All language subtitles for iSMART SHANKAR HDRip Bsub (2.10.32)

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese Download
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish Download
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba Download
zu Zulu

Original subtitles

সাবে কন্ট্রিবিউট করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ তানজীদ আহমেদ ভাইকে ♥

মুভিঃ ★ iSmart Shankar(2019) ★ অনুবাদকঃ নূরুল্লাহ মাশহুর│তানজীদ আহমেদ সম্পাদকঃ নূরুল্লাহ মাশহুর

আমাদের মস্তিষ্ক অসাধারণ এবং বিস্ময়কর।

আমরা তাদের উন্নত প্রযুক্তি প্রদান করলে

তারা যেকোনো কিছু করতে সক্ষম।

হিপোক্যাম্পাস হচ্ছে স্মৃতির প্রবেশদ্বার।

স্বল্পস্থায়ী স্মৃতি জমা থাকে প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স এ।

কিন্তু একসময় তাদেরকে দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিতে স্থানান্তর হতে হয়।

আর এখানেই আসে হিপোক্যাম্পাসের ভূমিকা।

আরএনএ ইনজেকশন এর মাধ্যমে

বিজ্ঞানীরা এক শামুক থেকে অন্য শামুকে

স্মৃতি স্থানান্তর করেছেন।

শুধু স্মৃতি পুনরুদ্ধারই নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও

কোষের বার্তাবাহক, আরএনএ

গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্মৃতিসমূহ জমা থাকে আমাদের নিউরনের নিউক্লিয়াসে।

বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন

আরএনএর মাধ্যমে এই স্মৃতিসমূহ

পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে।

বর্তমানে, বিশ্বের অনেক পরীক্ষাগারে

স্মৃতি স্থানান্তর নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।

এবার আমরা স্বাগত জানাচ্ছি তরুণ নিউরোসাইন্টিস্ট, ডক্টর সারাহকে।

WBE, Whole Brain Emolution. [সম্পূর্ণ ব্রেইনের অনুরূপ প্রতিকৃতি নির্মাণ]

এটাকে মাইন্ড আপলোড, ব্রেইন আপলোড অথবা মাইন্ড কপিইংও বলা হয়।

মানব মস্তিষ্কে ৮৬ বিলিয়ন স্নায়ু কোষ রয়েছে।

প্রতিটি নিউরন অন্য নিউরনের সাথে

ডেনড্রাইট এবং এক্সনের মাধ্যমে যুক্ত হয়।

এটি একটি কিউট ইঁদুর।

আমরা যদি ইঁদুরটার হিপোক্যাম্পাসে প্রবাহমান

ইলেকট্রিক সিগন্যালগুলো অ্যাক্সেস করতে পারি

এবং সেগুলো রেকর্ড করি আর এই স্মৃতিগুলো যদি এর হিপোক্যাম্পাসে শকের মাধ্যমে প্রবেশ করিয়ে দেই

ইঁদুরটি পূর্বের কাজটির কথা স্মরণ করতে পারে।

আমার কিউট ইঁদুরটি আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। ইঁদুর।

এদিকে এসো, এদিকে এসো...

বন্ধুরা, দয়া করে ওকে খুঁজে পেতে সাহায্য করুন। ওহ, নো।

ওখানে চেক করো। চেয়ারের নিচে চেক করো।

কোথায় গেলো? - ওখানে হয়তো।

কোথায় গেলো?

হেই! - কোথায়?

হ্যালো। হ্যাঁ, অরুণ, বলো।

তোমাকে চিন্তিত মনে হচ্ছে কেন?

আমার ইঁদুর হারিয়ে গেছে, অরুণ। - কী?

যে ইঁদুরটার ওপর আমি স্মৃতি স্থানান্তরের চেষ্টা চালাচ্ছি।

বুঝতে পারছি না কীভাবে ধরবো এটাকে।

সারাহ, একটা ইঁদুরের জন্য তুমি এত চিন্তিত হচ্ছো?

শীর্ষস্থানীয় একজন সন্ত্রাসী জেল থেকে পালিয়েছে।

পুরো ডিপার্টমেন্ট এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন।

কে সে?

কাসি বিশ্বনাথ এর খুনের দায়ে অভিযুক্ত আসামী।

ওর নাম কী? - শংকর।

স্যার, ওই শংকর আমার দাঁত ভেঙ্গে দিয়ে

বল্লারাম ফ্যাক্টরিতে ঢুকে পড়েছে, স্যার।

আমার ব্যাকআপ দরকার, স্যার।

আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর মানসম্মান ডুবাবেন নাকি, স্যার?

সে একটা লৌহদন্ডের ন্যায়।

মামা...

পুলিশ মামা...

হেই, আমি কিন্তু গুলি চালিয়ে দেবো।

শংকর।

আমার সাথে মারামারি করা হচ্ছে

রামকে পচাম্মা মন্দিরের সাথে বেঁধে রাখার মতো।

আমি জেল থেকে পালিয়েছি হাজির বিরিয়ানি খাওয়ার জন্য না।

শিকার করার জন্য।

এই!

এক বছর ধরে আমি অশান্ত মন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি।

আমাকে বিরক্ত করার চেষ্টা কোরো না।

শংকর, তুই পালাতে পারবি না।

আত্মসমর্পন কর।

কেনো বলছি শোন।

মামা!

আমাকে জ্ঞান দিও না। - মেরে ফেল ওকে।

আমি জানি কী করতে হবে আর কীভাবে করতে হবে।

এখানকার সবাই বুদ্ধিমান।

এই!

এই! এই!

এই!

মামা!! চিল্লাপাল্লা কোরো না।

তোমাদেরও পরিবার আছে

বাসায় গিয়ে চুপচাপ বউ এর সাথে গিয়ে ঘুমাও।

আমার সাথে ঘুমানোর চেষ্টা কোরো না

ঘুমও আসবে না আর বাইরে সূর্যও উঠবে না।

ধরো ওকে।

এই, দাঁড়া।

হাতকড়া পরিয়ে গ্রেফতার কর।

ইউনিফর্ম এর প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি খুব কমই মেরেছি।

আর সম্মান দেখাবো না।

এই! - ইউনিফর্ম নেই, সম্মানও নেই...

দেভা, শংকর জেল থেকে পালিয়েছে।

কখন? - এক ঘণ্টা হয়েছে।

ডিজিপিকে কল করো।

হ্যালো, স্যার। - দেবেন্দ্র সাহেব লাইনে আছেন।

উনার সাথে কথা বলুন। ডিজিপি।

ডিজিপি। - নমস্কার, স্যার।

আমার বাবা মারা যাওয়ার

এক বছর হলো।

এখানে তার আত্মার শান্তির জন্য আমি আচার-অনুষ্ঠান করছি।

এসময়, যদি আমি জানতে পারি যে আমার বাবার খুনী পালিয়েছে

আপনার কী মনে হয় আমাদের অনুভূতি কেমন হবে?

সে সেন্ট্রাল জেল থেকে কীভাবে পালালো?

কেউ কি সহযোগিতা করেছে?

নাকি এটা আপনাদের দায়িত্বে অবহেলা?

শংকরকে দ্রুত ধরুন আর তাকে জেলে ফেরত পাঠান।

দেভা।

জেলে না।

ওদেরকে বল গুলি করে ওকে মেরে ফেলতে। - আপা!

শান্ত হও।

বাবা, কোথা থেকে আসছিস তুই?

চেরলাপল্লী।

যাচ্ছিস কোথায়?

লাস্কারে।

কাজের জন্য যাচ্ছিস নাকি কোনো মেয়ের জন্য?

তোকে এমন বিমর্ষ দেখাচ্ছে কেন?

তোকে চিন্তিত লাগছে কেন?

তোর কাহিনীটা বল তো শুনি।

মনে হচ্ছে তোর গল্পে কোনো মেয়ে আছে।

তার নাম তো অন্তত বল।

চাঁদনী। - চাঁদনী?

ওর সাথে কোথায় দেখা হয়েছিলো তোর?

বল, কোথায় দেখা হয়েছিলো ওর সাথে।

'সোজা গিয়ে ধাক্কা মার। দেখি কে আসে।'

'কী? তাই তো বললাম। যা, যা। ধাক্কা দে।'

শংকরকে কী মনে হয়? - গর্দভ।

দেখতে পাচ্ছো না? আমরা এখানে কাজ করছি।

তোমার কমন সেন্স নেই? পাগল নাকি?

কী ব্যাপার, ভাই?

গরগর করে ইংরেজি ফলাচ্ছিস। কোন স্কুলে জন্ম রে তোর?

আগে, ঠিকভাবে কথা বলো। ঠিক আছে?

আর, ভদ্র ব্যবহার করো।

তোর মালিক কোথায়? - কেন?

কেন? আমার মালিককে কেন চাই? আমার সাথে কথা বলো।

তোর মালিককে একটা জিনিস দিতে এসেছিলাম আমি।

তাহলে সেটা আমাকে দাও।

দাও।

আরো এক ডজন আছে। দেবো নাকি?

স্যার, আমার মালিক সপ্তম তলায় আছেন।

ভাষা নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলে

দিবি কষিয়ে থাপ্পড়। - জি।

যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে

কান ধরে দিবি টান। - জি, ভাই।

একবারে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

ওইতো লিফট, ভাই।

এই কাজগুলো শেষ করো। - ঠিক আছে, স্যার।

ঠিক আছে? - ঠিক আছে।

এখানে এসেছো কেন, শংকর?

আমার মেয়েকে তোমার কাছে বিয়ে দিতে এসেছি। বিয়ে করবে?

আমার কল ধরছো না কেন? - শংকর, আসলে...

এই সাইট নিয়ে যখন সমস্যা হচ্ছিলো, আমি আর কাকা তোমাকে সাহায্য করি নি?

করেছো।

আরামসে বিল্ডিং নির্মাণ করছো না?

করছি। - তাহলে?

যে তোমাকে খেতে দিলো তার সাথেই প্রতারণা করতে চাইছো?

তুমি কী চাও এখন?

আমি এই ফ্ল্যাটটা চাই।

শংকর, এটা ৩০০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট।

এই জায়গাটা বন্ধ করে ব্যালকনি বানিয়ে ফেলো।

এই দেওয়ালের দরকার নেই। সরিয়ে ফেলো।

স্যার, এটা পিলার। ভবন ধ্বসে যাবে।

সরিয়ে ফেলো।

জানো এটার দাম কত?

