All language subtitles for Enai Noki Paayum Thota (2019) Tamil bsub by NAyem SArker

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

’Commiting deeds that grieve others’

’Age showing up with grey hair’

’Later becoming a prey to the God of Death’

’like those mirthful persons’

’Did you believe I will also fall?’

’Expect You to grant the boons that I ask’

’Make me a fresh soul with no sorrows’

’Enlighten my intellect and make me ecstatic forever’

নিয়মিত সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি সম্পর্কে আপডেট পেতে জয়েন করুন

ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ fb.com/groups/SouthFansBD

অনুবাদ ও সম্পাদনায় মোঃ নাঈম সরকার (fb.com/farhanul68)

পিস্তল কোথায় রেখেছিস?

ড্যাশবোর্ডে নেই? দাড়া আমি নিয়ে আসছি।

তাড়াতাড়ি কর!

কোথায় হাওয়া হয়ে গেছিলি?

প্রেমিকার সাথে লুতুপুতু করতেছিলি।!

শালা গাধা, এতোক্ষণ লাগলো তোর?

পোড়াকপালে ভাই আমার!

তোমার জন্য আজ এই অবস্থা আমার।

আমার ভাইয়ের জন্য আজ আমি এই মৃত্যুর মুখে।

শালারে খালাস করে দেই? বার বার একে এখানে আনতে বলতে হবে না আর?

গত চল্লিশ সেকেন্ড ধরে আমার মুখের সামনে এভাবে পিস্তল তাক করে আছে।

সর্ব ক্ষমতার মালিক এখন সে।

ছবিতে এর মতো লোকেরা যখন গুলি না চালিয়ে এভাবে শো অফ করতো আমি হাসতাম।

কিন্তু এখন হাসবো না।

কারন আজকে মরার কোন ইচ্ছে আমার নাই।

মরার জন্য আজকের দিনটা শুভ না।

যদিও আমি এসবে বিশ্বাসী না কিন্তু একদিন আমার মা আমাকে...

আমার হাত এক বিখ্যাত জ্যোতিষীকে দেখালেন।

বলেছিলো আমি নাকি ৯০ বছর সুখে শান্তিতে বাস করবো।

খেল খতম করা যাক।

শালা জ্যোতিষী... আমি যদি আজকে মারা যাই, তাহলে আমার টাকা ফেরত চাই আমি।

তাহলে তুইও মরবি শালা।

আমারে সাহায্য কর, শালা আমারে মারছে।

ধর শালারে!

শালারে পালাতে দিছ না।

ভাই এরকম করে না, ভাই আমার কথা শোন।

এই...

গুলি নাই নাকি?

পাইছি!

তোরে খাইছি।

আমারে মারিস না!

আমাদের বাড়ি এক ছিলো না, আমরাও এক ছিলাম না.....

...যখন থেকে ভাইয়া আমাদের রেখে চলে গেলো।

আমাদের সুখ, হাসি সব যেন ভাইয়ার সাথে চলে গেলো।

সে চলে যাবার সময় একটি বার পিছে ফিরে তাকালো না।

আমরা তাকে অনেক ভালোবাসতাম।

আর তার চলে যাবার পরে তাকে ঠিক ততটাই ঘৃণা করি।

প্রায় ১৪ বছর হয়েছে তার সাথে কোন কথা হয় না।

ভাইয়া...

তোমার জন্য আজকে এই গুলি আমার দিকে আসছে।

'A BULLET WITH MY NAME ON IT'

আমি আমার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে চাই।

তার খোঁজ করতে...

আমার অপছন্দের এই নোংরা শহরে এসেছি আমি।

লেখা।

আমার ভালোবাসা, আমার জীবন।

সে আমার সব।

চার বছর হয়ে গেলো তার সাথে আমার দেখা নেই।

চার বছর হলো সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।

সে আমাকে হটাৎ ফোন করে বললো, সে আমার ভাইয়ের সাথে আছে..'

'সে অনেক বিপদে আছে, এখানে আসতে পারবো নাকি?'

আর তাই তোমার কাছে এসেছি ভাই!

আর এখন আমি এখানে!

মনে হচ্ছে আমি মারা যাবো, কারন আমার জীবনে কাটানো সব মূহুর্ত আমার চোখে ভাসছে।

ভাইয়া তোমার চেহারা কখনো আমার মনে ছিলো না।

আর এখনো মনে করতে পারছি না।

আমি সারন্যিয়া আর থিরু।

সারন্যিয়া আমার থেকে দুই মিনিট আগে জন্ম নিয়েছে।

আমার বড় বোন।

থিরু আমাদের থেকে দুই বছরের বড়।

আমার বড় ভাই।

আমাদের ৭ থেকে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত...

আমাদের দুইজনের জন্য আমাদের ভাই ছিলো সবকিছু।

আমাদের হিরো।

এরপর থেকে সে আর আমাদের সাথে ছিলো না।

১৬ বছর বয়সে সে প্রেমে পড়ে।

দুই বছর।

সে তার প্রতিটা মুহূর্ত সেই মেয়ের সাথে কাটিয়েছে।

এক দিন...

মেয়েটা মারা গেলো।

মেয়েটা ভাইয়ার সাথে বাইকে ছিলো।

ভাইয়ার বয়স তখন মাত্র ১৮।

ভাইয়া বলেছিলো তার জীবন নাকি সেখানেই শেষ হয়ে গেছিলো।

তার আবেগের সময় ছিলো তখন!

নয়তো সে ঐরকমই ছিলো

দুই মাস পরে, সে আমাদের ছেড়ে চলে যায়।

সে চলে গেলো

আমার বাবা মা তার খোঁজে করতে লাগলো।

জানি না তারা কতটুকু চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু সে ফিরে আসেনি।

সে বলেছিলো সে একা থাকতে চায়।

তারা তখন থেকে আলাদা হয়ে গেলো।

আমাদের জীবনের বাকিটা সময় থিরু ফিরে আসবে এই আশা নিয়েই ছিলো।

কখন কোথায় জানি তার ব্যাপারে শুনেছিলাম।

এতোটুকুই।

১১ বছর বয়সেও আমি বুঝতে পারিনি কেনো সে আমাদের ছেড়ে চলে গেলো।

আমার ভালো লাগতো না, তাকে আমি ঘৃণা করতে শুরু করলাম।

আজ আমার বয়স ২৫ আর তার ৩২।

আমি কখনো দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারিনি...

আমি লেখার জন্য থিরু সম্পর্কে জানতে...

মুম্বাই আসবো।

আমি জানি না সে এখনো আমাকে মনে রেখেছে কিনা।

হ্যালো ভাই।

আমার নাম...

রঘু।

এটাই তো ভেবে আসছেন...

আমার গল্প লেখাকে নিয়ে।

পাঁচ বছর আগের কথা...

এই প্রেম কাহিনী।

জীবনের শুরুটাইতো হয় ভালোবাসার জন্য।

যখন আমরা প্রেমে পরি, কি জানি হয় আমাদের মধ্যে।

ভালোবাসা ছাড়া আমরা কিছুই করতে পারি না।

আমার মনে হয় লেখা আমার জীবনে আসার জন্যই...

এতো বছর পরে আমি আমার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে পারবো।

আমি তখন আমার কলেজ লাইফের শেষ বর্ষে ছিলাম যখন আমি লেখাকে প্রথম দেখি।

আমি ম্যাকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে পড়তে চাচ্ছিলাম।

কিন্তু আমার বাবা বললো কম্পিউটার হলো ভবিষ্যৎ...

আর এই জন্য আমার বাবা আমাকে সিএসই তে ভর্তি করিয়ে দিলো।

আমার মনে হতো সে আমার ক্লাসমেট বা অন্যকিছু।

রঘু?

ইপরম কি?

জানি না স্যার!

বাহিরে সিনেমার শ্যুটিং হচ্ছে! ক্লাস করার দরকার নেই শ্যুটিং দেখো!

সে না ছিলো আমার ক্লাসমেট না ছিলো আমার লেকচারার।

আমার সিনয়র বা জুনিয়র কিছুই ছিলো না।

আমি জানতাম তুই আসবি। তারাতাড়ি চল।

কোথায়?

এমন এক সৌন্দর্য দেখতে নিয়ে যাচ্ছি, যা আগে কখনো দেখিস নি এখানে।

কি?

ঐশ্বরিক মানে কিছু বুঝিস?

সেটা বুঝাতেই নিয়ে যাচ্ছি।

আমাদের কলেজ ফান্ডে টাকাপয়সার অভাব ছিলো না।

ছাত্ররা তো ক্যাপিটেশন ফি দিতোই,

এতো সুন্দর ক্যাম্পাস।

কিন্তু তারা আরো টাকা কামাতে চাইতো।

তারা সিদ্ধান্ত নিলো ছবির শ্যুটিং করতে ক্যাম্পাস ভাড়া দিবে।

প্রতি সপ্তাহে ছবির শুটিং থাকতো।

দেখ সে আসতেছে।

"Man, life is rather mundane; Education is no fun."

"Nothing lush for the eyes to see; The air is still, no hint of a breeze."

কলেজে প্রায় ১২০০ ছাত্র ছিলো।

কিন্তু সে যখন তাকালো আমার চেহারাটা প্রথম তার চোখে পড়লো।

আমিও তাকিয়ে ছিলাম।

সেখানে চলা শ্যুটিং এর ছবির নায়িকা ছিলো সে।

যেই মুহূর্তে তাকে আমি দেখলাম প্রেমে পড়ে গেলাম।

আমার মনে হয় সেও আমাকে পছন্দ করে।

"What's a lotus doing outside it's pond? Won't her feet scar from walking on ground?"

"What's a masterpiece doing outside it's frame? Did a million hues blend to make this dame?"

রোল ক্যামেরা... এ্যাকশন!

মুখ নিচে।

তুমি দেখলে নায়ক আসছে, আর হাত উঠালে।

কাট।

শর্ট ঠিক আছে।

টাইটানিকে রোজের সাথে পরিচয় হবার সিনের কথা মনে আছে?

- হ্যাঁ আছে। - এটা সেই একই সিন।

পুরাই কপি!

"Oh, I'm panting! Will I survive this? I'm running a fever over 100 degrees."

"Thinking of her makes my mind all groovy; Each day passes like a scene from a movie."

"A thousand roses won't suffice; A love like this will wash away sins."

ভাই পিছনের সবুজ স্ক্রিন টা খারাপ লাগছে না?

আরে বোকা ছবিতে থাকবে না, তখন চেঞ্জ হতে যাবে।

প্রতিদিন তাকে দেখার জন্য ক্লাস ফাকি দিচ্ছি।

ভালো ভাবেই তো।

'Every morning, when I rise; The image of her fills my eyes.'

'I'm a brand new person now; An unfamiliar man I'm just getting to know.'

'Where was this flower garden all this time? Why has it suddenly sprung into my life?'

'The very prospect of looking at your face, Shakes my heart with sweet tremors.'

165

আমার দিকে কয়েকবার তাকিয়েছে....

আমি যে তার দিকে তাকিয়ে থাকি, সেটা কয়েকবার ধরেছে সে।

তার চোখ আমাকে খুজেছে একবার। হায় ঈশ্বর!

বোকা নাকি তুমি? গাড়িতে উঠো।

"Oh, I'm panting! Will I survive this? I'm running a fever over 100 degrees."

"Thinking about her makes my mind all groovy. Each day passes like a scene from some movie."

"Why is it that, every time I see you; I see my whole life flashing in episodes?"

"When I go home, there's your face again; Why do you come, just to drive me insane?"

সে হেটে ভিতরে আসার সময় আমার দিকে তাকিয়েছে।

তার কোন ইচ্ছে ছিলো না।

সে এক গ্লাস রোজ মিল্ক অর্ডার দিয়ে আমার পাশের টেবিলে এসে বসলো।

ঈশ্বর! মেয়েটা সাথে রোজ মিল্ক!

সুযোগ ছিলো আমার কথা বলার।

হাই...

আচ্ছা এটা কি কোন ক্লাসিক মুভি?

হ্যাঁ!

না মানে...

না মানে তোমার কি সব ক্লাসিক রোল নাকি মর্ডান কোন রোল আছে?

সম্পূর্ণ মুভিতে

তোমার বয়স কতো বা হবে... এই ১৮ বা ১৯?

কিছু মনে না করলে বলতে পারো।

১৯ বছর।

১৯!

অভিনয় করতে ইচ্ছে নেই তাই না?

না মানে দেখে বুঝা যাচ্ছে

উনাকে বিরক্ত করবেন না।

- উনি এখানে একটু বিশ্রাম নিতে আসছেন। - আমি দুঃক্ষিত।

সমস্যা নেই কিশোর।

তুমি এখন আসতে পারো, শর্ট রেডি হলে আমাকে ডাক দিয়ো...

আচ্ছা ম্যাডাম।

সর‍্যি।

তার এই সর‍্যি আমার কাছে অনেক অর্থবহ ছিলো।

"O Silver Moon! Just stolen glances won't sate a man."

"If I were to beckon you, Would you flat refuse?"

"Like the most precious of diamonds; I string together the right words."

"We can't carry on wordlessly; This unbroken ice will drive me crazy.'

ছয় মাসের মধ্যে তারা আমাদের কলেজে শ্যুট করেছে ৮০ দিন।

একদিন আমি ঘুরে দেখি সে আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।

সত্যি বলতে...

কাছ থেকে সে আরো বেশি সুন্দর লাগে।

সবাই নায়কের দিকে তাকিয়ে ছিলো।

তার দিকে কেউ তাকাচ্ছিলো না।

সব বেকুবের দল। অবশ্য আমার জন্য ভালো হয়েছিলো।

তোমার মোটরসাইকেল আছে?

- সর‍্যি? - এখান থেকে চলে যাবো।

প্লিজ সাহায্য করো।

কি?

তোমার কাছে মোটরসাইকেল আছে? এখান থেকে বের হওয়া খুব প্রয়োজন।

এই হলো বসন্ত।

যেখানে যেতে চাও সে তোমাকে নিয়ে যাবে।

মোটরসাইকেল ঐখানে রাখা আছে। ঠিক আছে?

ধন্যবাদ!

বসন্ত সিনেমার ক্লাইমেক্সের মতো..... মেয়েটাকে বাইকে করে হাওয়া হয়ে গেলো।

"Never a good time to confess my love..."

কোথায় নামিয়ে দিয়েছিলি তাকে?

প্রথম টোলের কাছে।

কাকে জানি সেখানে আসতে বলছিলো ফোন করে।

সেখানে পৌছানোর আগেই গাড়ি এসে বসে ছিলো।

তারপরে সে আমার বাইক থেকে নেমে গাড়ির পিছনের সিটে বসে পড়লো।

তারপরে চলে গেলো!

- ধন্যবাদ দেয়নি তোকে? - দিছে তো!

তোর নাম জিজ্ঞাসা করছিলো?'

এটাই আমি বুঝতে পারি নাই।

আমার নাম জিজ্ঞাসা করছে?

নাকি তোর নাম?

'ঐ ছেলেটার নাম কি? তোমার বন্ধু? কি নাম তার?'

বললাম তার নাম রঘু, আর তোর কোন মোবাইল নেই।

কেনো?

দেখ ভাই তুই তাকে আমার হাতে তুলে দিয়েছিস।

আমি এখনো আমার কাধে তার হাতের স্পর্শ অনুভব করতে পারছি।

আর আমার পিঠে তার...

