Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
দেশি-বিদেশি যেকোনো মুভি কিংবা সিরিজের বাংলা সাবটাইটেলের জন্য ভিজিট করুনঃ Bsubtune.xyz
কৃতজ্ঞতায়ঃ কে এন হাসান ভাই ♥️
এটা আমার করা পঞ্চম বাংলা সাবটাইটেল।
আশাকরি, আপনাদের মানসম্মত একটা বাংলা সাব উপহার দিতে পেরেছি।
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ এফ জে নয়ন
- তোমরা পথ ভুলে যাওনি তো? - না, আমরা ম্যাপ দেখে এসেছি।
ভিতরে আসো।
আমরা কি তাদের দুজনকে একান্তে কথা বলতে দেই?
এটাও একটা প্রথা।
আমিও সেটাই বলতে যাচ্ছিলাম।
জানি না, আমাদের মতো দুজন অপরিচিত লোক কী নিয়ে কথা বলবে।
আমারও একই কথা।
- তুমি কোথায় পড়াশোনা করেছো? - হুমম?
কোথায় পড়াশোনা করেছো?
- বাহরাইনের কোথায় ছিলেন আপনি? - মানামাতে।
ওহ, মানামাতে।
- ওহ, ছেলের চাচাতো ভাইও মানামাতে ছিল। - সত্যি?
- তার চাচাকে চিনেন? - না।
মি. পিকে রাধাকৃষ্ণ। তিনি জেলা বিচারক ছিলেন।
- ওহ, হ্যাঁ হ্যাঁ। - তার বড় চাচাকে চিনেন?
মি. রাঘাবান মাস্টার। স্কুলের প্রিন্সিপাল হয়ে অবসরে গেছেন।
- খবরের কাগজে নিশ্চয়ই দেখেছেন। - হ্যাঁ, এখন মনে পড়ছে।
এই, সবাইকে তাড়াতাড়ি আসতে বলো।
একটু পানি ঢেলে দাও।
এদিক দিয়েই আসো।
এখন নববধূর পা ধুয়ে দাও।
এখন বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করো।
এখন তাকে প্রদীপটা দাও।
এখন তাকে প্রদীপটা দাও।
ডান পা আগে দিয়ে প্রবেশ করো।
দয়া করে ডান পা দাও।
সাবধানে...
চাচি, এবার তোমার পালা।
আজকে একটু মিষ্টি খেলে কোনো সমস্যা নেই।
একটু নে।
আরেকটু নে।
ধন্যবাদ।
- তুমি সেটা বলেছিলে। - অপেক্ষা করে দেখো। কেবল তো মাত্র শুরু হলো।
তুই চা চেয়েছিলি? আর তারা এখানকার সবাইকে দিয়ে বেড়াচ্ছে।
আমাকে সকালে যেতে হবে।
- দু'দিন থাকতে পারবে না? - বাসায় অনেক কাজ করা বাকি আছে।
তুমি তোমার বোনের পক্ষেই থেকে যাবে।
- অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছো নাকি? - কিছুটা।
- আমি ব্যস্ত ছিলাম তাই দেরি হলো। - ঠিক আছে।
- এই ঘর আর পরিবারের লোকদের তোমার পছন্দ হয়েছে? - হ্যাঁ।
- আমার বাবা-মাকে? - হ্যাঁ। পছন্দ হয়েছে।
- এখনিই স্বাচ্ছন্দবোধ করছো? - হ্যাঁ।
আর কী বলবো?
আর কী...
বসো।
- অন্ধকার ভয় লাগে? - হুম?
মানে, তোমার অন্ধকার ভয় লাগে?
আমার বাসায় হয় সাম্বার নাহয় চাটনি রান্না হবে, একসাথে দুটো নয়।
এখানকার লোকেরা দুটোই চায়।
ওর বাবা হাতেতৈরি চাটনি পছন্দ করে।
প্রত্যেক পরিবারের নিজস্ব রীতি আছে, তাই না?
দুধ।
কাল অনেক ঝামেলা হয়েছিল। ফটোগ্রাফার আর অতিথিদের মধ্য
তোমাকে ভালো করে দেখতে পাইনি।
এখন তোমায় দেখলাম। তুমি অনেক সুন্দরী।
এই সুন্দরীর নাম কী?
জোনাকি।
আমার ক্লাস আছে। যেতে হবে। কাল দেখা হবে।
দয়া করো। মা হয়তো আমাদের দেখছে।
আমার হঠাৎ তাড়া আছে।
নাহলে আমরা একটা ভালো সময় পার করতাম।
আমাদের আলাদা করে আর হানিমুনের দরকার নেই। দরকার আছে কি?
আমাদের এখন থেকেই হানিমুন শুরু হয়ে গেছে।
আস্তে বলো। মা শুনে ফেলবে।
খুব গরম নাকি?
ঠিক আছে।
আমি গোসল করতে যাচ্ছি। ঠিক আছে?
এই, তারা চলে এসেছে। বুঝেছো?