এখানে একটা প্রজেক্টর রাখলে, ছবি গিয়ে ওখানে পড়বে।

আমি তোমাদের বাকী টাকা দিয়ে দেবো, শংকর।

এই, এটা কী রে? রান্নাঘর?

আমার রান্নাঘরের দরকার নেই।

শংকর করবে রান্নাবান্না?

শংকর, আমি তোমাকে আরো ১০ লাখ দেবো।

হলের মাঝখানে আমার একটা টাব চাই।

এর ভেতর বসে, পা ছড়িয়ে বসে দুই পেগ মারতে মারতে

মুভি দেখবো।

কী মুভি দেখা যায়?

নতুন কী মুভি যেন রিলিজ হলো? টম ক্রুজের?

শংকর, তুমি বেশি বাড়াবাড়ি করছো।

নাটক করছিস? শালা।

কে রে তুই?

বুকে তো এক পোয়া মাংসও নেই।

গুন্ডা নাকি তুই?

জানিস, কত পালোয়ান দেখেছি আমি?

আমার মালিকের গায়ে হাত তুলিস? এত বড় হিরো হয়ে গেছিস? এই!

তোর চেয়ে আমি আরো বড় গুন্ডা।

আগে আমার সাথে মারামারি কর।

ওয়ারাঙ্গাল কলেজের ছেলেদের কাঁপিয়ে দিয়েছি।

সিদ্ধিপেত সেন্টারে জিজ্ঞাসা করে দেখিস। চাঁদনীর কথা বলে দেবে।

আমি তুড়ি বাজালেই

তারনাকা থেকে চতুর্নাকা পর্যন্ত সবাই সোজা দাঁড়িয়ে যাবে।

সে কারণে আমি তুড়ি বাজাই না।

আম্বরপেত যাদব, শাদনগর সাত্তি, গৌলিগুড়া গনেশ

সবাই আমাকে আপা ডেকে রাখি পরিয়ে দেয়।

বুঝতে পারছিস?

এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন? এই!

ওহ, ঈশ্বর!

জানিস আমি কে?

শংকর! উস্তাদ ইস্মার্ট শংকর।

এই, পুতুল!

তুই হ্যাঁ বললে

আমি গোলকোন্ডা দুর্গ সংস্কার করে তোর হাতে তুলে দেবো।

তোকে রাণী বানিয়ে সেই রাজপ্রাসাদে বসাবো।

কী বলিস?

ভাগ, শালা।

তোর মতো অনেক ছেলে দেখেছি।

কী করছে সে?

কী হয়েছে, ভাই? এমন হয়ে আছো কেন?

মেয়েটা আমাকে জ্বালাচ্ছে রে, ভাই।

কে, ভাই?

চাঁদনী।

সে আমাকে রাতে ঘুমাতে দিচ্ছে না।

ওর জন্য আমি এক্সট্রা দুই পেগ খাচ্ছি।

সেদিন রাতে ওকে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখলাম।

জানিস কতটা উপভোগ করেছি?

বাহ! ওহ, ঈশ্বর।

ওর কোমড়, ওর ফিগার

ঠিক যেন একটা টার্কি মুরগীর মতো।

গাধা।

টার্কি মুরগী? সেটা আবার কেমন দেখতে?

আরে, যেটার সামনে পেছনে উঁচু আর মাঝে সরু।

ওহ!

এটার রানের মাংস আমার খেতেই হবে। - কীসের, ভাই?

টার্কি মুরগীর।

ওর নাভিটা...

টার্কি মুরগীর? - গাধা। চাঁদনীর রে, ভাই।

কী চোখ দুটো তার!

সে যখন রাগী চোখে তাকায়...

বাহ! বাহ! বাহ!

সে যখন হাসে তার চেয়ে বেশি কিউট লাগে যখন সে রাগ করে।

ওর রাগের প্রেমে পড়ে গেছি আমি।

ভাই, প্লিজ গাড়ি থামাও।

"Any girl I see, my mind goes blank."

"I don't get sleep in spite of drinking alcohol."

"I am not a mad fellow to leave and go."

"I will elope her, leaving everything behind."

কী, ভাই?

কিছু না রে, ভাই। - চল।

বন্ধ করেছো কেন? চালু করো, ভাই।

কী করবে বলে ভাবছো, ভাই?

কিছু না রে, ভাই।

ওই বিল্ডারের কাছ থেকে একটা ফ্ল্যাট নেবো।

ওকে সেখানে রাখবো।

বিয়ের পর

ওকে অন্তত একবার আমার পেটাতে হবে।

স্ত্রীর গায়ে হাত তোলা অপরাধ, ভাই।

তুই চুপ থাক তো। কিচ্ছু হবে না।

সে যখন রাগী চোখে তাকায়, ওর চেহারা... .

বাহ! বাহ! বাহ!

জানিস কতোটা সুন্দর লাগে?

ওকে প্রতিদিন ফলো করছি। - আচ্ছা।

ওর সাথে কথা বলার চেষ্টা করছি। - হ্যাঁ।

সে আমার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে না।

ভাই, ওর জন্য এত কষ্ট কেন করবে?

টাকা ছেটাও আর মজা দেখো।

সবকিছু... - এই!

থামা। গাড়ি থামা। - আপা, তুমি এখানে?

থামা। গাড়ি থামা, শালা।

থামছি, আপা।

আপা... স্যরি, আপা। - তোর মাথা ঠিক আছে?

টাকা ছিটানোর কথা বলিস?

সে তো সস্তা। - আমাকে মাফ করে দাও।

কিন্তু তুই তো আরো সস্তা, শালা। - আপা...

ছেড়ে দাও, আপা।

কী ব্যাপার? এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন?

রাতের বেলা তোকে পেয়েছি।

তোকে তো এখন তুলে নিয়ে যাবো। - সত্যিই আমাকে তুলে নিয়ে যাবি?

হ্যাঁ। হ্যাঁ? - এই!

গাড়ি চালা। - চালাচ্ছি, ভাই।

চল। এই!

থাম।

এই! এই, থাম।

এই। - একেবারে গেঁথে দেবো। সত্যি বলছি।

গেঁথে দেবো একদম।

তুই... You...

এই, তোর বাক্সটা ভেঙ্গে দিলেই, একবারে সোজা হয়ে যাবি।

কেন... - কীসের বাক্স, ম্যাম?

ওহ, এটা?

পালাচ্ছিস কোথায়?

হেই, আমার মালিক! বাসার মালিক আছে এখানে।

পেয়েছি তোকে।

না করছি কিন্তু।

আজ তুই শেষ। আয়।

হেই, মনে হচ্ছে, ভেতরে ধর্ষণ চলছে?

কোনো ধর্ষণ হচ্ছে না, ভাইজান।

ভেতরে তারা বহুত মজা-মাস্তি করছে, ভাই।

মজা-মাস্তি? চল দেখা যাক। - স্যার...

প্লিজ, থামুন, স্যার। - সর। মজা দেখা যাক।

স্যার... - চল দেখি।

থামলি কেন, হ্যাঁ? হাঁপিয়ে গেছিস?

হাঁপিয়ে যাই নি।

তোকে কখনো এত কাছ থেকে দেখি নি।

এত সুন্দর লাগে তোকে রাগ করলে?

রাগী চোখে তাকা! চল, রাগী চোখে তাকা!

মার। আরো জোরে মার।

এভাবে বললে তো তোকে মারতে পারবো না।

কে? - পুলিশ।

স্যার, আমার ওকে পছন্দ হয়েছে। আপনারা এখন যেতে পারেন।

কী?

আপনি এখানে শুধু শুধু কাবাব মে হাড্ডি হবেন না।

আমাদের অনেক কাজ আছে। চলে যান, স্যার।

বলেছিলাম না? প্রচুর মজা হচ্ছে, স্যার।

চলুন, স্যার। চলে যাই।

এবার বল।

কোথা থেকে এসেছিস তুই?

কী ব্যাপার?

প্রেমিকা পেয়ে নিজের কাকাকে ভুলে গেলি?

বাড়িতেও আসছিস না। শালা!

থামো, কাকা। চুলের স্টাইল নষ্ট হয়ে যাবে।

তাই নাকি?

তোর সাথে আমার কথা বলা দরকার। চল।

কী এটা?

খুলে দেখ।

এত টাকা? ওহ, ঈশ্বর।

কখনো ভাবি নি এত টাকা আমি জীবনে কোনদিন দেখবো, কাকা।

পুরোটাই তোর।

মজা কোরো না, কাকা।

তুমি নিশ্চয়ই মজা করছো।

এটা শুধু অগ্রীম।

কাজ শেষ হলে, আরো পাবি।

কাউকে খুন করতে হবে, কাকা?

খুব বড় মাপের লোক।

আমরা স্বাভাবিকভাবে খুন করতে পারবো না।

কিন্তু তার একটা সেকেন্ড সেটআপ আছে।

প্রতি বুধবার, সে সেখানে যায়।

ওখানে নিরাপত্তাও কম।

সহজেই খুন করতে পারবি।

লাইফ সেটেল হয়ে যাবে।

লাইফ সেটেল হয়ে গেলে, আমরা খুন করতেই পারি, কাকা।

"মার মুন্থা, ছোড় চিন্তা"

ওর নাম কী, কাকা?

নাম দিয়ে কী করবি?

খুন করার সময় তো দেখতেই পাবি।

এই, সবাই মিটিং এর জন্য প্রস্তুত?

আমাদের যতই সুখ্যাতি থাকুক, কাজ হবে না।

আমাদের ক্ষমতায় আসতে হলে

জনগণের মাঝে টাকা ছিটাতে হবে।

আমাদের লোকজন নিয়ে ওখানে গিয়ে হাঙ্গামা বাঁধিয়ে দে।

ওদের সভা যাতে না হতে পারে।

কে তুই?

পেড্ডিরেড্ডি তোকে পাঠিয়েছে?

এই কাসি বিশ্বনাথকে তুই বন্দুক দেখাচ্ছিস?

তোর এতই সাহস?

গুলি করার হিম্মত আছে তোর?

স্যার?

স্যার...

স্যার! - স্যার!

স্যার! - হায়, হায়...

স্যার!

ওগো!

কুমার শংকর। - স্যার!

স্যার। - হায়...

এই, ধর ওকে। - কী হয়েছে?

কে ছিলো এটা?

ধর ওকে। - উঠুন।

স্যার! - ধর ওকে।

স্যার!

কাকা। - কী ব্যাপার?

আমি যখন তাকে গুলি করলাম, সে হাসছিলো, কাকা।

তার ফ্যান হয়ে গেছি আমি।

সে একজন সত্যিকারের পুরুষ। - কেউ দেখে নি তো তোকে?