আমার মনে হলো তুই তার প্রতি আগ্রহী না।

এই জন্য আমি আমার নাম্বার দিয়ে দিছি।

আচ্ছা তুই নিজে তাকে নাম্বার দিয়েছিস নাকি..

সে তোকে তার নাম্বার দিয়েছে?

- তুই এতো জ্বলতেছিস কেনো? - ভাই..

আরে আমি একটা ব্যাপার জানার জন্য জিজ্ঞাসা করছি,সত্য করে বল ভাই।

সে আমার নাম্বার চেয়েছিলো!

সে চেয়েছিলো।

আমি যেটা ভেবেছিলাম।

- হ্যালো? - হাই ভাসান্ত!

হাই ভাসান্ত বলছি!

তোমার বন্ধু রঘু আছে আশে পাশে? ওর সাথে কথা বলা যাবে?

আসলে এখানে নেটওয়ার্ক ভালো পায় না...

তোর কথা শেষ হলে আমাকে দিছ?

আমার কথা জিজ্ঞাসা করেছে না?

- যা এখান থেকে। - হ্যালো?

হ্যালো রঘু বলছিলাম।

হাই রঘু!

আমি তোমার হোস্টেলের বাহিরে দাড়িয়ে আছি।

মেয়েরা যদি সাহস করে এক পা এগিয়ে আসে, ছেলেদের তো সাহস করে তিন পা এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

রঘু।

হাই!

তাহলে তুমি তো অনেক ভালো ছেলে?

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ে তোমাকে তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতে বললো আর তুমি...

অন্য একজনকে পাঠিয়ে দিলে?

সত্যিই ভদ্র নাকি ভয় পাচ্ছিলে?

নাকি অন্য কোন সমস্যা?

তোমরা ভিতরে আসলে কিভাবে?

গেইটে...

ড্রাইভার বলেছিলো রঘুর ফাইনাল ইয়ারের বকেয়া টাকা নিয়ে এসেছি।

আর আমারা লুকিয়ে ছিলাম।

ভালো, তো টাকাটা কোথায়?

রঘু আমাদের সাথে আসো।

তুমি তাকে সাহায্য করেছো, সে চাচ্ছে তুমি আমাদের সাথে আসো।

তারা যদি সেদিন আমার কাছে না আসতো...

তাহলে দিনটা হয়তো অন্যরকম হতো।

"Freak out! Oh, yeah..."

"'Freak out! Oh, yeah..."

"Freak out! Oh, yeah..."

"Freak out! Oh, yeah..."

সারপ্রাইজ!

শুভ জন্মদিন।

"Don't you steal it, don't you steal it! I need my heart, mister."

"Don't taunt me, don't taunt me! Your gaze sets me on fire."

"My poor soul, my pure soul; Why should it get tainted?"

"And yet, when you inch closer; My heart goes cray cray crazy!"

"I'm biting my fingers; I'm holding back my thoughts."

"I try to play it cool; But really, I'm dying inside."

"It's night already? I didn't know; Is the moon up? I just didn't know."

"Hell could break loose out there; But I really wouldn't know."

"Are the doors open? I didn't know; Is the wind blowing? I didn't know."

"Someone could just rob us blind; And yet, I wouldn't even know."

”Join me for the beach party”

”Hey girlie, you smarty”

”Join us for the ecstatic dance”

”Juice or booze, make your choice”

”I’m gonna take you there..”

আচ্ছা ঘটনা কি?

আমরা স্কুল লাইফের বন্ধু।

সেই ক্লাস থ্রি থেকে হাই স্কুল।

গত বছর আমাদের ডিগ্রি শেষ হয়েছে।

আমরাই তার সবকিছু।

ওর বাবা মা নেই।

মিঃ & মিসেস কুবেরান তার অভিভাবক।

সেই ছোট বেলা থেকে উনারাই ওর সব খরচ চালিয়েছে।

উনি একজন ফিল্ম প্রডিউসার সাথে পরিচালক।

সে তাকে এই ছবিতে অভিনয় করার জন্য বলেছে।

বলতে গেলে বাধ্য হয়েই অভিনয় করছে।

তার জন্মদিন উপলক্ষে আমরা এই পার্টি আয়োজন করেছি।

কিন্তু মিঃ কুবেরান তাকে আসতে মানা করেছিলো, বলেছিলো শ্যুটিং আছে।

লোক একটা।

লোকটা তার সাথে কিছুটা অসঙ্গত আচরণ করছে।

আর এটা তার কাছে ভালো লাগে না।

তুমি তাকে সেখান থেকে বের হতে সাহায্য করলে।

সে তোমার ব্যাপারে বলে যাচ্ছিলো।

বললো পার্টিতে তুমি থাকলে ভালো হবে।

এই জন্য আমরা তোমাকে কিডন্যাপ করে আনলাম!

"I see you everywhere; What's wrong with my eyes?"

"In my dreams I see your smile; With eyes like an angel."

"I don't know what to say; So I just laugh along."

"Whatever this leads to; I've decided that I'm game."

"I read the secret language of your eyes; I get all your tastes."

"I know I'm losing myself; And yet, I'm letting it happen."

"Can I come closer now? Do I have your consent?"

"I want to hold you, girl; Is that so bad?"

"It's night already? I didn't know; Is the moon up? I just didn't know."

"Hell could break loose out there; But I really wouldn't know."

"Are the doors open? I didn't know; Is the wind blowing? I didn't know."

"Someone could just rob us blind; And yet, I wouldn't even know."

"Bounce!

Gotta party."

"Bounce! Gotta party."

"Bounce! Gotta party."

"Bounce! Gotta party."

"Come to dance me, girlie"

"Mingle with the single girl and enjoy the dance"

"Follow her, trail her hug her and make merry"

"Sing and dance and seduce the damsels"

"Don't torture me with your sly eyes"

"Not letting me cross the love-lust line"

"Get incited"

"Get provoked"

"Let the Champagne flow go overboard"

"Bind me with your eye arrows"

"Watch out for curvy fatal waists"

"Fall prey to her hide 'n' seek games"

"Bounce! Gotta party."

"Bounce! Gotta party."

"Bounce! Gotta party."

"Bounce! Gotta party."

"Bounce! Gotta party."

- হোস্টেলে থাকো? - হ্যাঁ।

রঘু তোমার বাড়ি কোথায়?

পোল্লাচি।.

সেদিন তুমি জিজ্ঞাসা করেছিলে...

ঠিক বলেছিলে।

অভিনয়ে আমার কোন ইচ্ছে নেই।

একটুও ভালো লাগে না! একদম অপছন্দ আমার।

শুধু মাত্র একটা ছবি।

এটা শেষ হলে বাঁচি।

তোমার প্রথম ছবি?

প্রথম শুভমুক্তি?

হ্যাঁ এই একটাই শেষ।

আমি পালিয়ে যাবো।

তোমার মত মেয়ের জন্য পুরো এক বহর জাহাজ চালু করা যায়।

মনে হয় বিরক্তিকর কিছু বলেছি?

হ্যাঁ অনেকটা সিনেমার নায়কদের মতো।

মানে সামনে সমুদ্র দেখে...

জাহাজের কথা মনে পড়লো।

ক্লিওপেট্রার একটা বইয়ে পড়েছিলাম।

ও ঠিক বলেছিলো।

বুদ্ধিমান ছেলে!

কে সেক্সপিয়ার?

না আমার বন্ধু ভাসান্তি।

যে তোমাকে নামিয়ে দিয়েছিলো।

কে বলেছিলো?

বলেছিলো...

তুমি স্বর্গীয় কোন অপ্সরা।

এর আগে কখনো এতো সুন্দর মেয়ের সাথে আসি নি।

কিন্তু এখন...

এখন আর তোমার চেহারা ভুলতে পারবো না।

তুমি না আসলেই ভালো।

সত্যটা বলছিলাম।

সবচেয়ে মধুর এক ঘন্টা ছিলো।

আমরা একে অন্যের সাথে কথা বলছিলাম।

কে রে তুই?

এখানে কি করছিস?

কে আপনি?

লেখা কোথায়?

হায় ঈশ্বর!

- লেখা কোথায়? - আমি জানি না।

আসলে আমি নিজেও জানি না এখানে কেনো এসেছি।

বেশি চালাকি করবি না। লেখা কোথায়?

বেচারা লেখা।

ভয় পেয়ে গেছে।

সে মনে করেছিলো আমি মার খেয়ে পরে আছি

সে নিচে আসার আগেই...

পান্ডিয়ান কি করছো?

তাদের খেল খেলে দিয়েছিলাম আমি।

কি সমস্যা তোমার? আমি এখানে আছি!

আমি এক ঘন্টা পরে চলে আসবো। আমি আমার বান্ধবীদের সাথে আছি।

তার সাহসি মনোভাব আমার ভালো লেগেছিল।

মিঃ কুবেরান আপনাকে হোটেলে নিয়ে যেতে বলেছেন।

আপনাকে তারাতাড়ি ঘুমাতে হবে, কালকে সকালে আপনার শ্যুটিং আছে।

আজকে আপনি চলে যাওয়ায় ঝামেলা হইছে।

আমার মনে চাইলে ঘুমাবো নাহলে ঘুমাবো না।

উনাকে সেটা বলে দিয়ো।

তোমরা এরকম গুন্ডার মতো আচরণ করছো কেনো?

মনে হয় কোন মাফিয়া ডন সে!

বলেছি না এক ঘন্টা পরে চলে আসবো, এখন যাও!

না ম্যাডাম! গাড়িতে উঠেন।

পান্ডিয়ান প্লিজ!

ম্যাডাম গাড়িতে উঠেন।

তুই আমাকে মেরেছিস!

পান্ডিয়ান!

আয় চল।

আমি বুঝতে পেরেছিলাম এখন থেকে এরকমই হবে।

তার মতো সুন্দরী... এতোটা সহজ হবে না।

আয় তোরা!

মৃত্যু জেনো কানের পাশ দিয়ে চলে গেলো।

গুলিটা আমার বেল্টে লেগে থেমে যায়।

আমাকে আঘাত করতে পারে নি।

কিন্তু এক মুহূর্ত সময় পেলাম না ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য।

কোথায় লুকিয়ে আছিস?

মেরেই ফেলবো শালারে।

এদিকে আছে! দেয়ালের পিছনে।

বেশি চালাকি করবি না। লেখা কোথায়?

আমার গায়ে হাত দেয়ার সাথে সাথে আমার মধ্যে একটা পরিবর্তন চলে আসলো।

আমার মধ্যে রাগ চলে আসলো।

এই প্রথম আমি মার খেয়েছি...

আর এটাই প্রথম আমি মেরেছি।

সেদিন আমার কোন ভয় ছিলো না।

আমি ওদের রাস্তায় থাকা...

পাতি ওস্তাদের মতো মনে করেছিলাম।

পান্ডিয়ান!

পরের দিন তাদের মধ্যে তিনজন আমাকে খুঁজতে কলেজে আসে।

মাত্র ১০ সেকেন্ডের ব্যাপার ছিলো।

আমার জন্য না।

তাদের জন্য।

ভাই!

কি হইছে? এরা কারা?

শ্যুটিং এর লোক।

- কলেজে ঢুকার সাহস হলো কিভাবে? - গত রাত্রে ছোট খাটো ঝামেলা হইছিলো।

ভাগ এখান থেকে।

তাকে ফোন করার একটা সুযোগ পেলাম।

ক্যান্টিনে...

তারা আমাকে মারতে এসেছিলো।

আমি তাদের মেরেছি।

শোন...

এরা কারা, তাদের বলে দিয়ো...

তাদের সাথে মারামারি করার কোন ইচ্ছে আমার নেই।

তাদের ভালো হয়ে যেতে বলো।

নাহলে মনে হচ্ছে না এসবের কোন শেষ আছে।

আচ্ছা এসব কথা রাখো।

তোমার সাথে দেখা করা যাবে?

তোমার সাথে দেখা করতে মন চাচ্ছে।

- কখন? - এখন।

কোথায়?

ভাদাপালানীর এভিএম স্টুডিও চিনো?

- আমি চিনি না! - চিনো না?

খুঁজে বের করে চলে আসো।

মেয়েটা আসলেই বেহায়া!

হাই।

হাই!

সর‍্যি! তার তোমার পিছনে লাগার কোন দরকার ছিলো না।

জানি না এরকম কেনো করতেছে।

আবারো মারামারি করছে?

তুমি ঠিক আছো?

তখন মনে হলো আহারে আমার শরীরে যদি আঘাতের চিহ্ন থাকতো দেখাতে পারতাম।

কিন্তু....

তারা যদি তোমার কাছে না যেতো তাহলে তো আমাকে ফোন দিতে না?

আমি তোমাকে ফোন করার জন্য একটা কারণ খুজঁছিলাম।

ভালোই হলো তারা চলে এসেছিলো।

আমি জানি।

এই জন্যই আমি তাদের পাঠিয়েছিলাম।

আমার সাথে মজা নিচ্ছো!

তোমার সাথে এরকম কখনই করতে পারবো না। আমিতো মজা নিচ্ছিলাম।

বসো।

সেই শুরু থেকে তার কাছে থাকতে আমার ভালো লাগতো।

সেও ঠিক তেমনই ছিলো।

এখানে থাকা কি নিরাপদ?

ঝামেলা হবে না তো?

এটা সিনেমার শ্যুটিং সেট, মাফিয়ার আড্ডাখানা না।

তাও ঠিক।

না মানে... আমি নিজেই মনে হয় সমস্যা।

আমার কপাল।

আমার মনে হয় আমার আশেপাশে কোন খারাপ শক্তি আছে।

আমি ফোন করলে হুট করে চলে এসো না।

তাহলে আমি চলে যাবো?

তুমিই আসতে বললে আবার তুমিই এরকম আজীব কথাবার্তা বলতেছো।

তুমি বলেছিলে না তোমার বয়স ১৯?

এই বয়সে নিজের ভাগ্য দুষ্টু আত্তা নিয়ে কথা বলতেছো...

ব্যাপারটা ভয়ের না!

কিশোর?

ম্যাডাম পরিচালক আসতেছেন।

রঘু আসো।

সে আমার হাতটা ধরলো মনে হলো স্বাভাবিক কোন কাজ।

সে আরেকটা দরজা খুললো...

আমাকে নিয়ে ভিতরে ঢুকলো...

আর দরজা বন্ধ করে দিলো।

আমি চারপাশে তাকালাম...

আমার হোস্টেলের বাথরুমের থেকেও ছোট।

আর সেদিন থেকে আমি তার জীবনে প্রবেশ করি।

আর কখনো বেরুতেও পারি নি।

- হ্যাঁ স্যার? - ওহ তুমি বাথরুমে?

কুবেরান, ছবির প্রযোজক এবং পরিচালক।

সেটা ছিলো তার সাথে আমার প্রথম পরিচয়।

সে এবং আমাদের ছোট ভ্যান ওয়াসরুম।

আমি অনেকগুলো ফোন পেয়েছিলাম।

একজন বিশেষ ব্যাক্তির সাথে দেখা করেছি! বলো তো কে?

ডায়রেক্টর শংকর।

জানো সে কি বলেছিলো?

'নিখুঁত!'

তুমি আর তোমার মুভির ট্রেলর দুটোই।

এর মানে বুঝতে পারছো?

আমি বাংলা ডিকশনারিতে খুঁজেছি।

Ex-qui-site.

