Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
ব্লেইক.
ব্লেইক.
দুঃখিত , সার্জেন্ট.
একজন সৈনিককে সাথে নিয়ে ক্যাম্পে দেখা করো.
ঠিক আছে , সার্জেন্ট.
তাড়াতাড়ি আসো.
ঠিক আছে , সার্জেন্ট.
তারা কি কোনো তথ্য দিয়েছিল নাকি ?
না. শুধু চিঠি দিয়েছে.
চা খাওয়ার সময় !
চা হয়ে গেছে !
বাচ্চার মা হচ্ছে মার্টল.
তোর কাছে কি কোনো চিঠি এসেছে ?
না.
ওহ , প্রচন্ড খিদে পেয়েছে আমার. তোর খিদে লাগেনি ?
মনে করেছিলাম এখানে হয়তো ভালোমন্দ খেতে পারব.
তাইতো যাজক না হয়ে যুদ্ধে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম.
রুমালের ভিতরে কী রেখেছিস ?
রুটি আর শূকরের মাংস.
এগুলো তুই পেলি কোথায় ?
আমি খাবার যোগাড় করার উপায় জানি.
নে.
খেতে পুরনো জুতার মতো লাগছে.
এটা খেয়ে খুশি থাক.
আগামী সপ্তার এমন সময় , আমরা চিকেন দিয়ে ডিনার করব.
আমার কপালে নেই.
আমার ছুটি বাতিল করা হয়েছে.
কী করণে বাতিল হয়েছে সেটা কি বলেছে ?
নাহ.
এখানে থাকাটা খুবই কষ্টকর.
সরে দাঁড়াও.
কিছু একটা হতে চলেছে.
- তুই কি কিছু শুনেছিলি এটা সম্পর্কে ? - না তো.
হয়তো জার্মান অধিকৃত এলাকার ঢুকার প্রস্তুতি চলছে , তুই কি বলিস ?
১০ শিলিংয়ের বাজি , আমি বলছি আমরা জার্মান অধিকৃত এলাকায় ঢুকব.
আমি এই বাজি ধরব না.
কেন ? আমি জিতে যাই কিনা সেই ভয়ে ?
না. কারণ তোর কাছে অত টাকা নেই.
সময় কম , জেন্টেলম্যান.
কোনো সংবাদ আছে নাকি , সার্জেন্ট ?
- কিসের সংবাদ ? - জার্মান এলাকায় ঢোকার সংবাদ.
সপ্তাহ খানেক আগেই তো এটা হওয়ার কথা ছিল.
আমাদের বলেছিল বড়দিনের আগেই আমরা বাসায় ফিরতে পারব.
হ্যাঁ , তোমার আগাম ঠিক করে রাখা সিডিউলে বাগড়া দেয়ার জন্য দুঃখিত , ব্লেইক ,
কিন্তু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি.
হতাশ হলাম , সার্জেন্ট.
কিছু তুর্কিকে আমি সামলে নিতে পারতাম.
ঠিক আছে , আমি তোমার হতাশার খবর ...
উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে তুলে ধরব.
তো , হঠাৎ তলব করল কী কারণে , সার্জেন্ট ?
জার্মানরা কিছু একটা করার প্লান করছে.
সেটা কী হতে পারে কোনো ধারণা আছে নাকি ?
সেটা তো জানি না. কিন্তু এটা জানি এই প্লানটা আমাদের ছুটি ধ্বংস করে ছাড়বে.
এখন শুনো.
এরিনমোর ভিতরে আছেন , তো , ভিতরে ভালোভাবে আসো.
ভালো কিছু হতে পারে.
এবার হয়তো তোমাদের দিয়ে চিঠি প্রেরণের কথা বলবে.
যদি তোমরা অযাচিত কিছু করে না বসো.
জেনারেল নিজেই এসেছে মানে নিশ্চয় বড় কিছু হয়েছে.
ল্যান্স কর্পোরাল ব্লেইক আর স্কোফিল্ড , স্যার.
ব্লেইক কে তোমাদের মধ্যে ?
আমি স্যার.
দ্বিতীয় বিভাগে লেফটেন্যান্ট একটা ভাই আছে না তোমার ?
জ্বি , স্যার.
- জোসেফ ব্লেইক. ও কি ... - বেঁচে আছে.
আমার জানামতে.
আর তোমাদের সাহায্যে , ও যেন বেঁচে থাকে সেটাই নিশ্চিত করতে চাই.
স্যান্ডার্স আমাকে বলেছে , তোমার নাকি ম্যাপ সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে ,
কথা কি সত্য ?
মোটামুটি , স্যার.
তো ...
আমরা এখানে আছি.
দ্বিতীয় বিভাগ অগ্রসর হচ্ছে এদিকে.
ওখানে পৌঁছাতে তোমাদের কত সময় লাগবে ?
ঠিক বুঝলাম না বিষয়টা , স্যার.
স্যার , ওই জায়গাটা জার্মানদের দখলে আছে.
জার্মানরা চলে গেছে.
তাই বলে আশায় বুক ভাসিয়ে দিয়ো না.
মনে হচ্ছে এটার পিছনে তাদের কোনো চাল আছে.
ম্যাপ দেখে যা বুঝলাম , এখান থেকে নয় মাইল দূরে জার্মানরা নতুন একটা লাইন তৈরি করেছে.
কর্নেল ম্যাকেনজি দ্বিতীয় বিভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন.
গতকাল সকালে বার্তা পাঠিয়েছিল পিছু হটতে থাকা জার্মানদের সে ধাওয়া করবে.
কর্নেল উপলব্ধি করেছে জার্মানরা দৌড়ের উপর রয়েছে.
আর এখন যদি সে তাদের লাইন ভাঙতে পারে ,
তাহলে অবস্থার পরিবর্তন আসবে.
তার বুঝার ভুল আছে.
কর্নেল ম্যাকেনজি প্রতিপক্ষের নতুন লাইনের বিমান সম্পর্কে অবগত নন.
এদিকে আসো , জেন্টেলম্যান.
তিন মাইলব্যাপী এত জোরালো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা , পরিখাপ্রাচীর ...
বড় কামান , আমরা আগে কখনো দেখিনি.
দ্বিতীয় বিভাগ হয়তো আগামীকাল খুব সকালে ...
জার্মান লাইনে আক্রমণ শুরু করবে.
তাদের কোনো ধারনাই নেই তারা কী করতে চলেছে.
আর আমরা তাদের সতর্ক করতেও পারছি না.
পিছু হটার সময় বিদায়ী উপহার হিসেবে , জার্মানরা আমাদের টেলিগ্রাম সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে.
তোমাদের প্রতি ক্রইসেইলস জঙ্গলে দ্বিতীয় বিভাগের কাছে পৌছানোর আদেশ থাকল.
জঙ্গলটা ইকোস্ট শহরের এক মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত.
এটা কর্নেল ম্যাকেনজির কাছে পৌঁছে দেবে.
এটা আগামীকাল সকালের আক্রমণ বাতিলের সরাসরি আদেশ.
যদি তোমরা এটা পৌঁছাতে না পারো , ধ্বংস হয়ে যাবে সবকিছু.
তোমার ভাইসহ , দুইটা সৈন্যদলের ১৬০০ সৈনিককে আমরা হারিয়ে ফেলব.
তোমার কি মনে হয় তুমি ওখানে সময়মতো পৌঁছাতে পারবে ?
জ্বি , স্যার.
কোনো কিছু কি জানার আছে ?
- না , স্যার. - যাক ভালো.
এবার তোমার পালা , লেফটেন্যান্ট.
সাপ্লাই , জেন্টেলম্যান.
ম্যাপ , টর্চ লাইট , গ্রেনেড আর , আহ , কিছু ছোটখাট ট্রিট.
এখনই বেরিয়ে পড়ো.
এই পরিখা ধরে সকিহেল স্ট্রিট দিয়ে পশ্চিমে চলে যাবে ,
তারপর প্যারাডাইস গলির সামনে দিয়ে উত্তর-পশ্চিমে.
ইয়র্কসদের খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত সম্মুখ সারির দিকে চলতে থাকবে.
এই নোটটা মেজর স্টিভেনসনের কাছে দিবে.
উনি কম সময়ে “নো-ম্যানস-ল্যান্ড” যাওয়ার রাস্তা ধরে আছেন.
ওখান থেকেই পার হবে তোমরা.
এখন তো দিনের আলো আছে , স্যার. তারা তো আমাদের দেখে ফেলবে.
চিন্তার কিছু নেই.
তোমরা কোনো বিপদের মুখোমুখি হবেনা.
স্যার , আমাদের সাথে কি আর কেউ যাবেনা ?
