All language subtitles for Tholi Prema (2018) Telugu Proper 720p HDRip x264 1.4GB

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian Download
am Amharic
ar Arabic Download
hy Armenian Download
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian Download
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada Download
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam Download
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal) Download
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian Download
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese Download
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish Download
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
tt Tatar
te Telugu Download
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভার গ্রুপে আপনাদের সাদর আমন্ত্রণ রইলো.

এটা আমার প্রথম ডিরেক্ট হার্ডকোডেড সাব থেকে বাংলা অনুবাদ।

ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

বিশেষ ধন্যবাদ : শাকিল ভাই, আদনান আর হাসান ভাইকে।

মুভির নামঃ Tholi Prema (2018) সাবমেকার : নাঈম সরকার সম্পাদনায়ঃ মোহাম্মদ ইউসুফ

মধ্যরাতে মাইনাস ২ ডিগ্রী তাপমাত্রায় যদি কোন ছেলে দৌড়াতে দৌড়াতে থেমে যায়

হয় তার ক্যারিয়ার নয়তো প্রেম।

আমি আমার ক্যারিয়ারের চূড়ায় অবস্থান করছি।

কিন্তু প্রেমের ব্যাপারে জানি না আমি কোথায় আছি।

এই, তাড়াতাড়ি কর।

মটু! প্যাকেট গুলা আমার কাছে দে।

ধর।

শব্দ করা বন্ধ কর। হাট তাড়াতাড়ি।

প্রিন্সিপালকে আজকে একটা শায়েস্তা করতেই হবে আমাদের।

হুম! আমাদের শাস্তি দেয়ার সাহস পায় কিভাবে!?

আজকের দিনের কথা তাকে আজীবন মনে রাখতে হবে।

ভাই, ভাই, ভাই।

তোর ছবি!

তুই প্রথম না হওয়ায় তোকে এভাবে কথা শুনাতে পারলো!

এতো খবিশ যে একটা কালার ছবিও দিলো না!

চল যাই।

- এই টিসির ব্যাপারে কী হয়েছে? - সকালে নিয়ে নিয়েছি।

- জামাকাপড়? - প্যাকড।

- ট্রেন টিকেট? - বুকড।

সিকিউরিটি?

নাইট শো দেখতে পাঠিয়ে দিয়েছি।

- গুড! - ধন্যবাদ ক্যাপ্টেন।

তাড়াতাড়ি!

তোর প্যাকেট নে! তাড়াতাড়ি আয়!

আয়, আয়!

- এই ধর এটা। - ধর।

আমার খুব ভয় করছে! চল, চলে যাই।

এই প্রিন্সিপ্যাল আমাদের দুই বছর ধরে জ্বালাচ্ছে।

এখন না পারলে আর কখনোই প্রতিশোধ নিতে পারবো না!

কেউ তার কিচ্ছু করতে পারবে না, এই ধারণাও তার মনে গেঁথে যাবে।

যেটা মোটেও ভালো হবে না।

- এতো খারাপ গন্ধ কেনো? - গরুর গোবর থেকে তুই কিরকম সুগন্ধ চাস?

আমরা মনে হয় ধরা খাবো!

খেলা হবে!

তাড়াতাড়ি কর।

- চল চল, পালাই! - চল চল!

কে রে!

আদি!

আদি!

- ভাই! - এই আদি!

দেখে ফেলছে!

সিকিউরিটি!

সিকিউরিটি!

এই সিকিউরিটি!

এই সিকিউরিটি!

ব্রো! মেয়েটাকে কি পছন্দ হয়েছে?

শুধুমাত্র চোখের দেখায়, মন থেকে না।

ওকে...ভাই। বাই, বাই, বাই!

- বাই! বাই! - নিজের খেয়াল রাখিস।

ভাই। দুই মিনিট দাড়া।

কেনো?

সুরেশ তোর জন্য কোকা কোলা আনতে গেছে।

ধুর, আমি কোকা কোলা অন্য জায়গা থেকে কিনতে পারবো।

আরে এটা সেই কোকা কোলা না! এটা ভটকা কোলা!

- সত্যি? - আরে হ্যা।

ভাই, আমি আসতাছি!

- ভাই, এক মিনিট দাড়া! চলে আসছে। - তাড়াতাড়ি

- যা! - মোটা যা!

আরে তুই যা! যাচ্ছি।

ধুর বাল!

এই, আদি!

তুই ভটকা খাওয়ার সুযোগ হারালি।

তোর কপাল খারাপ।

খেলা হ বে!

ইয়েস!

আমি জানতাম আদি চেলেঞ্জ নিলে জিতবেই।

এই, আদি!

আরেকটু হলেই তো গিয়েছিলে!

দেখতে পাও না নাকি?

প্রায় মারা যাচ্ছিলে।

তুমি এতো সুন্দরী কেনো?

- ভাই সব ঠিক আছে তো? - আমি তোরে পরে কল দিচ্ছি। রাখ এখন!

এই, রাভি!

কিরে ভাই? সব ভালো?

মামা, যা ঘটেছে আমার সাথে! বললে বিশ্বাস করবি না!

কেনো বিশ্বাস করবো না? আমি তোকে বিশ্বাস করি।

কোকা কোলার বোতলের জন্য তুই তোর জীবন বাজি রাখছিস, এই তো।

এই! তুই কিভাবে আসল ঘটনা জানলি?

শেখর কল দিয়েছিল আমাকে।

একটা চ্যালেঞ্জ এর জন্য নিজের জীবন বাজি রাখিস কীভাবে?

এই ঝুঁকি নেওয়াতেই তো একটা জোশ মেয়ের দেখা পেলাম!

তাই নাকি?

প্রায় মরেই যাচ্ছিলাম!

কিন্তু সে কোথা থেকে এসে দেবীর মতো বাঁচালো আমাকে!

- সে কি সুন্দরী নাকি? - সুন্দরী?

কোহিনূর হীরা।

প্রথম বার দেখেই ফিদা হয়ে গেলাম!

তার বাবা মনে হয় ব্যাংকে টাকা জমা রাখার পরিবর্তে তাকে জমা রেখেছে!

নইলে, আমার মত কেউ তাকে চুরি করে ফেলতো!

- সত্যি? - প্রেমে পরে গেছিরে!

হ্যালো

হ্যালো

শুনে ফেলেছো?

টিকেট...টিকেট...টিকেট!

তোমার টিকেট?

প্লিজ ধরুনএকটু।

কিসের গন্ধ এটা?

কিছুই না।

মদ নাকি?

আহ! না!

দেখি! এদিকে দাও!

এটা আমার। আপনাকে দেব কেন?

অবশ্যই এটা তোমার! আমি চেক করে আবার দিয়ে দিচ্ছি।

এই, এই, এই! না!

এই! না! না! থামো!

হ্যা মদ ছিলো। কিন্তু প্রমাণ কোথায়?

প্রমাণ?

- আমার টিকেট! - টিকেট দেখান!

আপনি ফেলে দিয়েছেন!

প্রমাণ কোথায়?

সাধারণত, এসব কেসে ৫০০ টাকা জরিমানা করি আমরা।

কিন্তু তুমি আমার ইগোতে আঘাত করেছো।

তাই আমি তোমাকে হায়দ্রাবাদের ৫০০ কি.মি. আগে ছেড়ে দিলাম।

স্যার আমি আপনাকে এখনি ৫০০ টাকা দিচ্ছি।

বিদায়।

শোন

আমি সব দরজা বন্ধ করে দিয়েছি। তাই অযথা চেষ্টা করে লাভ নেই।

চলতে থাকো! ফিদা বয়!

ধুর বাল।

এই ছোরি !

দেখো, আমি তোমার হেঁচকি থামিয়ে দিতে পারি।

কিন্তু আমি এই ট্রেন থামাতে পারবো না।

মনে হচ্ছে আজকে আমার শুভ দিন!

- হেল্প! - হেল্প!

সাহায্য চাচ্ছে।

তোমার এই চিৎকারের কোন দাম নেই।

- আমাদের ছাড়া এই প্লাটফর্মে কেউ নেই। - কেউ নেই।

কেউ তোমাকে বাঁচাতে আসবে না!

এই, এই! সরো, সরো!

কে রে এই আপদ টা।

- আমার হাত ভেঙে ফেলছে। - ধুর! আবারো আমি ট্রেন মিস করলাম!

এই! এখানে কিভাবে?

হ্যালো

কি?

মদ খাওয়ার জন্য টিটি কি তোমাকেও ট্রেন থেকে নামিয়ে দিয়েছে?

আরে না! এটা পানি।

- তাহলে এখানে কি করছো? - এই!

- যা, নিজের কাজ কর! - ধন্যবাদ স্যার!

এই! আমি ভিক্ষুক না।

তাহলে?

কিরে ভাই?

তুই কি নিজেকে শ্রী কৃষ্ণ মনে করিস যে, ধ্রুপদী কে বাঁচাতে চলে আসলি?

মানে....

শ্রী কৃষ্ণা ধ্রুপদীর ভাই না?

- হ্যা! - হ্যা!

তাহলে আমি শ্রী কৃষ্ণ না!

নিজেকে রাম মনে করিস!

এই, হিরো!

নিজেরে বড় কিছু ভাবিস না!

আমাদের সংখ্যা দেখেছিস? ওদের মাসেল দেখেছিস?

তুই আমাদের থামাতে পারবি না।

তুই আমাদের থামাতে পারবি না।

- খেলা হবে! - কী?

এই! পনি!

পনি উঠ!

এই

তুই এভাবে কিভাবে মারতে পারলি?

মনে কর, রাভন সীতাকে হরণ করতে এসেছে

কিন্তু রাম বাড়িতে আছে।

তাহলে রাম কী করবে?

সে তাকে মারবে!

এই তুই ওর সাথে ইতিহাস নিয়ে কথা শুরু করলি কেনো?

আগে শালারে সাইজ কর!

যা মার!

মার শালারে!

শালা ভাল্লুক! যা। শালার পা ভেঙে ফেল!

যা

টাইগার

শালা শুয়োর!

স্যরি ভাই! স্যরি ভাই!

এই! এই!

এই!

আরে আয়। চেয়ে চেয়ে কী দেখছিস?

আয়...আয়....এদিকে আয়!

তোরা সব এখানে ইঁদুরের মতো জড়ো হয়েছিস কেনো ! মার শালারে!

এই। তাকিয়ে কি দেখছিস? যা সাহায্য কর।

যা

ভাই! ভাই!

- কি? - ভাই ওরে মাইরেন না!

- ভাই! ভাই! - মাইরেন না ভাই

- ভাই বলে কি বলতে চাচ্ছিস? - শালার বিয়ার!

- ভাই! ভাই! - কী?

ভাই। প্লিজ মাইরেন না।

আপনি কি জানেন রামায়ণে কৃষ্ণা কী বলেছেন?

রামায়ণে....

কৃষ্ণা.

কৃষ্ণা তো মহাভারতে, ভাই!

রামায়ণে। শুধু রাম এখানে আছে!

শুধু রাম

এই!

হ্যোয়াটসঅ্যাপে আমি আমার লোকেশন শেয়ার করছি।

- আমাদের সব বন্ধু নিয়ে এখানে চলে আয়। - কে রে?

- কে রে? - আমার বন্ধু।

- মানে আরেকটা দল এনে আমাকে মারার প্ল্যান করছিস? - হ্যা!

এটাকে কি চায়না মাল মনে করছেন?

১৯০০ টাকার মোবাইল

আমি তোর সাথে মারামারি করতে যাচ্ছি না।

- মারামারি বলতে কী বুঝাচ্ছিস? - আমি না....

আপনি আমার হাত ভেঙে ফেলছেন। ছাড়েন এবার।

- ছেড়ে দে ভাই! ছেড়ে দে! - মারামারি করবি বলছিলি না। ঘুর

আমারে মাইরেন না!

আমি না মারার অনুরোধ করার পরেও আপনি মেরেই চলেছেন?

আপনি কি মানুষ?

থামো!

ম্যাডাম, আপনি আসলেই পরী

একটা পরীকে সাধারন মেয়ের মত কীভাবে ইভটিজিং করতে পারলি, হ্যা?

থামো বলছি!

- যা ভাগ! - আমার ফাটা কপাল!

কেনো যে তার পিছু নিয়েছিলাম?

এতো বাজে ভাবে মারলে?

আমি এরকমই, আমি রেগে গেলে...

ঝামেলা টা কিসের? কি হয়েছে?

ঝামেলা শেষ।

হ্যালো, আমি আদিত্য।

তুমি আমাকে ধন্যবাদও দিলে না।

আমাকে অন্তত তোমার নামটাও তো বলতে পারতে?

ট্রেনে তোমাকে বাঁচিয়েছি।

তুমি কি আমাকে ধন্যবাদ দিয়েছো?

ধন্যবাদ

বর্ষা।

বর্ষা

সুন্দর নাম

- বর্ষা, তুমি কি হায়দ্রাবাদ থাকো নাকি? - হ্যা।

হায়দ্রাবাদের কোথায়?

ওহ! এই বইটা? কিছু না....

হিরো একটা বোম দিয়ে বিল্ডিং টা ভেঙে ফেলে।

কিন্তু, তাকে দোষী প্রমাণিত করা যায়নি।

অনেক মজার কাহিনী!

এখন পড়ো!

তোমার কি মন খারাপ?

মজা নিলাম!

তুমি জানো আমার কত চিন্তা হচ্ছে?

আর আমি সেই টেনশন দূর করার জন্য বই পড়ছিলাম।

সব ভেস্তে দিলে।

তুমি চিন্তিত কেনো?

আমি চিন্তিত কেনো?

জীবনে প্রথম ৬ টা গুন্ডা একসাথে দেখলাম।

আহ হা!

আমার কান্না করতে মন চাচ্ছে।

আমি ঘরকুনো।

এই! সমস্যা নেই।

বাড়িতে কল দিবে নাকি?

