Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
কখনো কারো দিকে তাকিয়ে ভেবেছ যে...
"তার মাথায় আসলে কী চলছে?"
আমি জানি. তবে শুধু রাইলির মাথা.
এই তো সে...
হ্যালো.
রাইলি.
ওমা! আমার হাসিখুশি সোনামণিটা!
আমার হাসিখুশি সোনামণিটা!
সবকিছু চমৎকার ছিল. শুধু রাইলি আর আমি. সারাক্ষণ.
তবে শুধু 33 সেকেন্ডের জন্য.
আমি স্যাডনেস (বিষণ্ণতা).
হ্যালো. আমি... জয় (আনন্দ). তো...
আমি কি... তুমি... আমি ঠিক করে দিচ্ছি. ধন্যবাদ.
এটা তো কেবল শুরু.
হেডকোয়ার্টার ধীরে ধীরে জনবহুল হয়ে গেল.
খুব ভাল. হ্যা, তুমি পারছ. এইতো হচ্ছে.
ডানে মোড়! না! দেখো! সামনে!
এ হল ফিয়ার (ভয়). সে রাইলিকে নিরাপদ রাখতে বেশ দক্ষ.
সামলে, সামলে. ঠিক আছে, হ্যা.
- ভাল. - ধন্যবাদ সবাইকে, ব্যাপার না.
এবার শুরু!
এই নাও. মুখ খুলো.
- খাবারটা নতুন. - নিরাপদ তো?
ওটা কী?
সতর্কীকরণ! খুবই খারাপ গন্ধ আসছে.
এক মিনিট, ওটা কী?
এ হল ডিসগাস্ট (বিতৃষ্ণা). সে রাইলিকে বিষাক্ত জিনিষ থেকে নিরাপদ রাখে.
শারীরিক এবং সামাজিকভাবে.
ওটার রঙ উজ্জ্বল নয়, আর দেখতেও ডাইনোসরের মত নয়.
এক মিনিট.
ওটা ফুলকপি!
আমি সবার জীবন বাঁচিয়ে দিলাম. হ্যা, স্বাগত
রাইলি, ডিনার না খেলে তুমি ডেজার্ট পাবেনা, সোনামণি.
এক মিনিট, সে কি বলেছে আমরা ডেজার্ট পাবোনা?
এ হল অ্যাঙ্গার (ক্রোধ).
সবকিছু ন্যায্য থাকাটাই হল তার প্রধান লক্ষ্য.
তাহলে এই চাল চালতে চাও, বুড়ো? ডেজার্ট দিবেনা?
ঠিক আছে. আমরা ডিনার করবো! তবে তার আগে এটা চেখে দেখো!
রাইলি, রাইলি, দেখো উড়োজাহাজ!
ওহ্, উড়োজাহাজ. উড়োজাহাজ এসেছে.
উড়োজাহাজ.
স্যাডনেসকে তো চেনোই. সে... আসলে...
আমি আসলে নিশ্চিত নই তার কাজ কী.
আর আমি দেখেছি, তার যাওয়ার মত কোন জায়গা নেই, তাই...
সে ঠিক আছে, আমরা ঠিক আছে. সবকিছু অসাধারণ!
যাকগে, এগুলো হল রাইলির স্মৃতি.
আর এগুলো বেশীরভাগই আনন্দের. বড়াই করছিনা.
কিন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিগুলো আছে এখানে.
বেশি কারিগরি দিকে যাচ্ছিনা, এগুলোকে বলা হয় কোর মেমোরি (ভিত্তিগত স্মৃতি).
প্রতিটিই এসেছে রাইলির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কোন অংশ থেকে.
যেমন যখন সে প্রথম গোল করেছে. অসাধারণ ছিল!
আর প্রতিটি কোর মেমোরি...
...রাইলির ব্যক্তিত্বের ভিন্ন ভিন্ন স্বভাব সচল রাখে.
যেরকম হকি আইল্যান্ড.
গুফবল আইল্যান্ড (শিশুসুলভ আইল্যান্ড) হল আমার প্রিয়.
এদিকে আসো, বাঁদর কুমারী!
হ্যা, গুফবলটাই সেরা.
ফ্রেন্ডশিপ আইল্যান্ডও চমৎকার.
অনেস্টি আইল্যান্ডকে আমি অনেক পছন্দ করি. কারণ এটাই সত্যি!
আর হ্যা, ফ্যামিলি আইল্যান্ডও অসাধারণ.
মূল কথা হল, ব্যক্তিত্বের আইল্যান্ডগুলোই রাইলিকে...রাইলি করে রাখে!
লাভা!
♪ এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে? ♪ ♪ বিং বং, বিং বং! ♪
- গুড নাইট, মা! - গুড নাইট, বাবা.
আর... ঘুমিয়ে পড়েছে!
কী মজা! আরো একটি নিখুঁত দিন!
সবাই ভাল করেছ!
এবার স্মৃতিগুলোকে লং টার্মে পাঠিয়ে দেই.
আচ্ছা, আজ আমরা মরে যাইনি! সুতরাং আমাদের জন্য যোগ্যতাহীন সাফল্য.
আর এইতো. আমরা রাইলিকে ভীষণ ভালোবাসি.
তার ভাল বন্ধুরা আছে, সে সুন্দর বাড়িতে থাকে.
এর থেকে ভাল আর কী চাই?
তাছাড়া রাইলির বয়স 11. কী এমন আর হবে?
আচ্ছা, এটার কথা মাথায় আসেনি.
দেখো! গোল্ডেন গেট ব্রিজ! অসাধারণ, তাই না?
তবে যেরকম ভেবেছিলাম, এটা গোল্ড দিয়ে তৈরি নয়, তাই কিছুটা হতাশ, তবুও...
ভাগ্য ভাল তুমি বলেছ যে ভূমিকম্প একটা মিথ, জয়.
না হলে তো আমি ভয়ে মারাই যেতাম!
হ্যা...
আমি তো এরকমই চাই.
আর মাত্র কয়েকটা ব্লক. তারপরেই আমাদের নতুন ঘর!
জলদি করো, বাবা!
নোংরা গাড়িটাতেই থেকে যাচ্ছিনা কেন? এমনিতেও কতক্ষণ ধরে আছি.
এটা আমাদের জন্য ভাল,
কারণ এই সময়ে আমরা আমাদের নতুন ঘর কীরকম হবে সেটা ভাবতে পারব!
চলো সেরা পাঁচটা দিবাস্বপ্ন ভেবে দেখি.
- জায়গাটা বেশ নিরাপদ! - অনেক সুন্দর.
এটা রাইলির জন্য চমৎকার হবে! না, না, না, না, এটা!
জয়, কতবার বলেছি, সে বিস্কুটের ঘরে থাকবেনা.
এটাই চাই! সাথে ড্রাগন আছে.
আমরা এসে পড়েছি!
এইযে, আমাদের নতুন ঘর. আর...
হয়তোবা ভেতরটা সুন্দর.
- আমরা এখানে থাকব? - এটা বাধ্যতামূলক?
আমি গন্ধ পাচ্ছি, কিছু একটা মরে আছে.
মরার কথা না বললে হয়না?
তোমরা শুধু শুধু চিন্তা করছ. কেউ মরেনি...
মরা ইঁদুর!
- চমৎকার! - আমি মরে যাব.
এখানে মরা প্রাণী থাকে! আমরা মরে যাব!
সরে যাও!
একবার ভেবে দেখো, বাবা বলেছিল আমাদের রুমটা নাকি চমৎকার..
চলো দেখে আসি!
- চলো! - চমৎকার!
হ্যা, হ্যা, হ্যা, হ্যা.
না, না, না, না.
এর চাইতে মরা ইঁদুরও ভাল ছিল.
আমরা কারাবাসে চলে এসেছি.
রাইলি এখানে থাকবেনা.
- ঠিক বলেছ. - এটা জঘন্য!
- খুবই. - জঘন্যতম জঘন্য.
আমার জীবনে দেখা জঘন্য জিনিষ.
আমাদের প্রজাপতি পর্দার কথা ভেবে দেখো.
আমি কোথাও পড়েছিলাম যে খালি রুম হল একটা সুযোগ.
কোথায় পড়েছ?
তাতে কিছু আসে যায়না, আমি পড়েছি, এবার দেখো.
বিছানা থাকবে ওখানে. আর ডেস্ক ওখানে.
- হকি ল্যাম্প থাকবে ওখানে. - চেয়ার ওখানে.
- ট্রফি কালেকশন. - তাঁরা! চমৎকার!
এইতো! চলো ভ্যান থেকে জিনিষপত্র নিয়ে আসি!
ঠিক আছে, রাখি.
খারাপ খবর, আমাদের ভ্যান আগামী বৃহস্পতিবারের আগে আসবেনা.
মজা করছ.
ভ্যান হারিয়ে গেছে?
তুমি বলেছিলে গতকাল!
হ্যা, জানি. তারা এটাই বলেছিল!
আইডিয়া!
দাদীমা ক্লান্ত!
দাদীমা?
চুল বাঁধছে, এবার খেলবে!
দুঃখিত, এক মিনিট.
হ্যালো?
না...
আচ্ছা, একটু অপেক্ষা করো. আমি আসছি.
ইনভেস্টরদের বৃহস্পতিবার আসার কথা, আজকে নয়!
- আমাকে যেতে হবে. - ঠিক আছে, ব্যাপার না.
খুব ভাল, ধন্যবাদ, সোনা.
চলি, মা.
বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেল.
সে এখন আর আমাদের ভালোবাসেনা. কষ্টের ব্যাপার. আমি কন্ট্রোল করি, হ্যা?
জয়? কী করছ তুমি?
এক মিনিট দাঁড়াও.
জানো কী? রাইলি এখনো লাঞ্চ করেনি, মনে আছে?
আসার সময় একটা পিৎজার দোকান দেখেছি. ওখানে যাওয়া যায়.
চমৎকার আইডিয়া.
- পিৎজা? ভাল. - হ্যা! পিৎজা!
- ওটা কী? - পিৎজায় কে ফুলকপি দেয়?
অনেক হয়েছে, আমি চলি.
শাবাশ, সান ফ্রান্সিস্কো, তোমরা পিৎজা নষ্ট করে দিয়েছ!
