All language subtitles for Chamak_bsub_Sub_hunters_Squad

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

অনুবাদক: শুভ রাজ ও অপূর্ব ভাওয়াল

উপস্থাপনায়: Sub Hunters Squad

বিশেষ সহযোগিতায়: আতিক আহসান শুভ

'Chamak' [চমক]

অভিনন্দন! ভগবানের অশেষ কৃপায় আপনার একটি মেয়ে হয়েছে।

ভগবানকে ধন্যবাদ, আর আমি খুবই খুশি হয়েছে আমার মেয়ে হয়েছে বলে।

'আরে না! তুমি খুশি?'

'হ্যাঁ,আমি ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম যেন তিনি আমাকে একটি মেয়ে সন্তান দেন।'

'হায়,ভগবান। আমি তো মজা করছিলাম'।

'আসলে,আপনার একটি মেয়ে হয়েছে।'

'সে তার জন্মের সময় অনেকক্ষণ হেসেছিল।'

'যার জন্য তার নাম রাখা হয় - কুশ।'

'তার বাবা খুব সকালে তাকে পরিষ্কার করাতো। '

'এবং এরপর, সে গরুকে পরিষ্কার করাতো।'

'তার বাবা তাকে পরিষ্কার করাতো, এই বিষয় নিয়ে সে ঠিক ছিল।'

'কিন্তু গরুকে কেন পরিষ্কার করতো? এটা তার মাকে জিজ্ঞেস করল।'

'যখন সে বড় হলো, তখন জানতে পারলো'

'যে তার বাবা একজন পশুর ডাক্তার ছিলেন।'

'একটি গরু কিভাবে বাছুর প্রসব করতো? একটি মুরগি কিভাবে ডিম পাড়ে?'

'এই ছেলে তার শৈশব থেকেই এসবে আগ্রহী ছিলো।'

'একদিন তার বাবা বলল যে,'

'সে এ বিষয়ে আরও দক্ষতা হয়েছে'

'এখন সে একটি গাভীকে সাহায্য করছে বাচ্চা প্রসবের জন্য শেষবারের জন্য।'

'গরু তাকে খুব জোড়ে লাথি মারে'

'আর সে মারা যায়।'

'তার বাবার মৃত্যুর পরে, কুশ কৌতুহলি হয়ে উঠে।'

'তার এই কৌতূহলে সে অক্ষত ছিল।'

'যত সে বড় হচ্ছিল, তার বন্ধুবান্ধবও বৃদ্ধি পাচ্ছিল।'

'কিন্তু সে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের ডাক্তার হতে চেয়েছিল।'

'বিশ্বাস করেন বা না করেন।'

'বেঙ্গলুরুতে ১০জন স্ত্রীরোগে বিশেষজ্ঞের তালিকাতে'

'তার নাম খুঁজে পাবেন।'

'এই শহরের নারীরা বলে যে, তার কারনেই তারা তাদের সন্তান জন্ম দিতে পেরেছে।'

'এক দিক,দিয়ে ঠিক আছে।'

'কিন্তু সে শুধু মহিলাদেরই বিশেষজ্ঞ ছিলেন।'

'এসব ব্যাপারে আমি জানি।'

'মানুষ মদ্যপান করার পর, অদ্ভুত অদ্ভুত কাজ করে,'

'কিন্তু সে অদ্ভুতের থেকেও বড় কিছু করে।'

'জানেন,সে কি করে?'

'মদ্যপান করার পর সে শুধু কান্নাড়া ভাষায় কথা বলে।'

'তার পরিবার তাকে রাজী হবার মতো পাত্রী দেখায়।'

'কিন্তু সে ঐসব মেয়েদের থেকে,'

'সে কাউকেই পছন্দ করে না।'

'এর পিছনের কারন হলো...'

'সে এই ব্যাচেলার জীবন ছাড়তে চায় না' [ ব্যচেলার _ কুমার /সিংগেল ]

'ভাল, যদি মেয়ে ভালো হয়, তাহলে তাকে জানাও।'

'এরপরে সে পার্টি করতে পারবে,দুঃখিত মানে সে বিয়ে করতে রাজিও হতে পারে।'

'সে বিদেশে যেতে খুবই ভালোবাসতো।

'সে ঐখানের সংস্কৃতিগুলোর সাথে নিজেকে আধুনিক করতে চাইতো,এর জন্যই...'

'আমি তার সাথে আপনাদের দেখা করাতে চাই,কিন্তু সেই তো বাইরে।

'চলুন,দেখা যাক।'

"Dwapara Yuga ended Before Christ."

"There lived someone, who stole butter."

"Kali Yuga started After Christ."

"Here we have got someone, too, who's a cutie."

"His eyes are sparkling! He recites punchlines."

"He can charm anybody."

"He looks like a brave prince."

"He's titled Golden Star."

"Let's touch the warm sand of the faraway beach."

"Let's climb the cliff and touch the peak."

"Let's not stand still, let's go around the world."

"Let's live together in harmony with all the species around us!'

"Happiness is short-lived, so enjoy it while it lasts."

"Make good use of time and have a blast."

"You're young and it's okay to make mistakes."

"Live your life to the fullest."

"Get high and have a blast!"

"kush... he's a magician"

"Kush.. He's a playboy."

"kush... he's a singer"

"Kush.. He's mind-blowing."

"Kush.. He's like Prince Charming."

"Kush.. He's an artist."

"The sun rises to see her."

"Kush.. He's a playboy.""The moon waits to get a glimpse of her."

"It seems like even this Tulsi plant was waiting"

"for her to go around it."

"The rangoli was longing for her to decorate it."

"She blushes a lot."

"She wears an anklet."

"She dances like a peacock."

"Her eyes are bewitching."

"Her words seem like honey."

"She's an angel who has descended on earth."

বাচ্চার ওজন ঠিক আছে।

চিন্তা করার কিছু নেই এবং...

মা ও সুস্থ।

স্যার,আপনি বাচ্চার মায়ের হাত ধরেন নি,

আপনি আমার বোনের হাত ধরেছেন।

অহ,আমি দুঃখিত।

তুমিও তো একদিন মা হবে, তাই না?

স্যার,এভাবে আর কতদিন..

সরকারি হাসপাতালে আসতে থাকবো?

আমি পবিত্র গঙা জলে আমার পাপ মোচন করতে পারছি না। [মোচন- বিলুপ্ত / শেষ করা]

যার জন্য আমি এখানে। ঠিক আছে...তাই মানুষদের সেবা করতে থাকি।

আচ্ছা,আমি হাত-মুখ ফ্রেশ হয়ে এসেছি..

যান,রোগীদের ভেতর আসতে বলুন। -ঠিক আছে,স্যার।

বসুন।

কি সমস্যা?

আমরা বিয়ে করেছি পাঁচ বছর হয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের এখনো কোনো সন্তান নেই।

আমরা সব মন্দিরে গিয়েছি, পূজা প্রার্থনাও করেছি।

যদি মন্দিরে গিয়ে সমস্যার সমাধান হয়, তাহলে আমরা তো অবসর নিয়ে নিতে পারি।

আপনি কি কখনো...

ম্যাডাম,আপনি কিছু সময়ের জন্য বাহিরে যেতে পারবেন? -আচ্ছা,বাইরে যাও।

আচ্ছা, এ পর্যন্ত আপনি তার সুখের জন্য কি করেছেন?

প্রত্যক বছর তার জন্মদিনে,

আমি তাকে একটি জমকালো 'শেনগা হলিগে' শাড়ি কিনে দিই।

সাথে একগুচ্ছ ফুলও কিনে দিই।

আমি আপনাদের মাঝে শারীরিক সমন্ধের কথা বলছি।

বাহ! তুমি তো লজ্জা পাচ্ছো! - আমি তাকে একবার চুমু দিয়েছিলাম।

হে! যদি এভাবেই চুমু চলতে থাকে তাহলে,

আপনাদের আর সন্তান হবে না।

আমার সহকর্মীর নাম প্রোটিন, সে আপনাকে এই সমস্যার জন্য সাহায্য করবে।

এটা জন্য কোনো ঔষধ দেয়া হবে না। চোখে দেখালেই বুঝবেন।

ঠিক আছে স্যার। -আসতে পারেন।

এই তিন স্ত্রীর মধ্যে আপনার স্ত্রী কোনটা?

এই তিনটেই আমার স্ত্রী।

অহ মোর খোদা! আপনি ভিতরে যান।

ডাক্তারে প্রেসক্রিপশন কোথায়?

ডাক্তার বললো এই সমস্যা জন্য কোনো ঔষধ লাগবে না।

সে বলল, আমি চোখে দেখলেই বুঝবো।

চোখের জন্য?

আসুন আমার সাথে।

-সত্যি কি চোখে দেখার জন্য? -হা। -আসুন।

ডাক্তার সাহেব, নমস্কার।

আচ্ছা,যদি আমি সন্তান না চাই তাহলে আমার কি করা লাগবে?

কিছু না, কিছুই করা লাগবে না।

ডাক্তার, আমার তার মাঝে একবার খাট কাঁপানো হয়ে গেছে, এখন কি করবো?

