All language subtitles for If.Wishes.Could.Kill.S01E01.WEB-DL.BSub by Mominul

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic Download
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam Download
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian Download
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese Download
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish Download
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

প্রথম সাবটাইটেল বানাইছি কেমন হয়েছে ? -=[ Mominul ]=-

নিচের দৃশ্যগুলোতে আত্মঘাতী বিষয় রয়েছে,

যা কিছু দর্শকের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।

১২ই মার্চ, ২০০৫ দো হাই-রিউং

ভাবছিস হারামিটা কী ফন্দি আঁটছে?

নিয়মকানুন একদম সোজা।

তুই তোর সাজু (জন্মকুণ্ডলী) লিখে একটা উইশ করবি,

আর সেটা সত্যি হয়ে যাবে।

তোর কোনো ধারণাই নেই।

তুই ঠিক যেমনটা চেয়েছিলি আমি ঠিক তেমন উইশই করব।

আমার ইচ্ছা হলো...

তোরা সবাই যেন মরে যাস।

আমি মন থেকে চাই তোদের প্রত্যেকটার মরণ হোক।

এটাই আমার সত্যিকারের ইচ্ছা।

১২ই মার্চ, ২০০৫ দো হাই-রিউং

ইফ উইশেস কুড কিল

বৃহস্পতিবার, ১২ই জুন

আন্টি জি-সুন

হাসপাতালে ইমারজেন্সি। তোর জন্য কার্ড রেখে গেলাম।

কিরে, ঘুমাচ্ছিস নাকি?

এইমাত্র দেখলাম।

আমি উঠেছিইইই!

তারমানে তুই এখনো ঘুমাচ্ছিস...

আজ আমি তোকে ছাড়াই যাচ্ছি...

না! আমি এখনই বের হচ্ছি!

-এই যে। -বারান্দায় এভাবে দৌড়াতে নেই। প্রতিবেশীদের ঘুম ভেঙে যাবে তো।

সরি। এর মধ্যে একদিন আমার সত্যিই ভোরে ওঠা উচিত।

হুম।

তুই কি মাত্র...

হুম?

কী? সরি।

আর এমন করব না।

আরে না! আমার বেশ ভালোই লেগেছে।

এতটাই ভালো লেগেছে যে তুই আরেকবার করলে মজা পেতাম। আরেকবার?

আরেকবার।

আরেকবার। আরেকবার...

শুভ সকাল, মিস্টার কিম।

আজকের রাশিফল

আর প্রেম?

"মনের সত্যিকারের কথাগুলো বলে দিন।"

ওহ!

আমাকে এখানেই নামিয়ে দিতে পারেন।

কী? না। দাঁড়ান। ওটা বড্ড রিস্কি!

ওহ।

না-রি?

না-রি।

রেডি?

জিওন-উ, স্কুল ছুটির পর কী করছিস?

-ইয়েস, সারপ্রাইজ অ্যাটাক! -ওরে বাবা, ভয় পাইয়ে দিয়েছিস তো!

-হারামি কোথাকার! আমার দোষ। দোস্ত মাফ কর।

উফফ। গাধা একটা।

কী হলো রে?

আমি শুধু এই জন্যই বলছি কারণ তোদের দুজনকে আমি সেই মিডল স্কুল থেকে চিনি।

তোরা আজকাল সবসময় একসাথে থাকিস কেন?

তোরা কি প্রেম করছিস?

হ্যাঁ, তা তো বটেই। তোর মাথা খারাপ হয়েছে।

হ্যাঁ।

আমরা তো একই বিল্ডিংয়ে থাকি, বলদ।

তাহলে আলাদা আলাদা করে স্কুলে কেন আসব?

না, না, না। সে-আহ সাধারণত ক্লাসে তাড়াতাড়ি আসে।

আর তুই সবসময় লাস্ট মিনিটে এসে ঢুকিস।

কিন্তু আজকাল,

তোরা দুজনেই দেখি একসাথে ঠিক সময়ে হাজির হস।

নিশ্চয়ই কোনো ঘাপলা আছে। ব্যাপারটা কেমন সন্দেহজনক।

কী রে, না-রি?

হ্যাঁ।

আমি এটা বলছি কারণ তোকে আমি সেই প্রাইমারি স্কুল থেকে চিনি।

কী খেয়েছিস যে তোর মুখে এত বাজে গন্ধ?

চেকমেট।

এত রিঅ্যাক্ট করছিস কেন?

তাহলে, আমার ধারণা হলো

তোরও জিওন-উ এর ওপর ক্রাশ আছে, তাই না?