না।

তুই তোর প্রেমিকাকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যা।

বাকী টাকা আমি সংগ্রহ করে নেবো।

"Come, come. I am your love."

"Oh God! I am your rejection."

কী ব্যাপার শুনি? - বেরিয়ে আয়। তাড়াতাড়ি। যাবো।

কোথায়? - হানিমুনে।

বিয়ের আগেই কীসের হানিমুন?

এখন চলছে

আমাদের প্রথম হানিমুন। - তাই নাকি?

তারপর, বিয়ে হতেও পারে নাও হতে পারে।

যুগটাই এমন।

আমরা আর কী করতে পারি? শুধু তাল মিলিয়ে চলতে পারি।

এই! -চল। বাগা বীচে যাই।

বাগা বীচে কী করবি?

তোকে পাগল বানিয়ে দেবো।

আর স্বাভাবিক হতে পারবি না।

তাই না? - হ্যাঁ।

চাঁদনী। - হ্যাঁ।

আমি প্রতিদিন তোর চোখে তাকাতাম।

কিছু একটা ছিলো তোর চোখে। সেটা কী জানি না।

আজ আমি এটা গভীরভাবে দেখলাম।

তোর চোখের ভেতর

আমার স্বপ্নের বাড়ি দেখতে পেলাম।

২-৩ টা ছেলেপুলেও দেখতে পেলাম।

স্যার। - হ্যাঁ, ধরম।

শংকরের ঠিকানা পেয়ে গেছি।

কোথায় সে? - গোয়াতে।

এই, একটা বিয়ার দে। - দিচ্ছি, স্যার।

শংকর!

এই!

ওই দিক দিয়ে যাও।

চল।

এই! এই, দাঁড়া।

এই! - এই!

এই!

দাঁড়া।

এই, ম্যাগাজিনটা দাও। - এই যে, স্যার।

চলো।

বন্দুক নামান। বন্দুক নামান।

চাঁদনী। - গোয়া পুলিশ বলছি।

ধরো ওকে। - চাঁদনী।

ওঠো।

স্যার, আমি ডিসিপি। - চাঁদনী।

আপনার পাসপোর্ট দেখান।

চাঁদনী। - পাসপোর্ট।

বলছি, স্যার। -চাঁদনী।

চাঁদনী।

সে সাবেক-মন্ত্রীকে খুন করেছে।

সে পালিয়ে এখানে এসেছে।

ওঠো প্লিজ।

চাঁদনী।

কী হয়েছে, স্যার? - কী হয়েছে, স্যার?

চিন্তা করবেন না, স্যার। আমরা এটা নিচ্ছি।

তোরা কারা?

আমার চাঁদনী কী করেছিলো?

চাঁদনী! চাঁদনী!

চাঁদনী, তাকাও। চাঁদনী!

চাঁদনী!

চাঁদনী...

কী রে ব্যাটা, কান্না করছিস কেন?

কান্না করিস না।

গাছিবৌলি চলে এসেছে। নেমে যা।

কাকা।

আরে, তুই এখানে এসেছিস কেন? পুলিশ যদি তোকে দেখে ফেলে?

পুলিশ কিছুই করবে না, কাকা।

কিছু করলে, আমার বিশ্বস্ত কেউই সেটা করবে।

বাবা, তুই ধরা পড়ে জেলে ছিলি।

তোর প্রেমিকা মারা গিয়েছিলো।

আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম রে, ব্যাটা।

এত কষ্টই পেয়ে থাকলে

পুরো বছরে একবারও আমাকে দেখতে গেলে না কেন?

আরে। না। তেমন কিছু না, ব্যাটা।

আমি কাজে ব্যস্ত ছিলাম।

তুমি যখন বলেছিলে, লাইফ সেটেল হয়ে যাবে, ভেবেছিলাম আমাদের জীবনের কথা বলছো।

কিন্তু এখন বুঝতে পারছি যে সেটা শুধুই তোমার জীবন ছিলো।

কাকা...

বাচ্চাকাল থেকে, আমি তোমার সাথে বড় হয়েছি।

তুমি আমাকে যা বলেছো, চোখ বন্ধ করে আমি তা করেছি।

কাকা বলেছে, তাই আমার এটা করতে হবে।

এটা কি সত্যি নাকি মিথ্যা? - তা না, শংকর।

মাঝপথে আমার ভালোবাসা মারা গেলো।

আমি পুলিশকে কিছু বলি নি।

আমি কি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি?

তাহলে এ কথা বলছো কেন?

আমি তোমার কাছে জানতেও চাইবো না তুমি আমাকে কত টাকায় বিক্রি করেছো।

আমি শুধু একটা জিনিস জিজ্ঞাসা করবো।

তোমার পেছনে কে আছে? - আমিও জানি না, শংকর।

দুই তিনজন লোক আছে। এমনকি তারা আমাকে ফোনও করেছিলো।

আমাকে দেওয়া টাকাটাও কি তুমি

ফোনের মাধ্যমেই পেয়েছিলে?

হেই, বুঝতে পারছিস না আমি কী বলছি?

এসবের পেছনে রাঘব-বোয়ালরা আছে।

তাদেরকে যদি তুই ধরতে চাস

তারা আমাদের দুজনকেই খুন করে ফেলবে।

আমি মারা গেলে তো কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তুই যদি মারা যাস?

ওহ, ঈশ্বর।

আরে, কে আপনি?

চালাও, মা। সামনে চলো। - কে আপনি?

না! না, শংকর।

কাকা, আমরা পাবলিক প্লেসে আছি।

আমার কাছে মোটেও সময় নেই। তার নাম আমাকে বলো।

আমি বলবো না।

এই, চুপ। ওর পকেটে কী আছে দেখো।

হ্যালো, সারাহ, বলো।

অরুণ! কোথায় তুমি, অরুণ?

কী হয়েছে?

একজন লোক আমার গাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছে।

কী? - প্লিজ! তাড়াতাড়ি এসো প্লিজ।

আচ্ছা, আমি পুলিশ পাঠাচ্ছি। ওখানেই থাকো।

'হাই-টেক সিটিতে গাড়ি দুর্ঘটনায়'

'সন্দেহজনকভাবে মৃত্যবরণ করা লোকটিকে পুলিশ'

'হাওয়ালা প্রকাশ' হিসেবে শনাক্ত করেছে।'

সরাও।

তাকেই শংকর খুন করেছে, স্যার।

নাম কী ওর? - সে কাকা নামে পরিচিত।

তার আর শংকরের মাঝে সম্পর্ক কী?

সেই শংকরকে খুনের সুপারি দিয়েছিলো।

আপনি বলছিলেন, প্রকাশ নামে কেউ মারা গিয়েছে?

সেটা সিবিআই তদন্ত করছে, স্যার।

তার আর এই লোকের মাঝে কোনো সম্পর্ক আছে কি?

জানি না, স্যার। - জানার চেষ্টা করুন।

খুঁজে বের করুন। - অবশ্যই, স্যার।

হেই, সারাহ। এটা শোনো।

পিংকি, তুমি কাঁদছো কেন?

শংকরের কথা ভেবে আমি সত্যিই ভয় পাচ্ছি।

সে আমার সামনেই একজন লোককে খুন করেছে, অরুণ।

এটাই তার কাজ।

আর, সে তার গার্লফ্রেন্ড এর মৃত্যুতে হতাশায় আছে।

শংকর একজন অপরাধী।

কিন্তু ওর চেয়ে বিপদজনক লোক অনেকে রয়েছে।

আমার তাদেরকে খুঁজে বের করতে হবে।

তুমি এমন সব লোক নিয়ে কাজ করছো।

তুমি ছাড়া আমার আর কেউ নেই, অরুণ।

তোমার কিছু হয়ে গেলে, আমি সেটা সহ্য করতে পারবো না।

পিংকি!

আমিও জানি না কখন কী ঘটবে।

কিন্তু এটাই আমার কাজ।

আমার তদন্ত প্রায় শেষ।

তারপর আমি ছুটি নেবো।

দুই মাসের ব্রেক। আমরা বিদেশে যাবো।

১৪ই ফেব্রুয়ারী আমাদের বিয়ে।

'সাবেক মূখ্যমন্ত্রী কাসি বিশ্বনাথ এর খুনের মামলার আসামী'

'শংকর জেল থেকে পালিয়েছে।'

'পুলিশ তাকে খুঁজছে। '

'এই মামলায়'

'সিবিআই এর তদন্ত এখনো শেষ হয় নি।'

'এই অপরাধের আসল হোতা কে'

'সেটি এখনো একটি রহস্য। '

দেভা।

শুধু শংকর না

ওই পেডিরেড্ডি, ওর ভাই, সবাইকে জেলে যেতে হবে।

চাঁদনীর রুমের চাবি লাগবে আমার।

আমার স্বামী শহরে নেই।

আমিও জানি না সে কোথায় চাবি রেখেছে।

আপনার কাছে হাতুড়ি আছে?

কী জন্যে? - তালা ভাঙ্গার জন্য।

কতদিন পর তোকে দেখলাম!

প্রতিটা দিন আমি তোর জন্য কান্না করেছি, কারণ তুই পাশে ছিলি না।

তোকে একবার দেখলেই আমার মন খুশি হয়ে যেতো।

ঝুমকাগুলো পরলে তোকে দারুণ লাগতো।

এই ছবিটাও আমার তোলা।

আমাকেও মনে রাখিস। কেমন?

সেদিন তোদের গ্রামে খুব মজা করেছিলাম।

কোন উৎসব ছিলো এটা? বনালু?

ভাই, তোমার দেওয়া ফোনটা আমি ডিকোড করেছি।

আমরা তাকে খুঁজে পেয়েছি। - নাম কী ওর?

জামাল।

জামাল।

আজ সকালে, প্রধানমন্ত্রী আবার জিজ্ঞাসা করেছিলেন।

জি, স্যার। - কী চলছে এই কেসে?

তদন্ত বেগবান করুন। - জি, স্যার।

আমি দ্রুততম সময়ে ফলাফল চাই। - অবশ্যই, স্যার। ঠিক আছে।

জি। ওকে।

আমি বুঝতে পারছি না আপনারা কী করছেন?

আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, স্যার।

আমাকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

জি, স্যার। জি।

আমি শীঘ্রই ফলাফল চাই। - ঠিক আছে।

আচ্ছা! আচ্ছা!

এই, অরুণ কোথায়?

