All language subtitles for [SubtitleTools.com] Us-2019-Web-DL-by-Subtitle-Hut

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

US - অনুবাদে সাবটাইটেল হাট

...দেয়ালের বাইরে এসবই ঘটে চলেছে

আজকের ঝড়টার জন্য

সাগরে সব ধরনের সমস্যা হচ্ছে।

পিট গিডিংস আবহাওয়াবার্তা প্রচার করবেন

আর আমরা দেখাবো, সাগরে কী হতে পারে

যদি বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা সত্যি হয়।

সকাল ১১টায়, সবাই হাজির

এক কোটি ২০ লাখ হাত

অগণিত হাসিমুখ

আর গোল্ডেন গেট ব্রিজ থেকে নিয়ে

টুইন টাওয়ার পর্যন্ত, এ কোন বন্ধন

এটা "হ্যান্ডস এক্রস আমেরিকা"

এক ৪০০০ মাইল লম্বা শুভানুধ্যায়ীদের এক মানব শিকল

যা যাবে ফসলের মাঠ, উঁচু পর্বত

ফলের বাগান আর নীল সমুদ্র পেরিয়ে

হ্যাঁ, সত্যি

এই গ্রীষ্মে, ষাট লাখ মানুষ হাতে হাত মেলাবে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাটি থেকে ক্ষুধা দূর করার জন্য

হ্যান্ডস এক্রস আমেরিকা পরিবারের অংশ হতে আপনার নিকটস্থ রেকর্ড শপে যোগাযোগ করুন।

একটু জোশ লাগাও

হুম, একেবারে পেশাদার হচ্ছে না মনে হয়!

একটা কথা বলি

এখনই, আপনি সেকেন্ড লেভেল থেকে কোনো পুরস্কার নিয়ে যেতে পারেন

আর নইলে খেলে খেলে থার্ড লেভেলের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।

আচ্ছা। কী করবো, অ্যাডি?

খেলবো নাকি থামবো?

আমার দিকে তাকিও না। আজ তোমার জন্মদিন।

এগার নাম্বারটা নেবো।

- হ্যাঁ? - ওটা?

- হুম - আচ্ছা।

হুম, ওটা

- ধন্যবাদ। - আচ্ছা।

হুম

এটা পরে দুঃস্বপ্ন না দেখলেই হয়।

মেয়ের জন্য টি-শার্ট জেতাও দেখি ঝামেলার।

নতুন কথা শুনলাম

টিভিতে যখন এলো, ও দেখে খুবই ভয় পেত।

তুমি সামনে থাকলে, দেখতে পেতে।

কে দেখতে দিত ওটা ওকে?

বুঝলে...?

তারা এই ক্যরোসেলে শুটিং করবে।

দেখো, কোনো এক্সট্রার রোল পাও কিনা।

হুম, আরেকটা বিয়ার নেবো।

একটা বিয়ারও খেতে পারবো না এখন?

এই, বিগ ডিপারে চড়লে কেমন হয়?

অ্যাডি, ট্রাই করবে নাকি?

রাসেল, ওর ওটায় চড়ার বয়স হয়নি, জানো তো।

আর আমিও ওটা করছি না, তাই...

হোয়াক-এ-মোল!

হুম, হোয়াক-এ-মোল!

- এটাই তো দরকার ছিল - কয়টা টিকিট দেবো?

- দুটা - দুটা টিকেট!

দুটা টিকেট!

এই, অ্যাডি, বাথরুমে যাও

আমার যেতে হবে না।

রাসেল?

রাসেল! মেয়েটাকে একটু দেখে রাখতে পারবে?

দেখছি তো।

সোনা, দূরে যেও না, ঠিক আছে?

- গ্লেন। - কী?

- থামাও। - আমি কিছুই করছি না।

বারবার সিজার দেখাচ্ছ।

একটু মজা নিচ্ছি

কী?

- এটা অদ্ভুত - দারুণ এটা

দুইটা নট, এখনই

কী?

- এটা সম্ভবই না। - ওরে খোদা!

এমন কোরো না!

সোটু-কাং তাইওয়ার কাছে গেল আর বললো,

তোমরা দেখো, আমি কী করেছি

সব ভালই করেছি

তাইওয়া একটু দেখল আর বলল,

এটা দারুণ।

কিন্তু তোমার কর্তব্য শেষ হয় নি

এখন তুমি আমার আদেশে, সব ধরনের জীবের জন্ম দেবে

আর আমার পরিকল্পনায় তাদের চলতে দেবে

তারা অসীম শূন্যতায় গিয়ে, তাদের সাহায্যকারীর জন্য এটা জমা করলো...

মাকড়সা-মানবীর জন্য।

দেখো, মাকড়সা মানবী!

"এখানে অসীম শূন্যতা,

কিন্তু পৃথিবীতে, আজ নেই কোনো আনন্দ

এই পৃথিবীর দরকার..."

অনুবাদক: তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান, রাজদীপ দাস মুহাম্মাদ জসীম উদ্দীন, হাসান শুভ, কুদরতে জাহান

"সাবটাইটেল হাট - Subtitle Hut" facebook.com/subhut2014

আমরা এসে গেছি!

- কেন?! কেন?! - না, বাবা!

- কারণ তোরা অনেক বেশি ঘুমাস। - ঠিক আছে।

চল, ঢুকে পড়ি।

সাবধান, হেই, হেই!

- যাই হোক। - আগে ব্যাগগুলো বাড়িতে নে।

দেখ, দেখ, দেখ।

- ধুর। - আয়।

তুমি বুড়ো হয়ে গেছ এসবের জন্য।

- কী করতে হবে, জানিসই তো। - এভাবে বিচার করিস না।

এভাবে বিচার করিস না।

- কীরে বাবু। - ওয়াই ফাই কাজ করছে না।

ইন্টারনেট লাগবে না, আউটার নেট আছে তোদের।

ভালো বলেছ।

আচ্ছা, আচ্ছা

নক-নক।

- কে এসেছে? - তুমি

তুমি কে?

আমি...দরজা খোলো!

খোদা, তোমার সমস্যাটা কী?

- আমরা কি একটা কুকুর পুষতে পারি? - না, পারি না।

এখানে থাকতে থাকতে তোদের দৌড়ঝাঁপ করা উচিত।

জেসন, কিছু একটা খা।

- কিছু একটা। - কী?

- এত ভাব নিচ্ছিস কেন? - আমার জন্য।

ভুল হয়েছে, বলতে হত

কী মজা, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড।

কী, তুই আর দৌড়াতে চাস না?

তুই তো ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড অনেক পছন্দ করিস।

- এসব করে লাভ কী? - অলিম্পিকে যাবি

আমি জীবনেও অলিম্পিকে যেতে পারব না।

মন দিয়ে করলে যেকোনোকাজই করতে পারবি তুই।

একয়দিন গাড়ি চালাই এখানে?

- না। - না।

আমি এই কাজেই মন দিতে চাই।

- জানো... - কোথায় যাচ্ছিস, জেসন?

- জেসন? - কারা আর হ্যালি...