-হ্যাঁ। -না।

ওহ!

আমি জিওন-উ এর প্রেমে পাগল।

ব্যাপারটা আমরা খোলাসা করে নিচ্ছি না কেন?

ওহ! এবার তাহলে তোর সাথে গেম খেলা যাক।

খেলবি নাকি?

চল তাহলে।

আমিও তোকে ভালোবাসি, না-রি।

আরেকবার এই কথা বললে তোকে আমি জ্যান্ত পুঁতে ফেলব।

ধুর বাল। দিনের শুরুটাই এত জঘন্য। সিরিয়াসলি।

বেচারা।

চুপ কর। সবসময় পরিস্থিতি এমন অড করে দিস কেন, ওটাকু (ক্ষ্যাত) কোথাকার।

তোর তো দেখছি বাঁদরামির শেষ নাই। আমি ওকে দেখে নিচ্ছি।

আরে, এত জোরে না!

আমার ঘাড়টাই তো আমার আসল সৌন্দর্য।

সিওরিন মিডল অ্যান্ড হাই স্কুল

যদি 'A' গ্রেডের গুলো ব্যবহার করো, তবে শুধু খেয়াল রেখো লেবেলগুলো ঠিক থাকে।

ইয়ো, হা-জুন।

আজ জিওন-উ আমাকে প্রায় মেরেই ফেলছিল।

-গলা চেপে ধরে নাকি? -ওরে বাবা!

তুই তো ক্লাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ছেলে। একটু ধর তো।

এটা তো অনই হচ্ছে না। বারবার ক্র্যাশ করছে।

আমি এখন বড্ড ব্যস্ত।

তুই বরং আমার বার্থডে গিফট হিসেবে এটা ঠিক করে দে না?

তোকে তো বললাম। আমি পারব না।

আমার পুরোনো পিনটাই কিন্তু নতুনটা। থ্যাঙ্কস।

-একটা চরম ক্রেজি খবর শুনবি? -না।

সে-আহ আর...

সে-আহ আবার কী করল?

সে-আহ আর জিওন-উ হলো--

হ্যালো, এভরিওয়ান। শুভ সকাল!

-শুভ সকাল, স্যার। -পরে কথা হবে।

আমার প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা, ক্লাস ২-৪ ভবিষ্যতের জন্য একদম প্রস্তুত।

তোমাদের শেষ মক এক্সামে, আমাদের ক্লাস পুরো শহরের মধ্যে অঙ্কে ফার্স্ট হয়েছে।

মাত্র চারজন স্টুডেন্ট পারফেক্ট স্কোর পেয়েছে,

আর তাদের মধ্যে দুজন এই ক্লাসেই আছে।

কী?

আমার বিশ্বাস তোমরা সবাই একজনকে চেনো।

হা-জুন। ফাটিয়ে দিয়েছিস!

আর অন্য পারফেক্ট স্কোরার হলো...

-হিউং-উক। -হোয়াট?

ওর জন্য একটা হাততালি হয়ে যাক।

হিউং-উক?

আমি জানি। আমিও তো অবাক হয়ে গেছি।

বিশ্বাস করা কঠিন, তবে ওরও তোমাদের হাততালি প্রাপ্য।

দারুণ কাজ করেছ তোমরা দুজন!

-ও নিশ্চয়ই নকল করেছে। -এটা তো একটা জোকস।

-এর একটা ইনভেস্টিগেশন হওয়া উচিত। -ইনভেস্টিগেশন?

ওটা তোমরা তোমাদের ফ্রি টাইমে কোরো।

ওহ হ্যাঁ, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম।

তোমাদের মধ্যে কেউ কি ইয়ুথ ক্লাব অ্যাক্টিভিটির জন্য অ্যাপ্লাই করছ?

ফর্মগুলো এখানে রাখা আছে।

কেউ না? কেউ কি ইউনিভার্সিটিতে যাচ্ছো না?

গিরিগো: আপনার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে।

হিউং-উক, সোজাসুজি বল না তুই পরীক্ষায় নকল করেছিস কিনা।

আমরা তোকে মাফ করে দেব। ঠিক আছে?

আমাদের সত্যিটা বল, হা-জুন। তুই কি ওকে উত্তরগুলো বলে দিয়েছিস?

কোনোভাবেই পসিবল না। আমরা সিট পর্যন্ত পাল্টেছিলাম।

স্কুলে যখন পুলিশ আসবে তখন তুই কী করবি?

পুলিশ কোনোদিনই সত্যিটা জানতে পারবে না।

এগুলা বোরিং লাগছে। আমরা এসব কী করছি এখানে?

