Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদক রাজু তালুকদার
জি, ২০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাব। ডোনারের শারীরিক অবস্থা ভালো।
হ্যালো? হ্যালো?
আবার কাজ করছে না?
পেপারস চেক করেছি। ডোনারটা আত্মহত্যা করেছিল।
আহারে, অল্প বয়সে এমন করলো?
- ঠিক বলেছেন। - ডক্টর ওহ কোথায়? ডক্টর ওহ!
- এইতো আমি। - বাপরে বাপ!
- হ্যালো, স্যার! - কী অবস্থা তাহলে?
অস্ত্রোপচার শুরু করতে হবে।
ওটা কি? জন্মগত দাগ নাকি ট্যাটু?
এটা ট্যাটু।
- চেনা চেনা লাগছে। - আমিও কোথাও দেখেছি।
হয়তো কোনো কমিক বইয়ে?
প্রার্থনা করি। কারো প্রিয়জন...
বা ভালোবাসার মানুষ, ভালোবাসার ফুল ছিটিয়ে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ চলে গেল।
আহ, হাত ব্যথা করছে।
তার শরীর স্টিলের মতো শক্ত। কতগুলো ছুরি ভাঙ্গলাম?
সে কী জিনিস, সুপারহিরো নাকি অন্য কিছু?
- বাপরে, ডরাইছি! - কী হয়েছে? কী হয়েছে?
- ভূত! - ইঁদুর নাকি?
- বেরিয়ে আসুন! - জলদি করুন!
- জলদি বের হোন! - বেরিয়ে আসুন! জলদি!
পানি আনো!
অনুবাদক – রাজু তালুকদার বিএসসি, এমএসসি (উদ্ভিদ বিদ্যা) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।
সাবটাইটেল সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় নক দিন– www.Facebook.Com/tmraju11 Whatsapp: 01739973768
[ NOTE: বিসাবটি দুটো ইসাবের সমন্বয়ে অনুবাদ এবং সিচুয়েশন অনুযায়ী ভাবানুবাদ করা হয়েছে। ]
–^– হাই ফাইভ –^–
- মোটেও অসুস্থ বোধ করো না? - না।
কতবার আর বলব?
সাধারণত, এটা অসম্ভব।
বমি বমি ভাব, লালা ঝরবে, ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেবে।
অন্য কারো হার্ট (হৃদপিণ্ড)...
ট্রান্সপ্লান্টের পর এত দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠলে? বিষয়টা অদ্ভুত তো।
- অসুস্থ না হলেই তো ভালো!? - অবশ্যই ভালো।
সুস্থ হওয়ায় আমিও খুশি,
কিন্তু ভাবছি অন্যকিছু ঘটছে কিনা।
তাহলে, বাড়ি যেতে পারব?
যদি সুস্থ হও, অবশ্যই পারবে।
ওটা কী? ট্যাটু করিয়েছিস?
জানি না। হয়তো অস্ত্রোপচারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
হাসপাতালে কি বন্ধু বানিয়েছিস?
- আমার কোনো বন্ধু নেই! - না চিল্লায়ে ধীরে ধীরে খা।
দেখ? হার্ট রেট ৯০ এর উপরে!
আরে, বাবা।
এত দামি জিনিস কিনবে না। তোমার তো টাকা নেই।
কে বলেছে টাকা নেই?
কিছু কিনতে বা করতে চাইলে, ব্যস আমাকে বলবি।
- কিছু একটা করতে চাই। - বলে ফেল।
- আবার তায়কোয়ান্দো শিখতে চাচ্ছি। - একদমই না।
- যা মন চায় করতে বললে! - না, তায়কোয়ান্দো না!
- এটা বিপদজনক। - ডাক্তার তো বললো দৌড়াতে পারব।
- ডাক্তার কী জানে? বাবা বেশি জানে। - দৌড়াতেই যদি না পারি,
- তাহলে হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট করালে কেন? - কলেজে গিয়ে...
- পাইলেটস ব্যায়াম করবি কেমন। - বাবা!
কীসের বাবা!
তোর যদি কখনো হার্ট অ্যাটাক হয়,
ভাবলেই ভয়ে হাত-পা কাঁপে।
তোর মা...
হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে।
তোর দাদুও হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে।
তোরও কিছু হয়ে গেলে, এই জঘন্য দুনিয়ায় একা বাঁচব কী করে!
অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
অনন্ত অমর, সর্বশক্তিমান সত্তা।
অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন, নতুন দেবতার পুনর্জন্ম ঘটেছে!
অনন্ত অমর, সর্বশক্তিমান সত্তা।
জি, লর্ড জে-লিম।
হ্যাঁ জানি।
মানব অঙ্গ কোনো ব্যাটারি নয়, কিন্তু বাবা ব্যস পাল্টিয়েই যাচ্ছেন।
এবার প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়) ট্রান্সপ্লান্ট।
মনে হয় এবার আর বাবা বাঁচবে না।
যাইহোক,
পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানের আগেই সবকিছু বুঝে পাবেন।
দাম কিন্তু কমাবেন না।
অনন্ত অমর, সর্বশক্তিমান সত্তা!
অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
অনন্ত অমর, সর্বশক্তিমান সত্তা!
অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
খিদে পেয়েছে। মাংস গ্রিল করে আনো।
নতুন দেবতার পুনর্জন্ম ঘটেছে!
আরো শক্তি লাগাও!
চলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করি!
- বাবা। - একদমই না।
- কিছুই তো বললাম না। - তায়কোয়ান্দো করতে পারবি না।
আরে এটা না।
জিমের সময় দৌড়েছিলি, তাই না?
- হার্ট রেট বেড়ে যেতে দেখেছি! - দৌড়াইনি তো।
তাহলে জুতা এমন হলো কীভাবে? আরো একবার!
ধুরো, এটা একদিন আবর্জনার ঝুড়িতে ফেলেই দেব!
শোন। আজ রাতে ওভারটাইম ড্রাইভিং করব।
নতুন একটা জুতা কিনে বাড়ি যা।
বন্ধুদের সাথে পুষ্টিকর খাবার কিনে খাস।
ক্লাস এখানেই শেষ!
- আমার কোনো বন্ধু নেই। - ভদ্রতা ও হিম্মতের সাথে!
তায়কোয়ান্দো! ভালো করেছ!
জং-পিল! দেরি করে আসায় শাস্তি হিসেবে ৫০টা কিক মারবে।
তায়কোয়ান্দো! স্যার! ফোন করতেই নিয়েছিলাম...
আর ১০০ ডলার কম ছিল কেন বলতে চাচ্ছিলাম।
এই, পিচ্চি!
এর চেয়ে ভালো লাথি মারতে পারো না?
তোমার বয়সে ৫৪০ ডিগ্রি কিক মারতে পারতাম।
সরো। তোমার ভালোর জন্যই করছি।
শক্ত হয়ে দাঁড়াবে, টার্গেটে নজর, তারপর লাথি মারবে!
জং-পিল। বলবে তুমি করেছ!?
কী হয়েছে?
বাবা। এই পিচ্চি একদিন পালোয়ান হবে!
তায়কোয়ান্দো!
আরে! ধর ওকে! জলদি!
- স্যরি! - জলদি কর!
- ধরেছি তোকে! - ধরেছি!
- তুই তো স্লো মাল! - মোটেও না!
"বাবা: বন্ধুদের সাথে দৌড়াদৌড়ি করবি না!"
ডক্টর সং বলেছে, চর্বিযুক্ত খাবার অগ্ন্যাশয়ের জন্য ক্ষতিকর।
খাও!
- ছুন-হোয়া। - জি, বাবা।
এতদিন আমার সেবা-যত্ন করা নিশ্চয়ই কঠিন ছিল।
- ক্ষমা করে দিস। - মোটেও না।
অনুসারীদের আশীর্বাদ করার জন্য আপনাকে সুস্থ থাকতে হবে।
সকল সৃষ্টির জন্য বাঁচতে হবে...
মানুষের ব্যাপারে আশ্চর্য্য বিষয় কী জানিস?
কোমায় থাকা অবস্থায়ও রেসপিরেটর চালু রাখলে,
সবকিছু ভালোভাবেই শুনতে পায়।
আমার বাবা যখন কোমায় ছিল,
তাঁর ব্যাপারে নানান মন্দ কথা বলেছিলাম।
ধ্যাত! নিশ্চয়ই সব শুনেছিল।
মানতেই হবে,
আমি পৃথিবীর সবচেয়ে বাজে লোক।
ঠিক যেন কোনো পুরাতন গাড়ির ইঞ্জিন আর যন্ত্রাংশগুলো...
স্পোর্টস কারে পরিবর্তন হয়েছে।
ব্যস নতুন অগ্ন্যাশয়ের কারণে?
তাহলে আমারও করা উচিত।
আমার ধারণা,
ডোনারের শারীরিক গঠন অস্বাভাবিক ছিল।
যেমন ডোনারের সুপারপাওয়ার বা অন্যকিছু ছিল?
[ সুপারপাওয়ারদের সম্পর্কে সবকিছু, সফল স্ক্রিনপ্লে লেখার উপায় ]
তায়কোয়ান্দো করতে না করেছি! ইউনিফর্ম পরেছিস কেন?
আরামদায়ক তাই।
ডাক্তার বলেছে আরামদায়ক পোশাক পরা হার্টের জন্য ভালো।
তবুও! তায়কোয়ান্দো করতে পারবি না!
- দৌড়বি না! ধীরে ধীরে হাঁট! - আচ্ছা, ঠিক আছে!
ব্রো, গত সপ্তাহ থেকে জিমের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছ।
তুমি কি উত্যক্তকারী, নাকি ধর্ষক, নাকি প্রেমে দিওয়ানা?
- তিনটাই জঘন্য অপরাধ! - আমার হাত! আউ!
আমার হাত!
তুমি আসলেই শক্তিশালী।
ভাঙ্গলো কিনা পরীক্ষা করতে হবে!
আরে! মোচড় দিয়ে ধরেছি ব্যস!
