All language subtitles for Kavaludaari Bsub by Nurullah

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

সা

সাব

সাবটা

সাবটাই

সাবটাইটে

সাবটাইটেল

সাবটাইটেল অ

সাবটাইটেল অনু

সাবটাইটেল অনুবা

সাবটাইটেল অনুবাদক

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ N

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nu

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nur

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nuru

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurul

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurull

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurulla

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurullah

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurullah M

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurullah Ma

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurullah Mas

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurullah Mash

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurullah Mashh

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurullah Mashhu

সাবটাইটেল অনুবাদকঃ Nurullah Mashhur

আমার অনুবাদকৃত প্রথম সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি।

আশা করি সবাই উপভোগ করবেন কান্নাড়া ইন্ড্রাস্ট্রির প্রশংসিত এই থ্রিলারটি।

কিছুটা স্লো-পেসড স্টোরি হলেও ধৈর্য ধরে দেখলে আশা করি ভালো লাগবে।

#Happy Watching...

ইউনিফর্ম পরিহিত সকল পুরুষ এবং নারীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গকৃত

১৯৭৭ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, ব্যাঙ্গালোর

হ্যালো...

তোমার বাবা কি বাসায় আছেন?

জ্বী, আছেন।

বাবা...

বাবা...

কি হয়েছে মা?

ইন্সপেক্টর মুথান্না বলছি।

স্যার, প্রত্নতত্ত্ব ডিপার্টমেন্টে একটা খুন রিপোর্ট করা হয়েছে।

মুভিঃ ★ Kavaludaari(2019) ★ সাবটাইটেল অনুবাদকঃ নূরুল্লাহ মাশহুর Facebook ID: www.facebook.com/nurullah.mashhur

আপনার দিন সাধারণত কিভাবে শুরু হয়?

একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে, আমার জীবনযাত্রা খুবই সুশৃঙ্খল।

ভোর ৬টায় আমি ঘুম থেকে উঠি।

সাড়ে ৬ টার মধ্যে জগিং আর ব্যায়াম শেষ করি,

আর সাড়ে ৭টায় সকালের নাস্তা করি।

সাড়ে ৮ টায় আমি স্টেশনে হাজির হই।

একজন ইন্সপেক্টর হিসেবে, আপনার কাছে বন্দুক আছে তাই না?

না। ট্রাফিক পুলিশদের বন্দুক দেওয়া হয় না।

কেন?

এটা কেমন প্রশ্ন!

কারো কাছে লাইসেন্স না থাকার জন্য কি আমরা তাকে গুলি করতে পারি?

-আমাদের বন্দুকের দরকার হবে কেন? -ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা কোনো ব্যাপার না।

কিন্তু যেসব গর্দভ ফুটপাতে গাড়ি উঠিয়ে দেয়, রাস্তার মাঝে হুইলি আর স্টান্ট করে,

তাদের উচিৎ শিক্ষা দেওয়া দরকার!

খোদা এ কারণেই পাইলস দিয়েছেন না?

-এট কি কোনো কৌতুক? -না। আমি সিরিয়াস।

তো আপনার কোনো গার্লফ্রেন্ড ছিলো না?

না

ভালো

আপনি কতদিন ধরে পুলিশ অফিসার?

তিন বছর।

তিন বছর তো কি হয়েছে?

স্যার, গত বছর আপনি আমাকে ক্রাইম ডিপার্টমেন্টে ট্রান্সফার করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

স্যার প্লিজ...

স্যার, রাজ্যের যে কোনো জায়গায় পোস্টিং এ আমার আপত্তি নেই।

আমি এখন পর্যন্ত খুবই দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি।

কেস সমাধান করার ব্যাপারে আমি রেকর্ড সেট করেছি।

-শ্যাম, আমি এই মুহূর্তে কিছু করতে পারবো না। -স্যার, কিন্তু...

অনুযোগ করে সময় নষ্ট কোরো না।

এটা তোমার জন্য আরো কঠিন হয়ে যাবে।

স্কোর কত?

আমি জিতেছি।

এবার আপনার আমাকে ট্রীট দিতে হবে।

ঠিক আছে, আমি তোমাকে আইসক্রীম খাওয়াবো।

ওকে।

আপনার কোনো শখ আছে?

আমি দাবা খেলতে পছন্দ করি।

আর হাতি তোমার সৈন্যকে খেয়ে দিলো।

এখানে আসলে আমি সময়জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

-বাচ্চারা তোমাকে বিরক্ত করে নি তো? -একদমই না।

দয়া করে এই টাকাগুলো দিয়ে বাচ্চাদের জন্য বই আর অন্যান্য জিনিস কিনে দিবেন।

বাই।

বাই।

-দেখা হয়ে ভালো লাগলো। -হুম।

-শুভকামনা। -ধন্যবাদ।

বলো মা...

কেমন হলো? পছন্দ হয়েছে ওকে?

সেই পুরনো কাহিনী।

সে পুলিশম্যানকে বিয়ে করতে আগ্রহী না।

ওহ, ঈশ্বর!থাক বাদ দে ওর কথা।

যা ঘটে, ভালোর জন্যেই ঘটে।

চিন্তা করিস না।

তাকে বলো ভালো পাত্রী খুঁজে পেতে সময় লাগে।

তোকে না বলেছি হনুমান মন্দিরে গিয়ে নিয়মিত প্রার্থনা করতে?

সব ঠিক হয়ে যাবে...

-...তুই একটা ভালো মেয়ে খুঁজে পাবি। - মা, আমার কাজে যেতে হবে।

এখানেই খেলো, বেশি দূরে যেও না।

"Kavaludaari" Crossroads

একটা কলম দাও

ম্যাডাম...

মিডিয়ার লোকদের কর্নারে সরে যেতে বলো।

ফরেনসিক স্যাম্পল সংগ্রহ করা পর্যন্ত তোমরা দুজন এখানেই থাকো।

সকল ডিটেইলস পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বারের মতো ইস্যু এবার যাতে না হয়।

আর সেটাই আমাদের দায়িত্ব।

স্পর্শকাতর ভোট কেন্দ্রসমূহে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স মোতায়েন করা হচ্ছে।

বলো।

স্যার, NBT Junction এ একটা মেট্রো কন্সট্রাকশন আছে না স্যার?

এখানে কিছু হাড় পাওয়া গিয়েছে।

তো?

ফরেনসিক টীম এখানে এসে পড়েছে।

তাতে কি হয়েছে?

স্যার, আমি কি তদন্তে যোগ দিতে পারি প্লিজ?

আমার সময় নষ্ট করা বন্ধ করো!

গিয়ে নিজের কাজ করো।

লোকজনকে দূরে সরাও।

আমরা তিন সেট হাড় খুঁজে পেয়েছি।

কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না তা এত দ্রুত বলা যাচ্ছে না।

বিস্তারিত খবর পেলে আমরা আপনাদের জানাবো।

দেখে চলো।

স্যার।

আমাকে ডেকেছেন?

তুমি কি করছো এখানে?

-এখানে কিছু হাড় পাওয়া গেছে... -তাতে কি হয়েছে?

কিছু হাড় পাওয়া গেছে এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার না।

রাস্তায় অনেক ট্রাফিক। গিয়ে সেটা সামলাও।

জ্বী স্যার।

আমরা তিন সেট হাড় খুঁজে পেয়েছি।

কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না তা এত দ্রুত বলা যাচ্ছে না।

কিছু হাড় পাওয়া গেছে এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার না।

রাস্তায় অনেক ট্রাফিক। গিয়ে সেটা সামলাও।

আমি তোমাকে পরে কল করছি।

হেই! কে তুমি?

এই যে মিস্টার! হ্যালো! হ্যাঁ, তুমি...

ওখানে কি করছো?

কে আপনি?

আমি কে?

পাছায় লাথি দিয়ে জেলে ভরলে জানতে পারবে...

কে আমি।

প্রেস। আমি একজন সাংবাদিক।

উঠে আসো এক্ষুণি!

আপনার হাত দিন, স্যার।

তোমার কোনো কান্ডজ্ঞান আছে? ক্রাইম সিনে তুমি কি করছো?

কোন প্রেস? তোমার আইডি কার্ড দাও।

লক আপ নিউজ।

তোমার আইডি দাও...

...নাহয় আমি তোমার লক আপের খবর বানাবো।

লক আপ নিউজ সম্পাদক, কুমার।

এখানে কি করছো তুমি?

এখানে কিছু হাড় খুঁজে পাওয়া গিয়েছিলো...

তাই আমি চেক করতে এসেছিলাম যে এটা থেকে ভালো একটা খবর বানানো যায় কি না।

এই সময়ে?

আমরা সাংবাদিকরা সবসময় ডিউটিতে থাকি।

-আমরা ২৪ ঘণ্টাই কাজ করি। -আহা বেচারা।

আমাকে নিয়ে মজা করছেন?

আমার আইডি ফেরত দিন।

দিবো, দিবো।

আগামীকাল সকালে স্টেশনে এসো।

-প্লিজ ফেরত দিন। -কাল নিয়ে যেও।

প্লিজ আমার কার্ড ফেরত দিন, স্যার।

স্যার!

স্যার, এক সেকেন্ড দাঁড়ান।

আমি আপনাকে সব স্টেশনে খুঁজেছি।

যেভাবে আপনি কাল রাতে কথা বলছিলেন,

আমি ভেবেছিলাম আপনি ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের নতুন পুলিশ।

যদি জানতাম আপনি একজন ট্রাফিক পুলিশ...

কেন?

ট্রাফিক পুলিশ পুলিশের অংশ না?

হ্যাঁ! তবে তারা আলাদা।

আপনার ইউনিফর্ম তো খাকী না, তাই... যাই হোক, আমার কার্ড দিন।

না, দেবো না।

বেশ। রেখে দিন।

আগামীকালের খবর পড়তে ভুলবেন না যেন।

"অপরাধ তদন্তে ট্রাফিক পুলিশ?"

যশন্তপুর স্টেশনের শ্যামকে তলব করো।

স্যার!

বসো।

খবরের কাগজ দেখো।

এটা নির্বাচনী মৌসুম।

তোমার কপাল ভালো...

যে এটা একটা ছাইপাশ পত্রিকা যেটা কেউ পড়ে না।

এটা যদি অন্য পত্রিকা হতো, ফলাফল অন্যরকম হতে পারতো।

-তোমাকে ফোনে আমি কি বলেছিলাম? -সে এটা লিখেছে শুধুমাত্র...

তুমি সেখানে গেলে কেন?

আমি তোমাকে আগেই সতর্ক করি নি?

ইডিয়ট!

স্যরি স্যার। কিন্তু...

এটা একটা অচল কেস।

এই হাড়গুলো গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়।

এই শহরে যথেষ্ট সমস্যা আছে।

এটাই তোমার শেষ ওয়ার্নিং।

নিজের কাজে ফিরে যাও।

ওকে স্যার।

স্যার, দয়া করে আমার কথা শুনুন।

স্যার না স্যার... প্লিজ...

হারামজাদা, তুই বলেছিলি গত মাসেই তুই টাকা ফেরত দিবি।

কু** বা**! তুই আমাদের বোকা বানাচ্ছিস?

স্যার, আমাকে আর এক সপ্তাহ সময় দিন, আমি অবশ্যই সব টাকা ফেরত দিবো।

বস, গত সপ্তাহেও সে একই কথা বলেছিলো।

না স্যার, আমি দিবো। ঈশ্বরের নামে প্রতিজ্ঞা করছি।

এবার আমি তোর আঙ্গুল ভেঙ্গেছি।

পরের বার, তোকে আমি ছাড়বো না। তোর হাতে ১০ দিন সময় আছে।

চল।

যারা তোমাকে মারলো তারা কারা ছিলো?

প্রতিবেশী, এলাকার ছেলেপেলে স্যার।

আমি অনেক টাকা ঋণ করে ফেলেছি।

আমার সংবাদপত্রের কোনো পাঠক নেই।

কারণ আমি শুধু তিক্ত এবং অনাকাঙ্খিত সংবাদ ছাপাই।

আমার পত্রিকা অনেক উঁচুতে পৌঁছে যেত কিন্তু...

(আপনমনে কথা বলছে)

এক বাই**দ এর জন্যে স্যার।

আমি তার জালে ফেঁসে গেছি।

সে আমার সাথে প্রতারণা করেছে।

তারপর থেকে আমার জীবনে দুর্দশা নেমে এসেছে।

আমার জীবনের কথা ভাবলে, ইচ্ছে হয় ঐ গর্তে গিয়ে ঝাঁপ দিয়ে পড়ি!

কি তুচ্ছ জীবন!

শুনলাম তারা হাড়-সংক্রান্ত কেসটা বন্ধ করে দিচ্ছে।

তুমি কিভাবে জানলে?

