All language subtitles for Jana Nayagan 2026 1080p WEB-DL Tamil AAC2.0.x264

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic Download
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian Download
br Breton
bg Bulgarian Download
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French Download
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German Download
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian Download
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian Download
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ml Malayalam Download
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian Download
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian Download
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal) Download
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian Download
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese Download
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish Download
es-419 Spanish (Latin American) Download
su Sundanese
sw Swahili Download
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu Download
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish Download
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
vi Vietnamese Download
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

আগস্টে তামিলনাড়ুতে সরকারি প্রতিনিধি দলের আসার কথা রয়েছে।

গ্রামবাসী শুধু তাদের এক পলক দেখার অপেক্ষায় ভিড় জমাচ্ছে।

প্রশাসন শেষ পর্যন্ত তামিলনাড়ুতে পা রাখছে।

সবাই এগিয়ে আসুন! ভোট দেওয়ার সময় হয়ে গেছে।

ভোট দেওয়া প্রতিটি ভারতীয়র নাগরিক অধিকার।

স্যার, আমরা ভোট দিতে প্রস্তুত।

কিন্তু আমরা জানি, আমাদের হয়ে কথা বলার মতো কেউ নেই।

আগামী তিন নির্বাচনে আমরা আর ভোট দেবো না।

যারা ভোট দিয়েছে তাদের দশাটা একবার দেখুন!

এভাবে বাঁচা যায় না—একদিন ভোট দিয়ে সারা বছর আতঙ্কে থাকা!

এমনকি আমাদের সন্তানদেরও স্কুলে যাওয়ার পথে মারধর করা হয়।

আমরা এক চরম বিভীষিকার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

বাবা, যখনই আমি ভয় পাই, আমি সাহসী বীরদের কথা ভাবি।

তারা ভয় দূর করে আমাদের মনে ভোটের লড়াইয়ে নামার সাহস জোগায়।

তোমাকে কি তেমন এক সাহসিকতার গল্প শোনাবো?

বীরত্বের এক কিংবদন্তি উপাখ্যান...

এইমাত্র ভেতরে কে ঢুকলো?

বলো নারায়ণন, কী ব্যাপার?

স্যার, বাইরে ২০ জন লোক নির্বাচন নিয়ে প্রতিবাদ করছে।

তাদের কি ভেতরে ঢুকতে দেবো নাকি আপনার আসার অপেক্ষা করবো?

আমি এখন কোয়ার্টারে চলে যাচ্ছি।

অ্যাডমিশন ব্লকের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নাও।

বুঝতে পেরেছি স্যার।

আজ একজন পুলিশ অফিসারকে দেখলাম।

রাস্তা ছাড়ো! সরো সবাই!

আমি আসছি। ওখানের পরিস্থিতি কী?

স্যার, প্লিজ ওর দিকে একটু খেয়াল রাখবেন। ও সি-ব্লকের দিকে গিয়েছে।

তারপর?

স্যার, ওই ব্লকের দায়িত্ব ওর কাঁধেই।

পুরো এলাকাটা এখন ওর অধীনে।

স্যার, ওর দেখাশোনার দায়িত্বটা আমি আপনার ওপরই ছাড়লাম।

আমাকে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দাও।

খবরদার! ওকে ছোঁবে না একদম!

এই যে তুমি! ওখানেই থামো।

হুজুর, আমাকে মাত্র এক মিনিট সময় দিন।

বললাম না, এক মিনিট!

তোমাদের এই চিল্লাপাল্লা আর দৌড়ঝাঁপে দাদাজি জেগে গিয়েছেন।

ওকে আগে বিশ্রাম নিতে দাও, তারপর তোমরা খেলতে যেও।

একেবারে গাধা একটা!

এই! কী করছিস এসব? বের হ এখান থেকে!

আরে শান্ত হও, এটা তো স্রেফ একটা খেলা।

শোনো! আগে ওকে ঘুমাতে দাও।

তোর আচরণটা একদম মূর্খের মতো!

তোর এই ফাজলামির কি এটাই সঠিক সময়?

শেষবারের মতো বলছি—কথাটা কান খুলে শুনে রাখ।

দাদাজির এখন ঘুম দরকার।

মনে রাখিস, আমি তোর জামাতা।

দাদাজি গভীরভাবে ঘুমানো পর্যন্ত অপেক্ষা কর।

তারপরেই এই হিসাব মেটানো হবে।

এক পা এগোলেই তোকে শেষ করে দেবো!

সব পরিষ্কার তো?

এবার যা।

দাদাজি, পানির বোতলটা একটু নিয়ে আসুন না।

আচ্ছা মা, আনছি।

ঠিক আছে, তুমি আসতে পারো।

দাদাজি, পানির বোতলটা জলদি আনুন।

এখন কেমন লাগছে?

ওটা কি কোনো বাঁশির সুর ছিল?

ঘুমিয়ে পড়ো সোনা।

আমি গান গেয়ে শোনালে তুমি শান্তিতে ঘুমাতে পারবে।

দাদাজি...

আপনার মনটা মনে হয় আজ খুব একটা ভালো নেই।

ওভাবে কী দেখছেন?

গান গাওয়া শুরু করো।

আমি হচ্ছি সেই ছায়া যাকে তুমি ভয় পাও।

দাদাজির জীবন এখন আমার হাতের মুঠোয়।

ওকে শেষ করতে আমি দু'বার ভাববো না।

তুমি চাও ও ঘুমাক? এই নাটক বন্ধ করো!

এই! চুপ একদম!

আমি শুধু একটা অভিনয় করছিলাম।

আর তুই আমাকে পিছু হটতে বলছিস?

আমি এখন একটু বিশ্রাম নেবো।

পরে কি আমার সাথে খেলতে আসবে?

আমরা কি মন খুলে কিছুটা সময় কাটাতে পারি?

এসো না, আমার সাথে একটু খেলো!

আমি স্রেফ তোমার সাথে কথা বলতে চাই।

এই! শুনছো আমার কথা?

অস্পষ্ট একটা শব্দ কানে আসছে।

অবশেষে ও ঘুমিয়ে পড়েছে।

আমি আগে থেকেই সব জানি।

যাও, বিয়ের আবেদনটা সেরে ফেলো।

আমি খেয়াল রাখবো ও যেন আজ রাতে এখানেই থাকে।

বেশ তো।

আমি তোমাদের এক্সপ্রেস টিকিটগুলো নিশ্চিত করেছি।

কী পাগলি একটা মেয়ে রে বাবা!

কেন জানি আজ দু'চোখে ঘুম আসছে না।

সে এখনো এখানে কেন এলো না?

তুমি আমাকে আঘাত করার হুমকি দিয়েছিলে...

কিন্তু তুমি কি সত্যিই প্রতিশোধ নিতে এসেছিলে?

দাঁড়াও... কী হচ্ছে এসব?

দাদাজি!

ও দাদাজিকে নিয়ে যাচ্ছে!

কী?!

পাগলের মতো কী বলছিস এসব?

দেখো! রক্ত!

এক ঝটকায় সব আঁধারে মিলিয়ে গেল।

আমি সত্যিই ভেবেছিলাম তোমার কাছে কোনো নিঁখুত পরিকল্পনা আছে।

আমি ভেবেছিলাম তোমার কাছে কোনো নিঁখুত পরিকল্পনা আছে।

কিন্তু নিজের দশাটা একবার দেখো... তুমি আজ সব হারিয়েছো!

শাকা!

এই বিশৃঙ্খলা আমাদের দুুজনেরই সৃষ্টি।

দয়া করে দরজাটা এখনই খোলো!

বাইরের পরিস্থিতি এখন চরম বিপজ্জনক।

ওকে এখনই গ্রেপ্তার করো!

তুমি হয়তো ভাবছো তুমি ঠিক, কিন্তু তুমি ভুল করছো।

সন্দেহজনক কোনো করমর্দনে আবার ধোঁকা খেও না।

আমি নিজেই সব সামলে নেবো।

আমার মনে হয় ও এখন কথা বলতে প্রস্তুত।

প্রধান ফটকটা খুলে দাও!

স্যার, ওরা ইতিমধ্যে ২০ বার ওকে হত্যার চেষ্টা করেছে।

ও পছন্দ করুক বা না করুক, সত্যের মুখোমুখি ওকে হতেই হবে।

নদীতীরে আমি আর কোনো ভুল হতে দেবো না।

একমাত্র মুরুগানই জানে আসল সত্যটা কী।

আমার পেছনে একটা বিশাল বাহিনী আছে।

আমরা বড় বড় ব্যাংক ডাকাতি করতে ওস্তাদ।

আমি বললাম যে আমার একটা গ্যাং আছে।

ব্যাংকের ভল্ট খালি করাই আমাদের কাজ।

গ্রেপ্তারের সময় তো সেলের দরজা লক করাই ছিল না।

পুরো নিরাপত্তা বলয় বাইরে থেকেই ভেঙে ফেলা হয়েছে।

আমরা স্রেফ কোনো পাহারাদার নই।

আমরা হচ্ছি উপরতলার ওই মানুষটার রক্ষাকবচ।

স্যার!

আমার জন্য নিজের জীবন বাজি রাখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

পরিণতি যাই হোক, আমি আপনার পাশেই থাকবো।

স্যার, আমি খুব ভালো করেই জানি আপনি কে।

আমার জন্য অপেক্ষা করুন, আমি আসছি।

নারায়ণন, আমার ওর পুরো ফাইলটা দরকার।

ওর নামটা তো তোমার নামেই রাখা হয়েছিল, তাই না?

নিজেকে কি খুব বড় কোনো সুপারম্যান ভাবো?

আমি খুবই সাধারণ একজন মানুষ।

কিন্তু আমার কাজই আমার আসল পরিচয়।

তুমিই আমার আসল সুপারম্যান, বাবা!

ওর মা কি এখনো জেলের ভেতরে?

হ্যাঁ স্যার।

ও তো কেবল একটা নিষ্পাপ শিশু।

ওকে রক্ষা করতে হলে তোমাকে কঠোর হতেই হবে।

দ্বিধা করলে ও আর কখনো ফিরে আসবে না।

আপনি ইতিমধ্যে ৫০ বার জামিনের আবেদন করেছেন।

তবুও কেন ওকে আটকে রাখা হয়েছে?

সারা জীবন আমি শুধু ওর অপেক্ষাতেই কাটিয়েছি।

এখন তো ওর সাথে দেখা করাটাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

তুমি অনেক দীর্ঘ সময় ধরে এই যন্ত্রণা সহ্য করেছো।

আমি শুধু আমার ছেলেকে একবার বুকে জড়িয়ে ধরতে চাই।

ওকে দেখা না দিয়ে আমি এখান থেকে এক পা-ও নড়বো না।

আমি আপনার কাছে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছি।

আমার ভাইকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনলে ও খুব খুশি হবে।

স্যার, এই জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে আমি অনেক দিন পচেছি।

ওর দফারফা করেই আমি এখান থেকে বিদায় নেবো।

আমি নিজের হাতে ওকে খতম করবো।

আমি ওকে জানাবো যে ওর মা আর এই পৃথিবীতে নেই।

সুপারম্যান? ও এখন স্রেফ আমার শিকার।

চলো, এখনই এটার শেষ দেখে নিই!

নারায়ণন, আগামীকাল আমরা ওকে নিয়ে জঙ্গলে যাবো।

নিশ্চিত করো যেন শাস্তিটা বনের অনেক গভীরে কার্যকর হয়।

চলো, কাজটা শেষ করে ফেলি।

বুঝতে পেরেছি স্যার।

আগামীকালের অভিযানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।

অবশেষে আমি আমার ছেলেকে দেখতে পেলাম...

কিন্তু ও চিরতরে হারিয়ে গেছে।

আমি কীভাবে পারবো...

...আমার মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে?

আমি তো এই ব্যবস্থার এক অদৃশ্য ছায়া মাত্র।

বাবা, এক মুহূর্তের জন্যও ভেবো না যে ওরা জিতে গেছে।

আমি ঠিকই তোমার কাছে ফিরে আসার পথ খুঁজে নেবো।

আমি শপথ করছি, আমি ফিরে আসবোই—প্রতিশোধ নিতে।

লোকটা একসময় একনিষ্ঠ একজন সৈনিক ছিল।

আমার স্ত্রীর মনে সবসময় সামরিক অফিসারদের জন্য একটা শ্রদ্ধা ছিল।

যখন ওকে জোড় করে অমতের বিয়ে দিতে চেয়েছিল...

...ও নিজের পথ বেছে নিয়েছিল এবং আমাকে বিয়ে করেছিল।

গত বছর যুদ্ধের লেলিহান শিখা ওকে আমার থেকে কেড়ে নিয়েছে।

ওর স্বপ্ন ছিল আমাকে একদিন ওই ইউনিফর্মে দেখার।

কিন্তু আমার স্বপ্নগুলো ওর জন্য এক বিভীষিকা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

ওর মৃত্যুর পর, আমি আমার জীবনটা দেশের সেবায় বিলিয়ে দিয়েছি।

আর আজ কিনা ওরা আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলছে!

আমি ভেবেছিলাম সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে ওর স্মৃতিকে সম্মান জানাবো।

স্যার, কোনো সমস্যা হয়েছে কি?

কিছু না... স্রেফ পুরনো সব স্মৃতি।

বনের নিস্তব্ধতায় আমি আমার মায়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছিলাম।

ভষ্ম থেকেই আমি ফিনিক্সের মতো জেগে উঠবো।

আমি আসলে কোথা থেকে শুরু করবো?

শোনো, এই দুনিয়াটাকে ভয় পেলে চলবে না।

তোমাকে বাঘের মতো কলিজা নিয়ে বাঁচতে শিখতে হবে।

দুর্দান্ত!

বিধাতা তোমাকে যে জীবন দিয়েছে, তাকে কখনো ভয় পেয়ো না।

শুধু ভয় পেয়ো সেই কাপুরুষকে, যে তোমাকে ধমক দিয়ে দমিয়ে রাখতে চায়।

সাহসী হও, নির্ভীক হও, আর কখনো পিছু হটো না।

তবেই তুমি এই দুনিয়ার আসল রূপ বুঝতে পারবে।

তুমি কি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে প্রস্তুত?

আমি আমার প্রাপ্যটা বুঝে নিতে আসছি।

আমরা লক্ষ্যবস্তুকে কব্জা করে এখানে নিয়ে এসেছি।

চূড়ান্ত আঘাতের জন্য প্রস্তুত হও।

অবিলম্বে এখানে চলে এসো!

আমি অনেক দিন ধরে এই মুহূর্তটার অপেক্ষায় ছিলাম।

হিসাব চুকিয়ে দেওয়ার সময় এসে গেছে।

খবরদার! ওকে যেন কোনোভাবেই হাতছাড়া না করা হয়!

আমি আসছি তোর জন্য, তৈরি থাক।

প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে তোর মৃত্যুপরোয়ানায় সই করে দিয়েছেন।

মরার আগে শেষ কোনো ইচ্ছা আছে?

তাকে গিয়ে বলিস, আমিই তাকে খতম করবো।

ফিরে যা আর তোর প্রেসিডেন্টকে গিয়ে জানা...

গৃহযুদ্ধ সরকারিভাবে শুরু হয়ে গেছে।

বুরাচিগড়ের সাধারণ মানুষকে পশুর মতো জবাই করা হচ্ছে।

সুয়াস্নিয়া সরকার এখন পতনের মুখে।

পুরো সুয়াস্নিয়া এখন এক জীবন্ত নরকে পরিণত হয়েছে।

গুলি কর ওকে!

এখনই শেষ করে দাও!

ইমলাইরের ভাড়াটে গুন্ডাদের আমি একাই দেখে নেবো।

সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে!

ওরা আমাদের একে একে বেছে বেছে মারছে।

সব ইউনিট শোনো!

একটা প্রাণও যেন আজ এখান থেকে বেঁচে ফিরতে না পারে।

নির্দেশ পালন করো, এখনই!

ওই নিষ্পাপ মেয়েটার গায়ে হাত দেওয়ার সাহস হয় কী করে তোর?

আজ তোদের দুজনেই যমের দুয়ারে পাঠাবো।

আমার চোখের সামনে থেকে দূর হ!

তোর দফারফা আমি আজ করেই ছাড়বো!

তুই আজ মরা লাশ হয়ে ফিরবি!

এই! পালানোর চেষ্টা করিস না একদম!

ওকে আমি নিজের হাতে খতম করবো।

আমি আসছি...

দেরি হওয়ার জন্য দুঃখিত বন্ধু।

আগামী পাঁচ মিনিটে সব শেষ হয়ে যাবে।

তোর বিচারের সময় এসে গেছে।

সবাইকে এখান থেকে বের করে দাও!

জলদি বেরিয়ে যাও এখান থেকে!

কেন এখনো সেই পুরনো নিয়মগুলো আঁকড়ে ধরে আছো?

ধ্যাত তেরি...

আমি এই মরণফাঁদে আটকে গেছি।

আমার নিজের লোক, এমনকি আমার ছেলে পর্যন্ত আমাকে ধোঁকা দিল।

ওরা সব গোপন তথ্য সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করে দিয়েছে।

যদি আসল সত্যিটাই জানতে চাও, তবে শোনো।

এই কারণেই আমি রাজনীতির মারপ্যাঁচ থেকে দূরে থাকি।

এটাকেই আমার শেষ বয়ান বলে ধরে নাও।

আমার কথা শুনুন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট!

আমাকে মারার জন্য আপনি যাকে পাঠাবেন...

...সে শুধু নিজের কবরটাই খুঁড়বে।

আমি আপনার প্রাণ কেড়ে নিতে আসছি।

হিমালায়া, ইন্টারনেটের দুনিয়ায় আমরা তোমার প্রতিটি পদক্ষেপ...

...খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি।

প্রেসিডেন্ট কীভাবে সব খবর পেয়ে গেলেন?

সে তোমার নেটওয়ার্কের প্রতিটি প্রমান সংগ্রহ করেছে...

...এবং তা সরাসরি কাউন্সিলের সামনে পেশ করেছে।

এই খবর একবার জানাজানি হলে আমার গ্রেপ্তার নিশ্চিত।

সে এখন কী করবে?

ওসব নিয়ে একদম ভেবো না।

সুয়াস্নিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন আমাদের হাতে।

হিমালায়া, মঞ্চ এখন প্রস্তুত।

তাহলে পরবর্তী পরিকল্পনা কী?

চলো, কাজটা সেরে ফেলি!

স্যার, একজন অপরিচিত কলার লাইনে আছেন।

আমি তো আপনাকে আগেই বলেছিলাম স্যার। সে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

সে ইতিমদ্যেই লক্ষ্মণরেখা পার করে ফেলেছে।

সত্যি গোপন করাটা একটা বড় ভুল হবে স্যার।

চিরাচরিত প্রথাগুলো এড়িয়ে যাওয়ার জন্য...

...সে প্রেসিডেন্টকে বরখাস্ত করে আটক করেছে।

সে জানত সত্যিটা সামনে এলে আপনি ভেঙে পড়বেন।

যাওয়ার আগে সে নিশ্চিত করে গেছে যেন আপনার পরিবার...

...অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মুক্তির তালিকায় থাকে।

আমি সত্যিই দুঃখিত স্যার।

আমি বাচ্চাকে ডে-কেয়ারে রেখে দ্রুত কাজে জয়েন করবো।

জী স্যার, অবশ্যই।

সারপ্রাইজ!

এই তো আমার সুপারম্যান!

কী হয়েছে বিজীমা?

সবকিছু ঠিক আছে তো জোরাম্মা?

ওহ না! এটা তো খুবই খারাপ হলো।

বিজী, আমি খুবই দুঃখিত।

এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না!

বিজী, আমাকে খুলে বলো কী হয়েছে।

স্যার, আপনি যে এমন বিপদে আছেন জানলে...

...আমি বাবামাকে দেখতে কখনোই যেতাম না।

সন্তানের জন্য একজন মায়ের আকুতি আমি বুঝতে পারি।

আপনি এখনো যাচ্ছেন না?

না স্যার, এখনই নয়।

আমার কিছু অসমাপ্ত কাজ বাকি রয়ে গেছে।

যাওয়ার আগে তোমাকে শেষবারের মতো একবার দেখতে চেয়েছিলাম।

ওকে ডে-কেয়ারে নামিয়ে আমি সরাসরি হেডকোয়ার্টার্সে চলে যাবো।

আমি সুপারম্যানের সাথেই থাকতে চাই!

বাবা ফিরে না আসা পর্যন্ত তুমি আমাকে রক্ষা করবে তো?

আপনি এগিয়ে যান স্যার। আমি সব সামলে নেবো।

চিন্তা করবেন না, বিজীমার চোখে আমি এক ফোঁটা পানিও পড়তে দেবো না।

আপনি ফিরে না আসা পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে হলেও ওকে আগলে রাখবো।

পেট্রি শোনো... কোনো অবস্থাতেই এই দরজা খুলবে না।

বিজীমার বাচ্চা ওই ঘরের ভেতরে আছে।

ও যদি ওকে আবার দেখে, তবে পুরনো আতঙ্ক ওকে আবার গ্রাস করবে।

স্যার, আমি প্রায় পৌঁছে গেছি।

আর মাত্র দশ মিনিট সময় দিন আমাকে।

আমি আসছি।

আমি কথা দিচ্ছি সব খাবার শেষ করবো।

একটুও ফেলে রাখবো না।

তারপর আমি বাবার সাথে স্কুলে যাবো!

