Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
বঙ্গানুবাদেঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি) এবং সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
ওয়ান, টু, ওয়ান, টু... মাইক্রোফোন টেস্টিং...
হ্যালো!
সবাইকে "শুভ সকাল" জানাই!
১৯৯০ সালের...
...বেইজিং এশিয়ান গেমসে...
...আমি একজন রৌপ্য বিজয়ী ছিলাম।
আমি আপনাদের অতীতের সেই...
...প্রিয় বক্সার, গ্যাং টেই-শিক।
আজ আমি এখানে...
...শুধুমাত্র একটা ঘুষি খেয়ে আপনাদের সমস্ত...
...চাপ দূর করে দিতে এসেছি।
কারো ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছে,
যেসব মেয়েরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে আছে,
ভাই ও বোনেরা যারা তাদের প্রেমিক বা প্রেমিকাদের কারণে মনমরা হয়ে আছেন।
অথবা আপনাদের যারা কোনো না কোনো কারণে কারও প্রতি রেগে আছেন,
তারা গ্যাং টেই-শিকের কাছে চলে আসুন।
আমিই হবো আপনাদের মানব বালির বস্তা!
ওই, দাঁড়া!
দাঁড়া, শালা!
গাড়ি থেকে নেমে আয়!
দাঁড়া!
ও পড়ে গেছে। যাও ওকে ধরো।
দাঁড়া বলছি!
CRYING FIST
হ্যালো।
ঠিক আছে।
আমি পৌঁছে যাবো।
কেন যে ওরা সবসময় মারামারি করে...
তোরা তো শেষ।
নর্দমার কীট কোথাকার!
সমস্যাটা কী?
ভিক্টিমের সাথে চিৎকার করে কথা বলছেন কেন?!
ঐ হারামিগুলোকে নিয়ে আপনাদের তদন্ত করা উচিত, এদেরকে নিয়ে নয়।
তুই কি এখানেই বসে থাকবি? গুন্ডা কোথাকার! আমাকেও মার! আমাকেও মার!
- আপনি কি বসবেন? - গুন্ডা বদমাশ!
আমাকেও মার! আমাকেও মার!
দেখুন! ও আমাকে মারতে যাচ্ছে!
সেখানে যখন ছিলাম তোকে তখনই মেরে ফেলা উচিত ছিল আমার!
শান্ত হন!
এদিকে আয়।
এদিকে আয়, হারামি!
মানুষকে মারার ও কে!
মাথার চুলগুলো ধুয়েছিস?
বাড়িতে কি কোনো কিছু চলছে?
এতোসব বাজার-সদাই দেখছি।
আমার ছেলে আজ বাড়ি আসছে।
পরে এসে ঐ বাক্সগুলো নিয়ে যেও।
আমি খেয়ে এসেছি।
দেহের শক্তি বাড়াতে তোর আরো খাওয়া প্রয়োজন।
সাং-হোয়ান কোথায়?
ও খাবে না।
- সাং-হোয়ান! বাইরে আয়! - ওকে একা থাকতে দে।
- কই রে, সাং-হোয়ান। - ওকে বিরক্ত করা বন্ধ কর!
আমাদের একসঙ্গে খাওয়া উচিত।
আমরা বড় পরিবার নই। ওর বাবা এখানে আছে।
- ওই! সাং-হোয়ান! - চুপচাপ খা তো!
আমি মাত্রই খেলাম...
যখনি খাস না কেন এখনি খেতে বস।
তোর বয়সে থাকতে আমি পাথরও চিবিয়ে খেতে পারতাম।
কোথায় তুই?
তোর জায়গাতেই অপেক্ষা কর।
আমি ফোন রাখছি!
ফোন রাখছি!
এটা বদহজমের জন্য।
আমি তোকে আমার মতো জীবন কাটানোর কথা বলবো না।
কিন্তু...
তোর দাদীর কথা...
...ভাবা উচিত।
নে।
আরও একটা আছে
বড়দের সামনে থাকলে নিজের হাতটা ঢেকে রাখবি।
অন্য বাবা-মায়েরা স্থায়ীভাবে বসবাস করতে সম্মত হন।
আর আমার এখানে কিছু সঞ্চয় আছে...
এই জায়গাতে কিছুদিন কাজ করেছিলাম।
তাই এখানে কিছু টাকা পেতে পারি।
ভালো।
গিয়ে টাকা নিন তাহলে।
স্থায়ী হবি? তোর কি মাথা খারাপ?
তোদের মারামারির জন্য আমাকে টাকা দিতে হবে।
একটা বেকুবের জন্য তুই আমাকে ভাড়া করবি?
না, ওরা এটা শুরু করেছে। কসম খেয়ে বলছি।
পরের বার মারামারি করলে আমাকে ডাকবি না।
নগদ?
এক টাকাও নগদ বহন করে না।
সবাই এখন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে।
আমাকে দেখতে দে।
হ্যাঁ! বয়স্ক লোক, কিম!
তিনি প্রত্যেকের কাছে টাকা ধার দেন...
এবং দৈনিক সুদ সংগ্রহ করেন।
তিনি সম্ভবত প্রত্যেক দফায় কয়েক মিলিয়ন টাকা সংগ্রহ করেছেন।
শুভদিন, স্যার... ধ্যাত্তেরি।
এসব কী হচ্ছে? তোমাকে কে পাঠিয়েছে?
না...
আমাকে যেতে দাও! বাঁচাও!
আমাকে বাঁচাও!
- ওই ব্যাগটা আমাকে দে! - না, এটা না।
আমাকে ওটা দে!
আমাকে শুধু ব্যাগটা দে!
এখানে আয়!
ছাড় বলছি!
দে বলছি!
বাঁচাও!
দে আমাকে।
গ্যাং টেই-শিক সাহেব।
গ্যাং টেই-শিক সাহেব!
কিছু তো বলবেন, তাই না?
আমি একেবারে কিছুই ভুল করিনি।
কিছু না!
ঠিক আছে! এখন চুপ কর!
শালা বেকুব!
তোর জন্য অন্যরা নিজেদের কাজ ঠিকমতো করতে পারছে না।
কারখানার স্থানটি অনুমোদিত এলাকায় নয়...
আপনি কী করতে যাচ্ছেন?
আমার বাচ্চাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার মতো আমার কাছে টাকা নেই।
- গ্যাং টেই-শিক সাহেব! - ঐ শালার জন্য!
বলেছি, চুপ করে বসতে!
এই!
এই! আমাকে মারছিস!
তোমরা সবাই সেটা দেখেছ!
শান্ত হন।
এত জোরে চিৎকার করছিস কেন, শালা বেকুব?
তোর মনে হয় আমি এমনটা করতে চেয়েছি?
তুই জানিস আমার কেমন লাগছে?
আমার মুখ খারাপ করতে বাধ্য করিস না, হারামির বাচ্চা!
আজ কী যে হচ্ছে!
"স্ট্রেসড পেপার"
কিছুদিনের জন্য সিও-জিনকে নিয়ে তোমার মায়ের কাছে চলে যাও।
সোজাসুজি আমাকে ডিভোর্সের কথাই বলছ না কেন?
