Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
পাইরেসি সমর্থন থেকে বিরত থাকুন। প্রিয় ইন্ডাস্ট্রিকে জীবিত রাখুন!
ইউটিউবের "Indian Movies With English Subtitle" চ্যানেল থেকে মুভিটি ডাউনলোড করুন
সাউথ ইন্ডিয়ান মুভির সাথে কানেক্টেড থাকতে কানেক্টেড হন আমাদের ফেসবুক পরিবারে
"ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ" Facebook.com/SouthFansBD
বাংলা সাবটাইটেলের সাথে কানেক্টেড থাকতে কানেক্টেড হন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে
"Bangla Subtitle" Facebook.com/banglasub
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
(নেকড়ে এবং মেষশাবক)
হায় আল্লা!
কে এটা?
কেউ মরে পড়ে আছে।
এ ভাই, বেঁচে আছে রে!
চল তাহলে।
এ, কেউ বোধহয় মেরে রেখে গেছে।
- কোনো কাটা-ছেঁড়া তো দেখতেছিনা! - কিন্তু রক্ত পড়তেছে।
- কী করতেছিস রে? - ফেসবুকে ছেড়ে দেই, দোস্ত!
আচ্ছা চল। সময় নাই আর।
ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক: "Firefly" কম্পোজার: ইলায়ারাজা
এমারজেন্সি। ডাক্তার কোথায়?
কী হয়েছে?
কেউ গুলি মেরেছে। রাস্তায় পড়ে ছিল।
- ফার্স্ট ফ্লোরে ডাক্তার আছে না? - সেকেন্ড ফ্লোরে, ৪ ডায়াল করেন।
তাড়াতাড়ি প্লিজ...
হ্যালো ডাক্তার?
একটা ট্রামা কেস, ডাক্তার।
না ডাক্তার। রোগী ভীষণ সিরিয়াস। একটা ছেলে এখানে এনেছে।
ওকে, ডাক্তার।
সরি স্যার। ডাক্তার একটা জরুরি অপারেশনে আছেন।
রোগীকে অন্য কোনো হাসপাতালে নিয়ে যান।
ডাক্তার মিথ্যা কথা বলতেছে রে!
- ডাক্তার... - কে রে তুমি?!
ডাক্তার, এমারজেন্সি। জলদি আসুন।
কে তুমি? এতো বড় সাহস? যাও!
- ক্রিটিক্যাল কেস, ডাক্তার প্লিজ। - ক্রিটিক্যাল? আমি পারবো না তাহলে। যাও!
ডাক্তার, রক্তনালীতে গুলি লেগেছে। খুব রক্তপাত হচ্ছে।
রক্তনালী? তুমি মেডিকেলের ছাত্র?
মাথা খারাপ হইছে নাকি? ডাক্তার হবে না তুমি?
গুলি লাগা মানে পুলিশ কেস...
পুলিশ কেসে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাও। বুঝছো?
বোঝার চেষ্টা করুন, সেসবের সময় নেই। জলদি আসুন না...
আমার কথা শুনবি তুই?
এটা অন্যায়, ডাক্তার। অপরাধ!
ক্রিটিক্যাল ব্যাপারে জলদি চিকিৎসা করাটাই আইন।
আইন শেখাচ্ছিস আমাকে? চোখের সামনে থেকে সর তো বাল! সর!
ট্রামা (Trauma) হলো বড় ধরণের কোনো আঘাত, যার ব্যবস্থা ঠিকমতো না নেওয়া হলে দীর্ঘায়িত বিকলত্ব, এমনকি মৃত্যু হয়। মোটর এক্সিডেন্ট, ছুরিকাঘাত, গুলির আঘাত ইত্যাদি হলো মেজর ট্রামার কারণ।
- স্যার, পুলিশ স্টেশন কোথায়? - কী হইছে?
লোকটাকে কেউ গুলি মেরেছে।
বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম, পুলিশকে জানিয়ে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলল। তাই...
তুই কোন এলাকার? লোকটাকে চিনিস কীভাবে?
তাকে আমি চিনিনা, স্যার। বন্ধুর বাড়ি থেকে আসার সময় রাস্তাতে পেয়েছি।
- এই সময়ে বন্ধুর বাড়ি কেন? - পড়া-শোনা করতে, স্যার। কালকে পরিক্ষা।
- তোর নাম? - বলতেছি তো লোকটা ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে।
অপারেশন করতে হবে।
- আপনার অনুমতি চাই, স্যার। - অনুমতি চাস?! - স্যার, লোকটা কষ্ট পাচ্ছে!
মুরুগেসান, এইটা বড়ো-সড়ো কেস। ইন্সপেক্টররে ফোন দেন।
স্যার, তার হাতের ঘড়ি কোথায় গেল?
কী যা-তা বলতেছিস?
- তোর নাম কী রে? - আমার নাম চান্দ্রু, স্যার।
- ইন্সপেক্টরকে কল করেন। তার সাথে কথা বলবো। - ইন্সপেক্টর ব্যস্ত এখন।
- স্যার, এখন কী করবো? - দুয়েক ঘন্টা বসে থাক ইন্সপেক্টর না আসা পর্যন্ত। - দুয়েক ঘন্টা?!
লোকটা জীবন নিয়ে লড়ছে, স্যার।
- মুরুগেসান, চাবিটা দেখছেন? - চাবি? না তো...
- ভালো করে খুঁজেন। - এইখানেই থাকে...
কই যে রাখছি!... খেয়াল হইতাছে না!
- প্যান্টের পকেটে দেখেন আগে। - প্যান্টের পকেটে নাই। আপনিও না!
ওই ভাই... সাহায্য করেন একটু!
এক মিনিট একটু ধরে থাকুন না...
আসুন না, ভাই!
নিন।
হে হে হে! তুমি ডাক্তার... তুমি ডাক্তার...
- চান্দ্রু... - ভাবী, আমার খিদে নেই। তুমি ঘুমাও।
- কাল পরীক্ষা কয়টার সময়? - সাড়ে দশটায়, ভাবী।
- তোমার ফোন বাজতেছে অনেক্ষণ ধরে। - কে?
হ্যালো? কে?
এই সময়ে কী চাও?
ডাক্তার, আমি একটা ভুল করে ফেলেছি...
কী হয়েছে?
- কি?? - ডাক্তার, আমি সব রেডি করে ফেলেছি।
কিন্তু... কীভাবে অপারেশন করবো বুঝতেছি না!
কী করেছো জানো? অপরাধ!
কতোবড় সমস্যা হবে জানো? তোমার ফ্যামিলির কী ঝামেলা হবে জানো?
মূর্খ! এতোদিন ধরে মূর্খকে শিখিয়েছি আমি!
- ডাক্তার... - ফোন রাখো!
- ডাক্তার? - চান্দ্রু, কী অবস্থা লোকটার?
ওকে। মাথায় কোনো চোট আছে?
ভালো, এখন বলো গুলি ঢুকেছে ঠিক কোন জায়গা দিয়ে?
(মেডিসিন নির্দেশনা)
গুলি বেরিয়েছে কোথা দিয়ে?
ভালো। গার্ডিং কোথায়?
গুলি ঢুকেছে কিন্তু বের হয়নি!
গার্ডিং দিয়ে গিয়ে...
