Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
ফেসবুকে অনুবাদকের প্রোফাইল ★ Hossain Sadi
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ★ Bangla Subtitle
কখনো কি কারো দিকে তাকিয়ে ভেবেছ...
"তাদের মাথার ভেতরে কী চলছে?"
আমি অবশ্য এ ব্যাপারে জানি। মানে আমি রাইলির মাথাটাকে চিনি আরকি।
আর এই যে ও...
হ্যালো।
রাইলি।
আরে, কি সুন্দর। তুমি একটা খুশির ডিপো।
তুমি একটা খুশির ডিপো।
ওয়াও
এটা ছিল অসাধারণ, শুধু রাইলি আর আমি, চিরদিনের জন্য।
অথবা কেবলমাত্র, ৩৩ সেকেন্ডের জন্য।
আমি বিষণ্ণতা।
ওহ, হ্যালো, আমি খুশি। তো...
যদি কিছু মনে না করো, আমি কি... আচ্ছা, আমাকে এটা ঠিক করতে দাও, ধন্যবাদ।
আর তখন থেকে কেবল শুরু হল,
হেডকোয়াটারে এরপর থেকে লোকজন আসতেই থাকলো।
খুব সুন্দর, মনে হচ্ছে এটা তুমি শিখে ফেলেছ। খুব ভালো।
হেই, সাবধান! সাবধান! না, দেখে শুনে!
ও হচ্ছে "ভয় চাচা"। ও রাইলিকে নিরাপদ রাখায় ওস্তাদ।
আস্তে, আস্তে। খুব ভালো করেছ। খুব ভালো করেছ।
- খুব ভালো করেছ। - অসংখ্য ধন্যবাদ।
আর তারপর আবার আমরা শুরু করলাম।!
এইতো ঠিক আছে, মুখ খোলো।
- হুম, এটা দেখতে নতুন মনে হচ্ছে। - এটা কি নিরাপদ?
কী এসব?
ঠিক আছে, সাবধান। বিপজ্জনক গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
দাঁড়াও তো, এটা কী জিনিস?
এ হচ্ছে "বিরক্তি আপা"।
সে মূলত রাইলিকে শারীরিক ও সামাজিক বিষাক্ততা থেকে দূরে রাখে।
রংটা সুবিধার মনে হচ্ছে না।
সাইজেও ডাইনোসরের মত লাগছে না।
দাঁড়াও বন্ধুরা।
এটা ব্রকলি!
ইয়াক!
যাক, আমি এইমাত্র আমাদের জীবন বাঁচালাম। হ্যাঁ, হ্যাঁ, তোমাদেরকে স্বাগতম।
রাইলি, যদি তুমি তোমার ডিনার শেষ না করো, তুমি কোন মিষ্টান্ন পাবে না।
খাড়া! ও কি এইমাত্র বলল আমরা মিষ্টি পামু না?
উনি মিঃ ক্রোধ।
উনি নৈতিকতা নিয়ে খুব গভীরভাবে চিন্তা করে থাকেন।
তাইলে তুমি এইভাবেই খেলতে চাও, বুইড়া। মিষ্টি দিবা না? ঠিকাচ্ছে।
আমরা ডিনার খামু। তার আগে তুমি এইটা খাবা!
রাইলি, রাইলি। এই যে বিমান আসছে।
ওহ, বিমান। সবাই দেখো, একটা বিমান আসছে।
বিমান।
আর তোমরা তো বিষণ্ণতাকে আগেই দেখেছ। ওর কথা আর কি বলবো।
ওর কাজটা যে আসলে কি সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই।
আর আমি অনেক চিন্তা করেছি, ওর যাওয়ার আর কোন জায়গা নেই। তাই...
ও ভালোই। আমরাও ভালোই আছে। সবকিছুই সুন্দরভাবে চলছে!
যাইহোক, এগুলো হচ্ছে রাইলির স্মৃতি।
আর অহংকার করছি না, তবে দেখবে যে বেশিরভাগই খুশির স্মৃতি।
কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিগুলো রয়েছে এখানে।
খুব বেশি প্যাঁচাতে চাই না, তবে এগুলোকে বলে কেন্দ্রীয় স্মৃতি।
প্রতিটি এসেছে রাইলির জীবনের এক একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ থেকে।
যেমন সে যখন প্রথম গোল করেছিল। এটা ছিল খুবই মজার!
হেই! তোমরা কি এটা দেখেছ? কি সুন্দর!
- এখানে ভবিষ্যতের একজন সুপারস্টারকে দেখা যাচ্ছে! - কি সুন্দর!
- ইয়াহু! - ইয়াহ!
আর প্রতিটি কেন্দ্রীয় স্মৃতি
রাইলির ব্যক্তিত্বের একটি প্রতিচ্ছবি তৈরি করে।
যেমন নাকি, হকি দ্বীপ।
মজারু দ্বীপটা আমার সবচেয়ে পছন্দের।
এদিকে এসো, আমার ছোট্ট বাঁদর!
তুমি সত্যিই দুষ্ট
ইয়াপ! মজারু সবচেয়ে মজার।
বন্ধুত্বের দ্বীপটাও ভালোই।
ওহ, সততার দ্বীপটাকে আমি ভালবাসি। আর সেটাই আসল সত্য।
এবং অবশ্যই, পরিবারের দ্বীপটা অসাধারণ।
মূল ব্যাপারটা হচ্ছে, এই দ্বীপগুলো হচ্ছে ব্যক্তিত্বের এক একটি দিক যেগুলো রাইলিকে, রাইলি বানিয়েছে।
এই দেখো, নীলমুখো।
লাভা!
- তোমার এই খেলার বন্ধুটি কে? - বিং বং, বিং বং।
হেই, খুব সুন্দর।
আহ্!
পুরো মাথাই জমে গেলো!!
ইয়াহ!
- শুভ রাত্রি, সোনা। - শুভ রাত্রি, ড্যাড।
আর...আমাদের কাজ শেষ।
আমিতো এর কথাই বলছিলাম। হুররে! আরেকটি আদর্শ দিন পার হল।
সবাই খুব ভালো করেছ!
চলো এই স্মৃতিগুলো দীর্ঘ স্মৃতিতে জমা রাখি।
যাক বাবা, আজকে মরি নাই। আমি এটাকে বলবো এক অভূতপূর্ব সাফল্য।
আর, এই হচ্ছে কথা, আমরা আমাদের মেয়েকে খুব ভালবাসি।
ওর রয়েছে কিছু ভালো বন্ধু আর একটি সুন্দর বাড়ি।
এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতেই পারে না।
শত হলেও, রাইলির বয়স এখন ১১। খারাপ কিইবা ঘটতে পারে?
আরে...?
মানছি, এমন কিছু আমি ভাবিনি।
হেই, দেখো। বিখ্যাত গোল্ডেন গেইট ব্রিজ, কি চমৎকার না?
যেমন ভেবেছিলাম এটা পুরোটা স্বর্ণের তৈরি নয়,
ব্যাপারটা খুবই হতাশাজনক। কিন্তু তারপরও...
ভাগ্যিস, তুমি বলেছিলে ভূমিকম্প একটা গুজব ছাড়া আর কিছু নয়, খুশি।
নাহলে আমার এতক্ষনে বারোটা বেজে যেত!
ঠিক...
- হেই রাস্তার থেকে সর! - তোগো দোহাই লাগে! সর!
এইগুলা হইল গিয়া আমার ধাঁচের লোক।
ঠিক আছে, আর মাত্র কয়েকটা ব্লক। আমরা প্রায় আমাদের নতুন বাড়িতে পৌঁছে গেছি।
ভালো খবর শুনাইলা, আব্বাজান।
এই গাড়িতে থাকলে কী সমস্যা!
সারাদিন ধরে তো এখানেই আছি।
সেটা... আসলে আমাদের জন্য ভালো।
কেননা এতে করে আমরা প্রচুর সময় পাচ্ছি
নতুন বাড়ি কেমন হবে সেটা কল্পনা করার!
কী বলো? চলো ৫টা ছবি ভেবে দেখি।
- ওয়াও, এটা অনেকটা নিরাপদ মনে হচ্ছে। - এটা খুব সুন্দর।
ওহ, এটা রাইলির জন্য একেবারে আদর্শ হবে। আরে! না, না... ওটা দেখো।
খুশি, এই শেষবার বলছি, রাইলি কোন বিস্কিটের বাড়িতে থাকবে না।
এইবার আইসে আসল জিনিস! এইটার সাথে একটা ড্রাগনও ফ্রি দিতাসে।
আমাদের অনুমান কি কাছাকাছি যাচ্ছে? মনে হচ্ছে যাচ্ছে।
এই যে সেটা, আমাদের নতুন বাড়ি। আর...
হয়তো, এটা ভেতর থেকে সুন্দর।
- আমরা এইখানে থাকমু? - থাকতেই হবে?
এর গন্ধ শুঁকে মনে হচ্ছে কেউ এখানে মরে পরে আছে।
এক জায়গা থেকে অন্য কোথাও গেলে কি মানুষ মারা যায়?
বন্ধুরা, তোমরা একটু বেশি বেশি করছ...
কেউই মরছে না।
ওই যে একটা মরা ইঁদুর! আমি অসুস্থ হয়ে যাবো।
- এটা মরা মানুষের বাড়ি! - আমাদের জলাতঙ্ক হয়ে যাবে!
আমার উপ্রে থেকে সর!
হেই, হেই। এখনি সুইচ টেপাটেপি করো না,
ড্যাড বলছিল আমাদের নতুন রুমটা নাকি অসাধারণ।
চলো আগে ওটা দেখে আসি!
- চলো সেটা দেখে আসি! - সেটা খুব ভালো হবে।!
ইয়েস, ইয়েস, ইয়েস...
না, না, না...
এখন মনে হচ্ছে মরা ইঁদুরটাই ভালো ছিল।
এইখান থেকে বাইর হ, আমরা পুরা জেলখানায় ঢুইকা গেছি।
রাইলি কোনমতেই এখানে থাকতে পারবে না।
- ও ঠিক বলেছে। - খুবই খারাপ পরিবেশ।
- এর চেয়ে খারাপ হতেই পারে না। - বাড়িটার থিক্কা গন্ধ বাইর হইতাসে।
আমার জীবনের দেখা সবচেয়ে ফালতু জায়গা।
হেই, এটা এমন কোন ব্যাপার নয় যে আমাদের প্রজাপতি পর্দা এটাকে ঠিক করতে পারবে না।
কোথায় যেন পড়েছিলাম যে, একটা শূন্য ঘর হচ্ছে একটা সুবর্ণ সুযোগ।
কোথায় পড়েছ?
তাতে কিছু আসে যায়না, আমি ওটা পড়েছিলাম এবং খুব ভালো লেগেছিল।
আমরা এখানে রাখবো বিছানা, আর ওখানে পড়ার টেবিল।
- বাতিটা ঝুলবে ওখানে। - চেয়ারটা এখানে ঢুকাও।
- আর, হ্যাঁ ট্রফিগুলো ওটার উপরে। - এটা আমার পছন্দ হয়েছে!
এতক্ষনে তোমরা কাজের কাজ করেছ। চলো মালের গাড়ি থেকে জিনিসপত্র নিয়ে আসি।
ঠিক আছে, বাই বাই।
দেখো কি অবস্থা? সামনের বৃহস্পতিবারের আগে মালের গাড়ি এখানে আসতে পারবে না।
তুমি নিশ্চয়ই মজা করছ।
আমাদের গাড়ি হারিয়ে গেছে? এর চেয়ে খারাপ দিন হতেই পারে না!
ভ্যান হারিয়ে গেছে।
তুমি বলেছিলে এটা গতকালই এখানে এসে পরবে!
আমি জানি আমি কী বলেছিলাম। ওরাও আমাকে তাই বলেছিল!
মম আর ড্যাড রেগে গেছে!
- তারা ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছে - তর্ক করছে। - আমরা এখন কী করবো?
আমার কাছে একটা দারুন আইডিয়া রয়েছে!
তুমি কি দলীলটা পড়ে দেখেছিলে?
অ্যান্ডারসন কাজে নেমে পরেছে। সে প্রায় কাছে পৌঁছে গেছে!
হেই!
না, তুমি এটা করতে পারনা।
সে শট করতে যাচ্ছে!
তোমার পিছন থেকে আসছে।
- সাবধান! সাবধান! - আর এইমাত্র সে গোল করলো! ইয়াহু!
- হুররে. - ইয়ো ইয়ো।
আরে আসো না, দাদুমণি।
দাদুমণি, তাইনা?
হা-হা, সে তার চুল বাঁধছে। এবার হবে আসল মজা।
হেই, নিচে নামাও!
সরি, একটু দাঁড়াও।
হ্যালো।
দাঁড়ান, কি বললেন?
আপনি নিশ্চয়ই মজা করছেন।
ঠিক আছে, আমি এক্ষুনি আসছি।
উদ্যোক্তারা বৃহস্পতিবার আসবে, আজকে নয়!