আসো।
একটু কাপ্পাটা খাও। [কাপ্পা=শ্বেতসার জাতীয় খাদ্যবিশেষ]
- গরুর মাংস খাও? - হ্যাঁ।
- তুমি কি গরুর মাংসের কথা বললে? - হ্যাঁ। আমি বাইরে বানিয়েছি।
আমরা শুধু খাওয়া শেষে গরুর মাংস খেতাম।
এখন সেটা ঘরেও পৌঁছে গেছে।
দ্রুতই রান্নাঘরে ঢুকে যাবে।
এজন্যই আমার মা এখানে আছে।
তোমরা আমাদের সাথে খাবে না?
আমরা পরে খাবো। আগে অতিথিরা।
তুমি আমাদের সাথে খাও, সোনা। আসো।
তুমি আমাদের সাথে খাও, সোনা। আসো।
দয়া করে শুরু করো।
- মসলা বেশি হয়নি তো? - মোটেও না।
মা ...
এই, আজকের রাতের খাবার কেমন ছিল?
দারুণ ছিল। আমি অনেক খেয়েছি।
সত্যি?
আমি জামা বদলে আসছি।
সমস্যা নেই। আমি পারবো। তুমি শুয়ে পড়তে পারো।
আমি সাহায্য করব।
না, আমি সামলে নিতে পারবো।
তুমি যাও।
আমি তাহলে যাচ্ছি।
আচ্ছা, মা। যাও।
বিছানা কাবাডি হবে নাকি?
কাপ্পা বিরিয়ানি খেয়ে উত্তেজনা হারিয়ে ফেলছি।
- আমাকে তোমায় উত্তেজিত করতে দাও। - পারবে?
- মা। - হ্যাঁ।
- ঢেঁড়শগুলো কিভাবে কাটবো? - তোমার ইচ্ছা।
- এটা ঠিক আছে? - হ্যাঁ, ঠিক আছে।
মা, তুমি বসো। আমি তো আছি, তাই না?
আসো, বসো।
না, আমি তোমার সাথে খাবো, মা।
মায়েরও কিছুটা সঙ্গ দরকার, তাই না?
ওগো।
এই, আমি বের হচ্ছি।
হ্যাঁ, মা।
ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম।
সবকিছু ঠিক আছে। বিশ্রাম নিতে বলেছেন।
তাই তোমাকে তাড়াতাড়ি আসতে হবে।
তোর গর্ভধারণের সপ্তম মাসে আসলে হয়না?
বেশি দেরি করিও না।
তাড়াতাড়ি চলে এসো।
নারে, মা। এখানের জঁজাল নিয়ে চিন্তায় আছি।
সেগুলো সামলানোর জন্য তো এখন একজন আছে।
টিকেট বুক করে দুদিনের মধ্যে তোমায় কল করব।
শীঘ্রই আসার জন্য প্রস্তুত থেকো।
আচ্ছা, তোর যা ভালো মনে হয়।
দিদি নাকি?
হ্যাঁ।
আম কি শেষ হয়ে গেছে?
অনেক আছে। যবের মুণ্ডগুলো দেখে ওগুলো নিয়ে আসছি।
- কড়া করে ভেজো না। - আচ্ছা।
বাবা, তোমার চা।
আমি এখনো ব্রাশ করিনি, মা।
তাহলে আগে ব্রাশ করে নেন।
আমি আবার গরম করে দিব।
আমার ব্রাশটা খুঁজে পাচ্ছি না।
দাঁত ব্রাশটা...
উনার জন্য ওটা নিয়ে যাও।
যতই হোক, তিনি আমাদের বাবা।
তোমার সমস্যা থাকলে আমি নিয়ে যাচ্ছি।
- না, আমি নিয়ে যাচ্ছি। - আমি পারবো।
- আমাকে... - আমি যাচ্ছি...
- আমার কি জন্য গরম পরোটা আনতে পারবে? - এনে দিচ্ছি।
এই নাও।
- মা... - হ্যাঁ।
চাটনিটা কি হাত দিয়ে মাখাও নি?
না, বাবা। মিক্সার মেশিন ব্যবহার করেছিলাম।
সমস্যা নাই।
হাত দিয়ে করে নিজেকে চাপ দেওয়া দরকার নেই।
এই, আমি যাচ্ছি।
আসো।
শরীরে ময়লা লেগে আছে, সোনা।
সমস্যা নাই। কাছে আসো তো।
মা,
'কুরুভা' চালের ভাতে কয়টা সিটি দিবে?
আচ্ছা। পরে কথা বলবো।
ঠিক আছে।
কী হয়েছে, মশাই?
নতুন বউ খাওয়ার জন্য কিছু দেয়নি?
সে এখানে নতুন।
তাকে কিছুটা সময় দেওয়া উচিত না?
ঠিকই বলেছেন। আমি মজা নিচ্ছিলাম।
জানতে মন চায়, কতদিন ধরে এই খুঁতখুঁতেপনা চলে।
ম্যাডাম, প্লিজ...
- কুকারে ভাত রান্না করেছো? - হ্যাঁ।
ওহ!