কিছু একটা আনা দরকার।

ফিরে এসে খাবারটা শেষ করে যা।

বাবা মায়ের তত্ত্বাবধানে কারা আর হ্যালি গাড়ি চালায়।

তুই যেহেতু অলিম্পিকে যাবার মতো দৌড়বিদ, তোর গাড়ি চালানো শেখার দরকার নেই।

- হায় খোদা। - তুই দৌড়াবি।

- বালুর ওপরে দৌড়াবি। - কেন?

কারণ কাজটা কঠিন।

- পিছলিয়ে যায়। - হুম।

সৈকতে প্র্যাকটিস করবি, শুকনো মাটিতে প্র্যাকটিস করবি,

তাহলে পারবি।

আমরা সৈকতে যাচ্ছি?

হ্যাঁ, একটু পরে।

সব গুছিয়ে নেবার পরে।

- কোন সৈকত? - স্যান্টা ক্রুজ

জশ, কিটি আর ওর যমজ মেয়েরা থাকবে ওখানে।

কী করছিস?

এটা একটা জাদু

গতবছর ফেলে গিয়েছিলাম।

বেশ, দেখা দেখি।

জিনিসটা কিছুটা হতচ্ছাড়া টাইপের।

কী, খাবার টেবিলে বসেও গালাগালি?

কারো দিকে একটা আঙুল তাক করলে কিন্তু

বাকি তিনটা আঙুল নিজের দিকেই তাক করা থাকে।

মানে কী এর?

চারটা আঙুল এখন তোমার দিকে তাক করা।

কী বলিস...?

দেখলে?

শুধু বুড়ো আঙুলটা তোমার দিকে তাক করা নেই।

তো, কী হয়েছে?

ওর মনে হয় পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার হয়েছে।

এমন না যে ও ভিয়েতনাম যুদ্ধে গিয়েছিল।

ঠিক আছে? ও শুধু হারিয়ে গিয়েছিল, মিনিট পনেরোর জন্য...

ব্যাপারটা খুবই ভীতিকর হতে পারে ওর কাছে।

না, তুমি জানো না ওর সাথে কী ঘটেছে।

ওর সাথে অনেক কিছুই ঘটতে পারে।

তাহলে কীভাবে... আমরা ওকে দিয়ে কথা বলাবো?

ওকে আঁকতে, লিখতে, নাচতে উৎসাহিত করতে হবে।

যাতে ও ওর মনের কথাগুলো বলতে পারে আমাদেরকে।

আমি শুধু আমার বাচ্চা মেয়েটাকে ফেরত চাই।

সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

আমি দুঃখিত।

- কি... - আমি...

আমি একটা সিগারেট খাবো

সৈকতের ধারে একটা সামারহোম থাকা সত্ত্বেও আমরা সৈকতে যাচ্ছি না কেন, বুঝলাম না।

সৈকত তো এখানেই আছে?

- কোন সৈকত? - এখানেই তো একটা সৈকত আছে।

এটা কোনো সৈকত না।

একে বলে উপসাগরের কূল।

সত্যিকারের সৈকতের কথা বলছিলাম,

যেখানে মানুষ থাকবে, বালু থাকবে, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক থাকবে।

ওখানে...অনেক ভিড়।

- এমন করো কেন... - আর ঐ সৈকতে

অদ্ভুত সব লোকজন থাকবে... আমি ওখানে যাব না।

- আমরা যাবো না। - ঠিক আছে।

বাতিল করে দেই তাহলে।

আচ্ছা।

অসহ্য লাগে, এটুকুই।

মানে...

জেসন অবশ্য অনেক আশা করে ছিল।

নানী মারা যাবার পরে এটা প্রথম গ্রীষ্ম ওর।

ওর এমনিতেই মন খারাপ।

অন্ধকার হবার আগেই ফেরত আসবে।

আচ্ছা।

ইয়েস, ইয়েস।

দারুণ হবে।

তোমারও অনেক মজা লাগবে।

তুমি কি আসলেই আমাকে চুমু খাবে না?

তুমি আসলেই আমাকে চুমু খাবে না?

তোর ভাই কোথায়?

তোর ভাই...কই সে?

আমি জানি না।

সত্যি?

জেসন?

জেসন?

সোনা, এই কারণেই তোর এখানে খেলা উচিৎ না।

- গত বছরও এরকম হয়েছিল না? - জোরা, প্লিজ।

ইয়া!

ঠিক ধরেছ। কী ভেবেছিলে তোমরা?!

এতক্ষণে একটা পছন্দের জিনিস হাতে পেলাম!

এর নাম ক্র ড্যাডি!

- বাবা মজা করছে, তাই না? - নাহ, ও মজা করছে না।

ক্যাসেট প্লেয়ারসহ সবকিছুই আছে।

চামড়ার সিট!

গ্লোভ কম্পার্টমেন্ট!

- দারুণ। - ঠিক তাই।

সোনা দেখ্য, লাইফবয়াও আছে!

ওহ, বুঝেছি, বুঝেছি। লোকটা এটা ঠিক করাও শিখিয়েছিল।

এটাকে একটু বামদিকে ঘোরাতে হবে, তাই ধরে রাখতে হবে।

সস্তায় পেয়েছি, সেটাই অনেক।

- সবাই ওতে বসতে পারব? - জানো?

তোমরা একদম বখে গেছ।

পুরোই বখে গেছ।

তুমি কি জানো, সেখানকার পানিতে ফ্লোরাইড আছে,

তার সাহায্যে সরকার আমাদের মগজ কন্ট্রোল করবে?

দুনিয়াটা শেষ হলেও কেউ পরোয়া করবে না। ভুলেই গিয়েছিলাম।

তুই যদি বলে দিতিস সে, জাদুটা দেখানোর পরে কী ঘটবে,

তাহলে হয়তো আমরা সেটার ছবি তুলে রাখতে পারব।

কিংবা হয়তো তুই আমার পাছায় চুমু খাবি, জোরা।

- ইউ! - ওয়া, ওয়া! - কী?

"পাছা" কোনো বাজে ভাষা না।

পাছা নিয়ে কথা বলা হলো কেন?

- কেন বললি একথা? - এটা না বলে বরং

অন্য কোনো গালি দিলেও খুশি হতাম।

মা, তুমি হাসছ, দেখতে পাচ্ছি আমি।

- আমি হাসছি না। - এগুলো শিখেছিস কোথায়?

আচ্ছা, আমাদের সবসময়ে ত কথা বলা লাগবে না।

ক্লাসিক একটা গান।

"পাঁচ দেবো এর জন্য" এর মানে কী?

- এটা ড্রাগসের ব্যাপার। - এটা ড্রাগসের ব্যাপার না।

এটা দারুণ একটা গান। ড্রাগস বলিস না।

- জেসন, শুরু কর। - হুম?

তালে তাল মেলা।

এই তো হচ্ছে। এই তো হচ্ছে।

ওহ, ইয়া।

স্যান্টা ক্রুজে স্বাগতম।

হুম?

স্যান্টা ক্রুজ!

স্যান্টা ক্রুজ!

- স্যান্টা ক্রুজ! - আচ্ছা, আমরা বুঝেছি!

স্যান্টা ক্রুজ! স্যান্টা ক্রুজ!

স্যান্টা ক্রুজ!

- ও করেছে.. - পাঁচটা মিনিট।

- কথাও বললে না। - দেখো, ইচ্ছা করেনি

- কার সাথে বলবো ও বলেনি। - রাস...