ধুর...
আমার যে সামান্য সম্মানটুকু আছে তাতে খোঁটা দিও না তো।
সম্মান?
এইসবই কী তোমার সম্মান?
তোমার এই সম্মান তোমাকে কিছুই দেয়নি...
এভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে বরং আমাদের পুরোপুরি মরে যাওয়া উচিত!
একেবারে মরে যাওয়া উচিত!
তোমার হাতে মার খেতে খেতে,
সিও-জিনের সামনে...
...পাওনাদারদের কাছে ছোট হতে হতে...
আমি বিরক্ত হয়ে গেছি।
ঠিক আছে, মরে যাও তাহলে।
সিও-জিন!
বিষের দোকানে যা...
গিয়ে ওদের কাছ থেকে সমস্ত ইঁদুর মারা বিষ কিনে নিয়ে আয়!
এখনকার দিনে কে ইঁদুর মারা...
...বিষ বিক্রি করে?
সিও-জিন! কিছু টাকা নিয়ে গিয়ে...
পারলে মাছ মারার বিষ কিনে আন!
শোনো...
কাছে এসো।
কাছে এসো।
আমি আবার নিজের পায়ে দাঁড়াবো।
আমি এখনো মরিনি।
দশ বছর হয়ে গেছে।
চুপচাপ বসে থাকো।
কী করছ তুমি..
ওর এত সময় লাগে আনতে...
অনেকক্ষণ হয়ে গেলো...
এই ওহ ওন-টেই!
টেই-শিক, বন্ধু আমার!
অনেকদিন পর দেখা হলো।
- কী হয়েছে! - তোকে আমি ফোনে পাচ্ছি না কেন?
তুমি কি জানো...
..এই লোক...
- কি? - পাজুতে ভাগ্য তৈরি করেছে?
আমাদেরকে কিছুক্ষণের জন্য একা ছেড়ে দাও।
- তুই কি পাগল? - শান্ত হ!
চল বাইরে গিয়ে কথা বলি।
চল।
আমি তোকে কিছু থাকার জায়গা দেবো।
হেই!
তুই আমাকে কথা দিয়েছিলি...
এই মাসের শেষে প্রথম কিস্তিতে কিছু টাকা দিবি।
তোর এখনি মাথা খারাপ হয়ে গেছে।
শালা মাদার***!
তাহলে এসব প্যাচাল বাদ দিয়ে আমার টাকা পরিশোধ কর...
নয়তো তোকে আমি মেরে ফেলবো।
যা খুশি কর।
আমি সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি।
তুই আমার শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি করতে পারিস, ব্যস এটুকুই বাকি আছে আমার।
শালা হারামজাদা!
হারামির বাচ্চা!
তুই কি জানিস আমার কাছে...
...ঘুমানোর মতোও কোনো জায়গা নেই?
আমি কোনোমতে রিয়েল এস্টেট এজেন্টের মাধ্যমে এই থাকার জায়গাটা পেয়েছি..
তুই কয়েক মাস এখানে থাকতে পারিস।
থামো!
বামে ঘোরো!
২১ জন ট্রেনিংয়ের জন্য প্রস্তুত!
- এই কয়জনই? - জ্বি!
আমি যা বলতে যাচ্ছি...
তা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনবে।
এক,
একজন নিরাপত্তাকর্মী যেটাই বলুক না কেন সেটাই আইন।
দুই,
তোমরা এখানে জেল খাটতে এসেছ...
তাই তোমরা এই সময়টায় কাজ করবে।
তিন,
শাস্তি...
তোমাদের নিজেদের আচরণের উপর নির্ভর করবে,
তাই কোনো অভিযোগ নয়। বুঝতে পেরেছ?
জ্বি...
তোমরা এখনও বুঝতে পারোনি?
তোমরা কি এটাকে খেলার মাঠ মনে করছ? হাহ?
- বুঝতে পেরেছ? - জ্বি, স্যার!
মন খারাপ?
আপনার কী মনে হয়?
এটাকে সেনাবাহিনীর ট্রেনিং মনে কর।
আমি যখন সামরিক বাহিনীতে ছিলাম...
জানেন এটা একটা জেল...
সেনাবাহিনীতে যেতে পারব না...
কারণ আমি পাঁচ বছরের সাজা পেয়েছি।
ব্যস মনে করেন, বাড়িতে একটা পেটের সংখ্যা কমে গেছে।
আর আসবেন না। আসলে আমার অস্বস্তিকর লাগে।
চলো।
প্যাথেটি, ওরা জীবনধারণের চেষ্টা করছে।
আমার সাথে মশকরা করছিস?
আমাদের অনেক নতুন কয়েদী আছে।
এখনকার মতো খা, পরে বাঁচলে আরও দেবো।
নয়তো কম খাওয়ার অভ্যাস কর।
শালা মাদার**!
শান্ত হ।
ছাড়!
তুই এখানে নতুন এসেছিস, তাই না?
কুত্তার বাচ্চা!
মাদার**!
কুত্তার বাচ্চা!
মুখ থেকে ওটা বের কর!
ঐ আবাল!
ঐ দেয়াল ইউরিথেন রবার দিয়ে তৈরি।
এটাতে একটুকুও ব্যাথা লাগবে না। এখানে আয়।
ঐদিকে না! এইদিকে আয়!
মাথাটা সামনে বাড়িয়ে দে।
ব্যাথা লাগছে?
এখানে এমন উগ্র আচরণের ফলাফল ভালো হবে না।
আমি এখানকার বক্সিং টিমের দায়িত্বে আছি।
বক্সিং টিমের খাতায় নাম লেখাতে চাস?
গর্ব টেবিলের উপর খাবার এনে দেয় না...
আগে তোকে পেট ভরাতে হবে...
লুজার।
"এশিয়ান গেমসের রৌপ্য বিজয়ী আপনাদের মানব বালির বস্তা হবে"
"পুরুষ ১ মিনিট, মহিলা ২ মিনিট"
আমার রেস্টুরেন্টের সামনে তুমি কী করছ?
দুঃখিত, বন্ধু। বেঁচে থাকার সামান্য চেষ্টা করছি।
আর সেটা তুমি কীভাবে করতে যাচ্ছ?
তুমি যদি আগে এতোই ভালো অর্জন করেছিলে,
তাহলে এখন তোমার কী হয়েছে?
বেশ।
তোমাকে দেখে রাস্তার মানুষ বলে মনে হয়...
কিন্তু তুমি কোনো কিছুই জানো না।
এই।
আমরা যা কিছু বলেছিলাম তার সবকিছু করেছি...
যদিও এটা বোঝানো হয়েছিল যে..
আমাদেরকে মরতে হবে!
এখানকার দিনে এমন আর কে আছে?
কোনো বক্সিং জিম নেই।
নতুন বক্সারদের এখন বক্সিং অ্যারোবিক্স ক্লাস থাকে...
অথবা এই ধরনের কিছু।
বক্সিং অ্যারোবিক্স না ছাই।
পানামার বক্সার...
