All language subtitles for LCDP_S01_SerialKillerBD (2)

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

যদি একজনও ভিক্টিমও হয়ে যায়,

তাহলেই কিন্তু "গরীবের বন্ধু রবিন হুড" এর বদলে আমরা হয়ে যাবো "অমানুষের বাচ্চা"!

রিও, রিও!

সর্বনাশ!

টোকিও!

এর থেকে খারাপ আর কিছু হবার ছিল না!!

হায় ঈশ্বর!

ধুর শালা!

দেখি...

পাওলা, ওই ফুলে বেগুনী রঙ দাও।

পাওলা।

পাওলা।

বাবা কালকে কেন আমার জন্মদিনে আসতে পারবে না?

একটু আগেই তো বললাম।

জাজ তোমার দায়িত্ব আমাকে দিয়েছে, তাই আমিই তোমার দেখাশোনা করবো।

জাজ কিছু করেনি।

-তাই নাকি? - হ্যাঁ।

তাহলে?

এটা তোমার কাজ, তুমি চাও না বাবা আমার জন্মদিনে আসুক।

তাই না, নানীমা?

দেখো, তোমার মা-বাবার মধ্যে একটু ঝগড়া হয়েছে।

-দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে। -মা, প্লিজ।!

ইনস্পেক্টর।

"রাকেল, জানি আজ তোমার ছুটি, কিন্তু ডাকাতেরা অনেক লোককে জিম্মি করে ফেলেছে।

ওরা টাকা নিয়ে পালাতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি।

দুইজন অফিসারকে গুলি করেছে।

ন্যাশনাল কয়েন অ্যান্ড স্ট্যাম্প ফ্যাক্টরিতে।

ডাকাতদের সাথে কথাবার্তাটা তুমি চালালে ভালো হয়।

-গাড়ি পাঠাও। -"গাড়ি তোমার বাড়ির সামনেই"

করলেটা কী ওখানে!

হ্যাঁ? কী করলে? পাগল হয়ে গেছ?

৮ ঘন্টা পর।

-দুইটা পুলিশকে গুলি করলে? -শান্ত হও।

পুলিশটা যে আমাকে গুলি করল?

তুমি হলে কী করতে, থুতু মারতে?

- ধুর শালা!

আমি হলে কী করতাম? প্ল্যানের সাথে চলতাম, বুঝেছ বেকুব মেয়ে?

৪০ কোটিবার বলা হয়েছে এ কথা!

সন্ধ্যা ৬টা ২৫।

কথা ছিল, কাউকে গুলি করবো না।

-গুলির শব্দে মনে হলো... -চুপ!

মাটির দিকে গুলি চালানোর কথা ছিল,

ওদের মুখে না!

ওরা আহত অফিসারদেরকে সরিয়ে নিচ্ছে।

ফোনে কানেকশন আছে?

যেকোনো ওয়্যারলেস কিংবা রেডিও সিগনাল কেটে দাও।

আদিম যুগে ফিরে যাও।

প্রফেসরকে ফোন করো।

-কী হয়েছে? -"দুইজন অফিসার গুলি খেয়েছে।"

কে গুলি করেছে?

"টোকিও।"

ক্যামেরাতে সংযোগ দাও ।

"একটা বুলেট রিওর কাছ দিয়ে গেছে বলে টোকিও গুলি চালিয়েছে।"

মনে হয়, ওদের মধ্যে কিছু চলছে।

টোকিওকে ফোন দাও

-"কী?" -কথাটা সত্যি?

-রিওর সাথে প্রেম করছ? - কী সব বাজে কথা!

না।

আমার জীবনের একমাত্র ভালোবাসা আমার কারণে মারা গেছে,

আর আমি করবো একটা বাচ্চার সাথে প্রেম?

"নিজেদেরকে বাঁচাতে গুলি করেছি।"

আর মিস্টার প্রফেসর, যতোই মাথা খাটিয়ে প্ল্যান করেন না কেন,

"যেভাবে ভেবেছেন, সেভাবে সবকিছু নাও হতে পারে।"

Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Translated By KUDRATE JAHAN ZINIA

Edited By SARAH IQBAL

LA CASA DE PAPEL ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

LCDP 102 :.:.: IMPRUDENCIAS LETALES :.:.:

কী হয়েছে?

