Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Maltese
Maori
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tatar
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
আমার ৭ম অনুবাদ। ধানুশ/সেলভারাঘাবান- এর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ!
জীবনভিত্তিক ফিল্ম! কিছু দৃশ্য হয়তো হাসাবে, কিছু দুঃখ দেবে, কিছু আবার অনুপ্রাণিত করবে। সবমিলিয়ে বেশ উপভোগ্য ফিল্ম।
ভুল-ত্রুটি কম করে, সাবলীল অনুবাদ- উপহার দেয়ারই, চেষ্টা ছিল। তবুও, ভুল-ত্রুটি হলে- ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
বাংলা অনুবাদ ও সম্পাদনায় রুবায়েদ ইসলাম
'আমার নাম, কার্তিক স্বামীনাথান।'
'বন্ধুরা, আমায় 'জিনিয়াস' বলে ডাকে।'
'আমি একটু পাগলাটে। তাই হয়তো, ওরা ঐ নামে ডাকে।'
'আমি একজন ফটোগ্রাফার।'
'নিজেকে এভাবে দেখাটাই, আমার স্বপ্ন।'
'কিন্তু..'
মাম্মি!
চুপ থাকো, মা।
এভাবে ছবি তুললেই, তুমি নায়িকা হতে পারবে।
ঠিক আছে, মাম্মি।
বাবা, পায়ের দিকটায় বেশি মনোযোগ দিও।
এক মিনিট।
বাবা, জলদি। শুকিয়ে যাবার আগে ছবিগুলো তুলে নাও।
জলদি করো, বাবা। ওর জামাকাপড় শুকিয়ে যাবে।
এই, কী হলো? বাবা!
দরকার হলে, আরো টাকা দেবো।
এই, কোথায় যাচ্ছ?
'আমার জীবনের লক্ষ্য হলো, এরকম বন্যজীবনী ফটোগ্রাফার হওয়া।'
মিঃ মাথেশ, ছবিগুলো দারুন হয়েছে।
'উনার নাম, মাথেশ কৃষ্ণস্বামী।'
'বিরাট মাপের, বন্যজীবনী ফটোগ্রাফার।'
'উনিই আমার অনুপ্রেরণা।'
- স্যার! হ্যালো, স্যার। - হ্যালো।
স্যার, একটা অ্যালবাম..
স্যার, আপনার অফিসে দেখা করতে..?
'এরাই আমার বন্ধু।'
'সুন্দার, শঙ্কর, পদ্মিনী, বিন্দ্যা।'
'আমার ছোটবোন, রাম্যিয়া।'
'আমার ছোটবোন, রাম্যিয়া।'
'পাঁচ বছর আগে, মা মারা যান।'
'এরপর থেকে, আমার বন্ধুরাই আমায় দেখে রাখে।'
'এরপর থেকে, আমার বন্ধুরাই আমায় দেখে রাখে।'
'এরপর থেকে, আমার বন্ধুরাই আমায় দেখে রাখে।'
'আমরা সবাই সুন্দারের বাড়িতে থাকি।'
'আমরা সবাই সুন্দারের বাড়িতে থাকি।'
'রমেশ আঙ্কেল। সুন্দারের বাবা।'
'রমেশ আঙ্কেল। সুন্দারের বাবা।'
'রমেশ আঙ্কেল। সুন্দারের বাবা।'
'তরুনদের 'স্বপ্নের বাবা' বলে কিছু থাকলে, সেটা তিনিই।'
'তরুনদের 'স্বপ্নের বাবা' বলে কিছু থাকলে, সেটা তিনিই।'
'এটাই আমার জীবন। এটাই আমার গল্প।'
''মায়াক্কাম এন্না'' ''এ কেমন মায়া''
আপনি? কতবার বলবো, উনি ব্যস্ত আছেন! আগামী মাসে আসবেন, যান।
- কী ম্যাডাম? গত মাসেও তো একই কথা বললেন। - আগামী মাসেও একই কথা বলবো। যান।
- একবার শুধু স্যারের সাথে দেখা করবো। - আজ সারাদিন উনার এপয়েন্টমেন্ট আছে! - ব্যাপার না, ম্যাডাম। আমি অপেক্ষা করবো।
স্যার, স্যার, স্যার! এক মিনিট, স্যার।
স্যার, স্যার! অনেকবার বলেছি, শুনলোই না। স্যরি, স্যার। স্যরি!
কে তুমি?
স্যার, আমি আপনার বিরাট ভক্ত।
স্যার, আপনার আফগান ফটোগ্রাফগুলো দারুন ছিল।
এরপর, ব্রুকলিন ব্রিজ, হাতি..
আপনার ছবিগুলো দেখি..
আপনার মতো বন্যজীবনী ফটোগ্রাফার হওয়া, আমার স্বপ্ন স্যার।
স্যার, স্যার, স্যার!
স্যার, একবার... আমার অ্যালবামটা দেখবেন, স্যার? প্লিজ, স্যার।
বাজে!
স্যার, ওটা.. স্যার, ঐ ফটোটা..
স্যরি।
স্যার। স্যার, স্যার।
স্যার! প্লিজ, অন্তত আপনার সহকারী হিসেবে নেবেন, স্যার?
অন্তত?
স্যার..
এই, সড়। জায়গা দে।
সুন্দার কোথায়?
আসছে। কী এক সারপ্রাইজ নিয়ে আসবে বলেছে।
খাবার কিছু আছে?
ঐ যে।
এই, থামা এটা। বিরক্ত লাগছে।
সত্যিই খুব আগ্রহী, তোমার গ্যাংয়ের সাথে পরিচিত হতে!
হ্যাঁ, এটাই সঠিক সময়।
ওরা এ'সময়ে বিচে কী করছে?
টার্টল ওয়াক!
কে ওটা?
জানি না।
সুন্দারের বন্ধু হয়তো?
হাই, বন্ধুগণ।
সে ইয়ামিনী।
যার সাথে ফোনে কথা বলতাম।
হাই।
আমার অফিসের নিচেই কাজ করে।
অনেকদিন ধরেই চিনতাম।
পছন্দ করতাম।
কয়েকদিন ডেট করা যায় কি না, জিজ্ঞেস করলাম।
সেও রাজি হলো।
তাই, তোদের সাথে পরিচয় করাতে নিয়ে এলাম।
এই, বাদ দে। সে 'হ্যাঁ' বলবে, কল্পনাও করিনি!
নিশ্চিত হয়ে, জানাতে চেয়েছিলাম!
কিছু না জানিয়েই, কাজটা সারলি?
- এতবড় 'বাবু' হয়ে গেছিস? - মারিস না।
কখন বলতে চেয়েছিলি?
- স্যরি, ভাই। থাম। - ছাড়!
- স্যরি, ভাই! - ভাগ! কুত্তা!
আমাদের না জানিয়ে..! আমরা ওকে মানি না।
এই, ভাগ!
কী?
- প্লিজ, বন্ধু। - ভাগ।
'কতবড় স্বার্থপর!'
'কতবড় সাহস ওর, দেখেছিস?'
জিনিয়াস! গালি দিতে চাইলে, দিয়ে দে।
তবু, চুপ করে থাকিস না, ভাই।
শালারপুত!
ধন্যবাদ, বন্ধু।
এক্সকিউজ মি?
কী রে?
সম্মান দিয়ে কথা বলুন।
কার্তিক!
ভাই..
সুন্দার, এসব কী? এমন আচরণ করছে কেন?
এই, কার্তিক। বাদ দে। - এই, ভাগ।
প্লিজ, ভাই। সে প্রথমবার এসেছে।
তাহলে, এটাই শেষবার।
- ভাগ। - এই, দে ওটা!
- 'স্যরি, ইয়ামিনী!' - না।
- সে.. একটু অমনই! - না, এটা খুবই হতাশজনক!
সুন্দার, ভালোবাসাটা তোমার ব্যাক্তিগত বিষয়।
ওদেরকে বলে বেড়ানোর, প্রয়োজনীয়তাটা কী?
দুশ্চরিত্র!
এই..
ইয়ামিনী! এসব কী? সে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড।
তো? যা খুশি বলবে, আর আমি সহ্য করে যাবো?
- শঙ্কর! - হ্যাঁ?
বিরিয়ানিটা কোত্থেকে এনেছিস?
ডিলাক্স হোটেল। কেন?
শালারা তো চোর! খাবারে কোনো স্বাদই পাচ্ছি না!
দে তো।
কী? সুন্দার, কেমন বন্ধু এরা?
শিট!
লজ্জা হচ্ছে না? চুপচাপ সব দেখে যাচ্ছ!
কাম অন, ইয়ামিনী। বাদ দাও।
না, দেবো না!
ইংরেজী জানা, দুশ্চরিত্র!
- এই, থাম! - আমি যাচ্ছি।
- ইয়ামিনী, ইয়ামিনী! শোনো! - কথা বলবে না।
কী করলি এটা?
বেচারী!
এই, তো কী করতাম? আমাদের কাছে এসে, আমাদেরই কথা শোনাচ্ছে।
বন্ধু, প্লিজ! স্যরি বলে দে।
স্যরি। খুব স্যরি!
ঠিক আছে?
এই, কথা শুনিয়েছে সে। সে স্যরি বলছে কেন?
প্লিজ, ইয়ামিনী। বাদ দাও।
এই, কাম অন!
- আমাদের সঙ্গে কিছু সময় কাটাও। - না।
- সব ঠিক আছে। এসো। - প্লিজ, ইয়ামিনী। ওদের একটা সু্যোগ দাও।
বসো। আমি তোমায়, ওদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।
ভাগ। শুরু করা যাক।
সে শঙ্কর, রাম্যিয়া, বিন্দ্যা..
- এবং, সে কার্তিক। - আমরা ওকে 'জিনিয়াস' বলে ডাকি।
মদ খাবে?
আমি মদ খাই না!
- বিয়ার নাও। - আমি মদ খাই না!
তো, কী করো...?
- অতটা সুন্দরীও না! - এড এজেন্সি'তে আছি।
- কোথায়? - এখানে বয়। দেখা হলো কোথায়? - অফিসে কাজ করে, বললাম না...
- ...ওখানে! - একই বিল্ডিংয়ে কাজ করো?
একই বিল্ডিং, কিন্তু, ভিন্ন-তলায় কাজ করি।
এটা কি এড-ফিল্ম কোম্পানি?
এটা কি এড-ফিল্ম কোম্পানি?
হ্যাঁ, এটা একটা এড-ফিল্ম এজেন্সি!
হ্যাঁ, এটা একটা এড-ফিল্ম এজেন্সি!
হ্যাঁ, এটা একটা এড-ফিল্ম এজেন্সি!
জিনিয়াস, কেমন?
জিনিয়াস, কেমন?
জিনিয়াস, কেমন?
জিনিয়াস, কেমন?
জিনিয়াস, কেমন?
তোর জন্য, একটু নিম্নমানের, বন্ধু।
তোর জন্য, একটু নিম্নমানের, বন্ধু।
আজ ওর মুডটা ভালো নেই। একটু মানিয়ে নাও।
192
সে সবসময় ওরকমই। জিনিয়াস না!
সে সবসময় ওরকমই। জিনিয়াস না!
'
ওকে যখন প্রথমবার দেখলাম, কিছু একটা ভুল...
তখন থেকেই হচ্ছিল।
তখন থেকেই হচ্ছিল।
হাই, বন্ধু।
- এই, বন্ধু। তোকে এত দারুন লাগছে কেন আজ? সবসময় তো বাজে দেখায়! - এই, চুপ কর তো!
- ওহ মাই গড। কত দারুন লাগছে ওকে। - আবার পারফিউমও দিয়েছে নাকি?
বাহ, জীবনে প্রথমবার গোসল করলি।
- এই জিনিয়াস, বল কী নিবি? - প্রথমে জিনিয়াস বলা বাদ দে।
তো, কী করে? তোমাদের বন্ধু কার্তিক?
ফটোগ্রাফার হবার চেষ্টা করছে।
ওহ, যেমন? ঐ যে বিয়েতে ছবি তোলে... ওরকম?
সঠিক। তুমি কোথায় কাজ করো? সরকারী পায়খানায়?
সঠিক। তোমার বাবা যেখানে কাজ করতো, ঠিক সেখানেই।
সঠিক। তোমার বাবা যেখানে কাজ করতো, ঠিক সেখানেই।
- ওহ, তোমার মা'কে কখনো এই বিষয়ে বলোনি কেন? - তুই ওর মা'কে চিনিস?
এই, তুই ওর মা'কে চিনিস না?
- কুত্তা। সাহস হলো কী করে ওর? - দাঁড়াও, আমি কথা বলছি।
- ওর সমস্যা কী? - বন্ধু, কয় পেগ নিয়েছিস?
- ওকে ক্ষমা চাইতে বলো। - আমি বলছি। - বন্ধু, বেশি হয়ে গেছে। স্যরি বলে দে।
স্যরি।
ওকে? এখন, ঠিক আছে?
না, কিচ্ছু ঠিক নেই। ওরা মজা নিচ্ছে, দেখতে পাচ্ছ না?
না, কিচ্ছু ঠিক নেই। ওরা মজা নিচ্ছে, দেখতে পাচ্ছ না?
না, কিচ্ছু ঠিক নেই। ওরা মজা নিচ্ছে, দেখতে পাচ্ছ না?
না, কিচ্ছু ঠিক নেই। ওরা মজা নিচ্ছে, দেখতে পাচ্ছ না?
