All language subtitles for Yellow Flowers on the Green Grass,Bengali sub by pakku vai

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak Download
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

মুভি Toy Thay Hoa Vang Tren co xanh,Vietnam...

Π`বাংলা সাবটাইটেল`Π `পাক্কু ভাই`

YELLOW FLOWERS ON GREEN GRASS

Π`ফেসবুক গ্রুপ`Π ` Bangla Subtitle`

সবুজ ঘাসে সর্ষে নাচে

Π`বাংলা সাবটাইটেল`Π `পাক্কু ভাই`

Π`বাংলা সাবটাইটেল`Π `পাক্কু ভাই`

Π`বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটি উপভোগ করার ইচ্ছে থাকলে আপনাকে অগ্রিম ধন্যবাদ!`Π

এই খেলা রাখ! ছেলেরা খেলে পাথর আর ছুড়ি দিয়ে.

- তুই ওখানে যা,আমি এখানে দাঁড়াই- যা! - আচ্ছা.

- এখানে ? - এক, দুই,তিন!

- ভাই! খেলা থামাও! - না, চালিয়ে যা!

আমার'চে ভালো পারবি মনে করেছিস?

কী করছিস? ভালোভাবে ছুঁড়!

হার মানছি রে...

ভাই! ব্যাথা পাইছো বড় ভাই?

খাইছি তোরে!

ব্যাথা পেয়েছিস তং?

ধ্যাত! রক্ত বেরুচ্ছে দেখি!

- খুব বেশি? - নাহ,কিন্তু একদম বাজে দেখাচ্ছে.

সুং এর কাছে নিয়ে যেতে হবে তোকে. আয়! .

ভাই! তুমি হার মেনেছ বলেও পাথর ছুঁড়লে কেন?.

ওটাকে বলে "কৌশল".

মাঝেমাঝে কিছু জিততে কৌশল লাগে. বড়, নামী যোদ্ধারা এমন করে.

তোমার কৌশলটা দারুণ ভাই. আমি বুঝিই নাই এমন কিছু করবে.

যখন তুমি বড় হবে. দেখে নিও,বড় একজন যোদ্ধা হবে তুমি

দুষ্টের দল! ঘুম ফাঁকি দিয়ে এসেছিস কেন?

- দৌড়াও ভাই! আমাকে নিয়ে ভেবোনা! - পাজি!...

আরে,রক্ত কীসের কপালে? দাঁড়া থিয়াও!

আজ তোদের কপালে খারাবি আছে. এদিকে আয়!

পানি লাগবে তোমার মিয়া ভাই?

মিয়া ভাই?

- না জ্বালিয়ে ভাইকে পড়তে দাও. - আচ্ছা!.

উঠো ভাই! উঠো না!

দেখলে? কেমন ছটফট করছে!.

- তাহলে এটাই তোর ছোটাচ্চু? - হুম!

- এটাকে ছোট চাচ্চু বলিস কেন? - ছোটাচ্চু বলি.

ছোটাচ্চু আবহাওয়া বলতে পারে. -তাই?

আবহাওয়া অনুমান করতে পারে?

এজন্যই তো.. আগেভাগে বৃষ্টির কথা বলিস!

সন্ধ্যায় আবার হবে. সকালে এর দাঁত চেপে বসেছিল.

ব্যাঙটা হলদে রঙের. নিশ্চিত এটা মায়াব্যাঙ,জাদুর!

বুঝলি,রাজকন্যার দিবাস্বপ্ন বন্ধ কর, ভুলেও ভাবিস না তুই হবি ব্যাঙরাজকুমার!

রাজকন্যা কি সত্যিই আছে?

জানিনা রে.

এই নে, খা!.

আরে! এইটাতো ভাগতেছে!

চিন্তা করো না.ও ফিরে আসবে.

তার ঘর বাঁধা এখানে. যেখানেই যাকনা কেন,ঘরে ফিরে আসবেই,

খুব বেশি বই পড়িস রে, কী সুন্দর করে কথা বলছিস!.

- তং! এটা সাউ আন্টিকে দিয়ে আসো. - আচ্ছা মা.

স্কুলে গেলাম আম্মা.

তারপর রাজা রাজকন্যাকে আদেশ করল...

তার কারো সাথে কথা বলা বারণ,.

তার একমাত্র বন্ধু ছিল- একটা সাদা বাঘ..

বাঘের গায়ে তুলতুলে লোম,বরফের মত সাদা, খুব দামী!.

গাঁয়ের সব শিকারি চাইত ওটাকে কব্জা করতে..

একদিন হল কি.... কয়েকজন শিকারি.. বাঘটাকে ফাঁদে ফেলল..

