Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
-বেলা: আপনার ব্লগিং কেমন চলছে? -হ্যাঁ, ভাল, ভালোই চলছে।
- অনেক লিখেছেন? -একটা শব্দও না।
জন, এই বেসামরিক জীবনে অভ্যস্ত হতে আপনার কিছুটা সময় তো লাগবেই।
অবশ্যই।
এবং আপনার সাথে যেটা ঘটেছে তা লিখতে এটা খুব সাহায্য করবে।
কিছুই ঘটেনি আমার সাথে।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় হাবিবুল্লাহ কায়সার Habibullah Kaiser HK
যতদূর দেখছি শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই।
- কোন পরিচয়পত্র নেই। - বাকিদের মতো?
হ্যা একই রকম।
(দীর্ঘশ্বাস)
হুম,তুমি তাকে ফোন করছো না তো?
কারণ আমরা এটা সামলাতে পারবো আমরা সত্যি এটা সামতে পারবো।
তোমার করার জন্য অনেক কাজ পড়ে আছে।
ইনস্পেক্টর লেসট্রেড বলছিলাম। মেসেজটা পাওয়ার সাথে সাথে আমাকে ফোন করো।
আমার মনে হয় আমাদের তোমার দরকার পড়বে।
জন! জন ওয়াটসন।
- স্ট্যামফোর্ড। মাইক স্ট্যামফোর্ড। - আচ্ছা।
- বার্টসে তোমার সাথে ছিলাম। - হ্যা,দুঃখিত। মাইক, কি খবর?
- হ্যা,আমি জানি, একটু মোটা হয়ে গেছি। - না...
শুনলাম বিদেশের কোথায় জানি গিয়ে গুলি খেয়েছ।
কী হয়েছিল?
আমি গুলি খেয়েছিলাম।
- তো তুমি এখনো বার্টসে আছো,তাই তো? - শিক্ষকতা করি।
সব মেধাবী ছাত্র ঠিক আমাদের মতো!
ঈশ্বর,ঘৃণা করি ওদের। তোমার খবর কি?
সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এই শহরেই থাকবা?
আর্মির পেনশন দিয়ে লন্ডনে বাস করা কঠিন।
আমি জানি না,কারো সাথে ফ্ল্যাট শেয়ার করতে রাজি আছো?
আমার সাথে কে ফ্ল্যাট শেয়ার করবে?
(মাইক হাসছে)
কী হলো?
তুমি হলে আজকের দ্বিতীয় ব্যাক্তি যে আমাকে একই কথা বললো।
প্রথমজন কে ছিল?
কতটা তাজা?
মাত্রই এসেছে। ৬৭ বছর। স্বাভাবিক মৃত্যু।
এখানে কাজ করতো। তার দেহ দান করেছিলো। চিনতাম লোকটাকে। ভাল মানুষ ছিল।
বেশ! আমরা ঘোড়ার চাবুক দিয়ে শুরু করবো।
তো,দিনটা যাচ্ছেতাই গেলো,তাই তো?
(দীর্ঘশ্বাস)
আগামী ২০ মিনিটে কেমন কালশিটে পড়ে আমাকে জানাও।
একজনের সাক্ষ্য নির্ভর করছে এর উপর। মেসেজ পাঠিও।
শোনো, বলছিলাম কি, ইয়ে মানে, কাজের পরে, মানে, যদি...
লিপস্টিক মেখেছো দেখি! একটু আগে তো ছিল না।
আমি, মানে... এই একটু লাগালাম আর কি।
দূঃখিত,কিছু বললে?
ভাবছিলাম, তুমি কফি খেতে চাও কি না?
হ্যাঁ, ব্ল্যাক, দুই চামচ চিনি,প্লিজ উপরের তলায় আছি।
আচ্ছা।
- আমার নিত্যদিনের থেকে আলাদা পরিবেশ মনে হচ্ছে।
- তোমার ধারণারও বাইরে!
মাইক, তোমার ফোনটা ধার নেওয়া যাবে? আমি সিগনাল পাচ্ছি না।
আচ্ছা, ল্যান্ডলাইনে কি হয়েছে?
আমি বরং মেসেজ পাঠাই।
দুঃখিত, অন্য কোটে আছে।
ওহ, নিন। আমারটা ব্যবহার করুন।
ওহ, ধন্যবাদ।
আমার পুরোনো বন্ধু, জন ওয়াটসন।
আফগানিস্তান নাকি ইরাক?
আফগানিস্তান, দুঃখিত, আপনি কিভাবে জানলেন?
আহ, কফি! ধন্যবাদ মলি।
লিপস্টিকের কী হলো?
এটা আমাকে মানাচ্ছে না।
সত্যি? আমি মনে করলাম অনেক বড় উন্নতি হয়েছে।
মুখ এখন খুব ছোট দেখাচ্ছে।
ঠিক আছে।
-ভায়োলিন কেমন লাগে? -দুঃখিত কি?
যখন আমি ভাবি তখন ভায়োলিন বাজাই।
কখনও কখনও আমি অনেকদিন কথাও বলি না। এটা কি আপনাকে বিরক্ত করবে?
সম্ভাব্য ফ্ল্যাটমেটের একে অপরের সম্পর্কে খারাপ জিনিসগুলো জানা দরকার।
-ওহ, তুমি তাকে আমার সম্পর্কে বলেছো? -একটা শব্দও না।
-তাহলে কে বললো ফ্ল্যাট্মেট সম্পর্কে? -আমি করেছি।
সকালে মাইককে বলেছিলাম ফ্ল্যাট্মেটকে অবশ্যই শক্ত মানুষ হতে হবে।
এখন সে এখানে দুপুরের খাবারের পরে তার পুরোনো বন্ধুর সাথে
যিনি আসছে আফগানিস্তান এর মিলিটারি পরিষেবা থেকে।
এটা কোন কঠিন অগ্রগতি ছিলো না।
আফগানিস্তান সম্পর্কে আপনি কীভাবে জানলেন?
আমি মধ্য লন্ডনের একটি সুন্দর ছোট্ট জায়গা দেখে রেখেছি।
দুজনে একসাথে যাওয়ার সামর্থ্য আছে,আমরা সেখানে আগামীকাল সন্ধ্যা ৭টায় দেখা করবো।
দুঃখিত, আমার একটু তাড়া আছে।
আমার চাবুক মনে হয় মৃতদেহের কক্ষে ফেলে রেখে আসছি।
-এটাই নাকি? -এটাই কি?
আমরা সবেমাত্র দেখা করলাম এবং এখন যেয়ে ফ্ল্যাটটা দেখে আসি?
কোনো সমস্যা?
আমরা একে অপরের সম্পর্কে কিছুই জানি না, আপনার নামও জানি না,
আমি জানি না আমরা কোথায় দেখা করেছি।
আমি জানি আপনি একজন আর্মি ডাক্তার
আর আহত হবার পরে আফগানিস্তান থেকে ফেরত এসেছেন।
আমি জানি আপনার একটা ভাই আছে যে আপনাকে নিয়ে চিন্তিত
কিন্তু আপনি তার কাছে সাহায্যর জন্য যাবেন না কারণ আপনি তাকে মেনে নেন না।
সম্ভবত সে মাতাল হওয়ার কারণে,
আরও সম্ভবত কারণ তিনি সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীর সাথে চলে গেছেন।
আর আপনার থেরাপিস্ট মনে করে, আপনার খোঁড়ানোর কারণটা মানসিক।
ঠিকই বলেছি, যা মনে হচ্ছে।
এটাই যথেষ্ট না আমার সাথে আসার জন্য কি ভাবেন?
নাম শার্লক হোমস এবং ঠিকানা ২২১ বি বেকার স্ট্রিট।
বিকেলে দেখা হচ্ছে।
হ্যাঁ, সে সবসময় এরকমই।
মিসেস হাডসন, আমাদের বাড়িওয়ালা।
-আহ, মিঃ হোমস - শার্লক, প্লিজ।
অভিজাত এলাকা, ভাড়া তো চড়া হবার কথা। আমাকে স্পেশাল অফার দিয়েছিলেন কারণ...
কয়েক বছর আগে তার স্বামী ফ্লোরিডায় আত্মহত্যা করেছিলো
ওই ব্যাপারে সাহায্য করেছিলাম।
মানে, তুমি তার স্বামীকে ফাঁসি থেকে বাঁচিয়েছিলে?
ওহ না, আমি এটা নিশ্চিত করেছিলাম।
শার্লক!
(হাস্যময়)
ভিতরে আসো,আসো।
জন: হ্যাঁ!
ভাল, খুব সুন্দর তো। সত্যিই খুব সুন্দর।
হ্যা,আমারও মনে হয় তাই,আমার চিন্তা ঠিক তাই আমি এখানে চলে আসছি।
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই আবর্জনা আমাদের পরিষ্কার করতে হবে।
তো, এই সব আপনার জিনিস?
হা,আমি একটু গুছাই নিই এগুলা।
এটা কি আসল খুলি?
বন্ধুর মতো,আমি বলি বন্ধু।
আপনার কী ধারণা,ডঃ ওয়াটসন?