- কী হবে? - ওর যদি কিছু হয়

কী হবে, আর? সে চলে গিয়েছিল!

হায় ঈশ্বর!

- দেখিস না, দেখিস না। - ও মারা গেছে?

কী একটা অবস্থা!

- হেই। - হেই! কী খবর? - হেই।

তোমারা ২:৩০ বলেছিলে মনে হয়। কথার দাম কোথায় রে, ভাই?

- আমরা উইলসনরা এমন, জানোই তো। - হেই।

- হেই, কী একখান অবস্থা তোমার। -ওয়াও, দারুণ লাগছে দেখত।

- হ্যাঁ। - স্বর্গে স্বাগতম।

- অবশ্যই, ভাই। - হেই। - খুব সুন্দর লাগছে!

- হাই, কেমন আছ? - ধন্যবাদ।

ওহ, মেয়েরা বেশ খুশি তোমাকে দেখে।

উম, কী লাগবে? বিয়ার আনতে পারি তোমার জন্য।

- বেকা, লিন্ডসি! দেখো কে এসেছে! - না।

- না? - উত্তরটা হলো "না"।

- প্লিজ। - ও যথেষ্ট বড় হয়েছে।

- আরো কিছু বছর যাক। - ওর মাথা খেয়ো না।

- আচ্ছা, আচ্ছা। - হাই।

- বলো কী। বোটটা পেয়ে গেছ? - হ্যাঁ, বোটটা পেয়েছি।

- ভালোই হলো তোমার, বন্ধু। - বুম।

সাংঘাতিক, তোমার যেন কী আছে?

- একটা ডিঙি? যেমন... - ধুর, চুপ করো।

প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আছে কি না, নিশ্চিত করো আগে।

- লাইফ প্রেজারভার আছে? - আছে।

- অগ্নি নির্বাপক? - আছে।

ফ্লেয়ার গান এনেছ?

জানতাম তুমি ফ্লেয়ার গানের কথা ভুলে যাবে।

আমাদের এখান থেকে বেরিয়ে ডাবল ট্রিপ দেয়া দরকার।

আমরা উপসাগরের ঠিক আড়াআড়ি রয়েছি।

কোনো ড্রিংক লাগবে না?

- না, ঠিক আছি। ধন্যবাদ। - রোজে খেতে দারুণ সুস্বাদু।

উমম..নাহ লাগবে না।

এখন পর্যন্ত গরমের ছুটিটা কেমন চলছে?

হ্যাঁ, বেশ ভালোই।

না, সামান্য ছোট, কিন্তু ক্লাসিক ডিজাইন, বুঝলে?

তুমি ঠিক আছ?

হ্যাঁ।

কী?

আমি আসলে, বোঝোই তো ....

কথাবার্তা জমাতে পারি না।

ওহ, বুঝেছি।

হ্যাঁ, আমি পুরোই বুঝেছি।

তোমাদের কিছু লাগবে?

ওখানে একট আস্ত বার সাজানো আছে।

না, পানিই ঠিক আছে।

তৃতীয় পেগ লাগবে?

- ধন্যবাদ। - আচ্ছা।

আমার বৌয়ের ওষুধ আনতে যাচ্ছি।

এটা সুন্দর, তাই না?

এই নাও।

- শুধু... - উম, ইয়া। - আহ, আহ।

কী বলি আমরা?

আমি তোমাকে ঘৃণা করি?

- চলবে। - হ্যাঁ?

-তাই। - ভালো।

চলতেই থাকে।

ওকে খুন করার চিন্তা আসে মাঝে মাঝে।

- কিছু পাল্টায়নি, হুঁহ? - না।

ওহ, সামান্য কিছু পাল্টিয়েছে অবশ্য।

হে, ঈশ্বর।

তুমি কী কিছু করেছ?

ওই, সামান্য কিছু সার্জারি।

- বলো কী! - হ্যাঁ।

চেহারা অবশ্য গতবছরের থেকে পাল্টায়নি।

ওহ, ধন্যবাদ।

মানে, এটাই চেয়েছিলাম, বুঝলে।

- একটুখানি পাল্টালেও সৌন্দর্য অনেকখানি বাড়তে পারে। - হুম।

তোমার অবশ্য কিছুই লাগবে না, সুন্দরী।

- আরে, ভাই। - উপস।

ওটা কী?

একটা বেকার সুড়ঙ্গ কেবল।

উফ! সৈকতের খেলনাগুলো পিচ্চি বাচ্চাদের।

তোমার ভাইটা একটু অদ্ভুত।

ওর মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না।

পানিতে নামবে?

- না। - কেন নয়?

হ্যাঁ, না কেন?

- হেই, কই যাচ্ছিস? - বাথরুমে।

সাগরে হিসু করছ না কেন?

একসাথে বলেছি। জিংক্স। ডাবল জিংক্স।

ট্রিপল জিংক্স। ব্ল্যাকআউট।

- চুপ কর। - তুই চুপ কর।

তোমার কখনো নাচটা চালিয়ে যাবার ইচ্ছে হয়?

কখনো কখনো, হ্যাঁ।

তুমি কিন্তু নাচে অনেক ভালো ছিলে।

হ্যাঁ, আসলে..

১৪ বছর বয়সে সবচেয়ে বেশি ফর্মে ছিলাম।

আমরা সবাই-ই তাই থাকি, না?

আমি ভেবেছিলাম সিনেমার একজন তারকা হবো

যদি মেয়ে দুইটা এরকম ভুল সময়ে জন্ম না নিত।

আমি স্টেলা এডলারের কাছে গিয়েছিলাম,

এবং জশের সাথে দেখা হবার আগে দুটো বিজ্ঞাপনের কাজ পেয়েছিলাম।

কিন্তু পেটে বাচ্চা আসার পরে অডিশন দেয়া বন্ধ করে দিলাম।

তারপর সান ফ্রান্সিসকোতে চলে আসায় আমার ক্যারিয়ারে ভাটা পড়লো

আমার লস অ্যাঞ্জেলসে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।

শুধু...

ঈশ্বর, একটু দেখে।

আশ্চর্য।

ইদানীং অনেক কাকতালীয় ঘটনা ঘটছে।

হ্যাঁ, সেও এটাই বললো।

- যাইহোক, আমাদের ঘরে ফেরা উচিৎ। - অবশ্যই।

- ভদকা খাওয়ার সময় হয়েছে। - ওহ, হ্যাঁ, অবশ্যই।

- হ্যাঁ, হ্যাঁ। - আচ্ছা, তাহলে চলো।

ঠিক আছে।

জেসন কোথায়?

উম...

জেসন। জেসন কোথায়?

গেব।

জেসন কোথায়?

জেসন?

জেসন?

- জেসন? - জেসন!

- জেসন? - জেসন!

- কোথায় ছিলি? - আমি বাথ...

না! এরকম আর করবি না।

না বলে কোথাও যাবি না।

- ওহ। - আমি দুঃখিত।

আচ্ছা, সব ঠিক আছে।

- সব ঠিক আছে। - আর এরকম করবি না আমার সাথে।

- বুঝেছিস? - সরি।

যাওয়ার জন্য রেডি হই আমি।

- আচ্ছা? - মনে হয় আমাদের যাবার সময় হয়েছে।

- হ্যাঁ। - বুঝেছিস?

