Afrikaans
Akan
Albanian
Arabic
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক কুমার
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক কুমার নাথ
এটি আমার করা ৫ম একক বাংলা সাবটাইটেল। চেষ্টা করেছি আপনাদের একটি সুন্দর ও সাবলীল সাব উপহার দিতে।
অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটিগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি। সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে ভালো রেটিং ও ফিডব্যাক জানাতে ভুলবেন না।
তাড়াতাড়ি কর।
আমাদের অনেকটুকু রাস্তা যেতে হবে।
এক কলসি পানির জন্য রাজ্যের সংগ্রাম করতে হয়।
সাবধানে।
চল যাই।
এই পানির জন্য আমাদের অনেকদূর হেঁটে আসতে হয়।
আমরা তো এটা বছরের পর বছর করছি।
কিছুই পাল্টায়নি।
অপূর্ব!
অসাধারণ!
উত্তেজনাপূর্ন!
এক মনোরম দৃশ্য, তাই না?
আমি অবশ্যই আমার গ্রামকে বুঝিয়েছি। তোমরা কি মনে করেছ?
টি. কাল্লুপাট্টি, বিরুদানগর জেলা।
ওই যে স্কুল ড্রেসে একটা মেয়ে আসছে।
মেয়েদের জন্য বিশেষ করে শিক্ষার প্রয়োজন বেশি।
তার নিজের প্রতিশ্রুতিটা একবার ভাবো। প্রতিদিন মাইলের পর মাইল হেঁটে আসে।
সে একদিন বড় নেত্রী হবে। আমাদের নিজেদের ইন্দিরা গান্ধী।
গ্রামের গর্ব...
তাহলে এর জন্যই ওর এত তাড়া!
এত দেরি হলো কেন?
তোমার জন্য এসব আনতেই দেরী হয়ে গেল।
- এগুলো কি? - খুলে দেখ!
ওরে! নাড়ু!
ক্ষমা করো আমাকে, ইন্দিরা গান্ধী!
আজ বেশ গরম পড়েছে।
এই! দৌঁড়ায় না। পড়ে গেলে ব্যাথা পাবে।
আস্তে যা!
এতে তো বেশি নেই।
এটাই যথেষ্ট হবে।
আর ওরা এখানে কি করছে?
গুঁটি খেলা খেলছে? দিনে দুপুরে খেলাধুলা করছে।
আহাম্মক! হুমম...
জায়গা নষ্ট করে অলসের মতো বসে আছে।
মহিলাদের কাছ থেকে তো অন্তর দুয়েকটা কাজ বসে বসে শিখতে পারে।
অলসের হাড্ডি।
দিনের বেলা পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছে।
ভাল করে কাঁট।
একটু ভিড় দেখা যাচ্ছে এখানে।
ওমা, এখানে কি হচ্ছে...!
দাঁড়াও! আমি এই গন্ধটা চিনি।
ওরে, ভগবান!
এটা তো মাটন বিরিয়ানি।
গন্ধটা তো ভালোই ছড়িয়েছে। আমার মেয়ে সেলভিই নিশ্চয় বানাচ্ছে।
সে একদম তার মায়ের মতো হয়েছে।
এটা তার চেয়েও ভালো।
বুড়ি যদি জানতে পারে, তাহলে আমাকে মেরেই ফেলবে।
আহ, সুগন্ধটা!
মরা মানুষকেও জিন্দা করে দিবে।
এক টুকরা সুস্বাদু মাংসের একটা কামড় মুখে নিয়ে,
এর হাড্ডি থেকে মজ্জাটা যদি খেতে পারতাম তাহলে তো আর কথাই ছিল না!
দাঁড়াও! আমি অপ্রাসঙ্গিক কথা বলেই যাচ্ছি।
ওই মানুষটা বিছানায় শুয়ে আছে, দেখতে বেশ স্বাস্থ্যবান না?
তার চেহারা সৌন্দর্য দেখ। আশেপাশেও কেউ নেই এরকম।
পরিবারের চতুর্থ সন্তান হিসেবে জন্ম নিয়েছিল,
পন্নুথায়িরের স্বামী, ৩ ছেলে ও ২ মেয়ের জনক।
এটা কে চিনতে পেরেছ?
আমি জানি তুমি বুদ্ধিমান।
হ্যাঁ, এটাই আমি।
জানতাম না তো সেভানাথা যে বিঁড়ি খায়।
- কি করছো তুমি? - বেঁচে আছে কিনা দেখছি।
দেখতে পারছো না উনি শ্বাস নিচ্ছে। উনি ভালো আছেন।
উনি গত ৩ মাস ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী।
ভগবান কি নিষ্ঠুর দেখ।
সে শুনতে পাবে তো।
খারাপ না, বেশ বুদ্ধিমতি।
আমি এসব আর করতে পারছি না।
আমি এমনিতেও অনেক দায়িত্ব নিয়ে ফেলেছি এরই মধ্যে।
তুমি যেভাবে বলছো মনে হয় যেন, তুমি একাই তার যত্ন করছো।
গত ৩ মাস ধরে তো আমাদের জীবনটা শেষ হয়ে গেল এসবে।
আমাদের বাচ্চাগুলোর দেখাশুনাও তো ঠিকমতো করতে পারছি না।
তোমার কি মনে হয় আমি এরকম পরিবারে বিয়ে করেছি সারাদিন তাঁর সেবা ও পরিচ্ছতার কাজ করার জন্য?
চিত্রা, বয়স্ক মানুষটাকে একটু সম্মান দিয়ে কথা বলো।
এই, থামো তুমি। তোমরা পুরুষরা তো গোঁফ পাকিয়ে কাজে চলে যাও।
আমরাই বাড়িতে বসে বসে সারাদিন এসব সহ্য করে যাই।
তিনি আমার বাবা। কিন্তু বৌদির কথাও ভুল না।
অবশ্যই, তোমরা মহিলারাই সব কাজ করো আর আমরা কিছুই করি না। খুশি?
এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিবো। তোমরা নাক গলাতে আসবা না।
এখন তোরা সবাই বড় হয়েছিস। এখন আমি কথা বলতে পারবো না...
... প্রত্যেকবার তোর পট্টি পাল্টাতেই আমাকে লাগত।
সবাই একটু থামবে এখন?
দাদা, যা হচ্ছে হতে দাও।
কি হবে?
তোমরা সবাই এত নির্দয় হতে পারো কিভাবে?
এই বয়সে একটা মানুষের সঙ্গী থাকে কিন্তু,
মায়ের মৃত্যুর পর বাবা আর বিয়েই করেনি।
আমাদের যত্ন নিতে নিতে তিনি তার সারাজীবন পার করলো।
আর তার পরিবর্তে আমরা সবকিছু এভাবে শেষ করে দিতে চাইছি।
এটাই একজন বাবার করা উচিত সবসময়।
- বল তোমার বোনকে! - আসলে...
কথা বলো না। তোমার বউয়ের শেখানো বুলি গাইতে এসো না।
সেলভি, বাবা হিসেবে যথেষ্ট ভালো। কিন্তু তার সাথে সব পাল্টে যায় না।
ডাক্তারও আশা ছেড়ে দিয়েছে।
তিনি এখন ঠিকমতো হাঁটতেও পারছেন না।
দাদা, এসব কিন্তু ঠিক না।
ঠিক আছে। আমি তাঁকে আমার বাড়িতে নিয়ে যাব।
এটা শুধু টাকার প্রশ্নই না।
তাঁর চিকিৎসার জন্য আমি আমার সমস্ত গহনা বন্ধক রেখেছি।
মানগাম্মা তার বাড়ি বন্ধক রেখেছে। তার দিক থেকে কোনো অভিযোগ শুনেছ?
তিনি তাঁর জীবন পার করে দিয়েছেন। আমাদের জীবনটা এখনো বাকি।
সামনে আমার মেয়ের বিয়ে, আমি উনার মৃত্যুর ঝুঁকিটা নিতে পারবো না তখন।
সেলভি, উনাকে তো আমরা দয়া দেখিয়ে এভাবে বাঁচিয়ে রাখতে পারবো না।
দয়া? তাই না?
এমনকি এবারও যদি তিনি কোমা থেকে উঠে আসেন, তবুও কে জানে যে আবার তিনি ওই অবস্থায় পড়বেন না!
আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চটা তো করছি আমরা।
আমরাই তো প্রথম বা শেষবার না। গত মাসেও তো তারা দাদুর কাজটা করলো।
দাদা, চলো করে ফেলি। সব কথা শেষ করো।
ঠিক আছে, করে ফেলি।
লক্ষ্মী, তেল বেশি করে আছে কিনা দেখ।
- গাণেশা, আমাদের ১০টা কচি ডাব লাগবে। - হয়ে যাবে।
রাজা, বাড়ির কাগজপত্র যোগাড় করো। উনার আঙ্গুলের ছাপ লাগবে আমাদের।
মা, দাদু চলে গেছেন।
তিনি মরেননি।
মাত্রই চলে গেলেন।
কেডি
কেডি (এ)
কেডি (এ) কারুপ্পুদুুরাই
এটা তো বেশ সাধারণ ব্যাপার।
যখন আপনি সারা শরীরে সরিষার তেল মালিশ করবেন....