কিসের জন্য?

আমি আমার এই টেনশন তাদের সাথে শেয়ার করবো?

আমার মা কল দিয়েছে।

হ্যালো, মা! এই! এই!

হ্যালো?

কে বলছো?

কে বলছো?

এটা আমার মোবাইল!

মা

এই

মেয়েটা কে?

ওর নাম বর্ষা। ভুল করে আমার মোবাইল ধরে ফেলেছে।

ভুল করে?

ওর কাছে মোবাইল টা দে তো।

মা

মা কিভাবে দিবো? ব্যাপারটা ভালো দেখাবে না।

তোকে দিতে বলেছি দে!

ওকে মা।

কথা বলো।

- আমি কেনো? - আরে কিচ্ছু হবে না। প্লিজ কথা বলো।

হ্যালো আন্টি।

স্যরি আমি মনে করছিলাম এটা আমার মোবাইল, তাই ভুল করে ধরে ফেলেছি।

হুম.... সমস্যা নেই মা।

কিন্তু তুমি আর আমার ছেলে একসাথে কীভাবে?

আন্টি, আমার ট্রেন মিস হয়ে গেছে।

- আর আমার ছেলের? - সেও ট্রেন মিস করেছে!

ট্রেন মিস করেছে!

কি! ট্রেন মিস করেছে!

এই জন্যই আমি তাকে ফ্লাইটে যেতে বলেছিলাম।

তাহলে তোমরা দুইজনে একসাথে ট্রেন মিস করেছো, হুহ?

না আন্টি।

আমি এই স্টেশনে মিস করেছি।

- ও অন্য ষ্টেশনে মিস করছে। - আমাকে দাও তো!

হ্যালো মা!

তুমি ওর কাছে কেনো এসব জিজ্ঞাস করছো?

এই! আদি!

আমি বাসায় এসে বুঝাচ্ছি।

ওকে,চালাকি করতে যেও না।

ওকে মা! বাই!

এই! আমার মোবাইল ধরতে গেলে কেনো?

টেনশনের মধ্যে ছিলাম, আমার মা কল করেছে ভেবে কল রিসিভ করে ফেলেছি!

কি? আমার মোবাইলে?

এই সব টেনশনের কারন তুমি।

- আমি? - হ্যা, তুমি।

ওকে

তা তোমার টেনশন দূর করতে আমি কী করতে পারি?

আমাকে একটু একা থাকতে দেও আর দূরে যেয়ে বসো।

ওকে

এই

দরকার পড়লে

-এখানে কি করছো? -তুমিই তো বললে দূরে যেয়ে বসতে।

আমি এতো দূরে যেতে বলিনি!

একটু কাছে আবার একটু দূরে....

(তেলেগু গান গাচ্ছে)

এই...এই....এই!

এই, আমার কাছে দাও বলছি!

ওহ...ধুর!

আমি প্রায় সর্বোচ্চ স্কোর করে ফেলেছিলাম। ধুর!

শুধু মাত্র তোমার জন্য! হ্যা! কষ্ট লাগছে?

হ্যা।

ঠিক এরকম আমারো লেগেছিলো বই পড়ার সময় যখন তুমি ক্লাইম্যাক্স বলে দিয়েছিলে।

আরে সেটা তো মজা করে বলেছিলাম।

আমি খালি কথা বলা শুরু করতে চেয়েছিলাম।

তাই নাকি?

আমি জানি তুমি আমার সাথে ফ্লার্ট করতে চাচ্ছিলে।

আমি। তোমাকে ইম্প্রেস করবো?

আমি না কোহিনূর?

আমার বাবা আমাকে কোন ব্যাংকে ডিপোজিট করবে যদি অনুগ্রহ করে জানাতে?

ওহ!

তাহলে তুমি শুনে ফেলেছো!

হ্যা

ভালো। যাক আমাকে শুরু থেকে শুরু করতে হবে না।

তুমি আসলে মস্ত বড় একটা লুচু?

ফ্লার্ট করায় দোষের কি আছে?

এটা ভুল কিছু না?

টিজ করা দোষের, ফ্লার্ট করা না।

পার্থক্য কোথায়?

কোন মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে বিরক্ত করা টিজিং।

আর তার ইচ্ছা অনুযায়ী করলে সেটা ফ্লার্ট।

স্যার..

তোমার সাথে কথা বলার মত শক্তি আমার নেই।

একটু একা থাকতে দাও।

তোমার কি ক্ষুধা লেগেছে?

হ্যা। যেভাবে জিজ্ঞাসা করলে মনে হয় আমার জন্য খাবার নিয়ে আসবে।

এই! কি করছো তুমি?

খাবার জন্য কিছু খুঁজছি।

থাক লাগবে না। সমস্যা নেই।

এক সেকেন্ড....

আচ্ছা, ব্রেড আর অমলেট হলে চলবে?

চলবে।

এক মিনিট।

- তাড়াতাড়ি বানাও। - আচ্ছা।

বর্ষা, তোমার বয়ফ্রেন্ড আছে?

না।

ইয়েস

ইয়েস

- তাহলে তুমি সিংগেল? - হ্যা।

আচ্ছা, তাহলে, আমি তোমাকে ভালোবাসি।

কি সব ফালতু কথা বলছো?

বুঝলাম না!

আগে একটু পানি খেয়ে নাও।

খাও

কি সব ফালতু কথা বলছো?

ওহ! তাহলে তুমি শোননি! আমি তোমাকে ভালোবাসি!

আমি শুনেছি! হঠাৎ করে এমন কথা কিভাবে বলতে পারো?

আমার মনে হয়েছে ভালোবাসি তাই বলে দিয়েছি।

দেখা হওয়ার এক ঘন্টার মধ্যে?

আসলে যখন আমি তোমাকে দেখলাম

তখনি বলা উচিত ছিলো, কিন্তু দেরি হয়ে গেছে, স্যরি!

তোমার মনে যা আসবে তাই বলে দিবে?

একবার কি চিন্তা করে দেখেছো?

আমি এমনই

কিন্তু আমি তোমার মত না।

একটা মানুষ কে পছন্দ করতে আমার অনেক সময় লাগে।

ওকে, তুমি সময় নাও।

একবার আমার সম্পর্কে জানতে পারলে, তুমি অবশ্যই আমাকে পছন্দ করবে।

ভালোবাসা আর পছন্দ করা এক না।

তুমি আগে পছন্দ পর্যন্ত আসো, আমি প্রেম পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছি।

আদি, এটা কোন ছেলেখেলা না।

আমি ট্রেনের বন্ধুত্ব কিংবা প্রথম দেখায় ভালোবাসায় বিশ্বাসী না।

আমিও ট্রেনের টাইমিং এর উপর ভরসা করতাম না।

কিন্তু বিশাখা এক্সপ্রেস ঠিক সময়ে ছেড়ে যাচ্ছে! এটা আমার বিশ্বাসকে পরিবর্তন করেছে!

এই বৃষ্টিও ঠিক তোমার মত

মেঘ না জমা পর্যন্ত বৃষ্টি নামে না।

একটু সময় নেয়।

কিন্তু সব মেঘ বৃষ্টি হয়ে পড়ে না।

এই বর্ষণ শুধু মাত্র এই বর্ষার জন্য

এই বর্ষণ শুধু মাত্র এই বর্ষার জন্য

এই বর্ষণ শুধু মাত্র এই বর্ষার জন্য

আদি! আসো!

তাহলে!

কি বলতে চাচ্ছো?

আদি! প্লিজ! আসো।

আরেহ!

আদি, বাচ্চাদের মত করে না। প্লিজ চলে এসো।

আচ্ছা।

আমাকে রাতটা চিন্তা করতে দাও, সকালে সিদ্ধান্ত জানাচ্ছি।

আসো

আমার চোখ অনুভব করছিলো আমি বর্ষা কে হারিয়ে ফেলেছি।

কিন্তু আমার হৃদয় আমাকে বলছিলো তার সাথে আবার দেখা হবে।

আমি ৬টা প্লাটফর্মের একটা স্টেশনে তাকে হারিয়ে ফেলেছি।

কিন্তু, ৬৫০ স্কয়ার কিলোমিটারের এই শহরে

আমি এই বিশ্বাস নিয়ে চলা শুরু করেছিলাম যে তাকে খুজে পাবো।

আমি তাকে অনেক জায়গায় খুজেছিলাম।

কিন্তু আমি তাকে খুজে পেলাম না।

৩ মাস ৯ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে।

আমি কলেজে জয়েন করলাম। কিন্তু, বর্ষা একটা রহস্যই রয়ে গেলো।

- হাই,আমি শ্রীকান্ত। - হাই...আমি আদি।

- হাই - হাই

এর পর থেকে আমি যেখানেই যাই

যা কাজ করি

যত মানুষ আমার আশে পাশে থাকে

আমার চোখ শুধু বর্ষা কেই খুজে বেড়ায়।

কলেজের পরে কি দেখা করতে পারি?

ইচ্ছে নেই!

ভাই...

আর কত দিন মেয়েটাকে মিস করবি?

আদি

তোর কলেজ কেমন লাগছে?

ভালো, মা।

রবি, শুনলাম তোর ইউএস এর ভিসা নাকি এই নিয়ে ৪বার রিজেক্ট হয়েছে।

এমন কি ইউকের ভিসাও রিজেক্ট হয়েছে।

আমি আবার এপ্লাই করবো, আন্টি।

ভাই, এবার আমি সিউর পেয়ে যাবো। সিউর।

এখানে তো ভর্তি হয়েছিস। তাহলে, আবার ট্রাই করার কি দরকার?

কারন আমি আমার বাবার প্যারা আর নিতে পারছি না!

তাছাড়া এই বলদ মার্কা কলেজে কে পড়ে?

ওকে মা। দেরি হয়ে যাচ্ছে।

এই আদি!

সিনিয়রদের সাথে ঝামেলা করবি না।

ঝামেলা হলে বাবাকে বলবি। বাবা প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলবে।

ওকে মা।

চিন্তা করবেন না আন্টি। আমি সব দেখে রাখবো।

ওকে বাই।

তোর হয়েছে?

লেখ, আবার প্রথম থেকে শুরু কর।

প্রথম থেকে।

ভাই, দশ বার লিখতে বল।

সিনিয়র রা এক গ্রুপে আছে।

এই!

এদিকে আয়।

কিরে তোরা কি ১ম বর্ষের?

হুম।

হুম মানে কি? সিনিয়রদের সম্মান দিতে জানোছ না?

দাড়ান ভাই?

আমার বাবা ভিসির বন্ধু।

যদি আমাদের রেগ দেন, কমপ্লেন দেবো তার কাছে।

ভাই...ভাই...ভাই! স্যরি ভাই! প্লিজ ভাই।

- প্লিজ ভাই.... - কি জানি বলছিলি কম্পলেন দিবি?

- স্যরি ভাই! - আরে দে। এখন দে।

আমার শরিরে আর সহ্য হচ্ছে না, ভাই।

প্লিজ ভাই।

এটা তোর নাম্বার?

আমার

- ম্যানেজমেন্ট কোটা? - না।

ফ্রি সিট।

- কত তম? - ছয়।

ছয়ের পরে?

শুধু ছয়।

কি রে ভাই?

এতো বড় গাড়িওয়ালা ছেলের এতো ছোট একটা সিরিয়াল!

কিন্তু আমরা এতো বড় সিরিয়াল নিয়ে ছোট গাড়ি!

সমাজে কোন ন্যায় বিচার বলে কিছু রইলো না!

ভাই, তোর পুরো পরিচয় আমাকে দে।

আদিত্য নাম।

বেঞ্জ চালিয়ে কলেজে আসে। অনেক বড়লোক মনে হয়।

আমি নিশ্চিত ও ঘাপলা করেই ৬ষ্ঠ হয়েছে।

হ্যান্ডসাম দেখতে!

মনে হয় প্রায় ৬ ফিট হবে।

গোদাভারী এই ছেলেকে আমাদের গ্যাংয়ে নিয়ে আয় ভালো হবে

এই!

আমরা সিনিয়র। জুনিয়ারদের পিছনে ঘুরলে কিরকম দেখাবে?

কেনো কি হবে? সিনিয়ার ছেলেরা জুনিয়র মেয়েদের পিছনে ঘুরে না?

- তাহলে আমরা জুনিয়রদের পিছে ঘুরলে কী সমস্যা? - বুঝছি।

কিন্তু সমুরে মানানো অনেক কঠিন হয়ে যাবে।

আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছিস কেনো? মারবি নাকি?

না

আরে সমু!

মনে হয় নতুন কোন পোলারে ধরছস?

ওহো! গোডাভারি! তার মানে এর উপরে আগেই নজর পরে গেছে।

না! শুনলাম তার সিরিয়াল নাকি ছয়।

আমরা তাকে আগেই বুক করে ফেলছি।

ওহ তাই নাকি!

হুম তাই। ফিক্সড।

ভালো করে ভেবে দেখ। আরে খাইছে রে!

তার পরিবরর্তে তুই আমাদের ডায়মন্ড আর গোল্ড বিস্কুট দিবি নাকি?

তার চেয়ে বেশি।

মানে?

শুনলাম তুই নাকি ফাস্ট ইয়ারের সিএসসির এক মেয়ের পিছনে ঘুরছিস?

জানলো কিভাবে?

গোডাভারি, এসব গুজব!

তাই নাকি? তাহলে, ওকে।

এই!

কিন্তু তুই কেনো জিজ্ঞাসা করলি?

এমনি। সত্যি হলে মেয়েটাকে এখানে পাঠাবো ভাবছিলাম...

আর ছেলেটাকে নিয়ে যেতাম।

আচ্ছা, সমস্যা নাই।

এই! গোডাভারি!