- সে মনে করে তুমি অপুর্ব সুন্দরি! - সর‍্যি।

সে চায় তার পরবর্তী ছবিতে তুমি অভিনয় করো।

কিন্তু আমি তাকে বলেছি তোমাকে নিয়ে আমরা আরেকটা মুভির অভিনয় শুরু করেছি।

আমি তাকে অপছন্দ করি।

- আমার মনের অন্তস্থল থেকে। - লেখা এক মিনিট...

সে আমার পড়ালেখার খরচ চালিয়েছে।

বলেছে আমি তার কাছে ঋণী।

সে বলেছিলো একটা মাত্র ছবি।

আর এখন সে কথার বরখেলাপ করছে।

যা আমার অপছন্দ।

আর এখন সে আরো অনেক ছবির কথা বলছে।

আর তার উদ্দেশ্য ভালো মনে হচ্ছে না।

কথা বলার সময় সে আমার গায়ে হাত দেয়।

আমার ভালো লাগে না।

তার ছোয়ার ধরন ভালো না।

আমার দিকে যেভাবে তাকায়....

আমার ভালো লাগে না

তোমার ভিতরে প্রতিভা আছে!

প্রথম দিকে তুমি কিছুটা লাজুক ছিলে।

বলেছিলাম না অভ্যস্থ হয়ে যাবে।

তুমি নিজের অবস্থান করে নিয়েছো!

ঈশ্বর এই লোকটা থামে না কেনো?

তুমি যেখানেই যাবে, আমি তোমার সাথে আছি!

এতো দেরি হচ্ছে কেনো? আমার আরেকটা ফোন এসেছে।

হ্যাঁ স্যার?

মিষ্টি

কোমল

নার্ভাস

কিছুটা ভয়ার্ত।

তার কন্ঠস্বরকে সে ভয় পেতো।

কিন্তু এই জন্য কিন্তু এটা হয়নি।

তার এই দূর্বল অবস্থায় আমি এসব করতে চাই নি।

আমি খারাপ ছেলে না, আমি নিতান্তই ভদ্র একটা ছেলে।

কিন্তু সে এসবের তোয়াক্কা করে না।

আমিও এসবের তোয়াক্কা করি না।

দশ মিনিটের জন্য মনে হলো তার ঠোঁটে আমার বসতি করে নিয়েছি।

বন্ধ চোখ, তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে স্পর্শ, মনে হলো জীবনের স্বাদ উপভোগ করছি।

সে চলে গেছে চলো বেরুই?

সেদিন থেকে সে যেন আমাকে এক মোহের দুনিয়ায় নিয়ে এলো।

'I love you.'

এই তিনটা শব্দ উচ্চারনের কোন প্রয়োজনই ছিলো না।

নায়িকা আমার বুকে, একজন ফ্যানের মত আমার জ্ঞ্যান হারাবার অবস্থা।

মুহূর্তটা জেনো অনন্তকাল ধরে ছিলো।

এটা কি কোন স্বপ্ন? নাকি কোন সিনেমার অংশ? নাকি বাস্তব?

আমি কিসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি?

এটা কি তার মুখ? নাকি তার শরীর? নাকি উষ্ণতা?

এ কোন মোহে আমি নিমজ্জিত আছি?

আমি জানি না।

"Dear Reality, Don't you fade away..."

"You're no Dream."

"There are million different ways to part; But let us not..."

"I will tell you that way; That will bring us closer..."

"Come closer, a little closer; And I will tell you."

"So come closer, my love."

"Dear Earth, Don't you rotate now..."

"I live in this timeless, Surreal trance."

"To savour those unfinished kisses; May this moment last..."

"May our time together; Stretch forever..."

"May our time apart; Be replaced with this moment..."

"I'm your everlasting path of flowers; You're the ceaseless wafting caress."

"I'm the incessant music in your ear; You're my endless perennial river."

"I'm your undying source of pleasure; You're my boundless lustful fire."'

"I'm the dream you dream wide awake; You're my constant even when away."

"I'm the fragrance that makes your home.' You're the reason words soothe me."

"I'm the one you crave at night; You're the secret I hold in my heart."

আর এখান থেকে...

এর শুরু।

আমার প্রথম আঘাত।

আমি একজনকে খুন করেছি।

আমি একজনকে খুন করেছি।

হ্যাঁ আমি একজনকে খুন করেছি।

তার মুখে গুলি করেছি।

তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই।

আমি গুলি করার পরে সবাই এদিক সেদিক দৌড়াতে থাকে।

আমিও সেই নরক থেকে পালিয়ে আসি।

আমি জানি না এরপর কি হবে।

আমাকে লেখার কাছে যেতে হবে

আমার ঠিকানা লিখে নাও।

এখনি চলে আসো প্লিজ।

এখনি সময়।

এই কি করছেন ভাই?

মালাদ ইন্ডিয়ান ব্যাংকের পাশে একটা রাস্তা আছে।

সেই রাস্তা দিয়ে হেটে আসলে।

এমনেই আমার মাথায় খুনের নেশা উঠে আছে! আয়!

কি করতেছিস জানিস তুই? থাম বলছি।

এদিকে দেখ, তোর প্রেমিকা আমার কাছে।

শালারে মার!

কি করছিস তুই?

এসব আমার কাছে,

স্কুলের বাচ্চাদের মারামারি করার মতো মনে হচ্ছিলো।

লেখা তোমাকে আর দেখতে চাই না।

তোমার দিকে আর তাকাতে চাই না। চাই না।

মেরে ফেল।

থেমে গেলি কেনো?

এই নোংরা হাত দিয়ে তোমার গলায় ছুড়ি ধরে রাখার পরেও...

আমি জানি তোমাকে দেখতে অপরুপ সুন্দর লাগছে।

এই গলার দিকে তাকিয়েই তো বেচে আছি।

গত ছয় মাস...

ভালোবাসা, লালসা , রোমান্স।

আমি কখনই এতোটা খুশি ছিলাম না।

আমাকে যেতে হবে।

আর কখনো এভাবে বলবে না।

যেও না।

প্লিজ!

এই সিনেমার কাজ শেষ।

আমার কলেজ জীবন।

তোমার পরিক্ষা কেমন হলো?

পাশ করবো পরিক্ষায়।

আরো পড়ালেখা করবে?

- মাস্টার্স? -না।

পিএইচডি করো।

আমার উপরে!

বলছি আমার উপরে করার জন্য!

আসো।

আরো একটা মুভিতে অভিনয় করতে যাচ্ছো?

না।

তাহলে কিভাবে মানাবে?

তোমার মজনু মনে হয় তোমাকে যেতে দিবে।

ঐ লোকটা আমার মজনু হতে যাবে কেনো!

আমি তো আমার মজনুর কোলের উপরে বসে আছি।

তাকে নিয়ে আমার চিন্তা নেই।

অভিনয়ে আমার কোন ইচ্ছে নেই।

আমি অভিনয় করবো না। তাকে বুঝাবো আমি।

আমার সাথে আমার বাসায় চলো?

কাউকে বলার দরকার নেই।

কাউকে বলবে না।

আমি আমার বাবা মায়ের কাছে তোমাকে পরিচয় করিয়ে দিবো।

আর তাদের বলবো আমি তোমাকে বিয়ে করতে যাচ্ছি।

এটাই কি বোঝাতে চাচ্ছো?

নাহলে কেনো বলতে যেতাম এই কথা।

রঘু!

বলো ...

ঠিক তো?

আমরা তাহলে যাচ্ছি ...

আর ফিরে আসবো না?

নাকি শুধুমাত্র কয়েকদিনের জন্য?

কতো জামা প্যাক করবো?

শুধুমাত্র যেই শাড়ী তুমি পড়ে যাবা সেটা।

আমাকে শাড়ী পড়তে বলছো?

"Gosh, is this really me? I've scattered into a million pieces."

"Hey Beautiful, it's only you; Who lives in my heart."

"Light of my life, my breath of air; Don't walk away, I'm suffocating here."

"All of my clothes are wet, Drenched in the rain of your sweat."

"Is this the first chapter, or the last? Tell me, my first love."

"Is all this true or just a mirage? Tell me, my true love."

বসো।

বসো মা।

বসো!

বসো।

কি ব্যাপার রঘু?

সর‍্যি বাবা, এই ব্যাপারে তোমাকে বলি নি।

ওর নাম লেখা।

আমি তাকে বিয়ে করতে চাই।

সামনে।

ততদিন সে আমাদের বাসায় থাকলে ভালো হবে।

তার কেউ নেই।

মা তুমি কিছু বলো, প্লিজ।

না তুই নিজেই বল।

নিজেই তো সব বলে দিয়েছিস।

আমি তো তার সাথে বলতাম।

তোমাকে তো সব বলেছিলাম।

তুই তো শুরুতেই বলে দিলি তাকে বিয়ে করতে চাস।

তোর সাথে কলেজে পরে?

না।

তারা দুই ঘন্টা ধরে আলোচনা করছে।

আর এটাই সিদ্ধান্ত নিবে

সে আমাদের সাথে থাকবে বাবা মার আরেকটা মেয়ে হিসেবে।

আর আমার বউ হবে।

এটাই হয়তো দুই ঘন্টা ধরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তারা তাকে পছন্দ করেছে।

কারন তারা আমাকে পছন্দ করে।

"How far do you wish to go? I ask, because I need to know."

"You say you only want sweet kisses; I will stay within the confines."

"Day after day, you star in the dreams; Of innumerable strangers."

"And here I am, the one man; Who is the object of your dreams."

"Dear Breeze, Will you stop blowing please?"

"Dear Breeze, will you stop blowing please? I want to be her only fan here."

"You're standing here, in my home! Is this my imagination, I wonder?"

"You're standing there, in my garden! With all the flowers you blend right in."

"Garlands and laurels, milk and honey; I've seen it all, but it's only you I fancy."

"Riches and rewards, gold and glory; None of it matters, I'd choose you anyday."

"My love!"

"All my wildness is a thing of the past; It's waned out to a sleepy little beast."

"All of my rage is now turned to dust; That flies away in the gentlest gust."

"The days we don't meet, the days we don't speak; Those are precious days gone to waste."

"The days you're with me, the days you hold me; Those are the days I'm a happy lady."

"My love!"

"How far do you wish to go? I ask, because I need to know."

"You say you only want sweet kisses; I will stay within the confines."

"Turning down a boy like you; Would be a stupid thing to do."

"I have peered into your unblemished purity; My eyes feast on your masculinity."

"Dear Breeze, Will you stop blowing please?"

"Dear Breeze, will you stop blowing please? I want to be her only fan here."

আমার জীবনের সেরা ৩০টা দিন ছিলো।

এটা ছিলো ধ্বংসের প্রারম্ভিক।

আমার নাম কুবেরান।

বসুন।

হ্যালো! আমি দুই মিনিট কথা বলতে চাই।

তার সাথে একটু কথা বলে তাকে এখান থেকে নিয়ে চলে যাবো।

আপনি বসুন স্যার।

আপনার ছেলে কি বলে নি সে একজন অভিনেত্রী?

আপনি কি জানেন তার উপরে কি পরিমান টাকা আমি বিনিয়োগ করেছি?

প্রচুর।

কিছুক্ষন আগে তার পরবর্তী ছবির জন্য ২.৫ মিলিয়ন টাকা আমি চুক্তিবদ্ধ হয়েছি।

আপনি জানেন আজকে তার এই জীবনের পিছনে আমার অবদান আছে?

আমি তাকে রাস্তায় পেয়েছিলাম।

সে তার বাবা মায়ের নামও জানে না।

তার খাবার পড়ালেখা এমনকি থাকার জায়গাটাও আমি দিয়েছি...

তাকে অভিনেত্রী বানিয়েছি... তার ছবি আজকে রিলিজ পাচ্ছে!

চার সপ্তাহ ধরে তাকে আমি খুজেছি, আপনার ছেলে তাকে এখানে লুকিয়ে রেখেছে।

আপনারা হয়তো তাকে আরো ভালো রাখবেন, অস্বীকার করছি না।

কিন্তু তাকে ৫-৬ বছর সময় দেন।

আরো ১০-১৫ টা ছবিতে অভিনয় করুক...

আমাকে কিছু টাকা কামাতে দেন... বুঝছেন?

আসলে এসব মেয়েদের এরকম সুযোগ দেয়া উচিত না।

তারা যদি সত্যিই একে অপরকে ভালোবাসে...

আপনার ছেলে তাকে বিয়ে করতে পারে।

আমি তাদের আশীর্বাদ করে যাবো।

কিন্তু এখন না।

আপনার নিজের ভালোর জন্য তাকে আমার সাথে ছেড়ে দিন।

আজকে ছবিটা রিলিজ হবে আমার অনেক কাজ।

তুমি রুমে যাও মা।

আপনার মেয়ে?

সুন্দর তো! অভিনয় করতে পারে?

আপনার নিজেরো মেয়ে আছে, আশা করি বুঝতে পারছেন।

কি ভাই?

তাকে এখানে আনার আগে আমাকে তো বলতে পারতে!

আমাদের পুলিশের কাছে যেতে হলো।

অবশেষে পুলিশ লেখার লোকেশন খুজে পেলো।

আমি কোন ঝামেলা করতে চাই না তাই আমি আমার কেস তুলে নিয়ে এখানে এসেছি।

এটা আমার শহর।

- এতো সহজে কেউ কিছু… - বাবা এখানে কোন ঝামেলা হবে না।

কেউ তার মতের বিরুদ্ধে যেয়ে এখান থেকে নিয়ে যেতে পারবে না।

এই লোকটা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে দিয়ে অভিনয় করাচ্ছে।

- এই! - কি?

তোর এলাকা ধ্বংস করে দিবো।

তোকে অপদস্ত করাবো।

আমার বাসা থেকে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে এসেছিস?

আপনার মেয়েকে তুলে নিয়ে গেলে আপনি কি এভাবেই বসে থাকতেন?

বালের মতামত!

তাকেই জিজ্ঞাসা করা যাক।

সে রঘুকে পছন্দ করে দেখেই তো রঘুর সাথে এসেছে।

এই ছেলেটা হয়তো তাকে মন ভুলিয়ে নিয়ে এসেছে।

কিন্তু আমারা বড়দের তো উচিৎ তাদের বুঝানো।

আমি আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছি... তাকে আমার সাথে পাঠিয়ে দেন।

তাকে আমার হাতে তুলে দিন।

নাহলে কিন্তু খারাপ হবে।

- দেখি সে কি বলে। - এটা কোন কথা হতে পারে না!

তাকে কোন ইচ্ছা বা সুযোগ দেয়ার মুড আমার নেই।

আমাকে বিরক্ত করবেন না।

ব্যাপারটা খারাপ হচ্ছে।

স্যার.....

আমি কিন্তু জেলের চক্করে ঘুরা লোক।

কয়েকবার আমাকে জেলে যেতে হয়েছে।

আমার অনেক শত্রু স্যার।

সবসময় আমার কাছে অস্ত্র থাকে।

জানি না কেনো সাথে রাখি!

মেয়েটাকে আমার সাথে পাঠিয়ে দিন! অনেক কাজ আছে আমার।

এতো কথা বলতে পারছি না...

খুঁজে নিয়ে আসো।

তার কোন দরকার হবে না।

কি হচ্ছে লেখা? মোটা হয়ে গেছো।

পরিচালক তো রেগে যাবে!

সমস্যা নেই আমরা দেখে নিবো।

চলো যাওয়া যাক।

এতো সুন্দর লুক তো ক্যামেরার সামনে দাও না।

চলো চলো যাওয়া যাক।

সর‍্যি।

আমি আমার লাইফে এতো সুখি কখনই ছিলাম না।

আপনারা আমার অনেক যত্ন করেছেন।

ধন্যবাদ।

আমি আসছি।

কি?