ন্যাশনাল স্ট্যাম্প অ্যান্ড কয়েন ফ্যাক্টরির ভল্ট থেকে নতুন নোট ডাকাতির তালে আছে।

-অ্যালার্ম বাজেনি কেন? -ম্যানুয়াল অ্যালার্ম,

- হয়তো ভেতরের কেউ সাহায্য করেছে। -জিম্মি কয়জন?

জানা অসম্ভব, জাদুঘর খোলা ছিল।

একটা সংখ্যা দাও।

৩৫ জন কর্মী, ১১ জন গার্ড আর ব্রিটিশ স্কুলের ১৭ ছাত্র-ছাত্রী।

-বাচ্চাগুলো গিয়েছিল কী করতে? - শিক্ষা সফরে।

-মিডিয়া কিছু জানে? - এখনো না।

-ডাকাতগুলোর কী খবর ? -কিছুই জানি না।

ওখানকার দোকানগুলোর ফুটেজ দেখছি।

-ওর অনেক রক্ত পড়ছে। -কয়জন হতে পারে?

চারজন বেরিয়েছিল, কমপক্ষে ছয়জন হবে।

-অস্ত্রশস্ত্র? -কম করে হলেও তিনটা এম আই সিক্স আছে।

-ওরা খুবই উগ্র। - জিইও চলে এসেছে।

ওরা তো অনেক আগেই এসেছে।

প্লিজ, একটা হলেও ভালো খবর দাও।

আহত অফিসারগুলো এ যাত্রা বেঁচে যাবে।

তাও ভালো!

চলো।

বিল্ডিং এর ভেতরের ক্যামেরাগুলোর কী হলো?

-সিগনাল? -নেই।

-কেন? -এখনো জানি না।

ওরা নষ্ট করে দিয়েছে মনে হয়।

নেটওয়ার্কের কী হয়েছে?

ওরা অপটিকাল ফাইবার কেটে দিয়েছে, আমরা হ্যাকও করতে পারছি না।

শোনো, পুলিশ, নিরাপত্তাকর্মীসহ তোমাদের সবার...

ফোন যেন অফ থাকে।

ছাদের ওপরের রিপিটারটা ব্যবহার করবো।

ওরা কাউকে ফোন করলে ধরা পড়ে যাবে।

এই এলাকার সব ফোনের সিগনাল যেন

এখানে দেখা যায়।

সব শ্রবণ বিশেষজ্ঞদেরকে এখানে ডাকো,

ঠিক আছে?

-বিল্ডিং এর নকশা আছে? -একটা আক্রমণের পরিকল্পনা করছি।

ভলুটো কফিটা দারুণ কিন্তু।

সরকারি কর্মকর্তাদের ভালোই খাতির করা হয়।

করছটা কী তুমি?

এখন তো একটু অবকাশ আছে।

ওরা এখন ক্যাম্প বসাবে, ড্রোন পাঠাবে,

বিল্ডিং-এর নকশা দেখবে।

ওদেরকে গুছিয়ে উঠবার সময় দিতে হবে।

টোকিও কেন বলল, তোমাদের মধ্যে কিছু নেই?

কারণ আমাদের মধ্যে কিছু নেই।

তাহলে প্রতি রাতে ওর খাটের মাথা ধাম ধাম করে দেয়ালে বাড়ি খেত কেন?

ও কি ভোর ৫টার সময় সাম্বা ড্যান্স দিত?

জানি না,

ও নাচত নাকি লাফাত তা তো আমার জানার কথা না।

অ্যাঁই, আমাকে কি দেখে এত বোকা মনে হয়? অনর্গল মিথ্যা বলে যাচ্ছ?

মজা করলাম।

আমি হলে অবশ্য ওর সাথে সবকিছু করতাম।

এখনো চাইলে করতে পারি।

করলে ভুল করবে।

ও আমার প্রেমিকা।

তাই নাকি?

ওকে নিয়ে ঘর সংসার পাতবে নাকি?

হ্যাঁ ঠিক তাই।

ঘরভর্তি বাচ্চাকাচ্চাও থাকবে।

বসো।

দেখো, মেয়েদেরকে সৃষ্টি করাই হয়েছে ফূর্তি করার জন্য,

ওদের ধান্দা একটাই, ছেলেদেরকে পটিয়ে পাটিয়ে বাচ্চা পেটে আনা।

পরে তোমার কোনো মূল্যই থাকবে না।

বাচ্চা হবার সময় দেখবে।

একটা বাবার জীবনে সবচেয়ে বড় ঘটনা হলো, তার সন্তানের জন্ম।

বাচ্চা হবার সময়, ওর পায়ের ফাঁক দিয়ে যা বেরিয়ে আসবে,

প্রথমত, যে গর্তে তুমি ভরে দিতে,

তা আর কখনো আগের মতো থাকবে না।

তারপর ও অ্যানেস্থেশিয়া চেয়ে কাতরাতে কাতরাতে...