দাড়া।

এই যা।

মেয়েটাকে পাঠাতে ভুলবি না কিন্তু।

ওহ..ভাই...ভাই...ভাই...ভাই! আমার কি হবে?

আমার বন্ধু....?

না না। আমাদের ওকে লাগবে না। তুমি একা আসো।

ভাই

ওকে...আপু...!

আপু

ওকে...ওকে...আসো।

দেখতে একবারে চকলেট বয় লাগছে!

আমি জানি

অনেক ফর্সা দেখতে। মনে হয় ফেয়ার এন্ড লাভলি ইউজ করে।

তার ব্যবহার করা লাগে না, আর তোরও ব্যবহার করে কোন লাভ নেই।

আয়...আয়...আয়

এই হলো শান্তা আপু। এটা সোয়াতি আপু। আর এ হলো সান্ধিয়া আপু।

এই! এতো ভালো সাজার দরকার নেই। কেন আমাদের বোন হিসাবে পরিচয় করাচ্ছিস?

আমারো ঠিক একই রকম লাগছিলো, যখন আমাকে আপু বলছে।

আপু বলে ডাকছো?

হ্যা...আপু।

দেখো এটা একটা কলেজ।

এখানে শুধু ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ড থাকে। নো আপু!

আচ্ছা আপু।

আইফেল টাওয়ারের মত লম্বা।

বসো এখানে।

দেখ, তুই কি নিজেরে স্বামী বিবেকানন্দ মনে করিস?

যে সবাইকে বোন বলে ডাকছিস?

সবাইকে না।

একজন বাদে সবাইকে।

ইন্টারমিডিয়েট লাভ?

ট্রেন লাভ।

কিন্তু হারিয়ে ফেলেছি।

হারিয়ে গেছে? কিভাবে?

ধুর! অকর্মা!

মেয়েটাকে হারালে সেখানে আর বোন ডাকছো এখানে।

অন্তত মেয়েটার সম্পর্কে কিছু তো জানা দরকার ছিলো!

তার নাম আর ঠিকানা ছাড়া কিছু বলে নাই।

কোন জায়গা?

হায়দ্রাবাদ

কি নাম?

বর্ষা

বর্ষা?

- আপু.. - কোন গ্রুপের?

- আপু... - এক মিনিট....

দিভ্যিয়ার সাথে যেই মেয়েটা আসে সেই মেয়ে টা না তো?

আপু...আপু...

আচ্ছা দেখতে কেমন?

লম্বা...

সুন্দর। গোলাটে গাল

ও অনেকটা চুপচাপ।

আমি ঠিক একই নামের এরকম দেখতে একটা মেয়েকে চিনি

আপু...আপু....আপু....

প্লিজ আপু....বলোনা আপু! প্লিজ আপু বলো!

- বলো না আপু? - আচ্ছা বলবো!

কিন্তু একটা শর্তে....

- আমাকে আর আপু বলবি না! - ওকে আপু।

স্যরি আপু।

আয়

- আপু... - একটু দাড়াও।

আপু!

দেখতো এটা নাকি?

বর্ষা....ও যেনো বর্ষাই হয়!

- ঈশ্বর! এটা যেন বর্ষা হয়! - কতটা ধার্মিক!

ইয়েস

- এটাই তো? - হ্যা আপু!

ধন্যবাদ আপু!

খুশি হইছ না! তোকে আপু ডাকছে।

যা ভাগ!

আমি তোমাকে এই ফুল টা দিয়ে আই লাভ ইউ বলবো।

তুমি গোলাপ টা নিয়ে উত্তরে আই লাভ ইউ বলবে।

ওকে

আই লাভ ইউ

এই! কথা বলছে না কেনো?

ফিলিংস হইতাছে না।

এই! ফিলিংস আমার!

তুমি এসেছিলে আমার জীবনে সপ্নের মত করে।

আবার আমাকে সপ্নের মত করে ছেরেও গেলে।

তুমি এতদিন পর আমার সামনে আসলে। এটা সপ্ন নাকি সপ্ন না সেটা আমি জানি না।

যদি এটা সত্যি হয়।

এই ফুল টা নাও।

যদি এটা সপ্ন হয়

তাহলে আমাকে এখনি জাগিয়ে তোলো।

সুপার

এই! থাম সবাই।

এই! সিনিয়র দের সামনে এটা কি ধরনের বেয়াদবি?

রিলেক্স বস!

আমি এই মেয়েটাকে আগে থেকেই চিনি।

তাই বলে তুই কথা বলতে চলে আসবি?

কথা বলা দোষের কি?

কথা বলা দোষের কি?! শালা...

তুই অবশ্যই

- আমি তার সাথে কথা বলবো। - আমি তোরে ছেরে দিবো!

খেলা হবে।

"খেলা হবে"- এর মানে কি?

ওকে

আমার কলার এক মিনিট ধরে রাখ।

তাহলে জীবনে আমি আর তার সাথে কথা বলবো না।

ওকে

দোস্ত ! প্রিন্সিপ্যাল!

ভাই! ছেড়ে দে। পরে দেখে নেবো।

কিরে? এতো তাড়াতাড়ি?

এই!

ভাই! পাগলামি করিস না। ছেড়ে দে।

কাঁপছে?

এটা কি হাত না পা? এই!

ভাই। ওরা তোমাকে বের করে দিবে

যদি তুই আরেকটু সময় ধরে রাখতি।

- তার সাথে কথাও বলতাম না আর জীবনে। - দুর্ভাগ্য

আমি তার সাথে কথা বলবো।

তুমি ওর সাথে কথা বলবে না।

যাও

এই

বর্ষা! হাই!

কিরে! তুই মার খেলি কেনো!

ভাব দেখাস!

এই! ক্যান্টিনে যেয়ে রেকর্ড গুলো লিখে ফেল।

-আবার এখানে এসেছে! -মুড নেই আপু। পরে করি।

করতে বলেছি। কর গিয়ে।

আরে না! যা!

এই তুই কোথায় যাচ্ছিস। দাড়া!

আমি ওকে সাহায্য করবো।

ব্যাগে তোর জন্য এসাইনমেন্ট আছে। যা এগুলো শেষ কর।

আপু

ধন্যবাদ আপু।

আচ্ছা যা ।

এতো এটিটিউড কেনো? কথা বললে না কেন?

- সিনিয়ারের সামনে? - সিনিয়ার তো কি হয়েছে?

তুমি ভাবতেও পারবে না কিভাবে খুজছি?

দুই মাস!

এমন কি আমি ফেসবুকেও খুঁজেছি।

সব গুন্ডারা ফেসবুকে আমাকে জ্বালাতন করে।

- তাই আমি ডিলেট করে দিয়েছি। - গুন্ডা মানে কি বুঝাতে চাচ্ছো?

তুমি না।

অন্যদের কথা বলছি।

তুমি আমাকে পছন্দ করো না?

আমি কি সেটা বলছি?

তার মানে আমাকে পছন্দ করো।

আমি কি এটা বলছি?

তার মানে করো না!

আসলে সেদিন বাবা আমাকে নিতে এসেছিলো।

তুমি ঘুমাচ্ছিলে।

- তোমাকে জাগাবো.... - তুমি কি ভয় পাচ্ছিলে?

যদি তোমার বাবা না আসতো, আর আমি জেগে থাকতাম...

এই বর্ষা।

বর্ষা প্লিজ।

আসলে..

নারায়াণাম কলেজে ফ্রি সিট পেয়েছিলাম।

- কিন্তু এখানে ডোনেশন দিয়ে ভর্তি হয়েছি। - কেনো?

টাকা বেশি হয়ে গেছে?

না

ঐ দিন...ট্রেন স্টেশনে....

তোমার ব্যাগ গুছিয়ে দেয়ার সময়

তোমার কলেজ এডমিশন লেটার দেখলাম

ওহ

কি?

তার মানে?

তুমি আমার জন্য এই কলেজে জয়েন করেছো।

ওকে

এখন কি আমাকে ভালোবাসো?

হ্যালো! আস্তে!

এতো তাড়া কিসের?

মানে

যখন পছন্দের মেয়ে মানুষ বলে যে তোমাকে ভালোবাসি তখন অন্যরকম একটা ফিল হয়।

আমি তোমার আগ্রহের জন্য এখানে আসি নি। মানে......

আমি শুনেছি এই কলেজের পড়ালেখা অনেক ভালো

আচ্ছা, আসি তাহলে।

ওকে

তোমাকেও ভালোবাসি।

আমি আসি বলেছি।

আমি আই লাভ ইউ কিভাবে শুনলাম ?

বোকা কোথাকার।

ভালোবাসি তোমাকে।

হাই বর্ষা, আমার জিগরি দোস্ত রাভি।

ট্রেনে যার কথা আমাকে বলেছিলে সেই ব্যাক্তি, তাই না?

হ্যা...

- দেখা হয়ে ভালো লাগলো ভাইয়া। - ভাইয়া।

তুমি আমাকে ভাইয়া বললে?

কিন্তু তুমি আমাকে আই লাভ ইউ বলোনি।

ভাইয়া

এই, ঐ দিন ঐ ছেলের সাথে কি করছিলে?

শনিবারে কলেজে যায় কে?

তারপরে?

তুমি তার দিকে ঘুরে তাকিয়েছিলে? প্রেম ট্রেম নাকি?

আমি ক্লাসে যাচ্ছি।

ক্লাস?

- চল যাওয়া যাক। - ভাই! কম্পাস টা দে তো।

তুমি ক্লাসে গেলে রেকর্ড লেখবে কে?

সিনিয়ারদের প্রতি কোন শ্রদ্ধা বলে কিছু নেই?

কি? ভাই! আগে আমার রেগ শেষ করেন।

থাম। আমি কথা বলছিনা এখানে।

ছাত্ররা! সিভিল আর সিএসসির ছাত্রদের জন্য একসাথে একটা ফিজিক্স ক্লাস হবে।

তাই নিজেদের মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করো।

পিছে যা।

- কেনো? - পরে বলছি এখন যা তো

ওহ! ফিজিক্স ক্লাসে কিছু কাজ হচ্ছে।

ধন্যবাদ

তুমি একটু কম রাগতে পারো না?

পারবো না।

পারবো না।

কেউ যেন তোমার সাথে লাগতে না আসে।

আচ্ছা তুই কি বর্ষার মোবাইল নাম্বার নিয়েছিস?

ধুর বাল।

- ভুলে গেছি ভাই! - কি ধরনের মানুষ রে ভাই তুই?

প্রেমের ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখাটা জরুরি

- এখন কি করবি! এখন কি দেয়ালের সাথে কথা বলবি। - দরকার নেই।

দরকার নেই মানে কি?

বাহ! ভারতে অনেক ধুলাবালি।

- বাহিরের কলেজে কোন ধুলাবালি নেই। - এই...এই...এই....

- এই! - কি হয়েছে?

- নাম্বার ভাই! - কিসের নাম্বার!

- এই! - বর্ষার নাম্বার ছিলো

তাই নাকি?

হ্যালো, কে বলছেন?

কল দিলা না কেনো?

বর্ষা! -হ্যা।

রাবির কারণে নাম্বার হারিয়ে ফেলেছি! নাম্বার পেলে কীভাবে?

আমার কাছে সব থাকে।

তাহলে

তাহলে

কলেজ শেষে কি বাসায় চলে যাও?

ওকে, বাই।

ওকে, লাভ ইউ টু।

আমি বাই বলেছি...!

আমি তো অন্য কিছু শুনলাম।

বোকা।

লাভ ইউ! বাই।

তাহলে বর্ষা তোমার ব্যাপারে আরো কিছু বলো।

- কি জানতে চাও? - সবকিছু।

- পছন্দের খাবার? - প্যানকেক সাথে চকলেট সস।

- পছন্দের জায়গা? - স্কটল্যান্ড

- আচ্ছা...তোমার পছন্দের নায়ক কে? - পবন কল্যান

আমারো

আসলে আমি লন্ডনে বড় হয়েছি।

বাবা গ্রিন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর

মায়ের সাথে সেখানেই দেখা আর প্রেমে পরে যায়।

কবিতা! ট্যাক্সের কাগজ খুজে পাচ্ছি না। তুমি কোথাও দেখেছো?

না আমি দেখি নি।

কোথায় যে রাখো।

এই কারনেই লন্ডন আমার এতো প্রিয়!

মনে হয় ইঁদুর কাগজ কেটেছে!

- বর্ষা বিকালে ছবি দেখতে যেতে পারি। - হ্যা।

ভাই

আমি ইউকের ভিসা পেয়ে গেছি!

- ওহ! অভিনন্দন! - ধন্যবাদ ভাই। ধন্যবাদ!

- আচ্ছা তাহলে দেখা হবে। - নিজের খেয়াল রাখিস

- এয়ারপোর্ট পর্যন্ত দিয়ে আসি। - না লাগবে না। ইমোশনাল হয়ে পরবো তাহলে।

আমার ভাইয়ের খেয়াল রেখো।

- রাভি কে মিস করছো? - না আমি ঠিক আছি।

বর্ষা!

এই কানা নাকি? আমি দুঃখিত।

- আমি দুঃখিত। - এই তুমি স্যরি বলছো কেনো?

ভুল রাস্তা দিয়ে এসেছিস ! আবার চিল্লাছিস কেনো?

- তুই মাঝে কথা বলছিস কেনো? - সর‍্যি বলেছি তো?প্লিজ

কিসের স্যরি?

কি বালের কথা বলছিস? তুমি ক্ষেপছো কেনো?

- আদি প্লিজ! আদি প্লিজ! - এভাবে কথা বলা বন্ধ করো।

তোর কলার ধরার সাহস হয় কিভাবে?

