All language subtitles for BLIND SPOT BSUB BY SUDIP

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese Download
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

সিনেমা : ব্লাইন্ড স্পট ভাষা : তেলেগু রানটাইম : ০১:২৯:০৮

কোথায় যাচ্ছো?

তোমাকেই জিজ্ঞাসা করছি।

শুনতে পাচ্ছো না?

আদৌ আমাকে মানুষ মনে করো কি?

যখন খুশি যাও আর আসো।

আমিও এই বাড়িতে থাকি, এটা মনে আছে কি?

জয়রাম, আমার সাথে এত খারাপ ব্যবহার করো কেন?

টিভি বা ঘরের আসবাবপত্রের মত আমি তোমার কাছে কেবলমাত্র একটা বস্তু, তাই না?

এত চিৎকার করছি, কিন্তু তোমার কিছুই যায় আসে না।

রাস্তার কুকুর আর আমার চিৎকারের মধ্যে তুমি কোনো তফাৎ দেখো না?

বলো, জয়রাম।

আমার বন্ধু, ডঃ বিজয় কুমার।

তিনি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

যাও, তার সাথে দেখা করো।

তুমি ভাবছো, আমার মাথা খারাপ, তাই তো?

ঠিক আছে, আমি ডাক্তারের কাছে যাবো।

তাহলে কার সাথে দেখা করতে যাচ্ছো?

একজন মডেল? নাকি কল গার্ল?

অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছো?

কোনো পাঁচতারা হোটেলে রুম বুক করেছো?

কী? ভেবেছো, আমি জানি না?

তুমি, তোমার চরিত্র, তোমার নোংরা মানসিকতা...

ভেবেছো, তোমাকে বুঝতে পারছি না?

কোথায় যাচ্ছো? কারোর সাথে শুতে?

ম্যাডাম, দয়া করে শান্ত হোন।

ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।

ম্যাডাম?

ম্যাডাম?

ম্যাডাম, আপনার ছেলে কাঁদছে।

ব্লাইন্ড স্পট

তুমিই কি ফোন করেছিলে?

হ্যাঁ স্যার।

তুমিই লক্ষ্মী?

হ্যাঁ স্যার।

স্যার।

ঠিকানা ঠিক আছে, স্যার।

লাশটা কোথায়?

উপরতলায়।

কোথায়?

উপরতলায়, শোবার ঘরে, স্যার।

- রামবাবু। - স্যার।

প্রমাণ সংরক্ষণের ব্যাগ দিন।

ওনার নাম কী?

দিব্যা, স্যার।

তোমার নাম কী?

লক্ষ্মী, স্যার।

দিব্যা কি গত রাতে বাইরে গিয়েছিলেন?

না, স্যার।

তিনি কখনোই বাইরে যেতেন না।

সবসময় এই ঘরেই থাকতেন, স্যার।

লাশ দেখার আগে পর্যন্ত আপনি কোথায় ছিলেন?

ঠিক এখানেই, রান্নাঘরে ছিলাম, স্যার।

মাঝখানে কি কখনো বাইরে যাননি?

না, স্যার।

তোমার মুখে কী হয়েছে?

কী হয়েছে বলো, লক্ষ্মী।

জয়রাম এখন কোথায়?

বিমানবন্দরে গেছেন, স্যার।

কোথায় গেছেন?

মুম্বাই, স্যার।

ফ্লাইটের সময় কটায়?

জানি না, স্যার।

তার ফোন নম্বর দিন।

৯৮৪৮২-১২৫৪৯

আপনার ফোন করা নম্বরটি বর্তমানে বন্ধ করা আছে।

- রামবাবু... - স্যার?

বৃষ্টির কারণে সব ফ্লাইটের দেরী হতে পারে।

- স্যার। - বিমানবন্দরে ফোন করো।

- ঠিক আছে, স্যার। - দেখো, জয়রাম সেখানে আছে কিনা।

তিনি সেখানে থাকলে, তাকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে আসতে বলো।

এছাড়া ফরেনসিক টিমকে ফোন করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আসতে বলো।

হ্যালো।

হ্যালো, মনোহর।

শুনতে পাচ্ছো?

কোকাপেট রোড নং ৫।

তাড়াতাড়ি এসো।

একজন মহিলা এখানে আত্মহত্যা করেছেন।

এটা আত্মহত্যা নয়, রামবাবু।

এটা খুন।

রামবাবু।

- স্যার। - বিমানবন্দর।

দিব্যার কোনো আত্মীয় আছে কি?

না, স্যার। তিনি অনাথ।

জয়রামের সাথে সম্পর্কিত কেউ আছে?

তার একটা ভাই আছে, স্যার।

নাম কি?

আদিত্য, স্যার।

পেয়েছি।

অদিত্য, আশেপাশের বিষয় সম্পর্কে তোমার আরও সচেতন হওয়া উচিৎ।

নাহলে, একদিন এমনি ধরা পড়ে যাবে।

- ওকে, স্যার। আমি আরও সতর্ক হবো। - সতর্ক থেকো।

পরের বার ভাগ্য ভালো হোক।

- ঠিক আছে, আদিত্য। - হ্যাঁ।

কি?

এই, থামুন।

আপনি কে?

মিঃ আদিত্য।

হ্যাঁ?

যদি কিছু মনে না করেন...

গতকাল রাত আটটা থেকে আপনি কোথায় ছিলেন?

মাফ করবেন?

গতকাল রাত আটটা থেকে আপনি কোথায় ছিলেন?

আমার অফিসে।

এখন পর্যন্ত কাজ করছিলেন?

কোন অফিস?

এনআইএ।

ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি।

আপনি এনআইএ-তে আছেন?

ট্রেনি।

ওহ।

স্যার।

ফরেনসিক বিভাগ আমাকে ফোন করেছিল, স্যার।

ভারী বৃষ্টির কারণে রাস্তা বন্ধ, স্যার।

তারা বলেছে আসতে দেরি হবে, স্যার।

তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আসতে বলো।

সে কী করে আত্মহত্যা করতে পারে, লক্ষ্মী?

এটা আত্মহত্যা নয়, মিস্টার অদিত্য।

এটা খুন।

আত্মহত্যা করলে, তার রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যেতো,

এবং মুখ সম্পূর্ণ কালো হয়ে যেতো।

কিন্তু তা হয়নি।

দিব্যার পায়ে একটা ক্ষত আছে।

এই হল সেই টুল, যেটাতে দাঁড়িয়ে দিব্যা আত্মহত্যা করেছে।

দিব্যা যদি এর উপর দাঁড়াতো, তাহলে রক্তের দাগ থাকা উচিৎ ছিল।

কিন্তু কোনো দাগ নেই।

কেউ আত্মহত্যা করতে চাইলে, শাড়ি বা স্কার্ফ দিয়েও করতে পারে।

দড়ি দিয়ে করার কোনো দরকার নেই।

তার গলার ক্ষতগুলো দেখলে...