হা হা! তোমাকে বেশ ভয় পাইয়ে দিয়েছিলাম, তাই না?

আমি তোমার বন্ধু, তাই না?

সত্যিই তো, এটা বেশ মজার!

আমি সত্যিই তোমার বন্ধু হতে চাই।

হয়তো আমার নিজের সম্পর্কে ওকে জিজ্ঞেস করা উচিত।

তুমি কি...!

চুপ একদম!

মা?

কী হয়েছে সোনা আমার?

আমি সেই ব্যক্তি যে সবসময় তোমার পাশে থাকবে।

আর তুমিই সেই যে আমার সাথে আছো।

শারীরিকভাবে সে এখন একদম ঠিক আছে।

কিন্তু এই শিশুটির মনে আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাওয়া খুব জরুরি।

তবেই ওর মনের সব ভয় চিরতরে মুছে যাবে।

নইলে এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে বেঁচে থাকা ওর জন্য বিপজ্জনক হবে।

সুপারম্যান, আমরা তোমাকে কী বলে ডাকবো?

তুমি আমাকে আংকেল ডাকতে পারো, অথবা যা তোমার পছন্দ।

আন্টি... হ্যাঁ, আন্টিই ঠিক আছে।

ওকে আন্টি বলে ডাকো।

পথে যত বাধাই আসুক না কেন,

আমি সবসময় তোমার জন্য ঠিক এখানেই থাকবো।

আমি যেখানেই যাই, আমার মন তোমার কাছেই পড়ে থাকে।

ঝিরঝিরে বৃষ্টির মতো আমার চোখ দুটো তোমাকে পাহারা দেয়।

ঝড় থেকে তোমাকে আড়াল করতে আমার হাত দুটো সবসময় প্রস্তুত।

আর্তি!

আংকেল, সরাসরি কাজের কথায় আসুন।

আপনি বলেছিলেন এটা আমার মঙ্গলের জন্যই করছেন।

ওরা হচ্ছে সূর্যের আগের সেই কালো ছায়া।

রক্ত আর আনুগত্যের বন্ধনে আমরা বাঁধা।

ব্যর্থ হলেও আমাদের অন্তত চেষ্টা করে যেতে হবে।

তোমার অনেক কিছু বলার আছে, তাই মুখ খোলো।

আমি এখন তোমার পৃথিবীরই একটা অংশ।

এগুলো স্রেফ তোমার জীবনের কিছু অধ্যায় মাত্র।

নিস্তব্ধ রাতের বুক চিরে চিৎকার করার সাহস কার আছে?

স্মৃতির বাগানে উদ্দেশ্যহীনভাবে হেঁটে চলা।

আমি সেই যে তোমার হৃদয়ের মণিকোঠায় বাস করি।

তুমিই আমার কাছে পৃথিবীর সব।

তুমি আমার অতি আদরের রাজকন্যা।

আমার দেখা সবচেয়ে পবিত্র এক আত্মা।

এই যে, জলদি সরো!

কার্তিক, ক্লাস শুরু করার সময় হয়ে গেছে।

ঠিক আছে, কার্তিককে লাইনে নাও তো।

কিরে বন্ধু!

তুই কি নতুন স্কুলে আসছিস?

পরীক্ষা শুরু হয়ে যাচ্ছে, চল জলদি করি।

তাড়াতাড়ি আয়!

স্যার, এসি ইউনিটটা চলে আসছে।

অবশেষে এটা এসেই গেল!

ভেতরে যাও।

জলদি করো, মুভি শুরু হতে আর দশ মিনিট বাকি!

মা, তুমি কি সত্যিই আমাদের সাথে আসছো না?

দেখো, রাইডারটা মুদ্রার দিকেই এগিয়ে আসছে।

পানির বোতলটা নাও আর রওনা দাও।

আমার বাবা-মা একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন।

আংকেল, বাবা এখন বাড়িতে নেই।

আমাকে দাও।

আমি কি ফোন দেবো? ও আবার কলেজ কামাই করেছে।

আমি বেশ জোরেই চালাচ্ছিলাম, তবে আমি ঠিক আছি।

ওদের ভয় দেখাতে দিও না।

গতিসীমা লঙ্ঘন?

গাড়িটার অবস্থা দেখেছেন... ওটা স্রেফ অ্যাক্সিডেন্ট নয়, ৩০৭ ধারায় খুনের চেষ্টা!

আপনি ওই গাড়ির ভেতরে কী করছিলেন স্যার?

এই! গাড়ি থেকে বের হও বলছি!

বাবা, তোমাকে এত আতঙ্কিত লাগছে কেন?

স্রেফ এক মুহূর্তের জন্য চুপ থাকো।

পুরো এলাকাটা একবার তল্লাশি করে দেখো।

অফিসটা একদম এখানেই, এটা খুব জরুরি বাবা।

আংকেল, আমরা বড়সড় এক সমস্যায় পড়েছি।

হ্যালো? থানায় এখন সকাল ১১টা বাজে।

আপনারা কি স্রেফ গতিসীমা লঙ্ঘনের জন্য আমাকে গ্রেপ্তার করছেন?

আমি কি অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারকে ফোন দেবো?

দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর কে? ফোনটা ওকে দিন!

ইন্সপেক্টর এই মুহূর্তে পাওয়া যাবে না।

আমি এসির (AC) সাথে কথা বলছি।

আমি এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করছি না স্যার।

এই লোকটা এক আপদ।

এর আগে ও চার চারবার বরখাস্ত হয়েছে।

নিশ্চয়ই ও কোনো বড় চাল চালছে।

সব ঠিক আছে তো?

হ্যালো।

আপনারা যা খুশি করতে পারেন, আমি আমার কলঙ্ক মুছে এই বিভাগের পচন সবার সামনে আনবোই।

স্যার, আমার একটা নাম দরকার।

আমাকে বলুন, ওর আসল পরিচয়টা কী?

আমি এখন আর পুলিশ বাহিনীর সাথে নেই।

কিন্তু কেন এমনটা হলো?

শোনো, আমি ওই দুর্ঘটনার সবটা শুনেছি।

আপনি কি সেই লোকটার কথা শুনেছেন যে সব রেকর্ড ভেঙে দেয়?

আপনাকে বললাম তো, আমি এখন আর থানায় বসি না।

আর এর পেছনে যথেষ্ট জোরালো একটা কারণও আছে।

আমি স্বেচ্ছায় এই তকমাটা ঝেড়ে ফেলেছি।

স্যার... দয়া করে কথাটা শুনুন!

আগামীকাল থেকে তোর হাতে সময় আছে আর মাত্র দুই দিন।

টিক-টক... সময় ফুরিয়ে আসছে।

তোর জীবনের বাকি প্রতিটা মুহূর্ত কাটবে চরম আতঙ্কে।

একটু ভালোবাসার আশায় আকুল হয়েই তুই মরবি।

তোর মৃত্যু হবে এমন এক ট্র্যাজেডি, যা দুনিয়ার প্রতিটা নারী অনুভব করবে।

এই যে রানী!

স্যার, দয়া করে আপনার বোনের বাড়িতে একবার আসুন।

আমি আপনাকে পৌঁছে দেবো স্যার।

না, ধন্যবাদ।

আমার মেয়ে যদি সিনেমা দেখতে চায়, তবে আমি নিজেই ওকে নিয়ে যাবো।

জয় বালায়ালম!

স্যার, দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন!

আমি আমার ভুলের জন্য লজ্জিত স্যার।

আমি কসম দিচ্ছি, কোনো মেয়ের দিকে আর কখনো ওভাবে তাকাবো না।

পুলিশের প্রতি আমার সবসময় অগাধ শ্রদ্ধা ছিল।

ওই দুটো জিনিস আমাকে দাও।

এখান থেকে বিদায় হ এখন।

আমি একশ মানুষের জীবন বাঁচানোর মিশনে আছি।

ক্লাস শেষে সিনেমা দেখতে যাওয়া তো আর অপরাধ নয়, তাই না?

স্যার, এখান থেকে ডানে মোড় নিন।

সোজা ওই লোকেশনের দিকে এগিয়ে চলুন।

তুমি যে সিনেমার কথা বললে, ওটা আমার দেখা হয়নি।

শুনেছি ওটা নাকি একটা মাস্টারপিস।

এক মাস হলো আমরা সিনেমা হলে যাইনি।

বিজী, তোমার আঙ্কেল কি শেষ পর্যন্ত বিয়ের পিঁড়িতে বসলো?

না, এখনো না।

আর সামান্য পথ বাকি।

আজ আমার সিনেমা দেখার মতো একদম মুড নেই।

এই যে মাইপ্পা!

তুমি কি ওটা দেখলে?

সে তোমাদের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করছে।

তোর নাকের নিচ দিয়ে সে ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে!

কিন্তু সে তামিলনাড়ু থেকেই পুরো দক্ষিণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে।

বিশ্বাস করো, ও খুব বিপজ্জনক এক খেলা খেলছে।

ঠিক যেখানে রেখেছিলে ওখান থেকেই ওগুলো উদ্ধার করো।

দেখো, আরেকটা দোকানে চুরি হয়েছে!

মালিক একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছে; তার মা তো শকড!

জলদি করো!

তুমি একজন ভালো মানুষ; গত এক দশক তামিলনাড়ুর নেতৃত্ব তোমার দেওয়া উচিত ছিল।

কিন্তু ভাগ্যের লিখন ছিল অন্যরকম।

ওরা প্রতারণা আর সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছে।

কার ওপর দিয়ে বিপদ যাচ্ছে তা নিয়ে ওদের বিন্দুমাত্র মাথা ব্যথা নেই।

পঞ্চাশজন সহযোগী এখন একই জায়গায় জমা হয়েছে...

ওরা এরপর কোথায় আঘাত করবে?

তুমি কি সত্যিই ওদের এই পথ থেকে সরে যেতে বলবে?

না, কিছু জিনিস পরিবর্তনের ঊর্ধ্বে।

ঠিক আছে, বাদ দাও।

আমাকে এক গ্লাস বিয়ার দিতে পারো?

আসলে, কড়া কিছু একটার ব্যবস্থা করো।

শিশু থেকে বৃদ্ধ...

পুরো জাতি আজ আমাদের অপেক্ষায়।

কোনো চিহ্ন না রেখেই ওদের দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে হবে।

এগিয়ে চলো! দ্বিগুণ গতিতে!

যদি আমার পরিকল্পনা ঠিকঠাক কাজ করে...

তবে টেরও পাবে না কোত্থেকে কী হয়ে গেল।

আজ আমরা যা করবো, ইতিহাস তা আজীবন মনে রাখবে।

তাড়াতাড়ি করো! থামলে চলবে না!

জাহাজটি নির্দিষ্ট স্থানাঙ্কে পৌঁছে গেছে।

থামো!

জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ বেহাত হয়ে গেছে!

আমরা স্পটে পৌঁছেছি, কিন্তু মূল পরিকল্পনা এখন বাতিল।

জাহাজটিকে বাধা দাও আর সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নাও!

বুঝতে পেরেছি।

জাহাজটি থামাও!

তল্লাশির জন্য ভেতরে ঢুকছি।

শেষ ইউনিটটি কাছাকাছি পৌঁছেছে।

সবাই দূরে সরে দাঁড়াও!

আমাদের এখন পিছু হটতে হবে।

ইঞ্জিন বন্ধ করো! জাহাজটা এখনই থামাও!

এই জাহাজটি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে হাইজ্যাক করা হয়েছে!

কী আজেবাজে করছো এসব?

আমার সাথে একদম পাঙ্গা নিবি না!

জাহাজটি এখন আমাদের দখলে; পুরো অপারেশন আমাদের নিয়ন্ত্রণে।

আমাদের এখন নিরাপদ দূরত্বে যেতে হবে!

প্রিয়াশ!

বোম্ব এক্সপার্ট কোথায়?

ও তো নিজের পোস্টে নেই!

সরো সবাই! রাস্তা ছাড়ো!

এভাবেই কি তুমি নেতৃত্ব দাও? তুমি স্রেফ একটা কৌতুক!

দ্রুত এগোও!

আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি?

ভারত এক ভয়াবহ পতনের মুখে দাঁড়িয়ে।

ওরা তোমার কাছ থেকে সবকিছুর জবাব চায়।

তুমি কে? আর তামিলনাড়ুতে তোমার কাজটা ঠিক কী?

আমাকে বলো, এই 'OEM' প্রোটোকলটা আসলে কী?

মুখ খোলো বলছি!

এটা কি স্রেফ একটা ট্রেলার?

এমন এক ঝলক যা তোমার পুরো পৃথিবীটাকে তছনছ করে দেবে।

সেলমন...

আসল খেলাটা শুরু করার সময় এসে গেছে।

চলো, শুরু করা যাক!

স্যার, ওরা জ্যাগাড়ু সেক্টরের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে!

শত্রুপক্ষের আরও সেনা এগিয়ে আসছে!

ধ্যাত তেরি!

ক্যাপ্টেন, আপনি কি ট্রেইলার ইউনিটটিকে আটকাতে পেরেছেন?

এখন আমার কী করা উচিত?

ওদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে কোণঠাসা করো!

তারপর একে একে ওদের সবাইকে খতম করো।

আপনি কি প্রস্তুত, ক্যাপ্টেন?

এটা তোমার ধারণার চেয়েও অনেক বেশি কাছাকাছি!

সন্দেহ উস্কে দেওয়ার জন্য তৈরি করা এই অপপ্রচারে পা দিও না!

উত্তর ভারত সরকারকে অবশ্যই মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে!

বর্তমান শাসনের স্বরূপ এখন সবার সামনে উন্মোচিত!

...সীমান্ত ওপারের হুমকি মোকাবিলায় শক্ত হয়ে দাঁড়ান।

...পুরো বিশ্বের নজর এখন কাশ্মীরের দিকে।

...বৈশ্বিক পর্যায়ে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়।

আমি অল্প সময়ের মধ্যেই ফিরছি।

বাবা...

টিজারটা ইতিমধ্যে সব জায়গায় ট্রেন্ডিংয়ে আছে।

তাহলে আসল মাস্টার প্ল্যানটা কী?

খুব শীঘ্রই সেটা জানতে পারবে।

আগামী ১৬ তারিখ থেকে...

...'অপারেশন মেলুগা' (OEM)-এর চূড়ান্ত ধাপ শুরু হবে।

আমি এই জাতিকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করবো।

আর এটা থামানোর মতো...

...কোনো শক্তি এই দুনিয়ায় এখনো জন্মায়নি।

সীতা!

বাবা, চলো গাড়ির দিকে যাই।

বিজয়!

আর মাত্র এক কিলোমিটার বাকি! দৌড়াতে থাকো!

সীতা...

আমি আর পারছি না।

দয়া করে আমাকে একটু বিশ্রাম দাও!

এগিয়ে চলো! পা আরও উঁচুতে তোলো!

নিজের সীমা ছাড়িয়ে যাও! আরও জোরে!

বাবা!

বিজয়, শোনো...

আমাদের না থেমে আরও তিন রাউন্ড শেষ করতে হবে।

মানসিক শক্তিই হচ্ছে আসল।

আমি বলটা নিয়ে আসছি।

আমি এটা দেখে নিচ্ছি।

ঠিক আছে ভাই।

একশ বার ডান!

সীতা, আমি দুইশর টার্গেট নিয়েছি।

এটা একদম অন্য লেভেলের হচ্ছে।

আমি এই গতিটা ধরে রাখবো।

এক...

দশ...

পঞ্চাশ...

একশ!

তোর কি শেষ হয়েছে?

আমার শেষ সীতা।

দেখ, ওই দিকে আরেকজন আছে।

ওরা স্রেফ ধাপ্পাবাজি করছে।

ছয়শ বার ডান!

গুটা...

আমিই এটার অনুরোধ করেছিলাম।

আমার কাছে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

তুমি কি এই বছর শেষ পর্যন্ত আবেদনটা জমা দেবে?

হ্যাঁ, অবশ্যই।

আমি তিন বছর ধরে এটার জন্য অপেক্ষা করেছি, সীতা।

এবার আমি এটাকে হাতছাড়া হতে দেবো না।

ভাই...

এসব কী হচ্ছে?

তোর সমস্যাটা ঠিক কী?

ওই গাড়িটা গতিসীমার অনেক বাইরে ছিল।

ওর ভাগ্য ভালো যে মাথাটা ফেটে চৌচির হয়ে যায়নি।

আমি ইতিমধ্যে অন্য লোকটার সাথে কথা বলেছি।

আমি সরাসরি বসের সাথেই কথা বলেছি।

তুমি ভুল মানুষের সাথে পাল্লা দিচ্ছো।

লিখিত কিছু কি পেয়েছো?

দিব্যা, ফ্রিজটা ভর্তি করো আর ডলিটা নিয়ে নাও।

আমি দেখছি ভাই।

হ্যালো।

হাই।

আমি কায়াল, পেশায় সাংবাদিক।

আপনার সাথে আলাপ করে ভালো লাগলো।

কেমন আছো আন্টি?

'আন্টি'? সিরিয়াসলি?

আমি স্রেফ পরিস্থিতিটা পর্যবেক্ষণ করছি।

তোমার খবর কী?

তুমিই কি এই ঘরটা চালাচ্ছো?

আমাকে স্রেফ কায়াল বলে ডাকলেই হবে।

ঠিক আছে... কায়াল।

তুমি ওকে যেতে দিলে কেন?

দুঃখিত, কী বললে?

ওকে ওর মতো থাকতে দাও।

সবাই কিন্তু তোমার দিকে নজর রাখছে।

বললাম তো, ওকে একা ছেড়ে দাও!

আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

অপরাধী মনস্তত্ত্ব নিয়ে আমার পড়াশোনা আছে।

আমি আমার ক্যারিয়ারে অনেক অপরাধীর মুখোমুখি হয়েছি।

এটা হচ্ছে ভিসকোথ।

সঠিক প্রশ্ন করা সবসময় সহজ কাজ নয়।

তোমার মনে আসলে কী চলছে?

লুকোচুরি বন্ধ করো আর আমাকে সত্যিটা বলো।

বিজী একাডেমিতে তার স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ লড়াই করছে।

তোমার কাছে যদি সামান্যতম প্রমাণও থাকে, তবে দয়া করে...

এখানে সই করো।

আমি কোনো কিছুতেই সই করছি না, কায়াল।

তবে কথা দিচ্ছি—আমি তোমার পাশেই আছি।

একটু জলদি করো!

ওটা আমার ঘাম ঝরানো উপার্জনের টাকা।

না, আমি এখনো সেটা হাতে পাইনি।

এটা একদমই মেনে নেওয়া যায় না।

এটা নিশ্চিত; পরীক্ষা শেষ এবং তুমি একাডেমিতে যোগ দিচ্ছো।

কায়াল, তুমি এখানে কী করছো?

তুমি কি চিতার সাহায্যে এখানে এসেছো?

না, আমি এখানে তোমার সাহায্য করতে এসেছি।

স্রেফ এই কাগজগুলোতে সই করো।

একবার সই করলে, তুমি ইচ্ছে করেই ফিজিক্যাল টেস্টে ফেল করবে।

এরপর ও যা বলবে তুমি তা করতে একদম স্বাধীন।

হ্যাঁ! একদম তাই।

সে তোমাকে আতঙ্কে অবশ না করা পর্যন্ত থামবে না।

তুমি যদি এখন এই বাধাটা পার করতে পারো, তবে এই দুঃস্বপ্ন শেষ হবে।

না, আমি পারবো না...

এখন এই খেলার নিয়মগুলো বদলে দেওয়ার সময় এসেছে।

এসো, আসল খেলাটা এবার শুরু করা যাক।

শেষ দিন! আজই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ!

ওটা কে?

নিজের পরিচয় দাও!

তুমি হচ্ছো ভালোবাসার এক ক্ষণস্থায়ী ছায়া।

অবশেষে আমি আলোর দেখা পাচ্ছি।

সে এগিয়ে আসছে।

সে তার চাল চালতে একদম প্রস্তুত।

সেই আমাদের একমাত্র সূত্র।

শেষ ডাক! চূড়ান্ত দিন!

[তীব্র সংগীত] ও আসলে কে হতে পারে?

সে কে তাতে কি সত্যিই কিছু যায় আসে?

সামনে এসো, নিজের রূপ দেখাও!

ওকে কি যেতে দেবো নাকি খতম করবো?

[রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে] কে এই আগন্তুক?

ভাই!

পরিস্থিতি কী?

সব শেষ হওয়ার আগে শেষ একবার দেখে নেওয়া যাক।

ঠিক আছে, চলো শুরু করি!

এগিয়ে চলো!

আঘাত সামলানোর জন্য তৈরি হও!

দেশসেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

টার্গেট দুজনকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

সবাই ছড়িয়ে পড়ো!

আমি তোদের খুঁজে বের করবোই, আর তারপর যমের দুয়ারে পাঠাবো!

বিজী, তুই কোথায় লুকিয়ে আছিস?

বিজী, এখনই এই দরজা খোল!

খোল বলছি!

বিজী, আমাকে দরজা ভাঙতে বাধ্য করিস না!

পাকিস্তানে নৌবাহিনীর কিছু বিপথগামী অফিসারের হাতে ১৫০ জন মানুষ খুন হয়েছে।

লাশগুলো মাঝ সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়েছে যা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে এনআইএ (NIA) স্পেশাল টিমের অফিসার সারঙ্গম এখানে পৌঁছেছেন।

সবাই শোনো!