- আমাকে যেতে হবে। - কোন সমস্যা নেই।
তুমিই সেরা গিন্নি।
শীঘ্রই ফিরবো, সোনা।
ড্যাড আমাদের ছেড়ে চলে গেলো।
উনি আমাদেরকে আর আগের মত ভালোবাসেন না। খুব দুঃখজনক। আমার এখন চালানো উচিৎ, তাইনা?
খুশি, কী করছ তুমি?
খালি একটু সময় দাও।
আমার এইমাত্র মনে পরল, রাইলি লাঞ্চ করেনি, মনে আছে?
হেই, আমি রাস্তার পাশে একটা পিৎজার দোকান দেখেছিলাম,
ওখানে গেলে কেমন হয়?
পিৎজা খারাপ হয় না।
- পিৎজা! পিৎজা খাব। - ইয়েস! পিৎজা!
- এসব কী? - পিৎজার মধ্যে ব্রকলি দিল কে??
যথেষ্ট হয়েছে। আমি আর এসবের মধ্যে নেই।
অভিনন্দন, সানফ্রানসিসকো তোমরা পিৎজারে ধ্বংস কইরা দিলা।
প্রথমে হাওয়াইয়ানরা করলো, এখন তোমরাও!
কোন ধরণের দোকানে কেবল এক রকম পিৎজাই বানায়!
মনে হয় এটাই এখানাকার রীতি।
তারপরও, নেব্রাস্কায় যে স্যুপ খেয়েছিলাম তার থেকে এটা ভালো।
ও হ্যাঁ, স্যুপের বাটির মধ্যে চামচ আটকে গিয়েছিল।
যেটা খুবই বিরক্তিকর ছিল।
ভালো তো, পরিবার খেলা দেখাচ্ছে।
ড্যাড এর পেট খারাপ হয়েছিলো।
ভ্রমণটা অসাধারণ ছিল। তোমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে কী?
গাড়ির থেকে যখন থুথু মারতেছিলাম!
ড্যাড যখন গান গাচ্ছিল তখন তো অবশ্যই নয়।
যখন সীটবেল্ট বাঁধছিলাম!
আর যখন ডাইনোসরের কাছে গিয়েছিলাম।
- ওটা কিন্তু দারুন ছিল। - সবচেয়ে মজার ছিল।
হায় বলো।
- ড্যাড, ড্যাড, ড্যাড। - সোনা।
ড্যাড, পিছনে তাকাও, তোমার গাড়ি।
থামো! না-না...
এটা ভালো ছিল, খুশি।
ডাইনোসরের সাথে কাটানো সময়টুকু আমার খুব ভালো লেগেছিল।
দাঁড়াও, এটা কী হল?
ও স্মৃতিটা নিয়ে কিছু একটা করেছে।
তুমি কী করেছ?
আমি শুধু এটা ছুঁয়েছি।
- তাহলে তো এমন হবার কথা না। - খুশি, এটাকে আবার আগের মত করে দাও।
- চেষ্টা করছি। - তুমি এইটারে আর পাল্টাতে পারবা না।
- মনে হয় না। - খুব ভালো করেছ, বিষণ্ণতা।
এখন থেকে যখনই রাইলি এই কথা মনে করবে ওর মন খারাপ হয়ে যাবে।
আমি দুঃখিত, খুশি। ব্যাপারটা বুঝতে পারিনি। ভাবলাম তুমি হয়তো...
খুশি, সামনে একটা সিঁড়ি আসছে।
কী ঘটল সেটা না জানা পর্যন্ত আর কোন স্মৃতিতে হাত দিও না।
- ঠিক আছে। - আচ্ছা। সবাই তৈরি হয়ে নাও।
এটা একটা বিশাল রেলিং, আর আমরা এখন মজা করে এটাতে চরবো!
আরে, আবার কী হল?
- একটা কেন্দ্রীয় স্মৃতি! - ধুর।
বিষণ্ণতা, তুমি এসব কী করছ?
মনে হল ওটায় কিছু সমস্যা হয়েছে, তাই আমি এটা খুললাম আর ওটা পড়ে গেলো।
আমি শুধু... আমি হয়তো এটা ধরতে চেয়েছিলাম।
- খুশি! - আরে, আরে, আরে।
বিষণ্ণতা, তুমি একটা কেন্দ্রীয় স্মৃতি প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছিলে।
আর তুমি যদি ওটা ছুঁয়ে ফেলো, তাহলে আমরা আর ওটাকে আগের অবস্থায় নিয়ে যেতে পারবো না।
আমি জানি, সত্যিই দুঃখিত। আমার যেন কী হয়েছে।
মনে হচ্ছে আমার কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছ।
তেমন কিছুই হয়নি, তুমি শুধু দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছ।
কী সব উল্টাপাল্টা ভুল করছি, আমি পুরো জঘন্য।
- না, তুমি তা নও। - আর বিরক্তিকর।
আমার মনে হচ্ছে কী জানো? তুমি তোমার সমস্যাটা বুঝতে পারছ না।
তুমি এ থেকে মুক্ত হয়ে কিছু আনন্দ নিতে পারো।
আচ্ছা, মজা লুটবো, আমি জানিই না কিভাবে মজা নিতে হয়।
আচ্ছা ঠিক আছে, কোন মজার কথা চিন্তা করো তো।
আরে, সেই মজার মুভিটার কথা মনে আছে যেখানে কুকুরটা মারা গিয়েছিল?
ওটা খুব একটা মজার ছিল না...
আচ্ছা, ম্যাগের সাথে কাটানো সময়টার কথা মনে আছে?
রাইলি এতটাই হেসেছিল যে ওর নাক দিয়ে দুধ বের হয়ে এসেছিল।
হ্যাঁ, খুব ব্যাথা লেগেছিল। মনে হচ্ছিল নাকে আগুন জ্বলছে।
এটা ছিল একেবারে জঘন্য...
ঠিক আছে, থামো। ওটার কথা বাদ দাও, চলো অন্য কিছু চিন্তা করে দেখি।
তোমার সবচেয়ে ভালো লাগে কী?
সবচেয়ে ভালো?
যখন আমরা বাইরে কোথাও থাকি।
চমৎকার! যেমন নাকি সূর্যাস্তের সময় সমুদ্রের তীরে।
তারপর যখন আমরা ড্যাডকে গলা পর্যন্ত বালিতে গেড়েছিলাম।
আমি আসলে বৃষ্টির কথা ভাবছিলাম।
বৃষ্টি? বৃষ্টি, সেটা তো আমারও খুব ভালো লাগে!
আমরা ইচ্ছামত লম্ফ ঝম্ফ করতে পারি
তারপর কী সুন্দর সুন্দর ছাতা আর বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা যায়।
আমার ভালো লাগে যখন বৃষ্টি একটানা পড়তেই থাকে, আমাদের জুতা ভিজে ঢোল হয়ে যায়।
আর সবাই ঠাণ্ডায় জুবুথুবু হয়ে যায়,
সব কিছু বিষণ্ণ হয়ে যায়।
হেই, থামো, থামো।
তুমি কাঁদছ কেন?
আমরা এখানে তোমাকে হাসিখুশি করার চেষ্টা করছি।
কাঁদলে আমার মন হালকা হয়, আর জীবনের ঝামেলাগুলোর চিন্তা দূর হয়।
আমি কী বলি জানো? চলো অন্য কিছু করা যাক।
মস্তিষ্কের দিক নির্দেশনাগুলো পড়লে কেমন হয়? খুব মজার মনে হচ্ছে।
এগুলোর অধিকাংশই আমার পড়া।
এটা পড়েছ? ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে।
"দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি প্রত্যাবর্তন ভলিউম ৪৭"
- না। - উফ্, চরম একটা বই!
"পরিমিত প্রক্রিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি থেকে তথ্য নির্বাচন"
দেখলে, প্রথম লাইনেই মজা শুরু। তোমার কী ভাগ্য!
সারাদিন এসব অসাধারণ বই পড়, আর আমাকে কাজ করতে হয়, জীবন বড়ই নিষ্ঠুর।
আমরাই বা কী করতে পারি? যা মূলধন আছে তা দিয়ে বড়জোর দু'মাস চলবে।
এর মধ্যে যদি বিনিয়োগকারী না পাওয়া যায়, লোকদেরকে সন্তুষ্ট করা যাবে না।
মম, ড্যাড। আমাকে গুডনাইট চুমু খাও।
- জানি, জানি, আমাদের ওটা ছেড়ে দিতে হবে। - ওখানেই থাকো মামনি।
ড্যাডের কথা শুনলে? মনে হচ্ছে খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
ওটা কী ছিল? কোন ভাল্লুক না তো? অবশ্যই একটা ভাল্লুক ছিল!
সান ফ্রানসিসকোতে কোন ভাল্লুক নেই।
আমি একখান লোমশ মানুষরে দেখলাম, দেখতে ভাল্লুকের মতই।
ওহ, আমি তো সেইরম ভীতু, আমার নার্ভ পুরো থমকে গিয়েছিল।
ধ্যাত, তোমার নার্ভের গল্প শোনার কোন ইচ্ছাই নেই।
আমি কইতাসি ভেজালটা কোথায়।
এইখানে আসাই হইতাসে সবচেয়ে বড় ভুল।
আমিও তো সে কথাই বলছি বন্ধুরা।
অন্তত ৩৭ টি কারণে রাইলির এখন ভয় পাওয়া উচিৎ।
যেই গন্ধ, তাতে ওর এমনিতেই দম আঁটকে আসার কথা।
বিশ্বাসই করতে পারতাসি না যে, মা-বাবা আমাদেরকে এই বস্তিতে নিয়া আইছে।
দেখো, আমি বুঝতে পারছি, তোমরা খুব টেনশনে রয়েছ।
কিন্তু আমরা এর থেকেও খারাপ পরিস্থিতিতে পড়েছি!
আচ্ছা একটা কাজ করো তো। রাইলির খুশি হওয়ার মত কী কী বিষয় আছে
তার একটা তালিকা তৈরি কর।
আগে দেইখা লই, এই বাড়িটা জঘন্য, এই রুমটা ধইঞ্চা,
- এখানকার পিৎজা ভুয়া। - আমাদের বন্ধুরা সব আগের এলাকায়।
আর আমাদের সকল জিনিসপত্র গাড়ির সাথে উধাও।
আরও খারাপ কিছুও তো ঘটতে পারতো।
ঠিক বলেছ, খুশি। হয়তো আমাদের নোংরা মেঝেতে একটা ব্যাগের মধ্যে ঘুমানো লাগতো।
ঠিক আছে, মানছি, আমাদের শুরুটা ভালো হয়নি। কিন্তু যেসব ভালো কাজ ঘটেছে সেগুলো...
না, খুশি। রাইলির এখন খুশি হওয়ার কোন কারণই নাই।
ব্যাপারটা আমাদের হাতে ছাইড়া দাও।
আমি বলি কালকে স্কুল মিস দিয়ে বাসায় কাথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকি।
আমাদের পরিষ্কার কাপড় চোপড় নেই। কারো সামনে পরা যাবে না।
অথবা আমরা সারাদিন বসে বসে কাঁদতে পারি।
আমাদের উচিৎ দরজা বন্ধ কইরা ইচ্ছামত চিল্লাচিল্লি করা।
- এটা ভালো হবে। - একটু থামো।
দেখো, সবারই মাঝে মাঝে এক আধটা খারাপ দিন কাটে...
হাই সোনা।
মা আইসে আরও খারাপ খবর নিয়া, ষোলকলা পূর্ণ হইবো।
এখনো মালের গাড়ির কোন দেখা নেই।
এখন ওরা বলছে ওটা নাকি মঙ্গলবারের আগে এখানে আসবে না, আজব না?
ঠিক যা কইছিলাম!
ড্যাড কোথায়?
ফোনে কথা বলছে। এই নতুন ঝামেলায় ও একটু ব্যাস্ত আছে।
আমার কাজে নামতে হইব।
তোমার বাবা কিছুটা চিন্তিত,
ওনার নতুন কোম্পানি নিয়ে খুএকটু ঝামেলায় আছে আরকি।
এখন কিছু রাগের ইমো বাছাই করতে হইব।
আমি শুধু বলতে চাই, ধন্যবাদ।
এই যে এত কিছুর মাঝেও...
তুমি আমাদের সুখী মেয়ে সেজে আছ।
তোমার ড্যাড খুবই চাপের মধ্যে আছে।
কিন্তু তুমি আর আমি যদি হাসি খুশি থাকি এটা তাকে খুব সাহায্য করবে।
এতোটুকু তো তার জন্য করতেই পারি, তাইনা?
ঠিক আছে
হ্যাঁ, অবশ্যই।
আমরা সর্বদা তোমার ভালো চাই।
- ঘুমটা ভালো হোক। - শুভরাত্রি।
যাক, মায়ের সাথে তো আর তর্ক করা যাইবো না। ঘুমটা তাইলে ভালোই হোক।
সবাই আনন্দিত, অসাধারণ!