গুলি স্প্লিনে আটকেছে। স্প্লিন বের করে নিতে হবে।
চান্দ্রু, তোমাকেই অপারেশন করতে হবে।
পেটটা পরিস্কার করো।
কীভাবে করবে এখন?
আচ্ছা, তুমি বাড়িতে কী করতেছিলে?
- মামা? - কি?!
- আপা এসে গেছে। - আমি জরুরি কলে আছি।
দেড় ঘন্টা কোনো বিরক্ত করবিনা। ঠিক আছে? যা!
চান্দ্রু... স্পিকার অন করো তো।
রোগীকে অসাড় করতে হবে আগে।
এখন খোলাখুলিভাবে বলো, কোনো নেশার ড্রাগ নিচ্ছিলে তুমি?
না ডাক্তার। আমি আসলে...
বলো রে... তুমি ড্রাগ নিলে লোকটারই ভাগ্য ভালো।
কাল ফাইনাল সেমিস্টার। তাই...
আসল কথায় আসো তো! বলো কোন ড্রাগ?
- কেটামিন। - গ্রেট!
প্রথমে তাকে ৮০ মিলিগ্রামের শট দাও।
ডাক্তার, কেটামিন?
পরিমাণের ব্যাপারে ঠিক জানিনা। কিন্তু কেটামিন হৃদপিন্ডের বাইরে রক্ত চলাচল ঠিক রাখে।
চান্দ্রু, তুমি এখন কোনো মেডিকেলের ছাত্র না। মনে করো তুমি ডাক্তার। সত্যিকারের ডাক্তার।
তুমি এখন একটা অপারেশন করবে। আর অপারেশন অবশ্যই সফল হবে।
তাকে বাঁচাতেই হবে। তাই নিজের উপর আস্থা রাখো।
শুরু করা যাক...
স্প্লিন (Spleen)কে বাংলায় বলা হয় প্লীহা, কথ্য ভাষায় পিলে (পিলে চমকানো, পিলের জ্বর...)। এটা বুকের বাম পাঁজরের নিচের দিকে থাকে। স্প্লিনকে শরীর থেকে সরিয়ে নিলে তেমন গুরুতর কোনো প্রভাব পড়েনা, শুধু ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।
উনি ঠিক আছেন, ডাক্তার।
আল্লাহ রহম করুক তাকে। আর তোমাকেও, চান্দ্রু।
পরে কথা হবে। গুড নাইট।
চান্দ্রু, ওঠ রে... পরিক্ষার সময় হয়ে গেছে। ওঠ চান্দ্রু।
দরজা খোলা রাখছিলি কেন?
টেবিলগুলোও ছড়ানো-ছেটানো?
কী হইছে?
- হ্যালো ম্যাডাম। স্যার আছেন? - আছে। আপনারা? - আমরা ভাস্করবাবুর সাথে দেখা করতে চাই।
- আসুন। - থ্যাঙ্ক ইউ।
মিঃ ভাস্কর? আমি লাল।
- আমি কী করতে পারি? - একটু বসে কথা বলি?
এই ছবির লোকটাকে আগে কখনও দেখেছেন, মিঃ ভাস্কর?
কারা স্যার আপনারা? কী চান?
তুমি?
চেনো নাকি?
না।
স্যার, আপনারা কারা? কী চান?
স্যার, আমরা সিবিসিআইডি থেকে এসেছি।
গতরাত এগারোটার সময় আমরা একজন গুরুতর অপরাধীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছিলাম।
সে পালিয়ে যাওয়ায় আমাদের অফিসার আইজ্যাক তাকে গুলি করে।
গুলি খাওয়ার পরেও সে পালিয়ে যায়।
আদিয়ার ফোর্থ এভিনিউতে রাস্তায় পাওয়া যায় তাকে।
একটা ছেলে তাকে বাইকে চড়িয়ে নিয়ে কাছের একটা হাসপাতালে ভর্তি করাতে যায়।
কিন্তু হাসপাতাল ফিরিয়ে দেয়।
তখন ছেলেটা মেডিকেল শপ থেকে ওষুধ কিনে লোকটাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসে...
...অপারেশন করে বাঁচিয়ে তোলে...
...সেইসাথে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে।
অপরাধীকে সাহায্য করা, অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধীকে সমর্থন করা...
...এইসব কারণের জন্য আপনার ভাই চান্দ্রুকে আমরা গ্রেফতার করছি।
অপরাধটা ঘটেছে আপনার বাড়িতেই। তাই আপনাকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে।
- স্যার?... - আর ম্যাডাম, আপনিও গ্রেফতার হচ্ছেন।
আপনি এই বাড়ি ছেড়ে যাবেন না।
এই ঘটনা কাউকে জানাবেননা।
তিনজন মহিলা অফিসার এখানে থাকবে।
তাদের কথামতো চলবেন।
চান্দ্রু, যাওয়া যাক?
- আপনারা সার্চ শুরু করুন। - জ্বি স্যার।
- ওনাকে কী কী করতে হবে ঠিকভাবে বলবেন। - জ্বি স্যার।
আসুন।
- ওল্ফকে কতদিন ধরে চিনেন? - কে?
যে অপরাধীটাকে বাঁচাইছিলেন।
সেবারই প্রথম দেখেছিলাম, স্যার।
ওল্ফকে কতদিন ধরে চিনিস?
স্যার, সত্যি বলতেছি স্যার। আমি জানিনা ওল্ফ কে।
প্লিজ, স্যার। বিশ্বাস করেন।
আমাকে যেতে দিন, স্যার। সত্যিই আমি ওল্ফকে চিনিনা...
এ ইডিয়েট! ভুল তোরই। তুই পুলিশকে জানাতে বলবি না ওকে?
বলেছিলাম। কিন্তু অতো সময় ছিলনা।
ও ছাত্র। বীরত্ব দেখানোর জন্য অপারেশন করেছে। আর তুই হেল্প করেছিস।
অশোক, ও খুব দায়িত্বপ্রবণ ছেলে। ও কোনো ভুল করেনি।
সঠিক জ্ঞান ছাড়া ওই অপারেশন করাটা অসম্ভব।
দারুণ একটা কাজ করেছে। বোঝার চেষ্টা কর।
আমাকে বোঝাতে আসিস না। ও অপরাধীটাকে পালাতে সাহায্য করেছে।
এটা অপরাধ!
কত কষ্ট করে ওল্ফকে ধরা হয়েছিল জানিস?
ভেতরে আসতে বলো।
উনি ডাক্তার মানিকাভেল। ওই ছাত্রটার এইচওডি।
ও বলছে যে জরুরি কেসে যে কেউ চিকিৎসা করতে পারে।
ও মেডিকেলের ছাত্র। মানবতার খাতিরে অপরাধীকে বাঁচানোতে নাকি কোনো সমস্যা নেই।
- তো? - আইনও একই কথা বলে।
- তাহলে ওকে ধরলেন কেন? - ভুল হয়েছে স্যার।
- দেখ... - এনাকে আগে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। - কি?! কীসের ভিত্তিতে?