প্রথমে হাওয়াইয়ানরা, এবার তোমরা!
কোন ধরণের পিৎজার দোকান শুধু এক ধরণের পিৎজা বিক্রি করে?
সান ফ্রান্সিস্কোর রীতিনীতি মনে হচ্ছে.
তবুও নেব্রাস্কার ঐ স্যুপের চেয়ে খারাপ নয়.
হ্যা, স্যুপের উপর চামচ ভাসছিল!
ভাল, ফ্যামিলি সচল আছে.
লং ড্রাইভ মজাই হয়েছে, তোমার পছন্দের অংশ কোনটা?
- গাড়ির জানালা দিয়ে থুতু ফেলা! - বাবা যখন গান গাচ্ছিল তখন না.
সিট বেল্ট লাগানো!
ডাইনোসরের জায়গাটা কেমন?
- সেটাই. - হ্যা!
ভাল করেছ, জয়.
ডাইনোসরের জায়গাটা ভাল ছিল. ওটা মজার ছিল.
না. এটা কী হল?
সে স্মৃতিটার কিছু করেছে.
কী করেছ তুমি?
আমি শুধু ছুঁয়েছি.
- এতে বদলানোর কথা না. - ফিরিয়ে আনো, জয়!
- চেষ্টা করছি. - তুমি পারছনা?
- না! সম্ভবত হবেনা! - শাবাশ, স্যাডনেস.
এখন রাইলির সেই স্মৃতি মনে হলেই সে কষ্ট পাবে. শাবাশ.
দুঃখিত, জয়. আমি জানতাম না... ভেবেছিলাম যদি আমি...
জয়, সামনে সিঁড়ি আসছে.
সবকিছু ঠিক না হওয়া পর্যন্ত তুমি অন্যকোন স্মৃতি ধরবেনা.
- আচ্ছা. - ঠিক আছে, রেডি.
এটা দৈত্য রেল, এবং আমরা পুরোটা নামব.
কী? এটা কী হল?
- কোর মেমোরি! - না!
স্যাডনেস, কী করেছ তুমি?
একটাকে বাঁকা মনে হচ্ছিল তাই আমি ধরেছি, আর সঙ্গে সঙ্গে বেড়িয়ে গেল. আমি...
সম্ভবত... কারণ আমি একটাকে ধরতে চেয়েছিলাম.
স্যাডনেস, তুমি কোর মেমোরি ছুঁয়ে ফেলেছিলে.
তুমি ছুঁয়ে ফেললে সেটাকে বদলানো যায়না.
হ্যা, আমি দুঃখিত. আমার কী যেন হয়েছে.
যেন আমি ভেঙ্গে পড়ছি.
তুমি ভেঙ্গে পড়ছনা. শুধু চাপে পড়েছ.
আমি বারবার ভুল করে যাই. আমি জঘন্য.
- না, তুমি নও. - এবং বিরক্তিকর.
হ্যা, আসলে... শোন, তুমি ভুল জিনিষে মনোযোগ দিবেনা.
নতুন কিছু ভাববে, মজার কিছু.
হ্যা, মজার কিছু. সেটা কীভাবে সম্ভব আমি জানিনা.
আচ্ছা. মজার কিছু ভাবার চেষ্টা করো.
ঐ মজার মুভির কথা মনে আছে যেখানে কুকুর মারা যায়?
না, সেটা...
মেগের সাথে ঐ স্মৃতি মনে আছে যখন হাসতে গিয়ে রাইলির নাক দিয়ে দুধ বেড়োয়?
হ্যা, বেশ কষ্টের. মনে হচ্ছিল যেন আগুন.
ভয়াবহ ছিল.
আচ্ছা, ওটা ভেবোনা. অন্যকিছু চেষ্টা করি.
তোমার কী করতে ভাল লাগে?
কী করতে ভাল লাগে?
বাহিরে গেলে আমার ভাল লাগে.
খুব ভাল. সমুদ্র সৈকত আর সূর্যাস্ত.
যখন বাবাকে বালুতে গেড়েছিলাম.
আমি বৃষ্টির কথা ভাবছিলাম.
বৃষ্টি? বৃষ্টি আমারও পছন্দের!
পানিতে লাফাতে পারি.
বিভিন্ন রঙের ছাতা, বিদ্যুৎচমক.
অথবা যখন আমরা বৃষ্টিতে ভিজি আর আমাদের জুতোয় পানি জমে যায়.
ধান্ডায় আমরা কাঁপি, সবকিছু বিষণ্ণ হয়ে যায়.
না, না, সামলে.
তুমি কাঁদছ কেন?
তুমি বরং উল্টোদিকে যাচ্ছ.
কাঁদলে আমার ভাল লাগে, আর জীবনের দুশ্চিন্তা কমে যায়.
আচ্ছা, শোন. অন্যকিছু করা যাক.
মাইন্ড ম্যানুয়াল পড়লে কেমন হয়? মজার কাজ.
প্রায় সবগুলোই পড়েছি.
এটা পড়েছ? মনে হচ্ছে ভাল.
"লং টার্ম স্মৃতি উদ্ধার, খণ্ড 47"?
- না. - এটা চমৎকার!
"লং টার্ম স্মৃতি তথ্য নির্বাচন সাবগ্রুপিংয়ের মাধ্যমে"?
দেখলে? কত মজার! তুমি ভাগ্যবান.
তুমি মজার জিনিষগুলো পড়ছ. অথচ আমাকে কাজ করতে হবে. জীবনটা কষ্টের.
কী করা যায়? আমাদের কাছে দুই মাসের মূলধন আছে.
এর মধ্যে ইনভেস্টর না পেলে আমাদের লোক ছাঁটাই করতে হবে.
মা! বাবা! আমাকে গুড নাইট কিস দিয়ে যাও!
আসছি এক্ষুনি!
বাবাকে বিপর্যস্ত মনে হচ্ছিল.
কী ছিল? ভালুক নাকি? ভালুক!
সান ফ্রান্সিস্কোতে ভালুক নেই.
একজনকে দেখেছিলাম, মনে হচ্ছিল ভালুকের বংশধর.
আমার কেমন যেন লাগছে.
আমার থেকে দূরে থাকো.
আমি বলছি আসল ব্যাপারটা. এখানে আসাটাই হয়েছে দোষ.
আমিও ঠিক এটাই ভাবছিলাম!
এখানে মোট 37 টা জিনিষ আছে যেগুলো রাইলির জন্য ভয়ানক.
গন্ধটাই তো অসহ্যকর.
এখনো বিশ্বাস হচ্ছেনা মা-বাবা এখানে থাকতে এসেছে!
শোন, আমি বুঝেছি. তোমরা চিন্তিত.
কিন্ত আমরা আরো খারাপ সময় পার করেছি!
এক কাজ করি, রাইলিকে যেই ব্যাপারগুলো আনন্দ দিবে সেগুলো লিখে ফেলি.
আচ্ছা. ঘর থেকে গন্ধ আসছে, আমাদের রুমে দুর্গন্ধ.
- পিৎজা ভাল নয়. - আমাদের বন্ধুরা নেই.
আর আমাদের সব জিনিষপত্র ভ্যানে!
ভেবে দেখো, আরো খারাপ হতে পারত.
হ্যা, জয়. যেমন নোংরা ফ্লোরে ব্যাগে ঘুমানো.
আচ্ছা, মানছি, শুরুটা ভাল হয়নি. কিন্ত সব ভাল জিনিষগুলো...
না, জয়. এখন রাইলির আনন্দিত হওয়ার কোন কারণ নেই.
আমাদের উপর ছেড়ে দাও.
কাল স্কুল কামাই দিয়ে বেডরুমে দরজা বন্ধ করে রাখি.
আমাদের জামা কাপড় নোংরা. এই অবস্থায় বাইরে যাওয়া যাবেনা.
হ্যা, দম আটকানো পর্যন্ত কাঁদা যায়.
দরজা বন্ধ করে ঐ খারাপ শব্দটা চেঁচিয়ে বলি.
- এটা বেশ ভাল! - এক মিনিট!
আমরা খারাপ দিন পার করেছি. আর...
সোনা.
মা-খারাপ-সংবাদ-ট্রেন এসেছে. টুট - টুট!
ভ্যানের কোন খবর নেই.
এখন বলছে আগামী মঙ্গলবারের আগে আসবেনা, বিশ্বাস হয়?
টুট - টুট - টুট!
বাবা কোথায়?
ফোনে. নতুন উদ্যোগ নিয়ে সে বেশ ব্যস্ত.
আর কিছু বলার নেই!
নতুন কোম্পানি নিয়ে সে অনেক খাটছে.
এখন একটু মজা দেখানো যাক.
তবে তোমাকে শুধু বলতে চাই, ধন্যবাদ.
এত সবকিছুর পরেও...
তুমি বেশ হাসিখুশি থেকেছ.
তোমার বাবা এখন অনেক চাপে,
তবে আমরা যদি হাসিখুশি থাকি তাহলে তার জন্য এটা ভাল হবে.
এতটুকু তো করতেই পারি. তাই না?
তবে...
হ্যা, অবশ্যই.
কত্ত ভাল সোনামণিটা!
- সুইট ড্রিম. - গুড নাইট.
মা'র বিরোধিতা করবে কে. হাসিখুশিই তাহলে.
সবাই হাসিখুশি! ভাল!
তোমার পেছনে আছি, জয়.
এবার বিশ্রামের সময়.
স্বপ্নের ডিউটি আজকে আমার, তাই আমি স্মৃতিগুলো লং টার্মে পাঠিয়ে দিচ্ছি.
সবাই ভাল করেছ. হাসিখুশি থাকো!
ঠিক আছে, আজকে ড্রিম প্রোডাকশনে কী আছে?
এটাই. আমাদের নতুন ঘর.
আমার সাথে থাকো, রাইলি.
কেউ ফুলকপি পিৎজা অর্ডার করেছ?
- আমাকে খাও! - আমি স্বাস্থ্যকর!
না! কারা এগুলো বানায়?
এটা করা উচিত নয়, কিন্ত...
দিনের শেষটা এমন হতে দিবনা.
একদম চিন্তা করবেনা. কালকের দিনটি চমৎকার কাটবে.