তুই ভুল করেছিস।

ঝগড়া করে না। প্লিজ

আদি প্লিজ।

বাদ দাও।

আচ্ছা। যাওয়া যাক।

গাড়িতে উঠো।

তোমার রাগ নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ, আদি।

তোমার এত আবেগী হওয়া উচিৎ না।

কোন ছোটখাটো বিষয় নিয়ে যখন অতিরিক্ত রিয়েক্ট করো

আমার সেটা ভালো লাগে না।

আমারো সেটা ভালো লাগে না।

তুমি এখনো আমাকে ভালোবাসো বলোনি।

ছেলেটা প্রোপজ করলো আর মেয়েটা বললো সে ভেবে জানাবে।

সে এর মধ্যেই মনে মনে ঠিক করে ফেলেছে

যে হ্যা বলে দিবে।

কিন্তু আমরা সেটা বলি না।

কেনো?

একটা মেয়ে প্রোপজ করলে যদি তোমার শান্তি লাগে....

ঠিক একটা ছেলে ভালোবাসি বলে চারপাশে ঘুরলে আমাদেরও ভালো লাগে।

একটা ছেলে আমাদের পিছে ঘুরাফেরা করলে আমাদের ইগোতে কতটা শান্তি লাগে, জানো?

এটা মেয়েদের চিন্তা ভাবনা।

তুমি বুঝবে না সেটা।

তার মানে তুমি আমাকে সারাজীবন ঘুরাবে?

সন্দেহ আছে নাকি?

এই বর্ষা!

তোমাকে আজকে বলতেই হবে।

এক মিনিট আমার হাত ধরতে পারলে তুমি যা জানতে চাও তা বলে দিবো।

আদি, আমি মজা করছিলাম

আদি, প্লিজ আমার হাত ছেড়ে দাও।

আদি

আদি, আমি মজা করছিলাম।

ঝামেলা হবে।

আদি প্লিজ

আদি প্লিজ হাত ছাড়ো

ভাই এতো ওভার এক্টিং করছো কেনো।

৩....২....১..

বলো এখন।

আমি বলেছি বলবো। কিন্তু কখন তা বলেছি নাকি?

আর কত দিন আমাকে ঘুরাবে?

কি

আমার কলারটা যদি আর ৫ সেকেন্ড ধরে রাখতি তাহলে...

আমি তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিতাম।

যা খেলা শুরু।

বিকালে কি হতে পারে?

ভাই!

ওরা এখানে।

তুমি বলবে কি বলবে না?

এই!

এদিকে আয়।

এই, এদিকে আয়।

তুমি জানো কালকে কি?

না

কালকে রাখি বন্ধন।

কালকে কলেজের সবাই এটা পালন করবে।

এই জন্য। ওরে এটা পরিয়ে দেও।

একটু সহযোগিতা করলে দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।

না

পড়িয়ে দাও।

না।

এই!

পরিয়ে দিতে বলেছি।

আমি বলছি না বলবো না।

কি হইছে

তোকে ভাই বলছি, তোকে... এবং তোকেও !

আর কলেজের সবাইকেই ভাই বলছি...

শুধু মাত্র তাকে ছাড়া।

কারন আমি তাকে ভালোবাসি।

আদি

আই লাভ ইউ।

বর্ষা

তোমাকেও ভালোবাসি।

আদি, এই এপ্লিকেশনের মানে বুঝতাছি না।

এটা কি?

আদি

মা! আমার বন্ধু, বর্ষা।

ক্লোজ ফ্রেন্ড

রাভির মত ক্লোজ ফ্রেন্ড?

রাভির মত ক্লোজ ফ্রেন্ড?

না আন্টি

আপনার আর আঙ্কেলের মতো।

- আমাকে এখানে আনলে কেনো? - সব সময় এখানে নিরাপদ থাকে।

- কেউ আমাদের দেখে ফেললে? - কেউ দেখবে না

বাবা আমার গাড়ি দেখলে মনে করবে আমি বাসায়।

তাহলে আমরা.....

- শান্তিতে.... - হা।

- আনন্দে..... - হা।

যতক্ষণ চাইবো.....

- হা? -আমরা কথা বলতে পারি।

কিসের শব্দ হলো?

কিসের শব্দ হলো?

কিছু না।

চকলেট খাবে?

না। আমার চকলেট ভালো লাগে না।

বর্ষা -হ্যা।

আমি কি....

কিস করতে পারি?

আদি! এটা ভালো না!

আচ্ছা থাক।

বর্ষা!

প্লিজ বর্ষা! একটা কিস বর্ষা।

- প্লিজ বর্ষা! - ওকে... ওকে।

- একটাই কিন্তু। - ওকে!

-একটাই -ছোট করে একটা।

- আমি না! আমি না! -কিচ্ছু হয় নাই।

কেউ শুনে নাই। ঠিক আছে।

তোমাকে কিস করেছি।

কখন?

- একটু আগে। - কোথায়?

না মানে করছি তো।

এখানে... গালে....চুলে..

তোমার চলবে এতে?

তুমি তো একটার কথা বলছো?

ভালো করে ভাবো!

কিস করলেই বিয়ে করতে হবে।

কি বলছো শুনিনি।

এটা কী করলে?

বর্ষা! বর্ষা!

১২ টা বাজে। -তো।

শুভ জন্মদিন!

ধন্যবাদ!

কিন্তু গিফট কালকে দিবো।

লাগবে না।

- কেনো? - তুমি এখানে আছো।

তোমার কথা বুঝিনি।

আমি বুঝিয়ে বলছি।

- কি? - কি মানে?

কালকে রাত থেকে না কল না মেসেজ... কিচ্ছু না।

একটা কাজে ব্যাস্ত ছিলাম ভুলে গেছি।

ভুলে গেছো? এতো তাড়াতাড়ি ?

কোন দরকার থাকলে তুমি কল দিলে না কেনো?

আমি সব কিছু করলাম আর তুমি কি করলে?

এসব কি ডালভাত মনে করেছো?

হ্যা।

সব আমার ভুল।

তোমাকে না ঘুরিয়ে...

বলে দিয়েছি যে ভালোবাসি।

খালি একবার বলেছো।

কিস করতে দিয়েছি।

যা করতে চেয়েছো মানা করিনি।

- এই জন্য কি এখন পাত্তা দিচ্ছো না? - হ্যা।

সত্যি কি ভুলে গিয়েছো?

পরিক্ষা শেষ করে ক্যান্টিনে দেখা করো।

কেনো?

সেখানেই বলবো।

আদি! তোমার লজ্জা করে না?

- না, গত রাতে সব লজ্জা চলে গেছে। - কি?

এতো তাড়াতাড়ি?

- আমার একটু কাজ আছে? - কি কাজ?

আপনাকে বলা যাবে না।

কতক্ষণ ধরে এসেছো? মাত্র আসলাম।

- সব সময় চকলেট? - হুম, চকলেট ভালোবাসি।

আমি চকলেট অপছন্দ করি।

চকলেট খাওয়া নিয়ে কি সমস্যা?

আমার এটা ভালো লাগে না। ওকে

আমার জন্য একটা খাও।

- এই না... না.... না ! - আমার জন্য একটু প্লিজ।

- প্লিজ একটু খাও। - না আমার লাগবে না।

আমার এটা ভালো লাগে না।

চকলেট টা ফেলে দিলে কীভাবে? আমি দিয়েছিলাম?

ওকে।

এখন?

- এখন লাগবে না? - না! না!

না!

- না। -মানা করছে নাকি?

বাদ দাও।

- আমি ট্রাই করবো? - আদি?

আদি, এখন না!

বাহ! তুমি তো ভালো কন্ট্রোলে রেখেছো।

তা কিভাবে কন্ট্রোলে রাখলে?

আমাদের কাছে দিলেও আমরা কন্ট্রোলে রাখতাম।

এই! আমার কলার ধরার সাহস কিভাবে হয়? সাহস হয় কিভাবে?

ভুল করে হয়ে গেছে।

আমি দেখি নাই।

আমি দেখি নাই। স্যরি ভাই।

- কি হয়েছে? - আমাকে মেরে ফেলবে মনে হয়।

সামলা ওকে।

মার শালারে।

আদি! নিজেকে কন্ট্রোল করো।

মা গো!

জানো এই মারামারির জন্য কলেজের কত বড় ক্ষতি হয়েছে।

আমি কলেজের সম্পত্তির কথা বলছি না।

আমি সম্মানের কথা বলছি।

রাস্তার গুন্ডারাও এভাবে মারামারি করে না।

কি সমস্যা? মারামারি কে প্রথমে শুরু করেছে?

স্যার! আদিত্য প্রথমে শুরু করছে।

তোরে জুতা দিয়ে মারবো। কে মারামারি শুরু করছে?

স্যার, ও বর্ষার সাথে খারাপ আচরণ করেছে।

এই জন্য আমি ওকে মেরেছি।

স্যার, জানেন এরা দুইজন সেখানে কি করছিলো?

- এসব কি? - থামো বলছি!

নিজের ব্যবহার ঠিক করো।

বর্ষা! কি হয়েছে বলো?

বর্ষা!

সমু কি খারাপ আচরণ করেছে?

না স্যার!

এরা যখন মারামারি করছিলো তখন তুমি সেখানে ছিলে?

হ্যা স্যার।

তোমরা দুই জন সেখানে কি করছিলে?

স্যার

বোকা সাজার চেষ্টা করো না।

তোমাদের নিয়ে আমি অনেক কিছু শুনেছি।

সেরকম কিছু না। স্যার।

আদি আর আমি খালি বন্ধু।

ফিজিক্স এর ব্যাপারে কথা বলছিলাম।

তখন সমু সেখানে চলে আসলো।

সেখানে নতুনদের পার্টির ব্যাপারে কথা হচ্ছিলো।

আর হটাৎ করে এরা মারামারি শুরু করে।

আর কিছু না।

আর কিছু না।

আর তোমার ড্রেস?

দুই জন কে থামাতে চাচ্ছিলাম।

আর তখন ছিঁড়ে যায়।

- আদি মারামারি শুরু করেছে তাই তো। - জি স্যার।

আদিত্য! আমি তোমার কাছ থেকে এরকমটা আশা করিনি।

আদিত্য দাঁড়াও।

এখানে কি করছো?

এখানে কি করছো?

- আমার মন ভালো নেই। - আমার কল ধরছিলে না কেনো?

ফোন ধরার মত ইচ্ছা ছিলো না।

ওকে। কিচ্ছুক্ষণ খেলা বন্ধ রাখো আমার কিছু কথা বলার আছে।

আমার কথা বলতে ইচ্ছা করছে না

আদি প্লিজ!

বর্ষা প্লিজ।

আমার মন মেজাজ এখন অনেক খারাপ।

এখন আমি খারাপ কিছু বলে ফেললে তোমার খারাপ লাগবে। আমারও কষ্ট লাগবে।

আমাদের এসব লাগবে না।

আমাদের এসব লাগবে না।

কালকে কথা বলি।

পাঁচমিনিট লাগবে মাত্র।

এটার সাথে কথা বলো।

আমার সাথে এভাবে কথা বলা বন্ধ করো। আমি তোমার গার্লফ্রেন্ড।

সেখানে তো বলেছো আমি তোমার শুধু ফ্রেন্ড?

যা হয়েছে তার জন্য আমাকে দোষ দেবে না। কারন এটা তোমার ভুল।

কি?

হ্যা

আমি তোমাকে মানা করেছিলাম।

আমি তোমাকে মানা করেছিলাম।

কিন্তু তুমি সমুর সাথে মারামারি শুরু করলে।

ব্যাপারটা প্রিন্সিপ্যাল পর্যন্ত চলে গিয়েছে।

তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে বলে আমি মেরেছি।

আমার ভুল তার না?

সে সময় বুঝে আচরন করে।

এটা ভুল।

প্রিন্সিপ্যাল এর সামনে বলোনি কেনো?

আজকে তোদের সাথে ভালো আছে।

- আমাকে বোকা বানালে কেনো? - চিৎকার করবে না আদি!

আমি সমুর ব্যাপারে অভিযোগ করলে, আমাদের ব্যাপারে সব বলে দিতো।

ব্যাপারটা আমার বাবা মা পর্যন্ত চলে যেতো।

তুমি সম্পূর্ন কলেজের সামনে আমাকে প্রোপজ করেছিলে।

তোমার বাড়ির সামনে গাড়িতে আমার সাথে....

আমি বর্ষার প্রতি এট্রাক্টেড।

আমাদের ব্যাপারে প্রিন্সিপ্যাল জানলে কি হতো?

দুইটা আলাদা পরিস্থিতি।

আমার বাবা মা আমার কথা কখন শুনবে, যখন আমি ব্যাপারটা তাদের সামনে নিয়ে আসবো ।

কিন্তু প্রিন্সিপ্যাল বিচার দিলে, তারা আমাদের সম্পর্কে ভুল বুঝতো।

তুমি এতো কিছু চিন্তা করবে না।

কারন তুমি পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করো না।

হ্যা

আমি এরকমই। আমি তাই করি যা আমার কাছে সঠিক মনে হয়।

যাইহোক, আমি পরিস্তিতি বুঝে আচরন করতে পারি না বা প্রেমের হিসাব নিকাশ বুঝি না।

এটা বলার সাহস কিভাবে হয়।

আমার ভালোবাসা হিসাব করা?

এখন আমি বুঝতে পারলাম।

আসলে সে আমাকে টাচ করায় তোমার সমস্যা না

প্রিন্সিপ্যালের রুমে তোমার ইগোতে লেগেছে।

তাই তুমি এত বড় কাহিনী করছো

তাহলে আমি অযথা সিন ক্রিয়েট করছি!

তাহলে সমুর তোমার সাথে খারাপ ব্যাবহার করা....

আর তোমার জামা ছিঁড়ে ফেলা...

এটা তোমার কাছে ভালো লেগেছে?

ঐদিন তুমি বলেছিলে না তোমার ছেলেদের পেছনে পড়ে থাকা নিয়ে ভালোলাগা কাজ করে...