উপরে আরও ২ টা শোয়ার ঘর আছে আপনার যদি ২ টা বেড এর দরকার হয়।
হ্যা, আমাদের দুজনের অবশ্যই তো দুটোর দরকার হবে।
ওহ, চিন্তা করবেন না, এখানে সব ব্যাবস্থা আছে।
পাশের বাড়ির মিসেস টার্নার বিয়ে করেছেন।
শার্লক, তুমি সব জগাখিচুড়ি পাকিয়ে রেখেছো!
ও আমি, আপনাকে গতকাল রাতে ইন্টারনেটে খুজেছি।
আকর্ষণীয় কিছু পেলেন?
আপনার ওয়েবসাইটট খুঁজে পেয়েছি। "অনুদানের বিজ্ঞান।"
-কেমন মনে হলো? -একটু মজাদার, আমি মনে হলো।
মজাদার?
আপনি বলেছিলেন টাই দেখে একজন সফটওয়্যার ডিজাইনারকে শনাক্ত করতে পারেন।
এবং সে বাম হাতের হয়।
হ্যা,আমি আপনার মিলিটারি জীবন সম্পর্কে জানি আপনার পা আর মুখ দেখে।
এবং আপনার ভাইয়ের মদ্যপান করার অভ্যাস এটা আপনার ফোন দেখে।
জায়গাটার অবস্থা খুব খারাপ!
-কেন? -আপনি আর্টিকেল টা পড়েছেন।
আর্টিকেলটা অযৌক্তিক ছিল।
কিন্তু আমি তার মদ্যপানের ব্যাপারে জানি আমি আরও জানি সে তার স্ত্রীকে ছেড়ে দিছে।
তাহলে এই আত্মহত্যার কী হবে শার্লক?
ভেবেছিলাম যে তুমি তোমার রাস্তায় এটা ঠিক করবে।
এখন তো চারটা হয়ে গেছে।
হ্যাঁ, আসলে এটা আমার রাস্তায় খুব বেশি।
(গাড়ি থামার শব্দ)
আমি কি জিজ্ঞেস করতে পারি? আপনার রাস্তা কোনটা?
শার্লক: এটা পাঁচটা হয়ে গেছে হয়তো এখন।
এবার কোথায়?
ব্রিক্সটন, লরিস্টন গার্ডেন। তুমি কি আসবে?
-আর ফরেনসিক কে? -অ্যান্ডারসন।
অ্যান্ডারসন আমার সাথে কাজ করবে না।
সে তোমার সহায়ক হবে না।
কিন্তু আমার একজন সহায়ক দরকার।
তুমি কি আসবে?
পুলিশের গাড়িতে নয়। আমি পিছনে আসছি।
ধন্যবাদ।
দুর্দান্ত! এটাইতো চাই!
আমি ভেবেছিলাম সন্ধ্যাটা পানসে যাবে।
সত্যি বলতে তুমি একজন সিরিয়াল কিলারকে ধরতে পারবে না,
যখন হাতে কিছু থাকে না,মিসেস হাডসন!
মিসেস হাডসন,ফিরতে রাত হবে, কিছু বানিয়ে রাখবেন।
আমি তোমার বাড়িওয়ালী, সোনাপাখি, তোমার গৃহকর্মী না।
শার্লক: ঠান্ডা কিছু হলেও চলে যাবে।
জন, চা-টা কিছু খাও, আরাম করো। রাত জেগে থেকো না!
দেখো তো দেখি! সারাক্ষণ দৌড়ের উপরে... আমার স্বামীও ঠিক এমন ছিল।
কিন্তু আপনি বেশ শান্তশিষ্ট, দেখেই বুঝেছি।
আমি আপনাকে এক কাপ চা বানিয়ে দিচ্ছি, আপনার পা কে বিশ্রাম দিন।
-বালের পা আমার! - (আতকে ওঠা) ওহ।
দুঃখিত, আমি দুঃখিত। কোন কোন সময় এই ফালতু জিনিস ...
আমি বুঝতে পেরেছি, সোনা,আমি একটা হিপ(ছোট গোসলের টব) আনছি।
এক কাপ চা ভালো লাগবে, ধন্যবাদ।
এই একবারই বানাচ্ছি, সোনা, আমি তোমাদের কাজের মেয়ে না।
কয়েকটা বিস্কুট আনলেও ভালো হয়।
তোমার গৃহকর্মী না।
তুমি একজন ডাক্তার। আসলে তুমি একজন আর্মি ডাক্তার।
হ্যাঁ।
কাজটাজ পারো তো?
খুব ভালো পারি।
অনেক জখম দেখেছ তাহলে। হিংস্র মৃত্যুও দেখেছো।
অবশ্যই।
- গ্যাঞ্জামও কম দেখো নি নিশ্চয়ই? - অবশ্যই, হ্যাঁ।
এক জীবনের জন্য যথেষ্ট।
-আরও দেখতে চাও? - ও ঈশ্বর, অবশ্যই!
এসো, তাহলে।
দুঃখিত, মিসেস হাডসন, চা বাদ দিন। বাইরে যাচ্ছি।
কি, দুজনেই?
ঘরে বসে কোন লাভ নেই।
যখন শেষ পর্যন্ত কিছু আকর্ষণীয় খুন হয়েছে।
দেখো তো দেখি, খুশিতে গদগদ। এটা ভালো দেখায় না।
ভালো দেখাতে কে চায়?
খেলা, মিসেস হাডসন, খেলা শুরু!
ট্যাক্সি!
- ঠিক আছে, তুমি প্রশ্ন করতে পারো। - আমরা কোথায় যাচ্ছি?
অপরাধের স্থান, খুন হয়েছে। তারপর?
- তুমি কে? তুমি কি করো? - তুমি কি মনে করো?
-আমি বেসরকারী গোয়েন্দা বলতে চাই, কিন্তু ... -কিন্তু?
পুলিশ বেসরকারি গোয়েন্দাদের কাছে যায় না।
আমি একজন উপদেষ্টা গোয়েন্দা।
আমি এই পৃথিবীতে একজন মাত্র এই চাকরিটা তৈরি করেছি।
এটার মানে কি?
এর অর্থ যখন পুলিশ তাদের গভীরতার বাইরে চলে যায়,
যা সবসময়ই হয়, তারা আমার সাথে পরামর্শ করে।
কিন্তু পুলিশ ... অপেশাদারদের সাথে পরামর্শ করে না।
প্রথমবার আমাদের দেখা হওয়ার পরে...
জিজ্ঞাসা করলাম, "আফগানিস্তান না ইরাক?" তুমি অবাক হয়েছিলে!
- তুমি কিভাবে জানো? -আমি জানি না,আমি দেখেছি।
ধন্যবাদ!
শার্লক: ট্যানডফেস, তবে কব্জির উপরে কোনও তামাটে বর্ণ নেই।
দেশের বাইরে ছিলে, কিন্তু রৌদ্রস্নানে নয়।
তোমার চুলের ছাঁট এবং তোমার চলাচল মিলিটারিদের মতো।
রুমে প্রবেশ করার সময় তোমার কথা...
আহ্, আমার নিত্যদিনের থেকে কিছুটা আলাদা।
... বার্টস এ প্রশিক্ষিতরা এটা বলেন।
সুতরাং সেনা ডাক্তার, স্পষ্ট।
হাঁটার সময় বাজেভাবে খোঁড়াচ্ছিলে,
কিন্তু ঘরে ঢুকে বসার জন্য চেয়ার চাও নি,
যেন ভুলেই গেছো পায়ের কথা,
তার মানে এটা কিছুটা হলেও এটা মানসিক ব্যাপার।
তার মানে শারীরিক আঘাতের ঘটনা তোমার মনে প্রভাব ফেলেছে।
অর্থাৎ, যুদ্ধে আহত হয়েছো। যুদ্ধে আহত + রোদে-পোড়া = আফগানিস্তান বা ইরাক
তুমি বললে, আমার থেরাপিস্ট আছে।
মানসিক আঘাত থেকে খোঁড়াচ্ছো, থেরাপিস্ট তো থাকবেই।
তারপর তোমার ভাই...
নিন,আমারটা ব্যাবহার করুন। -ধন্যবাদ।
তোমার ফোন, অনেক দামের, ইমেল করা যায়, Mp3 প্লেয়ার আছে,
তুমি ফ্ল্যাট-শেয়ার এর জন্য খুঁজছো, তাই তুমি এটাই এত টাকা ব্যয় করবে না।
এটি একটা উপহার, তারপর।
আচড়্গুলো একবার না , অনেকবার হয়েছে।
এটা কয়েন আর চাবির সাথে একই পকেটে ছিলো
আমার পাশে বসে থাকা লোক তার দামি জিনিসটি এভাবে ব্যবহার করবে না।
তাই এটার আগের মালিক এর কাজ এটা।
পরেরটুকু তো সোজা, তুমি নিজেও জানো।
খোদাই করা নামটা?!
"হ্যারি ওয়াটসন," স্পষ্টতই পরিবারের সদস্য যে তোমাকে তার পুরানো ফোনটা দিয়েছে।
তোমার বাবা নয়, এটি একটা যুবকের জিনিস।
খালাতো ভাই হতে পারে,কিন্তু তারপরে তুমি তো যুদ্ধের নায়ক হয়ে দেশে ফিরেছো...