...পুরো শরীর আস্তে আস্তে সম্পূর্ণভাবে নিস্তেজ হয়ে যাবে।
তারপর তারা ১০টা কচি ডাবের পানি উনাকে খাওয়াবে।
প্রায় ১০ বা ১২টার মতো।
কিছুক্ষণের মধ্যে, ওই ব্যক্তি মারা যায়।
প্রথমে কিডনি বন্ধ হয়ে যায়...
...আর তারপর একে একে সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশ হতে থাকে।
এই বয়সে প্রতিরোধ ক্ষমতা শরীরে কম থাকে।
এটাও এক ধরনের উৎসব।
আমরা তাদের মৃত্যুটার উৎসব করি না, তারা যেই জীবনটা পেয়েছিল সেটার জন্য করি।
এতে ভুল কি আছে?
আমি যখন ছোট ছিলাম তখন এটা খুব সাধারণ ব্যাপার ছিল।
কেউ কখনো এটার বিরুদ্ধে প্রশ্ন করেনি।
এখন, এটার বিরুদ্ধে আইন হয়েছে।
আপনি জানেন মৃত্যুর চেয়েও খারাপ কি জিনিস আছে? এই জীবনে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা।
এটা বলুন আপনি যখন অসুস্থ হয়ে বিছানায় শয্যাশায়ী হবেন,
আপনিই তখন নিজের বা পরিবারের জন্য,
একটা বড় বোঝা হয়ে যাবেন।
এটাই কি জীবনে বেঁচে থাকার সার্থকতা?
বাবু, আপনি ঠিক আছেন?
আমি পানি আনছি।
আপনি কোথায় যাচ্ছেন? আমি নামিয়ে দিবো।
- মামা, বাবা এদিকে এসেছিল? - না।
চলো আগাও।
কোথায় যাবেন?
- বাসটা কোথায় যাচ্ছে? - আমার সাথেও আপনি মজা করছেন?
সেনগোট্টায়... আপনি কোথায় যাবেন?
- তাহলে সেনগোট্টায়ের জন্য একটা টিকেট দাও। - ১১০ টাকা।
- বাবা, এদিকে এসেছিল? - না।
কি হয়েছে?
বাসের ব্রেকডাউন হয়েছে। সবাই দয়া করে নেমে আসুন।
বাস থেকে নেমে আসুন সবাই।
দয়া করে একপাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করুন।
আমাদের পরের বাস পিছনেই আছে। একটু শান্ত হয়ে থাকুন সবাই।
এটা ১০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবে।
বাবু?
আপনি যদি সামনে না আসেন তাহলে তো আমরা দিতে পারবো না।
তো তোমরা বিজ্ঞাপন দাওনি কেন?
সেটা তো আরো খরচ বেশি।
আর কেইবা ওটা লক্ষ্য করতো?
কোমা থেকে অল্প সুস্থ হয়ে উঠা এক বৃদ্ধ পালিয়ে গেল। অভিনন্দন!
তুমি আমাদের দোষ দিচ্ছ? তোমারা বৃদ্ধরাই আসল দোষী এসবে।
তুমি নিশ্চিত যে উনি এদিকে আসেন নি?
- ১০০ বার বলবো, আসেনি। - কেমন আছেন?
- সব ভালো চলছে? - হ্যাঁ!
- রাতে খেয়ে যাবেন। - পরেরবার অবশ্যই।
ঠিক আছে তবে। উনাকে দেখতে পেলে আমাকে জানাইয়ো।
অবশ্যই। আমি খবর দিবো।
রাজা! আমরা ছোট থেকেই ওকে ভালোমতো চিনি।
সে কষ্ট সহ্য করতে পারে না। এমন কিছু করিস না যাতে তার কষ্ট হয়।
আমরা তাহলে এখন যাচ্ছি।
এই নে।
আমার কাছে এটাই আছে। নিজের জন্য কিছু কিনে নিস।
বুড়ো বয়সে ভীমরতি হয়েছে?
আমি কি জন্য ওটা নিতে যাবো?
আমি তোমাকে টাকার কথা বলেছি?
কি দেখছো ওভাবে? তুমি জানো ওটা কার জায়গা?
ভগবানেরই হবে।
এটা আমার জায়গা।
এই জায়গাতেই কোনো মশা নেই।
আর সেজন্যই আমি জায়গা বেছে নিয়েছি। এখানে শুয়ে স্বপ্ন দেখতে এসো না।
আর তুমিও দেখি বেশ স্মার্ট হতে চাইছো।
আমার কথা নাহয় বাদ দিলাম,
কিন্তু ভগবানের কানের পাশে এভাবে নাকের বাঁশি বাজানোর কি দরকার!
এমনকি ভগবানও এটা শুনে দৌঁড়ে পালাবে।
আমি কি মজা করছি নাকি এটা? এখান থেকে চলে যাও।
স্যার, তুই আমাকে একবারও জিজ্ঞেস করবি না আমি কি জন্য এসেছি?
আপনি নিজে কেন আমাকে বলেননি, স্যার?
স্যার, কি প্রমাণ আছে যে এই জায়গাটা তোর?
স্যারের নাম কুট্টি!
তুমি এখন এই জায়গা থেকে বহিষ্কৃত।
নিজেকে কি স্মার্ট ভাবো? পারলে এটার উত্তর বলো...
যখন আমাকে কিনো তখন আমি কালো, যখন ব্যবহার করো তখন আমি লাল,
...যখন আমাকে ফেলে দাও তখন আমি ধূসর। আমি কে বলো তো?
পারছো না তো!
এই বয়সেও কিছু শেখার চেষ্টা করো।
বড় কারো সাথে লাগতে এসো না।
আমি কিছুক্ষণের মধ্যে আবার আসবো। এসে যেন তোমাকে না দেখি।
কি দেখছো অমন করে?
সারারাত এখানে শুয়ে স্বপ্ন দেখেছো না?
এটা তার জরিমানা!
আজকের হেডলাইনগুলো কি?
বলছে যে তুই সবাইকে গরম পানিকে চা বলে চালিয়ে দিস।
তুই আসলেই একটা কুত্তা!
একটা কালো কফি দিও।
কিভাবে তোরা এতক্ষণ গালের মধ্যে আটা ময়দা নিয়ে বসে আছিস?
আমরা তো নাটকের মাঝখানেই ছিলাম, হঠাৎ করে কে একজন গুলি খেল।
খুন হয়েছে?
একটু চিনি দাও তো।
মশাই, সে মাত্রই বললো কে একজন গুলি খাইলো আর আপনি কিনা চিনি চাইতেসেন?
কে কাকে মারলো? কোনো গ্যাং এর কাজ?
দাদা!
এই যে, পুরোটাই নেন।
সেটা না। বিরিয়ানি হবে তোমার দোকানে?
বিরিয়ানি?
মাটন বিরিয়ানি!
আপনাকে কে এই সকাল ৭ টা বাজে বিরিয়ানি দিবে?
দুপুরে আসিয়েন।
বল বাকিটা...
এক প্লেট বিরিয়ানি কত?
১০০ টাকা।
কে গুলি খেয়েছে?
বিরিয়ানি কখন রেডি হবে?
বাবু, বিরিয়ানি তো দুপুরে দেয়া হয়। আপনি ইডলি বা ডোসা খাবেন?
না, আমি তাহলে বিরিয়ানির জন্য আসবো।
বাবু, আপনি কষ্ট করবেন না।
নিজের আয়ের একটু ব্যবস্থা করছি।
কুট্টি, দেখ কিভাবে বাসন পরিষ্কার করতে হয়!
তুই উনার থেকে কিছু তো শিখে নিতে পারিস।
এটা খুব সহজ। শুধু লেবু আর তেঁতুলের রস দিয়ে মাজবেন।
এই এসব কি! যা, গিয়ে বাসনগুলো স্টোররুমে রেখে আয়।
তুমি স্যারকে কেন সেটাও করতে বলছো না?
এই! বয়স্ক মানুষদের সম্মান দে।
ভিতরে নিয়ে যা ওটা।
এসব গায়ে নিয়েন না।
সে অল্পতেই রেগে যায় কিন্তু ছেলে ভালো।
তাকে ছোট থাকতে মন্দিরের ভাগাড়ের পাশে পাওয়া গিয়েছিল।
তারপর থেকে সে এখানে।
আমি যা পারি তা ওকে শিখাই। কিন্তু সে যথেষ্ট বুদ্ধিমান।
আমার ইচ্ছা তাকে ভালো একটা স্কুলে পড়ানো, কিন্তু পারলাম না নিজে সেটা করতে।
যা তার কপালে আছে, তাই হবে।
ঈশ্বর!
এখন আবার কি?
আসলে আপনি কে বলুন তো?
আপনাকে তো এদিকে কোনোদিন দেখিনি। কোথা থেকে এসেছেন?
পাশের গ্রাম।
কোন গ্রাম?
বিরিয়ানি বানানো হয়েছে?
রামার, তুই কি বিরিয়ানিতে মুরগী দেয়ার কথাও জিজ্ঞেস করবি নাকি?
কিন্তু আমি তো মাটন বিরিয়ানির কথা বললাম।
আরে! ঝোপ বুঝে কোপ মেরো না। আপনি কে সেটা বলেন আগে।
তেমন কিছুই বলার নেই।
আমি সাধারণ একটা যাযাবর, যাচ্ছিলাম এদিক দিয়ে।
তো কোথায় যাচ্ছেন? বলেন...