আমাদের বলেই দে না।

তোরা কি আসল সত্যিটা জানতে চাস?

আমি এমন একটা জিনিস জানি যেটা তোরা কেউ জানিস না।

এটা হলো গিরিগো।

কী? গিরিগো?

একদম ঠিক। এটা এমন একটা অ্যাপ যেটা মানুষের ইচ্ছা পূরণ করে।

আমি এসব ফালতু কথা শুনতে শুনতে টায়ার্ড।

চল বাস্তবের দুনিয়াতেই থাকি, ঠিক আছে? আমি বন্ধু হিসেবে তোকে বোঝার অনেক চেষ্টা করেছি।

আর আমি তোর পাশেই ছিলাম। কিন্তু এটা একটু বেশিই বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে।

এটা লিমিট ক্রস করে যাচ্ছে।

না। এটা ফেক না। এটা ১০০% রিয়েল।

সত্যিই এমন একটা অ্যাপ আছে, উম, যেটা তোর সব উইশ পূরণ করতে পারে।

-আমি তো খুঁজে পাচ্ছি না। -মানে, তুই এটা সার্চ করতে যাবিই বা কেন?

ওয়াও। তুই আবার পুরো সিনটা নিজেকে নিয়ে বানিয়ে ফেললি। অ্যাগেইন।

এটা সার্চ করে পাবি না। তোর ফোন দিয়ে জীবনেও খুঁজে পাবি না।

আচ্ছা, এটা দেখ। আমি তোকে লিংক পাঠিয়ে দিচ্ছি। শুধু একবারের জন্য।

এই নে।

গিরিগো: আপনি কি এই অ্যাপটি ইন্সটল করতে চান?

জিওন-উ?

তুই ১০০% হ্যাকড হবি।

একমাত্র তোরই এসব মাথাব্যথা আছে। তোদের কি বিন্দুমাত্র কৌতূহল হচ্ছে না যে ও পারফেক্ট স্কোর কীভাবে পেল?

পার্সোনালি আমার মনে হয়, এই অ্যাপটা আমাদের ভালোমতো টেস্ট করে দেখা উচিত।

তোর মনে হয় না?

গিরিগো

হ্যালো?

এটা ক্যামেরা অন করছে কেন? বড্ড আজব তো।

আমাকে একটু দেখতে দে তো।

এটা তো রেকর্ড বাটন।

তাহলে, এটা কী রেকর্ড করছে?

তোর সব উইশ।

ওহ, ওয়েট। তার আগে তোকে কাগজে তোর নাম আর তোর সাজু লিখতে হবে।

সাজু?

তোর মানে কি ফোর পিলারস অফ ডেস্টিনির মতো কিছু?

অনেকটা ওইরকমই। তুই একটা কাগজে তোর জন্ম তারিখ আর তোর নাম লিখবি,

স্ক্রিনের সামনে ওটা ধরবি।

রেকর্ড করার জন্য বাটনে চাপ দিবি, আর তোর উইশটা বলবি।

কিন্তু তোকে মন থেকে চাইতে হবে। একদম সিরিয়াসলি।

তোর উইশ রেকর্ড করা শেষ হলে, অবশ্যই সেন্ড বাটনে চাপ দিতে হবে এখানে।

-এইটুকুই। -সিরিয়াসলি? এইটুকুই?

আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না তুই এমন একটা জিনিস খুঁজে পেলি কী করে।

ধরে নে আমার কিছু নিজস্ব টেকনিক আছে।

এই অ্যাপটা তোর উইশ পূরণ করেছে?

যেখানে জাজমেন্ট শেষ হয় সেখান থেকেই তো কম্প্যাশন শুরু হয়।

-তারমানে তোর প্রুফ চাই, তাই তো? -হ্যাঁ, আমাদের প্রুফ দেখা ব্রো।

প্রমাণ নম্বর এক।

এটা হলো আমার উইশ ভিডিও। দেখ।

আমার ইচ্ছা হলো...

১৪ই জুন, ২০০৮ চোই হিউং-উক

...অঙ্কে পারফেক্ট স্কোর পাওয়া।

অন্তত এবারের জন্য আমাকে টেস্টে ফুল মার্কস পেতে দাও।

পারফেক্ট স্কোর।

ওটা কী?

-পারফেক্ট স্কোর। -এটা তো পুরোটাই আবাল মার্কা কাজ!