- চিন্তা নেই। - হ্যাঁ...

হিউস্টন অ্যাস্ট্রোস অপরিহার্যভাবে সংক্ষিপ্ত ছিল

একজন এভরিডে প্লেয়ার এসেছে এই মরসুমে।

কোনো পদোন্নতি নেই...

ওদের নতুন গাড়িটা দেখেছ?

ও করেই ছাড়লো।

আমাকে জ্বালানোর জন্য গাড়িটা কিনেছে ও।

তুমিও ক্ষেপেছ, ও সফল তাহলে।

ঘরের ভেতরে দৌড়াস না।

এটা দেখলে মা চমকে যাবে।

এবং এখানে এমন কিছু ঘটেছে

যা আপনি অন্যদিন দেখতে পান না: মিনেসোটাতে অতিরিক্ত ইনিংস!

আমি শুভ রাত্রি বলে আসছি।

১১-১১, সপ্তম ইনিংস টাই হয়েছে।

হ্যাঁ, আপনি দেখুন, হোলিস্টারচ পরিচিত তার লেট-ইনিংস ফাস্টবলের জন্য,

যেন শীতলতা নিয়ে আসে...

ঠিক আছ?

আমি জায়ান্টসদের হাইলাইটস দেখে আসছি, বুঝলে?

পরে ম্যাজিক রুমে দেখা হবে।

শুভ রাত্রি।

- শুভ রাত্রি। - ফোন অফ কর।

মুখোশ খোল।

কী ভেবেছিলে, আমি মারা গেছি?

আঁ, না ।শুধু...

তুই হারিয়ে গেলি কি না, কিংবা কারো খপ্পরে পড়লি কি না, তাই ভেবে...

সন্ত্রাসী কিংবা লম্পট লোকদের?

আমার সাথে লেগে থাকবি, তাহলে আমি তোকে নিরাপদ রাখব, ঠিক আছে?

দেখো।

১১:১১

ঘুমানোর সময়।

কে এটা?

জানো, আমি ভাবছিলাম

আগামীকাল মাছ ধরার কিছু সরঞ্জাম নেব।

চারটা ছড় হলেই আমরা সবাই মিলে ঘাটে মাছ ধরতে পারব।

জানো?

সাথে বোটটাও থাকবে।

শুধু বলছি আর কি, আমরা যদি সেখানকার উন্মুক্ত জলরাশিতে যাই তাহলে কেমন হয়...

জোর করছি না কাউকে।

হেই।

গেব, আমি যেতে চাই।

কোথায় যেতে চাচ্ছ?

আমি এখানে থাকতে পারব না। আমি...

এতকিছু সহ্য হচ্ছে না।

তুমি সিরিয়াস?

এখানে থাকাটা...

হুমম।

মনে হচ্ছে যেন আমার মাথার উপর...

একটা নিকশ কালো মেঘ ভেসে আছে,

আর, আ...

আমি নিজেকে অনুভব করতে পারছি না।

আমার মনে হয়, তোমাকে দেখতে তোমার মতোই লাগছে।

আচ্ছা। ঠিক আছে।

আমি যখন ছোট্ট ছিলাম,

(boardwalk - সমুদ্র সৈকতের ধারে কাঠবোর্ড দিয়ে তৈরি হাঁটা-চলার পথ)

তখন আমি বাবা-মায়ের সাথে সৈকতের ঐ বোর্ডওয়াকে যেতাম।

বিচ্ছিন্ন হয়ে ঘুরে বেড়াতাম।

জানি না কেন। শুধু ঘুরে বেড়াতাম।

হল অফ মিররের ভেতরে এসে তা শেষ হত।

সেখানে আরেকটা মেয়ে ছিল।

সে আমার মতই দেখতে।

ঠিক আমার মতোই।

কিন্তু তুমি তো হল অফ মিররে ছিলে...

ওটা আমার প্রতিফলন ছিল না।

ও ছিল বাস্তব।

ও ছিল বাস্তব।

ও...

আমি আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে দৌড়ালাম।

আমার পুরো জীবনে, আমি...

আমার মনে হয় যে ও আমাকে ধরতে আসবে।

আচ্ছা, বেশ, যা কিছু ঘটেছে,

তা তো অনেকদিন আগের ঘটনা, ঠিক?

জানোই তো, মাঝেমাঝে কীভাবে বিভিন্ন ঘটনা একসাথে ঘটতে থাকে।

- হ্যাঁ। - তুমি জানো, কাকতালীয় ঘটনার মতো।

যখন থেকে আমরা এখানে আছি,

তখন থেকে কাকতালীয় ঘটনা একটু বেশিই ঘটছে।

আমার মনে হয়... এমন অনুভব করছি যেন

ও খুব কাছে চলে আসছে।

কে? আয়নার ভেতরের মেয়েটি?

তুমি আমাকে বিশ্বাসই করছ না।

বি-বি.. বিশ্বাস করি তো ।

বিশ্বাস করি।

বিষয়টা ভেবে দেখছি। ঠিক আছে?

আমি তো...

বিশ্বাসই করতে পারি না, এসব ঘটনা এতদিন কীভাবে ভেতরে চেপে রেখেছ।

শোনো।

আমি সবসময়ে তোমার পাশেই থাকব, তাই না?

আমি নিশ্চিত তোমাকে মেরে চিত করতে পারব আমি,

আর ও যদি তোমার মতোই হয়, তাহলে...

ঠিক আছে। মশকরা করলাম।

ব্যাপার না।

বদমাইশি করার জন্য দুঃখিত।

আসলে পরিস্থিতিটা হালকা করার চেষ্টা করছিলাম।

ধ্যাৎ।

কারেন্ট গেল। একেবারে ঠিক সময়ে।

দেখো, এই কারণেই জশের একটা ব্যাকআপ জেনারেটর আছে।

ঈশ্বর! খাইছে!!

জেসাস!

কারেন্ট চলে গেছে। বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড় আবার।

আমাদের ড্রাইভওয়েতে একটা পরিবার দাঁড়িয়ে আছে।

কী? আমাদের ড্রাইভওয়েতে কোনো পরিবার নেই।

হাহ্। ওরা কারা?

ওহ্, একটা পরিবারই তো দেখছি।

কী, একটা পরিবারকে দেখে সবাই ভয় পেয়েছ?

একটা ভূতুড়ে পরিবার।

আচ্ছা, ব্যাপার না। হয়েছে... যথেষ্ট হয়েছে।

না। আ-আ।

কী?

জোরা, তোর ফোনটা দে।

- ফোন আমার হাতে নেই। - জোরা!

দুঃখিত।

কেউ কি বাইরে আছে?

একটা পরিবার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে শুধু, আর কিছু না।

সম্ভবত ওরা আমাদের প্রতিবেশী।

মশকরা করছ, তাই না?

- হ্যালো। - আমি ভয় পেয়েছি।

আমার নাম অ্যাডেলেইড উইলসন।

তুমি কি সত্যি সত্যি এখনই ৯১১ এ কল করছ?

- আমরা আছি ২৩১১ সিগাল ওয়েতে। - শশশ!