মিডল স্কুলের ছাত্রীর এমন কথা বলার ধরণ কেন?
যখন কথা বলতে শিখছিলাম, দাদুর কাছে বড় হয়েছি।
তুমি যে কী করার ক্ষমতা রাখো জানো না, তাই না?
ভেবেছিলাম হয়তো গ্রোথ বেড়েছে। আমার যে সুপারপাওয়ার আছে জানা ছিল না।
- তোমার মা জানে? - আমার মা নেই।
বাবা আছে?
হ্যাঁ, আছে। যদি জানতে পারে,
অজ্ঞান হয়ে যাবে আর ৩ দিন ধরে পাগলের মতো কাঁদবে।
- কোনোভাবেই তাকে বলা যাবে না। - বুঝলাম।
সুপারপাওয়ার গোপন রাখাও একটা নিয়মের মধ্যে।
তুমি কোন সুপারপাওয়ার পেয়েছ, ব্রো?
আমরা যে সুপারপাওয়ারগুলো পেয়েছি তার ডোনার কে?
ছয়টি অঙ্গ দান করা যেতে পারে জানো কি?
- না তো। - হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস,
কর্নিয়া, কিডনি, লিভার, আর অগ্ন্যাশয়।
তার মানে আমরা ছাড়াও আরো ৪ জন আছে।
বাকিদের খুঁজে বের করলে হয়তো...
- এর রহস্য জানা যাবে। - কীভাবে খুঁজে পাব তাদের?
১৭তম ট্রান্সপ্লান্ট গ্রহীতাদের ক্রীড়া উৎসব...
১০ তারিখে সিউল পার্কে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতি ২ বছর অন্তর এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এ বছর ১০০ জনেরও বেশি ট্রান্সপ্লান্ট গ্রহীতা...
অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অ্যাসোসিয়েশনটির চেয়ারম্যান হোয়াং...
[ গোল্ড প্যারাডাইস গেম ল্যান্ড ]
[ ১৭তম ট্রান্সপ্লান্ট গ্রহীতাদের ক্রীড়া উৎসব ]
তারা জোরে দৌড়াচ্ছে! এখন বাটনস বদল করবে!
সাব্বাশ! কর্নিয়া টিম এগিয়ে রয়েছে!
হার্ট টিম! জলদি করো!
লাস্ট পজিশনে আছ!
নাইকি! ইয়েস!
নতুন জুতার দরকার ছিল।
- তাদের খুঁজে পেয়েছ কি? - হ্যাহ?
না, এখানে নেই। এটা নাও।
সারাদিন মোবাইল না দেখে জোরদারভাবে খুঁজছ না কেন?
তোমার কোনো বন্ধু নেই, তাই না?
- বন্ধুবান্ধব লাগবে কেন? - ড্রিংক লাগবে নাকি!
এটা ফ্রী। আমার কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে।
এখন সুস্থ আছি, তাই কৃতজ্ঞতা হিসেবে সবাইকে ফ্রীতে দিচ্ছি।
- এটা হজমের জন্য উপকারী। - থ্যাংক ইউ।
- আর কী কী আছে? - হজমে সমস্যা থাকলে,
এতে রয়েছে প্রিবায়োটিক আর প্রোবায়োটিক।
এটা পেটে...
- ভিটামিন আর সবজির পুষ্টি জোগাবে। - আন্টি, আপনার হাতটা দেখি?
আমার হাত?
কেন, কেন?
অন্য হাতটাও দেখান।
হাত দেখাব কেন?
- আপেল ফ্লেভার আছে কি? - অবশ্যই আছে!
বেশি খেলে, পেট ব্যথা করবে কিন্তু।
তাছাড়া খাবার ও সালাদের ব্যবস্থাও আছে।
ডেলিভারি সাবস্ক্রিপশন সহ সালাদে ৫% ছাড় আছে।
দাঁড়াও দেখাচ্ছি।
আরে, কী করছ?
আমার হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট হবার পর থেকে...
খুব জোরে দৌড়াতে পারি।
দেখলেন? শক্তিশালীও হয়েছি।
এনার ফুসফুস ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে।
দেখাও তাকে।
এটা কী ছিল!
জলদি এসো!
আপনার সুপারপাওয়ার কী, আন্টি?
আমার?
একটাও নেই।
সার্জারির পর কিছুই পরিবর্তন লক্ষ্য করেননি?
জানি না, সবাই বলে আমার ত্বক নাকি মলিন হয়েছে।
আগের চেয়ে সুন্দর হয়েছি।
আমি খুব সুন্দরী শুনতেই কেমন লজ্জা লাগে।
সুন্দর হওয়াই কি আমার সুপারপাওয়ার?
আজকাল সুন্দর হওয়াও সুপারপাওয়ার, তাই না?
- মোটেও না। - না কেন!
হ্যান্ডসাম পুরুষেরা ইয়োগার্ট কিনতে আসে, আর আমার নাম্বার চায়,
বলে আমি তাদের প্রথম প্রেম-কথার মতো।
- বিশ্বাস হয় না। - খাবার উপভোগ করুন৷
আপনারও তো ট্যাটু আছে।
মানে আপনারও সুপারপাওয়ার আছে। কিন্তু এখনো তালাশ করেননি।
সে সুপারপাওয়ারের ব্যাপারে পারদর্শী। সব জানে।
সুপারপাওয়ার ওয়ালারা যখন একজোট হবে,
অজানা, বিশাল এক পাওয়ারের তখন প্রকট ঘটতে পারে।
বাকিদের খুঁজে পেলে আরো জানতে পারব।
তাদের খুঁজে পাব কীভাবে?
পার্ক ওয়ান-সেও। হার্ট (হৃৎপিণ্ড) ট্রান্সপ্লান্ট।
জিনদেওক মিডল স্কুল, গ্রেড ৯, ক্লাস ২।
তায়কোয়ান্দো ক্রীড়াবিদ। ওয়াও! ৫ টা মেডেল জিতেছ?
ভবিষ্যত স্বপ্ন হলো- দো কিউং-সুকে বিয়ে করা।
- BTS দলের নাকি? - EXO দলের।
কিম সিওন-নিও। কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট।
১৯৭৫ সালে জন্ম?
এখনো অবিবাহিত?
দেখতে তো এখনো সুন্দরী আর যুবতী লাগে।
পার্ক জি-সুং। লাং (ফুসফুস) ট্রান্সপ্লান্ট।
- চাকরি করে... - থামো ভাই!
- তুমি কে আসলে? - আমি হোয়াং কি-দং।
সবজান্তা ওরফে পথপ্রদর্শক।
কর্নিয়া ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে।
মিস্টার কি-দং। আমাদের খুঁজে পেলে কীভাবে?
সবারই একটা ট্যাটু আছে, তাই না?
আমি যদি কয়েক মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে আসি...
এটা জ্বলজ্বল করে।
স্রেফ আমিই দেখতে পাই। তাই বুঝাতে পারছি না।
একটু আগে ওটা কী করলে, কারেন্ট বা ওয়াই-ফাই কন্ট্রোল করার মতো?
মানে এটা?
হ্যাঁ?
- আরেকটা বিয়ার দিন, প্লিজ। - অবশ্যই।
তুমি অসাম। আমাদের টিমের লিডার হবে?
- বাকিদের খুঁজে বের করব... - কীসের লিডার?
সামরিক আইন জারি করছ?
সে স্রেফ কয়েক মিটারের মধ্যেই বলতে পারবে। তারা যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
তখনকার মতো হ্যাকিং করলে কেমন হয়?
- সিনেমায় দেখেছি... - হ্যাকিং? এটা কি স্বৈরতন্ত্র?
বেসামরিক নাগরিকদের উপর নজরদারি করতে গিয়ে ধরা পড়লে,
তোমার বিরুদ্ধে গোপনীয়তা, যোগাযোগ আইন,
ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস এবং মানহানির লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হবে।
তুমিই না সবাইকে খুঁজে বের করতে চেয়েছিলে।
বলছিলাম তবে অবৈধ উপায়ে না।
- বিরক্ত বোধ করছ? - না, আমি ব্যস্ত তাই।
কিন্তু তুমি তো চাকরি করো না।
- কে বললো? - তাহলে কী চাকরি করো?
আমি চিত্রনাট্য লিখি।
কী বিষয়ে লেখো?
- হিরোদের গল্প। - দেখাও তাহলে।
- আগামী সপ্তাহে শেষ হবে। - হিরোদের গল্প পছন্দ করো?
তাহলে উরিগিরি চেনো কি?
তাদের কাছে হিরোদের ব্যাপারে অনেক কিছু আছে।
- ওই সাইটটা পছন্দ করো? - হ্যাঁ।
ওই সাইটটা জাপানপন্থী দিয়ে ভরা।
- তুমি কি চরম ডানপন্থী? - তুমি অবশ্যই কমিউনিস্ট হবে।
এমনটাই ভেবেছিলাম। কমিউনিস্টদের সাথে কথা বলি না।
ছোট করে কথা বললে? তোমার জন্ম কত সালে?
- ১৯৮৮। - আমার ১৯৮৭।
- ১৯৮৮ এর শুরুতে। - কোন মাসে?
- এপ্রিলের শুরুতে। - এপ্রিল ১৯৮৮?
- আমি এক বছরের বড়! - আমি এক বছরের ছোট তাতে কী?
এক বছরের ছোট হওয়ায় আমাকে সম্মান করবে!
শান্ত হও তোমরা, প্লিজ!
এক ডোনারের থেকে নতুন জীবন পেয়েছি। আমরা একটা পরিবারের মতো!
ব্রো!
বিল ভাগাভাগি করে নেবে বলেছিলে!
হায় হায়! এসব কী?
এবার আবার কী ধরণের ব্যয়বহুল অনুষ্ঠান করবে...
যেখানে বেচারা রোগা আত্মারা তাদের কী উৎসর্গ করবে?
এখন ব্যয়বহুল বলবেন না। নয়তো অন্য কারো কাছে বিক্রি করব।
জানেনই তো কোরিয়ায় ধর্মপ্রথার প্রসার ঘটছে।
বড্ড বিরক্তিকর...
