Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
1
Siccin 5
2
Siccin 5 Bangla Subtitle by Maksudur Rahman.
3
নেভশেহিরের একটি গ্রাম, কারাইন, মুলত "ক্যান্সারের গ্রাম" নামে পরিচিত।
4
গবেষণায় দেখা গেছে, কারাইনের মাটিতে থাকা উপাদান এই ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
5
এমনকি, সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুও এখানে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছে।
6
টি.বি.এম.এম' এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই গ্রামটিকে তাই স্থানান্তর করা হয়।
7
এই সিনেমাটির শুটিং কারাইনে হয়েছে, যেখানে ঘটনাটি ঘটেছিল।
রূপান্তর : মাকসুদুর রহমান
বাবা! বাবা! বাবা!!
10
বাবা!
11
বাবা তুমি কোথায়?
12
এটা তোমার চেহারা না।
13
তুমি এখন আমাদের।
14
তোমার বাবা চলে গেছে,
15
শুধু তুমি একাই আছো।
16
এই কাচের টুকরোটা নিয়ে নিজেকে কাটো।
যদি আমার কথা শোনো,
18
তোমার বাবা ফিরে আসবে।
19
কাটো।
20
কাটো।
21
নিজেকে কেটে ফেলো।
22
কেটে ফেলো!!
হেলা!
হেলা!
হেলা!
আমার মেয়েটা এত জিদ্দি যে, কুকুরটার সাথে খেলবেই।
আমি আসলে কোনো খবর-টবর আছে নাকি জানতে এসেছিলাম।
খুব ভালো করেছো এসে।
অ্যাই, কোনো ভালো খবর
থাকলে বলো না!
তুমি এমন ভাবে জিজ্ঞেস করছিলে যে,
আমার লজ্জা করছিল। আরে, এখানে লজ্জার কিছু নেই।
সেলিমকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, সেও কিছু বলল না।
তোমরা দু'জনেই কিছু বলছো না,
যেন আমি তোমাদের দুরের কেউ।
আগামীকাল আমাদের সম্পর্কের তিন মাস পূর্ণ হতে চলেছে।
তাই ও বলেছে, ও নাকি আমাকে সারপ্রাইজ দেবে।
আজরা সত্যি বলতে, আমার ভাই এত রোমান্টিক আমরা কিন্তু বুঝতে পারি নি।
গত বছর মা মারা যাওয়ার পর ও নিজেকে ঠিক করে সামলে নিতে পারছিল না।
ও তো মার সাথেই থাকতো।
আসলে, মার চলে যাওয়াটা আমাদের উপর খারাপ প্রভাব ফেলেছিল ঠিক,
কিন্তু সেলিম আস্তে আস্তে নিজেকে সামলে নিচ্ছে।
আমি তো শুধু আশায় আছি, কবে তোমার থেকে সুসংবাদটা শুনবো।
আজরা.. তুমি ঠিক আছো?
আসলে, ইব্রু, মাথাটা কেমন যেন করছিল।
সে ঠিক আছে, কিন্তু আমি তো চিন্তায় পড়ে গেছিলাম।
সকাল থেকেই মাথা ধরেছিল, সম্ভবত সেই কারণে।
ভেতরে গিয়ে বিশ্রাম নাও। না, আমি ঠিক আছি।
শোনো,
আমি মুলাতে ছুটি কাটাতে যাচ্ছি, আমার সাথে চলো না?
কি করে যাই বলো?
আমি আরিফকে বলতে পারবো না যে, আমি তোমার বউয়ের সাথে ঘুরতে যেতে চাই।
আর এখানেও অনেক কাজ পড়ে আছে।
চিন্তা কোরো না, আমি আরিফকে বলবো। আর ও তোমাকে পছন্দও করে।
...
না, একথা বোলো না, প্লিজ। আমার লজ্জা করে।
সেলিম।
- হ্যালো, কেমন আছো? - ভালো আছি। ইব্রু এসেছে। আমরা গল্প করছি।
ভালো, ও নিশ্চয় আমার কথা জিজ্ঞেস করেছে? ওকে আমার সালাম দিও।
হ্যাঁ, দেবো।
ইব্রুও তোমাকেকে সালাম দিয়েছে।
আগামীকাল দেখা করার কথা, মনে আছে?
- হ্যাঁ, সোনা, মনে আছে। - আচ্ছা, কাল দেখা হচ্ছে।
- রাখছি তাহলে। - ঠিক আছে, বাই।
বাই।
ওকে নিয়েই কথা বলতে বলতেই ফোন করলো!