সব ঠিক আছে। আমাদের কারেন্ট গেছে।

আমাদের বাড়ির সীমানার ভেতরে ৪ জন অনুপ্রবেশকারী আছে।

- তা ঠিক, আচ্ছা। - জি।

- জানো? - কী?

- আমিই এটা ঠিক করবো। - না, আমরা জানি না।

- আমি দেখছি ওরা কারা... - কী?

না, ওরা কিছু করেনি, কিন্তু করবে নিশ্চিত।

...দেখি ওরা কী চায়, এবং সব ঠিক হয়ে যাবে।

- গেব। - শান্ত হও, ঠিক আছে?

১৫ মিনিট? না, না, না, সে তো অনেক দেরি।

ওহ্, বত্ব।

না, আপনি বুঝতে পারছেন না। আমরা...

আমরা সবাই একটু মাথা ঠাণ্ডা করলে কেমন হয়...

- গেব। - আব্বু। - ...নিজেদেরকে রক্ষা করি,

এবং সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

না, না। দাঁড়াও, দাঁড়াও, দাঁড়াও।

শুধু একটা সেকেন্ড... গেব।

ছুটিটা উপভোগ করতে চাচ্ছিলাম,

আর এদিকে আমার পুরো পরিবার ফালতু চিন্তায় শেষ হয়ে গেল।

হাই।

আপনাদেরকে কী সাহায্য করতে পারি?

ঠিক আছে।

আপনারা যদি লোকদেরকে ভয় দেখাতে বের হয়ে থাকেন,

তাহলে আমি মনে করি আপনারা ভুল বাড়িতে এসেছেন।

জোরা...

জুতো পরে নে।

ভদ্রভাবে বললাম।

এখন আমি চাই, আপনারা আমার এখান থেকে চলে যান।

ঠিক আছে।

আচ্ছা, পুলিশকে ফোন করো।

করেছি। তাদের আসতে ১৪ মিনিট লাগবে।

কী বলো? ১৪ মিনিট?

ঠিক আছে, ঠিক আছে, ঠিক আছে

ঠিক আছে।

- জেসন, ব্যাটটা দে। - কোন ব্যাট?

বেসবলের ব্যাটটা।

- একটা আছে... - এখানে, এখানে।

- ধন্যবাদ। - গেব?

ঠিক আছে, থাকো এখানে।

আমি সামলাচ্ছি। আবার চেষ্টা করি।

- গেব? - না, না, না, না, না, না, না, না ।

সমস্যা নেই।

- গেইব! - আমি সামলাতে পারব।

শোনো, তোমাদের সকলকে আগে একবার

এখান থেকে চলে যেতে বলেছি।

ঠিক আছে? সুতরাং, তোমরা পাগলামি করলে আমরাও পাগলামি করবো।

এখন, পুলিশ আসছে ।

হেই। হেই, হেই, হেই!

হেই!

ওহ্!

শশশ...

ওরা পেছনের দিকে যাচ্ছে।

পেছনের দরজায় কি তালা লাগানো আছে?

- আমার জানালাটা খোলা আছে । - গেব... জোরা, না!

গেব, জেসন!

ইয়ো, আমি কিন্তু মারাত্মক!

তোমাদের মাথা ফাটিয়ে দেবো!

আমি তোমাদের জায়গায় থাকলে...

গেব।

- চাবিটা। - কোন চাবি?

- ঘোড়ার ডিমের লুকানো চাবিটা। - লুকানো চাবি?

এগুলো কোন ধরনের সাদামানুষি কাজ...?

ওহ্, শিট!

- মা? - কাছেই থাকো।

কী হচ্ছে?

কী?

এ তো আমরা।

এখানে আমাদের কিছুই নেই।

এইটা আমাদের গ্রীষ্মকালীন বাড়ি।

- গেব। - আমরা আজকেই আসলাম, তাই...

একদা...

এক...

...সময়...

...একটা মেয়ে ছিল।

এবং মেয়েটার একটা...

ছায়া ছিল...

দুটোই আষ্টেপৃষ্ঠে একত্রিত হয়ে সংযুক্ত ছিল।

মেয়েটি যখন খেত,

তখন তাকে গরম ও সুস্বাদু খাবার দেয়া হত।

কিন্তু যখন ছায়াটার ক্ষুধা পেত,

তাকে তখন খরগোশ খেতে হত,

কাঁচা আর রক্তাক্ত অবস্থায়।

বড়দিনে,

মেয়েটি আকর্ষণীয় খেলনা পেত,

নরম ও আরামদায়ক।

কিন্তু ছায়াটার খেলনাগুলো ছিল শীতল আর চোখা,

সেগুলো নিয়ে খেলতে চাইলে তার আঙ্গুল ফালা ফালা হয়ে যেত।

মেয়েটির সাথে একজন সুদর্শন রাজপুত্রের দেখা হয়,

সে তার প্রেমে পড়ে,

ছায়াটার সাথে ঠিক একই সময়ে,

দেখা হয় আব্রাহামের।

সে তার প্রেমে পড়ুক আর না পড়ুক, তাতে কিছু যায় আসে না।

আব্রাহাম মেয়েটির রাজপুত্রের সাথে যুক্ত ছিল, তাই ছায়াকে তার সাথেই থাকতে হয়।

তারপর মেয়েটি প্রথম সন্তান হিসেবে ফুটফুটে

একটা মেয়েশিশুর জন্ম দিল।

কিন্তু ছায়াটা,

সে জন্ম দিল ছোট্ট একটা দানবের।

আমব্রে জন্ম নিয়েছে হাসতে হাসতে।

মেয়েটি দ্বিতীয় সন্তান জন্ম দিল, এবার হলো একটা ছেলে।

তার সিজার করে পেট থেকে ছেলেশিশুটিকে তাদের বের করতে হয়েছিল।

ছায়াটাই এসবকিছু করতে হয়েছে...

নিজে নিজে।

সে তার নাম দিল প্লুটো।

সে জন্ম থেকেই আগুন ভালোবাসে।

সুতরাং, বুঝতেই পারছ, ছায়াটা মেয়েটাকে চুরম ঘৃণা করে আসছে বহুযুগ ধরে

একদিন ছায়াটা বুঝতে পারলো, ঈশ্বর আসলে তার পরীক্ষা নিচ্ছে।

শুনুন।

শুনুন।

আপনারা কী চান?

আপনারা আমার টাকাপয়সা নিতে পারেন।

আপ-আপনারা গাড়িটা নিয়ে নিন।

গেব।

হ্যাঁ।

বোটটা নিতে পারেন চাইলে।

বোটটা কেউই চায় না, আব্বু।

আচ্ছা আরেকটা বুদ্ধি।

আপনারা আমাকে এটিএমে নিয়ে...

আপনারা কারা?

আমরা আমেরিকান।

নিজেদের টেবিলের সাথে আটকিয়ে ফেলো।

অ্যাডি, ওটা নিও না।

মনে হয়, তোমাদের শরীরের কিছু অংশ...

কেটে নেয়া উচিত আমার।

ঠিক আছে।

শুধু...

