All language subtitles for Majnu (2016) Malayalam bsub

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian Download
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

Name : Majnu Genre : Romantic Year : 2016 Language : Telugu / Malayalam Subtitle : Bangla

স্বাগতম। বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটি দেখার জন্য। ভালো লেগে থাকলে আপনাদের প্রিয়জনদের সাথে ভালো লাগাটি ভাগ করে আমাদের উৎসাহিত করুন।

মুভি ডাউনলোড করার জন্য টরেন্ট লিংক -

ytsmovierockers.blogspot.com

অনুবাদেঃ শুভ রাজ

উপস্থাপনায়ঃ সাব হার্ন্টাস স্কোয়াড

বিশেষ অনুবাদেঃ

মোঃ সৈকত

লোকেশ রেড্ডি

আফসাল রহমান

সানদুল

জিম্মি!

ঘোড়া প্রবেশ।

সৈনিক প্রবেশ।

নায়ক প্রবেশ।

আদিত্য, সংলাপগুলো বলো।

এটা অন্যজনকে দিয়ে করান..

আমিই কেন বলবো...

আমি কিভাবে এতটা বিশেষ হতে পারি?

এই সিনেমার একটি সংলাপ বলো।

যুদ্ধের ময়দানে দর্শকদের অংশগ্রহণ করার কোনো অনুমতি নেই।

যে কিনা এই তলোয়ারটি নিয়েছে....

অনুমতি ছাড়া....অনুমতি....

এখানে সঠিকভাবে বলতে হবে।

আদিত্য, এখানে আসো।

স্যার।

স্যার। -তুমি কি জানো সংলাপ গুলো কেমন ছিল?

ধন্যবাদ স্যার।

আমাদের গ্রামের লোকেরাও একই কথা বলে।

অবশ্য এটার যোগ্যতা আমার রয়েছে।

আমি পরিচালনা করতে পছন্দ করি। দয়া করে জোর করবেন না।

যাও এবং অভিনেতাদের সাথে কথা বলো,প্রভাস কোথায়?

গাড়িতে,স্যার।

তামান্না? - গাড়িতে স্যার।

তামান্নাও গাড়িতে,স্যার।

তোমার এই ফাজলামো আমার সামনে দেখানোর চেষ্টা করো না।

যাও অভিনেতাদের সাথে কথা বলো।

ঘাড় নাড়াতে বলিনি, যাও....

শর্ট প্রস্তুত, হে,শর্ট প্রস্তুত ।

আমি কি এগুলা সরিয়ে ফেলবো, স্যার?

না, ঐটা করা লাগবে না।

আহ! প্রস্তুত হও।

হে! আর কতক্ষণ? শর্ট প্রস্তুত, তাদের জলদি পাঠাও।

হ্যালো! - হে, জলদি আয় আর আমাকে বাঁচা।

তা নাহলে, এই গুন্ডারা আজ আমাকে মেরে ফেলবে।

কোথায় গুন্ডা?

একটি মেয়ের সাথে দেখা করতে না যাচ্ছিলি? কি হয়েছে?

এই বিষয় নিয়ে পরে কথা বলা যাবে।

যদি তুই এখন না আসিছ,তাহলে তোকে আমার দেহকে দাহ করতে আসতে হবে।

এরা সবসময়...

আচ্ছা,তোর লোকেশন ওয়াটসএপে পাঠা। - ঠিকাছে।

আমার গাড়ি কোথায়? - জানি না, ভাই।

গন্তব্যে পৌঁছে গেছি?

হে,ছাড়িস না।

কাট!

এটা যদি 'কাটা' হয়, তবে এটা ছাড়ছে না।

বাহুবলির রথ। - পুরাই জোস,বস।

তাদের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে তারা একটু পাগল ধরনের।

তাহলে বিনা ঘাম ঝরিয়ে কেসটি সামলানো যাক।

শুটিংয়ে সবসময় মারামারি গুরুত্বপূর্ণ নয়।

কে? কোথায় তারা? কোথায়?

শেষ মুহূর্তে আমাদের চারজনের প্রয়োজন ছিল,তাই না! কোথায় তারা?

কোন চারজন?

তোকে তো আমি...

তারা।

শেষ অংশে প্রভাসের সাথে।

তারা কি কাজ করবে?

হুম,তারা যখন আমাকে তাড়া করছিলো,

তারা ভালো চিল্লাচ্ছিল ও ভালো দৌড়াচ্ছিল।

সোনা সুদ, সুদীপ, ওম পুরি এই চরিত্রগুলোকে ডাকছে এবং মাথা ঘামাচ্ছে।

ওম তো মারা গেছে,তাই না?

অহ ঐটা অমরেশ পুরি ছিল?

বস,আপনি কি MGR এর আত্বীয়?

বাহুবলি সিনেমার সহকারী পরিচালক।

রাজমৌলি স্যার কি আমাদের আপন হতে পারে না?

হে!

তোমরা কি জানো, বাহুবলী কার হলুদ ধুতি পরিধান করেছিলেন?

প্রভাস, যখন ফিল্মে থাকে তখন একটা হলুদ ধুতি পরিধান করে।

কেউ কি জানো কাটাপ্পা বাহুবলীকে কেন মেরেছে?

আমি জানি?....তুমি জানো?...তুমি জানো?

সে জানে...'মাক্ষি' মুভির নায়ক কে ছিল?

সে।

অনেক হয়েছে। - না,হয় নি।

বস, আমাদের আমাদের অভিনয় করার একটা সুযোগ দিন।

প্রভাসের মতো চরিত্র দেবার প্রয়োজন নেই, বস।

তোমার চুল গুলো তো সুন্দর, তোমাকে নায়িকায় ভূমিকায় নেয়া যাবে।

বাদ দে,আর বল কে তোকে তাড়া করছিল?

বস,

না তেমন কিছু না, সে তার সীমা লঙ্ঘন করছিল।

- কিসের সীমা? - বাদ দেন, বস।

তাই তো? - হুম,তাই।

ঠিকাছে,আসো।

তোমার কি করতে পারো?

মারামারি, বস।

তোমরা মারামারি করতে পারো? - হুম।

খুব ভালো!

দেখা যাক!

- চল। -পিছে আয়।

ভাই,দুটো দাও।

হে,কি করছো তোমরা?

একদম তুফানের বাতাস ছিল।

বস!

তুফানের মতো ছিল না? - হ্যা,বস।

৯৬° ডিগ্রি এঙ্গেল থেকে ছিল।

৯৬° ডিগ্রি এঙ্গেল থেকে ছিল কি?

সবার দেখি সিনেমার সম্পর্কে ভালো অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কোথায়, সরো?

কি এসব? - মারামারি, বস।

এত বছর ধরে কি এই মারামারি করছিলে!

সবকিছু স্বাভাবিকভাবে দেখতে হবে।

পারবে না? ঠিকাছে।

গাধাদের জন্য এটা একদম উত্তম কাজ।

আরে! সাবধানে।

আরে,আরে,রথ! শিল্পকলা পরিচালক আমায় ছাড়বে না।

হা,মিঃ কিরোয়ানি ছাড়বে না।

আরে সে গানের পরিচালক...গানের পরিচালক, দেখ।

অনেকক্ষন যাবৎ,তারা মার খাচ্ছে এবার থামানো যাক।

আরে,আরে,আরে!

থামো।

খুব ভালো।

যোগাযোগ রেখো।

বস,ফোন নাম্বারটা দিতেন।

প্রয়োজনে আমি যোগাযোগ করবো।

চল।

বিদায়। - নিজের খেয়াল রাখবেন।

অস্থির মারামারি ছিল।

ঠিকাছে, তারপর চল।

তুই চল,আমি ঐ মেয়েটিকে অনুসরণ করছিলাম।

যদি তুই আমার সাথে থাকিস,তাহলে আমার একটু সাহায্য হবে,দয়া করে থাকিস।

একটু হালকা হতে যেতে হবে।

মেয়েটা কোথায়?

দেখ, আসল সিনেমা শুরু হয়ে গেছে।

তুই তার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন?

একটি সময়ের পর মনে হচ্ছে, সুপার হিট সিনেমা দেখলাম।

মানে বলছিস যে,তুইও পছন্দ করিছ?

তুই এর প্রতিটি দৃশ্য দেখতে পারিস,

যা খুবই সুন্দর।

আচ্ছা, এখন কি...

আমি অন্য মেয়েকে খুঁজে নিবো?

তুই তাকে অনুসরণ করতে থাক।

হে!

ধন্যবাদ।

তোর মতো কেউই হতে পারবে না।

কে বলবে যে তোর কাছে এমন বন্ধু রয়েছে?

তোকে এখন একটি ভালো দৃশ্যের গল্প রচনা করতে হবে এই সুন্দর মেয়েটির।

এই মেয়ের সম্পর্কে আমার বিস্তারিত জানতে হবে,তা লিখবি।

এটা তো আমাদের অফিসে চাকরি করে।

খুঁজে বের করবো?

-আমি বলছি,স্যার। - কে তুমি?

আমার নাম রামকুতি।

থাকি কিংকুত্তি।

শিখি একটি, কিন্তু করি আরেকটি।

আমার লক্ষ্য হলো যেভাবেই হোক একজন লাখপতিকে খুঁজে বের করা।

ব্যাপার কি?

স্যার,আমি ঝুমা ম্যাডামের ড্রাইভার।

যদি ম্যাডামের ব্যাপারে গুগোল করেন,

তাহলে আমার থেকে ভাল শুনতে পারবেন না।

দয়া করে বলুন..

৫০০ খুচরা?

খুচরা কিসের? এই নাও ৫০০ নোট।

আসলে,

আমাদের ম্যাডাম প্রেমের গল্প শুনতে পছন্দ করেন।

কিন্তু ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন না,

- বিশ্বাস করে না? - একটুও না।

যখন কেউ ম্যাডামের প্রেমে পড়ে,

ম্যাডাম তার পা দিয়ে তাকে ডিঙিয়ে যান।

কারোর সামনে নত করার সুযোগ দেন না।

এই,

তোমার ম্যাডামের প্রেমিক নেই?

না, নেই।

ঝুমা ম্যাডামের জন্য ভালোবাসা অসম্ভব।

স্যার,আপনার সময় নষ্ট করবেন না।

আমি বিস্তারিত জানতে চেয়েছি, তোমার নির্দেশ শুনতে চাই নি।

এখন আমিই এটা সামলাবো।

যাও।

স্যার, স্যার, বুঝার চেষ্টা করুন।

আরও ১ হাজার দিলে,আমি বিস্তারিত বলবো।

তা নাহলে আপনি আরও অনেক সমস্যায় সম্মুখীন হবেন। - অহ?

তুমি আমদের বাঁচাতে চাচ্ছো?

ইতিমধ্যে, সে তার গল্প রচনা শুরু করে ফেলেছে।

এখন গল্প পরিবর্তন হবে সাথে চরিত্রও।

তিনদিন পর,তোমার ম্যাডাম আসবে এবং আমার বন্ধুকে ভালবাসবে।

অপেক্ষা করো।

ধন্যবাদ।

দুঃখিত।

আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছিলাম, ভেবেছিলাম তুমি আমাকে দেখেছো।

মেয়েটির নাম কি?

-প্রিয়া। -তাহলে আমি সে নই।

বেঁচে গেলাম।

তোমার চোখগুলো খুব সুন্দর।

ভালো চেষ্টা ছিল,

কিন্তু এসবে আমার আগ্রহী নেই।

দুঃখিত।

তোমার কন্ঠও সুন্দর।

এই যে!

বললাম না! আমার কোনো আগ্রহী নেই।

পছন্দ হয় নি?

আমার মধ্যে প্রভাস,মহেশ সব রয়েছে,

তবুও আমাকে তোমার পছন্দ হয় না?

কি নেই আমার মাঝে?

মাথার ভিতর মগজ নেই।

তাছাড়া আর কি হারাবে?

রাস্তা জ্যাম, আর তুমি এখানে...

খাবার অর্ডার করেছো?

অহ, তার সাথে কোনো কাজ আছে?

হাই, ভাই।

ভাই।

ভাই

ভাই তো রাগ করেছে।

আপনি কি এখন আমার থেকে ধন্যবাদ চাচ্ছেন?

তাহলে এখানে কেন বসেছেন?

আমি যদি চলে যাই তুমি তো একা হয়ে যাবে।

কিন্তু ভাই তোমাকে একা ছাড়বে না।

আচ্ছা,এরপর আপনার পরবর্তী পরিকল্পনা কি?

আমি তোমার সাথে বন্ধু হয়ে থাকতে চাই যদি পছন্দ করো,

ঠিকাছে।

আমার নাম আদিত্য এবং আমি একজন সিনেমার সহকারী পরিচালক।

এখন কি আমার নাম বলতে হবে?

দরকার নেই।

- কথা বললেই হবে। - আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

তোমার নাম?

এইমাত্র তো বললে যে আমার নাম জানার দরকার নেই।

তোমাকে সত্য বলার কোনো দরকার নেই,তুমি মিথ্যা বলতে পারো।

মিথ্যা বলবো?

এটা কি আমি তোমার বান্ধবী থেকে জেনে নিবো।

আমার নাম কারিনা কাপুর।

আমার বন্ধুরা আমায় সাইফ বলে ডাকে।

শখ?

দিনের বেলায় রাস্তায় ঘুরাঘুরি করা,

আর তোমার মতো মানুষের সাথে কথা বলা..

আরও অনেক কিছু।

তোমার হাসিটা খুব সুন্দর।

এটাকে সত্য ভেবো না।

- তোমার বান্ধবী আসছে। -হা।

তোমার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগলো,ধন্যবাদ।

তোমাকে সত্য বলতে হবে।

কি সত্য?

তোমার নাম ঝুমা।

তোমার ফোন নাম্বার হলো 9885027683।

তোমার শখ হচ্ছে সিনেমা দেখা আর গান শোনা।

তুমি এসব কিভাবে জানো?