বিছানা নষ্ট করে দেবে।

মানে বুঝেছ?

জীবনেও ওকে আর আকর্ষণীয় বলে মনে হবে না।

তারপর থেকে তোমাদের পৃথিবী ওই মরার বাচ্চাকে...

কেন্দ্র করেই ঘুরতে থাকবে।

সব শালা এক।

পাঁচজনকে ডিভোর্স দিয়েছি, এর মানে জানো?

পাঁচবার প্রেমে বিশ্বাস করেছিলাম।

এসব কী আজেবেজে বকছ?

হাহ?

কোন বুদ্ধিতে প্রফেসর তোমাকে দলনেতা বানিয়েছে?

কারণ আমি লোক পটাতে পারি।

ছোট্ট ভেড়াটাকে অফিসে নিয়ে যাও।

ওকে একা রাখবে না।

জামা বদলানোর সময়ও ওর পাশে দাঁড়িয়ে থাকবে।

আচ্ছা,

ত্রিশ মিনিটের মধ্যে ফিরবো।

সরো তো।

আমি একটু জগিং করবো,

পা'টাকে একটু টানটান করি।

করো, কত জায়গা আছে।

নতুন ভাষা শেখা কঠিন কিছু না,

শব্দার্থ অবশ্য একটু কঠিন।

চলো।

ভয় পেও না, ওখানে গিয়ে একটু আরাম করতে পারবে।

ঠিক আছে?

রাকেল, কেবল এই ফোন আর রেডিও দিয়েই

ওদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে, ঠিক আছে?

আমাকে ডাকাতদের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দাও।

কর্নেল প্রিয়েতো কী করছে এখানে?

জানি না, আমি জানি না।

টাকা বানানোর জায়গায় লোকজন গোলাগুলি করছে।

তুমি কি ভেবেছ, আমরা কিছু জানবো না?

রাকেল, ফোন করছি ওদেরকে।

বস, একটা ফোন এসেছে।

"হ্যালো"

-শুভ সন্ধ্যা। -"আমি রাকেল মারিল্লো,"

এখানকার দায়িত্বে থাকা ইনস্পেক্টর। আপনি কে?

" ডাকাতির দায়িত্বে থাকা ইনস্পেক্টর।"

গলার স্বর পরিবর্তন করছে।

তোমার বন্ধুরা কেমন আছে?

এখন পর্যন্ত কারো কোনো ক্ষতি হয়নি।

"খুশির খবর"

" আন্তরিকভাবেই কৃতজ্ঞ সেজন্য "

তোমার কথা শুনতে পাচ্ছি না।

যান্ত্রিক স্বরের জন্য দুঃখিত,

"পরিচয়টা গোপন রাখতে হচ্ছে।"

যদি কখনো ব্রাজিলে পালানোর জন্য হেলিকপ্টার চাওয়া লাগে।

হেলিকপ্টার লাগবে নাকি?

"এই মুহূর্তে এমন একজনের সাথে কথা বলতে চাই"

যাকে কোনো উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে জবাবদিহি করতে হবে না।

যার নাকি 'হ্যাঁ' অথবা 'না'তে জবাব দেওয়ার ক্ষমতা আছে।

তাহলে তো প্রেসিডেন্টকে লাগবে, কিন্তু যেহেতু উনি দেশ চালাতে ব্যস্ত,

তাই আমার সাথে কথা বলা ছাড়া তো,

আর কোনো উপায় দেখছি না।

-আর কোনো প্রশ্ন? -"হ্যাঁ"

কী পরে আছো?

-মানে? -"কী পরেছো?

আমাদের জামাকাপড় কিন্তু আমাদের ব্যাক্তিত্বের পরিচয় দেয়।

দেখো, প্রশ্নের জবাব দিতে আমার কোনো সমস্যা নেই,

কিন্তু তোমাকে বলে রাখছি,

এই কথাবার্তা কিন্তু অনেকে শুনছে।

ইউডিইএফ, ইউআইটি ,সিএনআই এর অফিসাররা...