সবটাই তোমার প্রাপ্য, খুশি।
যাক, আমাদের বিশ্রামে যেতে হবে।
আমার যেহেতু স্বপ্ন দেখানোর দায়িত্ব তাই আমিই এগুলো দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিতে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
দিনটা ভালো ছিল, বন্ধুরা। সব ভালোয় ভালোয় কেটেছে।
এবার, আজকের স্বপ্নে কী কী থাকছে?
এই দেখো, এটাই নতুন বাড়ি।
আমার সাথে এসে থাকো, রাইলি।
ব্রকলি পিৎজা নিয়া হাজির।
আমারে খা! আমি জীবাণু।
আরেহ্, স্বপ্নের প্রোগ্রামের দায়িত্বে কোন গর্দভটা থাকে?
জানি এটা করা ঠিক হচ্ছে না, কিন্তু...
দিনটাকে এমনভাবে শেষ হতে দেয়া যায় না।
কোন চিন্তা করো না।
আগামীকালটা যাতে আরও অসাধারণ কাটে সেটা আমি নিশ্চিত করবো।
এই প্রতিজ্ঞা করলাম।
হ্যালো, ঘুম ভাঙিয়ে দিলাম নাকি?
এরুম জিনিস বাজানোর কী দরকার পরল?
আমার প্র্যাকটিস করার প্রয়োজন ছিল।
আর আমি এটা বাজাচ্ছি না, বরং জড়িয়ে ধরে নাচছি।
ঠিক আছে, স্কুলের প্রথম দিন, খুবই উত্তেজনার ব্যাপার।
কালকে অনেক রাত করে আমি একটা প্ল্যান সাজিয়েছি।
সেটা হচ্ছে! ভয় চাচা,
প্রথমেই আমার একটা তালিকা প্রয়োজন
স্কুলের প্রথম দিন যা কিছু খারাপ ঘটতে পারে তার তালিকা।
তোমার কাজ পরে করছি, আগে কেউ বলো দেখি "উল্কাপিণ্ড" এর বানান কী?
বিরক্তি আপা, নিশ্চিত করো যে রাইলিকে যেন আজ তরতাজা লাগে।
আমার কাজ শেষ হলে, রাইলিকে এতো ভালো দেখাবে যে,
অন্যান্য বাচ্চারা নিজেদের পোশাকের দিকে তাকিয়ে বমি করে দেবে।
খুশি! হ্যাঁ, খুশি,
"তোর দায়িত্ব সবাইকে প্রবোধ দেয়া, আর রাইলিকে সারাদিন হাসি খুশি রাখা।
আর আরেকটা ব্যাপার, তোর ড্রেসটা ভয়ানক পছন্দ হয়েছে।
ওহে প্রাচীন জামা, অসংখ্য ধন্যবাদ। এখনো কি সুন্দর করে পাক খাও।"
ভাবনার রেলগাড়ি, একেবারে সময়মত এসেছে।
মিঃ ক্রোধ, দিনের কল্পনাগুলো নামিয়ে রাখো।
একটু বাড়িয়ে অর্ডার করছিলাম,
যদি ক্লাসে মন না বসে আরকি।
যদি নতুন স্কুল আর ক্লাস ফালতু হয়,. এইগুলা খুব কাজে দিবো।
সেইরকম হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
আর বিষণ্ণতা, তোমার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে।
- সত্যি। - আমার সাথে এসো।
- কী করছ তুমি? - এই তো, পারফেক্ট।
এটা হচ্ছে বিষণ্ণতার বৃত্ত।
তোমার কাজ হচ্ছে সকল বিষণ্ণতাকে এর ভেতর আঁটকে রাখা।
তো, তুমি চাও আমি এর ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকি?
হেই, তোমার কাজ তুমি কীভাবে করবে সেটাতো আমি বলবো না।
শুধু খেয়াল রেখো সকল... বিষণ্ণতা যাতে এই বৃত্তের মধ্যে আবদ্ধ থাকে!
দেখেছ, তুমি এ ব্যাপারে ওস্তাদ! কী মজার না?
- একটুও না। - এইতো ভালো মেয়ে।
ঠিক আছে বন্ধুরা, একটু নতুন সূচনা শুরু করা যাক।
আজকের দিনটা হতে যাচ্ছে অসাধারণ, সেটা পরিণত হবে একটা অসাধারণ সপ্তাহে,
সেটা পরিণতে হবে একটা অসাধারণ বছরে, সেটা পরিণতে হবে একটা অসাধারণ জীবনে!
আজকে তোমার জন্য একটা বিরাট দিন, নতুন স্কুল, নতুন বন্ধু।
জানি, কিছুটা ভয় লাগছে কিন্তু তার চেয়ে বেশি উত্তেজনা কাজ করছে।
কেমন লাগছে বল তো? আমার শার্ট কেমন লাগছে?
খুবই কিউট!
তোমার কোন ভয় নেই, তুমি কি চাও আমরাও তোমার সাথে আসি?
মম আর ড্যাড আমাদের সাথে আসবে?
- না, ধন্যবাদ। - ঠিক, আমিও তাই মনে করি।
না, তার দরকার নেই। বাই মম, বাই ড্যাড।
আশা করি স্কুলের প্রথম দিন ভালোই কাটবে, বাঁদর।
দিনটা ভালো কাটুক, সোনা।
আমরা কি সত্যিই এটা করতে যাচ্ছি?
- অবশ্যই। - চলো, তাইলে ভেতরে।
ওকে দেখেছ? হ্যালো?
ঠিক আছে, ঐ কোনায় কিছু কুল মেয়েকে দেখা যাচ্ছে।
- তুমি কীভাবে জানলে? - ডাবল কানের দুল, ঝাকানাকা স্কার্ফ।
ওয়াও, ও কী চোখে শ্যাডো লাগিয়েছে?
- হ্যাঁ, আমরা ওদের সাথে বন্ধু হতে চাই। - চলো ওদের সাথে গিয়ে কথা বলি!
মজা করছ নাকি? আমরা ওদের সাথে কথা বলতে যাচ্ছি না।
আমরা চাই ওরা আমাদের সাথে এসে বন্ধুত্ব করুক।
ও... আচ্ছা, দাঁড়াও, কি বললে?
সম্ভাব্য খারাপ ঘটনার তালিকা তৈরি হয়ে গেছে।
সবচেয়ে খারাপ যেটা হতে পারে চোরাবালিতে আটকা, অথবা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুড়ে যেতে পারি
অথবা শিক্ষক হয়তো দাঁড় করাতে পারে। যতক্ষন এমন কিছু না ঘটছে...
ঠিক আছে, সবাই শুনো, আমাদের ক্লাসে একজন নতুন শিক্ষার্থী এসেছে।
এটা কী কোন ফাজলামি নাকি! অসম্ভব! এটা সত্যি নয়!
রাইলি, তুমি কি আমাদেরকে তোমার ব্যাপারে কিছু বলবে?
না! ভাব দেখাও আমরা ইংলিশ পারিনা।
কোন চিন্তা করোনা, আমি দেখছি।
আচ্ছা।
আমার নাম রাইলি অ্যান্ডারসন।
আমি মিনেসোটা থেকে এসেছি, আর এখন আমি এখানেই থাকি।
মিনেসোটা কেমন ছিল?
এর সম্পর্কে কিছু বলতে পারবে?
ওখানে নিশ্চয়ই তুষারপাত খুব বেশি হয়।
উনি খুবই প্রফুল্ল!
হ্যাঁ, ওখানে ঠাণ্ডা একটু বেশি পড়ে।
হ্রদগুলো জমে বরফ হয়ে যায়, আর তখন আমরা হকি খেলি।
আমাদের একটা চমৎকার দল ছিল, যার নাম ছিল প্রাইরি ডগ্স।
আমাদের একটা চমৎকার দল ছিল, যার নাম ছিল "প্রাইরি ডগ্স"।
আমাদের পরিবারের প্রায় সবাই স্কেটিং করে।
এটা অনেকটা পারিবারিক ট্র্যাডিশন।
আমরা প্রায় প্রতি ছুটির দিনেই হ্রদে বেড়াতে যাই।
মানে যেতাম আরকি, তারপর... আমি এখানে চলে আসলাম।
- হেই, কী হল? - হ্যাঁ?
হেই, বিষণ্ণতা, তুমি স্মৃতিতে হাত দিয়েছ? আমরা কিন্তু এ ব্যাপারে কথা বলেছিলাম।
ও হ্যাঁ, আমি জানি। কিন্তু...
তোমার বৃত্তে ফিরে যাও।
- এসব কী হচ্ছে? এটা বের হচ্ছে না কেন? - ওটাকে ওখান থেকে বের করো, খুশি।
আমরা কত মজার মজার খেলা খেলতাম।
কুল মেয়েগুলো ফিসফিস করছে!
- ওদের ভাব দেখেছ? - না।
ওরা আমাদেরকে পরখ করে দেখছে!
কেউ আমাকে সাহায্য করো। সবাই একত্রে টানো...
কিন্তু এখানে আসার পর, সব পাল্টে গেছে।
হায় আল্লা! আমরা স্কুলে কাঁদছি।
আরে? বিষণ্ণতা, তুমি করছটা কী!
আমি সত্যিই দুঃখিত।
ওটা একটা কেন্দ্রীয় স্মৃতি।
কিন্তু এটা নীল।
না! থাম! থামো, না! না!
সুখী, এমন করো না।
- এটা একটা কেন্দ্রীয় স্মৃতি। - হেই!
- থামো, আমাকে ছাড়ো। - না, দাঁড়াও।
কেন্দ্রীয় স্মৃতিগুলো সব পরে গিয়েছি!!
না-না-না...!
ধন্যবাদ, রাইলি।
আমি জানি পরিচিত জায়গা ছেড়ে চলে আসাটা খুব কঠিন।
কিন্তু আমরা তোমাকে এখানে পেয়ে খুব খুশি।
ঠিক আছে, সবাই, তোমাদের ইতিহাস বই বের করো।
আর ৭ম পরিচ্ছেদ খোলো।
এখন কি আমি অভিশাপ দিতে পারুম?
হায়, হায়, ১, ২, ৩, ঠিক আছে।
এগুলো যথেষ্ট নয়, আমরা কোথায় এলাম?
দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিতে? দাঁড়াও...
মজারু দ্বীপ?
রাইলির ব্যক্তিত্বের দ্বীপ, সবগুলো বন্ধ হয়ে গেছে!
ব্যাপারটা খুব খারাপ!
আমরা... এটা ঠিক করতে পারবো।
কেবল হেডকোয়াটারে যেতে হবে।
কেন্দ্রীয় স্মৃতিগুলো জায়গামত রাখতে হবে... আর তারপরই রাইলি আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
রাইলির এখন কোন কেন্দ্রীয় স্মৃতি নেই, কোন ব্যক্তিত্ব নেই,
আর...? আর কী?
তুমিও নেই।
তুমি হেডকোয়াটারে নেই।
তোমাকে ছাড়া রাইলি খুশি হতে পারবে না।
তোমাকে ওখানে যেতে হবে।
আমি আসছি রাইলি।
তো, দেখা যাচ্ছে যে সবুজ ডাস্টবিনগুলো পুনঃব্যবহারের উপযোগী করা যাচ্ছে না, কারণ এর রং সবুজ,
ব্যাপারটা ডিমের ভাঙা খোসাকে জোড়া লাগানোর মত।.
আর নীলগুলোকে করা যাচ্ছে। আর কালোগুলো তো...
রাইলি কেমন অদ্ভুত আচরণ করছে। ও এমন করছে কেন?
তা না হলে কী করবে? প্রতিটি দ্বীপই বন্ধ হয়ে গেছে।
খুশি থাকলে বলতে পারতো কী করা উচিৎ।
ঠিক বলেছ।
ও ফিরে আসার আগ পর্যন্ত, ও যা করতো আমরাও তাই করে যাবো!
ভালো বুদ্ধি। ক্রোধ, ভয়, আর বিরক্তি, আমরা কীভাবে খুশির কাজ করবো?
হেই, রাইলি, একটা ভালো খবর আছে।
আমি সানফ্রানসিসকোতেই একটা জুনিয়র হকি লীগের সন্ধান পেয়েছি।
আর কাল স্কুল ছুটির পরই বাছাই হবে। কি ভাগ্য, তাইনা?
- হকি? - এখন, আমরা কী করবো?
বন্ধুরা...অ্যা... আম... পেয়েছি...
এই যে... তুমি খুশির ভূমিকা পালন করো।
আবার বরফে ফিরে যেতে পারলে ভালো হবে না?
ও আচ্ছা, শুনে খুব ভালো লাগলো।
ওটা কী ছিল? খুশির ধারে কাছে দিয়েও যায়নি।
- কারণ আমি খুশি নই। - হ্যাঁ, ঠিক বলেছ।
তোমরা কি ওটা দেখেছ?
কিছু একটা হয়েছে।
ওকে জিজ্ঞেস করবো নাকি?
ব্যাপারটা ঘেঁটে দেখা যাক, কিন্তু খুব সাবধানে, ও যাতে বুঝতে না পারে।
তো, স্কুলের প্রথম দিন কেমন কাটল?