সু-হোয়ানের ঐ ম্যাচের লড়াইয়ের কথা মনে আছে?
তা দেখে পুরো দেশটাই পাগল হয়ে গেল।
আর ৮৮ সালের অলিম্পিকে কী ঘটেছিল...
যখন গোয়াং-সান স্বর্ণ পদক জিতেছিল?
গোয়াং-সান অতীতের রাষ্ট্রপতিদের তুলনায়...
স্বর্ণপদক জিতে দেশকে আরো বেশি উচ্চতায় নিয়ে গেছিলো!
এই দেশের মানুষদের উচিত না...
আমাদের সাথে এমন আচরণ করা।
এখানেই ব্যাগ রেখে যাও।
তোমাকে আগামীকাল ফিরে আসতে হবে।
শুভরাত্রি।
যখন উত্তাল সমুদ্রে ঢেউ ওঠে...
সবাইকে শুভ সকাল!
সত্যিই কি আমি আপনাকে ঘুষি মারতে পারব?
দশ হাজার উয়নের জন্য।
তোমার হাত প্রসারিত করো।
তোমার নাম কী আর তুমি কোথায় থেকে এসেছ?
আমি সাংমুন-ডং থেকে এসেছি। আমার নাম হাইও-রি।
হ্যালো সাংমুন-ডং থেকে আসা মিস হাইও-রি।
তোমার কীসের কষ্ট...
ওহ, দয়া করে কেঁদো না...
তোমাকে সত্যিই কিছুটা দুঃখী...
বলে মনে হচ্ছে, মিস হাইও-রি।
যে হারামি...
...ওকে কাঁদিয়েছে...
তার ভূমিকায় আমি থাকবো...
আর আমি তার সমস্ত ঘুষি সহ্য করবো...
বাহ! এর ঘুষিতে তো জোর আছে!
বড় রাউন্ডের জন্য দয়া করে সবাই জোরে হাততালি দিন!
আর কেউ আছে?
কেউ আছে...
যে পাগলের মতো হয়ে গেছে...
"গ্লাভস লড়াইটাকে শুদ্ধ করে। শুধুমাত্র যারা পরিশ্রম করে তারাই বিজয় অর্জন করতে পারে।"
"আমিই হবো পরবর্তী চ্যাম্পিয়ন।"
ওঠ!
উপরে আয়! শালা আবাল!
উঠে আয়, মাথামোটা,
নয়তো তোকে লাথি মারবো!
ওখানে অপেক্ষা করো।
ওখানে যা।
এটাই।
ওর লুকস তো ঘায়েল করার মতো।
ওর মানসিকতাও বেশ শক্তিশালী।
ও ঝামেলা পাকাতে ওস্তাদ...
কিন্তু ওকে দেখে মনে হয় দ্রুত শিখতে পারবে।
ঠিক আছে।
জ্বি স্যার।
গার্ড! গার্ড!
জ্বি স্যার!
আজ থেকে সে-ও দলে যোগ দিলো, তাই ওকে শেখাও।
জ্বি, স্যার।
এদিকে তাকা,
নে এটা ধর।
তাকিয়ে দেখছিস কী?
তোকে সব নিয়ম মুখস্থ করে মেনে চলা শুরু করতে হবে।
সোজা হয়ে দাঁড়া, আর এটা ধরে রেখে...
জোরে জোরে তা পড়।
এই।
বুঝেছিস?
তুই এটা পড়ছিস না কেন?
- তুই কি আমার সাথে ফাজলামি করছিস? - কী?
আমি পড়তে পারি না, শালা বেকুব।
ধুর!
তোরা সবাই জাহান্নামে যা!
- কেন রে শালা! - কুত্তার বাচ্চা!
রক! শুয়োরটাকে এক ঘুষিতে মেরে ফেল!
চুপ কর!
নিজ নিজ কাজে ফিরে যাও সব।
আয় তুই!
শালা হারামজাদা!
আমি বিশ্বাস করি না! এসব কী হলো!
শালা মাদার**!
আমি এটা বিশ্বাস করি না!
শালা!
তোর কি মনে হয় কুকুর গরুও এমন মাথা গরম নিয়ে লড়াই করতে পারে?
তুই যদি ঠিকভাবে লড়াই করতে চাস,
তাহলে তোকে আগে মাথা ঠান্ডা করতে হবে!
আপনার সময় শেষ।
এর জন্য জোরে জোরে হাততালি হবে।
- আপনাকে টাকা দিতে হবে। - হ্যাঁ।
কি হারামি শালা!
ক্রেডিট কার্ডে টাকা নিচ্ছেন?
আমার কাছে নগদ কেবল ৯,০০০ হাজার উয়ন আছে।
দুঃখিত ভাই। ভালো করেছেন।
যখন উত্তাল সমুদ্রে ঢেউ ওঠে।
এবার আরাম করো...
যখন তুমি আমার কাছে আসবে।
জিনিসটা খারাপ না।
ওরা আমাকে ব্যবহার করবে না কারণ...
আমি বুড়ো হয়ে গেছি।
টাকাটা কখন দিচ্ছিস?
টাকার বিষয়ে কথা বলছিস।
সেটা আমি দেখবো, ঠিক আছে?
শালা হারামজাদা।
- তাকিয়ে দেখছিস কি! - ইনচোনে পার্কে আমি ৫০ মিলিয়ন...
বিনিয়োগ করেছিলাম।
কিন্তু তারপর থেকে অনেক লোক ওটার পিছনে লেগে আছে...
আমাকে লুকিয়ে থাকতে হবে।
শোন, ভাই!
আমি এখানে কয়েকটা দিন থাকবো।
এটা তোমার নয়!
আমাকে এক চুমুক খেতে দাও!
প্লিজ...
ওই শোনো!
এদিকে আসো!
- সাদা জ্যাকেট পরা তুমি! এদিকে আসো! - আমি?
দেখি?
তোমার জুতার ফিতা ঢিলা হয়ে গেছে।
এভাবে খেলতে খেলতে পড়ে গেলে মাথায় আঘাত পাবে।
- বুঝতে পেরেছ? - হ্যাঁ।
শোনো।
আমি কি এক চুমুক খেতে পারি?
মাত্র এক চুমুক।
খেতে খুব ভালো।
- তোমার নাম কী? - ইয়ং-হোয়ান!
- কী? - ইয়ং-হোয়ান!
- ইয়ং ... - ইয়ং-হোয়ান!
ইয়ং-হোয়ান?
তুমি কোথায় থাকো?
তুমি এখানে কী করছ?
তোমাকে সবখানে খুঁজে বেড়াচ্ছি!
চলো। জলদি চলো।
আমি তো আপনার বাচ্চাকে কামড় দিইনি।
আমাকে প্রথমে কথা বলতে দিন...
এই ভাই!
কী হয়েছে?
নিজেকে সামলা।
আয়।
ওর শরীর খারাপ করছে।
ওর সাথে একটু কথা বলতে দিন।
চলে বসে এক মিনিট কথা বলি।
তুই কি জানিস প্রোগ্রামটি কীসের?
এখানে তোর লাইন ধরে...
