All language subtitles for Vaa Vaathiyaar 2025 1080p WEB-HDRip.Hindi.DDP5.1.MUL

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic Download
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian Download
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French Download
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ml Malayalam Download
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal) Download
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American) Download
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

ছোটবেলায়, বাবার মৃত্যুর পর...

এমজিআর একজন অভিনেতা হিসেবে 'মাদুরাই অরিজিনাল বয়েজ কোম্পানি'তে যোগ দেন।

এটাই ছিল শুরু।

১৯৪৭ সালে মুক্তি পাওয়া 'রাজকুমারী' সিনেমাটি...

তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

একের পর এক হিট দেওয়ার পর, তিনি 'ভাতিয়ার' উপাধি পান।

১৯৫৩ সালে তিনি ডিএমকে রাজনৈতিক দলে যোগ দেন।

এভাবেই সিনেমা জগৎ এক রাজনৈতিক ময়দানে পরিণত হয়।

১৯৬৭ সালে হত্যার চেষ্টার পর, তিনি সাধারণ মানুষের প্রচুর সহানুভূতি পান।

যা তাঁকে একজন অবিসংবাদিত নেতা বানিয়ে দেয়।

তিনি ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে লড়াই করেন

এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হন।

যদিও এই সিনেমাটি কল্পনা আর বাস্তবের সংমিশ্রণ

কিন্তু এই গল্পটি 'মানসিলা' নামের একটি কাল্পনিক শহরের।

রাত দুটোর সময় সবাই এভাবে জড়ো হয়েছে কেন?

- মুরুগেসান! - ভাই!

ও 'কুদিয়িরুন্দা কোয়িল' সিনেমার রিল নিয়ে এসেছে।

আমাদের একটা শো চালিয়ে দাও না। শো-এর ভাড়ার টাকা আমি দিয়ে দেবো।

হাসপাতালে আমরা তো আর ভাতিয়ারকে দেখতে যেতে পারছি না।

অন্তত স্ক্রিনেই ওনাকে দেখি।

প্লিজ ভাই, শো-টা চালাও।

অবশেষে, সে সিনেমাটি চালালো।

ভাতিয়ার!

ভাতিয়ার জিন্দাবাদ!

- আআহ... আমি আর ব্যথা সইতে পারছি না। - সাবধানে। একটু দেখে পা ফেলো।

- ধরো ওকে বাবা। - চিন্তা করো না মা।

ভয় পেয়ো না মা।

একটু সাবধানে চলো।

হে ভগবান, ওকে একটু সাহস দাও।

এখানেই দাঁড়াও বাবা।

অ্যাঁ?

এই, সিনেমা বন্ধ করলো কে?

মাঝপথে সিনেমা বন্ধ করলে কেন?

মালিক ফোন করেছিল ভাই।

মুখ্যমন্ত্রী মারা গেছেন।

থানা থেকে ওনার কাছে ফোন এসেছিল।

রাত ৩টা ৩০ মিনিটে সিএম মারা গেছেন।

সত্যি বলছো? ওহ না!

ভাতিয়ার আর নেই।

- প্রিয় ভাতিয়ার! - ওহ আমার নেতা!

স্যার, আপনার নাতি হয়েছে।

বাড়ির লোক আপনাকে নিয়ে যেতে পাঠালো।

ওরে বাবা! বাবার কাছে যাবি?

এই তো! দেখ তোর নাতিকে!

বাবা, দাদুকে দেখ। ওদিকে তাকা!

এখানে দেবযানী কে?

হ্যাঁ, আমি আসছি। আমার কাছে দাও ওকে।

আমার আদরের রাজপুত্র। জান আমার!

- এখানে একটু দাঁড়াও। আমি আসছি। - আচ্ছা বাবা।

স্যার। স্যার! এখানে ঢোকা বারণ।

বাইরে যান। দয়া করে বাইরে গিয়ে অপেক্ষা করুন।

শুনুন, ভেতরে যাওয়া নিষেধ। কী করছেন এটা?

দয়া করে বাইরে যান।

ওর জন্মের সময়টা কত ছিল?

- রাত ৩টা ৩০ মিনিট। - ৩টা ৩০ বললে?

স্যার!

ভাতিয়ার আবার পুনর্জন্ম নিয়েছেন।

স্যার, কী হয়েছে?

- দেখছো... - উনি কী বলছেন?

ঠিক যে সময়ে ভাতিয়ার মারা গেছেন

ঠিক সেই সময়েই আমার নাতি জন্মেছে।

এটা কাকতালীয় কোনো ঘটনা হতে পারে না।

আমার নাতির পায়েও ঠিক ভাতিয়ারের মতো একটা তিল আছে।

আপনি জানলেন কী করে যে ভাতিয়ারের পায়ে তিল ছিল?

ভাতিয়ারের জ্যোতিষী বিশ্বনাথন আইয়ার ওটা বলেছিলেন।

ওহ!

- বিষয়টা কেমন অদ্ভুত শোনাচ্ছে। - অদ্ভুত নয়, এটা একটা মিরাকল!

জয়! জয়!

মা! মা! মা! মা!

মা, আমি আছি তো। একদম চিন্তা করো না।

ইয়াহু!

বাবা!

সবাই ক্লাসরুমের ভেতরে যাও।

শেষ এক ঘণ্টা।

তোমাদের উত্তরগুলো দেখাও।

রামু।

এভাবেই কি তুমি তোমার নাতিকে চুলোয় দিচ্ছো?

স্যার, ও এমন ছেলে নয় যে কোনো ভুল করবে।

ও তো অসাধারণ এক ক্যারেক্টার।

"নিজেকে কী মনে করো তুমি?"

"শিলাপাথিকারামের মতো বড় কোনো অফিসার হয়ে গেছো?"

"পাওয়ার দেখানোরও একটা সীমা থাকে!"

- রামু! - আমি রেডি।

এই রামু, কোথায় তুই?

সাহস থাকলে ওর সাথে লড়।

- ওটা আবার কে রে? - দেখছিস না কী হচ্ছে?

চল যাই!

এটা আবার কেমন জায়গা?

চল না দোস্ত।

এই জায়গাতেই আজ আমরা আমাদের ভাগ্য পরীক্ষা করবো।

ভাই, ২০ টাকার একটা টিকিট দেন।

আরে দারুণ তো!

হে ভগবান, লটারিতে জিতিয়ে দিও। দাদুকে একটা বুলেট কিনে দিতে হবে।

এই গোবিন্দ, জলদি আয়!

আমি লটারি জিতেছি। জলদি আয়।

- দাদুকে এই সুখবরটা দিতেই হবে। - সবাই চল আমাদের সাথে।

বাবা!

বাবা, আমি সেকেন্ড প্রাইজ পেয়েছি।

৫০ হাজার টাকার লটারি জিতেছি।

- সত্যি বলছো? - হ্যাঁ আঙ্কেল।

দেখি তো একটু।

তুই তো সত্যি বলছিলি রে!

আমাদের বলেছে হেড অফিস থেকে টাকাটা তুলে নিতে।

তুই আসলেই লাকি রে সোনা।

কিসের এত শোরগোল?

দাদু!

বাবা, ওটা আমাকে দাও।

দাদু, আমি লটারিতে ৫০ হাজার টাকা জিতেছি।

এই টাকা দিয়ে আমি তোমার পছন্দের বুলেট বাইকটা কিনে দেবো।

আমি ভগবানের কাছে এটাই চাইতাম।

রামু...

ভাতিয়ার কী বলেছিলেন মনে আছে?

ভাতিয়ার কী বলেছিলেন?

"নিজের গায়ের ঘাম ঝরিয়েই বাঁচতে হবে।"

"অন্যের পরিশ্রমের ওপর ভাগ বসানো অপমানের!"

নিজের উপার্জিত নয়, এমন টাকা আমাদের কখনো ছোঁয়া উচিত না।

আমাদের এই টাকার দরকার নেই।

দাদু, প্লিজ এমনটা করো না। ছিঁড়ো না ওটা।

- রামু! - দাদু, প্লিজ হাত ছাড়ো।

তোর বংশে কি টাকার বৃষ্টি হচ্ছে?

লটারির টিকিট তো শুধু পাগলরাই এভাবে ছিঁড়ে ফেলে।

কিরে বাচ্চারা, তোরা এত চিৎকার করছিস কেন?

টিচার, রামুর দাদু ৫০ হাজার টাকার লটারির টিকিট ছিঁড়ে ফেলেছে।

আমার লোকরা তোকে পিষে ফেলবে।

তুমি একজন সৎ মানুষ, কিন্তু বেকার।

আর আমি একজন চালাক মানুষ, কিন্তু অনেককে কাজ দিয়েছি।

শোন রামু, আমার সাথে হাত মেলা।

দেখবি লাইফটা কত সুখে কাটে।

এই রামু, ক্লাসের ভেতর চশমা পরে আছিস কেন?

টিচার, চোখ উঠেছে।

রেজাল্ট তো দারুণ করেছিস রে বাবা।

তোর মাথাটা একদম ভাতিয়ারের মতো ধারালো।

আরে!

তোকে এভাবে ভালো করতে দেখে আমার একটা ইচ্ছে জেগেছে।

কী ইচ্ছে দাদু?

ভাতিয়ার সবসময় গরিবদের পাশে দাঁড়াতেন আর বিচার করতেন।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তেন।

ওনার মতো হতে হলে তোকে একজন বড় অফিসার হতে হবে।

একজন পুলিশ অফিসার!

জলদি করো!

এই নাও!

আবার সেই আটার দোসা?

জিনিসপত্র কেনার মতো টাকা আর ছিল না।

খরচের জন্য আমার পুরো বেতনটা তোকে দিলাম তো মোটে দশ দিন হলো।

ওহ, তুমি চাও যে শুধু তোমার বেতনেই সংসার চলুক?

তাই যদি হয়,

তাহলে মাসের শেষ কদিন আমাদের কোনো লঙ্গরখানায় গিয়ে খেতে হবে।

তুমি কিন্তু বেশি বলছো!

রামু পাশের থানাতেই ইন্সপেক্টর না?

ওর কাছ থেকে কিছু টিপস নাও না, কীভাবে বেশি টাকা কামানো যায়!

ওহ না!

এটা কী? এটার গন্ধ তো পন্ডস পাউডারের মতো।

স্যার, আমরা শুধু একটা প্যাকেটই অফিশিয়াল ফাইলের জন্য রেখেছি

বাকিগুলো মার্কেটে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ছেড়ে দিয়েছো মানে?

যা টাকা পেয়েছি তা দিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া হোটেলে পার্টি করেছি।

ইন্সপেক্টর রামু আমাকে বলেছে আপনাকে এই কথাটা মনে করিয়ে দিতে।

ওহ! পার্টিটা কিন্তু জম্পেশ ছিল।

পাওয়ার খাটিয়ে সে...

আমাদের এলাকার সব ঘুষের টাকা একাই মেরে দিচ্ছে।

তবুও, রামুকে যদি আমরা সাবধান না করি, সামনে আরও খারাপ কিছু হতে পারে।

স্যার, গত সপ্তাহে একটা খবর পেয়েছি।

আঘালপুরাম এলাকায় একটা শুটিং চলছিল।

রামু ওখানে গিয়ে ঝামেলা করেছে।

রেগে গিয়ে প্রোডিউসার আদালতে মামলা করেছে।

আমরা যদি জজ জানকরাজকে দিয়ে এই কেসটা হ্যান্ডেল করাই...

আর ওকে যদি সাসপেন্ড করানো যায়, তবেই ও শিক্ষা পাবে।

হ্যাঁ... আমি আসছি।

মিস্টার রামেশ্বরন।

আপনি এটা কেমন ইউনিফর্ম পরেছেন?

মানুষের কাছ থেকে একটু বেশি সম্মান পাওয়ার জন্য...

আমি সাফারি কাপড় দিয়ে ইউনিফর্মটা বানিয়েছি।

বিশেষ কোনো পোশাক পরলেই সম্মান পাওয়া যায় না।

আপনি কি সিনেমা প্রোডিউসার মিস্টার সুব্রামানিয়ামের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন?

ইওর অনার! ওরা বেআইনিভাবে ওই জায়গায় শুটিং করছিল।

আমি ওদের থামিয়েছি। তাই ওরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা করেছে।

হ্যাঁ!

এই ডকুমেন্টটা দেখুন।

তাহলে আপনার অ্যাকাউন্টে দুই লাখ টাকা ঢুকল কীভাবে?

ওটা আমার অ্যাকাউন্ট নয়, ইওর অনার!

আমি জানি ওটা আপনার বাবার অ্যাকাউন্ট।

ইওর অনার, আমার মনে হচ্ছে এর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে।

ষড়যন্ত্র?

সান্তানাপুরাম জয় গণেশ কি আপনার বাবা নন?

জি, ইওর অনার!

তাহলে ওরা কেন আপনার বাবার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবে?

