Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
অনুবাদকঃ পন্ডিত যোগাযোগঃ সিলেট
হেই...
একটু আগুন পেতে পারি কি?
না, ওটা না, লাইটার হবে?
যখন স্মৃতিশক্তি বিলুপ্ত হয়...
স্মরণশক্তি হারিয়ে গেলে জীবনটাও যেন বিলুপ্ত হয়ে যায়।
মূল্য ৭০ টাকা।
১০০ টাকা দিয়েছেন, তাই তো?
ওফ! আবার কি হল!
এই যে নিন।
তাড়াতাড়ি।
কি হলো?
তাড়া বেশী ছিল নাকি?
তুমি আবার ওর কাছে গিয়েছিলে?
কি বলেছিলাম তোমাকে?
আমি জানতাম!
ডিনার করেছো? ক্ষুধা পেয়েছে?
আব্বু তোমাকে মেরেই ফেলবে আজকে!
এই কি সেই মেয়ে?
ওকে দেখে অতটা বোকা মনে হচ্ছে না কিন্তু।
চোখ দেখলেই বোঝা যায়,
শিয়ালের মত ধূর্ত মনে হচ্ছে।
- ডেস্ক পছন্দ হয়েছে? - হ্যাঁ।
আমাদের টিমে স্বাগতম। নতুন মেঝেতে প্রথম কাজ করার অনুভুতি কি?
এত মেয়েলি ও লাজুক স্বভাব নিয়ে ছেলেদের পোশাক তৈরীর কাজটা...
ঠিকভাবে করতে সমস্যা হবে না তো?
শিখিয়ে দিলেই পারবো।
তা তো পারবেই।
দেখে মনে হয় ওই চেয়ারটা তোমার জন্যই তৈরী হয়েছে।
আমি মেহজাবিন হক।
দেখা হয়ে ভালো লাগলো। আমি মিথিলা চৌধুরী।
আমি তোমার কথা অনেকবার শুনেছি।
মীমের কাছ থেকে, যে কিনা তোমার আগের বয়ফ্রেন্ডের স্ত্রী।
মীম আর আমি একসাথে কলেজে পড়েছি।
যদিও মীমের ডিভোর্স হয়ে গেছে।
এটুকু?
আরো ছোট।
এটুকু?
তুমি নিশ্চিত?
বুঝলাম না!
চুলের নকশা পরিবর্তন কি অতীতের নকশা বদলাতে পারে?
থামুন!
এটুকু।
অতীতকে ধরে বসে থেকো না।
সময়ের সাথে সাথে সব কষ্ট ভুলে যাবে।
নিজের মেয়ের সাথে ঘুরতে বের হবার মজাই আলাদা।
তুমি আমাকে ঘৃণা কর না?
আমি আমার পরিবারের নাম কলঙ্কিত করেছি।
আমার জন্য তোমার অনেকবার থানা-তে যেতে হয়েছে...
কবে? মনে পড়ছে না তো!
সহজে ভুলে যাওয়া একটা উপহার হয়তো।
পুরোনো ভুল ও কষ্টকে ভুলে থাকা যায়।
নতুনভাবে শুরু করা যায় প্রতিটা দিন।
তাড়াতাড়িই এসে পরবো। সাথে আসতে চাও?
তুমিই যাও।
কত ধুলা!
বসন্তের মৃদুমন্দ বাতাসের সাথে ভেসে আসা...
একটা গান এসেছে তোমায় জাগিয়ে দিতে...
আমি আসবো আবার কালকে। দিনের শেষ গানটা শুনতে থাকুন, বিদায় নিচ্ছি,
আমি RJ রাজু।
সমস্যা কি তোমার?
এটা এখনই শেষ না করলে সব নষ্ট হয়ে যাবে।
কথা কানে ঢুকছে কিছু?
কথা বাড়িয়ে আমার সময় নষ্ট করো না।
- সাহস দেখো... - কি হয়েছে কি?
স্যার!
সিমেন্টের ট্রাক এসে পড়েছে।
কিন্তু এই ফাজিল ছেলে তাদের কাজ করতে দিচ্ছে না।
তাদের আবার ফেরত পাঠাতে কত খরচ হবে জানো?
আচ্ছা, ঢালো সিমেন্ট! নষ্ট হলে আমার কি?
পরে আমার কাছে কাঁদতে কাঁদতে এসো না।
কি বললি... ও নিজেকে মনে করে কি?
দাঁড়াও... তুমি ফোরম্যান, তাই না?
কি নাম?
এই নিয়ে ৩০ বার জিজ্ঞেস করলেন! আমার নাম তাহসান হাবিব।
দুঃখিত, তাহসান
সমস্যাটা কোথায়?
সমস্যা?
এর গাঁথুনি এখনো কংক্রিট ধরে রাখবার মত মজবুত হয়নি।
- ধুর! - গত সপ্তাহে মারাত্মক বৃষ্টি হয়েছিলো।
আমাদের এখনো লোহার পাত বসানোই শেষ হয়নি।
লোকজন এর নীচ দিয়ে যাবার সময় ভেঙ্গে পড়লে দায়ী হবে কে?
ভেঙ্গে পড়বে! কি অলুক্ষুণে কথা!
আচ্ছা, তাহসান, একটু দেখতে দাও।
কাল সকালের মধ্যে কোনভাবেই কাজ শেষ করা ঠিক হবে না।
আগামী পড়শুদিন পর্যন্ত সময় না দিলে বিপদ হতেই পারে।
তুমি এসবের জানো কি?
তুমি তো কাঠমিস্ত্রী।
এটাকে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ বলতে পারো।
আজকেই শেষ করলে এটা সাভারের রানা প্লাজার মত ধ্বসে পড়বেই।
টিভি খবরে নিজেকে বিল্ডিং-এর নিচে চাপা পড়া অবস্থায় দেখতে চাও?
ছেলের তেজ আছে!
কার?
চলো খেয়ে আসি।
আমি ভেবেছি এতদিনে সংস্কার শেষ হয়ে গেছে।
আমি তো শেষ!
ওরা আমাকে অর্ধচন্দ্র দেবেই।
এই প্রজেক্টে আমার বন্ধুকেও সাথে নিয়েছিলাম। কিন্তু সে টাকা নিয়ে গুম হয়ে গেছে।
কেন যে ওকে টাকা দিতে গেলাম!
কেউ আমারে মাইরালা।
দেখি কি করা যায়।
কোন উপায় আছে নিশ্চয়ই।
সত্যি?
কিভাবে?
আমি কিছু লোককে চিনি।
আব্বু, তুমি নিশ্চিত?
অবশ্যই! আমিই তোমার তুরুপের তাস, তাই না?
না, মোটেও তা নয়! তুমি আমার ক্রিসমাস!
কি?
মানে সান্তা-ক্লজ আর কি!
