

কাছে আসলে নিজেকে শেষ করে দিবো!

গিয়ে বউকে বাঁচাও!

হারামী!

খুব অন্যায় হচ্ছে!

ধুর!

থামো, মেরো না।

জি-সু!

জি-সু।

জি-সু, ওঠো!

জি-সু, দেখো আমি।

জি-সু।

দং-ছুল... সোনা...

জি-সু, আমি এসে গেছি।

এদিকে আসো।

খুব দেরি করে ফেললাম, স্যরি।

স্যরি।

জি-সু।

সিউল মেট্রোপলিটন পুলিশের ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট

আজকে এক ক্রাইম সিন্ডিকেটকে

মানব-পাচার, বৈদেশিক পতিতাবৃত্তি,

এবং বেআইনী প্লাস্টিক সার্জারির দায়ে আটক করেছে।

ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দেখে তাদের কাছে নতুন

মহিলা ভিক্টিম থাকার ব্যাপারে সন্দেহ করা হয়

যাদের কিনা কোরিয়া ও বাইরের ধনী লোকদের নিকট বিক্রি করা হতো।

এদিকে, কিডন্যাপ হওয়া এক মহিলার স্বামী

কেসটি সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন

এবং সিন্ডিকেটের অন্যান্য অপরাধের আরও তথ্য দিতে পারবেন বলে জানা গেছে।

পরবর্তী খবর।

চীনা সীমান্ত অতিক্রম করায় আটক হওয়া ট্রলারটি

ছাড়া পেয়ে আজ সকালে ইনছন পোর্টে প্রবেশ করেছে।

চীনা কর্তৃপক্ষ জাহাজটি ছেড়ে দেয়,

জাহাজে নাবিকদের পাশাপাশি ৮ টন কিং ক্র‍্যাব রয়েছে।

গুড আফটারনুন, মিসেস খাং।

এতো দেরি করলে কেন?

জি-সু, হ্যাপি বার্থডে!

এদিকে।

১২ নাম্বার টেবিলের অর্ডার তৈরি হয়ে গেছে!

হ্যালো, বস।

৩ নাম্বার টেবিলে একজন বিশেষ অতিথি এসেছেন...

সো-ইয়ন, ৩ নাম্বার টেবিলের জন্য বিশেষ ট্রিট।

থামুন তো...

খাবার আসছে।

এইযে আপনাদের ডিশ।

পাখা মেলো...

কোরিয়ায় এমন কিছু নেই! এক্কেবারে পাক্কা ইনভেস্টমেন্ট হবে!

আমার কল এসেছে।

জাহাজটা একবার এসে গেলে...

- খাং স্যার, অভিনন্দন! - ধন্যবাদ, ভাই।

আপনাকেও অভিনন্দন। শীঘ্রই জাহাজ চলে আসবে।

ধন্যবাদ।

এদিকে।

দারুণ লাগছে।

তুমি একটা আঙুলও নড়াবে না। আজ তোমার জন্মদিন।

আমি ছাড়িয়ে দিচ্ছি। তুমি কেবল বসে বসে খাবে।

শুনলাম কিং ক্র‍্যাবের চেয়ে পাঁকালমাছের ব্যবসা আজকাল জমজমাট।

সোনা?

আচ্ছা, কিং ক্র‍্যাব খাওয়া যাক।

অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.