ওয়াও।

এটা দেখে আমার নিজেকেই প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে যে আমি এতদিন ধরে তোর বন্ধু হয়ে আছি কীভাবে।

এই। তোরা যাস কই? আমার কাছে আরও প্রমাণ আছে। তোরা তো এখনও পুরোটা দেখিসই নি।

আমার কথা শোন।

আমি বুঝতে পারছি রেজাল্টের কারণে তুই খুব প্যারায় আছিস।

আমি সেটা বুঝি।

কিন্তু জাস্ট বাদ দে তো। সবসময় এই অদ্ভুত আচরণ করা বন্ধ কর। হুম?

প্রমাণ নম্বর এক, পয়েন্ট দুই।

আমার উইশ পূরণ হওয়ার পর আমি এই মেসেজটা পেয়েছিলাম...

ওরে বাবা।

এটা কী?

এটা তো একটা কাউন্টডাউন।

আরেকটু বাকি।

ওহ, আবার না খেয়ে আছিস?

আমি যতটা ওজন কমিয়েছিলাম, সব আবার গেইন করে ফেলেছি।

শুধু হিউং-উকের বার্থডে পার্টির জন্য এটা একটু বেশিই চরম হয়ে যাচ্ছে।

তুই কি বলদ? ও তো কোনো বাচ্চা না। ওর আবার এই ফালতু পার্টি করার দরকার কী?

আহা ছাড় না। ওর মনটা তো ভালো।

উফফ। ভালো মন।

জানিস তো, ওকে ভালো মনের মানুষ বলাটা শুধু মিডল স্কুলেই মানাতো।

ও খুব এমব্যারাসিং, ওর গা দিয়ে গন্ধ বের হয়, আর ও একদম বোরিং।

ঠিক আছে। ও এমন কী করেছে যে ওর এসব শুনতে হবে?

একটু আগে যখন আমরা ওর ওই ফালতু ভিডিওটা দেখলাম, তুই কি তখন ওখানে ছিলি না? আমরা সবাই দেখেছি।

ওই আজব অ্যাপে উইশ করাটাই তো এমনিতেই ফালতু ছিল।

অঙ্কে পারফেক্ট স্কোর?

এই ফালতু আঁতেলটার জন্য একদম মানানসই ফালতু একটা ইচ্ছা।

ও এমন একটা উইশ সিলেক্ট করেছে যেটা ওকে একদম মানায়।

ওর ফ্যামিলি ওর রেজাল্ট নিয়ে বড্ড বেশি সেনসিটিভ।

হয়তো ও শুধু ওদের গর্বিত করার চেষ্টা করছিল।

বু-হু! তোর কি মনে হয় ওই লুজারটা কখনো নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে নিয়ে ভাবে?

বাই দা ওয়ে, ভাবছি জিওন-উ এই উইকেন্ডে কী পরবে।

আমার হয়ে ওকে একটু জিজ্ঞেস করে দিবি?

আমি কেন করব?

ওহ, ঠিক বলেছিস। তোর করা উচিত না।

হিউং-উকের জন্য কি তুই বার্থডে প্রেজেন্ট কিনেছিস?

উফ, না। আমি জানি না। এটা নিয়ে আমি বেশ প্যারায় আছি।

আমি সত্যিই বুঝি না জিওন-উ কেন

হিউং-উকের এই ওটাকু (ক্ষ্যাত) মার্কা স্বভাব সবসময় সহ্য করে।

ও এখন আমার সাথেও সেই বাঁদরামো করে কারণ জিওন-উ সেখানে থাকে।

আমি তোর জায়গায় হলে, হিউং-উকের এই ছ্যাবলামো সহ্য করা বাদ দিয়ে দিতাম।

-ও শুধু তোকেই নিচে নামাবে। -কথাটা খুব রূঢ় হয়ে গেল, না-রি।

জাস্ট ওর মুখটা দেখলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।

আর কত সহ্য করব?

আমরা সবাই বড় হয়েছি, কিন্তু ও সেই আগের মতোই ডাল আর ইমম্যাচিউর রয়ে গেছে।

-ও যদি ডায়াপার পরে তাহলেও আমি অবাক হবো না-- -যথেষ্ট হয়েছে!

তোরা হঠাৎ চুপ করে গেলি কেন?

তোরা কি মেয়েদের কোনো সিক্রেট নিয়ে কথা বলছিলি?

উহ, এটা, উহ...

তুই কি আড়ি পেতে আমাদের কথা শুনছিলি?

আসলে, আমরা...

