Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
প্রিন্ট মোটামুটি, খারাপ না একদম.... দেখতে থাকুন। মুভিতে অধিক প্রত্যাশা না রেখে, স্বাভাবিক রাখাই ভালো হবে।
SPYder (২০১৭)... ডিরেক্টরঃ এ.আর.মুরুগাদোস। 😎 অভিনয়েঃ মহেশ বাবু 💜, রাকুল প্রীত 😍, এস.জে সুরিয়া...
বাংলা সাবটাইটেল মেকারঃ Akash Ahmed www.facebook.com/TollyAkash
এটি আমার ৭ম সাবটাইটেল। তেলুগু ভাষার অর্থ করে (অনুবাদ নয়), ডিরেক্টলি ৫ম সাব। আশা করি, সাবের মান আপনাদের সন্তুষ্ট করবে।
সাউথ ফ্যানরা যোগ দিতে পারেন- ৪০,০০০+ মেম্বারের দুর্দান্ত এক্টিভ গ্রুপ "সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি ফ্রিক"য়ে। 💜
সার্চ বক্সে লিখুন- সাউথ ফ্রিক / southfreak... অথবা, www.facebook.com/groups/SouthFreak 😍
এই... এসে গেছে!
মামা, সুপার! আগে বলিসনি কেনো? প্রথমে তুই, তারপর আমি। ওকে?
স্যরি, দাদা দেরিতে ঘুমাতে যাওয়ায়- দেরি হলো।
আমার বন্ধু গিরিশ। বিয়েতে সাক্ষী দেওয়ার জন্য, একজন তো লাগেই! এজন্য...
- তোমার শাড়ি, গহনা ইত্যাদি সব এনেছো তো? - হ্যাঁ। ব্যাগেই আছে।
যাওয়া যাক? ব্যাগ তাকে ধরতে দাও।
মহালক্ষ্মী... তুমি গিয়ে পানির বোতল নিয়ে এসো। আমি গিয়ে তিরুপতির বাসে বসছি....
তারপর, তুমি এসে মহিলাদের সিটে বসো। কেউ দেখলে সমস্যা হতে পারে, তাইনা?
- কেউ কিছু জানে না তো? - কেউ জানে না!
- স্যার, বাদাম ভাজা নিন স্যার! - দরকার নেই! যাও।
- তিলে খাজা নিন, স্যার! - আপনারা তিরুপতি যাচ্ছেন বিয়ে করতে। বাদাম খান! চিন্তা দূর হবে।
- দুইজন যাচ্ছেন কেনো? ওহ, সাক্ষী লাগবে তো। - বিয়েতে সাক্ষী দেওয়ার পর, আপনি কি করবেন স্যার?
- মেয়েকে মহিলাদের সিটে বসিয়েছেন! - কাউকে না জানিয়ে, ভালোই ম্যানেজ করছেন স্যার!
এই, ভাগো সব!
[ ধরি মাছ, না ছুঁই পানি - এই জাতীয় প্রবাদের একটা গান... ]
এই...! কেউ জানেনা বললি? বাস স্ট্যান্ডের সবাই জেনে গেছে!
থাক তুই তোর ব্যাগ নিয়ে! ধর! আমাকে আবার ফোন দিলে, মেরে ফেলবো!
থাকো তুমি! গেলাম!
কারো না জানা প্ল্যান... সবাই জেনে গেছে, আমার জন্যে!
আমার নাম শিবা। এটাই আমার অফিস। মোট ২০ তলা, ৮৪ কর্মচারী।
র্যাংকের ভিত্তিতে সবাই কাজ করছে।
নিচ তলা থেকে -৩ তলা পর্যন্ত, ৩৭ জন কাজ করছে...
যার ভেতর আমিও একজন, আমার কাজ....
Call Tap! জাস্ট কল ট্যাপই আপনাদের কাজ।
আসলে, আমরা যেকোনো লোকের কল 'ট্যাপ' করতে পারি। এটা কি বৈধ? অবশ্যই অবৈধ!
এখন আপনারা অবাক হতে পারেন, যে- সরকার কেনো এগুলো করছে?
অন্যায় প্রতিহতের জন্য, দেশে শান্তি রক্ষার জন্য! জনগণের ভালোর জন্যই আমরা কল পর্যবেক্ষণ করছি।
কোনো ব্যক্তির উপর ক্রাইম সংক্রান্ত সন্দেহ হলে, তার কল রেকর্ড করে উপরের ডেস্কে পাঠানোই আপনাদের কাজ।
কিন্তু, ব্যক্তিগত স্বার্থে কল রেকর্ডের পরিবর্তে, কোনো ব্যক্তির কথাবার্তা শুনা- অনেক বড় অপরাধ।
এরকম করলে, নিজের চাকরি হারানোর পাশাপাশি, জেলের ভাত খাওয়া লাগবে!
জনগণের কল রেকর্ড করা যাবে, ক্রাইম ছাড়া শোনা যাবেনা- এটা আমাদের অর্ডার।
কিন্তু, আমি রোজ অনেক কলই শুনি... আমি নিজে একটা সফটওয়্যার মডিফাই করেছি।
ফোনে কেউ গালি দিলে, সাহায্য চাইলে, কাঁদলে, আমার সফটওয়্যার সংকেত দিতে থাকে।
সুপারস্টার মহেশ বাবু as শিবা.... স্পাই 😎😍
ভালো করে খোঁজ সবাই! কাউকে না জানিয়ে মাঝ রাতে সমুদ্রে প্ল্যান করলাম।
তারপরেও, কেউ কিভাবে এলো? কে রে সে?
আমি আগেই তোমার সব পেপার দেখেছি, শিবা। এবং আমি অবাক!
লক্ষ্যে গুলি করায় জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত, খেলাধুলা, বুদ্ধিমত্তা, বাকি সব দিকেও দুর্দান্ত রেকর্ড!
তারপরেও, এই চাকরি করছো কেনো? মাত্র ৪০,০০০ টাকা বেতন!
তুমি চাইলে, উপরে ৩ তলায় তোমার চাকরি দিতে পারি! বেতনও এর তিনগুণ পাবে!
- না, স্যার! আমার এই বেতনই যথেষ্ট! - এটা শুধু টেবিল ওয়ার্ক শিবা! জীবন কিন্তু টেবিলেই শেষ হয়ে যাবে!
সমস্যা নেই, স্যার। এ কাজের মতো সন্তুষ্টি, অন্য কাজে পাবো না আমি।
তার মতো দ্বিধায়- আমার বন্ধু এবং বাবাও পড়েছিলো। আমার বাবা জিজ্ঞাসা করেছিলো....
৪০,০০০ টাকার জন্য অবৈধভাবে কারো ফোন কল শুনছিস? একজন টয়লেটে যাচ্ছে, তার উপরেও গুপ্তচরগিরি করছিস?
পুলিশ হলে ভালো করতাম, তার মত।
একটা হত্যা হওয়ার পর, কে মেরেছে তা খুঁজে বের করে, কোর্টে নিয়ে...
মেরেছে বলবে এক উকিল, মারেনি বলবে আরেক উকিল, এরপর জেল, জেলের পর বেল (মুক্তি)।
একটা প্রাণ যাওয়ার পর, এসব করার জন্য পুলিশের চাকরি আমার দরকার নেই।
কিন্তু, এই কাজে... একটা অপরাধ ঘটার আগেই তা থামাতে পারি।
সেটা টিভি বা পত্রিকায় না আসলেও, সমস্যা নেই।
রাত দেড়টা বাজে, এখন কিসের সাহায্য দরকার?
কালকের "মানুষ এবং দৈহিক গঠন" সেমিনারের নোট প্রস্তুত করছি...
হঠাৎ একটা ভিডিও "আমাকে দেখো", "আমাকে দেখো" বলে মাথা খারাপ করছে!
- মানে? - মানে, ক্লিক করে দেখেছি।
- কিসের ভিডিও ওটা? - ঐ যে! গত বছর আমরা পড়েছিলাম, হিউম্যান রিপ্রোডাক্টিভ...
সোজা কথায়, পর্ণ ভিডিও!
ওকে, এখন কি তাহলে?
- তা নয়! ভিডিও দেখার সময় এরকম আরো অনেক ভিডিও এসেছিলো... - ওকে, তুই কি করলি?
- অবিরতভাবে সবগুলো দেখেছি! - কত সময় ধরে?
- মাত্র ৪ ঘন্টা! - ৪ ঘন্টা??
- অনেক হয়েছে, তুই ঘুমা এখন! - না রে! আমার ঘুম আসছে না।
দেখ, আমার ৯৬% মার্ক আছে... কিন্তু, অন্তত ৯৮% মার্ক দরকার। বৃত্তি পেয়ে আমেরিকায় যাবার জন্য।
তার সাথে এটার কি সম্পর্ক?
আমি পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছি না!
আমি এটা একবার ট্রাই করতে চাই!
- পাগল হলি নাকি? পানি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়! - আমি চেষ্টা করেছি...
- কিসের চেষ্টা করেছিস? - ঘুমানোর চেষ্টা করেছি... ঘুম আসছে না!
আমি প্রেম-ভালোবাসায়ও আগ্রহী নয়, পড়াশোনার জন্য ক্ষতিকর!
তাহলে, এখন কি করার কথা ভাবছিস?
- I need a Blind Date! - ব্লাইন্ড ডেট?
আমার একজন হ্যান্ডসাম ছেলে দরকার। আমি কে, আমার নাম্বার কি- এসব সে জানবে না...
তেমনই, সে কে, তার নাম্বার কি, তাও আমি জানবো না।
আমাকে আমার মনোযোগ ফিরিয়ে আনতেই হবে, তোকে সাহায্য করাই লাগবে!
- ছি! ছি! লজ্জা নেই তোর? - এই! এত অভিনয় করিস না! তুই কত ইন্নোসেন্ট আমি জানি!
অনেক বেশি বলছিস! ঘুমা এখন! মেন্টাল! আর, আমাকে যা বললি, আর কাউকে বলতে যাস না।
আপনারা ঠিকই অনুমান করছেন, আমি পরদিনই তাকে সরাসরি দেখতে গেলাম!
[ A blind date is a social engagement between two people who have not previously met, usually arranged by a mutual acquaintanc ]
আবার যেনো পিছু নিতে না দেখি!
ধুর! এভাবে হবে না মনে হচ্ছে! আরো কিছুদিন ফোন কল শোনাই বেটার হবে।
আমাকে ফলো করছো কেনো?
আমি?
