Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Uzbek
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
থামো! নয়তো গুলি করবো!
না!
নাম আমার টোকিও।
কিন্তু এ গল্পের শুরুতে আমার এই নাম ছিল না।
এটা আমি।
"অপরাধীর পরিচয় এখনও অজানা!"
আর ঐযে, আমার ভালোবাসা।
"গুলিতে নিহত ডাকাত"
রক্তের সাগরে ভাসা লাশটা ফেলে রেখেই পালিয়ে আসতে হয়েছিল!
ওটাই ওর সাথে শেষ দেখা।
নিখুঁতভাবে ১৫টা ডাকাতি করেছিলাম আমরা।
কিন্তু কাজের সাথে কখনোই ভালোবাসাকে জড়ানো উচিত না।
আর তাই, সিকিউরিটি গার্ড গুলি করা মাত্রই আমি পেশা বদলাতে বাধ্য হলাম।
ডাকাত থেকে হয়ে গেলাম খুনী!
আর তখনই শুরু হলো আমার ফেরারি জীবন!
এক হিসেবে চিন্তা করলে, আমিও মৃত।
কিংবা প্রায় মৃত।
১১ দিন ধরে লুকিয়ে আছি আমি!
স্পেনের প্রতিটা পুলিশ স্টেশনের দেয়ালে আমার ছবি সাঁটা আছে।
ধরা পড়লেই ৩০ বছরের জেল!
কিন্তু আমি তো জেলে বসে বসে বুড়ি হবার মেয়ে নই!
তারচেয়ে পালিয়ে বেড়ানোই ভালো।
শরীর আর মন!
দেহটাকে বন্দী করে রেখে কি আর
মনটাকে স্বাধীনতা দেয়া যায়!
আমার হাতে সময় নেই! অনেক জরুরী কাজ পড়ে আছে।
আসলে, মাত্র একটা কাজই
হ্যালো?
"আম্মা?"
ওহ, মা আমার?
"কেমন আছো, সোনা?"
কী হয়েছে?
"খবর দেখোনি?"
আমাকে নিয়ে ওরা কত কী বলছে।
হ্যাঁ দেখেছি তো অবশ্যই।
জানো?
ভাবছি কোথাও ঘুরতে যাবো।
হয়তো কোনো চাইনিজ জাহাজে
রাঁধুনীর কাজ নেবো।
তুমি না বলতে, আমি ডিম ভাজতেও পারি না?
তাই এবার শিখে নেবো। কী বলো?"
জানি না, সোনা।
ওখানে যদি শুধু চাইনিজ খাবার খায় তাহলে?
কোথাও ঘুরতে যাবে- দিয়ে কী বোঝাচ্ছো?
আর কখনো আমাদের দেখা হবে না?
কী যে বলো না মা!
অবশ্যই দেখা হবে।
তোমার জন্য টিকিট পাঠিয়ে দেবো তাহলে, আমার কাছে বেড়াতে আসতে পারবে!
কোথায় যাবো বেড়াতে?
কবরে?
তুমি একা?
"আম্মা, তুমি কি একা?"
হ্যাঁ।
"তাহলে বাজার করার ভান করে রাস্তায় বের হও।
আমি তোমায় খুঁজে নেবো।"
আর সেদিন, যখন আমি মরতে যাচ্ছিলাম!
দেখা দিলো আমার গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল।
কিন্তু কেউ তো জানে না, তার গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল কেমন দেখতে,
তাই কারো চিন্তায়ও আসবে না যে
সে ১৯৯২ ইবিজায় চড়ে হাজির হতে পারে।"
এক্সকিউজ মি, একটু কথা বলতে পারি?
না।
চাইনিজ জাহাজে রান্না করার একটাই সুবিধা,
রাধুনীর কষ্ট করে ধোয়ামোছা করা লাগে না।
হঠাৎ চাইনিজদের কথা ভাবতেই, মনে পড়ল...
আমাকে কেউ জ্বালালে একদমই সহ্য করতে পারি না!
-পুলিশ? -দাঁড়াও, দাঁড়াও।
তুমি মরতে যাচ্ছো, তোমার জন্য এক বিশাল স্কোয়াড অপেক্ষা করছে।
ছয়দিন ধরে ওরা গাড়ি নিয়ে বসে আছে ...
আপনার কথা কেন বিশ্বাস করবো?
আর এভাবেই প্রফেসরের সাথে পরিচয় হলো!
আসল জায়গায় পিস্তল ধরে!
পকেটে হাত দিতে পারি?
যেকোনো সম্পর্কের ভালো দিকটা হলো
শুরুটা কীভাবে হয়েছিল, একটা সময় তা মনেই থাকে না!
দেবো?
ওরা অলরেডি তোমার মায়ের বাসায় বসে আছে।
এজন্যই তোমাকে সাহায্য করতে এলাম।
কিছু কাজের কথা ছিল তোমার সাথে!
ডাকাতির ব্যাপারে, একটা ডাকাতি মানে ...