তোর গিফটের ব্যাপারে কথা বলছিলাম, বলদ কোথাকার।

এটা তো সারপ্রাইজ দেওয়ার কথা ছিল। তুই এখনই জেনে গেলে তো সব মাটি হয়ে গেল।

আমি জানতাম আমার কান কেন গরম হচ্ছে। আমি আসার পর তোরা কেমন চুপ হয়ে গেলি।

কোনো গিফটের দরকার নেই। শুধু তোরা আসলেই হবে।

উপহার চাওয়াটা খুব আউট অফ ফ্যাশন।

উহুম, বড় ফিতা দিয়ে বাঁধা একটা ছোট্ট উপহার, পুরোটাই তোর প্রিয় রঙে মোড়ানো থাকবে।

জ্বি, মাই লেডি।

যে আজ্ঞা।

তোর তো ট্রেনিংয়ে যেতে দেরি হয়ে যাচ্ছে। চল যাই।

ওহ, তোর তো দেরি করা চলবে না। জলদি চল।

তাড়াতাড়ি কর।

সত্যি বলছি, গিফট নিয়ে কোনো প্যারা নিস না। তোরা থাকলেই ওটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় গিফট।

এবার, যেকোনো দুটি বাস্তব সংখ্যার জন্য,

x1 এবং x2 ফাংশন f(x) এর কোনো ব্যবধিতে,

যদি x1, x2 এর চেয়ে ছোট হয়

আর f(x1) যদি f(x2) এর সমান বা বড় হয়,

তাহলে f হলো একটি ক্রমহ্রাসমান ফাংশন।

তাহলে, একটি ক্রমবর্ধমান ফাংশনের ক্ষেত্রে বিপরীতটা কী হবে?

কাম অন, গাইজ, এটা একদম সোজা। আমরা শুধু...

আমাদের একটা গেস্ট আসবে।

অ্যাঁ? আমাদের গেস্ট আসবে?

ভালো গেস্ট?

নাকি খারাপ কেউ?

হেতসাল?

কী হলো?

তুই তো এখন আমাকে ভয় পাওয়াই দিচ্ছিস।

-আমি কি আমার চাকুটা আনব? -আমি জানি না।

আমি বুঝতে পারছি না আমরা কীরকম গেস্টের পাল্লায় পড়েছি।

মাথা সোজা রাখো!

চালিয়ে যাও! চালিয়ে যাও!

আপ অ্যান্ড আউট!

জিওন-উ। রেডি হও।

কাম অন!

বোর্ডে আঘাত করো।

ফোকাস রাখো।

উফ! ওহ!

ও ম্যাট থেকে প্রায় উড়ে যায়, কিন্তু স্যান্ডপিটের কাছে গিয়ে সবসময় ব্যালেন্স হারায়।

তিন।

এই, জিওন-উ। এদিকে এসো।

ঠিক এই একই ফাউলের জন্যই কি তুমি গত বছর ডিসকোয়ালিফাই হয়েছিলে না?

-আমারও তাই মনে হয়, হ্যাঁ। -তুমি খুব ভালো করেই জানো।

তুমি তো এ বছর কম্পিটিশনেও এখন পর্যন্ত একটা ঠিকঠাক জাম্প দিতে পারোনি।

তোমাকে নিজের মাথার ভেতরের ভয় দূর করতে হবে আর স্নায়ু নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ফোকাস করো, আর গেমে ফিরে এসো, ঠিক আছে?

আরেকবার ট্রাই করো। স্টার্টিং লাইনে ফিরে যাও।

জাস্ট প্র্যাকটিসের সময় যেমনটা করো, তেমনটাই করো।

হ্যাঁ, আপনার জন্য তো এটা বলা খুব সহজ।

-এক। -ওকে।

দৌড়ানোর আগে, এই ছোট মন্ত্রটা বলো, আর তোমার মন পুরোপুরি খালি করে দাও।

"পুরো দুনিয়াটাই হলো এই মুহূর্ত।"

"শুধু এটাই অবশিষ্ট আছে।"

এটা বলো, আর বিশ্বাস করো।

যখনই তুমি রেডি হবে, তীরের মতো ছুটে যাবে, আর জাম্প করবে।

আপনি কি প্রতিবার লাফ দেওয়ার সময় এটাই করেন?

একদম তা না।

আমি জাস্ট ঝাঁপিয়ে পড়ি।

অ্যাসবেস্টস অপসারণ চলছে শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদের প্রবেশাধিকার

তুমি কি কোনো ওষুধ খাচ্ছো? যেমন পেইনকিলার বা ঠান্ডার ওষুধ?

একদমই না! আপনি আমাকে কীসের দোষ দিচ্ছেন?

হরমোন ইনজেকশন? বার্থ কন্ট্রোল?

-কোচ, আমি কসম করে বলছি, আমি জীবনেও-- -ন্যাশনাল রিজার্ভ টিম থেকে ফোন করেছিল।

কী?