গাড়ি থাকবে।
তুই টাকার উপর শুয়ে থাকবি।
জনগণের মধ্যে প্রচার করার কিছুই নেই।
ভাই!
তোর বউ আর ছেলের কথা ভাব, ঠিক আছে?
যেটা করছিস সেটাই কর...
বাকিটা আমি দেখবো।
এই মুহূর্তে, আপনি বিস্মিত হবেন।
তিনি এমন একজন মানুষ যখন তাকে বেশি পিটানো হয়...
তখন তিনি বেশি উপার্জন করেন
তার নাম কাং টেই-শিক।
ওন-টেই!
আমার এটা তুলে দে!
ওন-টেই!
ওহ, ওন-টেই!
শোন! ওন-টেই!
ভাই, আমাকে কিছু...
...তদারকি করতে হবে।
এটা সত্যিই ভালো। আমরা হয়তো তোর বাড়ি ফিরেও পেতে পারি।
বড় পরিবর্তনে অস্থির না হয়ে শুধু এখনকার মতো চালিয়ে যেতে হবে।
আমি চিকেন স্যুপ তৈরি করেছি...
কারণ তুই অনেক ঘামছিস।
আমার এসব করতে...
তেমন ভালো লাগছে না।
ভালো করেছ।
তোমার ভালো-মন্দ খাওয়া উচিত।
আগামীকাল তোমাকে দেখে নেবো।
নাও।
শুভকামনা রইলো।
লোকটা কে?
এক পাওনাদার।
সে তোমাকে এখানে খুঁজে বের করলো কীভাবে?
ঐ শালা ওন-টেইয়ের কারণে আমাকে টিভিতে দেখানো হয়েছিল, মনে আছে?
পৃথিবীটা ভয়ংকর।
স্যুপে লবণ হবে।
আমিও একবার চেষ্টা করে দেখতে চাই। দেখে মজার লাগছে।
নুডলসও তোমাকে আজ বাঁচাতে পারবে না।
এই!
ভয় দেখাচ্ছিস?
দেখ, ওর রক্ত পড়ছে।
শালা আবাল।
এই।
ইয়ং-দেই...
আমি পালাইনি।
আমি...
আমি তোর থেকে টাকা লুকিয়ে রাখিনি।
তুই আমাকে ভালো করেই চিনিস।
ভাই!
টেই-শিক, ভাই আমার!
গ্যাং টেই-শিক!
তুই শালা হারামি!
তুই আমার সিনিয়র ছিলি বলে তোকে কত ছাড় দিয়েছিলাম, জানিস না?
আর তুই কিনা ঘুরে আমার পিঠেই ছুরি মেরেছিস?
একটু শান্তভাবে কথা বলবি?
আমি তোর আসল টাকা পরিশোধ করেছি।
তুই আসলেই পদক বিজয়ী, টেই-শিক!
আর তোরা এই ভালো মানুষটাকে মারছিস।
পদকটা খোঁজ,
তোরা এদিকে আয়!
ঠিক আছে! চকচকে পদক।
দেখি...
আমি কখনোই পদক পাইনি...
তাই জানতাম না।
কিন্তু এটা সত্যিই রূপার পদক।
কিন্তু স্বর্ণপদক আসলে সোনার হয় না।
স্বর্ণপদকই আসল জিনিস।
ইয়ং-দেই...
ওটা আমাকে ফিরিয়ে দে।
ফিরিয়ে দে।
এটা?
কে বলেছে আমি এটা নিজের জিম্মায় রাখছিলাম?
এসে নিয়ে যাস।
চল।
এইদিকে, বস।
ঐ, শালা বেকুব!
এত সময় লাগাচ্ছিস কেন?
তুই তো আগে গোসলখানা পরিষ্কার করতে বলেছিলি...
আবার মুখে মুখে তর্ক করছিস।
তোর বাপ এসেছে।
আমি যাবো না। চলে যেতে বলো।
বললাম না তোর বাপ এসেছে!
আমি যাবো না।
তোর সাথে দেখা করতে তোর বাপ এসেছে।
ধ্যাত্তেরি! বললাম আমি যাবো না!
যা খুশি কর। ধুর শালা।
দেখা না করতে পারলেও কি ওকে এগুলো দিতে পারব?
- জ্বি, পারবেন। - ধন্যবাদ।
"তোকে এগুলো দিলাম কারণ সেনাবাহিনীতে থাকার কথা আমার মনে পড়ে।"
'হজম হওয়ার ঔষধ'।
অনেক হয়েছে।
- তোমরা ভালো করেছ। - অ্যাটেনশন! স্যালুট দাও!
ধন্যবাদ, স্যার!
স্যার!
এক! দুই! এক, দুই, তিন, চার!
আঁধার নামলে, রাত বাড়তে থাকে।
আমি কম্বলের ভেতর শুয়ে পড়ি, অনুশোচনা করি।
আমার চোখের জলে বালিশ ভিজে যায়।
আমার হৃদয়ের মধ্যে প্রশান্তির স্রোত বয়ে যায়।
যখন নামে আঁধার।
নিজেকে খুব একাকী বোধ করি।
হয়তো আমি পাখির কিচিরমিচির শুনতে পাবো,
হয়তো কোনোদিন দেখতে পাবো অলৌকিক কিছু।
দয়া করে আমার জীর্ণশীর্ণ শরীরটাকে মুক্ত করুন।
আমি আজ ঈশ্বরের করুণার জন্য প্রার্থনা করি।
আকাশের সামনে আমি হাঁটু গেড়ে বসেছি।
এবং আমার পাপের অনুতাপ করছি...
ইয়ো সাহেব! ইয়ো সাহেব!
স্যার!
স্যার!
তুমি তো দেখছি কেঁদে ভাসিয়ে দিচ্ছ।
এখানে আসার দরকার ছিল না।
এই মুহূর্তে কোনো কিছুরই মানে হয় না,
কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারালে চলবে না।
এমন সময়ে তোকে মাথা ঠান্ডা রেখে চিন্তা করতে হবে।
বুঝতে পারলাম না কী হয়ে গেল।
এখান থেকে বের হবার পর বুঝতে পারব।
আপনি ন্যাশনাল ট্রাই-আউটসের ব্যাপারে জানেন?
পাস করতে পারলে এক রাতের ছুটি পাবো না?
তোর সমস্যার সমাধান করতে...
আবেগের উপর ভরসা করতে পারিস না।
কী মনে হয় রককে হারাতে পারবি?
তুই আমার ছেলে,
যেমনটা ও।
শুধু ওর সাথে বক্সিং রিংয়ে আমাকে নামান। হয় হারবো নয়তো জিতবো।
ঐ! সাং-হোয়ান!
মুখ থেকে বের কর!
মুখ থেকে বের কর!
মাথামোটা!
এভাবে নিজের...
...ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবি না...
ঐ শালা বেকুব!
তুই পরীক্ষা দিবি?
হারামির বাচ্চা।
আমি এর জন্য বছরের পর বছর ধরে পরিশ্রম করেছি।
নিজেকে যোগ্য দাবি করার জন্য তুই কী করেছিস?