এমন আরও অনেক লোক শুনছে।

তাহলে তো আমার সবাইকে সম্ভাষণ জানাতে হয়।

সবার সাথে পরিচিত হয়ে খুশি হলাম।

তোমাদেরকে আমার আসল নামটা বলতে পারছি না,

তবে তোমরা আমাকে প্রফেসর বলে ডাকতে পারো, সবাই তাই ডাকে।

আমি আনহেল, ডেপুটি ইনস্পেক্টর।

কেমন আছো, অ্যাঞ্জেল?

-"শুভ সন্ধ্যা।" -শুভ সন্ধ্যা।

কেমন আছো?

খুব ভালো, তুমি?

আবেগঘন মুহুর্ত শেষ। দয়া করে কি এখন বলবে, তুমি কী চাও?

সময়...

সবকিছু পরিষ্কার করে বোঝানোর জন্য।

শোনো, ইনস্পেক্টর।

আমরা কিন্তু যেই সেই ডাকাত বাহিনী নই,

নিজেদেরকে পিঠ বাঁচানোর ক্ষমতা আছে আমাদের।

তাই কোনো ঝামেলা করা থেকে বিরত থাকো।

-তোমাকে বিশ্বাস করবো? -অবশ্যই।

কিন্তু আমার বিশ্বাস পেতে চাইলে, একটা কাজ করতে হবে।

স্কুলের বাচ্চাগুলোকে ছেড়ে দাও।

অন্তত একটা চাপ কমবে।

কিন্তু এখনো তো বললে না, তুমি কী পরে আছো?

ধূসর স্যুট জ্যাকেট, নীল শার্ট,

কালো হাই হিল বুট আর...

এইতো যথেষ্ট, না?

এখন তোমাকে কল্পনা করতে আর কষ্ট হচ্ছে না।

কিন্তু ইনস্পেক্টর,মেয়েদের স্যুট জ্যাকেটে তো

স্কার্টও থাকে, পায়জামাও থাকে।

তাই পরের বার জিজ্ঞেস করলে, আরেকটু খুলে বললে খুশি হবো।

একটু ভেবে দেখি।

বলো তো, কোন জাতের উন্মাদ ৬০ জনকে জিম্মি করে...

পুলিশের সাথে তামাশা করার চেষ্টা করে।

উন্মাদ বললে ভুল হবে, ওর খুবই ঠান্ডা মাথার লোক।

সারাদিন যেন হেলিকপ্টারগুলো ওদের মাথার ওপর চক্কর দিতে থাকে।

খাবার, পানি বা কোনো কিছু দেবে না, ঠিক আছে?

কিন্তু ইন্সপেক্টর,

ওদেরকে মরুভূমিতে ছেড়ে দিলেই যে আত্মসমর্পণ করবে, তা না।

জিইও এর চিফ আর আমি দুজনেই

এক্ষুনি একটা আক্রমণ চালানোর পক্ষপাতী।

মস্কোর অপেরা হাউজের মতো খুনোখুনি চাইলে

ওরা আপনাকেই এ ব্যাপারে দায়িত্ব দিত।

কিন্তু আফসোস, আজেবাজে কথা বলা ছাড়া আর কিছুই করার নেই আপনার।

প্লিজ, ইনস্পেক্টর। এভাবে রক্ষণাত্মক হয়ে আর কতক্ষণ?

ভালোর জন্যই বলছি।

জানি, আপনার খারাপ সময় যাচ্ছে।

আমার পিরিয়ড চলছে না, নিশ্চিন্তে থাকুন, যা করছি মাথা ঠান্ডা রেখেই করছি।

আপনার প্রাক্তন স্বামীর বিপক্ষে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন, তাই বললাম।

বাহ, হোমওয়ার্ক করে এসেছেন দেখছি।

সব ব্যাপারে নাক গলানোই লাগবে, তাই না?

ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্সও তাই করেছে।

ওরা ভাবছে আপনার অভিযোগ ভুয়া।

আপনার প্রাক্তন স্বামী ইতিমধ্যেই ব্যক্তি হিসেবে ও পুলিশ হিসেবে

কর্মজীবনে সবকিছু গুছিয়ে উঠেছে।

কিন্তু কিছু মহিলা অতীত নিয়ে পড়ে থাকা ছাড়া কিছু বোঝে না।

আমি বুঝতে পারছি না, আপনি কি হতভাগা...নাকি বোকা?