চুলায় ভাত রান্না করো, কেমন?
আচ্ছা। পরিবেশন করতে পারো।
আরেকটু তরকারি নাও।
হ্যাঁ, দুপুরে খেয়েছি।
কিন্তু মজা করে খেতে পারিনি।
বাইরের খাবার কখনোই পছন্দ করি না।
তাকে শুধু ভাতটা চুলায় রান্না করতে বলো।
দুঃখিত, সোনা।
কাল থেকে তোমায় দুপুরের খাবার বাক্সে করে দিব।
কুকারের রান্না ভাতে কেন মানিয়ে নিতে পারছো না?
ওগো, রাতে ভাত খেতে পারবে?
সন্ধ্যায় আমরা নানরুটি খেয়েছিলাম, ঠিক আছে?
না মানে, আমি দুপুরের কিছু ভাত তুলে রেখেছিলাম।
সমস্যা নাই। নানরুটি অনেক স্বাস্থ্যসম্মত।
হ্যাঁ। এই তো চলছে।
আবার সকালে রান্না করা নাস্তা খেয়েছিস।
আমি আগের রাতের অবশিষ্ট খাবার খাই।
এখন তুই ওই বাড়ির একজন সদস্য।
তাদের মত হওয়ার অভ্যাস কর।
আচ্ছা, আমি পরে কথা বলবো।
হুমম, হয়েছে।
হ্যালো।
হ্যালো।
তোমার জন্য কিছু নিয়ে এসেছি।
কী?
- তুমি পেয়ারা পছন্দ করো? - হ্যাঁ।
এগুলো তোমার জন্য।
দাঁড়াও, আমি তোমার জন্য চা বানাই।
- জানো, আমি কী সবচেয়ে অপছন্দ করি? - না, বলো।
দুধ চা।
এখানে কিছুক্ষণ সময় কাটাও।
আমি দেরিতে গেলে মা বোকা দিবে।
আমাকে স্কুলে যেতে হবে। কাল দেখা হবে।
টাটা।
ওগো
ওগো
হ্যালো।
হ্যাঁ, বলো।
কী খবর?
তেমন ভালো না। তোমার ব্যাপারে বলো।
জানো, কেন তোমাকে কল করেছি?
এই রবিবার,
সন্ধ্যা ৭টায়
টাউন হলের অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করছি।
দারুণ।
তোমার স্বামীকে নিয়ে তোমাকে আসতেই হবে।
অবশ্যই যাবো।
রবিবারে।
তাকে বলো, কোনো কাজে আবদ্ধ না হতে।
তাকে বলবো।
- রবিবারে দেখা হবে। - আচ্ছা, দেখা হবে।
- আচ্ছা, বাই। - বাই।
- রঙ চা'টা কেমন হয়েছে? - চমৎকার।
আমি গরম গরম বিরিয়ানি রান্নার কথা ভাবছি।
- আজকে? - হ্যাঁ।
আজকে কোনো বিরিয়ানি রান্না হবে না।
তুমি জানো কি?
এই সপ্তাহে চারবার আমিষ রান্না করেছো।
চলো করি, আনকি।
যতক্ষণ গরুর মাংস ফ্রিজে আছে...
আমি কীভাবে শান্তিতে বসে থাকতে পারি?
ওটা ওখানেই থাকতে দাও।
ওটা নিয়ে এত অস্থির হয়ে যাচ্ছো কেন?
যখন তুমি খাওয়ার সময় চুরি করা বন্ধ করবে।
আমি যেভাবেই হোক রান্না করবো। ঠিক আছে?
তোমার মন যা চায়, করো।
- মা... - হ্যাঁ।
মেশিনে ধুলে...
কাপড়গুলো তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাবে না?
আমার কাপড়গুলো মেশিনে ধুইয়ো না।
- ওগো, মেরামতের মিস্ত্রি আসেনি। - কী?
জলের পাইপ মেরামতের মিস্ত্রি...
দুঃখিত, আমি ভুলে গিয়েছিলাম।
চিন্তা করো না। আমি ঠিক করে দিব।
ধুর!
- ওগো... - হুমম?
আমার পিরিয়ড চলছে।
- তুমি চা বানাও নি? -না।
আমাদের জন্য কিছু নাস্তা কিনে আনবো।
ঊষাকে দুপুরের খাবার রান্না করতে বলে দিব।
সে আসবে।
- আমার স্যানিটারি প্যাড শেষ হয়ে গেছে। - কী?
তুমি কি আমার জন্যে প্যাড কিনে আনবে?
আনবো।
আপনি বিশ্রাম নিন।
আমাদের আজ সকালের নাস্তা রান্না করতে হবে না।
তাই ভেবেছি, মেঝেটা ঝাঁড়ু দিব।
এই বাড়ি পরিষ্কার করতে করতে মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে।
ঠিক বলেছো।
সেটা বিবেচনা করলে আমি অনেক ভাগ্যবান।
আমার বাড়িতে দুটো ঘর আর একটা ছোট রান্নাঘর আছে।
আহা, দয়া করে ওটায় হাত দিয়েন না। আমি মেঝেটা মুছে দিব।
সমস্যা নাই।
- এই সময়ে.. - এই সময়ে কী?