জানি না।
দাদা, ৩ টা চা।
বিরিয়ানি ছাড়া আর কিছুই জানে না সে।
আমি তো জানতাম না তুমি ফ্রী তে খাবার দাও।
কি বলছিস এসব?
মানুষকে খাবার দেয়ার আগে চেক করো না, তারা টাকা দিতে পারবে কিনা?
যেটা ভাবছিলাম সেটাই। যা টাকা আছে সেটাও পুরোটা ছেঁড়া।
আমার মনে হয় তার কাছে অন্য টাকা আছে।
এই নাও। ২০ টাকা।
চায়ের জন্য।
এই নিন। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুক।
শুনো...
বাবু, আপনি মাংস খেয়ে এসে মন্দিরে ঢুকতে পারবেন না।
যদি মাংস খান, তাহলে আপনাকে ওপাশে থাকতে হবে।
আশা করি বুঝেছেন।
২০ তারিখের আগে অনুষ্ঠান শেষ করে ফেলতে হবে।
একটা বিয়ের আগে আগে এসব করা বেশ খারাপ ব্যাপার।
আমাদের হাতে আর মাত্র ১৭ দিন আছে।
- উনাকে খুঁজে পেলে? - না, খুঁজছি এখনো।
ইয়েসন নামের এক লোক আছে ওদিকে। নিজে তদন্ত করে।
কেউ যদি তোমার বাবাকে খুঁজে পায়, তাহলে সে-ই পারবে।
ইয়েসন?
উনি কি কি পছন্দ আর অপছন্দ করত?
উনি...সদ্য জন্মানো বাছুর ভালোবাসত।
কি করছেন আপনি?
আল ভেঙে গিয়েছিল। ওটা ঠিক করে দিলাম।
ওহ আচ্ছা।
যদি কিছু মনে না করেন তাহলে বলি, পঞ্চকাভায়াম আপনার জমিতে পোকার উপদ্রব কমাবে।
বাবা নিজেই জমির জন্য জৈব কীটনাশক বানাতেন। পঞ্চকাভায়াম!
৭ কেজি গরুর গোবরের সাথে ৩ কেজি ঘি মেশাবেন।
৩ দিন ধরে রেখে সকালে আর বিকালে মন্থন করবেন।
১০ লিটার গরুর মূত্র...
৩ লিটার গরুর দুধ আর ২ লিটার দধি।
৩ কেজি গুঁড়, ৩ লিটার নারকেলের পানি আর ১২ টা কলা।
- ভালো করে মিশিয়ে ছিটিয়ে দিবেন। - এটাই পঞ্চকাভায়াম।
বেশ সহজ মনে হচ্ছে।
এটা একবার ব্যবহার করে দেখেন শস্য কেমন হয়।
- ধন্যবাদ। - না, ঠিক আছে।
আমি দিচ্ছি। আপনিই এটা উপার্জন করেছেন।
- ধন্যবাদ। - ভালো থাকবেন।
পাগলা... একটা মাটন বিরিয়ানি!
একটা চা দিয়েন।
একটা চা দিস।
- এটা কি বিরিয়ানি? - মাটন বিরিয়ানি!
চা বাদ। আমাকে একটা মাটন বিরিয়ানি দাও।
একটা মাটন বিরিয়ানি। একটা চিকেন বিরিয়ানি।
৩ টা মাটন বিরিয়ানি, পার্সেল।
২ টা বিরিয়ানি দিও।
আমাকে ৩ টা চিকেন বিরিয়ানি।
- ৫ টা মাটন বিরিয়ানি, পার্সেল। - আমার জন্য ৩ টা।
বিরিয়ানি। উনি এটা অনেক ভালোবাসেন।
উনি গুঁড় দিয়ে ভাতও ভালোবাসেন।
আর....
আমরা গরুকে মারলে উনি রেগে যান।
আমাদের স্কুল না যাওয়াটা উনি অপছন্দ করেন।
উনি টিভিতে সুপার সিঙ্গার দেখেন।
তিনি আন্টি লক্ষ্মীর ভাই বাংলাকে অপছন্দ করেন।
আর কি কি পছন্দ করেন তিনি?
এমজিআর কে ভালোবাসেন।
যাও, খেলা কর।
উঠতে পারছো না?
বিরিয়ানিতে আরেকটু লবণ হলে জমে যেত।
এটা বুঝার জন্য পুরো ১ প্লেট লাগলো?
রাতের বিরিয়ানিতে সাথে চিংড়ি দিবো।
অসাধারণ! আমি চলে আসব।
৪ টার পর আসবে না!
আসবে ৮ টার পর।
এটা বাবার তৈরি বিশেষ গিঁট। পুরো বাড়ি জুড়েই আছে।
আমার কলের জন্য অপেক্ষা করবেন।
আমরা হিন্দু ধর্মীয় ও দাতব্য সহায়ক বিভাগ থেকে এসেছি।
আপনি কি একটু মন্দির পরিচালককে ডাকতে পারবেন?
অবশ্যই।
শিষু, ডেকে আন।
- তিনি এক্ষুণি চলে আসবেন। - আমরা ততক্ষণে মন্দিরটা একবার ঘুরে দেখি।
- আমরা পারবো? - অবশ্যই।
এদিকে আসুন।
তথ্য অনুযায়ী, এর পুরোটাই নতুন করে রং করতে হবে।
আসলে... স্যার।
আপনারা যা টাকা দিয়েছেন তা দিয়ে আমরা মাত্র ৪৫০ লিটার রং কিনতে পারবো।
আমরা প্যান্ডেলের জন্য দুটো পর্দা কিনতে পেরেছিলাম।
প্রতিমার সাথে সাথে মন্দিরের ভিতরেও রং করা হয়েছিল।
অন্যান্য কিছু কিনতে যাওয়ার আগেই...
... সম্পূর্ণ টাকা শেষ হয়ে গিয়েছিল।
আমাদের আরেকটু ফান্ড বাড়িয়ে দিন, আমরা পুরোটা ভালোভাবে রং করি।
আমাদের আবেদনের কি হলো, স্যার?
এই ছেলেটি কে?
ও হলো কুট্টি। এই মন্দিরেই সে থাকে।
এখানকার সব কাজ সে করে থাকে।
আসুন এদিকে।
- কোন ক্লাসে পড় তুমি? - আমি স্কুলের চেয়েও বেশি স্মার্ট।
- একাউন্টে... - নমস্কার, স্যার। স্বাগতম।
- দুঃখিত। আমি যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি এসেছি। - নমস্কার।
উনি আমাদের মন্দিরের পরিচালক।
- আমি মানিক্কাভেল। এইচআরসিই জেলা প্রধান। - বলুন, স্যার।
আপনি মন্দিরের একাউন্টের যে তথ্য দিয়েছেন তার সাথে তো কোনো মিল পেলাম না।
কিছু একটা গড়বড় হচ্ছে মনে হয় এখানে।
সেরকম কিছু না, স্যার।
স্যার, সেরকম হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই মন্দিরের সবকিছু দেখাশোনা করেন।
আপনি একটা জিনিস জানেন?
উনি প্রণামীর বাক্সটা থেকে টাকা গোনার জন্য প্রতিদিন তা বাড়িতে নিয়ে যান।
তিনি এতটাই এসবে সতর্ক!
আর তার বউ পুরো পরীর মতো।
উনি তো মন্দিরের সমস্ত গহনা সবসময় পরে থাকেন।
উনাকে দেখতেই দেবীর মতো লাগে।
উনারা যতক্ষণ দায়িত্বে আছেন আপনাদের সন্দেহ করার প্রয়োজনই নেই।
আমি গ্যারান্টি দিলাম।
আচ্ছা। আমরা যেটার জন্য এসেছিলাম তা হয়ে গেছে। আপনি অফিসে আসবেন।
ওখান থেকে একটা অফিসিয়াল তদন্ত শুরু হবে।
স্যার... আপনি যা ভাবছেন আসলে তা নয়।
দয়া করে আমার কথা শুনুন।
আমি ক্ষমা চাইছি।
দয়া করে আমার কথা শুনুন।
দয়া করে আমি কি বলছি শুনুন।
স্যার, আমরা আলাদা একটু কথা বলি।
আমিও ভাবছি শিষু কোথায় গেল।
শালা, তুই আমার সম্মানটা নষ্ট করে দিলি।
মেরো না আমাকে। মেরো না।
আপনি ওকে মারছেন কেন, স্যার?
এই সব তোমার দোষ। তার এখানে মুখ খোলার কোনো দরকার ছিল না।
আমি তাঁদের সত্যিটা বলেছি। এতে সমস্যা কোথায়?
কে তুই, হরিশ্চন্দ্রের ছেলে?
বেটা অনাথ...
আমাদের মন্দির নিয়ে কথা বলার অধিকার কি আমার নেই?
আমাদের মন্দির?
নিজেকে দেখ, মন্দিরের টাকায় চলছিস।
আমি তোর প্রতি দরদ দেখালাম। তোকে দয়া দেখিয়ে রাখলাম।
তুই আমাকে দয়া দেখিয়েছিস?
- কুট্টি! যাস না! - ভালো হয়েছে!
তুমি এখানে কি করছো?