২৮ দিন ধরে দেখছি! ১ম দিন কালো শার্ট গাঁয়ে দিয়ে, ওখানে দাঁড়িয়ে ছিলে। ২য় দিন সাদা শার্ট গাঁয়ে, এখানে দাঁড়িয়ে ছিলে।
শুক্রবার আসোনি, কিন্তু পরদিনই আইম্যাক্সে পিছু নিয়েছো। ২ দিন ধরে খেয়াল করছি...
যেখানেই থাকো, সময়মতো এখানে এসে দাঁড়িয়ে পড়ো। ২৮০০১ বাসে উঠে পড়ো।
এবার থেকে এসব বন্ধ করো! এটাই!
অভিনন্দন! মেয়ে পটে গেছে!
- কি বলছিস? - ওরে! তোর গাঁয়ে দেওয়া শার্টের কথা পর্যন্ত মনে রেখেছে।
২৮ দিন, তা পর্যন্ত গুণ রেখেছে, আইম্যাক্স থিয়েটারে ২ ঘন্টা সিনেমা না দেখে তোকে দেখেছে!
কিসের জন্য? প্রপোজ করে দে।
- আমি তাকে ভালোবাসি না। - ভালোবাসিস না? তাহলে কি?
[ ভালোবাসে না, তারপরেও মহেশ কেনো রাকুলের পিছু নিয়েছে? 😱😎😹 ]
- দেখো, প্রেম ভালোবাসায় আমার আগ্রহ নেই! - জানি! আমারও ভালোবাসায় আগ্রহ নেই।
তাই নাকি? ভালো... তাহলে, ঠিক আছে।
- কিন্তু, আমার ভালোবাসায় আগ্রহ নেই, তা তুমি কিভাবে জানো? - মানে, ৯৬% এর বদলে ৯৮% পেলে আমেরিকায় বৃত্তি পাওয়া যাবে।
এই... এটা তুমি কিভাবে জানো?
ভগবান আমার স্বপ্নে এসে এসব বলেছে, তোমার কোনো সাহায্য দরকার। সেটা খুঁজে সাহায্য করতে বলেছে।
- সেরকম কোনো ব্যাপার না... - তাহলে, দরকার নেই!
আমার স্ট্যান্ডে চলে এসেছি... আমি বিকাল ৫টায় সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে যাবো। কথা বলতে চাইলে, সেখানে আসো।
- কথা বলার জন্য লাইব্রেরিতে? - আস্তে আস্তে কথা বলবো!
ওকে! আস্তে আস্তে কথা বলবো!
এভাবেই সুখে শান্তিতে দিন কেটে যাচ্ছিলো। কিন্তু, একটা কল... জীবনটাকে ওলট পালট করে দিলো।
কি হলো এত রাতে?
সীতা, পরিবারের সবাই বিজয়াড়া গেছে। আমি একা আছি। এখানে ভূত প্রেত আছে মনে হচ্ছে। খুব ভয় করছে আমার।
সবসময় থাকিস কমিক বই আর ভূতের সিনেমা নিয়ে। এজন্য এরকম মনে হচ্ছে।
না রে! সবার বাড়িতেই কারেন্ট আছে, আমাদের বাড়ি ছাড়া। প্লিজ তুই একটু আয় আমাদের বাড়ি।
আমার বাড়ি কাছে নয় রে! তুই এক কাজ কর... দরজা জানালা সব বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়। ভূত বলে কিছু নেই। নিশ্চিন্তে ঘুমা। ওকে?
এই, শিবা! রি-ইউনিয়নে কেবল তুই-ই আসলিনা। তা, এত ব্যস্ত হয়ে পড়েছিস নাকি? চাকরির পাওয়ার ট্রিটও দিলিনা!
- হ্যাঁ, রেণু... একটা সাহায্য লাগবে! - ভেবেছিলাম, তা ছাড়া তো ফোন দিবিনা। বল!
- এখন কোথায় তুই? - বাড়ি যাচ্ছি।
তোর পাশের ফ্ল্যাটের ৩২নং বাড়িতে, একটা মেয়ে খুব ভয় পাচ্ছে... আমার মনে হয়, তার একটু সাপোর্ট দরকার।
- ওকে, ওকে, যাচ্ছি! কিন্তু, পদ্মিনীয় বিয়ে হয়েছে, শুনেছিস তো? - এসব পরে শুনবো। তুই আগে সেখানে যা। সমস্যা হলে, জানাস। ওকে?
ফোন রেখে, আগে খেয়ে নে!
- শার্ট লন্ড্রী করেছো? - আমি একা আর কত কাজ করবো? পত্রিকা রেখে নিজেই তো করে নিতে পারে।
এই নে টিফিন! রোজ খাবার বাঁচিয়ে রাখিস। আজ পুরো খাবার শেষ করবি...
ইন্টারমিডিয়েট পড়া হেমা নামের এক মেয়ে, আর রেণু নামের এক মহিলা পুলিশ কর্মকর্তা, দুজন একই বাড়িতে খুন হয়েছে।
দুজনের শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে কেটে আলাদা করে, দুজনের অংশ একত্রে মেশানো হয়েছে।
এ ঘটনা এলাকাবাসীর মনে ভীতির সৃষ্টি করেছে। আতঙ্কে এলাকাবাসী।
ইন্টারমিডিয়েট পড়া হেমা, আর একই কলোনির রেণু নামের কনেস্টেবল, দুজন একই বাড়িতে নির্মমভাবে খুন হয়েছে।
ম্যাডাম, একবার এদিকে আসুন।
কিভাবে বলবো বুঝতে পারছি না... তাদের চোখ, কান, নাক ইত্যাদি সব অংশ কেটে দুজনের অংশ একত্রে মেশানো হয়েছে। কোন অংশ কার বুঝতে কষ্ট হচ্ছে।
দুই পরিবারের দুই মহিলা এসে, সনাক্ত করতে পারলে ভালো হতো বলে স্যারের মত। একবার তাদের গিয়ে বলুন প্লিজ!
মেরে ফেলেছে! আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে!
- আঙ্কেল, আপনি জানেন? শিবা চাকরি ছেড়ে দিয়েছে! - ছেড়ে দিয়েছে?
কি এসব? চাকরি ছেড়েছিস কেনো?
আমি এ কাজে আর মনোযোগ দিতে পারবো না। অপরাধ ঘটার আগে তা থামাতে পারিনি।
আমার ভুলের জন্য ২টা প্রাণ গেছে, এ কাজ আমি আর করতে পারবো না।
মেয়েটি ভূতের ভয়ের কথা বলেছিলো। সে ঠিকঠাক বলতে পারলে, এসব কিছুই ঘটতো না!
ছোট বাচ্চা! সঠিকভাবে বুঝে বলতে পারেনি। কিন্তু, আমার বোঝা উচিৎ ছিলো! আমার ওখানে যাওয়া উচিৎ ছিলো!
এই, কত অপরাধই তো থামিয়ে দিই। একবার ভুলে মিস হয়ে গেছে! কি করা যাবে? চল, অফিসে চল!
না রে... এই কাজ আমাকে অনেক সন্তুষ্টি দিয়েছে। দুর্বলদের সাহায্য করার সন্তুষ্টি। অন্যায়কে প্রতিহত করার সন্তুষ্টি।
এই কাজ প্রতি মিনিটে আমাকে সন্তুষ্টি দিয়েছে... কিন্তু, এই ২ প্রাণ যাওয়ার পর, এই সন্তুষ্টি আমি আর খুঁজে পাবো না!
অন্যায় কিছু ঘটার আগেই থামিয়ে দিতে, এই কাজে যোগ দিয়েছিলি। তাই না?
এই ২ জনের হত্যাকারী, আগে কাউকে হত্যা করেনি ভাবছিস?
নাকি আর কাউকে মারবে না ভাবছিস?
এসব জানা দরকার... এটা বড় কোনো ক্রাইমের সূচনাও তো হতে পারে!
যা, কাজে যা। এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে- চাকরিতে ফিরে যা! যা...
তোর সিস্টেমে মেয়েটির নাম্বার পাঠাচ্ছি। তুই তার Whatsapp মেসেজ চেক কর, আর তুই তার ফোনের মেসেজ চেক কর।
কারো উপর সন্দেহ হলে, মার্ক কর। নতুন কোনো বন্ধু, প্রেমিক- আছে কি না চেক কর।
( মেয়েটির সমস্ত কল হিস্টোরি চেক করছে স্পাই শিবা )
শিবা, কমিশনারের সব কল রেকর্ড করতে বলেছিলি। একটা কল সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। তোর কাজে লাগতে পারে। শুনতে চাস?
- স্যার, এসিপি শর্মা। - বলো, শর্মা। - স্যার, আপনার সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলতে চাই। জরুরী!
- সমস্যা নেই, ফোনেই বলো। - না, স্যার। অনেক গুরুত্বপূর্ণ! ফোনে বলা যাবে না।
সমস্যা নেই, শর্মা। বলো...
স্যার, মার্ডারের স্থানে আমরা একটা কাপড় পেয়েছিলাম। এবং সেটা পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছিলাম। সে রিপোর্ট হাতে পেয়েছি...
সে কাপড়ে, মারা যাওয়া ২ মহিলা ছাড়াও আরো ৮ জনের রক্তের দাগ আছে এবং সবগুলোই এ মাসের।
তাই নাকি? ব্যাপারটা বেশ জটিল মনে হচ্ছে।
শর্মা, একটা কাজ করো... শহরে এ মাসে যত মিসিং কেস আছে, তার লিস্ট নিয়ে আমার সাথে যোগাযোগ করো।
- ঠিক আছে, স্যার। - হ্যাঁ, শর্মা... এ ব্যাপারে একটু গোপনীয়তা বজায় রেখো।
কি এসব! কথা শুনেই তো ভয় লাগছে! এ মাসেই আরো ৮ জনকে মেরেছে!
ঐ কাপড়ে আরো ৮ জনের রক্ত পাওয়া গেছে, এর বেশি লোককেও মারতে পারে!
খুনীকে ধরতে হলে... সে কে, কয়জনকে মেরেছে- সব বিস্তারিত জানতে হবে।
আসলে, আমরা যেখান থেকে শুরু করেছিলাম, সেখানেই থেমে গেছি!
মেয়েটি কোথায় গিয়েছিলো, কখন গিয়েছিলো- তা তার কল ও মেসেজে আছে। সময় ও স্থান মিলিয়ে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে- সূত্র পাওয়া যেতে পারে।
৩য় তলায় একজন আছে, কৌশিক, সে কি আমাদের সাহায্য করবে?
- কি এটা! এত বড় লিস্ট? এত ফুটেজ কিভাবে ম্যানেজ করবো? - অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেভাবেই হোক সাহায্য কর, প্লিজ!
