Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tatar
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
নিয়মিত সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি সম্পর্কে আপডেট পেতে জয়েন করুন
ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ fb.com/groups/SouthFansBD
GULTOO
স্যার, আমার মোবাইল হারিয়ে ফেলেছি।
মোবাইল হারিয়েছে... সেটা কি অনেক বড় ক্ষতি নাকি?
স্যার, মোবাইল তেমন বড় কোনো ইস্যু না। তবে সেখানে থাকা ডাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ডাটা... সেটা আবার কী?
তোর মাথা তোল।
তোল। এখন।
কথা বল! মারো তাকে!
আবার মারো।
স্যার...!
তুমি খুন করেছ কেন?
কথা বল!
কোনো কিছুর উদ্দেশ্যে মারিনি তাকে।
সর্বোচ্চ নিলাম ছিল খুন করার পক্ষে।
তাই, করেছি খুন।
সে কী পাগল হয়ে গেছে?
আপনি যখন মাথার কথা বলেন, তখন সে পায়ের কথা বলছে। আমার ধারনা সে একটা আস্ত পাগল।
মেয়েটি কি তাকে চিনতে পেরেছে? জ্বি, স্যার। পেরেছে।
একটা অভিযোগ করতে এত সময় লাগলো কেন?
ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আমি ঘর থেকে বের হতে পারিনি।
এমনিতেই সে বদমেজাজি, এটা তার রাগের পরিমাণ আরো বাড়াবে।
স্যার!
ম্যাডাম আসলে আমাকে জানাবে।
উঠ!
হাঁট..
বস।
এত পরিমাণ নির্যাতনের পরেও সে এই ব্যাপারে মুখ খুলছে না।
আমি তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করেছি।
কোনো বড় লোকের সাথে তার উঠা-বসা নেই।
তার কোন আত্মীয় স্বজন এবং বাবা-মা ও নেই।
আমাদের সামনে শুধুমাত্র সে একাই।
তাকে নিচে নামাও।
স্যার, সত্যি বলছি... এতে আমার কোন হাত নেই।
স্যার!
আমি যখন জিজ্ঞাসাবাদ করি তখন দুটো জিনিস ঘটে,
এক, হয় তুমি নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিবে।
দ্বিতীয়ত, অপরাধ স্বীকার করতে দেরি করলে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।
সত্যি বলছি... আমি এই ব্যাপারে কিছু জানি না, স্যার!
অনুবাদ ও সম্পাদনায় আবরার শাফিন
College life and the classroom,
Will be your paradise.
They made us believe this. Then, they pushed us down the drain.
VTU We really love you, Don’t turn us into jilted lovers.
Campus stories are blossoming, and smiles are introducing us to love.
Memories of college are beautiful..
Semesters have started, and it’s driving us crazy.
Seniors are a little intimidating and it’s all happening too fast.
USN, is our name now, while attendance proxy is a habit.
হেই! ইডিয়ট! দাঁড়াও।
তোরা কি ব্লুফিল্ম দেখিস?
আমার মতে সে খুব বেশি পরিমাণেই দেখে, শুধু তার চোখের দিকে তাকা।
একটা ব্লুফিল্ম থেকে তোর পছন্দসই সিন করে দেখাতে হবে।
তোর হাত সরা!
স্যার, এটা করতে পারবো না।
তুই করতে পারবি না কেন? তোকে করে দেখাতেই হবে।
তুই যদি এটা করতে না পারিস.....
...তাইলে আমাদের জন্য আগামীকালের ১০টা মুভির টিকেট বুকিং দিতে হবে তোর।
সে এখানে স্কলারশিপ পেয়ে এসেছে, আমার মনে হয় না তার হাতে এত টাকা আছে।
আমি তাকে জোর করছি না।
তাকে হয় অভিনয় করে দেখাতে হবে, নয় আগামীকাল মুভি দেখাতে নিয়ে যেতে হবে।
কি বলিস?
আচ্ছা স্যার।
তোমার ল্যাপটপ দাও!
দোস্ত, সে টিকেট বুক করেছে।
গুড মর্নিং স্যার!
অলক! পুরো কলেজ তোমার ব্যাপারে কথা বলছে।
তুমি কি সিনিয়রদের জন্য ওয়েবসাইট হ্যাক করে মুভির টিকেট বুক করেছ?
স্যার, আমার কাছে টিকেট কেনার মত পর্যাপ্ত টাকা ছিল না।
তোমার বাবা কী করেন? আমার বাবা-মা বেঁচে নেই।
আমি আশ্রমে বেড়ে উঠেছি।
ওহ!.....আমি দুঃখিত!
কলেজ হচ্ছে একমাত্র স্থান যেখানে তোমার ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
বাইরের দুনিয়া একদম আলাদা। তুমি সেখানে অত বেশি সুযোগ পাবে না।
তুমি যদি লাভজনক চাকরি করার কথা চিন্তা করো, পুনরায় ভেবে দেখো!
এই শহরের ইঞ্জিনিয়াররা ইতোমধ্যেই সার্ডিন মাছের মত বস্তাবন্দী করে বসে আছে।
তোমার বুদ্ধিমত্তাকে সম্প্রসারিত করো, ইন্ডিয়ান আইটি মার্কেটের উন্নতি হচ্ছে।
এবং ব্যাঙ্গালুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ার স্টার্ট আপ রাজধানী।
কিন্তু স্টার্ট আপ শুরু করা অতটা সহজ কাজ না।
এমন আইডিয়াকে ভিত্তি হিসেবে নাও যা এখনো অবধি কার্যকর হয়নি কারণ সেটাই তোমাকে সফলতা প্রদান করবে।
এই ব্যাপারে ভেবে দেখবো, স্যার। আচ্ছা... শুভকামনা রইলো!
এই ছেলেই সিনিয়রদের জন্য টিকেট বুকিং করেছে।
যদি তার সাথে ডেট করতে পারি, আমিও প্রতিদিন একটা করে নতুন মুভি দেখতে পারবো।
যা বলছি মন দিয়ে শোনো, ব্যাঙ্গালুরুতে টিকে থাকতে হলে তোমার ৩টি জিনিস লাগবে।
ড্রেসিং সেন্স, বুদ্ধিমত্তা এবং টাকা।
তুমি বুদ্ধিমান, তবে ড্রেসিং সেন্সের কিছুটা উন্নতি হতো যদি তোমার হাতে টাকা থাকতো।
আমরা কি একসাথে শপিংয়ে যেতে পারি? হ্যাঁ!
CS, IS, EC... It’s time to send those friend requests to girls.
Hello! Hi’s! How Are You’s
As we slowly introduce ourselves.
We have started liking, along with Whatsapp chatting,
The Night’s without sleep, continues in classrooms
C has become plus while fun is on minus
M1 & M2 are an eternal knot
How do we escape this Syllabus Noise, Classroom silence, and boys chaos?
Bookworms of the first bench,
The pranksters of the last bench, both are tensed.
Mass bunk, Cinema, Long Drive and Attendance shortage,
Amidst this even our friends get engaged.
The projects still haunt us, and all we want is 15 and 35 plus.
Java is killing our lives. Oh Java! Why don't you die too?
Companies want campuses now, while we want GPA’s to be shown,
We are Engineers We are India’s Future.
We are Engineers India’s Future is still unknown.
অলক, এই জীবনে আমি কোনো কিছুর জন্যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করিনি।
শিবানি, তোমার চোখের পানির জন্য যথোপযুক্ত নই আমি।
আমরা দুজনে ভিন্ন প্রান্তের লোক।
এত ভিন্নতার থাকার পরেও যে তুমি আমাকে পছন্দ করো, এতেই খুশি আমি।
কিন্তু, বোঝার চেষ্টা করো, আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার মত কোন পজিশনেই আমি নেই।
অলক! আমি তোমাকে মিস করব।
আমি তোমার চেহারা আর দেখতে চাই না।
সকাল থেকে আমি ৩টা ইন্টারভিউতে গেলাম। তবে একটা ইন্টারভিউও ভালো হলো না।
তোর ইন্টারভিউ কেমন হলো?
আমি নিশ্চিত তোর ভালো হয়েছে।
জুতা পড়া প্রচণ্ড বিরক্তিকর।
কোনো ইন্টারভিউতে আমার অংশ নেওয়া উচিৎ বলে মনে করি না। - কেন?
ইন্টারভিউ দিয়ে, ফরমাল পরে
৯-৬ টা পর্যন্ত চাকরি করে, টাকা ধার করে খরচা মেটানো।
ম্যানেজারকে সন্তুষ্ট করতে, তার মিটিংয়ে
এবং পার্টিতে উপস্থিত হয়ে বিল নিজের থেকে খরচ করা।
এতকিছু করার পরেও, মাসের শেষে, আমাদের হাতে যথেষ্ট টাকা থাকে না।
আমি যদি ফরমাল পরি, সেটা শুধু নিজের জন্যই পরবো।
আমি স্টার্ট আপ শুরু করতে চাই। জম্পেশ আইডিয়া দোস্ত!
চল শুধু আমরা নিজেদের জন্যেই কাজ করি।
তো আমরা কবে শুরু করছি?
বেশি আবেগী হোস না, একবার ভেবে দেখ
নিজের থেকে কিছু করবো, সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। আম্বানি হলেও নিজের যোগ্যতাতেই হবো।
হাই-ফাইভ দে!
এই নিন আপনার কফি, স্যার!
এখানে ফ্রি ওয়াই-ফাই আছে! চাইলে সেটা ব্যবহার করতে পারেন।
স্যার! আপনি ঠিক আছেন তো? একটু সাহায্য করুন। একটা অটো ঠিক করে দিচ্ছি।
কতক্ষণ ব্যবহার করেছেন? প্রায় ৩০ মিনিট মত।
আগের ৫০টাকা বাকি আছে, আমি কি সেটা সহ নিবো? জ্বি, নিয়ে নিন!
হেই রাকি! তোর গাড়িটা লাগবে। আমি ঘর পাল্টাচ্ছি। ধন্যবাদ!
স্যার, আমরা কলোনির কাছেই চলে এসেছি। ভিতরে আসো!
এখানে কি কেউ মারা গেছে নাকি? না! এমনি বাজিয়ে দেখছিলাম।
আমার মরার পরে বাজাইয়ো ভালোমতো! ভিতরে আসো।
এটা ধরো! আমি ফুলের ব্যবসা করি। আজকে একটা অর্ডারের জন্য ফুল প্রস্তুত করছিলাম।
রুম উপরতলায়। এসো আমি তোমাদের দেখাচ্ছি।
এই দেখো!
প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে অবশ্যই বাড়ি ভাড়া দিতে হবে!
বিদ্যুৎ বিল আসলে সেটাও দিয়ে দিবে।
এই দরজাটা খুলবে না, এই রাস্তা গোডাউনের দিকে গেছে।
এই নাও চাবি! ধন্যবাদ!
সবাই নিজেদের নতুন গাড়ি, বাড়ি এবং বাইক নিয়ে ফেইসবুকে নিয়মিত পোস্ট করছে।
তাতে কি হয়েছে?
আম্বানি হওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছি আমরা। আর এখন ভাড়া না দিয়ে নিয়মিত ঘর পাল্টাচ্ছি।
ব্যবসায়িক মডেল তৈরির জন্য কিছু সময় লাগবে আমার।
এছাড়া, কেউই রাতারাতি আম্বানি হয়ে যায় না!
৩ বছর রাতারাতি কিছু না! আর কত সময় অপেক্ষা করতে হবে জানি না।
আমার সাথে থাকতে জোর করিনি তোকে! ইচ্ছে হলে থাক, নাইলে এক্ষুনি চলে যা।
বন্ধুর সাথে ঝগড়া করছি, অস্বস্তিবোধ করছি, সে আমাকে অনুভূতি সম্বন্ধে উপলব্ধি করতে পারে না।
এক্সিউজ মি!
গতকাল... আমার ল্যাপটপ... চিন্তা করবেন না, সেটা নিরাপদ আছে, কি অবস্থা আপনার?
ঠিক আছি। এক মিনিট!
অফিস ল্যাপটপ! ধন্যবাদ!
প্লিজ এটা রাখুন! সরি, আমি ফ্রিতে টাকা নিই না।
আমি সুশীল। অলক! তোমার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো, আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আসো! ম্যাডাম, পূজা, সে আজই জয়েন করেছে! হাই! হ্যালো! স্বাগতম। ধন্যবাদ!