কথা দিলাম.
হ্যালো, ঘুম ভেঙ্গেছে?
এখনই বাজাতে হবে?
প্র্যাকটিস করছি.
তাই মন খুলে বাজাতে হবে.
নতুন স্কুলে প্রথম দিন! বেশ উত্তেজনার.
গতকাল রাতে নতুন প্ল্যান ভাবছিলাম.
শোন! ফিয়ার.
স্কুলে প্রথম দিনে সম্ভাব্য খারাপ ঘটনাগুলো তালিকা করে ফেলো.
শুরু করে ফেলেছি. উল্কাপিণ্ড বানান কেউ জানো?
বিতৃষ্ণা. রাইলিকে জামা কাপড় পরাও. তবে বেশি রংচঙা নয়.
রাইলিকে এমনভাবে সাজাব যে অন্য বাচ্চারা দেখে অজ্ঞান হয়ে যাবে.
"জয়." "হ্যা, বলুন"
"তুমি কনসোলের দায়িত্বে আছ, সারাক্ষণ রাইলিকে হাসিখুশি রাখবে.
"আর তোমার জামাটা চমৎকার, খুব সুন্দর."
"এটা? অনেক ধন্যবাদ. এটার পাকানো আমার পছন্দের."
কল্পনার রেলগাড়ি! ঠিক সময়ে এসেছ.
অ্যাঙ্গার, দিবাস্বপ্নগুলো নামিয়ে ফেলো.
আমি বেশি অর্ডার করেছি, যদি প্রয়োজন হয়.
ভালই করেছ.
যদি স্কুল আর ক্লাস পুরোপুরি বোরিং হয়. যেটা কিনা হবে.
স্যাডনেস. তোমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ রেখেছি.
- সত্যি? - আসো.
- এটা কী? - এইযে, হয়েছে!
এটা হল বিষন্নতার বৃত্ত.
তোমার কাজ হল নিশ্চিত করা সব বিষন্নতা যেন এই বৃত্তের মধ্যেই থাকে.
মানে আমি এখানেই দাঁড়িয়ে থাকব?
তুমি কীভাবে নিজের কাজ করবে সেটা আমি বলবোনা.
শুধু খেয়াল রাখবে সব বিষণ্ণতা যেন বৃত্তের মধ্যেই থাকে!
দেখলে? তুমি দক্ষ! মজার না?
- না. - শাবাশ.
ঠিক আছে, নতুন করে শুরু.
আমরা ভাল দিন কাটাব, যেটার কারণে সপ্তাহটা ভাল যাবে,
সেটার কারণে বছরটা ভাল যাবে, এবং আমাদের জীবনটা ভাল হবে!
বড় দিন! নতুন স্কুল, নতুন বন্ধু.
হ্যা! একটু ঘাবড়ে আছি কিন্ত আমি এক্সাইটেড.
কেমন দেখাচ্ছে? ভাল?
অনেক কিউট!
সমস্যা হবে না তো? আমরা তোমাকে দিয়ে আসব?
মা-বাবা সবার সামনে একসাথে?
- না, লাগবেনা. - আমি করছি!
না! ঠিক আছে. চলি, মা. চললাম, বাবা.
স্কুলে দিনটা ভাল কাটুক, বাঁদর.
সাবধানে থেকো, সোনা!
তুমি নিশ্চিত তো?
তুমি নিশ্চিত তো?
- এবার চলো! - হ্যা! ভেতরে!
সামনে ডানে কিছু অস্থির মেয়েরা আছে.
- তুমি কীভাবে বুঝলে? - দুই কান ফুটো, স্কার্ফ.
আইশ্যাডো লাগিয়েছে নাকি?
- হ্যা, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবো. - চলো কথা বলি!
মজা করছ? আমরা গিয়ে কথা বলবোনা.
তারা যেন আমাদের পছন্দ করে.
আচ্ছা. কী?
সম্ভাব্য খারাপ ঘটনার রিপোর্ট প্রায় শেষ.
ভয়াবহ পরিস্থিতি হল চোরাবালি, স্বতঃস্ফূর্ত জ্বলন,
অথবা টিচারের সামনে পড়া. তাই এগুলোর কোনটা না হলে...
সবাই শোন. আমাদের ক্লাসে নতুন অতিথি এসেছে.
t
tr
tra
tran
trans
transl
transla
translat
translate
translated
translated by
translated by S
translated by Sy
translated by Sym
translated by Symo
translated by Symon
translated by Symon A
translated by Symon Al
translated by Symon Ale
translated by Symon Alex
কী? হুট করেই? অসম্ভব!
রাইলি, তুমি নিজের ব্যাপারে কিছু বলবে?
না! ভাব ধরো আমরা ইংলিশ জানিনা.
চিন্তা কোরনা. আমি দেখছি.
ঠিক আছে.
আমি রাইলি অ্যান্ডারসেন.
আমি মিনেসোটা থেকে এসেছি, এখন এখানে থাকি.
আর মিনেসোটার ব্যাপারে কিছু বলবে?
ওখানে তুষারপাত বৃষ্টির মত হয়.
সে বেশ মজার!
হ্যা, বেশ শীত পড়ে যায়.
লেক বরফ হয়ে যায়, তখন আমরা হকি খেলতে পারি.
আমাদের টিম খুব ভাল. টিমের নাম প্রেইরি ডগ্স.
আমার বন্ধু মেগ ফরওয়ার্ডে খেলে. আমার বাবা হল কোচ.
আমরা সবাই স্কেটিং করি.
এটা অনেকটা ফ্যামিলি ট্র্যাডিশন.
প্রতি উইকেন্ডে আমরা লেকে চলে যাই.
অথবা যেতাম, এখানে আসার আগে.
- কীরে? - এসব কী?
স্যাডনেস, তুমি আবার স্মৃতি ধরেছ? তোমাকে নিষেধ করেছিলাম.
হ্যা. আমি দুঃখিত.
নিজের জায়গায় ফিরে যাও.
- হচ্ছেটা কী? যাচ্ছেনা কেন? - জলদি সরাও, জয়.
আমরা একসাথে খেলাধুলা করতাম.
অস্থির মেয়েরা ফিসফিস করছে!
- ওদের মুখ দেখেছ? - না.
আমাদের ব্যাপারে ভাবছে!
সবাই আসো! ধরো... জলদি...
এখন আর আগের মত নেই. সবকিছু পাল্টে গেছে.
না! আমরা কাঁদছি! স্কুলে!
স্যাডনেস! কী করছ তুমি?
ওহ্, দুঃখিত!
এটা কোর মেমোরি!
কিন্ত এটা নীল.
না! দাঁড়াও! থামো! না!
জয়, না.
- এটা কোর মেমোরি! - না!
- জয়, না! - ছেড়ে দাও!
কোর মেমোরি!
না, না, না!
ধন্যবাদ, রাইলি.
নতুন জায়গায় আসা অনেক কষ্টকর, কিন্ত তোমাকে পেয়ে আমরা আনন্দিত.
ঠিক আছে, সবাই বই খুলে চ্যাপ্টার সেভেনে যাও.
এবার কি খারাপ শব্দটা বলতে পারি??
না! এক, দুই, তিন. আচ্ছা.
সবগুলো আছে. আমরা কোথায়?
লং টার্ম মেমোরি? কিন্ত...
গুফবল আইল্যান্ড?
রাইলির ব্যক্তিত্বের আইল্যান্ড. সবগুলো বন্ধ!
খুবই খারাপ.
আমরা... ঠিক করে ফেলব!
আমাদের হেডকোয়ার্টারে ফিরে যেতে হবে,
কোর মেমোরিগুলো ঢুকিয়ে দিব, তারপর রাইলি আগের মত হয়ে যাবে.
রাইলির কোন ভিত্তিগত স্মৃতি নেই. কোন ব্যক্তিত্ব নেই, আর...
কী? কী হয়েছে?
তুমি.
তুমি হেডকোয়ার্টারে নেই.
তোমাকে ছাড়া, রাইলি হাসিখুশি থাকতে পারবেনা.
তোমাকে ফিরে যেতে হবে.
আমি আসছি, রাইলি.
রাইলি অদ্ভুত আচরণ করছে. সে এরকম করছে কেন?
তা নয় তো কী? সবগুলো আইল্যান্ড বন্ধ.
জয় থাকলে কোন সমস্যা হতোনা.
সেটাই.
জয় ফিরে আসা পর্যন্ত, আমরা ঠিক জয়ের মত কাজ করবো!
চমৎকার! ক্রোধ, ভয় আর বিতৃষ্ণা, আমরা কীভাবে হাসিখুশি থাকব?
রাইলি. ভাল সংবাদ আছে!
একটা হকি লিগের খোঁজ পেয়েছি, এখানেই.
আর: আগামীকাল অডিশন হবে. ভাল, তাই না?
- হকি? - এখন কী করবো?
এখন...
তুমি জয়ের স্থলাভিষিক্ত হও.
বরফের রাজ্যে ফিরে গেলে ভালই হয়, তাই না?
হ্যা, শুনে তো চরম লাগছে.
এটা কী? একটুও জয়ের মত হয়নি!
- কারণ আমি জয় নই. - হ্যা, তা বটে.
তোমরা দেখেছ?
- কিছু গড়বড়. - একদম.
জিজ্ঞেস করবো?
তদন্ত করে দেখা যাক. তবে সূক্ষ্মভাবে, যাতে সে না বুঝে.
তাহলে, স্কুলে প্রথম দিন কেমন কাটল?
আমাদের তদন্ত করছে.
আর না. তুমি হও জয়ের স্থলাভিষিক্ত.
কী? আচ্ছা.
ভালই তো. জানিনা.
বাহ্! একেবারে জয়ের মত.
কিছু একটা তো গড়বড়.
আগে কখনো এরকম করেনি. এখন কী করবে?
সব বের হবে.
কিন্ত সাপোর্ট লাগবে.
স্বামীকে ইশারা দাও.
সে আমাদের দিকে তাকিয়েছে.
- কী বলেছে? - হ্যা?
দুঃখিত, স্যার. কেউ শুনেনি.
ময়লা বাইরে ফেলা হয়নি? বেসিনের কল খোলা?
কী? কী হয়েছে? বলো?