তোমরা যাও।
অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন, নতুন দেবতার পুনর্জন্ম ঘটেছে!
স্বর্গ ও পৃথিবীর দেবতা, লর্ড জে-লিম।
ফিরে আসায় অভিনন্দন।
আসার জন্য ধন্যবাদ, লর্ড জে-লিম।
অসহায় আত্মাদের বাঁচাতে কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
তোমার কাছ থেকে শিখতে হবে।
শুনেছি আমার থেকে এগুলো হাতিয়ে নিতে এসেছ।
নিশ্চয়ই কানের ব্যথা বেড়েছে।
ভুল শুনেছ।
না, না।
স্পষ্ট শুনতে পেয়েছি।
ফাউন্ডেশনটি হস্তান্তরের জন্য আমার মেয়ে কত টাকা চেয়েছে?
সে ঔষধ কোম্পানিটা বিক্রি করবে না,
কারণ তুমি সেই ব্যবসাটা শুরু করেছিলেন বলে।
খুবই কর্তব্যপরায়ণ মেয়ে।
বাইয়ং-ছুন।
আমার কোনো যোগ্য, কর্তব্যপরায়ণ সন্তান নেই।
আমরা জন্মগতভাবে লোভী।
প্রতি অনুসারীর জন্য ৪৫০$ ডলার চেয়েছে।
পুনর্জাগরণের আগে হস্তান্তর করলে ৫০০$ ডলার দেব।
তোমার কারণে কানে ব্যথা পেয়েছি, মনে আছে?
ভুল করে সেদিন আঘাত করেছিলে।
- ৫৫০$ ডলার! - তোমাকে খুব মেরেছিলাম...
আর তুমি প্যান্টে হেগে দিয়েছিলে।
- সেদিন অনেক ঔষধ বিক্রি করেছিলাম। - থামো, অনেক হয়েছে!
তুই শালা প্যান্টে হাগা মাল যে কিনা ঔষধ বিক্রির হকারি করতি!
মনে করিস তুই দেবতা হয়ে গেছিস?
থাম বলছি! শালা হকার!
আমাকে প্যান্টে হাগা মাল বলবি না!
এটাই সত্য!
জোশ! এইতো হয়েছে!
লাঞ্চ বিরতির আর ৫ মিনিট বাকি!
সময়মতো কাজ শুরু করতে এখনই নিজেদের পজিশনে যাও।
সময়মতো কাজ সবাইকে নিরাপদ রাখবে। সবার হার্ড হ্যাটগুলো পরো প্লিজ।
আর ৩ মিনিট বাকি!
নিয়োগকর্তারা জোর করে ওভারটাইম কাজ করাতে পারবে না।
এটা শ্রম আইনের লঙ্ঘন, জানেন কি?
আইন সম্পর্কে যেহেতু ভালোই জানো,
এখানে কাজ করতে এসেছ কেন?
দয়া করে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সাথে বৈষম্য করবেন না।
মোটেও না। বিরতি আর কাজের সময় সবাইকে মেনে চলতে হবে।
কিন্তু ফাউন্ডেশন নিয়ম মেনে চলে না।
নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাব রয়েছে আর পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানের আরো কাজ বাকি।
কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে, আপনি কি সবাইকে বাঁচাবেন, চিফ?
- নাকি আমাদের ধর্মগুরু তা করবে? - আমাদের নতুন...
পিতামহ প্রভুকে বাজে কথা বলার সাহস করলে কীভাবে!
- কী হয়েছে? - উপর থেকে এটা পড়েছে।
ধুর বাল! ওটাকে এক ডজন বার বদলাতে বলেছি!
হেল্পলাইনে কল করো!
- কখন আসবে তারা? - ছোই কল করেছে।
[ নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিন, এটা আপনাকে বীর ব্যক্তিত্ব করে তুলবে! ]
নিজে দেখেছি! বিশ্বাস করছেন না কেন?
দেখিনি বলে বলছি না।
এটার মেডিকেল পরিভাষা আছে।
- যখন এক্সাইটেড হবেন আর ডোপামিন... - না, না!
এক্সাইটেড না। স্পষ্ট দেখেছি।
জ্ঞান ফেরা মাত্রই মাংস খেতে চাইলেন, যা তিনি খেতে পারবেন না।
হোয়াংকে ধরে ফেলার সাথে সাথেই তার চুল সাদা হয়ে গেল।
আর ওই গাছটা...
- আগে কী যেন বলেছিলেন... - জি?
'ডোনারের শারীরিক গঠন অস্বাভাবিক ছিল', তাই না?
বলেছিলাম এমনটা হতে পারে।
তাহলে তো আরো অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট গ্রহীতা থাকবে, তাই না?
আরেকবার করো!
বাতাসে প্রচুর ধুলো-ময়লা।
- থামব কি এখন? - না, করতে থাকো।
ছুটির দিন। কোথাও যাবে না?
- বন্ধু-বান্ধব নেই? - আমার কোনো বন্ধু নেই।
কেন? তোমার বাবার কারণে?
আসলে, তাও ঠিক।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় কোনো বন্ধু-বান্ধব নেই।
বুঝলাম।
সবাই ভাবে তারাও অসুস্থ হয়ে পড়বে, তাই কেউ বন্ধু হয় না।
সুপার হিউম্যানরা সাধারণত একাকী হয়।
- একটা জিনিস জানো? - না।
- জিজ্ঞেসই তো করলাম না। - কী সেটা?
ভিলেনও আমাদের মতো সুপার হিউম্যান হবে...
আর সে অন্যদের আক্রমণ করবে। কেন জানো?
যাতে সে সব সুপারপাওয়ারের মালিক হতে পারে?
ঠিক! পাওয়ার ছিনিয়ে নেওয়ার আগেই, ভিলেনকে খুঁজে বের করতে হবে!
- আমরা করব? - হ্যাঁ, আমরা।
সুপারপাওয়ার ওয়ালারা সবাই বন্ধু হয়।
যেমন ধনীরা ধনীদের সাথে বন্ধুত্ব করে।
- ব্রো। এটা করো। - কেন?
করেই দেখো।
ব্রো, ভিলেন তোমাকে ধরে ফেললে আমায় ডাকবে।
শালার পুঙ্গি বাজিয়ে পুরো দলকে বাঁচাব!
ওয়ান-সেও!
ভিলেন কে চিনব কীভাবে?
সময় আসলেই জেনে যাব।
আমার মন বলছে,
এই মালটাই হয়তো ভিলেন।
শালা খুবই স্বার্থপর।
আস্ত দুটো মুরগির ডানা গিলেছে!
ওয়ান-সেও! জি-সুং!
পেয়েছি! পেয়েছি!
আমার সুপারপাওয়ার খুঁজে পেয়েছি। এই দেখো।
দেখো, দেখো।
আগডুম বাগডুম ঘোড়ার ডিম!
আমার কি আসলেই কোনো সুপারপাওয়ার নেই?
তাহলে আমার শরীরে ট্যাটু করা কেন?
সুপারপাওয়ার পেতে চান কেন?
হিরোর মতো সুপারপাওয়ারের দমে মানুষকে বাঁচাতে চাই।
সুপারপাওয়ার থাকলেই যে সবাই হিরো হয় তা নয়।
না কেন?
অভিজ্ঞতা, ইতিবাচক মনোভাব, কতজনকে বাঁচিয়েছে,
আর আত্মত্যাগের উপর নির্ভর করে সব।
চাইলেই কেউ হিরো হতে পারে না।
ব্রো, এসব মগজে ঢুকলো না।
মালটা আসবে নাকি না?
নাকি হ্যাক করে বাকিদের খুঁজে পেয়েছে?
জানি না। ওকেই জিজ্ঞেস করো।
বেশি খেলে পেট ব্যথা করবে কিন্তু।
সবসময় এত দেরি করে কেন? কোনো ভদ্রতা জানে না।
মেসেজটা তো দিতে পারতো।
[ সুপারপাওয়ারদের চ্যাট গ্রুপ ] "কেউ বাঁচাও!"
"হোয়াং কি-দং: বাঁচাও আমাকে।"
- মাগির ছোল। - আপনার টাকা ফিরিয়ে দেব।
টাকাটা বিষয় নারে, হাবাচোদা!
একটাতে ১১ বার জ্যাকপট পেলি কীভাবে?
নষ্ট করেছিস! ভরপাই দে!
মেশিনটা নষ্ট করিনি তো।
- টাকা দিয়ে দেব। - অবশ্যই দিবি, মাগিচোদা!
চুটকি বাজাতে দেখেছি, চুটকি বাজাতেই জ্যাকপট জিতিস।
তুই কি পিকাচু? কারেন্ট তৈরি করিস?
আমি পিকাচু নই, ব্রো।
এটা হলো সুপারপাওয়ার।
তাই নাকি, মিস্টার মদনচোদা।
বসকে তোর কথা জানাতে হবে!
চুদে তোর ছাল তুলে ফেলবে।
ঠেলে ঢুকতে হয়।
বলেছিলাম বেশি খেলে পেট ব্যথা করবে, কিন্তু সে পাঁচটা গিলেছে!
কোথায় গেল?
এই, স্কুলের বাচ্চাদের প্রবেশ নিষেধ। এটা পিসি হাউজ না।
এতদিনে হাইস্কুলে পড়তাম। এক বছর ছুটিতে আছি।
হাইস্কুলে পড়ো বা না পড়ো, এখানে ঢোকা নিষেধ।
আর আন্টি, ইয়োগার্ট খাই না, পেট ব্যথা করে।
এখানে বিক্রি করতে আসিনি।
ওকে নিয়ে যেতে এসেছি।
ওকে তো নিয়ে যেতে পারবেন না!
এই খানকির ছেলে দোকানে এসে ঘোটালা করেছে!
বললি তোর কাছে ফোন নেই। যোগাযোগ করলি কেমনে?