উনি আমাদের তদন্ত করতেছেন।
আমি পারবো না, তুমি জয়ের ভূমিকা পালন করো।
কী? ঠিক আছে। আম...
এই তো ছিল কোনরকম, আমি ঠিক বলতে পারবো না।
ওহ, ফাটাফাটি, এক্কেবারে খুশির মত।
নিশ্চয়ই কিছু একটা ঘাপলা আছে।
সে আগে কখনো এমন আচরণ করে নি। আমাদের এখন কী করা উচিৎ?
ঘটনাটা কি আমরা সেটা খুঁজে দেখব।
কিন্তু তার জন্য সাহায্য প্রয়োজন,
স্বামীকে সিগন্যাল পাঠাও।
কি চমৎকার পাস! রিড পার হয়ে, সীমানা অতিক্রম করছে।
ও আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।
- ও কী বলেছে? - জী?
দুঃখিত স্যার, কেউই কথা শুনছিল না।
রাতের আবর্জনা সাফ করার ব্যাপারে না তো? নাকি কমোডের সীট উঁচু করে রেখে এসেছি।
কী? সমস্যাটা কী ম্যাডাম? বলো?
ও আবারও বেকুবের মত মুখ করে রেখেছে।
পারলে ওর গলা চেপে ধরতাম এখুনি।
আবার সিগন্যাল দাও।
তো, রাইলি, স্কুল কেমন লাগলো?
- শুধু শুধু সময় নষ্ট। - মজা করতাসো?
এর জন্য আমরা সেই ব্রাজিলিয়ান পাইলটের সাথে ব্রেক আপ করেছিলাম?
সরো! আমি খুশির কাজ করমু।
স্কুল খুব ভালো লেগেছে, বুঝেছ?
রাইলি, সব ঠিক আছে তো?
স্যার, ও এইমাত্র আমাদের চোখ রাঙাল।
ওর সমস্যাটা কী?
ঠিক আছে, কিছুটা কঠোর হও।
আমি এখনই পুরো হার্ডলাইনে যেতে চাইনা।
না, তার কোন দরকার নেই।
রাইলি, তোমার এই নতুন এটিচিউড আমার পছন্দ হয়নি।
খাড়া, আমি তোমারে দেখাচ্ছি এটিচিউড কারে কয়, বুইড়া।
না-না-না, খুশি থাকো।
তোমাদের সমস্যাটা কী? আমাকে একা ছেড়ে দাও!
স্যার, খুবই উচ্চ মাত্রার প্রতিরোধ দেখা যাচ্ছে!
"ডেফকন ২" ছেড়ে দাও!
ভদ্রমহোদয়গণ, আপনারা শুনেছেন, "ডেফকন ২"
শোনো, মেয়ে। আমি বুঝতে পারছিনা তুমি এমন বেয়াদবি কোথা থেকে শিখেছ।
তোমারও লাগবো নাকি, আব্বাজান? আসো, নিয়া যাও!
হ্যাঁ, তো...
এইতো আসছে, সবাই প্রস্তুত থাকো!
চাবিগুলো জায়গামত বসাও।
আপনার আদেশের জন্য প্রস্তুত, স্যার।
চুপ করো!
আক্রমণ!
যথেষ্ট হয়েছে, তোমার রুমে যাও।
কার্য সম্পাদন! কার্য সম্পাদন!
ভালো দেখিয়েছেন, ভদ্রমহোদয়গণ, ব্যাপারটা ভয়ানক হতে পারতো।
ওহ, ব্যাপারটা ভয়ানক ছিল।
এসো, আমার সাথে উড়তে এসো, ময়না পাখি।
আমরা এটার উপর দিয়ে হেঁটে ওখানে যাবো?
এটাই সবচেয়ে দ্রুততম পথ।
কিন্তু এটা তো স্মৃতির ভাগাড়ের উপর দিয়ে গিয়েছে।
যদি পরে যাই তাহলে আমরা চিরতরে হারিয়ে যাবো।
রাইলির খাতিরে এটা আমাদের করতে হবে। শুধু আমার পদচিহ্ন অনুসরণ করো।
- ঠিক আছে. - খুব একটা গভীর মনে হচ্ছে না।
হেই,
আসলে... ব্যাপারটা একটু বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে গিয়েছিল।
তুমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাও?
আরে, আমার সুখী মেয়েটার এ কী হল?
বাঁদর,
উনি মজারু চালু করার চেষ্টা করতেছেন।
ধেত্তেরি,
ফিরে যাও! দৌড়াও, দৌড়াও, দৌড়াও!
আশ্চর্য!
বুঝতে পেরেছি, তোমার কিছুক্ষন একাকী থাকা উচিৎ।
পরে কথা হবে।
আমরা একটা বিরাট সমস্যায় পড়েছি।
ওহ, খুশি, তুমি কোথায় গেলে?
মজারু দ্বীপ হারিয়ে গেছে।
এর মানে হচ্ছে ওর বন্ধুত্ব, হকি, সততা আর পারিবারের দ্বীপও হারিয়ে যেতে পারে।
তুমি নিশ্চয়ই সব ঠিক করতে পারবে, তাইনা, খুশি?
আমি...
আমি ঠিক জানিনা।
কিন্তু আমাদেরকে চেষ্টা করতে হবে। চলো, যাওয়া যাক।
রাইলি ঘুমিয়ে পরেছে।
তবে যদি ভেবে দেখো... এটা এক হিসেবে ভালোই।
কেননা ও যখন ঘুমিয়ে থাকবে তখন খারাপ কিছু ঘটার সম্ভাবনা থাকবে না।
আর ও জেগে ওঠার আগেই আমরা হেডকোয়াটারে ফিরে যেতে পারবো।
এবার আমরা বন্ধত্বের দ্বীপ হয়ে যাবো।
হায় হায়, আমরা কখনোই ওখানে যেতে পারবো না।
- না! - না, না, না!
জীবনের সমস্যাগুলো কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করো না।
সেই মজার মুভিটার কথা মনে আছে যেখানে কুকুরটা মারা গিয়েছিল।
ওরে বিষু, এসব করার এখন সময় নেই।
আমরা ঘুরে গেলেই পারি। একটু পেঁচানো রাস্তা হবে আরকি।
দাঁড়াও, খুশি, তুমি ওখানে হারিয়ে যেতে পারো।
আরে ভালো কিছু চিন্তা করো!
ঠিক আছে, আমি নিশ্চিত যে তুমি ওখানে হারিয়ে যাবে।
ওটা দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি।
ওখানে অগুনিত গলি আর তাক রয়েছে।.
আমি নির্দেশনাপত্রে পড়েছিলাম।
নির্দেশনাপত্র? নির্দেশনাপত্র!
- তুমি নির্দেশনাপত্র পড়েছিলে! - হ্যাঁ।
তারমানে তুমি হেডকোয়াটারে যাওয়ার রাস্তা চেন!
হয়তো।
তুমি আমার মানচিত্র হবে।
চলো, আমাকে পথ দেখাও। দেখাও, কোন রাস্তা দিয়ে যেতে হবে!
ঠিক আছে, আমি অতি দুঃখে হাঁটতে পারছি না।
শুধু কয়েক ঘণ্টা সময় দাও...
- কোন দিকে, - বামে?
রাইট।
না, মানে বামে যাও। রাইট দ্বারা তোমার কথার সমর্থন করেছি।
ঠিক আছে।
এটা ভালোই লাগছে।
এইতো, আমরা কী সুন্দর এগিয়ে যাচ্ছি। সকালের আগেই হেডকোয়াটারে ফিরে যেতে পারবো।
আমরা অবশ্যই পারবো, ব্যাপারটা পানির মত সহজ!
কাজ একটুও আগাচ্ছে না। আমরা কি এসে পড়েছি?
হ্যাঁ, শুধু আরেকবার ডানে যেতে হবে।
তারপর বামে, তারপর আবার বামে।
তুমি কি আসলেই রাস্তা চেন?
কারণ মনে হচ্ছে আমরা হেডকোয়াটার থেকে আরও দূরে সরে যাচ্ছি।
ওহহো, রাইলি জেগে উঠেছে।
ধরো না, মনে আছে? যদি তুমি ওগুলোকে ছোঁও, সব নীল হয়ে যাবে।
ওহ, দুঃখিত, আমি... আর করছি না।
আমি এর বেশি বহন করতে পারবো না।
ভুলে যাও!
- মনের শ্রমিক! - কিন্তু জয় আমরা প্রায়... ধুর!
ফোন নাম্বার, এগুলোর কোন প্রয়োজন নেই। এগুলোতো ফোনের ভেতরেই আছে।
- এই যে, শোনো। - সব ভুলে যাও, প্লিজ।
- আমাকে বন্ধুত্বের দ্বীপ খুঁজে বের করতে হবে। - এটা দেখো,
৪ বছরের পিয়ানোর জ্ঞান।
দেখে মনে হচ্ছে ঝাপসা হয়ে গেছে।
এক কাজ করো। চপস্টিক, হার্ট আর সোল (পিয়ানোর পাঠ) রেখে বাকীগুলো ফেলে দাও।
- তোমরা কী... - আমেরিকার প্রেসিডেন্টদের নাম, কী করবো?
ওয়াশিংটন, লিঙ্কন আর মুটকুটাকে রেখে দাও।
- ভুলে যাও! - হেই! তোমরা এগুলো ফেলে দিতে পারো না।
ওগুলো একেবারে ভালো স্মৃতি।
কিউটিপাইএর প্রতিটি প্রিন্সেস এর নাম?
হ্যাঁ, এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। গ্লিটার স্ট্রম, হানি প্যান্ট...
ভুলে যাও।
হেই! ওগুলোকে ফিরিয়ে আনো।
ওগুলো ভাগাড়ে চলে গিয়েছে। ভাগাড় থেকে কখনো কোন কিছুই ফিরে আসে না।
দেখো, মেয়ে, এগুলো আমাদের কাজ।
যখন রাইলি কোন স্মৃতির ব্যাপারে পরোয়া করেনা তখন সেটা ঝাপসা হয়ে যায়।
- ঝাপসা হয়ে যায়? - বেশি ভালোগুলোর ক্ষেত্রেই সাধারণত এমন হয়
খালি এই বান্দা বাদে, এটা কখনোই ঝাপসা হয়না।
- ট্রিপলডেন্ট গাম। - এটা তোমার মুখে হাসি ফোটাবে।
বাবল গামের বিজ্ঞাপনের সেই বিদঘুটে গান?
জানো, মাঝে মাঝে আমরা কোন কারণ ছাড়াই এটাকে আবার হেডকোয়াটারে পাঠিয়ে দেই।
এটা রাইলির মস্তিষ্কে বাজতেই থাকে,
মনে হয় কয়েক লক্ষবার বাজানো হয়েছে!
চলো আবার দেখা যাক।
ট্রিপলডেন্ট গাম
হ্যাঁ, আমি জানি। আমরা সবাই এই গানটার কথা জানি, খুবই সংক্রামক।
হেই, কী বলো, আবার পাঠায় দিমু নাকি?
অবশ্যই।
এই যে, দিলাম! হা-হা-হা।
ট্রিপলডেন্ট গাম
মারছে... আবার এইটা?
দাঁড়াও! তোমরা কি বলতে পারবে বন্ধুত্বের দ্বীপে কীভাবে যাওয়া যায়!
ওখানে কেমন লাগছে? কোন ভূমিকম্প অনুভব করেছিস? সেতুটা কি খুব জটিল?
হ্যাঁ, ভালোই। তোদের টুর্নামেন্টের কী খবর?
আমরা প্রথম ম্যাচ জিতেছি,
কোচ বলেছে আমরা হয়তো এবার ফাইনালে যেতে পারি।
আর, আমাদের দলে একটা নতুন মেয়ে এসেছে, সেইরকম।
ও নিশ্চয়ই ভুলে বলে ফেলেছে।
একটা নতুন মেয়ে? ম্যাগ একজন নতুন বন্ধু পেয়ে গেছে?
হেই, আস্তে, খুশি থাকার চেষ্টা করো।
আমরা আর কোন দ্বীপ হারাতে চাইনা।
আমরা একে অপরের দিকে না তাকিয়েও গুটি পাস করতে পারি।
যেন একজন আরেকজন মন পড়ছি।
তুমি মন পড়তে চাও, ম্যাগ।
তোমার জন্য আমার কাছে চরম জিনিস আছে। এই নে!
দাঁড়াও, দাঁড়াও, একটু শান্ত হও।
আমাকে রাখতে হবে।
- কী? - আমার কাজ আছে!
দাঁড়াও, তোমরা কি একটু বলতে পারবে রাস্তাটা কোথায়... হায় হায়!
বন্ধুত্বের দ্বীপ! কীভাবে?
এটা আশা করিনি।
আহ্, রাইলি এটা খুব পছন্দ করতো, আর এখন এটা নেই!