ও ফোন করেছে কাল রাতের কথা মনে আছে কিনা জানার জন্য।
শুভকামনা।
...
দাঁড়াও, তোমাকে কফির একটা গুপ্তরহস্য দেখাই, তারপর যাচ্ছি।
আমার নিজেকে একদম ভালো লাগে না।
আমার চোখ, আমার চুল, আমার চেহারা,
একটুও ভালো লাগে না আমার।
মনেহয়, এগুলো আমার না। এগুলো আমার না।
তুমি অনেক সুন্দর,
সবাই তোমাকে হিংসে করে
গতকাল, মাকে বললাম, আমি স্বপ্নে বাবাকে দেখেছি। কিন্তু...
কিন্তু মনে হলো, মা আমার কথা বিশ্বাস করে নি।
তুমি তো তাকে আগে কখনো দেখো নি,
তবে কি করে বুঝলে সেই তোমার বাবা?
স্বপ্নে, আমি উনাকে বাবা বলে ডাকছিলাম।
হ্যাঁ, সেই তোমার বাবা। তুমি কিভাবে জানো?
কারণ আমি তোমার বাবাকে চিনি।
আর আমি জানি সে কোথায় আছে।
বাবা কোথায় আছে? যদি তুমি আমার আঙ্গুল কাটো, তাহলে আমি বলবো।
আমি পারবো না। কাটো।
আঙ্গুলগূলো কাটো, আমি বলবো।
দেখো, একটা কেঁচি পড়ে আছে। ওটা দিয়ে কাটো।
এখন বলো।
আমার বাবা কোথায়?
তোমার বাবা আসবে।
কিন্তু কোথায় আছে, এটা আমি বলতে পারবো না।
হেলা ঠিক নেই।
গত রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে রক্ত বমি করেছে।
- আজরা, আমি এখন যাই। কোনো সমস্যা হলে জানিও। - ঠিক আছে, আরিফ।
ইশ!
কি হয়েছে তোমার?
কোনো সমস্যা ?
আমার মাথা ঘুরাচ্ছিলো, পড়ে গিয়েছিলাম।
বাইরে বাতাসে বসবে, চলো।
ধন্যবাদ, পুন্যময়ী ফাতিমা। তোমার দোয়াতে এখন কিছুটা ভালো লাগছে।
তোমার উপর খারাপ জিনিস ভড় করেছে।
আমি দোয়া করবো যেন, তুমি সুস্থতার হয়ে যাও।
সন্ধায় থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে পানাহা চাইবে। কালকে এসে আমি তোমার সুস্থতার জন্য দোয়া করবো।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
হেলা! হেলা, কি হয়েছে?
তুমি কাঁদছো কেন?
দরজা বন্ধ করে রেখেছো কেন?
দরজা খোলো, সোনা।
আমি দরজা খুলতে চাই না, ফুপি।
কি হয়েছে ওর?
ও একা থাকতে চাইছে। বাদ দাও। ভালো লাগলে নিজেই বেরিয়ে আসবে।
গত রাতে ও খুব খারাপ স্বপ্ন দেখেছে, তাই ভয় পেয়ে আছে।
ওহ, আল্লাহ!
মা, তুমি কেমন আছো?
আর ও একদম উধাও হয়ে গেল।
কিন্তু ওর মেয়েটা ওকে স্বপ্নে দেখেছে।
ও উধাও হয়ে গিয়েছিল।
কিন্তু ওর মেয়েটা!
কতটা কষ্ট পেয়েছে!
রক্ত বমি করেছে।
নিজেকে কেটেছে।
আচ্ছা মা।
বাদ দাও।
- হেলা খেয়েছে কিছু? - না, খাই নি। তবে এখন জোরাজুরি করার দরকার নেই।
কি হয়েছে, মা।
আজরা। তুমি বাইরে যাও।
আমি আম্মাকে দেখছি।
হেলা, সোনা।
আমার সাথে এসো।
চলো তোমার গল্পটা শুনি, ঠিক আছে?
আমাকে বলো কি হয়েছিল?
ভেতরে চলো।
আমি বলেছি, আমি আরিফের সাথে কথা বলবো আর সে তোমাকে পছন্দও করে।
কিন্তু ও বললো, এ কথা না বলতে। ওর নাকি লজ্জা লাগে।
খুবই ভদ্র একটা মেয়ে।
তোমাকে দেখে খুব লজ্জা পায়।
আগামীকাল ওদের সম্পর্কের তিন মাস পূর্ণ হবে।
সেলিম নাকি ওকে সারপ্রাইজ দেবে।
আসলে, আমিই অবাক হয়েছি শুনে।
.