আমাকে জানানোর আগে এত জেরা করার কী দরকার ছিল?!

এখন থেকে, তুমি স্পেশাল ট্রেনিংয়ে আছো। স্কুলের পরে আর উইকেন্ডেও।

আমাদের তোমার স্কিল যতটা সম্ভব শানিয়ে নিতে হবে।

আর দয়া করে আমার মান-সম্মান ডুবায়ো না।

আমি আমার সেরাটা দেব!

ওহ, কোচ, থ্যাঙ্ক ইউ!

না। না, ওসব কোরো না! হাত নিজের কাছে রাখো!

আমার কোলাকুলি পছন্দ না!

তুমি কী করবে যখন তোমার উইকেন্ডগুলো প্যাকড থাকবে আর ডেটে যেতে পারবে না?

তুমি চাইলে তোমার সাথে ট্রেনিংয়ে জিওন-উকে আনতে পারো।

ওর মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার আগে।

সরি, কোচ।

উহ, আমরা ভেবেছিলাম কেউ জানে না।

আমি জানব না, এটা কী করে হয়?

এটা তো একদম পরিষ্কার।

সে-আহ

হেই, সে-আহ।

আছিস?

তুই কি আছিস?

সে-আহ

কী হচ্ছে এসব?

ওহ মাই গড।

এই, তোরা কি সত্যিই ওই ফালতু লুজারটার বার্থডে পার্টিতে যাচ্ছিস?

আমি জানি না। স্কুলে ওকে সামলাতে সামলাতে আমি টায়ার্ড।

এখন উইকেন্ডেও আমাকে ওকে সামলাতে হবে?

বলদটা চরম লেভেলের বিরক্তিকর।

"তোদের উপস্থিতিই আমার উপহার"? এটা আবার কোন ফালতু কথা?

ও যখন আমাদের দেখে ফেলল আমি তো পুরো ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। বড্ড এমব্যারাসিং ছিল।

মানে, ভাই একটু তো পরিস্থিতি বোঝা উচিত।

আমি শুধু চাই ও যেন সবসময় আমাদের পিছনে পিছনে ঘোরা বন্ধ করে।

-তাই না? আমার ওকে একদম সহ্য হয় না। -এই!

-চুপ! -চুপ কর!

ও কি জানে?

সে-আহ

কল করা হচ্ছে সে-আহ

হিউং-উক

হিউং-উক

-আপনি যে নম্বরে কল করছেন-- -ওহ শিট।

জিওন-উ, আমার কাছে একটা দারুণ খবর আছে।

উহ...

এই যে, আমার ভালো বন্ধু।

বল তো কে ন্যাশনাল টিমে চান্স পেয়েছে?

উহ...

ইয়ো, হিউং-উক!

ও কি আবার কোনো ঝামেলায় পড়েছে?

তুই কি ইভিনিং স্টাডির সময় ওকে দেখেছিলি? ব্যাপারটা খুব অদ্ভুত ছিল।

এই, তোর এত দেরি হলো কেন? আমরা তোর জন্যই তো ওয়েট করছিলাম।

-আমাকে আমার লকারে যেতে হয়েছিল। -চিল কর। আমি আসছি!

সবাই চলে গেছে।

বেশ খানিকটা সময় লাগল।

আমি ন্যাশনাল টিমে চান্স পেয়েছি!

কী? ন্যাশনাল টিম?

-ওহ! তুই পেরেছিস! ইয়েস! -শশশ, শশশ, শশশ।

-ওহ! -চুপ কর।

হুম।

ভয় পাস না।

কোনোভাবেই না!

এটা ঠিক তার উল্টো।

আমি তোর সাথে আছি। আর তুই ন্যাশনাল টিমে চান্স পেয়েছিস বলে আমি খুব গর্বিত।

ওয়াও! ক্রেজি।

ন্যাশনাল টিম।

ওহ, বাই দা ওয়ে, কোচ জানে যে আমরা প্রেম করছি।

জানি না কীভাবে।

কী?

-আচ্ছা, তুই কি তাকে বলেছিস? -না।

আমি তো হিউং-উককেও বলিনি,

না-রি, বা হা-জুন কাউকেই না।

উনি এমনিতেই বুঝে গেছেন।

আমি এখন কী করব?

আমি তো এমনিতে তার হিটলিস্টে আছি।

ওহ, আমার মরার বয়স এখনও হয়নি।

আন্টি জি-সুন, আমি ন্যাশনাল রিজার্ভ টিমে চান্স পেয়েছি!

ওহ?