"নরকের নীচ কিংবা সিংহাসনের উপর , একা যে চলে সেই করে দ্রুত ভ্রমণ."
তুমি কি বলো , লেফটেন্যান্ট ?
জ্বি , স্যার , ঠিক বলেছেন.
শুভ কামনা.
ব্লেইক , এটা নিয়ে এক মিনিট কথা বলা যাক.
কেন ?
ব্লেইক.
আমাদের এটা একটু ভেবে দেখা উচিত.
ভাবার কিছুই নেই. এটা আমার বড় ভাইয়ের জীবন মরন প্রশ্ন.
আমাদের কমপক্ষে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত.
এরিনমোর অবিলম্বে রওনা হতে বলেছিল.
এরিনমোর কিন্তু কখনো “নো-ম্যানস-ল্যান্ড” দেখিনি.
আমরা ১০ গজও পার হতে পারব না বলে দিলাম.
- প্লিজ , থাম একটু ... - কী বলেছিল তুই তো শুনেছিস.
বলেছিল জার্মানরা চলে গেছে ওখান থেকে.
তাহলে আমাদের গ্রেনেড দিলো কী কারণে ?
ওই.
ধীরে সুস্থে চলাফেরা করো.
দুঃখিত.
যাব না তো বলিনি. আমি শুধু একটু অপেক্ষা করতে বলছি.
হ্যাঁ , তুই তো বলবিই এমন কথা. তোর ভাই হলে এমন কথা বলতে পারতিস তুই ?
দেখ , শেষবার আমি শুনেছিলাম জার্মানরা চলে গেছে ,
কিন্তু শেষমেষ পরিণতি কিন্তু খারাপ হয়েছিল.
তুই তো কিছু জানিস না , ব্লেইক. তুই তো জানিস না ওখানে কী হয়েছিল.
যেতে দিন. যেতে দিন.
যেতে দিন.
তোরা গুড়িয়ে যাওয়া পরিখার দিকে যাচ্ছিস , নির্বোধ কোথাকার.
জেনারেলের আদেশ , স্যার.
ঠিক আছে. ধরে নিলাম জার্মানরা চলে গেছে.
কিন্তু নয় মাইল যেতে আমাদের কত ঘন্টা লাগবে , ছয় ঘন্টা ?
আচ্ছা ধরে নিলাম সর্বোচ্চ আট ঘন্টা.
তো , আমরা যদি সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষ করি , তবুও আমাদের হাতে সময় থাকে.
- ওটা প্রতিপক্ষের এলাকা. - নাহলে আমাদের স্পষ্ট দেখা যাবে দিনের আলোয়.
আমরা জানিই না আমাদের সাথে কী ঘটতে চলেছে.
ব্লেইক , আমরা বুদ্ধি খাটিয়ে না চললে ...
কখনোই তোমার ভায়ের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবেনা.
আমি সম্ভব করে দেখিয়ে দেবো.
আমরা চলে এসেছি. এটাই সম্মুখ সারি.
এখন আমাদের ইয়র্কসদের খুঁজে বের করা দরকার.
- সরি , বন্ধু. - ধুর ছাই !
ঠেলা মারার আগে কাকে ঠেলা মারছিস দেখে নিবি.
ঠেলা মারার আগে রাস্তা থেকে সরে যাবি.
হেই , নিজেকে তুই কী মনে করিস ,
আহত সৈনিকদের ঠেলা মারিস তোর এত বড় সাহস ?!
আমাকে ছেড়ে দে ! ছাড় আমাকে !
আমাদের সার্জেন্টকে ব্যাটা মাটিতে ফেলে দিয়েছে !
মাটিতে পড়ে লোকটা আহত হয়েছে !
আমি দুঃখিত , ঠিক আছে ? আমার ভুল হয়েছে !
- আমাদের একটা কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে. - আমাকে যেতে দে.
- জেনারেলের আদেশ. - আমাকে যেতে দে.
রাস্তা থেকে সরো.
ঠিক আছে.
কিন্তু সাবধানে চলাফেরা করবে.
ইয়র্কস.
শুনশান অবস্থা বিরাজ করছে.
থেইপভ্যালে কি আগে কখনো এমনটা হয়েছিল ?
মনে পড়ে না.
তোর সোমের যুদ্ধের কথা মনে পড়ে ?
- সত্যি বলতে মনে পড়ে নাহ. - হেই , যেতে দাও আমাদের.
সরো.
ওখান থেকে চলে এসে তুই ভালো কাজ করেছিস.
কমপক্ষে তোর মেডেলটা তো গলায় দে.
ওটা এখন আর আমার কাছে নেই.
কী ? তুই তোর মেডেল হারিয়ে ফেলেছিস ?
ওদিকে সব শেষ , সৈনিকেরা.
হাত চালাও , সৈনিকেরা. খুড়তে থাকো.
মাথা নীচু রাখ.
আরে আরে. সাবধানে পা ফেলো.
তুমি মরা লাশের উপর পা রেখেছ.
উনি আমাদের সার্জেন্ট ছিলেন.
পাইপ দিয়ে ধুয়ে ছাউনি থেকে দূর করতে পারলে মনে শান্তি পেতাম.
ইয়র্কসরা কোথায় বলতে পারেন ?
পরের মোড়ে তোমরা তাদের অর্ধেকের উপর দাঁড়িয়ে থাকবে.
দুইরাত আগে গুলি খেয়ে মরেছে.
- ইয়োর্কস ? - হ্যাঁ , কর্পোরাল.
মেজর স্টিভেনসন কোথায় ?
কয়েক রাত আগেই পটল তুলেছে , কর্পোরাল.
এখন দায়িত্বে আছেন লেফটেন্যান্ট লেজলি.
তাকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে ?
পরবর্তী ছাউনিতে.
এদিকে.
স্যার ?
- লেফটেন্যান্ট লেজলি , স্যার ? - কী সমস্যা ?
আমাদের কাছে জেনারেল এরিনমোরের একটা মেসেজ আছে.
- তোমরা কি আমাদের বদলি সৈনিক ? - না , স্যার.
তাহলে বদলি সৈনিক কখন পাঠাবে ?
আমরা জানিনা ,স্যার , কিন্তু আমাদের এখান থেকে সীমানা অতিক্রম করার আদেশ দেওয়া হয়েছে.
ওটা কিন্তু জার্মানদের সম্মুখ সারি.
আমরা জানি , স্যার.
চিঠিটা একবার দেখুন.
একটা প্রশ্নের উত্তর দাও , কী বার আজকে ?
- শুক্রবাব. - শুক্রবার. বাহ. বাহ. বাহ.
আমাদের কারোটা সঠিক না তাহলে.
ওই হাদারাম মনে করেছিল আজ মঙ্গলবার.
দুঃখিত , স্যার.
মাথা মুণ্ড সব খারাপ হয়ে গেছে নাকি তাদের ?
মাত্র এক রাত , তাতেই উচ্চপদস্তরা ভেবে নিয়েছে জার্মানরা বাড়ি চলে গেছে.
আপনি কি মনে করেন তারা ভুল ভেবেছে , স্যার ?
দুইরাত আগে আমরা একজন অফিসার আর তিনজন সৈনিককে হারিয়েছি.
তাদের গুলি করে কাটাতারের সাথে লটকায়ে রেখেছিল.
তাদের মধ্য দুইজনকে আমরা টেনেহিঁচড়ে এখানে নিয়ে এসেছিলাম. টেনে আনার কোনো দরকার ছিলনা.
স্যার , জেনারেল তো নিশ্চিত যে জার্মানরা পিচু হটেছে.
নতুন লাইনে বিমান প্রটেকশন আছে ...
চুপ থাকো. এখানের প্রতি ইঞ্চি জায়গার জন্য ...
আমরা লড়াই করে জীবন দিয়েছি.
এখন হঠাৎ করে নয় মাইলের কাজ চাপিয়ে দিচ্ছে ?
এটা করা মানে ফাঁদে পা দেয়া.
কিন্তু এটার জন্য প্রমোশন পাবে. সফল হলে পদক পাবে সেটা তো নিশ্চিত.
ব্যাজের চেয়ে ভালো জিনিস আর কী হতে পারে বিধবাকে শান্তনা দেয়ার জন্য ?
ঠিক আছে.
পার হওয়ার জন্য সবচেয়ে কাছের রাস্তা কোনটা , স্যার ?
আমাদের কাটাতারগুলো জটলা পাকিয়ে আছে. কিন্তু একটু কষ্ট করে ওটার ভিতর দিয়ে যাওয়া যাবে.
রাশওর্থ , ওকে দেখতে দাও.
মরা ঘোড়াগুলো পেরিয়ে , বাম পাশ দিয়ে সোজা সামনে.