অরুণ, কেন্দ্র থেকে ফোন করে আমাকে মেরে ফেলছে।

সবকিছু তোমার তদন্তের ওপর নির্ভর করছে।

কাজ কতদূর এগিয়েছে? তুমি কোথায়?

স্যার!

আমি স্পটে আছি।

আমরা কেসটা প্রায় সমাধান করে ফেলেছি।

আপনি জানলে অবাক হবেন এই কেসের পেছনে কে আছে।

কে? তার নাম কী?

স্যার, আমি যদি বলি, ব্যাপারটা অবিশ্বাস্য মনে হবে।

তাহলে তাড়াতাড়ি বলো।

কেউ আসছে।

এক মিনিট অপেক্ষা করুন।

শংকরও এখানে।

রহস্যময় কিছু।

আমি আপনাকে পরে কল করছি। - ধ্যাত!

তুমি কি এখানে জামালকে খুঁজতে এসেছো? - হ্যাঁ।

তার সাথে আগে কখনো তোমার দেখা হয়েছে?

না। এখনই তাকে দেখছি।

তুমি 'হাওয়ালা প্রকাশ'কে চেনো?

আমার কাকা বাদে, আমি কাউকে চিনি না।

তাহলে তুমি ওইদিক থেকে এসেছো

আর আমি এসেছি এদিক থেকে।

তাহলে ওকে খুন করলো কে?

এটা একটা ফাঁদ।

স্যার, আমাদের এজেন্ট, মৃত্যুশয্যায়।

সেই এখন পর্যন্ত এই কেস তদন্ত করছিলো।

সম্পূর্ণ তথ্য তার কাছে।

বুঝতে পারছি না আমি এখন কী করবো?

যা দরকার করো, আমার তথ্যটা চাই।

নাহলে প্রধানমন্ত্রী আমাকে মেরে ফেলবেন।

জি, স্যার। ওকে, স্যার।

সারাহ, প্লিজ, শান্ত হও।

তোমার সাথে আমার কথা বলা প্রয়োজন।

সারাহ, প্লিজ শোনো।

অরুণ বলেছিলো তুমি স্মৃতি স্থানান্তর নিয়ে কাজ করছো।

টিভিতে একবার স্মৃতি স্থানান্তর নিয়ে তোমার সাইন্স মিট দেখেছিলাম।

আমরা কি এটা মানুষের ক্ষেত্রে করতে পারি?

সারাহ, তোমাকে জিজ্ঞাসা করছি। তুমি কি এটা মানূষের ওপর করতে পারবে?

আমরা এখন পর্যন্ত এটা করি নি। কিন্তু এটাই আমাদের আইডিয়া।

দিল্লি থেকে আমার ওপর প্রচুর চাপ আসছে।

আমার অরুণের স্মৃতি চাই।

তার কাছে কিছু গোপন তথ্য রয়েছে।

সেটা কী তা আমার জানা প্রয়োজন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তুমি কি অরুণের স্মৃতি নিয়ে

তার ভেতর স্থাপন করতে পারবে?

আমরা চেষ্টা করতে পারি কিন্তু সে মারা যাবে, স্যার।

তুমি কি তার মধ্যে এটা স্থানান্তর করতে পারবে? - সে মারা যাবে, স্যার।

সে মরে গেলেও সমস্যা নেই। সে একজন অপরাধী।

সে বেঁচে আছে না মরে গেছে তাতে কার কী এসে যায়?

সারাহ, আমাদের হাতে সময় নেই।

আমরা যদি একবার শুধু সফল হই

তুমি অরুণের স্মৃতি ফিরে পাবে।

তখন মনে হবে অরুণ এখনো জীবিত।

প্লিজ চেষ্টা করে দেখো।

জানি এটা করা অবৈধ।

কিন্তু আমাদের এটা করতে হবে। তার স্মৃতি সরিয়ে তার মাঝে স্থানান্তর করো।

প্লিজ। - ওকে, স্যার।

কোথায় আমি?

এই ব্যথা কীসের?

হারামিগুলো আমার বুকে গুলি করেছিলো।

তুমি কে?

সে কি বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে?

তুমি তাকে কারেন্ট শক দিচ্ছো কেন?

এই, তুমি...

আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছো কেন?

হাতকড়া?

আমাকে হাতকড়া পরিয়েছে কে?

তুমি? - না।

কে পরিয়েছে?

এই, কী হচ্ছে এখানে?

এই ইনজেকশন কীসের?

আমাকে যদি এটা দিস

আমি তোর বাড়িতে গিয়ে তোকে খুন করে আসবো বলে দিলাম।

তুমি যাও। এই, ধর ওকে।

হেই, ছাড় আমাকে। ছেড়ে দে।

কীভাবে ধরতে হয় তাও জানো না? - হচ্ছে টা কী?

চুপ।

চুপ। এই ছোট্ট ইনজেকশন কে এত ভয় পাচ্ছো কেন?

আমি ইনজেকশন দিতে মানা করছি কিন্তু।

তোকে আমি খুন করে ফেলবো। - চুপ করো।

কী দিচ্ছিস আমাকে? - চুপ।

না, না।

তুই...

কিছু একটা গড়বড় মনে হচ্ছে।

আমার যদি কিছু হয়

আমি তোকে খুন করে ফেলবো।

তাকে ঠিকভাবে দেখতে পাচ্ছি না কেন আমি?

আমার খুব ঘুম পাচ্ছে।

আমাকে কি ঘুমের ওষুধ দিয়েছো?

আমি তোদের প্রত্যেকের চামড়া তুলে নেবো।

চামড়া।

চামড়া।

চামড়া।

ডক্টর! সে প্রস্তুত।

স্যার, অপারেশন শেষ।

একটা ব্যাপার বলো আমাকে।

এরপর কী ঘটবে?

সমস্ত শক্তিশালী স্মৃতি হিপোক্যাম্পাসে জমা থাকে।

শংকরের স্মৃতি মুছে যাবে।

ধীরে ধীরে, অরুণের স্মৃতি তার মস্তিষ্ক দখল করে নেবে।

কিন্তু এতে কিছুটা সময় লাগবে। - ওহ!

তার মানে ধীরে ধীরে, শংকর তার অতীত ভুলে যাবে।

তাই না?

জি, স্যার।

'এই, মেরে চেহারা ভর্তা করে দিবো, শালা।'

'উল্টাপাল্টা কথা বলবি না।'

'আমরা হায়দ্রাবাদের মেয়ে।'

'বন্ধু হলে, তোর জন্য আমরা জীবন দিয়ে দেবো।'

'আর শত্রু হলে, জীবন কেড়ে নেবো।'

'কিডন্যাপ করার পর আমাকে কী করবি? '

'মেরে মাটিচাপা দিয়ে দেবো।'

'আমার ওপর এত রাগ তোর?'

'হ্যাঁ, গর্দভ।'

'তাই নাকি? সাহস থাকলে গুলি কর।'

'তুই আমাকে চিনিস না।'

'পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঝাঁজরা করে দেবো। '

'তাহলে পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঝাঁজরা করে দে।'

'এই! - গুলি কর! চল।'

'এই! - গুলি কর!'

'এই না, গাধা। - গুলি কর।'

'চাঁদনী হচ্ছে আগুন। আর আগুন নিয়ে খেলিস না।'

'তাই নাকি? কাকে গুলি করেছিস তুই?'

'কেন?'

'হারামি।'

'সত্যি সত্যি গুলি করে দেবো কিন্তু। আমাকে রাগাস না।'

'তোর মায়ের নাম যেন কী?'

'আমার মা কী করেছে? ওনাকে এখানে টেনে আনছিস কেন?'

'জিহ্বা কেটে দেবো, জানোয়ার। চরিত্রহীন হারামজাদা।'

'তোর চরিত্র আছে নাকি?'

'অবশ্যই আছে। - তাহলে আমাকে গুলি কর।'

'আমি যত খারাপ কথাই বলি না কেন, তুই আমাকে গুলি করবি না।'

'কারণ তুই আমার প্রেমে পড়ে গেছিস।'

'তোর বাবা, তোর মা'

'সবাইকে ছেড়ে তুই আমার কাছে চলে আসবি।'

'আমি সেটা জানি।'

'প্রেমে পড়লে তোরা সব মেয়েরাই এমন করিস। '

'আমি করবো না। তোর কী মনে হয়? আমি তোর প্রেমে পড়তে যাবো কোন দুঃখে?'

'তুই আমার প্রেমে পড়েছিস।'

'তুই আমার ফাঁদে পড়েছিস।'

'তুই কীভাবে জানিস?'

'ইস্মার্ট শংকর।'

'স্পেশাল দিমাগ।'

ওহ, ঈশ্বর!

হ্যালো? আমার কথা শুনতে পাচ্ছো?

আমার কথা শুনতে পাচ্ছো?

খুব বেশি ব্যথা করছে?

তোমার নাম কী?

তোমার নাম কী?

হ্যালো।

টয়লেটে যাবে?

হ্যাঁ। - দাঁড়াও। আমি খুলে দিচ্ছি।

সাবধানে।

ধীরে ধীরে। - এক মিনিট।

সাবধানে।

আমাকে কোনো প্রশ্ন করবে না।

প্রশ্ন আমি করবো।

তোমার নাম কী? - সারাহ।

তুমি কি ডাক্তার? - না। নিউরোসাইন্টিস্ট।

তুমি কি আমার কিডনি বিক্রি করে দিয়েছো নাকি?

আমার লিভার কেটে নিয়েছো? - না, না।

এই ব্যথা কীসের?

ব্যথা হচ্ছে? একটা ট্যাবলেট দিচ্ছি।

এই হাসপাতালের নাম কী? - এটা হাসপাতাল না, এটা একটা ল্যাব।

তুমি ডাক্তার নও, এটা হাসপাতাল না

তাহলে তোমরা নিশ্চয়ই লিভার কাটা পার্টি।

না, না। তুমি নিরাপদ স্থানে আছো।

এটা অত্যন্ত সংরক্ষিত এলাকা।

এটা সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন।

কী? - সিবিআই।

পুলিশ?

- এই, এই। - নড়বে না।

- নড়বে না। - কাঁচি ফেলে দাও।

তাড়াহুড়োয় কিছু কোরো না।

তুমি আমাদের সাথে থাকলে, সেটা ডিপার্টমেন্টের জন্য ভালো

সমাজের জন্য ভালো, অনেকের জন্য ভালো হবে।

- তাহলে আমার কী হবে? - কী?

