Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Punjabi
Quechua
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Sundanese
Swahili
Tajik
Tamil
Tatar
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
মুভির নামঃ K.G.F Chapter 1 (2018) (কোলার গোল্ড ফিল্ডস) ইন্ডাষ্ট্রিঃ কন্নড়।
মতামত জানাতে ফেসবুকে যোগাযোগ করতে পারেন। ফেসবুক: www.facebook.com/rakib.sk01
বিশেষভাবে ধন্যবাদ "মোহাম্মাদ নাজমুল হাসান" ভাই কে।
আর ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ।
আমাদের ৫হাজার মেম্বারের গ্রুপে যোগ দিনঃ বাংলা সাবটাইটেল মেকার্স বিডি
বিশ্বের যেকোন মুভি ডাউনলোড করুনঃ Reviewboxbd.com সাইট থেকে।
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ ★রাকিব এস.কে
আমি রাক্ষসদের কথা শুনেছি।
প্রথমবারের মত এক রাক্ষস কে দেখেছি!
ওর সম্পর্কে কারো লেখা বা পড়া উচিত নয়।
ওর কোন নাম নিশানা,
ইতিহাসের পাতায় থাকা উচিত নয়।
আমি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিচ্ছি...
এবং ভারতের সবচেয়ে বড় অপরাধীর মৃত্যুর পরোয়ানাতে স্বাক্ষর (সাইন) করছি।
এটা হাস্যকর!
কীভাবে এতটা অবহেলা করে এটা কেউ লেখতে পারল?
একজন সিনিয়র সাংবাদিক হয়েও,
সে যে এভাবে লেখতে পারে,
এটা আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না!
এই বই প্রকাশ হতেই যাচ্ছিলো।
কিন্তু সরকার,
এই বইকে বাজেয়াপ্ত করে নিষিদ্ধ করে,
সকল কপি আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
পুলিশ বাহিনীর কাছ থেকে,
আমি এই শেষ কপিটি আনতে পেরেছি।
দিপা...
ওকে সাক্ষাতকারের জন্য ডাকো।
স্যার, আমি জানি যে সে একজন সিনিয়র সাংবাদিক!
কিন্তু এই বইয়ে...
আমি একটি সত্যও খুঁজে পাইনি।
দিল্লিতে আমার একটি সাক্ষাতকার আছে,
ফ্লাইটের জন্য আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে!
সরকার নিজেই যদি এই বই নিষিদ্ধ আর বাজেয়াপ্ত করার...
...মত কাজ করে থাকে, তার মানে...
এর ভিতর অবশ্যই কিছু সত্য আছে, তাই না?
আমি এই টিভি চ্যানেলের মালিক হতে পারি,
কিন্তু এর সকল দায়িত্ব তোমারই,
আর তোমাকেই এর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কিন্তু, ৫০ বছর ধরে
আমি আনান্দকে দেখে আসছি।
এমনকি একটা শব্দ লিখলেও,
সে ১০০ বার ভেবে নেয়।
সেখানে সে পুরো একটা বই লিখেছে!
আপনাকে আমি আধা ঘন্টা সময় দেবো!
তারপর, এই কাজের জন্য অন্য কাউকে খুঁজে নিবেন!
- শ্যাম... - স্যার...
আর্কাইভ রুমে এই সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করো।
- সবাইকে বাইরে বের করো। - সবাই শুনুন।
- এই ব্যাপারে যেন কেউ জানতে না পারে... - প্লিজ, সবাই রুম খালি করে দিন।
চলুন, চলুন...
আমি লাইভ-রেকর্ডিং চাই না...
ঠিক আছে, স্যার!
আমরা সাংবাদিক,
ছোট ছোট জিনিস থেকেও অনেক কিছু..
আমরা খুঁজে খুঁজে বের করে আনি।
এই বইতে আপনি যা লিখেছেন,
সেটা অনেক বড় ব্যাপার...
এতে করে প্রশ্নের বন্যা বয়ে যাবে।
এই জিনিসগুলোতে অনেক বড় বড় লোকেরা জড়িয়ে যাবে।
ভেবেছিলাম, ব্যাঙ্গালুরুতে এসে বড় কোনো অফিসার হবো।
এখানে থেকে ছোট খাটো কিছু কাজ করার কথা ভেবেছিলাম।
এই বদমাসগুলো অফিসেও সমস্যা করত।
আরেকদিকে, টাকা ছাড়া খালি হাতে গ্রামেও যেতে পারছি না।
বাবার দেয়া লোনও শোধ দিতে পারছি না।
খেতে আসুন, স্যার। খেতে আসুন।
আরে, যা ভাগ!
সৌদাথির ইয়েলেম্মা দেবী মা!
এই বেচারাকে একটু সাহস দাও, আর তাকে রক্ষা করো।
ম্যাডাম, ধর্ষনের জন্য শুধু পুরুষরাই দায়ী!
চুপ করুন, মিঃ নাগরাজ!
আজকের মত যথেষ্ট আজেবাজে বকেছেন!
- আরে বাপরে, এই মহিলা তো দেবী দূর্গার মতো আচরণ করছেন! - আমরা ছোট একটা বিরতি নিতে যাচ্ছি!
আর্কাইভ রুমে দিপা ম্যাডামকে কে চা দিবে?
আপনি লিখেছেন সত্য কাহিনী অবলম্বনে।
আপনার কাছে এই কল্প কাহিনীর কী প্রমাণ আছে?
মানুষ কি এসব পড়বে?
তারা কি এসব বিশ্বাস করবে?
ওই বইটা একটু আমাকে দিন!
এখন কি তারা পড়বে?
"এল ডোরাডো"-র মানে কি জানেন?
আপনি কি "হারিয়ে যাওয়া সোনার শহর" বুঝাতে চাইছেন?
হাজার বছর ধরে শোনা যাচ্ছে যে, একদা একটা সোনালী রাজ্য ছিল।
অনেক রাজারা পাগল হয়ে সেটার খোঁজ করে।
তাদের অনেক সৈন্য মারা যায়!
কিন্তু, কোনো বাহিনীই সেটা খুঁজে পায়নি।
যদি কেউ খুঁজে পেত,
তাহলে, সে পৃথিবীর সবচেয়ে মহান রাজা হয়ে যেত।
তাই না?
হয়তো...
এই বইতে তেমনই একজনের ব্যাপারে লিখেছি!
কিন্তু...
এটা কোনো কল্পনা নয়,
এটাকে বাস্তব প্রমাণ করতে,
এই পৃথিবীতে একটাই প্রমান আছে!
মাটির নিচে লুকানো,
শক্তিপাথর!
শক্তিপাথর?
পুকুড়পাড়ে কাপড় ধোয়ার যে পাথর থাকে,
এটা সেই পাথর নয়!
ওই পাথরের উপর,
মানুষ তার ছবি খোদাই করেছিলো।
সে কোন না কোন বড় কাজ তো করেছিলো তাই না!
আপনার ওই শক্তিপাথর,
মাটির যতই নিচে চাপা পড়ুক না কেন,
আমি ওটা দেখতে চাই!
আমি পাথরটিকে দেখতে চাই...
যদি ওটা থেকেই থাকে,
খনন করার জন্য লোক রেডি করো!
যত টাকাই লাগুক,
- এটা বের করতেই হবে... - আচ্ছা, ম্যাডাম।
লোকদের আমরা কোথায় পাঠাব?
আপনার শক্তিপাথর কোথায় আছে?
কোথায় আছে...
আপনার..
"এল ডোরাডো"!
কেজিএফ শহর থেকে ১৮ কিঃমিঃ দূরে বাগনুর পাবেন,
ওখান থেকে বাইন্দুর রোডে,
১২ কিঃমিঃ পরে বামে যেতে হবে,
৪ কিঃমিঃ যাবার পর বায়ে একটা পাহাড় পাবেন।
ওই পাহারের কাছে একটা পাম গাছ আছে,
ওই গাছের ৩৫ ফুট আশপাশে খুঁড়লে,
আপনি শক্তিপাথর খুঁজে পাবেন। উনি এমনটাই বলেছেন, স্যার!
একটা টিমকে সাথে নিয়ে আজকেই চলে যাও।
আর পাথরটিকে খুঁজে বের করো।
স্যার, আপনি কি সিরিয়াস?
৩ দিন পর আমার বিয়ে, স্যার!
শুধু ভেতরে বসা ওই বুড়োটা বলেছে দেখেই কি আমরা যাবো?
ভেতরে বসা ওই বুড়া লোকটা হলো আনান্দ ইংগালিগি।
সেজন্য আমি এত বেশি সিরিয়াস!
স্যার...
১৯৫০ সাল থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত,
সব কাগজপত্র এখানে আছে।
আমি আরো কাগজ আনতে বলেছি,
কিন্তু এসব কাগজে কেজিএফের ব্যাপারে,
১টা সামান্য লেখাও নেই।
ঠিক আছে। কাগজগুলোর কথা বাদ দিন...
এই বইয়ের কথাও বাদ দিন!
আপনার কাছ থেকেই শোনা যাক!
আপনার মুখ থেকেই শোনা যাক।
ওই লোকটা কে ছিল?
সে কি হিরো ছিল?
নাকি, সে ভিলেন ছিল?
আসলে ওখানে কী হয়েছিল?
কেজিএফ-এ পাওয়া সোনার মূল্য অনেক বেশি হয়!
কিন্ত সেটা যে লোক বের করেছিল,
তার পেছনে রয়েছে এক বিরাট ইতিহাস!
দুনিয়ার যেসব জায়গাতে সোনা পাওয়া যায়,
সেসব ভাগ্যক্রমে পাওয়া যায়।
১৯৫১ সালে,
কেজিএফ শহর থেকে মাত্র ১৮ কিঃমিঃ দূরে,
যখন কৃষকেরা ওখানে একটা কূপ খনন করছিল,
তারা একটা অদ্ভুত পাথর পায়।
পাথরের তদন্ত করতে সরকারি অফিসাররা আসে,
তাদের সাথে সূর্যবর্ধনও ছিল।
মা!
এটা ছিল ভাগ্যের খেলা!
ওই রাতে দুইটা ঘটনা ঘটেছিল।
ওই জায়গা আবিষ্কার হয়,
আর তারও জন্ম হয়!
যত সহজে নুড়ি আর পাথর পাওয়া যায়,
তত সহজে সোনা পাওয়া যায় না।
কিন্তু, সূর্যবর্ধন...
নুড়ি পাথরের সাথে সোনার বাগান খুঁজে পায়।
সে ওখান থেকে এক কণা ধুলাও উড়ে যেতে দেয়নি।
তোর বাদশাহের মত ছেলে হয়েছে, মা।
আমার সোনা!
ওর তো বাবা নেই,
মাও অনেক কষ্ট করছে!
ওর জন্য কি বাবা লাগবে?
সূর্যবর্ধন ওই জমি চুনা পাথরের খনির জন্য ৯৯ বছরের ইজারা নিয়ে নেয়।
এই গোপন কথা লুকিয়ে রাখতে,
জোর করে লোকজন নিয়ে আসে,
আর খনি খননের কাজ শুরু করে।
খোকা, তোর মাকে বাঁচানোর জন্য
এই টাকা কিছুই নয়, সোনা।
১৪ বছরে বিয়ে আর ১৫ বছরে বাচ্চার জন্ম।
দুঃখ কষ্ট ভরা জীবনে,
২৫ বছর বয়সেই তার মৃত্যু হয়।
কিন্তু, ছেলের জন্য রেখে যাবার জন্য,
তার কাছে একটা সম্পদই ছিল!
তার শেষ কথাগুলো।
সবাই ভাবে তার কাছে টাকা থাকলে,
সে অনেক শান্তিতে জীবনযযাপন করতে পারবে।
কিন্তু,
টাকা ছাড়া সে তো শান্তিতে মরতেও পারে না।
এটা নিয়ে কেউ চিন্তা করে না।
আমাকে কথা দে,
তুই কীভাবে বেঁচে থাকবি, সেটা আমি জানি না।
কিন্তু, যখন মারা যাবি...
তোকে অবশ্যই প্রভাবশালী হতে হবে।
আর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়ে মারা যাবি।
আমি সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হব, মা।
ওর মা ওকে শুধু লক্ষ্য দেখিয়েছিল।
কিন্তু, সেখানে পৌঁছানোর রাস্তা,
তার নিজেকেই বেছে নিতে হয়েছিল।
টাকা দে! টাকা দে! টাকা!
আমার কাছে নেই,
টাকা নাই?
এই নে টাকা।
হেই,
এটুকু আমার যথেষ্ট না...
আমার আরও লাগবে!
আরও লাগবে?
অল্প টাকার জন্য তোকে ভিক্ষা করতে হবে,
আরো বেশির জন্য, হাত উঠাতে হয়।
ক্ষমতা...
যদি তোর ক্ষমতা থাকে, তবে তোর টাকাও হবে।
ক্ষমতা!
ক্ষমতা কোথায় পাবো?
ক্ষমতাওয়ালা মানুষ আসে, বড় বড় শহর থেকে। আর, সেই স্বপ্নের সাথে...
সে গিয়ে পৌঁছাল, ঘনবসতি শহর বোম্বে।
শালা, ওঠ...
এটা আমার যায়গা!
সোনার কালোবাজারি করার জন্য, বোম্বে ছিল মূল কেন্দ্র।
এই অঞ্চলের জন্য,
দুইজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছিল।
দুবাইয়ের এনায়েত খলিল,
আর বোম্বের শেট্টি।
তাদের মধ্যে সবসময়ই যুদ্ধ লেগেই থাকত।
এদের দুজনের লড়াইয়ে তৃতীয়জন পা রাখল।
যদিও তার জুতার সাইজ ছোট ছিল,
কিন্তু যে পথে তার পা ফেলেছিল, সেটা ছিল অনেক বড়।
যা।
নাম বল!
রাজা কৃষ্ণাপ্পা বেরিয়া।
বোম্বে-তে বড় কাজ করতে পারলে, বড় নাম কামাতে পারবি।
কিন্তু, মানুষ ছোট নাম মনে রাখবে।
যা।
জুতা পলিশ... জুতা পলিশ।
শেট্টি...
সবাই ওনাকে সালাম দেয়!
সে বোম্বের রাজা!