ও হচ্ছে বিদ্যা! বিদ্যা, ও পূজা!
সে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে বিএসসি কমপ্লিট করেছে, আর এডভান্স জাভা শেখায়। ভালো!
স্যার! উনি হচ্ছেন প্রকাশ। ফ্যাকাল্টির সবচাইতে সিনিয়র ব্যক্তি!
হ্যালো স্যার! পূজা, সে আজই জয়েন করেছে।
আমরা এখানে না খেয়ে মরছি, তুমি জয়েন করে আর কী উন্নতিই বা করবে?
আমরা এখানে গল্পগুজব করে সময় কাটাবো।
এই প্রতিষ্ঠানে ৬ জন কর্মরত আছে। আমরা দুজন সহ ৫ জন।
আর.. অলক সহ ছয় জন!
অলক, পূজা। সে আজই জয়েন করেছে!
হাই!
সে খুবই ট্যালেন্টেড এবং ভালো ছেলে। কোনো খারাপ অভ্যাস নেই এবং বেশ কর্মঠ!
আমাদের সাথে পুরো সময় কাজ করে। আর কফি ডে'তে পার্টটাইম কাজ করে।
তার মধ্যে মনোমুগ্ধকর কিছু রয়েছে! 'তুমি তাকে ভালোবাসো', এই কথা তাকে বলছো না কেন?
তার পিছনে ৬ মাস ধরে ঘুরেছি। আর অনেক অনুরোধও করেছি!
তারপর কী হলো? সে একেবারেই পাত্তা দেয়নি।
শেষ চেষ্টা হিসেবে, আমি তাকে আমন্ত্রণ পত্র দিই।
আর তাকে জিজ্ঞেস করি, সে বাইরে ঘুরতে ইচ্ছুক নাকি।
সে কি রাজি হয়েছিল এতে?
না! রাজি হয়নি। এরপর থেকে, তার উপরে নজর দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
তো এভাবেই তোমার প্রেমকাহিনীর সমাপ্তি ঘটলো?
কোনো ভালোবাসাই ছিল না, শুধুমাত্র টাইমপাসের চেষ্টায় ছিলাম।
আমরা কি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবো?
কেন ব্যবহার করতে চাস কম্পিউটার?
স্কুল প্রজেক্ট কমপ্লিট করতে হবে। তোদের কি সবসময় প্রজেক্ট থাকে নাকি? হ্যাঁ!
প্লিজ কিছু করো না ভাইয়া! ভয় পাবি না।
তোদের মারবো না, এদিকে আয়। তুমি কি করছো?
দাড়া, আমার প্যান্ট টান দিয়েন না, এটা ঢিলে।
তোরা এরকম প্যান্ট কেন পড়িস আমি জানি। ১৭', ১৮', তুই এদিকে আয়। ১৭.৫'।
এখন ভিতরে যা। বের হওয়ার সময় আবার মেপে দেখবো।
প্যান্ট যদি এক ইঞ্চি নিচে নামে, তাইলে দুজনকে বেদম মার মারবো।
তুমি কি আমাদের বিশ্বাস করো না? জীবনে তোদের আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
বাসায় কেউ নেই। তুমি কি ব্যস্ত?
আমি বেজায় খুশি! অ্যাঁ! যাওয়ার আগে এন্ট্রি করে যান।
কি সুরেলা গান! উফফ!
আমার উত্তেজনা সীমানা অতিক্রম করে ফেলছে!
কাভিয়া! কেমন আছো! তোমার সাথে অনেকদিন যাবত দেখা করিনি।
ভালো আছি! আপনারা আসছেন সেটা বলতে পারতেন।
একা একা ঘরে থাকলে ভয় পাও না?
দরজা খুলতে কতক্ষণ সময় লাগে?
কতক্ষণ সময় লাগে.....! কাকে চাও?
এটা কে? কী চাও তুমি?
এটা কি জি-১২ না? না, এটা জি-১১।
কে ছিল সে? তুমি কি তাকে আসলেই চিনো না?
স্যার! আমি আসলে জি-১২ এই এসেছি। কিন্তু, এটা জি-১১। সরি!
এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন।
একটা key ইনফরমেশন দ্বারা এনকোডিং করা, আর সেটা অন্যদিকে চালনা করাই হলো এনক্রিপশন।
অন্যদিকে, তারা যদি key টার সম্বন্ধে জানে,
তারা ডিকোড করতে পারবে এবং ইনফরমেশন গ্রহণ করতে পারবে।
তোমরা কি বুঝতে পারোনি? না!
'A' এর কাছে গোল্ড আছে সেগুলো 'C' কে দিতে হবে। কিন্তু 'B' জানে না যে তার কাছে গোল্ড আছে।
তাই 'A' প্রতি অক্ষরে +২ নিয়ে সেটাকে চালু করবে। এটাই হলো এনক্রিপশন।
প্লাস ২ হচ্ছে key।
এখন 'B' বুঝতে পারবে না যে এটা গোল্ড। 'C' ২ বিয়োগ করে গোল্ড সংগ্রহ করবে।
এই প্রক্রিয়া হচ্ছে ডিক্রিপশন।
বাবা-মা'কে বলেছিলাম, আমাকে সায়েন্স না দিয়ে কমার্স নিতে দেওয়ার জন্য। প্লিজ আমাকে যেতে দিন ম্যাডাম।
বসো!
হাসাহাসি না করে... তুমি কি আমাকে সাহায্য করতে পারছো না?
এটা আমার প্রথম ক্লাস। প্লিজ! আমি আসছি।
ছোট থাকতে, আমি এবং আমার বন্ধুরা 'পা' এবং 'টা' ভাষায় কথা বলতাম।
আমরা ছাড়া অন্য কেউ এই ভাষা বুঝতো না।
আমরাও এই ভাষা ব্যবহার করি! তাই নাকি? ভালো!
'পা' ভাষাতে "কারো কাছে 'Lunch' ছিল" এটা কীভাবে জিজ্ঞেস করবে?
Lu-পা-nch ছি-পা-ল (Lunch ছিল)
হচ্ছে এনক্রিপটেড কোড। 'Lu-পা-nch ছি-পা-ল' হচ্ছে তোমাদের এনক্রিপটেড কোড।
'পা' হচ্ছে এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্টের জন্য key।
এটাই হচ্ছে তোমাদের এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপশন!
এখন সবকিছু বুঝেছি, স্যার!
আমার বোঝাতে অনেক কষ্ট হচ্ছিলো। তুমি খুব সহজেই সেটা বোঝাতে সক্ষম হয়েছ, অসংখ্য ধন্যবাদ।
এটা আমার পছন্দের বিষয়। এটার উপর আমি অনেক প্রজেক্ট করেছি।
সরি! দাদা-দাদি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চলে এসেছিলেন। এরপর তোমাকে মেসেজ দিতে পারিনি।
তুমি কি রেগে আছো?
না!
তো আমার রাজা কি করছে এখন?
লড়াই করার জন্য কোনো যুদ্ধ নেই, তাই সে বিশ্রাম করছে এখন।
কাল, পরিবারের সবাই বাইরে যাবে ঘুরতে।
রাণী রাজ্যের দায়িত্ব হতে সরে দাঁড়িয়েছে।
সত্যি? হ্যাঁ।
তাইলে তোমার রাজ্যই হবে আমাদের শিকারস্থল।
প্রতিবার আসার সময় নাম এন্ট্রি করে যাবেন।
গতবার নাম এন্ট্রি করে যাননি। পরে দিয়ে ম্যানেজার এ ব্যাপারে খোঁচা দিয়েছে আমাকে।
সে এমন ভাব করছে যেন এটা একটা সফটওয়্যার কোম্পানি।
আমার এন্ট্রি করা শেষ, এখন কি যাবো?
এক মিনিট! আপনার নাম কি আস্তি? আস্থি, আস্তি না।
কি কারনে এসেছেন?
কাভিয়া, দাঁড়াও! দৌড়াইয়ো না। থামো।
খারাপ না, রাজা বেশ ভালোই শিকার করেছে!
যখন সিকিউরিটি আসার কারন জিজ্ঞেস করলো। আমি পুরো ভেবাচেকা খেয়ে গেলাম।
তোমার বলা উচিৎ ছিল 'আমি যে মেয়েকে বিয়ে করতে যাচ্ছি তার সাথে কথা বলতে এসেছি '।
বিয়ের কথা শুনলে আমার মাথা বিগড়ে যায়।
তুমি বলেছ বাসায় ওয়াইন আছে, তাই না? যাও নিয়ে এসো।
কাকে প্রথমে বেছে নিবে, আমাকে নাকি ওয়াইনকে? আমাকে নাকি ওয়াইনকে?
হাই! কেমন আছো? ভালো! তুমি কেমন আছো? ভালো!
আমাকে চুলা চেক করতে হবে। আসি!
মজনু তোমায় মিস করে, লায়লাও মিস করে। এখন যাও! বাই!
অলক! ক্লাসের পড়ায় সাহায্য করায় আমি তোমাকে কফি খাওয়াতে চাই। প্লিজ আসো।
পূজা! আমি কিছুটা ব্যস্ত আছি। তুমি চলে যাও। আচ্ছা!
গেমস খেলা কি আমার সাথে কফি খাওয়ার চাইতে জরুরি?
এটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। আচ্ছা! চলো।
বারে কি কি আছে? ইডলি, পুরি, কেসারি ভাত।
খাড়া ভাত, বিসি বেলে ভাত এবং সাদা ভাত।
এক প্লেট ইডলি কত করে? ২০টাকা। এক প্লেট ভাডা কত করে? সেটাও ২০টাকা করে।
সাদা ভাত কত করে? ২৫টাকা। আচ্ছা! এক কাপ কফি নিয়ে আসো।
শুধু এক কাপ কফি খাওয়ার জন্য, সবকিছুর নাম জানতে চাচ্ছে।
কী লাগবে আপনাদের? এক কাপ কফি।
এই টেবিলে দুই কাপ কফি। এক প্লেট ইডলি ভাডা ঐ টেবিলে।
সেটার টাকা আমি দিবো। খেয়াল রেখো উনি যাতে জানতে না পারে।
এই বুড়ো লোকটাকে কি চিনো? না, চিনি না।
তাইলে তার জন্য অর্ডার করলে কেন? যখন তোমার ক্ষুধা লাগবে, সেই সময় টাকার ব্যাপারে মাথা ঘামানো উচিৎ না।
তুমি কি উনার কাছে টাকা নেই বলছো? দেখেছ কতটা অহংকারী উনি?
আমার মতে উনি খুবই ক্ষুধার্ত।
যখন তুমি ক্ষুধার্ত লাগবে, তখন কিছুটা রেগে থাকবে।
এই নিন কফি।
কফি! আমি তো এখনি কফি অর্ডার করলাম!
আজকে যদি কফি অর্ডার করেন, তাইলে আমরা এক প্লেট ফ্রি ইডলি ভাডা দিচ্ছি। জমিয়ে খান!
অলক! তোমার কি কোনো গার্লফ্রেন্ড নেই? না! কেন?
এমনি জিজ্ঞেস করলাম! খালি স্থানের ব্যাপারে কেউ জিজ্ঞেস করে না, যদি না তার আবেদন করার ইচ্ছে থাকে।
আমার আবেদন করার ইচ্ছে নেই, কিন্তু কৌতুহলবশত...
যদি তুমি একজন অপরিচিত কারো এতটা ভালোভাবে খেয়াল রাখো।
তোমার গার্লফ্রেন্ডের তো আরো বেশি পরিমাণে খেয়াল রাখবে।
শুধুমাত্র আন্তরিকতার সহিত খেয়াল রাখার কারণে কোনো মেয়েই রাজি হবে না।
তুমি যদি সঠিক জায়গায় খুঁজে দেখো, একটা পারফেক্ট মেয়েকে খুঁজে পাবে।
আমি তো এখানে শুধু বুড়ো লোকদেরই দেখছি।
এখানে কি শুধু বুড়ো লোকই আছে? হুহ?
হাই! আমি আস্থি! আর তুমি?