অনেক হয়েছে! আমি পাঠাচ্ছি কাউকে।
ব্যাপারটা ওদেরই মিটমাট করতে দিও।
ঠিক আছে?
সে কিন্তু খুবই বদরাগী...
ওকে বিরক্ত করবে না।
ভালো লাগলো তুমি এসেছো
চলো অফিসে বসে একটু কফি খাই।
কোথায় কাজ করতে হবে?
এই দিকে।
ফ্লোর প্ল্যানটা কোথায়?
যার কাছে সেটা ছিলো, সে তো গুম হয়ে গেছে।
দেয়ালের কাগজ ছিঁড়লো কিভাবে?
হেই! ...করছো কি?... থামো!...
থামো বলছি... আমাদের হাতে সময় নেই।
একেই বলে আনাড়ির মত কাজ। পুরো দেয়ালটাই আবার বানাতে হবে।
হেঁটে বাসায় যাচ্ছেন?
হ্যাঁ... না!
বাসে যাবো ভাবছি... না ট্যাক্সি... আমি ট্যাক্সি নিচ্ছি।.
আপনি ঠিক আছেন তো?
হ্যাঁ।
আপনি এগুলো রাস্তার পাশে বসে বিক্রি করেন নাকি?
এগুলো এখানে কিভাবে! আমি ভেবেছি এগুলো হারিয়ে গেছে।
দরজা ঠিক করতে টাকা লাগবে না?
এদিক দিয়ে ঢুকে পড়ুন।
দাঁড়ান! দাঁড়ান!
ধরুন এটা।
আচ্ছা।
আপনার অনুভূতি কি?
বেসবল ব্যাট কিসের জন্য?
এটা কি কারো মাথায় মারার জন্য নাকি?
আপনি মানুষকে মারেন কেন?
দুঃখিত।
কেন?
আপনার কোক খেয়ে ফেলার জন্য। আমি...বুঝলেন তো...খুবই...
ভুলোমনা!
আপনি আমাকে মনে রাখলেন কিভাবে?
এদিক দিয়েই তো বের হবো।
- কি করছেন? - ওরে বাপরে!
আর কতক্ষণ? আমি তো ভূতও দেখছি না।
আমার বাথরুমে যাওয়া লাগবে।
- ও বাথরুমে যাবে! - থামো...!
দেখোই না কি হয়। চলো।
মি. পার্ক একটা উজবুক।
কোনদিনই ঠিকসময়ে টাকা দেননি।
টাকার জন্য একটু খোঁচাখুঁচি তো করতেই হবে।
তাহলেই ঠিকমত টাকা দেবে।
কিভাবে খোঁচাবে আমার তা জানা লাগবে না।
ওরা কিসের ব্যবসা করে?
ওহ, এভাবে আর কয়দিন চলবে!
তোমার কোন সঞ্চয় আছ?
খরচ বাদ দিয়ে সঞ্চয় শুরু কর।
তোমার আর সখিনার বিয়ের আর কয়েকদিনই বাকি...
তুমি চেনো ওদের?
ব্যবসা কেমন চলছে?
কি?
কলম বিক্রি ব্যবসা।
আমরা এই একটু হাঁটতে বের হয়েছিলাম।
আমার একজনের সাথে দেখা করার কথা ছিল... তারপর তোমাকে দেখলাম।
বসো, মেয়েরা।
আমাদের আরো গ্লাস আর চপস্টিক লাগবে।
আরো চেয়ার দাও!
ওর চেহারা আর কত দেখবে?
মিথিলা!
একটা প্লেন দাও! হাঁসের পেছনে ধাক্কা মারতে হবে!
তুমি ওর সাথেই থাকো না কেন?
ওর অনেক টাকা।
এটা পুরোটা খেলে বুঝবো আমরা আরো সামনে এগোবো।
যদি না খাই তো?
আমরা অপরিচিতই থেকে যাবো। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত!
আমি? আগে কখনো করিনি।
আরো ফাঁকা করো।
নীচু হও।
এভাবে দিক পরিবর্তন করবে।
Oh my...
আরে...ব্যাট ওঠাও!
কেউ আমারে বাঁচাও!
এত ভারী কেন?
বল আসছে দেখো!
চোখ শুধু বলের দিকে নিবদ্ধ রাখো।
মারছো না কেন?
কিসের একটা ঘ্রাণ আসছে না?
দুর্গন্ধ নাকি?
ঘ্রাণটা অদ্ভুত!
আগেও এমন ঘ্রাণ পেয়েছি।
আব্বু নাকি চাচ্চুর মত, মনে পড়ছে না।
ঘ্রাণটা নাকে ঢুকলেই মনে হচ্ছে...
...যেন স্বপ্নের রাজ্যে হারিয়ে গিয়েছি।
- বল কি! - ...এমনই কিছু আর কি...
নাপিতের কাজ মনে হয়!
কি এটা?
কোনটা?
এটা?
কিছুই না!
পড়াশুনা করছিলে? সামনে কোন টেস্ট আছে নাকি?
হেই!
ওটা খুললে তোমাকে বের করে দেবো।
উনি কে? তোমার দাদা?
একজন মন্দির কাঠমিস্ত্রি বিশেষজ্ঞ...
সেটা আবার কি?
যে ব্যক্তি মন্দির তৈরী করে আর কি। উনি আমার শিক্ষক ছিলেন।
অ্যালবাম আছে নাকি? তোমার ছোটবেলার ছবি?
তোমার কৌতুহল কোনদিনই কি শেষ হবে না?
আমি শুধু তোমার ছোটবেলার ছবি দেখতে চেয়েছিলাম।
সেরকম কিছুই তো নেই।
আমার ছবি-টবি তেমন তোলা হয় নি।
এটা দেখেছো কখনো আগে?
ধরো বাজি, বাড়াও টাকা।
ওটা চিনে রাখা সোজা!
আমার হাত মোটেও নয় কাঁচা! হারলে বলো না আবার,
চাচা আপন প্রাণ বাঁচা!
ধরো বাজি, বাড়াও টাকা!
ভাগ্য গেল হাত ফসকে!
পারলে দেখাও কোথায় আছে, হার্টের টেক্কা!
আবার করে দেখাই। ধরো বাজি, বাড়াও টাকা।
ওটা চিনে রাখা সোজা!
আমার হাত মোটেও নয় কাঁচা! হারলে বলো না আবার,
চাচা আপন প্রাণ বাঁচা!
ধরো বাজি, বাড়াও টাকা!
ভাগ্য গেল হাত ফসকে!.
আবার হারিয়ে গেলেন নাকি?
নিশ্চয়ই ভালো কিছু ঘটেছে আপনার সাথে।
সেলাইয়ের পুরুত্ব ঠিকই মনে হচ্ছে।
এত চমৎকার ছেলে থাকতে একটা কাঠমিস্ত্রীকেই কেন পছন্দ হলো!