কারন আমি সেরকম মনে করি

তাহলে তারা তোমাকে টাচ করায় তোমার মন ভরেছে?

আমার পেছনে পড়া বলতে আমি তোমাকে বুঝিয়েছি...

কোন অচেনা কাউকে না।

এটাই তোমার সমস্যা আদি!

তুমি কিছু বলার আগে একবার ভেবে দেখো না।

যেটা কথা বলেই সমাধান করা যায় তুমি সেটাও ঝামেলা পাকিয়ে ছাড়ো

কোথায় শুরু করেছিলে? আর এখন কোথায় নিয়ে এসেছো?

আমি তোমাকে ঘৃনা করি আদি!

তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।

তুমি একটা শব্দ বলাতে এভাবে রেগে যাচ্ছো...

আমার ভালোবাসার মানুষের গায়ে হাত দিয়েছে। তাহলে কতটা রাগ করা উচিৎ ছিলো আমার?

হ্যা

আমি দ্রুত চিন্তা করি।

কিন্তু কখনো ভুল চিন্তা করি না।

আমি বারবার না বলে যাচ্ছিলাম...

কিন্তু তুমি জিদ ধরে কথাটা এতদূরে নিয়ে আসলে

বর্ষা, আজকের ঝামেলা আমি শুরু করি নি।

কিন্তু এটা আমি অবশ্যই শেষ করবো।

আমি তোমার জন্য তাকে মেরেছি

আমি তোমার থেকে কষ্ট পেলাম।

এটা ইগো না, বর্ষা।

প্রেম।

যদি এখন তুমি বুঝতে পারো।

আমার কিচ্ছু যায় আসে না।

কারন...আমি তোমার সাথে যুদ্ধ করছি।

আর তোমার জন্য

তোমার সাথে আমার সব শেষ,বর্ষা।

এটা তোমার প্রাপ্য না।

গোল্লায় যাও

যখন আমাদের পছন্দের মানুষ আমাদের ভালোবাসি বলে তখন যে আনন্দ পাওয়া যায়....

সেই একই মানুষ যখন বলে ঘৃনা করি, তখন ব্যাথা টা ১০০গুণ বেড়ে যায়।

এই ব্যাথা টাই আমাদের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করে।

আর আমাদের দূরে সরিয়ে দেয়।

মাঝে মাঝে আমাদের এলার্ম সেট করা ঘড়িতে সমস্যা দেখা দেয়...

তখন আমরা সেটা আবার রিসেট করে ঘুমিয়ে পড়ি।

আমি সেই একই কাজ করেছি...

জীবন সমস্যায় ছিলো। আমার সেটা ভালো লাগে নি।

আমি রিসেট দিয়ে আবার শুরু করলাম।

আমি যেখানে যাবো সেটা আমার পছন্দের হতে হবে। ঐ দিন সেটা ঠিক করা ছিলো।

আমার চারপাশে আমার পছন্দের মানুষ জন থাকবে।

চ্যালেঞ্জ আমি জিতবোই , সেটা যত কঠিন হোক না কেনো।

আশা করি মনে আছে.... রাভি....

আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। এখন আমার ক্লাসমেট আর আমার রুমমেট।

কবিতা।

এই হলো কবিতা। আমার বাড়িওয়ালার মেয়ে।

আর...রাভির প্রেমিকা।

হ্যা... আমার বন্ধু শেষ পর্যন্ত একটা প্রেমিকা পেয়েছে।

কি হয়েছে?

তোমার কি মনে হয় আদ্যিত্য প্রথম হবে?

আমার কোন ধারনা নেই। রেজাল্ট সব সিল করা।

আমার অনেক টেনশন হচ্ছে।

আমাদের টেনশন হচ্ছে। আর মি. রাজু সেখানে বাজি ধরা শুরু করেছে।

বুঝার চেষ্টা করো।

এই হলো সুরি রাজু। আমার রুমমেট।

আমরা আন্তরিক ভাবে তাকে মি. রাজু বলে ডাকি।

তার সম্পকে জানতে হলে আমাদের, ভিমাভারাম যেতে হবে

বামে যাবে? না ডানে?

- না বামে! - কোনমতেই না! ডানে যাবে।

৫০০ বামে গেলে!

১০০০ ডানে গেলে।

৫০০০ টাকা বামে গেলে।

কিরে দেখলি? এটাই হলো সুরির খেল!

ষাঁড় কখনো ডানে যায় না। আমার টাকা দে।

- দে। - এই হলো আমাদের কাহিনী

এসব কি মি. রাজু? পাগল হয়ে গেলি নাকি?

তোর সাথে তোর যেই ট্যানক আছে সেটাও বেচতে হবে।

যদি কিছু ভুল হয়।

হ্যালো! আমি এখানে ট্যানক বেচতে আসি নাই।

এখানে বসাতে এসেছি।

- এই! - আদি কোথায়?

আমিও খুঁজছি।

- কল দে। - বেবি! ১০ পাউন্ড বাজি ধরো।

আমি ১০০তে ২০০ বাজি লাগাইছি যে আদি প্রথম ৩ জনে থাকবে।

তৃতীয় স্থান হচ্ছে হেনরি ট্রোপ।

- অভিনন্দন। - ধন্যবাদ।

-শালা খবিশ! কল দেও

দ্বিতীয় হয়েছে.... কল ধরছে না কেনো?

অভিনন্দন। বাদ দাও।

কেনো? এই ভার্সিটিরর ইতিহাসে কোন ভারতীয় কখনো প্রথম হয় নি!

"খেলা হবে" বললো কেনো? পাগল হয়ে গেলো নাকি?

আর প্রথম স্থান অধিকারী....

আর্কিটেকচার এর মাস্টার্স...

হলো...

কে. আদ্যিত্য শেখর...

ইয়েস.... ওহ মাই গড।

অভিনন্দন।

- চিয়ার্স! - চিয়ার্স ভাই!

শুরু হয়ে গেলো।

তুই বিদেশেও আমার বাজি ধরা বাচায়া রাখছিস!

এই হলো আমার বাজি জিতার অর্ধেক ভাগ। ওহ আমার জন্য।

হাই সারাহ!

কিরে ভাই? ভালো লাগছে?

এই বল না ভাই!

হ্যা

বল না। চলবে...

এই...এই...এই.. যা ভাগ

হাই! তুমি কি অর্পিতা ?

না! আমি সুনয়না।

সু...নয়না...!

তুমি কি আদিত্যর গার্ল ফ্রেন্ড?

না

- তুমি শিউর। - মিথ্যা কেনো বলবো?

এই আদিত্য টা আবার কে?

তার মানে তুমি আদ্যিত্য কে চিনো না।

ভাই আদ্যিত্য কে চিনে না!

অভিনয়ের জন্য তাকে অস্কার অ্যাওয়ার্ড দেয়া উচিৎ।

আদিত্য

এই হলো আদিত্য। ঝামেলা করিছ না!

হেই! আমার বন্ধুর জন্য স্যরি।

হাই.. আমি আদ্যিত্য।

কি ছিলো এসব? তো তুমি এসব নাটক করে বেড়াচ্ছিলে?

আমি এসবে পটি না।

একেই বলে চ্যালেঞ্জ! মেয়েটা এবার প্রেমে পরবেই, বাজি লাগবে!

ওকে, গুড লাক।

ওকে,তোমার বাসায় নাকি আমার!

তুমি আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলে.... আমি জিতে গেছি....

এখন আমার কোন আগ্রহ নেই

কি?

আমার মনে হয় আমাদের নেশা কাটার সময়ের চেয়ে তোর ইন্টারেস্ট আগে কেটে গেছে....

আদিত্য...

এই হলো টক্কা বুচি বাবু। কবিতার বাবা আর আমাদের বাড়িওয়ালা।

আশির দশকে লন্ডনে আসে আর এখানে সেটেল হয়ে যান।

উনি আমাকে অনেক পছন্দ করেন, আমি ভালো ছাত্র এই কারনে না...

একই গোত্র তাই।

- শুভ সকাল আঙ্কেল! কেমন আছেন? - সামনে থেকে সরে যা।

- অভিনন্দন! - আঙ্কেল !!

তোমার জন্য গর্বিত।

এসব কি আঙ্কেল?

তোমার সাফল্যে আমাদের সম্মান আজ আকাশচুম্বী।

এক বারে ঠিক আঙ্কেল । আমাদের তেলুগুর সম্মান বেড়ে গেছে।

কিসের তেলুগু প্রেস্টিজ?

আমাদের গোত্রের কথা বলছি।

তাহলে আপনি কি চান আপনার জন্য আমরা মুখে কাদা লাগিয়ে বসে থাকি?

মি. রাজু চুপ কর না ভাই! তোর দরকার আমার না!

কি আজেবাজে বলছিস?

আপনি কি ভাড়া চান না সম্মান? আগে ঠিক করেন! - না রাজু।

এদের মত মানুষ ভাইজাগে উড়ে আসলেও সারাদিন প্ল্যানের চাকারই দোষ দিয়ে যাবে

-আমি আর নিতে পারছি না। -আঙ্কেল !

এদিকে দেখেন... প্রকৃতি দেখেন... এই গাছগুলো।

এই ফুল। কত শান্তিপ্রিয়।

তাহলে কি খবর আঙ্কেল ?

ওহ মনে পরেছে। তোমার আম্মুর নাম্বার টা দেও তো। - কেনো?

আমরা একই গোত্রের। আমাদের অনেক কথা বলার আছে।

তুমি যুবক মানুষ। তুমি এসব বুঝবা না.

ফোন নাম্বার টা দাও তো

আদি

একটু এদিকে আসো।

- কবিতা তোমাকে ডাকছে। যাও... যাও... যাও। - ওকে আঙ্কেল ।

কি হয়েছে?

- আমার বাবা তোমার সাথে আমার বিয়ে দিতে চাচ্ছে। - কি?

হ্যা।

চিন্তা করো না আমি দেখছি ব্যাপার টা।

- রাভির ব্যাপারে আমার বাবাকে একটু বুঝাও। - আচ্ছা আমি দেখছি।

তোমার বিয়ের দায়িত্ব আমার।

আদিত্য! হ্যা।

টেস্ট করে আমাকে বলেন তো এটা চিনি না লবন।

এটা ডিটারজেন্ট।

- ডিটারজেন্ট? - হ্যা।

আমি চিনি মনে করে দুধের সাথে মিশিয়ে খেয়ে ফেলেছি।

- এই! কোথায় যাচ্ছিস ? - আমি লন্ডন থেকে লন্ডন যাচ্ছি ।

ট্যাপে পানিও নাই।

কাগজ ব্যাবহার কর। বেশি আলাদা লাগবে না।

এই!

সেইরকম লাগছে।

- কি এটা? - মিষ্টি ইন্ডিয়া থেকে।

আমার জন্য?

না। সবাইকে একটা করে দিয়ে বাকিটা তোমার।

রাত্রে এক সাথে খাবো।

মা দেখছে।

ধুর! বলে দিলি কেনো?

অপেক্ষা করা দরকার ছিলো। ফ্রিতে বিনোদন পাচ্ছিলাম।

হাই, আন্টি! কেমন আছেন?

হাই...

এই একটু কথা বার্তা বলছিলাম।

সাধারন তো মনে হচ্ছিলো না।

বিয়ে করে ফেল তাড়াতাড়ি।

আন্টি এটা আদ্যিত্যর হাতে।

আদি!

রাভিকে হেল্প করবি না।

- আন্টি! - আন্টি!

তাহলে? তোমার বন্ধুকে অবশ্যই তোমাদের হেল্প করা উচিৎ...

- তোমার বন্ধু এখনো সিংগেল? এসব কি? - মা!

ওহ, আন্টি! আপনার কোন ধারনাই নেই।

শেষ ৬ মাসে কতো মেয়ে যে দেখিয়েছি সেটা আমি জানি।

যদি কাউকে দেখাই.....

সে লম্বা...খাটো.... মোটা...চিকনা

কোন না কোন কিছু নিয়ে কম্পলেন করবেই।

বাদ দেন আন্টি।

গত রাত্রে সেই একটা মেয়েকে দেখাইছি....

সরাসরি মুখের উপরে বলে দিছে, ইন্টারেস্ট নাই।

আর কি করতে পারি আন্টি?

বলে দেন মা! আমার ভালো লাগে নি।

কি? হইছে!

যদি আমাদের গ্রামে এই কারবার হতো তাহলে ওরা ওদের বিয়ে করিয়ে দিতো

আম্মা! নমস্কার!

এই আদি!

আম্মুর সাথে অনেক দরকারি কথা আছে।

তোরা সব যা তো।

কি হয়েছে ভাই?

আদি কোথায়?

আমার অফার টা কি ভেবে দেখেছেন?

আমার বন্ধু আর টিম সহ হলে অফার টা নিবো ...

আচ্ছা। কালকে অফিসে তোমার সাথে দেখা হচ্ছে।

- আদিত্য। -হ্যা।

আমি কৃষ্ণা... মাইকের সহকারি।

বস বসে আছেন। কুল।

মরগান এন্ড ট্রেন্ট কন্সট্রাকশন নিউ হেমিল্টনে আছে।

১০০০ একর জমিতে শহর করার প্ল্যান করছে।

আমাদের কোম্পানি রো হাউস কন্ট্রাক্ট নিয়েছে সেখানে।

আমি আমি চাই তুমি সেই বেস্ট রো হাউজ ডিজাইন বানাবে।

চিন্তা করবেন না মাইক। আমি দেখে নিচ্ছি।

ডিজাইন নিয়ে আমার চিন্তা হচ্ছে না আদি।

আমি জানি তুমি সেটা ম্যানেজ করে নিবে।

কিন্তু আমরা যদি আমাদের চাকরি পাকা করতে চাই....