পরিষ্কার বোঝা যায়, কেউ তাকে আক্রমণ করেছিল।

তাই... কেউ দিব্যাকে খুন করেছে আর আত্মহত্যা হিসাবে দেখাচ্ছে।

স্যার...

জয়রাম স্যার একবার আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন।

- রামবাবু। - স্যার?

ফরেনসিক দল আসা পর্যন্ত ঘরটা সীল করে দাও।

- স্যার। - কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেবে না।

ঠিক আছে, স্যার।

আসুন।

বাইরে অপেক্ষা করুন।

কী হয়েছে, স্যার?

বিমানবন্দরে অপেক্ষা করার সময়, পুলিশ আমাকে জরুরি ভিত্তিতে আসতে বললো।

আগামীকাল সকালে আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিং আছে।

আমাকে এখানে কেন নিয়ে এলেন, স্যার?

- রামবাবু। - স্যার।

- দরজা বন্ধ করো। - ঠিক আছে, স্যার।

বসুন। বলছি।

কি হয়েছে, স্যার?

এখানে পুলিশ কেন?

কি হয়েছে?

কেউ কথা বলছে না কেন?

লক্ষ্মী।

জল নিয়ে এসো।

আপনার স্ত্রী মারা গেছেন।

কি?

হ্যাঁ।

তিনি তার ঘরের ভিতরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

এটা অসম্ভব।

দুঃখিত, মিস্টার জয়রাম।

তদন্তের জন্য আমরা ঘরটি সীল করেছি।

ফরেনসিক দল আসা পর্যন্ত আমরা কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেবো না।

সে কী করে আত্মহত্যা করতে পারে?

বিশ্বাস করতে পারছি না।

এটা আত্মহত্যা নয়, মিস্টার জয়রাম।

এটা খুন।

খুন?

গতকাল রাত আটটা থেকে দুটো পর্যন্ত আপনি কোথায় ছিলেন?

স্যার?

বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর কোথায় ছিলেন?

এয়ারপোর্টে।

আপনি নিশ্চিত?

হ্যাঁ, স্যার।

লক্ষ্মী।

লক্ষ্মী।

আমাকে আগে যা বলেছিলে, আবার বলো।

ভয় পেও না, লক্ষ্মী।

বলো।

মিঃ জয়রামকে বাড়িতে ফিরে আসতে দেখেছিলাম, স্যার।

এসব কী, লক্ষ্মী?

মিঃ জয়রাম বলছেন, তিনি এয়ারপোর্টে ছিলেন, কিন্তু তুমি বলছো, তিনি বাড়িতে এসেছিলেন।

স্যার, স্যার।

কিছু খুব জরুরি ডকুমেন্ট নিতে ভুলে গেছিলাম, স্যার।

সেগুলো নিতে এসেছিলাম।

হ্যাঁ।

একদম।

আপনি ডকুমেন্ট নিতে এসেছিলেন।

সেগুলো নিয়েছিলেন।

কিন্তু চলে না গিয়ে দিব্যার ঘরে গিয়েছিলেন।

দিব্যাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন।

দিব্যা তখন শোনার অবস্থায় ছিলেন না।

আপনাদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল।

ঝগড়ার সময়ে আপনি দিব্যাকে খুন করেছিলেন।

কী করবেন, বুঝতে পারছিলেন না।

তাই এটাকে আত্মহত্যার মতো দেখিয়ে চলে গিয়েছিলেন।

ঠিক বলছি তো?

স্যার...

আমি এসে ডকুমেন্টগুলো নিয়ে মিনিটখানেকের মধ্যেই চলে গিয়েছিলাম, স্যার।

সত্যি নাকি, লক্ষ্মী?

আসলে...

আমি শুধু স্যারকে বাড়িতে ঢুকতে দেখেছিলাম।

তাকে বেরোতে দেখিনি।

কী বলছো, লক্ষ্মী?

আমাকে কি সত্যিই বেরোতে দেখো নি?

ঠিক করে মনে করার চেষ্টা করো।

স্যার, বিশ্বাস করুন।

আমি বাড়িতে এসেছি, ডকুমেন্ট নিয়েছি...

এবং সাথে সাথেই চলে গিয়েছি।

সিসিটিভি।

প্রবেশপথে একটা সিসিটিভি ক্যামেরা আছে, স্যার।

জয়রাম কখন এসেছিলেন আর গিয়েছিলেন, সেটার রেকর্ড থাকবে।

আমরা সেটা দেখতে পারি।

হ্যাঁ, স্যার। ফুটেজটা আমার অফিসঘরে আছে।

দেখাবো। চলুন।

দেখলেন তো, স্যার?

দুই মিনিটও নয়।

আমি এসেছি, ডকুমেন্ট নিয়েছি আর চলে গিয়েছি।

দুই মিনিটে এত কিছু করার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

মনে হয়, আপনিও সেটা জানেন, বিক্রম।

লক্ষ্মী।

লাশটা কখন দেখলেন?

দুটোর সময়, স্যার।

- রামবাবু। - স্যার?

আমাদের ফোন কখন করা হয়েছিল?

২ ঘণ্টা ৫ মিনিট, স্যার।

পুলিশ স্টেশনে ফোন করার আগে কাকে ফোন করেছিলেন?

কাউকে না, স্যার।

পুলিশ স্টেশনে ফোন করার পর কাকে ফোন করেছিলেন?

কাউকে না, স্যার। আপনাকে ফোন করেছিলাম।

সমস্যাটা এখানেই, লক্ষ্মী।

বাড়িতে তোমার ম্যাডাম মারা গেলে, হয় তুমি তোমার বসকে ফোন করবে,

নয়তো তার আত্মীয়স্বজনকে।

কিন্তু তুমি কী করলে?

কাউকে না জানিয়ে সরাসরি পুলিশে ফোন করলে।

কী লুকাচ্ছো, লক্ষ্মী?

বলো, লক্ষ্মী।

স্যার, ম্যাডাম মারা গেছেন, স্যার।

কী বলছো, লক্ষ্মী?

হ্যাঁ, স্যার।

ঘরেই মারা গেছেন, স্যার।

কোথায় আছেন, স্যার?