এই টাকার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

আমার কাছে মিথ্যে বলবেন না!

অবশ্যই এটা আপনার টাকা।

আদালতের মূল্যবান সময় কেন নষ্ট করছেন?

এখন আপনার এত সাহস যে সরাসরি নিজের অ্যাকাউন্টে ঘুষ নিচ্ছেন!

এরপর তো পাবলিককে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্টার ছাপাবেন আপনাদের ঘুষ দেওয়ার জন্য!

এই! এই! আপনার মুখে ওটা কী?

আপনি কি বাবল গাম চিবোচ্ছেন?

না, ইওর অনার! এই যে দেখুন, কিচ্ছু নেই।

আপনাকে ছয় মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হলো।

সাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

আমি লিখে দিচ্ছি, "এর পুনরাবৃত্তি হলে শাস্তি আরও কঠোর হবে।"

- বুঝেছেন? - ধন্যবাদ, ইওর অনার!

রামু!

- কী হয়েছে দাদু? - আমার চশমাটা কি কোথাও দেখেছিস?

জানি না। হয়তো শোবার ঘরে ফেলে এসেছো।

এখানে খুঁজছো কেন?

বাদ দাও ওসব।

কুমারভেল আজ ফোন করেছিল।

তোর সাথে কথা বলতে চেয়েছিল, কিন্তু আমি না করে দিয়েছি।

কেন?

দেখ না, ও চাইছিল তুই থানায় ওর কোনো একটা কাজে তদ্বির করিস।

আমি ওকে ঝাড়ি দিয়ে বলেছি যে আমার নাতি এসব ফালতু কাজ করে না।

- ও খুব রেগে গেছে। - তারপর কী হলো?

আমিও রেগে গেলাম। ব্যস, কাটাকাটি।

দাদু, তুমি কেন ওর সাথে ঝগড়া করতে গেলে?

আমাকে বলতে দিতে, আমিই ওকে বুঝিয়ে বলতাম।

বাবা, তোর ওর মতো লোকেদের সাথে কথা বলার দরকার নেই।

তুই অনেক ব্যস্ত মানুষ।

গভর্নরের কাছ থেকে অ্যাওয়ার্ড পাওয়া তো আর চাট্টিখানি কথা নয়।

ওসব কোনো ব্যাপার না দাদু। আমি সামলে নেবো।

তুমিই তো আমাকে বড় করেছো!

আচ্ছা, আমি তাহলে আসি।

ও তো একদম এমজিআর-এর প্রতিচ্ছবি।

তুমি এখনো তৈরি নও!

বাদ দাও তো। লোকে তো আমাকে বলছে তোমাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে।

করবো নাকি?

তোর তৈরি হওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে বাবা।

স্বাগতম, পেরিয়াসামি।

সিএম পাঁচ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে যাবেন। যা বলার জলদি বলুন।

আদাব, চিফ!

নামাক্কালের পেলকো-তে প্রতিবাদ এখনো চলছে।

প্রায় ১০০ দিন হতে চললো।

শালাগুলো এখন সরাসরি গুলি করার অর্ডার চাইছে!

আপনাকে অফিশিয়াল কোনো অর্ডার দিতে হবে না।

আমরা বলে দেবো যে চরমপন্থী...

মানে, সন্ত্রাসীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে...

আমরা একটা ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট বানিয়ে ফেলবো।

শুনুন, অন্য কিছু চাইলে আমি করে দেবো।

কিন্তু গুলি করার অর্ডার আমি দিতে পারবো না।

চিফ, ওরা আমাদের ১৪২ মিলিয়ন ইউরো দিতে রাজি হয়েছে।

এটা ওদের অফার।

আমরা চাইলে আরও বেশি টাকার জন্য দরাদরি করতে পারি।

এতে আমার কী লাভ?

তুমি বলেছিলে থানায় এসি লাগিয়ে দেবে। কিন্তু ওরা সব ভণ্ডুল করে দিল।

তোমরা এখানে সবাই মিলে করছোটা কী?

ওরা একজন নতুন ইন্সপেক্টর পাঠিয়েছে।

- গোবিন্দ, নতুন ইন্সপেক্টর এসেছে। - ওহ, শিট!

স্যার! পুলিউর কোট্টামে স্বাগতম।

নিভাস স্যার, আমি রামু।

আগে ফোন করলে আপনার আসার জন্য রাজকীয় ব্যবস্থা করতাম।

আপনি এখানে কী করছেন?

আপনি তো সাসপেন্ড। আপনার তো বাসায় থাকার কথা।

থানায় আবার কী কাজ তোমার?

লোকরা, অফিসারের খেয়াল রেখো।

ছয় মাস পর আবার দেখা হবে।

- বস! - হ্যাঁ স্যার।

চলো, বেরোনো যাক!

আমার ব্যবসার জায়গায় হঠাৎ কেন এলে?

বস, সাসপেন্ড হয়েছি বলে কি কর্তব্যে ফাঁকি দেবো নাকি?

তোমার থেকে মোটা অংকের ঘুষ নিই আমি।

ব্যবসা কেমন চলছে সেটা দেখা কি আমার দায়িত্ব না?

বস! ভেবেছিলাম ছোটখাটো আয়োজন।

এটা তো দেখছি একটা মিনি লাস ভেগাস!

আমার মনে হয় চার্জ বাড়ানোর সময় হয়ে গেছে।

দোহাই ভাই, আর রেট বাড়িও না।

আমার টাকা রেডি রেখো। আমি আবার আসবো!

বি

ও

এস

এস

বস

বস

চশমাটা যে কোথায় হারালাম!

মনেই করতে পারছি না।

- মা! - আবার কী হলো?

বাবা কোথায়?

এগুলো দাদুর চশমা। খেয়াল রেখো উনি যেন এগুলো খুঁজে না পান।

কেন?

- যা বলছি করো তো। - চশমা ছাড়া তো উনি চোখে কিছুই দেখেন না।

খবরের কাগজটা হাতে নিয়ে ছটফট করছেন।

সেন্ট্রাল স্টেশনের নাম ভাতিয়ারের নামে রাখার খবরটা উনি পড়তে চান।

ওনাকে খবরটা পড়তে দাও না।

দাদু যে খবরটা পড়তে চান সেটা উপরের দিকে আছে।

কিন্তু উনি যদি কাগজের নিচের দিকে তাকান...

"ইন্সপেক্টর রামুকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।" আমার ছবিসহ খবরটা ছাপা হয়েছে।

ওহ!

- এরপরও কি চাও উনি খবরটা পড়ুক? - ওহ না!

আমি সেরকমই ভেবেছিলাম।

বস

হ্যালো! আমি পুলিশ!

ঠিক আছে?

খাটো ড্রেস পরে তেঁতুল গাছের নিচে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে নেই।

এটা তেঁতুল গাছ না।

আমি তো একটা প্রসঙ্গ দিচ্ছিলাম।

কী করছো তুমি?

হ্যাঁ!

তুমি বদমাইশের মতো আচরণ করছো কেন?

আমাকে দেখে বদমাইশ মনে হওয়ার কারণ কী?

হ্যালো! এত রাতে এমন ড্রেস পরে বাইরে কী করছো?

আমার ভালো লাগে তাই!

আমি শিক্ষিত, মার্জিত, আর এসবের কদর বুঝি।

- একদম ঠিক! - সবাই তো আর আমার মতো নয়।

থ্যাংকস!

তোমাকে তো বেশ চিন্তিত মনে হচ্ছে।

তুমি কোন থানার ইন্সপেক্টর?

হ্যালো, তোমাকে কি বাড়ি পৌঁছে দেবো?

এই মেয়ে!

সাবধানে যেও!

শুরুটা হয়তো একটু ভজঘট পাকিয়ে ফেলেছিলাম...

...কিন্তু ফিনিশিংটা ছিল জম্পেশ!

কী বলো?

দোস্ত, ওর নাম্বারটা পেয়েছিস?

এই!

হারামি একটা!

- ওহ না! - যত্তসব বিরক্তিকর লোক।

- ও তো ধাক্কা দিল! - তোর মুখে কি ছাই পড়েছে? ও মেরে দিল!

হে ঈশ্বর!

- দোস্ত, দেখ তো ও মরে গেছে কি না। - হ্যাঁ।

এই! হ্যালো!

ও তো শেষ!

- এটা তো একটা মেয়ে। - এই!

হ্যালো! হ্যালো! আমি পুলিশ।

গানটা নিচে নামান।

ম্যাডাম, আপনার ফোনের দিকে একটু তাকান।

- হ্যালো। - স্যার, একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে।

অ্যাক্সিডেন্ট? কোথায় আর কীভাবে?

ধানামেডু, ক্রিস্টোফার জংশনে।

- মালিনী ঠিক আছে তো? - স্যার, ও ঠিক আছে। প্যানিক করবেন না।

কিন্তু ও যাকে ধাক্কা দিয়েছে, সেই বাইক চালক মারা গেছে।

কেউ একজন জলদি স্পটে আসুন।

আর আপনি কে?

আমি পুলিউর কোট্টামের ইন্সপেক্টর।

ওহ!

মালিনী হলো পেরিয়াসামির মেয়ে।

খুব হাই-প্রোফাইল ফ্যামিলি।

আপনি যদি একটু কোঅপারেট করেন তবে খুব ভালো হয়।

স্যার! আপনাকে বারবার বলতে হবে না। আমি ব্যবস্থা করছি।

চিন্তার কিছু নেই স্যার। ওনাকে বিকালেই ছেড়ে দেওয়া হবে।

উনি আমাদের সবদিকে খুব সাহায্য করেছেন।

- ধন্যবাদ। - ঠিক আছে স্যার।

- কোন থানা? - পুলিউর কোট্টাম, স্যার।

ওহ!

দ্বিধা না করে মানির কাছে সাহায্য চাও।

- দ্বিধা করো না। মানি তোমাকে সাহায্য করবে। - ঠিক আছে স্যার!

স্যার!

আমি ছয় মাসের সাসপেনশনে আছি।

ওটা তোলার জন্য আপনার একটু সাহায্য দরকার ছিল।

তার মানে তুমি এখন ডিউটিতে নেই।

মানি!

ঠিক আছে স্যার।

কেন?

বন্ধু!

ছন্দের তালে পা মেলাও

ধরা পড়লে তুমি শেষ

আমার যত চেনা মুখ

তুমি কেন আমার সাথে আছো না?

সব ওলটপালট হয়ে গেছে

এখন সব ফিরে পেয়েছি

ধরা পড়লে হাতে হাতকড়া পড়বে

আমি জিতলে পার্টি দেবো

- হ্যালো! - হ্যালো রামু!

- জি মানি স্যার, বলুন। - একটা অনুরোধ ছিল।

একটা ব্যাপারে তোমার সাহায্য দরকার।

আমাকে বলতে দ্বিধা করছেন কেন স্যার?

একদম নিশ্চিন্তে বলুন।

অ্যাক্সিডেন্টের কথা তো তোমার মনে আছে নিশ্চয়ই।

জি!

একটা মেয়ে অনলাইনে ভ্লগ করে ওই কেসটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করছে।

জানি না ও কি শুধু বক বক করছে নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে।

তুমি যদি একটু ওকে জেরা করতে বা ওর ওপর নজর রাখতে।

- আমাকে লিংকটা পাঠিয়ে দিন। আমি দেখে নিচ্ছি। - দারুণ, ধন্যবাদ।

হ্যালো! আমি "উ" বলছি।

- তোমার উজ্জ্বল চোখ আমাকে ঘায়েল করে - সত্যেরই জয় হোক। আমিন।

তো চলুন, আজকের ভিডিওতে আসা যাক।

আসলে তিন দিন আগে, যখন আমি ধানামেডু ক্রিস্টোফ রোড পার হচ্ছিলাম...

আমি একটা অস্থিরতা অনুভব করলাম।

কিন্তু অনুভূতিটা ঠিক কী ছিল তা বুঝতে পারিনি।

ওই সময়ে বাইক থামিয়ে রিডিং নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

তাই আমি রাতে আবার ওখানে ফিরে যাই।

আর রিডিং নেওয়ার সময় আমি একটা অতৃপ্ত আত্মার উপস্থিতি টের পাই।

তাই পরের দিন আমি ওখানে গিয়ে খোঁজখবর করি।

তখনই জানতে পারি যে আগের রাতে ওখানে একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে।

সেই সূত্র ধরে...

আমি মারা যাওয়া ছেলেটির পরিবারের সাথে দেখা করতে যাই।

ওর পরিবারের সাথে দেখা করে জানতে পারি ওর নাম ছিল সম্পথ।

বাড়ির আশেপাশে ওর অনেক জিনিসপত্র পড়ে ছিল।

সেগুলোকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে আমি ওর আত্মার সাথে কথা বলি।

যখন আমি ওর সাথে যোগাযোগ করলাম...