আমি আরও অনেক কিছু জানি তোমার ব্যাপারে।

আগামীকাল সন্ধ্যায় তোমার বান্ধবী নিশার জন্মদিনের উৎসব রয়েছে।

তুমি সেখানে যাবে, আর এটা শেষ হবে ৯:৩০ সময়ে।

এরপর আমরা দেখা করবো একই হোটেলে।

এরপর আমি তোমাকে সব বলবো।

হাই,কীর্থি! ভালো লাগলো তোমার দেখা হয়ে

এই, সত্যি তোমার হাসিটা খুব সুন্দর।

বিদায় ঝুমা।

বিদায় কীর্থি।

কে সে?

তুমি কিভাবে আমাকে জানো?

তুমি কি সেটা জানতে এখানে এসেছো?

নিজেকে এতটা চালাক ভেবো না,ঠিকাছে?

আর বলেছিলে ৯:৩০ টায় আসবে, এখন কয়টা বাজে?

তোমাকে বিস্মিত করবার জন্য, নিজেকে একটু প্রস্তুত করছিলাম...

এই অল্পসময়ে...।

আমি কি তোমার সম্পর্কে জানতে পারি?

এইজন্যই আজ তোমাকে এখানে আসতে বলেছি,

আমার সম্পর্কে বিস্তারিত সব বলবো।

তোমার কি প্রেমিকা আছে?

ছিল...

এখন নেই?

আচ্ছা।

তোমার প্রেমের গল্প বলো।

তুমি যদি একবার কারোর নাম জানো, এরপর সে কি করে,কোথায় থাকে? এসব প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবে।

এমনিতে এসব শুনতে চাচ্ছি না,

যদি আমি তোমার চরিত্রের উপর ফিদা হয়ে যাই,

তাই আমি তোমার প্রেমের গল্প জানতে চাচ্ছি।

তুমি এটা ছাড়া অন্যকিছু জিজ্ঞেস করো, আমি বলবো।

বেশি কথা না বলে যেটা বলতে বলছি বলো।

আচ্ছা,সমস্যা কি?

একটা ছোট্ট বাজি ধরবে?

বাজি?

এটাতে আমরা একটি গেম খেলবো মানে সাতটি প্রশ্ন করবো...

সঠিক উত্তর দেয়া যাবে না, সব ভুল উত্তর দিতে হবে।

যদি জিতো,

আমি আমার প্রেমের কাহিনী বলবো।

আচ্ছা, শোনাও।

হেরে গেলে?

হেরে গেলে?

আমি যা বলবো তা করতে হবে।

ঠিকাছে।

প্রথম প্রশ্ন...

তোমার কয়টা চোখ রয়েছে?

চারটি।

পা কয়টা?

চারটি।

তুমি কি মানুষ?

না,এলিয়েন।

ভালো,কি খাচ্ছো?

- মানুষ খাচ্ছি। - কয়টা প্রশ্ন করলাম?

এটা নিয়ে চারটি প্রশ্ন।

নিশ্চিত?

হ্যাঁ।

- চারটি। - পাক্কা, নিশ্চিত?

অহ, সঠিক উত্তর।

টেকিলা পান করো।

পারবো না।

তুমি হেরে গেছো, পান করো।

- এখন খুশি? - আসো।

- জলদি আসো। - কোথায় যাচ্ছো?

এখানে।

কি এসব?

এখনি শুরু হবে,

হ্যালো!

কোথায় তারা?

তোমার নাচ দেখে,সবাই পালিয়েছে।

- সত্যি বলেছি আর তুমি মারছো কেন? - যাও তো।

শোনো।

এই, এই ঝুমাকে বলিছ না যে আমি তোর বন্ধু।

যখন সে আমাকে এখানে দেখবে, সে আমাকে মেরে ফেলবে।

হ্যালো!

- ভাই, আমি ভাইয়া, - কোন ভাই?

গণেশ ভাই।

হে,আমি এমন কোনো গণেশকে চিনি না, তার ভাইকে চিনবো কিভাবে?

ভাই,আমি...

ভাই,আপনি বলেছিলেন আমাদের অভিনয় করার একটা সুযোগ দিবেন, কখন দিবেন?

আমার নাম্বারটি কে দিয়েছে?

আমরা অফিসে এসেছি।

কাজে চলে গিয়েছো,

অনেক আগেই এসেছি।

আজ থেকে সবাই আসবে, শুরু হবে...

শুটিং 'শুটিং'...

ঠিক মতো সংলাপ বলতে পারবে?

সংলাপ বলুন, আমরা বলতে পারবো।

গুরু...

কি বললেন? কি বললেন?

একটি নিম্ন জাতি কি একটি উচ্চ বর্ণ সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে?

মন্দ ধারণা?

এটি বীরত্বের মূল্যায়ন, কোনো সামাজিক অবস্থা নয়।

নাকি এটা বর্ণের মূল্যায়ন?

তোমার বাবার বরদ্বজের কখন জন্মগ্রহণ করেছিলেন,

এই পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া আরও বেশি অন্যায়,

তুমি জন্মগ্রহণ করেছো এবং বড় হয়েছো, তোমার জাতটি কী?

আমাদের মহান পূর্বপুরুষ শান্তনামুদু,

সে কি গঙ্গার ছেলে ছিলো না?

তার জাত কি ছিলো?

তোমাদের এটা বলতে হবে।

গুরুজী, কি বললেন? কি বললেন?

একটি নিম্ন জাতি কি একটি উচ্চ বর্ণ সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে?

কি মন্দ ধারণা?

কি যেন বলেছিল সে?

এটি বীরত্বের মূল্যায়ন, কোনো সামাজিক অবস্থা নয়।

নাকি এটা বর্ণের মূল্যায়ন?

তোমার বাবার বরদ্বজের কখন জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

ভাইয়া, এই সংলাপটি একটু কষ্টকর।

একটু সহজ করে দাও।

হবে না।

পুরো সংলাপটি বলবে, এরপর ভাববো।

বিদায়।

এরা তো আমাকে খেয়েই ফেলবে।

এই! দাশু!

তোর গলা বসে গেল নাকি?

হাই!

তুমি এখানে কি করছো?

দাশু আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু,তাই একটু দেখা করতে এসেছি।

হাই! -তুমি!

তার মানে আমার সম্পর্কে তুমিই....

সে সব করেছে।

না, আমি নই।

ঝুমা, ঝুমা, ঝুমা।

চলো আগামীকাল একসাথে দুপুরের খাবার খাই।

আগামীকাল বাড়িতে এসো সকালে,

এরপর সকালের নাস্তা,দুপুরের ভোজন, রাত্রে খাবার ও সাথে এক বোতল পান করে যেয়ো।

আচ্ছা,ঠিকাছে তাই হবে।

- রাগ হচ্ছে। - তোমার রাগ হয়নি?

না, না এইবার কোনো বাহানা ছাড়াই আমি আমার সম্পূর্ণ প্রেমের কাহিনী তোমায় বলবো।

তুমি যা বলছো তা কি নিশ্চিত? আমাকে প্রমাণ দেয়া লাগবে।

প্রমাণ?

ঠিকাছে প্রমাণ দিবো।

কোথায় দেখা করবে?

আগামীকাল লাউঞ্জে,

আগামীকাল পারবো না,অফিসে যেতে হবে।

বাবা,দাশু।

তোমার জন্য এটা।

সুন্দর।

তুমি প্রমাণ আনতে বলেছিলে এনেছি।

খুব ভালো।

এখন তুমি তোমার প্রেমের কাহিনী বলো।

অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছি,

বলো!

কোথা থেকে শুরু করবো...

যেকোনো জায়গা থেকে শুরু করো।

চার বছর আগে...

ভিমাবরম। (শহরের নাম)

বন্ধুরা একটি পার্টি দিল।

আমি ইনফোসিসে চাকরি পেলাম যখন আমার ইঞ্জিনিয়ারের পড়ালেখা শেষ করলাম।

পরিবার খুব খুশি।

তুমি তো দাশুকে জানো? আমার বন্ধু।

সে ছোট বেলা থেকেই আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।

এমনকি ভবিষ্যৎ এর জন্যও।

ভাবছি ব্যাঙ্গলোরে যাবো এবং অনেক আনন্দ করবো।

এরপর সব ঠিক ছিল, যা চাচ্ছিলাম তাই ঘটছে।

কিন্তু ঐ দিন,

আমার জানা ছিল না, আমার জীবন একটা নতুন মোড় নিতে চলেছে।

Is this true ...!

... এই! চাপুন।

চাপুন...

সরে যান...সরে যান।

হে, আদি!

উঠা।

এ...রক্ত! - দয়া করে, দুঃখিত।

- ঠিক আছিস? - এ আঙ্কেল, দুঃখিত দুঃখিত।

সে প্রথমবারের মতো বাইক চালানো শিখছিল।

কি আঙ্কেল?

তোমরা কি এই সময় পেয়েছিলে বাইক চালানোর জন্য?

দেখো, কতটা আঘাত পেয়েছে।

তোমাদের জন্য কি গিয়ার ছিল না?

আয়, হাসপাতালে যাবো চল।

...হে!

এই মেয়েকেও যেতে বল।

তুমি গাড়ির ভেতরে গিয়ে বসো, এত সহজে ছাড়বো না।

এই, তুই গাড়িতে চল।

ডাক্তার...ডাক্তার...

এই কম্পাউন্ডার, ডাক্তারকে ডাকো।

এখানে আমিই ডাক্তার।

দুঃখিত স্যার।

দুভার্গ্যবশতঃ আপনার চেহারা দেখে আপনাকে কম্পাউন্ডার ভেবেছিলাম।

কি? মারামারি করেছে?

না, এক দুর্ঘটনায় আঘাত পেয়েছে।

বাবা, তুমি বললে সে আঘাত পেয়েছে।

যখন সে আঘাতই পেয়েছে তো সে হাসছে কেন?

পাগল?

তোর মাথায় কোথাও কি আঘাত লেগেছে?

দেখ,সে কিভাবে আমাকে দেখে যাচ্ছে।

তুই তার হাতে আঘাত দিয়েছিস। তো যেতে দে।

রোগীকে প্রথমে ভর্তি করাতে হবে,

আপনাদের ১২০০০ রুপি কাউন্টারে জমা করতে হবে।

হাতে আছে ৫০০০ আর বিল হচ্ছে ১২০০০ রুপি?

তোমাদের সব পরিশোধ করতে হবে।

দুঃখিত , আমাদের কাছে সত্যিই টাকা নেই।

যদি জানতাম যে আহত হবে, তাহলে বাইক বাসায় রেখে আসতাম।

অহ, তা নাহলে কি তোমরা এভাবে রাস্তা মানুষ মেরে যেতে।

অনেক হয়েছে আঙ্কেল, আমি একজন যুবক।

আচ্ছা,তার খেয়াল রাখিস।

টাকা আনতে গেলাম।

নিজের খেয়াল রাখিস।

আমি তোমাকে ভালবাসি।

কিছু হয়নি, একটা ইঞ্জেকশন দিবো ক্লান্ত লাগবে এরপর ঠিক হয়ে যাবে।

এখন ঠিক আছিস?

ঐ মেয়েটা কোথায়?

কোন মেয়ে?

যে মেয়ে আমাকে ধাক্কা মেরেছিল।

অহ, ঐ মেয়েটা। সে তো চলে গেছে।

তার নাম্বার নিয়েছিলি?

তার নাম জানিস?

কেন?

প্রেমে পড়েছিস?

যদি তুই এটা আগে বলতিস, তাহলে আমি তার সম্পূর্ণ তথ্য নিয়ে রাখতাম।

মেয়েটি রৌদ্রোর মাঝে হারিয়ে গিয়ে, আমাকে অন্ধকারে ফেলে ফেল।

তার জন্য ব্যাঙ্গলোর, ইনফোসিস ছেড়ে দিয়ে তাকে খুঁজতে লাগলাম।

আমার মা, যে কিনা কখনো আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেন নি, সে আজ ঠাট্টা করে।

বাবা, যেকিনা আমার উপর সবসময় চিৎকার করে কথা বলে সে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে।

যাই হোক, আমি মদ্যপান করা বন্ধ করে মেয়েটিকে খুঁজা করলাম।

মেয়েটির জন্য পুরো শহর ঘুরতে লাগলাম,

আর বুঝতে পারলাম শহরটি কত বড়!

কিন্তু মেয়েটিকে খুঁজে পেলাম না।

শুভ সকাল, স্যার।

শুভ সকাল।

বসো...! বসো...! বসো...!

পাঠ্যবই দাও।

নতুন শিক্ষক কন্ঠটা সুন্দর, তাই না?

যদি এরকম কেউ পাঠ্যদান করে, তাহলে বেশিক্ষণ ক্লাস করা যাবে না।

আচ্ছা, ঠিকাছে। সি প্রোগাম থেকে শুরু করা যাক।

আমরা সবাই ইতিমধ্যে জানি,

একটি কম্পিউটারের কাজ শুধু বাইনারী কোড দ্বারা সম্পন্ন করা যেতে পারে।

সে তাই করবে, আমরা যা বলবো।

এটা বোঝানোর জন্য তাদের ভাষা ব্যবহার করতে হবে।

স্পষ্টভাবে সি সনাক্ত করতে,

নাম্বার এক।

দেখুন স্যার।

আদিত্য কি হচ্ছে?

আপনাকে খুব মনে পড়ছিল,স্যার।

যদি তুমি তাকে মনে করো তাহলে শিক্ষদের কক্ষে যেয়ে দেখা করো।

এরজন্য কি শ্রেণীকক্ষে গিয়ে পাঠ্যদান করাতে হবে?

শ্রেণীকক্ষে কেউ ছিল না,স্যার...

তাই বলে, তুমি এভাবে খালি হাতে পাঠ্যদান করাবে?

এখন প্রধান শিক্ষকের চেয়ার খালি আছে, তুমি কি বসে যাবে?

স্যার, স্যার, স্যার আপনি আপনার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছেন।

আদিত্য, কলেজে যখন এসেছো, তো নিয়ম-কানুন রয়েছে।

যাইহোক, তোমার শিক্ষাদানের দক্ষতা খুবই ভালো।

ধন্যবাদ,স্যার।

এটা কি স্যার?

আপনি তাকে উদ্দেশ্য করে শিক্ষাদানের জন্য অবস্থান করে দিচ্ছেন?