তুই এটা কোথায় পেলি? মালিকের খুব কাছের লোক আমি।
উনি বলেছেন যখন ইচ্ছা তখন নিয়ে যেতে। ভাড়া পরে দিলেও চলবে।
ও আমার বন্ধু আরাসিয়াহ থিম্মাপা! এক্সকিউজ মি! এটা আস্থি। শুধু আস্থি!
আমি পূজা! হাই! তোমার পুরো নাম?
পূজা রমেশ। কথা বলে ভালো লাগলো। আমারো ভালো লাগলো, পূজা।
আচ্ছা, চল যাই। বাই!
আমরা কি যাবো? হ্যাঁ!
কিছু দেখেই মনে হচ্ছে না যে এখানে জবরদস্তি ঢোকা হয়েছে।
আমার মতে খুনি এই মহিলাকে বেশ ভালোভাবে চিনতো।
এই সেট থেকে একটা ওয়াইন গ্লাস মিসিং। অনেক প্রমাণাদি ধীরে ধীরে ভেসে উঠছে।
আমি শুনেছি 'হাসি হচ্ছে সবচাইতে সেরা ঔষধ'।
কখনো বিশ্বাস করিনি সেটা। তোমাকে হাসতে দেখার পরে বিশ্বাস করেছি।
বাহ! কারো শেখা উচিৎ কীভাবে ফ্লার্ট করতে হয়। এটা ফ্লার্টিং না। শুধুমাত্র সত্যিটাই বললাম।
আজকে কি কারণে এতটা হাসছো? আস্থি ফেইসবুকে একটা ফানি ভিডিও পাঠিয়েছে।
আস্থি তোমার বন্ধু হলো কীভাবে?
সে তোমার বন্ধু হলো কবে থেকে?
মনে আছে সে আমার পুরো নাম জিজ্ঞেস করেছিল, ঐদিনই আমাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছিল।
তুমি কি সে পাঠানোতেই এক্সেপ্ট করেছ? হ্যাঁ।
সে যদি তোমার বন্ধু হয়, তাইলে সে আমারো বন্ধু।
তোমার কি মনে হয় আমার রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করা উচিৎ হয়নি?
সবকিছুর জন্যে হাসবে না। লোকে ভাববে তুমি পাগল।
বুঝতে পারি না, তুমি যখন হাসো তোমার ভিতরে কী কাজ করে।
কেউ একজন বলেছিল 'হাসি হচ্ছে সবচাইতে সেরা ঔষধ '।
মনে হয় সেই ঔষধ এখন আর কাজ করছে না।
সে অনেক বড় লম্পট, তার মাথায় সবসময় মেয়েদের নিয়েই নানান চিন্তাভাবনা আসে।
তাই নাকি? হোয়াটসএ্যাপের ডিপি’র মত সে গার্লফ্রেন্ড পাল্টায়।
এতবার! খুব খারাপ। কাল থেকে সে তোমাকে ক্যান্ডি ক্রাশে ইনভাইট পাঠাতে পাঠাতে জ্বালিয়ে ফেলবে।
ক্যান্ডি ক্রাশকে ঘেন্না করি। তার রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করা একেবারে উচিৎ হয়নি।
এক্সাক্টলি! এক্সাক্টলি? এক্সাক্টলি!
কিন্তু, যেহেতু আমার ফ্রেন্ড লিস্ট গোবর গণেশে ভর্তি, তাই ঠিক আছে বলেই মনে হচ্ছে,
এতে সে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হবে, অন্যদের মত তার সাথেও মানিয়ে চলবো আমি।
ভালো! খুব ভালো! এভাবে চালিয়ে যাও।
তুমি কি জানো? না! আমার ফ্রেন্ড লিস্টে তোমার মত কেউ নেই।
কী বলতে চাচ্ছো? কোনো একজন যে কিনা যত্নশীল, সম্বন্ধী, সংরক্ষক।
আমি না তোমাকে আঘাত দিচ্ছি না তোমাকে সম্বন্ধ দিচ্ছি।
তোমাকে একজন ফ্রেন্ড হিসেবে উপদেশ দিচ্ছি..না! একজন ভাই হিসেবে...
হুশশশ! চুপ করো। পূজা তুমি কিছুই শুনতে পাওনি।
রিল্যাক্স, জাস্ট রিল্যাক্স। শ্বাস নাও! ঠিক আছে
তুমি কীভাবে একজন বোন হিসেবে ভাবতে পারো আমাকে? আমার মধ্যে কি কোনো কমতি আছে নাকি?
ঠিক আছে! হাসতে থাকো, হাসিই হচ্ছে সবচাইতে সেরা ঔষধ।
Together, waves wave their hands as the shore nods in agreement..
..You are the music to my breath and words to my heart.. The girl with
less sister characteristics and more of a girlfriend. Coffee? Tomorrow?
..and every tune is slowly making me feel euphoric..
..I will become your shadow even when it's dark..
..Will walk with you, while you walk towards me..
I will reach your heart, and will rest on your lap..
..I don’t need anything else..
..This feeling is new to me Give something new to me..
..A new world may be..
..Pester me for the secret I haven’t revealed..
..With words so soothing, that my senses calm down..
..I will be your shadow’s shadow as I walk together..
..And wait for you while you come towards me..
..This feeling is new to me Give something new to me..
..A new world may be..
..The love that you haven’t seen Will be gifted to you..
..For, just dreams, I will not promise..
The words hidden in my heart Can I accept them like a sweet defeat?
স্মিথা! আসতে দাও! আসো! আসো!
হাই! আমি আস্থি! অলকের বন্ধু। হাই! স্মিথা।
আচ্ছা! চলো! এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে।
বাই! ওকে বাই! আমাদের কি আসলেই যাওয়া উচিৎ?
কালকে কোন সময়ে দেখা করবে? সেটা আজ তুমি আমাকে কয়টায় যেতে দিচ্ছো তার উপর নির্ভর করছে।
তুমি আমাকে কখনো শাড়ি পরতে দেখোনি? না!
আমি তোমাকে কখনো শাড়ি পরতে দেখিনি।
আমি কালকে শাড়ি পরে আসবো, তুমি যদি জলদি আসবে বলে কথা দাও। ঠিক আছে?
বাই! বাই! তোমার প্রিয় রঙ কী?
গোলাপি রঙ। সে গোলাপি রঙের শার্ট পরে এসেছিল স্যার!
আমার ভাই মানসিকভাবে অসুস্থ। সে হয়ত স্বাভাবিক অবস্থায় এসেছিল, কিন্তু সময়ের ব্যবধানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে।
এসিপি ছেলেটার দিকে নজর রাখতে বলেছেন।
সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কি এপার্টমেন্টে কেউ আসেনি?
ঐ মহিলাটি এলাকার কোনো সচ্চরিত্রবান মহিলা না।
তার প্রতিনিয়ত আসার ব্যাপারে কেউ জানে না।
অন্য কেউ আসেনি। শুধু সে এসেছে। এই সপ্তাহে সে দুইবার এসেছে।
প্রথমবার আসার পরে, সে ৫ মিনিট পরেই চলে যায়। দ্বিতীয়বার আসার পরে..
সে ধনী জানার পরেই ঐ মেয়ে তাকে ফাঁসিয়েছে।
বাইরে দাড়াও! আমি তোমাকে আবার ডাকবো!
টাকা গৌরব করার জন্য না, অভিনাষ। এই সমাজে আমাদের পরিবারের সুনাম রয়েছে।
এই কেসটা খুবই বিব্রতকর।
বিশ্বে প্রত্যেক জিনিসের নির্দিষ্ট মূল্য আছে, অভিনাষ। তোমারটা আমি গাঢ় অক্ষরে লিখেছি।
শুয়োরের বাচ্চা উঠ!
খুন হওয়ার সময়, আস্থি ছাড়া, আর কেউই ঘরে প্রবেশ করেনি।
রেজিস্টারে লেখা নাম্বারগুলো সুইচ অফ।
লকআপে থাকা লোকটি একেবারেই সাড়া দিচ্ছে না।
তুমি যাও! আমি এসে সেদিকটা দেখছি।
আস্থিকে পুলিশ স্টেশনে ডেকে আনো, আর তার বিরুদ্ধে একটা FIR ফাইল করো।
প্রত্যেক কিছুর একটা নির্দিষ্ট মূল্য আছে, মানলাম। কিন্তু প্রতিটা জিনিস যে কেউ কিনতে পারে না।
তোমার উপর আমার করুণার মূল্য এটা। তোমার কাজ হয়ে যাবে। যেতে পারো।
হাই! শুভ সকাল! অলক কি কাজে এসেছে?
এখনো আসেনি!
শুভ সকাল ম্যাডাম!
স্মিথা, আমাকে কেমন লাগছে?
সে এসেই তোমাকে বলবে!
..As the cloud sways with winds, every droplet turns into a pearl..
..The bud turns into a flower, and waits to turn into a bee's adulation..
Beyond the ocean, Beyond my emotions,
..Like a dream turning into reality. Did it rain? Did the drops turn into pearl?
Beyond the ocean, Beyond my emotions,
..Like a dream turning into reality. Did it rain? Did the drops turn into pearl?
..Waiting for you at dusk, as love turns into a pearl..
..And it drifts into a silence..
শপিং হয়ে গেছে?
হ্যাঁ!
কী কিনেছ?
এই যে শুনছ!
এখানে কী আস্থি থাকে?
তৃতীয় তলায় থাকে সে!
তার ঘর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবে?
আচ্ছা আসুন!
সে যদি ঘরে থাকে তাকে গিয়ে নিয়ে আসো। আচ্ছা, স্যার!
চারটা জামা!
চারটা? সেগুলো কী কী?
২টা শার্ট আর ২টা প্যান্ট।
তোমার কাপড়গুলো নিশ্চয়ই ভাগ্যবান।
তারা ভাগ্যবান কেন?
তারা পুরো দিন তোমাকে জড়িয়ে ধরতে পারবে।
কেউই দরজা খুলছে না।
এই ব্যাপারে আমার কিছু করার নেই।
দুষ্টু ছেলে!
এতক্ষণ ধরে কি তুই রুমে ছিলি?
তুই কি দরজায় ঠকঠক করতে পারিস না?
রুমের ভিতরে তুই কী করছিলি?
আমি তোকে ৩০টার উপরে কল দিয়েছি। তোর ফোন সুইচড অফ।
প্রজেক্ট তৈরি করছিলাম। ফোন যে বন্ধ সেটা খেয়াল করিনি।
ওহ! আচ্ছা! ইন্সটিটিউট থেকে একবার ঘুরে আয়। পূজা অনেকক্ষণ ধরে তোর জন্য অপেক্ষা করছে।
তার অপেক্ষার ব্যাপারে তুই কীভাবে জানলি?
স্মিথার সাথে চ্যাট করছিলাম, সে বলল এই ব্যাপারে।
স্মিথা? এসব কবে থেকে চলছে?
তুই কি তোর হাত আর মুখ নিজের কাছে স্থির রাখতে পারিস না?
একজন ম্যানেজার তার সম্বলকে কখনো বৃথা নষ্ট করে না।
স্মিথা! পূজা কোথায়?
সে সকাল থেকে অপেক্ষা করছিল, কিছুক্ষণ আগে চলে গেল।
আজকের জন্য তাকে একা থাকতে দাও, সে রেগে আছে।
তাকে কালকে বোঝাতে পারবে। বাই স্যার!
সে কি শাড়ি পরে এসেছিল?
তাকে কেমন লাগছিল?
যার জন্যে সে শাড়ি পরেছে শুধুমাত্র তারই দেখতে ভালো লাগবে..
গুড মর্নিং!
মর্নিং!
হাই! গুড মর্নিং!
আমি ভেবেছি তুমি হয়ত রাগ করেছ। আমি কেন রাগ করবো?
আমি যে তোমার সাথে দেখা করিনি!
তোমার নিজস্ব অগ্রাধিকার আছে, অলক।
তুমি নিশ্চয় সারা রাত ধরে প্রজেক্টের উপর কাজ করেছ।
তোমার ফোন নিশ্চয় চার্জ না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে।
আমি শাড়ি যেকোনো দিন পরতে পারবো।
তোমার অগ্রাধিকার যে ভিন্ন সেটা আমার বোঝা উচিৎ ছিল।
তুমি আমাদের জীবনকে পৃথকভাবে দেখছো কেন?
তোমার সিস্টেম পাসওয়ার্ড কী?
