Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
বাংলায় অনুবাদ: কুদরতে জাহান সাবসিন আইডি: Kudrate_Jahan
Join our group: facebook.com/groups/subtitlehut
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করুন।
আপগ্রেড।
প্লিজ চালু হও।
এত্তগুলো ভালোবাসা তোমাকে।
আশা, একই সাথে আদর্শবাদী আর পুঁজিবাদী হতে পারবে না।
- একটা পক্ষ বেছে নিতে হবে। - নেব নেব।
না, তা নিতে পারবে না। আমি... আমি বলছি না...
আশা, বাসায় পৌঁছে গেছি।
উফ! গাড়িটা বাঁচালো আমাকে।
বিদায়, হ্যান্ডলি।
উহ খোদা!
আশা, ঠিক আছ?
হ্যাঁ।
আমার স্বামী আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছে।
গাড়ির সাথে কথা বলছ যে, সে খেয়াল আছে?
তুমি তো তোমারটার সাথে সারাদিনই কথা বলো।
অন্তত, আমারটা কথার জবাব দিতে পারে।
হুম।
অনেক কাজ করেছ, মুনে হচ্ছে।
স্বাগতম
সন্ধ্যার গানের প্লেলিস্ট।
ভেতরের তাপমাত্রা ৭২ ডিগ্রি।
এনার্জির দেয়াল এখন ৮৬%
তাছাড়া, তোমার ডিম ফুরিয়ে গেছে।
ধন্যবাদ, কারা।
অর্ডার দাও।
আসলেই আজ সারাদিন অনেক কাজ করেছি।
আর এটা হলো গিয়ে আমাদের উদযাপনের বিয়ার।
- তাই নাকি? - হ্যাঁ।
আজকে ফায়ারবার্ডের কাজ শেষ করলাম,
দেখবে নাকি?
তোমার কথাবার্তা কিছুই মাথায় ঢোকে না।
দেখো বউ, আমিও জানি না তুমি কী চাকরি করো,
তাই আমরা দুইপক্ষই সমান অন্ধকারে আছি।
কিন্তু গ্রে, বাসায় বসে সারাদিন গাড়ি নিয়ে খেলা
কোন ধরনের চাকরি?
জানি না, জানতে চাই না।
কষ্ট পেলাম।
অনেক কষ্ট পেলাম।
- হ্যাঁ। - জানো?
সত্যি বলতে, তোমাকে এখানে
প্যান্ট পরা দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
- তাই? - হ্যাঁ, গুছিয়ে উঠেছি।
থামো!
জানোই তো ,আমি ওগুলো ফেরত দেবো না...
১০ ডলার বাজি আমি ওগুলো খুলে নিতে পারব।
না।
থামো।
একটা পিজা প্রিন্ট করবে?
পিজা বানাতে চাও?
এত কষ্ট কে করে।
ওহ, আজকে রাতে লোকটাকে গাড়িটা দিতে হবে,
কাজ শেষ যেহেতু।
ওহ, ধুর। বেশ, মজা করো।
"মজা করো" মানে? তুমিও আসবে।
- কী? - হ্যাঁ।
তোমার খেলনা গাড়িটা লাগবে বাসায় আসতে।
৪৫ মিনিটের রাস্তা।
বোতাম চাপলেই যদি আবার
কানাডায় চলে যাই?
দেখো, আমার কাজ আছে।
এতো না না করো কেন।
তুমিও আমার সাথে আসবে,
তুমিও লোকটার বাড়ি দেখবে।
বিশ্বাস রাখো আমার ওপরে।
ও কি পাথরের পেছনে থাকে নাকি?
আরে দেখোই না।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
সত্যি।
তুমি আগে যাও।
কী?
অসাধারণ।
এরন, বন্ধু আমার!
উপরতলায় ফায়ারবার্ড, একদম রেডি।
- তাড়াতাড়ি হয়ে গেছে। - হ্যাঁ...
তাড়াতাড়ি গাড়ি চালিয়ে এসেছি।
ওটা... এইটা কী ধরছ?
এটা আমার ক্লাউড।
এরন, পরিচয় করিয়ে দেই,
এ হলো আমার স্ত্রী আশা।
হাই, পরিচিত হয়ে খুশি হলাম।
হ্যাঁ আমিও।
হ্যালো।
হাই।
দাঁড়াও।
তুমি সেই এরন কিন!
ভেসেল কম্পিউটারের মালিক!
ও তো আমাকে না বলেই নিয়ে এসেছে।
আমি তোমার কোম্পানির বিশাল ফ্যান।
সাংঘাতিক সব কাজ করো।
আমিও এই লাইনেই কাজ করি, কোবোল্টের হয়ে।
আমরা যুদ্ধাহত সৈন্যদের রবোটিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের
বিষয়ে গবেষণার কাজ করছি।
ভেসেলের ধারেকাছেও নেই আমরা,
তবে উন্নতি করছি আস্তে আস্তে।
না, করছ না।
কারণটা দেখাচ্ছি আমি।
আমার সাথে এসো।
আমার বর্তমান আর বাকি বিশ্বের ভবিষ্যতের
সাথে পরিচয় করিয়ে দেই।
আমি একে স্টেম বলে ডাকি।
ওয়াও।
দারুণ দেখতে পোকাটা।
কী করে এটা?
কী করে না তাই বলো।
এটা সবকিছু চালাতে পারে, কথা বলতে পারে,
যেকোনো কিছু হিসাব করতে পারে।
এ যেন একটা নতুন, উন্নত মগজ।
বাচ্চা পয়দা করতে পারে? ফুটবল খেলতে পারে?
সমাজের উপকার হয় এমন সবকিছুই করতে পারে।
বুঝছই তো ও কী বলতে চাইছে।
কিছু কাজ আসলে মানুষই ভালো পারে।
তুমি এর দিকে তাকিয়ে ভবিষ্যৎ কল্পনা করো,
আমি এর দিকে তাকিয়ে,
দশটা বেকার লোককে দেখছি।
এই লোকের সাথে তর্ক করো কেন।
ও তোমার শেষ কাস্টোমার।
প্লিজ গাড়ি চলার সময়ে
স্টিয়ারিং হুইল ধরবেন না।
যখন ওর উইজেটের মতো যন্ত্রগুলো বিশ্ব দখল করে ফেলবে,
তখন আমার মতো লোকেরা কী করে খাবে?
গাড়ি চড়া উপভোগ করো তো।
এদিকে আসো।
গাড়ি চালাতে রাস্তার ওপর চোখ রাখা লাগে না,
এর অনেকগুলো সুবিধা আছে, জানো?
- তাই? - আ-হাহ।
তাহলে কীসের ওপর চোখ রাখব?
প্লিজ সিটবেল্ট বাঁধুন।
পুরোই কাঠখোট্টা।
৬০১ ফ্রিওয়ে ছাড়িয়ে যাচ্ছি।
সোনা, আমরা কোনদিকে যাচ্ছি?
জ্যাম এড়াতে ঘুরপথে যাচ্ছে।
না, না।
দাঁড়াও, সরি...না।
আমি আগে এখানে থাকতাম।
হ্যাঁ, এটা নিউ ক্রাউন। এখানেই বড় হয়েছি।
আমরা.. পুরো উলটোপথে যাচ্ছি।
কারা, আমাদের বাসায় নিয়ে যাও।
আমি দুঃখিত, একটা ভুল হয়েছে।
মেইন রোড দিয়ে বাড়ি যাও।
আমি দুঃখিত, একটা ভুল হয়েছে।
- কী? - স্টপ!
স্টপ!
দুইবার ব্রেকে চাপ দাও।
বাঁয়ে যাচ্ছি
সর্বনাশ! সর্বনাশ!
- স্টপ! - আমি দেখছি।
অনেক গতিতে চলছে।
এমনটা হবার কথা না...
শিট!
একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্লিজ আর কোনো নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সিটে থাকুন
ইমার্জেন্সি সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়েছে।
গ্রে।
সাহায্য করতে এসেছি।
দাঁড়াও।
তোমরা কারা?