যে বাস করার জায়গা খুঁজে পাচ্ছিলো না।।
খুব সম্ভবত তোমার যৌথ পরিবার নেই। থাকলেও তুমি যোগাযোগ রাখো না।
তার মানে এটা তোমার ভাই হবে।
এখন ক্লারা, ক্লারা কে?
তিনটি চুমু বলে দিচ্ছে কোন একটা প্রেম ভালোবাসার চক্কর!
ফোনের দাম বলে দিচ্ছে এটা স্ত্রীর,প্রেমিকার না।
তিনি তাকে সম্পতি এটা দিয়েছেন ,কারণ এই ধরনের ফোন মাত্র ৬ মাস এসেছে।
সুতরাং ঝামেলার মধ্যে বিবাহটা হয়েছে। ছয় মাস পরে, তিনি তা ফিরিয়ে দিয়েছেন?
যদি সে তাকে ছেড়ে চলে যেন তবে সম্ভবত তিনি ফোনটি রাখতেন।
মানুষ অনুভূতির দিক থেকে করে।
তবে তা হয়নি সে এটা থেকে মুক্তি চেয়েছিল। সে তাকে ছেড়ে চলে গেল।
সে তোমাকে ফোনটা দিয়েছে যাতে তোমার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারে।
সে তোমাকে নিয়ে চিন্তিত। তুমি সস্তা বাসা খুঁজছো,
কিন্তু তুমি সাহায্যের জন্য আপনার ভাইয়ের কাছে যাবে না।
এটা বলে দিচ্ছে যে তার সাথে তোমার কোনো সমস্যা আছে।
হতে পারে তুমি তার স্ত্রীকে পছন্দ করতে হতে পারে তার মদ্যপান অভ্যাসকে অপছন্দ করো,
হ্যা,কিন্তু তুমি তার মদ্যপানের কথা কিভাবে জানলে?
অন্ধকারে গুলি করার মতো করে!
ধন্যবাদ।
চার্জের জায়গায় কিনারায় ছোট ঘষার মতো আছে
প্রতি রাতে সে এটাকে চার্জে লাগিয়ে ঘুমায় কিন্তু তার হাত কাপে,
শান্ত স্বভাবের লোকের ফোনে তুমি এই চিহ্ন দেখতে পাবে না।
মাতাল ছাড়া কারো কাছে এটা দেখা যায় না।
হলো তো, তুমি ঠিকই বলেছিলে।
আমি ঠিক? ঠিকটা কি?
পুলিশ অপেশাদারদের সাথে পরামর্শ করে না।
এটা... পুরোপুরি দুর্দান্ত!
- তুমি তাই মনে করো? - অবশ্যই ছিল। অসাধারণ!
খুবই অসাধারণ।
লোকে যা বলে সাধারণত তা হয় না।
- তারা সাধারণত কি বলে? - ভাগ এখান থেকে!
আমি ভুল বলেছি কিছু?
হ্যারি আর আমার মিলে না, মিলে নি কখনই।
তিন মাস আগে হ্যারি আর ক্লারা আলাদা হয়ে গেছে।
হ্যারি মদ পান করে।
তারপরে আমি ভাবিনি যে সবকিছু ঠিক হবে।
হ্যারির পুরো নাম হ্যারিয়েট।
হ্যারি তোমার বোন?
এখন আমরা এখানে কি করতে এসেছি?
- বোন!? - আমরা এখানে কেন আসছি?
সবসময় কিছু না কিছু ভুল হয়।
-হ্যালো,উন্মাদ! - আমি এখানে ইনেস্পেক্টর লেস্ট্রাড এর সাথে দেখা করতে এসেছি ।
-কেন? -আমাকে আমন্ত্রণ করেছে।
-কেন? -আমার মনে হয় সে আমাকে ওটা একবার দেখাতে চায়।
-আমি কি ভাবি তুমি তা জানো,তাই না? - সবসময়, স্যালি।
এটাও জানি যে, গতরাতে তুমি বাসার বাইরে ছিলে।
সে কে?
আমার সহকর্মী, ডঃ ওয়াটসন।
ডঃ ওয়াটসন, সার্জেন্ট সেলি ডোনোভান, পুরাতন বন্ধু।
সহকর্মী? কীভাবে তুমি সহকর্মী পেলে?
সে কি আপনার পিছু নিয়েছিলো?
আমি না হয় এখানেই অপেক্ষা করি...?
না!
হ্যা,পাগলটা এসেছে,ভিতরে নিয়ে আসছি।
অ্যান্ডারসন, আবার দেখা হয়ে গেলো।
এটা খুনের স্থান।
আমি কোনো ঝামেলা চাই না,বুঝেছো তুমি?
আমি বুঝেছি।
যাদু করে ইনেস্পেক্টর লেসট্রাডকে মুগ্ধ করতে পারবা,
কিন্তু আমার উপরে তা কাজ করবে না।
তোমার স্ত্রী কি অনেকদিন বাসায় নেই?
কাজের ভান করবা না কেউ তোমাকে বলেছে!
শার্লক: তোমার সুভাস আমাকে বলে দিচ্ছে ।
-অ্যান্ডারসন: আমার সুভাস? - এটা পুরুষদের জন্য নাকি?
অবশ্যই এটা পুরুষের জন্য, আমি নিয়েছি এটা !
সার্জেন্ট ডোনভান এর ও তাই।
(কটুগন্ধ)
মনে হচ্ছে এটা ছড়িয়ে পড়েছে। আমি কি ভিতরে যেতে পারি?
আমার কথা শোনো,তু্মি কি বোঝানোর চেষ্টা করছো?
আমি কিছুই বোঝাচ্ছি না,
আমি নিশ্চিত স্যালি এসেছিল ভালো গল্প করার জন্য আর রাত কাটিয়ে চলে গেছে!
মনে হয় তোমার মেঝেটাও মুছে দিয়েছে, ওর হাঁটু তো তাই বলছে।
আচ্ছা,ঠিক আছে,ভিতরে যাও।
(দীর্ঘশ্বাস)
তোমার হাতে দুই মিনিট সময় আছে।
আমার আরও বেশি লাগতে পারে।
-শার্লক: এগুলো পরে নাও। -ইনি কে?
তিনি আমার সাথে আছে।
-হ্যাঁ, কিন্তু কে সে? -আমি বললামই তো ,আমার সাথে আছে।
তো,কোথায়?
উপরে।
পায়ের ছাপ থেকে দেখা যাচ্ছে এই ঘরে অন্য ব্যাক্তি ছিলো।
শেষ ১২ ঘন্টা যাবত, ৫ ফিট ৭ ইঞ্চি এর লোক।
এবং দেখে মনে হচ্ছে সে এবং ভিক্টিম একই গাড়িতে আসছিলো।
লাশ থেকে সব পরিচয় সরিয়ে ফেলেছে।
ঠিক বাকিদের মতো!
তিনি কে বা কোথা থেকে এসেছেন সে সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই ।
পরিস্কার সে শহরের বাইরে থেকে এসেছে।
দেশে ফেরার আগে লন্ডনে একটি রাত কাটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।
- তাই অনেক পরিস্কার -পরিস্কার?
হ্যাঁ, অবশ্যই, তার ডান পা পিছনে। ডঃ ওয়াটসন, তুমি কি ভাবো?
-আমি কি ভাববো? - তুমি মেডিকেলের লোক।
-আমার পুরো টিম বাইরে আছে - তারা আমার সাথে কাজ করবে না।
দেখো,আমি তোমার জন্য সব নিয়ম ভঙ্গ করছি কারন তুমি এখানে আসো তাই।
হ্যাঁ, কারণ তোমার আমাকে দরকার।
হ্যা,আমি করছি...
জন?
সে যেমন বলে সেভাবেই করেন।
(জন শব্দ করছে)
ঠিক আছে?
-আমি এখানে কি করবো? - আমাকে সাহায্য করো।
আমি তো তোমাকে ভাড়া দিয়ে সাহায্য করছি।
-হ্যাঁ, এটা আরও মজাদার। -মজা? এখানে একজন মহিলা মরে পড়ে আছে।
না এখানে ২ জন মহিলা আর ৩ জন পুরুষ মারা গেছে।
কথা বলতে থাকো আরও অনেক কিছু আছে।
তাহলে, মৃত্যুর কারণ কি?
শ্বাসকষ্ট সম্ভবত।
তার বমি আটকে গিয়ে সে মারা গেছে
আমি কোনো অ্যালকোহলের গন্ধ পাচ্ছি না, সম্ভবত ওষুধ হতে পারে।
এটা বিষ ছিল।
-তুমি কিভাবে জানো? -তারা সবাই বিষ নিয়েছিলো।
-কে দিয়েছে? -নিজেরাই!