শুনতে পাচ্ছে না নাকি...
আচ্ছা।
বুড়ো বাপের মরার কথা বলতে...
...আমাদের পরিবারকে এখানে আসতে বলা উচিত!
কুত্তার বাচ্চা।
পরীক্ষা দিলে কী সমস্যা?
আমাকে একা থাকতে দে।
আমাকে একা থাকতে দে।
বুঝতে পেরেছিস, শালা মাদার**!
ঘুষি দে! ডিফেন্স! ঘুষি দে!
"স্থানীয় যোগ্যতা পরীক্ষা - প্রথম দিন"
ঘুরে যা! বের হ!
এই তো! হয়েছে!
যাও!
থামো!
দারুণ!
কোচ!
ম্যাচটা ও জিতে গেছে। সমস্যা কী?
ওকে যা বলছি ও কোনো কিছুই শুনছে না।
আমি ওকে সব ছোট পাঞ্চ না নিতে বলেছিলাম।
ওর যা করা উচিত ছিল...
এভাবে! এভাবে! এভাবে!
এভাবে কী করছিল?!
এটা মাত্রই ওর প্রথম ম্যাচ।
ও আগামীকাল রকের বিপক্ষে খেলবে।
থামো!
"পরের দিন"
- দাদি! - থাম...
ভালো হচ্ছে।
মাথাটা নিচু হবে।
নাও।
ও কি খেয়েছে?
কথা বললি না কেন?
ম্যাচটা জেতার পরে কথা বলবো।
সাং-হোয়ান।
আমি সবকিছুর জন্য কথা বলতে পারব না,
কিন্তু তোকে একটা কথা বলবো।
এটা তোর ম্যাচ নয়।
এটা তোর সমস্ত খারাপ কাজের প্রায়শ্চিত্ত স্বরুপ তোর পরিবারকে ভালো কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার ম্যাচ।
তোর বাবাকে দেখতে পাওয়ার এটাই একমাত্র উপায়।
এই রিং থেকে নেমে আসবি না, যতক্ষণ না ওখানে মৃত্যুর কাছাকাছি চলে যাচ্ছিস।
ঠিক আছে! শুরু করা যাক।
যা জিতে আয়, সাং-হোয়ান!
ঠিক আছে। ভালো হচ্ছে।
আরে, ঘুরে যা, ঘুরে যা।
আঁকড়ে ধর।
চল আগে এখান থেকে বের হই।
এই অনুভূতি একদম বিরক্তিকর।
এ তো খুব শক্তিশালী!
ও একটা পিচ্ছিল সাপের মতো।
এদিকে আসো।
ও হার মানছে না।
শোনো! তুমি লাথি মারতে পারবে না।
দুঃখিত।
আমি তোমাকে ৫,০০০ উয়ন বেশি দেবো।
- ঐ শোনো! - কী?
তুমি আমাকে ৫,০০০ টাকা বেশি দেবে বলেছিলে।
এত লড়াইয়ের পরেও এখনও খেয়াল আছে?
অসাধারণ...
এ তো খুবই বাজে লোক।
আর কেউ কি আছে?
যার ব্যবসা খারাপ যাচ্ছে?
দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে আছে?
মন ভেঙে গেছে আর মনে হচ্ছে...
এখানে কখন এসেছিস?
স্কুল ছুটির ঠিক পরেই এসেছি।
আমি এখানে আছি কীভাবে জানলি?
তোমাকে টিভিতে দেখাচ্ছিল।
খেয়েছিস?
মা গ্রিল করার জন্য কিছু মাংস কিনে এনেছিল।
বাবা।
পারলে এসো।
আমি চললাম।
আজ "বাবার সঙ্গে ক্লাস" হবে, ঠিক আছে?
হ্যাঁ!
আজকের বাবা...
এশিয়ান গেমসে একজন রৌপ্যপদক বিজয়ী।
সিও-জিনের বাবাকে কি আমরা এবার ডাকতে পারি?
হ্যাঁ!
ইস, সিও-জিনের বাবা তো দেখতে ভারি সুন্দর।
আসার জন্য ধন্যবাদ।
- অ্যাটেনশন! - হ্যালো, গ্যাং সাহেব!
হ্যালো।
আমি...
বেইজিং এশিয়ান গেমসে রৌপ্যপদক বিজয়ী,
গ্যাং টেই-শিক!
সিও-জিন কোথায়?
আজকে আমি কথা বলব...
- লেখা যাবে? - অবশ্যই।
বেশ, আজ আমি কথা বলব...
"বক্সিং আর আমার জীবন"
বক্সিং আর আমার জীবন নিয়ে...
বক্সিং হচ্ছে...
জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপ!
শুনেছ কখনো?
জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপ...
জীবন...
জীবন...
জানো তো, জীবন বড়ই কঠিন।
বক্সিংয়ের ব্যাপারটাও তাই।
প্রথমত,
স্বাস্থ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস।
বেশি পড়াশোনা করে লাভ নেই।
কিন্তু যদি সুস্থ থাকো,
কমপক্ষে তুমি শরীর খাটিয়ে কাজ করতে পারবে।
যখন আমি স্কুল যেতাম
অর্ধেকের বেশির কাছে
দুপুরে খাওয়ার জন্য কিছু থাকতো না।
এটা আমাকে মনে করিয়ে দেয়...
ওর নামটা যেন কী ছিল...
আমার মেজাজটা খারাপ করিয়ে দেয়।
তখন ওকে একটা লাত্থি মারি।
দ্বিতীয়ত,
সাহস থাকতে হবে।
নির্ভীকতা! সাহস!
সা-হ-স!
যাও!
নিচে নাম, সিও-জিন! এসে বাবার সাথে কথা বল!
ওকে ঘরে বন্দী হতে কী এমন করেছ!
তুমি জানো না কী হয়েছে!
নিচে আয়, সিও-জিন!
চুপ করো!
তো,
তুমি ডিভোর্স চাও?
তো সেই সৌভাগ্যবান কে?
এমন কেউ যে তোমার ডাকা সম্বোধনটা ডিজার্ভ করে না।
অবশ্যই।
নিশ্চয়ই আমার মতো ঘাড়ত্যাড়া নয়...
মুখ সামলে।
স্যরি, আমি এত ঘাড়ত্যাড়া!
যেমনটা জানো, আমার তেমন বুদ্ধিশুদ্ধি নেই
তাই মনে হয় যেন আমি সবসময় আসল ব্যাপারটা বাদ দিয়ে ফেলি।
বেচারা সিও-জিন।
আর তুমি!
পেট চালানোর জন্য তোমার স্বামী
কী কী করছে জানো?
যেখানে তোমার স্বামী
পেটের দায়ে রাস্তায় রাস্তায়
মারা দিয়ে বেড়াচ্ছে।
আর...
তুমি কিছু টাকার জন্য পা দুটো ফাঁক করে দিলে?
এসব ছাড়া কি তোমার মুখে কথা নেই?
আমি সিও-জিনের জন্য করছি, আমার জন্য না...
বালের গপ্পো শোনাতে এসো না!