মানে কেবল একটাই।
আমি এমন কিছু মানুষকে খুঁজছি...
যাদের হারানোর কিছু নেই!
"২,৪০০ মিলিয়ন ইউরো লুট করবো" শুনতে কেমন লাগছে?
এধরনের কাজ কেউই কোনোদিন করেনি!
নিউ ইয়র্ক, লন্ডনে তো না। মন্টেকার্লো-তেও না।
আর তাই, আবার যদি আমার ছবি পেপারে আসে,
অন্তত সেটা আসবে ইতিহাসের সেরা ডাকাতির অংশ হিসেবে।"
স্বাগতম।
সবাইকে স্বাগতম!
আর... তার সাথে সাথে এই চাকরির প্রস্তাব গ্রহণ করায়
সবাইকে ধন্যবাদও জানাচ্ছি!
পাঁচ মাসের জন্য আমরা এখানে থাকবো, দুনিয়ার কোলাহল থেকে বহু দূরে।
কাজটা কীভাবে করা যায় আমরা এই পাঁচ মাসে তা নিয়েই লেখাপড়া করবো!
পাঁচ মাস লেখাপড়া করবো?
আমরা কি পাগল নাকি?
দেখুন, মানুষ বছরের পর বছর লেখাপড়া করে। কিন্তু কেন?
বেতন পাওয়ার জন্য। যে বেতনটা...
অধিকাংশ সময়ই হয় নামমাত্র বেতন। খুবই সামান্য।
সে তুলনায়, পাঁচ মাস আর এমন কী?
আর আমি তো
এসব নিয়ে আরও অনেক অনেক বেশি দিন ধরে ভাবছি!
কিন্তু, এ চাকরির পর আর কখনোই চাকরি করতে হবে না।
আপনাদের তো লাগবেই না!
আপনাদের সন্তানদেরও কখনো লাগবে না।
ওকে।
আপনারা এখনও কেউ কাউকে চেনেন না। আর আমি চাই, ব্যাপারটা এমনই থাকবে।
কেউ কারো নাম কিংবা ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রশ্ন করবেন না।
আর কোনো প্রেমঘটিত ব্যাপার স্যাপার তো অবশ্যই না।
সবাই একটা করে নাম বেছে নেবে, সহজ কিছু।
হতে পারে সংখ্যা, গ্রহ, বা কোনো শহর!
-যেমন "মিস্টার ১৭, মিস ২৩"! -ওভাবে হবে না!
-আমি তো আমার টেলিফোন নম্বরই মনে রাখতে পারি না।
- তাহলে গ্রহ? - আমি হব মার্স, আর ও ইউরেনাস।
আমি ইউরেনাস হচ্ছি না, কোনোভাবেই।
-ইউরেনাসে সমস্যা কী? -শুনতে ভালো লাগে না।
-শহর, শহরের নাম চলবে। -ঠিক আছে।
ঠিক আছে।
এভাবেই আমার নাম হয়ে গেল টোকিও।
আমার দিকে তাকিয়ে লোল ফেলা লোকটার নাম বার্লিন।
ওর নামে গ্রেফতারের ওয়ারেন্ট আছে।
২৭টা ডাকাতিতে জড়িত ছিল।
জুয়েলারি, অকশন হাউজ, সিকিউরিটি ভ্যান।
সবচেয়ে বড় দাঁওটা মেরেছিল প্যারিসের চ্যাম্পস এলিইসিয়াসে।
৪৩৪টা ডায়মন্ড!
ও অনেকটা সুইমিং পুলে সাঁতার কাটা হাঙরের মতো।
ওর সাথে সাঁতার হয়তো কাটতে পারবে, কিন্তু কখনোই নিশ্চিন্তে থাকতে পারবে না।
আর ওকেই কিনা পুরো কাজে আমাদের লিডার বানিয়ে দেয়া হয়েছে!
খকখক করে কাশা লোকটার... মিস্টার মস্কো।
ওর খোঁড়া প্রথম জিনিস ছিলো অ্যাসচুরিয়াসের এক খনি।
মস্কো।
তারপর ও বুঝলো, ওপরের দিকে খুঁড়লে লাভ হয় আরো বেশি।
ছয়টা ফারের দোকান, তিনটা ঘড়ির দোকান আর অ্যাভিলেসের কাজা শহর।
থারমাল লেন্স আর কারখানার যে কোনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারে।
মস্কোর পেছনে বসে আছে ডেনভার, ওর ছেলে।
নেশাখোর, দাঁত ভাঙা, হাড় ভাঙা।
ডিস্কোতে মারামারি করার রাজা।
পুরা ক্ষ্যাপাটে ধরনের!
নিখুঁত এই পরিকল্পনার একমাত্র খুঁত। টাইম বোম একটা!
রিও, আমার দুর্বলতা!