তাড়াতাড়ি আসুন, স্যার।

লক্ষ্মী, চিন্তা করো না।

মন দিয়ে শোনো।

সরাসরি পুলিশ স্টেশনে ফোন করো।

পুলিশ আসবে।

বোলো, আমি কিছুই জানি না।

আমার ভয় করছে, স্যার।

ভয় পেও না, লক্ষ্মী।

ঠিক যেভাবে বললাম, সেভাবে করো।

বাকিটা আমি সামলে নেবো।

ঠিক আছে, স্যার।

স্যার, বস যা বলেছিলেন, তাই বলেছিলাম।

আমি প্রথমে বসকেই ফোন করেছিলাম, স্যার।

তো?

আপনি জানতেন, দিব্যা মারা গেছেন।

কিছুই জানেন না, এমন ভান করছিলেন কেন?

আমি বলছি, স্যার।

আমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ভালো নয়, স্যার।

প্রতিনিয়ত ঝগড়া হচ্ছিল, স্যার।

আজ তো তার গায়ে হাতও তুলেছিলাম, স্যার।

আমার উপর রাগ করে... আর আমার অত্যাচারে...

সে আত্মহত্যা করতে পারে।

আমার বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে, এই ভয়েই... তাকে এমন বলতে বলেছিলাম, স্যার।

সত্যি নাকি, লক্ষ্মী?

হ্যাঁ, স্যার।

ঘরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল।

স্বামীর চড় খেয়ে স্ত্রী ঘরের দরজা বন্ধ করে ভেতরে চলে গেলেন।

আর স্বামী বেরিয়ে গেলেন।

কিছুক্ষণ পর বাড়ির কাজের মেয়ে গিয়ে দেখল... স্ত্রী মারা গেছেন।

সে সঙ্গে সঙ্গে নিজের বসকে ফোন করলো...

নিজের সম্পর্কে বলার পরিবর্তে, তিনি তাকে সরাসরি পুলিশে ফোন করতে বললেন।

এর মধ্যে, কাজের মেয়ে স্বামীটিকে বাড়িতে ফিরে আসতে দেখলো।

কাজের মেয়েটি আদৌ জানতো না, তিনি কখন চলে গেছেন।

এই পরিস্থিতিতে...

যেকোনো কেউ স্বামীকেই সন্দেহ করবে।

তারপরও বসকে বাঁচাতে... কাজের মেয়েটি যদি এমন মিথ্যা বলার ঝুঁকি নেয়, তার মানে...

বলো, লক্ষ্মী।

কতদিন ধরে এটা চলছিল?

সেরকম কিছু নয়, স্যার।

সে অনেক বছর ধরে আমাদের বাড়িতে কাজ করছে।

খুবই বিশ্বস্ত কাজের লোক।

তাই আমি তাকে যা বলেছি, সেটাই সে ভেবেছে।

এটাই সত্যি, স্যার।

বলো, লক্ষ্মী।

- রামবাবু। - স্যার?

থানা থেকে মহিলা কনস্টেবল ডাকো।

- ওরা ওর থেকে সত্যি বার করে আনবে। - ঠিক আছে, স্যার।

না স্যার।

আমি আপনাকে সত্যি কথা বলবো।

বস যেটা বলেন, সেটা করাই আমার কাজ, স্যার।

তাই তিনি যা বলতে বলেছিলেন, তাই বলেছিলাম, স্যার।

তাহলে, তোমাদের সুখের জন্য...

তোমরা দুজনে পরিকল্পনা করে দিব্যাকে খুন করেছো।

তাই তো?

স্যার, আমি কাউকে মারি নি।

আমি কিছু জানি না, স্যার।

স্যার।

আমাদের বিশ্বাস করুন, স্যার।

আপনারা দুজনেই শুরু থেকেই একটার পর একটা মিথ্যা বলেছেন।

একটাও সত্যি কথা বলেন নি।

আপনাদের কেন বিশ্বাস করবো, বলুন?

ছবির মহিলাটি কে?

ইনি শ্রীমতী সরস্বতী।

মিঃ জয়রামের প্রথম স্ত্রী, স্যার।

এখন তিনি কোথায়?

ক্যান্সারে মারা গেছেন, স্যার।

ওই ছেলেটি কে?

মিঃ জয়রামের ছেলে, স্যার।

সে কোথায়?

উপরতলায়... তৃতীয় ঘরে।

স্যার, অপেক্ষা করুন।

স্যার, প্লিজ।

আমার কথা শুনুন, প্লিজ।

বিনোদ স্পেশাল চাইল্ড, বিক্রম।

সে ডিপ্রেশনে আছে।

কারো সাথেই বিশেষ কথা বলে না।

ওর মা ওকে খুব যত্ন করতেন।

তার মৃত্যুর পর...

সে ঘরে একাই থাকে।

সাধারণভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে না।

তুমি এখানেই থাকো।

তোমার নাম কী?

নাম।

নাম?

বিক্রম।

নাম?

বিনোদ।

এই!

তোমার মায়ের ছবি, খুব সুন্দর এঁকেছো!

- আমার মাকে চেনো? - হ্যাঁ।

তিনি সব সময় তোমার কথা বলতেন।

যে তুমি খুব ভালো ছেলে, আর মোটেও ঝামেলা করো না।

তোমার মা তোমাকে খুব ভালোবাসেন, বিনোদ।

আমিও আমার মাকে খুব ভালোবাসি।

শুনেছি, তুমি সবাইকে সাহায্য করো।

আমাকে সাহায্য করতে পারবে?

অবশ্যই।

তোমাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবো।

তোমাকে উত্তর দিতে হবে।

ঠিক আছে?

আচ্ছা।

ভালো। প্রতিদিন কখন ঘুমোও?

রাত সাড়ে দশটায়।

আজ কখন ঘুমিয়েছিলে?

রাত দশটা বত্রিশ মিনিটে।

তাহলে উঠে পড়লে কেন?

স্বপ্ন দেখেছিলে নাকি?

কেউ জাগিয়ে দিয়েছিল?

কোনো কিছু তোমাকে বিরক্ত করেছিল?

কী সমস্যা হয়েছিল?

নিচে বাচ্চাটা খুব কাঁদছিল।

আমি নিচে গিয়ে দেখলাম।

বাচ্চাটা খুব কাঁদছিল।

নীচে তাকে দেখার মত কেউ ছিল না।

বুঝতে পারছিলাম না, কি করবো।

তাই, নিজের ঘরে ফিরে এসেছিলাম।

তারপর থেকে ঘুমোতে পারি নি।

তাই মায়ের ছবি আঁকছিলাম।

কখন নিচে গিয়েছিলে, ভিনোদ?

