All language subtitles for Ira Final Bsub

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

নিয়মিত সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি সম্পর্কে আপডেট পেতে জয়েন করুন ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ fb.com/groups/SouthFansBD

অনুবাদে ও সম্পাদনায় : জয় কিষান

যখন মন্ত্রীসাহেব গাড়ি থেকে নামবেন, দেখবে যেন বিক্ষোভকারীরা কোন ঝামেলা করতে না পারে।

- কোশি - স্যার।

- আমি এম.ডি বরুণের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি। তুমি এখানে থাকো। - ঠিক আছে স্যার।

অনিল, স্টাফদেরও আইডি চেক করার পর ঢুকতে দেবে।

ঠিক আছে স্যার।

স্যার।

কি হয়েছে, বানি?

ইমার্জেন্সি এলার্ম কেন বাজল?

স্যার।

ডাক্তার সেলিম, কি হয়েছে?

ডাক্তার, মনে হয় শক্তিশালী হার্ট এট্যাক হয়েছে।

ডাক্তার।

মন্ত্রীসাহেব আর বেঁচে নেই।

" মন্ত্রী চন্ডী আর বেঁচে নেই "

" মন্ত্রী চন্ডীর মৃত্যু : দলে বড়সড় কোন্দল"

চন্ডীর মৃত্যু, দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাওবাদীদের লড়াই?

মন্ত্রীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ আরিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

খবর পাওয়া গেছে, মন্ত্রী চন্ডীর হত্যার দায়ে আটককৃত ব্যাক্তিটির...

সাথে মাওবাদীদের সম্পর্ক আছে

এখন দলের নেতৃত্ব কে দেবে?

মন্ত্রী পদটির জন্য ৪ জন্য সিনিয়র নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও

এটা ধারণা করা হচ্ছে তার ছেলে জেকব চন্ডীর এতে সম্ভাবনা আছে।

যদিও তিনি দলের কর্মী নন।

এমন খবর আছে যে মন্ত্রীর হত্যাকান্ডটি

কোডিনজি আদিবাসীদের প্রতি রাজ্য সরকার ও পুলিশি অবস্থানের প্রতিবাদ।

স্যার এসেছেন।

ওর সমস্যা কি?

আইজি ও হোম মিনিষ্টারের সাথে মিটিং করে এসেছি।

কেন্দ্রীয় সরকার থেকে খুব চাপ দেয়া হচ্ছে।

আমাদের দেয়া রিপোর্ট গুলোতে কেন্দ্রীয় সংস্থা ব্যাপকভাবে অসন্তুষ্ট হয়েছে।

কিন্তু স্যার আমরা তো মাত্রই তদন্ত শুরু করেছি।

- আমরা শুধুমাত্র তাদের প্রাথমিক ফলাফল গুলো দিয়েছি। - আমি জানি কোশি।

সবাই এটা জানে।

এটা একটা রাজনৈতিক খেলা হয়ে উঠেছে।

কেরালায় তাদের প্রভাব বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক চাল।

আমরাই ফাঁদে পড়ে গিয়েছি।

সেন্ট্রাল এজেন্সি থেকে এক রকমের তদন্ত হবার আশঙ্কা আছে।

স্যার আমি মনে করি আমরা যা বলেছি তা আমাদের প্রমাণ করতে হবে।

হ্যাঁ, আমাদের সাবধান হতে হবে।

কাউকে রিপোর্ট দেবার আগে...

তোমাদের উচিত আমার কিংবা পাবলিক প্রসিকিউটরের সাথে আলোচনা করা।

বিশেষত মিডিয়াকে কিছু বলার আগে..

যদি সেন্ট্রাল এজেন্সির কেউ রিপোর্ট করে যে...

আমরা যা বলেছি ভুল বলেছি..

এর চেয়ে বড় ব্যর্থতা কেরালা পুলিশের হবে না।

উনার সমস্যা কি?

উনি আমাদের ঘুষ নিতে দেবেনা।

মিডিয়ার কাছে মুখ খুললেই তো টাকা কামাতে পারব না।

সুগুনান।

প্রেজেন্ট স্যার। মানে ইয়েস স্যার।

চ্যানেল, জার্নালিস্ট এবং বিশেষকরে সেন্ট্রাল এজেন্সির লোকেরা

বিভিন্ন ভাবে তোমাদের কাছে এসে খবর বের করতে চাইবে।

আমি সব সামলে নেব স্যার।

যদি কিছু মুখ ফঁসকে বের করো..

তাহলে ভবিষ্যতে বাড়িতে নাতি নাতনী নিয়ে খেলতে হবে।

- বুঝেছো? - হ্যাঁ স্যার।

কি?

নাতি নাতনী নিয়ে বাড়িতে খেলতে পারব।

সবকিছু বুঝেছি স্যার।

ওর উপর নজর রাখো।

- কত হয়েছে ভাই? - ৩০০

ওহ ভগবান।

KSRTC বাস স্ট্যান্ড থেকে উঠেছি, শবরীমালা থেকে না।

হ্যাঁ। কিন্তু শবরীমালা পাহাড় বেয়ে উঠার থেকেও ভাঙ্গাচোরা রাস্তায় গাড়ি চালানো অনেক কঠিন।

- এটা বলো না ভাই। - বাবা।

আমাকে জ্বালানো বন্ধ কর। টাকা দিয়ে চলে যাও।

সুধাকরন কি খবর? কোন সমস্যা?

না। একটু তর্ক হচ্ছে।

আচ্ছা তাহলে।

এখানে আপনার ভাল পরিচয় আছে, হু?

এখানকার কমিশনার কেমন?

ঘুষিটুসি মারে নাকি?

মনে হয় মারে।

তাই?

- কমিশনার কে? - শোননি?

- ভরতচন্দ্রন আইপিএস। - তাই নাকি?

আমাকে জ্বালাতন বন্ধ করো।

ওহ ভগবান।

এখানে পিটুনি খেতে এসেছে।

কমিশনারের সাথে দেখা করতে চাই।

- এপয়েন্টমেন্ট আছে? - না।

আমি অনেক দুর থেকে আসছি। জরুরি ব্যাপার।

- কোনভাবে দেখা করতে পারব? - গিয়ে ওখানে দাড়াও।

এস.সাই সুগুনান স্যার আসবেন।

উনাকেই সরাসরি জিজ্ঞেস করে নিও। রাস্তা থেকে সড়ো।

ঠিক সকালবেলা?

ভাড়া আছে?

আমাকেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে এখানে।

কমিশনারের অফিসে আছি রে। এখনো দেখা করতে পারলাম না।

তুমি কমিশনারের সাথে দেখা করতে এসেছো?

হ্যাঁ। যেন শাহরুখ খানে ভেতরে বসে আছে, আর আমরা বাইরে সেলফি নেবার জন্যে অপেক্ষা করছি।

ওরা আমাকে ধরে নিয়ে এসেছে।

সুগুনান স্যার, আমার ব্যাপারে কি হলো?

আমার ট্যাক্সির অনেক ভাড়া পড়ে আছে।

ট্যাক্সি ভাড়া পাবে। এখানে বসে থাক।

আমাকে ছাড়া ভাড়ায় গেলে এটা রাস্তায় হারিয়ে ফেলবে।

- তোকে - গালমন্দ করবেন না।

আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি।

খাদেন।

আজকের ব্রেকফাস্ট লাঞ্চ দুটোই গোল্লায় গেছে।

- কেন? - সেন্ট্রাল এজেন্সি থেকে কেউ আসছে এই বলে বলে কমিশনার পাগল হয়ে গেছেন।

সব এপয়েনমেন্ট বন্ধ করে দাও।

সড়।

- সুগুনান স্যার, তাইনা? - হ্যাঁ।

স্যার

স্যার, মন্দির থেকে মিস্টি।

- কি ব্যাপার? - আমি কমিশনারের সাথে দেখা করতে চাই।

হবেনা। ৪ দিন পরে এসো।

স্যার এমন বলবেন না। আমার সাথে এমন করবেন না।

উনার সাথে কেন দেখা করতে চাও?

এটা একটু জটিল বিষয়।

তাই? তাহলে ১০ দিন পরে এসো।

স্যার, কোনভাবে। দয়া করুন।

আমার সাথে এই ছল খাটিয়ো না।

আমিই এখানকার সবকিছুর সিদ্ধান্ত নিই।

কে কমিশনারের সাথে দেখা করবে, কে করবে না।

- বুঝেছো? - স্যার, কোনভাবে....

কোন গর্দভ সেন্ট্রাল থেকে মিনিস্টারের মৃত্যুর তদন্ত করতে এখানে আসছে।

আমাকেই খেয়াল রাখতে হবে গর্দভটা কোন গোপন তথ্য বের করে ফেলল কিনা।

আর তুমি এসবের মাঝে আমাকে মিস্টি এনে দিচ্ছো?

নাও।

আপনি রেখে দিন, স্যার।

লাগবে না?

ভাল।

এদিকে এসো।

এখানকার সবাই কমিশনারের সাথে দেখা করতে এসেছে।

তাও উনি ডেকেছে বলে।

আর তুমি এর মধ্যে ছল করে ডুকে যেতে চাইছো?

এতগুলো লোক?

কেন?

কার কথা বলব বন্ধু?

আমি একজন ট্যাক্সি ড্রাইবার।

কিছু ব্রোকারিজ কাজও করি।

কিন্তু জানতাম না এটা এত যন্ত্রনা দেবে।

মিনিস্টার মার্ডার কেইসে

আরিয়ান নামের একজন গ্রেফতার হয়েছে না?

আমিই ওকে ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম।

- তুমি বাড়ির ব্যবস্থা করে দাও? - হ্যাঁ, সেজন্যই তো পুলিশ আমাকে ধরে এনেছে।

- সত্যি? - এখানে এসো।

ওকে দেখেছো তুমি?

সে খুনির মোবাইল রিচার্জ করে দিয়েছিল।

পরের জন? লন্ড্রির আয়রন ম্যান।

খুনির কাপড় আয়রন করে দিয়েছিল।

সবার শেষের চতুর লোকটাকে দেখছো?

সে গালফ থেকে বিয়ে করতে এসেছিল।

সে নিজের শালাবাবুর নাম্বার মনে করে খুনির নাম্বারে কল করেছিল।

মনে হয় না যাওয়ার আগে বিয়ে করতে পারবে।

- নাম? - আমি ওর নাম জানিনা।

- তোমার নাম কি? - আমার নাম?

আমার নাম রামেশন।

রামেশন, কোন ট্যাক্সি স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি চালাও তুমি?

রেলওয়ে স্টেশনের বাইরের স্ট্যান্ড থেকে।

কেন? ভাড়া করতে হবে?

ভেবে বসো না যে এরা আমাকে ছেড়ে দেবে।

আমার একটা বাড়ি দরকার।

কি?

থাকার জন্য ঘর।

- তাহলে তুমি শবরীমালাতে ফিরে যাবে না? - আমি ওখান থেকেই আসছি।

এখানে থেকে অন্য রাস্তা দেখ।

আমি ব্রোকারের কাজ ছেড়ে দিয়েছি।

- এমনভাবে বলো না ভাই। - অন্যভাবে বলবো।

এখানে থেকে চলে যাও।

এটা বলো না ভাই।

আমি দিল্লি থেকে আসছি। তোমার সাহায্য চাই।

তুমিই ব্যবস্থা করতে পারবে। একমাত্র তুমিই কাজটা করতে পারো।

আমার জন্য ব্যবস্থা করে দাও। আর কোন কথা না।

ঠিকআছে।

দিল্লি থেকে আসলেও আমি আর ঘরের ব্যবস্থা করে দেব না।

দিল্লি থেকে কে এসেছে?

ঐ যে সন্ন্যাসীটা।

- সন্ন্যাসী। - হ্যাঁ।

কি বলেছে সে?

সে জিজ্ঞেস করেছিল কমিশনার আমাদের কেন ডেকেছেন।

মিনিষ্টারের মৃত্যু নিয়ে কি জানতে চাইছে এসব আরকি।

অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন।

ওহ ভগবান।

- তাহলে এই কান্ড? - কি? - সেন্ট্রাল এজেন্সি।

এই সন্ন্যাসীটা কে, সুগুনান স্যার?

সন্ন্যাসী না রে, ব্যাটা।

উনিই সেই মহান ব্যাক্তি যিনি দিল্লি থেকে মিনিষ্টারের মৃত্যুর তদন্ত করতে এসেছে।

ছদ্মবেশে তদন্ত করতে এসেছে।

আমার চাকরিটা গেল।

আমার চাকরি যাওয়াতে তুমি কাঁদছো কেন?

আপনি শুধু চাকরি হারিয়েছেন।

আমার জীবনটাই শেষ।

হে ভগবান। সেন্ট্রাল এজেন্সি।

এই সপ্তাহের লাথির কোঠা এখানে এসে গেছে।

কি সমস্যা?

যেই আমার কথা জিজ্ঞেস করুক না কেন

বলে দিবি যে আমি এই স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি চালাই না।

- উনি কি আমাকে ধরার চেষ্ঠা করছে? - তুই ভেতরে ডুকে যা।

রামেশ্বন।

ও এখান থেকে গাড়ি চালায় না।

না?

- তাহলে কোন স্ট্যান্ড থেকে চালায়? - আচ্ছা...

রামেশ্বন, তুই এখন কোন স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি চালাস?

তোর আন্টি মারা গিয়েছিল না?

আমি সেখানে তোকে টুকরো টুকরো করে কাটব পোড়াব, তারপর সেখানে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড বানাব।

তারপর সেখান থেকে ট্যাক্সি চালাব।

তুমি এখানে লুকিয়ে আছো, রামেশ্বন?

আসো। তোমাকে কিছু প্রশ্ন করি।

আসো।

স্যার, আমাকে মারবেন না।

এই এক সপ্তাহে অনেক সহ্য করেছি।

মারকে ভয় পাই আমি। সে কারণেই।

তোমাকে মারব? আমি?

আমি জানি।

আপনি একজন বড় অফিসার।

মিনিষ্টারের মার্ডার কেইসের তদন্ত করতে এসেছেন, তাইনা?

- এসব তোমাকে কে বলেছে? - আমি জানতে পেরেছি।

কমিশনার অফিসের সুগুনান স্যার আমাকে বলেছেন আপনি তদন্তের কাজে এসেছেন।

আপনি ছদ্মবেশে এসেছেন, তাইনা?

হতচ্ছাড়া, সব বের করে নিয়েছো না?

এসো। আমি কিছু প্রশ্ন করি।

আমাকে ছেড়ে দিন স্যার।

এসো, রামেশ্বন।

স্যার, আমি আপনাকে সব খুলে বলছি।

একদম সত্যি কথাই বলব।

আমার শহরে আমার মত সত্য কথা কেউ বলেনা।

তাহলে সমস্যাটা কোথায়?

কিন্তু আমি সত্য কথা বললেও মানুষ মনে করে আমি মিথ্যে বলছি।

আমি ডা. আরিয়ানের ব্যাপারে জানতে চাই।

আবারো আরিয়ান। মেরে ফেলুন আমায়।

- তোমরা এক জায়গায় গিয়েছিলে না? - হ্যাঁ।

আমাদের সেখানে আবার যেতে হবে।

আর তারসাথে

আর ডা.আরিয়ান সম্পর্কে যা জানো বলতে হবে।

ঠিকআছে?

দুঃখিত।

- দুর্নীতিবাজ মিনিষ্টার চন্ডীর ইস্তফা দেয়া উচিত। - বিপক্ষ দল।

একটা ভাল ধান্ধা হবে মনে হচ্ছে।

ট্যাক্সি লাগবে?

ভাই, বাসস্ট্যান্ডে যাবার শটকার্ট রাস্তা কোনদিকে?

বাসস্ট্যান্ড?

আমার এই ঠিকানায় যেতে হবে।

কোথা থেকে আসছেন?

কলকাতা। আমি প্রথমবার এখানে এসেছি।

এজন্যই তো আপনি কিছু জানেন না।

- কি ব্যাপারে? - আজকে বাস ধর্মঘট।

কোন বাস চলছে না।

ওহ হো। তাহলে কি করবো?

ট্যাক্সিও আজকে বেশি ব্যস্ত।

তাও যদি আপনি ১০০০ টাকা দেন আমি আপনাকে পৌছে দিয়ে আসবো।

১০০০?

বলেছি না ট্যাক্সি এখন খুব ব্যস্ত?

আমি তো ১০০০ টাকা বলেছি, অন্যরা তো ১৫০০ বলতো।

না। ঠিকই বলেছেন।

সকালবেলা ঘুম থেকে অপয়া বাপের মুখ দেখলেই এরকম ভাল ভাগ্য জোটে?

স্যার, আপনি ভাগ্যবান আমাকে পেয়েছেন।

সাধারণত কেউ আমাকে এত সহজে পায় না।

রামেশ্বন, তুই প্রতারণা করা টাকা সব একা নিজে খেতে পারবি না।

না। পানি দিয়ে গিলে খাব।

সড়। আমাকে উপদেশ দিতে এসেছে।

স্যার কিছু মনে করবেন না। টাকা আগে দিয়ে দিন।

আমি অনেক ভুগেছি।

যাওয়ার পর যদি বলেন টাকা নেই আমি সমস্যায় পড়ে যাব।

- সেজন্যই। - আমি দিয়ে দেব।

এখন ঠিক আছে।

যাই স্যার?

স্যার, কিছু মনে করবেন না।

মিউজিকের ব্যবস্থা নেই, যাত্রীদের জন্য আমিই গান করি।

৭ বছর সংগীত সাধনা করেছি।

ভাই, একটু দাড় করাও।

ওহো, ধারাটা হারিয়ে ফেললাম।

- কি হয়েছে স্যার? - আমাকে বোকা বানাচ্ছিলে না?

অনেক বাস চলছে।

আমার প্রিয় স্যার।

আমি সকাল ৬ টা থেকে অপেক্ষা করছিলাম।

একটা ভাড়াও পাইনি।

আজকে আপনিই আমার প্রথম যাত্রী।

আমাদেরও তো বেঁচে থাকতে হবে না?