অহ,তাই নাকি?

যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে এটা আপনার জন্য কার্যকরী।

আমি সহকর্মী প্রোটিন বাইরে আছে। সে আপনাকে ঔষধগুলা দিবে।

যান তার সাথে দেখা করুন। -ঠিক আছে,ডাক্তার।

আপনারা এখন যেতে পারেন।

চলো।

এই ঔষধগুলো কি খাবারের আগে খাবো নাকি পরে?

খাট কাঁপানোর পরে।

হ্যালো? -আমরা মেয়েদের বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হচ্ছি।

তুমি চাইলে আমাদের সাথে আসতে পারো।

আর তা নাহলে,তুমি ঐ মেয়েকে বিয়ে মন্ডপে দেখে নিয়ো।

আমি আসছি। -জলদি আসো।

যেভাবে হোক এটা ভাঙতে হবে।

ফেসবুকে ফ্যামিলেতে স্বাগতম।

অদ্ভুত।

এখানে কোন ধরনের লোক বাস করে!

হ্যালো।

দয়া করে লগ ইন করুন।

লগিন? -মানে ভেতরে আসো।

দয়া করে ভেতরে আসো... তোমার ফেসবুকের একাউন্টের হিসেবে এই সম্মান।

অহ.... ওয়াও!

বোর্ডে কিছু লিখো।

'বোর্ডে কিছু লিখো' এটা কেন এখানে লিখা,স্যার?

আপনি কেন এই নামের ট্যাগটি পড়ে আছেন?

তুমি জানো,আমরা খুবই বন্ধুত্ব্বপূর্ণ ধরনের মানুষ।

আমরা সমাজতান্ত্রিক পছন্দ করি।

আমারা যেখানে যাই সেখানেই বন্ধু বানাই। -অহ।

তাদের যাতে আমাদের...

সামাজিক মিডিয়াতে খোঁজতে অসুবিধা না হয়।

তাই, আমরা এই ইউজার নেম সহ জামা পড়েছি।

অহ। -তুমি তোমার ইউজার নেম বলো। আমি এখনিই এড করে নিচ্ছি।

নেই,আমি ফেসবুক ব্যবহার করি না।

তোমার ফেসবুক একাউন্ট নেই!

দেখো,তোমার যদি ব্যাংকের একাউন্ট না থাকতো আমি কিছু মনে করতাম না।

কিন্তু আমার জামাই হিসেবে, তোমার অবশ্যই একটি ফেসবুক একাউন্ট থাকা লাগবে।

চিন্তা করো না,আমি খুলে দিচ্ছি একাউন্ট, আসো।

বসো।তোমার কি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড লাগবে?

না, ধন্যবাদ। আমি রবি সিম ব্যবহার করি।

নমস্কার।

স্যার,সে কে?

সে আমার বড় মেয়ে, প্রিন্সেস এঞ্জেল প্রিয়া

সে তার স্বামীর সাথে ঝগড়া করেছে কারন সে অন্যর মেয়ের ছবিতে লাইক দিয়েছে।

তাই,আমি তাকে বাড়িতে নিয়ে আসি।

আমি বুঝছি না, এখানে কি হচ্ছে?

মা,এটা হলো বর্তমান প্রজন্মের যোগাযোগের ব্যবস্থা।

তুমি বুঝবে না।

তারা তোমার জ্ঞানের দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে আছে, তো চুপ থাকো।

কুশ,তারা খুবই বড়লোক।

দয়া করে তাকে বিয়েটা করে ফেল।

তারা তোর জন্য একটি হাসপাতাল আর আমার জন্য যোগাসন সেন্টার খুলে দিতে পারবে।

দয়া করে মেনে যাহ।

কে সে?

সে আমার মা।

সে এভাবে হাসছে কেন?

সে ফিলিং হ্যাপি। তুমি দেখো। - অহ।

এক বছর আগে, আমার বাবার,

চিরকালের জন্য তার একাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়।

আর সে এখন ভগবানের সাথে।

আমার বাবা প্রায় সময় আমার মায়ের সাথে ঝগড়া করত।

বাবার একাউন্ট চিরকালের জন্য একাউন্ট বন্ধ হবার পর,

আমার মা তার একাউন্ট খুলে।

আর তখন থেকে সে এভাবে, সবসময় হাসি-খুশি থাকে।

আপনার মেয়েকে একটু ডেকে দিন।

থায়াম্মা। -আমার কোনো চা-কফির দরকার নেই।

আমি 'আম্মা' বলি নাই।

আমি বলেছি 'থায়াম্মা' আমার দ্বিতীয় মেয়ে।

'আমি ১০মি. আগে আমাদের লাইভ সিজন শেষ করেছি।'

'আমি আবারো লাইভে এসেছি' -হাই,

'এই যে,আমার বোন হাতে দুই কাপ চা'

'সাথে ফেসবুক টুইটারের লগো'

'তাকে দেখার জন্য আমাদের বাড়িতে ছেলেপক্ষ এসেছে।'

'আমরা আনন্দিত '

'পেছনের ক্যামেরা'

তাকে হাসার জন্য বলার দরকার নেই।

যদিও তাকে হাসতে বলি, সে হাসবে না..

হাই,আন্টি, -আন্টি? ধুর!!

তাদের দুজনকে জানা দরকার নেই।

সুরেশের একটি প্রশ্ন করেছে,

সম্ভাব্য বর কে? [সম্ভাব্য বর = ভবিষ্যৎ এ বর হবে]

অহ,মি. সুরেশ, সে হলো সম্ভাব্য বর।

তাকে ভাল করে দেখে নিন।

হাই,আমি আগেই বলেছিলাম যে এটা আমার বাবা ছিলো।

হে! আমিই তোমার বাবা। যে কিনা আমিই একজন তোমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছি।

সে থায়াম্মার ছোট ভাই, আমার তৃতীয় সন্তান।

তার এখনো ১৩ বছর হয় নি।

তাই, তাকে ফেসবুক ব্যবহার করার জন্য একটি ফেইক একাউন্ট খুলি দিই।

সে সবকিছু লাইভ করে, বাড়িতে যা কিছু ঘটে।

সে খুবই ট্যালেন্টেট।

মানে সবকিছু? -হা,সবকিছু।

যদি তোমরা প্রাইভেট চ্যাট করতে চাও,

তাহলে তোমরা মেসেঞ্জার রুমে যেতে পারো। এটা উপরে।

তুমি ওখানে যেতে পারো, আর প্রাইভেট কথা বলতে পারো।

যাও... যাও কথা বলো,যাও।

হে... - নিজের উপর বিশ্বাস রাখো।

হ্যালো, -হাই।

আপনার পরিবারের সাথে ফেসবুকের এত সম্পর্ক কেন?

আশা করি আপনি তাদের মতো না। -না, আমি এসব ঘৃণা করি।

এটা বাস্তব জীবন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

আমি এটার সাথে বিরক্ত হয়ে গেছি।

আসলে, আমি এটা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম।

এবং আমি ইনস্টাগ্রাম দিয়ে পরিবর্তন করতে চাচ্ছি।

যাইহোক,আপনি কি ইনস্টাগ্রামে আছেন? -না।

টুইটার? -না।

হে,এভাবে বলবেন না।

আপনি কি ফেসবুকেও নেই?

না,আমি...

আমি 'টুনস্টাবুক' ব্যবহার করি।

টুইনস্টাবুক? -হা।

এটা কি নতুন এপ? আমি এর আগে কখনো শুনি নি।

হা,'টুইনস্টাবুক' নতুন এ্যাপ।

এটা শুধু ৭জি মোবাইলে চলে। ঠিক আছে?

এটা তৈরি করেছে জাপানের দুবাক কোম্পানি।

মাঝেমাঝে ফেসবুক আমাদের অতীতের স্মৃতিগুলো দেখায় না?

ঠিক তেমনি, টুইনস্টাবুক অতীতের পরিবর্তে ভবিষ্যৎ দেখাবে।

এটা এভাবেই কাজ করে। -সত্যি?

তো,দুই বছর আগে কি আপনি জানতেন যে আপনি আমাদের এখানে আসবেন?

যদি জানতাম, তাহলে আমি এখানে আসতাম না।

কি বললেন?

কিছু না। এই এ্যাপটি দ্বারা শুধু ভবিষ্যৎ দেখা যাবে।

এটা একদম নতুন এপ।

এটাতে আর কি কি সুবিধা রয়েছে?

এটাতে সবকিছু রয়েছে।

আপনি যদি এটা ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে রান্না,কেনাকাটা ও আর অনেক কিছু করতে পারবেন।

যখন আমরা অনলাইনে কেনাকাটা করব, তখন তারা বাড়িতে ডেলিভারি করে যাবে।

যদি জামা-কাপড় ফিট না হয়, তাহলে সেটা ফেরত দিতে কষ্টকর হয়ে যায়,তাই না?