আপনাদের ডিপার্টমেন্ট আমি অনেকদিন ধরে খুব কাছ থেকে দেখছি।

আপনার বস, সিদ্দালিংগা তার কাজ দিয়ে উপরের র‍্যাংকে ওঠে নি।

জানো তো কার মেয়েকে সে বিয়ে করেছে?

এটাই!

ঘরের বাইরে সে বাঘ কিন্তু ঘরে গেলেই ইঁদুর!

তার স্ত্রীই সব সিদ্ধান্ত নেয়।

স্যার, স্যরি একটু ঢেলে দিবেন?

যথেষ্ট স্যার।

স্যার, এক মিনিট দাঁড়ান।

হ্যাঁ এখানেই।

সাবধানে। আস্তে যাও।

কি ব্যাপার? কিসের দিকে চেয়ে আছো?

আমি জানি তুই এখন অনেক বড় মানুষ হয়ে গেছিস।

জাহান্নামে যা!

তুই আমাদের সমাজ পরিষ্কার করবি, হাহ?

শালা শুয়োর! সারা পৃথিবীর সব মেকাপ ব্যবহার করলেও শুয়োর আজীবন শুয়োরই থাকবে।

ভুলে যাস না, আমি জানি তুই কে।

এমনকি তুই ভুলে গেলেও, আমি ভুলবো না।

-আমি তোকে শিক্ষা দিবো। -কুমার।

-ছাড়ুন আমাকে স্যার। আমি দেখিয়ে দিবো। -কুমার, চলো যাই।

-চলো কুমার। -আপনি এদেরকে চেনেন না স্যার।

-এরা ফুটপাতে ছিলো স্যার। -ওকে, ওকে। আমি তোমাকে বাড়িতে নামিয়ে দিচ্ছি। চলো।

আসছি। অপেক্ষা করো।

-এটাই কেস ফাইল? ফরেনসিক রিপোর্টস? -জ্বী। সব এখানেই আছে।

কার্বন ডেটিং রিপোর্ট অনুসারে,

এগুলো ৩০ থেকে ৩২ বছর বয়সী একজন লোকের দেহাবশেষ।

এগুলো হচ্ছে ২৮-২৯ বছর বয়সী এক মহিলার।

এটা হচ্ছে ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী এক মেয়ের।

মেয়েটি যেহেতু খুবই অল্পবয়সী ছিলো তাই তার হাড় ক্ষয় হয়ে গিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে, আমরা বুঝতে পারছিলাম না এটা কি স্বাভাবিক মৃত্যু ছিলো নাকি খুন।

কিন্তু যেভাবে হাড়গুলো ভেঙ্গে গিয়েছে, এটা কিছুটা অস্বাভাবিক।

কবর দেওয়ার সময় হাড়গুলো ভেঙ্গে গিয়ে থাকতে পারে।

কিন্তু আমাদের সংগ্রহ করা অন্যান্য স্যাম্পলের দিকে তাকালে, আমার মনে হয় না এটা কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু।

দেখুন, এখানে তাদের সংগ্রহ করা স্যাম্পলগুলো।

তাদের যদি কবর দেওয়া হতো, তাহলে আমরা এগুলো কেন পেতাম?

(আপনমনে কথা বলছে).

কতদিন আগে লাশগুলো কবর দেওয়া হয়েছিলো?

আমার পরীক্ষা অনুসারে, তাদেরকে প্রায় ৪০ বছর আগে কবর দেওয়া হয়েছিলো।

হাড়গুলোর এখন কি হবে?

সরকার এগুলো কবর দিয়ে দিবে।

তিনটা কঙ্কাল তুমি এক কবরে দাফন করেছো?

সরকার এক কবরের জন্যই টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, স্যার।

আমার কাজ শেষ স্যার।

-সমাধিপ্রস্তরে কি কোনো নাম লিখতে হবে? -না।

ওকে, আমি গেলাম স্যার।

সমাধিপ্রস্তরে কি কোনো নাম লিখতে হবে?

স্যার...

স্যার...

কি ভাবছেন?

হাড়গুলোর কথা, রাঙ্গাপ্পা।

কিছু একটা গড়বড় আছে এখানে।

এটা আশ্চর্যের কিছু নয় স্যার।

অনেক আগে, এখানে একটা লেক ছিলো। অনেক লাশ এখানে ফেলে দেওয়া হতো।

এটাই প্রথম নয়। তারা এর আগেও এখানে হাড় পেয়েছে।

-কত বছর আগের কথা এটা? -স্যার...

লোকে ট্রাফিক পুলিশে ভালো পদ পাওয়ার জন্য ঈশ্বরের কাছে বিশেষ প্রার্থনা করে...

রাঙ্গাপ্পা, কত বছর আগে সেটা!

১৯৭৫-৮০ এর দিকে স্যার।

এরপর শহর বেশ দ্রুত উন্নত হয়।

এসব পুরনো কেস ফাইল কোথায় পাবো?

রাঙ্গাপ্পার কারণে আমি আপনাকে ভেতরে যেতে দিচ্ছি।

আপনার উল্লেখিত সময়কালের সকল অমীমাংসিত নিখোঁজ এবং গুম হওয়া কেসের ফাইল এখানে আছে।

-খুঁজে দেখুন। -ধন্যবাদ, মজনু।

Am I on a mysterious journey...

...Into a story buried by time.

Am I on a mysterious journey...

with a hazy beginning and a hazy end?

The bruised half truths and half lies in these stories...

...Have left behind deep scars.

Scars that bear those deep clues.

Is the truth hiding in plain sight? or is it an illusion waiting to fall apart?

Who claims responsibility for this??

To solve each chapter...

...Shadows turn into witnesses...

Riddled by thoughts, my instincts are melting away.

Hidden somewhere between the beginning and the end...

...Is a lie, masquerading as the light..

...Leading me in this journey...

Am I on a mysterious journey...

...Into a story buried by time.

স্যার! Sir!

স্যার!

স্যার!

-আপনার চা। -ঠিক আছে।

Have I lost my way here?

Is my shadow playing tricks on me?

The river of doubts merges into a sea of speculations...

Have I lost my way here?

Is my shadow playing tricks on me?

The river of doubts merges into a sea of speculations...

এটা ছিলো ভারতের ইতিহাসের কালো অধ্যায়।

জরুরী অবস্থার ফলে...

অপরাধী এবং গুন্ডারা রাজনীতিতে অনুপ্রবেশের সুযোগ পেয়ে যায়...

এই হচ্ছে গুরুদাস নাইডু।

ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ব্যাঙ্গালোর ডিভিশনের প্রধান।

এই হচ্ছে তার স্ত্রী বিজয়লক্ষ্মী নাইডু।

এই হচ্ছে ১০ বছর বয়সী ভাইদেহী নাইডু।

এই কেসের তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন মুথান্না।

কে এই মুথান্না?

কুমার কখন আসবে?

এখনই যে কোনো মুহূর্তে।

তার সাথে আপনার কি কাজ?

আপনার কাছ থেকে সে কত টাকা ধার নিয়েছে? আমি আপনার টাকা পরিশোধ করে দিবো।

না না। আমার তার সাথে একটু কাজ আছে, রিলাক্স।

সে নিজেকে ভাবে টা কি?

প্রিয়া, আজ থেকে ভেঙ্কাটেশের দোকান থেকে কিছু কিনবি না।

কেন? তোমাকে যে টাকা দিলাম তা কি করেছো।

মানে কি? ওটা অন্য জায়গায় খরচ হয়ে গিয়েছে!

ওহ হ্যালো স্যার!

কখন আসলেন? আমাকে এক কাপ কফি দে তো...

কি ব্যাপার?

কাব্বন পার্ক স্টেশনে মুথান্না নামে একজন ইন্সপেক্টর ছিলেন।

তোমার কাছে তার ব্যাপারে কোনো তথ্য আছে?

এটা ঐ গর্তের হাড়গুলোর সাথে সম্পৃক্ত, ঠিক?

মুথান্নার ব্যাপারে তুমি কি জানো?

আপনি আমার অবস্থা জানেন।

যদি আপনি আমাকে এই কেস সম্পর্কে বলেন...

...মুথান্নার ব্যাপারে যা জানতে চান আমি খুঁজে দেবো।

কিছু মনে করো না। আমার উঠতে হবে।

এই মুথান্না কে আমি জানি না...

কিন্তু তার তদন্ত থেকে জানা যেতে পারে কিভাবে নাইডু আর তার পরিবার মারা গেলো।

ফেব্রুয়ারীর ২৫ তারিখ সকালবেলা,

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে একটি খুন এবং ডাকাতির ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হয়েছিলো।

মার্ডার ভিক্টিমঃ সুরেশ। বয়সঃ ৩২।

তদন্তের প্রথম ধাপ ছিলো কি চুরি হয়েছিলো তা খুঁজে বের করা।

হ্যালো।

জ্বী, আমার নাম কে গণপতি।

খনন কর্মকর্তা। নাইডুর উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তা।

তিনি হায়দ্রাবাদ অফিসে কাজ করেন।

হাম্পিতে এক খননকার্য চলাকালে বিজয়নগর সাম্রাজ্যের কিছু সম্পদ পাওয়া যায়।

পরীক্ষার করে জানা গেছে, আমরা প্রায় ৮০-৯০ লাখ রূপি মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার পেয়েছি।

দশ দিন আগে...

আমি নাইডুকে সম্পদগুলো হায়দ্রাবাদে সরিয়ে নিতে আদেশ দিয়েছিলাম।

সে বলেছিলো রাজনৈতিক অবস্থা এখন অস্থিতিশীল, আর সময় ঠিক হলেই সে পাঠিয়ে দিবে।

সুরেশের লাশ সর্বপ্রথম খুঁজে পায় অফিসের পিয়ন সেবাস্টিয়ান

আমি ১০ বছর ধরে নাইডু স্যারের অফিসে কাজ করছি।

আমি ৮টায় অফিসে আসি। সেদিনও ভিন্ন ছিলো না।

লাশ! লাশ! লাশ!

আমি এর দিকে তাকাতে পারছিলাম না।

সেই রক্ত। এটা এখনো আমাকে রাতে দুঃস্বপ্ন দেখায় স্যার।

সুরেশকে খুন করতে একটা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিলো।

একই অফিস থেকে একটা ছুড়ি নিখোঁজ ছিলো।

শুধু সুরেশকেই কেন টার্গেট করা হয়েছিলো?

আমার নাম সুরেন্দ্র নায়ক।

আমি গত ১৫ বছর ধরে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে কাজ করছি।

শুধু সুরেশের কাছেই ট্রেজারির চাবি ছিলো।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সুরেশ মালামালগুলোর দায়িত্বে ছিলো।

ব্যাঙ্গালোর থেকে ৪৫ কিমি দূরে, রায়াগুদ্দা রেলওয়ে স্টেশনের কাছে একটা গাড়ি পাওয়া গিয়েছিলো।

অনুসন্ধানে জানা যায় গাড়িটি ছিলো প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের গুরুদাস নাইডুর।

কিন্তু গুরুদাস নাইডুর কোনো চিহ্ন সেখানে ছিলো না।

গাড়িটি ছিলো এই তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ন প্রমাণ।

অফিস থেকে যে খুনের অস্ত্র নিখোঁজ ছিলো তা সেই পুড়ে যাওয়া গাড়িতে পাওয়া যায়।

নাইডুকে যেহেতু কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না, আমরা তার চাকর-বাকরদের জিজ্ঞাসাবাদ করি।

নাইডু পরিবারের রান্না করতো, চিকাম্মা।

পাঁচ বছর ধরে আমি নাইডু সাহেবের বাসায় কাজ করছি।

প্রতিদিন সকাল ৬টায় আমি নাইডু সাহেবকে কফি দিয়ে আসতাম।

সাহেব, আপনার কফি।

এক ঘণ্টা পর, দেখলাম তখনো রুমের দরজা বন্ধ।

কফি কেউ ছোয় নি।

আমি ভাবলাম বাবলুকে জিজ্ঞাসা করি নাইডু সাহেব কোথায় গিয়েছেন সে জানে কি না।

আমার নাম বাবলু।

চার বছর আগে চিকাম্মা আমাকে নাইডুদের বাড়িতে চাকরীর ব্যবস্থা করে দেন।

স্যার! কুমার বলছি।

হ্যাঁ কুমার, বলো।

আমিও এই কেস তদন্ত করছি স্যার...

আমি আপনার সাথে সকল তথ্য শেয়ার করবো...

খবর জানানো আপনার ব্যাপার...

তবে আমি আপনাকে মুথান্নাকে খুঁজে বের করতে সহায়তা করবো।

ধন্যবাদ।

-বাবলু! -আসছি!

বাবলু!

দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিলো।

হ্যাঁ, দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিলো।

কি ব্যাপার?

নাইডু সাহেব কি বাসায় নেই?

ভেতর থেকে সাড়া না পাওয়ায় আমাদের দরজা খুলতে হয়...