আবার গর্ধবের মত তাকিয়ে আছে.
টুঁটি চেপে ধরতে মন চাচ্ছে.
আবার ইশারা দাও.
তো, রাইলি, স্কুল কেমন ছিল?
- মজা হচ্ছে! - এসব কী?
এই শালার জন্য আমরা ব্রাজিলিয়ান হেলিকপ্টার পাইলটকে না করেছি?
সরো! আমিই হব জয়.
স্কুল ভাল ছিল, হয়েছে?
রাইলি. তোমার কিছু হয়েছে?
স্যার, সে চোখ ঘুরিয়েছে.
তার হয়েছে কী?
ঠিক আছে, একটু জোর দেখাও.
আমি তাকে "আদেশ" দিতে চাইনা.
না, অবশ্যই না!
রাইলি, তোমার আচরণ ভাল হচ্ছেনা.
আমি আচরণ দেখাচ্ছি, বুড়ো.
না. না, না, না! হাসিখুশি থাকো!
সমস্যাটা কী? আমাকে একা থাকতে দাও!
স্যার, বেয়াদবির মাত্রা বেড়েছে!
দুই নাম্বার বিপদ সংকেত দাও.
জলদি করো. দুই নাম্বার বিপদ সংকেত.
বুঝতে পারছিনা হঠাত অসভ্য আচরণ কেন করছ...
সভ্যতা দেখতে চাও? এই দেখো!
হ্যা, তো...
এইতো. আদেশ রেডি করো!
চাবি লাগাও.
আপনার আদেশের অপেক্ষায়, স্যার!
চুপ করো!
মারো!
যথেষ্ট! নিজের রুমে যাও! এক্ষুনি!
আদেশ কার্যকর! আদেশ কার্যকর!
শাবাশ, জেন্টলম্যান. বড় বিপর্যয়ের হাত থেকে বেঁচেছি.
বেশ বড় বিপর্যয় ছিল.
চলো আমরা একসঙ্গে উড়ি, ময়না পাখি!
আমরা এটাতে করে হেঁটে যাব?
এটাই দ্রুততম পথ.
কিন্ত এটার নিচে মেমোরি ডাম্প (স্মৃতি আঁস্তাকুড়)..
নিচে পড়ে গেলে চিরজীবনের জন্য স্মৃতি থেকে মুছে যাব.
আমরা রাইলির জন্য ঝুঁকি নিব. তুমি আমার পেছন পেছন আসো.
- আচ্ছা. - বেশি উঁচু নয়. আর...
নিচে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে.
তুমি সব মীমাংসা করতে চাও?
আমার হাসিখুশি সোনামণিটা কোথায়?
বাঁদর কুমারী.
বাবা গুফবল চালু করতে চাইছে.
ফিরে যাও! দৌঁড়াও!
বুঝেছি. তোমার একটু সময় দরকার.
আমরা পরে কথা বলব.
জটিল সমস্যা হয়েছে.
জয়, কোথায় আছ তুমি?
গুফবল আইল্যান্ড ভেঙ্গে গিয়েছে.
মানে ফ্রেন্ডশিপ, হকি, অনেস্টি আর ফ্যামিলি আইল্যান্ডও ভেঙ্গে যেতে পারে.
তুমি সব ঠিক করতে পারবে, তাই না, জয়?
আমি...
জানিনা.
তবে চেষ্টা করতে হবে. চলো.
রাইলি ঘুমিয়ে পড়েছে.
এটা ভাল ব্যাপার. কারণ সে ঘুমিয়ে থাকলে খারাপ কিছু হবেনা.
সে ঘুম থেকে উঠার আগেই আমরা হেডকোয়ার্টারে ফিরে যাব.
আমরা ফ্রেন্ডশিপ আইল্যান্ড দিয়ে যাব.
আমরা কখনোই পারবোনা.
- না! - না, না, না!
জীবনের দুশ্চিন্তা কমিয়ে দাও.
কুকুর মরে যাওয়ার মুভিটার কথা মনে আছে?
স্যাডনেস, এখন এসবের সময় নেই.
আমরা ঘুরে যাব. পথে মনোরম দৃশ্য দেখা যাবে.
দাঁড়াও, জয়. আমরা হারিয়ে যেতে পারি!
পজিটিভ চিন্তা করো!
আচ্ছা. আমি পজিটিভ যে তুমি হারিয়ে যাবে.
ওগুলো লং টার্ম মেমোরি.
দালান আর তাকের সীমানাহীন অলিগলি. আমি ম্যানুয়ালে পড়েছি.
ম্যানুয়াল? ম্যানুয়াল!
- তুমি ম্যানুয়াল পড়েছ - হ্যা.
তাহলে তুমি হেডকোয়ার্টারে ফিরে যাওয়ার পথ চেনো!
হয়তোবা.
তুমিই আমার ম্যাপ!
চলো! পথ দেখাও, ম্যাপ! বলো কোনদিকে যেতে হবে!
আছা. তবে আমার হাটতে কষ্ট হচ্ছে.
আমাকে কিছু... ঘণ্টা বিরতি দাও.
কোনদিকে, বাঁয়ে?
রাইট.
না. মানে বাঁয়ে. আম বাঁয়েকে রাইট বলেছি. মানে "সঠিক".
আচ্ছা.
তবে আমার আসলে ভাল লাগছে.
এইতো! সকাল হওয়ার আগেই আমরা হেডকোয়ার্টারে পৌঁছে যাব.
খুব মজার! একদম সহজ!
অনেক কঠিন! কাছাকাছি এসেছি?
হ্যা, সামনে ডানে.
আর...তারপর বাঁয়ে... আবার বাঁয়ে...
তুমি জানো তো আমরা কোথায় যাচ্ছি?
আমার মনে হচ্ছে আমরা আরো দূরে চলে যাচ্ছি.
রাইলি উঠেছে.
ছুঁবেনা. মনে নেই? তুমি ছুঁলে ওগুলো বিষণ্ণ থেকে যায়.
ঠিক আছে, আর ছোঁব না. এখন থেকে.
আমি আর পারছিনা.
ভুলিয়ে দাও!
- মাইন্ড কর্মী! - কিন্ত, জয়. আমরা...
ফোন নাম্বার. এগুলোর প্রয়োজন নেই. সবগুলো ফোনেই আছে.
- এক্সকিউজ মি. - সবগুলো ভুলিয়ে দাও, সব!
- আমি ফ্রেন্ডশিপ আইল্যান্ডে যেতে চাই. - এটা দেখো.
- চার বছরের পিয়ানো ক্লাস. - হ্যা, প্রায় বিবর্ণ হয়ে গেছে.
চপস্টিক আর হার্ট এন্ড সোল রেখে বাকি সবগুলো ফেলে দাও.
- তোমরা... - আমেরিকার প্রেসিডেন্ট. কী করবো?
ওয়াশিংটন, লিংকন আর মোটকুটাকে রেখে বাকিসব ফেলে দেই.
- ভুলিয়ে দাও! - তোমরা ওগুলো ফেলতে পারোনা!
ওগুলো একদম ঠিক আছে.
সমস্ত "কিউটি পাই প্রিন্সেস" ডলের নাম?
হ্যা! এগুলো বেশ প্রয়োজনীয়! গ্লিটারস্টর্ম, হানিপ্যান্ট...
ভুলিয়ে দাও!
না! ওগুলো ফিরিয়ে আনো!
ওগুলো আঁস্তাকুড়ে. সেখান থেকে কিছু ফিরিয়ে আনা যায়না..
দেখুন, আমরা আমাদের কাজ করছি.
রাইলি কোন স্মৃতির পরোয়া না করলে সেটা বিবর্ণ হয়ে যায়.
- বিবর্ণ হয়ে যায়? - ভালগুলোই হয়.
তবে এটা ছাড়া. এটা কখনোই বিবর্ণ হবেনা.
চুইংগাম বিজ্ঞাপনের গান?
মাঝেমধ্যে আমরা এটা এমনি এমনি হেডকোয়ার্টারে পাঠাই.
এটা রাইলির মাথায় বারবার চলে, লক্ষ লক্ষ বার!
আবার দেখি!
হ্যা, জানি, আমরা সবাই শুনেছি. খুব ভাল.
কী বলো? পাঠাব?
হ্যা!
এই গেল!
আরে... আবার এটা?
দাঁড়াও! ফ্রেন্ডশিপ আইল্যান্ডে কীভাবে যাব?
জায়গাটা কেমন? ভূমিকম্প হয়েছে? ব্রিজটা সুন্দর?
হ্যা, ভালই. খেলার খবর কী?
প্রথমটা আমরা জিতেছি.
কোচ বলছে এবার নাকি আমরা ফাইনালে যাব.
আর এই নতুন মেয়েটা এসেছে. সে খুব অস্থির.
সে অস্থির বলেছে!
নতুন মেয়ে? মেগ নতুন বন্ধু বানিয়েছে?
এইযে! হাসিখুশি থাকো!
আমরা আর কোন আইল্যান্ড হারাতে চাইনা!
আমরা ক্লাসে চোখে চোখে কথা বলি. অনেকটা মাইন্ড রিডিং.
মাইন্ড রিড করতে চাও, মেগ?
এটা একটু পড়ে দেখো, নাও!
- শুনেছি সে নাকি... - আমি যাই.
- কী? - এখন যাই!
তোমরা কি একটু বলবে... ওহ্, না!
ফ্রেন্ডশিপ আইল্যান্ড! কী?
ফ্রেন্ডশিপটা কেন?
রাইলির অনেক পছন্দের ছিল. কিন্ত এখন আর নেই.
বিদায়, বন্ধুত্ব. স্বাগতম, একাকীত্ব.
আমরা লম্বা পথ পাড়ি দিব.
হ্যা. লম্বা, লম্বা, লম্বা, লম্বা পথ.
আমি রেডি.
কোন উপায় নিশ্চয়ই আছে.
ওকে নিব, তোমাকে নয়.
মজা করছিলাম! তোমাকেও নিব.
এইযে!
দাঁড়াও! না!
দাঁড়াও, থামো!
এক্সকিউজ মি.
আমি আসলে...বিকল্প পথ খুঁজছিলাম!
- কী - বিদায়, হারু!