- ভুল করছে একজন, স্যরি বলছে আরেকজন। - এই, বাদ দে। ঢাল তো।
- ভুল করছে একজন, স্যরি বলছে আরেকজন। - এই, বাদ দে। ঢাল তো।
- ভুল করছে একজন, স্যরি বলছে আরেকজন। - এই, বাদ দে। ঢাল তো।
- ভুল করছে একজন, স্যরি বলছে আরেকজন। - এই, বাদ দে। ঢাল তো।
- ভুল করছে একজন, স্যরি বলছে আরেকজন। - এই, বাদ দে। ঢাল তো।
- খাও না। - পারবো না! - বড় কোনো ব্যাপার না। - না, এটা বড় ব্যাপার।
- খাও না। - পারবো না! - বড় কোনো ব্যাপার না। - না, এটা বড় ব্যাপার।
- খাও না। - পারবো না! - বড় কোনো ব্যাপার না। - না, এটা বড় ব্যাপার।
আমার সহ্য হচ্ছে না। দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। ক্ষমা কীভাবে চাইতে হয়, তাও জানে না।
আমার সহ্য হচ্ছে না। দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। ক্ষমা কীভাবে চাইতে হয়, তাও জানে না।
আমার সহ্য হচ্ছে না। দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। ক্ষমা কীভাবে চাইতে হয়, তাও জানে না।
আমার সহ্য হচ্ছে না। দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। ক্ষমা কীভাবে চাইতে হয়, তাও জানে না।
আমার সহ্য হচ্ছে না। দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। ক্ষমা কীভাবে চাইতে হয়, তাও জানে না।
আমার সহ্য হচ্ছে না। দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। ক্ষমা কীভাবে চাইতে হয়, তাও জানে না।
আমার সহ্য হচ্ছে না। দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। ক্ষমা কীভাবে চাইতে হয়, তাও জানে না।
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - দেখো, কীভাবে তাকিয়ে আছে। সে সাইকো নাকি? কীভাবে থাকো এর সাথে?
252
254
কিছু একটা ভুল হচ্ছিল।
কিছু একটা ভুল হচ্ছিল।
কিছু একটা ভুল হচ্ছিল।
কিছু একটা ভুল হচ্ছিল।
কিছু একটা ভুল হচ্ছিল।
পদ্মিনী, চলো একটা ছবি তুলি।
অবশ্যই।
হ্যালো, অভদ্র কোথাকার!
পোড়ামুখো! শিট!
বন্ধু, ফিল্ম দেখতে যাবি?
এই, ওখান থেকে সড়।
দূরে দাঁড়া। এই, আরো দূরে যা।
পোস।
জলদি আয়, ভাই। ইয়ামিনী'কে পিক-আপ করতে হবে।
না, তোরা যা। আমি যাবো না।
প্লিজ, ভাই। আমি সবাইকে নিয়ে যেতে চাই। ওকেও বলেছি, তোর সাথে মানিয়ে নিতে।
প্লিজ, ভাই। মানা করিস না।
ওকে একটু সুযোগ দে। সব ঠিক হয়ে যাবে।
জলদি আয়, আমি গাড়িতে অপেক্ষা করছি।
'তুই সেটা জেনে কী করবি?'
- 'আমার কিছু যায় আসে না!' - 'কেন যায় আসে না?' - আমার যায় আসে না...
মানে কী?
সত্যি বলছি, জানি না। ওকে জিজ্ঞেস করো।
- আমার যায় আসে... - তুমি যাই করো, আমার তাতে কী? এটাই মানে।
- 'সে পারবে না!' - 'তাহলে?'
সে বলছে, ঐ ভিল্লেন, তোর সব কারবার আমার জানা।
ভিলেন বলছে, ঐ হিরো, তুই কিচ্ছু জানিস না। লাশ কোন কবরে লুকিয়েছিস, আমি জানি।
জানলে, তুই নিজেই খুঁড়ে নে।
খুঁড়বো। তবে, কবরটা হবে তোর।
- যথেষ্ট হয়েছে। - তুই... - ধন্যবাদ।
- 'কেন? কেন এমন করবো? আমি এখনই তোকে খুন করবো!' - অসহ্যকর হবে, ভেবেছিলাম! এত ভালো হিন্দি কীভাবে?
হ্যালো, আমি ৬ ভাষা জানি। ভাষার ব্যাপারে আমি খুবই স্ট্রং।
অন্য কোনো ব্যাপারে খারাপ নাকি?
শোনো, আমি- জার্মান, ফ্রেঞ্চ, ইটালিয়ান, কোরিয়ান, স্প্যানিশ, চাইনিজ..
- সুন্দার। - হ্যাঁ? - ফটো। - হ্যাঁ।
'নজরদারি থেকে বেরিয়ে যাওয়া আর কে ছিল?'
- জ্বী, স্যার। - তুমি কোথায়?
'মুম্বাই, স্যার। বিক্রম কাপুর মৃত। তার বাড়ি থেকে, লাশ উদ্ধার হয়েছে। কব্জিতে ক্ষত থাকার পাশাপাশি শরীরে অত্যাচারের চিহ্ন ছিল।'
'স্যার, নীল মেনন খুনের নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে।'
'সবগুলো সাক্ষী'কে একে-একে সরিয়ে দিচ্ছে।'
'তোমায় কেসটা ড্রপ করার আদেশ দেয়ার পাশাপাশি'...
"যাচ্ছি, যাচ্ছি, যাচ্ছি"
"রাস্তা কমছে না!"
"গাচ্ছি, গাচ্ছি, গাচ্ছি!"
"শেষই হচ্ছে না!"
"ভাগছি, ভাগছি, ভাগছি বুঝতেই পারছি না..."
"আগামাথা, এসব কী হচ্ছে!"
"যখন সময় ছিল, মেয়ে ছিল না!"
"সময় থাকা কেউ এখনো এলো না!"
"হাতে ব্যাট ছিল, বল ছিল না"
"জীবন কোনো পাত্তাই দিল না"
"পৃথিবী গতিতে এগিয়ে চলেছে"
"বাইকটা আমার পড়ে রয়েছে"
"সবাই কথা শুনিয়ে যাচ্ছে"
"সৃষ্টিকর্তাও কি আশা ছেড়ে দিচ্ছে?"
"বোধশক্তি হারিয়েছি"
"জোক হয়ে রয়েছি!"
"অল্প ফাঁক দিয়ে..."
"দুটো ট্রেন টেনে চলেছি!"
"একা এক বিচে.."
"কাঁদছি, মিছে, মিছে!"
"এক ফাঁকা রাস্তায়"
"কান্না ভাসছে সস্তায়"
"ভার আর বইছে না, বইছে না!"
"আমি কোনো রাম-গাধা না!"
"যত ওপরে উঠছি"
"ততটাই পিছলে পড়ছি"
"বোধশক্তি হারিয়েছি"
"জোক হয়ে রয়েছি!
"ফিউজ নেই, তবুও"
"বাল্বের সুইচ খুঁজে চলেছি!"
"যাচ্ছি, যাচ্ছি, যাচ্ছি"
"রাস্তা কমছে না!"
"গাচ্ছি, গাচ্ছি, গাচ্ছি!"
"শেষই হচ্ছে না!"
"ভাগছি, ভাগছি, ভাগছি বুঝতেই পারছি না..."
"আগামাথা, এসব কী হচ্ছে!"
"যখন সময় ছিল, মেয়ে ছিল না!"
"সময় থাকা কেউ এখনো এলো না!"
"হাতে ব্যাট ছিল, বল ছিল না"
"জীবন কোনো পাত্তাই দিল না"
''এক মাঝরাতে...''
''জাগলাম, ঘুমালাম, জাগলাম।''
''কোনো একভাবে...''
''হাসলাম, কাঁদলাম, হাসলাম''
''যাচ্ছি, মাছের মতো করে''
''পানি, খুঁজে পাচ্ছি না''
''নৌকা, চালাচ্ছি, চালাচ্ছি"
''ঢেউ, খুঁজে পাচ্ছি না!''
"বোধশক্তি হারিয়েছি"
"জোক হয়ে রয়েছি!
''প্রশ্ন, করতে করতে''
''প্রশ্নবোধকে পরিণত হয়েছি!''
"যাচ্ছি, যাচ্ছি, যাচ্ছি"
"রাস্তা কমছে না!"
"গাচ্ছি, গাচ্ছি, গাচ্ছি!"
"শেষই হচ্ছে না!"
"ভাগছি, ভাগছি, ভাগছি বুঝতেই পারছি না..."
"আগামাথা, এসব কী হচ্ছে!"
"যখন সময় ছিল, মেয়ে ছিল না!"
"সময় থাকা কেউ এখনো এলো না!"
"হাতে ব্যাট ছিল, বল ছিল না"
"জীবন কোনো পাত্তাই দিল না"
"পৃথিবী গতিতে এগিয়ে চলেছে"
"বাইকটা আমার পড়ে রয়েছে"
"সবাই কথা শুনিয়ে যাচ্ছে"
"সৃষ্টিকর্তাও কি আশা ছেড়ে দিচ্ছে?"
এই, আসছে, আসছে। ভাই, তৈরি তো?
এখনই আসবে। এসব দেখে...
তখনই, ছবি তোলা শুরু করবি। ছবি কিন্তু... ভালো হওয়া চাই , ঠিক আছে?
সারপ্রাইজ! হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন্স ডে।
- কী, সোনা? - সুন্দার, ভদ্রভাবে আচরণ করো।
- এই, ভাই। ছাড়, ছাড়। ছাড়। - এই, নাচ ভাই। নাচ।
এই, কী গান এটা। একদম বাজে।
এই, পাগলামী করিস না।
কথা শোন, ভাই। এই!
আমায় ড্রপ করে দেবে?
হাসছে, হাসছে। হাসির ছবি তুলুন। হার, হার। গলার হারের ছবি তুলুন।
- এই, লাইটটা ধর ঠিক করে। - জামাই, জামাই। জামাইয়ের ছবি তুলুন। - এই, ভাগ।
লাইট অফ কর।
এটাই বাকি ছিল।
'ইয়ামিনী কলিং'
হ্যালো?
কী হয়েছে?
জরুরি কাজের জন্য ফোন করেছ? আমার কোনো কাজ নেই, ভেবেছ?
কী? তুমি কাজ করছো, সেটার ছবি তুলতে হবে?
কী? তুমি কাজ করছো, সেটার ছবি তুলতে হবে?
কী? তুমি কাজ করছো, সেটার ছবি তুলতে হবে?
- এসো আমার সাথে। - অ্যাঁ?
জানতাম। সময় নষ্ট! ধুর!
দেখো, আমি অতটা অকর্মা নই, যতটা তুমি...
দেখো, আমি অতটা অকর্মা নই, যতটা তুমি...
দেখো, আমি অতটা অকর্মা নই, যতটা তুমি...
- আজ কে শ্যুট করবে? - জানি না, কোনো নতুন ছেলে হবে হয়তো।
- আজ কে শ্যুট করবে? - জানি না, কোনো নতুন ছেলে হবে হয়তো।
- আজ কে শ্যুট করবে? - জানি না, কোনো নতুন ছেলে হবে হয়তো।
- আপনি কী মনে করেন? - জানি না!
- আপনি কী মনে করেন? - জানি না!
জানি না কেন অকর্মা ছেলেরা শ্যুট করতে এসে পড়ে! বিষয়টা বিরক্তিকর!
জানি না কেন অকর্মা ছেলেরা শ্যুট করতে এসে পড়ে! বিষয়টা বিরক্তিকর!
340
ঠিক আছে। এটা একটা ফটোশ্যুট।
অনেক বড় ক্লাইন্ট।
অনেক বড় ক্লাইন্ট।
দেখে-শুনে, ভালো করে শ্যুট করবে।
অল দ্যা বেস্ট।
কী? 'ধন্যবাদ' লাগবে না।
কী? 'ধন্যবাদ' লাগবে না।
সুন্দার বলেছিল, তুমি সু্যোগের জন্য কষ্ট করছো।
এ'কারণেই এসব করছি।
এ'কারণেই এসব করছি।
সুন্দারের জন্য।
সুন্দারের জন্য।
প্লিজ, তোমার হাতে তিন ঘন্টা সময় আছে।
365
- পজিশন ঠিক আছে? - হুম।
লাইট অন করে দিন।
এটা সেট করে দিন।
- না। মাঝখানে বসান। - মাঝখানেই আছে।
- লাইট একটু... ডানে ঘুরিয়ে নিন। - এইটুকুই। আর করা যাবে না।
- এখন না। বলবো। - ক্লিয়ার করে বলবেন সব। - সাউন্ডবক্স একটু সামনে আনুন।
অবশ্যই।
হয়েছে, হয়েছে।
স্যার, একটু সামনে...
স্যার, লেন্স-ক্যাপ।
স্যার, আমার মনে হয়- এটা সত্যিই ভালো। রং'টা দেখুন।
- না, রং'টা ঠিক ফুটে ওঠেনি। - এটা? এখানে, টেক্সচার'টা দারুন এসেছে। দেখতে পারেন।
- অন্য কিছু দেখাতে পারেন? - আরো কিছু ছবি আছে। আমাদের এখানে অনেক অপশন, স্যার।
- কাজের মান কত নিচে নেমে গেছে! - হ্যাঁ, জানি। - শীঘ্রই কিছু একটা করতে হবে। সময় বেশি নেই!
- কাজের মান কত নিচে নেমে গেছে! - হ্যাঁ, জানি। - শীঘ্রই কিছু একটা করতে হবে। সময় বেশি নেই!
- কাজের মান কত নিচে নেমে গেছে! - হ্যাঁ, জানি। - শীঘ্রই কিছু একটা করতে হবে। সময় বেশি নেই!
আশা করি, একটা ব্যবস্থা হবে।
389
স্যরি, খুবই বাজে ফটোগ্রাফস!