সিও-জিন না হলে
আমি কবেই জান দিয়ে দিতাম!
এই ভাই! কী দেখছ?
চোখ নিচে!
ঝামেলা কোরো না।
তোমার সাহস আছে বটে।
সুন-জু।
তুমি কি...
সত্যিই আমায় এতটা ঘেন্না করো?
- এই, মিস্টার চ্যে! - এই।
চ্যে! চ্যে,
চ্যে, চ্যে, চাউমিন।
ওরে!
কি গেটআপ নিয়েছ...
মাইরি!
মাত্র এক শোক সম্মেলন থেকে ফিরেছি।
তুমি তো দেখি মাল খেয়েছ। কোথায় খেলে এত মাল?
আজ রাতে...
মদ খাবো, মাগী চুদবো। বিল আমার!
আমাদের মতো মানুষের এসবের জন্য টাকা নেই।
এই।
বলেছি বিল আমার। চল না'রে ভাই!
বিল আমার, বলছি তো।
আর টাকাটা কোত্থেকে পাবে?
বেশ...
আমার ঘর থেকে...
টাকা নিব।
আমি এই জীবনটা
শেষ করতে চাই,
সাথে আমার বাচ্চারও।
গ্যাং টেই-শিক!
- কী? - মাথাটা ঠিক কর, বানচোত।
কী? বানচোত?
বানচোত? হাহ?
আমাকে "বানচোত" বললি?
আমাকে লুজার মনে হয় তোর। হাহ?
রাস্তায় মানুষজনের হাতে মার খাই বলে
আমাকে লুজার মনে হয় তোর?
ধুর! বাড়া!
তো এখন, সবাই...
আমাকে বানচোত বলছে!
মরার শখ জেগেছে তোর,
হারামির বাচ্চা?
তোর নেশা নামার পর কাল কথা বলব।
কেন রে বকচোদ!
এবার আমার কথা শোন।
সবারই অতীত আছে।
আমি বক্সিংয়ের ব্যাপারে কিছুই জানি না।
কিন্তু এটুকু জানি যে জর্জ ফোরম্যান পয়তাল্লিশ বছর বয়সে বিজয়ী হয়েছিল।
সেখানে তুই তো চল্লিশ পেরিয়েছিস।
আপনার ফাটা পাঁজরের অবস্থা ভালো না
কিন্তু মাথার অবস্থা আরও করুণ।
করেনটা কী, বক্সিং না অন্য কিছু?
হঠাৎ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়েন, ভুলে যান, তাই না?
আপনার বিশ্রাম দরকার, কিন্তু এই নিয়মিত
প্রভাবের কারণে
আপনার ব্রেন ড্যামেজ হচ্ছে।
জানেন তো আলীর শেষ পরিণতি কী হয়েছিল?
এই! উঠ!
গিয়ে বাসায় ঘুমা! উঠ!
"নিউ সুপার লাইট ওয়েট চ্যাম্পিয়নশিপ"
কী হচ্ছে সব...
আমি আর নিতে পারছি না, ইয়ং-জিন!
পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে,
আমার মনে হয় ওকে বাড়ি পাঠানো উচিত...
কী?
এখানে ও একমাত্র না যার বাবা-মা মরেছে।
কিন্তু ওর দাদির
দেখভালের জন্য কেউ নেই।
আর...
ওর বাবাও কয়েকদিন আগে মারা গেছে...
সেজন্যই তো আমি এর বিরুদ্ধে!
ও স্থির নয়। বাইরে গিয়ে শুধু ঝামেলাই পাকাবে।
তখন তার দায়ভার কে নিবে?
শুধু সেই পদে যাবার জন্য পড়ালিখা করার কী মানে...
অফিস পলিটিক্সের কারণে বাচ্চাটাকে দ্বিতীয়বার না মারা হোক...
কাল বাড়ি যাবার জন্য প্রস্তুতি নে।
আপনার পোতা এসেছে।
যাকে নিয়ে আপনি বড়াই করেন!
আমার পোতা অনেক সফল।
ও কানাডায় থাকে।
ও আমাকে জাহাজে করে নিয়ে যেতে চায়।
ছাড়, বাল!
রাতে থাকিস।
আমার এখানে ঘুমাবি।
তোর বাবা মারা যায় আর দাদি
রোজ সকালে তোর জন্য সূর্যোদয় প্রার্থনা করত।
কাজেরও খোঁজ করছিল।
ধীরে ধীরে দূর্বল হয়ে পড়ে।
চার্চের লোকজন বলে দাদি নাকি রোজ কাঁদতো।
ভেতরে যাওয়ার আগে একটা সিগারেট খাওয়া লাগবে।
দেশি মাল ফুঁকাস, শালা।
আর হাসপাতালের বিলের কী হবে?
বেশির ভাগ খরচের জন্য চার্চের লোকজন সাহায্য করেছে।
আমি ডিসট্রিক্ট অফিসে কথা বলেছিলাম
ওরাও সাহায্য করেছে।
দেখা হবে।
আজ কাজ করছেন না?
এ তো জবাবই দিচ্ছে না।
চল।
তোমার ছেলে অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে।
এখানে কেন এসেছিস? হাহ?
যা!
বলেছিলি এই মূর্খ বাবার জন্য তোর লজ্জা লাগে!
তাহলে এসেছিস কেন?
যা! চলে যা!
ঐ চুদির ভাইয়ের কাছে যা
যার সাথে তোর মা ফষ্টিনষ্টি করছে!
হাহ?
সে আমার চেয়ে স্মার্ট আর
আমার চেয়ে বেশি পয়সা কামায়!
যা!
আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।
কী বলতে চেয়েছিলি বল।
জলদি বল! যেতে হবে!
সেইদিনের জন্য... ক্ষমা করে দিও...
এই, ভাই!
সারা শরীরে মুত লেগে গেল!
আরে ভেতরে তো ঢোকাতে দে।
আরে, ঢোকাতে দিবি কি?
আমরা বাচ্চা নই। বাইরে চল। এটা টয়লেট।
আমিও মানুষ, জানিস তো।
ব্যস আমার কথা শোন।
চুদির ভাই।
একটা উপায় আছে তোর জন্য...
আমার ঋণ শোধ করার।
আমি নিউ সুপার লাইট ওয়েট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য ট্রাই করে দেখব।
তোর বয়স কত জানিস?
জর্জ ফোরম্যানকেই দেখ।
হায়রে খোদা!
তুই জর্জ ফোরম্যান না।
কমপক্ষে ও অনেক টাকা কামিয়েছে।
কখনো কখনো...
আমরা জানি না কখন কী ঘটবে।
ধুর! তুই বুঝছিস না!
তুই সত্যিই মরতে পারিস!
মরলেও আমার কিছু যায় আসে না।
ভাবছিস কয়েকটা দিনেই কাজ হয়ে যাবে?