ও যেন কম্পিউটার জগতের মোজার্ট! [মোজার্ট= কিংবদন্তী অস্ট্রিয়ান সুরকার]
ছয় বছর বয়সে প্রোগ্রামিংয়ে হাতেখড়ি। অ্যালার্ম আর ইলেকট্রনিক্সের বস।
অন্য সবদিকে অবশ্য সদ্যজাত শিশুর মতোই মাসুম।
আর এই সিয়ামিজ টুইন দুজনের নাম হেলসিংকি আর অসলো।
তুখোড় বুদ্ধিদীপ্ত পরিকল্পনাতেও নির্বোধ সৈন্যের দরকার হয়,
এই দুই সার্বিয়ানের চেয়ে বিশ্বস্ত লোক আর হতেই পারে না।
হয়তো ওদেরও চিন্তাশক্তি আছে। শুধু আমরাই হয়তো কখনো জানতে পারবো না।
নাইরোবি।
তীব্র আশাবাদী মানুষ।
তেরো বছর বয়স থেকে টাকা নকল করা শুরু!
আর এখন ও আমাদের কোয়ালিটি ম্যানেজার।
একটু দুষ্টু হলেও বেশ রসিক!
ভেবে দেখুন, প্রতিদিনের খবরে ওরা আমাদেরকে নিয়ে কথা বলবে।
দেশের প্রতিটা পরিবার অবাক হয়ে ভাববে
কী করছি আমরা।?
আর তখন ওদের কী মনে হবে জানেন?
মনে হবে: "শালার! এ বুদ্ধি আমার মাথায় এলো না কেন!?"
"ইনি প্রফেসর, কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই, কোনো পরিচয়পত্রে নাম নেই।
শেষবার আইডি কার্ড নবায়ন করার সময় তার বয়স ছিল ১৯।
তাই সবার কাছে উনি ভূতের মতোই অদৃশ্য। তবে খুবই বুদ্ধিমান ভূত।"
আমরা কিন্তু... কারো টাকা চুরি করছি না।
সবাই উল্টো আমাদেরকে ভালোই ভাববে।
আর এটা খুবই জরুরী।
জনমত সবসময় আমাদের পক্ষে থাকতে হবে।
আমরা সবার কাছে হিরো হয়ে যাবো।
কিন্তু সাবধান, কোনোভাবে একফোঁটা রক্তপাতও যদি হয়,
কথাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ...
যদি একজনও ভিক্টিমও হয়ে যায়,
তাহলেই কিন্তু "গরীবের বন্ধু রবিন হুড" এর বদলে আমরা হয়ে যাবো "অমানুষে বাচ্চা"!
প্রফেসর।
বলুন সেনিওরিটা টোকিও। [সেনিওরিটা= মিস]
ডাকাতিটা হবে কোথায়?
ন্যাশনাল কয়েন এন্ড স্ট্যাম্প ফ্যাক্টরি।
Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Translated By KUDRATE JAHAN ZINIA
Edited By SARAH IQBAL
LA CASA DE PAPEL ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
LCDP 101 :.:.: EFECTUAR LO ACORDADO :.:.:
ডাকাতির দিন শুক্রবার সকাল ৮ টা ৩৫ মিনিট
এই মুখোশ কে পছন্দ করেছে?
- সমস্যা কী? - দেখে ভয় লাগছে না।
সিনেমায় দেখো না, ডাকাতদের মুখোশ কত ভয়ংকর হয়।
জম্বি, কঙ্কাল, ভূত, কত কিছুই হতে পারত.....
পিস্তল হাতে থাকলে
নিশ্চিত থাকো, লোকে পাগলকেও কঙ্কালের চেয়ে বেশি ভয় পায়।
- থামো। - কিন্তু, এই মোচওয়ালা লোকটা কে?
এ হলো ডালি, স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী, বেশ প্রতিভাবান।
- চিত্রশিল্পী। - হ্যাঁ।
- ছবি আঁকে? - হ্যাঁ।
সবচেয়ে বেশি বিদঘুটে লাগে কোনগুলো জানো? বাচ্চাদের পুতুলগুলো।
ভীষণ ভয় করে ওগুলোকে।
কোন পুতুল?
গুফি, প্লুটো, মিকি মাউস, সব গুলোকেই।
তারমানে বলতে চাইছো, কানওয়ালা ইঁদুর দেখলে তোমার বেশি ভয় লাগে?
হ্যাঁ, বাড়ি দিয়ে মাথায় ঢোকানো লাগবে?
-অ্যাই! -শোনো।
মিকি মাউসের মুখোশ পরে কেউ যদি বন্দুক নিয়ে ঢোকে,
সবাই ওকে পাগল মনে করবে,
সবকিছু ভজঘট লেগে যাবে। কেন হবে জানো?
কারণ বন্দুক আর বাচ্চাকাচ্চা হলো
এমন দুইটা জিনিস, যাদেরকে কখনোই একসাথে মেলানো যায় না, বাবা।
- ঠিক বলেছি কী না? - তাই এটাই বেশি বিপজ্জনক।
বেশি জোস।
তাহলে যীশু খ্রিষ্টে মুখোশ তো আরও বেশি ভয় লাগার কথা!