শুনছেন।
এখানে টয়লেট পেপার নেই।
ওখানে।
অনেক দূরে।
- তোর বন্ধু নাকি? - না।
মিস্টার! তাকে ছেড়ে দিন।
আমার বাবা একজন তায়কোয়ান্দো মাস্টার।
আমার বাবা মস্ত বড় গুন্ডা, বুঝেছ?
কী বললাম কানে ঢোকেনি?
এই বেহেনচোদ দোকানে এসে ঘোটালা করেছে!
- অনেক লোকসান হয়েছে! - ওকে অবশ্যই ভরপাই দিতে হবে।
আর আমরা বন্ধু নই।
এই মালটার কোনো বন্ধু নেই।
ভালো করে মগজ ধোলাই দিন।
মালটা বড্ড বেহুদা।
পাঁজরের মাংস খেতে গেলাম। মিটমাট হলে চলে এসো।
আর না হলে। ধুরো বাদ দাও।
ওকে যেতে দিন না, প্লিজ?
দাঁড়ান!
আপনাদের ফ্রীতে ড্রিংকস দেব।
ব্রেইন কি হাটুতে নাকি বাল? বললাম না পেটে সমস্যা হয়!
গরুর পাঁজরের মাংস? নাকি শূকরের?
১০ মিনিট আগে তারা ভিতরে ঢুকেছে।
চারজনই এখানেই?
ঠিক ৪ মিনিট ২৮ সেকেন্ড সময় লেগেছে, ব্রো।
আরে বাল!
আরে! ওয়ান-সেও!
উঠে পড়ো!
পোলাপানদের কল দে জলদি!
- এসব কী বাল? - ওই, ওভারটেক কর!
ওরে বাল! কীভাবে সম্ভব?
এখন কী করব?
সামনে বারো!
ওয়ান-সেও!
ডাউনসুউইং!
থাম নইলে সবকটাকে ল্যাংটা করে চুদব!
আমাদের টো ট্রাককে মজাক ভেবেছিস?
দাবড়িয়ে দাবড়িয়ে মারব তোদের!
থাম শালা, পুটকিচোদা!
চশমা খোল চোদনা!
থামো!
আমরা ৪ জন।
[ রিব হাউজ ] - থ্যাংক ইউ।
যেমন খুশি তেমন খাও খারাপ না!
ওর জন্য প্রায় মরতে নিয়েছিলাম, কিন্তু বিল পর্যন্ত পে করলো না?
ভাই, এমন ভাব নিচ্ছ যেন টাকাটা তুমিই দিয়েছ।
- আমি তোমার বন্ধু নই বুঝলে। - ওভাবে বলতে চাইনি।
বন্ধুদের মধ্যে ঝগড়া না করি।
কীসের বন্ধু?
এই বোকাচোদা! তার সাথেই কি চলতে থাকব?
হ্যাক করে যদি বাকিদের খুঁজে বের করতে পারো, তো যাও।
এমন নয় যে পারব না! কিন্তু এটা বেআইনি।
আইনের ব্যাপারে যেহেতু এতই জ্ঞান,
অন্যের কাজ চুরি করলে কেন?
- হ্যাক করে আমার জীবনবৃত্তান্ত জেনেছ? - করেছি তাতে কী?
যেহেতু এত সৎ আচরণ করছ, তাই একবার ঘেটে নিলাম।
বালের লেখক!?
তোমার বিক্রি হওয়া একমাত্র স্ক্রিনপ্লেটা এক বন্ধুর থেকে চুরি করা।
এ কারণেই তোমার কোনো বন্ধু নেই।
ইন্টারনেট জুড়ে তুমি একটা হাসির পাত্র, ঠিক না?
তোমার বিরুদ্ধে অনেকবার মামলাও হয়েছে!
বিস্তারিত না দেখেই খারাপ রিভিউ দিয়ে থাকো।
আর তুমি খুব গরীব!
জানো তোমার স্টক ৯০% কমে গেছে?
তোমার একাউন্টে মাত্র ৮০$ ডলার আছে।
[ ম্রা খা শালা ] - সৎভাবে টাকা কামাতে পরিশ্রম করতে হয়।
মায়ের জন্য কি খারাপ লাগে না,
যে তোমার খরচ মেটানোর জন্য চাকরানীর কাজ করে?
- ব্রো! থামো! - আমি হলে আত্মহত্যা করতাম।
এটা বলতে পারলে কীভাবে!
কিছু কথা আছে যা বলা উচিত না!
আত্মহত্যা করবে কেন?
চলো যাই। তার কথায় কিছু মনে করো না।
কীসের জন্য! সরুন তো!
- আরে! ছাড়ো! - ব্রো, ঝগড়া বন্ধ করো!
- ওয়াদা করেছিলাম সবাই বন্ধু হয়ে থাকব! - তোমার জন্য...
করুণা হয়েছিল বলেই খেলেছিলাম! ভেবেছ আমরা সত্যিসত্যি বন্ধু?
ওই ব্যাটা! এদিকে আয়!
তোমাদের দু'জনের সমস্যাটা কী!
এরকম করলে, আর দেখা করব না!
ফোন ধরছিলি না কেন? কোথায় ছিলি, হ্যাহ?
এটার আবার কী হলো?
কার সাথে ছিলি? বন্ধুদের সাথে?
আমার কোনো বন্ধু নেই।
একা একা কী করছিলি তবে?
- বন্ধুটার নাম্বার বল। - বললাম তো কোনো বন্ধু নেই।
ভেবেছিলাম তোর কিছু হয়েছে...
তাই পুলিশ স্টেশন, হাসপাতাল,
এমনকি মর্গেও খোঁজ নিয়েছি!
অনেক চিন্তা হচ্ছিল!
এখনো সেরে উঠিসনি। বন্ধুদের সাথে দূরে খেলতে যাস না!
ধ্যাত্তেরি!
আমার কোনো বন্ধু নেই।
শোনোনি কী বললাম?
কোনো বন্ধু নেই। সবাই আমাকে ঘৃণা করে!
আমি একটা অপদার্থ!
এভাবে বাঁচার চেয়ে, মরে যাওয়াই ভালো ছিল!
- অলক্ষুণে কথা বলিস না! - বালের জীবন!
তোমার কারণে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে!
মনে হয় তোমার কারণেই দম আটকে মারা যাব।
আমি কোনো কুকুর নই!
কুকুরের কলারের মতো এটা লাগানো কেন?
দম বন্ধ হয়ে আসে যেন মারা যাব, বাবা।
তোমাকে অনেক ঘৃণা করি!
ওয়ান-সেও। ওয়ান-সেও। দাঁড়া!
দৌড়াস না! পড়ে যাবি!
যাওয়ার আগে কিছু পান করে যান।
দয়া করে এসব আনা বন্ধ করুন।
ক্ষমা করবেন।
আপনার কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট ভালোভাবেই হয়েছে নিশ্চয়ই।
দেখে অনেক সুস্থ লাগছে।
ত্বকও সুন্দর হয়েছে।
আপনিও অনেক সুন্দর।
২ জনের জীবন কেড়ে নিয়েছেন। সুস্থ তো থাকবেনই।
ঠিক না?
ক্ষমা করে দিয়েন।
আমার বাকি জীবনটায়,
আপনার স্বামীর জন্য ভালো কিছু করে যাব...
আর অনেক মানুষকে বাঁচাব।
চাই আবার আত্মহত্যা করেন।
এবার ব্যর্থ হবেন না। আশা করি সফল হবেন।
আগুন জ্বালিয়ে আত্মহত্যা করবেন না,
আমার স্বামীর মতো আর কোনো নিরীহ মানুষ যেন না মরে।
আপনি মারা যান এটাই চাই।
চলুন শুরু করি।
কী?
এটা নিয়ে গবেষণা করে নতুন ঔষধ তৈরি করব।
- কী বলতে চাচ্ছেন? - আর মাত্র ৩ বছর পর...
- অবসরে যাবেন, তাই না? - ঠিক ৩ বছর ৪ মাস পর।
অবসর গ্রহণের পর,
নাতিপুতির ডায়াপার বদলাতে চান...
নাকি ঔষধ কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে চান?
জি?
সময় এসেছে...
একজন কোরিয়ান ব্যক্তির চিকিৎসায় নোবেল পুরষ্কার পাবার!?
কিন্তু কীভাবে?
মনে হয় একটা উপায় আছে।
এখান এসেছ কেন?
তাদের সাথে কি আর দেখা করবে না?
আন্টি তো তাই বললো।
কিন্তু তুমি না ভিলেনকে খুঁজে বের করতে চেয়েছিলে।
ভিলেনকে তো পাওয়া গেছে। খুঁজে আর লাভ নেই।
আরে ভাই।
চুটকি বাজানো লোকটা ভিলেন না। সে আসলে একটা চাটুকার।
সে না। আমিই হলাম ভিলেন।
তুমি যখন অসুস্থ হবে, কোনো কিছুর পরোয়া করবে না।
কিন্তু সবাই তোমাকে তখন হেয় প্রতিপন্ন করবে।
আমাকে যারা হেয় প্রতিপন্ন করে তাদের অভিশাপ দেই না।
এটাই নিয়ম, জীবনে হেরে যাওয়া লোকই ভিলেন হয়ে যায়।
কিন্তু তোমার তো সুপারপাওয়ার আছে।
এটা দিয়ে কী-বা করতে পারি?
ওই শালার মতো জোশ সুপারপাওয়ার পেলাম না কেন?
এটা জঘন্য। একদম অকাজের।
- কী হয়েছে তোমার? - এ কারণেই এভাবে বেঁচে আছি।
আমি স্ক্রিপ্ট চুরি করিনি।
একসাথে এটার প্ল্যান করেছিলাম, কিন্তু সে অন্যকিছু লিখবে বলেছিল।
ধুরো বাদ দাও।
ব্রো।
সত্যিই করুণা হয়েছিল বলেই আমার সাথে খেলেছিলে?