একথা জানল রাজকন্যা, খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ল সে..

ওদিকে বাঘটা ,ঘায়েল হবার আগেই পালাতে সক্ষম হল..

বাঘটা ছুটে এল বন্ধুর কাছে, কিন্তু রাজকন্যা ততক্ষণে মারা গেছে..

ভাঙা মন নিয়ে বাঘটা- বনের খুব গভীরে চলে গেল..

যাতে সে জাদুচর্চা করে - একটা দানব বাঘ হতে পারে.

সবকিছুর পর, সে শিকারিদের- শাস্তির ব্যবস্থা করল.

শুনেছি,বাঘটা জাদু দিয়ে রাজকন্যার আত্মাকে...

এই গাঁয়ের 'মরাগাছে' লুকিয়ে রেখেছে.

যাতে সে তারসাথে প্রতিদিন কথা বলতে পারে.

চাচ্চুু!ঐ মরা গাছটা আমাদের গাঁয়ের কাছে না?

হুম,তোমরা কিন্তু সেখানে যেওনা আবার?

বেচারি রাজকন্যা!

ফাজিল কোথাকার! ভয়ে কাঁপন ধরে গেছে আমার.

বাঘ! দানব বাঘটা!

- কি হয়েছে? - দান চাচ্চু আমাদের ভয় দেখাচ্ছিল.

কী করছিস দান? এটা কোন দুষ্টামি হল নাকি?

আজ তোর পা ভেঙে দিব!

এমনিতেই আমার হাত নাই. এখন পা'টাও ভেঙে দিবে?

মজা করছি ভাবছিস? ফাজিল! শয়তান!

থিয়াও! কিছু বাদাম নিয়ে আয়. ল্যাক আসতেছে বাসায়.

উম্ম... নিয়ে আসবো... কোত্থেকে আব্বা?

- মাং এর কাছ থেকে! . - কিন্তু... অন্ধকার হয়ে গেছে চারদিক.

অন্ধকার? চাঁদটা উজ্জ্বল একদম. ভুতের ভয় পাচ্ছিস?

একটা লাঠি নিয়ে যা. ভুত পেলে পিটিয়ে ভুত ছাড়িয়ে নিবি,ঠিক আছে?

হু আব্বা.

- তুই কি আমার সাথে আসবি? - হ্যাঁ.

তাকাসনে, তাকাসনে গাছের দিকে!

কী হবে আবার?

দানব বাঘটা থেকে সতর্ক থাকতে হবে.

- ধুত্তুরি! - কী হলরে?

দান চাচ্চু, তার একটা কাজ করে দিতে হবে.

ভুলেই গেছিলাম. আমার যেতে হবে.

- আমাকে একা ফেলে যাবি? - আর কী করা?

আমার উল্টোদিক যেতে হবে এখুনি.

- কিন্তু যাবি কই? - দান চাচ্চু বলতে নিষেধ করেছে.

তুমি গিয়ে বাদাম নিয়ে আসো, তেঁতুলগাছের নীচে থাকবো আমি .

তোর আসতেই হবে, নইলে কখনো কথা বলব না তোর সাথে.

বেশিদিন পারবেনা, সবসময়ের মত.

আমার যেতে হবে. না গেলে পরে আব্বা মারবে.

তং,,,,,তং,,,,,,

মাং, আমার বাদাম লাগবে.

চেহারার এই দশা কেন?

- জানপ্রাণ দিয়ে দৌড়ে এসেছি. - দৌড়ুলে কেন?

তাড়া ছিল খুব.

এই মাং! ..তোমাদের ঘর পেরোনোর সময়... কিছু শুনলাম ম...

মাথা খারাপ! কেউ নেই সেখানে. নিজের বুক ধড়ফড় শুনেছ আরকি!.

ওহ,হ্যাঁ,,,

কিন্তু তুমি এভাবে মনমরা হয়ে বসে আছ কেন?

আমি মুখ মুছছিলাম.

মুখ মুছছিলে? কেঁদেছ নাকি?

থাপ্পড় খেয়েছি .

ভিন! ভিন!!

কী চাও, তং?

- মরিচ নিতে এসেছ? - হ্যাঁ.

আবারো তং এসেছে?

হ্যাঁ বাবা. আমি তাকে কিছু মরিচ দিয়েছি.

সবসময় মরিচ দিয়ে সে কী করে?

চল না!

দান চাচ্চু আর ভিন এর মাঝে এত্ত মিল কেন?

মনে আছে? প্রতিরাতে চাচ্চু বাঁশি বাজাতো.... তার ঘরের সামনে?

- আ,,, হ্যাঁ... মনে আছে. - তাকে ডাকতো সে এভাবে.