আজরা সত্যিই খুব ভাল মেয়ে।
দেখো, ও আমাদের পরিবারেরই বঊ হবে।
ইনশাহআল্লাহ, আরিফ।
তবে আমি খুশি যে, সেলিম আস্তে-আস্তে নিজেকে সামলে নিচ্ছে।
এলিফ ডাকলো মনেহয়! তুমি শুনেছো?
না।
দাঁড়াও, আমি দেখছি।
আমি চাই না...
আমি চাই না আজরা আর সেলিমের বিয়ে হোক।
এলিফ? মা!
কি খুঁজছো তুমি?
ওখান থেকে বের হও... আহ! মা, আমায় ডেকেছো?
এলিফ!
আমি বাথরুমে ছিলাম। তুমি ঠিক আছো?
কিছু হয় নি তো?
আমার পিঠে ব্যথা করছে। কি হয়েছে?
এরকম কিভাবে হলো?
জানি না, মা।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
সেলিম... আমি বারণ করেছিলাম।
কিন্তু তুমি আমার কথা শুনছো না।
তাহলে আমার কি করা উচিৎ?
ওহ, আমার আদরের বেচারা সন্তান!
সেলিম!
তোমার ভাই জন্ম থেকেই পঙ্গু ছিল। কোনোদিন হাঁটতে পারতো না।
তোমার ভাইয়ের মৃতুর দিনের কথা, তোমার মনে আছে?
তুমি তখন পাঁচ বছরের ছিলে।
খুব খুশি হয়ে ছিলে তুমি ও মারা গেলে।
বলেছিলে, ওকে তোমার একটুও পছন্দ না।
মনে পড়ে সেলিম?
মনে পড়ে?
তোমার ভাইয়ের কাছে এর কৈফিয়ত চাও,
কেন সে তোমাকে কখনো ভালোবাসে নি।
তোমার ভাইয়ের কাছে যাও,
জিজ্ঞেস করো, কেন সে তোমাকে পছন্দ করে না।
তাকে বলে দাও, যদি সে আজরাকে বিয়ে করে, তাহলে তার সন্তানেরাও ঠিক তোমার মতো হবে।
সব দোষ তোমার।
তুমি মাঝখানে গোল পাকিয়েছ।
আমি ভুল করেছি।
সে এখন আমাদের।
আমার ছেলে তোমার জন্য উধাও হয়ে গেছে।
সব দোষ তোমার।
তুমি মাঝখানে নাক গলিয়েছ।
সে এখন আমাদের।
আর আমাদের কাছেই থাকবে।
ফুপি... ফুপি..
হেলা? ফুপি।
ফুপি, আমি এখানে।
ফুপি..
হেলা! ফুপি।
হেলা..
ফুপি... ফুপি.. হেলা..
চাকুটা ছাড়ো দাদি।
হেলা!
হেলা..
হেলা... কোথায় তুমি?
ফুপি...
হেলা!
ফুপি, আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই।
হেলা? এসো, এসো।
পেছনে তাকিও না , ফুপি।
দাদি আবারো চাকু হাতে বেরিয়ে পড়েছিল। আমি দেখতে পেয়ে নিয়ে এলাম।
তোমার বাবা এসেছিলেন, আমি তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম।
ভেতরে এসো তোমরা।
একে বলে সর্পমণি।
লোকে বলে অনেক বছর আগে, মক্কায় পবিত্র রাতগুলোতে,
পাথরগুলো পাওয়া যেত।
যদি তোমার উপর খারাপ শক্তির আছর থাকে, এই পাথরগুলো কাজে দেবে।
অনেকে জানে না, এটা কিভাবে করতে হয়।
আমার দাদিমা আমাকে শিখিয়েছিলেন।
ভয় পেয়ো না..
এখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
মা, আজকে আমরা কুকুরগুলোর সাথে খেলতে যাব না?
আজ যাওয়া যাবে না।
- তাহলে কবে যাবে? - আমি জানি না।
তোমার বাবার সাথে কথা বলে, তারপর যেতে হবে।
মা, আমি চাই না যে, মামা আজরাকে বিয়ে করুক।
এলিফ!
কি হয়েছে মা?
কিছু হয় নি, চলো এখান থেকে।
জ্বী, আপা?
সেলিম, হাই?
আমার তোর সাথে কথা আছে।
হয়তো কিছুটা জরুরি,
- কিন্তু ফোনে বলা যাবে না। - কেন?