বিদায় বন্ধুত্ব। হ্যালো, একাকীত্ব
আমাদের কেবল আরেকটু দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হবে।
হ্যাঁ, অনেক অনেক অনেক দীর্ঘ... পথ।
আমি প্রস্তুত।
নিশ্চয়ই এর চেয়ে ভালো কোন রাস্তা রয়েছে।
আরে দেখো দিকি!
আমি ওকে নেবো কিন্তু তোমাকে নেবো না।
আরে! মজা করছিলাম, তোমাকে কী আর রেখে যাওয়া যায়।
হ্যালো!
দাঁড়াও! হেই, থামো!
দাঁড়াও! আরে থামো!
এই যে মিস্টার,
আমি একটু... বিনোদন খুঁজছিলাম!
- কী? - হা-হা! আমাকে ধরতে পারবা না, ভায়া।
অ্যাঁ অ্যাঁ... আমি ব্যাথা পাইছি।
আরে, আমি তোমাকে চিনি তো।
না, তুমি চেন না, সবাই শুধু বলে। আমাকে দেখতে অনেকের মতই লাগে।
না না... আমি আসলেই চিনি।
বিং বং! রাইলির কাল্পনিক বন্ধু!
- তুমি সত্যিই আমাকে চেন? - অবশ্যই!
রাইলি তোমার সাথে খেলতে খুব পছন্দ করতো, তোমরা দুজনে ছিলে সবচেয়ে ভালো বন্ধু!
ও, তুমি তো জানো না, আমরা হেডকোয়াটারে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
হেডকোয়াটার? তোমরা হেডকোয়াটার থেকে এসেছ?
হ্যাঁ। আমি মিস খুশি, আর ও বিষণ্ণতা।
তুমিই সেই বিখ্যাত খুশি?
তোমরা এখানে কী করছ?
এটা একটা ভালো প্রশ্ন, উত্তরটা দেবে নাকি বিষণ্ণতা?
তুমি না থাকলে রাইলি কখনোই সুখী হতে পারবে না!
তাই তোমাকে যে করেই হোক সেখানে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
শুধু আমার সাথে এসো!
ধন্যবাদ!
অনেকদিন পর তোমাকে দেখে ভীষণ ভালো লাগছে।
আমি শুধু স্বীকার করতে চাই যে, আমি তোমার কাজের বিরাট ভক্ত।
মনে আছে, তুমি আর রাইলি যখন একটা ব্যান্ড তৈরি করেছিলে?
আ মি তোমাদের প্রতিটি কনসার্টে গিয়েছিলাম।
হ্যাঁ, আমি নাক দিয়ে খুব ভুয়া বাজিয়েছিলাম।
তোমাদের ছোঁয়াছুঁয়ি খেলা দেখা ছিল সবচেয়ে মজার।
হ্যাঁ, আমি ২ বারের রুম চ্যাম্পিয়ন।
আর, সেই রকেটটার কথা মনে আছে?
অবশ্যই! ওটা গান গাইলে চলতো!
ঠিক তাই! তোমাদের নিজস্ব গানে চলতো!
তোমার খেলার সাথিটি কে?
বিং বং, বিং বং।
তার রকেটে চড়ে বলো "হুররে!"
- বিং বং, বিং বং - বিং বং, বিং বং
তুমি মূলত কী জিনিস?
গোপন ব্যাপারটা কি জানো? আমি আসলে চকলেটের তৈরি।
আর আকৃতিগত দিক থেকে, আমি কিছুটা বিড়াল, কিছুটা হাতি আর কিছুটা ডলফিনের মিশেল।
ডলফিন?
তোমাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, যখন রাইলির বয়স ছিল ৩, পশুপাখি তার কাছে খুব প্রিয় ছিল।
গরুর নাম ছিল হাম্বা, আর ঘোড়ার নাম ছিল চিঁহি।
ছোটকালে সবাই এমন নামেই ডাকে।
হ্যাঁ, আমারও তাই ধারণা। তুমি এখানে কী করছ?
ভালকথা, বড় হয়ে গেলে আর কাল্পনিক বন্ধুর অস্তিত্ব থাকে না।
তো, বুঝতেই পারছ...
আরে, আরে, দুঃখ নিও না।
আমি তোমাকে বলছি, যখন আমরা হেডকোয়াটারে ফিরে যাবো,
রাইলি যাতে তোমাকে আবার স্মরণ করে আমি সে ব্যবস্থা করবো।
- সত্যি? - অবশ্যই, ও এটা খুব পছন্দ করবে!
হা-হা! আজকে আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন!
তুমি ঠিক আছ তো?
- হেই, এগুলো কী হচ্ছে? - আমি কাঁদলে চকলেট বের হয়।
ওইটা খেয়ে দেখো, দারুন।
- এটা নাও। - ধন্যবাদ!
ওহ, একটু দাঁড়াও।
এটা সবসময়ই ভেতরে আঁটকে থাকে।
এই নাও, কী? এটা তো কাল্পনিক।
ধন্যবাদ, এবার হেডকোয়াটারের পথে হাঁটা সহজ হবে।
হাঁটা? আমরা হাঁটছি না।
আমরা ভাবনার রেলগাড়িতে চড়ে বসবো!
রেলগাড়ির কথা তো ভুলেই গিয়েছিলাম!
ওটা তো খুব দ্রুত চলে! আমরা ওটাকে ধরবো কীভাবে?
এটা অবশ্য সবখানেই যায়,
কিন্তু কাল্পনিক দুনিয়ায় একটা স্টেশন রয়েছে।
আমি একটা শর্টকাট চিনি, এদিকে!
ওহ, ভাগ্যিস তোমার কাছে এসেছিলাম!
ওই তো ষ্টেশন, আগে তুমি।
- খুশি। - কী?
এই জায়গাটার কথা আমি পড়েছিলাম, এখান দিয়ে আমাদের যাওয়া ঠিক হবেনা।
বিং বিং বলেছে এটাই হেডকোয়াটারে যাবার সবচেয়ে দ্রুততম রাস্তা।
না, কিন্তু খুশি, এগুলোতো অবাস্তব চিন্তাভাবনা।
কী বলছ তুমি? আমি সবসময়ই তো এখান দিয়ে যাই। এটা একটা শর্টকাট, দেখতে পাচ্ছ?
বি প জ্জ ন ক, মানে শর্টকাট, আমি তোমাদের প্রমাণ করে দেবো।
আমাকে দেখো। আমি স্টেশনে পৌঁছে যাচ্ছি, কেননা আমি নিয়েছি শর্টকাট।
চলো, এদিক দিয়ে ঘুরে যাই।
প্রায় পৌঁছে গেছি!
তুমি যদি দীর্ঘপথ অতিক্রম করতে চাও তাহলে তুমি এদিক দিয়ে যাও।
কিন্তু রাইলির এখন খুশি হওয়া প্রয়োজন
তাই আমি ট্রেন মিস করতে চাই না। বিং বং জানে ও কী করছে,
ওর একটা অংশ ডলফিন, যারা খুব বুদ্ধিমান হয়।
যেন তাই হয়।
- কি আছে তোমার কাছে? - জানি না।
ঠিক আছে, আজকে আমরা কী ধরণের অবাস্তব চিন্তা অন্তর্ভুক্ত করছি?
একাকীত্ব।
মনে হচ্ছে ভেতরে কিছু রয়ে গেছে।
আমি এটা কিছুক্ষণের জন্য চালু করে ভ্রান্ত চিন্তাভাবনাগুলো পুড়িয়ে ফেলছি।
বলেছিলাম না, তোমরা মিনিটের ভেতর হেডকোয়াটারে পৌঁছে যাবে।
হেই, তোমরা এটা দেখেছ?
- আরে, এসব কী হচ্ছে? - হায় আল্লা, ওরা এটা চালু করে দিয়েছে।
এ ধরণের কিছু আগে দেখিনি।
আমার এত্ত সুন্দর চেহারা! একী হল!
- এসব কী চলছে? - আমরা অবাস্তব বস্তুতে পরিণত হচ্ছি!
এর চারটি স্তর রয়েছে, আমরা আছি প্রথম স্তরে: অপদার্থ খণ্ড তৈরি!
ঠিক আছে, ভয়ের কিছু নেই।
আমাদের সবার এখন একসাথে থাকা উচিৎ।
আমরা এখন দ্বিতীয় স্তরে, আমরা ভেঙে পড়ছি!
ভাগো!
মাগো, আমি আমার পায়ের কোন অনুভূতি পাচ্ছি না!
ওই তো ওগুলো।
আমার কাছে এসো!
এখান থেকে বের হতে হবে। যদি আমাদের আকৃতি আর রং হারিয়ে যায়,
চিরকালের জন্য আমরা এখানে আটকা পড়বো!
আঁটকে যাবো? আমরা কেন এখানে এলাম?
আমি তোমাদের বলেছিলাম, এটা একটা শর্টকাট!
ওই যে রেলগাড়ি!
ওরে আল্লা, আমরা দ্বিমাত্রিক হয়ে গেছি! এটা ৩য় স্তর!
আমরা কোথাও যেতে পারবো না!
- আমি পুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছি! - কাম অন,
আমরা ঢুকতে পারবো না।
ও আম্মা গো, শেষ স্তর, আমরা আকৃতিবিহীন হয়ে গেছি!
আমরা যেতে পারবো না!
দাঁড়াও! আমরা তো দ্বিমাত্রিক, সবাই মুখ থুবড়ে পড়!
থামো, থামো!
না! তুমি বলেছিলে এটা একটা শর্টকাট।
বলেছিলাম, কিন্তু আসলেই, আমাদের ওটার ভেতরে ঢোকা উচিৎ হয়নি।
জায়গাটা খুবই বিপজ্জনক! ওদের কোন সাইন ঝুলিয়ে দেয়া উচিৎ ছিল।
পরবর্তী গাড়ি কখন আসবে?
কে জানে, কিন্তু কোন চিন্তা করো না, ওখানে আরেকটা স্টেশন আছে।
হেডকোয়াটারে যাবার আগে, গাড়ি সবসময়ই ওখানে থামে।
যদি দ্রুত যেতে পারি, আমরা ওটা ধরতে পারবো।
এটা নিশ্চয়ই আবার কোন শর্টকাট না?
হা-হা-হা, অবশ্যই!
ওখানে কি আসলেই কোন স্টেশন আছে?
হ্যাঁ, এর ভেতর দিয়ে।
কাল্পনিক জগতে স্বাগতম!
- কাল্পনিক জগত? - হ্যাঁ!
আমি প্রায়ই এখানে আসি, বলা যায় আমিই এখানকার মেয়র।
হেই, তোমাদের ক্ষুধা লেগেছে? এখানে একটা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের বন আছে!
- পুরাই অস্থির! - সুস্বাদু।
এটা দেখো! পদকের শহর!
মেডেল! রিবন! এখানে সবাই বিজেতা!
আমি প্রথম পুরস্কার জিতছি!
- আমিও! - নাহ্, সান্তনা পুরষ্কারই জুটল।
থামো, ওটা কী... বিষু, দেখো, এটা মেঘের রাজ্য!
এটা আমার খুব পছন্দের, ইয়াহুউউ!
আহা, এটা কী নরম!
দাঁড়াও, আমিও করবো।
হেই! তোমাদের সমস্যাটা কী?
চুপচাপ দেয়ালটা ঠিক কর, নাইলে খবর আছে...
ইয়াল্লা, লাভা! কী মজা!
কাল্পনিক জগতটাই সবার সেরা!
ধুর, আজকে সবকিছুই কী এমন মজার হবে?
হেই, দেখো! তাসের ঘর!
একটু দাঁড়াও।
- তোমার রকেট! - হ্যাঁ।
আমি এটা এখানে লুকিয়ে রেখেছিলাম,
আর এখন আমি রাইলিকে নিয়ে চাঁদে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত!
- ওহহো, আমি দুঃখিত। - ভালো করছ।
আহা, কাল্পনিক জগতটাকে আমি খুব ভালবাসি।
এটা অসাধারণ না? আর এখানে সবসময় কিছু না কিছু নতুন...
ওইটা আবার কে?
কাল্পনিক প্রেমিক।
আমি রাইলির জন্য জীবন দিতে পারি।
- আমি ওরে আগে কখনো দেখিনি। - আমি কানাডায় থাকি।
যাইহোক, স্কুলপূর্ব দুনিয়ার ভেতর দিয়ে!
- তাহলেই আমরা গাড়ির কাছে পৌঁছে যাবো! - রাইলি, আমরা আসছি!
নতুন দল, নতুন বন্ধু, ব্যাপারটা খুবই মজার হওয়ার কথা!
বাচ্চাদেরকেও দারুন লাগছে।
শত হলেও ওরা সানফ্রানসিসকোর ছেলেমেয়ে।
এবার, অ্যান্ডারসন, এবার তোমার পালা!
- আমাকে যেতে হবে। - শুভকামনা রইল, সোনা!
দেখো, এখন এসবে কাজ হবে না।
ও যদি হকি খেলতে যায়, তাহলে এবার হকি দ্বীপও যাবে।
সে কারণেই আমি যতটা সম্ভব হকির স্মৃতি নামিয়ে এনেছি।
এদের মধ্যে নিশ্চয়ই কোন একটা কেন্দ্রীয় স্মৃতি হিসেবে কাজ করতে পারবে।
- ও খেলা শুরু করতে যাচ্ছে! - তাড়াতাড়ি করো!