ওই টিউমার গুলো আসার পর থেকে আমি ভাড়া পাচ্ছি না।

তোমার ক্যান্সার আছে?

ক্যান্সার?

তুমি টিউমারের কথা বললে না?

স্যার, মোবাইল টিপলে কতগুলো ট্যাক্সি চলে আসে না?

ওহ ওবার?

হ্যাঁ... ও

যেটাই হোক

এটা আসার পর থেকে যাত্রী খোঁজা কঠিন হয়ে গেছে।

কারণ এগুলো আসার আগে তোমাদের ব্যবহার খুব বেশি ভাল ছিল তো....

- তাই সবাই তোমাদের ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছে। - সে তো অনেক আগের কথা।

এখন আমরা ভাল হয়ে গেছি। ভদ্র ব্যবহার করি, তাইনা?

হ্যাঁ সত্যি। নিজের চোখেই তো দেখলাম।

যাই আমরা? ঠিকআছে।

পৌছে গেছি?

- আমি কি থাকব? - না।

না।

যাবার সময় অর্ধেক দিলেও চলবে। এতে আপনার লাভ হবে।

কোন দরকার নেই।

কে তুমি?

আমি ফাদার ডমিনিকের সাথে দেখা করতে এসেছি।

ফাদার দোকানে গেছেন। তুমি কোথা থেকে আসছো?

অনেক দুর থেকে।

উনি এক্ষুণি চলে আসবে।

আমাদের একটা চার্চ এতিমখানা আছে।

ওদের জন্যে বাজার করতে গেছেন।

আসো। ভেতরে বসো।

ট্যাক্সি করে তুমিই এসেছো না?

- হ্যাঁ। - শহর থেকে ভাড়া করেছিলে?

না। রেলওয়ে স্টেশন থেকে।

- কত নিয়েছে? - ১০০০ টাকা।

তোমাকে ধোঁকা দিয়েছে।

সর্বোচ্চ ৬০০-৭০০ টাকা।

- এখানে প্রথমবার এসেছো না? - হ্যাঁ।

এত সাদাসিধে হলে, এখানে বাঁচতে পারবে না।

কিছু কৌশল জানা থাকা প্রয়োজন।

ফাদার চলে এসেছেন।

পাতরোস, কে ছেলেটা?

আপনার সাথে দেখা করতে এসেছে।

- কে তুমি? - আমি.....

কারিয়াচান, বলো...

১০০০ টাকা কম? কি করে সম্ভব এটা?

আমি তো তোমার ধারের ১০০০ টাকা প্যাকেটে সিল করে চৌকিদার কে দিতে বলেই তোমার কাছে গিয়েছিলাম।

মনে হয় ওই চুরি করে ফেলেছে।

কি যা তা বলছেন।

ওর সাথে কথা বলে নিই।

আপনি আমাকে কবে টাকা দিয়েছেন?

দিইনি আর দিবও না।

আমি যখন সেখানে গেলাম কুরিয়েচান ছিল না।

হিন্দি ছেলেটাকে খামটা দিয়ে মালপত্র নিয়ে এসেছি।

ঐ কুরিয়েচান বড্ড লোভী মানুষ।

১ রুপিও কম হলে, জিনিস দেবে না।

এটাও ভাবে না যে এসব এতিমখানার জন্য নেয়া হচ্ছে। তাই আমার কি করার আছে?

আচ্ছা.... তুমি কে বললে যেন?

মাদার তেরেসা এতিমখানা, কলকাতা।

- কলকাতা থেকে আসছো? - হুম।

ডাঃ আরিয়ান। কি ব্যাপার?

কাজ করার মত কলকাতায় কোন হাসপাতাল ছিল না?

- তা না। - তাহলে?

হাউজ সার্জেন্সীর পর আমার ইচ্ছা ছিল এখানে এসে কাজ করার।

এটা আমাদের মা বাবার শহর।

আর উনারা কোথায়?

উনারা আর বেঁচে নেই।

কয়েক বছর আগে, এক দুর্ঘটনায়..

তোমাকে কি করে চাকরি পাইয়ে দেব?

এটা সত্য যে গির্জার অধীনে অনেক হাসপাতাল আছে।

যদি আমি ওখানে যাই, একটা প্যারাসিটামলও ফ্রিতে দেবে না আমাকা।

তাদের মতে আমার সব পদ্ধতি পুরোনো ধাঁচের।

আমি এখানকার কাউকে জানিনা।

আমাকে সাহায্য করুন, ফাদার।

এমনকি প্রাইবেট হাসপাতাল হলেও চলবে।

অনেক লোকজন তো আসে এখানে, তাইনা?

একটা উপায় আছে। আমি নিশ্চিত নই।

তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে।

ঠিক আছে ফাদার, ধন্যবাদ। আমি অপেক্ষা করব।

তুমি তো একজন ডাক্তার, তাইনা?

এখানে ডাক্তারের জন্য একটা কাজ আছে। এদিকে এসো।

চৌকিদার, ধরো এটা।

ওখানে রেখে এসো।

রান্নাঘরে রেখে দিও। চৌকিদার তোমাকে রাস্তা দেখাবে।

আমাদের কোমড় না ভেঙ্গে তোমার একটু শরীরচর্চা হয়ে যাওয়াটা ভাল, তাইনা?

আপনি একটু বাড়াবাড়িই করেন।

কি? এটা তুমি নিয়ে যাও।

এভাবে হেঁটো না। ওকে রান্নাঘর দেখিয়ে দাও।

- তোমাকে দেখিয়ে দেব। - চার্চের টাকায় খাচ্ছো না?

একটু শরীর নড়াচড়া করাও।

কি ব্যাপার ডাক্তার? সমস্যা হচ্ছে?

না ফাদার।

আমি খুশী

আমি এরকম জায়গাতেই বড় হয়েছি।

পাতরোস জলদি করো।

যখন বাচ্চারা ফিরে আসবে ওরা ক্ষুধার্ত থাকবে

এক্ষুণি হয়ে যাবে, ফাদার।

আজকে জলদি এসে গেল?

ডাক্তার, হাতধুয়ে আমার সাথে চার্চে এসো।

পাতরোস ভাই।

কে উনি?

মালবিকা নামবিয়ার।

কোটিপতি।

উনার দয়ায় এই এতিমখানা চলে।

উনার অনেক বড় হাসপাতাল আছে।

তাই?

ফাদার বলেছে উনার সাথে তোমার ব্যাপার কথা বলবে।

তাহলে এই ছেলেটা?

আরিয়ান।

তুমি কোন সেক্টরে বিশেষজ্ঞ ডাঃ আরিয়ান?

- আত্মবিশ্বাসের সাথে বল। - কার্ডিওলজি।

- তোমার বায়ো ডাটা তোমার সাথে আছে? - হ্যাঁ

তোমার সার্টিফিকেট গুলো নিয়ে আগামীকাল হাসপাতালে এসো।

- আমি এইচ আর ডিপার্টমেন্ট কে বলে রাখব। - ধন্যবাদ স্যার।

তারপর?

চাকরি পাওয়ার পর আরিয়ান এখানে আসেনি?

অবশ্যই। ৩-৪ বার এসেছিল।

২-৩ জন মেয়েও ছিল সাথে।

এসব কি?

এটা উদামপুরি, এগুলো কলা ভাজি।

ভাই আরো ২ টা সুজিয়ান।

ফাদার এখন কাকে বোকা বানাতে গেছেন?

বিশপকে।

কিন্তু আমার মনে হয়না পারবেন।

কেন?

এটা বাচ্চাদের ইন্সুরেন্সের ব্যাপারে।

কিন্তু বিশপ আমাদের ফাদার থেকেও বড় চতুর।

উনাকে বোকা বানানোর মত মগজ ফাদারের নেই।

ভাই, কত হয়েছে?

খুব খারাপ। আমার সাথে এমন করবেন না।

- তাহলে তুমি দাও। - আমার টাকা নেই।

কি, রে?

আমি আরো ৪ টা উনদানপুরি চাই।

- আবার? - ৪ টাতেই চলবে।

- তুমি আসছো না? - এটাতে হাত দিবেন না।

- আমার চাবি নিয়ে গেল? - তুমি একটু বাড়াবাড়ি করছো।

তোমার লাগলে তুমি নিয়ে খাও। আমার দিকে কেন হাত বাড়াচ্ছো?

থামো থামো।

কোথায় যাচ্ছেন?

এটা আমার গাড়ি। আমাকে রেখে কোথায় যাচ্ছেন?

- শুনলে না চৌকিদার কি বলেছে? - কি?

- ডাঃ আরিয়ান কয়েকবার এখানে এসেছে। - তো?

তাও কয়েকজন মেয়েকে নিয়ে।

আমাদের এসব জানতে হবে না?

ওরা কারা?

সুন্দরী কিনা?

ওরা সুন্দরী হলে, ওদের ছেড়ে দেয়া যাবে না। আমাদের অবশ্যই যাওয়া উচিত।

বিশাল হাসপাতাল, তাইনা?

বিশাল।

কিন্তু আপনি গাড়ি করে আসলে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরে যেতে হবে।

চিকিৎসা সেবা এতটাই ভাল?

না। বিল দিতে গেলে গাড়িটাই বেঁচে দিতে হবে।

- আমি একটা ব্যাপার বুঝতে পারছি না। - কি?

একটা হাসপাতালের আচার বিভাগের প্রয়োজন পড়ে কেন?

আচার না, এইচ. আর।

- হিউম্যান রিসোর্স। - কি?

হিউম্যান রিসোর্স।

দেখ। হিউম্যান রিসোর্স।

আপনারা কারা?

আমার চাকরি দরকার।

- চাকরি? - হ্যাঁ।

প্রথমে আবেদন করতে হবে।

যদি পদ খালি থাকে, আপনাকে ফোন করা হবে।

এটাই সাধারণ নিয়ম।

- আর... - আমি সবটা জানি

- আপনার নাম কাবিয়া, তাইনা? - তো হয়েছে কি?

কিছু না।

আমি শুধু বলছিলাম নামটা সুন্দর।

কি চান আপনারা?

বলেছিলাম না?

- চাকরি দরকার। - চাকরি?

নির্দিষ্ট কোন কাজ না।

যে কাজই দেবেন উনি সেটা ঠিকমত করবেন।

উনিই এখন আমার গাড়িটা চালায়, তাইনা স্যার?

আপনারা ভুল জায়গায় এসেছেন।

এখানে আসা উচিত হয়নি।

পাগলের ডাক্তার পাশের ব্লকেই আছে

আপনাদের ওখানে যাওয়া উচিত।

এমন করে বলবেন না।

এভাবে অনেক চাকরি দিয়েছেন তাই না, কাবেয়া?

বিশেষকরে সুদর্শন যুবকদের।

মনে পড়ছে না?

ডাঃ আরিয়ান।

কে আপনারা?

পুলিশ।

কেরালা পুলিশ নয়, সেন্ট্রাল পুলিশ।

বসো।

আমি ডাঃ আরিয়ান সম্পর্কে জানতে চাই।

তোমাদের মধ্যে ছোটখাটো সম্পর্ক ছিল, তাইনা?

এই জন্যই তাকে এই হাসপাতালে চাকরি দিয়েছিলে?

আমি না।

ডাঃ আরিয়ান, মালবিকা ম্যাডামের সুপারিশে চাকরি পেয়েছেন।

কাবেয়া, প্লিজ।

মেয়াদ শেষ হবার আগে তুমি চলে যেতে চাইলে আমি এতে কি করতে পারি?

এম.ডি বরুণ স্যারের সাথে কথা বলো।

ওরে বাপরে! না।

ওই হারামজাদার সাথে কথা বলার চেয়ে ট্রেনের সামনে লাফ দেয়া ভাল।

বাবা ফোন করছে। আরেকটা ঝামেলা।

কি?

আমার সার্টিফিকেট পাবার একটা উপায় বলে দেন।

ফেইক পাসপোর্ট বানাতে পারবে?

ফেইক পাসপোর্ট?

একদম আসলটার মত দেখতে হতে হবে।

বানিয়ে নিয়ে এসো।

নার্সিং কাউন্সিলে সার্টিফিকেট দিতে চাও বলে সেগুলো তুলে নাও।

আর যেখানে মন চায় চলে যাও।

বল বাবা।

পাত্র দেখা।

না। এখানে আসার কোন দরকার নেই।

তোমাকে কে অনুমতি দিয়েছে?

বাবা, ফোন কাটবে না।

কি ব্যাপার?

কোন এক হতচ্ছাড়া বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে আমাকে দেখতে আসছে। তাও আবার এখানে।

- আসতে পারি? - হ্যাঁ।

সরি। আপনি কি ব্যস্ত?

হতচ্ছাড়া না।

- অনেক সুদর্শন। - যাও তো।

যাও যাও।

আসুন।

যাও।

বসুন।

বাবা বলেছেন আপনি আসবেন।

ওহ! ফাদার।

বায়োডাটা?

বায়োডাটা লাগবে না। এমনিই বলুন।

আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন।

আপনি কি জানতে চান বলুন? আমি বলছি।

আপনার শখ কিসে?

শখ... গান, বই পড়া।

আর ঘোরাঘুরি করতে ভালবাসি।

আমিও এসব ভালবাসি।

আর অনেক সিনেমাও দেখি।

সিনেমার ব্যাপারে একদম পাগল।

কিছু মনে করবেন না।

একটু জানার আগ্রহ হিসেবে ধরে নিন।

কি?

কখনো কাউকে ভালবেসেছেন?

না।

না। আমিও না।

জানিনা বাবা আপনাকে কি বলেছে!

খুব বেশি আশা করবেন না।

- কি? - টাকার ব্যাপারে...

পরে এটা নিয়ে যেন কোন সমস্যা না হয়।

টাকা কোন বড় ব্যাপার না

অভিজ্ঞতাই আসল।

অভিজ্ঞতা থাকলে, পৃথিবীর যেকোন জায়গায় বেঁচে থাকতে পারব।

না, আমার এখানটা পছন্দ হয়েছে। আমি কোথাও যাব না। আমি এখানেই থাকব।

বাবা তোমাকে ফোন করেছে না?

তুমি হয়ত বসতে বসতে ক্লান্ত হয়ে গেছ।

আমি একটু ব্যস্ত ছিলাম।

তোমাকে আগেও দেখেছি কাবেয়া ।

আমি এখন ফ্রি। তুমি চাইলে আমরা ঘুরতে যেতে পারি।

আইসক্রিম, কফি, সিনেমা যেকোন কিছু চলতে পারে।

উঠ, উঠ বলছি।

তুই নিজেকে কি মনে করিস?

- তোর মুখের নকশা বদলে দেব আমি। - বেবি।

ছ্যাঁচড়া লোক।

দুর হ।

কি মেয়ে রে বাবা।

বেবি।

ধন্যবাদ।

সম্বন্ধ নিয়ে এসেছে এমন কাউকে গালাগালি করা উচিত হয়নি।

আপনার সামনে বিব্রত হবার রাগটা ওর উপরে ঝেড়েছি।

বেচারা। মনে হয়না আর কোন মেয়ে দেখতে যেতে চাইবে।

গালিগালাজ গুলো খুবই উচ্চমার্গীয় ছিল। কোন স্কুল থেকে শিখেছেন ওসব?

বাচঁতে চাইলে, অন্তত এটুকু তো জানতে হবে ডাক্তার সাহেব।

এটা এমডি বরুণের রুম।

কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করেছে সেটা আমি বলে দিব, বানি?

- আসতে পারি স্যার? - বলি?

আসো।

বানি, প্লিজ।

উনি কে?

উনি ডাঃ আরিয়ান। ম্যাডাম আসতে বলেছেন।

ওহ আরিয়ান। বসুন বসুন।

বানি, তাহলে আমি যেভাবে বলেছি সেভাবেই করো।

কাবেয়া, বসো।

ঠিক আছে, স্যার। আমি বসব।

তুমি কার্ডিয়াক স্পেশালিষ্ট তাই না?

হ্যাঁ।

আমাদের কার্ডিয়াক সার্জন ডা. বিকে মাধবন একটু কঠোর।

এমন সুপারিশ উনি পছন্দ করেন না।

কিন্তু আমি উনার সাথে কথা বলেছি।

গিয়ে দেখা করে এসো।

মাধবন স্যারের সাথে আরিয়ানের দেখা করাও।

উনাকে শুধু বলো আমি বলেছি।

- যাও - আসুন।

পরের সপ্তাহে মালয়েশিয়া বিজনেস ট্রিপ আছে।

তোমাকেও সঙ্গে যেতে হবে।

কিন্তু স্যার আমার তো পাসপোর্ট নেই।

- পাসপোর্ট নেই? - নেই।

- তোমার করে নেয়া উচিত ছিল। - করে নেব স্যার।

ঠিক আছে যাও।

আসুন।

- বানি তোমার পাসপোর্ট আছে? - হ্যাঁ স্যার।

- তোমার আছে? আচ্ছা। - ঠিক আছে।

চলবে

- আমার একটা সন্দেহ আছে। - কি?

আপনি কি মিথ্যা কথা বলা ছাড়া এক মুহূর্তও চলতে পারেন না?

- পাসপোর্টের কথা বলছেন? - হ্যাঁ।

এটাই নারীদের বিশেষত্ব।

আগে ভাগে বিপদ আন্দাজ করে নেবার ক্ষমতা।

- আপনি আসলেই অন্যরকম। - হ্যাঁ।

আপনি এখন এলিয়েনের গুহায় ঢুকতে যাচ্ছেন।

কিছু গর্জন শুনতে পারেন।

ভয় পাবেন না।

এসব বিষয়কে লাই দেব না। এমন কিভাবে করতে পারো তোমরা?

দায়িত্বজ্ঞানহীন গর্দভেরা।

ভদ্রতা শেখনি?

জানো না ভেতরে ঢোকার আগে নক করতে হয়?

গাধা।

এমডি স্যার বলাতে আমি ডা. আরিয়ানকে আপনার সাথে দেখা করাতে নিয়ে এসেছিলাম।

- আমি দরজায় নক করেছিলাম। আপনি শোনেননি। - কাঁদবে না।

কাঁদবে না।

কাঁদতে বারণ করেছি

তুমি দাড়িয়ে আছো কেন?