আমাদের আরেকটু স্মার্ট হতে হবে।

কি বলতে চাচ্ছো? বাদ দেও এসব।

আমাদের সাইট ম্যানেজার কে হাতে রাখতে হবে

ওকে... কিছু কর তাহলে।

হ্যালো। এই রাভি।

তোদের আসতে আর কতক্ষন লাগবে?

এই হে! আমরা পারবো না!

কেনো? কি হয়েছে?

কবিতা আর আমি পিঅার নিয়ে ব্যাস্ত।

রাখ তো।

কি খবর মি. রাজু?

ইন্ডিয়া বনাম শ্রীলংকার ম্যাচ হচ্ছে। আমি ১০০ পাউন্ড বাজি ধরছি কোহলি ৬ মেরে আনুশকার দিকে তাকাবে।

আজকাল রিপিট টেলিকাস্ট খেলায় বাজি ধরা শুরু করেছিস?

পুরান খেলা?

তোর মত বলদের জন্যই..

এসব ইংরেজরা ২০০ বছর শাসন করে গেছে...

- এই, হাই! - আদ্যিত্য।

লন্ডনের টপ আর্কিটেকচার ফার্মের...

বস যিনি ভলেন্টিয়ার হিসাবে কাজ করার অফার করেছিলেন

সব কিছুর বাহিরে একটা চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

আমি যেরকম চাচ্ছিলাম

লাইফ পারফেক্ট চলছিলো।

আমাকে পিছে ফিরে তাকাতে হতো না।

হেই আদ্যিত্য এদিকে আসো।

তোমাকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি....

সাইট ম্যানেজার এর সাথে।

আদিত্য!

আদিত্য তুমি ঠিক আছো। কেউ ফাস্ট এইড নিয়ে আসো।

এইতো চলে এসেছিস!

সাইট ম্যানেজার সুন্দর নাকি?

- তুই আগে থেকে জানতি? - আমি জানতাম?

তোর জন্যই সেট করে রেখেছিলাম।

আমি আগে থেকে বলিনি কারন বললে তুই যাবি না তাই।

এই জন্য আর কি।

তুই ও সিংগেল আর মেয়েটাও সিংগেল।

তোরা দুই জনে মিংগেল হয়ে গেলে সবার জন্য ভালো হবে।

তোর কি মত?

ব্যাট নিলি কেনো? ক্রিকেট খেলবি নাকি?

পাগল নাকি? ওর কাছে বল নাই।

কিন্তু আমার কাছে তুই আছিস। মানে কি?

আরে! এভাবে ওরে মারছিস কেনো?

- আমার কথা শুন! - বলে তো মারবি

আদিত্য! এসব কি?

ব্যাট নিচে রাখ আগে।

আমি বলছি তোকে। ব্যাট নিচে রাখ।

মেরে ফেলো!

- কিছু হলে আমি দেখে নিব। - ছাড়বে না।

ছাড়বে না।

এই! আদি! থামো! আদি!

- কবিতা! সরে যাও। - আদি থাম।

কবিতা সরে যাও।

- আদি...থামো। - থামো

কবিতা রুম কোনদিকে...

এই!

বর্ষা!

রাভি ভাইয়া! তুমিও এখানে থাকো।

ভাই, বর্ষা।

তুই কি মজা নিচ্ছিস? সে আমাদের সাইট ম্যানেজার।

ওহ! মায়ের কসম! আমি সত্যিটা বলছি।

আমি মনে করেছিলাম সাইট ম্যানেজার মেয়ে, কিন্তু সেটা যে বর্ষা তা জানতাম না।

কসম....ভাই আমি জানতাম না।

থামো।

তোমরা একে অপরকে চিনো?

এই! থামো... তুমি অন্যটা। হায়দ্রাবাদ থেকে বর্ষা

কি?

সে এখানে কেনো?

সাইট ম্যানেজার যদি আমাদের বাসায় পেয়িং গেস্ট থাকে তাহলে....

তাহলে?

আমি মনে করছিলাম আমাদের জব সিকিউরড থাকতো।

তার মানে?

রাভি বলেছিলো।

এই...এই...প্লিজ ভাই। থাম এখন।

সে এখানে থাকবে না।

- আদি! - এসব কি কবিতা।

আমি হোটেলে চেক ইন করেছিলাম, তুমি চেক আউট করালে।

- আর এখানে এসব কি হচ্ছে? - কবিতা।

আমি তোমাকে বলে দিচ্ছি, সে এখান থেকে না গেলে

যদি না যেতে দেই?

আমি তোমার বাবাকে বলে দিবো, আমি তোমাকে বিয়ে করতে রাজি আছি।

তাহলে তোমার উচিৎ শিক্ষা হবে।

আহ...আদি!

ভাই! তুই বলেছিলি তুই আমাদের বিয়ে দিয়ে দিবি।

তাহলে এখন নিজের দিকে যাচ্ছিস কেনো?

আমি তাকে তোর বোন হিসেবে দেখতে চাই আমার বোন না।

একবারের জন্য হলেও জায়গা মত বসেছো

এই মেয়েটা কে, মা?

তোমাকে বলেছিলাম না বর্ষা.....

- হ্যা। - নমস্কার আঙ্কেল ।

নমস্কার

- কোথায় থেকে এসেছো মা? - হায়দ্রাবাদ।

তোমার বাবার বাড়ি? মুভালাপালান।

মুভালাপালান

এখানে সব আমাদের মানুষ থাকে।

তোমার নাম? ধুর

এখন লেগে যাবে।

তোমাদের পাশের বাড়ি কাদের বলতে পারবে? কার আঙ্কেল ?

আমাদের!

বাবা! ও আমাদের গোত্রের।

তোমার জাতের। তোরে।

এক হিসাবে আমাদের আত্নীয়।

আসো, মনে হয় ক্লান্ত হয়ে গেছো। আসো ভিতরে আসো।

এই পিস গুলো কি ভালো ভাবে ফ্রাই হয়েছে?

ফ্রেস মাটন! বাহ ভালো সুস্বাদ।

এই রাজু! আমাকে এক পিস দে তো।

তুমি তাসের জোকার চাও?

কি মা, মনে হচ্ছে আমার জন্য কিছু রান্না করেছো?

আপনাদের সবার জন্য চকলেট কেক বানিয়েছি।

বাহ! কি সুস্বাদু দেখতে।

অসাধারন!

কেবলমাত্র আমাদের লোকেরাই আমাদের খাবারের রেসিপি জানে।

বাবা।

কেক! আমাদের গোত্রের মেয়ে বানিয়েছে। খেতে খুব ভালো হয়েছে!

তোমার ঐখানে দাঁড়াতে হবে

আঙ্কেল। আমার চকলেট ফ্লেভার পছন্দ না।

বাবা।

- আদি! - বাবা দাঁড়াও।

আদি

আদি

আদি

আদি দাঁড়াও!

আদি তোমার সাথে কথা বলা দরকার। এক সেকেন্ড।

প্লিজ আদি

এই! সর‍্যি।

আদি প্লিজ

আমাদের মধ্যে অনেক আগে ঝামেলা হয়েছে। আমাদের ব্রেক আপ হয়েছে,শেষ।

আমার জন্য এটা অস্বাভাবিক লাগছে।

কিন্তু আমাদের দুইজনের ভালোর জন্য। আগের কথা পিছনে ফেলে আমরা বন্ধু হতে পারি না?

মানে।

অনেকে ব্রেক আপের পরেও বন্ধু হিসাবে ছিলো একই ভাবে। আমরাও যদি!

আমি দুইটা জিনিষ জীবনে সহ্য করতে পারি না।

একটা চকলেট। আরেকটা তুমি।

ফ্রেন্ডশিপ আমার ****। নিজের কাজ করো।

তোমার আর কোন অপশন নেই।

বাসায় আর বন্ধুদের সামনে যেরকম ইচ্ছা সেরকম ব্যাবহার করো।

কিন্তু আমরা একই অফিসে কাজ করি।

আর মনে রেখো আমি তোমার মনিটর (superor)

আমার কাছেই তোমাকে রিপোর্ট করতে হবে

তখন কি করবে?

এসব কি? আমার পদত্যাগ পত্র।

কি? কেনো?

তোমার আন্ডারে কাজ করতে আমার ভালো লাগে না।

তোমার এখনো কোন পরিবর্তন হয় নি আদি।

তুমি এখনো আবেগী হয়ে সিদ্ধান্ত নাও

আমি এখনো পরিস্তিতি হিসাব করে সিদ্ধান্ত নেয়া শিখতে পারি নি।

কি আর করার?

ভালো!

আমি তোমার পদত্যাগ পত্র গ্রহন করলাম।

তোমার বন্ধুদের জানিয়েছো?

আমি যেমন বলবো, তারা তাই করবে।

দেরি না করে ব্যাগ প্যাক করে নে।

ভালো শুরু। ভাই ভাই।

ভালো শুরু। ভাই ভাই।

প্লিজ ভাই

ঠাণ্ডা মাথায় বসে আলোচনা করা যাক।

কথা বলার কিচ্ছু নেই। চল যাওয়া যাক।

- আমাদের দেরি হচ্ছে। চল। - আদি, আদি! শোন একটু

বসো!

আরেকবার কথা বলা যাক।

ভাই, প্লিজ তাড়াহুড়ো করিস না

আমরা যদি এভাবে কাজ ছেড়ে দেই, তাহলে আমরা ঝামেলায় পরবো।

কিরে ভাই! সে মানা করছে কেনো?

সে ঠিক কথা বলছে!

এখন আরেকটা কাজ পাওয়া অসম্ভব।

বাবার চোখে এমনেই ওর কোন দাম নেই।

তার উপরে যদি কোন কাজ না থাকে....

যদি রাভিকে বিয়ে করতে চাই তাহলে আমার কপালে মাইর হবে....

কিন্তু ওর আন্ডারে আমি কাজ করতে চাই না!

কে তার আন্ডারে কাজ করছে?

আমরা ২য় তলায় কাজ করছি, আর সে ১ম তলায়

টেকনিক্যালি সে আমাদের নিচে কাজ করছে।

আমি এভাবে চিন্তা করতে পারি না।

তুমি যদি এভাবে চিন্তা না করতে পারো তাহলে তো আমরা কাজ করতে পারছি না।

আম্পায়ার পছন্দ না হলে কি আমরা ব্যাট করা বন্ধ করে দিতে পারি?

পরীক্ষক পছন্দ না হলে তো আর পরীক্ষা দেয়া বাদ দিতে পারি ন?

এখানেও সেম।

আমি তার সাথে কথা বলতে পারবো না।

আমি কথা বলবো! তোর বদলে আমি কথা বলবো, প্লিজ।

আদ্যিত্য তার পদত্যাগ পত্র উঠিয়ে নিবে।

তাই নাকি....কিন্তু কেনো?

আমাদের মধ্যে অনেক উচ্চমাত্রার কথাবার্তা বলে তাকে রাজি করিয়েছি।

ঠিক মত কাজ করবে তো?

সে কখনই আপনাকে নিরাশ করবে না।

তার অহংকারের কি হবে?

মানে....সেটা কমে যাবে। আস্তে আস্তে।

এই! আর কতক্ষন এই পেচাল চলবে?

লাগবে না কিছু। চলে আয়।

এই! আর কতো রিকুয়েস্ট করবো তাকে?

কে তাকে রিকুয়েস্ট করেছে?

আমি তার হয়ে ভিক্ষা চাচ্ছি।

আমাদের কোন অপশন নেই, এই চাকরি গেলে!

তোমার ট্যালেন্ট এর জন্য লাল গালিচা সম্মান দেয়া উচিৎ।

তুমি যদি মানা করো আমাকে আমার পাউন ট্যানক বেচতে হবে।

আমি তাকে তোর ক্ষমতা সম্পর্কে বলছি।

আমাদের দারিদ্রতা সম্মন্ধে বোঝার চেষ্টা করুন।

ঠিক আছে।

তুমি এতো করে বলছো...

আমি আদ্যিত্যর পদত্যাগ পত্র রিজেক্ট করছি।

ধন্যবাদ!

দেখলি ভাই? সব কিছু কত সহজে শেষ করে দিলাম

- ওভার রিয়েকশন। - ও আসলে ভয় পেয়ে গিয়েছিলো

- এখন আমাদের সামনে শো অফ করবে - বিশ্বাস কর

ভালো

বন্ধু দের কথা তো অন্তত ভাবলে।

তোমার মত সার্থপর ভাবে ভাবতে পারি না.

আচ্ছা! মি. রাজু আর তুই এখানে থাকবি।

কবিতা আর আমি এটাতে থাকবো।

যেহেতু বর্ষা আমাদের বস, সে এখানে থাকবে।

- ওকে? - ঠিক আছে ভাই।

মি. রাজু আর আমি এটাতে থাকবো

কবিতা এটাতে থাকবে।

সে খড়ে ঘুমালেও আমার কিছু যায় আসে না

সমস্যা নেই, আসো।

তাহলে, এটা আমাদের সাইট।

ড্রেস ছাড়া সাইটে কেউ প্রবেশ করবে না।

হেলমেট ছাড়া কেউ কাজ করবে না আর।

আমাকে না বলে কেউ কোথাও যাবে না

যখন তুমি সফটও্যায়ের কর্মীদের আর্কিটেকচারে নিয়ে আসবে, তখন সেখানে এসব ফাউল জিনিসই তো হবে

হাই....শুভ জন্মদিন!

ধন্যবাদ তোমাকে।

- ধন্যবাদ! - আদি তুই উইশ করেছিস।

না

ভুলে গেছে মনে হয়।

এটা কি গান্ধী জয়ন্তী নাকি যে মনে রাখতে হবে?

ওহ! কি সুন্দর দিন।

এই বর্ষা! হাই। শুভ জন্মদিন।

ধন্যবাদ।

বাহ রাভি! খারাপ না! তুমি কিভাবে মনে রেখেছো?

বোকা মেয়ে!

তোমার জন্মদিন মনে রাখতে পারি না আর বর্ষার টা কীভাবে মনে রাখবো? - তাহলে?