-নিজেরাই? -আমরা ড্রাগটা চিহ্নিত করেছি।
কিছু যায় আসে না, এটা বিষ ছিল।
প্রতিবার একই পদ্ধতি।
তারা প্রত্যেকেই নিজের স্বাভাবিক জীবন থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে।
থিয়েটার থেকে, তাদের বাড়ি থেকে, অফিস থেকে, পাব থেকে,
ফিরে এসে মারা যাওয়ার কোনো কারণ নেই।
ধস্তাধস্তির কোনো চিহ্ন নেই। কোনো জবরদস্তি করা হয় নি।
তাদের প্রত্যেকে একই রকম বিষ নিয়েছে,
এবং যতদুর বলা যায় তারা নিজে থেকেই নিয়েছে।
শার্লক, দুই মিনিট, আমি বলেছি। তুমি যা পাবে সব আমার দরকার।
- ঠিক আছে,নিচে নিয়ে যান -তুমি বলো কি পেলে তুমি?
আমি এটা লিখতে পারবো না। -শার্লক!
ঠিক আছে ,আমি লিখছি।
ধন্যবাদ।
ভিক্টিম এর বয়স ৩০ এর কাছে হবে পেশাদার ব্যক্তি।
পোশাক দেখে মনে হচ্ছে সংবাদমাধ্যমে কাজ করে।
কেটকেটে গোলাপি রঙের ছড়াছড়ি দেখে মনে হছে।
তিনি আজ কার্ডিফ থেকে ভ্রমণ করে এসেছে,
লন্ডনে এক রাত থাকার ইচ্ছায়।
তার স্যুটকেস এর আকার থেকে সুস্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে ।
-স্যুটকেস? -স্যুটকেস, হ্যাঁ।
সে অনেক বছর বিবাহিত, তবে সুখে নেই।
কয়েকজন পরকীয়া প্রেমিক ছিল, কিন্তু প্রেমিকরা তার বিয়ের কথা জানতো না।
ঈশ্বরের দোহাই, তুমি কি এসব বানিয়ে বলছো...
তার বিয়ের আংটি, দেখুন! সেটা খুব টাইট।
সে যখন এটা প্রথম পরেছিলো তখন সে চিকন ছিলো এটাই বলে দেই তার বিয়ের বয়স।
এছাড়াও জেম এর এখানে পরিবর্তন করা হয়েছে।
তবে তার বাকি গহনাগুলি সম্প্রতি পরিষ্কার করা হয়েছে,
এটি আপনাকে তার বিয়ের অবস্থা সম্পর্কে যা জানা দরকার সব বলে দেয়।
রিংয়ের ভিতরটি বাইরের চেয়ে চকচকে।
এর অর্থ সে এটি নিয়মিতভাবে খুলতো।
এটা শুধু ঘষা হয় যখন সে তার আঙুল দিয়ে কাজ করে
কিন্তু এটা এত সহজ না, এর কিছু কারণ আছে
এটি কাজের জন্য হতে পারে না, তার নখ খুব বড়।
সে তার হাত দিয়ে কাজ করে না,
তাহলে কি জন্য আংটি খুলে?
স্পষ্ট এক প্রেমিক না
একজনের সাথে বেশিদিন গেলে বিয়ের কথা লুকাতে পারতো না।
তার মানে অনেকগুলো প্রেমিক। সহজ হিসাব!
অসাধারণ!
দুঃখিত!
কার্ডিফ?
-পরিস্কার, তাই না? - না আমার কাছে পরিস্কার না।
হায় ঈশ্বর, তোমাদের লিলিপুট মগজে ঘিলু বুলতে কিছু আছে?
খুবই বিরক্তিকর নিশ্চয়ই।
তার জামা কিছুটা ভেজাভেজা।
সে ভারী বৃষ্টির মধ্যে কয়েক ঘন্টা ছিলো।
শেষ কয়েক মিনিটে লন্ডনের কোনো জায়গায় বৃষ্টি হয় নি।
তার কোটের কলারের নিচেও ভেজা, সে বাতাসের বিপরীতে ছিলো।
তার বাম পকেটে একটি ছাতা আছে, কিন্তু সেটা শুকনা।
শুধু বাতাস নয়, প্রবল বাতাস। তার ছাতা ব্যবহার করা কঠিন ছিলো।
স্যুটকেস থেকে বুঝছি যে সে এক রাত থাকার ইচ্ছা করেছিল,
তো নিশ্চয় তিনি বেশ দূর থেকে এখানে এসেছেন।
কিন্তু সে দু'তিন ঘন্টার বেশি যাত্রা করে আসেনি।
কারণ তার জামা এখনও শুকায় নি।
তাহলে দু'তিন ঘন্টার দূরত্বে...
...এরকম ঝড়ো বাতাস আর বৃষ্টি কোথায় হয়েছে?
কার্ডিফ!
দারুণ!
- তুমি যে এগুলা চেঁচিয়ে বলছো, জানো তো? - স্যরি, চুপ করছি।
নাহ... ঠিক আছে।
- কিন্তু এখানে কোন স্যুটকেস ছিল না। - মানে?
বারবার স্যুটকেসের কথা বলছো। কিন্তু এখানে কোন স্যুটকেস ছিল না।
ওহ,আমি ভাবলাম তুমি সেটা আগেরভাগেই নিয়ে চলে গেছো।
তার কাছে একটা হ্যান্ডব্যাগ ছিল। বারবার স্যুটকেসের কথা বলছো কেন?
কারণ তার কাছে ছিল।
তার হ্যান্ডব্যাগে কোন মোবাইল ফোন ছিল?
না।
অদ্ভুত! বেশ অদ্ভুত তো!
- কেন? - কিছু মনে করো না। আমাদের স্যুটকেসটা খুঁজতে হবে।
তুমি কিভাবে জানলে যে তার কাছে একটা স্যুটকেস ছিল?
ডান পায়ের গোড়ালি ও কাফে ছোট ছোট কাদার ছিটে দাগ দেখা যাচ্ছে।
কিন্তু তার বাম পায়ে নেই।
সে ডানহাত দিয়ে একটা চাকাওয়ালা স্যুটকেস টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।
আর কোনভাবে এই ছিটের দাগ হবে না।
ছিটের পরিমাণ দেখে ছোট স্যুটকেস মনে হচ্ছে।
এমন পোশাক-সচেতন মহিলার অতটুকু ব্যাগ...
...শুধু এক রাতের জন্যই হতে পারে।
তার মানে সে রাতে এখানে থাকতো।
হয়তো সে কোন হোটেলে এসে উঠেছিল আর তার স্যুটকেস সেখানে থেকে গিয়েছে।
সে কখনো হোটেলে যাওয়ার জন্য তৈরী হয়ে বের হয় নি। তার চুল দেখো?
তার জামা থেকে লিপস্টিক সব রঙ মেলানো।
তার মতো মহিলা…
জীবনেও চুলের এই দশায় হোটেল থেকে বের হবে না...
ওহ!
শার্লক!
শার্লক? কী হলো, কী?
সিরিয়াল কিলার, ধরা শক্ত।
এরা কখন ভুল করবে তার অপেক্ষাই করা লাগে।
- আমাদের পক্ষে আর অপেক্ষা করা অসম্ভব!
ওহ্ অপেক্ষার পালা শেষ।
তোমরা তাকে পাওয়ার আগেও সে এখানে এসেছিল।
তাই নাকি?
না,বেশিক্ষণ না। ধরতে গেলে মাত্র এক ঘন্টা আগে।
মাত্র এক ঘন্টা আগে। ১ ঘন্টা!
অজ্ঞান হওয়ার খবর কখন এসেছিল? জানতে পারবে?
বলো না যে তাকে সারাদিনেও খুঁজে পাও নি।
- কেন? - তার দিকে তাকাও, ঠিকমতো!
হিউস্টন, একটা ভুল পাওয়া গেছে।
কি ভূল?
গোলাপি!
- অ্যান্ডারসন? - আমি এখানে!
তো,এখানে মুদ্দাকথাটা কী?
আমরা একটা সাইকোপ্যাথের পিছু ধাওয়া করছি।
তাই আমরা আরেকজন সাইকোপ্যাথকে আমাদের সাহায্যের জন্য ডেকেছি?
যদি তাই হয়। যা পারো করো।
চলো,কাজে লেগে পড়ি।
- আমার নোটগুলো...তুমি কী রেখে দিতে… - দূঃখিত...তুমি..
ডা. ওয়াটসন!
এখন তোমাকে ডা. ওয়াটসনের সাথে যেতে হবে।
তোমার নোটের আর দরকার নেই।
ঠিক আছে,এই দিয়েই কাজ শুরু করো।
দেখো,আমাদের জন আর অ্যাবিকে লাগবে যাতে...
- সে চলে গেছে। - কে, শার্লক হোমস?
হ্যাঁ, সে তো চলে গেল দেখলাম। এরকমই করে।
- ফিরে আসবে? - দেখে তা মনে হলো না।
ঠিক আছে!
হ্যা, মাফ করবেন। আমি কোথায় আছি বলতে পারবেন?
ব্রিক্সটন!
একটা ক্যাব কোথায় পাবো বলতে পারেন? আসলে হয়েছে কী...মানে...আমার পা।
হ্যা,প্রধান সড়কে দেখুন!
(দীর্ঘশ্বাস)
- এই। - হুম?