আলমারীতে কোনো কাপড়-চোপড় ছিলো না।

আমরা ভাবলাম জরুরী অবস্থার কারণে তারা চলে গিয়েছেন আর আমাদের কাজ করতে লাগলাম।

ম্যাডাম আগের রাতে আমাকে ডেকেছিলেন।

-বাবলু! -আসছি।

স্যারের আজকে আসতে দেরী হবে। তুমি ঘুমিয়ে পড়ো।

আর স্যুটকেসটা দিয়ে যাও, আমার কিছু জিনিস প্যাক করতে হবে।

ঠিক আছে।

অপরাধ সংঘটনের পর পরই নাইডুর পরিবারের শহর ত্যাগ...

...কি কাকতালীয় ছিলো নাকি এটাই ছিলো তাদের আসল পরিকল্পনা?

নাইডুর প্রস্থানের কারণ খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত করা হয়েছিলো।

আমার নাম চালাপতি,

নাইডু এবং তার পরিবার ছিলো আমার প্রতিবেশী।

দশ দিন আগে, নাইডু আমাদের ব্যাংক থেকে তার সব টাকা তুলেন আর একাউন্ট বন্ধ করে দেন।

নাইডুর বাড়ির মালী, ইরাপ্পা।

গত রাতে তুমি কি করছিলে?

আগের রাতে সেবাস্টিয়ান নাইডুর বাড়িতে এসেছিলো।

কিন্তু আমি সেদিন রাত ৯টায় চলে এসেছিলাম।

হ্যাঁ, সে রাত ৯টার দিকে চলে গিয়েছিলো

তারপর আমি খুব মাতাল হয়ে যাই।

দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিলো।

স্যার, একটা জিনিস বলতে ভুলে গেছি।

সেদিন সন্ধ্যায় নাইডু সাহেব আমাকে তার চেম্বারে ডেকেছিলেন।

-সেবাস্টিয়ান! -স্যার।

১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তাড়াতাড়ি ঘরে যাও।

নাইডু সাহেব সেদিন আমাদের সবাইকে তাড়াতাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে দেন...

...আমি ভেবেছিলাম কাছেই মিল শ্রমিকদের বিশাল ধর্মঘটের কারণেই হয়তো এটা করেছিলেন।

আমার নাম ফার্নান্দেজ।

৫ বছর ধরে আমি নাইডু সাহেবের ড্রাইভার হিসেবে কাজ করছি।

কিন্তু সেদিন আমি গাড়ি চালাই নি...

মনে হয় নাইডু সাহেব আর সুরেশ ছাড়া সবাই চলে গিয়েছিলো।

নাইডু সাহেব আমাকে ডাকলেন।

-ফার্নান্দেজ! -আসছি স্যার!

আমার আজ একটু দেরী হবে। তুমি চলে যাও।

সমস্যা নেই স্যার, আমি অপেক্ষা করবো।

-না! চলে যাও। আমি পরে আসবো। -ঠিক আছে স্যার।

দাঙ্গা পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছিলো তাই আমি বাড়ি চলে যাই।

নাইডুর বাসার নিরাপত্তা রক্ষী- মোহনস্বামী।

সেই রাতে নাইডু সাহেবের গাড়ি আসলো।

হ্যাঁ, ফার্নান্দেজ এর বদলে নাইডু সাহেব গাড়ি চালাচ্ছিলেন।

গাড়ি আমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়, আমি খেয়াল করলাম...

...নাইডু সাহেবের কোটে রক্তের দাগ লেগে ছিলো।

আমি দেখতে গেলাম সব ঠিক আছে কি না কিন্তু নাইডু সাহেব ভেতরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন।

আমি আর নাক গলাতে চাইলাম না। তাই কাজে ফিরে গেলাম।

ভেতরে সব শুনশান ছিলো।

এক ঘণ্টা পর, পোর্চের লাইট দপ করে জ্বলে আবার নিভে গেলো।

তারপর শুধু অন্ধকার।

আমি চেক করতে গেলাম...

স্যার! স্যার!

জানি না কে আমাকে আঘাত করেছে স্যার। আমার এটুকুই মনে আছে...

আমার ধারণা নাইডু সাহেবের কোনো পার্টনার ছিলো...

মিঃ এবং মিসেস নাইডুর সাথে মিলে সে এই পুরো অপরাধের পরিকল্পনা করেছিলো।

সংগ্রহকৃত প্রমাণাদির ভিত্তিতে...

...মোহনস্বামীর বক্তব্য আর নাইডুর ঘরে পরীক্ষার সময় যে রক্ত-মাখা নোট পাওয়া গিয়েছিলো...

এটা পরিষ্কার যে মিঃ এবং মিসেস নাইডু এতে জড়িত ছিলেন।

কিন্তু এটা তদন্ত করা বাকী ছিলো যে এই অপরাধে তাদের কোনো অংশীদার ছিলো কি না।

ভেবেছিলাম তারা সুন্দর নিষ্পাপ একটা সুন্দর পরিবার...

কিন্তু দেখা গেলো তারা স্বর্ণলোভী খুনী।

এখন তাদের হাড় যদি পাওয়া গিয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই কেউ জড়িতে ছিলো...

...যে শেষে তাদের সাথে প্রতারণা করেছিলো।

আর এইসব লোভের মাঝে বলি হলো...

...নিষ্পাপ মেয়েটি...

২৭ মে, ১৯৮৫।

একটি নতুন প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

আমি এই কেসটিকে C রিপোর্ট থেকে A রিপোর্টে ট্রান্সফার করার জন্য আবেদন করছি।

স্বাক্ষরিত অফিসার মুথান্না।

মিঃ এবং মিসেস নাইডুর লোভের কারণে মারা গেলো সুরেশ আর তাদের নিজের কন্যা, ভাইদেহী।

নিশ্চিতভাবেই, নাইডুর পার্টনার ছিলো তার কাছের কেউ।

এই লিস্টের কে মিথ্যা বলছে?

নাইডুর চেয়ে লোভী কে হতে পারে?

পুরনো মাদ্রাজ রোড, সাজ্জাপুর সার্কেল থেকে ৫০ কিমি দূরে একটা হনুমান মন্দির রয়েছে...

তথ্য নির্ভুল স্যার।

-মুথান্না স্যার এর কাছ থেকে কি জানলেন তা আমাকে জানাবেন দয়া করে। - ওকে ওকে।

হ্যালো!

কেউ আছেন?

হ্যালো!

কে তুমি? কে তুমি?

পাগল নাকি আপনি? আমার জীবন শেষ হয়ে যেতে পারতো।

তোমার জীবন এখনো শেষ হতে পারে।

কি করছিলে তুমি ওখানে?

স্যার, আমি শ্যাম...

শুধু আমার প্রশ্নের উত্তর দাও। আমার আর কোনো ডিটেইলস দরকার নেই!

স্যার, ১৯৭৭ সালে, নাইডু নামের একজন লোক তার সহকর্মী সুরেশকে খুন করে...

...প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ডাকাতি করেছিলো, আর তারপর তার পরিবার নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলো।

আমি জানতে পারলাম যে সেই কেসের তদন্ত কর্মকর্তা আপনি ছিলেন।

আমরা সেই পরিবারকে খুঁজে পেয়েছি স্যার।

জ্বী স্যার।

একটা রাস্তা সম্প্রসারণ প্রজেক্ট চলাকালে তাদের হাড় পাওয়া গিয়েছে।

স্যার...

...কেস বন্ধ হয়ে যাওয়ার আট বছর পর,

মে মাসের ২৭ তারিখে, আপনি নতুন প্রমাণ পাওয়ার প্রেক্ষিতে নতুন করে কেস চালু করার জন্য আবেদন করেছিলেন।

২৭ মে কি হয়েছিলো, স্যার?

স্যার?

স্যার?

স্যার?

বেরিয়ে যাও।

বেরিয়ে যাও।

স্যার...

বললাম বেরিয়ে যাও!

স্যার! প্লিজ শান্ত হোন!

স্যার, প্লিজ গুলি করবেন না। আমার কথা শুনুন। এক সেকেন্ড, প্লিজ।

নাইডুর পার্টনারের ব্যাপারে শুধু একটা ক্লু দিন আমাকে, প্লিজ।

স্যার প্লিজ স্যার।

স্যার, কেউ এই কেসের তোয়াক্কা করে না।

আমি একজন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মাত্র। কিন্তু আমি দিনরাত এই কেসের তদন্ত চালাচ্ছি।

আপনিই শুধু এই কেসের ব্যাপারে জানেন। সাহায্য করুন আমাকে, স্যার প্লিজ।

স্যার, আপনিও একজন পুলিশ। আপনি জানেন আমি এখন কোন পরিস্থিতিতে আছি।

স্যার, প্লিজ শান্ত হোন।

হাড়গুলোর অবস্থান আর ফরেনসিক ডিটেইলস এই ফাইলে আছে স্যার। একটু দেখুন।

আমি যাচ্ছি স্যার।

শান্ত হোন স্যার! প্লিজ।

কার্টন নিয়ে এসেছি।

নাপিতকে খবর দিয়েছি।

গাড়ি মেকানিকও আসছে।

My yesterday, today and tomorrow

Is like the emptiness of a blank page.

Life drags on slowly...

...Burdened by the weight of memories.

My destination is a far away place...

মা...

But I'm stuck here without escape

বাবা আজ তাড়াতাড়ি ঘরে এসেছে।

Engulfed by incompleteness....

তাই নাকি? দেখি দেখি...

My yesterday, today and tomorrow...

...Is like an empty sheet of paper..

The mind is riddled with thoughts of a distant pain

These thoughts are an addiction turning my life upside down...

...The unanswered questions mock me...

...Making me question myself.

When you set out on a journey into the unknown...

...It's like playing games with shadows.

Even if you find a way...

...The barbed fence looms over you..

...Finding its weakness is the only way through.

My yesterday, today and tomorrow

Is like the emptiness of a blank page.

Why don't you break away from your sorrow?

...Isn't there something to live for?

Why don't you let go of past mistakes?...

...And seek the path to redemption.

A hundred stories lie hidden in your tears

They too are looking for redemption.

O God, why are you playing these games with me?

থামো!

আরেকবার এখানে পা ফেললে, আমি তোমাকে মেরে ফেলবো।

গুলি করে দিন!

এভাবে বেঁচে থাকতে লজ্জা করে না আপনার?

অনেক পুলিশ আপনার সাহসিকতার কথা গর্ব করে বলে...

কিন্তু সে লোক আপনি হতে পারেন না।

আপনি মদের বোতলে আসক্ত এক ভীতু।

দশ বছরের একটা মেয়ে তার জীবন হারিয়েছে এই কেসে। ভুলে যান এসব।

এখানে এসে আমি আর আমার সময় নষ্ট করবো না।

মদ খেয়ে ভালো থাকুন!

সারাদিন আমাদের সাথে আনন্দ করে কাটালে।

এখন হঠাৎ করে, মৃত্যুর কথা বলছো কেন?

মৃত্যু সবসময় ঘোষণা ছাড়াই আসে...

বিশেষ করে আমার পেশায়।

আমাকে কথা দাও, আমি যা বলেছি তুমি তা করবে।

গীতা...?

ঠিক আছে!

তোমাকেও আমার কাছে কিছু প্রতিজ্ঞা করতে হবে।

যদি আমার কিছু হয়ে যায়,

যত কষ্টই হোক, তোমাকে সুন্দরভাবে জীবন কাটাতে হবে ।

বোকা মেয়ে! তোমার কি হবে?

মৃত্যু কি ঘোষণা দিয়ে আসে?

কথা দাও আমাকে।

স্যার?

স্যার!

স্যার!

একজন পুলিশ হিসেবে, কিছু কেস যখন বন্ধ হয়,

আমাদের রাতে খুব ভালো ঘুম হয়।

আবার কিছু কেস আমাদের তাড়িয়ে বেড়ায় আর সারা রাত জাগিয়ে রাখে।

এটার মতো।

জরুরী অবস্থার দিনগুলো কাটছিলো সে সময়।

পুরো জাতি অন্ধকারে ডুবে ছিলো।

আমার ধারণা তোমার তখন জন্মও হয় নি!

না স্যার।

সেসময়, আজ তুমি যেখানে আছো আমিও ঠিক সে জায়গায় ছিলাম।

এই কেস কোনোভাবেই আমার মাথা থেকে সরাতে পারছিলাম না।

আমি সব জায়গায় নাইডু আর তার পরিবারের খোঁজ করেছি।

কি ভেবে আপনি কেসটা আবার চালু করলেন?

তদন্তের সময়, আমরা কাউকে যখন সন্দেহভাজন হিসেবে দেখি...