নে, তোর জন্য আপেল এনেছি।
নদীর পাড়ে বসে আপেল খাওয়া চুল বাড়ার জন্য উপকারী।
আমার নিজের চুল ধরে বলছি!
তুমি জানো, আমিই তোমাকে মন্দির থেকে বের করেছি ওই পুরোহিতকে বলে।
ও ঠিক আছে।
আমি ওইদিন বিরিয়ানি খাইনি।
এসব কিভাবে খেতে পারো তুমি?
আমার অত লোভ নেই।
আমার জিহ্বা আর পাকস্থলী লোভী।
আর আমি যেহেতু তাদের সাথে বড় হয়েছি...
আমি তাদেরকে তাদের মত চলতে দিয়েছি!
আমাকে বলতেই হবে, তোর সাহস আছে বটে!
তুই ব্যাগ গুছিয়ে ওখান থেকে চলে এলি।
সে বলেছিল সে নাকি দয়া দেখিয়েছে।
সে আমাকে দয়া দেখানোর কে এখানে?
তোমার আবার কি হলো?
কিছু না।
তোর পরের বেলায় কি খাবি সেটার চিন্তা নেই?
আমি জানতাম কোনো বোকা বুড়ো আমার জন্য ঠিকই এক ব্যাগ আপেল নিয়ে চলে আসবে।
দেখ এটা! তোর তো কোনো কাজ নেই।
আমি কুট্টি!
তোর সুনাম তো সব জায়গায় দেখলাম।
তোমার নাম?
আমি কারুপ্পু দুরাই!
কারুপ্পু দুরাই? বেশ অদ্ভুত লাগছে।
এটা বেচ না, বেশ!
যাইহোক! অদ্ভুত একটা নাম।
আমার বাবা-মা দিয়েছিল। আমার কিছু বলার ছিল না।
কারুপ্পু দুরাই....
এখন থেকে, আমরা ডাকবো কেডি!
এটা কেমন?
- উনাকে আশেপাশে দেখেছেন? - না তো!
- হয়তো এদিক দিয়েই গিয়েছে! - জানি না।
উনাকে আশেপাশে দেখেছ?
অবশ্যই!
কোথায়?
আমি তো উনাকে কয়েকদিন আগেই এখানে পেয়েছিলাম। কেন?
- কোথায় গেলেন তিনি? - আমি উনাকে বাস স্টপে নামিয়ে দিয়েছিলাম।
আমি আমার ছেলেমেয়েদের জন্ম দিলাম, আর তারা আমাকে মারতে চাইছে। কি অদ্ভুত!
অন্ততঃ তোমাকে কেউ বাচ্চার ছুঁড়ে ফেলে দেয়নি।
বাচ্চাদের মতো ঘেঁ ঘেঁ করা বন্ধ করো!
তোমার জন্য কি আমি 'বেলা চাও' গাইবো?
আরে বুড়ো মানুষ হও।
আমি আর এসব নিতে পারছি না।
আমি হয়তো অসুস্থ ছিলাম।
কিন্তু আমি তো তাঁদের বাবাই ছিলাম।
তারা কিভাবে তাদের রক্তের সম্পর্কের সাথে এমন করতে চাইল?
হুমম, আমারও বড়, মোটা আর যৌথ পরিবার থেকে প্রশ্রয় নেয়া উচিত ছিল।
আমি কিভাবে তা জানবো?
আমি অবশ্যই স্বীকার করবো, আমি ভাবতাম পরিবার মজার।
এখন দেখছি সেরকম না।
অন্যদের কথা চিন্তা করা বাদ দাও। আমার মত বাকি জীবনটা আনন্দে কাটাও।
আমিই হলাম টিভি আর আমিই তার রিমোট।
আমি আমার জীবনে নিজের মতো চলি।
কেউ জানে না আগামীকাল কি হবে।
তুমি মারাও যেতে পারো।
আরে কথার কথা বললাম!
এসব ভেবে সময় নষ্ট করো না।
তুমি জানো শেক্সপিয়ার কি বলেছিলেন?
আশা সবসময় হতাশ করে। জীবন ক্ষুদ্র। জীবনকে ভালোবাসো। খুশি থাকো। হাসতে থাকো।
এটাই জীবন। অনুভব কর, বেঁচে থাক, ভালবাসো আর উপভোগ করো।
আমি তোমাকে এরকম কয়েকটা শিখিয়ে দিব।
কি দেখে আছো ওভাবে? আমি সব বিষয়ে জানি!
জুতো সেলাই থেকে চন্ডী পাঠ! সব এখানে জমা আছে।
কিরে! কি করছিস তুই?
সব জট পাকিয়ে ফেলেছিস।
এভাবে এটাকে বাঁধতে হয় ঠিকমত।
- দেখ হয়ে গেছে। - নমস্কার, বাবু...
আপনি এখানে কি করছেন?
মনে আছে, আমাদের চায়ের দোকানে দেখা হয়েছিল। আমার মুখে মেকাপ করা ছিল।
ও হ্যাঁ! আমি মেকাপ ছাড়া চেহারাটা চিনতে পারিনি। কেমন আছো?
আমি ভালো। আপনি এখানে কি করছেন?
যাযাবর মানুষ। আমরা তাঁবু করে নিজেদের ঘর বানিয়ে ফেললাম।
ওই মুরগীর খাঁচাটা কেন?
আমি তো ওসব করে পেট চালাই। যাত্রাপালা তো শখের বশে করি।
আমি প্রায়ই এই রাস্তাটা দিয়ে যাই। যাওয়ার সময় আবার দেখা করে যাবো।
আচ্ছা। ধন্যবাদ।
দাদা, আপনার নাম কি?
- আপনি আমাদের নদীর ধারে নামিয়ে দিতে পারবেন? - এই আরো অনেক কাজ করা বাকি আছে।
তাঁবুটা কোথাও উড়ে যাচ্ছে না। আমার আগে স্নান করতে হবে।
এখানে স্নান করলে দোষ কোথায়?
আমি নদীতে স্নান করতে চাই। চলো তো।
১. বিরিয়ানি খাওয়া আর কি?
অনেক বিরিয়ানি খাওয়া। বিভিন্ন রকমের। ওটা লিখে দে।
এটা এমনিতেও বুঝা যাচ্ছে।
চিকেন বিরিয়ানি, মাটন বিরিয়ানি, কাকের বিরিয়ানি....
আর কি কি আছে তোমার তালিকায়?
তুমি ভাবতে ভাবতে আমি এক কাপ চা খেয়ে আসি?
শয়তান!
ওই তো দেখ। তাকে যেতে দিও না। দেখ দেখ যুদ্ধ করছে।
দেখ দেখ। সিংহ আসছে।
দেখ সে সিংহের সাথে যুদ্ধ করছে।
সে যুদ্ধ করছে নাকি তুমি করছো?
আমার রকস্টার। সিংহটাকে মেরে ফেল। তাকে একটা শিক্ষা দাও।
কুট্টি, আমি এমজিআরের মতো অভিনয় করতে চাই।
এতটুকুই? দেখে তো সহজ কাজ মনে হচ্ছে।
আমি ছোট ছোট কিছু ইচ্ছা নিয়ে বেড়ে উঠা একজন সাধারণ মানুষ।
- ভালো। এদিকে এসো। - আবার কি?
- এদিকে এসো। - দেখছিস না আমি কাজ করছি?
- জ্বালাস না তো। - জ্বালানোর মতো একজন মানুষই আছো।
আমি তোমার সব ইচ্ছার একটা তালিকা বানিয়েছি। দেখি জোরে পড়।
কিসের জন্য?
করো না! পুরোহিত সবসময় বলতো, জোরে উচ্চস্বরে বল, যাতে পুরো বিশ্ব তোকে শুনতে পায়।
বিরিয়ানি খাওয়া।
কি বললে?
বিরিয়ানি খাওয়ার কথা।
ওরে বুড়ো! তুমি পড়তেও পারো না?
আমরা ৯ টা পেয়েছি। ১০ টা বানানোর কোনো উপায় আছে?
- আর তো মাথায় আসছে না। - ঠিক আছে। আমি তাহলে পড়ছি দেখ।
১. বিরিয়ানি
২. এমজিআর আর রজনীর মতো পোশাক
৩. লুকিয়ে বিড়ি আর বিদেশী মদ খাওয়া
৪. কোট শ্যুট পরা
৫. বন্ধুর সাথে বাইকে চড়া
৬. সিনেমায় অভিনয় করা
৭. ট্রেনে চড়া
৮. নিজের ইচ্ছামত উপার্জন করা
৯. লিখতে ও পড়তে শিখা
এটা পলা হবে না, এটা হবে পড়া।
আমিও সেটাই বলেছি।
শুরু করা যাক?
কেমন আছো, কারুপ্পু?
সেরা! ওখানে যেমন খুশি তেমন অভিনয়ের প্রতিযোগিতা আছে। অনেক মজা হবে।
আস্তে আস্তে খাও।
তোর অবশ্যই একবার বিরিয়ানি খেয়ে দেখা উচিত।
কোন সাহসে তুমি এক নিরামিষাশীকে মাংস খেতে বলছো?
- চুপচাপ খা। - নিজে খাও আগে!
২ টা মাটন বিরিয়ানি।
দেখলে ওই বুড়ো বিরিয়ানি কিভাবে খাচ্ছে?