কী করতেছ তুমি?

আঙ্গুল শুকোচ্ছি.

দান চাচ্চু বলেছে, 'সবার আঙ্গুলে কিছু রেখা থাকে'.

আঙ্গুলরেখা যদি নিখুঁত হয়,তাহলে ভাল লিখতে ও আঁকতে পারবে.

- তোমার আঙ্গুল শুকাতে দাওনা? - নাহ.

হাত ভিজলে কী কর?

উম্ম..জামায় মুছে ফেলি.

এমন কর কেন? তোমার রেখা কি নিখুঁত?

মনে হয়না.এমনকি আমি ভাল আঁকতেও পারিনা.

আমার আছে কিনা কে জানে?

করছটা কি?

আঙ্গুলরেখার ব্যাপারে জানার পর থেকে,,,

সবার হাত দেখাটা- অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে,

এক্কা.

দোক্কা.

তিক্কা.

চৌকা,,,.

- দশটা নিখুঁত রেখা! - সত্যি?

আবার দেখোতো!

ভিন! এই ভিন!

ভিনকে খুঁজছো নাকি?

আম্মু বলেছে চি,চি,চি-রিচ...লাগবে!....

"চি-রিচ" আবার কি?

- হাঁদারাম. - কী করবো,তাকে দেখেই আমি কাৎ!.

আমি চিনি চাইব নাকি মরিচ- ভয়ে তা গুলিয়ে ফেলি.

এই 'পিয়নের' কাজ ক'দিন ধরে করছিস,তং?

ধরো. দশবার তো হবেই.

আর প্রতিবারই মরিচ চেয়েছিস?

নাহ. দান চাচ্চু বোকা না. সে অন্যকিছু চাইতেও বলেছে.

আমি কখনো চিনি কিংবা মরিচ চাই,

আবার কখনো মশলা,কখনো সয়া সস.

এমনকি মান্ডার তৈলও-. যখন আমার বুক ব্যাথা করে

কখন তোর বুক ব্যাথা করে?

আরে- এসব কথা বানিয়ে বলতে হয়!.

আচ্ছা,তুই তো অনেক চিঠি চালাচালি করেছিস.

কখনো খুলে দেখেছিলি- কী লিখা আছে ওতে?

- একবারই. - কী লিখা ছিল রে?

- একটা গান মতো. - কোন গান?

তা জানিনা. শুধু দুইটা লাইন মনে আছে.

বল তো, শুনি!.

"আমার পরান যাহা চায়....

তুমি তাই, তুমি তাই গো....."

গানটা খুব দীর্ঘ. আমার পুরোটা মনে নাই.

দুইলাইনই যথেষ্ট. এখন ঘুমা.

কষ্ট করে ঐ লাইন দুটো আবার বলতে পারবি?

- কেন ? - বল না তুই.

"আমার পরান যাহা চায়....

তুমি তাই, তুমি তাই গো....."

হাসতেছিস কেন?

লুকানোর কিছু নাই. পুরোটাই পইড়া ফালাইছি.

তুই কি চাসনা মাংকে এইটা দিই?

আয়, ওরে দিবো এইটা.

- দে বলছি! - আমি নিজে দিবো ওরে!!

- তোর সব মার্বেল দে. - কেন?

চিঠির ভাড়া.

তাড়াতাড়ি!

- এইটা তোমার. - কী এটা?

কে জানে? ওরে জিগাও.

স্টুডেন্টস!,অ্যাটেনশন!

এত হৈ চৈ কিসের?

কী লুকাচ্ছ, মাং?

- কী এটা? - আমাকে থিয়াও দিয়েছে.

সীটে যাও.

থিয়াও! এদিকে আস!

পরান চায় হুহ? পরান চায়?

এই তোর চিন্তাভাবনা? পরান যাহা চায়?

আমাকে এখানে ডাকলে কেন?

ক্ষমা চাইতে. আমি বুঝিনি তুমি শাস্তি পাবে.

ক্ষমার গুষ্টি কিলাই! তাঁকে চিঠিটা দিলে কেন?

একটা গানই তো নাকি!.

তুমি কি বুঝেছ গানটার মানে?

আমি আর কী বুঝব?

বোকা! বোকার হদ্দ!

তং!

-কার সাথে কথা বলিস? - বলা যাবেনা!.

- আসলেই! - আমি সিরিয়াস.

আমি কাউকে না বলার শপথ করেছি.

আমি তোর ভাই- বল আমাকে.

তা ঠিক, ঠিক বলেছ. বড় ভাই!...

- রাজকন্যার সাথে. - মাথা খারাপ?