কি এমন হয়েছে, ফোনে বলা যাবে না?
তুই কি আমার এখানে আধ ঘন্টার মধ্যে আসতে পারবি?
আপা, আজ আমি একটু ব্যস্ত।
আর সন্ধায় আজরার সাথে দেখা করার কথা।
খুব দরকারি না হলে, আমরা পরে কথা বলি?
ঠিক আছে, মন দিয়ে কাজ কর।
এলিফ, সোনা, তুমি আজরাকে পছন্দ করো না?
- না, আমি তো ওকে অনেক পছন্দ করি, কেন কি হয়েছে? - কী জানি!
মনে হয় না, তুমি ওকে পছন্দ করো।
আমি করি।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
ওরা ওকে নিয়ে যাবে। সবাইকে মেরে ফেলবে।
আমি সবকিছু পুড়িয়ে দেব... সবাই মরে যাবে...
সবকিছু পুড়িয়ে ফেলব...
আমার খালা আমাকে অনেক ভালোবাসে,
গত রাতের সেই স্বপ্নের কথা,
শুধু সেই বিশ্বাস করেছে।
সে বিশ্বাস করে নি।
বিশ্বাস করার ভান করেছে মাত্র।
তোমার খালা সবসময় তোমাকে মিথ্যে বলেছে।
তোমার দাদিও তোমাকে ভালোবাসে না।
কেন?
আমার মুখ পোড়ালে, আমি বলবো।
আমি পারবো না পোড়াতে।
পোড়াও।
পোড়ালে, আমি বলবো।
তোমার ব্যথা লাগবে। পোড়াও।
তাহলে তোমার দাদি তোমার মুখ পোড়াবে না।
আমার দাদি কক্ষনো ওরকম করবে না।
তোমার দাদি একটা খারাপ মহিলা।
সে তোমাকে হত্যা করতে চায়।
আমার দাদি মোটেও খারাপ না,
উনি অসুস্থ, তুমি সব সময় আমাকে মিথ্যে বলে এসেছো।
তোমার দাদি একটা খারাপ মহিলা।
সেই তোমার এই অসুস্থতার কারণ।
সে তোমাকে মেরে ফেলতে চায়।
সে তোমাকে মেরে ফেলতে চায়, কারণ সে তোমাকে ভয় পায়।
না, আমার দাদি আমাকে অনেক ভালোবাসে।
সে তোমায় একটুও ভালোবাসে না।
সে জানে সে তুমি আমাদের দখলে, তাই সে তোমাকে মেরে ফেলতে চায়।
আমার দাদি আমাকে মারবে না।
সে মারতে চায়। না, চায় না।
সে তোমাকে পোড়াতে চায়।
সে মনে করে, তোমাকে মারলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
আমার মাথা ঘুরাও,
আমি তোমাকে দেখাচ্ছি।
এখন তুমি আমার কথা বিশ্বাস করবে।
দাদি?
দেখো,
আমি তোমাকে আগেই বলেছিলাম।
তোমার দাদি তোমাকে মারার চেষ্টা করছিল।
সে মনে করেছিল, তুমি ওখানে বসে ছিলে।
কি হয়েছে দাদি?
দাদি।
চলো এখান থেকে যাই।
ওঠো।
হেলা, কি হয়েছে?
কিছু না, মা।
দাদি আর আমি একটু হাঁটছিলাম।
ওটা একটা বাজে স্বপ্ন ছিল।
মা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, অনেক বছর হলেও,
আমি ঠিক করে সেটা মানিয়ে নিতে পারি নি।
কখনো কখনো মনে হয় যেন,
মা ঐ বাড়িটাতে আমার সাথে আছেন।
আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসিব কারুক।
তোমারটা তো বললে না।
আমি চাই না যে তুমি আমার থেকে দূরে চলে যাও।
কক্ষনো যাব না।
মানে,
আমার একটা ভয়ঙ্কর অতীত আছে।
ওসব নিয়ে ভেবো না।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
আমি এখানে প্রায়ই আসি,
কিন্তু তোমার সাথে এটাই প্রথম।
জায়গাটা আসলেই খুব সুন্দর।
আমি প্রথমবার এলাম।
আজরা?
তোমার জন্যে একটা সারপ্রাইজ আছে।
একটা জিনিস এনেছি, যদিও আমার পছন্দ খুব একটা ভাল না,
আর জানি, হয়তো একটু তাড়াতাড়ি হয়ে গেল,
কিন্তু আমি এখনি দিতে চাই।
যদি তুমি রাজি থাকো,
আমি তোমাকে বিয়ে করবো।
আমি তোমাকে ভালোবাসি, আজরা।
দাদি আমাকে মারতে চায় না, ঠিক না?