- ধরা পড়লে কি হবে? - আমার কথা শোন, ধরা পড়বি না।
প্রতারণা কর! যেভাবেই হোক কর!
জীবনের অর্থ এখনো বোঝেনি, এমন এক মেয়ে... নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়া কনেস্টেবল...
দুইজনকে মেরে... পোশাক খুলে... দুজনের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে একত্রে মিশিয়েছে।
এরকম লোক! বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে!
তাকে আমার চাই! তাকে আমি ধরতে চাই! এজন্য, সিসিটিভি ফুটেজ দরকার!
আমার অফিস -৩ তলায়, আমি তোর অপেক্ষায় থাকবো!
শপিং মল, থিয়েটার, মন্দির, এটিএম, কুক্কাটপেল্লি চৌরাস্তা, জুয়েলারি দোকান, ট্রাফিক, পেট্রোল পাম্প এর সিসিটিভি ফুটেজ।
গেলাম, শিবা। কাল দেখা হবে।
- কি ব্যাপার? সারারাত এখানেই ছিলো মনে হচ্ছে। - হ্যাঁ, হ্যাঁ। কিছু একটা বের করেছে, দেখে নিস!
এই! সে কে জানতে পেরেছিস?
এই লোককে দেখ... ক্যাশ কাউন্টারে দাঁড়িয়ে, বারবার দরজার দিকে তাকাচ্ছে। কারো জন্য অপেক্ষা করছে!
এমন সময় মেয়েটি এসে এখানে বসলো। সে মেয়েটিকে দেখলো এবং এসে তার পাশের টেবিলে বসলো।
মেয়েটি তার বান্ধবীর সাথে বাইরে গেলো। সেও তার খাবার ফেলে বাইরে গেলো। এবং ফলো করা শেষ করে আবার এসে বসলো।
চেহারা ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে না...
পার্কিং এরিয়ার ফুটেজ দেখ, এর ভেতরেই আছে।
এরকম নাম্বার বাইকের হয়না, লরির নাম্বার এটা।
মরবে শালা! পুলিশকে খবর দিবি?
আমি সারারাত কষ্ট করেছি, জনগণের কথা ভেবে। পুলিশকে খবর দিলে সঠিক শাস্তি হবেনা। ওকে আমিই ধরবো!
আমার নাম গৌরি। আমি একজনকে ভালোবাসি, সেই রাগে আমার ভাই আমার সার্টিফিকেট নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে।
ভাইয়া... তুমি যা বলবে, তাই করবো। যাকে বলবে, তাকেই বিয়ে করবো। বাড়ির অবস্থা মোটেই ভালো নয়। মায়ের শরীরও অনেক খারাপ।
শুধু তোমার কথাই বলছে। প্লিজ ভাইয়া... আমার সার্টিফিকেট নিয়ে চলে আসো। না হলে, না খেয়ে মারা যাবো!
এটা আমার ভাইয়ের ফটো! নাম- কৃষ্ণমূর্তী। কেউ ইনাকে দেখলে, প্লিজ আমার বলা নাম্বারে ফোন দিয়ে জানান।
আমার সার্টিফিকেট থাকলে, যেকোনো একটা কাজ খুঁজে, মায়ের দেখাশোনা করতে পারবো। প্লিজ...
বলো, ভাইয়া...
কুমার... ভিডিও অনেক ক্লিয়ার আছে। একটু নড়াচাড়া ভাব আনতে পারলে, অরজিনাল লাগবে!
আবার করে পাঠাচ্ছি। কেমন হয় দেখো।
এই ভিডিও তোদের পাঠাচ্ছি। গ্রুপ মেসেজে শেয়ার কর। ছড়িয়ে দে... আমাদের সার্ভার ব্যবহার কর।
একে দেখেছে অথবা চেনে, এরকম কেউ ফোন করার সম্ভাবনা আছে।
এ ভিডিও ভাইরাল করা আমাদের কাজ! তুই বাড়ি যা... আন্টি অনবরত ফোন দিচ্ছে।
একবার যা বিক্রয় ডট কমে বেঁচেছি, তা আর ফেরৎ নেওয়া যাবে না!
চার্জ না নেওয়া আইপ্যাড অনলাইনে বেঁচে, প্রতারণা করেছেন কেনো?
- প্রতারণা! প্রতারণা কিসের? - তা নয় তো কি! আমার টাকা ফেরৎ দিন!
মা, এটাতে চার্জ নেয়না। কাউকে ফ্রী'তে দিয়ে দিতে বলেছিলাম... বিক্রয় ডট কমে বেঁচে দিয়েছো?
- তোমার মা? - এই, তুই এই মেয়েকে চিনিস নাকি?
যান সবাই, যান এখন... তুমি ওদিক যাও...
ভেতরে চলো... আইপ্যাড দাও। বসো... কফি আনছি।
- আমার শিবা তোমাকে আগে থেকেই চেনে? - হ্যাঁ! ২৮ দিন আমার পিছু পিছু ঘুরেছে।
- তুমি ওকে ভালোবাসো নাকি? - না! না! এরকম কিছু নয়।
- ওহ... বন্ধু... - বন্ধুও না আসলে...
প্রেমিকও না, বন্ধুও না, তাহলে কি?
আসলে, আমার ৯৬% থেকে ৯৮%........ সে.... পছন্দ..... পছন্দ!
ভালোবেসে থাকলে, বলে দাও... ওর জন্য মেয়ে দেখা, আমাদের দ্বারা সম্ভব না! অনেক লজ্জা ওর! বাপের মতো...
আমাদের বিয়ে হওয়ার ৬ বছর পর ওর জন্ম হয়েছে... বোঝো তাহলে!
আমার বাবা-মা'র বিয়ে হয়েছে ২০ বছর। কিন্তু, আমার বয়স ২১ বছর... বুঝুন তাহলে! আমিও আমার মায়ের মতো।
অনেক দ্রুত!
কিরে? এই মেয়ে... প্রেমিকও না, বন্ধুও না, বলছে....
- ঠিকই বলেছে। - বন্ধুও না হলে, সম্পর্কটা কি?
তোমাকে কিভাবে বলবো, মা...
- সুবিধাবাদী বন্ধু... - সুবিধাবাদী বন্ধু?
হ্যাঁ, মা! 'ফ্রেন্ড উইথ বেনিফিট'!
বন্ধুত্বে সুবিধাবাদ কিসের, বেনিফিট কিসের, আমার মাথায় কিছুই ঢুঁকলো না...
- ওকে, আন্টি। আমি গেলাম। - ওকে, মা... এই! গিয়ে এগিয়ে দে।
- এটাও তো বেনিফিট! তাইনা? - এই, এই! ভুল....!
তুমি যাও, মা...
হ্যালো, স্যার... আমি ঢাকা থেকে বলছি। এইমাত্র ভিডিওটা দেখলাম। মেয়েটিকে আমি টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করতে চাই!
টাকা গুরুত্বপূর্ণ নয়, স্যার। আমাদের তার ভাইকে দরকার!
হ্যালো, স্যার... সার্টিফিকেট না থাকলেও, সমস্যা নেই। মেয়েটিকে আমি চাকরি দেবো।
ধন্যবাদ, জনাব! কিন্তু, আমাদের ফটোর ব্যক্তিটিকে প্রয়োজন!
- হ্যালো, মেয়েটি আছে? - কোন মেয়ে?
ভাইয়ের খোঁজ চেয়ে, Whatsapp ভিডিওতে মিথ্যা কথা বলেছে, সেই মেয়ে...
মিথ্যা কথা বলেছে? মিথ্যা কথা বলেছে- আপনি কিভাবে জানেন?
মজা করছেন? ফটোর ব্যক্তি কৃষ্ণমূর্তী না, ভৈরব... আমি তার বন্ধু। তার কোনো বোন নেই।
আমরা একসাথে পড়েছি... মিথ্যা ভিডিও বানিয়ে ব্যবসা শুরু করেন, আর কোনো কাজ কাম নাই?
- কিন্তু, আপনি কে? - ভিডিও'র মেয়েটির হবু স্বামী! ফোন রাখ!
কল্লুর যাচ্ছি... Whatsaap ভিডিও কাজে এসেছে।
আপনি পুলিশ তা সত্যিই জানতাম না, স্যার! কেউ ইচ্ছা করে ফেক ভিডিও ছেড়েছে ভেবেছিলাম।
ওটা ফেক ভিডিও, তুই কিভাবে বুঝলি?
তার সাথে আমি এইট পর্যন্ত পড়েছি, স্যার। তার নাম ভৈরব। তার বাবা পাশের গ্রামে শ্মশানে কাজ করতো।
১৯৯৬ সালে সে ৪টা খুন করে বলে, গ্রামের লোক জানতে পারে।
এরপরেও অনেক কিছু হয়েছিলো... কিন্তু, আমার ঠিকভাবে মনে নেই।
বিস্তারিত কেউ জানে?
কৃষ্ণ দত্ত নামে এক বৃদ্ধ লোক আছে, সে সবকিছুই জানে...
ঐ যে... বাড়ির অংশবিশেষ, ওখানেই ওদের পরিবারের বাস ছিলো।
বংশগতভাবে সে শ্মশানে কাজ করতো না... কোনো কাজ না পেয়ে, এই কাজে এসেছিলো।
এই শ্মশানেই ভৈরবের জন্ম হয়েছিলো।
এই, আসো তো দু-একজন... আসো এদিক...
দাঁড়াও! দাঁড়াও! এই... দাও তো ওটা এদিক।
এই শ্মশানেই সে বেড়ে উঠেছিলো... তার একটা ভাইয়েরও জন্ম হয়েছিলো।
তুমি আমাকে ধরতে পারবে না, ছাড়ো আমাকে! ধরতে পারোনি...
এই...! গাছে উঠছিস কেনো?
এই...! কি করছিস উপরে?
মা, কাঁদতে কাঁদতে আসছে... সবাই কাঁদতে কাঁদতে আসছে!
- কপাল! - কি ছেলে হলো এটা! সবার কান্না দেখে খুশি হচ্ছে!
এই, ভৈরব! আর কতক্ষণ ঘুমাবি? ওঠ রে! ওঠ!
এই! ঐ ফুলের থালা এদিক আন।
- খা রে! খা! খাবি নাকি খা? খা! - এই! ছেলেকে মারছো কেনো?
৬ দিন হয়ে গেলো, ঠিকভাবে খাওয়া দাওয়া করেনা কিছু! খা রে! খা!