একটা ফাঁক আছে ঘোড়াগুলোর ঠিক পিছনে.
মরা ঘোড়াগুলো কাজের আছে , কারণ অন্ধকারে দুর্গন্ধ শুঁকে পথ চলতে পারবে.
দ্বিতীয় কাটাতারের কাছে যখন পৌঁছাবে ,
কাটাতারে ঝুলে থাকা মরা লাশ খুঁজে বের করবে.
লাশের পাশেই ছোট্ট একটা যাওয়ার পথ আছে.
তারপর ১৫০ সমতল গজ গেলেই জার্মান লাইন.
গর্তগুলো থেকে সাবধান থাকবে , অগভীর মনে হলেও ওগুলো কিন্তু অনেক গভীর.
পড়ে গেলে আর উঠতে পারবে না.
এদিক দিয়ে আসো.
উঠো , কিলঘোর.
অযথা জায়গা নষ্ট হচ্ছে.
ওখানে কোনো আশ্রয়স্থল আছে , স্যার ? গা ঢাকা দিয়ে বাঁচার মতো কোনো জায়গা ?
না , কয়েক সপ্তাহ আগে বোমা মেরে পরিখা উড়িয়ে দিয়েছে.
এখন ওখানে শুধু লাশ আর লাশ.
এখান দিয়ে গেলেই তোমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে.
যদি গুলি খেয়ে বসো , তাহলে কাটাতারের কাছে ফিরে আসার চেষ্টা করবে.
অন্ধকার হওয়ার আগে আমরা কিন্তু তোমাদের উদ্ধার করতে পারবনা.
আর যদি ভাগ্যের জোরে পৌঁছাতে পারো ,
তাহলে সঙ্কেতশিখা ফায়ার করবে.
কাছে সঙ্কেতশিখা নেই , স্যার.
একটা সঙ্কেতশিখা নিয়ে আসো , কিলঘোর. কাজের উপর রাখো নিজেকে.
জ্বি , স্যার.
পবিত্র এই পানির বদৌলতে
তোমরা যে ভুল আর পাপ করেছ ,
ইশ্বর যেন সেগুলো ক্ষমা করে দেয়.
আমার জিনিস আমি জার্মানদের কাছে হারাতে চাইনা.
তো যখন তারা তোমাদের গুলি করতে শুরু করবে ,
তখন দয়া করে এটা কাটাতারের এপাশে চেলে দিতে পারবে ?
এইতো ভালো ছেলে.
শুভ কামনা রইল.
তুই নিশ্চিত তো ?
হ্যাঁ.
আমি আগে যাচ্ছি.
তুই ঠিক আছিস তো ?
লুকানোর জায়গা খোঁজ.
গুপ্তপরিখা.
শান্ত থাক.
প্লেন দুটো আমাদের.
চলতে থাক. আমরা মাঝপথে আছি.
তারের ভিতর দিয়ে ফাঁকা একটা জায়গা আছে.
স্কো ...
ওখানে দেখ ! ওটাই সম্মুখ সারি.
দেখো কাহিনী.
তারা সত্যিই চলে গেছে.
তোর হাত ঠিক আছে ?
অভিশপ্ত জার্মান সৈনিকের লাশের পেটে হাত চলে গিয়েছিল.
ভালো করে হাত ধুয়ে নে.
একটু পরেই তুই আবার হস্তমৈথুন করতে পারবি.
বাম হাত.
তারা বেশিক্ষণ আগে যায়নি.
রাস্তা নেই যাওয়ার.
রাস্তা ব্লক করা.
এটাই হয়তো একমাত্র রাস্তা.
কী একটা অবস্থা.
এটা দেখ.
কত বড়ো রুম.
শালারা এতকিছু বানিয়েছে.
এখানে আমাদের যাওয়ার রাস্তা.
স্কো.
এটা কেমন বলতো ?
কী বড়ো ইঁদুর !
তাদের ইঁদুরগুলো আমাদের ইঁদুরের চেয়ে বড়ো বড়ো.
ঝুলন্ত থলের ভিতর কী আছে বলে তুই মনে করিস ?
তোর কি এতই খিদে পেয়েছে ?
দেখ ব্যাটাকে. জঘন্য শয়তান.
চাইলে তুই এটা খেতে পারিস.
- এটা আবার কী ? - জার্মান কুকুরের মাংস.
অন্য বাক্সগুলোতে কী আছে ?
- কী সমস্যা ? - ট্রিপওয়্যার.
নড়াচড়া করিস না.
কোথায় ?
এখান থেকে দরজার দিকে গেছে.
ধ্যাৎতেরি !
সর্বনাশ.
স্কো !
স্কো ?
স্কো !
স্কো ! স্কো.
স্কো ! স্কো.
স্কো.
স্কো ! চোখ খোল !
চোখ খোল !
স্কো ! স্কো !
উঠে দাঁড়া ! উঠে দাঁড়া !
তুই পারবি ! উঠে দাঁড়া !
দাঁড়া ! দাঁড়া ! দাঁড়া !
তুই পারবি !
উঠে দাঁড়া !
পুরো ছাদটা ধসে পড়ছে.
তাড়াতাড়ি আয় !
আমাকে ধরে রাখবি !
আমাদের চলা শুরু করা দরকার !
তাড়াতাড়ি আয় !
আমি দেখতে পাচ্ছিনা. কিছুই দেখতে পাচ্ছিনা !
থাম ! থাম ! থাম !
থাম !
একটা মাইনশ্যাফট আছে এখানে.
আচ্ছা , আমাদের লাফ দিতে হবে.
লাফ মার !
লাফ দিতে হবে তোকে !
- লাফ মার ! - আমি পারব না
- আমি কিছুই দেখতে পাচ্ছি না ! - ভরসা রাখ আমার উপর.
লাফ মার !
আমাকে ধরে রাখ ! ছাড়িস না কিন্তু !
আলো ! আলো দেখা যাচ্ছে !
থাম. থাম.
একটু দাঁড়াতে দে আমাকে.
শয়তানের বাচ্চারা !
সাবধানে থাকবি , আরো ফাঁদ পাতা থাকতে পারে.
হায় ইশ্বর.
ধূলা.
আমার চোখে ধূলা ভর্তি হয়ে আছে.
নে.
আমার কাছ থেকে কিছু পানি নে.
ইঁদুরটাকে যদি এখন গুলি করতে পারতাম.
সঙ্গী হিসেবে তুই অন্য কাউকে বাছাই করলে ভালো হতো.
- কী ? - তুই আমাকেই কেন বেছে নিলি ?
আমি জানতাম না কেন আমি তোকে বেছে নিলাম.
না , তুই জানতিস না.
তুই কখনো জেনে বুঝে কাজ করিস না. এটাই তো তোর সমস্যা.
ঠিক আছে , তুই ফিরে যা তাহলে.
মানা করছে কে ?
- চাইলে তুই বাসায় চলে যেতে পারিস. - থাম.
এমন কথা মুখে আনিস না.
আমি জানতাম না কী কারণে তোকে বাছাই করেছি.
আমি তো ভেবেছিলাম আমাদের হয়তো লাইনের ব্যাক-আপ হিসেবে পাঠাবে ,
বা খেতে দিবে , এ ধরনের কিছু একটা.
আমি ভেবেছিলাম হয়তো কোনো সহজ কাজ হবে , ঠিক আছে ?
কাজটা এত কঠিন হবে কল্পনাও করতে পারিনি.
তো , তুই কি ফিরে যেতে চাস ?
কথা না বলে সঙ্কেতশিখা ফায়ার কর.
দূরে গিয়ে মর , লেফটেন্যান্ট.
আমরা কোথায় আছি বলতে পারিস ?
ইকোস্ট সরাসরি দক্ষিণ-পশ্চিমে.
আর এভাবে চলতে থাকলে , আমরা পৌঁছাতে পারব.
তো , চলা শুরু কর.
দেখ.
নিজেদের বন্দুকগুলো শালারা ধ্বংস করে দিয়েছে.
নিজেদের খাতগুলোও ধ্বংস করে দিয়েছিল.
মানে ?
হয়তো তারা চেয়েছিল আমরা ওই পথ দিয়ে আসি.
জার্মানরা আমাদের জীবন্ত কবর দিতে চেয়েছিল.
শয়তান ইঁদুর.
হেই.
উইল্কো নামের এক লোকের গল্প শুনেছিস ?
- জানিস কীভাবে সে তার কান হারিয়েছিল ? - আমি গল্প শোনার মুডে নেই
উচ্চভূমির উপরে ...
গাছের দিকে নজর রাখ.
আমি নিশ্চিত সে তোকে বলেছিল এটা শ্র্যাপনেল.
গল্প না কী একটা বলছিলি না ?