ব্যাপার না। ভেবেছিলাম, তোমার প্রতিভা আছে।
ব্যাপার না। ভেবেছিলাম, তোমার প্রতিভা আছে।
ঠিক আছে। ভুলটা আমারই।
আমি... ভালো ফটোগ্রাফার খুঁজে, শ্যুট করিয়ে নেবো।
আমি... ভালো ফটোগ্রাফার খুঁজে, শ্যুট করিয়ে নেবো।
আমি... ভালো ফটোগ্রাফার খুঁজে, শ্যুট করিয়ে নেবো।
আমি... ভালো ফটোগ্রাফার খুঁজে, শ্যুট করিয়ে নেবো।
400
তাছাড়া, আমার মনে হয়, তোমার দ্বারা ফটোগ্রাফি হবে না।
তাছাড়া, আমার মনে হয়, তোমার দ্বারা ফটোগ্রাফি হবে না।
তাছাড়া, আমার মনে হয়, তোমার দ্বারা ফটোগ্রাফি হবে না।
তাছাড়া, আমার মনে হয়, তোমার দ্বারা ফটোগ্রাফি হবে না।
তাছাড়া, আমার মনে হয়, তোমার দ্বারা ফটোগ্রাফি হবে না।
তাছাড়া, আমার মনে হয়, তোমার দ্বারা ফটোগ্রাফি হবে না।
ভুল-কিছুতে মনোযোগ দিলে, ভবিষ্যতেরই ক্ষতি হবে!
ভুল-কিছুতে মনোযোগ দিলে, ভবিষ্যতেরই ক্ষতি হবে!
ভুল-কিছুতে মনোযোগ দিলে, ভবিষ্যতেরই ক্ষতি হবে!
ভুল-কিছুতে মনোযোগ দিলে, ভবিষ্যতেরই ক্ষতি হবে!
412
চিন্তা-ভাবনা করে, অন্য কোনো কাজে মন দাও।
চিন্তা-ভাবনা করে, অন্য কোনো কাজে মন দাও।
দেখো, এটা পেশাগত ফটোগ্রাফি।
দেখো, এটা পেশাগত ফটোগ্রাফি।
দেখো, এটা পেশাগত ফটোগ্রাফি।
দেখো, এটা পেশাগত ফটোগ্রাফি।
অনেকে কোর্স করে এসেও, এখানে জায়্গা বানাতে পারে না!
অনেকে কোর্স করে এসেও, এখানে জায়্গা বানাতে পারে না!
অনেকে কোর্স করে এসেও, এখানে জায়্গা বানাতে পারে না!
অনেকে কোর্স করে এসেও, এখানে জায়্গা বানাতে পারে না!
বন্ধুদের ছবি তুলে, বোনের ছবি তুলে, এখানে টেকা যায় না।
কিছু মনে করো না, ঠিক আছে?
429
- দাদী। - কী?
আপনার একটা ছবি তুলতে পারি? প্লিজ, দাদী।
আপনার একটা ছবি তুলতে পারি? প্লিজ, দাদী।
আপনার একটা ছবি তুলতে পারি? প্লিজ, দাদী।
- আমার ছবি? - হ্যাঁ, দাদী। প্লিজ।
- আমার ছবি? - হ্যাঁ, দাদী। প্লিজ।
মাত্র একটা? যত খুশি তোলো।
হাসো, দাদী। হাসো। হ্যাঁ।
হাসো, দাদী। হাসো। হ্যাঁ।
এদিকে দেখো, দাদী। একটু ওপরে।
এদিকে দেখো, দাদী। একটু ওপরে।
এদিকে দেখো, দাদী। একটু ওপরে।
একটু নিচে, নিচে। ওদিকে ঘোরো। এদিকে তাকিয়ে...
একটু নিচে, নিচে। ওদিকে ঘোরো। এদিকে তাকিয়ে...
হ্যাঁ, ওভাবে থাকো।
হ্যাঁ, ওভাবে থাকো।
দাদী, এদিকে ঘোরো। এদিকে তাকাও। হ্যাঁ, ক্যামেরার দিকে।
দাদী, এদিকে ঘোরো। এদিকে তাকাও। হ্যাঁ, ক্যামেরার দিকে।
দাদী, এদিকে ঘোরো। এদিকে তাকাও। হ্যাঁ, ক্যামেরার দিকে।
হ্যাঁ, এখন এদিকে। ক্যামেরায় তাকাও, দাদী। হ্যাঁ।
হ্যাঁ, এখন এদিকে। ক্যামেরায় তাকাও, দাদী। হ্যাঁ।
হ্যাঁ, এখন এদিকে। ক্যামেরায় তাকাও, দাদী। হ্যাঁ।
একটা হাসি দাও। অ্যাঁ, এটা হাসি?
একটা হাসি দাও। অ্যাঁ, এটা হাসি?
একটা হাসি দাও। অ্যাঁ, এটা হাসি?
ভালো করে হাসো। হ্যাঁ।
ভালো করে হাসো। হ্যাঁ।
ভালো করে হাসো। হ্যাঁ।
ভালো করে হাসো। হ্যাঁ।
বাবা! আমি যে এত, সুন্দর জানতামই না!
- এই, ক্যামেরায় উলটাপালটা কিছু ঢুকাসনি তো? - আরে...
- তুমি সত্যিই খুব সুন্দরী। - ভাগ!
প্রতিদিনই তো আয়না দেখি। এই মুখ থাকেই না!
আরে, তুমি অনেক সুন্দর। এ'জিনিস মিথ্যা বলে না।
- তিনটা নাও, কাজে লাগবে। - অত লাগবে না। - এই, একটা ছেলে আমার ছবি তুলেছে।
- দেখে যাও। - ভাগো তো। - আসতে বলছি না।
- তিনটা লাগবে না! - এসো। একবার দেখে যাও। - জ্বালানোর আর সময় পেলে না!
- কে তোমার ছবি তুলবে? - আসো না। - ওদিকে ব্যবসা ডুবছে।
দেখাও।
এই যে, দেখো। আমার সৌন্দর্য দেখে নাও।
হ্যাঁ, তুমিই তো।
বাবা, আমায় এক কপি দিও।
নিজের স্ত্রী'র এমন সৌন্দর্য কখনো, দেখলামই না!
কিছু কথা বলতে, ফোন করেছি!
তোমার কথামতো, আমি হয়তো ভালো ছবি তুলতে, পারি না! বোন, বন্ধু- এদের ছবিই তুলে বেড়াই।
তোমার কথামতো, আমি হয়তো ভালো ছবি তুলতে, পারি না! বোন, বন্ধু- এদের ছবিই তুলে বেড়াই।
তোমার কথামতো, আমি হয়তো ভালো ছবি তুলতে, পারি না! বোন, বন্ধু- এদের ছবিই তুলে বেড়াই।
তোমার কথামতো, আমি হয়তো ভালো ছবি তুলতে, পারি না! বোন, বন্ধু- এদের ছবিই তুলে বেড়াই।
তোমার কথামতো, আমি হয়তো ভালো ছবি তুলতে, পারি না! বোন, বন্ধু- এদের ছবিই তুলে বেড়াই।
কিন্তু, ঐ ছবিগুলো তুলেই, আমি আনন্দ পাই।
কিন্তু, ঐ ছবিগুলো তুলেই, আমি আনন্দ পাই।
ঐ আলো, ছায়া... ওহ, ওটা পুরো অন্য দুনিয়া!
ঐ আলো, ছায়া... ওহ, ওটা পুরো অন্য দুনিয়া!
ঐ আলো, ছায়া... ওহ, ওটা পুরো অন্য দুনিয়া!
জীবনে, নিজেকে খুশি রাখা, কাজটা'ই করে যাও।
জীবনে, নিজেকে খুশি রাখা, কাজটা'ই করে যাও।
জীবনে, নিজেকে খুশি রাখা, কাজটা'ই করে যাও।
নয়তো, মরে যাও।
নয়তো, মরে যাও।
আমার বড় কিছু হবার দরকার নেই। কিন্তু, জীবনকে খুশি রাখা- কাজটাই করে যাবো।
আমার বড় কিছু হবার দরকার নেই। কিন্তু, জীবনকে খুশি রাখা- কাজটাই করে যাবো।
আমার বড় কিছু হবার দরকার নেই। কিন্তু, জীবনকে খুশি রাখা- কাজটাই করে যাবো।
আমার বড় কিছু হবার দরকার নেই। কিন্তু, জীবনকে খুশি রাখা- কাজটাই করে যাবো।
হৃদয়ে মিশে থাকা কাজের, আবার কোর্স কীসের?
হৃদয়ে মিশে থাকা কাজের, আবার কোর্স কীসের?
আমি ভিক্ষুক হলেও সমস্যা নেই। কিন্তু, ঐ ভিক্ষুককে- ফটোগ্রাফার হতে হবে।
আমি ভিক্ষুক হলেও সমস্যা নেই। কিন্তু, ঐ ভিক্ষুককে- ফটোগ্রাফার হতে হবে।
এমনিতেও ধন্যবাদ।
ওহ, কিছু মনে করো না, হ্যাঁ?
ওহ, কিছু মনে করো না, হ্যাঁ?
ওহ, কিছু মনে করো না, হ্যাঁ?
545
- ওই যে, উনি। - ধন্যবাদ, আপা।
- ওই যে, উনি। - ধন্যবাদ, আপা।
- ওই যে, উনি। - ধন্যবাদ, আপা।
স্যার! স্যার, আমায় মনে আছে?
ঐদিন, আপনার অফিসে কাগজ-পত্র দেখালাম। ভালো কিছু, বন্যজীবন ভিত্তিক ছবি এনেছি।
ঐদিন, আপনার অফিসে কাগজ-পত্র দেখালাম। ভালো কিছু, বন্যজীবন ভিত্তিক ছবি এনেছি।
ঐদিন, আপনার অফিসে কাগজ-পত্র দেখালাম। ভালো কিছু, বন্যজীবন ভিত্তিক ছবি এনেছি।
ঐদিন, আপনার অফিসে কাগজ-পত্র দেখালাম। ভালো কিছু, বন্যজীবন ভিত্তিক ছবি এনেছি।
একটু দেখুন, স্যার।
একটু দেখুন, স্যার।
সোজা বাড়ি চলে এসেছ! আজ ভালো মুডে আছি, সেটা নষ্ট করো না!
সোজা বাড়ি চলে এসেছ! আজ ভালো মুডে আছি, সেটা নষ্ট করো না!
সোজা বাড়ি চলে এসেছ! আজ ভালো মুডে আছি, সেটা নষ্ট করো না!
স্যার। প্লিজ, স্যার।
স্যার। প্লিজ, স্যার।
আমি আপনার সহকারী হতে আগ্রহী, স্যার।
কুকুরের মতো কাজ করবো, স্যার।
এই, কুকুরের মতো কাজ করবে?
এই, কুকুরের মতো কাজ করবে?
কীভাবে... কুকুরের মতো কাজ করবে?
কীভাবে... কুকুরের মতো কাজ করবে?
581
- দেখাও তো। - স্যার!
- দেখাও তো। - স্যার!
- দেখাও তো। - স্যার!
- দেখাও তো। - স্যার!
- দেখাও তো। - স্যার!
কুকুরের মতো কাজ করে দেখাও, নয়তো ভাগো।
কুকুরের মতো কাজ করে দেখাও, নয়তো ভাগো।
কুকুরের মতো কাজ করে দেখাও, নয়তো ভাগো।
592
দারুন। একদম কুকুরের মতো করে দেখালে।
দারুন। একদম কুকুরের মতো করে দেখালে।
স্যার!
কী প্রতিভা আছে তোমার?
কী প্রতিভা আছে তোমার?
কী প্রতিভা আছে তোমার?
আবার, ফটোগ্রাফি করার স্বপ্ন দেখো!
আবার, ফটোগ্রাফি করার স্বপ্ন দেখো!
স্যার, সব শিখে নেবো।
স্যার, সব শিখে নেবো।
স্যার, সব শিখে নেবো।
ঠিক আছে। একটা ছোট্ট প্রজেক্ট।
ঠিক আছে। একটা ছোট্ট প্রজেক্ট।
পাখিদের ছবি লাগবে।
পাখিদের ছবি লাগবে।
পাখিদের ছবি লাগবে।
আমার দুই সহকারীই চেষ্টা করেছিল।
ওরা পারেনি।
তুমি কাজ শুরু করো। কেমন হয়, দেখি।
তুমি কাজ শুরু করো। কেমন হয়, দেখি।
তুমি কাজ শুরু করো। কেমন হয়, দেখি।
তুমি কাজ শুরু করো। কেমন হয়, দেখি।
তুমি কাজ শুরু করো। কেমন হয়, দেখি।
643
ভালো লাগলে, তোমায় সহকারী করে নেবো। ঠিক আছে?
ভালো লাগলে, তোমায় সহকারী করে নেবো। ঠিক আছে?
ভালো লাগলে, তোমায় সহকারী করে নেবো। ঠিক আছে?
কিন্তু, ট্রিপের কোনো টাকা-পয়সা দিতে পারবো না।
যাও।
যাও।
652
ঠিক আছে, স্যার। ঠিক আছে।
ঠিক আছে, স্যার। ঠিক আছে।
ঠিক আছে, স্যার। ঠিক আছে।
658
- আমি রাখছি, দে। - সড়!
- আমি রাখছি, দে। - সড়!
পরে ওখানে গিয়ে- টুথপেস্ট, ব্রাশ.. কিচ্ছু খুঁজে পাবি না!
পরে ওখানে গিয়ে- টুথপেস্ট, ব্রাশ.. কিচ্ছু খুঁজে পাবি না!