সত্যি তো।
কতদিন আর এমন প্রাচীন প্রথা মেনে চলবো?
আমার মা আমাকে বাড়িতেও ঢুকতে দিত না।
উনি কাজগুলো বাইরে করতেন।
জানেন কি...
আমার পিরিয়ডের সময়েও আমি বাড়িগুলোতে রান্না করতে যাই।
মাসে ৩/৪ দিন কাজ করা বাদ দিলে...
আমার পরিবারকে কীভাবে খাওয়াবো?
বাচ্চাদের স্কুলেও পাঠাতে হয়।
আমার হলেও কেউ কীভাবে জানবে?
তুমি তো দারুণ!
কী-বা করার আছে, দিদি?
আপনারর জন্যে গরম পানি নিয়ে যাচ্ছি।
আজকের ক্লাসে, আমরা পরিবার নিয়ে আলোচনা করবো।
পরিবার হলো সমাজকাঠামোর মৌল সংগঠন।
অন্যভাবে,
সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রতিষ্ঠান হলো..
পরিবার।
পরিবারের সংজ্ঞা কী?
পরিবার হলো স্বামী-স্ত্রীর স্থায়ী সংঘ,
যেখানে সন্তান-সন্ততি থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে।
আমরা সকলেই সমাজের অংশ।
তাই না?
পরিবারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
একটা পরিবারের বৈশিষ্ট্য?
পরিবারের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো..
এক. পরিবার একটা সার্বজনীন সংঘ।
দুই. বিবাহ পরিবার গঠনের পূর্বশর্ত।
খাবার এনে দিয়েছি।
আপনার জন্য পানি নিয়ে আসছি।
আমি নিজেই নিয়ে আসবো।
না।
চাচা জানতে পারলে, দুজনকেই ধমক দিবে।
আমি নিয়ে আসছি।
বাবা...
গরম আছে।
- ওগো... - হুম?
আমি কি চাকরির জন্য আবেদন করবো?
চাকরি?
দারুণ...
কীসের চাকরি, মা?
শিক্ষিকার?
কীসের শিক্ষিকা?
নাচের।
নাচের?
খুব ভালো।
সেটা...
আমাদের সাথে মানানসই নয়, মা।
ছোলার তরকারিটা চমৎকার হয়েছে!
চিন্তা করো না।
এটার ব্যাপারে আমরা কিছু করবো।
এখন শুধু আবেদন করো না।
আমরা কিছু করবো।
তুমি আবেদন করো, মা।
জানি না, তুমি মনোনীত হবে কি না।
- মনোনীত হলে পরে দেখা যাবে। - আচ্ছা।
মা....
কাউকে বলো না, এটা আমার আইডিয়া।
আচ্ছা, মা।
রাখছি তাহলে।
তো, ঘরের বাইরে টেবিলে খাওয়ার নিয়ম মেনে চলো।
- কী? - হুম?
- কী বললে? - টেবিলে খাওয়ার নিয়ম।
বাসায় কী সমস্যা?
বাসায় আমার নিয়মের কী সমস্যা?
এখানে ঠিকভাবে ময়লাগুলো ফেলছো। বাসায়...
তাতে কী সমস্যা?
আমার বাসায় আমার স্বাচ্ছন্দ মতো করে খাবো।
আমার ইচ্ছামত করে খাবো।
বুঝেছো?
আমি তো এমনিতেই বলছিলাম।
এটা নিয়ে এত রেগে যাচ্ছো কেন?
এমন কথা বললে, কে রেগে যাবে না?
আমার অভ্যাস নিয়ে কী সমস্যা?
এরকম আচার ব্যবহার আমার আছে।
বুঝেছো?
ওগো..
আমার সঙ্গে কথা বলছো না কেন?
রেগে আছো?
তোমার কি মনে হয়, তুমি যা বলেছো তা ঠিক?
আমি এমনিতেই বলছিলাম।
আমি মোটেও সিরিয়াসভাবে বলিনি।
আমার মধ্যে কি এটাই সবচেয়ে বড় ভুল দেখেছো?
আমি এটাকে 'ভুল' বুঝাইনি।
সেখানে বসে থাকার সময়, আমি শুধু...
ঠিক বলেছো প্রমাণ করতে যেও না।
তোমার যদি মনে হয় তুমি ভুল বলেছো, তাহলে আমার কাছে ক্ষমা চাও।
দুঃখিত।
এই....
হ্যালো ...
কাছে আসো, আচারপরায়ণ মেয়ে!
মিস. আচারপরায়ণ।
আসো।
ওগো...
জলের পাইপ মেরামতের মিস্ত্রিকে আসতে বলতে পারবে?
নোংরা পানির কারণে রান্নাঘরে বড় সমস্যা হচ্ছে।
মনে হচ্ছে তুমি ময়লা নিয়ে ভারী সমস্যায় আছো।
দেখা যাক।
- এই.. - হুম....