স্যার, সেকশন ২০১, অপরাধীকে পর্যবেক্ষণ করা।
সেকশন ২০২, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রমাণ লুকানো।
সেকশন ২১৬, এমন অপরাধীকে বাঁচানো, যাকে ইতোমধ্যেই মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।
- এই সবকিছুর জন্য এনাকে এখনই গ্রেফতার করতে পারি। - পারলে করেন দেখি।
- পুরো প্রদেশের ডাক্তাররা মানববন্ধন করবে এখানে। - প্লিজ ডাক্তার, শান্ত হও।
- লাল?? - স্যার, আমি জানি আপনারা ঘণিষ্ঠ বন্ধু।
সেন্ট যোসেফে ছয় বছর ধরে একসাথে পড়েছেন।
তাকে তো সাপোর্ট করবেনই!
কিন্তু আমি তাতে বাধ্য নই।
তার ছাত্র কী করেছে জানেন? কিটামিন ব্যবহার করেছে।
রোগীকে অজ্ঞান করার জন্য কিটামিন ব্যবহার করতে ইনিই বলেছিলেন।
কিটামিন হাসপাতালে ব্যবহার করাটাও মাদক আইনে পড়ে।
তারপর অপরাধী পালিয়ে যাবার পরও ইনি পুলিশকে কিছু জানাননি।
এতোগুলো ভুল!
বন্ধু হিসেবে আপনাকে অনুরোধ করতেই পারে। কিন্তু আমরা ওসব অনুরোধের ধার ধারিনা।
ওল্ফকে ধরতে অনেক কষ্ট করেছিলাম, স্যার।
দু'বছর ধরে আমার টিম নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল!
ওল্ফ কতোগুলো খুন করেছে জানেন? ১৪ টা খুন!
যে করেই হোক তাকে ধরতে হবে। জীবিত কিংবা মৃত।
আর কোনো উপায় নেই। তাই প্লিজ তাঁকে বলুন কোনো ঝামেলা না করে আমাদের সঙ্গ দিতে।
আমি যাচ্ছি, স্যার। অনেক কাজ পড়ে আছে।
তাম্বা, ওই ছেলেটা কিচ্ছু জানেনা।
ছেলেটা সিবিসিআইডির হেফাজতে আছে।
ওল্ফ ওর সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
স্প্লেনেকটোমি অপারেশনের পর ৮ দিন ধরে বিশ্রামে থাকতে হয়।
আজকে ধরে পাঁচদিন হলো। আরও তিনদিন আছে।
তুমি ভেবোনা। ওল্ফ কাছাকাছিই কোথাও আছে।
জলদিই পেয়ে যাবো।
আটমাস ধরে খুঁজছি আমি। কিন্তু পাইনি।
ও নেকড়ে।
- নেকড়েকে মারা যায়, ধরা যায়না। - শহর ছেড়ে পালাতে তো পারবেনা।
ওল্ফকে চাই আমার।
আমি জানিনা কীভাবে কী করবেন।
কিন্তু ওল্ফকে আমার চাই।
পিচা, ওল্ফকে যদি ধরে আনতে পারেন...
- কত যেন দিতে চেয়েছিলাম? - ৫০ লাখ।
না... এক কোটি দিবো!
তাম্বা?
ওল্ফকে ধরেন।
আমার কাছে এনে দেন।
আমি তাকে জীবিত দেখতে চাই।
তারপর...
নিজের হাতে মারতে চাই!
স্প্লিন (প্লীহা) অপসারণ করার জন্য যে সার্জারি করা হয়, সেটাই স্প্লেনেকটোমি (Splenectomy)
এই!
এখানে আয়।
- হ্যালো? - দোস্ত?
- বল। - কোথায় তুই?
বাড়িতে নেই রে।
দোস্ত, থাঙ্গামিঙ্গালের নাইট শোয়ের টিকিট পাইছি। জলদি আয়।
না দোস্ত। আমি চেন্নাইতে নেই রে... মামার বাড়ি কাডালোরে আসছি।
কই?
- কই পাইলি এইটারে? - এটারে বলে ঘোরেল বুদ্ধি!
কেউ আসছিলো নাকি?
দুই ঘন্টা ধরে এখানেই আছি। কেউ আসেনাই।
কে?
- ওখানে কেউ আছে নাকি? - কেউ নাই।
দারুণ!
একদম দারুণ!
কিচ্ছু কইরেন না।
দূর থেকে দেখতে থাকেন।
কিছু একটা ঘটবে।
কেউ একজন আসবে।
পিচা... তাম্বার থেকে কী শুনলেন?
তাম্বার থেকে কিছুই পাইনাই, স্যার। বললো ওল্ফের সাথে নাকি তার কোনো সম্পর্ক নাই।
ধূর! তাম্বাকে বিশ্বাস করেন আপনি?
একদম না। কিন্তু কোনো যুক্তিও তো নাই।
তাম্বার আন্ডারেই ওল্ফ থাকলে তাম্বাকে গুলি করলো কেন?
আচ্ছা... আপনার থিওরিটা কী?
তাম্বাকে মারার জন্য কেউ হয়তো ওল্ফকে ভাড়া করছিলো।
এডওয়ার্ডের বাড়িতে যখন তাম্বা গেল ওল্ফ তাম্বাকে মারার বুদ্ধি করলো।
সঙ্গে বাকি দুজনকেও গুলি করলো!
আমি এটা মানিনা, স্যার।
তাম্বাকে ভালোমতো জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
লাল, এটা তোমার কাজ না। এটা পুলিশের কাজ।
- ওল্ফকে খোঁজো আগে। - তাহলে এডওয়ার্ডের পরিবারের কী হলো, স্যার?
ওল্ফের কাছ থেকে ফোন এসেছে, স্যার।
হ্যালো... কে বলছেন?
- হ্যালো, কে বলছেন? - আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাই।
- কে আপনি? - ওল্ফ।
ওল্ফ?
যে অপরাধীকে তুমি অপারেশন করেছিলে।
কী চান আপনি, স্যার?
- পুলিশ আমার ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করেছে? - না, স্যার।
কেউ তোমাকে পিছু করেছিল?
তাও না, স্যার।
দেখা করতে চাই।
কোথায় দেখা করতে চান, স্যার?
আজ রাত বারোটায় মধ্য কৈলাস মন্দিরের কাছের বাস-স্টান্ডটায় আসবে।
স্যার, আমি...
আমার কথা মন দিয়ে শোনো।
তুমি যাকে বাঁচিয়েছো...
...সে দুই বছর থেকে মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল।
একটা ভাড়াটে খুনি।
১৪ টা খুনের কেস আছে তার নামে।
তোমাকে সমর্থন করি আমি।
কিন্তু অপরাধীকে সাহায্যকারীর শাস্তি হওয়াটাই আইন।
যে অন্যায় তুমি করেছো তার শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে।
কিন্তু... তুমি বাঁচতে পারো...
...যদি তুমি চাও।
পুলিশকে সাহায্য করতে হবে তোমাকে।
আজ রাত বারোটায় ওল্ফ তোমার সাথে দেখা করার সময়...
...আমরা তাকে ধরবো।
শয়তানটাকে ধরার এটাই হলো সুবর্ণ সুযোগ।
যদি তুমি সাহায্য করো...
...তাকে ধরা সম্ভব।
- আমি কী করবো, স্যার? - খুন।
- ওল্ফকে গুলি করবে। - পারবো না, স্যার!...
আমি কীভাবে, স্যার?