মিসড কল হিউং-উক (৩৯)

কোনো সমস্যা হয়েছে কি?

কংগ্র্যাচুলেশনস। ডিউটিতে আছি, তাই আমি বাসায় ফিরব না। আমার কার্ড দিয়ে কিছু একটা অর্ডার করে নে।

আবার সেই একা।

চিকেন খাবি নাকি?

-হুম। -হুম।

এটা খুব টেস্ট। আমি পুরোটা একাই সাবাড় করব।

তোর জন্যই ভালো-মন্দ খেতে পারছি।

আমার আন্টিকে ধন্যবাদ দে।

আমি অবশ্যই দেখা হলে তাকে সামনাসামনি ধন্যবাদ দেব। সত্যি।

হুম। গ্রেট।

-আমি যদি এটা নিয়ে অন্যদের কাছে একটু ভাব নিই, সমস্যা আছে? -নে, সমস্যা নাই।

ওহ মাই গড।

তোকে তো বলাই হয়নি। আজ হিউং-উকের অনেকগুলো কল মিস করেছি।

হিউং-উকের? কেন?

আমি জানি না।

-আমি ওকে কল ব্যাক করছি। -ওকে।

মন খারাপ করা বাদ দে আর এসে ড্রিঙ্ক কর!

এই, আমার বয়স হয়নি। আমাকে ঢুকতেই দেবে না।

টেলিগ্রামে তোর আইডির ছবি পাঠা।

আমি পেরেছি!

এই, এতক্ষণ লাগলো কেন?

এই জাদুবিদ্যা তো নেক্সট লেভেলের।

আমি তো অবাক যে এটা কিউআর স্ক্যানারকেও ধোঁকা দিল। তোর এগুলো বিক্রি করে টাকা কামানো উচিত।

নাহ। দুর্ভাগ্যবশত, এটা আমার কাজ না, তোর জানার জন্য বলে রাখলাম।

তোর না হলে, কার তাহলে?

নো ফাকিং ওয়ে!

হি-জিন!

মেরামত হয়ে গেছে

কাল শিপিং হলে আমি তোকে ট্র্যাকিং নাম্বার পাঠিয়ে দেব

হিউং-উক

এটা গিরিগো।

আর অন্য পারফেক্ট স্কোরার হলো... হিউং-উক।

কোনোভাবেই পসিবল না।

কাং হা-ইয়ং

ও হঠাৎ করে কল দিচ্ছে কেন?

হেই, হিউং-উক। দেখলাম তুই আমাকে অনেকবার কল করেছিস। কী হয়েছে?

তুইই তো আমাকে প্রথমে কল করেছিলি।

আমি করেছিলাম?

কী... একটু জোরে বলবি? তোর কোনো কথাই তো শুনতে পাচ্ছি না।

তুই

বলেছিলি তুই আমার বার্থডেতে আসবি না।

ওহ, এক্সট্রিমলি সরি। আমি আসতে পারব না।

আমি এইমাত্র জানতে পারলাম যে আমাকে এখন উইকেন্ডেও ট্রেনিং করতে হবে।

হোয়াট দা... ও তো ফোন কেটে দিল।

আপনি যাকে কল করছেন তিনি এই মুহূর্তে ব্যস্ত আছেন।

ওর গলাটা কেমন আপসেট লাগছিল।

বড্ড আজব।

ও এটা জানলো কী করে?

হ্যাঁ, তাই তো। আমি নিজেই তো এইমাত্র জানতে পারলাম।

আমি জাস্ট, কী জানি, হয়তো আজকাল একটু বেশিই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত।

তুই একটা খারাপ খবর পেয়েছিস বলে আমি তোকে মাফ করে দিলাম।

ট্রেনিং করে করে উইকেন্ডের বারোটা বাজাচ্ছিস।

তাহলে, তুই কি পার্টিতে যাচ্ছিস?

অবশ্যই আমি পার্টিতে যাচ্ছি। ও আমার বেস্ট ফ্রেন্ড।

বাহ বেশ। তোর মনটা তো খুব ভালো।

তুই কি না-রি ওখানে থাকবে বলে টেনশনে আছিস?

তোর এত বড় সাহস?

একদমই না!

কিউট লাগছে। তুই রেগে গেছিস।

আমি কি কোচকে জিজ্ঞেস করে দেখব যে ট্রেনিংটা পরের সপ্তাহে নেওয়া যায় কিনা?

হুম।

তুই কী করছিস?

জিওন-উ?