কিন্তু এই এপ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

আপনি শুধু দেখবেন আর কিনবেন।

আর চাইলে আপনি জামা-কাপার বের করে নিতে পারবেন।

যদি ফিট না হয়, তাহলে ফেরত দিয়ে দিবেন।

এরকম খাবারও আনতে পারবেন।

এখানে আপনি খাবারও অর্ডার করতে পারবেন সাথে সুস্বাদু খাবারও।

যদি খাবার পছন্দ না হয়, তাহলে আপনি তা ফেরতও দিতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি এটার দ্বারা আপনার হাত ধুতে পারবেন। এটি একটি দুর্দান্ত এ্যাপ।

মনে হচ্ছে এটা ফেইক। [ফেইক - নকল/সত্য নয় এমন]

যেমন তোমার পরিবারের সদস্যরা ফেইক...

তারা ফেইক.. - আমি আমার বাবাকে বলব।

যান বলেন।

'এই বিষ নকল না, এটা আসল'

'না,এটা নকল।'

'যদি তুমি এভাবে বলতে থাকো, আমি এটা পান করে ফেলব।'

শাশুড়ি মা, বন্ধ করেন এই স্টার জলসার সিরিয়াল।

আর আপনার ছেলে ভবিষ্যৎ এর কথা ভাবেন।

আমি জানি না, সে সকালের মেয়েকে কি বলে এসেছে।

তার পরিবারের সদস্যরা আমার মায়ের ছবিতে লাইক দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

বাবা,তুই কি তোর ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু ভেবেছিস?

মা,আমি হিরো আলম হতে চাই।

আমি তোকে জুতা পেটা করে মেরে ফেলব।

ভাবী,আপনার সমস্যা কি?

আপনি কেন আমার বিয়ে নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন?

আগামীকালের, নাস্তার জন্য কি রান্না করবেন? -আমি তোমাকে বলব না।

কালকের নাস্তার কথা বলবেন না, ঠিক আছে,

কিন্তু আপনি যদি আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে চান। -আমিও বলব না।

আমি আগামীকাল 'কোকো নুডুলস' রান্না করব।

আচ্ছা,তাহলে কাল সকালে দেখা হবে।

হে!

আপনি ভাবছেন আমি একজন ভালো মানুষ, কারন আমি একজন ডাক্তার,তাই না?

আপনি হয়ত ভাবছেন, আমি বিয়ের পরও এমন ভালো থাকবো।

যদি এমন ভেবে থাকেন, তাহলে ভুল ভাবছেন।

আমি আপনাকে সত্যি করে বলি,

আমি নাইট পার্টিতে যাই,

আমি গভীর রাত পযর্ন্ত বাইরে থাকি,

আপনার কাছে এটি একটি অভ্যাস মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই আমি।

আমার অনেক বন্ধু আছে,

বিয়ের পর আমি আমার এসব পরিবর্তন করছি না।

আমি চাই না, এসব থেমে যাক।

যদি আপনি রাজি থাকেন, তাহলে আমি আপনাকে বিয়ে করব।

আপনি রাজি?

ঠিক আছে। আমারও বয়ফ্রেন্ড আছে।

আমিও রাত্রের পার্টিতে যাবো, আপনার চলবে?

আপনি কি মদপান করেন? হে...

স্যার,দেখে মনে হচ্ছে না আজ আপনি ড্রিংক্স করবেন। -কেন?

কারন আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে, আপনি মাতাল হয়ে এসেছেন। -আপনার চোখের সমস্যা।

দুঃখিত স্যার,আমি আপনার নিয়মিত ব্রান্ড নিয়ে আসছি।

'আলক্যহল ব্যবহার করা স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকারক. '

কি হয়েছে? -কি হয়েছে?

কুশ, তোকে দেখে মনে হচ্ছে তোর মনে খারাপ।

দিনের বেলায় এখানে কি করছিস? কি হয়েছে?

আর কি! আমার পরিবার আমাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছে।

এটা কোনো বড় বিষয় না...

বিয়ে করা আমাদের একটি কর্তব্য । তুই কেন বিয়ে করছিস না?

জানিস,আমিও বিয়ে করতে চাই, কিন্তু...

তোর সমস্যা টা কি?

তাদের অনেক প্রশ্নের উত্তর দরকার।

কে? কি? কেন?

'তুমি কার সাথে কথা বলছো? কোথায় গিয়েছিলে?'

'তুমি তার সাথে কেন গিয়েছো? আমি কি বিরক্তিকর হয়ে গেছি?'

'তুমি মোবাইলের প্যার্টান পরিবর্তন কেন করেছো?'

'পাসওয়ার্ড কেন পরিবর্তন করেছো?'

'মোবাইলটা আমাকে দাও, তুমি মেসেজ ডিলিট করে দিয়েছো,তাই না?'

'তুমি তার দিকে তাকিয়ে কেন হাসছিলে?'

আমরা যদি কোনো মেয়েকে বাঁচানোর চেষ্টা করি,

তাহলে তারা সেটার উল্টোটা ভেবে নেয়।

'তুমি কেন পৌছিয়ে দিয়েছো? সে কি বাচ্চা?'

'তার তো ফোন আছে, তাহলে ফোন দিয়ে ট্যাক্সি বুক করতে পারলো না?'

'তুমি কেন তাকে বাড়ি পর্যন্ত দিয়ে আসবে?'

'তুমি এই পরিবারের যোগ্য নও।

'তুমি আমার জীবনকে নষ্ট করে দিয়েছো।'

'আমার বাবা একটি ভাল পাত্র খুঁজেছিল, আর সেই পাত্রকে বিয়ে করে, আমি আমার জীবন নষ্ট করেছি।'

তারা আরও অনেক কিছু বলবে, তোরা কি আরও শুনতে চাস? -অহ।

এর জন্য আমি বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছি।

কে সে?

তুমি বারে বসে কিভাবে ভয় পাও? [বার - মদের দোকান]

দোস্ত...

দোস্ত.. -অহ! এটা তো ছেঁচড়াটা।

হে... দোস্ত,

তুই আজ এত তাড়াতাড়ি এখানে?

আজ খুব সকালে নাস্তা করেছি।

এখানের খাবারের দামও বেশি।

তাই,আমি কাছের এক দোকান থেকে খাবার এনেছি।

দোস্ত,তোর সমস্য কি?

আমার কোন ধরনের মেয়েকে বিয়ে করা উচিত,

যেন আমার জীবনধারা একই থাকে, তা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।

আমরা যাই করি না কেন, বিয়ে আমাদের জীবন ধ্বংস করে দিবেই।

ঠিক তা না,আমি ব্যাখা করছি।

'বন্ধু ও তার বউ'

'পার্টি''

'সুশীল ও অশ্লীল ' 'পার্টি '

'পার্টি' 'সুশীল ও অশ্লীল '

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,

যদি কুশ ও তার বউ যদি পার্টিতে যায়,

তাহলে তারা জানুয়ারের মতো ঝগড়া শুরু করবে।

এইটা কাজ হবে না। বাতিল।

হ্যা। -অহ।

যদি মি. কুশ সুশীল থাকে, আর তার বউ পার্টিতে যায়..

অহ মোর খোদা, তাহলে তো শেষ!

এইটাও কাজ হবে না।

বাতিল। -বাতিল।

যদি মি. কুশ পার্টিতে যায়, আর তার বউ যদি সুশীল থাকে....

প্রিয় শিক্ষার্থী,

ভারতের কোনো মেয়েই এটা মেনে নিবে না।

তো,এটাও কাজ হবে না।

যদি মি. কুশ সুশীল থাকে, আর তার বউও সুশীল থাকে।

যদি মি. কুশ সুশীল থাকে, আর তার বউও সুশীল থাকে...

তাহলে জীবন পুরা রেলগাড়ির মত চলবে।

এইটা কাজ হবে।

১০০ থেকে ৯৯ ভাগ কাজ হবে।

সুশীল ও অশ্লীল, শুনো, আমাদের জীবনধার...

আর তোর চিন্তাভাবনা এক হবে না।

আমরা এখন কি করবো?

অভিনয়, খোকা, অভিনয়।

এতে সাপও মরবে, লাঠিও ঠিক থাকবে।

যদি তুই তোর অভিনয় করতে পারিছ।

এইভাবে আমাদের অভিনয় করতে হবে।

অন্যথায়,আমরা বিয়ে করব না।

দরকার হলে আমাদের পরিবারকে ছেড়ে দিতে হবে।

হে,আমার একটি প্রশ্ন আছে। - বল আমাকে,

যদি কোনোকিছু ভুল হয়?

মি. কুশ, মদের যদি ভাল স্বাদ না পাই, তাহলে কি মদ পান করবো?

না!

আমরা সোডার সাথে মিলিয়ে এটা পান করি।

আমরা সরাসরি পান করি না। এটাই!

এটাই।

একদম।

এটা দ্বিতীয় প্রশ্ন,

জিজ্ঞেস কর,

যদি ভবিষ্যৎ এ ধরা পড়ে যাই?

যদি ধরা পড়িস,

বলবি যে, তার জন্য তোর জীবন নষ্ট হয়ে গেছে। ঠিক আছে?

এরপর তুই মদ-গাঁজা খাওয়ার অভিনয় শুরু করবি।

দেখবি যে তোর জীবন পুরা ফুরফুরা হয়ে গেছে।

এটা আমার শেষ প্রশ্ন, - বল,

তোকে এই কন্নড়া ভাষা শিখিয়েছে কে?