আমরা শুধু তার ভুলগুলোই দেখি।

একই ভুল আমিও করেছিলাম।

-আপনি বলতে চাচ্ছেন নাইডু কোনো অপরাধ করে নি? -না।

নাইডু নিরপরাধ।

আমরা এই ভেবে ধোঁকা খেয়েছিলাম যে নাইডু সুরেশকে খুন করেছে।

কিন্তু যে লোক সুরেশকে খুন করেছিলো সে নাইডুকেও খুন করেছিলো।

বেচারা নাইডু সে রাতে পালাচ্ছিলো না,

সে এখানে তার পরিবারসহ কবরস্থ হয়েছিলো।

তার মানে অন্য কেউ সে রাত্রে পালিয়েছিলো।

স্যার, তাহলে নতুন প্রমাণটা কি ছিলো?

কোনো নতুন প্রমাণ ছিলো না।

কখনো কখনো তদন্ত চলাকালে, সত্যিটা দেখার জন্য...

আমাদেরকে সমস্থ মিথ্যার প্রতি অন্ধ হতে হয়।

নাইডুর ঘর অনুসন্ধানকালে,

আমরা একটা রক্ত-মাখা চিরকুট পাই।

আপনি জানার চেষ্টা করেছিলেন এটা কার হাতের লেখা...

আমি এ সম্পর্কে কেস ডায়রিতে পড়েছি।

নাইডু নিখোঁজ হওয়ার আট বছর পর...

অন্য একটা কেসের তদন্ত করার সময়,

আমি একই হাতের লেখা একটা মেডিক্যাল রিপোর্টে দেখতে পাই।

সেই রাতে, কাউকে খুন করা তো বাদ দাও, নাইডু একজন লোকের জীবন বাঁচিয়েছিল।

স্যার!!!

ডক্টর!

-দয়া করে এই ওষুধগুলো নিয়ে আসুন। -ওকে!

লক্ষ্মী মেয়ে!

ভাইদেহী!

ভাইদেহী!

কে করেছিলো এটা বলে মনে করেন স্যার?

শ্যাম, এটা প্রায় ৪০ বছর আগের কথা।

বলা কঠিন খুনী সেই লুট করা সম্পদ দিয়ে বড় কিছু করতে পেরেছিলো কি না।

যদি করেও থাকে, আমরা জানি না সে এখনো বেঁচে আছে কি না?

স্যার, এখন আমাদের কিভাবে তদন্ত করা উচিৎ বলে মনে হয়?

এত বছর পরে, তুমি আবারো আমার ভেতরের পুলিশ স্বত্বাকে জাগিয়ে তুলেছো।

কিন্তু আমি আর পুলিশ হতে চাই না।

আমি আশাবাদী যে তুমি তোমার পথ শীঘ্রই খুঁজে পাবে।

শুভ কামনা।

স্যার!

চলুন আপনাকে পৌঁছে দেই। আমাকে চাবি দিন।

কেন?

মাতাল হয়ে গাড়ি ড্রাইভ করা নিষিদ্ধ স্যার।

স্যার, আপনি কি আপনার পরিবারের জন্য কেসের তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছিলেন?

ব্যক্তিগত প্রশ্ন করার জন্যে দুঃখিত স্যার।

কিছু মনে করবেন না প্লিজ।

স্যার...

গীতা।

আমার মেয়ে দিভিয়া।

প্রতিবার যখন আমি আমার মেয়ের দিকে তাকাতাম, তার জন্য পৃথিবীটাকে আরো সুন্দর করে তুলতে চাইতাম।

সেটা করার জন্য আমি দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছিলাম।

তারপর আসলো জরুরী অবস্থা।

আর জরুরী অবস্থার জন্য দায়ী দলগুলো...

গুন্ডা-মাস্তানদের রাজনীতিতে অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দিলো।

কিন্তু আমি তবুও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছিলাম।

একদিন গীতাকে বললাম দিভিয়াকে নিয়ে কাছের একটা থিয়েটারে আসতে...

পরিকল্পনা ছিলো মুভি দেখে একসাথে বাইরে ডিনার করা।

তাদের সাথে দেখা করার জন্য যখন কাজ ছেড়ে বের হচ্ছিলাম, তখনই আমি ডাক্তারের হাতের লেখাটা দেখলাম।

থিয়েটারে যাওয়ার পরিবর্তে আমি গেলাম ডাক্তারের সাথে দেখা করতে।

দেরী হয়ে গেলো।

মুভি যেহেতু মিস করেছিলাম, তারা ভেবেছিলো আমি হয়তো ডিনারেও আসতে পারবো না।

তাই তারা বাড়ি চলে গেলো।

রাস্তায়, তারা দুর্ঘটনার শিকার হলো। আর আমি দুজনকেই হারালাম।

যেদিন এ ঘটনা ঘটে সেদিন ছিলো...

২৭শে মে।

ধ্যাৎ!

ওদেরকে হারানোর পর, পৃথিবীর আর কোনো মূল্য রইলো না আমার কাছে।

যেমনটা তুমি ওইদিন বলেছিলে,

আমি মদের বোতলে আসক্ত এক ভীতু...

-স্যার, আমাকে ক্ষমা করে দিন... -...তুচ্ছ এক জীবন কাটাচ্ছি।

আমি এটা বুঝাতে চাই নি।

আমি নাইডুর কেসের কারণে ওদেরকে হারাই নি।

আমি তাদেরকে হারিয়েছি কেস সমাধানের জন্য আমার প্রবল আসক্তির কারণে।

আমার লোভের কারণে ওদেরকে হারিয়েছি আমি।

স্যার!

নাইডু যেহেতু নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে তারা যদি আপনাকে টার্গেট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে এটা করে থাকে...

তাই যদি হতো,

তোমার মনে হয় আমি ওদেরকে ছেড়ে দিতাম?

কুমার বলছি, আমাদের কেস সম্পর্কিত একটা গুরুত্বপূর্ণ ক্লু খুঁজে পেয়েছি, আমরা কি দেখা করতে পারি?

সুপার স্যার, আমি আজ সন্ধ্যায় আসবো। ধন্যবাদ।

কুমার!

এক্সকিউজ মি!

তোমার বাবা কোথায়?

আমি তাকে ফোনে চেষ্টা করে যাচ্ছি। তার ফোন অফ।

আমার জানা নেই।

উনি গতকাল কাজের জন্য বেড়িয়ে গেলেন আর এখনো ঘরে ফেরেন নি।

কেন? কি হয়েছে?

উনি কখনোই আমার কথা শোনেন না।

তার সাথে তোমার শেষবার কথা হয়েছে কখন?

ঋণদাতাদের কল এড়ানোর জন্য, উনি নিজের ফোন বন্ধ করে রাখেন।

ইদানিং কি তার আচরণে কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেছো?

আপনি দেখা করে যাওয়ার পর থেকে,

উনি বলছিলেন যে আপনি তাকে এমন এক স্টোরি দিয়েছেন যা আমাদের জীবন বদলে দিবে।

উনি পুরনো ফিল্ম ম্যাগাজিন আর সংবাদপত্র খুঁজছিলেন। উনি অভিনেত্রী মাধুরীর উপর একটা খবর করতে চাচ্ছিলেন।

উনার ইন্টারভিউ নেওয়ার ব্যাপারে খুব উত্তেজিত ছিলেন।

ধন্যবাদ।

তার সাথে কথা হলে, আমাকে সাথে সাথে জানাবে।

চিন্তা করো না, নিজের খেয়াল রেখো।

That ring is haunting...

Your reasons are invisible to my gaze...

The sadness in my heart is strange...

Even the ice cool breeze burns me...

কাট! কাট! কাট! শটের মধ্যে হাসি দিচ্ছে কে এই লোক?

-এখনি বের করো তাকে! -হেই, বেরিয়ে যাও!

-স্যরি, স্যরি। -বের হও!!

হচ্ছে টা কি? ওহ গড! - দুঃখিত ম্যাম।

ভেতরে আসো।

-শিভু, আমার ব্যাগে... -এক্সকিউজ মি।

-হাই ম্যাম। -আপনি এখানে কি করছেন?

-শিভু! -ম্যাম, এক মিনিট!

শুনুন, দয়া করে বাইরে যান। আমি ওখানে আপনার সাথে কথা বলবো।

আমি খুবই দুঃখিত। আমি ভেতরে এসেছি কারণ আপনিই আসতে বলেছিলেন।

আর এই ইউনিফর্ম ভাড়া করা নয়।

একটা কেসের ব্যাপারে আপনার কাছে আমার কিছু প্রশ্ন আছে।

আমি বাইরে অপেক্ষা করছি।

ওকে?

স্যার, ম্যাডাম আপনাকে ডেকেছেন।

-ধন্যবাদ। -ওকে স্যার।

আমাদের জগৎ কৃত্রিম। আমরা বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন।

আমাদের জগতে, পুলিশ অফিসাররা নাচানাচি করে আর প্লাস্টিকের বন্দুক দিয়ে গুলি করে।

আপনার বন্দুক নিশ্চয়ই আসল, তাই না?

আমার ধারণা সবাইকে নিশ্চয়ই আপনি এর তালে তালে নাচান...

বলুন আপনার জন্য আমি কি করতে পারি?

লক-আপ নিউজ।

ভেতরে এসো!

ম্যাডাম, শট রেডি।

ফিরে এসে আপনার তালে নাচবো।

Its an unquenchable desire...

There’s no trace of where this longing stems from..

You and I pine to be bound by love and desire.

লক-আপ নিউজ এর সম্পাদক এবং মালিক কুমার কি আপনার সাথে যোগাযোগ করেছিলো?

একজন অফিসারের সামনে ধূমপান করার জন্য কি কোনো শাস্তি রয়েছে?

দেখুন...

ওকে! ওকে! ওকে!

সে আমাকে দুই দিন আগে কল করেছিলো।

আর কি বলেছিলো সে?

-কোনো ইন্টারভিউ... -আপনি কি তার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন?

আমার কাছে ইন্টারভিউ চাইলেই আমি সবার সাথে সাক্ষাৎ করি না।

ভেতরে এসো!

-শট রেডি ম্যাডাম! -আসছি!

দুঃখিত, আমি আপনার সময় নষ্ট করছি।

তার উপর, আপনি বলেছেন আমার শাস্তি হবে!

কিন্তু আমার যেতে হবে।

হুম।

স্যার, ম্যাডামের আজকে দেরী হবে। উনি আপনার নাম্বার চেয়েছেন।

ধন্যবাদ।

সে যে কখন আসে আর কখন যায় কোনো ইয়ত্তা নেই।

এই অভিনেত্রী... কি নাম বললে তার?

স্যার, মাধুরী।

মাধুরী?

আমার তদন্তে তার নাম কখনো উঠে আসে নি।

তুমি কিভাবে জানলে সে নাইডু কেসের সাথে জড়িত?

স্যার, কুমারের তদন্তে এই কেসে তার নাম উঠে আসে।

স্যার, আপনার স্বাধীন তদন্তের যদি কোনো নোট থেকে থাকে...

আমি কি একটু দেখতে পারি?

ধন্যবাদ।

ঠিক ৮টা!

খুবই সময়ানুবর্তী!

নাকি আমাকে আবার দেখার জন্য তর সইছিলো না?

আপনি কি শুধু ক্যামেরার সামনেই অভিনয় করেন নাকি তার বাহিরেও?

হা! ভেতরে আসুন।

আমি আপনাকে ইউনিফর্মে দেখার আশা করছিলাম।

গুরুদাস নাইডু নামে কারো নাম শুনেছেন?

রাত এখনো অনেক বাকী শ্যাম।

আমি ড্রিংক আনছি।

আরাম করে বসুন।

মিসেস শ্যাম আছেন নাকি?

না।

গার্লফ্রেন্ড?

আসলে আমি এসব পাত্তা দেই না।

আপনার ড্রিংক।

ধ্যাংক ইউ।

চিয়ার্স!

চিয়ার্স!

আপনি কি গুরুদাস নাইডুর ব্যাপারে কিছু জানেন?

তিনি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে কাজ করতেন।

তিনি...

১৯৭৭ সালে, তার পুরো পরিবার...

আগের চেয়ে বেশ ভালো!

১৯৭৭ সালে, তার পরিবার আর...

কি বলছিলেন যেন?

আরেকটু বরফ লাগবে?

হেই, সে তোমাদের দিকে যাচ্ছে।

প্রশ্নগুলো কিছুটা কর্কশ মনে হতে পারে...

-কিন্তু থামবে না, ঠিক আছে? -অবশ্যই।

এক সেকেন্ড।

সে একই পয়েন্টে বারবার ঘুরে ফিরে আসবে।

কতবার কল করতে হয় আপনাকে? কল ধরতে পারেন না?

আমাকে কল দিতে তোমার লজ্জা করে না?

ফোন রাখো!

প্লিজ ফোন রাখবেন না।

শুনুন, আপনার জন্য আমার কাছে একটা বড় স্টোরি আছে।

যদি এটা প্রচারিত হয়, নির্বাচনের আগেই ফলাফল নিশ্চিত হয়ে যাবে।

ওহ তাই নাকি?

