Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
চেন্নাই টাওয়ার, ডেকান এয়ার ৫৮২ থেকে বলছি।
ফুয়েলর ঘাটতি রয়েছে। ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি চাচ্ছি।
ঘুরে যান, ডেকান এয়ার ৫৮২
ঘুরে যাওয়া সম্ভব না।
আমি বলছি যে আমাদের ফুয়েলের সংকট রয়েছে। ধ্যাত্তেরি!
আবারো বলছি, ডেকান এয়ার ৫৮২...
ফুয়েল ফুরিয়ে যাচ্ছে। ল্যান্ডিং করতে দিন!
কোনো সমস্যা আছে। তারা প্রোটোকল মানছে না।
চেন্নাই টাওয়ার, অনুমতি না দেওয়ার কারন জানতে চাচ্ছি,
ল্যান্ডিং করার অনুমতি নেই!
- ল্যান্ড করার অনুমতি দিচ্ছেন না কেন? - কে তুমি? গার্ড!
মারা? মারা, হচ্ছেটা কী ওখানে?
- তারা আমাদের ল্যান্ড করতে দিচ্ছে না কেন? - শুনতে পাচ্ছ?
তামবারাম এয়ার ফোর্স। রানওয়ে ১-৫
ওখানে ল্যান্ড কর! এর জন্য যথেষ্ট ফুয়েল আছে?
একবার ল্যান্ড করার মতো ফুয়েল আছে!
- ওখানে ল্যান্ডিয়ের বিষয়ে কি নিশ্চিত? - আমি নিশ্চিত!
- আমরা ঝামেলায় পড়ব। - তামবারামে ল্যান্ড কর, দ্রুত!
- আমি সামলে নেব! - ঠিক আছে।
ছে! ছে...
প্যারেড! অ্যাটেনশন!
দ্রুত। সাবধানে।
কাম ইন, তামবারাম গ্রাউন্ড কন্ট্রোল, ৮৭ ব্যাচের ক্যাপ্টেন চৈতন্য রাও বলছি।
- প্লীজ সাড়া দিন। - এখানে ল্যান্ড করতে পারবেন না, ক্যাপ্টেন।
এটা সামরিক অঞ্চল। এখনি ঘুরিয়ে নেন! এটা আদেশ!
দ্রুত যাও! যাও!
- গেট ওয়ান কেউ দিয়ে ডুকে পড়েছে! - থামো!
ধ্যাত! ধ্যাত! ধ্যাত!
দুঃখিত, মারা!
ছে, তুই ঠিক আছিস!
শুনতে পাচ্ছিস?
ছে?
ছে!
অনুবাদেঃ ফায়জার হোসেন রানা
অনুবাদেঃ যুবায়ের রহমান
অনুবাদেঃ রুদ্রাক্ষ স্যানথিল
মুভিঃ SOORARAI POTTRU
সম্পাদনায়ঃ ফায়জার হোসেন রানা
সম্পাদনায়ঃ " F A I Z A R' 'H O S S A I N''
তীর্থযাত্রার পর পরই মাংস খেতে লজ্জা করছে না?
সে আর আর্মিতে নেই। তার স্বজনরা বলেছে সে এখন বেকার।
তার সাথে দেখা করার জন্য জোর করছিস কেন?
- সমস্যা কী? - এটা ।
ছেলে দেখতে যাওয়া মেয়ে পরিবারের জন্য মান-সম্মানের বিষয়।
তোর সাথে করবে না বলে দিয়েছে তুই দেখা করতে এত উতলা হচ্ছিস কেন?
ভালো প্রশ্ন।
সে আমাকে বিক্রির জন্য পালিতপুশু মনে করে নি,
এ কারণে আমরা যাচ্ছি।
সীতা যেমন ভগবান রামকে পছন্দ করেছিল সেও তেমনটা করবে।
- ঠিক তো, সোনামণি ? - সোনামণি ডাকা বন্ধ করো।
তুমি তাকে প্রশয় দিয়ে নষ্ট করে দিচ্ছ। তার পক্ষ নেওয়া বন্ধ করো।
তুমি কি আমার ব্যাপারে কথা বলছো? আমি কি সত্যিই নষ্ট হয়ে গিয়েছি?
পরিবারে একমাত্র আমিই যে দ্বাদশ শ্রেণী পাশ করেছে,
কিন্তু তাকে ইঞ্জিনিয়ার বানানোর জন্য
- আপনি লাখো টাকা খরচ করেছেন। - আমাকে এসবে টেনে আনবে না।
- তুই নষ্ট হয়ে গেছিস, আমি না। - উনাকে বলো চুপ করার জন্য, বাবা।
শোনো মেয়ে, ছেলেরাই শুধু বাবা-মা'র খেয়াল রাখে।
মেয়েরা বিয়ের পরে স্বামীর সাথে জীবন উপভোগ করে।
যান যান! আপনি আর আপনার জ্ঞানের ভান্ডার!
যান!
ওহ, ভগবান!
অযথা মুখ খুললে এমনই হয়।
- হাত সরান! - আমার তাকে সাহায্য করা উচিত হয়নি!
এগুলো রিজার্ভ করা সিট?
ওই দুর্গন্ধ কীসের? শুকনো মাছ? ছিঃ!
ভয়ানক লোক! তোমার কাছে আমরা এত জঘন্য?
আমরা শোলাবন্ধনে নেমে যাবো। তারপর এই সিটগুলো আপনাদের।
এটা এক্সপ্রেস ট্রেন। শোলাবন্ধনে থামবে না।
ট্রেন থামবে! গত ৬ মাস ধরে আমার প্রিয় মারা,
শোলাবন্ধনে থামানো ছাড়া কোন ট্রেন যেতে দেয়নি।
থামানো ছাড়া তাদের কোনো উপায় ছিল না!
তাই, আমি যতবারই মাদুরাই যাই, আমাকে এই দুর্গন্ধ সহ্য করতে হবে।
মিস্টার, আপনি এই সিটগুলো নিজের জন্য রাখতে পারেন!
আমরা আর ট্রেনে চলাচল করব না।
সত্যি? কেন?
আমরা উড়বো!
- সে আমাদের কাছে বিমান নিয়ে আসছে! - হ্যাঁ!
- কে? - আমাদের মারা!
On this round ball of dirt
On this round ball of dirt, Behold man's mad dance!
Behold man's mad dance!
Behold man's mad dance!
On this round ball of dirt, Behold man's mad dance!
When his eyelids last shut, He is but a procession on hearse.
Fill up the cauldron with bubbling booze!
Stomp and shake At our dear man's final walk!
Rich or poor, All are dealt the same notch!
On their final passage, All get blown the conch!
Rich or poor, All are dealt the same notch!
On their final passage, All get blown the conch!
All that he can take when dead Is the rupee-coin on his forehead!
That one rupee coin!
That one rupee coin! That and that alone!
All that he can take when dead Is the rupee-coin on his forehead!
Let us beat and dance To make even the dead prance!
Women will wail only till the streets end!
As the pyre burns, the rib cage yearns!
Legions of near and dear, Yet no one to tag along with him!
Acres of lands were his, Yet six feet of soil is what is!
Legions of near and dear, Yet no one to tag along with him!
Acres of lands were his, Yet six feet of soil is what is!
কালো শার্ট পরে যে নাচছে সে-ই বর।
সে-ই বর?
- দেখো বর কীভাবে নাচছে! - মারা!
- কনেপক্ষ এসেছে। - সে কী বলছে?
আমাদের সমাজের লোক এসব দেখলে আমাদের লাঞ্ছিত করবে!
তারা তোকে দেখছে, বন্ধু!
তাতে আমার কী?
এই মানুষটা প্রত্যেকের মৃত্যুতে নেচেছে।
তার জন্য পুরো গ্রামের নাচ করা উচিত!
- আয় আর নাচ! - ঠিক বলেছিস!
- হাইরে ভগবান, এই মেয়ে তো নাচা শুরু করবে! - থামো।
এই, আয়।
পাথর! পাম ট্রিজ!
- অনুর্বর জমি! - সবকিছু আপনার মেয়ের জন্য!
হ্যাঁ, ঠিক! মনে হচ্ছে বিয়েতে ছেলের আগ্রহ নেই।
ওহ, না! সেও আগ্রহী!
আপনার মেয়ে ভাগ্যবতী! প্লিজ আসুন।
ফ্রায়াম খেয়ে নাও।
এতদূর থেকে ফ্রায়াম খেতে আসিনি।
বেকারির কেক আছে?
এখানে কোনও টয়লেট নেই আর তুই কেক চাচ্ছিস!
আমাকে চুপ করতে বলবি না। এটাই সত্য।
এই! যেহেতু আমরা সত্য কথা বলছি,
আমি সম্পূর্ণভাবে ভেঙ্গে পড়েছি।
আমার অনেক টাকা ঋন আছে আর আমি যা আয় করি সব পরিশোধের জন্য চলে যায়।
সরকার আমাদের উর্বর জমিগুলো বাঁধের জন্য নিয়ে গেছে
আর আমাদেরকে এই অনুর্বর জমিগুলো দিয়েছে, ঠিক না?
আমার কাছে কেবল
এয়ারলাইন শুরু করার আইডিয়া আছে।
কিন্তু সেটাও ২৪টা ব্যাংক প্রত্যাখ্যান করেছে।
দেখো, ব্যাটা।
আমার মেয়েটি সুন্দরি ও মেধাবী বলে ছেলেরা বিয়ে করার জন্য লাইন ধরে আছে।
আমাকে এ পর্যন্ত ২০টা ছেলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
- বোকা মেয়ে, চুপ কর! - চুপ করতে বলছো কেন?
আমি সেলাই, রান্না, নাচ বা গান করি না!
মি. মিলিটারি! ও তোমার সাথে মজা করছে।
- ও সব জানে, তাই না? - হ্যাঁ,
কিন্তু আমি এসব কিছুই করবো না।
আমি শুধু বেকারি শুরু করতে চাই।
এসব নির্মম সততা ক্লান্তিকর হতে পারে।
- আসুন খেয়ে নিন। - চলুন!
- আসুন, আসুন... - দাঁড়ান।
আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে খাবার খাওয়া আমাদের সংস্কৃতিতে নেই।
এবং আমরা আমাদের মেহমানকে ক্ষুধার্ত যেতে দিতে পারি না।
- চলেন খেয়ে নেই। - এই!
তো তোমার বন্ধু এখানে প্লেন আনছে?
হ্যাঁ, ভাই!
কখনও বিমান উঠেছেন?
"বিমানে উঠেছি কিনা"? আমি চালিয়েছি!
আমার পাইলট বন্ধু চালানোর সময়
যখন ধূমপান করে তখন স্টিয়ারিং আমার হাতে দেয়।
কী? সত্যি বলছি, ভাই!
তাদের পানি দাও।
তোমার এয়ারলাইনের খরচ যোগাবে কীভাবে?
এই, ওটা বড়দের কথা। তুই এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছিস কেন?
এজন্যই আমি জিজ্ঞেস করছি।
বাচাল মেয়েটাকে চুপ করা!
তো, ২০টা ছেলে তোমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে?
২৪টা ব্যাংক তোমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সে ব্যাপারে আগে কথা বলি।
- তারা অত বুদ্ধিমান ছিল না। - ওই লোকগুলোও বুদ্ধিমান ছিল না।
চুপ করে খা!
১, ২ আর ৩...
এয়ারলাইনের মাত্র তিনটা ধাপ! সহজ মনে হচ্ছে।
বেকারি শুরু অবশ্যই আরও সহজ।
এখনো করোনি কেন?
আমি এখনো প্রথম ধাপে আছি।
টাকা খুঁজছি। টাকা পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।
ব্যাংক কী তা আমি জানি। ভেন-টু-রে ক্যাপিটালিস্ট কী?
ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট।
ব্যাংক জামানতের বিপরীতে ঋণ দেয়।
কিন্তু ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট এর জন্য, ভিসি
তোমার আইডিয়া-ই তোমার জামানত।
তোমার আইডিয়া তাদের পছন্দ হলে তারা তোমাকে অর্থ দেবে।
তাহলে তোমার একটা ভিসি'কে ধরা উচিত।
ওইটা কে? ভিসি?
পরেশ গোস্বামী।
জাজ এয়ারলাইন এর মালিক।
উনি কারো সাহায্য ছাড়াই নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করেছেন। আমার হিরো।
আমাদের দেশে অনেক মৌলিক চাহিদা অসম্পূর্ণ,
কার বিমান দরকার?
এক শতাব্দী আগে তারা বলেছে আমাদের বিদ্যুৎ এর দরকার নেই।
পঞ্চাশ বছর আগে তারা বলেছে আমাদের গাড়ির দরকার নেই।
কে সিদ্ধান্ত নেয়?
ধনীরা বাকিদের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুপ করো, তুমি বুঝবে না। - বুদ্ধিমতী মেয়ে।
ঠিক আছে।
ঠিক আছে কী?
ঠিক আছে আমি তোমাকে বিয়ে করবো।
জলদিই বলে ফেললে। বুদ্ধিসুদ্ধী নেই নাকি?
মাঝেমধ্যে, আমরা যতই কঠোর চিন্তা করি না কেন, যা করতে চাই তাই করি।
- সময় নষ্ট করবো কেন? - এই হচ্ছে মারা!
কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যথেষ্ট চিন্তা করি।
এইতো পাল্টা জবাব।
আমি আগামীকাল জানাবো।
এই না হলে আমার মেয়ে। খেয়ে নাও, ব্যাটা।
সে এখানে খাওয়ার জন্য জিদ ধরেছে,
এজন্য ট্রেন মিস হয়েছে আর রাতে এখানেই থাকতে হচ্ছে!
কপাল!
ওইদিকে।
এই!
গ্রামে তোমার একটা বড় ঘর আছে।
বিদ্যুৎ ছাড়া এখানে থাকো কেন?
বিদ্যুৎ পাওয়াটা বড় ব্যাপার না।
২০ বছর আগেও টিচার রাজাঙ্গামের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না।
আমি আর ওখানে যাই না।
এয়ার... এয়ার ইন্ডিয়া!
কোথায় যাচ্ছিস?
এয়ার ইন্ডিয়া যাচ্ছি, বাবা!
যেখানে কোনও রাস্তা নেই, তুই সেখানে বিমান চাস?
আগে, চুল কাটা শিখ!
ছেলেকে বাবার পেশায় নিয়োজিত থাকতে হবে, এটা কোন ধরনের নিয়ম?
তারা যা-ই পড়ুক না কেন,
পারিবারিক পেশায় জড়ানোই তাদের ভাগ্য।
পাত্রটা মাথায় রাখ, ব্যাটা, বাকিটা সকালে করে দিব।
বাবা, আমাকে আজব দেখাবে!
আমি যদি অন্ধকারে তোর কান কেটে ফেলি, তাহলে?
আগে আমাদের গ্রামে ট্রেন নিয়ে আনো!
আমাদের যাতায়াত করা সত্যিই কঠিন হচ্ছে।
আমার বাবা, ছয় আঙ্গুলওয়ালা স্কুল টিচার,
এখানে ট্রেন থামানোর জন্য সরকারকে অসংখ্য চিঠি লিখেছিল।
আর কত এভাবে লেখে যাবে?
যতদিন আমি কলম ধরে রাখতে পারব।
রাজনীতিবিদরা সুখে ট্রেন আর প্লেনে চড়ে!
তারা আমাদের পরোয়া করবে কেন?
টিচার চিঠি লিখেই গেলো, কিন্তু কিছুই বদলায়নি।
আমি পদক্ষেপ নিই।
- মানতে হবে! মানতে হবে! - আমাদের দাবি মানতে হবে!
- এক্সপ্রেস ট্রেন থামাতে হবে! - থামাতে হবে! থামাতে হবে!
- প্রতিশ্রুতি আর না! আর না!
প্রতিশ্রুতি আর না!
পুলিশের বর্বরতা বন্ধ করুন!
প্রতিশ্রুতি আর না! আর না!
আমরা ট্রেন চাই!
আমরা ট্রেন চাই!
মারা!
কালি!
- কালি... - মারা!
মারা!
ওকে উঠাও!
- আমি চোখ খুলতে পারছি না, মারা! - ওকে উঠাও!
কী হয়েছে? ওহ, ভগবান! তোর রক্তক্ষরণ হচ্ছে!
তোমার ছেলে শোলাবন্ধনে ট্রেন থামানোর জন্য পাথর ছুঁড়ছিল।
এসাক্কির ছেলে আঘাত পেয়েছে, সে একটা চোখ হারাতে পারে!
ভগবান! চোখে আঘাত পেয়েছে! ভেতরে আয়!
এসাক্কি চুপ করে আছে, কারণ সে আমার ছেলে।
কিন্তু, ভগবান, সে যেভাবে আমার দিকে তাকিয়েছে...
যেন আমাকে মেরে ফেলত।
আমি সবার মাঝে অহিংসার প্রচার করি,
কিন্তু আমার নিজের ছেলে কথা শুনেনি।
বাবা! আপনি সবসময় বলেছেন সময় মূল্যবান।
এবং ওই ট্রেন এখানে থামলে তা আমাদের জীবন বদলে দেবে!
এভাবেই সব বদলায়!
নিজেকে ধ্বংস করে ভালো কিছু করার দরকার নেই।
তুই শিক্ষিত না? তুই একজন শিক্ষকের ছেলে, দুর্বৃত্তের নয়।
ট্রেন থামাতে চাইলে, বিভাগের প্রধানের কাছে আবেদন কর।
তুই সেটা করেছিস?
- আপনি তো আবেদন করেছেন, কিছু হয়েছে? - মারা...
সে কারণে আমরা বিদ্যুৎ পেয়েছি। ভিতরে যা, মারা!
সে আবেদন না, মা!
আমি জানি সে কোন আবেদনের কথা বলছে। তাকে বলতে দাও।
শুনো, ও এখনো কিছু খায়নি!
তুমি জানো ও ক্ষুধার্ত থাকলে আবোলতাবোল কথা বলে!
- ভেতরে আয়... - তার সাহস থাকলে ওকে বলতে দাও!
আগামীকাল আগে আমি ওকে গ্রেফতার করিয়ে দিব।
এমনটা বলো না। ও আমাদের ছেলে।
মা যখন গর্ভাবস্থার জটিলতায় ছিল তখন আপনি কী করেছিলেন?
আপনি শুধু মেডিকেল ক্যাম্প চেয়ে চিঠি লিখেছেন!
আমাকে কী গ্রেফতার করাবেন?
আমার বোনকে মারার জন্য আপনার গ্রেফতার হওয়া উচিত।
- মারা! না... - চুপ করো, মা!
আমাদের কালীকে শহরের বাইরে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল!
এই আর্দশবান লোক
আবেদন করতে করতে আমাদের পুড়িয়ে মারবে!
আপনি একজন ব্যর্থ মানুষ! এবং সবসময় তাই থাকবেন!
প্লিজ, না!
মারা, প্লিজ ভেতরে আয়...
সহিংসতা যদি ভুলই হয়,
তাহলে আমাকে আঘাত করলেন কেন?
সম্মানের জন্য ধন্যবাদ, ব্যাটা।
আমি মারা গেলেও আমার চিতায় আগুন দিবি না। যাও!
কী করেছিস?
কী করেছিস তুই? মারা!
মারা... থাম!
সে চলে যাচ্ছে! মারা!
মারা! কোথায় যাচ্ছিস? দাঁড়া!
তারপর?
তারপর আমি ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমীতে জয়েন করি এবং পরে এয়ার ফোর্সে জয়েন করি।
বেশ রাগী মানুষটা!