থামো! থামো!.... কিরে ভৈরব? আমরা বাজার থেকে ঘুরে আসি, হ্যাঁ?
- তোমার জন্য কিছু আনা লাগবে? - দরকার নেই!
- কয়েকদিন ধরে দেখছি... ঠিক করে খাওয়া দাওয়া করিস না কেনো? - আমার খেতে ভালো লাগছে না, বাবা!
এখন তো কাজ নেই, সোনা... কাজ হলে, মাংস কিনে আনবো। ঠিক আছে?
মাংস'রও ব্যাপার না, বাবা... সবশেষ জনগণের কান্না দেখেছি- ২ সপ্তাহ হতে গেলো!
এরপর, ১ মাস গ্রামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো না... বাবার কোনো আয় নেই। ছেলেরও ঠিক করে খাওয়া নেই।
তখন সে... একটা মার্ডার করলো!
- বাবা, ওদিকে দেখো! - আরে! নারায়ণ বাবু!
কেউ একজন আসুন... নারায়ণ বাবু অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন! কেউ কি আছেন? নারায়ণ বাবু অসুস্থ! আছেন কেউ?
নারায়ণ বাবু? নারায়ণ বাবু? সাবধানে। ঠিক করে ধরুন। রক্ত বের হচ্ছে।
তারপর, ১ মাসে আরো ৪ জনকে ৪টা আলাদা জায়গায় মারলো।
ভৈরবের এই কাজ একটা ছোট ছেলে দেখে ফেলেছিলো... গ্রামের সবাই তাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।
এরপরেও গ্রামে মৃত্যু কমলো না... কেউ কিছু বুঝে উঠতে পারলো না।
সবাই সাধু বাবার শরণাপন্ন হলে, সাধু বললো- শ্মশানের লোক ও তার বাড়ি পুড়ানোর অভিশাপ এটা।
সবাই তখন গ্রাম ছেড়ে অন্য গ্রামে চলে গেলো... গ্রামটা শ্মশান হয়ে গেলো...
এক বছর আগে, হায়দ্রাবাদে ভৈরবের দেখা পেয়েছিলো গ্রামের কেউ। তার কথা শুনে সবাই বুঝলো, সে এখনো বেঁচে আছে...
- পুলিশকে এসব বলেছেন? - পুরাতন সব কেসই আবার চালু হয়েছে।
- কিরে? কিছু জানতে পারলি? - হ্যাঁ। - কি জানতে পারলি? - ডাইনোসর!
- আমি একটা নাম্বার পাঠাচ্ছি। এ কোথায় আছে, জানা! - ওকে, পাঠা। আমি দেখছি...
কে?
স্যরি, স্যার। আমার ফোনে চার্জ নেই!
তুই ভৈরবকে দেখেছিস ছোটবেলায়... কিন্তু, আমি Whatsapp এ দিয়েছি এখনকার ফটো।
সে যে ভৈরবই... তুই কিভাবে বুঝলি?
স্যরি স্যার... এর ভেতর পরিবারসহ আমি হায়দ্রাবাদ গেছিলাম। সেখানে, একজন আমার বাবার সাথে কথা বলতে লাগলো।
মানে, আমার বাবার ঐ গ্রামে চা'য়ের দোকান ছিলো... ভৈরব এখনো মরেনি, সেটা গ্রামের সবাইকে জানাতে বললো।
আমরা কথা না বলেই চলে আসি। এজন্য, ফটো দেখেই চেহারা মনে পড়ে গেছে...
কতবার ফোন দেওয়া লাগে? ৩ দিন ধরে দিয়েই যাচ্ছিস! এখনো কেউ আসেনি! কখন আসবে? ইয়ার্কি করছিস নাকি?
- ইনার সাথে দেখা করতে চাই! (ফটো দেখিয়ে) - সোজা গিয়ে ডানে যাবেন...
ওকে, কখন আসবে? আমি বলছি, তুই শোন!
- এই! কেবল যে এলো, কোথায় গেলো? - ভেতরে পাঠালেন না? ভেতরেই তো গেলো।
এই! তোকে খুঁজতে একজন এসেছে। মোবাইলে তোর ফটো দেখালো... ভেতরে পাঠিয়েছি।
সাবে (অর্থে)- কয়েক জায়গায় কিঞ্চিৎ হেরফের হতে পারে। এছাড়া, দুএকটা বানানও ভুল হতে পারে। অনিচ্ছাকৃত ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ।
সাব/মুভি সম্পর্কে পজেটিভ-নেগেটিভ মতামত জানাতেঃ যোগ দিন আমাদের ৪০,০০০+ মেম্বারের ফেসবুক গ্রুপে।
সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি ফ্রিকঃ www.facebook.com/groups/SouthFreak
- শহরের কতজনকে মেরেছিস? বল! - তোর ব্যাপারে সব জেনে গেছি। উত্তর দে তাড়াতাড়ি!
আজই তোর শেষ দিন!
এই... তোরা এত প্রশ্ন করছিস কেনো? আমার ব্যাপারে সব খোঁজ লাগিয়েছে, সে! এখন সে চুপ কেনো?
নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে কেনো? সাহস থাকলে, ওকে এসব শুনতে বল!
শিবা... কি চিন্তা করছিস?
এত লোককে মেরেছে... এ মানুষ না! অমানুষ! ওকে এখানেই মেরে দে! শ্যুট হিম!
- কি হলো? - সে ভৈরব না...
ভৈরবের ছোট ভাই!
ছোট ভাই এমন হলে... ভৈরব তাহলে কেমন হবে?
Whatsapp এ ভিডিও ছাড়ার পর থেকে, আমি আর আমার ভাই তোর অপেক্ষায় ছিলাম!
রোজ রাত ৯টায় আমার ভাই এখানে আসে, আমার জন্য। আজকেও আমাকে নিতে আসবে।
তুই আমার ফটো দেখিয়ে খুঁজেছিস, এতক্ষণে সে জেনে গেছে... সে কনফার্ম আসবে!
গ্রাম ছাড়ার পর ১৩ বছর চুপচাপ ছিলাম ভেবেছিস? অসংখ্য লোককে মেরেছি!
নেল্লোর দুর্ঘটনা, চেন্নাইয়ে ট্রেন বগিচ্যুত হয়ে ৩৭৭ জনের মৃত্যু... মনে আছে?
এসব দুর্ঘটনা নয়... আমার ভাই করেছিলো!
এরপরের বছর- হায়দ্রাবাদে বাসে আগুণ ধরে ৫০ জনের মৃত্যু, ২ বছর আগে ভাইজাগে গ্যাস পাইপ লিক হয়ে প্রচুর লোক মারা গেলো...
এগুলো সবই আমার ভাই করেছিলো... সেখানে জনগণের কান্না দেখে, অনেক শান্তি পেয়েছে সে।
শুধু এগুলোই নয়... আগামী বছরগুলোতে কখন কোথায় কি হবে, সবই প্ল্যান করা আছে।
- ভিনীথ, শিবাকে ফোন দে... - হ্যাঁ। শিবা... মধু...
- শিবা, ওকে মেরে ফেলিসনি তো? - না! কিছুই করিনি!
- ভালো করেছিস। না মেরে, নিয়ে আয় দ্রুত। - কেনো?
- এই! আগে টিভিতে নিউজ দেখ! - এখানে টিভি নেই। কি হয়েছে?
আজ আমাদেরকে একজন একটা শকিং ভিডিও পাঠিয়েছে... এখন সেটা আপনাদের জন্য।
কোন জায়গা থেকে শুরু করবো বুঝছি না... কোন হত্যার কথা যে আগে বলি...
শহরের অনেক লোককেই আপনারা চেনেন। আপনার পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবের কেউ দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর, আপনি কাঁদলে...
নিশ্চয়ই আমি আপনাকে দেখেছি... কারণ, সেটা আমার করা হত্যাও হতে পারে!
বাড়ন্ত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে- সরকার, ভূমিকম্প, সুনামির মতো... আমিও অবদান রাখছি।
গতকাল পর্যন্ত আমার ছায়াকে ধরামতোও কেউ ছিলো না, কিন্তু আজ... একজন! একা একজন!
আমার নাম, জন্ম, গ্রাম, কতজনকে মেরেছি... সব... জেনে গেছে!
আমার ছোট ভাইকে ধরে ফেলেছে।
আমার ভাইকে ছাড়তে হবে! না হলে- কি করবো তা বলার আগে, এই ব্রিজটি একবার দেখুন...
এই মেট্রোর কাজে শুরু থেকেই আমি নিয়ন্ত্রণ করছি... প্রতিটা পিলার বানানোর সময়, তাতে ১ জন করে মানুষ মেরে রাখি।
২৩ পিলার, ২৩ মানুষ... আপনার বাড়ির কেউ মিসিং থাকলে, এটার কোনো পিলারে থাকার সম্ভাবনা আছে!
নাম, ঠিকানা পরে জানাবো... আসলে, মেট্রো ট্রেনের উদ্বোধনীতে এ ব্যাপারে জানাতে চেয়েছিলাম।
শহর হঠাৎ ঠান্ডা থেকে... এসব দেখে জনগণের কান্নার রোল পড়ে যেতো! তা দেখে শান্তি পাওয়ার প্ল্যান করেছিলাম।
ছেড়ে দাও...! আমার ভাই! আমার বোন! আমার ছেলে!
কিন্তু, তার একার জন্য...! এ ব্যাপারে আজই জানাতে হলো।
এখনই আমার ভাইকে তার ছাড়তে হবে! না হলে....
এ শহরকে শ্মশান বানিয়ে ছাড়বো! শ্মশান বানিয়ে ছাড়বো!
হত্যা হয়ে পিলারে থাকা লোকের পরিচয়.... ( পিলার নাম্বার এবং ব্যক্তির নাম, ঠিকানা জানাচ্ছে )
কাঁদবেন না... কেউ কাঁদবেন না।
আপনাদের কাঁদানো লোক এর ভেতরেই আছে... আপনাদের কান্না দেখে খুশি হচ্ছে।
কিছুক্ষণ আগে, তার ছোট ভাইয়ের ব্যাপারে টিভিতে বললো না? তার ছোট ভাই এই যে!
তাকে ধরেছি আমি... তাকে ছেড়ে দিলে, দুই ভাই মিলে আরো মার্ডার করবে!
শুধু এই ২৩ জনই না! জন্ম থেকেই তারা এরকম করছে! এখন বলুন, কি করবো তার?
ছেড়ো না! ছেড়ো না! ছেড়ো না! ছেড়ো না! ছেড়ো না! ছেড়ো না!
ভাইয়া... ভাইয়া...