এই ধ্বংসাবশেষগুলো খুবই উন্নতমানের কোনো অস্ত্রশস্ত্রের অংশ।

এটা স্রেফ কোনো সাধারণ সামরিক হামলা ছিল না।

আমরা এক পূর্ণমাত্রার রিমোট-কন্ট্রোলড (RC) যুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে।

হে ঈশ্বর... রিমোট-কন্ট্রোলড যুদ্ধ?

একদম তাই।

আমরা কি এটা যাচাই করতে পারি?

অপেক্ষা করো।

এই পার্টসগুলো কোন কোম্পানি তৈরি করেছে তা খুঁজে বের করো।

করছি স্যার!

স্যার, এই পার্টসগুলোর উৎস একটি চীনা কোম্পানি।

নাম 'জিঞ্জার ইলেকট্রনিক্স'।

আরও গভীরে যাও। ওদের সম্পর্কে প্রতিটা তথ্য আমার চাই।

স্যার, এটা দেখুন।

ওরা 'বউট এন্টারপ্রাইজেস' নামক আফ্রিকার একটি ফ্রন্ট কোম্পানিকে প্রযুক্তি সরবরাহ করছে।

এই কোম্পানিটি স্রেফ একটি ছায়া; কোনো সরকারি রেকর্ডে এর অস্তিত্ব নেই।

তোমরা কি ডার্ক ওয়েব চেক করেছো?

স্যার, আমাদের কোনো ওয়াচলিস্টেই ওদের নাম নেই।

দাঁড়াও... এক সেকেন্ড।

ভিডিও ফিডটা একটু জুম (Enhance) করো তো।

ওই আইডিটা ট্র্যাক করো আর একটা এনক্রিপ্টেড ডিএম (DM) পাঠাও।

জন হেমলার—সেই মৃত্যুর সওদাগর যে আমার দেশটাকে পঙ্গু করে দিয়েছিল।

নিজের পরিচয় দাও!

এনআইএ (NIA) কেন বউট এন্টারপ্রাইজেসের পেছনে লেগেছে?

আমাদের নৌবহরে হামলার পেছনে কি তোমরাই ছিলে?

তোমরা আসলে কী লুকাতে চাইছো?

বিদেশি শক্তিগুলো যে রোবট-কুকুর বা ড্রোন ব্যবহার করছে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ঠিক যেমনটা রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধে দেখা গিয়েছিল।

এই বউট এন্টারপ্রাইজেসের আসল হোতা কে?

আপনি কি আমাদের কোনো নির্দিষ্ট লোকেশন বা ইন্টেল দিতে পারবেন?

ওর বিরুদ্ধে আমার কাছে অকাট্য প্রমাণ আছে।

ফাইলগুলো এখনই আপলোড করছি।

ডেটা ট্রান্সফার হচ্ছে।

সে এক উচ্চপর্যায়ের যুদ্ধাপরাধী।

হায় ভগবান!

ও আবার আফ্রিকায় গা ঢাকা দেওয়ার আগেই ওকে কব্জা করতে হবে।

কর্নেল, মার্জনা করবেন।

এই কেসের পুরো দায়িত্ব আমি নিজের কাঁধে নিচ্ছি।

স্যার!

আমরা আপনার নির্দেশের জন্য একদম তৈরি স্যার!

টিম, দ্রুত এখান থেকে সরে পড়ো!

যেকোনো মূল্যে প্রমাণ আর অস্ত্রশস্ত্রগুলো রক্ষা করতে হবে!

যাও! আমার সংকেত না পাওয়া পর্যন্ত আড়ালেই থাকবে!

ওই অফিসাররাই আমাদের সেই মরণফাঁদে নিয়ে গিয়েছিল...

...যাতে সামরিক বাহিনী আমাদের খতম করে দিতে পারে।

সে বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

[এক গভীর ও রহস্যময় নিস্তব্ধতা]

আপনার হিপনোথেরাপি সেশন এখন শুরু হতে যাচ্ছে।

মনে রাখবেন, আপনি নিজের ইচ্ছাতেই এখানে এসেছেন।

আপনি চাইলে যেকোনো মুহূর্তে এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে পারেন।

এবার আপনার চোখ দুটো বন্ধ করুন।

আপনি নিরাপদ হাতে আছেন। আমার ওপর ভরসা রাখুন।

স্রেফ নিজেকে শিথিল করুন।

অনুভব করুন যে আপনি ক্রমেই আরামদায়ক এক ঘোরে আচ্ছন্ন হচ্ছেন।

এখন, চোখ খুলুন...

...এবং খুব ধীরস্থিরভাবে মনিটরের দিকে নজর দিন।

দোকান থেকে কেনা সেই পুতুলটা কোথায়?

পুতুলটার ব্যবস্থা আমি নিজেই করবো।

তোমার কোনো ধারণা আছে আমার স্বামী কে? সে একজন পুলিশ অফিসার!

না! থামুন বলছি!

কাউকে জ্যান্ত রাখবে না। কোনো সাক্ষী যেন বেঁচে না থাকে।

নিশ্চিত করো যেন পুতুলটা ভেতরেই থাকে।

না! দয়া করে ছেড়ে দিন!

মা! আমাকে বাঁচাও!

মা!

ওদের যেন পালাতে না পারে, ধরো ওদের!

বিজয় আমাদেরই হবে!

বিজির অবচেতন মনের সেই চরম দুঃস্বপ্ন!

মন্দিরে যাওয়ার পথে আমি হিমালায়ার লিডারকে ভারতের বিরুদ্ধে চাল চালতে দেখেছি।

আমি খবরের কাগজে দেখা সেই একই বিস্ফোরক ডিভাইস চিনতে পেরেছি।

এই বোমটাই হচ্ছে বিজয়ের সেই অকেজো করে দেওয়া আতঙ্কের মূল উৎস।

'কাপ অ্যাটাকে' ব্যবহৃত ডিটোনেটরটির সূত্র সরাসরি মূল হোতার সাথে মিলেছে।

ওই নির্দিষ্ট হামলার পেছনে অসংখ্য শত্রু জড়িত রয়েছে।

এই খেলনাগুলো নিয়ে তোমার এত কৌতূহল কেন?

আমি এক হাই-প্রোফাইল ইনভেস্টিগেটিভ আর্টিকেলের কাজ করছি।

সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি "জে'স টয়েজ" নামে নিবন্ধিত।

ওরা গত ১৫ বছর ধরে এই পণ্যগুলো আমদানি করে আসছে।

পুরো পঞ্চাশ লক্ষ ইউনিট!

জে'স টয়েজ...

আফ্রিকায় নিবন্ধিত একটি ফ্রন্ট কোম্পানি।

গত দেড় দশকে তারা আমাদের দেশে ৫০ লক্ষ "খেলনা" পাচার করেছে।

কিন্তু ওগুলো খেলনা নয়... ওগুলো হচ্ছে ৫০ লক্ষ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র।

এই পুরো অপারেশনের পেছনে থাকা সেই অদৃশ্য মালিকটা কে?

নথিপত্র অনুযায়ী সব ইশারা মিস্টার কুমারভেল রাজা রামের দিকে।

কর্নাটক শাখাটি নিয়ন্ত্রণ করছে হেপি গৌড়া।

আর ইউপি-বিহার অঞ্চলটি দেখছে সাগর।

দাঁড়াও, এক মিনিট...

মালিকের নামটা আবার বলো তো।

কুমারভেল রাজা রাম।

তুমি কি কোভাই কুমারভেলের কথা বলছো?

হ্যাঁ, একদম ঠিক ধরেছেন।

আর সিন্দাই রাজা রাম?

হ্যাঁ, সেও এতে জড়িত।

তুমি এই নামগুলো জোগাড় করলে কীভাবে?

তোমার নেটওয়ার্ক তো দেখছি প্রতিটা রাজ্যে ছড়িয়ে আছে।

আমি দেশজুড়ে থাকা সিনিয়র ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টারদের পরামর্শ নিয়েছি।

তুমি প্রথম ওর হদিস পেলে কীভাবে?

তুমি খুব ভালো করেই জানো ও আসলে কে, তাই না?

সে ঠিকই বলেছে। তোমার তথ্য একদম নির্ভুল।

তোমার দেওয়া প্রতিটি তথ্যের সত্যতা প্রমাণিত।

আর এটাই পরিস্থিতিকে চরম বিপজ্জনক করে তুলেছে।

তুমি তাকে ১৫ বছর আগের একজন ছিঁচকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করেছো।

কিন্তু তোমার কি কোনো ধারণা আছে এই মানুষগুলো এখন কীসে পরিণত হয়েছে?

তুমি আসলে কী বলতে চাইছো? হচ্ছেটা কী এসব?

খেলনার দোকানের মালিকদের ওই তালিকায় থাকা প্রতিটা নাম...

...আজ থেকে ১৫ বছর আগে তারা ছিল সাধারণ নিম্নস্তরের গ্যাংস্টার।

কিন্তু ওটা ছিল স্রেফ শুরু মাত্র।

আজ তারা দেশের প্রভাবশালী সব রাজনীতিবিদ।

বিশাল ক্ষমতাবান ব্যবসায়ী।

এমন সব বাঘা বাঘা লোক যারা প্রশাসনের প্রতিটা স্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে।

এটা বিশ্বাস করাও কঠিন!

পুরো ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ড কীভাবে একটা সাধারণ উদ্দেশ্যের জন্য একতাবদ্ধ হলো?

তারা কীভাবে এমন এক বিশাল আর ধরাছোঁয়ার বাইরের নেটওয়ার্ক গড়ে তুললো?

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা কি সত্যিই এত জটিল কোনো জাল বুনতে সক্ষম?

আর এই ৫০ লক্ষ বন্দুক দিয়ে তাদের আসল পরিকল্পনাটাই বা কী?

বিজয় যে আতঙ্কে ভুগছে তার পেছনে এক বিশাল ষড়যন্ত্র কাজ করছে।

যদি আমরা আসল সত্যটা সবার সামনে আনতে পারি...

...তবেই বিজয়ের কাঁধ থেকে এই পাথর সমান বোঝাটা নামানো সম্ভব।

আমরাই পারি এই দেশটাকে এক চরম বিশৃঙ্খলার হাত থেকে রক্ষা করতে।

আমাদের অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীর (CM) কাছে এক আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

কার্তিক, আমার মন বলছে বড় কোনো বিপদ আসছে।

সীতার মিলিটারিপ্রীতি এখন ক্রমেই এক বিপজ্জনক উগ্রতায় রূপ নিচ্ছে।

বাবার সাথে কথা বলার কি কোনো সুযোগ পেয়েছিলে?

বিজয়, আমার বাবা তোমার চাচার মতো একদমই নন।

এটা আমার জীবন, আর নিজের সিদ্ধান্ত আমি নিজেই নেবো।

আগামীকাল আমি আমার পরিবারকে তোমাদের বাড়িতে নিয়ে আসবো।

আমি তোমাকে সত্যিই খুব ভালোবাসি।

মাফ করবেন স্যার।

আমি কি আপনাকে কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি?

তুমি আমাকে আবার কী সাহায্য করবে?

স্যার, ডিজিপি হেডকোয়ার্টার্সে যাওয়ার আগে আমাকে একবার হাসপাতালে যেতে হবে।

আমি তো তোমাকে আগেই বলেছি আমার সাথে আসতে।

কিন্তু স্যার, এটা জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়।

তবে এ বিষয়ে তুমি আমার ভাইয়ের সাথে কথা বলো।

আমি পরে চিত্তাপ্পার বাড়িতে তোমাদের সাথে দেখা করছি।

স্যার, আপনার প্রশাসনের জন্য এটা এক বিশাল সংকট।

এটার গুরুত্ব অনেক বেশি।

আপনার এখনই এটা পড়া উচিত।

অবশেষে তোমার ফাইলটা আমার টেবিলে পৌঁছাল।

ওই বিজ্ঞানী খলিলকে অবিলম্বে খুঁজে বের করো।

খুঁজে বের করো ওই মেয়েটা কে, আর ওকে ধরে নিয়ে এসো।

ওই মেয়েটা কি বিজয় নাকি চিত্তাপ্পার পরিবারের কেউ?

আমার কাছে খরচ করার মতো ৫০ কোটি টাকা আছে।

আমি স্রেফ কোনো উচ্চবংশীয় পরিবারে বিয়ে করতে চাই।

সে বলছে সে নাকি আমার প্রেমে পড়েছে।

ও তো স্রেফ একটা অল্পবয়সী মেয়ে।

ও এই ছেলেদের ইমোশন নিয়ে খেলে ওদের নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখছে।

তোমাকে সাহায্য করতে হবে যাতে ও নিজের শক্তি বুঝতে পারে।

আমার চেনা যেকোনো ছেলের চেয়ে ও অনেক বেশি শক্ত মনের।

সবকিছু হারিয়ে ফেললে তুমি তখন কী করবে?

স্যার, দয়া করে কিছুক্ষণের জন্য ওর ওপর নজর রাখুন।

এই যে!

তুমি বড্ড বেশি কথা বলছো।

তুমি হুট করে এত উত্তেজিত হয়ে পড়ছো কেন?

না, বিজয়কে আগে তার যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।

ও বিয়ের ব্যাপারে এখনো কোনো মনস্থির করেনি।

তুমি ঠিক তোমার বাবার মতো আচরণ শুরু করেছো।

তুমি এখন প্রাপ্তবয়স্ক।

এর বাইরে আর কোনো কথা নেই।

অবশেষে তুমি একটা মেয়ে পছন্দ করেছো।

তা, এখন তোমার পরিকল্পনা কী?

স্রেফ গিয়ে ওকে একবার জড়িয়ে ধরো।

আমার ছেলে ওর এবং অনাগত সন্তানের সব দায়িত্ব নেবে।

ওকে স্রেফ মনোযোগ দিয়ে ঘর-সংসার সামলাতে বলো।

আমি কী বলছি বুঝতে পারছো?

এগিয়ে এসো, উঠে দাঁড়াও।

জলদি ওঠো বলছি!

আপনি তো বেশ ধুরন্ধর একজন ভদ্রলোক।

মেয়েদের পটাতে আপনার কোনো তুলনাই হয় না।

স্রেফ এক কথায় আপনি চাইলে যত খুশি টাকা ওড়াতে পারতেন।

আপনি কি কথা অনুযায়ী সত্যিই বিয়েটা করছেন?

আপনার ছেলে সেই দুর্ঘটনায় খুব মর্মান্তিকভাবে মারা গিয়েছিল।

ব্যবসা লাটে উঠলো আর আপনি পথে এসে দাঁড়ালেন।

তবুও আপনি তো আমাদেরই পরিবারের অংশ।

আমার মেয়ে আর্মিতে জয়েন করলেই আপনি ওকে বিয়ে করতে পারবেন।

ছেলের মান রাখতে চাইলে এটুকু আপনাকে করতেই হবে।

আসুন, এবার ওর সাফল্যের ওপর ভর করে বাঁচি।

আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি... আমি বিয়ে করছি।

কার্তিক, দয়া করে এবার থামো।

নিজের জীবনের দোহাই দিয়ে আমি তোমার কাছে মিনতি করছি।

সৃষ্টিকর্তার দোহাই, আমরা তো মানুষ।

জানোয়ারের মতো এভাবে তো বেঁচে থাকা যায় না।

এই মুহূর্তে তোমাকে সবকিছু বুঝিয়ে বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

থামুন এবার! অনেক হয়েছে!

আমাদের ভালোবাসার জন্য বিয়ে করা উচিত।

তোমার ভবিষ্যৎই এখন সবার আগে।

ওর সাথে থাকলে তোমার কপালে দুঃখ ছাড়া আর কিছুই জুটবে না।

আগে ওর থেকে নিজের পিণ্ডি ছাড়াও বিজী।

চিন্তা করো না বিজী। ও তোমার জন্য একদমই সঠিক মানুষ নয়।

বাবার নাম ভাঙিয়ে শুধু বড় বড় কথাই বলে, কাজের কাজ কিছুই করে না।

তোমাকে প্রমাণ করতে হবে যে তুমি একজন সফল মানুষ।

শুরুটা তোমাকেই করতে হবে।

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও চিত্তাপ্পা!

দয়া করে এখান থেকে চলে যাও!

এই জীবনে আমার কাছে তোমার আসলে আর কী চাওয়ার আছে চিত্তাপ্পা?

সেনাবাহিনীতে যাওয়ার আমার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা নেই।

হয়তো একসময় খুব চেয়েছিলাম।

আসলেই খুব চেয়েছিলাম।

কিন্তু এখন আর এসব ভালো লাগে না।

আমি স্রেফ বিয়ে করে শান্তিতে জীবন কাটাতে চাই।

এই লড়াই করতে করতে আমি ক্লান্ত চিত্তাপ্পা।

এখনো মাঝে মাঝে মনে হয় তোমাকে সব সত্যিটা খুলে বলি।

কিন্তু আমার সেই সাহসটুকুও নেই।

আমি কোনোমতে নিজেকে সামলে রাখার চেষ্টা করছি।

বিজী...

বাবা যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তবে তিনি দ্বিধাহীনভাবে এই পথ থেকে সরে আসতেন।

এক অজানা আতঙ্ক আর এই অবশ করে দেওয়া ভয় আমাকে গ্রাস করছে।

আমি আর ওই একাডেমিতে ফিরে যাচ্ছি না।

আমি তোমাকে আমার সাথে নিয়ে যাবো।

বিজী!

আমার সাথে একদম কথা বলবে না!

আমার দিকে তাকাও না পর্যন্ত।

আমায় একা ছেড়ে দাও চিত্তাপ্পা!

বিজী, কথাটা তো শোনো...

ওকে যেতে দাও।

জোর করে ওকে দিয়ে এসব করানো ঠিক হবে না।

কিন্তু আমি ওকে এভাবে মাঝপথে ছেড়ে দেবো কীভাবে?

কীভাবে মেনে নেবো যে ও পিছিয়ে যাচ্ছে?

ওর কথাগুলো কি শুনতে পাওনি?

ওর ভয়, দুশ্চিন্তা... সেই পুরনো আতঙ্ক।

চাপ নিতে না পেরে ও ভেতর থেকে ভেঙে পড়ছে।

এই পৃথিবীতে ওর বাকি জীবনটা কীভাবে কাটবে, সেটা তো আমাকেই ভাবতে হবে।

আমি ওর পাশেই থাকবো।

নিজেকে রক্ষা করার লড়াইটা ওর একাকী লড়া উচিত নয়।

অবশেষে ও সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছে।

আমি চাই না এই বোঝাটা ওর হৃদয়ে আর এক মুহূর্তের জন্যও থাকুক।

কায়াল, আমি আমার সন্তানকে এই অবস্থায় ছেড়ে যেতে পারি না।

প্রয়োজনে আমি ওর পায়ে ধরবো।

আমি ওকে বোঝাবো, ও ভুল করছে।

ভোর না হওয়া পর্যন্ত আমি ওর সাথেই থাকবো।

ওর এই ভয় আসলে ওর বড় হওয়ার লক্ষ্যেরই একটা প্রতিফলন।

ওকে বাঘের মতো সাহসী হতে শেখাও।

আমার ওপর ভরসা রাখো, আমি ওকে সব বুঝিয়ে বলবো।

আমি ওকে পরিস্থিতির গুরুত্বটা বুঝিয়ে বলবো।

ভাই, আমি ভুল করে ফাইল আর ফোনটা ওখানেই ফেলে এসেছি।

এই! ওখানেই থামো!

বললাম না স্থির হয়ে দাঁড়াও!

এক পা-ও নড়বে না!

হাত উপরে তোলো, যেন আমি দেখতে পাই!

অস্ত্রটা ফেলে দাও!

উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ো!

ওঠো! এখনই!

জড় পদার্থের মতো ওভাবে দাঁড়িয়ে আছো কেন?

একটা মানুষকে দেখে তুমি এতটা ঘাবড়ে গেলে?

তোমার কাছে সুযোগ ছিল ওকে শেষ করে দেওয়ার!

কিন্তু আমি পারলাম না।

ওর চোখে আমি এক ধ্বংসলীলার কালো ছায়া দেখেছি।

তুমি কি শুনতে পাওনি?

আসন্ন প্রলয়ের সেই গর্জন কি তোমার কানে পৌঁছায়নি?

প্রতারিত সেই তিরিশ জন মানুষের আর্তনাদ কি শুনতে পাওনি?

মনে হচ্ছে এই গ্রামের খনিজ সম্পদ লুণ্ঠন করাই আমাদের নিয়তি।

কাউকে দয়া দেখাবে না!

সবাই এগিয়ে চলো!

ভাই, দাড়াও!

বললাম না, উঠে দাঁড়াও!

এই গ্রাম ছেড়ে না পালালে ওরা আমাদের সবাইকে মেরে ফেলবে।

এই গণহত্যা আমরা হতে দিতে পারি না।

বাধা দেওয়ার অর্থই হচ্ছে অবধারিত মৃত্যু।

ভাই! সাবধান!

ভাই, ফিরে এসো!

আমাকে এখানে একা ফেলে যেও না!

গ্রামবাসীর এই চরম দুর্দশার করুণ কাহিনী শুনেছিল তেরো বছরের সেই কিশোর কাট্টাচামি।

কাট্টাচামির বাবার কোনো ধারণাই ছিল না যে পুরো গ্রামটাকেই উপড়ে ফেলা হচ্ছে।

ওরা আমাদের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু তার মনোবল আগের মতোই অটুট ছিল।

তুমি কি এটা দেখছো?