যেতে পারছো না?

তুমি কোথায় যাচ্ছো?

- আপনিই তো যেতে বললেন... - এদিকে এসো।

সুপারিশে আসা লোকদের আমি পছন্দ করিনা।

আমার অভিজ্ঞতা বলে যারা এভাবে আসে তারা বেশির ভাগই হতচ্ছাড়া হয়।

২ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করব তোমাকে।

যদি ভাল কাজ না করো, বের করে দেব।

বুঝতে পেরেছ, ডাঃ আরিয়ান?

- জ্বী স্যার। - সোমবার থেকে কাজে চলে আসবে।

ডাঃ বিনোদের সাথে দেখা করবে।

ঠিক ৮ টায়।

ঠিক আছে? জ্বী।

- এতটুকুই? - এতটুকুই

তো, তোমরা প্রেমে কবে পড়লে?

হেই! আমরা কোন ভালবাসার সম্পর্কে ছিলাম না।

হেই তুমি ডাক্তার কিংবা উকিলকে মিথ্যা কথা বলতে পারো।

কিন্তু কখনো পুলিশকে মিথ্যা কথা বলো না ।

তাও আবার সেন্ট্রাল থেকে আসা পুলিশকে।

হেই! পুলিশ কে?

আপনি স্যার।

ওকে কেরালা পুলিশের মত প্রশ্ন করুন।

সবকিছু ঠিকঠাক বলে দেবে।

- ওরা সেন্ট্রাল পুলিশি পথে কথা বলতে পারবে না। - চুপ কর।

আমি জানি কি জিজ্ঞেস করতে হবে।

তো কাবেয়া

তুমি কবে প্রেমে পড়লে?

ডাঃ আরিয়ানকে দেখেছ?

কেন?

না, একটা অফিশিয়াল ব্যাপারে কথা ছিল।

উনি আমার অফিসে।

তোমার অফিসে কেন?

চিন্তার কিছু নেই। আমি কিছু করিনি।

আজকে একটু তাড়াতাড়ি চলে যাওয়ার প্ল্যান করেছিলাম।

তখনই ডাঃ আরিয়ান এসে বললেন ভিকে স্যারের ফাইল গুলো টাইপ করে দিতে।

যখন আমি আমার প্ল্যান ভেস্তে যাবার কথা উনাকে খুলে বললাম।

উনি ওখানে বসে নিজেই টাইপ করে আমাকে সাহায্য করছেন।

ঠিক আছে।

কি এমন ব্যাপার যে বাদ দেয়া যাবে না?

সব ব্যাপার ওখানে। আমার ফ্রেন্ড অপেক্ষা করছে।

ফ্রেন্ড নাকি?

হিংসে করার কিছু নেই।

এরকম হবার জন্যে ভাগ্য থাকা চাই।

আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না, প্লিজ।

আমার কোন উপায় নেই।

কি ব্যাপার?

প্রথমে কথা দিন, তারপর বলছি।

ব্যাপার কি বলুন।

আমি অনেক বার চিন্তা করেছি আপনাকে বলব কিনা।

কিন্তু আমার মন সায় দিচ্ছিল না

আমাকে টেনশন না দিয়ে কি বলবেন বলুন।

প্রথমে আমাকে কথা দিন।

কথা দিলাম। এখন বলুন।

আমাকে ৩ দিনে মেডিকেল লিভ দিতে পারবেন?

১ চড় দেব আপনাকে। আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছেন।

কোনকিছু সুন্দর করে কিভাবে বলতে হয় জানেন না?

জানি। কিন্তু কি হবে যদি সরাসরি না বলে দিতেন?

কি অসুস্থতা?

- হৃদয় বেদনা লিখে দিন। - কি?

হ্যাঁ, হৃদয় বেদনা।

সেটাই তো আপনার ডিপার্টমেন্ট, তাইনা?

তাই নাকি? তা হঠাৎ ছুটি লাগছে কি জন্যে?

আমার পাসপোর্ট নেই বলার পর..

ঐ হারামজাদা বরুণ স্যার মিটিং বেঙ্গালুরুতে নিয়ে এসেছে।

এড়িয়ে যাবার সর্বোচ্চ চেষ্ঠা করেছি। এখন এটাই একমাত্র পথ।

যাইহোক, হৃদয় বেদনা লেখার দরকার নেই। জ্বর লিখে দিলেই চলবে।

এতেই কাজ হয়ে যাবে।

জ্বর হওয়াও তো হৃদয় বেদনার লক্ষণ, তাইনা?

আপনি কি আমার চাকরি টা খাবেন?

চলে গেলে যাবে।

আপনার কোন চাকরির দরকার নেই। আমি আপনার দেখাশুনা করব।

অনেকক্ষণ ধরে মধুর জাল বিছিয়ে যাচ্ছিলেন।

কি ব্যাপার?

তাহলে সরাসরি কথায় চলে আসি।

আমার পরিবার বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজে বেড়াচ্ছে।

জানতে চাইছিলাম কোন ফাঁকা জায়গা আছে কিনা।

পরে যেন আপসোস না হয় যে আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করিনি।

কাবেয়া, আপনি খুবই ভাল মেয়ে।

খুব মিস্টি আর স্পষ্ট।

কিন্তু আমি....

এটা বোধ হয় ঠিক হবে না।

আমি তো শুধু...

সিরিয়াসলি নিয়ে ফেলেছেন বুঝি?

টাইপিং হয়ে গেছে?

হ্যাঁ। শেষ।

ওহ, তুমি এখানে?

চল। যাই।

এই নতুন অবতারটা কে?

তারা।

এই তারা মিনিস্টারের মৃত্যুর সময় ডাঃ আরিয়ানের সাথে ছিল না?

হ্যাঁ এরপর থেকে আর কাজে আসেনি।

তো

তারা হচ্ছে তারা।

এটা কি? ভূতের বাড়ি?

স্যার, কেইসটা এরকমই হলে আমাকেও পুলিশে নিয়ে ফেলুন।

- কেন? - আপনি আমাকে গাড়ি চালাতে দিচ্ছেন না।

- আর পুলিশ হতে তো এত বেশি বুদ্ধিমান হবার দরকার নেই, তাইনা? - কী?

যদি আমরা দুজনের মগজ একসাথে কাজে লাগাই তাহলে শীঘ্রই কেইসটা সমাধান করে নিতে পারব

সবাই কি মরে গেছে?

ভাই!

- কি হচ্ছে? - খোলা ছিল তো।

কেউ কি নেই?

- কি? - আসুন।

১৬ দিন পর আসব।

- আসুন। - ছাড়।

ওখানে যাবেন না।

কি হচ্ছে? নিচে নামুন।

আপনার যে সমস্যাই হোক, সেটা সমাধান করা যাবে। নিচে নামুন।

না! আমি মরতে চাই।

- উনাকে মরতে দিন। চলুন যাই। - নিচে নামুন।

মেরে ফেললেও নিচে নামব না।

ভাই, নিচে নামেন।

না। নিচে নামিয়ো না। আমি নিচে নামব না। আমি মরে যাব।

- আন্টি উনাকে নিচে নামতে বলুন। - না।

ধর। ধর।

এখানে।

টুলে লাথি মারলি কেন?

কিভাবে কাজ হয়, সেটা দেখার জন্যে লাথি মেরেছি

নাটক শেষ?

না। এখনো শেষ হয়নি।

যে মুহূর্তে বাড়ি ছেড়ে যাবি, তখনই বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেব।

আর সেই আগুনে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যা করব।

যাও। মর গিয়ে।

বাপ মা মরে গেলেও তোর কিছু যায় আসেনা।

কয়েকদিন আগে পরিচয় হওয়া ঐ হতচ্ছাড়ার জন্যে বাড়ি ছেড়ে চলে যাবি?

- হ্যাঁ যাব। - যা। চলে যা।

চিরদিনের জন্য চলে যা।

আর কখনো এই বাড়িতে পা রাখবি না।

এতটা কঠোর হবেন না।

যাইহোক ও আপনারই মেয়ে তো!

তাইনা?

আপনারা কারা?

সরি

আমি তারাকে নিয়ে যেতে এসেছি।

তাহলে তুইই ঐ হতচ্ছাড়া?

যে আমাদের মেয়েকে আমাদের বিপক্ষে উসকে দিয়েছিস?

যদি আপনার মেয়ে তার পছন্দের কারো সাথে জীবন কাটাতে চায়

তাহলে আপনি কিংবা আপনার দাদাও কিছু করতে পারবে না।

কেউ তার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না

কেউ পারবে না।

আসো।

মা।

কে আপনি?

চিন্তা করো না।

আমি তোমাকে সাহায্য করতে এসেছি।

তোমাকে তোমার ভালবাসার কাছে নিরাপদে নিয়ে যাব।

তারবদলে আমাকে একটি উপকার করে দিতে হবে

কি উপকার?

তোমার কাছের কোন ব্যাক্তির সম্পর্কে কিছু খবর জানতে চাই।

ডাঃ আরিয়ানের ব্যাপারে।

আপনি আসলে কে বলুন তো?

পুলিশ। সেন্ট্রাল পুলিশ।

চুপ কর।

আসো।

আমিও আসছি।

সহকর্মী হিসেবে পাশাপাশি কাজ করার পেছনেও

তোমার সাথে আরিয়ানে একরকম সম্পর্ক ছিল, তাইনা?

হ্যাঁ।

এই বন্ধুত্ব্ব টা গড়ে উঠেছে কাজের ক্ষেত্রে একে অন্যকে সাহায্য করার মাধ্যমে।

উনার জয়েনিং এর পর কিছুদিন মাঝেমধ্যে

ডাঃ ভিকে স্যার আরিয়ানের কর্মদক্ষতা বাজিয়ে দেখার জন্য কিছু কাজ দিয়েছিলেন।

হেই! ভিকে স্যার আপনার উপর রেগে আছে। খুঁজছে আপনাকে।

কি হয়েছে?

ভিকে স্যার, এই ইসিজিটা করে ফলাফল জানাতে বলেছে।

- কিন্তু আমি কিছু বুঝতে পারছি না। - দেখি আমি।

আমি একদম ভরসা পাচ্ছিনা।

এরজন্য এত লজ্জা পাবার দরকার নেই।

নতুন ডাক্তার এলে এরকম হয়।

দেখে মনে হচ্ছে মায়োকার্ডিয়াল ইনফেকশন।

তাই?

আমারও এটা সন্দেহ হচ্ছিল।

সন্দেহ রাখবেন না। এটাই হবে।

না। আসলেই এরকম মনে হয়েছিল।

কিন্তু নিশ্চিত হবার জন্য জিজ্ঞেস করেছি

তুমি সিউর তো?

হ্যাঁ।

তাহলে আজকে আমার পক্ষ থেকে ট্রিট পাওনা থাকল।

তারা আজ যদি সাহায্য না করতে ভিকে স্যার আমাকে বের করে দিতো।

না। ভিকে স্যার শুরুতে একটু রাগারাগি করেন।

একবার পছন্দ করে নিলে, নিজের বাচ্চার মত খেয়াল রাখেন।

তাই বুঝি?

আমাকে কখন পছন্দ করবেন?

কিন্তু বাকিরা শীঘ্রই আপনাকে পছন্দ করবে

যদি এরকম কোন পরিস্থিতি আবার আসে আমাকে সাহায্য করো প্লিজ।

কিন্তু ফ্রি তে হবে না।

যদি প্রায়ই এমন ট্রিট দেন, তাহলে হবে।

কেন দেব না? অবশ্যই দেব।

- ঐ হারামজাদা। - কে?

এমডি বরুণ স্যার।

এটা দেখ।

কাবেয়ার রক্ত চুষে খাচ্ছে।

ভাল ড্রেস, তাইনা?

বিরক্ত হয়ে গেলে, এই সুতো গুলো টানাটানি করতে পারবে।

আমি এখন যাই স্যার? একটু তাড়া আছে।

সামান্যই তো, কাবেয়া। এসকল কিছু একটা ইঙ্গিত।

কাকতালীয় ভাবে একে অন্যের কাছে ছুটে যাওয়া

খোলাখুলি ভাবে কথাবার্তা বলা।

যাইহোক, শুধু এভাবে ঘুরিয়ে ছেড়ে দিচ্ছিনা।

তোমাকে ডিনারে নিয়ে যাব

কাছাকাছি দাড়াও।

কাছে এসে দাড়াও।

এই ড্রেসে তোমাকে ভাল মানাবে।

- তোমাকে হট দেখাবে। - যাও।

যান স্যার!

- এটা পরে এসো। - হু?

- পড়ে এসো। - স্যার?

কাবেয়া, তুমি এখানে?

তোমাকে সবজায়গায় খুঁজেছি।

সরি স্যার। আপনিও এখানে?

তুমি এখানে কি করছো?

কাবেয়ার জরুরী কল ছিল।

অনেকবার ফোন করার পরও লাইন পাইনি।

তাই সেটাই জানাতে এসেছি।

যতই ক্ষমতাবান লোক ফোন করুক না কেন

বলে দাও কাবেয়া এমডি বরুণের সাথে আছে।

- বলে দিব স্যার। - ওদেরকে ২ দিন পর ফোন করতে বল। - ঠিক আছে স্যার।

- কে ফোন করেছে, ডাক্তার? - তোমার কি প্রয়োজন?

না। শুধু জানতে চাইছি।

মালবিকা ম্যাডাম।

মা?

মা কেন ফোন করেছে?

আমি জানিনা।

উনি বললেন হাসপাতালে কিছু জরুরী কাজ আছে।

ঠিক আছে। আমি বলে দিব সে আপনার সাথে আছে

না। এটা ঠিক হবে না।

যাও কাজটা করো।

কাজ আগে।

ডিনারের কি হবে স্যার?

- ডিনার অন্য কোন দিন করা যাবে। - কি দুঃখ।

যাও।

ডাক্তার আরিয়ানের অনুরাগী ব্যাক্তিত্ব ছিল।

এটা সত্যি যে আমাদের মধ্যে ভাল বন্ধুত্ব ছিল।

কিন্তু এর বাইরে আর কিছু নয়।

ভাই, ঐ সামনের বাড়িটা

বাবা মা কে ছেড়ে এমন লোককে বিয়ের জন্য ঠিক করলে যার মিডল স্ট্যাম্প উড়ে গেছে?

খুব খারাপ।

তারা

ব্যাগ নিয়ে।

দোস্ত

কি করছ তুমি?

- তোমার শ্রাদ্ধ করতে এসেছি। - বুঝতে পারিসনি?

- তুই ফেঁসে গেছিস ভাই। অভিনন্দন। - হরি তাইনা?

- হ্যাঁ। - আমি রাজীব।

পুলিশ।

না?

সবকিছু বুঝে গেছি।

মেয়েটা বাবা মাকে ছেড়ে তোমার সাথে জীবন কাটাতে এসেছে।

তাই? দারুণ।

আপনি বলুন স্যার।

ক্লাস ৫ থেকে ওর সাথে প্রেম করছি।

এখন পর্যন্ত ১১ টা বিয়ের প্রস্তাব ভেঙ্গেছি।

এখন আর এসবে কাজ হবেনা।

হয়ত অন্য কাউকে বিয়ে করে নিতে হবে..

নাহলে ও আমাকে নিজের কাছে ডেকে নেবে।

কিন্তু মনে হচ্ছে না ও এমনটা করবে।

ওর গালে একটা চড় লাগাব?

এসব কি, হরি?

তোমার কি উচিত না মেয়েটার প্রতি কিছুটা সততা আর দায়িত্ববোধ দেখানো?

- তুমি কি করো? - আমি উকিল।

কিন্তু কোন কেস পাচ্ছি না।

- আমিও একজন উকিল, জনিকুট্টি

চিন্তার কিছু নেই। ও এখন পর্যন্ত কোন মামলা লড়েনি।

জনির বউ আমেরিকায় থাকে।

আমরা সবাই ওর ঘাড়ে বসে খাচ্ছি।

শান্তির ব্যাপার হচ্ছে, স্বচ্ছল কেউ তো আমাদের পরিবারে এল।

ভেতরে এসো। বরণ করতে পারছি না। সরি।

মামলা এই বাড়ির সৌন্দর্য।

এই শহরের কোন মামলার ব্যাপারে আমি জানিনা?

তোমরা কথা বল। আমি চা বানাচ্ছি।

রান্না করা আমার দুর্বলতা।

দেখতে ওমনই লাগছে। শুধু রান্নাতে নয়, খাওয়াতেও দুর্বলতা আছে তাইনা?

শুধু চা না, নাস্তা পানিও এনো।

সড়ো। আমাকে মামলা খুঁজতে দাও।

কোথায়?

তোমার উদ্দেশ্য কি?

- বাড়ি ছাড়ার আগে একবার জানাতে পারলে না? - কি করে?

মনে হচ্ছে এক্ষুণি ব্রেকআপ করে ফেলবে।

ঝগড়া করার জন্যে তোমাদের কাছে সারাজীবন পড়ে আছে।

কিন্তু আজ শুধু উদযাপন করার দিন।

সত্য। কিন্তু বিয়ে তো কাল, তাইনা? তাহলে উদযাপন করো।

বিয়ের পর, আর উদযাপন করতে পারব না।

ওদের ভয় পাইয়ো না।

আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।

আমি আমার কথা রেখেছি

তোমাকে তোমার তারা নিরাপদে এনে দিয়েছি।

কিন্তু আমার সমস্যার সমাধান হয়নি।

কি সমস্যা?

ডাক্তার আরিয়ানের প্রেম।

আমি সেটা নিয়ে জানতে চাই।

এই লোকটাই এরজন্যে দায়ী।

আমি?

বাজে কথা বলবে না।

তুমিই ওকে ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলে না?

হ্যাঁ।

উপকার করার জন্যে করেছিলাম

ঐ উপকারটাই আরিয়ানের প্রেম হয়ে দাড়িয়েছিল।

কোথায় আপনি?