যা জানতে পারলাম তা হলো...

সম্পথের খুনি, যে ওকে ধাক্কা দিয়ে মেরে ফেলেছে, সে এখনো শাস্তি পায়নি।

আর ওর আত্মা এটা মেনে নিতে পারছে না।

এমনকি পুলিশও আসল অপরাধীর বদলে অন্য কাউকে অ্যারেস্ট করেছে।

দোস্ত, ভিডিও থেকে এবার বাস্তবে ফের।

আমি ভাবছিলাম ওর ফোন নাম্বারটা জোগাড় করবো।

- কিন্তু ভগবান তো খেলা শুরু করে দিয়েছেন। - ভগবান?

ও তো আত্মা আর প্রেতাত্মা নিয়ে কথা বলছে।

আত্মা?

আপনি?

দয়া করে বসুন।

"উ" আবার কেমন নাম?

"রামেশ্বরন" আবার কেমন নাম?

প্লিজ, আমি দুঃখিত যে আমাদের শুরুটা ভালো হলো না।

আমি রামেশ্বরন। আর আপনি হলেন "উ"।

দুটোই সুন্দর নাম।

ইয়ে... আপনার সাথে দেখা করে ভালো লাগলো।

- ভালো লাগলো? - হ্যাঁ!

এক পলকেই আমায় ঘায়েল করলে তুমি

বলুন।

আমি যে কারণে আপনার সাথে দেখা করতে এসেছি...

আপনি এখানে এসেছেন অ্যাক্সিডেন্টের তদন্ত করতে।

একদম ঠিক!

আপনি কী জানতে চান?

আপনি এত নিশ্চিত হলেন কী করে যে আসামী পাল্টে দেওয়া হয়েছে?

আমি তো ভিডিওতে বলেছি যে আমি আত্মার সাথে কথা বলেছি।

আই অ্যাম সরি, কিছু মনে করবেন না। আমি এসব বিশ্বাস করি না।

আপনার পরিবারের মৃত কোনো আত্মীয়র নাম বলতে পারেন?

আমি ঠিক বুঝলাম না।

আপনার কাছের কেউ তো মারা গিয়ে থাকতে পারে।

তাদের একজনের নাম বলুন।

দেবযানী, আমার ঠাকুমা।

ওকে, এবার আপনার হাতটা দেখান।

তোমার উজ্জ্বল চোখ যেন একশোটা তলোয়ার

ওহে পরি, এক চুম্বনেই আমার ভাগ্য লিখে দিলে...

উঠে দাঁড়ান!

আপনি যদি আপনার ঠাকুমার সাথে কথা বলতে চান, তবে আমাকে সাহায্য করতে হবে।

- ঠাকুমার সাথে কথা বলবো? - হাত দেখান!

কী হলো?

আপনি কি বিদ্রোহ করতে যাচ্ছেন?

বিদ্রোহ?

বিগ ব্যাং সম্পর্কে ধারণা আছে তো?

নতুন একটা বিস্ফোরণ তৈরি হচ্ছে।

ইয়ে... আমি কি আরেকবার রিডিং নিতে পারি?

অবশ্যই!

তোমাকে জয় করা ছাড়া আমার আর কোনো কাজ নেই

আমার মিষ্টি জাদুকরী

এক পলকেই আমায় ঘায়েল করলে তুমি

সেই শান্ত মেয়েটি যে স্বর্গ উজ্জ্বল করেছিল

সে তার চঞ্চল হাঁটা দিয়ে আমাকে দোলালো

সেই চুপচাপ মেয়েটি যে আজ বুনো আর ভয়ঙ্কর

আমার খারাপ সময়টা যেন শেষই হচ্ছিল না

আমি অপেক্ষা করেছি বসন্তের ছোঁয়া পাওয়ার জন্য

আমি বারবার তাকেই দোষারোপ করতাম

আজ আমি নিজেকে সম্পূর্ণ সপে দিয়েছি

আমার মনকে তোলপাড় না করে সে যাবে না

তোমার চাহনি যেন সমুদ্রের মতো শান্ত কিন্তু উত্তাল

সে এত সহজে নিজের মন দেবে না

আমরা হলাম সেই অস্থির শিখা যা রাত ধরে রাখতে পারে না

তোমার উজ্জ্বল চোখ যেন একশোটা তলোয়ার

ওহে পরি, এক চুম্বনেই আমার ভাগ্য লিখে দিলে...

তোমাকে জয় করা ছাড়া আমার আর কোনো কাজ নেই

আমার মিষ্টি জাদুকরী

কে জানে সামনে আমরা কোন বিশৃঙ্খলা তৈরি করবো... হুউ

আমাদের এই ক্ষুদ্র মুহূর্তগুলোতে কি কোনো বিপ্লব ঘটবে?

ভালোবাসা হুট করে এল আর আমার আত্মা ছুঁয়ে গেল

ভালোবাসার রঙে রাঙানোর সময় এসেছে

এই মেয়ে, তোমার প্রতিটি চাল আমাকে পাগল করে দেয়

এক অদ্ভুত শক্তি যা তোমাকে দেখলেই জেগে ওঠে

যাও বাছা! ওর পিছু নাও!

এক নিমিষেই আমি প্রেমে পড়ে গেলাম

সেই ছোট্ট স্ফুলিঙ্গ যা তুমি আমার কানে ফিসফিস করে বললে

সোনা, তোমার মিষ্টি হাসিতে আমি মুগ্ধ

এমনকি ওর মায়াবী ছায়াও যেন চাঁদের আলোর মতো

ও প্রজাপতির মতো উড়ে এসে কাছে বসল

আমার দিকে আর এক পা-ও বাড়াবে না

তুমি ভেতর থেকে আমাকে কাঁপিয়ে দিয়েছো

আমার মনকে তোলপাড় না করে সে যাবে না

তোমার চাহনি যেন সমুদ্রের মতো শান্ত কিন্তু উত্তাল

সে এত সহজে নিজের মন দেবে না

আমরা হলাম সেই অস্থির শিখা যা রাত ধরে রাখতে পারে না

ধন্যবাদ!

- আপনাকে বলতে হবে না... - ধন্যবাদ?

আমি আসছি।

মন খারাপ না করে নিজের রাস্তায় হাঁটো।

মনে হচ্ছে তুমি ওর ওপর তদন্ত করছিলে না।

এই, তুই কি জানিস বিগ ব্যাং কী?

তোমার ঠাকুমা তোমাকে শরীরের যত্ন নিতে বলেছে।

আর উনি চান তুমি যেন জলদি বিয়ে করে ফেলো।

বিশেষ করে, উনি তোমাকে তোমার দাদুকে ধোঁকা দিতে বারণ করেছেন।

আমি যা বললাম সব বুঝেছো তো?

এই দেখো, তোমার সেই চশমাটা খুঁজে পেয়েছি।

দারুণ!

মেঘনা খুব ভালো মেয়ে।

ওহ ঈশ্বর, আমি শান্তি।

ওহ! সরি মা।

ওরা ওটা কী দেখছে?

ভারতে এই প্রথমবার,

ইয়েলো ফেস নামের এক হ্যাকার গ্রুপ আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

তারা শুধু ৭০ লাখ সিমটেক্স সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেনি।

বরং ক্ষমতাসীন দল এসএমকে-এর অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টও হ্যাক করেছে।

এরপর ইয়েলো ফেস হ্যাকটিভিস্ট গ্রুপ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অবিশ্বাস্য ভিডিও পোস্ট করেছে।

এই বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনার জন্য,

আমাদের সাথে আছেন বিশেষজ্ঞ মিস্টার থিরান।

আদাব স্যার। এই বিষয়ে আপনার মতামত কী?

আমরা এই বিষয়টিকে হালকাভাবে নিতে পারি না।

কারণ পেলকোর প্যারেন্ট কোম্পানি সুরাজ রিসোর্সেস

ওড়িশাতেও একই রকম গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল।

তাই এই হুমকিকে আমরা ফালতু মনে করতে পারি না।

তার মানে আপনি বলছেন ইয়েলো ফেস হ্যাকটিভিস্টদের হালকাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না।

- অবশ্যই! - ধন্যবাদ স্যার।

চলুন আরেকবার ইয়েলো ফেস হ্যাকটিভিস্টদের রিলিজ করা অ্যানিমেটেড ভিডিওটা দেখি।

স্বাগতম ইয়েলো ফেস

আশার আলো হয়ে আসো

নমস্কার! আমি ইয়েলো ফেস।

আমরা একদল হ্যাকটিভিস্ট।

মানুষের জানা উচিত এমন কিছু জরুরি তথ্য আমাদের কাছে আছে।

নামাক্কাল পেলকোর প্রতিবাদ যখন ১০০ দিনের কাছাকাছি...

তখন তারা সন্ত্রাসীদের দিয়ে একটা দাঙ্গা বাঁধানোর প্ল্যান করছে

যার ফলে সাধারণ নিরপরাধ মানুষের ওপর গুলি চালানো হবে।

চলুন আমরা সবাই মিলে এটা প্রতিরোধ করি আর এই অন্যায়ের শেষ করি।

আপনাদের জানানো আমাদের দায়িত্ব ছিল।

এখন নিজেদের অধিকার রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের।

কয়েক মিনিট আগে ক্ষমতাসীন দল এই বিষয়ে একটা অফিশিয়াল স্টেটমেন্ট দিয়েছে।

চলুন দেখে নেওয়া যাক-

আমি তোমাদের আগেই সাবধান করেছিলাম এই বিষয়ে পা বাড়ানোর আগে ভেবে দেখতে।

আমার কথা মিলিয়ে নিও আঙ্কেল, আমরা সবাই এখন ধরা পড়ে যাচ্ছি।

- পেরিয়াসামি? - বলুন ভাই।

প্রথমে মাধি চোলান কথা বলবে।

তারপর চিফ কথা বলবেন।

- পেরিয়াসামি! - ভাই!

আমাকে একটা কথা বলো তো,

তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে, আস্ত একটা গাধা তুমি!

ভিক্ষারিগুলো এখন পলিটিক্যাল ব্রোকার হয়ে গেছে।

চুলোয় যাক তোমার ড্রেসিং সেন্স।

তুমি আমার বছরের পর বছর ধরে বানানো পলিটিক্যাল ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চাইছো।

তুমি কি রাজনীতির 'র' ও বোঝো?

তোমার আর তোমার ফালতু প্ল্যানিং!

তুমি ওটা কার্যকর করার আগেই কেউ ওই বিষয়ে ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে।

ওদের বুদ্ধির অর্ধেকও তোমার নেই।

ভাই, ফোনটা একটু চিফকে দাও।

পেরিয়াসামি, সব তো গোল্লায় যাচ্ছে।

আমাকে মাফ করে দিন। আমিও এটা আশা করিনি।

কাজ এখনো চলছে।

তবুও, আমি আপনার ফুল পেমেন্ট করে দেবো।

কথা দিচ্ছি, ১৪২ মিলিয়ন ইউরো আপনি ঠিকই পেয়ে যাবেন।

তুমি কি শিওর যে ওরা পুরো টাকাটাই দেবে?

আমি শিওর, চিফ!

আমি ওটা ছয়টা কিস্তিতে ভাগ করে এস্টেটে আপলোড করে দেবো।

কিন্তু পেপারওয়ার্কের জন্য ১.৫% চার্জ লাগবে।

ঠিক আছে, এগিয়ে যাও। আমি ভেবে দেখছি।

মানি!

পেলকোর সাথে আমার লাইনটা কানেক্ট করো।

আমরা সবাই এখানে জড়ো হয়েছি। চিফও আছেন।

এই তথ্য লিক হওয়াতে আমরা সবাই খুব আপসেট।

এখন আমাদের কী করা উচিত বলে মনে করেন?

১৪২ মিলিয়ন ইউরো।

সরি? ঠিক বুঝলাম না।

১৪২ মিলিয়ন ইউরো!

স্যার, আমরা সাহায্যের জন্য সরকারের কাছে গিয়েছিলাম।

ওরা আমাদের সাহায্য করেছে। আর এখন ওরা ওদের টাকা চাইছে।

ডিল অনুযায়ী আপনাদের পাওনা মিটিয়ে দিতে বলছে।

ভবিষ্যতে যেহেতু আমাদের ওদের সাহায্য লাগবে...

...তাই হিসেব বাকি না রেখে টাকাটা দিয়ে দেওয়াই ভালো।

ইয়েলো ফেস হ্যাকার গ্রুপের এই সমাজবিরোধী ভিডিওর জবাব দেওয়া,

আমাদের দলের আদর্শের পরিপন্থী।

তবুও, আমরা ওদের মতো পরগাছাদের ছাড়বো না...