রাত দশটা পঞ্চাশ মিনিটে।

ধন্যবাদ, ভিনোদ।

স্বাগতম, কাকু।

শুরু থেকেই বুঝতে পেরেছিলাম, এখানে কিছু ঘটেছে।

পরে বুঝতে পেরেছি।

এখানে কেউ মিথ্যা বলছে, আর যে মিথ্যা বলছে, সেই খুনি।

কিন্তু ভাবতে পারি নি, সেটা তুমিই হবে, লক্ষ্মী।

কী বলছেন, স্যার?

তুমি বলেছিলে, সারারাত এখানেই ছিলে।

কিন্তু বিনোদ যখন নিচে নেমেছিল, কেউ ছিল না।

বলো, মিথ্যে বলছো কেন?

স্যার, আসলে... আমার বাড়ি এখানে কাছেই, স্যার।

আমরা ওই বাড়িতেই থাকি, স্যার।

বেশি বৃষ্টি হলে বৃষ্টির জল ঘরে ঢোকে, স্যার।

তাই মেয়ে নিরাপদে আছে কিনা, দেখতে গিয়েছিলাম, স্যার।

অবিলম্বে ফিরে এসেছি, স্যার।

এই সবকিছু তার মধ্যেই ঘটে থাকবে, স্যার।

তোমার মেয়ে কোথায়?

বাড়িতেই আছে, স্যার।

রামবাবু।

তুমি কি মনসা?

হ্যাঁ, স্যার।

এই, ভয় পেও না।

তোমার নাম কি?

মনসা।

- কোন ক্লাসে পড়ো? - নবম শ্রেণী।

- ভালোভাবে পড়াশোনা করছো? - হ্যাঁ।

হ্যাঁ।

ভালো।

এখানে কী ঘটেছে জানো, মনসা?

কেউ দিব্যা ম্যাডামকে খুন করেছে।

তোমার কি মনে হয়, কে খুন করেছে?

এখন পর্যন্ত তদন্তের ভিত্তিতে, আমরা বিশ্বাস করি তোমার মা দিব্যাকে খুন করেছে।

তুমি কি সত্যিই মনে করো, তোমার মা তাকে খুন করেছে?

না, স্যার।

সেটা প্রমাণ করতে তোমার সাহায্য দরকার।

করবে?

করবো, স্যার।

তাহলে, আসল খুনিকে ধরতে ও তোমার মাকে বাঁচাতে যেকোনো কিছু করতে রাজি আছো?

হ্যাঁ।

তাহলে বলো, মনসা।

দিব্যাকে খুন করলে কেন?

স্যার, সে কেন খুন করতে যাবে?

আপনি এটা বলছেন কি করে?

আমি যা বলছি, সেটা সত্যি, তাই না?

আমাদের সমস্যা কী, জানো?

আমরা চোখে দেখলেও, অনেককিছু খেয়াল করি না।

তাই, অজান্তেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস এড়িয়ে যাই।

সেইগুলো... ছোটখাটো।

ছোটোখাটো, কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

যেকোনো কিছুই হতে পারে।

খুনের অস্ত্র হতে পারে, আঙুলের ছাপ হতে পারে,

রক্তের দাগ হতে পারে।

নয়তো কানের দুল থেকে ঝরে পড়া এক টুকরো পাথরও হতে পারে।

তাই না, মনসা?

আমি নিশ্চিত, এই চামড়ার টুকরোটা দিব্যার।

এরপর কী ঘটতে চলেছে, বলবো কী?

তোমার মা দিব্যার খুনের দায় নিজের কাঁধে নেবেন।

যেকোনো মা-ই তা করতেন।

সন্তানকে বাঁচাতে তিনি সবকিছু করতে পারেন।

তুমি জেলে গেলে কয়েক বছরের মধ্যেই ছাড়া পেতে পারো।

কিন্তু তোমার মা গেলে, তার বাকি জীবন জেলেই কাটবে।

এরপর তুমি কী করবে, সেটা তোমার সিদ্ধান্ত।

সে নির্দোষ, স্যার।

আমিই তাকে খুন করেছি, স্যার।

তাকে এই সব থেকে বাদ দিন, স্যার।

সত্যিই?

হ্যাঁ, স্যার।

আমি তাকে খুন করেছি, স্যার।

ওহ।

তুমি যা বলছো, তা সত্যি হলে বাকি জীবন জেলে কাটাতে হবে।

- রামবাবু। - স্যার।

ওকে গ্রেফতার করো।

যথেষ্ট হয়েছে, মা।

যাই হোক না কেন,

আমি সত্যি কথা বলবো, মা।

হ্যাঁ, স্যার।

আমি এটা করেছি।

আমিই ওই রাক্ষসীকে মেরেছি।

- এই, মনসা। - হুহ!

ছেলেটা হলঘরে একা আছে।

ভয় পেতে পারে।

তুই গিয়ে ওর দেখাশোনা কর। আমি এখনই আসছি।

- ঠিক আছে, মা। - যাও।

লক্ষ্মী।

লক্ষ্মী।

তুই এখানে কেন?

সে কোথায়?

মা বাড়িতে গেছে, ম্যাডাম।

কি দেখছিস?

এসে এটা পরিস্কার কর।

তোরা দুজনেই আমার জন্য অশুভ।

কি ঘৃণ্য জীবন!

তোদের মুখ দেখলে আমার গা ঘিনঘিন করে।

ধুর!

এত বেপরোয়া যখন, দুজনে একসাথে গিয়ে কারোর সাথে শুয়ে পড়িস না কেন?

যতই উল্টোপাল্টা বলি না কেন, তোদের কি লজ্জাও করে না?

জঘন্য।

এই, বৃষ্টির মধ্যে কি করছিস?

মনসা।

মা, কি হয়েছে?

কি করেছিস তুই?

কি হয়েছে, বলো মা।

সে মারা গেছে।

চলে যা।

এখানে থেকে চলে যা।

যা!

আমি জানি, মনসা।

এই কারণেই তোমার সাহায্য চেয়েছিলাম।

কেন তাকে হত্যা করলে, বলো।

এই, মনসা। শুনেছি, তোর বাবা নেই।!

কি বলছিস? বাবা ছাড়া একজন জন্মাবে কি করে?

জানি না। কিন্তু সে ওভাবেই জন্মেছে।

মনসা।

মা, তোমাকে আগেও অনেকবার জিজ্ঞাসা করেছি।

শেষবার জিজ্ঞাসা করছি।

আমার বাবার পরিচয় দেবে কি?

না।

ঠিক আছে, তোকে বলবো।

কিন্তু প্রতিজ্ঞা কর, কাউকে বলবি না।

তোর বাবা হলেন জয়রাম।

ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।

মনসা, দাঁড়া।

কি হয়েছে?

তোর হাতে কি হয়েছে?