এয়ার ফোর্সেও কি খারাপ ছিলে?
সে বলেছে যে খাবার তার কাছে পৌঁছায় না।
- ডাকের লোকগুলো... - মা!
এটা তাকে দেখা।
ডাকের লোকেরা সব খেয়ে ফেলে।
- মারা চিঠি পাঠিয়েছে। - এবার আমি দুই বাক্স পাঠাচ্ছি।
এটা লিখে একটা চিঠি পাঠাচ্ছি,
"আপনারা একটা বাক্স নিতে পারেন, কিন্তু একটা আমার ছেলেকে দিন।"
এই! ওখানে যেতে কে বলেছে? এখানে আন!
আমি পড়ে শুনাবো?
আমি তৃতীয় শ্রেণী পাশ, ও সেই শিক্ষকের স্ত্রী!
আমি নিজেই পড়তে পারি।
দেখো সে চিঠি লিখছে।
ছেলের জন্য চিঠি লিখে তারপর লুকিয়ে রাখে!
একদিন সবগুলো ছিড়ে ফেলব!
প্রিয়, মা...
দেখ! সে শুনছে।
আর প্রিয়, কালি,
কেমন আছো?
আমি এখানে ভালো আছি।"
এটাই বলে দেয় যে সে আমাদের কতটা ভালোবাসে।
আমি এক্স-কাম পাশ করেছি, মা।
- এক্সাম হবে, মা! - আমি এটাই বলেছি, চুপ কর!
ছে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
আর আমি দ্বিতীয়। সেবি চতুর্থ স্থান পেয়েছে।
আমি এখন পাইলট অফিসার নেদুমারান রাজাঙ্গাম।
নাইডু নামে একজন কর্মকর্তা আছে, আমাকে তাঁর নিয়মকানুন দিয়ে জ্বলাতন করে,
এবং আমাদের শিক্ষকের মতো আমাকে নির্যাতন করেন!
এই বেয়াদব নাইডুকে আমার কাছে নিয়ে আয়।
আমি মুরগির মতো তার গলা ভাঙবো।
স্যার!
কাম অন, প্রশিক্ষণার্থী! ডাবল আপ!
দ্রুত দৌড়াঁও বলছি!
- মারা? কেমন আছিস? - আমি ভালো আছি, কালি! তুই কেমন আছিস?
- মা কোথায়? - উনি ভালো আছে!
তাড়াতাড়ি উনাকে দে! তিন মিনিট সময় আছে!
উনি তোর বাবাকে আনছে!
এখনি চলে আসবে! একটু ধর! মারা...
উনি এসেছে!
জলদি!
- জলদি আসুন! - তাদের জলদি করতে বল!
উনি দ্রুত হাঁটতে পারে না, জানিস তো।
- নিন। - হ্যাঁ।
হ্যালো, মারা?
- মা? - মারা? তোর বাবা এসেছে।
- মা... - ওকে দেবো?
- মা, আমি শুনতে পাচ্ছি। - মারা?
আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না।
আমি শুনতে পাচ্ছি! কথা বলুন!
মারা! হ্যালো?
আমি শুনতে পাচ্ছি! মা'কে কথা বলতে বলো।
বাবাকে দাও!
- লাইন কেটে গেছে! - ওহ, না!
আমি শুনতে পাচ্ছি, কালি। বাবাকে ফোন দে।
সে একজন ব্যর্থ মানুষের সাথে কথা বলবে কেন?
সে আমার সাথে কথা বলবে না।
- কী? - সে আমার সাথে কথা বলবে না।
- ধরো তাকে! - আমি শুনতে পাচ্ছি, বাবা! মা!
- আমি আরেকটা কল করবো! - তাকে সাবধানে ধরো!
বাবা...
- নেদুমারান। - স্যার!
লোকজন অপেক্ষা করছে।
সবাই কেবল ৩ মিনিট পাবে।
আগামী মাসে কল করো! যাও।
যাও!
যৌক্তিকভাবে, আমরা অনেক বেশি বাঁচাতে পারবো, স্যার।
একটা এমআই-২৬ প্রয়োজন মেটাবে কীভাবে?
এটা সেনাবাহিনীর সাথে যৌথ অভিযান হওয়ায়,
আমরা বিমানবাহিনীকে তাদের সাঁজোয়া সেনা বহনে পরিবহন করতে পারি।
একটা হেলিকপ্টারেই কাজ হয়ে যাবে।
আমরা ফুয়েল সরবরাহ করতে পারি এবং অতিরিক্ত খরচ হ্রাস করতে পারি...
তুমি কিছুই হ্রাস করবে না, নেদুমারান।
কৃপণ হবে না।
গোয়েন্দা তথ্য বলছে, নার্সাপুরাম বনাঞ্চলে
বিদ্রোহীদের তৎপরতা বেড়েছে।
আমরা আমাদের স্থল সংখ্যা বাড়িয়ে ঝুঁকি দূর করি।
আমি কৃপণ হচ্ছি না, আমি স্মার্ট হচ্ছি, স্যার।
- তো... চৈতন্য! - স্যার!
- সে কি বলছে আমি স্মার্ট নই? - না, স্যার!
প্যারেড গ্রাউন্ডের চারপাশে ৫০ রাউন্ড!
পঞ্চাশ কেজির ওজন!
তোমার সাথীদের সাথে নিয়ে যাবে!
১০০ রাউন্ড,৮০ কিলো. দেড় ঘন্টার মধ্যে!
যাও!
সে গেলো কোথায়?
তার কারণে আমাদের শেষ ট্রেন মিস করেছি...
- এই! - সুন্দরী!
এতরাতে তার সাথে কী করছিস?
He lost his heart to this cunning belle!
Into the curve of her bangle, Trapped, he fell! Into the curve of her bangle, Trapped, he fell!
She pulled off one hell of a heist And took off into the night!
Many, many clouds jumped from the skies To catch her stride with their eyes!
You brigand!
Oh, you brigand!
Left behind an everlasting mark!
She's gonna be trouble!
-এই ,কালী! -বল, বন্ধু?
আমি তোকে মেরে ফেলবো!
সে বকছে কেন? তোরা শুধু কথা বলছিলি,তাই না?
কেন? তোকে কি সব বলতে হবে?
অনেক সম্মন্ধ রাজী হয় হয়নি,
ভয়ে ছিলাম আমার ভাগ্নি চিরকুমারীই থাকবে।
এটা শুভ মাস। শিগগিরই একটা বিয়ের হল বুক করে ফেলব।
বিয়ের হল?
বর দেখতে দেখতে দারণ!
না!
কী?
বিয়ের হলের দরকার নেই?
আমি বিয়ে করতে রাজি না?
ছেলে রাজি হয়েছে! তুমি কেন না করছো?
ঐ ২০ জন কেন আমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়নি, ওদের কি কিছু বলেছ?
- সেট অন্য ব্যাপার! -চুপ করো।
- চুপ থাক! - সে না বলেছে।
কেন রাজি না?
হ্যাঁ! হ্যাঁ, তুমি কর!
তুমি বিমানকে আগেই বিয়ে,
করে নিয়েছ।
আমিও বিবাহিত।
আগে ভাগেই জানিয়ে রাখছি,
তোর অহংকারের ভাঙ্গাতে সেই পার্ফেক্ট সেও তোর মতই শয়তান।
লোকসান হয়নি, দোস্ত। চেহারা দেখতে বানরের মতো।
ওর থেকে উত্তম কাউকে খুজেঁ নিব।
চুপ কর তো! কোন কারন তো আছেই।
এর দরকার আছে?
এই দালাল,আমি তোমার সাথে পরে কথা বলব।
দালাল! তুমি এই সব সময় এই কাজ করো?
"না" বলার জন্য সবাইকে এনেছিস এখানে?
সমস্যা কী তোমার? না বলেছি এটাই
নাকি নিজের স্বামীকে বিয়ে করতে রাজি ছিলে না?
-পৌঁছে দিয়ে আয়। -আমি যেতে পারব না!
হাটুক ওরা!
ফুয়েলের অপচয়। এই, গাড়িতে উঠেন।
"This pristine belle leaves this soil With my heart in tow!"
"With her snarky words, This enchantress traps me now!"
One gaze of hers and I fall apart!
In the blink of an eye, She left me a blubbering mess!
Why laugh after tearing me To shreds, you fiend?
You've knotted me up In the curve of your hip!
Your two eyes
"বুম্মি বেকারী"
Pin me down!
Why laugh after tearing me To shreds, you fiend?
You've knotted me up In the curve of your hip...
-এয়োরপ্লেইন কোম্পানীর জন্য আমরা লোন দেই না। -এই আইডিয়া...
জানেনই তো আমাদের এটা একটা ছোট ব্যাংক।
শুভ সকাল, ম্যাম। মিঃ মিত্তালের সাথে কি দেখা করতে পারব?
-আমি নেদুমারান ... -আমার ইতোমধ্যে এগুলো আছে ,স্যার।
With your husky voice, you stole my heart!
You set ablaze this beetle Burrowing an electric pole!
You threw my heart into complete disarray!
You flashed a smile into the darkness To give birth to the dawn!
She came by like fire!
My head splits Into a million sweet smithereens!
Will this refreshing drink Be my forever fate?
Why laugh after tearing me To shreds, you fiend?
You've knotted me up In the curve of your hip!
কারো সাথে দেখা করতে পারব না। এমনি দেরী হয়ে গিয়েছে।
স্যার ...
ম্যাম,একটা মিটিং ঠিক করে দিন মিঃ পারেশের সাথে।
তুমি সবসময় এসব বানাও,
কেক বানাতে পারো না?
দেখছিস বলদ ও কেক চাচ্ছে!
বুম্মি কেক!
মিষ্টি-দাতের জন্য মিষ্টি খবর!
মিঃ পারেশ গোস্বামী ...
দেখুন! ১০০ কার্ড এখনো জমা আছে!
তার সাথে দেখা করতে পারবেন না। বোঝার চেষ্টা করুন।
প্রগ্রামার অপেক্ষা জোতিষের মত কথা বলছেন বেশী!
ভুল লজিক ! আবার চেষ্টা করো।
- হ্যাঁ, চেষ্টা কর। - স্যার , করছি স্যার।
সোর্স কোড রেডি! ব্রিলিয়ান্ট, স্যার!
কাজ করছে, স্যার! ব্রিলিয়ান্ট, স্যার!
হ্যাঁ, সে মেধাবী স্যার।
এটা থেকে কত টাকা উপার্জন করছো?
আইআইটি বাচ্চাদের সাথে দুর্নীতি করছে!
স্যার, আপনার আইআইটির প্রফেসর হওয়া উচিত।
-হ্যাঁ স্যার! আপনার হওয়া উচিত! -হ্যাঁ স্যার!
যদি এতই ট্যালেন্ট থাকতো আমি এখান থেকে চল যেতাম।
তোমরা দুইজনই কিছু স্বপ্নের কথা বলে এয়ার ফোর্স ছেড়ে দিয়েছ,
কিন্তু এখনো কিছুই অর্জন করতে পারলে না।
জামাই! সেবাস্তিয়ান!
তোমাদের এক্স-সার্ভিসম্যানের লোন দরকার, তাই না?
সেখানেও কেউ তাকে সম্মান দেয় না।
বিশেষ করে, এখন নাইডুর সাথে বসে আছে তাম্বারামে।
- সে সাক্ষর করবে না। - আপনার কথা শুনতে পাচ্ছি না।
আমার দেওয়া খাবার খেয়েও কীভাবে করবে না বলেছে?
অবশ্যই।
ধন্যবাদ, স্যার।
নাইডুর সুপারিশ পত্র ছাড়া এক্স-সার্ভিসম্যান লোন এপ্রুভ হবে না।
তো সেখানে গিয়ে আমরা চুপ থাকবো, ঠিক আছে?
এই অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে ছেকে অনেক কাটতে হয়েছে।
-তো, তুই চুপ থাকবি! বুঝেছিস? -হুম।
হুম কী, বুঝেছিস?
-বুঝতে পেরেছি! -ভাল ছেলে! চল!
নেদুমারান,
তোমার জন্য আমি এটা করতে পারবো না.
আমি এমনকি পারলেও, এই সুপারিশ পত্রে সক্ষর করব না।
তুমি চাও আমার সেনা পাইলট চৈতন্যপদত্যাগ করে তার জীবন ধ্বংস করুক।
নিয়ম অমান্য করা আমি পছন্দ করি না।
লিডার হওয়ার জন্য তুমি উপযুক্ত না।
চল যাই!
স্যার
সেবি? মারা? বয়েস, কী হয়েছে?
সবসময় একই কাজ!
-অহংকারী তোরা দুইজনই! -মারা, দাঁড়া!
ব্যাংক আর উনার কথা বাদ দে! পরের পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তা করতে হবে!
আমি করে ফেলেছি!
-দাঁড়া, মারা! -মারা!
-২০ হাজার টাকা, হ্যাঁ? -হ্যাঁ।
-আপনার যাত্রা শুভ হোক -ধন্যবাদ।
-মাম, এগুলা প্লিজ চেক করুন। -আমার অনুরোধটা একটু বিবেচনা করেন।
আমার কাছে শুধুই ২ বক্স ফ্রাইমআর আচার আছে।
- এগুলো এখন চেক না করি নষ্ট হয়ে যাবে ! -ম্যাম, সেটা আমার সমস্যা না!
- আপনি যাত্রীদের দেরি করে দিচ্ছেন। -আমার বোন প্রেগন্যান্ট ...
স্যার, প্লিজ সামনে আসুন।
আপনি কি গর্ভাবস্থার ক্ষুধা সম্পর্কে কিছু জানেন?
কীভাবে জানবেন আপনি তো ছেলে মানুষ!
- কখনো কি প্রেগন্যান্ট হয়েছেন? -কাউন্টার নাম্বার ৪ এ ম্যানেজারকে পাঠান।
হ্যাঁ, ম্যানেজারকে ডাকেন!
-যদি সে মহিলা হয়, অবশ্যই বুঝতে পারবে। -এক্সকিউজ মি,ম্যাম।
আমি এটা নিচ্ছি ,সমস্যা নেই।
-আমি বুঝেছি। -অনেক ধন্যবাদ স্যার।
দেখেন উনি আমার সাথে আছেন, এখন চেক করেন।
-চেক করেন বলছি! হ্যাঁ! -সিউর, ম্যাম।
আপনি এইগুলা নিয়ে পালাবেন না তো,তাই না?
ফ্রাইম আর আচার।
রিপোর্টার নাকি?
হ্যাঁ,বুঝলেন কিভাবে?
অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন।
আসলে ফ্লাইটে গণমাধ্যমের লোকে ভর্তি।
বোম্বেতে আরআরটিভি এওয়ার্ডের জন্য পারেশ গোস্বামী আমাদের ওনার ফ্লাইটে নিয়ে যাচ্ছেন।
- আপনিও যাচ্ছেন? -হ্যাঁ।
-কিন্তু এর আগে তো আপনাকে মিডিয়ায় দেখিনি। -আপনার বোর্ডিং পাস, ম্যাম?
আমি চিত্রা রামাওস্বামী। সিনিয়র প্রযোজক, অল ইন্ডিয়া রেডিও।
আপনি কেন যাচ্ছেন?
স্যার।
আপনাকে কি প্রশ্ন করে বিরক্ত করছি?
একটি কথাই জানতে চাই।
আপনি কেন যাচ্ছেন?
-একজনের সাথে দেখা করতে। -কার সাথে?
শুভ বিকাল, স্যার।
-এক্সিউজ মি, -স্যার
আমার ভাই বাউরলাল বাইরে আছে।
- প্লীজ ভিতরে আসতে বলেন। -নিশ্চয় স্যার! অবশ্যই স্যার।
ফ্লাইট কি বাতিল করবো?
দরকার নেই।
এটা শুধুমাত্র একটা এনজাইটি অ্যাাটাক।
শার্ট পাল্টে ফেলুন।
ট্যাবলেট খেয়ে নিন।
ভায়ার ...
অতিথিরা কি একই রেস্টরুম ব্যবহার করে?
একজন কর্মী মাত্রই এটা ব্যবহার করে গেল।
পরিস্কার করে দিচ্ছি।
শিভদাস এয়ারপোর্ট সার্ভিস।
ঠিক আছে, আমি তাকে বরখাস্ত করে দিব।
পারেশ গোস্বাওমী?
কেন তার সাথে দেখা করবে, বড় কোন কাজ নাকি?
বিজনেস পার্টনারসিপ নিয়ে আলোচনা করতে।
- আপনাকে তো কাছেই যেতে দেবে না। -কিন্তু তাকে আমার বিজনেসের পার্টনারসিপ বানাবো।
মজা করছেন?
তিনি আপনার সাথে কথাও বলবে না, বাজি ধরবেন?
-যদি বলে তাহলে? -প্রশ্নেই আসে না।
শুধু তার বক্তৃতা শুনে তালি দিতে পারি আমরা।
উঠছেন কেন? ওটা বিজনেস সিটের জন্য ডাকছে।
হেরে গেলে কী করবেন তা তো বললেন না?
যখন আমি জিতবো আপনাকে বলব কী করতে হবে।
আপনি বিজনেস ক্লাসে?
অনেক ধনী মনে হয় আপনি।
তাহলে লাইনে কেন অপেক্ষা করলেন? অদ্ভুত তো আপনি!
বিজনেস ক্লাসের জন্য কি ৪০,০০০ টাকা ব্যয় করেছেন না?
বললেন না যে আমি তার সাথে দেখা করতে পারবো না?
তাই, বিজনেস ক্লাস।
আপনার ৪০,০০০ এর দরকার নেই। ২০,০০০ ই যথেষ্ট।
আবার ফেরার সময় ট্রেনে থার্ড ক্লাসে চলে যাবো।
আমি ধনী নই, ম্যাম। ব্যাংক একাউন্ট শূন্য হয়ে গেছে এটা কিনতে।
যাইহোক, প্লীজ একটু খেয়াল রাখবেন।
ফ্রাইম আর আচার।
-খেয়াল রাখবেন। -অবশ্যই।
-শুভ সন্ধ্যা, স্যার। অনবোর্ডে স্বাগতম। -লেডিস এন্ড জ্যান্টেলম্যান,
ফ্লাইট ডেক থেকে ক্যাপ্টেন শর্মা বলছি ...
- তিনি পারেশ -হ্যালো
...সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি জাজ এয়ারলাইন অনবোর্ডে।
JZ 433, চেন্নাই টু মুম্বাই।
সাথে আছেন আমাদের চেয়ারম্যান মিঃ গোস্বাওমী...
হ্যালো, মিঃ পরেশ।
... আপনাকে আমাদের আন্তরিক স্বাগতম, স্যার।
আমরা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩২,০০০ ফুট উপর দিয়ে যাব...
বোম্বাইতে দেখা করবো।
পুরস্কারের জন্য অভিনন্দন, স্যার। জাজ পরিবারের জন্য গর্বের মুহূর্ত।
- হ্যালো, স্যার। আমি নেদুমারান। - এক্সকিউজ মি!
আপনি আমার এয়ারলাইনের অনুপ্রেরণা।
আপনি কি আপনার সিটে ফিরে যাবেন,স্যার?
- ঠিক আছে, স্যার। - ঠিক আছে।
অনেক খুশী হলাম,স্যার।
তুমি একটা এয়ারলাইন চালু করতে চাও?
স্যার... হ্যাঁ স্যার.