গতবারও তুমি একই কথা বলেছিলে।

তোমার কারণে আমি ২ বছর চাকুরীহারা ছিলাম।

নো থ্যাংকস। তোমার স্টোরি তুমিই প্রচার করো।

শুনুন, গতবার আমি একটা ভুল করেছিলাম। আমি আপনার থেকে অনেক ডিটেইলস লুকিয়েছিলাম।

আপনি আমার সাথে শুধু একবার দেখা করুন। আমি আপনাকে পুরো স্টোরি বলবো।

তারপর আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

ওকে...

ওকে...

ওরে হারামজাদা, তুই তো গেছিস!

আমাদেরে চোখ ফাঁকি দিতে চাস, হাহ?

হ্যালো

ডাক্তার বলেছেন এটা এখনো অনিশ্চিত।

তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

স্ক্যান রিপোর্ট আসলে... এক্সকিউজ মি...

উনি কখনোই আমার কথা শোনেন না।

আমি তাকে বলেছি যে আমরা যা উপার্জন করতে পারবো তা দিয়েই আমরা ভালোভাবে দিন কাটাতে পারি।

সে ওই হতচ্ছাড়া প্রেস বন্ধ করবে না।

মাঝে মাঝে মনে হয় যায়গাটায় আগুন ধরিয়ে দেই।

হেই, থামো।

এতে করে তুমি আরো উল্টো তাকে নতুন একটা প্রেস খোলার উৎসাহ যোগাবে।

চিন্তা করো না।

দেখা যাক ডাক্তার কি বলেন।

তুমি কি জানো কারা এসব করে থাকতে পারে?

আমার নিষেধ সত্ত্বেও, সে অনেক জায়গা থেকে ধার করেছে।

মনে হয় তার লেখার ধরণ আপনি জানেন...

আমাকে খবর জানিয়ো...

দুঃখিত... আমি হয়তো আপনার সময় নষ্ট করলাম

তেমন কিছু না। আমার এখন উঠতে হবে।

-শেষ রাউন্ডের ভোটাভুটি মাত্র শেষ হলো। -অজয়, একটা ব্রেকের ঘোষণা দাও।

-সন্তোষ। -জ্বী স্যার।

অভিনেত্রী মাধুরীর লেটেস্ট ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ৩০ সেকেন্ড এর একটা ক্লিপ রেডি করো।

যাও!

দীপক!

-অভি, নির্বাচনী খবর স্ক্রলিং ট্যাবে পাঠিয়ে দাও। -ওকে স্যার।

আর তুমি, যা বলি সেটা লিখো...

জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী...

চিরসবুজ নায়িকা মাধুরী খুন হয়েছেন।

অতীতে দীর্ঘসময় ধরে রাজত্ব করার পরও তার জনপ্রিয়তা আজ অবধি অমলিন ছিলো।

এই হচ্ছে ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক কিছু ছবি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

এ ব্যাপারে পুলিশের বক্তব্য...

আমরা এখনো জানি না। তদন্ত চলমান রয়েছে।

তাই, এখনই কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।

আরো তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

আমরা আপনাদেরকে ঘটনার সরাসরি সকল আপডেট দিতে থাকবো।

সেটা ঠিক আছে শ্যাম কিন্তু তুমি তার বাড়িতে কি করছিলে?

তো ইন্সপেক্টর... আপনি...

আপনি ডেকেছিলেন আমায়?

আমার সাথে খেলা বন্ধ করুন।

এটা একটা খুনের তদন্ত।

কোনো হাসি-তামাশা নয়।

খুনের একজন ভিক্টিম ছিলো ১০ বছর বয়সী এক মেয়ে।

আপনি আমার টাইপ নন।

আমি দুঃখিত।

আমি কিছু না লুকিয়ে সব তথ্য আপনাদের জানিয়েছি।

আপনারা তদন্ত করে দেখতে পারেন আমার কথা সত্যি কি না।

আমিও পুলিশ ডিপার্টমেন্টেরই। আমি পালিয়ে যাচ্ছি না।

ঠিক আছে। আমরা তোমাকে কল করবো।

মুথান্না স্যার!

স্যার!

মুথান্না স্যার!

স্যার!

শ্যাম?

স্যার!

নাইডুর কেস, মাধুরী আর কুমারের ভেতর শক্তিশালী সংযোগ রয়েছে!

-কি বলতে চাইছো? -স্যার...

মাধুরীর বাসায়। আমি এই নেকলেস পরা তার একটা ছবি দেখেছিলাম।

ওহ মাই গড!

-আমি পোশাক বদলে আসছি। -ওকে স্যার।

ভেতরে আসুন স্যার।

নাইডু কেস এর সাথে মাধুরী অবশ্যই সম্পৃক্ত...

...ওই নেকলেস...

এই ছবিটার কথাই আমি বলছিলাম।

আসুন স্যার, উপরে যাওয়া যাক।

স্যার, সাবধানে...

এখানে কিচ্ছু নেই শ্যাম...

হেই!

ধ্যাত্তেরি!

হেই, ওঠো!

ওদেরকে ফলো করো!

ভেবো না এটা পুরনো গাড়ি শ্যাম...

ধ্যাত!!

শ্যাম...

আমরা যদি পুলিশদের কাছে ব্যাখ্যা করার জন্য থামি, সে পালিয়ে যাবে। তাদের পিছু ছাড়াও।

কন্ট্রোল রুম...

অস্পষ্ট নাম্বার প্লেট বিশিষ্ট সন্দেহভাজন গাড়ি...

একটা নীল ফিয়াট... দেখতে পেলে জানাবে। ওভার।

কন্ট্রোল...

একটা নীল ফিয়াট লালবাগের দিকে যাচ্ছে। সতর্ক দৃষ্টি রাখো।

লালবাগের কাছে দেখা গেছে। ওভার।

ওই রাস্তায় যাও।

জ্বী!

কন্ট্রোল, পিএসআই বলছি...

সন্দেহভাজন গাড়ি, একটা কালো I20 হেব্বালের দিকে যাচ্ছে।

দেখতে পেলে, আমাকে জানাবে।

চার্লি বলছি...

সন্দেহভাজন গাড়ি, একটি কালো I20

হেব্বাল ফ্লাইওভারের নিচে শনাক্ত করা হয়েছে...

ওভার।

833 খারাপ না, শ্যাম।

ধন্যবাদ, স্যার।

-চলুন যাই স্যার। -না! যেও না...

সে একটা ছোট অপরাধী।

দেখো তার দিকে।

তুমি তাকে ধরে ফেললে...

তাকে কে নিয়ন্ত্রণ করে তা আমরা খুঁজে পাবো না।

এরকম অপেক্ষা আপনি এর আগে বহুবার করেছেন, তাই না?

আপনি বিরক্ত হয়ে যান নি?

শুরুর দিকে...

...একটা জায়গায় বসে বসে অপেক্ষা করা খুবই কঠিন মনে হতো।

যেমনটা তোমার এখন মনে হচ্ছে।

কিন্তু শেষে, একটা অপরাধীকে জেলে ঢোকানোর যে তৃপ্তি...

...অপেক্ষা করা স্বার্থক মনে হয়।

অপেক্ষা করাই অভ্যাস হয়ে দাঁড়ায়।

এটা শিকার করার মতো, তাই না স্যার?

স্যার...

আপনি যখন স্বাধীনভাবে এই কেস তদন্ত করছিলেন...

... ডিপার্টমেন্ট কি ঝামেলা করে নি?

যেমনটা তোমাকে আগেই বলেছি...

...এটা এমন এক সময় ছিলো যখন গুন্ডা-মাস্তানরা রাজনীতিতে ঢুকছিলো।

তারা পুলিশকে পাত্তাই দিতো না...

তাই আমি যখন নিজে নিজে তদন্ত করছিলাম, আমি কোথাও আমার নিজের নাম ব্যবহার করতাম না।

সত্যিই?

আমি নিজের নাম বলতাম ইন্সপেক্টর শিনয়।

এ কারণেই আপনাকে কেউ খুঁজে পায় নি!

কিন্তু এখন তুমি জানো!

-তুমি শিকার চালিয়ে যাও... -ওকে স্যার!

আমি পেছনে শুয়ে একটু ঘুমিয়ে নেই।

ওকে স্যার!

মনে হয় সে একজন মেকানিক স্যার।

তুমি কিছুটা বিশ্রাম নিচ্ছো না কেন?

আমি তার উপর নজর রাখছি।

স্যার, কি করছেন?

এই মাছিটার নির্বাণ লাভে সহায়তা করছি।

এখুনি আসছি।

আচ্ছা স্যার।

সে কোথাও গেলে, আমাকে কল কোরো। যেখানেই থাকো আমি চলে আসবো।

জ্বী, অবশ্যই স্যার।

এই রাস্তা কোথায় গিয়েছে?

কুনিগালে স্যার।

এগুলো অধুনা-উন্নত এলাকা স্যার।

এটা কি নতুন লেআউট?

না স্যার। এটা ১৫ বছর আগের করা।

সে এখানে কি করছে? এখানে নিশ্চয়ই গাড়ি সারাতে আসে নি।

এটা হচ্ছে ছোট মাছ যেটা আমাদেরকে বড় তিমির কাছে নিয়ে যাবে।

স্যার!

আসুন।

মুথান্না স্যার!!

তাড়াতাড়ি আসুন স্যার! নাহলে আমরা তাকে হারিয়ে ফেলবো।

আমি ওর পেছনে যাচ্ছি।

আমি এখানে আগে এসেছি...

আমি ঠিক এখানেই নাইডুর জ্বলন্ত গাড়ি আর খুনের অস্ত্র পেয়েছিলাম!

ওহ ঈশ্বর!

...গোপি নায়ক অভিযোগ করেছেন যে আপনার দল প্রচারণার জন্য কালো টাকা ব্যবহার করছে...

এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি স্যার?

শুনুন...

...গোপি নায়কের কথা সিরিয়াসলি নিবেন না...

এই মেকানিক কে যে চালায় সে আমাদের হবু নেতাও হতে পারে।

...জনগণের এখনো মনে আছে কারা নারীদের শাড়ী আর পুরুষদের মদ দিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছিলো...

...শুকরিয়া যে আমরা এরকম অবৈধ উপায়ে ক্ষমতায় আসি নি...

খুনী নিজে এই রুমেই রয়েছে।

...আমাদের দলের কর্মীরা দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে...

আমার একটা প্রশ্ন আছে।

আমাদের চ্যানেল ইভিএম স্ক্যামের উপর একটি বিশেষ প্রতিবেদন করেছেন। আপনার দলের এই ব্যাপারে কি বলার আছে?

...যারা জনগণের পছন্দের ব্যাপারে প্রশ্ন করছেন, নির্বাচনের ফলাফল দেখুন...

...জরিপের ফলাফল আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচক...

মাধুরীর খুন, নাইডুর কেস আর এই স্থান, সব এক সূত্রে গাঁথা, স্যার।

এটা কোনো কাকতালীয় ব্যাপার নয়।

...আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন শপথ-গ্রহণের দিনে করা সকল প্রতিজ্ঞা আমরা পূরণ করবো...

...এটাই আমার এবং আমার দলের বক্তব্য। আমরা প্রতিজ্ঞা রক্ষায় বিশ্বাসী...

বাবা!

কখন উঠলে বাবা?

বাবা?

তোমার মাথায় ব্যথা হচ্ছে এখনো?

দাঁড়াও, আমি ডাক্তার ডেকে নিয়ে আসি।

দাঁড়া মা...

এখানে আয়... আয়...

এখানে আয়...

বস।

এক সেকেন্ড দাঁড়াও, আমি ডাক্তারকে...

শোন মা... চিন্তা করিস না... আমি ঠিক হয়ে যাবো। ওকে?

আর সব ঋণ আমি পরিশোধ করে দিবো। ঠিক আছে?

চিন্তা করিস না।

কান্না করিস না মা...

এক মিনিট, আমি এখুনি আসছি।

আমি ডাক্তারকে ডেকে নিয়ে আসি।

গভীর শ্বাস নিন।

এবার ছাড়ুন...

হ্যাঁ, হ্যাঁ।

রিলাক্স

শ্বাস নিন।

শ্বাস ছাড়ুন।

বাবা!

বাবা, কি হয়েছে?

বাবা? কাঁদছো কেন?

বাবা? কি হয়েছে?

কি হয়েছে?

ডাক্তার? উনার কি কষ্ট হচ্ছে? ডাক্তার?

হ্যালো...

ক্যামেরা ৫ এ কাট করো...

ক্যামেরা ৪ এ প্রতিক্রিয়াতে কাট করো...

স্যার, আমরা ৩টি সূত্র থেকে নিশ্চিত হয়েছি।

আরেকটু অপেক্ষা করি। আমি একটা নিশ্চিত সূত্র থেকে খবর চাই। ওকে?

-...নির্বাচন... -ক্লোজআপে কাট করো।

আমরা প্রকাশ করবো কোন জনপ্রিয় নেতা মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন...