স্যার আমরা নিয়ে আসছি তাকে।

আমাকে যেতে হবে রঘু।

এটাই ঠিক আছে।

আমি চলে যাচ্ছি।

তোমার বাবা মার এটা প্রাপ্য না।

তোমার বাবা মা এসব কথা কেনো শুনবে।

আমি উনার সাথে কথা বলে সব মানিয়ে নিবো।

আমার কাছে চলে এসো। তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্ত আমি বাঁচবো না।

চলে এসো তারাতাড়ি।

তোমার অপেক্ষায় থাকবো।

পাঁচ দিন পরে চলে এসো।

ঠিকআছে?

স্যার চলেন।

আমি দুঃক্ষিত।

সে আমাকে পাঁচদিন পরে আসতে বলেছে। কি জেনো একটা ভালো লাগছে না।

”Going far away Bid me farewell, dear”

‘Detective Anandan’ ”1000 ways to stop it”

এর পর সে আর আমাদের কারো সাথে যোগাযোগ করেনি।

আমরা তাকে ফোন দিয়েছিলাম কিন্তু কাজ হয় নি।

সে ফোন তুলতো না।

জানি না তার কি হয়েছে।

সে ৩০১ এ থাকতো।

সে সবাইকে চলে যেতে বলেছে, তার পুরানো কোন বন্ধুকে চাই না।

এখন সে তো বিখ্যাত অভিনেত্রী।

বুঝলে?

সে আমাকে পাঁচ দিন পরে আসতে বলেছিলো। কথা না বলে আমি যাবো না।

তার সাথে দেখা হলেই আমি এখান থেকে যাবো।

আর এক মুহূর্ত এখানে থাকলে তোমাকে মারতে বাধ্য হবো আমি।

তোর মাইরেরে আমি ভয় পাই নাকি।

তোকে মেরে ফেলবো আমি।

দশ দিন হলো সে শ্যুটিং করতে লন্ডনে আছে।

তাকে দেখতে চাও।

সত্যিয়াম থিয়েটারে যাও। সেখানে তার ছবি চলতেছে।

বড় পর্দায় তাকে আরো সুন্দর লাগে দেখতে।

অনেক সুন্দর।

তার থেকে চোখ ফিরাতে পারছিলাম না।

পরের দিন আমি আবার গেলাম।

আবার তার পরের দিন।

তারপরের দিনের পরেরদিন আবার।

এক মাস পরে বাবা মা আমাকে দেখতে আসে।

আমি নিজেকে বলেছিলাম, ভাইয়ার মতো হারিয়ে যাবো না।

ভাইয়া বাবা মায়ের সাথে যা করেছে তা করবো না।

ভাইয়া যা করতে পারেনি তা করবো বলে ঠিক করেছিলাম।

লেখাকে বাড়িতে এনে আমার প্রেমের সাথে তাদের যুক্ত করেছিলাম।

লেখার চলে যাওয়াতে ...

আমার মায়ের কোল আর বাবার কাধ ছিলো আমার সুখের একমাত্র উপায়।

প্রচুর কষ্ট হয়।

আমি বুঝতেই পারছিলাম না।

কি হয়েছে তার? সে কেনো এমন করলো?

এভাবে কেনো আমাকে ছুড়ে ফেলে দিলো?

আমি বুঝতে পারি নি।

এর পরে সে আরো পাঁচটা ছবিতে অভিনয় করেছে।

তামিল সিনেমায় বেশ ভালো মানের অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি করতে পেরেছে।

তার ব্যাপারে ইন্টারনেট বা খবরের কাগজে পড়তাম।

সাঞ্জানা মাঝে মাঝে আমাকে ফোন দিয়ে তার ব্যাপারে বলতো।

সে আমাকে বলেছিলো একটা ছবিতে অভিনয় করার পরে আর অভিনয় করবে না।

কিন্তু সে পাঁচটা ছবিতে অভিনয় করেছে।

আমি তার অন্য কোন ছবি আর দেখিনি।

তার প্রথম ছবি বাসায় একশ বারের বেশি দেখেছি।

হ্যালো!

যখন আমি হ্যালো বললাম', আমি জানি...

এটা তার ফোন।

হ্যালো রঘু?

রঘু? আমাকে শুনতে পাচ্ছো?

চার বছর পরে আমি তার ফোন পেয়েছিলাম।

বলো...

রঘু... প্লিজ আমার কথা শোন।

তোমার বা আমার ব্যাপারে কথা বলছি না।

তোমার ভাইয়ের সাথে আমার দেখা হয়েছে।

থিরু।

আমার ভাই?

হ্যাঁ।

থিরুর সাথে আমার দেখা হয়েছে।

কি ব্যাপারে।

আমি মুম্বাই আছি।

আমি তার সাথে ছিলাম।

সে আমাকে বাঁচিয়েছে।

হ্যাঁ

হ্যাঁ সেই আমাকে বাচিয়েছে।

থিরু অনেক বড় বিপদে আছে।

আমি বুঝতে পারছি না কি হচ্ছে এখানে।

তিন দিন ধরে সে নিখোজ।

আমি তার থেকে শুনি নি।

কিছুক্ষন আগে সে আমাকে ফোন দিলো আর এখান থেকে নিয়ে গেলো।

রঘু...

থিরু জানে না আমি তোমাকে ফোন করেছি।

আমার মনে হলো তোমাকে জিজ্ঞাসা করা উচিত।

রঘু...

তুমি কি এখানে আসবে?

আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

রঘু জায়গাটা জানি কেমন।

লোকজন থিরুকে খুঁজতে আসে।

পুলিশ আবার মাফিয়া।

আমার ভয় লাগতেছে।

আমার কথা বিশ্বাস করো।

ভাইয়ার জন্য আসো।

প্লিজ।

থিরুর সাথে লেখা কি করতেছে?

আমি জানি না।

লেখাই ছিলো?

হয়তো...

হয়তো কেউ তাকে দিয়ে বলাচ্ছে তোমাকে মুম্বাই নেয়ার জন্য?

- মনে হয় ঐ পরিচালক কুবেরান... - কিন্তু বাবা আমরা তো তাদের সাথে কোন সমস্যা করিনি।

আমাদের ছাড়া তো তারা জানে না থিরুর ব্যাপারে।

কি করবো আমরা?

তুই বললি থিরু বিপদে আছে।

তুই যা রঘু।

যেয়ে দেখ সে ভালো আছে নাকি।

তার সাথে দেখা করে আয়...

আর তাকে বাড়িতে নিয়ে আয়।

সারন্যিয়ার বিয়েতে তোদের দুইজনকে খুব প্রয়োজন।

আর এভাবেই আমি এখানে এসে পৌছেছি।

এই নোংরা শহরে।

যেই শহরটাকে আমি ঘৃণা করি সেটা হলো মুম্বাই।

লেখার সাথে কলেজে আমার যখন প্রথম দেখা হয়...

মিথিলি তার গ্রাজুয়েশন শেষ করে তখন।

আমার এক বছরের বড় কিন্তু আমার খুব ভালো একজন বন্ধু।

আমি এখানে থাকবো সিউর? মানুষ কিছু বলবে না?

ভাই এটা মুম্বাই!

কেউ কারো খোজ রাখে না। সমস্যা নেই।

এই হলো রুমের ২য় চাবি।

তোমার ইচ্ছে মতো আসা যাওয়া করতে পারবে।

তোমার অপেক্ষায় ছিলাম... আর সত্যি আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।

দশটার মধ্যে আমাকে কাজে যেতে হবে। আমি বেরুচ্ছি।

নিজের ঘর মনে করতে পারো?

হ্যাঁ।

- বিদায়! -বিদায়।

না রঘু। থিরুর সাথে আমার যোগাযোগ হয়।

আমি তাকে বলেছিলাম তোমার সাথে আমার কথা হয়।

তোমাকে এখানে আসতে বলায় সে খুশি না।

কিন্তু সত্যি এখানে আসার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।

সে তোমাকে নিরাপদে থাকতে বলেছে আর এখন দেখা না করতে বলেছে।

কি হচ্ছে এসব লেখা?

রঘু...

তুমি জানো না?

থিরু একজন পুলিশ অফিসার।

ডিসিপি থিরুমাল।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার গতকালকের লেখাটা দেখো।

তাকে নিয়ে লেখা আর্টিকেল।

দয়া করে আমার কথা শোন।

যেখানে আছো সেখানেই থাকো।

এখানে অনেক কিছু হচ্ছে রঘু।

আমার ফোনের অপেক্ষা করো। কোথাও যেয়ো না।

থিরুর বলার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করো।

তার মানে তুমি একজন পুলিশ অফিসার!

এই মুম্বাইয়ে।

খারাপ না!

আসলেই অবাক হয়েছি..

কিন্তু পুলিশ তোমাকে কেনো খুজছে?

কি হয়েছে?

তুমি কি খারাপ লোক?

খারাপ না।

আমাকে ইমোশনাল করে দিলো!

মাফ করবেন?

কে আপনি?

তোমরা হিন্দি এতো ভালো কিভাবে বলো?

তোমার ভাই হিন্দি খুব ভালো বলে।

আমরা স্কুলে শিখেছি।

স্কুলে? কিন্তু চেন্নাইয়ে তো স্কুলে হিন্দি শিখায় না?

শিখেছি।

তোমার ভাই খুব ভালো মানুষ।

কিন্তু এখন খুব বড় বিপদে আছে।

পুলিশ লেগে আছে তার পিছনে।

এখানের কেউ যদি জানে তুমি তোমার ভাইয়ের খোঁজে এসেছো...

তাকে ধরতে তারা তোমাকে ব্যাবহার করবে।

আর‍্যন বিধে থিরুর এক ব্যাচ সিনিয়র ছিলো।

উনি যা বললো তা পক্কিরি ছবির প্লটের মতো মনে হলো।

থিরু একজন আন্ডারকভার পুলিশ অফিসার।

উনি বললো, তিন বছরে আন্ডারকভার অপারেশনের পরে...

পুলিশ তাকে এখন খুঁজতেছে...

আর মাফিয়ারাও তাকে খুঁজতেছে।

সেই গ্যাংএ থিরুর নাম ছিলো রঘু।

ব্যাপারটা মজার না?

আমাকে আবারো ইমোশনাল করে দিলো।

অরুন বিধে ফেন নামের একটা দলের সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়।

ডিসিপি সুরাজ লালার গ্যাংএর সাথে মিল ছিলো।

ঝামেলা হইলো লালা যখন অন্য পুলিশের সাথে ঝামেলা করলো।

তোমার ভাই মাঝখান থেকে ফেসে গেলো।

লোকটা আমাকে একই গল্প বললো কিন্তু সাথে অনেক লোকের নাম বললো।

সে আমাকে ডিসিপি সুরাজ আর একজন মাফিয়া লালার নাম বললো

বেচারা বললো।

আসহায় ব্যাক্তি।

বেচারা থিরু।

- হ্যালো রঘু? অরুন বিধে বলছি। - হ্যাঁ স্যার বলেন।

আমি মাত্র জানতে পারলাম তোমার ভাই পুলিশের হেফাজতে আছে

তারা তাকে কালকে আন্দ্রার ম্যাজেস্ট্রেট কোর্টে নিয়ে যাবে।

আমিও সেখানে থাকবো।

চলে এসো। পারলে দেখা করিয়ে দিবো।

পৌছে আমাকে ফোন দিয়ো।

মনে হলো সয়ংক্রিয় হয়ে গেছি।

কেউ নড়বে না, নড়লে গুলি মেরে দিবো!

থিরু আমাকে কখনো দেখে নি।

থিরু পালিয়ো না।

নড়বে না! নড়বে না!

এদিকে দেখো

থিরু থামো!

থিরু!

আমি সব ঠিক করে ফেলবো।

পালিয়ো না, তাহলে তোমাকে গুলি করবে!

পরের দিন কিছু অযাচিত অতিথি আমার বাসায় আসে।

একজনের হাতে গাজনি মুভির হাতিয়ার ছিলো।

তুমি নিশ্চিত সে থিরুর ভাই?

সে আমার ভাইয়ের মতো। আমাকে কথা বলতে দাও।

তোমার নাম কি?

রঘু।

রঘু?

তার মানে এটা তোমার নাম?

ঝামেলা করো না। আমাদের সাথে চলে এসো!

তোমার কোন ক্ষতি হবেনা কথা দিচ্ছি।

তোমার ভাইকে খুজে বের করতে তোমাকে ব্যাবহার করবো।

গাড়িতে যেয়ে উঠো।

ম্যাডাম আপনি না কাজে যাবেন?

পুলিশের কাছে যাবার কথা চিন্তাও করবেন না।

যদি করেন...

তাহলে আমি আবার এসে আপনার সাথে কথা বলার আগে হাঙ্গামা করবো।

ঠিক আছে?

তুমি এখনো যাও নি?

তার সাথে কথা বলতে চাও?

ভালো তারাতাড়ি শেষ করো তাহলে।

চলো যাওয়া যাক তাহলে।

সে চলে আসবে।

কি হচ্ছে এখানে?

বসো! এখানে কোন সমস্যা হবে না।

তার হাত বেধে ফেলো।

তারা বলেছিলো আমাকে ব্যাবহার করে থিরুকে খুঁজে বের করবে।

আমি ভেবেছিলান থিরু এখানে এসে আমাকে যেভাবেই হোক বাঁচাবে...

আর আমরা একসাথে চলে যাবো।

কিন্তু...

একটা ফোন কলে সব কিছু বদলে গেলো

তারা আমাকে মারার কথা চিন্তা করলো...

আর কোথায় থেকে একটা পিস্তলও নিয়ে আসলো।

- এতো সময় নিয়েছিস কেনো! - গাধা।

থিরু...

থিরু!

আমার অকর্মা ভাই...

সব তোমার দোষ!

মেরে ফেল।

থেমে গেলি কেনো?

বস এখানে। স্থির থাক, নড়বি না!

আগে তাকে মারবো তারপরে তোকে।

এতোই সোজা মনে হচ্ছে?

আমি করছি দেখে সোজা মনে হচ্ছে!

আসলে এতো সোজা না বুঝলি।

আমাকে কেউ মারতে চাইলে.. এভাবেই মেরে রেখে দিবো।

লেখা...

তুমি কি বলেছিলে এখনো আমার মনে আছে।

আমাকে ছাড়া...

আমাকে ছাড়া এক মুহূর্ত তুমি বাঁচতে পারবে না।

চার বছর পেরিয়ে গেছে লেখা।

আমাকে ছাড়া।

তুমি পেরেছো।

কোন সমস্যা ছাড়াই পার করতে পেরেছো...

এই শেষ কয়েকদিন ছাড়া।

ফাকা বুলি আর কথা দিয়ে তা ভেঙ্গে ফেলা, লেখা?

কেমন আছো তুমি লেখা?

কি খবর তোমার?

ঠিক ৭২ ঘন্টা পরে...

আমার নামের ২য় গুলির সম্মুখীন হই আমি।

যা আমাকে ফেরে ফেলে।

আমি মরে গেছি

৭২ ঘন্টা আগে।...

লেখার সাথে আমার দেখা হয় বহু দিন পরে।

সে আর আমি রাস্তায় ছিলাম।

একটা অটো রিক্সায়।

আমার অনেক কাছে।

সোজা যাও।

- রঘু... - এই কি করতেছেন ?