লক্ষ্মী।

অবিলম্বে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাও।

এটা নাও।

জানোয়ারের মত দাঁড়িয়ে আছিস কেন, সরে যা।

বেচারা মা।

তার কারণে সৃষ্ট সব জ্বালা সহ্য করেছে।

যতই কষ্ট হোক না কেন, কাউকে বলতে পারে নি।

খুব কষ্ট পেত, স্যার।

প্রতিদিন আমাদের উপর খুব অত্যাচার করত, স্যার।

একদিনের জন্যও...

একদিনেরও জন্যও সে আমাদের মানুষ মনে করে নি।

তার কাছে আমরা কুকুরের মত ছিলাম।

কি করব, কাকে এই ব্যাপারে বলবো, কিছুই জানতাম না।

পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম।

ওর অত্যাচার কেন সহ্য করবো, স্যার?

কি অপরাধ করেছি, যে তার অত্যাচার সহ্য করবো?

রাগে গলা টিপে মারতে ইচ্ছা করতো।

কিন্তু কিছুই করতে পারি নি।

কিন্তু একদিন, তাকে খুন করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

আর তাই হল।

আমিই খুন করেছি, স্যার।

লাশের সাথে পরিবারের কাউকে থাকতে হবে।

আমি আসছি।

সাবিত্রীবাই সরকারি হাসপাতাল। কোকাপেট-গান্ডিপেট মণ্ডল-রাঙ্গা রেড্ডি জেলা।

এই, আদিত্য!

তুমি এখানে কেন?

হ্যালো, ডাক্তার।

ওহ! আপনি তাকে চেনেন নাকি?

হ্যাঁ, NIA কেসের ব্যাপারে প্রায়ই দেখা হয়।

- দিব্যা ওর বৌদি। - ওহ!

অত্যন্ত দুঃখিত।

ঠিক আছে, ডাক্তার।

ডাক্তার, রিপোর্ট কি বলছে?

কোনো রিপোর্ট নেই।

শীঘ্র আসবেও না।

কি বলতে চাইছো?

বুঝিয়ে বলছি।

তুমিও এসো।

তোমাদের আরো কিছু দেখাতে হবে।

সেরিব্রাল কর্টেক্সের কাছে শুধু একটা ফ্র্যাকচার হয়েছে।

আর এটা সামান্য ক্ষতি মাত্র।

এর ফলে অজ্ঞান হতে পারে, কিন্তু মৃত্যু নয়।

তার দেহে কোনো বিষাক্ত পদার্থ আছে।

কি যৌগ, বুঝতে পারছি না।

চেষ্টা করছি।

তাহলে, দিব্যার মৃত্যু মাথার আঘাতে নয়।

কেউ তাকে বিষ দিয়েছে।

কিছু একটা চলছে, বিক্রম।

এখন আমরা কি করবো, স্যার?

স্যার?

স্যার?

কোথায় যাবো, স্যার?

অপরাধস্থলে।

ঠিক আছে, স্যার।

কি হয়েছে, স্যার?

কোনো সমস্যা?

দিব্যার আঘাত খুবই সামান্য।

এতে মানুষের মৃত্যু সম্ভব নয়। .

দিব্যার মৃত্যুর জন্য মনসা দায়ী নয়।

তাহলে?

কেউ দিব্যার উপর বিষপ্রয়োগ করে খুন করেছে।

বিনোদ!

থামো, বিনোদ!

বিনোদ কোথায়?

বিনোদ!

বিনোদ!

বেরিয়ে এসো, বিনোদ।

কি হয়েছে, বাবু?

বিনোদ, বেরিয়ে এসো।

বিনোদ!

আমি এখানে আছি! কেউ তোমার ক্ষতি করতে পারবে না।

বেরিয়ে এসো, বিনোদ।

এসো, সোনা।

বেরিয়ে এসো, বিনোদ। বেরিয়ে এসো।

বিনোদ!

ভয় পেও না। আমি এখানে আছি তো?

কি হয়েছিল, বলো।

ভিনোদ!

- ভিনোদ! - ছেড়ে দিন, জয়রাম।

আপনি যাই করুন না কেন, সে বেরোবে না।

তাকে কিছুক্ষণের জন্য ছেড়ে দিন।

এর চাবি কোথায়?

বহুদিন আগে হারিয়ে গেছে।

বদলানোর কথা ভাবেন নি?

এক-দুইবার ভেবেছি। কিন্তু...

বিনোদের সাথে সম্পর্কিত সমস্ত কিছু এতে রয়েছে।

দুটোই ফাঁকা।

আপনি নিশ্চিত?

হ্যাঁ, স্যার। কেন?

বিনোদ এটা নিয়মিত ব্যবহার করে।

বিনোদের কাছে এটার ভিতরের জিনিস পৃথিবীর সবথেকে মূল্যবান।

আমার মা বলতেন...

মানুষ তার সবচেয়ে মূল্যবান বস্তুটিকে, হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে রাখে।

এটা কি?

জানি না, স্যার।

কি সমস্যা?

এতে বিনোদের মায়ের স্মৃতিগুলোই আছে।

এটা ছাড়া।

পান করো।

কি?

এটা পান করো।

এতে কি আছে, বিনোদ?

বিনোদ!

এতে কি আছে?

জিজ্ঞাসা করছি, উত্তর দিচ্ছো না কেন?

বিনোদ!

বলো!

মিঃ জয়রাম।

ঠিক আছে, বিনোদ।

কিচ্ছু হয় নি।

তোমার মা তোমাকে প্রায়ই বলতেন...

কষ্ট যতই হোক, পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক,

সর্বদা সত্য কথা বলবে, মিথ্যা কথা নয়।

এখন সত্যি না বললে মায়ের কথা অমান্য করবে।

বলো, বিনোদ।

এই বোতলে কি আছে?

মৃত্যু।

এটা কি দিব্যাকে দিয়েছিলে?

লক্ষ্মী... জল।

এই কাজ কেন করলে?

সেও তোমার মায়ের মতো, তাই না, বিনোদ?

সে আমার মা নয়।

সে একজন শয়তানী।

বড় শয়তানী।

আমার আসল মা খুব ভালো মানুষ।

তুমি এইভাবে চললে, আমি একদিন আত্মহত্যা করবো।

তাহলে তাই কোরো।

সমস্যা একদম শেষ হয়ে যাবে।

এই!

মা।

প্লিজ, মা।

আত্মহত্যা কোরো না, মা।

প্লিজ, মা।

না, বাবু।

আমি আত্মহত্যা করবো না। তোকে একা ছাড়বো না।

- নাম কি? - আদিত্য।

- বয়স কত? - ২৬।

কি করো?