ওয়াইডে কাট করো।

এই ঋণদাতা গুলো গাধা।

এভাবে আমাদের পিটালে, আমাদের খরচ তো আরো বেড়ে যায়।

অবশ্যই!

তুমিই শুধু একমাত্র চালাক এখানকার...

এতসব জানা থাকা স্বত্বেও, তুমি তাদের থেকেই ধার করো। তোমার সাথে কথা বলে কোনো ফায়দা নেই!

...প্রিয়া...

শান্ত হ... শান্ত হ...

ক্যামেরা ৪। স্ট্যান্ড-বাই।

ক্যামেরা ২।

এক্সকিউজ মি?

জ্বী স্যার...

এই জায়গার মালিক কে?

জানি না স্যার।

কেন স্যার?!!

চুপ থাক! বদমাশ!

আবার মুখে মুখে প্রশ্ন করিস!

হাড়গোড় ভেঙ্গে দেবো একদম!

জানিস না কে আমি?

আপনি আমাকে থাপ্পড় মারলেন! আবার আপনিই অভিযোগ করছেন?!

তোদের প্রজন্মের সিনিয়র সিটিজেনদের প্রতি কোনো সম্মানবোধই তো নেই।

আমি মিডিয়ার লোক।

যা তোর মালিককে কল কর!

কল কর এখুনি!

আচ্ছা, অপেক্ষা করুন স্যার।

-স্যার, আপনার বক্তব্য? - ক্যামেরা ২। উনার উপর জুম করতে থাকো।

কতবার আমাকে একই প্রশ্ন করবেন! খবরে সব আছে, দেখে নিন...

কাট করে ক্লোজ আপে যাও।

নাইডু আর মাধুরীর যোগসূত্রের ব্যাপারে তুমি কিভাবে জানলে?

ঐ স্বর্ণালঙ্কার...

আপনি মাধুরীর ব্যাপারে জানেন না...

সে যখন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করে... .

...তার পেছনে অনেক বড় বড় নাম ছিলো।

আমার এক বন্ধু ছিলো দেশপান্ডে।

সে সামুক্তা কর্ণাটকে লিখতো।

যাই হোক, সে অল্প বয়সে মারা যায়।

ওকে...

সে আমাকে একবার কিছু গুন্ডার ব্যাপারে বলেছিলো।

মনে হচ্ছিলো, কিছু লোক মাধুরীর পেছনে ছিলো।

না, না। আমাদের নেতা দেখিয়ে দিবেন আমাদের দল কি দ্বারা গঠিত!

কাট করে ক্লোজ আপে যাও।

আমি এই জায়গা বন্ধ করে দিবো!

স্যার... উনি আমাকে থাপ্পড় মেরেছেন স্যার!

আর কি আশা করিস?

তোর দাঁত আমি ভেঙ্গে দিবো!

তুই জানিস আমি কে?

বারবার একই কথা বলে যাচ্ছেন... .

আপনি কি জানেন এই রিসোর্ট এর মালিক কে?

কে?

ক্যামেরা ৫...

মনে হচ্ছে সে হাম্পি সাম্রাজ্যের স্বর্ণালঙ্কার তাকে উপহার দিয়েছিলো।

সে তার কিছু ফিল্মের প্রযোজনাও করেছে।

যেসময় দেশপান্ডে আমাকে খবরটা জানিয়েছিলো জানেন কে তার ফিল্মের প্রযোজনা করতো?

কে?

কে কুমার?

জানো কে সে?

এখন থাকছে নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী মাইলুর শ্রীনিবাসের...

একটি এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ...

দাঁড়াও...

দাঁড়াও।

উনার বক্তব্যে কাট করো।

সকলকে নমস্কার।

সবার প্রথমে বলতে চাই...

আপনার আমার এবং আমার দলের প্রতি বিশ্বাস রেখেছেন।

আমি আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

যদিও আমরা আলাদাভাবে তদন্ত করেছি, আমাদের কাছে একই নাম উঠে এসেছে...

হ্যাঁ... আমি নিশ্চিত যে মাইলুর শ্রীনিবাস নাইডু কেসে সম্পৃক্ত।

কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না কিভাবে...

কে এই মাইলুর শ্রীনিবাস?

স্যার, আমি এখুনি মাইলুরের কাছে যাবো।

সিংহের ডেরায় পা দিলে সে তোমার উপস্থিতি টের পেয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক...

সাবধানে থেকো, শ্যাম।

ঠিক আছে স্যার।

যে লোকটি রাজ্য শাসন করতে যাচ্ছেন তিনি এই ছোট্ট ঘরটিতে থাকতেন।

কৃষ্ণাপ্পা, যেহেতু সিনান্না আজ আসছেন, তাই এই ইন্সপেক্টর কিছু পরিদর্শন কার্যক্রম চালাবেন।

স্যার, আমাদের গ্রামটা ছোট।

কিন্তু সিনান্না আমাদের গ্রামকে বিখ্যাত করেছেন।

আপনি কত দিন ধরে এখানে থাকেন?

২৫ বছর।

জ্বী, সে এখানে ২৫ বছর ধরে থাকে। তাই না কৃষ্ণাপ্পা?

আমাদের গ্রাম খুবই শান্তিপূর্ণ, স্যার।

এত বকবক করেন কেন আপনি?

বাইরে গিয়ে অপেক্ষা করুন।

যান!

ওকে স্যার।

-আমি কি ভেতরে চেক করতে পারি? -হ্যাঁ। ওকে।

বলো শ্যাম...

স্যার... মাইলুর শ্রীনিবাস যে ঘরে থাকতো তা আমি সার্চ করেছি।

চিলেকোঠায় আমি খ্রীষ্টান ধর্ম সম্পর্কিত কিছু জিনিস পেয়েছি।

কিন্তু এখানে বসবাসকারী লোকেরা হিন্দু।

নাইডুর কেসে, দুইজন খ্রীষ্টান ছিলো, পিয়ন সেবাস্টিয়ান আর ড্রাইভার ফার্নান্দেজ।

এই দুজনের মধ্যে, আপনার কি মনে হয় কে মাইলুর শ্রীনিবাস?

আমি তোমাকে পরে কল করছি। আমাকে একটু সময় দাও।

আঙ্কেল...

এই বয়সে এসে এসব নাটকের দরকার আছে আপনার?

আপনার জন্য অপেক্ষা করতে করতে আমি আপনার পেপার পড়ছিলাম।

আপনি বেশ ভালো লিখেন।

এক কাজ করুন।

অবসর নিয়ে নিচ্ছেন না কেন?

বুঝতে পেরেছেন আঙ্কেল?

আবার দেখা হবে আঙ্কেল।

আমি সবকিছু বলেছি তোমাকে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজটা শেষ করো।

বস, লক-আপ নিউজ এর মালিক একজন লোক আপনার রিসোর্টে গোলমাল করছে।

সে এখনো এখানে আছে।

সাংবাদিকটা মাত্র চলে গেছে।

আশেপাশে পুলিশটাকে দেখছি না।

এরা কারা স্যার?

প্রশ্ন কোরো না...

-ওদের ব্যবস্থা করো। -ওকে স্যার।

সতর্ক থেকো!

ফার্নান্দেজ!

ফার্নান্দেজ!!

কাজ দুটো কি শেষ হয়েছে?

এখনো হয় নি।

প্রদীপও মাত্র এসেছে।

আমি সাংবাদিকটার বাসার সামনে।

পুলিশটাকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না।

কি? গাড়ি থামাও।

বাইরে অপেক্ষা করো।

পার্টি হেডকোয়ার্টারে, তুমি পুলিশটাকে ফলো করছিলে...

না, সে ছিলো সাংবাদিক।

গাধা!

সে সাংবাদিক না। সে একজন পুলিশ!

কিন্তু বস... পুলিশটা খুব বেশি বয়স্ক না।

গর্দভ!

যে দুজন লোক তোমার পেছনে লেগেছিলো, দুজনই পুলিশ!

আরেকজনের পরিচয় খুঁজে বের করে মেরে ফেলো।

সাংবাদিকটাকেও শেষ করে দাও। সবগুলোকে শেষ করে দাও!

ওকে।

-অন্য গাড়িতে আসো। -ওকে স্যার।

জ্বী স্যার...

ফার্নান্দেজই হচ্ছে মাইলুর শ্রীনিবাস।

সত্যিই?

কিভাবে বুঝলেন?

স্যার? আপনি কোথায়?

সবকিছু এখন পরিষ্কার।

আমি এখন কেসটার দায়িত্ব তোমার উপর ছেড়ে দিচ্ছি।

কিন্তু স্যার...

স্যরি।

আরেকটা ব্যাপার... তোমার সাংবাদিক বন্ধু বিপদে আছে।

তাকে রক্ষা করো।

ওকে স্যার, আমি কুমারকে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দিয়ে আপনাকে কল করছি।

নীচু হও! নীচু হও!

নীচু হও! নীচু হও! নীচু হও! নীচু হও!

নীচু হও! নীচু হও!

দাঁড়া, দাঁড়া।

সিংগেল ব্যারেল আঙ্কেল...

আপনার মাত্র একটা গুলি বাকী আছে!

আপনি কি তাকে শ্যুট করতে চান নাকি আমাকে?

আপনি শেষ আঙ্কেল!

আমি একটুও আশ্চর্য হই নি...

সব ধরণের অবৈধ কর্মকান্ডে তার হাত রয়েছে।

একবার রাজনীতিতে ঢুকে সাদা কাপড় পড়ে ঘুরে বেড়ালে, আপনার নোংরা কাজগুলো প্রকাশ্য দিবালোকেও চাপা পড়ে থাকবে।

তুমি এখানে নিরাপদ নও। আমি উনাদেরকে বলে দেবো তোমাকে তাড়াতাড়ি ডিসচার্জ করে দিতে।

ভালো থাকবেন আঙ্কেল।

-আমরা তাকে তার ফার্ম হাউজে আটকে রেখেছি। -প্রদীপকে ওখানেই থাকতে বলো।

-আজই সাংবাদিকটাকেও শেষ করে দাও! -ওকে স্যার।

আমি আসছি ওখানে।

হ্যালো? কুমারকে কোথায় খুঁজে পাবো বলতে পারেন?

তাকে সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে...

ওকে

-দরজা বন্ধ করে দিয়ে বাইরে অপেক্ষা করো। -ওকে, বস।

এত বছর পরে তোমার মুখে আমার নাম উচ্চারণ করতে শুনে খুব ভালো লাগলো...

তাই নাকি, ফার্নান্দেজ?

তাহলে নিজের নাম বদলেছিলে কেন "ফার্নান্দেজ"?

তোমার মহান বিজয় উদযাপন না করে, এখানে আমার সাথে কথা বলছো কেন তুমি?

কারণ তুমি ভীত।

কেউ ফার্নান্দেজ হিসেবে তোমার অতীত খুঁজে পাবে না। তাই না?

অতীত রোমন্থন খুব সুন্দর, তাই না?

সুরেশকে খুন করে আর ট্রেজারি লুট করে, আমি সে রাত্রে পালাতে পারতাম।

কিন্তু তা করলে সারাজীবন আশঙ্কায় আর ভয়ে ভয়ে আমার জীবন কাটাতে হতো...

আমি সারাজীবন ড্রাইভারই থেকে যেতাম।

যে কারণে আমি...

... নাইডু পরিবারকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছিলাম।

নাইডুর স্ত্রী...

...১০...

...৯...

...৮...

...৭...

...৬...

...৫...

...৪...

...৩...

...২...

...১...

তুমি এখানে কি করছো?

স্যার!

আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা বলতে চেয়েছিলাম, স্যার।

এই সময়ে?

তুমি কাল আমাকে বলতে পারতে...

কাল?

আমার কাল সময় থাকতে পারে...

...কিন্তু আপনার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত না।

বুঝতে পারছেন আমি কি বলছি?

এসব কি?

আপনার বউ-বাচ্চার প্রতিক্রিয়া আপনার চেয়ে বেশ ভালো ছিলো!

আমি এখনো গোণা শুরুই করি নি আর দেখুন আপনার দিকে...

আমার মন ভেঙ্গে গিয়েছিলো।

তাদেরকে খুন করার জন্যে নয়...

...বরং গাড়িটা পুড়িয়ে ফেলতে হয়েছিলো বলে।

দারিদ্র খুবই জঘন্য...

আমি ছিলাম সাদাসিধা একজন মানুষ।

হয়তো আমি তখনো ঘুমিয়ে ছিলাম।

ড্রাইভার হিসেবে কঠোর পরিশ্রম করে সৎ উপার্জনের চেষ্টা করছিলাম।

-সুরেশ? -জ্বী স্যার...

নায়ক কল করেছিলো।

স্বর্ণালঙ্কার গুলোর মূল্য হিসাব করা হয়েছে প্রায় ৮৫ লাখ রূপী। আমাদের সিন্দুকেই রাখা যাবে, তাই না?

তাদের কথাবার্তা শোনার পর...

... এত বিশাল সম্পদ লুট করার আইডিয়া বারবার আমার মাথায় ঘুরতে লাগলো...