কৃতজ্ঞতা জানাবে না?
আমার জন্য অপেক্ষা করবে না!
একজন সত্যিকারের শিল্পী শিল্পহীন সাদা কাগজ ভয় পায়।
ভালোভাবে পরীক্ষা দাও!
এখানে কি করছো?
বললাম না অপেক্ষা না করতে?
কোন ছেলে পছন্দ হলো নাকি?
না তো!
সারিকা বলেছে, তাই না?
না, তো, সারিকা কিছুই বলেনি।
কন্সট্রাকশন শ্রমিক নাকি?
কি যে বলো, আমি কেন এমন ছেলের সাথে...
তাহলে কি করে ছেলেটা?
সে একজন স্থপতি।
তাই নাকি?
দেখা করতে পারি তার সাথে?
প্রশ্নই ওঠে না...
প্রশ্নই ওঠে না?
না, মানে, বলছি...
প্রশ্নই ওঠে না?
না মানে আসলে...আব্বু!
ওকে আমাদের বাসায় দাওয়াত দাও।
বাকিটা আমি দেখছি।
ঠিক আছে?
প্রশ্নই ওঠে না!
কেন নয়?
না!
কেন?
কেন না?
দেখো।
আমি তোমাকে তো দেখছিই, এখন তোমার বাবা-মা-কেও দেখতে হবে?
তুমি শুধু দেখা করে বলবে...
আমরা বিয়ে করছি কিনা।
না মানেটা কি? আমাকে ভালোবাসো না?
ভালোবাসো আমাকে, তাই না?
কয়দিন পরেই এসব অর্থহীন মনে হবে।
তুমি রাজকুমারী, আমি ভিখারী!
আমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবে?
একসাথে থাকলেই কি একসাথে মরতে পারবো?
তুমি আমি সবাই একাই জন্মেছি, একাই মরবো। এটাই জীবন।
ছিঁচকাঁদুনে মেয়ে কোথাকার!
আম্মু-আব্বু হারিয়ে গেছে? নাকি বাসা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে।
দেখো।
আমাকে এত ভালোবাসো কেন?
এই দোকানটার কথা মনে আছে?
কই, না তো।
ভাগো এখান থেকে!
আমার ভয় করছে!
তুমি একটা মেয়েকে এত কষ্ট দাও কেন?
একটা ছেলেকে বিয়ে করতে সমস্যা কি?
যখন মেয়েটা ছেলেটাকে আর তার শিল্পীসত্তাকে ভালোবাসে?
মজা তো!
এটা দিয়ে নিজের মাথাটা ফাটিয়ে দাও না কেন?
আমি এমন কোন দায়িত্ব নেবো না।
আসলে আমি এমন কোন দায়িত্ব নিতেই চাই না।
কেন চাও না?
তুমি আমাকে ভয় পাইয়ে দিচ্ছ।
মানে?
তুমি অনেক আত্মবিশ্বাসী।
তোমার কোন ধারণাই নেই জীবন কত নিষ্ঠুর হতে পারে।
ধর আমরা বিয়ে করে নিলাম...
আমরা কি আসলেই সুখী হতে পারবো?
আব্বু?
অবাক হবার কি আছে?
তুমিই তো আসতে বললে!
তুমি...
তুমি চেনো ওকে?
কিছু একটা বলো।
কোথায় যাচ্ছো?
ওয়াশরুম!
ও কিছুই বলেনি তাহলে।
কিছু মনে না করলে, আমি চলেই যাই।
তোমাকে বহিষ্কার করা হল।
অন্তত খাওয়াটা তো শেষ করো।
মানে... মিথিলা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো।
বসো!
মাফ করবেন!
আমি আসলে এরকম মোটেও চাইনি।
আমি কখোনোই... মিথিলা!!!
মিথিলা!!!
মিথিলা, কথা বলো!
মিথিলা,!
মিথিলা,!
অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণেই এমনটা হয়েছে।
রক্তস্বল্পতাও একটা কারণ।
একটা ঘুম দিয়ে উঠলে শরীর ঝরঝরে ফ্রেশ হবে।
স্থপতি সার্টিফিকেট।
গরম!
কি করলাম এটা!
গোসল শেষ?
হ্যাঁ!
নিশ্চিত?
অবশ্যই!
সত্যি?
বুক পরিষ্কার করেছো?
জানি না।
বগল পরিষ্কার হয়েছে?
মনে হয়।
পা পরিষ্কার?
আর কোন প্রশ্ন নয়! তাকানো বন্ধ কর!
ঠিকমত করা হয়নি।
336 আবার করতে হবে।
কি সমস্যা!
জানো এর পেছনে কত কষ্ট করেছি।
এ দিক দিয়ে দেখো।
আবার করো।
এটার লাইনও ঠিক হয় নি।
আবার?
কেমনে কি! দেখতে তো ঠিকই লাগছে।
কেউ বুঝবে না!
একটু দেখো। ঠিকভাবে প্রতিফলন হচ্ছে না, দেখেছো?
আসলেই তো!
আর এর ফাঁকা জায়গাও ঠিক নেই
আরো কাছাকাছি হবে।
আবার করো, ঠিক আছে?
আচ্ছা।
- তুই কার দলে! - তোরে আবার করতে দিমু না।
আবার শুরু করেছো!
ফাজিল তাহসানের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে!
এটাতো ঠিকই আছে!!
নিজেকে মনে করো কি? শিল্পী হয়ে গেছো নাকি?
হেই, তাহসান...
ইনি হলেন জনাব আবুল হায়াৎ।
ওনার সাথে আগে দেখা হয়েছে?
তোমাকে দেখতে ভালোই লাগছে।
সবকিছুর জন্য অভিনন্দন তোমাকে।
তোমার শ্বশুরের সাথে কথা বলেই এই সাক্ষাতের আয়োজন করতে হলো।
এখানে কি রাখলে ভালো হবে?
বুঝলাম না!
এখানে কি নির্মাণ করা উচিত?
চুক্তিতে সই করে ফেলেছো!!!
আমরা অপেক্ষা করছি, মিথিলা।
পরে কথা হবে।
এভাবে? মাইকেল জর্ডানের মতন?
এখনো হয়নি?
অফিসের দেরী হয়ে যাচ্ছে।
It's only a cup of tea.
মিথিলা!
মেয়ের দেখি-"কবি কবি ভাব, কবিতার অভাব" অবস্থা।
বিয়ে করে বেশ খোশমেজাজে আছো মনে হয়?
এই বৃষ্টি কি তোমাকে বিষাদময় করে তুলছে না?
ব্যাগটা নামিয়ে রাখো। আমরা নিয়ে পালাবো না।
না, আমিই রাখি।
তোমাদের কিছু জিজ্ঞেস করি?
কখনো সবসময়ের চেনা রাস্তায় হারিয়ে গেছো?