আমি ১০সি এর সামনে আছি।

দরজা খোলা আছে। ভেতরে আসেন।

রুমের ভিতরে ঢুকেছি।

দারুণ ফ্ল্যাট।

এই হচ্ছে রামেশ্বন।

বিশ্বাসই সব।

- কোথায় আপনি? - আমি বারান্দায়।

- আমি বারান্দায় আছি। - আমিও বারান্দায় আছি।

- তুমি? - ডাক্তার?

এটা তোমার কোন নতুন চালাকি?

এটা কোন চালাকি না

এই সত্যি।

আপনি ঐ ফ্ল্যাটে কি করছেন?

তুমি আমাকে ১০সি তে আসতে বললে না?

আমি তো ১০ সি এর ব্যালকনী তে আছি।

আমি ই ব্লকের ব্যালকনী বলেছি।

ঐটা ডি ব্লকের ব্যালকনী।

- আমি এখন কি করব? - লাফ দেন।

এক কাজ করুন। কেউ দেখার আগে বেরিয়ে আসুন।

উনি কি ডাক্তার? অপারেশন কি করে করবে?

এই লোকটা।

- বের হননি? - বের হচ্ছি।

আস্তে।

আপনি কি রেসলিং শিখেছেন?

আর মারবেন না। আমি আছি তো।

মারার আগে নামটা অন্তত জিজ্ঞেস করে নেয়া উচিত ছিল।

এই লোকটা মরে গেলে, বডিটা অনাথ হয়ে যাবে।

কি দেখছেন? খাওয়ার জন্য পানি নিয়ে আসুন।

- আপনি ঠিক আছেন তো? - ঠিক আছি।

সেটা ভাববেন না।

এভাবেই আমার মা একবার বাবাকে মেরেছিল..

আমি দৌড়ে গিয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম বাবা ঠিক আছে কিনা। উনি বলেছিলেন ঠিক আছে।

আর বলার সাথেসাথেই মৃত ব্যাক্তির মত পড়ে গেলেন।

তারপর আমার বাবা ৬ মাস গোয়াতে ছিলেন।

গোয়া? - হ্যাঁ।

মাথায় বাড়ি খেয়ে জ্ঞানহীন অবস্থায় অনেকদিন ICU তে পড়ে ছিলেন।

সেটাকে কোমা বলে।

কমা বা দাড়ি। আমাদের দেখতে হবে এরকম যেন না ঘটে।

ঠান্ডা পানি.

আপনি চেয়েছিলেন?

কাউকে অজ্ঞান দেখলে আমার পানি খেতে হয় নাহলে আমিই অজ্ঞান হয়ে যাই।

আমি দুঃখিত।

সমস্যা নেই। সেটা আমার ভুল ছিল।

এই ভাই আমাদের সবকিছু বলেছে।

চোরদের সাথেও এমনটা করবেন না।

হয়েছে। চলেন।

আসুন।

'We heard the tune of an unknown song together'

'We saw an unknown melodious cloud together'

'The sweet language spoken through the eyes, we held it close to our hearts'

'We heard the tune of an unknown song together'

'As the ray of sunlight shines this way'

'As you embrace me, with the beauty of the sun-rays'

'While I sense, nearthewindow-sills, your smiles like dewdrops'

'Unsaid, unknown; love is all over the heart'

'Love is blooming on both the shores of a river'

'We heard the tune of an unknown song together'

'We saw an unknown melodious cloud together'

'We wander, as the wings to a morning'

'As a dream melts during the midnight'

'Pain wanders, as a caressing finger'

'You are next to me, like a flower that blooms in the snow'

'Not able to separate, you're all over me, as my life'

'Are both of us enjoying the memories of every moment?'

'We heard the tune of an unknown song together'

'We saw an unknown melodious cloud together'

'The sweet language spoken through the eyes, we held it close to our hearts'

পুননোসে, টাকা নিয়ে চিন্তা করিস না।

ব্যাপারটা জটিল হওয়ার আগে মিটিয়ে ফেলার চেষ্ঠা কর।

বিপক্ষ দলকেও টাকা দিয়ে আয়ত্তে আনা যায়।

কিন্তু আমাদের দলের কিছু লোকদের মুখ বন্ধ করা কঠিন হয়ে গেছে।

আপনি ঘুষ খান বলে যেসব লোকেরা আপনার পদত্যাগ চাইছে..

তারাই আগে আপনার কাছে হাত পেতে রাখত।

বাদ দে।

গোপন কথা ফাঁস হয়ে যাবে।

গোপন কথা ফাঁস হয়ে গেলে, এসব বাড়তে থাকবে

এটাই আমাদের পার্টির ভাগ্য।

দেখিস সবাই যেন ঠিক সময়ে টাকা হাতে পায়।

আর নাহলে...

অনাস্থা অবস্থার সৃষ্টি করবে।

আর পেছনের দরজা দিয়ে যা।

সামনে মিডিয়ার কিছু জারজ সন্তান আছে।

কে তুমি?

উনি জিজ্ঞেস করছেন কে তুমি?

দাদা ও আমার বন্ধু, আরিয়ান।

তাই?

ভেতরে এসো।

তুই যা।

ঠিক আছ স্যার।

তুমি কে বললে যেন?

তো জেনির সাথে কিভাবে পরিচয়?

আমি উল্টো দিকের ফ্ল্যাটে থাকি।

- কি কাজ করো? - আমি একজন ডাক্তার।

- কোথায়? - মুনরাইস হাসপাতাল।

কার্ডিয়াক ডিপার্টমেন্ট।

কার্ডিয়াক বলতে...

- ডা. ভিকের সাথে? - হ্যাঁ।

এদিকে এসো।

এখন কটা বাজে?

৮:৩০ টার বেশি হচ্ছে।

কেন?

তোমার ঘড়িতে সঠিক সময়টা দেখায় না?

৮:৩৮।

ঠিকআছে।

বন্ধুত্ব ভাল জিনিস।

কিন্তু এই ঘরে ২ টা মেয়ে একা থাকে, তাইনা?

তাই তোমার কি উচিত না এখানে আসার সময় ঘড়ি দেখে আসা?

সরি স্যার।

আমি এই সিডি দিতে এসেছি।

জেনি চেয়েছিল। সেজন্যেই।

ওহ! লাভ ইন্সট্রুমেন্ট।

আমি দিয়ে দেব।

- তুমি যেতে পারো। - ঠিক আছে।

তাহলে এই ছিল টুইস্ট।

মিনিস্টার চন্ডী আরিয়ান আর জেনির প্রেমের ব্যাপারে জেনে ফেলেছিল।

সেটা বলতে পারছিনা।

উনার হয়ত একটু সন্দেহ হয়েছিল।

কেন?

এটা নিয়ে জেনির জীবনে কোন সমস্যা হয়নি?

মনে হয়না।

একবার জেকব স্যার এ ব্যাপারে জানতে চেয়েছিল।

এতটুকুই।

জেকব স্যার।

জেকব চন্ডী।

চন্ডী স্যারের ছেলে।

জেনির পাপা।

কফি টাইম।

জেনি-ফুল।

বাবার সাথে রাগটা এই বেচারা ক্যাপাচিনোর উপরে ঝাড়তেছিস কেন?

ঠান্ডা হবার আগে খেয়ে নে আর রাগ কমা।

আমাকে হাসানোর চেষ্ঠা করো না পাপা।

দাদা আমাকে কিছু বলেছিল। সেটাই আমি জানতে চেয়েছি।

- এটুকুই তো। - দাদা যেমনটা বলেছে তেমন কিছুই হয়নি।

- আরিয়ান আমার খুব ভাল বন্ধু। - হয়ত।

অন্যভাবে কে বলছে?

তুই তো দাদার পজিশন আর সবকিছু নিয়ে জানিস।

শুধু একটু সাবধানে থাকিস।

তুই কি করছিস সেটাও পুলিশ নজর রাখবে

এত বেশি ঘোরাঘুরি করার দরকার নেই। ব্যস এতটুকুই।

- এর বেশি কিছু... - আর কিছু নেই পাপা।

এর মধ্যে এমন কিছু থাকলে আমি কি তোমাকে বলতাম না?

কফি খেয়ে নে।

তো।

তোর মা ফোন করেছিল।

তুই উনার ফোন ধরিস না কেন?

ফোন ধরছিস না বলে সে আমাকে বকাবকি করছিল আমি নাকি তোকে ফোন ধরতে বারণ করেছি।

আমি কিছু বলিনি।

এখন যদি সত্যি কথাটাও বলি, সে বিশ্বাস করবে না।

মা প্রতিদিন ফোন করে কিন্তু আমি ধরি না।

এরকম করিস না, মা।

তোর ওর সাথে কথা বলা উচিত।

আর যাইহোক, সে তোর মা তো?

পাপা, চুপ কর। এ ব্যাপারে আমরা অনেক কথা বলেছি।

আমাদের ছেড়ে চলে যাবার সময় উনার এরকম আবেগগুলো ছিল না।

তোমাকে কখনো দেখিনি তাকে দোষারোপ দিতে।

কিন্তু যদি মা ফোন কর, তোমার নামে বাজে কথা বলতেই থাকে।

আমি সেসব শুনতে চাইনা।

মা, তাকেও দোষ দেয়া যাবে না।

যখন আমরা ডিভোর্স নিয়ে আলাদা হয়ে গিয়েছিলাম তুই বাবার সাথে থাকবি ঠিক করেছিলি।

সে হয়ত এ ব্যাপারে কষ্ট পেয়েছে।

পাপা, প্লিজ।

টপিকটা বাদ দাও।

যতই বোঝাতে চাও না কেন, মাম্মির প্রতি আমার কোন ভালবাসা আসেনা।

রেগে যাস না।

শুধু একটা কথাই তো বলেছি।

আয়।

তো

আমি যাচ্ছি।

কোট্টায়ামে যেতে হবে।

তোমার দাদার নিজের দলের লোকেরাই উনার বিপক্ষে দাড়িয়েছে।

পাপার জেনি ফুল কবে বাড়ি ফিরতে যাচ্ছে?

কেন?

আমি বাড়ি ফিরে আসলেও তুমি আর দাদা বাড়ি থাকবে না।

ডা. আরিয়ানকে আমার শুভেচ্ছা জানাস।

পাপা

দাদার চেক আপের সময় এসে গেছে। উনাকে মনে করিয়ে দিও।

এখানে ঘোরাঘুরি না করে তাড়াতাড়ি ফ্ল্যাটে যাও।

বানি, তুমি এটা কি করে করলে?

- ডা. আরিয়ান তুমি দেরী করেছ। - সরি স্যার।

সেটা নিয়ে পরে কথা বলব।

এখন তোমার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হবে

আজকে মিনিস্টার চন্ডীর চেকআপ আছে।

একই সময়ে আমার একটা সার্জারীও আছে।

একটা জরুরী অবস্থা

বানির সময় ঠিক করতে ভুল করেছে।

সার্জারি বন্ধ করতে পারব না।

আর মিনিস্টারের প্রোগ্রাম ও বদলাতে পারব না।

তাই তোমাকে ২০ মিনিটের জন্য উনাকে ম্যানেজ করতে হবে।

তারপর আমি তোমার সাথে যোগ দেব।

স্যার...

ডা. বিনোদ আর বাকিরাও আমাকে সাহায্য করুক।

যাতে আমি যেন তাড়াতাড়ি ফিরে আসতে পারি

তুমি চিন্তা করো না।

এর মধ্যে তুমি মিনিস্টারের ব্লাড প্রেসার আর ব্লাড স্যাম্পল চেক করো।

ব্যস এই সময়টুকুই তোমাকে খেয়াল রাখতে হবে।

আর মিনিস্টার চন্ডীর মাসিক ইনজেকশন রয়েছে।

সেটাও দেবে। তারা তোমাকে সাহায্য করবে।

পদত্যাগ করুন।

দুর্নীতিবাজ চোর চন্ডী

পদত্যাগ কর।

- ঠিক আছে তাহলে। - পাননোস স্যার।

শুনেছি চন্ডী স্যার নাকি আজ পদত্যাগ করবে। এটা কি সত্যি নাকি?

উনি এখানেই আসছে। তুমিই জেনে নাও।

অনিল স্টাফ আসলেও, আইডি চেক করে ভেতরে ঢুকতে দেবে।

- ঠিক আছে স্যার। - ঠিক আছে।

মিনিস্টার আসছেন। এসো।

সড়ো। সড়ে দাড়াও।

পথ দাও।

এত দুর্নীতির অভিযোগের পরেও আপনি পদত্যাগ করছেন না কেন?

আপনি কি আজ পদত্যাগ করবেন?

যারা আপনাকে নির্বাচিত করেছে তাদের প্রতি কি কোন দায়িত্ববোধ নেই?

কথার জবাব দিচ্ছেন না কেন?

হেই বাচ্চা।

যেটা মুখে আসে সেটা বলে দিওনা।

এসব অনেক সহ্য করেছি।

এখানে আমি চেকআপ করাতে এসেছি।

এসব নিয়ে তোমাদের সাথে পরে কথা বলব। সড়ো।

নমস্তে স্যার। আসুন।

মিডিয়া আপনাকে জ্বালাতন করেছে, তাইনা?

ওরা তো গুবরেপোকার মত শব্দ করবেই।

এসব করেই তো খেয়েপড়ে বেঁচে থাকে।

আসুন স্যার।

দেখ দেখি।

কি ব্যাপার? তোমার নাইট শিফট কেমন হচ্ছে?

সেরকম কিছু না স্যার।

ডা.ভিকে কোথায়?

ডা.ভিকে আপনাকে স্বাগত জানাতে নিচে গিয়েছিল।

ওটি তে জরুরী কল আসাতে উনি চলে গেছেন।

তুমি শুরু করো। আমি ভিকে স্যারকে শীঘ্রই নিয়ে আসছি।

আসুন স্যার।

৭৭ কেজি

- আমি কি মোটা হয়ে গেছি। - না স্যার।

আপনি এখানে বসতে পারেন।

এই বয়সে মোটা হয়েছি নাকি চিকন হয়েছি তাতে কি এসে যায়?

তাইনা?

শুয়ে পড়ুন স্যার। ব্লাড স্যাস্পল নিতে হবে।

১ মিনিট স্যার।

রক্ত আমি নিচ্ছি তারা।

তুমি ফ্রিজার থেকে মেডিসিন ইনজেকশন নিয়ে এসো।

অনু, চন্ডী স্যারের ইনজেকশনেন জন্য মেডিসিন নিয়ে আসো।

- জলদি আনো। - তাড়াতাড়ি।

ব্যাথা লেগেছে স্যার?

একটু।

সুঁচ তো আর জানে না যে আমি মন্ত্রী।

এটা জলদি ল্যাবে পাঠাও।

আর কয়েকটা প্রক্রিয়া আছে মাত্র।

খুব তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেলব।

- স্যার এই বোতাম। - খুলে ফেল।

অনু, তাড়াতাড়ি এসো।

জলদি তুলে রাখো।

ওহ ভেঙ্গে যায় নি।

দাও।

আপনি শুয়ে পড়ুন স্যার। আর মাত্র ১ টা ইনজেকশন দেয়ার আছে।

- আরেকবার ব্যাথা দিতে যাচ্ছি। - দাও দাও।

এটাতে ব্যাথা পাননি, তাইনা?

এখন বিপি চেক করা যাক।

বিপি সামান্য বেশি।

হবেই তো।

সব দল আর মিডিয়া আমার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে।

তাহলে বিপি বেশি থাকবে না কেন?

এটা বদলে দাও।

- কি হয়েছে? - স্যার।

ইমার্জেন্সি কল করো।

- স্যার, চন্ডী স্যার। - আমাকে দেখতে দাও।

সিপিআর দিয়ে দেখেছো?

হ্যাঁ স্যার।

- ইমার্জেন্সি টীমের কি হয়েছে? - রেডি আছে স্যার।

সিসিইউ তে নিয়ে যাও।

জলদি করো।

কি হয়েছে বানি? ইমার্জেন্সি টীম কেন?

ডা. সালিম কি হয়েছে?

ডাক্তার, মনে হয় শক্তিশালী হার্ট এট্যাক হয়েছে।

মিনিস্টার আর বেঁচে নেই।

বনমন্ত্রী আর বেঁচে নেই।

হাসপাতালে রেগুলার চেকআপে যাবার পর উনি মারা যান।

মিনিস্টার চন্ডীর উপর দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগের চাপ বেড়ে যাবার পর....

এই মৃত্যু খবর একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত।

ধারণা করা হচ্ছে হার্টএটাকের কারণে মৃত্যু হয়েছে।

স্যার, চন্ডী স্যারের মৃত্যুর ব্যাপারে...

নেক্সট পার্টি লিডার কে হবেন?

আমার সমবেদনা থাকল।

বলতে খারাপ লাগছে..

চন্ডী স্যারের মৃত্যু... এটা কোন স্বাভাবিক মৃত্যু না।

কি?

চন্ডী স্যার হার্টএটাকের কারণে মরেনি।

এটা সুপরিকল্পিত হত্যা।

কিন্তু কে?

এটা সুপরিকল্পিত মৃত্যু ছিল।

আমরা দোষীকে গ্রেফতার করেছি।

এই হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তার। ডা. আরিয়ান।

পুলিশ মন্ত্রী চন্ডীর মৃত্যুকে হত্যা বলে দাবী করছে।

দোষীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ এতে সন্ত্রাসবাদীদের যোগসাজশ দাবী করছে

কাকে গ্রেফতার করি হয়েছে, কেন হত্যাকান্ড হয়েছে

পুলিশ এসব খোলাসা করেনি।

- বন্ধ কর। - স্যার।

আমরা জানি তুই খুনটা করেছিস।

আমরা সব প্রমাণ সংগ্রহ করেছি।

এখন শুধু একটা কাজই বাকি।

তোর স্বীকারোক্তি।

এই খুন আমি করিনি স্যার।

সত্যি বলছি, আমি কিছু জানিনা।

আমাকে আবার মারবেন না স্যার।

আমি তোমাকে ২ ঘন্টা সময় দিচ্ছি।

এরমধ্যে ওর কাছ থেকে লিখিত স্বীকারোক্তি নেবে।

হানিফ

মারবেন না, স্যার।

প্লিজ, মারবেন না স্যার।

কেন এভাবে মার খাচ্ছিস বেটা?

