Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
মুভি-কাঞ্চানা-৩। ভাষা-তামিল। জনরা-হরর,একশন।
Bangla Subtitle Makers BD-গ্রুপের ১৬তম এবং দ্বিতীয় সাউথ মুভির বাংলা সাবটাইটেল। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ।
বাংলা সাবটাইটেল এর বিভিন্ন আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকে পেইজে লাইক দিন। গ্রুপঃ fb.com/banglasubtitlemakersBD
অনুবাদেঃ Nazmul Hasan. Flamy Tuhin. Rakib Sk. Rofiqul Rony.
সম্পাদনায়ঃ Nazmul Hasan!
1 - না! গাড়িটা রেখে চলে যা! - স্যরি! আমরা তো মিটারে ফুঁ দিলাম!
- যদি আমি কেস ঠুঁকে দিই? - যদি বাড়িতে জানতে পারে...
- কি হয়েছে? - মদ খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছে!
আগে কখনো খাইনি, বন্ধুর জন্মদিন ছিল তাই খেয়েছি।
- আর কখনো খাবো না! প্লিজ ছেড়ে দিন! - ওদের ছেড়ে দাও!
- অশেষ ধন্যবাদ, স্যার! - হেই, চল!
আমাদের আরো কঠোর হতে হবে, স্যার!
ওদের কাছ থেকে ১০০ কি ২০০ টাকা কামাই করতে পারতাম!
যৌবনকালে তুমিও তো খেয়েছ, তাইনা?
- জ্বী, স্যার। - দূর হও!
- হেই! - স্যার?
অটোটা খালি রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে কেন?
যাও গিয়ে চেক কর!
কে ওখানে?
বাইরে বেরিয়ে আয়! কি বললাম, শুনতে পাচ্ছিস না?
৩... ৪...৭
একটা অটোতে ৭ জন মানুষ, স্যার!
ওদের বেরিয়ে আসতে বলো।
বেরিয়ে আয় সবাই। আয় বলছি!
কি বলছে ওরা?
- চোখ লাল করে তাকিয়ে আছে। - শালাদের টেনে বের কর!
হেই, বের হ! বের হ, বলছি!
- কি হলো? - ওরা বের হচ্ছে না, স্যার!
আমি আসছি।
ওকে গাড়িতে তোল!
- হেই! রেইলওয়ে গেইট রোডে চল! - ঠিক আছে, ভাই।
কাজ হয়ে গেছে!
নমস্কার, ভাই!
- ওকে নিয়ে এসো! - আচ্ছা।
নমস্কার, ভাই।
তোরা এখন যা!
- মূর্তি! - ভাই?
ওর লাশটা পুলিশ স্টেশনের সামনে ঝুলিয়ে দাও!
লাশটা দেখার পর, প্রত্যেকটা পুলিশ আমার নাম শুনে থরথর করে কাঁপবে!
- নির্দয়ভাবে ওরা স্যারকে খুন করেছে! - জলদি লাশটা নিচে নামাও!
ওগো!
বাবা!
বাবা? চোখ খোলো, বাবা....
- চোখ খোলো, বাবা.... - তাকাও আমাদের দিকে!
বাবা? চোখ খোলো....
এই অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মত কেউ নেই?
এভাবে পা দুটো ফাঁক করে দাঁড়িয়ে আছে কোন শালা?অর্শ্বরোগ হয়েছে নাকি?
- পরিচয় দিতে ভাব দিলাম, স্যার! - হেই!
আসছি, ভাই!
নমস্কার! আমি "কোলাভেরী গোভিন্দাম"
গুণ্ডামির ফিল্ডের উদীয়মান নতুন স্টার।
আমি আপনার সহকারী হতে চাই। আমাকে আশির্বাদ করুন!
- তোকে আমি এখনো কাজে রাখিনি। - কিন্ত আমি নিজে মেনে নিয়েছি।
- তো? - এটাই হলো সঠিক প্রশ্ন!
আপনি এই এরিয়ার গডফাদার হচ্ছেন না কেন?
একবার আপনি মরে গেলে, আপনার পোস্টটা আমি নিয়ে নিতে পারি?
- হেই! - বলতে চাচ্ছি আপনি মরার পর!
আপনার জন্য কাজে আসার সময় খালি হাতে আসিনি...
....একটা মামলা নিয়ে এসেছি!
ছোট্ট একটা কাজ, শেষ করতে পারলে ১ লক্ষ টাকা পাবেন।
- ১ লক্ষ? - মনে হচ্ছে যেনো জীবনেও ১ লাখ টাকা দেখোনি!
প্লিজ, বসে পড়।
১ লক্ষ টাকা!
সমস্যা কী বলো!
- ওইদিকে কে দাঁড়িয়ে আছে? - কথা না ঘুরিয়ে কি হয়েছে বলো!
শুনছো না ভাই কী জিজ্ঞেস করছেন? পুরো ঘটনাটা খুলে বলো!
আমি একটা ছেলেকে ভালোবাসতাম। সে ওয়াদা করেছিল আমাকে বিয়ে করবে!
তো, আমি তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছিলাম।
এখন সে আমাকে ওই ভিডিওগুলো দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছে!
ওর ভাই একটা বড় গুণ্ডা!
যখন আমার বাবা ওদের সাথে কথা বলতে যায়, তারা ওনাকে মারধর করে!
প্রভাবশালী হওয়াতে পুলিশও ওদের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নিচ্ছে না!
এই ভাইয়াটা বললো যদি আপনার কাছে আসি, আপনি আমাকে সাহায্য করবেন!
যেভাবেই হোক, আপনাকে ওদের কাছ থেকে ভিডিওগুলো উদ্ধার করে দিতে হবে!
আমার জীবন এখন আপনার হাতে!
- প্লিজ, ভাইয়া.... - নিশ্চয়ই করবো!
- ছেলেটা কোথায় কাজ করে? - টাইডাল পার্কে।
জলদি! পালা!
একসাথে আয়!
ওরা এদিকে গেছে! শালারা পালিয়ে গেছে!
- এখানে খুঁজতে থাকি! - যা!
তাড়াতাড়ি দৌড়া!
- রাস্তা বন্ধ! ওইদিকে চল! - চল!
- এদিকেও রাস্তা বন্ধ! ওইদিকে চল! - চল!
আমরা ফেঁসে গেছি!
ওরা আমাদের ছাড়বে না!
গাঁধার বাচ্চা, রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে!
ও, বস, আপনি! স্যরি!
আপনি কিছু করবেন নাকি আমি করবো?
আচ্ছা, আপনি করুন।
দেখো! ওরা নিষ্পাপ একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে!
- প্লিজ আমাদের ছেড়ে দিন! - ওনাকে টাকাটা দেখাও!
- টাকাটা দেখার পরে উনি কাজে হাত দেবেন - প্লিজ আমাদের মারবেন না!
এইযে বস, টাকা! মেরে দিন! মেরে দিন! মেরে দিন!
যাও, গিয়ে তোমার ক্ষোভ মিটিয়ে, তোমার জিনিস ফিরিয়ে নাও!
ওরা ওদের জায়গা-সম্পত্তিও তোমার নামে লিখে দিবে!
আমরা একাজ আর করবো না, স্যার!
প্লিজ ওনার সাথে কথা বলুন, স্যার! নয়তো আমাদের মেরে ফেলবে!
তোরা আমার জীবন নষ্ট করেছিস, আর বাবাকে গুণ্ডা দিয়ে পিটিয়েছিস, তাইনা?
- বল! - দারুণ!
- আমাকে ভিডিওটা দে! - ওদের ছেড়ে দাও!
ডার্লিং...
এতো নরম সুরে কথা বললে কাজ হবে না।
- এদিকে আয়। - না, স্যার! প্লিজ আমাদের ছেড়ে দিন!
মায়ের কসম খেয়ে বলছি, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না!
হঠাৎ করেই দৃশ্যে মোচড় নিয়েছে, স্যার!
হায় ঈশ্বর!
যেমনটা প্ল্যান করেছিলাম তেমনটা হয়নি! ওখানে গিয়ে লুকিয়ে পড়ি!
জ্বী, ভাই?
- ওইদিকে পালিয়ে যা। - ঠিক আছে!
- দাঁড়িয়ে থেকো না! সাবধানে চলে যাও! - আচ্ছা
না, ভাই! এভাবে আমার দিকে তাকিয়ো না!
ঈশ্বরের শপথ করে বলছি, জীবন দিতে হলেও এ ব্যাপারে কাউকে কিছু বলবো না!
কেন মরার জন্য দৌড়ে দৌড়ে আসছিস, মর্কটের বাচ্চারা?
এইদিকে! ভাই?
৫ মিনিট আগেই ভাই মারা গেছে!
ওরা আমাকে দেখে ফেলেছে!
আরে, না! আমাকে ছেড়ে দাও!
- আমি নিজেও সন্দেহে আছি! - সে ওইদিক দিয়ে পালিয়েছে!
- বস! - বস!
- কে এ কাজটা করেছে? - বস!
হায় ঈশ্বর!
ওরা আমাকে দেখে ফেলেছে!
এখানে বসে থাকলে আমার জীবনও বিপদে পড়ে যাবে।
পালা! পালা!
ধ্যাত, আমি দৌড়াতে পারছি না! এখানেই বসে থাকি!
কে আমাদের ভাই আর বসকে মেরেছে?
এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে, সে তোমাদেরও মেরে ফেলবে! পালাও!
ও শিকারদের ফাঁদে ফেলে শিকার করছে!
কোথায় গেল?
এমনভাবে দৌড়াচ্ছে যেন ট্রেন ধরতে যাবে!
- আবার আমার কাছে আসবে! এসেও পড়েছে! - ওরা বসকে মেরে ফেলেছে!
- তোরা কেন.... - আমি মৃত্যুর সাথে খেলছি!
চিৎকার করিস না! দেখছিস না ওরা কত আরামে ঘুমিয়ে আছে!
আস্তে কথা বল!
বস মারা গেছে! সাথে আসা চারজনও মারা গেছে!
- আমরা দুজন বাকি আছি! - অন্তত তোরা দুজন তো বেঁচে আছিস!
- মেরে ফেল শালাকে! - আমি কিছুই জানিনা....
বল! ওদের কে মেরেছে?
অঙ্গভঙ্গি করলে মেরে চোখ বের করে দেব!
তাতো তোরা করবি, আগে পিছনে তাকিয়ে দেখ!
'Glares this way, does this angry leopard!'
'Pounces to attack, does this raging dusky cheetah!'
কালী!
'No one would dare oppose him! Watch the knees of his enemy buckle!'
'Run for your life! The leopard's coming! Get out of the way!'
'Glares this way, does this angry leopard!'
'Pounces to attack, does this raging dusky cheetah!'
না!
মাস্তান হওয়ার আশায় ওদের দুয়ারে গেছিলাম, এখন দেখছি সব বৃথা!
আজ থেকে, সারাজীবন আপনার হয়ে কাজ করবো!
- রায়াপুরাম মূর্তি কোথায় থাকে, জানিস? - রায়াপুরাম আমার এলাকা!
এতো রাতে কোন শালারপুত ওখানেরে?
সিঁড়ির উপর দাঁড়িয়ে আছেন কেন, স্যার?
- তুই কে? - আপনার শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করতে এসেছি।
- কি বললি? - রাউডি, স্যার!
- রাউডি(গুন্ডা)? - মানে আমি ধিনা ভাইয়ের সহকারী!
তোকে আগে কখনো ওর সাথে দেখিনি!
গুগলে চেক করে দেখুন!
- ও কে? - আপনি এতে জড়াবেন না!
- আমি সরাসরি আসল কথায় আসছি! - বল।
ধিনা আর তার গ্রুপের সবাই মারা গেছে!
ধিনা সবাইকে খুন করে!
হ্যাঁ, সে খুন করে। কিন্ত আজ, তার টিকেট কেটে গেছে!
ওকে কে মেরেছে?
- অন্তত এই ষাড়টাকে দেখি বাঁচাতে পারি কিনা। - বল!
চোখ দিয়ে কাথাকালি নাঁচ নাঁচছিস কেন?
আমি কিছু বললেই তোর বৃন্দাবনের টিকেট কনফার্ম হয়ে যাবে!
তুই কিছু বলবি কি না?
আমার পিছনে যে আছে, উনি মেরেছেন! চাঙ্গড়ের বাচ্চা!
নিজেদের এতো বড়ো গুন্ডা ভাবিস!
আর ও তোকে ইশারায় বুঝিয়েই যাচ্ছে, কিন্তু তুই এখনো বুঝলি না!
গুন্ডা, আমার কচু!
শুধু গায়ে গতরে ষন্ডামার্কা হলেই গুন্ডা হওয়া যায় না!
তোর তো মাফ চাওয়ার যোগ্যতাও নেই!
এরপর কে, ভাই?
ভবানী!
ভবানী?
- স্যার? - হ্যাঁ, মূর্তি?
একটা ফ্রেশ মাল এসেছে!
একদম ফ্রেশ?
২০০%! গত ২৫ বছর যাবত আমি একদম ফ্রেশ!
কিন্ত গত ১মাস ধরে আমি স্নান করিনি।
তুমি গান গাইতে পারো?
'O dear red flower!'
হয়েছে! হয়েছে!
'In the chilly breeze...'
মেয়েদের ঠোট আমার বেশি পছন্দ।
তাই প্রথমে আমি সেখানে স্পর্শ করি!
এসে ছুয়ে দাও আমার ঠোট!
ও, না! ও তো পুরো মুডে আছে!
সত্যিটা জানতে পারলে আমাকে মেরে ফেলবে!
তোমার মুখটা এতো রুক্ষ কেন?
শেভ করার পর একদম সিল্কের মত তুলতুলে হয়ে যাবে!
হায় ঈশ্বর! ও আমার সতীত্ব নষ্ট করে দিল রে!
ভবানী কে?
কালী কে?
দুজনের মধ্যেকার বিবাদটা কী?
তা জানার আগে, চলুন কাঞ্চনা সম্মন্ধে জেনে নিই।
কি সমস্যা?
বলেছিলি কি যেন বলবি, কিন্ত আসার পর থেকে একটা কথাও বললি না।
তেমন কিছুনা।
চেন্নাইয়ে আর থাকতে ইচ্ছে করছে না।
সিঙ্গাপুরে বসতি গড়ার চিন্তা করছি।
এতো টাকা-পয়সা আর একজন সফল বিজনেসম্যান হবার পরেও....
বাড়িতে গিয়ে একটুও শান্তি পাই না।
এমন কোন হসপিটাল নেই যেখানে যাইনি, এমন কোন ডাক্তার নেই যার পরামর্শ নিইনি।
কিন্ত মেয়েটার পেটব্যথা কোনোভাবেই যাচ্ছে না
- তুই কি তোর মেয়ের সমস্যাটা নিয়ে চিন্তিত? - হ্যাঁ।
আর কতদিন এই একই সমস্যায় এভাবে কষ্ট পাবি?
এটা কোন পেটব্যথা নয়! আমি বলেছি এটা অন্যকিছু!
আমি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকেই বিশ্বাস করি না
আর তুই আমাকে ভূত বিশ্বাস করতে বলছিস?
বিশ্বাস করতে হবে!
ওর আচার-আচরণ দেখার পরেই আমি এই সিদ্ধান্তে এসেছি!
ঠিক আছে, একটা পরীক্ষা করা যাক।
তোর ভাষ্যমতে, তোর মেয়ের পেটব্যথা আছে।
কিন্ত আমি বলছি ওকে ভূতে ধরেছে।
তোর মেয়েকে নরসিংহ ভগবানের মন্দিরে নিয়ে আসবি।
ওকে মন্দিরের ভেতরে ঢোকানোর দরকার নাই।
ওকে শুধু মন্দিরের মিনারের ছায়ার নিচে দাঁড়াতে বলবি।
যদি তার কাজকর্ম স্বাভাবিক হয়, মেনে নেব তার পেটে ব্যথা।
কিন্ত যদি না হয়, তোকে আমার কথা মানতে হবে।
আমি এসবে বিশ্বাস করি না!
কিন্ত তুই যখন বলছিস, আমি করবো।
তোমার বোন কোথায়?
উপরে।
ডাকো ওকে।
দিভিয়া?
আমার ভয় লাগছে, বাবা!
তুমি সরে যাও, আমি দেখছি।
পা'টা ধরো! ভিতরে ঢুকিয়ে দাও!
পা'টা ধরো!
শক্ত করে ধরো!
দাঁড়া, মা!
দৌড়াস নে, থাম!
দৌড়াস নে, আপু! থাম! দৌড়াস নে, আপু!
বাবার কাছে আয়!
- থাম, মা! - আপু!
দাঁড়া, দিভিয়া!
বোস!
তোর কথা আমার বিশ্বাস হয়েছে।
আমি কিছুই বুঝতে পারছি না!
এখন আমরা কি করবো?
আমাদের কিছু করতে হবে না।
গুগলে খুঁজলেই তুই সব সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবি।
অনেক লোক আছে যারা এসব সমস্যার সমাধান করে।
দেশী কাউকে চাস নাকি বিদেশ থেকে আনবি?
আমি বিদেশী কাউকে চাই!
রাশিয়ান!
এ মুহূর্তে, সে সবচেয়ে ভালো।
খরচাপাতির কোন টেনশন নেই। ওকে এখানে আসতে বল!
- আপু? - দিভিয়া!
চোখ খোল, দিভিয়া!
চোখ খোল!
আমার বড়ছেলে এসে গেছে!
আমার স্বামী এসে গেছে!
আমার সোনা!
আমার চোখের তারা!
- এইযে আপনি! - কি?
- দারুণ ড্যান্স! - আমরা নিজেদের ভালোবাসা শেয়ার করছি!