এমন কিছুই নয়, স্যার।

সে একজন অপেশাদার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ হতে পারবে, যদি সে চায়।

যাইহোক,আপনি সারাদিনই অভিযোগ করেন।

আমি যখন বললাম বেশি হয়ে যাচ্ছে, আপনি হয়ত বেতন বৃদ্ধি করবেন এবং উৎসাহিত করবেন।

আমি চিন্তাও করতে পারি নি, যে আপনি আমার চাকরিটা এভাবে ধ্বংস করবেন।

চিন্তা করবেন না, স্যার। আপনার তো অন্যান্য টিউশনিও রয়েছে।

আদিত্য জলদি আসো, আর এসে আমাদের সাথে যোগ দাও।

স্যার, আপনি ভাবতেও পারবেন না, আপনি কত বড় উপকার করেছেন আমায়।

তোমার সাথে আমার সবসময় সমর্থন রয়েছে।

ধন্যবাদ স্যার।

তোমার স্যালারি হলো ১০০০০₹।

১০০০০₹, ধন্যবাদ স্যার।

শুভকামনা।

অবশেষে এই কলেজের অধ্যক্ষা তোকে অনুমতি দিয়ে দিয়েছে।

১০০০০₹ স্যালারিতে।

- সুপ্রভাত, স্যার। - সুপ্রভাত।

পরিচয় কি?

সুপ্রভাত, তোমরা যাও।

অহ, তুই তো এখন শিক্ষক,তাই না?

হ্যা,এখন আমার ক্লাসের সময়, তুই আসতে পারিস।

আমার এই হৃদয়ে করেছো প্রবেশ তুমি,

তবে কেন চলে যাও যখনি তাকাই আমি

রাত-ভর হেঁটে তুমি, আমায় মিষ্টি গল্প শুনিয়েছো..!

তবে কেন যাচ্ছো চলে, যখন আমি আসি সকালে !

আকর্ষণ করো না।

আকর্ষণ করো না!

আমাকে করো না হত্যা, তোমার ওই সুন্দর চেহারায়,

উপহাস করো না!

উপহাস করো না!

আমাকে প্রতারিত করো না তোমার ওই সুন্দর হাসি দিয়ে, প্রিয়তমা!

আমার এই হৃদয়ে করেছো প্রবেশ তুমি,

তবে কেন চলে যাও যখনি তাকাই আমি,

তোমরা কি জানো না আমাদের খেলোয়াড়দের কিভাবে উৎসাহিত করতে হয়?

হাত তালি দাও।

তোমার মিথ্যে চাহুনি আমাকে তুলে ভাবিয়ে

তাকাবে না আমার দিকে, যখন থাকবো তোমার সামনে...!

ফিরে আসি যখন আমি, তাকাও তুমিও আবার ফিরে,

হাজারো প্রেমের বার্তা আমার এই হৃদয়ে!

একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকো তোমার ও দু'টো চোখ দিয়ে, তখনই তুমি যাবে সব বুঝে!

আমার এই হৃদয়ে করেছো প্রবেশ তুমি,

তবে কেন চলে যাও যখনি তাকাই আমি!!!

কেন আমরা একসাথে বসতে পারি না?

- আপনার গোঁফে ময়লা, - অহ,বাদ দাও তো।

ফাংশনের সংজ্ঞা,

কে বলবে?

- স্যার! - তোমার হাত নিচে রাখো।

কে বলবে, তুমি বলবে?

স্যার, আপনি সবসময় মেয়েদেরকে কেন জিজ্ঞেস করেন?

আমরা কি বলতে পারি না?

একটি মানুষের দুটি মগজ থাকে।

বাম দিক, ডান দিক।

ডান মগজ হলো সৃজনশীলতার জন্য ও বাম দিক হলো যুক্তিতর্কের জন্য।

সৃজনশীলতা যৌক্তিকতা বাড়ায়।

আর যৌক্তিকতার অভাব সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে।

এখন তুমি কিসের অভাব বোধ করছো?

যৌক্তিকতার।

- আমি কি পেলাম? - সৃজনশীলতা।

বুঝেছো? এবার চুপ করো এবং বসো। আর কারোর কোনো প্রশ্ন আছে?

- না, স্যার। - ঠিকাছে?

কার নাম লিখছো এই বইয়ের পাতায়!

উড়ন্ত পাতারা বলো আমায়!

তোমার ওই উজ্জ্বল ঠোঁটও বলে বেড়ায়।

কখনো যাবে না ছেড়ে আমায়, তো এত তারাতাড়ি কিসের?

আমার উপর তোমার ছায়া, রাখো যে তুমি...

এই রুপ আরো বাড়িয়ে তুলে, তোমার এই লাজুকতা

আহা কি লজ্জা, তোমার ওই মুখেতে।

যতই তুমি লুকাও ওটা, আমি ঠিকই নিব খুঁজে!

আমার সাথে না বললে কথা, আমি আরো জানব বেশি তোমার সম্পর্কে!

বুঝে গেছি রে!

বুঝে গেছি রে!

তোমার এই নিষ্প্রাণ চোখের অর্থ বুঝে গেছি রে!

খুঁজে পেয়েছি রে!

খুঁজে পেয়েছি রে!

তোমার এই হাসির রহস্য খুজে পেয়েছি রে

মেয়েদের পেছনে লাইন মারা হচ্ছে?

শ্রেণীকক্ষে যাও।

শুভ সকাল, স্যার।

শুভ সকাল...বসো! বসো!

আজ কিসের যেন অভাব লাগছে?

পাত্রপক্ষ আসছে, স্যার।

পাত্র?

কি বললে?

আপনি যা ভাবছেন...

পড়ালেখায় আগ্রহী নেই, কিন্তু এসবে আগ্রহী...

ভারালাক্সমি নামে এক মেয়ে আমাদের পাশের বাড়িতে থাকতো, যেকিনা তোমার মত চঞ্চল ছিল।

সাত বছর লাগবে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করতে।

এই থামো, একদম চুপ, বসো।

আজ কলেজে আসো নি?

এইটা কে?

মা, ইনি আমাদের কলেজের শিক্ষক।

- আমি কি এক গ্লাস পানি পেতে পারি, মাসিমা? - হা,দিচ্ছি।

পাত্র এসে গেছে?

স্যার, এসব সে বলতে বলেছিল।

তার মানে, তুমি জানো আমি কিসের জন্য কলেজে আসি?

- তুমিই জানো। - তুমি কি জানো?

সি ল্যাংগুয়েজ জানি।

বুঝেছি।

আমি বুঝেছি, তুমি বুঝেছো।

তো, কেউ নেই, তাই না?

- কেউ নেই, স্যার। - ঐখানে কে?

এটা মা, আর কেউ নেই।

বুঝে গেছি।

এটাও বুঝে গেছি।

মাসিমা, পানিটা সুস্বাদু ছিল।

আচ্ছা, ঠিকাছে।

তোমার গাড়িটা কি ঐখানে পার্কিং কর‍তে পারবে?

আগামীকাল সকাল, ঠিক ঐখানে।

তার থেকে দূরে থাকো।

তোকে ঠিক সময়ে যেতে কেন বললো?

আগামীকাল সকালে কলেজে আসিছ।

- কি হয়েছে? - স্কুটার খারাপ হয়ে গেছে।

আসো।

না, আমি হেঁটে যাবো।

ঠিকাছে, তাহলে আমিও হেঁটে যাবো।

আমার পিছনে আসছো কেন?

আমার সন্দেহ হচ্ছে, তুমি ইচ্ছে করে বলছো তোমার স্কুটার খারাপ।

কি সুন্দর লজ্জা, বিশেষভাবে সেজেছো আজ।

এমন কিছুই নয়।

চলুন।

চলুন।

তুমি ঠিকই বলেছো।

যে পায়ে হেঁটে যাওয়াই ভালো।

আমার কাছে খুচরা নেই, তুমি দিয়ে দাও।

দুজনের ভাড়া রাখুন।

সব বড়রা তাকে অনুসরণ করে,

আজ অটোতে কেন?

স্কুটার খারাপ হয়ে গেছে।

স্যার, অটোতে কেন?

গাড়ি খারাপ হয়ে গেছে।

বুঝো নাই?

সাত বছর অপেক্ষা করো।

আজ দিনটি রোমান্টিক।

আমাকে আজ কথা বলতেই হবে।

এই রেভাথী, রবি আর হলুদ জামা পড়া মেয়েটি..

তোমরা ভেতরে গিয়ে বসো আমি কথা বলো।

এখান থেকে যাও।

রেভাথী।

স্যার!

তুমি কি ভেবেছিলে আমি জানতে পারবো না?

সব জানি।

স্যার,স্যার আমার বাবাকে ডাকবেন না।

তার মানে কিছু হয়েছে।

ঠিকাছে, ঠিকাছে আর করবে না।

যাও।

এ শয়তানটা এখনো আছে।

রবি।

আমি তোমার সাথে পরে কথা বলবো।

রেভাথী খুব দুঃখী, তো যাও এবং দেখো।

যাও এবং দেখো।

আমি শুরু করতে পারি?

কি হয়েছে?

যখন থেকে কলেজে এসেছি কেউ চেহারা দেখার সুযোগই দিচ্ছে না।

এখানে চারদিকে মানুষ।

এরজন্য আমাকে এমনটা করতে হয়েছে।

আমি যাচ্ছি।

বুঝতে পেরেছো?

মি. জনার্ধন রাও,

এখন তো আপনার টিউশনির সময়,

তো, এখানে কি করছেন? যান ছাত্রীর কিছু সমস্যা রয়েছে তা বুঝিয়ে দিচ্ছি।

সেটা তো দেখছিই।

যখন আমরা টিউশনের কথা বলি, তখন কোনো গুরুত্ব থাকে না।

যখন তোমার সমস্যা থাকে, তখন তুমি ছাত্রীকে বুঝাও।

আমি এমন জিনিষ আমার জীবনেও দেখি নি।

গতকালকে তুমি যখন বাড়িতে এসেছিলে,

মা জিজ্ঞেস করেছিল যে, "সে এত কম বয়সে কিভাবে শিক্ষক হয়?"

"সে সত্যিই শিক্ষক?"

মাসিমার বুদ্ধি আছে।

তাহলে..

সঠিকভাবে সত্যিটা বলে দিতে।

কেন নয়?

আমি জানি...

তোমার বাড়িতে...

কলেজে আমরা স্বাধীন নই,

তাই আমরা আগামীকাল ১০:৩০ এ আইসক্রিম দোকানে দেখা করবো।

গীতা শপিং মার্কেটে আইসক্রিম দোকানে ১০:৩০ এ দেখা হবে।

- আমি আসছি না। - ধন্যবাদ।

- আমি আসছি না। - আগামীকাল সকালে।

- আমি আসছি না। - সকাল ১০:৩০টায়।

আমি আসছি না।

- বিদায়। - আমি আসছি না।

জলদি এসে পড়েছে?

তোমরা দুজন কথা বলতে থাকো, আমরা দেখা করে আসি।

হাই!

আমি কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করবো?

দুঃখিত, দেরী হয়েছে...

জানো, তুমি যখন বললে "আমি তোমার জন্য অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি " শুনতে ভালো লাগছে।

আর একটু অপেক্ষা করতে পারবে না?

ভাল, আনারস আমার প্রিয়।

কি হয়েছে,কে?

পিছে ঘুরো না, সে আমার ভাই।

ভাই, মানে সমুন্দি...

সমুন্দি... - ইসস!

আমার স্কুটার তো বাইরে।

চলে গেছে।

ধুর ছাই!

গ্রাম থেকে গ্রাম ঘুরে বেড়াবে মধ্যরাত পর্যন্ত এবং এরপর তার দেখা নেই।

আমার এই জীবনে অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

আসলে, আমি কেন একজন ছেলে হয়ে জন্মালাম না?

কারণ আমি মেয়ে হয়ে জন্মায় নি তাই,

তুমি যদি ছেলে হয়ে জন্মগ্রহণ করতে তাহলে আমি কি করতাম?

মজা করো না।

কি হয়েছে?

চলে যাও।

প্রত্যক আধা-ঘন্টার পর পর ফোন দিবে আর জিজ্ঞেস করবে কোথায়?

এক ঘন্টা হলে মনে করিয়ে দিয়ে বলবে " সাবধানে"।

৫ মিনিটের মধ্যে যদি বাড়িতে না যাই, তাহলে বাবা-মা ধর্মপ্রচার শুরু করে দিবে।

এক ঘন্টা।

১৫ মিনিট আছে...

এখনো অনেক সময় আছে, কিছু হবে না।

এসব ছেড়ে...

পাখির মতো উড়ে কোথাও চলে যেতে যাই।

আমাকে যেতে হবে।

আমি দিয়ে আসবো? দ্রতু করে আমার গাড়িতে...

তোমার বাইকের উপর? আমি আসছি না...

যদি বাড়ির কেউ দেখে ফেলে, আমার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষ,বিদায়।

তা নয়,

হ্যালো! কি হয়েছে আবার?

এমনি,

বাড়িতে কি হচ্ছে তা জানার জন্য।

কি হবে? এক ঘন্টা দেরী হয়ে গেছে, এখন আধা ঘন্টার জন্য ফেরত আসবো।

অহহ!

আচ্ছা, আগামীকাল হবে না।

আগামীকাল? আবার আগামীকাল কি?

আগামীকাল রামবাবুর ছেলের জন্মদিন।

কে সে?

একজন শিক্ষক বলছিল, আমি।

আমাকে মিথ্যা বলতে হবে না।

এই, সত্যি আগামীকাল আমার জন্মদিন।

আগামীকাল কলেজে জলদি এসো।

ঠিকাছে? বিদায়।

বিদায়!

বিদায়, কি এত ভাবছো?

টা টা!

মা!

শুভ জন্মদিন।

ধন্যবাদ, আমার উপহার কোথায়?

আমি যে এখানে এসেছি সেটা অনেক বড় কিছু।

আসো,আমি তোমাকে চমকিয়ে দিবো।

কি?

তেমন আশ্চর্যজনক কিছু না।

বাইকে উঠো।

আর কলেজ? - বাদ দিয়ে দাও।

যদি মা খুঁজতে আসে বাড়ি থেকে?