ওই শালা সিংদে,
শেট্টি ভাইকে অনেক জ্বালাচ্ছে।
ওর মাথা ভেঙে দিতে হবে।
পাগল হয়ে গেছিস নাকি?
ইন্সপেক্টরকে মারার সাহস কে করবে?
তুই মারবি?
বোম্বের কেউ কি মারবে?
নাকি এই বাচ্চা পোলাপানরা মারবে?
তোদের কেউ কি ইন্সপেক্টরকে মারবি নাকি, বাচ্চারা?
কেউ আছে?
মাল তো পেয়ে গেছি রে!
আরে, আসলাম ভাই তো মজা করেছিল,
আর তুই সত্যি সত্যি মারতে চলে এলি!
থাম, ভাই! থাম!
ওই!
আরে, খোকা!
স্যার, কী হয়েছে স্যার?
কী হলো?
চল, পালাই!
সে...
আমার নাম জানে না!
কী?
সে জানে না যে, আমি কে!
বাচ্চাটা কে ছিল?
আমি ওকে চাই!
বাচ্চা নয়,
আমার নাম রকি!
মনে থাকবে তো, তাই না?
রকি!
স্যার, ও আমার ছেলে..
ওকে আমি আন্ধেরিতে বসিয়েছিলাম!
মজা করে পুলিশকে মারতে বলেছিলাম, কিন্তু ও...
আরে, চিন্তা করিস না...
পুলিশের কাছ থেকে ওকে ছাড়িয়ে এনেছি।
কিরে!
কোথায় গিয়েছিলি তুই?
নাম কামাতে গিয়েছিলাম!
পুলিশের লোককে কেন মেরেছিস?
অন্য কাউকে মারলে,
পুলিশ খোঁজ করবে!
আর পুলিশকেই মারলে,
তোমার মত ডন খোঁজ করবে!
ওই।
কী চাই তোর?
দুনিয়া।
১৯৭৮ সালে,
ইরান আর আফগানিস্তানের মধ্যকার সংকটের জন্য।
আমেরিকা আর সোভিয়েত ইউনিয়নের মাঝে শত্রুতা আরও বেড়ে যায়।
পুরো দুনিয়াতে এর প্রভাব পড়তে থাকে!
তেল, কফি, ষ্টিল আর সুতোর দামের সাথে সাথে,
সোনার দামও আকাশচুম্বী হয়ে যায়।।
ঠিক তখনই, সূর্যবর্ধনের সুখ্যাতি এত উপরে পৌঁছে গেল যে, তার কাছে পৌঁছানো কারো পক্ষেই সম্ভব ছিল না।
তার এই সাম্রাজ্য মজবুত করার জন্য,
পাঁচটি স্তম্ভের মত সে পাঁচজন পার্টনার বেছে নেয়।
ভার্গবের মারা যাবার পর, তার ছেলে কামাল...
কেজিএফ থেকে আসা কাঁচামাল নিয়ে,
কারখানাতে সেখান থেকেই সে সোনা বের করত।
ওখান থেকে বের হওয়া সোনা,
ব্যাংগালোরে নিয়ে এসে সবজায়গাতে সমানভাবে বন্টন করা হত।
যার দায়িত্বে ছিল রাজেন্দ্র দেশাই।
অ্যানড্রুস,
পশ্চিমাঞ্চল তার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
গুরুপান্ডিয়ানের যেই রাজনৈতিক ক্ষমতা ছিল,
সূর্যবর্ধনকে সেই সহযোগিতা করত।
জাতীয় রাজনিতিতে প্রবেশ করে,
পুরো সরকারকে সে তার হাতের মুঠোয় রেখে দিত।
সূর্যবর্ধনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলো, তার ভাই আধিরা!
তাদের বিচক্ষণতায় যেই সাম্রাজ্য বানানো হয়েছিল,
সূর্যবর্ধনের ছেলে গেরুদাও সেখানে যোগ দিয়েছিল।
এই দুজনের জন্য কেজিএফ এতোটা সুরক্ষিত ছিলো যে,
কেউ এর দিকে আঙুলও তুলতে পারত না।
কিন্তু একদিন স্ট্রোকের ফলে সে শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে,
সবাই সূর্যবর্ধনের অধীনে কাজ করত, সে অসুস্থ হওয়ার পর...
সবার কেজিএফ-এর উপর খারাপ নজর পড়ল!
কেজিএফ-এ প্রথম বার,
বিদ্রোহের আওয়াজ শোনা গেল।
স্বর্ণের দাম বাড়ার কারণে,
এনায়েত খলিলের লোভ বেড়ে যায়।
সে ভাবল, বোম্বে ঢোকার এটাই সঠিক সময়।
শেট্টির প্রতিদ্বন্দ্বী দিলাওয়ারের সাথে এনায়েত খলিল তার হাত মিলিয়ে...
মোম্বাইয়ের নাগপাড়া বন্দরে সে স্বর্ণ পাঠায়।
কিন্তু, সেটা পৌঁছানোর আগেই,
দিলাওয়ার বোম্বের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে।
দিলাওয়ারের আদেশ, শেট্টির গ্যাংকে পুরো শেষ করে দিতে হবে।
কেউ যেন বাঁচতে না পারে!
তোরা কি আমাদের লোকদের জেলে ভরেছিস?
ওরা কার লোকজন? তোরা কি জানিস?
স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার,
বোম্বেতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
দিলাওয়ার বোম্বের দখল প্রায় নিয়ে নিয়েছিল,
কিন্তু সে ভয়ানক এক সমস্যায় পড়ে।
ভাই... কিন্তু রকি?
থামুন, সেলিম ভাই।
ওকে এখনও পাইনি।
খুঁজে পেলেই আপনাকে জানাবো।
কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।
ওকে কি খুঁজে পেয়েছ?
আমরা এখনও খুঁজে পাইনি।
বল, বল... রকি কোথায়?
কিন্তু বাকি সবাইকে জেলে ভরেছি।
লাভ কী তাতে?
আগে ওকে ধরো, যাও!
সব জায়গাতে খুঁজে দেখো!
সব জায়গাতেই খুঁজো।
কিরে?
রকিকে ধরে ফেলেছে ভাই।
ওকে পাওয়া গেছে, চলো।
মারো ওকে!
আমার বাপ ওর ব্যাপারে আমাকে বলেছে!
খোকা...
তুফান নিয়ে কখনও খেলতে যাবি না!
হেই, যা রে!
আমার বাবাকে গিয়ে বল!
আপনার ছেলে,,,
তুফানকে ঝুলিয়ে দিয়েছে!
কী হয়েছে আসলাম?
তোমরা মুখ গোমড়া করে বসে আছ?
কেউ মরে গেছে নাকি?
ওই, ছটু যা পোলাও নিয়ে আয়।
এভাবে আমার দিকে তাকিয়ে কী দেখিস?
আরে যা না!
ওরা রকিকে ধরে ফেলেছে!
রকিকে পাওয়া গেছে।
মাল নিয়ে এসো।
হেই।
চলো।
এনায়েত খলিলের নৌকা আমাদের বন্দরে পৌঁছালে,
বোম্বে আমাদের হাত থেকে বের হয়ে যাবে।
আজ আমার জন্মদিন।
উপহার হিসেবে,
ওর হৃদয় আর চোখ, দুইটাই চাই।
তোরা সবার কি চাস, বল?
মারো ওকে।
ছটু, পোলাও বাদ দিয়ে বিরিয়ানি নিয়ে আয়।
সাথে করে বেশি করে পেঁয়াজ আনবি।
এখনই যা।
মেরে ফেল! মেরে ফেল!
রক্তের গন্ধ পেয়ে,
সব নেকড়ে এক জায়গাতে জড়ো হয়েছে।
গত ১৫ বছর ধরে আপনি যে কাজ করতে পারেননি,
আপনার ছেলে ১ দিনেই সেটা করে দেখালো।
কিন্তু এই নেকড়েরা জানে না যে,
ওই রক্ত ছিল সিংহের, যেটা ওদেরকেই শিকার করবে।
- শুভ জন্মদিন। - মেরে ফেলো।
শুভ জন্মদিন।
ও কোথায় আছে?
তারা ওকে ঝুলিয়ে রেখেছে।
- শুভ জন্মদিন। - আরে, ও না! আমার ছেলে কোথায়?
আপনার ছেলে!
সে তো ওর সামনে।
শুভ জন্মদিন।
শুভ জন্মদিন।
আরে, তুফানকে নিয়ে খেলতে নেই।
কী দেখছিস?
ওকে মার!
- শুভ জন্মদিন... - তুফান থেকে ভাগতে হয়!
"বোম্বে আমার" বলে যারা রাস্তায় ঘুরে বেড়াত....
তাদের সবাইকে সে এক জায়গাতে জড়ো করেছে।
তাদের সবাইকে সে ওই একই রাস্তায় তাড়া করে মারবে।
আমার রক্তও লাল রঙের মনে হচ্ছে!
ছোট থাকতে বোম্বে এসেছিলাম।
সেটা ছিল অগ্নিকুন্ডে ঝাপ দেওয়ার মত।
এখানের রাস্তাতে,
যখন দুই বেলা খাবার চেয়েছিলাম, ওরা আমাকে মেরেছিল।
শোবার জন্য যখন তিন ফুট জায়গা চেয়েছিলাম, ওরা আমাকে মেরেছিল।
কিন্তু, বোম্বে তখন জানত না যে,
অগ্নিকুন্ডে তখন লোহা পড়েছিল।
সেই লোহাকে বারবার পেটানোর ফলে...
সে এখন একটা ছুড়ি হয়ে গিয়েছে।
আর ছুড়ি শুধু একটা জিনিসই জানে...
বোম্বে কি তোর বাপের নাকি?
নারে,,
বোম্বে তোর বাপের।
আর তোর বাপ হলাম আমি!
মার, মার ওকে।
মার ওকে!
কিরে?
ওদেরকে এভাবে মারতে দেখেই ভয় পেয়ে গেলি?
ওদের তো শুধু হালকা পাতলা দিয়েছি।
কিন্তু, তোকে তো উল্টো করে সব বের করে ফেলব।
ভাগ।
আরে চল, ভাগ সবাই।
আয়, আয়!
আয়!
ওকে থামা।
ও আসছে, ওকে আটকা!
ও আসছে...
ও আসছে...
ও আসছে...
ভাইয়া!
ভাইয়া!
ওই...
কসাইয়ের ছুরিটা কোথায়?
ওই যে, ওদিক দেখ!
বোম্বের একদিকে যদি সমুদ্র থাকে,
তাহলে অন্য দিকে থাকে রকি!
এমনকি সমুদ্রের যে ঢেউ তীরে আসে...
পিছে যাও, পিছে যাও।
- যাও, পিছে যাও। - তারও রকির অনুমতি নিতে হয়।
আরে, ঘুরাও, ঘুরাও।
চলো, চলো, চলো।
বলো!
হাতি শিকার করতে গর্ত খোড়ার লোক আমরা বোম্বে-তে খুঁজে পেয়েছি।
রকি!
এনায়েত খলিলের জাহাজ ফিরে যাচ্ছে, ভাই।
কী হয়েছে, ভাই?
বোম্বে কি বেঁচে গেলো?
An order to stop!
Ruling over life!
Ruling over death!
He is the life of Mumbai...
The very life man!
Don't dare stare at his eyes!
Lightning will strike... Run away!
Fire and storm, Whenever they unite!
A dynamite like him is born!
Oh! God!
Look here!
If he comes to rule, He is the emperor!
If you oppose him... He is the very devil!
Oh God!
Please stop him!
The hidden one is acquired!
The one who revolts is captured!
In the streets of Mumbai,
With fright they will say 'Salute'!
Salute Rocky Don!
Ra... Ra... Rocky!
Salute Rocky Don!
Salute Rocky Don!
Salute Rocky Don!
This locality is yours Don!!
You are everyone's boss!
আফ্রিকা থেকে উপকূল রক্ষাবাহিনীর কাছে আসা স্বর্ণ,
বোম্বের বন্দরে খালাস হচ্ছিল।
সেখান থেকে ধূসর রঙের ট্রাকে করে পুলিশি নিরাপত্তায়,
রকির কাছে স্বর্ণ পৌঁছাত।
বন্ধ বাক্স তার অনুপস্থিতিতে কখনও খোলা হত না।
সে নিজেই সেটা চেক করে নিজ দায়িত্বে,
মালবাহী ট্রেনে করে বিভিন্ন জায়গাতে পাঠিয়ে দিত।
রকির অনুমতি ছাড়া,
বোম্বে-তে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হত না।
The one who held your finger and made you walk...
The one who taught you your first words...
Her words are sacred!
One who has grown with fire!
Persistently moving ahead!
A warrior who has taken an oath!
Where can you find an army to stop him?
Is it possible to control a surging wave?
He is filled with character! His hand is like iron!
He sells fear, cares nothing for life!
Move away...
There's danger!
The hidden one is acquired! - It can't be done!
The one who revolts is captured!
In the streets of Mumbai,
With fright they will say 'Salute'!
কী হয়েছে?
কাপড় ধুতে দেবার জন্য এসেছিলাম, ভাই।
আমি নিজেও শুধু ধুতেই এসেছিলাম।
পানি ঢাল!
Salute Rocky Don!
Ra... Ra... Rocky!
Salute Rocky Don!
Salute Rocky Don!
Salute Rocky Don!
This locality is yours Don!!
You are everyone's boss!
এখন থেকে এনায়েত খলিলের লোক আমাদের আর বিরক্ত করবে না।
সবকিছু ঠিক এভাবেই থাকতে দাও!
কারণ হচ্ছে রকি!
তোমার ওই শুটার যে এত কিছু করছে,
সেটা কি শেট্টির জন্য, নাকি বোম্বের জন্য?
আমরা সবাই আপনার সাথে আছি, শেট্টি ভাই।
কিন্তু, রকি আমাদের সাথে থাকার জন্য,
সবাই আমাদের ভয় পায়!
রকির নাম শুধু বোম্বেতে নয়,
দক্ষিণাঞ্চলের সব জায়গাতে শোনা যাচ্ছে।
রকি ভাইয়া।
কী রকি ভাই, আজকে কতজনকে মেরেছো?
দিন শেষ হবার পর গুণে বলব, এখন যা।
সালাম, ভাই! সালাম, ভাই!