কারো কান্না দেখলে, তোর হাসি পায় না? এবার হাস! হাস তোর ভাইয়ের কান্না দেখে!
ভাইয়া... একে ছাড়বি না, ভাইয়া!
এই! সাহস থাকলে, মার আমাকে! আমার কিছু হলে... এ শহর শ্মশান হয়ে যাবে!
এখন আমার ভাইকে কাঁদাচ্ছিস, এর কারণে... তোকে এর শতগুণ কাঁদাবে!
কে কাকে কাঁদায়, আমি দেখবো!
শহরের সবগুলো মিসিং কেসে গুরুত্ব দিন সবাই... কি ঘটতে পারে, তা গতরাতেই অনুমান করতে পেরেছেন।
আসলে, পিলারের ওগুলো বাদেও, আরো অনেক লোককে মেরে কোথাও রেখেছে বলে অনুমান করছি।
তাকে যত দ্রুত ধরতে পারবো, জনগণ তত দ্রুত চিন্তামুক্ত হবে।
এত বড় ব্যাপার... আমাদের আগেই কেউ খোঁজ লাগিয়েছে! কিন্তু, অন্ধকারে তার চেহারা স্পষ্ট দেখা যায়নি...
সে কে, তা খুঁজে বের করতে হবে... না হলে, পুলিশের উপর জনগণের আস্থা থাকবে না!
তাহলে? আমরা "ইমার্জেন্সি টাস্ক ফোর্স" গঠন করছি। হত্যাকারী এবং তার ভাইকে হত্যাকারী- দুজনকেই আমরা ধরবো।
তোর বিবরণ অনুযায়ী, একটা ব্যাপার পরিষ্কার... সে "Sadistic Personality Disorder" রোগে আক্রান্ত। SPD
কেউ কাঁদলে, দেখে খুশি হয়! এর জন্য, যেকোনো কিছু করতে পারে!
বলতে গেলে, আমদের সবারই এ সমস্যা আছে।
উদাহরণস্বরুপ, আমরা বাসে বসে যাওয়ার সময় অন্য গাড়ির অ্যাক্সিডেন্ট হলে, বাসে বসেই দেখি...
কারো কিছু না হলে, আমাদের আত্মা নিরাশ হয়... আবার, কেউ মারা গেলে তার জন্য- দুঃখবোধ করি।
আমাদের মনটা এমনই... আমাদের মতো সাধারণ মানুষের ভেতর SPD এর হার সর্বোচ্চ ৪%...
গত বছর ক্যালিফোর্নিয়ার এক গবেষণায় দেখা গেছে, এটার হার ৪% থেকে বেড়ে ৬% এখন।
কিন্তু, তার মতো মানুষের ভেতর এটার হার অনেক বেশি...
- বলুন! - আমি ইন্সপেক্টর গৌতম বলছি। তোমার সাথে জরুরীভাবে কথা বলতে চাই! ভৈরবের ব্যাপারে।
আমার ছেলে গতমাসের ৬ তারিখে কিডন্যাপ হলে, তুমিই ফিরিয়ে এনেছিলে।
ভৈরবের কেস আনঅফিশিয়ালি তুমিই নিয়ন্ত্রণ করছো শুনে, দেখা করতে এখানে এলাম।
আমাদের অফিসাররা এ কেসের ব্যাপারে কিছু তথ্য পেয়েছে... সেগুলো তোমার কাজে আসতে পারে।
ভৈরবের ভাইয়ের ব্যাপারে তুমি জানো... তাদের দুই ভাইয়ের প্ল্যান শুনলে অবাক হয়ে যাবে!
শহরের কোনো হাসপাতালকে তারা টার্গেট করেছে। রোগীদের কিছু করতে যাচ্ছে... কি করতে যাচ্ছে জানিনা!
ভৈরবের টার্গেট এখন তুমি... অবশ্য, এটা একদিক দিয়ে ভালো!
এজন্য, হাসপাতাল প্ল্যান আপাতত ভুলে থাকবে... পুলিশ তাকে ধরার চেষ্টা করছে।
তুমি ধরতে পারলে, জীবিত ধরার ব্যাপার মাথায় রাখবে! কারণ, কোন হাসপাতাল- তা কেবল সেই জানে!
ঠিক সময়ে তার ভাইকে মেরেছিস! তার টার্গেট এখন পাল্টিয়ে গেছে! কিন্তু, তোকে খুঁজবে নাকি প্ল্যান নিয়েই থাকবে- বুঝতে পারছি না...
তার প্ল্যান সে কখনোই থামাবে না! আমাদের তাকে ধরতে হবে!
আমার বান্ধবীর বাড়ি খালি আছে। আমি চাবিও নিয়ে নিয়েছি। বাড়িতে সুইমিং পুলও আছে। আজ রাতটা আমরা একসাথে কাটাতে পারি!
- তোমার কোনো আইডিয়া আছে নাকি? - কিসের আইডিয়া?
পুরো লিস্ট আমাদের দরকার... একটা ইমেইলও যেনো বাদ না যায়!........ হ্যাঁ, কি যেনো বলছিলে?
আমি... আমার বান্ধবীর বাড়ির চাবি... সুইমিং পুল... আজ রাত একসাথে কাটাতে পারি!
- কেউ জানবে না... - হ্যাঁ! কেউ জানে না!
কেউ জানবে না, সেভাবে কপি করবি! তারপর, আমার Whatsapp এ পাঠাবি।... হ্যাঁ, কি বলছিলে?
আমি কিছুই বলিনি! তুমি কিছুই শোনোনি! তুমি যে কাজে ব্যস্ত, তা নিয়েই থাকো! ফোন রাখো!
সবসময় Facebook, Whatsapp, Email আমাকে এভোয়েড করছে!
তার মা'ই ঠিক বলেছিলো... তার সাথে জীবন কাটানো সম্ভব নয়।
- বলো, মা... - কিরে? বাড়ি আসবি না? অফিসেই থাকবি নাকি?
- কাজের চাপ একটু বেশি! শেষ করে ফিরবো। তুমি ঘুমাও। - ঠিক আছে। তাড়াতাড়ি আয়।
- সবার বাড়িতেই কারেন্ট আছে, আমাদের বাড়ি ছাড়া। একা একা ভয় লাগছে। তাড়াতাড়ি আসিস! - ওকে, মা।
সবার বাড়িতেই কারেন্ট আছে, আমাদের বাড়ি ছাড়া।
- কি হলো? - তখন কি বললে?
সবার বাড়িতে কারেন্ট আছে, আমাদের বাড়িতে নেই। ভয় ভয় লাগছে, তাই তাড়াতাড়ি আসতে বললাম।
- ভয় লাগছে কেনো? - জানিনা... বাড়িতে কেউ আছে মনে হচ্ছে। কেমন শব্দও শুনলাম!
- ওকে, মা। আমি আসছি! - ঠিক আছে।
আজকের তাজা খবর... ড্রাইভার কেসাভার দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ!
হ্যালো, কে? কেসাভা কোথায়? কোথায় কেসাভা? হ্যালো...
শিবা... কি হয়েছে?
মা এখনো ঘুমাই নি রে! তোর অপেক্ষা করছে...
এই...! মার কিছু হলে...
তুই কিচ্ছু করতে পারবিনা! এত পৃথকভাবে কেউ বাড়ি বানায়? মায়ের মুখ দেখতেও পারছি না ঠিক করে।
প্রথমে সে ধাক্কা দিয়ে আমাকে সরিয়ে দিতে চাইবে। এরপর, ছুরিটা পেটে ধরে টান দিলে ঠান্ডা হয়ে যাবে।
যে পেট তোকে ধারণ করেছিলো, সেখানে "ক্যাচ ক্যাচ ক্যাচ" শব্দ হবে। শুনবি নাকি সেই শব্দ?
- এই! এসব করিস না! - এই... দাঁড়া! কেউ এসেছে মনে হচ্ছে...
- মা... কোথায় তুমি? - এই যে এখানে।
- ব্যাগ গুছিয়ে রাখার কথা কতবার বলবো? - রেখেছি, মা...!
তোর ছোট ভাই নাকি? অনেক ভালো খেলে, মিষ্টি নিয়ে এসেছে!
তাকে এখন মেরে ফেললে...
রক্ত খুবই গরম হবে...
তুই আসার আগ পর্যন্ত- দুজনের শরীরের অংশগুলো একত্রে মেশাবো!
এই! না! না! ওদের সাথে তুই কিছু করবি না!
এই...! আমাকে ধমক দিচ্ছিস কেনো? তুই "করিস না" বললেই- আমি ছেড়ে দেবো?
এক কাজ কর... আমার কাছে ভিক্ষা চা! ভিক্ষা চা রে! ছেড়ে দেবো...
২,০০০ লোকের সামনে আমার ভাইকে মারলি, আর এখন ব্যক্তিগতভাবে ফোনে- প্লিজ! প্লিজ!
তুই আসার আগেই তোর মা ও ভাই মারা যাবে... তোর কান্না...
জনগণের মধ্যে থেকে আমিও দেখবো...! মা... ভাই...!
- স্যার, আপনি রিলাক্স করুন! চিন্তা করবেন না। - আমার মা...
- স্যার, আপনি রিলাক্স করুন! আমি ডাক্তারকে ডাকছি। - আমার মায়ের কি হয়েছে?
আপনার বন্ধুরা বাইরে আছে.... স্যার, প্লিজ! আপনি রিলাক্স করুন, আমি ডাক্তারকে জানাচ্ছি।
মা কোথায় রে? মা কোথায়!?
- কেউ অফ করেছিলো। - তাই নাকি? কারেন্ট গেছে ভাবছিলাম।
- পানি তো বাড়িতেই আছে... - ফোন করে আনতে বলেছে।
- আমি তো ফোন করিনি.... - এ বাড়িতেই দিতে বলেছে। ভেতরে রাখুন।
- এই যে ম্যাম... ট্যাক্সি! - আমি তো বুক করিনি!
এত চিন্তার মধ্যেও, সম্ভব হয়েছে, শুধু তোর নির্দেশনা ফলো করে।
তোকে কতবার বলেছি? অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারে মাথা না ঘামাতে... এখন দেখ!
ওর এইমাত্র জ্ঞান ফিরে এসেছে! তুমি একটু থামো...
ভিনীথ... তার কি হয়েছে?.......... মা, তোমরা একটু বাইরে যাবে? এদের সাথে একটু কথা বলবো।
দেখেছো? আমাদের কিছু হয়নি জেনেই, কিভাবে কথা বলছে?
অফিসের ব্যাপার, মা। কথা বলতেই হবে!