সাধারণ মানুষের জন্য এয়ারলাইন,স্যার। সবার জন্য কম খরচের এয়ারলাইন।
- নেডুরংগন? - নেদুমারান হবে।
হ্যাঁ।
আপনি কি ওইসব লোকদের কথা বলছেন? যারা তিন বেলা খাবার কথায় বললেই রাজি হয়ে যায়?
নাকি যারা প্লেনে উড়ে?
তাদের বেছেঁ নিবার দরকার নেই।
টিকেট ভাড়া দিয়ে, তারা দুটোই করতে পারবে।
- স্যার... - আপনি কি কোনো
সমাজসেবা করার পরিকল্পনা করছেন?
এই আইডিয়াটা নিয়ে আপনার সাথে কাজ করতে চাই, স্যার।
এখানে সবারই কোটিপতি হওয়ার একটা আইডিয়া আছে।
শোনতে ভালোই লাগে।
কিন্তু বাস্তবে তা অসম্ভব।
অসম্ভব কিছু নিয়ে আমি কথা বলতে সময় নষ্ট করি না,স্যার।
এই আইডিয়া বাস্তবায়ন করা সম্ভব,স্যার
কম দামে করতে চাও আবার লাভবান হতে চাও?
তোমার মনে হয় এত বছরে এসব নিয়ে মাথা আমরা ঘামাইনি?
হ্যাঁ,স্যার।
এখনো ট্রাভেল এজেন্সি ছাড়া ইন্ডিয়ানরা টিকেট বুক করতে পারে না।
সবাই এটা জানি।
ভাড়ার একটা বড় অংশ কমিশন হিসেবে ট্রাভেল এজেন্টের কাছে যায়।
পুরো বিষয়টা চাষের দালালদের মতো। যদি আমরা এটা বাইপাস করি?
ট্রাভেল এজেন্সি এড়িয়ে চলি?
তাহলে গ্রাহকরা টিকেদ বুক কীভাবে করবে?
ইন্টারনেট থেকে,স্যার।
তারা কম্পিউটারের মাধ্যমে টিকেট বুক করবে।
ওয়াও!
তাই তুমি একজন কৃষককে দিয়ে যে কখনো কম্পিউটার কিনেনি
আবার ইন্টারনেট জানেন না, টিকেট বুক করে উড়বে?
সাবাশ!
শুধুমাত্র তামিলনাড়ুর ৫০০টি ডাকঘরেই ইন্টারনেট পাওয়া যায়।
এবং সেখানে 1,453 রিলায়েন্স পেট্রোল বাঙ্কে।
পেট্রোল বাঙ্কে ইন্টারনেট আছে সারা ভারত জুড়ে।
সেখান থেক টিকেট বুক করতে পারবে!
তাহলে কৃষকদের কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের প্রয়োজন হবে কী?
কিন্তু বিশেষ বুকিং সফটওয়্যার দরকার এসবের জন্য।
মনে হয় না তোমার এটা সম্পর্কে ধারনা আছে।
অবশ্যই এই সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে।
এরা সকল প্রধান এয়ারলাইন্সের জন্য টিকেটিং সফটওয়্যার তৈরি করে,স্যার।
এটা করতে তারা রাজী আছে।
টেক্সটাইল ব্যারন এর পাশাপাশি একজন দর্জিও উড়তে পারবে।
- হ্যাঁ, আমি এটা করতে পারি। - স্যার।
কিন্তু আমি করবো না।
স্যার... কেন না?
কেউ কি বিমানে ভিক্ষুক আর কুলি দেখতে চাইবে?
আমি চাই না আমার যাত্রীরা তা ভোগ করুক।
এজন্যই আপনার বিমান ভাড়া এত ব্যয়বহুল?
আমার একটা এয়ারলাইন আছে, বন্ধু।
- কিন্তু আপনি যা করছেন... - তাকে বের করো!
তাকে ওইখানে রাখো।
হ্যালো, স্যার? কিছু মনে না করলে আমার সাথে আসতে পারেন?
আমি কেন যাব?
- আমি টিকেটের জন্য টাকা দিয়েছি! - দয়া করে আসুন...
আমার উপর আবার হাত রাখলে, তোমার ঘাড় থেকে আলাদা করে ফেলব।
ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ,
আমি ক্যাপ্টেন শর্মা, ফ্লাইট ডেক থেকে বলছি।
প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে, এই বিমান চেন্নাই ফিরে যাবে।
আমরা এই অসুবিধার জন্য ক্ষমা প্রার্থী।
তুমি টিকেটের মালিক।
আমি প্লেনের মালিক, বন্ধু।
এইদিকে,স্যার।
আমি জানি। এখানে আমার কাজ শেষ।
ম্যাডাম...
আপনার ফ্রাইম আর আচার।
-ধন্যবাদ। -দেখা হবে।
-নেদুমারান... -হ্যাঁ।
-সাবধানে থেকো। -ধন্যবাদ।
বিদায়।
মিঃ নেদুমারান
আমিও ওই ফ্লাইটে ছিলাম।
পারেশের সাথে যা বলেছ শুনেছি।
আমি প্রকাশবাবু। SCI ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট।
আমি জানি। আমি অনেকবার আপনার অফিসে গিয়েছি।
ঠিক আছে।
তোমাকে সয়ম দিব বলে ফিরে যাইনি, ঠিক আছে?
৫ মিনিট। এসো আমার সাথে।
দুই নাম্বার টেবিলে দেখ কী লাগবে।
-স্যার,কফি। -মারান...
যদি তুমি ক্ষুধার্ত হয়ে থাক, তাহলে আমরা কাছাকাছি ফাইভ স্টার হোটেলে যেতে পারতাম।
আইডিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো জায়গা।
- আপনি ঠিক আছেন, ভাই? - হ্যাঁ, ভাই।
- আপনার কী লাগবে? - আমি একটা দোসা অর্ডার করেছি।
একটি উদুপি হোটেল এবং এয়ারলাইন্সের মধ্যে সংযোগ কী?
আজ দিল্লিতে এয়ার টিকিটের দাম ১২,০০০ টাকা।
ফাস্ট ক্লাসের দাম ২০,০০০।
অবশ্যই।
তোমাকে অনেক খরচ করতে হবে এয়ারলাইন চালানোর জন্য।
- স্যার, দোসা। - ফ্লাইট রক্ষণাবেক্ষণ,হ্যাঙ্গার চার্জ,
পাইলট বেতন, জ্বালানী খরচ ইত্যাদি...
এটা একটা ব্যয়বহুল ব্যবসা!
খেয়ে নিন।
আপনি খেয়ে নিন।
কেমন লাগছে, স্যার?
আসলেই, খুবই ভালো।
-অনেক -ধন্যবাদ, স্যার!
সত্যিই ভালো।
ভাই!
- তুমি এইগুলা কোথা থেকে কিনেছ? - মুর মার্কেটে চিতামানি দোকান!
তাদের সবচেয়ে বড় কাস্টমার কে?
পাশের রাস্তার ফাইভ স্টার হোটেল।
মজার কথা জানেন?
তাদের প্রধানরা এইখানে ডিনার করে।
আপনি খেয়ে নিন।
ভাই?
কাছেই ফাইভ স্টার হোটেলে দোসা আছে?
এই জায়গায়ই দোসা ২০ রুপিতে পাই,
২০০ রুপি খরচের দরকার আছে?
তাই নাকি?
-এই জায়গার দোসা অনেক ভাল।
দেখলেন?
সবাই খুশি।
একই খাবার ফাইভ স্টার হোটেলে একটি অভিনব নামে বিক্রি করা হয়।
খালি পার্থক্য, এই জায়গায় দাম কম।
কিন্তু স্বাদ এবং সাস্থ্যভিধির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
অপ্রয়োজনীয় খরচ নেই।
আমার এয়ারলাইনও একইভাবে কাজ করবে।
এক ঘন্টার ফ্লাইটের জন্য খাবার এবং সংবাদপত্র সরবরাহ করতে হবে কেন?
আমি এগুলো তাদের দেব না এবং তাদের জন্য বিলও করব না।
খরচের ১০% এখনেই কমে যাবে।
কোন অতিরিক্ত খাবার বা কর্মচারীর দরকার নেই।
অন্যান্য এয়ারলাইন্স দিনে দুইবার ট্রিপ দেয়। আমরা দিনে ছয়বার ট্রিপ দিব।
ছয়বার ট্রিপ?
কীভাবে?
ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশনর একটা ব্যাপার আছে।
কর্মীরা আট ঘন্টার বেশি উড়তে পারে না।
আমরা তিনটা শিফট করতে পারি।
তিনটা শিফট। প্লেন ১৮ ঘন্টা উড়বে।
C&D চেক, প্লেনে ফুয়েল এবং পরিষ্কার করা বাদ দিলে
আমরা ১৪ ঘন্টা প্লেন উড়াতে পারবো।
শুধু মানুষ ক্লান্ত হয়, প্লেন হয় না,তাই না?
কিন্তু এটা অস্বাভাবিক। এটা এখনো প্রচলিত না।
চলুন সব নিয়ম অমান্য করি।
দেখেন,স্যার
কোনো টেবিল খালি নেই, ওয়েটারদের কেউই অকর্মা নয়।
সহজ কথায়, আমাদের এয়ারলাইন হবে আকাশের উদুপি হোটেল।
আমাকে বলেননি তো একটা উদুপি হোটেল চালু্ করছেন।
- এই রাস্তায় না। - তাহলে, ঠিক আছে!
- যদি আমি...
আমি এ পর্যন্ত ২৪ ভিসি এবং ৫৬ টি ব্যাংকে চেষ্টা করেছি।
শুধু তারা বলেছে, "এই পাগল আবার কে?"
যদি আপনি একই কথা বলেন, আমি শুধু ভিসি নাম্বার ২৫ খুঁজে বের করবো।
- একটু আসছি। - নিশ্চিয়।
স্যার,বিল।
-মারান - স্যার।
আগামী মাসের ৮ এপ্রিলে আমার অফিসে এসো।
বোর্ডের বাকিদেরও রাজি করাও।
ঠিক আছে? বিদায়।
হ্যাঁ।
আন্নামাইল নামে একটা মেয়ে আছে।
ওর সাথে দেখা করি না বলে মা খুব জ্বালাচ্ছে।
আমি মাদুরাই যাচ্ছি
সব কিছু ঠিক করার জন্য।
প্লেনে ছবিটি দেখানোর পর
লোভীরা পাগল হয়ে গেছে।
আমরা গাড়িতে ধ্বংস হয়ে গেছি, এসাক্কি। অন্তত বাচ্চাদের উড়তে দাও!
মারা!
আমার ভাইকে বলেছিলাম সুদখোর আরিভুর কাছ থেকে ধার না নিতে!
ও আমাদের জমি দখল করে ফেলেছে। আমরা এখন বাড়ির কাছে মাতাল!
ওই,ওঠ!
এটা কি মেয়েটার দোকান না?
তোর মা আন্নামাইলির সাথে দেখা করতে বলেছে। চলো যাই!
- চলো মিষ্টি কিনে আসি। - হ্যালো, জামাই!
তুমি এখানে কেন এসেছি?
কিছু খেয়ে যাবেন!
বিয়ে দিলেন না আবার এখন তাকে জামাই বলে ডাকেন?
দুই কেজি কেক দাও!
এটা কি বেকারির দোকান? দুই কেজি কেক প্যাক কর!
যাইহোক!
আমাকেও দুইটা দাও
ফ্রিতে খাবেন তাই না? বাজে অভ্যাস!
আমাকে বানরমুখী বলে কোন সাহসে খেতে এসেছেন?
চল ,বন্ধু
বিয়ে করেছ?
হুম, দুইটা সন্তান। তুমি?
আমরা এক মেয়েকে দেখতে যাচ্ছি। এই কারণে মিষ্টি কিনতে এসেছি।
তুমি ৩ বছর ধরে শুধু দেখেই যাচ্ছ ?
প্লেন কোম্পানির কী হয়েছে?
তুমি SCI জানো? ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট?
আমার প্রজেক্ট গ্রহণ করেছে।
DGCA আর NOC এর কিছু কাজ বাকী আছে লাইসেন্সের জন্য।
তুমি এখনো ধাপ ১-এ।
আমি ইতোমধ্যেই তৃতীয় ধাপে আছি!
হ্যালো! হ্যালো!
আমি এক মাসের মধ্যে প্রজেক্ট শুরু করবো।
- ওহ। - আহ, এখন তুমি এরকম করছো?
তুমি চাও!
যদি একটা অটো বা বাস কিনতে, কিছু টাকা উপার্জন করতে পারতে!
তোমার স্বামী কি মহান কিছু করেছে?
আমরা আরেকটা দোকান খুলতে যাচ্ছি, মনে রেখো!
সোনমণির কী চায়?
-কেক লাগবে? -আমি নিজেই এগুলো গুছিয়ে রেখেছি!
দাম ১৫০ টাকা, কিন্তু তোমার জন্য ১০০ টাকা।
সে এত বিরক্তির কেন?
আমরা কি যাবো?
তুমি এটাকে কেক বলো? ময়লার মতো স্বাদ।
ময়লা! থুথু ফেল!
এটা বেশ ভালো, দোস্ত!
- মিথ্যা কথা।
কোনো বুদ্ধিমান মানুষ কি মদের দোকানের কাছে বেকারি খুলে?
স্কুল-কলেজের সামনে হলে ভাল হতো?
এটা বোঝার জন্য বুদ্ধি থাকা দরকার।
বন্ধু! মারান!
সে এখনো কুমারী।
এখনো কিছুই ঘটেনি।
কী হয়নি?
সে এখনো বিয়ে করেনি।
তার বাচাল চাচা আমাকে বলেছে!
কেকে খেতে যেতে পারি?
মিষ্টি মানুষের জন্য মিষ্টি খবর!
মিল্ক কেক! পনির কেক! বাটার কেক!
-একটা কিনলে একটা ফ্রি। -হাই
বম্মি কেক!
মুখে দিলেই গলে যায়।
ওরা কি তোমার বন্ধুর বাচ্চা ছিল না?
- পনির কেক... - তুমি ধোঁকা দিলে কেন?
আমাকে বলো!
-ওই, বানরমুখী! -বম্মি...
পৃথিবী আমাদের খামখেয়ালী বলে ডাকে।
কেউ আমাদের বিয়ে করতে চায় না। তাহলে আমরা বিয়ে করছি না কেন?
মানে?
তাহলে তুমি তিন বছরের মধ্যে এই খামখ্য়ালী দেখতে পাওনি কেন?
সে সময়, আমি নিজেই খেতে পেতাম না।
ঐ বন্ধ্যা জমি এখন সবুজ হয়েছে। ভালো ফসল হয়!
এক মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু ! ভালোই, তাই না?
মুখে দিলেই কিছু গলে যায়! -ওই
বম্মি বেকারি!
আর যদি সেটাও ব্যর্থ হয়?
কে বলে শুধু একজন স্বামীই স্ত্রীর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করে?
তুমি আমাকে খাওয়াবে না?
তারা রোমান্স করছে! রোমান্স!
তুমি কি বলো,বানরমুখী?
- কিন্তু আমার তিনটা শর্ত আছে। - বলো দেখি?
বাপরে! আমরা মাত্র ব্যবসা শুরু করেছি। এটা কেন নষ্ট করে ফেলবি?
এক নাম্বার, এটা আমাদের টাকা, তোমার বা আমার না।
- বুঝতে পেরেছ? - হ্যাঁ।
দুই, আমার ব্যবসা যাই হোক না কেন তোমার ব্যবসার চেয়ে কম নয়।
- বুঝেছ? - হ্যাঁ।
দুইটার বেশী বাচ্চা নেওয়া চিন্তাও করা যাবে না।
- হেই! - আমাদের পরিবার আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আর যদি তুমি আমাদের নিরাশ করো, তোমার খাবারে বিষ দিব!
এই সব কিছু মেনে নিলে, কালকেই বিয়ে করতে রাজী।
আমি ইতোমধ্যে সব মেনে নিয়েছি।
ভালভাবে চিন্তা করে দেখো
কারণ আমি তালাক দেব না।
আমিও এটা চাইব না! তুমি কিভাবে রাজি হলে?
মাঝে মাঝে, তুমি যতই কঠিন চিন্তা করো না কেন,
ঘুরেফিরে একই কাজ করতে হয়।
সময় নষ্ট কেন?
আমার কথা শোনেন!
একটা লুনি কিনলে একটা ফ্রি!
দুইটা কিনলে দুইটাই ফ্রি!
দুইটাই আছে আমাদের কাছে, এসে নিয়ে যান।
শোলাবর্ধনের একজন চোর বেকারি ডাকাতি করেছে!
Hey, rugged one!
Cuddle me just this once!
A wild rabbit, I am!
You are the one to snare me!
A thorny jungle, I am!
With your slick sickle And your sly looks, you entice me!
Hey stealthy cat! Like a ball of yarn, You spin me around!
Like the coins in the folds of my saree, You caress me!
As strong as a boulder, I am!
With a magic wand in your hand, As a delicate thread, you weave me!
An elephant's hunger, I am, to you!
A corn kernel, you are, to me!
যারা এই বিয়েতে এসেছেন
সবাইকে জ্যাম কেক দেয়া করা হবে!
Ward off the evil eye!
Just thirty bucks?
-You deserve less. -Oh, really?
With love, you make me tremble!
When I am on fire, You stand there, humble!
You make me shiver with your gaze, And you make my heart graze!
I can't be an adolescent forever, To blush, I don't even remember!
Where did you find this power? Seize me!
You tease me with a starter, You make my mouth water
To my joy, why don't you cater? Embrace me!
Shall I punish you?
Or relish you?
Little by little, I am gonna Tease and finish you!
বম্মি এটা তোমার নতুন বেকারির জন্যে।
-বম্মি? -হ্যাঁ ভাই?
-এটা এখানে ঝুলায় রাখি? - এটা ওখানে রাখো!
ম্যাডাম, দেখলে অবাক হয়ে যাবেন!
পাশে একটা কলেজও আছে!
এখানের ওডল্যান্ড ড্রাইভ-ইন আমার কেক বিক্রি হচ্ছে কল্পনা করে দেখুন।
এটা কি জানো? পেজার।
ফোনের মত কথা বলতে পরবে?
- কার সাথে কথা বলবে? - এটা তোমার জন্য।
ধন্যবাদ!
- এটা কেমন লাগছে? - হাতটা ব্যাগের মতো লাগছে!
তাহলে তুমি আঁকো?
বিমানে ওজন যেমন বাড়বে ফুয়েরও তত খরচ হবে!
আমেরিকার একটা বিমান সংস্থা...
মনোযোগ দাও!
তারা তাদের বিমানগুলো রঙ না করে ৫০০ পাউন্ড বাচিয়ে ছিল!
এমনিতেও চারজন লোক বিনামূল্যে উড়বে!
তারমানে তুমি ভারী কিছু পছন্দ করো না?
মোট কথা, যাত্রীদের সাবান, শ্যাম্পু কেনার মতো সক্ষমতা থাকলে...
তারা টিকিটও কিনতে পারবে।
আর আমরা সবাই মিলেই এটা বাস্তবায়ন করতে পারি।
এতটুকুই, ধন্যবাদ।
আর আপনি ১ হাজার রুপি দিল্লিতে যাওয়ার টিকেট করে লাভ করতে চান?
আমার প্রতিযোগিতা ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের সাথে না, স্যার।
ইন্ডিয়ান রেলওয়ে সাথে।
ইন্ডিয়ান রেলওয়ে?