পরে ওখানে গিয়ে- টুথপেস্ট, ব্রাশ.. কিচ্ছু খুঁজে পাবি না!
- কী রে? জঙ্গলে যাচ্ছিস? - হুম।
- কী রে? জঙ্গলে যাচ্ছিস? - হুম।
- কী রে? জঙ্গলে যাচ্ছিস? - হুম।
- কী রে? জঙ্গলে যাচ্ছিস? - হুম।
- কী রে? জঙ্গলে যাচ্ছিস? - হুম।
- কী রে? জঙ্গলে যাচ্ছিস? - হুম।
- কী রে? জঙ্গলে যাচ্ছিস? - হুম।
কেন? ওখানে হোটেল নেই?
কেন? ওখানে হোটেল নেই?
কেন? ওখানে হোটেল নেই?
আছে। কিন্তু, ফাইভ-স্টার হোটেল।
আছে। কিন্তু, ফাইভ-স্টার হোটেল।
আছে। কিন্তু, ফাইভ-স্টার হোটেল।
এই কুত্তা, টাকা আমি দেবো।
এই কুত্তা, টাকা আমি দেবো।
এই কুত্তা, টাকা আমি দেবো।
জঙ্গলে থাকাটা বিপদজনক। তুই হোটেলেই থাকবি।
জঙ্গলে থাকাটা বিপদজনক। তুই হোটেলেই থাকবি।
জঙ্গলে থাকাটা বিপদজনক। তুই হোটেলেই থাকবি।
এই, আমরাও যাই!
এই, আমরাও যাই!
কোথায়?
আমি, ইয়ামিনী'কে অনেক আগে থেকেই ট্রিপে নিয়ে যাবার প্ল্যান করে রেখেছি।
সে আমার সাথে একা যেতে রাজি হবে না। প্লিজ, ভাই!
আমরাও যাবো, ভাই।
ট্রিপে তুইও আমাদের সঙ্গে এক হোটেলে থাকবি। ঠিক আছে?
ট্রিপে তুইও আমাদের সঙ্গে এক হোটেলে থাকবি। ঠিক আছে?
ভাই, জঙ্গলে মরে পড়ে থাকলে আফসোস নেই। কিন্তু, তোর হানিমুনের সঙ্গী হবার কোনো ইচ্ছে নেই!
ভাই, জঙ্গলে মরে পড়ে থাকলে আফসোস নেই। কিন্তু, তোর হানিমুনের সঙ্গী হবার কোনো ইচ্ছে নেই!
ভাই, জঙ্গলে মরে পড়ে থাকলে আফসোস নেই। কিন্তু, তোর হানিমুনের সঙ্গী হবার কোনো ইচ্ছে নেই!
এই, এটা হানিমুন না, ভাই! প্লিজ, ভাই।
এই, এটা হানিমুন না, ভাই! প্লিজ, ভাই।
না্, সুন্দার। দরকার নেই!
না্, সুন্দার। দরকার নেই!
- কাজটা ঠিক হবে না। - কী? ওহ, ইয়ামিনী'র জন্য ভাবছিস?
ছিঃ! ওর তোকে নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।
আমি ওকে এখনই ফোন করছি।
- এই দরকার নেই, ভাই। - দাঁড়া। - এই.. - এই, দাঁড়া তো!
- এই। - জলদি বলো, কাজ করছি। - ট্রিপে যাবে?
আমার মুড ভালো নেই। তুমি যাও।
মুড ভালো নেই?
ঠিক আছে।
- কোথাকার ট্রিপ? - জঙ্গল। - জঙ্গল! কেন?
না। আসলে, কার্তিক কাজে যাচ্ছে। তাই, আমরাও যাবো ভাবছিলাম।
ঠিক আছে। একটু সময় দাও।
ভেবে জানাচ্ছি!
- ভেবে জানাবে? - হ্যাঁ। অফিস থেকে লিভ চাইতে হবে না!
- সময় নাও। সে এখনই বেরিয়ে পড়বে। - ঠিক আছে।
- আমি এখনই আসছি। - কী? - তামিলেই তো বললাম। - ঠিক আছে, ভালো।
আমি এক্ষুনি এসে, তোমায় পিক-আপ করে নিচ্ছি।
ধন্যবাদ, বন্ধু।
তুই একটা জিনিস, ভাই!
- কার্তিক কোথায়? - অ্যাঁ? আজ ওখানেই থাকবে বোধহয়।
- কীসব ছবি তুলতে হবে, বলেছিল। - রাতে বাইরে থাকাটা বিপদজনক না? - সঠিক।
বলেছি। কিন্তু কে শোনে, কার কথা! ফটোগ্রাফি ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না।
আসুন।
- আয়, ভাই। - আমার রুমেই যেতাম...
তোরা এখানে আছিস, রিসিপশন থেকে জানলাম। তাই...
- কোথায়? - অ্যাঁ? - তোর গার্লফ্রেন্ড। - গোসল করছে।
- দরজা তো খোলা। - হ্যাঁ। তার আবার টিকটিকি'তে ভয়। তাই, দরজা খোলা রেখে আমায় পাহাড়া দিতে বলেছে।
ঠিক আছে, ভাই। খোদা ঠিকসময়ে তোকে পাঠিয়েছে। একটু নজর রাখ। আমি, রুম থেকে আসছি।
- এই, এই কোথায় যাচ্ছিস? - জরুরি ডাক এসেছে। অনেকক্ষণ আটকে রেখেছি।
ইয়ামিনী।
- সে একটু জরুরি দরকারে বাইরে গেছে। আমি... - শুনেছি।
ওখানেই বসে থাকো। টিকটিকি দেখলেই, ডাক দেবো।
কোথায় গেলে?
আছি। গানও গায়!
ইয়ামিনী।
এই, সুন্দার...এই!
- ঐ যে, ঐ যে। ওখানে। - কোথায়, কোথায়, কোথায়?
এদিকে দ্যাখ, বলদ।
- এই, এই! এই যে, এই যে। - কী হয়েছে? কোথায়? কোথায়?
এই, ভাগাও ওটা। ভাগাও, ভাগাও।
টিকটিকি'কে এত ভয় পাও?
অন্য কিছু হলে...! আসলে, আমার টিকটিকি'র লেজটা দেখলে ভয় করে।
অন্য কিছু হলে...! আসলে, আমার টিকটিকি'র লেজটা দেখলে ভয় করে।
অন্য কিছু হলে...! আসলে, আমার টিকটিকি'র লেজটা দেখলে ভয় করে।
আর তোমার সমস্যা কী? গোসলের সময় দরজা খুলে রেখেছ! কপাল ভালো, আমি ছিলাম। ঐ অবস্থায় তোমায় দেখে ফেললে, কী হত?
আর তোমার সমস্যা কী? গোসলের সময় দরজা খুলে রেখেছ! কপাল ভালো, আমি ছিলাম। ঐ অবস্থায় তোমায় দেখে ফেললে, কী হত?
760
ভেবেছিলাম, তুমি দেখবে।
- ঘুম আসছে, আমার। কেন বিরক্ত করছো? - আমি কিচ্ছু করিনি। ঐ উজবুক, তোমায় নিয়ে যেতে বলেছে। উপজাতি নাচ দেখাতে।
- ঘুম আসছে, আমার। কেন বিরক্ত করছো? - আমি কিচ্ছু করিনি। ঐ উজবুক, তোমায় নিয়ে যেতে বলেছে। উপজাতি নাচ দেখাতে।
- ঘুম আসছে, আমার। কেন বিরক্ত করছো? - আমি কিচ্ছু করিনি। ঐ উজবুক, তোমায় নিয়ে যেতে বলেছে। উপজাতি নাচ দেখাতে।
- ঘুম আসছে, আমার। কেন বিরক্ত করছো? - আমি কিচ্ছু করিনি। ঐ উজবুক, তোমায় নিয়ে যেতে বলেছে। উপজাতি নাচ দেখাতে।
- ঘুম আসছে, আমার। কেন বিরক্ত করছো? - আমি কিচ্ছু করিনি। ঐ উজবুক, তোমায় নিয়ে যেতে বলেছে। উপজাতি নাচ দেখাতে।
দেখো, অনেকদিন ধরেই বলবো ভাবছিলাম। আজ বলছি..
778
কী?
কী?
- এ.. এটা ভুল। - কোনটা?
- এ.. এটা ভুল। - কোনটা?
- এ.. এটা ভুল। - কোনটা?
- এ.. এটা ভুল। - কোনটা?
- না, মানে, তুমি আমায় যেভাবে দেখো... - কীভাবে দেখি?
- না, মানে, তুমি আমায়্ যেভাবে দেখো... - কীভাবে দেখি?
- না, মানে, তুমি আমায় যেভাবে দেখো... - কীভাবে দেখি?
- না, মানে, তুমি আমায়্ যেভাবে দেখো... - কীভাবে দেখি?
- দেখো.. তুমি সুন্দারের গার্লফ্রেন্ড। - কে বললো?
- দেখো.. তুমি সুন্দারের গার্লফ্রেন্ড। - কে বললো?
- দেখো.. তুমি সুন্দারের গার্লফ্রেন্ড। - কে বললো?
- দেখো.. তুমি সুন্দারের গার্লফ্রেন্ড। - কে বললো?
এই, তুমি ওকে 'হ্যাঁ' বলোনি?
দেখো, সে আমায় পছন্দ করতো। কয়েকদিন ডেট করা যায় কি না, জিজ্ঞেস করলো! হ্যাঁ, বলে দিলাম।
দেখো, সে আমায় পছন্দ করতো। কয়েকদিন ডেট করা যায় কি না, জিজ্ঞেস করলো! হ্যাঁ, বলে দিলাম।
দেখো, সে আমায় পছন্দ করতো। কয়েকদিন ডেট করা যায় কি না, জিজ্ঞেস করলো! হ্যাঁ, বলে দিলাম।
দেখো, সে আমায় পছন্দ করতো। কয়েকদিন ডেট করা যায় কি না, জিজ্ঞেস করলো! হ্যাঁ, বলে দিলাম।
দেখো, সে আমায় পছন্দ করতো। কয়েকদিন ডেট করা যায় কি না, জিজ্ঞেস করলো! হ্যাঁ, বলে দিলাম।
- তো, তুমি তো ওর গার্লফ্রেন্ড না? - ছিঃ! ডেট মানে, একসাথে কিছু সময় কাটিয়ে, সঙ্গী পছন্দ হলো কি না, সিদ্ধান্ত নেয়া।
এর মানে, এই না যে, আমি ওর গার্লফ্রেন্ড! সবসময় শুধু মদ আর ছোয়ার বাহানা! এমন ছেলেকে, কে ভালোবাসবে?
এর মানে, এই না যে, আমি ওর গার্লফ্রেন্ড! সবসময় শুধু মদ আর ছোয়ার বাহানা! এমন ছেলেকে, কে ভালোবাসবে?
এর মানে, এই না যে, আমি ওর গার্লফ্রেন্ড! সবসময় শুধু মদ আর ছোয়ার বাহানা! এমন ছেলেকে, কে ভালোবাসবে?
- তাহলে, ওর সাথে ঘুরছো কেন? - আমি ওর সাথে ঘুরছি না তো!
- দেখো, এটা ধোঁকা। - কোনটা?
- দেখো, এটা ধোঁকা। - কোনটা?
- তুমি আমায় যেভাবে দেখো। - আমি তো তোমায় দেখি না!
- তুমি আমায় যেভাবে দেখো। - আমি তো তোমায় দেখি না!
- তুমি আমায় যেভাবে দেখো। - আমি তো তোমায় দেখি না!
- তুমি আমায় যেভাবে দেখো। - আমি তো তোমায় দেখি না!
এই, এটা... আমার সাধাসিধে বন্ধু। ওর সাথে তুমি এমন করতে পারো না।
ওটা বলার তুমি কে?
- তোমার মুখ আমার সামনে আনবে না। - তোমার কোনো কথাই, বুঝলাম না!
- তোমার মুখ আমার সামনে আনবে না। - তোমার কোনো কথাই, বুঝলাম না!
- কী ভাই? - এই, দে।
- মাত্র আমায় দেখলে কেন? - কী বাজে বকছো?
- মাত্র আমায় দেখলে কেন? - কী বাজে বকছো?
831
প্রথমে, ছাইপাঁশ খাওয়া কমাও।
এই! ওখানে যা যা বললাম, তুমি কিচ্ছু বোঝোনি?
এই! ওখানে যা যা বললাম, তুমি কিচ্ছু বোঝোনি?
এই! ওখানে যা যা বললাম, তুমি কিচ্ছু বোঝোনি?
839
তুমি আমার বোনের মতো। বুঝেছ?
তুমি আমার বোনের মতো। বুঝেছ?
তুমি আমার বোনের মতো। বুঝেছ?
"Let my mind and heart be in sync and tune"
"I'm feeling dizzy with all the beers I had"
"This hangover will be gone in the morning"
"I'm feeling dizzy with all the beers I had"
"This hangover will be gone in the morning"
"When the hopes turn into desert trees"
"When looks raise fires in my heart"
"My round little eyes had so many dreams to see"
"You shattered all the dreams I saw"
"I can't bear to see tears in my friend's eyes"
"I say forget the girl; she's not meant for you"
"Poison is flowing the sweet rivers of love"
"Use your charm as bait, she'll be yours"
"No, brother, I don't need your advice"
"Wooing a girl is a real curse"
"I woke up only after I fell from above"
"I was enlightened after it's too late"
"Forget her, don't think of her"
"Let her go, you don't need her"
"Sweet and cute like a dove; Also murderous is she"
"Charming and magical is she; And very beautiful"
"Stay with your friends A lover will ruin your life"
"No one can be your enemy You're the best friend I have"
"My dreams have turned bitter My journey much harder"
"I have a body but no life I have a heart but no feelings"
"Love flows out just like the tears"
"It overflows like the rivers"
"Your words cut through me like a knife"
"Why don't you kill me instead?"