বেশ। সজাগ থেকো।

আয়! দেখি তোর কত জোর!

ভীতুর ডিম! তুই ভাবছিস আমায় হারাতে পারবি?

পেছনে সরো!

সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে আলোর দেখা মিলবেই।

আপাতত নেতার আদেশই শিরোধার্য।

সে এমন কেউ নয় যে সহজে হার মানবে।

আমরা আমাদের অস্তিত্বের জন্য ওর কাছে ঋণী।

তুমি কি বুঝতে পারছো কত মানুষ আজ নিরাশ্রয় হয়ে যাবে?

যতক্ষণ ওর দেহে প্রাণ আছে...

...ততক্ষণ আমি ওই মেয়েটার গায়ে একটা আঁচড়ও লাগতে দেবো না।

ওদের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে দাও।

ওরা তোমার জন্য আসেনি।

ওরা এসেছে স্রেফ ওদের বোনের খোঁজে।

ওরা কি আমাদের তদন্তের কথা টের পেয়ে গেল?

ওরা আজ সকালেই কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।

সে এখন পুরোপুরি শত্রুপক্ষ দ্বারা পরিবেষ্টিত।

দাড়াও, কী বললে? ও তো স্রেফ ওর একজন বন্ধু।

এই যে ভাই।

বিজী, তোমার জীবন এখন চরম বিপন্ন।

তোমাকে রক্ষা করার সুযোগটা অন্তত আমায় দাও।

তোমাকে একটা কথাও বলতে হবে না।

আমরা কি এখন যেতে পারি?

দয়া করে আমাকে তোমার সাথে থাকতে দাও।

বিজী! শোনো!

বিজী, কার্তিক তোমার সাথে তক্ষুনি দেখা করতে চায়। জরুরি ব্যাপার।

কী হয়েছে?

আমি ঠিক জানি না, তবে মনে হচ্ছে সিরিয়াস কিছু।

চলো, আমাদের জলদি বেরোতে হবে!

ভাই, তুমি এখনো দ্বিধা করছো কেন?

বিজী ইতিমধ্যে চলে গেছে।

কী বলছো এসব?

হ্যাঁ, কার্তিক জোর করছিল ওর সাথে কথা বলার জন্য।

ও ওর বন্ধুকে নিয়ে রওনা হয়ে গেছে।

সে আমাকে ফোন করার চেষ্টা করছে।

ফোনটা এখনই বন্ধ করো।

সে যদি আবার আমাদের হদিস পায়, তবে সব শেষ।

আমি তোমাকে সুরেশের নাম্বারটা দিচ্ছি।

তক্ষুনি ওর জিপিএস লোকেশন ট্র্যাক করো।

সুরেশ, তুমি তো বললে কার্তিক আমায় ডেকেছে।

তাহলে ওকে এই জায়গায় নিয়ে এলে কেন?

এরা কারা?

সামনে এগিয়ে এসো!

এগিয়ে চলো, এখনই!

ওদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলো!

কাউকে যেন বেরিয়ে যেতে না দেখি!

পুরো এলাকাটা সুরক্ষিত করো!

আরও কাছে যাও!

লক্ষ্যবস্তুর ওপর নজর রাখো!

কেউ যেন পালাতে না পারে!

অস্ত্র সজাগ করো!

সাবধানতার সাথে এগোও!

টিম, সজাগ থাকো!

সবগুলো বেরোনোর পথ বন্ধ করো!

টার্গেট কব্জায় এসেছে। মুভ!

এই যে ভাই, এসে গেছি।

তুমি যেমনটা চেয়েছিলে, আমি ওই মেয়েটাকে নিয়ে এসেছি।

এখন আমাদের সব পাওনা মিটিয়ে দাও।

ওটা আমার হাতে দাও!

ধরে নাও হিসাব বরাবর হয়ে গেছে।

আমি কোনো বিজ্ঞানী নই!

ওর পরিচয় সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারণা নেই।

আমি ওই ফাইলগুলো সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর (CM) কাছে পৌঁছে দিয়েছি।

আর তবুও তুই এখনো বলছিস তুই কিছু জানিস না?

আমি জানিই না কীভাবে আমি এসবের মধ্যে জড়িয়ে গেলাম।

আমি এর চেয়ে বেশি আর কিছুই জানি না!

এটা তোর জন্য শেষ সতর্কবাণী।

খলিল কোথায় লুকিয়ে আছে তা আমি তোকে কখনোই বলবো না।

বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোকে মেরে মাঝরাস্তায় ফেলে দিয়ে আসবো।

আমি ওর ফোনটা চেক করে দেখেছি।

খলিলের ব্যাপারে কোনো তথ্যই সেখানে নেই।

পুরো ফোনটাই ফাঁকা... কিছুই নেই।

এমনকি কোনো ফোন নাম্বারও রেজিস্টার্ড নেই।

আমার তো মনে হয় এই মেয়েটার পরিবার বলতেও আর কেউ নেই।

ও শেষ পর্যন্ত কী বললো?

ও বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করছে।

মুনতাং!

ফাইলটা ওর হাতে দিয়ে দাও।

তারপর ওকে খতম করে দাও।

তুমি নিজেকে যতই পাষাণ দেখানোর চেষ্টা করো না কেন...

তোর ভেতরের সেই বাবাটাকে আমি ঠিকই দেখতে পাচ্ছি।

আর আমি ঠিক তোর চোখের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকবো।

বাবা!

বাবা! আমাকে বাঁচাও!

আমি খুব দুঃখিত আংকেল।

আপনার কথা না শুনে আমি বড় ভুল করেছি।

দয়া করে এমনটা করবেন না!

ওরা তোমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।

কিন্তু তুমি তো তোমার চিত্তার (Chitha) কাছে ফিরে এসেছো, তাই না?

আমি কথা দিচ্ছি, তোমার কিচ্ছু হবে না।

উঠে দাঁড়াও!

মনে আছে ছোটবেলায় তুমি আমাকে কী নামে ডাকতে?

কী যেন ছিল ওটা?

সুপারম্যান!

দেখেছো? এখন তো আর ভয় লাগছে না।

তুমি এখন সুপারম্যানের মতোই শক্তিশালী।

বেশ লাগছে না ব্যাপারটা?

না, তুমি এখন আমার সাথে লড়াইয়ে নামবে।

সে আমাকে বাবার মতো করেই ডাকছে।

যদি তুমি আমাকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করো...

তবে সেখানে ষাটজন সাক্ষী হাজির থাকবে।

আর সেই ষাটজনই আজ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।

কতগুলো বছর ধরে তুমি এই কথাগুলো জমিয়ে রেখেছিলে?

আমি সবসময় বলতাম জীবনে যেন দুটো জিনিস কখনো দেখতে না হয়।

তোর চোখের পানি,

আর তোর চোখের ভেতরে মরণের ছায়া।

দুর্ভাগ্যবশত, আমি আজ দুটোই দেখলাম।

আমার মনে হয় তোকে তোর ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো।

২০ বছর ধরে তুই ওই আদেশের মানে খুঁজে বেরিয়েছিস।

আজ তুই তোর সব প্রশ্নের উত্তর পাবি।

এখন সময় এসেছে জানার যে তুই আসলে কে।

আর আমিই বা আসলে কে।

তুই আজ এক নতুন জীবন শুরু করতে যাচ্ছিস—মরণের হাত ধরে।

মৃতদের কাছে মৃত্যু স্রেফ একটা অভ্যাস ছাড়া আর কিছুই নয়।

তুই এক মারাত্মক ভুল করে ফেলেছিস।

তুই এখন স্রেফ তার হুকুমের গোলাম।

এই ধ্বংসলীলার বাইরেও...

আমাদের সম্পর্কটা ছিল স্রেফ আনুগত্যের।

প্রতিটা মার যেন পাহাড় থেকে পাথর গড়িয়ে পড়ার মতো।

এই মরণখেলায় একজন অনুগত সৈনিক হিসেবে...

তোর সেই সুপ্ত প্রতিভা যখন জেগে উঠেছে...

তোর লড়াইয়ের ক্ষতগুলো যদি এই পৃথিবীর কাজে লাগে...

তবে তাই হোক, স্রেফ এই পৃথিবীর টিকে থাকার তাগিদে।

অতীত মুছে যাচ্ছে, আগামীকে জায়গা করে দিতে।

আমি ওকে মেরেই ফেলবো!

এই, কী বলছিস এসব?

ওকেও খতম কর!

ওকে মেরে ফেলবো?

আয়ানারের দেহে প্রাণ থাকতে ও বাঁচবে কীভাবে?

প্রতিটা আঘাত হবে বজ্রপাতের মতো।

ওকে দেখিয়ে দাও!

তোর শক্তি ওকে বুঝিয়ে দে!

সে দাবি করেছিল জেলে থাকাকালীনই ওকে মেরে ফেলেছে।

আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলাম।

কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি।

এখন এটাই ওকে খতম করার একমাত্র রাস্তা।

সমস্যার গভীরতা বুঝতে পারলে তুই পাগল হয়ে যাবি।

তুই এখন চরম বিপদে আছিস।

উপরমহলের নির্দেশের অপেক্ষায় থাকো।

আংকেল! বাঁচান!

আংকেল! কথা বলুন!

আংকেল!

আমার সাথে কথা বলুন!

আমার মেয়ের গায়ে হাত দিয়ে তুই তোর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটা করলি।

তুই ওর সবটুকু কেড়ে নিয়েছিস।

তুই আমাকে জেলের ভেতরে মারার চেষ্টা করেছিলি।

ভেবেছিলি আমি সব ভুলে গেছি?

সে-ই ওর সাজানো জীবনটা তছনছ করে দিয়েছে।

আর এখন আমি ওকে তছনছ করবো।

তুই কমিশনার অমরীশ পুজারীকে খুন করেছিস।

এবার তোর পালা, তৈরি থাক মরণের জন্য।

বিদায়, সেই "অমর" জন হিমলার।

সেই "অমর" জন হিমলার? তাই নাকি?

তোমাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস দেখানোর আছে আমার।

কী সেটা?

আমি আজ তোকে নিজের হাতে খতম করবো।

খুব ভালো করে দেখ। একটা ফ্রেমও যেন বাদ না যায়।

তুই কি জানিস আমার সিনেমার শেষটা কেমন হয়?

হ্যাঁ, আমি খুব ভালো করেই জানি এই সিনেমা কীভাবে শেষ হবে।

একী করছো তুমি, ভাই?

তুমি কিন্তু এক মারাত্মক ভুল করছো।

তাতে আমার কিছুই যায় আসে না।

আমার মেয়ের সামনে দাঁড়িয়ে যদি তুই ভয় পেয়ে থাকিস...

...তবে এবার দেখ আসল আতঙ্ক কাকে বলে।

"অমর" জন হিমলার, তোর সময় শেষ হয়ে এসেছে।

আমি স্রেফ কোনো সাধারণ পুলিশ কমিশনার নই।

আমি হচ্ছি এই শহরের ন্যায়বিচারের রক্ষক।

আমিই হচ্ছি আইন।

নিজেকে তুই কী ভাবিস?

এটাকেই তোর জন্য শেষ সতর্কতা বলে ধরে নে।

আদালতের কাঠগড়ায় ক্ষমা পাওয়ার আশা করিস না একদম।

পুরো এলাকা আমি ঘিরে ফেলেছি, তোকে খতম করা এখন স্রেফ সময়ের ব্যাপার।

পালানো বা লুকানোর সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে।

তোর এই পরাজয়ের গ্লানি তোকে আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে।

ফিরে যাওয়ার আর কোনো রাস্তা খোলা নেই।

আমি আসছি তোর জন্য!

শিকার এবার শুরু হলো।

এই জায়গাটা স্রেফ কোনো সাধারণ আস্তানা নয়।

এটা স্রেফ ইট-পাথরের কোনো দালান নয়।

এখানেই প্রাণ রক্ষা পায় আর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।

এগিয়ে চলো, দেরি করা যাবে না!

এই যে, তোমার পাওনা টাকাটা নিতে ভুলে গেছো!

ওসব থাক, এখন জলদি বাড়ি চলো।

চিন্তা করো না, আমি সব সামলে নেবো।

আঙ্কেল! ওর দিকে তাকান!

কী হয়েছে ওর? একী অবস্থা!

স্যার, ও বিষাক্ত কিছু খেয়ে ফেলেছে!

একী সর্বনাশা কাণ্ড ঘটে গেল!

আমি কিছু দেখতে পারছি না! সব অন্ধকার হয়ে আসছে!

বাবা! দয়া করে আমাদের ছেড়ে যাবেন না!

বাবা! কথা বলো আমার সাথে!

ডাক্তার! আমাদের সাহায্য দরকার!

কেউ জলদি ডাক্তার ডাকুন, এখনই!

ডাক্তার বাবু, দয়া করে ওকে বাঁচান!

যেকোনো ভাবে ওকে সুস্থ করে তুলুন!

মা... আমার খুব খারাপ লাগছে।

আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি মা... আমি তোমাকে বাঁচাতে পারলাম না।

৫২ নম্বর রোগী, অ্যাডমিশন পেপার তৈরি করো!

ওহ ঈশ্বর! একী বিপর্যয় ঘটে গেল!

আমি মরে যাচ্ছি... সবকিছু ঝাপসা হয়ে আসছে।

পালস কমে যাচ্ছে... ৫৯... ৬০...

ডাক্তার, ওর অবস্থা এখন কেমন?

রক্তচাপ খুব বেশি কমে গেছে!

৬২ নম্বর রোগী, ওকে এখনই ভর্তি করাও!

এই! এলাকা খালি করো আর ওদের এখান থেকে বের করে দাও!

ভেতরে এসো, তবেই আমি তোমার বাবার হদিস দেবো।

সত্যিটা না বলা পর্যন্ত আমি এই লাশ এক পা-ও সরাবো না।

আমি এখান থেকে নড়ছি না!

প্রমাণগুলো এখনই আমার হাতে দাও!

হস্তান্তর করো, নয়তো এর পরিণাম হবে ভয়াবহ!

সবাই কান খুলে শুনে রাখো! এটাই শেষ সতর্কবাণী!

যদি প্রাণের মায়া থাকে, তবে লাশ ছেড়ে এখনই বিদায় হও!

নয়তো আমরা বল প্রয়োগ করতে বাধ্য হবো!

আমাদের মৃতদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা খুব জরুরি।

সবাই দূরে সরে দাঁড়াও!

মরদেহটি কমিশনারের অফিসে সুরক্ষিত রাখো।

প্রমাণগুলো তক্ষুনি থানায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করো।

দ্রুত করো! জলদি!

আত্মসমর্পণ করো!

স্যার, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

স্যার, আমাদের আরও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা দরকার!

অস্ত্র ফেলে দিয়ে এখনই সারেন্ডার করো!

স্যার, ওরা ছেলেটাকে গুলি করে দিয়েছে!

গুলি চালাও! ওপেন ফায়ার!

এই ধ্বংসযজ্ঞ এখনই বন্ধ করুন!

মায়া সম্রাটের রাজত্ব আজ শেষ হলো।

অন্ধকার অবশেষে কেটে গেল।

আশা করি তোমার আত্মা এবার শান্তি পাবে।

তোমার মনে যেন নতুন আশার সঞ্চার হয়।

অন্যায়কারীরা অবশেষে তাদের পাপের শাস্তি পেতে চলেছে।

মৃত্যুর পরেও ভালোবাসার শক্তি অমর হয়ে থাকে।

ত্যাগের মাধ্যমেই পরম সত্যের সন্ধান মেলে।

কেন অতীতের সেই ছায়াগুলোকে আঁকড়ে ধরে আছো?

কেন আমাদের এই যন্ত্রণাদায়ক স্মৃতির মুখোমুখি করছো?

তোমার উত্তরাধিকার রক্ত আর ক্ষমতার মোহে লেখা হয়েছে।

এটাই তোমার শেষ গন্তব্য!

যতক্ষণ না আইন অন্ধকারের আড়ালে থাকাদের খুঁজে বের করবে...

...ততক্ষণ তারা কখনোই সত্যিকারের মুক্তি পাবে না।

এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে চলেছে।

ন্যায়বিচারের এই লড়াই কখনোই শেষ হবে না।

বাধা দিয়ে লাভ নেই; আমরা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করবো।

আমাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু, সেই মোস্ট ওয়ান্টেড চোর এখন পলায়নরত।

তাকে শেষবার নীলোধাপেত্তারির কাছাকাছি দেখা গিয়েছে।

আমাদের হাতে সময় আছে আর মাত্র ঠিক তিন দিন।

এনটিসি (NTC)-র ঘটনাটি প্রশাসনের জন্য এক বিরাট ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিনিয়োগকারীরা মিজিয়ানি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আগে আমাদের হাতে তিন দিন সময় আছে।

আর্থিক তছরুপের এটাই একমাত্র সূত্র যার দিকে আপনার পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

আমি এখানে আসছি সব হিসাব চুকিয়ে দিতে, একবারের জন্য।

আমারা-ই প্রথম ওই সত্যিটা ফাঁস করে দিয়েছিল।

বিশৃঙ্খলা সত্ত্বেও আমি আমার লক্ষ্য ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি।

শুরুতে আমি পাকিস্তানে ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে কাজ করতাম।

তোমার আনা ওই প্রমাণগুলো পুরো মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

আর তাদের মধ্যে আমিই একমাত্র জীবিত ফিরে আসতে পেরেছি।

এই! তুই কি পুরোপুরি পাগল হয়ে গেছিস?

আমাকে সামলাতে দিন স্যার।

ভেতরে গিয়ে দেখো আসলে কলকাঠিটা কে নাড়ছে।

রোজা রঙ্গস্বামী...

ওই নামটা স্রেফ ওই একটা ফাইলে সীমাবদ্ধ নেই।

এই আর্কাইভের প্রতিটা অপরাধের সাথে তার নাম জড়িয়ে আছে।

এটা স্রেফ কোনো স্থানীয় জালিয়াতি নয় স্যার।

চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলদারি,

জমি দখল আর বালু মাফিয়া।

প্রতিটা বড় ডাকাতি আর সরকারি কন্ট্রাক্টের পেছনে সে আছে।

সব অসামাজিক আর নোংরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে একজনই...

...সেই ধরাছোঁয়ার বাইরের অপরাজিত ডন, রোজা রঙ্গস্বামী।

আমি আসছি তোর জন্য।

এমন এক ক্ষমতাধর রাজনীতিবিদ্ যাকে খোদ মুখ্যমন্ত্রীও ভয় পান।

পুরো বাহিনীকে ওই লোকেশনে মোতায়েন করো!

হ্যালো?

রোজা রঙ্গস্বামী হচ্ছে অতীতের এক অভিশপ্ত ছায়া যা আমরা ভুলে থাকলেই ভালো।

কোন বিষয়ে?

ঠিক কোন বিষয়ে জানতে চাইছো?

কী সম্পর্কে?

ওহ, বুঝেছি।

প্রশ্নটা হচ্ছে তুই কি আজ বাঁচতে চাস নাকি মরতে?

আপনি কিন্তু ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশের সাথে কথা বলছেন!

তোর মতো অনেক অফিসারকেই হিরো সাজার চেষ্টা করতে দেখেছি।

এই শহরে রোজা রঙ্গস্বামী-ই হচ্ছে আইন।

আমার নিয়ম অনুযায়ী,

ওই রিপোর্ট ফাইল করার আগে তোর উচিত ছিল আমার পরামর্শ নেওয়া।

উচিত ছিল আমাকে প্রথম কুর্নিশ জানানো।

মাথা নিচু করে স্রেফ ওখান থেকে বিদায় হ।

আমি তোকে গুঁড়িয়ে দেবো।

তোর ওই ইউনিফর্ম আর সম্মান—সব আমি ধুলোয় মিশিয়ে দেবো।

ট্যাকটিক্যাল ইউনিট প্রস্তুত করো।

কেউ যেন বাইরে না বেরোয়, আর একদম কেউ যেন ভেতরে না ঢোকে।

তোর ওই ব্যাজটার ওপর ভরসা করা তোর বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

ওঠো বলছি, এখনই!

স্যার! দেখুন!

স্যার, আমি জানি না ওরা এত দ্রুত কীভাবে জড়ো হলো।

কম করে হলেও আট হাজার মানুষ আমাদের চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে।

দেখে তো মনে হচ্ছে দশ হাজারেরও বেশি।

পুরো এলাকা জুড়ে এখন এক লাখেরও বেশি মানুষের ভিড়!

ওরা আমাদের একদম কোণঠাসা করে ফেলেছে।

ওরা ঠিক আমাদের গেটের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে।

যেই মুহূর্তে তুমি ওই রেকর্ড রুমে পা রেখেছিলে...

...আমার লোকগুলো তখনই পজিশন নিয়ে নিয়েছিল।

এই! সাবধান!

এই যে!