মাম্মারা, আমরা সফল হয়েছি! এটা কাজে লেগেছে!
লাইন পরিবর্তন করো! সরে যাও!
না! না!
দেখে মনে হচ্ছে আমরা একেবারেই আনাড়ি।
- জলদি! - ওখান থেকেই মারো!
পাস দাও! শট করো! শট করো!
- অনেক হইছে! - না, না!
খুশি থাকার চেষ্টা করো।
ওর সমস্যাটা কী?
- রাইলি, কী হল? - চলো যাই।
- তুমি প্র্যাকটিস শেষ করবে না? - কী লাভ?
দেখো, সব ঠিক হয়ে যাবে। ফিরে যাও...
সব ঠিক হয়ে যাবে, এ কথা আর কখনো বলবে না!
ভালো খেলেছ, মেয়েরা!
হকি?
না, না, ও হকিটা খুব পছন্দ করতো। এটাকে এভাবে ছেড়ে দিতে পারেনা।
- হেই! দেখো! অসাধারণ শট! - হেই!
বিং বং, আমাদের ওই স্টেশনে যেতেই হবে।
অবশ্যই, ওই দিকে, কেবল বিস্কিটের প্রাসাদটা পার হতে হবে।
ব্যাপারটা অদ্ভুত। বিস্কিটের প্রাসাদটা তো এখানেই ছিল।
ওরা সরাল কেন তাই ভাবছি? এটা কোন...
আমি কসম খেয়ে বলতে পারি স্পার্কল পাহাড়টা এখানেই ছিল।
- এসব হচ্ছেটা কী? - আসলে... আমি জানি না...
- আমরা পরে ফিরে আসবো নে। - রাজুমারীর স্বপ্ন রাজ্য!
হায় আল্লা! স্টাফ প্রাণীদের সম্মাননা ঘর!
আমার রকেট!
দাঁড়াও! রাইলি আর আমি এখনো এই রকেট ব্যবহার করি!
এটার নিশ্চয়ই এখন কিছু জ্বালানি রয়ে গেছে!
তোমার খেলার সাথিটি কে?
না! না না। তোমরা আমার রকেটকে ভাগাড়ে ফেলতে পারো না!
আমরা এটায় চড়ে চাঁদে যাবো!
রাইলি আমার সাথে সম্পর্ক ছেদ করতে পারে না।
হেই, কোন চিন্তা করোনা! আমরা এটা ঠিক করতে পারবো!
আমাদের শুধু একবার হেডকোয়াটারে যেতে হবে।
রেলস্টেশনটা কোন দিকে?
আমি পুরো ভ্রমণটার প্ল্যান করে রেখাছিলাম।
কার সুড়সুড়ি আছে বলতো? এই এল সুড়সুড়ির ভুত!
হেই, বিং বং! এটা দেখো!
চলো, একটা মজার খেলা খেলি!
তুমি আমাদেরকে বলবে স্টেশনটা কোন দিকে, আর আমরা সবাই সেখানে যাবো!
কী মজার খেলা না? আরে চলো না, স্টেশনে যাই!
ওরা তোমার রকেট নিয়ে যাওয়ায় আমি খুব দুঃখ পেয়েছি।
ওরা সাধারণত ভালবাসার বস্তুকে নিয়ে যায়, এটা এখন চিরকালের জন্য চলে গেছে।
বিষু, ওর মন আরও বেশি খারাপ করে দিও না।
- দুঃখিত। - রাইলির স্মৃতি বলতে আমার কাছে কেবল এটাই ছিল।
আমার ধারণা তুমি আর রাইলি মিলে অসাধারণ সব অ্যাডভেঞ্চার করেছ।
ওগুলো দারুন ছিল।
একবার আমরা অতীতে ফিরে গিয়েছিলাম, সেবার আমরা দুইবার ব্রেকফাস্ট করেছিলাম।
বিষণ্ণতা...
শুনে মনে হচ্ছে রাইলি এটা খুব পছন্দ করতো।
অবশ্যই, আমরা ছিলাম সেরা বন্ধু।
ব্যাপারটা খুব কষ্টের।
আমি এখন ঠিক আছি।
এসো, রেলস্টেশনটা এদিকে।
তুমি এটা কীভাবে করলে?
আমি জানি না, ও খুব কষ্টের ভেতর ছিল,
তাই ওরা কথাগুলো শুনলাম...
হেই! ওই তো গাড়ি!
যাক, আমরা পেরেছি! অবশেষে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি!
ওরে আল্লা! এই চিন্তাভাবনাগুলো তো সব একরকমই মনে হচ্ছে।
কোন চিন্তা করো না, এমন মাঝেমাঝেই ঘটে।
১ থেকে ১০ এর ভেতরে, আজকের দিনটাকে আমি দেবো "গোল্লা"।
আমরা কাজ কাম ছেড়ে দিয়ে অন্য কিছু করতে পারি?
যেমন?
যেমন পদত্যাগ! আমিও তাই করছি।
যদিও ব্যাপারটা কাপুরুষের মত হয়ে যায়, কিন্তু এই কাপুরুষ অন্তত বাঁচতে তো পারবে।
অনুভূতিরা পদত্যাগ করতে পারেনা, আহাম্মক!
আমি ভাবতাম রাইলিকে সুখী রাখাটাই আমাদের একমাত্র কাজ।
খাড়া! খাড়া!
- কি এটা? - কিচ্ছু না।
- কেবল সর্বকালের সেরা আইডিয়া। - সেটা কী?
সব কেন্দ্রীয় স্মৃতিগুলা মিনেসোটায় তৈরি হইছিল।
কাজটা হইল, আমরা মিনেসোটায় ফিরা গিয়া আবার কিছু নতুন স্মৃতি বানাইয়া আনব।
- কী মজা! - আরে থামো, থামো।
তুমি বলতে চাচ্ছ আমরা পালিয়ে যাবো?
সেইটা আমি কমু না।
বরঞ্চ এইটারে বলবো, "সুখী কেন্দ্রীয় স্মৃতি তৈরির প্রোগ্রাম"।
তুমি নিশ্চয়ই মজা করছ।
হেই, এই মার্কামারা "সানফ্রানডিসকো"
আসার আগে আমাদের জীবনটা ছিল একদম ঝাক্কাস।
কিন্তু, আমি বলতে চাচ্ছি যে ব্যাপারটা একটু বেশিই হয়ে যাচ্ছে!
তোমাদের কি মনে করায় দেয়া লাগবো তখনকার সুখী জীবনের কথা?
আমাদের রুম? বারান্দা? বন্ধুবান্ধব?
- ট্রিপলডেন্ট গাম। - আপনার মুখে হাসি ফোটাবে।
এই মরার গান চাইছে কে?
যাইহোক, আমি বলতে চাচ্ছি জীবনটা খুব ভালো ছিল।
হ্যাঁ, রাইলি মিনেসোটায় অনেক সুখী ছিল।
একটু দাঁড়াও, আমরা কি ঘুমের পরে কাজটা করতে পারিনা?
ঠিক আছে, আগে ঘুমায়া লই।
কারণ অতি শীঘ্রই ব্যাপক বিনোদন
আমাদের হাতে ধরা দিবো।
হেই! গাড়ি চলছে না কেন?
রাইলি ঘুমিয়ে পরেছে, আমাদের সবার এখন ছুটি।
তারমানে আমরা সকাল পর্যন্ত এখানে আঁটকে থাকবো?
হ্যাঁ, যখন ও ঘুমিয়ে পরে তখন ভাবনার রেলগাড়ি বন্ধ থাকে।
- আমরা এতক্ষন অপেক্ষা করতে পারবো না। - ওকে জাগিয়ে দিলে কেমন হয়?
বিষু, বোকার মত কথা বলছ! আমরা কীভাবে ওকে...
আমরা ওকে জাগিয়ে দিতে পারি?
- অসাধারণ আইডিয়া, খুশি। - ধন্যবাদ, চলো যাওয়া যাক!
স্বপ্নের কারখানা
ওয়াও, জায়গাটা কী বিশাল!
হ্যাঁ, আমি যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক ছোট।
খাইছে, আমি উড়তে পারবো? ওটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে!
রামধনু ঘোটকী! ওই যে ওখানে!
আমার বন্ধু বলছে আপনি নাকি বিখ্যাত। সে আপনার অটোগ্রাফ চায়।
না, বিষণ্ণতা, মিস ঘোটকীকে বিরক্ত করো না?
দুঃখিত, ও মফস্বলের লোক। ব্যাপারটা খুবই লজ্জাজনক, তাইনা?
"পরীর স্বপ্ন অভিযান" ৭ম পর্বে আপনাকে দারুন লেগেছিল।
বাই, আই লাভ ইউ!
[বাতি জ্বলা অবস্থায় প্রবেশ নিষেধ]
হাহ্! এর মানে কি আল্লাই জানে?
চলো ভেতরে ঢোকা যাক।
ক্লাসরুমের সেট তৈরি করো! আজকের স্মৃতিগুলো এসে গেছে!
আমাদের এখন অনেক কাজ করতে হবে।
রাইলির ওর সেরা বন্ধুর সাথে আড়ি পাতিয়েছে, স্কুলে একটা জঘন্য দিন কাটিয়েছে,
আর হকি ছেড়ে দিয়েছে।
লেখকেরা সব মিলিয়ে একখানা ভৌতিক স্ক্রিপ্ট লিখেছে!
খালি খুশি আর বিষণ্ণতা নেই দেখে,
আমাকে এই বিচ্ছিরি কাজটা করতে হবে।
এবার বলো, আমরা কীভাবে ওকে জাগাবো?
সাধারণত ও যখন কোন ভয়ের স্বপ্ন দেখে তখন ওর ঘুম ভেঙে যায়।
আমরা ওকে ভয় দেখাতে পারি।
ওকে ভয় দেখাবো? কোন দরকার নেই, এমনিতেই ওর উপর দিয়ে বিরাট ধকল গেছে।
- কিন্তু, খুশি... - বিষু,
তুমি হয়তো এখানকার রাস্তাঘাট চেন, কিন্তু আমি রাইলিকে চিনি।
আমরা ওকে এতটাই আনন্দ দেবো যে ও উৎফুল্ল হয়ে জেগে উঠবে।
আমরা অধিক উত্তেজনায় ওকে জাগিয়ে তুলবো!
এমনটা আগে কখনো হয়নি।
আরে, রাইলি তো কুকুর পছন্দ করে, এটা পরে ফেলো।
আমার মনে হয়না এতে কাজ হবে।
- বিং বং? - হ্যাঁ?
- এগুলোর যাতে কোন ক্ষতি না হয়। - বুঝতে পেরেছি।
স্বপ্নময় ছাঁকনি লাগিয়ে দাও।
হয়েছে। মনে রাখবে, ক্যামেরাটা প্রত্যেকের দিকে ঘোরাবে!
রাইলি হচ্ছে ক্যামেরা!
মেকআপ ম্যান, সরে যাও, আমরা শুরু করছি, ৫, ৪, ৩...
হ্যালো ক্লাস,
আজকের কুইজ শুরু করার আগে...
মহিলা খুবই খারাপ অভিনেত্রী।
...যেটার ১০% তোমাদের ফাইনাল গ্রেডের সাথে যোগ হবে,
আমি তোমাদেরকে আমাদের নতুন বন্ধুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই। রাইলি,
তুমি কি একটু দাঁড়িয়ে নিজেকে
- উপস্থাপন করবে? - ক্যামেরা ওঠাও।
এখন রাইলির হয়ে বলো।
আমার নাম রাইলি অ্যান্ডারসন।
আমি মিনেসোটা থেকে এসেছি আর এখন আমি এখানে থাকি।
ছিহ্, দেখো! ওর দাঁত সব খুলে পড়ছে!
- বিরক্তিকর। - কী বিছ্রি!
দাঁত খুলে পড়া, বহুত পুরান জিনিস।
তারপর কী হবে বলছি, আমাদের প্যান্ট নেই।
হেই, দেখো! ও প্যান্ট ছাড়া স্কুলে এসেছে!
জানতাম!
তোমরা তৈরি?
আমার মনে হয়না এই খুশির ব্যাপারটা কাজে দেবে। কিন্তু যদি ওকে ভয় পাওয়াতাম...
আমি যা বলি তাই করো। এই যে শুরু,
ঘেউ! ঘেউ! ঘেউ!
ওটা কে?
এসব কী চলছে?
হেই! এবার তোমার পালা!
হুররে, চলো পার্টি করি! নাচ, গান, ফুর্তি করি!
আরে, এ দেখি পার্টি।
ঘেউ, ঘেউ, ঘেউ!
খুশি, এতে কোন কাজ হচ্ছে না।
আরে, কি করছ, বিষু? এদিকে এসো!
এটা শুধু একটা স্বপ্ন! এটা শুধু একটা স্বপ্ন!