আমি ব্যস এই একটা কাজই জানি।
চ্যাম্পিয়নশিপে ঢোকা কোনো ব্যাপার না।
তোকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়তে
বক্সিং শেখাই,
ভালো বক্সার হিসেবে নয়।
কী আর করতে পারি। এটাই আমার কাজ।
- তো, - তুই এখনও বুঝছিস না।
চেষ্টা করে দেখতে চাস? তাতে যা-ই ঘটুক?
হ্যাঁ।
এর কোনো মানে হয়?
না, অবশ্যই না।
- তাই... - তো বলছিস...
টেই-শিকের মতো হুঁশমোটা এমনটা ভাবতে পারে।
এটা তোর কাজ, আমি বিশ্বাস করি না।
তো,
তুই একটা চ্যাম্পিয়নশিপ টাইটেল চাস
আর সাথে মেডেলটাও?
হ্যাঁ!
জানেন তো আমাদের অবস্থা...
কমিটিতে আপনার লোকজন আছে।
তো আপনাকে ব্যস... জানেন তো।
দেখুন...
আমরা কতটা মরিয়া।
হ্যাঁ, অবশ্যই।
ওন-টেই।
তোকে আমার পছন্দ না
কারণ তোর এই মিষ্টি মিষ্টি কথা।
তুই ভালোই তেল দিতে পারিস।
এতে কোনো সন্দেহ নেই।
ওন-টেই।
সত্যিই ওর সাহায্য করতে চাস?
তাহলে এগুলো খেতে পারবি?
ওরে বানচোত।
কী করছি আমরা...
এই! এগুলো কোত্থেকে পেলি?
সেসব আমার উপর ছেড়ে দে। তুই ব্যস প্র্যাকটিস কর।
কী? তুই আমার খেয়াল রাখবি?
বিশ্বাস হয় না।
তাহলে কে রাখবে!
এছাড়া তোর আর কে আছে?
তোর জন্য আমার জীবনটা নষ্ট হয়ে গেছে।
যদি প্রাইজ মানি না জিতিস,
তাইলে আমি শেষ।
সবার লাস্ট হলেও...
আমি খুশি হবো।
জানতাম!
তাহলে এসব করছিস কেন, হাহ?
আচ্ছা, চল!
"অঙ্গ দানপত্র"
ইয়ং-দেই!
টেই-শিক, ভাই আমার!
শুনলাম ওজন ঝরিয়েছ।
তো প্রতিযোগিতা করার জন্য সত্যিই প্রস্তুতি নিচ্ছ?
সংখ্যাটা ৪৩, কাজটা কঠিন নিশ্চয়ই।
ইয়ং-দেইয়ের থেকে ওর অঙ্গ দানের জন্য স্বাক্ষর নিয়েছিস?
তুই কি মানুষ?
বিজনেসে এমনটা করতে হয়।
যদি তুই বিজনেসম্যান হয়ে থাকিস,
তবে যা নিয়েছিস ফিরিয়ে দে।
কী?
ওহ, মানে এইটা?
ফিরিয়ে দে।
কোচ যদি তোর জায়গায়...
আমাকে সুযোগ দিত...
তাহলে আমি অলিম্পিক গোল্ড জিততে পারতাম।
তুই ওজন ঠিক করতে পারিসনি।
কেন অন্যদের দোষ দিচ্ছিস?
যা গিয়ে গাড়িতে অপেক্ষা কর।
এক্ষুনি যা, চুদির ভাইয়েরা!
তো
গ্যাং টেই-শিকের কাছে, ছুং ইয়ং-দেই এখনও একটা লুজার!
তো আমাকে মেরে নিয়ে যাচ্ছিস না কেন?
আমাকে কি সেই ইয়ং-দেই মনে হয়
যে তোর কাপড় ধুতো?
ব্যাপারটা এখনই মেটানো যাক।
তোকে মারতে পারলে
এটা দিবি তো, তাই না?
এটাকে বক্সিং রিং মনে কর।
আজ থেকে,
তুই আমার টিম-মেট না।
তবে তাই।
ওখানেই থাক।
মাথা উঠা।
বড়দের সাথে...
ওভাবে কথা বলবি না।
বুঝেছিস? চুতিয়া।
চ্যাম্পিয়নশিপে যেতে না পারলে আমাকে ঘেন্না করিস না।
কোথায় ছিলেন?
পুরুষ কক্ষে।
- অবস্থা নাজেহাল। - কেন?
কিছু ছেলে হাল ছেড়ে দিয়েছে,
তাই এখন সাং-হোয়ান লড়বে।
তাহলে ওকে বলে দেওয়াটাই ভালো হবে।
তোর কপাল ভালো।
না খেলেই প্রথম ম্যাচ জিতে গেছিস।
বক্সার্স!
কোরিয়ার বক্সিং রুলস অনুযায়ী এই ম্যাচ এগোবে।
না মাথা দিয়ে মারা যাবে, না নিচে, না আঁকড়ে ধরা যাবে বা মাথার পেছনে।
যখন বলবো ব্রেক, থেমে যাবেন। নিজেদের সেরাটা দিবেন।
সাং-হোয়ান... যেতে হবে। সময় হয়েছে।
ধুর ছাই। মরেও ছোট্ট একটা জায়গায় পড়ে আছেন...
কমপক্ষে নিজের ছেলেকে ফাইনালে খেলতে দেখে যেতে পারতেন।
আমি আপনার মতো কোরে বাঁচতে চাই না।
ব্যস দেখুন আমি কীভাবে জিতি...
বাল, যদি না জিতি?
এখানে বসো।
দারুণ।
ওজন নিতে পারবে ভালো?
হ্যালো?
আমি বলছি।
শেষ একটা উপকার চাইতে ফোন করেছি।
একটুও লাগেনি। ঘুর।
হাত উঠা!
মাথা উপরে।
কীরে ব্যবস্থা নিসনি?
মাকে বলতে লজ্জা লাগলে
এসে আমাকে বলবি।
এখনই করাতে হবে তাহলে পরে ওরা তোর কদর করবে।
অন্যের ক্ষতি করার মতো অনেকেই থাকবে
ওরা তোকেও টানার চেষ্টা করবে।
আর তোকে গর্তে ফেলবে,
তাতে যেভাবেই হোক।
ওদের বিশ্বাস করবি না, ঠিক আছে?
ওরা সবসময় তোর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে।
আর,
মোজা ওয়াশিং মেশিনে দেওয়ার আগে
আলাদা করে নিবি।
আচ্ছা।
কলিজাটা খা।
কলিজা খাচ্ছিস না কেন...
আর টাকা।
মন দিয়ে শোন।
পরিবার বা বন্ধুবান্ধবদের কেউ
টাকা চাইলে...
যদি টাকার জন্য পায়ে গড়াগড়িও দেয়
ভুলেও ধার দিতে যাবি না।
তোর মনে আছে...
আমার এক পুরানো বন্ধু
প্রায়ই বাসায় আসত?
মাল খেয়ে টাল হয়ে থাকত... আর...
সং-ছুল!
জানিস, শালায় কখনও ফোন করেনি।
একটা বারের জন্যও না।
দেখাই দেয়নি।
ও কি মানুষ?