দুর্বল আর ক্ষুদ্ররাই সবসময় প্রথমে হারিয়ে যায়।

[তীব্র নাটকীয় আবহ সংগীত]

ও এখন একটু বিরতি নিচ্ছে; তোর কাছে এখনো কিছুটা সময় আছে।

ওদের আসাটা সবকিছু পাল্টে দেবে।

এটা আগে থেকেই ঠিক করা ছিল।

মানুষ এই ট্র্যাজেডিগুলোর ওপর দাঁড়িয়েই বিত্তবৈভব গড়ে তুলেছে।

আমাদের এই "দুর্ঘটনা" নামক তামাশাগুলো চিরতরে বন্ধ করতে হবে।

ওদের গিয়ে বলো যে ওদের সময় শেষ।

তুই তোর কাজ কর, আর আমি আমারটা করছি।

লড়াইয়ের ময়দানে আমরা ভাই ভাই।

এদিকে আয়।

আমরা আর কোনো ভুলের সুযোগ দিতে পারি না।

এখন, দূর হ এখান থেকে!

আমি তোর শর্তে রাজি!

তোর কি আমার কাছে কোনো প্রশ্ন আছে?

চলো একটা বাজি ধরি আর দেখি কে জেতে।

আর এভাবেই, সে খেলায় জিতে গেল!

এই সমীকরণে আমি হবো সেই অনিশ্চিত চলক (Variable)।

আশার শেষ আলোটুকুও এবার নিভে যাবে।

নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকো।

টার্গেট লক করা হয়েছে।

এই ভ্রাতৃত্বের সাথে বেইমানি করার দুঃসাহস দেখাস না।

আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থে।

তোর ইউনিফর্মটা পর আর...

...আমার মতো অন্ধকারের বাইরে বেরিয়ে আয়।

আমাদের মালপত্র গুছিয়ে নিতে হবে, এখনই বেরোবো।

আজ রাতে সাতজন বিশেষজ্ঞ আসছেন।

তারা টেলিকমিউনিকেশন আর ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের মানুষ।

আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

ওদের রিলে স্টেশনে অপেক্ষা করতে বলো।

থামো! সে তোমাকে এক অজানা গন্তব্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

আমি মাত্রই থানুর মুখোমুখি হলাম, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

সামনে যা-ই আসুক, আমি তৈরি আছি।

সে কীভাবে পেরেছে...

...একদিনের মধ্যে এত মানুষ জোগাড় করতে?

সে সবাইকে একটা মোক্ষম কারণ বুঝিয়ে দিয়েছে।

এগিয়ে যাওয়ার অনুমতি মিললো, পরিবহন প্রকল্পগুলো শুরু করো।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, এই অপারেশনটা একদম গোপন রাখতে হবে।

অবশেষে শেষ গন্তব্য একদম হাতের নাগালে।

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমি আমার পরিবারের পাশে থাকবো।

আমার মেয়ে যে যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গেছে, সে তা কখনোই বোঝেনি।

[তীব্র ক্রোধে] আমি ওদের হাড় মাস আলাদা করে ছাড়বো!

অমাবস্যার এই আঁধারে সব গোপন রহস্য উন্মোচিত হবে।

এটাই একমাত্র ধ্রুব সত্য যা আমি আজীবন মেনে এসেছি।

সত্যের সন্ধান পেতে এই রহস্যের জট খোলা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

এই মুহূর্তে মেয়েটির জবানবন্দিই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা।

চিন্তা করবেন না, পরিস্থিতি আমি নিজেই সামলে নেবো।

স্যার, রোজাকে অপহরণ করা হয়েছে!

আমাদের অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে স্যার!

এটা এখন আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া কেস।

ইন্সপেক্টর এবং তার উপরের কর্মকর্তার ব্যাপারে আমাদের কাছে লিড আছে।

সে একাই সেই ৩০ জনকে খতম করেছে যারা মালয়ওয়াসিঙ্গার সীমা অতিক্রম করেছিল।

তাকে কি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?

তার দাবি অনুযায়ী, পুরো এলাকা জুড়ে হাজার হাজার মানুষকে টার্গেট করা হচ্ছে।

বিভাগের পক্ষ থেকে এটার প্রতিক্রিয়া কী ছিল?

আমরা বিকল্প একটি বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কী ধরনের ব্যবস্থা?

আমরা তাকে জেলা থেকে বদলি করে দিচ্ছি।

কোথায় পাঠানো হচ্ছে তাকে?

কেনি অ্যান্ড সন্স এস্টেটে।

মা... আমায় ক্ষমা করে দিও।

শিকার হওয়া ওই মানুষগুলোর আর্তনাদ এখনো আমার কানে বাজছে।

[ঘন ঘন নিঃশ্বাস]

তোর পালানোর প্রতিটা পরিকল্পনা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।

খেলা শেষ; এখন তোদের সত্যের কাছে মাথা নত করতেই হবে।

যতক্ষণ আমার দেহে প্রাণ আছে, আমি তোদের দোষ প্রমাণ করেই ছাড়বো।

ন্যায়বিচার হবেই, আর তোকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে।

তোর মান-সম্মান সব এখন ধুলোয় মিশে যাচ্ছে।

আমার সাথে পাঙ্গা নিতে গিয়ে তুই তোর হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিস।

তোর মুখ থেকে বের হওয়া প্রতিটা শব্দই শেষে তোর বিরুদ্ধে যাবে।

মানুষ এখনো এই ইউনিফর্মের পবিত্রতায় বিশ্বাস করে।

আমি এখানে নিষ্পাপ মানুষদের রক্ষাকর্তা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছি।

যারা এই বিষ ছড়িয়ে দিচ্ছে, তাদের জন্য কোনো ক্ষমা নেই।

আইনের চোখে সবাইকেই জবাবদিহি করতে হবে।

তদন্ত এখন সবচেয়ে জটিল পর্যায়ে প্রবেশ করছে।

আলোর এক ঝলক খুব শীঘ্রই তোদের সব অপকর্ম ফাঁস করে দেবে।

একটা ভুল চাল দিলেই আমি তোর সর্বস্ব কেড়ে নেবো।

তোর সেই পুরনো জেলখানা তোর ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছে।

স্যার, আমি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছি... ভেতরটা ছিঁড়ে যাচ্ছে।

আপনার চোখের সামনেই আমার জীবন প্রদীপ নিভে আসছে।

সবকিছু এক চরম বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিশোধের এই আগুন এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

এটা এখন স্রেফ কোনো ডিউটি নয়; এটা আমার ব্যক্তিগত লড়াই।

যে ওর গায়ে হাত তোলার দুঃসাহস দেখাবে, আমি তাকে পিষে ফেলবো।

কিছু খেয়ে নাও, শরীরটা ঠিক করা দরকার।

আমার মেয়ে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত এক দানা অন্নও মুখে তুলবো না।

আমাদের ওপর ভরসা রাখুন, আমরা ওকে ফিরিয়ে আনবোই। এবার খেয়ে নিন।

যাও, সরাসরি ওর সাথে কথা বলো।

তোমার গলা শুনলে হয়তো ওর মত বদলাতে পারে।

ওকে বলো এই অগ্নিপরীক্ষায় ওকে টিকে থাকতেই হবে।

এসো, এবার চাল দেওয়ার সময় হয়েছে।

আমি তোকে বোকা বানিয়ে সব প্রমাণ নিয়ে চম্পট দিয়েছি।

হার স্বীকার করার মতো নূন্যতম সম্মানটুকুও কি তোর নেই?

এক গ্লাস পানি পাশে তৈরি রাখো।

আর আমি সেটা কেন করতে যাবো শুনি?

কোনো প্রশ্ন না করে আমি যা বলছি তাই করো।

গ্লাসটা এখন আমার হাতে দাও।

ভাজাচান, তোমার পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

স্যার, আমি সরাসরি রাঘববোয়ালদের টার্গেট করছি।

ইতিমধ্যেই ওদের টপ কমান্ডকে আমি নিস্ক্রিয় করে দিয়েছি।

যদি ওই মেয়েটা এখনই এখানে হাজির না হয়...

তবে আমি এমন তাণ্ডব চালাবো যা তোর কল্পনারও বাইরে।

তুই তোর সাধ্যমতো চেষ্টা করেছিস, কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না।

যত দ্রুত পারো এখানে পৌঁছাও!

এগিয়ে চলো! মুভ আউট!

আমি তো সত্যি ভেবেছিলাম আতঙ্কে তুই পাথর হয়ে গেছিস।

কান খুলে শুনে রাখ, কাল তুই আমার ডেরায় আসবি।

আমি তোদের দুজনকে সেখানে একসাথে দেখতে চাই।

দুনিয়া যদি জানতে পারে তুই আমার সাথে আপোষ করছিস...

আর সবকিছু যদি আমার পরিকল্পনা মাফিক না এগোয়...

তবে ওই মেয়েটার নিথর দেহ ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবি না।

সাথে থাকবে তোর গর্ভধারিণী মায়ের নিস্প্রাণ লাশ।

আর ওরা চলে যাওয়ার পর...

তোর নিথর দেহটা দেখার অপেক্ষায় থাকবো আমি।

এটাকে তোর মরণের আমন্ত্রণপত্র হিসেবেই ধরে নিতে পারিস।

ওরা স্রেফ গোলকধাঁধায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

দ্রুত এগোও!

জলদি করো বলছি!

খাবারটা খেয়ে নাও।

চলো এবার বের হই।

গত ৫০ বছর ধরে আমার পরিবার এই রাজনীতির ময়দান শাসন করছে।

আমার দাদাজি থেকে শুরু করে আমার বাবা পর্যন্ত...

আর এখন আমি আর আমার ছেলে এই সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখবো।

এই তথাকথিত "আইন-শৃঙ্খলা"? ওসব স্রেফ লোক দেখানো নাটক।

পর্দার আড়ালের আসল সত্যিটা সবাই জানে।

এখন, আমার কথা খুব মনোযোগ দিয়ে শোন।

আমার নোংরা কাজগুলো করার জন্য আমি কাউকে না কাউকে ঠিকই খুঁজে নেবো।

আর কাজ শেষ হলে, সে আমার সাথেই ফিরবে।

সে আজীবন আমার ছেলের ঋণী হয়ে থাকবে, আর তোর মেয়ের জীবন থাকবে সুতোর ওপর।

তোর যদি নূন্যতম রাজনৈতিক জ্ঞান থাকতো, তবে তুই আমাদের দলেই থাকতিস।

কিন্তু না, তোকে তো টিভি ক্যামেরার সামনে হিরো সাজতে হবে।

সে এখন রাগে ফুঁসছে, আর আমি ওকে দোষ দিচ্ছি না।

ও এমন এক লড়াই খুঁজছে যেটাতে জেতা ওর পক্ষে অসম্ভব।

আর এই হতচ্ছাড়া শয়তানটা...

ও যদি একবার মরে, তবে চিরকালের জন্যই মরে ভূত হয়ে যাবে।

এত ভয়ানক আর সিরিয়াস একটা কাহিনী বলছিস...

...আর তোর মুখে হাসি ফুটছে?

তুই স্রেফ একটা আস্ত বোকা।

স্যার, আমাকে এখনই সত্যিটা বলুন। একদম এখনই।

আমার ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য সে-ই দায়ী।

নিজের জীবন দিয়ে আজ ওকে এটার মাসুল দিতে হবে।

[তীব্র চিৎকার] আয়! শেষ করে দে আমায়!

তুই যদি আজ শেষ হয়ে যাস, তবে তোর বসের সাম্রাজ্যও ধুলোয় মিশবে।

তোর মৃত্যুই হবে ওর ওই কলঙ্কিত উত্তরাধিকারের শেষ অধ্যায়।

অন্য কেউ যেন এই ঝামেলার মাঝে না আসে।

আমরা এখানে এসেছি স্রেফ চূড়ান্ত পরিণতি নিজের চোখে দেখতে।

এই! চিৎকার বন্ধ কর তোর!

তোর বোন আসলে একটা ভীতু ছাড়া আর কিছুই নয়।

আজ আমি তোকে নিজের হাতে খতম করবো!

সরাসরি মাথায় লক্ষ্য করো!

জলদি কর! আমাদের হাতে সারাদিন সময় নেই!

তোর এই দুঃসাহসের পরিণাম কী হবে সেটা কি বুঝতে পারছিস?

সংবিধান আর আইনকে যদি তুই এভাবে পদদলিত করিস...

...তবে তোর পুরো নেটওয়ার্ক আমি তছনছ করে দেবো।

আমি যদি এটা শুরু করি, তবে ফেরার আর কোনো রাস্তা থাকবে না।

লিঙ্গু-ও আজ তোকে এই মহাসংকট থেকে বাঁচাতে পারবে না।

সত্যা, শুনতে পাচ্ছিস তো?

যে মানুষগুলো বেইমানি আর খুনের নেশায় মেতেছিল...

...আজ তাদের চূড়ান্ত হিসাব চুকানোর দিন।

পুরো জেলা আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।

তোর মরণঘণ্টা আজ বেজে উঠেছে।

সাধারণ মানুষের শক্তিই আমাকে সবসময় পথ দেখাবে।

এটাই হচ্ছে একমাত্র পরম সত্য।

[চরম বিশৃঙ্খলা আর আর্তনাদ]

সে যদি এক পা-ও সামনে এগোয়, তবে আর জ্যান্ত ফিরবে না।

এখানে পা রাখার সাথে সাথেই ওর কপাল সিলগালা হয়ে গেছে।

আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তুই তোর নিজের মরণ পরোয়ানায় সই করেছিস।

খুব শীঘ্রই সব ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

নিজের পরিণতির জন্য তৈরি হ।

সবার আশা আর আশীর্বাদ সাথে নিয়েই আমি এই লড়াইয়ে নেমেছি।

মাঝখানে যে-ই আসার দুঃসাহস দেখাবে, তাকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

প্রমাণগুলো সবার সামনে ফাঁস করে দাও!

[ওদের আসল সত্যিটা দেখিয়ে দাও]

তোর পাপের ভার এখন তোকেই বইতে হবে।

একসময়ের নিরাপদ আশ্রয় আজ এক গোলকধাঁধায় পরিণত হয়েছে।

নিজের কালো ছায়ার দিকে তাকিয়ে দেখ একবার।

যেমন কর্ম করেছিস, তার ফল তোকে ভোগ করতেই হবে।

আমার নাম রিজিনেস, আর এটাই হচ্ছে আসল ন্যায়বিচার।

রামন! রামন!

ডিসি সাহেবের মানসিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়, করুণা।

আমাদের ওই দরজা ভাঙতে হবে আর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে!

এত বড় জনসমক্ষে অপমানের পর...

তোর বেঁচে থাকার সার্থকতাটা ঠিক কোথায়?

মরে যা! আজই সবকিছুর শেষ দেখে নে!

ওখানে কে?

আমার জীবন বিচার করার তুই কে শুনি?

আমার চোখের দিকে তাকা!

আমি এখন কেন হার মানবো?

আমার কাছে তুই স্রেফ একটা মরা লাশ ছাড়া আর কিছুই না!

তুই কি আমায় অপরাধী বলছিস?

এটাই তোর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল!

তোর এক মারাত্মক ভুল চাল!

তুই আসলে এগুলোর বিন্দুমাত্রও বুঝিস না!

এখানে আয়! এখনই!

খুব ভালো করে দেখ এটা!

পঞ্চাশ বছর আগে ও ছিল স্রেফ নিচু স্তরের এক গ্যাংস্টার।

আজ সে আরামসে সিটি কাউন্সিলার হয়ে বসে আছে।

পনেরো বছর আগে সে ছিল সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী।

আজ সে একজন চেয়ারম্যানের চেয়ার দখল করে আছে।

আর এখন, সে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে একজন এমএলএ (MLA) হিসেবে।

পুরো জেলার মানুষকে সে নিজের আঙুলের ইশারায় নাচায়।

সে আসলে ক্ষমতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা একজন দাগী অপরাধী।

এমন এক অপরাধী যে কিনা দাবি করে সে আমাদের জাতির ভাগ্য বদলে দিচ্ছে।

কিন্তু এই মানুষগুলোর দিকে একবার তাকিয়ে দেখো... ভালো করে দেখো!

ওরা বারবার সেই অপরাধীদেরই ভোট দেয় যাদের ধরতে গিয়ে আমরা জীবন বাজি রাখি।

আর এখন, তারা চায় আমরা যেন ওই শয়তানদের স্যালুট করি যাদের আমরা একদিন জেলখানায় পুরেছিলাম।

ওদের স্যালুট করবো? কক্ষনো না!

এটা স্রেফ এখানে ঘটছে না; এটা ক্যান্সারের মতো পুরো ভারতে ছড়িয়ে পড়ছে।

এটা আমার ঘর, আমার রাজ্য।

এমন চরম অপমানের মধ্যে আমি কিছুতেই বেঁচে থাকতে পারবো না।

আমার অস্ত্রটা দাও আমায়।

তোর বন্দুকটা এখনই দে আমাকে!

অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আয় এবার!

সামনে আয়! নিজের চেহারাটা দেখা!

এই! তুই নিজেকে কী ভাবিস বল তো?

তুই আমার ভাইয়ের মতো, কিন্তু এসব এবার থামানো দরকার।

তোকে আর কোনো অপরাধীর মতো ট্রিট করা হবে না।

এই শকুনদের হাত থেকে তোকেই তামিলনাড়ুকে উদ্ধার করতে হবে।

কিন্তু কাজটা আমি ঠিক কীভাবে করবো?

তুই কি সত্যিই এই দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ বাহিনীতে থাকতে চাস?

সরাসরি প্রশাসনের একদম কেন্দ্রে হানা দে।

ক্ষমতা নিজের হাতে ফিরিয়ে নে।

স্রেফ আমাকে এসবের বাইরে রাখ।

তুই যদি রোজার মতো শক্ত অবস্থান না নিস...

...তবে মানুষের সেবাটা করবে কে?

কলেজ ছাড়ার পর এই যুবসমাজের ভবিষ্যৎটা ঠিক কী হবে?

শিক্ষার বিনিময়ে ওরা কীভাবে নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করবে?

লড়াই করার জন্য হাজারটা কারণ সামনে পড়ে আছে।

আমরা এখানে আসলে কী করছি?

হিংসা আর পরনিন্দার মাঝেই কি জীবনটা কাটিয়ে দেবো?

আমি এই ময়দানে নামার জন্য একদম তৈরি।

মানুষের জন্য আমি নিজেকে বিলিয়ে দিতেও দ্বিধা করবো না।

ইতিহাস কি আমায় মনে রাখবে?

এই পুরো পরিস্থিতিটাই আসলে আগাগোড়া ভুল।

এটা হচ্ছে সাধারণ জনগণের সম্মিলিত পাপ।

তুই তো এইমাত্র নিজেই সেটা বললি।

নিজেদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই মানুষ আজ এই দেশটাকে নরক বানিয়েছে।

তাহলে আমায় বল... এখানে আসল অপরাধীটা কে?

এর জন্য এই মানুষগুলোই দায়ী।

না, এটা কিছুতেই ঠিক হতে পারে না।

তুমি কিন্তু বড় ভুল করছো।

তোর বিচারের ধরণ একদমই ঠিক নয়।

তুই কি আমার কথা মানবি না?

আমি এটা কিছুতেই করতে পারবো না।

তবে নিজের ভাগ্য বরণ করে নেওয়ার জন্য তৈরি হ।

এবার তোর মরণের সময় হয়েছে!

স্যার, রোজা আবার ফিরে এসেছে।

আবার ওই ইউনিফর্মটা গায়ে জড়ানোর সময় হয়ে গেছে।

এই দুনিয়ায় এখন আর ন্যায়বিচার বলতে কিচ্ছু অবশিষ্ট নেই।

আমি ইউনিফর্ম পরবো ঠিকই, কিন্তু সেটা হবে স্রেফ আমার শর্তে।

কারো হাতের পুতুল হয়ে থাকার দিন আমার শেষ।

ভয় পেয়ো না।

তোর এই প্রতিশোধের নেশা তোকে ধ্বংস করে দিক, সেটা আমি হতে দেবো না।

আমার হাতটা ধর।

তোর সিদ্ধান্তগুলো আমাকে সত্যিই খুব হতাশ করেছে।

এখানে ন্যায়বিচারের কোনো জায়গা নেই।

আমার সাথে এই নতুন অভিযানে যোগ দে।

ওদের ওই মিথ্যে ন্যায়বিচারে তুই সন্তুষ্ট কেন?

তুই নিজেই নিজের আইন তৈরি করবি।

পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ভাগ্য নিয়েই তুই জন্মেছিস।

আর আসন্ন নির্বাচনে তুই হবি তার ডেপুটি সিএম (CM)।

মনের সব ভয় ঝেড়ে ফেল।

এই ক্ষমতা দখল করার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ঠিক তাই করবো।

ওরা তাকে সেখানেই খুঁজছে যেখানকার নেতৃত্ব সে দিতে চায়।

এখনো মানুষ তাকে দেবতার মতো ভক্তি করে।

কিন্তু তাকে এমনভাবে সরিয়ে দিতে হবে যেন কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট না থাকে।

এটা কি তোর পরিকল্পনার অংশ ছিল না?

এই, ওখানে কী হচ্ছে?

আমাকে তক্ষুনি ডিপার্টমেন্টের প্রধানের সাথে কথা বলতে হবে।

এটা জীবন-মরণের প্রশ্ন!