লোকে বলবে "তোমায় মানাচ্ছে না। মনে হচ্ছে, যীশুর হাতে দুইটা বন্দুক!"
- দরবেশের হাতে বন্দুকের মতো! - ব্যাপার না।
"দলে মেয়ের অভাবটা ভালোই টের পাওয়া যাচ্ছে।"
বিয়েতে কোন জুতো পরবে, তা বাছতেই অনেক সময় একটা মেয়ের দুদিন লেগে যায়!
কিন্তু দোকান থেকে ডাকাতির মুখোশ কিনতে তার একটা মিনিটও লাগবে না!
পরিকল্পনার প্রথম ধাপ শুরু হয়ে যাচ্ছে।
এক সেকেন্ডের জন্য হঠাৎ, মনে হলো
কতগুলো নিষ্পাপ প্রাণ আজ থমকে যাবে।
ই-৮০ লোকাল রোড সকাল ৯.২৫
প্রফেসর জানতেন, ওখানে তিনটন বিস্ফোরক নিয়ে ঢোকার
একটি মাত্র পথই আছে! আর লরি ছাড়া তা সম্ভব না।
টাকা ছাপার কাগজগুলো নিয়ে প্রতি সপ্তাহে যে লরিটা ঢোকে, সেটাই আমাদের একমাত্র মাধ্যম!
আর আমাদের পরিকল্পনাটাও তাই অমনই!
পুলিশি পাহারায় প্রথমেই আসল সীমানায় ঢুকে যাবো।
স্পেনে, দুটো পুলিশের গাড়ি দিয়ে পাহারা দেয়া মানে
তা সাংঘাতিক সংরক্ষিত কোনো কিছু!
কিন্তু যদি টেলিফোন কিংবা রেডিওর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে
দুজন ২৬ বছর বয়সী মানুষের মাথায় পাঁচটা রাইফেল ধরা হয়
নিজেদের অস্ত্র থাকুক বা না থাকুক
আর দশজন সাধারণ মানুষের মতোই ভয় তাদের জেঁকে ধরবে!
ঘোড়ার ডিমের গাড়িটা থেকে বের হও বলছি!
-"ভয়ে ওরা আধমরা হয়ে গেলো" -যা বলবো তাই করবে!
"সাহস আর হিরোগিরির জন্য একটা মূল্য দিতে হয়।
আর এটার দাম মাসে ১৬০০ ইউরোর থেকে অনেক বেশি।
লরিটা খোলো, শুনতে পাচ্ছো?
খোলো বলছি!
" আজ যদি এই লোকগুলোর মেয়েরা লরির পিছনে থাকতো,
তাহলে ওরা জীবনেও খুলতো না,
কিন্তু কিছু ওয়াটারমার্কওয়ালা কাগজের নোটকে কে এত গুরুত্ব দেয়?"
তাড়াতাড়ি, তাড়াতাড়ি!
আরে মিয়া! তাড়াতাড়ি করো!
তাড়াতাড়ি!
এখন তোমরা তিনজন শান্ত হয়ে বসো। নইলে কিন্তু রাইফেলের গুলি খাবে।
কিডনির দিকে তাক করা বন্দুক নিয়েই তোমাকে গাড়ি চালাতে হবে।
রেডিওতে কেউ যখন খোঁজ নেবে,
শান্তভাবে উত্তর দেবে, যেন সবকিছু ঠিকভাবেই চলছে।
বুঝেছো?
"এসব গ্যাঞ্জামের মধ্যেও
আমার আগের রাতের কথা মনে পড়লো, যে রাতে কেউ আমার হাত চেয়েছিলো বিয়ের জন্য।
কিন্তু আমি অন্যকিছুকে প্রাধযন্য দিয়েছি।
চিন্তা করে দেখো, তুমি কিন্তু কখনোই ডাকাতি করার উপযুক্ত একটা দিন খুঁজে পাবে না।"
এখন তুমি জানো তোমাকে কি করতে হবে।
মেয়েটার ওপর থেকে তোমার চোখ সরাবে না।
কোনো ভুল করা যাবে না, ঠিক আছে?
ওর বয়স ১৭।
সামলে নিতে পারবো।
তোমার পাশে বসতে পারি?
নিশ্চয়ই।
হ্যালো।
হ্যালো।
আমার সাথে বেড়াতে যাবে?
ঠিক আছে, আমি চলে যাচ্ছি।
না, না।
এটা নিয়ে চিন্তা করাও লাগবে না।
মানে, হ্যাঁ। অবশ্যই যাবো।
"ছেলেমেয়েরা, আমরা পৌঁছে গেছি।
সোজা মিউজিয়ামের হলে চলো, যেখানে...
পেদ্রো, প্লিজ। ক্লাসের মত উশৃঙ্খল হয়ো না।
আস্তে আস্তে বের হও..."