- সেভেন বাংলোর দিকে যাও। - কি?

আজব প্যাসেঞ্জার!

আমার ভাই।

- কেমন আছিস রঘু? - থিরু।

তুমি ঠিক আছো?

তারা কি তোকে মেরেছে?

লেখা? তোমাকে মেরেছে নাকি?

সে ব্যাথা পেয়েছে।

- আমাদের হাসপাতালে যেতে হবে। - আমি ঠিক আছি।

- ঈশ্বরকে ধন্যবাদ রঘু সেখানে ছিলো। - আমি জানি।

আমি সেখানেই যাচ্ছিলাম।

সর‍্যি রঘু।

অনেক বড় ঝামেলায় ফেলে দিয়েছি।

তুমি ঠিক আছো?

তোর কিছু হয়নি তো?

ভাই সর‍্যি।

রঘু.....

ব্যাথা করতেছে লেখা?

আমি ঠিক আছি।

- কোথায় যাচ্ছি? - সেভেন বাংলোতে!

সেখানে একটা জায়গা আছে।

একজন নার্স সেখানে আসতে বলবো।

এই ক্ষতটা সারাতে হবে।

আমি না বলা পর্যন্ত তোমরা দুইজন সেখানেই থাকবা।

রঘু কোথাও বেরুবি না।

সেখানে আমি আসবো।

এতো দিনের জমানো রাগ আর ক্ষোভ...

আর তার জন্য আমার এসব বিপদের পরার জন্য তার উপরে থাকা আমার সকল অভিমান...

এক নিমিষে হারিয়ে গেলো।

বাবা মা কেমন আছে?

তারা ভালো আছে।

তারা তোমার বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আছে।

তোমাকে বাড়ি ফিরতে দেখলে তারা ঠিক হয়ে যাবে।

আমি জানি তুমি অনেক বড় বিপদে আছো।

চলো বিমানবন্দরে যাওয়া যাক। এই জায়গা থেকে পালিয়ে যাই।

এখন পারবো না।

তবে আমি আসবো..

কিছুদিনের মধ্যেই আসবো।

সারন্যিয়া ভালো আছে?

সে ভালোই আছে।

পাঁচদিন পরে তার বিয়ে

এই পঁচিশ তারিখে।

তারা তো আমাকে ভুলে গেছে! তাই না?

আমার উপরে রেগেও আছে!

যদি!

তারা কখনই তোমার উপরে রেগে নেই।

তারা তোমার বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আছে।

বোনের বিয়েতে তোমাকে নিয়ে যাবার জন্য বাবা আমাকে এখানে পাঠিয়েছে।

আমি তোমার উপরে রেগে আছি।

আমার রাগ কমাতে হবে।

রঘু....

সর‍্যি

সময় জেনো মুহুর্তে চলে গেলো।

আর গত তিন বছর ধরে এই ঝামেলা।

আমি এখানে ফেসে গেছি।

আমি জানি না কতক্ষন তোদের সাথে কাটাতে পারবো

পুলিশ....... সাথে আরো লোক আমার পিছে পরে আছে।

গতকাল পর্যন্ত জানতো না তুই কে!

কোর্টে আমার উপর হামলাকারীদের বাধা দেয়ার পর থেকে,

আবার একটু আগে ফেন এর সাথে দেখা করার পরে

তারা বুঝতে পারছে আমার একটা ভাই আছে...

আর তাই তারা ঠিক করছে তোকে মেরে ফেলার জন্য।

রেখাও বিপদে আছে।

দুইজনে রাতটা এখানে থাকবা।

কালকে সকালে তোমরা পোল্লাচি চলে যাবা।

তোমার এখানে থাকা উচিত না।

অটোতে তার সাথে কাটানো আট মিনিট সময়টা ছিলো,

এটা আমার জন্য অনেক বড় কিছু ছিলো।

আমি জানি এখন সঠিক সময় না।

কিন্তু তোকে দেখে আমি অনেক খুশি হয়েছি।

লেখা..

রঘু!

রঘু?

লেখা..

থিরু!

থিরু!

থিরু!

নিচু হও! বসে পরো!

পিছনে থাকো! পিছনে!

থিরু বীরের মতো সামনে থেকে তাদের সাথে লড়ে গেলো।

সে পিছু হটেনি।

আচমকা একটা গুলি লেগে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।

আমি ভেবেছিলাম সে জিতবে।

ভেবেছিলাম তার কিছু হবে না।

কিন্তু সেই না ভাবা কাজটাই হলো।

রঘু না...

না....

পিস্তল ফেলে দে।

পিস্তল ফেলে দে।

রঘু থিরু ঠিক আছে?

থিরু...

রঘু প্লিজ!

রঘু!

- খুব যন্ত্রণা হচ্ছে রঘু - কথা বলে না!

এম্বুল্যান্স ডাকো।

একটা এম্বুল্যান্স ডাকো।

আমি ডাকছি।

- তুমি ঠিক হয়ে যাবে। - আমি ডাকছি।

রঘু আমি তোর সাথে দেখা করতে এসেছিলাম।

তোর কলেজে কয়েকবার এসেছিলাম।

তোর কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময়।

আমি তোকে দেখেছি।

আমি সেখানে ছিলাম।

তুই অনেক ভালো গান করিস।

তোকে দেখে আমি চলে যেতাম।

আমি পোল্লাচি এসেছিলাম।

আমি আমাদের বাড়ি দেখেছিলাম, বাবা মাকেও দেখেছি...

আর সারন্যিয়াকেও।

দূর থেকে দেখেছি তাদের।

তিন বছর হয়েছে।

সত্যি আমি আবার...

আমি ফিরে যেতে চেয়েছিলাম...

কিন্তু আমি পারিনি।

আমি ভুল করেছি।

আমার একটা শেষ ইচ্ছা ছিলো।

আমার কিছু যায় আসে না।

কিন্তু তোকে দেখার পরে...

আমার আরো কিছুদিন বাঁচতে ইচ্ছে করছে।

রঘু.....

সর‍্যি রঘু.....

সে আমাকে কাঁদিয়ে ছাড়লো।

এই ঘটনার পরে কিছুক্ষণের জন্য আমার বোধ বুদ্ধি লোপ পেয়ে গেলো।

কি হলো?

সে কি বেঁচে আছে? তোমার কিছু হয়েছে?

অনেক বড় জখম হয়েছে, হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

উনি ডিসিপি থিরুমাল।

- আমি তার ভাই। - আমরা তার খোজ করছিলাম।

- দয়া করে সাহায্য করুন। - একটা এম্বুল্যান্স ডাকো।

- কোথায় ছিলেন আপনি? - সর‍্যি আমি একটু ব্যাস্ত ছিলাম।

কি হইছে আমার ভাইয়ের?

দেখেন পুলিশ আপনার সাথে কথা বলবে।

ডাক্তার!

- স্যার তার কি অবস্থা? - তোমার ভাই লাগে?

হ্যাঁ।

ডাক্তাররা তার প্রাণ বাচাতে প্রানপণ চেষ্টা করেছিলো।

কিন্তু পারে নি।

সে এখানে আসার আগেই মারা গিয়েছে।

সে বেঁচে ছিলো।

- তোমরা দুইজন ফ্লাইওভারের উপরে ছিলা না? - হ্যাঁ ছিলাম।

তোমার থেকে স্টেটমেন্ট নিতে হবে।

তোমাকে আমার সাথে থানায় আসতে হবে।

এখন।

আমি কি তাকে দেখতে পারি?

না।

বডি পোষ্টমর্টেম করার জন্য অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

একবার দেখতে পারি?

আমি উনাকে দেখতে চাই।

অনেক ভালো লোক ছিলেন।

থিরু অনেক ভালো লোক ছিলো।

যখন তার ভালোবাসার মানুষের মৃত্যু হয়, তার মধ্যে একটা পরিবর্তন আসে।

সে আমাদের থেকে দূরে চলে যায়।

আসলে সে বেশি দূরে যায়নি।

সর্বদা আমাদের কাছেই ছিলো।

কিন্তু এখন...

সে চলে গেছে।

চিরতরে....

আমরা সবসময় ভাবতাম সে ফিরে আসবে।

এখন আর আসবে না।

আমাদের পাশে আর থাকবে না।

কিছু লোকের জন্য এটাই লেখা থাকে। নিয়তি।

তার জন্য।

আর কিছু লোকের সেটাও লেখা থাকে না।

যেমন আমরা।

বড় ভাই!

- বাবা মা তোমাকে ডাকছে। - বলে দাও আমি আসছি।

রঘু আমাদের সাথে খেলবি?

না।

আচ্ছা, বাসায় বলিস আধা ঘন্টার মধ্যে চলে আসবো।

কোথায় আছি সেটা বলিস না বলিস চলে আসবো।

আচ্ছা ভাইয়া।

বাবা মাকে নিয়ে আমার আর চিন্তা করতে হবে না।

তারা আস্তে আস্তে বুঝে যাবে তুমি ছিলে না..... আর এখন আমিও আর নেই.....

আমরা জানতামই না তার পরিবার ছিলো।

আরে থামো তো

বাহিরে নিয়ে যাও।

তোমাকে কি কিছু দিয়েছে?

রঘু এটা তোর কাছে রাখ।

লকারের চাবি এটা।

আমি বলছি তোকে।

মানে হার্ডডিস্ক?

না।

মেমরি কার্ড, পেন ড্রাইভ বা এই ধরনের কিছু?

- এরকম কিছু কি দিয়েছে তোমাকে? - না স্যার আমরা মাত্র ১০ মিনিট একসাথে ছিলাম..

তাও আবার অটোতে।

- আপনি জিজ্ঞাসা করছেন কেনো? -কোথায় যাচ্ছিলে তোমরা?

আমি জানি না উনি নির্দেশনা দিচ্ছিলেন ড্রাইভারকে।

তোমাকে কিছু দিয়েছে?

তোমাকে পরিচিত লাগছে।

কোথায় যেন দেখেছি

নাম কি তোমার?

নিবেদিতা।

এই কথা তো আমার বলা উচিত। তোকে কোথাও দেখেছি।

এটা তুই ছিলি।

তুই আমার ভাইকে মেরেছিস। আর এখানে এসে বসে আছিস?

ঐ লোকটার রক্তের দাগ তোর প্যান্টে লেগে আছে আমি দেখেছি।

তার মানে এটা তুই আর আরেকটা লালা।

তোকে আগে খুন করা উচিৎ।

তোমরা এখন যেতে পারো। ঠিকানা লেখে দিয়ে যেয়ো।

লিখে দিয়েছে স্যার।

আচ্ছা আসতে পারো।

আমার ভাইয়ের লাশ কবে পাবো?

দুই এক দিনের মধ্যেই। আমরা জানিয়ে দিবো।

এই দুনিয়ায় পা রাখতে আর মন চাচ্ছে না।

অন্যান্য দিনের মত একটা দিন ছিলো।

আমি মরতে পারতাম।

আমার ভাই মারা গেলো।

কাউকে তো আজকে মরতে হতো

এটা আমি হতে পারতাম।

তার কপাল...

সে আমাকে হারিয়ে দিলো।

রঘু....

কি হয়েছে?

আমি তো ভয় গেছিলাম।

কয়েকবার তোমাকে ফোন করেছি ।

লেখা... মিথিলি।

এই মাত্র পাওয়া খবর...

ভান্দ্রা ফ্লাইওভারে সংঘটিত ...

মুখোসধারী মাফিয়া এবং পুলিশ অফিসারের বন্ধুকযুদ্ধে ..

আন্ডারওয়াল্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত ডেপুটি কমিশনার

আমি দুঃখিত।

...এবং একজন অটো ড্রাইভার মারা গেছে।

ডিসিপির বিরুদ্ধে আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়াদের সাথে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ রয়েছে..

আরো অভিযোগ আছে উনি ...

তিন বছর আগে সংঘটিত পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ...

সিনিয়র পুলিশ অফিসার অক্ষয় মাধবান--

ভাইয়াকে অসৎ পুলিশ অফিসার বলা কথা আমি শুনতে পারবো না।

বাসায় জানিয়েছো?

এই খবর দেখলে তারা এমনিতেই জেনে যাবে।

তারা এসব দেখে না।

তাদের কাছে এসব বলার জন্য কেউ নেই।

তারা জানেও না থিরু একজন পুলিশ অফিসার।

আমার ভাইয়াকে তুমি কিভাবে চিনো?

তার সাথে তোমার কোথায় পরিচয়?

লেখা!

রঘু?

তুমি ভয় পাচ্ছো কেনো?

যাও !

তার সাথে কথা বলো।

তোমার লোক এসেছে।

তোমার জন্য এসেছে।

হয়তো তার পরবর্তী সিনেমার জন্য।

শোন...

হয় তার সাথে চলে যাবে।

নয়তো তাকে চলে যেতে বলবে।

এখানে কোন ঝামেলা করবে না।

এটা আমাদের বাসা না।

যাও।

রঘু কি করতেছো তুমি?

তুমি তাকে চিনো না।

আমি তাকে বলেছিলাম চিন্তা করো না। আমি তোমার সাথে আছি।

তাহলে আমি তার সাথে কথা বলে দেখি।

কিন্তু সে বলেছে সমস্যা নেই আমি তার সাথে চলে যাচ্ছি..'

'কয়েকদিন পরে আমার সাথে দেখা করতে এসো.'

আর তারপরে সে আমার ফোন ধরে নি।

চার বছর, কয়েকটা মুভি করার পরে। তার বোরিং লাগছিলো...

সে আমাকে ফোন করে আসতে বলে আর আমিও ছাগলের ৩ নাম্বার বাচ্চার মতো ডিং ডিং করে চলে আসি।

তাই তো।

মাঝে মাঝে ছেলেরা ক্ষ্যাপা ষাঁড়ের মতো অসহানুভুতিশীল আচরণ করে।

আমি তোমাকে কল দেয়া উচিৎ ছিলো...

আমি সেই ক্ষ্যাপা ষাঁড় ছিলাম।

..আর তোমাকে বলছি কি হয়েছিলো।

কিন্তু সেটা করতে পারি নি।..

আমি ভয় পেয়ে ছিলাম।

সে কিছু করে না দেয় সেই ভয়ে ছিলাম।

সর‍্যি রঘু।

সে বারবার তোমাকে আর তোমার পরিবারকে ক্ষতি করার হুমকি দিচ্ছিলো।

শুধু তাই না।

তার বউয়ের নাম কমলা।

আমি তাকে অনেক পছন্দ করতাম।

সে আমাকে এতিমখানায় এসে নিজের মেয়ের মতো আদর করতো।

আমার কিছু লাগলে আমি তার কাছে চাইতাম।

আমার সবকিছু উনি পছন্দ করতো। আমার জামাকাপড় আমার স্কুল।

পোল্লাচি ছেড়ে চলে আসার পরে...

এই ছবিতে শুধু অভিনয় করো।

তার পর সে অভিনয় করতে বললে দেখা যাবে।

আমি আছি তো তোমার সাথে। আমি তাকে বুঝাবো।

আন্টি এতো সহজ না। আমার অভিনয় ভালো লাগে না।

আপনি বলেছিলেন একটা ছবি মাত্র, এখন আরেকটা।

এদিকে আসো বাবা, গনিতে কতো পেয়েছো?

গতকাল বলেছিলাম তো...

সবাইকে বলেছিলে?

চল্লিশ

একশতে চল্লিশ?