আমরা তোমার মত না।
তুমি তো সবসময়েই হারিয়ে যাও।
অন্তত, আমি তো অফিসে আসার রাস্তা কখনোই ভুলি না।
কিভাবে কি সম্ভব! বুড়ো হলে নাহয় অন্য ব্যাপার!
ইদানিং আমার নিজের বাড়ি খুঁজে পেতেও...
...বেশ ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে।
আজব!
ছেলেটা মনে হয় ওকে রাতে ঘুমাতেই দেয় না!
একটু অন্যরকম লাগছে।
কোনটা?
রান্নাঘরটা!
কিরকম?
বদলে গেছে মনে হয়!
তাই নাকি?
তাই না?
পাতিল পুড়ে যাবে না আর!
পছন্দ হয়েছে?
নাহ!
আমার তোমাকে পছন্দ হয়েছে!
ঢুকে যাও।
ও মা গো!
কি চাই?
বসো।
সাম্প্রতিককালে কখনো অজ্ঞান হয়েছিলেন?
অসহ্য মানসিক চাপ...
বা, মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন কখনো?
একবার রক্তস্বল্পতার কারণে অজ্ঞান হয়েছি।.
মানসিক চাপ তো...
এসব রেকর্ড না করলে হয়না?
এটা নিয়ে ভাববেন না। এটা পরে কাজে লাগতে পারে।
আমার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যান।
আমি একবার এক বিবাহিত লোকের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম।
কিন্তু পালাবার সময় ট্রেন স্টেশনে তাকে খুঁজেও পেলাম না।
হৃদয় ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল মরেই যাবো।
তার কিছুদিন আগে,
তার স্ত্রী-র সাথে আমার মারামারি হয়েছিল।
আমার চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলেছিল ওই মেয়ে!
এমন শারিরীক ও মানসিক চাপের ফলে...
আলাদা মানুষের প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হয়।
তোমার বর্তমান লক্ষণগুলো বোধহয় ঐ প্রচন্ড মানসিক চাপেরই প্রভাব।
পরের সপ্তাহে এসো, তোমার MRI ও CT স্ক্যান করাতে হবে।
এই, নাও!
জট্টিল অফিস মামা!
তুমি বানিয়েছো, ফোরম্যান (শ্রমিক প্রধান)?
এখন আর আমি ফোরম্যান না।
এখন আমিই ফোরম্যান!
আমার ডেস্কটা কোন দিকে? ওই দিকে নাকি?
ফাজিল পোলাপান... বহুত মজা নিছস...
আরেকটু মজা নিয়া লই।
"মানুষ মরে গেলে পচে যায়,.
"বেঁচে থাকলে বদলায়!
চল, ও পালটে গেছে, ওসব দরকার নেই আমাদের।
চলো!
তাহসান, আমকে একটা বিজনেস কার্ড বানিয়ে দে না, দোস্ত!
- তুই বিজনেস-ম্যান কবে থেকে হলি? - আমরা কালকে আবার তোকে জ্বালাতে আসবো!
চলো!
এ দিক দিয়ে চলো!
দক্ষিণ কোন দিকে?
ওই দিকে।
তাহলে সামনের দরজা একদিকেই হবে।
ইলেক্ট্রনিক্সগুলো এদিকে থাকবে।
আর এটা হবে বাথরুম।
- বিশাল বড় একটা বাথরুম! - আর আমাদের রুম কোথায় হবে?
আমাদের রুম?
তুমি কোথায় চাও?
ওখানে।
তাহলে ওখানেই!
একেবারে ঠিক জায়গা!
আমরা জেগে উঠবো ভোরের প্রথম আলো আমাদের চেহারায় পড়ার সাথে সাথে।
ওখানে বসে ব্রেকফাস্ট করে টিভি দেখবো।
আরেকটু অপেক্ষা করো।
আমি ৩ বছর ধরে এটার স্বপ্ন দেখেছি।
ওনার সাথে ভালো কোন স্মৃতি নেই...
কারণ ছাড়াই মারতেন আর চাকরের মত খাটাতেন।
একটু খাবার ঘুমানোর জায়গা ছাড়া তার কাছে আর কিছুই পাইনি।
বুড়ো ভাম কোথাকার!
আমার ৯ বছর বয়সে উনি আমার হাতে প্রথমবার একটা হাতুড়ি তুলে দিলেন।
ওটা অনেক ভারী ছিল...
ওরকম কিছু না ঘটলে হয়তো, কাঠমিস্ত্রী হতাম না।
আমি ওনাকে ঘৃণা করি।
এখনো এই মন্দির বানিয়েই যাচ্ছেন? ১০ বছর তো হয়েই গেল।
কি চাই?
আমার বউ এসেছে তোমাকে দেখতে।
বিয়ের পরে এসে কি লাভ?
পায়খানা করার আগে পশ্চাদদেশ পরিষ্কার করে লাভ আছে?
উজবুক!
বেশী গভীরে খোদাই হয়ে গেছে।
এটা কি করেছো?
এই কোণা একদমই বাইরে সরে গেছে।
আমি ঝর্ণার পানি নিয়ে আসি।
এই নিন।
তোমার হাত খুবই সুন্দর।
তুমি ওর মায়ের সাথে দেখা করেছ?
কি?
তোমার শ্বাশুড়ী!
না।
তোমাকে ও দেখা করতে দেয় নি, তাই তো?
না।
ওই উল্লুকটা এখনো মায়ের সাথে রাগ করে আছে?
এতদিনে মাফ করা উচিত ছিল। ওটা কত আগের কথা।
Demurrer to Seizure { subtitle BY_PANDIT }
আমার কোন মা নেই।
সে এখনো তোমার মা।
আমার মা মরে গেছে।
উনিই তোমার মা।
জানো আমি ওই টাকার জন্য কতো কষ্ট করেছি?
যাকে চিনিইনা তাকে কেন টাকাগুলো দিয়ে দেব, বলতে পারো?
প্রশ্নই ওঠেনা!
সে তোমার পরিবারের একজন!
পরিবার?
এটাই আমার পরিবার। আর এটাই আমার বাড়ি।
শূধু তুমিই আমার পরিবার।
বুঝলে?
আমি আমাদের নতুন বাড়ি বানাচ্ছি ঐ টাকা দিয়ে।
যদি ঐ নতুন বাড়িতে থাকিও...
তোমার মনে হয় আমরা সুখে থাকতে পারবো?
ধুস শালা!
আর একটাও কথা শুনতে চাই না।
মাফ করতে সমস্যা কি?
- ক্ষমা মহৎ গুণ... - নীতিবাক্য থামাবে?
বাবা-মা কি?
যারা জন্ম দেয়?
তারপর দায়িত্ব শেষ?
কি জানো তার সম্পর্কে?
তুমি তাকে সাহায্য করার কে?