কেন?

এটা তো ঠিকই আছে।

আমি কি বানানে কোনো ভুল করেছি?

'বন্ধু ও বউ, অশ্লীল, পার্টি...

'হে'

হে!

স্যার,বিল। -আচ্ছা।

আমরা এসব অর্ডার করি নাই।

বিলটা শুধু কুশকে দিন।

আপনি দুটি ক্যাশমেমো দিয়েছেন কেন?

এইটা কালো-মোটা লোকের বিল।

কিন্ত সে তো চলে গেছে। -হ্যা।

স্যার,সে কোথাও যায় নি।

সে ঐখানে ঘুমাচ্ছে।

কুশ,আমি তাড়াতাড়ি আসতে গিয়ে গাড়ি আনতে ভুলে গেছি।

আমাকে বাড়ি পর্যন্ত ছেড়ে দে। -আচ্ছা।

তুই আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু,কুশ।

হে,তোমরা দুজন মাথা হেলমেট পড়ো নাই।

তোমাদেরকে এর জরিমানা দিতে হবে।

আমিও আসছি। -আয়।

কুশ। -হা?

তোকে জরিমানা দিতে হবে, যদি একটি বাইকে তিনজন উঠে।

আমরা চারজন যেতে পারব।

হে,একটি বাইকে চারজন মানুষ কিভাবে সম্ভব?

হে! -হে! -হে!

'আমরা একসাথে কক্সবাজার থেকে এসেছি...'

'আমরা একসাথে কক্সবাজার থেকে এসেছি...'

'আসো।'

'আসো।'

'আসো।'

হে,নামো।

ধরো তাদের।

স্যার,আপনি এভাবে লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন কেন?

আমি লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি...

কারন আমি জানতাম তোমাদের মতো ছেলেরা নেশা করে আসিবে।

অহ! -অহ।

কবিতা! -কবিতা!

হে,তোমারা কি করছো? -কবিতা।

হে! -কবিতা!

চুপ করো।

তোমাদের মধ্যে চাকরি করে কে?

জয় কুশ, সে অনেক পরিশ্রমী ব্যক্তি। -জয়!

জয় কুশ, সে অনেক পরিশ্রমী ব্যক্তি। -জয়!

চুপ থাকো।

তুমি কি করো? -আমি মহিলাদের ডাক্তার।

তুমি এরকম ধীরেধীরে করে কেন বলছো?

ভালো করে কন্নড়া ভাষায় বলো।

স্যার,সে যখন নেশা করে তখন সে কন্নড়া ভাষাকে ধীর ধীরে বলে।

সে বলছিল যে সে মহিলাদের ডাক্তার।

এমনকি এই যুগে..

কেউ কি ধীরে ধীরে এভাবে কথা বলে?

দয়া করে এসে জরিমানাটা দিয়ে যাও।

স্যার! -কি হয়েছে?

ইনস্পেকটর, আমরা বারেই থেকে যেতাম..

যদি আমাদের কাছে টাকা থাকতো।

আমরা এখানেই বা কেন আসতাম?

স্যার,তারা বলছে যে তাদের কাছে কোনো টাকা নেই।

আমি ভাবছি তারা ২৫০০০ রুপির জার্মানি মদ পান করেছে...

প্রত্যেক বোতল ৫০০০ রুপি করে।

তারা বলছে তাদের কাছে টাকা নেই। তাদের ছেড়ে দিন,স্যার।

হে,চুপ থাকো।

তাদের কাছে অবশ্যই টাকা আছে।

তারা তাদের রুপি লুকাচ্ছে।

তারা জরিমানা দিবে। চুপ থাকো।

ঠিক আছে, স্যার। -অহ, না।

স্যার,জার্মানি বোতলের দাম ৫০০০ রুপি।

আর আমি আপনাকে ১০০০০ রুপি দিচ্ছি। -হে!

এটা রাখুন, স্যার। -হে!

এটা রাখুন।

তোমাদের কাছে পান করার জন্য টাকা আছে, কিন্তু জরিমার দেবার জন্য নেই।

এখানে রাখেন,স্যার। -এই নাও।

তোমাদের জরিমানা দেয়া হয়ে গেছে।

জয় মাতাল কুশের জয়! -জয়!

হে! -দোস্ত! -এমন করছিস কেন?

আমি যদি তোদের সাথে থাকি, আমার জীবনটাই নষ্ট হয়ে যাবে।

আমি খুব শীঘ্রই বিয়ে করব।

আগামীকাল আমি মেয়ে দেখতে যাচ্ছি।

আগামীকাল থেকে আমার কথাবার্তা, চলাফেরা সব পরিবর্তন।

অহ,সেলসম্যান! [সেলসম্যান-বিক্রেতা[

আমাদের ঘরে অনুষ্ঠান চলছে, পরে আসুন।

স্যার,আমি সেলসম্যান নই।

আমি ডক্টর কুশ। -অহ!

দুঃখিত।

দয়া করে আসো, ভেতরে আসো।

আরে, আমার পা ছুঁয়ো না।

আমি আমার ছেলের এমন আচরণ দেখে আমি বিস্মিত। - এতোটা ভক্তি দেখাতে হবে না।

আমার মা বলেছেন যে, বড়দের পা ছুঁতে হয়...

ও তাদের আশীর্বাদ নিতে হয়। -অহ!

সে কখনো আমার কথা শুনে নাই।

তার এসব দেখে আমি বিস্মিত।

শাশুড়ি মা,আমার মনে হচ্ছে সে কিছু পরিকল্পনা করে এসেছে।

যাবার জন্য তৈরি হোন।

ভাইয়া এখানে বসেন। আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।

এরপরে আমি আমার মায়ের কাছে বসব। -আমরা তোর এমন আচরণ দেখে ভয় গিয়েছিলাম।

আমি ভয় পাচ্ছি।

সবাই এসে গিয়েছে।

মেয়েকে তাহলে ডাকি?

খুশি।

হায়,ভগবান, সে হাঁচি দিয়েছে।

হাঁচি দেওয়া অশুভ লক্ষণ।

তোমার বাবাও একবার হাঁচি দিয়েছিলো।

যখন সে আমাকে দেখেছিল।

পরিবেশন করো,খুশি।

আপনার ছেলে কুশ, আমার মেয়ের দিকে তাকাচ্ছে না।

কুশ,মেয়েটাকে একবার দেখ।

তুমি কি তাকে দেখেছো,মা? -হা,আমি দেখেছি।

তোমার পছন্দ হয়েছে? -আমার পছন্দ হয়েছে।

যদি তোমার পছন্দ হয়ে থাকে, তাহলে আমারও পছন্দ হয়েছে।

আমার মানিক,

তুমি আমাকে খুব ভালোবাসো...

একবার মেয়েকে দেখ, আর অভিনয় করিস না।

আচ্ছা।

সে তার সম্মতি দিয়েছে।

এইক্ষেত্রে, আপনার ছেলেকে আমার মেয়ের সাথে কথা বলতে দেয়া যাক। - না।

কোনো প্রয়োজন নেই। -সে তাকে দেখেছে।

এটাই যথেষ্ট।

না...

আমার মা বলেছে আপনার মেয়ের সাথে কথা বলতে না। তাই আমি বলব না...

হে... তুমি এটা কিভাবে বলতে পারো?

তারা এখন নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণী,

তাদেরকে কথা বলতে দিন।

মা, আমাদেরতো বড়দের কথা অমান্য করা উচিৎ না... তাই না?

কিছুক্ষনের জন্য আমি তার সাথে কথা বলব।

আমি আপনার নামটা জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গেছি। -খুশি।

আমার নাম কুশ। -জানি।

আমার দাদিমা আমাকে বলেছিল।

আপনার পড়াশোনা কতটুকু?

আমি এমবিএ শেষ করে এখন বাড়িতে থাকি।

এমবিএ।

এর মানে আপনি বাড়ি থেকে বের হোন না।

কি বললেন?

আপনি কি বাড়ি থেকে বের হোন না?

না। আমি বেঙ্গালুরুতে ছিলাম, এবং সেখানেই পড়াশোনা করেছি।

আমি বিয়ের পর বেঙ্গালুরুতেই থাকতে চাই।

তাই, আমি বিয়ের আগ পর্যন্ত এই বাড়িতেই থাকতে চাই।

আপনার কোনো খারাপ অভ্যাস আছে?

খারাপ অভ্যাস?

আমি আমার নখ কামড়াই,

আমার খাবারের ঠিক সময় নেই।

আমি রাত্রের শিফটে কাজ করি, তাই, আমি ঠিক সময়ে ঘুমাতে পারি না।

আপনার কোনো বয়ফ্রেন্ড আছে?

না...

আমারা কি বিয়ের পর বাইরে কোথাও যেতে পারি?