ইন্ডিয়ান রেলওয়েও খুব ভালো চলছে।
মিঃ মারান, একটা বোয়িং বিমানের দাম ১৩৬ কোটি।
আর একটা সেকেন্ড হ্যান্ড বিমানের দামও ৯০ কোটি।
এখানে মাত্র দশ কোটি দিয়ে আপনি কী এমন করবেন?
আমি বিমান কিনবো সেটা বলিনি স্যার।
আমারা বিমান ইজারা নিব।
আপনার আয় আশা অনুযায়ী না হলে কী করবেন?
বেশিরভাগ এয়ারলাইন্সের মত ফ্লাইট ৭০% ফুল হলে আমরা আয় করবো ১২.৪২ কোটি।
আমাদের লাভ হবে ৪.১৪ কোটি টাকা।
মনে হচ্ছে অসম্ভব।
- দীক্ষা? - সে সঠিক!
তার ব্যাপারটা বিবেচনায় নিচ্ছি...
আপনার ফ্লাইটে যদি ৭০% এর কম হয়?
যদি আমরা ১০ হাজার টাকা দামের টিকিটে ৭০% ফুল করতে পারি...
তাহলে ১ হাজার রুপির টিকিটে দিয়ে কি কমপক্ষে ৫০% লাভ করতে পারবো না?
কিছুটা কঠিন।
আপনি বাজারের হারের কথা বলছেন।
এত কম মূল্যে কে আপনাকে বোয়িং ইজারা দেবে?
- প্লেনঅ্যাম। - সত্যি?
টুইন টাওয়ার আক্রমণে তাদের সংস্থার খুব বড় ক্ষতি হয়েছে।
তারা আমাদের অর্ধেক মূল্যে বিমান দিতে প্রস্তুত।
মারান, অভিনন্দন।
তারা তহবিল অনুমোদন করেছে।
ডিজিসিএ লাইসেন্স পেলেই তুমি নিজের বিমান সংস্থা চালু করতে পারবে।
সকল ধন্যবাদ আপনার স্যার।
- ওহ, না ... ধন্যবাদ, স্যার।
- একটা কথা - স্যার।
তুমি কি টাকা প্রস্তুত রাখতে পারবে বিমান যাতে রিজার্ভ করতে পারি?
- আপনি চান আমি টাকার ব্যবস্থা করি? - হ্যা।
- কত এডভান্স দরকার মারান? - ৪৭ লাখ টাকা, স্যার।
কোম্পানির ফান্ড প্রকাশ করতে অন্তত ছয় মাস লাগবে
যদি প্লেনআম এই সময়ের মধ্যে তাদের মূল্যের হার বাড়িয়ে দেয়,
বা অন্য কেউ যদি এই আইডিয়াটা চুরি করে তবে আমরা সমস্যায় পড়বো।
আমাদের পুরো ব্যবসা এর উপরই নির্ভর করছে কিন্তু।
লাইসেন্স ছাড়া বিমানগুলো ইন্ডিয়ায় উড়তে পারে না।
তাই এগুলোকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে গিয়ে পেইন্টিং আর স্টিকারিং করা শুরু করো।
তারমানে লাইসেন্স পাওয়ার পরে আমরা সেগুলো ভারতে নিয়ে আসতে পারবো।
ভালো আইডিয়া, স্যার। আমি দেখে নিব।
MULLUM MALARUM
লোকেরা এখানে ট্রাক্টর আর অটোর জন্য ঋণ নিতে আসে।
তবে প্রথম কেউ বিমান কেনার জন্য আসলো!
ঠিকাছে...
আমাদের কেউ যদি বিমান সংস্থা শুরু করে তবে সেটা আমাদের জন্যই গর্বের।
ছোট থাকতে আমারও অনেক স্বপ্ন ছিল...
কিন্তু কেউ আমাকে টাকা ঋণ দেয়নি।
প্রথম ছয় মাসের প্রফিট লাভ দেখেন...
ঠিক আছে। কম্পিউটারে আমার অ্যালার্জি আছে।
- কত মা? ৪৭ লক্ষ? - হ্যাঁ, ৪৭ লক্ষ।
লোনটা ঠিকঠাক হয়েছে কিনা দেখো।
ভুল বুঝো না, ছোট ভাই তাদেরও কিছু কাজ আছে, তাই না?
আপনার বাড়ি, খামার জমি মিলেতো সব ৪০ লক্ষের মত।
তারা আরো সাত লাখ টাকার কিছু চাইবে!
আমরা এরচেয়ে বেশি দিতে পারবো না!
আরে ও আমার শিক্ষকের ছেলে! টাকা দিয়ে দাও।
ম্যাডাম, এখানে সই করুন।
মা, নতুন ব্যবসা শুরু করছেন...
পূর্ব দিকে মুখ করে সই করুন।
তুমি যদি সময়ের এক দিন পরেও টাকা দাও...
তাহলে তিন মাসের দ্বিগুণ সুদ দিতে হবে।
- আমি সময়ের মধ্যেই দিয়ে দেব... - ঠিক আছে।
মা, আপনি চলে যান। আমি টাকা পাঠিয়ে দেব।
- এখন কী করব? - DCGA থেকে লাইসেন্স পেতে হবে।
- ওটা কী? - আমাদের RTO অফিসের আছে না?
- উড়ানোর জন্য ওদের লাইসেন্স লাগবে? - পেয়ে যাব তো, তাই না?
মুভিটি আবার প্রথম থেকে ছাড়!
ঠিক আছে, স্যার। আমি সামলাতে পারব।
তাকে এ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছ কেন?
এসিআই থেকে প্রকাশ বাবু রেফার করেছে।
সে এখানে দুই মাস ধরে আসছে।
ওর জানার কথা DGCA এর সাথে সাক্ষাত করা এত সোজা না।
- অপেক্ষা করতে বলো। - হ্যাঁ, স্যার।
স্যার, ৮:৩০ টায় আসতে বলেছিলেন।
পিয়ন আসার আগে, ৭ টায় আমি এসেছি।
এখনো আমাকে ডাকেননি।
- প্লীজ অপেক্ষা করুন! - স্যার...
- কিন্তু প্রথম সাক্ষাৎকার আমার ছিল... - একটু সরো।
আপনারা সবাই চলে যান, এক ঘন্ট পরে আসেন, সবাই চলে যান।
গাড়ী প্রস্তুত, স্যার।
স্যার, ম্যারান। মিঃ প্রকাশ বাবুর রেফারেন্স।
- দুঃখিত। তুমি এখনও এখানেই? - ঠিক আছে।
বিমানচালনা নতুন মন্ত্রীর সাথে মিটিং আছে।
- কালকে আসতে পারবে? - নিশ্চয়, স্যার।
- ভালো। - ধন্যবাদ।
বিদায়।
শুভ সকাল, স্যার।
-মারান, তোমার ডকুমেন্ট দেখলাম। - ধন্যবাদ।
- খুবই ইন্টারেস্টিং। - স্যার।
কালকে আমরা দেখা করতে পারব।
হ্যাঁ? সমস্যা নেই, তাই না?
- নিশ্চয়, স্যার। অপেক্ষা করবো। - ভালো।
বিমানচালনার মন্ত্রীর সাথে মিটিং ঠিক করেছেন?
ওর সহকর্মীর সাথে কথা বলেছি।
- কখন এটা? - কালকে।
মারান!
স্যার।
আমরা আজকে মিটিং করতে পারব, তাই না?
সে এক সপ্তাহ ছুটি নিয়েছে। জানো না এটা?
পরে এসো।
আপনি কি তার সহকর্মী না?
তাকে জানিয়ে রাখাই আপনার কাজ, তাই না?
তুমি একজন স্মার্ট পূরুষ না? আমাকে সে যা বলে তাই বলতে হয়।
আর কতদিন অপেক্ষা করাবেন?
কেবল একটি মিটিং এর জন্য...
এসবের জন্য সময় বা টাকা কোনোটাই নেই।
- প্লীজ বোঝার চেষ্টা করুন। - তবে প্রতিনিয়ত আসছো কেন?
মারান, রতন টাটাকে চিনো?
টাটা এয়ারলাইন চালু করতে এখানেই সে ২০ বছর অপেক্ষা করেছিল।
সে ব্যর্থ হয়েছে। তুমিও ব্যতিক্রম কেউ না, মহেশ।
বাড়ি যাও। বোঝার চেষ্টা করো।
পরের সপ্তাহে এসো না!
হয়তো সুদের টাকা দিন না হলে আরিভুকে বাড়ি দিয়ে দিন।
বিশ্বাস করুন। আপনার টাকা দিয়ে দিব।
পেন্টিং চার্জেই সব টাকা শেষ! শুধু ২ লক্ষ বাকি আছে!
অল ইন্ডিয়া রেডিও।
রামেশরাম থেকে রাজট্রিপুটি
এক বৈজ্ঞানীর অসাধারণ সফর।
চিতরা রামাস্বামীর একটি বিশেষ ইন্টারভিউ প্রেসিডেন্ট
আব্দুল কালামের সাথে, চেন্নাইয়ের সিনিয়র সংবাদদাতা।
এটা আকাশবাণী।
রামেশরাম থেকে রাজট্রিপুটি....
ধ্যাত, অনেক সিকিউরিটি!
- ধরা খেলে, অনেক বিপদে পড়ব! - পড়ব না।
মজা করে বাজি ধরেছিলাম।
বিমানে পারেশের সাথে মিটিংয়ের মত বিষয় না এটা!
আমরা দরজাও পার হতে পারব না!
আমাকে শিখানো হয়েছে
যদি দরজা অর্ধেক খোলা থাকে, এক পা করে ডুকবেন না,
দৌঁড়ে ডুকে যাবেন!
প্রেসিডেন্টকে মিথ্যা বলতে পারব না, মারান। হ্যালো।
ভালো কারনে মিথ্যা বলা দোষের কিছু না।
- "মিথ্যাভাষণই সত্যের প্রকৃতি রুপ ধারণ করে..." - কী?
থিরুভালুবার বলেছিলেন। প্রেসিডেন্টও এটা জানেন।
যদি দেখা না করতে পারি এটা কোনো খবর না।
- কিন্তু ... - স্যার, এদিকে,
- ঠিক আছে। - হ্যাঁ, স্যার।
কিন্তু যদি আজ দেখা করি,
- আপনি এক্সক্লুসিভ হেডলাইন পাবেন! - শসশ।
অতি চালাক হতে যেও না।
ওয়াদা রক্ষা করতে এসবকিছু করছি
লক্ষ লক্ষ ভেড়া মধ্যে আমি এখানে একটি ভেড়া মাত্র।
এবং আশাকরি তুমি এটা হবে না।
- তোমার ওয়াদা রক্ষা করো এটাই ভালো হয়। - মাফ করবেন, প্লীজ সাথে আসুন।
ম্যাম, কাগজপত্র দিন।
এক সেকেন্ড।
- স্যার, ওর জন্য... - ধন্যবাদ ম্যাডাম।
মিঃ রাঘুনানডান। আমার ভয়েজ রের্কডিস্ট।
- দুঃখিত।
কেবল একটি কলম।
যাই হোক, তার থিরুভাল্লোবার বানী শোনাতে যেও না, প্লীজ।
সবকিছু ভুল বলেছিলে!
আমি চিতরা রামেশস্বামী।
সে আমার ভয়েজ রেকর্ডিস্ট... রাঘুনানডান,
রাঘুনানডান... রাঘুনানডান... আমি চিতরা রামেশস্বামী।
- সে আমার ভয়েজ রেকর্ডিস্ট রাঘুনানডান। - এদিকে, প্লীজ।
আইডি?
আপনার আইডি, স্যার।
আমরা একসাথেই। এটা আমার আইডি।
আপনার আইডি দেখতে হবে।
আমি রাঘুনানডান, ভয়েজ রেকর্ডিস্ট।
আপনার ফটো আইডি, প্লীজ।
নিচের তলা থেকে কাগজপত্র আনতে হবে।
- না, ম্যাম! আমাদের ছবি দরকার! - আমি রেডিও স্ট্যাশন থেকে আসিনি।
আমি নেডুমারান রাজানগাম। শুধু ২ মিনিট দরকার...
- না, স্যার! - প্লীজ দেখা করতে দিন!
স্যার, প্লীজ... শুনেন... স্যার...
যদি আমি ১৬-ঘন্টার যাত্রা ২ ঘন্টায় যেতে পারতাম,
আমার অসুস্থ বাবাকে বাঁচাতে পারতাম!
আমি কম-খরচের এয়ারলাইন চালু করতে চাই, কিন্তু তারা দিচ্ছে না, স্যার।
- স্যার... - ব্যাটা...
মাদুরাই থেকে এসেছ?
হ্যাঁ, স্যার!
আমাকে কেবল দুই মিনিট সময় দিন!
পরে যদি মনেহয় আমি দোষী, গ্রেফতার করে নিয়েন।
-ডানরাজ, ভিতরে আসতে দাও। - হ্যাঁ, স্যার!
সিকিরিউটি নিয়ন্ত্রনে আছে।
স্যার...
- নমস্কার, স্যার। - নমস্কার, স্যার।
নমস্কার।
শোলাভানডানের কাছের একটি গ্রাম থেকে এসেছি।
আমার বাবা সরকারী স্কুলের শিক্ষক ছিল।
হ্যালো।
- মারান! - মা?
-মা! - মারান...
দুই সপ্তাহ ধরে তোর বাবা শয্যাশায়ী!
তোকে দেখার জন্য ধম আটকিয়ে রেখেছে!
ডাক্তার বলেছে...
সে বাঁচাবে না!
কালকে ১১টায় বাড়ি আসব বাবাকে বলো।
বাড়ি আয়, ব্যাটা!
- আমি আসবো! ভরসা রাখো! - জলদি আয়!
- আমি আসব! - জলদি আয়!
অহ, ইশ্বর!
- চিন্তা করো না! - এটা ফ্লাইটের ভাড়া।
জলদি! তুই ৮ টার ফ্লাইট ধরতে পারবি!
বাড়ি গিয়েই তোদের টাকা পাঠিয়ে দিবো।
চুপ থাক!
৬,০০০ দিয়েছেন। বিজনেস ক্লাসের মূল্য ১২,০০০।
সাধারন ক্লাসে ৬,০০০, তাই না?
সব টিকেট বিক্রি হয়ে গিয়েছে।
মাফ করবেন, স্যার। প্লীজ।
না...
আপনি কি কোনোকিছু করতে পারবেন?
- আমি দুঃখিত। আমরা ডিককাউন্ট দেই না। - কোনো বাতিল কিছু...
-স্যার, আপনার টাকা নিয়ে যেতে পারেন। - ম্যাম কিন্তু...
-প্লীজ সড়েন। - আমার এই টিকেট দরকার...
বোঝার চেষ্টা করুন। লাইন থেকে সড়ে যান।
- ম্যাম, প্লীজ... - একটু সড়েন।
স্যার, আমার পিতা অসুস্থ। ওর সাথে দেখা করতে হবে।
আমরা কাছে শুধু ৬,০০০ আছে
- কিন্তু সে বলছে ফ্রাস্ট ক্লাস সিট নিতে... - প্লীজ যান! তারা অপেক্ষা করছে...
ওকে, টাকা নিয়ে আসবো!
কতক্ষন সময়ে আছে?
- ওহ, ইশ্বর! - কতক্ষণের ভিতরে আনতে হবে?
৫ মিনিট।
মাফ করবেন!
- স্যার... - যান এখন!
পরের ফ্লাইট কবে?
কখন সেটা?
দুইদিনের মধ্যে।
ওহ, খোদা! কী দূর্গন্ধ!
প্লীজ একটু সড়েন, স্যার!
দুইদিন!
দুইদিন!
স্যার? স্যার... স্যার...
আমার বাবা অসুস্থ। একটি টিকেট কিনতে হবে।
খুবই জুরুরী, স্যার।
যখন উড়তে এসেছ, টাকা নিয়ে আসার উচিত ছিল, ঠিক আছে?
ম্যাম... ম্যাম, যদি পারেন একট সাহায্য করুন...
স্যার? স্যার, আমার টিকেট কিনতে হবে।
- কিছু টাকা দিয়ে সাহায্য করবেন? - দুঃখিত, না।
- সে কি পাগল? - পাগল লোক।
স্যার?
ম্যাম?
আমার বাবা মারা যাচ্ছে। খুবই জুরুরী।
পাঁচ মিনিটে বোর্ডিং বন্ধ হয়ে যাবে।
ম্যাডরাসে যেতেই হবে। পাঁচ মিনিটে শেষ বিমান ছেড়ে দিবে!
স্যার? স্যার?
স্যার, এটি জুরুরী! আমার বাবা অসুস্থ।
আমার কাছে টিকিট কেনার টাকা নেই।
প্লীজ কিছু টাকা দিয়ে দাও, বাবা।
চুপ করো, গৌতম।
চুপ করো এবং কমিক পড়ো।
দয়া করে কিছু টাকা ঋণ দিন। আপনাকে দিয়ে দিব ...
আমার স্বর্ণের আংটি দিতে পারব!
আমার ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার দিব।
একটু সাহায্য করুন!
সিকিরিউটি! কী হচ্ছে এসব?
স্যার, প্লীজ সাহায্য করুন! আমি দেখাচ্ছি আমার...
আমি একজন এয়ার ফোর্স অফিসার, ৮৭ ব্যাচ এর!
কেউ বুঝতে পারছেন... কেউ কি সাহায্য করতে পারবেন না?
আপনার ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার দিন, এবং আমি শোধ করে দিব! শপথ করছি!
দয়া করুন, টাকা খুবই দরকার! বোর্ডিং পাঁচ মিনিটে বন্ধ করা হবে!
আমি নেডুমারান। নাম্বার ৭...
আইনার সানগি কারুপ্পান কোভিল স্টিট,
শোলাভানডান, মাদুরাই-৬২৫২০৫।
এটা আমার ঠিকানা! প্লীজ!
আমি ফিরে আসবো! আর টাকা ফেরত দিয়ে দিব!
কেউ তো সাহায্য করুন!
স্যার, প্লীজ! টিকেট কিনতে হবে কিছু টাকা দিন।
স্যার, প্লীজ সাহায্য করুন! স্যার!
ম্যাম!
আমার বাবা মৃত্যুশয্যায়।
তাকে দেখতে যাওয়া প্রয়োজন। একটু দয়া দেখান, ম্যাম!
আমি ভিক্ষা করতে চাই না, কিন্তু এই বিমান মিস করা যাবে না!
বাবাকে দেখতে যেতে হবে!
কেউ তো সাহায্য করেন!
দয়া করে কেউ সাহায্য করেন!
আমার মা বয়স্ক ও একা। আমাকে উপস্থিত থাকতে হবে!
এই বিমানে চড়তেই হবে।
আমাকে অবশ্যই বিমানটিতে থাকতে হবে...
কী সমস্যা?
- জানি না। চেক করতে দিন। - কী হয়েছে?
তুমি ইতোমধ্যে হেরে গিয়েছ। আর সবসময় লুজারই হয়ে থাকবে।
এটা কে?
তুমি চিঠি লেখার হাজার পদ্ধতি শিখিয়েছ, কিন্তু এখন শুধু হিজিবিজি লিখতে পার।
আমরা ট্রেন চাই!
- কালি! - আমার চোখ খুলতে পাচ্ছি না, মারান!
কথায় আছে," বড় ছেলে মায়ের খেয়াল রাখে
আর ছোট ছেলে পিতার খেয়াল রাখে।"
একমাত্র সন্তান হয়েও, সময়মত আসতে পারিসনি।
- মা। - কেন এসেছিস?
মা?
কেন এসেছিস? তুই এখানে কেন এসেছিস?
কেন এসেছিস তুই?