থামাও এসব!
কান্না থামাও।
জানো আমি কাঁদি না কেন? কারণ আমার চোঁখের পানি ফুরিয়ে গেছে।
যখন সে আমাকে ঐ নিষ্ঠুর লোকটার কাছে রেখে আসে,
সেদিন আমি সারা রাত কেঁদেছিলাম। ঐ মহিলার জন্য আমি আর কাঁদতে রাজি না...
...টাকা দেবার প্রশ্নই ওঠে না।
ক্ষমা...
এত কঠিন কিছু নয়।
এটা শুধু...
মনের একটা অংশকে দূরে সরিয়ে রাখা।
এটা আমার দাদা বলতেন আমাকে।
একজন সত্যিকারের কাঠমিস্ত্রী সেই...
যে আগে একটা বাড়ি নিজের মনে তৈরী করে নেয়।
যে বাড়িটা বানানোর কথা সেটা বানানোর আগেই।
তুমি মনের বাড়ির সব ঘর মায়ের প্রতি ঘৃণায় ভরিয়ে রেখেছো।
আর তুমি সেই বাড়ির বাইরে থেকে নিজেকে কষ্ট দিচ্ছ।
বুঝতে পারছি।
জানি ক্ষমা করা কঠিন।
কিন্তু...
কিন্তু আমার আব্বু অনেক জ্ঞানী...
আমাকে মাফ করে দিয়েছিল এটা জেনেও, যে আমি এক বিবাহিত লোকের সাথে পালিয়ে যেতে বসেছিলাম...
আর এবারও আমাদের বিয়েটা সহজেই মেনে নিলেন।
জানো কেন?
ক্ষমা...যেটা ঘৃণাকে মনে কোন জায়গাই দেবে না।
ভুলে যাও।
তোমার সাহায্য কে চেয়েছে?
আমি মরে গেছি কিনা দেখতে এসেছো?
তোমার বাবার সাথে তোমার কোন তফাৎ নেই!
জানোয়ার!
অমানুষ কোথাকার।
তোমাকে জন্ম দেবার সময় আমার বয়স ১৭। কিইবা বুঝি তখন?
তোমার ভ্রূণহত্যা করলেই বরং ভালো হতো। দুনিয়ায় একটা জানোয়ার কম পয়দা হত।
কি ভেবে পয়দা করলাম কে জানে।
দেখি মা ছাড়া কয়দিন থাকতে পারো।
ভাগ এখান থেকে!
তোকে কোন দরকার নেই।
যা!
সর এখান থেকে, ভাগ!
৫৬০০০টাকা।
ওফ, আরো আছে...
মোট কত, সেটা বলুন।
সুদ সহ...
সব মিলিয়ে...
৯০হাজার টাকা !
বহুত টাকা, ভাই!
কি মনে হয়?
আমি তো দেউলিয়া হয়ে গেছি।
আচ্ছা।
আমিই দিয়ে দিচ্ছি।
বলেছি না আমি দেবো।
কত হয়েছে আমাদের?
ধরো বাজি, বাড়াও টাকা!
ওটা চিনে রাখা সোজা!
মিথিলার হাত মোটেও নয় কাঁচা! হারলে তাহসান বলো না আবার,
চাচা আপন প্রাণ বাঁচা!
পারলে দেখাও কোথায় আছে, হার্টের টেক্কা!
কত তারিখ আজ?
জানো?
আমি মাঝে মাঝেই তারিখ ভুলে যাই।
আমি এক সপ্তাহের মধ্যে আসতে বলেছিলাম, দুই সপ্তাহ নয়।
ভাই-বোন আছে?
এক বোন আছে।
আচ্ছা।
বয়স কত?
২০।
না...১৯ মনে হয়।
আমার সংখ্যাজ্ঞান ভালো নয়।
তার জন্মতারিখটা বলো।
রাস্তায় পায়ে হাঁটা পথের সিগন্যাল জ্বললে তার রঙ কি?
কেমন প্রশ্ন এগুলো?
তুমি শুধু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাও।
কি যেন ছিলো প্রশ্নটা?
মায়ের বোন-কে কি বলে ডাকো?
১৮+১৯= কত?
পশ্চিমমূখী বাতাসে একটা বেলুন ওড়ালে....
বেলুনটা কোন দিকে যাবে?
জানি না এটা ভালো খবর, নাকি খারাপ খবর।
আজই শুনলাম খবরটা।
বুঝলাম না!
সত্যি বলছি!
তাই নাকি?
বিশ্বাসই হয় না।
দরজাটা বন্ধ করে দেবে, প্লিজ?
বসো।
দাঁড়িয়েই থাকি।
আমি একেবারে আজীবনের জন্য চলে এসেছি।
কোম্পানীর প্যারিসের শাখাটা বন্ধ হয়ে গেছে।
শুনেছি।
আমরা আবার একসাথে কাজ করবো।
যদিও আমাদের ডেস্কগুলো জায়গা বদলিয়েছে।
এখন আমি একা, আর তুমি বিবাহিত।
এটাকে কি ভাগ্যের পরিহাস বলবো?
দেখো... আমি সেদিন আসতে পারিনি, কারণ আমি...
ওসব নিয়ে কথা বলতে চাই না।.
কাপড় পরীক্ষকেন্দ্রে দেখা হবে।
আমরা এবার একই নৌকার সওয়ার।
এ তো সবে শুরু।
চলুন একসাথে কাজ করি।
ব্যস্ত পিঁপড়াদের কষ্ট পাবার সময়ই থাকে না, ঠিক?
একেই বলে সঠিক জায়গায় সঠিক প্রবাদের প্রয়োগ।
- শুভকামনা সবাইকে। - শুভকামনা।
এটা হারিয়ে ফেলো না যেন। জরুরী ফাইল।
তাহলে তো আমার কাছে রাখা ঠিক হয় নি।
কোথায় ছিলে?
তুমি গ্লু লাগিয়েছো?
না।
ডাক্তার কি বলল?
পরের সপ্তাহে আসতে বলল।
আবার?
অ্যালবাম পুরোটা ভরতে কতক্ষণ লাগবে কে জানে!
কিছু বলুন, ডক্টর।
MRI আর PET স্ক্যান রিপোর্ট দেখে যা বুঝলাম,
সব টেস্ট রেজাল্ট...
অস্বাভাবিক প্রোটিন অসামঞ্জ্যস্যতা দেখাচ্ছে।
যা কি না ধমনি দিয়ে মস্তিষ্কে প্রবাহিত হয়ে...
মস্তিষ্কের কোষগুলোর ক্ষতি করছে।
কি বলছেন, মাথায়ই ঢুকল না কিছু।
সোজা বাংলায় বলুন, প্লিজ।
এটা নিশ্চিত,ব্যাপারটা পুরোপুরি বংশগত সমস্যাটাও বেশ বিরল।
তোমার বাবারও ভুলে যাবার সমস্যা থাকতে পারে।
তোমার রোগের নাম...