সালাম, ভাই!
বোম্বে-তে সবাই তোকে সালাম দেয়,
শুধু রকি ছাড়া,
তোর চেয়ার রকির অনেক পছন্দ।
যদি তারও মনে হয়, এই চেয়ারে তার অধিকার আছে...
তাহলে খুব ভেজাল হয়ে যাবে।
ঘর তৈরি করার পরেই,
রেশমের পোকামাকড়ের জীবন শুরু হয়।
তারপর,
ওগুলোকে শুধু গরম পানিতে ছেড়ে দেওয়া হয়।
হেই, পাঠান।
হ্যাঁ, ভাই।
এই বোম্বে শহরে,
আমাদের ঠিকানার পিন কোড না থাকলেও,
চিঠি চলে আসে।
জানিস কেন?
কারণ, আমার নাম অনেক বিখ্যাত।
হ্যাঁ, ভাই।
সবাই কি আর আপনার মত হতে পারে, ভাই?
কিছু লোক দশজনকে মেরেই, ভাবতে শুরু করে তারা ডন হয়ে গেছে।
রকি।
ব্যাংগালোরে আমার জন্য একটা কাজ করতে হবে।
যদি করে দিস,
তাহলে পুরো বোম্বে তোর হয়ে যাবে।
চিঠি খামের উপর ঠিকানা লেখা দেখে আসে না।
ঠিকানায় যেই জায়গার কথা লেখা থাকে, সেটা দেখে আসে।
আর জায়গা চিনতে, পিন কোডের কথা বাদ দাও...
তোমার তো স্ট্যাম্পেরও দরকার হবে না।
সোনার ব্যাংক,
মুদ্রা ভাঙ্গানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
ওই, পাঠান!
জ্বি, ভাই!
দশ বারোজন লোককে মেরে আমি ডন হইনি,
সেই দশজন লোকের সবাই ডনই ছিল।
হ্যাঁ, ভাই!
শেট্টি অন্য কাউকে সালাম দিচ্ছে,
এটা প্রথমবার দেখলাম।
মনে হয়, বোম্বের সবকিছুর সিদ্ধান্ত সেই নেয়।
ওই শেট্টি আমাদের ছাড়বে না,
সে আমাদের কিছু না কিছু ঠিকই করবে।
তো, আমরা কি চুরি পরে বসে আছি?
এই, তুই চুপ কর।
শেট্টিকে নিয়ে তোর চিন্তা করতে হবে না!
সব লোকেরা তোর সাথে আছে...
তুই সবসময় বলতি,
"আমি বোম্বে চাই"!
এখন সময় এসেছে!
এখন তুই হবি বোম্বাইয়ের বাদশা।
সমুদ্র কতটা গভীর?
কী?
গভীরতা জানা ছাড়া, এতে রাজত্ব করা যায় না,
চলো ঝাপ দিয়ে গভীরতা বের করা যাক।
এল ডোরাডোর স্বপ্নের কাছাকাছি যেতে,
এক নতুন মোড় নিলো।
ব্যাংগালোর।
গাড়িতে মদের দোকানে কাছে থামাও।
স্যার, আজকে নির্বাচন। কোনও দোকান খোলা থাকবে না।
তুমি এভাবে কেন দৌড়াচ্ছ?
কী হয়েছে?
রাজেন্দ্র দেশাইয়ের মেয়ে, স্যার!
কোনও এক হোটেলে তাদেরকে মদ পান করতে দেয়নি।
সে রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে ওখানেই পার্টি করছে, স্যার!
তার দিকে যেই নজর দিচ্ছে, তাকেই মারছে।
ওদিকে যাবেন না, চলে আসুন... স্যার!
আমাকে বাঁচান, স্যার... আমাকে বাঁচান।
স্যার.....
স্যার, আমাকে বাঁচান!
যে একজন আসছে...
সে কি নিখুঁত করে গুলি চালাতে পারে?
না...
আমি তার দক্ষতার ব্যাপারে জানি না।
তাহলে তুমি কীভাবে তাকে বিশ্বাস করেছিলে?
যখন লক্ষ্যকে আঘাতের আদেশ আসে,
তখন অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়।
স্যার, স্যার... চলে আসুন, স্যার!
ওকে বাঁচানোর চেষ্টা করবেন না, স্যার!
ওরা ভাল লোক নয়... চলে আসুন, স্যার!
চোখের পলক ফেলা যাবে না,
হাত কাঁপানো যাবে না...
নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখতে হবে,
দাঁড়িয়ে থাকা জায়গা দেখে নিতে হবে!
হাওয়া কোন দিকে যাচ্ছে,
সবকিছু খেয়াল রাখতে হবে।
সে সোজাসুজি কপালের দিকে লক্ষ্য করবে,
এবং ট্রিগার চেপে দিবে।
নিখুঁতভাবে গুলি করা লোক তো শুধু অলিম্পিকের জন্য।
আমরা যে কাজ করছি তাতে অনেক ঝুঁকি থাকে,
যদি আমরা নাও করি,
তবুও অনেক বড় ঝুঁকি থাকে, তাই না?
Smoke... Have a smoke!
Let your sorrows be gone!
Say throughout the day...
Praise be to Lord Krishna! Praise be to Lord Ram!
অভিনন্দন!
কেন?
আমি তোমাকে ভালবাসি।
তোমার কত বড় সাহস!
তুমি কতই না সুন্দর!
তোমরা কীসের দিকে তাকিয়ে আছ?
এসে ওকে মারো।
কী যেন বলছিলাম...
আমি তো মরেই গেছি, সোনা!
আরে যাও, ওকে মারো! যাও...
কী হলো, বন্ধুরা? তোমরা কি আমাকে মারবে না?
বন্ধুরা, যাও।
আরে যা, গিয়ে ওকে মার।
এবার মারতে আয়...
তোরা কীসের দিকে তাকিয়ে আছিস? যা!
বলদ কোথাকার!
তুই মদ নষ্ট করছিস, তুই মদ নষ্ট করছিস।
মদের মূল্য কত জানিস?
শুধু মাতালরা মদের মূল্য বুঝে!
দেখে মনে হচ্ছে তুই প্রথমবার ব্যংগালোরে এসেছিস।
তুই এখনও আমার সম্পর্কে জানিস না...
জানতে পারার পর, দৌড়ে লুকাবি না।
যেখানেই থাকিস না কেন, আমার বাবা তোকে খুঁজে বের করে...
এই রাস্তার উপর টেনে হিচঁড়ে তোকে মারবে।
আমার ভাগার কোন অভ্যাস নাই,
কিন্তু, আমার ভাগানোর অভ্যাস আছে।
আমার জীবনে, অনেক ভালো খেলোয়াড় লোক দেখেছি।
কিন্তু, মেয়ে খেলোয়াড় এই প্রথমবার দেখছি।
আমি তোমার গভীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি।
চুপ থাক, রকি!
চুপ, চুপ, চুপ থাক!
তোমার বাবাকে নিয়ে কী যেন বলছিলে?
রাজেন্দ্র দেশাই!
সে তোমাকে ধনীর দুলালী হিসেবে লালন পালন করেছে।
আমি তোমাকে তার চাইতেও ভাল দেখাশোনা করব।
চিন্তা কর না!
তোমাকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না।
তাড়াতাড়ি চলে আসব।
এখন থেকে ওর বাবা আমার শ্বশুর।
আর আমি তোদের দুলাভাই।
তোদের বোন...
তার ভাল যত্ন করবি।
ভাল করে দেখাশোনা করবি।
এই ঠিকানার কথা আপনি বলেছিলেন, স্যার।
আপনার কাজ শেষ করে চলে যান, স্যার।
আপনি আর কখনও ব্যংগালোরে আসবেন না, স্যার।
কামাল...
কী হয়েছে?
বলছে ব্যংগালোর অনেক বড়।
আমার বিশ্বাস, ওকে খুঁজে পাওয়া অনেক কঠিন হবে।
অবশ্যই এই শহরে নতুন কেউ হবে।
সে একাই আমাদের সব লোককে মেরেছে।
মাতাল হয়ে আমার রিনার সাথেও বদমাশি করেছে।
বিমান বন্দর, ট্রেন স্টেশন, বাস স্টেশন, মহাসড়ক...
সবকিছু বন্ধ করে দাও।
ওই কুত্তার বাচ্চা...
কোনোভাবেই যেন পালাতে না পারে।
ওই রিনাকে উত্যক্ত করেছিল।
আমি এসব জানি।
ওকে আর এখানে আনবে না, দায়া।
এমনিতেও, কামালের সময় ইদানিং খারাপ যাচ্ছে।
ও তাদের হাতে ধরা পড়ে না যায়।
তুই কি জানিস, কাদের লোককে মেরেছিস, আর কোথায় এসেছিস?
তুই কি জানিস ওই মেয়েটা কে ছিল?
কে?
রাজেন্দ্র দেশাইয়ের মেয়ে,
রিনা!
নাম না জিজ্ঞেস করেই চলে এসেছিলাম।
রিনা, রিনা, রিনা!
কতই না সুন্দর নাম!
তোকে এখানে কি জন্য ডেকে এনেছি, সেটা কি জানিস?
আসার পর থেকেই...
আমরা শুধু আজেবাজে কথা বলে যাচ্ছি।
আমরা কি কাজের কথায় আসতে পারি?
কাজটা কী, আমাকে বলেন স্যার!
তোমাকে এক জানোয়ারকে খুন করতে হবে।
দায়া তোমাকে আমাদের পরিকল্পনা বুঝিয়ে দিবে।
কয়েকদিনের মধ্যে অনেক বড় একটা অনুষ্ঠান হবে।
সে অনুষ্ঠানে পৌঁছাবার আগেই,
রাস্তার মধ্যে তাকে হত্যা করতে হবে।
এই অনুষ্ঠানের জায়গাতে পৌঁছাতে মাত্র দুইটা পথ আছে।
আমার হিসাব মতে...
সে শুধু মেইন রোড দিয়ে আসবে।
অনেক বড় রাস্তা, মানুষজনও কম থাকবে।
কোন ট্রাফিক জ্যাম ও থাকবে না।
অন্য রাস্তা কোনটা?
ওটা ছোট রাস্তা। সব জায়গাতে বিল্ডিং, বাস স্টপ, বাজার,
হাঁটাচলার জায়গাও নাই।
আমার মনে হচ্ছে,
এই রাস্তা দিয়ে আসার কোনও সুযোগ নেই।
এই অনুষ্ঠানটা কোথায় হবে?
DYSS এর নতুন পার্টি অফিসে।
বিধানসভা, সংসদ সদস্য, উচ্চ আদালতের বিচারক এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
সবাই সেখানে থাকবে।
নিরাপত্তার দায়িত্ব সেন্টারের পক্ষ থেকে।
মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে।
আরে, লেবু নিয়া আয় তো।
মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে।
সেখানে তাকে ছোঁয়ার কথা চিন্তা করাও অসম্ভব।
যে আসছে, তার ছবি কি তোমার কাছে আছে?
তার ছবির কোন দরকার নাই।
যদি সে আসে, তাহলে পুরো ব্যাংগালোর জেনে যাবে।
রিনা...
ওকে অবশ্যই খুঁজে বের করব।
ওকে খুঁজে পাবার পর...
এখন থেকে আমার দায়দায়িত্ব সব তোমার!
তুমি আমাকে ভালোভাবে দেখাশোনা করবে।
আমার বাবাকে এটাই বলেছ, তাই না?
তুমি আমাকে ভালোভাবে দেখাশোনা করছ!
কামাল।
কেরে তুই?
ও এটাকে অনেক সহজভাবে নিয়েছে, অ্যান্ড্রু স্যার।
এসব কী হচ্ছে?
এখানে কে আসছে, সে এখনও বুঝতে পারেনি।
এসব কী হচ্ছে!
কে আসছে সেটা যদি সে জানত...
এই পৃথিবীতে কেউই তাহলে আসত না।
ওকে ওর কাজ করতে দাও।
ওকে শুধু কামালের কাছ থেকে দূরে রেখো, ব্যাস।
দুই দিন আগে,
পরীক্ষার জন্য ৪৫ জন ছাত্র এসেছিল যারা এই বেল হোটেলে আছে।
মনে হচ্ছে, তার ব্যক্তিত্বের সাথে এখানের প্রচুর লোকের মিল পাওয়া গেছে।
যেহেতু আমাদের সব লোক এখন হাসপাতালে,
তাই, ওকে চেনার মত এখন কেউ নেই।
একজন আছে।
হোটেল থেকে কেউ যেন বাইরে যেতে না পারে।
প্রত্যেক রুমে চেক কর।
এই দরজা খোল।
কী চাই?
- কী সমস্যা? - না।
এই দরজা খোল...
না।
না।
ম্যাডাম, এটা কি সে?
না।
এটা নাকি?
না।
ওই, কেরে তুই?
ওই, কেরে তুই?
কোথা থেকে এসেছিস?
তোর কীসের কাজ? আমাকে বল।
তুমি আমাকে দেখতে এসেছ!
তুমিও আমার কাছ থেকে দূরে থাকতে পারলে না, সোনা!
তুমি আমাকে বিশ্বাসই করতে চাইবে না!
মাত্রই তোমার কথা ভাবতে ভাবতে বাথরুমে...... গোসল করছিলাম।
আমি তোমাকে খুন করে ফেলব।
আমি তো অনেক আগেই মরে গেছি, সোনা।
এখন তো তোমাকে আরও বেশি পছন্দ হচ্ছে।
রাস্তা বন্ধ করে মদ পান করছিলে,
আমাকে মারার জন্য তুমি তোমার লোক নিয়ে, আমি যেখানে থাকি সেখানেই চলে আসলে।
এমনকি আমাকে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছ।
আরে, দরজা খোল!
এখন তুমি আমার একেবারে কাছে, সোনা...
আমার সোনা...
আমি অনেকটা এক্সপ্রেস ট্রেনের মত,
আর তুমি হলে রেল লাইনের মত।
আমরা দুজন মিলে চিকুবিকু চিকুবিকি শব্দ করতেই থাকব।
ওই, দরজা খোল। কেরে তুই?
ওই...
এক মিনিট দাঁড়াও, সোনা।
যখন তোদের বোন আর দুলাভাই এক রুমে আছে...