এটাই ন্যাশনাল কয়েন এন্ড স্ট্যাম্প ফ্যাক্টরি।
ছোট ভেড়াটা আসছে।
চমৎকার।
বার্লিন, তোমার পালা।
আর এখন, যা-ই করো না কেন, সাবধানে।
কেমন আছো, জাভি? রাফিতা কোথায়?
শিফট বদল হয়েছে।
ঠিক আছে। শান্ত থাকো।
ছেলেমেয়েরা ঢুকে পড়ো।
আস্তে আস্তে।
আইডি কার্ড পাবার সাথে সাথেই...
তোমাদের গলায় ঝুলিয়ে নেবে।
আমাদের পুরো সফরের সময় যেন সেগুলো দেখা যায়, ঠিক আছে?
ঘুরো না।
তুমি আমার পাশে দাঁড়ালে, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে।
এখন মন ভরে শ্বাস নাও,
কারণ আর নয়মাস পরে আসলেই দম ফেলার সময় পাবে না।
আগাও, যাও।
আমাদের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হবে, ছেলেমেয়েরা।
আইডি কার্ড যাতে দেখা যায়। গলা নামিয়ে কথা বলো।
বার্লিন, তোমার বামে প্রথম ক্যামেরা।
তুমি কী কিছু বলবে না?
আমি বললাম আমি প্রেগন্যান্ট, আর তুমি চুপ করে গেলে?
কী করবো? বৌকে ফোন করে বলবো বাচ্চাদের নিয়ে আসতে?
যাতে সবাই মিলে উদযাপন করতে যেতে পারি? খোদার দোহাই লাগে!
আসো, আসো।
সিকিউরিটি সিস্টেমে প্রবেশ।
ঢুকলাম।
টোকিও, সতর্ক হও।
অ্যালার্ম সিস্টেমে প্রবেশ।
দারুণ!
-"অ্যালার্ম বিকল।" - এখন যাও।
সামনে আগাও।
তুমি না কালকেই বললে তোমাদের মধ্যে সমস্যা চলছে?
-তোমার ওকে অসহ্য লাগে? -মনিকা, সব সংসারেই সমস্যা থাকে।
অন্য যেকোনো তিন বাচ্চাওয়ালা বিবাহিত দম্পতির মতো।
তাই বলে এমন না যে, আমি ডিভোর্স চাই।
মনিকা, আমার যে তিনটা বাচ্চা হয়েছে, তিনজনেই ভিট্রো ফার্টিলাইজেশনের মাধ্যমে।
আমি বিশ বছর ধরে আমার স্ত্রীর সাথে অকার্যকর সঙ্গম করে যাচ্ছি।
আর তুমি এখন আমাকে এ কথা বলছো।
তুমি নিশ্চয়ই প্রজননের দেবী শিভা।
তুমি কী বোঝাতে চাইছো?
জেনে রাখো আমি টাকার জন্য আসিনি।
কিংবা ডিভোর্সের জন্য।
আর পিতৃত্ব পরীক্ষার জন্য তো নয়ই।
আমি ভেবেছিলাম তুমি আমাকে ভালবাসো।
আর...
ভেবেছিলাম তুমি খুশি হবে।
যদিও আমাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসবে ...
তারপরেও, দারুণ হবে।
শোনো!
কী? জানতে চাও তোমার সন্তানকে আমি কী করবো?
-এটাই চাও, তাই না? -শোনো, তাড়াহুড়ো কোরো না।
নড়বে না কেউ!
একদম চুপ।
নড়লেই গুলি করবো!
- কী হচ্ছে এসব? কিছু একটা করো। - দাঁড়াও! দাঁড়াও!
বের হও!
জলদি, জলদি!
জলদি!
আসো!
হ্যাঁ!
এসো, এসো।
এদিকে এসো।
আর এই মার্বেল আর গ্রানাইটের রাজকীয় সিঁড়ি...
নড়বে না!
নড়বে না!
নড়বে না!
ওদিকে যাও!
- প্লিজ, না! - প্রফেসর, একটা সমস্যা।
মেয়েটাকে দেখছি না।
কোথাও নেই।
মিস পার্কার, কোথায় তুমি?
দাঁড়াও!
-প্লিজ! -এদিকে!
থামো! থামো!
আচ্ছা, আচ্ছা।
ঠিক আছে।
বেশি তাড়াহুড়া করছি, না?
এই মুহুর্তটাকে স্মরণীয় করে রাখি, ঠিক আছে?
চলো, তোমার ফোনটা দিয়ে একটা সেলফি তুলি।
দাঁড়াও...
ঈশ্বর...
এখানে? জায়গাটা একটু কেমন না?
আজ আমাদের প্রথম দিন।
কী যে সুন্দর লাগছে তোমাকে!
মেয়েটাকে খুঁজেই পাচ্ছি না। কোথাও নেই।
একটু বোতামটা খুলে পোজ দাও।
তোমার ফোন, চাইলেই মুছতে পারবে।
এটা শুধু আমাদের দুজনের জন্য তুলছি।
এসো, এবার তুলি।
এই ছবি ইন্টারনেটে ছাড়লে তো একেবারে ভাইরাল হয়ে যাবে।
আমার ফোন দাও! দাও বলছি!