এক মিনিট, তোমাকে চেনা চেনা লাগছে.
না, ভুল. অনেকেই এটা বলে. আমি দেখতে অনেকের মত.
না, না, না. আমি চিনি.
বিং বং! রাইলির কাল্পনিক বন্ধু!
- তুমি সত্যিই আমাকে চেনো? - অবশ্যই!
রাইলি তোমার সাথে মজা করে খেলত! তোমরা ছিলে বেস্ট ফ্রেন্ড!
যাকগে. আমরা হেডকোয়ার্টারে ফিরে যাতে চাচ্ছি.
হেডকোয়ার্টার? তোমরা হেডকোয়ার্টার থেকে এসেছ?
হ্যা. আমি জয়. ও স্যাডনেস.
তুমি জয়? আনন্দ? তাহলে এখানে কী করছ?
ভাল প্রশ্ন. তুমি উত্তর দিবে, স্যাডনেস?
তোমাকে ছাড়া রাইলি আনন্দ করতে পারবেনা.
সেটা সম্ভব না, তোমাকে ফিরে যেতে হবে.
এক কাজ করো. আমার সাথে আসো!
ধন্যবাদ! তোমাকে আবার দেখে খুব ভাল লাগছে.
আমি তোমার অনেক বড় ভক্ত.
মনে আছে যখন তুমি আর রাইলি ব্যান্ড খুলেছিল?
- আমি তোমাদের সব কনসার্টে ছিলাম. - হ্যা, নাক দিয়ে বাঁশি বাজাতাম.
- তোমার খেলা দেখা ভাগ্যের ব্যাপার. - দুইবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন.
- আর তোমার রকেটের কথা মনে আছে? - হ্যা! গানের সুরে চলে!
ঠিক! তোমার থিম সং!
♪ - এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে? ♪ ♪ - বিং বং! বিং বং! ♪
♪ - এই রকেটে কে চড়বে? ♪ ♪ - বিং বং! বিং বং! ♪
তুমি আসলে কী দিয়ে তৈরি?
এটা অস্পষ্ট. বেশীরভাগটাই কটন ক্যান্ডি.
বড়সড়, পেছনটা বিড়ালের, সামনে হাতি, আর ডলফিন.
ডলফিন?
রাইলি যখন ছোট ছিল তখন পশুপাখির ডাকের ছড়াছড়ি ছিল.
গড়ুর হাম্বা. ঘোড়ার চিঁহিহি. তখন সবাই এগুলো নিয়েই কথা বলত.
হ্যা, হ্যা! সত্যি. তুমি এখানে কী করছ?
আসলে, ইদানিং কাল্পনিক বন্ধুর ডাক আসেনা.
তাই, আমি...
এইযে, কষ্ট পেওনা.
কথা দিচ্ছি. হেডকোয়ার্টারে ফিরে গিয়ে আমি রাইলিকে তোমার কথা মনে করিয়ে দিব.
- সত্যি? - অবশ্যই! রাইলি অনেক আনন্দ পাবে.
আজ আমার জীবনের সেরা দিন!
ঠিক আছ?
- এটা কী? - আমি ক্যান্ডি কান্না করি.
কারামেলটা খাও. অনেক মজার.
- এইযে, এটা নাও. - ধন্যবাদ!
দাঁড়াও, এক মিনিট.
নিচে আটকে যায়.
নাও. ওহ্, এটা কাল্পনিক.
ধন্যবাদ. এখন হেডকোয়ার্টারে হেঁটে যেতে অনেক সহজ হবে.
হেঁটে? আমরা হেঁটে যাবনা. আমরা কল্পনার রেলগাড়িতে করে যাব!
রেলগাড়ি, হ্যা!
অনেক দ্রুত হবে! কিন্ত উঠব কীভাবে?
যদিও এটা সবজায়গা দিয়েই যায়, কিন্ত কাল্পনিক দেশে একটা ষ্টেশন আছে.
আমি শর্টকাট জানি. চলে আসো!
তোমার দেখা পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত!
এটার পরেই ষ্টেশন. যাও.
- জয়. - কী হল?
আমি ম্যানুয়ালে এটার কথা পড়েছিলাম. আমাদের ভেতরে যাওয়া ঠিক হবেনা.
translated by Symon Alex
বিং বং বলেছে এটা হেডকোয়ার্টারে যাওয়ার দ্রুততম পথ.
কিন্ত জয়, এটা বিমূর্ত খেয়াল.
কীসব বলছ? আমি সবসময় এখানে যাই. এটা শর্টকাট, দেখো.
বি-প-দ-জ-ন-ক. শর্টকাট. আমি দেখাচ্ছি.
দেখো. আমি ষ্টেশনে যাচ্ছি কারণ আমি শর্টকাটে এসেছি.
চলো ঘুরে যাই, এই পথে.
প্রায় এসে গেছি!
যদি তুমি লম্বা পথ পাড়ি দিতে চাও, তাহলে যাও.
কিন্ত রাইলির এখন আনন্দিত হতে হবে.
আমি ঐ ট্রেন মিস করবোনা. বিং বং জানে সে কী করছে.
সে ডলফিনের অংশ. তারা অনেক স্মার্ট.
ঠিক আছে, তাহলে.
- আচ্ছা, আজকে কোন বিমূর্ত খেয়াল বোঝাতে হবে? - একাকীত্ব.
ভেতরে মনে হচ্ছে কিছু আছে.
ভেতরটা শুকিয়ে দেওয়ার জন্য এটা একটু ছেড়ে দেই.
বলেছিলাম না? বেশীক্ষণ লাগবেনা.
বাহ্! দেখো!
- কী হচ্ছে? - তারা মেশিন ছেড়েছে.
এরকম আগে দেখিনি.
আমার মুখ! আমার সুন্দর মুখ!
- কী হচ্ছে? - আমরা বিমূর্ত হয়ে যাচ্ছি!
চারটা ধাপ আছে. এটা প্রথম ধাপ: দৈহিকভাবে ভাগ হয়ে যাওয়া!
ঠিক আছে, ভয় পেওনা. আমরা সবাই একসঙ্গে থাকব
এটা দ্বিতীয় ধাপ. আমরা ভেঙ্গে পড়ছি!
পালাও!
আমার পা খুঁজে পাচ্ছিনা!
এইযে পেয়েছি.
আসো, আমি!
জলদি এখান থেকে বেরুতে হবে, আকৃতিতে পরিণত হওয়ার আগেই!
সবসময়ের জন্য আটকা পড়ে যাব!
কী? এখানে কেন এসেছিলাম?
বলেছিলাম, এটা শর্টকাট.
রেলগাড়ি!
ওহ্, না. আমরা দ্বিমাত্রিক! এটা তৃতীয় ধাপ!
সামনে যাওয়া যাচ্ছেনা!
- শরীর! আমার শরীর নেই! - চলো.
যেতে পারছিনা.
ওহ্, না, আমরা ভাবমূর্তিহীন. এটা শেষ ধাপ!
আমরা যেতে পারবোনা!
দাঁড়াও! আমরা দ্বিমাত্রিক. নিচে পড়ে যাও!
থামো! থামো!
- তুমি বলেছিলে এটা শর্টকাট. - হ্যা! আমাদের সেখানে যাওয়া ঠিক হয়নি.
এটা বিপদজনক! সাবধান করে দেওয়া উচিত.
পরের রেলগাড়ি কখন আসবে?
কে জানে? কিন্ত চিন্তা কোরনা, আরেকটা ষ্টেশন আছে. ঐ দিকে.
রেলগাড়ি ওখানে থামে. হেডকোয়ার্টারে যাওয়ার আগে.
এক্ষুনি গেলে ধরতে পারব.
এটা আবার কোন শর্টকাট নয় তো?
হ্যা!
- সত্যিই কি ষ্টেশন আছে? - হ্যা, ওখানে.
কাল্পনিক দেশে স্বাগতম!
- কাল্পনিক দেশ? - হ্যা!
আমি প্রায়ই এখানে আসি. এক হিসেবে আমিই মেয়র.
তোমাদের ক্ষুধা লেগেছে? এইযে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জঙ্গল!
- মজাদার. - কী বলছ!
দেখো! ট্রফি টাউন!
মেডেল! পুরষ্কার! সবাই বিজয়ী!
আমি প্রথম হয়েছি!
- আমিও! - সান্ত্বনামূলক পুরষ্কার.
দাঁড়াও, ওটা... স্যাডনেস, দেখো, ক্লাউড টাউন!
আমার পছন্দের!
কী তুলতুলে!
আমিও দেখি.
এইযে! সমস্যা কী, দাদা? এক্ষুনি ঠিক করে দিন বলছি, না হলে...
ওহ্! লাভা!
কাল্পনিক দেশ চমৎকার!
আমি কি দুধভাত হয়েই থাকব?
দেখো! তাসের ঘর!
দাঁড়াও, এক মিনিট.
- তোমার রকেট! - হ্যা.
চুরি না হওয়ার জন্য এখানে লুকিয়ে রেখেছিলাম, এখন রাইলিকে নিয়ে চাঁদে যাব!
- দুঃখিত. - অসাধারণ!
আমার সত্যিই ভাল লাগছে.
সুন্দর, তাই না? এখানে সবসময়ই...
- ওটা কে? - কাল্পনিক বয়ফ্রেন্ড.
রাইলির জন্য প্রাণ দিয়ে দিব.
- আগে কখনো দেখিনি. - আমি কানাডায় থাকি.
যাইহোক, এদিকে. কিন্ডারগার্ডেন জগত!
- ট্রেনের কাছাকাছি এসেছি! - রাইলি, আমরা আসছি!
বেশ মজার হবে! নতুন টিম, নতুন বন্ধু.
দেখে ভালই মনে হচ্ছে, সান ফ্রান্সিস্কোর তুলনায়.
- যাই. - আচ্ছা, গুড লাক, সোনা!
লাক দিয়ে আমাদের কী হবে!
এখন হকি খেললে হকি আইল্যান্ড ভেঙ্গে যাবে.
এজন্যই আমি সকল হকি স্মৃতিগুলো এনেছি.
কোন একটা নিশ্চয়ই কোর মেমোরি হিসেবে চলবে.