যদি আর কারো আমার ব্যক্তিগত ব্যাপারে আগ্রহ থাকে,

তবে জেনে রাখো, এটা এখন আমার এখতিয়ারের বাইরে।

জাজই যা বলার বলবে।

আন্তরিক আচরণের জন্য ধন্যবাদ।

জাদুঘরের রিপিটারে ইনকামিং কল এসেছে।

-রেকর্ড করো। -করছি।

ভলিউম বাড়াও, সবাই চুপ থাকো!

-ডিনার বাসায় করবে না? -কাজ করছি।

তোমার মা আর বোনের কাছে আমি দুঃখিত।

কেন আসবে না?

ঝামেলায় পড়ে গেছি, বিশ্বাস করো। ওদের মাফ করে দিতে বলো।

- রাগ কোরো না, সোনা। -আলমানসা!

আমাকে রাখতে হচ্ছে, ঠিক আছে?

আচ্ছা। আই লাভ ইউ সো মাচ। বাই।

রাখো।

আলমানসা ফোনে কথা বলছিল।

আমাকে এখানে নিয়ে এলে কেন?

চিন্তা কোরো না।

তোমার নিরাপত্তার জন্যই এখানে এনেছি।

এই যা।

জামা খুলে লাল ওভারঅলটা গায়ে দিয়ে নাও।

আচ্ছা।

যদি কোনো গণ্ডগোল হয়?

কী হবে তাহলে?

ডার্লিং, যা হবার তাই হবে, জেলে ফেরত যাবো,

জেলের উঠানে সিগারেট ফুঁকবো, ক্রিসমাসে উপহার পাবো।

- যা যা হয় আর কি। - বিলাসী জীবন।

সমস্যায় তো পড়বো কাজটা হয়ে গেলে, এত অর্থ দিয়ে করবোটা কী?

পরিষ্কার নীল আকাশের রঙের

ম্যাসেরাটি গাড়ি কিনবো।

- ভালো ভালো। - আর একটা মার্শাল আর্টের জিম।

আরও ভালো।

আর একটা তিনতলা বার।

এত বিশাল লাউডস্পিকার থাকবে যে, বাজালে তোমার কানের পর্দা ফেটে যাবে।

বুম, বুম, বুম...

-তিন মিলিয়ন দিয়েই হবে। -আর তোমার জন্য একজোড়া ফুসফুস।

খনিতে কাজ করে করে একেবারে পচিয়ে ফেলেছ।

ফুসফুসের পেছনে অর্থ খরচ করবে?

হায় খোদা!

ফুসফুস পাবে কোথায় শুনি?

অনেকেই তো কিডনি বেচে, ফুসফুস বেচতে সমস্যা কোথায়?

আমি প্রভেন্সে ওয়াইন বানাবো।

১০০ হেক্টর জমিতে গাছ লাগিয়ে নিজের ওয়াইন নিজেই বানাবো।

তুমি তো যেকোনো সুপারমার্কেটে গিয়েই,

যা খুশি তাই খেতে পারো।

-নিজে বানানোর কী দরকার? -শিল্পের জন্য।

আমি একটা দ্বীপ চাই।

- আমিও চাই। - আমিও চাই একটা।

- ভীড় লেগে গেল দেখি। - দ্বীপপুঞ্জ লাগবে আমার।

বিশাল বড় বাংলোওয়ালা একটা ছোট দ্বীপ চাই,

ব্যালকনি থেকে সমুদ্র দেখা যাবে।

প্রতি সকালে উঠে পানিতে ঝাঁপ দেবো।

অন্তত একজনের মাথায় বুদ্ধি আছে।

আমাদের সবারই কিছু না কিছু তো ঠিক করাই লাগবে।

অন্তত আমি ঠিক করে ফেলেছি।

যা বাকি থাকবে, তা দিয়ে একটা প্লেন কিনবো, নিজেই চালাবো।

একটা সুদর্শন পাইলট রাখলেই হয়।

আরে বোঝো না, কন্ট্রোল টাওয়ারের লোকগুলোকে

"ব্রডওয়েতে যাবার জন্য একটা রানওয়ে লাগবে"

এটা বলার ভাবই আলাদা।

আমরা যদি এই সবকিছু, অনেক বেশি দাম দিয়েও কিনি,

তারপরেও আমাদের কাছে অনেক অর্থ থেকে যাবে।

বড় দাঁও মারতে গেলে, আগে বড় স্বপ্ন দেখতে শেখো।

আমি একটা গানের অ্যালবাম রিলিজ দেবো, "করিডোস" নামে।

অ্যালবামের কভারে আমার এমন একটা পিক দেবো।

দেখতে একদম মোটু বার্টি অসবোর্নের মতো লাগবে ।

-অ্যাঁ! -কী বলো?