- মা! - আমি তোকে আরো মারবো।

লোকটা একটা ১২ বছরের বাচ্চাকে মারছিলো।

তোমার জন্য তাকে মারছি মনে রেখো।

ঐ ছোটলোকটার সাথে কিভাবে গেলে?

আমাকে কি বোকা মনে হয়?

আমার থেকে কেড়ে নিবে।

এদিকে আসো

তোমার জন্য হয়েছে সব।

তোমাকে বললাম তাকে কিছু উপদেশ দাও

তা দিলে না? আমি তোমাকে শিক্ষা দিচ্ছি!

আমার সাথে আসো।

কি করছেন এসব? - তুমি দেখতে থাকো।

স্যার প্লিজ।

কত বার বলেছি তাকে একটু বুঝাও?

স্যার প্লিজ

পছন্দ করে না?

অভিনয় করবে না?

আমাকে দিয়ে ভিক্ষা করাবে?

মনে করো না আমার থেকে পালাতে পারবে....

তোমাকে খুজে বের করে মারবো।

আর তোমার রঘু।

তার বাসায় যেয়ে তার পরিবারের ক্ষতি করবো।

কি বলেছে সে?

- অভিনয় করবে না? - স্যার প্লিজ তাদের ছেড়ে দিন।

- ভালোবাসার টানে পালিয়ে গেছে? - দয়া করে ছেড়ে দিন।

- তার স্কুলের বেতন দেয়ার সময় আমাকে তার প্রয়োজন ছিলো? - স্যার আপনার সব কথা আমি শুনবো।

প্লিজ !

আমি অভিনয় করবো।

আপনার সব কথা মেনে চলবা?

উনি যা করেছে...

আমি তা বলতে পারবো না।

তার নিজের বউ।

আমি তার কাছে ভিক্ষা চেয়েছি...

আর এই কারনে আমি রঘুকে ছেড়েছি ।

এই জন্য আমি আর তার সাথে থাকতে চাই না।

আমার কাছে আর কোন উপায় ছিলো না....

আমার মাথা নষ্ট করে দিচ্ছিলো।

আমি জানি এখনে অনেক বড় কাহিনী আছে।

কিন্তু আমি এটা কল্পনা করতে পারছিলাম না।

কান্না করে না।

আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো।

তাকে উত্তক্ত করা লোকটা বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে।

তাকে এই দুনিয়ায় বাঁচতে দেয়া যাবে না রঘু।

রঘু এমন করে না।

রঘু বাহিরে কেউ নেই। চলে আসো

চলে এসো প্লিজ।

ভিতরে আসো, দরজা বন্ধ করো রঘু।

তাকে আমার মারতে মন চাচ্ছিলো।

কিন্তু লেখা...

আমার তাকে সান্ত্বনা দেয়া দরকার।

চোখের মনির মতো তাকে রক্ষা করা উচিত।

তার শরিরে আচর লাগতে দেয়া যাবে না।

দুঃখিত রঘু, তোমাকে ফোন দেয়া উচিৎ ছিলো আমার।

"There is no need for words; Just go to sleep in my arms."

"While I protect you like the apple of my eye; You can dissolve into a dream."

"My fingers will caress you, Gentle as a feather."

"As if from memory, Our hearts will speak."

"Not wanting to shed any tears; I held it back in my eyes."

"I held back a drop; My eyes welled up like an ocean."

"Even when we were apart; I thought about you every single day."

"Even when we were separated; My love was always true."

"In the dawn that's yet to come; In the dusk that's endless to us."

"You and I lie in a sweet embrace; Under the blanket there's no time nor space."

"We take the clock's word on the time; That time is only to get dressed."

"My heart will never forget; Even when I'm dead."

"You're my first; And my last."

"You're my earth; And my skies."

"Even when you go far away; Even when you're unreachable like the sky;"

"It's only my field of vision that you left; In my heart you stayed."

"You wrote a sweet letter with your lips; Before I could reply, you dissipated."

"You can always have your way; My temper will ebb away."

"We lost our beautiful selves; Now there will be monsoon."

"There is no need for words; Just go to sleep in my arms."

"While I protect you like the eyelids; You can dissolve into a dream."

"My fingers will stroke you, Gentle as a feather."

"As if from memory, Our hearts will speak."

"Not wanting to shed any tears; I held it back in my eyes."

"I held back a drop; My eyes welled up like an ocean."

"Even when we were apart; I thought about you every single day."

"Even when we were separated; My love was always true."

"There is no need for words; Just go to sleep in my arms."

লেখা?

লেখা!

লেখা আমি জানি তুমি ভিতরে আছো। দরজা খোল।

রঘু!

রঘু!

আমার সাথে আসো।

তোমরা দুইজন ভিতরে থাকো।

রঘু, সেদিনের মতো তারা দুইজন আবার চলে যাবে।

এক সেকেন্ড, আমার লজ্জা লাগছে।

এই জীবনে কিছু করা দরকার।

বাবা, মা, সারন্যিয়া। সারন্যিয়ার বিয়ে।

লাগিয়ে দাও।

লোকগুলা একেকটা কুত্তা, চলে যাবে একটু পরে।

এক সেকেন্ডের জন্য।

তারা মনে করে তারা সব কিছু নিয়ে চলে যেতে পারবে।

একবার তাদের সম্মুখীন হওয়া দরকার।

তাদের মেরে ফেলার আগে।

কি লাগবে তোর?

- লেখা কোথায়? - ভিতরে আছে।

অসাধারন।

আমরা এখানে কোন ঝামেলা করতে চাই না।

চলে যাও।

কে ঝামেলা করতেছে?

উনি মেয়েটার বাবার মতো।

- কি? - আমাকে কথা বলতে দাও।

উনি তার সাথে একটু কথা বলবে তারপরে চলে যাবে।

আমারো একটু ঘরটা তল্লাশি করা প্রয়োজন।

ঠিক আছে!

তাহলে আমরা আবার উপরে যাচ্ছি।

দরজা খুলতে যাচ্ছি।

কি হলো।

গত কাল থানায় সে তার নাম নিভেদিয়া বলেছিলো।

এখন কি?

এভাবে তাকিয়ে কি দেখছিস?

ভালোবাসিস তাই না?

তোর পরে সে আরো কত পুরুষের সাথে ছিলো।

আর তুই কিনা একাই রইলি?

মেয়েলোক বলে কথা, বলেছিলাম না।

আমি তাকে রক্ষা করতে চেয়েছি... সেই সাথে এই পুলিশও।

সে আমাদের ভুল বুঝে পালিয়ে এসেছে।

সে ভালো হিন্দি সিনেমা করতে পারতো।

নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে।

আসো।

কি?

ছেলেটা এমন করছে কেনো?

কি সমস্যা তোমার?

শালা আবাল।

তুই আমার ভাইকে মেরেছিস?

আমি দেখেছি।

তাহলে তো তোর বাড়িতে এখন দুইটা লাশ পাঠাতে হবে।...

তোরটা সহ।

লোকে সবসময় ভাবে হাত আগে কাজ করে পা না।

দরজাটা খোল।

এখন আমি এতে জড়িয়ে পড়েছি, মরে গেলেও আমার কোন আফসোস নেই।

আয়!

জানোয়ার মেজাজ।

ব্যাথা।

আমি জানি এক্ষেত্রে ব্যাথা বেদনা থাকবে।

কিন্তু আমি জানতাম না আমার ভিতরে একটা ছুরি ঢুকিয়ে দিবে।

রঘু বেশি ভিতরে ঢুকতে দিস না!

আমার হাত ছাড়।

আমারে আবাল বললি কেন?

আমারে আবাল বলছিস?

তাহলে এখানে এসে মরার জন্য সেখানে আমি মৃত্যুর মুখ থেকে বেচে গেছিলাম!

রঘু তাদের সাথে কি করেছো?

কি হয়েছে ওদের?

আমার কিছু যায় আসে না।

একজন আমার ভাইকে গুলি করে মেরেছে।

আমি তাকে ছুড়ি দিয়ে কুপিয়েছি।

অন্যজন তার সাথে পশুর মতো আচরণ করেছে, তাকে আমি বেদম মেরেছি।

ওদের দুইজন মারা গেলে বেশ ভালো হবে।

দেখা যাক।

রঘু!

কি হয়েছে উনার? কোন সমস্যা?

না সে ঠিক আছে, একটু অসুস্থ আরকি।

ক্ষত জায়গাটা ধরে রাখো।

শক্ত করে ধরে রাখো।

- বেশি বড় ক্ষত হয়েছে নাকি? - সর‍্যি।

আমি দুঃখিত।

বোকার মতো কথা বলে না। সব ঠিক হয়ে যাবে।

মিথিলি তোমরা তো আমাকে বিপদে ফেলবে না?

দেখি আমি কি করতে পারি।

ধন্যবাদ অমিত। অসংখ্য ধন্যবাদ।

থিরুর সাথে তোমার কিভাবে পরিচয়?

এই ফ্লাটে।

আমি কারো সাথে কথা বলতাম না একা থাকতাম।

সিনেমায় অভিনয় করার জন্য রাজি হবার একমাত্র...

কারন ছিলো কুবেরানের থেকে স্বাধীনতা পাবার জন্য।

আমি জানতাম সে যখন তখন পশুর মতো আচরণ করতে পারে।

মাত্র তো পাঁচ বছর চেয়েছি!

তুমি হাসিখুশি থাকবা মুক্ত থাকবা। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পারবা।

শুধু ঐ পোল্লাচির ছেলেটা বাদে।

যেখানেই যেতাম সে আমাকে তার সম্পত্তি হিসেবে উপস্থাপন করতো।

মনে করতো আমি তার জিনিস। আমি তার প্রেমিকা।

সবখানে এরকম একটা অবস্থা সে করে রাখতো।

সবসময় তাকে অভিষাপ দিতাম আমি।

শেষ কয়েকদিন তো আমি তার মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দিতাম।

তার সাথে কথা বলতাম না।

যত পারতাম অপমান করতাম।

একদিন একটা মিটিংয়ের জন্য সে আমাকে মুম্বাই নিয়ে আসে।

আমার পালক মা আমাকে অনুরোধ করতো বলে আমি যেতাম।

হটাৎ করে হিন্দি অভিনেতা আনান্দ আমার রুমে চলে আসে।

বেবি কি হইছে?

লেখা তাইতো?

বেবি।

ভালো লাগবে।

আমি তোমার অপেক্ষায় আছি, তুমি তোমার মত সময় নাও।

আমি জানতাম না সে আমার জন্য ঘাপটি মেরে বসে ছিলো।

তাহলে সোজা পথ তোমার ভালো লাগে না?

তাহলে তো জোর করেই করতে হবে?

আমাকে ছাড়ো - এটাকে ভাল্লুকের জরিয়ে ধরা বলে!

তোমার বয়স কতো?

ঐ লোকটার কাছে তোমার গোছলের ভিডিও আছে।

এই মাত্র আমি সব ন্যুড ছবিগুলো দেখে আসলাম।

তোমার অভিভাবক... উনি আমাকে সব দেখিয়েছেন।

আমি পুলিশে ফোন দিবো।

তুমি পুলিশে কল দিবে? আমিই দিচ্ছি।

পাশের রুমে পুলিশ আছে। আমি ডাকবো?

আমি সুপারস্টার!

হ্যাঁ!

- ছাড়ো আমাকে! - জোড়াজুড়ি করে না, আরামে মজা নেও।

- কি হচ্ছে এসব? - আমাকে সাহায্য করুন।

কি লাগবে তোমার? আমি ভাবলাম তোমরা চলে গেছো।

তোমার অনুমতি ছাড়া রুমে ডুকেছে না?

আমি সব জানি তবুও জিজ্ঞাসা করছি।

হ্যাঁ।

তাহলে এখানে যেয়ে বসো।

বসো।

ভাই হচ্ছেটা কি? কে তুমি?

আমার নাম থিরুমাল।

থিরু।

রঘুর ভাই আমি।

এই লোকটাকে তুমি চিনো?

জানো তুমি.. ছবিতে আমার স্টান্ট আমি নিজেই করি।

তোমাকে মেরে ভর্তা করে দিবো আমি।

আমি জানি না কেনো.....

একে বড় পর্দায় দেখলে আমার মারতে মন চায়।

শালা খাটাশ!

প্লিজ বসো!

উঠো হিরো!

কুবেরান!

- কুবেরান! - তাকেও আসতে বলো।

মেয়ের উপরে জোর করিস?

আর করবি?

বল আর করবি?

তুই একজন অভিনেতা, লোক তোকে দেখে, আর চরিত্রের এই অবস্থা?

ভিতরে ভিতরে অবৈধ অস্ত্র আর মাদকের ব্যাবসা।

না।

ছেড়ে দেন।

এখান থেকে চলে যাও।

- চলে যাও, আমি দেখে নিচ্ছি। - আচ্ছা।

আনান্দ!

আনান্দ...

আনান্দ?

কি হয়েছে লেখা? কি করেছো তার সাথে?

- কি হয়েছে আনান্দ? - ঘুমাচ্ছে আরকি।

তুমি তো সেখানে ছিলে না?

কে তুমি?

কে তুমি ?

বলো বলছি! কে তুমি ?

আবার বন্ধুক বের করেছিস?

এটাই সেই ল্যাপটপ?

ল্যাপটপ ছাড়া আর কোথায় ছবি আছে?

শুধু এই ল্যাপটপে।

- আর কোথায়? - শুধু এখানে।

শালা তোকে মেরে।

আর কোন কপি নেই।

তুমি মারবে নাকি?

মারতে পারো।

মারো।

মারো।

কসিয়ে একটা মারো।

আরে মারো। আমি আছি তো।

লেখা.... না.....

থামলে কেনো?

থামো লেখা! লেখা!

মরে যাবে বেশি মারলে।

কুবেরানের হাত থেকে থিরু আমাকে বাঁচিয়েছে।

সে আমাকে তার সাথে যেতে বলেছিলো।

হোটেলের বেসমেন্টে একটা ভ্যান পার্ক করা ছিলো।

থিরুর ভ্যান ছিলো সেটা।

পুলিশ অভিযান ছিলো।

কুবেরানের বুক করা সব রুমে ক্যামেরা ফিট করেছিলাম আমি।

এই জন্য জানতে পেরেছি এই রুমে তুমি আছো।

তুমি ঠিক আছো?

হ্যাঁ।

আমার উপরে ভরসা রাখতে পারো।

আপনি রঘুর ভাই...

আমি আপনাকে ভরসা করি!

ঐ লোকটা বললো কুবেরান আমার কিছু ছবি তুলেছে।

আর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করছিলেন ছবিগুলো এই ল্যাপটপে কিনা।

আমার টেনশন হচ্ছে, ছবিগুলা অন্য কোথাও আছে মনে হয়।

টেনশন করে না। কিচ্ছু হবে না।

ছবিগুলা তোমার অজান্তে তোলা হয়েছে।

এই নিয়ে লজ্জিত হবার কিছু নেই। ভয় পাওয়ারো কিছুই নেই।

সব ঠিক হয়ে যাবে।

আর কোথাও নেই।

আর কোথাও থেকে থাকলে সেটাও পেয়ে যাবো আমরা।

ঠিক আছে?

সে আমাকে এক জায়গায় নিয়ে এলো। কিন্তু সেটা তার ঘর ছিলো না।

আমি সেখানে থাকলাম।

সে প্রতিনিয়ত ২৪ ঘন্টা কাজ করতো।

সে ভ্যান থেকে পাওয়া ফুটেজ নিয়ে ল্যাপটপে কাজ করতো।

৩ বছরের কঠোর পরিশ্রম...