যে মুহূর্তে তোমার পাসওয়ার্ড একটা নতুন মেয়েকে দিবে...
সে আগেরটার ব্যাপারে জেনে যাবে।
তাই, আমাদের মাঝে গোপনীয়তা রয়েছে।
আর যার মানে আমাদের দুজনের জীবনও ভিন্ন।
আমি গতকাল কেন আসিনি এই ব্যাপারে তুমি ঠিকই বলেছ।
আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত!
যারা মিথ্যে বলে আমি তাদের পছন্দ করি না।
আমি মিথ্যে বলছি না, পূজা!
The time alone, That I spent,
..Like I always wished to spend..
..The things you always wished for..
..I’ve always waited for you to say.. In my own way..
..Please find the heart to forgive my heart..
..Will wait for it till eternity..
..I hope you find the heart, I hope it rains forgiveness..
..In the clear blue sky, I hope the drops turn into pearls..
..Beyond the ocean, Beyond my emotions..
..Like a dream turning into reality Did it rain? ..
..Did the drops turn into pearl?
..Beyond the ocean, Beyond my emotions..
..Like a dream turning into reality Did it rain? ..
Did the drops turn into pearl?
ফ্রেশ হয়ে আসলাম।
কোন সাবান ব্যবহার করো তুমি?
মাইসোর স্যান্ডাল সাবান।
তোমার সাবান নিশ্চয় অনেক ভাগ্যবান।
এখন ঘুমাতে যাচ্ছি।
তোমার বিছানা নিশ্চয় অনেক ভাগ্যবান।
আমি ব্ল্যাংকেট ছাড়া ঘুমাতে পারি না।
ওহ ঈশ্বর! এমনকি তোমার ব্ল্যাংকেটও অনেক ভাগ্যবান! আশা করি একদিন আমাকেও তুমি সেই ভাগ্যের ছোঁয়া দিবে।
কীভাবে?
তোমার ছবি পাঠিয়ে।
তুমি কি আমাদের মাঝে সিক্রেট রাখতে চাও? একটা ছবি পাঠাও যা কিছুই লুকাবে না।
তুমি পাঠাও আগে।
হাহাহাহা.. ছোট ভীম!
অলক! আমি তোমাকে অনেক মিস করছি!
আমি তোমাকে শাড়ি পরা অবস্থায় দেখতে মুখিয়ে আছি, পূজা!
আমি তোমার সাথে সময় কাটাতে চাই! আমরা কি তোমার রুমে যেতে পারি?
তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে রুমে!
কে এই মেয়ে?
সে আমার বান্ধবী!
যদি বান্ধবী হয়, তাইলে ঠিক আছে।
ছেলেরা প্রায় সময়ই মেয়েদের নিজেদের বোন হিসেবে পরিচিত করায়!
এটা আমার রুম! অবশেষে.. এখানে আসতে সক্ষম হলাম।
শাড়ি... তোমার জন্য!
শাড়ি? এখানে শাড়ি পরবো কীভাবে?
এইদিকে মালিকের গোডাউনের রাস্তা। সেখানে কেউ থাকবে না।
তুমি সেখানে পাল্টাতে পারবে! ব্যাগটা ধরো।
You’re a miracle.. How do I believe it without getting close?
The desire to get close has increased with time.
Mesmerizing beauty, unfolds in front of my eyes.
My Quivering lip has a lot to say.
I’m slowly losing myself, even breathing has turned into music.
My heart is getting restless, to fulfill its desires.
If you draw me so close to you. How do I survive?
Should we still hide from the world, Till you see the other side of me.
Need a magical touch to free me of this curse..
The flame in your eyes, has started a wildfire in me.
As we spend time together, each moment is colorful.
Heart is a garden now, and so begins my search for the treasure.
তোমার পাসওয়ার্ডটা বলো! আগের গার্লফ্রেন্ডের নাম পাল্টে আমার নাম করে দিবো।
Love You Anu!
আস্থি?!
আস্থি!!
হেই মানাসা! ওর থেকে কীভাবে পাশ কাটাবো?
হাই!
তুমি এখানে কীভাবে আসলে? তোমার কী অবস্থা?
বেশ ভালো আছি! তোমার কী অবস্থা? আমিও ভালো আছি!
তুমি এতদিন কোথায় ছিলে? এটা আমার ছেলে। বেশ কিউট।
বিয়ের পরে আমি আমেরিকায় স্যাটল হয়ে যায়, এখানে এসেছি..
ছুটি কাটাতে। এই মাসের শেষে চলে যাবো।
তোমার কী খবর? আমার কোম্পানি প্রায় রেডি।
একবার বিনিয়োগকারীদের দেখা মিললেই আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না।
আমরা ব্রেক আপ কেন করেছিলাম, আস্থি?
তুমি আমাকে কখনো বিশ্বাস করতে না, সবসময় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাইতে।
এই ধরনের রিলেশন টিকিয়ে রাখা অসম্ভব।
ভেবেছিলাম তোমার চাইতে ভালো কোন মেয়ে প্রাপ্য আমার!
ভালো মেয়ে নিয়ে কথা না, তুমি কখনওই কোনো মেয়ের খেয়াল রাখতে পারোনি।
মিষ্টি ভাষার কথাবার্তা কলেজ জীবনে ভালো শোনায়।
যখন বিয়ের ব্যাপারে কথা উঠতো, তুমি সবসময় পালিয়ে থাকতে।
ভেবেছি কিছুটা হলেও দায়িত্ববান হয়েছ তুমি। কিন্তু এখনো তুমি অলকের উপর নির্ভরশীল।
বন্ধু হিসেবে, এতটুকুই বলতে পারি আমি,
তোমার জীবনের নিয়ন্ত্রণ তোমাকেই করতে হবে।
গুড বাই!
বাই! বাই!
পূজা!
আমরা আবার কবে দেখা করছি?
আজকে থেকে তো সবে শুরু করলাম! আজকের পর থেকে নিয়মিত দেখা হবে।
আমি কি আমার নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারি না?!
তোমাকে বিয়ে না করাটাও তো আমার সিদ্ধান্ত ছিল।
আমেরিকার এক ছোকরার জন্যে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেছো।
তুই কতটুকু মদ গিলেছিস? তুই এত জোরে কথা বলছিস কেন?
অলক, মনে হয় আমি পুরোপুরি তোর উপর নির্ভরশীল। তাছাড়া, তুই ছাড়া আমি কিছুই না।
এটা কি সত্যি?
এটা হয়ত সত্যি। তুই ছাড়া আমি রুমে পর্যন্ত ঢুকতে পারি না।
হ্যাঁ, তুই ভিতরে যেতে পারিস না। কারণ রুমের চাবি আমার কাছে।
উঠ! চাবি ছাড়া তো আমরা ঢুকতে পারবো না। এখানে বস।
মানাসার সাথে দেখা করেছি আজকে।
তুমি মেয়েদের খেয়াল রাখতে পারো না। এমনকি, তুমি নিজে থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারো না।
সে বলেছে তোমার উপস্থিতি একটা অপচয়। আমার?
তোর না। সে এটা আমাকে বলেছে।
আমাকে অপমান করে চলে গেছে সে।
অলক! অলক!!
এটা কি সত্যি? আমি কি কোনো কাজের না?
আস্থি!
নিজেকে প্রমানের জন্য সবাইকে একটা সুযোগ দেয় জীবন।
প্রমান করার সেই সুযোগ আসা অবধি, আমরা কোনো কাজের না।
ওহ সরি মানাসা!
তুমি ঠিকই বলেছ, মানাসা! আমি কোনো কাজের না!
তাকে ২ বছর ধরে ভালোবেসেছি, যখন আমি ফতুর হয়ে গেলাম সে আমাকে ছেড়ে চলে গেলো।
আমি তোর সাথে ৭ বছর ধরে থাকছি। তুই আমাকে ছেড়ে যাসনি কেন?
প্রেমিকদের মধ্যে ব্রেকআপ নামক যে জিনিসটা আছে।
বন্ধুদের মাঝে সে ধরনের কিছু নেই... সেই কারণে।
আজকের জন্য যথেষ্ট দর্শন শিক্ষা হয়েছে। এখন চল।
আমি তোকে অনেক ভালোবাসি!
আমার মত অকাম্য একজনের, ৭ বছর ধরে খেয়াল রাখছিস তুই।
এতদিনে তুই হয়ত বিয়ে করে আমেরিকায় চলে যেতি।
কিন্তু সেরকম কিছুই করিসনি।
আমার সকল সুখে-দুঃখে সর্বদা পাশে আছিস তুই।
এক মিনিট সময় দে!
আমি হয়ত মাতাল হয়ে আছি... কিন্তু আমি যা বলছি শোনো সবাই..
বন্ধুত্ব প্রেমের চাইতে সেরা।
ঘর অনেক পরিষ্কার মনে হচ্ছে!
উচ্ছেদ করো।
আমি আর মদ খাবো না।
তুই আমাকে পরিষ্কারও করে দিচ্ছিস, তুই আসলেই গ্রেট, অলক!
সত্যিকারের বন্ধুত্ব হচ্ছে..... চুপ করে ঘুমা।
আপনারা কী চান?
স্যার! হ্যালো! স্যার!!
স্যার, তার অবস্থা ভালো না..
উঠ!
স্যার, সে পুরোপুরি মাতাল।
কিছু কাপড় পরিয়ে তাকে নিয়ে যাও।
তাকে ঘুম থেকে তোলো এখন!
আমি প্রস্রাব করবো! তোকে স্টেশনে নিয়ে প্রস্রাব করাবো।
আমাদের শুধু একটাই অপরাধ, সেটা হচ্ছে আমরা মেয়ের মন চুরি করেছি।
আমাদের কেন গ্রেফতার করেছেন...বলুন?
অফিসার এসে বিস্তারিত বলবে, অপেক্ষা কর।
গুড মর্নিং ম্যাডাম!
তোমরা সবাই এখানে দাঁড়াও!
তুমি সরকারি ডাটা সেন্টার থেকে গোপন তথ্য হ্যাক করেছ।
যদি তুমি তোমার অপরাধ স্বীকার করে ফাইলগুলো ফেরত দাও, তাইলে ঠিক আছে।
নাইলে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
আমি কোনো ফাইল চুরি করিনি।
আনাঘা! চিফ তোমার সাথে কথা বলতে চান।
তার সাথে কিছুটা রূঢ় ব্যবহার করো, সে কিছু স্বীকার করলে আমাকে জানাবে।
আপনার এটা গভীরভাবে অনুসন্ধান করা উচিৎ স্যার!
গত তিনদিনে অনেক নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়েছে।
কেউ আমাদের সিকিউরিটি ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছে।
কী? আমরা খুব বেশি পরিমাণ ডাটা হারিয়েছি।!
মাই গড! এক্ষুনি সাইবার ইন্টেলিজেন্সকে খবরটা জানাও!
শীর্ষ অগ্রাধিকার কেস! ডাটা সেন্টার হ্যাক করা হয়েছে।
একটা সূত্র ব্যাঙ্গালোর ট্রেনিং ইন্সটিটিউট এর দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আনাঘা! এক্ষুনি চলে যাও! আচ্ছা স্যার!
তোমার সিস্টেম পাসওয়ার্ড কী?
আজকে থেকে তো সবে শুরু করলাম! আজকের পর থেকে নিয়মিত দেখা হবে।
হাই! এসবিবি টিম থেকে পানিশ বলছি।
জ্বি, কাজ ঠিকমত চলছে।
ডিবি টিম টিকেটের জন্য কাজ করছে।
একবার সমাধান হয়ে গেলে, আমরা অগ্রসর হবো।
ধন্যবাদ!
তোমাকেও।
নো পার্কিং!
৭৫০ টাকা জরিমানা।
নো পার্কিংয়ের জন্য আমি ৭০০ টাকা জরিমানা কেন দিবো?
হেই তুমি, তোমার ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে এসো!
তুমি যদি কোর্টে যাও তাইলে এই জরিমানা ৭৫০ টাকা হয়ে যাবে।
এখানে শুধু ৫০০ টাকা দিয়ে চলে যাও।
আমার একটা কল এসেছিল,
তাই আমি গাড়িটা এক পাশে থামিয়ে রেখেছি।
হ্যাঁ! কিন্তু সেটা নো পার্কিং জোনে ছিল।
৭৫০ টাকা দিতে যাও নাইলে শুধু ৩০০ টাকা দিয়ে কেটে পরো।
আমি জরিমানা কেন দিবো?