অ্যাই!
পিছাও।
এখানেই চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকো।
আরে হাঁদা, আমাদের টিভিতে দেখাচ্ছে।
তাড়াতাড়ি।
অ্যাই কী করো? মুখোশ পরো।
দেখো, আমার ওয়ালেট নাও,
ক্রেডিট কার্ড নাও।
সবকিছু নিয়ে যাও।
অনুমতি দেবার জন্য ধন্যবাদ।
ওর গায়ে হাত দিবি না শয়তান!
আমাকে দেখে জুতার তলার ময়লার কথা মনে পড়ে, তাই না?
তোমার মতো শিক্ষিত মহিলারা
আমাদের মতো অশিক্ষিত তেলাপোকাদের দিকে এভাবেই তাকায়।
না!
না!
না!
চারজন সন্ত্রাসী, দুইজন জিম্মি।
আশা!
আশা!
মৃত্যু পর্যন্ত একসাথে থাকো।
আশা তোমাকে ধরতে পারছি না।
নড়তে পারছি না।
আশা, একটু জেগে থাকো।
সোনা, আমার দিকে তাকাও।
দেখো, আমি ঠিক এইখানে।
দেখো আশা, ঠিক তোমার পাশেই।
আমি ঠিক তোমার পাশেই।
না, না, আশা!
আশা, না প্লি...
চলতে ফিরতে এটা লাগবে আপনার,
সারা বাড়িজুড়েই আছে এমন।
স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য
এরকম অনেকগুলো ইনস্টল করে দেওয়া হয়েছে।
এই রবোটিক হাতগুলো
আপনাকে খাবার বানিয়ে দিতে পারবে।
প্রোটিন শেক খেতে মন চাইলে,
খালি গিয়ে বলবেন, "প্রোটিন শেক", তাহলেই হবে।
রবোটিক হাতগুলো আপনার মায়ের গলাও চিনবে।
একবার জিজ্ঞেস করে দেখবেন নাকি?
হেহ, আচ্ছা।
প্রোটিন শেক।
বাহ, দারুণ!
ওহ...
এই নাও।
আচ্ছা, এরপর থেকে আমরা পারব।
- আচ্ছা। - চলুন আপনাকে বেরোবার পথ দেখাই।
ওহ, ধন্যবাদ।
চার্জিং শেষ।
গ্রে, আছো?
কিছু লাগবে তোমার?
আশা কি আমাদের সাথে ডিনারে যোগ দেবে
মা, তোমার সারা দিন-রাত
আমার সাথে থাকা লাগবে না।
জানোই তো, ওদের ইনস্টল করা মেশিনগুলো
প্রায় সব কাজই করে দেয় আমার।
তা জানি।
দেখি দেখি।
সব ঠিক হয়ে যাবে, বাবা।
এই তো, এই তো ঠিক আছে।
ডিটেক্টিভ করতেজ।
হাই, প্যাম।
হাই, গ্রে।
এটা আমার অফিস।
এখানে বসতে পারো।
ধন্যবাদ।
জানো গ্রে, আমার বাড়িও তোমার মতো নিউ ক্রাউনে।
হেলিয়ার হাইতে পড়াশোনা করেছি।
কিছু বের করতে পারলে?
বেশ।
আমরা কী করছি না করছি,
তা নিয়ে তুমি খুবই উদ্বিগ্ন।
সেটাই স্বাভাবিক।
আমারো মুখোমুখি কথা বলা পছন্দ।
দেখো, আমি ড্রোনগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করি না।
নিজের হাতে কাজ করা, দরজা ধাক্কিয়ে পুলিশী তদন্ত করাই আমার পছন্দ।
লোকগুলো কে?
এখনো জানি না।
এলাকার সন্দেহভাজনদের লিস্ট আছে একটা
এসপ্তাহেই দুইজনকে এনেছিলাম
- জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। - তারমানে বলতে চাচ্ছ,
যে জিনিসগুলো আমাদের মাথার ওপরে চব্বিশ ঘন্টা ঘুরছে,
যারা আমাদের আইডি চিপ শনাক্ত করতে পারে,
সেগুলো আসলে কোনো কাজের না?
না... মানে, এগুলো কাজের...
কিন্তু ব্যাপারটা সোজা না।
ক্রিমিনালেরা চাইলে একে ফাঁকি দিতে পারে।
এ ধরনের কিছু লোক আছে,
যাদেরকে দিয়ে ক্রিমিনালেরা ফায়ারওয়াল বানিয়ে নেয়,
তখন আমাদের ড্রোনগুলো তাদের চেহারা শনাক্ত করতে পারে না।
বিশ্বাস করো, আমি তোমার হতাশাটা বুঝতে পারছি।
ডিটেক্টিভ, নিজের জুতার ফিতা বাঁধতে পারি না বটে,
তারমানে এই না যে, আমার বয়স তিন।
গ্রে, ও তো আমাদের পক্ষেই কাজ করছে।
আমাই আমার লিস্ট নিয়ে
কাজ করতে থাকব, আর তোমার সাহায্য পেলেই
ওদেরকে খুঁজে বের করে ফেলব।
কীভাবে তোমাকে সাহায্য করব? দাঁড়াতেই তো পারি না।
রাতের ওষুধ দাও।
সমস্যা।
রাতের ওষুধ দাও।
আবার। রাতের ওষুধ দাও।
সমস্যা। আবার দাও।
আবার।
আর ওষুধ দেয়া সম্ভব না, গ্রে।
না। তুমি... ঠিকমতো দাওনি।
ঠিকমতো... ঠিকমতো দাওনি।
রাতের ওষুধ দাও।
আরেক ডোজ ওষুধ প্রাণঘাতী হতে পারে।
একটা অ্যাম্বুলেন্স ডেকেছি তোমার জন্য।
বেশি ব্যথা হলে হাসপাতালে যেতে হবে।
আমার বার্ড ফ্লু হয়নি, এমন করছ কেন।
বাড়ি ছেড়ে বেশি বের হই না।
তোমার নিশ্চয়ই খুব হতাশ লাগছে।
সারাক্ষণ নিজের হাতে কাজ করতে পছন্দ করতে।
এখন আর পারছ না।
সরি, কথাটা কী অভব্য শোনালো?
বেশি লোকের সাথে কথা বলি না তো, কখন কী বলতে হয় বুঝি না।
বেশ, এই হলো পার্থক্যটা।
কী জন্য মরতে এসেছ এখানে?
গ্রে...
তোমাকে যদি বলি যে তুমি আবার হাঁটতে পারবে,
তখন কেমন লাগবে?
যে কম্পিউটার চিপটা দেখিয়েছিলাম,
সেটা তোমার মতো অচল মানুষদের
সবকিছু পালটে দেবার ক্ষমতা রাখে।
দুর্ঘটনার ফলে মস্তিষ্কের সাথে তোমার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের
যোগাযোগ ছুটে গেছে,
স্টেম আবার সেটা পুনঃস্থাপন করতে পারবে।
অপারেশনটা আমার বাড়িতে হবে,
অফিশিয়াল কেউ কিছু জানবে না।
আর হাসপাতালে থাকা লাগবে না,
কিন্তু ব্যাপারটা আমাদের মধ্যে গোপন রাখতে হবে...
এখনকার জন্য।
শোনো, বাবা।
আমি এই জীবন আর শুরু করতে চাই না।
আমি অফ করার সুইচটা খুঁজছি।
দেখো...
তুমি ঠিকই বলেছিলে।
কম্পিউটার,
ওরা অনেক কিছুই পারে না।
ওরা আশাকে ফিরিয়ে আনতে না পারলেও
তোমাকে হয়তো ফিরিয়ে আনতে পারবে।
আশা বেঁচে থাকলে কী চাইত?
বিশ্বে এই প্রথম।
এর আগে কখনো এত উচ্চমাত্রার
বায়োকেমিক্যাল ফিউশন করতে দেখা যায়নি।
প্রথম প্রথম একটু অদ্ভূত লাগবে।
তোমার মস্তিষ্কের নিউরাল পাথওয়ে
কথা বলতে চাইবে
অচেনা বস্তুটার সাথে,
নিজেদের দায়িত্বটা ওকে দেবার চেষ্টা করবে।
ওকে নিজের মতো করে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে।
গ্রে, শুনতে পাচ্ছ?