- আমিও শেয়ার করতে চাই! - সরে যান!
- প্লিজ, আমাকে আশির্বাদ করুন! - মা...মাগো!
- ভুল হয়ে গেছে। স্যরি! - ঠিক আছে।
তোর ভ্রমন কেমন ছিল?
তোমাদের দেখা ছাড়া এই ৬ মাস....
খুব আনন্দে কেটেছে!
আরেকবার পা ছুয়ে আশির্বাদ নে!
আমার মেয়ে আর ভাই কেমন আছে?
নিজে গিয়েই দেখে নে!
ভূতের গল্প শোনার পর....
ওই ভীতু লোকটা প্যান্টে প্রস্রাব করে দেবে, বুঝছিস?
মোটু, তুই যা!
থাম! মনে হচ্ছে তুই গায়ক ইয়েসুদাস! আসল কথায় আয়!
একটা শহর, সেখানে একটা ভূত থাকত।
যদি কখনো তার সামনে পড়ে যাও, ও তোমাকে চিবিয়ে খেয়ে ফেলবে!
তুমি মরে স্বর্গের পথে পাড়ি দেবে!
কাছে আয়।
ও, মাগো!
মারা যাওয়ার পর সবাই স্বর্গে যায়! যা, ভাগ!
সে ভয় পাচ্ছে না!
তুমি ভয় পাচ্ছো না কেন?
ওইটা আমার ইচ্ছা!
তোদের গল্প বলার জন্য এখানে আয়!
এভাবে সবাই ভাব মেরে দাঁড়িয়েছিস কেন?
জিম থেকে আসছিস, নাকি?
হাত নামা, পোটলা বাহিনী!
আসল কথা বল!
দাঁড়া!
তুমি ওদের আমাকে ভয় দেখাতে বলেছ, আর ওরা এমনভাবে নাঁচছে যেন...
মারিয়াম্মান মন্দিরের প্রসাদ খাওয়ার জোর করছে!
ওদের আমাকে ভয় দেখাতে বল! যদি পারে!
ঠিকমত ভয় দেখা, মোটুর দল!
দূর একটা দেশে, একটা ভূত আছে...
ও তোমার নাড়িভুঁড়ি বের করে...
যা, ভাগ!
ও ভয় পাচ্ছেনা, মা!
ও বদলে গেছে!
যেমনটা ছিলো
তোরা যা!
যদি আমাদের গল্প শুনে ভয়ে প্যান্ট খুলে দৌড়ে পালিয়ে না যাও....
আগে, নিজেদের প্যান্ট ঠিক কর!
- স্যরি, কাকা। - ঠিকাছে, বাবু। তোমাদের গল্প বল।
এক ভয়ঙ্কর পিশাচ.....
আমার উপর ভর করেছিল!
তাতে আমি ভয় পাবো কেন?
ওনার উপর ভয় করেছিল, তোমার উপর না!
ঠিকাছে! স্যরি। আমার উপর ভর করেছে।
"এক ভয়ঙ্কর পিশাচ আমার আর তোমার উপর ভর করেছিল...."
ঠিকমত গল্প বলতে জানো না আর আমাকে ভয় দেখাতে এসেছ?
যাতে বাচ্চাদের গল্প না শুনতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে...
ও কানে তুলো গুঁজে রেখেছে!
জোচ্চোর!
বাপরে!
- এবার এটা শুনো - অবশ্যই
এক শহরে, একটা ভূত থাকত।
ওটা সবার ক্ষতি করত।
- সবার ক্ষতি করতো? - তারপর...
সে সবাইকে খেয়ে ফেলে!
তারপর সে ঘুমোতে চলে যায়, তাই না?
এদিকে আয়।
আয়, আমার পিচকু জব্বার আলী....
- যা ভাগ! - তুমি ভাগো!
- আজ ওকে আমি... - আরে! কি করতে চাচ্ছিস তুই?
যদি ওর উপর একটা বিড়ালছানা ছুঁড়ে মারি, বাচ্চারা সবাই ওর সত্যটা জানতে পারবে!
আরে না! আমি এখানে থাকার সময় এমনটা করিস না!
ও ভয় পেয়ে আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে!
আমি বেডরুমে গিয়ে লুকিয়ে পড়ি!
শাশুড়ি মা চলে গেছে! এখন ও আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে! তুমিই ধাক্কাটা সামলাও!
এখনো সবাই মিলে আমাকে ভয় দেখাতে পারলে না। তো, এবার তোমরা কী....
ভয় পেয়েছে! ভয় পেয়েছে! ভয় পেয়ে পালাচ্ছে!
- এদিকে আসবি না! - সরে যা, মোটু!
- বাবা! - মাকে সাহায্য কর!
ভাবী! প্লিজ দাঁড়াও!
আমার ভয় লাগছে! আমাকে কোলে নাও!
- তোমার মা এখানে লুকিয়ে আছে! - মা!
আমি না!
তুমি যে আমার মা এমন কথা মাথাতেও থাকবে না
- না, বাবা! - আমার ভয় লাগছে!
- এমনটা করিস না, বাবা.... - আমাকে কোলে উঠতে দাও! প্লিজ মা, একবার...
আমি উঠছি তোমার কোলে!
থামো!
অহেতুক চিৎকার করছো!
আমাকে দেখে হাসছিস, তাইনা? দেখ তুই!
দাঁড়াও, আমি ভাবীর কোলে উঠছি, মা!
হাসছিলে, তাইনা?
ভাবী হাসছিল, মা!
আমি তোমার ভাবী!
ভাবীও মায়ের মত।
কোন সাহসে তুমি আমার উপর হাসলে? হাসছিলে, তাইনা?
ভেতরে যা!
সবসময় কারো না কারো কোলে উঠে পড়িস!
সকাল ৬:০০টায় আমরা গ্রামের বাড়ি যাব, গিয়ে শুয়ে পড়!
তুমি চাও আমি সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠি?
- পারব না! - কেন?
ঠাকুরদার ৬০তম বিয়ে বার্ষিকী। ২০ দিন আগে দাওয়াত করে গেছেন।
সেকারণেই আমি চলে এসেছি! আর তুই যাবি না?
উনি সবাইকে নিমন্ত্রণ করে গেছেন!
চল না, কাকা! খুব মজা হবে!
বিমানে চড়তে ভয় পাচ্ছ, তাইনা? তাই, আমরা গাড়িতে করে যাচ্ছি!
গান শুনবো, হোটেলে গিয়ে খাবো আর হৈ-হুল্লোড় করবো!
শুধু তাই নয়! ঠাকুরদার প্রাসাদতুল্য বাড়িটা শীঘ্রই তোদের দুজনের নামে হয়ে যাবে!
সম্পত্তি আমাদের কাছে দরকারি!
নির্বাক তোতাপাখি গান গাওয়ার চেষ্টা করছে!
সম্পত্তি কি মরার পর সাথে করে নিয়ে যাবে?
স্যরি, মা! আমি যাবো না!
কিছু একটা কর মা...
তোর মামারা ও এই অনুষ্ঠানে আসবে।
আর, তাদের মেয়েরা ও আসবে!
আমিও যাবো, মা!
তোকে যেতে হবে না! আমরাই চলে যাব!
নিজের পরিবারকে ছেড়ে আমি কিভাবে থাকবো, মা?
স্যুট পরবি না! স্যুটে তোকে মানায় না।
আমাকে যেনো বিরক্ত না করিস, তার জন্য এই ঝাড়ু, জুতা আর চপ্পল এনেছি
যা করার সকালে করবি। বিছানার চারপাশে রেখে তুইও গিয়ে শুয়ে পড়।
ও সবকিছু বুঝতে পেরেছে!
এখন, আমি এসব ব্যবহার করি না। তাহলে?
ঝাড়ু, চপ্পল, জুতা
বিছানার আশেপাশে রাখার চেয়ে....
যদি আমি এই জুতাকে বিছানা বানিয়ে ফেলি?
দেখো আমার উন্নতি, মা!
গর্ব হচ্ছে!
পুরো ফ্যামিলি ক্লিন বোল্ড!
এতোবড় জুতো থাকতে এই ছোট জুতোর কি দরকার?
হে প্রভু হনুমান, আমাকে এর হাত থেকে রক্ষা করো!
শুধু তুই এরকম চিন্তা করতে পারিস, রাঘব!
এটা কিভাবে বানালি তুই?
- আমি হলাম উদ্ভাবক, মা... - আমরা গেলাম, মা!
আরে না! আমাকে একা ফেলে যাস নে!
ও এখনো প্রসাব করেনি।, ওটার জন্যেও ওকে আমার সাহায্য করতে হবে!
আমি সারারাত ঘুমাইনি, মা!
যদি চাও, আমার স্ত্রীকে তোমার সঙ্গ দেয়ার জন্য রেখে যেতে পারি।
মায়ের খেয়াল রেখ।
তুই অন্তত আয়!
ওকে প্রস্রাব করতে দেখ!
- উনি আমার ভাবী! - ভুল হয়ে গেছে।
সবাইকে এই কথাটা বলে বেড়াচ্ছ?
শোনো! তোমাকে বাথরুমের ভেতর আসতে হবে না!
বাইরে দাঁড়াতে হবে না, গানও গাইতে হবে না!
আমি বাথরুমে যাবো না, কিন্ত প্রস্রাব করবো।
- কিভাবে? - ডাইপার পরেছো, তাইনা?
ও ধরণের কোনো কিছু না!
- দারোয়ান বা অন্যকিছু? - সেকেলে ধারণা!
- তাহলে কিভাবে? - বাথরুমে না গিয়ে প্রস্রাব করবো!
সেটা কেমন করে?
- অসাধারণ একটা আইডিয়া পেয়েছি - কি সেটা?
সেটা না বলে দেখাচ্ছি
- দেখা আমাদের - সে এভাবে হিসু করবে
বিছানার পাশেই টয়লেট, অসাধারণ না?
আমি আর সামলাতে পারবো না।
- আমার মাথাটা ঘুরছে। - মা
ভাবী! ভাতিজি!
তারা কি করছে, তা না ভেবে আমি হিসু করে নিই।
ধূর থাম, বাথরুমে যা তো!
তুই চাইলে তোর জন্য আমি গান গাইবো, নাচবো।
কিন্তু আমি এ সম্পর্কে কাউকে কিছু বলব না!
- একটা ছোট্ট আবদার। - কি?
এসব বানাতে একদিন লেগেছে, আমি এটাতে একবার হিসু করবো।
আমি আজ তোকে মেরেই ফেলবো!
কোথায় যাচ্ছিস তুই, থাম!
গান গাও, মা।
গাচ্ছি বাবা।
(A devotional song is sung)
Rock on!
পেছনে হাত দিও না।
যা গিয়ে আগে গিট্টু লাগা।
'Build a temple for your friend!'
'He'll never leave your side!'
'His words of encouragement are always comforting!'
'My breath exudes our friendship!'
'Let's play a game of marbles, buddy!'
'If we stay together, have fun we will, daily!'
'Your heart bleeds for me, when I'm amid difficult times!'
'Speak the word of friendship and it will be liked by the Lord!'
'Build a temple for your friend! Go ahead!'
'He'll never leave your side!'
'His words of encouragement are always comforting!'
'My breath exudes our friendship!'
'I eat what my friend feeds me! All day, every day!'
'He totally rocks! He is my wealth!'
'He gives me life! He lends me support!'
'Ride atop a bullock cart, we do!'
'Together, we become one! -Indeed!'
'Brazenly roam about Chennai city, we do!'
'Even surpass that sea, we will!'
'Chicks drown our money away!'
'Friendship lasts forever!'
'A friend opens doors!'
'Lay a hand on me and watch soda bottles fly!'
'Wears out, does my gold chain, if you as much as scratch it!'
'Rip out your ear, I will, if you lay a hand on my friend!'
'Wears out, does my gold chain, if you as much as scratch it!'
'Rip out your nose, I will, if you lay a hand on my friend!'
'Build a temple for your friend! Go ahead!'
'He'll never leave your side!'
'His words of encouragement are always comforting!'
'My breath exudes our friendship!'
'Rises at dawn and rushes into the theatre, he does...'
'...to watch my film on the first day of release!'
'He'll tell his mom and his dad...'
'...that no one can surpass his best friend!'
'He'll garland banners!'
'He'll dance for even a single beat!'
'He'll sweep aside his own troubles!'
'He'll rave about the film!'
'He'll stick bills in every street to make me famous!'
'He'll applaud in the theatre as he watches me dance!'
'He'll spend his hard earned money to buy tickets!'
'He'll pray to God for the film to run for a 100 days!'
'Build a temple for your friend! Go ahead!'
'He'll never leave your side!' -Never, bro!
'His words of encouragement are always comforting!'
'My breath exudes our friendship!'
ক্ষুধা লাগছে মা।
এরমধ্যেই সে শুরু করে দিয়েছে।
আমরা কোনো গ্রামের মাঠে থেমে, আমাদের খাবার খেয়ে নিবো
- এটাই তো গ্রাম গেছে। - ওহ, সে থামবে না, গাড়ি থামাও।
- থাম, মোটকু -সে ক্ষুধা সহ্য করতে পারে না!
থেমেছি।
- খুব সুন্দর না? - এসো।
দেখ দেখ, ক্ষেতে তরমুজের চাষ করেছে!
- ওটা কি তোর মাথাতেও করা যাবে? - চুপ করে এসো, মা।
উপরে নিচে দেখা বন্ধ কর।
চাদর বিছা
মোটকো, তুইও ধর।
এইযে নাও
ভাবলাম, বাতাসে বসে মজা করে খাবার খাবো, কিন্তু এতো ঝড়ো বাতাস শুরু হলো।
- হ্যাঁ, মা। - মনে হয় বৃষ্টি আসবে।
- চমৎকার! - তাহলে আমরা এখানে খেতে পারবো না?
শুধু খায় খায়!
থেমে গেছে, মোটকো। বস।
- বসো। - ঝড় থেমেছে।
আবার বাতাস শুরু হয়েছে।
এক মিনিট! সবাই উঠে সরে যাও।
দাঁড়াও, দাঁড়াও
- তুই কি করবি? - তোমাদের দেখাচ্ছি, লাঠি আনো।
শক্ত করে বেঁধে দাও, মা।
- ধরে রাখো। - শক্ত করে ধরে রাখেন, শাশুড়ী মা।
ভাল করে ধরে বাঁধতেও পারিস না, মোটকো?
ধরেছিলাম তো, কিন্তু বাতাসটা উড়িয়ে নিয়ে গেলো...
চুপ করে, এটা ভাল করে বেঁধে দে।
শক্ত করে পিটিয়ে দে!
যদি আমার কাছে কোনো পেড়েক থাকতো...
- কোথাও কিছু নেই। - কি যে ব্যবহার করবো?
কেউ আমাদের জন্য পেড়েক রেখে গেছে
- ভাবী, একটা পেড়েক! - বের করো।
আরে, এইতো এখানে।
জোরছে ভাই।
আমাকে সাহায্য কর, মোটকো।
সবাই শক্ত করে ধরো, আসো।
জোরে টানো, কাকা।
ও পেড়েক খুলে ফেলেছে!
এই ঝড়ো বাতাস নিশ্চিত মেঘ ডেকে আনবে! চলো, চলে যাই!
- দুটো তরমুজ নিয়ে নিস! - ঝুড়ি নিতে ভুলিস না।
- আমি ওই ঝুড়ি নিতে পারবো না।! - ওর পিছনে দৌড়াতে থাকো।
- জলদি করো! - এটা এখন আমাকেই নিতে হবে?
- জলদি! - জলদি দৌঁড়াও!
সাবধানে মা! এখন আবার আমার প্যান্ট খুলে যাচ্ছে!
- নমস্কার! - হ্যালো কুমার!
- হ্যালো, স্যার। - আপনি ভাল আছেন?
ডিকিতে লাগেজ আছে।
হাই দাদা! হাই দাদী!
আমার সোনা নাতী!
যখন নাতি আসে তখন সবসময় একটা হইহুল্লোড় চলে
- লাগেজ, বাবু। - ডিকিতে আছে।
নাম কি তোমার?
- কোকিলা। - নামটা বুকে গেঁথে রাখলাম।
ঠিক আছে, ঠিক আছে।
নমস্কার, মামী।
- আশীর্বাদ করবেন মামা। - ভালো থেকো।
মামী, শুভেচ্ছা।
তোকেও শুভেচ্ছা।
- মামা। - ভাগ্নে।
- মামা। - ভাগ্নে।
- মা? - হ্যা?
ও শুধু একজনকে হাঁটু গেড়ে প্রণাম করলো, অন্যটার ক্ষেত্রে এত দরদ বেশি কেন?
যাকে প্রণাম করেছে, তার একটা মেয়ে আছে আর অন্য মামার দুটো মেয়ে আছে।
আর যে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে, তার কোনো মেয়েই নেই।
ও তো তার কাছেই যাবে না, দূর থেকেই 'হাই' দিবে।
তোকে কি বলেছিলাম?
সোনামণিরা কোথায়?
ভেতরে!
ডানাকাটা পরীর মত একেকটা আসছে, এসো এসো।
- মারছিস কেন? - আমায় ফোন করিসনি কেন, হু?
কী ঝামেলাই না বাধাচ্ছে!
থাম তো।
তোরা তিনজনেই থাম! সে মাত্রই আসলো আর, তোরা তিনজনে আমার নাতীকে মারছিস!
- হ্যাঁ! - তাকে ফোন করলে কখনোই ধরে না, দাদু।
একবার ফোন করলে কী তুই মরে যাবি?
একবার ফোন দিলে কী বা হবে?
একে ফোন দিলে, সে জ্বলে উঠে! একে ফোন দিলে ও জ্বলে উঠে!