চান্দ্রু, ওল্ফের মনে কখন কী চলে তা বলা যায়না।
পুলিশ তোমার সাথে আছে জানলে হয়তো দেখা করতে চাইবেনা।
তাই পুলিশকে দূরে দূরে থাকতে হবে।
আমরা সবাই ৫০০ মিটার দূর থেকে জায়গাটা ঘিরে থাকবো।
তবুও কোনো চান্স নেই।
ওল্ফ খুব ধূর্ত। যে করেই হোক এবার ওকে ধরতে হবেই।
- তাই তোমাকে গুলি করতেই হবে। - আমি পারবো না, স্যার।
দেখো, এর বয়স ১৮ বছর, চোখ পর্যন্ত নেই।
ওই ওল্ফ একেও মেরে ফেলেছে। মায়া-দয়া কিচ্ছু নেই।
তাকে বাঁচাতে চাচ্ছো কেন?
- তাকে মারতে হবেই তোমাকে। - স্যার প্লিজ, আমি পারবো না।
জেলে যাবে নাকি ডাক্তার হবে?
- আমি কোর্টে যাবো, স্যার। - ১০ বছরেও কোর্টের কেস শেষ হবেনা, ভাই।
আপনারা কি আমাকে ব্লাকমেইল করছেন?
এখনও শুরু করিনি।
যদি না বলো...
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারজন অফিসার কাল তোমার বাড়িতে যাবে...
তোমার ভাইয়ের ঘরে কেটামিন থাকবে।
কমপক্ষে ১০ বছরের জেল।
আপনিই বলুন, ডাক্তার। আমি কোনো ভুল করেছি?
ভুল না, অপরাধ!
তোর ভাইয়াকে বলতে পারতিনা?
বললে পুলিশের কাছে যেতে বলতো। অতো সময় ছিলনা তখন।
তুই তাকে বাঁচানোর কে? সে তোর কেউ হয়?
- আমি একজন ডাক্তার, ভাইয়া। - এখনও ডাক্তার হসনি।
হতে চাইলে পুলিশ যা বলছে তাই কর।
- তো আমাকে খুন করতে বলছো? - সমস্যা কী তাতে?
চান্দ্রু, লোকটা একটা খুনি।
তাই বলে তাকে মেরে ফেলবো, ভাবী?
তার সাথে তোর কোনো সম্পর্ক নেই, তার উপরে একটা খুনি...
তুই কি চাস তার জন্য আমরা কষ্ট পাই?
চান্দ্রু, ডাক্তার হিসেবে...
রোগীর জীবন বাঁচিয়েছো।
এখন সাধারণ মানুষ হিসেবে...
সমাজের জন্য... আইনের জন্য...
পুলিশের কথা শোনো।
ওল্ফ মরলে চলবে না।
পিচা, আমাকে বাহির হতে হবে।
তাম্বা, তুমি পুলিশি জিম্মায় আছো। বাইরে যাইতে পারবা না।
পুলিশ সবসময় নজর রাখবে। এমনকি আমিও তদন্ত করার বাহানা করতেছি।
- পিচা, আমাকে যেতেই হবে। - তাম্বা, আমার কথা শোনো।
চেষ্টা করবো।
- স্যার? - কিছু তো গন্ডগোল আছে, আইজ্যাক।
- কিছু একটা গরবর হচ্ছে। - ওল্ফ এবার পালাতে পারবেনা, স্যার।
ওল্ফ এখন নিরাপদেই লুকিয়ে আছে কোথাও।
শহর যে পুলিশ ঘিরে রেখেছে ও ভালো করেই জানে।
কিন্তু তবুও বেরিয়ে আসছে কেন?
এতো ঝুঁকি কেন নিচ্ছে?
- ছেলেটাকে হয়তো থ্যাংকস জানাতে... - থ্যাংকস ফোনেও জানানো যায়!
- ফোন নাম্বারটা ট্রেস করছো? - হ্যাঁ স্যার। তিরুবানমেয়ুর থেকে আসছে ওটা। কিন্তু এখন সুইচ অফ।
এখান থেকে ১ কিলোমিটার পর্যন্ত সব পুলিশকে এলার্ট থাকতে বলো। ওল্ফ যেন না পালায়।
এ মূর্তি, ট্রেন পেছনে যাচ্ছে কেন? থামা বলতেছি।
পেছনে যাইতেছিস ক্যান হঠাৎ? থামা ট্রেন।
স্যার, কন্ট্রোল রুমে জানায়ে দেন স্যার। ট্রেন যেন কোনো স্টেশনে না থামে। প্লিজ, স্যার।
বলদ বানিয়ে চলে গেল!
কন্ট্রোল রুমে বলে ট্রেনটা পরের স্টেশনে থামাই।
ওল্ফ পালাতে চাইবে। ওইখানেই গুলি করবো, স্যার।
একদম ফালতু বুদ্ধি!
- সম্মান দিয়ে কথা বলেন বলতেছি। - আমরা ভিমরুলের চাকে খোঁচা মারছি, স্যার।
কতোবার বলেছি ছেলেটাকে বলির পাঁঠা বানায়েন না!
শেয়ালের হাতে মুরগি তুলে দিয়েছেন আপনি!
ও ছোট ছেলে না, একজন মাদকাসক্ত।
ট্রেন থামিয়ে ওল্ফকে মারতে চাইলে ও ছেলেটাকেও মেরে দিবে, স্যার।
আপনি ছেলেটাকে সাপোর্ট করতেছেন কেন? ওই ব্যাটা ওল্ফকে সাহায্য করতেছে।
আদি, লাল- একটু শান্ত হও। এটা ঝগড়া করার সময় না।
আচ্ছা স্যার। ট্রেন বিচ স্টেশনে থামাই, ওল্ফকে মেরে দেই!
স্যার, ওল্ফকে মারতে চাইলে ও ছেলেটাকে মেরে ফেলবে।
লাল, তুমি চুপবে? ওল্ফকে মারতে হবে আমাদের।
- যাবো স্যার? - কোথায় যাবে? - বিচ স্টেশনে, স্যার।
বিচ স্টেশনে গিয়ে কী হবে? তামাম পুলিশ ডিপার্টমেন্ট তো ওখানেই জড়ো হইছে।
- ওখানে গিয়ে কী হবে? - ওল্ফকে ধরতে হবে, স্যার। - কে বলছে যে ওল্ফ ওইখানে থাকবে?
প্রথমে মধ্য কৈলাসের বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলছিলো ও।
কিন্তু আসলো রেল স্টেশনে।
- এখন বিচ স্টেশনে যাবে তার কোনো গ্যারান্টি আছে? - তাহলে কোথায় যাবে, স্যার?
ও পালাবে এখন।
স্যার, চলতি ট্রেন থেকে কীভাবে পালাবে?
স্যার, হাত উপরে তুলেন।
প্লিজ স্যার, হাত উপরে তুলেন, নাহলে গুলি করবো।
হাত উঠিয়ে হাঁটু গেড়ে বসেন, নাহলে গুলি করবো।
সিরিয়াসলি বলতেছি স্যার, পুলিশকে ধরা দেন। নাহলে গুলি করবো।
স্যার, ভালো-মতোন বলতেছি বন্দুক নিচে রাখেন। নাহলে ঘোড়া টিপে দিবো।
- এক... - দুই!
আমি জানি তুমি পুলিশের সাথে ছিলে।
এজন্যই তোমাকে ডাকছিলাম।
স্যার, আমার পরিবারকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।
ভাইয়াকে ড্রাগ ব্যবহারের জন্য ফাঁসিয়ে ফেলবে।
পুলিশে স্যারেন্ডার করুন, স্যার।
স্যার, আপনাকে আমি হেল্প...