সবকিছু শেষ হবার পর কেন এসেছিস?
আমি পারিনি...
অহ, ইশ্বর!
তোকে অনেক ভালোবাসতো রে!
তোকে একবার দেখতে পেলে
শান্তিতে মারতে পারতো!
বলেছিল তুই নাকি লুজারের সাথে কথা বলতে চাস না!
তুই কল রেখে দিয়েছিলি!
তোর কখনো অহঃকার ছাড়িসনি!
আমার পা ছাড়!
আমার পা ছাড়!
সে বেশী অসুস্থ ছিল বলে জলদি পুড়িয়ে ফেলতে হয়েছে!
অপরিচিত লোক শেষকৃত্য করেছে, যেন সে এতিম ছিল!
শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত ধরে রেখেছিল আসবি আসবি এই আশা করে।
সবসময় বলেছিল তোকে দেখতে চায়?
মরার আগ পর্যন্ত দরজার দিকে তাকিয়েছিল তোর আশা করেছে।
- তুই হতভাগা! - আমি দুঃখিত!
এমনকি তার চিতায় আগুন দিতে পারিসনি!
টিকেটের কেনার টাকা ছিল না!
তুই তাকে কক্ষনো বুঝবি না!
দেখ এটা! পড় এটা!
তুই তো শিক্ষিত, তাই না? পড় এগুলো।
পড়ে শোনা!
সবগুলো পড়!
আজ আমার ছেলে বাড়ি ছেড়েছে।
পথে যদিও অনেক বাধাঁ আছে, সে সবগুলোর মোকাবিলা করবে।
দেখ তোকে নিয়ে কত গর্ব করতো!
উঠা এগুলো!
দেখ কী লিখেছে!
সে উড়তে গিয়েছে
কিন্তু যতদিন না সবাইকে সাথে নিয়ে উড়বে ততদিন সে হাল ছাড়বে না এটা আমি জানি।
তোকে ভালোভাবে জানতো!
ওর কথা এখানে আঘাত করে!
লোকে বলে, একটি চড়ুইপাখি কক্ষনো ইগলের হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করতে পারে না।
কিন্তু আমার ছেলে এটা পরিবর্তন করবে!
এগুলো কি যথেষ্ঠ হয়নি? হতচ্ছাড়া!
দেখ সে তোকে নিয়ে কতটা চিন্তা করত!
বাবা...
সবকিছু দেখ!
সবসময় বলত, সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
- টাকা ছিল না, মা! - যেহেতু সময়মত আসতেই পারিসনি
সম্পর্ক বা টাকার প্রাধান্য কী?
বাবা!
আমি দুঃখিত, মা!
মাফ করে দাও, মা! আর কক্ষনো রাগারাগি করব না।
এয়ার ফোর্সে পরের তিন বছর, আমার শুধু একটি ভাবনা ছিল...
সাধারণ মানুষকে উড়ানো।
প্রেসিডেন্টের কাছে কেন গিয়েছ?
তোমাকে আমি এটা করে দিতাম।
যাই-হোক, শুভ কামনা রইল।
মিঃ বালাইয়া!
যখন বিমানচলন এত কম যাচ্ছে, আর আপনি এয়ারলাইন বৃদ্ধি করছেন।
বিমানচালনার নতুন মন্ত্রী, মিঃ নাকুল পাটেল,
বলেছে সে কোনো বিলিপত্র দিবে না। আপনার ধারনা কী এই ব্যাপারে?
হেই, ট্রিভেডি!
জিততে হলে একজনকে ঝুঁকি নিতেই হয়!
আমার বিলিপত্রের দরকার নেই।
জমানতের জন্য আমার বিয়ার কম্পানিই যথেষ্ঠ!
হেই, পারেশ!
- এই "এরো শো" কী? - একটি ফ্লাইট প্রদর্শনী, আংকেল!
আমাদের শহরের মেলার মতো!
- আমাদের বিমান কি এখানেই? - মালয়শিয়া থেকে এগুলো আনবো!
আমাদের লাইসেন্স আছে!
- চলো কাছে যাই! - কখন আমাদের বিমান পৌঁছাবে?
এক সপ্তাহের ভিতরে এখানে থাকবে, স্যার।
- হাই, বালাইয়া। - পারেশ!
তোমার ফ্লাইট বৃদ্ধি করছো, হাহ?
তোমার মত আমি ঝুঁকি নেই না, বন্ধু।
না।
কার্গোর জন্য টার্বোপ্রপস পরীক্ষা করতে এসেছি।
আমাদের বিমান মালয়েশিয়ায় আছে।
এই যে পারেশ!
প্রকাশ বাবু ঐই গাধাকে নিয়ে এসেছে কেন?
গরু এবং শিষ্য।
অহ, তাহলে ও হচ্ছে সেই লোক!
দেখতে ভালোই দেখাচ্ছে।
তো নিশ্চিত, সে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে!
চলো গিয়ে বসি আর আনন্দ করি।
বালাইয়া, বাম্বালবে জানো কী?
এটা কিন্তু এরোডাইন্যামাইকলি ডিজাইন করা না।
এখন পর্যন্ত, সবসময় উড়ে।
জানো কেন?
কারন এটা জানে না যে এটা উড়তে পারে না!
তাকে এই শিক্ষা দিয়ে দাও।
বুম্মি, চেক করো।
ছে বলেছে " কল করো।"
- আমাদের বিমান চলে যাচ্ছে, মারা! - কী?
প্লেনএম চুক্তি বাতিল করেছে!
তারা তিন দিনের মধ্যে ফেরত নিয়ে যাবে!
কেন? কী হয়েছে?
ইন্ডিয়ান ডিজিসিএ বোয়িং ব্লুপ্রিন্টের জন্য বলছে!
ইন্ডিয়াতে শত শত বোয়িং ফ্লাইট আছে!
ওদের তো ব্লুপ্রিন্টের ব্যাপারে কিছু বলছে না!
প্লেএম বলেছে আমাদের অধিদপ্তর দিয়ে চেক করাতে।
ওদের ফ্লাইট বুকিং করার জন্য প্লেনএম জোবপূর্বক ৫০ লক্ষ জরিমানা করেছে।
সরকার আমাদেরই কেন টার্গেট করছে?
মারা!
বিল দিয়ে যান, স্যার!
আমি দিচ্ছি।
অটো নিয়ে চলে আসব!
গত সপ্তাহে নতুন আইন জারি হয়েছে।
- জানো না সেটা? - বোয়িং কি তাদের ব্লপ্রিন্ট দিবে?
কোনো কম্পানি কি তাদের লেনদেন গোপন রাখবে?
হঠাৎ করে কীভাবে নিয়ম পরিবর্তন করে ফেলেন?
শান্ত হও, মিঃ নেডুমারান। আইন তোমার জন্য পরিবর্তন হবে না।
কিন্তু ধনীদের জন্য পরিবর্তন হবে?
আমার কাছে টাকা নেই।
এটা আমার সমস্যা নই।
তা তোমার মাথাব্যাথা।
DCGA শুধু তার কাজ করেছে।
- নোংরামি করা বন্ধ করেন! - মুখ সামলে কথা বলো!
তুমি এয়ারলাইন গঠন করতে চাও কেন?
- বাড়ি যাও এবং গবাদিপশু চরাও। - কী? হেই!
যাজ এয়ারের জন্য কোটনামী করিস! আমি তোর ঘাড় ভেঙ্গে দিব!
আমি ধৈর্য ধরেছি বলে আমার সাথে মজা করছিস!
তাকে ছেড়ে দাও, মারান!
স্যার।
- স্যার! - আরে, মারান
কয়েকদিন ধরে আপনার সাথে দেখা করার চেষ্টা করছি!
তারা আইন পাল্টে দিয়েছে এবং ব্লুপ্রিন্টের কথা বলছে।
প্লেনএম এর চুক্তি বাতিল হচ্ছে এবং ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা চাচ্ছে...
বিমানটি হাতছাড়া হয়ে যাবে! যদি ৫০ লক্ষ টাকা ঋণ দিতেন...
৬৪৭.৩৮ কোটি টাকা।
না,স্যার। আমি শুধু ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছি।
৬৪৭.৩৮ কোটি।
স্যার।
মিঃ পারেশের নিজস্ব আয়
তার নিজস্ব এজেন্সি থেকে।
প্রতি বছরই।
আর তুমি চাও তোমার সাথে যোগ দিক এবং ওর নিজস্ব ব্যবসা ধ্বংস করুক।
সে কি মেনে নিবে?
এখনো বুঝনি?
পারেশ হলো SCI এর বিনিয়োগকারীদের প্রধান দেবদূত!
আর সে সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে।
প্রকাশ।
দেখ কত সহজেই তোমাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
হ্যাঁ, এটাই হলো পারেশ!
তোমার ঋণ পরিশোধ করতে করতে,
তুমি শেষ হয়ে যাবে।
কিন্তু তোমার আইডিয়া অসাধারণ ছিল!
এটা কখনো এটা ঘটেনি!
নিজেই দেখে নাও।
তোমার প্লেনএম বিমান।
একদিনেই আইন ভাঙ্গতে ও গঠন করতে পারি।
তোমার সাথে সে শুধু ১০ মিনিট কাটিয়েছে
তাতেই তুমি এত বিপদে পড়েছ।
বেশী কিছু করুক তাকে বাধ্য করো না!
শুভ কামনা।
পারেশ!
পারেশ কোথায়?
পারেশ কোথায়!
কাপুরুষ শালা!
শালা জারজ!
বলেছিলাম না সে তোর জীবন সর্বনাশ করে দিবে?
তুই এরকম পাগল বিয়ে করেছিস শান্ত কীভাবে থাকি?
শুধু ইশ্বরই তাকে বাঁচাতে পারবে!
কতদিন সে তোকে ব্যবহার করবে?
তুই কি বুঝতে পারছিস?
সমাজ আমাদের অপমান করবে!
গরু সারাদিন হাম্বা হাম্বা ডাকছে! গিয়ে চুপ করা, গাধা!
তোমার তো কোনো গরু নেই!
আমার কথা বলছে।
নে! এটা দিতে এসেছি!
অংহকারী স্ত্রীর নিষ্কর্মা স্বামী।
নাও। তোমার শাড়ী রেখে দাও।
তোর মাকে নিয়ে চলে যা!
সে একটা ডাইনী।
কেকটা নিচে রাখ।
তার স্বামী একটা লুজার। চল যাই।
- ব্যাগ? - চুপ কর এবং চলে আয়!
সারাদিন কিছু খাওনি!
তোমাকে আসতে দেখিনি। কখন এসেছ?
মারা...
পাশের বাড়ির সিনু আংকেল এসেছিল।
ওর সন্তানরা পরীক্ষার জন্য টিউটিরিল সেন্টারে যেতে চায়।
ও মনে করে তুমি ওদের ভালো শিক্ষা দিতে পারবে।
কী বলো?
তারা বুদ্ধিমান ছেলে!
এটা তোমার মস্তিস্ককে কিছুটা শান্ত রাখবে।
আংকেল বলেছে সে টাকা দিবে।
আমি জানতাম।
আমি জানতাম তুমি অবশেষে এখানেই নামবে।
কোথায়, মারা?
তোমাকে ব্যবহার করছি ইশারা করছো, তাই না?
আমি কি বলেছি?
সিনু আংকেল কত টাকা অফার করেছে এসব ঠিক করার জন্য?
তোমার মা ঠিকই বলেছিল ক্ষুধার্ত থাকলে তুমি আজেবাজে কথা বলো।
হেই!
এমন আচরণ বন্ধ করো যেন আমি বোকা! অন্তত তোমার মা সরাসরি বলে দিয়েছে।
আমার সাথে ঝগড়া করছো কেন?
পরবর্তীতে কী করবো সেটা ভাবা যাক।
অহ,হ্যাঁ, আমি অব্যশই সেটা বের করবো।
বুঝেছি কেন তা সম্পন্ন হচ্ছে না আমি পাগল বলে!
শিখিয়ে দাও কীভাবে একটি এয়ারলাইন চালাতে হয়, বেকারি মেয়ে।
বলো।
কান খোলা রেখেছি।
তোমার আইডিয়া নিয়ে যতবার বিনিয়োগকারীর সাথে দেখা করেছ,
তারা রুমের ভিতরে হাসাহাসি করেছে।
ওদের কাছে, তোমার আইডিয়া একটা কাপকেক।
আর আমাদের টেবিলে খাবার রেখে অপমানিত করেছ।
পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে, তোমাকে বিয়ে করেছি।
বিশ্বাস করেছিলাম তুমি সাধারণ মানুষদের উড়াতে পারবে।
এটা কী শুধু কথার কথা ছিল!
মোটেও সিরিয়াস ছিলে না!
এটা হতে দাও!
বুঝতেও পারিনি তুমি একটা লুজার, মারা!
লুজারের সাথে থাকতে চাস কেন?
যা ভাগ!
ভাগ!
কিছু অর্জন কর পরে এসে পুরুষত্ব দেখাবি!
বালের ইগো!
- হেই, বুম্মি এসেছিল? - না।
আর কোথায় যাব, মারা?
এটা আমার ঘর।
আমার একমাত্র ঘর।
তোমাকে সব জায়গাতে খুজেঁছি!
আমি কয়েকদিন দৌড়াঁতাম তোমাকে...
যদি প্রেগন্যান্ট না হতাম।
এরকম খরব কেউ কি চেপে রাখে?
স্বাভাবিক মানুষের মত কথা বলতে পারো না?
আমি পারি না। এটাই আমি!
কেবল এভাবেই তোমার মাথার মগজে পৌঁছায়?
বুম্মি।
বালের জালকে.....
বেচারা চড়ুই পাখিগুলো। ওরা কক্ষনো খেতে পারে না।
বড় পাখিগুলো সব খেয়ে ফেলে আর ওদের ক্ষুধায় থাকতে হয়।
একটি চড়ুই বেশী বড় না আবার বেশী উচুতে উড়তেও পারে না।
তাই ওদের অল্প খাবারই দরকার পড়ে।
কী, মারা?
এই সাইজের জন্য,
আর এই উচ্চতায় উড়তে হয়,
তাই এদের বেশী খাবারের দরকার হয় না।
তো...
বেশী ফিউল লাগবে না।
ছোট বিমান। ইন্ডিয়াতে প্রথমবার।
বুম্মি, ছোট বিমানের কম ফিউল লাগে।
তাই টিকেট এমনকি সস্তা হলেও চলবে।
ইন্ডিয়াতে প্রথমবার,
মালবাহী বিমানকে যাত্রীবাহী বিমানে রুপান্তর করব।
ছোট বিমানের কথা উঠলে আমরাই লিডার।
আমাদের টার্বোপ্রপ হলো বাজারে সেরা।
কিন্তু বড় বিমান সবখানেই টার্বোপ্রপ পরিবর্তন করে।
আপনার বিমান কেবল মালপত্র আদানপ্রদানে ব্যবহার হয়।
আপনার বিমানকে আমি যাত্রীবাহী বিমানে রুপান্তর করব। যৌথ উদ্যোগে।
"টার-বার" এসব কীসের কথা বলছেন?
"টার্বোপ্রপ" আংকেল!
এগুলো দেখতে ছোট ম্যারুটি ৮০০ গাড়ী মতো।
এগুলো বড় বিমানের তুলনায় অর্ধেক উচুঁতে উঠতে পারে।
কিন্তু ফিউলও অর্ধেক লাগে।
এগুলো কি বৃদ্ধি করা যায় না?
হ্যাঁ, বিমান হলো ছোট।
কিন্তু শুধু ৭০ জন লোক হলেই ভর্তি হয়ে যাবে।
বড় বিমানের ২০০ যাত্রী দরকার পড়ে।
অতএব, খরচ কম আর লাভ বেশী!
আপনাকে আমাদের বিমান ফ্রি বা অন্যভাবে দিয়ে দেই এটা চান?
আমাদের দেশে প্রতিদিন ৭,৫০০ ট্রেন চালু থাকে,
প্রতিদিনের যাত্রীর সংখ্যা ২.৫ কোটি ।
তবে, প্রাইভেট গাড়ী ও সরকারী বাসও আছে।
যদি মাত্র ২% যাত্রী আমাদের
এয়ারলাইন ব্যবহার করে,
কোটি টাকা উপার্জন করতে পারব।
টার্বোপ্রপ দিয়ে বেশী দূরে যাওয়া যায় না, স্যার।
আমরা বড় জায়গাতে যেতে পারব না যেমন চেন্নাই থেকে ডিল্লী।
ডিল্লীতে সরাসরি যাওয়া কি উচিত হবে?
আমরা বিজয়য়াডা এবং নাগপুর আর ভয়লাতে থেমে থেমে যাব।
আমরা বড় ও ছোট শহর আবৃত করে ফেলব! এটাই হলো একটা চড়ুইপাখির শক্তি।
যদি আমরা টার্বোপ্রপ কম্পানির সাথে ব্যয় শেয়ার করি, যৌথ উদ্যোগে...
- চার কোটি টাকা লাগবে! - সুপার, স্যার।
চায়ের বিল, ৮০০ রুপি এখনো বাকি!
মিলিয়ন টাকার ব্যাপারে আলোচনা করছি আর তুই ৮০০ রুপির কথা বলছিস!
- যা ভাগ! - হ্যাঁ, ঠিক!
৮০০ রুপি পরিশোধ করতে পারেন না, আবার আকাশে প্রাসাদ নির্মাণ করবেন।
- আমি এগুলো সাথে নিচ্ছি। - খুবই ভালো।
তোমার কথা শুনছি এখানে একটা দোকান দাড়ঁ করাবো,
চিন্তা করেছিলাম এখানে বিক্রি হবে না।
আশা করেছিলাম সর্বোচ্চ ৩০০-৪০০ রুপি হবে। কিন্তু ১০০০ রুপি পরিশোধ করতে হয়েছে।
এক হাজার?
প্রতি সপ্তাহে?
না! প্রতিদিন!
প্রতিদিনই কলেজের মেয়েরা এই রাস্তা দিয়ে আসে,
আর ছেলেরা কুকুরছানার মত অনুসরণ করে!
আমরা দোকান পার্ফেক্ট জায়গাতেই আছে!
কার আইডিয়া ছিল এটা?
যাওয়া যাক?
খারাপ না, মারা।
ভেবেছিলাম বেকারিতে শুধু তুমিই মেয়েদের অনুসরণ করো!
কিন্তু বেশীভাগ ছেলেরাই এরকম।
এখন কি কাজের সময় না?
খেয়ে নাও। খাবার অর্ডার দিয়েছি। খুবই ক্ষুধা পেয়েছে।
কফি দিন, ভাই। বেশী চিনি দিয়ে।
ঠিক আছে, ম্যাডাম।
- না, ধন্যবাদ। - কী সমস্যা।
পারেশ এই মাসে ইন্ডিয়াতে নেই।
সে ফিরার আগেই গোপনে আমাদের বিমান পেতে হবে।
কীভাবে?
মাঠ কর্ম এবং সম্ভব্য রিপোর্ট করা শেষ।
এমনকি এক ফ্রান্স কম্পানির সাথেও মিটিং করেছি।
যদি এই কাজ সম্পন্ন হয়, আমরা কার্যকার করতে এবং চালাতে পারব!
এমনকি ৮ কোটি টাকাও লাগবে না, কেবল ৪ কোটি হলেই চলবে।
অপেক্ষা কীসের? শুরু করো!
আমরা পারব!
তবে কম্পানিটি নিবন্ধন হতে হবে, পরেই উড়ানোর অনুমতি পাব।
বুম্মি...
১৫ হাজার ধার দিতে পারবে?