কারো হয়ে সাক্ষী হবি না।
টাকা পেলে, দিয়ে দিবি।
ওদের ব্যস নিয়ে নিতে বলবি।
আরও ফ্রাই অর্ডার করতে পারি আমরা?
তোর বাপ ভালো আছে।
মরছে না।
টেই-শিক
ব্যস ফাইনাল রাউন্ড পর্যন্ত টিকে যা!
বিল্ট-ইন সিস্টেম...
সাথে খুবই রুচিসম্মত ফিনিশিং।
আমরা এখানে একটা বার বানিয়েছিলাম,
তাই আপনারা দুজন...
হ্যালো।
এখানে নেই।
টয়লেটে গেল নাকি?
কোথায় ছিলে?
টয়লেটে।
- আচ্ছা... - হ্যাঁ?
আজকে ম্যাচ না?
সময় হয়েছে। চলুন।
ট্যাক্সি!
পুরোপুরি সাউন্ডপ্রুফ তাই...
বয়স কম, কিন্তু হাতে মার ভালো আছে।
ওর সব বিরোধীদের নক আউট করেছে।
কিন্তু তারপরও বাচ্চা,
তাই তোর হাতে সুযোগ আছে।
তাড়াহুড়োর দরকার নেই।
সব সময় যা করিস তাই করবি।
বয়স বেশি হবার কারণে ওকে কমজোর ভাবিস না...
হালকায় নিবি না।
দেখবি সব কেমন এগোচ্ছে।
চল!
সিও-জিন!
কাং সিও-জিন!
ফাইনালে বিশাল সংখ্যক দর্শকের সমাগম।
ঠিক।
অনেকদিন পর বক্সিংয়ে
- এত পরিমাণ দর্শকের দেখা মিলেছে। - হ্যাঁ,
এর পিছনে অনেক কারণ আছে কিন্তু মূল কারণগুলোর একটা হচ্ছে...
কিক-বক্সিং সহ,
বক্সিং খেলোয়াড়রা তাদের খেলার আসল উদ্দেশ্য হারাচ্ছে।
একদম।
খেলার ভক্তরা
আরও আসল খেলা
- দেখতে চাচ্ছে। - আজ দুই ফাইনালিস্টের চারপাশে
এক অন্যরকম পরিবেশ।
দুইজন ফাইনালিস্ট এখন আসছে...
যেমন আমরা বলেছিলাম।
আমাদের দুই প্রতিযোগী...
ও আসছে!
উনি হার মানেননি, তাই...
মার খাওয়া শুরু করেন।
একজন রৌপ্য পদক জয়ী আবার বক্সিং জগতে ফিরছে।
- উনি বয়স্ক। - হ্যাঁ, গ্যাং টেই-শিক।
অন্যদিকে ওনার প্রতিপক্ষ যার বয়স কোনো রকমে কুড়ি হবে, সে বক্সিং শিখেছে জেলে।
তার কাছে বক্সিংয়ের মানে
পাপের প্রায়শ্চিত্ত।
- তরুণ, ইয়ো সাং-হোয়ান। - একজন নবীন।
এই, আমরা দেখছি।
এখন,
দুইজন বক্সার রিংয়ে প্রবেশ করছে।
ম্যাচ শুরু হবে কিছুক্ষণের মধ্যে।
সবাই নিজ নিজ আসন গ্রহণ করুন।
রেফারি হচ্ছে পুংসান জিমের
মাস্টার কিম।
ধন্যবাদ।
এবার দুইজন ফাইনালিস্ট।
১, ২, ৩, ৪, ৫...
লাল দিকে,
৬৩.৫ কিলো ওজনের,
গ্যাং টেই-শিক!
আর নীল দিকে
৬৩ কিলো ওজনের,
ইয়ো সাং-হোয়ান!
সেন্টার!
কোরিয়ার বক্সিং রুলস অনুযায়ী এই ম্যাচ এগোবে।
না মাথা দিয়ে মারা যাবে, না নিচে,
না আঁকড়ে ধরা যাবে
বা মাথার পেছনে। যখন বলবো ব্রেক,
থেমে যাবেন। নিজেদের সেরাটা দিবেন।
জলদি ওর পাত্তা কেটে দিবি।
কোনো পাঞ্চ নষ্ট করবি না।
বুম! গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে মারবি আগে! চোখে!
সরাসরি ওর বিরুদ্ধে যাবি না।
ও তোর কাছে কিছুই না! যা খেলে দে!
আচ্ছা, যা!
সময় নে!
ভালো। ডানদিকে আস্তে।
থামুন!
নিঃশ্বাস নে, নিঃশ্বাস নে।
এখনই ভেগে বেড়াচ্ছিস কেন?
ওর কাছে শুধু পাঞ্চ আছে।
নেই কোনো ব্যাসিক। হালকা ভাবে নে।
নিঃশ্বাস নে, নিঃশ্বাস নে।
ওর পাঞ্চ... বেশ... কড়া...
কাজ হচ্ছে না...
তুই মারতে থাক!
থামুন!
দারুণ খেলছিস!
স্যরি বলেছি তো।
ওকে কোথায় পাচ্ছি না!
বেরিয়ে আয়!
ধুর! ধাক্কা দেওয়া বন্ধ কর!
মারতে থাক!
গার্ড কর!
বের হ!
এটা নক-আউট না! মেঝেটা পিচ্ছিল!
ব্রেক!
মা! এখানে!
এখানে কী করছিস?
সাং-হোয়ান।
তুই দারুণ খেলছিস!
এটা শেষ রাউন্ড!
খেলা চালিয়ে যা, জিতে যেতে পারিস!
এটা শেষ রাউন্ড, ঠিক আছে?
ব্যস আর একটা রাউন্ড।
তোর কাছে যথেষ্ট পয়েন্ট আছে।
- বাবা! - ওখানে যেতে পারবে না।
বাবা!
- ওটা আমার বাবা! - না!
বাবা!
শাবাশ!
দারুণ খেলেছিস, সাং-হোয়ান!
আমরা এবার স্কোর ঘোষণা করব।
জাজ ছে, লাল-৫৬
নীল-৫৮
জাজ জি, লাল-৫৮
নীল
৫৬!
জাজ লি, লাল
৫৬...
নীল... ৫৮
আমরা জিতে গেছি!
নীল জিতে গেছে!
সুপার লাইট ওয়েট চ্যাম্পিয়নশিপের বিজয়ী হচ্ছে
ইয়ো সাং-হোয়ান।
এটা ন্যায্য? ওর বয়স দেখো!
বাবা।
বাবা, আমার দিকে দেখো...
তুই জিতে গেছিস, জিতে গেছিস!
মা'ও এসেছে।
কাটা জায়গাগুলো মুছো।
- তুমি ঠিক আছ? - মাফ করে দিস।
এসব বোলো না।
কাঁদিস না।
ইয়ো সাহেব!
ইয়ো সাহেব!
আমার বাছা...
চল গোসল করবি।
কাঁদিস না।
গোসলখানায় চল।
তোর বাপ মরবে না...
দাদিমা, আমি জিতে গেছি।
কেঁদো না।
বঙ্গানুবাদেঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি) এবং সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.