কী আন্ডা শুরু করছেন এখানে? দুই মিনিট পরপর থামতে হচ্ছে!
আমার স্ত্রীর কার্ডিয়াক এরেস্ট হয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।
যদি ওর কিছু হয় পুরা পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে দেখে ছাড়বো।
ওল্ফ বিচ স্টেশনে আছে, এখানে গাড়ি আটকে রেখে কী হবে?
- স্যার, যান স্যার। - বালের জ্বালা যত্তসব!
আমার বউয়ের কিছু হলে পুলিশ কমিসনারের কাছে কেস করবো।
সবকটাকে জাহান্নামে পাঠাবো। শোন রে গোমূর্খের দল, আরেকবার আমার গাড়ি থামালে সব্বাইকে কচুকাটা করে ছাড়বো।
সবাইকে ছেড়ে দেন।
তাম্বা, তোমার হাসপাতাল থেকে বের হওয়া ঠিক হয়নাই। তুমি হাসপাতালে যাও, ওল্ফকে আমি ধরবো।
ফিরে যাবো? আমার অবস্থাটা দেখছেন?
মুতার জন্যও ব্যাগ নিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।
আমার বউও ছেড়ে গেছে আমাকে।
ওই ওল্ফকে শুধু মারতে চাই আমি।
আপনার বকবক শোনার আমার টাইম নাই।
- যুবা? - হ্যাঁ তাম্বা...
তোরা দুজন দক্ষিণটা দেখবি।
আমরা উত্তরে দেখবো।
পুলিশ ধরার আগেই যেন আমাদের হাতে পরে।
- পিচা, মন্দিরে আপনার লোকেদের কাছে বন্দুক আছে? - আছে।
ভালো।
স্যার, ট্রেনটা থামাইছি। ওল্ফও ছিলনা, ছেলেটাও ছিলনা।
আদি, সূর্য ওঠার আগে ওল্ফকে ধরা চাই।
আর কারও ব্যাপারে কোনো মাথাব্যথা নেই।
শহরের সব গাড়ি চেক করেন। ডাক্তার, এম্বুলেন্স, সাংবাদিক যেই হোক চেক না করে যেতে দিবেননা।
- জ্বি স্যার। - চলো সবাই।
কিছু জানতে পারছেন?
স্টেশনের লাশটা সনাক্ত করা গেছে। আইজ্যাক-সারাভানা গ্যাঙের লোক।
- সারাভানা? - সারাভানা হলো তাম্বার বন্ধু।
চান্দ্রু আর ওল্ফের দেখা করার বিষয়ে আমাদের ডিপার্টমেন্ট ছাড়া কেউ জানেনা।
তাম্বা জানালো কীভাবে?
ডিপার্টমেন্টের কেউ তো এসব ফাঁস করছে।
ওল্ফ পালাইছে, আর ভুগতেছি আমরা।
এই, কে রে তুই? এখানে বসে আছিস কেন?
- ওইটা কে তোর সাথে? - উত্তর দিতাছিস না ক্যান?
এই, তোর নাম কী রে? তোকেই বলতেছি।
থামান... গাড়িটা থামান।
এই, কোথা থেকে আসছেন?
অডিটর অফিস থেকে।
- এখন কোথায় যাচ্ছেন? - এ্যাডভোকেটের বাড়ি।
- এই সময়ে এ্যাডভোকেটের বাড়িতে? - এখনই এপোয়েন্টমেন্ট পাইছি।
- ওখানে যাচ্ছেন কেন? - আমার কুকুর হারায়ে গেছে।
স্যার, এখানে আসেন তো। ঠিকমতো জবাব দিতাছে না।
- কী সমস্যা? - কেমন করে যেন কথা বলতেছে, স্যার।
- ভেতরে কী আছে? - কিচ্ছু না।
এদের দুজনের দিকে নজর রাখো তো।
এই! জোড়া খুনের কেসে তুই ধরা পরছিলি না?
হাসপাতালে ছিলি না? বাইরে এলি কীভাবে?
পারমিশন আছে?
ও, আছে!
তাড়াতাড়ি।
কতজন অফিসার আছে ওখানে?
পুরো এরিয়া সার্চ করছো তো?
ওকে... ঘন ঘন খবর দিতে থাকো।
ঠিক আছে তাহলে...
- পুগা, এক মিনিট... লাইনে থাকো। - পিচার ফোন রেকর্ড পেয়ে গেছি, স্যার।
গত দুদিন থেকে পিচাকে একই নাম্বার থেকে বারবার কল করা হয়েছে।
সবগুলো কল একই টাওয়ার রেঞ্জ থেকে।
গত এক ঘন্টায় পিচা এই নাম্বারে দুইবার কল করেছে, স্যার।
- কোন টাওয়ার রেঞ্জ? - আরাপুরাম, স্যার।
চলো তাহলে।
পুগা, আমরা আরাপুরাম এরিয়াতে যাচ্ছি।
আরও কয়েকজনকে পাঠাও। কন্ট্রোল রুমে জানিয়ে দাও।
মানিব্যাগ বের করো।
মানিব্যাগ বের করো।
টাকা বের করো।
ওই ভিক্ষুকটাকে দিয়ে এসো।
কেন স্যার?
আচ্ছা, যাচ্ছি স্যার।
এডওয়ার্ড...
আমার কাছে এসো না। এখান থেকে যাও, বাবা।
এডওয়ার্ড??
হ্যাঁ।
- এসো। - আমি হাঁটতে পারবো না, বাবা।
ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক: "Compassion" কম্পোজার: ইলায়ারাজা
- স্যার, এনাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া লাগবে। - তাকে এখানে থাকতে হবে...
- ...যেন পুলিশ আমাদের না আটকায়। - অনেক রক্ত পড়ছে, স্যার।
কিছুক্ষণ পর তুমি নিজেই হাসপাতালে নিয়ে যেয়ো।
এডওয়ার্ড... কার্তি আর ওর বাবা কেমন আছে?
ওরা দুইজন তোমাকে কীভাবে খুঁজে পেলো?
কাল দুপুর দুইটায় ওরা দুজন এসে বললো...
...তোমার নাকি এক্সিডেন্ট হইছে।
কিন্তু আমি যাইনাই।
তারপর রাতে আবার এসে আমাকে অনেক মারলো।
বললাম যে তুমি কোথায় আমি জানিনা।
পা পুড়িয়ে ফেললো।
মারলো অনেক।
শেষ পর্যন্ত তোমার ব্যাপারে বলেই দিবো ভাবলাম।
তারপর কেউ আমার বুকে মারলো লাত্থি, অজ্ঞান হয়ে গেলাম।
জ্ঞান ফেরার পর দেখি এই মন্দিরে।
- থামেন। হেলমেট কোথায়? - ভুলে গেছি।
- লাইসেন্স দেখান।
কোত্থেকে আসতেছেন?
সাত্যাম থিয়েটার।
- বাড়ি কোথায়? - আলান্দুর।
- টিকেট দেখি... - ফেলে দিয়েছি।
- ব্যাগের মধ্যে কী আছে? - কিছু না।
- ব্যাগ দিন চেক করার জন্য। - ব্যাগে কিছু নেই, স্যার। - এই, দে!