তুই যদি একটা কাগজে 'বিরিয়ানি' শব্দটা লিখে দিস, তাহলে সে সেটাও খেয়ে ফেলবে।
তাকে খেতে দেখে, সবাই বিরিয়ানির প্রতি ঢলে পড়ে।
তাকে ধন্যবাদ, আমার বেচাকেনা বাড়িয়ে দেয়ার জন্য।
কি?
দিনে ৫০ টাকা!
সেলুনের ওদিকে আরেকটা বিরিয়ানির দোকান আছে না?
দিনপ্রতি ১০০ টাকা। সর্বোচ্চ এটাই পারবো।
আমার পরিবারকেও খাওয়াতে হবে তো।
ঠিক আছে। দিনে ১০০ টাকা আর ৩ বেলা খাবার।
আমার বউ আজকে সকালে আমার কপাল ঘসায় দিছে ভালোমতো।
মরার কপাল!
তার আর তার কপালের টুট টুট টুট!
তাকে বলে দিও আমি 'হাই' দিয়েছি!
কেমন হলো?
স্টার্ট দিন আগে এটা।
ব্রেকটাও সাথে ধরুন আর প্রথম গিয়ার রাখেন।
আমি ওরে সাইকেলে কখনো ভরসা করি না। তার উপর আবার এটা করার কি দরকার?
তুই শুধু পিছনে আরাম করে বস। এরপর দেখ।
- কেডি, একটা পা ভাঙ্গিও। - বলতে হবে না...
আয় তো। বসে গেছি।
তখন তো, বাবার বন্ধুরও এরকম একটা বাইক ছিল, তাই না?
আমরা তার কাছে ধন্না দিতাম বাইকে চড়ার জন্য।
- দিনগুলো মনে পড়ে? - কিভাবে ভুলি সেসব বল?
আমরা তখন ১৩ কি ১৪ বছরের ছিলাম!
যখন সে সিনেমা দেখাতো, তখন তো তুই সরাসরি তার বাসায় চলে যেতি।
শুধু আমিই জানতাম তুই তো সেখানে সিনেমা দেখার জন্য যেতি না।
তুই কি ভাল্লির কথা এখনো ভাবিস?
মাঝে মাঝে!
এটা ছিল লায়লি মজনুর প্রেম কাহিনীর মতো।
আমি কি মাত্র প্রেম শব্দটা শুনলাম?
বলো। আমাদেরকেও বলো। কে কাকে ভালোবাসত?
কিছুই বলার নেই।
লজ্জায় একদম লাল হয়ে গেছে।
তুমি আমাদের বলো।
বলতেই হবে সিনেমার প্রেমকাহিনীর মতো ছিল ওটা।
আমাদের নায়িকা ৮ম শ্রেণিতে নায়কের গ্রামের স্কুলে যেত পড়তে।
আমাদের নায়কও স্কুলে যেত, কিন্তু স্কুলের গেইট পর্যন্ত। ভিতরে আর যেত না।
সেও এমজিআরের জন্য পাগল ছিল।
এই দুইজনই সিনেমা দেখার জন্য সবার আগে যেত...
... আর সবার শেষে আসত।
সে তার সামনে নাটক করত।
সে তার জন্য নিয়ে আসত নাড়ু...
... আর সে তার জন্য নিয়ে যেত খাঁটি আঁখের রস। আহা! কি প্রেম।
আমাদের নায়ক তো স্কুলে যেত না। তাই আমি তাকে চিঠি লেখার জন্য সাহায্য করতাম।
তুই ভিলেনের মতো তার নামের বানান ভুল লিখতি। এটাকে সাহায্য বলে?
সেটা হতেই পারে। বাকিটা তো দেখ। এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকবা সবসময়।
কোনো ধন্যবাদ পাবি না তুই।
তারপর কি হলো?
কি আর হবে?
তখনকার দিনে, বাবা-মা মেয়েদেরকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দিয়ে দিত।
তারা ভাল্লির পড়ালেখা বন্ধ করে আরেকটা ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে দিল।
যখন তার মা মারা গেল সে কখনোই ওর পাশ ছাড়েনি।
সে সত্যিই তার অনেক যত্ন করতো।
তার শ্বশুড়বাড়ি শিবাগিরিতে, তাই না? শেষবার সেটাই শুনেছিলাম।
আমি ভাবছি সে এখন কোথায় আছে?
সে যদি বেঁচেও থাকে তাহলেও তুই অবাক হবি।
আমাদের গ্যাংয়ের বেশিরভাগই মারা গেছে। তুই আর আমিই খালি অদম্য এখনো।
সে যদি বেঁচে থাকে তাহলে?
তোকে কোমাতে দেখে সত্যিই আমার খুব খারাপ লেগেছিল।
আমি একপ্রকার জানতামই যে তুই আমাকে দেখতে আসবি।
কিন্তু নিশ্চিত ছিলাম না।
এটাও পুরোপুরি অস্পষ্ট!
আমি কি আসলে কিছু বুঝাতে পেরেছি?
আসলেই পারিসনি।
তোকে এভাবে দেখে খুব ভালো লাগছে।
তোকে খুশি লাগছে।
আমি আসলেই খুশি।
কিছু মনে করিস না, কিন্তু...
... কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তোর ছেলেমেয়েদের কথা একবার ভাবিস।
আমরা কি সারাজীবন ধরে এটাই করে আসিনি?
আমার যেতে হবে। তুই বাড়ি যা।
৮. বন্ধুর সাথে বাইকে চড়া।
আমি তোমাকে পড়তে বলেছি। কুকুরের সাথে খেলা বন্ধ কর।
আমি বাচ্চা না যে শিলেটে চক দিয়ে লিখবো। আমার জন্য খাতা নিয়ে আয়।
অবশ্যই, আমি তোমার জন্য খাতা আনবো যখন তুমি এমবিবিএস এর প্রস্তুত হবে।
আমাদের প্রথমে অক্ষর শেখারটা কি হবে?
আমি ক্লান্ত আর ক্ষুধার্ত।
আমি বললাম... এখন বর্ণগুলো শিখ।
এটা আরফাবেট না, আলফাবেট!
আরফাবেট?
তুই আগে আলফাবেট কিভাবে বলে সেটা শিখে নে!
এখানে টিচার কে?
মূর্খ কোথাকার!
- আমি আগামীকাল সাপ্লাই দিতে পারবো না। - তো আমি কি করবো তাহলে?
আমি অন্য ব্যবস্থা করে দিব।
এটা আবার কেমন গিঁট! খুলো এটা।
এটাকে বলা হয় কারুপ্পু দুরাই গিঁট। অসাধারণ, তাই না?
টাকা?
- কি দিবো আপনাকে? - এইমাত্র যে চলে গেল সে কে?
মুথু, হাঁস-মুরগীর সাপ্লাইয়ার। কেন?
ওকে দেখে আমার চেনা চেন লাগলো? সে কি ভি.কে. পুধুরে থাকে?
না। তার বাড়ি পোইগাইতে। সে যাত্রাপালাতেও অভিনয় করে।
আমাদের একটা নাটকের টিকিট কিনতে হবে। মুথু আশেপাশে আছে?
মুথু তো বেরিয়ে গেল। আপনি কোন নাটকের টিকিট কিনতে চান?
এই মানুষটা যেটাতে অভিনয় করবে।
এ তো কারুপ্পু। ও অভিনয় করে না। আপনার ভুল হয়েছে।
তার সাথে দেখা করতে পারি?
সে এখানে নেই। চোক্কামপাট্টিতে আছে সে।
এটার ভালো যত্ন নিও, মুথু।
আমি এটার দেখাশুনা করবো। তোমরা মজা করে আসো।
- উনাকে দেখেছ তোমরা? - উনি এখানে প্রায়ই স্নান করতে আসে।
এই মানুষটা?
সে প্রায়ই এখানে অথবা সান্দাইম্মার বিরিয়ানির দোকানে থাকে।
- এই দিকে? - হ্যাঁ!
ওর ভালো যত্ন নিও, মুথু।
চুপ কর!
দাদা.... বিরিয়ানি আছে?
সেরাটাই আছে।
একবার খেয়েই দেখুন।
অবশ্যই!
২ টা বিরিয়ানি।
আমার জন্য না।
তাহলে ১ টা।
তো, কেমন লাগছে স্বাদটা?
এটা তো সেরা!
আমি বললাম তো আপনাকে।
আমার ওই বুড়ো মানুষটিকে ধন্যবাদ দিতেই হবে এটি দেখিয়ে দেয়ার জন্য।
কি নাম ছিল তাঁর?
মানে, কারুপ্পু দুরাই?
আমি কখনো কাউকে দেখিনি বিরিয়ানিকে এত ভালোবাসতে।
তাকে খেতে দেখলেও শান্তি লাগে।
মাত্রই তাকে হাতছাড়া করে ফেললেন।
তারা অনেক আগেই চলে গেছে।
- তারা? - হ্যাঁ, উনি আর ওই বাচ্চাটা।
কোথায় গিয়েছে তাঁরা?
আমাকে কি তার সব আদ্যোপান্ত বলে দিতে হবে আপনাকে?