"Forget her, don't think of her"
"Let her go, you don't need her"
"Heart's racing on, emotions are running high"
"Let my mind and heart be in sync and tune"
"I'm feeling dizzy with all the beers I had"
"This hangover will be gone in the morning"
"I'm feeling dizzy with all the beers I had"
"This hangover will be gone in the morning"
I can neither hide it nor tell others about it.
O God!
"Rock-a-bye baby, in the treetop"
"When the wind blows, the cradle will rock"
What next?
"When the bough breaks, the cradle will fall"
"And down will come baby, cradle and all"
"Rock-a-bye baby, in the treetop"
তারপর?
Waste! God!
Waste!
Worst!
Waste of time.
Sorry, National Geographic is not some local newspaper.
I'd take you as an assistant if had any talent at all.
But I can't risk my career by taking you, right?
Sir, please take another look at them.
I'm sure I took proper shots.
Hey, do you know who you're talking to?
These are all crap.
You think you could bring any crap to me..
..and I'd take you as my assistant?
This is about creativity, man. You need creativity.
It is God's gift.
It's not something you'd get with a wave of a magic wand.
বাজে! খোদা! বাজে!
বাজে! খোদা! বাজে!
বাজে! খোদা! বাজে!
বাজে! খোদা! বাজে!
বাজে! খোদা! বাজে!
বাজে! খোদা! বাজে!
সবক'টাই বাজে! অসহ্য!
সবক'টাই বাজে! অসহ্য!
সবক'টাই বাজে! অসহ্য!
শুধু-শুধু সময় নষ্ট!
শুধু-শুধু সময় নষ্ট!
শুধু-শুধু সময় নষ্ট!
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কোনো লোকাল পত্রিকা নয়। আমার সহকারী হতে গেলে, অল্প কিছু প্রতিভা থাকা জরুরি।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কোনো লোকাল পত্রিকা নয়। আমার সহকারী হতে গেলে, অল্প কিছু প্রতিভা থাকা জরুরি।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কোনো লোকাল পত্রিকা নয়। আমার সহকারী হতে গেলে, অল্প কিছু প্রতিভা থাকা জরুরি।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কোনো লোকাল পত্রিকা নয়। আমার সহকারী হতে গেলে, অল্প কিছু প্রতিভা থাকা জরুরি।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কোনো লোকাল পত্রিকা নয়। আমার সহকারী হতে গেলে, অল্প কিছু প্রতিভা থাকা জরুরি।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কোনো লোকাল পত্রিকা নয়। আমার সহকারী হতে গেলে, অল্প কিছু প্রতিভা থাকা জরুরি।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কোনো লোকাল পত্রিকা নয়। আমার সহকারী হতে গেলে, অল্প কিছু প্রতিভা থাকা জরুরি।
তোমায় সাথে রেখে তো আর নিজেকে ধ্বংস করতে পারি না!
স্যার, আরেকবার ভালো করে দেখুন।
সবই তো ঠিক ছিল।
কার সাথে কথা বলছিস, জানিস?
এগুলো সব বাজে।
যা খুশি তা এনে দিলেই, আমি সহকারী করে নেবো?
এটা, সৃজনশীলতা বাবা, সৃজনশীলতা। সৃষ্টিকর্তার উপহার। সবার দ্বারা এ'কাজ হয় না!
ভাগো! সব শিখে নেবে বলেছিলে না? তোমার মতো অকর্মাদের শেখানো, আমার কাজ নয়। দেখো নিজেকে। উড়ে এসে, জুড়ে বসা- প্রত্যেকের এই হালই হয়।
ভাগো! সব শিখে নেবে বলেছিলে না? তোমার মতো অকর্মাদের শেখানো, আমার কাজ নয়। দেখো নিজেকে। উড়ে এসে, জুড়ে বসা- প্রত্যেকের এই হালই হয়।
ভাগো! সব শিখে নেবে বলেছিলে না? তোমার মতো অকর্মাদের শেখানো, আমার কাজ নয়। দেখো নিজেকে। উড়ে এসে, জুড়ে বসা- প্রত্যেকের এই হালই হয়।
ভাগো! সব শিখে নেবে বলেছিলে না? তোমার মতো অকর্মাদের শেখানো, আমার কাজ নয়। দেখো নিজেকে। উড়ে এসে, জুড়ে বসা- প্রত্যেকের এই হালই হয়।
ভাগো! সব শিখে নেবে বলেছিলে না? তোমার মতো অকর্মাদের শেখানো, আমার কাজ নয়। দেখো নিজেকে। উড়ে এসে, জুড়ে বসা- প্রত্যেকের এই হালই হয়।
ভাগো! সব শিখে নেবে বলেছিলে না? তোমার মতো অকর্মাদের শেখানো, আমার কাজ নয়। দেখো নিজেকে। উড়ে এসে, জুড়ে বসা- প্রত্যেকের এই হালই হয়।
এই, ভাগো তো।
এই, ভাগো তো।
ক্যামেরা বিক্রি করে, অন্য কাজে মন দাও। ফটোগ্রাফি কোনো ছেলেখেলা না।
ক্যামেরা বিক্রি করে, অন্য কাজে মন দাও। ফটোগ্রাফি কোনো ছেলেখেলা না।
ক্যামেরা বিক্রি করে, অন্য কাজে মন দাও। ফটোগ্রাফি কোনো ছেলেখেলা না।
- কী ব্যাপার, ছোটভাই? ছাড়াছাড়ি নাকি? - একদম বাজে মুডে আছি। আরেকটা কথা বললে, খুন করে ফেলবো।
'সুন্দার কলিং'
'সুন্দার কলিং'
কিচ্ছু জিগাবি না!
ফটোর ব্যাপারে, কিচ্ছু জিগাবি না!
সব ধ্বংস হয়ে গেছে, বুঝেছিস?
তোকে স্যরি বলতে হবে না।
পরে ফোন করবি? আরে বল তো। ব্যাপার না, বল।
কেমন মুডে আছি? সুপার, সুপারররর! দেখলি?
সাহায্য? হ্যাঁ, হ্যাঁ। বল, বল।
তোর আগে আরো দু'জনকে বলেছি। ওরা কাজে ব্যস্ত!
ইয়ামিনী গাড়ি ব্রেকডাউন করে, বাস-স্টপে দাঁড়িয়ে আছে। বৃষ্টি হচ্ছে। অটোও পাবে না।
- খুব ভয় হচ্ছে, ভাই। আমি বেঙ্গালুরে আছি। - আমি যাচ্ছি। - তুই গাড়ি নিয়ে, একটু যা। - হ্যাঁ, যাচ্ছি।
তোর মুড ভালো না থাকলে বল। আমি বাবাকে পাঠাচ্ছি।
অটো?
গাড়ির কী হয়েছে?
জানি না। হঠাতই থেমে গেল।
ঠিক আছে, তুমি যাও। আমি মেকানিক দেখে, গাড়ি নিয়ে এসে যাবো।
আমি বড় গাড়ি চালাতে, জানি না।
খেয়ে এসেছ?
তুমি যাও। আমি অটো নিয়ে, এসে পড়বো।
তুমি গাড়ি কোথাও ঠুকে দিলে?
এ'সময়ই কেন?
কী? কোনো সমস্যা?
- কথা বলছি না? - কোনো কথা বলো না!
আমার সহ্য হচ্ছে না!
আমার ফটোগুলো দেখে, ঐ শালা...
কত কষ্ট পেয়েছি, জানো?
তুমি ঠিকই বলেছিলে।
আমার দ্বারা হবে না।
আমি যে আর কিছু পারি না, ইয়ামিনী...
এটা ছাড়া।
কারো পছন্দ না হলে, আমি কী করবো?
কোন ফটো?
জঙ্গলে তুলেছিলে। ওগুলো?
ভালো করেই তুলেছিলাম।
কারেক্ট এক্সপোসার, পারফেক্ট লাইটিং, সব!
চিন্তা করো না। আরেকটা সু্যোগ, অবশ্যই পাবে।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
তোমায় দেখে, খুব হিংসে হয়।
কাজটা হৃদয় দিয়ে করো, না?
তাই, এভাবে কষ্ট পাচ্ছ।
আমিও কাজ করি।
অনেক ভুল করেছি।
কিন্তু, কখনোই ভুলগুলোর জন্য কাঁদিনি!
কিন্তু, কখনোই ভুলগুলোর জন্য কাঁদিনি!
কিন্তু, কখনোই ভুলগুলোর জন্য কাঁদিনি!
অনেকটা, ম্যাশিনের মতো। যাই, কাজ শেষ করি!
অনেকটা, ম্যাশিনের মতো। যাই, কাজ শেষ করি!
অনেকটা, ম্যাশিনের মতো। যাই, কাজ শেষ করি!
অনেকটা, ম্যাশিনের মতো। যাই, কাজ শেষ করি!
অনেকটা, ম্যাশিনের মতো। যাই, কাজ শেষ করি!
অনেকটা, ম্যাশিনের মতো। যাই, কাজ শেষ করি!
1005
সত্যিই কি, তোমার ছবিগুলো ভালো হয়নি?
সত্যিই কি, তোমার ছবিগুলো ভালো হয়নি?
বেকুব ফটো।
বেকুব ফটো।
বেকুব ফটো?
বেকুব ফটো?
কে সে? মুখের ওপর সব বলে দিল!
অত বড় মর্দ?
- অনেক বড় মর্দ। - কত বড়?
এত্ত বড়।
সবসময় তো মারমুখো হয়ে থাকো।
ওর মুখে দু'টো দিয়ে আসতে পারলে না?
ভুলেই গেছি।
কাল যেও।
রাতেই যাবো। ওর বাড়ি চেনা আছে।
জিনিয়াস, কোথায় আছিস?
জিনিয়াস, কোথায় আছিস?
একটা ফটোশ্যুটে এসেছি।
একটা ফটোশ্যুটে এসেছি।
ফিরবি কখন?
কাল বিকেলের দিকে...
কাল বিকেলের দিকে...
তা হবে না, ভাই। দরকার আছে। ইয়ামিনী কাল আসছে। তোকে থাকতে বলেছে।
তা হবে না, ভাই। দরকার আছে। ইয়ামিনী কাল আসছে। তোকে থাকতে বলেছে।
কোনো সমস্যা হয়তো! কিছু জানি না!
অবশ্যই থাকিস কিন্তু। ঠিক আছে, বাই।
সুন্দার, হ্যালো...
ভাই, ভাই।
এই বাস কোথায় যাচ্ছে?
মাইসোর।
আমায় মাইসোরের একটা টিকেট দিও তো, ভাই।
'কোথায় আছো? কেমন আছো?'
'তুমি একটা বলদ! ঠিক আছে। একবার ন্যাশনাল জিওগ্রাফি'র ম্যাগাজিন খুলে দেখো!'
'এ'সপ্তাহের সংকলন। অন্তত, আমার জন্য দেখো। কারণ, আমি...'
- হ্যালো। - কার্তিক, কোথায় তুই? - এই, চুপ কর।
আসছি। একটু পরেই আসছি।
- কাউকে কিছু... - কখন আসবি? - কাউকে কিছু বলার দরকার নেই। আমি আসছি।
সুন্দার'কে কিচ্ছু বলবি না।
এতবার ফোন করেছি, ধরিসনি কেন?
ফোন রাখ। আমি আসছি।
এই কার্তিক!
এটা ভুল, স্যার।
প্লিজ, স্যার।
এগুলো আমার ফটো, বলে দিন, স্যার। প্লিজ!
এগুলো আমার ফটো, বলে দিন, স্যার। প্লিজ!
এগুলো আমার ফটো, বলে দিন, স্যার। প্লিজ!
1074
আপনি জীবনে অনেক পেয়েছেন।
আপনি জীবনে অনেক পেয়েছেন।
আপনি জীবনে অনেক পেয়েছেন।
আপনার জন্য এগুলো কোনো বড় বিষয় না।
আপনার জন্য এগুলো কোনো বড় বিষয় না।
আপনার জন্য এগুলো কোনো বড় বিষয় না।
কিন্তু...
কিন্তু...
এটা...
এটা...
এটা আমার জীবন, স্যার।
অনেক কষ্ট করেছি, স্যার।
এগুলো আমার ফটো, জানিয়ে দিলে- অনেক বড় সু্যোগ পাবো, স্যার।
এগুলো আমার ফটো, জানিয়ে দিলে- অনেক বড় সু্যোগ পাবো, স্যার।
এগুলো আমার ফটো, জানিয়ে দিলে- অনেক বড় সু্যোগ পাবো, স্যার।
এগুলো আমার ফটো, জানিয়ে দিলে- অনেক বড় সু্যোগ পাবো, স্যার।
বাবা, কে তুমি?
বাবা, কে তুমি?
বাবা, কে তুমি?
তোমায় কখনো দেখেছি বলে তো, মনে পড়ে না!
তোমায় কখনো দেখেছি বলে তো, মনে পড়ে না!
কী? সহকারী হতে চাও?
কী? সহকারী হতে চাও?
যা বলার, অফিসে এসে বলবে।
যা বলার, অফিসে এসে বলবে।
যা বলার, অফিসে এসে বলবে।
এভাবে, ফটোশ্যুটে এসে বিরক্ত করবে না।
এভাবে, ফটোশ্যুটে এসে বিরক্ত করবে না।
আমি কী দোষ করেছি, স্যার?
আমি কী দোষ করেছি, স্যার?