১০ দিনের ডেডলাইন।

এই ১৪২ মিলিয়ন ইউরোর গ্যারান্টি হিসেবে আমি আমার ব্যক্তিগত সম্পদ লিখে দিচ্ছি।

আমি যদি ব্যর্থ হই, আপনারা ওগুলো বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।

পেরিয়াসামি, খেয়াল রেখো এই ইয়েলো গ্যাং-কে যেন শক্ত হাতে দমন করা হয়।

আমি চাই এটা একটা কড়া স্টেটমেন্ট হোক।

সব মহলে একটা ওয়ার্নিং পৌঁছে দাও!

সরকার ওদের সন্ত্রাসী আর দেশের শত্রু হিসেবে ঘোষণা করেছে।

খুঁজে বের করো খবরটা কে লিক করেছে...

আর অফিশিয়ালি ওদের খতম করো

একটা এনকাউন্টারে।

ইয়েলো ফেস গ্যাংকে ধরার জন্য সিএম একটা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গঠন করেছেন।

যে কেউ এই গ্যাং সম্পর্কে তথ্য দিতে পারবে...

...তাকে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

ওরা ইয়েলো ফেস গ্যাংকে ধরার জন্য একটা টাস্ক ফোর্স বানিয়েছে।

আমরা যদি ওখানে ঢুকতে পারি, মেডেল পাই বা না পাই...

...টাকা কিন্তু ভালোই কামানো যাবে।

যদি গুলি করার অর্ডার দেয়, তবে তো টাকার বৃষ্টি হবে-

আমি ধরে ফেলেছি!

তুমি এখানে কী করছো?

স্যার, ওই মেয়ের ওপর তদন্ত শেষ করেছি।

- ও কোনো ঝামেলা করবে না। - আসার আগে দয়া করে একটা ফোন করে নিও।

- প্লিজ! - স্যার! স্যার!

স্যার, ইয়েলো ফেসের খবরটা...

মানি, একটু অপেক্ষা করো। তুমি এসো।

স্যার।

- রামু তো? - জি স্যার।

- তোমাকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি? - স্যার, আসলে...

টিভিতে দেখলাম ইয়েলো ফেসকে ধরার জন্য টাস্ক ফোর্স বানানো হয়েছে।

আমি ওখানে জয়েন করতে চাই। আপনার একটা রিকমেন্ডেশন দরকার ছিল।

তুমি কেন টাস্ক ফোর্সে যোগ দিতে চাও?

এটা বেশ হাই-প্রোফাইল কেস।

কেসটা সলভ করতে পারলে আমি বড় অংকের রিওয়ার্ড পাবো।

বুদ্ধিমান ছেলে!

- ওকে কি এনরোল করবো? - হ্যাঁ, করে নাও।

দোস্ত, আমার মনে হয় সামনে বড় কোনো কাজ আসছে।

এখানে কী হচ্ছে?

- তোমরা এভাবে সিক্রেট মিটিং করছো কেন? - দয়া করে বসুন।

আমরা প্রাইভেটে যাই বলি না কেন, সব ইন্টারনেটে চলে আসছে।

শুরু করো!

প্রথমে আমি বুঝিয়ে বলছি ওরা কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে।

ফিশিং কিট ব্যবহার করে ওরা শাসকদলের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে...

স্যার, এক মিনিট। আমাদের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের দরকার নেই।

প্রথমত, আমরা জানতে চাই খবরটা ওই গ্যাংকে কে লিক করেছে।

দ্বিতীয়ত - আমরা ওদের ধরবো কীভাবে?

এই দুটো জিনিসই এখন আমাদের প্রায়োরিটি।

লিকটা কোথা থেকে হয়েছে আমরা অলরেডি খুঁজে বের করেছি।

খুঁজে বের করেছো মানে?

ওটা কি তোমার আগে বলা উচিত ছিল না?

আপনারা অফিসাররা সবসময় খারাপ খবর আগে দেন আর ভালো খবরটা শেষে দেওয়ার জন্য জমিয়ে রাখেন।

ভগবানই জানে কী হবে!

স্যার, তাহলে ইন্টেলিজেন্স অফিসাররা আমাদের জেরা করছে কেন?

আমরা তিনটে লিক পেয়েছি। আরও থাকতে পারে।

তিনটে- তিনটে লিক বললে? কোত্থেকে?

তিনটেই মোবাইল ফোন থেকে হয়েছে।

মানি, একটা লিক তোমার ফোন থেকে হয়েছে।

দ্বিতীয়টা স্যারের ফোন থেকে।

- আর তৃতীয়টা মন্ত্রীর ফোন থেকে। - আমার?

২২শে মে ফোনে হ্যাকিং অ্যাপটা ইনস্টল করা হয়েছে।

২২শে মে?

সেদিন তো আমার ছেলের বার্থডে পার্টি ছিল। তোমরা দুজনেই ওখানে ছিলে।

ওখানে এটা কীভাবে সম্ভব হলো?

ওটা এখনো খুঁজে বের করতে পারিনি স্যার।

আমাদের ওই পার্টিতে আসা সব গেস্টদের লিস্ট চেক করতে হবে।

স্যার! স্যার! আপনার ফোনটা কি হারিয়ে গিয়েছিল আর পরে খুঁজে পেয়েছিলেন?

একদম ঠিক!

হ্যাঁ স্যার।

আপনি ঠিকই ধরেছেন। আমার ফোনটা হারিয়ে গিয়েছিল আর পরে খুঁজে পেয়েছিলাম।

মন্ত্রী স্যার, আপনার ক্ষেত্রেও কি এমনটা হয়েছিল?

ঠিক বলেছো!

পাপিষ্ঠের দল সব!

ওতে আমার পার্সোনাল ভিডিও ছিল। যদি কেউ দেখে ফেলে?

অবশ্যই স্যার। ওরা হয়তো ওগুলো দেখেছে।

আমার তো সর্বনাশ হয়ে গেল!

আমি একটা স্মোক করে আসছি।

গ্যাংটা কি জানে যে আপনারা লিকগুলো আইডেন্টিফাই করে ফেলেছেন?

আমরা ওটা নিয়েই আলোচনা করতে এসেছি।

ওদের ধরার জন্য আমাদের ওদের স্ট্র্যাটেজিই ব্যবহার করতে হবে।

প্ল্যানটা কী?

আমাদের ফোনে এমন কিছু বলতে হবে যা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়।

ওটাই ইয়েলো ফেস গ্যাংকে বাইরে টেনে আনবে।

- ওদের ফাঁদে ফেলার জন্য আমাদের এই লিকগুলোই ব্যবহার করতে হবে। - দারুণ স্যার!

ওদের প্রলোভন দেখানোর জন্য আপনারা কী ব্যবহার করছেন? আর ওদের উস্কানি দেবেন কীভাবে?

স্যার, ওটা নিয়েই তো আমরা আলোচনা করতে বসেছি।

আজকেই কি আলোচনা করে ফাইনাল করবেন?

চালিয়ে যান আপনাদের আলোচনা!

কোনো সূত্র পেলে আমাকে ফোন করবেন।

ওরা ভাতিয়ারের খবরটা তিন নম্বর পেজে ছেপেছে!

গাধার দল সব। এটা তো প্রথম পেজে থাকা উচিত ছিল।

অফিসার রামেশ্বরনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আদালতের তদন্তের নির্দেশ

- সুশীলা! - এক মিনিট দাঁড়াও।

সুশীলা!

- সুশীলা! - শ্বশুরমশাই।

এসব কী? কী হচ্ছে এসব?

ওহ খোদা, না!

ওরা আমার নাতিকে ডুবানোর জন্য ষড়যন্ত্র করছে।

- আমি কাউকে ছাড়বো না। - আপনি ভুল বুঝছেন।

- স্যার! স্যার! স্যার! - ওরা ধরা পড়ে যেতে পারে।

আমি কি একটা আইডিয়া দিতে পারি?

বলো!

ইয়েলো গ্যাং-এর বদলে,

আমরা যদি অন্য কোনো গ্রুপকে এই দোষে বলির পাঁঠা বানাই...

...তাহলে আসল গ্যাংটা নিশ্চয়ই বাইরে বেরিয়ে আসবে।

ঠিক বুঝলাম না।

স্যার, অনেক গ্রুপই তো সরকার আর কর্পোরেটদের বিরুদ্ধে কথা বলে।

'পিপলস ওন' নামে একটা টিম আছে।

- ওদের মতো কাউকে - স্যার, ওরা তো চরমপন্থী।

কারা?

লক-আপে মৃত্যুর পর যারা থানা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল।

পিপলস ওন!

ওহ, ওই গ্যাংটার কথা বলছো?

যদি ওরাই দোষী হয় তবে কেমন হয়?

স্যার, ওরা টেকনিক্যালি অতটা স্মার্ট না।

- স্যার - নিভাস স্যার...

আমি তো একটা উদাহরণ দিচ্ছিলাম।

আমরা পিপলস ওন-কে সন্ত্রাসী হিসেবে সাজাবো।

আর ঘোষণা করে দেবো যে এনকাউন্টারে ওদের গুলি করা হবে

আপনার কী মনে হয় তখন ওরা কী করবে?

আর কী করবে?

হয় ভয় পাবে নাহলে চুপচাপ বসে থাকবে।

আমার মনে হয় না ওরা চুপ থাকবে।

গুলি করার অর্ডারের কথা শুনে ওরা সরাসরি সরকারের সাথে লড়তে গিয়েছিল।

কমরেডরা সবসময় একে অপরের পাশে থাকে।

ওরা অবশ্যই ওদের বাঁচানোর চেষ্টা করবে।

তাছাড়া, আমরা যদি পিপলস ওন-এর সব কমিউনিকেশন বন্ধ করে দিই...

...তবে ওরা অবশ্যই ওদের সাথে কন্টাক্ট করার চেষ্টা করবে।

আর তখনই আমরা ওদের অ্যারেস্ট করতে পারবো।

এটা ট্রাই করা যেতে পারে!

আমার নাতির স্বভাব একদম ভাতিয়ারের মতো।

কিসের শব্দ এটা?

ওকে দোষ দেওয়া মানে ভাতিয়ারকে দোষ দেওয়া।

কী হয়েছে?

- এটা কী? তোমরা আমাকে জানাওনি কেন? - দয়া করে বসুন।

- বসুন বাবা। - আমাকে বসতে বলছো কেন?

প্লিজ বসুন।

- ওটা আমাকে দাও। - একটু শান্ত হয়ে বসুন তো।

ও একটা সম্মানজনক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

ডিপার্টমেন্ট কি আমার নাতি সম্পর্কে জানে না?

প্লিজ, আমাকে বলতে দিন।

- আমি সরাসরি ডিজিপির সাথে কথা বলবো। - দয়া করে বসুন।

- দয়া করে বসুন। - চলো যাই!

- ওহ না! - দাঁড়ান! এত তাড়াহুড়ো করছেন কেন?

ও আর বাচ্চা নেই। ও নিজেরটা নিজেই সামলাতে পারে।

ও বাচ্চা না বড় সেটা বড় কথা নয়।

একজন ভালো মানুষ যখন বিপদে পড়ে তখন সবার উচিত তার পাশে দাঁড়ানো।

তুমি কি আমার সাথে আসছো? নাকি আমি একাই যাবো?

বাবা, আপনার নাতি আপনি যা ভাবছেন সেরকম মানুষ নয়।

যাই হোক, ও একজন ভালো মানুষ।

টিকে থাকতে হলে কিছু কমপ্রোমাইজ তো করতেই হয়।

আর সবার মতো ও-ও ভালোই টাকা কামাচ্ছে।

আপনি যে খবরটা পড়েছেন ওটা কোনো ষড়যন্ত্র নয়।

এটা একদম সাধারণ একটা ব্যাপার।

হঠাৎ করে প্রোডিউসার কারো উস্কানিতে পড়ে একটা কমপ্লেইন করেছে।

তাই ওরা ওকে সাসপেন্ড করেছে।

ভালো করে কথা বলো, বেয়াদব কোথাকার!

তুমি আমার নাতি সম্পর্কে কী জানো?

তুমিই বা কী জানো?

তুমি তোমার নাতি সম্পর্কে আসলে কী জানো?

ও টাকা দিয়ে সবকিছু ম্যানেজ করেছে।

ও শুধু আপনাকে খুশি করার জন্যই এসব করেছে।

ভাতিয়ার একটা কাল্পনিক চরিত্র। আপনি শুধু সিনেমাই দেখেছেন।

আপনি এই নতুন প্রজন্মের কাছে পুরনো সেকেলে বুলি আউড়াচ্ছেন।

আপনি কি জানেন একটা পুলিশের চাকরি পেতে কত লাখ টাকা লাগে?

ওটা মানুষের সেবা করার জন্য নয়।

ও আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে।

তাই তো এতদিন এসব ভং ধরে ছিল।

আগে আসল সত্যটা জানুন। উল্টো আপনি রেগে যাচ্ছেন।

হ্যালো স্যার!