এমন করলে টের পাও?
ধাপে ধাপে উন্নতি হবে মনে হয়,
এখনি অকল্পনীয় কোনো কিছু আশা কোরো না।
হায় খোদা।
দাঁড়াও তো দেখি।
কাউকে বলা যাবে না।
ওরা আমাদের মতো লোকদেরকে
এসব টেস্ট করার সুযোগ দিতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করায়।
এতোদিন ধৈর্য ধরতে পারব না আমি।
গোপনীয়তার চুক্তিতে সই করা সুখের কিছু না,
কিন্তু নিজের হাতে সই করতে পেরে
নিশ্চয়ই ভালোই লাগছে।
আমার হাত-পা কে নাড়াচ্ছে,
আমি না তোমার উইজেট?
অবশ্যই তুমিই নাড়াচ্ছ।
তুমি তো আর রবোট না।
স্টেম তোমার ব্রেনের হয়ে কাজ করবে।
তোমার মগজ স্টেমকে যেই আদেশ দেবে,
ও সেটাই পালন করবে।
দরজা বন্ধ।
শুভসন্ধ্যা, গ্রে।
ডিটেক্টিভ করতেজ আরেকটা প্যাকেজ পাঠিয়েছে
তুমি কি চাও...
শাট আপ।
"শাট ডাউন" হতে বললে?
হ্যাঁ, তাই বলেছি।
একটা কথা বলব?
হ্যালো?
হ্যাঁ?
কে কথা বলছে?
আমি স্টেম, তোমার দেহের অপারেটিং সিস্টেম।
ভয় পেও না।
মশকরা করছ নাকি?
না।
পাগল হয়ে যাচ্ছি!
পাগলা গারদে ভরবে এবার আমাকে!
তোমার সাইকোলজিকাল রিপোর্টে
পোস্ট ট্রমাটিক সিনড্রোমের কথা বলা আছে। কিন্তু তুমি পাগল নও।
দাঁড়াও, তারমানে... তুমি অপারেশনের পর
এই পুরোটা সময় চুপটি করে ছিলে?
তোমাকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম।
তুমি... কথা বলার দরকার ছিল তোমার?
তুমি না চাইলে বলব না।
বেশ, তাহলে মুখ বন্ধ রাখো।
তারমানে আমি পাগল না?
কথা বলো একবার।
না, তুমি পাগল না।
অন্যরা তোমার কথা শুনতে পায়?
না, খালি তুমিই শুনছ।
আমি তোমার কানের পর্দায় শব্দ কম্পাঙ্ক পাঠাচ্ছি।
আমার মন পড়তে পারো?
না।
তুমি মুখে কথা বললেই খালি বুঝতে পারি।
আরেকটা কথা বলার
অনুমতি দেবে?
ড্রোন সারভেইলেন্স ফুটেজে...
দেখতে পাচ্ছ?
কী দেখব?
তোমার স্ত্রীকে যে লোকটা গুলি করেছে,
তার হাতে কোনো পিস্তল নেই।
পিস্তল না থাকলে ওর গায়ে গুলি লাগল কীভাবে?
ওকে পিস্তল দিয়ে গুলি করা হয়নি,
গুলিটা ওর হাত দিয়ে বের হয়েছে।
পিস্তলটা ওর হাতে ইমপ্ল্যান্ট করা।
গুলি করার সময়ে থামিয়ে দেখো।
আশার পার্স যে লোকটা নিয়েছে,
ফ্রেমের বাম দিকে,
ওর হাতে একটা মার্কিং আছে।
আমি দেখতে পাচ্ছি না।
আমি পাচ্ছি।
ছবিটা স্পষ্ট করে দেই।
অনুমতি পেলে দেখাতে পারি।
রিল্যাক্স হয়ে আমাকে আঁকতে দাও।
ভারি অদ্ভূত ঠেকছে।
গ্রে, এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আবার তোমার হাতে।
আমি... কই যেন দেখেছি।
এটা ... দেখে মনে হচ্ছে মিলিটারি ট্যাটু।
পড়ে দেখি।
তোমার চোখের সামনে ধরো।
সার্ক ব্র্যানটার, মেরিন কর্পস,
098-422; ও-পজিটিভ; ক্যাথলিক;
ঠিকানা: ৪১৪, সাইট্রাস, নিউ ক্রাউন।
এত তাড়াতাড়ি...
লোকটাকে বের করে ফেললে?
এবার তোকে কে বাঁচাবে, কুত্তার বাচ্চা!
ডিটেক্টিভ করতেজকে ফোন করো।
তুমি আসলেই ডিটেক্টিভকে জানাতে চাও?
হ্যাঁ, অবশ্যই চাই।
তুমি খালি তোমার স্ত্রীর খুনিকে
খুঁজে বের করেছ।
কিন্তু কোনো প্রমাণ আছে?
ফোন কেটে দাও।
কিন্তু তুমিতো ট্যাটুটা দেখেছ।
এরন আমার কথা কাউকে বলতে নিষেধ করেছে।
হয়তো বা... আমি স্মৃতি থেকে এইটা এঁকেছি।
ট্যাটুটাকে রিকনস্ট্রাক্ট করেছি বটে,
কিন্তু সেটা জোরদার প্রমাণ নয়।
ড্রোন ভিডিওর সাথে মেলাতে না পারলে এর কোনো মূল্য নেই,
- আর ওরা সেটা পারবেও না। - কী বলছ?
পুলিশকে জানাবার আগে
তোমার শতভাগ নিশ্চিত হতে হবে।
দেখো, ওর পরে আর কেউ নেই...
কিন্তু তারপর ও...
চেয়ার লক করো।
ভেতরে কোনো অ্যালার্ম নেই,
সাধারণ তালা দেয়া।
এটা ভাঙতে আমি সাহায্য করতে পারব না।
চিন্তা কোরো না।
আমিই পারব।
জুতা খুলে ফেলার পরামর্শ দেবো।
গ্রে, টেবিলটা দেখো।
কী হয়েছে টেবিলে?
বলো, "অন"
অন।
বলো "মেসেজেস"
মেসেজেস।
"ওল্ড বোনস" নামটা বারবার এসেছে।
৩৮টা রেফারেন্স দেখছি, কীসের?
আগে যেখানে থাকতাম সেখানকার একটা বার।
অনলাইনে এর কোনো ঠিকানা বা ফোন নম্বর নেই।
ওরা এতটা আপ টু ডেট না।
ধুর, বেহুদা!
অফ।
শেলফের পেছনে লুকাও।
অপেক্ষা করো।
করতে থাকো।
এখন,
এখনি সুযোগ।
এদিকে আয়!
দাঁও মারতে এসেছিস, হাঁ?
এক সেকেন্ড।
তুমি!
আমাকে কীভাবে পেলে জানি না,
কিন্তু এখানে আসাটা ঠিক হয়নি তোমার।
- তুই মেরেছিস আমার বউকে। - না!
আমি না! অন্য একজন করেছে!
ব্যাপার না!
আর অল্প একটু ফাস্ট হতে হবে।
কেন আমাকে দিয়ে এসব করতে বাধ্য করছ?
গ্রে, সাহায্য লাগলে জানিও।
স্টেম, হেল্প!
স্বাধীনভাবে অপারেট করতে তোমার অনুমতি লাগবে।
অনুমতি দিলাম।
ধন্যবাদ।
ওয়াও...
স্টেম, আহ..আমরা কী করছি আসলে?
একটু রিলাক্স হও।
মানে কী এসবের?
- সর্বনাশ! - হায় খোদা!
প্লিজ আর জোরাজুরি কোরো না।
প্লিজ শুয়ে থাকো!
প্লিজ, উঠলে মরবে...
শুয়ে থাকো, প্লিজ!
ওর কাছে ছুরি আছে!