"আলঝেইমার" [বার্ধক্যজনিত ভুলে যাওয়া রোগ]
কি?
আলঝা... কি?
আলঝেইমার।
আলঝেইমার? সেটা আবার কি?
তোমার স্মৃতিশক্তি মাপার জন্য প্রশ্নগুলো করেছিলাম।
কিন্তু আমার বয়স মাত্র ২৭ বছর!
বৃদ্ধদের রোগ আমার হল কিভাবে?
এটা সম্ভব।
তো...
আমার কি হবে?
তোমার শারীরিক মৃত্যুর চেয়ে মানসিক মৃত্যু আগে হয়ে যাবে।
যেটা অবশ্যম্ভাবী, তার জন্য প্রস্তুত থাকাই উচিত।
ঔষধ শুধু এই প্রক্রিয়ার গতি কমিয়ে আনবে!
এর বেশী কিছুই না।
অপারেশন করা যায় না?
তুমি চাকরি করো?
হ্যাঁ।
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ছেড়ে দাও ওটা।.
শীঘ্রই তুমি টাইপ করা, ফোনে কথা বলার মত ছোট-খাটো কাজগুলোও ভুলে যাবে।
একা কিছুই করতে পারবে না।
মস্তিষ্কটা স্মৃতিবিহীন ও খালি মনে হবে।
নিজের পরিবার, বন্ধু, এমনকি নিজেকেও ভুলতে বসবে।
সহজ বাংলায়, "তোমার কোন স্মৃতিই থাকবেনা"।
আমি চাকরিটা ছেড়ে দেই?
কেন?
ঘরে থেকে ঘরের কাজগুলো করব শুধু।
খারাপ না।
হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত?
জানি না!
কাজের চাপ বেশী?
ঘরে যা যা লাগবে আমিই এনে দেবো।
আজকেই ছেড়ে দাও কাজ।
কালকেই ছেড়ে দিতে পারি।
দাঁড়াও!
তোমার হয়েছেটা কি?
চলো একটা বাচ্চা নেই।
বাচ্চা?
কি জানি...
এ নিয়ে আগে ভাবা হয়নি।
ওটা কর না একটু।
কোনটা?
কি?
সেইটা...
ঐটা
মানে... সেই ঢোকানো-বের করার কাজটা?
না, তুমি তাস দিয়ে যেটা কর, সেটা।
তাসের বাজি?
তুমি কখোনোই জিতবে না।
একবার একটু কর।
না, আমি ক্লান্ত।
একবার করো প্লিজ।
বলবে না কিছু?
ধরো বাজি, বাড়াও টাকা!
ওটা চিনে রাখা সোজা!
তাহসানের হাত মোটেও নয় কাঁচা! হারলে মিথিলা বলো না আবার,
চাচা আপন প্রাণ বাঁচা!
ভাগ্য গেল হাত ফসকে..
পারলে দেখাও কোথায় আছে, হার্টের টেক্কা!
হার্টের টেক্কা!
টেক্কা!
আবার তুমিই জিতে গেলে
একা থাকতে পারবে?
পারবো।
হ্যালো?
জাহিদ হাসান (অফিসের বস/ পুরাতন প্রেমিক) বলছি!
কাউকে না জানিয়ে চাকরি ছাড়লে কেন?
যদি কারণটা আমি হই, চলো একসাথে বোঝাপড়া করি।
না।
আমি তোমাকে বিরক্ত করবো না।
- আমি শুধু... - চাকরি যদি ছাড়তেই হয়, নিয়ম অনুযায়ী চাকরি ছাড়ো।
- আমি শুধু একটু বাড়িতে থাকতে চাই। - সমস্যাটা কি তোমার?
পুরাতন প্রেমিক হিসেবে আমার সাথে কাজ করতে অস্বস্তিবোধ করলে খুলে বলো সেটা।
আমি আসছি অফিসে।
- এই শুরু হল! - ওগুলো আমাকে দিও তো একটু।
লাঞ্চবক্স নিয়ে এসেছো?
মাশাআল্লাহ!
দেখে তো ভালোই হবে মনে হয়।
দেখি ভেতরে কি আছে।
ভাত!
কত ভাল বউ পাইছে দেখছস!
তরকারি গেলো কই?
একটা বক্স আমাকেই দাও! তোমার খাওয়া লাগবে না!
মনে হয়...
আপনি অন্য কারো নামের সাথে ওর নাম গুলিয়ে ফেলেছেন।
বা রিপোর্টে ভুল থাকতে পারে...
সরাও হাত! এসবের বোঝো কি তুমি?
সমস্যা তোমার স্ত্রীর-ই।
পাগল হলেন নাকি?
আপনি ঠিক আছেন তো, ম্যাম?
ওকে সবকিছু বলে দিতে গেলেন কেন?
কেন বললেন ওকে?
আমি একজন ডাক্তার।
ওর সামনে যা হতে চলেছে, তার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত তাই বলেছি।
- আপনি নিশ্চিত! - অবশ্যই!
১০০%
বিশ্বাস না হলে অন্য ডাক্তার দেখাও।
ডাক্তার!
আপনি নিশ্চিত!
পাগল হলে নাকি? মাথা খারাপ হয়ে গেছে!
- বলুন সব মিথ্যে! - হসপিটালে কি করছেন এসব!
বলুন যা বললেন সব ভুল!
শান্ত হন, স্যার!
ওনার স্ত্রীও একই রোগে মারা গেছেন...
উনি ওনার জীবনের অর্ধেকটাই আলঝেইমার রোগ গবেষণা করে কাটিয়েছেন!
সত্যিটাকে মেনে নিতেই হবে। এটা বদলানো যাবে না।
- হ্যালো? - কে বলছেন?
আমি ফোনটা রাস্তায় কুঁড়িয়ে পেয়েছি।
কি হয়েছে?
ওর কি হয়েছে?
ওনার...
কিভাবে যে বলি!
জাহিদ!
আমরা কি ২ বছর পেছনে যেতে পারি না?
২ বছর পেছনে?
কেন? তখন তো তোমাকে আমি চিনতামও না!
কি!
কি ভাবছো?
মিথিলা!
বোকা।
বলের দিকে চোখ রাখো।
অদ্ভুত তো!
আমি মাত্র ৯টা বল দেখলাম। কিন্তু হিসেবে ১০টা হবার কথা।
তাই না?
সব জেনে গেছো, তাই না?
কি জানবো?
যে আমার মাথায় একটা স্মৃতি মোছার রাবার আছে।
- জানতে? - না তো!
তুমিই ঠিক ছিলে।
কেউ সারা জীবন সুখী হতে পারে না।
- কি বলছো এসব? - সব শেষ।
একবার ভাবো তো!