সবাই সত্যি কথাটা জানে।

স্যার যেখানে বলছে সেখানে সাইন করে দে।

যখন কেইস কোর্টে যাবে...

ভাল উকিলের সাহায্য নিয়ে...

তুই সহজেই বেরিয়ে যেতে পারবি।

আমার তোর বয়সের একটা ছেলে আছে।

তোকে এভাবে মার খেতে দেখে

আমি সহ্য করতে পারছিনা।

সাইন করে দে, বেটা।

নাহলে, সবাই তোকে মারতে মারতে মেরেই ফেলবে।

আমি কোন ভুল কাজ করিনি স্যার।

কাউকে খুন করিনি স্যার।

যে কাজটা করিনি সেটা কেন স্বীকার করব, স্যার?

সুন্দরভাবে বললে শুনবি না তো?

আমাকে মারবেন না স্যার।

প্লিজ, আমাকে মারবেন না স্যার।

কি হয়েছে?

- ও সাইন করে দিয়েছে, স্যার। - গুড।

কাল প্রমাণ নিশ্চিতকরণে নিয়ে যাও ওকে।

ওকে গোসল করিয়ে, ঠিকঠাক ভাবে বাইরে নিয়ে যেও

ওর মুখে যেন কোন চিহ্ন না থাকে।

আর সুগুনানকে বলে দাও মিডিয়াকে ডেকে নিতে।

পুরো প্রোগ্রামের চার্ট, এমনকি ট্র্যাভেল রুটও মিডিয়াকে দিয়ে দাও।

তোমাকেও সাথে যেতে হবে।

অভিযুক্ত যেন মিডিয়ার সামনে মুখ না খোলে।

এটা বড় খবর করে তোল

কেরালা পুলিশ এধরণের সুযোগ খুব কমই পায়।

নমস্তে। সুপার নিউজ টাইম শুরু হল।

সুপার নিউজ টাইম আজ চারটে প্রশ্ন তুলছে।

১. মিনিস্টার চন্ডীকে মারার পেছনে ডা. আরিয়ানের উদ্দেশ্য কি ছিল?

২. কোন মাওবাদী সংঘটনের সাথে আরিয়ান যুক্ত?

৩. অভিযুক্ত কি করে মুনরোস হাসপাতালে চাকরি পেল যেখানে মিনিস্টার চন্ডী নিয়মিত চেকআপে যেতেন?

৪. এই ষড়যন্ত্রের পেছনের কে রয়েছে?

এই বিতর্কসভা শুরু করার আগে...

আরিয়ানের প্রমাণ নিশ্চিতকরণে নিয়ে যাবার লাইভ ভিডিও দেখে নেয়া যাক...

আমাদের প্রতিনিধি বিনি এখন সরাসরি যোগ দেবেন।

গপু আমি কমিশনারের অফিসের সামনে রাস্তায় আছি

আমাদের কাছে খবর আছে যে আরিয়ানকে কয়েকটা জায়গায় প্রমাণ নিশ্চিতকরণে নিয়ে যাওয়া হবে।

গপু, পুলিশের গাড়ি বেরিয়ে আসছে।

আরিয়ানকে কয়েকটা জায়গায় প্রমাণ নিশ্চিতকরণে নিয়ে যাওয়া হবে।

আমরা পুলিশের গাড়িগুলোকে অনুসরণ করছি।

সুপার টাইম নিউজ এখন থমথমে পরিবেশের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে

আমাদের প্রতিনিধি বিনয় পুলিশের গাড়িবহরের পিছেপিছে যাচ্ছে।

গপু, আমরা পুলিশের গাড়িবহরের লাইভ ভিডিও দেখতে পাচ্ছি

অভিযুক্ত আরিয়ানকে নিয়ে এই রেস্টুরেন্টে এসেছে।

পুলিশ বলেছে

আরিয়ান এই রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে খেতে হত্যার পরিকল্পনা করেছে।

বিনয়, প্রমাণ কি? এর প্রমাণ কোথায়?

পুলিশের কাছে কোন প্রমাণ আছে

যে অভিযুক্ত এই রেস্টুরেন্টে হত্যার পরিকল্পনা করেছে?

গপু, পুলিশ একটা সেলফিকে প্রমাণ হিসেবে ধরে নিচ্ছে।

একটা সেলফি যেটা রেস্টুরেন্টের কর্মচারী তুলেছিল।

যে ছবিতে আরিয়ানকে খাওয়ার সময় পরিকল্পনা করতে দেখা গেছে।

এবং সেটাই পরিষ্কার প্রমাণ।

সেই ছবি দেবতার নাম লেখা, সেই সেলফি টাই...

এই কেইসের গুরুত্ববাহী প্রমাণ।

এরসাথে যখন টাওয়ারের লোকেশন লিমিট পরীক্ষা করা হচ্ছিল

পুলিশও এই প্রমাণই দিচ্ছে অভিযুক্ত এই রেস্টুরেন্টে ছিল।

অভিযুক্তকে বের না করেই গাড়িবহর চলে যাচ্ছে...

সড়ো

সড়ো

ডা. আরিয়ান আপনার কি বলার আছে?

উকিল অজিতকুমার বলুন...

পুলিশের এই কৌশলের কারণ কি?

এটা অবশ্যই পুলিশের ভব্যতা।

পুলিশ তার নিরাপত্তা বিবেচনা করে এধরণের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

এরুপ প্রমাণ সংগ্রহ

আমি একটু বিরক্ত করছি...

সে কিছু বলেছে। অভিযুক্ত কিছু একটা বলেছে।

সেটা আমার কাছে স্পষ্ট না...

বিনয় অভিযুক্ত কি বলেছে?

কিছুই পরিষ্কার না। রিপ্লে করো।

অভিযুক্তকে এই ফ্ল্যাটের ১০ তলায় আনা হয়েছে।

এটাই সেই ফ্ল্যাট যেখানে আরিয়ান...

মন্ত্রীকে মারার জন্যে ঘোঁট করেছিলেন।

যেটা মুখে আসে সেটা বলে দিস না।

আমি কিছু করিনি স্যার।

তার মানে?

তুমি বলছো যে মন্ত্রীর মৃত্যু হার্ট এট্যাকের কারণে হয়েছে?

হ্যাঁ। আমি নিশ্চিত স্যার।

এটা হার্টএটাক ছিল।

চন্ডী স্যার আমার চোখের সামনেই মরেছে।

আমিই উনাকে সিপিআর দিয়েছিলাম।

এমনকি ইমার্জেন্সি ডাক্তার যিনি উনার মৃত্যু নিশ্চিত করেছিলেন

তিনিও রিপোর্টে বলেছেন সেটা হার্টএটাক।

তাহলে এটা হত্যা কি করে হয়ে গেল?

তুমি কি করে অভিযুক্ত হয়ে গেলে ডাক্তার আরিয়ান?

আমি জানিনা স্যার।

আমি শুধু একটি ভুল করেছি।

চন্ডী স্যারের নাতনীর প্রেমে পড়া।

তোমার জেনির সাথে সম্পর্ক

চন্ডী স্যার ছাড়া এ ব্যাপারে আর কেউ জানতো?

আমার জানামতে কেউনা।

আর জেনির পাপা জ্যাকব স্যার জানত।

কিন্তু জেনি কখনো বলেনি যে উনি এর বিপক্ষে ছিলেন।

যেটাই হোক চন্ডী স্যার তো মরে যাবার পর তোমাকে দোষী বানাতে পারবে না।

যে তোমাকে এর মধ্যে ফাঁসানোর জন্যে যেহেতু জেনির পাপা সন্দেহের তালিকায় নেই

এর পেছনে বড় কোন ষড়যন্ত্র আছে।

কেউ একজন যাকে আমরা কেউ চিনি না।

হতে পারে একের অধিক লোক এতে জড়িত।

না স্যার।

আমি এখান থেকে পালাতে পারব না।

আমি নিশ্চিত।

ফাঁদটা বিশাল।

আমার নিজের কেউ নেই যে সাহায্য চাইব।

চিন্তা করো না, ডা. আরিয়ান।

আশা ছেড়ে দিওনা।

এদের সবাই তোমার সাথে আছে।

আর এখন আমিও গেমে ঢুকে পড়েছি।

- আমি রাজীব। - বসুন।

আমি কয়েকটা বিষয় জানতে এসেছি।

বুঝেছি।

তারা আমাকে ফোন করেছে।

আমি আরিয়ানের সাথে দেখা করেছি।

স্যার, আরিয়ান যা বলছে সত্যিই বলেছে।

আমাদের সম্পর্কে আমার পাপা কিংবা বাবার কোন ধরণের সমস্যাই ছিল না।

আরেকবার ভেবে বল।

ওদের কোন সমস্যা ছিল না?

নাকি...

ওরা তোমার কাছে প্রকাশ করেনি?

সেরকম কিছু না।

সাধারণ বাবা মেয়ের সম্পর্কের বাইরেও...

পাপার সাথে আমি অনেক খোলাখুলি ভাবে কথা বলতাম।

যদি তাদের কোন সমস্যা থাকত, বাবা নিশ্চয় আমাকে বলতো।

তার মানে...

তুমি বলছো যে তোমার দাদার মারা যাওয়ার কারণ আরিয়ান?

যেমনটা পুলিশ দাবি করছে?

না। আরিয়ান এরকম করতে পারেনা

কেউ আরিয়ানকে ফাঁসিয়েছে।

কিছু সত্য এরকমই জেনি।

আমরা ওদের বুঝতে দেরী করি।

আর একবার যখন জেনে যাই, তখন মনে হয় এসব জানা আমাদের উচিত হয়নি।

যদি তুমি বিশ্বাস কর যে ডা.আরিয়ান নির্দোষ

যদি তুমি চাও যে আরিয়ান জেল থেকে বেরিয়ে আসুক..

তাহলে শুধু একজনই তা করতে পারে

সেটা তুমি..

সেজন্য

তোমার কিছু সত্য কথা জানা উচিত।

এইযে...

তুমি যেমনটা ভাবছো...

আমি ডা.আরিয়ানের কেইস তদন্ত করার জন্য আসা পুলিশ অফিসার নই।

আসলে আমি অন্য কেইসের পিছনে ছিলাম

যে যাত্রাটা ৬ মাস আগে হয়েছিল

সে সময়...

আমাকে মুথুবনমালে আদিবাসী কলোনিতে যেতে হয়েছিল।

তদন্তের অংশ হিসেবে।

ওহ আল্লাহ! পানি। কোথায় আমরা?

না ঘুমিয়ে এই বনের সৌন্দর্য উপভোগ করো।

উপভোগ করার জন্য যেন নাচগান চলছে

ওখানে গিয়ে ফালতু কিছু বলবে না।

আমরা পাখি প্রেমী তাই পাখি নিয়ে গবেষণা করতে এসেছি, বুঝেছো?

কিকরে স্যার? আমরা তো পুলিশ, এখানে মামলার তদন্ত করতে এসেছি তাইনা?

- ভেনকিডি স্যার। - বলুন।

এই হচ্ছে বন। - হ্যাঁ স্যার।

- এখানকার লোকেরা আদিবাসী। - আচ্ছা।

- যদি ওরা জানতে পারে আমরা পুলিশের লোক ওরা ভয় পেয়ে যাবে। - তাই বুঝি?

তদন্তে সাহায্য করার কেউ থাকবে না।

তাই ওদেরকে ধীরেসুস্থে বোঝাতে হবে।

- কিছু বুঝতে পারলে? - হ্যাঁ স্যার।

ঠিক বলেছেন। পুৃলিশ বলার পরও আমরা সম্মান পাইনা...

আর উনি বলছেন আমরা পাখিপ্রেমী। পাগল একটা।

- কি? - কিছুনা। যেমনটা আপনি বললেন।

কুলিং গ্লাসটা দেখ। নিজেকে সেথুরামা স্যার ভাবছে।

- তো? - আমাদের দুজন স্বাক্ষী লাগবে। স্বাক্ষী থেকে স্বাক্ষী।

স্যার পুলিমুরাগানের বাড়ি খুব কাছেই। আপনি বললে ওর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব

- আস্তে চালান স্যার নাহলে ভাবীর ঝুড়ি পানিতে উল্টে যাবে। - চুপ কর।

স্যার অঙ্গদির জায়ানকে দেখেন। দাড়ি রেখে শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে সব।

রাজীব স্যার? আমি তো ভেবেছি আপনি আরো আগে আসবেন।

অচেনা জায়গা তো? রাস্তা হারিয়ে ফেলেছিলাম। ব্যাগগুলো নাও।

অসাধারণ জায়গা, তাইনা স্যার?

আমাদের এখানে দারুণ সময় কাটবে।

আমরা কেইসটা পরে তদন্ত করব।

তোমাকে কতবার বলেছি কেইসের কথা না বলতে?

না স্যার। বলব না।

আমরা হচ্ছি পাখিপ্রেমী যারা পাখি নিয়ে গবেষণা করতে এসেছে। ঠিকআছে ?

স্যার আমাদের বনের সৌন্দর্য উপভোগ করা উচিত না?

কোন সম্ভাবনা আছে?

মনে হচ্ছে আমাদের সম্ভাবনা আছে।

আমাদের ভাগ্যের উপর নির্ভর করছে।

তাই নাকি? দেখি তো।

এটা ধর।

- কেমন স্যার? - ছি।

- এসব কি? - বনের সৌন্দর্য।

আপনি বলেছিলেন না এসব আমাদের উপভোগ করা উচিত?

- আমাকে দিন। আমি দেখি। - যাও তো।

একা একা মজা নিচ্ছেন?

ওখানেও পাখি আছে?

কি দেখছেন আপনি?

ক্যামেরাটা দাও।

কি স্যার?

মনে হচ্ছে এরা জঙ্গলের পাখি।

কিন্তু আপনি কিভাবে ওদের খুঁজে পেলেন?

কি করছে তারা?

ভেনকিডি স্যার।

এই মেয়েগুলো চুরি করছে।

তাও দিনেদুপুরে, রাস্তার মধ্যে।

স্যার আপনি ভিডিও করেন। আমি হাতেনাতে ধরব ওদের।

আমিও যেন ভিডিওতে থাকি। সেটা ইউটিউবে দিয়ে দেব।

না। ওদের চুরি করতে দাও।

কোন ধরণের পুলিশ সে?

দেখার পরও আমাকে চোর ধরতে দেবে না?

গেল। এটাও হাত ফঁসকে গেল।

- আসো। তাড়াতাড়ি।

হেই চোর। থামো।

দৌড়া মা।

- ওদের ছাড়বেন না স্যার। ধরেন ওদেরকে। - জলদি আয়

চলে গেল। আমি বলেছিলাম আগেই ধরতে।

কেন আমাকে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে দৌড় করাতে হবে?

আসো।

পাগল।

আমি দেখাচ্ছি কি করে ধরতে হবে।

কোন দরকার ছিলনা।

উনার পিছনেই যাওয়া উচিত ছিল।

এই পাথরের উপর দিয়ে দৌড়াতে হতো না

থামো।

দৌড়া।

আয়।

এত জোরে দৌড়াচ্ছিলে?

অলিম্পিকে দৌড়াও না কেন?

কে আপনি? আমাদের রাস্তা ছাড়ুন।

তোমার চাহনি একদম চোরের মত।

চোরদের চাহনি ঠিক এরকমই হয় স্যার।

সড়ে যান। আমাদের যেতে হবে।

দরকার নেই। আমরাই তোমাকে পৌছে দেব।

তোমরা একলা মেয়ে বলে কথা?

তো একা একা পুলিশ স্টেশনে যেতে ভয় লাগবে না?

পুৃলিশ স্টেশনে? কেন?

আমাদের শহরে চোর ধরা পড়লে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়।

- আমি জানিনা এখানে কিকরে। - চোর না।

মহিলা চোর।

দুটো দজ্জাল মহিলা চোর।

আমরা দেখেছি।

ভ্যান থেকে...

প্লাস্টিক কভারের জিনিস চুরি করেছো।

আমরা দেখেছি।

আমরা কোনকিছু চুরি করিনি।

বেচারী।

আমরা তোমাকে বিশ্বাস করলাম।

তোমার মত চোরেরা তো শুধু সত্য কথাই বলে, তাইনা?

আমাদের কাছে প্রমাণ আছে। ওদেরকে দেখান।

দেখলে? দুজন অভাগী দেবী মায়ের কাছ থেকে আশীর্বাদ নিচ্ছে।

আর আশীর্বাদ নিয়ে চলে যাচ্ছে।

এই বাচ্চাটাকেও নষ্ট করছো।

তো প্ল্যানটা কি?

পুলিশ স্টেশনে যাওয়া যাক?

পুলিশ স্টেশন যেরকম ছিল এখন সেরকম নেই।

পুলিশ বাহিনীতে স্বাস্থ্যবান মহিলা আছে যারা পেটাতে পারে।

চল সেখানে যাওয়া যাক। ওরা তোমাকে মেরে ভর্তা বানাবে।

স্যার আমাদের ছেড়ে দিন।

আমরা ইচ্ছে করে করিনি। কল্যানীর মায়ের অসুখ।

উনি শয্যাশায়ী।

আমরা ভ্যান থেকে চুরি করেছি কারণ আমাদের কাছে ওষুধ কেনার টাকা নেই।

ভাল। অন্যরকম গল্প।

মেডিসিন তো আর খাবারের পদ না।

যেটা খুশি তুলে নেবে?

যখন মিথ্যে কথা বলছোই, বিশ্বাস করা যায় মত বল।

- তোমার বাড়ি কোথায়? - ওর বাড়ি ঐ কলোনীতে।

আমার বাড়ি অন্য জায়গায়।

- তোমার নাম কি? - কার্থু।

কার্থু( কালো)? কিন্তু তুমি তো অনেক ফর্সা।

কার্তিকা। ছোট করে কার্থু বলেছি।

তোমার নাম কি? - কল্যানী।

তোকে কাল্লু ডাকা হয়?

- ওর মত। - তোমার ব্যাগটা দেখি।

দেখাও।

ধর এটা।

দেখতে দাও।

তোমার চুরির মাল।

দেবীর আর্শীবাদ ২০০০ টাকা?