ভাগ,সোজা বাড়ি যাবি!.

আমি মাং এর কাছে যাচ্ছি মশলা কিনতে.

তুমি ঘুমাওনা কেন মিয়াভাই?

তোর বলতে হবে না. ওদিক ফিরে ঘুমা!.

- ঘুমিয়েছিস,তং? - মাত্রই তো বললে ঘুমাতে!.

বুঝতেছিনা, কথাটা বলব নাকি বলব না...

পেটে কথা রেখে লাভ নাই ভাই.

শপথ করেছিলাম,অন্য কাউকে বলব না.

কিন্তু মনে হয়... তোকে বলা যাবে.

ঠিক ধরেছ. আমি তোমার ভাই. বলে ফেলো.

ছাড়ো আমাকে!, ওখানে একটা চোর ছিল.

আস্তে বল. সেখানে কোন চোর নেই.

মনে আছে,মাং এর বাবা ভুলে তোমার কান কেটে ফেলেছিল?

অবশ্যই.অনেক রক্ত ঝরেছিল..

এরপর চুল কাটাতে তার কাছে যাইনি কখনো.

শুনেছি... স্যালুনটা নাকি বন্ধ করে দিয়েছেন.

ডাক্তার দেখাতে তিনি শহরে গিয়েছেন.

বাবা কখনো শহরে যাননি.

সবসময় তিনি ঐ শেডে থাকেন.

আমার আব্বার...

কুষ্ঠরোগ হয়েছে!.

আমি সব অংক কষেছি. চাইলে কপি করতে পারো.

ইদানীং দেখছি.. বেশ ভালো হয়ে গেছো?

সবসময়ই তো ভালো ছিলাম. তুমি শুধু...

আমি শুধু কী, পঁচা?

ধুর,তা বলছিনা তো...

বুঝতেছিনা... এখন শুধু... তোমার সাথে থাকতে মন চায়.

আর আ-আমি...সবসময়ই চাইতাম!.

তুই কি মাংকে পছন্দ করিস?

- হ্যাঁ,কেন? - অরে পছন্দ করছ ক্যারে?

- যাকে ইচ্ছে পছন্দ করবো,তাতে তোর কী!. - আমার আসে যায়.

- মাংকে ছাইড়া দে. - মাথা খারাপ!

কথা মানলে... তোর মার্বেলগুলি ফিরিয়ে দিবো.

- মার্বেল চাইনে আমার. - এইটা চাস?

ক-কিন্তু... তোর তো পিচ্চি বা' আছে?

পিচ্চি বা' আর পিচ্চি মাং, তাতে কিচ্ছু আসে যায়না...

গণ্ডার!.তোর কোন চান্সই নেই ওর সাথে...

খাইছি তোরে!

এখন? চান্স পামু কিনা বল?

দূরে গিয়ে মর গরু!

বড় ভাই!

- শোধ নিতে হবে ভাই! - কিভাবে নিবো?

পিটিয়ে হাড় গুঁড়ো করে!

- বলেছিস বটে!. - ঘাবড়িয়ো না.

আমাদের শক্তি নাই ঠিক, কিন্তু 'কৌশল' তো আছে!

সন!

- কী চাই তোর? - বাহির হ.

- ক্যারে? - জরুরি কথা আছে.

- কী কইবি? - জরুরি কথা.পিছে আয় .

- কোনখানে? - গোয়ালঘরের পাশে.

চল,তোরে আমি ডরাই না.

এখানে কী করতেছিস?

ধরছি বড় ভাই! পিটাও!

এখুনি মারো, সে দেখছে না কিছু!

- যথেষ্ট হইছে তং,ছেড়ে দে. - সনের বাচ্চা জানিস এটা কি?

উল্টাপাল্টা কিছু করিস না তং. আমারে ছুড়ি মারলে তুই জেলে যাবি.

আমার ভাইকে- আর বিরক্ত করবি না,বুঝলি?

- হ! - যা ভাগ!

তং! পাগল হয়েছিস?

- ছুড়িটা ঢুকে গেলে সর্বনাশ হত! - কোন ছুড়ি? এটা?

ভারী চালাক তো! আয়.বাড়ী যাই এখন.

মাং! তোমাদের বাড়ি আগুনে জ্বলছে!

তাড়াতাড়ি যাও!

- বাচ্চাদের ঘরে রাখো!. - আচ্ছা.

মিয়া ভাই!... ওদের শেডটা পুড়ছে.

মাং এর বাবার কী হবে?

থিয়াও নাকি রে?

জ্বি,আম্মা!

- স্কুলে যাওনি কেন? - মাংকে সাহায্য করতে চাচ্ছিলাম.