আমাকে এত ভালোবেসে কি হবে, যদি কিছু মনেই না থাকে?
আমার সাথে এত ভাল হবার দরকার নেই।
এসব তো ভুলেই যাচ্ছি।
আমি সবকিছু তোমার হয়ে মনে রাখবো।
জানো তো, আমি কত স্মার্ট।
আমি স্থপতি পরীক্ষায় প্রথমবারেই পাশ করেছি।
তুমি অনেক আত্মবিশ্বাসী।
জীবন অনেক নিষ্ঠুর!
তোমার এসব মনে আছে?
কি করে ভুলবো?
তুমি প্রথমবার খারাপ ব্যবহার করেছিলে।
চিন্তা করোনা...
রোগটা সারানোর কোন উপায় খুঁজছি...
ছিঁচকাঁদুনে ছেলে! আব্বু-আম্মু হারিয়ে গেছে নাকি?
আমি চলেই যাই।
যেতে দাও, প্লিজ...
আবার খেলতে চাও?
চলো এটার ওপর বাজি ধরি।
আরে!
কাঁদছো কেন?
বললাম না, তোমার হয়ে আমি সব মনে রাখবো!
একটা কথা শোনো...
যদি সবকিছু ভুলেও যাও, আমাকে ভুলতে দেবনা কিছুতেই।
এভাবে।
হঠাৎ করে তোমার মাথায় চলে আসব।
চাইলেও সরাতে পারবে না।
প্রত্যেকটা দিন নতুনভাবে শূরু করবো আমরা।
চিরস্থায়ী ডেটিং-এর মত হবে। মজার না?
তোমার দাড়ি আবার গজিয়ে উঠবে।
কথা বড়িয়ো না।
চলো সব ভুলে যাই।
আমিও সব এমনিতেই ভুলে যাবো।
এটাও জানবো না যে, তুমি আমার সাথে কেন?
আমার মস্তিষ্ক থেকে তুমি একেবারে হারিয়ে যাবে একসময়।
আমার মস্তিষ্ক থেকে তুমি একেবারে হারিয়ে যাবে একসময়।
বুঝতে পারছো?
আর স্মৃতি শেষ হয়ে গেলে একসময় জীবনটাও শেষ হয়ে যাবে।
আমার ভয় হচ্ছে।
জীবন শেষ হবে কেন?
ওঠো!
সব আমার ওপর ছেড়ে দাও।
আমিই তোমার স্মৃতি, তোমার জীবনও আমি।
বুঝতে পারলে?
আর কেঁদনা।
আমাদের ঠিকানা....
আম্বরখানা , পাগলা গলি, বাসা নং- ৪৬৪-..
...২...২...
...২...
...১?
আমি কে?
তাহসান।
আর তুমি?
মিথিলা।
আমার মনে হয়ে আমি সুস্থ হয়ে যাবো।
ভালো কথা।
মিথিলা!
তাড়াতাড়ি এসে পড়ো।
আচ্ছা।
৬টার মধ্যে।
আচ্ছা।
কেন?
কোথাও যাবার প্ল্যান আছে নাকি?
মায়ের জন্মদিন, ভুলে গেলে নাকি?
এগুলো খেলেই মনে পড়বে।
আমিও আমার বাবা-মাকে আর তোমার কাঠমিস্ত্রী শিক্ষককে দাওয়াত করেছি।
আমি অনেক কিছু বানাবো। তাড়াতাড়ি চলে এসো।
তাহসান?
তোমার জিনিসপত্র?
দেখো যদি...
খেয়েছ কিছু?
দাঁড়াও।
আজ কোন পার্টি হচ্ছে নাকি?
কিসের পার্টি?
বাদ দাও।
কোথাও গিয়ে কথা বলতে পারি?
এখানে কেন নয়?
ফ্রেশ হয়ে এসো। আমরা তারপর একসাথে খাবো।
মনে আছে সেদিন রাস্তায় কি হয়েছিল?
কি?
আমি বিবাহিত?
কি বলছো এসব? বিবাহিত নও তুমি?
কি হয়েছে তোমার, জাহিদ?
আমাকে ছেড়ে চলে যাবার কথা ভাবছো নাকি?
প্লিজ যেও না!
কি বলছো আবোল-তাবোল?
হুঁশ-জ্ঞান ঠিক আছে তো?
ওঠো ঘুম থেকে!
মিথিলা, তুমি ঠিক আছো?
কে ঐ লোকটা?
আমি শুধু...
এদিকে আয়...
- অন্যের বউয়ের সাথে ফষ্টি -নষ্টি? - ভুল করছো তুমি?
- এদিকে আয়! - ছেড়ে দে শয়তান!
দাঁড়াও...
দাঁড়াও...
একটু দাঁড়াও।
দাঁড়াও..... দাঁড়াও...
আচ্ছা মেরে ফেল আমাকে...
ও তোমার সাথে থেকে বিরক্ত হয়ে গেছে...
আমার সাথে সময় কাটাতে চায় এখন ও, বুঝেছো?
রোগের ফায়দা ভালোই উঠিয়েছিস!
খুব আনন্দ হচ্ছে, না?
নরকে গেলে আরো আনন্দ পাবি!
মজা লাগে?
মজা? মজা?
তোমার বয়স এখনও কম। আমরাই ওর খেয়াল নেব।
না।
আমরা ওর পরিবার।
ওকে এখন অত খারাপ হয়তো লাগছে না...
কিন্তু শীঘ্রই পায়খানা-প্রস্রাবও নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। আরো খারাপও হতে পারে।
তুমি সামলাতে পারবে না।
ও আমার স্ত্রী। আমিই ওর খেয়াল রাখতে পারব।
জানি তোমার কেমন লাগছে।
কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন।
থামুন! ও আমার কাছেই থাকবে।
জেদ করো না।
যথেষ্ট!
- আপনারা যেতে পারেন। - তাহসান!
মিথিলা?
কি হচ্ছে এখানে?
কোন ঝামেলা হয়েছে কি?
মিথিলা! তুমি ঠিক আছো?
দরজা খোল। আমি তোমার মা!
দরজা খোল, মিথিলা!
- মিথিলা, আহারে বেচারা... - তোমার হাতে কি হয়েছে?
মিথিলা!
দরজা খোল, মিথিলা। আমি তোমার মা!
জানালাটা আরেকটু বড় করা যায় না?
অবশ্যই যায়।
আজ রাতে এসেই ঠিক করব।
কত বড়?
জানি না। আরেকটু বেশী সূর্যের আলো হলে ভালোই লাগবে।
আচ্ছা।
বিদায়।
জাহিদ হাসান!
বল?
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
আমিও!
আজ তাড়াতাড়ি এসে পড়বো।
একেবারেই না!
সে আমাকে একেবারেই চিনতে পারছে না।
মোটেও না?