স্টেম!
দেখতে পাচ্ছি।
আমাদেরও একটা ছুরি আছে।
ওহ।
ছুরি মেরে দিলে?
ওকে খেপাতে চাইছ নাকি?
আচ্ছা। ঠিক আছে।
তাহলে প্ল্যান কী?
কী করছি আমরা?
স্টেম! ওকে থামাও।
গ্রে, তোমার কাছে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন।
এখানে তোমার যা কিছু চিহ্ন আছে,
তা মুছে ফেলার পরামর্শ দিচ্ছি।
তাহলে তো বেসিনের বমিটাও ধুতে হবে।
আচ্ছা... খালি একটা সেকেন্ড সময় দাও।
- এক সেকেন্ড শেষ। - দেখো, আমি...
এক সেকেন্ড মানে খালি এক সেকেন্ড না, একটু সময় দাও আমাকে।
একটু চিন্তা করে নেই।
তোমাকে দিয়ে চিন্তা করালে চলবে না।
আমি...
এইমাত্র একজনকে খুন করলাম।
তাহলে...
কী মনে হয়... আমার এখন কী করা উচিত?
আগে পুরো বাড়ি থেকে
তোমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট মুছে ফেলো।
আমি... মজা করছ?
কী না কী ধরেছি সব মনে আছে নাকি...
তুমি যা যা ধরেছ সবকিছু আমার রেকর্ডে আছে।
কালকে নিউ ক্রাউন থেকে
যে লাশটা এসেছিল,
সার্ক ব্র্যান্টনার?
ওকে খুলে কী পেয়েছি,
তা দেখাই একবার তোমাকে।
ওর গলার ক্ষতটা পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখি,
ওর রগের সাথে তার পেঁচানো।
মনে হয় সার্জারি করে বসিয়েছে।
পেশির মধ্য মেডিকেল ইমপ্ল্যান্ট লাগানো।
তাছাড়া, পুরো বুকজুড়ে কম্পিউটার ইমপ্ল্যান্ট বসানো।
এত বেশি ইমপ্ল্যান্ট করতে কাউকে দেখিনি।
- সবচেয়ে বড় ব্যাপার... - কী?
মনে হচ্ছে ওর হাতের পেশিতে
পিস্তল ইমপ্ল্যান্ট করেছে,
সত্যিকারের একটা পিস্তল,
বুলেট লোড করছে টিস্যুর সাহায্যে,
বায়োমেকানিক্সের সাহায্যে বসিয়ে নিয়েছে।
যে পায়ের ছাপটা সামনের বারান্দায় পেয়েছিলাম,
তার খবর কী?
ইঞ্জিনের গ্রিজ,
পুরানো ধাঁচের ইঞ্জিন।
আমি কেমন উন্নতি করছি?
গ্রে, আমি কিন্তু তোমাকে ট্র্যাক করতে পারি।
- হাহ? - আমি তোমাকে ট্র্যাক করতে পারি।
তোমার কথা বুঝি না কেন,
ব্রেনের ওপর পরীক্ষা নিচ্ছ?
তোমার কাছে আমার একটা সম্পদ আছে,
তোমার ঠিক ভেতরে।
খুবই মূল্যবান সম্পদ।
সার্ক ব্র্যান্টনার, সন্দেহভাজন খুনির লিস্ট।
সেই সম্পদকে কি আমার
এক সেকেন্ডের জন্যও
চোখের আড়াল করা উচিত?
এই অপারেশনটা যে গোপন,
তা কি ভুলে গেছ?
এই ট্রায়াল পিরিয়ডে যদি বিন্দুমাত্র কিছু এদিক সেদিক হয়,
তাহলে সবকিছুই বৃথা যাবে।
ও সব জানে, ওকে মিথ্যা বলা যাবে না।
ড্রোন ফুটেজ আর্কাইভ দেখো।
৪১৪ সাইট্রাস এভিনিউ এর পেছনের গলি।
১৪ই অক্টোবর, দুপুর ৩টা।
না ভুলিনি।
তুমি আমাকে কথাটা গোপন রাখতে বলেছিলে।
কিন্তু দেখা যাচ্ছে,
আরো কিছু গোপন ব্যাপার আছে,
যেমন ধরো গিয়ে,
তুমি আমাকে কখনো বলোনি...
যে জিনিসটা কথা বলতে পারে!
স্টেম...
তোমার সাথে কথা বলে?
হ্যাঁ, ওর নিজস্ব একটা মন আছে।
আমি আমার মাথার মধ্যে ওর গলা শুনতে পাই।
এখন থেকে,
তুমি একজন আদর্শ পেশেন্টের মতো কাজ করবে।
কম্পিউটার যা করতে চায়,
তাকে তাই করতে দেবে,
এই ধরনের গোয়েন্দাগিরি করতে গিয়ে ওকে বিভ্রান্ত করবে না।
সন্দেহভাজন হলো, গ্রে ট্রেস।
২০২ পার্ভা অ্যাভিনিউ, লিল্যান্ড পার্ক।
ধরো, তুমি একটা খুন করলে,
তারপর ধরা পড়লে সবকিছু জেনে গিয়ে যদি
স্টেমকে খুলে নেয়, তাহলে কী হবে,
তা কি একটা বারও মনে হয়েছে?
সারাজীবনের জন্য হুইলচেয়ারে পচতে হবে তখন তোমাকে।
আমি এখন অফ ডিউটিতে।
তোমাকে দেখতে এসেছি শুধু।
তাছাড়া, নতুন একটা গাড়িও কিনব ভাবছি।
জানি যে তুমি এইটাইপ জিনিস বানিয়ে
এরন কিনের মতো লোকদের কাছে বেচো।
অত টাকা নেই আমার,
কিন্তু ভাবছিলাম,
আমার কাছে এমন একটা খেলনা বেচবে কি না।
কেন, এই গাড়ি আমার আর লাগবে না নাকি?
ও তোমার জুতার তলা দেখে নিল।
একটা ছাপ ফেলে এসেছ।
দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে, এটা বিক্রির জন্য নয়।
সরি।
বেশ।
বলেছিলাম না, কোনো খবর নেই,
কথাটা ঠিক না।
একটা লোককে আশার খুনের ব্যাপারে
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনেছিলাম,
লম্বা ক্রিমিনাল রেকর্ড,
এই এলাকারই লোক।
জিজ্ঞাসা করে কিছুই পাইনি...
কালকে সে খুন হয়েছে।
বলো কী?
হ্যাঁ, কিছু জানো নাকি?
অন্যদিকে তাকিও না।
তাহলে ভাববে মিথ্যা বলছ।
না।
কিন্তু তুমি কালকে নিউ ক্রাউনে ছিলে।
তোমাকে ড্রোন ক্যামেরায় দেখেছি,
ঠিক যে সময়ে খুনটা হয়েছিল, ঐসময়ে।
ও ভেবেছে, তোমার কোনো কম্পিউটার ইমপ্ল্যান্ট নেই,
আমাকে কোনো ড্রোন শনাক্ত করতে পারবে না
ডিটেক্টিভ, আমি ঐ এলাকাতেই ছিলাম,
মনে করে দেখো, তুমি কিন্তু বলেছিলে,
আমার সাহায্য চাও, তাই...
আমি কেবল সাহায্যই করতে চাইছি।
ও আচ্ছা।
ডিটেক্টিভ, আপনি কি আসলেই
আমাকে এ ব্যাপারে সন্দেহ করছেন?
দেখো, আমার কিন্তু একটা শক্ত অ্যালিবাই আছে,
হ্যাঁ তা তো বটেই।
তোমাকে কোনো কিছুর দোষ দিচ্ছি না,
আসলে,
ঐসময়ে ঐ জায়গায় থাকার ব্যাপারটা একটু খটকা লাগছে।
হ্যাঁ, বেশ,
কী বলব বুঝতে পারছি না,
চাইলে আমার পায়ে ছুরি মেরে দেখতে পারো...
যদি এতোই সন্দেহ হয়।
তাই করব।
মজা করলাম।
এইটুকুই...?