- আশা করি কোনো ভুল হবে না। - হবে না স্যার।

আমরা হ্যাক হওয়া অন্য দুটো ফোন ব্লক করে দিয়েছি।

শুধু আপনারটা ট্রাই করা বাকি।

আপনি যাই বলবেন ওরা সব শুনতে পাবে।

কিন্তু শুধু ওরাই শুনতে পাবে। পুরো কন্ট্রোল আমাদের হাতে।

আমি রাজি। ভূপতির কী খবর?

আমরা ওকেও ট্রেইন করেছি।

আপনি যখনই রেডি।

এই!

- এই ওঠো! - এরা কারা?

ওঠো বলছি!

স্যার, আপনাকে ঢোকার পারমিশন কে দিয়েছে?

আপনাকে বলছি তো- বাইরে যান। ওখানে গিয়ে বসুন।

এই ওঠো!

- আপনি কে স্যার? - ওদিকে যান।

- দরজা লক করো। - বসুন!

- ওকে আমার কাছে নিয়ে এসো। - চুপচাপ বসে থাক।

স্যার, আমাদের বুঝিয়ে বলুন।

আদাব মন্ত্রী মহোদয়, ইদানীং তো আপনি খুব ব্যস্ত।

সব কি পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে?

অবস্থা খুব খারাপ। খুবই খারাপ।

আমি জানি! টিভিতে ওরা সব ফাঁস করে দিয়েছে।

এসব ভেবেই আমার টেনশন হচ্ছে।

তুমি টেনশন করছো কেন?

তোমার মাথা ভাজা ভাজা হওয়ার দরকার নেই। আমরা সামলে নেবো।

তোমাদের ওপর আমার আর কোনো ভরসা নেই।

তোমরা এত কেয়ারলেস হলে কী করে?

ওরা সব টপ-সিক্রেট তথ্য চুরি করেছে।

দয়া করে কিছু একটা করো।

আমরা শান্তিতে ছিলাম এই ভেবে যে তোমরা সবার চেয়ে স্মার্ট।

ঠিক আছে, কাউকে কিছু বলো না। একটা মিশন চলছে।

ওহ-ওহ!

এই, আমরা গ্রুপটাকে খুঁজে পেয়েছি।

আজ ওদের একদম টাইট দেবো।

আমরা ওদের সব ধরণের কমিউনিকেশন মনিটর করছি।

আমাদের প্ল্যান হলো আজ রাতে ওদের অ্যারেস্ট করা।

তার মানে সত্যি সত্যিই অ্যারেস্ট করবেন?

ওরা তো টেররিস্ট! ওদের গুলি করে মেরে ফেলা উচিত।

আপনি কি এনকাউন্টার করতে বলছেন?

কুমিরের মতো হাঁ করে আছো কেন?

এই লোকগুলো একবার থানা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল।

ওদের ছাড়া যাবে না!

আপনি নিশ্চিত তো যে ওরাই সেই লোক?

কনফার্ম করার দরকার কী?

ওদের মতো একটা গ্রুপকে গুলি করলেই বাকিরা ঠান্ডা হয়ে যাবে।

ওভাবে বলো না। আমার খুব খারাপ লাগছে!

- মিস্টার ভূপতি! - ভাই...

এটা যেন আমাদের মধ্যেই থাকে। হাই কমান্ডকে কিছু বলো না।

তুমিও কিছু বলোনি, আমিও কিছু শুনিনি।

হয়েছে? রাখছি তাহলে!

দারুণ স্যার।

- এটা জম্পেশ একটা প্ল্যান ছিল। - ভালো স্যার।

স্যার, আপনি তো দারুণ অভিনয় করেন!

- সব ঠিক? - একদম ঠিক!

অভিনয় করা কি পলিটিক্যাল ক্যারিয়ারের অংশ নয়?

বাড়ির লোক?

কী হয়েছে মা?

এই রামু... তোর দাদু কাগজ পড়েছে।

উনি এখন সব সত্য জেনে গেছেন।

- কী কাগজ? - খবরের কাগজ!

তোর সাসপেন্ড হওয়ার খবরটা উনি জেনে গেছেন।

তোর বাবা আর দাদুর মধ্যে খুব ঝগড়া হয়েছে।

তোর বাবা রাগের মাথায়...

কনফার্ম করেছে যে কাগজের খবরটা সত্যি।

তোর দাদুকে দেখে ভালো মনে হচ্ছে না রে।

আমার মনটা কু গাইছে।

তুই যত তাড়াতাড়ি পারিস বাড়ি আয়।

মা, আমি এখন বেরোতে পারবো না।

তোমরা সব ঘেঁটে ফেলেছো- একটা ছোট মিথ্যে সামলাতে পারলে না?

তুই কি আমার কথা শুনছিস?

তুই জলদি বাড়ি আয়।

আমি বাড়ি এসে ওনার সাথে কথা বলবো। তুমি টেনশন কোরো না।

জলদি আয়!

- রাখো তো! - শুনতে পাচ্ছিস?

- রাখো তো মা! - রামু।

- হ্যালো স্যার। - রামু, বসো।

- মানো! - জি স্যার।

আমি রেইকি করেছি। সব ক্যামেরা চালু আছে।

এই!

ওঠো!

সরে দাঁড়ান ভাই।

কেউ আমার ফোন ধরছে না কেন?

- রামু? - না স্যার, লাগবে না।

এই নাও বাছা।

- কী চাই আপনার? - হ্যালো স্যার।

আমরা 'হ্যাপি মর্নিং পিৎজা' থেকে এসেছি।

আপনি কি ফ্রি পিৎজা টেস্ট করতে চান স্যার?

অবশ্যই!

স্যার।

দয়া করে আপনার নাম, কন্টাক্ট নাম্বার আর ইমেইল আইডি-টা লিখে দিন।

- শুধু এইটুকুই? - জি স্যার।

আমাদের ধরার বদলে...

...এই নিষ্ঠুর সরকার বলির পাঁঠা বানানোর জন্য তোমাদের গ্রুপটাকে ধরেছে।

- যদি ওখান থেকে পালাতে চাও... - স্যার, সবাই অ্যালার্ট!

স্যার, পিৎজা ডেলিভারি বয়টাই আমাদের টার্গেট।

ওরা পিৎজার ভেতরে একটা সিক্রেট মেসেজ রেখে গেছে।

নিভাস, ওখানেই থাকো। ওকে আমরা ধরে ফেলেছি!

স্যার, ও জামাকাপড় পাল্টে ফেলেছে। একটা ব্রাউন জ্যাকেট পরে আছে।

ও কাওয়াসাকি বাইক চালাচ্ছে।

দোস্ত!

ভালোই হলো তুই ওখান থেকে পালাতে পেরেছিস।

আমি তো ভেবেছিলাম তোকে এবার নিউজ চ্যানেলে দেখবো।

আমি তো এক মুহূর্তের জন্য ঘাবড়ে গিয়েছিলাম।

আচ্ছা, ওরা কি পিৎজার ভেতরের কোডটা খেয়াল করেছে?

মন খারাপ করিস না। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি।

এই, ওটা কে?

এই, চলো পালাই!

ইয়েলো ফেস!

- ও কে? - স্বপ্না, চলো। চলো এখান থেকে!

চলতে থাকো।

এই!

এই, ওদিকে দৌড়াও।

এই, জলদি দৌড়াও!

এই অখিল, দৌড়াস না!

এই, ও তো ওকে মারছে।

স্যার, আপনি কী করছেন?

স্যার, স্যার, শান্ত হন।

তোমরা এখনো বাচ্চা আর এখনই এসব কাজে জড়িয়েছো।

- গাড়িতে ওঠো। - স্যার, আমাকে ছাড়ুন।

আপনাদের কাছে কি অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট আছে?

- মারার জন্য কোনো ওয়ারেন্ট লাগে না। - আমাদের মারছেন কেন?

- হ্যালো? - তোমরা অনেক বড় ক্ষতি করেছো।

সব হয়ে গেছে স্যার।

সবকিছু কন্ট্রোলে আছে। আমরা ওদের ভ্যানে তুলে নিয়েছি।

কোনো সমস্যা নেই স্যার। একদম ঠিক আছে!

সবকিছু আমাদের আয়ত্তে।

হ্যাঁ!

স্যার, ওদের কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে।

খুব ভালো কাজ করেছো রামু।

দাদু মারা গেছেন স্যার।

আমাকে এখন যেতে হবে।

কীভাবে? ওনার কী হয়েছিল?

তোকে একজন বড় অফিসার হতে হবে।

একজন পুলিশ অফিসার!

তোকে কি আমি জলদি আসতে বলিনি?

দেখ, তোর দাদু আর নেই।

ও চলে গেছে রে বাবা।

ও সবসময় সবাইকে তোর গুণগান গাইতো।

ও আর নেই।

আমাদের সবাইকে ছেড়ে ও শান্তিতে ঘুমাচ্ছে।

ভাই!

স্যার, লোকালয় থেকে দূরে কোথাও করলে ভালো হতো।

আমরা একটা ভায়োলেন্ট এসকেপ সিন সাজানোর প্ল্যান করছি।

না, না! এনকাউন্টার সিন করার দরকার নেই।

এমনভাবে সাজাও যেন ওদের আস্তানা থেকে অ্যারেস্ট করছো।

তোমাদের মধ্যে যেন গোলাগুলি চলে।

খেয়াল রেখো আমাদের দু-একজন অফিসারের গায়ে যেন গুলি লাগে।

আমরা অফিসারদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেবো।

ঠিকঠাক মতো কাজটা করো স্যার।

যেন একদম আসল মনে হয়।

নিভাস।

ওরা চাইছে আমরা এমন একটা সিন করি যেখানে ইয়েলো ফেস গ্যাংকে

ধরতে গিয়ে ওরা উল্টো আমাদের ওপর হামলা করেছে।

তবে ওটা যেন সাজানো নাটক মনে না হয়।

তোমাদের কাজ শেষ?

রামু!

রামু!

তুই এটা কী করলি রে বাবা?

আমি ভাতিয়ার বলছি, জবাব দে।

আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার সাহস নেই তোর?

থামো! দৌড়াবে না!

ভাতিয়ার, আমার নাতির গুণগুলো তো আপনার মতোই ছিল।

কিন্তু এই সমাজের মানুষ ওকে নষ্ট করে দিয়েছে।

আমি ওকে আপনার হেফাজতে রেখে গেলাম।

এরপর থেকে ওর দায়িত্ব আপনার।

আসো ভাতিয়ার!

দেখাও তোমার খেল!

আমার প্রিয় ভাই...

তুমি শান্তিতে ঘুমাও। আমি তোমার নাতির খেয়াল রাখবো।

ইউনিট বি আসছে। ওভার স্যার!

গাড়ি থেকে নামো।

ভয় পেয়ো না।

আমরা শুধু নাটক করছি যেন তোমাদের বাড়ি থেকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে।

বুঝেছো? জলদি চলো!

পেছনে যাও।

এই, তোমার বুকে চোট লেগেছে।

ওদিকে হেলে থাকো।

কুলাসেকারন, কী অবস্থা?

স্যার, আধা ঘণ্টার মধ্যে হয়ে যাবে।

ধর ওকে!

আয়!

এই, ওদের এদিকে নিয়ে আয়।

জলদি কর!

সুন্দর, অ্যান্থনি, বাইরে কী হচ্ছে দেখ তো?

জি স্যার!

ও কে?

অশোকা, তুই একটু রিল্যাক্স কর।

আমি ওদের সাথে লড়ে ফিরে আসছি।

আহ! এই তো!

আমিও তোমাদেরই একজন...

যে সত্য কেউ অস্বীকার করতে পারবে না

আমিও তোমাদেরই একজন...

যে সত্য কেউ অস্বীকার করতে পারবে না

হয়েছে, অনেক হয়েছে।

সরি রামু। তোর ক্ষতির জন্য আমি দুঃখিত।

তোর কি আর কিছু বলার আছে?

ইয়ে... আসলে...

একটা লোক ঘোড়ায় চড়ে এল

আর সবাইকে পিটিয়ে ইয়েলো গ্যাংকে বাঁচিয়ে নিয়ে গেল।

সবাই এটাই কনফার্ম করেছে।

যে লোকটা এসেছিল তার চালচলন একদম এমজিআর-এর মতো ছিল।

সে ঠিক সেভাবেই লড়েছে যেভাবে এমজিআর সিনেমায় লড়তেন।

ও সবাইকে পিটিয়েছে বললে?

তিনজন অফিসার হাসপাতালে ভর্তি।

ও চাবুক দিয়ে সবাইকে পিটিয়েছে।

- চাবুক? - একদম এমজিআরএর মতো।

হ্যাঁ স্যার।

তোমরা এখানে কী করছো?