- এক্ষুনি খেলবে! - জলদি!
শাবাশ! আমরা পেরেছি!
না! না!
ও কবে বুঝবে!
- যথেষ্ট! - না, না! শ্বাস নাও.
হাসিখুশি থাকো.
- রাইলি, কী হল? - চলো.
- তুমি খেলবেনা? - লাভ কী?
সব ঠিক হয়ে যাবে. চলো আমরা...
সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে বলা বন্ধ করো!
হকি?
না, না, সে হকি পছন্দ করে. এটা শেষ হবেনা.
বিং বং, জলদি ষ্টেশনে চলো.
অবশ্যই. গ্রাহাম ক্র্যাকার ক্যাসেলের পরেই.
অদ্ভুত তো! গ্রাহাম ক্র্যাকার ক্যাসেল এখানেই ছিল.
কোথায় চলে গেল? কিন্ত...
আর স্পার্কেল পনি মাউন্টেন এখানেই ছিল.
- এসব কী হচ্ছে? - হ্যা, হ্যা... বুঝেছি...
- পরে দেখে যাবে. - প্রিন্সেস ড্রিম ওয়ার্ল্ড!
ওহ্, না! তুলা কুকুরের স্মৃতিস্তম্ভ!
আমার রকেট!
না! ওটা রাইলি আর আমার!
ওটা এখনো গানের সুরে চলে!
♪ এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে? ♪
না! না, না, না. আমার রকেট আঁস্তাকুড়ে ফেলে দিওনা!
রাইলি আর আমি ওটায় করে চাঁদে যাব.
রাইলি আমাকে ভুলে যেতে পারেনা.
সব ঠিক হয়ে যাবে! আমরা ঠিক করে ফেলব
আমাদের আগে হেডকোয়ার্টারে যেতে হবে. রেলগাড়ি ষ্টেশন কোনদিকে?
আমি পুরো ভ্রমণের প্ল্যান করেছিলাম.
তোমার সুড়সুড়ি আছে তো? সুড়সুড়ি দানব এল বলে!
বিং বং! এটা দেখো.
চলো খেলি!
তুমি বলবে ষ্টেশন কোনদিকে, আমরা সবাই সেদিকে যাব!
মজার, তাই না? চলো যাই!
তোমার রকেট ফেলে দিয়েছে তাই দুঃখিত.
তোমার পছন্দের জিনিষটি চলে গিয়েছে. সবসময়ের জন্য.
স্যাডনেস, তাকে আরো বিষণ্ণতায় ফেলোনা.
- দুঃখিত. - ওটাই ছিল আমার আর রাইলির শেষ স্মৃতি.
তুমি আর রাইলি নিশ্চয়ই অনেক এডভেঞ্চার করেছ.
হ্যা, অনেক.
একবার আমরা অতীতে চলে গিয়েছিলাম. সেদিন সকালে দুইবার নাস্তা করেছি.
স্যাডনেস...
খুব ভাল, রাইলি নিশ্চয়ই মজা পেয়েছিল.
হ্যা, আমরা অনেক ভাল বন্ধু ছিলাম.
হ্যা, ব্যাপারটা কষ্টের.
আমি ঠিক আছি.
চলো, ষ্টেশন ঐদিকে.
তুমি কীভাবে করলে?
জানিনা. সে কষ্টে ছিল.
তাই আমি...
এইযে! দেখো রেলগাড়ি!
পেরেছি! আমরা শেষ পর্যন্ত ফিরে যাচ্ছি!
ওহ্! এই তথ্য আর অভিমত দেখতে একই রকম.
অত ভেবোনা. প্রায়ই হয়.
আজকের দিনটিকে আমি f দিচ্ছি.
আমরা বসে না থেকে কিছু করছিনা কেন?
কী করবে, জিনিয়াস?
যেমন চলে যাওয়া. যেটা কিনা আমি করছি.
জানি এটা ভীতুদের কাজ. তবে অন্তত বেঁচে তো থাকব.
অনুভূতি চলে যেতে পারেনা, জিনিয়াস!
আমাদের কাজ ছিল রাইলিকে হাসিখুশি রাখা.
এক মিনিট ! এক মিনিট!
- এটা কী? - কিছুনা.
- সবচেয়ে ভাল আইডিয়া. - কী?
সব ভিত্তিগত স্মৃতিগুলো হয়েছিল মিনেসোটায়.
এইজন্য আমরা মিনেসোটায় ফিরে গিয়ে আবার স্মৃতি তৈরি করবো.
- টা - ডা! - দাঁড়াও, দাঁড়াও.
তুমি বলছ পালিয়ে যেতে?
সেরকম কিছু নয়. এটা হল হাসিখুশি ভিত্তিগত স্মৃতি গঠন প্রোগ্রাম.
মজা করছ নিশ্চয়ই.
শোন, আমাদের জীবন একদম ঠিক ছিল, এই দুর্গন্ধ জায়গায় আসার আগ পর্যন্ত.
কিন্ত এটা বিরাট ব্যাপার!
সেখানের সবকিছুর কথা মনে আছে?
আমাদের রুম? আমার উঠান? বন্ধুরা?
এটা কে চেয়েছিল?
যাইহোক, তখন সবকিছু ভাল ছিল, এটাই.
হ্যা, রাইলি মিনেসোটায় হাসিখুশি ছিল.
এক মিনিট. ব্যাপারটা একটু ভেবে দেখে দরকার না?
হ্যা. চলো ভেবে দেখি.
কারণ হাসিখুশি সময় খুব শীঘ্রই আসছে.
- এইযে! রেলগাড়ি থামল কেন? - রাইলি ঘুমিয়েছে, এখন আমাদের ছুটি.
মানে সকাল পর্যন্ত এখানেই আটকা?
হ্যা, কল্পনার রেলগাড়ি ঘুমিয়ে থাকলে চলেনা.
- ততক্ষণ অপেক্ষা করে যাবেনা. - তাকে ঘুম থেকে উঠালে কেমন হয়?
স্যাডনেস, যত্তসব! আমরা কীভাবে...
চলো তাকে ঘুম থেকে উঠাই?
- হ্যা, জয়. - চলো!
"ড্রিম প্রোডাকশন"
জায়গাটা বিশাল!
যেরকম ভেবেছিলাম তার চেয়ে ছোট.
"আমি উড়তে পাড়ি?" আমার খুবই পছন্দের!
রেইনবো ইউনিকর্ন! ঐযে!
আমার বন্ধু বলল আপনি বিখ্যাত. সে আপনার অটোগ্রাফ চায়.
না, না, স্যাডনেস, মিস ইউনিকর্নকে বিরক্ত করবেনা .
দুঃখিত, সে বুঝতে পারেনি. বিব্রতকর ব্যাপার, তাই না?
"কল্পনার দুঃসাহসিক এডভেঞ্চার" পার্ট 7 এ আপনি অসাধারণ ছিলেন.
চলি. আই লাভ ইউ!
এর মানে কী? চলো ভেতরে যাই.
ক্লাসরুম সেট বসাও! আজকের স্মৃতি এসেছে!
অনেক কাজ আছে.
রাইলি তার বন্ধুর সাথে আড়ি দিয়েছে, স্কুলে ভয়াবহ দিন কাটিয়েছে, এবং হকি ছেড়েছে.
লেখকরা একটা চমৎকার স্ক্রিপ্ট লিখেছে!
জয় আর স্যাডনেস চলে যাওয়ায় এখন আমাকে স্বপ্নের ডিউটি করতে হচ্ছে.
আছা, রাইলিকে কীভাবে উঠাব?
মাঝেমধ্যে ভয়ের স্বপ্ন দেখলে সে ঘুম থেকে উঠে যায়. চলো ভয় দেখাই.
ভয় দেখাব? না, এমনিতেও অনেক ধকল দিয়েছে.
- কিন্ত, জয়... - স্যাডনেস,,
তুমি হয়তো এখানকার রাস্তাঘাট জানো, কিন্ত আমি রাইলিকে জানি.
আমরা তাকে এত আনন্দ দিব যে খুশিতে সে ঘুম থেকে উঠে যাবে.
- খুশি করে তাকে উঠাব! - এরকমটা কখনো হয়নি.
রাইলি কুকুর পছন্দ করে. এটা পরে নাও.
এতে কাজ হবেনা মনে হয়.
- বিং বং? - কী?
- এগুলোর কিচ্ছু হয়না যেন. - বুঝেছি.
বাস্তবতা বিকৃতি ফিল্টার দাও.
হয়েছে! সবাই ক্যামেরাকে দেখবে!
ক্যামেরাটাই হল রাইলি!
সেট থেকে সরে যাও, শুরু হচ্ছে পাঁচ, চার, তিন...
হ্যালো, ক্লাস.
আজকের কুইজ শুরু করার আগে...
অভিনয়টাও পারেনা.
আমাদের নতুন সঙ্গীর সাথে পরিচিত হও. রাইলি.
তুমি একটু দাঁড়িয়ে...
- ...নিজের পরিচয় দিবে? - ক্যামেরা.
আর রাইলি.
আমি রাইলি অ্যান্ডারসেন.
আমি মিনেসোটা থেকে এসেছি আর এখন এখানে থাকি.
দেখো! তার দাঁত পড়ে যাচ্ছে!
দাঁত পড়ে যাচ্ছে. হ্যা, আগেও দেখেছি.
আমিই বলছি, তার প্যান্ট নেই.
দেখো! সে স্কুলে প্যান্ট ছাড়াই এসেছে!
বলেছিলাম!
রেডি?
আনন্দ দিলে মনে হয়না সে উঠবে. কিন্ত আমরা যদি ভয়...
আমার পেছন পেছন আসবে. চলো.
ঘেউ! ঘেউ! ঘেউ!
ওটা কে?
কী ব্যাপার?
চলো পার্টি করি! ড্যান্স!
আচ্ছা, পার্টি.
ঘেউ, ঘেউ, ঘেউ!
জয়, কোন লাভ হচ্ছেনা.
স্যাডনেস, কী করছ তুমি? ফিরে আসো!
এটা স্বপ্ন, এটা স্বপ্ন. এটা স্বপ্ন.
তারা তাকে উঠাতে চাচ্ছে. সিকিউরিটি ডাকো!