কথাটা ফিরিয়ে নিচ্ছি।
সিওন-নিও আন্টিকে আমার হয়ে স্যরি বলো।
নিজেই গিয়ে বলো।
- কোথায়? - লিভার গ্রহীতাকে খুঁজে পেয়েছি।
টিম ৭ চিফ। তারা আমাদের ধর্মসভার সদস্য নয়।
সকল চাহিদা পূরণ করলেও, পুনর্জাগরণের আগে শেষ করতে পারব না।
আমাদের সময় কোনো দড়ি-সরঞ্জাম ছাড়াই ৫০ তলা উপরে উঠতাম।
বড় স্যার বলেছিলেন, নিরাপত্তাই সর্বাগ্রে।
ঠিক। তিনি সবকিছুর তদারকি করেন। অযথা ভয়ের কী আছে?
তাদের আত্মবিশ্বাস নেই বলেই তারা ভয় পাচ্ছে!
- চলো খেতে যাই। - ওয়ার্ড চিফ স্যার।
লাঞ্চ টাইম হতে এখনো ১৫ মিনিট বাকি।
চলো খেতে যাই। আমরা রোবট নই।
একদিনে এটা কীভাবে শেষ করব?
মজা করে লাঞ্চ করো।
আজই শেষ করতে চাইলে, কাউকে তো কাজ করতে হবে।
ধুর বালের মাথা।
আসার সময় আমার জন্য রামেন আনবে কি?
- ঠিক আছে। - থ্যাংকস!
- "কখন আসবেন, মিস্টার?" - আসবে না, আসবে না।
সে দেখলো কিন্তু রিপ্লাই দিল না।
যদি না আসে তাহলে?
কী এক বেহুদা সুপারপাওয়ার ওয়ালা আজব লোক।
স্যরি, আমাকে যেতে হবে।
তোমরাই দেখা করো কেমন।
কেন? আপনার সুপারপাওয়ার খুঁজে পেতে চান না?
স্যরি, ওয়ান-সেও। আমি এখানে থাকার যোগ্য নই।
এমন বলছেন কেন?
সুপারপাওয়ার খুঁজে বের করে একসাথে সুপারহিরো হবো বলেছিলাম।
কি-দং, তুমিও তো দেখেছ, তাই না?
আমার এটার যোগ্য নই।
অতটাও মনোযোগ দেইনি...
তোমার পাওয়ার ভালো কাজে ব্যবহার করো।
হেল্প করায় শুকরিয়া।
আমিও দলত্যাগ করলাম!
ধুরো ছাতামাথা।
আমিও বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছি।
কীসের সুপারহিরো? কীসের জন্য সবাইকে হেল্প করব?
দল ভেঙে দেওয়া হোক! চ্যাট গ্রুপটাও ভেঙে দিও!
তারা বলেছে কিছুই হবে না। ঘাবড়ে যেও না।
কী করছ সবাই? শুনতে পাচ্ছ না?
বের হও! জলদি বের হও!
ওয়ার্ড চিফ স্যার এখানেই থাকতে বলেছেন।
মনে করেছ এখানে মরলে তিনি কোনো দায়ভার নেবেন?!
বের হও জলদি!
দুই লাইনে, দুই লাইনে!
আস্তে সাবধানে!
ওটা কী ছিল?
জলদি বের হও!
- ঠিক পথেই আগাচ্ছি তো? - জানি না, চেষ্টা করছি!
লি সেউং-হুন! লি সেউং-হুন!
এখানে, এখানে!
- লি সেউং-হুন! - প্লিজ আমাকে বাঁচান, চিফ!
এখানে আগেও এসেছিলাম না?
বাঁচান আমাকে!
লি সেউং-হুন!
সেফটি হ্যাট পরো!
আংকেল, সামনে থেকে সরুন!
আন্টি, পিছে থাকুন।
ভিতরে কেউ আছে! কি-দং, দরজাটা খুলো!
- একটু দাঁড়াও! - কি-দং...
- জলদি করো! - খুলব, নাকি না?
খুলো।
তখনকার ব্যবহারের জন্য স্যরি।
এখানে কি সেফটি গগলস নেই? ধোঁয়ার কারণে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
ওই, গানটা বন্ধ করো!
- কি-দং! - আচ্ছা, করতেছি।
- খুঁজে পেয়েছি তাকে! - আমি পথ দেখাব। ভিতরে যাও!
আমি যাব কি না যাব তুমি বলার কে?
বললাম তো আমি পথ দেখাব।
তাহলে তুমি যাচ্ছ না কেন?
পাগল নাকি! ঝগড়া করছ কেন?
দরজা খুলতে বললে, খুললাম।
পথ দেখাতে বললে, দেখালাম। আর কী সেবা দিতে পারি, হুজুর?
বললাম, এটা-ওটা করতে অর্ডার ঝাড়বে না।
তুমিই তো আমাকে অর্ডার ঝাড়ছ! বুঝতে পারছ না?
এটা করো ওটা করো বলবে না!
তুমি অর্ডার ঝাড়ার কে শুনি!
দুই মাথামোটা বোকাচোদা!
যমজের মতো ঝগড়া বন্ধ করো! ব্রোর মতো গান্ডুচোদা!
এখনই ভেতরে যাও!
আমাদের পথ দেখাও।
কী?
বামে যাও! আরেকটু!
ওদিকে না!
খুব ভালো।
সোজা যাও। সে ওখানেই!
লি সেউং-হুন!
- সে কি ঠিক আছে? - এদিকে!
লি সেউং-হুন!
এই! হুঁশে ফেরো, ভাই!
মিস্টার!
- পানি। - পানি?
- জলদি পানি আনো! - পানি!
জলদি করো!
ওহ, না।
পানি! কোথায়?
হা করে দাঁড়িয়ে থেকো না, কিছু করো!
কীভাবে করলেন, আন্টি?
কোনদিকে যাব?
থামো!
কি-দং কোথায়?
কোথায় এসে পড়লাম? ব্যস পানি আনতে বললেন।
এখন আমাকে খুঁজে পাবেন কীভাবে?
এখানে ওয়াটার পিউরিফায়ার, সুপারহিরো পোস্টার, আর...
এনাকে আগে বাইরে নিয়ে যান।
ওয়াটার পিউরিফায়ার আর পোস্টার? জানি সে কোথায় আছে।
একে বাইরে নিয়ে যাও প্লিজ।
আমি পথ দেখাচ্ছি।
চলুন।
আর মাত্র একশো মিটার।
এটা তো নির্মাণাধীন সাইট, কোনো গ্যাস মাস্ক নেই?
- ক্ষমা করবেন। - একটু আগে কিছু ট্যাংক দেখলাম।
কোনো অক্সিজেন ট্যাংকও নেই?
অক্সিজেন ট্যাংক, খেদমতে হাজির!
ওদিকে না।
আমার নাম হো ইয়াক-সেওন। লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে।
আগের থাকা রোগগুলো সবসময় সারিয়ে তুলতে পারি না।
তবে সাধারণ দুর্ঘটনার ফলে সৃষ্ট ভাঙ্গা-মচকা, আঘাত,
কাঁধে ব্যথা, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, যতটা সম্ভব সারিয়ে তুলতে পারি।
প্রয়োজনে আমাকে স্বরণ করিও।
আপনিও রাতে পার্টটাইম গাড়ি চালান? আমার বাবাও চালায়।
তখন দেখলাম লোকটাকে সারিয়ে তুললেন আর আঘাতগুলো সব টেনে নিলেন।
পানি পান করলে, কিছুক্ষণ পর ঠিক হয়ে যাই।
জোশ তো।
আপনিই সত্যিকারের হিরো!
ঠিক না? হাততালি!
মিস। আমার মতে আপনি সত্যিকারের হিরো।
আমার জীবন বাঁচিয়েছেন।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
- কী? - কিরে?
- কী, কী হয়েছে? - বুঝলাম না কী বললে!
কাঁদবেন না, মিস!
তখন বাঘের মতো গর্জন করছিলেন। কান্না আপনাকে শোভা পায় না।
ভয় ধরিয়ে দিচ্ছেন তো!
আসলে, আগে আমি,
বিষণ্ণতা আর রাগ অনিয়ন্ত্রণ ব্যাধিতে ভুগছিলাম।
ট্রান্সপ্লান্টের পর, আমি সুস্থ ও ভালো হয়ে উঠি।
আমি তো ভেবেছিলাম গালি দেওয়াই আপনার সুপারপাওয়ার।
আরে ধুর!
সব ভুলে যাও।
সুপারহিরোদের মতো নিজেদের নাম রাখলে কেমন হয়?
- এমন করব কেন? - হলিউড সিনেমায় দেখেছি,
সকল সুপারহিরোর আলাদা একটা নাম থাকে।
ছেলে হোক বা মেয়ে।
নয়টি জানওয়ালা সুপার ক্যাটের মতো আমি শক্তিশালী আর দ্রুতগামী।
- "নাইন গার্ল" কেমন হবে? - শিওর তো?
ইংরেজিতে এটাই পছন্দ। "নাইন গার্ল"।
তুমি ঠিক অক্সিজেন ট্যাঙ্কের মতো। "ট্যাঙ্ক বয়" কেমন হবে?
আর আপনার, আন্টি?
আমি যেহেতু ইয়োগার্ট ফ্রেশ ম্যানেজার।
তাই ভাবছি "ফ্রেশ গার্ল" ভালো মানাবে।
অদ্ভুত লাগছে না?
ফ্রেশ নামটা কচি মেয়েদের বেলায় ভালো মানায়, তাই না?
যা ইচ্ছা রাখেন। আমি ডাকব না।
- আপনার নাম হো ইয়াক-সেওন। - হ্যাঁ।
"হিল-হ্যান্ড" কেমন হবে? আপনার হাত সবকিছু সারিয়ে তোলে।
যেহেতু কি-দং নামের অর্থ পথপ্রদর্শক।
"ব্লুটুথ ম্যান"! ওয়াই-ফাই সহ...
- সবকিছু কন্ট্রোল করে। - ভালো মানিয়েছে!
আরে, নাইন গার্ল।
লেখাপড়ায় কাঁচা তাই স্কুলে যাও না, তাই না?