কালকে রাত্রে আমাকে বলেছিলো তাই আমার মনে আছে। এই আরকি।

এভাবে তাকাচ্ছিস কেনো? গত রাত্রে আমাকে বলেছিলি না?

বলেছিলো আমাকে!

শুভ জন্মদিন মিস বর্ষা। ধন্যবাদ মি. রাজু!

দেখলে? সবাই খালি জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

কিন্তু আমি গান গাইলাম আর কেক নিয়ে এসেছি।

কিন্তু তোমাকে আমার জন্মদিনের কথা কে বলেছে?

রাভি বলেছে?

রাভি? রাভি কেনো আমাকে বলবে?

আদিত্য....

বলো কে বলেছে? ফেসবুকে দেখেছি।

আমি ফেসবুক চালাই না

আমি ফেসবুক চালাই না

মি রাজু...

টুইটার?

এটা একটু ধরো!

তোমার কিসের একাউন্ট আছে? এমন কি পবন কল্যানেরও টুইটারে একাউন্ট আছে

তাকে ফলো করার জন্য হলেও একটা খুলে ফেলো।

প্লিজ!

ওর চোখ রাঙানো দেখে মনে হচ্ছে আমাকে কেটে টুকরো করবে

খাইছে আমারে! সে আসতাছে।

ওহ নো! তার জন্মদিন আমার মৃত্যুদিনে রুপান্তরিত হবে।

তোদের ঝগড়াতে তুই কেন আমাদেরকে জড়াতে যাচ্ছিস?

স্বৃতি.... ভালো বা খারাপ....

আমাদের সাথেই থেকে যায়।

আমাদের তাদের বয়ে নিয়ে যেতে হয়।

ব্যাগ প্যাক করে এখানে কেনো?

লম্বা ছুটি তাই চিন্তা করলাম বাড়ি থেকে ঘুরে আসি।

কাজের কি হবে?

আদি আসলে বাবা কল দিয়ে বলেছে কিছু জরুরী কাজ আছে।

মানে...বর্ষা জন্মদিনের পার্টি দিবে তাই ওরা দুই জন যাচ্ছে তাই আমিও সাথে যাচ্ছি।

তুই বললে আমি এখানে থেকে যাবো।

আচ্ছা যাও। আদি!

লম্বা ছুটি, তুমিও চাইলে আমাদের সাথে আসতে পারো।

কি হলো আদি?

- এই! অকর্মার ঢেঁকি! - স্যরি স্যার।

ভিক্ষুককে আর্কিটেকচারের কাজ দিলে এরকমই হবে।

সে তো তেলেগু বুঝে না!

কিন্তু আমরা তো বুঝি... বুঝো না এখনো! আমাদের বলেছে! চলো যাওয়া যাক।

এই! চলো যাওয়া যাক? হ্যা।

ওকে। আদির কি হবে?

তার কাজ আছে।

- ওকে তাহলে আমিও থেকে যাচ্ছি। - জন্মদিনের পার্টির কি হবে?

সাইট ম্যানেজার হিসেবে....

কাজ চললে আমাকে থাকতে হবে।

- ওকে - বাই।

বাই। পরে দেখা হবে।

আদি!

আদি

আদি দাড়াও!

আদি দাড়াও!

আদি!

আমাকে বাসায় নামিয়ে দিবে?

এখানে লোকাল কল টেক্সির নাম্বার আছে!

কল দিলেই এখানে চলে আসবে।

এই মেয়ে, কি খবর?

দোস্ত আমরা কিছু পেয়েছি।

বেবি তুমি কি কারো সংগ খুজতাছো?

আরে চলো...তোমাকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসি।

আমাকে একা যেতে দেও।

আরে চিন্তা করছো কেনো কিচ্ছু হবে না।

আজব তো!

এই ভাই! অন্য দিক দিয়ে যাও।

বুঝো নাই নাকি?এখান থেকে তুমি নিজের রাস্তায় যাচ্ছো না কেনো?

মনে হচ্ছে মারামারি করতে চাচ্ছো।

তুমি কি আমার সাথে মারামারি করবে?

কি সমস্যা তোমার!

কি সমস্যা তোমার?

মারামারি করবে নাকি?

কোথায় তাকিয়ে আছো?

আমার দিকে তাকানো বন্ধ করো! বুঝতে পারলি?

তোর কোন ধারনা নেই কার সাথে লাগতে এসেছিস?

এই আমার দিকে তাকাও!

তুই নিজেকে মস্ত বড় বিপদের মধ্যে নিয়ে এসেছিস।

আমার শার্ট এর বোতাম ছেড়ার সাহস হয় কিভাবে?

কি?

এই হাত দিয়ে....এই হাত দিয়ে... তুই আমার বোতাম ছুঁয়েছিলি?

আদি!

আদি ঝামেলা হয়ে যাবে। থামো।

আমি থামতে বলেছি!

তোমাকে থামতে বলেছি!

হাত উপরে!

এই তুমি!

এইযে পিছনে

এই ঘুরে দারাও

এই মিস্টার! ঘুরে দারাও!

এই লোকটা মারামারি শুরু করেছে প্রথমে!

অফিসার! ও নির্দোষ!

অফিসার! সে মিথ্যা বলছে।

তারা মিথ্যা বলছে!

এই ছেলেরা আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার করেছিলো, সে আমাকে বাঁচিয়েছে।

এই! আমার শার্ট এর বোতাম ছেড়ায় আমি তাদের মেরেছি!

চুপ করবে! তোমাকে জেলে ভরবে।

- আপনি তাকে চিনেন? - হ্যা আমার বয়ফ্রেন্ড।

এখানেই থাকবে। সন্দেহের জন্য দু:খিত।

তারা একে অপরকে চিনে না!

- এখানেই থাকবে। - আমি দিব্যি করে বলছি।

- বিশ্বাস করেন অফিসার। - তোমার কথা বলার অধিকার নেই।

- সে মিথ্যা বলছে! - নিচে বসে পরো।

আদি!

আদি!

তোমাকে বয়ফ্রেন্ড না বললে তারা বিশ্বাস করতো না।

স্যরি!

আদি

তুমি এখানে না থাকলে...মানে ..

ধন্যবাদ!

আদি, আমি কিছু বলতে পারি?

ঐ ঝামেলার পরে কলেজে...

আমি নিজেকে তোমার জায়গায় রেখে ভেবে দেখেছিলাম।

আমার ভুল ছিলো।

আমি দু:খিত!

হুম

হুম

তুমি কখনো নিজেকে আমার জায়গায় রেখে ভেবেছিলে?

না... তুমি বলেছো ভুল তোমার। তাহলে আমি কেনো ভাবতে যাবো?

আমি তোকে মেরেই ফেলবো!

আদি!

আদি!

তোর সাহস কিভাবে হয় আমার বাড়িতে থেকে আমার মেয়েকে ফাদে ফেলিস!

আঙ্কেল প্লিজ আমাকে বলতে দিন।

- বাবা প্লিজ রাভি কে মারবে না। - আঙ্কেল আঙ্কেল !

আদি! জানো সে কি করেছে?

জানি আঙ্কেল ! এমন কি মা জানে।

- আঙ্কেল ! - আঙ্কেল !

অহ

ওহ

তাহলে সবাই মিলে আমাকে ধোঁকা দিয়েছো!

ধোঁকা বলছেন কেনো আঙ্কেল ? রাভি কবিতাকে অনেক ভালোবাসে।

ভালোবাসলেই হলো!

তার কাছে কিভাবে মেয়ে তুলে দিবো?

রাবির কি সমস্যা, আঙ্কেল?

শিক্ষিত ভালো চাকরি করছে।

কবিতার ভালো খেয়াল রাখবে, আর কি চাই আপনার?

জাত!

জাত!

আরেক গোত্রের ছেলে?

২০২০ সালে এসে আঙ্কেল আপনি জাত পাত খুজছেন?

কত এগিয়ে গেছি আমরা।

এখন কিভাবে এই বর্ণবাদ থাকে?

এটা ২০২০ সাল হতে পারে কিন্তু আমি জন্মেছি ১৯৭০ সালে

আমার জন্য এটা পরিবর্তন করা সম্ভব না!

যখন ইংরেজরা আমাদের সাথে বৈষম্য করে আমরা সেটাকে বর্ণবাদ বলি

কিন্তু জাতিপ্রথার নামে আমাদের লোকদের কেন দূরে রাখা হয়

আমরা ওদের সাথে নীচুভাবে কথা বলি? কেন এই বৈষম্যতা আঙ্কেল?

আঙ্কেল, আমি আপনাকে কিছু জিজ্ঞাসা করেছি। উত্তর দিন।

কোন ঈশ্বর আপনার প্রিয়? ঈশ্বর কৃষ্ণা !

আর আপনার গোত্র?

ঈশ্বরের ক্ষেত্রে গোত্র টেনে আনছো কেনো ?

যখন ঈশ্বরের ক্ষেত্রে গোত্রের কোন দাম নেই তখন আমরা তো মানুষ। আমাদের কেনো এতো মাথাব্যথা?

দেখেন না আঙ্কেল , কত সুন্দর লাগছে!

তাদের বিয়ে দিয়ে দেন। সুখে থাকবে।

তারা সুখি না হলে?

আঙ্কেল !

তাদের অবস্থা যদি তোমাদের মত হয় তাহলে?

আমি শুনেছি তোমাদের মধ্যেও নাকি প্রেম ভালোবাসা ছিলো।

কিন্তু এখন তোমরা কেউ কাউকে সহ্য করতে পারো না

কি হবে যদি ভবিষ্যতে এরা আলাদা হয়ে যায়?

যদি এখন তাদের ভালোবাসা আলাদা হয়ে যায় তাহলে শুধু তারাই কান্না করবে

কিন্তু বিয়ের পরে আলাদা হয়ে গেলে তখন দুটি পরিবার কান্না করবে।

তারা ভবিষ্যতে আপনাকে কষ্ট দিতে পারে এই ভয়ে আপনি তাদের কষ্ট দিতে চাচ্ছেন।

আপনি কি করতে পারবেন?

আপনি রাভি কে এখান থেকে দূরে পাঠিয়ে দিবেন।

কবিতাকে ব্লাকমেল করে আপনার পছন্দের ছেলের সাথে বিয়ে দিতে পারবেন।

যদি ছেলেটা ভালো হয়, তাহলে তারা সুখি থাকবে।

সে হয়তো রাভি কে কিছু দিনের মধ্যে ভুলে যাবে।

কিন্তু সে আপনাকে কখনই ভুলতে পারবে না।

কারন তার ভালোবাসা ভেঙে আপনি যে কষ্ট দিবেন তা আজীবন মনে থাকবে

সে এটা মনে রাখবে না যে আপনি তার জন্য কি কি করেছেন।

সে শুধু মাত্র সেটা মনে রাখবে যেটা আপনি তাকে দেন নি।

আমরা মানুষ, আঙ্কেল

তারা ভালোবাসা মনে রাখে না।

তারা শুধু ভুল টা মনে রাখে

আপনি সেটা নিতে পারবেন না।

আপনার এই পরিস্থিতিতে পড়া উচিৎ না, আঙ্কেল

ভাই!

ধন্যবাদ ভাই....

বাবা আমাদের বিয়েতে রাজি হয়েছে।

- বাহ! - অভিনন্দন!

তোমাদের কাছে আমরা ঋণী। ধন্যবাদ তোমাদের।

তাহলে বিয়েটা কবে?

পরের মাসে।

এতো তাড়াতাড়ি?

হ্যা। একটু তাড়াতাড়ি বিয়েটা দিয়ে দিতে চাচ্ছে।

যেহেতু তিনি রাজি, তাহলে আর না কেনো!

দেখ, তোদের দুইজনকে বিয়ের সব কিছু দেখতে হবে ওকে।

- ওকে? - আমরা?

আরে প্লিজ...

আমি জানি ভাই তোর জন্য কষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু তোরা ছাড়া তো আমাদের কেউ নেই।

চিন্তা করো না...

আমরা বিয়ের সব কিছু দেখবো।

হুম।

অনেক ধন্যবাদ! তুমি আসলেই একটা পরি - অসংখ্য ধন্যবাদ!

বিয়ের জন্য কিছু জিনিশ সিলেক্ট করতে হবে। চলে আসো।

কত দ্রুত সব পরিবর্তন হয়ে যায়। ওকে ভাই, দেখা হবে বর্ষা।

বর্ষা!

এসবের জন্য ধন্যবাদ

শুভ জন্মদিন!

ধন্যবাদ।

মি রাভি তোর বিয়ের রিসোর্ট টা দেখতে কিন্তু অস্থির!

এই! কি হয়েছে? সর‍্যি, সর‍্যি।

আদি!

এটা... এই !

দেখো.... কি পেয়েছি।

তোমার পছন্দের ঠিক?

তুমি এখনো মনে রেখেছো?

গাড়ি এভাবে লাফাচ্ছে কেনো?

এই!

তুমি পাগল নাকি?

- আমি বুঝি নাই এরকম কিছু হবে! - তুমি জানো না? বাচ্চা নাকি?

তাহলে আমাদের গাড়িও সেদিন? হ্যা....অবশ্যই...

তোমার হাতের মেহেদীর রঙ যতো লাল হবে তোমার জামাই তোমাকে তত ভালোবাসবে

যদি এটা গাড় লাল না হয় তাহলে রাভি আমার হাতেই মারা যাবে...

বর্ষা! তোমার মেহেদীর রঙ লাল হয়নি?

- অবশ্যই! - তাই নাকি।

তুমি কিভাবে সিউর তুমি ভালো জামাই পাবে।

আদি তো ভালো।

দাঁড়াও...... দাঁড়াও.... দাঁড়াও....

কি? ধরে ফেলেছি! কি বললে তুমি?