আপনি তো ওর বন্ধু না। ওর কোন বন্ধু নেই। তাহলে আপনি কে?
আমি... আমি কেউ না। ওর সাথে মাত্রই পরিচয়।
আচ্ছা, একটা উপদেশ দেই। এই লোকের থেকে দূরে থাকো।
- কেন? - জানো সে কেন এখানে এসেছে?
এজন্য ও টাকা পায় না কিন্তু। সে পছন্দ করে। মজা নেয় এসব থেকে।
যত বিকৃত অপরাধ, তত বেশি তার মজা।
আর কী হবে জানো?
একদিন খালি এসব করে তার আর ভাল লাগবে না।
একদিন আমরা একটা লাশ খুঁজে পাবো,
আর শার্লক হোমস হবে সেই লাশের খুনী।
সেটা সে কেন করবে?
কারণ সে একটা সাইকোপ্যাথ। সাইকোপ্যাথরা সহজেই বিরক্ত হয়ে যায়।
- লেসট্রাডঃ- ডনোভান! - আসছি।
শার্লক হোমস থেকে দূরে থাকো!
- ধন্যবাদ! - কোন ব্যাপার না।
(মোবাইল ফোনে মেসেজের আওয়াজ)
- আপনি কি এমন দেরী করেই ফেরেন নাকি? - না,এমন সচরাচর ঘটে না।
দূঃখিত। কিন্তু আপনাকে বেশ অদ্ভুত লাগছে।
অদ্ভুত? অদ্ভুত মানে কী বলতে চাও?
কী করছো?
নিকোটিন প্যাচ। আমাকে চিন্তায় সাহায্য করে।
লন্ডনে আজকাল ধূমপানের অভ্যাসটা রাখাই কঠিন।
বুদ্ধির কাজের জন্য খারাপ খবর।
শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য সুখবর বটে।
ধুর, শ্বাস-প্রশ্বাস! শ্বাস নেয়া একঘেঁয়ে কাজ।
এ কী... তিনটা প্যাচ?
সমস্যাটাই যে তিন-প্যাচের!
তা বেশ!
তুমি আমাকে জলদি আসতে বলেছিলে।
এক ঘন্টা লাগলো এখানে আসতে। ভাবলাম জরুরী কোন দরকার হবে হয় তো।
ও, হ্যাঁ, অবশ্যই। তোমার ফোনটা ধার নিতে পারি?
আমার ফোন?
আমার নম্বর চিনে ফেলার সুমুহ সম্ভাবনা আছে।
ওটা ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে ।
মিসেস হাডসনের কাছেও একটা ফোন আছে!
হ্যা,কিন্তু উনি তো নিচতলায়। আমি ডাক দিয়েছিলাম,কিন্তু উনি জবাব দেন নি।
- আমি লন্ডনের আরেকপাশে ছিলাম। - তাড়াহুড়োর কিছুই নাই।
নাও...নাও!
তো,এটা কিসের? কোন কেস?
- তার কেস। - তার কেস?
তার স্যুটকেস,হ্যাঁ,তার স্যুটকেস খুনী নিয়ে চলে গেছে।
প্রথম বড় ভুল।
আর কোন উপায় নেই,আমাকে ঝুঁকি নিতেই হবে।
কিসের ঝুঁকি?
ওইপাশের টেবিলের উপর একটা নম্বর লেখা আছে।
আমি চাই তুমি একটা মেসেজ করো।
- কাকে মেসেজ করবো? - সেটা বড় কথা না।
টেবিলের উপরে নম্বরটা রাখা আছে। প্লিজ,এখুনি।
সার্জেন্ট ডোনোভান তোমার সম্পর্কে হয়তো ঠিকই বলেছিল।
- সে কী বলেছিল? - বলেছিল,তুমি একটা সাইকোপ্যাথ।
ওহ! কখনোই ভাবি নি সে এত বুদ্ধিমতী!
সে বলেছিল,হয়তো একদিন তারা খুনের জায়গায়...
তোমাকে লাশ সমেত পাবে।
একদম এই কথাই বলেছিল।
"লরিস্টন গার্ডেনসে কী হয়েছিল? "আমি বোধয় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম।"
"২২ নর্দাম্বারল্যান্ড স্ট্রিট। জলদি আসো। "
আচ্ছা? পাঠিয়ে দাও।
পাঠিয়েছ?
একটু দাড়াও।
এটা তো গোলাপি মহিলার স্যুটকেস, জেনিফার উইলসনের স্যুটকেস।
- এটা কীভাবে পেলে? - খুঁজতে গিয়ে।
কোথায়?
খুনী তাকে লরিস্টন গার্ডেনসে গাড়িতে করে পৌঁছে দিয়েছে।
আমরা জানি খুনী একজন পুরুষ।
কেউ এই স্যুটকেস সঙ্গে রাখলে সহজেই সকলের দৃষ্টিতে পড়বে..
তাই সে এটা তাড়াতাড়ি কোথাও ফেলে দিতে বাধ্য হবে।
যখন সে বুঝলো সেটা তার গাড়িতেই থেকে গেছে...
তার ভুলটা বুঝতে পাঁচ মিনিটের বেশি লাগার কথা না।
আমি গাড়ি ঢোকার মত সব চিপা গলি খুজলাম।
লরিস্টন গার্ডেনস থেকে পাঁচ মিনিট দূরত্বের মধ্যে।
এমন গলি যেখানে তুমি এমন ভারী কিছু ফেললেও...
কারো চোখে পড়বে না।
এক ঘন্টার মধ্যেই জায়গাটা খুঁজে পেলাম।
গোলাপি!
তুমি এতো কিছু অনুমান করে ফেললে কেবলমাত্র স্যুটকেসটা গোলাপি হবে বলে?
আচ্ছা,এত নিশ্চিত কিভাবে ছিলে যে সেটা গোলাপিই হবে?
- এটা আমার মাথায় কেন আসল না? - কারণ তুমি একটা গর্দভ।
না, না, এভাবে তাকানোর কিছু নেই। মোটামুটি সবাই তোমার মতোই।
পাঠিয়েছ?
পাঠিয়েছি,হ্যাঁ। এটা কিসের জন্য করলাম?
এই কেসের অংশ হিসেবে,এদিকে দেখো।
- আমি কী খুজছি? - হারানো জিনিসটা। একটা উধাও হওয়া জিনিস।
তার কাপড়ের ভাজে,মেকআপ বক্সে,ধৌত কাপড়ে একটু পরিবর্তন অবশ্যই আছে।
- এখান থেকে উধাও হয়েছে কী? - তার মোবাইল ফোন।
এখানে কোন মোবাইল ফোন ছিল না।
এটাই অসামঞ্জস্যতা।
লাশের কাছে কোন ফোন ছিল না, স্যুটকেসেও কোন ফোন নেই।
হয়তো,সে কোন ফোন ব্যবহার করতো না।
তার অনেকগুলো প্রেমিক আছে আর সে এ ব্যাপারে বেশ সচেতন।
সে হয়তো বাসায় ফেলে এসেছিল।
আবারো,অনেকগুলো প্রেমিক থাকায়,সে কখনো ফোন বাসায় রেখে আসার ভুল করবে না।
তো সেটা কোথায় থাকতে পারে?
তুমি জানো সেটা কোথায়! হয়তো কার কাছে আছে সেটাও জানো।
- খুনীর কাছে? - খুনীর কাছে।
আমি মাত্র কাকে মেসেজ পাঠালাম।
হয়তো সে গাড়ির পিছনে সেটা ফেলে দিয়েছে।
অথবা সে নিজেই এটা জেনেবুঝে করেছে যাতে আমরা খুনী পর্যন্ত পৌঁছাতে পারি।
কিন্তু খুনী তার ফোন পেয়ে যায়।
(ফোন বাজছে)
শেষ খুন করার কয়েক ঘন্টার মধ্যে,
সে একটা মেসেজ পেল যা শুধুমাত্র ঐ মহিলাই পাঠাতে পারে।
(ফোন বেজেই যাচ্ছে)
একজন নির্দোষ লোক এটাকে অগ্রাহ্য করবে,
ভাববে হয়তো ভুল করে চলে এসেছে। কিন্তু দোষী ব্যক্তি,
ঘাবড়ে যাবে।
পুলিশকে জানিয়েছো?
৫ জন মানুষ মারা গেছে,পুলিশকে জানানোর সময় নেই।
- তাহলে আমাকে কেন বলছো? - তুমি এখানে আছো তাই।
- তো? - তো,কী?
তো... তুমি ঘরে বসে টিভি দেখতে পারো...
সমস্যা?
- সার্জেন্ট ডোনোভান। - তার আবার কী করলো?
সে বলেছে তুমি এসবে মজা পাও।
আর আমি বললাম "বিপদ", আর তুমি এখানে চলে এসেছো।
ধ্যাত!
আমরা কোথায় যাচ্ছি?
নর্দাম্বারল্যান্ড স্ট্রিট,মাত্র পাঁচ মিনিটের পথ।
তোমার ধারণা, সে এতোটাই বোকা যে ওখানে আসবে?