ওকে এখান থেকে নিয়ে যাও; সামনেই নির্বাচন, জিততে হবে ওকে

পার্লামেন্ট বসলেই তোকে চরম পরাজয়ের স্বাদ নিতে হবে।

আপনার দিকনির্দেশনা ছাড়া আমি কিছুতেই এতদূর আসতে পারতাম না, গুরুজি।

আমি ভেবেছিলাম সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আজ বিকেল পর্যন্ত সময় পাবো।

হুমকিটা নিস্ক্রিয় করার জন্য যা করা দরকার, তক্ষুনি তাই করো।

তবেই তুমি আধুনিক উন্নয়নের পথে নেতৃত্ব দিতে পারবে।

হে ঈশ্বর, এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

এই মুহূর্তটার জন্য আমি আমার সবকিছু বিসর্জন দিয়েছি।

নিজে পাগল না হয়েই আমি আমাদের ভাগ্য রক্ষা করছি।

ইলিয়াস, পবিত্র সবকিছুর দোহাই দিয়ে বলছি...

আমাদের মুখ একদম বন্ধ রাখতে হবে।

সামান্যতম ভুল হয়ে গেলেও...

...তুমি কি জানো কতগুলো লাশ পড়বে?

মরণ যদি আসতেই হয়, তবে আসুক।

এই গোপন রহস্য যেন কখনোই ফাঁস না হয়।

সবকিছু একদম স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা করুন স্যার।

সাবধান! দেখে!

হে ঈশ্বর! আমাদের রক্ষা করো!

আমাদের এই দুর্দশা দেখে তোর হাসি পাচ্ছে?

অবশেষে কি আমি পৌঁছাতে পারলাম?

স্রেফ কয়েকটা মুহূর্ত মাত্র।

তুই অন্য কোথাও না গিয়ে ঠিক এখানেই কেন এলি?

ওই নিষ্ঠুর প্রভুর হাত থেকে বাঁচতে সে এখন জীবনের ভিক্ষা চাচ্ছে।

দেবী ঠিক সময়ে মেঘানকে উদ্ধার করেছিল।

রেস্টুরেন্টের বিলটা এগারো শ টাকা এসেছিল।

স্রেফ চোটের কারণেই সে এখানে আসতে বাধ্য হয়েছে।

নিষ্পাপদের রক্ষায় ঈশ্বর জাইথাকে পাঠিয়েছেন।

অপরাধী চক্রটি অন্ধকার থেকে সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে শুরু করেছে।

এই বিচার প্রক্রিয়ায় ২৩৪টি ভিন্ন ভিন্ন ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে।

এটা তো ধ্বংসের স্রেফ শুরু মাত্র।

দাঁড়াও, এক সেকেন্ড।

আমি এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নই।

তবে তোর ভেতরের আগুনকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার কর!

তামিলনাড়ু খুব শীঘ্রই এই অন্ধকারের গ্রাসে বিলীন হয়ে যাবে।

যারা জাত আর ধর্মের নামে ভোট দেয়, তারাই আমাদের প্রধান শিকার।

আমরাই জন্মেছি ওদের ওপর রাজত্ব করার জন্য।

পুরো ক্ষমতা এখন থেকে স্রেফ আমাদের হাতে থাকবে।

পুরো তামিলনাড়ুর ওপর আমি একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করবো।

এই যে, ওখানেই থামো!

তুমি কি আমার সাথে মশকরা করছো?

তুমি কি সত্যিই মনে করো পুরো সিস্টেম এভাবে চলে?

হে মানুষ, তোমার কাণ্ডজ্ঞান বলতে কি কিচ্ছু নেই?

তুমি কি সত্যিই এই লাইনে চিন্তা করছো?

একবার ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখো।

তুমি যখন কোনো চাকরিতে জয়েন করতে চাও...

...ওরা তোমাকে কত শত প্রশ্ন করে জর্জরিত করে তোলে!

তোমার কোনো লক্ষ্য আছে কি না? তোমার যোগ্যতা আছে কি না?

তোমার অভিজ্ঞতা কেমন? তোমার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন?

কিন্তু যখন ভোট দেওয়ার প্রসঙ্গ আসে, তখন কোনো শর্তই খাটে না।

মানুষ স্রেফ নিজের ধর্মের ওপর ভিত্তি করে ভোট দেয়।

মানুষ তার জাত দেখে ভোট বাক্স ভরায়।

এটা স্রেফ এক অন্ধ পদ্ধতি ছাড়া আর কিছুই নয়।

এখানে আমি অজ্ঞান নই।

বরং এই সাধারণ জনগণকে ইচ্ছে করেই অন্ধকারে রাখা হয়েছে।

যে মানুষকে বোকা ভাবে, সে নিজেই আসলে সবচেয়ে বড় বোকা।

শেষ পর্যন্ত তুই ওদের গোলাম হয়েই থাকবি।

তোর ওই রণকৌশল এখন কোথায়?

একটা ভোট পাওয়ার জন্য তুই কতটা শ্রম দিচ্ছিস, সার্থকতা স্রেফ ওখানেই।

তুই ওদের শিক্ষা, বাসস্থান আর সম্মানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলি।

তবুও আমরা ভুল মানুষের পক্ষেই সায় দিই।

আমাদের এই মরণচক্র থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে।

মানুষ পরিবর্তনের দাবি জানাতেই আজ ভুলে গেছে।

এখন সময় এসেছে নিজের মগজ খাটানোর।

মানুষের ভালো করতে চাইলেও আমাদের এই নোংরা খেলায় নামতে হয়।

আমার বিবেক বলছে এই বিপ্লব এখন সময়ের দাবি।

প্রকৃত পরিবর্তন সবসময় ধীরগতিতেই আসে।

স্রেফ একটা অপমানই মানুষের চিন্তাধারা চিরতরে বদলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

বিপ্লব না থাকলে শুধু প্রতিশোধের নেশাটুকু বাকি থাকে।

এটা প্রাকৃতিকভাবেই আসা উচিত, জোর করে নয়।

তুই আসলে এই পরিস্থিতির কিছুই বুঝছিস না।

স্যার, দয়া করে ওই দিকে চলুন।

তাড়াতাড়ি করো!

তুই স্রেফ মানুষের ওপর রাজত্ব করার জন্য এই পড়াশোনা করিসনি।

আমি একেবারে শূন্য থেকে, সমাজের নিচু স্তর থেকে লড়াই করে উঠে এসেছি।

ওকে এখন সন্ত্রাসবাদী হিসেবে তকমা দেওয়া হচ্ছে।

ও নাকি সমাজের জন্য চরম হুমকি!

আসল সন্ত্রাসবাদী তো তোমরা!

তোর তো উচিত ছিল সাধারণ মানুষের সাথে থাকা।

তোর ছেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু নাশকতামূলক হামলার অভিযোগ আছে।

এমনকি ও সেই ডিসি (DC)-কেও খুন করেছে যে ওকে ট্র্যাক করছিল।

এটা কি সত্যি যে তুই নিজের ঘরেই বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিস?

হ্যাঁ... কথাটি ধ্রুব সত্য।

আমি যদি অন্য কোনো দিকে মনোযোগ দিতাম—

তবে হয়তো এই মুভির শেষটা অন্যরকম হতো।

আমি সেই পুরনো স্বপ্ন দেখা অনেক আগেই ছেড়ে দিয়েছি।

যদি সামান্যতম কোনো আশার আলো বাকি থাকে—

তবে আমি তা কাজে লাগানোর জন্য একদম তৈরি।

এক অত্যন্ত বিশ্বস্ত সূত্রের খবর অনুযায়ী, আমি আমার ক্লাসে টপ পজিশনে ছিলাম।

তুই আমাকে এক মরণফাঁদে সই করতে বাধ্য করেছিস।

ওকে রক্ষা করার জন্য আমি যেকোনো কিছুতে সই করতে রাজি ছিলাম।

বস, শত্রুসংখ্যা আমাদের তুলনায় দ্বিগুণ।

চিত্তাপ্পা, তুমি এখন আমাকে এই প্রশ্ন কেন করছো?

বিজীমা, তোমার সেই কথাটা আমার এখনো মনে পড়ে, যে তুমি আমার মায়ের মতো।

কিন্তু বিপদ দেখে তুমিও হয়তো আমাকে মাঝপথে ছেড়ে যাবে।

তুমি যা বলবে, আমি ঠিক তাই করবো।

সে তার পরিকল্পনা শুরু করলো এবং পরবর্তী ধাপে এগিয়ে গেল।

প্রধান লক্ষ্য ছিল তামিলনাড়ুতে ওই চালানটি আটক করা।

প্রশাসন কেন এত পরিমাণ যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ করলো?

এই পুরো কারবারের পেছনের সেই মূল হোতা আসলে কে?

আমি ভাবতেই আতঙ্কিত হচ্ছি যে এগুলো ব্যবহৃত হলে কী ভয়ানক অবস্থা হবে!

আমাদের তক্ষুনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

তোর কাছে কী কী তথ্যপ্রমাণ আছে তা আমাকে এখনই দেখা।

সে এক মারাত্মক উগ্র আর বিপজ্জনক আদর্শে বিশ্বাসী।

আমাদের তার পুরো নেটওয়ার্ক ধ্বংস করে দিতে হবে।

ওর গা ঢাকা দেওয়ার জন্য একটা নিরাপদ আস্তানা দরকার।

সে তার জন্য একদম সঠিক জায়গাটা খুঁজে নেবে।

সে এখন মিলিটারি ট্রেনিং ক্যাম্পাসের দিকেই এগোচ্ছে।

কিন্তু আমরা ওই সুরক্ষিত এলাকায় ঢুকবো কীভাবে?

যেকোনো মূল্যে আমাদের বিজীকে ওই ট্রেনিং প্রোগ্রামে ঢোকাতে হবে।

শুভ সকাল, মেজর।

আমরা ইতিমধ্যে আপনার মেয়ের আবেদনপত্রটি বাতিল করে দিয়েছি।

আমি যতটুকু জানি, সঠিক প্রশিক্ষণ পেলে সে অনায়াসেই এই পরীক্ষায় পাস করবে।

মেজর, দয়া করে ওকে শেষ একবার সুযোগ দিন।

একবার এই লড়াইয়ে নামা প্রার্থীদের দিকে তাকিয়ে দেখুন।

আগামী দুই দিন তাদের শারীরিক ও মানসিক সহ্যশক্তির চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে।

মেয়েরা আসলে এতটাই দুর্বল যে চোট না পেয়ে এই ধকল সহ্য করার ক্ষমতা ওদের নেই।

আমি কি ভুল কিছু বলছি স্যার, নাকি এটাই সত্যি?

আপনার সেনাবাহিনীতে কি আদৌ কোনো নারী সদস্য আছে?

আমার কথা বিশ্বাস করুন, মেয়েরাই হচ্ছে এই বাহিনীর সবচেয়ে দুর্বল অংশ।

আপনি কি চান আমি এটার প্রমাণ দিই?

পজিশন নাও! এখনই!

দৌড়াও! পা চালাও দ্রুত!

আরও জোরে! বললাম না আরও জোরে!

গতি বজায় রাখো! একদম ধীর হওয়া চলবে না!

এক মিনিটের মধ্যে ওরা তিনটে ল্যাপ-ও পূর্ণ করতে পারছে না।

আপনার কি আরও ব্যর্থতা দেখার শখ আছে?

তবে দেখুন আমি আসলে কী বোঝাতে চাইছি।

সবাই উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ো! দ্রুত!

দুই সেট পুশ-আপ দিতে হবে।

শুরু করো!

এক!

দুই!

তিন!

অধিকাংশই ১০ বারও এটা করতে পারবে না।

তাই নয় কি, শিব রাঘব?

ওদের শক্তির অভাব নিয়ে আমি কি একটুও মিথ্যে বলেছি?

এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না?

তুমি! রিংয়ের ভেতরে ঢোকো এখনই!

সুরজ!

জী স্যার! হাজির!

ও আমার একাডেমির সেরা ছাত্র।

সবার সামনে ও একটা চূড়ান্ত ডেমোনেস্ট্রেশন দেবে।

সুরজ, শেষ করে দাও এটাকে।

এক আঘাতেই ওকে রিংয়ের বাইরে পাঠিয়ে দাও।

ওর তো নূন্যতম কোনো প্রশিক্ষণও নেই।

একজন প্রফেশনালের সাথে ও লড়াই করবে কীভাবে?

আপনি কি সত্যিই চান ও লড়াই করুক?

এই পর্যায়ের যুদ্ধের জন্য ও একদমই প্রস্তুত নয়।

ওর তো সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার মতো শক্তিও নেই।

সুরজ! শুরু করো!

যদি মার খাওয়ার জন্য তৈরি থাকো, তবে এক পা সামনে বাড়াও।

নিজের মেয়েকে বাড়ি নিয়ে যান আর ওকে দরকারী কিছু শেখান।

এই আর্মি ট্রেনিং ওর জন্য একদমই নয়।

স্যার, ঝটপট এটার শেষ দেখে নিই চলুন।

একাডেমির "সেরা ছাত্র" তো দেখি ধোপে টিকলো না।

অবিশ্বাস্য!

একজন নতুনের কাছে সে তো নস্যি।

ভুল শুধরানোর জন্য ওকে আর একটা সুযোগ দিন।

আপনি যদি আমার মেয়েকে শিক্ষা দিতে চেয়ে থাকেন...

...তবে উল্টো আমিই মনে হয় আপনাকে একটা শিক্ষা দিয়ে দিলাম।

একী করছো তুমি, ভাই?

এটা কিন্তু একদমই অনভিপ্রেত ছিল।

তুমি হয়তো একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হতে পারো...

...কিন্তু তোমার কর্মপদ্ধতি আগাগোড়া ত্রুটিপূর্ণ।

তোমার মানসিকতা বড্ড বেশি সংকীর্ণ।

বাকিটা আমি নিজেই দেখে নেবো।

এসো বিজয়।

স্যার, সে আমাদের বাচ্চাদের চকলেট দিচ্ছিল।

আর অশালীনভাবে তাদের স্পর্শ করছিল।

নির্লজ্জ জানোয়ার কোথাকার!

ওকে তক্ষুনি থানায় নিয়ে যাও।

কায়াল, বাচ্চাটা ঠিক আছে কি না দেখো।

সে কি এভাবেই প্রতিদিন চকলেট বিলি করে?

বাবা-মায়ের জন্য নিজের সন্তানকে এটা বলা কি খুব কঠিন...

...যে কারো অশালীন স্পর্শ সহ্য করা একদমই অনুচিত?

বাচ্চাটা এখন কোথায়?

স্যার, ও এখানেই আছে, ওর জন্য অপেক্ষা করছে।

নমস্কার সবাইকে।

আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের প্রিন্সিপাল স্যারকে স্বাগত জানাচ্ছি...

...স্বাগত জানাচ্ছি উপস্থিত অভিভাবকবৃন্দ এবং শিক্ষকদের...

...আমাদের ৭৫তম বার্ষিক অনুষ্ঠানে।

কী হয়েছে স্যার? কোনো সমস্যা?

কায়াল, সজাগ থেকো।

আপনাদের মূল্যবান সময়ের মাত্র এক মিনিট চেয়ে নিচ্ছি।

আমার প্রিয় সোনামণিরা...

...এবং বন্ধুরা আমার...

আমি আজ তোমাদের খুব জরুরি একটি শিক্ষা দিতে চাই।

তোমরা কি সবাই আমার কথা মন দিয়ে শুনছো?

আমি কিন্তু শুনতে পাচ্ছি না!

আরও জোরে বলো!

যদি কেউ তোমাদের সাথে খেলার ছলে কাছে আসে...

...কিংবা চকলেট দিয়ে তোমাদের শরীরে হাত দেয়...

...তবে তোমাদের খুব সাবধান থাকতে হবে।

তোমাদের শরীরের তিনটি জায়গা আছে যেখানে কারো হাত দেওয়া একদম নিষেধ।

যদি কেউ তেমন চেষ্টা করে, তবে সাথে সাথে মাকে বলতে হবে।

প্রথমত, তোমাদের বুক।

যদি কেউ সেখানে হাত দেয়, তবে তক্ষুনি মাকে জানাবে।

দ্বিতীয়ত, তোমাদের পেছনের অংশ এবং কোমরের নিচ।

ওখানে কেউ স্পর্শ করলে সাথে সাথে মাকে সব খুলে বলবে।

তৃতীয়ত, তোমাদের দুই পায়ের মাঝখানে।

ওখানে হাত দেওয়া এক মারাত্মক অপরাধ।

এটাকে বলে "অশালীন স্পর্শ" (Bad touch), যা এক চরম অন্যায়।

এরকম কিছু ঘটলে সাথে সাথে মাকে বলতে হবে।

হোক সে কোনো চেনা বন্ধু যে খেলার কথা বলছে...

...কিংবা কোনো অপরিচিত মানুষ যে কোনো গোপন কথা বলছে...

...অথবা পরিচিত কোনো আঙ্কেল। প্রতিবাদ তোমাদের করতেই হবে।

নিজের বাড়িতে কেন তোমাকে আতঙ্কে থাকতে হবে?

সে তোমার দাদাজি হোক, আঙ্কেল হোক কিংবা আপন ভাই...

...কেউ যদি সীমা লঙ্ঘন করে, তবে সেটা হবে এক চরম অপরাধ।

তোমাকে তক্ষুনি তোমার মাকে সব খুলে বলতে হবে।

তিনি কিছুতেই চুপ করে থাকবেন না।

চুপ থাকাটা এখন তার পক্ষে সম্ভব নয়।

বুনো পরিবেশে আমার বেড়ে ওঠা।

এই জগতের অন্ধকার রূপ আমি নিজের চোখে দেখেছি।

জঙ্গলে বিপদ আছে সত্য, কিন্তু এই লোকালয়ের বিষাক্ত রূপ...

...আরও অনেক বেশি পরিকল্পিত আর ভয়ানক।

আমাদের শিশুরা আজ প্রতি পদে পদে বিপদের মুখে।

মানুষ হাজারো যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে পারে...

...কিন্তু কারো সহজাত স্বভাব আমি বদলে দিতে পারবো না।

তবে কেউ যদি জানোয়ারে রূপ নেয়...

...তবে রুখে দাঁড়ানোর দায়িত্ব তোমাদেরই নিতে হবে।

যদি সামান্যতম কোনো বিপদ আঁচ করতে পারো...

...তবে স্রেফ ব্যাগের ভেতর পেপার স্প্রে লুকিয়ে রাখলে চলবে না।

আত্মরক্ষার প্রতিটি হাতিয়ার নির্ভয়ে ব্যবহার করতে শিখো।

যে তোমার গায়ে হাত তোলার দুঃসাহস দেখাবে, তাকে পাল্টা আঘাত করো।

তাকে বুঝিয়ে দাও যে তুমি দমে যাওয়ার পাত্রী নও।

তোমাকে বাঘিনীর মতো হুঙ্কার দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

ওরা তোমাকে বোঝাতে চাইবে যে নারীরা বড়ই অসহায়।

যারা এ কথা বিশ্বাস করে, তারা আসলে আস্ত মূর্খ।

ওরা এখনো একজন মায়ের চোখের আগুন দেখেনি।

একবার সেটা দেখলে ওরা ঠিকই টের পাবে।

সেটাই হচ্ছে একজন নারীর আসল শক্তির পরিচয়।

অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে এটার গুরুত্ব অনেক বেশি।

প্রতিদিন নিয়ম করে এই প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাও।

আর মাত্র একটি বছর...

...তারপর তোমার মেয়ে হবে একজন কমিশনড মিলিটারি অফিসার।

সে অবশেষে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।

আমি নিজে সেই মুহূর্তের সাক্ষী থাকবো।

এটা হচ্ছে প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান যোগাযোগ কেন্দ্র।

সরাসরি স্যাটেলাইট সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।

কায়াল, ডিক্রিপশন প্রক্রিয়া শুরু করো।

চলো, কাজে নামা যাক।

যেই মুহূর্তে আমি সেই কণ্ঠস্বরটি শুনতে পেলাম...

...পুরো 'হিমালয়ান নেটওয়ার্কের' স্বরূপ আমার সামনে স্পষ্ট হয়ে গেল।

কায়াল সব প্রয়োজনীয় তথ্য জোগাড় করে ফেলেছে।

ওই রেকর্ডিংটাই ছিল আমাদের হাতে থাকা সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

ওই নেভি অফিসারের দিকে একবার তাকাও তো।

কে ও? আর আমরীনার সাথেই বা ওর সম্পর্ক কী?

ঠিক সেই সময়...

...ডিসি (DC) কায়ালের স্ত্রীকে অনুসরণ করে তাকে অপহরণ করে।

ওই এমএলএ-ই ছিল সেই পর্দার আড়ালের মূল কণ্ঠস্বর।

ডিসি তাকে অনুসরণ করে একদম মোক্ষম সময়ে আঘাত হেনেছে।

ওরা সব আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র আর তথ্যপ্রমাণ ধ্বংস করতে শুরু করেছে।

সে ওই কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে সম্ভাব্য সবরকম চালই চেলেছে।

এগিয়ে যাও।

তোমার এই অভিনয় মোটেও জুতসই হচ্ছে না।

শারীরিকভাবে আমি যেকোনো চরিত্রে খাপ খাইয়ে নিতে পারি।

কিন্তু মানসিকভাবে...

...ভয়ের ওই মুখোশের আড়ালে সবকিছু বদলে যাবে।

সেটা হয়তো ঠিকই হবে।

ওর মতো নিবেদিতপ্রাণ অভিনেত্রী তুমি আর দ্বিতীয়টি পাবে না।

এই যে বিজি!