সেটা আমি কিভাবে বলবো? তারা এসে, খেয়ে চলে যায়।
ওহ, কিন্তু আমি তাদের কাছে শুনেছিলাম কোর্টালাম উৎসবের কথা।
হ্যাঁ, দিদি?
ওই রক্তচোষা মহাজনটা আবার এসেছিল।
তারা পুরো বাড়ি লুট করে, আমাদের অপমান করে চলে গেল।
আমারা টাকাগুলো জরুরী দরকার। কিছু একটা কর।
আমি আর এই অপমান নিতে পারছি না। আমাদের মরে যাওয়া ছাড়া আর উপায় থাকবে না এরপর।
কান্না বন্ধ কর। আমি এক্ষুণি সেখানে আসছি।
আপনাকে বিশ্বাস করে আমি বোকামি করেছি।
আপনি আর আপনার ওই বালের পদ্ধতি। যদি আমরা...
মাত্র ৪ দিন। তুমি তাঁকে পেয়ে যাবে।
একটা কার্ড তুলো।
সে বেশ উন্নতি করবে।
- আপনার কাছে এমজিআরের পোশাক আছে? - অবশ্যই!
- এই কোটটা পরে দেখতে পারবো? - নিশ্চয়!
আপনার নাম আর ঠিকানা লাগবে আমার।
এই নে।
এত টাকার ভাংতি কিভাবে দিব? আপনি আমাকে ১১০ টাকা দিয়েছেন।
কথা বুঝতে পারছেন না?
সাহস কেমন তোর? আমাকে কি দেখতে বেশ্যার মতো লাগে?
শালার লুইচ্চা বুড়ো। আমাকে ইশারা করিস!
- দূরে যাইয়ে এসব নোংরামো কর। - কি হয়েছে?
বেহায়া... লুইচ্চা বুড়ো। মার তাকে। পুলিশ ডাক।
কোথায় ছিলে তুমি? আমি আরো খুঁজছি তোমাকে।
সে একটু ঢিলা টাইপের। কিছু মনে করিয়েন না।
শরবত?
দাঁড়া।
সর এখান থেকে।
আমার সাথে চালাকি করতে এসো না। বাবল দুটো উড়ে চলে যাবে কিন্তু!
কেডি, এই জায়গা অসাধারণ। চলো এখানে স্নান করি।
এখানে না। চল এখান থেকে।
কেন করবো না? কি সুন্দর জায়গা!
বোঝার চেষ্টা কর। অন্য কোথাও চল।
না, আমি ঠিক করে ফেলেছি। আমরা এখানেই স্নান করবো।
কথা শুনছিস না কেন? একগুঁয়ে কোথাকার!
একটা অনাথ কি করে অন্য মানুষের অনুভূতিকে সম্মান দিতে জানবে?
তোর যা ইচ্ছা কর! ভাগ এখান থেকে।
কুট্টি, তুই এখানে!
এখানে কি করছিস তুই?
ওরে বাপরে!
তুই আমাকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলি।
কুট্টি, আমার দিকে তাকা।
আমি তোকে অনেকক্ষণ ধরে এদিক সেদিক খুঁজছি।
আমি ভুল ছিলাম।
আমার আসলে ওটা বলা উচিত হয়নি।
এই, কুট্টি!
আমি ওরকমভাবে বুঝাতে চাইনি।
যখন আমি ওই মানুষকে গায়ে তেল মালিশ করতে দেখলাম,
আমাকে ওটা মনে করিয়ে দিয়েছিল কেন আমি পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
আমি শুধু ওসব থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলাম।
আমি ভালোমতো বুঝতে পারিনি।
দয়া করে রাগ করে থাকিস না।
দয়া করে কথা বল!
আমি কি এখম তোর পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইব?
তাড়াতাড়ি করো। আমার কাছে সারাদিন সময় নেই।
- হ্যালো,দাদা। - হ্যালো, মুথু।
তুই কুট্টি বা কারুপ্পু দুরাইকে দেখেছিস?
তারা তো কোর্টালাম উৎসবে গিয়েছে। কেন, কি হয়েছে?
তোর মনে আছে তোকে আমি ওই অফিসারের কথা বলেছিলাম?
উনি কুট্টি পড়ালেখা দায়িত্ব নিতে চান।
এটা তো খুশির খবর...
কিন্তু সেই অফিসারটা কে?
যেটাকপ কুট্টি একাই সামলে নিয়েছিল...
সে-ই সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।
আমাদের তাকে ৩ দিনের মধ্যে চেন্নাইয়ে দিয়ে আসতে হবে।
আমি তো কারুপ্পু দুবাইয়ের দেখা পেলাম না।
- যদি তাদের দেখা পাস, তাহলে জানিয়ে দিতে পারবি? - অবশ্যই!
কোর্টালাম উৎসবে স্বাগতম!
এর পরেই আছে অভিনয় প্রতিযোগিতা।
- এই লোকটাকে দেখেছেন? - না।
- সে আপনার দোকানে আসেনি? - না।
তুই জানিস একটা হাতি পাগল হলে সেটা কি করে?
এটা বুদ্ধিমান হাতির সম্মুখে হেরে যায়।
শালা, ভুল ডায়ালগ বললি।
এই হারামীগুলো এমজিআরকে অপমান করছে। আমি ওদের মেরেই ফেলবো।
আমরা কেলানি দেয়ার আগে স্টেজ থেকে নেমে যা।
এরপরে, আরেকজন এমজিআর আসছে। আশা করি উনি সম্মান বাঁচাতে পারবে।
এটাকেই এখন দেখতে আসল এমজিআর মনে হচ্ছে।
আপনি এই লোকটাকে দেখেছেন?
এই শয়তান তো কাল এখানেই ছিল।
শয়তান?
তুমি জানো কেন সবাই তোমাকে ভালোবাসে?
তুমি এখনো সেই আগের মতোই স্টাইলিশ আর হ্যান্ডসাম আছো।
আমি এভাবেই জন্ম নিয়েছিলাম।
আমি প্যান্টের বেল্ট দেখতে পাচ্ছি। ওটা ঢেকে নে আগে।
২য় পুরষ্কার পাচ্ছেন, যেকিনা ভিজয়াকান্থের অভিনয় করেছেন।
আর প্রথম পুরষ্কার পাচ্ছেন...
আর কেউ নন, কুট্টি আর কারুপ্পু দুরাই!
আর এখানেই এই প্রতিযোগিতা শেষ হলো।
এরপরেই আছে নাচের প্রতিযোগিতা!
- স্বাগতম, স্যার। - উনি কি এখানে এসেছিলেন?
আমাকে একটু কালো কালো লাগছে না?
তুমি এমজিআর নও, এমজিআর সেজেছ।
ভাব দেখাচ্ছে!
উনি গতকাল এখানে এসেছিলেন।
তারা কিছু পোশাক কিনেছিল কিন্তু এখনো মূল্য পরিশোধ করেনি।
উফ.. ভগবানের দোহাই লাগি, এবার এই কোটটা খুলে ফেল।
আমাদের তো এটা ফিরিয়ে দিতেই হবে।
হায় ভগবান! আমাকে এই মূর্খ বুড়োর হাত থেকে বাঁচাও।
এই নিন।
এটার টাকা পেয়েছি।
কে দিয়েছে?
সেটা জানার কি দরকার? চলো যাই।
কে দিয়েছে এটার টাকা?
যার কাছে আপনার ছবি আছে আর সে আপনাকেও খুঁজছে।
- সে দেখতে কেমন? - গুন্ডার মতো লাগে।
আপনার ঠিকানার জন্য আমার খাতার পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলেছে।
চল বাড়ি আর ফিরে না যাই।
কেন?
কিছু একটা গন্ডগোল লাগছে।
তারা আমাদের খুঁজে পেলে কি হবে?
পেতে দাও। আমরা বলবো, আমরা যাবো না।
তোর জন্য এটা বলা সহজ...
... তোর জন্য ওরা আমাদের পিছনে পড়েনি।
চিন্তা করো না, আমি আছি তো।
মনে হয় যেন তুই ওদের থামাতে পারবি!
- ঠিক আছে৷ কি চাও তুমি? - আমি ওখানে যেতে চাই না।
তুমি এত ভয় পাচ্ছ কেন, কেডি? আমার কাছ থেকে কিছুই শিখতে পারোনি তুমি।
আমাদের লিস্টে এখনো অনেককিছু বাকি আছে। চল আগে ওগুলো শেষ করি।
ঠিক আছে। চিল্লাচিল্লি করতে পারবা না। আমি মুথু গিয়ে এখন ফোন করে বলছি...
- যাতে আমাদের ঘরটা দেখে রাখে। - ঠিক আছে। যা।
কুট্টি বলছি।
কেমন আছিস?
আমরা না আসা পর্যন্ত তুমি আমাদের ঘরটা দেখে রাখতে পারবে?
অবশ্যই। কারুপ্পু তোর সাথে আছে?
এই তো, দাঁড়াও দিচ্ছি।
- হ্যালো মুথু। - কেমন আছো?
- আমি ভালো আছি। - আমি আরো ভাবছিলাম কিভাবে কথা বলবো তোমাদের সাথে।
- কি হয়েছে? - আসলে...
আমার মনে হয় সামনাসামনি বসে কথাটা বললে ভালো হতো। তোমরা কখন আসবে?