উইল্কোর মেয়ে ছিল হেয়ারড্রেসার , বুঝলি ?
আর উইল্কো তার মেয়ের কাছে চিঠি লেখার সময় গোসল করার অসুবিধার কথা জানায়.
অ্যারাসের যুদ্ধে গায়ে দুর্গন্ধ জ্যাকের কথা মনে আছে ?
হ্যাঁ.
যাইহোক , মেয়েটা উইল্কোকে একটা 'চুলে মাখার তেল' পাঠায়.
মিষ্টি সুগন্ধযুক্ত , গোল্ডেন সিরাপের মতো.
উইল্কোর সুগন্ধটা ভালো লেগেছিল ,
তাই তেলটা সে প্যাকেটে পুরে রাখতে চায়নি.
তো , সে তার মাথার চুলে জবজবে করে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে ,
আর মাঝরাতে হঠাৎ সে জেগে উঠে ,
তখন একটা ইঁদুর তার ঘাড়ের উপর বসে ...
মাথার তেল চাটছিল.
উইল্কো ভয় পেয়ে লাফিয়ে উঠে ,
আর লাফিয়ে উঠার সাথে সাথেই , ইঁদুরটা তার কানে কামড় বসিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায় !
ওহ , তারপর তার আর্তনাদ আর চিল্লানি দেখে কে !
সবচেয়ে হাস্যকর ব্যাপার হলো ব্যাটা গায়ে এত পরিমাণ তেল দিয়েছিল যে ,
পরে ধুয়ে গা থেকে সব তেল উঠাতে পারে নাই !
শালার গা ছিল চম্বুকের মতো !
ইঁদুররা তো আমাদের বেশি কিছু করিনি ,
কিন্তু তাকে কমে ছাড়েনি.
জঘন্য শয়তান.
ঘাটির দিকে ফিরে যাচ্ছে.
আল্লাই জানি তারা কী দেখেছে.
উচ্চভূমিরেখা দেখছে.
তুই তো তাহলে মেডেল পেয়ে গেলি.
মানে ?
"ল্যান্স কর্পোরাল ব্লেইক এক সহযোদ্ধাকে নিশ্চিত মৃত্যুর কবল থেকে ...
বাঁচাতে গিয়ে অসম সাহস দেখিয়েছে."
ব্লা , ব্লা , ব্লা.
এটাও তুই হিসাব করে রেখেছিস ?
হ্যাঁ , করেছি.
তাহলে তো ভালোই হবে.
যেহেতু তুই তোরটা হারিয়ে ফেলেছিস.
আমি আমার মেডেল হারিয়ে ফেলিনি.
তাহলে কী হয়েছিল তোর মেডেলের ?
- তোর এত চিন্তা কেন ? - তোর চিন্তা নেই কেন ?
ফ্রান্সের এক ক্যাপ্টেনের সাথে আমি সেটা বিনিময় করেছিলাম.
- বিনিময় করেছিলি ? - উম-হুমম.
কিসের জন্য ?
এক বতল মদের জন্য.
ওটা করলি কী কারণে ?
আমার পিপাসা লেগেছিল.
কী বাজে কাজটাই না করলি তুই.
তুই ওটা সাথে করে বাসায় নিয়ে যেতে পারতিস.
তোর ওটা পরিবারকে দেওয়া উচিত ছিল.
ওটার জন্য সৈনিকেরা জীবন দিয়েছে.
আমি মেডেল পেলে সোজা বাসায় নিয়ে যাবো ,
তুই নিয়ে বাসায় গেলি না কেন ?
দেখ , ওটা সামান্য একটা টিনের জিনিস !
ওটা তোকে বিশেষ কোনো মর্যাদা দেয়না ,
অন্যদের থেকে কোনো পার্থক্য গড়ে দেয়না.
হ্যাঁ , দেয়.
আর ওটা কোনো টিনের জিনিস না.
ওটার উপর ফিতা আছে.
আমি বাসায় যাওয়াকে না বলেছিলাম.
আমি না বলেছিলাম.
যখন আমি জানতে পেরেছিলাম বাসায় আর থাকতে পারব না.
যখন জানতে পেরেছিলাম আমাকে যুদ্ধে যেতে হবে. হয়তো তারা কখনো আর আমার দেখা পাবেনা.
হায় মাবুদ.
সবকটা গাছই কেটে দিয়েছে.
চেরি গাছ.
ল্যামবার্ট.
এগুলো হয়তো ডিউক.
কোন প্রজাতির গাছ ফল না ধরলে সেটা চেনাই কঠিন.
পার্থক্য আছে নাকি এদের ভিতর ?
সবাই মনে করে একটাই প্রজাতি আছে.
কিন্তু আসলে অনেক প্রজাতি আছে.
কাথবার্ট , কুইন অ্যান , মন্টমোরেনসি.
মিষ্টি , টক ...
তুই এত সব জানিস কেমন করে ?
বাড়িতে মায়ের একটা ফলবাগান আছে.
বাগানটা কিছু গাছ নিয়ে তৈরি.
বছরের এই সময়ে মনে হয় যেন তুষার পড়ছে.
সবজায়গায় ফুলের পাপড়ি আর পাপড়ি.
আর তারপর মে মাসে , আমরা ওগুলো কুড়াতাম.
আমি আর জো মিলে.
সারাদিন ধরে কুড়াতাম.
তো , এই গাছগুলো কি মরে যাবে ?
না , না.
পাথর পচে গেলে গাছগুলো আবার জন্মাবে.
আগে যা ছিল তার চেয়ে বেশি গাছ জন্ম নেবে.
মনে হচ্ছে পরিত্যাক্ত বাড়ি.
তাই যেন হয়.
পরিত্যাক্ত কিনা সেটা নিশ্চিত করতে হবে.
আমি সামনে দিয়ে যাচ্ছি , তুই পিছন দিয়ে যা.
ভিতরে কেউ আছে ?
না , কেউই নেই.
- খাবার পেয়েছিস ? - না.
আমার কাছে জায়গাটা সুবিধার মনে হচ্ছেনা.
ম্যাপ অনুসারে , যদি ওই উচ্চভূমিরেখার উপরে উঠতে পারি ,
আমরা সোজা আমাদের গন্তব্য ইকোস্টে যেতে পারব.
ভালো.
এই বিমানগুলোও কি আমাদের নাকি ?
সেটাই তো মনে হচ্ছে.
বিমানযুদ্ধ.
কারা জিতছে ?
আমরা , সম্ভবত.
ওদের একটার পিছনে আমাদের দুইটা বিমান.
ওটাকে গুলি করেছে.
আমাদের ওকে মেরে ফেলা উচিত.
না. পানি নিয়ে আয়. তার পানি দরকার.
সব ঠিক আছে , আপনি ঠিক আছেন. শান্ত হয়ে থাকুন. শান্ত হোন.
- শান্ত. শান্ত. - না.
থামুন ! থামুন !
না , না , না !
না !
শয়তান.
জঘন্য শয়তান.
ওহ.
- আল্লাহ না. আল্লাহ না ! - ওহ.
মাবুদ , না.
মাবুদ. না !
- ওহ , মাবু ... - আমাদের রক্তপাত থামানো দরকার.
থাম. থাম , থাম !
সব ঠিক আছে , সব ঠিক আছে. সব ঠিক হয়ে যাবে.
আউ.
আমরা এবার দাঁড়াব.
- হ্যাঁ. হ্যাঁ. - ঠিক আছে ?
ঠিক আছে.
না ! আমি পারছি নাা. আমি পারছি না.
আউ !
- আমাদের প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে যাওয়া দরকার. - আমি পারছি না.
- আমি তোকে বয়ে নিয়ে যাবো. ওটা কাছেই আছে. - পারলে একটা ডাক্তার ডেকে নিয়ে আয় এখানে.
তা হবে না. আমাদের একাসাথে থাকা দরকার.
আমরা এখন উঠব. আমরা এখন উঠব.
থাম.
প্লিজ ! থাম !
মাটিতে রাখ আমাকে !
মাটিতে রাখ , নির্বোধ কোথাকার.
প্লিজ ! মাটিতে রাখ আমাকে !
হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে আমাদের.
একটু বসতে দে.
- একটু বসতে দে আমাকে. - না , বসে থাকলে চলবে না.
আমাদের দ্বিতীয় বিভাগ খুঁজে বের করতে হবে , মনে আছে ?
তোর ভাই. এখনই যেতে হবে আমাদের.
তুই আমাকে ছাড়াই যাত্রা শুরু কর. আমি পরে তোর পাছ ধরব.
না.
তোকে এখানে একা রেখে যাওয়া যাবেনা.
আমাদের হাঁটা শুরু করতে হবে , বুঝলি ?
আমাদের হাঁটতে হবে.