আমি কী দোষ করেছি, স্যার?
আপনাকে আমি, ঈশ্বরের চোখে দেখতাম!
আপনাকে আমি, ঈশ্বরের চোখে দেখতাম!
আপনাকে আমি, ঈশ্বরের চোখে দেখতাম!
স্যার, সাহায্য করুন।
স্যার, সাহায্য করুন।
ওগুলো আমার ফটো, বলে দিন, স্যার।
ওগুলো আমার ফটো, বলে দিন, স্যার।
ওগুলো আমার ফটো, বলে দিন, স্যার।
1134
কেমন শ্যুট এটা?
কেমন শ্যুট এটা?
কেমন শ্যুট এটা?
যে কেউ এসে ঢুকে পড়ছে। সময়মতো কাজ শেষ না হলে, আমায় দুষবেন না!
যে কেউ এসে ঢুকে পড়ছে। সময়মতো কাজ শেষ না হলে, আমায় দুষবেন না!
- আগে জায়গা খালি করুন। এরপর, শ্যুট করবো। - চলুন, চলুন।
- আগে জায়গা খালি করুন। এরপর, শ্যুট করবো। - চলুন, চলুন।
- আগে জায়গা খালি করুন। এরপর, শ্যুট করবো। - চলুন, চলুন।
কোত্থেকে সব পাগল-ছাগল এসে হাজির হয়!
1147
এই, এই, এই!
- এই, কোথায় গিয়েছিলি? - ফোন ধরিসনি কেন? - কত চিন্তায় ছিলাম, জানিস?
- এই কথা বলিস না কেন? - এই সব সড়! দূরে যা। এই!
একবার বললে, বুঝিস না?
- তোকে জিজ্ঞেস করে যাচ্ছি না? ওকে বকছিস কেন? - এই, মাঝখানে নাক গলাস না। - চুপ করে বস। কুত্তা!
প্রথমে সব কথা খুলে বল। কোথায় গিয়েছিলি? ফোন ধরিসনি কেন?
- বল, জিনিয়াস। - এই কথা বল।
- ছবি তুলতে গিয়েছিলি? - কিছুই তো বলছে না!
গত মাসে একটা আংটি কিনেছিলাম, ভাই। ভেবেছিলাম, তোর সামনে ওকে প্রপোজ করবো।
কী, ভাই? কেন এমন করছিস?
- হাই। সুন্দার বলেছিল, তুমি আসবে! - এই!
- তুমি না কাল আসবে বলেছিলে? - না, জলদিই কাজ শেষ হয়ে গেল।
সে ফিরেছে?
- আর বলো না, কিচ্ছু বুঝতে পারছি না! - কিছু জানিস? - কীভাবে জানবো? কিছু বললে তো!
কতবার ফোন করেছি, জানিস? একবারও ধরেনি!
আমার ফোনও ধরেনি!
কেমন আছো?
কী হয়েছে?
কোথায় হারিয়ে গেছিলে?
1177
এই, কোথায় যাস?
এই, কোথায় যাস?
বাথরুমে, ভাই!
বাথরুমে, ভাই!
বাথরুমে, ভাই!
- যাবো? - ঠিক আছে। যা, যা।
- যাবো? - ঠিক আছে। যা, যা।
- যাবো? - ঠিক আছে। যা, যা।
বাদ দে, সুন্দার। ওকে কিছু সময় দে।
বাদ দে, সুন্দার। ওকে কিছু সময় দাও।
- তোমরা ওর সাথে কথা বলো। ওর সমস্যা জানার চেষ্টা করো। - কেন?
- তোমরা ওর সাথে কথা বলো। ওর সমস্যা জানার চেষ্টা করো। - কেন?
- তোমরা ওর সাথে কথা বলো। ওর সমস্যা জানার চেষ্টা করো। - কেন?
- তোমরা ওর সাথে কথা বলো। ওর সমস্যা জানার চেষ্টা করো। - কেন?
- ওর সমস্যা তো জানতে হবে। - আমি ওকে বাইরে নিয়ে যাবো। সব ঠিক হয়ে যাবে। - ঠিক আছে।
- ওর সমস্যা তো জানতে হবে। - আমি ওকে বাইরে নিয়ে যাবো। সব ঠিক হয়ে যাবে। - ঠিক আছে।
1204
কার্তিক!
তোমায় কতটা মনে পড়ছিল, জানো?
প্লিজ, আর কক্ষনো এরকম করো না!
তুমি কি... আমার কারণে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলে?
ভেবেছিলাম, তোমার উল্টোপাল্টা কিছু একটা হয়ে গেছে!
মরে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল।
এই, আর কতক্ষণ বাথরুমে...
তুই কাঁদিস না, মা।
আমি দেখছি, বিষয়টা।
ওকে এতটা ভালোবাসতাম!
শালা বিশ্বাসঘাতক!
বুকে ছুরি মারলো!
সে.. সে একটা.. হৃদয়হীন শ্যুয়ার!
না, স্যার। দরকার নেই!
তুমি...
আমি যাচ্ছি। জীবনেও তোমার মুখ দেখাবে না!
স্যার, আমি যাচ্ছি।
না স্যার। ধন্যবাদ।
- বয়সের কারণে চুপ আছি! - ভাই!
তুমি কোনো মানুষ?
ছেলেকে দূরে ঠেলে, একটা বেঈমানকে সমর্থন করছো!
হ্যাঁ! এখন কী চাও?
খেতে বলছো?
ঠিক আছে...
পুরোটাই খাবো!
ব্যথাটা কমবে!
স্যার, আমি কাজটা ইচ্ছে করে...
স্যার, আমি কাজটা ইচ্ছে করে...
একটা মেয়ের জন্য...
এতবড় বেঈমানি করলাম?
সুন্দার, আমি তোকে কতটা ভালোবাসি, জানিস?
তুই আমায় মেরে ফেল। মার!
কথা বন্ধ করিস না!
আমার সাথে কথা বলার আর কেউ নেই, ভাই!
তুই আমার হৃদয়, ভাই!
তুই আমার গুরু, ভাই।
এগুলোর দরকার নেই!
কেন ঝামেলা করছি?
স্যরি, ভাই!
মেয়ে দিয়ে কী হবে? সে ধোঁকাবাজ! তোর সাথে থেকে, আমায় ভালোবাসতো!
কাল আবার অন্য কাউকে ভালোবাসবে! পুরো দুশ্চরিত্র মেয়ে, ভাই!
তোরও দরকার নেই, আমারও দরকার নেই!
ওর কারণে, আমাদের বন্ধুত্বে চিড় ধরেছে, ভাই!
আমার জন্য ওকে ছেড়ে দিবি, ভাই?
ছেড়ে দেবো, মানে? দিয়েছি। জীবনেও ওর মুখ দেখবো না!
ওই পিশাচিনীর জন্য, আমার সব বুদ্ধি লোপ পেয়েছিল!
স্যরি, বন্ধু। খুব স্যরি রে!
যথেষ্ট হয়েছে। অনেক কেঁদেছি। চল, ভাই। চল, পার্টি করি!
মিউজিক বাজা। মাইকেল জ্যাকসনের গান দিস!
- লাভ ইউ জিনিয়াস! - 'লাভ' শব্দটা জীবনেও মুখে আনবি না!
ভাই, বাড়ি চলে যা।
তিন দিন ধরে এখানে আছিস!
তোর বোন ফোন করেই যাচ্ছে!
- সুন্দার, একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। - হ্যাঁ, বলো।
তুমি আমায় ভুল বোঝো না!
আমি তোমার অবস্থাটা বুঝতে পারছি, কিন্তু...
আমি তোমায় কতটা ভালোবাসি, জানো? তোমার জন্য জীবন দিতে পারি, সুন্দার!
কেন তুমি কখনো বুঝলে না? আমি তোমার জন্য, সারাজীবন অপেক্ষা করবো, সুন্দার!
কেন তুমি কখনো বুঝলে না? আমি তোমার জন্য, সারাজীবন অপেক্ষা করবো, সুন্দার!
আমি এসব আগেই জানাতে পারতাম! কিন্তু, এরকম সুযোগ... বাই, সুন্দার!
আমি এসব আগেই জানাতে পারতাম! কিন্তু, এরকম সুযোগ... বাই, সুন্দার!
আমি এসব আগেই জানাতে পারতাম! কিন্তু, এরকম সুযোগ... বাই, সুন্দার!
আমি এসব আগেই জানাতে পারতাম! কিন্তু, এরকম সুযোগ... বাই, সুন্দার!
আমি এসব আগেই জানাতে পারতাম! কিন্তু, এরকম সুযোগ... বাই, সুন্দার!
আমি এসব আগেই জানাতে পারতাম! কিন্তু, এরকম সুযোগ... বাই, সুন্দার!
আমি এসব আগেই জানাতে পারতাম! কিন্তু, এরকম সুযোগ... বাই, সুন্দার!
1288
ভাই...
তুই আমার অবস্থাটা বুঝতে পারছিস?
হ্যাঁ, ভাই।
খুবই বাজে অবস্থা!
ভাই, ইয়ামিনী আপা- আসছে। কার্তিক ভাইয়ের লগে দেখা করতে চায়!
এই, দেখা হবে না!
- সে মরে গেছে, বলে দাও। - না, ভাই। খুব দরকার বলেছে। - কোনো দরকার নেই। বলে দাও ওকে!
এই, কে সে, ভাই? এই, দুশ্চরিত্র! ভাগ এখান থেকে!
- ভাই, সে আমাদের জীবনের বিষ। - শান্ত হ! - ওকে যেতে বলো! - শান্ত হ, তুই! - তুমি ওকে যেতে বলো!
ভাই, ছাড় আমাকে। সে একটা ধোঁকাবাজ!
ঠিক আছে, থাম!
রিস্টার্ট কর, ভাই!
- বলেছি, আপা। - তারপর?
- ওকে আসতে বলো। ওকে না দেখে আমি যাচ্ছি না! - জীবনটা শেষ করে দিল!
- আমি বলেছি, আপা! - তুই রিস্টার্ট কর, ভাই। আমি আসছি!
- ওদের নিয়ে এসো তো! - বন্ধুদের শান্তিতে থাকতে দেবে না!
- উনারা যা বলেছে, তাই বললাম, আপা! - কার্তিক অমনটা বলতেই পারে না!
ওগুলো সব নাটক। ওকে এক্ষুনি আসতে বলো। নয়তো আমি পুলিশ স্টেশন যাবো।
- আপা, আপা! - তুমি কী ডাকবে, আমিই ডাকছি! কার্তিক, কার্তিক!
- রাস্তার সবাই দেখছে। - সে এখন না আসলে, আমি আত্মহত্যা করবো। বলে দাও। - ঠিক আছে, আপা।
- এই রিস্টার্ট করেছি। জলদি আয়। - হ্যাঁ, আসছি, ভাই। জীবনটাই রিস্টার্ট করতে হবে, মনে হয়!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
শালা শ্যুয়ার! আমার জায়গায়...! তাও আবার আমার বাড়িতেই!
এত মাথা ঘামাস না! সে তো... আমাদেরই বন্ধু!
এত মাথা ঘামাস না! সে তো... আমাদেরই বন্ধু!
এত মাথা ঘামাস না! সে তো... আমাদেরই বন্ধু!
এত মাথা ঘামাস না! সে তো... আমাদেরই বন্ধু!
এত মাথা ঘামাস না! সে তো... আমাদেরই বন্ধু!
এত মাথা ঘামাস না! সে তো... আমাদেরই বন্ধু!
এত মাথা ঘামাস না! সে তো... আমাদেরই বন্ধু!
খুব ভালো বন্ধু! আমার গার্লফ্রেন্ডকেই বিয়ে করছে।
খুব ভালো বন্ধু! আমার গার্লফ্রেন্ডকেই বিয়ে করছে।
খুব ভালো বন্ধু! আমার গার্লফ্রেন্ডকেই বিয়ে করছে।
খুব ভালো বন্ধু! আমার গার্লফ্রেন্ডকেই বিয়ে করছে।
খুব ভালো বন্ধু! আমার গার্লফ্রেন্ডকেই বিয়ে করছে।
খুব ভালো বন্ধু! আমার গার্লফ্রেন্ডকেই বিয়ে করছে।
খুব ভালো বন্ধু! আমার গার্লফ্রেন্ডকেই বিয়ে করছে।
আর আমি এখানে, ওদের আশীর্বাদ করছি!
এই, অল দ্যা বেস্ট, ভাই।
এই, অল দ্যা বেস্ট, ভাই।
এই, অল দ্যা বেস্ট, ভাই।
এই, অল দ্যা বেস্ট, ভাই।
কী দেখছো?
- পরের বিয়েটা তোমারই! - থামুন তো, আঙ্কেল। - আর আমার বাবা'কে, দ্যাখ!
লজ্জা-শরম সব হারিয়ে হেসেই যাচ্ছে!
- ভাই! - অল দ্যা বেস্ট, ভাই।
তুই আমার গুরু, ভাই।
- খুব খুশি, তোমাদের জন্য! - আচ্ছা, ফটো!
- খুব খুশি, তোমাদের জন্য! - আচ্ছা, ফটো!
- ভাই, ধন্যবাদ। - অভিনন্দন, জিনিয়াস! - চল, আঙ্কেল অপেক্ষা করছে।
- ভাই, ধন্যবাদ। - অভিনন্দন, জিনিয়াস! - চলো, আঙ্কেল অপেক্ষা করছে।
1360
ভালো থেকো, মা।
আমার মতে, তোমরা দু'জনেই, দু'জনার জন্য সঠিক!
আমার মতে, তোমরা দু'জনেই, দু'জনার জন্য সঠিক!