তুমি যদি কোর্টে যাও তাইলে ৭৫০ টাকা দিতে হবে।
আচ্ছা, শুধু ২০০ টাকা দাও।
আমার কথা বোঝার চেষ্টা করুন!
যদি ২০০ টাকাই দিতে না পারো,
আমি তোমার কথা কেন শুনবো?
নিয়ম ভাঙার আগে তোমার ভাবা উচিৎ ছিল।
স্যার, আমি যথাযথভাবে নিয়ম মেনে চলি।
আমি কখনো ভুল ইউ-টার্ন নিয়ে গাড়ি ঘুরাইনি।
আমি জরিমানা দিবো, এই নিন। আচ্ছা দাও!
রসিদ দিন।
আপনি স্বীকারোক্তি লিখুন, আমি টাকা দিবো।
আমি লিখছি তুমি প্রথমে টাকা দাও।
তোমাকে এত রাগি দেখাচ্ছে কেন পানিশ?
সকাল সকাল ৭৫০ টাকা দিয়ে এসো।
তারপর বুঝতে পারবে।
সেখানে কোনো 'নো পার্কিং' বোর্ড দেওয়া ছিল না।
সৎ লোকের কোনো মূল্য নেই।
আইটি কর্মচারীরা কখনো পুলিশ এবং
চোরদের মত চুরি করবে না।
আমি একটা অপরাধ করার পরিকল্পনা করছি,
যাতে শান্তিতে জীবন স্যাটল করতে পারি।
তুমি চাইলে আমার সাথে যুক্ত হতে পারো।
স্যার!
একজন পুলিশ আপনার খোঁজে এসেছে।
সবেমাত্র পরিকল্পনা করলাম,
তার মধ্যেই কিনা পুলিশ চলে আসলো?
পানিশ!?
হ্যালো! হাই!
আনাঘা! সাইবার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো।
আমাকে এখানে কেন ডেকে আনা হয়েছে জানি না।
প্রিন্সিপালের গোপন ছবি অনলাইনে ফাঁস করার অভিযোগে,
কলেজ থেকে বহিষ্কার হয়েছ তুমি?
আমার সাথে ডিপার্টমেন্ট প্রধানের একটা ঝামেলা ছিল।
ডিপার্টমেন্ট প্রধানের সাথে প্রিন্সিপালের যে সম্পর্ক আছে তা আমার জানা ছিল না।
তুমি লিং বাসাইয়া নন্দীমুত্তা'র ব্যাংক একাউন্ট থেকে..
টাকা নিয়ে নিজের একাউন্টে ট্রান্সফার করেছ।
সেই ব্যাপারে তোমার নামে কোনো কেস করা হয়নি,
কারণ সে কোনো নালিশ করেনি।
বাবার কাছ থেকে টাকা নেওয়াটা কোনো অপরাধ না।
লিং বাসাইয়া আমার বাবা,
তাই তিনি কোনো নালিশ করেননি।
কিন্তু, ঘরে বেশ ভালোভাবেই বকা দিয়েছেন আমাকে।
আইআরসিটিসি?
তাদের এলগরিদমে একটা ত্রুটি ছিল।
আসলে তারা তাদের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার ব্যাপারে জানতোই না।
যতক্ষণ না আমি তাদেরকে বলেছি।
এসব কিছু আমি আর করি না।
আমি একজন বদলে যাওয়া মানুষ।
আমাকে এখন গ্রেফতার করবে কেন?
তোমাকে গ্রেফতার করবে না।
আমরা একটা কেস তদন্ত করছি..
...সেটায় তোমার সাহায্য লাগবে।
আমার করা ভুলভ্রান্তিগুলোই যে আমার যোগ্যতা...
হিসেবে রূপান্তরিত হবে তা জানা ছিল না।
সরি!
আসো! সরি!
মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের এপয়েন্টমেন্ট আছে আমার।
আপনি কি মিস. আনাঘা?
হ্যাঁ!
দিল্লি ইন্টেলিজেন্স, লোকাল পুলিশ ফোর্সকে
তোমাকে সহায়তা করার অর্ডার দিয়েছে।
কিন্তু আমি কোনো তথ্য জানা ছাড়া সেটা করতে পারি না।
আমার হাতে সময় কম, তাই জলদি করো।
অবশ্যই স্যার!
কেসের ব্যাপারে আপনাকে খুব দ্রুত ব্যাখ্যা করবো।
২০০৯ সালে, ভারতীয় সরকার,
প্রত্যেক নাগরিক থেকে নাম, ঠিকানা, ছবি...
প্রতিটা আঙুলের ছাপ,
চোখের আইরিশ সংগ্রহ করেছেন।
যাতে সুধার প্রোগ্রামের মাধ্যমে সবাইকে
একটা আদর্শ পরিচিতি দেওয়া যায়।
এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ভুয়া আইডি দমন করা।
আচ্ছা, সুধার কি জিনিস তা আমি জানি, এরপর থেকে বলো।
সবাই এই ব্যাপারে জানে।
আপনি যে জানেন সেটা আমিও জানি।
আপনার যাতে বুঝতে কষ্ট না হয়, তার জন্যই বলছি।
যাতে এই কেসের ক্ষতি সম্বন্ধে বিশ্লেষণ করতে পারেন।
ক্ষতি? বিশ্লেষণ? তুমি কী বোঝাতে চাচ্ছো?
আমি বুঝাচ্ছি!
আমরা একজন ব্যক্তিকে চেনার জন্য
সকল জরুরি তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো একটা ফাইলে সংরক্ষণ করি।
ফাইলটার একটা নাম্বার দেওয়া হয়,
আর সেই নাম্বারটাই হল সুধার নাম্বার।
জুলাই ২০১৬ পর্যন্ত, আমরা ১০০ কোটিরও বেশি
সুধার নাম্বার ইস্যু করেছি।
যখন অন্যান্য দেশের সাথে তুলনা করি,
আমরা আদর্শ পরিচিতি ইস্যু করায় সবার উপরের তালিকায় আছি।
দুর্ভাগ্যবশত, সকল ফাইল
চুরি হয়ে গেছে।
কী?
তুমি কি সত্যি বলছো?
এটা বিশ্বের সবচাইতে বড় ডাটা চুরির ঘটনা।
স্যার!
মন্ত্রীর সাথে মিটিংয়ের সময় হয়ে গেছে।
মিটিং ক্যান্সেল করে দাও।
কাউকে ভিতরে আসতে দিবে না, যাও!
তুমি কি জানো সরকার থেকে যে টাকা আছে,
তা যে সবার কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হয়?
চুরি হয়েছে বলতে তুমি কী বুঝাতে চাচ্ছো?
আমি যে ফাইল চুরির কথা বললাম,
সেটা কোনো সাধারণ ফাইল চুরির খবর না।
তাইলে?
ডাটা চুরি মানে..
ধরুন এই ফাইলগুলো হচ্ছে ডাটা।
র্যাকে রাখার মত কম্পিউটারে এসব ফাইল স্টোর করে রাখা হয়।
হ্যাকার সব ফাইল কপি করেছে।
সেগুলো অন্য কোথাও স্টোর করে রেখেছে।
এখন, যেহেতু উভয় ইনফরমেশন ফাইল একই
কোনটা আসল আর কোনটা নকল সেটা বুঝতে পারছি না আমরা।
আপনার হাতে যে ইনফরমেশন আছে,
একই ইনফরমেশন র্যাকেও রাখা আছে।
এত সুরক্ষিত অবকাঠামো থেকে
তারা কীভাবে চুরি করবে এসব?
তাদেরকে এসব জিনিস পায়ে হেঁটে চুরি করতে হবে না।
যেকোনো একটা রুমে বসেই তারা এসব চুরি করতে পারবে।
রুমটা হয়ত ভিন্ন কোনো শহরে,
এমনকি ভিন্ন কোনো দেশেও হতে পারে।
অন্য কোনো স্থান থেকে পরিচিতি চুরির ঘটনা...
লোকজন কীভাবে বিশ্বাস করবে?
আজকের দিনে, আমরা খাবার এবং মুভি অনলাইনে বুকিং করি,
টাকার ট্রানজেকশনও অনলাইনে করি।
সিনেমার টিকেটও অনলাইনে বুকিং করি,
যখন আমাদের সমগ্র কিছুই ইন্টারনেটের সাথে জড়িত, অবাক হওয়ার কিছু নেই যে
অপরাধও এখন অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গেছে।
তার কাছে ইনফরমেশন থাকলে কি কোনো ঝুঁকি আছে?
এটা কোনো সমস্যার কারণ হয়ে দাড়াবে কেমনে?
৯৫% ঝুঁকি আছে।
গ্লোবাল অর্থনীতি এখন ৯৫% অনলাইনভিত্তিক।
ডেমোনেটাইজেশনের পর থেকে সেটা ১০০% এ এসে পৌঁছেছে।
ইন্টারনেটে, আমরা কোনো মানুষ না।
শুধুমাত্র ইনফরমেশন।
আমাকে নিয়ে উদাহরণ দিই, আমার নাম,
বয়স, ইমেইল আইডি, কোন স্কুলে পড়েছি..
...কোন কলেজে পড়েছি,
কোথায় কাজ করি...
আমার ঘর কোথায়?
গাড়ি নাম্বার কত?
আমি কি নিরামিষভোজী?
নাকি আমিষভোজী?
কত টাকা কামাই করি?
কত টাকা লোন নিয়েছি?
আমার শার্ট সাইজ, প্যান্ট সাইজ,
সেই সাথে জাঙিয়ার সাইজ কত।
প্রত্যেক কিছুর তথ্য অনলাইন প্রোফাইলের
একটা ফাইলে আছে।
শুধু আমারটা না, আমাদের সবারটাই আছে।
যদি কোনো টিম এসব কিনতে আগ্রহ দেখায়,
অন্য আরেক টিম এসব বিক্রি করতে এগিয়ে আসে।
টেকনিক্যাল টার্মে, একেই 'বিগ ডাটা' বলে।
ফ্লিপকার্ট আর আমাজন, এই কোম্পানিরা
এসব ইনফরমেশন ব্যবহার করে ব্যবসা করে।
ইনফরমেশন কেনা বেচা করা সম্পূর্ন বৈধ।
কিন্তু, সরকার লভ্যাংশ পাঠায়
সুধার নাম্বারে যা কিনা ব্যাংক একাউন্টের সাথে সম্পর্কিত।
এটা জটিল বিষয়!
একবার ভেবে দেখুন, যদি একজন চোর এসব ইনফরমেশন
সকল একাউন্ট থেকে ১ টাকা করে চুরি করে।
আমাদের তো ১০০ কোটি জনসংখ্যা।
অনেক লোক তাদের কালো টাকা অন্য কোথাও জমা করে রেখেছে।
আর, এই ধরনের একাউন্টেগুলোর
আঙুলের ছাপ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
চোর যদি কালো টাকার মালিকদের টার্গেট করে থাকে?
যদি এক টাকাও হারায় তারা কেউই নালিশ করবে না।
কালো টাকার মালিকরা চুপচাপ বসে থাকবে।
ইনফরমেশনই টাকা, এটা চুরি হতে পারে।
আর একবার চুরি হলে, বিক্রিও হতে পারে।
এসবের জন্য ইন্টারনেট দুনিয়ায় বিরাট মার্কেট রয়েছে।
এটা আবার কী ধরনের মার্কেট?
এটা একটা অদ্ভুত মার্কেট।
কেউ পরিশ্রম করে আর কেউ সেই পরিশ্রমের ফল ভোগ করে।
আমাদের কাজ হল মালামাল সরবরাহ করা।
তার শেভিং, তার ওয়াক্সিং।
বাবা বিদ্যুৎ বিল দেয়, মা তরকারি কিনে।
দাদা তার শেষ দিনগুলোর প্রহর গুনছেন।
দাদি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
জামাই দুবাইয়ে শিফট হচ্ছে,
যদিও তার বউ ম্যাঙ্গালোরে থাকে।
তারা ২৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার মাধ্যমে
কাছাকাছি আসছে।
তাদের প্রতি মুহূর্তের অনলাইন ইনফরমেশন,
আমাদের জন্য টাকা কামাইয়ের সোপান।
প্রত্যক্ষভাবে কিংবা পরোক্ষভাবে ইনফরমেশন আহরনের চেষ্টা করো,
যদি তা না পারো, তাইলে চুরি করো।
ইয়েস বস!