রাইলি, দেখো আমি!
♪ - এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে? ♪ - বিং বং?
♪ - বিং বং! ♪ - স্যাডনেস, ফিরে আসো!
স্যাডনেস! তুমি সব ভেস্তে দিচ্ছ! সে ভয় পাচ্ছে!
কিন্ত এতে কাজ হচ্ছে!
তারা স্বপ্নের অংশ নয়. ধরুন!
ক্যামেরা ঘুরাও, ঘুরাও!
আজেবাজে গল্প!
আমাকে আটকাবেনা! আমার হেডকোয়ার্টারে লিংক আছে!
না, না. না, না!
কোর মেমোরিগুলো!
চলো.
- এটা কোন জায়গা? - অবচেতন মন.
যারা ঝামেলা বাধায় তাদেরকে এখানে বন্দী করে রাখে.
আমার হ্যাট ঢিলা লাগছে.
ভেতরে কীভাবে যাব?
- দেখি. - তোমারটা কি তোমার হ্যাট নাকি আমার?
- এটা আমার হ্যাট. - নিশ্চিত? কী লেখা আছে দেখো তো.
- লেখা আছে, "আমার হ্যাট." - কী, লেখা আছে "আমার হ্যাট"?
- "আমার হ্যাট" লেখা. - আমি আমার হ্যাটে এটাই লিখেছিলাম.
- কী বলছ তুমি? - তোমারটা আমার হ্যাট.
কিন্ত, হাতের লেখা আমার.
- এইযে, তোমরা! - ধরে ফেলেছেন!
যাও ভেতরে! পালাতে পারবেনা!
আমার ভাল লাগছেনা. এখানে রাইলির ভয়ানক ভয়গুলো আছে.
ফুলকপি.
বেসমেন্টের সিঁড়ি!
দাদীমার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার!
আচ্ছা, চলো.
- আওয়াজ না করে হাঁটতে পারবে? - চেষ্টা করছি.
তুমি...
ক্যান্ডির প্যাকেট?
- বিং বং! - জয়?
- তোমাকে পেয়েছি. - শ্শ্শ্!
এটা জ্যাঙ্গেল.
কোর মেমোরিগুলো আছে?
translated by Symon Alex
হ্যা. সে শুধু ক্যান্ডিগুলোই খেয়েছে!
চলো! রেলগাড়ির দিকে যাই!
দাঁড়াও! রেলগাড়ি চলবেনা. রাইলিকে ঘুম থেকে উঠাতে হবে.
কিন্ত কীভাবে?
ওহ্, না!
স্যাডনেস. তুমি কি পা- পার্টির কথা শুনেছ?
হ্যা, জয়. বার্থডে পার্টি, তাই না?
বার্থডে পার্টি?
সেখানে আছে কেক, গিফট.
আর গেম, বেলুন...
বার্থডে?
আমাদের পেছনে আসো!
ভয় পেয়ে উঠে যাবে, তাই না?
- কিন্ত এটা আমার হাতের লেখা. - না. ওটা আমার... আমি লিখেছিলাম.
না, এটা আমার লেখা.
আজকে কার বার্থডে?
চলো এবার!
আমরা পেরেছি!
আমরা হেডকোয়ার্টারে ফিরে যাচ্ছি!
ইয়েয়ে!
- কী হয়েছে? - আবার মরেছে!
স্কুলে ছিলাম, প্যান্ট ছিলনা, তারপর কুকুর,
অর্ধেক হয়ে ছোটাছুটি করছিল, তারপর বিং বং আসল!
গর্ধব! ওটা স্বপ্ন ছিল! যত্তসব!
এখন আর রাতে ঘুমাতেও পারিনা. কাজে নামার সময় হয়েছে.
গর্ধব বাবা-মা. এখানে না আসলে এসব কিছুই হতোনা.
কে আছে আমার সাথে?
না, না, না, না, না.
হ্যা, চলো করি.
সে গ্রহণ করেছে. এবার পেছনে ফেরা যাবেনা.
তাহলে এখান থেকে মিনেসোটা কীভাবে যাব?
চিড়িয়াখানা থেকে একটা হাতি ভাড়া করছিনা কেন?
ভালই হবে.
আমরা বাসে যাব, বোকারাম!
আগামীকাল বাস আছে. ঠিক আছে!
টিকেট কিনতে টাকা লাগে. টাকা কোত্থেকে পাব?
- মা'র ব্যাগ. - কক্ষনো না.
অবশ্যই. শেষ কোথায় দেখেছিলাম?
নিচে আছে কোথাও. মা-বাবাই আমাদের এই ঝামেলায় ফেলেছে.
তারাই এবার উদ্ধার করবে.
কেমন লাগছে, ভাল, তাই না? এখান থেকে সবকিছু দেখা যায়.
দেখো, ওটা প্রস্তাবনামূলক যুক্তি. ওটা দেজা ভু.
ওটা ভাষা প্রক্রিয়াকরণ. ওটা দেজা ভু.
ওটা সমালোচনামূলক চিন্তাধারা. ওটা দেজা ভু.
এদিকে দেখো! স্মৃতি!
শোন, তোমার বুদ্ধিটা ভাল ছিল. রাইলিকে ভয় পাইয়ে উঠিয়ে দেওয়া.
তুমি আসলে খারাপ নও.
সত্যি?
ভাল করেছ.
রাইলিকে ফিরিয়ে আনার তর সইছেনা. ফিরে গিয়েই সবকিছু ঠিক করে ফেলব.
এটা কি রাইলি?
সে অনেক বড় হয়ে গিয়েছে. আমার রকেটে জায়গা হবেনা.
আমরা চাঁদে কীভাবে যাব?
ঐ জায়গাটার কথা মনে আছে? হকি টিম চলে আসল, মা-বাবা তালি দিচ্ছিল.
দেখো, সে কত আনন্দ করছে.
আমার খুব পছন্দের.
আমারও পছন্দের.
এইতো! তুমি শিখে যাচ্ছ!
সেদিন প্রেইরি ডগ্স খেলায় হেরেছিল. রাইলি গোল করতে পারেনি, সে খেলা ছাড়তে চেয়েছিল.
দুঃখিত. আমি আবার বিষণ্ণ হয়ে পড়েছি, তাই না?
ব্যাপার না, আমরা ফিরে গিয়ে আবার চেষ্টা করবো. ঠিক আছে
আচ্ছা.
আমার বুঝে আসছেনা.
আমাদের ভ্যান টেক্সাসে যাবে কেন?
একাধিক কাস্টমার?
5 তারিখে ডেলিভারির কথা ছিল.
কোনভাবে কি দ্রুত করা যায়?
অনেস্টি আইল্যান্ড?
দেখো!
আমরা ফিরে যাচ্ছিলাম.
আরেকটা আইল্যান্ড ভেঙ্গেছে? কী হচ্ছে এসব?
তোমরা শোননি? রাইলি পালিয়ে যাচ্ছে.
কী?
দাঁড়াও, দাঁড়াও, একটু ভেবে দেখো.
সত্যিই কি এটা করবে? ব্যাপারটা সিরিয়াস.
শোন, আমাদের কাছে কোর মেমোরি নেই.
রাইলিকে হাসিখুশি দেখতে চাও? তাহলে মিনেসোটা ফিরে গিয়ে আবার স্মৃতি বানাও.
জয়, দ্রুত করলে আমরা তাকে থামাতে পারব.
ফ্যামিলি আইল্যান্ড. চলো!
জয়! জয়! এটা বিপদজনক!
আমরা সময়মত যেতে পারবোনা.
কিন্ত এটা ছাড়া অন্যকোন উপায় নেই!
রিকল টিউব!
আমরা স্মরণে যেতে পারব!
সাবধানে থেকো, সোনামণি.
স্কুলের পর দেখা হচ্ছে, বাঁদর কুমারী.
ভালোবাসি তোমাকে!
আসো! দৌড়াও!
স্যাডনেস, স্যাডনেস, থামো!
তুমি নষ্ট করে দিচ্ছ!
না, না, না! আমি আবার ভুল করেছি!
তুমি এখানে আসলে কোর মেমোরিগুলো বিষণ্ণ হয়ে যাবে.
আমি দুঃখিত. রাইলি শুধু হাসিখুশিই থাকবে.
জয়?
জয়!
জয়!
জয়?
জয়!
জয়, কী করছ তুমি? থামবে এবার?
বুঝতে পারছনা তুমি? আমরা আটকা পড়ে গেছি.
আমাদের ভুলে যাওয়া হয়েছে.
আমরা একসাথে খেলাধুলা করতাম.
এখন আর আগের মত নেই.
সবকিছু পাল্টে গেছে.
মনে আছে যখন সে রঙ করার সময় জিহ্বা বের করে রাখত?
আমি সারাদিন বসে তার গল্প শুনতাম.
আমি শুধু চেয়েছিলাম রাইলি হাসিখুশি থাকুক.
আর এখন...
সেদিন প্রেইরি ডগ্স খেলায় হেরেছিল.
রাইলি গোল করতে পারেনি.
সে খেলা ছাড়তে চেয়েছিল.
বিষণ্ণতা.
মা আর বাবা... টিম...
তারা সাহায্য করতে এসেছিল বিষণ্ণতা কাটানোর জন্য.
আমাদের উপরে যেতে হবে.
জয়, আমরা এখানে আটকে পড়েছি.
অনেকটা ভিন্ন গ্রহে থাকার মত.
ভিন্ন গ্রহ.
এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে?
এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে?
এই রকেটে কে চড়বে?
কে সারাদিন গান গাইবে?
এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে? বিং বং, বিং বং!
এই রকেটে কে চড়বে?
উঠে পড়ো.
এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে? বিং বং, বিং বং!
এই রকেটে কে চড়বে? বিং বং, বিং বং!
কে সারাদিন গান গাইবে?
বিং বং, বিং বং!
এই রকেটে কে চড়বে? বিং বং, বিং বং!
কে সারাদিন গান গাইবে?
আবার!
এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে? বিং বং, বিং বং!
এই রকেটে কে চড়বে? বিং বং, বিং বং!
কে সারাদিন গান গাইবে?
এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে?
চলো, জয়. আর একবার.