না, সোনা।
কক্ষনো না। কেন এসব ভাবছো!
আমার নাতনীর এর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
তার কোনো ক্ষতি কোরো না।
ভুল আমার হয়েছে।
আমার নাতনীকে ওভাবে কষ্ট দিও না।
আমার নাতনী..
গুলতেন, গুলতেন?
আমার ঔষধটা দাও।
গুলতেন। গুলতেন?
ওষুধটা দাও।
ঐ ইনজেকশনটা দাও।
কারাইনে, গ্রামের জমি বিক্রির ব্যাপারে আলোচনার সময়,
আমার ভাই আমার বাবাকে ছুরি মেরে খুন করে।
তারপর জাস্ট লাপাত্তা হয়ে যায়।
গত বারো বছর আমার ভাইয়ের কোনো খোঁজ পাই নি।
কেউ জানে না কোথায় সে।
মা বলে, মা নাকি সব দেখেছে।
আর যে ঘরটায় আমার বাবা মারা যায়, সেখানে আমি অদ্ভুত কিছু অনুভব করতাম।
তারপর মা বুঝতে পেরেছিলেন,
এখানে থাকা অসম্ভব।
তাই আমরা ঐ বাড়ি থেকে চলে এসে,
এখানে থাকতে শুরু করি।
এরপর আর কখনো আমরা কারাইনে ফিরে যাই নি।
আমার ভাই পালিয়ে যাওয়ার সময় জানতো না যে, ভাবি গর্ভবতী।
সে জানেও না তার একটা মেয়ে আছে।
কখনো কখনো আমি ভাবি,
কার জীবনটা বেশি কষ্টের!
আমার নাকি হেলার!
যে একজন খুনি, যার কোনো খোঁজ নেই।
সে তার বাবা। যে জন্য, হেলা স্বাভাবিক নয়।
ঐ ঘটনার পরে, মাও আস্তে আস্তে পাগল হতে শুরু করে।
এই তো ঘটনা,
আমার বাড়িতে দু'জন অসুস্থ মানুষ।
আর এমন এক মানুষও আছে, যে জানে না তার স্বামী কোথায়।
খালা? হেলা!
আজ রাতে আমরা একসঙ্গে ঘুমোতে পারি?
অবশ্যই, সোনা। এসো।
ভিতরে চলো।
আমায় ধরে থাকো।
আমাকে ছেড়ে যাবে না কিন্তু।
মা।
এলিফ!
এলিফ?
মা, আজরা আমাকে এর মধ্যে আটকে রেখেছে।
এলিফ।
ও আমার নখ তুলে নিচ্ছে।
অনেক রক্ত বের হচ্ছে। এলিফ।
এলিফ।
এলিফ।
মা,
আজরা আমাকে এর ভেতর আটকে রেখেছে।
এলিফ।
এলিফ।
মা,
আজরা আমাকে কেটে এর মধ্যে কবর দিয়েছে।
আজরা আমাকে ব্যথা দিচ্ছে।
এলিফ। এলিফ।
আমার চোখে সুচ ফুটাচ্ছে।
আমার চোখ তুলে নিচ্ছে, খুব ব্যথা লাগছে।
মা, আমি এখানে।
আজরা আমাকে ব্যথা দিচ্ছে।
মা,
আজরা আমাকে এখানে ফাঁশ দিয়েছে।
ইব্রু!
কি হয়েছে?
এত রাতে এখানে কি করছো?
আমার ফোনটা ভুলে দোকানে ফেলে গিয়েছিলাম, তাই নিতে এসেছি।
আচ্ছা, ঠিক আছে, শুভরাত্রি।
শুভরাত্রি। বাই।
হেলা!
হেলা?
হেলা।
ওদেরকে সব ভেস্তে দিতে দেবো না, ওকে নিয়েই যাবো।
তোমার ফুপু আমাদের,
হেলা!
মা?
সব কিছু ঐ জমিটাকে ঘিরে।
আজরা। আজরা।
আজরা, তোমার ভাই একটা আস্ত শয়তান।
এখানে কি হচ্ছে?
মা, তুমি কি বলছো?
মা,
কি করছ?
ফুপি?
সাঈদ, তোমার কি মনেহয়,
আমি এটা করেছি?
ভাই, তুমি তখন ঘুমে ছিলে নাকি?