বাবা, আজ ওর বাইরে যাওয়া বা কোনো কাজ করা নিষেধ।

দুইদিন ভগবানের পূজা করার পর ও বাড়ি থেকে বেরোতে পারবে।

- তোমরা সবাই যেতে পারো। - দুঃখিত ম্যাডাম।

মা, তুমি ভেতরে যাও। আমি আসছি।

- দোস্ত, আমি আসছি। - আচ্ছা।

চলো যাই।

সবাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। জলদি এসো।

এটা ট্রাই করো রামু।

তুমি তো হাঙ্গামা বাধিয়ে দিলে ভাতিয়ার।

এই, এটা ধর।

এই লোকটা ঘোড়ায় চড়ে আসছে।

বাছা, তুমি কে?

আমি?

ওটা বড় কথা নয়।

এটা কি কোনো বার?

এবার বুঝতে পেরেছি।

আর তোমরা সবাই মিলে এই বার পাহারা দিচ্ছো।

এর চেয়ে বরং তোমরা মিলিটারিতে জয়েন করতে পারতে।

আমার মনে হয় তুমি পথ হারিয়ে ফেলেছো।

তোমার ঘোড়া নিয়ে এখান থেকে বিদায় হও।

যাওয়ার আগে আমি তোমার মালিকের সাথে দেখা করতে চাই।

ওটা তো করতেই হবে!

- স্যার! স্যার! স্যার! স্যার! - এই!

এই, কী হচ্ছে এসব?

এই, সাবধানে!

- সরি। - চলো যাই।

এই, সাবধানে! এই!

এই! আমাকে ছাড়ুন!

আমাকে বাঁচান!

আমাকে বাঁচান!

আমাকে বাঁচান!

আশা করি আমার কথাগুলো তোমার মনে থাকবে।

এই, আমাকে ছাড়ুন!

এই!

বাবা!

আমাকে বাঁচান!

সোনা!

গত রাতে শহরে যা ঘটেছিল তা স্বপ্ন না সত্যি, আমি এখনো নিশ্চিত নই।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু একটা বিষয়ই ট্রেন্ডিং।

ভাতিয়ার ফিরে এসেছে!

#VaathiyaarIsBack

তো, এই ভাতিয়ারটা কে? আর কী তার কাহিনী?

এই গানটা শোনো, তাহলেই বুঝতে পারবে।

এই ছবিতে উনি হাসছেন কেন?

উনি সবসময় এভাবেই হাসতেন।

মা!

আমাদের বংশে কারো কি ঘুমের মধ্যে হাঁটার অভ্যাস আছে?

আমার বাপের বাড়ির কারো তো নেই।

তোর বাবার বাড়ির কারো থাকতে পারে।

ও এসে গেছে। ভাই! ভাই!

দয়া করে এদিকে আসুন।

তোমরা যাও। আমি আসছি একটু পর।

কী হয়েছে?

- 'অ্যাঞ্জেল' ক্লাবটা শেষ হয়ে গেছে। - ও সব শেষ করে দিয়েছে।

- আমরা আর বিজনেস করতে পারছি না। - দাঁড়াও!

- বলো আমাকে। - ওই ভাতিয়ার লোকটা ভাই!

যদি কোনো ভুল করো, তাহলে ও তোমায় পেটাবে।

কিন্তু ও আমাদের অকারণে মারছে কেন?

আমার ক্লাবটা তো শেষ করে দিয়েছে। এখন আমি কী করবো?

ও আমাদের সবাইকে একটা কথা পরিষ্কার বলে দিয়েছে।

আপনাদের ঘুষ দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

আপনাকে নাকি একজন সৎ মানুষ হতে হবে।

আমাকে এখন গল্প শোনাচ্ছো তোমরা?

আমার এলাকায় তোমাদের আর দেখলে একদম মেরে ফেলবো।

বের হও এখান থেকে!

আপনার কোনো এক শত্রু আমাদের পেছনে লেগেছে।

এটা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না।

আমার মুখটা একবার দেখুন।

এই লোকটাকে আমি নিজেই দেখে নেবো।

এই বিষয়ে কাউকে কিছু বলবে না।

এখন যাও এখান থেকে!

স্যার, আমার লোকসান হয়েছে।

- যদি কিছু টাকা পেতাম - মেরে ফেলার আগে এখান থেকে ভাগ।

ভাগ বলছি!

- স্যার! - হাই রামু।

তুমি এখানে অপেক্ষা করো। রামু, ভেতরে এসো।

এসো!

- বাড়ির সবাই ভালো আছে তো? - হ্যাঁ স্যার।

বসো রামু।

আমাদের ওই গ্যাংটাকে যেকোনো মূল্যে ধরতে হবে।

যদি ওদের ধরতে পারো...

...তাহলে তোমার লাইফ সেট হয়ে যাবে।

সারাজীবনের জন্য নিশ্চিন্ত হতে পারবে।

শুধু তুমিই ওদের ধরতে পারবে রামু।

অবশ্যই স্যার। আমি ওদের ধরবোই।

কাজটা দশ দিনের মধ্যে হতে হবে।

যদি না হয়, তবে আমার কয়েকশ কোটি টাকার লস হবে।

টাকার পরোয়া আমি করি না।

কিন্তু সমাজে আমার যে পজিশন...

এই পজিশনে পৌঁছাতে আমাকে কী কী করতে হয়েছে জানো?

চিফ!

যদি তুমি ওই ইয়েলো গ্যাং আর ভাতিয়ারকে না ধরো...

তবে আমার লাইফ কয়েক বছর পিছিয়ে যাবে।

তেমনটা হবে না স্যার।

খেয়াল রেখো যেন না হয়।

তবুও যদি হয়, তবে তুমিই দায়ী থাকবে।

তোমার ওপর আমার ভরসা আছে।

- মানি! - স্যার!

- রামুর যা যা লাগবে সব দাও। - আচ্ছা স্যার।

স্যার!

- ও কি এই হাতে ধরেছিল? - হ্যাঁ স্যার।

তোমার কী হয়েছে? জলদি ওটা ল্যাবে পাঠাও।

শানমুগাম, মার্কটা এই দিকে নিয়ে এসো।

জি স্যার!

- এটাই কি প্রথম স্পট? - হ্যাঁ, এখানেই স্যার।

একদম ওখানে। একটু রিওয়াইন্ড করো তো।

হোয়াইট হ্যাট আর ব্ল্যাক হ্যাট দিয়ে কী হবে?

আর কিছু লাগবে তোমার?

কিছু দরকার হলে আমাকে জানিও।

মারার সময় ও কি কিছু বলেছিল?

কেউ কি এই ধরণের কোনো ঘোড়া ভাড়া নিয়েছে?

ওহ!

"উ"

কী হচ্ছে এসব?

আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।

অদ্ভুত সব কাণ্ড ঘটছে।

তোমার শরীর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখছি।

চুপ! আমাকে রিডিং নিতে দাও।

ওরে বাবা!

রামেশ্বরন, তুমি তো নরমাল নও।

দম নাও।

দম ছাড়ো!

রিল্যাক্স!

আমি তোমার মনের ভেতরে প্রবেশ করছি...

এখানে তোমার কোনো ভয় নেই।

আমি এক থেকে তিন পর্যন্ত গুনবো...

তারপর তুড়ি বাজাবো-

- না, না, না, না! - ডাক্তার! হাই!

না, না, রামু, বসো প্লিজ।

না, না। না!

আমি রামু নই। আমি রামচন্দ্রন।

এমজিআর।

পালস চেক করাও ছিল শিলামবাম ট্রেনিংয়ের অংশ।

ডাক্তার সাহেব ঠিকই আছেন। তবে একটু ঘাবড়ে গেছেন।

ওনাকে ওনার মতোই জ্ঞান ফিরতে দাও।

রামু!

জয় কালী!

অশোকা!

তুই এখন কী করলি এটা?

- কাকে ডাকলি তুই? - অশোকান।

রামুর সাথে এমনটা হচ্ছে কেন?

রামুর সাথে কী হয়েছে তা আমি জানি।

কীভাবে হলো এটা?

রামুর জীবনের ইতিহাস একটা বড় কারণ।

সত্যি বলতে, তুই-ও একটা কারণ।

এক মিনিট দাঁড়াও।

বাছা, তুমি কী করছো?

যদি রিডিং নিই, তবেই বুঝতে পারবো।

ওহ, তুমি জানতে চাও আমি কে?

দেখা যাক!

তুমি আমার হাত ধরতে পারো।

মানুষের কল্যাণই আমার একমাত্র উদ্দেশ্য।

মানুষের সেবায় আমি আমার জীবন উৎসর্গ করেছি।

আমার পালস কী বলছে?

আমি ভেবেছিলাম আপনি আসলেও ভাতিয়ারের আত্মা।

কিন্তু আপনি তো তা নন।

কে আপনি?

আমার প্রিয় উ।

বিজ্ঞানের অগোচরে অনেক কিছুই থাকে।

আমি তাদেরই একজন।

বাবু!

- এ কে? - আমার পার্টনার।

ইয়ে... একটা জরুরি কথা।

বলো রামু... ইয়ে...

ভাতিয়ার!

আমিও ওটাই বলতে যাচ্ছিলাম।

যেকোনো মূল্যেই হোক, ও যেন জানতে না পারে যে ওর ভেতরে আমি আছি।

আমি তাহলে আসি।

প্রিয় বন্ধুরা। তোমাদের কি খিদে পেয়েছে?

হ্যাঁ ভাতিয়ার। খুব খিদে পেয়েছে!

ভাতিয়ার, আপনি আমাদের জন্য অনেক খাবার এনেছেন।

এক দানা খাবারও যেন নষ্ট না হয়।

ধৈর্য ধরে ভালো করে চিবিয়ে খাও।

চিন্তা করবেন না ভাতিয়ার। আমরা সব খাবার শেষ করবো।

অখিলান, তুমি খাচ্ছো না কেন?

- ও খাবে না! - আমি একটু পর খাবো।

আমার মনে হয় তুমি এখনো আমাকে ভয় পাচ্ছো।

আস্তে আস্তে তুমি আমাকে বুঝতে পারবে।

তোমাদের যা যা দরকার ছিল, সব কি ঠিকঠাক এনেছি?

আপনি যা এনেছেন তা আমাদের চাওয়ার চেয়েও অনেক ভালো কনফিগারেশন।

এতে তো আপনার অনেক টাকা খরচ হয়ে গেল ভাতিয়ার।

পূণ্যের জন্য শুধু মন্দিরে দান করাই যথেষ্ট নয়।

মাঝেমধ্যে যুদ্ধের জন্যও দান করতে হয়।

যাই হোক, তোমরা তোমাদের কাজে মন দাও।

আমরা রেডি ভাতিয়ার।

কিছু জিনিস লোড হওয়া বাকি। তবে আমরা তৈরি।

আর মাত্র কয়েক রাত...

তারপর খেলাটা জমবে।

প্লিজ সবাই অ্যালার্ট থেকো।

সূর্য উঠতে চললো।

আমি তাহলে আসি।

মাত্রাটা বেড়ে যাচ্ছে। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

কাল রাতে কখন বাড়ি ফিরলাম কিছুই মনে নেই।

আমি পেঁচাটা খেয়াল করেছি।

উ আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল।

তারপর কী হয়েছিল?

আমরা ভাতিয়ারকে খুঁজে পাওয়ার একটা রাস্তা বের করেছি।

জলদি এসো।

হ্যালো স্যার।

স্যার, ও এখানে কেন?

তুমি কি ওকে চেনো?

চিনি। আমি ওর ওপর তদন্ত করেছি।

ও বেশ ভালো একটা মেয়ে।

আমার কোনো চারিত্রিক সার্টিফিকেটের দরকার নেই।

ওই রডগুলোর জন্য ওর মুখ দেখা গেল না।

রামু, ওর বডি প্রোফাইল তো তোমার সাথে বেশ মিলে যাচ্ছে।

আরে মজা করছি ভাই!

এখন আমাদের কী করা উচিত বলে মনে করো?

রামু, আমরা তোমার টেকনিকই ব্যবহার করছি।

ভাতিয়ারকে ধরার জন্য আমরা এই মেয়েটাকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করছি।

স্যার!

ভয় পেয়ো না। আমি তো আছি। চলো।

আমি ভয় পাচ্ছি না!

হুম, চলো তাহলে।

এটা বেশ টাইট!

তাই নাকি? এরপর কী হবে?

তোমাকে বাঁচাতে এবার ভাতিয়ারকে আসতে হবে।

ও কি আসবে?

আসবে কি না জিজ্ঞেস করছো?

আমি তো পুলিশের সাথেই আছি। ও আমাকে বাঁচাতে আসবে কেন?

আমরা পুলিশ ঠিকই।

কিন্তু তুমি একজন আসামী।

তুমি একজন দাগী অপরাধীর সাথে জড়িত।

কী আবোল-তাবোল বকছেন?

ও অপরাধী হতে যাবে কেন? ও কি ভালো কাজ করছে না?