না, আমার ধারণা সে অনেকটাই চতুর। চতুরগুলাকে আমার খুবই ভাল লাগে।
ধরা পড়ার জন্য ওরা মুখিয়ে থাকে।
- কেন? - প্রতিভার স্বীকৃতি।
হাততালি-বাহাবা! অবশেষে মনোযোগের মধ্যমণি!
তোমার কাছে এটা গ্রেফতার লাগতে পারে। তাদের কাছে ঈদের মতো আনন্দ লাগে।
এদের দর্শক দরকার।
হ্যাঁ।
হ্যা,হয়তো এটাই হয়।
২২ নর্দাম্বারল্যান্ড স্ট্রিট। চোখ কান খোলা রাখো।
- তুমি কী তোমার চোখ কান খোলা রাখতে চাও না? - সেটাই করছি।
হ্যাঁ, কিন্তু সে তো আর দরজায় কড়া নাড়িয়ে আসবে না,তাই না?
না,অবশ্যই না,সে শুধু এদিক দিয়ে যাবে।
সে হয়তো কিছুক্ষণ ঘুরঘুরও করতে পারে।
লন্ডনের অর্ধেক জনতা এদিক দিয়ে যাবে।
- আমি তাকে চিনে ফেলব। - তুমি তাকে চেনো?
- আমি জানি সে কেমন! - শার্লক।
মেনুতে যা খেতে চান খান,সব বিনামূল্যে।
এই পুরো জায়গাটা আপনি আর আপনার ডেট নিজের মনে করুন।
- শার্লক: তুমি খেতে চাও? - আমি তার ডেট নই।
ওহ,ওহ,ওই লোকটা!
সে আমাকে খুনের দায় থেকে রেহাই পাইয়ে দিয়েছে।
শার্লক: তার নাম অ্যাঞ্জোলো।
তিন বছর আগে, লেসট্রাডের কাছে...
আমি সফলভাবে প্রমাণ করেছিলাম যে এক রোমহর্ষক তিন খুনের সময়ে,
অ্যাঞ্জেলো, শহরের অন্য প্রান্তে চুরি করছিল।
সে আমার নাম বাঁচিয়েছে।
কিছুটা।
মেনুতে যা আছে অর্ডার করুন,আমি নিজে রান্না করে আপনার জন্য আনছি।
ধন্যবাদ,অ্যাঞ্জোলো।
যদি আপনি না থাকতেন,আমি হাজতে থাকতাম।
তুমি হাজতে গিয়েছিলেই।
আপনাদের টেবিলে একটা মোমবাতি দেই। বেশ রোমান্টিক হবে ব্যাপারটা।
আমি ওর ডেট না!
কিছু খেয়ে নিতে পারো। আমাদের হয়তো অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে।
হুম,কোথাও যাচ্ছো নাকি?
- আজ কী বার? - বুধবার।
আমি ঠিক আছি।
তুমি আজ সারাদিনে কিছুই খাও নি। ঈশ্বরের দোহাই লাগে,কিছু খেয়ে নাও।
না,তোমার খাওয়া দরকার। আমার দরকার নেই।
মস্তিষ্কতে যা ঘুরতে থাকে সেটা ছাড়া বাকি সবকিছুই এলোমেলো লাগে আমার কাছে।
- তোমার তো তাহলে কিছুটা শক্তি নিয়ে নেওয়া উচিত। - হুম
তো,তোমার কোন প্রেমিকা নেই যে তোমাকে খাইয়ে দেবে?
প্রেমিকারা এটাই করে নাকি? তোমাকে খাইয়ে দেয়?
- তাহলে তোমার কোন প্রেমিকা নেই। - এটা আমার আওতায় পড়ে না।
হুম।
ওহ।
ওহ,আচ্ছা।
তোমার কোন প্রেমিক আছে?
- যাই হোক না কেন,সেটা ভালোই। - হ্যা আমি জানি সেটা ভালো।
- তো তোমার কোন প্রেমিকও নাই তাহলে? - না।
আচ্ছা,ঠিক আছে।
আমার মতো সব বাঁধন ছেড়ে মুক্ত।
ভালো।
জন, ইয়ে... মনে হয় তোমার জানা দরকার,আমি আসলে আমার কাজকেই ভালবাসি,
আর যদিও আমি তোমার প্রস্তাবে খুবই অভিভূত।
আমি আসলে ওই ধরণের সম্পর্কে...
না,না,না।
আমি তোমাকে ওই প্রস্তাব দেইনি। না।
আমি এমনি বললাম। কথার ছলে বললাম।
যেটায় তোমার মনের কোণে উঁকি মারছিল...নৌকা আমি সেটাকে থামিয়ে দিলাম।
আমার মনে হয় সেটাই ভালো হবে।
তো,তুমি কিছুই করো না?
বাকি সবকিছুই আমার কাছে নির্বাসিত বস্তু।
এখনো কোন দেখা নেই?
আমার মনে হয় রাত আরো লম্বা যাবে। আমাদেরকে আরও বাস্তববাদী হওয়া উচিত।
তুমি একটু আগে বললে যে তুমি জানো না খুনী কে কিন্তু সে কী সেটা জানো।
তো,তুমি যখন এতকিছু ভাবতে পারো। তাহলে লোকজন ভাবতে পারে না কেন?
ওহ,কারণ আমরা গর্দভ।
আমরা জানি খুনী তার শিকারকে তার জায়গায় পৌঁছে দিয়ে আসে।
কিন্তু তাদের শরীরে জবরদস্তি বা আঘাতের কোন চিহ্ন পাওয়া যায় নি।
ওই ৫ জনের ভেতর সবাই নিজেদের ইচ্ছায় গাড়িতে উঠেছিল।
খুনী তাদের বিশ্বাসযোগ্য কেউ!
কিন্তু তাদের চেনাজানা কেউ না।
৫ জন পুরোপুরি আলাদা লোক, তাদের সাধারণ কোন বন্ধুও ছিল না।
আরেকটা ব্যাপার,লরিস্টন গার্ডেনে তোমার নজরে এটা পড়েছিল?
পর্দা সরানো,বৃদ্ধ মহিলাদের মতো।
বৃদ্ধমহিলাদের আমার খুব পছন্দের তারা আশেপাশে থাকলে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগে না।
কিন্তু পুলিশের ভাষ্যমতে,কেউ কোন অদ্ভুত গাড়ি দেখে নি।
যেটা পুরানো বাসার সামনে পার্ক করা হয়েছে। কেউ মনে করতে পারছে না।
তুমি যা বলছো এবার আমি বুঝলাম।
না..বুঝি নি। তুমি বলতে কী চাচ্ছো? খুনী কোন অদৃশ্য গাড়ি খুঁজে পেয়েছে?
হ্যা,হ্যা,অবশ্যই।
তারমানে তুমি যা বলছো তা আমি দেখতে পাবো না।
(দীর্ঘশ্বাস)
অনেক গাড়ি আছে যেগুলো ভূতের মতো চলে যায়,দেখা যায় না,মনেও রাখে না কেউ,
অনেক মানুষ আছে যাদেরকে আমরা সবসময়ই খুব বিশ্বাস করে ফেলি।
যখন আমরা একা থাকি,যখন হারিয়ে যাই, যখন মদ্যপান করি,
আমরা কখনো তাদের চেহারা দেখতে পাই না কিন্তু আমরা তাদের গাড়িতে উঠে পড়ি।
আর নিজের পায়ে কুড়াল মারি।
অ্যাঞ্জোলো,এক গ্লাস সাদা মদ,দ্রুত আনো!
বর্তমান সময়ের দূর্দান্ত খুনের অস্ত্র আমি তোমাকে দিলাম।
অদৃশ্য গাড়ি!
লন্ডনের ট্যাক্সি!
এই রাস্তায় সারারাত ধরে ট্যাক্সি যাতায়াত করতেই থাকে।
- ওই তো একটা থেমেছে। - সে আরোহী খুঁজছে।
- কিন্তু আমরা জানি না এটা সে কি না। - আমরা জানিও না সে এটা হতে পারে কি না।
ধন্যবাদ।
দেখো। কোন নাক গলাবে না।
অ্যাঞ্জোলো,মর্কট কোথাকার!
ওহ,আগে আরেকটা কেসে করেছিলাম,আবার??
যদি কিছু মনে না করো!
আমার রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে যাও! শালা! মাতাল কোথাকার!
(ইতালি ভাষায় কথা বলছে)
আর দূরে গিয়ে মরো।
(হর্ন বাজছে)
জনঃ সে কি করছে? অ্যাঞ্জোলো: শার্লক কেস সমাধান করছে।
খারাপ লোকেদের জন্য দূঃসংবাদ।
(হর্ন বাজছে)
এই,এই,এদিকে তাকাও।
দূঃখিত বন্ধু,এখন আর কাজে নেই।
২২১/বি বেকার স্ট্রিট!
আমি এখন আর কাজ করছি না বন্ধু, লাইটটা দেখতে পারছো?
ওই কোণার দিকে,ওই জায়গায়ই বেকার স্ট্রিট।
এখানে অনেক ট্যাক্সি রয়েছে। যেকোন একটা নিয়ে নাও।
২২১/বি!