আসলে, আমার হিসাব ছিল না, জানি না, কী করেছি আর কি দেখছি!
আমি ভাবছি, এর পরে কি করেছিলাম!
তোমার সাথে দেখা হওয়ার পর এগুলো করেছি, তাই না?
- এই ব্যাপারে তো পুলিশের কাছেও যাওয়া যাবে না। - একদম না।
ওগুলো কোথায় রেখেছো মনে আছে?
আমি কিছুই মনে করতে পারছি না।
আর বস্তাটা কোথা থেকে পেয়েছো সেটাও জানো না।
জিনিসটা এমন কাউকে দেখানোর দরকার,
যে বিষয়টা বুঝবে।
ব্যপারখানা ভালো মনে হচ্ছে না।
কাকে দেখাবে তুমি? কি করতে পারবে সে? বলতে পারবে সোনাগুলো কোথায় আছে?
জানি না।
আমার পরিচিত একজন আছে।
এই ব্যাপারে, কাউকে কিছু বলবে না।
আমি শুধু তোমাকে জানিয়েছি।
এখানে নিশ্চয় কোনো রহস্য আছে।
কেমন আছো, ইব্রু? ভালো।
আমরা আরিফের সাথে কথা বলেই চলে যাব।
হেলা?
তুমি বাক্সটা আবারো বের করেছো?
মা,
বাবা যদি জানতো আমি হব,
তাহলেও কি আমাদের ছেড়ে যেতে পারতো?
না, সোনা। যেতে পারতো না।
সে তো তোমার কথা জানতো না।
বাবা কেন আমাদের ছেড়ে চলে গেল?
জানি না,
সে জাস্ট চলে গেছে।
দাদা কবে মারা গেছেন?
তোমার জন্মের আগে।
তাহলে, কেউই আমাকে দেখে নি?
না, সোনা।
তোমার বাবার বদলে তোমার ফুপু উধাও হলে ভালো হতো।
না, সে আমাদের ছেড়ে যেত না।
তোমার দাদির মতো তোমার ফুপুও,
তোমাকে মেরে ফেলতে চায়।
চুপ করো।
সে চায় না।
সে আমাকে মেরে ফেলতে চায় না।
সে চায় না। চায় না।
ওরা বেশি কথা বলতে চায় না,
তবে আমাকে একটা নাম বলেছে।
কি নাম?
ফুপি তুমি ঠিক আছো?
হ্যাঁ, সোনা।
তোমাকে খুব চিন্তিত দেখাচ্ছে।
তেমন কিছু না।
আমি একটু ক্লান্ত।
রাতে ভালো ঘুম হয় নি।
হেলা, তোমার হাতের অবস্থা এমন খারাপ হলো কি করে?
তেমন কিছু হয় নি।
ধরো না, ফুপি।
ধরবো না?! কেন!?
ধরবে না, প্লিজ।
ঠিক আছে ।
আমি কাপড় পাল্টে আসছি, ঠিক আছে? আচ্ছা।
সেলিম?
দুঃখিত, ফোনটা ধরার সুযোগ পাই নি, তোমার কি খবর?
আমি ভালো নেই,
তুমি ব্যস্ত না থাকলে, কাল দেখা করি?
জানি না কি বলবো,
কিন্তু তোমার সাথে কথা বলতেই হবে।
খারাপ কিছু হয়েছে নাকি?
এসব কথা ফোনে বলা যাবে না।
কাল রাতে আমি তোমাকে নিতে আসবো, ঠিক আছে?
আচ্ছা, ঠিক আছে।
শুভরাত্রি, আগামীকাল দেখা হবে।
শুভ রাত্রি।
সেলিম?
জাগো! জাগো!
সেলিম, ছেলে আমার, তুমি সমস্ত সোনা পানিতে ফেলে এসেছো।
তোমার ভাই সব দেখেছে।
বাবা, তুমি আমার কথা শোনো নি,
আমি তোমাকে ঐ মেয়েটার থেকে দূরে থাকতে বলেছিলাম।
তুমি আমার কথা শোনো নি।
ওদের কাছে যাও,
ওরা এখানে তোমার জন্য এসেছে।
এদিকে এসো, সোনা।
ওদের কাছে যাও,
পেছনে তোমার ফুপির দিকে তাকাও।
ফুপি!