ওরা রাইলিকে জাগানোর চেষ্টা করছে, নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দাও!
হাই রাইলি, এই যে আমি!
- তোমার খেলার সাথিটি কে? - বিং বং?
- বিং বং, বিং বং! - বিষু, থামো! কাজ হচ্ছিল!
বিষু! তুমি স্বপ্নের বারোটা বাজাচ্ছ! ওকে ভয় পাইয়ে দিচ্ছ!
কিন্তু দেখো, এতে কাজ হচ্ছে!
ওরা এই স্বপ্নের অংশ নয়, ধরো ওদের!
ওখানেই থামো!
ক্যামেরা ঘুরাও! ক্যামেরা ঘুরাও!
বুউউ, ভুয়া লাইন মেরেছ!
- সাবধান! - শক্ত করে ধরো!
তোমরা এমন করতে পারো না!
আমি হেডকোয়াটারের লোকদের চিনি!
তোমরা চকলেট খাও? আমি তোমাদের চকলেট দেবো! না!
না-না-না...!
কেন্দ্রীয় স্মৃতিগুলো সব গেলো!
আমি ওখানে যেতে পারবো না! আমি অন্ধকারকে ভয় পাই! প্লিজ!
এসো।
- এটা কোন জায়গা? - অবচেতন মন।
সকল ঝামেলাগুলোকে ওরা এখানেই এনে ফেলে।
আমার টুপিটা কেমন ঢিলে মনে হচ্ছে।
আমরা ভেতরে যাবো কীভাবে?
- আমাকে দেখাও। - তুমি আমার টুপি পড়েছ? নাকি ওটা তোমার টুপি?
- হ্যাঁ, এটা আমার টুপি।
সত্যি তো? আমি জানিনা কিন্তু, লেবেল দেখো তো।
- এই তো লেখা আছে, "আমার টুপি"। - দাঁড়াও, কী বললে, "আমার টুপি" লেখা?
- "আমার টুপি", তাইতো লেখা। - আমি আমার টুপিতে তাই লিখে রেখেছিলাম।
- কী বাজে বকছ? - দেখো, তুমি কিন্তু আমার টুপি পরে আছ।
কিন্তু এটা আমার হাতের লেখা।
- এইযে বাছারা! - ধুর! তোমরা আমাদের ধরে ফেললে!
ওখানেই ফিরে যাও! পালানোর কোন সুযোগ নেই!
জায়গাটা আমার পছন্দ হচ্ছে না, এখানে ওরা রাইলির সব ভয়ঙ্কর ভয়গুলোকে ফেলে রাখে।
এটা ব্রকলি।
বেজমেন্টে যাওয়ার দীর্ঘ সিঁড়ি!
দাদীমার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, পালাও!
ঠিক আছে, এবার এসো।
- একটু নিঃশব্দে হাঁটতে পারো না? - চেষ্টা করছি।
কী এটা...
চকলেটের মোড়ক?
- বিং বং! - খুশি?
- পেয়েছি তোমাকে। - শশ্হ!
এটা জোকার।
জন্মদিন কার রে?
তোমার কাছে কী কেন্দ্রীয় স্মৃতিগুলো আছে?
হ্যাঁ। ওর শুধু চকলেট প্রয়োজন!
আমরা পেরেছি! এখন চলো গাড়ি ধরি!
দাঁড়াও! ট্রেন কিন্তু চলছে না। আমাদের কিন্তু রাইলিকে জাগাতে হবে।
কীভাবে?
অসম্ভব!
হেই, বিষণ্ণতা। তুমি ক... কী আ... আমাদের পার্টির কথা শুনেছ?
হ্যাঁ, খুশি। জ.. জ.. জন্মদিনের পার্টি না?
তোমরা কি জন্মদিনের কথা বললে নাকি?
আর ওখানে থাকবে কে.. কেক আর উপহার।
আর অনেক বে.. বে.. বেলুন...
জন্মদিন?
আচ্ছা, আমাদের সাথে এসো!
রাইলির ঘুম ভাঙানোর জন্য এর চেয়ে ভয়ের কিছু আর হতে পারে না, কী বলো?
ঠিক আছে, এটা আমার হাতের লেখা।
না, এটা তোমার না, এটা আমার... আমি ওটা লিখেছিলাম।
না, এটা আমার হাতের লেখা।
আজকে কার জন্মদিন রে?
চলো, চলো!
আমরা করতে পেরেছি!
বলতো হেডকোয়াটারে যাচ্ছে কারা!
আমরা!
- কী হচ্ছে? - ও আবারও অঘটন ঘটিয়েছে।
আমরা স্কুলে চলে গিয়েছিলাম, পরনে প্যান্ট ছিলনা। তারপর একটা কুকুর এল,
যার দেহের পিছনের অংশ... মানে, সামনের অংশকে ধাওয়া করছিল! তারপর বিং বং ও সেখানে ছিল
গর্দভ! এটা শুধু একটা স্বপ্ন ছিল! এইটা পুরাই আজাইরা!
আমরা ঠিকমতো ঘুমাইতেও পারুম না।
এখন কিছু অ্যাকশন নিতে হইব।
স্টুপিড আম্মাজান আর আব্বাজান,
যদি তারা এখানে না আসতো, এইসব কিছুই হইত না।
আমার সাথে কে কে আছ?
না, না, না।
হ্যাঁ, চলো এটা করা যাক।
ও এটা নিয়ে নিয়েছে, এখন আর ফিরে আসার উপায় নেই।
তো, আমরা এখান থেকে মিনেসোটায় যাবো কীভাবে?
ভালো কথা, প্রথমে একটা হাতির দোকানে যামু,
তারপর একটা হাতি ভাড়া করে আনমু?
ভালো আইডিয়া!
আমরা বাসে কইরা যামু, ভোদাই!
আগামীকাল একটা বাস আছে, খুব ভালো!
কিন্তু টিকেট কিনতে তো টাকা লাগবে, আমরা টাকা পাবো কোথায়?
- আম্মাজানের পার্স থেকে। - না, তুমি সেটা করবে না।
১০০ বার করমু, শেষবার ওইটাকে কই যেন দেখলাম?
- ট্রিপলডেন্ট গাম। - না!
এটা নীচতলায় আছে কোথাও। আম্মাজান আর আব্বাজান আমাদের এই ভেজালে ফালাইছে,
ওদেরকে তো এর মাশুল দিতেই হইব।
কেমন লাগছে...! খুব সুন্দর না? তোমরা এখান থেকে সবকিছু দেখতে পাবে।
দেখো, ওখানে যৌক্তিক চিন্তা ভাবনা। ওখানে "দেজা ভু" (যা বারবার ঘটে)
ওখানে ভাষা প্রক্রিয়াগার। ওখানে "দেজা ভু"
ওখানে জটিল চিন্তা ভাবনা ঘর, ওখানে "দেজা ভু"
হেই, এটা দেখো, বন্ধুরা! স্মৃতি!
হেই, আইডিয়াটা কিন্তু ভালো ছিল, রাইলিকে জাগানোর ক্ষেত্রে ভয়ের ব্যাপারটা।
তুমি খুব একটা খারাপ না।
সত্যি?
খুব ভালো করেছ।
আমার আর তর সইছে না, আবার রাইলিকে ফিরে পাওয়ার জন্য।
ওখানে যাওয়ার সাথে সাথেই, আমি সব সমস্যা ঠিক করে ফেলবো।
ওরে, এটা কি রাইলি নাকি?
কত বড় হয়ে গেছে, আমার রকেটে তো জায়গা হবে না।
আমরা এখন চাঁদে যাবো কীভাবে?
এটা তো সেই টুইস্টি গাছের মধ্যে, মনে আছে?
হকির পুরো দল এসেছিলো, আর মা বাবা আমাদের নিয়ে আনন্দ করছিল।
দেখো ওকে, কি সুন্দর হাসছে।
এটা আমার খুব পছন্দের।
আমারও।
সাব্বাস! এই তো তুমি বুঝতে শিখেছ।
ওইদিনই তো "প্রাইরি ডগ" সেই বিরাট ম্যাচটা হেরেছিল।
রাইলি উইনিং শটটা মিস করেছিল, ওর খুব খারাপ লাগছিল, খেলা ছেড়ে দিতে চেয়েছিল।
দুঃখিত, আমি আবারও বিষণ্ণ হয়ে গিয়েছিলাম, তাইনা?
আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি, ফিরে যাওয়ার পর আমরা এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেব, ঠিক আছে?
ঠিক আছে।
আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না,
আমাদের মালের গাড়ি টেক্সাসে গেল কীভাবে?
অনেক বেশি কাস্টমার?
কিন্তু আমাদেরকে মাল তো ৫ তারিখেই আসার কথা ছিল।
এক্সকিউজ মি, আপনি কি কোন ভাবে একটু জলদি পাঠাতে পারবেন না?
সততার দ্বীপ?
সাবধান!
বের হও!
ঝুলে থাকো!
জলদি করো! এখানে এসো! এদিকে! সবাই এসো! যাও যাও যাও!
আমরা ওটায় চড়ে বাড়ি যেতে পারতাম।
আরেকটা দ্বীপ হারিয়ে গেলো? এসব কী হচ্ছে?
তোমরা শোনোনি? রাইলি পালিয়ে যাচ্ছে।
কী?
দাঁড়াও, দাঁড়াও, বন্ধুগণ।
আমরা কি সত্যিই এটা করছি? এটা কিন্তু কোন খেলা নয়।
দেখো, আমাদের কাছে কোন কেন্দ্রীয় স্মৃতি নেই।
তুমি রাইলিকে খুশি দেখতে চাও তো?
তাইলে চলো মিনেসোটায় গিয়া আরও স্মৃতি নিয়া আসি।
খুশি, আমরা যদি দ্রুত যেতে পারি তাহলে হয়তো ওকে আটকাতে পারবো।
ওই যে পারিবারের দ্বীপ, জলদি চলো!
খুশি! খুশি! এটা খুব বিপজ্জনক!
আমরা সময়মত যেতে পারবো না।
কিন্তু, এছাড়া আমাদের আর কোন পথ নেই!
ওই যে, একটা ফেরত টিউব!
ওটাতে চড়ে আমরা ফিরে যেতে পারি!
দিনটা ভালো কাটুক, সোনামণি।
স্কুলের পর দেখা হবে, ছোট্ট বাঁদর।
আমরা তোমাকে খুব ভালবাসি!
যাও, দৌড়াও! যাও!
আরে, আরে! বিষু! বিষু, থামো!
তুমি রাইলিকে কষ্ট দিচ্ছ!
হায়! হায়! আমি আবারও এটা করে ফেললাম!
যদি তুমি এখানে ঢুকো, তাহলে সকল কেন্দ্রীয় স্মৃতিগুলো বিষণ্ণ হয়ে যাবে।
আমি দুঃখিত। রাইলির এখন সুখী হওয়া প্রয়োজন।
খুশি?
খুশি!
খুশি!
খুশি?
খুশি!
খুশি, তুমি এসব কী করছ? দয়া করে একটু থামবে?
তুমি কি বুঝতে পারো নি? আমরা এখানে আঁটকে গেছি।
আমরা হারিয়ে গেছি।
আমরা কত মজার খেলা খেলতাম।
কিন্তু এখন সব বদলে গেছে।
এখানে আসার পর থেকে।
তোমার মনে আছে, যখন ও রং করতো কীভাবে ভেংচি কাটতো?
আমি সারাদিন ধরে ওর গল্প শুনতে পারবো।
আমি কেবল রাইলিকে সুখী দেখতে চেয়েছিলাম।
আর এখন...
ওইদিনই তো "প্রাইরি ডগ" সেই বিশাল ম্যাচটা হেরেছিল।
রাইলি উইনিং শটটা মিস করেছিল, ওর খুব খারাপ লাগছিল,
খেলা ছেড়ে দিতে চেয়েছিল।
বিষণ্ণতা,
মম এবং ড্যাড... পুরো দল...
ওরা কেবল বিষণ্ণতার কারণে এসেছিল।
আমাদেরকে ওখানে ফিরে যেতে হবে।
খুশি, আমরা এখানে আঁটকে গেছি।
আমরা হয়তো এখন অন্য গ্রহের বাসিন্দা।
অন্য গ্রহ।
তোমার খেলার সাথিটি কে?
তোমার খেলার সাথিটি কে?
তার রকেটে চড়ে বলো "হুররে!"
সকল কাজে সেরা যে, এই গান গাইতে পারে সে।
তোমার খেলার সাথিটি কে? বিং বং, বিং বং।
তার রকেটে চড়ে বলো "হুররে!"
বসে পরো।
তোমার খেলার সাথিটি কে?? বিং বং, বিং বং।
তার রকেটে চড়ে বলো "হুররে!" বিং বং, বিং বং।
সকল কাজে সেরা যে, এই গান গাইতে পারে সে।
তোমার খেলার সাথিটি কে? বিং বং, বিং বং।
তার রকেটে চড়ে বলো "হুররে!" বিং বং, বিং বং।
সকল কাজে সেরা যে, এই গান গাইতে পারে সে...