ওর মতো বিকল্প আর কেউ হতে পারে না।

আমি কোনো অভিনয় করার চেষ্টা করছি না।

আমি যা, আমি ঠিক তা-ই।

আপনাকে ধন্যবাদ স্যার।

তবে একটা কথা মনে রাখবেন...

...আমি কোনো লুকোচুরি পছন্দ করি না।

এই যে বিজয়! তুমিও এদিকে এসো।

ও এখন পুরোপুরি ওর ট্রেনিংয়ে ডুবে আছে।

ওর এই একাগ্রতা নষ্ট করো না।

বিজয়কে আমার স্রেফ কয়েকটা কথা বলার ছিল।

বললাম তো, ওর সাথে পরে কথা বলো।

চিত্তা, আমায় এবার যেতে দাও।

কার্তিক, এদিকে এসো।

বসো এখানে।

অবশেষে আমি আমার স্টার্টআপটা লঞ্চ করেছি।

এটা অনেক বড় কিছু হতে যাচ্ছে।

এই আর্মির ভূত মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো।

এসব তোমার জন্য নয়।

তোমার কি মনে হয় আমি ওকে ফাঁদে ফেলেছি?

আমার সাথে চলো।

চলো বিয়ে করে সুন্দর একটা জীবন শুরু করি।

আমি অমন সাজানো জীবনে মোটেও আগ্রহী নই।

তোমার জন্য শুভকামনা রইল।

তুমি কি পাগল হয়ে গেছো?

তুমি কি সত্যিই আবার এই নরক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে চাও?

সে স্রেফ তোমাকে ব্যবহার করছে। ও একটা আস্ত পাষাণ।

চুপচাপ বসো আর কথাগুলো শোনো।

তুমি এইমাত্র আমাকে কী বললে?

নাকি ভাবছো আমি কোনো খেলা খেলছি?

ত্যাগের প্রকৃত মহিমা সম্পর্কে তোমার কোনো ধারণাই নেই।

তুমি স্রেফ আমার পাশে থাকার জন্য নিজের সাজানো ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছিলে।

তুমি সবসময় ছায়ার মতো পাশে থেকে আমাকে সমর্থন দিয়ে গেছো...

আমি তো এক ঘণ্টাও ওর পাশে স্থির হয়ে দাঁড়াতে পারিনি।

কিন্তু দীর্ঘ ১২টি বছর ধরে ওই মানুষটি...

...নিজের জীবন, ভবিষ্যৎ আর সবকিছু আমার নামে উৎসর্গ করে দিয়েছে।

সে নিজের সব সুখ বিসর্জন দিয়ে স্রেফ আমার পাশে পড়ে আছে।

আমার জন্য সে বারবার নিজের আত্মসম্মানকে বিসর্জন দিয়েছে।

আমার হাসিতেই স্রেফ তার মুখে হাসি ফোটে।

আর আমার চোখের জল তাকে ভেতর থেকে দুমড়ে মুচড়ে দেয়।

এই স্বার্থপর দুনিয়ায় আর কে আছে এমন...

...যে স্রেফ ভালোবাসার টানে নিজের অস্তিত্ব বিলিয়ে দেয়?

সে আমাকে শিখিয়েছে একটি মেয়েকে কীভাবে মাথা উঁচু করে লড়তে হয়।

আর আজ আমি যেখানে দাঁড়িয়ে, তার সবটুকুই স্রেফ তার জন্য।

আমি ওর জন্য লড়াই করতে প্রস্তুত।

ওর জন্য জীবন দিতেও আমি আজ দ্বিধা করবো না।

তুমি তাকে কী বললে যেন?

পাষাণ?

সে আমার পথপ্রদর্শক।

আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ বন্ধু।

সেই ভাই, যা আমার কোনোদিন ছিল না।

আমার পুরো পরিবারের রক্ষাকর্তা সে।

সে সেই বাবা, যে আমাকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছে।

আমি তোমার মতো হতাশায় ভেঙে পড়বো না।

প্রয়োজনে হাজারো নির্ঘুম রাত আমি একাই কাটিয়ে দেবো।

আমি হবো তোমার প্রতিচ্ছবি, সবসময় তোমার ছায়া হয়ে থাকবো।

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমি তোমার পাশেই থাকবো।

ভেবেছিলাম বাচ্চার আশেপাশে থাকলে তুমি হয়তো নরম হয়ে যাবে।

কিন্তু মনে হচ্ছে আমি পুরোপুরি ভুল ছিলাম।

তুমি সত্যিই কাঁদছো?

ওর শেষ কথাগুলো কী ছিল?

আমি ওকে বলেছিলাম, ও আমার বাবার মতো।

অনেক হয়েছে কায়াল, এবার থামো।

আমাদের আর একটি মাত্র লেসন বাকি।

এটা শেষ করতে পারলেই তোমার ট্রেনিং সমাপ্ত হবে।

মুখ বন্ধ করে রাখার সেই ভয়।

দেশবাসীর ভরসা রক্ষা করতে না পারার ভয়।

ওই লোকটাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতেই হবে।

সে-ই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

ওয়া মিনায়ি, সে পরিস্থিতি বুঝতে মারাত্মক ভুল করেছে...

...সে ভেবেছিল হিমলারের প্রতিটা পদক্ষেপ সে ট্র্যাক করতে পারবে।

কিন্তু আসল ভুলটা হিমলার নিজেই করে বসেছে।

আমি জানি ঠিক কীভাবে ওকে শেষ করতে হবে।

সে এখন রোজভা জঙ্গলের গভীরে লুকিয়ে আছে।

পুরো গ্রামকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সে।

এটা রুখতে হলে আমাকে কমরেড [নাম]-এর সাথে দেখা করতে হবে।

এক্সট্রাকশনের জন্য তৈরি হও! মুভ!

নির্দিষ্ট এলাকাটি একদম সামনেই।

মন্দিরের সামনে একটি মেয়ে একা বসে আছে।

এই! ওখানেই থামো!

তোমার বাকি টিম মেম্বাররা কোথায়?

কোথায় লুকিয়ে আছে ওরা?

তক্ষুনি মুখ খোলো!

কথা না বললে ওকে খতম করে দাও।

মুখ বন্ধ রাখার জন্য নিজের জীবন দিতে রাজি তো?

বিলম্ব না করে ওকে এখনই শেষ করো!

মাথা ঠান্ডা রাখো আর লক্ষ্যের দিকে নজর দাও।

সামনের পরিস্থিতির জন্য তোমার সবটুকু শক্তি সঞ্চয় করা দরকার।

এই নাও, এটা খেয়ে নাও।

এই! পিছিয়ে যাও!

সে ইতিমধ্যে এখানে পৌঁছে গেছে!

পুরো জঙ্গল তন্নতন্ন করে খুঁজো!

এই! চারদিকে ছড়িয়ে পড়ো!

আমি ওদের দলনেতাকে খুঁজছি।

বেশি সময় লুকিয়ে থাকতে পারবে না সে।

[তীব্র জঙ্গল তল্লাশির দৃশ্য]

রোজা যদি বেঁচে থাকে, তবে ওকে আমাদের খুঁজে বের করতেই হবে।

তোমরা ওকে এত সহজে ফসকে যেতে দিলে কীভাবে?

আমাদের ব্যাপারে দীর্ঘ ১৫ বছরের গোপন তথ্য আছে ওর কাছে।

পুরো OEM অপারেশন এখন ওর ওপর নির্ভর করছে।

অপারেশন একদম পরিকল্পনা মাফিক এগোবে।

এখন আর কোনো কিছুই আমাদের পথে বাধা হতে পারবে না।

পুরো পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ এখন আমার হাতে।

আমি নিজেই এটার শেষ দেখে ছাড়বো।

ইতিহাস গড়ার নেশা।

ধুলো আর পাথরে ঘেরা এই প্রান্তরই...

...হবে সবকিছুর শেষ গন্তব্য।

আর কোনো ওজুহাত চলবে না।

পেছনে ফেরার আর কোনো রাস্তা নেই।

তার নাম ইতিহাস চিরকাল মনে রাখবে।

সঠিক সময় কি তবে এসে গেছে?

টার্গেট কি তবে আমাদের নাগালের মধ্যে?

আমি এই সমাজের সব নিয়ম ভেঙে চুরমার করে দেবো।

দেশবাসীর মঙ্গলে আর রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য।

যা করার দরকার আমি ঠিক তাই করবো, পরিণাম যাই হোক না কেন।

এর মানে কী?

তুমি কি সত্যিই ভাবছো ওটা দিয়ে আমায় থামাতে পারবে?

তোমার পরবর্তী চাল আমার আগে থেকেই জানা।

সবকিছুই সময়মতো তোমার সামনে চলে আসবে।

কিন্তু অবধারিত এই পরিণতি আটকানোর ক্ষমতা তোমার নেই।

আমাদের সাথে এটার কোনো যোগসূত্র আর অবশিষ্ট থাকবে না।

কারণ এই পুরো পরিকল্পনাটা সাধারণ মানুষের মাধ্যমেই কার্যকর করা হয়েছে।

আসল ক্ষমতা আসলে তাদের হাতেই ন্যস্ত।

আপনি একজন উচ্চপদস্থ ডিসিআই (DCI) অফিসার।

ওরা শাহুলে আমাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছিল।

থালিপাথিতে ওরা ইতিমধ্যে আমাদের সব বাহিনীকে নিস্ক্রিয় করে দিয়েছে।

যে পুলিশরা আপনাকে গ্রেপ্তার করেছিল, তারা শুরু থেকেই আপোষ করেছিল।

আমি ভাগ্যক্রমে জ্যান্ত ফিরে আসতে পেরেছি।

আমরা ডিসিআই (DCI) সিস্টেমকে বাইপাস করে আপনাকে গৃহবন্দী করেছি।

আপনার শাশুড়ি এখন আমাদের সুরক্ষা হেফাজতে আছেন।

আমি ওদের প্যাটার্নটা ধরতে পেরেছি; নেতাদের আচরণ দিয়েই তাদের বিচার করা উচিত।

বেশ কয়েকটা দেশে উচ্চপর্যায়ের সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে।

লাখ লাখ কালো টাকা এখন ওদের অফশোর অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেছে।

ওরা স্রেফ এই বড় বড় কোম্পানিগুলোর পতনের অপেক্ষায় ছিল।

ওদের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল করার এক ভয়ানক অভিযোগ প্রমাণিত হতে চলেছে।

'পজিটিভ ওয়ার্কআউট' ফার্মের সব কার্যক্রম এখন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এই কলুষিত মিডিয়া আর কাস্ট-নেক্সাস গুঁড়িয়ে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

ওরা হন্যে হয়ে এই আবিষ্কারগুলো থেকে টাকা হাতানোর চেষ্টা করছে।

'মুর কিলোট' গোষ্ঠীর ওই মান্ধাতা আমলের চিন্তাধারা এবার ঝেড়ে ফেলো।

সোশ্যাল প্রোটোকল আপডেট করো আর পুরো এলাকা সুরক্ষিত করো।

ওরা ইন্টেলিজেন্সের প্রধান ধমনীগুলো কেটে দেওয়ার এক মরণপণ চেষ্টা করেছিল।

কিন্তু ওদের সাজানো সেই নীল নকশা মাঠে মারা গেছে।

এই আন্দোলনের সাথে একাত্ম হতে হলে আমাদের সাহসী পদক্ষেপ নিতেই হবে।

ঠিক উপযুক্ত সময়ে...

...সেই বিশাল সিন্ডিকেটটির পতন শুরু হলো।

যে ব্যাংকগুলো সুরক্ষিত ছিল, সেগুলো এখন চরম অস্থিতিশীল।

এক পূর্ণমাত্রার গৃহযুদ্ধ পুরো অঞ্চলকে গ্রাস করে নিয়েছে।

এই বিশৃঙ্খলায় লাখ লাখ মানুষের জীবনের কোনো তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।

পুরো জনপদকে এক অরক্ষিত আর বিপর্যস্ত অবস্থায় ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এখন পুরোপুরি কার্যকর।

এটা কোনো অতি উচ্চপর্যায়ের পেশাদার অপারেটিভের কাজ।

দাবার বোর্ডে চাল দেওয়ার মতো আর কোনো ঘুুঁটি বাকি নেই।

এই রহস্যের জট অবশেষে পুরোপুরি খুলে গেল।

নতুন আইনি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর...

...সরকারের সমর্থন এখন আমাদের পক্ষে একদম পোক্ত।

এটাই আমাদের আঘাত হানার মোক্ষম সময়।

শীঘ্রই ভারত আমাদের হাতের মুঠোয় চলে আসবে, ঠিক আমাদের আফ্রিকান সেক্টরগুলোর মতো।

OEM আসলে কী?

এর মানে হচ্ছে 'অপারেশন মেলুগা'।

মেলুগা—সেই প্রাচীন নাম যা দিয়ে আমরা আধুনিক ভারতকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করবো।

এটা আমার ফেলে যাওয়া উত্তরাধিকারের নাম।

এক নতুন ভারতের নাম।

এটা অপারেশন মেলুগার (OEM) প্রথম ধাপ।

আমাদের ভারতকে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসায়িক কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে।

প্রতিটা ধর্মীয় আবেগ—হিন্দু, মুসলিম আর খ্রিস্টান, সব কাজে লাগাও।

আমাদের আইটি উইং আর সাইকোলজিক্যাল ওয়ার-রুমগুলো সজাগ করো।

সোশ্যাল মিডিয়া আর হোয়াটসঅ্যাপে আমাদের প্রচারণামূলক প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দাও।

ইতিমধ্যে আমরা দুনিয়ার বড় বড় হিরোদের আমাদের কব্জায় নিয়ে এসেছি।

এখন, চূড়ান্ত আঘাতের জন্য প্রস্তুত হও।

পুরো দেশ এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হবে।

অস্ত্রশস্ত্র সবার মাঝে বিলিয়ে দাও।

আগ্নেয়াস্ত্রগুলো সরাসরি সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দাও।

এমন এক গৃহযুদ্ধ বাঁধিয়ে দাও যা আফ্রিকার সংঘর্ষগুলোকেও হার মানাবে।

সাধারণ মানুষগুলোকেই আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে মারণাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবো।

তুমি কি সত্যিই মনে করো ভারতীয়রা ওভাবে অস্ত্র হাতে তুলে নেবে?

আস্ত গাধার মতো কথা বলো না।

যুদ্ধ বেছে নেওয়ার ক্ষমতা জনগণের কাছে থাকবেই না।

আমরাই হবো সেই যুদ্ধ।

একবার সংঘাত শুরু হয়ে গেলে, লড়াই করা ছাড়া তাদের আর কোনো পথ থাকবে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের ওই ন্যারেটিভটা ছড়াতে থাকো।

জাতীয়তাবাদ আর জাতিভেদ প্রথার বিষ ঢেলে দাও সবার মনে।

ওদের বুঝিয়ে দাও যে স্রেফ নিজের গোষ্ঠীর মধ্যেই তাদের টিকে থাকা সম্ভব।

চূড়ান্ত ধাপের সেই অপারেশন...

...ঠিক এক ঘণ্টা পরেই শুরু হতে যাচ্ছে।

সময় কিন্তু বয়ে যাচ্ছে।

বিদেশি শক্তিগুলো ভারতের পতনের জন্য ওত পেতে আছে।

আর আমরা এখানে আছি স্রেফ তাদের সাফল্য নিশ্চিত করতে।

আমাদের থামানোর ক্ষমতা এই পৃথিবীতে আর কারো নেই।

এবার আমার চোখের সামনে থেকে দূর হ।

[তীব্র আবহ সংগীত] বের হয়ে যাও এখান থেকে!

বিজয়, ওইদিকে একবার তাকাও তো।

দাঁড়াও, কী হলো?

বললাম না বেরিয়ে যেতে!

মুভ ইট! সবাই জলদি বাইরে যাও!

মন দিয়ে শোন তোরা, আস্ত সব পুতুলের দল।

ভাড়াটে খুনিরা ইতিমধ্যে ডিজিপি (DGP) হেডকোয়ার্টার্স লক্ষ্য করে এগোচ্ছে।

পুরো প্রশাসনিক কাঠামো এখন স্রেফ আমার ইশারায় চলছে।

এখনো কি তোর মনে হয় এখানে অন্য কেউ ক্ষমতায় আছে?

আমাকে তক্ষুনি সত্যিকারের ক্ষমতাশীল কারো সাথে কথা বলতে হবে।

আমি শীলা রানী, তামিলনাড়ুর চিফ সেক্রেটারি।

এই রাজ্যটা এখন স্রেফ আমার কথায় চলবে।

যদি চান মুখ্যমন্ত্রী আর বাকি অফিসাররা জ্যান্ত থাকুক...

...তবে আমার তিনটি দাবি আপনাকে মানতেই হবে।

প্রথম দাবি:

বাইরে যা-ই ঘটুক না কেন...

...কোনো পুলিশ অফিসার স্টেশন ছেড়ে এক পা-ও বাইরে বেরোবে না।

আর রাজ্যের প্রতিটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

এটা কিন্তু একদমই অসম্ভব!

এটাকেই আপনাকে সম্ভব করতে হবে।

চিফ সেক্রেটারি হিসেবে ডিজিপির কোনো ওজুহাত শোনার সময় আমার নেই।

সাধারণ মানুষ ঠিক তা-ই করবে, যা তাদের বলা হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর আদেশের জন্য তাকে দায়ী করা যাবে না।

সব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দাও এখনই পুরো অপারেশনের নিয়ন্ত্রণ নিতে।

আমাকে তোমাদের অ্যাকশন প্ল্যানটা বলো।

পুলিশি রেইডের মুখে পড়া সবাইকে আমাদের উদ্ধার করতে হবে।

মিলিটারি, প্যারামিলিটারি, মার্কোস, এনএসজি, রিজার্ভ পুলিশ...

কমান্ডো আর গরুড় ইউনিটের সবাই শেষ হয়ে গেছে।

পরিস্থিতি যে পর্যায়ে গেছে তা আমরা সামলাবো কীভাবে?

গভর্নর আর চিফ সেক্রেটারি—দুজনেই এখন নিখোঁজ।

পুরো রাজ্যের নেতৃত্ব এখন বিপর্যস্ত।

তক্ষুনি ডিজিপি (DGP) অফিস দখল করো!

না, এটা করা যাবে না।

ভেতরে ঢোকো বলছি! এখনই!

ভাই, আমি ডিজিপির সাথে কথা বলতে চেয়েছি।

আমরা ১০ মিনিটের মধ্যে আসছি।

পুলিশের ব্যারিকেড এড়িয়ে আমাকে তক্ষুনি ডিজিপি অফিসে নিয়ে চলো।

চিফ সেক্রেটারি ওখানে নেই; চেইন অফ কমান্ড ভেঙে পড়েছে।

সংরক্ষিত ওই এলাকায় ঢোকার অনুমতি আর কারো নেই।

ওরা চীনা প্রযুক্তির অত্যাধুনিক সব অস্ত্র ব্যবহার করছে।

অ্যাডভান্সড এসি-গ্রেড (AC) ওয়ারফেয়ার টেক মোতায়েন করা হয়েছে।

শোনো, আমাদের কাছে ইন্টেল আছে...

...২৫ জন সশস্ত্র জঙ্গি পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে।

আমরা যদি একসাথে পালটা হামলা চালাই...

...তবে হয়তো ওদের ঘায়েল করা সম্ভব হবে।

জোশ নামের অপারেটিভ কে?

জী স্যার, হাজির।

পজিশন নাও!

এগিয়ে চলো!

আমাদের প্রথম লক্ষ্যবস্তু কী?

রিমোট-কন্ট্রোলড যুদ্ধ ঠিক এখান থেকেই শুরু।

দৌড়াও! জলদি!

উত্তরের দিক থেকে শত্রুরা এগোচ্ছে।

হামলা করো! ফায়ার!

থামলে চলবে না! দৌড়াও!

এগিয়ে চলো! মুভ!

পা চালাও জলদি! সজাগ থাকো সবাই!

পিছু হটো! এখনই ফল-ব্যাক করো!

কোথায় যাচ্ছো তোমরা?

পিছিয়ে যাও! সেকেন্ডারি লাইনে ফিরে এসো!

এলাকা খালি করো! এখন থেকে এটা রেস্ট্রিক্টেড জোন!

পিছু হটো সবাই!

নিঃশ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। দরজা বন্ধ করে আমাকে অনুসরণ করো।

প্রশাসন এই পুরো এলাকায় লকডাউনের নির্দেশ জারি করেছে।

স্টেশনটা নিজেদের দখলে নাও আর গেটগুলো সিল করে দাও।

পুরো তামিলনাড়ু এখন অবরুদ্ধ। আমাদের নিজেদেরই পথ খুঁজতে হবে।

সেলমান, এবার লড়াইয়ের মাত্রা বাড়ানোর সময় এসেছে।

এখান থেকে জলদি বের হও!

গভর্নর, বর্ডার ইউনিটকে বলুন এই সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করে খতম করতে।

এটা কি সরাসরি আপনার নির্দেশ?

আমাদের এই হামলার পর এই জায়গাটা চেনার উপায় থাকবে না।

তামিলনাড়ু রাজ্য এখন পুরোপুরি অন্ধকার।

এই সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ একদম নিষিদ্ধ।

বেরিয়ে যাও! এখনই!

আঙ্কেল, দয়া করে আমাদের বাঁচান!

ওই মেয়েটাকে কোনোভাবেই পালাতে দিও না!

টার্গেটকে কব্জা করো!