বার্টি গেয়েছে,"rancheras", আমি গাইবো "corridos",

একবারেই আলাদা।

"corrido"কী জিনিস দেখিয়ে দাও বাবা।

-আরে না... -দেখাও না।

-দেখাও! -দেখাও।

-পারবোনা!

-গাও, গাও। -ও দাঁড়িয়েছে।

"কেঁদেছিলাম প্রথমবার তোমার ঠোঁটটা না পেয়ে"

"জেনেছিলাম বাঁচবো না তোমাকে ছাড়া"

"চেয়েছিলাম তোমাকে বউ বানাতে "

"ভাগ্যের খোঁজে ভালোবাসা হারা এই আমি"

"পিস্তলটা বের করলাম"

"ভাগ্যই ঠেলে দিলো মৃত্যুর দিকে"

"মারিয়া, জান আমার, ভালোবাসা আমার"

"দিনরাত ভালোবেসে যাবো তোমাকে"

"হারালাম তোমাকে বুলেটের কাছে "

" আর কখনো চোখ মেলে চাইবে না আমার দিকে"

দাঁড়াও।

মুখোশ খোলো।

খোলো!

কী হয়েছে?

সব ঠিক হয়ে যাবে।

একটু ঝামেলা হয়ে গেছে।

তবে, বাইরে হেলিকপ্টারের ভটভটানি শব্দ থাকলেও,

এখানে ততটা নেই।

তোমরা আরামেই ঘুমাতে পারবে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই, তোমাদের হাতে স্লিপিং ব্যাগ তুলে দেবো,

সাথে পানি আর স্যান্ডউইচ। তবে তার আগে, একটা কাজ করতে হবে।

তোমাদের সবাইকে জামা খুলে নগ্ন হতে হবে।

তারপর আমাদের মতো রেড ওভারঅল পরে নেবে,

তোমাদের জন্যই আরামদায়ক হবে।

দেখুন স্যার,

এখানে অনেকের হার্টের সমস্যা আছে,

কেউ প্রেগন্যান্ট, কারো ডায়বেটিকস...

যারা দুর্বল তাদেরকে ছেড়ে দিন, প্লিজ।

ওরা সারারাত ধরে এত কষ্ট নিতে পারবে না।

- নিজেকে কি গান্ধী ভাবো? - শান্ত হও, ডেনভার।

ও আমার দোস্ত, আমাদের একই ধরনের সিনেমা পছন্দ।

পিস্তলটা নাও।

চাও বা না চাও সেটা কথা না,

নিতে বলেছি, নাও। নাও বলছি!

- এবার আমার দিকে তাক করো। - না, প্লিজ।

বললাম তাক করো।

আরে করো না, কথা শোনো না কেন!

- বেশ। -না, প্লিজ।

এখন আমাকে গুলি করো।

-কী? -গুলি করো।

-গুলি করো। -প্লিজ।

-প্লিজ, না! -হয় আমাকে গুলি করবে,

নইলে আমি গুলি করবো। দশ সেকেন্ড দিলাম।

এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ,

ছয়, সাত আট, নয়...

এগুলো নকল, আর্তুরিতো, কিন্তু ভালো দেখিয়েছ।

এটা তোমার উপহার, নাও রেখে দাও।

এখন তোমাদেরকে কিছু নকল পিস্তল দেবো।

কয়েক ঘন্টা পরে তোমরা আমাদেরকে সাহায্য করবে।

বুঝতেই পারছ, আমাদের কথা শুনলে কোনো সমস্যাই হবে না।

বিশ্বাস রাখো... আর কথা মেনে চলো।

এখন জামা খোলো।

খোলো।

"তুমি কী পরেছো?"

রাকেল, কোনো ওয়াকি-টকি, ফোন কিংবা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নেই।

ভেতরে কোনো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি পাচ্ছি না।

ওরা কি দইয়ের ভাঁড়ের সাথে তার লাগিয়ে একজন আরেকজনের সাথে কথা বলছে?

- যাতে আমরা না ধরতে পারি? - ওরা কি বোবা-কালা নাকি...