আমার মতে, তোমরা দু'জনেই, দু'জনার জন্য সঠিক!
পছন্দ তো যে কাউকেই করা যায়!
পছন্দ তো যে কাউকেই করা যায়!
কিন্তু, বিয়ে করলে- ঠিক মানুষ'কেই করতে হয়।
কিন্তু, বিয়ে করলে- ঠিক মানুষ'কেই করতে হয়।
তোমাদের দু'জনের ওপরই আমার অগাধ বিশ্বাস।
তোমাদের দু'জনের ওপরই আমার অগাধ বিশ্বাস।
তোমাদের দু'জনের ওপরই আমার অগাধ বিশ্বাস।
শুধু, সময়মতো আপস আর সমঝোতা করা শিখে নিও।
ছেলেটা শিশুর মতো, মা। একটু দেখে রেখো।
হানিমুনে যাবে?
আগে বলবে না? সুন্দারের বাবা'কে জানিয়ে রাখতাম!
তোমার যেখানে খুশি, নিয়ে চলো।
আমার ফটো...!
আমার ফটো...!
আমার ফটো...!
1435
1436
আমিই!
মেয়েটার বিয়ে দিচ্ছি।
তুমি খুব ভালো ছবি তোলো, শুনেছি।
তাই, কথা বলতে এলাম।
ওমা, ওমা, ছাড়ো। ভুল কী বললাম? ওমা! ওমা!
ওরে পাপী! তুই যেন শীঘ্রই মরিস!
'কার্তিক থেকে সাবধান!'
কিছু ছবি তুলবো। পোস দেবে?
কিছু ছবি তুলবো। পোস দেবে?
1449
এই, ড্রেস... ড্রেস... ড্রেসটা ভালো না!
সাদা-কালো ছায়ার মধ্যে ছবিগুলো ভালো আসা চাই।
ফটোর ব্যাপারে সে কী বোঝে? দুশ্চরিত্র মহিলা!
- জামাই আইবিএম'এ কাজ করে। বিয়ের পর... - হাই, রাম্যিয়া।
- জামাই আইবিএম'এ কাজ করে। বিয়ের পর... - হাই, রাম্যিয়া।
- জামাই আইবিএম'এ কাজ করে। বিয়ের পর... - হাই, রাম্যিয়া।
- কী, ভাই! - হাই, ইয়ামিনী! - হাই।
- রুম ঠিক আছে? - হ্যাঁ, ঠিক আছে।
এই, গতকাল ফোন করলাম, ধরলি না!
- নতুন কিনেছ? - হ্যাঁ!
ওকে একটু ভালো জামা-কাপড় পড়িয়ে আনতে পারলে না?
ওকে একটু ভালো জামা-কাপড় পড়িয়ে আনতে পারলে না?
1465
- এই, নিবি নাকি? - ছিঃ! ভাগ! - পুরো বদলে গেছিস!
ওরে পাপীর দল!
ডাকবি না?
- এই, দরকার নেই, ভাই! - কেন?
ইয়ামিনী জানলে, রেগে যাবে।
এই, কী বলছিস এসব?
পদ্মিনীর বিয়ে হচ্ছে। সেলিব্রেট করতে হবে না!
আরে, দে তো!
স্কচ? আহ, দারুন।
সবার আগে, একটা বড় দান মেরে দেই।
বাথরুমে যাবার কথা বলে...
এখানে না। চলো।
বাড়ি যাই।
রিসিপশনে না গেলে তো, পদ্মিনী রেগে যাবে!
ওকে খেতে দিও না!
- কার্তিক! ভাই, নিচে চল। - খুন করে ফেলবো!
তোর কী রে?
কী? নাটক করছিস?
- সব জানি। ঢাল! - ভাই, দরকার নেই!
- সব জানি। ঢাল! - ভাই, দরকার নেই!
ঢাল বলছি।
ঢাল বলছি।
ঢাল বলছি।
হ্যাঁ, হয়েছে।
- পদ্মিনী। - আয়, ভাই।
এসেছিস তাহলে!
কতদিন পর তোকে দেখলাম।
জানি, তুই আমেরিকা গিয়ে সবাইকে ভুলে যাবি।
- আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - লাইন তো অনেক বড়!
তাই, সোজা চলে এলাম।
তাই, সোজা চলে এলাম।
- বাবা, লাইন বড় হচ্ছে। তোমরা যদি একটু... - হ্যাঁ, যাচ্ছি, মা। ধন্যবাদ।
সে তোকে দেখে রাখবে তো?
সে তোকে দেখে রাখবে তো?
- কী ভাই? - হ্যাঁ, অবশ্যই!
- কী ভাই? - হ্যাঁ, অবশ্যই!
- কী ভাই? - হ্যাঁ, অবশ্যই!
- কী ভাই? - হ্যাঁ, অবশ্যই!
ঠিক আছে, কার্তিক। তোর সাথে পরে কথা হবে।
ঠিক আছে, কার্তিক। তোর সাথে পরে কথা হবে।
তুইও আমায় দূরে ঠেলে দিচ্ছিস?
হায়রে, কুত্তী!
- চলো, কার্তিক। - কীসের 'বাই?'
- চলে যান। - স্যরি, স্যরি! কার্তিক, চলো। - কিচ্ছু না, মা। কিচ্ছু না! - প্লিজ, যান!
- ভাগ, শালা! - প্লিজ, যান!
এই, ছাড়!
বেয়াদবি করেই যাচ্ছে! এবার কর!
বেয়াদবি করেই যাচ্ছে! এবার কর!
- এই! - চল তো!
এই, দাঁড়া, ভাই। দাঁড়া! অপারেশন লাগবে! দাঁড়া!
এই, দাঁড়া, ভাই। দাঁড়া! অপারেশন লাগবে! দাঁড়া!
কতবার বলেছি, ওকে বাড়িতে রাখতে। ওকে নিয়ে বাইরে বেরোতে না! শুনেছ?
কতবার বলেছি, ওকে বাড়িতে রাখতে। ওকে নিয়ে বাইরে বেরোতে না! শুনেছ?
কতবার বলেছি, ওকে বাড়িতে রাখতে। ওকে নিয়ে বাইরে বেরোতে না! শুনেছ?
কতবার বলেছি, ওকে বাড়িতে রাখতে। ওকে নিয়ে বাইরে বেরোতে না! শুনেছ?
কতবার বলেছি, ওকে বাড়িতে রাখতে। ওকে নিয়ে বাইরে বেরোতে না! শুনেছ?
- এখন দেখলে? - এই, চুপ করবে?
- এখন দেখলে? - এই, চুপ করবে?
- এখন দেখলে? - এই, চুপ করবে?
- সে ঠিকই তো বলেছে, ভাই। - এটা... পদ্মিনীর বিয়ে দেখে, বেঁচে যাবে!
- সে ঠিকই তো বলেছে, ভাই। - এটা... পদ্মিনীর বিয়ে দেখে, বেঁচে যাবে!
- অন্য কেউ হলে? যদি ইয়ামিনী, কাল সে অন্য কাউকে খুন করে ফেলে? - চুপ করবে তুমি?
ইয়ামিনী, তুমি যাও।
ধন্যবাদ, শঙ্কর।
ধন্যবাদ, শঙ্কর।
ধন্যবাদ, শঙ্কর।
- সুন্দারকে ফোন করে বলে দিও, আমরা পৌঁছেছি। - ঠিক আছে।
- সুন্দারকে ফোন করে বলে দিও, আমরা পৌঁছেছি। - ঠিক আছে।
- সুন্দারকে ফোন করে বলে দিও, আমরা পৌঁছেছি। - ঠিক আছে।
1552
কোথায় যাচ্ছে?
কী, ইয়ামিনী?
কী, ইয়ামিনী?
কী, ইয়ামিনী?
ওই অ্যাক্সিডেন্টের পরই, সে একদম বদলে গেছে।
ওই অ্যাক্সিডেন্টের পরই, সে একদম বদলে গেছে।
ওই অ্যাক্সিডেন্টের পরই, সে একদম বদলে গেছে।
ওই অ্যাক্সিডেন্টের পরই, সে একদম বদলে গেছে।
ওই অ্যাক্সিডেন্টের পরই, সে একদম বদলে গেছে।
1568
এভাবে না কেঁদে, জলদি সিদ্ধান্ত নাও।
এভাবে না কেঁদে, জলদি সিদ্ধান্ত নাও।
এভাবে না কেঁদে, জলদি সিদ্ধান্ত নাও।
এভাবে না কেঁদে, জলদি সিদ্ধান্ত নাও।
এভাবে না কেঁদে, জলদি সিদ্ধান্ত নাও।
ওর অবস্থা আরো জটিল হবার আগেই, কোনো হাসপাতালে ভর্তি করে দাও।
ওর অবস্থা আরো জটিল হবার আগেই, কোনো হাসপাতালে ভর্তি করে দাও।
ওর অবস্থা আরো জটিল হবার আগেই, কোনো হাসপাতালে ভর্তি করে দাও।
ওর অবস্থা আরো জটিল হবার আগেই, কোনো হাসপাতালে ভর্তি করে দাও।
কাছে এসো!
যথেষ্ট হয়েছে, ইয়ামিনী।
এই ক'বছরে অনেক নরক সহ্য করেছ!
আমি ওর বন্ধু!
কিন্তু, এভাবে চলতে থাকলে তোমার জীবনটাই নষ্ট হবে!
এবার অন্তত, ডিভোর্স করে ফেলো।
তুমি এখনো একজন যুবতী।
তোমার জন্য, এখনো ছেলেদের লাইন লেগে যাবে।
ভাগ্যকে মেনে, বসে থেকো না!
ওর জন্য, তুমি কেন ভুগবে?
সে পাগল হয়ে গেছে!
ছেড়ে দাও, ওকে।
তোমায় নাকি প্রতিদিন পেটায়!
আমার কত কষ্ট হয়, জানো?
থিনাগারে, আমার একটা অ্যাপার্টমেন্ট আছে।
থিনাগারে, আমার একটা অ্যাপার্টমেন্ট আছে।
থিনাগারে, আমার একটা অ্যাপার্টমেন্ট আছে।
তুমি ওখানে এসে, থাকতে পারো।
তুমি ওখানে এসে, থাকতে পারো।
এত কষ্ট করতে হবে না!
এত কষ্ট করতে হবে না!
এখন থেকে, আমিই তোমার খেয়াল রাখবো।
এখন থেকে, আমিই তোমার খেয়াল রাখবো।
এখন থেকে, আমিই তোমার খেয়াল রাখবো।
আসলে আমি, ঘোরের ভেতর... খুব লজ্জা হচ্ছে!
ভুলটা তোমার না!
তোমার সামনে- ওভাবে কাঁদাটা, আমার উচিৎ হয়নি!
পুরুষ মানুষ তো!
তাই...
দুর্বলতা!
বাদ দাও!
আমি... আর জীবনেও... আমি
তুমি যে কোনো সময়, আমার বাড়ি আসতে পারো।
আমার কোনো সমস্যা নেই!
এমন কিছু হয়েছিল, তা আমরা দু'জনেই ভুলে যাবো, ঠিক আছে?
আমি কার্তিক'কেও কিছু বলবো না।
শীঘ্রই, বিয়ে করে ফেলো।
ঐ কারণেই, তুমি ওভাবে কথা বলছিলে!
তোমাকেই, তোমার স্ত্রী খুঁজে নিতে হবে। অন্য কারো স্ত্রী'কে খুঁজো না!
আরেকটি বিষয়, আমার স্বামীর ব্যাপারে উল্টোপাল্টা কিছু বলবে না।
সে আমার জিনিয়াস!
আমি জানি!
চিন্তা করবেন না। আজই এর শেষ দেখে ছাড়বো।
- আপনারা সবাই এখানে দাঁড়ান। আমি গিয়ে কথা বলছি। - ঠিক আছে, স্যার!
আমি পাশের বাসায় থাকি। ঐ বাড়িটা আমার!
আমি পাশের বাসায় থাকি। ঐ বাড়িটা আমার!
আমি পাশের বাসায় থাকি। ঐ বাড়িটা আমার!
জানি। বিষয়টা কী?
দেখো, তুমি শীঘ্রই এই বাড়িটা খালি করে দাও।
দেখো, তুমি শীঘ্রই এই বাড়িটা খালি করে দাও।
দেখো, তুমি শীঘ্রই এই বাড়িটা খালি করে দাও।
বাড়িওয়ালার কাছেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অনেকদিন যাবত সহ্য করছি!
তোমার স্বামীর অত্যাচার আর সহ্য হচ্ছে না!
তোমার স্বামীর অত্যাচার আর সহ্য হচ্ছে না!
তোমার স্বামীর অত্যাচার আর সহ্য হচ্ছে না!
প্রতিদিন খেয়ে এসে, ঝামেলা করে!
রাত হলেই, পাগলামী শুরু!
ওর কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে, লোকে ওকে 'রাস্তার পাগল' বলে ডাকে!
মহিলার স্বস্তিতে বাইরে বেরোতে, ভয় পায়!
যাকেই দেখে, ওর ছবির জন্য দাঁড়াতে বলে।
আমরা এ'বিষয়ে অনেকবার কথা বলতে চেয়েছি!
কিন্তু, তোমার সাথে কথা বলার সুযোগ হয়নি!
এক, ওকে ভালো হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দাও।
নয়তো, আমাদের পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে যেতে হবে।
দু'দিন সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে, বাড়ি খালি করে দাও।
দু'দিন সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে, বাড়ি খালি করে দাও।
মিঃ নারসিমহান!
আমরা কোথাও যেতে পারবো না!
আমরা কোথাও যেতে পারবো না!