বাবা ব্যস সুস্থ থাকতে বলেছে।
দাঁড়াও। আমার মনে একটা নাম এসেছে।
যেহেতু মানুষকে সারিয়ে তুলি আর শক্তি জোগাতে পারি,
"ব্যাটারি ম্যান"।
যেহেতু বাকি সবার নাম ইংরেজিতে...
ঠিক! জোশ হয়েছে! ব্যাটারি ম্যান!
এখন যেহেতু আমাদের সকলের নতুন সুপারহিরো নাম আছে।
ব্লুস ম্যান! এই মুহূর্তের মানানসই গান বাজাও!
পুরাই মাখন! মিস্টার, একটা ম্যাজিক দেখুন।
ব্যস দেখতে থাকুন।
অ্যাকশন!
অসাম!
- আরেকবার! - থামো তো!
[ ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা তাইকোয়ান্দো অলিম্পিক দলের সদস্য ]
কোথায় গিয়েছিলি?
বন্ধুদের সাথে দেখা করতে।
- কোনো বন্ধু নেই বলেছিলি। - কিছু বন্ধু বানিয়েছি।
- হেল্প লাগবে কি? - তুই তেমন শক্তি পাস না।
ব্যথা পাবি। সর!
দেখলি? বাবা এখনো পাওয়ারফুল, তাই না?
- অতটাও খারাপ না। - যেহেতু এখনো পাওয়ারফুল,
কখনো কোনো হেল্প লাগলে ব্যস আমায় ডাকবি।
- বাবা। - এমনকি যখন তুই দাদিমা হবি,
ব্যস "বাবা" বলে চিল্লাবি!
বাবা হিরোর মতো এন্ট্রি মারবে!
ঠান্ডা লাগা হার্টের জন্য ক্ষতিকর।
কাল ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে। ঘুমাতে যা।
আমাদের "নিউ গড হসপিটাল" রোগীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে।
আমাদের সকল চিকিৎসা কর্মীরা সেরাটা দিতে বদ্ধপরিকর।
স্যরি। পরের লিফট ব্যবহার করুন।
ক্ষমা করবেন।
[ নিউ গড ফাউন্ডেশন ]
সদস্যদের চড়তে দাও।
তুমি কোন বিভাগের?
মহান অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
আমি মঞ্চ সরঞ্জাম টিম ৭ এর চিফ- হো ইয়াক-সেওন।
- পরিচিত হয়ে ধন্য হলাম! - সম্প্রতি বিস্ফোরণের ঘটনায়...
নিশ্চয়ই ভয়ে আছ। গুরুতর কোনো আঘাত পেয়েছ?
তেমন কিছু হয়নি, স্যার। থ্যাংক ইউ।
তোমার বিশ্বাসকে ধন্যবাদ জানাও।
জি, স্যার। আরো বিশ্বাস আনার চেষ্টা করব।
অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন, নতুন দেবতার পুনর্জন্ম ঘটেছে।
- তোমারও ট্যাটু আছে? - আমি ভাগ্যবান যে...
সম্প্রতি আমার একটা সফল ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে, আর...
কী ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে?
- লিভার ট্রান্সপ্লান্ট, স্যার। - সার্জারির পর থেকে কি...
কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেছ?
আগের চেয়ে স্বাস্থ্যবান হয়েছি, ক্লান্তি কম লাগে, আর...
এসব না। অস্বাভাবিক কিছু?
আসলে...
শিওর জানি না, তবে সবাই বলে আরো যুবক হয়ে গেছি।
নওজোয়ান থাকতে লিভার সবচেয়ে কাজে লাগে।
নামটা কী যেন বললে?
হো ইয়াক-সেওন, স্যার।
হো ইয়াক-সেওন, টিম ৭ চিফ।
নিজের খেয়াল রেখো।
আবার দেখা হবে।
[ নার্সিং সম্পর্কে জ্ঞান ] - আপনার পরিবারের কেউ কি...
- নার্স হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে? - না, শেখার জন্য আমিই পড়ছি।
বাহ, খুব ভালো।
ক্ষমা করবেন। লোকেশন চেঞ্জ করেছে।
এখানে দেখা করবে কেন?
- গাড়ি ঘুড়াব কি? - ক্ষমা করবেন।
আচ্ছা...
নিউ গড ফার্মাসিউটিক্যালটা কোথায়?
এই কোম্পানির পাশেই কাজ করি। রাস্তাটা বরাবর চিনি।
বাঁচা গেল। আমাকে নিয়ে চলুন প্লিজ।
- জি অবশ্যই। - আমার কাছে গাম আছে।
গাম?
শুরু করছেন না কেন?
আহ, আসলে...
প্রথমে বায়োপসি করতে হবে।
মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে অ্যানেস্থেসিয়া কাজ করবে না।
আর্চ পুরোহিত?
বাঁচা গেল। আমি টিম ৭ চিফ, হো ইয়াক-সেওন।
আর্চ পুরোহিত? আমি কোথায়? বাসায় যাব।
দাঁড়ান!
নার্সিং বইয়ের সব বিষয়গুলি এক খণ্ডে শেষ করেছি।
- কোথায় গেল এটা? - অ্যানেস্থেসিয়াকে গুল্লি মারো। কাটুন তাকে।
আর্চ পুরোহিত! বাঁচান!
আর্চ পুরোহিত! আর্চ পুরোহিত!
চুপ কর ব্যাডা!
আর্চ পুরোহিত...
অন্যভাবে তাকে অজ্ঞান করুন।
- থেমে গেলেন কেন? - জি?
- কার অপেক্ষায় আছেন? - আমার অপেক্ষায় নিশ্চয়ই।
অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন, নতুন দেবতার পুনর্জন্ম ঘটেছে!
যা প্ল্যান করেছ সত্যিই মজার।
আবার দেখা হয়ে গেল, হো ইয়াক-সেওন।
কিচ্ছু হবে না। তোমার সাথে এটা কে করেছে?
- ডক্টর সং! - জি, নতুন প্রভু।
একটুখানি ছেড়ে দিলে, লিভারটা আবার বেড়ে উঠবে, তাই না?
জি, স্যার।
আমি অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
নিজেকে সপে দিয়ে অমর হও...
আর আমাতে অনন্তকাল বেঁচে থাকো।
ডক্টর কিম। বাঁধো একে!
- ক্ষমা করবেন! - মনে হচ্ছে একই প্রজাতির সাথে...
এটা কাজ করে না।
ট্রান্সপ্লান্ট শুরু করো তাহলে।
- চিফ ছো। - জি, ম্যাডাম।
খেলা শুরু করো।
সবকটাকে পাকড়াও করো।
শুকরিয়া! আস্তে আস্তে!
এই যে, মিস! এদিকে আসুন!
হ্যাঁ, আসতেছি!
শুকরিয়া, বাবা।
- ভালো কিছু আছে? - জি, অবশ্যই আছে!
প্রিবায়োটিক জুস আছে আর...
সোনামণি! কী ব্যাপার? কী হয়েছে?
- ঠিক আছিস? - ওই, মেয়েটাকে ধরে আন।
- ছোট্ট একটা মেয়ের জন্য এত কিছু? - তোমরা কারা বাল?
- আমাদের সাথে চলো। - কোথায়?
- বেশি সময় লাগবে না। - মামণি! ওখানে গিয়ে দাঁড়া!
আরো দূরে যা!
আউ, আমার কোমর! ওয়ার্ম-আপ করিনি তাই!
বিরতি, বিরতি, বিরতি!
যা বে।
- সাব্বাস! - সবাই একলগে যা! জলদি!
ঠেলে ধর একে!
ওই ব্যাটা, ৫৪০ ডিগ্রি লাথি খেয়েছিস কখনো?
হ্যালো, মা। সব কিমচি খেয়েছি। খালি ক্যানটা পাঠিয়ে দেব।
বিপদে জোরে 'বাবা' বলে চিল্লাতে বলেছিলাম!
- পানি দে। - পানি?
ওখানে ব্যাগে।
বাঁচাও!
যেমনটা আগেও বলেছি, ভুল কাউকে ধরে এনেছেন, মশাই।
আমাকে যেতে দিন...
- ছেড়ে দিন! - বাবা কি আপনাকে...
কোনো পদ দেবার কথা দিয়েছে?
আমার কোনো পদ লাগবে না। কয়েকটা নোবেল পুরস্কার পেলেই চলবে।
শুনুন। ভুল পথে আগাচ্ছেন।
বুড়োটার যুবক হওয়ার ভূত চেপেছে।
আপনার মতে কে বেশিদিন বাঁচবে?
নিজেই দেখবেন।
কে তুমি?
কোথায় ছিলে এতক্ষণ?
হারামজাদা, কে তুমি?
দিনদুপুরে মালটাল খেয়েছিস? নিজের বাপকে চিনতে পারছিস না?
ছোটবেলায় অনেক হ্যান্ডসাম ছিলাম, বলেছিলাম না?
ধ্যাত্তেরি...
স্বাগতম! আমার সাথে আসুন প্লিজ!
এদিক দিয়ে আসুন।
- সিঁড়িতে সাবধানে উঠুন। - এদিকে আমার সাথে আসুন!
এদিক দিয়ে আসুন প্লিজ।
নতুন সদস্যরা, এদিক দিয়ে!
কোথায় ওরা? গরীবের সুপার হিরোরা।
- জানি না। - দেবতা হতে সবকটাকে লাগবে।
একটুও ভয় করে না আপনার?
ঈশ্বর আপনাকে এর জন্য কঠিন শাস্তি দেবেন।
- ইদানিং চার্চে যাচ্ছ নাকি? - বাবা!
দেবতা হওয়ার চেষ্টা করছি কারণ জানি এই পাপের কোনো ক্ষমা নেই।
সে দেখি চালু মাল, নাকের ডগার নিচে লুকিয়ে রেখেছে।
চিফ ছো, অনেকদিন পর দেখা।
- কেরে তুই? - চিনেও না চেনার ভান করছ!
না, চিনি না।
আরামসে। একে সম্মানের সাথে বের করে দাও।
ধুর শাউয়া।
আউ! ব্যথা!
"তোমরা কোথায়!"