কিভাবে জানবে?

তুমি এখন কলেজে আছো,আর কলেজ শেষ হওয়া অব্দি কলেজে থাকবে, আমি সামলে নিবো।

কিভাবে জানবে যে তুমি এই সময়ে কি করেছো?

- কেউ জানবে না? - অবশ্যই না।

ভয়টা তোমার ব্যাগে রাখো,

আর ব্যাগটা এটার ভেতরে।

কি হলো?

ধন্যবাদ আদি,এই দিনটি আমার জীবনের সব থেকে ভালো ছিল।

পাখি হয়ে কোথাও উড়ে যাওয়ার স্বপ্ন থেকে বেশি কিছু ছিল।

তুমি এত সুন্দর ভুবনটি আমাকে দেখালে।

আমি কখনো এই দিনটিকে ভুলবো না।

বিদায়!

হ্যালো!

আদিত্য!

আমাদের মাঝে কি চলছে?

তুমি জানো না?

আমি বুঝেছি আদিত্য, যার জন্য আমার ভয় লাগছে।

আমি বুঝতে পারছি না যে কোনটা ভুল কোনটা নির্ভুল।

আমি এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছি না...

এই পত্রটি তাকে দিবো।

এই বইটির ভেতরে কিছু রয়েছে।

ঐটা পড়ো।

দুঃখিত আদিত্য।

আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই।

চাপ্টার ২৪ পড়ো, আসছি।

ঠিকাছে।

কি হয়েছে আজ?

যেকিনা সবসময় কথা বলতে ভয় পেত...

আজ সে সোজা শিক্ষকদের কক্ষে চলে আসলো।

আমি তোমাকে ভালোবাসি, আদিত্য।

পত্রটি দেয়ার আগে থেকেই আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।

কিন্তু এটা পড়ার পর,

আমি বুঝতে পেরেছি তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো

আমি কখনো ভাবিনি যে আমি কাউকে ভালবাসবো।

আমি এইও ভাবিনি যে কেউ আমাকে আমার থেকে বেশি ভালবাসবে।

এই মূহুর্ত থেকে আমি এই পৃথিবীর কিছুই চাই না।

এতে আমার পরিবার জেনে গেলেও কিছু যায় আসে না।

যার যা ইচ্ছে বলুক।

যদি তুমি থাকো, তাতেই হবে আদিত্য।

আমি তোমাকে ভালোবাসি ।

যদি তুমি থাকো, তাতেই হবে আদিত্য।

আমি তোমাকে ভালোবাসি।

শুধু তুমিই থাকলে হবে আদিত্য, ভালোবাসি তোমাকে।

শুধু তুমিই থাকলে হবে আদিত্য, ভালোবাসি তোমাকে।

খুব সুন্দর।

কিন্তু,

পত্রে কি লিখা ছিল?

আদিত্য!

তুমি ঠিক আছো?

আদিত্য!

আদিত্য!

যেদিন আমি তোমাকে দেখেছি,

যেদিন আমি পুনঃরায় জন্মগ্রহণ করেছি।

কারণ তখন থেকে, আমার মনে হতে লাগলো,

তুমি আসার আগে একটি জীবন,

আসার পর অন্য একটি জীবন।

তুমি আসার আগে আমার জীবনে বিশেষ কিছু ছিল না।

তুমি আসার পর থেকে, আমার প্রতিদিন প্রতি মূহুর্ত মুগ্ধকর মনে হতে লাগলো।

এখন অব্দি, আমার জীবনে এক বড় কিছু হওয়ার আশা ছিল।

কিন্তু এখন আমি হাঁটতে চাই তোমার হাত ধরে।

যখন তুমি হেসে বলবে আর যুদ্ধও থেমে যাবে ভালোবাসার জন্য,

আমি তখন যেকোনো যুদ্ধের মোকাবিলা করতে পারবো সে হাসির জন্য।

এটা বলা অসম্ভব যে, আমি ভবিষ্যতে কত আয় করবো?

কিন্তু প্রতিদিন প্রতি মূহুর্ত থেকে শেষ অব্দি খুশি রাখার চেষ্টা করবো।

তোমার পেছনে থেকে আমি শক্তির জোগান দিবো,

সামনে থেকে তোমাকে বহন করে সমস্যা থেকে পার করে নিয়ে যাবো।

তুমি আমার মায়ের দেখাশুনা করবে।

জানি না জীবনে কতটুকু জিততে হবে,

কিন্তু তোমার জন্য যেকোনো দূরত্বে যেতে পারবো।

যেকোনো সমুদ্র পাড়ি দিয়ে দিবো,

যেকোনো আকাশে চড়ে যাবো,

কারণ,তুমিই আমার জীবন।

তোমাকে ছাড়া আমি এক মূহুর্ত কল্পনা করতে পারি না।

তুমি হলে আমার জীবন, আর এই জীবন এখন আমার হাতে।

তোমার বড়রা যা ভাল মনে করে, তাই করো।

আমাকে কেন ডেকেছো, ঝুমা?

আদিত্য এত ভালবাসতো,

তাদের মাঝে কি এমন হয়েছে?

এই....

তারা কেন আলাদা হয়ে যায়?

তাদের আলাদা হয়ে যাওয়ার কারণ আমিই ছিলাম।

তুমি ছিলে?

আর তাদের ভালবাসার সময় এক বছর পার করে ফেলে,

এত দেরী কেন?

আরে...

দেখো, দাশু

কত সময় ধরে আমি অপেক্ষা করছি?

এক মিনিট,

এই দাশু,

এই, চল মুভি দেখবো।

আমিও দেখবো।

সে আদিত্যকে খুব ভালবাসতো।

সে আমার সাথে আদিত্যকে থাকতে দিতে চাইতো নি।

আমার কাছে ব্যাঙ্গলোরে একটি চাকরি আছে।

আমার কথা শুন, হাত ছাড়া করিস না এই চাকরিটি, একটি প্যাকেজ ১০ লাখ করে।

এই ভালবাসা নিয়ে নিজের জীবনটা নষ্ট করিস না।

ইতিমধ্যে তুই ১ বছর নষ্ট করে ফেলেছিস।

হাই! কেমন আছো?

আমি আদিত্যের সাথে কথা বলতে চাই।

তুমি একটু...

বিদায়, সন্ধ্যায় দেখা হবে।

তুমি আমাকে বলোনি কেন?

কাজের প্রতি আমার কোনো মনোযোগ নেই।

তুমি কি বলতে চাচ্ছো?

আমি কিছুই বলি নি তোমার বন্ধু বলেছে।

সে বলছে যে তোমার জীবন নষ্ট হচ্ছে আমার কারণে।

সে ঐটা বুঝাতে চায় নি।

আমি জানি সে কি বুঝাতে চেয়েছে।

তোমার এই চাকরিটা হাত ছাড়া করা ঠিক হবে না।

হায়দ্রাবাদ চলে যাও।

আমি পছন্দ করি না,

আমি এখানে থাকতে চাই।

কারণ তুমি আমার সাথে থাকতে চাও? আর তার সাথে রোজ বসে মদ পান করতে চাও?

কি বলছো?

তুমি আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে যে ধূমপান করবে না? তাহলে আজ এসব কি?

চেষ্টা করেছিলাম ছাড়বার,,

খুব কম ধূমপান করি।

আমার কারণে এখানে আছো,

কিন্তু আমি যা বলবো তা করবে না?

তাই না?

অই দিন, যা হয়েছিল,

সে আমার বন্ধু,

যদি আবার আসিছ মেরে পিষিয়ে দিবো।

এমন করছো কেন?

কি হয়েছে?

- তুমি এখানে কি করছো? - বলো কি হয়েছে?

একটি ছোট ঝগড়া...

ছোট ঝগড়াতে রক্ত কিসের?

কিসের ঝগড়া?

দাশু একটা মেয়েকে ভালোবাসে, যখন তার লোকের আসলো...

ভালোবাসার ফাঁদ?

যাইহোক, তুমি কি চাও?

সে আমার বন্ধু,

অহ, হা বন্ধু, এই গাধা গুলো ছাড়া কি আর কোনো বন্ধু নেই?

এই, আমার মেজাজ এখন ঠিক নেই, এখান থেকে চলে যাও।

আমি যাচ্ছি না, আমার মেজাজও ঠিক নেই।

তুমি কি তাকে চাও নাকি আমাকে? এখনি সিদ্ধান্ত নাও।

হে, যাহ তো!

আদিত্য ছিল তার পৃথিবী।

কিন্তু আদিত্যর কাছে পৃথিবী থেকে বড় ছিল সে।

মেয়েটি এটা সহ্য করতে পারলো না।

আমি বুঝতে পারছি তুমি কি চাইছো? তুমি এর শেষ চাচ্ছো, তাই তো?

হ্যাঁ।

আমি চলে যাবো।

আমি বন্ধুদের চাই, তোমাকে চাই না।

খুশি? শান্তি হয়েছে মন?

এখন যেখানে খুশি যাও,

আমি তোমার সাথে...

আদিত্য তাকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করেছে।

কিন্তু কোনোটাই কাজ হলো না।

না...

শুধু একবার কথা বলো।

মেয়েটিকে সে খবু ভালোবাসতো যা কিনা সে এটা সহ্য করতে পারলো না।

আদিত্য...

চিন্তা করো না, আমি এখানে ক্ষমা চাইতে আসি নি।

বিদায়।

আমি এই কলেজে এসেছিলাম শুধু তোমার জন্য।

এই গ্রামে থেকে শুধু তোমার জন্য।

যদি আমাকে তোমার প্রয়োজন না হয়,

তাহলে আমার এই গ্রাম ও কলেজের কোনো প্রয়োজন নেই।

তুমি এখানে খুশি থাকো।

আমি তোমাকে বিরক্ত করবো না।

তবুও বলতে হচ্ছে,

কেন এসেছিলে আমার জীবনে?

তুমি যে আমার মনটাকে ভাঙ্গতে পারলে ঐদিন আমি দেখলাম,

যখন আমার বাহুতে আঘাত পাই, তখন আমিও ভেবেছিলাম সেও আমাকে আঘাত দিতে পারে।

তুমি আমাকে কেমন ভালোবেসে ছিলে?

আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি,

আমি তোমাকে আর চাই না,

তোমার থেকে,

আমি অনেক দূরে চলে যাবো, যেখানে তুমি আমাকে দেখতেও পাবে না শুনতেও পাবে না

এরজন্য তোমার থেকে আমার কোনো মতামত চাই না।

ভালো থেকো।

ঐদিন সে হায়দ্রাবাদে চলে আসে।

সে যতই পরিবর্তন হোক না কেন,

তবুও সে ঐ মেয়েকে ভুলতে পারি নি।

সব কিছু হারিয়ে, সে নেশাপান করা শুরু করে।

এরপর সে,

সিনেমা দেখা শুরু করে,

অবশেষে, সে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একজন সহকারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ হয়।

আবার, সে তোমাকে পছন্দ করলো।

যার জন্য আমাকে বলি (কোরবানি) দিতে হয়েছিল।

কি?

বললাম, এটা ভিন্ন গল্প।

আদিত্য এখন কোথায়?

অভিনন্দন! অবশেষে ঝুমার ভালোবাসা পেয়ে গেলি।

হ্যাঁ, যাক তোর ভালোবাসার গল্পের বিরহ ছুটলো।

সে তোকে খুঁজছিল, তোর ফোন বন্ধ কেন? যখন সে তোকে ফোন করছিল।

একটু ভুল করে ফেলেছি।

- কি ভুল? - চুপ,থাক।

হে, আদিত্য কোথায় তুমি?

আমি যা জিজ্ঞেস করছি তা বলো, তুমি কোথায়?

আমি ট্রেন স্টেশনে, তোমাকে আমার কিছু বলার আছে।

না ঝুমা...

আদিত্য, আমাকে গাড়ি পার্ক করতে হবে, পরে কথা বলছি, ঠিকাছে?

ঝুমা, ঝুমা তুমি ঐখানেই থাকো, আমি আসছি।

- কি হয়েছে? - চল।

কিসব বলছিস?

হ্যাঁ, ঝুমা শুধু একটা আর্কষণ, ভালোবাসা নয়।

কি এসব? ঝুমা এটা শোনার পর কি বলবে?

বলবো, আমি কীর্তিকে এখনো ভালোবাসি।

কি?

হ্যাঁ, কীর্তিকে আমি এখনো ভালোবাসি আর তাকেই চাই।

আমি জলদিতে ছিলাম যদি আর ৪ দিন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারতাম, তাহলে তার রাগ হয়ত শান্ত হয়ে যেত।

ভুল করে ফেলেছি, এখন তাকে মানাতে যাচ্ছি।

- সে বুঝবে? - আমি জানি না।

দরকার হলে যা করতে হবে সব করবো।

হে,

আদিত্য।

আমি তোমাকে ভালোবাসি, আদিত্য।

তোমার জন্য আমার অনুভূতিগুলো,

আমি প্রকাশ করতে পারবো না।

তুমি খুবই বিশেষ, আদিত্য।

আমি তোমার প্রেমে পড়ে গিয়েছি।

অহ, দুঃখিত।

এটা আমার প্রেমিক আদিত্য।

এটা আমার কাকাতো বোন কীর্তি।

হাই!

হ..হ্যাল...হ্যালো!

বিরতি

দুঃখিত ম্যাডাম, আমি যখন পৌঁছে গিয়েছিলাম আপনি তখন চলে গিয়েছিলেন।

আমি যখন চলে গিয়েছিলাম তখনও আসো নি।

চালাকি করার চেষ্টা করো না।

- যাও, তাদের ব্যাগ গুলো নাও। - ঠিকাছে।

এসব কি হচ্ছে?

তুই এখনো বুঝতে পারছিস না কি হচ্ছে,

কীর্তি ঝুমা গাড়িতে এলো এরপর ঝুমার বাড়িতে,

আসো আদিত্য, আমার বাবা-মার সাথে পরিচয় করিয়ে দিই।

হঠাৎ...