মামা, জ্ঞান দিস না।

বিড়ালকে অন্ধ মনে করে, ইঁদুর অনেক লাফালাফি করেছে মনে হচ্ছে।

আমি বোকা নই।

শংকর। ওস্তাদ ইস্মার্ট শংকর।

এই, ধরো ওকে।

এই, গুলি কোরো না।

- আমি তোকে গুলি করব। - কর তাহলে।

স্যার, প্লিজ ধরুন ওকে।

- তার ঔষধ দরকার। সে ঝুঁকিতে আছে।

তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা দরকার। প্লিজ তাকে ফিরিয়ে আনুন।

ঠিক আছে, দ্রুত ধরো ওকে, যাও।

এই!

আমার হয়েছেটা কী?

ডাবল সিম কার্ড একটিভেটেড

স্যার! আমরা খুঁজছি, স্যার।

হ্যালো, কোথায়?

ওখানে কী করছো?

পেয়েছো তাকে?

বালের জীবন! ইউ-টার্ন নে।

দ্রুত ওই হারামিকে ধরো। পুলিশ যাতে জানতে না পারে।

মেমোরি ট্রান্সফারের ব্যাপারটা যাতে লোকে না জানে।

মানবাধিকার সমস্যা দেখা দিবে।

"Come, girl. Come, come..."

"Give me the lemon juice."

"I will come, dear."

"My Laddu like Palakova."

My Laddu like.. - Palakova.

My Laddu like.. - Palakova.

ভাই!

এটা কে?

ভাই, ইদানিং আমি একা ঘুমাতে ভয় পাই।

তাই আমি সাপোর্ট নিয়ে এসেছিলাম।

- এই, তুমি যাও। - এই, দাঁড়াও।

চেনো আমাকে?

হ্যাঁ, চিনি তো।

তুমিই তো জেল থেকে পালিয়েছো, তাই না?

টিভিতে তোমাকে দেখিয়েছিল।

ফটোতে আপনাকে সেই স্মার্ট লাগছিলো।

একে এখানে থাকতে হবে।

কী হয়েছে, ভাই?

এদিকে আয়। এটা দেখ।

তুমি এখানে গর্ত করেছো।

ভেতরে কী যেন ঢুকিয়েও রেখেছো। এসব কী, ভাই?

- আমি এসব করিনি। - তাহলে কে করল?

- পুলিশ। - পুলিশ?

ভাই, পুলিশ তোমার মাথার ভেতর সিম কার্ড ঢুকিয়ে দিয়েছে।

মাথার ভেতর সিম কার্ড? কী যা-তা বলছিস?

হ্যাঁ, ভাই। তুমি যেখানেই যাও না কেন, ধরা পড়বেই।

ভাই, চলো কাকাকে এই তথ্য জানাই।

কাকা নেই।

কাকা নেই? কোথায় গিয়েছে?

আমি তাকে মেরে ফেলেছি।

- তুমি কাকাকে মেরে ফেলেছো? - হ্যাঁ।

- আমার আরো একজনকে মারতে হবে। - কাকে, ভাই?

জানি না। কিন্তু আমার তাকে মারতে হবে।

ভাই, কী হয়েছে?

আমি সিগন্যাল এর মতো কিছু অনুভব করছি।

বলেছিলাম না, ভাই?

ওই সিম কার্ডের নাম্বারটা বলো, ভাই।

একটা মিসড কল দিলেই, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

এই, মাথাফাকা গর্দভ। যা তো।

ভাই।

- মেয়েটার কথা আমার মনে পড়ছে কেন? - কে, ভাই?

যে মেয়ে গর্তটা করেছে।

তাহলে, তার মাথায়ও একটা গর্ত করে দিয়ে আসি। চলো, ভাই।

ওইতো সেই মেয়েটা।

থাম! থাম! থাম!

তুই আমার মস্তিষ্কে সিম কার্ড ঢুকিয়েছিস? ওঠ বলছি।

- বাঁচাও, কেউ আমাকে বাঁচাও। - এই!

- কেউ। - এই! মেরে ফেলবো কিন্তু তোকে।

কী করেছিস তুই? আমার মাথা ঘুরছে।

১ সেকেন্ড, ১ সেকেন্ড।

আর কী অনুভব করছো?

আমি শক এর মতো কিছু অনুভব করছি।

দেখলে, এটা শক পাওয়ার মতো।

ভালো। এটা কাজ করছে। ১ সেকেন্ড! ১ সেকেন্ড!

কাজ করছে?

- আর কী অনুভব করছো? - তোকে খুন করতে মন চাইছে।

না, না। প্লীজ, আমরা আমার বাসায় যাব।

- কেন? - তোমার চিকিৎসা দরকার।

আমার কথা শোনো। তোমাকে দ্রুত একটা ইনজেকশন দিতে হবে।

এবার বলো, কী করেছো আমার সাথে?

স্মৃতি স্থানান্তর।

অরুণের স্মৃতি তোমার মস্তিষ্কে রাখা হয়েছে।

অরুণ মানে? ওইদিন যে মারা গেছে, সে?

হ্যাঁ। সে-ই।

সে কাসি বিশ্বনাথের হত্যা মামলার তদন্ত করছিল।

এবং সিবিআই প্রধান সত্যটা জানতে চায়।

তাই আমরা এই অপারেশন করি।

তার মানে, তার ব্রেইন আমি পেয়ে যাবো?

- হ্যাঁ। - তাহলে আমারটার কী হবে?

এখন পর্যন্ত তোমার জীবনে যা ঘটেছে

আস্তে আস্তে সব মুছে যাবে।

তাহলে আমার চাঁদনীর কী হবে?

তুমি তাকে ভুলে যাবে।

আমার ভালোবাসা?

সেটাও ভুলে যাবে।

তার মানে

যে ভালোবাসার জন্য আমি এতদিন বেঁচে আছি, তা ভুলে যাবো?

যে ক্রোধ নিয়ে আমি বেঁচে আছি, তা এখান থেকে চলে যাবে?

হ্যাঁ! ধীরে ধীরে তুমি অরুণ হয়ে উঠবে।

- তাহলে তুমি আমার মনে আসছো কেন? - আমি?

হ্যাঁ।

এই যে তুমি কোনো একটা বীচে আছো...

- আর কিছু? - তুমি আসছো কেন?

কারণ আমি অরুণের গার্লফ্রেন্ড।

তুমি এসো না। আমি তোমাকে চাই না।

আমি আমার চাঁদনীকে চাই।

প্লিজ, এখানে থাকো। তোমার যত্ন নিতে হবে।

সবকিছু ভুলে যাওয়ার আগে।

আমার তাকে মারতে হবে। আমি তাকে মারবোই।

হ্যালো।

স্যার, আমি মাত্র তার সাথে দেখা করলাম। এটা কাজ করছে।

কাজ করছে মানে?

- আমাদের অপারেশন সফল হয়েছে, স্যার। - ইয়েস।

ধীরে ধীরে অরুণের স্মৃতি তার মাঝে চলে আসছে।

সে তোমাকে কোনো সিক্রেট বলেছে?

না, স্যার।

সে তাড়াহুড়ো করে চলে গেল।

চলে গেল? কোথায় গেল?

শুনতে পাচ্ছিস?

এবার শুরু করা যাক।

তো কী হয়েছে, বস?

বাচ্চা নাকি রে তুই, গাধা?

ডিজে চালা।

এটা কী রে ভাই? এক মেয়ের ওপর আরেক মেয়ে।

ধুরো, ভয়ঙ্কর কিছু ঘটছে।

তুই ঠিকমতো ধরা খেয়েছিস।

আজ তুই আমার হাতেই মরবি।

আমি জানি তুই এখানে আসবি।

এজন্যই আমি খোলা রাস্তায় নাচছিলাম।

আজ থেকে নাচানাচি ভুলে যা।

এইটা তোর শেষ নাচ ছিল, শালা।

এই, আমার বেশি সময় নাই।

আমার মস্তিস্কে জায়গা নেই।

তাড়াতাড়ি তার নাম বল। আমি মনে রাখবো।

এই, আজ ওকে ছাড়িস না।

আমিও ছাড়বো না।

হলে আইথপুর, না হলে নারায়ণপুর। (এসপার-ওসপার)

স্যার, শংকরকে ধাবায় পেয়েছি।

নাম বল। আমার ভিলেন কে?

তোকে যে পাঠিয়েছে, তার নাম বল।

মেরে ফেলো ওকে। ছেড়ো না।

তাকে মারতে একটু কষ্ট হবে, কিন্তু আজ মেরে ফেলব।

হ্যাঁ, স্যার।

আমার কাছে যেন না আসতে পারে।

ঠিক আছে।

এই, এখানে মারিস না। মাথায় মারিস না।

মাথায়ই মারব।

যেখানে সমস্যা, ওখানেই মারবো।

মাথায় মারতে বারণ করলাম না, হ্যাঁ?

শালা।

কাজ শেষ করে আপনাকে ফোন করবো।

ওহ, ভগবান!

এই!

আরে গাধা, তোর হাতে তো বন্দুক নেই।

মুখ দিয়ে ঢিশা-ঢিশা করছিস কেনো?

ভয় পাইয়ে দিয়েছিস...

এইটা কী রে, ভাই? মনে হচ্ছে ডাবল সিম কার্ড ফোন।

এরকম কেনো?

কারণ, আমি এক আর ভিতরে আরেক।

ভাই, পুলিশ আসছে।

পালা! পালা! পালা!

ধরো সবাইকে।

পালা!

ওর মাথা ঠিক নেই। সে স্বাভাবিক না।

আরো অনেক পাগল মানুষ দেখেছি।

কিন্তু সে... সে অর্ধেক...

ভোজপুরি সিনেমার ভিলেনের মতো।

যেমনই হোক...

আমার কাছে যেন না আসে, সেটা দেখো।

আমার নাম যাতে না জানতে পারে।

আমরা ধ্বংস হয়ে যাবো।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বলতে কিছু থাকবে না।

- ছয় মাস পর নির্বাচন। - মামা।

চলেন খাবার খাবো।

এরা কারা?

আমাদের লোক। কাজে এসেছে।

ভাই, বাড়ি যাবো?

বাড়ি?

ঘর?

এবার বাঁয়ে মোড় নে।

ডানে চল।

সোজা যা।

এখানে থামা।

এটাই কি বাড়ি?

ভাই, এটা আমাদের বাড়ি না।

- তুই যা। আমি পরে আসবো। - ঠিক আছে।

কাজ করছে।

এটা তার ঘর।

মনে হচ্ছে আমি সব জানি।

তার ছবি।

বলেছিলাম।

তোমায় সেলাম।

যেভাবে বলেছিলে, সব সেভাবেই হচ্ছে।

তুমি মনের সাথে মন মিশিয়ে ফেলেছো।

এটা কাজ করছে।

প্রকাশ! জামাল...