আমরা আমাদের নিজেদের জন্য কিছু সময় ব্যয় করতে পারি।

আমরা একে অপরকে জানতেও পারবো।

দয়া করে,না।

আমরা ধর্মশালায় যাবো,

বিয়ের পর বৃন্দাবন ও দক্ষিণাশ্বর কালী মন্দিরে যাবো।

এরপরে আমরা কথা বলতে পারবো।

ঠিক আছে, -'মানুষ আমাদের মতো বোকা বানানোর চেষ্টা করে'

'আর তার মত সহজেই বোকা হয়ে যায়।'

'এই ধরনের মানুষ সকলের বেঁচে থাকার কারণ।'

এটাই আপনার পরিবার?

না,আমার একটি মামা আছে। -অহ,তাই!

সে কি করে?

আইএএস পরীক্ষা দেওয়া পর সে ১ বছরের জন্য বিরতি নেয়।

তার বি.কম শেষ করার পর...

এখন দশ বছর হবে।

আমরা দশ বছর পর জানতে পারি,

সে তার বি.কম শেষ করে নাই।

এখন সে কি করে?

'ধূমপান স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর'

স্যার,আপনি অনেক সিগারেট ধূমপান করছেন।

এটা স্বাস্থ্যর জন্য ভালো না।

আমি যদি ধূমপান না করি...

তাহলে কম বয়সী তরুণরা ধূমপান করবে, আর তাদের স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যাবে।

তাই আমি এসব সিগারেট ধূমপান করছি।

আপনি তো মহান লোক,স্যার।

স্যার,এতে কি আপনার স্বাস্থ্য ক্ষতি হবে না?

যদি আমার কিছু হয়, এতে আমার কিছু আসে-যায় না।

কিন্তু মানুষরা রাস্তাঘাটে সুস্থভাবে চলাফেরা করতে পারবে।

স্যার,এই দুটোর মাঝে কানেকশন কি?

আমাদের ফুসফুস সিগারেটের মতোই সীমিত,

শুধু তাজা বাতাস নিশ্বাস নেওয়ার জন্য।

কিন্তু যখন ধূমপায়ীদের ফুসফুসে সঙ্কুচিত হয়,

তুমি সেই ফুসফুসের মাঝে টার পাবে। [টার - আলকাতরার মতো]

আর এই টার চাইলে রাস্তার পিচ ঢালাইয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

আর এই রাস্তা মানুষের চলাচলে সাহায্য করবে। -স্যার।

ঐটা দেখুন,স্যার।

একটি অন্ধ মহিলা রাস্তা পারাপারের জন্য চেষ্টা করছে। -ঐ...

বেচারি মহিলা।

অহ,অন্ধ মহিলা।

তাকে বাঁচাতে হবে।

হে! দাঁড়ান।

ম্যাম,কি এটা? একা রাস্তা পারাপার করছেন কেন?

আস্তে আস্তে আসুন।

এ.... -থামুন।

দেখতে পাচ্ছে না সে যে অন্ধ, বেচারি মহিলা।

না,স্যার। -আসুন,ম্যাডাম।

আসুন. -এটা দেখুন...

এটা ফুটপাত। এখানে বিশ্রাম নিন।

আপনি তো দেখতে পারেন না।

মানুষ থেকে আপনার সাহায্য নেয়া উচিৎ,

রাস্তা পারাপারের জন্য।

একা রাস্তা পারাপার করবেন না।

যান। -স্যার।

আপনার গাল কোথায়,স্যার? -গাল?

অহ মোর খোদা! এই মাঝরাস্তায় আপনি আমাকে চুমা দিতে পারবেন না।

আপনার এড্রেসটা দিন, আমি ঐখানে আসছি।

যান এখন...

এক মিনিটের জন্য ধরতে পারবেন? -কেন, ম্যাডাম?

অহ,না...

ধরেন এটা। -অহ না।

আপনি গালের বাইরে চলে যাচ্ছেন, এটাই আমার গাল।

দুষ্টু মেয়ে!

আসো,এখনি দাও।

কেউ জানবে না, চুমু দাও।

অহ না। -কি হয়েছে?

এতো জলদি এতো মানুষ জড়ো হয়ে গেল!

যখন আমি ভোট চাইতে যাই, তখনও এত মানুষ আসে না।

কি হয়েছে?

স্যার,আমি অনেক কষ্টেসৃষ্টে অর্ধেক রাস্তা পার হয়েছিলাম,

আর সে আমাকে আগের জায়গায় নিয়ে আসে, যেখান থেকে আমি রাস্তা পারাপার হচ্ছিলাম।

এরপরও,সে কথার ফাঁকেফাঁকে আমাকে ছোঁয়।

তাকে জিজ্ঞাস করুন,স্যার - অহ মোর খোদা।

এই মহিলা একজন সামাজিক কর্মীকে অপপান করছে।

আপনি আমাকে ছোঁয়ার চেষ্টা করেন নাই?

কি বলছেন?

আমি যদি ছুঁইতে চাইতাম তাহলে এরকম শরীর ঝাপটিয়ে ছুঁইতাম।

দেখন, আমি এই মহিলা আলিঙ্গন করেছি। - ওহ না! চল যাই!

আপনাকে আলিঙ্গন করা উচিত?

দেখেন সে দেখতে কত সুন্দর।

আমি তার সাথে গান গাইবো।

আমি কেন আপনাকে ছুঁইবো।

এসব ফালতু কথা বলবেন না। -কি করছে সে....

আরে, সে আপনাদের সবার সামনে নিয়ে টানাটানি করছে..

আর আপনারা চুপ করে আছেন কেন?

অহ না! - এই মানুষরা তো ছাড়বে না।

আরে না, -মারেন তাকে। -অহ মোর খোদা!

আমরা আসছি, ম্যাডাম। আসি, স্যার।

আচ্ছা.. -আমরা আসি। -অনেক দূরের রাস্তা।

সাবধানে যাবেন। - আরে না,স্যার।

ময়সুর থেকে বাঙ্গালুরু যাওয়া কোনো ব্যাপার না।

আমরা আমাদের শহরে...

পৌছে যাবো অল্প সময়ে।

মামা,কি হয়েছে? -কিছু না,খুশি।

একটা ছোট্ট ঝগড়া ছিলো।

একজন একটা মেয়েকে জ্বালাচ্ছিল।

আমি তাকে পিটিয়েছি।

তার পোষা গুন্ডাও ছিলো। তাকেও মেরেছি।

মেরে তাকে জরুরি বিভাগে পাঠিয়েছি।

আর আমি অই লাশগুলো মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছি।

মহিলাদেরও... -কে সে?

তুমি চিন্তা করো না, আমার কিছুই হবে না।

সে আমার শালা।

যখন আমার বউ এখানে এসেছিল, সে সাথে করে তাকেও নিয়ে এসেছিল।

যখন সে মারা যায় তাকে এখানে রেখে যায়।

আমি জানি না, সে আমাদের ছেড়ে কবে যাবে -অহ!

মেয়েটি আমাকে ঝাপটিয়ে ধরেছিল।

সে আমার মারামারি দেখে ফিদা হয়ে গিয়েছিল।

স্যার,আপনি যদি তাদের এই অবস্থায় মারেন...

তাহলে তাদের কি অবস্থা হয়েছে?

কে মার খেয়েছিলো?

হে,কে তুমি?

আমি খুশির সাথে দেখা করতে এসেছিলাম,স্যার।

খুশি?

তোমার কত বড় সাহস! তুমি আমার সামনে বলছো?

হে,খচ্চর কোথাকার,

আমি টাইগার প্রভাকরের মত মারামারি করি,

আমার মেজাজ নষ্ট করো না।

যাও এখান থেকে। পাত্রপক্ষ এখনি আসবে

বের হয়ে যাও।

মামা,সে হলো পাত্র।

অহ মোর খোদা! তুমিই পাত্র?

দেখতে সুন্দর।

সেও একটু লজ্জা পাচ্ছিল যখন বলিছিলো,

তো, তার মানে এই বিয়ে পাক্কা।

"This is a sacred thread"

"which is essential for my long life."

"I will tie this around your neck."

"May you live happily ever after with me."

"This is a sacred thread"

"which is essential for my long life."

"I will tie this around your neck."

"May you live happily ever after with me."

"This is an auspicious thread"

"which is essential for a long life."

"I will tie this around your neck."

"May you live happily ever after with me."

কুশ। -জী, বাবা।

আমি তোমাকে একটি বাড়ি উপহার দিচ্ছি। -বাড়ি?

আমার স্নেহ-ভালোবাসা থেকে এই উপহারটি দিচ্ছি।

রাখো এটি।

শুভকামনা। -ধন্যবাদ।

নতুন ঘরে, নতুন জীবন শুরু করো। -ধন্যবাদ বাবা।

আমাকে আশীর্বাদ করুন। -আরে ঠিক আছে।

আরে ঠিক আছে। ভগবান তোমাদের সহায়ক হবেন।

খুশি,এই বাড়িটি তোমার নামে রেজিস্টার করা হয়েছে।

আচ্ছা,বাবা।

অহ,আমি ভেবেছিলাম তুমি দুধ নিয়ে আসবে

না, আমি আনবো না। দাদীমা বললো, সে নিয়ে আসবে।

আচ্ছা ঠিক আছে।

সে লাইট অফ করেছে।

আসলে...