প্রবেশ কর।
আমি পারি নি,
কিন্তু তুমি পারবে।
তুমি যথেষ্ট বড় হয়েছো। ভয় পেয়ো না, সোনা।
তুমি এই পরিবারের একজন।
তুমি আমার সন্তান, এটা তোমার কর্তব্য।
সময় এসে গেছে, সোনা। আমি তোমার সাথে আছি।
আমি সব সময় তোমার সাথে থাকবো।
এসো হেলা, আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।
এদিকে এসো, সোনা।
আমি ভয় পাচ্ছি না, তুমিও ভয় পেয়ো না।
হেলা, তোমার বাবা এর মধ্যে, তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
এটা তোমার দায়িত্ব।
হেলা!
তুমি পারবে।
তুমি আমাদের সন্তান,
এই পরিবারের একজন।
ওরা সবাই এতদিন তোমার বড় হওয়ার অপেক্ষা করেছে।
শুধু তুমিই এটা করতে পারবে।
ফুপি।
বাবা! বাবা!
ফুপি, কি হয়েছে? খারাপ স্বপ্ন দেখেছ?
হ্যাঁ, সোনা। একটা বাজে স্বপ্ন দেখেছি।
কি দেখেছ তুমি?
তেমন কিছু না, আজে বাজে জিনিস আর কি।
তুমি কি দাদাকে দেখেছ?
দাদা?!
তুমি ঘুমের মধ্যে বাবা বাবা করছিলে।
...
..
একই জিনিস আবার হবে।
কি আবার হবে?
সে জানতো না। সে জানতো না।
কেউ জানে না। কেউ জানে না।
...
মা, দেখো তো, এটা তোমার মনে আছে নাকি?
এবার কেটে দিও,
নয়তো, আমিও বাবার মতো গুম হয়ে যাব।
হে আল্লাহ, আমি আমার সমস্ত বিপদ থেকে তোমার কাছে পানাহা চাইছি।
আল্লাহ, আমাকে সব অভিশাপ ও অশুভ শক্তি থেকে রক্ষা করো।
ঐ কাগজে কি লেখা আমায় জানতে হবে। তাহলে তুমি যা চাইবে, তাই পাবে।
তুমি সব সময় আমাকে মিথ্যে বলো।
তোমার বাবা শীঘ্রই ফিরে আসবে।
মা, বাবা এসেছে।
জাহির!
সেলিম?
সেলিম?
সেলিম!
সেলিম!
সেলিম, কি হয়েছে?
কি হয়েছে তোর?
আজরা এসো, আমরা এখানে।
মা!
মা?
তোমার ভাই ফিরে এসেছে।
ভাইয়া!
বাবা আমার সাথে কথা পর্যন্ত বলল না।
আমি যা বলি,
যদি তাই করো, সে তোমার সাথে কথা বলবে।
আমি পারবো না।
তোমাকে পারতে হবে,
নয়তো, তোমার বাবা আবার তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে।
আমি চাই না বাবা আবার চলে যাক।
তাহলে, আমি যা বলবো, তোমাকে তাই করতে হবে।
তোমরা সবাই আমার সাথে এরকম করছো কেন?
এত বছর, তোমার বাবা মা, আর তোমার জন্যে
আমরা অনেক দুর্ভোগ সহ্য করেছি।
তোমার পরিবারের অভিশাপ আমাদের জীবন জাহান্নাম বানিয়ে ছেড়েছে।
তোমার বাবার কালো জাদুমন্ত্রের কারণে, অনেক মানুষ ভুগেছে।
সে অনেক গুনাহ করেছে।
বহু লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,
তার জাদু-টোনায়।
আমি নিজে চোখে মানুষকে পাগল হতে, আত্মহত্যা করতে দেখেছি।
তার কাছে জিন ছিল,
যাদের দিয়ে সে অন্যদের ক্ষতি করতো।
এমনকি শিশুদের পর্যন্ত হত্যা করাতো।
জিনদের সাথে তার চুক্তি ছিল।
সে কারোর সম্পর্কে না জেনেই, টাকার বিনিময়ে,
তাদের জীবন জাহান্নাম বানিয়ে দিত।
সে মৃত মানুষকে পুড়িয়ে সেই ছাই, অন্য লোকদের খাওয়াতো।
এভাবে সে অন্যদেরও গুনাহ করিয়েছে।
যদিও তার মন-
হৃদয় কলুষিত ছিল,
তবুও সে তোমার ভাইকে খুব ভালোবাসতেন।
আমাদের সবার থেকেও বেশি।
তোমার ভাইয়ের ক্যান্সার ধরা পরলে,
তোমার বাবা ইফ্রিতের সঙ্গে (জিনদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা ক্ষমতাশালি)
একটা চুক্তি করেন।
তোমার ভাইয়ের জীবনের বিনিময়ে,
উনি তোমাকে ওদের কাছে দিয়ে দেবেন,
উৎসর্গ করবেন তোমাকে।