হ্যাঁ।

তোমার সাথে কথার বলার পর,

আমি বাসায় এসে সবাইকে বলে দিয়েছি।

তারা তোমার সাথে দেখা করবে বলে খুব খুশি।

আসো।

- মা! - আমি পারবো না... আমি গেলাম

কোথায় যাচ্ছিস? ভেতরে চল।

না।

কীর্তি!

ভালো আছো?

হা, ভালো।

বাবা-মা কেমন আছেন?

ভালো।

আমাকে কেন জিজ্ঞেস করলো?

স্যার, আপনি তো মহান।

গল্পটাকে ভালোই পরিবর্তন করেছেন।

জানা ছিল না যে গল্পটা এত সুন্দর করে মোড় নিবে।

আচ্ছা, আমি তোর গল্পের খেয়াল রাখবো।

চল, কেউ দেখবে না।

নমস্কার।

- মা, বাবা - নমস্কার।

এইটা আদিত্য,

- নমস্কার - স্বাগতম।

দেখা হয়ে ভাল লাগলো।

ঝুমার তোমার সম্পর্কে সব বলেছে।

- আসো, ভেতরে আসো। - ভেতরে আসো।

আসো,

- আসছি, - আসো আদিত্য।

আসো।

- খাও - এই নাও।

আমরা চলে যাবো,

আরে, এসব কি? এমনিতে দেরী হয়ে গেছে, রাত্রের খাবারটা খেয়ে যাও।

আজ না...

অন্যদিন...

না।

প্রথমবার তুমি আমাদের বাড়িতে এসেছো, অবশ্যই...

আজ থেকে যাও। আমি আসছি...

আসো, মা।

- সে কি বর? - হা, হা।

চল, চল...

কি এসব?

আমাকে কি দেখতে বরের মতো নাকি ডিপজলের মতো লাগে?

চিন্তা করিস না।

তুই চিন্তা করিস না, আমি ভয় পেয়ে আছি।

কেন?

ভেতরে, দুই বোন তোর ব্যাপারে কথা বলছে...

তুই কিভাবে ভাবলি যে আদিত্য ভাল মানুষ?

কিভাবে বললি এটা?

আর তুই কি আদিত্য সম্পর্কে জানিস?

ভাল বল বা মন্দ বল, সে খুবই ভালো।

সে আমাকে সব খুলে বলেছে,

তার প্রেম, তার জীবন। সত্যিই সে গুরুত্বপূর্ণ একজন।

যখন ছেলেদের সাথে সম্পর্ক শুরু করি, তখন বুঝতে পারি...

সবাই হতে পারে, কিন্তু আদিত্য নয়।

- তোর মনে হচ্ছে না এটা একটু অদ্ভুত? - আমি বুঝতে পেরেছি।

তোরও তো একসময় ভালোবাসার গল্প ছিল, তাই না?

সে তোকে ছেড়ে চলে যায়, তাই না?

আদিত্য অই একিই।

কিন্তু আমি তার সততাকে ভালবাসি।

আমি তোকে কিছু দেখাচ্ছি।

- সে কি দেখানোর চেষ্টা করছে? - সে কি দেখানোর চেষ্টা করছে?

তোর পত্র।

আবার গন্ডগোল পাকবে।

যে মেয়ে তাকে ছেড়ে চলে গেল তুই তাকে এত ভালবাসিস?

ঐ মেয়েটা ছিল একটা গর্দভ।

আদিত্য এখন সেই মেয়েকে নিয়ে ভাবতে চায় না।

আর সে তখন চাপে পড়ে, সে তার ভালোবাসার গল্প বলেছে।

আমাদের এখনই, হাই!

হাই!

-হাই -হাই!

কি করছো?

আসো, আসো, আমি তোমাদের সাথেই কথা বলতে যাচ্ছিলাম।

- রাত্রের খাবার প্রস্তুত। - আসো।

আদিত্য কীর্তি তোমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছিল,

দুঃখী, কেন?

না,মানে...আমি সবাইকে আমার অতীত বলতে চাই না।

ঝুমা তোমার অতীত বলার পরেই আমরা বুঝতে পেরেছি,

যে তুমি ঝুমাকে কতটা ভালোবাসবে।

যার কারণে আমরা এটি মেনে নিয়েছি,

শিট! এটাতো আমার বিয়ে বন্ধ করিয়ে ছাড়বে..

হা, অবশ্যই।

যত্নবান।

সবজিটা খুব ভালো।

- বাবা, - হা, মা।

আদিত্য তার ভালোবাসার গল্প আমাকে বলেছে,

এখন আমাকেও আমার অতীতের কথা বলতে হবে।

এখন এসব কিসের জন্য? খা।

এখন কেন বলবো না?

এখন কেন, মা?

না, আমাকে এখন বলতে হবে।

আমি জানি না কোনটা ভাল বা মন্দ,

কিন্তু আমি আদিত্যর সাথে থাকে সৎ থাকার চেষ্টা করছি।

আদিত্য, তোমার মতো আমারও একটি ভালোবাসা ছিল...

কিন্তু এখানে একটু কমতি রয়েছে..

দুই বছর আগে আমি রাগুর প্রেমে পড়েছিলাম।

দুজন দুজনকে চাইতাম।

আমি আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য সুযোগও পেয়েছিলাম,

কিন্তু তাকে ছাড়া আমি আমেরিকায় যেতে চাচ্ছিলাম না,

মা-বাবাকে জানতে দেই নি,

সে আমাকে দেখতে পারবে না বলে,

সে তার ছুটিতে গ্রামে বেড়াতে যায় নি।

আমি যুক্তরাজ্যে একটি চাকরি পেয়েছি, যা কিনা মার্চ মাসের মধ্যে শুরু।

আমি জানি রাগু,

যখন আমি আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েছিলাম, তখন আমিও খুশি ছিলাম না।

এটা তোমার ব্যাপার, ঝুমা।

তুমি বড়লোক, আমি বড়লোক নই।

আমার একটি পরিবার আছে যা আমার উপর নির্ভর করে, আমাকে তাদেত জন্য আমেরিকা যেতে হবে।

হ্যাঁ।

তুমি আমেরিকা যাবে, আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করবো।

- এখন তুমি খুশি? - না, ঝুমা।

- আমি আমেরিকা যেতে পারবো না। - কিসের জন্য?

কারণ আমেরিকা যেতে হলে ব্যাংকে ২০ লাখ টাকা আমানত রাখতে হবে।

ঐখানে নিম্নে দুই লাখ খরচ হবে।

এতগুলো টাকা কে দিবে?

এভাবে কেন বলছো? আমি দিবো।

তোমার থেকে টাকা নিবো! না হবে না, আমি পারবো না, ঝুমা।

তুমি আর আমি তো আলাদা নই,

বাবা-মার কাছে মিথ্যা বলে, লোকেদের কাছ থেকে ধার নিয়ে...

তাকে আমেরিকায় পাঠাই।

হ্যালো ঝুমা, তুই বলেছিলি না যে রাগু আমেরিকাতে?

হ্যাঁ, ক্যালিফোর্নিয়ায়।

না ঝুমা, সে তোকে ধোঁকা দিচ্ছে।

সে আমাদের এখানে বোনের বাড়ির সামনেই থাকে ব্যাঙ্গলোরে।

তার সাথে একটি মেয়েও রয়েছে।

সে যা বলছিলো আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।

তাহলে রাগু আমাকে যে মেইল ও ফোন দিতো সব মিথ্যা ছিল?

সত্য সামনে এসে পড়ে।

- এই ঝুমা! - হাই, রাগু!

কোথায় তুমি?

মাত্র অফিস থেকে বের হলাম, জানো এখানে কত ঠান্ডা?

ইস,তুমি যদি এখানে হতে?

আচ্ছা ঠিকাছে, আমি এখনি আসছি।

এটা তোমার ক্যালিফোর্নিয়া?

- শান্ত হও। - আর, এই ছাড়ো।

দুঃচরিত্র, আমাকে ধোঁকা দিচ্ছিস?

যখন তার মানসিক অবস্থা খারাপ হয়, তখন বুঝতে পারি যে সে কতটা আঘাত পেয়েছিল।

সে প্রতারিত হয়েছিল।

চাপ, শাসন, পীড়ন।

তুমি কতবার ডাক্তার দেখিয়েছিলে? আর কতবার পূজা করেছি?

মা, থামো।

এসব হয়েছিল আদিত্য।

এখন তুমি পরিষ্কারভাবে বুঝে গেছো,তাই না?

আমি অতীত বুঝতে পেরেছি কিন্তু ভবিষ্যৎ সে ভালো বুঝতে পেরেছে।

ঝুমা আমার তোমাকে কিছু বলার আছে।

হয়েছে যে....

- কি হয়েছে? - আমি মেরেছি।

তাকে তুই কি জিজ্ঞেস করছিলি?

সে এমন ভালো মেয়ে কোথায় পাবে?

সে তোমার কাজে খুব খুশি, হা।

আহ!

- হ্যাঁ বল - হ্যাঁ।

অনেক হয়েছে।

আমার এখন খুব ভালো লাগছে।

সত্যি সে আনন্দিত।

আর তোকে এই আনন্দিত গিলে খেলো।

অহ, তুমি তো কাজা খেতেই ভুলে গেছো গল্প করতে করতে।

তোমাদের জন্য খাঁটি দুধ আনা হয়েছে।

তার জন্যই খাওয়াটা থামাতে হয়েছে।

আমরা না কাজা খেতে খুব পছন্দ করি?

এইটা দেখ,

এই কাজা টা অনেক বড়।

আমি ভেবেছিলাম এটা পাজামা।

খেতে থাক।

কাজা অনেক খেয়ে ফেলেছি।

হে, তুই আমাকে থামালি কেন?

হ্যা, তাহলে ঐখানেই শেষ হয়ে যেতাম, তুই কি বলবি ঐ ছেলেকে কিভাবে মেরেছিল?

তখন রাস্তার মধ্যে ধোলাই করত, এরপর লোকজন আসতো থামাতে।

এরকম যদি হতো, তাহলে খাবারের টেবিলে তোকে খাবার ছুঁড়ে মারতো।

মাগো, মা...

তুই তাকে কোথায় পেয়েছিলি?

হ্যাঁ, আমিই তো...

স্যার।

ঐদিন আপনি যদি ১০০০₹ দিতেন,

তাহলে আজ জানতে পারতেন যে কেন আপনাদের এই কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে।

তার মানে, এইটা সব জানে...

এই ১০০০₹ এর জন্য আমাদের জীবনের সাথে এরকম ছিনিমিনি খেলা হবে?

আমরা তোকে জাইঙ্গা পড়িয়ে বনবাসে পাঠাবো।

আমি তোমাকে আমার ব্যাগের সব টাকা দিয়ে দিচ্ছি,

এখন, কীর্তি ম্যাডামের সম্পর্কে খুঁজে বের করে ,

আমাকে দ্রুত জানাও,

কীর্তি হোক আর যাই হোক তাতে কি,

আপনার ভালোবাসার সফলতা এনে দিবো আমি।

কিন্তু আমাদের ঘাড় আটকিয়ে গেছে,

- হে! - শুন,

এখনি আমাকে বলতে হবে কীর্তিকে কি হয়েছিলো,

যেভাবে হোক আমি কীর্তিকে এনে দিচ্ছি, তুই কথা বলে নিস,

তুই করবি?

এই, সে তোর সাথে কথা বলেনি, আমার সাথে বলেছিল

কীর্তি,

- আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই। - তোমার আর কি বলার আছে?

তুমি কি লজ্জিত নও?

ঐ পত্রটি সবাইকে দেখালে?

কীর্তি, দয়া করে আমার কথা শুনো।

আমি এখানে তোমার কথা শুনতে আসি নি।

ঝুমাকে বলো না যে আমিই সেই মেয়ে যাকে তুমি কলেজে ভালোবেসে ছিলে।

আমি কিভাবে ঝুমাকে এই ব্যাপারে বলবো?

আমি ঝুমাকে সত্যটা বলতে পারবো না।

তুমি তার ভালবাসার গল্প শুনেছো না? দয়া করে তাকে আবার আগের অবস্থানে ফিরিয়ে দিয়ো না।

যখন সময় হবে আমিই তাকে বলবো।

তোমাকে তাকে কিছুই বলতে হবে না, বুঝেছো?

এখন তো আমি তোমার সাথে কথা বলছি...

যদি তাকে বলার চেষ্টা করো,

তুমি আমাকে দেখতে পারবে না।

মনে রেখো।

এখন কি?

দেখ?

এতকিছুর পরও সে আমার সাথে রাগ করে আছে,

তার মানে কি এটা নয়?

এটাই অনেক।

অনেক কাজ রয়েছে, আমাদের যেতে হবে।

বিদায়!

এই, বলতে ভুলে গেছি।

আমরা আজ মুম্বাই যাচ্ছি।

মুম্বাই, কিসের জন্য?

কীর্তির একটি ইন্টারভিউ আছে মুম্বাইতে।

আসলে আমাদেরও কাজ নেই,

আমি কি তোমাদের সাথে আসতে পারি?

সত্যি?

কি হয়েছে তার,ঝুমা?

কি সমস্যা? এই ব্যাগ এখানে দে।

এখন নয়, দুপুরে।

দুপুরে? ব্যাগ দে।

আদিত্য, চলো সেলফি।

একটু হাসো,

আমি এটা ফেসবুকে পোষ্ট করছি,

দেখ কীর্তি, কেমন হয়েছে?

ঠিকাছে।

আমি আসছি।

দেখেছো? সে তোমার কাছে কতটা আশা করে?

তাকে নিরাশ করো না।

আমি এখানে ঝুমার জন্য আসি নি, তোমার জন্য এসেছি।

আমি সবকিছু করবো, যতক্ষণ না তুমি আমায় গ্রহণ করবো।

কীর্তি, আমি তোমাকে ছেড়ে দিয়ে ভুল করেছি।

আমাকে মাফ করে দাও।

আমি যখন তোমার কাছে আসছিলাম, তখনই আমি তোমাকে স্টেশনে দেখি।

শুনো, তুমি সবকিছু ভুলে যাও এবং ঝুমাকে ভালোবাসে, ঠিকাছে?

যখন তুমি আমাকে দেখেলে তখনি আমার প্রেমে পড়লে?