আমার ছেলে মেয়েদের কিছু কোরো না।

এই।

হেই, হেই, হেই, হেই, হেই। আমাকে ছেড়ে দাও।

- না। গেব, না। - না, অপেক্ষা করো, না। ড্যাড!

অপেক্ষা করো। অপেক্ষা করো।

আমাকে ছেড়ে দাও, ভাই।

দেখো, গেব...

দাঁড়াও, গেব।

ওহ, প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ এসব বন্ধ করো!

- থামো, প্লিজ! - গেব।

থামো, থামো। দাঁড়াও। দাঁড়াও।

দাঁড়াও... প্লিজ!

ঠিক আছে। ঠিক আছে।

- মা। - ছোট্ট মেয়ে।

পালাও!

যাও।

তুমি আমাকে চাও, তাই তো?

না।

- ও যাবে না। - সাবধান।

ও আবার একটু রাগী।

না, না, না, না, না, না,

না, না, না, ওটা দিয়ে না অন্তত।

না। না।

ঠিক আছে।

- আমি ভয় পেয়েছি। - দেখো...

আমার দিকে তাকা।

তুই নিরাপদেই থাকবি।

ওকে তোর একটা কৌশল দেখিয়ে দে।

ঠিক আছে।

যাও খেলো, ছেলেরা।

আমাদের বাড়িটা পুড়িয়ে দিও না যেন।

থামো, ভাই।

প্লিজ, থামো।

না, না, থামো, থামো, থামো।

প্লিজ।

আরে ভাই, থামো।

এসব বন্ধ করো।

আমার একটা পরিবার আছে, ভাই। প্লিজ না। না।

এসব কী?

আমার গাড়ি থেকে নামো!

তুমি কি...? এখানে এসো। এসো...

জঘন্য, নামো ওখান থেকে।

আমি বলছি, এখানে আসতে।

খুকী, আমি তোমার সাথে কথা বলছি।

কী চাও তোমরা?

কী?

আমরা কী চাই?

আমরা আমাদের...

সময়টা নিতে চাই।

আমরা অনেক দিন ধরে, এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম।

আমি একে বলি...

"মুক্তি।"

ওটা তোমার।

এটা বাঁ-দিকে যাচ্ছে।

এটা বাঁ-দিকে যাচ্ছে।

জেসন।

জেসন।

বাবু।

আয়! আয়!

চল যাই।

চাবি।

- মা! মা! - জোরা!

এইদিকে। চল!

চল, চল! যাও, যাও, যাও!

হেই!

এসো। এসো, এসো, এসো,

এসো, এসো, এসো।

ওহ। চলো যাই, চলো যাই, চলো যাই, চলো যাই, চলো যাই!

- জশ? কী ছিলো ওটা? - কী?

আমি বাইরে কীসের যেন শব্দ শুনলাম।

ও আচ্ছা।

একটা শব্দ। মানুষের হাঁটার মতো।

কেউ আমাদের বাড়ির আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

মনে হয় কোনো কাঠবিড়াল। আমি জানি না।

তুমি কি উঠে একটু দেখবে প্লিজ?

আমি ব্যস্ত আছি। আমি... ব্যস্ত আছি।

তাই...

হতে পারে পিজ্জা দিতে এসেছে। মেয়েরা বোধ হয় পিজ্জা অর্ডার করেছে।

উঠে একটু দেখো। আমার ভয় লাগছে।

ওহ, আমি যেতে চাই না। আমি এখানে থাকতে চাই।

আমি শুধু আমার আরামদায়ক জায়গায় থাকতে চাই।

- উঠে দেখো তো। - ঈশ্বর।

হেই, আহ, ওফেলিয়া, লাইট জ্বালাও।

লাইট জ্বালালাম।

মনে হলো, ব্যাক আপ জেনারেটর চালানোর শব্দও শুনেছি।

ব্যাক আপ জেনারেটরের ব্যাপারে তুমি কী জানো?

তুমি কি দুই সেকেন্ডের জন্যে শয়তানি বন্ধ করবে?

- দেখো তো। - ঠিক আছে। আমি দেখছি।

বাইনোকুলার নিয়ে আসছি।

কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। সুন্দর তারাগুলো দেখছি।

তুমি কি সত্যিই দেখছ?

হ্যাঁ, আমি দেখছি।

ওহ, না। হ্যাঁ, আমি...

- বাইরে কেউ একজন আছে। - আমার সাথে মজা নিও না, জশ।

মজা করছি না। আমি সিরিয়াস।

বাইরে কেউ একজন আছে। দেখো।

দেখো, গাড়িটার পেছনে।

- কোথায়? আমি দেখতে পাচ্ছি না। - গাড়ির পেছনে।

- দেখো। - আমি দেখছি না...

- সেরেছে। - কী?

হায় ঈশ্বর, এটা ও. জে।

ভয়ানক খুনি ও. জে সিম্পসন।

তোমার সমস্যাটা কী? সিরিয়াসলি।

ওফেলিয়া, বিচ বয়েসের গান চালাও।

বিচ বয়েসের "গুড ভাইব্রেশনস"...

- চালিয়ে দিলাম। - সত্যি? - না কেন?

এটাই এখানে আমাদের শেষ রাত।

- চলো ছোট একটা পার্টি হয়ে যাক। - ওফেলিয়া, ওটা বন্ধ করো।

বিচ বয়েসের "গুড ভাইব্রেশনস" গানটি বন্ধ করা হলো।

একটু শান্ত হবে? বাইরে কেউই নেই।

উপরে যাও। আমি কয়েক মিনিটের মধ্যেই আসছি।

সব ঠিক হয়ে যাবে।

কী হচ্ছে?

আহ, কিছু না।

- কিছু না, মেয়েরা। - ঈশ্বর।

ব্যাক আপ জেনারেটর চলছে।

আমরা শুধু এর কারণটা জানতে চাইছিলাম।

- ঘুমুতে যাও। - আমরা আমাদের রুমে থাকা মানেই....

এমন না যে, আমরা ঘুমাচ্ছি।

বেশ। আমি জানি না। রুমে ফিরে যাও।

আমাদের আগামীকাল ঠিক সকাল ১০ টায়

এখান থেকে বেরুতে হবে, তাই...

- হ্যালো? - ওহ, ঈশ্বর।

জশ!

প্লিজ থামো।

বিচ বয়েসের "গুড ভাইব্রেশনস" গানটি থামানো হচ্ছে।

ওফেলিয়া...

ওফেলিয়া, পুলিশকে ডাকো।

নিশ্চয়ই।

এন. ডব্লিউ. এ এর "ফাক দ্যা পুলিশ" শোনানো হচ্ছে।

জশ, আমাদের তোমার সাহায্য প্রয়োজন।

অ্যাডি!

অ্যাডি!

না!

না! না! না! না!

জলদি যা। পালা।

এখানে আয়!

হাহ? আমাকে ধর!

হ্যাঁ।

এদিকে আয়, খারাপ জশ!

দেখি কী করিস!

হেই!

না! না! না!

আয়!

জঘন্য।

না, না, না, না। প্লিজ।

না, না। না। না, না। না।

না! না, না।

না, জোরা। না!

প্লিজ, প্লিজ।

না! না!

না, প্লিজ, না!