এটা কী?

'সিবিআই তদন্ত'

'বলো শংকর, খুন করলে কেনো?'

'আমি খুন করিনি।'

'তোমার পিছনে কে আছে?'

'এটা আমিও জানতে চাই।'

'এসবের পিছনে কে আছে?'

'শংকর, সহযোগীতা করলে সেটা তোমার জন্য ভালো হবে।'

'বলো, কী হয়েছিলো?'

'আপনি বলুন কী হয়েছে?'

'পুলিশ কীভাবে জানলো যে, আমি ওখানে আছি?'

'তারা আমার উপর গুলি চালাতে শুরু করলো কেন?'

'আমার কাছে কি কোনো অস্ত্র ছিল?'

'আমার প্রেমিকাকে কেড়ে নিলে কেনো?'

'মি. ধরম, আপনাকে বলছি। আপনাকে কে কল করেছে?'

- 'একটা বেনামি কল ছিল। - কোত্থেকে এসেছিলো?'

- 'স্যার। - কোন এলাকা থেকে?'

'এ ব্যাপারে একটু বলতে পারবেন প্লিজ?'

আমরা অরুণের মস্তিষ্ক নিয়ে তার মাথায় স্থাপন করলাম কেন?

আমাদের কোনো গোপন কথা বলে কিনা তা দেখার জন্য।

সে এমনিতেই একজন অপরাধী।

যদি সে অরুণের মস্তিষ্কের অপব্যবহার করে?

সবাই বিপদে পড়ে যাবো।

স্যার, অরুণ বলছি।

সে অরুণের মতো কথা বলছে।

হ্যালো।

স্যার, আমার কিছু জরুরি তথ্য দরকার।

হাওয়ালা প্রকাশের একাউন্টে ২ কোটি টাকা ট্রান্সফার হয়েছিলো।

খোঁজ নিয়ে জানাতে পারবেন

যে এই টাকা কোথা থেকে ট্রান্সফার হয়েছিলো?

স্যার, এই তথ্যটি এই কেসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যাইহোক, তুমি এখন কোথায়?

কেনো, স্যার?

এই কেসের ব্যাপারে তোমার সাথে জরুরি কথা বলা দরকার।

বলো কোথায় তুমি? আমরা সবাই সেখানে আসছি।

- স্যার! - কী হচ্ছে?

অনেক কিছু হয়েছে, স্যার।

প্রথম সন্দেহভাজন হচ্ছে 'হাওয়ালা প্রকাশ'।

সে-ই পুলিশকে কল করেছিলো।

সে টাকা উত্তোলন করে

দ্বিতীয় সন্দেহভাজন জামালকে দেয়।

কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে, আমি সেখানে যাওয়ার আগেই তারা তাকে মেরে ফেলে।

পরবর্তী তদন্তে আমরা যে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারি তা হলো

এই সমস্ত টাকা যে কোম্পানি থেকে নেওয়া হয়েছিল তার নাম

অল ইন্ডিয়া এন্টারটেইনমেন্টস।

এই কোম্পানির চক্রের পেছনে কে আছে তা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে

আর এই ব্যাগই হলো প্রমাণ।

তুমি এই ব্যাগ কীভাবে পেলে?

তুমি এই ব্যাগ কীভাবে পেলে?

এটা? এটা জামাল কাকাকে দিয়েছিলো।

কাকা আমাকে দিয়েছিলো। আমি সেটা ওই মেয়ের বাড়িতে রেখেছিলাম।

অরুণ, তুমি কী বলছ?

এই অরুণ, তুমি কী বলছো?

অরুণ এখনও পুরোপুরি আসে নি।

তুই আমার মস্তিষ্ক নষ্ট করেছিস, তাই না?

- কে রে তুই? শালা! - দাঁড়াও...

- স্যার! - এই!

তুই বন্দুক তাক করলে, সে বাধা দেবে।

- গুলি কোরো না, গুলি কোরো না। - বলেছি না, হুম?

স্মার্ট।

মামা, শকুনি মামা!

আজ তুই শেষ।

আরে একটু মারতে দে, ভাই। সিবিআই?

থামো, শংকর। গুলি কোরো না।

তোদের প্রত্যেকের মাথায় গর্ত বানাবো।

- এই! গুলি কোরো না। - প্লিজ গুলি কোরো না!

সবার চল্লিশা পালন করবো আমি।

শংকর...

এই, তুই চল। গাড়িতে ওঠ। তোর সাথে আমার অনেক কাজ আছে।

- গাড়িতে উঠ। - শংকর...

ধুর ছাই!

- হ্যালো। - এই!

সে আবার শংকরের মতো কথা বলছে কেন?

স্যার, না, না। এটা মেমোরি রিকল।

এর মানে, অতীত থেকে তথ্য ফিরে আসা।

তিন ধরণের রিকল হতে পারে।

প্রি-রিকল! কিউ-রিকল!

- আর সিরিয়াল-রিকল! - এই, চুপ কর।

ধ্যাত্তেরি!

- কার সাথে কথা বলছিস? - স্যার, প্লিজ আমাদের পিছু নেবেন না।

- আমি তাকে দেখে রাখবো, বিশ্বাস রাখুন। - শুন।

ওই ইডিয়টের সাথে কথা বললে তোকে আমি মেরে ফেলব।

ধুর!

আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো?

মাথা দেখি ওর ভিডিওতে ভরপুর।

এই, ওঠ।

তোকে আনলাম কেন? আমার খেয়াল রাখার জন্য না?

- হ্যাঁ। - তাহলে আমার দিকে তাকা।

আমি মাঝে মাঝে কারেন্ট শক পাচ্ছি।

কিছুতে ঠুকে দিলে, তুইও মরবি।

শান্তিতে ঘুমাচ্ছে।

মুছে যেতে কত দিন লাগবে?

ইঁদুরের জন্য, ২-৩ দিন লাগে।

ইঁদুর? কীসের ইঁদুর?

আসলে যা আমি ইঁদুরের উপর করেছিলাম

তা প্রথমবারের জন্য মানুষের ওপর করেছি। তাই, আমি জানি না

কতদিন সময় লাগবে। - তো, আমিই প্রথম?

হ্যাঁ।

এবার, আমার স্মৃতি মুছে গেলে, তোকে পুরষ্কার দেওয়া হবে?

হ্যাঁ।

পুরষ্কারের জন্য তুই আমাকে কবর দিলি।

তোর উচিত ছিলো ওই সিবিআই প্রধানের মাথায় গর্ত করা।

আমার সাথে কেনো করলি?

- ওর নাম কী? - পরমেশ্বারান।

প্রথমে আমার তাকে কবর দেওয়া দরকার।

মনে কষ্ট না নিলে, একটা কথা জিজ্ঞেস করব।

বল।

- তুমি অপরাধী হলে কেন? - কী?

তুমি অপরাধী হলে কেন?

তোর কাকা কী করে?

কাকা মানে?

বাপের ভাই।

ওহ! উনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর।

জানিস আমার কাকা কে?

পাক্কা ফোর টুয়েন্টি।

হালায় টুট টুট টুট...

হারামজাদা...

মা**টুট

তুই বড় হয়েছিস বাসায়, আর আমি বড় হয়েছি ধুলা-ময়লায়।

হ্যাঁ।

মা! বাবা আবার জন্মেছে।

তার চেহারায় আমি তোর বাবার হাসি দেখতে পাচ্ছি, ব্যাটা।

তার জন্মে আমি খুশি হবো নাকি

তোর বাবার খুনী মুক্তভাবে ঘুরছে

সে কারণে দুঃখ পাবো?

মা।

এই, ওয়াদা কর যে তুই তোর বাবার খুনিকে মারবি।

মা, আমি বাবার কসম কাটছি।

আমি সেই খুনিকে আনবো

যার কারণে বাবার মৃত্যু হয়েছে আর তোমার সামনে

তাকে ছুরিকাঘাত করে টুকরো টুকরো করবো।

হ্যাঁ।

'এই, গাধা, এই বীচে তুই কী করছিস?'

মাছের ভেতর ছিদ্র করে

একটা লাঠি ঢুকিয়ে আগুনে পোড়াচ্ছি।

এটাতে মশলা মিশিয়ে আগুনে ফ্রাই করে

তারপর শীতল বাতাসে বসে খাব।

মারলি কেন?

কোনো খারাপ কাজ করে ফেলার আগেই মার লাগিয়ে দেওয়া আমার অভ্যাস।

আমি আবার কী করলাম?

আমি জানি তোর মনে কী চলছে।

আচ্ছা। আমার মনে কী চলছে?

মাছ খেয়ে, ওই মদ খেয়ে

আমাকে সমুদ্রে ভিজিয়ে, আগুন নিভিয়ে

এই চাঁদনী রাতে কিছু করার কথা ভেবেছিলি, না?

ওহ ভগবান। আমি একদম এরকমই ভেবেছিলাম।

তুই জানলি কীভাবে?

আমার মন স্ক্যান করেছিস?

সবকিছু যখন মুখেই দেখা যাচ্ছে তখন স্ক্যান করার কী দরকার?

এখানে, এমন কোনো পরিকল্পনা করিস না, ঠিক আছে?

যদি কিছু ঘটার হয় তা ঘটবে, নয়তো না।

যা-ই ঘটুক

তা দুর্ঘটনাবশত হওয়া চাই। এটুকুই।

তাহলে একটা দুর্ঘটনার প্ল্যান বানাই।

আমাকে কি বোকা মনে হয়?

তোকে এতদূর নিয়ে এসে, দুর্ঘটনার জন্য অপেক্ষা করব?

দুর্ঘটনার জন্য অপেক্ষা করতে করতে

কোন গাড়ি এসে

কোন গাড়িকে ধাক্কা দেয় কে জানে?

দেখ বলে দিচ্ছি তোকে, শোন।

আমরা বন্ধু। আমাদেরই একে অপরকে ধাক্কা মারা উচিত।

কী?

তোর জন্ম কীভাবে হলো?

- তোর কোনো লজ্জাশরম নাই? - না।

এই, তোকে বলে দিচ্ছি কিন্তু।

মন থেকে এসব ফালতু চিন্তাভাবনা ঝেড়ে ফেল।

ঝেড়ে ফেল। বুঝেছিস?

'ঝেড়ে ফেল। বুঝেছিস?'

অরুণকে মনে পড়ে?