যতক্ষণ না আয়নার প্রতিচ্ছবি আর ফার্নান্দেজের ছিলো না।

শোনো...

...ভালো খারাপের চিন্তা করে থেমে যেও না।

একবার ভালো খারাপের চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেই...

...যারা সেই চক্রে আবদ্ধ তাদের উপর কর্তৃত্ত্ব করা যায়, যেটা অন্য রকমের মজা।

আপনার কি তা মনে হয় না?

সে একটা দানব স্যার...

সে এমনকি ছোট্ট মেয়েটাকেও রেহাই দেয় নি।

আমার ভাগ্যের উপর অভিশাপ। মনে হয় আমি খারাপ সময়কে চুম্বকের মতো আকর্ষণ করি।

আমার পত্রিকা যদি লস না খেতো...

...আমি পুরো বিশ্বকে মাইলুর শ্রীনিবাসের আসল চেহারা দেখিয়ে দিতাম।

সে কাউকে ভয় পায় না স্যার।

সে তার ধর্মও বদলে ফেলেছে।

সে যদি ঈশ্বরকেই ভয় না পায়, আপনার মনে হয় সে আইনকে ভয় পায়?

আমাদের উচিৎ তাকে গুলি করে মেরে ফেলা!

যাই হোক না কেন সে একটা ড্রাইভার।

সে একা এসবের জন্য দায়ী। আমাদের তাকে মেরে ফেলা উচিৎ।

নাইডুর বাসায় একটা ছেলে ছিলো, নাম বাবলু...

তার কথা মনে আছে?

ভালো ছেলে।

সে নাইডুর মেয়েকে খুব পছন্দ করতো।

সে কলেজে যেতে আর তার বসের মতোই বড় মানুষ হতে চেয়েছিলো।

যাদের এমন বড় স্বপ্ন থাকে তাদেরকে ভুল পথে নিয়ে যাওয়া খুবই সহজ।

এমনকি আমি একটা গাড়ি কেনারও স্বপ্ন দেখি!

কিন্তু আমাদের মতো গরীব মানুষ এত বড় স্বপ্ন কিভাবে দেখতে পারে? আমরা সারাজীবনই গরীব থাকবো।

কঠিনতম স্বপ্নের সামনে পেশ করতে হয় সংক্ষিপ্ততম পথ। ব্যাস!

রাতের খাবারে মেশানোর জন্য আমি তাকে ঘুমের বড়ি দিয়েছিলাম।

ভয় পাস না।

আমাদের জীবন খুব তাড়াতাড়ি বদলে যাবে।

কিন্তু আমি তাকে বলি নি যে এটা বিষ ছিলো।

নাইডু কোথায়? তার এখানে থাকার কথা ছিলো...

তুই ওকে খুন করেছিস!

ভুলে যাস না এটা।

কান্না বন্ধ কর।

শান্ত থাক।

নাইডু যেহেতু দেরী করে ঘরে ফিরেছিলো... আমি ভয় পেয়েছিলাম আমার পরিকল্পনা হয়তো ব্যর্থ হয়ে যাবে।

কিন্তু ভাগ্যদেবী আমার সাথে ছিলো।

হেই, লাইট বন্ধ করে দে!

আমার পরিকল্পনা অনুসারে, বাবলুকেও সেদিন মেরে ফেলার কথা ছিলো।

কিন্তু ভোর হওয়ার আগে অনেক কাজ করা বাকী ছিলো।

হেই, তোকে যা যা বলেছি ভুলে যাস না...

বাবলুর বিশাল স্বপ্নে আমি বিশ্বাস রেখেছিলাম আর...

...সে পুলিশের কাছে কিছু ফাঁস করবে না এটা নিশ্চিত হয়ে, আমি লাশ সরানোর জন্য চলে গেলাম।

-কোথায় নিয়ে যাচ্ছো তাদের? -তোর জানার বিষয় না এটা।

তোকে যা বলেছি তাই কর।

বাবলুর স্বপ্নেরও সেদিন মৃত্যু হয়েছিলো।

তার জীবনের চেয়ে তার স্বপ্ন বড় হওয়া স্বত্বেও, সে সেগুলো পূরণ করতে সক্ষম ছিলো না...

এখন সে সবকিছু হারিয়ে লক-আপ নিউজ নামের কোনো এক পত্রিকা চালাচ্ছে।

এটাই হচ্ছে তার আর আমার পার্থক্য।

আমি শুধু ধনী হওয়ার স্বপ্নই দেখি নি।

আমি রাজনীতিতেও আগ্রহী ছিলাম।

আমি এমন জায়গায় পৌঁছে গেলাম যে কেউ আমাকে ছুঁতে পারবে না।

বা***দ এখন মুখ্যমন্ত্রী!

সে আমার আসল পরিচয় ফাঁস করে দেওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে! সে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে।

সে আমার পুরো সত্য প্রকাশের সাহস কোথায় পাবে, হাহ?

টিভি৭ এর সম্পাদক লক্ষণ, আমার বন্ধু... .

আমি তার সাথে একটা মিটিং এর ব্যবস্থা করেছিলাম...

আর তারপর এই ঘটনা ঘটলো।

ওই হারামী গুন্ডাগুলো আমার উপর আক্রমণ চালালো।

স্যার, চলুন এক কাজ করি।

চলুন মাইলুরের সত্য ফাঁস করে দেই!

জ্বী স্যার।

বাবা!

তুমি এখানে কি করছো?

কিন্তু সে সত্য ফাঁস করে দেওয়ার মতো সাহসী না...

চলো যাওয়া যাক...

সে নিজেও একজন খুনী, তাই না?

হাড়গুলো খুঁজে পাওয়ায় আমি খুশি।

তোমরা সবাই খুব তাড়াতাড়িই মারা যাবে।।

পুরনো স্মৃতিচারণ করে খুবই ভালো লাগলো।

আয়নায় আমি এখন আরেকটা প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী শ্রীনিবাস।

শুনতে বেশ লাগছে, তাই না?

কিন্তু একটা ছোট্ট পাথরই আয়না ভাঙার জন্য যথেষ্ট!

আর কে ভাঙবে সেটা?

বস।

অন্য পুলিশটার নাম বের করো আর তাকে শেষ করে দাও।

ওকে বস।

ম্যাডাম? এখানে কি কুমার নামে কোনো রোগী ভর্তি আছে?

তাকে ডিসচার্জ করা হয়েছে।

তাই নাকি?

বাবা! আমি তোমাকে বারবার জিজ্ঞাসা করছি...

আমরা বাড়িতে যেতে পারবো না কেন?

নতুন কি সমস্যা বাঁধিয়েছো তুমি?

আমাকে বলো। আমি এটা সামলে নেবো।

আমি তোমার সাথে কথা বলছি!

কিছু না মা।

দেখুন কিভাবে মেরেছে তাকে!

তার বাড়িওয়ালা কতবড় গুন্ডা জানেন?

উনি আমাদের ব্যাপারে মিথ্যা বলছেন কেন?

বলো আমাকে!

তুমি সবসময় বিষ খেয়ে মরে যাওয়ার হুমকি দিতে না? এবার আমি সেটা করবো!

কুমার...

শোনো আমি তোমার পরিস্থিতির কথা তাকে বলেছি। কিছু লাগলে আন্টিকে বোলো।

আরেকটা ব্যাপার...

কোনো অবস্থাতেই তোমরা কোথায় আছো সেটা কাউকে জানাবে না।

ওকে?

আমি এখন যাচ্ছি।

এটা আমার গাড়ি। দাও আমাকে, প্লিজ। আমার এটা চাই।

প্লিজ, এটা আমার গাড়ি। আমাকে দিয়ে দাও...

শ্যাম!

দয়া করে আমাকে বলুন আমার বাবা এবার কি করেছে...

এত গোপনীয়তা কেন? অন্তত আমি...

প্রিয়া, প্রিয়া...

সময় হলে আমি তোমাকে সবকিছু বলবো।

ওকে?

চিন্তা করো না। কুমার কোনো ঝামেলা করে নি।

সে কোনো ভুল করে নি।

আমি তাকে এই কেসে সাহায্য করতে বলেছিলাম।

তার যাতে কোনো ক্ষতি না হয় এটা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব।

আর এটা একটা অঙ্গীকার।

ওকে?

এই যে, চিন্তা কোরো না।

যাও, রাতের খাবার খাও। কিছু লাগলে আমাকে কল কোরো।

আমি সাথে সাথে চলে আসবো। ওকে?

আসছি। বাই।

কি নাম তার?

অন্য পুলিশটার কি নাম?

কিভাবে কথা বের করতে হয় তা আমার জানা আছে!

শিনয়!

তার নাম শিনয়।

কিন্তু তুই তাকে খুঁজে পাবি না!

মুথান্না স্যার!

স্যার?

স্যার?

মুথান্না স্যার?

কন্ট্রোল।

কেডি রোডে একটা এ্যাম্বুলেন্স যাচ্ছে। সিগনাল ক্লিয়ার করো।

চেয়ে থাকুন স্যার।

আমরা এক মিনিটে পৌঁছে যাবো।

আমি ট্রাফিক ক্লিয়ার করছি। তুমি চালাতে থাকো।

এখানে একটা অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে... দয়া করে রাস্তা করে দিন।

কন্ট্রোল রুম... ইমারজেন্সি!

এখুনি কর্ড রোড সিগন্যাল খুলে দিন!

স্যার, আপনার পেছনে একটা অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। দয়া করে রাস্তা দিন!

স্যার, প্লিজ গাড়ি সরান।

রাস্তা দিন!

প্লিজ সরুন!

আপনাদের পেছনে একটা অ্যাম্বুলেন্স। দয়া করে একটু সরুন!

সাইড দিন দয়া করে!

আপনারা কি অ্যাম্বুলেন্সের শব্দ শুনছেন না? সাইড দিন!

সরে দাঁড়ান!

দয়া করে সাইড দিন!

আমি খুবই দুঃখিত। যা হয়েছে তা খুবই দুর্ভাগ্যজনক...

আপনারা যদি আরেকটু আগে আসতেন, আমরা হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম।

তারা যদি দায়িত্বশীল হতো, আপনার কি মনে হয় এই জাতি এতটা দুর্নীতির শিকার হতো?

তারা দেশটাকে লুট করেছে।

তিনি একাকী বাস করাকে বেঁছে নিয়েছিলেন...

আর আমি তাকে সেখান থেকে বের করে এনে মেরে ফেললাম।

এই দেশে একটা অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কোনো জায়গা নেই...

সমাজ নিজেই যখন প্রতিকূল হয়ে যায়, কি লাভ এসব সমাজসেবা আর ভালো কাজ করে?

ভালো মানুষের স্থান এখানে নেই।

এই বিশ্ব একটা নিষ্ঠুর জায়গা, প্রিয়া।

আর আমরা সবাই এর জন্য দায়ী।

এমন নেতা পাওয়ারই যোগ্য আমরা!!

কিছু মনে কোরো না...

আমি অযথাই বকবক করছি...

ওইদিন একটা জিনিস পড়েছিলাম।

জাপানে, ভেঙে যাওয়া জিনিস তারা স্বর্ণ দিয়ে মেরামত করে।

তারা বিশ্বাস করে অসম্পূর্ণতার মাঝেই সৌন্দর্য নিহিত।

এখানে সবকিছু ঠিক আছে?

তোমাদের কিছু লাগলে, আমাকে জানিয়ো।

সংকোচ বোধ কোরো না।

মাত্র কয়েক দিনের ব্যাপার।

আসলে, আমার একটু সাহায্য দরকার...

বলো...

হাসপাতাল থেকে দেশপান্ডে আঙ্কেল কল করেছিলেন...

তার পাওয়ার ব্যাংক আমার কাছে রয়ে গেছে।

আপনি কি তাকে এটা ফেরত দিতে পারবেন?

অবশ্যই, দাও আমাকে।

এক মিনিট দাঁড়ান...

দেশপান্ডে?

তুমি মাধুরী আর নাইডুর যোগসূত্র কিভাবে খুঁজে পেলে?

দেশপান্ডের মাধ্যমে... তার নাম ছিলো ভাদিরাজ দেশপান্ডে।

সে সামুক্তা কর্ণাটকে লিখতো।

অল্প বয়সে মারা গিয়েছিলো।

আমরা চেক করেছি স্যার।

এই পত্রিকায় দেশপান্ডে নামে কেউ কখনো কাজ করে নি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

ধন্যবাদ।

হ্যালো...

তারা বহুদিন ধরে আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে আসছিলো।

এবার বর্ডার ক্রস করার সময় তাদের আটক করা হয়।

আপনার কেসে যদি এটা কাজে লাগে, আমি সাহায্য করতে রাজী।

তবে ১০ মিনিটের মধ্যে সব শেষ করবেন। আমি বাইরে অপেক্ষা করছি।

আচ্ছা। ধন্যবাদ।

স্যার...