কী হলো? তুমি খুলেছ?
একসাথেই তো এলাম, স্যার।
খুলে দে আমাকে!
ওই, পার্ক জি-সুং! পার্ক জি-সুং!
ওরে শাওয়ার পুত! আন্টি! বাঁচান! আন্টি! বাঁচান!
ধুর বাড়া!
"কি-দং: বাঁচাও!"
"আমাদের আটকে রাখা হয়েছে!"
"ঠিকানা দাও?"
"ম্যাপ ধরো এসো।"
চোখ না! চোখ না!
চোখ দেব না!
না! বদলে আমার ধোনটা নে!
বাচ্চার মতো কাঁদছে।
কর্নিয়া ট্রান্সপ্লান্ট বেশ সহজ, তাই না?
- জি, স্যার। - দেব না! চোখ দেব না!
চোখ দেব না!
সবগুলো ট্রান্সপ্লান্ট একসাথে করা যাবে না কেন?
- আরো একজনকে লাগবে, স্যার। - আমি অনেক মালওয়ালা!
- একে একে করাই ভালো হবে। - টাকার বন্যা বইয়ে দেব তোদের!
কত মালকড়ি লাগবে বল, চোদনারা!
অ্যানেস্থেসিয়া কাজ করবে, তাই না? বেশি গলা ফাটাচ্ছে ব্যাটায়।
এতে বেশি ব্যথা করবে নাকি?
- যাবি না। - কেন?
- যাইহোক না কেন, যাবি না। - যেতেই হবে।
যাবি না! বললাম তো না!
তলে তলে কী করছিস ভেবেছিস বাবা জানবে না?
- কবে থেকে জানো? - বাবা-মা...
ছোট্ট বাচ্চা পাদ মারলেও...
সবার আগে জানতে পারে।
তিনটা বছর হাসপাতালে ছিলি, বন্ধুদের সাথে দেখা করতে পারিসনি।
সুস্থ হবার পর, কিছু বন্ধু বানিয়েছিস।
কিন্তু এই বন্ধুদের দ্বারাই হয়তো...
স্কুলে উত্যক্তের স্বীকার হতি!
তোকে নতুন জুতা কিনে দেই,
কিন্তু ছেঁড়া-ফাটা জুতা নিয়ে ফিরে আসিস।
আমার নিষ্পাপ কমজোর মেয়েটা!
এ কারণেই তাহলে তায়কোয়ান্দো শিখতে চেয়েছিলি?
মার খাওয়া থেকে বাঁচতে? উত্যক্তকারীদের মজা চাখাতে?
আত্মরক্ষায় শিখতে চেয়েছিলি, কিন্তু আমিই না করেছিলাম।
- বাবা। - না করেছি কারণ...
- আসলে... - যদি আবার অসুস্থ হয়ে পড়িস?
গুন্ডারা আমার বন্ধুদের জিম্মি করে রেখেছে।
তোর কিছু হলে বাঁচব কীভাবে।
আমরা পরিবারের মতো। তাদের বাঁচাতে যেতে হবে।
না! যাবি না!
বাবার পিছনে লুকিয়ে থাকবি। শালাদের মজা চাখাব!
স্যুট পরা গুন্ডাদের কীভাবে পুঙ্গি বাজালাম দেখেছিস তো।
বয়স কেবল সংখ্যা মাত্র।
গানটা পাল্টালাম বাবা।
এই গানটা শুনলে এখনো রক্ত গরম হয়ে উঠে।
এটা শোনার পর বার্সেলোনায় গোল্ড জিতেছিলাম।
তোর বাবার ডাকনাম কী?
- তায়কোয়ান্দো ভি! - তায়কোয়ান্দো ভি!
মারাত্মক গোলহাউস কিক মেরে জিতেছিলাম!
কী হয়েছে?
আরে। এখন হুঁশে ফিরলে!
আমরা কোথায়, আন্টি?
মনে হয় কিডন্যাপ হয়েছি।
চলো আগে বের হই।
- বাথরুমটা কোথায়? - না। ওদিকে না।
ঠিক আছেন, স্যার?
আরে, পুরাই জোশ।
নিজের চোখে কখনো ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দেখেছ?
এক চোখের কারণে ফোকাস এদিক-ওদিক চলে যাচ্ছে।
ক্ষমা করবেন, স্যার। হুট করে জেগে উঠে আক্রমণ করেছিল।
ওর এখনো একটা কর্নিয়া আছে ভাবতেই টেনশন হচ্ছে।
মালটা সব দেখতে আর করতে পারবে।
সার্জারির সময় ক্ষতি হয়েছে।
ঠিক হওয়া অসম্ভব, স্যার।
- কে রে? - আরে আমি।
- ব্যাটারি ম্যান। - মিস্টার! প্লিজ আমাকে সারিয়ে তুলুন।
আপনি তো মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারেন!
ব্যাটারির খেল খতম।
পানি পান করলে, ঠিক হয়ে উঠবেন। প্লিজ আমাকে বাঁচান।
আগেরবার আমিই পানি এনে দিয়েছিলাম!
খুব ভয় লাগছে বাল।
আবার অন্ধ হতে চাই না!
অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন, নতুন দেবতার পুনর্জন্ম ঘটেছে!
এখানে আগত সকল ভক্তগণ আর নতুন বিশ্বাসী অনুসারীদের স্বাগতম!
তিনি যেমনটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন!
নরকের আগুন থেকে আমাদেরকে রক্ষা করতে,
আর অবিশ্বাসীদের কঠিন শাস্তি দিতে...
নতুন এক শরীরে ফিরে আসবেন। ঈশ্বরের পুণর্জন্ম হয়েছে।
রাজাদের রাজা, দেবতাদের দেবতা!
স্বাগতম জানান নতুন প্রভু, সিও ইয়ং-ছুনকে!
- মাথা নত করুন! - সবাই একসাথে চিল্লায়ে বলি।
- নতুন প্রভু! - হে বিশ্ববিধাতা!
হে সর্বশক্তিমান!
- ওটা কে? - জানি না।
আমি অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
অনন্ত অমর, সর্বশক্তিমান সত্তা।
যেমনটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, নতুন এক তরুণ শরীরে ফিরে এসেছি।
যারা আমার বিশ্বাসী হবে আর পূজা করবে, তারা আমার অনুসারী হবে!
আমি অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
পাথরের চেয়েও সর্বশক্তিমান!
যেমনটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, অপ্রতিরোধ্য পাথর ভেঙে শক্তি দেখালাম।
যারা আমার বিশ্বাসী হবে আর পূজা করবে...
তারা আমার অনুসারী হবে!
কী?
এসব কী হচ্ছে?
শুকরিয়া! শুকরিয়া, প্রভু!
হে বিশ্ববিধাতা!
হে মহান প্রভু!
আমি অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
সকল সৃষ্টির আরোগ্যকর্তা!
অসুস্থকে সারিয়ে তুলব আর মৃতকে জীবিত করব!
হাটতে পারতেছি!
হে প্রভু! শুকরিয়া!
স্বাগতম, নতুন প্রভু!
যারা আমার বিশ্বাসী ভক্ত!
তারাই আমার অনুসারী হবে!
হে বিশ্ববিধাতা!
ঈশ্বরের পুণর্জন্ম ঘটেছে!
এত ঢোকার পথ কেন?
কোনো সেলিব্রিটি আসছে নাকি?
মাগো মা, ডরাইছি!
চমকে উঠেছি।
দৌড়াতে মানা করেছি না!
বাপরে বাপ!
আমি অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
অবিনশ্বর স্রষ্টা হয়ে ফিরে এসেছি!
সমস্ত শক্তি দিয়ে প্রশংসা করো!
- তুমিই তাহলে ওয়ান-সেও? - আপনি কে, ওপ্পা?
তুমি তো বেশ সুন্দরী।
মিস্টার পার্ক জং-মিন! ও মাই গড, বার্সেলোনার হিরো!
আমিও তখন খতরনাক ফাইটার ছিলাম।
পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো।
ধুর শাউয়া।
অনেক হয়েছে!
মেয়েকে কি আদব-কায়দা কিছুই শেখাওনি, হ্যাহ?
- ছোট মানুষ হয়ে বড়দের লাথি মারে? - স্যরি।
কিন্তু আমার উপর চিল্লাচ্ছ কেন?
বুঝেছি এবার! তুমিই তাহলে উত্যক্তকারী, তাই না!
বাপের বয়সী লোকের উপর চিল্লানোর সাহস হলো কীভাবে!
বেয়াদব ভাদাইম্মা! তোমার কি বাবা নেই?
মরে ভূত হয়ে গেছে।
আমার বাবা ১৯০৫ সালে জন্মগ্রহণ করেছিল।
আপনিই কি আমার বন্ধুদের ধরে এনেছেন?
ধুর বাল।
- আসলে, আমার মেয়ে এটা করেছে। - মেয়ে?
ও ধর্ম পরিবর্তন করেছে কিন্তু কোনো কাজের না।
অনেক হয়েছে পরিচয় বিনিময়। মোদ্দা কথায় আসা যাক।
ওয়ান-সেও।
- তোমার হার্টটা আমার লাগবে। - হমুন্দির পুত পাগল নাকি!
নাইন গার্ল!
নাইন গার্ল! ঠিক আছ?
তোমাদের বের করতেই যাচ্ছিলাম।
যাইহোক, বেরুলে কীভাবে?
আপনি কি ওয়ান-সেও এর বাবা? হ্যালো।
হ্যাঁ, শেষ বিদায় জানাও।
আমার নাম ফ্রেশ গার্ল।
- এ হলো ট্যাংক বয়। - ওই...
- নিশ্চয়ই ওকে নিয়ে গর্ব করেন। - হ্যাঁ, করি।
ও অনেক নিষ্পাপ আর কমজোর, খুব টেনশন হয়।
ট্যাংক গার্ল, আপনার কয় ছেলেমেয়ে?
- আমি হলাম ফ্রেশ গার্ল। - ওহ স্যরি।
মিস কিম সিওন-নিও!