আমরা তো ভাল্লিকে দেখার জন্য শিবাগিরি যাচ্ছি। কয়েকদিনের মধ্যেই চলে আসবো।
আমাকে যেতে হবে এখন।
আগামীকাল আমাদের নাটক আছে শঙ্করানকোভিলে। এটা তোমাদের যাওয়ার পথেই পড়বে।
- তোমরা এদিকে একটু আসতে পারবে? - আচ্ছা।
মা আমাকে বলেছিল কে একজন নাকি তোমাকে খুঁজতে এসেছিল।
সাবধানে থাকবে।
কি হলো আবার?
চল আজকে রাতটা একটু বিশ্রাম করি ওখানে।
আগামীকাল মুথুর নাটক আছে।
- আচ্ছা। - আমি বেশ ক্লান্ত।
তুমি এখানে বসো, আমি দেখি খাওয়ার কিছু পাই কিনা।
আমার ক্ষিধে নেই।
তোমার? ক্ষিধে নেই? কি তাজ্জব ঘটনা!
- আমাকে যেতে দাও। যেতে দাও। - এ বেডা সর!
আমার হাত ধরতেছস ক্যান?
- দাদা, আমাকে সাহায্য করতে দাও। - ঠিক আছে। লাগবে না।
- আরে দাও না। আমি ধরি। - আমি পারবো।
- আমি সাহায্য করি। - লাগবে না।
- এবার তো তোমার কারো সাহায্য দরকার। - ঠিক আছে। নে, ধর।
- এই নাও। - ধন্যবাদ।
- আরে, আমার টাকা লাগবে না। - তাহলে?
আমাকে শুধু একটা বোতল কিনে দিতে সাহায্য করো।
আমি জানতাম।
বোতলের সমান অতটুকু লম্বা হয়নি, আর সে কিনা মদ খেতে চায়!
এটা আমার জন্য না। আমার দাদুর জন্য কিনতে বলেছি।
তার অনেক ইচ্ছা বিদেশী মদ খাওয়ার।
অভিনয় করিস না। আমিও ফিল্মে কাজ করি, আরো ভালো অভিনয় পারি।
- ওয়াও! তুমি ইন্ডাস্ট্রিতে আছো? - হ্যাঁ।
- কোন সিনেমায় অভিনয় করেছ তুমি? - অভিনয় না, আমি ম্যানেজার।
আমরা শ্যুটিং দেখতে পারবো?
পরের শ্যুটিং ১৭ তারিখ সেনগোট্টায় বর্ডার শপে আছে। আসিস।
আমাকে যেতে হবে। সর।
আমার বোতলের কি হবে?
- তুই সত্যি বলছিস, এটা তোর দাদুর জন্য? - হ্যাঁ, সত্যি বলছি।
ঠিক আছে।
তোর দাদু কে?
- উফ! সে এক মূর্খ! - মূর্খ?
কুট্টি, এমনকি আমার মাও আমার এত ভালো যত্ন নেয়নি।
তোকে অনেক বুড়ো বুড়ো লাগে। আর সেরকম আচরণও করিস।
মাঝে মাঝে... আমি অবাক হয়ে যাই যে কে বাচ্চা...
তুই নাকি আমি....
এটা কি প্রশংসা ছিল নাকি অপমান?
আমি এখন অনেক খুশি।
আমি আমার হৃদয়কে উন্মুক্ত করে দিয়েছি।
শুধু মুখটাকে উন্মুক্ত না করে দিলেই হলো।
তো, আমি বমি করলে কি হবে?
আমি যদি চাই তাহলে বমি করবো। আমি যদি না চাই, তাহলে করবো না।
আমি যেকোনো কিছুই করবো।
আমি এখন মুক্ত মানুষ। কার আমাকে প্রশ্ন করার সাহস আছে?
কে?
ঈশ্বর তোর মঙ্গল করুক।
তুই একদিন অনেক বড় কিছু করবি।
কিন্তু একটা জিনিস।
তুই যদি ছেলে মেয়ে নিতে চাস, তাহলে তোর পিছনে দেখবি।
তারা হয়তো তোকে মেরে ফেলবে।
কেডি, আমার মনে হয় যথেষ্ট হয়েছে।
এই শরীরটা সারাজীবন কাজ করে গেছে। কিছুই হবে না।
আস্তে আস্তে। দৌঁড় দিও না।
আমি ঠিক আছি।
হ্যাঁ, ঠিক। তোমার ওই অবস্থা দেখে আমি আরেকটু হইলে নিজের প্যান্ট ভিজায়ে দিতাম।
বাদ দে। এটা সুন্দর না?
আমি, মন্দিরের এই উৎসব উপলক্ষে...
সবাইকে এখানে স্বাগতম জানাচ্ছি।
- মুথু আছে এখানে? - আমি এখানে। ভিতরে আসো।
আসো এদিকে।
এখানে বসো। কেমন আছিস কুট্টি?
ভিতরে আয়।
এই নে, খা।
- নাও তোমার জন্য। - না, লাগবে না।
আরে নাও না। এরা এমনিতেও আমাদেরকে টাকা দেয় না।
তোমার মুখ তো আনন্দে জ্বলে উঠেছে। ভাল্লিকে দেখার জন্য তাই না?
কুট্টি, আমি দর্জিকে একটা কাপড় সেলাই করতে দিয়েছি, তুই একটু ওটা গিয়ে নিয়ে আসবি?
এই রাস্তার একদম শেষের দোকানটা।
খেয়ে নিন।
স্যার...
আমি কুট্টি ব্যাপারে তোমার সাথে কথা বলতে চাইছি।
হঠাৎ করে এসব হয়ে গেল।
১৭ তারিখের মধ্যে তাকে চেন্নাই চলে যেতে হবে।
মুথু, তার যাওয়ার কি দরকার?
আমি তার যত্ন নিতে পারবো।
এটা বেশ ভালো সুযোগ। শেষ পর্যন্ত সে স্কুলে যেতে পারবে।
এটা একটা সেরা স্কুল। আর সেও বেশ চালাক চতুর।
যদি তাকে স্কুলে পাঠাতেই হয়... আমি তাকে স্কুলে পাঠাবো।
বিশ্বাস করো আমাকে।
আমি উপার্জনও করতে পারবো।
আমি ওকে ছাড়া জীবনটাই ভাবতে পারছি না।
সে একটা বাচ্চা, তার একটা ভবিষ্যৎ আছে।
যথেষ্ট বলেছ।
আমি কুট্টিকে যেতে দিব না।
- চল যাই। - বসো।
- আমি আসতে বললাম। - এখন মুথু আসবে স্টেজে।
আমাদের যেতে হবে।
এত তাড়াহুড়ার কি আছে?
আমাদেরকে ভাল্লির বাড়িতে যেতে হবে।
তার সাথে শেষ দেখা হয়েছিল, যখন সে তোর বয়সী ছিল।
আমি ভাবছি সে আমাকে চিনতে পারবে কিনা।
সে আমাকে চিনতে পারবে?
এই বাচ্চা তো নিয়েই চলেছে শুধু।
আমি তাকে দেখার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।
এই বাড়িটা।
এটা ভাল্লির বাড়ি?
হ্যাঁ, উনি আমার দিদা। আপনি কে?
- আমি কেডি! - মানে?
মানে কারুপ্পু দুরাই। কাল্লুপাট্টি থেকে এসেছি।
ভাল্লির পাশের গ্রাম।
দিদা, কে একজন তোমার কাছে এসেছে। ভিতরে আসুন।
বসুন এখানে। আমি উনাকে ডেকে আনছি।
এদিকে দেখ।
বেশ ভালো লাগছে।
ভাল্লি?
হ্যাঁ... আপনি?
আমি... কারুপ্পু দুরাই!
কাল্লুপাট্টি... সেলভির ছেলে।
ওরে ঈশ্বর!
এখনো আছো?
বসো। আমি আসছি।
কি খাবে তোমরা?
- মানিমেগালায়, ওদেরকে কফি দে। - না না, ওসব লাগবে না।
তুই শুনিস না। নিয়ে আয়।
এটা তোমার নাতি? নাম কি তোমার?
কুট্টি!
ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুক।
আমি আসছি একটু।
- তাদের কফি লাগবে না। - কেন?
- আমার কথাই শুনো। - আচ্ছা, তুমি খাবে তো?
তো... বলো...
ওহ! কিছু না...
আমি তোমার জন্য একটা জিনিস নিয়ে আসলাম...
এই নাও।
কি এটা?
খুলেই দেখ!
আমি কুট্টি!
আমি মানিমেগালায়!
কুট্টিকে নিয়ে কিছু ভাবলে?
আমি কি করবো?
সে-ই তো আমার কাছে পুরো পৃথিবী।
সে হঠাৎ করে এসে আমার জীবনের সবকিছু হয়ে গেল।
আমি সেটা জিজ্ঞেস করিনি। তাকে নিয়ে কি ভাবলে?
সে একটা বুদ্ধিমান ছেলে।
অনেক সাহসী।
তার জীবনটাও অসাধারণ।
ভয়ডরহীন।
আমি বললাম তার ভবিষ্যতের বিষয়ে কি ভাবলে তুমি?
হ্যাঁ.... না... মানে...
আমাকে বলতেই হচ্ছে কিন্তু আমি তোমার সিদ্ধান্তের সাথে একমত না।
তার জন্য তুমি কতদিন আছো?