একজন আন্ডারকভার পুলিশ অফিসার হিসেবে।

এক মুহুর্তে সব ফেলে চলে আসলাম।

আমি চলে আসছিলাম

আমি যা চাচ্ছিলাম তা পেয়ে গেছি।

1624

আমি আবার ফিরে গেলাম।

সেই হোটেল রুমে।

কারন রঘু তোমাকে পছন্দ করে।

অন্তত এখন রঘুর সাথে একবার কথা বলো?

সে আমাদের ব্যাপারে জানতো।

এই জন্য সে আমাকে বাঁচাতে এসেছিলো।

আমি এমনেও আসতাম।

পরের রাত্রে সে আমাকে সেখান থেকে বেরুতে বললো।

আমরা একটা জীমনেশিয়ামে গেলাম।

তারপরে আরেক জায়গায়।

সে পুলিশকে জানিয়েছিলো, আর কিছু গুন্ডা তার পিছে লেগে ছিলো।

ফেন সবসময় আমাদের সাথেই ছিলো।

সে গাড়ি চালাচ্ছিলো।

আমরা সারাদিন গাড়িতে ছিলাম।

তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই আমি তোমাকে ফোন দিবো।

থিরু আমাকে আরো তিন জায়গায় নিয়ে যায়।

আমাকে যেভাবে বলা হয়েছিলো আমি ঠিক সেভাবেই করছিলাম।

থিরুর নিরাপত্তা নিয়ে আমার দুশ্চিন্তা হচ্ছিলো।

আমার মনে হলো তার সাথে তোমার দেখা করা উচিৎ।

আর আমি ঠিক ছিলাম।

সর‍্যি রঘু।

আবারো তুমি আমার কাছে হিরো হয়েই রইলে।

এখন তোমাকে আগের থেকে আরো বেশি মিস করছি ভাইয়া।

তুমি আমার ভালোবাসাকে বাচিয়েছো। তাকে রক্ষা করেছো।

আমার কাছে তাকে ফিরিয়ে দিয়েছো।

ধন্যবাদ থিরু।

সে কি তোমাকে কিছু দিয়েছে?

দূর্নীতিগ্রস্থ অফিসার নামের এই কলঙ্ক তোমার নাম থেকে সরাতে হবে।

সবাইকে জানতে হবে তুমি আমার হিরো।

এর পরে আমি যা করতে যাবো সব তোমার জন্য ভাইয়া।

এটা তোমার জন্য।

এই মোবাইল ব্যাবহার করবে।

আমি এখানে আছি। আমি তার খেয়াল রাখবো।

পুলিশ তোমার খোজ করবে।

সে যদি বেঁচে থাকে,

মরে গেলে ব্যাপারটা আরো খারাপ হবে।

তারা হয়তো আমার বাসা এতোক্ষনে ঘিরে ফেলেছে

আমরা এখন কি করবো?

এখন কোথায় যাচ্ছো? কিসের জন্য যাচ্ছো।

থিরুর জন্য আমাকে কিছু করতে হবে।

তার সৎকারের কাজ ভালোভাবে করতে হবে।

থিরু এই জীমে প্রায় আসতো।

সে বলেছিলো এটা লকারের চাবি।

আমি জানি না আমি কিসের খোজ করছিলাম।

কিন্তু একটা বিশ্বাস কাজ করছিলো এটা এখানেই আছে।

লকার খোলার আগ পর্যন্ত সব ঠিক ছিলো।

সবাই যা খুঁজছে তা হয়তো লকারে আছে।

আর এটা তার চাবি।

যখন আমি ভাবলাম আমি সব পেয়ে গেছি..

কিছুই ছিলো না সেখানে।

করুন সমাপ্তি হলো।

কিছু ঠিক লাগছিলো না।

কিছু তো সমস্যা হয়েছে।

লেখা বলেছিলো ফেন তার সাথে ছিলো।

আমার তার থেকে জানতে হবে থিরু আর কোথায় যেতো।

যখন তাকে দেখলাম তাকে আমার পরিচিত মনে হলো।

পুলিশ।

আবার ধরা খেলাম।

রঘু।

রঘু...

আমি ডিসিপি সুরাজ।

আমাকে বলা হয়েছিলো ২৫ বছর বয়সি যুবক একটা ছেলে...

রোগাপাতলা চেহারা গোফ দাড়ি আছে।

হুলিয়া বদলে ফেলেছো? কেনো?

তাহলে তুই সুরাজ?

প্রথমত আমি একজন অন ডিউটি অফিসারের উপর...

হামলা করার জন্য তোমাকে গ্রেফতার করবো।

দ্বীতিয়ত- লকারে যা পেয়েছো তা দিয়ে দাও...

এটা তোমাকে দিয়ে দিবে হবে।

অবাক হইনি!

এখন।

ভিতরে কিছু ছিলো না। খালি ছিলো।

নড়বে না।

ঘুরে দাড়াও।

মুখ খোল।

ওর মোবাইল এদিকে দাও

মাদ্রাসি কি নিয়ে ঘুরতেছিস?

স্যার একটা ফোন করতে পারি?

- থানায় পৌছানোর পরে। - স্যার প্লিজ।

আমার থেকে সব কিছু নিয়ে নিছিলো, থিরুর দেয়া সেই চাবি আমার মানিব্যাগ।

আমার মোবাইলও নিয়ে নিয়েছিলো।

তোমার ভাইয়ের জন্য।

'চাওয়ার সাথে সাথেই দিয়ে দিলো'

আমি এমনিতেই ভয়ের মধ্যে ছিলাম।

লেখার সাথে একবার কথা বলা উচিৎ ছিলো।

তাদের অন্যকোথাও পাঠাতে হবে আমার।

সে জেনো কারো ফোন না ধরে তা বলার ছিলো।

হ্যালো?

হ্যালো?

- কে তুই? - আরে হিরো.....

কি ব্যাপার? - লেখা কোথায়?

লাইনে থাকো।

-গাড়িতে উঠো মেয়েরা - কোথায় নিয়ে যাচ্ছো আমাদের?

- লেখা উঠে পড়ো। - বিপদে পড়ে গেছো তুমি।

এটা আবার কার নাম্বার?

তোর তো পুলিশের সাথে থাকার কথা।

দয়া করে লেখার কাছে ফোনটা দে।

লেখার সাথে কথা বলা দরকার আমার।

অন্য মেয়েটা... নাম হলো মিথিলি?

সেই হট তো!

লেখা গাড়িতে না উঠলে মিথিলির ক্ষতি করবো বলেছি।

লেখাকে দুই চারটা বসিয়েছি।

তাদের কোথাও রেখে ভেবেছো কি তুমি তাদের লুকিয়ে রাখতে পারবে।

আমি তো তাদের পেয়ে গেছি?

কিভাবে পেলাম জানতে চাও?

একজন ভালো পুলিশ অফিসার আমাকে তোমার নাম্বার দিয়েছে।

আমি তোমার প্রেমিকাকে মেসেজ করেছি, লাভ ইউ জানু উবারে আসছি লোকেশন শেয়ার করো।

সে করে দিয়েছে!

বাসায় পৌছালাম আর সেই হট মালটা দরজা খুলে দিলো।

ভাই লাইফ তো তুই মাস্তিতে কাটাচ্ছিস!

তুই আমাকে চিনিস না।

আমাকে দেখে তোর ছবির পরিচালক মনে হয়?

তোর ভাই আমার ব্যাপারে কিছু বলেনি?

তুই তো তাকে জিজ্ঞাসাও করতে পারবি না। বেচারা মরে গেছে।

তোর কপালেও একই দশা আছে।

মরার পরে তোর মাথায় খালি একটা চিন্তা আসবে।

যেই মেয়েটা আমাকে এতো ঘৃণা করে...

তার এতো সুন্দর একটা জীবন দেয়ার পরেও আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।

আমি তোর প্রেমিকার সাথে খেলা খেলতে যাচ্ছি...

কয়েক ম্যাচ তো খেলবোই..

আমি শুধু আজকের রাতটাতে খেলবো।

আজকে আমি অনেক মজা করতে যাচ্ছি।

তাকে আমি বশ করবো আর আজীবনের জন্য আমার সাথে রেখে দিবো।

মরার আগে কথাটা মাথায় ঢুকিয়ে রাখ।

- পালাতে তুমি পারবে না। - ভালো করে বসো।

আমার করার কিছুই ছিলো না...

অপেক্ষা ব্যাতিত।

চলে এসেছি।

এদিকে।

ফেন।

সে এখানে পুলিশ নিয়ে এসেছে কিন্তু কেনো।

এটা কোথায় ছিলো?

তারা বলেছিলো আমাকে থানায় নিয়ে যাবে।

কিন্তু তারা আমাকে অন্য কোথাও নিয়ে এসেছিলো।

এ কোথায় আমাকে নিয়ে আসলো?

সুইচ ঐদিকে...

- কার বাড়ি এটা? - থিরুর সেফ হাউজ।

বস।

বস এখানে।

নিচে বস।

- এখানে হার্ডডিস্ক খুঁজতে হবে? - এরকমই তো আদেশ পেয়েছি।

এটারে এখানে কেনো এনেছি?

মনে হয় এর আগেও শালায় এখানে এসেছিলো।

- না এবারই প্রথম - শুরু করা যাক তাহলে?

অপেক্ষা করি।

ডিসিপি থিরুর আরেক জায়গায় তল্লাশি চলতেছে।

সেখান থেকে খবর আসলে এখানে তল্লাশি শুরু করবো।

ওকে।

চাবিটা আবার আমার কাছে চলে আসলো।

থিরু চাবিটা আমাকে কেনো দিয়েছে?

জীমের লকারে কিছুই ছিলো না।

কেউ কি আমার আগে সেখান থেকে হার্ড ডিস্ক নিয়ে গেছে?

আমি চাবিটা আমার সাথে রাখার সিদ্ধান্ত নিলাম।

আমাকে পেয়েছো না তাকে ছেড়ে দাও?

আমাকে ছুবে না।

তাকে ছেড়ে দিলে সে পুলিশের কাছে যাবে মিডিয়ার কাছে যাবে।

সে এখন আমার কব্জায়।

এখানে আসা যায় কিন্তু বের হওয়া যায় না।

জানি না তোমাদের দুইজনের কপালে কি আছে।

দেখা যাক।

আমার রাস্তায় আসলে কি হতে পারে জানো?

আমার গায়ে হাত তুলার সাহস হয়েছে?

তার ভাইয়ের সাথে পালিয়ে গেলে।

তার ভাইয়ের সাথেও ঘুমিয়েছো?

দুই ভাইয়ের সাথেই মাস্তি করেছো?

তুই চুপ করবি!

- স্যার কিছু করবেন না.. - আমি তোকে মারতে চাই না।

- আপনার হাত সরান। - চুপচাপ বসে থাক।

প্রথমে ছোট ভাই পরে বড় ভাই।

আর আমার ভাগ্য।

আমি তোমাকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কি ভুল ছিলো আমার চাওয়ায় ?

আমার কিছু লাগবে না।

আমাকে আর জোর করতে পারবে না। মরবি তুই দেখিস।

পোল্লাচির ঐ ছেলের সাথে যেতে দেইনি বলে ঘৃণা করিস?

নাকি তোর ঐ ন্যুড ছবি তুলেছি বলে ঘৃণা করিস?

সেটা তো তুলেছি আমার প্রতি তোকে বাধ্য করতে।

সেটা দিয়ে সে কি করেছে?

সে মনে হয় ঐ ছবি দেখে মজা নিয়েছে!

বেচারা এখন মরে গেছে!

আমি কোন কপিই করি নি কখনো।

করা উচিৎ ছিলো!

তোমার কৃর্তি সে নষ্ট করে দিয়েছে।

সমস্যা নেই আমরা আবার নতুন করে তুলবো।

এখনি তোলা যাক? তুমি প্রস্তুত তো!

অলৌকিক কোন ঘটনা ঘটবে সেই অপেক্ষায় বসে থাকতে পারছিলাম না।

বস।

হয় এদিক নয়তো সেদিক।

বস।

অলৌকিক কিছু আমাকেই করতে হবে।

বললাম না বসতে।

কি বললি তুই?

যদি আগুন জ্বালাতেই হয়, তাহলে এক্ষুণি জ্বালা।

যন্ত্রনা তো পাওয়ারই ছিলো।

আর সেই যন্ত্রনা থেকে বেরিয়ে আসার উস্তাদ ছিলাম আমি।

- না ছিলাম অটো পাইলট মুডে - কি হচ্ছে এখানে আহাম্মকের দল?

- না ছিলাম হিংস্র মুডে। - সব বেরিয়ে যা এখান থেকে।

শেষ ইচ্ছার মুডে চলে এসেছিলাম।

নিয়ে আয়!

আমি দেখছি শালারে।

আনান্দ...

গাড়িতে অপেক্ষা কর

পুলিশের গায়ে হাত দেয়ার আগে চিন্তা করিস নি?

তোমার তো ভয় নেই?

হার্ড ডিস্ক কোথায়?

বন্ধুক নিচে রেখে কথা বলছিস না কেনো?

জীমে গেছিলি কারন সে তোকে চাবিটা দিয়েছিলো আর যেতে বলেছিলো।

সেদিন তোকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম।

কিছু দিয়ে থাকলে দিতে বলেছিলাম।

কিন্তু আমাকে কিছুই বললি না।

তোকে কেনো বলতে যাবো।

তুই লকার টা খুললি...

কি ছিলো সেখানে? হার্ড ড্রাইভ?

সেখানে কেনো গেছিলি?

আমি জানি সেখানে তুই পাঁচ মিনিট ছিলি।

কি করছিলি? কি করছিলি তুই?

সে সব কিছু ক্লাউড সার্ভারে রেখেছে তাই না?

লকারের ভিতরে পাসওয়ার্ড রেখে গেছে?

তুই সেটা পড়ে কাগজটা নষ্ট করে দিয়েছিস না?

আমার কাছে তার ক্লাউড আইডি আছে.... আর তুই তো পাসওয়ার্ড জানিস?

আমাকে পাসওয়ার্ডটা বলে দে আমি তোকে ছেড়ে দিবো।

তোর পিছে আর আসবো না। তোকে আমার দরকার নেই।

তুই আমাকে ছুড়ি দিয়ে কোপ মেরেছিস তারপরেও তোকে মাফ করে দিচ্ছি!

- পাসওয়ার্ড ছিলো না? - ছিলো তো পাসওয়ার্ড।

কি পাসওয়ার্ড ছিলো?

তোমার নাম জানি কি?

ডিসিপি নাগরাজ।

নাগরাজ একটা মাদারচোদ।

এটাই হলো পাসওয়ার্ড।

কি হলো মজা করলাম তোমার সাথে। হাসবে না হাসো!

কিন্তু সে হাসে নি সে উল্টা আমাকে গুলি করেছে।

আমার খেল খতম হয়ে গেছিলো।

কি হচ্ছে এখানে?

- কি? - কি হচ্ছে এখানে?

সে আমাদের লোকেদের মারতেছিলো। তাই মেরে দিয়েছি।

শালা মরছে নাকি সেটা নিশ্চিত করতেছি।

যথেষ্ট হয়েছে!

তাকে আমাদের জীবিত চাই!

সব ঝামেলার জন্য তুই দায়ী।

বাল!

একটা কাজ দিছিলাম তাও পারলি না!