বাড়ি যাও. আমিই করছি.

- আমি শুধু... - তর্ক করোনা.গিয়ে গোসল করে খেয়ে নিও.

আর রাতে এসো, মাংকে বাড়ি নিয়ে যেতে হবে.

ঠিক আছে,কিন্তু ওর মা কই?

শহরে গিয়েছেন একটা জরুরি কাজে.

শুনো, বাড়িতে যাও, মাং এর জন্য খাবার নিয়ে এসো.

আচ্ছা.

খাবার নাও, আম্মা বানিয়েছেন তোমার জন্য..

আমার ক্ষুধা লাগেনি.

শেডে আগুন ধরল কিভাবে? তোমরা তো সেখানে রাঁধতে না!.

- আর তোমার বাবাও ধুমপান করতেন না!. - পুজার বেদী আছে সেখানে.

বেদির উপরে লণ্ঠন জ্বালানো ছিল.

তোমার আম্মাও যে কী. শহরে চলে গেছে, এদিকে সব এলোমেলো!.

আম্মা বাবার সাথে আছেন.

- তোমার বাবা এখনো বেঁচে আছেন? - শ্ শ্..

বৃষ্টি আসবে. ভিতরে চলো.

থিয়াও দুঃস্বপ্ন দেখেছো?

দেখি তোমার বাবা এসে ঘ্যাচাং করে আমার চুল কাটছে.

ঘুম আসছে না?

রুমে একা ঘুমাতে ভয় করছে.

আচ্ছা,এখানে ঘুমালে কেমন হয়?

আমিও একা ঘুমাতে ভয় পাই.

বাড়ী বিক্রয় হইবে

মাং আর তার মায়ের জন্য খারাপ লাগছে.

তাদের টাকা লাগবে- বাড়িটা বিক্রি করা লাগতোই.

ভালোই হল. তুমি আমাদের সাথে থাকবে এখন থেকে.

চাইলে ছোটাচ্চুর সাথে খেলতে পারো.

- ছোটাচ্চু কী খায়? - ইয়ে- মশা,মাছি, পোকামাকড়... এমনকি ভাতও খায়.

- ভাতও খায়? - হ্যাঁ.

- সে কি রাজকন্যাকে বিয়ে করতে পেরেছিল? - হ্যাঁ.

পরিশেষে সেই চালাক ছেলেটাই- তার রাজকুমার হয়ে গেল...

এরপর সারাজীবন ধরে- তারা সুখে বসবাস করতে লাগল.

আমি রাজকন্যা হতে চাই!..

রাজকন্যা হবে তুমি, আমি হবো রাজকুমার.

সুসির সামনে থেকে সরে বসো.

মা কাছে নেই বলে কি অযথা ধমকাচ্ছ?

মাং কই! মাং!

তোমার আম্মা তোমাকে শহরে নিয়ে যেতে আসবে.

সত্যি? আর আমার আব্বু?

সে ফিরে আসছেই তোমার আব্বাকে পেয়েছে বলে!.

শুনেছি,তোমার আম্মা নাকি তাকে হাসপাতালে পেয়েছে.

ডাক্তার পরিক্ষা করে বলেছেন তার নাকি কুষ্ঠ নাই,ওটা সাধারণ চর্মরোগ.

310 তারা- একটা জায়গা খুঁজছে, ঠাঁই পেলেই তোমাকে নিতে আসবে.

তোমার জন্য খুশি লাগছে, মাং!

অচিরেই আম্মু-আব্বু আসতেছে কী মজা-হি হি!

হ্যাঁ,খুশির খবর বটে.

মাছ!.একটা মাছ ধরেছি ভাই,!

আমার একটা ভাল বই আছে. তুমি পড়তে চাও?

ভালবাসার কাব্য সংকলন

এইসব বই ভাল লাগেনা. ঘরে অনেক বই পড়ে আছে.

পোকাধরা অভিযানে যাবা মাং ও আমার সাথে?

অনেক পোকা পাবো গতকালের বৃষ্টির কারণে.

- পোকাধরা অভিযান? - চলে এসো থিয়াও. মজা হবে.

মজা হবেনা ছাই.

ঘরেই থাকো, আমি বড়পোকা ধরে আনতেছি. চলো মাং!

- থিয়াও! তোমার আব্বা ঘরে? - না তো!.

- তোমার মা কই? - ক্ষেতে গেছেন কাজ করতে.

- তোমাদের ওষুধ বাটার পাত্র আছে? - আমি...জানিনা.

সমস্যা নাই, রান্নাঘরে দেখি আছে কিনা.

আমার নাতি জুয়া'র জন্য ওষুধ এনেছিলাম.