তখন বিরক্ত করতে হয় না।
তোরা কি এটুকুও জানিস না।
কী হয়েছে তোদের?
ওই...
ওকে মার।
মেরে ফেল ওকে।
ড্রাইভার।
হায়, ভগবান!
তুই কি ড্রাইভারকেও ছাড়িসনি?
ওটা নিয়ে এত চিন্তা করছ কেন, সোনা?
আমি আছি না!
এসো, আমি তোমাকে নামিয়ে দিচ্ছি।
আমাকে ড্রাইভারের পোশাকে কেমন লাগছে, সোনা?
ভালো লাগছে?
তুমি চাইলে পাহারাদারের পোষাকও পরতে পারি।
এমনকি, তোমার ড্রাইভারেরও সাহস আছে, সোনা।
এতগুলো মানুষ মারার পরেও,
সে সাহস নিয়ে আমার সামনে এসেছিল।
এখন থেকে তুমি আর এভাবে বের হয়ো না।
ইমারজেন্সি বুঝতে পারছি,
চলো, বিয়ে করি ফেলি।
তোমাকে বিয়ের পর...
ঘরে ঢোকার সময় চালের কৌটায় চাল রাখব না।
বিয়ারের একটা বোতল রাখব।
তুমি এসে বোতলকে লাথি দিবে।
গাড়ি থামা।
কী হয়েছে, সোনা?
কী হয়েছে?
এভাবে কথা বলার সাহস কোথায় পেলি?
গাধা কোথাকার!
আমার সামনে দাঁড়ানোরও যোগ্যতা তোর নেই।
আর তুই আমার পাশে এসে বসেছিস!
আমার যোগ্যতার ব্যাপারে তোর ধারণা নেই...
তুই ভাবলি কী করে যে, তোর মত মানুষকে পছন্দ করব?
চারজন লোককে মেরেই নিজেকে হিরো ভাবছিস?
মূর্খ!
এক মিনিট, সোনা!
এসব কী?
গাড়ি সরা,
আরে, গাড়ি সরা না।
সরা বলছি।
আটটি জুতা পালিস করার পর, আমি ১টা রুটি পেতাম।
থালে ভাত ভাগ করে খাওয়া এমন মানুষ,
সেসব মানুষের মধ্যে,
মাটিতে পড়ে যাওয়া রুটির জন্য,
তুমি যদি এত কষ্ট পাও,
তবে, তোমার কষ্ট আমি বুঝতে পারছি।
স্বার্থপরতার জন্য এই দুনিয়া ঘুরছে...
এটা কারও জন্য থেমে থাকবে না।
আমাদের একে নিজেরই থামাতে হবে।
এদের ব্যপারে চিন্তা কোরো না।
কেউই তোমার মত এত শক্তশালী নয়।
এই পৃথিবীতে মায়ের চেয়ে আর কোনও বড় যোদ্ধা নেই।
সোনা, তুমি আমাকে কী যেন বলছিলে!
আমাকে বাড়িতে নিয়ে চলো।
আচ্ছা।
কেউ একজন মাঝে চলে এসেছে, দেখেছ!
গাড়িটা সরাও।
ওই,গাড়িটা সরা।
স্যার...
নমস্কার।
আমার নাম আনন্দ ইনগালগি।
আমি আপনাকে ফোন করেছিলাম।
আমি একজন সাংবাদিক।
ওর ব্যাপারে যাই জিজ্ঞেস করি, কেউ এই ব্যপারে কিছু বলতে চাচ্ছে না।
- যদি আপনি কিছু বলতেন। - ভেতরে এসো!
আপনি চিন্তা করবেন না, স্যার।
আপনার নাম খবরের কাগজে আসবে না, স্যার।
স্পষ্ট করে আমার নাম লিখবে।
নাগারাজু, কালিগোদার ছেলে।
লিখে ফেলো।
এখন জিঙ্গাসা করো...
স্যার...
সে গুন্ডা হবার আগে,
শুনেছি, বোম্বে থাকার সময় তার অন্য নাম ছিল।
রাজা ক্রিশনাপ্পা বেরিয়া....
সে কীভাবে রকি হয়েছিল, স্যার?
ড়ে... মন্ড!
১৯২৫ সাল থেকে...
এর মানে কী?
এর মানে, যেদিন কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ওরা এভাবে লিখে কেন?
ব্র্যান্ডের জন্য ওরা এভাবেই লিখে।
ব্রান্ড মানে?
যে নামের কদর থাকে,
যেন সবাই এর ব্যাপারে জানে।
ছোট থাকতেই সে একটা ব্রান্ড হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
ব্রান্ড হতে চেয়েছিল?
একটা দুর্ঘটনার কথা বলছি, শোনো...
স্যার, ও ১০০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চালিয়েছে।
এমনকি চেক পোস্টও ভেঙ্গে দিয়েছে।
গাড়ির কোনও কাগজ তো নেই,
লাইসেন্সও নেই।
মনে হয়, কাগজপত্র নিয়ে আসার জন্য সে কাউকে ফোন করেছে।
আপনি ওর নাম জিজ্ঞেস করলে বলবে না।
দিয়াশলাই আছে?
আমার থানায় আমার সামনেই সিগারেট খাবি?
সে বজ্রপাতের মত শব্দ করে উঠল।
তোর মত ধনীদের কে পাত্তা দেয়?
তুই যেই হস না কেন, প্রথমে তুই আইনের গোলাম।
গোলাম!
নিজের নাম বলতে গিয়েও এত ঢং করছিস।
কথা বল।
সে আরেকবার বজ্রপাতের শব্দ করল।
আমি তোকে ঠিক করছি! শালার গুন্ডা!
পুরো থানা নড়ে উঠল।
ড্রাইভিং লাইসেন্স।
আরে... সিগারেট দে।
কোথায় গেলো?
খুঁজে পেয়েছি।
যদিও অনেকেই তাকে দেখেনি,
কিন্তু তার নাম সবাই জানত।
রকি।
১৯৫১ সাল থেকে,
1951 থেকে,
স্যার, সে তো অনেক বড় ক্রিমিনাল।
আপনি কীভাবে তাকে ব্রান্ড বলতে পারেন?
আমি আইনের হাতে স্বর্ণের আংটি পড়িয়েছি।
সেই হাত আমার সাথে হাত মিলাবে,
আর আমাকে সালামও দিবে।
পুলিশ বাঁশি বাজিয়ে গুন্ডা ধরবে,
কিন্তু জনগণ বাঁশি বাজিয়ে হাততালি দিবে, আর সে রাজা হয়ে উঠবে।
জনগণ যখন মেনে নিলো,
গোলাম নয়...
তখন আমি তুমি আবার কে?
মালিক!
মালিক! মালিক! মালিক!
স্যার,
আপনি কাহিনীতে অনেক আগে চলে গিয়েছেন।
কতটুক আগে চলে গিয়েছি?
অনেক বেশি আগে চলে গিয়েছেন।
আমি আবার কখন কফি চেয়েছিলাম?
আমাকে ক্ষমা করবেন, ম্যাডাম।
রকির কৌতুহল বৃদ্ধি পেতে লাগল।
চিহ্নিত করা যেই ট্রাকগুলোর বোম্বে বন্দরে যাবার কথা ছিল,
সেগুলোও পুলিশি নিরাপত্তায় ব্যাংগালোরে কী করছিল?
এই কাহিনী সে বুঝতে পারছিল না।
সে জানার জন্য গেলো।
বোম্বে স্বর্ণের বাক্স কখনও রকিকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারত না।
একমাত্র রকিই এই সিল খোলার চিন্তা করত।
কে বাক্সের উপর সিল দিয়েছে সেটা নিয়ে ভাবত না।
গোডাউনে বাক্সগুলোকে দেখার পর,
একটা বিষয়ে সে নিশ্চিত হয়েছিল।
স্বর্ণ আফ্রিকা থেকে আসছিল না।
এই গোপন কথার ব্যাপারে চিন্তা করার চেয়েও,
একটা বিষয় তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল।
এই স্বর্ণ কোথা থেকে এসেছে, আর কার হাত আছে!
ব্রেকিং নিউজ! DYSS পার্টি রাজ্য নির্বাচনে,
গোয়া, মাহারাষ্ট্রা এবং কার্ণটাকায়,
পঞ্চম বারের মত রেকর্ড জয় গড়েছে।
গুরুপান্ডিয়ানের নেতৃত্বে যেই পতাকা উপরে উঠেছিল,
সেই পতাকা নিচে নামার আর কোনও লক্ষণ নেই।
নির্বাচনের রেজাল্ট এসেছে...
সময় অনেক কম।
এক ছোট অনুষ্ঠানে শুধু চিফ মিনিস্টারের নাম ঘোষণা করা হবে।
এসবের জন্য ঝুঁকি নিয়ে সে যে ব্যাংগালোরে আসবেই, তার নিশ্চয়তা কী?
তাকে ওখান থেকে আনতে শুধু্ একটাই উপায় আছে।
প্রথমে আমাদের ওর ক্রোধকে জাগিয়ে তুলতে হবে।
কীভাবে?
তার বাবার একটি মূর্তি বানাও।
মূর্তি?
মূর্তিটাকে পার্টি অফিসের বাইরে বসাও,
এবং সেখানে উদ্বোধনের ঘোষণা দাও।
দেরি না করেই সে চলে আসবে।
যতক্ষণ সে ওই দুর্গে থাকবে,
তাকে কেউ স্পর্শও করতে পারবে না।
তারপরেও যদি সে ঝুঁকি নেয়,
তাতে করে বুঝা যাবে না, যে তার কোনও লোক নেই।
ওই, সরে যা।
জন ভাই এখানে না থাকলে, তোরা তো নিজেদের মধ্যে মারামারি শুরু করে দিস।
ভানারাম, স্যার।
জন,
ছোট সাহেব অবশ্যই ব্যাংগালোরে যাবে,
তোমারও সেখানে যেতে হবে।
ভুলে যেও না,
এটাই আমাদের শেষ সুযোগ।
তোমার বোম্বের শুটার কি রেডি?
মিল্কি কোথায়?
মিল্কি কোথায়?
Be cautious!
I'm a lightning like vine...
Eyes like the edge of a sword!
In the trap, it's when you fall...
Will you realize this plot!
Be cautious!
I'm a lightning like vine...
Eyes like the edge of a sword!
In the trap, it's when you fall...
Will you realize this plot!
When the slender waist gyrates,
When it swings!
You be ecstatic then!
The arrows of mischievous smile...
When they hit you, you clever one!
You will be my prisoner then!
When the slender waist gyrates,
When it swings!
You be ecstatic then!
The arrows of mischievous smile...
When they hit you, you clever one!
You will be my prisoner then!
A beautiful wife,
Is like a honey bee sucking nectar!
But...
Later...
When you feel the intoxication...
It slows down, it slows down!
Be cautious!
I'm a lightning like vine...
Eyes like the edge of a sword!
In the trap, it's when you fall...
Will you realize this plot!
রকি পাবে এসেছে, স্যার।
রকি ওখানে কী করছে?
পরিস্থিতি আমাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
তোমাকে এখনই আসতে হবে।
What is it that you are searching for?
Look at my beauty...
A woman more beautiful than me, do you need?
Before taking a step,
Look at me once again...
Understand my signals, my darling!
What is it that you are searching for?
Look at my beauty...
A woman more beautiful than me, do you need?
Before taking a step,
Look at me once again...
Understand my signals, my darling!
Alert...
Alert...
The lamp is extinguished... There is darkness!
In the trap of the vine...
Lets escape and run... Slowly... Slowly!
Be cautious!
I'm a lightning like vine...
Eyes like the edge of a sword!
In the trap, it's when you fall...
Will you realize this plot!
এই ছেলে..
তোমরা এর নামে এত কাহিনী বলেছ?
এ তোমাদেরকে মেরেছেও!
জানি না তুই কোথা থেকে এসেছিস?
ব্যাংগালোরে আসার পর...
বিধান সভা কোথায়, এখানকার আবহাওয়া কেমন, এগুলো জানার আগে...
আমি কতটা খারাপ সেটা জানা উচিত ছিল।
তুই ভুল করেছিস!
কিন্তু, অনেক দেরি হয়ে গেছে।
গুলির অপচয় কোরো না।
সে এর জন্য উপযুক্ত নয়।
ওদেরকে এখানে কী জন্য এনেছি জানিস?
তোকে মারার জন্য নয়, তোর ক্ষমতা দেখার জন্য এনেছি।
উচ্চাভিলাসী হতে চাইলে, তার উপযুক্ত হতে হয়।
আমার মত মেয়েদের বেলাতেও তাই।
তোকে আরেকটা সুযোগ দিচ্ছি।
পারলে তোর ক্ষমতা দেখা।
সবার সামনে যদি তুই এসে আমাকে ছুঁতে পারিস...
তাহলে আমি তোর হয়ে যাব।
ওই...
যা, চলে যা।
এখান থেকে বের হয়ে যা।
তোর সাহসের দরকার, বন্ধু।
যেতে থাক, যেতে থাক।
এই খোকা,
সামনের দোকানে গিয়ে আমার নাম বল।
ওটা আমার চাচার দোকান, সে তোকে দুই ডজন চুড়ি দিবে।
তোমার কাছে কি দিয়াশলাই আছে?
পেট্রোল!
কথায় আছে, যে ভালোবাসে তার একটু অহংকার বেশিই থাকে।
ট্রিগারে আঙ্গুল রাখলেই সবাই শুটার হয় না।
তেমনি, মেয়েদের গায়ে হাত রাখলেই সবাই পুরুষ হয় না।
যারা আমাকে ভালোবাসে, তারা ছাড়া আমার মূল্য আর কেউ বুঝবে না।
কিরে! চুরি বিক্রেতার ওই দোকান কোথায় যেন?
আমার চাচার দোকানে, কাস্টমার আসে না বলে ব্যবসা খারাপ যাচ্ছে।
সেজন্যই ওগুলোও বিক্রি করতে চাচ্ছিলাম।
সরি, ভাই।
তাহলে,
কে যেন বলেছিল, আমার সাহস দরকার?