...আমার কথা শুনুন স্যার...

আপনি জানেন না আমি কে...

হারামজাদা, তুই আমাকে কি দেখাবি? আমি তোকে দেখাচ্ছি, মাদারটোস্ট।

শুনুন প্লিজ।

আমাদের একটু কথা বলতে দিন!

স্যার...

আমরা বারবার বলছি স্যার...

আমরা এটা নিয়েছিলাম কারণ এটা কুমারের ব্যাগে ছিলো।

জ্বী স্যার...

সে যেহেতু টাকা পরিশোধ করছিলো না, আমরা কুমারের ব্যাগে যা পেয়েছি তাই নিয়ে নিয়েছিলাম।

দয়া করে বিশ্বাস করুন স্যার।

অশোক!

তুমি এদের ধরলে কিভাবে?

মাধুরীর সেলফোন এতদিন ধরে বন্ধ ছিলো।

দুই দিন আগে, হোসুরে এটা চালু হয়।

মাধুরীর মৃত্যুর পরের দিন, ফোন চালু ছিলো।

আর তারপর হঠাৎ করে, সেটা বন্ধ হয়ে যায়।

তাদেরকে ট্র্যাক করছিলাম... আমরা তাদেরকে ধরতে সক্ষম হই।

অশোক, অনেক ধন্যবাদ তোমাকে।

ভালো কাজ করেছো। ধন্যবাদ।

বাবলু।

স্যার?

তোর জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।

এটা ধর!

শুভ জন্মদিন!

ধন্যবাদ স্যার।

খোল এটা!

স্যার...!

[বাবলু সবসময় হাসিমুখে থেকো। জি নাইডু ১৯.০২.১৯৭৫]

সত্যটাকে দেখতে হলে, তোমাকে আশেপাশের সকল মিথ্যার প্রতি অন্ধ হতে হবে।

এই বা***দ আমার সাথে প্রতারনা করেছে স্যার।

এখন মনে হয় ঐ গর্তে ঝাঁপ দিয়ে পড়ি!

এটাই আমাদের প্রথম সাক্ষাৎ নয়!

আসুন স্যার, ভেতরে আসুন।

দেখুন হারামজাদাকে...

শ্যাম!

কখন আসলেন আপনি?

[Life is at crossroads]

তাকে রক্ষা করা আমার দায়িত্ব।

আর এটা একটা অঙ্গীকার।

ওইদিন হুট করে চলে গেলেন আপনি। কি হয়েছিলো?

আমার কিছু কাজ ছিলো। [Life is at crossroads]

[Life is at crossroads]

দেখতে আসলাম সব ঠিকঠাক আছে কি না...

সবকিছু ঠিক আছে? [The mind is in a crisis every moment]

[The mind is in a crisis every moment]

[My trust has been shredded to pieces]

আমার বস মুখ্যমন্ত্রী হয়ে গিয়েছে।

তুই আমার কিচ্ছু করতে পারবি না!

[It is now in search of the guiding light]

[The heart is in turmoil everyday]

[Life feels rather empty]

[My days and my nights]

[Are consumed by darkness]

[The heart feels heavy...]

মাইলুর পরিদর্শন শেষে মাইলুর শ্রীনিবাস শপথগ্রহণ করবেন।

তিনি আগামীকাল প্রেরাণা উৎসবের উদ্বোধন করবেন। [It seeks to be unburdened of this sadness]

আমাদের প্রধান অতিথির কোনো পরিচয়ের দরকার নেই।

একটি মধ্যবিত্ত ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে এসে...

... এখন তিনি দরিদ্রের ত্রাতা এবং সমাজের আইকন হয়ে গিয়েছেন...

প্রোগ্রাম শেষ হলে দেখা করবো তোমাদের সাথে। ওকে?

ভিডিওর শেষেই, আমরা আপনাকে স্টেজে ডেকে নিবো।

মিঃ, ফার্নান্দেজ,

ওখানে তারা আপনার গুণগান গাইছে...

আপনার সত্যটা জানলেও কি তারা একই কাজ করবে?

আপনি ভাবেন আপনি আইনের উর্ধ্বে?

...আমাদের নেতা মাইলুর শ্রীনিবাস!

আপনার গল্প এখানেই শেষ।

কিন্তু আমার গল্পের কি হবে?

মিডিয়া কিছুদিন আমার ব্যাপারে আলাপ করবে

তারপর আপনার মতো আরেক হারামজাদা আপনার জায়গা নিবে...

তো তুমি যদি আমাকে খুন না করো...

...চলো ব্যবসার কথা আলোচনা করা যাক?

তুমি কি চুক্তি করতে এসেছো?

সেটা থেকে আমি কি সুবিধা পাবো?

আমি জানি কুমার কোথায়...

আমি তাকে খুন করবো!

কি চাও তুমি?

আমাদের সামনে উপস্থিত হচ্ছেন আমাদের প্রিয় নেতা মাইলুর শ্রীনিবাস!

স্যার...

আমার মেয়ে কে বলে আসছি...

স্যার, আপনার পরিকল্পনা যদি ব্যর্থ হয়?

আমি তাকে গুলি করবো।

স্যার, তার পরিবর্তে, চলুন লক্ষ্মণ এর সাথে গিয়ে কথা বলি।

স্যার? কি হলো?

স্যার?

এখানে থামলেন কেন?

লক্ষ্মণকে কি বলবে তুমি?

মাইলুর আসলে কে...

তাকে কি এটাও বলবে যে তুমি আসলে কে?

তুমি কি এটাও ফাঁস করবে কিভাবে মাধুরী মারা গিয়েছে?

আমি মাইলুরের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য অনেক বার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি।

কখনো সত্যিটা স্বীকার করার চেষ্টা করেছো, কুমার?

ওকে।

ঠিক।

আমি এখন স্বীকার করছি।

আমি ওইদিন মাধুরীর বাসায় গিয়েছিলাম।

কে আপনি?

লক-আপ নিউজ। কুমার... আমি আপনাকে কল করেছিলাম।

দয়া করে চলে যান। আমাকে বাসায় বিরক্ত করবেন না।

-ম্যাডাম, এক সেকেন্ড... -হ্যালো! কি করছেন আপনি?

আপনি এইভাবে ঘরে ঢুকে পরতে পারেন না!

আমি এসবের পরোয়া করি না... চলে যান!

-দুই মিনিট... -বেরিয়ে যান প্লিজ!

-আমি বেশি সময় নেবো না। -আমি পুলিশে কল করছি।

এটা বাড়াবাড়ি!

মাইলুর শ্রীনিবাস! সে আপনাকে বিজয়নগর সাম্রাজ্যের অলঙ্কার দিয়েছিলো।

আপনি দয়া করে পুলিশের সাথে কথা বলুন।

ম্যাডাম, প্লিজ আমার কথা শুনুন...

-একটা ছোট্ট ইন্টারভিউ ম্যাডাম। -হেই! কি করছেন আপনি?!

-শুনুন ম্যাডাম... -বেরিয়ে যান এখান থেকে...

... স্যরি ম্যাডাম...

তাকে খুন করার কোনো ইচ্ছাই আমার ছিলো না।

ম্যাডাম?

ম্যাডাম?

কি করবো ভাবতে পারছিলাম না...

তাই আমি তার ব্যাগ থেকে সবকিছু নিয়ে নিলাম।

আমি যখন যুবক ছিলাম, ফার্নান্দেজ আমাকে অন্ধকারের দিকে টেনে নিয়েছিলো...

এত বছর পরেও, আমি এটা থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি...

কিন্তু যত চেষ্টাই আমি করি না কেন, আমি আছাড় খেয়ে পিছিয়ে পড়ি।

এটাই আমার গল্প।

আপনাকে আমি সবকিছু বলেছি।

গুলি করুন স্যার।

স্যার... স্যার!

আমি যা করেছি তা ভুল ছিলো...

তবু আমাকে ক্ষমা করুন স্যার।

তোমাকে বাঁচাতে গিয়ে আমি মুথান্নাকে হারিয়েছি...

এই সাদা ইউনিফর্ম তোমার জন্য পারফেক্ট!

কেন স্যার?

আপনি কি বলছেন যে আমি ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের জন্য উপযুক্ত না?

কাজ শেষ।

একদমই না!

তুমি ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের জন্য পারফেক্ট।

সত্যি বলতে, বিশেষ উপযুক্ত!

আমার পায়ে পড়ে থাকতে থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবে।

চিন্তা করো না!

তার উপর নজর রাখো।

বেশি চালাকি করার চেষ্টা করলে, শেষ করে দিবে!

তাহলে কেন বললেন যে সাদা ইউনিফর্ম আমার জন্য পারফেক্ট স্যার?

যখন পুলিশ বাহিনী প্রতিষ্ঠা করা হয়...

পুলিশ ইউনিফর্ম ছিলো সাদা।

ইউনিফর্ম এর রঙ যাই হোক না কেন শ্যাম,

...সাদা, নীল, সবুজ...

ইউনিফর্ম হচ্ছে একটা প্রতীক।

এর অর্থ সাহস, পরার্থপরতা এবং সম্মান।

কিন্তু সাদা ইউনিফর্ম পরতে পুলিশদের সমস্যা হচ্ছিলো...

...আমাদের দেশের দূষণ আর ধুলাবালির কারণে।

পরিষ্কার সাদা ইউনিফর্ম পরার জন্য বারবার ধোয়া একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ালো।

তখন তারা একটা সমাধান খুঁজে বের করলো।

তারা সাদা ইউনিফর্মে রঙ যোগ করা শুরু করলো।

খাকী।

খাক।

খাক কি জানো?

খাক অর্থ ময়লা।

এক অর্থে, এইসব অপরাধীরা আমাদের সমাজের ময়লার মতো।

ময়লা দূর করতে, আমাদেরও নিজেদেরকে ময়লার ছদ্মবেশ নিতে হয়।

কিন্তু এটা শুধুই অভিনয়।

এই ময়লার নিচে যা নিহিত...

...তা হচ্ছে পরিপূর্ণ বিশুদ্ধতা।

এটা আমাদের কখনো ভুলে যাওয়া উচিৎ না।

এটা যদি আমরা ভুলে যাই...

...তাহলে আমরা তাদের থেকে ভিন্ন কিছু নই।

আমি তোমাকে এত সহজে মরতে দেবো না।

মাইলুরাম্মার আশীর্বাদে,

...আজ আমি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

১০

৯

৮

৭

৬

৫

৪

৩

২

১

আমার মনে হয় না আমি এই অন্ধকার থেকে পরিত্রাণ পাবো...

থামান! গাড়ি থামান!

কুমার!

কুমার!

কি হয়েছে কুমার?

আমি আমার মেয়েকে কিভাবে মুখ দেখাবো, স্যার?

তাই আমি নিজেও বিষ খেয়ে নিয়েছিলাম।

নাইডু সাহেব বলতেন...

দেখ বাবলু...

সময়ের সাথে সাথে, শুধু ভালো জিনিসগুলো নিজের মধ্যে আয়ত্ত করতে চেষ্টা করবি।

খারাপ জিনিস পরিত্যাগ করবি।

আমার মেয়ে স্যার...

কুমার!

আজ বাচ্চাদের জন্য মিষ্টি বানানো যাক?

হুম, চলো...

সঠিক সময়ে তোমাকে সবকিছু বলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আমি।

আমি তোমার কাছ থেকে কিছুই লুকাই নি।

আমি সত্যিই দুঃখিত।

-হ্যালো স্যার। কে এস শ্যাম। -হ্যালো।

কুমারের কনফেশনের ভিডিও হুট করে শেষ হয়ে গিয়েছে...

এটা কি আসলে এভাবেই শেষ হয়েছে?

জ্বী স্যার।

সত্য উন্মোচন করা আমার দায়িত্ব।

ধন্যবাদ স্যার।

উনি বিপদমুক্ত। এ যাত্রায় বেঁচে যাবেন।

এই নিন...

স্যার, এত কেন?

হ্যালো মা...

-কেমন আছিস? -ভালো আছি।

তুমি কেমন আছো?

তোকে আরেকটা মেয়ের ছবি পাঠিয়েছি। দেখেছিস তুই?

মা, তুমি মেয়ে খোঁজা বন্ধ করো তো।

কেন?

বাবা কেমন আছে?

সে ভালোই আছে।

কথা বল।

শ্যাম লাইনে আছে।

হ্যালো...

হ্যালো বাবা... কেমন আছো?

আমি ভালো আছি।

অনেকদিন যাবত বাড়িতে আসিস না।

কমপক্ষে উৎসবের দিন আয়। মন দিয়ে কাজ করিস।

নিজের খেয়াল রাখিস।

ঠিক আছে।

প্রিয়া?...

সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিবেন।

যেকোনো মতামত জানানোর জন্যঃ fb.com/nurullah.mashhur

আমার অনুবাদকৃত অন্যান্য সাবসমূহঃ https://subscene.com/u/1094254

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.