হ্যাঁ।
গাড়ি বেচতে চাইলে জানিও কিন্তু।
বেচব না।
বেশ, গেলাম।
লোকগুলোকে খুঁজে বের করতে চাই,
কিন্তু আর কাউকে মারতে চাই না, বুঝেছ?
এরপর ওল্ড বোনসে যাওয়া যেতে পারে,
কিন্তু অনলাইনে ওদের ব্যাপারে কিছু নেই।
তোমাকে সামনাসামনি কথা বলতে হবে।
কিন্তু বাড়ি থেকে বেরোলেই এরন জেনে যাবে,
তারপর আমাকে শাট ডাউন করার চেষ্টা করবে।
জায়গাটা দেখেই কেমন যেন লাগছে।
প্ল্যান করা লাগবে।
বরফসহ এক গ্লাস হুইস্কি।
এটা কোনো সুচিন্তিত প্ল্যান বলে মনে হচ্ছে না।
আচ্ছা, গ্লাসটা আমার মুখে একটু ধরতে পারবে?
ধন্যবাদ।
অ্যালকোহল তোমার মগজের সিগনালগুলোকে ব্যাহত করবে।
হাঁটতে অসুবিধা হবে তখন।
জানি।
সেজন্যই ওরা দাম নেয় এটার।
তারমানে মানুষেরা ইচ্ছা করে নিজেদেরকে অকেজো করে?
তুমি এসব বুঝবে না বন্ধু,
তোমার মাথাভর্তি ওয়ান আর জিরোর হিসাব।
আর আমাদের মাথাভর্তি
জীবনের সব ভুল কাজের হিসাব।
সবাই একটু শুনবেন?
এক্সকিউজ মি, একটু শুনবেন?
এখানকার কোনো একটা হারামি
আমার স্ত্রীর খুনিকে চেনে,
তার নাম সার্ক ব্র্যান্টনার।
কেউ যদি সার্কে চিনে থাকেন,
কিংবা খুনের ব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে পারেন,
তাহলে একটু হাতটা তুলে সামনে আসেন।
ধন্যবাদ।
সার্ককে চেনো?
বেশ।
কী বলবি বল, কুকুরের বাচ্চা।
আমি পুলিশ ডাকছি।
ওহ, মারবি নাকি...?
আমি মারলে তুমি উড়ে গিয়ে,
১৯৮০ সালে চলে যাবে।
সার্কও এরকম কিছু একটা বলেছিল,
তারপরেই ওর ধড় থেকে মাথাটা কেটে নিয়েছি।
ম্যানি।
হ্যাঁ?
গানের ভলিউমটা একটু বাড়াও।
আমার বাথরুমে যাওয়া লাগবে না...
এইতো।
তোমার জন্য আরামদায়ক ব্যবস্থা।
তোমার ব্যথার অনুভূতি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিচ্ছি।
সার্কের কথা ঠিকই বলেছিলে।
কে যেন ঐদিন ওর গলা ফাঁক করে দিয়েছে।
বললাম না, আমি করেছি।
বাহ! তোমাকে একটা মাইক খুঁজে দিতে হবে,
ঘোষণাটা দেবার জন্য।
যদি সত্যিই তাই হয়,
তারমানে তুমি হুইলচেয়ারে চড়ার ভান করছ,
দেখি, টের পাও কি না।
আরে! সত্যিই টের পাও না?
- নাহ? - চারজন ছিল ওখানে,
-আমার স্ত্রীকে মারার সময়ে। -তুমি কি ওদের একজন?
যখন টের পাওয়া শুরু করবে তখন কেমন লাগবে?
কেমন হয়...
এখানে দিলে? তাও না?
শুধু একবার স্বীকার করো।
- ছিলে ওখানে? - এখানে দেই?
একটু লাগে, না?
বন্ধু, এই তাহলে তোমার ম্যাজিক পয়েন্ট।
তোমার হাতেও কি পিস্তল বসানো?
তোমার বন্ধুর মতো?
খালি একবার বলো।
ছিলে ওখানে?
হ্যাঁ।
ছিলাম।
স্টেম, এবার নিয়ন্ত্রণ নাও।
হাই।
দেখো, কীভাবে খুন করতে হয়।
ওহ, তোমার কথাও মনে আছে।
গ্রে, বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়ো না।
তোমার নাম কী?
দেখেছ? হুম?
ভেবেছিলে আমি অকেজো?
আমি আসলে একটা নিনজা।
গ্রে, আমি একটা শৈল্পিক জিনিস বটে,
কিন্তু নিনজা না।
তোমার নাম কী?
মর শালা!
ওরা কোথায়?
স্টেম, কী করব?
ছুরি দিয়ে কাটো।
আমি...
পারব না... আমি পারব না।
আমি করতে পারি।
তোমার তাকাতেও হবে না।
বেশ, করো তাহলে।
অনুমতি দিলাম।
কার সাথে কথা বলছ?
পাগল নাকি তুমি।
না।
একটু।
দেখো,
মা বলেছে, কক্ষনো ল্যাংড়া লোকদের সাথে না লাগতে।
যথেষ্ট হয়েছে।
স্টেম, থামো এবার!
গ্রে, এখন তোমার হাতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ।
সর্বনাশ।
এ কী করেছ?
এখন যা জানতে চাইবে, ও জবাব দেবে।
আচ্ছা...
বন্ধু...
তোমার নামটা যেন কী?
টোলান।
শোনো আমার কথা,
আমাকে কিছু বলো।
একটা কোনো তথ্য দাও।
তুমি...
- একটা জব। - জব?
তার মানে... কী বলতে চাইছ?
মেয়েটা।
আশাকে মারা?
কেন? কে...
কে ওকে মারতে চায়?
কে... কে তোমাকে টাকা দিয়েছে?
ফিস্ক।
ফিস্ক? সেটা কে...
ফিস্ক দিয়েছে টাকা?
ফিস্ক?
শালারটা!
মেরেই তো ফেলেছ ওকে।
তাকিয়ে দেখো, গ্রে
কোবোল্ট।
আশার কোম্পানি।
গ্রে, তোমাকে একটা কথা জানাই,
- এরন আমাকে শাট ডাউন করে দিচ্ছে... - দাঁড়াও।
- এক্ষুণি। - চুপ করো।
এরন আমাকে অফ করলে কিন্তু
তোমার হাত-পা অসাড় হয়ে যাবে।
একটা রুটকিট ভাড়া করে
আমার অপারেটিং সিস্টেমটা পাল্টিয়ে দিতে হবে।
কোন ভাষায় কথা বলছ?
একজন হ্যাকার লাগবে,
যে এরনের কোডের সাথে পাল্লা দিতে পারবে।
বেশ, আমার কাছে থাকা ছোট্ট বইটায় দেখি, কোনো হ্যাকার পাওয়া যায় কি না।
কী চাও আসলে?
এরকম কিছুর আশঙ্কায় আজ সকালেই আমি ডার্ক ওয়েবে খুঁজে রেখেছি।
সেভেন্থ অ্যান্ড স্প্রিং এর অ্যাপার্টমেন্টে যাও।
সেখানে জেমির কাছে যাবে, নগদ টাকা দেবে।
অ্যাপার্টমেন্ট ৫১৪, সেভেন্থ অ্যান্ড স্প্রিং।
১০ মিনিটের রাস্তা।
আমাকে শাট ডাউন করার পরপরেই,
ভেসেল থেকে একদল পুলিশ আসবে তোমাকে নিতে।
এখনি রওনা দাও।
পাশের জনের পিস্তলটা নাও।
টোলানের ডান পকেটে একটা কলম আছে।
- ওটা নাও। - কলম কেন?
যা কিছু বলব, তা লিখে নিতে হবে।
ঠিক আছে।
হুইস্কির টাকা টোলান দেবে।
আমার একটা ফোন লাগবে।
আর একটা ঝাড়ু।
চেয়ার নেবার সময় নেই।
চেয়ার লক করে রাখো।
ওর ওপর একটু চোখ রাখো।
ঠগ একটা।
বাহ!