- হেই থামো। - চল মা।

আপনার মাসল দেখে তো বোঝা যায় না আপনি এক ধাক্কায় পড়ে যাবেন।

ব্যাথা পেয়েছেন?

ওরা পালিয়েছে।

ঠিক আছে।

আজকের জন্য এতটুকুই।

এটাও একটা বোম্ব।

রাজীব স্যার, কি হচ্ছে?

এই বোম কি ফাটবে নাকি চুপসে যাবে?

সেটা জানতে কিছু সময় তো লাগবেই।

- কি সেটা? - আর্টিকেল।

বিবিসি ওয়ার্ল্ড ভারতীয় সংস্করণ।

ভাইগা দেবী সিরিজের নতুন আর্টিকেল।

ভাইগা দেবী? কে সে?

বিশ্বের বিখ্যাত, জার্নালিস্ট।

তার পছন্দের বিষয় সোশ্যাল ক্রাইম।

সাধুবাবার কেইস যে কিছুদিন আগে জেলে গেল?

ভাইগা দেবীই সবার সমানে সেটা এনেছিল।

- তাই? - হ্যাঁ।

কিন্তু আমি শুনেছিলাম সেই রিপোর্টারকে নাকি খুন করা হয়েছে?

হ্যাঁ।

তাহলে?

তারপর মিডিয়া একেবারে চুপ মেরে গিয়েছিল।

কিন্তু ভাইগা দেবী এই ব্যাপারটা নিয়ে বিবিসিতে একটা ডকুমেন্টারি করেছিল...

ভুক্তভোগীদের ইন্টারভিউ নিয়ে।

খবরটা দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ল। সরকার বাধ্য হল মামলা করতে।

আর সেই সাধুবাবা জেলে গেল।

দারুণ।

আর সেই ভাইগা দেবী এখনো বেঁচে আছে।

ভাইগা দেবী।

যতদুর আমি জানি এটা নকল পরিচয়।

কলমি নামের মতই।

সে দিল্লির কোথাও ছিল।

খুব চতুরভাবে ছদ্মবেশে ছিল।

ওর নতুন ডকুমেন্টারি আমাদের এখানে নিয়ে এসেছে

কিন্তু এই আত্তাপাদির আদিবাসীর মেয়ে কি করে দিল্লিতে থাকা ভাইগা দেবীর আর্টিকেল পেল?

উত্তর কি আমাদেরকেই দিতে হবে?

ওরাই দেবে, তাইনা?

দিদি, আসো।

দেখো।

তাহলে এটাই পেশা তোমার? ডাকাতি করা?

আসলে...

আসলে... বল।

বল।

নিজের ব্যাগ নেয়াটা ডাকাতি কি করে হয়?

ভাল বলেছো।

তুমি একজন যুবক লোকের ঘরে না বলে ঢুকেছো।

আবার অজুহাতও দিচ্ছ?

- আমি আমার ব্যাগটা চাই। - দেব না।

ওখানেই দাড়াও।

- ছাড়ুন। - না।

ছাড়ুন।

না। - আমি চিৎকার করব।

করো চিৎকার।

- মানুষ জড়ো হয়ে যাবে। - হতে দাও।

আমি বলব আপনি আমাকে কিডন্যাপ করে ধর্ষণ করতে চেয়েছেন।

- তুমি... - ছাড়ুন।

- হেই - দিদি, তাড়াতাড়ি চলো।

দাড়াও।

ঐ চোর পালিয়ে গেছে স্যার।

যেতে দাও।

কিন্তু জিনিসপত্র আমার কাছেই আছে।

থেকে কি লাভ?

সে তো প্রমাণ নষ্ট করে দিয়েই পালিয়েছে।

- তুমি নিশ্চিত এই জায়গাটাই? - হ্যাঁ।

নাম ছাড়া কাউকে কিভাবে খুঁজে পাবো?

চল দেখি।

ওষুধ গুলো বদলে নাও

এটা গুরুতর এপিডেমিক।

খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে।

এই মেডিসিন গুলো এখনও সরকারী হাসপাতালে পাওয়া যায় না।

যাই হোক, আমরা ওষুধ গুলো বদলে নেব।

নার্স ক্যাম্প থেকে নতুন ওষুধ নিয়ে আসবে, ঠিক আছে?

স্যার এখানে ঝামেলা করবেন না।

আপনি যেখানে চান আমি সেখানে আসব।

কল্যানীর মা খুবই অসুস্থ। সেজন্যেই।

এখানে আয় মা।

কি হয়েছে মায়ের?

জ্বর এসেছিল আর ওষুধও দেয়া হয়েছে।

কিন্তু এখন ডাকলে সাড়া দিচ্ছে না।

হাসপাতালে নিয়ে যাওনি?

ডাক্তার ওষুধ দিয়েছেন। উনি সুস্থ হয়ে যাবেন।

কে তুই?

আমি এখানকার লোক। ভদ্রান।

কলোনীর কেউ অসুস্থ হলে, ক্যাম্প থেকে ওষুধ আনা হয়।

এটাই যথেষ্ট।

স্যার, আমার মা খুব বেশি অসুস্থ।

- আমাদের উনাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে - কল্যাণী

ভিতরে যা।

ভেনকিডি।

- আমাদের উনাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। - ঠিক আছে স্যার।

তোমার যা লাগে নিয়ে নাও।

তোমার মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এতো মজার কথা।

আমাদের এলাকায় এসে, নিজের ইচ্ছামত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন?

কি রে, ভদ্রান?

যদি তাকে হাসপাতালে না নিয়ে যাই, সে তো এখানে পড়ে পড়ে মারা যাবে

মরার সময় হলে, সবাই মরবে।

আপনার কি মনে হয় এটা বদলাতে পারবেন?

কিন্তু আমরা চেষ্ঠা তো করতে পারি?

যতভাবে পারা যায়।

বাইরের লোকেদের এখানে এসে চেষ্ঠা করার দরকার নেই।

জরুরী হলে, আমরাই চেষ্ঠা করব। শুনেছেন স্যার?

আমাকে কি মনে হয় তোর?

বেঁধে মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেব

দুর হ।

ভেনকিডি গাড়ি চালু কর

কিডনির কাজ দুর্বল হয়ে গেছে।

লিভারের অবস্থা নিয়েও সন্দেহ আছে আমার।

শুধুমাত্র শহরের মেডিকেলে নিয়ে গিয়ে চেকআপ করালেই

নির্দিষ্ট করে বলতে পারব।

এরকম চেকআপ করানোর সুযোগ এখানে নেই।

এরকম সাদৃশ্যপূর্ণ কোন রোগী পেয়েছেন ডাক্তার?

৩-৪ বার।

আর সেসব ক্ষেত্রেও আমি মেডিকেল কলেজে যেতে বলেছি

কিন্তু কে অভাগাদের ওখানে নিয়ে যাবে?

আর আপনি তো আমাদের সীমাবদ্ধতার কথা জানেনই।

যদি এরকম কেইস বারবার হয়...

তাহলে কি হবে ডাক্তার?

এর কারণ কি হতে পারে?

এটা কি কোন ধরণের এপিডেমিক?

এটা কোন ধরণের সংক্রামক এপিডেমিক না।

আমার মনে হচ্ছে এটা সাইড এফেক্টের কারণে হয়েছে।

যে খাবার তারা নিয়মিত খায় সেসব থেকে।

বলতে চাইছি, বিষাক্ত খাবার থেকে।

অথবা অন্যকিছু।

সঠিক করে বলতে পারব, চেকআপের পর।

ঠিকআছে ডাক্তার।

আপনি ফর্মালিটি গুলো শেষ করুন।

আমি তাকে মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাবার বন্দোবস্ত করছি।

- সময় দেবার জন্যে ধন্যবাদ। - ঠিক আছে।

সাবধানে।

- যে নাম্বারটা দিয়েছি সেটা আছে তো? - হ্যাঁ। আমি দেখে শুনে নেব।

চিন্তা করো না।

তোমার মা ভাল হয়ে যাবে।

যাও।

আপনি পুলিশেই তো?

আমাকে পুলিশের মত লাগে?

জানি না। মনে হয়।

আমার চিন্তাও হতে পারে

পুলিশকে ভয় পাও?

আমি কেন পুলিশকে ভয় পাব?

তাহলে আমাকে বল..

ভাইগা দেবীর আর্টিকেল তোমার কাছে কি করে পৌছাল?

তার সাথে তোমার সম্পর্ক কি?

দেখুন, হঠাৎ করে কিভাবে বদলে গেলেন।

সেজন্যেই জিজ্ঞেস করেছি পুলিশ কিনা।

বাদ দাও সেটা।

আমাকে জবাব দাও।

ভাইগা দেবী বেশকিছু দিন ধরেই মুথাবনমালাতে আছেন।

আমি ক্যাম্প থেকে আসা ভ্যানের মেডিসিন চুরি করেছি

উনি করতে বলেছেন বলেই।

কেন?

উনার কি মেডিকেল ক্যাম্প থেকে কিনে নেয়ার টাকা নেই?

সেটা না।

বেশকিছু দিন ধরে ক্যাম্প থেকে কলোনীতে ওষুধ আসছে।

কিন্তু যাদের মাধ্যমে এই ওষুধ দেয়া হচ্ছে...

সেই বড় কোম্পানি তাদের ওষুধের পরীক্ষা চালাচ্ছে। ভাইগা দেবী এমনটাই বলছে।

কল্যানীর মায়ের সামান্য জ্বর হয়েছিল।

ওদের ওষুধ খাওয়ার পরই এমন হয়ে গেছে।

ওদেরকে দেখেননি আপনি?

এরকম অনেক লোক কলোনীতে আছে।

ভাইগা দেবী আমাকে বলেছেন উনার কিছু ওষুধ লাগবে

ল্যাবে পরীক্ষা করাতে পাঠানোর জন্যে

সেজন্যেই আমি ক্যাম্পের ভ্যান থেকে ওষুধ চুরি করেছি।

এই ভাইগা দেবী কোথায় থাকে?

আমি জানিনা সেটা।

উনি করোতি মন্দিরে আমার জন্যে চিরকুট রেখে যান।

যদি উনার বলে দেয়া সময়ে ওখানে যান আপনি থাকে দেখতে পারবেন

তিনিই ঐ কভারটা পাঠানোর জন্য আমাকে দিয়েছিলেন।

কিন্তু আরো একটা ব্যাপার।

যখন তুমি উনাকে আবার দেখবে...

বলো যে আমি উনার সাথে দেখা করতে চাই।

আর..

সেদিন যা হয়েছিল সেসব মাথায় রাখবেন না।

কারণ আমার পালানোর আর কোন পথ ছিলনা।

আমি বুঝতে পেরেছি শুধু চুরি করা নয় পালানোতেও তোমার ভাল দক্ষতা রয়েছে।

এখন তো সত্যিটা জেনেছেন।

এখন আমাকে ব্যাগটা ফিরিয়ে দেবেন না?

বলেছি না, ভাইগা দেবীর সাথে দেখা করতে চাই।

সরাসরি দেখা করতে বল।

আমি ব্যাগ দিয়ে দেব।

যাও।

তাহলে এটাই ভাইগা দেবীর মন্দির?

যেখানে ভাইগা দেবী তোমার জন্যে চিরকুট রেখে যায়।

চারিদিকে শত্রু। আসতে পারব না।

যদি উনি সরাসরি আসতে না পারে, কিছুই হবে না।

লিখে দাও সেটা।

যারা আমাকে বিশ্বাস করে না তাদেরকে আমি বিশ্বাস করিনা।

নোট তো এখানেই উনি কোথায়?

যখন কেউ থাকে না, তখন উনি নোট রেখে যায়

কি?

আচ্ছা, শাড়িগুলো এভাবে রাখা হয়েছে কেন?

এটা হলো আদিবাসীদের একধরণের বিশ্বাস।

যদি কোন কুমারী কাউকে চায়...

গোপণে দেবীর সামনে শাড়ি বেঁধে দেয়।

সে তার স্বামী হিসেবে তাকেই পায়।

ভারী সুন্দর।

তাহলে অনেক প্রেমকাহিনী এখানেই গড়ে উঠেছে, তাইনা?

এরকম কিছু আশা তো থাকা চাই যাতে এই অভাগীরা একটু স্বপ্ন দেখতে পারে?

কি হয়েছে? মেডিকেল কলেজ থেকে রিপোর্ট পেয়েছো?

হ্যাঁ স্যার।

কিডনি নষ্ট হবার জন্য ড্রাগ গুলোই দায়ী।

এসব যে মেডিসিন পরীক্ষণের কারণে হচ্ছে

মেডিকেল কলেজের রিপোর্ট দিয়ে তা প্রমাণ করা যাবে না।

দিল্লিতে স্যাস্পল পাঠিয়েছিলে?

হ্যাঁ, সাথেসাথেই।

- সেন্ট্রাল ড্রাগস ল্যাবরেটরি? - হ্যাঁ সাথে সাথেই পাঠিয়েছি।

ওখান থেকে রিপোর্ট আসতে দাও। তারপর দেখছি।

ঐ ভায়োলেন্ট দেবীর এসব কিছুর মূলে।

- কি? - স্যার, ভাইগা দেবী?

তার ফালতু আর্টিকেল।

সেটার জন্যই তো এত ঝামেলার মধ্যে যেতে হচ্ছে।

সরকারকে দোষ দিয়ে লাভ নেই।

ঐ মহিলার কথাগুলো কড়া ছিল।

এরকম বলবেন না, ভেনকিডি স্যার।

সে কে আপনি জানেন না বলেই এমনটা বলছেন।

তারমানে তুমি তাকে ভাল করে চেনো।

কে সে?

আমি ভাইগা দেবীকে জানি।

ভাইগা দেবীর পিতামাতা সমাজকর্মী ছিলেন।

যারা তাদের জীবন আদিবাসীদের তরে উৎসর্গ করেছে।

আর সেজন্যেই

ছোটবেলা থেকেই তার একমাত্র সঙ্গী ছিল সাধারণ আদিবাসীরা।

অনেকদিন আগে কুন্ডিজিতে আদিবাসী উচ্ছেদে দাঙ্গা হয়েছিল।

ভাইগা দেবীর পিতামাতাকে তার চোখের সামনেই পুড়িয়ে মারা হয়েছে।

সে তার চোখের পানি মুছে নেয়নি।

পরিবর্তে সে সেটা করছে যেটা তার বাবা মা শুরু করেছিল

অবহেলিতদের জন্য।

তার জীবন সরকারের নৃশংসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ন্যায়।

আপনি যা বলেছেন সত্যি ভেনকিডি স্যার।

তার কথা খুবই কঠোর।

কারণ

সে যা দেখে সেটাই সে লেখে।

তার পিতামাতাকে তার চোখের সামনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে।

স্যার

এখানে কি এমন হল যে মেয়েটা এত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ল?

যদি তুমি ভাইগা দেবীর কথা তার মুখের উপরই বলো...

সে কি আবেগী হবে না, ভেনকিডি স্যার?

ভাইগা দেবী? আমি তো ঐ মেয়েকে বলেছি।

তুমি যেটা দেখেছো, সেটা কি আদিবাসী মেয়ের ভয় পাবার দৃশ্য?

তুমি যা শুনেছ, তা কি আদিবাসী মেয়ের শব্দ?

সেই ভাইগা দেবী।

কার্থু ভাইগা দেবী নামে পরিচিত।

ভাইগা দেবী তার মায়ের নাম।

সে তার নাম ভয়ের কারণে লুকোচ্ছে না।

এখানকার অন্যায় কাজ খুঁজে বের করার জন্য লুকোচ্ছে।

সে অগ্নিকন্যা।

দুর্লভ মিস্টি মেয়ে।

'I shall talk to you in a new language'

'I shall caress your melted heart'

'l shall write a smile on your eyes'

'I shall be a shadow-tree on your paths'

'From two corners,

like two leaves,

we float through the waves of the clear stream and come together'

'I shall talk to you in a new language'

'I shall caress your melted heart'

'l shall write a smile on your eyes'

'I shall be a shadow-tree on your paths'

'The valley of the forest that adorns the beauty of the morning rays'

'Both our ears filled with the sweet flapping of a bird's wings'

'You are with metill twilight'

'Like a dewdrop in the flower of life'

'Something remains unsaid in my heart'

'Are both of us searching for the same words?'

'I shall talk to you in a new language'

'I shall caress your melted heart'

'l shall write a smile on your eyes'

'I shall be a shadow-tree on your paths'

পুলিয়ুর। ১৮ কিমি।

'Aren't we flowing on our own to a new shore of the wild river?'

'On the paths that the eyes are rowing through, there's a raft of dreams'

'The depth of my life is in isolation'

'You're touching me unknowingly, like a rain-drop'

'When silence is sweeter than language'

'As it turns dark, both our hearts turn into burning ember'

'I shall talk to you in a new language'

'I shall caress your melted heart'

'l shall write a smile on your eyes'

'I shall be a shadow-tree on your paths'

'From two corners,

like two leaves,

we float through the waves of the clear stream and come together'

চিকেন সেদ্ধ হয়ে গেলেই

চারদিকে মশলা ছড়িয়ে দিতে হবে।

তারপর সুগন্ধ বেরুবে।

হ্যাঁ, বেরুচ্ছে।

মনে হচ্ছে দারুণ স্বাদের হবে।

দেখ কে এসেছে।

এসো।

তুমি সঠিক সময়েই এসেছো।

আপনি রান্নাঘরে কি করছেন?

চিকেন কারির উপর পরীক্ষা করছিলাম।

স্যার, অসাধারণ। ফাটাফাটি।

যে মেয়েকে আপনি বিয়ে করবেন সে সৌভাগ্যবতী

সে প্রতিদিনই এমন খাবার খেতে পাবে।

তাই?

কি?

চেহারা দেখে সন্দেহ হচ্ছে যদি আমাকে প্রতিদিনই রাঁধতে হয়।

তাইনা?

কেমন?

আমিও ভাবছি সেটাই ভাল হবে

- তুমি রাঁধতে জানো, কার্থু? - না

না?

ভাল।

আমি সাধারণত হোটেলের খাবার ভালবাসি।

আমাদের শুধু বিল পে করলেই চলবে।

এসো। তোমার সাথে কথা আছে।

কি নিয়ে?