এজন্যই আমি কাউকে ফোন দেই না!
ফোনের কথা বাদ দে! আমার একটা বিষয়ে সন্দেহ লাগছে।
এই তিনজনের মধ্যে তুই কাকে ভালোবাসিস?
এখন পর্যন্ত, তারা আমার মামাতো বোন ছিলো
কিন্তু এখন, কাকে ভালোবাসি তা আমি ঠিক করবো।
- ভাগ্নে! - মামা?
আমার দুই মেয়ে এবং কাভিয়া সহ, তারা তিনিজনই অপেক্ষা করছে।
ঠিক আছে, মামা।
কিসের "ঠিক আছে"?
তুই তাদের একজনকে পছন্দ করলে, অন্য দুজন কি রেগে যাবে না?
শোনো দাদী, আমরা ছোটবেলা থেকে একে অন্যের বন্ধু।
আমি এ নিয়ে একটা খেলা খেলতে চাই।
- আমরা সবাই চাই, খেলাধুলা হোক! - ঠিক।
কিন্তু এইবার যদি না বলিস যে তুই কাকে ভালোবাসিস....
যদি না বলিস ...
তোকে শেষ করে ফেলবো!
গিয়ে বিশ্রাম কর, আমরা সকাল বেলা এটা ঠিক করবো
সোনামণিরা আমার সাথে নিঃসংকোচে বিশ্রাম নিতে পারো!
- আমি আসছি! - আমিও আসছি!
এ কখনোই আঁচড়ানো বাদ দিবে না।
হায়, ভগবান!
তাদের উপদ্রব শুরু হয়ে গেছে।
বাবা?
হেই, বাবা!
পানি খাবো, বাবা!
আমি খুবই ক্লান্ত, তোমার মাকে ডাকো।
এদের ডাকাডাকি না করে আমি বরং নিজেই যাই।
কে ওখানে?
আমি বলছি, কে কাঁদছে?
দাদী।
উঠো, দাদী! আমি দুঃখিত!
তুই এমন ভাবে আমাকে থাপ্পড় মারলি মনে হচ্ছে কোনো ডেংগু মশা মারলি!
আমি পানি খেতে এসেছিলাম আর তখনই শুনতে পেলাম কান্নার আওয়াজ।
- সেসময়ই তুমি... - আমাকে তোল।
কীসের জন্য তুই এই মাঝরাতে একা একা পানি খেতে এসেছিস?
আমি এখন তোমায় যা বলবো প্লিজ আর কাউকে বলো না।
কী বলবি?
মনে হচ্ছিলো কেউ রেফ্রিজারেটরের পাশে হাঁটাহাঁটি করছিল!
আমি যখন বাড়িতে তখন কে ফাজলামো করবে? আমার সাথে আয়!
ভয়ংকর জিনিস!
এই রুমেই তো, না?
শুধুই একটা বাক্স।
এই রুমে কিছুই নেই, সোনা।
এসব নিশ্চয় তোর কল্পনা।
এমন কোনো কিছুই আমাদের বাড়িতে আসার সাহস করবে না ...
মরে গেলাম!
আমাদের মেয়ে কোথায়?
কে ওখানে?
কে ওখানে?
- এতো বড় বাড়িতে তাকে খুঁজেই পাচ্ছি না। - লক্ষ্মীকে দেখেছ?
হতচ্ছাড়া
কী হয়েছে?
ওহ, না! কী হয়েছে, সোনা।
আমার মেয়েকে খুঁজে পেয়েছি।
পাছায় ব্যাথা পাওনি তো?
কী হয়েছে, সোনা?
বলো আমাদের কী হয়েছে?
- আমরা ভূত দেখেছি! - ওহ না।
ভূত?
মা!
চুপ করো! চিল্লাচিল্লিতে ওর ঘুম ভেঙে যাবে।
সবাই পিছনে দাঁড়াও! আমিই তাকে আজ কোলে তুলবো।
এসো, আমার বাবা সোনা।
আমার কোলে আসবে না?
আমার সুইটহার্ট।
উফ, কী হয়েছে?
- আমার কোলে এসো। - আসছি, সোনা।
আবারো বদলালো!
নিচে নামো!
একটা মার দিব! কে চিৎকার করেছে?
আংকেল! এই বাড়িতে..
এই বাড়িতে?
এ ব্যাপারে তাকে কিছু বলিস না। ওসব তুই ভুল দেখেছিলি।
সকালে তুলশী গাছে প্রার্থনা করলেই হবে। এখন সবাই ঘুমোতে যাও!
সে দেখেনি।
ওরা আমাকে চিবিয়েই খেয়ে ফেলবে
- নানা! - হ্যাঁ ...
- তোমাদের দুজনের বিয়ে বার্ষিকী, তাই না? - হ্যাঁ।
তো এতো মুখ গোমড়া করে আছো কেন?
- নানীর সাথে আরোতি-তে হাত লাগাও। - ভাল পরিকল্পনা, তাই করো।
আমার খুব লজ্জা লাগছে।
- কীসের লজ্জা? - মায়ের হাতে হাত রেখে আরোতি করো।
দুঃখিত! মাফ করে দাও।
কী হলো?
- মা! - একটা কাক!
- এসব... - এসব কিছু না।
বাড়িতে কিসব শুরু হলো!
- বাবা আর মা... - বলো, মা।
অশুভ ঘটনার পালা শুরু হয়েছে! কাকটি কোথা থেকে আসলো?
অশুভর কিছু নেই।
আমরা সবাই অনেকদিন পর একসাথে হয়েছি, তাইনা?
নিশ্চয় কোনো কুদৃষ্টি লেগেছে।
কুমার, এসব তাড়ানোর জন্য নারকেল আর কুমড়ো আন!
- জলদি! - আনছি, মা।
ওখানে থেকে নিচে নাম।
ঠিক আছে, সরে যা মোটকো।
সে আমাকে ধাক্কা দিয়েছে।
তোমার স্বামীকে তো অনেক হ্যান্ডসাম লাগছে!
এখন তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে।
যথেষ্ট হয়েছে, সবাই একসাথে দাঁড়াও।
- ভাল করে দাঁড়া, মোটকো। - তাড়াতাড়ি আসো, সোনামণিরা।
- স্যরি। - ঠিক আছে
শয়তানের কুদৃষ্টি চলে গিয়েছে। সবাই সবার হাত-পা ঝেড়ে নাও।
- এটা তোমার জন্য এমনি এমনিই নড়ছে - সে আবার শুরু করেছে।
- সবসময়ই তার পক্ষ নাও। - চলো না সিনেমা দেখে আসি।
না! আমি আমার বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।
হেই! আরে আমরা!
- তোমরা, হু? - হুম।
'আমরা' কী?
- আমি যাচ্ছি। - হেই।
- কোথায় যাচ্ছো? - কোইম্বাটরে বন্ধুর সাথে দেখা করতে!
আমি তোর জন্য কত সুন্দর করে শাড়ী পড়েছি..
আর তুই এসব রেখে তোর বন্ধুর সাথে দেখা করতে চলেছিস।
- তাকে শাড়িতে কত হট লাগছে। - ঠিক আছে...
এখানে এসেছি শুধু তোকে দেখানোর জন্য!
- আমায় দেখবি না? - দেখবো তো।
- এখানে দেখ, এখানে! - ঠিক আছে, তারপর!
- এই সব সৌন্দর্য শুধুই তোর জন্য। - হায় ভগবান।
তোদের উদ্দেশ্যটা কী আসলে? তোরা কীভাবে আমাকে ইম্প্রেশ করতে চাস...
তোকে কীভাবে ইম্প্রেশ করতে হবে?
আয় তোকে দেখাচ্ছি।
'Oh my!'
'Shall we play five stones? If I stick my fingers in, it's a fruit!'
'In this game of ours, I'm at the top of the range!'
'Fall in with the wrong crowd and you're doomed for life!'
'If proved you're guilty, get ready to face the music!'
'A shirt. A slate stick. A pant. A pen.'
'A shirt. A slate stick. A pant. A pen.'
'O cool popsicle! My precious icicle!'
'Pure as gold when you smile!'
'Changed my mind on a tear! Cranked up the voltage to a flare!'
'Gave myself to you entirely, I did! -Oh my!'
'Pearly white, you are! Soft smiles, you cast!'
'You strike me hard! And wrap around my waist!'
'Your gaze melts me clean! You hoist me high!'
'Run your fingers all over me and stir up my inner desire!'
'I get intoxicated as you daintily walk towards me!'
'Soaking in your beauty changes my mind!'
'I am a black and white king! You're the rose atop my crown!'
'I am a black and white king! You're the rose atop my crown!'
'Come along, you mini treats! Let's play a triple game!'
'I'll teach you very well! Accommodate me!'
'With hands atop hands and lips planted on cheeks...'
'...you'll see the light shine bright!'
'You give me a bigger high than a can of beer!'
'I'll collide with you head-on!'
'You run off and grumble away! Stumble and fumble when I near you!'
'This white horse is all set for a ride!'
'Birthmarks all over the body signify a Virgo!'
'Sit down and play the tabla bought for you!'
'I am a black and white king! You're the rose atop my crown!'
'I am a black and white king! You're the rose atop my crown!'
'Oh my! Come forth, my dusky mate! Bewitched all three of us!'
'We'll shower beauty upon you! Drink it in!'
'Don't walk away from me, you triple threat of jasmines!'
'Stick to me gently like glue!'
'Get down and get closer! This cane's meant for you!'
'Taste it! It's sweeter than hell!'
'One way or the other, shall we play kabaddi?'
'Touch me and your life will dazzle!'
'I'm a ravishing babe! Lay your hands on me!'
'But your lips alone taste like Dairy Milk!'
'I am a black and white king! You're the rose atop my crown!'
'I am a black and white king! You're the rose atop my crown!'
'I am a black and white king! You're the rose atop my crown!'
'I am a black and white king! You're the rose atop my crown!'
কে ওখানে?
দরজায় কে ঠকঠক করলো?
আবার?
মা!
(sings old Tamil song)
আরে বোকা ছেলে! কেউ একজন চিৎকার করেছে, চল গিয়ে দেখি!
- কে চিৎকার করেছে? - কী হয়েছে?
- কী হয়েছে? - ওখানে...
- কোথায়? - ওখানে...
- কোথায়? - একটা স্বপ্ন।
তোকে একটা চড় মারবো। শুধুই স্বপ্ন দেখেছে, মা!
এসব হবেই না বা কেন? নতুন বাড়ি! নতুন রুম!
তাকে একা না ঘুমাতে বারন করেছিলাম! কথা শুনেছিল কি?
আরামের বিছানায় শুয়ে বাজে চিন্তা করলে তো এমনি হবে!
সবাই ঘুমোতে যাও।
তোমরা সবাই ঘুমোতে যাও। আমি তাকে ছেড়ে আসি।
ও কি ভলবো বাস যে তাকে ছেড়ে আসবি?
সে তো দুঃস্বপ্ন দেখে কাঁদছে। কিন্তু তোমরা কেন কাঁদছো?
সে একাই কিভাবে তার কোলে উঠতে পারে?
- সত্যিই! - আমাদের কী হবে?
আমাদেরকেও কোলে তুল, তারা এটা বলতে চাইছে।
বেঁচারি! যাও, কোলে নাও।
এসো, এবার তার কোলে উঠো।
দ্রুত আসো!
কি?
আমি!
নিজের মা'কে ডাকো?
- নিজেকে বাচ্চা মনে করো? - না কেন? তুই তো সবসময় আমার কোলে উঠিস!
একবার আমি উঠলে কি ভুল হবে?
আমি তোমার ওজন নিতে পারবো না, মা!
কাল সারারাত হেসেছিস, একটুও ঘুমাসনি।
এই তিনটাকে কীভাবে কোলে তুললি, রাঘব?
তারা একজন একজন করে উঠেছিল।
কিন্তু তারা যদি একসাথেও উঠতে চাইতো, আমি তাদের উঠাতাম!
- আমরাও তৈরি। - চলো
ওখানে কি হলো? চলো গিয়ে দেখি।
- জানি না। - চলো চলো।
সাবধানে এগোও, নানী!
জলদি চলো সবাই।
জানি না কারুপানের কি হয়েছে!
সে এভাবে মারা গেল।
কি হয়েছে?
কাল রাতে সব ঠিকই ছিল।
জানি না কীভাবে এসব হলো।
সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা গড়বড় হচ্ছে।
হ্যাঁ, বাবা। গড়বড় তো কিছু একটা হচ্ছেই।
এ পর্যন্ত, ব্যবসায় কোন সমস্যা হয়নি।
কিন্তু গতকাল আমরা কারখানা থেকে ফোন কল পেয়েছিলাম। দুইজন আহত হয়েছে।
শুধু এই না, বাবা। তারা কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করার হুমকি দিচ্ছে!
হ্যাঁ, মা। এমনকি তারা আমাদের জন্য সাইন করাতে চান।
হ্যাঁ, মা। আমরা সবাই গিয়ে তিনদিনের মধ্যেই ফিরে আসবো।
- ঠিক আছে। - কিন্তু আপনাদের সোনামণিরা এখানেই থাকুক, হ্যাঁ?
- না! আমরা এখানেই থাকব! - তাহলে ভাল হবে!
- দূর হও। - থামো
- এসব থামাও। - আমি এসবে খুব অস্বস্তি বোধ করছি।
তোমরা সবাই তোমাদের কাজে যাও।
আমি তাদেরকে মুনেশ্বরওয়ার মন্দিরে নিয়ে গিয়ে পুজো দিব।
একটা সমস্যা আসছে।
- আজ তোকে খুব স্মার্ট দেখাচ্ছে। - আর তোকেও।
মোটকো, ভেবেছিলাম এখানে সন্যাসীরা থাকবে! কিন্তু এই জায়গা তো 'আঘরিতে' ভরা!
দাদু বললো আজ শিবরাত্রি!
- এটা কি তাহলে শিবরাত্রীতে হবে? - কে জানে?
প্রণাম, সাধুবাবা।
ওখানেই থাম!
আমার সামনে আসো!
- বাড়িতে সমস্যা? - হ্যাঁ, সাধুবাবা।
তোর চোখমুখ তাই বলছে!
- তিনি কীভাবে আমাদের সমস্যার কথা জানলেন? - তিনি আগেই থেকেই সব জানেন।
- সত্যিই? - সন্ন্যাসী, তাই না?
রুদ্রা, ওই ত্রিশূল আনো।
- বাড়িতে পবিত্র তুলসি গাছ আছে তো? - হ্যাঁ,
হ্যাঁ, সাধুবাবা।
সেখানে এই ত্রিশূলটি রাখবে।
উনি তোকে ডাকছে, যা।
নাও।
এখন যাও।
- সবাই যাও! - আবার দেখা হবে, সাধুবাবা।
সবাই আন্তরিকতার সাথে প্রার্থনা করো!
- এখন থেকে, হয়তো এই বাড়িতে আর সমস্যা হবে না। - হুম।
ল্যাপটপ বন্ধ।
হেডফোনের সংযোগও বিচ্ছিন্ন!
আমি আমি!
আমার রুমে ঘুমাতে সমস্যা হচ্ছে খুব!
খুব বিরক্তিকর! সেজন্য আমি তোর দরজায় ঠকঠকিয়েছি।
তুই সেখানে ছিলি না।
- চুপ কর! - কেন?
আমি বই পড়ছিলাম।
পড়তে পড়তে সোফায় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
কোনো কিছুতে কি ভয় পেয়েছিস?
আমি? ভয় পাবো?
ওখানে কে?
আরে, আমি
- আরে, আমি!
ওটা থেমে গেছে।
এই দিকে!
আমার হাত ধরো!
আমাকে বাঁচাও!
সাহায্য করো!
আমাকে বাঁচাও!
দুর হয়ে যা!
- কোথায়? - ঐযে ওদিকটায়
কিছু একটা প্রিয়াকে টেনে নিয়ে গেছে
বলতে পারবো না ওটা কি!
কি হয়েছে, সোনা?
আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।
কি হয়েছে? কান্না বন্ধ করে আমাদের বলো।
- কি হয়েছে? - ওখানে কিছু একটা আছে
আমাকে ওটা টেনে নিয়ে এসে এখানে ফেলেছে।
গুরুজির দেয়া ত্রিশূলটাও ফেলে দিয়েছে
না... ওখানে যেও না
আমাদের জীবন বিপদের মুখে পড়বে!
আরেকদিন বলেছিলাম, এটা আমার স্বপ্নে এসেছিলো
কেউ আমাকে বিশ্বাস করেনি
অন্তত তুমি তো স্বপ্নে দেখেছিলে!
আমি এটা স্বশরীরেই দেখেছি
তুমিও দেখেছো তাহলে, আমি তোমার আগে দেখেছি ফ্রীজের কাছে ছিলো
- ওটা আপনাকে ভয় দেখিয়েছিলো? - একদম পেটাবো কিন্তু।
আরে, তোমরা কি একটু চুপ করবে?
- দুঃখিত, বাবা - যথেষ্ট হয়েছে
ঠিক আছে, চলো ফিরে নাই
ভয় পেও না, সাহসী হও।
- কেদোঁ না - চলো, এ জায়গা ছেড়ে চলে যাই
ও ঠিক বলেছে, আমাদের ওই বাড়িতে আর ঢোকা উচিৎ হবেনা।
এক "আঘরী"- কে চিনি, গতকাল মন্দিরে দেখা হয়েছিলো
চলো, এখনি মন্দিরে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করি।
ঠিক আছে. কিন্তু রাঘব কোথায়?
সে আমাদের দিকে দৌঁড়িয়ে আসছে, ভয়ে একদম শুকিয়ে গেছে!