দাও বলছি! দাও!
আমার ফোন আমাকে দাও!
দাও বলছি !
ফোনটা দাও!
প্রথমত বলে নেই...
শুভ সকাল।
আমিই ওদের দলনেতা।
আর, সবার আগে, আমি...
তোমাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
আসলেই, এভাবে সপ্তাহটা শেষ হবার কথা ছিল না।
ফোন।
কিন্তু তোমরা এখানে জিম্মি হিসেবে আছো।
ফোন।
আমার কথা মেনে চললে, অবশ্যই জান নিয়ে বাড়ি ফিরবে।
-নাম। -অ্যালিসন পার্কার।
-পিন। - ২০৭৮।
ফোন।
শান্ত হও, শান্ত হও।
শান্ত হও।
পিন।
পিন কেন লাগবে?
পিন বলো নইলে রাইফেল দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেবো।
কয় মাস চলছে?
আট মাস।
আট মাস।
-পিন। -১২৩৪।
দেখে তো বুদ্ধিশুদ্ধি আছে বলে মনে হয়।
কিন্তু পিন নম্বর এমন গর্দভের মতো কেন? নাম বলো।
- আর্তুরো। - আর্তুরো কী?
-আর্তুরো রোমান। -আর্তুরো রোমান, খুব ভালো, আর্তুরিতো।
তুমি আমাদের কাছে নিরাপদে থাকবে।
হেই...
তোমার হাতটা দেখি।
দাও, দাও দেখি।
তোমার নাম কী?
আরিয়ানা।
আরিয়ানা।
এসো আমার সাথে।
শান্ত হও।
আমার হাতটা ধরো।
- পিশাচের হাত বলে বলে হয়? -না!
কারণ আমি কোনো পিশাচ নই।
তোমার কেমন লাগছে বুঝতে পারছি।
গলা শুকিয়ে যাচ্ছে, দম আটকে যাচ্ছে.... তোমাকে শান্ত থাকতে হবে। শ্বাস নাও।
শ্বাস নাও।
শ্বাস নাও।
এইতো। সবাই আমার সাথে সাথে শ্বাস নাও।
শ্বাস নাও।
আস্তে, আস্তে।
নিজে থেকেই দম নাও আর দম ছাড়ো।
খুব ভালো, এইতো হচ্ছে।
মিস মোনিকা গাসতামবিড কে?
নড়ো না, প্লিজ নড়ো না।
- চুপ। - একদম নড়বে না!
চুপ করো।
মিস মোনিকা গাসতামবিড,
দয়া করে সামনে আসবে?
আমি।
বাবা, তুমি অসাধারণ !
তুমি সেরা !
এখানে ভালোভাবে ঘুমাতে পারবে।
রাজকীয় কায়দায়।
বাবা, বাবা!
ঠিক, এখানে! বুম!
বুম, বুম...
কী শুরু করলে? এসব বাদ দিয়ে কাজে লাগো।
গন্ধটা শুঁকতে দারুণ লাগছে।
ভেড়ার রোস্টের চাইতেও সুন্দর গন্ধ, বুঝলে?
-একবার শুয়ে দেখো। -বাদ দাও তো!
এমন বিছানা কখনো দেখেছ? জেলে ছিল এমন বিছানা?
আমরা কোথায় এসে পৌছেছি, দেখেছ বাবা? আমরাই সেরা।
- আমরা সেরা। - বাছা, এত খুশি হয়ে লাভ নেই।
আমরা খুবই নগণ্য।
তুমি কোনো কাজ জানো?
কখনো চাকরি করেছ?
কোথাও সি.ভি. জমা দিয়েছ?
আরে, কি?
আমার সি.ভি.?
আমার সি.ভি., কীসের জন্য?
তোমাকে আলকালা মেকো জেল থেকে বের করার জন্য?
তোমার কি মনে হয়, আমি ওটা নিয়ে গর্ব বোধ করি?
জেলে আসা-যাওয়া করেই, জীবনের বারটা বছর পার করেছি।
তুমি জানো কেন?
কেন?
কারণ আমার মাথায় তেমন বুদ্ধি নেই।
তোমার মাথাতেও নেই।
এই কাজের বুদ্ধিটা যার মাথা থেকে বের হয়েছে, সে অন্য কেউ।
যদি আমাদের ভাগ্য ভালো থাকে, আর তুমি বেকুবের মতো কাজ না করো
তাহলে এখান থেকে বের হতে পারবে আর জীবনটাকে গুছাতে পারবে।
-আমি বেকুবের মতো কাজ করছি না। - অনেক হয়েছে!
এবার ভরো এগুলোকে।
আমি চাই, তুমি ফোনটা ধরো।
আর ঐপাশে যে আছে তাকে বোঝাও যে,
যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ব্যাংক আজকে বন্ধ, বুঝেছ?