আমাদের দিন তো প্রায় শেষ হয়ে আসছে।
তার জীবনটা মাত্র এখানে শুরু।
তুমি তাকে যেতে দিচ্ছ না।
তার ভালো ভবিষ্যতের দিকে এটা প্রথম ধাপ।
কাছে রাখলেই যে ভালোবাসা হবে তা কিন্তু না...
মাঝেমাঝে এটাকে দূরেও যেতে দিতে হয়।
একবার ভেবে দেখ।
বাবু, এই নাম্বারে একটা কল করতে পারবে?
রিং হচ্ছে।
এই, মুথু!
আমরা তো আজকে রাতে ওখানে থাকতে পারতাম। এত তাড়াতাড়ি চলে আসলে কেন?
সবসময় তাড়াহুড়ো করো। আমাকে একবার বলোও না।
হ্যালো, আমি তোমার সাথে কথা বলছি।
ওহ, তুমি তোমার ভালোবাসার মানুষকে ছেড়ে এসে ভেঙ্গে পড়েছো?
জানিও না পরের বাস কখন আসবে। তো এরপর কোথায় যাবে?
হ্যালো, আমি তোমার সাথে কথা বলছি কেডি। পরের প্ল্যান কি?
আবার কি হলো?
কিছু না।
আমরা এখন জানি সে কোথায় থাকে, যখন ইচ্ছা হবে এসে দেখে যাবো।
মন খারাপ করো না।
মনে আছে আমি তোমাকে ওইদিন একটা জিনিস দেখাতে চেয়েছিলাম!
এটা হয়তো তোমার মন ভালো করে দিবে। দেখ...
এদিকে দেখতে বললাম।
কেডি!
তুই কখন নিজের বয়সের মতো অভিনয় করবি, শয়তান?
আমি সেসব কিছু জানি না।
দর্জির দোকানে যাওয়ার সময় এক ট্যাটুওয়ালাকে দেখেছিলাম।
আমার মনে হলো ভালো হবে, তাই করে নিলাম। তোমার পছন্দ হয়েছে?
কি হলো? এখনো হাসি আসলো না?
মন্দিরের পুরোহিত একজনকে পেয়েছে, যেকিনা তোর পড়ালেখা খরচ চালাবে।
ওই অফিসার তোর ভরণপোষণের সব খরচ দিবে।
মুথু গতকাল আমাকে বলেছিল।
আগামীকাল তোকে চেন্নাইয়ে চলে যেতে হবে।
আমি যাবো না।
তোকে যেতে হবে। এটাই তোর জন্য ভালো হবে।
তুই ভালো থাকবি।
তোমার সাথেই ভালো আছি আমি। আমি যাবো না।
আমি আগামীকাল মরে গেলে কি হবে?
ওসব বলতে এসো না।
ওসব না বললেই ওসব হবে না তেমন তো না।
আমি একদিন মরে যাবো।
আমিও তো কোনদিন মরে যেতে পারি। তাতে কি?
প্রিয় কুট্টি!
বোঝার চেষ্টা কর।
তোর কি মনে হয় আমিই তোকে পাঠিয়ে দিচ্ছি?
তোর একটা ভালো জীবন দরকার।
আমি আমার জীবন ভালোমতো পার করেছি, তোকে এটার জন্য ধন্যবাদ।
এখন তোর জীবনটা সুন্দর করতে হবে।
তুই ভাগ্যবান যে তুই এরকম একটা সুযোগ পাচ্ছিস।
শিক্ষাটাই আসল।
এই সুযোগ হাতছাড়া করিস না।
খুব মজার তাই না? আমরা আমার ইচ্ছা পূরনের একটা তালিকা বানালাম...
...আর তুই চাইছিলি সেটাকে কোনোমতে ১০টা করার জন্য।
আমি সত্যিই সেদিন সেটার উত্তর খুঁজে পায়নি।
এখন আমি জানি...
এটাই সেটা।
তোর জীবন পরিবর্তন হতে চলেছে।
কিছুই পাল্টাবে না।
সবার মতো তুমিও আমাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছ।
আমরা সেনগোট্টায় পৌঁছে গেছি। এটাই শেষ স্টপ।
দাঁড়াও, আজকে ১৭ তারিখ। আমাদের যেতে হবে।
কোথায়?
এটাই বর্ডারের পরোটার দোকান।
- আমরা এখানে কেন এসেছি? - আসো। বলছি তোমাকে।
স্যার, এই দৃশ্যে আপনি হিরোকে জিজ্ঞাসা করবেন।
রেডি? রেডি? এক সেকেন্ড, স্যার।
দোস্ত, মেয়েটা কি বললো?
গাধা, এটা তামিল সিনেমা।
ম্যানেজার কোথায়? ওদিকে...
সবাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
আমি একমাত্র এসব সহ্য করছি এখনো।
হাই ব্রো। কেমন আছো? আমাকে মনে আছে?
অবশ্যই, স্যার। আমাদের তো লন্ডনে দেখা হয়েছিল, তাই না?
তুমি খুব মজার মানুষ। মনে আছে আমাকে তুমি দাদুর জন্য মদের বোতল কিনতে সাহায্য করেছিলে?
ভালো। এখন আবার কি?
বর্ডারের দোকানের পরোটা এনেছি। এই শহরের সেরা, একবার খেয়ে দেখ।
আমি জানি। আমি এখানকারই মানুষ।
আমার একটা উপকার করবে? প্লিজ?
এখন আবার কি?
আমার দাদু অভিনয় করতে চান। উনাকে একটা সুযোগ দাও।
সম্ভব না। যা এখান থেকে।
পরের দৃশ্যের জন্য কাউকে পেলেন? ওহ শিট!
ওর সাথে যা। ও তোর দাদুকে একটা সুযোগ করে দিবে।
তেজাস, ওকে নিয়ে যাও।
উনাকে কিসের চরিত্র দেয়া হবে?
প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার বয়ফ্রেন্ড! শয়তান!
এই নে। পরে ফেললাম। এটা কিসের জন্য?
আমি বলবো। আগে চলো।
আগে বল।
একটা ইচ্ছা এখনো বাকি আছে।
দেরি হয়ে যাচ্ছে। তাড়াতাড়ি আসেন।
তাড়াতাড়ি।
দেখি রাস্তা দিন। সরে যান।
স্যার, এখানে শুয়ে পড়ুন।
কেউ একজন উপরে নিশ্চয় আছেন তোকে ওটা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য।
কেডি, আমি জানতাম না। চলো যাই।
চলো এখান থেকে চলে যাই।
ও ঠিক আছে। দেখ কি করি।
চারকোল!
যখন তুমি আমাকে কিনো তখন আমি কালো...
যখন ব্যবহার করো তখন লাল...
আর যখন ফেলে দাও তখন ধূসর!
চারকোল!
এই, মন খারাপ করার কিছুই নেই। খুশি থাক।
চেন্নাই বেশি দূরে না।
শুধু একরাতের ট্রেন ভ্রমণ মাত্র।
আমি যখন পারবো তোকে দেখতে আসবো।
তুই ছুটিতে তো এখানে আসতে পারিস।
মন খারাপের কিছু নেই।
এই কুট্টি!
আমরা পরের বছর থিরুনেলভলির উৎসবে অভিনয় করবো।
আমি শুনেছি এটা অনেক বড় উৎসব।
আমরা শিবাজী গণেশামের অভিনয় করবো।
আর কে কে বিখ্যাত জোড় আছে?
পেয়েছি। লরেল আর হার্ডি। আমরা সবাইকে হাসিয়ে ছাড়বো।
আমরা সবগুলো পুরষ্কার জিতে নিবো।
তোকে আর ওই শিস বাজাতে হবে না।
কেমন আছেন, স্যার? কুট্টি, চল যাই।
তুমি আমাকে দেখতে আসবে তো?
অবশ্যই আসবো।
ওর যত্ন নিও। সে ভীষণ অসহায়।
তাঁবুতে আর ফিরে যেও না।
মা আর আমি ঠিক করেছি, তুমি আমাদের সাথেই থাকবে।
আমরা কুট্টিকে দিয়ে আসি।
দেখা হবে।
নিজের খেয়াল রাখবেন।
আমরা যাই?
বাবা?
তুমি কেমন আছো? তুমি কিছু খেয়েছ?
কিছু বলো!
কোথায় গিয়েছিলে তুমি?
তুমি জানো আমরা তোমার জন্য কত চিন্তা করেছি?
আমাদের তো বলতে পারতে।
আমরা তো আপনার ভালোই যত্ন নিচ্ছিলাম। এভাবে পালিয়ে গেলেন কেন?
রাজা, দলিলগুলো নিয়ে আয়।
আমি দলিলগুলো আনতে বললাম।
কারুপ্পু দুরাই
আপনারা যদি করতে চান, তাহলে কালকের মধ্যে করে ফেলুন।
সেটাই ভালো সময়। ঠিক আছে?
আচ্ছা। নিশ্চয়।
ভাইয়েরা... সাবধানে করো।
উনাকে নিয়ে আসুন।
দাদা...
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক কুমার নাথ
সাবটাইটেলটি ভালো লেগে থাকলে ভালো রেটিং ও ফিডব্যাক জানাতে ভুলবেন না যেন। ধন্যবাদ।।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.