আমি ঝুমাকে ভালোবাসি না, এটি একটি ভুল বোঝাবুঝি।

আমি তোমাকেই ভালোবাসি।

থামো অনেক হয়েছে। আমি জানতে চাই না যে তুমি কতটা আমাকে ভালোবাসো।

যতক্ষণ না তুমি গ্রহণ করছো, আমি তোমায় ছাড়বো না।

খুব গরম।

শুভ জন্মদিন।

জোরে বলতে হয়,

- ঘরে কেউ নেই? - কেউ নেই।

শুভ জন্মদিন।

অগ্রিম তো বলতে দাও।

এত কষ্ট করে জানালা দিয়ে না এসে, কলিং বেল দিয়ে দরজা দিয়ে ঢুকতে পারতাম।

তোমার জন্মদিনে আমাকে গিফট হিসেবে দিয়েছিলাম।

আমার জন্মদিনে তোমাকে গিফট হিসেবে দাও, কোনো অসুবিধা ছাড়া আমি সামলিয়ে নিতে পারবো।

- তাহলে কোথায় যাচ্ছি আমরা? - কোথাও যেতে হবে না।

আমরা এই ঘরেই থাকবো।

চলো, নাস্তা এবং কথা বলি।

দুপুরের খাবার খাবো এরপর কথা,

- রাত্রের খাবার খাবো... - এরপর কথা বলবো।

সবশেষে ,কিছু না?

কথা বলা ছাড়া অন্য কিছু করো।

যদি এর বেশি কিছু হয়, মেরে ফেলবো।

- কোলাকুলি। - মেরে ফেলবো।

- কোলাকুলি। - মেরে ফেলবো।

- কোলাকুলি। - মেরে ফেলবো।

- কোলাকুলি। - মেরে ফেলবো।

- কোলাকুলি করবো। - মেরে ফেলবো।

- কোলাকুলি। - মেরে ফেলবো।

- মেরে ফেলবো। - কোলাকুলি করবো।

মেরে ফেলবো।

এগুলা কি?

আমি তোমার ঐ ছিঁচকে চাহুনিকে ভালোবাসি,

আমি তোমার হাসিকে ভালোবাসি।

আমি তোমার লজ্জাকে ভালোবাসি।

আমি তোমার অভিমানকে ভালোবাসি।

এই! আমি যদি তেলেগু মানুষদের সাথে তেলেগুতে কথা বলি,

তাহলে তারা তাদের অনেক কিছু আমাদের কাছে গোপন করবে,

শুনে মজা পাবো না,

আর ভ্রমণটাও মাটি হবে, তাছাড়া তারাও চুপ থাকবে আমায়ও চুপ থাকতে হবে।

এই, কিছু তেলেগু আসছে আমি তাদের সামলাতে যাচ্ছি, তোকে পরে ফোন করবো, বিদায়।

হাই! আপনি ঝুমা?

- আমি ঝুমা, - আসুন, আসুন ম্যাডাম।

- নাম? - সঞ্জয় লীলা ভানশালী।

- কি? - সঞ্জয় লীলা ভানশালী।

আর কিছু বাকি আছে?

আমি তেলেগু বুঝি না।

ওহ,তাহলে আমরা তার সামনে কি কথা বলছি সে বুঝছে না।

- তুমি বললে তুমি তেলেগু জানো না? - এ গান স্যার হিন্দি ব্লকবাস্টার থেকে।

- অহ - হিন্দি

- হিন্দি সিনেমাগুলো যে সব ব্লকবাস্টার, ভুলেই গেছি। - হ্যাঁ।

- একটি গান চালু করো। - করছি।

তুমি না জানো না! তাহলে এগুলা কি?

এখানে একটি সাউথ গান রয়েছে, বাকি সব হিন্দি।

তুমি কি বুঝেছো আমি কি বলেছি?

মজা..

ঘাবড়ে গেছে।

আমার খুব খিদা লেগেছে। আমি আর সামলাতে পারছি না।

ঠিকাছে, ম্যাডাম।

তুমি কি বুঝেছো?

ম্যাডামে সিনেমা দেখতে চাচ্ছে...সিনেমা...সিনেমা।

এই!

- এই খাবারের জন্য,খাবার, রেস্টুরেন্ট। -আহ, খাবার!

খাবার, খাবার, খাবার।

- এটার সাথে থাকা খুবই কঠিন। - আমারও।

- ভানশালী - স্যার,

- তুমি কিছু বলেছো? - না স্যার।

- চলো - যাচ্ছি, যাচ্ছি।

বলদ।

দেখা হয়ে ভালো লাগলো, আমার নাম ভানশালী।

জুস নিয়ে আসো।

- আমার জন্যও - কি জুস?

আমি আনারস খুব পছন্দ করি।

দুটো আনারসের জুস।

আনারস না, একটি আমের জুস নিয়ে আসুন।

আচ্ছা, ম্যাডাম।

জুসটা খুব ভালো।

এরকম জুস আমাদের জুসের দোকানেও পাওয়া যায়।

হা, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম, তুমি কি নেশাতে ছিলে?

তুমি তো কেজিপি কলেজে পড়ো, তাই না?

এই, কীর্তিও একই কলেজে, তাই না?

তোমাদের দুজনের আগে দেখা হয়েছিল?

তাই তো, আমিও ভাবছিলাম কোথাও যেন দেখেছি।

আমি তোমাকে কখনো দেখি নি।

দেখি নি।

কীর্তি তার নাম কি?

তুই শুধু তার নাম বল, তাকে এভাবে ছেড়ে দেওয়া যাবে না।

আসলে, তোমার কলেজের কেউ একজন তার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি করেছে।

আমি জানি না সে কি করেছে,

তার জন্যে কীর্তি খুব দুঃখী ছিল।

তুমি জানো ঐ সময় সে কত খুশি ছিল?

কি কীর্তিকে বিরক্ত করেছে?

দুঃচরিত্র, বদমাইস, ইতর।

সে এত বলেছে কেন?

তুই কি তার নাম বলতে পারবি?

আদিত্য অবশ্যই তাকে জানে।

তাকে ছেড়ে দিও না, তার নাম বলো... এতটা তাকে হালকা ভাবে নিয়ো না।

না, সে তার ফল নিজেই ভোগবে।

মাথা খারাপ হয়ে গেছে?

তুই তাকে এখনো ভালোবাসিস?

- ভালোবাসে? - নাম কি?

- বলতে পারো? - বলতে পারিস?

ঝুমা দয়া করে আমাকে বিরক্ত করিছ না।

বাদ দে তাকে।

আমি খুব রেগে রয়েছি, তাকে পেলে আমি মেরেই ফেলতাম।

বলেছিলাম সময় আসলে বলবো তাকে,।কিন্তু তুমি তাকে সব বলে দিলে?

- তুমি তাকে কি ইঙ্গিত দিচ্ছিলে? - তাহলে কি বলতাম?

তুমি কেজিপি কলেজের কথা কেন বলেছো?

আমি আগেই বলেছি তাকে যে, আমি কেজিপি কলেজে পড়ি।

এখন যদি আমি তাকে বলি যে এটা অন্য কলেজ তাহলে সে আমাকে সন্দেহ করবে।

- ফোন ধরো। - দরকার নেই।

তুমি ওখানে কি দেখছো? সে তেলেগু বুঝে না।

অনেক খেয়েছি।

সে খাবারের ব্যাপারে বলছে।

হে!

- ঝুমা তো এখানেই, - চলো সবাই,

বিল?

- দিয়ে দিয়েছি। - দিয়ে দিয়েছো? চলো।

- চলো। - আপনি যান।

- ভানশালী? - স্যার।

- তুমি কিছু বলেছো? - না স্যার।

- আমরা যেতে পারি? - চলো।

জিয়া গাওয়ার, আসুন।

চিন্তা করিস না, তুই মনোনীত হবি।

তুই তো জানিস, চাকরিটা আমার জন্য কত প্রয়োজন।

যেভাবেই হোক মনোনীত হতে হবে।

শান্ত হ, শান্ত হ।

কীর্তি, তোমার এই চাকরির প্রয়োজন নেই।

- কি? - কি?

যাইহোক, সবজি বাজারে গিয়ে যদি সবজি না কিনো তাহলে দোকানদার কম কথা বলে।

সেরকমি।

এই চাকরিটা তোমার যোগ্যতা থেকে কম।

তোমার কাছে সময়ও রয়েছে এবং সুযোগও।

তাই তো, আমি রাস্তায় বলছিলাম যে...

সিনেমা দেখতে চলি।

যদি তুমি তাদের পছন্দ করো, তাদের প্রশ্ন পছন্দ হয় ও তারাও যদি তোমাকে পছন্দ করে,

তাহলে তুমি হ্যাঁ বলবে।

যদি অন্যান্য কোম্পানি উত্তর দিতে দেরি করে।

এই সুযোগটা এই কোম্পানিকে দিবে।,

যদি তোমার প্রয়োজনের মতামতের সাথে মিলে।

এভাবেই তুমি একটি ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুত হবে।

- কীর্তি।

- দয়া করে আসুন,

- শুভকামনা । - ধন্যবাদ।

ভিরান।

কি হয়েছে?

আমি হ্যাঁ বলেছি।

অভিনন্দন।

ভাইয়া, ব্যাগগুলো বের করুন।

আদিত্যকে ধন্যবাদ দিবি না?

ধন্যবাদ আদিত্য। এটা তোমারই জন্য হয়েছে।

তুমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে করতে হাঁপিয়ে গেছো,

তুমি এটাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছো,?

তাহলে তুমি কি চাও?

পার্টি চাই।

রাত্রে এখানে থাকবো এবং মাস্তি করবো।

আচ্ছা।

দারুণ, খুব ভালো।

- পার্টি! - পার্টি!

- স্যার? - এহ?

স্যার আমার রুম?

তাকে কিভাবে যে বলি?

তুমি আমি একি রুমে বন্ধ।

একি রুমে?

অহ!

আমি আজ খুব খুশি।

কারণ, আপনার সাথে দুটি মেয়ে রয়েছে।

- ভানশালী? - স্যার!

- কিছু বলেছো? - না।

স্যার।

স্যার।

কি করছেন, স্যার?

শুভরাত্রি, ভানশালী।

শুভরাত্রি?

এখানে কি হচ্ছে এসব না জেনে আমি কি করে ঘুমাবো?

আমার হিন্দি, আপনার তেলেগু, আমি...

এই রুমের ভেতরে...

হাই!

ভুলেবশত, রুম অদলবদল হয়ে গেছে।

- সমস্যা নেই, শুভ রাত্রি! - শুভরাত্রি, ম্যাডাম।

তার মানে মেয়েটি এতক্ষণ ধরে ভেতরেই ছিলো,

এখন তারা দুজনে একসাথে,

আর শয়তানটা একা,

ওমাগো,

হ্যালো!

এই মেয়েটি ভেতরে ছিল, ঐ মেয়েটি বাহিরে..

এখন ঐ মেয়েটি ভেতরে, এই মেয়েটি বাহিরে...

কিন্তু ভেতরে যে কেউ থাকুক, তার সাথে তো ছিল।

যদি পেছন দিয়ে যাই তাহলে জানতে পারবো।

যে ভেতরে কি চলছে...

আমাকে এখন পেছনে যেতে হবে।

ঠিকাছে, মেয়েটি এখানে ...

তাহলে ওখানে টিভি....

সে কোথায়?

আমি আপনার পিছনে সবসময় রয়েছি,

কোথায় আপনি?

নারকেল পড়ে যাওয়ার মতো আওয়াজ হলো।

ভাইয়া, আমি সাঁতার জানি না, আমাকে পাড়ে উঠিয়ে দাও।

আমি জানি না কিভাবে সাঁতার কাটতে হয়,

- ভানশালী? - স্যার!

- কিছু বলেছো? - না

তুই... তুই তেলেগু জানিস না....জানিস না?

বেশি জানি না, বস।

এখানে কি চলছে?

আমি এইটা জানতেই এখানে এসেছি।

আমি সকাল থেকেই অপেক্ষা করছি,

আপনার ভালোবাসার গল্প চাইনিজ মুভির মতো, যেখানে কোনো সাবটাইটেল নেই।

স্যার, আমি একটি জিনিস বুঝছি না,

- এখন কি তুমি আমার ভালোবাসার গল্প শুনতে চাও? - দয়া করে...

- আমাকে অনুসরণ করো। - ঠিকাছে।

আপনার বক্তব্যগুলা পীড়াদায়ক।

ভালোবাসা কোথায়?

ভালোবাসা কোনো স্বাদ নয়।

চাটনি,

এই!

- তারা কোথায় গিয়েছে? - আমি তেলগু জানি না।

অহ, তুমি তেলেগু জানো না?

- দুঃখিত ভুলে গিয়েছিলাম। - দেখেছো তাদের?

ধুকা কি আগেই দিয়েছো নাকি এখন এখন দিচ্ছো?

তোমার কোনো আক্কেল নেই।

ঐখানে কারা ঘুরঘুর করছে?

শ্রেণীকক্ষে যাও, আমি এখানে অপেক্ষা করছি।

আদিত্য... আদিত্য.... এই!

ঐখানে একটি মন্দির রয়েছে, আমরা ওখানে ২মিনিট থাকবো।

আমি খাবার নিয়ে আসছি।

সবসময়ে শাড়িতে তোমাকে খুব সুন্দর মানায়।

এই শাড়ি আমার জন্য নয়? আমি জানি

আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে,

সে এখন মুম্বাইতে,

আমি এখানে তার জন্য কাজ করতে এসেছি,

যাইহোক, ধন্যবাদ, তোমার জন্য চাকরিটা পেলাম।

চলো।

কেউ কি এটা খেতে চাও?

হ্যাঁ নাকি না? আচ্ছা, চলো।

এটা তো...

সে আমাকে মিথ্যা বলছে যে তার বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে।

এতদিন ধরে সে কিভাবে চুপ করে থাকতে পারলো?

কেন হচ্ছে এসব?

ভেবে ভেবে পাগল হয়ে যাচ্ছি।

হ্যাঁ, আমি দেখতে পারছি।

হ্যালো!

....কে?

হে!