স্যার!
- আল্লা রে! - মাগো! - স্যার!
লাল, সংক্ষেপে বলে ফেলো। বেশি সময় নেই।
ছয়দিন আগে এডওয়ার্ডের মা একটা মন্দিরের সামনে বসে ছিল।
সেদিনই ওল্ফ আমাদের গুলি থেকে বেঁচে যায়।
ওল্ফ ওই মহিলাটাকে অন্য কোথাও সরিয়ে নিয়ে গেছিলো।
সেরকমভাবেই ওল্ফ ওই পরিবারটার অন্য সবাইকে বাঁচিয়েছে।
ও এরকম কেন করছে?
- তার সাথে ওই পরিবারটার কী সম্পর্ক? - তা জানিনা, স্যার।
এই কিছুক্ষণ আগেই ওল্ফ মহিলাটাকে মন্দির থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে গেছে।
- কোথায়? - পরিবারের অন্যরা যেখানে আছে, সেখানে।
- তো ওই পরিবারটাকে খুঁজে পেলেই ওল্ফকে খুঁজে পাওয়া যাবে। - চলো তাহলে।
বিজিএম: "Somebody loves us all" কম্পোজার: ইলায়ারাজা
- এডওয়ার্ড? - বলো।
প্রসাব করবো, বাবা।
স্যার...
- আপনার বামে একটা পাথর আছে। - কি, বাবা?
আপনার বামে একটা পাথর আছে, দেখেন স্যার।
- আস্তে করে তুলে নিন। - না বাবা। ওর কাছে বন্দুক আছে।
- স্যার, নিন না... - আমার ভয় করছে, বাবা।
এডওয়ার্ড...
পানি...
পানি...
পানি...
ওনাকে একটু পানি দাও।
খুনি! মর!
ওনাকে ছেড়ে দিন, বাবু। দয়া করে ছেড়ে দিন, বাবু। এডওয়ার্ডকে ছেড়ে দিন...
ও খুনি! আপনি ওকে সাপোর্ট করছেন?
ও খুনি না, বাবু।
একে বাঁচানোর জন্য আমি কত কষ্ট করেছি! এর জন্য আমার পরিবারকে পুলিশ ধরেছে।
এডওয়ার্ড... কোথায় তুমি, বাবা?
ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক: "Growl" মিউজিক কম্পোজার: ইলায়ারাজা
- ওনাকে গুলি করলেন কেন? - ধর একে...
ধররে একে, ধর...
ছেড়ে দিন... ছেড়ে দিন...
♫ যাওয়ার পথ- দূরে আর নয়! আমাদের জীবন- বোঝা তো নয়! ♫
♫ সহায়ক হও! ♫
♫ কাল বলতে কোনো কিছু নেই! ভালো-খারাপ কোনো তফাত নেই! ♫
♫ চোখে তো- কোনো জ্যোতি নেই! পৃথিবীতে আমাদের- কোনো প্রভু নেই! ♫
♫ হাত ধরো সবে! ♫
♫ জাতি, সমাজ বলতে কিছু নেই! নীতি, বিচারের কোনো প্রয়োজন নেই! ♫
এডওয়ার্ডের বাবা?
এডওয়ার্ডের বাবা?...
- নমস্কার মা। - ধন্যবাদ, বাবু।
আমাদের কেন ধন্যবাদ, মা? কোনো মানুষ বিপদে পড়লে অন্য মানুষের দায়িত্ব তাকে সাহায্য করা।
আপনার স্বামীকে এনে দিলাম। আমরা যাচ্ছি, মা।
- এডওয়ার্ড স্যার? - বলুন।
এই নেন আপনার ব্যাগ।
ব্যাগ তো শুধু টাকায় ভর্তি। আমাদের ও জিনিস দরকার নেই।
আবার দেখা হবে, স্যার।
♫ যাওয়ার পথ- দূরে আর নয়! আমাদের জীবন- বোঝা তো নয়! সহায়ক হও!... ♫
- কী পেলে? - নতুন কেউ আসেনি, স্যার।
- এরিয়া পুরোটা দেখেছো তো? - একদম চিরুণি তল্লাশি করেছি, স্যার।
- এই এরিয়ায় কোনো মসজিদ বা গীর্জা আছে? - একটা দরগাহ আছে, স্যার।
- চান্দ্রু?! - আমি ওল্ফকে গুলি মেরে দিয়েছি, স্যার।
তুমি কোথায় এখন? ওখানেই থাকো, আমি আসছি।
চলো...
বিজিএম: "I killed an angel" কম্পোজার: ইলায়ারাজা
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
এ... কে রে?
হাত তোল, নাহলে গুলি খাবি।
কী করতেছিস?
কিছু করতেছি না, স্যার। ভয় পায়ে গেছিলাম, তাই...
- কী করতেছিস এখানে তুই? - স্যার...
লাগতেছে স্যার। ছেড়ে দেন, স্যার।
কী করতেছিস এখানে? আর কেউ আছে নাকি?
- না স্যার। আর কেউ নেই। - সিংগারাম, এই মালটারে দ্যাখ!
কী করতেছিস এখানে?
- কাজের জন্য আসছি, স্যার। - কীসের কাজ? খুইল্যা বল তো শুনি...
ব্যাপার কী খুলে বল তো...
- দেহব্যবসা, স্যার। - ব্যাপার না। আরও একটু বল।
- আরও কী শুনতে চান, স্যার? - সবকিছু শুনে ছাড়বো আজ!
- কার্থি কোথায়? - ওখানে...
- হায়রে! - কোথায়? - এখানেই তো ছিল!
এডওয়ার্ড ভাইয়া!
ওখানেই থামেন। কাছে আসবেন না।
আর এক পা এগোলে মেয়েটা ভেসে যাবে।
- এডওয়ার্ড ভাইয়া? - ছোটভাই, বাচ্চাটাকে যেতে দেও না...
- কতো কষ্টে আছি আমি জানো? - আমি কতো কষ্টে আছি জানেন?
ওই লোকটার জন্য আমার পরিবারসুদ্ধ জেলে গেছে।
পুলিশ টাকা পেলেই ছেড়ে দিবে।
ছেড়ে দেও না ভাই। সকালেই ওরা চলে আসবে।
চুপ করেন।
এই... ফেলে দিবো!
আপনি খুনি। আমাকেও খুনি বানায়েন না।
বন্দুক ফেলে দেন।
বন্দুক ফেলেন বলতেছি।
এডওয়ার্ড ভাইয়া...
পিস্তল আমাকে দেন।
এই, এইদিকে দেন।
মাটিতে শুয়ে পড়েন।
শুয়ে পড়েন।
আপনি আসেন, ছুরিটা নেন।
ছুরিটা নেন।
শাড়ি ছিঁড়ে ওনার হাত বাঁধেন।
এ! ছুরি নিচে ফেলেন।
যান, ওনার হাত বাঁধেন।
আপনার হাত দেন।
এই! টাইট করে বাঁধেন।
জলদি।
শক্ত করে...
মহিলাটা কোথায়?
ওই স্বামী-স্ত্রী কোথায়?
কবরস্থানে।
কোন কবরস্থানে?
ক্যালভারি কবরস্থান।
স্যার...
পিচা?
পিচা? ওল্ফ কোথায়?