আমি ভেবেছিলাম তুমি লাইট বন্ধ করে ফেলেছো।

না... আসলে, বাইরে একটি পাওয়ার সুইচ ছিল ঐটা চালু করলাম করলাম।

অহ, আচ্ছা ঠিক আছে,আমি আমার শার্ট পড়ছি।

পড়া লাগবে না... আমি লাইট বন্ধ করে দিচ্ছি।

আমি ঐ দরজাটা বন্ধ করে দিচ্ছি।

এইটা রাখো..

এটা আমি তোমার বিয়েতেই দিতে চেয়েছিলাম,

যদি তুমি খুব রেগে যাও...

তাহলে এখানে রেকর্ড করে ফেলবে।

চালু করবে আর তোমার সব রাগ ঢেলে দিবে এটার উপর...

সামনে রেখে।

যখন তুমি শান্ত হয়ে যাবে, তখন এটা শুনবে।

যদি তোমার কথাগুলো ঠিক মনে হয়,

তাহলে তাকে গিয়ে সরাসরি বলে দিবে। -ঠিক আছে।

দেখো, সে জানে না, যে আমি এটা তোমাকে দিয়েছি।

সে জানে না, যে আমি এটা তোমাকে দিয়েছি।

ঠিক আছে। -আচ্ছা,দাদীমা।

শুভ সকাল!

অহ! কফি?

তুমি কেন কষ্ট করে আনতে গেলে?

আমাকে ৫ মি. দাও, আমি তোমার জন্য নাস্তা তৈরি করে আনছি।

হে... দরকার নেই...

রোগীরা হাসপাতালে এসে পড়েছে।

আমার এক্ষুনি হাসপাতালে যেতে হবে। ধরো এটা।

তো, তুমি আমাকে বলো তুমি চাও...

আমি সেটা বানিয়ে দিচ্ছি।

হ্যা।

হা,আমি এখানে নোট করে দিলাম আমার সপ্তাহে যা যা লাগবে।

এইটা কাজ হলে, এইটা অনুযায়ী আমরা চলব।

তা নাহলে, পরিবর্তন করে ফেলব এটা।

আমি এখানে আটকে দিলাম।

ঠিক আছে?

ধরো এটা,আমি যাচ্ছি। -ধন্যবাদ।

বিদায় -বিদায়।

'সে যেমন হিজিবিজি তার প্রেসক্রিপশনও হিজিবিজি' [হিজিবিজি - অগোছালো]

আমি বৃহস্পতিবারে সেখানে থাকি।

এরপরে এখানে আসি।

হাম্পা, -জ্বী, স্যার।

ঔষধ ভাল মতোই কাজ করেছে।

আর কোথাও যেতে হবে না,কোনো কিছু করতেও হবে না।

ঠিক আছে।

আমার মত ডাক্তাররা, যারা কিনা ...

পুরো দুনিয়ার বাবা-মাকে খুশির সংবাদ দেয়।

অভিনন্দন! আপনার স্ত্রী গর্ভবতী।

হাম্পা। -জ্বী স্যার।

আমি ঔষধগুলো প্রেসক্রিপশনে লিখে দিচ্ছি।

ঔষধগুলো অবশ্যই সময়মতো নিতে হবে। -আচ্ছা,স্যার।

তাকে সময় মত খাবার দিতে হবে।

কোনো ধরনের চাপ দেওয়া যাবে না।

তাকে কোনো ধরনের কাজ করতে দেওয়া যাবে না। - না,স্যার। তাকে কোনো কাজই করতে দিবো না।

আমাকে ট্রিট কখন দিচ্ছেন?

খুব জলদী দিবো,স্যার।

আমার স্ত্রী ভালো 'হালুয়া' বানাতে পারে।

যখন তার বাচ্চার ডেলিভারি হবে।

আমাকে তার জন্য হালুয়া বানাতে হবে,

বিশেষ করে আপনার জন্য নিয়ে আসতে হবে। -আচ্ছা।

আপনি কি পারবেন? -অবশ্যই স্যার।

আমরা তাহলে আসি।

প্রোটিন! -জ্বী স্যার।

তাদের কাছ থেকে ঔষধের কোনো টাকা নিবেন না।

আচ্ছা,স্যার। -ঠিক আছে?

এখন ঠিক লাগছে।

আজ আমি ফার্মেসীতে গিয়েছিলাম। -কেন? কি হয়েছিল?

আমি বুঝতে পারছি না।

তুমি প্রেসক্রিপশনে উপর কি লিখেছো?

বেচারা! দোকান বিক্রেতাও বুঝলো না।

কোনো ভাবে, আমি এটা বুঝেছি। -অহ। -আর কিছু রান্না করেছি।

বাহ!

খুবই মজাদার।

তুমি এত ভাল রান্না কিভাবে শিখলে?

রান্না করা হলো একটি আর্ট।

কিছু উপাদান ব্যবহার করে রান্না করা হয়।

যারা রান্নাতে জীবন এনেছে।

যারা খাবারের স্বাদ...

আনার উপযুক্ত প্রচেষ্টা করে।

আমার এমবিএ শেষ করার পর তো আমি বাড়িতে ছিলাম,তাই না?

তখন অবসর সময়ে আমি রান্না করা শিখি।

তুমি কোন ধরনের রান্না করতে জানো?

নর্থ ইন্ডিয়া,সাউথ ইন্ডিয়া,মেক্সিকান, ইটালিয়ান।

তুমি যা চাইবে তাই বানিয়ে দিবো।

তুমি কি সাউথ ইন্ডিয়ার সকল রান্না করতে পারো?

ইডলি,ভাদা,পুরি,পনগাল,সেট ডুসা।

মাসালা ডুসা,প্লেইন ডুসা, বিসি বেলে ভাত,পুলিওগারে।

পুলিওগারে!

নর্থ ইন্ডিয়ার কোন কোন রেসিপির রান্না করতে পারো?

নর্থ ইন্ডিয়ার রান্নায় আমি বিখ্যাত।

তাই নাকি?

রুটি, নান,বাটার নান,ডাল খিচুড়ি, কুলছা।

পলক পনির, পলক বাটার মাসালা।

পলক টিক্কা মসালা ও বিরিয়ানি।

ওয়াও! দারুণ!

এক মিনিট।

হ্যালো, -হ্যালো কুশ,খুবই জরুরি।

তুই কোথায়?

আমি বাড়িতে।

আচ্ছা, আমরা যেখানে প্রতিরাত আড্ডা দিই, সেখানে আয়

ঠিক আছে...

কি হয়েছে?

একটা সমস্যা হয়েছে।

আমার বন্ধুর দুর্ঘটনা ঘটেছে।

ও সে এখন হাসপাতালে ভর্তি।

আমাকে তার বিলটা দিতে যেতে হবে।

তাই? -হ্যাঁ।

তোমাকে তো শান্ত দেখাচ্ছে।

আমি একজন ডাক্তার,

আমার কিছু বিরিয়ানি লাগবে।

বেচারা! তাদের খাবার আছে কিনা, তাও জানি না।

তার সাথে দেখা হওয়ার পর দুর্ঘটনা।

সম্ভবত, তাদের খাবারের প্রয়োজন।

আমি খাবার গুলো প্যাকেট করে দিচ্ছি। - না ঠিক আছে।

বিরিয়ানি!

অস্থির, দোস্ত, হে,প্লেটে কিছু দে।

আরে,ভুলেই গেছি। প্লেট লাগবে।

আমি মুরগীর ঠ্যাং চাই। -আছে। -হে!

আমি এটা চাই।

এই বিরিয়ানি কে রান্না করেছে?

এটা খুবই সুস্বাদু।

আমার স্ত্রী।

অসাধারণ, -দোস্ত অসাধারণ হয়েছে। -হে!

আমি তার জন্য কোনো বিরিয়ানি অবশিষ্ট রাখি নি।

নে শুরু কর... -ভালো করেছিস।

সব কি মরেছে!

এক ঘন্টার উপরে হয়ে যাচ্ছে, আমি বিরিয়ানির অর্ডার দিয়েছি।

এখনো কেন বিরিয়ানি দিচ্ছে না? -সে এমন করছে কেন?

অর্ডার বাদ। -বিরিয়ানি বাদ!

শালা!

এটাতো সে।

খা...

হে... -দোস্ত

দোস্ত,বিয়ের পর দিনকাল কেমন চলছে?

দোস্ত,বিয়ের পর দিনকাল কেমন চলছে?

দুর্দান্ত! জানিস কি হয়েছে?

কি হয়েছে,দোস্ত...

তোদের বিয়ের রাত্রে আসতে বলিস,

যদি না জানিস, তাহলে আমি শিখিয়ে দিবো ঐখানে...

তুই...

দোস্ত,খুশির বিষয়ে কিছু বল..

খুশি!

তার চেহারা যেন এক পরীর,

আর চলাফেরা যেন পুরো পরীর মতো।

কথাবার্তা বলে শিশু-বাচ্চাদের মতো। -আচ্ছা।

সে ভাল রান্নাও করতে পারে। -অহ!

আমি নিজেকে খুব দোষী মনে করছি।

কেন?