তুমি এভাবে কথা বলতে থাকলে, ওর চিন্তা বাড়বে। বাইরে চলো।....... তুই তাড়াতাড়ি কথা শেষ করে বিশ্রাম নে।
তার ব্যাপারে কিছু জানতে পারলি? পুলিশ কি ধরতে পেরেছে?
এখন পর্যন্ত কিছুই জানা যায়নি, শিবা। মনে হয়, সে মারা গেছে!
না! সে বেঁচে আছে! মরবে না, সেভাবেই গুলি করেছি! তাকে জীবিত ধরতে হবে!
- পুলিশের কেউ আমার ব্যাপারে...? - তুই সুস্থ হয়ে এসব নিয়ে ভাবিস... সিবিআই, পুলিশ এদের তো কাজই এই!
ম্যাগাজিন থেকে আমাকে পর্যন্ত ফোন দেচ্ছে! তুই হাসপাতাল ছাড়লে আমি বাঁচি!
- ভিনীথ... একটা সাহায্য করবি? - বল রে!
তাকে গুলি করা জায়গার ব্রীজের পানি কোথায় কোথায় প্রবাহিত হচ্ছে- বিস্তারিত মানচিত্র লাগবে!
হাই স্পীড ইন্টারনেটের সাথে একটা কম্পিউটার লাগবে।
আরে! ৫ দিন পর এ সব কিছুই করা যাবে! এখন তোর বিশ্রামের প্রয়োজন... একটু বিশ্রাম নে!
তাছাড়া, তোকে দেখার জন্য একজন এসেছে! গেলাম...
ব্যথাতে মরে যাচ্ছি... খুশি! অভিনন্দন!
কল করে আমাকে ডেকেছে, এজন্য খুশি। শরীরে লোহা ঢুঁকেও, কোনো অংশে ক্ষতি হয়নি- এজন্যে অভিনন্দন!
- রিপোর্ট দেখেছো? - রিপোর্ট কেনো দেখতে হবে?
- তুমি অজ্ঞান থাকা অবস্থায়, তোমাকে দেখেছিলাম আমি! - তুমি দেখেছো!?
এত ওভার রি-অ্যাক্ট করো না!
- একটা সাহায্য করবে আমাকে? - হ্যাঁ, ওয়েটিং!
হাই স্পীড ইন্টারনেটসহ একটা কম্পিউটার দরকার! খুবই জরুরী!
শরীরে লোহা ঢুঁকে গেছে, এখনো এসব ভোলো নি?
- কি করছো? - সরাও! হাত সরাও!
আমাদের ভালোবাসার ব্যাপারে, বাড়ি থেকে সবুজ সংকেত দিয়েছে।
আসলে, ভালোবাসার ব্যাপার... আর তুমি...
তোমার মা কি বললো?
কি আর বলবে? এখন এ কথা বলছি। পরে ঝগড়া হয়েছে, ব্রেকআপ হয়েছে- এসব বলবো ভেবে সিরিয়াসলি নেয়নি।
- কি বললো? - ধীরে ধীরে বলবো! ঘুমাও!
- এটা কি? - আমার দুপুরের খাবার। স্বাস্থ্য মেইনটেইন করছি।
- রোজই খাও এটা? - হ্যাঁ। - দ্রুত সুস্থ হতে এটাও উপকারী খাবার।
স্যার, আমি কেনো এগুলো করেছি, আপনারাও জানেন... আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। কেস করতে চাইলে, করুন।
- কিন্তু, আমাকে ৫ দিন সময় দিন! - ৫ দিন? কেনো?
ভৈরবকে ধরার জন্য!
অসম্ভব! তুমি হাসপাতাল ছাড়ার অনুমতি পেলেই, তোমার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে।
স্যার, শুধু ২ দিন সময় দিন আমাকে। ২ দিনেই ওকে ধরবো! তারপর যা ইচ্ছা হয়, ব্যবস্থা নেবেন।
ও বেঁচে আছে! যেভাবেই হোক ধরতে হবে! অনেক প্ল্যান করে বসে আছে!
এসব আমরা দেখবো, পুলিশরা দেখবে। তোমার মাথা ঘামাতে হবে না। ডাক্তারের সাথে কথা বলে আসছি।
এগুলো আমি আমার জন্য করিনি, আপনারা জানেন। ভৈরবের বাইরে থাকা প্রতিটা ঘন্টা, সকলের জন্য বিপদজনক!
হাসপাতাল থাকাকালীন সময় দিয়েছেন, তার থেকে ২ ঘন্টা দিন! তাতেই হবে!
- এখন সময় ৮টা, ১০টার ভেতরেই তাকে ধরে ফেলবো! - ২ ঘন্টাতেই ধরে ফেলবে?
তার মনে হয়তো কোনো আইডিয়া থাকতে পারে! দিয়েই দেখি!
কম্পিউটার ডিভাইস প্যাক কর...
হাসপাতালের ৯ম তলায় ভালো জায়গা আছে। আমরা ওখানে যাই, স্যার?
[ ছোট-খাটো ইংরেজি লাইনগুলোর সাব এড করার প্রয়োজন বোধ করি না। তাই করিনি। ]
সে পড়ে গিয়েছিলো চন্দরঘাট ব্রিজ থেকে। বেশি দূর দৌড়াতে পারবে না...
রফি কলোনি, শঙ্করনগর কলোনি, আদর্শ পাড়া, আমিরপেট...
এই ৪ এলাকার কোনো বাড়ি বা হাসপাতালে গিয়ে, সেখানে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে...
হাসপাতাল.....? তার জন্য নিরাপদ না! নিশ্চয় কোনো বাড়িতেই উঠে থাকবে।
কিন্তু, কোনো গাড়ি ধরে অন্যত্রও তো চলে যেতে পারে...
গুলি না লাগলে, সে এটাই করতো! কিন্তু, গুলিতে শরীরের অনেক এনার্জি নষ্ট হয়েছে।
রক্তক্ষরণও... তার দ্রুত নিরাপদ জায়গা ও গুলি বের করা দরকার। যা সে করছে এখন...
পুলিশকে জানানো যাবে না... গোপনে তার খোঁজ লাগাতে হবে।
সে যে বাড়িতে আছে, তার প্রতিবেশীদের সাহায্যে তাকে ধরতে হবে...
পিপল মিটার... যে কোনো শহরে, কোন টিভি প্রোগ্রাম কতজন দেখছে- জানা যায়।
ইয়েস! এই মুহূর্তে "জামাই রাজা" সিরিয়াল প্রচার হচ্ছে... শহরের প্রায় ৬০% মানুষ এটা দেখছে।
সে যে বাড়িতেই থাকুক, সে সিরিয়াল দেখবে না... বাড়ির লোক বা প্রতিবেশি কোনো বাড়ির লোক- কেউ না কেউ এটা দেখছে!
তার অবস্থানরত এলাকায় এই সিরিয়াল দেখা মহিলাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে।
মধু... তুই গিয়ে স্ক্রিনের সামনে দাঁড়া।
এই.. তোর শার্টটা দে!
এখন আপনারা "জামাই রাজা" সিরিয়াল দেখছেন, এ নিয়ে আপনাদের কুইজ ধরবো...
সঠিক উত্তরদাতা ৩ জন পাবেন ওয়ালটন ফ্রিজ, ৩ জন পাবেন Samsung 19" FLAT TV, এবং একজন ভাগ্যবতী মহিলা পাবেন Maruti Swift Car...
অংশ নিতে চাইলে, স্ক্রিনে দেওয়া নাম্বারে ফোন করুন... এ সুযোগ বারবার আসবে না! সো, লেডিজ? ফিরে আসবো বিরতির পর। সাথেই থাকুন!
আমরা চ্যানেল কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমতি না নিয়েই, এটা করেছি। তুই গিয়ে আমাদের পরিস্থিতি বুঝিয়ে বল তাদের।
একেবারেই অবিশ্বাস্য! শুধু ঐ ৪ এলাকা থেকেই ৬০ জন লাইনে আছে।
সবাই কিছুক্ষণ চুপ থাকুন।
স্যার, কুইজের কথা বলে- সিরিয়ালের কয়েক মিনিট কেটে দিলেন, এর ভেতর আদিত্য কোথাও চলে গেলো, কোথায় গেলো জানিনা!
এটাই আপনাদের প্রতিযোগিতা... কোথায় গেলো আদিত্য? আদিত্য হয়তো আপনার বাড়ির আশেপাশেই লুকিয়ে আছে!
তাকে খুঁজে বের করাই, আপনাদের প্রতিযোগিতা।
শুরুতে কুইজ ধরবেন বললেন, এখন প্রতিযোগিতা বলে খুঁজতে বলছেন। যা বলার ঠিক করে বলুন!
এই... এই মহিলা বেশি বেশি বলছে... তার লাইন কেটে দে!
সবাই মনোযোগ দিয়ে শুনুন... ভেতরে লাইন কেটে গেলে, ভাববেন আমিই কেটেছি। পুনরায় আমিই ফোন দেবো। প্রস্তুত হন!
এখন প্রতিযোগীতা শুরু হচ্ছে... ২০ মিনিটের মধ্যে ১ম রাউন্ড শেষ হবে।
- আপনাদের কাজ খুবই সহজ... শুনছেন তো? - শুনছি! - শুনছি! - শুনছি! .........
আপনার আশেপাশে কয়েক বাড়ি গিয়ে ২টা প্রশ্ন করবেন।
১ম প্রশ্ন, আদিত্য বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে! তোমাদের বাড়িতে এসেছে নাকি?
২য় প্রশ্ন, একটু নরমসুরে আস্তে করে বলবেন...
গুলি ২টা কি বের করেছে? সুস্থ আছে তো? এটুকুই!
১ম প্রশ্ন, আদিত্য বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে! তোমাদের বাড়িতে এসেছে নাকি?
২য় প্রশ্ন, নরমসুরে... গুলি ২টা কি বের করেছে? সুস্থ আছে তো?
সবাই কি উত্তর দেয়, মনে রাখুন। এটা ১ম রাউন্ড, অনেক সহজ রাউন্ড!
প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেই পোশাক এবং কসমেটিকস! আপনারা উত্তর খুঁজুন। খুঁজে এ নাম্বারে ফোন দেবেন। এখনকার মতো কেটে দিচ্ছি!
শিবা... কি করছো এসব? লেডিজ, জাস্ট লেডিজ! ইন্নোসেন্ট মহিলা! তারা কিভাবে স্পাই এর কাজ করবে?
স্যার... মহিলাদের সম্পর্কে আপনি জানেন না! আমরা ট্রেনিং নিয়ে স্পাই (গুপ্তচর), তারা জন্ম থেকেই স্পাই!