তোমার দিকে পিস্তল তাক করে রাখা ছাড়া উপায় নেই।
-টের পাচ্ছ কিছু? -হ্যাঁ।
ভালো।
এখন।
ন্যাশনাল কয়েন অ্যান্ড স্ট্যাম্প ফ্যাক্টরি, আপনাকে কী ব্যাপারে সাহায্য করতে পারি?
দুঃখিত, এই মুহূর্তে আপনাকে আর্তুরোর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারবো না।
সিস্টেম নষ্ট হয়ে গেছে।
না, আমি ওনাকে এখানে আনতে পারবো না।
না, উনি এখানে এসে ফোনটা ধরতে পারবেন না।
না, কোনোভাবেই না।
না, কারণ...
কারণ আমি জানি না, উনি এই মুহূর্তে কোথায়।
ফ্যাক্টরিতে আছে, না মিউজিয়ামে আছে, না কি ক্যান্টিনে আছে , কিছুই জানি না।
আর মিস, এটা জানাটা আমার কাজও না !
অস্কার পাবার মতো অভিনয় করেছ, মিস গাসতামবিড।
"ঢোকার ২০ মিনিটের মাথায়, প্রফেসরের সাথে কথা বলার জন্য
আমরা এনালগ সিস্টেম ব্যবহার করা শুরু করলাম।
মোবাইল কিংবা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বন্ধ, কেউ আমাদেরকে শুনতে পাবে না।
দরজাগুলো লাগিয়ে দিয়েছি, অ্যালার্মগুলোও বেজে ওঠেনি।
আমরা সময়কে থামিয়ে দিয়ে
সবকিছু দখল করে নিয়েছি।
ঝড় আসার আগে যেমনটা থাকে, সেই শান্তির সময়ে,
মনে হচ্ছিল,
এটা আর দশটা দিনের মতোই।"
তুমি বেশ সুদর্শন, না?
কে?
আমি, ঢুকতে দাও।
রিও, প্রফেসর দেখলে খুন করে ফেলবে।
জানি, জানি , তোমার সাথে কথা বলবো, বসো।
-কী হয়েছে? - আরে, বসো না।
কী হয়েছে?
কালকে ডাকাতি করবো।
কী হবে না হবে কিচ্ছু জানি না।
তাই বলেই ফেলি, আমি তোমাকে আসলেই চাই।
হ্যাঁ আমি সেটা ভালোভাবেই বুঝতে পারছি যে, তুমি আর এখন বাচ্চা নেই......
হয়তো গভীর সম্পর্কের দিকে আগাতে চাচ্ছ...
তাই আমি তোমাকে কিছু একটা দিতে চাই।
আমরা এখানে আটকে আছি বলে তোমার জন্য কোনো আংটি কিনতে পারিনি,
এখান থেকে বের হওয়া মাত্রই তোমার জন্য এত বড় একটা পাথর কিনবো যে,
হাতটাকে বয়ে বেড়ানোর জন্য আস্ত একটা গাড়ি লাগবে।
এটা কী?
এনগেজমেন্ট ব্যাজ?
এখন অন্তত তুমি আমার আসল নাম জানবে।
ঠিক, কিন্তু আমাদের একজন আরেকজনের নাম জানার অনুমতি নেই।
আচ্ছা, তাহলে এটার দিকে তাকিয়ো না।
কিন্তু এটা তোমার।
তোমাকে কীভাবে বলি ?
আমাদের সম্পর্ক বেশ ভালোই চলছে, ঠিক আছে?
আমরা কিছু সন্ধ্যা একসাথে কাটিয়েছি...
কিছু মানে? চার-পাঁচদিন বাদে প্রতিদিনই তো নাকি?
দেখো, আমরা আসলে পারফেক্ট কাপল না।
-আমাদের সেক্স ভালো হয় না? -অনেক ভালো হয়।
এভাবেই তো শুরু হয়, না?
কিন্তু কাপল হতে গেলে সেক্সের চাইতেও বেশি লাগে, তাই না?
আমি তোমার চেয়ে ১২ বছরের ছোট বলে এমন বলছ?
আমি তো ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর মালিক হবো, তাই না ?
আমি মোটেও বাচ্চা না, আমার ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত।
-দেখো রিও, আমি আসলেই চাই... -চাও মানে?
আমাদের মধ্যে ভালোবাসা আছে, জানি আমি।
তুমি আরেকজনকে পছন্দ করো, ঠিক না?