আমি কাজে নেই এখন আর আমি মাতালদের ট্যাক্সিতে তুলি না।
(ফোন বাজছে)
হ্যালো?
তাদেরকে বিষ খাওয়ালে কিভাবে?
কী? কী বললে...কি বললে তুমি?
আমি বললাম,তাদেরকে বিষ খাওয়ালে কিভাবে?
ওই,কে তুই?
শার্লক হোমস!
ওই যে প্রচুর নেশাদ্রব্য নেয় সেই শার্লক হোমস?
- অন্তত এখন নি নাই। - জিজ্ঞাসা করলাম,কারণ অনেকক্ষণ চুপ ছিলে।
অনেক মানুষ এতক্ষণে কাঁত হয়ে যায়।
(চিৎকার করছে)
সমস্যা নাই,সবই পরিকল্পনার অংশ!
কোন ব্যাপার না,তারা মাত্র কয়েকজন। তাদের অবস্থাটা তো একবার দেখো।
জন!
জন,জন!
সমস্যা হলো,তোমার সব বন্ধুরা ভাবছে তুমি অভিনয় করছো।
এটাই মানুষের কাজ!
(হাসি)
তারা সবাই গর্দভ!
- কিছু একটা খারাপ ঘটেছে। - না,না,না।
সবই পরিকল্পনার অংশ। শার্লক পরিকল্পনা ছাড়া পা বাড়ায় না।
হ্যা,এটাতে খারাপ কিছু ঘটেছে।
আশা করি কিছু মনে করবে না।
আচ্ছা,আমাকে তোমার ঠিকানাটা দাও।
তুমি মাত্র ১০ মিনিটের জন্য বাইরে গিয়েছিলে।
তুমি বেশ শক্তিশালী। আমি অভিভূত।
তা ঠিক। নিজেকে গরম করে নাও তাহলে।
আমি তোমার জন্য সবকিছু আরামদায়ক করে রেখেছি।
এটা আমার ফ্ল্যাট।
অবশ্যই হ্যা এটা তোমারই। তোমার জ্যাকেটের পকেটেই তো চাবি পেলাম।
আমি ভাবলাম। কেন নয়?
মানুষ ঘরে মরতে বেশি পছন্দ করে।
এখন। এখনো,তোমার রক্তে ড্রাগস আছে।
বাকি এক ঘন্টা তুমি একটা বিড়ালছানার মতো দূর্বল হয়ে বসে থাকবে।
এখন আমি তোমার সাথে যা ইচ্ছা তাই করতে পারি,জনাব হোমস!
যা ইচ্ছা তাই।
কিন্তু চিন্তা করো না। আমি শুধু তোমাকে হত্যা করবো।
পুরো বাড়ি ফাঁকা।
এমনকি তোমাকে ভাড়া দেওয়া মহিলাটাও নাই।
তাই চেঁচিয়ে কোন লাভ নেই।
আমি তুমি এখন এক সুন্দর ঘরে বন্দি।
তবুও এখানে একটু ঝুঁকিপূর্ন তাই না? এখানে?
এটাকে তুমি ঝুঁকি বলো?
এটা আসল ঝুঁকি।
তুমি জানতে চেয়েছিলে না আমি কিভাবে তাদেরকে বিষ দিয়েছিলাম!
(হাসছে)
তোমার এটা বেশ পছন্দ হবে।
কিভাবে?
একটু অপেক্ষা করো। নিজেকে প্রস্তুত করো।
আমি তোমার সেরা খেলাটা দেখতে চাই।
আমার...আমার সেরা কী?
(শার্লক কাতরাচ্ছে)
আমি জানি তুমি কী জিনিস,জনাব হোমস!
যে মূহুর্তে তুমি নিজের নাম বলেছিলে আমি বুঝে গিয়েছিলাম।
শার্লক হোমস!
আমি তোমার ওয়েবসাইটে অনেকবার গেছি।
তুমি মেধাবী। সেই রকম একজন বুদ্ধিমান!
"অনুমানের বিজ্ঞান" এখন এটাই আসল চিন্তাধারা।
তোমার আর আমার মাঝে, বাকি মানুষেরা কেন ভাবতে পারে না?
তোমার মাথা খারাপ হয় না?
বাকি মানুষেরা কেন ভাবতে পারে না?
ওহ,আচ্ছা,তুমি ভালোই বুদ্ধিমান দেখছি।
তাকিয়ও না,তাকাবে নাকি?
মজাদার বেঁটেখাটো মানুষ চালিয়ে বেড়াও ট্যাক্সি।
কিন্তু বাকি সুযোগ তুমি,
এক মিনিটে জানতে পারবে। এটাই তোমার শেষ জানা হবে।
- কে তুমি? - কেউই না।
আপাতত!
কিন্তু আমি অপরিচিত ভাবে মরবো না,তাই না?
(দীর্ঘশ্বাস)
দুইটা বড়ি।
একটা ভালো বড়ি আরেকটা খারাপ বড়ি। ভালোটা নিলে তুমি বেঁচে যাবে।
- আর খারাপ বড়ি নিলে মারা যাবে। - আর তুমি জানো কোনটাতে কী আছে।
- অবশ্যই আমি জানি। - কিন্তু আমি না।
তুমি জানলে তো খেলাটা জমবে না।
তুমিই সিদ্ধান্ত নেবে।
এটা কোন খেলা না। এটা সুযোগ।
আমি ৫ বার খেলেছি আর আমি বেঁচে আছি।
এটা কোন সুযোগ না,জনাব হোমস। এটা দাবাখেলা।
এটা দাবাখেলার এমন এক চাল যে এক ভালো চালে তুমি বেঁচে যাবে।
আর এটাই সেই চাল।
আমি কী তোমাকে খারাপ বড়ি দিলাম নাকি ভালোটা?
তুমি যেকোন একটা বেঁছে নিতে পারো।
এটাই তুমি করেছিলে?
সবার সাথে?
তুমি তাদেরকে একটা করে সুযোগ দিয়েছিলে।
তোমাকে মানতেই হবে,
যেজন্য সিরিয়াল কিলাররা খুন করে আমি তার বিপরীতে ভালোর জন্য করছি।
যাইহোক, সময় শেষ।
পছন্দ করো।
আর তারপর?
আর তারপর,আমরা দুজনেই একই সাথে ঔষুধটা খাবো।
- চল খেলা যাক। - কিসের খেলা?
এটাতে ৫০ঃ৫০ সুযোগ রয়েছে।
তুমি কোন সংখ্যার সাথে খেলছো না, তুমি আমার সাথে খেলছো।
আমি কি তোমাকে ভালোটা দিলাম, নাকি খারাপটা?
এটা কি ধাপ্পা?
নাকি ডবল ধাপ্পা?
- নাকি ট্রিপল ধাপ্পা? - তারপরেও এটা কেবল সম্ভাবনাই।
চারজন মানুষ। পরপর। এটা কোন সম্ভাবনার খেলা না।
- ভাগ্য। - এটাই প্রতিভা!
আমি জানি মানুষ কিভাবে চিন্তা করে।
আমি জানি মানুষ আমার চিন্তা নিয়ে কী ভাবে।
পুরোটাই যেন আমার মাথার ভেতর মানচিত্রের মতো দেখতে পাই।
সবাই বড্ড বোকা!
এমনকি তুমিও।
কিংবা ঈশ্বর আমাকে খুবই ভালোবাসেন।
যাই হোক না কেন, তুমি ট্যাক্সি-চালক হিসেবে একটা ফালতু জঞ্জাল।
তুমি কিভাবে সিদ্ধান্ত নাও যে সঠিক কোনটা!
কেউ জানতো না যে তারা কোথায় যাচ্ছে!
কারণ হয় তারা মাতাল ছিল বা তারা হারিয়ে গেছে বা তারা শহরে নতুন এসেছিল।
বাকিদের মতো আমিও ভুল দরজায় কড়াঘাত করতে পারি।
...তুমি চারবার তোমার জীবনের ঝুঁকি নিয়েছ শুধুই অচেনা মানুষদের হত্যা করার জন্য। কেন?
তুমি মারা যেতে চলেছো,তাই না?
তুমিও।
আসলেই তোমার হাতে আর বেশিদিন সময় নেই। ঠিক বললাম না?
টিউমার। ঠিক এইখানে।
যে কোন সময়েই আমার মৃত্যু হতে পারে।
তোমার একমাত্র আশা এখন জনাব হোমস, আমার টিউমারের উপর বাজি ধরো! [মরে যাওয়ার কথা বুঝিয়েছে]
আমি কোন জুয়ারি না।
তুমি কি মনে করো আমি জুয়ারি নাকি?
তুমি ৫ জন মানুষকে খুন করেছো।
আমি ৫ জন মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি।
টিউমারের সাহায্যে মজা করা যায় টিউমার থাকার এটাই সুবিধা।
(গাড়ি আসছে)
(টায়ারের ঘর্ষণ)
দুইটার কোনটাই না নিলে কি হবে?