তুমি না?

হ্যাঁ বস, আপনি ঠিক ধরেছেন।

বস, আমরা সংলাপগুলো শিখে ফেলেছি, কেমন হয়েছে?

অপর্দাথ যত্তসব ফোন দেন, আর ফোন দিবে না।

আমি বলেছি না? আবার ফোন...

স্যার, স্যার, আমি, কি হয়েছে? এটা আমি।

অহ তুমি।

অহ, আচ্ছা।

স্যার, এখন আমি কীর্তি ম্যাডামকে ছেড়ে দিয়ে এসেছি, সে এখন স্টেশনে।

- এখন আপনি দেখে নিন, - আচ্ছা, ঠিকাছে তুমি তোমার ৫০০০₹ পেয়ে যাবে।

চল, চল।

সে আমাকে না বলে চলে যাচ্ছে।

- তুই যাহ। - ঠিকাছে, ঠিকাছে।

স্যার, স্যার ট্রেন চলে যাবে।

এখানে আরও ট্রেন রয়েছে, এত তাড়াহুড়া কিসের? আসো, বসো।

আদিত্য, আদিত্য!

আদিত্য...

তুমি এখানে বসে আছো আর আমি তোমাকে পুরো স্টেশন জুড়ে খুঁজছি। ট্রেনে আসো।

তাই তো বলি, তুমি কেন আমার নাম ধরে ডাক দিবে? ধন্যবাদ দাদা।

আপনি যদি এসব না করতেন, তাহলে সে হয়ত কথা বলতো না।

তুই কি কৃষ্ণ? যে তাকে নিয়ে যাবি?

আমি সাধারণত এখানকার লোকদের সাথে মারামারি করি না,

কি? - আরে তুই থাক,

মার? আয় মার...

বোকা ছোকরা।

কে মারলো? লাঠি দিয়ে?

এই ব্যাগটি ধর।

কি হচ্ছে? ব্যাগের জামা-কাপড়গুলো তো পড়ে যাবে। ভালো করে ধর।

চিন্না, ম্যাডামকে গরম এক কাপ চা দে।

ঠিকাছে,স্যার।

তুমি ধীরে ধীরে চা পান করো।

স্যার, ভুল হয়ে গেছে, দুঃখিত।

স্যার, দুঃখিত স্যার।

কি এসব, আমরা তো বন্ধু, বন্ধু না?

ব্যাগটি যেন কাকে দিয়েছিলাম?

কাকে?

অই।

এদিকে আয়, এদিকে আয়।

- অহ, কোথায় যাচ্ছিস? - স্যার, পরিবারের সাথে বাড়িতে যাচ্ছি।

ব্যাগটি দিয়ে এরপরে যাহ।

স্যার, স্যার ট্রেন চলে যাচ্ছে।

- ট্রেন চলে যাচ্ছে, তো কি হয়েছে? - স্যার, ট্রেনে ঐ মেয়েটি চলে যাচ্ছে।

আরেকটু আগে বলবি না।

উফফ!

এই রাক্ষসী,

তোকে বলছি, আপনাকে না।

আমি কখনো ভাবি নি, যে তুমি এতটা স্বার্থপর।

হাই, আমার নাম সাশি, তোমার নাম কি?

কি চাই? কি চাই?

সে ফোনে বলছে, তুমি বলো।

আমি জানি তুমি দেখতেও যেমন সুন্দর, তোমার নামও তেমন সুন্দর হবে।

আমার মনে হচ্ছে, আজ তোর দিনটি খারাপ।

বলো, বলবে না?

আমার নাম কীর্তি।

অসাধারণ নাম, একটি সুন্দর নাম।

তোমার নামটি শুনে আমার এক গান মনে হচ্ছে।

খুব ভাল।

এই!

ফোনটা কানে দিন,এরপর কথা বলুন।

যা চাচ্ছো চালিয়ে যাও।

তার পিছনে অনেক ঘুরেছি।

গুন্ডাদের মারামারি পর্যন্ত করেছি কিন্তু কোনো সাড়া পাই নি,

যখন তুমি গান গাইছো ও কথা বলছো, আর ভাবছো সেট হয়ে গেছে?

কেউ কি তোমার নাম জিজ্ঞেস করেছে?

মাসিমা, আপনার খারাপ লাগতে পারে, আপনি কি ওখানে গিয়ে বসবেন?

না, বাবা, ঠিক আছি আমি।

আপনি খুবই সহায়ক, আমার পছন্দ হয়েছে।

আমার একটি গান মনে হচ্ছে যখন তোকে পিটাচ্ছি।

কি গান?

- টিকেট দে? - টিকেট?

এটা আমার টিকেট।

- আমার আসনে গিয়ে বস, ঠিকাছে? - আচ্ছা।

আমি এখানে থাকবো।

স্যার, এটা তো প্লাটফর্মের টিকেট?

- আমার অন্য গান মনে আসছে। - আমি যাচ্ছি, স্যার।

মাসিমা কি করছেন? ও ক্যান্ডি ক্রাশ?

- কীর্তি, - হুম।

অহ, ক্যান্ডি ক্রাশ? দুঃখিত মাসিমা।

কীর্তি।

আমাদের গ্রাম এসে গেছে।

আসো।

গাড়ি পাঠিয়েছে? নাকি ট্যাক্সিতে যাবে?

তুমি কি নিজেকে আমার স্বামী ভাবছো?

ব্যাগ দাও, তোমার লজ্জা হচ্ছে না?

এরপরও কেন আমার পিছু আসছো?

ভেবেছিলাম, এটা আমার ভাগ্য যে তুমি আমার জীবনে এসেছিলে, কিন্তু এখন দেখো...

ঐটা ভুল ছিল।

তুমি আসাতে আমি হেরে গেছি।

আমি ভালবাসার জন্য অবরুদ্ধ ছিলাম।

এটা আমাকে নতুন পৃথিবী দেখিয়েছে।

বলেছিলাম, তোমাকে ছাড়া আমার আর কিছু চাই না।

কিন্তু তুমি আমাকে ছেড়ে দিয়ে দূরে চলে গেলে আর আমাকে চাও না।

তুমি জানো এরপর আমি তোমাকে কেন খুঁজেছিলাম?

কি হয়েছে?

কে যেন এই গাড়িটাকে ধাক্কা মেরেছে?

এখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

'বি' রুমটি কোথায়?

ম্যাডাম ঐ দিকে।

গাড়ি, গাড়ি?

দেখো, এখন কি হয়েছে।

গাড়ি গেলে কি হতো? বাচ্ছা তো ঠিক আছে, এটাই অনেক।

হা, এটাই....

বাবা, থামবে?

তুনি জানো তোমার ছেলের কিভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে?

ভালবাসা হারিয়ে,

সে নয়, এটা তার বন্ধু।

আমি তোমাদের নিয়ে আর ভাবতে পারছি না।

তাছাড়া সবাই এখানে আছে,

তার কি হয়েছে?

এখানে তার কোনো দোষ নেই,

আর সে দুঃখী।

আমি তাকে বলিও নি।

এরপরে বুঝতে পারলাম যে আমি দাশুকে ভুল বুঝেছিলাম।

ক্ষমা চাওয়ার জন্য কলেজে আসলাম।

কিন্তু তুমি আমাকে বলতে দেও নি।

চিন্তা করো না, আমি এখানে ক্ষমা চাইতে আসি নি।

চিরতরে বিদায়।

আমার জীবনে আর কি রয়েছে?

তুমি যে আমার মনটাকে ভাঙ্গতে পারলে ঐদিন আমি দেখলাম,

যখন আমার বাহুতে আঘাত পাই, তখন আমিও ভেবেছিলাম সেও আমাকে আঘাত দিতে পারে।

আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি, আমি তোমাকে আর চাই না।

আমি দূরে চলে যাচ্ছি, তুমিও দূরে যাবে এরপর দেখতেও পাবে না, শুনতেও পাবে না।

বিদায়।

আমি ভুলে গিয়েছিলাম যে আমি কি বলতে এসেছিলাম।

খুবই খারাপ লেগেছে।

আমি খুবই দুঃখী ছিলাম যে পিছন না ঘুরে আমাকে ছেড়ে চলে গেল।

তুমি চলে গিয়েছিলে কিন্তু আমি কোথায় যাবো?

আমি এখানে থেকে দুই বছর পড়াশোনা করেছি।

এখন ফিরে এসেছো?

আর বলছো আবার ভালবাসি?

এখনকি আমায় মারতে চাও?

তুমি কেন দূরে চলে গিয়েছিলে আবার কেনই বা আসছ ফিরে?

আমার কি কোনো অধিকার নেই?

আমি দুঃখিত, কীর্তি।

আমি তোমাকে অনেক আঘাত দিয়েছি।

ভাবছি যদি তোমাকে ভুলতে পারতাম ।

কিন্তু এখন বুঝতে পেরেছি যে আমি কত বড় ভুল করেছি।

এইবার আমাকে ক্ষমা করে দাও।

আমি সত্যি তোমাকে ভালোবাসি।

আমি তোমাকে ঘৃণা করি। জাহান্নামে যাও।

যখন তুমি আমাকে ঘৃণা করার কথাটি বলো, সেটি আমার কাছে যেন ভালোবাসো শোনায়।

জানো কেন? কারণ আমি তোমাকে এখনো ভালবাসি।

তুমি আমাকে ভালোবাসো তার থেকে আমি তোমাকে ভালবাসি।

আর তোমার চোখে অশ্রু গুলো?

তুমি তোমার রাগ-অভিমান লুকাতে পারো কারোর দৃষ্টি থেকে,

কিন্তু ভালবাসা পারবে না,

কারণ এটা অনুভব করা যায়।

আমাকে শুধু একটা সুযোগ দাও, আমি সব অতীত মুছে দিবো।

নতুন করে আবার আমাদের ভালবাসা শুরু করি, চলো।

হাই, হেমন্ত।

তুমি এখানে কি করছো?

একটু জলদিই চলে আসলাম, কারণ আমার বিয়ের দিন পর্যন্ত ধৈর্য হচ্ছিল না।

আদিত্য, এই হলো হেমন্ত, যাকে আমি বিয়ে করতে যাচ্ছি।

হ্যালো!

হেমন্ত, সে হলো আদিত্য, ঝুমার হবু জামাই।

অহ, তুমি আদিত্য! তাহলে তো আমার দুজেন ভাই হলাম।

ঝুমা যেকিনা আমাকে এই প্রস্তাবটি দিয়েছিল,

কিন্তু আমি এখন কীর্তিকে পছন্দ করি।

আর তুমি ঝুমাকে পছন্দ করো।

তোমরা দুজনে কি একই ট্রেনে ছিলে?

হ্যাঁ, একটি দুর্ঘটনায়।

অহ, খুব ভালো, তোমরা থাকো, পরে দেখা হবে।

- আমি গাড়িতে গেলাম। - ঠিকাছে।

পরে দেখা হবে।

এখানে আর দুদিন আছে আংটি বদলের, এর একমাস পর আমাদের বিয়ে।

তো, পুনরায় ভালবাসা অসম্ভব।

তুমি কি বুঝতে পারছো তুমি কি করছো?

তুমি নিজেকে বোকা বানাতে পারো, আমাকে না।

আমি বোকা হতে পারি না

তুমি নিজের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ও মিথ্যা বলবে?

কার জন্য তুমি এসব করছো?

তুমি যদি তাকে মেনে নাও,

তোমার জীবন, আমার জীবন, সবার জীবন ধ্বংস হয়ে যাবে।

যদি কোনো রাগ থাকে মারো,

কিন্তু আমার ভালোবাসা গ্রহণ করে নাও।

আমি তোমাকে ভালোবাসি, তুমি বাসো বা না বাসো।

তোমাকে আমি আজও ভালোবাসি,

সবসময়ও ভালোবাসবো।

হা,বলো,

ঝুমা ও ঝুমার বাবা-মা এখানে এসেছে,

মনে হয় তোমার পরিবারের সাথে দেখা করতে,

কেন?

বিয়ের ব্যাপারে কথা বলতে।

যখন তুমি তাকে নিয়ে এসেছো, তোমার কি মনে হয় আমি বিয়ে করবো?

এখানে শুধু ঝুমা নয়, কাউকে করবো না, মরে গেলেও না।

এখনই তাকে সত্যিটা বলে দাও,

নাকি আমি বলবো?

তুই এখানে নিয়ে এসেছিস কেন?

ঝুমা!

ঝুমা, আমি শুধু আমার ভালোবাসার গল্পটা বলেছি, সত্যিটা বলেনি,

যে মেয়ের সাথে আমি প্রেমে পড়েছি সে আর কেউ নয়...

সোজা ভাষায় বলতে গেলে,

আমি এখনো কীর্তিকে ভালোবাসি।

তাহলে আমার সাথে যা হলো এতদিন?

বলার চেষ্টা করছিলাম,

তুমি জিজ্ঞেস করোনি,

তুমি তোমার অতীতকে ভুলে খুশি ছিলে,

ভাবছিলাম, যখন তুমি এটা শুনবে তখন তুমি দুঃখী হয়ে পড়বে।

তুই যেটা বলছিস সেটা এক মূহুর্তের জন্য ভেবে দেখেছিস?

আমি তোর জন্য মুম্বাইতে এসেছি।

আমি ভেবেছিলাম সে আমার জন্যে এসেছে।

কিন্তু তোমরা দুজন আমাকে ব্যবহার করেছো।

আমার পিছনে বসে তোমরা ভালবাসার গল্প বলছো?

ভালবাসার গল্প? তুমি কি বুঝেছো?

একটি ভালোবাসা তখনি হয় যখন দুজন মানুষ একে অপরকে ভালোবাসে।

এটাকে ভালোবাসা বলে না, যদি কেউ একজন ভালবাসে,

সেও আমাকে ভালোবাসে।

ধন্যবাদ।

আমি ভেবেছিলাম তুমি আমার বিয়ের কথা শুনে চলে যাবে।

যখন তোর বিয়ে হয়ে যাবে আর আমি ছেড়ে দিবো তোকে...

তুই বলেছিলি তুই তোর প্রেমিকের সাথে তুই সবসময় খুশি থাকতি, আর এখন তাকে তুই দিয়ে দিচ্ছিস?