যেই ঝড়ের গতিতে সে আসছে, এসেই আমাদের একজনের কোলে উঠবে
তোমাদের কারো কোলে উঠতে দিবে না, সবাই বসে পরো
যা বলেছো তাই করছি
তোমরা সবাই শুয়ে আছো, যাতে তোমাদের কোলে না উঠতে পারি, তাই না?
- তুমি কি দেখছো? - দাঁড়াও, তোমাদের দেখাচ্ছি!
- তাহলে বলতো... - কি?
- আমি সাধারণতঃ কারো কোলে উঠি, তাই না? - হ্যাঁ
তোমরা সবাই মাটিতে শুয়ে থাকলে, আমি কিভাবে কোলে উঠবো?
তোমার দাদু আমাদের "আঘরি" সাধুবাবার কাছে নিয়ে যাবে
তার কোলে উঠে বসো!
সে কেমন দেখতে, মা?
মাত্রই পাউডার দিয়ে সাজানো ক্যারাম বোর্ডের মতো ছিমছাম আর পরিপাটি,
- তোমার মতো, তাই না? - চুপ থাক তো
আপনি চুপ থাকেন
আরে, সোনা! আমি খুব ভয় পাচ্ছি।
এই ফালতু সময়ে সে আমাদের এখানে কেনো আনলো?
- কেনো... ভূত! - আরে, না!
- আগে আমি যাচ্ছি, আমার পেছনে তোমরা আসো - আর কে যাবে? আপনিই যান
দাদু, তুমি আমাদের এখানে এনেছো, তুমি উনাকে জাগাও
সাধুবাবা?
নমস্কার, সাধুবাবা!
- কি চাও? - আমাদেরকে আপনার ক্ষমতা দেখান, বাবা
মনে হচ্ছে আমি চম্পট দিয়েছি! আমি তোমাদের সাথেই যাবো
তার সহকারী -কে দেখেই ভয় লাগছে! না জানি তার ক্ষমতা কতোই ভয়ানক!
সাধুবাবা?
সাবধান, সাধুবাবা...
- ত্রিশূল কোথায়? - এই যে ত্রিশূল
কোথায় গেলো? ওহ! এইযে, এইযে নিন!
- শুধু মুরুব্বীরা এগিয়ে আসুন - সে শুধু তোমাদেরই ডাকছে, যাও
শুধু বাবার যাওয়া দরকার, আমি কেনো যাবো?
ওভাবে কেনো তাকিয়ে আছো, যাও
নমস্কার, সাধুবাবা!
আপনার বড় ছেলে কি এখানে আছে?
- মটকো ফেঁসে গেছে - এবার যাও
আসো, সোনা
- পুত্র বধূ? - শালী?
সে তোমাকেও ডাকছে, আসো!
একদম হাতে নাতে ধরা খেয়ে গেলাম
সব বাচ্চারা পেছনে যাও
যে ত্রিশূল আপনি দিয়েছিলেন, ভূত ওটা তুলে দূরে ফেলে দিয়েছে, সাধুবাবা
বুঝতে পারছি না বাড়িতে এসব কী হচ্ছে
- এই যে - আমাদের বাড়ির কিছু একটা হয়েছে, সাধুবাবা
অনেক ধরনের অশুভ শক্তি রয়েছে।
এদেরও বিভিন্ন জাত আছে?
প্রথম: ভূত
যারা তরুণ বয়সে তাদের ইচ্ছা পূরণ না করে হঠাৎ করেই মারা যায়।
দ্বিতীয়: অন্যদের উপর মন্দের প্রভাব
একটি পরিবারের সুখ নষ্ট করে দেবার জন্য তাদের উপর জাদু টোনা করে
পিশাচ
হায়, ভগবান!
তৃতীয়: যে প্রতিশোধ নিতে চায়
রক্ত খেকো!
আমার বুকের ব্যথা করছে
প্রথমত, আমি তোমাদের যা বলবো সেটা সাহস নিয়ে করতে হবে।
শুধু তখনই তোমাদের পরিবারের জন্য ভাল করতে পারবো
খুব ভালো, সাধুবাবা
আমি তোমাকে তিনটা শক্তিশালী পুতুল দিব
পুতুল?
এটাতো আরো ভয়ংকর লাগছে।
এটা নাও!
আমি আসছি!
এর উপর সিঁদুর ছিঁটাবে, পরে পূজা করে বাড়ির প্রবেশ পথে রেখে দিবে।
যদি কোন ভূত থেকে থাকে, তবে তার চিহ্ন তোমরা দেখতে পাবে।
যদি কিছু না দেখো...
এটা হচ্ছে পিশাচ!
একটা লেংটা পুতুল!
এটা নাও!
এই পিশাচওয়ালা পুতুলকে প্রথম তলায় রেখে দিবে
এর উপর তিনটি লেবু চিপে দিবে, এরপর "মুনেশ্বরাই নামাহা" কীর্তন বলতে থাকবে।
তারপরেও কিছু না দেখতে পেলে...
আমরা কি পুজো করা বাদ দেবো?
তোমরা তোমাদের জীবন হারাবে
তোমার পরিবার বিপদের মধ্যে পড়বে, যদি তোমরা দুটি পূজা করে তৃতীয়টা বাদ দাও
এটা দেখতে একদম আমার মায়ের মতো
- এটা নাও! - এটা দেখতে তো খুবই ভয়ংকর, সাধুবাবা!
বাতি জ্বালিয়ে এই রক্ত খেকো পুতুলকে বাড়ির মাঝখানে রাখবে,
ভগবানের কাছে প্রার্থনা করবে...
আর এই তিনটা পেড়েকের একটা দিয়ে, তোমার ছেলে
- ওকে! - এটা তার বাম পায়ের উপর লাগাবে।
- কি? - হ্যাঁ, তোমার জন্য!
আর আরেকটা পেড়েককে, অবশ্যই তার স্ত্রী-কে দিয়ে ডান পায়ে লাগাতে হবে।
এবং তৃতীয় পেড়েককে তুমি পুতুলের মাথার উপর লাগাবে।
মাথার উপর? আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছি, সাধুবাবা
শুনো, তোমার মাথার উপর না! পুতুলের মাথার উপর
- পুতুলের জন্য, তাই না? - তোমার মাথা ফাঁটিয়ে দিবো
যখন মাথাতে পেড়েকগুলো রাখবে, তোমার অবশ্যই ওটার চিহ্ন দেখতে পারবে।
আর দেখতে পারার সাথে সাথে পুতুলের মাথা ছিঁড়ে ফেলে ভেগে যাবে!
পুরো কাজ ঠিকঠাক মতো করে এখানে আসবে!
বেঁচে থাকলে তবেই না আমরা ফিরে আসবো, সাধুবাবা!
সে আমাদের চলে যেতে বলছে, মা
- তারা আমাদের কথা বলছে! - হ্যাঁ
এই কাজ শান্তিপূর্ণভাবে করতে হলে...
ওই জায়গা থেকে রাঘবকে বের করে দিতে হবে
এটা নিয়ে চিন্তা কোরো না
আমার বিয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আমন্ত্রণ দেবার অজুহাতে,
রাঘব আর আমার নাতিনাতনীদের সাথে নিয়ে যাবো।
- বিদায়, মা! সাবধানে থেকো! - ভ্রমণটা চমৎকার হোক
আজ রাতে আমরাই ধরা খাচ্ছি!
- সব কিছু সাজানো আছে, কামাতচি? - সবকিছুই জায়গা মতো আছে
আরে মরা, ঝাঁড়ু আর জুতা দিয়ে কি করবে তুমি?
ওই ঝাঁড়ু দিয়ে বাথরুম পরিস্কার করা হতো!
- কোনো সমস্যা নেই তো - কি গন্ধরে, মূর্খ
আমার ভাই রাঘবের বুদ্ধি এটা
যদি "ভূত" আসে, তাই আগেই থেকেই নিরাপত্তা
তার আগে জানতে হবে আসলেই ভূত আছে কি না, পূজা শুরু করো!
"ওম মুনেশ্বরাই নামাহা"
মা?
কেউ কি আছেন?
আমার একটা ঝাঁড়ু আর একটা জুতা আছে
কোন মৃত মানুষ থেকে থাকলে, দয়া করে কি সামনে আসবেন?
আরে, হতভাগা! এখানে আয়!
ও তো ভূতকে দাওয়াত দিচ্ছে আসার জন্য
এই অলুক্ষণে সময়ে আবার ঘোড়া ডাকছে কেনো?
ঘোড়া আসছে! ওটা ভেঙেচুরে এদিকেই আসছে!
- ভাগো! - বাঁচাও, মা
আমাকে যেতে দাও!
- তুমি ফিরে এসেছো? - জলদি করে আমাকে এখান থেকে নামাও
ঘোড়া তোমাকে অনেক জোরে মেরেছে, তাই না?
- নেমে আসো, বানর কোথাকার! - আমাকে বাঁচাও সোনা
ভূত চুপচাপ থাকলেও ওই ঘোড়া ছিলো না
যাই হোক, প্রথম পূজা করা শেষ
- পরেরটা? -পিচাশকে উপর তলায় নিতে হবে!
আমি ঘন্টার আওয়াজ পাচ্ছি!
সব প্রাণীরা এদিকেই ছুটে আসছে,
গরু, ছাগল!
ওগুলো এদিকেই আসছে, মা!
আরে, বোকার হদ্দ! তোর মাকে সাহায্য কর!
আসছি, মা
আমাকে বাঁচাও, সোনা
এতো উঁচুতে কিভাবে উঠলে তুমি?
ভয়ের চোটে উঠে গিয়েছি!
যেভাবে উঠেছো, ওভাবেই নেমে আসো
শুধু উপরে উঠতে জানি, নিচে নামতে তো জানি না!
- আমি তোমাকে ধরব, লাফ দাও! - আমাকে বাঁচাও
তোমার মাকে ধরো!
যেও না!
এক মিনিটও আমাদের এখানে থাকা যাবে না
ভয়ানক কিছু একটা বাড়িতে আছে, আমরা খালি চোখে দেখতে পাচ্ছি না
কিন্তু জন্তুরা খুব ভাল করে দেখতে পারে, একটাও এখানে না থেকে সবগুলো ভেগে গেছে!
শুধু আমরাই এখানে পরে আছি, চলো ভাগি!
আমাদের তিনটা পুজা-ই শেষ করতে হবে।
সাধুবাবা বলেছিলো, যদি অর্ধেক পথে থামিয়ে দেই আমাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে।
- তিনটা পেড়েক কি প্রস্তুত আছে? - আমার পকেটে সবগুলো নিরাপদেই আছে!
ভূতের বাচ্চা ভূত!
অন্য দুইটা পুতুলের চেয়ে এটা অনেক বেশি ভয়ের!
তোমার হাসি তার চেয়ে অনেক বেশি ভয়ের! এটাকে এখানে রাখো!
আমাকে পেড়েকটা দাও
তুমি আগে যাও!
ডান পা কোনটা? এইটা?
হায়, ভগবান!
আমি সত্যিই ভয় পাচ্ছি, মা!
তোমাকে অবশ্যই দ্বিতীয় পেড়েক রাখতে হবে, তারাতারি করো!
কাঁপাকাঁপি থামিয়ে সাহসী হও!
তারাতারি রাখো, গর্দভ কোথাকার!
আমি ওটা রেখেছি!
- এবার তুমি! - ও আমাকে ধাক্কা দিয়েছেরে!
ভয়ের চোটে আমি পেড়েক ফেলে দিয়েছি, ওটা হারিয়ে গেছে!
কি? পেড়েক হারিয়ে ফেলেছেন?
- তোমার অকর্মা মা আবার এই কাজটা করেছে - ওটা খুঁজো, মা!
- ওটা হারিয়ে গেছে! কোথায় যে গেলো? - ভালো করে খুঁজো
যদি ভূত আসে, তাহলে আমাদের সবাইকে মেরে ফেলবে তোমরাও খুঁজো!
ওটাকে খুঁজো!
শুধু চিৎকার করছে!
- ভূত এসে যেতে পারে! - পেড়েকটা খুঁজে বের করো
তাড়াতাড়ি খুঁজেন
তুমি আমার মাকে মারার সাহস করলে?
আমি তোমাকেও মারবো
- আসো! - তুমি আমার ছেলেকে মেরেছো!
আমি তোমাকে ছেড়ে দিবো না, দেখো, তোমার কি হাল করি!
ভূত চলে আসবে, মা
ওঠো! আমার কথা শোনো, মা
- চলে এসেছেরে! - মা!
পেড়েকটা খুঁজে বের করো!
আরে ধূর! পেড়েকটা কোথায় গেলো?
আমি পেয়েছি!
কিন্তু ভূততো চলে এসেছে!
আসো! ওটার মাথাটা ছিঁড়ে ফেলি!
এবার পালাও!
কাঞ্চনার খেলা শুরু
- সাধুবাবা! - আমাদের সাহায্য করেন, সাধুবাবা!
যেমনটা বলেছিলেন, তেমনই এক অদ্ভুত জন্তু আমাদের বাসায় আছে! প্লিজ, আমাদের বাঁচান!
- খুব কাছ থেকে ওটাকে দেখেছি - হ্যাঁ
আমার মাকে বাঁচান, সাধুবাবা
ওই ভূতের রক্ত খাওয়াকে আমার মা নকল করে দেখায়, ঠিক এভাবে!
হাই, সাধুবাবা! কেমন আছেন?
- এসব থামাও! - ওহ, ভগবান
ওই ভূত আমাকে মারার পর আমার শরীরের সব অঙ্গ বেঁহুশ হয়ে গিয়েছে!
মনে হয়, আমার সহ্য ক্ষমতা ফিরে আসতে কয়েক বছর লাগবে
- চলুন, সাধুবাবা! আমাদের বাসায় চলুন! - চলো যাই
একসাথে চলো
আমার যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে! আপনি যান! দয়া করে, আমার সমস্যা সমাধান করুন
আমার এই বাড়িটা দরকার, সাধুবাবা
তুই কে রে?
তুই এখানে কেনো এসেছিস?
তুই কী চাস?
আবহাওয়া আবারও পাল্টে গেছে!
আমার কথা শোন!
- যেতে দাও! - উঠো
ঘর পরিষ্কার করে সুখে শান্তিতে থাকো!
- সবকিছু শেষ হয়ে গেছে! - সবকিছু চলে গেছে, সাধুবাবা?
- কথা দিন? - আমি কথা দিলাম
- আমাকে আশীর্বাদ করুন! - ওর সবার কাছ থেকে আশীর্বাদ প্রয়োজন
গাড়িতে উঠুন, সাধুবাবা।
এর দরকার নেই।
ওটা কেমন হবে?
এখন পুরো বাড়িতে রং করে এর চেহারাই পাল্টে দিবো।
- আমরা ওকে দেখে নিবো - সব খারাপ আত্মা চলে গিয়েছে
- হাই মা! - স্বাগতম!
- সবাইকে নিয়ে অনেক মজা করেছিস, তাই না? - তুমি বাজি ধরতে পারো!
আমার প্রশ্ন শেষ করার আগেই কোথায় দৌড় দিচ্ছিস?
যাই হোক, তোমাকে বেশ ভীত দেখাচ্ছে!
- দাদা এখনও আসেনি? - ৬০ তম বার্ষিকীর জন্য মাত্র ছয় দিন আছে!
- তারা সবাইকে আমন্ত্রণ করছে! - ওহ, কাকা
বুড়ো মানুষটাকে রেখে তুমি কেনো ফিরে এলে?
আমি তোমাকে এটাই জানাতে এসেছি।
তাদের ওদের খেয়াল রাখো, আমি এদিকটা সামলাচ্ছি।
আমার দুই ভাগ্নি এখানে, কাভিয়া কোথায়?
মনে হচ্ছে ডানাকাটা পরীর মত একেবারে! ওই তো সে!
এসব কি?
এর নাম "ববকাটিং"।
- কি কাটিং? - "ববকাটিং"!
এটা কি ধরনের চুল কাটা?
- এটাই এখন চলছে! - কি চলছে?
- এটাই এখন চলছে! - কি চলছে?
সে বলছে "এটাই এখন চলছে" কেনো বুঝতে পারছো না?
- আমার ঘাড়ের কাছে এসে কথা বলছিস কেনো? - দাঁড়ান, দাঁড়ান
বাড়ির সব সমস্যার কি সমাধান হয়েছে?
- ভালো প্রশ্ন! - শুধু তাহলেই আমি ভিতরে যাবো।
- এই বাড়ির সব সমস্যা শেষ! - ভগবানকে ধন্যবাদ
এখন আমরা শুখু শান্তিতে থাকতে পারবো
- নিজেকে মনে হয় মাইকেল জ্যাকসন ভাবছো, তাই না? - ভিতরে যাও
- যেতে থাকো - মা!
মনে হচ্ছে যেনো বৃষ্টি হবে।
শুকানোর জন্য জামাকাপড় বাইরে নেঁড়ে দিয়েছিলাম
আমার ভয় করছে! সোনা...
"কোকিলা! আমরা কি কিছু করবো?"
ঘুমাও, হারামজাদা!
তাহলে আমাকে একাই যেতে হবে? এই মেয়েকে নিয়ে আমি ধন্য!
যা, নিচে পড়ে গেল?
ওখানে কিছু একটা দাঁড়িয়ে আছে!
কিছুই নেই, আমি ওটা কল্পনা করেছি!
আমার স্বামী খুব আদর করে আমার জন্মদিনের ওই শাড়ি দিয়েছিলো।
এটাকে ফেলে দেয়া যাবে না, গিয়ে আনতেই হবে।
কীসের শব্দ ওটা?