- আমাকেও তো কিছু বলতে দাও? - তুমি কে?
আমি অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন, নতুন দেবতার পুনর্জন্ম...!
ব্রো! ওই ওপ্পাই হলো ভিলেন। তারও একটা ট্যাটু আছে।
তাকে ওপ্পা ডাকছ আর আমাকে ব্রো কেন?
সে অনেক হ্যান্ডসাম।
তুমিও দেখতে ভালো তবে স্টাইলিশ হতে হবে।
কথার মাঝে আঙুল ঢুকানোর সাহস হলো কীভাবে?
কী?
কি-দং আর মিস্টার ইয়াক-সেওন কোথায়?
পুতে ফেলেছি ওদের।
- শালা পুঁচকে মাদারবোর্ড! - আন্টি, দাঁড়ান।
সে মরেনি, তাই না?
ওহ, না!
- ঠিক আছ? - আরে! ছাড়ুন!
জলদি! সে আসতেছে!
পার্ক জি-সুং।
ফুসফুস ট্রান্সপ্ল্যান্ট। তোমার পাওয়ার কী?
চিন টপাক ডুম ডুম!
মরে গেল নাকি?
মাত্রই কী বললে?
ফিনিশিং মুভ ব্যবহার করার আগে কিছু তো বলা লাগে।
ধ্যাত! জায়গাটা খুব নোংরা।
চিন টপাক ডুম ডুম কী?
এর মানে কী?
মাগো মা!
পিছু হটো।
- চিন টপাক... - ভু..!
আচ্ছা। কিম সিওন-নিও এর ট্যাটু এখানে।
সহজ একটা উপায় আছে!
তুমি আমার পাশে থাকলেই হবে, কঠিন উপায়ে যেতে হবে না।
ব্যস একবার হেল্প করো।
জানি তোমার কাছে এটা মামুলি ব্যাপার।
না! কাছে আসবে না, ভাগো।
ব্যস তাদের পাওয়ারগুলো আমার হাতে তুলে দাও।
কোনো রক্তারক্তি হবে না।
তোমাকে একটা ইয়োগার্ট কোম্পানি কিনে দেব কেমন?
আমার চোখ ফিরিয়ে দে!
শালার ডক্টর সং। জানতাম পস্তাতে হবে...
আমি অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
নিজেকে সপে দিয়ে অমর হও আর অনন্তকাল বেঁচে থাকো।
এসব করছ কেন?
জীবনে দুটো জিনিস চেয়েছিলাম।
একটা হলো তারুণ্য।
আরেকটা কী জিজ্ঞেস করো যাতে বলতে পারি!
- আরেকটা হলো... - 'তুমি ঈশ্বর হতে চাও', তাই না?
'দুনিয়ার এমন ঈশ্বরের প্রয়োজন যাকে দেখা যাবে'!?
'তুমি মানবজাতিকে বাঁচাতে এসছ'?
এটাই তোমার বাকোয়াস গপ্প, তাই না?
ধর্মীয় বিষয়ে বেশিই পড়েছ।
আজকের দিনে এমন ডায়লগ বললে সবাই পাগল বলবে!
তোমার কমেডি যে কাউকে রাগিয়ে তুলবে।
- অনলাইনে সে কুখ্যাত হাসির পাত্র। - চুপ করো।
- হে নতুন প্রভু! - বলো, হো ইয়াক-সেওন?
সবই কি তবে ভুয়া ছিল?
আমাদের যা কিছু দেখিয়েছেন সবই কি ভুয়া ছিল?
পুরো পরিবারকে ছেড়ে...
দিনরাত পরিশ্রম করে যা কামিয়েছি সব বিলিয়ে দিয়েছি!
জীবনটাও সপে দিয়েছি!
তাহলে কি বোকা বানিয়েছেন আর বেহুদাই সব করিয়েছেন?
হুমম।
সত্যিকারের ঈশ্বরকে যদি দেখতে চাও, আমার নামে জীবনকে উৎসর্গ করো।
আমার চোখ ফিরিয়ে দে, শালির ছোল!
ছুঁড়ে মারলে কেন? কেন?
সে আসতেছে!
সে ভাসছে!
চুলগুলো কালার করব কি?
কবুল করছি নতুন প্রভুকে সব উৎসর্গ করব।
আমাদের দেহ, পরিবার, সম্পদ, সবকিছু!
তবেই নরকের আগুন হতে মুক্তি পাব!
[ ফিউচার সাইন্স এক্সিবিশন ]
[ দূরত্ব বজায় রেখে দেখুন ]
হে নতুন প্রভু! হে বিশ্ববিধাতা!
নতুন প্রভুর জন্য জীবনটাও দিতে রাজি!
- এটা হতে পারে না! - কী হয়েছে?
এটা বন্ধ হলে, জ্বালানি ট্যাঙ্কে আগুন ধরে যাবে আর সবাই মারা পড়ব!
আরে দাঁড়ান! দাঁড়ান!
নিঃস্বাস নিতে দিন।
ফু...
উপরে থাকা সবাইকে কি মেরে ফেলবেন?
বিশ্বাসী অনুসারী সবাইকে মেরে ফেলবেন?
নতুন বিশ্বাসী অনুসারী আবার বানাব।
আমি হলাম মৃত্যুর দেবতা।
এসবের জন্য তুমিই দায়ী।
আমি অনন্ত ঋতুপতি ইয়ং-ছুন!
নিজেকে সপে দিয়ে অমর হও আর অনন্তকাল বেঁচে থাকো।
কিম সিওন-নিও! জলদি দাও!
নইলে সবাই মরবে।
চোখ খোলো!
পার্ক ওয়ান-সেও!
মর, শালা লেউড়াচোদা!
না!
না!
নাইন গার্ল!
দেখতে পেলাম আমাদের প্রভু নতুন এক শরীরে ফিরে এসেছেন।
এখনই কবুল করুন...
এটা বন্ধ করব কীভাবে?
জানি না।
তাহলে কী করব এখন?
তড়িৎ পরিবাহী দিয়ে এটাকে ছড়িয়ে দিতে হবে,
কিন্তু আমি তো ইঞ্জিনিয়ার নই।
ক্ষমা করে দিও।
সবগুলো পাওয়ার আমাকে দিন।
কী করবে তুমি?
জানি না, কিছু একটা করতেই হবে!
ওই!
সফল হলে, তোমাকে গুরু মানব।
সফল হলে, তোমাকে ভাই মানব!
- ইয়েস! - ওই,
কাজ শেষ হলে আমার ট্যাটু ফিরিয়ে দাও!
এখন থেকে আমি বড় ভাই!
হায় ঈশ্বর।
- ওই, হাতটা ধরো। - দাঁড়াও।
- জলদি হাতটা দাও। - হাত ধরো।
ধরে ফেলেছি!
জিততে চাও কেন তোমরা?
আরে মূর্খরা আমার আদেশ মানো আর যা চাই দিয়ে দাও!
- থামো! - নাইন গার্ল!
ছাড়ো!
এটা ছুটতেছে না!
বাবা!
সোনাময়না আমার!
মামণি! মলিন লাগছে কেন তোকে?
পড়ে গিয়েছিলি? কেউ মেরেছে তোকে?
আমার নিষ্পাপ মেয়েটাকে কে মেরেছে?
বাবা সত্যি স্যরি!
বাবা জলদি আসতে পারেনি। ক্ষমা করে দিস।
ঠিক আছিস, মামণি? বাবা সত্যি স্যরি।
কিছু হয়নি তো তোর?
নীল চোখা বান্দির পোলা!
হো ইয়াক-সেওন।
ধর্মীয় গুরু হতে চাও কি?
আমি একজন নার্স হবো।
গোয়া ম্রা সারা।
গাড়ি আনতে গেলাম। অপেক্ষা করো।
আয় হায়!
ইয়োগার্টগুলো নিশ্চয়ই নষ্ট হয়ে গেছে!
রাতে ডেলিভারি করার কথা ছিল,
অনেকগুলো ডায়েট ফুড আর ইয়োগার্ট অর্ডার করেছি।
পার্কিং লট এদিকে? না ওদিকে?
- ব্লুস ম্যান। - ব্লুটুথ ম্যান!
আরে, একই হলো।
বসে বসে একটা গান শুনাবে কি?
কী গান শুনতে চান? আচ্ছা, বাজাচ্ছি।
আরে, বাজাও তো।
বাজাব না...
কোনটা বাজাবে বলিনি তো।
- ব্যাটারি ম্যান। - হ্যাঁ?
এটা ঠিক করে দিতে পারবেন কি?
যাবার পথে জল পান করে ঠিক করে দেব।
চাবিটা কোথায় ফেলে গেলাম?
পেয়েছি। ঠিক আছে।
গাড়ি আসতে আসতে একটা নামকরণ করলে কেমন হয়?
নাম তো দেওয়াই হয়েছে।
ওটা তো সবার নাম। আমাদের দলের কোনো নাম নেই।
বিদেশী মুভিতে, সুপারহিরোদের দলের একটা নাম থাকে।
আন্টি, আপনি করেন।
- ইংরেজিতে নাকি কোরিয়ান ভাষায়? - যা মন চায় করেন।
আসলে, নামকরণে আমি মাহির।
না, আমি নামকরণ করব।
অনেক কষ্ট করেছেন। এখন আরাম করুন, ব্যাটারি ম্যান।
অভ্যর্থনার মতো সুন্দর, মার্জিত নাম হলে কেমন হয়?
হঠাৎ একটা নাম মনেতে এলো...
আমরা যেহেতু পাঁচজন! ইংরেজিতে পাঁচজনের অভ্যর্থনাকে কী বলে?
জানি কী বলতে চাচ্ছেন।
- ব্রো। এটা করো। - আচ্ছা।
**** HI-FIVE ****
বিসাবটি ভালো লাগলে ফিডব্যাক জানাবেন। কাজে অনুপ্রেরণা জোগাতে অনুবাদককে ডোনেট করতে পারেন– (Bkash- 01739973768 Rocket- 017399737688)
বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদক রাজু তালুকদার
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.