ইজিপি (EGP) অফিসাররা ভেতরে ঢুকলো কীভাবে? জবাব দাও!

ওই পরিবারে কি একটাই বিজ্ঞানী অবশিষ্ট ছিল?

ওগুলো উচ্চপ্রযুক্তির কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি অস্ত্র।

সে-ই হচ্ছে আমাদের সবকিছুর মূল চাবিকাঠি।

সেই বিজ্ঞানী কোথায় উধাও হয়ে গেল?

মুখ খোলো বলছি!

লক্ষ্যবস্তু স্রেফ একটা সাধারণ মেয়ে।

পেছনে হটো সবাই! এক পা-ও এগোবে না!

কালিল, সামনে এগিয়ে আসো।

এই মেয়েটাকে চিনতে পারছো?

আমি ওর বাবা।

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা।

মুখ্যমন্ত্রীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সে ইজিপি অফিসারদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

ইজিপি নেতৃত্বকে খতম করতে পারলেই আমরা সাধারণ মানুষের হাতে অস্ত্র পৌঁছানো ঠেকাতে পারবো।

কিন্তু ওরা ড্রোন-সহায়তা নিয়ে আরসি (RC) মারণাস্ত্র ব্যবহার করে পালটা হামলা চালাচ্ছে।

ওর বিরুদ্ধে আমার জমানো সব প্রমাণ একটি সেফ হাউসে লুকিয়ে রাখা আছে।

ভিক্টর, এই অপারেশনের চূড়ান্ত ধাপ শুরু করো।

পরিকল্পনা মাফিক ঠিক ওই মন্দিরেই বিস্ফোরণ ঘটাও।

ফুটেজগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দাও; এটাকে একটা ধর্মীয় দাঙ্গা হিসেবে সাজাও।

এটা নাও আর নিজের পজিশনে চলে যাও।

অস্ত্রগুলো প্রতিবাদীদের হাতে পৌঁছে দাও।

ওরা গুলি চালানো শুরু করলে বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে আমরা সটকে পড়বো।

ওরা আমাদের উপাসনালয়ে হামলা করেছে!

বিলম্ব না করে ওদের ওপর পালটা আক্রমণ করো!

অস্ত্র হাতে তুলে নাও সবাই!

খবরদার! ওখান থেকে কাউকে বেরোতে দেবে না!

ওরা এক ভয়ানক গণহত্যার নীল নকশা তৈরি করেছে।

আমাদের এখনই ওদের মাঝপথে আটকাতে হবে।

যদি হাতে কোনো অস্ত্র পাও, তবে ট্রিগার টিপতে দ্বিধা করো না।

এখন না হলে আর কখনোই নয়!

এটা ধরো।

আমরা এই অস্ত্রগুলো ব্যবহার করছি বড় কোনো রক্তপাত ঠেকানোর জন্য।

গৃহযুদ্ধ শুরু করা একটি রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ।

পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার আগেই আমাদের কাজ হলো সাধারণ মানুষকে নিরস্ত্র করা।

ট্যাকটিক্যাল সম্পদগুলো সুরক্ষিত করা হয়েছে।

চিন্তা করবেন না, সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণেই আছে।

দেশপ্রেমের জন্য তোমাদের ধন্যবাদ।

আঞ্চলিক সমরাস্ত্রগুলো ঠিক কোথায় রাখা হয়েছে?

এটা হচ্ছে সেই হাই-ফ্রিকোয়েন্সি ইন্টারসেপ্টর আর্মার্ড ট্রাক যা খলিল ডিজাইন করেছিল।

এটি প্রায় ১০ মিনিট পর্যন্ত যেকোনো ভারী হামলা রুখে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

কিন্তু আক্রমণ এর চেয়ে বেশিক্ষণ চললে পুরো কাঠামো ধসে পড়বে।

গাড়িটিতে মডুলার রিঅ্যাক্টিভ আর্মার ব্যবহার করা হয়েছে।

আমাদের কাছে তিনটি হাই-এনার্জি লেজার ক্যানন-ও আছে।

রেঞ্জের মধ্যে থাকা যেকোনো ইলেকট্রনিক গাইডেন্স সিস্টেম মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।

এর রিইনফোর্সড প্লেটিং মূলত কাইনেটিক প্রোটেকশনের কথা ভেবেই তৈরি।

হাই-এনার্জি লেজার সক্রিয় করা হয়েছে।

এগুলো হচ্ছে বিশেষভাবে তৈরি ইন্টারসেপ্টর রাইফেল।

আমাদের তক্ষুনি ওদের রিমোট ফ্রিকোয়েন্সিগুলো জ্যাম করতে হবে।

এত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি চালানোর ক্ষমতা কি আমাদের আছে?

পুরোপুরি নেই ম্যাম। যথেষ্ট ফিল্ড ডেটা ছাড়া এটা চালানো কঠিন।

গবেষণা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা দুটো অপারেশনাল মোড ব্যবহার করতে পারি।

সরাসরি যুদ্ধের জন্য ম্যানুয়াল ওভাররাইড সুবিধা আছে।

দ্বিতীয় মোডটি পুরোপুরি রিমোট-কন্ট্রোলড।

এই দুটোর মধ্যে সমন্বয় করার জন্য আমাদের নতুন একটা কৌশলী পরিকল্পনা দরকার।

তুমি ঠিক কোন ধরনের কৌশলের কথা বলছো?

সেটা হচ্ছে "ফ্রেন্ডলি ফায়ার" প্রোটোকল।

এই এআই (AI) চালিত মেশিনগুলোর নিজস্ব বিচারবুদ্ধি নেই।

আমাদের কাজ স্রেফ ওদের ঠেকিয়ে রাখা নয়।

তবে তুমি আসলে কী করতে চাইছো?

আমাদের এই যন্ত্রগুলোকেই ওদের প্রভুদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিতে হবে।

সেটা কীভাবে সম্ভব?

মানুষকে যেমন ধর্মীয় বা জাতিগত বিদ্বেষ দিয়ে প্রোগ্রাম করা যায়...

...তেমনি এই মেশিনগুলোকেও অন্য টার্গেটের জন্য রি-প্রোগ্রাম করা সম্ভব।

তোমার কি সত্যিই মনে হয় আমরা এটা পারবো?

হ্যাঁ স্যার, আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত।

যদি আমরা ফ্রেন্ডলি ফায়ার শুরু করতে চাই...

...এবং ওদের কমব্যাট লজিক বদলে দিতে চাই...

...তবে ওই আকাশচুম্বী দালানের মেইন কন্ট্রোল রুমে আমাদের হানা দিতেই হবে।

আমার কাছে একটা ট্যাকটিক্যাল প্ল্যান তৈরি আছে।

ইউনিটগুলোকে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করো।

খলিল, নিশ্চিত করো যেন এটার প্রতিটা শব্দ রেকর্ড হয়।

আমার এক্সট্রাকশন হেলিকপ্টার খুব শীঘ্রই পৌঁছাবে।

সবাইকে পিছু হটতে বলো; কেউ যেন আক্রমণ না করে।

বেঁচে থাকতে চাইলে আমাকে তোমাদের সাথেই বের হতে হবে।

আমাদের হাতে শেষ ৩০ মিনিট সময় আছে।

সব জিম্মিকে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

হেলিকপ্টারে করে তুমি কাকে সাথে নিয়ে যাচ্ছো?

আমরা একদম তৈরি স্যার।

ডিক্রিপ্ট করা সব প্রমাণ এই ড্রাইভের ভেতরে সুরক্ষিত আছে।

সবার এক্সিট স্ট্র্যাটেজি মনে আছে তো?

মুভ আউট!

বিজয়, আমাকে তোমার সাথে যেতে দাও।

আমি যেকোনো ঝুঁকি নিতে রাজি। আমাকে তোমাদের টিমে নাও।

এটা এখন আর স্রেফ জননিরাপত্তার বিষয় নয়।

বিজয়ের এই দুঃস্বপ্ন চিরতরে শেষ করতে আমাদের একটা স্থায়ী সমাধান দরকার।

গ্রাউন্ড ইউনিটকে নির্দেশ দাও সব ব্যারিকেড সরিয়ে নিতে।

ভাই, আমাদের আকাশসীমায় একটা অজ্ঞাত ড্রোন দেখা গেছে।

ওটাকে লক করো আর ড্রোনটাকে অনুসরণ করো!

ড্রোনটি রামাতা সেক্টরের দিকে নামছে।

সবাই নামার প্রস্তুতি নাও!

রামাতা টিম, এগিয়ে চলো! একদম থামা চলবে না!

গতি বজায় রাখো!

এটাই আমাদের শেষ সুযোগ।

জানালার ওপাশে হাই-আউটপুট সিগন্যাল জ্যামার বসানো আছে।

আমরা এখান থেকে ওগুলো নিষ্ক্রিয় করতে পারবো না।

দূর থেকেই ওগুলোকে উড়িয়ে দাও!

টার্গেটের সুরক্ষা কবজ ভেঙে গেছে!

ড্রোনটি এখন মাঝ আকাশে এবং নিয়ন্ত্রণে আছে।

ইলেকট্রনিক কাউন্টারমেজার সক্রিয় করা হয়েছে!

পিছিয়ে যেও না ছেলেরা! চাপ বজায় রাখো!

সামনে এগোও!

স্যার, ওরা দরজায় হার্ড-লকআউট সক্রিয় করে দিয়েছে।

উপুড় হয়ে যাও! কভার নাও!

তুমি ঠিক আছো তো? আমার কথা শুনতে পাচ্ছো?

আমরা যদি এখন থেমে যাই, তবে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারাবে।

আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা...

...তারপর ওই মন্দিরে পুণ্যার্থীদের ভিড় জমবে।

এটাই হচ্ছে ভারতের পতনের জন্য নির্ধারিত সেই রণক্ষেত্র।

মানুষকে মেরে ফেলাই ওদের একমাত্র লক্ষ্য।

সাধারণ মানুষকে স্রেফ জবাই করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আর সে নিজেকে এই বিশৃঙ্খলার রাজা মনে করছে।

হতাশ হয়ে কোনো ভুল পদক্ষেপ নিও না!

তুমি যদি এখন এটা বিস্ফোরণ ঘটাও, তবে তুমি ঠিক তা-ই করবে যা ওরা চায়।

তোমার আদর্শের জন্য তুমি আর কতগুলো প্রাণ বলি দিতে রাজি আছো?

তুমি কোন ছাইপাশ নিয়ে কথা বলছো?

কলেজের অনুষ্ঠানে আমার মেয়ে যে ফাইলটা দিয়েছিল...

সেটা ওর হাতে পৌঁছাল কীভাবে?

আমি ব্যক্তিগতভাবে ওই ফাইলটা চিফ সেক্রেটারি শীলা রানীর হাতে দিয়েছিলাম।

সে আমাকে আশ্বাস দিয়েছিল যে সে নিজেই অভ্যন্তরীণভাবে সব সামলে নেবে।

কিন্তু শীলা রানী... সে আসলে ওদের সাথেই হাত মিলিয়েছে।

আমরা হচ্ছি সাব-ইন্সপেক্টর ট্রেনিং ব্যাচের সদস্য।

ভারতকে তার হারানো গৌরব ফিরিয়ে দেওয়ার এক স্বপ্ন আমরা সবাই দেখেছি।

আমাদের মূল লক্ষ্যটা আসলে কী?

'অপারেশন ইন্ডিয়া মডার্ন' (OIM)।

OIM?

উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কখনোই একই অনুষ্ঠানে একসাথে অংশ নেবেন না।

লজিস্টিকসের সব ব্যবস্থা আমি নিজেই সামলে নেবো।

OIM শুরু করা যাক।

হাই কমান্ড এক জায়গায় জড়ো হওয়ার কথা নয়।

ধরে নিন কাজ হয়ে গেছে।

আঙ্কেল!

যদি আমাকে খতম করার চেষ্টা করিস, তবে তার আগে তোকে আমি শেষ করবো।

[তীব্র চিৎকার] সব শেষ করে দে!

বাসু, আমায় মুক্তি দে!

করে ফেল কাজটা!

এই মন্দিরটিই হোক আমার চিরশয্যার জায়গা।

আমাকে মেরেই সব ল্যাঠা চুকিয়ে দে!

এই ঘরের একটা ভাঙা পাথরও...

...তোর প্রাণ বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট হবে না।

বিমুদ্রাকরণ সংকটের পর প্রতিটা মুখোশ এবার খুলে পড়বে।

স্রেফ আদর্শ দিয়ে এক ভেঙে পড়া জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব নয়।

সিস্টেমে শিকড় গেড়ে বসা দুর্নীতিগুলো এবার সবার সামনে আসবে!

পুরো ছায়া নেটওয়ার্কটা গুঁড়িয়ে দিতে হবে।

তদন্তের জালে ওরা এখন একদম কোণঠাসা।

সব আলো নিভে যাওয়ার আগেই আমাদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

কমিশনার অবশেষে তার বিচারের মুখোমুখি হতে চলেছেন।

শেষবারের মতো কিছু বলে নাও।

চলো এই জায়গা থেকে সবাইকে সরিয়ে নিয়ে যাই।

পালটা হামলার প্রস্তুতি নাও।

আমাদের এই যুদ্ধে জিততেই হবে।

এত কিছু জোগাড় করলে কীভাবে?

এসবই তামিলনাড়ুর ভবিষ্যতের স্বার্থে।

সব তথ্যপ্রমাণ এই ড্রাইভের ভেতরে রাখা আছে।

পরিকল্পনাটা মাথায় আছে তো?

জী স্যার।

ভাগ্য অবশেষে আমাদের সহায় হয়েছে।

চিফ, আমার কথাটা শুনুন।

আমার সব কাজের দায়ভার আমি একাই নিচ্ছি।

আমি এটার শেষ দেখে ছাড়বো।

আমি সব বাজি ধরতে রাজি।

আমি সব ভিডিও আর ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করে ফেলেছি।

এগুলো রাজ্যের প্রতিটি পুলিশ স্টেশনে পাঠিয়ে দাও।

এখনই কেন এসব সোশ্যাল মিডিয়া আর টিভিতে ফাঁস করছো?

আমাদের কি নিয়মমাফিক চলা উচিত ছিল না?

স্যার, এটা ভাইরাল হলে ওদের পালানোর সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

সে চায় সাধারণ মানুষ নিজেদের চোখে আসল সত্যিটা দেখুক।

এটা এখন স্রেফ মানবাধিকার আর আত্মসম্মানের বিষয়।

যেকোনো মূল্যে সে এই বিপর্যয় ঠেকাতে মরিয়া।

কিন্তু কীভাবে?

সব প্রমাণ আমি পাঠিয়ে দিয়েছি।

বিজেপি অফিসে উগ্রবাদীদের হামলার দাবিটা আগাগোড়া সাজানো ছিল।

আমরা যদি এখনো চুপ করে থাকি, তবে ভারত এক চরম অরাজকতায় ডুবে যাবে।

এটাই ছিল সেই পর্দার আড়ালের আসল নীল নকশা...

...দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদেরা স্রেফ কলকাঠি নেড়েছে।

এই নোংরা রাজনীতি থেকে আমাদের পুরো সিস্টেমটাকে পরিষ্কার করতে হবে।

আমাদের হাতে এখন একটাই অস্ত্র বাকি—আর তা হলো আপনাদের দেওয়া ভোট।

সবকিছু এখন আমাদের ওপরই নির্ভর করছে।

মনে রাখবেন, আজ যদি আমরা হেরে যাই, তবে সবার জন্যই সব শেষ।

একজন মানুষকে অজানার পথে ঝাঁপ দিতে কী অনুপ্রেরণা জোগায়?

ওরা ওদের সেরা চালটা চেলেছে।

কিন্তু এই খেলা এখনো শেষ হয়নি।

[রহস্যময় আবহ সংগীত]

চলো, এখান থেকে বের হই।

[অ্যাকশন দৃশ্য চলমান]

আমাদের দেশবাসীর মনোবল অটুট; কেউ আমাদের হারাতে পারবে না।

সে তোমাকে মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

কিন্তু তার মুখে স্রেফ এক চিলতে হাসি ফিরিয়ে দেওয়াই তোমার কাজ।

আমি বাতাসে ভয়ের আভাস পাচ্ছি।

এই নারীদের শক্তি সত্যিই অনস্বীকার্য।

তারাই হচ্ছ এদেশের আসল চালিকাশক্তি।

মুভ! এগিয়ে চলো!

নিষ্পাপ মানুষদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।

তাদের রক্ষা করাই এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

সংখ্যায় আমরা কম হলেও সাহসে আমরা কারো চেয়ে পিছিয়ে নেই।

থামলে চলবে না ভালোবাসা আমার, সামনে এগিয়ে যাও।

এখান থেকেই আমাদের আসল যাত্রা শুরু।

আওয়াজ আরও বাড়িয়ে দাও! ছন্দের তালে তালে এগিয়ে চলো!

আমার ওপর ভরসা রাখো, আমি তোমাকে একদম ঘরে পৌঁছে দেবো।

হৃদয়ের সেই আশা কিছুতেই নিভতে দিও না।

আমরা আজ ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি।

মাথা উঁচু করে এই ঝড়ের মোকাবিলা করো।

লক্ষ্যে অবিচল থাকো; কেউ যেন তোমাকে পথভ্রষ্ট করতে না পারে।

আমি তোমাকে রক্ষা করবোই... কথা দিচ্ছি।

স্রেফ আমার কথাটা শোনো!

এখন দেখতে পাচ্ছো তো? তাকিয়ে দেখো!

শেষ পর্যন্ত তুমি এটা অর্জন করতে পেরেছো।

এখন এই বিজয়ের স্বাদ প্রাণভরে উপভোগ করো।

গর্বের সাথে এই বিজয়কে বরণ করে নাও।

আমি আর নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারছি না।

এগিয়ে চলো ভালোবাসা আমার, থামা চলবে না।

এই মাটিই আমার অস্তিত্ব, এখানেই আমার শেকড়।

আমাদের গগনবিদারী চিৎকার পুরো বিশ্বকে শুনতে দাও।

শোনো সেই ধ্রুব সত্য, যা আমি বলছি।

ওদের আমার কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে দিও না।

আমার আত্মার এই ভারী বোঝা আজ হালকা করো।

আমি হার মানবো না; আত্মসমর্পণ আমার রক্তে নেই।

শেষ পর্যন্ত এই লড়াই চালিয়ে যাও!

তোমার সবটুকু শক্তি দিয়ে এই বাধা উপড়ে ফেলো।

সামনের পথ বড়ই দুর্গম আর বিপজ্জনক।

নিজের ভয়ের মুখোমুখি দাঁড়াও!

নিপীড়নের এই শিকলগুলো ভাঙতে থাকো...

অন্ধকারের আড়ালে ন্যায়বিচার খুঁজে ফেরা।

গভীর অরণ্যের একদম মাঝখানে।

জলদি করো, আমাদের নড়তে হবে!

তার সাজানো সাম্রাজ্য আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এই লড়াইয়ে হয়তো আমি হেরে গেছি...

...কিন্তু তোমাকে থামলে চলবে না।

নতুন কোনো দিনে নতুন কোনো লড়াইয়ের জন্য আমরা বেঁচে থাকবো।

আবার দেখা না হওয়া পর্যন্ত... বিদায়।

[চূড়ান্ত বিস্ফোরণ]

ভারত আজ বিশ্বের সবচেয়ে সহনশীল দেশ হিসেবে দাঁড়িয়ে।

এত বৈচিত্র্যময় আর সুন্দর দেশ এই পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই।

যদি এমন কোনো জাতি থাকে যারা পার্থক্যের মাঝেও ঐক্য বোঝে...

...তবে তারা হলো ভারতের আপামর জনসাধারণ।

আর এই সাধারণ মানুষের আসল শক্তিটা ঠিক কোথায়?

তা হলো তাদের অদম্য মনোবল আর সম্মিলিত ইচ্ছা।

কোটি কোটি মানুষের এই পৃথিবীতে...

...সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।

কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা সবসময় সোচ্চার থাকবো।

এক জাতি, এক সংকল্প।

এই ঘটনাটি যেন চিরকাল সাক্ষী হয়ে থাকে।

সত্যের জন্য লড়াই করতে ভারত কখনোই পিছপা হবে না।

ভারত কখনো হার মানতে শেখেনি।

আর কোনো অশুভ শক্তিই এদেশের আত্মাকে পরাজিত করতে পারবে না।

[সমাপ্তি কৃতজ্ঞতা তালিকা]

মানুষকে বাঁচাতেই সে নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছে।

আপনিও কি সত্যের পক্ষে রুখে দাঁড়াবেন?

গ্রামবাসীরা জড়ো হচ্ছে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষে।

স্যার! অপেক্ষা করুন!

এত তাড়াহুড়ো করে কোথায় যাচ্ছেন?

এক মুহূর্তের জন্য একটু ফিরে আসুন।

আগামীকালের জন্য আমাদের কৌশল কী?

স্যার, আপনি কি সত্যিই বিশ্বাস করেন পরিবর্তন আসছে?

আমরা যদি এই পৃথিবীতে পরিবর্তন দেখতে চাই...

...তবে সেই পরিবর্তনটা সবার আগে নিজের ভেতর থেকেই শুরু করতে হবে।

[আবহ সংগীত - গণমানুষের জয়গান]

[অন্তিম দৃশ্য - পর্দা নেমে আসা]

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.