হ্যাঁ।

মনে পড়লে কী করো?

আমি কাঁদি।

কতবার কেঁদেছো?

প্রতিদিনই কাঁদি।

কারণ, তার স্মৃতি তোমার কাছে সংরক্ষিত আছে।

কিন্তু, আমার চাঁদনী প্রতিদিন অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে।

আমি ওর জন্য আজ কাঁদবো, আগামীকাল কাঁদব

জানি না পরশুদিন ওর জন্য কাঁদতে পারবো কিনা।

এই কথাটা মনে পড়লেই, আমার কান্না পায়।

আমাদের জীবনে, প্রেম আমাদের সুখ দেয়।

প্রিয়জনের জন্য কান্নাও একই সুখ দেয়।

তুমি আমার থেকে সেই সুখ কেড়ে নিয়েছো।

আমি কোনো ভুল করলে, আমার চাঁদনী আমাকে কষিয়ে থাপ্পড় দিতো।

এখন আমি ভুল করলে, আমাকে কে মারবে?

তুমি এখানে কিছু লাগিয়েছ, তাই না? এটা সরাতে পারবে?

ব্যাথা করছে, সারাহ।

ওখানে না।

এখানে।

পিংকি।

কী বললে? অরুণ আমাকে এভাবে ডাকতো।

এই!

আমি চাই না। আমি তোমার অরুণ নই।

শংকর।

শংকর।

শংকর।

সারাহ, সে শংকর নাকি অরুণ? আমি নিশ্চিত হতে পারছি না।

কারণ সে একেক সময় একেক রকম আচরণ করছে।

সে আমার কাছে একটা ঠিকানা চেয়েছিল।

আমি তা তোমার কাছে পাঠাচ্ছি।

তাকে দিয়ে দিও।

- দেখা যাক সে কী প্রতিক্রিয়া দেখায়। - ঠিক আছে, স্যার।

সুপার।

একদম আসল ধর্ষণের মতো।

এই! কে তুই? এখানে এসেছিস কেন?

আমি এখানে সিনেমার নায়ক হতে এসেছি।

এটা অল ইন্ডিয়া এন্টারটেইনমেন্টস, তাই না?

এখানে কোনো কোম্পানি নাই। যা ভাগ।

নেই মানে, ভাই?

বাইরে বোর্ডে লেখা আছে যে, এখানে অডিশন চলছে।

আমিও অডিশনের জন্য এসেছি।

আমি খুব চমৎকার ডায়লগ মারতে পারি।

একটা চরিত্র দে, ভাই। আমাকে পর্দায় বেশ স্মার্ট লাগে।

এই তুই তো আমাকে খুন করেছিলি, তাইনা?

আমি তোকে কখন খুন করলাম? এসব কী?

তুই তো এখনো বেঁচে আছিস।

গল্প বলিস না, ভাই। আমার মস্তিষ্কের ভিতরে মস্তিষ্ক আছে।

এখন আমি, ওস্তাদ ডাবল ইস্মার্ট শংকর।

এ যেন বাইরে যেতে না পারে। একে আটকা।

আমাকে আটকাবি?

তোকে আমি 'বেগুনের ভর্তা' বানাবো।

- এই! - ওপরে।

কেমন লাগলো? কেমন লাগলো?

'পাঙ্গা মে পুঙ্গি'

তোকে টাকা কে দিয়েছে?

বল। তার নাম কী?

না, না। বলছি।

চলো, ভাই।

এই!

'এই, এদিকে তাকা। '

মদের নেশা এখন কাটেনি?

না, কাটে নি।

তোকে দেখে নেশা আরো চড়ে গেলো।

ফালতু কথা বলিস না তো, ফালতু কোথাকার।

আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে

তোর সাথে থেকে কেনো এভাবে মদ খাচ্ছি?

আমার বাবা-মা জানতে পারলে, আমার চাপা ফাটাবে।

কেন ফাটাবে? আমরা তো বিয়ে করবো, তাই না?

তুই? আমি?

খালি ফালতু কথা।

তুই আমাকে ভুলে যাবি আর সেটা আমি জানি।

তোকে ভুলে যাব?

এই, তোকে ভুলতে গেলে

এই শংকরকে নিজের প্রাণ দিতে হবে।

আজ আমি তোর সাথে।

হয়তো আগামীকাল অন্য কোনো মেয়ে আসবে।

তুই আমাকে ভুলে যাবি আর সেটা আমি জানি।

আরে না রে।

তুই ভুলে যাবি রে, একদম নিশ্চিত।

আমি জানি।

আমি জানি যে তুই আমাকে ভুলে যাবি।

'তুই আমাকে ভুলে যাবি, শালা।'

'নিশ্চিত।'

অরুণ, কী হয়েছে? তুমি ঠিক আছো?

এই রক্ত কীসের? কী হয়েছে?

পিংকি, তুমি আমার সাথে আছো। আমার কিছু হবে না।

আমি তোমাকে ভালোবাসি।

সে কি আমার নাম বলেছে?

না, স্যার। বলেনি।

আচ্ছা, ঠিক আছে।

তোরা কেউ ওকে স্পর্শও করিস না।

আমি ডিপার্টমেন্ট পাঠিয়ে

ওকে শেষ করার ব্যবস্থা করবো। - ঠিক আছে, স্যার।

এই সুরটা মনে আছে, সারাহ?

তোমার গত জন্মদিনে আমি এই টিউনটা বাজিয়েছিলাম।

মনে হয়ে আমি জানি কী হয়েছিলো।

সারাহ, আমার মনে কী আছে তা তোমাকে বলতে হবে।

বুলেটটা যখন আমার বুকে গিয়ে লাগলো

তখন আমার কেবল তোমায় মনে পড়ছিল।

আমি একপাশে পড়ে যাচ্ছিলাম

আর তোমাকে কিছু বলতে চাইছিলাম।

কিন্তু তুমি সেখানে ছিলে না।

আমার চোখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছিলো।

অজানা কোনো এক জগতে আমি চলে যাচ্ছিলাম।

মুহূর্তেই সব সুনসান হয়ে গেলো।

যখন আমার প্রাণ চলে যাচ্ছিল আর দম বন্ধ হয়ে আসছিলো

তখন আমার শেষ স্মৃতি কী ছিলো জানো?

তা ছিলো এই সুর।

আর তুমি।

গুলি বন্ধ করো। অরুণ বলছি, সিবিআই।

সিবিআই?

স্যার, আপনিই বলছেন?

হ্যাঁ, মি. ধরম। টাস্ক ফোর্স, সিবিআই, নর্থ জোন।

তোমরা এখানে কেন?

আমরা তথ্য পেয়েছি যে এখানে একজন অপরাধী আছে।

আপনাকে এই তথ্য কে দিয়েছে?

স্যার! বেনামী কল, স্যার।

আর কতবার একই কথা বলবেন, বেনামী কল?

- এই, জলদি সরে যাও। - এই!

সে কোনো সিবিআই না।

গুলি করো।

এখানে দাঁড়িয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছো কেন?

- মারো তাকে। - হ্যাঁ, স্যার।

হ্যালো, স্যার। অরুণ ফিরেছে।

- আমি বিশ্বাস করি না। - না, স্যার।

না। কিছুক্ষণ পরে বলবে যে, সে শংকর

এবং আবার বলবে সে অরুণ। - শংকর এখানে নেই।

সে পুরোপুরি অরুণ।

সে কী করছে?

স্যার, সে এখন একশনে আছে।

এই!

ভিয়াস! ভিয়াস!

এই, সে সবাইকে মেরে ফেলছে।

তাকে ছেড়ো না।

- এই! - সবাই ধরো ওকে।

- আমার সাথে কী করছো? - সারাহ।

- পিছিয়ে যাও! - কী করছো?

আমি ইনজেকশন চাই না। আমি নাম বলবো।

- আমি ইনজেকশন চাই না। - সারাহ, ইনজেকশন দাও।

- এই, অরুণ। - ইনজেকশন দিও না।

স্যার, আমি আপনাকে পুরো তথ্য দিবো।

আমি সব বিস্তারিত বলবো।

- সে বলছে, সে নাম বলবে। - হ্যাঁ, স্যার।

আমি আপনাকে পুরো তথ্য দিবো।

- বলো, বলো। - স্যার, কোনো দরকার নেই।

- তুমি ইনজেকশন দাও, সারাহ, জলদি। - না।

না, না। প্লিজ...

আমি বলছি।

ভালো করেছো।

আগামী ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত সে যেনো এভাবেই থাকে, ঠিক আছে?

সে জাগলে

একই ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেবে।

তাকে ঘুম পাড়ালে কেন?

আমরা এখন তথ্য পাবো কী করে?

তুমি শংকর নাকি অরুণ?

স্যার, আমি অরুণ, আপনার বিশ্বস্ত লেফটেন্যান্ট।

২.৫ মেটা ব্যাচের স্মৃতি স্থানান্তরিত হয়েছে।

এর মধ্যে কেসের ডিটেইলসও রয়েছে।

কাসি বিশ্বনাথের খুনের পিছনে কে আছে তা আমি জানি।

কে? কে?

- মি. রামমূর্তি, স্যার। - কী?

- রামমূর্তি? - হ্যাঁ, স্যার।

আমাদের ডিসিপি ধরম হলো রামমূর্তির পুতুল।

তাকে ব্যবহার করে, রামমূর্তি তার পরিকল্পনা কার্যকর করেছে।

এটা সুপরিকল্পিতভাবে তৈরী করা অনেক মানুষের সমন্বয়ে একটা চেইন

আর শংকর হলো তার শেষ টুকরো।

উনি শংকরকে মেরে চেইনটা ভাঙ্গতে চেয়েছিলেন।

ব্যক্তিগত প্রতিশোধ ছাড়া শঙ্কর

এই পর্দার পেছনের খেলার কিছুই জানে না।

সে অন্যসব ভাড়াটে খুনির মতোই।

আসল অপরাধী হলো রামমূর্তি।

আর আমাদের তাকে ধরা দরকার।

সে সিএম এর মামা। এত সোজা না।

সিএম ছেলের নামকরণ অনুষ্ঠানে বারানসি গিয়েছে।

রামমূর্তিও সেখানে আছে। আমরা তাকে সেখানে সহজেই ধরতে পারবো, স্যার।

আমার একটা পাকা পরিকল্পনা আছে, স্যার। এ ব্যাপারে আমার উপর আস্থা রাখুন।

- শংকর আবার আসবে না তো? - আসবে না, স্যার।

- নিশ্চিত তো? - জি, স্যার।

কীভাবে?