না, না, না।

এটা খোলা ছিলো।

বোটের কাজ শেষ।

আমি আর বোটের ধারেকাছে নেই।

আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে ওরা মৃত।

ওরা এসব কেন করছে?

দুঃখিত, এই মুহূর্তে আমাদের সকল অপারেটর ব্যস্ত আছে।

অনুগ্রহ পূর্বক অপেক্ষা করুন এবং আমাদের পরবর্তী অপারেটর...

এটা শুধুই পাগলামি।

দুঃখিত, আমাদের সকল অপারেটর...

এই মুহূর্তে ব্যস্ত আছে। অনুগ্রহ পূর্বক...

৯১১ কিভাবে সারারাত অপেক্ষা করিয়ে রাখে?

আমি বুঝতে পারছি না।

এতগুলো যমজ আক্রমণের ধাক্কা সামলাতে পারছে না।

একেকজনের কয়টা করে কপি থাকতে পারে?

বোর্ডওয়াকটা বন্ধ হওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলো,

আর আমরা কয়েকজন মাত্রই বেরিয়েছিলাম,

আমরা গাড়ির দিকে যাবার সময়েই আক্রমণটা হয়েছিল।

- যত্তসব। - লোকজন চিৎকার করছিলো, আর...

- শান্ত হও। - ...আমি ভেবেছিলাম

কেউ পাগলামি করছে, আমরা শুধু লাল দেখেছিলাম।

- আপনারা লাল দেখেছিলেন? - হ্যাঁ, তারা লাল কাপড় পরেছিল।

ওদেরকে দেখতে অদ্ভুত লাগছিল। ওদের হাতে ছিল কাঁচি,

ওরা লোকজনের ভিড়ের দিকে হেঁটে যাচ্ছিল

আর তাদের জখম করছিল।

তারা লোকজনকে জখম করছিল?

হ্যাঁ, বাজে অবস্থা ছিলো,

আর তারপর আমরা দৌড়াতে শুরু করলাম।

তারা কোথা থেকে এসেছে?

কী? আমি জানি না।

কেউ কেউ বলছে, তারা নর্দমা দিয়ে এসেছে।

নর্দমা? ঠিক আছে, কয়জন...

আমি দুঃখিত। মনে হয় তারা আসছে।

আহ, আহ, ম্যাম?

ম্যাম?

ঠিক আছে, তাহলে আশা করছি, ওখানকার সবকিছুই ঠিক আছে।

ঠিক কী ঘটেছে, তা নিশ্চিত করে এতো তাড়াতাড়ি বলা সম্ভব না,

কিন্তু মনে হচ্ছে যে, আমরা ছোট কিংবা বড় কাঁচি হাতে লাল পোশাকধারী লোকজনের দ্বারা

কোনো নিষ্ঠুর এবং আতংকজনক হামলার শিকার হয়েছি।

তারা এত স্বাভাবিকভাবে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে যেন

- শুক্রবার রাতে হাওয়া খেতে বেরিয়েছে। - আর তারা আমাদের মতোই দেখতে।

তারা এখন অব্দি এটা জানে না।

ঠিক আছে, ক্রিস, আপাতত রাখলাম।

- ঠিক আছে। - আমরা নতুন ছবি পাচ্ছি।

আমরা একজন মানুষকে দেখতে পাচ্ছি।

যে লাল কাপড় পরে আছে...

আচ্ছা...

মনে হচ্ছে একটা স্বতন্ত্র গোষ্ঠী

কোনো ধরণের প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ প্রদর্শনে ব্যস্ত আছে।

এই মুহূর্তে এটা পরিষ্কার নয় যে কীভাবে

এই লোকগুলো হামলার সাথে জড়িত।

- কী ওটা? - তারা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে

- মানবশৃঙ্খল বানাচ্ছে। - এইতো ওরা।

ওরা কী করছে?

জানি না। এসব করতে তো সাংঘাতিকরকম সমণ্বয় দরকার।

আর অবশ্যই, যারা দেখছেন তাদের বলছি,

আপনাদের যদি কোনো বাচ্চা থেকে থাকে, তাহলে তাদের টিভির সামনে থেকে সরিয়ে নিন।

সামনে কী ঘটবে, আমরা জানি না।

- আমাদের যেতে হবে। - কী? তুমি মজা করছ, না?

জোরা, জেসন, বাবাকে সাহায্য কর।

মাথা খারাপ নাকি, কোথায় যাব আমরা?

- পুলিশের কাছে, না? - না,

আমরা সরে যেতে হবে অনেক দূরে।

আমরা উপকূল ধরে যাব।

- মেক্সিকো চলে যাব। - মেক্সিকো?

আরে দাঁড়াও।

আরে, আরে!

আমাদের দরকারি সবকিছুই আছে এখানে।

খাবার, পানি, ব্যাকআপ জেনারেটর।

অন্য যেকোনো জায়গার চেয়ে এখানে কম নিরাপদ নেই আমরা।

জশ আর কিটিকে বলো সেকথা, ওরা তো এখানেই ছিল।

- তুমি বাচ্চাদের ভয় পাইয়ে দিচ্ছ। - দেরি হয়ে গেছে অনেক।

ওরা আমাদের মতো করে ভাবে। ওরা জানে আমরা কোথায় আছি।

আমাদেরকে খুন না করা পর্যন্ত কিংবা আমাদের হাতে খুন না হওয়া পর্যন্ত ওরা থামবে না।

তাহলে চলো ফাঁদ-টাঁদ কিছু একটা বানাই।

হোম অ্যালোন মুভিতে যেরকম দেখায়, সেরকম।

তাহলে ও যদি আসে, ঠেকাবো...

প্লিজ বলো যে তুমি এ অবস্থায় হোম অ্যালোন মুভির রেফারেন্স টানোনি?

- কী বলতে চাইছি, তা তো বুঝেছ। - গেব।

ওরা অনেকদিন ধরে প্ল্যান করছিল এটা।

ওরা জিতে যাচ্ছে।

এখন পালাবার সময়,

মেঝেতে ছোট্ট মেশিন সাজিয়ে কারিকুরি দেখানোর সময় না।

ছোট্ট মেশিন কী?

হোম অ্যালোন কী?

আমরা কোথাও যাব না, এটাই ফাইনাল।

তুমি আর কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না!

তো...

তাহলে কি ওদের গাড়িটা এখন আমরা নেবো?

আহ, হাঁটতে পারি না।

চাবি কার কাছে?

চল।

- চল। - গাড়িতে ওঠো

গাড়িতে ওঠো

- আমি চালাবো। - কোনোভাবেই না।

আমি ওকে না করছি।

বাবার পায়ের অবস্থা খারাপ, তুমি হ্যান্ডকাফ দিয়ে আটকানো।

এটা নিরাপদ না, আমি চালাবো।

জোরা, না।

আমাদের সবার মধ্যে আমি সবচেয়ে বেশি খুন করেছি।

তুমি সবচেয়ে বেশি খুন করোনি।

আমি দুইটা টুইনকেই খুন করেছি।

ভুল, দুই নম্বর টুইনকে আমি মেরেছি।

কিটিকে আমি মেরেছি।

তোমরা তিনজনেই একটা করে মেরেছ, আর আমি দুইটাকে মেরেছি,

আমি নিজেকে আর জশকে মেরেছি...