কিছু মানুষের মিথ্যে কথা বুঝতে পেরেছি।

কার মিথ্যে?

সারা ভারতে পরিচিত একজন বিখ্যাত মানুষের মিথ্যে খুঁজে পেয়েছি।

আমি সেই মানুষটার কথা বলছি যে এখানকার কাজকর্মের পেছনে আছে।

এই নাও তোমার ব্যাগ

আমার এটার আর দরকার নেই।

আমি কল্যানীর মাকে সাহায্য করার পুরষ্কার পেয়ে গেছি।

ওরা আমাকে তদন্ত বন্ধ করে ফিরে যেতে বলেছে

আমার খুঁজে পাওয়া তথ্য এখানে রেখেছি

এসব ভাইগা দেবীকে দিয়ে দিও।

তো...

আপনি ভাইগা দেবীর সাথে দেখা করতে চান না?

ভাইগা দেবীর সাথে দেখা করতে না পারায় আমার কষ্ট নেই।

আমার এটা ভেবে কষ্ট লাগছে তোমার সাথে কিভাবে দেখা করব।

- আমার সাথে? - হ্যাঁ।

কেন?

আচ্ছা...

আমি একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছি।

কি?

যাওয়ার আগে, দেবীর মন্দিরে আসবেন।

ভাইগা দেবী ওখানে থাকবে।

সরাসরি দেখা করতে পারবেন।

তুমি থাকব তো?

অনেকক্ষণ ধরে এখানে আছেন।

ভাইগা দেবীর সাথে দেখা করতে এভাবে সাজগোজের কি দরকার?

শোননি?

সুখ বাহিরে নয়।

অন্তরের মধ্যিখানে

বুঝতে পারছি না বলেই তো জিজ্ঞেস করছি

এখানে সুখী হওয়ার কি আছে?

আপনি জানেন না কার্থুই হচ্ছে ভাইগা দেবী?

এখানেই তো আসল রহস্য।

আমি জানি কার্থুই ভাইগা দেবী।

আর সে জানে আমি বুঝতে পেরেছি। এটাই পার্থক্য।

ব্যাপারটা একটু জটিল হতে যাচ্ছে।

তারমানে?

কার্থু নিজেকে ভাইগা দেবী পরিচয় দিয়ে আমাকে চমকে দিতে আমার সাথে দেখা করতে যাচ্ছে না।

সে কিছু বলতে চায় যা সে আগে কখনো বলেনি।

- আমিও বলতে যাচ্ছি। - তাহলে আপনি সিরিয়াস?

আমার মন বলছে আমি যেন ওর সাথে বেঁচে থাকি।

কে আপনারা?

তুমি মজা করছো।

আমি জানি তুমি আমাদের ভাল করেই চেনো।

তাও জানতে যখন চেয়েছ বলছি।

আমি হচ্ছি সেই যে প্রশ্নের উত্তর তুমি তদন্ত করে বেড়াচ্ছ

আমিই সে যে ব্যাক্তি ছদ্মনামে মেডিকেল ফ্যাক্টরির হয়ে মেডিসিন পরীক্ষণ চালাচ্ছে...

আমিই ভাইগা দেবীর আর্টিকেলের আসল খলনায়ক..

তোমাকে খুঁজে পেতে বেশ কষ্ট হয়েছে

কিন্তু আমি একটু দেরী করে ফেলেছি।

আন্দাজ করতে পারিনি এসবের পেছনে আপনি থাকবেন।

যদি পারতাম, তাহলে মিনিস্টার চন্ডী অনেক আগেই জেলের ভেতরে থাকত।

আমি জানি।

ভাইগা দেবী তা অবশ্যই করবে

অনেক দিন আগে, আমি যখন কম খরচায় আদিবাসীদের উচ্ছেদ করতে চাইলাম...

২ জন বিদ্রোহী আমার গাড়ি থামিয়ে কেরোসিন তেল ঢেলে দিয়েছিল।

কি আর করতাম

দুজনকেই পুড়িয়ে মেরেছি।

তুমি তো তাদেরই মেয়ে?

তাই তুমিও অনেক বড় বিপ্লবী হবে।

তাহলে আপনি জানেন?

যদি আমি বেঁচে থাকি...

আপনাদের সকলের শেষ দেখে ছাড়ব।

ভদ্রান, ওকে মেরে কবর দিয়েই ফিরবি।

সে ঘটনার পর অনেকদিন হাসপাতালে ছিলাম।

স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বেশ কিছুদিন সময় লাগল আমার।

শরীরের ক্ষত তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

কিন্তু মনের ক্ষত..

সহজে শুকিয়ে যায় না।

মিনিস্টার চন্ডী ও জ্যাকব চন্ডী দুজনকেই আইনের আওতায় আনা উচিত।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার পর এটাই ছিল আমার একমাত্র লক্ষ্য।

আর একমাত্র এই কারণেই আমি এই শহরে এসেছি।

- কিন্তু... - আমি এসব বিশ্বাস করতে পারছিনা।

আমার পাপা, দাদা এরকম কাজ কখনো করতে পারেনা।

তোমাকে বলেছিলাম না, জেনি?

কিছু সত্যি এমনই হয়।

এমনকি তুমি এগুলোকে সত্যি জানার পরেও

বিশ্বাস করতে মন চাইবে না।

তোমাকে এটা অবশ্যই মেনে নিতে হবে

এমনকি তোমার প্রেমিক আরিয়ানের এতে জড়িয়ে যাবার পেছনেও...

এরকম কষ্টদায়ক সত্য লুকিয়ে থাকতে পারে।

সেটা খোঁজা সম্ভব হবে...

যদি তুমি তোমার চোখকান খোলা রাখো।

আমি দুঃখিত।

পিরুমিডুর মটি জন...

আমাদের দিল্লির কাজের দেখাশুনা তো সেই করে

১ মিনিট।

- জেনি। - আমি বাইরে যাব।

- কি ব্যাপারে? - কিছু কেনাকাটা করতে হবে।

- দেরী করবি না তো? - না।

ফেরার আগে একবার ফোন করিস।

ঠিকআছে পাপা।

ভালই হল ওরা আসার সময়ে জেনি চলে গেল।

এখন তো তোমার দেখাই পাইনা উকিল শ্রীকুমার।

আপনি মিনিষ্টার হয়ে যাবার পর আর দেখা করতে আসতে পারিনি।

আচ্ছা, এখন যে বেড়িয়ে গেল ও জেনি না?

অনেক কাল হয়ে গেছে ওকে দেখেছো?

- ওকে ভুলে গেছ। - ভুলে গেছি?

শুনলেন, সতিশ স্যার?

আমি যাকে কিনা কেউ চিনতই না...

এই অবস্থায় আজ জ্যাকব স্যারের দয়াতে এসেছি।

আর এর কারণ ছিল জেনি।

আমি অভিভূত।

আমিই জ্যাকব স্যারের ডিভোর্স কেস লড়েছিলাম।

জানেন আমার বিপক্ষে কে ছিল? স্যারের স্ত্রী, ডেইসি ম্যাম।

শুনেন নি?

উনি হচ্ছেন বিখ্যাত উকিল যিনি সুপ্রিম কোর্টের নামীদামী উকিলদের হারিয়েছে।

জ্যাকব স্যারের মেয়েকে তার কাছে রাখার বুদ্ধিটা আমাদের সাহায্য করেছে।

আমরা কেইস জিতে গেলাম।

সেদিন পর্যন্ত ডেইসি ম্যাম কোন কেইস হারেনি।

সেইদিন প্রথম ও শেষ বারের মত উনি কেইসটা হেরে যান।

আমার কাছে নয়।

উনার নিজের মেয়ের কাছে।

হয়েছে শ্রীকুমার।

তুমি তো জানই

ঐ ছেলেটাকে সাজা পাওয়ানোটা আমার দরকার।

যখন বাবা মারা গেল, পুরো কেরালা বলেছে যে দুর্নীতিবাজ চন্ডী মারা গেছেন।

সত্য। আমার বাবা টাকা কামিয়েছে।

কিন্তু এটাও সত্য যে যেসব পার্টি মেম্বার উনাকে দোষারোপ করছে তাদেরকেই টাকা বিলিয়েছে।

আর যখন তিনি মারা গেলেন।

ক্ষমতা দখলের জন্য,আমাকে নির্বাসিত করার জন্য...

আমার বাবাকে তারা দুর্নীতিবাজ বানিয়ে দিল

যখন আমি নকল হত্যার গল্প সাজিয়ে ঐ ছেলেকে জেলের ভিতরে ঢুকিয়ে দিলাম

দুর্নীতিবাজ চন্ডী এখন শহীদ চন্ডী হয়ে গেল।

আমার বাবার নাম আর আমার ক্ষমতা না হারানোর জন্যে আরিয়ানই আমার একমাত্র পথ....

যতদুর খবর নিয়েছি, কেউ ছেলেটার খবর নিচ্ছে না।

একদম সঠিক মাল পেয়েছি।

যখন পুলিশ তদন্ত করে আসামী ধরে...

বেড়িয়ে যাবার জন্য ফাঁকফোকর থেকেই যায়।

এই কেইসটা আমরা সাজিয়েছি।

সব ফাঁকফোকর এমনভাবে বন্ধ করে দিয়েছি ঈশ্বরও তাকে বাঁচাতে পারবেন না।

ঠিক আছে,মা।

এসব তো শেষ হয়ে গেছে।

এখন অন্তত তুই সবটা বুঝতে পেরেছিস।

এতেই আমি খুশি।

মা, আমি দুঃখিত।

আর কোন কথা নয়।

তোমার চোখে জল না দেখার জন্যেই মাম্মি সব কিছু ত্যাগ করেছে।

এরজন্য সবকিছু সহ্য করেছি।

কাঁদিস না, মা।

আপনাদের এখনো শেষ হয়নি?

আমার মেয়েকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেবার জন্যে।

আরিয়ান অনিচ্ছাকৃত ভাবেই আমার সাবজেক্ট হয়ে গেছে।

যখন ওর সাথে দেখা করি, আমার মনে হয়েছে ও নির্দোষ।

সত্যি বলতে, ঐ তদন্ত করতে গিয়েই আপনাদের দুজনকে মিল করিয়ে দিয়েছি।

এখন আমি রেহাই পেলাম।

আমার কোন সন্দেহ নেই যে আরিয়ান নির্দোষ প্রমাণিত হবে।

আমি সেখানে থাকব, রাজীব।

যেকোন কিছুর জন্যেও।

শুধুমাত্র আমার মেয়ের জন্য না...

এখন এটা আমার আত্মসম্মানেরও বিষয়।

আমি জানি, ম্যাডাম।

সুপ্রিম কোর্টকে কাঁপিয়ে দেয়া এডভোকেট ডেইসিই কাজটা করতে পারে।

জ্যাকবের টাকা ও ক্ষমতা দিয়ে তৈরী প্রত্যেকটা বাধা সরিয়ে

আপনার নির্দোষ আরিয়ানকে বের করে আনা উচিত।

আমি আমার মেয়েকে কথা দিচ্ছি

আমি আরিয়ানকে বের করে আনব।

মিনিস্টার চন্ডীর হত্যা মামলার শুনানি আজ এখানে হতে চলেছে।

অভিযুক্ত ডা. আরিয়ানকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পুলিশ কোর্টে নিয়ে গেছে।

স্যার, ১ মিনিট।

স্যার, আজকের ব্যাপারে...

স্যার, আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে আপনার বক্তব্য কি?

আমার বাবা একজন সাধারণ মানুষ যাকে শহীদ হতে হয়েছে নিজের দেশকে নিয়ে কথা বলেছে বলে।

চন্ডী স্যারের মরার আগমুহূর্তেও

আপনাদের অনেকেই তাকে দুর্নীতিবাজ বলে কষ্ট দিয়েছেন।

আজকে সেই আত্মাকে ন্যায় দেয়া হবে

আপনি বলছেন আজ রায় আপনার পক্ষে যাবে?

Case no. 1092/2017

শুরু করা হোক।

সে এখানে কি করছে?

শুনেছি ডেইসি ম্যাম আসামীর পক্ষে লড়বেন।

আপনিই সাবেক মিনিস্টার চন্ডী স্যারের পোস্টমর্টেম করেছেন?

- হ্যাঁ। - মৃত্যুর কারণ কি ছিল?

হঠাৎ হার্টএটাক

তাহলে কেন আপনি রিপোর্টে মার্ডার লিখেছেন?

সেখানে এমন মেডিসিন ছিল যেটা তক্ষণাৎ হার্টএটাকের কারণ হয়ে দাড়ায়।

আসলেই সেটাই মৃত্যুর কারণ ছিল।

- ড্রাগের নাম ছিল ক্যালসিয়াম গ্লুকোনাইট।

বিভ্রান্তিকর লাগছে, মেনন স্যার।

মৃত্যুর কারণ হার্টএটাক ছিল নাকি ড্রাগ?

হঠাৎ হার্টএটাকই ছিল মৃত্যুর কারণ।

কিন্তু তার বডিতে এমন ড্রাগ ছিল যেটা হঠাৎ হার্টএটাকের কারণ ঘটায়।

মিনিস্টার চন্ডী একজন হার্টের রোগী ছিলেন।

কয়েকবছর ধরে এই নিয়ে চিকিৎসা করিয়ে যাচ্ছেন।

এমনকি মৃত্যুর দিনের চেকআপও সেটা নিয়ে হয়েছে।

উনার কি এরকম হার্টএটাক হতে পারে না?

হুমম পারে।

কিন্তু কেউ এই মেডিসিন হার্টের রোগীকে দেয়না।

তার মানে...

আপনি নিশ্চিত যে হার্টএটাকই মৃত্যুর কারণ ছিল।

কিন্তু শরীরে ঐ ড্রাগের উপস্থিতি আপনাকে....

এই সিদ্ধান্তে উপনীত করেছে যে এটা খুন ছিল।

- ঠিক তো? - হ্যাঁ।

একটা সন্দেহ, ডাক্তার।

মরার পর।

আরিয়ানকে ফাঁসানোর জন্যে....

যদি কেউ ইচ্ছা করেই ঐ ড্রাগ শরীরে ইনজেক্ট করে দিতো...

তাহলেও আপনার পোস্টমর্টেম আগের মতই থাকত?

এটা ঠিক না?

হ্যাঁ।

তদন্তের প্রধান ব্যাক্তি হিসেবে...

কোন ভিত্তিতে আপনি বলছেন যে আরিয়ানই খুন করেছে?

চন্ডী স্যারের মৃত্যুর পর...

ট্রিটমেন্ট রুম থেকে পাওয়া জিনিসপত্র থেকে...

পোস্টমর্টেমে উল্লেখ করা ড্রাগের খালি বোতলটা পুলিশ খুঁজে পেয়েছে।

যখন খুনের দিনের সকাল ১০টার সময়ের ফার্মাসি রেজিস্টার চেক করা হয়েছিল...

এটা পরিষ্কার যে আরিয়ানই ফার্মাসি থেকে মেডিসিনটা নিয়েছিল।

ক্রস এক্সমিন করবেন, এডভোকেট ডেইসি?

হ্যাঁ, মাননীয় বিচারক।

আমি আপনার সাঁজানো প্রমাণে পরে আসবো।

তারআগে একটা প্রশ্ন...

ডা. আরিয়ানের কি কোন মানসিক সমস্যা আছে?

না।

ডা. আরিয়ান এই খুন সচেতন অবস্থায় পূর্বপরিকল্পিত প্ল্যান অনুসারে করেছেন।

তাহলে ডা. আরিয়ান মানসিকভাবে সুস্থ?

হ্যাঁ, অবশ্যই।

যে ব্যাক্তির কোন মানসিক সমস্যা নেই...

কোন অপরিচিত ব্যাক্তিকে মারতে তার অবশ্যই কোন কারণ থাকবে।

কোন কারণ?

- সেটা তদন্ত করেছিলেন? - হ্যাঁ।

কোডনিজির আদিবাসীদের উচ্ছেদ নিয়ে...

সাবেক মিনিস্টার চন্ডী স্যারের কাছে কয়েকটা মাওবাদী গোষ্ঠী হত্যার হুমকি দিয়েছিল।

বিশেষভাবে উগ্রবাদী গ্রুপ থেকে যারা সাইলেন্ট ভ্যালিতে তাদের কাজ করে থাকে।

আমরা প্রমাণ পেয়েছি ডা.আরিয়ানের সাথে এসব গ্রুপের বেশ ভালো যোগাযোগ আছে।

কোন প্রমাণ?

আরিয়ানের মোবাইল ফোন নিয়ে তদন্তকালে দেখা গেছে।

আরিয়ান, সাইলেন্ট ভ্যালির টাওয়ার লোকেশনে ৪ বার ছিল..

সে সময়টাতে ঐ উগ্রবাদী সংগঠনগুলোও সেখানে ছিল।

এটা কোন মিডিয়া স্টুডিও না যেখানে আপনার রিটায়ার্ড অফিসারেরা বির্তক করছে..

এটা কোর্ট...

ঐ একই টাওয়ার লোকেশনে থাকার কারণে...

আপনি আরিয়ানকে মাওবাদী বানিয়ে দিলেন?

বলুন আরিয়ান?

যে এলাকা সাইলেন্ট ভ্যালিকে কমিশনার মাওবাদীদের আস্তানা বলছে সেখানে আপনি কেন গিয়েছিলেন?

বন্যপ্রাণী দের ছবি তোলা আমার শখ।

আমি সাইলেন্ট ভ্যালিতে বেশ কয়েকবার ছবি তুলতে গিয়েছিলাম।

এই হচ্ছে লোকেশন ট্যাগ সহ ফেসবুক ও ইন্সট্রাগ্রামে আপলোড করা ডকুমেন্টারি প্রমাণ।

নার্স তারাও সেদিন আরিয়ানের সাথে ট্রিটমেন্ট রুমে ছিল।

ডা. আরিয়ান তারাকে লুকিয়ে কি করে ইনজেকশন দেবে?