উঠে দাঁড়া. তুই পারবি !
উঠে দাঁড়া.
তুই পারবি. এইতো হচ্ছে.
উঠে দাঁড়া. তুই পারবি !
তোর ভাই.
তোর ভাইকে খুঁজে বের করতে হবে.
আমার ভাইকে তুই চিনতে পারবি.
আমার মতোই চেহারা , বয়স একটু বেশি.
ওগুলো কী ছিল ?
আমরা কি বিস্ফোরণ গোলার আঘাত পেয়েছি ?
ওগুলো ছিল অঙ্গার.
শস্যাগারে আগুন লেগেছে.
আমি আঘাত পেয়েছি.
আমি কিসের আঘাত পেয়েছি ?
তুই ছুরিকাঘাত খেয়েছিস.
আমি কি মারা যাচ্ছি ?
হ্যাঁ.
হ্যাঁ. আমার মনে হয় তুই মারা যাচ্ছিস.
ওহ. না. না.
এটা ?
ভিতরে.
আমার মায়ের কাছে আমার হয়ে একটা চিঠি লিখতে পারবি ?
পারব.
মাকে বলিস মরার সময় আমি ভয় পাইনি.
আর কিছু ?
তাদের সবাইকে আমি ভালোবাসি.
আমার ইচ্ছা ...
আমার ইচ্ছা ...
কথা বল আমার সাথে.
আমাকে বল তুই দ্বিতীয় বিভাগে যাওয়ার রাস্তা চিনিস.
আমি রাস্তা চিনি.
ইকোস্ট না যাওয়া পর্যন্ত আমি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ধাবিত হবো.
আমি শহরের ভিতর দিয়ে যাবো , আর পূর্বের পাশ দিয়ে ক্রইসেইলস জঙ্গল পৌঁছাব.
তখন তো অন্ধকার হয়ে যাবে.
অন্ধকারে আমার কোনো সমস্যা হবেনা.
আমি দ্বিতীয় বিভাগ খুঁজে বের করব ,
আমি তাদের কাছে মেসেজ পৌঁছে দেবো.
আর তারপর আমি তোর ভাইকে খুঁজে বের করব.
তোর মতোই চেহারা , খালি বয়স একটু বেশি.
তুমি ঠিক আছো , বন্ধু ?
হেই , ভয় নেই , আমরা তোমাদের পক্ষে.
চলো , ওকে সাহায্য করো.
জঘন্য অবস্থা , তার কী হয়েছিল ?
প্লেনের ধাক্কা খেয়েছে নাকি ?
- আমরা ধোঁয়া দেখেছিলাম. - হ্যাঁ.
ওর জিনিসপত্র নিয়ে আসো.
- স্যার. - স্যার.
তোমার বন্ধু ?
তুমি এখানে কী করছ ?
দ্বিতীয় বিভাগের জন্য আমার কাছে একটা জরুরী মেসেজ আছে.
আগামীকাল সকালের আক্রমণ বাতিল করার আদেশ.
আর তারা কোথায় আছে ?
ইকোস্ট ছাড়িয়ে কোনো এক জায়গায়.
আমার সাথে আসো.
আমার সাথে আসো , কর্পোরাল. আমার সাথে আসার জন্য আদেশ করছি.
আমরা ইকোস্টের দিকেই যাচ্ছি.
আমরা তোমাকে কিছুদূর এগিয়ে দিতে পারব.
স্যার.
ওহ , তাড়াতাড়ি করুন সার্জেন্ট !
গাছের গোড়ার দিকে আরো লোক লাগান.
গাছের গুঁড়ির দিকে ! গুঁড়ির দিকেই গাছ বেশি ভারী.
অল্প সময়ে তোমার উপর দিয়ে হয়তো অনেক ধকল গেছে.
না , গাছটা তোমরা উঠাতেও পারবা না যা দেখছি.
একদম গোড়া ধরে ঘুরিয়ে বামে নিয়ে যাও.
ধুত্তেরি ছাই , কাজ কীভাবে সহজে করতে হয় এরা সেটা জানেই না.
সবকটা কপালের জোরে বেঁচে ফিরেছে ,
শালার অকর্মার ধাড়ীরা !
স্যার.
- তুমি তো আমার দলের লোক না. - না , স্যার.
ও দ্বিতীয় বিভাগে জরুরী একটা মেসেজ সাপ্লাই করছে , স্যার.
তুমি কি চিঠিটা দিয়ে আসতে পারবে ?
- না , স্যার. - ওহ , কী মুসিবত !
গাছটা তাড়াতাড়ি সরা রাস্তা থেকে !
ক্যাজুয়ালদের গাড়িতে তো ছিট খালি আছে , স্যার.
- ও একটা আদেশ পালন করছে. - আচ্ছা , ঠিক আছে.
এবার চালানো শুরু করো. তুমি ওদের পাশ দিয়ে চলিয়ে যেতে পারবে.
এখানে কীভাবে আসলেন , স্যার ?
বাপোমের বাইরে “নো ম্যানস ল্যান্ড” ক্রস করে এসেছি.
আসতে আমাদের সারারাত লেগেছে.
আসার সময় উপদ্রব চালাতে থাকা কিছু জার্মানদের সাথে ...
হঠাৎ করেই মুখোমুখি হয়ে গিয়েছিলাম.
আপনারা নতুন লাইনের দিকে যাচ্ছেন ?
যাওয়ার চেষ্টা করছি.
নতুন পাওয়া জায়গা খালি পড়ে আছে ,
আর শক্তিবৃদ্ধির জন্য ওখানে জনবল থাকা দরকার.
তোমার বন্ধুর মৃত্যুতে আমি শোকাহত.
তোমাকে একটা কথা বলতে পারি সম্ভবত সেটা তোমার আগে থেকেই জানা আছে ?
যেটা হয়ে গেছে সেটা নিয়ে ভেবে কোনো লাভ নেই.
ঠিক বলেছেন , স্যার.
উঠে পড়ো.
একটু জায়গা দাও ওখানে.
আরে , ভিতরে তো জায়গা খালি আছে !
ঠিক আছে. আবার ভ্রমণ শুরু হয়েছে.
অজানা গন্তব্যের রাত্রিকালীন গাড়ীতে স্বাগতম.
কুকুরটা কি মরে গেছে ?
- তোর কাছে সিগারেট আছে ? - হ্যাঁ , এই নে.
- বাটলার. - ওই.
- আবার শুরু করা যাক গল্পটা. - ওহ হ্যাঁ , ঠিক বলেছিস.
তো , যখন আমরা ট্রেন থেকে নামলাম , তখন বেউফয় আমাদের কাছে আসলো ,
আর সে জোরালোভাবে বলল :
" ল্যান্স কর্পোরাল ! যে যাই করুক ,
কখনো কেউ তার মানসম্মান হারাতে চায়না !"
তারপর , স্কট পায়খানাঘর থেকে বাইরে আসলো ,
এসেই ওর হাত বেউফয়ের জ্যাকেটের পিছনে মুছলো !
ক্যাপ্টেনের পুরো পিঠে পায়খানা লাগিয়ে দিলো.
ক্যাপ্টেন বেউফয়ের সাথে এই কাজটা করা কি উচিত হলো ?
ওহ , তুই চুপ থাক. তুই তো এরকম পারবি না.
“সৈনিকেরা ! তোমাদের রাইফেল স্টকগুলো ...
আমাদের সমগ্র অভিযান ফোর্সের জন্য লজ্জাজনক.”
- নাহ. - না.
তোদের দুজনেরই জঘন্য হয়েছে.
তুই তার কী জানিস ? তুই তো শুদ্ধ করে কথাই বলতে পারিস না.
এই বিষয়ে ও তোদের চেয়ে বেশি পারদর্শী , কুক.
তাহলে তুই-ই বল , জন্দালার , শুরু কর , দেখা যাক তোর কেমন হয় !
"রোজি ! আমার ২০০ বছরের সৈনিক জীবনে এত জঘন্য পায়খানা আমি আগে কখনো দেখিনি."
পায়খানা.
পুরাই জঘন্য জিনিস.
ওই ! দাঁতে লাগলে দাঁত পড়ে যেত আমার.
তুই তো দেখছি নতুন বন্ধু পেয়ে গেছিস.
তোমার কি কোনো ব্যস্ততা আছে নাকি ?
- না. - শালা এখনো গাড়ি চালানো শিখিনি.
- গাড়ি পিছিয়ে নিতে হবে. - হ্যাঁ.
পিছিয়ে আসার চেষ্ট করেন.
পিছিয়ে আসেন !
না. থামেন.
থামেন !
- সবার বাইরে বেরিয়ে আসা লাগবে. - ও কি কমান্ডার হয়ে পড়েছে নাকি ?