আমার মনে হচ্ছে, আমি একটি ভালো মেয়েকে ঠকাচ্ছি।

তাই বুঝি?

ঠিক আছে। আমি তার ভালোভাবে দেখাশোনা করব।

দোস্ত। -হ্যা তুই আমকে চিনিস না...

তবুও আমার খেয়াল রেখেছিস।

তো, তুই তোর স্ত্রীকে ভালোভাবেই খেয়াল রাখবি।

তাই না?

দোস্ত! -হ্যা। -শুভ রাত্রি!

শুভ রাত্রি!

দোস্ত! -হেয়.. -হেয়..

ওহ..

অহ..

কি হয়েছে?

আমি তেলের বোতলগুলো রাখছিলাম।

কি!

আমি পিছলে পড়েগিয়ে ছিলাম। তাই, এগুলা রেখে দিচ্ছি।

তুমি তেলের কারনে পড়ে গিয়েছিলে,

আর আমি তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে পড়ে গিয়েছিলাম।

মানে?

ধুর! এটা কি?

আমি মদের গন্ধ পাচ্ছি।

গন্ধটা কোথা থেকে আসছে?

তুমি কি মদের গন্ধ পাচ্ছো ?

হ্যা...

অহ, আচ্ছা। আসলে, এটা আমাদের প্রতিবেশির...

...ব্যাচেলর পার্টি থেকে আসছে।

তো, এটাই হয়তো কারন পারে।

যত্ত সব মাতালরা!

তাছাড়া, তোমার বন্ধুরা কেমন আছে?

কি! -তোমার বন্ধুরা?

তারা বিপদ থেকে বাইরে

কিন্তু তারা অজ্ঞান হয়ে আছে।

অহ ঈশ্বর!

কাল শনিবার। কাল রাতে আমাকে হাসপাতালে কাজ করতে হবে।

অহ,তাই?-হ্যা। 'সে আমাকে বিশ্বাস করেছে'

আমাকে প্রত্যক শনিবারে কাজ করতে হয়। তুমি আমার সাথে থেকো।

তা ঠিক আছে। আমি তোমার সমস্যা বুঝতে পারছি।

অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। আমরা ঘুমাতে চলে যাই?

অবশ্যই...

আচ্ছা, বিদায়। বিদায়।

অহ! -না..

ঠিক আছে। -বিদায়।

অহ! ধন্যবাদ।

আমি এটা ভুলেই গিয়েছিলাম।

কুশ! -হ্যা?

ওহ, হ্যা।

তুমি কাল সকালে তাড়াতাড়ি আসছো, তাই?

আমি সকালের মধ্যে এসে পরবো।

আমার নাম্বার যদি বন্ধ থাকে তাহলে আমি দুপুরে আসব, ঠিক আছে?

কি? -অপারেশন! -অহ..

বিদায় -বিদায়

কুশ, কেমন আছিস? তুই ইতিমধ্যেই তোর বিয়ে হয়েছে। -অহ

আমি তাকে বিয়েতে বা

কোথাও দেখেছি... মিস সাবিত্রী

আমার বিয়েতে আসাতে...

প্রকৃতভাবে তোকে ধন্যবাদ জানাই।

হে,আমাকে জ্বালাইস না।

আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমি আসতে পারি নাই।

আমি খুবই দুঃখিত।

আমি তো তোকে আগেই বলেছিলাম, যে আমি সফরে যাচ্ছি,বলি নাই?

হ্যা। -তোর আসা উচিৎ ছিল।

সফরটা খুবই চমৎকার ছিলো।

তুই বিয়েটা পরেও করতে পারতি।

আচ্ছা ঠিকাছে, আমি তোকে কিছু ছবি দেখাচ্ছে।

হে,আমাকে দেখা, যদি কোনো ভালো মেয়ের ছবি থাকে।

যদি তুই থাকিস, তাহলে এটা দেখাবি না।

বিয়ের পরও তুই বদলালি না,তাই না?

দাঁড়া।

এই যে, দেখ এটা।

অহ!

আমরা ঐখানে খুব মজা করেছি। তুই জানিস তাকে?

হে,এটা তো... আমি....

অহ.. এটা খুশির বিয়ের উপলক্ষে পার্টি।

এরপরের ছবিটা দেখ।

কে সে?

অহ,এই মেয়েটি? -হা।

মেয়েটি একদম চমৎকার।

'বোম...'

অহ,গড!

আমাকে এক গ্লাস বোটকা দেয়া যাবে?

তার ব্যাপারে আমাকে কিছু বলো। -আচ্ছা।

সে ময়সুর থেকে এসেছে।

সে...

ব্যাঙ্গালোরে একটি ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা শুরু করে।

যখন সে ময়সুরে রয়েছিল, সে খুবই ভদ্র ছিল।

কিন্তু সে যখন এখানে আসলো, তার চলাফেরা অন্যরকম হয়ে গেল,

সে স্বাধীন।

সে বাইকে ঘুরাফেরা করে,

সে ছেলেদের থেকে দূরে থাকতো...

যারা তাকে প্রপোজ করতো।

যেত আর সরাসরি না বলে দিতো।

যাইহোক, আমি হিংস্র হয়ে যাচ্ছি।

সে সামান্য অহংকারী।

মূলত,সে তোমার সাথে এমন আচরণ করবে...

যেমন তুমি এক মেয়ে।

হাই,দোস্তরা!

তোমরা খুব মজা করছো? -হাই, - হাই।

আমি তোকে মিস করেছি। - হাই -কি অবস্থা?

দোস্ত,বিয়ে হবার পর...

আমার সাথে দেখা করা কঠিন হয়ে পড়েছে?

না! -তোর স্বামী কি তোকে ছাড়া থাকতে পারে না?

হে,বেবি! তোমার স্বামী কোথায়?

অহ, নো। মনে হচ্ছে, এটা সে। - হায় ভগবান।

হে দাঁড়াও। এত আতংকিত হইয়ো না।

প্রথমত, মদের বোতলগুলো লুকাও।

এবং এরপরে, আমরা লুকিয়ে যাবো।

হে,ধর এটা।

যাও আর সবাই লুকাও

অহ ভগবান।

মনে হচ্ছে,আজ আমার ভাগ্য খারাপ।

হায় ভগবান!

আচ্ছা।

কে?

এটা তুই! -হে বেবি। -অহ প্রিয়!

ভেতরে আয়। -আমি তোকে খুব মিস করেছি।

তুই আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিলি!

আমি দুঃখিত! -হে...

হে,বাড়ির ভেতরটা সুন্দর।

কুশ! -কুশ! কোথায় সে...

কুশ... -আমার মনে হচ্ছে, সে এখানেই আছে।

সে কি কুশ?

হা,সে কুশ।

কুশ! -আমার মনে হচ্ছে সে আমাদের কোনো সংকেত দিচ্ছে।

দাঁড়া, তুই তাকে কিভাবে জানিস?

ভুলে যা ঐ ব্যাপারে।

তুই আর সে একই ছবিতে।

তোর স্বামী কিছু বলে নি?

সে কিছুই বলে নাই।

সে খুবই অসাধারণ।

তুই কি বুঝাতে চাচ্ছিস?

আমি কেন অন্য জনের ছবি টাঙিয়ে রাখবো?

সে আমার স্বামী।

সে? -হা।

সে তোর স্বামী? -হ্যা।

তুই বলেছিলি সে খুবই ভদ্র..

আর সহজ সরল।

হ্যা,এটাই সে।

তুই ভুল করেছিস।

শেষবারে,আমি যখন আমেরিকা থেকে এসেছিলাম, আমার বোনের বাচ্চাকে দেখার জন্য,

আমি তার সাথে পার্টিতে যেয়েছিলাম।

তুই বিভ্রান্তিতে আছিস।

সে ওরকম লোক না।

সে সাদাসিধা মানুষ। -তুই আমাকে বিশ্বাস করছিস না,ঠিক? -দাঁড়া।

আমি তার মুখ থেকেই এটা বলাবো।

কুশ... -কি? -সাবধানে থাকিস।

আমার মনে হচ্ছে, সে তাকে আক্রমণ করবে।

অহ,আমার! আমি তোর কাছে হাত জোর করছি।

সে শনিবারে রাত্রের শিফটে কাজ করে।

সে ঘরে নেই।

সত্যর মারে বাপ।

আজ শনিবার।

আর আমি জানি না সে কোন ক্লাবে বসে মদ খাচ্ছে।

সে তোকে বোকা বানাচ্ছে।

নিজেকে দেখ।

এটা ধর... -ধর এটা... -প্রস্তুত থাক...

তুই এখনো আমাকে বিশ্বাস করছিস না,তাই না?

দাঁড়া,আমি তোকে দেখাচ্ছি।

আমার মনে হচ্ছে,সে তাকে মারবে।

চলো বন্ধুরা,তাকে বাঁচাই। -আমাদের যাওয়া উচিৎ না। -হে...

চলো বন্ধুরা,তাকে বাঁচাই। -আমাদের যাওয়া উচিৎ না। -হে...

আমরা তোকে ছাড়বো নাহ...