তোমরা আমাদের কাছ থেকে কিছু লুকোতে পারবে না,
আমরা প্রতিনিয়ত নজর রাখছি।
পিঠের ব্যথার জন্য ম্যাসেজ!
পিঠের ব্যথার জন্য স্প্রে...
পিঠের ব্যথার জন্য কোল্ড প্যাকস।
কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যথা সেরে যাবে।
চুল পড়ার জন্য গ্রিন টি।
কাজুবাদামের তেল! কাজুবাদামের তেল!!
পেট পরিষ্কারক!
মেকআপে অন্ধবিশ্বাসী! চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ!
সেলফি ক্যামেরা গ্রাহক।
যারা বাইরের খাবার নিয়মিত খায়, গ্যাস্ট্রাইটিস এর কারণে...
কার্ডিওলোজিস্টের কাছে অতিশীঘ্রই দেখা করতে যান।
চেন্নাইয়ে নিহিত রয়েছে,
সাপ্তাহিক ছুটিতে এখানে থাকবে, সপ্তাহের কর্মদিবসে সেখানে থাকবে।
যারা অনেকবার ভ্রমণ করেন,
সমঝোতা করতে তারা মেয়েদের প্রয়োজন হয়।
সানস্ক্রিন কোম্পানি,
আচ্ছা, বস!
আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ ব্যাংক,
- এই পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। - ধন্যবাদ!
আমার একাউন্ট থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা হারিয়ে গেছে।
এদিকে আসুন, সংগীতা রাজন।
আমিও প্রায় এক লক্ষ টাকা হারিয়েছি।
মনোযোগ সহকারে শুনুন, কিছু কিছু জিনিস যা দেখা যায়
কিন্তু ধরা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এটা তো হারিয়ে যাওয়া কেস।
দুজনে তো একই পণ্য বিক্রি করি,
তবুও মানুষ কেবল তার থেকে কিনে নেয়?
ব্যবসা তো আর চিনাবাদাম বিক্রির মতো নয়।
তোমার ডাটা থাকতে হবে।
ডাটা মানে?
তোমায় বললেও বুঝবে না।
দাঁড়াও, সঠিক ডাটা এনে দিচ্ছি তোমাকে।
দাঁড়াও! যত টাকা চাইবে দিবো।
তোমার সাথে আমাকে নিয়ে যাবে?
টাকা লাগবে না।
তোমার ডাটা দিবে?
ঠিক আছে, দিবো।
এসো।
ইনফরমেশন, ইনফরমেশন! ডাটা!
এটা হচ্ছে ডিপ ওয়েব, যোগাড়কৃত বিক্রিত ডাটা...
আমরা কিনে এনে এখানে পরস্পরের মাঝে বিনিময় করি।
যেকোনো দেশের ফেইক পাসপোর্ট, ভিসা, গ্রিন কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স,
এখানে আমরা অরিজিনালের মতই পেয়ে থাকি।
এখানে সব ধরনের অস্ত্র পাওয়া যায়।
অনলাইনে তুমি বিট কয়েনের মাধ্যমে সেটা অর্ডার করতে পারো।
চাইলে মানুষও হত্যা করাতে পারো,
কে করেছে সেটা কেউ জানবে না।
নেশা করা শুধুমাত্র একটা ক্লিকের ব্যাপার।
তোমরা যারা একে অপরকে নিজেদের নগ্ন ছবি আদানপ্রদান করো,
সেটা আমাদের সামনেই হয়।
ওখানে যেতে দিতে পারবো না।
এটাকে এড়িয়ে চলো।
ভেতরে কী হচ্ছে?
কথা শোনো, এটাকে এড়িয়ে চলো।
কী হচ্ছে আমি দেখতে চাই।
এদিকে নয়, এসো দেখাচ্ছি।
রেড রুম, এখানেই নিলামের সকল কার্যকলাপ ঘটে।
ওরা সবাই সাইকোর দল।
এটা মানুষ পরীক্ষার রুম।
একজন লোক মানুষদের অপহরণ করে তাদের কাছে এনে দেয়।
এই লোকগুলো আদেশ করে ওই লোকের হাত, পা, কব্জি কাটার।
যার নিলামে বেশি বিট কয়েন হবে সে তার আদেশ মান্য করবে।
তারা এটি লাইভ দেখে ভালোমত উপভোগ করে।
আরেকটি ভিডিও লাইভে আছে।
মাথা! মাথা! মাথা! মাথা! মাথা!
আমরা সবাই ভালো হয়ে জন্মাই,
কিন্তু সিস্টেমই ধীরে ধীরে আমাদের ধর্মনীতিকে একদম নষ্ট করে ফেলে।
আমার ১৫ বছরের প্রশাসনে,
কেউ কখনো প্রতারিত হয়নি।
রাজনীতিবিদরা কোটি কোটি টাকা হারালে ঠিক আছে,
কিন্তু সাধারণ মানুষেরা যাতে কানাকড়িও না হারায়।
প্রয়োজন হলে পুরো পুলিশ বাহিনী ব্যবহার করো।
কিন্তু ওই ডাটা যেকোনো মূল্যে ফেরত চাই।
অবশ্যই স্যার!
ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন একজন আমাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
মারো তাকে!
আবার মারো!
স্যার!
মেয়েটিকে খুন করলে কেন?
কথা বল!
আমি তাকে কোনো উদ্দেশ্যে মারিনি।
সর্বোচ্চ নিলাম ছিল খুন করার জন্য।
তাই, করেছি খুন।
খুন হয়েছে অনেক দিন হয়ে গেল।
একটা অভিযোগ করতে এত সময় লাগলো কেন?
ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আমি ঘর থেকে বের হতে পারিনি।
ভিসিটরের লিস্টে আস্থি ছাড়া,
অন্য কারো নাম নেই।
খুনের দিন যে এই লোকটিকেই দেখেছ,
এতটা নিশ্চয়তার সহিত কীভাবে বলছো?
লোকটিকে পাশের ফ্ল্যাটে প্রায় সময় আসতে দেখতাম।
হত্যার দিন তাকে অনেকবার দেখেছিলাম।
তাছাড়া, আস্থি আমার বাসায় এসেছিল।
আস্থির সাথে কী সম্পর্ক?
দুজন দুজনকে পছন্দ করি।
সে এখন কী করছে?
জানি না, স্যার।
ওইদিন শেষ দেখা হয়েছিল।
ওইদিন থেকে ওর ফোনও বন্ধ।
স্যার, ইন্সপেক্টর এখন অন্য ছেলেটিকে খুঁজছেন?
উনি কি কখনো সঠিক অপরাধীকে ধরেছেন?
শুরু করা যাক!
বড় ডাটার গতিবিধি সম্পর্কে প্রথম সুরাহাটি হলো...
ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দিকে ইঙ্গিত করছে।
৩রা আগস্ট, ডাটা সেন্টারে একটি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল,
একজন কর্মীর ল্যাপটপ থেকে।
সেই কর্মচারী ২রা আগস্ট কফি পান করার সময় কফি শপে অজ্ঞান হয়ে যান।
কেউ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়,
কিন্তু, তার ল্যাপটপ সেখানে থেকে যায়।
পরেরদিন সে তার ল্যাপটপ ফিরে পায়।
সুতরাং এই তিনটি ডট যখন যুক্ত করি,
সব সন্দেহের তীর অলকের উপর পড়ছে।
এটাই।
তার কফিতে নিশ্চয় ঘুমের ঔষধ মিশিয়েছে,
তারপর ল্যাপটপে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিয়েছে।
কর্মী যখন তার ল্যাপটপ ডাটা সেন্টারে সংযোগ করে, ঠিক তখনই ভাইরাসটি ছড়ায়।
কর্মী নিজেই যদি এই ভাইরাসটি সৃষ্টি করে থাকে?
তার প্রযুক্তিগত দক্ষতা আর এই ভাইরাস ডিজাইনের সাথে..
কোনো ধরনের সামঞ্জস্য নেই।
যাইহোক, আমাদের তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
তাইলে তুমি কেবল অলককেই সন্দেহ করছো।
কোনো সহযোগিতামূলক প্রমাণ আছে?
কোনো প্রমাণ নেই।
তবে তাকে একবার বোকা বানিয়ে,
তার পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিয়েছি।
অনেক খোঁজাখুজির কয়েকটি সম্ভাব্য সুরাহা পেয়েছিলাম! এই আর কি।
সাধারণত ভৌত মাধ্যমে চুরির ডাটাগুলো থাকে।
যেমন ডিভিডি, হার্ড ড্রাইভ, সিডি।
ওর রুম, কাজের জায়গা, কফি শপ, প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট,
সবখানে খুঁজেছি...
কিছুই ছিল না।
ডিজিটাল মাধ্যমে থাকতে পারে। যেমন ক্লাউড, ড্রাইভস...
ইমেইল, তাহলে আমি এগুলোতে খোঁজা শুরু করি।
ঠিক! বাকি তথ্য এই ফাইলে রয়েছে।
ধন্যবাদ!
আমি যখন কাজ শুরু করি তখন মেয়েটির বাবা-মাও কাজ শুরু করেনি,
আর সে কিনা আমাকে দরজার বাইরে...
কুকুরের মতো...
দাঁড় করিয়ে রাখছে।
সবকিছুর একটি নির্দিষ্ট মূল্য রয়েছে।
অপ্রয়োজনীয় কিছু কেউ চুরি করবে না।
নিশ্চিত তুই অত্যন্ত মূল্যবান কিছু চুরি করেছিস,
নয়তো দিল্লি থেকে মেয়েটি এখানে এত পথ পেরিয়ে আসতো না।
বল...
কী চুরি করেছিস?
অভিনাষ!
এসব থামাও।
অভিনাষ যথেষ্ট হয়েছে।
সরি, ম্যাডাম!
শুনতে পাইনি।
এখনো বলছে কিছু চুরি করেনি।
অন্তত তুমি তাকে দিয়ে এটা তো বলাতে পেরেছ।
দারুণ! এখন বাইরে গিয়ে অপেক্ষা করো।
তোমাকে এই অবস্থায় খুব খারাপ লাগছে আমার।
কিন্তু এমন পরিস্থিতির জন্য তুমি নিজেই দায়ী।
যত তাড়াতাড়ি ডাটা সমর্পণ করবে,
তাতে তোমার মঙ্গল হবে, অলক।
আমার কাছে কোনো ডাটা নেই।
অনেকগুলো কারণ আমাকে এটা বিশ্বাস করতে বাধ্য করছে না, অলক!
ভাইরাস সংক্রমিত ল্যাপটপটি...
ওইদিন অবধি তোমার সাথেই ছিল...
এর প্রমাণ হিসাবে আমাদের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে।
এই কেসকে তুমি কীভাবে দেখো সেটা কোনো ব্যাপার না,
তুমি একেবারে এর কেন্দ্রস্থলে চলে এসেছ।
তোমার হাতে তেমন বিকল্প পথ নেই।
হয়, নিজেকে অপরাধ স্বীকার করো
নয়তো, এখানে মার খেতে থাকো।
কয়েকটি কাকতালীয় ঘটনা...
আমাকে অপরাধী বানাতে পারবে না।
আর,
কোনো প্রমাণ ছাড়া,
তুমি আমাকে তত্ত্বাবধানে খুব বেশি দিন রাখতে..
পারবে না।।
কে বলেছে এটা পুলিশ তত্ত্বাবধান?
কেউ জানেই না যে তুমি জিজ্ঞাসাবাদের অধীনে রয়েছ।
আর এটাও জানি যে তোমার খোঁজে কেউ আসবে না।
পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী তুমি একজন নিখোঁজ লোক।
আমরা নিখোঁজ ব্যক্তিদের অনুসন্ধান করে থাকি...
মৃত ব্যক্তিদের নয়।
সবসময় সম্ভ্রান্ত জীবন করাই তোমার ইচ্ছে ছিল।
তুমি যেকোনো কিছুই করতে পারতে।
তাইলে তুমি এটা করতে গেলে কেন?
কে জানতে চায়?
পূজা নাকি আনাঘা?