তাড়াতাড়ি আসো।
অতিথি এসেছে।
অতিথি? আমি কি তোদের কাছে অতিথি?
কোথায় থেকে আসলে?
তার মায়ের চাচির নাতি- দিপক। তুই তাকে চিনিস, তাই না?
দিপকের বিয়েতে গিয়েছিলাম। গুরুভায়র মন্দিরে
ওইজন্য আমরা এসেছি।
গত ক'দিন ধরে তার পা ফুলে উঠছে।
কোট্টাক্কাল হাসপাতালে পরামর্শ নেওয়ার কথা ভাবছিলাম।
তাই সেখানেও গিয়েছিলাম।
তারপর আপনাদের সকলকে দেখার কথা ভাবলাম।
সম্ভব হলে মোকামবিকা মন্দিরেও যাবো।
কেন ফুলে যাচ্ছে?
জানি না। হয়তো বাত ব্যাথার জন্য।
ফোলাটা কমে গেলেই কেবল মোকামবিকার পরিকল্পনা...
- এই, আমাকে তোমার মনে আছে? - হুম মনে আছে।
তাহলে বলো তো আমি কে!
এই, তুই তাকে সাহায্য করবি না, বুঝেছিস? তুমি বল।
বড় চাচার ছেলে।
এই, ও আমাকে এক ঝলক দেখেছে...
তুমি অনেকক্ষণ বকবক করেছিলে... - হ্যাঁ, ঠিক বলেছিস।
তার মেধা অনেক ভালো।
ভালো, খুব ভালো!
মা, আমাদের দুধ নেই? একটু চা বানাও।
চা বানাও। তবে দুধের দরকার নেই। রঙ চা বানাও।
দুধ আছে।
আরে না, আমি রঙ চা পছন্দ করি।
তুমি কাউকেই ভালোভাবে চা বানাতে দাও না। কেন দুধ চা খেতে পারবে না?
তুমি ভালোভাবে চা বানিয়ে আনো।
আমাদের দুই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা উচিত।
শুনেন।
এক হলো স্বাদ, আরেক হলো হজম।
স্বাদের ব্যাপারে, সে ঠিক বলেছে। দুধ চায়ের স্বাদ বাড়াবে।
কিন্তু হজমের কথায় আসলে রঙ চা বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।
তাই রঙ চা নিয়ে আয়।
- তোমার যা পছন্দ নিয়ে আসো। - আমি দুই ধরনেরই নিয়ে আসছি। সমস্যা নেই।
তাকে অযথায় কেন সমস্যায় ফেললে?
আমাদের প্রত্যেকেরই রঙ চা খাওয়া দরকার।
তুমি চাচির অনুষ্ঠানে আসোনি কেন?
কীভাবে যাবো? কোনো ছুটি ছিল না।
স্কুলে পরীক্ষা চলছিল।
তাই নাকি?
এই বছরে সাবারি মেলায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছিস নাকি?
- হ্যাঁ, এবার অবশ্যই যাবো। - চাচা, আপনিও যাচ্ছেন নাকি?
অবশ্যই!
মনে আছে, আমরা মন্দির থেকে প্রসাদ চুরি করে খেতাম।
আর চাচা আমাদের মারতো।
তোর মনে আছে?
তুমি আমার থেকে বেশি মার খেতে।
হ্যাঁ। আমি অনেক মার দিয়েছি।
- আমার তো চাইনি। - যাই হোক আমি তো বানিয়েছি।
এটা কী?
এটাকে রঙ চা বলে?
এটাকে তোমরা সবাই রঙ চা মনে করে খেয়ে আসছো?
ভাবী..
পানিতে একটু চা-পাতা আর চিনি দিলেই রঙ চা হয়ে যায় না।
রঙ চায়ে
একটু এলাচ দিতে হয়।
একটু দারুচিনি...
সামান্য লবঙ্গ..
সামান্য মেথি..
তাহলে একটু গরম মসলা আর চাল মিশিয়ে এটা বিরিয়ানি বানিয়ে ফেলো।
- ঠিক বলেছো। - তার মাথায় শুধু খাওয়ার চিন্তাই ঘোরে।
কিন্তু সে যা-ই খায় সব তার পায়ে চলে যায় আর এটা ফুলে উঠে।
তো পরেরবার এভাবে বানাবে, কেমন?
খারাপ হয়নি।
তাহলে রাতে মুরগির মাংস আর নানরুটি করা যাক।
- হ্যাঁ, আমাদের মুরগি আছে। - মুরগির তরকারি, তাই না?
আমি রান্না করবো। করলে কী সমস্যা?
ঠিক আছে, এমন করা যাক।
মেয়েরা আজ বিশ্রাম নিতে পারবে।
আমরা ছেলেরা আজ রান্না ঘরের দায়িত্ব নিব।
ভাবী ...
আমি কি তোমায় সাহায্য করব?
লাগবে না। তোমার শরীর ভালো নেই।
তাহলে আমি ঘুমাতে যাচ্ছি।
তোমার কি রঙ চা লাগবে?
ভাবী.....