কিভাবে ভাবতে পারলি?

এখন তুমি খুশি?

আর কি চাও?

তোমার কাছে মেয়েদের ভালোবাসাও সহজ এবং ছেড়ে দেওয়াও সহজ।

দেখো তোমার কারণে আমরা কতটা কষ্ট ভোগ করছি।

তুমি একাই কষ্ট ভোগ করছো?

আমি তো শুধু ভালোবেসে ছিলাম।

তুমি জানো না আমি তোমার জন্য কতটা কষ্ট ভোগ করেছি?

আমি ভেবেছিলাম তুমি আবার ফিরে আসবে এবং আমায় ভালোবাসবে।

আমি এটা বুঝতে সক্ষম হয়েছি যে তোমার মনে কোনো ভালোবাসা নেই। আমি অনেক দূরে চলে যাচ্ছি।

ঐখানেও আমার ভালোবাসা রয়েছে।

তোমার যদি আজও মনে হয় যে আমি তোমাকে অনুসরণ করছি,

ঐখানেও আমার ভালোবাসা রয়েছে।

আমি ভুল ছিলাম যে তোমাকে ছেড়ে চলে গেছি,

কিন্তু তুমি জানো এটা ভুল নয়।

ভাগ্যেটা এমন যে, আগে একটি ভুল করেছি জেনেও এখন আরেকটি ভুল,

যারা প্রথমে ভুল করে থাকে, তাদের চেষ্টা করাটাও ভুল।

অনেক হয়েছে।

অনেক।

আমি আমার ভুলের জন্য ক্ষমা চাইছি, ঝুমা।

আমি দুঃখিত, যদি পারো মাফ করে দিয়ো।

আমি ভুল করেছি, কিন্তু কাউকে প্রতারিত করিনি।

আমি এসব করেছি তোমাকে জানাতে যে আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।

সে আমার থেকে দূরে চলে যেতে চাইছে।

সত্যি আমি দুঃখিত।

তুমি আমাকে শাস্তি দিতে পারো, আমি তা মাথা পেতে নিবো।

আমি চলে যাচ্ছি, বিদায়। আমি আর ফিরে আসবো না তোমার জীবনে।

তুমি কিসের জন্য অপেক্ষা করছো? যাও

চলে যাও।

Although you are asked to do so,

Where is your identity

You are my life ...!

Life ...!

Like two shadows in a single path,

Will your memories not last with me ...!

Don't forget my soul ...!

My soul ...!

What if?

Not really that way, but

I'll live in your dreams ...!

Make a living ...!

Without reason, don't hold my breath ...!

Don't try to hide my love ...!

Are you angry with me

Make a living ...!

Make a living ...!

কীর্তি।

দুঃখিত আন্টি, আমি তোর সাথে কিছু কথা বলতে চাই, আয়।

আমি আদিত্যকে ক্ষমা করে দিয়েছি, তুই পারবি না?

তার ব্যাপারে কথা বলিস না।

আচ্ছা, ঠিকাছে ভুলে যা তাকে।

তুই কি এই খুশি এই বিয়ে নিয়ে?

এক মূহুর্তের জন্য চিন্তা কর।

ঐদিন তুই যাহ করেছিলি, আজও তুই তা করছিস।

এই পত্রটি সে আমাকে দেয় নি।

এটা তোর জন্য লিখেছে।

এসব বাদ দিয়ে, এটা পড় এরপর যা ইচ্ছে কর।

এখানে কি করছিস?

আয়।

- আসছি, - সময় হয়ে গেছে।

যেদিন আমি তোমাকে দেখেছি, সেদিন আমি পুনঃরায় জন্মগ্রহণ করেছি।

কারণ তখন থেকে, আমার মনে হতে লাগলো,

তুমি আসার আগে আমার জীবনে বিশেষ কিছু ছিল না।

তুমি আসার পর থেকে, আমার প্রতিদিন প্রতি মূহুর্ত মুগ্ধকর মনে হতে লাগলো।

কিন্তু এখন আমি হাঁটতে চাই তোমার হাত ধরে।

প্রতিদিন প্রতি মূহুর্ত থেকে শেষ অব্দি খুশি রাখার চেষ্টা করবো।

তোমার পেছনে থেকে আমি শক্তির জোগান দিবো,

সামনে থেকে তোমাকে বহন করে সমস্যা থেকে পার করে নিয়ে যাবো।

আমার মায়ের মতো তোমার যত্ন নিবো,

জানি না জীবনে কতটুকু জিততে হবে তোমাকে পাওয়ার জন্য,

কিন্তু তোমার জন্য যেকোনো দূরত্বে যেতে পারবো।

যেকোনো সমুদ্র পাড়ি দিয়ে দিবো,

যেকোনো আকাশে চড়ে যাবো,

কারণ, তুমিই আমার জীবন।

তোমাকে ছাড়া আমি এক মূহুর্ত কল্পনা করতে পারি না।

তুমি হলে আমার জীবন, আর এই জীবন এখন আমার হাতে।

তোমার বড়রা যা ভাল মনে করে, তাই করো।

এখানে কেন ডেকেছো?

শুনো হেমন্ত,

আজ আমার কীর্তির সাথে বিয়ে,

তুই বল...

আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না, হেমন্ত।

আমি খুবই দুঃখিত

ভাল মজা ছিল, প্রস্তুত হও, যাও।

কোনো মজা নয়, হেমন্ত।

সত্যি...

আমি আদিত্যকে ভালোবাসি।

তাকে ছাড়া আমি আর অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারবো না।

অই...আদিত্য?

তুমি তাকে বিশ্বাস করতে চাইছো,

তুমি কিভাবে তাকে বিশ্বাস করো যখন সে বলেছে যে এটা তার প্রেমিক?

কিছুক্ষণের জন্য আমার উপর বিশ্বাস রাখো।

কিন্তু তোমার কাছে এত সময় নেই, তুমি কি জলদি বিশ্বাস করবে, দয়া করে?

তুমি তোমার প্রেমিককে ভালোবাসো না?

না হেমন্ত, সত্যি আমার তার প্রেমিককে ভালবেসেছি।

তারা একে অপরকে ৪ বছর ধরে ভালোবেসেছে।

তুমি সব আগে থেকেই জানতে?

না, আমি সেটা একটু আগেই জেনেছি।

আমি কিছুই বুঝছি না।

কি হচ্ছে? কিভাবে এতদূর গেলো?

কারণ...

এইটা হয়েছিলো।

আচ্ছা, ঠিকাছে।

স্যার, পুরোহিত ডাকছে।

পুরোহিতকে ডাকতে কে বলেছে? যান তো

সে মেনে গেছে, - আচ্ছা?

আচ্ছা, হেমন্ত

- হেমন্ত - হুম।

তাকে এখান থেকে দ্রুত বের হতে হবে,

তার সাথে যদি কেউ একজন যায় ভালো হবে।

তুমি কি পৌঁছে দিবে?

চলো জলদি।

বামে যাও।

আজকে তো ঈদ লাগছে, বলো কোথায় যেতে হবে আমায়?

আদিত্যের বাড়িতে,

তুমি এত ভালো কি করে, হেমন্ত?

তুমি জানো যে তোমার হবু বউ একজনকে ভালোবাসে,

তবুও তুমি তাদের এক করাচ্ছো, খুব ভালো।

তোমার দিক দিয়ে তো তুমি আদিত্যকে হারিয়েছো।

একটু চুপ থাকবে, আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না।

- আচ্ছা, ঠিকাছে। - দয়া করে চুপ থাক।

- হ্যালো! - হ্যালো!

দাশু, আমি কীর্তি

আদিত্য কোথায়? তার সাথে যোগাযোগ করতে পারছি না।

তুমি আদিত্যকে ফোন দিচ্ছো?

হা, কোথায় আদিত্য?

অহ, সে তো আজ গয়াতে চলে যাচ্ছে।

গয়া যাচ্ছে কেন?

গাড়ি ঘুরাও আর স্টেশনে যাও।

এখানে সে আমাকে ছেড়ে , সে সৈকতে যাচ্ছে মজা করতে?

না কীর্তি, সে পাহাড়ে যাচ্ছে।

এখন এত কিছু বলার সময় নেই, আর ঘন্টাখানিক পর ট্রেন ছেড়ে দিবে।

এখন কয়টা বাজে?

এই চলো।

দাদা,

আমাকে একটি ঈয়ালাজারের সিডি দিন তো।

ভেঙ্গে যাওয়া মনের জোড়া লাগানো চৌদ্দটি উপায়,

এটাই আমার জন্য অনেক।

এই বইটিও নিলাম।

তারা কোথায় গেল?

এই নাও।

- ধন্যবাদ, হেমন্ত।

দয়া করে, আপনার বাইকটি দিবেন, আমার খুব দরকার।

নিয়ে যান। - আপনাকে ধন্যবাদ।

তুমি যেখানেই যাবে সে মেয়েকে শুনতে পাবে।

সবকিছুই মায়া, এগুলা পাত্তা দিয়ো না।

আদিত্য!

আদিত্য!

আদিত্য!

যেখানে যাবে, মনে হবে সে তোমার পিছু নিচ্ছে।

এটি একটি মায়া, বিভ্রান্ত হইয়ো না।

আদিত্য!

আচ্ছা।

আমি শুনতে পাবো, আমি তোমাকে ভালোবাসি।

আমি তোমাকে ভালোবাসি।

বাহ, এটি তো খুব ভালো বই ।

আমাদের ভিজেন্দ্র প্রসাদ তো ভালো লিখেন!

তোমার মনকে শান্ত করাও।

মন।

জানালাটা বন্ধ করে দিই।

এখানে একটু খেয়াল রাখবেন, আমি আসছি।

তুমি সত্যিই এসেছো?

তুমি কি পাগল হয়ে গেছো?

ছেড়ে যাওয়া যখন এতই কষ্টকর তাহলে চলে যাচ্ছো কেন?

কেন এসেছো?

আমি তোমাকে ভালোবাসি।

ধুরও। জাহান্নামে যাও।

এই! এই! মাস্টার।

এই! এই! এখানে...

থামো।

থামো, থামো।

শেষ।

ইয়ালাজার সিডিটিও গেল।

আমার বইটিও হারালাম।

আমার ব্যাগটিও হারালাম, আমার জামা-কাপড় সবকিছু।

এ সবকিছু তোমার কারণে হয়েছে।

রাগ করছো? এটা তোমার উপর মানায় না।

তাহলে কি এই কালো রঙ কি গোলাপির সাথে মানাবে?

তুমি স্বাভাবিক নও, তুমি আমাকে আগের মত বানিয়ে দিচ্ছো।

আর আমি তোমাকে দ্বিতীয়বারের মতো সহজেই মেনে নিয়েছি।

উহ! কি বললে তুমি? সহজে...

তুমি যা ভাবছো.. ..

যাইহোক, এবার তোমায় মেনে নিচ্ছি না, সব শেষ।

আমি ভেবে নিয়েছি,

যতক্ষণ না তুমি মানছো, আমি এভাবে থেকে যাবো,

আর যদি তাতেও না হয়, আমি তপস্যা করবো।

লায়লা-মজনুর মতো।

করো সেটা, যদি ভালো লাগে।

দয়া করে।

একজন শিক্ষককে এভাবে ধরে রাখার মানে কি?

আচ্ছা, স্যার।

আমাকে একটা সুযোগ দিবেন?

কিসের সুযোগ?

তোমার মাথা থেকে আমাদের পুরনো সব অতীত মুছিয়ে,

আমরা নতুন করে আবার সব শুরু করি চলো।

ভালোই শিখেছো।

সবকিছুই তোমার থেকে শেখা।

সেটা সঠিকভাবে বলতে পারো, কিন্তু সময়

এখানে অনেক মানুষ রয়েছে, এসব কোনো কিছু করার চেষ্টা করো না।

দাও।

- মেরে ফেলবো - দাও।

মেরে ফেলবো। - মেরে ফেলো।

দিয়ে দিবো।

এখন তাদের ফোন করতে হলো! আজ তারা শেষ।

- হ্যালো! - হ্যালো আদিত্য।

আহ,স্যার।

আপনার কথাই ভাবছিলাম স্যার।

শট ছাড়া তুমি ঐ মেয়ের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছো?

মেয়েটি বলেছিল বলে?

স্যার, বলতে ভালো লাগছে যে, শেষমেশে হ্যাপি এন্ডিং (হাসিখুশি সমাপ্তি) হলো।

খুব ভালো, অভিনন্দন।

ধন্যবাদ স্যার, আমাদের বিয়েতে অবশ্যই আসবেন স্যার।

হা, অবশ্যই আসবো। কারণ এই বিয়েটা খুবই জরুরি।

বাহুবলীর ৩ এর পরিকল্পনা হয়ে গেছে, এখন সেটা তোমার বিয়ের পরই সম্ভব।

স্যার, দয়া করে এটার সাথে ঐটা টানবেন না।

মাত্র আমার ভালবাসা অবতরণ করলো।

এটা আগের মতো এত সময় লাগবে না।

এটা ৩-৪ বছরের মধ্যে শেষ হতে পারে।

স্যার, স্যার, দয়া করে। যদি আমার দুটি বাচ্চা হয়,

তাহলে একটির নাম রাখতে হবে সূচনা, আরেকটির নাম উপসংহার।

- স্যার, এই সময়ের জন্য ছেড়ে দিন। - কিন্তু...

আমার মনে হচ্ছে তুমি সহকারী পরিচালক থেকে প্রমোশন হতে চলেছো।

স্যার, স্যার, স্যার এখানে কোনো নেটওয়ার্ক নেই, হ্যালো!

শুভ কামনা।

ধন্যবাদ স্যার,আচ্ছা স্যার, বিদায়।

এখন ঠিকই শুনা যাচ্ছে।

এগুলা সব সোনা?

হ্যাঁ।

আমি জানতাম না তুমি এত বড়লোক।

আচ্ছা, যৌতুক হিসেবে কত দিবে?

কত চাও?

আমি দুটো বাচ্চা চাই।

যদি তিনটাও হয় সমস্যা নেই, কারণ তুমি বড়লোক।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.