"আঘরি" দাবি করেছে, ভূত বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে! সে কি তাহলে মিথ্যা বলেছে?
মুরব্বিরা মিথ্যা বলে না! চোখে ভুল দেখেছি!
ওরে নারে, সোনা রে!
ভূত বাসা ছাড়েনি! ভূত বাসা ছাড়েনি!
- আরে! - ভূত বাসা ছাড়েনি
- বাসা ছাড়েনি? - ভূত বাসা ছাড়েনি
- কি ছেঁড়ে যায়নি? - বের হয়ে যা
বের হয়ে যা?
ভূত আমাদের বাড়ি ছেড়ে যায়নি
তুমি কি আমাকে শান্তিতে ঘুমাতে দেবে না?
- ওই যে ভূত! - ওটাতো আমাদের মেয়ে!
- না, এটা ভূত! - তোমার চিল্লাচিল্লিতে সে ওখানে লুকিয়ে আছে।
- ঘুরে দাঁড়াও! - তুমি এর জন্য পস্তাবে!
- ভূত বাসা ছাড়েনি! - আমাদের মেয়ে হারিয়ে গেছে
- মা, আমি এখানে - ভগবানকে ধন্যবাদ, এদিক আয়!
যখন বলেছিলাম তখন সে আমাকে বিশ্বাস করেনি এখন তার অবস্থা দেখ।
কষে একটা চড় মেরে এখানে নিয়ে আয়।
ঘুমাতে যাও, বাবা।
সরি
- শাড়িটা এখানে পড়ে গিয়েছিলো! - এখানে?
এখানে ওটা আমার হাত ধরেছিলো।
- তোমার হাত ধরেছিলো? - হ্যাঁ।
আমরা কি বাস্তবে দেখেছি? নাকি ভুলভাল দেখেছি, যেমনটা আমাদের বাচ্চারা করে?
আমার একই সন্দেহ হচ্ছে।
দেখা যাক আজ রাতে কী হয়, তার উপর ভিত্তি করে আমরা বুঝতে পারবো।
আমাকে আর কতোদিন অপেক্ষা করতে হবে? আমি আমার স্বপ্নকে সত্যি করবো।
বদের হাড্ডি!
- কি? - এক তরুণী তোমার সাথে মজা করার জন্য ডাকছে!
- কি? - আসো।
- মা... - ভাগ্য ভালো হোক! চালিয়ে যা!
ওহ, ভগবান! কি হয়েছে?
- তোমার সাথে একা কথা বলা দরকার! - ঠিক আছে
- আমি তোমার সাথে একা কথা বলতে চাই! - তাহলে তো দারুণ!
এখনি চলো, তাড়াতাড়ি।
- তুমি আমাকে ভালোবাসো, তাই না? - আরে!
যদি অন্য দুই মেয়ে বুঝতে পারে, তারা তোমাকে মেরে ফেলবে!
ওসব আমি সামলে নিবো, তুমি কি আমাকে ভালোবাসো নাকি না?
আমি তিন মেয়েকেই সমান তালে চালাতে চাইছি, তোমাকে বলব না।
এভাবে প্রশ্ন করলে উত্তর দেবে না, তাই না?
এমন কষে একটা চুমু দেবো, যে তরতর করে সব বলে দিবে
কষে চুমু দিবে? মজা করছো না?
- আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না, তাই না? - না, বিশ্বাস হচ্ছে না
তাহলে দেখো...
আমি আমার স্বপ্নকে বাস্তব করেছি!
তুমি আমাকে একা রেখে চলে গেলে?
হায়, ভগবান!
আমি তাকে বিশ্বাস করলাম, আর সে আমাকে একা ছেড়ে চলে গেলো! ও, ভগবান!
আমার হাত ছেড়ে দাও!
ছেড়ে দাও, বলছি!
ছাড়ো!
গিয়ে ঘুমাও!
ওরে, বাপরে! এখানে কেউ নেই! প্রিয়া...
ধূর ছাই! যে ভয় পেয়েছিলাম সেটাই আমার সাথে হচ্ছে!
প্রিয়া যদি না আসে, তাহলে কে এসেছিলো?
তাহলে কে আমাকে চুমু দিলো?
ভূতে?
আমার বারোটা বেঁজে গেছে!
বানর!
বাবা! যদি কখনো ভয় পাস, জোরে গান গাবি, তাহলে ভয় দূর হয়ে যাবে।
থেমে যা, ঝুড়ি! নাটক বন্ধ কর!
অন্তত তুইতো এটা বন্ধ করতে বল।
আমি তোকে বাঁচতে দেবো না!
এত কিছু কেনার পরেও তোমার শেষ হয়নি? আমি গিয়ে বসলাম!
- এই লিপস্টিকটা দারুণ, তাই না? - হ্যাঁ, এটা চমৎকার!
তুই তো দেখছিসই না।
- সবসময় ব্যস্ততা দেখানো! - অবশ্যই আমি ব্যস্ত।
সবকিছুকেই তোর খেলা মনে হয়
- এই শেডটা কেমন? - চমৎকার!
তুই কি একটু দেখে বলবি?
দূর হ, হতচ্ছাড়া!
- এই লিপস্টিকটা সুন্দর না? - হ্যাঁ, এটা অসাধারন!
- দেখে তারপর বল! - কেনো তোর দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে?
আমি শুধু তোর জন্য লিপস্টিক দিচ্ছি।
তাই নাকি, জানু?
আমি সবকিছু দেখে কিনেছিলাম।
ওটা যে কোথায় গেলো?
আমার লিপস্টিক আর কানের দুল খুঁজে পাচ্ছিনা।
আমার চোখের কাজল আর চুড়িও খুঁজে পাচ্ছিনা।
তোর ব্যাগ খুঁজে দেখি।
আমি আমার হিল জুতাও খুঁজছি,
মনে হচ্ছে কোনো মেয়ে কাঁদছে!
হ্যাঁ!
আবারও শুরু হয়েছেরে?
এই পথে যাস না! এখানেই থাক।
ওখানে দেখ।
ও আমার হাই হিল জুতা পরে হাঁটছে!
সে তার চোখে মাস্কারা দিচ্ছে!
হ্যাঁ, ও দিচ্ছে তো।
এখন আবার লিপস্টিক দিচ্ছে!
আমরা কি এখান থেকে তাকে ডাকবো?
রাঘব তো লাফ দিয়ে দিলো!
আমাকে বিরক্ত করবে না।
ফুফি!
আরে মা! ঘুমানোর সময়ও তোরা আমাকে বিরক্ত করছিস!
- তার এবং তার বাজে ইংরেজি বলা! - হ্যাঁ, একটা মূর্খ
- মূর্খ বলছো? - রাঘভ আমার লিপস্টিক নিচ্ছে।
সে আমার হাই হিল জুতো পরে হেঁটে বেড়াচ্ছে
আমার কাজল তার চোখে দিয়ে আমাদের ভয় দেখাচ্ছ।
চোখে দিয়ে না কঁচু করেছে! আমার ছেলে ওটা করেছে, তাই না?
- হ্যাঁ - তোরা তিনজনই চুপচাপ ভিতরে আয়।
চল যাই!
সে ওখানে শুয়ে আছে।
কম্বল সরিয়ে তোরা নিজের চোখেই দেখে নে।
- আমি পারব না! তুই সরা - আমিও পারবো না
তারা কাউকে মারছে! ছুরি দিয়ে মারছে!
রক্ত একেবারে ছড়িয়ে পড়ছে।
সে মারা গেছে! শুভরাত্রি...
ধূর ছাই, দেখো তুমি কিভাবে বসে আছো!
পা একসাথে কর।
ও নিজেই তো দুঃস্বপ্ন দেখে ভয় পাচ্ছে।
আর তুমি বলছো, সে লিপস্টিক লাগিয়ে তোমাদের ভয় দেখিয়েছে?
তোদের প্রেম বা আরো কিছু করতে মন চাইলে সকালে আছিস, এখন এখন থেকে যা।
সে ওখানে আমাদের ভয় দেখিয়ে এখানে শান্তিতে ঘুমাচ্ছে।
এটা বাস্তব নাকি স্বপ্ন, তাও বলতে পারবো না
যাই হোক না কেন, সকালে উঠে আলোচনা করব! ঠিক আছে?
বলেছিলে তো ৯:৩০টায় আসবে, আর ১১ টার সময় আসার সময় হলো!
জানো না ১টার সময় আমার আরেকটা কাজ আছে?
- দুঃখিত, আমার দেরী হয়েছে! - সব আমার কপাল।
আমি এতোবার ফোন করেছি, একবারের জন্যেও উত্তর দিতে পারলে না?
এই শালার জিনিসটাই,
আসতে দেরী করিয়েছে।
ঠিক আছে!
আমরা কোন হোটেলে যাচ্ছি?
আরও সরে বসো।
মনে হচ্ছে তুমিই আমাকে ওটার জন্য এনেছো।
তুমি ওখানে কিভাবে গেলে?
মজা করা বন্ধ করো।
চাবিটা দাও।
শংকর!
কোয়েম্বাটুর তো শংকরের এলাকা।
মন্ত্রীর সঙ্গে তার উঠাবশার কথা জানার পরেও, সে তাকে খুন করেছে!
- এই সাহস কার? - একদিন সময় দিন, ওকে ধরে আনছি।
যদি না আনো, আমি তোমাকে খুন করবো।
"শুদ্ধ ও সুস্থ..." আমাকে ধরো।
"আর ষোলো বছরের মেয়ে", এমন প্রেমিকাই তো চাই!
- সোনা... - মেয়ে ঘুমিয়ে আছে, আমি তৈরি।
আরে ধূর! ওসব না।
- এখন পর্যন্ত আজ রাতে কিছুই হয়নি! - কিভাবে সম্ভব হলো?
- তুমি তো রোজ রাতে ঘুমিয়ে পরো! - চুপ করে ঘুমাও।
সবসময় শুধু ভাব!
- আরে, আমি আমি! - কি হয়েছে?
আমার একটা সন্দেহ হচ্ছে, ভাবী
- তাই বলে এখন? - হ্যাঁ!
ভূত এখনও এই বাড়ি ছেড়ে যায়নি।
কেউ আসছে আর যাচ্ছে, যাচ্ছে আর আসছে।
- দুটো একই জিনিস! - সত্যিই?
আমাদের একই সমস্যা হয়েছে।
- আমরা সেটা নিয়েই কথা বলছিলাম! - সত্যিই?
আমার সামনেও একটা ভূত পড়েছিলো।
ওহ, থামো! ঠিক আছে! আমি আছি না!
যদি কিছু আসে, আমি ওটা সামলে নিবো।
আমরা এখন কি করবো, ভাবী?
- আমরা কি ওই "আঘরি"র- কাছে আবার যাবো? - মূর্খ
ঐ লোক কিছুই পারেনা! আমি আরও ক্ষমতাবান "আঘরি"কে চিনি।
- আমি তোকে তার কাছে নিয়ে যাবো! - সত্যিই? ঠিক আছে!
তুই "আঘরি"র কাছে যাবি, তাই না? সাহস থাকলে যা তো?
আমি তোদের বিরক্ত করি না! তোরা কেনো বিরক্ত করিস? আর যাবি?
আমি যাবো না।
ভাবী...
ভাইয়া বলেছে আমাকে "আঘরি"র কাছে নিয়ে যাবে, কিন্তু এভাবে বসে বসে কিভাবে নিয়ে যাবে!
- আমার জানা আছে - ওহ, তাই?
জানিস, তাই না?
তোরা আমাকে বিরক্ত করছিস!
ওকে মারবে না?
তোর ভাগ্য ভালো!
আমাকে কি কিছু খাবার দিতে পারবি?
আমরা কেউ খাইনি।
আমাকে কিছু খাবার দে!
আমাকে কি কিছু খাবার দিতে পারবি?
- আমি তোমাকে বিরিয়ানি দিচ্ছি! - ঠিক আছে।
আমাদের কেউ খায়নি, সবার ক্ষুদা লেগেছে!
পরে দেখা হবে, ভাই।
দেখা হবে, ভাবী।
এখানে কিছুই হয়নি!
কাউকে কিছু বলার দরকার নেই, চুপচাপ ঘুমিয়ে পরো।
ময়দাও ঠিকমতো ঢালতে পারিস না?
আমি তো ঢালছি, দেখেন হয়েছে কিনা?
মামি!
- হায়, ভগবান! - আমার মেয়ে।
তোরা চুপ কর!
ময়দা ঢালার সময় মহিলার পা টানাটানি করলে, ময়দা তো পরবেই, এখন আবার হাসছিস?
- বসো, মামি! - সরি
- কি হয়েছে সেটা বল? - তোমাকে একটা জরুরী জিনিস বলতে এসেছি!
কিন্তু তুমি ভয় পেয়ে ময়দা ফেলে দিলে!
জরুরী জিনিসটা কি?
ভূত এখনো এই বাড়ি ছেড়ে যায়নি!
ওটা এখন তোমার ছেলেকে ধরেছে!
- কি? - ধৈর্য্য ধরে কথা শোনো, পরে যা করার করো।
প্রথম, সে আমার কাজল নেয়, পরে সে প্রিয়ার লিপস্টিক নেয়!
তারপর হিল জুতা পরে হনহন করে হাঁটতে থাকে।
ধূর, কি বলছো তার মাথামুন্ডু কিছুই বুঝছি না।
আমার তো এখন ভয় করছে!
তার ভিতরে একজন মহিলা আছে!
এখন আমরা গিয়ে তার সাথে জড়াজড়ি করবো।
তাহলে তার নিজের রূপ দেখতে পারবো।
আজ যদি তাকে আমরা শক্ত করে জড়িয়ে ধরি, সে নিজের রূপে চলে আসবে।
- কি বললি? - আমরা তাকে জড়িয়ে ধরার ভান করবো, মামী
শুধু তখনই সত্যিটা বেরিয়ে আসবে।
- মা, ওরা যা বলছে তার সবই সত্যি - হ্যাঁ, মা
আগের থেকে ও অনেক পাল্টে গেছে
তার কাছে চড় থাপ্পড় খেয়েই সেটা বুঝেছি।
আপনি ঘাবড়ে যাবেন বলে, আপনাকে বলতে চাইনি
- সত্যিই? - হ্যাঁ!
আমার খুব ভয় করছে!
রাঘবকে নিয়ে তোরা যাই বলিস, আমি বিশ্বাস করবো না।
কিন্তু, তোরা সবাই যেহেতু বলছিস, তাই বিশ্বাস করলাম।
ধন্যবাদ, ফুফি!
যেমনটা বলেছিলাম, দেখ ও এখনই আসবে!
আমরা তার চারপাশে বসে প্রেমের ভান করবো।
- সে অবশ্যই দেখা দিবে! - হায়, ভগবান!
তার আগে তোমরা সবাই গিয়ে লুকিয়ে পরো!
এতে কি কাজ হবে? আমার খুব ভয় করছেরে!
- আমারও ভয় করছে! - যাও, লুকাও!
- আমি কোথায় লুকাবো? - আশেপাশে লুকাও।
আসো, মা!
কে জানে কী যে হবে!
সে আমাদের দেখে ফেলবে!
তোর সাথে জরুরী একটা কথা আছে, একটু এদিক আসতে পারবি?
- আমি নিজেও একটা জরুরী কাজে যাচ্ছি! - শুনতে পাচ্ছিস না তোকে ডাকছি, এদিক আয়!
- বস এখানে! - বললো তো ওর যেতে হবে, তাই না? ওকে যেতে দে।
তেমন কিছু নয়, রাঘব। আমাদের তিনজনে...
আমরা কি তোর সাথে আসতে পারি?
তোরা ওখানে যেতে পারবি না, ওরা আমাকে খুবই বিরক্ত করছে।
আমার দিকে তাকা! আমার চোখের দিকে তাকা!
তোর সব রাগ গায়েব হয়ে যাবে।
শুধু দেখ!
যেতে দে বলছি! এসবের কোনো মানে নেই!
এর জন্য আমাকে কতদিন অপেক্ষা করতে হবে?
বললাম তো, আমাকে যেতে দে আমাকে ছুঁবি না!
আমার সাথে মজা করছিস, আমাকে যেতে দে।
তুই কোথায় যাচ্ছিস?
- আমাকে যেতে দে বলছি! - যেতে দিবো না!
যেতে দে, বলছি!
- আমরা তোকে যেতে দেবো না! - আমাকে যেতে দে।
তোরা তিনজন ষড়যন্ত্র করে আমাকে বের করে আনলি, তাই না?
কিসের দিকে তাকিয়ে আছিস?
তোদের প্রেমিকাকে জড়িয়ে ধরলে, তোরা কি রেগে যাবি না?
আমার মধ্যেও আমার প্রেমিকা আছে!
তোমরা তিনজন মিলে একজনকে জড়িয়ে ধরছিস! কী রকম মেয়ে তোরা!
শুনে রাখ!
তোরা এক হাজার বার কথা বলতে পারিস, প্রেম করতে, জড়িয়ে ধরতে, চুমু দিতে পারিস
সে তোদের আটা ময়দা রূপের প্রেমে পড়বে না।
সে শুধু আমার সৌন্দর্যের প্রেমে পড়েছে।
বুঝেছিস?
আমার রূপের সামনে, তোরা তিনজন কুৎসিত ডাইনি।
তোরা মনে হয় ভয় পেয়েছিস, আমি নরম সুরে বলছি।
তোরা ইংরেজী জানিস?
আমি কালির প্রেমে পড়েছি
ওকে ধরার এতো সাহস কোথায় পেলি?
বুঝতে পেরেছিস তোরা?
কালি কে?
তুমি এসব কেনো করছো?
এসব কি হচ্ছে এখানে?