তাহলে আমি তোমার জন্য বেঁছে নিয়ে জোর করে তোমার গলায় ঢুকিয়ে চালান করে দেব।
এখন,তুমি কোনভাবেই আমাকে থামাতে পারবে না।
বেশ মজার তো,কেউই এ পর্যন্ত এই অপশনটা বেছে নেয় নি।
(মোবাইল ফোন বাজছে)
আর আমি জানি তুমিও সেই পথে যাবে না।
বিশেষত পুলিশেরা।
আমি জানি। আমি অন্ধ না।
বুদ্ধিমান পোলা ডা. ওয়াটসন!
আমি তাকে অগ্রাহ্য করেছিলাম।
তুমি ফোন পর্যন্ত যাওয়ার জন্য বেশ নিখুঁত এক চাল চেলেছো। তার আগেই আমি তোমাকে খুন করবো।
ওহ,আমার তা মনে হয় না।
তোমার হত্যার ধরণের মতো না।
তুমি ঝুঁকি নিতে চাও?
এই ব্যাপারে ঝুঁকি কেন নিচ্ছো না?
কোনটা হতে পারে বলে মনে হয়? কোনটা ভালো ঔষুধ হতে পারে?
আরে বলো। আমি জানি তুমি ভালো ব্যাখ্যা করতে পারো।
ওহ,দারুণ তো!
তো কি ভাবলে? খেলা যাক?
সত্যি কি ভাবলে তুমি?
আমাকে হারাতে পারবে?
সবকিছু তোমার একঘেঁয়ে লাগে নিশ্চয়ই, না? তোমার মতো মানুষ! এতো চালাক!!
এখন তো একঘেঁয়ে লাগছে না, তাই না?
এখন,এখুনি সঠিক সময়।
এটার জন্যই তো তুমি বেঁচে ছিলে,তাই না?
কোন প্রকার বিরক্ত না হয়ে।
(গুলি)
(পুলিশের গাড়ি সাইরেন বাজিয়ে আসছে)
কেউ কী দেখেছে? কোথা থেকে আসলো এটা?
কে গুলি চালালো? কে গুলি চালালো?
এলাকা পরিষ্কার করো! এলাকা পরিষ্কার করো এখুনি!
কম্বলটা কোথা থেকে এলো? এরা বারবার আমার উপর কম্বল চাপাচ্ছে কেন?
হ্যাঁ, আঘাত পেলে দেয়।
আমি তো আঘাত পাই নি।
হ্যাঁ, কিন্তু কয়েকজন ছবি তুলে রাখতে চায়।
(হাসি)
তা যে গুলি করলো,সে তোমার লোক ছিল না?
হায় ঈশ্বর! না,আমাদের এসবের সময় নেই।
কিন্তু আমার ধারণা অমন লোকের শত্রুতো থাকবেই।
হয়তো কেউ না কেউ তাকে অনুসরণ করেছে।
যে হোক না কেন সে আমাদের আগেই এসে খেল খতম করে চলে গেছে।
আর আমাদের হাতে তাকে ধরার মতো কিছুই নেই।
ওহ,আমি সেভাবে বলতাম না...
ঠিক আছে। দাও এবার আমি লিখে রাখি।
ওরা দেয়ালে যে বুলেটটা পেয়েছে, সেটা একটা হ্যান্ডগানের।
এতো দূর থেকে এমন প্রাণঘাতি নিশানা,
তাও আবার অমন বন্দুক থেকে, যাকে বলে নিখুঁত।
সে শুধুই সাধারণ নিশানাবাজ না, একজন যোদ্ধা।
তার হাত একটুও কাঁপে নি।
স্বভাবতই সে সহিংসতা দেখে অভ্যস্ত।
সে ততক্ষণ গুলি করে নি যতোক্ষণ না আমি প্রকৃত বিপদে পড়ি,
এমনই তার নৈতিক দৃঢ়তা।
সম্ভবত এমন কেউ যার মিলিটারিতে চাকরির অভিজ্ঞতা আছে।
আছে ইস্পাতের মতো স্নায়ু...
আসলে, শোন কী বলি? বাদ দাও যা বলেছি।
কি বললে?
- যা বলেছি ভুলে যাও। এটা আসলে, ঐ যে... আঘাত থেকে বলছি।
আমার হয়তো কম্বলটার দরকার পড়বে।
কোথায় যাচ্ছো?
আমার আসলে...বাড়ি ভাড়া নিয়ে...কথা বলা লাগবে।
শার্লক...
ঠিক আছো?
মানে?
সঠিক ঔষুধটা বেছে নিয়েছিলে?
আমি জানি না,দ্বিধাদ্বন্দ্বে আমি আমার লক্ষ্যচ্যুত হতে গেছিলাম।
আমি জানি না আমি কোনটা বেছে নিয়েছিলাম।
হয়তো সে তোমাকে হারিয়ে দিয়েছে।
হয়তাও,কিন্তু সে মারা গেছে।
(হাসি)
সার্জেন্ট ডোনোভান আমার কাছে সবকিছুর বর্ননা করছিলেন! এটা...
দুইটা ঔষুধ! ভয়ানক ব্যাপারস্যাপার, তাই না? ভয়ানক!
কোথায় সেটা?
- কোথায় কী? - মোটেও না। না।
বন্দুকটার কী করলে তুমি?
ওহ,টেমসের নদীর নিচে এখন।
ওহ-হাহ!
তোমার হাতে থাকা বন্দুকের বারুদের পাউডার মুছে ফেলা উচিত।
হয়তো জেল খাটবে না, তবুও কোর্ট কেস এড়িয়ে চলাই ভালো।
আমি ট্যাক্সির পিছনে দৌড়ে ছিলাম আর পুলিশকেও ফোন করেছিলাম।
আর তারপর ভাবলাম তোমার উপর নজরদারী রাখাটাই ভালো হবে।
- তুমি ঠিক আছো তো? - হ্যাঁ একদম। আমি ঠিক আছি।
তুমি মাত্রই একজন মানুষ খুন করেছো।
আমি এর আগেও আমার অনেক ভালো বন্ধুদের নিজের চোখের সামনে মরতে দেখেছি।
আমি ভেবেছিলাম আমি আর কখনোই শান্তিতে ঘুমাতে পারবো না।
আজ রাতে আমি শান্তিতে ঘুমাবো।
একদম ঠিক।
তুমি ঐ ভয়ংকর ওষুধটা খেতে যাচ্ছিলে, তাই না?
অবশ্যই না। সময় নিচ্ছিলাম। জানতাম তুমি এসে হাজির হবে।
না, জানতে না। এভাবেই নেশার টান নাও তুমি, না?
নিজেকে চালাক প্রমাণ করতে জীবনও বাজি ধরতে পারো।
- আমি সেটা কেন করতে যাবো? - কারণ তুমি একটা গর্দভ।
ডিনার?
ক্ষিধেয় পেটে ইঁদুর দৌড়াচ্ছে।
বেকার স্ট্রিটের শেষ মাথায় একটা চাইনিজ দোকান আছে। রাত দু'টা অবধি খোলা থাকে।
ভাল চাইনিজ চেনার সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উপায় হলো....
দরজার হাতলের নিচটা দেখা।
ওই! শার্লক,এখনো অনেক প্রশ্ন করা বাকি আছে।
উহ,ইন্সপেক্টর লেসট্রেড,আমার জানামতে আমার পাশে থাকা পাটকাঠির মতো লোকটা,
অনেকদিন যাবৎ খাওয়া দাওয়া করে নি।
এখন যদি তুমি চাও সে তোমার পরবর্তী কেসে অংশ নেওয়া পর্যন্ত বেঁচে থাকুক তো,
তাই সে এখন ডিনার করতে যেতে চায়।
আর তুমি কোন নরকে যাচ্ছ?
আমি তার ডাক্তার!
আর একজন গাধায় ডাক্তারের সাথে তর্কে জড়ায়।
ঠিক আছে,কাল কথা হবে। এখন যেতে পারো।
ধন্যবাদ।
তো,এই শরীর নিয়ে ট্যাক্সির পিছু ধাওয়া করাটা একটু সাইকোমাস্টিক হয়ে গেলো না!
আমি জানি সেটা!
- যদিও ভালো গুলি চালিয়েছো! - হ্যা,একদম কাঁধে!
ওহ!
শার্লক! আমার ঘরটার কী যা-তা অবস্থা করে রেখেছো?
আপনার বাসার কোন ক্ষতিই হয় নি,মিসেস হাডসন!
আরো ভালো করে বলা যাবে ১ম তলায় থাকা সিরিয়াল কিলারের মৃত লাশ দেখে।
মৃত মানে?
লন্ডনের জন্য সুখবর আর আপনার কার্পেটের জন্য দূঃসংবাদ!
শুভ রাত্রি,মিসেস হাডসন!
আমি তোমাদের চাকরানী না!
- শুভ রাত্রি,মিসেস হাডসন। - আমি ভেতরে যাচ্ছি।
- সার্জেন্ট ডোনোভান! - স্যার?
আগামীকাল আমাদের এই দুজনের দরকার পড়বে।
কোন দুইজন,স্যার?
অনুবাদে: হাবিবুল্লাহ কায়সার। ইমতিয়াজ উদ্দিন।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.