এসো!
তোমার খেলার সাথিটি কে? বিং বং, বিং বং।
তার রকেটে চড়ে বলো "হুররে!" বিং বং, বিং বং।
সকল কাজে সেরা যে, এই গান গাইতে পারে সে।
তোমার খেলার সাথিটি কে?
এসো, খুশি। আরেকবার।
মনে হচ্ছে এবার হয়ে যাবে।
বিং বং, বিং বং তার রকেটে চড়ে বলো "হুররে!"
বিং বং, বিং বং।
সকল কাজে সেরা যে, এই গান গাইতে পারে সে।
তোমার খেলার সাথিটি কে? বিং বং, বিং বং।
জোরে! আরও জোরে গাও, খুশি!
এই গান গাইতে পারে সে, তোমার খেলার সাথিটি কে...
তোমার খেলার সাথিটি কে? বিং বং, বিং বং।
তার রকেটে চড়ে বলো "হুররে!" বিং বং, বিং বং।
সকল কাজে সেরা যে, এই গান গাইতে পারে সে।
বিং বং
আমরা করতে পারবো!
বিং বং! আমরা পেরেছি!
আমরা... বিং বং? বিং বং!
তুমি পেরেছ!
যাও! রাইলিকে বাঁচাও!
আমার হয়ে ওকে চাঁদে নিয়ে যেও, ঠিক আছে?
আমি চেষ্টা করবো, বিং বং।
প্রতিজ্ঞা করলাম।
আমরা এসে গেছি!
রাইলি? রাইলি!
আমি ওকে কল দিচ্ছি।
এটা পুরাই ভয়াবহ! দাঁড়াও, কে যেন আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে?
চলো, রাস্তা পার হওয়া যাক।
মায়ের ফোন, সে কথা বলতে চাচ্ছে!
- এখন আমরা কী করব? - আমার থলি গেল কই?
রাইলির এখন কেন্দ্রীয় স্মৃতি প্রয়োজন।
- পাইছি। - আমরা থামবো না।
বিষু!
বিষু! বিষু?
আরে, বিষু, তুমি কোথায় গেলে?
ঠিক আছে, আমি যদি বিষণ্ণতা হতাম, তাহলে আমি কোথায় থাকতাম?
সব জঘন্য লাগছে, আর আমার পা চলছে না,
আর তুমি আমাকে টেনে নিয়ে যাবে আর আমি সব স্মৃতিগুলো ছুঁয়ে দেব...
হায় হায়! মা আবারও ফোন দিয়েছে! এখন আমরা কি করবো?
এইটা পুরাই পাগলামি! ওর পালানো উচিৎ হয় নাই!
আইডিয়াটা ওর মাথা থেকে বের করো।
বিষু?
- বিষু! - খুশি?
দাঁড়াও! বিষু!
আমাকে ছেড়ে দাও! রাইলি আমাকে ছাড়াই সুখে থাকবে!
ফিরে এসো!
আপনি বলতে চাচ্ছেন এক হাতির আঘাতে আপনার স্বামী উড়ে গেছে?
তার সাথে আর কেউ ছিল?
হ্যাঁ! ওই তো সে!
হেই! ফিরে এসো!
ভুলে যাও, জ্যাক, এগুলো ভুতুড়ে আলাপ।
আরে? বিষু!
আমি কেবল সব নষ্ট করে ফেলি!
দাঁড়াও! বিষু! তোমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে...
- এটা আঁটকে গেছে! - চমৎকার।
- আঁটকে গেছে মানে? - এখন কী করব?
না, না, না! এটা কী হচ্ছে?
- এটাকে আমরা থামাবো কীভাবে ? - পেয়েছি!
ওকে ভয় পাওয়াও! এতে ওর মন পাল্টে যেতে পারে!
- অসাধারণ! - আমি জানি এটা অসাধারণ! জলদি করো!
কিচ্ছু কাজ করছে না! এটা কাজ করছে না কেন?
- আমাকে চেষ্টা করতে দাও। - ভালো হয়েছে না! ভেঙ্গেই ফেলেছ!
না, আমি ভাঙ্গিনি! ওটা ধরবে না!
আমাকে করতে দাও! তোমরা দূরে যাও!
বন্ধুরা, আমরা রাইলিকে আর কিছুই অনুভব করাতে পারবনা।
এইটা আমরা কী করলাম।
হেই! আমার দিকে তাকাও! তুমি আগের বার যেটা বলেছিলে সত্যি সত্যিই বলেছিলে?
আমি রাইলির জন্য জীবন দিতে পারি! আমি রাইলির জন্য জীবন দিতে পারি!
ঠিক আছে, লম্বু এখন সেটা প্রমাণ করার সময় হয়েছে।
আমি রাইলির জন্য জীবন দিতে পারি! আমি রাইলির জন্য জীবন দিতে পারি!
আমি রাইলির জন্য জীবন দিতে পারি!
যথেষ্ট হইছে! আমি বাটমু!
এটা পুরো পাগলামি, না, না, না, খুশি, ভালো চিন্তা করো।
আমি নিশ্চিত এটা পাগলামি!
- এখনই! - রাইলির জন্য!
- খুশি? - ধরে থাকো!
খুশি যদি এখানে থাকতো!
খুশি!
সরে যাও!
কত কাজ হইছে।
এতই যদি বুদ্ধি থাকে, তাইলে তুমি কী করো দেখি?
আমি তোমাকে বলতাম, কিন্তু তুমি এতই বলদ যে সেটা বুখবে না।
কী?
তোমার ছোট্ট ব্রেইন দ্বিধায় পরে যেত।
আমার হয়তো তোমার মত বলদামি করে বুঝানো লাগতো।
যদিও আমি সেভাবে কথা বলতে পারি না, তারপরও একটা চেষ্টা করতে পারি, বেকুব!
ঈশ্বরের দয়ায় তোমরা এলে!
- সবকিছুই গুবরে গেছে! - আমরা একটা আইডিয়া পেলাম
কেবল রাইলির জন্য কিছু সুখের স্মৃতি আনতে চেয়েছিলাম।
খুশি, তোমাকে ওটা ঠিক করতেই হবে! ওখানে যাও!
বিষণ্ণতা, এটা তোমার হাতে
- আমি? - বিষণ্ণতা?
আমি পারবোনা, খুশি।
অবশ্যই তুমি পারবে, রাইলির তোমাকে প্রয়োজন।
ঠিক আছে।
দাঁড়ান! থামুন! আমি নামতে চাই!
ঠিক আছে, ধন্যবাদ, আমরা জানাবো।
তার শিক্ষকরাও তাকে আর দেখেনি।
- কী? - সে সর্বশেষ কী পড়েছিল?
- তুমি মনে করতে পারো... - আমি বিশ্বাসই করতে পারছিনা।
রাইলি, এইতো তুমি! ঈশ্বরের কৃপা!
আমরা চিন্তায় মারা যাচ্ছিলাম! কোথায় ছিলে তুমি? এতো দেরি হল!
সোনা! কী হয়েছে? সব ঠিক আছে তো?
আমরা প্রতিবেশীদের জিজ্ঞেস করলাম, তোমার স্কুলে ফোন দিলাম,
তোমার শিক্ষকদের সাথেও কথা বলেছি।
আমি জানি তোমরা এটা চাওনা, কিন্তু...
আমি আগের বাড়িকে খুব মিস করছিলাম।
মিনেসোটাকে খুব মিস করছিলাম।
তোমরা আমার খুশি চাও, কিন্তু...
আমি আমার পুরনো বন্ধু আর হকির দলকে ফেরত চাই।
আমি বাড়ি ফিরে যেতে চাই।
প্লিজ, রাগ করো না।
- সোনামণি। - আমরা রাগ করিনি।
একটা ব্যাপার কি জানো? আমিও মিনেসোটাকে খুব মিস করছিলাম।
সেই বনটাকে মিস করছিলাম যেখানে আমরা ঘুরতে যেতাম।
আর সেই উঠোন, যেখানে আমরা খেলতাম।
স্প্রিং হ্রদ, যেখানে তুমি স্কেটিং শিখেছিলে।
এদিকে এসো।
হেই, নতুন ছবিটা কিন্তু ভালোই লাগছে।
বন্ধুত্বের দ্বীপ আরও সম্প্রসারিত হয়েছে।
যাক শেষ পর্যন্ত "বন্ধুদের মধ্যে তর্কের দ্বীপ"টা বানাইল।
আমার পছন্দ "ঐতিহাসিক ভ্যাম্পায়ারের প্রেমের দ্বীপ।"
ফ্যাশনের দ্বীপ? সবাই একদম চুপ।
বালকদের ব্যান্ড দ্বীপ? আশা করি ব্যাপারটা শুধুমাত্র দেখানোর জন্য।
যাই বলো না কেন, আমার মনে হচ্ছে সবগুলোই অসাধারণ।
ঠিক আছে, হয়ে গেছে।
তোমাদের নতুন সম্প্রসারিত কনসোল এখন প্রস্তুত।
জটিল! আপগ্রেড!
হেই! উপস, আমি এটা কি করলাম?
হেই, বন্ধুগণ? বয়ঃসন্ধিটা আবার কী?
জানি না, তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয় মনে হচ্ছে।
আমি এখন পুরা গালাগালির লাইব্রেরীতে ঢুকতে পারমু!
এই নতুন কনসোলটা...
দুঃখিত, আবার! আমার দোষ।
ওরা খেলা দেখতে যাচ্ছে।
যখন তুমি মাঠে নামবে, তুমি আক্রমণাত্মক হয়ে খেলবে!
- আমি জানি, ড্যাড। - কিন্তু খুব বেশি না।
তোমাদের প্রতি খেলায় তো আসার কোন দরকার নেই।
কী বলছ? আমি একটাও মিস করবো না! এগিয়ে যাও "ফগহর্নস!"
- এগিয়ে যাও, রাইলি! "ফগহর্নস" সবার সেরা! - ঠিক আছে! আমাকে এবার যেতে হবে!
তারা আমাদের খুব ভালবাসে,
আসলেই, আম্মাজান আর আব্বাজান সেইরম জটিল।
অবশ্যই ওরা ভালো, কিন্তু আমরা সেটা প্রকাশ করবো না।
সে এই রং মাখা চেহারাটা পছন্দ করেছে!
বলেছিলাম না এটা খুব ভালো আইডিয়া!
- তার এখন পর্যন্ত করা সবচেয়ে ভালো আইডিয়া। - সে আসলেই খুব ভালো মানুষ।
যদি দরকার পরে।
ওহ!
দুঃখিত
বালিকা! বালিকা! বালিকা!
রাখো, বাই।
- এগিয়ে যাও, রাইলি! - তুমি পারবে!
- তুমি তৈরি? - হ্যাঁ।
ঠিক আছে, চলো হকি খেলা যাক!
ঠিক আছে, মিঃ ক্রোধ, তোমার পালা!
গুটি দে, নাইলে তুই শেষ!
বামে, বামে!
এবার সব কিছু গুলিয়ে ফেল না।
মম আর ড্যাড আমাদের হারতে দেখছে।
বেশিক্ষণ দেখবে না!
আমরা অনেক ঝামেলা পাকিয়েছিলাম, সেটা সত্য।
কিন্তু আমরা এখনো আমাদের মেয়েকে ভালোবাসি।
ও কিছু অসাধারণ নতুন বন্ধু আর নতুন বাড়ি পেয়েছে।
এর চেয়ে ভালো কিছু হতেই পারতো না।
শত হলেও, রাইলির বয়স মাত্র ১২। কিইবা আর খারাপ হবে?
এখন কে বলতে পারবে, সানফ্রানসিসকো কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
কেউ পারবে না? জরডান?
এমন করে আর কতদিন?
গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হতে এখনো ৫ মাস, ৪ সপ্তাহ, ২ দিন বাকি।
তারপর আমরা যাবো বাহামায়, কার সাথে জানো!
আমার কাছে এসো, জানপাখি।
দিনটা ভালো কাটুক।
আমার এতো রাগের কারণ কী?
জানিনা, নিশ্চয়ই ট্রয় যে কারণে রেগে আছে।
- ট্রয় রেগে আছে কেন? - আমি জানি না।
আমি জানি, একদম,
আমরা পুরোপুরি ধোঁকাবাজ! তোমার কি মনে হয় ওরা বুঝতে পারছে?
অবশ্যই না! চোখে শ্যাডো লাগিয়েছি না!
কুল সাজাটা যে কী বোরিং।
কার জন্মদিন রে? হেই! হ্যালো?
ছয় বছর ধরে এই শিখেছি?
দয়া করে একটু সরবে?
কী করছ তুমি!
সব ঠিক আছে, এটা কোন সমস্যাই নয়।
আমাদের শুধু একটা ভালো জায়গায় যেতে হবে।
সেই বিচ্ছিরি গান।
না! আবারও এটা!
খাওনের গন্ধ পাইলাম।
ওই ব্যাটার কাছে খাওন আছে।
চল ওইটা লইয়া লই।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.