আমার সাথে আসো, আমার ভালবাসার প্রতিদ্বন্দ্বীরা...
তোদের বলার মতো সময় আমার নেই, আমার অনেক জরুরী কাজ আছে।
তারাতারি গিয়ে ঘুমিয়ে পড়! শুভরাত্রি!
যখন বলেছিলাম তখন বিশ্বাস করোনি, এখন নিজের চোখে দেখলে তো!
এসে ওকে জিজ্ঞেস করো।
তুই কেনো মেয়েদের মতো কথা আর নাটক করছিস?
এসব কি?
মা তোকে কিছু জিজ্ঞেস করছে, ভাই! তার উত্তর দে!
চুপ করে দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? তার উত্তর দে!
এই ছেলেটা এত মজা করতে পারে!
কি হলো? "পানি" (শূকর)
ও আমার ভেঙ্গাচ্ছে, মা!
তাহলে তুমি এটা জানো, তাই না?
তো, তোমরা সবাই জানো, তাই না?
ওরে, বাপরে!
কিছু মনে কোরো না।
পেয়েছি! এই কণ্ঠ আগেও কোথাও শুনেছি।
- কি করছিস তুই? - সরে যা, মটকো!
তুই অনেক বাড়াবাড়ি করছিস!
আমার অন্য রূপ দেখাতে বাধ্য করিস না।
"অন্য রূপ"?
কিসের রূপ, দেখা আমাকে!
তুমি কেনো ভূতকে থাপ্পড় মারলে?
আমি নিজেও জানি না, কেনো মেরেছি!
তার আসল রূপ পুরো দেখানোর পরেও, কিভাবে তাকে চড় মারলে?
ভয় থেকে মেরেছি, সোনা
পেছনে যাও, মা।
পেছনে যাও।
অবিশ্বাস্য ভয়ংকর রূপ, ভগবানের দোহাই দিয়ে বলছি।
কালি...
বেরিয়ে আসো।
সে অন্য কাউকে ডাকছে।
আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য সে অন্য কাউকে ডাকছে!
আমি শুনেছি, মাম।
কী হলো, রোজি?
ওরে, বাপরে! আমি তো অন্য কণ্ঠ শুনছি!
আমিও শুনতে পাচ্ছি।
এতো আগের জনের থেকেও ভয়ংকর! ভগবানের দোহাই দিয়ে বলছি!
- হ্যাঁ? - রোজিকে কে মেরেছে?
আমরা মারিনি, স্যার!
সোফায় পিছনে লুকানো মহিলা তাকে মেরেছে!
- সে তোমার সর্বনাশ করেছে! - আমাদের ক্ষমা করো!
আপনি তো বয়ষ্ক! মরে গেলেও সমস্যা নেই।
আমরা এখনো বয়সে ছোট!
- সে এমনিতেই চুপ করবে না! - দয়া করে আমাদের ক্ষমা করো।
- ওকে কেনো তুমি বিয়ে করতে বলেছিলে? - ওকে তালাক দাও।
আমি এখনই তালাক দিচ্ছি।
সে আমাদের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে।
দয়া কর, আর মারিস না।
আমি তোর মা! প্লিজ থাম!
আমার মায়ের পিঠে ব্যাথা আছে!
তোমার ভাই কি তোমার বন্ধু না?
ষড়যন্ত্র করে রোজিকে মেরেছিস, তাই না?
মাঝখানের ওই মহিলা মেরেছে, আমি না! ওই যে ওই ধুমশি!
এখানে আয়!
এখনি এখানে আয়!
আমি আসছি, ভাই!
অবিশ্বাস্য ভয়ংকর রূপ, ভগবানের দোহাই দিয়ে বলছি।
অবিশ্বাস্য ভয়ংকর রূপ, ভগবানের দোহাই দিয়ে বলছি।
কাকে তুই "অবিশ্বাস্য ভয়ংকর রূপ" বলছিস?
আমার চেহারা জঘন্য।
ভগবান!
এরপর তুই!
ছোট মেয়ে, তাই না? যা...
ধন্যবাদ, ভাই!
মনে করিস না হাসিয়ে আমাকে ধোঁকা দিবি, এদিক আয়!
অনেক বছর ধরে ভূতের মার খেয়েছি! উৎসবের জন্য আলাদা কিছু কি আছে?
- নিজের ইচ্ছায় মার খেতে এসেছিস, তাই না? - ঠিক আছে
তুই আবার ওখানে কি করছিস? এদিক আয়!
আমি কি তোকে নাঁচার জন্য ডেকেছি?
আমার হাত-পা একা একাই নড়ছে।
তুই কি দয়া করে এসব বন্ধ করবি?
ওখানে যা, হতচ্ছাড়া মেয়ে!
ভূত কে? তুই নাকি আমি?
তুমি!
- তুমি! - আমি, তাই না?
ঘুরে দাঁড়া!
- ঘুরলেই তুমি আমাকে মারবে! - না ঘুরলেও তোকে আমি মারবো।
ওই মহিলা ওখানে কেনো ঘোরাঘুরি করছে?
দয়া করে, মারিস না।
- আমি তোর মা। - এখানে আসো।
- এইযে আমি এখানে, স্যার! - উঠে পর! বলেছিলাম না এসব নাটক বাদ দিতে!
- আমি কষ্ট সহ্য করতে পারছি না! আমি চলে যাবো! - চলে যা!
তোদের তিনজন যদি আবার কখনো। আমাকে জড়িয়ে ধরিস বা প্রেমের ভাব করিস...
আমি তোদের পুরো বংশ ধ্বংস করে দিবো!
আমি তোদের পরিবারকে বিরক্ত করবো না! তোরা আমাকে বিরক্ত করবি না!
তাছাড়া, আমি মারা গেছি বলে খুবই বিরক্ত।
আমি একটা জরুরী কাজে বাইরে যাচ্ছি! আমার জন্য বিরিয়ানি রাঁধ!
আমাদের পরিবারে করুণ অবস্থা দেখো!
আমার কি করা উচিত?
বাড়ি এতো চুপচাপ কেনো? রাঘব কি নেই?
এখানে এসব কি হচ্ছে?
কি হয়েছে দেখুন, বাবা!
- ওহ, ভগবান! - একমাত্র রাঘবই এমন কাজ করতে পারে।
ওই সাধুবাবা আমার সাথে প্রতারণা করেছে, বাবা!
ও ভগবান, তোমাকে তো শেষ করে দিয়েছে।
ওটা নয়, বাবা! সে বাড়ি থেকে ভূত দূর করার জন্য কসম খেয়েছিলো।
- হ্যাঁ, সে কসম করেছিলো। - কিন্তু, ভূত তো যায়নি।
রাঘবকে দুই দুইটা ভূত ধরেছে।
- তারা দুজনেই এসে আমাদের এই হাল করেছে.. - এটা দেখুন!
- ওই সাধুবাবাকে এখানে ধরে আনো। - ঠিক আছে, তাকে ফোন করছি।
- ওই বালটিতাকে সরাও। - সরা এখান থেকে।
আমাকে ধরে রাখো!
হ্যালো? দ্রুত আসুন, সাধুবাবা!
- স্বাগতম, সাধুবাবা! - দিন শুভ হোক!
প্রেতাত্মা দূর করার নামে আমার কাছে মিথ্যা বলেছেন, তাই না?
অবশ্যই! আর সেটা আমি ভালোর জন্য করেছিলাম!
সেদিন ভূত দূর করার জন্য এসেছিলাম,
সে কে জিজ্ঞেস করার পর তার পুরো গল্প আমাকে বলেছে...
আর সেটা শোনার পর, তাকে দূর করতে মন চায়নি।
তার সাথে হওয়া অবিচারের কথা তোমাদেরকে বলছি.
তার নাম হলো কালি!
মন্ত্রী সংকর বলছি।
- স্যার - কালি কে গ্রেফতার করেছো।
আমরা আজই তাকে ধরবো।
সে অনেক লোককে খুন করেছে
সে আমার ভাইকেও মেরেছে
তাকে এখনও কেনো গ্রেফতার করোনি?
গ্রেফতার করেই আপনাকে ফোন করছি, স্যার
সরে দাঁড়াও, স্যার আসছে
উত্তর দে, তাড়াতাড়ি বল
- ওরা কালির ব্যাপারে কিছু বলেছে? - না! তাদেরকে খুব মারার পরেও বলেনি!
যাই হোক কেনো, তাকে ধরিয়ে দিবো না, কোনো রাজনৈতিক নেতা আপনাকে এসব করতে পাঠিয়েছে?
তারা আপনাকে কতো টাকা ঘুষ দিয়েছে?
পুলিশের বিপক্ষে কথা বলার এতো সাহস?
- অশিক্ষিত কুকুর! - কি বললেন? অশিক্ষিত কুকুর?
অবাক হচ্ছেন যে বস্তির এক লোক এভাবে নিখুঁত ইংরেজিতে কিভাবে কথা বলে?
একটা বাচ্চাকে শিক্ষিত করতে আমরা কতো কষ্ট করি?
মিঃ কালি আমাদের মতো লোকেদের শিক্ষার ব্যবস্থা করেছেন।
নিজে ভালো করে পড়ালেখা না করলেও, তার আশেপাশের লোকের জন্য ঠিকই কষ্ট করেছেন।
যাই হোক না, আপনি কালিকে কখনোই ধরতে পারবেন না।
আমি তাকে ধরতে পারবো না, তাই না?
মিঃ কালি কোনো সাধারণ মানুষ নয়।
উনি আমাদের মতো এতিমদের ভাই।
নির্যাতন করা ছাড়া জিজ্ঞেস করেন,
ওরা নিয়মের কথা বলছে, না?
একটাকে গুলি করে দাও, তাহলে ঠিকই ভয় পাবে।
আপনি শুধু জানেন কিভাবে জীবন নিতে হয়!
মিঃ কালি জানে কিভাবে জীবন দিতে হয়!
- কি? - এই যে আমার ভাই!
ওর হৃদয়ে একটা ফুঁটো ছিলো, সবাই বলেছিলো ওকে বাঁচানো যাবে না!
বলেছিলো, এতে অনেক খরচ হবে!
আমার ভাইকে বাঁচানোর জন্য প্রতিটা ঘরের দরজায় ভিক্ষা করতে গিয়েছি,
কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি!
কিন্তু মিঃ কালি সাহায্য করতে এসেছিলো!
সে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমার ভাইকে বাঁচিয়েছে!
যতদিন আমাদের মতো মানুষ থাকবে, আপনি তাকে ধরতেও পারবেন না।
আমাকে গায়ে হাত দিন, স্যার! হাত দিন!
আমার একটা হাত নেই, স্যার! মিঃ কালিকে আমি বিশ্বাস করি!
সবকিছু ভেবে দেখেন!
কিছুদিন আগে, আমাদের কেউ সম্মান দেখাতো না!
কিন্তু এখন, আমরা মঞ্চে নাঁচলে সবাই বাঁশি বাজায়!
আপনি জানেন, এসব কার জন্য সম্ভব হয়েছে? মিঃ কালির জন্য!
আমার একটা পা নেই, স্যার! মিঃ কালি আমাকে নতুন জীবন দিয়েছে!
আমি খুশি মনে তার জন্য মরতেও পারবো, আপনাকে কি প্রমাণ করে দেখাবো?
পাশে সরে দাঁড়া!
মিঃ কালির ব্যাপারে কিছু বলেছিস?
- না! - ওকে তুলে ধর।
এই কালি ছোকরাটা কে?
আপনি কি জানেন কালি কে?
যখন এই গরীব লোকেরা সমস্যায় পরে, উনি স্বেচ্ছায় তার হৃদয় দিয়ে তাদের সাহায্য করে!
মনে হচ্ছে সে আপনাকে ফোন করেছে।
কালি বলছি!
আমার লোকেদের যেতে দিন, আমি রাত ১১ টার আগেই আপনার কাছে আসবো
-পারলে আমাকে ধরিয়েন, স্যার। -তখনই তোর সাথে দেখা হবে।
রাত ১১টা বাজে।
তোদের কালি এখনো কেনো আসছে না?
আপনার ঘড়ির সময় ভুল আছে, স্যার
মাত্রই ১১টা বাজলো।
ঐযে সে!
তোমাদের দুজন গিয়ে ওকে গ্রেফতার করো!
তোকে গ্রেফতার করা হলো।
আমি না!
ঈগল, যেভাবে শিকারি ধরে ঠিক সেভাবেই তারা করলো।
একেবারেই আলাদা! এগিয়ে যাও, বন্ধুরা!
তোমাদের দুজন গিয়ে দেখো কি হয়েছে।
জানি না সবাইকে কোথায় নিয়ে গেছে, স্যার...এখানে কেউ নেই।
থামা, এসব থামা।
তোমাদের বন্দুক ব্যবহার করো না!
তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নেই, তোমাদের বন্দুক সরিয়ে রাখো।
শালা টাকলু ঘাবড়ে গেছে!
কুমার, তিনজন লোক নিয়ে এখনি ওখানে যাও।
কে ওখানে?
আরে, দোস্তরা!
ওটা কে ছিলো?
- ভাই... - কে রে? সাহস থাকলে বাইরে আয়!
ওদের সবগুলোকে মেরে ফেলো।
ওদেরকে পানির কলসের মতো এভাবে উঠিয়ে নিয়ে গেলো!
এমনকি নারীদেরও জ্যাকি চ্যানের মতো প্রশিক্ষণ দিয়েছে!
- কালিকে এখান থেকে নিয়ে যেতে এসেছিলি, তাই না? - এবার চল
তোমরা দুজন এগিয়ে যাও!
কেউ আসলেই গুলি করবে, কাউকে ছাড়বে না।
কে ওখানে?
কালি...
টাকলু আসছে!
কুকুর, কুকুর...
কুকুরের জন্য এতো ভয় পেলো?
গুলি কর।
কিসের দিকে তাকিয়ে আছিস? কালিকে গুলি করবি, তাই না?
ছোট থাকতে উনার মা আমাকে খাইয়েছে, আর এখন সে খাওয়াচ্ছে।
আমার শরীরের প্রবাহিত সব রক্ত তার।
যদি তার কিছু হয়,
আমি তোর জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলবো।
কালির শক্তি দেখতে চাস?
তোদের কাস্তে নিচে নামা।
প্রেমিকের মতো করে উনার দিকে তাকিয়ে আছিস কেন?
এতোই সুন্দর লাগছে? ইয়াক থুঃ...
তোর কি খারাপ লাগে না, পিছনে সর, এসবের দরকার নেই।
বললাম তো, দরকার নেই।
ও একটা পুলিশ।
তোর বন্দুকটা দে।
এসব চাল এখানে চলবে না, টাকলু।
সবাই তোর টাক মাথার উপর খাবার ঢেলে খাবে, সারাদিন ধরে খাবে।
তুই যা করবি, সেটা হলো...
কালির সাথে কথা বল, যা।
তোর প্যান্ট ঢিলা হয়ে গেছে, শক্ত করে নে।
আমাকে ভয় দেখাচ্ছিস, তাই না?
তুই একটা নেরি কুত্তাকেই ভয় পেয়ে গেলি, আমি আর কি ভয় দেখবো?
ওটা আলাদা কথা।
এই লোকগুলোকে কি বলবি?
এখানে বস।
এবার আসল কথায় আসি।
কেউ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়নি।
তুই আমার লোকদের থানায় নিয়ে অত্যাচার করেছিস।
মাফ চেয়ে নে।
মাফ? আমি চাবো? আমাকে ভয় দেখাচ্ছিস?
জীবন নিয়ে লড়ছে, এমন এক পঙ্গু লোককে। তুই জিজ্ঞাসাবাদ করেছিস।
ভাবিস না যে কেউ তোকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না, আমি করবো!
যদি তার কিছু হয়,
যারা তোকে নাঁচায় তাদের সহ সবাইকে খতম করে দিবো।
তিন গোণার মধ্যে ক্ষমা চেয়ে নে, নইলে, তুই আর বাঁচতে পারবি না।
গননা শুরু হচ্ছে।
এক...
দুই...
তিন...
দুঃখিত!
সত্যি বলতে আমি জোর জবরদস্তি করা ঘৃণা করি,
আমি একজন ভালো মানুষ।
ওরা আমাকে খারাপ বানিয়েছে, কোনো সমস্যা নেই। এতেও অনেক মজা আছে।
তোকে কিছু ভালো খবর দিবো?
মন্ত্রীর ভাই ভবানিকে কে মেরেছে, সেটা নিয়ে অনেক ধাঁধাঁয় আছিস, তাই না?
সন্দেহের কোনো কারণ নেই।
তোর বিশ্বস্ত এই আমি করেছি।
আগুনকে ধরতে পারবি, কিন্তু পুণ্যকে না।
সে ধরেছিলো, আর মারাও গেছে।
কালি... অসভ্য কালি!
জঘন্য কালি!
যখন নিজেকে খারাপ বলে দাবী করবি, তখন ভালোই জোর আসে, তাই না?
হ্যাঁ নাকি না?
হ্যাঁ।
শুধু মাস্তি নয়।
একেবারে ডাবল মাস্তি।
পরে দেখা হবে, মটকু
কালিকে একদিনে গ্রেফতার করবেন বলেছিলেন!
তাকে ধরার জন্য তার এলাকায় গিয়েছিলাম, সে আমার সামনেও এসেছিলো।
কিন্তু তার উপর একটা আঙ্গুলও দিতে পারিনি।
এ কারণেই আপনাকে এখানে বদলি করেছি?
- সে যে আমার ভাইকে মেরেছে, সেটা কি জানেন না? - জানি স্যার।
- তাহলে তাকে গ্রেফতার করেননি কেনো? - তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নেই!