কারন...আমি...
- এটি কি আমার কফি? বেশী চিনি দিয়ে? - সত্যিই লাগবে।
- নিবন্ধনের জন্য.... - বিলটা আমাকে দিন।
শুধু নিবন্ধন ফি দিয়ে দাও। আমি চুক্তি পাকা করতে পারব।
এইবার সফল হবো।
তিন মাস পরে পরিশোধ করে দিব।
আমি হিসাব করে রাখব। তুমিও হিসাব করে রাখতে পারো।
না, আমি...
নমস্কার, স্যার।
মারা...
১৫ হাজার না, তোমাকে ২০ হাজার দিব
তুমি সবসময় মহান কিছু করার কথা বলো
সেইমতোই ভাবভঙ্গী ধরো।
আমার সাথে মিথ্যা অভিমান করো কেন?
দুঃখিত।
নিজের স্ত্রীর কাছে সাহায্য চওয়া তোমার জন্য এতটা কঠিন কেন?
আমি ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছি!
আমার বেকারি তোমার আর তোমার এয়ারলাইন আমার।
এটা কি আমাদের চুক্তি না?
মহিলা বসের জন্য একটা তাজা জুস দে!
ভায়ার?
হেই!
- হ্যাঁ, স্যার! - কীভাবে?
তুই তো অনেক নিচু-শ্রেণীর।
এত শান্তিতে ঘুমাস কীভাবে?
ভাই, আসেন।
কিছু একটা সমস্যা আছে।
কোনো সমস্যা?
শান্ত হন, পারেশ। সব ঠিক আছে।
টার্বোপ্রপ নিয়ে ছোট একটি সমস্যা। কালকেই ঠিক করে নিব, ঠিক আছে?
তোমাকে কতবার বলেছি?
ভালো খবর হলে অপেক্ষা করবে,
কিন্তু খারাপ খবর হলে সাথে সাথে বলবে!
মালপত্রের জন্য যে বিমানটি চেয়েছিলাম
কেউ যাত্রীবাহী বিমান হিসেবে বুক করে নিয়েছে।
মির্জাকে বলো কথা বলতে।
রাজী না হলে, রাজী করাও!
যাত্রীবাহী পরিবহন কি ওদের জন্য উত্তম প্রস্তাব না?
ওদের বেশী টাকা দাও যা কথা দিয়েছিলাম!
তারা আগ্রহী না!
আনন্দকে কল করো!
রাত ৩ টা বাজে.. পারেশ!
তো? আমি কি যাব তাকে উঠাতে?
এসব কী?
ধ্যাত!
এটা যৌথ উদ্যোগ। টার্বোপ্রপ ইন্টারন্যাশনাল ও
এনসিএস এভিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড এর মধ্যে।
মিঃ সুন্দরী নামে নিবন্ধন করা হয়েছে।
টার্বোপ্রপের সাথে পুরো অংশ,
সে আড়ালে থেকেছে আর চুক্তি সম্পন্ন করেছে!
কোনো চিন্তা না করেই সাক্ষর করে দিয়েছি
যেভাবে শুধু আপনি টার্বোপ্রপের সাথে চুক্তি করে এসেছেন।
আমি দুঃখিত।
চিন্তা করো না, পারেশ।
সে বালাইয়ার মত ধনী না।
সে কেবল একটা বোকা!
পরাজিত হয়ে পালিয়ে যাবে!
বালাইয়া হলো বোকা।
একবার পিতার সম্পত্তি ফুরিয়ে গেলে, সে গায়েব হয়ে যাবে!
ভায়ার, যাকেই কল করো বা যেখানেই করো,
কিন্তু তাকে শেষ করো।
উত্তেজিত হয়েও না, পারেশ।
আমরা আগে যা করেছি তা নিয়ে এখনো সিভিআই তদন্ত করছে।
তাতে আমার কী।
তার বিমান যাতে ল্যান্ড করতে না পারে, ঠিক আছে?
ঠিক আছে।
গ্রাম্য ইতর।
হ্যাঁ। সে এটাই!
তাকে না, আমাকে।
ইন্ডিয়াতে অব্যশই গরীব থেকে ধনীর হওয়ার কাহিনীতে শুধু আমাকে নিয়ে বলবে।
ইন্ডিয়াতে শুধু একজন পারেশ থাকা উচিত, ঠিক আছে?
এখানে তোমাকে কেউ চিনে না, ভাই!
কিন্তু মনে হয় সবাই ডাইনীকে চিনে!
- কেমন আছো? - আমি ভালো!
তুমি কেমন আছ, ভাই?
- আমি শুধু একটু প্রশংসা করছিলাম! - হ্যাঁ, শুনেছি।
- বেকারি দেখে রেখো, আংকেল! - নিশ্চয়।
যত পারো আমাকে নিয়ে মজা করো, তবু আপনার জন্য ফেস্ট রান্না করব!
- এসো এবং খাও। - নিশ্চয়!
আবার বোনের বিয়ে ঠিক হয়েছে।
এক মিনিট, জামাই!
এদিকে এসো।
যাও।
টাকার সমস্যা, তাই না?
হ্যাঁ, কেন?
চিন্তা করো না। এটা মোটেও সমস্যা না।
কে কত?
ইংলিশে বলতে চেয়েছিলাম " কত টাকা"?
আমি... আমি সামলাতে পারব।
আমাকে বলতে দ্বিধা করছো কেন?
এক মিনিট।
এই নাও। এগুলোও টাকা।
কী ব্যাপার?
এখানে ১১,৫২৮ রুপি আছে!
আমার জমানো টাকা।
সব টাকা নাও আর কাজে লেগে পড়ো!
বুম্মিকে জানিও না, সে জমাতে দিবে না!
- আল্পারাই আংকেল। - অনেক হাসছে!
এটা তোমার জন্য। সমানভাবে ভাগ করে নিও!
আমাদের ৩.২৫ কোটি দরকার।
যা দিয়েছেন আরও ২০০০ বার দিতে হবে।
৩ কোটি?
কয়টা জিরো আছে সেটাও বলতে পারব না।
আমার কাছে এগুলোই আছে।
ভুল বুঝবে না।
পর্যাপ্ত পারিমানে কি হয়নি?
না, আংকেল?
আংকেল!
৩ কোটি থেকেও তোমার মন অনেক বড়!
আমার কাছে বেশী নেই....
নিরাপদে রেখো।
- প্লীজ আসুন। - স্যার।
ব্যাংক ম্যানেজার হিসেবে, প্রথমে ইনকাম টেক্স ডিপার্টমেন্টে কল দেওয়া উচিত ছিল।
স্যার... কত টাকা, স্যার?
নিজেই দেখে নাও।
দেড় লক্ষ। বিশ হাজার। ১ লক্ষ। ১০ হাজার। পাচঁশ।
শোলাভানডান থেকে সারাদিন ধরে আপনার একাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে!
- আমি কি... কল দিতে পারব? - হ্যাঁ।
নিশ্চয়।
শোলাভানডান পোষ্ট?
মারা লাইনে আছে!
মারা তোর একাউন্টে আমি দুই লাখ পাঠিয়েছি। পেয়েছিস?
মোনোস্বামী ভাই...
এত টাকা কোথায় পেলেন?
- আরিভুর কাছে জমি বন্ধক দিয়েছি। - ফোনটা আমাকে দিন।
আমার বোনের বিয়ে কিছুটা পিছিয়ে দিয়েছি!
যতদিন না তুমি পরিশোধ করবে বর অপেক্ষা করবে!
- তুমি এগিয়ে যাও! - তোমার...
আমাকে বলার উচিত ছিল! তোমরা রক্তচোষা আরিভুর কাছে গিয়েছ কেন?
আমাদের জন্য এত কষ্ট করছো তা দেখে আমরা নীরব থাকতে পারব না।
তোমার কারনেই আমরা ট্রেন স্টপ পেয়েছি, আমাদের জমির মূল্য এখন আকাশচুম্বী!
- ওর সাথে কথা বলতে দে! - নিন!
ধান বিক্রি করে ৮০০০ টাকা পাঠিয়েছি। পেয়েছিস ব্যাটা?
পেয়েছি।
- হ্যাঁ, সে পেয়েছে! - আমাকে দে!
- নিন! - শান্ত হন!
মারা, বাবা....
দাদী...
বৃষ্টি নেই যেহেতু মরিচ চাষ করেছিলাম।
কেবল ৫০০ রুপি পাঠাতে পেরেছি। পেয়েছিস?
বৃষ্টি নেই তুমি পরিশ্রম করছো....
এমনটা করছো কেন?
বাচ্চাটা তোমার সাথে কথা বলতে চায়!
নে কথা বল! নে! বল!
- হ্যালো? - সেলভি?
আংকেল মারা,
আমার টাকা পেয়েছেন?
তুমি টাকা কীভাবে পেয়েছ?
আমার ছোট্ট ব্যাংক থেকে।
আমাকেও কিন্তু বিমানে উঠাবেন।
এখন সবাই দান করো!
লাইনে দাড়াঁ। লাইন ভাঙ্গবে না।
যারা কথার মাঝে কথা বলছো। প্লীজ খাওয়া-দাওয়া করেন এবং চলে যান।
৩৭ হাজার। ১৩ হাজার। ৪০ হাজার। ৩১ হাজার।
ভালো করে দেখ! এটা ৩১ লাখ।
লাখ?
জলদি বাস্তব বিমান নিয়ে আয়, মারা!
আমার মেয়ের বিয়েতে সবাইকে নিয়ে উড়বো!
না,স্যার। প্রথমে আপনার জমি আরিভু থেকে ফিরিয়ে আনুন।
আমি নিজে এসে ওর সাথে কথা বলব।
মারা...
মা?
যদি তুই শিক্ষকের ছেলে হয়ে থাকিস, আমার ওর স্ত্রী।
আরিভু থেকে কাগজপত্র ফিরিয়ে আনতে দাবি করবো।
যাই-হোক ৬ মাস অন্তর অন্তর সুদ দিতে সে বলেছে।
যদি আমরা একত্রে থাকি কেউ কিছু করতে পারবে না!
বিজয় বা পরাজয়, সবই এখন তোর হাতে!
আমরা সফল হবো, তাই না?
তোর বাবা সবসময় তোর সাথে আছে।
আমরা সবাই প্রার্থনা করছি, বাবা!
সফল হ।
সবাই তোর উপরে ভরসা করছি। সফল হ!
কাদঁবে না! সে সফল হবে!
বিজয় তোরই হবে।
- রাখছি তাহলে? - ঠিক আছে, মা?
সব ম্যাজর এয়ারপোর্ট পারেশের নিয়ন্ত্রনে।
আপনার বিমান এই এয়ারস্ট্রিপে ল্যান্ড করাবেন?
আসলে সত্যি। ব্রিটিশ আমলে নির্মাণ হয়েছিল।
এয়ারস্ট্রিপ পোষ্টাল ডিলিভারি ও ডিপলোমাটিক ট্রিপস দিতে ব্যবহার হয়।
নেহরু আর কামরাজ এখানে আছে।
পরিত্যক্ত অব্যবহৃত এয়ানস্ট্রিপ?
কয়টা আছে? দুইটা নাকি তিনটা?
পাচঁশ!
ইন্ডিয়াতে আড়াআড়িভাবে এগুলো পাচঁশত আছে।
বিমান ল্যান্ড করার উপযুক্ত করে তুলবো!
কী বলছো? বুঝিয়ে বল।
ইন্ডিয়াতে প্রথমবার, ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ইন্ডিয়ানরা টিকেট বুক করতে পারবে।
ইন্ডিয়াতে কতজনের ক্রেডিট কার্ড আছে?
তাদের টেলিফোন আছে না?
আমাদের কল সেন্টারে কল দিবে আর টিকেট কেটে রাখবে।
পিএনআর নাম্বার দিয়ে
তাদের নিকটস্থ ব্যাংক বা সুপারমার্কেট থেকে টিকেট সংগ্রহ করতে পারবে।
কিন্তু...
যাতে পাবলিক নিজস্ব কম্পিউটার দিয়ে কাটতে পারে সেই চেষ্টা করছি।
ইন্টারওয়ার্ড ৬ মাস ব্যয় করেছে শুধু এই সফটওয়্যার পরীক্ষা করার জন্য।
আমাদের এই সামর্থ্য নেই।
এখানে এটা অন্য কেউ কক্ষনো চেষ্টা করে দেখেনি।
তাই এটা ইন্ডিয়াতে প্রথমবার। সুতরাং ভারতে এটাই প্রথম।
রেলওয়ে কাউন্টার আপনারা টিকেট বিক্রি করতে চান?
আমার ব্যবসার সর্বনাশ করতে চাচ্ছেন আমি কীভাবে রাজি হব?
প্রতিদিন ১০,০০০ জনকে খুজেঁ পাবেন ওয়েটিং লিস্টে এসি কোচের জন্য।
আমি শুধু এই লোকদের আমার বিমানে নিয়ে যাব।
আপনার রিজার্ভেশন কাউন্টারটের পাশে আমাকে ছোট একটা জায়গা দিন।
মূল কথা হলো, তাদের যাত্রা করার দরকার, তাই না?
ঠিক আছে, এটা খুব ভালো আইডিয়া।
শুভকামনা, মারান।
You're never too old To stop chasing the moon, my friend!
Chase your dreams And there are no worries, dear comrade!
Even if you lose, the world will not mind!
Stand by and do nothing? It will never respect you!
If the battle rages on With even no small victories
Won't it change one day To a celebration sans failures?
BISMI MOBILES SALES & SERVICES
No one else can live your life...
- ফোন আসছে। - নাম কী?
কম্পানির নাম ডেকান এয়ার। পছন্দ হয়েছে?
সে মেডিক্যালি আনফিট।
- আনফিট? - হ্যাঁ।
ভাই তুমি আনফিট, আরেকজন আসো।
It isn't too far off! As we get closer, the dream grows nearer!
ডেকান এয়ার পাইলট পাবে না।
আমরা তাদের মারাণের চেয়ে তিনগুণ বেশি দিয়ে রাখছি।
আর তারা নিয়েছে!
পরের মাসে তাদের সবাইকে বরখাস্ত করবে।
ভাই?
আমি যদি তাদের কিনতে পারি...
যে কেউ তাদের কিনতে পারবে।
মারা আসছে!
পাইলটদের তো দেখছি না।
- সেবী! - সে কোথায় গেল?
মারা জলদি আয়।
কোথায় গিয়েছিলে? আমাদের পাইলট কেউ আসেনি!
যে লোক সরকারকে কিনতে পারে সে যে কেউকে কিনতে পারে।
তারা আমাদের পাইলট।
এরা ভারতের যুদ্ধবিমান চালিয়েছিল, অবসরপ্রাপ্ত বিমান চালক।
বয়স দেখছিস এদের? কাজ করবে কীভাবে এরা?
আমাকেও একটা কৌতুক শোনাও।
এয়ার ফোর্সের পাইলটরা অবসর গ্রহণ করে ৫৭ বছরে,
বেসামরিক পাইলটরা ৬১ বছরে।
তারা আরো চার বছর চালাতে পারবে।
ওরে, দুইজনই এই গেমটা খেলতে পারে।
ক্যাপ্টেন রাজীব মনোহর, তিনিই এই সব সহযোগিতা করেছেন।
এয়ার কমোডোর হিসাবে অবসর গ্রহণ করেছিলেন।
আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না! কীভাবে হয়ে গেল!
- আমাদের এয়ারলাইনে ফোকাস করতে হবে! - হ্যাঁ হ্যাঁ।
অফিসে এসেছেন কেন বস?
একটা প্রস্তাব আছে।
কী প্রস্তাব?
একটা ব্যবসায়ের প্রস্তাব।
কী ব্যবসা?
ব্যবসার ব্যাপারে যারা কথা বলতে আসে তুমি তাদের সবাইকে এরকম করো?
তোমার লাইটে যে খাবারগুলো সরবরাহ করবে, তার কন্ট্রাক্ট আমাকে দাও।
একটাই মাত্র আউটলেট মাদ্রাজে, এটা দিয়ে লজিক্যালি চালানো অসম্ভব।
এটা সম্ভব।
মাদ্রাজে আমার একটাই ঘাটিঁ তোমাকে কে বলছে?
আমার ফ্র্যাঞ্চাইজি আছে!
বিজয়ওয়াদারায় আছে ছে'র পরিবার। আর মাদুরাইয়ে আমার ভাই।
মাসিক টার্নওভার দশ লাখ টাকা!
তাহলে এক বছরে ১.২ কোটি।
ডেকান এয়ারে স্বাগতম, সুন্দরী নেদুমারান!
কোনো বিশেষ কিছু আশা করবে না, ঠিক আছে?
তুমিও কোনো ডিসকাউন্ট আশা করবে না।
আমরা ব্যবসা কথা বলছি না!
ব্যবসার কি শেষ না?
আসছে!
সে কী করছে?
কি করছেন? কিছুই বুঝছি না!
যেমন আমরা আপনাকে সব কিছু বলি।
আমাদের বিমান যখন প্রথমবার নামবে...
সেটা পূর্ব দিকে নামলে খুব মঙ্গলজনক হবে!
তুমি বুঝবে না। পিছনে যাও!
না, তারা নির্ধারিত স্থানে নামবে।
আবার ওখানে যাও।
কথা কখনই ক্লিয়ার হয় না।
ওটা আমাদের তাই না?
দেখো, দেখো, আমাদের বিমান আসছে।
চেন্নাই টাওয়ার, এটি ডেকান এয়ার ৫৮৩
ম্যাক্সিমাম ফুয়েল, ল্যান্ডিং এর অনুমতির জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
ঘুরে যান, ডেকান এয়ার ৫৮২।
৩টা বিমান না? আর দুটো কোথায়?
মালাতো তিনটা এনেছেন তাই না? আর দুটো কাল আসবে।
তারা নামছে না কেন?
তারা নামার অনুমতি পাচ্ছে না?
কোন সমস্যা ডিএ ৫৮২?
এত বড়! আমিতো ছোট মালা এনেছি!
- মারা... - কতক্ষণ তারা ঘুরতে থাকবে?
এপিসিতে যান। আমি গ্রাউন্ড অপশনটা দেখছি।
- সেবী, জলদি। - যা।
- আমিও যাব। - দাড়াও।
- চলো যাই! সে দৌড়াচ্ছে কেন? - তুমি গর্ভবতী। দৌড়াবে না!
শোনুন, আমাদের জরুরী ফুয়েল প্রয়োজন,জলদি।
আমি আবার বলছি, ডেকান এয়ার ৫৮২, ঘুরতে যান।
ক্যাপ্টেন, মনে হয় কিছু একটা হয়েছে ওরা নিয়ম অমান্য করছে!
চেন্নাই টাওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখান করেছে!
আমি আবারও বলতেছি, ডেকান এয়ার ৫৮২, ঘুরতে থাকুন।
পারেশ।
এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
এরকম করতে থাকলে কিন্তু ফ্লাইট ক্রাশ হয়ে যাবে।
তুমি বলেছিলে শুধু ওদের ভয় দেখাবে।
তুমি সিভিল এভিয়েশন জিনিস ব্যবহার করছো তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে!
এই জন্য আমার উপরেও তদন্ত হতে পারে।
তোমার সাহস কত?
যে তোমাকে ডিজিসিএ-তে রেখেছিল...
তোমাকে DGCA এর আসনে কে বসিয়েছে? তাকে ছেড়ে দেওয়ার মতো বোকা তুমি নও, তাই না?
তুমি আমার কাছে ঋণী, বন্ধু!
পারেশ!