ট্রিটমেন্ট চলাকালে তারা একবার রুমের বাইরে গিয়েছিল।

সিসিটিভি ভিডিও তে এর প্রমাণ আছে।

এই সময়টাতেই হয় একাকী চন্ডী স্যার আর আরিয়ানের ঘটনাটি হতে পারে।

"হতে পারে?" আপনি নিশ্চিত নন?

আমি নার্স তারাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই।

মিনিস্টার চন্ডীর মৃত্যুর দিন...

ডা.আরিয়ানের সাথে প্রথম কখন দেখা হয়েছিল?

ডা.ভিকে স্যারের রুমে।

সময় কি ছিল তখন?

সকাল ১১ টা।

এত পরিষ্কার ভাবে মনে রাখার কারণ কি?

মিনিস্টারের এপয়েন্টমেন্টের দিন...

ডা.আরিয়ান যখন দেরী করে কাজে আসল উনি তার প্রতি চিৎকার করেছিল।

সেদিন দেরী করে ছিলেন কেন, ডা.আরিয়ান?

আমার বাইকে ঠিক করাতে হয়েছিল।

আর..

আমি জানতাম না যে মিনিস্টারের ট্রিটমেন্ট আমাকে করতে হবে।

পয়েন্টটা নোট করুন, স্যার।

আরিয়ান সকাল ১১ টায় হাসপাতালে পৌছে..

আর প্রসিকিউশন অভিযোগ করছে.

সে নাকি ফার্মাসি থেকে ১০ টার সময়ে মেডিসিন কিনেছে।

তুমি কি সেদিনের কনসাল্টিং রুমে হওয়া ঘটনা বিস্তারিতভাবে বলতে পারবে?

তাহলে যে মেডিসিন অনু এনেছে...

সেটা তুমি ডা.আরিয়ানকে দিয়েছো।

না। আমিই সেটা সিরিন্জে ডুকিয়েছি।

কিন্তু ডা.আরিয়ানই সেটা ইনজেক্ট করেছে।

তুমি রুমে আসার পর...

কত মিনিট পর ডা.আরিয়ান ইনজেকশন দিয়েছে?

৬ মিনিটের মত।

কেন?

আমি যখন ফিরে আসলাম, ডা. আরিয়ান মিনিস্টারকে পরীক্ষা করছিল।

তারপর রিপোর্ট লিখে ডা.আরিয়ান ইনজেকশন দেন।

মেডিকেল বিশেষজ্ঞদের মতে...

প্রসিকিউশন যে ড্রাগ ক্যালসিয়াম গ্লুকোনাইটের কারণে মৃত্যু হয়েছে দাবী করছে...

যদি সেটা হার্ট রোগীকে ইনজেক্ট করা হয়...

তাহলে হার্টএটাক ৬০ সেকেন্ডের ভেতরেই ঘটবে।

প্রসিকিউশনের দাবী অনুসারে...

যদি মেডিসিন তারার অনুপস্থিতিতে দেয়া হয়ে থাকে...

হার্টএটাক ১ মিনিটের মধ্যেই হতো তারা ফিরে আসার আগেই।

তারার ভাষ্যমতে...

হার্টএটাক হয়েছে ৬ মিনিট পর...

মাননীয় বিচারক আমাকে অনুমতি দিন হাসপাতালের এমডি বরুণকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে।

ঐযে আমাকে ডাকল।

আমাকে আগুনে সেঁকে মারবে।

কিছু করতে পারবেন না?

যান।

যেতে হবে?

আপনার নাম?

কি?

আপনার আরিয়ানের প্রতি কিসের এত রাগ, মি.বরুণ?

বরুণের কেন আরিয়ানের প্রতি রাগ থাকবে?

কোন রাগ নেই।

ঐ লোকটাকে চেনেন?

- কে সে? - চেনেন না বলছেন?

তারা।

মাননীয় বিচারক আমি কি তারাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি পেতে পারি?

দেয়া হল।

তারা, আমাকে বল।

আরিয়ানের প্রতি বরুণের এত রাগ কেন?

বরুণ স্যার আমার সাথে ও কাবেয়ার সাথে বেশ কয়েকবার অশোভন ভাবে আচরণ করেছেন।

আর অনেকবার ডা.আরিয়ান আমাদের তার ছোবল থেকে বাঁচিয়েছেন।

সেটাই হয়ত তাকে রাগিয়ে দিয়েছে।

তারা কি সত্যি বলছে ,মি.বরুণ?

আমি কিছু জানি না।

এরকম কিছু করেছি বলে মনে পড়ছে না।

এটাই সেই মেডিসিনের বিল যেটা ডা.আরিয়ানের ফার্মাসি থেকে মেডিসিন কেনার জন্য দেয়া হয়েছে।

এই বিলটা আপনি পুলিশকে দিয়েছিলেন, মি. বরুণ?

হ্যাঁ। আমি দিয়েছিলাম।

আপনার সেক্রেটারি বানি বলেছিল...

মন্ত্রী চন্ডী মারা যাবার পরের দিনই আপনাদের হাসপাতালে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়েছে।

এটা কি সত্যি?

হ্যাঁ।

মি.বরুণ এমন একজন মানুষ যিনি মাইক্রোসফটকেও চমকে দিয়েছেন।

যে ফন্টে বিল টাইপ করে পুলিশকে দেয়া হয়েছে...

সে ফন্টে পুরোনো সফটওয়্যারে টাইপ করা যাবে না।

তারমানে..

এই বিল সফটওয়্যার আপডেটের পর টাইপ করা হয়েছে।

তারমানে মিনিস্টারের মৃত্যুর পর।

প্রমাণ দাখিল করছি।

ব্যাক্তিগত শত্রুতার কারণে কোন নির্দোষ লোককে ফাঁসানো হলে

আপনি জানেন এই ধরণের অপরাধের জন্য কত বড় সাজা দেয়া হয়?

- সাজা আমাকে? - হ্যাঁ

বাকি জীবন আপনি জেলেই কাটাবেন।

এমন করে বলবেন না।

আমি এখনো বিয়েই করিনি।

না স্যার।

আপনার ক্যারিয়ার, জীবন আর ব্যবসা সব ধ্বংস হয়ে যাবে।

এরকম বলবেন না। আমি নির্দোষ।

তাহলে সত্য কথা বলুন

কেন আপনি আরিয়ানকে ফাঁসালেন?

নকল বিল বানানোর উদ্দেশ্য কি ছিল?

কাকে ভয় পাচ্ছেন আপনি?

বলুন। অন্যকেউ আছে এর পেছনে?

- হ্যাঁ। - কার জন্যে ?

বলুন। কার জন্যে?

মিনিস্টার জ্যাকব স্যারের জন্যে।

সাবেক মন্ত্রী চন্ডীর ছেলে জ্যাকব স্যার, তাইনা?

হ্যাঁ।

কেন?

চন্ডী স্যারের মৃত্যুকে হত্যাকান্ড বানানোর জন্যে....

আর সমবেদনা সৃষ্টি করতে।

আরেকজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষীকে কোর্টের সামনে আনার অনুমতি চাইছি।

মিনিস্টার জ্যাকব চন্ডীর একমাত্র মেয়ে...

জেনিফার জ্যাকব।

জ্যাকব ও তার লোকেদের ষড়যন্ত্র।

জেনিফার তাদের অজান্তে রেকর্ড করেছিল।

মিনিস্টার চন্ডী সাধারণ হার্ট এটাকে মারা যান।

দুর্নীতিতে গলা ডুবিয়ে রাখা চন্ডী স্যারের ভাবমূর্তি বদলানোর জন্যে...

আর নিজে ক্ষমতায় আসার জন্যে...

এই গুরুতর ষড়যন্ত্র করেছে নিষ্ঠুর অপরাধী জ্যাকব।

ডা. আরিয়ানকে দাবার ঘুটি বানিয়ে...

চন্ডী স্যারের মৃত্যুকে হত্যাকান্ড বানানোর মিথ্যা গল্প সাজিয়েছে।

আমি কোর্টকে অনুরোধ জানাচ্ছি আমার নির্দোষী মক্কেল ডা. আরিয়ানকে খালাস দেয়ার জন্য।

আর মন্ত্রী জ্যাকব চন্ডীকে সর্বোচ্চ সাজা দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

আর তাদেরও সাজা দেয়া হোক যারা ষড়যন্ত্রে সঙ্গ দিয়েছে।

কোর্ট বুঝতে পেরেছে যে মিনিস্টার চন্ডীর হত্যাকান্ডের মামলাটি সাজানো ছিল।

এবং অভিযুক্ত ডা.আরিয়ান সম্পূর্ণ নির্দোষ।

কোর্ট আরিয়ানকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার আদেশ দিচ্ছে।

যেসব তদন্তকারী অফিসারেরা এই ষড়যন্ত্রে যারা অংশ নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে...

এবং মিনিস্টার জ্যাকবের উপর উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত করার নির্দেশ দিচ্ছে।

স্যার, এই রায়ের ব্যাপারে আপনার কি বলার আছে?

আপনি কি উচ্চ আদালতে মামলা করবেন?

মন্ত্রী জ্যাকব চন্ডীকে হত্যার চেষ্ঠা

এই ঘটনা মহাসড়কের জন মানবহীন জায়গায় হয়েছে।

আরো বিস্তারিত নিয়ে আমাদের রিপোর্টার যোগ দিচ্ছে

মিনিস্টারের উপর হামলার জন্য কে দায়ী?

এখানে মিনিস্টার জ্যাকব স্যারের গাড়িতে গুলিবর্ষণ করা হয়েছে।

যদিও মিনিস্টার সাহেব সামান্য আঘাত প্রাপ্ত হয়েই পালাতে পেরেছেন।

একই দিনে তার বাবার হত্যাকান্ডের মামলার রায় দেয়া হয়েছে।

তার গাড়িতে হামলা করার বিষয়টি রহস্যময়।

এটা পরিষ্কার না কে বা কারা এই হামলার পেছনে আছে।

পুলিশ হামলাকারীকে খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে।

খবর পাওয়া গেছে জ্যাকব চন্ডী খুব অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন।

রাজীব।

এসো।

আপনি আমার সাথে এত জরুরী দেখা করতে চাইলেন কেন?

রাজীব, এসো। বলছি তোমাকে।

তুমি তো গতকাল আমার উপর হওয়া আক্রমণের কথা শুনেছো হয়তো?

আজকে সেই একই খুনী আমাকে মারার চেষ্ঠা করেছে।

ভাগ্যবলে আমার লোক ওকে ধরে ফেলেছে।

তুমি তো এই কেইসের পিছে অনেক দৌড়েছ।

ভাবলাম তোমাকে জানানো উচিত।

সেজন্যেই এখানে ডেকেছি।

কোন সমস্যা?

না।

আর খুনী কোথায়?

ডা.আরিয়ান।

ওই আমাকে গুলি করে মারার চেষ্ঠা করেছে।

আমি ভুল কিছু করিনি স্যার।

আমি কাউকে মারার চেষ্ঠা করিনি।

আমার ফ্ল্যাটে যাবার পথ থেকে ওরা আমাকে ধরে এখানে নিয়ে এসেছে।

তাহলে আমার আন্দাজ ভুল হয়নি।

মিনিস্টার চন্ডীর পুত্র জ্যাকব চন্ডী।

দাবার শেষ গুটি চালিয়ে দিয়েছেন তাহলে?

একদম।

কমিশনার সতিশ বর্মা আমাকে সাহায্য করতে গিয়ে চাকরি হারিয়েছে।

পুলিশের আর কেউ নেই আমাকে সাহায্য করার।

পার্টি আমার পদত্যাগ চেয়েছে।

নিজের ইস্তফা ঘোষণা করার জন্যে...

মিনিস্টার জ্যাকব চন্ডী কিছু সময় পর প্রেসের মুখোমুখি হবে।

মিডিয়া আর জার্নালিস্টরা এখানেই আসছে।

যেসব মিডিয়া কর্মীরা আমার পদত্যাগের খবর কভার দিতে আসছে

তাদের আমি একটা সারপ্রাইজ দেব।

ওদের চ্যানেলের জন্য গরম খবর।

খুনী বাড়ির ভেতরে ডুকে মিনিস্টার জ্যাকব চন্ডীকে মারার চেষ্ঠা করেছে

যাকে দুঃসাহসিক ভাবে পুলিশ অফিসার রাজীব গুলিবিদ্ধ করে হত্যা করেছে।

কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ফিরতি গুলিতে রাজীবও মারা যায়।

যে ব্যাক্তি মিনিস্টার জ্যাকব চন্ডীকে হত্যার চেষ্ঠা করেছে...

যে ব্যাক্তি চন্ডী স্যারকে ইনজেকশন দিয়ে মেরেছে।

উগ্রবাদী দলের মেম্বার ডা.আরিয়ানের মৃতদেহ।

আমি মিডিয়াকে দেখাব।

এটা প্রমাণিত হয়ে যাবে যে কোর্টের রায় ভুল ছিল।

আগের চেয়ে আরো অনেক শক্তিশালী...

মিনিস্টার জ্যাকব চন্ডী ক্ষমতায় চলে আসবে।

খুব ভালো খেলেছেন, জ্যাকব স্যার।

অসাধারণ।

যাই হোক, আমি একটা ব্যাপারে খুব খুশি।

আপনি একদম ঠিক চন্ডী স্যারের খুনীকেই ধরেছেন।

হ্যাঁ, মি.জ্যাকব।

আপনার বাবা হঠাৎ হার্টএটাকের কারণে মরেননি।

তাকে ইনজেকশন দিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এই ডা.আরিয়ান করেছে।

স্যার, আমি কোন ভুল কাজ করিনি।

আমি কাউকে মারার চেষ্ঠা করিনি।

ওই আপনার বাবাকে মেরেছে।

স্যার, সত্যি বলছি আমি মারিনি।

চন্ডী স্যারের খুনি আমি নই।

আমি নই।

আমিই নিজহাতে চন্ডীকে মেরেছি।

ফাদার ডমিনিকের সাথে দেখা করতে চাই।

কলকাতা থেকে আসছো?

কার্ডিওলজি।

আরিয়ানকে মাধবন স্যারের কাছে নিয়ে যাও।

আমি সুপারিশে আসা লোকদের একদমই পছন্দ করিনা।

সে আমার অফিসে আছে।

বানির সিস্টেম ব্যবহার করে আমি ভিকে স্যারের চার্ট পাল্টে দিয়েছি।

যদি ভাগ্য সাথে থাকে, তাহলে এবার মিনিস্টারকে একা পাব।

আজকে এখানে মিনিস্টারের চেকআপ আছে

কিন্তু সেই একই সময়ে আমার একটা সার্জারীও করতে হবে।

এটা বানির চার্টিং করার ভুলে হয়েছে

তাই উনাকে তোমার ২০ মিনিটের জন্য ম্যানেজ করতে হবে।

তারা, ফ্রিজার থেকে ইনজেকশন নিয়ে এসো।

অনু, জলদি এসো।

তাড়াতাড়ি তুলে রাখ।

ভেঙ্গে যায়নি।

ইমার্জেন্সি ডাক।

মিনিস্টার আর বেঁচে নেই।

আপনি পাথর হয়ে গেছেন, তাইনা?

এখন আপনি জানতে চান না এসব আমরা কেন করেছি?

মনে আছে?

ভাইগা দেবী নামের সাংবাদিককে?

এই উপহার ভাইগা দেবীর তরফ থেকে।

আমার বড় বোন কার্থুর জন্যে।

এই পৃথিবীতে নিজের বলে শুধুমাত্র আমার বোনই ছিল।

তোরা সবাই মিলে ওকে মেরে ফেলেছিস।

যখন রাজীব স্যার আমার সাথে দেখা করতে আসল।

আমাদের মধ্যে একটা সিদ্ধান্তই হয়েছিল..

যে আমরা বোনের নাম আইনের সামনে কখনো আসতে দেব না।

নিরপরাধীদের ফাঁসিয়ে যাতে তোকে ঐ চেয়ারের ক্ষমতা ভোগ থেকে বিরত রাখতে...

সে একবার তার সম্মান হারিয়েছে।

তাকে মিডিয়ায় "ভিকটিম" হিসেবে বারংবার ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করতে

আমরা নিজেরাই সাজা ঠিক করেছি।

আমরাই রায় কার্যকর করেছি।

যে খুন করা হয়েছে কোন প্রমাণ না রেখেই।

যদিও না জেনে...

তুই সেটা নিয়ে মামলা সাজিয়েছিস...

আরিয়ানকে আসামী বানিয়ে দিয়েছিস।

যাতে তুই মন্ত্রী হতে পারিস।

তারপর আমার যাত্রা শুরু হয়

আরিয়ানকে এই কেইস থেকে বাঁচাতে..

আমি ডা.আরিয়ান সম্পর্কে জানতে চাই।

ডা.আরিয়ানের খুব অনুরাগী মন ছিল।

সবাই তোমার সাথে আছে, আরিয়ান।

আরিয়ান সেটা করতে পারেনা।

কেউ তাকে ফাঁসিয়েছে।

আমি আরিয়ানকে বের করে আনব।

সব স্বাক্ষীকে বুঝিয়েছি এমনকি তোর মেয়েকেও যে আরিয়ান নির্দোষ।

তোমার জলদি পালানো উচিত।

পালাও

ঝাঁপ দাও।

আমি রাজীব।

আমি একজন এসপি।

জ্যাকব স্যার আমাকে ফোন করে বলেন যে উনার মৃত্যুর শঙ্কা আছে।

কিন্তু ওকে ধরার আগেই...

খুনি পালিয়ে গেছে।

কেরালায় স্বাগতম, রাজীব।

জ্যাকব চন্ডীর মৃত্যু কেরালাকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

ডিজিপি আমাকে শান্তি দিচ্ছেনা।

সমস্যা হল তুমিই একমাত্র খুনির মুখ দেখেছো।

শুধু আমিই খুনিকে দেখেছি।

তাই তোমাকেই জ্যাকব চন্ডীর মৃত্যুর তদন্ত করতে হবে।

সাথে ঐ খুনিকেও ধরতে হবে।

অবশ্যই স্যার।

অনুবাদে ও সম্পাদনায় : জয় কিষান

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.