জানি তোমার কেমন লাগছে কিন্তু এটা ধরে বসে থেকো না।
সাম্প্রতিক কালের স্মৃতিই সবার আগে বিলুপ্ত হয়।
আলঝেইমারের সর্বনাশা দিক তো এটাই!
রোগীর দোষ দিয়ে কি লাভ?
একেবারে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে...
...সে আমাকে তার আগের বয়ফ্রেন্ডের নাম ধরে ডাকে।
সাথে এটাও বলে "আমি তোমাকে ভালবাসি"।
আসলে ও কাকে ভালবাসে কে জানে!
সে আগের দিনগুলোকে মিস করে।
ঠিক?
তার শুধু ওইসবই মনে আছে।
ও তোমাকে ভালোবাসতো, আমাকে না।
নিজেকে জিজ্ঞেস কর।
দুঃখিত, আমি খুবই দুঃখিত!
আমি কখোনোই তোমার হৃদয় ভাঙতে চাইনি।
খোদা, এ আমি কি করছি!
কেঁদো না তুমি!
তোমার কান্না সহ্য করতে পারবো না
আমি তোমাকে খুশি করতে চেয়েছিলাম।
অথচ তোমাকে শুধু যন্ত্রণাই দিয়েছি।
তাহসান! আমার ভালোবাসা তাহসান!
আমাকে ভুল বুঝো না।
I only love you and only you.
আমি শুধু তোমাকেই ভালবাসি, শুধু তোমাকে!
সবসময় তোমার কথাই ভাবি। আমার শুধু তোমাকেই মনে পরে।
যদি তোমাকে হৃদয়ের সব কথা বলে যেতে পারতাম! স্মৃতি থাকতে থাকতে কি সেটা আদৌ করতে পারবো?
আমার হার্টবিট বেড়ে যাচ্ছে।
আমি, মিথিলা, ভালবাসি শুধুই তাহসানকে!
এটা আমি কখোনোই ভুলতে চাই না।
দেখছো এটা?
বুঝতে পারছো কি বলছি?
এই মাত্র যেটা মনে পড়লো সেটা আবার ভুলে যেতে পারি..
তার আগেই তোমাকে সব বলে দিতে চাইছিলাম।
ভালোবাসি শুধু তোমায়, আর ক্ষমা চাইছি তোমার কাছে।
তোমার সাথে আমার দেখা হয়েছিল, আমার ভুলোমনা স্বভাবের কারণে।
তোমাকে ছেড়ে চলেও যাচ্ছি, আমার ভুলোমনা স্বভাবের কারণে।
তুমি আমার জীবনে ঘটা সবথেকে সেরা ঘটনা!
সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, তোমাকে আমার জীবনে পাঠিয়েছেন বলে।
আমার তোমাকে আর মনে রাখার দরকার নেই।
কারণ, আমার একটা অংশ জুড়েই শুধু তুমি।
এখন আমি তোমার মতই হাসতে বা কথা বলতে পারি।
তোমাকে ভুলতেও পারি।
কিন্তু তোমাকে আমার মন থেকে কেউ আলাদা করতে পারবে না।
যদিও তুমি কখনো বলোনি আমাকে ভালোবাস কিনা...
কিন্তু আমি জানি, মন থেকে তুমি আমাকে কতটা ভালোবাস।
তোমাকে ছেড়ে চলে যাবার জন্য মাফ করে দিও। প্লিজ...
সবশেষে বলছি...
আমার আব্বুর সাথে দেখা করবে অবশ্যই।
ডিভোর্স এর দলিলের জন্য।
সেই প্রবাদটাতো জানেনই... ক্ষমা মনের মধ্যে ঘৃণার জন্য...
... খুব কমই জায়গা বাঁচিয়ে রাখে।
... খুব কমই জায়গা বাঁচিয়ে রাখে।
মিথিলার আমাকে পুরোপুরি ভুলে যাবার আগে আমার ওকে কিছু বলার আছে...
এটা না বললে...
জীবন অর্থহীন মনে হবে।
আবার খেলবে নাকি?
এই...
তোমার কোন বুদ্ধি নেই।
আরেকটা সুযোগ দিতে পারতে।
এভাবে চলে গেলে কেন?
আমি আবার একা হয়ে গেলাম।
তাহসান!
পাবনা মানসিক হাসপাতাল!
অদ্ভুতভাবে, আমার আবার সবকিছু মনে পড়ে যাচ্ছে।
বেসবল খেলার কথা, সেই কোকাকোলার দোকানের কথা! সবকিছু...
মনে হয় এটাই শেষবার।
তাই যত দ্রুত পারি লিখছি।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড়ের নাম তাজিওডং। দেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত মাধবকুন্ড-তে অবস্থিত।
তোমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া কোক-টার দাম ছিল ৭০ টাকা।
দেখেছো সব মনে আছে!
দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাহাড়ের নাম কেওকারাডং। বাংলাদেশে সবথেকে বেশী বৃষ্টিপাত হয় শ্রীমঙ্গলে।
দেখলে?
আমাকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
রোজার ঈদ হয় রোজা শুরু হবার ২৯/৩০ দিন পরে। (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)!!!
হিসাবও মনে আছে!
তুমি এখন আমাকে ভুলে গেলেই আমরা সমান হয়ে যাবো।
সুন্দর কাউকে দেখে বিয়ে করে নাও।
রাগারাগি করবে না। তখন তোমাকে দেখতে ভালো লাগে না।
হয়তো তুমি জানোনা, তুমি স্বামী হিসেবে চমৎকার।
আমি জানি কারণ, তুমি আমার স্বামী ছিলে।
আমাকে দেখতে আসা লাগবে না, তাহসান।
বিদায়।
মাঝে মাঝে সে সাহায্য ছাড়া জামা- কাপড়ও পড়তে পারে না।
যদিও সে ভালোই মানিয়ে নিয়েছে।
সে সব ছবি ছিঁড়ে ফেলেছে, শুধু এটা বাদে।
এই দিকে।
একজন তোমার সাথে দেখা করতে চায়।
আমার সাথে?
ধন্যবাদ।
আমাকে...চিনতে পারছো না?
আমি কি আপনাকে চিনি?
দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
আমি তাহসান!
এই ঘ্রাণটা...
কোথায় যেন শুঁকেছি আগে।.
আমার চাচ্চু...
নাকি বাসে...
কোথায়...
মনেই পড়ছে না....
স্বপ্নে...
নাকি বাস্তবে...
কিচ্ছু মনে আসছে না।
কাঁদছেন কেন?
ওকে কোথাও ঘুরিয়ে আনবার অনুমতি আছে কি?
আমি কি স্বর্গে এসে পড়লাম!
হ্যাঁ!
আমি তোমাকে ভালোবাসি!
অনুবাদকঃ পন্ডিত যোগাযোগঃ সিলেট
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.