আমি তোকে ভালবাসিরে।
তুই একটা ভাল বুদ্ধি দিয়েছিস।
যে শহরে আসার পরিকল্পনা করে, সে সবকিছু জেনেই আসে।
কিন্তু, যে শহরকে শাসন করতে আসে,
শহরকে সে জানিয়ে দেয়, সে কে!
যদি তুই নিজেকে খারাপ ভাবিস,
তাহলে, আমি হলাম তোর বাপ।
কামাল,
আমার শ্বশুর এসে গেছে।
সবাই বের হও।
এবার তুই বেঁচে গেলি।
ওরা আমাকে বাঁচাতে আসেনি, গাধা।
আমার থেকে তোকে বাঁচাতে এসেছে।
এটা কে রে?
ও গেরুদাকে মারতে এসেছে।
এই ছেলে?
তোকে এখানে কী জন্য ডেকেছে?
আর তুই এসব কী করছিস?
এমন লোকের কথা বলনি, যারা আমার কথা কানের মধ্যে রাখে।
যারা কথাটা মাথায় গেঁথে রাখে, আমি তাদের কথা বলেছিলাম।
এর জন্যই আমি রাজেন্দ্র দেশাইয়ের ক্লাবে এসে,
রাজেন্দ্র দেশাইকেই এখানে নিয়ে এসেছি।
তুই কীসের প্লান করেছিস?
গেরুদা শুধু দ্বিতীয় রাস্তা দিয়েই আসবে।
যে রাস্তায় অনেক লোক থাকবে,
নতুন নতুন খোলা দোকান থাকবে,
আশেপাশে কাস্টমার ভরা থাকবে,
বাড়িগুলোতে লোকেরা কয়েকদিন আগেই ভাড়া নিয়েছে।
অনেক দিন ধরে, নষ্ট গাড়িগুলো ওখানে পার্ক করা আছে।
খালি ট্যাক্সি থাকবে,
প্রত্যেকে মানুষ যার যার কাজে ব্যস্ত থাকবে।
আমরা ওকে ওখানে মারতে পারব না।
তাহলে?
আমি তাকে DYSS পার্টি অফিসের ভেতরেই মারব।
এসব কী বলছ?
রাস্তাঘাটে পুলিশ থাকবে,
এমনকি ওখানের দরজাতেও পুলিশ থাকবে।
মন্ত্রীকেও চেক করা হবে।
ছোট সাহেব এসে গিয়েছেন।
সবাইকে চেক করতে হবে।
তুমি ওকে ভেতরেই মারার পরিকল্পনা করছ?
আমাদেরও চেক করা হবে।
ওকেও চেক করা হবে।
ভেতরে একবার যদি একটা বন্দুক পাই!
তুমি বন্দুক পেয়ে যাবে।
মূর্তি স্থাপন করে টোপ দেয়া হয়েছে।
সবাই গেরুদার জন্য অপেক্ষা করছে।
আমার বাবা তোমাদের উপর অনেক বিশ্বাস করে।
সেই বিশ্বাসকে বাঁচিয়ে রাখতে, তার হয়ে আমি এখানে এসেছি।
আমার বাবা অনেক বড় সাম্রাজ্য বানিয়েছে।
আমি তার চেয়েও বড় সাম্রাজ্য গড়ে তুলব।
তারা সুর্যবর্ধনের মূর্তি বানিয়েছিল,
কিন্তু, ওখানে যেই মূর্তি বসান হয়েছিল,
সেটা ছিল গেরুদার।
চলো, তাড়াতাড়ি চলো!
সে ওকে খুন করতে পারেনি?
তারমানে কি আপনার হিরো ব্যর্থ হয়েছিল?
সে ব্যর্থ হয়েছিল।
এখন আপনার হিরো কী করবে?
সে কি আশা ছেড়ে দিবে?
আঘাত পাওয়া সিংহের নিঃশ্বাস,
তার গর্জন থেকেও বেশি ভয়ংকর হয়।
আপনি কী বলতে চাইছেন?
১২৮ পাতা...
খুব কষ্টে করে একটা কবিতা লিখেছি, পড়ুন।
দরজা বন্ধ করেছ তো?
কোনও সিকিউরিটি ডেকেছ?
কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেবে না।
ও এত সহজে মারবে না!
ওকে গুলি করে বিধান সভার সামনে ঝুলিয়ে রাখবে।
অনেক ভেবে চিন্তে, ভিতরে একটা পিস্তল পাঠিয়েছিলাম।
ওকে সুরক্ষা দিতে কত সমস্যা পার করলাম।
পুরো একটা আর্মি বাহিনী ওখানে ছিল।
তাদের মধ্যে অর্ধেক লোক, যারা বন্দুক তুলেছিল...
এতদিন ভেবেছিলাম, তারা আমাদের লোক।
বোম্বে থেকে আসা লোকটা কোথায়?
সে ভিতরে আছে।
ভেবেছিলাম, ওকে মেরে ফেললে...
ভেবেছিলাম, ওকে মেরে ফেললে... এই জায়গা আমাদের হয়ে যাবে।
যেই স্বর্গে আমার থাকতাম, সেটাই এখন নরক হয়ে গেছে।
ইচ্ছে ছিল, এই দুনিয়াকে শাসন করতে পারব।
পুরো দুনিয়া।
কিন্তু, ও কেন আমাদের ছেড়ে দিল?
ক্ষমতা!
ওর যখন ইচ্ছা তখনই আমাদের মারতে পারে!
কিন্তু ও দুনিয়াকে ওর শক্তি দেখাতে এসেছিল।
এখন, সে শুধু তার বাবা মারা যাবার অপেক্ষা করছে!
আমাদের হতে সময় খুব কম।
যদি গেরুদা এখন না মরে...
তাহলে, নিশ্চিত যে আমরা সবাই মারা যাব।
তাহলে,
তুমি কি ওখানে যাবে?
ওই জায়গায় যাবে?
ওদের মধ্যে যাবে?
ওই নরকে যাবার সাহস কারো আছে?
এমন কথা কীভাবে ভাবতে পারো?
যে ঝড় আমাদের উপর দিয়ে গেছে,
সেখানে যাবার চিন্তাও কেউ করবে না।
বুকের জ্বলন্ত আগুন...
প্রচন্ড ক্ষোভে নিভে যাচ্ছে...
জ্বলন্ত উল্কা আকাশে ছড়িয়ে পড়ে।
এরপরে মনে হয় পুড়ে গিয়েছে।
লড়াইয়ে কে আগে মারে তাতে কিছু যায় আসে না,
যদি কেউ প্রথমে পড়ে যায়, তখনই লড়াইয়ে আসে যায়!
যাকে মারতে আমাকে ডেকেছিলে,
ওকে না মেরে কোথাও যাব না।
ওই যায়গা যেখানেই হোক, যেমনই হোক...
সেখানে গিয়েই ওকে মারব।
ঢেউ মাটিতে আছড়ে পড়ার জন্য অপেক্ষা করছে...
সূর্য আকাশে অপেক্ষা করছে অস্ত যাবার জন্য।
বজ্রপাত আর বিজলী মাটিতে পড়ার অপেক্ষা করছে।
নিজের লেখা লেখতে...
যা।
ভাগ্যও কাঁপছে!
আমাকে এসব কেনো দাও, মা?
আমি ভগবানকে বিশ্বাস করি না।
আমাকে তো বিশ্বাস করিস, তাই না?
এটাকে কখনও হারাবি না।
হ্যালো...
নকশা রেডি করো!
এই নাও, নকশা।
ওখানে যাবার পর, আমাদের আর যোগাযোগ থাকবে না।
তোমার হাতের এই নকশায় অর্ধেক তথ্য আছে,
ওখানে যাবার পর বাকিটা তোমাকে খুঁজে নিতে হবে।
সব তৈরি হয়ে গেলে আমাদের একটা সংকেত দিও।
বড়সর সংকেত।
ওই জায়গাতে পৌঁছানোর মাত্র একটা রাস্তা আছে।
জন শহরে ট্রাক পাঠিয়েছে,
সব লোকদেরকে ধরার জন্য।
তোমাকে ওরকম একটা ট্রাকে ভিতরে উঠতে হবে।
পুরো শহরকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খুনিরা ঘিরে রেখেছে। তাই, সবার আগে...
তোমাকে ওদের পার হয়ে যেতে হবে।
স্যার।
রকির সম্পর্কে কিছু জানতে পারলেন?
হেই!
হেই... ছটু! শেট্টি ভাইয়ের জন্য গরম চা নিয়ে আয়।
বাবা।
রকি কোথায় গেছে?
২৫ বছর ধরে, আমি উনার হয়ে কাজ করছি।
তারপরও উনার সম্পর্কে কোন কিছুই জানি না।
চাচা, আপনি বলবেন নাকি আমি বলব?
অনেক বড় একটা জঙ্গল আছে।
ওই লোকটা, ওর প্রেমিক...
যেখানে গেছে ওখান থেকে ফিরে আসতে পারবে না।
এটা কি আপনি বলবেন?
নাকি আমি বলব?
এখানে ছাগলদের মাঝে... রকি ছিল একটা সিংহের মত।
কিন্তু ওই জংগলে,
সে শুধুই একটা পোকা!
তুমি ওকে নিয়ে চিন্তা কোরো না, চাচা!
ও চলে গেছে!
সে আর ফিরে আসবে না!
আরে! নারে!
রকিকে নিয়ে আমার কোন চিন্তা নেই!
গত পরশু যাবার আগে, আমাকে দেখতে আসার সময় বাচ্চাদের জন্য মিষ্টি নিয়ে এসেছিল।
বাচ্চারা খুব পছন্দ করেছে।
সে কোথা থেকে এনেছিল, শুধু ওটাই জানতে চাইতাম।
তুই ওর ব্যাপারে চিন্তা করিস না।
ওর ব্যাপারে তো আপনি জানেন, তাই না স্যার?
হেই... নিচে বসে পড়, বসে পড়।
সবাইকে ট্রেনে উঠিয়ে নে।
তোমাদের দিকে কেউ যাচ্ছে।
আমাদের দিকে?
আসতে দাও।
ওকে এখান থেকে বাহিরে যেতে দিব না।
সে বাইরে যাচ্ছে না,
সে আরো ভেতরেই যাচ্ছে।
কী?
একবার লাইন বুঝতে পারলেই ব্যাস।
কখনো থামে না, কখনো মাথাও নত করে না।
দোয়া আছে ওর মাথায়।
জানি না, ওর শরিরে কার জিদ্দি রক্ত বইছে!
রকি হলো আগুন, আর শত্রু পেট্রোলের মত।
শত্রুর সংখ্যা যতই বেশি হবে,
আগুনের তেজ তত বাড়বে।
আপনি বলেছিলেন, সে এক জঙ্গলে গিয়েছে, তাই না?
প্লিজ, ওদিকে যাবেন না।
খোদার কসম করে বলছি,
জংগলে আগুন লেগে যাবে,
স্যার, চা ঠান্ডা হয়ে গেল।
ওই ছটু, স্যারকে আরেক কাপ গরম চা দে।
আজ বাচ্চাদের রসগোল্লা খাওয়াতে হবে। আসলাম, কোথায় পাবো?
ভিতরে যাও।
কিরে, কী হয়েছে?
কে করেছে?
এক লোক...
এরা নিশ্চয়ই নিজেরা লড়াই করে মারা গেছে।
প্রথমে ট্রাকগুলো পাঠিয়ে দে,
ওরা অপেক্ষা করছে!
সে যাচ্ছে।
যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে সে রাস্তা ও চিনে না।
কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে সেটাও জানে না।
ভয়ংকর ইতিহাসের ব্যাপারেও সে জানে না।
সুর্যবর্ধন এমন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যেখানে তাকে কেউ ছুঁতে পারবে না।
কিন্তু সে অসুস্থ হবার সাথে সাথেই,
তার উত্তরাধিকারদের আওয়াজ শুরু হতে লাগল।
অনেক কষ্টে তুই এই সাম্রাজ্য বানিয়েছিস।
একজনকে ওর বাছাই করতেই হত,
বল, তোর পরে সবকিছু কে সামলাবে?
তোর সন্তান গেরুদা, নাকি ভাই আধিরা?
আধিরা...
ভাইয়া!
এখানে রাজনীতি এবং প্রতারণা এক মিলিয়ন তলোয়ারের চেয়েও শক্তিশালী।
তুই এর কিছুই জানিস না,
যেভাবে তুই কেজিএফ-এ বিনা লোভে এতদিন আমার পিছনে ছিলি,
সেভাবেই তোকে গেরুদার সাথে থাকতে হবে।
ওই...
ভাইয়া একবার বলে দিয়েছে, মানে ওটাই শেষ কথা।
যতদিন গেরুদা বেঁচে আছে, আমার এই জায়গার কোনো ইচ্ছা নেই।
তার এই ফয়সালায়,
তার সাম্রাজ্যের খুঁটিতে ফাটল ধরতে শুরু করল।
গেরুদার উপর আধিরা হামলা করল,
কিন্তু সে তার টার্গেট মিস করল,
যখন আধিরাকে গেরুদা হামলা করল,
সে তার টার্গেট মিস করল না।
গেরুদা পুরা সাম্রাজ্য দখল করে নিল,
আর পুরো কেজিএফ-কে শাসন করতে লাগল।
কিন্তু, সে খুব ভালো করেই জানত কেজিএফ-এর উপর অনেকের দৃষ্টি রয়েছে।
সে এটাও জানত, শত্রু তার পাশেই আছে।
সে কসম করল, তার বাবা যতদিন বেঁচে আছে সে অপেক্ষা করবে, তারপর সে সবাইকে মেরে ফেলবে।
সুর্যবর্ধন তার সাম্রাজ্য কে রক্ষা করতে,
তিন ধরনের নিরাপত্তা ঠিক করেছিল।
প্রথমটা ছিল বড় দেয়াল।
দ্বিতীয়ত বড় দরজা।
আর ওই দুইটাকে রক্ষা করতে এক নিষ্ঠুর সেনাপতি।
ভানারাম।
২০১ জন লোক,
১৫ জন মহিলা।
মোট ২১৬ জন নিয়ে এসেছি।
হুম।
এই বছরে এটা ৪১তম দল।
ওদের কাজে লাগিয়ে দাও।
অনেক রক্তক্ষরণের পর সুর্যবর্ধন এই দুর্গ নির্মাণ করেছিল।
তার শুধু একটাই চিন্তা ছিল।
এই জায়গাতে প্রবেশ করে কেউ যেন তার রক্তপাত না করে।
সুর্যবর্ধন এই জায়গার নাম দিয়েছিল 'নারাচি'।
'নারাচি' মানে...