এইবার হয়ে যাবে মনে হচ্ছে.
বিং বং, বিং বং! এই রকেটে কে চড়বে?
বিং বং, বিং বং!
কে সারাদিন গান গাইবে?
এই বন্ধুর সাথে কে খেলবে? বিং বং, বিং বং!
জোরে! জয়, জোরে গাও!
কে সারাদিন গান গাইবে?
বিং বং, বিং বং!
আমরা পারব!
বিং বং! আমরা পেরেছি!
আমরা... বিং বং? বিং বং!
তুমি পেরেছ!
যাও! রাইলিকে রক্ষা করো!
তাকে চাঁদে নিয়ে যেও. ঠিক আছে?
চেষ্টা করবো, বিং বং.
কথা দিলাম.
এসে পড়েছি!
রাইলি? রাইলি!
আমি ফোন দিচ্ছি.
কী ভয়াবহ! দাঁড়াও, কে যেন সামনে আসছে? রাস্তা পার হও.
মা. সে জেনে গিয়েছে!
- এখন কী? - আমার ব্যাগ কোথায়?
রাইলির কোর মেমোরি প্রয়োজন.
আমরা এগিয়ে যাব.
স্যাডনেস!
স্যাডনেস! স্যাডনেস?
স্যাডনেস. কোথায় তুমি?
আচ্ছা. আমি স্যাডনেস হলে কোথায় যেতা
আমার কিচ্ছু ভাল লাগছেনা, আমি হাঁটতে পারবোনা,
আমাকে টেনে নিয়ে যাও, আর...
ওহ্, না! আবার মা ফোন করেছে! এবার?
- কী পাগলামো! আমাদের আসা উচিত হয়নি! - চলো আইডিয়াটা সরিয়ে নেই.
স্যাডনেস?
- স্যাডনেস! - জয়?
দাঁড়াও! স্যাডনেস!
আমাকে ভুলে যাও! রাইলি আমাকে ছাড়াই ভাল থাকবে!
ফিরে আসো!
তাহলে আপনি বলছেন আপনার স্বামীকে একটা হাতি ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে.
সাথে অন্যকেউ ছিল?
হ্যা! এইতো সে!
এইযে! ফিরে আসো!
বাদ দাও, জেক. এটা ক্লাউড টাউন.
কী? স্যাডনেস!
আমি সবকিছু নষ্ট করে দেই!
দাঁড়াও! স্যাডনেস! তোমাকে নিয়ে...
- বের হচ্ছেনা! - ভাল.
- মানে কী বের হচ্চেনা? - এখন কী?
না, না, না, না! এসব কী?
- কীভাবে থামাব? - পেয়েছি!
তাকে ভয় দেখাও! তাহলে সে বাস থেকে নেমে যাবে!
- ব্রিলিয়ান্ট! - জানি সেটা! জলদি করো!
একটাও কাজ করছেনা! কেন এমন হচ্ছে?
- আমি দেখি. - তুমি নষ্ট করেছ!
না! আমি ওটা ধরিনি!!
আমি করছি! আমাকে দাও!
মানে, আমরা রাইলিকে কোনকিছু অনুভব করাতে পারবোনা.
এটা আমরা কী করলাম?
এইযে দেখো! আগে যেটা বলেছিলে সেটা কি সত্যি
রাইলির জন্য প্রাণ দিয়ে দিব! রাইলির জন্য প্রাণ দিয়ে দিব!
ভাল, হেয়ারকাট. এবার প্রমাণ করে দেখাও.
রাইলির জন্য প্রাণ দিয়ে দিব! রাইলির জন্য প্রাণ দিয়ে দিব!
রাইলির জন্য প্রাণ দিয়ে দিব!
অনেক হয়েছে! আর না!
পাগলামো. এটা পাগলামো. না, না, না. জয়. পজিটিভ চিন্তা করো.
আমি পজিটিভ এটা পাগলামো!
- এখন! - রাইলির জন্য!
- জয়? - ধরে থাকো!
জয় যদি এখানে থাকত!
জয়!
সরে যাও!
- কাজ হয়েছে. - তুমি কী করতে, আতেল?
আমি বলতাম, কিন্ত সেটা বোঝার বুদ্ধি তোমার নেই.
কী?
তোমার এই খুদে মস্তিষ্ক খুবই বিভ্রান্ত. আমাকেই নিচে নেমে তোমাকে বোঝাতে হবে.
আমি গর্ধভদের ভাষা তেমন পারিনা, তবুও চেষ্টা করছি. ডাহ্!
শেষ পর্যন্ত তুমি ফিরে এসেছ!
- অবস্থা খুবই খারাপ! - আমরা এই আইডিয়া পেলাম.
আমরা আনন্দের স্মৃতি বানাতে চেয়েছিলাম.
জয়, জলদি ঠিক করো! যাও!
স্যাডনেস, এটা তোমার কাজ.
- আমি? - স্যাডনেস?
আমি পারবোনা, জয়.
হ্যা, পারবে. রাইলির তোমাকে প্রয়োজন.
আচ্ছা.
এক মিনিট! বাস থামান! আমি নামব!
ঠিক আছে, ধন্যবাদ. অবশ্যই.
রাইলি আজকে স্কুলেই যায়নি.
- কি? - সে কোন জামা পরেছিল?
রাইলি! তুমি এসেছ!
আমরা চিন্তায় মরছিলাম! কোথায় ছিলে তুমি? এত দেরি!
আমি জানি তোমরা চাওনা, কিন্ত...
আমার ঘরের স্মৃতি খুব মনে পড়ে.
মিনেসোটার স্মৃতি.
তোমরা চাও আমি হাসিখুশি থাকি, কিন্ত...
আমি আমার পুরনো বন্ধু আর হকি টিমকে চাই.
আমি ঘরে ফিরতে চাই.
তোমরা রাগ কোরনা.
- ওহ্, সোনামণি! - আমরা রাগ করিনি.
তবে জানো? আমারও মিনেসোটার স্মৃতি খুব মনে পড়ে.
জঙ্গলে আমাদের ভ্রমণের স্মৃতি.
পেছনের উঠানে আমরা খেলতাম.
লেক, যেখানে তুমি স্কেটিং শিখেছ.
আসো.
নতুন দৃশ্য আমার ভালই লাগছে.
ফ্রেন্ডশিপ আইল্যান্ড বড় হয়েছে.
পারিবারিক যুক্তিতর্ক সেকশনটা বেশ পছন্দের.
মর্মান্তিক ভ্যাম্পায়ার প্রেম আইল্যান্ড আমার পছন্দের.
ফ্যাশন আইল্যান্ড? কী চমৎকার.
বয় ব্যান্ড আইল্যান্ড? আশা করি এটা কথার কথা.
যাই বলোনা কেন, আমার কাছে সবগুলোই ভাল লাগছে.
ঠিক আছে, এই নিন.
আপনাদের নতুন সম্প্রসারিত কনসোল রেডি.
বাহ্! আপগ্রেড!
এক মিনিট. আমি কিছু করেছি?
আচ্ছা, কিন্ত... বয়ঃসন্ধি কী?
জানিনা. সম্ভবত কাজের জিনিষ না.
এখন পুরো খারাপ শব্দের অভিধান আছে!
এই নতুন কনসোল...
দুঃখিত, আবার করেছি. আর হবেনা.
তারা এসে পড়েছে.
ওখানে গিয়ে আগ্রাসী হবে!
- জানি, বাবা. - তবে বেশি নয়.
তোমাদেরকে সব গেমে আসতে হবেনা.
মজা করছ? আমি একটাও মিস দিচ্ছিনা! ফগহর্ন!
- রাইলি! - আচ্ছা, আমি যাচ্ছি!
- তারা আমাদের ভালোবাসে. - হ্যা, মা-বাবা অনেক ভাল.
আমি জানি সেটা. কিন্ত সেটা দেখানো যাবেনা.
সে মুখে রঙ করাটা পছন্দ করেছে!
বলেছিলাম এটা ভাল হবে!
- অনেকদিন পর ভাল কিছু করেছে. - সে সত্যিই ভাল.
যদি কিছু হয়.
দুঃখিত.
মেয়ে! মেয়ে! মেয়ে!
আচ্ছা, বিদায়.
- রেডি? - হ্যা
- অ্যাঙ্গার, তোমার কাজ! - সরে যা না হলে তুই শেষ!
বাঁয়ে, বাঁয়ে!
এবার যেন বেশ নোংরা না হয়ে যাই.
মা-বাবা আমাদের হারতে দেখছে.
বেশিক্ষণের জন্য নয়!
সম্প্রতি অনেককিছুই ঘটেছে. কিন্ত তবুও আমরা রাইলিকে ভীষণ ভালোবাসি.
তার নতুন অনেক ভাল বন্ধু আছে, সুন্দর ঘর আছে.
এর থেকে ভাল আর কী চাই?
তাছাড়া রাইলির বয়স এখন 12. কী এমন আর হবে?
কে বলতে পারবে সান ফ্রান্সিস্কো কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
কেউ আছ? জর্ডান?
আর কয় দিন বাকি?
5 মাস 2 সপ্তাহ এবং 4 দিন বাকি গরমের ছুটির.
তারপর আমরা যাব বাহামা, তার সঙ্গে!
চলো আমরা একসঙ্গে উড়ি, ময়না পাখি.
ভাল থাকবেন.
আমরা এমন হয়ে আছি কেন?
জানিনা. ট্রয় যে কারণে হয়ে আছে.
- ট্রয় কেন এমন হয়ে আছে? - জানিনা.
হ্যা, সেটাই.
আমরা হলাম ভণ্ড! সে আমাদের দেখে ফেলছেনা তো?
কীভাবে সম্ভব! আইশ্যাডো লাগিয়েছি!
অস্থির হয়ে থাকাটা অনেক ক্লান্তিকর.
কার জন্মদিন? হ্যালো?
6 বছরের ড্রামা স্কুল, এই ছাতুর জন্য?
শোন, সব ঠিক আছে. কোন ব্যাপার না.
আমাদেরকে আনন্দের স্মৃতি মনে করতে হবে.
খাবারের গন্ধ পেয়েছি.
লোকটার কাছে খাবার আছে.
চলো যাই.
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.