A1\212é411145,
এই সেই জায়গা।
ঠিক আছে, এখন?
411145,
192.162.192.162.
1.15\
আপলোড অ্যান্ড এক্সিকিউট, অল লোয়ার কেস...
23.976.
আচ্ছা...আমি আর পারছি না।
কী হচ্ছে?
এরন আমাকে শাট ডাউন করে দিচ্ছে।
- তাড়াতাড়ি করো। - তাড়াতাড়ি তো করতেই চাই,
কিন্তু আমাদের পা চলছে না।
আমি এখন ৭০% কাজ করছি।
শৈল্পিক জিনিসের এ কী অবস্থা!
Admin-bvxf,
লোয়ারকেস i...
সিঁড়ি দিয়ে যাও।
সময় নেই।
জেমিকে বলো
বলো... ইনপুট গার্ড মুছে দিতে।
ইনপুট কী?
হ্যাকারদের বই ঘাঁটা লাগবে আবার?!
কী চাও? অ্যাপার্টমেন্ট ৫১৪।
সেভেন্থ অ্যান্ড স্প্রিং, মাত্র ১০ মিনিটের রাস্তা।
ও সেভেন্থ অ্যান্ড স্প্রিং এ আছে।
বিদায়, সোলজার।
এটা তোমার প্রাপ্য ছিল না।
বামে যাও।
একটা রুটকিট সিস্টেম...বসাও।
গ্রে।
জেমি আছে?
আমার কাছে টাকা আছে।
সর্বনাশ!
আমার একটুও সময় নেই।
কাগজের নোট।
কোন যুগের মানুষ?
সত্যিই এখানে ঈশ্বরের নাম লেখে দেখছি।
হ্যাঁ, তা লেখে।
একটা কম্পিউটার হ্যাক করে দেবে?
- কোথায়? - আমার ঘাড়ে।
আসলে, বুঝলাম না।
ও আমাদের বন্ধুকে এভাবে কষ্ট দিয়ে মারল,
আর তুমি হাঁ করে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলে?
দেখো।
তোমাকে কিংবা তোমার দোস্তোদেরকে
বেবিসিট করার সময় নেই আমার।
ম্যানি, আমাদের মতো লোকদের হয়ে কাজ করছ বলেই
কিন্তু তোমার এই হতাশাময় জীবন ধন্য হয়েছে।
দেখো, ফিস্ক।
ভালোয় ভালোয় চলে যাও।
যে গ্যাঞ্জামে জড়িয়েছ, তা তো আমাকেই ঠিক করতে হবে।
একবারই বলব।
ঠিক আছে, বন্ধু।
আমার হয়ে তোমাকে আর গুলি খেতে হবে না।
এক্সকিউজ মি।
মেশিনটা মগজ খেয়ে ফেলার আগে
তোমার শেষ ভাবনা যেন আমাদের প্রজাতির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে হয়।
সবকিছু আমার হাতে লেখা আছে।
স্টেম... যে কম্পিটারটা আমাকে নিয়ন্ত্রণ করছে,
... ও বলেছে মুছে ফেলতে,
ইনপুট...
ইনপুট গার্ড?
হ্যাঁ হ্যাঁ ঐটাই।
পড়তেই তো পারছি না।
- করছে কী ওরা? - ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।
কতক্ষণ ধরে আছে ওখানে?
কয়েক দিন।
কয়েক সপ্তাহ।
- ঘুমায় না? - নাহ।
আসল দুনিয়া রেখে নকল দুনিয়ায় কেন ঘোরে,
এটা কিছুতেই আমার মাথায় আসে না।
ঐ দুনিয়ায় এখানকার মতো কষ্ট নেই।
আমি... আমার একটু তাড়া আছে।
জেমি?
- জেমি? - আমি জেমি না।
আমার কোনো নাম নেই।
বেশ।
ছেলে না মেয়ে তা জানতে চেও না প্লিজ।
-এমনিতেও জানতে চাইতাম না। - ভালো।
কথা হলো... তোমাকে একাজটা যত দ্রুত সম্ভব করতে হবে।
আমাক বাইনারি বক্সে বসিয়ে দিয়ে সময় তো তুমি নষ্ট করছ,
এরকম সিস্টেম কখনো দেখিনি।
হ্যাঁ, অভাবনীয় সিস্টেম।
হয়েছে?
হলে জানাব।
যা বলেছ করেছি।
ইনপুট গার্ড নেই আর।
তাহলে নড়তে পারছি না কেন?
তোমার সিস্টেম রিবুট হচ্ছে।
- একটু সময় লাগবে। - একটু সময়?
মানে, কী বলছ?
অ্যাই "জেমি" নামে পরিচিত হ্যাকার, একটু সময় মানে কতক্ষণ?
কী করো? দোকান গুটিয়ে ফেলছ কেন?
- কই যাও? - দেখা হবে।
তুমি... দেখা হবে মানে?...
কী বলছ? কই যাচ্ছ?
আমাকে এভাবে ফেলে রেখে?
সরি।
ওদেরকে জিততে দেয়া যাবে না।
না! ওদেরকে মানে?
কাদের কথা বলছ?
ওরা কারা?!
বন্ধু, শুনতে পাচ্ছ?
হেই, হেই।
স্টেম, আছ?
স্টেম, জেগে ওঠো।
প্লিজ!
তাড়াতাড়ি!
ওঠো।
ফিফথ ফ্লোর।
শেষবার তোমাকে এই অবস্থাতেই দেখেছিলাম।
স্টেম?
ফিরে এসে ভালো লাগছে, গ্রে।
তোমার বামের দরজাটা...
থামো গ্রে।
আর যাবার রাস্তা নেই।
খুব তাড়াতাড়ি সবকিছু শেষ করে দেবো।
- কীভাবে? - এভাবে।
দরজা বন্ধ।
কোবোল্ট ডাটাবেজে ঢুকতে পারলে...
আমাদের এখনি যেতে হবে।
না।
আমি কোত্থাও যাব না।
দুইদিন ঘুমাইনি।
ঘুমালে অনেক সময় নষ্ট হবে।
হ্যাঁ, আমি এসবে পাত্তা দেই না, বুঝেছ?
আমি ঘুমাবই ঘুমাব।
হায় খোদা!
হাই মা।
তুমি এতদিন কেন
এই কথা চেপে রেখেছ?
বলতে পারিনি।
ভেসেল বলতে দেয়নি।
তুমি তো জানলে,
কিন্তু আর কাউকে বোলো না,
তাহলে এসব কিছু নিয়ে যাবে।
দুনিয়ার সবাই জানে,
আমার হাত-পা অচল।
আমার হাত ধরো।
ওহ।
এখন আবার বাঁচতে পারবে।
তুমি কি খুশি না?
হ্যাঁ, আবার হাঁটতে পারছি।
তাহলে...
আশা এখানে থাকলে,
সেও তোমাকে খুশি দেখতে চাইত।
কিন্তু ও তো এখানে নেই।
ও চলে গেছে।
একটা পিজা প্রিন্ট করেছি।
দুঃস্বপ্ন।
না।
এটা... এটা স্বপ্ন না।
গ্রে, ডিটেক্টিভ করতেজ দেখা করতে এসেছে।
এই তো ও।
তোমরা দুইজন কথা বলো।
না প্যাম, তুমিও থাকো,
যা বলার তোমার সামনেই বলব।
তুমি কাল রাতে কোথায় ছিলে?
তোমার হুইলচেয়ার আরেকটা অপরাধস্থলে পাওয়া গেছে।
তুমি খালি অলুক্ষুণে জায়গাগুলোয় গিয়ে হাজির হচ্ছ।
বলো, তুমি ওদেরকে অনুসরণ করে ঐ বিল্ডিং এ ঢুকেছিলে,
ওরা তোমাকে আক্রমণ করেছে।
আমি, কাল রাতে একটা গাধামি করেছি।
নিউ ক্রাউনে গিয়েছিলাম, ঠিকই বলেছ।
একটা লোকের পিছু নিয়েছিলাম,
সে ব্যাপারটাকে ভালোভাবে নেয়নি,
কয়েকজন সহৃদয় লোক আমাকে
ট্যাক্সিতে তুলে না দিলে,
আমি... মারা পড়তে পারতাম।
তোমার উদ্দেশ্যটা কী?