ব্যাঙ! হা হা..

ভাগ্যটা কি! এত খুঁজতেছি,পেলাম এখানে,হা হা হা!

- নাম্ম চাচা! - কী হল?

না,কিছুনা.

- তাহলে যাই. - হ্যাঁ.

ছোটাচ্চুর জন্য আমরা অনেক পোকা ধরেছি.

- এইটুকু খেতে তার তিনদিন লেগে যাবে. - ও.

মিয়া ভাই! তোমার জন্য একটা বোমার খোল এনেছি..

সমুদ্রের আওয়াজ শুনতে পারবে.

রেখে দে. আমার পড়তে হবে.

ও.

তোমার জন্য খাবার আনলাম ছোটাচ্চু. তুমি কই?

ছোটাচ্চু? তুমি কই?

এই মাং? ছোটাচ্চুকে দেখেছ তুমি?

- বড় ভাই,ছোটাচ্চুকে দেখেছ? - মাত্রই তো ছিল!.

কই গেল এখন?

গর্তে লুকিয়েছে মনে হয়!.

নাহ.ছোটাচ্চুকে লাঠির সাথে বেঁধে দিছিলাম.

কাঁদিস নারে ভাই. সে ফিরে আসবে দেখিস.

সে আর ফিরবেনা.

কিভাবে বুঝলি?

মাত্রই জুয়া'কে দেখলাম.

সে বলল... তার দাদা এখান থেকে একটা ব্যাঙ নিয়ে গেছে....

তাকে স্যুপ বানিয়েছে!

আমি যদি..পোকা ধরতে না যেতাম...

সে তাকে মারতে পারত না, কাটতে পারত না- খেতেও পারত না!

তাড়াতাড়ি মাং! মেঝে তো ভেসে গেল!

তং!

তোমরা আরো নাও.

যথেষ্ট হইছে! বাড়ি চলো.

আর কয়েকটা মাত্র.... আসো থিয়াও!

থিয়াও! মাং!

বালুর মধ্যে এটা পেলাম!

সোনা!এটাতো স্বর্ণ!

- সত্যি? - হ্যাঁ, এটা কাঁচা সোনা!

সন আমাকে সোনার তাল দেখিয়েছিল, তবে ওইটা খুব ছোট ছিল!

- এটা কি খুব দামি, ভাই? - হুম,খুব দামি!

- হাজার হবে? - আরে ধুর,তারচে বেশি!

- আমরা আর গরিব নই? - শুধু তাইনা.আমরা এখন ধনী!.

আমি মাকে বলব- শনদের থেকে বড় ঘর বানাতে.

- আমি কিনবো গাড়ি!শনদের কিন্তু গাড়ি নাই. - আবার জিগায়!

- মা! - তোমরা এখানে কী করতেছ?

আমরা ধনী হয়ে যাবো মা! ভাইকে জিজ্ঞেস কর!

কী হয়েছে?

আমরা পানিতে 'খোল' খুঁজছিলাম. সেখানে তং একটা বড় স্বর্ণপাত পেল...

কেমন স্বর্ণ দেখি?

এইযে মা.

এটা সোনা নয়,দস্তা. এটা বিক্রি করা যাবেনা.

- দস্তা? - হ্যাঁ.

থিয়াও! থিয়াও!

- ওটা দিয়ে দে! - তুই তো একটা পাইছসই?.

এটা তং আর মাং এর জন্য. না দিলে মার খাবি কিন্তু!

আচ্ছা?আয় তাইলে!

মুরগির রোস্ট... দারুণ ঘ্রাণ....

- মুরগিটা নাও. মশলাপাতি মাখো. - ইয়াম্মি,সেই স্বাদ!.

হাতভূনা দাও আরেকটা.!

মজাদার হয়েছে খুব!

তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও. বড়ভাই ফিরে আসার আগেই..

থিয়াও! ওকে মারলে কেন?!

- আমাকে ফেলে খাওয়া হচ্ছে! - কী খেলাম?

মুরগী খাচ্ছ যে!

আমরা দুধভাত খেলছিলাম.

- তুই ঠিক আছিস তং? - মরে গেলাম রে!

নড়ো না!

- এখানে থাকো.আমি মা-বাবাকে নিয়ে আসছি! - মিয়া ভাই!

আব্বা যেন না জানে তুমি আমাকে মেরেছ.

বলবা, আমি গাছ থেকে পড়ে গিয়েছি.

তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে.

- আমি গেলাম এখন. - ধন্যবাদ ডাক্তার!.

তুই যদি ব্যাথা না পেতি, আমি নিজেই তোকে পেটাতাম!