সবাই বাইরে আসো !
- তাড়াতাড়ি ! - ঠিক আছে.
ঠিক আছে , রেগে যাওয়ার তো কিছু দেখিনা.
ঠিক আছে. এক. দুই. তিন.
চাকার নীচে আমাদের কিছু কাঠ দেওয়া দরকার.
না ! আমাদের হাতে সময় নেই !
সবাই মিলে ঠেলা দিতে হবে. ঠেলো.
ঠেলো !
প্লিজ. আমার যাওয়াটা খুবই জরুরি.
প্লিজ.
ঠিক আছে , ছেলেরা আসো.
ঠেলো !
ছেলেরা আসো.
এক. দুই. তিন !
ঠেলো ছেলেরা ! আর মাত্র এক ঠেলা ! হ্যাঁ !
এক. দুই. তিন !
উঠো.
আবার গাড়িতে উঠো.
যাও.
তুমি ঠিক আছো ?
হেই , ড্রাইভার , খানাখন্দ দিয়ে না চালিয়ে রাস্তা দিয়ে চালানোর চেষ্টা করো !
ওহ , চুপ থাক.
তো , তুমি কোথায় যাচ্ছো ?
ইকোস্ট পেরিয়ে আমার দ্বিতীয় বিভাগের কাছে পৌঁছানো দরকার.
কেন ?
তারা খুব সকালে আক্রমণ করবে.
আমার কাছে অক্রমণ বাতিলের আদেশ আছে.
কেন ?
তারা ফাঁদে পা দিচ্ছে.
কতজন ?
১,৬০০ জন.
ওওহ.
হায় মাবুদ.
তারা তোমাকে একা পাঠিয়েছে কেন ?
একা পাঠায়নি.
দুজনকে পাঠিয়েছিল.
তো , এখন তোমাকে একাই কাজটা করতে হবে.
হ্যাঁ.
তুমি কখনোই ঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারবে না.
হ্যাঁ. আমি পারব.
ধন্যবাদ.
দেখ ওটাকে.
ভালো করে দেখ ওটাকে.
তিন বছর ধরে এটার জন্য যুদ্ধ করছি.
জায়গাটা শালার জার্মানদের দিয়ে দিলেই ভালো কাজ করতাম.
মানে , কে গরুকে মেশিনগানের গুলি করেছে ?
অতিরিক্ত বুলেট থাকে জার্মানদের কাছে.
নির্বোধ শালারা.
তারা বুদ্ধিমান.
তারা জানে গরুটা বাঁচিয়ে রাখলে আমরা ওটা খেয়ে ফেলব.
শালার ছোটলোকের বাচ্চারা.
হ্যাঁ , এটা তো আর আমাদের দেশ না.
তুই হিসাব করে তারা কতদূর গেছে দেখলি ?
কেন ?
তাদের পাছ ধরে ফেলি কিনা সেই ভয় করছে ?
হ্যাঁ.
ঠিক বলছিস. এরকম অলৌকিক ঘটনা যেন আজ একটা ঘটে যায়.
হ্যাঁ , হয়তো তারা ঠিক সামনের মোড়েই আছে.
চুপ থাক ব্যাটা , তারা নেই.
যুদ্ধে হার মেনে নেয় না কেন শালারা ?
বাসায় যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই নাকি তাদের ?
তারা তাদের মা আর বৌদের ঘৃণা করে ...
আর তাই জার্মানদের পায়খানার গর্তে ফেলে দেওয়া দরকার.
জার্মানরা পিছু হটছে.
তারা অনেক মাইল পিছিয়ে গেছে.
কমপক্ষে আমরা তাদের কিছুটা হলেও পরাজিত করেছি.
না. আমরা তাদের একটুও পরাজিত করিনি.
ধুত্তেরি ছাই. এখন আবার কী হলো ?
আবার যেন গাছ না হয় আগের মতো.
সেতু ভেঙ্গে গেছে.
খুবই খারাপ ব্যাপার.
মনে হচ্ছে আমাকে এখানেই নামতে হবে.
শুভকামনা.
ভাগ্য তোমার সহায় হোক , বন্ধু.
- হয়তো ভাগ্যই তোমার সবচেয়ে উপকারে আসবে. - শুভকামনা.
- শুভকামনা , বন্ধু. - শুভকামনা , ম্যান.
- শুভকামনা. - মিশনটা মাঠে মারা যায় না যেন.
আশা করি তুমি ওখানে পৌঁছাতে পারবে.
ধন্যবাদ.
পরের সেতু ছয় মাইল দূরে.
গতিপথ পাল্টাতে হবে আমাদের.
দুঃখিত , স্যার.
সময় নেই আমার হাতে.
অবশ্যই.
শুভকামনা.
ধন্যবাদ , স্যার.
কর্পোরাল.
কর্নেল ম্যাকেনজির সাথে দেখা হলেও ...
চিঠিটা যেন তোমার সাথে প্রমাণ হিসেবে থাকে.
এটা তো সরাসরি আদেশ , স্যার.
আমি জানি.
কিন্তু কিছু মানুষ আছে যারা শুধু যুদ্ধকেই বেছে নেয়.
ধন্যবাদ , স্যার.
ড্রাইভার ! চালানো শুরু করো !
আমি ইংরেজ.
জার্মান না.
মিত্র ...
আমি মিত্র.
এই জায়গা , এই শহর ?
ইকোস্ট ?
- এটাই কি ইকোস্ট ? - হ্যাঁ.
বাকিরা ?
না. শুধু আমি.
শুধু আমি.
আমার একজায়গায় যাওয়া দরকার.
আমার দক্ষিণ-পূর্বের একটা জঙ্গল খুঁজে বের করা দরকার.
আহ , বন.
জঙ্গল ?
- আহ , ক্রইসে ? - ক্রইসেইলস ?
হ্যাঁ.
- নদী ধরে. - নদী ধরে.
নদীটা ওখানে গিয়ে পড়েছে.
বনে গিয়ে পড়েছে.
ক্রইসেইলসে.
ধন্যবাদ.
একটা মেয়ে ?
ওর নাম কী ?
ওর মা কে ?
আমার কাছে খাবার আছে.
ব্যাগের ভিতর.
আমার কাছে এগুলো আছে.
তুমি সবকিছু নিয়ে নিতে পারো.
এই নাও , সব রেখে দাও.
তোমার আর বাচ্চাটার জন্য.
নাও.
দুধ ?
ধন্যবাদ.
হ্যালো.
হ্যালো.
বাচ্চা আছে , তোমার ?
সব ঠিক আছে.
"তারা পুরোপুরি ঝাঁজরা হয়ে সাগরে গিয়েছিল ,
তারা ঝাঁজরা হয়ে সাগরে গিয়েছিল :
তাদের বন্ধুদের শত বাঁধা না মেনে ,
শীতের এক সকালে , ঝড়ের এক দিনে ,
তারা ঝাঁজরা হয়ে সাগরে গিয়েছিল !"
"বহুদূরে , বহূদুরে ,
এক জায়গায় জম্বলিরা বাস করত ;
তাদের হাত সবুজ , তাদের হাত নীল ,
আর তারা ঝাঁজরা হয়ে সাগরে গিয়েছিল."
থাকো.
থাকো.
প্লিজ.
আমাকে যেতে হবে.
প্লিজ.
আমি দুঃখিত.
ইংরেজ !
হায় ইশ্বর , বাউমার !
বাউমার ?
বাউমার ?
বাউমার ?
বাউমার !
ইংরেজ !
ইংরেজ !
♪ আমি এক ক্লান্ত পথিক ♪
♪ আমি দুঃখের সাগরের ভিতর দিয়ে চলছি ♪
♪ তবুও পরিশ্রম করতে না আছে কোনো কষ্ট , না আছে ভয় ♪
♪ আমার সেই কাঙ্খিত ঠিকানায় পৌঁছানোর জন্য ♪
♪ আমি ওখানে যাচ্ছি আমার বাবার সাথে দেখা করতে ♪
♪ আমি ওখানে যাচ্ছি শান্ত হয়ে একটু বসতে ♪
♪ আমি শুধু জর্দানে যাচ্ছি ♪
♪ আমি শুধু আমার ঠিকানায় যাচ্ছি ♪
♪ আমি জানি অন্ধকার কালো মেঘ আমার চারিপাশে জড়ো হবে ♪
♪ আমি জানি আমার পথচলা হবে অমসৃণ আর কষ্টসাধ্য ♪
♪ কিন্তু সোনালী ঠিকানা আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে ♪
♪ যেখানে খোদার ত্রাণ সর্বদা বিরাজমান ♪
♪ আমি আমার ঠিকানায় যাচ্ছি আমার মায়ের সাথে দেখা করতে ♪
♪ আর আমার ভালোবাসার যে মানুষগুলো পরপারে চলে গেছে , তাদের সাথে দেখা করতে ♪
♪ আমি শুধু জর্দানে যাচ্ছি ♪
♪ আমি শুধু আমার ঠিকানায় যাচ্ছি ♪
♪ আমি এক ক্লান্ত পথিক ♪
♪ আমি দুঃখের সাগরের ভিতর দিয়ে চলছি ♪
♪ তবুও পরিশ্রম করতে না আছে কোনো কষ্ট , না আছে ভয় ♪
♪ আমার সেই কাঙ্খিত ঠিকানায় পৌঁছানোর জন্য ♪
♪ আমি ওখানে যাচ্ছি আমার বাবার সাথে দেখা করতে ♪
♪ আমি ওখানে যাচ্ছি শান্ত হয়ে একটু বসতে ♪
♪ আমি শুধু জর্দানে যাচ্ছি ♪
♪ আমি শুধু আমার ঠিকানায় যাচ্ছি ♪
ডি কোম্প্যানি ! উঠো !