এখন আর করি না।
দেখো, রিও,
এসব কিছু শেষ হলে ভেবে দেখবো,
কিন্তু কালকের জন্য আমি কেবল একটা চিন্তাই মাথায় রাখতে চাই।
"যাতে মারা না পড়ি "।
রিও।
রিও, না।
না, না।
একটা ফোন খোলা আছে।
বেশ, বন্ধ করো।
ভল্ট এখন খোলা।
ভেস্ট গায়ে দিয়ে বেরোবার জন্য তৈরি হও।
তুমি বললেই অ্যালার্ম ডিঅ্যাকটিভ করবো।
বার্লিন, দরজা খোলার জন্য প্রস্তুত হও।
জিম্মিরা, জান বাঁচাতে চাইলে, তিন পা পিছিয়ে দাঁড়াও।
আরেকটু এদিকে, এইতো ঠিক আছে।
ঠিক আছে, সব ঠিক হয়ে যাবে।
আরেকটু কাছে।
শান্ত হও।
শান্ত হও , আমি ব্যাগগুলো দেখতে পাচ্ছি। এগুলো টাকায় ভর্তি।
এখন ওরা চলে যাবে আর সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
"ন্যাশনাল কয়েন অ্যান্ড স্ট্যাম্প ফ্যাক্টরিতে ডাকাতি হচ্ছে।
দুই মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবো। "
দুই মিনিট।
দুই মিনিট।
- অ্যালার্ম কেন বাজেনি? - জানি না।
ওরা ওখানে শুধু দাঁড়িয়েই আছে, কিন্তু কেন সেটাই বুঝছি না।
-ওরা টাকা নিয়ে চলে যাচ্ছে না কেন? -বুঝতে পারছি না !
এক মিনিট, ৪০ মিনিট।
এক মিনিট...
তোমার নাম কী?
আর্তুরো।
- আর্তুরো, না? - হ্যাঁ। না, আমি কিছু দেখিনি !
সত্যি বলছি, কিছুই দেখিনি !
-আমার দিকে তাকাও। -আমি কিছু দেখিনি।
আর্তুরো, আমার দিকে তাকাও।
তাকাও, আমার দিকে তাকাও।
হেই, তাকাও না।
হেই।
তোমার সিনেমা ভালো লাগে?
পছন্দ করো?
আমি... আমি অনেক বড় ভক্ত।
যেকোনো হরর মুভির শুরুর দিকে,
একটা হাবাগোবা লোক থাকে , তোমার মতো,
আর তুমি ভাবো: "এই লোকটা এখনি মরবে",
- তারপর কি তাই ঘটে? - না...
ঐ লোকটা সবসময়ই মরে।
বিশ্বাস করো, আর্তুরো, তুমিই সেই লোক।
"৩০ সেকেন্ডে পৌঁছে যাবো"
৩০ সেকেন্ড।
৩০ সেকেন্ড।
"আমাদের উদ্দেশ্য, আমরা কী করছি তা নিয়ে
পুলিশ যাতে বিন্দুমাত্র ধারণা না পায়"
ওদেরকে বোঝাবো আমরা ডাকাতি করতে এসেছি,
ওরা আমাদেরকে অতর্কিতে ধরে ফেলেছে আর আমরা সবকিছু গড়বড় করে ফেলেছি,
আমরা বন্দুক বের করে পয়েট ব্ল্যাংক গুলি করবো...
পেছানো ছাড়া আমাদের আর উপায় নেই।
"আর তারপর, একজনের গায়ে একটা আঁচড়ও না দিয়ে আমরা ভেতরে ঢুকে পড়বো।
"ওদেরকে বোঝাবো, আমরা খাঁচায় ভরা ইঁদুরের মত।
বোঝাবো, আমরা এখন নতুন পরিকল্পনা আঁটছি"
এখন!
টোকিও! দাঁড়াও, এত আগে না!
টোকিও!
"কিছু টাকা ছিটিয়ে গুলিবাজি করে আবার ঢুকে পড়বে।"
৩০ বারেরও বেশি শুনেছি এ কথা।
কিন্তু প্রফেসর আমাদেরকে যা বলেনি তা হলো,
ওরাও পয়েন্ট ব্ল্যাংকে গুলি করবে।
রিও, রিও!
সর্বনাশ!
সর্বনাশ!
এর থেকে খারাপ আর কিছু হবার ছিল না!
ধুর শালা!
"আমাদের সাহায্য দরকার।
ন্যাশনাল স্ট্যাম্প অ্যান্ড কয়েন ফ্যাক্টরিতে,
আমাদের অফিসার আহত হয়েছে"
"একটা এম.আই.সিক্স বুলেট ৩৫১০ কিলো বেগে ছোটে।
শব্দের চেয়েও দ্রুত।
এই গুলিটা যদি তোমার হৃৎপিন্ড ভেদ করে,
খুনে গুলিটার আওয়াজ কানে আসার আগেই তোমার জান দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এভাবেই বুঝতে পারলাম, মাত্র এক মিলিসেকেন্ডের মধ্যে,
ঠিক আগের মতোই সবকিছু কেমন...
লণ্ডভণ্ড করে ফেললাম।
LA CASA DE PAPEL ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Translated By KUDRATE JAHAN ZINIA
Edited By SARAH IQBAL
LA CASA DE PAPEL ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Feel Free To Give FEEDBACK & REVIEWS
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন কাছের মানুষদের সাথে
:.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.