- তোমার এত সাহস হয় কী করে? - স্যার, প্লিজ আমাকে হ্যান্ডেল করতে দিন।

উ, প্লিজ।

আমাদের একটু কোঅপারেট করো।

তুমি জানো তুমি যদি "বাঁচাও" বলে চিৎকার করো, ও তোমাকে বাঁচাতে ঠিকই আসবে।

আমি এই প্রেশার সহ্য করতে পারছি না।

আমাদের ওকে ধরতেই হবে!

আচ্ছা, তুমি ওর সাথে ঘোরো কেন?

ওর থেকে তো কেমন একটা বাজে ভাইবস আসে!

- ওটা তো হবেই! একদম দাঁত ভেঙে দেবো তোর। - স্যার, প্লিজ এমন করবেন না।

- প্লিজ করবেন না। - ও কিন্তু বেশি বলে ফেলছে।

স্যার, চলুন নিচে যাই।

আসুন স্যার।

দোহাই আপনাদের, ওরা আমাকে টর্চার করছে।

- স্যার, মেয়েদের সাথে একটু সাবধানে কথা বলতে হয়। - মেয়েদের গুষ্টি মারি।

- স্যার, কোথায় যাচ্ছেন আপনি? - আমার কাজ শেষ স্যার।

- কাজ হচ্ছে তো? - আমি দেখছি ওটা।

আমাকে বাঁচান!

ভাই, দয়া করে একটু এদিকে আসুন।

কী হয়েছে?

ও কখন আসবে কে জানে!

তোমার কাছে আমার একটা ছোট আবদার আছে।

আমাকে একটা থাপ্পড় মারো তো।

কিছু ভেবো না। শুধু একটা থাপ্পড় মারো!

এরপর যা ঘটবে... তার জন্য আমি দায়ী থাকবো না।

আমাকে বাঁচান!

- রামু? - দোস্ত!

- ভাই। - স্যার?

দেখো তো কী গণ্ডগোল হলো?

- আগে পাওয়ার সাপ্লাই চেক করো। - দেখছি স্যার।

তোমার কি খুব লেগেছে?

ইয়াহু!

এই, ওকে খোঁজো।

রামু!

- স্যার! স্যার! - জলদি ধরুন ওকে।

এই!

- এই! - জলদি কর!

রামু!

এই!

দোস্ত!

রামু!

তুমি কাকে খুঁজছো?

স্যার, আমরা প্রায় ওকে ধরেই ফেলেছিলাম।

ও কীভাবে পালালো বুঝতে পারছি না।

- চলো! চলো! - সবাই তো এখানেই ছিল।

হঠাৎ কারেন্ট চলে গেল আর সব হয়ে গেল...

রামু!

রামু, জলদি এদিকে আয়। বাড়িতে কেউ ঢুকেছে মনে হয়?

রামু!

- জলদি আয় এদিকে! - মা!

- কী হয়েছে মা? - ওখানে কেউ একজন আছে।

উপরে কেউ আছে।

এখন আলোচনা করার সময় নেই। আমাদের এখান থেকে বেরোতে হবে।

- আমরা কোথায় যাবো? - এটা বের করো।

- এই, শান্ত হও। - ও এসে গেছে!

আমরা তো কোনো শব্দ করিনি। ও ওপরে চলে এল কীভাবে?

- আমরা কোনো শব্দ করিনি। - তোমরা এখানে ঢুকলে কীভাবে?

আমার বাড়িতে ঢোকার সাহস হলো কীভাবে তোমাদের?

ওনার কী হলো?

ভাতিয়ার, দয়া করে বলুন আপনার কী হয়েছে?

- ভাতিয়ার? - আমরা গো!

কাকে ভাতিয়ার বলে ডাকছো তোমরা?

আরে শালা!

ভা- ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

কী অবস্থা রামু?

কেমন আছো?

ভেবেছিলাম অন্য কোনো পরিস্থিতিতে তোমার সাথে দেখা হবে।

কোনো সমস্যা নেই।

আমি তোমাকে সাহায্য করতেই এসেছি।

ভয় পেয়ো না।

এই!

তোমরা আমার সাথে কী করেছো?

আশা করি তোমার চোট লাগেনি।

রামুর রাগটা একটু বেশি।

সাবধানে থেকো।

রামু...

তুমি আর আমি আলাদা কেউ নই।

তবুও আমি ভালো মানুষদের সাথে আছি।

আর তুমি আছো খারাপ মানুষদের সাথে।

এখন বুঝিয়ে বলার সময় নেই। জলদিই আবার দেখা হবে।

দোস্তরা, আমাদের কাজ শেষ।

চলো!

- পালাও! - সরে দাঁড়ান কাকিমা।

তোমরা কারা?

কী নিয়ে যাচ্ছো তোমরা?

মা! মা! মা! মা!

- এই, ওরা কিছু একটা নিয়ে যাচ্ছে। - দাঁড়াও মা।

কারা ছিল এই লোকগুলো?

মা, আমি আছি তো। ভয় পেয়ো না।

হ্যালো, মিস্টার জয় গণেশ।

কেমন আছেন?

- চলি তাহলে! - ও আমাকে নাম ধরে ডাকছে কেন?

উ, ওদের দায়িত্ব এখন তোমার। খেয়াল রেখো।

মিস্টার সামি, আর কথা বলে লাভ নেই।

আপনার ১০ দিনের ডেডলাইন শেষ।

সমস্যার সমাধান এখনো হয়নি।

আমরা আপনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে যাচ্ছি।

আপনার চুক্তি আর সিন্ডিকেটের নিয়ম অনুযায়ী...

আপনার প্রপার্টি, সিকিউরিটি আর বন্ড

যার মূল্য ১৪২ মিলিয়ন ইউরো, তা আমরা সিজ করছি।

দোস্ত!

কী? তুই এখানে কেন?

জয়েন্ট কমিশনার আর মানি স্যার তোর জন্য অপেক্ষা করছেন।

ওনারা তোকে আর্জেন্ট ডেকেছেন।

বাবা, সব ঠিক আছে তো?

- কী হয়েছে? - ওনারা আমাকে তোকে নিয়ে যেতে বলেছেন।

আমরা কি বেরোবো?

স্যার!

রামু, এটা শুধু একটা ফর্মালিটি।

দয়া করে এটা করো।

- এটা কী হচ্ছে স্যার? - রামু...

...গত রাতের লড়াই দেখে আমাদের মনে হচ্ছে অপরাধীর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ তোর সাথে মিলে যাচ্ছে।

স্যার...

কী হচ্ছে এসব স্যার?

রামু, ওনারা যা বলছেন করো।

- ও কি এটা হাতে ধরেছিল? - হ্যাঁ স্যার।

তোমার কী হয়েছে? জলদি এটা ল্যাবে পাঠাও।

ভাতিয়ারের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পেয়েছো?

পরিষ্কার একটা প্রিন্ট পেয়েছি। ঠিক আছে?

আসল সত্যটা আমরা একটু পরেই জেনে যাবো।

যদি কম্পিউটার ভুল করে?

কম্পিউটার ভুল করবে কীভাবে?

- কোথায় যাচ্ছো? - আমি একটু বাথরুমে যাবো।

এখন না।

কাজ শেষ হলে যেও। বসো এখন।

বাথরুমে গেলে কি ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্যাটার্ন পাল্টে যায়?

আমি আসছি।

সবাই মিলে আমাকে টর্চার করছে।

রামু, প্যানিক কোরো না।

আমি সামলে নেবো।

কী হচ্ছে এসব?

রামু, ভয় পেয়ো না।

যারা আমার কথা শোনেনি, তারা কোনোদিন উন্নতি করতে পারেনি।

কিন্তু যে আমার কথা মেনে চলেছে, সে কোনোদিন ব্যর্থ হয়নি।

কী হচ্ছে এসব?

আমিই কি ভাতিয়ার?

আমিই কি সেই লোক?

প্রভু, ভাতিয়ার ফোনে আছেন।

ভাতিয়ার, আপনি সরকারি অফিসে আছেন দেখে আমাদের সোনায় সোহাগা হয়েছে।

আপনাকে শুধু একটা কাজ করতে হবে।

আপনার মোবাইল ফোনটা ওদের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্ট করুন।

বাকিটা আমরা দেখে নেবো।

তুমি বলতে চাইছো যে বয়স্ক মানুষরা টেকনোলজি বোঝে না।

তুমি রামুকে নিজেই বলো।

রামু স্যার, আপনাকে শুধু একটা কাজ করতে হবে।

আপনার মোবাইল ফোনটা ওদের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্ট করুন।

বাকি সব আমরা সামলে নেবো।

হ্যালো? হ্যালো? হ্যালো?

ও এত দেরি করছে কেন!

স্যার, ওকে নিয়ে যান।

ফোন?

এই তো এখানে!

এত সময় লাগছে কেন ওদের?

স্যার! স্যার!

- এই যে, আমাকে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটা দিন তো। - স্যার?

আমি পাবলিক নই। আমি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের লোক।

স্যার, পাসওয়ার্ড কনফিডেনশিয়াল। শেয়ার করতে পারবো না।

স্যার!

পাসওয়ার্ড হলো 'Ajanta Ajanta'।

'Ajanta Ajanta'?

হ্যালো, কেউ কি দরজাটা খুলবেন?

- এই, দরজা খোলো! - কেউ নক করছে।

কেউ দয়া করে দরজাটা খুলুন।

দরজা খোলো! এই!

এই, সরে দাঁড়াও!

স্যার, হাতটা সরান। আমি যখন বলবো তখন দেবেন।

- প্রসেস কি শুরু করেছো? - এবার আপনি হাত রাখতে পারেন।

এই তো! এই তো! একদম পারফেক্ট! চলো! চলো!

হ্যাঁ!

আমি জানতাম যে ওটা তুমিই!

ম্যাচ করছে না!

দোস্ত, তুই একদম ফাটিয়ে দিয়েছিস।

- স্যার, ওটা কি বলেনি যে ম্যাচ করেছে? - তুমি ঠিকই দেখেছো।

কিন্তু রেজাল্ট পাল্টে গেল।

স্যার, কম্পিউটারে নিশ্চয়ই কোনো ভুল হয়েছে। প্লিজ একবার চেক করুন স্যার।

স্যার, কম্পিউটার কোনো ভুল করতে পারে না।

একদম ঠিক! কম্পিউটার ভুল হতে পারে না।

প্রসেসটা আবার করো। কোথাও কোনো গণ্ডগোল আছে।

প্রথমে তো বলল যে ম্যাচ করেছে।

কী হচ্ছে এসব?

এটা লুপিং করছে কেন? কী হচ্ছেটা কী?

দুঃখিত, কিছু মনে করবেন না।

আপনাদের বিশ্বাস করলেও, আমাকে এটা করতেই হতো।

সরি!

আমি কি যেতে পারি?

স্যার!

ওরা কিন্তু বেশি বাড়াবাড়ি করছে।

রামু, প্যানিক কোরো না।

আমি সামলে নেবো।

বন্ধু!

এই!

দোস্ত, তুই ঠিক আছিস তো?

আপনি ঠিক আছেন তো স্যার?

সব ঠিক তো?

কী খবর উ? কী করছো তুমি?

ভাতিয়ার কখন আসবে?

আহ, আজ একটু রিস্ক আছে। তাই আমরা আজ আর দেখা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তোমাকে এমন সাজুগুজু অবস্থায় দেখে...

একদম ওসব বলবে না কিন্তু। আমি কিন্তু রেগে যাবো।

এই! এই! এই!

তুমি কী করছো?

আমাকে বাঁচান!

ও কী করছে এটা?

আমাকে বাঁচান!

দয়া করে নিচে নামুন আর চিৎকার করবেন না।

দয়া করে নিচে নামুন। পড়ে যেতে পারেন।

ভয় পেয়ো না!

আমি ছাদ থেকে লাফ দেবো না...

- এই! - ওহ না!

তুমি এমনটা করতে গেলে কেন?

সরি!

কেন? খুব লেগেছে?

রাজার দৃষ্টি সবসময়ই তার রানীর দিকে যায়

আমার চোখ শুধু স্বর্গ খুঁজে ফেরে...