অবশেষে তুমি বলেছো, দুষ্টু!

কিন্ত বর্ষা! এটা ভাগ্য...

তা না হলে, এতো বছর পরে এভাবে.... আসলেই!

মি. রাভি তোমার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে.... এর পরে আদির বিয়ে হবে....

কি হয়েছে? জিজ্ঞাসা করেছিলি?

বল আমাকে।

তোর কোন বুদ্ধি আছে?

তোর সামনে এতোকিছু হয়ার পরেও তুই দেখতে পাচ্ছিস না!

কি বলতে চাচ্ছিস?

আরে বলদ! ওরা অনেক আগেই ঝগড়া করা বন্ধ করে দিয়েছে।

এখন তাদের মধ্যে খালি রোমান্স আছে।

- তুই আমাকে কিছুই জানালি না। -চু প কর। চুপ কর।

আমার কসম কেটে বল তুই বর্ষার প্রতি এট্রাক্টেড কি না? হুম সেটাই।

এখন বলে ফেল।

মি. রাজু সেটা বড় কথা না যে কত মেয়ে আমাদের জীবনে আসে,

কিন্তু আমাদের প্রথম প্রেম কখনই ভুলতে পারি না।

বর্ষা আমার জীবনের প্রথম মেয়ে যাকে আমি ভালোবেসেছিলাম।

তার পরে আর কাউকে ভালো লাগে নি আমার।

ছয় বছর পরে আমার জীবনে আবার যখন ফিরে এলো।

তাহলে আমি কিভাবে এট্রাক্ট না হয়ে পারি?

আমিও হয়েছি।

আদি কতটা অন্যরকম আচরণ করেছিলো প্রথম তোমাকে দেখে !

আর এখন! কতটা আলাদা? আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না।

কবিতা!

আমি ছোট থাকতে কোন ভুল করলে আমার মা আমার সাথে কথা বলতেন না।

রাত্রে তার সাথে ঘুমাতে দিতো না।

আমি হল রুমে ঘুমাতাম।

কিন্তু সকালে, আমি তাকে আমার পাশে পেতাম।

কেউ আমাদের ভালোবাসা দেখায়

যখন কেউ আমাদের উপরে রাগ করে, তার মানে সে আমাদের ভালোবাসে।

আমি অনেক দুষ্টু, মি. রাজু।

আমি কষ্ট ছাড়াই জীবনে প্রায় সব পেয়েছি।

পড়াশোনা, বুদ্ধিমত্তা ... এই উচ্চতা....

জীবনে কিছুই আমাকে কোন আনন্দ দেয়নি

আমি ভয় কি তা জানতাম না।

যখন আমি ট্রেনে বর্ষাকে প্রথম দেখি, আমার অন্যরকম একটা অনুভুতি হয়েছিলো।

সেখানে একটা ভয় ছিল, না জানি সে আমাকে মানা করে দেয়!

তাকে ভালোবাসি বলতে যেই কষ্ট আমি করেছিলাম....

এমনকি কেউ কোন রাজকন্যা পটাতেও এতো কষ্ট করে না

শেষে কলজের ১৫০০ ছাত্রের মধ্যে সে যখন বলেছে আমাকে ভালোবাসে

১০০ টা উৎসবের আনন্দ আমার মাঝে চলে এসেছিলো

চালিয়ে যাও!

তার পর সেখানে কি হলো? এসবের পরে

সে আমাকে প্রিন্সিপ্যাল এর সামনে বোকা বানালো।

সে আমাকে বলেছিলো আমি নাকি চিন্তা করতে পারি না।

তাকে আই লাভ ইউ বলাতে আমার ছয় মাস লেগেছিলো।

কিন্তু ছয় মিনটে সে আমাকে বলে ফেললো সে আমাকে ঘৃনা করে।

- কিরে ভাই, এসব বলছিস কেনো? - ধুর এটা শেষ হয়ে গেছে।

কিন্তু সেদিন না তোকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচালো।

আমি তাকে সাহায্য করেছি.... তার বদলে সে আমাকে সাহায্য করেছে....

তখন তাকে আমি ভালোবাসতাম, সে আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

সে পরিস্থিতি বুঝে আচরণ করে।

আজকে তোদের সাথে ভালো আচরণ করছে।

কালকে তোদের কষ্ট দিবে।

একবার হয়েছে...

যথেষ্ট।

- এতো খারাপ ভাবে কেনো বলছিস? - তুই এখন যা বলছিস।

তাকে সামনে থেকে দেখলে তুই ঠিক গলে যাবি।

মি. রাজু পরিবর্তন আমার ক্যারেক্টার না।

ভুলে যাওয়া আমার স্বভাব না।

বর্ষা কে দেখে এট্রাক্ট হয়েছি ঠিকই....

কিন্তু এখানে আর কোন ভালোবাসা নেই

এই! কি খবর?

এসব কি?

তোমার কিছু জিনিষ, অনেক দিন আমার কাছে ছিলো।

- এতো দিন ধরে রেখে দিয়েছো? - ফেলে দেয়ার মত কোন কারন তখন ছিলো না।

কিন্তু এখন রাখার মত কোন কারন দেখতাছি না।

হ্যা আদি।

আমি পরিস্থিতি বুঝে আচরণ করি।

কারন আমি সেভাবেই চিন্তা করি।

আমাদের ভালোবাসা রক্ষা করার জন্য কলেজে সেরকম কথা বলেছিলাম।

তোমাকে বাঁচানোর জন্য পুলিশের কাছে ঐ কথা বলেছিলাম।

তখন সেটা ধোঁকা ছিলো না ঐ দিন সেটা সাহায্য ছিলো না।

এখন যদি তুমি বুঝতে পারো, আমার কিচ্ছু যায় আসে না কারন আমার কাজ শেষ।

ছয় বছর আমরা আলাদা ছিলাম।

আমরা ছয় হাজার মাইল অতিক্রম করেছি।

কিন্তু তুমি এখনো কলেজের সেই ৩০ মিনিটে থেমে আছো।

এবার তো চলা শুরু করো আদি।

সময় হয়েছে।

আদি! এখানে কি করছিস?

আগে বর্ষাকে আমি যা যা দিয়েছিলাম

প্রথম এই জ্যাকেট দিয়েছিলাম।

বর্ষাকে দেয়ার জন্য এই রিং নিয়েছিলাম, এটাও যত্ন করে রেখে দিয়েছে।

আমার গ্রাজুয়েশন এর সময় তোলা ছবি।

আমি এই ছবি শুধু তোমাকেই দিয়েছিলাম, আম্মু।

তাহলে বর্ষার কাছে কিভাবে গেলো?

তুই লন্ডনে আসার কিছু দিন পরে বর্ষা আমাদের বাসায় আসে।

আন্টি, আদির কি অবস্থা?

প্লিজ আন্টি....

অন্তত সর‍্যি বলার একটা সুযোগ আমাকে দেন আন্টি।

বর্ষা, প্লিজ,মা ।

প্লিজ বোঝার চেষ্টা করো।

আদি অনেকটা ডিস্টার্ব। একটু সময় লাগবে আদির

ছয় বছর পরে, সে আবার বাসায় আসে।

স্মৃতি, ভালো বা খারাপ সব সময় আমাদের সাথেই থেকে যায়।

আমাদের প্রেমে যদি কোন ভুল থেকে থাকতো, তাহলে আমাদের ব্রেকাপ হওয়া টা ভালো হতো।

কিন্তু ভুল ছিলো আমাদের ঝগড়াতে।

আলাপ করলে সব কষ্ট বেড়িয়ে আসবে প্লিজ আন্টি।

আমার তাকে প্রয়োজন।

তখন পর্যন্ত আমি একজন মা হিসাবে চিন্তা করছিলাম।

আমি বলেছি তুই আমার কাছে আগে দরকারি।

কিন্তু সেদিন আমি একজন মেয়ে হিসাবে চিন্তা করি।

আমার মনে হয়েছিলো তার প্রেম নিখাদ। আমার তাকে আটকাতে মন চায় নি।

বর্ষা, এখানে শুধু তোর জন্য এসেছে।

মা, এসব তুমি আমাকে আগে কেনো বলো নি?

তুই শোনার মত অবস্থায় ছিলি না, আদি।

তুই জানিস তোর সমস্যা কোথায়?

তুই বর্ষার প্রতি রেগে আছিস, কিন্তু তুই বর্ষাকে ভালোবাসিস।

তোর রাগের কারনে তুই তাকে কাছে আসতে দিচ্ছিস না।

তোর ভালোবাসার কারনে, তুই অন্য কাউকে তোর জীবনে আসতেও দিস নি।

তোর রাগ দূরে সরিয়ে দেখ।

তাহলে তুই বুঝতে পারবি তাকে কতটা ভালোবাসিস

কি রে বাবা?

ভালোবাসি বলার আগে থেকেই বর্ষা আমাকে ভালোবাসে।

তাকে ভালোবাসিনা বলার পরেও আমাকে ভালোবেসে গেছে

সে আমাদের ভালোবাসাকে আগলে রেখেছে।

সে আমার রাগ কে আগলে রেখেছে।

মা, আমি কিভাবে এরকম একটা মেয়েকে হারিয়ে ফেললাম?

কখনোই না!

আমার বর্ষাকে চাই।

কবিতা, বর্ষা কোথায়?

আমি জানি না, বিকালের পরে থেকে তাকে আর দেখি নি।

আপনারা কেউ এই মেয়েটাকে দেখেছেন?

-না -না।

-না -না।

না। দেখি নি।

কোথায় তুমি বর্ষা?

ঈশ্বর! একটা উপায় মাত্র দেখিয়ে দেও।

বর্ষা এখানেই আছে।

বর্ষা এখানেই আছে।

বর্ষা এখানেই আছে ।

এখানে কি করছো?

আমি কিছু জিনিষ থেকে দূরে থাকতে চাচ্ছি।

কখন থেকে দূরে থাকতে চাচ্ছো।

তাহলে, আমার কাছে কেনো ফিরে এসেছিলে?

সেটা সেসময়ে ছিলো; এখন তা আর নেই

এই, বর্ষা!

ঐ দিন ওইভাবে কথাটা বলতে চাই নি।

- আমি দুঃখিত। প্লিজ এদিকে তাকাও। - কেনো?

রিসিপশনের জন্য।

তাহলে আমাকে রিসিপশনের পরে ছেড়ে দিতে?

বর্ষা! তোমাকে আমার লাগবে।

কোথায় ছিলে তখন, যখন তোমাকে আমার প্রয়োজন ছিলো?

ছয় বছর!

কোন ফোন কল নেই!! না ছিলো কোন টেক্সট।

তার পরে...আমি ফিরে এসেছিলাম। কিন্তু কি বললে তুমি?

তুমি আমাকে চকলেটের সাথে তুলনা করেছো।

আবার বলেছো আমার প্রতি নাকি কোন ভালোবাসা নেই তোমার।

তুমি বলেছো তুমি বদলে গেছো, আমাকে ভুলে গেছো।

হ্যা, আমি হয়েছি।

সেটা আমার রাগ থেকে।

সেটা মাথা থেকে এসেছে মন থেকে না।

তুমিও তো বলেছিলে ভালোবাসো না! তাহলে ফিরে এলে কেনো?

এটাও এক।

বর্ষা, দুইটা জিনিষ আমাকে অনেক জালিয়েছে।

একটা চকলেট আরেকটা তুমি।

তুমি কি জানো আমি ছোটবেলায় কি পরিমান চকলেট খেতাম?

প্যাকেটের পর প্যাকেট আমি খেয়ে ফেলতাম।

যার জন্য... আমার অনেক ওজন বেড়ে যায়।

হ্যা মানুষ তোমার মতই হাসতো।

একদিন আমি রেগে যেয়ে....

যারা আমাকে নিয়ে হাসতো তাদের উপরে না। চকলেটের উপরে।

আমার কাছে যত চকলেট ছিলো সব ফেলে দিলাম।

যেখানে এসব পাওয়া যেতো সেখানে যাওয়া বন্ধ করে দেই।

আস্তে আস্তে।

আমার ওজন কমতে থাকে.....

আমাদের ঝগড়ার পরে ঠিক সেরকম মনে করেছিলাম যে দূরে চলে গেলে তোমাকে ভুলে যাবো।

কিন্তু সেটা হয় নি।

আমি এখন বুঝতে পেরেছি কেনো।

আমি চকলেট পছন্দ করতাম, তাই ভুলে গেছ।

কিন্তু তোমাকে ভালোবাসি....

তাই ভুলতে পারি নি

পরিবর্তন আমার ক্যারেক্টার না, বর্ষা।

যদি আমার চেঞ্জ হয়েও থাকে, তার জন্য শুধু তুমি হ্যা তুমি দায়ী।

তুমি আমার একটা বদ অভ্যাস যেটা আমি চাইলেও পরিবর্তন করতে পারি নি।

আমি মনে করেছিলাম অনেক আগেই সেটা ফেলে এসেছি।

কিন্তু আমি এখানেও তোমাকে সাথে নিয়ে এসেছি।

আমার হৃদ স্পন্দন তার স্পিড ক্রস করে গেছে।

একটা দুর্ঘটনা হওয়ার আগে...

প্লিজ...প্লিজ...আমাকে ফিরিয়ে নাও।

অনেক আগে আমাকে রাম হতে বলেছিলে

অন্তত এখন তো আমার সীতা হবে?

এর জন্য অনেক দিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম।

ভেবে দেখো...আমাকে কিস করলে কিন্তু, বিয়ে করতে হবে।

বিশেষ ধন্যবাদ : শাকিল ভাই, আদনান আর হাসান ভাইকে।

সাবমেকার : নাঈম সরকার সম্পাদনায় : মোহাম্মদ ইউসুফ

বাংলা সাব দিয়ে মুভি উপভোগ করার জন্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলে ফিডব্যাক জানাবেন

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.