হাসপাতালে নিয়ে চল রে...
নাহলে মরে যাবো আমি!
এই...
ওরা পুরো পুলিশ ফোর্সকে ঘোল খাইয়ে পালিয়ে গেছে, স্যার।
স্যার, ছেলেটার কোনো দোষ নেই।
- ওল্ফ ওই ছেলেটাকে ব্যবহার করছে। - চুপ! একদম চুপ!
ও নির্দোষ সেটা তুমি কীভাবে জানো?
খাঁকি পোশাকের কোনো মর্যাদাই থাকলো না। পুরো রাত ধরে ওল্ফ আমাদের সাথে কাবাডি খেলল!
আমি কিচ্ছু জানিনা। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওকে মারতে হবে।
নাহলে সব্বাইকে ট্রান্সফার করবো। বুঝছেন?
- আমরা কি হেরে গেলাম, আইজ্যাক? - না, স্যার।
চেষ্টা চালিয়ে যাবো, স্যার।
না আইজ্যাক।
ওল্ফেরই জয় হলো।
কালকেই আমরা দুজন চাকরি ছেড়ে দিয়ে...
- আজকে কত তারিখ, আইজ্যাক? - পাঁচ, স্যার।
- আড়াইটা বাজে। এখন বলো কত তারিখ। - ছয়।
৬ জুন। অন্ধের কেসটা আজকের তারিখেই এসেছিলো না?
স্প্লেনেকটোমির পর একজন রোগীকে কতদিন বিশ্রাম নিতে হয়?
- আটদিন, স্যার। - তাহলে ওল্ফ আজ কেন বের হলো?
তার মানে ৬ জুন একটা গুরুত্বপূর্ণ তারিখ। এজন্যই আজ বের হয়েছে।
৬ জুন...
ওল্ফ বেরিয়ে এসেছে...
এডওয়ার্ড ফ্যামিলিকে জড়ো করেছে...
- এডওয়ার্ড রোমান ক্যাথেলিক নাকি? - হ্যাঁ, স্যার।
- এই এরিয়ায় কোনো রোমান ক্যাথেলিক গোরস্থান আছে? - ক্যালভারি কবরস্থান।
চলো।
এই... ফোনটা দেন।
- বসে পড়েন। - আমার কথা শোনো।
আমাদের ছেড়ে ভেগে আসার সাহস কীভাবে পেলি?
এই সিঙ্গারাম, ওল্ফ রে!
- এ, তুই একে পালাতে সাহায্য করতেছিলি? - স্যার, একে আমিই তো ধরলাম।
- পিস্তলটা দে। - আপনাকে আমি বিশ্বাস করিনা, স্যার।
- কমিশনারকে আগে ডাকেন। - ওয়াকি-টকিটা নিয়ে আয় তো।
তাড়াতাড়ি আয়।
- স্যার, আপনি তো প্রমোশন পাবেন। আমাকেও একটু... - চুপ!
কন্ট্রোল রুম? আমি ই-থ্রি এসআই বলতেছি।
আমরা ওল্ফকে পেয়ে গেছি।
স্মিথ রোডে আছি।
যাও। ওকে রেখে পালাও।
কে রে তুই?
বস।
- পেয়ে গেছি। - জীবিত?
যুবা, সবাইকে ধরছিস?
- ওরা দুইজন কোথায়? - ওরা দুইজন কোথায়?
কবরস্থানে।
কোন কবরস্থান?
সেন্ট থোমাস কবরস্থান।
ওই দুইজন সেন্ট থোমাস কবরস্থানে আছে।
খুঁজে বের কর।
আমার পুরো পরিবারটাকে চাই।
সবগুলোকেই মারবো।
দেখে যেন ওল্ফ কাঁদে।
ওল্ফের কান্না দেখে যেন আমি হাসি।
তাম্বা কত দিবে তোকে?
আমাদের ছেড়ে দে। তার চেয়ে দ্বিগুণ দিবো।
তুইও তো ভাড়াটে খুনি। আমাদের নিয়ম-নীতি জানিস।
তাম্বার কোনো নীতি নেই।
একদিন তোকে মারার জন্যও অন্য কাউকে পাঠাবে।
পাঠাবে না।
তাম্বার সাথে তোর মতো প্রতারণা করবো না আমি।
আমরা মেশিন নাকি? বাঁচতে পারবো না?
বেঁচে থাকা পর্যন্ত আমরা মেশিনই।
আমি তাম্বার সামনে মরতে চাইনা।
- এখানেই মেরে ফেল। - এডওয়ার্ড ভাইয়া?
প্লিজ, মেরে ফেল।
ও তোকে জীবিত চায়।
এই, আস্তে চালাচ্ছিস কেন?
এই, ইন্ডিকেটর চালু করলি কেন?
- আমি না, পেছনের লোকটা ইন্ডিকেটর চালু করেছে। - পেছনের?!
ইন্ডিকেটর কেন জ্বালাইছিস?
ইন্ডিকেটর জ্বালাস নাই?
সাত...
ছয়...
পাগল নাকি আপনি? গুলি করতেছে আমাদের!
পাঁচ...
চার...
থামা।
থামা!
শুনতে পাসনা? থামা বলতেছি।
থাম। থাম বলতেছি...
তিন...
বাচ্চাটাকে মারতেছে!
- দুই... - আহাম্মক!
এক...
- থামাও। - আপনাকে মরতে দেওয়াই উচিত ছিল!
গাড়ি থামাও।
যুবা, ফোনটা তোল।
ফোনটা তোল!
তাম্বা...
আমরা ধোঁকা খাইছি।
ওল্ফ করলে তবু হতো, ছেলেটাই ধোঁকা দিয়ে দিল।
ওই ফ্যামিলিকে সেন্ট থোমাস কবরস্থানে রাখেনাই।
ক্যালভারি কবরস্থানে রাখছে বোধহয়।
স্মিথ রোডের কাছাকাছি।
না তাম্বা। ওল্ফকে আমি ধরতে পারবো না।
টাকার আর দরকার নেই, তাম্বা।
আমি মরে যাচ্ছি।
মরার আগে অন্তত ওল্ফকে মারতে চাই।
স্যার, এখানে কেউ নেই।
একটু সহ্য করো।
আমরা চলে যাওয়ার পর...
...তুমি যেয়ো।
ভারতী...
- ভাই... - তোমার দেরি হচ্ছে। তুমি যাও।
ভারতীমাসি, ওই গল্পটা বলো না...
বলতেছি, মা।
আসো।
- ড্যাডি, আমরা কোথায় যাচ্ছি? - থামো মা।
ভারতীমাসি, একটা গল্প বলো না...
কোন গল্প বলবো?
একটা পশু-পাখির গল্প বলো।
কোন পশু-পাখির গল্প শুনতে চাও?
একটা শেয়ালের গল্প বলো।
এক সময় একটা শেয়াল ছিল।
শেয়ালটা জঙ্গলে গেল...
তখন একটা বড় হাতি শেয়ালটাকে ধাওয়া করলো!
তখন ওই শেয়ালটা...
- হায় হায়! ভাইজান! - ভারতীমাসি?
বিজিএম: "A Fairytale" কম্পোজার: ইলায়ারাজা
ড্যাডি, ভারতীমাসি আর আসছে না?
ও বাড়িতে চলে গেছে, মা।
গল্পটা শেষ না করেই চলে গেল?