দইয়ের ভাঁড় দিয়ে কথা বলছে , কিছুই জানি না, কিন্তু ফ্রিকোয়েন্সি পাওয়া যাচ্ছে না।

অস্ত্রবাহী গাড়িগুলো এখানে কী করছে?

আমরা সবকিছু নিয়েই ঢুকছি।

তার জন্য আগে আমার আদেশ লাগবে, যেটা এখনো আমি দেইনি।

এগুলো উপরের মহলের আদেশ।

কেউ কি আমাকে বলবে এখানে কী হচ্ছে,

নাকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন করবো?

-কী হচ্ছে? -চলো।

এখানে একজন "প্রায়োরিটি ১" ক্যাটাগরির মানুষ আছে।

-এর মানে বোঝো? -না।

আমি তোমার গোয়েন্দা দলে নেই, তাই জানি না।

ওরা ঢুকবে, কারণ আমাদের হাতে আছে ছোট্ট ভেড়াটা।

অ্যালিসন পার্কার।

ইংল্যান্ডের রানীর একজন কাছের মানুষ,

ইংল্যান্ডের রাষ্টদূত, স্যার বেঞ্জামিন পার্কারের মেয়ে।

তাই ভেতরে ঢোকা আর ছাড়া আর কোনো গতি নেই।

নাহলে, পুরো দেশ কালকে জেনে যাবে।

ওরা ভাববে, আমরা জানি না।

ওরা ভাববে, ব্যাপারটাকে সবার কাছ থেকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা যাবে।

আজকে ও একজন সাধারণ জিম্মি,

কিন্তু কালকে, সবগুলো বন্দুক ওর মাথার দিকেই তাক করা থাকবে।

তুমি কি তাই চাও?

তাই ওরা প্রথম রাতেই ঢুকতে চাইবে। কাজটা করবে ভোর ৪টার আগেই।

কারণ ৬টার দিকে দিনের আলো ফুটবে।

কল্পনা করতে পারছ, স্পেনের জিম্মি পরিস্থিতি

যদি ইংল্যান্ড সামলায়, কী হবে?

ওরা ঢুকতে দ্বিধা না করলে আমাদেরই লাভ,

কারণ, তাহলে প্রথম যুদ্ধে জিতে যাবার সম্ভাবনা আমাদের বেশি থাকবে।

ইনস্পেক্টর,

আমরা এখন ঢুকে মেয়েটাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসবো।

আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ কেন বারবার?

চুপ, তোমার দোষের কারণে ওরা আমাদের সবাইকে মেরে ফেলবে।

সরি,

বসকে তেমন একটা পছন্দ করো না, তাই না?

কীভাবে জানলে সে আমার বস?

কারণ আমি তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানি।

জেনেশুনেই এসেছি।

তোমার টেবিলের প্রেগন্যান্সি টেস্টটা দেখেছি।

বাবাকে সেটাও আন্দাজ করতে পারছি।

ও উপহারটা পছন্দ করেনি।

শুনে কী বললো?

দায়িত্ব নিতে চায় না?

একটা বাচ্চাকে মেরে ফেলা সোজা না।

তুমি কী করবে?

নষ্ট।

ইউনিট ১,২,৩। প্রস্তুত?

-আমরা ঢুকছি। -চলো!

- চলো, চলো। -টিম ১, ২, ৩...

এখন।

টিম ১, সামনের দরজায় যাও।

ছাদের আশেপাশে নজর রাখো।

হ্যালো?

- বার্লিন, ওরা ঢুকছে। - এবার যাও।

সবাই শোনো, সময় এসে গেছে!

আমার নির্দেশ মানার সময় হয়েছে!

আমাদের পিছু পিছু এসো।

প্রফেসর যা বলেছিলেন,

স্টেট সিকিউরিটি ফোর্সেরা ঠিক তাই করল।

কিন্তু যখন বিকেলে উনি এই কথাটা বলেছিলেন,

তখন শুনতে ততটা ভয়ঙ্কর লাগেনি,

কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, আমাদের ঘাড়ে বন্দুক তাক করা।

ওদের ঢোকার রাস্তা চারটা:

প্রধান দরজা, মালবহনের দরজা, ইমার্জেন্সি এক্সিট আর ছাদ।

নাগাল পাবে এমন সব দরজার দিকে চোখ রাখো।

কাউকে বেরোতে দেবে না।

ওরা একটু অপেক্ষা করবে, যাতে টেকনিকাল অফিসাররা

জায়গাটা পরীক্ষা করে দেখতে পারে।

কাজটা করবে লোড এক্সেস থেকে।

আসো, আসো।

ওরা দরজায় এসে গেছে।

ঠিক আছে?