- NIA অফিসার। - ওহ, ঠিক আছে।

সবকিছু ঠিকঠাক লিখে নাও।

স্যার।

ছেলেটার এখন কি হবে, স্যার?

আর কি হবে?

তারা তাকে বোরস্টাল স্কুলে পাঠাবে।

ওর মা কি বলেছিলেন, জানলেন কি করে?

আসলে কিছুই জানি না, রামবাবু।

প্রতিটি মা তার সন্তানকে, মিথ্যা কথা বলতে নিষেধ করেন।

ঠিক আছে, গাড়ি চালাও।

ঠিক আছে, স্যার।

শুভ সন্ধ্যা, স্যার।

হ্যালো, স্যার।

হ্যালো, ডাক্তার।

বিক্রম, কোথায় আছো?

থানায় আছি, স্যার।

অবিলম্বে হাসপাতালে এসো, খুব জরুরি।

কি হয়েছে, ডাক্তার?

তাড়াতাড়ি এসো, বিক্রম।

- এত দেরি কেন, বিক্রম? - দুঃখিত, ডাক্তার, দেরি হয়ে গেল।

এই, তুমি এখানে কেন?

ডাক্তার ফোন করে আসতে বললেন।

কি হয়েছে, ডাক্তার?

এটা ব্রঙ্কাইটিসের ওষুধ।

এতে কেউ মরবে না।

এমনকি কেউ পুরো বোতল খেয়ে ফেললেও শুধু মাথাঘোরা বা বমি হতে পারে।

খুব খারাপ হলে কোমায় যেতে পারে, কিন্তু মৃত্যু কখনোই নয়।

এটা দিয়ে সে কাউকে খুন করার চেষ্টা করলে, সে অত্যন্ত বোকা।

এই যৌগটির পরিচয় জানার জন্য, আমি সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি।

কিন্তু খুঁজে পাইনি।

তাই পুনের ল্যাবে নমুনা পাঠিয়েছিলাম।

জোর করেছিলাম রিপোর্ট দ্রুত দেবার জন্য।

রিপোর্ট এসেছে।

আমি হতবাক হয়ে গেছি, বিক্রম।

রিপোর্ট কি বলছে, ডাক্তার?

তার শরীরে একটা দুর্লভ ড্রাগ পাওয়া গেছে।

সেই কারণেই দিব্যার মৃত্যু হয়েছে।

এটা স্লো পয়জন হিসাবে কাজ করে।

একজন ব্যক্তির মৃত্যু হতে ৪-৫ ঘণ্টা লাগে।

আরও অবাক করা বিষয়... পোস্টমর্টেমে ধরা পড়ে না।

সমস্ত ভারতেও শুধু পুনের এই ল্যাবে ধরা পড়ে।

খুবই বিরল ড্রাগ, বিক্রম।

অনেক ডাক্তারই এর ব্যাপারে জানেন না।

সহজে পাওয়া যায় না।

যদি সে এটা দিয়ে দিব্যাকে খুন করে, তাহলে এটা পুরোপুরি পরিকল্পিত খুন।

খুনি যেই হোক, খুবই বুদ্ধিমান আর পেশাদার।

তো...

সাবধানে থাকো।

মাফ করবেন, ডাক্তার।

কি?

দেখা হবে, ডাক্তার।

- আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো, আসছি। - আপনার সাথে যোগাযোগ করবো।

আসুন, স্যার।

- ইনিই কি? - হ্যাঁ, আমার প্রতিবেশী, সুধাকর।

বলুন, সুধাকর। কি দেখেছেন?

স্যার, সেই রাতে দিল্লির একটা অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলাম।

গাড়ি চালু করার সময়, জয়রামের বাড়ির পিছনে এক অচেনা লোককে দেখতে পাই।

তেমন পাত্তা দিই নি।

আজ দিল্লি থেকে ফিরে...

দিব্যার খবরটা পেলাম।

স্যার, আমার সন্দেহ, ওই অচেনা লোকটার সাথে দিব্যার মৃত্যুর সম্পর্ক আছে।

তার মুখ দেখতে পেয়েছেন?

আসলে, অন্ধকারের জন্য...

কিছু দেখতে পাইনি।

কেমন দেখতে?

কালো রেইনকোট আর টুপি পরা, খুব ফিট, স্যার।

মিঃ জয়রামের সমান লম্বা।

আর কোনো তথ্য দিতে পারবেন?

এটুকুই, স্যার।

ভালো করে ভাবুন।

ছোটখাটো তথ্যও অনেক সাহায্য করবে।

স্যার!

আমার ছাদে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে।

নিশ্চিত নই, তবে তার ভিজ্যুয়াল ধরে রাখার একটা সম্ভাবনা আছে।

আপনি চাইলে, দেখাতে পারি।

- ফুটেজটা কোথায়? - আমার বাড়িতে, স্যার।

এই... সামনে এগোও।

- হ্যাঁ, স্যার। - খুনী না ধরা পড়া পর্যন্ত সামনে এগোও।

যতক্ষণ না খুনি ধরা পড়ছে এবং কেস বন্ধ হচ্ছে...

কেউ শহর ছাড়তে পারবে না।

তুমিও, সুধাকর।

কিন্তু স্যার, আমি তো এখানে ছিলাম-ও না।

হতে পারে।

কিন্তু কেস দিন দিন জটিল হচ্ছে।

কাউকে বিশ্বাস করতে পারছি না।

আপনাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসতে হবে।

প্রস্তুত থাকবেন।

ধুর!

রামবাবু!

আসছি, স্যার।

এটা কিভাবে হল, ডাক্তার?

জানি না।

রিপোর্ট... প্রমাণ... সব শেষ।

পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এখন আমরা কী করবো, বিক্রম?

স্যার, স্যার! সুপারিনটেনডেন্ট আপনাকে ডাকছেন।

বিক্রম, এক্ষুনি ফিরে আসছি।

হুমম।

রামবাবু! খুনিকে পেয়েছি।

- হ্যালো! - স্যার!

একটা নম্বর দিচ্ছি।

লোকেশন ট্রেস করে পাঠাও। - ঠিক আছে, স্যার।

চিন্তা কোরো না, বিক্রম।

যতই চেষ্টা করো না কেন, নিজেকে মুক্ত করতে পারবে না।

আমি সাধারণত ধূমপান করি না।

কিন্তু আজ যা হয়েছে, মনে হয়, আমার একটা প্রাপ্য।

এসব কি, বিক্রম?

আমাকে মারতে ইচ্ছে করছে?