জো... এতে কিছু যায় আসে না।

জোরা, পেছনে ওঠ।

- দেখো! - না। - সর্বনাশ! জানালাটা ওঠা।

জানালাটা ওঠা। জানালাটা ওঠা।

আচ্ছা।

গাড়িটা হয়তো একটু...

পিছালে ভালো হয়।

- সিটবেল্ট বেঁধে নাও। - হাহ?

- জোরা! - হোয়া...

হোয়া, হোয়া, হোয়া, হোয়া!

কোথায় ও? আমি কি ওকে মারতে পেরেছি?

ও ওখানে, ওখানে!

জেসাস!

আচ্ছা।

জোরা।

সাবধান।

অনেক জোরে চালাচ্ছিস!

ও তো মরেছে, না?

- কী করছ তুমি? - মা।

কোথায় যাচ্ছে ও? দাঁড়াও... তাও চলে গেল।

তোদের মা গাড়ি ছেড়ে গেছে।

ওটা কি আমাদের গাড়ি?

দেখে তো আমার কাছে তাই মনে হচ্ছে।

সর্বনাশ।

হোয়া, হোয়া, হোয়া, কী, কী?

গাড়িতে থাকো, দরজা লক করো।

কী করছে ও?

এটা একটা ফাঁদ।

বেরোও সবাই।

প্লিজ।

না।

না।

জেসন,জেসন!

জেসন?

জেসন!

জেসন!

না! না!

- অ্যাডি! - মা!

এই যে।

- আমরা এখানে লুকাতে পারি। - আচ্ছা,

- ওদের কাছে নিশ্চয়ই ওষুধ-ব্যান্ডেজ আছে। - আচ্ছা।

মা জানে, কী করতে হবে।

দেখো।

ওদের লাইন।

দেখে মনে হচ্ছে, অসুস্থ ধরনের একটা পারফরম্যান্স আর্ট।

ও কোথায়?

খোলা আকাশের নিচে বেড়ে উঠতে নিশ্চয়ই খুব ভালো লাগে।

সূর্যের আলো, বাতাস, গাছ... সবকিছু অনুভব করতে পারো

কিন্তু তোমরা এই ব্যাপারটাকে খুবই স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নিয়েছ।

আমরাও মানুষ, জানো।

আমাদের চোখ আছে, দাঁত আছে।

হাত আছে, রক্ত আছে।

ঠিক তোমাদেরই মতো।

তারপরেও...

এ জায়গাটা বানিয়েছে

মানুষেরাই।

আমার বিশ্বাস, তারা কোনোভাবে শরীরের একটা প্রতিকৃতি বানানো আবিষ্কার করেছে,

কিন্তু আত্মার প্রতিকৃতি বানাতে পারেনি।

আত্মা রয়ে গেছে একটাই, দুইজনের শেয়ার করার জন্য।

ওরা বানিয়েছে টে-থারড,

যাতে মাটির ওপরের মানুষগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

পাপেটের মতো।

কিন্তু ওরা ব্যর্থ হয়েছে, ফলে টেথার্ডদেরকে মাটির নিচেই ফেলে রেখেছে।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই টেথার্ডেরা চলেছে কোনো দিকনির্দেশনা ছাড়াই।

এখানে থাকতে থাকতে ওরা হয়েছে পাগলপ্রায়।

আর তারপর... সেখানে ছিলাম আমরা।

একটু জোর দিয়ে মারো।

হ্যাঁ, মনে হয় আমার দক্ষতা দেখাবার সুযোগ হারিয়েছি।

মনে আছে?

জন্ম থেকেই আমরা বিশেষ কেউ।

- আমি ১১ নম্বরটা চাই। - তাই?

অ্যাডি, চেষ্টা করে দেখবে?

ঈশ্বর আমাদের দু'জনকে একত্র করেছিলেন ঐরাতে।

আমি কখনো তোমাকে ভুলতে পারিনি।

কীভাবে সবকিছু অন্যরকম হতে পারত।

কীভাবে তুমি আমাকে তোমার সাথে নিয়ে যেতে পারতে

আমাদের দেখা হবার বহু বছর পর...

...মিরাকলটা ঘটলো।

তখন আমি ঈশ্বরকে দেখলাম,

উনি আমাকে পথ দেখালেন।

তুমি নিজেও এটা অনুভব করেছ।

নাচের শেষে,

টেথার্ডরা দেখল যে, আমি অন্যরকম।

ভাবল, আমি ওদেরকে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারব।

আমি নিজের বিশ্বাস খুঁজে পেলাম,

আর প্রস্তুতি নেয়া শুরু করলাম।

পরিকল্পনা নিতে লেগে গেল বহু বছর।

সবকিছু একদম নিখুঁত হওয়া চাই।

আমি শুধু তোমাকে খুন করতে চাইনি।

আমি একটা বিবৃতি দিতে চেয়েছি, যা দেখবে গোটা বিশ্ব।

সময় এখন আমাদের।

এবার আমরা থাকব মাটির ওপরে।

আর ভেবে দেখো,

তুমি না থাকলে...

... আমি হয়তো কখনোই নাচতে পারতাম না।

আমার বাচ্চা। আমার বাচ্চাটা।

আমি পেয়েছি তোকে।

দেখ।

দেখ, দেখ, দেখ।

ওরা কেউ নেই আর।

ঠিক আছে?

ওরা তোর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।

বুঝেছিস?

না।

সবকিছু আবার আগের মতো হয়ে যাবে।

হ্যাঁ।

এমন না যে ও ভিয়েতনাম যুদ্ধে গিয়েছিল।

ঠিক আছে? ও হারিয়ে গিয়েছিল, মিনিট পনেরোর জন্য...

ব্যাপারটা খুবই ভীতিকর হতে পারে ওর কাছে

না, তুমি জানো না ওর সাথে কী ঘটেছে।

- ওর সাথে অনেক কিছুই ঘটতে পারে। -ঠিক আছে, ঠিক আছে।

তাহলে কীভাবে... আমরা ওকে দিয়ে কথা বলাবো?

ওকে আঁকতে, লিখতে, নাচতে উৎসাহিত করতে হবে।

যাতে ও ওর মনের কথাগুলো বলতে পারে আমাদেরকে।

আমি শুধু আমার বাচ্চা মেয়েটাকে ফেরত চাই।

ঠিক আছে? ও কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।

- ও... - তোমাকে বলেছিলাম ওকে দেখেশুনে রাখতে।

- হ্যাঁ, হ্যাঁ। - দেখো তোমার অবস্থা।

- ও চলে গেছে, সেটা আমার দোষ না। - দেখো তোমার অবস্থা।

এটা আমার দোষ না। ও... আমার দিকে তাকাও।

দেখো তোমার অবস্থা!

অনুবাদক: তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান রাজদীপ দাস মুহাম্মাদ জসীম উদ্দীন হাসান শুভ কুদরতে জাহান

সম্পাদনায়: তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান কুদরতে জাহান

আগামী কাজগুলোর খবর জানতে লাইক দিন- facebook.com/subhut2014

আমাদের গ্রুপ facebook.com/groups/subtitlehut

বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।

আপনাদের উৎসাহই আমাদের অনুপ্রেরণা।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.