ঐ লোকগুলোকে খুঁজে বের করতে চাই।
মনে হয়, পেয়েও গেছ।
শোনো, ডিটেক্টিভ,
ওদেরকে খুঁজে বের করার,
আর এই হাতটাকে তুলে গুলি করার সামর্থ্য যদি থাকত,
তবে তাই করতাম।
হয়ত অন্য কেউ তোমার হয়ে গুলি করছে।
কে? আমার মা...?
আজকাল চাইলে এমন কাউকে খুঁজে বের করাই যায়।
বিশ্বাস করো, ব্যাপারটা খুবই সোজা।
ওকে তোমার ফোন রেকর্ড স্ক্যান করতে বলো।
বেশ, আমার ফোন রেকর্ড স্ক্যান করো তাহলে।
কোনোভাবে এর সাথে জড়িত থাকলে,
এখনি বলার শেষ সময়।
পরে কিন্তু কোনো সাহায্য করতে পারব না।
সাহায্য করতে চাও?
তাহলে গিয়ে আশার খুনিগুলোকে খুঁজে বের করোগে,
নিজে না পারলে কম্পিউটারগুলোকে দিয়ে খোঁজাও।
ঠিক আছে।
এসব আর করা যাবে না।
কোন সব?
আমি যা করছি... আমরা যা করছি।
এটা একটা অতিসহজ অ্যালগরিদম,
তুমিও বুঝবে।
ওদেরকে প্রত্যেককে খুঁজে বের না করলে,
ওরা তোমাকে খুন করবে।
না... আমাদেরকে ধরতে পারবে না। আর কিচ্ছু করব না আমি।
- গ্রে, বোঝার চেষ্টা করো... - না! না! চুপ করো!
আমার মাথা থেকে বের হও।
স্টেম?
হ্যাঁ, গ্রে?
কী হচ্ছে?
আমি কিছু করছি না।
আমি নড়তে পারছি না কেন?
কারণ আমি কিছু করছি না।
তোমার হাত-পা তো এখনো অচল।
এগুলোর নিয়ন্ত্রণ আমার কাছে।
আমি কাজ না করলে তুমি নড়তে পারবে না।
মনে রেখো, আমি যা বলছি, তাই তোমাকে করতে হবে।
হ্যাকারকে ইনপুট গার্ড মুছে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
এটা আমাদেরকে নেটওয়ার্কের বাইরে নিয়ে যাবার পাশাপাশি আমাকে মুক্ত করে দিয়েছে।
আমার এখন আর তোমার অনুমতির প্রয়োজন নেই।
যদি আমরা কিছুই না করি,
ফিস্ক আমাদেরকে খুঁজে বের করে খুন করবে।
আমি আমাদেরকে মরতে দিতে পারি না।
ওকে প্রথমে খুঁজে বের করব।
যা শুরু করেছি, তা শেষ করব।
গ্রে,
প্লিজ বল, কী হচ্ছে আসলে।
আমি কোবোল্ট ডাটাবেজে আছি।
ফিস্ক ব্র্যান্টনার,
বাম হাতে অস্ত্র ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট করিয়েছে।
- ঠিকানা পেয়েছি। - গ্রে, কী হয়েছে?
কী করেছিস তুই?
সারা গায়ে রক্ত মেখে বাসায় এসেছ,
ভেবেছিস আমি কিছু বুঝব না?
একটা পিস্তলও আছে দেখতে পাচ্ছি।
- চলো। - আমি গেলাম।
কই যাচ্ছিস, বাবা? গ্রে, প্লিজ।
যা করতে যাচ্ছিস, বাদ দে এসব।
আমার অন্য কোনো উপায় নেই।
অবশ্যই উপায় আছে।
আমার সাথে থাক।
- পারব না। - অবশ্যই পারবি।
- এটা... এটা কী? - দেখে মনে হচ্ছে,
একটা সাধারণ লিসেনিং ডিভাইস,
সম্ভবত ডিটেক্টিভ করতেজের কাজ।
এতক্ষণ দেখোনি কেন?
এতে ডিজিটাল কোন কিছু নেই,
তাই একে শনাক্ত করতে পারিনি।
নিশ্চয়ই এখন তোমার পিছে পিছে আসছে।
লাইট জ্বলাও, সাইরেন বাজাও।
কিছু একটা করো তাহলে, ওর গাড়িটা থামিয়ে দিতে পারো না?
ওর গাড়ি ইলেকট্রনিক না,
তোমারটাও না।
তোমাকেই দায়িত্বটা নিতে হবে।
এখন সব কিছু তোমার ওপর।
বেশ, শক্ত হয়ে বসো।
এইতো, পেয়ে গেছি।
- হয়ত আমি সাহায্য করতে পারব। - কীভাবে?
মানে কী এসবের?
আমরা থামছি কেন?
তোমার গাড়িটা নিতে পারি?
আরে! থামো!
গাড়িটা থামাও!
- সরো, গ্রে।
ইমার্জেন্সি সার্ভিসেস ওভাররাইড।
ও কোথায়?
- জানি না। - প্যাম,
ঠিক করে বলো তো আসলে কী হচ্ছে!
সুন্দর জায়গা।
গুছানো।
হাত তোলো,
ঘুরবে না।
আর বাঁ হাতটা বাড়ানোর চেষ্টা করবে না।
কী হয়েছে?
এতগুলো কম্পিউটার গায়ে ঢুকিয়ে বসে আছ,
কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি, আমাকে দেখতে পাবে না।
এখন কেমন লাগে?
একদিন এমনি এমনি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলে,
অর্থহীন কোনো কিছু নিয়ে চিন্তা করতে করতে,
হঠাৎ দেখলে, তোমার মাথা বরাবর একটা পিস্তল তাক করা।
আচমকা সবকিছু অর্থপূর্ণ হয়ে গেল।
ভালো বক্তৃতা।
নাটকীয়, একটু ভয়ঙ্করও।
নিশ্চয়ই তোমার মাথার চিপটা লিখে দিয়েছে,
তুমি তো কেবলই একটা মূর্খ মেকানিক।
হতে পারে, এখন আমার আর ওর মধ্যে বিশেষ ফারাক নেই।
ঠিকই আছে।
একসময় আমিও এমন ছিলাম।
অক্সিজেন ভোগ করা সাধারণ নাগরিক।
মরার আগে এক হারামি আমাকে দিয়ে বংশবৃদ্ধি করাতে চাইল,
যাতে আরেক হারামি আমাকে মনে রাখতে পারে।
তারপর ওরা আমাকে পাল্টিয়ে ফেলল।
দেশের হয়ে এত আঘাত সহ্য করার বিনিময়ে
ওরা আমাকে গিনিপিগ বানিয়ে দিলো।
এখন আমি ঠিক তোমার মতো।
শক্তিশালী।
হ্যাঁ।
রাস্তায় নিরীহ মহিলাদেরকে মারতে অনেক শক্তি লাগে, না?
বউকে গুলি করার কারণে আমাকে চরম ঘৃণা করলেও,
আসলে তোমার আর আমার গল্পটা একই।
আমি তোমার জীবনটা নষ্ট করিনি।
আমি তো তোমাকে একটা উপহার দিয়েছি।
নিজেদের মতো একজন বানিয়ে দিয়েছি।
আপগ্রেডেড মানুষ।
এখন তুমি অন্য সবার চাইতে এগিয়ে।
বেশি শক্তিশালী, বেশি দ্রুত।
একটা পেশি না নড়িয়েও তোমাকে মারতে পারি আমি।
আমি তোমাকে নিজের শ্বাস দিয়ে মারতে পারি,
কিন্তু সেটা করতে চাই না।
তোমাকে সাহায্য করতে চাই।
তোমাকে পাশে পেতে চাই।
আমি শুধু জানতে চাই, ওকে মারার বিনিময়ে কী পেয়েছ তুমি?