হ্যাঁ... বুঝতে পারছি।

তাই তোমায় ফাঁদে ফেলতে এত পরিশ্রম করেছি।

যাই হোক, সাবাশ, বিক্রম।

এত সহজে কেস সমাধান করবে ভাবিনি।

কারণ এটা সাধারণ খুন নয়।

এটা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

যাইহোক, তুমি এটার সমাধান করেছো।

তুমি সত্যিই মহান, বিক্রম।

কি?

তুমি কি দিব্যার মত আমাকেও মারার পরিকল্পনা করছো?

হুহ?

কে জানে?

যেকোনো কিছু হতে পারে।

আমাদের গল্পের টুইস্ট কি জানো, বিক্রম?

বললেও বিশ্বাস করবে না।

আমি দিব্যাকে মারিনি।

খুনি কে জানলে...

হতবাক হয়ে যাবে।

কল্পনাও করতে পারবে না, বিক্রম।

জানো, দিব্যাকে নৃশংসভাবে কে মেরেছে?

তুমি।

ভাবতে পারো নি, তাই না?

আমি এই কেস শুরু থেকেই ফলো করে আসছি।

আমি জানি না কেন, কিন্তু যা কিছু ঘটেছে, তা আমার কাছে ইলিউশন মনে হয়েছিল।

বাড়ির লোকেরাই খুন করেছে ভেবেছিলাম।

কিন্তু...

যে মুহূর্তে সিসিটিভি ফুটেজ দেখলাম, টের পেলাম...

খুনী বাইরের কোনো লোক।

আর দিব্যার সাথে তার সম্পর্ক আছে।

সেই মুহূর্তে...

নিজে তদন্ত শুরু করলাম।

দিব্যা সম্পর্কে সব জানতে চাইলাম।

কিন্তু, তার সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। শুধু এটুকু জানি, সে আমার দাদার স্ত্রী।

সেই কারণেই...

দিব্যা যেখানে জন্মেছে ও বড় হয়েছে, সেই গ্রামে গেলাম।

তুমি কে?

দিব্যা মারা গেছে।

বুড়ি দিব্যার ঘরের বাক্স দেখাল।

সেখানে একটা চিঠি পেলাম।

খুলে পড়লাম।

তোমার নাম দেখেই আমার কাছে সব পরিষ্কার হল।

'যতক্ষণ খুনি ধরা না পড়ছে...'

'খুনি যেই হোক...'

'সে অত্যন্ত বুদ্ধিমান আর পেশাদার।'

নিশ্চিত হলাম, তুমিই দিব্যাকে মেরেছো।

তাই তোমাকে অনুসরণ করতে শুরু করলাম।

যখন তুমি ঘড়ির দোকানে গেলে, একটা কথা মনে হল।

পুরো রাত, তোমার হাতে ঘড়ি ছিল।

কিন্তু সময় দেখছিলে দেয়ালঘড়ি দেখে।

তুমি চলে গেলে আমি দোকানে ঢুকলাম।

আমি আদিত্য, NIA অফিসার।

- বলুন, স্যার। - C.I. বিক্রম কেন এসেছিলেন?

ঘড়ির ক্রাউন বদলাতে, স্যার।

গভীরভাবে ভাবতেই, আমার একটা কথা মনে পড়লো।

তোমার ঘড়ি ঠিক রাত ১০.১৫-এ থেমেছিল।

১০.১৫... মানে...

ঠিক খুনির দিব্যার ঘরে ঢোকার সময়।

ধন্যবাদ।

এটা মনে আছে, বিক্রম?

এটা ঘড়ির ক্রাউন।

সাধারণ মানুষ সময় বদলানোর জন্য ব্যবহার করে।

কিন্তু তোমার মত জিনিয়াস খুন করার কাজে ব্যবহার করে।

খুনি যেখানে ঘুরছিল, সেই জায়গায় খুঁজলাম।

সেখানেই পেলাম এটা।

এটা ল্যাবে পাঠালাম।

এতে দিব্যার রক্ত এবং তুমি যে ওষুধটা ব্যবহার করেছিলে, দুটোই ধরা পড়েছে।

দুর্ভাগ্যবশত, উচ্চমানের ঘড়ি নির্মাতারা, খুচরা যন্ত্রাংশের মালিকের নাম সহ...

ঘড়ির বিবরণ সংরক্ষণ করে।

তুমি দিব্যাকে মেরে থানায় ফোন পাবার জন্য অপেক্ষা করছিলে।

দিব্যার বিছানায় মৃত পড়ে থাকার কথা ছিল।

কিন্তু তাকে ফ্যানে ঝুলতে দেখে বুঝলে, অন্য কেউ জড়িত আছে।

তাদের ধরে কেস দায়ের করতে চেয়েছিলে।

-'তুমি কি NIAতে আছো?' -'আমি একজন ট্রেনি।'

- 'ওহ!' - কিন্তু আমি যোগ দিতেই...

তোমার খেলা পণ্ড হতে শুরু করে।

লাশের মধ্যে বিষ ধরা পড়লে...

আর সিসিটিভি-তে খুনি আবিষ্কৃত হলে...

বুঝলে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে।

শেষপর্যন্ত, তুমি আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করলে, যে তোমার প্রতিটি পদক্ষেপে বিরোধিতা করছিল।

রামবাবু।

স্যার।

কিন্তু আমি রামবাবুকে সব বলেছিলাম।

আমাকে ডেকেছিলেন?

রামবাবু।

তোমার বিক্রম স্যার নিজেই দিব্যাকে খুন করেছে।

- কি? - সে এটা বিশ্বাস করতে পারে নি।

তখন তাকে বললাম।

সে শীঘ্রই আমার উপর সম্পূর্ণ দোষ চাপাতে যাচ্ছে।

এটা তোমাকে নিশ্চিত করবে।

তুমি ঠিক তাই করেছিলে।

এই ফাইলে তোমার সব অপরাধের প্রমাণ আছে।

- রামবাবু। - স্যার!

তুমি যেতে পারো।

জানো, আমরা কোথায় আছি, বিক্রম?

আমরা NIA-তে আছি।

আর সব রেকর্ড হচ্ছে।

খেলা শেষ, বিক্রম।

এখন কি করবে, আদিত্য?

আমাকে গ্রেফতার করবে?

হ্যাঁ, বিক্রম।

গল্প এখানেই শেষ।

তবে তার আগে, আমাকে একটা কথা জানতে হবে।

এসব কী?

তুমি এইসব করলে কেন?

দিব্যাকে হত্যা করলে কেন?

একটা কথা জানো কি, আদিত্য?

সাধারণত সবাই বলে...

জীবন সুন্দর।

কিন্তু সেটা মিথ্যা।

আমার মত অনাদরে বড় হওয়া মানুষের কাছে...