দুই কাপ রঙ চা নিয়ে আসো।
- বুঝেছো? - হ্যাঁ।
তোমাকে এটা নিতে হবে নয়তো অন্যটা মারতে হবে।
আর কত সময়....
এলাচ দিয়েছো, তাই না?
এবার আসল চা হয়েছে।
কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, চা বানানো কে শিখিয়েছে..
কার কথা বলবে?
তোমার।
আসো বসো। টুয়েন্টি-এইট খেলবো।
না। রান্নাঘরে কিছু কাজ আছে।
কী? এখন আবার রান্নাঘরে কীসের কাজ?
আমরা কি সবকাজ করে দেইনি?
খেয়ে দিছি... ধুর! তুমি আমার শেষ কার্ডটাও খেয়ে দিলে!
মা....
মা... - হুম, বাবা। আসছি।
কী, বাবা?
এটা কী, মা?
ইন্টারভিউয়ের চিঠি।
আমরা কি আবেদন না করার সিদ্ধান্ত নেই নি?
আমার বউ স্নাতক পাশ।
সেও চাকরি করতে চেয়েছিল।
কিন্তু আমি আমার বাবার কথা শুনেছিলাম।
এইকারণে,
আমার সন্তানেরা ভালো জায়গায় আছে।
বাসায় মেয়ে থাকা..
পরিবারের জন্য অনেক মঙ্গলকর।
আমলা-মন্ত্রীরা যা করে...
তার চেয়েও তুমি বেশি ভালো কাজ করো।
তোমার মাকে জিজ্ঞেস করো, সেও একই কথা বলবে।
ঠিক আছে। চিন্তা করো না...
এই
তোমাকে চাকরির আবেদন করতে বারণ করিনি?
বাবার সামনে এখন ছোট হয়ে গেলাম না?
আমি কি একবারও বলেছি, তোমায় চাকরি করতে দিব না?
বলেছি?
বিয়ের আগে কি সবকিছু তোমায় বলিনি?
কেউ আমাকে কিছু বলেনি।
তোমার বাবা-মাকে জিজ্ঞেস কর,
তাদের বলেছি কিনা।
এব্যাপারে তোমার আদব-কায়দা কোথায়?
বাতি নিভিয়ে দাও। ঘুমাতে হবে।
আমি সাবারিমেলার তীর্থস্থানে ব্রতের জন্য যাচ্ছি।
কবে যাচ্ছো?
তারিখ ঠিক হয়নি।
কিন্তু কালকে থেকে সংযত থাকা শুরু করব।
ফিরে আসার পরেই কেবল আমরা এভাবে একসাথে থাকতে পারবো।
বুঝেছো?
বাতিটা কি নিভিয়ে দিতে পারি?
আমি কিছু বললে তুমি মন খারাপ করবে কি?
কী?
সেক্স করার সময় অনেক ব্যাথা করে।
একটু শৃঙ্গার করলে, আমি করব... [শৃঙ্গার হল যৌনসঙ্গমের পূর্বে এমন কিছু মানসিক ও শারীরিক ক্রিয়াকলাপ, যা যৌন চাহিদাকে বাড়িয়ে দেয়]
তো, তুমি এই সম্পর্কে সবকিছুই জানো।
কী?
শৃঙ্গার...
শৃঙ্গারের জন্য তোমার প্রতি কিছু অনুভব করা দরকার...
বাতিটা নিভিয়ে দাও।
[পূজার মন্ত্রপাঠ চলছে...]
এটা কালকের খাবার, তাই না?
হ্যাঁ।
ফ্রিজে রেখে গরম করেছি। ভালো আছে।
ভগবান রক্ষা করুন!
তুমি কি জানো না, তীর্থযাত্রীদের বাসি খাবার দিতে হয় না।
তুমি কি এটা জেনেশুনে করেছো?
মায়ের দিব্যি, আমি জানতাম না।
এখন পর্যন্তও এটা সম্পর্কে জানতে না?
চমৎকার।
সময়ের কি সাথে কিছুই পরিবর্তন হয় না?
উদাহরণস্বরূপ, জুতা না পড়লে..
এসময়ে অনেক রোগে আক্রান্ত হতে পারি।
আমি এমন লোককেও চিনি যারা উপোস থাকার সময়ও পানি পান করে।
এসবে তারা এত বেশি গুরুত্ব দেয় না।
খাবার পরিবেশন করে দিয়েছি।
[মন্ত্রপাঠ চলছে...]
দাদা...
এসব কী হচ্ছে? এসব কি সত্যি?
তার মা-বাবার কি কোনো দায়িত্বজ্ঞান নেই?
আমি কী বা বলতে পারি?
শত কাজ ফেলে আমি এসেছি।
এসব শুনে কিভাবে না এসে থাকতে পারি?
সে কোথায়?
এসব কী?
তুমি বিছানায় বসে আছো?
বিছানায় শুতে কেউ তোমাকে মানা করেনি?
পরিষ্কার করা যায় এমন জায়গায় কেবল শোয়া উচিত।
প্রতিবেশিদের বাসায় কি যেতে পারো না?