তুমি ঠিক আছো , বন্ধু ?
আহ , তুমি কোথা থেকে এসেছ ?
ও হয়তো একটু নার্ভাস হয়ে গেছে.
ও তো আমাদের বিভাগের না.
ওর সারা শরীর ভিজে গেছে.
কথা না বলে , ওকে তুলে আমাদের সাথে নিয়ে চলো.
বিভাগ খুঁজে বের করতে হবে আমাকে.
- ও কী বলছে ? - কী বললে বন্ধু ?
বিভাগ.
বিভাগ খুঁজে বের করতে হবে আমাকে.
আমরা তো বিভাগের অন্তর্ভুক্ত.
- তোমরা বিভাগের সৈনিক ? - জ্বি , কর্পোরাল.
তোমরা যাওনি কেন ওখানে ?
আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ে.
আমাদের সবাইকে একবারে পাঠায়নি.
হ্যাঁ , আমরা ডি কোম্প্যানি, আমরা সারারাত মাটি খুঁড়ে কাটিয়েছি.
সেজন্য আমরা পরে যাচ্ছি.
তুমি ঠিক আছো ?
ম্যাকেনজি. কর্নেল ম্যাকেনজি কোথায় ?
লাইনের দায়িত্বে আছেন.
- কোন দিকে ? - এই দিকে.
আমরা এখন ওখানেই যাচ্ছি.
ওই ! ধীরেসুস্তে বন্ধু ! তুমি কোথায় যাচ্ছো ?
সরো !
আমাকে যেতে দাও !
আমাকে যেতে দাও !
মনে রাখো , তোমাদের প্লাটুন কমান্ডারের কাথা মেনে চলবে.
পৃথক পৃথক হয়ে থাকো আর কমান্ডারের আদেশের জন্য অপেক্ষা করো.
তোমাদের কমান্ডিং অফিসার কোথায় ?
হোল্ডিং চত্ত্বরে.
যখন তুমি তোমার সেকশন নিয়ে জার্মান লাইনে পৌঁছাবে. তখন তোমাদের সিগনাল উত্তোলন করবে আর অগ্নিসঙ্কেত দিবে
বি কোম্প্যানি , কী করতে হবে শুনো !
এখন মনোযোগ দিয়ে শুনো !
প্রথম সঙ্কেতে , এ কোম্প্যানি অগ্রসর হবে !
তখন বি কোম্প্যানি সম্মুখ সারির দিকে অগ্রসর হবে !
স্যার , আমার কাছে জেনারেল এরিনমোরের পাঠানো একটা মেসেজ আছে !
তুই আবার কে ?
আক্রমণ বাতিল করা হয়েছে.
জেনারেল এরিনমোর আক্রমণ বাতিল করার ঘোষনা দিয়েছেন.
ধুর , ভাই. আমরা একটু পরেই আক্রমণ শুরু করব.
- আমরা ওদের দৌড়ের উপর রেখেছি. - ওরা ইচ্ছা করে পালাচ্ছে.
না ! প্লিজ. আপনার সৈনিকদের ওখানে পাঠাবেন না.
সামনে থেকে সরো , কর্পোরাল !
এটা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তদের সরাসরি আদেশ !
কর্নেল ম্যাকেনজি কোথায় ?
ধুত্তেরি , ভাই ! গিয়ে ক্যাপ্টেনের সাথে দেখা করো !
এখন , আমি চাই তোমরা তাড়াতাড়ি উপরে উঠো , বুঝেছ ?
বুঝেছ তোমরা ?
- জ্বি , স্যার ! - প্রত্যেকের জন্য একটা করে দুই মাইলের বোম্ব.
নন কমিশনড অফিসার যারা আছো তারা একটা করে আলোকসঙ্কেত সংগ্রহ করো.
- নিয়ে তোমাদের স্টেশনে রাখো. - ওই. ওই !
সেকশন ৯ আর ১০ প্রস্তুত রাখো !
প্রথম হুইসেল ব্লাস্ট হলেই আমরা অগ্রসর হবো !
- ১১ আর ১২ ... - ... থামলে হবেনা !
পাশের সৈনিক মারা গেলেও থামা যাবেনা !
লাইন ভঙ্গ করার আদেশ দেওয়া হলো তোমাদের.
ক্যাপ্টেন কোথায় ?
ওখানে.
তোমাদের সেকশন ফরমেশনে নিয়ে রাখো.
স্যার ? স্যার !
ক্যাপ্টেন , আমার কাছে একটা মেসেজ আছে.
মেসেজে অক্রমণ বাতিল করার কথা বলা হয়েছে.
আপনাদের থামতে হবে , আপনাদের থামতে হবে !
কর্নেল ম্যাকেনজি কোথায় ?
ম্যাকেনজি কোথায় ?!
ফিরে যাও ! ফিরে যাও !
তোমাদের সেক্টরে ফিরে যাও ! ফিরে যাও !
তাড়াতাড়ি !
প্লাটুন-৭ ! সময় এক মিনিট !
স্যার , আমার কাছে অক্রমণ বাতিল করার আদেশ আছে.
কী ?
কর্নেল ম্যাকেনজি কোথায় ?!
লাইন ধরে আরো দূরে.
- কত দূরে ? - ৩০০ গজ.
উনি সাবওয়েতে আছেন.
প্রথম আক্রমণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে.
না ! না , সময় নেই !
প্লাটুন-৭ ! ৩০ সেকেন্ড !
সম্ভবত তুমি এত পথ যেতে পারবেনা.
মাথা খারাপ হয়েছে নাকি তোমার ?
কী করছ তুমি , ল্যান্স কর্পোরাল ?
না . না , না , না , না !
পজিশনে থাকো !
প্রস্তুত থাকো !
- কর্নেল ম্যাকেনজি ? - উনি এখানে.
- বি কোম্প্যানি দুই মিনিট ! - আমাকে যেতে দাও !
হেই. হেই !
- আমাকে যেতে দাও ! - কী করবি বলে ভেবেছিস তুই ?
আমাকে ভিতরে যেতে হবে !
আমাকে কর্নেল ম্যাকেনজির সাথে দেখা করতে হবে !
- কী করছ তুমি ?! - আমাকে এই আক্রমণ থামাতে হবে.
কর্নেল , আমরা আলোকসঙ্কেত দেখেছি ,
বাম কর্নারের সৈনিকেরা জার্মান লাইনে পৌঁছে গেছে.
- কর্নেল ! কর্নেল ! - ওকে ধরে রাখ ! ওকে ধরে রাখ !
আমার কথা শুনো , আমার কথা শুনো. আমার কাছে একটা চিঠি আছে !
আমার কর্নেল ম্যাকেনজির সাথে দেখা করা দরকার !
তোকে কোনোভাবেই ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হবেনা , বন্ধু !
সার্জেন্ট ! পরবর্তী পর্যায়ের সৈনিকদের পাঠান !
না !
দ্বিতীয় পর্যায় , নিজেদের প্রস্তুত রাখো !
কর্নেল ম্যাকেনজি !.
এই আক্রমণ আর সামনে অগ্রসর হবে না !
আপনাকে আক্রমণ থামানোর জন্য আদেশ করা হয়েছে. থামতে হবে আপনাকে.
তুমি আবার কে ?
ল্যান্স কর্পোরাল স্কোফিলাড , স্যার. অষ্টম বিভাগ.
আক্রমণ বাতিল করার জন্য আমার কাছে জেনারেল এরিনমোরের আদেশ রয়েছে.
তুমি দেরি করে ফেলেছ , ল্যান্স কর্পোরাল.
স্যার , সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের থেকে এই আদেশ পাঠানো হয়েছে.