- এটা কি তোর বুদ্ধি ছিল? - না,না, আমার না!.

এই ডাক্তার পারবে না. অন্য কারো কাছে যেতে হবে.

আমাদের তো আর বিক্রির কিছুই নাই!.

- তুমি কি কাল চলে যাচ্ছো? - হুম.

আমাকে ঘৃণা কর এখন?

- তোমরা দুজন এখানে দাঁড়িয়ে থাকো. - আচ্ছা.

আমাকে আর তংকে দেখতে আইস!.

কেমন লাগছেরে তং?

ভালই. কিন্তু ভাল্লাগেনা.. একখাটে সারাদিন শুয়ে থাকা!.

নিজে নিজে উঠতে পারিস?

হ্যাঁ.এখুনি উঠলাম!

রাজকন্যা এসেছিল. তখন নিজেই উঠে বসেছি.

রাজকন্যা?

খুব সুন্দর, ভাই. সে রূপালি জামা পড়েছিল.

তুমি ঘুমিয়ে ছিলে. সে জানালা দিয়ে আমার সাথে কথা বলল.

কী বলল রাজকন্যা?

"আমার রাজকুমার!..."

তাই নাকি! তোরে রাজকুমার বানাল?. তাইলে তো- মুকুট পরাবে তোকে!.

রূপকথার মত..তারপর তুই হবি রাজসেনাপতি!

কিন্তু,রাজকন্যা শুধু ব্যাঙরাজকুমারকে চায়!.

বাহিরে যাবি রে ছোটু? .

মিয়া ভাই! ক্লান্তি লাগেনি?

এইতো... এসে পড়েছি.

তং!

- দাঁড়াতে পারলি তবে? - রাজকন্যার জন্যই পেরেছি.

তোর রাজকন্যার আষাঢ়ে গপ্পো মাকে বললে-

তোকে পাগল ঠাউরাবে! - সত্যি বলছি! মাত্রই সে এসেছিল.

সে আমাকে কিছু দিবে বলে জানালায় আসতে বলল.

আর আমিও দাঁড়িয়ে গেলাম!.

বিশ্বাস না হলে দেখো!

রাজকন্যা নি,কথা না শুনলে-

তোমাকে বন্দি করা হবে. আমার অনুমতি ছাড়া আর-

বাহিরে যাবে না,বুঝেছ?

যথা আজ্ঞা হুজুর.

শ্,রাজাকে বলোনা আমি ঐ ফুল নিয়েছিলাম.

রাজা দেখলে... আমাকে ভয়ংকর শাস্তি দিবে.

রাজামশাই-আমার রাজকুমারকে... দেখতে যেতে দেয়না। বলোনা,কী করি?

বুঝলে..বাহিরে গিয়ে তার পথে ফুল বিছিয়ে দিব.

তাহলেই রাজকুমার আমাকে খুঁজে পাবে.

এইকথা কাউকে বলা যাবেনা কিন্তু!

কে রে আমার রাজ্যে ঢুকেছে?

- মি:তাম? - তাম টাম চলবেনা,

হামলা করতে এসেছ? কোন ছাড় পাবেনা!

এসে খাবার খাও. সে বিশ্রাম নিক.

মি: তামকে মনে আছে আব্বা?

হঠাৎ তার কথা?

মনে আছে...তুমি আমাদেরকে তার...

মটরসাইকেল সার্কাস দেখাতে নিয়ে গেছিলে?

যদিও জানি যে... তিনি সার্কাস ছেড়ে দিয়েছেন!

সার্কাস কত কষ্টের জানো? দিশেহারা- পথেপথে ঘুরে বেড়ানো.

কিন্তু তোমার কি? আমাদের নিজেদেরই অনেক কষ্ট..

জানি...

থিয়াও!.

এখন কেন মি: তামের কথা বললে?

আজ সন্ধ্যায় তাকে দেখেছি. গাঁয়ের 'মরাগাছে'র ওইপাশে.

কত্তবড় সাহস!

কিন্তু তার নামটা শুনে... তোমরা ভয় পাচ্ছ কেন?

শুনো,সে আর তার মেয়ে পাগল...

তারা জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে.

তারা জঙ্গলে থাকে... তারা 'দানব বাঘকে' ভয় পায়না?

দানব বাঘ? কোন বাঘ নাই... তারা এ গাঁয়েরই...

তাদেরকে দেখলে- বাচ্চারা ভয় পেত, তাই তারা এসব গল্প ফাঁদে...

সুতরাং, বনে আর যেওনা.

কে রে আমার রাজ্যে ঢুকল?

- আজ তোমার গর্দান উড়িয়ে দিব! - আমি,মি:তাম!.