২৪শে অক্টোবর, ২০০৮।

নাম।

এই তো হয়ে গেছে।

২৪শে অক্টোবর, ২০০৮ কিম জিওন-উ

ওকে। দয়া করে সে-আহ-র উইকেন্ডের ট্রেনিংটা ক্যানসেল করে দাও।

থামা।

এটা যদি অঙ্কে পারফেক্ট স্কোর দিতে পারে, তাহলে ট্রেনিং ক্যানসেল করবে না কেন? হুহ।

-তুই এসব কী করছিস? -ট্রেনিং ক্যানসেল!

ট্রেনিং ক্যানসেল। ট্রেনিং ক্যানসেল!

-ট্রেনিং ক্যানসেল!

-ট্রেনিং ক্যানসেল! -দয়া করে আমার জিওন-উ-এর ইচ্ছা পূরণ করো।

-ট্রেনিং ক্যানসেল। ক্যানসেল। -এটা রিয়েল না, বলদ একটা।

-ট্রেনিং ক্যানসেল। -এবার বসে তোর চিকেন খাওয়া শেষ কর।

-আমাদের এটা সেন্ড করা উচিত। -তুই একটা আস্ত গাধা!

উইশ সেন্ড হচ্ছে...

এই নে। এটা খা।

-তোর পেট ভরেছে? -হুম-হুম।

আরেকটা।

শুক্রবার, ১৩ই জুন

আবার ঘুমিয়ে পড়েছিস?

আর মাত্র ৫টা মিনিট!

দরজা বন্ধ হচ্ছে।

আরেকবার?

আজকে না!

-বাকিরা কি আগেভাগেই ঢুকে গেছে? -আমি জানি না।

হ্যাঁ। এইদিকে।

কাম অন। তোর কাছে তো কোনো প্রমাণ নেই।

ঠিক আছে, সবাই উঠে বসো। চলো শুরু করা যাক।

গুড মর্নিং, স্যার।

দেখি কে কে অ্যাবসেন্ট আছে।

না-রি কোথায়? এখনও আসেনি?

আমি জানি না, স্যার। আমি ওকে দেখিনি।

ও হয়তো আবার ঘুমিয়ে পড়েছে। ঠিক আছে।

উহ, গতকাল রাতে কেউ কি না-রির সাথে কথা বলেছো বা ওকে দেখেছিলে?

-না, আমি না। -উহ, না।

-ও আমার বন্ধু না। -কেউ না?

ও এলে ওকে প্রিন্সিপালের রুমে দেখা করতে বলবে।

আমি একটা ফোনের আওয়াজ শুনলাম। কার ওটা?

হিউং-উক?

তুই কি ঘুমাচ্ছিস?

ইয়ো। এই!

দোস্ত, স্যার খেপে যাচ্ছে। এবার ওঠ। এই।

ফাইজলামো বাদ দে। উঠে পড়।

দোস্ত। এই। উঠে পড় না।

হিউং-উক!

এই, শান্ত হ!

-তোর কী হয়েছে? -ওকে একটু জায়গা দাও! আমার সাথে কথা বল!

ও শকে আছে!

তুমি! গিয়ে স্কুলের নার্সকে ডেকে আনো।

এই, ওঠ। ওঠ। এখন ওঠ! হিউং-উক! ওঠ!

-তুই ঠিক আছিস? -চুপচাপ থাক।

রিল্যাক্স কর।

-কী হয়েছে? -তুই ঠিক আছিস?

-আস্তে আস্তে। -তোর বসা উচিত।

এই, এই! হিউং-উক! ওটা নিচে রাখ। এখনই।

তুই এসব কী করছিস?

-বাদ দে, ভাই। -তুমি নিজেকে আঘাত করে বসবে।

দে ওটা!

ওহ, সাবধানে!

জিওন-উ! তুই ঠিক আছিস?

সবাই সাবধানে! এটা এখনই বন্ধ করো!

জাস্ট ওটা নিচে রাখ। ফেলে দে! তুই নিজের সাথে এসব কী করছিস?

আমাদের এটা নিয়ে কথা বলা উচিত।

দূরে যা! এখান থেকে বেরিয়ে যা!

না হলে তোরা মারাত্মক পস্তাবি!

হিউং-উক... আমরা তোর বন্ধু।

মর্!

আমি একটা লুজার।

না, তুই না।

শোন। ওটা সরিয়ে রাখ।

তোকে এর বিরুদ্ধে লড়তে হবে। জাস্ট ওটা ছেড়ে দে।

-না! -থাম।

তুই এসব কী করছিস? থামা! থামা! প্লিজ!

থামা!

না!

না! না!

-ভেতরে যাও! এখনই ভেতরে ঢোকো! -ওহ, হিউং-উক।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.