এটা আপনাকে পড়তে হবে.
আমরা কি দ্বিতীয় পর্যায়ের সৈনিকদের অক্রমণ মুলতবি করব , স্যার ?
না , মেজর. এখন এসে ইতস্তত করলে আমরা পরাজিত হবো.
বিজয় মাত্র ৫০০ গজ দূরে অবস্থান করছে.
স্যার ! প্লিজ , চিঠিটা পড়ে দেখেন.
আগেও আমি এই ধরনের কথা শুনেছি.
না আমি সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করব , আর না কুয়াশা পড়া পর্যন্ত.
আমার সৈন্যদের এখন ফিরিয়ে নিয়ে এসে ,
আমি আগামীকাল আবার পাঠাব না.
যখন ওই শালারা দৌঁড়ের উপর আছে তখন তো মোটেই না.
এটাই তাদের শেষ লড়াই.
জার্মানরা আগে থেকে এটাই প্লান করেছিল , স্যার.
কয়েক মাস ধরে তারা এটার প্লান করেছে.
তারা চায় আপনি তাদের আক্রমণ করেন.
চিঠিটা পড়ে দেখেন.
- মেজর. - জ্বি , স্যার.
- ওদের থামতে বলো. - ঠিক আছে , স্যার.
আদেশ প্রাত্যাহার করো. আহতদের পরিচর্যার ব্যবস্থা করো.
লাইন ধরে থাকো যাতে পাল্টা আক্রমণ করলে প্রতিরোধ করতে পারি.
ঠিক আছে , স্যার.
থামো সবাই ! থামো সবাই !
থামো সবাই !
থামো সবাই ! থামো সবাই !
আশা করেছিলাম আজকে দিনটা একটা শুভ দিন হবে.
আশা ভয়ঙ্কর একটা জিনিস.
এখন এই মেসেজ দিয়েছে , পরবর্তী সপ্তায় ...
উচ্চপদস্থদের পক্ষ থেকে ভিন্ন কোনো মেসেজ আসবে.
"সকালে আক্রমণ চালাও."
একটা উপায়েই এই যুদ্ধের ইতি টানা সম্ভব.
একজন সৈনিক জীবিত থাকা পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে.
তোমার জখমের চিকিৎসা করানোর জন্য ডাক্তারের কাছে যাও.
এখন দাড়িয়ে থেকো না , ল্যান্স কর্পোরাল.
বিয়ারার !
স্ট্রেচার বিয়ারার !
বিয়ারার !
স্ট্রেচার বিয়ারার !
শাবাশ , ছেলে.
ধন্যবাদ , স্যার.
আপনি কি জানেন লিউটেনেন্ট ব্লেইক কোথায় আছে , স্যার ?
ব্লেইক ?
আমরা দুজন এসেছিলাম.
আমাকে তার ভায়ের সাথে পাঠানো হয়েছিল.
আহ.
চিনি তো লেফটেন্যান্ট ব্লেইককে ,
ব্লেইক তার সৈনিকদের সাথে গিয়েছিল.
ও প্রথম পর্যায়ের সৈনিকদের সাথে ছিল.
তাকে কীভাবে খুঁজে পাবো , স্যার ?
তুমি লাইনের পিছনে চিকিৎসা জোনে ...
খুঁজে দেখতে পারো.
তা নাহলে ...
ধন্যবাদ , স্যার.
মেজর হেপবার্ন , স্যার.
- যেতে থাকো , যেতে থাকো. - প্রায় চলে এসেছি.
আউ !
আমি কি বাঁচব ?
আমি কি বাঁচব ?
- সরো. - রাস্তা থেকে সরো.
চলো , তাড়াতাড়ি.
ডাক্তার ডেকে আনো !
ডাক্তার ! ডাক্তার !
চলতে থাকো.
চলতে থাকো , চলতে থাকো.
এইতো এসে গিয়েছি.
সার্জেন্ট , আমি লেফটেন্যান্ট ব্লেইককে খুঁজছি.
- আপনি কি জানেন সে কোথায় ? - না.
জায়গা দাও , স্ট্রেটার আসছে !
অল্প আঘাতপ্রাপ্তরা দূরের মাঠে যাও.
স্ট্রেচারে যারা আছে তাদের আমার কাছে নিয়ে আসো.
যারা হাঁটতে পারছ তারা কালেকশন এরিয়ায় চলে যাও.
একপাশে সরে যাও যাতে স্ট্রেচার বিয়ারার আসতে পারে.
- সরো. - রাস্তা থেকে সরো.
স্যার , লেফটেন্যান্ট ব্লেইক কি এখানে আছে ?
জানা নেই.
আসতে পারেন , কর্পোরাল.
ট্রিয়াজ জোনে যাও , যদি হাঁটতে পারো.
আমি যেতে পারছি না.
আমাকে সাহায্য করো.
আমাকে বাসায় নিয়ে চলো.
লেফটেন্যান্ট ব্লেইক !
আমার এখানে একটা ডাক্তার দরকার.
স্যার , ও মারা গেছে.
এখন ওকে এখান থেকে নিয়ে যাও তাহলে.
সামনে থেকে সরে যাও.
ব্লেইক ?!
সামনে থেকে সরো !
কেউ কি লেফটেন্যান্ট ব্লেইককে দেখেছেন ?!
ওর রক্তপাত হচ্ছে. তাড়াতাড়ি যাও.
ওর একজন সার্জন দরকার.
এখানেই রেখে যাও আমাকে.
রক্তপাত বন্ধ করো !
- তাকিও না . সমস্যা নেই. - কেটে বাদ দাও.
সোজা সার্জারি করে দাও.
আমার পা ! আমার পা.
আমার এখানে সাহায্য দরকার , তাড়াতাড়ি !
ও মারা গেছে.
মরতে চাইনা আমি.
আমাকে মরতে দিয়োনা.
- এখন আমার কিছু একটা দরকার ! - আমার মায়ের সাথে দেখা করব.
সাইড দাও.
ঠিক আছে , ওকে নিয়ে যাও , ছেলেরা.
ওর পায়ে একটা গুলি লেগেছে.
- ওর প্রচুর রক্তপাত হয়েছে. - স্যার.
লেফটেন্যান্ট ব্লেইক?
হ্যাঁ ?
তোমার কি মেডিকেল চিকিৎসা লাগবে ?
না , স্যার.
আমি অষ্টম বিভাগ থেকে এসেছি.
তাহলে তুমি এখানে কী করছ ?
একটা মেসেজ নিয়ে আসার জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছিল.
অষ্টম বিভাগ থেকে ?
তুমি আমার ভাইকে চেনো নিশ্চয়.
আমাকে ওর সাথে এখানে পাঠানো হয়েছিল.
টম এখানে এসেছে ? ও কোথায় ?
সাথে সাথেই মারা গিয়েছিল.
আমি দুঃখিত.
নাম কী তোমার ?
স্কেফিল্ড , স্যার.
শুনতে পাইনি , কী বললে ?
আমার নাম স্কোফিল্ড , স্যার.
উইলিয়াম স্কোফিল্ড.
উইল.
উইল , তোমার খাওয়া দাওয়া করা দরকার.
খাবার ঘরে আসো.
আমি কি আপনার মায়ের কাছে চিঠি লিখতে পারি ?
আন্টিকে বলতে চাই টমের সাথে আমিও ছিলাম.
অবশ্যই.
ও ...
ও ভালো মনের মানুষ ছিল.
হাসির হাসির গল্প বলত সবসময়.
ও আমার জীবন বাঁচিয়েছে.
তুমি ওর সাথে ছিলে শুনে খুশি হলাম.
ধন্যবাদ , উইল.
_-_-_ বাংলায় অনুবাদ :~ আনিসুর রহমান _-_-_
এখানে কিছুই নেই. এখানে নেয়ার মতো কিছুই নেই , প্লিজ.
বাকিরা কোথায় ?
নদী ধরে ...
বসো , বসে পড়ো.
আমার ছোট্ট মেয়ে.
হ্যাঁ.
একটা বাচ্চা মেয়ে.
আমি জানি না.
আমি জানি না.
এসব খাবার ও খেতে পারেনা. ওর দুধ খাওয়া দরকার.
তোমার বাচ্চা আছে ?
তোমাকে ওর পছন্দ হয়েছে.
কথা বলতে থাকো. কথা বলতে থাকো !
এখন সকাল হয়ে যাচ্ছে. বাইরে গেলে সৈনিকরা তোমাকে দেখে ফেলবে.
হয়তো যুদ্ধে জীবন থমকে যায়, কিন্তু কখনো থেকে থাকেনা.
এখন সকাল হয়ে যাবে ! তোমার অপেক্ষা করা উচিত !
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.