স্বর্ণকারের সোনা মাপার দাড়িপাল্লা।
এক পাশে রাখল তার গোয়েন্দা দল,
আরেক পাশে ভয় রেখে পাল্লায় সমতা করল।
নতুন কিছু কুত্তা এসেছে।
ওদের নিয়ে যা।
দাদা, ওরা আমাদের এখান থেকে কবে মুক্তি দেবে?
২০ বছর ধরে আমিও একই প্রশ্ন করে যাচ্ছি!
ও এসে গেছে!
ও এসে গেছে! বলেছিলাম... আমি তোদের বলেছিলাম।
- সে সবাইকে উদ্ধার করবে। - যেই আসে তাকে নিয়েই এই কথা বলিস।
- ও, ও আমাদের বাঁচাবে। - যা, যা এখন থেকে।
ওকে কে মেরেছে ?
আমি মেরেছি ভাই!
ওকে ঔষধ লাগিয়ে দিয়ে একটু খাবার দে।
একদিকে নিজ হাতে খুন করে,
অন্যদিকে আবার দয়াও দেখায়!
আমি এসব বুঝতে পারি না।
দয়া?
তুমি মাত্রই লন্ডন থেকে এসেছ।
আস্তে আস্তে সব বুঝতে পারবে।
সে এই তিনজনকে ভালোমত দেখাশোনা করতে বলেছে।
যারা গেরুদাকে মারতে এসেছিল।
জানো, গেরুদা ওদের কেন বাঁচিয়ে রেখেছে?
কারণ, এবার কালি-মা এর জন্য,
পাঠা কেনা হয়নি।
তো?
তোমরা সবাই এখানে নতুন এসেছ।
কিন্তু, চোখের পানি মোছার আর সময় নেই।
তোমরা শিখেছ কীভাবে মাথা নিচু করতে হয়।
এখনও অনেক কিছু শেখার বাকি আছে।
তুমি গতকাল এসেছ?
তুমি গতকাল এসেছ?
কোন সিনেমা রিলিজ হয়েছে?
কোন সিনেমা রিলিজ হয়েছে?
জানো না, তাই না?
জানো না, তাই না?
যা ভাগ।
যা ভাগ।
আমাদের সবাইকে এখানে আনা হয়েছে,
খনি খনন করার জন্যে!
প্রতিদিন আমাদের ১২ ঘন্টার শিফটে কাজ করতে হবে।
কেউই মাথা উচু করে গার্ডদের দিকে তাকাতে পারবে না।
তাকালে ওরা বরদাস্ত করবে না।
সোজা গুলি করে দেবে।
মাটির ৯০০ ফুট নিচে গিয়ে কাজ করতে হবে
প্রথম দিন একটু ভয় লাগবে।
বাহিরের দুনিয়াকে ভুলে যেতে হবে।
ওই, বাইরে আয়।
আয়।
বোম ফাটানো হচ্ছে।
হয়ে গেছে, সবাই কাজে লেগে পড়।
কাজ না করে...
আরে, আরে... ও নতুন এসেছে!
নতুন এসেছে!
আমি বোঝাচ্ছি।
কাজ কর।
কাজের প্রথম দিনেই কি মরতে চাও নাকি?
কী করতে গিয়েছিলে?
বাইরে কীসের কাজ করতে?
বাড়িঘর নির্মাণের কাজ!
হাতের তালুর উপরে দাগ দেখেই বুঝতে পারছি,
বাইরে তুমি কী কাজ করতে।
এখানের নিয়ম নীতি যত তাড়াতাড়ি শিখবে,
ততই তোমার জন্যই ভালো হবে।
দুঃখিত।
গত পরশু যেই ট্রাক এখানে এসেছিল,
৪৯ তম দল পৌঁছানোর আগে,
জনের গ্যাংয়ে একটা ঝামেলা হয়েছিল।
রামানা কী বলছে।
কী হয়েছিল?
আমাদের লোকেরা সবসময় নিজেরা মারামারি করে।
কিন্তু জানি না এবার কী হয়েছিল।
নিজেরা মারামারি করে সবাই মারা গেল!
ওদের মধ্যে কি কেউ বেঁচে আছে?
আমি আসার পর একজনকে জীবিত দেখেছি।
ও কিছু বলেছে?
মরতে মরতে ও বলেছিল, "একজন লোক"।
আমি কিছুই বুঝতে পারিনি!
একজন লোক?
ভানারাম স্যার।
স্যার!
একজন লোক!
দাবার খেলা তো আমরা খেলছি,
কিন্তু দেখে মনে হচ্ছে, মাত্র একটা সৈন্য নিয়ে খেলছি।
দরজাতে প্রহরী আছে...
খনিতে প্রহরী আছে...
ওয়াচ টাওয়ারে প্রহরী আছে।
বড় দেয়ালেও প্রহরী আছে।
গেরুদার প্রহরী!
তুমি চিন্তা করো না।
আমাদের প্রচুর প্রহরী আছে।
এত প্রহরী থাকার পরেও, রকি বিলগীরি পার হয়েছে,
সুরঙ্গ দিয়ে ওয়াচ টাওয়ারের কাছে এক বাড়িতে ঢুকে,
গেরুদাকে মারতে হবে।
আমরা শুধু ওকে বাড়ির নকশা দিয়েছি।
কিন্তু ওকে খুঁজতে হবে কোন ওয়াচ টাওয়ারের নিচ দিয়ে ঘরে ঢুকতে হবে।
ও এটা কীভাবে বের করবে?
রক্ষণাবেক্ষণ ঘর থেকে।
ওখানেই সে পুরো নারাচির তথ্য পাবে।
অনুমতি ছাড়া কেউ সেখানে ঢুকতে পারে না।
ওই...
ওখানেই থাম।
কারণ, ওখানেই সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা থাকে।
তাহলে কীভাবে করবে?
রক্তের সমুদ্রে রক্তের বন্যা বয়ে যাবে।
ভেড়ার রক্ত বইবে...
সবাই বলছে ভেড়ার পরিবর্তে ৩ জন মানুষকে বলি দেয়া হবে।
ওখানে বিদ্যুত যাওয়ার পর,
চারদিক থেকে প্রহরীরা আসে।
জানি না কীভাবে...
এখানে সব প্রহরীর ওয়াকি-টকি থাকার পরেও,
সেসময় ঠিকমত সিগনাল কাজ করে না।
অনেক ঝামেলা পার করে রকি নারাচিতে পৌঁছেছিল,
আর সেখানকার সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করছিল।
যদি ২০,০০০ শ্রমিককে ৪০০ জন লোক পাহারা দেয়,
তাদের শাসন করা একটু বেশিই কঠিন ছিল।
ওই দিনের ঘটনার পর থেকে, রকি ওখানের লোকদের একজন হয়ে গেল।
শংকর...
আমার যায়গা ছাড়।
আমি ধরব... আমার কাছে দে।
ছেড়ে দে! এটা আমার জায়গা!
যেদিন ওরা জানতে পারবে যে উনি অন্ধ,
ওইদিন উনাকেও দাফন করা লাগবে।
ওই, মাটি দাও।
মাটি দাও, মাটি দাও।
দাও, মাটি দাও।
যদি ওরা জানতে পারে তোমার কাজ করার ক্ষমতা নেই, তাহলেই শেষ।
রুগগা আসবে!
সে তো ওর পাশের লোককেই গুলি করতে পারে না।
মানুষ জানোয়ারকে খাঁচায় আটকে রাখে,
আর ওখানে, জানোয়ার মানুষদের খাঁচায় আটকে রাখে।
এখানে না আছে স্বর্গ, না আছে নরক।
না আছে ভালো, না আছে খারাপ।
কোনো বিশ্বাসই নেই।
এসবের কারন গারুদা।
আবেগে বেশি জড়িয়ে যেও না,
ওদের জন্য এসবের কোন দাম নেই।
এসবে পাষাণ হৃদয়ে কোনো প্রভাবই ফেলবে না।
শুধু এখানকার পরিস্থিতি বুঝার চেষ্টা করছি।
নারাচিতে কেবল দুই জন লোক বুক ফুলিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো।
ওই বদমাশগুলো কখনও ভালো হবে না,
শুধু বিলগেরে পার হবার জন্য মা-ছেলেকে মেরে ফেলল।
ওদের কাউকেই আজকে খাবার দিস না।
বাকি লোকদের জীবন তো আগে থেকেই ছন্নছাড়া ছিলো।
ওই...
কেঞ্চাকে ডাক,
ওকে একটা গল্প বলতে বল।
ক্ষুধার্ত বাচ্চারা কান্না বন্ধ করবে।
কিন্তু যেখানে বিশ্বাস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল,
সেখানে এক পাগল তারই বানানো গল্প বলছিল।
আরে, আপনি সবসময় একই জিনিস বলেন।
আমাদের গল্প বলুন!
আপনি তো অনেক মুভি দেখেছেন,
তারপরও প্রতিদিন একই গল্প বলেন।
একটা গল্প বলেন।
তোমাদেরকে ওই জংগলের কাহিনী শোনাচ্ছি।
তোমাদেরকে ওই এক বীরের কাহিনী শোনাচ্ছি।
এক বীরের কাহিনী।
পাহাড়ের নিচে মোদানার দিকে,
এক সুন্দর জঙ্গল ছিল।
গভীর জঙ্গলের মধ্যে কোমল মনের এক উপজাতি থাকত।
তোমার একটা সুন্দর ছেলে হবে।
আরে, দাদি।
ছেলে কেন হবে?
আমার শুধু মেয়ে চাই।
আবারও আশীর্বাদ কর।
ঠিক আছে, মেয়েই হবে।
হঠাৎ করে গ্রামে আগুন লাগল।
সব জায়গাতেই আগুনের কুন্ডুলি।
তোমাকে আজ কোন শিফট দিয়েছে?
রাতের শিফট।
ওরা আমাকে সকালের শিফট দিয়েছে।
দাঁড়াও, ওদের জিজ্ঞেস করে আসছি।
না, যেও না।
জানো না ওরা কী করবে।
দয়া করে যেও না।
তোমার খেয়াল করবে কে?
জঙ্গল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
তোমার ছেলেই হোক, সোনা।
কেনো?
কেউ তোমাকে বলেনি এই জায়গাটা কেমন?
এখানে কোনো মেয়ে জন্ম হলে, আমরা নিজেরাই তাকে মেরে ফেলি।
দেবী!
আমার যেন ছেলেই হয়!
আমার যেন ছেলেই হয়!
ওটা নির্দোষ মানুষের কবরে পরিনত হয়ে যায়।
সব রেশন ওখানে কেন রেখে দিচ্ছিস?
দেখ, এখন কী করি!
ওই।
সব রেশন নিয়ে আয়।
গরিবের রক্ত চুষে খাওয়া নরখাদক,
পশুর মত মাংস খাওয়া নরপশু,
তার নিঃশ্বাসও গরীব লোকের আত্মা খেয়ে ফেলত।
আমি সম্মানের সাথে লাশ নিয়ে শ্বসানে পৌঁছাই।
ঝুলে পড়া শরীর আর বাঁকা মাথা।
ভাগ্যে লেখা সব অভিশাপের জন্য,
তারা সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।
তাদের নিজের বিশ্বাস হারিয়ে যায়।
কিন্তু...
সৃষ্টিকর্তার শিকলকে ছিঁড়ে,
বুকের গর্বকে বাড়িয়ে,
যেভাবে প্রভু রাক্ষসের জীবনকে নষ্ট করে,
যাদের বিশ্বাস নষ্ট আর হারিয়ে গিয়েছিল,
এক মহান মা তার জন্ম দিলেন।
In the womb, as you contain me...
In the town, as you walk...
Seems like you are majestically sitting in a chariot... Oh! Mother!
When I felt a ghost nearing me,
and was transfixed with fright
It was your saree veil that guards me... Oh! Mother!
To the unseen God...
I refuse to pay obeisance with folded hands...
To you, my life's breath itself is the ritual of worship!
আমি আর সহ্য করতে পারছি না।
তুই জন্ম নেবার পর,
তোকে অনেক শক্তিশালী হতে হবে।
আমার দেখভাল করতে হবে।
আমার মত যারা সমস্যায় আছে,
তোকে তাদের পাশে থাকতে হবে।
জলদি আয়, বাবা।
জলদি আয়!
বিক্ষিপ্ত... ভীত আর ঘামানো,
যখন চাঁদ শাড়ির আঁচলের নিচে লুকানো ছিল,
অগ্নিমাতা এক আগ্নেয়গিরির জন্ম দিল।
যেভাবে বৃষ্টি পড়তে পড়তে অঝোর ধারায় পরে,
যে মৃত্যুকে জয় করা মৃত্যুঞ্জয়ের মত,
ধনীদের সাথে বিদ্রোহের মত!
যেভাবে ধনুক তাক করা আছে রাবণের দিকে!
তার মধ্যে রয়েছে নির্মম রাগ।
বলতে থাকে... "আমিই সব"। আর সৃষ্টিকর্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে!
এমন গল্প সেই বজ্রের মত হিরোকে নিয়ে।
এমন গল্প ভাগ্যকে অতিক্রম করা সেই সাহসীকে নিয়ে।
তারপর?
তার কী হলো?
যতক্ষন আমার হাত ধরে না হাঁটবি, ততক্ষণ আমি বেঁচে থাকব।
তারপর তোর হাত ছেড়ে দিয়ে, অন্যের বিরুদ্ধে শক্ত হয়ে দাঁড় করাতে শেখাব।
যেভাবে মৃত্যুর সামনে সময় থেকে যায়।
এক পা একটু নড়লেই ওকে মেরে ফেলবি।
যেই সুলতান মৃত্যুকে পরাজিত করেছে।
জ্বলন্ত আগুনের ছাপ রেখে,
তলোয়ারের উপর দিয়ে হেঁটে যায়।
মনের সব ভয়কে দূর করে!
এক সাহসী হাঁটতে হাঁটতে সবাইকে শায়েস্তা করে।
শিকারীকে স্বীকার করে...