আমরা সুখেই ছিলাম.

যদিও বাচ্চা নেয়ার সিদ্ধান্তে দেরী হয়ে গেছিল...

সে ছিল খোদার দেয়া সবচে সেরা উপহার.

স্বাগতম উড়ন্ত মোটরসাইকেল সার্কাস

নির্ভীক,সাহসী ও দক্ষতায় অনন্য

তারপর মায়ের শোকে.. আমার লক্ষ্মী মেয়েটা....

নিজেকে রাজকন্যা ভাবতে লাগল!.

আর তাই...আমিও পাগল সাজলাম,

শুধুই তাকে খুশি রাখার জন্য...

ঘুমাস না কেন?

রাজকন্যার কিছু একটা হয়েছে.

কিছু হয়নি!

তাহলে সে আসেনা কেন?

সম্ভবত... সে খুব ব্যস্ত. সময় পেলে... ঠিকই আসবে.

তং!

তং!

পাগল হলি? আব্বা জানলে তোর খবর আছে!

আমার তো পা ভাঙা.পারলে নিজেকে বাঁচাইয়ো.

তা ঠিক.তোর ঝড় আমার উপরেই বইবে.

আমি হাঁটতে পারি,মিয়া ভাই!.

তুই কি চাস? তোকে রাজকন্যার কাছে নিয়ে যাই?

- সত্যি? - তবে আজ না.

কিছুদিন পর, আগে ভালভাবে হাঁটা রপ্ত করে নে.

হ্যাঁ.

ধীরেধীরে.

একদেশে... এক অজপাড়া গাঁ ছিল, সে গাঁয়ে থাকত এক চতুর বালক....

তার একমাত্র বন্ধু ছিল একটা মায়াব্যাঙ.

সারাটাক্ষণ তার পিছু ঘুরত মায়াব্যাঙটা.

রাতে জাদুমুক্তোর আলোয় বালকটাকে পথ দেখাত.

কষ্ট হচ্ছে তোর?

- বেশি একটা না. - মিথ্যা কথা, আমারই খবর হয়ে যাচ্ছে.

আচ্ছা,, একটু ক্লান্তি লাগছে.

আমরা তো 'মরাগাছে' এসেই পড়লাম.

এখনো দূর আছে. চল বাড়ি ফিরি.

এই পাগলি!

- সরে যাও! - স্ক্রু ঢিলা!

সরো! আমাকে ছুঁলে আমার বাবা- রাজামশাই তোমাদের জেলে পুরবেন!

আসলেই মাথাখারাপ! নিজেকে ভাবে রাজকন্যা!

সে তলোয়ার দিয়ে আমাকে কেটে ফেলেছে!

ঐ! সরে দাঁড়াও!! ওকে ছেড়ে দাও!!!

দাঁড়া, তং!

রাজকন্যা! ভালো আছ?

রাজকন্যা নি!

রাজকন্যা নি!

রাজকন্যা নি!

অবুঝ সোনা!

রাজকন্যা! কিভাবে বের হলে? আমার অনুমতি ছাড়া?? হু???

আমি দুঃখিত, আব্বা!.

রাজকন্যা! কী বলে ডাকলে আমাকে?

- আব্বা. - রাজকন্যা নি!...

আমার সব মনে পড়েছে. তুমি আমার বাবা, রাজা নও.

আর আমি- রাজকন্যা নি নই!.

মি:তাম! নি সুস্থ হয়ে গেছে!.

মিয়া ভাই!.

আমি তো আর রাজকুমার নই, নি কি আমার সাথে আর খেলবে ?

অবশ্যই.না খেলে যাবে কই!

সত্যি বলছ?

- তোমার আর মাং এর মত? - কী বলতে চাস?

মাং আমাকে বলেছে, সে তোমার সাথে খেলতে ভালবাসে.

তাই হয়ে থাকলে, সে সর্বদা তোর সাথে খেলত কেন?

মনে হয় লজ্জা পেত.

লজ্জা? এখানে লজ্জার আছে টা কী?

তা আমি জানিনা, তুমিই জিজ্ঞেস করো গিয়ে!

জানিনা কবে তারা ফিরবে.

মিয়া ভাই! তুমি ঐ বইটা আর পড়েছিলে?

কোন বই?

"আমার পরান যাহা চায়....

তুমি তাই, তুমি তাই গো....."

😃

Π`বাংলা সাবটাইটেল`Π `পাক্কু ভাই`

Π`বাংলা সাবটাইটেল`Π `পাক্কু ভাই`

English Subtitles by Subransu Bengali Subtitles by Pakku vai

Taken from www.titlovi.com and www.OpenSubtitles.org

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.