পেরিস্কোপ ঢোকাও।

চলো।

রাকেল, একটা জিম্মির মোবাইল থেকে ফোন আসছে,

অ্যালিসন পার্কার।

"এক দল কিডন্যাপার..."

জোরে দাও।

এ ব্যাপারে আরেকজন ফোন করেছেন তার মতামত দিতে,

আমি একজন জিম্মি, আমাকে ওরা কিডন্যাপ করেছে।"

আমার নাম অ্যালিসন পার্কার। আমি ইংল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের মেয়ে।

আমি ন্যাশনাল স্ট্যাম্প অ্যান্ড কয়েন ফ্যাক্টরি থেকে বলছি।

এক্ষুনি কলটা কাটো!

কেটে দাও!

আমরা কিডন্যাপারদের মতোই লাল ওভারঅল পরা।

কর্নেল, ছবি পেয়েছি।

এসব কী?

ওরা আমাদেরকে পিস্তল আর ওদের মতো মুখোশ দিয়েছে,

-বড় করো, থামাও এখানে। -কাউকে আলাদা করে চেনা যাচ্ছে না।

-ওর হাতে মেশিন গান। -হারামজাদা!

পুলিশ ঢুকলে অনেকে হতাহত হবে।

সবাই একই ওভারঅল পরা।

কাকে গুলি করা লাগবে, পুলিশ সেটাই বুঝবে না।

-ঢুকো না। -থামো।

থামো!

দোহাই লাগে, ঢুকো না।

অপারেশন বাদ দিয়ে ফেরত আসো।

ইনস্পেক্টর...

যা শুরু করেছ, তা শেষ করো।

আমি এসবে জড়াতে চাই না।

এভাবেই ওদের সাথে প্রথম যুদ্ধটা জিতলাম,

কোনো যুদ্ধ ছাড়াই, কেবল বুদ্ধি দিয়ে।

২০ মিনিট পরে...

আমাদের আসল কাজ শুরু হলো।

এবার শুরু হবে খেলার আসল পর্ব। আমরা এখন কাজে নামবো।

আমার সাথে আছে,

টরেস, স্যানচেজ, বিয়েদমা,

"লেনন,

গুয়াতসানি,

মলিনা, গার্সিয়া,

ডমিংগো, ডি গরজা, ম্যাতিও"

এদিকে আসো।

রডরিগো, মোলা , পিরেজ।

এসো।

শোনো, আমি চাই, মেশিনগুলো যাতে

২৪ ঘন্টা নদীর স্রোতের মতো চলতে থাকে।

কথা বোঝা গেছে?

"থামলেই এক মিলিয়ন করে খোয়াবো, তাই থামা যাবে না"

কালি আর অফসেট থেকে তিন ঘন্টা পর পর ব্রেক নেবো।

ব্রেক মানে বুঝতেই পারছ, মজা আর পার্টি।

এর বেশি বেতন আর কোনো চাকরিতে পাবে না।

২৪০০ মিলিয়ন ইউরো, বেশিও হতে পারে।

ওদেরকে ঠেকিয়ে কতক্ষণ ভেতরে থাকতে পারবো, তার ওপর নির্ভর করছে।"

কী সাংঘাতিক, তাই না!

দারুণ ব্যাপার-স্যাপার!

আমাদের অর্থ!

ঈশ্বর!

নিজেরাই নিজেদের অর্থ বানাচ্ছি!

একটা ডিক্যাফ দেবেন?

"হ্যালো, এটা মারিভিদের অ্যানসারিং মেশিন।

মেসেজ রেখে যেতে পারো।"

মা, মাত্র কাজ শেষ হলো...

-চার্জার আছে? -না।

চাইলে আমারটা নিতে পারেন।

তাই? কোনো সমস্যা নেই আপনার?

-না। - নিশ্চিত তো?

ধন্যবাদ।

কয়েকটা কল করা জরুরি।

-ঠিক আছে। -অনেক ধন্যবাদ।

LA CASA DE PAPEL ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Translated By KUDRATE JAHAN ZINIA

Edited By SARAH IQBAL

LA CASA DE PAPEL ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Feel Free To Give FEEDBACK & REVIEWS

সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন কাছের মানুষদের সাথে

:.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.