এটা ক্রাশ হলে কিন্তু আমরা সমস্যায় পড়ব।
থামো, পারেশ! যথেষ্ট হয়েছে !
চে, শুনতে পারছিস?
তাম্বরাম এয়ার ফোর্স। রানওয়ে ২-৩।
ওখানে নামাও।
যথেষ্ট ফুয়েল আছে তো? আমি দেখছি।
আমাদের কোম্পানির ফ্রিকুয়েন্সির সাথে সুইচ করো!
আদেশ দেওয়ার তুই কে?
এই বিমানের মালিক।
চল।
গার্ডস, গার্ডস, আটকাও ওকে।
ভাগ! ভাগ! ভাগ!
শোন, ফুয়েল কম হয়ে গেলে, আউক্সুলার্য সুইচে ক্লিক কর।
শিখাইস না, কীভাবে আমার কাজ করতে হয় তা আমি জানি।
আমার বাবা সবসময় আমাকে বলতো যে তোর সাথে না চলতে।
তার কথা শোনা উচিত ছিল!
আমার যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে প্রীতিকে বলিস আমি ওকে ভালবাসি।
হ্যাঁ, আর ওই ব্রিগেডিয়ারের মেয়েকেও বলব।
তুমি প্লেনটা নিয়ে সাবধানে নাম।
এভাবেই,
ছে?
তাদের হেল্প লাগবে।
- তারা কি ঠিক আছে? - জরুরী হ্যাচ খুলো! জলদি!
স্যার, আমরা অবসর বিমান বাহিনী কর্মকর্তা ...
আমরা বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা! ভিতরে দুজন পাইলট আছেন!
তাদের সাহায্য দরকার!
আমরা ৮৭ ব্যাচ এর!
তাদের সাহায্য দরকার!
ভিতরে দু'জন অফিসার আছেন! তাদের সাহায্য করুন!
দয়া করে সাহায্য করুন।
মারা!
মারা!
ক্যাপ্টেন।
'মে ডে' না বলে তুমি চেন্নাই এয়ারপোর্টে বিমান নামানোর কথা বললে কেন?
যদি 'মে ডে' এর ঘোষণা দিতাম...
তাহলে তারা বিমান নিয়ে কয়েক মাস ঘুরতেই থাকতো!
এটাই তারা চায়।
২৫ আগস্ট আমার বিমান লঞ্চ হবে, এবং এটা অবশ্যই হবে!
আপনার জন্য বার্তা আছে, স্যার।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রেসের জন্য একটা আপডেট চায়!
৩ বছর আগে, সৌদিয়া বোয়িং জরুরি ল্যান্ড করেছিল।
এরকম করেই!
- মনে আছে চৈতন্য? - স্যার।
কী করেছিলাম আমরা?
সন্ত্রাসীদের সাথে এর কোনো লিংক আছে কিনা তা তদন্ত করে ছিলাম।
তারপরে পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা করেছিলাম।
তোমাদের তিনজনকে জরিমানার পাশাপাশি ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
এভাবে ল্যান্ড করা ঠিক হয়নি!
তবে সারাদেশে এখন তোমার অনেক শত্রু হয়ে গেছে।
আমার তদন্ত শেষ।
তারা সন্ত্রাসী না।
তাদের বলুন আমি তাদের ছেড়ে দিচ্ছি!
তারা শুধু জরিমানা দেবে।
তোমরা শুধু জরিমানা দেবে!
আমাদের ঘাটিঁতে বিমান নামানোর জন্য...
২৫ হাজার টাকা জরিমানা।
তোমরা এয়ারলাইনস শুরু করার তিন মাসের মধ্যেই দিতে পারো।
দাঁড়িয়ে আছো কেন?
জড়িয়ে ধরার জন্য নাকি তোমার বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য?
যাও।
স্যার...
মারা...
আমাকে যেতে দেওয়ার জন্য তারা আপনাকে টার্গেট করবে।
আমাকে ভীতু দেখাচ্ছে?
আপনি আমাকে কখনও পছন্দ করেননি স্যার।
মারা আয়।
তখন যদি শাস্তি না দিতাম...
আমার ক্যাডেটরা আমাকে সম্মান করতো না।
এখন যদি আমি রাজনৈতিক চাপের কাছে নত হই,
তাহলে নিজের উপর সম্মান থাকবে না।
তোমার ইচ্ছাশক্তি...
আমাদের অহঃকারের তুলনায় অনেক বড়।
একজন সৈনিকের কাজ প্রত্যেক সৈনিককে রক্ষা করা।
আজকে যেমনটা তুমি করলে। আজকের মত করে।
তুমি একজন আসল লিডার।
লিডার।
আমি ধূমপান করি না।
আপনারও করা ঠিক না, বুড়ো হয়ে যাচ্ছেন তাই না?
এই!
বুড়ো বলবে না!
আমার মন পরিবর্তন হওয়ার আগে, চলে যাও।
বের হও!
মিঃ মারাণ! উড়তে প্রস্তুত, তাই না?
মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করতে এসেছ? ভালো।
একটু বলে দিব?
টাটা কে চেনো? রতন টাটা?
সে নিজেও এখানে বিমান সংস্থা শুরু করতে পারেনি।
২০ বছর ধরে চেষ্টা করেছে গরিব লোকটা।
- ২০ বছর.... - আমি এসব ভয় পাইনা।
আসছে রতন টাটার কথা বলতে!
আমি রতন টাটা না, শালা।
মানুষ আমাকে বিশ্বাস করে। এটাই যথেষ্টর চেয়ে বেশি।
মানুষ?
মানুষের কথা?
ওরা এমনে এমনে রং পাল্টায়!
সাবধান, মারান।
এক্সকিউজ মি!
চালানোর জন্য আমার একটি এয়ারলাইন আছে, বন্ধু।
এখন আমার সময় চলছে।
জনগণ তার সাথে আছে।
আপনি মৌমাছির ডানা কেটে ফেলেছেন তবে তারপরেও সে উড়ছে।
মুর্তি?
- মুর্তি? - স্যার।
মারুদু স্যার।
হ্যাঁ, মারুদু।
মারুদু...
নেদুমারান রাজাঙ্গমকে চেনো?
হ্যাঁ, স্যার।
কীভাবে চেন?
শুনেছি তিনি কম দামে বিমানের টিকিট দিতে চাচ্ছে।
আপনি মানুষকে মাত্র এক টাকার বিনিময়ে তুলবেন?
অসম্ভব!
আজ, ৭৫% ফ্লাইটগুলোই অর্ধেক-খালি থাকা অবস্থাতেই উড়ে যাচ্ছে!
ওই খালি সিটগুলোর জন্য এক টাকা নিব।
যারা আমার এয়ারলাইন্সে অগ্রিম বুক করবে তাদের জন্য এক টাকা।
১ টাকার সিট সব বুক হয়ে গেলে, ৫০০ টাকারটা খুলে দিব।
তারপরে, এক হাজার।
তাহলে আপনি কি একজনকে ১টাকার টিকিট দিয়ে আর দশজনকে ধোঁকা দিচ্ছেন না? (যারা এক টাকার টিকিট পায়নি তাদের বোঝানো হয়েছে)
তিনটা বিমান। প্রতিদিন দশটা ট্রিপ।
তারমানে প্রতিদিন ৩০০ লোক এক টাকায় উড়বে।
এমনকি আমাদের সবচেয়ে ব্যয়বহুল টিকিটের দামও ট্রেনের টিকিটের সমান।
তুমিও উঠবে ওই বিমানে?
আমি উঠবো কিনা জানিনা, স্যার।
তবে আমার মাকে একবার উঠানোর আশা আছে।
সে খুব খুশি হবে স্যার।
আপনার অঞ্চলে দুটা অব্যবহৃত রানওয়ে আছে।
এই বিমানগুলো যখন সেখানে নামবে তখন কী প্রভাব পড়বে তা কল্পনা করুন!
তারমানে যে আমার টয়লেট ক্লিন করে সেও আমার সাথে প্লেনে উঠবে?
আর আমি এটা হতে দেব?
ওর ইনভেস্টমেন্ট!
প্রথমেই যেন সব শেষ হয়ে যায়।
আমরা এই বিমানের উদ্বোধনটি কভার করতে পেরে খুবই গর্বিত।
এটা ভারতীয় বিমানের ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে।
আগেই আমি টিচারকে বলেছিলাম তার ছেলে উড়বে।
আর সেটা হলো।
আমি এর মাধ্যমে ঘোষণা করছি যে, আমার অঞ্চলে দুটি বিমান চালু করা হলো।
আমি সবসময়ই কল্পনা করতাম।
আমাদের অবশ্যই দেশের যুবকদের উৎসাহিত করতে হবে।
আমি ঘোষণা করলাম ডেকান এয়ার চালু করা হলো!
ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ,
স্বাগতম আপনাকে ডেকান এয়ার এর প্রথম ফ্লাইটে।
আমরা রওনা হওয়ার জন্য রেডি।
আমাদের সার্ভিস উপভোগ করুন, ধন্যবাদ।
ডেকার এয়ার ৫৮২, রওনা হওয়ার জন্য রেডি।
টেক অপের জন্য তৈরি। আবহাওয়াও অনুকূলে।
আগুন!
- আগুন! - সর সর।
কোথায়?
দয়া করে বসুন।
দয়া করে শান্ত থাকুন।
ইঞ্জিন ১ থেকে ধোঁয়া আসছে!
শান্ত হন!
আপনি কোথায় যাচ্ছেন?
দয়া করে শান্ত থাকুন। ক্যাপ্টেন।
ক্যাপ্টেন ধোয়া বের হচ্ছে।
ক্যাপ্টেন ধোয়া বের হচ্ছে!
টেক অফ বাতিল করুন।
ক্যাপ্টেন! ক্যাপ্টেন!
ব্রেক ধরেন ক্যাপ্টেন।
সর্বোচ্চ ব্রেক মারা হচ্ছে!
ডেকার এয়ার ৫৮২, চেন্নাই টাওয়ার।
মে ডে! মে ডে! ইঞ্চিনের ধোয়াঁ।
খালি করো! খালি করো! খালি করো!
খালি করো যাও যাও
আসুন, স্যার!
কী এসব?
বিমানের স্টিয়ার পরিষ্কার করো!
সরে যান।
স্যার দয়া করে লাউঞ্জে অপেক্ষা করুন। আমি সব ঠিক করে দেব।
আর কতক্ষণ?
পঁয়তাল্লিশ মিনিট! এর মধ্যে বলছি! আমাকে একটু সময় দে!
স্যার ... আমি সবকিছু ঠিকঠাক করছি...
এটা ব্যর্থতা! যাও!
স্যার, দয়া করে এটা বলবেন না!
- যাও! - স্যার... স্যার...
দয়া করে দাঁড়ান স্যার।
- স্যার...
ওর সমস্যা হ'ল ওর লক্ষ্য বেশিই বড়!
আর কি কেউ জমি বন্ধক রাখবে?
আমার জমি ধোয়াঁয় উড়ে গেল রে!
এসাক্কি, চুপ কর, নাহলে মাইরা ফেলবো!
তুই চুপ কর!
নেদুমারন আসছে! চলো!
দুর্ঘটনার কারণ কী? আমাদের উত্তর চাই!
প্রথম যাত্রাতে মিনিস্টার ছিল, শেষ পরিনিত হলো ধ্বংস।
আপনার সস্তা টিকেট জীবন নিয়ে নেবে!
এটা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না।
আপনি কি সুরক্ষা বিধিমালা অনুসরণ করেননি?
ডেকান এয়ার আন্তর্জাতিক বিধি মোতাবেক...
- বলুন, মারান। - সবাই সত্য জানতে চায়!
- ভয় পাচ্ছেন জবাব দিতে? - জবাব দেন।
- চুপ করে আছেন কেন? - জবাব দেন।
বলুন!
মানুষের জীবন কি আপনার কাছে এত সস্তা?
এটা কিভাবে ঠিক হতে পারে?
মারান, আমি আপনাকে বলছি।
- প্রশ্নের জবাব দিন। - বুঝায় বলছি।
আমি দেখছি!
তুমি ওদের সামলাও!
মামা, চলেন।
এটা কি সত্য যে আপনি নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ করেন নি?
স্যার, আন্তর্জাতিক বিধি অনুসারে,
সি & ন্ডডি আমরা ফ্রান্সে ও ইন্ডিয়াকে দিয়ে চেক করেছি!
আমাদের লক্ষ্য ছিল স্বল্পমূল্যে বিমান সেবা দেওয়া, নিরাপত্তা হ্রাস করা নয়।
ভারতের এত মৌলিক সমস্যা আছে! এর ভিতর এটা কী আবশ্যক? (বিমানে উঠা)
প্রতিটা সুবিধা প্রত্যেকের কাছে পৌঁছাতে হবে! আর তারা সেটা করবে।
এটা আমার চিন্তাভাবনা! আমি এখানে সব বাধা শেষ করতে চাই!
এটা কি ভুল?
এমন চিন্তাধারা ভালো, মারান!
আমার কথা শুনুন!
আমরা যথাযথ পরিশ্রম করেছি! কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করিনি!
- হ্যাঁ। - দাঁড়ান স্যার।
লোকেরা চেয়েছে না তাড়াহুড়া করে এই ফ্লাইটগুলের একটাতেও উঠতে!
লোকেরা আর ডেকান এয়ার উঠবে না।
এটাই ডেকার এয়ার এর শেষ ফ্লাইট হতে পারে।
টিচার ফিরেছে!
আমরা কি নির্বাচন প্রতিযোগিতা করছি? লোকেরা উড়তে পারলেই তো ভালো।
হ্যাঁ। সকালেই উড়ার জন্য সন ঠিক করেছি।
তাহলে আমরা কি সি.আর.এস জারি করবো?
হ্যাঁ। যাও চেক করো!
তেল উদ্বতির্ত হয়েছে, ছে?
তারা ৬৪ নির্ধারিত করেছে।
মি. রাজিব মনোহর
আপনার বক্তব্যে বলা হয়েছে যে, ডেকান এয়ার অনেকগুলি সুরক্ষা বিধি লঙ্ঘন করেছে।
আপনি দয়া করে বিস্তারিত বলতে পারবেন?
ডেকান এয়ার কোনো অপরাধ করেছে? বলুন আমাদের।
এটা কি সত্য যে ডেকান এয়ারে সমস্যা ছিল?
না স্যর।
এই সব আমার দোষ।
এসব কী স্যার? সে তার বক্তব্য বদলাতেই থাকে!
কেউ আপনাকে ডেকান এয়ারের বিমানটিকে নষ্ট করতে বাধ্য করেছিল?
ফুয়েল দেওয়ার সময় আমি মনোযোগও ছিলাম না।
আমি আমার নিরাপত্তা সঠিকভাবে পরীক্ষাকরিনি।
এই সব আমার দোষ।
কেউ কি আপনাকে হুমকি দিচ্ছে?
কে হুমকি দিচ্ছে আমরা সবাই জানি।
দয়া করে এটা বুঝিয়ে বলুন মনোহর।
কে আপনাকে হুমকি দিচ্ছে?
তিনি তো উত্তর দিয়েছেন।
আমি তার বক্তব্যে সন্তুষ্ট। সমস্যা নাই।
ডেকান এয়ার এর কোনো দোষ নেই।
পাইলট অবহেলা কারণে হয়েছে, এভাবে ফাইল করুন।
এখানে কোনো টেকনিকেল সমস্যা ছিল না।
ডেকান এয়ার নামে সব অভিযোগ মুছে ফেলা হল।
আমি আপনাকে বিশ্বাস করেছিলাম, ক্যাপ্টেন।
পরিবারে আর্থিক সমস্যা চলছে।
আমার চেয়ে খারাপ?
তারা আমাদের কিনতে চেষ্টা করবে স্যার।
'না' বলাই আমাদের একমাত্র শক্তি!
তবে আমি...
আমি আপনাকে বের হয়ে যেতে বলবো না!
ওকে ছেড়ে দিলি কেন?
সে আমার বাবার বয়সের।
সোমবার রাত ৯ টা ৫০ মিনিটে পরেশ গোস্বামীর সাথে এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ!
- মিস করবেন না। - মারা।
ফোন ধরছিস না কেন? চার্জ দেওয়া যাচ্ছে না?
বালাইয়া কাল তোর সাথে দেখা করতে চায়!
আমি যাচ্ছি না।
- আমাদের উপকার হতে পারে। - হ্যাঁ।
আমি তার সাহায্য চাই না!
আমরা যে অবস্থায় আছি, একটু হলেও তো আমাদের সাহায্য দরকার।
আমি ওই ধরনের লোকদের সাথে ব্যবসা করবো না।
আমি সন্ধ্যার বাসে বাড়ি চলে যাচ্ছি।
তুই সকালেই তো এসেছিস।
রাতটা থাক।
না, বন্ধু... আমি শুধু তোকে দেখতে এসেছিলাম।
আমার বোনের বিয়ে, ছেলের পরিবার বিয়ের তারিখ চেয়েছে।
চাপ নিবি না। তুই যখনই বলবি তখনই!
শুধু একটা তারিখ বল, বাকিসব আমি সামলে নিবো।
দেখা হবে। বাই, বুম্মি।
যাই, কাদির।
দেখা হবে, দোস্ত।
দেখা হবে।
তোর একটা সাক্ষাৎকারও এখানে নাই।
ডেকান এয়ার, যে এক টাকার টিকিট ঘোষণা করেছিল...
ভবিষ্যৎ এর দাগ লেগে গেল।
ডেকান এয়ারের প্রতি মানুষের বিশ্বাস...
বিমান সংস্থা চালানো কোনো খেলা না!
অবাক হওয়ার কিছু নেই!
বিমানসংস্থা বড়লোকদের জন্য। আমাদের না।
যদি DGCA কে ঘুষ দিত পরেশ পশ্নবিদ্ধ হতেন।
আমাদের বিজ্ঞাপনও সরিয়ে দিছে!
তারা আমাদের অনুভুতি নিয়ে খেলছে আর মজা নিচ্ছে।
কেউ আমাদের কথা শোনে না।
সুরক্ষা সমস্যার কারণে ডেকান এয়ারের সমাপ্তি ঘটেছে।
তারা বলছে আমাদের উপর মানুষের আস্থা ভেঙে গেছে!
মারা, বিমান! চল! রেস লাগি!
মারা।
স্বাগতম, স্বাগতম!
ঠিক আছে ব্যবসার কথায় আসি।
দুইটা বিমান লাগবে কেন?
আমি তোমার কোম্পানিকে আমার কোম্পানির সাথে যুক্ত করব।
তো আমাদের বিমানগুলোতে উঠবে কে?
অবশ্যই, শুধু ধনীরা!
আমার টিম বলেছে সর্বোচ্চ ১২ কোটি।
তবে আমি তোমাকে পনেরো কোটি দেব!
তোমারা কি চুক্তি করতে চাও?
ঠিক আছে। ১৬ কোটি তাহলে!
মারান আমার মন পরিবর্তন হওয়ার আগে 'ওকে' বলে দাও!
স্যার ২ মিনিট। আমরা আলোচনা করে বলছি।
ঠিক আছে।
মারান... নিয়ে নে, মারান।
দরকার নাই।
না।
ঝুকিঁ নিচ্ছো কেন?
এটা দুর্দান্ত একটা অফার। নিয়ে নাও না!
মাঝেমধ্যে এয়ারলাইন্সের সাফল্যের ব্যাপারে আমি কিছু ব্যাপারে সন্দেহে থাকি।
কিন্তু আপনার এই লোভ করা দেখার পর...