জীবন এমন এক দৌড়, যেখানে আমরা কেন দৌড়াচ্ছি, তাই জানি না।

আমি তাদেরই একজন।

চৌম্বক ক্ষেত্র

বুঝতে পারলাম, শিক্ষাই একমাত্র আমাকে রক্ষা করতে পারে।

তাই...

যত কষ্টই হোক, পড়াশোনা ছাড়িনি।

অন্য বাচ্চাদের মত খেলতে পারতাম না।

প্রতিদিন কাজে না গেলে খাবারের সংস্থান হত না।

ভাই, তোমার মা মারা গেছেন।

তাড়াতাড়ি এসো।

মা!

- বাছা, তুমি কোথায়? - আসছি, স্যার।

সেইদিন বুঝেছিলাম, খিদে মানুষকে দিয়ে সবকিছুই করাতে পারে।

আমার সম্পূর্ণ শৈশব অন্ধকারে কেটেছে।

ঠিক তখনই...

দিব্যা আমার জীবনে এলো।

খুব ভালো মানুষ।

তার সাথে কাটানো সময়ে মনে হত, অন্য পৃথিবীতে আছি।

তার সাথে কাটানো সময়, আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মৃতি।

- দিব্যা! - হ্যাঁ।

তোমাকে কিছু বলার আছে।

পুলিশে নির্বাচিত হয়েছি।

ট্রেনিঙের জন্য হায়দ্রাবাদে যাচ্ছি।

জানি, তুমি করতে পারবে, বিক্রম।

আমি খুব খুশি।

জীবনে প্রথমবার, আমি একটা সুযোগ পেলাম।

নিজেকে প্রমাণ করতে খুব খেটেছি।

শেষপর্যন্ত, আমার ব্যাচের টপার হই।

আমাদের প্রশিক্ষক আইজি আমাকে খুব স্নেহ করতেন।

তাই তিনি আমাকে একটা প্রস্তাব দিলেন।

আমিও তোমার মত অবস্থা থেকেই উঠেছি।

তোমার মধ্যেও সেই আত্মবিশ্বাস দেখতে পাচ্ছি।

এই কারণে...

তোমার সাথে আমার মেয়ের বিয়ে দিতে চাই।

সেই মুহূর্তে, বুঝতে পারছিলাম না, কি বলবো।

হয় জীবন, নয় ভালোবাসা...

যেকোনো একটা আমাকে বেছে নিতে হবে।

কিন্তু আমার নিরাপত্তাবোধের অভাব... ভালোবাসাকে মেরে ফেললো।

তাকে মুখ দেখানোর সাহস না পেয়ে, চিঠি লিখে পাঠালাম।

শ্বেতাকে বিয়ে করলাম।

আমার পুরো জীবন বদলে গেল।

কিন্তু... দিব্যাকে প্রতারণার অপরাধবোধ থেকেই গেল।

এই কারণেই কাজে ডুবে গেলাম।

এই!

তাকে নিয়ে যাও।

এরা সবাই কন্ট্রাক্ট কিলার।

শহরের অনেক অপরাধের সাথে তারা জড়িত।

তারা এক বিরল বিষ তৈরি করেছে।

এক ফোঁটায় মানুষ মরতে পারে।

সবচেয়ে খারাপ দিক হলো, ময়নাতদন্তের মাধ্যমেও এটা সনাক্ত করা সম্ভব হয় না।

শহরে অনেক কিছুই ঘটছে।

কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে...

অবিলম্বে পুলিশকে জানাবেন।

হ্যালো!

কেমন আছো, বিক্রম?

তোমাকে টিভিতে দেখেছি।

তোমাকে এইভাবে দেখে খুব ভালো লাগলো, বিক্রম।

ধন্যবাদ।

কেন, বিক্রম?

আমাকে ছেড়ে দিলে কেন?

আমি কী করেছিলাম?

ওইভাবে আমাকে ঠকালে কেন, বিক্রম।

তাড়াতাড়ি এসো, সোনা।

ঠিক আছে।

সে কে?

তোমার স্ত্রী?

হুমম।

আমাদের সম্পর্কে জানে?

না।

ওহ! বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত, বিক্রম।

ভেবেছিলাম, সে আর আমাকে ফোন করবে না।

কিন্তু, সে করেছিল।

বিক্রম, যতই চেষ্টা করি না কেন, আমি পারছি না।

দয়া করে, আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও।

চলো কোথাও চলে যাই আর সুখে থাকি।

দিব্যা, এটা করতে পারবো না।

বিক্রম, প্লিজ।

বোঝার চেষ্টা করো।

বিক্রম, প্লিজ।

প্লিজ, বিক্রম। প্লিজ।

সে আমাকে প্রতিদিন ফোন করতো।

তাকে বিভিন্ন যুক্তি দেখাতাম।

কিন্তু... সে আমাকে হুমকি দেওয়া শুরু করে।

যদি এক ঘন্টার মধ্যে এখানে এসে আমাকে নিয়ে না যাও...

আমি পুলিশ আর মিডিয়ায় গিয়ে তোমার সব কথা বলে দেবো।

তোমার জীবনটা ধ্বংস করে দেবো, ঠিক যেমন তুমি আমারটা ধ্বংস করেছো।

দিব্যা, আমার কথা শোনো।

এক ঘন্টার মধ্যে তুমি না এলে, যা বলেছি, তাই করবো।

মনে রেখো।

সে এখন আর আমার কোনও কথা শোনার অবস্থায় নেই।

সে যা বলছে তা যদি সত্যি হয়... পরিণতি সামলাতে পারবো না।

কি করবো, বুঝতে পারছিলাম না।

তবুও দিব্যাকে নিয়ে আমার অপরাধবোধ ছিল।

সেই জন্যই...

আমি এই অপরাধবোধ থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলাম।

দুঃখিত, বিক্রম।

আমি এভাবে থাকতে পারছি না, বিক্রম।

যতই চেষ্টা করি না কেন, তোমাকে ছাড়া আমার বাঁচা সম্ভব নয়।

আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও।

প্লিজ।

আগামীকাল দুপুরের মধ্যে সবকিছু ঠিক করে ফেলবো।

সন্ধ্যাবেলায় যাওয়া যাবে।

বিক্রম!

আমাদের ছেলেকে একবার দেখতে চাও না?

যে অপরাধবোধ থেকে মুক্তি পেতে চাইছিলাম...

সেই অপরাধবোধই বহুগুণে বেড়ে ছেলের রূপে ফিরে এল।

ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।

আমরা যদি একসাথে থাকতাম... কত সুন্দর হতো, বিক্রম।

সাবটাইটেল ভালো লাগলে সাবসোর্সে রেটিং এবং ফিডব্যাক দেবেন। সবাই ভালো থাকবেন।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.