কিংবা বাড়ির বাইরে?
আমি ভয় পেয়েছি।
কীসের ভয় আবার? এখনো বাচ্চাই আছো নাকি?
এগুলো সরাও। বিছানাটার এখন কী হবে?
মাদুরটা নাও। মেঝেতে শুয়ে পড়ো।
অনেক সুস্বাদু হয়েছে।
আমি তো তাড়াহুড়ো করে সব সামলাম।
এভাবে মা রান্না করত।
ওই তরকারিটা আরেকটু দাও।
খাবার খেয়ে নাও।
খাওয়া শেষ হলে..
প্লেটটা ধুয়ে এখানে রেখে দিও।
কারো সাথে দেখা করতে কিংবা বাইরে যেও না।
তোর বাবা বিদেশ থাকার কারণে
আমরা এসব প্রথা মেনে চলিনি।
তারা ওগুলো মেনে চললে
নিজেকে ভাগ্যবান মনে কর।
তারা যা বলে, তাই মেনে চল।
মা, আমি যা বলছি, তুমি কেন তা বুঝছো না?
এমন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য হয়েছিস...
...সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে, এখানে যা ঘটছে তাতে সংবিধান লঙ্ঘিত হচ্ছে।
কিছু রাজনৈতিক দলও এটায় সমর্থন জানিয়েছে।
এটাকে কেবল গনতন্ত্রের ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য করতে পারি।
কোর্ট 'মাসিক'কে অপবিত্র নয় হিসেবে বিবৃত দেওয়ার সময়..
কিছু লোক এতে সমর্থন দিচ্ছিল।
তোমার ব্যবহৃত সকল জিনিস
মাদুরটাসহ নদীর পানিতে ধুয়ে নাও।
অন্যসব কাপড় থেকে ধোয়া কাপড়গুলো আলাদা রেখো।
স্যানেটারি প্যাডগুলো পুড়ে ফেলো। যেখানে-সেখানে ফেলে দিও না।
সর্পদেবীর ক্রোধের শিকার হয়ো না।
সাতদিন পর, ব্যবহৃত জিনিসগুলো গঙ্গার জলে পবিত্র করে নিবে।
ভেবো না যে, ফিরে আসা সর্বগ্রাসীরা
দেবীর ক্রোধ থেকে রেহাই পাবে।
কী করছো?
তুমি কি জানো না, এসময় পবিত্র তুলসির গাছ স্পর্শ করা উচিত নয়।
কিন্তু আমার ঠান্ডা লেগেছে।
ভগবান রক্ষা করো।
দিদি, আমাকে ৫০০ টাকা ধার দিতে পারবেন?
আমি এখানকার কিছুই স্পর্শ করতে পারবো না।
টেবিলের ড্রয়ারে রাখা ব্যাগ থেকে নিতে পারো।
আচ্ছা। এখন কেমন আছেন?
ভালো আছি।
তোমার যা লাগে নাও।
আচ্ছা।
জনসম্মুখে তোমার প্যান্টি ঝুলিয়ে রেখেছো কেন?
ওগুলো শুকাতে দিয়েছি ...
পিছনের উঠোনে শুকাতে দিতে পারো না?
ভালোভাবে না শুকাইলে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাবে না?
ওহ... কী বাচনভঙ্গি!
দুধটা ওখানে রেখে দরজাটা বন্ধ করে দিও।
- আচ্ছা। - যাও।
দিদি..
দিদি..
কী?
কোথায় তুমি?
এখানে আছি।
তোমাকে দেখাতে একটা জিনিস নিয়ে এসেছি।
কী?
আমি তীর্থযাত্রার জন্য মাদুলি পড়েছি। আমি এখন একজন ধর্মচারী।
ওহ, এখানে এসো না।
- কেন যাবো না? - এসো না!
তুমি আমাকে আসতে মানা করলে কেন?
তোমাকে একটা জিনিস দেওয়ার জন্য এসেছি।
তোমার ভালো লাগে?
এখন যাও।
পরে দেখা হবে।
[ভক্তিমূলক গান চলছে..]
উঃ
ওগো
দূর হও!
জানো না, এসময় তীর্থযাত্রীদের ছোঁয়া যাবে না?
ভগবান রক্ষা করুন!
ঋতুমতী নারীর ছোঁয়ায় অপবিত্র হলে
তোমাকে টাটকা গরুর গোবর খেতে হবে।
নয়তো, গোমূত্র পান করে নিজেকে পবিত্র করতে হবে।
যা হওয়ার হয়ে গেছে।
এত অস্থির হয়ে যেও না।
শুধু নদীতে স্নান করে নাও...
সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশটিকে কেবল..
মহিলাদের মন্দির প্রবেশের বিষয় হিসাবে দেখা উচিত নয়।
এটা আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণা।
ঘোষণা দেয়- আমরা কারো দাসী নয়।
তারা আশা করেছিল, তারা নারীদের সারাজীবন সংসার আর রান্নাঘরে শিকলে আবদ্ধ রাখতে পারবে।
আমি আজ দরকারি কাজে বাইরে যাচ্ছি।
কালকে সপ্তম দিন। নিজেকে পরিশুদ্ধ করে রান্নাঘরে ঢুকতে পারবে।
দেখেশুনে সবকিছু করো। আসি, তাহলে।
নারীবাদী মাগী, বের হয়ে আয়!