পূজা যা যা করেছে সেগুলো সব ভুয়া,
তুমি যদি সেই ঘটনাকে সত্য মনে করে থাকো...
তাইলে সেগুলো শুধুমাত্র তোমার ভ্রম ছিল।
ছোটবেলায় আমার বাবা-মা মারা যায়।
আমি আশ্রমে বেড়ে উঠি।
লেখাপড়ায় ভালো ছিলাম তাই আমার পছন্দের বিষয় ছিল গণিত।
ইঞ্জিনিয়ারিং করার উদ্দেশ্যে আমি ব্যাঙালোরে পাড়ি জমাই।
গ্রাম্য পরিবেশ থেকে নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়।
এখানে সবাই নতুন কাপড় আর কেডস জুতা পরতো।
বিরক্তিবোধ করলে ওরা প্রায়ই মাল্টিপ্লেক্সে যেতো...
ক্রিকেট খেলার বল দিয়ে খেলতো,
আর প্রত্যেকদিন নতুন নতুন রেস্টুরেন্টে তাদের আনাগোনা থাকতো।
বিরক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে তারা ফোন অদলবদল করতো,
আর বাইক বদলাতো পছন্দের বিভিন্ন রঙের।
আমার দৃষ্টিতে, তাদের জীবন ছিল উপভোগের।
কিন্তু আমার জীবন ছিল হিসাবের।
মেনুতে তাকানোর সাহস ছিল না, ক্ষিধের জ্বালায় খাবার অর্ডার দিতে পারতাম না।
এমন দামি কাপড় আর জুতোর কেনার মতো বাজেটে ছিল না আমার।
হাসপাতালে থেকে যদি ফিরে আসি,
সেটা সুস্থ হয়ে যাওয়ার আনন্দে নয়,
অতিরিক্ত খরচের ভয়ে।
প্রথম দিকে, এসব কিছু এতটা গুরুত্ববহন করেনি।
কিন্তু ধীরে ধীরে আপদগ্রস্ততা আমাকে গ্রাস করে ফেলে।
আর তখনই শিবানি আমার জীবনে প্রবেশ করলো।
তার বাবা ছিল একজন বড় ব্যবসায়ী।
সে তাদের একমাত্র মেয়ে।
কিছু কারণে সে আমাকে অনেক পছন্দ করতো।
প্রতিনিয়ত তার সাথে আমাকে ঘুরতে নিয়ে যেতো,
দামি কাপড় কিনে দিতো, দামি রেস্তোরায় খাবার খাওয়াতো।
যে উদযাপন আমি দূর থেকে থেকেছি।
তা আমার জীবনের অংশ হয়ে গিয়েছিল।
যতক্ষণ পর্যন্ত সে পাশে ছিল, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো উদ্বিগ্নতা ছিল না।
যখন সে চলে গেল, জীবন ঠিক আগের অবস্থায় চলে আসে।
শিবানি বিলাসী কিছু ছিল না,
সে ছিল মনের শান্তি।
এটাই হচ্ছে আমার এবং তাদের জীবনের মাঝে পার্থক্য।
তাদের কাছে সর্বদা বিকল্প পথ আছে।
কিন্তু আমার হাতে কোনো বিকল্প পথ ছিল না।
আমার কাছে যা ছিল তার মাধ্যমেই কিছু একটা করতে হতো।
এমনকি তাদের চাইতে বেশি পরিশ্রম করার পরেও,
আমার হাতে বিকল্প পথ ছিল না।
সেই জন্যে...
জীবনের এমন একটা শিখরে পৌঁছাতে চাচ্ছিলাম, যেখানে বিকল্প পথ বাছাই করতে পারবো।
আর শুধুমাত্র সেটাই করেছি।
খারাপ এবং ভালোর মাঝে, তুমি খারাপকেই বাছাই করবে,
ন্যায়বান লোকদের যাতে ক্ষতি না হয়, সেই পথটাই বেছে নিয়েছি আমি।
তুমি আমাকে গ্রেফতার করোনি, আনাঘা!
এখানে নিজের ইচ্ছাতেই এসেছি আমি।
এখানে থাকার সময়কালও আমি নির্ধারণ করবো।
তুমি কী বলতে চাচ্ছো?
বলতে চাচ্ছি যে, আমি যে চোর সেই ধারনাটা
শুধুমাত্র তোমার ভ্রম, আনাঘা।
আমাকে চোর প্রমাণ করতে হলে
আমার বের হওয়ার আগে তোমাকে ডাটাগুলো সংগ্রহ করতে হবে।
আমার কলেজ ডিগ্রি এবং কলেজের পরে
করা চাকরির মাঝে কোনো সামঞ্জস্য নেই।
৩ বছরে এমন এক অবস্থানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করলাম,
যে অবস্থানে সৎপথে কাজ করে পৌঁছাতে ১৫ বছর লেগে যাবে।
শর্টকাট উপায়ে সফলতা লাভ করতে একটা চাবির প্রয়োজন,
সেই চাবির খোঁজ পেলাম, এবং সাদরে গ্রহণ করে নিলাম।
আমি সেই কফি শপে যুক্ত হই যেখানে তার নিয়মিত আসা যাওয়া হতো।
স্টেপ ১ - ঘাড় ঘোরানো
তার লগইন এবং সিস্টেম পাসওয়ার্ড লাগছিল আমার।
টেবিলের এই সাইড রিজার্ভ,
যদি কিছু মনে না করেন, আপনি কি শেষের টেবিলে বসবেন?
আচ্ছা, বসছি!
ধন্যবাদ!
ডাটা সেন্টারের নেটওয়ার্কে প্রবেশের
সব পাসওয়ার্ড পেয়ে যাই।
স্টেপ ২ - তার ল্যাপটপ নিতে হবে।
স্টেপ ৩
ওয়ার্ম ইনজেক্ট করা।
এক্সিউজ মি, গতকাল... আমার ল্যাপটপ...
চিন্তা করবেন না, সেটা নিরাপদ আছে।
এটা যথাযথ স্থানেই ছিল,
তারপর তুমি আসলে আমার জীবনে।
তুমি যদি আমার জন্মদিন সম্বন্ধে আন্দাজ করতে পারো, আমি তোমাকে সারপ্রাইজ দিবো।
এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
পূজা, আমার প্রেমিকা।
তার আসল নাম হচ্ছে আনাঘা।
যখন সবকিছু ঠিকমত চলছিল,
পুলিশ আমাকে ট্র্যাকিং করা শুরু করে।
তুই এখানে কি করছিস?
পুলিশ স্টেশনে চল।
কেন স্যার? ৩টা কেস আছে।
তার মধ্যে যেকোনো একটা তোর নামে আছে।
পালিয়ে যাওয়ার কোনো মানে ছিল না।
তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে রুমে!
Love you Anu!
ভাবলাম তোমার পাশে সর্বক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবো।
এমনকি তুমি যদি বুঝতেও পারো আমি চোর...
তাদের কিছু করার থাকবে না।
তামাশা সবেমাত্র শুরু হলো।
সে কীভাবে জানলো আমি যে পুলিশ?
পানিশ! তুমি যদি অপরাধী হতে,
ডাটা কোথায় লুকিয়ে রাখতে?
পারসোনাল কম্পিউটারে কখনো রাখতাম না।
ফিজিক্যাল হার্ড ড্রাইভ? সেখানে রাখার প্রশ্নই উঠে না।
কর্মক্ষেত্রে. . অবশ্যই না।
বন্ধুর কাছে, খুব সম্ভবত একজন বন্ধুর কাছে রাখতাম।
হ্যাঁ, তার এক বন্ধু সাইবার ক্যাফেতে কাজ করে।
তুমি সেখানে চেক করে দেখতে পারো।
হ্যাঁ!... রমেশ!?
রমেশ! সাইবার ক্যাফেতে যাও,
সকল কম্পিউটার জব্দ করে এখানে নিয়ে আসো।
ঠিক আছে ম্যাডাম!
আনাঘা, আমাদের আরো একটি জায়গায় চেক করা উচিৎ।
কোথায়?
আসো।
হেই! সে একজন পুলিশ।
পুলিশ? পালা, পালা।
তোমরা কি ভগবানকেও গ্রেফতার করবে এখন?
কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিডি কি এসেছে?
গত দুই মাসে? কিংবা গত দুই সপ্তাহে?
বিদেশি নাকি ইন্ডিয়ান?
সেগুলো না।
যেটায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে।
ডাটা স্নিফার প্রোগ্রাম এবং ওয়েব ক্রলার বুট চালু করেছি।
ডাটার অনুরূপ কিছু থাকলে, আমরা সাথে সাথেই তথ্য পেয়ে যাবো।
চেষ্টা করছি আমি।
আগস্টের ৪ তারিখ থেকে তার গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত,
তার ফোন নেটওয়ার্ক চেক করো।
প্রত্যেক এলাকার সব সাইবার ক্যাফেতে যাও যেখানে তার ফোন নেটওয়ার্ক..
দেখায় আর সে লগইন করেছে কিনা সেটাও চেক করো।
সে অবশ্যই তার আইডি প্রুফ দিয়েছে, তা খুব সহজেই জানতে পারবে।
তার ব্যবহৃত সকল সিস্টেম লাগবে আমার।
সবকিছু জব্দ করে স্টেশনে নিয়ে আসো।
যাও, কোনো কিছু ফেলে আসবে না, সবকিছু সাথে করে নিয়ে আসবে।
স্যার প্লিজ স্যার, আপনি কী করছেন স্যার?
ভাই! পুলিশ এসেছে।
স্যার, এটা টিভি।
তারা আমাদের সকল কম্পিউটার নিয়ে যাচ্ছে। জলদি আসো।
কোনো সুরাহা?
না।
টরেন্টে কিছু মুভি আপলোড করা ব্যতীত, অন্য কিছু আপলোড করেনি সে।
আনাঘা, এখানে একটা মুভির নাম,
বিছানার চাদরের উদয়?
আমি কান্নাড়া মুভি দেখি না।
টমেটো পুষ্পা,
সকালে বীজ বুনে, রাতে পেকে যায়।
এই কারণেই আমি কান্নাড়া মুভি দেখি না।
তুমি কান্নাড়া মুভি দেখো না সেটা ঠিক আছে।
এখানে একটা মুভির নাম গুলটো, সেটা তোমাকে দেখতেই হবে।
কি?
জলদি আসো।
তোমার ছবি, ভিডিও ক্লিপ, কণ্ঠস্বরের ক্লিপ...
সবকিছু একটা ভিডিওতে মিশ্রিত করেছে আর সেটা টরেন্টে আপলোড করেছে।
কিন্তু কেউ টরেন্টে এটা আপলোড করতে যাবে কেন?
কোনো আইডিয়া নেই। -'স্যার'!
হ্যাঁ, বলো রমেশ!
স্যার, আমরা কম্পিউটার নিয়ে এসেছি।
আচ্ছা, ভিতরে নিয়ে আসো।
আমরা যদি সেগুলো এখানে আসি, পুরো অফিস ভর্তি হয়ে যাবে।
কী বলছো রমেশ?
দেখাও আমাকে।
ওহ ঈশ্বর! এতগুলো কম্পিউটার?
জ্বি স্যার!
তার মনের শান্তির জন্য,
সে আমাদের মনের শান্তি নষ্ট করছে।
অভিনাষ!
অভিনাষ!
তুমি সবসময় কুকুরের মত বাইরে দাঁড়িয়ে থাকো কেন?
বসো। তোমার সাথে কথা আছে।
সবকিছুর যদি একটা নির্দিষ্ট মূল্য থাকে।
তাইলে তোমারও একটা নির্দিষ্ট মূল্য থাকবে।
আমি যা বলবো তুমি যদি তা করো,
তোমাকে এত বিরাট পরিমাণ টাকা দিবো...
যা তুমি জীবনে দেখোনি।
কী করতে হবে আমার?
CH100-00-2300-A10
আমার বলা ব্যক্তির কাছে এই নাম্বারটা বলবে।
তারপর কী করতে হবে আমায়?
তারপর কিছুই করতে হবে না তোমার,
সে নিজেই আমার কাছে ছুটে আসবে।
তুই আমার একাউন্ট নাম্বার জানলি কীভাবে?
যদি শুধু একাউন্ট নাম্বার জানতাম তাইলে তেমন কিছুই হতো না।
কিন্তু সেটায় যে দুই হাজার কোটি টাকা আছে সেটা আমি জানি।
তুই কে?