লজ্জায় দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকে সে

সোনালী গোধূলি যেন মায়া ছড়িয়ে দেয়

সোনালী গোধূলি যেন মায়া ছড়িয়ে দেয়

এই! আমি সেই বাতাসের খোঁজ করি যা তোমার সুবাস আমার কাছে নিয়ে আসে

ফুলের চেয়েও তোমার সুবাস বেশি ছড়িয়ে পড়ে

তুমি যখন হাঁটো, তখন আঁকাবাঁকা পথও আলোর পথে পরিণত হয়

তুমি আমার মুখে হাসি ফুটিয়েছো

তোমার প্রতিটি কথা যেন মিষ্টির মতো লাগে

তুমিই সেই স্বপ্ন যা আমাকে ঘুমোতে দেয় না

চোখে ভালোবাসা আর নিশ্বাসে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে

আমাদের মুখ অনন্ত আকাশ ছোঁয়ার নেশায় ছোটে

এই! এসো আমার বিজলী

তোমার ভালোবাসা আমার পৃথিবীকে কাঁপিয়ে দেয়

তোমাকে ঘিরে থাকা প্রতিটি মাইল আজ ধসে পড়ছে

স্বর্গের ভালোবাসা যেন ঝড়ে পরিণত না হয়

আমার প্রিয়, আমাকে ছেড়ে দূরে যেয়ো না

তোমার রাজকীয় মুখ... আর তা দেখার তৃপ্তি

তোমার রাজকীয় মুখ... আর তা দেখার তৃপ্তি

আমার রাতের পূর্ণিমা... আমার হাসির ফুল

আমার হাসির ফুল

রাজার দৃষ্টি সবসময়ই তার রানীর দিকে যায়

আমার চোখ শুধু স্বর্গ খুঁজে ফেরে...

লজ্জায় দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকে সে

সোনালী গোধূলি যেন মায়া ছড়িয়ে দেয়

সোনালী গোধূলি যেন মায়া ছড়িয়ে দেয়

এই! এসো আমার বিজলী

তোমার ভালোবাসা আমার পৃথিবীকে কাঁপিয়ে দেয়

তোমাকে ঘিরে থাকা প্রতিটি মাইল আজ ধসে পড়ছে

স্বর্গের ভালোবাসা যেন ঝড়ে পরিণত না হয়

আমার প্রিয়, আমাকে ছেড়ে দূরে যেয়ো না

সোনালী গোধূলি যেন মায়া ছড়িয়ে দেয়

ভাতিয়ার, পেরিয়াসামি যা করে তার বেশিরভাগই বেআইনি।

কিন্তু কিছু দালাল আছে যারা এসব সরাসরি করে।

যখন আপনি ওদের প্রশ্ন করবেন, ওরা বলবে, "আমরা শুধু দুই পক্ষের মধ্যে ডিল করিয়ে দিই।"

ওরা বলে, "আমরা না থাকলে অনেক ভালো কাজই দেরি হয়ে যেত।"

মানুষ সবসময়ই তাদের খারাপ কাজগুলোকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করে।

কিন্তু আমাদের এর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ঠিক একইভাবে, ছত্তিশগড়ে পেরিয়াসামি গুলি চালানোর অর্ডার করিয়েছিল

আর তাতে বাইশ জন মানুষকে গুলি করে মারা হয়েছে।

যারা পরিবেশ আর মানুষের কল্যাণে এগিয়ে এসেছিল, তারা ওদের সবাইকে মেরে ফেলেছে।

আমাদের ওদের ধ্বংস করতে হবে।

ধ্বংস করতেই হবে।

প্রিয় কমরেডরা, নিজেদের রাগ কন্ট্রোল করতে শেখো।

তুমি বলো আমাকে।

পেরিয়াসামিকে ধ্বংস করলে কী হবে?

সবকিছু শেষ হয়ে যাবে ভাতিয়ার।

অন্য আরেকজন পেরিয়াসামি তার জায়গা নেবে।

আমরা যদি ওকেও ধ্বংস করি, তবে আরেকজন আসবে।

তাই আমাদের লক্ষ্য শুধু একজনকে ধ্বংস করে বিজয় উল্লাস করা হওয়া উচিত নয়।

আপনি কি বলছেন আমাদের ওদের ক্ষমা করে দেওয়া উচিত?

পেরিয়াসামির প্রতি আমাদের রাগ বা ঘৃণা থাকা উচিত নয়।

আমরা শুধু আমাদের দায়িত্ব পালন করছি।

বুঝেছো?

ঠিক আছে...

তোমরা কি পেরিয়াসামির দুর্গ গুঁড়িয়ে দিতে রেডি?

ভাতিয়ার, আমরা একটা ডাটাবেসের খোঁজ পেয়েছি যেখানে ওদের সব নোংরা সিক্রেট জমানো আছে।

আমাদের পরের প্ল্যান হলো ওই ডাটাবেসে ঢোকা।

ওটা করার জন্য তোমাদের কী লাগবে?

আমাদের শুধু একবার ওদের অ্যাক্সেস ডিভাইসটা লাগবে।

পেরিয়াসামির মেয়ে ওদের আইটি অপারেশন হ্যান্ডেল করে।

যদি আমরা ওর ফোনের অ্যাক্সেস পাই, তবে দশ মিনিটে আমরা সব বের করে নিতে পারবো।

ঠিক আছে!

ধ্যাত তেরি! গাধা একটা!

এই!

এটা কী হচ্ছে ম্যাডাম?

গাড়ি চালানোর নামে তো আপনি হাঙ্গামা বাধাচ্ছেন।

আপনাকে কেউ কিছু বলার নেই বলেই আপনি এমনটা করছেন।

স্বাগতম ভাতিয়ার!

শকুন যখন তোর মাংস খুবলে খাবে, তখন আমি সেটা দাঁড়িয়ে দেখবো।

তোর বাবা-মা যদি তোকে ঠিকমতো মানুষ করতো, তবে আজ আমাকে এটা করতে হতো না।

পেরিয়াসামিকে জানিয়ে দিও যে সুদিন আসতে চলেছে।

চলি তাহলে!

এই তো ও।

- এই, ভাগ এখান থেকে! - এক্সকিউজ মি।

এটা কি আপনার ফোন? আমি এটা মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেছি।

ধ্যাত!

-ঠিক আছো তো? -এই!

চিল করো।

আমার ফোন দিয়ে কল করতে পারো।

এই, পেয়েছো ওটা?

পেয়ে গেছি!

-ফিঙ্গারপ্রিন্ট পেয়ে গেছি। কাজ শেষ। -অসাধারণ!

ধ্যাত! কোনো নেটওয়ার্ক নেই। এই নাও।

এই, আপনারা কেমন ডিপার্টমেন্ট চালাচ্ছেন?

আপনারা আমার জন্য কাজ করছেন না।

আবার মানুষের জন্যও কাজ করছেন না।

ভেতরে ঢোকার সাহস হয় কী করে?

বেরোন এখান থেকে!

এই, হিন্দিতে বকবক করা বন্ধ করো।

এই, আমার... আমার মেয়ে... হ্যাঁ...

ও ওকে চাবুক দিয়ে পিটিয়েছে।

ওর মাথা কেটে রাস্তার মাঝখানে রাখতে পারলে তবেই আমার শান্তি।

বসুন, পেরিয়াসামি।

শান্ত হোন। কথা বলা যাক।

আমাকে তিন দিনের জন্য শহরের কন্ট্রোল নিতে দিন।

পুরো ইন্ডিয়া থেকে ভয়ংকর সব কিলাররা এখানে আসছে।

শহর যখন আমার কব্জায় থাকবে...

তখন ওরা সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করবে না, সেটা আমি দেখবো।

ওদের একমাত্র কাজ হলো...

নিজেকে ভাতিয়ার দাবি করা ওই লোকটাকে খতম করা।

তাই আমি চাই পুলিশ ডিপার্টমেন্ট যেন তখন চোখ বন্ধ করে থাকে।

আপনাদের পাওনা মিটিয়ে দেবো।

স্যার, কাল দিল্লি থেকে ক্যাবিনেট মিনিস্টার আসছেন।

আমরা এই ব্যাপারে কিছু করতে পারবো না।

-হ্যাঁ! -বিরাট সিং!

সিং...

সিং কাল আসছেন না।

শিডিউল পাল্টে দেওয়া হয়েছে।

আমরা কোনো নির্দিষ্ট গ্যাংকে কাজটা দিইনি।

যে ওর মাথা এনে দেবে তাকে এক কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

ভাতিয়ার, এটা দেখুন।

মালিনীর ক্লাউড স্টোরেজ থেকে দারুণ কিছু পেয়েছি।

জয়!

একাই পাপিষ্ঠদের এই দুর্গ গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

এই খবরটা যেন দাবানলের মতো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

স্যার, সবাইকে কেমন অদ্ভুত লাগছে।

আজ আমাদের সবকিছু ইগনোর করার কথা।

এই যে আপনি!

আপনি নিশ্চিত তো স্যার?

আচ্ছা।

-শুরু করো। -ঠিক আছে স্যার।

তামিলনাড়ুর মানুষের সাহস সঞ্চয় করার সময় এসেছে।

ইয়েলো ফেস গ্যাং আরও একটা চাঞ্চল্যকর ভিডিও ছেড়েছে।

এই ভিডিওটা কোনো কাটাছেঁড়া করার জন্য বানানো হয়নি।

চলুন ভিডিওটা দেখে নেওয়া যাক।

প্লিজ আমাকে বাঁচান।

দয়া করে আমাকে বাঁচান।

বাঁচান আমাকে।

-প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন। -একদম নড়বেন না।

আঘাতটা খুব গভীর।

একটু অপেক্ষা করুন।

এই ভাই, দরজা খোলো!

আগুন লেগেছে। দরজা খোলো।

বাইরে এসে দেখুন কী হচ্ছে।

-বাইরে এসে দেখুন। -শুধু চোখ বন্ধ করলেই...

-অন্যায়ের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায় না। -মালিনী!

চলো! আগে এখান থেকে বের হই।

চিন্তা কোরো না, এই দিন আর থাকবে না।

আমাদের জীবন বিপদে। চলো যাই!

-আমার কমরেডরা -এই, গাড়ি বের করো।

আমার কমরেডরা

উ, ভাতিয়ারের কিছু একটা হয়েছে।

মানুষ হওয়ার যোগ্যতা কার আছে?

যে বাঁচাতে আসে খিদে কি জীবনের সব?

স্রষ্টা হওয়ার যোগ্যতা কার আছে?

কথায় বিষ আর হাতে ধ্বংস

কে আসলে প্রকৃত মানুষ?

এই, কে ওটা? চলো তো দেখি।

কী হয়েছে? চলো গিয়ে দেখি।

কে আসলে প্রকৃত মানুষ?

ভাতিয়ার!

একটা শহরের হাহাকার যখনই কানে আসে

যে পথ খুঁজে পেয়েছে

জলদি করো!

যে ত্যাগের মধ্যে নিজের পথ খুঁজে পেয়েছে

ওহ না, আমরা তো শেষ!

প্রতিবাদ এখনো চলছে।

প্রায় ১০০ দিন হতে চললো।

শালাগুলো এখন গুলি করার অর্ডার চাইছে!

ওরা আমাদের ১৪২ মিলিয়ন ইউরো দিতে রাজি হয়েছে।

এটা ওদের অফার।

আমরা চাইলে আরও দর কষাকষি করতে পারি।

শালাগুলো গুলি করার অর্ডার চাচ্ছে!

শালাগুলো একদম গুলি করার অর্ডার চাচ্ছে!

বোন!

ওহে যোদ্ধা, থেমো না তোমার চোখ বুজতে দেবো না

প্রিয় কমরেড, সাহস হারিও না তোমার সময় এখনো শেষ হয়নি

ওহে বীর যোদ্ধা

শালাগুলো গুলি করার অর্ডার চাচ্ছে!

বার্মাকে ফোন দাও!

মর এবার!

-বার্মা! -হ্যাঁ মাধি।

পেরিয়াসামি আর মালিনী...

...মারা গেছে বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে!

-হ্যান্ডেল করো। -দারুণ খবর।

দোস্ত, সব পরিষ্কার করে সটকে পড়ো।

ওহে যোদ্ধা, থেমো না তোমার চোখ বুজতে দেবো না

প্রিয় কমরেড, সাহস হারিও না তোমার সময় এখনো শেষ হয়নি

ওহে বীর যোদ্ধা

এই!

বার্মা, কাজ হয়ে গেছে!

মা...

কী হয়েছে সোনা?

আমার কী হয়েছিল?

এসএমকে দলের শাসনের পতন।

মন্ত্রী মাধি চোলানের দাবি: "ফাঁস হওয়া ভিডিওটি এআই দিয়ে বানানো।"

পেরিয়াসামি আর মালিনী নিখোঁজ

নামাক্কাল পেলকো প্ল্যান্ট বন্ধ গণবিক্ষোভের জয়

বেআইনি পারমিট দেওয়ার অভিযোগে দুই সিনিয়র অফিসার গ্রেফতার

"ইয়েলো ফেস"-এর হাতে ধরা পড়লো বড় চক্র

ভাতিয়ারের প্রতি মানুষের ভালোবাসা আমাকে বদলে দিয়েছে - মুখ খুললেন রামু

-রেডি তো? -জি স্যার।

এই তো!

এগিয়ে যাও। করে দেখাও!

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

দেখুন সবাই!

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

আমার সাথে এসো।

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

সাধারণ মানুষকে হাত তুলে দেখাও।

ভাতিয়ার!

আমার নাতি তো একদম এমজিআর-এর প্রতিচ্ছবি।

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

ভাতিয়ার! ভাতিয়ার!

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.