ও এখনো আসল পুরুষ না দেখার কারণেই এমন করেছে।
বের হয়ে আসলে, আমি তাকে দেখাবো।
বের হয়ে আয়...
কিছু হয়নি। ভয় পেয়ো না।
বের হয়ে আয়। তোকে মজা দেখাবো।
ফেসবুকেই শুধু ভাব দেখাতে জানিস নাকি?
বেরিয়ে আয়!
জ্বালায় দে।
এটা তার ফোন থেকে ডিলিট করে দিতে বল।
তার ব্যবহার কি সুশিক্ষিত নারীর সাথে মানানসই?
কিছুসময় আপনি কি স্থানীয় সম্প্রদায় সভার সভাপতি ছিলেন না?
আমরা নিজেরাই এমন অন্যায় করছি, এটা কি অপমানজনক নয়?
ভিডিয়োর কমেন্টের গালাগালিগুলো দেখেছো?
এটা আমাদের সকলের জন্য লজ্জাজনক।
এজন্য এবার আমরা নিজেরাই এসেছি।
চিন্তা করবেন না।
সে ডিলিট করে দিবে।
- হুম, এতেই হবে। - হ্যাঁ, এতেই হবে।
আসি তাহলে।
সকালে দেখা হবে।
ফেসবুকে শেয়ার করা ভিডিয়োটা ডিলিট করে দাও।
আমার কাছে ঠিক মনে হয়েছিল তাই আমি শেয়ার করেছিলাম।
আমি ডিলিট করবো না।
আমি ডিলিট করতে বলছি।
আমি শেয়ার করেছি তাতে তোমার কী আসে যায়?
আমি ভিতরে আসলে...
তুমি পারলে আসো...
তুমি আমার দিকে তাকাতে পারবে? আমাকে ছুঁতে পারবে?
তুমি আমার কিছুই করতে পারবে না।
এই বাসায় থাকতে চাইলে
আমাদের কথা মেনে চলতে হবে।
খুকি...
- দরজাটা বন্ধ করে দিবে? - আচ্ছা দিচ্ছি।
বাইরে থেকে খিল দিও।
মা... আটজনের জন্য চা বানাও।
[ মন্ত্রপাঠ চলছে...]
কতকক্ষণ ধরে আমরা চা চাচ্ছি।
চা বানিয়েছো?
এখনি নিয়ে যাচ্ছি।
তাড়াতাড়ি।
এই...
ধর্মীয় প্রথা সংরক্ষণের জন্য আন্দোলন
এমন একটা তুচ্ছ ব্যাপারের জন্য সেখান থেকে চলে এলি?
আয়, আমি তোকে রেখে আসি।
ক্ষমা চেয়ে ওই বাসায় ফিরে যা।
আমি কোথাও যাচ্ছি না।
- তাহলে তুই কী মনস্থ করেছিস? - দিদি, তুমি কখন এলে?
মা, আমাকে একটু পানি দাও।
তাকে একটু পানি এনে দে।
ওখানে বসে থাক!
তুই নিজে গিয়ে কেন পানি নিতে পারবি না?
তোমার রাজকীয় ঘোষণায়,
তুমি সাম্রাজ্য, যুদ্ধ, রক্ত পেতে পারো।
কিন্তু আমাদের জন্য, শুধু ভালোবাসা, ত্যাগ, ধৈর্য রেখে গেছো।
তোমার ঘোষণায় বহুকাল কারারুদ্ধ রাখা
নারীদের মতো আমি নই।
আমি তোমার কষ্টের আঘাতে জ্বলে ওঠা
আগুনের শিখা।
- শুভ সকাল! - শুভ সকাল, ম্যাম!
সবাই প্রস্তুত আছো তো?
কারো কাছে কস্টিউম কিংবা অলংকার অস্বস্তিকর লাগলে, আমাকে বলতে পারো।
- চূড়ান্ত রিহার্সালের জন্য প্রস্তুত তো? - হ্যাঁ।
আমার জীবনটা এখন পর্যন্ত আসলে একটা রিহার্সাল ছিল।
এখন থেকে আমাদের জীবনে ওইসব ভুল সংশোধিত হবে।
তাই না?
চা টা দারুণ হয়েছে।
আমি স্নান করে আসছি।
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে সাবসিনে রেটিং দিতে ভুলবেন না। উৎসাহিত করার জন্য, ভালো-মন্দ ফিডব্যাক জানাবেন। ধন্যবাদ।। ❤️
নারীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করলাম।
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ এফ জে নয়ন
দেশি-বিদেশি যেকোনো মুভি কিংবা সিরিজের বাংলা সাবটাইটেলের জন্য ভিজিট করুনঃ Bsubtune.xyz
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.