এই সিদ্ধান্ত আমি একা নেবো না,
তোমাদেরকেও মত দিতে হবে।
শুধু আমি একা এই পাপের বোঝা বহন করতে পারবো না।
তোমার ভাইকে বাঁচানোর জন্য,
আমারা সবাই রাজি হলাম।
কয়েক মাস পর,
ডাক্তার জানালেন, তোমার ভাই সুস্থ হয়ে গেছে।
তোমার বাবা বললেন, এখন আমাদের চুক্তির শর্ত পূরণ করতে হবে।
অন্যথায়, ওরা আমাদের জীবন দুর্বিষহ করে দেবে।
তোমার দাদা আমাদের সাথে একটি চুক্তি করেছিলেন।
কিন্তু তোমার বাবা সুস্থ হয়ে গেলেও,
তোমার ফুপুকে আমাদের দেয় নি।
ঐদিন রাতে,
তোমাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে,
ইফ্রিতের কাছে উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
আমরা তোমাকে নেওয়ার জন্য তৈরি হই।
চুক্তির শর্ত পূরণ হলো না,
তোমার বাবা যা চাইলো, পেলো। আমরা পেলাম না।
চুক্তি পূরণ হলো না, কারণ, তোমার মা শর্ত ভঙ্গ করলো।
পরে আলো জ্বালিয়ে দেখি,
তোমার বাবার লাশ মেঝেতে পরে আছে,
আর তোমার ভাই নেই।
তার পরে আর কখনো ওকে দেখতে পাই নি।
সে এতদিন আমাদের কাছে ছিল।
...
ঐদিনের পর থেকে তোমার মা আস্তে আস্তে পাগল হতে শুরু করে।
সে পাগল হয়ে যায়, কারণ, সে তোমাকে মারে নি।
এজন্য আমরা তোমার বাবাকে নিয়ে যাই
এজন্য তুমি তোমার বাবাকে কখনো দেখো নি।
তোমার ফুপুকে আমাদের নেওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু তোমার দাদি,
তোমার ফুপুকে মারে নি।
সে তোমার দাদাকে মেরেছে।
যদি সে তোমার ফুপুকে মারতো তাহলে এসব কিছুই হতো না।
আমার মেয়ের এমন অবস্থা হয়েছে,
তোমার কারণে।
আমরা তোমার শরীরের দখল নেবো।
এখন সব মুল্য চোকানোর সময় এসেছে।
সময় এসেছে চুক্তির শর্ত পূরণের।
হে আল্লাহ, আমাকে রক্ষা করো, সাহায্য করো আমায়।
তুমি অসুস্থ, কারণ তোমার ফুপু মরে নি।
খারাপ ঘটনাগুলো ঘটেছে, কারণ তোমার ফুপু মরে নি।
তোমার ফুপুকে মেরে ফেলো, সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।
তোমার বাবা তোমার সাথে কথা বলবে, যদি তুমি তোমার ফুপুকে মেরে ফেলো।
তোমার বাবা সব সময় তোমার সাথে থাকবে, যদি তুমি তোমার ফুপুকে মেরে ফেলো।
তুমি অসুস্থ, কারণ তোমার ফুপু মরে নি।
খারাপ ঘটনাগুলো ঘটেছে, কারণ তোমার ফুপু মরে নি।
আমাদের মধ্যে একটা চুক্তি আছে।
সেটা ততদিন পূরণ হবে না, যতদিন তোমার ফুপু বেঁচে থাকবে।
ফুপি, আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
হে আল্লাহ, আমার পরিবারকে মাফ করে দিও।
ওদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো।
হেলাকে জান্নাত নসিব করো।
ও যদি কোনো ভুল করে থাকে তার সব গুনাহ মাফ করে দিও।
ওর নিস্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে ওকে মাফ করে দিও।
ফুপি, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।
আমাকে ভুলে যেও না কিন্তু।
627
সেই রাতের পর, হেলা, গুলতেন আর নাজিলিকে ঐ ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
628
জাহিরকেও আর এরপরে কেউ কোথাও দেখে নি।
629
এর ছয় মাস পর, আজরা আর সেলিম বিয়ে হয়। তারা এখন মুলাতে থাকে। তাদের তিন মাস বয়সী একটা মেয়ে আছে, নাম হেলা।
630
Siccin 5 Bangla Subtitle by Maksudur Rahman.
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.