কেউ ফলো করলে, পেছনে না তাকিয়েই বলে দিতে পারে!
Whatsapp এ কেউ মেসেজ দিলে, নাম্বার না দেখে, ফটো দেখেই অফিসিয়াল/আনঅফিসিয়াল বলে দিতে পারে।
এন্টেনা, রিডার, সেন্সর- সবই তাদের চোখে লাগানো আছে! তাদের মাঠে তাদেরই রাজত্ব। নিশ্চিন্তে থাকুন!
- আদিত্য কি এখানে এসেছে? - ২টা গুলি কি বের করেছে?
- কোন আদিত্য? - এ নামে কেউ থাকেনা এখানে! - কি বলছো, কিছুই বুঝছি না! - আসেনি কেউ।
- কোন আদিত্য? - এ নামে কেউ থাকেনা। - কিছুই বুঝলাম না! - তুমি কি পাগল?
শিবা, প্রায় ৫০ জন লাইনে আছে!
- বলুন... - শুনেছিলাম, স্যার।
- কি বললো? - পাগল বলেছে, স্যার! - এ নামে কেউ থাকেনা, স্যার।
- কি বলছো, কিছুই বুঝছি না। - এ নামে এ এলাকায় কেউ নেই।
আপনাদের প্রশ্নের উত্তরে... 'আদিত্য কে?', 'কিসের গুলি?', 'পাগল হলে নাকি?', 'নেই', 'বুঝছি না'- এসবের বাইরে ভিন্ন রকমের উত্তর কেউ দিয়েছে কি?
- বলুন! - আমার নাম পদ্মাবতী। - হ্যাঁ, বলুন....
আমাদের প্রতিবেশীর কাছে প্রশ্ন ২টি করেছিলাম, তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো।
প্রশ্ন শুনে, অবাক হয়েছে বললো, 'তুমি কি করে জানলে? এখানে এসো না। চলে যাও!'
ভিনীথ... বাকি সবার লাইন Mute করে রাখ। তারা যেনো শুনতে না পায়।
- বাড়ির নাম্বারটা বলুন। - আমার বাড়ির নাম্বার?
- না! তাদের বাড়ির নাম্বার। - তাদের ৫২ নং বাসা।
কম্পাউন্ডার সুরেশের বাড়ি...
স্যার, আমি টিভি পাচ্ছি নাকি ফ্রিজ?
- টিভি। পরের রাউন্ডে আবার ফোন দিচ্ছি। - ঠিক আছে, স্যার।
আমাদের সব যন্ত্রপাতি অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে নে, সেখানে যত দ্রুত সম্ভব যেতে হবে।
তাদের বাড়িতে ১০ জন লোক আছে, ৪ দিন ধরে সবার ফোন বন্ধ। ফেসবুক, Whatsapp, টুইটার- শেষ ৪ দিনে কেউই লগইন করেনি।
কেউ অফিস যায়নি। বাড়ির মালিক সুরেশ, একটা প্রাইভেট হাসপাতালের কম্পাউন্ডার।
এখন, স্যাটেলাইট এর সাহায্যে কিছু ফটো দেখার চেষ্টা থাকি।
উপরে ৫ জন, নিচে ৫ জন, একই পরিবার আলাদা আলাদা রেখেছে।
সে এখানেই আছে, স্যার!
ভিনীথ... তার অবস্থানরত বাড়ির রাস্তা থেকে কতজন ফোন করেছিলো?
- সৌভাগ্যবশত ৭ জন। - এটাই যথেষ্ট! শুধু এই ৭ জনকে কল কর।
- আপনাদের নাম বলুন একবার... - (সবাই যার যার নাম বলছে)
শিবা, কমলা একদম তাদের কাছাকাছি বাড়িতেই আছে।
এখন আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা আছে...
পদ্মা, আপনার বাড়ি থেকে বাইরে এসে, বামে ৭টা পাড়ি দিয়ে দাঁড়ান।
স্যার, লোকাল পুলিশ স্টেশনে খবর দিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলুন। আমাদের যেকোনো সময় দরকার হতে পারে।
- হ্যালো, সন্ধ্যা... - স্যার... বলুন, স্যার!
আপনার বাড়ি থেকে ডানে খানিকটা আসার পর, একটা টেলিকমের দোকান পাবেন। সেখানে এসে দাঁড়ান...
- যাচ্ছি, স্যার। - মা, আমিও আসি? - তোর আসা লাগবে না।
এ ব্যাপারে অন্য কেউ জানবে না।
ওকে, লেডিজ... এতক্ষণ আলাদাভাবে কথা বলছিলাম। এখন সবাইকে একসাথে বলবো। সবাই শুনতে পাচ্ছেন তো?
শুনতে পাচ্ছি, স্যার।
এখন একটি সত্যি কথা বলবো... আপনাদের এতক্ষণ মিথ্যা বলেছি। এটা টিভি প্রোগ্রাম না। পুলিশ অপারেশন!
আপনারা যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন, তার সামনের বাড়িতে একজন বড় অপরাধী রয়েছে!
বাড়ির লোকজনও এখন বিপদে। পুলিশ তাকে ধরবে... কিন্তু, সামান্য সন্দেহ হলেই সে বাড়ির লোকগুলোকে মেরে ফেলতে পারে!
আমার নির্দেশনা অনুসরণ করলে, আপনারা তাকে ধরিয়ে দিতে পারেন। কি বলেন?
কি বলবো স্যার? কুইজের কথা বলে সন্ত্রাসীর কাছে নিয়ে এলেন?
- স্যার... আমি বাথরুমে যাবো, স্যার! - মানে, টিভি ফ্রিজ গাড়ি সবই মিথ্যা? স্যার! 😭
- কালকের টিভি নিউজ, পত্রিকায় আপনারাই প্রধান শিরোনাম! - ভয় করছে, স্যার!
প্রতিবেশী পরিবারকে আপনি বাঁচাতে চান না? মিসেস সন্ধ্যা কৃষ্ণ মূর্তী...
- আপনার স্কুল জীবনে, আপনি একজন NCC লিডার। - আপনি কিভাবে জানলেন, স্যার?
আপনার ফেসবুকে সেটার ফটো আছে... আপনার সাহস নেই?
মহিলা বলে কি দুর্বল ভাবেন নিজেকে?
না, স্যার। আমি প্রস্তুত! NCC লিডারই নয়, মহিলা সংঘের প্রেসিডেন্টও আমি!
- স্যার... আমিও প্রস্তুত! - জরিনা বেগম প্রস্তুত এখানে! সন্ত্রাসী এবার শেষ!
- সারাইনোড়ুর আল্লু অর্জুনের মতো, আমিও প্রস্তুত! - আমার বাড়িও হায়দ্রাবাদ! আমিও প্রস্তুত!
- আমিও প্রস্তুত! - আমিও প্রস্তুত, স্যার!
- মিসেস কমলা... আপনাদের বাড়ির পাশেই না? - হ্যাঁ, স্যার। - যা বলছি, করুন...
- আপনাদের বাড়িতে কোনো স্পীকার আছে? - হ্যাঁ, আছে স্যার।
- গত সপ্তাহে ১ গ্লাস চিনি নিয়েছিলে না? আমার ওটা দরকার এখন! - আমি কখন নিলাম?
- ঠিক আছে তো স্যার? - কিসের ঠিক আছে?
- ২ ঘন্টা বলেছিলে, ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট হয়ে গেছে! - স্যার, সময় মেপে কাজ করার জন্য আমরা রকেট নিয়ন্ত্রণ করছি না। এটাই অনেক!
সে যাই হোক! কাল থেকে তোমার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে।
আমার বিরুদ্ধে কেস করার জন্য, আপনারা খুব আগ্রহী দেখছি! কিন্তু, এখানে একটা সমস্যা আছে! কাছে আসুন, বলছি...
৬ মাস অবৈধভাবে কল ট্যাপিং এর জন্য যদি কেস করে তদন্ত করেন, ৬ মাস এগুলো খেয়াল না করার জন্য- আপনাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত হতে পারে!
স্যার, এখন আপনার প্রমোশন পাওয়ার সময়... এখন, আপনার বিরুদ্ধে তদন্ত হলে, প্রমোশন থেমে যাবে!
প্রমোশন না পেলে, আপনার অবসর ভাতাও কম হবে! মোট ১ কোটি ৪০ লাখ মতো আপনার ক্ষতি হবে, আমার বিরুদ্ধে কেস করার জন্য।
এই! স্যার চিন্তা-ভাবনা করছে, তুই বাইরে দাঁড়া আর দরজা বন্ধ কর!
একটা আইডিয়া স্যার... এ সবই আপনার অপারেশন, আপনার প্ল্যান বলে জানান।
তার কারণে ক্রাইম রেট বেড়েছে... Whatsapp ভিডিও, তার ভাইকে মারা, এখন তাকে ধরা- সবই আপনার গোপনীয় মিশন।
আপনার আদেশেই আমি করেছি। আপনার ডাবল প্রমোশন!
সব পত্রিকায় আপনাকে নিয়ে লেখা, টিভিতে টপ নিউজ, সরকার থেকে পুরস্কার...
এটা গোপনীয় মিশন। জনগণের কথা ভেবে, আপনি এগুলো করেছেন। এটুকু বলবেন! আর কিছু না। Understand?
এখন কি তোমাকে "ইয়েস, স্যার" বলা লাগবে?!
এই! তার সাথে ভদ্র ভাবে কথা বলো!
- এই! নতুন গাড়িটা ভালো হয়েছে না? - হ্যাঁ।
তুমি কি চিন্তা করছো, বলবো? নতুন গাড়ি, নতুন পোশাক, পাশে এক মেয়ে। এসবের উদ্দেশ্য কি, তাই ভাবছো! ঠিক?
আমার নাম তুমি জানো। কি কাজ করি, কিভাবে তোমাকে চিনলাম, তোমাকে কেনো ফলো করলাম- এসব কি জানো?
- জানিনা! - ওকে, আমি এক জায়গায় যাচ্ছি। তুমিও চলো! ১ ঘন্টায় সব বুঝে যাবে।
- সে...? - আমার পরিচিত।
- সে শিবা। বললাম না? - হ্যাঁ, হ্যাঁ, যে ধরেছে!
এই যে ভাইয়া! জনগণের কল ট্যাপ করে, পার্সোনাল কথা শোনা অন্যায় না?
মানে, অফিসে বিরক্তিবোধ কাটাতে... চুপ-চাপ বসে থাকা লাগে...