প্রমাণ পেলেই তাকে গ্রেফতার করবেন, তাই না? এমনিই তো গ্রেফতার করতে পারতেন, ঠিক?
তাকে ধরার জন্য তার এলাকায় যেতে পারবো না, সে আমাদের সবাইকে মেরে ফেলবে।
- তার এতো কিসের ক্ষমতা? - দান করার ক্ষমতা!
আমিও তো দান করি!
আপনি গুণে গুণে (স্বার্থের জন্য) দান করেন, সে মনেপ্রাণে দান করে।
বিপদে পরলে তার লোকেরা তাকে সাহায্য করে।
আমার এক হাজার লোক নিয়ে তাকে মেরে ফেলেন।
এক হাজার লোক কিছুই না!
পুরো বস্তি তার পক্ষে!
তার পেছনের জীবনের কাহিনী কী?
তার পেছনের জীবনের কাহিনী আমি বলছি, স্যার।
ওই আশ্রমই তার পেছনের জীবনের কাহিনী!
আমি প্রথমে যাবো!
সরো!
লাইনের পেছনে যা!
- দুঃখিত, রোজি - সমস্যা নেই, মা
ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ!
এই বয়সে এতো রাগ কিসের?
চুলের দিকে দেখো, সব সাদা হয়ে যাচ্ছে।
ডাক্তার বলেছে তোমার ভিটামিন ডি, নয়তো ভিটামিন বি-এর অভাব আছে!
তুমি জানো কেনো? এই রাগ এবং চিন্তার কারণে!
এখনি যদি এতো খারাপ হয়, তাহলে ২৫ কি ৩০ বছরেই তোমাকে ৬০ বছর বয়সীদের মতো লাগবে।
তাহলে খাবারের জন্য লাইনের প্রথমে দাঁড়ানো কি আমার ভুল হয়েছিলো?
আমার ঘরে জন্ম নিয়েছো বলে এমন না যে তোমাকে অবশ্যই সামনে দাঁড়াতে হবে,
যদি নিজের সন্তানকে আমি প্রথমে খাওয়াই,
তাহলে অন্য বাচ্চাদের বিশ্বাস ভেঙে যাবে,
তাদের মা-রা জীবিত থাকলে, তাদেরকেই প্রথমে খাওয়াতো, আর আমি সেটা চাই না!
কিন্তু লাইনের শেষে থাকলে তো খুব সামান্য খাদ্য পাবো!
যদি অন্যদের ভালো করে খাইয়ে তাদের জন্য বেঁচে থাকো...
কথা দিচ্ছি, ভগবান অবশ্যই তোমার খাবারের ব্যবস্থা করবেন।
সত্যিই, মা? আমি এখন খুবই ক্ষুধার্ত!
এখানে তো অনেক ভগবান আছে, কাউকে বলো না আমাকে খাবার দিতে!
ও ভগবান, তার কথার কোনো উত্তর আমার কাছে নেই।
- দেখোতো কে এসেছে। - ঠিক আছে।
- হ্যালো, মেডাম। - হ্যালো!
বৃষ্টির জন্য আমার ভাইয়ের বিয়েতে অনেকে আসতে পারেনি।
অনেক খাবার বেঁচে গিয়েছে।
তাই সেগুলো এখানে এনেছি, দয়া করে, এগুলো নিয়ে নিন?
দেখেছো?
অন্যরা স্বাভাবিক খাবার খেয়েছে, আর ভগবান তোমাকে বিয়ের খাবার পাঠিয়েছেন।
ভগবান সবসময় বিশ্বাসকারীদের সাথে থাকেন!
"ধন্যবাদ" বলো।
আমরা অবশ্যই এসব নিবো।
বাচ্চারা মাত্রই খেলো, মা! তাহলে কিভাবে...
ওরাই কি আমাদের একমাত্র বাচ্চা?
বস্তির ওরাও কি আমাদের বাচ্চা না?
এখানে অনেক গরীব পরিবার আছে যারা খুব কষ্টে আছে।
আমি তাদেরকে এই খাবার দিয়ে দিবো।
- এই থালাগুলো আগামীকাল নিতে পারবেন? - হ্যাঁ।
ধন্যবাদ! এদিকে এসো, সোনা।
মা?
যত খুশি খেয়ে নাও, আর বাকিটা বস্তিতে দিয়ে আসবো।
না, মা! বস্তির সবাইকে প্রথমে খাইয়ে, তারপরেই আমি খাবো।
একদম আমার ছেলের মতো কথা বলেছো।
- আসতে পারি? - আসো, সোনা।
চলো, যাই!
সবাই শুনো, রাধা মা তোমাদের সবার জন্য খাবার এনেছে! বাইরে আসো!
মারিমুথু! বলেছিলে তোমার বাচ্চারা খায়নি, তাই না? আসো!
- আসো! - নমস্কার, মা!
আপনি ভাল আছেন, মা?
খেতে না পারার জন্য ঘুমাতেও পারছি না, মা।
আপনি ঠিক সময়েই খাবার এনেছেন, আপনাকে ধন্যবাদ!
আমি কি আপনাকে একটা চুমু দিতে পারি?
আসো, সোনা!
যখন বাবা-মা আমাকে তার সাথে বিয়ে দেয়, তারা ভেবেছিলো আমি অনেক খুশি হবো।
বিয়ে করার পর বুঝতে পারি যে, সে একটা মাতাল।
সপ্তাহে তিনবার আপনার দেয়া খাবার খেয়েই, আমি আর আমার বাচ্চারা বেঁচে আছি।
আপনাকে সত্যি করে বলছি,
আপনার দেয়া খাবার খেয়েই আমার বাচ্চাকে দুধ খাওয়াবার শক্তি পাই।
শুধু আমার জন্য না, এখানের সবার জন্য
হ্যাঁ, মা!
আপনার ভালো কাজের ফল আপনার ছেলে অবশ্যই পাবে
এটা কার জন্য?
কালির জন্য।
আম্মা?
রাধা মা?
হে ভগবান! রাধা মা মারা গেছেন!
রাধা মা আর নেই!
ওহ, ভগবান! রাধা মা মারা গেছেন!
আপনি আমাকে ছেড়ে চলে গেলেন!
গতরাতেই তো বললেন যে এখানের সবাই আপনার সন্তান!
এখন এই মানুষদের কে খাওয়াবে?
- 'Mother... my mother...' - Ma'am...
'My loving mother!'
'Since my earliest hours of life, you are all I have ever known!'
'Mother... my mother...'
'You are my world!'
'You faded away like clouds in the sky!' - মা? মা!
আপনি এই ছোট ছোট বাচ্চাদের ছেড়ে চলে গেলেন! এদেরকে এখন কে দেখাশোনা করবে?
আমি আছি, আপা!
আমার মা এই সব পরিবারকে দেখাশোনা করতে বলেছেন
কিন্তু আমাকে দেখাশোনার জন্য কেউ নেই!
রাধা মা মারা যাবার পর, রোজি কালির দেখাশোনা করে।
তার সবকিছুই ছিলো রোজি।
কালি তার পড়াশুনা বাদ দিয়ে দেয়, আর অন্য শিশুদের শিক্ষিত করতে থাকে।
তার মায়ের দেয়া কথা হৃদয়ে নিয়ে, সে অন্যদের জন্য নিজের জীবন কাটাতে থাকে!
রাধা মায়ের মৃত্যুর পর, বস্তিবাসীরা কালির ভিতরেই মাকে দেখতো।
যখনই কোনো সমস্যা দেখা দিতো, তারা বিশ্বাস নিয়ে তার দরজাতে কড়া নাড়তো।
কালি প্রতিদিন সাহায্য করে তাদের বিশ্বাসের মূল্য দিতো।
সে অনেকগুলো জীবন বাঁচিয়েছিলো।
তাই, বস্তিবাসীরা তাকে ভগবান হিসেবে দেখা শুরু করলো।
- বাচ্চারা এখনো ঘুমাইনি, তাই না? - কেনো, কি হয়েছে?
তেমন কিছু না, এক লোক আজকে বাচ্চাদের খাওয়াবে বলেছিলো, তাই না?
সে ছোটো একটা দূর্ঘটনায় পড়েছে, সেজন্য সে আর খাবার আনতে পারেনি।
- ওহ! - চিন্তা করো না!
আমি তারচেয়েও ভালো খাবার জোগাড় করেছি।
আমার এক ভালো বন্ধু ফাইভ-স্টার হোটেলে কাজ করে!
তাকে কিছু খাবারের জন্য জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে এখন খাবারগুলো প্যাকেট করছে।
এমন খাবার আগে কখনো দেখনি!
আমি দারুণ সব খাবার নিয়ে আসবো! খেয়াল রেখো, বাচ্চারা যেনো ঘুমিয়ে না পড়ে।
তাড়াতাড়ি আসো!
- অনেক ধন্যবাদ! - সমস্যা নেই!
- হোটেলের ম্যানেজার, স্যার। - নমস্কার, স্যার!
- কার অনুমতিতে এসব খাবার নিয়ে যাচ্ছো? - ওর কোনো দোষ নেই, স্যার।
আমার নাম কালি, স্যার।
আমি রাধাম্মা আশ্রম থেকে এসেছি।
আমি শিশুদের জন্য খাবারের অনুরোধ করেছিলাম।
আমি কিছু বলছি না, কারণ তুমি বয়স্ক লোক! না হলে...
আমি বয়স্ক লোক নই, স্যার!
ছোটকালে রাগ এবং চিন্তার কারণে তখন থেকেই আমার সব চুল সাদা হয়ে যায়,
রাগারাগি আর মারতে চাইলে আমাকে মারুন!
শুধু শিশুদের জন্য খাবার দিতে নিষেধ করবেন না!
সিকিউরিটি! এই লোককে এখান থেকে বের করে দাও!
- দুঃখিত, স্যার! - ওর দোষ নেই, স্যার।
শিশুদের জন্য খাবার...
ভাই?
- এই সময়ে আপনি এখানে কেনো? - এদিক আসো।
আপনি সবার জন্য খাবার নিয়ে এসেছেন? আমি কি সবাইকে ডাকবো?
না, আমি আনিনি।
আমার কিছু খাবার প্রয়োজন, ভাই।
এসব কি, ভাই?
আপনিই তো সবসময় আমাদের জন্য খাবার আনেন।
- মজা করবেন না, ভাই। - আমি মজা করছি না।
বাচ্চাদের জন্য এক জায়গা থেকে খাবারের ব্যবস্থা করেছিলাম।
কিন্তু যখন আমি আনতে গিয়েছিলাম...
তারা আমাকে বের করে দিয়েছে!
- কে এই কাজ করেছে? - আরে, ঠিক আছে
তাকে তার মতো থাকতে দাও।
কোনো বাচ্চাই কিছু খায়নি।
প্রতিটা বাড়ি থেকে কি কিছু খাবার আনতে পারবে?
আপনি কিভাবে এসব কথা বলছেন?
আপনার দেয়া খাবার খেয়ে এই শরির হয়েছে।
- সবাই বাইরে আসো। - কি হয়েছে?
আমাকে বলুন, আমার ভাই!
- উনার বাচ্চাদের কোনো খাবার নেই! সবাইকে জানিয়ে দাও। - কি? আমরা এখনই খাবার নিয়ে আসছি।
- এটা কার জন্য? - কালির জন্য।
এই খাবার কে এনেছে?
ম্যানেজার আমাকে বললো, তুমি এসব খাবারের ব্যবস্থা করেছো!
নমস্কার!
দুঃখিত, ভাই! আমাকে ওখানে একজন ম্যানেজারের মতো ব্যবহার করতে হয়েছিলো।
কারণ, হোটেলের সব জায়গাতে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে!
উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা জানতে পারলে, আমার চাকরি চলে যেতো।
কিন্তু এই খাবার, আমার নিজের টাকায় দেওয়া হচ্ছে!
এখানে আসার পরেই আমি শিখতে পারলাম,
নিজের জন্য না বেঁচে, এই বাচ্চাদের জন্যই বেঁচে আছো।
হোটেল থেকে বের করে দিয়ে আমার খুব খারাপ লাগছিলো।
প্লিজ, আমাকে ক্ষমা করে দিও!
আমার মা বলতো যে, ভগবান মানুষের রূপে আসে।
আজ, আমাদের সবার কাছে আপনি ভগবান।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, স্যার!
এসবের কোনো প্রয়োজন নেই, ভাই!
তার সুখী জীবনে খুব দ্রুতই একটা সমস্যা চলে আসলো!
উনি মন্ত্রীর ভাই!
- নমস্কার! - নমস্কার, স্যার! আপনি ভালো আছেন?
হ্যাঁ, ভালো আছি!
এই,একটা চেয়ার নিয়ে আসো,! উনি এখনো দাঁড়িয়ে আছেন!
বসুন, স্যার।
- আপনি এখানে কেনো এসেছেন? - একটা ব্যক্তিগত ব্যাপারে।
ব্যক্তিগত, তাই না? রোজি,বাচ্চাদের ভিতরে নিয়ে যাও।
- এদিক আসো। - ভিতরে গিয়ে খেলো।
তারা চলে যাচ্ছে, স্যার।
তারা চলে গেছে, এখন বলুন, স্যার!
আমি তোমার তহবিলের ব্যাপারে শুনেছি।
সবাই বলে, তুমি এটা মোটামুটি এবং সততার সাথে চালাও!
শুধু আমি একা হলে, একটা বাচ্চাকেও আমি সাহায্য করতে পারতাম না।
ভগবান দয়া করে, আমি তার ইচ্ছায় করি।
আপনিও সাহায্য করতে পারেন!
আমি তোমার তহবিলে ২০ কোটি টাকা দান করবো!
- আপনি আমাদেরকে ২০ কোটি টাকা দান করবেন? - হ্যাঁ!
- আপনি বলতে চাচ্ছেন দুই এর পরে আটটা শূন্য? - হ্যাঁ!
- আপনি কি আমাদের ২০ কোটি টাকা দিবেন? - অবশ্যই!
এপ্রিলে যখন বাচ্চাদের পরীক্ষা শেষ হবে, তখন তারা খুশিতে মজা করতে পারবে।
যদিও বাবা-মা তাদের বাচ্চাদের সাথে সময় কাটায়, তবুও তারা অনেক চিন্তায় থাকে।
কখন স্কুল খুলবে, আর কখন ফি দিতে হবে।
এক পরিবারের এক মহিলাকে চিনি, যে ফি দিতে গিয়ে বিয়ের গয়না বন্ধক রেখেছিলো!
২০ কোটি টাকা দিয়ে অনেক কিছু করতে পারবে! আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
আপনি কিভাবে এই টাকা দেয়ার চিন্তা করছেন?
একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, স্যার
আমি আবার অবৈধ টাকা নেই না, শুধু বৈধ টাকা নেই!
- আমি বৈধ টাকাই তোমাকে দিবো। - দারুণ
১০০ কোটি টাকার একটা তহবিল আমার ভাইয়ের মন্ত্রণালয়ে আসছে!
আমরা ওই টাকাটা সরাসরি পাবো না!
তাই আমি তোমার তহবিলে এই টাকা রাখবো
স্যার, আপনি তো বলেছিলেন মাত্র ২০ কোটি টাকা দিবেন!
তোমাকে খুলে বলছি, কালি।
তোমার তহবিলে ১০০ কোটি টাকা রেখে এবং আমাদের ৮০ কোটি ফেরত নিয়ে নিবো।
তুমি পাবে ২০ কোটি টাকা, মজা করবে!
যদি আপনার টাকার বিষয়ে আয়কর কর্মকর্তারা আমার কাছে আসে, তবে আমি কি করবো?
আমার পরিচিত অনেক লোক আছে, যারা ভূয়া একাউন্ট করতে পারে, ওটা আমি সামলাবো!
এটা তো একটা অপরাধ, স্যার।
ভয় পেয়ো না! আমি সব সামলাবো!
আমি ভয় পাবো কেনো, স্যার? যদি কোনো ভুল করি, তবেই না আমি ভয় পাবো!
ভালো করে শুনুন, স্যার!
ভূয়া অ্যাকাউন্ট থেকে আসা ২০ কোটি টাকা আমি চাই না!
বোঝার চেষ্টা করো, কালি!
দয়া করে যা বলছি সেটা করো, এটা তোমার আর আমার জন্য ভালো হবে!
আমি ভালোই বুঝেছি! আপনিই বুঝতে পারছেন না!
আমার কথা খুব খেয়াল করে শুনুন!
আমি বলেছি আমি আপনার টাকা চাই না!
ওই, উনি তোর সাথে অনেক ধৈর্য্য ধরে কথা বলছেন!
উনি যা বলেন তাই কর!
আমি তো উনার কথাই শুনছি না, তুই কি তোর কথা শোনার আশা করিসরে চামচা?
এই টাকা পাবার জন্য অন্য আর কোনো পথ নেই।
বুঝার চেষ্টা করো।
আপনি বোঝার চেষ্টা করুন!
তুমি আমার, আর, আমার ভাইয়ের রাজনৈতিক ক্ষমতার কথা জানো না।
সেটা জানার জন্য আমাকে কি করতে হবে?
না, কালি! আমার বড় ভাই একজন মন্ত্রী।
তুমিও অনেক ভালো কাজ করছো।
যদি তুমি এখন এটা নাও, তাহলে আমাদের সম্পর্কটা অনেক মজবুত হবে।
ভবিষ্যতে, দলের সদস্য হিসেবে আমাদের পার্টিতে তুমি যোগ দিতে পারবে...