আমার সব সন্দেহ শেষ হয়ে গিয়েছে।
ব্যবসার ব্যাপারে তোমার কোনো ধারনাই নেই।
আমার সমর্থন ছাড়া তোমরা এখানে একদিনও টিকতে পারবে না!
আমি মনে হয় তোমাকে বোঝাতে পারিনি।
পারবেনও না।
আপনি হলেন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি। আর আমি সমাজবাদী।
আমরা এক না।
নির্বোধ!
চল।
- নির্বোধ বললো? - জি স্যার।
তুই একা কিভাবে সিদ্ধান্ত নিস?
আমাদের সাথে আলোচনা করার দরকার নেই?
তোর জন্য আমি চাকরি ছেড়েছি!
তোর কাছে এটা কিছুই না?
এটাকে তুই পার্টনারশিপ বলিস?
তুই কি আমাদের সবাইকে রাস্তায় আনবি?
সমস্যাটা কি তোর?
- বল আমাকে! - বাদ দে, ছে!
তুই কি পাগল!
আমরা বড় বিপদের মধ্যে আছি।
সেবির খাওয়ানোর মতো পরিবার আছে! আমি চাকরি ছেড়ে দেয়ার পর আমার বাবা আমাকে আলাদা করে দিছে।
আমরা কি মানুষ না!
কে তোর সাথে থাকতে পারে? তোর বউও কি খুশি তোর সাথে?
মার!
মার আমাকে!
তোর উপর গ্রামবাসীদের আস্তা আছে ওদের পেটে লাথি মারিস না!
আমি কি? ভিতর থাকা কুকুরটা বোঝতে পারেনি। তুইও পারিসনি।
ওর সাথে হাত না মিলালে, একদিন লাখ লাখ মানুষকে উড়াতে পারব।
কেন আমরা এটা করতে যাবো!
বুঝিস না তুই কেন ও এরকম করতে ছিল?
আমাদের স্বপ্ন এটা! বুঝতে পারছিস না?
সে কত দিবে বললো?
১৬ কোটি।
নিয়েছো?
আমি পরিবারকে হতাশ করেছি বুম্মি।
তুমি কি খাবারকে বিষ দিয়েছ?
যদি নিতে তাহলে হয়তো দিতাম!
এটা অল ইন্ডিয়া রেডিওর একটা ছোট অনুষ্ঠান।
এটাতেই হবে ম্যাডাম। এটা আমার মানুষের ভাষা।
আমি নতুন এফএম স্টেশনগুলোর সাথেও কথা বলব।
ভালো ভিউ আসছে, ওখানেও রিচ পাবেন।
রেডি?
৫,৪,৩,২,১
স্টার্ট।
স্যার।
আমরা আগ্রহের সাথে আকাশকে দেখি ঠিকই,
তবে সেখান থেকে পৃথিবীকে দেখার সাহস করতে পারি না।
আমাদের গ্রামের লোকজনও সেটাই অনুভব করেছিল।
কিন্তু আজকে,আমরাও জেগে উঠেছি আর উড়াল দিতে যাচ্ছি।
গোস্বামী সাধারণ লোকদের ইন্ডাস্ট্রিতে ঢুকাতে ভয় পান।
হ্যাঁ। সে আমাদের দেখেও আতঙ্কিত।
কিন্তু সে কিছুই স্বীকার করে না।
সে ভালো করেই জানে...
আমাদের এয়ারলাইন্স তার এয়ারলাইন্সের মত সব সুরক্ষা পরীক্ষায় পাস হয়েছে।
তো, ভয় কিসের?
তার নিচের লেভেলের লোকরা তার লেভেলে উঠে যাবে, এটাই তার ভয়।
ধনীরা চায় গরিবরা গরিবই থাকুক।
এক শতাব্দী আগে, তারা বলেছিল বিদ্যুৎ শুধু ধনী লোকদের জন্য।
পঞ্চাশ বছর আগে তারা গাড়ি নিয়েও একই কথা বলেছিল।
তারা কে এসব বলার?
কারণ শুধু একা একা এসব উপভোগ করা উচিত না।
আমরা দিনের পর দিন পার করি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার জন্য!
কিন্তু ধনীরা...
তারা আমাদের উপর ঈশ্বরের মতো চড়ে বসে।
আমরা যদি তাদের বরাবর উঠে যাই, তাহলে তাদের নিচে কেউই থাকবে না।
এটাই তাদের ভয়।
আপনারা এখন ফোনেই বিমানের টিকিট বুক করতে পারবেন।
আমরা আপনাকে একটা পিএনআর নম্বর দেব।
ওই নাম্বারটা ব্যাংক বা পোস্ট অফিসে আপনারা দেখাবেন।
ছোট শহর কেন ছোটই থাকে?
কেন তারা বড় হয় না?
যদি বড় করতে চাই, তবে মাঝে মাঝে আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে।
মাঝে মাঝে আমাদের দৌড়াতে হবে।
আর মাঝে মাঝে, আমাদের উড়তেও হবে!
এটাকে বলা হয় এয়ার কানেক্টিভিটি।
সবার কাছে এয়ারলাইন পৌঁছে দেওয়া আমান ওয়াদা।
আমাদের বিমানগুলো প্রতিটা ছোট শহরে যাবে!
শুধু চেন্নাই না, প্রত্যেকটা জায়গায় যাবে।
বিশেষ সুবিধা আমাকে ঘ্রাস করবে না?
প্রশ্নটা অমিত ত্রিভেদীর সাথে।
- আমাদের সাথে প্রশ্নে অংশগ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ। - ধন্যবাদ!
আসুন সবার মনে কী আছে সে সম্পর্কে কথা বলি।
"স্বল্পমূল্যে বিমানে চড়া"
আপনি কী মনে করেন স্যার?
দেখেন আমিত।
ঘন্টায় ১ হাজার কিলোমিটার বেগে অ্যালুমিনিয়াম যখন উড়ে...
আপনার মনে তখন কী থাকবে?
- সুরক্ষা? - হুম!
এই সুরক্ষার জন্য সব ধরণের পরীক্ষা এবং সুরক্ষা প্রয়োজন!
এটা ব্যয়বহুল, তবে এটা অবশ্যক!
যখন কেউ সেই দাম কমিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় তখন লোকেরা অবশ্যই ভাবে।
এটাও একটা কথা।
এত কম দামে কেউ কীভাবে নিরাপদ বোধ করবে?
সুরক্ষার বিষয়ে গোস্বামীর কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে।
তার বিজনেস ক্লাস টিকিটের দাম ইকোনমি ক্লাসের চেয়ে ৩ গুণ বেশি দামী।
যদি সেটাই দুর্ঘটনা হয়...
তাহলে তিনি কি ফার্স্ট ক্লাস যাত্রীদের তিনগুণ সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিতে পারবে?
তবে আমি একটা নিশ্চয়তা দিতে পারবো।
ডেকার এয়ারের পাইলটরা ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের যুদ্ধ বিমান চালানো পাইলট।
তাদের থেকে আর কে আপনাকে নিরাপদে উড়তে পারবে?
নেদুমারানকে আমরা এই জন্যই এয়ারলাইন ব্যবসায় ঢুকাতে ভয় পাই।
তার কাছে নাই কোনো ভালো সরঞ্জাম।
সব অবসরপ্রাপ্ত পাইলট।
সাধারণ পণ্য ব্যবহার করলে...
সে এইভাবেই নানান বিপদ ডেকে আনবে!
তদন্ত কমিশন আমাদের সব অভিযোগ মুছে দিয়েছে।
তাদের ঘুষ দেওয়ার মতোও টাকা আমার নাই।
আমি আমার জনগণের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে ঘুষ দেব না।
যদি টাকা কামানোই আমার লক্ষ্য হতো, তাহলে আরো আগেই সেটা করতে পারতাম।
অথবা আমার ঘর ও সন্তানের চিন্তা করতাম।
কারণ আমার স্ত্রী খুব সফল।
আপনি এত কথা বলেন...
তো আপনি কেন সেগুলো করলেন না?
আমার বাবা আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ চেয়েছিলেন। সেটা পেয়েওছি।
তিনি চেয়েছিলেন গ্রামে ট্রেন থামাতে। সেটাও করেছিলেন।
আর আমি চাই আধুনিক বিজ্ঞানের সুবিধাগুলো যাতে সবার কাছে পৌঁছে যায়।
অভিশপ্ত প্রাসাদকে ভাঙ্গতে সেজন্য মূল্যসল্পতা করতে চাই।
সে কারণেই আমাদের টিকিটের দাম এক টাকা।
নিম্নমানের কারণে নয়।
জাজের মতো কোনো বিমান উড়ার সময়...
আপনি পুরোপুরি সুরক্ষার আশ্বাস পাবেন।
আমাদের যেমন প্রশিক্ষিত নবিক এবং সেরা অবকাঠামো রয়েছে,
তেমন আমাদের টিকিটের দাম বেশি!
তবে...
মারান তার ফ্লাইটে এসব কিছু না দিয়ে এক টাকায় সস্তা টিকিট দিচ্ছে।
আচ্ছা বলেন।
আপনার জীবনের দাম কি আধা কাপ চায়ের মতো?
আমার বিমানগুলো নিরাপদ।
যারা আমাদের সুরক্ষা রিপোর্টে বিশ্বাস করে না তাদের সবাইকে আমি এটা বলব যে,
এটা আমার নিজের করা নিরাপত্তা পরীক্ষা হবে!
আমি যে তিন জনকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি তারা ডেকানের প্রথম ফ্লাইটে থাকবে।
আমার মা পেচি।
আমার স্ত্রী 'সুন্দরী'।
আর আমার মেয়ে আম্মু।
এসব লোকদের এয়ারলাইনস সরবরাহ করা...
আর মানসিক রোগীদের হাতে বন্দুক দেওয়ার সমান!
এটাকে অব্যশই থামাতে হবে।
এটা খুব ভয়াবহ!
আর কিছুক্ষণ ওর কথা শুনলে আমারও ওর কথা বিশ্বাস হবে।
- মারা! - মারা!
- মারা!
তোকে এতক্ষণ ধরে ফোন করছি, কী হয়েছে?
চার্জ নাই মনে হয়।
তিন দিন ধরে ঘুমাস না, পাগল হয়ে যাবি তো।
কেমনে ঘুমাই।
ওরা আমাদের বিমানে যেকোনো কিছু করতে পারে, খেয়াল রাখতে হবে না!
মারা!
কী অবস্থা নেডুমারান?
শুধু গোস্বামীরই কি বন্ধু আছে?
আমাদের কি বন্ধু নেই?
আমরা কখনই আমাদের কমরেডকে হতাশ করি না!
যাও বিশ্রাম নাও!
আমরা খেয়াল রাখবো!
৬৩ তে সব ঠিক আছে?
...ট্রাভেলিং ফ্লাইট DA ৫৮১!
দুই নম্বর গেটে যান দয়া করে।
আমি আবার বলছি, থুথুকুডি যাওয়া সব যাত্রীরা,
ফ্লাইট DA ৫৮১ এ যান।
দয়া করে দুই নম্বর গেটে যান।
- আমরা কি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত? - হ্যাঁ ক্যাপ্টেন।
- লাগেজ ট্রাক্টররা ওখানে যেতে পারে, তাইনা? - হ্যাঁ।
স্বাগতম ক্যাপ্টেন।
মাধুরাই বাস দিয়ে যাওযার চেয়ে এটাই দ্রুত যাওয়া যায়।
আমাদের বিমান এত দূরে পার্ক করা যে?
ব্যাপার না আমাদের কত নিচু করেছে, আমাদের বিমান উড়বে।
হ্যালো ম্যাডাম।
স্যার।
ম্যাডাম আপনাকে বোর্ডে পেয়ে আমরা সত্যিই খুশি।
যাত্রী নেই?
এখনও সময় আছে, ম্যাম।
তারা আসবে তো, তাই না?
আসবে।
শেষ এবং ফাইনাল বার বলছি।
চেন্নাই থেকে থুথুকুডি যাওয়ার যাত্রীদের জন্য ডিএ 581 ফ্লাইটি,
কয়েক মিনিটের মধ্যেই টেক-অফ করবে।
আমি আবার শেষ এবং ফাইনাল বার বলছি।
চেন্নাই থেকে থুথুকুডি যাওয়ার যাত্রীদের জন্য ডিএ 581 ফ্লাইটি,
লোকেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডেকান এয়ারে উঠবে কিনা সন্দেহ আছে।
লোকেরা তাহলে এমন অনিরাপদ বিমানকে প্রত্যাখ্যান করবে।
এবং হ্যাঁ, এটাই ডেকান এয়ারের শেষ বলে মনে হচ্ছে।
ক্যাপ্টেন, আমাদের ফ্লাইট বাতিল হয়ে গেছে।
লোকের আমাকে বিশ্বাস করে নি, বুম্মি।
চলো।
এই বিমান শুধু ধনী লোকদের জন্য। আমাদের না।
তারা আমাদের অনুভূতি নিয়ে খেলছে আর মজা নিচ্ছে।
তুমি ধ্বংস হয়েছ। বাড়ি গিয়ে গরু চড়াও।
এসব লোককে বিমান সরবরাহ করা...
আর মানসিক রোগীর হাতে বন্ধুক দেওয়া সমান!
গ্রামবাসীর দুর্দশার কথা ওর মনে আছে!
ভাবলাম ভুলে গিয়েছ তুমি হয়তো উৎপাদন নিয়ে ব্যস্ত।
আমরা সবাই তোর জন্য প্রার্থনা করছি, বাবা!
তুই জিতবি।
আমাদের তোর উপর ভরসা আছে।
সে তোর পিছনে শুধু ১০ মিনিট ব্যয় করছে...
আর তাতেই তুই বড় ঝামেলায় পড়েছিস।
মারা
মাথা কাজ করছে না!
তুই আমাকে বিশ্বাস করছিলি!
আমি আউলিয়ে ফেলেছিলাম।
আমরা চেষ্টা করেছি। এটাই গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা এত কাছে আসার পরেও পারলাম না।
চেন্নাইয়ের টিকিট বুকিংয়ে আমার গণ্ডগোল হয়ে গেছে।
কী বলছিস তুই?
খোলে বল।
চেন্নাই বিমানের টিকিটগুলো শেষে গিয়ে নিশ্চিত করা হয়নি!
একটা সফ্টওয়্যার সমস্যার কারণে সব বুক করা টিকিট বাতিল হয়ে গেছে!
এজন্য টিকিট বুকিং থাকা সত্ত্বেও আমাদের যাত্রী কেউ আসেনি!
মারা!
তারা আমাদের ফ্লাইটে আসতে পারেনি।
সমস্যা ছিল শুধু ওই সফটওয়্যারে!
মানুষ আমাদের উপর বিশ্বাস হারায় নাই!
আমাদের টিকিট কয়েক হাজার বিক্রি হয়েছে!
লোকেরা আমাদের বিশ্বাস করেনি এমন না,
মাদুরাই থেকে চেন্নাই যাওয়ার বিমান...
আর বিজয়ওয়াদা থেকে চেন্নাই, পুরোপুরি ফুল ছিল।
ওই দুইটা বিমান পুরো ফুল ছিল।
আমরা জিতেছি, মারা!
- মারা। - দাদী।
আমি আজ তোর বিমানে এসে খুব খুশি!
আমার অনেক বছরের সপ্ন বিমানে উঠার।
আমার ছেলেও আমাকে উঠাতে পারেনি।
তবে আজ আমার নিজের টাকা দিয়ে...
পুরো উড়ে আসছি। বুঝেছিস?
পরে কথা হবে,বাবা। চল যাই। আচ্ছা বাবা দেখা হবে, চলো।
হাসির সময় হয়েছে, বাবা।
কেমন ছিল?
পেঁচি বলেছিল সে উড়বে!
কিন্তু যতদিন সে সবাইকে নিয়ে না উড়বে ততদিন হাল ছাড়বে না তা আমি জানি।
আমার সোনার ছেলে!
তুই জিতেছিস! ঈশ্বর তোর মঙ্গল করুক।
ঈশ্বর তোমার সহায় হোক।
তোর বাবা ফিরে এসেছে।
হ্যালো, মারা তোর ফোন।
কে?
হ্যালো।
অভিনন্দন মি. নাডুমারান।
আমরা কি দেখা করতে পারি? আপনার জন্য আমার একটস ব্যবসায়ের প্রস্তাব আছে।
আপনার ফোনের আশায় করছিলাম, মিঃ গোস্বামী।
ভালো, ভালো, ভালো।
আমি সেক্রেটারিকে দিয়ে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট ঠিক করাচ্ছি ঠিক আছে?
আমাকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়ার আপনি কে?
কী?
কোথায় আছি সেটা ব্যাপার না,
কৃষকেরাও উড়েছে!
আর তারা উড়তেই থাকবে।
আকাশ কারো বাপের সম্পত্তি না।
মারান!
ভাগ!
শেষে একটু সিন আছে।
অনুবাদেঃ যুবায়ের রহমান রুদ্রাক্ষ স্যানথিল ফায়জার হোসেন রানা
অনুবাদেঃ যুবায়ের রহমান ফায়জার হোসেন রানা রুদ্রাক্ষ স্যানথিল
সম্পাদকঃ ফায়জার হোসেন রানা
" F A I Z A R' 'H O S S A I N''
নেন।
এরকম করছেন কেন? কী চান।
১টাকায় উবেন?
বাদ দে বিমান বিমানের কথা।
কেবল এই কেকের জন্য এতদূর উড়ে এসেছি!
আইডিয়া কার ছিল?
আকাশ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে...
আপনার সাথে দেখা করে আনন্দ লাগছে!
- সবকিছু কেমন চলছে? - আমি যে বিমানে ছিলাম, তা নষ্ট করার সাহস তোমার কিভাবে হয়!
এখন দেখবো তোমার বিমান গুলো কিভাবে উড়ে!
স্যার আমাকে বুঝায় বলতে দেন।
প্রথমবার?
না! আরো অনেকবার উঠেছি!
আচ্ছা ঠিক আছে।
হ্যাঁ... প্রথমবার।
- কী করেন আপনি? - সাজগোজের সংস্থা চালাই।
- কী সেটা? - আমি গ্রামের লোকদের চুল কাটি।
- ও আচ্ছা। - নিজস্ব ব্যবসা!
- আর আপনি? - আমিও একটা ব্যবসা করি।
তাকে চিনতে পারছো না? মাদুরাইতে তাঁর বিশাল কাপড়ের দোকান!
তিনি আমাদের মারানকে ৩১ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন! অনেক বড় মানুষ!
আমাদের মধ্যে আর কোনো তফাত নেই!
সে আমাদের ভেতরকার বাধ ভেঙে দিয়েছে আর আমাদেরকে একসাথে উড়তে সাহায্য করেছে।
মারা...
ওই মেয়েটা কী প্লেন চালিয়ে ছিল?
বিজনেস ক্লাসের মাইরে বাপ! ভেঙ্গে ফেল।
টিকিটের জন্য টাকা দিলে যেখানে খুশি সেখানে বসতে পারবে।
ফিরিয়ে দিতে তাড়াহুড়া করছো কেন?
ব্যবসা যেহেতু বাড়ছে আরো টাকা লাগলে নির্দ্বিধায় বলবে।
তোমাদের নিয়ে একটা সিনেমা বানায় এখানে চালানো উচিৎ।
তোমার সাফল্য দেখে তারা তোমাকে নিয়ে মজা করছে!
ওই বুড়ো নিজেকে কী ভাবে নিজেকে, বার্থারাজান নাকি??
ভালো লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.