মানে, আমি ফোনে যা বলেছিলাম, সব শুনেছিলো!
ঠিক আছে, সে ১টার সময় তোমাকে আসতে বলেছিলো।
- ১টা ২০ বেজে গেছে! ফোনেই তো বলতে পারতেন? - আমাদের হাতেও ঘড়ি আছে! এখনই ১টা বাজে তাকে বলো।
মায়ের শরীর ভালো তো?
এটা একটু খুলে দে শিবা! তোর সাথে কিছুক্ষণ মুক্তভাবে কথা বলতে চাই।
বল... সেটা কোন হাসপাতাল? তার নাম কি?
আমার মাথার বদলে, পেটে গুলি করেছিলি, কোন হাসপাতাল, কাকে দিয়ে করবো- জানার জন্য! তাইনা?
একটা প্রাণের দ্বারা অন্য প্রাণ হত্যা হওয়াতে দোষের কিছু নেই! এজন্য, সৃষ্টিকর্তা একটা প্রাণের খাদ্য হিসেবে অন্য প্রাণ সৃষ্টি করেছে।
হত্যা করা অন্যায় হলে... সৃষ্টিকর্তা- গরুকে শিং, সাপকে বিষ, বিছাকে হুল কেনো দিয়েছে?
কিন্তু, ঐ বিষ, হুল মানুষের জন্য দেইনি...
ব্রেন! মানুষের ব্রেন! মানুষের ব্রেন আছে না?
শক্তিশালীরাই বাঁচতে পারবে, দুর্বলদের সবাই মিলে শোষণ করে মারবে!
হরিণ মারলে শাস্তি, ছাগল মারলে শাস্তি নেই! কেনো?
হরিণ কম আছে, ছাগল বেশি আছে! বেশি থাকা কি ছাগলের দোষ?
এ পৃথিবীতে ছাগলের চেয়ে বেশি মানুষ আছে... মানুষ মারলে অন্যায় কিসের?
হাজার বছর আগে, একজনকে মেরে তার বউ নিয়ে আরেকজন চলে যাওয়ার পর- মানুষ গুহায় থাকা শুরু করে।
গুহায় ঢোঁকার চেষ্টা করলে, দরজা তৈরী হলো। দরজা ভাঙার চেষ্টা করলে, তালা তৈরী হলো।
তালা ভাঙারও চেষ্টা হলে, সিকিরিউটি গার্ড আসলো। তাতেও কাজ না হলে, একজন প্রধানসহ একাধিক গার্ড। এত ক্রমবিকাশের কারণ কি?
ভয়...! এটার জন্ম দিয়েছে কারা? আমরা...! (খুনীরা)
কিন্তু, ভয় কি জিনিস, আমি জানিনা...
জানিসনা? সেদিন তোর ভাইকে মারার সময়, কাঁদছিলি! সেটাই ভয়...!
মারা দেখেও, জনগণের ভীড়ে মুখ লুকাচ্ছিলি... সেটাই ভয়!
ভয় দেখাতে আমরাও পারি! 😎
হাসপাতালের ব্যাপারে পরে কথা বলবো। এখন ঈগো হার্ট হচ্ছে। এখনই একটা ধামাকা করি। লাঙ্কো পাহাড়!
১০০০ টনের পাথর, একটা ছোট পাথরের সাপোর্টে আছে... এই বিস্ফোরনের জন্য একজন রসায়ন শিক্ষক ও একজন পদার্থ শিক্ষককে কাজ করাচ্ছি।
১০০ লোক মরলে, তাদের সমস্যা নেই! তাদের পরিবারের কিছু না হলেই হলো!
হাইড্রো ক্যালরিক এসিড আর H2O মিশিয়ে, ছোট সাপোর্টিং পাথরে দিয়ে দিলেই... একটা নির্দিষ্ট সময়ে...
সাপোর্টিং পাথররা ফেঁটে টুকরো টুকরো হবে, আর সাপোর্ট ছাড়া ১,০০০ টনের পাথরটার কি হবে?
৩০ ফুটের পাথর সব মানুষকে... হিন্দু-মুসলিম, বড়-ছোট দেখাদেখি বাদেই ধ্বংস করে দেবে!
যা, গিয়ে বাঁচা! আর, হাসপাতাল তোর ফাইনাল রাউন্ড।
আগে এটা বাঁচাতে পারিস কি দেখ! ১টা ৪০ এর আগে পৌঁছাতে হবে! আর মাত্র ৪০ মিনিট আছে!
ওহ! ১টার সময় তুই আসিসনি?
আর মাত্র ২০ মিনিটই আছে!
সিট বেল্ট বাঁধো!
তুমি এখানেই নামো!
এইমাত্র পাওয়া খবর অনুযায়ী, সিরিয়াল কিলার ভৈরব জেল থেকে পালিয়েছে। এ সময় তাকে আটকানোর চেষ্টা করা ৬ পুলিশকে হত্যা করে সে।
তথ্য অনুযায়ী, তার পরবর্তী টার্গেট শহরের বড় কোনো হাসপাতাল।
রোগীদের মারার জন্য বিশাল কোনো প্ল্যান করেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে দেশের বড় সব হাসপাতালে অধিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ সমস্যার সমাধানে সরকার স্পেশাল অফিসার কমিটি গঠন করেছে, ডিজিপি রবিচন্দের নেতৃত্বে।
সাবটাইটেল তৈরীতে সহায়তা করেছেনঃ Rohan Mahesh ( facebook.com /Rohan.MB.77 )
আপনাদের সবার সাপোর্ট থাকলে, ভৈরবকে ধরা সম্ভব হবে। এখন থেকে সবগুলো বড় হাসপাতালের অলি গলিতে পুলিশ থাকবে।
- সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ ইনচার্জ কে? - আমি, স্যার। - রেকর্ডরুম থেকে সরবেন না।
বসে থেকে সরাসরি রেকর্ড দেখুন! কারো উপর সন্দেহ হলে, সাথে সাথে পুলিশকে জানাবেন।
( বিভিন্ন চ্যানেলের টিভি নিউজ - সব হাসপাতালে রোগীরা চিন্তিত! অধিক নিরাপত্তা আছে। পুলিশ বলছে- সব ঠিক হয়ে যাবে। ভৈরব শীঘ্রই ধরা পড়বে। )
তুমি কি পাগল? একটুও বুদ্ধি নেই? এটা কি ফোন দেওয়ার সময়? আবারো বান্ধবীর বাড়ির চাবি নিয়েছো নাকি? পরিস্থিতি বোঝো না তুমি?
আমি সেটার জন্য ফোন দিইনি... আজ এক হাসপাতালে মেডিকেল ক্যাম্পে গিয়েছিলাম।
সেখানে এক কম্পাউন্ডার কারো নিকট কান্নাকাটি করছিলো।
সন্দেহ হওয়ায় ফলো করেছিলাম।
সেখানে ভৈরবের মতো কাউকে দেখলাম! সেটা বলার জন্য ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু, তুমি অনেক খারাপ ব্যবহার করেছো।
সেটা কোন হাসপাতাল?
ভিনীথ... তুই কোথায় এখন?
- আমার সাথে কথা বলো না! তোমার সমস্যা, তাতে আমার কি? - কোন হাসপাতাল সেটা? কম্পাউন্ডারের নাম কি?
- হ্যাঁ, শিবা। কি হয়েছে? - সে কোন হাসপাতালে আছে, জানতে পেরেছি স্যার! ১ ঘন্টায় ধরে ফেলবো!
- কোন হাসপাতাল? - একটু অপেক্ষা করুন, স্যার। জানাজানি হলে, সমস্যা হবে। আমি দেখছি এটা!
- আপনার ছেলে কোথায় আমি জানি! - আমার ছেলে আমার বাড়িতে। - তাহলে, যান!
স্যার, আপনি কি পুলিশ? আমার ছেলে কোথায় আছে? বলুন... প্লিজ!
আপনার ছেলে কোথায় জানার আগে, আমার প্রশ্নের উত্তর দিন।
কতজনকে মারা হবে? কিভাবে মারা হবে? ভৈরব কোথায়? বলো...! কতজনকে?
- সবাইকে, স্যার! - সবাইকে?!
সাব/মুভি সম্পর্কে পজেটিভ-নেগেটিভ মতামত জানাতেঃ যোগ দিন আমাদের ৪০,০০০+ মেম্বারের ফেসবুক গ্রুপে।
সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি ফ্রিকঃ www.facebook.com/groups/SouthFreak
স্যার, বর্তমানে মানুষের মধ্যে মানবতা নেই, এ ব্যাপারে ভৈরবকে কি উদাহরণ হিসেবে নিতে পারি?
মানুষের মধ্যে মানবতা আছে। এই হাসপাতালেই একটু আগে, অনেকেই আমার সাথে অন্যের প্রাণ বাঁচাতে লড়ছিলো।
যখন বড় কোনো দূর্যোগের মুখোমুখি হই, তখনই কেবল মানবতা বাইরে আসে...
বর্তমান যুগে প্রতিবেশীর দিকেও আমাদের তাকানোর সময় নেই! আমাদের চোখ মোবাইলের স্ক্রিনে, কম্পিউটারের স্ক্রিনে, টিভির স্ক্রিনে।
ব্যাপক বন্যা হলে, আমরা মানবতাকে বাইরে আনছি, বাকি সময় লাইক আর শেয়ারের ভেতরেই আটকে রাখছি।
আপনার পাশে থাকা লোককে লাইক করুন, ভালোবাসা শেয়ার করুন। ভৈরবের মতো স্যাডিসম আমাদের ভেতরেও আছে।
তার ছিলো ১৫%, আমাদের ৪%... যা অনেকে তার স্ত্রী-সন্তানের উপর দেখাচ্ছে।
মালিকরা শ্রমিকদের উপর দেখাচ্ছে, নেতারা জনগণের উপর দেখাচ্ছে!
ভৈরবকে মেরে আমরা একটি রোগী মেরেছি, রোগ মারিনি।
এ রোগ আমাদের ভেতরেও আছে... সেটাকে বাড়তে দেবেন না!
Pause the Screen! আসলে, শেষের ১/২ লাইন নেই এই প্রিন্টে। যাই হোক, ধন্যবাদ আমার সাবটি দিয়ে মুভিটি দেখার জন্য। সাব সম্পর্কে ভালো-মন্দ মতামত জানাতে পারেন আমাদের গ্রুপে। ৪০কে+ মেম্বারের এক্টিভ গ্রুপঃ সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি ফ্রিক- www.facebook.com/groups/SouthFreak - Akash Ahmed ( facebook.com/TollyAkash )
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.