শিকারদের মাঝেই যোদ্ধা ফিরে এসেছে!
Arrest the impact of the thunderbolt... Come... Oh! King!
The hapless life's breath you guard... Oh! King!
Like an engulfed flame... Spreading wild!
You arrive!
Hey...
Arrest the impact of the thunderbolt... Come... Oh! King!
The hapless life's breath you guard... Oh! King!
Like an engulfed flame... Spreading wild!
You arrive!
Are you a gutsy warrior?
Are you a brave-heart?
Or are you a demon?
Are you a gutsy warrior?
Are you a brave-heart?
Or are you a demon?
এই না হলে গল্প! আমার নিশ্চিত ছিলাম যে সে আসবে।
The Brave-heart that I have desired!
In adulation I wait...
The silence is haunting me...
This very moment!
This king who I am smitten by!
I sit deep in his thoughts...
Wherever I am,
I will remember you!
The perspiration of fear, you wipe it... Come... Oh! King!
The deafening thunder you caution and stand! Oh! King!
Like an engulfed flame... Spreading wild!
You arrive!
The perspiration of fear, you wipe it... Come... Oh! King!
The deafening thunder you caution and stand! Oh! King!
Like an engulfed flame... Spreading wild!
You arrive!
Are you a gutsy warrior?
Are you a brave-heart?
Or are you a demon?
Are you a gutsy warrior?
Are you a brave-heart?
Or are you a demon?
A respectful welcome!
A respectful welcome!
A respectful welcome!
আপনার অনেক সাহস আছে, স্যার।
কেউ কিছু না বললেও আপনি এগিয়ে এসেছেন।
এসবের জন্য আমার সাহস কেন লাগবে!
তোমার এই লেখা প্রকাশিত হবে না।
কিন্তু কেন?
সে এটা হতে দেবে না!
কারও কাছে দেখা না দিয়ে,
অন্য কোথাও বসে ধান্দা চালায়,
সে কি কাপুরুষ নাকি?
যদিও আমার তিনটা বাচ্চা আছে,
কিন্তু পুরো পৃথিবী ভাবে প্রতিপক্ষের তিন টেক্কা রয়েছে।
কিন্তু ওর সামনের লোকদের নিয়ে তার কোনো ভাবনা নেই।
ধাপ্পাবাজিতে সে চ্যাম্পিয়ন।
তোমাকে আর একটা গল্প বলছি, শোনো।
একদিন এক ক্লাবে আক্রমণ হয়,
কমপক্ষে বিশজন লোক তাদের বন্দুক নিয়ে,
গুলি করতে থাকে।
পুরো ক্লাব তছনছ হয়ে যায়!
আরে ওই,সাপ্লায়ার!
এর নাম কি যেন বলেছিলি?
এম১৬ অটোমেটিক, ভাই।
কিন্তু এত লোক! ওর উপরে এটাক কেন করল, স্যার?
হেই!
এটা ভুল, এমনটা লিখে দিওনা!
স্যার, তারা আসছে।
বিশজন লোক ওকে আক্রমণ করতে আসেনি,
সে ওই বিশজনের উপর আক্রমণ করতে গিয়েছিল।
কেউ যেন পালাতে না পারে, সেজন্য সে মেইন দরজায় বসে ছিল,
সাপ্লায়ারের বন্দুক পরীক্ষা করতে সোজা জায়গামতো পৌঁছে গেল,
একা।
হেই...
আমাদের এখানে সবার কাছে বন্দুক আছে,
ও একা এসেছে।
তারপরও ভয় পাচ্ছিস কেন?
যদিও আমাদের অনেক লোক আছে,
আমাদের হাতেও বন্দুক আছে,
তারপরও সে একা এসেছে।
ভয় লাগবে না নাকি?
জীবনে অল্প ভয় থাকা তো উচিত, স্যার।
ঠিক বলেছিস রে,
জীবনে ভয় থাকা উচিত,
আর সেই ভয় হৃদয়ে থাকা উচিত!
আর যেই হৃদয় ভয় পায়, সেটা আমার না।
সেটা আমাদের প্রতিপক্ষের।
আমি কি আসতে পারি?
ও কি এত বড় গ্যাংস্টার?
গ্যাং নিয়ে যে আসে, সে হয় গ্যাংস্টার।
যে একা আসে, সে...
দানব!
আনান্দ!
আমি কি আবারও সামনে চলে গিয়েছিলাম?
কেজিএফ-এর ভেতরে,
গুটিবাজি আর লড়াইয়ের কথা সূর্যবর্ধন জানত।
সে আরও জানত, কিছুদিন পর কেজিএফ-এর দরজায় বড় লড়াই আসছে।
কী খবর দেশাই বাবু?
এত দূর পর্যন্ত চলে এসেছেন? একদম দিল্লি পর্যন্ত...
আগুনের তাপে যে তলোয়ার তৈরি হচ্ছিল,
সেটা আমার ঘাড় পর্যন্ত চলে এসেছে।
এজন্যই আসতে হল!
এই সব কিছু হয়েছে,
চাচা চলে যাবার জন্য।
এখনও বাবা চলে যায়নি,
আমাদের রক্তপাত দেখার আগে, তুমি কি থামবে না?
বড় সরকার কতদিন বাঁঁচবে জানি না,
সে চলে যাবার পর আমাদের কী হবে, কখনও ভেবেছেন?
আমার জন্য, আপনারা সবাই ভাবতে ব্যস্ত,
আপনি মাছ নিয়ে,
কুমির শিকার করতে চান,
কিন্তু মাছের চেয়ে আপনার হাতই কুমিরের পছন্দ!
এতটুকু রক্ত দেখে তুমি এত ভয় পেয়ে গেছ!
রক্তের নদী বইয়ে দেওয়ার আগেই,
চলে যাও এখান থেকে।
নারাচির চারপাশে শকুন ঘুরছে,
ছোটখাটো জিনিস নিয়ে চিন্তা কোরো না,
আমাদের চিন্তার জন্য অনেক কিছু আছে।
আমার যাবার পর,
অনেক বড় সুনামি আসবে।
এনায়েত খলিল।
অনেক বছর ধরে অপেক্ষা করছে।
একবার ভিতরে ঢুকে গেলে,
কখনও ফিরে যাবে না!
জানো, এবারের নির্বাচনে কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে?
রামিকা শেন।
সালাম দেবার জন্য আমরা টাকা দেই,
লোকেরা তার নাম শুনলেই,
দাঁড়িয়ে সালাম দেয়!
সে ক্ষমতায় এসে গেলে...
এই সাম্রাজ্য কে ধ্বংস করতে এরা দুজনই যথেষ্ঠ।
আগে তাদের কে নিয়ে ভাব!
এখন কেমন আছিস?
ছোট মেয়েটাকে কি ও মেরেছিল না?
এখানে যে ম্যাচবক্স রেখেছিলাম সেটা কোথায়?
মনে হল কেউ ধাক্কা মেরেছে।
আগুন, আগুন।
ওই, থাম।
১০৫ জন লোক থাকার কথা,
আবার গুণে দেখ।
১,
২,
৩,
৪,
৫,
৬,
৭,
৮,
৯,
১০,
১১,
১২,
১৩,
১৪,
১৫,
১৬,
১৭,
১৮,
১৫,
২০,
২১,
২২,
২৩,
২৪,
২৫,
২৬,
২৭,
২৮,
২৯,
৩০,
৩১,
৩২,
৩৩,
৩৪,
৩৫,
৩৫,
৩৭,
৯১,
৯২,
৯৩,
৯৪,
৯৫,
লরি!
লরি!
৯৫,
৯৬,
৯৭,
৯৯,
১০০,
১০১,
১০২,
ঠিক আছে!
আজকের খাবার,
অনেক ভালো হয়েছে।
আমাকেও নিয়ে চল!
কোথায়?
বাইরে...
আমি জানি।
মুখ খুলবি তো, জানে মেরে ফেলব।
আমি তোর পায়ে পরে থাকব।
রক্ষণাবেক্ষণ রুমে যে সমস্যা হয়েছিল, তার পেছনে কারও হাত রয়েছে।
মনে হয়েছে কেউ...
মনে হয়েছে কেউ হাতুড়ি দিয়ে মেরেছিল।
এতটা কঠোর নিরাপত্তার পরেও,
ভিতরে কেউ ঢুকে পড়ে নকশা দেখে ফেলেছে।
পড়শু যে দল এসেছিল,
মনে হয়, ওখানের কেউ আপনাকে মারতে চায়।
আমাকে মারতে এসেছে?
এখানে?
তোমার দেওয়া মদ খেয়ে খেয়ে লোভ হয়েছে,
সে রুটি খেতে রক্ষণাবেক্ষণ রুমে ঢুকছে হয়ত।
আমাদের রিস্ক নেওয়া ঠিক হবে না।
তাহলে...
সেখানে যারা কাজ করে সবাইকে ধরে নিয়ে এসো।
হ্যালো, হ্যালো!
ছোট সরকার বস্তির দিকে যাচ্ছে।
ওভার।
রক্ষণাবেক্ষণ রুমে কে ঢুকেছিল?
যদি নিজেই চলে আছিস,
তাহলে মাত্র একজনই মরবে,
নাহলে সবাই মারা যাবি।
বন্দুক।
কেউ জেনে থাকলে বলে দে।
তোরা সবাই বেঁচে যাবি।
যে তলোয়ারই ঠিক মত ধরতে পারে না,
তাকে পাঠিয়েছে আমাকে মারার জন্য?
যে রক্ষণাবেক্ষণ রুমে ঢুকেছিল তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
এখন ছোট সরকার মহলে ফিরে যাচ্ছে, ওভার!
হ্যালো.. তোমার লোক ধরা খেয়েছে।
ওকে মেরে ফেলা হয়েছে।
কী?
কী হয়েছে?
মনে হচ্ছে রকিকে মেরে ফেলেছে।
আমি ওইদিনই বলেছিলাম,
যখন সবাই বোম্বের ওকে ডেকেছিলেন।
এখন কাকে ডাকবেন আর কী করবেন, সেটা আপনাদের ব্যাপার।
মেয়ে হয়েছে।
এই বাচ্চার কসম করে বলছি,
গতকাল তার বাবা নিজের জান দিয়েছে।
আমাকেও সাথে নিয়ে চলো!
যদি কালকে ও সামনে না আসত,
সবার সাথে ওর প্রেগনেন্ট বউকেও ওরা মেরে ফেলত।
কিন্তু এখন, ওরা ওকে টার্গেট করবে!
ও, ও আমাদের বাঁচাবে।
For the palace of a million dreams,
I will stand guard, as a soldier... Oh! Mother!
To the plough that plows the land carefully,
To provide a strong shoulder of support for it, I will stand... Oh! Mother!
When a burning flame flows...
Burning the world,
The soothing rain I will become, Listen... Oh! Mother!
অন্তত একবার,
যদি, এই পাগলের বলা কাহিনি সত্য হয়ে যেতো।
মা।
মা।
হেই,
যে কাজের জন্য এসেছিস, সেটা শেষ করে ভাগ।
চলো রে... চলো।
মাথা নিচু করে চলো!
জলদি যাও।
জলদি যাও।
সবাই চল, চল, চল।
ভাই!
কী হয়েছে, ভাই?
পাগড়ি খোল।
ভাইয়া।
বললাম তো পাগড়ি খোল।
পাগড়ি খুলে ঝুড়ির মধ্যে রাখ,
আমি তোকে ছেড়ে দেবো।
প্লিজ, না।
যাও, চলে যাও। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কী দেখছ?
যাও, যাও।
ওরা জানত যে সে অন্ধ।
কিন্তু আপনার হিরো কিছুই করল না।
অনেক বেশী ঝুঁকি ছিল!
স্যার!
সে চুপচাপ করে আছে কেন?
সে চুপচাপ করে আছে কেন? বলেন না, স্যার?
দেখ, আমার মেজাজ গরম করে দিও না।
এক মিনিট ম্যাডাম, এক মিনিট...
স্যার, ও কি ফিরে যাবে?
সে কি কিছুই করবে না?
সে কিছুই করতে পারতো না।
আমরা চাইলেও ইতিহাস তৈরি করতে পারি না!
যাও রে।
জাহান্নামে যাও।
বাদ দাও।
কিইবা করতে পারবে?
ওই ছাড়।
আজ তোকে মেরে ফেলব।
শান্ত থাক, আজ তোকে মেরে ফেলব।
সে তো বুড়ো হয়ে গেছে।
দাঁড়া ভাই, দাঁড়া।
সে আর কয়দিন বাঁচবে?
মরে গিয়ে স্বর্গে শান্তিতে ঘুমাতে তো পারবে।
ওই...
ও নিজেই ঠিক করবে, ওকে ছেড়ে দে।
যার থালায় পা ফেলবে,
গুলি সেই করবে!
থালায় নিজের নাম লেখ।
আমার নাম লিখে দে।
দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখার মানে কী?
যাও, হাঁটো।
ওদের কথা কানে নিস না।
চলে যা।
আজ পর্যন্ত কেউ এদের ছুঁতেও পারেনি।
আর কেউ পারবেও না।
যাও, যাও... বাচ্চার সাথে বুড়োর জন্যও কবর খুঁডো়।
কাঁদে না, সোনা।
কাঁদিস না।
দ্রুত করে কেউ ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারে না।
এরমানে এই না যে,
পরিকল্পনা করে ইতিহাসের নকশা করতে হবে।
শুধু ছোট একটা মশাল চাই!
দাঁড়িয়ে গেলি কেন?
ওটা রেখে চলে যা।
ওইদিন জঙ্গলে প্রচন্ড আগুনের ছটা দেখা গেল।
Hidden in the depths of his being, The burning embers he unleashed, the lion-hearted brave-heart!
Taunting every atom and every footprint, Unleashing unbridled wrath, the magnificent warrior!
No More 'Shut up Rocky!'
Provoking the Warrior Dynasty, disturbing the very depths of the ocean... Such a brave-heart, is this Emperor!
Provoking the Warrior Dynasty, disturbing the very depths of the ocean... Such a brave-heart, is this Emperor!
এত উপরে কাউকে উড়তে দেখেছিস?