আপনাদের যা খুশি, করুন!
আমিও পুলিশ স্টেশন যাবো!
বলবো, মিঃ নারসিমহান আমায় যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেছে!
বলবো, মিঃ নারসিমহান আমায় যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেছে!
বলবো, আমায় চোখ মারতেন!
ব্যালকোনি'তে দাঁড়িয়ে দেখতেন!
ব্যালকোনি'তে দাঁড়িয়ে দেখতেন!
ব্যালকোনি'তে দাঁড়িয়ে দেখতেন!
কেউ না থাকা অবস্থায়, বাড়ি এসে, অসভ্য আচরন করতেন!
কেউ না থাকা অবস্থায়, বাড়ি এসে, অসভ্য আচরন করতেন!
কেউ না থাকা অবস্থায়, বাড়ি এসে, অসভ্য আচরন করতেন!
এইসবই বলবো!
- আমি কখন এসব... - ওগুলো, পুলিশ স্টেশনে বলবেন!
আপনি অভিযোগ করলে, আমায় বাড়ি ছেড়ে যেতে হবে। আমি, অভিযোগ করলে...
আপনি অভিযোগ করলে, আমায় বাড়ি ছেড়ে যেতে হবে। আমি, অভিযোগ করলে...
1734
আপনিই তো, সংগঠনের সভাপতি!
1737
যান, সবাইকে বলে দিন, আমার স্বামী পাগল হতে পারে...
যান, সবাইকে বলে দিন, আমার স্বামী পাগল হতে পারে...
যান, সবাইকে বলে দিন, আমার স্বামী পাগল হতে পারে...
কিন্তু, ভালো মানুষ!
অন্যের ব্যাপারে নাক গলায় না!
নিজের বাড়িতে, নিজে চিৎকার করে! আপনাদের কী?
নিজের বাড়িতে, নিজে চিৎকার করে! আপনাদের কী?
ছবির জন্যই তো বলে। তুলতে চাইলে, পোস দিবেন!
নয়তো, সোজা হাঁটা ধরবেন!
এগুলোও অভিযোগ, আবার বলতে এসেছে!
সম্মান থাকতে চলে যান! নয়তো, আরেকবার এ'বাড়িতে দেখলে...
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ!
বুঝেছেন? ভাগেন!
- এত বাজে ব্যবহার করছে কেন? - সে তো ওর স্বামীর চেয়েও খারাপ! বয়স'ও দেখলো না!
হায় খোদা! উনি ফিরে আসছে কেন?
গাধার দল!
গাধার দল!
গাধার দল!
স্বাগতম! আজকের পর্বে, আমাদের সঙ্গে এমন একজন ব্যক্তি উপস্থিত আছেন, যিনি ভারতীয় পতাকাকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করিয়েছেন।
বেশকিছু জাতীয় পুরস্কার অর্জনের পাশাপাশি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, বিশ্বের অন্যতম বন্যজীবনী ফটোগ্রাফার হিসেবে।
লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান, আজ আমরা সত্যিই আনন্দিত তাকে স্বাগত জানাতে পেরে- মি. মাথেশ কৃষ্ণস্বামী।
স্যার, বলুন, কীভাবে এসব হলো? আপনার চমৎকার সব ছবিগুলোর পেছনে ঘটে থাকা রোমাঞ্চকর কিছু গল্প শোনান।
আমি একটা গাছের নিচে, ৭ ঘন্টা যাবত বসে ছিলাম!
এবং, হঠাৎই, সে আমার সামনে অবতীর্ণ হলো। মোহনীয় মুহূর্ত!
তার রঙ, তার পালকসমূহ... সে যেন এক অপ্সরা!
সময় যেন থেমে গিয়েও বিদ্যমান। আমি পাথর হয়ে গেলাম!
ঠিক সেসময়ে, ছবি তোলার কথাটা মাথায় এলো!
এটা ঠিক সেই নয়নাভিরাম মুহূর্ত, যার জন্য একজন ফটোগ্রাফার...
1772
ওরে পাপী!
ওরে পাপী!
অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে কীভাবে..?
অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে কীভাবে..?
- এখন কী করবো? - এই, ওঠা ওকে।
- এখন কী করবো? - এই, ওঠা ওকে।
1784
তুই কক্ষনো বদলাবি না!
তুই কক্ষনো বদলাবি না!
আমাদের বাচ্চা...
আমি জানতাম না!
বলোনি কেন?
ইয়ামিনী!
কতবার তোমায় বলতে হবে? যাও, আরো ম্যাগাজিন নিয়ে এসো।
এই মানি, আমার টেবিল থেকে সবগুলো বই নিয়ে আয় তো!
ওর কোনো কাজই নেই! যখন-তখন শুধু হুকুম চালায়!
এই কুমার, দাঁড়া!
চায়ের কাপ এখানেই রেখে দিয়েন, ভাই।
- এই, মানি! কানে কথা ঢোকে না? - ম্যাডাম! আনছি, ম্যাডাম।
এটা কে তুলেছে?
আমার নাম...!
তুমি পাঠিয়েছিলে ছবিগুলো?
হাতির ছবিটা দেখেছেন?
হ্যাঁ, দেখেছি। ভাইরাল ছবি!।
হ্যালো, 'কুমুড়ুম' অফিস থেকে বলছেন?
জ্বী, বলুন।
এ'সপ্তাহের সংকলন?
আপনার নাম্বারটা দিন।
ইয়ামিনী, প্লিজ কথা বলো। স্যরি, ইয়ামি!
- ম্যাডাম, বিষয়টা... - কোনো কথা বলবেন না। কোম্পানি'কে গোল্লায় নিয়ে গেছেন।
তুমি ঘামছো। মুখ মুছে নাও।
১০ লাখ এডভান্স দিয়েছে।
ডিসকভারি ফটোশ্যুট!
ডিসকভারি ফটোশ্যুট!
ডিসকভারি ফটোশ্যুট!
দু'বছর কনট্র্যাক্টের কথা বলেছে।
ঐ হাতির ছবি দেখে...
ঐ হাতির ছবি দেখে...
ঐ হাতির ছবি দেখে...
সিলেক্ট করেছে!
- হ্যাঁ? - হাই, আমি থমাস পিটারসন।
- কে? - থমাস পিটারসন, ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফি কাউন্সিল থেকে।
থমাস পিটারসন?!
হ্যাঁ। জ্বী, জ্বী। বলুন, কেমন আছেন?
আমি ভালো আছি। অনেক কিছুই ঘটছে। আপনি কেমন আছেন?
- হ্যাঁ, যাচ্ছে। - কয়েকদিন আগে তোলা, জাপানিজ বাঁদরটির কথা মনে পড়ে?
জানাতে আনন্দবোধ করছি, ঐ ছবিটি'- 'বন্যজীবনী' বিভাগে এ'বছর- মনোনীত হয়েছে, 'আইপিসি' এওয়ার্ডের জন্য।
আমরা খুশি হবো, যদি আপনি এসে- অনুষ্ঠানে যোগদান করেন!
আপনি আপনার ডিটেইলস পাঠালেই, আমি টিকেট পাঠিয়ে দেবো।
- আপনি নিশ্চিত? - হ্যাঁ!
আপনি জানেন? আমি আপনার কাজের বিশাল ভক্ত!
- ধন্যবাদ। - শীঘ্রই দেখা হচ্ছে।
সবাইকে, 'আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র সম্মাননায়' স্বাগতম।
বিশ্বের আলোকচিত্র প্রতিযোগীতার, সর্বোচ্চ সম্মাননা!
প্রতি বছর, নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির সেরা আলোকচিত্রকে পুরস্কৃত করা হয়।
নিশ্চিত, সেই পুরস্কার পাবে।
কীভাবে? ওর ভাগ্য সম্পর্কে তো জানোই!
কে জানে, একা কেমন আছে? আমি থাকলে, চিন্তা ছিল না!
এই স্টেজে, ঘোরাঘুরি করতে ডাক্তার, মানা করেছে।
আয়, ভাই।
কোথায় ছিলি?
বসে পড়।
অনুষ্ঠান আরম্ভ হতে চলেছে।
এটা কীসের এওয়ার্ড?
ফটোগ্রাফির জন্য সর্বোচ্চ।
অস্কারের মতো।
সবাইকে আবারো স্বাগতম জানাচ্ছি, আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র সম্মাননায়!
- পুরো বিশ্বের ৫০ লক্ষ আলোকচিত্রের মধ্যে, পাঁচটি আলোকচিত্র মনোনয়ন পেয়েছে। - দেখো!
এটা, গতবছর সুন্দার জিতেছে।
এটা কী এওয়ার্ড, সুন্দার?
আইপিসি, জুরি বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে, ধৈর্য সহকারে সেরা পাঁচ বাছাইয়ের জন্য।
পাঁচটি ছবিই তাদের চৌকস বিচার ও সূক্ষ বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্বাচিত হয়েছে।
এ'বছরের মনোনয়নগুলো হলো...
ইভান ম্যাকব্রাইড, নিউজিল্যান্ড থেকে।
কেঙ্ক ডেমিরোগলু, তুর্কি থেকে।
মাথেশ কৃষ্ণাস্বামী, ভারত থেকে।
মারসেল ভ্যান উস্টেন, নেদারল্যান্ড থেকে।
কার্তিক স্বামীনাথান, ভারত থেকে।
এবং, দি এওয়ার্ড, আন্তর্জাতিক আলোকচিত্রকর ২০১১ পাচ্ছেন...
কার্তিক স্বামীনাথান ফ্রম ইন্ডিয়া!
ওই যে, যাচ্ছে, যাচ্ছে!
দ্যাখ ওকে, কত স্মার্ট!
অভিনন্দন।
এবং, অল দ্যা বেস্ট।
কার্তিক, কিছু বলতে চান?
স্যরি, আমি তামিলে কথা বলবো।
কারণ, আমার বাড়ির লোকেরা তাতে খুশি হবে।
স্বপ্নেও ভাবিনি, যে...
ফটোগ্রাফির বিভিন্ন ধরণ রয়েছে।
কিন্তু, যখন জঙ্গলে শ্যুট করতে যাই...
কিন্তু, যখন জঙ্গলে শ্যুট করতে যাই...
কিন্তু, যখন জঙ্গলে শ্যুট করতে যাই...
কিন্তু, যখন জঙ্গলে শ্যুট করতে যাই...
তখনই, সৃষ্টিকর্তার আশেপাশে থাকার মতো অনুভূতি পাই।
তখনই, সৃষ্টিকর্তার আশেপাশে থাকার মতো অনুভূতি পাই।
তখনই, সৃষ্টিকর্তার আশেপাশে থাকার মতো অনুভূতি পাই।
তখনই, সৃষ্টিকর্তার আশেপাশে থাকার মতো অনুভূতি পাই।
তখনই, সৃষ্টিকর্তার আশেপাশে থাকার মতো অনুভূতি পাই।
আমি, খুবই সাধারণ একজন মানুষ।
বেশিরভাগ সময়ই, রাস্তায়-রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়েছি।
বেশিরভাগ সময়ই, রাস্তায়-রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়েছি।
1914
আমার বন্ধুরাই আমায় গড়ে তুলেছে।
ওরা না থাকলে...
আমি থাকতাম না!
সুন্দার, পদ্মিনী, বিন্দ্যা, শঙ্কর, রমেশ স্যার...
সুন্দার, পদ্মিনী, বিন্দ্যা, শঙ্কর, রমেশ স্যার...
সুন্দার, পদ্মিনী, বিন্দ্যা, শঙ্কর, রমেশ স্যার...
সুন্দার, পদ্মিনী, বিন্দ্যা, শঙ্কর, রমেশ স্যার...
সুন্দার, পদ্মিনী, বিন্দ্যা, শঙ্কর, রমেশ স্যার...
এই, 'ধন্যবাদ' সবাইকে...
এই, 'ধন্যবাদ' সবাইকে...
এই, 'ধন্যবাদ' সবাইকে...
এই, 'ধন্যবাদ' সবাইকে...
- আমি আরো কিছু কথা বলতে চাই। - অবশ্যই। - ধন্যবাদ।
হাই, ইয়ামিনী।
ইয়ামিনী, আমার স্ত্রী।
এই পুরস্কার, এত লোকের করতালি, আমার স্ত্রী'রই প্রাপ্য।
সে...
সে...
লোহামানব!
আমায় এখানে দেখার জন্য, একা লড়াই করে গেছে!
অনেকগুলো বছর, বিনা বাক্য ব্যয়ে, নরক সহ্য করে গেছে।
ওর জন্য, জোরে একটা করতালি হয়ে যাক!
ইয়ামিনী, আমার স্ত্রী।
এই, ইয়ামিনী।
- এবার অন্তত কথা বলো। - আর কত শাস্তি দেবে!
ফোনটা ধরো, ইয়ামিনী।
ওকে ভালোবাসো, ওর বাচ্চা বহন করছো, আর কথা বলতে মানা করছো? থুঃ!
ফোনটা ধরে, কথা বলো। কথা বলো, ইয়ামিনী।
- সবার প্রথমে ইয়ামিনী'কেই ফোন করলো। সুইট কাপল, না? - হুম!
হ্যা... হ্যালো।
এখনো বাকি আছে!:)
কেমন লাগল মুভিটি? জানাতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুটি সাউথ মুভি ভিত্তিক গ্রুপে।
"ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস গ্রুপ" www.facebook.com/groups/SouthFansBD
"সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি ফ্রিক" www.facebook.com/groups/SouthFreak
সাবটাইটেল ভালো লাগলে, 'সাবসিনে' রেটিং এবং ফিডব্যাক দেবেন।
ধন্যবাদ।:)
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.