বাচ্চা একটা ছেলে।

একটা বাচ্চাও সামলাতে পারলি না?

এখান থেকে বেড়িয়ে যা বলছি।

মৃত্যুর শহরে ডুকলে তো এমনই হবে।

অসহ্য যন্ত্রনা হচ্ছিলো।

আমি সবার কথা শুনতে পাচ্ছিলাম।

আমার উপরে ভারি কিছু অনুভব করতে পারছিলাম।

আমি অনুভব করতে পারছিলাম।

হ্যাঁ লালা?

তার দল এখানে এসে পৌছেছে।

পুরা দল এখানে এসেছে।

নাগরাজ মারা গেছে? আনান্দ ভাই!

কি বলছো তুমি? তারা নাগরাজকে মেরে ফেলেছে?

হ্যাঁ কুবেরান নাগরাজ মরে গেছে। তারা কিছুই খুঁজে পায় নি এখানে।

আর তার বডির নিচে পুলিশের ভাইয়ের মৃতদেহ পরে আছে।

আর ফোন করার দরকার নেই। আমি আসছি।

- তাকেও সাথে নিয়ে এসো। - ওকে।

লেখা তোমার নাগর রঘু মারা গেছে।

বেচারা।

প্রথম পার্ট শেষ।

দেখা যাক পরের পার্টে তোমার সাথে কি ঘটে।

আমার কথা বিশ্বাস করতে পারো। মিথ্যা কেনো বলবো?

মাত্রই খবর পেলাম।

না এটা সত্য হতে পারে না।

এটা সত্য হতে পারে না।

পুলিশের সাথে ঝামেলা করা উচিৎ হয়নি।

তোমার পিছে ঘুরতো আমি তাহলে তাকে দু চার ঘা ফিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিতাম।

মনে হয় পুলিশের সাথে বেশি ঝামেলা করছে একেবারে মেরে দিছে।

লেখা শান্ত হও।

ক্যামেরার সামনে এভাবে অভিনয় করতে দেখি নি তো।

লেখা সব ঠিক হয়ে যাবে।

কান্না করে না। আমি জানি তার কিচ্ছু হয়নি।

আমার কথা শোন.....

কান্না করেনা প্লিজ।

আমি মারা যাই নি।

মারা গেলে তো এরকম লাগতো না।

ভাইয়া তোমাকে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে আমার সাথে দেখা করার জন্য।

আমার জন্য অপেক্ষা করো।

আমার গল্পে আমি নিজেই নায়ক।

আর নায়ক মরে গেলে কি গল্প জমে।

ঐ জ্যোতিষী ঠিক বলেছিলো। আপনারা উনার কাছে হাত দেখাতে পারেন।

সব বুলেট তো আর জান নিতে পারে না।

এই গুলিটা আমাকে মারার জন্য ছিলো না।

থিরু আমাকে চাবিটা যখন দিলো আমি বুঝিনি

কিন্তু এখন তার উদ্যেশ্য আমার কাছে পরিষ্কার

নিজের কাছে চাবিটা রেখেছিলাম। ধন্যবাদ ঈশ্বর।

এখানে আরেকটা টুইস্ট আছে

আলীবাবার গল্পের মতো এখানেও একটা জাদুর চাবি আছে।

1913

কি এটা থিরু?

গত এক সপ্তাহ ধরে এটা আমি দেখছি।

আমার ভাইয়ের খুনি এখানে মরে পরে আছে।

তুই আমাকে গুলি করলি আর নিজেই এখন মরে পরে আছিস।

তারা এখানে হার্ড ডিস্কের খোজ করতে এসেছিলো।

অনেক লোক এর খোজে এসেছিলো। আমি শুনেছি।

আমাকে এখান থেকে বেরুতে হবে।

আর তখনই আমার সামনে থেকে কুয়াশার জাল দূর হয়ে গেলো

আমি বেঁচে থাকার আশা করছিলাম।

অদম্য সাহস।

বাঁচতে হলে কিছু তো করতে হবেই।

দৈবিক আশীর্বাদ।

ঐশ্বরিক শক্তি।

রক্তের বন্ধন।

এসবে আমার বিশ্বাস ছিলো।

এসব সঠিক সময়ে.. ..

সঠিক জায়গায় হয়ে যায়।

কিসের শব্দ?

উপরে আয়!

থাম! নাহলে মেরে ফেলবো।

ধর শালারে।

এই থাম।

তুই এখান থেকে পালাতে পারবি না।

- পালাতে জেনো না পারে। - এবার পারবে না।

তিনজন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা।

মুম্বাই পুলিশের পুলিশ অফিসার...

মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের সামনে মধ্যরাতে আতোতায়ীর গুলিতে মারা যায়...

২৪ আগষ্ট ২০১৫ তারিখে।

এটাকে মাফিয়া আক্রমণ বলে চালিয়ে দেয়া হয়েছে।

যখন সেই পুলিশ অফিসারদের আগের রেকর্ড খুজে দেখা হলো...

সেখানে পুলিশ মাফিয়ার সম্পর্ক সাথে অবৈধ অস্ত্র ব্যাবসার তথ্য ....

উঠে আসতে শুরু করলো

আমি সেখান থেকে পালিয়ে আসলাম।

আমার কাছে এখন হার্ড ডিস্ক আছে।

ল্যাপটপের সাথে সংযোগ দিয়ে সকল ফাইল আমি চেক করলাম।

আমার ভাই ডিসিপি থিরুর রিপোর্ট। .

অনেক বিস্তারিত অনুসন্ধান ছিলো এখানে।

সকল অবৈধ অস্ত্র ব্যাবসার তথ্য উঠে এসেছে।

অনেক বড় নাম উঠে এসেছে এই রিপোর্টে সাথে অনেক পুলিশ অফিসারের নাম।

অনেক সেনসেটিভ ভিডিও রেকর্ডিং আর অডিও ক্লিপ সেখানে আছে।

এখন বুঝতে পারলাম কেনো সবাই এর পিছে লেগে আছে।

থিরুর চেহারা দেখে...

তার কন্ঠস্বর শুনে...

..মাধ আইল্যান্ডের ওয়ারহাউজে পাওয়া অবৈধ অস্ত্র ছিলো একই একটা অংশ।

১ জানুয়ারী ২০১৬ থেকে অপারেশন নেক্সাস এর যাত্রা শুরু।

হ্যালো? নাগরাজ?

নাগরাজ?

শালার গাধা আনান্দ বললো তুমি নাকি মরে গেছো।

লেখা কোথায়?

কে রে? পুচকে ইঁদুর?

নাগরাজের ফোন থেকে কল দিচ্ছিস আমাকে।

তুই এখনো মরিসনি?

আনান্দ বলেছিলো তুইও নাকি মরে গেছিস।

মাত্রই তো বললি সে একটা গাধা।

কোথায় তুই?

আমি লেখার কোলে শুয়ে আছি।

তার সাথে কথা বলবে? নাকি আমি আসবো?

ব্যাপারটা অনেক সুখের না। জানোই তো।

সিনেমার জগতের বাহিরেও তুই স্বপ্নে ডুবে আছিস।

তোর না ঐ স্বপ্নের জগতেই থাকা উচিৎ।

তুর্কি ... ৫ কোটি টাকার অস্ত্র চুক্তি।

অসাধারণ!

তোমার তো ঐসব বি গ্রেড ন্যাক্কারজনক ছবি পছন্দ...

এটা তো তোমার আয়ত্তের বাহিরের বিষয়....

আয় ভিডিও কলে আয়।

তোমার নাগরকে হাই বলো।

সর‍্যি আমি ভুল খবর পেয়েছি।

রঘু...

সে বেঁচে আছে।

ভালো করে তাকাও?

ঐ সুন্দর মালটাও এখানে আছে।

তুমিও তাকে হাই বলতে পারো।

যদি তুই সকল প্রমান নিয়ে এখানে না আসিস...

আমি তাহলে লোক ভাড়া করে...

আমার কাছে দুইজন ঐ টাইপের লোক আছে...

আমি তাদের সাথে চুক্তি করে ...

মেয়েদের সাথে গাড়িতে ঐ ছবির শ্যুটিং করাবো।

এসব যদি প্রকাশ পায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে তুই জেলে ঢুকবি।

তার পরে তুই যদি কোন ভাবে জেল থেকে বেরুতে পারিস তাহলে...

তোকে খঁজে বের তুলোধুনো করে মারবো।

কিন্তু তারপরেও...

আমার ভাই তো মরে গেছে।

তার নামের অপবাদ লাগাবো কেনো ?

তুই আয় আমার কাছে!

লেখা আর মিথিলিকে নিয়ে আসবি।

একা আসতে ভয় লাগলে তোর পোষা কুত্তাগুলারেও নিয়ে আসিস।

আমি মাঝ রাস্তায় তোর অপেক্ষা করছি।

রাত্র ২ টা বাজে আশেপাশে কোন প্রাণের অস্তিত্ব নেই।

ল্যাপটপে চার্জ শেষ।

আমার ফোনের ক্যামেরা দিয়ে খুব বেশি রেকর্ড করতে পারবো না।

আমার কাউকে ভাড়া করার মতো সামর্থ্যও নেই, লাগবেও না আমি একাই যথেষ্ট।

আমাদের দুইজনের মধ্যে একমাত্র তুই আমাকে খুঁজে বের করতে পারবি।

আমি পারবো না।

তাই লেখা আর মিথিলিকে আমার হাতে দিয়ে দে...

আর হার্ড ডিস্ক ল্যাপটপ নিয়ে নিজের জীবন বাঁচা।

কোথায় আসবো আমি?

রঘু...

রঘু নায়ক হবার সময় এখন না।

তুমি জানো তারা তোমাকে সবখানে খুঁজতেছে?

আশা করি তুমি ঠিক আছো।

তুমি ঠিক আছো?

আমি বেঁচে যাবো স্যার।

বলো তোমার জন্য কি করতে পারি?

আপনার থেকে আমার একটাই চাওয়া।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিশ।

আমার ভাই...

তার লাশ।

আমি আমার ভাইয়ের লাশটা চাই।

- আমি ব্যাবস্থা করে দিবো। - আপনার কাছে আমি ভিক্ষা চাচ্ছি।

আমি তোমার জন্য এই কাজ করে দিবো।

কিন্তু...

তোমাকে যেখানে আসতে বলবো আসতে পারবে?

হ্যাঁ স্যার পারবো।

তোর দেয়া লোকেশনে আমি চলে এসেছি।

এখন কি করবো?

বল।

তুই একটু বেশিই কথা বলিস।

হ্যালো? তুই কি ফোনে আছিস?

হ্যালো?

তুই কিন্তু মেজাজ গরম করে দিচ্ছিস।

হ্যালো?

হ্যালো?

কোন গাড়ি?

ব্লাক ফোর্ড।

এখন আমার কি করতে হবে?

গাড়ি থেকে নাম।

আমি?

হ্যাঁ তুই। নেমে আয়।

একা নেমে আমার কাছে আয়।

তোর তো লেখাকে চাই?

আমি তাকে পাঠাচ্ছি কোথায় আছিস বল?

মানিসা কৈরালা সিনেমার মতো সে তোর কাছে দৌড়ে চলে যাবে।

বোম্বেতে ছবিটা দেখেছিলি না তুই?

তুই যদি না আসিস তাহলে আমি এখনি চলে যাবো।

আমি আসছি না।

আমি লেখাকে তোর কাছে পাঠাচ্ছি।

কিন্তু ঐ মালটাকে আমার কাছে রাখবো।

তুই ভেবে দেখ কিভাবে হার্ড ডিস্ক আমার কাছে পাঠাবি।

এখন যদি তুই নেমে না আসিস...

আমি এখান থেকে চলে যাবো ...

আর কালকে সকালের মধ্যে এই ভিডিও ভাইরাল করার ব্যাবস্থা করবো!

আচ্ছা ঠিক আছে!

আমিই আসছি।

আমার কিছু হলে মেয়ে দুটাকে নিয়ে গাড়ি এখান থেকে চলে যাবে।

আর কখনই তুই তাদের দেখতে পারবি না।

আমি যদি ১০ মিনিটের মধ্যে ফিরে না আসি মেয়ে দুটাকে নিয়ে এখান থেকে চলে যাবি।

কোথায়?

হাটতে থাক।

যেদিক দিয়ে তোদের গাড়ি এসেছে।

আমি আসছি।

হাটতে থাক।

হাটতে থাক।

ফুটপাতে উঠে আয়।

আমাকে বেঁচে থাকতেই হতো।

একটা সুন্দর শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করার জন্য...

আমি তাকে হার্ড ডিস্ক দিয়ে দিতাম।

রঘু তুই কি করবি?

তারা যদি না ভাবতো আমি খারাপ।

যদি কুবেরান পিস্তল না বের করতো।

ডিসিপি সুরাজ যদি একজন ভালো অফিসার হতো।

তাহলে গল্পটা হয়তো অন্যভাবে শেষ হতো।

এই শুনছো...

রঘু! আর লেখাও তার সাথে আছে।

মা ! বাবা! কেমন আছো তোমরা?

আমি ভালোই আছি। একেবারে ঠিক সময়ে এসেছিস!

লেখা...

কেমন আছো মা? বেঁচে থাকো।

তুমি ঠিক আছো? - ক্ষমা চাচ্ছি আপনাদের কাছে।

সমস্যা নেই মা।

আমার বন্ধু মিথিলি।

- আদাব। - আমার ওর কথা মনে আছে।

থিরু আসেনি?

না ভাইয়া আসেনি।

ভালোই আছে।

সে বোম্বেতে আছে।

তোমাদের কথা বার বার বলছিলো

সে এখন পুলিশ অফিসার।

পুলিশ অফিসার?

অনেক কষ্টে ভাইয়ার সাথে দেখা করেছি।

অনেক বড় একটা কেস সমাধান করতেছে...

অপারেশন নেক্সাস।

থিরুর জন্য। আমার জন্য।

২৪ ঘন্টার মধ্যে ভিডিওতে থাকা প্রতিটা লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সুপারস্টার আনান্দ সহ।

তাদের মধ্যে কিছু আগেই মারা গেছে।

মিঃ বিধের কৌতুকগুলো সত্যি বলে প্রমানিত হলো।

"দুই ভাই মুম্বাই এসে মুম্বাইকে কাপিয়ে দিলো"

আমরা সকল অপাধের ক্ষেত্রকে নষ্ট করে দিয়েছি।

থিরুর সাথে তোমার দেখা হয়েছে।

তুই সেখানে গেছিস খুব ভালো হয়েছে।

কোথায় আছি সেটা বলাবি না। বলবি চলে আসবো।

আমি বাবাকে একটা কাজ করতে দেই নি, যেটা কখনই করতে দেয়া উচিৎ হতো না।

তার হয়ে আমি সেই কাজটা করেছি।

বাবা মাকে দেখার পরে আমি মনে হলো এই কথাটা উনাদের জানার দরকার নেই।

ক্ষমা করে দিয়ো আমায়।

আমি জানি...

এই খেলা এখনো শেষ হয়নি।

তারা আমার পিছু আবার আসবে।

শুধু একটাই পার্থক্য।

এবার আমার না...

বুলেটের গায়ে তাদের নাম লেখা ছিলো।

বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটি উপভোগ করার জন্য ধন্যবাদ। সাবের মান ভালো লাগলে গুড রেটিং দিবেন।

বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ মোঃ নাঈম সরকার (fb.com/farhanul68)

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.