রাজ্যের সবচাইতে বিশ্বস্ত রাজনীতিবিদ,
২০০০ কোটি টাকা লুকিয়ে রেখেছে।
এসব কথা বাদ,
কাজের কথায় আয়।
বল তুই কী চাস?
কয়েক বছর আগে, একজন ইতালিয়ান ব্যক্তি সুইস ব্যাংকের..
দেড় লক্ষ ক্লায়েন্টের তথ্য চুরি করেছিল।
তার মাঝে ৪০০০ একাউন্ট ছিল ইন্ডিয়ানদের।
সে সেইসব লোকদের আঙুলের ছাপ চাচ্ছে।
আপনারটা সহ।
জানি না এতে তার কী লাভ হবে।
কিন্তু সে আমাকে এই আঙুলের ছাপগুলোর জন্য অত্যধিক পরিমাণ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
আপনার আঙুলের ছাপ যদি তার কাছে পৌঁছাতে না চান,
তাইলে আমাকে এই কেস থেকে রক্ষা করতে হবে।
হাতে থাকা রক্তের দাগ লুকানোর জন্য খাদি পোশাক পরেছি আমি।
আমি রাজনীতি এখন থেকে শুরু করিনি...
আমার রক্তে জন্ম থেকেই রাজনীতি মিশে আছে।
তোর মত বহু লোকেদের বশ মানিয়ে,
১৫ বছর যাবত রাষ্ট্র শাসন করছি।
কারো কাছে আমার কৃতকর্মের এক বিন্দু প্রমাণও নেই।
আমার এলাকায় এসে আমাকেই হুমকি দিচ্ছিস তুই,
বিশেষত যখন তুই আমার পুলিশ তত্ত্বাবধানে আছিস।
আপনার পুলিশ তত্ত্বাবধানে থেকে আপনাকে এতদূর নিয়ে এসেছি, স্যার!
একটা টোপ ছোট মাছ এবং হাঙর উভয়কেই প্রলুব্ধ করে,
কোন মাছ টোপ গিলেছে তীরে থাকা লোকজন কখনো জানবে না সেটা।
তোকে যদি এখানেই মেরে ফেলি,
তাইলে পুলিশ,
আর ইতালিয়ান ব্যক্তি কোনো আঙুলের ছাপই পাবে না।
স্যার, স্যার!
আপনার সরকার বিনাশ হয়ে যাবে,
আজকে যদি আমাকে মেরে ফেলেন।
গতকাল মধ্যরাতে যে ২০টা ভিডিও রেকর্ড করেছি,
সবগুলো ইউটিবে লাইভ দেখাবে।
মিডিয়া এবং প্রেস আপনার সকল কালো টাকা এবং...
ট্রানজেকশন তথ্যের মেইল পেয়ে যাবে।
সব পরিকল্পনা সম্পন্ন করেই আমি তত্ত্বাবধানে এসেছি।
আপনার হাতে খুব বেশি সময় নেই।
কালকে যদি আমি বের হতে না পারি...
আপনার সরকারের নিশ্চিত বিনাশ হবে।
তাকে গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বললেন।
তাইলে তাকে কোর্টের সামনে হাজির করবেন কীভাবে?
তাইলে তাকে কোর্টের সামনে হাজির করবেন কীভাবে?
কিছু একটা করবো!
আমাকে করতেই হবে।
এটা ধরো, এটা যেন কালকের জন্য একটা বিরাট নিউজ হয়।
এত বিরাট হওয়া চাই যাতে এই নিউজ দিল্লিতেও ব্যাপক সাড়া পায়।
আচ্ছা স্যার!
সামনের পাতা ইতোমধ্যে প্রিন্ট করা হয়েছে।
তার জন্য আপনাকে অনেক খরচ করতে হবে।
আপনাকে কিভাবে না বলি, ম্যাডাম!
কাজ হয়ে যাবে।
হ্যালো!
আসছি স্যার!
তুমি কোথায় যাচ্ছো?
জানু, ১৫ মিনিট সময় দাও।
জলদি এসে যাবো।
সরকারি সংবাদদাতা বলছে সুধার কার্ডের ডাটা নাকি চুরি হয়েছে।
এটা তো একেবারে ধামাকা নিউজ।
সবাই একদম ফাঁদে পড়লো তো।
বাধ্যতামূলকভাবে।
চলো নিউজটাকে এখনি আপডেট করি।
প্রিন্টিং বন্ধ করো!
হেডলাইন পাল্টাতে হবে।
দোস্ত, মিম(meme) বানানোর জন্য,
তোকে একটা ধামাকাদার নিউজ দিবো।
নাম্মা ব্যাঙ্গালুরুর একটি সাইবার ক্রাইম...
সমগ্র দেশে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।
যাতে ৮০ কোটির বেশি সুধার নাম্বার ফাঁস হয়েছে।
ও মাইরি!
এটা তো জম্পেশ নিউজ।
ইন্টারনেট শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য না।
একটি বিশাল তথ্যভাণ্ডারও।
আমি যা বলবো তা যদি না করো,
তাইলে বেদম মার মারবো।
কী করছো?
স্যার, ফেইসবুক লাইভ।
যাই করো না কেন,
সেটা ঘরে গিয়ে করো।
বোফোর্স কেলেঙ্কারি, ২জি কেলেঙ্কারি ইতোমধ্যে আমাদের বিশ্বকে কাপিয়ে দিয়েছে।
এখন তারা আমাদের আঙুলের ছাপের নিকটও পৌঁছে গেছে।
বত্ব, এখনি কমেন্ট করো।
আপনার লেখা প্রতিটি শব্দের মূল্য আছে,
এটা রাখুন।
আমি ভুয়া খবর লিখি না।
যদি সেটা সত্য হয়, তাইলে তা লেখার জন্য টাকা লাগবে না।
যেতে পারো।
সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে 'সুধার সুরক্ষিত করতে দায়গ্রস্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করো',
এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
*ব্রেকিং নিউজ*
তোমার কি এই ইস্যুর ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ধারনা আছে?
স্যার, মিডিয়ায় যে কীভাবে এই খবর ছড়িয়ে পড়লো আমি জানি না।
আন্তরিকভাবে দুঃখিত,
চুপ করো আনাঘা!
আমার যদি বিনাশ হয়,
কথা দিচ্ছি সবাইকে আমার সাথে ফাঁসিয়ে দিবো।
স্যার!
ছোট্ট একটা কেসকে তামাশা বানিয়ে ফেলেছ।
সরি স্যার!
গর্দভ কোথাকার।
যাও।
আনান্ত সাহেবকে কল দাও।
হ্যালো! নমস্কার!
এক মিনিট।
জ্বি স্যার!
এসব যদি স্বীকার না করি সেটাই ভালো হয়,
হ্যাঁ।
সুপ্রিম কোর্ট এমনিতেই আমাদের পিছনে লেগে আছে।
চিন্তা করবেন না, এখানের দিকটা সামলে নিবো।
জ্বি! ধন্যবাদ!
অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ না থাকায়,
কোর্ট তাকে বেকসুর খালাসের অনুমতি দিচ্ছে।
বড় হতে হতে, জীবনের প্রতিটি ধাপে খুব বেশি মগ্ন হয়ে পড়ায়...
আমাদের মন অনেক কিছুর জন্য ইচ্ছা পোষণ করে।
সেসব ইচ্ছার কোনো স্থান নেই।
আনাঘা!
এতদিন যাবত,
তুমি কি আমাকে একবারও ভালোবাসোনি?
অপরাধীকে আমি কখনো ভালোবাসবো না।
তোমার কোর্ট আমাকে নির্দোষ সাব্যস্ত করেছে।
কোর্ট হয়ত নির্দোষ বলেছে,
কিন্তু তা তোমাকে নিরপরাধী প্রমাণ করে না।
এটা তাইলে সত্যি না?
দুজনেই সত্যটা জানি।
তোমার এতসব আন্তরিকতা, পরাজয় ছাড়া আর কিছুই দেয়নি তোমাকে।
আস্থি!
জীবন সবার অনুকূলে থাকে না, আনাঘা!
তাই..
তোমাকেও যে জীবনের অনুকূলে যেতে হবে সেটা জরুরি না।
সেসব ইচ্ছাকে মনের মধ্যে স্থান দেওয়া,
এবং সেগুলোর পিছনে ছুটে বেড়ানোই...
...আমাদের একমাত্র পন্থা।
আস্থি!
ধরবি না আমাকে।
প্রত্যেক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন আছে।
শিক্ষা হয়েছে।
আস্থি!
এসব চিহ্ন বলে দেয় আমরা কোথার থেকে উঠে এসেছি,
কোথায় যাবো সেটা না।
এটার জন্য এক কোটি, এটার জন্য এক কোটি...
সবমিলিয়ে, ১০০ কোটি।
১০০ কোটি?
হ্যাঁ!
সত্যি নাকি?
গতকাল তো আমরা মারাই যেতাম।
আজকে, তুই ১০০ কোটির কথা বলছিস।
তুই কি হিরো নাকি ভিলেন সেটা বুঝতে পারি না।
আয়!
আমি কারো জন্যে হিরো না।
কোনো ন্যায়বান মানুষের যাতে ক্ষতি না হয়...
সেটা দিকটা ভেবেই এই অপরাধটা করতে চেয়েছিলাম।
আর সেটাই করেছি।
সুধার পলিসি বহু গরিব লোককে সাহায্য প্রদান করেছে।
তাদের এই টাকাগুলো সরাসরি তাদের একাউন্টে গিয়ে পৌঁছাবে।
এই ধরনের পলিসির সিকিউরিটি
খুব যত্নসহকারে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
তাই...
সবার আঙুলের ছাপ নিরাপদ আছে।
চিন্তা করবেন না।
হেই ম্যান!
আমি যে জিনিসের ব্যাপারে বলেছিলাম সেগুলো কি পেয়েছ?
হ্যাঁ।
সেগুলো নিরাপদ আছে।
চিন্তা করো না।
কোথায় সেগুলো?
তোমার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক টাকাগুলো পাঠিয়ে দাও।
পাঠাবো। কোনো ব্যাপার না।
কিন্তু, পুলিশের ব্যাপারে কী হলো?
আমার স্টার্ট আপের একজন বিনিয়োগকারীর প্রয়োজন।
কথা মেনে চলো..
আমি তোমাকে ডাটা কোথায় আছে সেটা বলবো..
ডাটার জন্য যেকোনো কিছু করবো। যেকোনো কিছু।
সেগুলো কোথায় পাবো বলো।
টরেন্টে গিয়ে গুলটো কান্নাড়া মুভি খুঁজে নাও।
খুশি হওয়ার মত তেমন কোনো খবরই ছিল না।
কিন্তু, অবশেষে আমরা ডাটাটা খুঁজে পেলাম।
ঐ গুলটো ভিডিওতে,
সে ডাটা লুকিয়ে এনক্রিপ্ট করে রেখেছে।
এসব কিছু স্টেগ্যানোগ্রাফ মিডিয়া।
Key ছাড়া এসব ডাটা ডিক্রিপ্ট করা খুবই কষ্টসাধ্য।
কিন্তু পানিশ!
এটা কি তার বিরুদ্ধে চার্জ আরোপ করার জন্য যথেষ্ট না?
কিন্তু, তোমার ই-মেইল আইডি থেকেই টরেন্টে...
ফাইলটা আপলোড করা হয়েছে!
এটা হচ্ছে এমন একটা অপরাধ যা কোনো ন্যায়বান মানুষের ক্ষতিসাধন করে না।
আমি কারো জন্যে হিরো না।
নিজের জন্যেই হিরো আমি।
আমি একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি নই। নিশ্চিত ফিরে আসবো।
আমি কী ভালো নাকি খারাপ সেটা বিবেচনা করার আগেই,
সামনে এগিয়ে যাবো।
এখন..
স্বপ্নের পেছনে ছুটে চলার সময় তোমার।
তুচ্ছ হয়ে, আকাঙ্ক্ষী হয়ে তোমার স্বপ্নের পিছে ছুটে চলো।
সাবটাইটেলটি শ্রদ্ধেয় বড় ভাই "মাহির মুনিম" কে উৎসর্গ করলাম।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় আবরার শাফিন
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.