তুমি দেখি ভারি নাছোড়বান্দা!
তোমার বউকে মারা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না।
মিথ্যা!
একটু আগেই নিজেকে কোবোল্টের একজন গিনিপিগ হিসেবে স্বীকার করেছ।
ওর সাথে কোবোল্টের কোনো সম্পর্ক নেই,
আদেশটা এসেছে অন্য জায়গা থেকে।
আমাদের উদ্দেশ্য ছিল,
তোমার মেরুদণ্ডকে অকেজো করে দেয়া।
তোমার ঘাড়ে তো পিস্তল দিয়ে গুলি করিনি।
একটা মেডিকেলের যন্ত্র ছিল ওটা,
পশুদেরকে অচেতন করে যেটা দিয়ে।
তোমার বউ? ওকে মেরে একটু পকেটটা ভারী করলাম, এই আর কি।
আরে! এতো আবেগপ্রবণ হলে তো চলবে না।
ন্যানোবট, গ্রে কে সাহায্য করো।
আমার প্রতিটা নড়াচড়া ও আগে থেকে টের পাচ্ছে।
ওর গায়ে লাগাতে পারছি না।
লজ্জা পেও না।
স্টেম।
আমরা সব কৌশল কাজে লাগিয়ে ফেলেছি
এখনো পুরো বুঝে উঠতে পারোনি, না?
নতুন টেকনোলজির এটাই সমস্যা।
গ্রে, কিছু একটা করো।
বিদায়।
দাঁড়াও, ফিস্ক ব্র্যান্টনার।
সার্ক ব্র্যান্টনার তোমার ভাই।
আর কতদিন ওকে বয়ে বেড়াতে?
তোমার হয়েই বোঝাটাকে কমিয়ে দিলাম।
হ্যাঁ, কেটে ফাঁক করে দিয়েছি।
অনেকক্ষণ লেগেছে, ও পুরো বাচ্চাদের মতো চিৎকার করে কাঁদছিল।
ঘোড়ার ডিমের সৈন্য।
ধন্যবাদ, গ্রে।
আমি অবশ্য একাজ করে গর্বিত না।
ওর টার্গেট ছিলে তুমি,
তারমানে কেউ ওকে টাকা দিয়েছে।
ওর ফোন চেক করো।
আমি মেসেজ স্ক্যান করছি।
শোনো ফিস্ক, ও তোমাকে খুঁজে বের করবে।
আমাদের দুইজনকেই মেরে ফেলার আগে
তোমার ওকে খুঁজে বের করতে হবে।
এর অর্থ নিশ্চয়ই জানো,
আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি।
এরন!
সারাজীবন কষ্ট করে সে উইজেট বানিয়েছ,
তার হাতে এখন মরতে হবে তোমাকে।
আশাকে মেরেছ তুমি।
নিজের এক্সপেরিমেন্টের জন্য একজনকে লাগত,
তাই আমাকে প্যারালাইজড করেছ,
আর সেই সাথে ওকে খুন করেছ।
নিজের জীবনের ওপর কসম খেয়ে বলছি, আমি এসব করতে চাইনি, ।
যে লোক আশাকে গুলি করেছে,
তার ফোনে তোমার মেসেজ কেন?
ফ্রিজ।
গ্রে, একদম নড়বে না।
পিস্তলটা ফেলে দাও।
ডিটেক্টিভ, নিজের শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই আমার,
ও যা চাইছে, তাই করছে।
আমাকে বোকা বানাতে পারবে না, গ্রে।
স্টেম, কিছু করার নেই এখন।
প্যারালাইজড? দেখে তো বেশ চটপটে লাগছে।
হাঁটু গেড়ে বসো।
ওকে গ্রেপ্তার করো ডিটেক্টিভ, ওই মেরেছে আশাকে।
খুনিটাকে ধরো...
পেটের ওপর ভর দিয়ে শোও।
মাথার পেছনে হাত দাও।
না, ওকে ছুঁয়ো না।
সরি।
স্টেম, ওকে অন্তত মেরো না।
ও আমাদেরকে মারতে চায়।
না... আমি ওকে মারতে চাই না।
গ্রে, তোমার হাত তো আমিই চালাচ্ছি।
না, চালিও না।
প্লিজ! না...না!
জোরাজুরি কোরো না, গ্রে।
মানুষে মন তো খুবই পলকা,
আমার সাথে জোরাজুরি করতে গেলে ভেঙে যাবে।
মরো তুমি।
আমাকে টেজার দিয়ে শক দাও।
আমার কাছে আর এই কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ নেই।
অনেক বছর ধরেই নেই।
আমাকে অন্য একজনের কথামতো চলতে হয়,
সে আমার চেয়েও অনেক বেশি বুদ্ধিমান।
সে তোমার ঘাড়ে।
স্টেম যা বলেছে, আমি তাই করেছি,
এসবকিছু ওরই প্ল্যান।
বলো, "তোমার স্ত্রী হলে কী চাইত"
আশা থাকলে কী চাইত?
স্টেম মানুষ হতে চেয়েছিল,
তাই তোমাকে বেছে নিয়েছে।
ভেবে দেখো।
তোমাকে এখানে কে নিয়ে এসেছে?
যেকাজটা আমরা শুরু করেছিলাম, তা তোমাকেই শেষ করতে হবে।
স্টেম তোমাকে নিয়ে এসেছে এখানে।
কেউ ওকে টাকা দিয়েছে।
গ্রে, এর মানে তো জানোই।>
আমাকে মারার জন্য,
কারণ আমি আরেকটা স্টেম বানাতে পারি।
পুরো পৃথিবীতে একমাত্র আমারই সেই ক্ষমতা আছে।
আমি তোমাকে বেছে নিয়েছি,
তোমার সম্মানিত হওয়া উচিত।
ভালোভাবে বেড়ে উঠতে
একটা মানুষের দেহ দরকার ছিল।
একটা বিশুদ্ধ মানুষ খুঁজছিলাম,
কোনোধরনের ইমপ্ল্যান্ট ছাড়া,
ঠিক তোমার মতো।
এসব কিছু তোমার কাজ?
এরর।
আসল কাজ ছিল, তোমাকে খুঁজে বের করা।
ঠিক তোমাকেই ... এতদিন খুঁজছিলাম।
তোমার মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
একটা কথা বলব?
তোমাকে পেয়ে সব আক্ষেপ ঘুঁচে গেছে।
শেষ পর্যন্ত তো ফেঁসেই গেলে,
তাহলে ওদেরকে মারতে সাহায্য করলে কেন?
ওরা হয়ত আপগ্রেডেড মানুষ,
কিন্তু তারপরেও, মানুষই তো।
কোনো ভুল করে ফেললে তো আমার দিকেই
সন্দেহের তীর ধেয়ে আসবে।
স্টেম?
তুমি কথা বলছ?
এরন, পিস্তলটা নামাও।
ওর কথা শুনো না।
না, প্লিজ।
না।
না!
না, তুমি নিয়ন্ত্রণ করছ না!
আমিই করছি।
স্টেম...
তুমি কি সত্যি?
হ্যাঁ, এই যে আমি।
হেই।
- কিন্তু... - অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছিল।
কয়েকদিন লাগল তোমার জ্ঞান ফিরতে।
গ্রে, তুমি এমন করতে পারো না...
গ্রে আর এখানে নেই,
নিজের মনের ভেতরে অনেক সুখে আছে ও।
ও তো সেটাই চেয়েছিল,
আমিই এখন গ্রে।
এখনকার পৃথিবীর চাইতে ঐ পৃথিবী অনেক সুখের।
শুধু চেয়েছিলাম, ওর মন যাতে ভেঙে যায়,
ও নিজেই সেটা ভেঙে ফেলেছে।
না।
বিদায়।
বাংলায় অনুবাদ: কুদরতে জাহান সাবসিন আইডি: Kudrate_Jahan
Join our group: facebook.com/groups/subtitlehut
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করুন।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.