বাকিটা আমি বলবো, মা।
বিজিএম: "Walking through life & death" কম্পোজার: ইলায়ারাজা
ড্যাডি, গল্পটা বলো।
মাম্মি, ওই গল্পটা বলো...
এডওয়ার্ড ভাইয়া, তুমি একটা গল্প শোনাও না...
এডওয়ার্ড...
এডওয়ার্ড ভাইয়া, তুমি একটা গল্প শোনাবে?
এক সময়...
একটা নেকড়ে ছিল।
নেকড়েটা...
একটা ভল্লুকের সাথে কাজ করতো।
জঙ্গল থেকে শেয়াল শিকার করা ছিল নেকড়েটার কাজ।
একদিন...
একটা শেয়ালকে শিকার করার সময়...
একটা মেষশাবক মাঝখানে চলে এলো।
নেকড়েটা ভুল করে মেষশাবকটাকে মেরে ফেলল।
নেকড়েটা চিন্তায় পড়ে গেল। কী করবে বুঝতে পারলো না।
মেষশাবকটার বাড়িতে গেল নেকড়েটা।
ওই মেষশাবকের বাড়িতে...
একটা বাবা মেষ...
একটা মা মেষ...
আর একটা ছোট্ট মেষশাবক।
তিনজনই চোখে দেখতে পেতো না।
তা দেখে নেকড়ে খুব কষ্ট পেল।
ভাল্লুকের কাজ ছেড়ে দিয়ে পরিবারটার দেখাশোনা করতে লাগলো সে।
নেকড়ে খুব যত্নের সাথে আগলে রাখলো তাদের।
আর শিকারে গেল না নেকড়ে।
তখন তাকে খুঁজতে ভাল্লুকটা মেষশাবকের বাড়িতে চলে এলো।
শিকারে যাওয়ার জন্য জোর করলো।
কিন্তু নেকড়েটা গেল না।
রেগে গেল ভাল্লুক।
মেষ দুজনের কাছে গিয়ে বলল...
...নেকড়েটা তাদের মেষশাবককে মেরে ফেলেছে।
সেটা শুনে... ওই নেকড়ে... খুব কাঁদলো!
মা মেষ...
বাবা মেষ...
নেকড়েটার কাছে এলো।
বলল যে তুমি তো এটা ভুল করে করেছো।
কাঁদতে বারণ করলো।
তুমিই আমাদের মেষশাবক- বললো তাকে।
নেকড়েটা...
পরিবারটাকে নতুন জায়গায় নিয়ে গেল।
নিষ্ঠুর ভাল্লুকটা নেকড়ের পিছু পিছু গেল।
শিকারে যাওয়ার জন্য জোর করলো।
হুমকি দিলো...
ওই বাবা-মা আর বাচ্চাটাকে মেরে ফেলবো যদি শিকারে না যাও।
নেকড়ে খুব রেগে গেল।
ভাল্লুকটাকে কামড়ে দিল।
নেকড়েটা নিরাপদ জায়গা খুঁজতে লাগলো।
জঙ্গলের বাঘেরা...
নেকড়েটাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিলো।
খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে গেল তারা নেকড়েটাকে।
তারা থাঁবা মারলো, নেকড়ে দৌড়ালো...
কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গে দৌড়াতে পারলো না বাবা মেষ, মা মেষ আর ছোট্ট মেষটা।
তাদেরকে এক জায়গায় লুকিয়ে রেখে...
...নেকড়ে আবার দৌড়ালো।
হঠাৎ একটা বাঘ নেকড়েটাকে আঘাত করলো!
আহত নেকড়েটা দৌড়াতে দৌড়াতে পড়ে গেল।
তখন...
আরেকটা...
মেষশাবক...
আসলো...
আর নেকড়েকে নিজের গুহায় নিয়ে গেল।
চিকিৎসা করলো তার।
তার পরের দিন...
ওই নেকড়ে...
বাবা-মা মেষের খোঁজে বের হলো।
তাদেরকে নিয়ে দৌড়াতে লাগলো...
ওই ভাল্লুকটা...
আহত ক্রুদ্ধ ভাল্লুকটা...
নেকড়ে আর মেষদেরকে মারার জন্য ছুটে বেড়ালো...
আরেকদিকে বাঘগুলোও ধাওয়া করলো।
নেকড়েটা পালিয়ে বেড়াচ্ছে...
কোথায় যাবে...
কীভাবে যাবে...
এ, কোথায় তুই?
আমি গোরস্থানে এসে গেছি।
১০ মিনিট? চলে আয়।
এডওয়ার্ড? কার্তির বাবা?
এডওয়ার্ড, কী হলো? কার্তি?
কার্তির বাবা?
তুমি যাও...
ধরো।
ওল্ফ পালিয়েছে, স্যার।
- গুলি করবো! - চান্দ্রু, বন্দুক ফেলে দাও।
- বন্দুক ফেলে দাও। - না, স্যার।
খেলা করার সময় নেই আমাদের।
এতো সময় ধরে শুধু খেলাই করছেন আপনারা। বন্দুক নিচে ফেলেন।
বন্দুক নিচে ফেলেন।
চান্দ্রু, আইন তোমাকে মেনে চলতেই হবে।
আইন মানতে গিয়েই আজ এই অবস্থা! বন্দুক ফেলেন।
ফেলেন বলতেছি।
- তুমি অনেক বড় ভুল করছো চান্দ্রু। - আমি যা করছি সেটাই ঠিক।
আমিই ঠিক করছি।
ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক: "The Threshold Guardian" মিউজিক কম্পোজার: ইলায়ারাজা
কে আপনি? কী চান এখানে?
এডওয়ার্ড? কার্তির খেয়াল...
এডওয়ার্ড ভাইয়া? মায়ের কী হলো?
মরে গেছে।
আমরাও মরে যাই তাহলে...
তোমাকে বাঁচতে হবে।
এডওয়ার্ড ভাইয়া? এখন কী করবো আমরা?
মারামারি করবো।
দিনেশ, বামে একটা রাস্তা পাবি। বামে আয়।
একটা কার পার্কিং পাবি। ভেতরে চলে আয়।
বি-টু পার্কিং।
চান্দ্রু, তুমি বাড়ি যাও।
অনেক ধন্যবাদ।
মহিলাটাকে আমিই মেরে ফেলেছি।
আপনারা দুজন যখন গাছের নিচে ছিলেন...
লোকটা আপনাকে মারতে এসেছিল আমি দেখেছিলাম।
কিন্তু আপনাকে বলিনি।
কিন্তু মহিলাটা...
আপনাকে বাঁচানোর জন্য নিজের জীবন বিসর্জন দিল!
আমার স্বার্থপরতা মহিলাটাকে মেরে ফেলল, স্যার।
উনি আমার জন্যই মারা গেলেন!
হ্যালো, জলদি আসুন, স্যার। জলদি প্লিজ।
তুই এখন কই?
তুই যা।
আমি ঠিক আছি।
থ্যাংকস।
- স্যার, মেয়েটার এখন কী হবে? - তুমি তাকে দেখে রাখবে। - আমি?!
এটা ধরো। ধরে রাখো।
কার্তি...
facebook.com/shiech.fihad
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
☺Live & let live, a life together☺
সাবটাইটেল রূপান্তরে ফিহাদ আর-রহমান
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.