তোমার কাজকে আরো বাড়িয়ে, নিজে সত্যিকারের কিছু হতে পারবে।
এবার বুঝেছি, আমি যে ভালো কাজ করছি সেটা আপনার পছন্দ হচ্ছে না।
লোকেদের ট্যাক্সের টাকা, আপনি লোকদের মাঝে বিলিয়ে দিচ্ছেন।
আর আপনাদের চেহারায় মহৎ ভাব নিয়ে, তাদের সাথে খেলা করছেন।
আমার উপার্জন করা টাকা দিয়ে মানুষের ভালো করি।
আপনি করেন ভোটের জন্য, আর আমি করি মানুষের জন্য!
এসব আমার সাথে যাবে না, খোকা!
তোমার ভালোমতো বাঁচতে হবে,আর আমারও তাই, বোঝার চেষ্টা করো।
আপনার বেঁচে থাকার জন্য জন্ম হয়েছে, আমার মানুষকে বাঁচানোর জন্য জন্ম হয়েছে।
তুমি জানো না আমি কি কি করতে পারি!
আমি আপনার থেকেও দুইগুন বেশি করতে পারি!
আমার যেখানে খুশি ধরতে পারবে, কিন্তু আমার অহংকার ধরতে পারবে না!
আপনাকেও একই কথা বলছি, আগুন নিয়ে খেলে, কিন্তু আমার ক্রোধের সাথে নয়!
আমি তোমাকে নিশ্চিহ্ন করে দিবো!
ওহ, সত্যিই? সেটা কিভাবে করবেন?
"নিশ্চিহ্ন করে দিবে"! কিভাবে? জাদু মন্ত্র দিয়ে?
আমি তো এখানেই আছি! করেন না!
উনার সাথে মজা করছিস, তাই না?
মাত্রই না তোর সাথে মজা নিলাম? তুই চুপ থাক!
আমার নীরবতাকে কমজোর মনে করোনা, যদি আমি রেগে যাই...
আমিও একই কথা বলছি!
সাদা কাপড়, পুঁতির মালা, আর তহবিল আছে বলে তুমি কি আমাকে ভালো লোক মনে করো?
কি তাজ্জব! প্রিয় বন্ধুরা!
আমার মায়ের কথা চিন্তা-ভাবনা করে, আমার রাগকে আমি নিয়ন্ত্রণ করছি!
তা না হলে তুমি আর ওই গন্ডমূর্খ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেতে!
আর এক মিনিট এখানে থাকলে তুমি শেষ হয়ে যাবে, যাও, বের হও!
- ভালো থেকো, কালি! - পরে দেখা হবে, স্যার!
কালি
শান্ত হন, ভাই। তারই কি একমাত্র তহবিলটা আছে?
- পৃথিবীতে অনেক তহবিল আছে। - এই।
তাকে দিয়ে আমার টাকা পাচার করতেও চাইনি,
সে আমার সাথে রাগ দেখিয়ে কথা বলেছে।
আমাকে গ্রেফতার করার কথা যে পুলিশ বলেছিলো, আমি তাকে হত্যা করেছি।
- আমার বিরোধিতা করলে কেউ বেঁচে থাকবে না। - ভাই!
আপনি কিভাবে তাকে খুন করবেন? পুরো শহর তার পক্ষে...
- সে কিছুতেই ভয় পায় না, ভাই। - সে নিজের জন্য ভয় পায় না,
কিন্তু সে তার লোকজনের জন্য ভয় পাবে।
প্রথমে, তার পঙ্গু বন্ধুকে মেরে ফেলো।
তারপর, ওকেও নিয়ে আসো।
তাহলেই তার তহবিল আমাদের হাতে চলে আসবে।
ওটায় করে সব টাকা আমরা পাল্টাতে পারবো।
আপনার খেলার পরিকল্পনা বুঝতে পেরেছি, ভাই।
প্রথমে, আমি ওর লোকদের খুন করবো।
তারা ওইখানে! ঐযে ওরা!
বস্তির সব লোকেরা আসছে!
আমরা ধরা খেলে, আমাদের মেরে ফেলবে! দৌড়াও!
- দৌড়াও! - এটা ধরো!
কি হয়েছে? তুমি ঠিক আছো, তাই না?
আমি ঠিক আছি!
ওই লোকগুলো কারা? শুধু নামটা বলো, ওদের শেষ করে দেই!
- কেউ ব্যথা পায়নি, চলো যাই। - ভাই...
ওখানে কেউ শুয়ে আছে!
ও তো আমাদের লোক!
- স্যার... - মূর্তি!
কি হয়েছে?
কি হয়েছে, মূর্তি?
আমি ওখানে থেকে ভেগে যাচ্ছিলাম!
যখন পালাচ্ছিলাম, তখন এক লোক...
ওদের কাউকে ছাড়বে না!
যদি ওদের ছেড়ে দাও, তারা আমাদের প্রত্যেককে মেরে ফেলবে!
কাউকে ছাড়বে না...
পঙ্গু অসহায় লোকদেরকে কালি নিজের সন্তান হিসেবে দেখে।
যেদিন আপনার ভাই তাদের উপর হাত উঠতে সাহস করলো...
কালি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, তার দলের কাউকে আর ওই রাতে জীবিত রাখবে না।
যে ওই পঙ্গু লোককে হত্যা করেছিলো, প্রথমে সেই ধীনাকে হত্যা করে,
এরপরে, ভবানীর ডান হাত রয়াপুরাম মূর্তিকে হত্যা করে।
আর সবশেষে, ভবানীকে গেস্ট হাউজে আসতে বাধ্য করে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে,
আমি কি ভুল করেছিলাম?
অবৈধ টাকা না নেয়া কি আমার ভুল ছিলো?
যার জীবন স্বপ্নে ভরা ছিলো, সেই পঙ্গু লোককে এতো নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করলি!
আমাকে মারলে আমি কিছুই বলবো না, আমার লোকের গায়ে হাত দিলে, তোকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিবো
কালির সাথে ঝামেলা করলে তুমি একদম শেষ হয়ে যাবে
আমাকে খুনের পরিকল্পনা করছিস, তাই না?
আমাকে খুন করে আমার তহবিলও নিয়ে নিতে চাস?
যদি তোকে ছেড়ে দেই, পুরো শহর বিপদে পরে যাবে!
অমঙ্গল হয়তো ন্যায়কে গ্রাস করে ফেলতে পারে......
কিন্তু সবার শেষে এটারই জয় হবে!
আপনার ভাইকে হত্যা করার দিন থেকেই, সে লোকজনের সমর্থন বেশি পায়।
আপনি কালির কিছুই করতে পারবেন না, স্যার।
এই সবকিছুর দোষ একমাত্র আপনার ভাইয়ের ছিলো।
কালি খুব ভালো একজন মানুষ, স্যার।
কালি এবং তাকে যারা "সামারিটান" বলে ডাকে, তাদের কাউকেই আর জীবিত রাখা যাবে না!
বুঝেছো?
আমি তাকে মেরেই ফেলবো!
তাড়াহুড়ো করবেন না! আমার চমৎকার একটা পরিকল্পনা আছে!
সামনেই নির্বাচন আসছে।
যদি এটা নিয়ে তাড়াহুড়ো করি, তাতে করে আমাদের উপর প্রভাব পড়বে।
সে একটা মেয়েকে ভালোবাসে!
অনেক দিন ধরেই তোমাকে জিজ্ঞেস করতে চাচ্ছিলাম!
- তোমার কি কোনো ইচ্ছা নেই? - তুমি কেনো জিজ্ঞেস করছো?
এটা করো, ওটা করো, এটা কিনে দাও, ওটা কিনে দাও বলে বিরক্ত করোনি তো, তাই।
- তোমার কি কোনো ইচ্ছা নেই? - না, আমার নেই!
আমাকে ধরে কসম করো!
- আমি করতাম, কিন্তু অনেক ঝুঁকি আছে! - ঝুঁকি আছে?
ঝুঁকিকে আমি ঠিকই সামলে নিবো! ওটা কোনো সমস্যাই নয়!
- আসল কারণ কি, সেটা বলো! - বাদ যাও!
বললাম তো, আমাকে বলতে! বলে ফেলো!
দেখো...
তোমার পেছনে বাইকে চড়ে, আমি সারা শহর ঘুরতে চাই।
এটুকুই?
এদিক তাকাও! চিন্তা করো না!
- ধরো, হয়ে গেছে! ঠিক আছে? - ঠিক আছে
ও অবশ্যই তাকে নিয়ে একা বের হবে!
আমরা তার বাইকে ধাক্কা দিয়ে মেরে ফেলে, এটাকে দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দিবো!
'With one eye of love set towards you, my heart softens!'
'With one eye of lust set towards you, my body melts!'
'Your lips on my ears, whispers to me your desires.'
'Your shower of glances, drizzles upon my bosom!'
'Will I be drenched by the blaze?'
'Will I be scorched by your embrace?'
'Will I spread wings in the sky?'
'To make love to you!'
'Caresses scorch my skin!'
'With your every touch, my attire slips away!'
'The night is the dais of sensuality!'
'Burning up, are we, in passion!'
'Like honey that drips into milk... Like sound that flows in the wind...'
'Like color that seeps into water... You plunge inside of me, too!'
'How long do I bear the pain as I ask of your manhood?'
'You're about to answer me! O, what will become of me?'
'Caresses scorch my skin!'
'With your every touch, my attire slips away!'
'The night is the dais of sensuality!'
'Burning up, are we, in passion!'
মেয়েটা মারা গেছে! স্যার।
কি, কালি? কষ্ট হচ্ছে?
যখন আমার ভাইকে মেরেছিলে, সেও কি এইরকম কষ্ট পেয়েছিলো?
তুই ন্যায়ের সাথে ঝামেলা করেছিস!
আমি মারা গেলেও, তোকে হত্যার জন্য ফিরে আসবো!
ওকে এতো আঘাত করার পরেও মরছে না!
ওর জীবন কিভাবে শেষ হয় সেটা দেখো!
ওটা দাও আমাকে!
ভালো করে দেখো! এটা একটা পুরনো বাড়ি!
সবাই বলেছে বিদ্যুতের বাক্সে বিস্ফোরণ হয়ে, সবকিছু পুড়ে গিয়েছিলো।
আমরাও সেটাই বলি!
খুব আনন্দ নিয়ে তোর সন্তানদের কষ্ট করা দেখ!
এই নে, দেখ!
সবাই জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে, কেউ আমাদের সাহায্য করুন!
বস্তির সবাইকে আগে খেতে দাও, তারপর, আমি খাবো।
ওতো মরে গেছে!
তোমাকে বলেছিলাম না?
এখন আমার ভাইয়ের আত্মা শান্তিতে থাকবে। চলো, যাওয়া যাক!
সাধু বাবা আমাদের সব বলেছেন, সোনা!
তোর সাথে যে অত্যাচার হয়েছিলো, সেই অত্যাচার আর কারো সাথেই হবে না।
সময়ের কথা চিন্তা করিস না, এমনকি এক মাস লাগলেও লাগুক, সোনা!
কিন্তু ওদের একজনকেও ছেড়ে দিবি না!
যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাদের প্রত্যেকেকে শেষ করে দে!
দেশের সবাইকে তাদের সেবা করার কথা, কিন্তু তারা শুধু নিজেদের কথাই ভাবছে!
যখন তারা তাদের মাথা উঁচু করে হাটতে থাকে,
আর যে কিনা ভালো কাজ করে, সে কেনো মন মরা হয়ে এক কোণায় বসে থাকবে?
উঠে পড়, আমার ছেলে!
রাঘব আমার একমাত্র ছেলে না, কালিও আমার ছেলে!
একজন মা হিসেবে, আমি তোকে বলছি...
তুই শুধু কালিই নস, তুই হলি প্রভু ভদ্রাকালি!
আজ তোর ধ্বংস যজ্ঞের নাঁচ নিয়ে আয়!
'Jamakka! Thimakka! Bomakka! Step up, broken woman! O Vadabadrakali!'
'Thou went to the land of Malayalam! And learned the mantras of the land!'
'Jingatha! Madamatha! She who lives in the land of the red soil!'
'She who levels injustice in the universe!' Come, O acrimonious ruler of the world!'
- ওদের এগিয়ে যেতে বলো! - যাও, বন্ধুরা!
'The Angry Kali! The Full Moon Goddess! The Haughty Kali!'
'The Terrible Kali! The Deviant Goddess! Kali, the Demon Slayer!'
'The Valorous Kali! The Warrior Goddess! Kali, the Goddess of Ujjain!'
'The Mystical Kali! The Great Goddess! Kali, the Goddess of Mallikapuram!'
'The deity of Kulasai! The ghastly dark guardian!
'Jungle Goddess! Fiery Kali! Come forth!'
'Past sins tremble as the round drum beats! Steps up, an angry vermilion dotted Kali!'
'Armed with neem and a trident, chasing the scent, comes three-faced Kali!'
'The furious scary Kali! A haughty warrior! Here She comes, with a wreath of skulls!'
'Here She comes to slay the evildoer who killed the generous benefactor!'
'Here She comes to kill the malicious one, who destroyed the kind hearted King!'
'Here She comes to break the spine of the rogue who killed the generous soul!'
'He who killed the protector of the poor, She comes to chew up to shreds!'
'She comes to plunge a spear into the heart of he who destroyed a peace loving soul!'
- "যুগযুগ ধরে বিশ্ব জুড়ে..." - আমাকে ছেড়ে দিন!
মানুষ হিসাবেই নৃশংস হত্যাকান্ড চালিয়েছি! ভুত হিসেবে কি করতে পারবো সেটা জানি না!
তাছাড়া, আমার মারা যাবার কারণেও খুবই বিরক্ত!
শত শত মানুষকে হত্যা করলেও আশা মিটবে না! এদিক আয়!
আমি কিছুই জানি না! দয়া করে আমাকে ছেড়ে দিন!
তোদের কারণে আমার সমস্ত শরীরে রক্তের দাগ, এতে করে বাচ্চারা ভয় পেয়ে যাবে!
পোশাক পাল্টানো হয়েছে!
ভাগ্য ভালো, সে আমাকে জাঙ্গিয়া রাখতে দিয়েছে!
কি হয়েছে? কাজ কি শেষ?
সে শত শত মানুষকে হত্যা করেছে, স্যার!
সে আপনাকে মারতে যাবে, আপনি বাহিরে একা কোথাও যাবেন না!
এরমধ্যেই শহরের বাইরে রওনা দিয়েছি! সে...
'Exuding the scent of ashes and with blood in the urn, here comes the raging bull!'
'The monsters who destroyed he who lived in the hearts of all, She comes to devour!'
'The Holy Mother...'
তোর ভয়ে গুটিসুটি মেরে থাকবো, তাই ভেবেছিলি?
আমার পরিকল্পনা ছিলো তোকে এখানে নিয়ে আসা!
আয়, আমার গায়ে হাত উঠা!
'Here She comes to crush the jackals who killed the guardian of the poor!'
'Amid the sparks and drums, here She comes to bring ruin to the trapped vermin!'
কি, কালি?
এই চার জন বিশ্বের সেরা ভূতের ওঝা!
তোর অপেক্ষা করতে করতে, এগুলোর ব্যবস্থা করেছি!
পারলে আমাকে ধরে দেখা!
বলেছিলি, মৃত্যু থেকে ফিরে এসে আমাকে হত্যা করবি!
আয়! রোজি ও কালি দুজনেই মারা গেছে!
ওম, কালি! এইযে এখানে!
কালিকে এতো দ্রুত কেউ হারাতে পারে না!
ন্যায়বিচার এবং অবিচারের এর যুদ্ধের মধ্যে, ন্যায়বিচারেরই জয় হবে
কালি অবশ্যই জিতবে!
আমি এটা কসম করে বলতে পারি! আর জেতার জন্য...
রোজি থেকে অবশ্যই কালির উত্থান হবে!
তোমাদের সবাই আসো! দেবী কালির প্রার্থনা করো!
আসো, কালি!
উঠুন আর সামনে আসুন!
উঠুন আর সামনে আসুন! উঠুন!
দেবী কালি এই লোকের ভিতর প্রবেশ করেছে, কালি!
শুধু জয়লাভ করাটাই বাকি!
চলো সবাই, চলে যাই!
এখন তাকে স্পর্শ করার চেষ্টা করো!
'Armed with neem and a trident, chasing the scent, comes three-faced Kali!'
কালির সাথে ঝামেলা করলে, তোমার একদমই সর্বনাশ হয়ে যাবে!
শুরু করো!
রোজি অনেকদিন কিছু খায়নি! বাচ্চাটা সত্যিই ক্ষুধার্ত!
না! আমাকে যেতে দিন!
তোকে অনেকবার "না" বলেছিলাম, সংকর!
বলেছিলাম আমাকে তোর রাজনৈতিক শক্তি না দেখাতে!
বলেছিলাম মৃত্যু থেকে ফিরে এসে তোকে হত্যা করবো !
সংকর, তোকে কি কোনোভাবে ভুল বলেছিলাম?
প্রথমে, তুই বাচ্চাদের হত্যা করেছিস
তারপর, তুই আমার প্রেমিকাকে হত্যা করেছিস
আর তুই আমাকেও হত্যা করেছিস!
সবকিছুর উপরে, আমার মায়ের স্বপ্নকে হত্যা করেছিস!
তুই সবকিছু তছনছ করে দিয়েছিস! আর সবশেষে, ন্যায়কেও!
অমঙ্গল হয়তো ন্যায়কে গ্রাস করে ফেলতে পারে......
কিন্তু সবার শেষে এটারই জয় হবে!
প্রতিজ্ঞা অনুসারে সে রাঘভকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিবে
চলুন, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, কালি আর রোজির আত্মা যেনো শান্তিতে থাকে!
মুভিটি বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে দেখার জন্য ধন্যবাদ। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ। সাব সম্পর্কে জানাতে ভিজিট করুনঃ Bangla Subtitle Makers BD - গ্রুপে।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.