সে এসে গেছে!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
হেঁটে যা।
ধ্যাত, ও আমার প্লেট মিস করে ফেলেছে।
আমারটাও মিস করেছে।
ধ্যাত, মিস করেছে।
সবসময় ওই সুযোগ পায়।
ভেগে লুকিয়ে পর।
বনে জগলে!
গমের ব্যাগ,
গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে গেল।
আমার পাখি ভেগে গেল।
আমিই ভাগতে দিয়েছি,
তোমার পাখি,
পাখিটাকে ধর।
আরে, বিদ্যুতের আবার কি হল?
গিয়ে দেখ তো কী হয়েছে।
এই ফিউজ কে বের করল?
আরে, কেঞ্চা! ভাগ, ভাগ!
ওকে কে মারল?
নাগা গেল কই?
মুথুকে কে মারল?
ওদের দুইজনকে তো দেখার কথা না!
মার ওকে।
ও কি এখানে আছে?
১৮,
১৯,
২০,
২১,
২২,
তোকেসহ মোট ২৩ জন!
হিসাব ঠিক আছে, তাই না?
সবাই কে মেরে ফেলেছ?
একজন কে ছেড়ে দিয়েছি।
ওদের শোক করার জন্য।
Even in your final breath... Do remember your promise!
Thorny paths are what you will find in this world!
Even if the earth burns as a barrier,
Cross it and come...
Without giving up your persistence,
Stand firmly in front...
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
A gutsy warrior, gutsy warrior...
This emperor is a gutsy warrior!!
আজ ওরা অনেক জোরে জোরে কাজ করছে।
কারো ভাগ্য মনে হয় খারাপ হয়েছে।
সে...
ওই বুড়োর জন্য,
ওই বাচ্চার জন্য,
তাদের কষ্টের জন্য,
নাকি নিজের জন্য...
সে সবাইকে মেরে ফেলল।
কিন্তু,
সবার কাছে,
কিছু সময়ের জন্য হলেও তারা মুক্তি পেয়েছিল।
সব মুভিতেই একজন লোক ঠিক থাকে।
আপনাকে দেখলে আমার এমনটাই মনে হয়।
কে, হিরো?
না,
ভিলেন।
চিন্তা কোরো না,
আমরা এদের কবর দেবো।
পুড়িয়ে দাও।
কেন?
আমি এখন রেডি।
কোথায় মরলো সবাই?
অফিসে বলে দাও, এখানে কেউ নাই।
গ্রামের মেলা শেষ হবে আগে,
আমি কোথাও ভেগে যাবার কথা ভাবছি।
তুমি অন্য কোন দেশে চলে যাও।
একজনের উপরে ভরসা করে,
আমরা অনেক বড় ভুল করেছি।
রকি এখনও বেঁচে আছে।
ও সিগনাল পাঠিয়েছে।
তুমি রেডি হলে একটা সিগন্যাল দিও।
বড় এক সিগন্যাল।
খুব বড় করে।
কুঁড়ে ঘরের কাছে আগুন লেগেছে।
খনির ২৩ জন গার্ডকে পাওয়া যাচ্ছে না।
এখনি দ্রুত সবাই ওখানে যাও।
নিখোঁজ হওয়া ২৩ জন গার্ডকে রকিই মেরেছে।
তাদের লাশ যেন না খুঁজে পায়, তাই জ্বালিয়ে দিয়েছে।
তার মানে, আমাদের কিছু করতে হবে।
সব জিপ গাড়িগুলিকে থামাতেই হবে।
নয়তো সবাই জেনে যাবে এসবে রকির হাত আছে।
ওরা ২০,০০০ লোককে মারতেও ভাববে না।
গাড়িগুলোকে থামাতে হবে।
কিছু একটা করতে হবে।
কিছু একটা করতে হবে।
বাবা, মারা গেছে।
সব গার্ডস এদিকেই আসছে।
২৩ জন গার্ড জালাচ্ছি দেখে ফেললে,
আমরা তাহলে কী করব?
হেই।
বড় সরকার মারা গেছে।
বড় সরকার মারা গেছে।
বাবা।
সরকার।
বড় সরকার মারা গেছে।
প্রভু মুরুগা।
কিছুই ঠিক মনে হচ্ছে না।
আপনার অনেক শত্রু আছে,
এখন বাদ দেন।
পরের সপ্তাহে মেলা না হলেই ভাল হবে।
পন্ডিত...
জ্বি, সরকার।
আজ রাতেই মায়ের আশীর্বাদের ব্যবস্থা করুন।
কাল সকালে থেকে,
আমার কোনো শত্রু বেঁচে থাকবে না।
একদিকে ভানারামের সন্দেহ হওয়ায়, সে নিরাপত্তা আরো বাড়িয়ে দিল।
আর অন্যদিকে গেরুদার ভাই ভিরাট অপেক্ষা করছিল।
ছোট সরকারের রুমের পাশে কেউ থাকতে পারবে না।
ভোর হবার পর, এতো নিরাপত্তা পার হয়ে,
যদি সে গেরুদাকে মেরে ফেলেও,,
কিন্ত সেখান থেকে কীভাবে পালাবে?
ওয়াকিটকির ফ্রিকোয়েন্সি ঠিক করে দিচ্ছি,
ওখানে যাই হোক আমাকে জানাবে।
যাই হোক!
চলো, যাই।
ওকে মারতে না পারলে, ওর ভাগ্যে কী জুটবে!
আর লোকজনেরই বা কী অবস্থা হবে?
এত জরুরিভাবে কেন ডাকলেন?
কী হয়েছে যে ফোনে বলতে পারলেন না।
বাবা,
আপনি বলবেন নাকি আমি বলব?
ওই জায়গা যেমনই হোক,
ওখানের লোক যেমনই হোক,
ওখানে যে গেছে, সে আমার প্রেমিক।
এটা আপনি বলবেন,
নাকি আমি বলব?
আমার ভয় লাগছে।
ভয় করা ছাড়া আমরা আর কী করেছি?
যখন থেকে এই দেয়াল তৈরি হয়েছিল...
তখন থেকে আমি এখানে।
গোলাম হিসাবে বেচেঁ ছিলাম,
মনে করেছিলাম গোলাম হয়েই মরব।
কিন্তু এখন সাহস চলে এসেছে।
বিশ্বাস জাগ্রত হয়েছে।
- ওই, ওই পেড়েকে ঝুলিয়ে রাখ। - সরে যা...
- ঝুলিয়ে রাখ... - ঠিক আছে, আয়, আয়।
ভাবছিলাম, ও কে? এখানে কেন এসেছে?
এখন বুঝেছি...
সে কল্পকাহিনীকে বাস্তব করতে এসেছে।
শর্ট সার্কিটের কারণে,
পুরা নারাচির বিদ্যুৎ চলে গেছে।
বিলগেরের কাছেও বিদ্যুৎ নেই, সব গার্ড দাঁড়িয়ে আছে।
দ্রুত সাহেবের রুমে যাও।
ছোট সরকারের রুমের সামনে নিরাপত্তা আছে।
আমরা সবাই মহল থেকে কালিপূজায় যাচ্ছি,
ওভার!
কোথায় গেল সে?
পালিয়ে গেল নাকি?
পালিয়ে গেলো নাতো?
কালিপূজার যায়গায় ওয়াকিটকির সিগন্যাল বন্ধ হয়ে যায়।
অনেক লোক।
সতর্ক থেকো।
ছোট সরকারের আশেপাশে কেউ যেন যেতে না পারে।
যাও।
একটি জিনিস বলেন, স্যার।
যদি রকি গারুদাকে মারতে না পারে....
তাহলে মানুষের ভাগ্যে কী হবে?
সে আছে না?
আমদের মা।
জয় কালি মা।
পূজার সময়,
পূজার সময়,
পূজার সময় ও মারবে।
বিলগেরের পাশে শর্ট সার্কিট হয়েছে,
কেউ কপারের তারকে পাথরে পেঁচিয়ে,
সেটাকে বিদ্যুতের তারের উপর ফেলেছে।
এই শর্ট সার্কিটের কারণে পুরো নারাচির শহরের বিদ্যুৎ চলে গেছে।
বিদ্যুৎ যাবার ১০ সেকেন্ডের মধ্যে আমাদের জ্বীপের লাইট ও টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দিয়েছি।
ওই ১০ সেকেন্ডে...
আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে যাওয়া অসম্ভব, স্যার।
এই সুরঙ্গ কোথায় গেছে?
পুরা নারাচি শহরে, শুধু এই সুরঙ্গ...
সরাসরি সরকারের মহলের দিকে গেছে।
যদি কেউ বিলগেরে পার হতে এই শর্ট সার্কিট করে থাকে... তাহলে, সে এখানেই আসবে।
তাদের অনেক সময় লাগবে।
ততক্ষণে আপনি সতর্ক করে দিলে,
এই দুর্গের সব গার্ড,
ছোট সাহেবের রুমে চলে আসবে।
এবং পূজার এখান থেকে নিয়ে যাবে।
সে আর কোথায় যেতে পারবে!
শিঙ্গা বাজাও....
বিদ্যুৎ চলে গেলে,
এখানের সব গার্ডও ছোট সাহবের রুমের সামনে চলে গিয়েছিল।
আপনি চিন্তা করবেন না, স্যার।
ছোট সাহেবের পূজা শেষ করে যাবার আগে...
আমরা পুরো মহল নিরাপদ রাখব।
তিন কয়েদিকে সামনে নিয়ে এসো।
পাঞ্জু....
শর্ট সার্কিটে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিয়েছে..
মহলে না গিয়ে এখানে আসার জন্য।
রামানা, সে এখানেই আছে।
রামানা, আমি সিগন্যাল পাচ্ছি না।
সাবাই পূজায় যাও।
সব লোকদেরকে এখানে আসতে বল।
রামানা...
রামানা...
সে এখানেই আছে।
সে এখানেই আছে, রামানা।
রামানা...
স্যার, ৩ জন কয়েদি যেই রুমে ছিল...
একজন...
একজন কয়েদি ওখানেই আছে।
হেই....
সান্তাম্মা...
- আরে, দাঁড়া। - মা, আমাকে ছাড়ুন।
তোমার ছেলে পুরোই বখাটে হয়ে গেছে।
সে গ্যাং বানিয়ে সবাইকে নিয়ে মারামারি করতে গেছে।
সে নিজেই শুধু যায়নি,
আমাদের ছেলেকেও নিয়ে গিয়েছে।
তোমার ছেলেকে উপদেশ দাও।
প্রতিদিন সে আমাকে স্কুলে মারত, মা।
তাই ওকে মারতে গিয়েছিলাম, মা।
আরে, তাই বলে তুই গ্যাং নিয়ে যাবি?
একা যাবি!
হায়, ঈশ্বর!
হ্যালো...
স্যার...
কুলকারনি বল....
সে গারুদাকে মেরে ফেলেছে, স্যার।
কী বললি?
আবার বল।
সে গারুদাকে মেরে ফেলেছে, স্যার।
সবার কাছে গারুদার মৃত্যুর খবর পৌঁছে গেল।
সূর্যবর্ধন বলেছিল.... শকুন অপেক্ষা করছিল।
ভারত থেকে খবর এসেছে।
কিছু লোক কেজিএফ-এর ধ্বংসের জন্য অপেক্ষা করছিল।
ম্যাডাম কেজিএফ-এ...
ভাই,
গারুদা মারা গিয়েছে।
তারা এর পুনরুদ্ধারের অপেক্ষায় আছে।
আধিরা...
ভাই,
গারুদা যেহেতু বেঁচে আছে, এই জায়গার জন্য আমার কোনও ইচ্ছে নেই।
আমার ভাই বলেছিল, আমি নাকি রাজনীতি জানি না।
কিন্তু, সত্য ঘটনা হলো, ওই জায়গাতে আরেকজনের পা পড়েছিল।
যেটা কেউ জানত না।
ক্ষমতাবান লোকেরা ক্ষমতাশীল জায়গা থেকে আসে।
যখন অ্যান্ড্রুস বলেছিল, চকোলেট দেবার তুচ্ছ ঘটনার মত বোম্বে শহর দিয়ে দেবে,
তখন রকির জন্য, সমুদ্রও কূপের মত ছোট হয়ে গেল।
যে সমুদ্রের তালাশ রকি করছিলো, সেটা বোম্বাই ছিল না।
গারুদাকে দেখার পর, রকি নিশ্চিত হয়েছিল যে...
এই লোকটা সেই ক্ষমতাশীল জায়গা থেকে এসেছে।
তাই, সে একটা সুযোগ পাবার পরেও...
তাকে মারেনি।
তাকে ছেড়ে দিয়েছিল।
কেজিএফ-কে অর্জন করতে তার সৈন্যের দরকার ছিল।
সেজন্য রকি সবার সামনে গারুদাকে হত্যা করে।
আর যারা দেখেছিল, সবার মনে সে সাহস যুগিয়ে দিল।
এবং তাদের সবাইকে সে তার সৈন্য বানিয়ে নিল।
আরে...
তোরা সবাই কী দেখছিস? ওকে মেরে ফেল!
ভানারামের নির্দেশে ৪০০ জন লোক তাকে মারতে প্রস্তুত ছিল...
২০০০০ মানুষ তাদের অন্তরে সাহস রেখেছিল...
আর তারা সবাই রকির জন্য মরতে প্রস্তুত ছিল।
তোর পিছনের হাজার লোকদের কাছ থেকে যদি তুই সাহস পাস,
তাহলে শুধু্ একটি যুদ্ধে জিততে পারবি।
কিন্তু তুই যদি তাদের নেতৃত্ব দিতে পারিস...
তাহলে তোর পেছনের ১০০০ সৈন্যেকে সাহসী বানাতে পারবি।
তবেই তুই পুরো পৃথিবী জয় করতে পারবি।
যা!
একা যা!
সে এসেছে।
এটা তো সবেমাত্র প্রথম অধ্যায়।
আসল কাহিনি...
আমি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিচ্ছি,
এবং ভারতে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসীর মৃত্যুর পরোয়না জারি করছি।
এটা তো সবেমাত্র শুরু...
ধন্যবাদ মুভিটি আমার সাব দিয়ে দেখার জন্য। দ্বিতীয় চ্যাপ্টারের সাবও আমি করবো। তাই মুভি রিলিজ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। সবাই সুস্থ থাকুন।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.