স্যার, দেবেন্দর এর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান তিনদিন পরই।

রামমূর্তী একবার হোম মিনিস্টার হয়ে গেলে

তারপর আমরা কিছুই করতে পারবো না। এখনই উপযুক্ত সময়, স্যার।

অরুণ, শংকরের মতো কথা বলো।

তারা যাতে সন্দেহ না করে।

হ্যাঁ, ধরম, বলো।

ধরম না, গরম।

- কে? - শংকর।

কি ভেবেছিস, আমাকে মারার পরিকল্পনা করলে আমি মরে যাব?

আমার কাছে সব প্রমাণ আছে।

- আমার টাকা চাই। - আমি শহরে নেই।

- ফিরে এসে তোর সাথে দেখা করবো। - এই, তুই।

তোকে বিরক্ত না করার অভিপ্রায় নিয়ে আমি এখানে এসেছি।

উপরে না, পিছে দেখ।

আমি।

কাকা! জামাল! হাওয়ালা প্রকাশ!

ধরম! তুই!

এটা হলো সিনেমা।

তোর কত টাকা লাগবে?

- দশ বিলিয়ন! - দশ বিলিয়ন?

দেখলি!

খুনের পরিকল্পনা যদি তুই করতি

তাহলে আমি কেবল ১ বিলিয়ন চাইতাম।

কিন্তু এটা সিএম করেছে, তাইনা? আমার কি দশ বিলিয়ন চাওয়া উচিত না?

প্রমাণ কী?

'- এই, ধরম। - স্যার!'

- 'এই! - স্যার!'

'জানি না তুমি কী করবে।'

'শংকর যাতে বেঁচে না থাকে।'

'কাসি বিশ্বনাথের হত্যার কথা যাতে প্রকাশ না হয়।'

'এই সহানুভূতি দ্বারা আমার প্রিয় একজন পরবর্তী সিএম হতে যাচ্ছে।'

'শঙ্কর এখনো বেঁচে আছে এমন খবর যদি প্রকাশ হয়'

'তাহলে সিএম আমাদের দু'জনকেই মেরে ফেলবে।'

'বুঝেছো?'

এটা ধরমের ফোন।

সে অটো কল রেকর্ড চালু করে রেখেছিলো।

শুধু এটা না।

তোর সাথে সব কথোপকথন এখানে আছে।

যা গিয়ে তাকে বল, তার শত্রু এসেছে।

শংকর! তুই এবার মরেছিস।

থামো। আমাকে তার সাথে কথা বলতে দাও।

কী ব্যাপার?

কোনো বড় মানুষ যখন কোনো ছোট মানুষকে মারে

তখন বড় মানুষটা মার খায় স্বয়ং পোছাম্মার হাতে। (Pochamma= দেবী, প্রধানত তেলেঙ্গানা এবং অন্ধ্র প্রদেশে তার পূজা করা হয়)

আমার রাস্তায় বাঁধা হলে, আমি স্বয়ং পোছাম্মাকেও ছাড়বো না।

এজন্যই তো তুই তোর বাবাকে খুন করেছিস।

তুই সিএম হয়েছিস, তোর বাবা যাতে কষ্ট না পায়

সেজন্য বাপের নামে নিজের ছেলের নাম দিয়েছিস।

আমি পদের জন্য আমার নিজের বাবাকে মেরেছি।

তুই কে রে?

আমাকে হুমকি দিচ্ছিস?

আমি সিএম।

অনেক হুংকার দেওয়ার পরও একজনকে গদি ছাড়তে হয়েছে

আর যে বাবুর্চি ছিলো তারও চাকরী চলে গেছে।

দেখলি, এখানে কিছুই স্থায়ী না।

তুই সিএম হলে কী? পিএম হলেই কী?

তুই টাকা দিবি নাকি দিবি না?

আগে বল, তুই চলে যাবি?

চুপচাপ চলে যাবো।

আমাকে কি পাগল মনে হয়?

বাইরে মামাকে রেখে এসেছি।

পকেটে বন্দুক আর শরীরে ক্যামেরা নিয়ে এসেছি।

আর কী চাস তুই?

এটা কি রেকর্ড হচ্ছে?

রেকর্ড হচ্ছে?

হচ্ছে। আমি আগেই বলেছিলাম তোকে। -দেখা আমাকে।

অডিও আছে, ভিডিও আছে

আর যা যা তুই বলেছিস সবই ভিডিওতে আছে।

এই, কয়জন আছিস? কয়জন?

সবাই কত করে চাস? - ম্যাডাম!

মামা, ওদের জিজ্ঞাসা করো ওদের কত টাকা চাই।

সে অনেক বেশি চাইছে। - যত টাকাই চাক।

ওর সাথে মীমাংসা করে নাও।

এই, তোর বাবার খুনী তোর সামনে দাঁড়িয়ে আছে

আর তাকে খুন না করে কীসের মীমাংসা করার কথা বলছিস?

মা, আমরা সবাই মিলে

আপনার স্বামীকে খুন করেছি।

এটা মীমাংসা করতে হবে না?

এই, কী করেছিস তুই?

তুই আমার স্বামীকে কী করেছিস?

তুই তোর বাবার সাথে কী করেছিস? -মা...

আপা... - বল।

তোর জন্মদাতা বাবাকে তুই খুন করেছিস?

মা, প্লিজ শান্ত হও। - দূর হ!

এই! - আপা...

আমার আপন ভাই হয়ে - মা, মা...

তুই আমার স্বামীকে খুন করেছিস? - মা, মা...

এই, তোরা কি মানুষ? - মা, মা...

তোরা পাপী। - মা, মা...

হায়, হায়। - মা, মা...

হায়, ভগবান।

আমার গর্ভে জন্ম নেওয়া কলঙ্ক তুই। - প্লিজ...

এই, শংকর।

তুই যা বলেছিস তা যদি সত্য হয়ে থাকে

ওকেও খুন করে ফেল।

ওকে খুন করার দরকার নেই, মা।

এতক্ষণ যাবত সবকিছু সব চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে।

মি. দেবেন্দর, আপনার খেল খতম।

ভালোয় ভালোয় আত্মসমর্পণ করুন। আমি অরুণ, সিবিআই।

মেরে ফেলো ওকে।

এই, আমরা সিবিআই। ওদের গ্রেফতার করো।

পিছিয়ে যাও! পিছিয়ে যাও! চলো।

দেভা, জানি না এটা রেকর্ড হয়েছে নাকি হয়নি।

এই সিবিআই এর লোকদের আমি বিশ্বাস করতে পারি না।

সরকারি নিরাপত্তাকেও না।

আমাদের লোকজন নিয়ে এখান থেকে চলে যাও।

যাও।

চল।

হেই, জানো আমি কে? তোমরা আমাকে গ্রেফতার করতে পারবে না।

আমাদের কাছে প্রমাণ আছে। আদেশ আছে। - কাকে বোঝাতে চাচ্ছেন?

চল, চল...

লাফ দাও। জলদি।

তুই আমার পদ কেড়ে নিতে চাচ্ছিস?

ওঠ।

মার শালাকে!

না।

- 'শংকরা। '

'শম্ভু।'

উস্তাদ ইস্মার্ট শংকর।

কোথায় আমি?

কী হচ্ছে এখানে? - শংকর?

আরে, আমাকে মেরেছে কে?

আমাকে মারছিস কেন? - শংকর।

ওকে ছেড়ো না।

সে তোমার চাঁদনীর মৃত্যুর জন্য দায়ী।

তুইই তাহলে আমার ভিলেন? - হ্যাঁ, শালা।

আমি ভিলেন।

এই! অনেক দিন হয়ে গেছে।

আমি পেদাম্মা মন্দিরে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। অনেক দিন হয়ে গেছে।

আমি মায়ের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে তুই আমার শিকার।

তুই আমার রাম।

আয়।

'আলতা' লাগিয়ে দিয়েছি।

মার, শালা।

শিভা!

আমি আমার রামকে চাই।

চল।

আয়।

আয়।

ইস্মার্ট শংকর।

'অভিনন্দন সারাহ। তোমার স্মৃতি স্থানান্তর সফল হয়েছে।'

'অরুণ জিতেছে আর শংকর তার প্রতিশোধ নিয়েছে।'

'তোমার এই অর্জনের কথা আমি এখনই পৃথিবীবাসীকে জানাতে পারছি না।'

'অনেক জটিলতা দেখা দেবে,'

'কিছুদিনের জন্য, তোমরা দুজনে আত্মগোপনে চলে যাও।'

এটা অসাধারণ।

ওয়াও!

সারাহ। - হুম?

আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারী।

তোমার মনে আছে আমি তোমাকে বলেছিলাম আজ তোমাকে বিয়ে করবো।

'১৪ই ফেব্রুয়ারী আমাদের বিয়ে।'

হ্যাঁ।

সারাহ, জানি আমি তোমার সৌলমেট।

কিন্তু দেহ আমার না।

তুমি কি তবু আমাকে বিয়ে করতে রাজি আছো? - আমি রাজি।

কিন্তু একটা মাত্র সমস্যা আছে।

অরুণ, তোমার হিপোক্যাম্পাসকে আমি বিশ্বাস করতে পারি না।

শংকর এর স্মৃতি এখনো তোমার মাঝে আছে।

এত সহজে সেগুলো মুছে যাবে না।

বিয়ের পর, যদি শংকর ফিরে আসে?

আমার কী হবে?

চুপ করো। মাথা খারাপ কোরো না।

জীবন আমাদের হাতে না।

কপালে যা আছে তা ঘটবেই।

একটা জিনিস মনে রাখবে।

"মার মুন্থা ছোড় চিন্তা।"

এই, কী বলছো এসব?

তুমি কি ভেবেছিলে শংকর ফিরে এসেছে?

আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। জানো?

না। তবে সিরিয়াসলি, তুমি আমাকে বিয়ে করবে?

হ্যাঁ।

এই পুতুল!

তুই হ্যাঁ বললে

গোলকোন্ডা দুর্গ পুনর্নির্মাণ করে তোর হাতে তুলে দেবো।

তোকে রাণী বানিয়ে সেই রাজপ্রাসাদে বসাবো।

কী বলিস?

যা, শালা।

তোর মতো অনেক ছেলে দেখেছি।

অনুবাদকঃ নূরুল্লাহ মাশহুর│তানজীদ আহমেদ

সাবটাইটেলটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি গুড রেটিং এবং ফিডব্যাক এর মাধ্যমে উৎসাহিত করবেন।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.