বন্ধুরা!

কি...কি হচ্ছে? -হায় ভগবান!

'ঝাড়ু দিয়ে সবাই তাকে পিটাও'

"তারা ২০রুপি থেকে ৭০ রুপি দাম বাড়িয়ে ফেলেছে।"

"এমন হলে আমরা কিভাবে বাঁঁচব?"

"আগে ছিলো ৩০ আর এখন এটা ৭০!"

'এখন ৭০রুপি হলে,আমরা কিভাবে বাঁচব?'

"আমরা গরীব মানুষরা কি করব?"

'হে, তোমাদের দল।"

'আর তাদের দলও ভেঙ্গে যাবে।'

'আপনি এটা কিভাবে বলতে পারেন?'

'আমরা ঠিকভাবেই বলেছি'।

'আপনি এটা কিভাবে বলতে পারেন?'

আপনি অনেক নাটকবাজ এবং কারোও পরামর্শ ছাড়াই এইসব করছেন।

তাই, এটাকে প্রতারণা মনে করছেন।

অপেক্ষা করেন...

দেখুন, আপনার প্রতারণাময় ব্যবহারের জন্য আপনি ফেঁসে গেছেন।

তারপরও, আপনি এটার জন্য তৈরি না।

তাই, অবস্থা এখন বড় কঠিন। -ওহ...

যদি কেউ আমাদের দল নষ্ট করে,

তাহলে আমরা সবকিছু জ্বালিয়ে করে দিব।

আমরা কাউকে ক্ষমা করব না।

আমরা কাউকে ক্ষমা করব না।

আমরা আপনাদের দুজনেরই উত্তেজনা চালিয়ে নেব।

ঠিক আছে, সামনে যাওয়া যাক।

আমরা সামনে কেন যাবো? আমরা পিছনে যাবো।

আমি জানি যে আপনি আমার সাথে প্রতারণা করেছেন।

আমি সত্যিই বিষ খেয়ে নেবো।

তুমি এখনও কেন খাচ্ছো না এবং মরছো না...

তুমি তোমার মায়ের বাড়ি চলে যাও।

বিশ্যাগামিনি বিষের বোতলটি হাতে তুলে নিল।

১৭ বারের মতো।

দেখা যাক সে এটা খায় নাকি পরে খায় না।

আপনার পরিবারে কি শান্তি নেই?

স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে লড়াই?

আপনার কি আদালতের মামলা আছে?

আপনি কি কোনো পুরুষ বা মহিলাকে কবজ করতে চান?

দুজনের উপর কবজ করছে...

সকল প্রকার সমস্যার জন্য স্থায়ী সামাধান দিয়ে থাকি

শুধু ১১ দিনের মধ্যে।

তার পেন্ডেন্ট পরিহরা মেঘালয়া থেকে এসেছে

যেমন তার অনুগামীদের জোর করা...

সে কানিস্কা হোটেলের

রুম নাম্বার ৪২০ এ থাকবে।

অফার! বৃষ্টির মতো অফার!

এডভোকেট বিশ্যেধন কুমার, ডিভোর্স বিশেষজ্ঞ...

প্রথম ডিভোর্সের জন্য ৫০ টাকা ছাড়!

এবং দ্বিতীয় ডিভোর্সের জন্য ৩০ টাকা ছাড়।

এখনিই আপনার সাক্ষাতের ব্যবস্থা করুন।

খাবারে কি আছে?

উত্তর ভারতীয়, দক্ষিন ভারতীয়,

মেক্সিকান, ইটালিয়ান। আপনি কি খেতে পছন্দ করবেন, স্যার?

দক্ষিণ ভারতীয় খাবারে মধ্যে কি কি আছে?

ইডলি, ভাদা, পুরি, পঙ্গাল, সেট ডোসা,

মাসালা ডোসা, প্লেইন ডোসা, আতপ চালের ভাত এবং পোলাও।

উত্তর ভারতীয় খাবারের মধ্যে কি কি আছে?

ওয়াও! আমরা আমাদের উত্তর ভারতীয় খাবারের জন্য বিখ্যাত, স্যার।

রুটি, নান, বাটার নান, ডাল-খিচুরি, কুলচা,

পালক পনির, পালক বাটার মাসালা'

পালক টিক্কা মাসালা...

এবং বিরিয়ানি।

রান্না হলো একটি শিল্পকলা।

রান্না কিছু উপাদান-সামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়।

কিছু ব্যাক্তি তারা তাদের জীবনে রান্নাকে নিয়ে আসে।

তারা তাদের প্রচেষ্টার দ্বারা

সুস্বাদু খাবার তৈরি করে।

আপনি তাকে চেনেন? -ওহ, এই মেয়েটা...

সে আমাদের নিয়মিত ক্রেতা।

আপনাকে আমায় বলতে হবে যে সে আপনাকে এখানে পাঠেয়েছে।

দাঁড়ান। আজ কি বার?

আজ শুক্রবার। ওই, দুই প্যাকেট মাসালা ডোসা দে।

ওয়াও! একটি মাইক। হ্যালো।

হ্যালো।

হ্যালো!

"Twinkle twinkle little stars."

"How I wonder what you are?"

"Nothing can be done once we marry someone."

"So, keep playing pranks on her to teach a lesson."

"Humpty Dumpty sat on a wall."

"My wife is a haughty lady."

"Keep playing pranks and make her life miserable!"

"Keep making her life miserable."

"Fool her!"

"Fool her!"

"Fool her!"

"She is like a monkey."

"Make her dance to your tunes."

"Keep watching, what all games I am going to play with her."

"There you go."

"Her face will be in a mess now!"

"Look at her, how funny she looks."

"No matter how hard you try to fly high"

"I am going to clip your wings"

"and keep you grounded."

"I really wish you were dead."

"I wish I could kill you!"

"No matter how smart you are"

"I am going to make you a loser now."

"If you are a punter, then I am your hunter."

"You mess with me, I'll mess with you."

"I'll make your life miserable."

"Miserable!"

"You play games with me, then I'll make you pay for it."

"Pay for it."

"Ring a ring o' roses. Stop overacting, oh, fair lady!"

"Humpty Dumpty sat on a wall."

"Don't mess with me and get into trouble."

"Twinkle twinkle little star.."

"How I wonder what you are?"

"Nothing can be done once we marry someone."

"Keep playing pranks on her to teach a lesson."

"My wife is a haughty lady."

"Keep playing pranks on her to teach a lesson."

"Teach her a lesson.."

যাহ! -তুই যাহ!

হেয়, কুশ, কি বলছিস?

হ্যা, বন্ধুরা।

আমি খুশির জন্য নিজেকে পরিবর্তন করেছি।

কিন্তু সব জলে গেল।

যদি আমি ওই ব্যাটাকে পাই,

যে দিয়েছে এই বুদ্ধিটা... -হেয়!

হেয়, কে এটা? কে মদ খেয়ে বোতল ভাঙছে?

কুশ, তুই?

কুশ, তোর স্ত্রী তো জেনে যাবে....

যদি তুই মদ পান করে বাড়ি যাস?

তোর কাছে তো এই সমস্যার সমাধান আছে, তাই না?

হ্যা। -তাহলে আয়এবং বল। -আমি আসছি।

আয়,আয়।

আমি আসছিতো।

বল, কি সমস্যা তোর?

ওহ, এটাই কি সমস্যা?

ওহ, না...

ওহ, ঈশ্বর! তুই আমার শামুকে ছুড়ি মেরেছ। তুই এতটা নরপুরুষ হতে পারিস কিভাবে?

আমার খাবার! আমার সুস্বাদু খাবার!

খাবার নাহ... -ওহ না! -এটা তোর পা। ওহ না!

আমার পা না। তুই আমার শামুতে ছুড়ি মেরেছিস...

এখানের খাবারগুলো ব্যয়বহুল

আমি বাইরে থেকে শামু নিয়ে এসেছি।

তুই সবগুলো নষ্ট করে দিলি।

ভালো তুই রাখ।

খুশি, যথেষ্ট হয়েছে।

তুই পুরো মাতাল। আজ রাত এখানেই ঘুমা।

যদি তুই বাড়ি যাস, তাহলে কুশ জেনে যাবে।

আমি মাতাল হয়ে যাচ্ছি আর তার এটা জানা উচিৎ।

কি! খুশি, তুই কি পাগল?

সেও আমার মতোই মিথ্যা কথা বলে।

সে যা বলে তা সত্য নয়।

সে বলে যে আমি প্রত্যেক শনিবার রাত্রের শিফটে কাজ করি।

এবং সবাই বোকা বানায়।

কিন্তু সে আমাকেও বোকা বানিয়েছে!

সত্যি, কুশ? -হ্যা।

সে আরও তোর মতো কিছু খচ্চর ব্যাক্তির পরামর্শ শোনে

তাই করেছে।

তোর স্ত্রী তো প্রচলিত পোষাক পড়ে একদম আধুনিক মেয়ে হয়ে গিয়েছে।

সে কোন ধরনের মেয়ে! -ওহ ঈশ্বর।

যদি তারা বলে আমরা যদি বিপদ থেকে বেঁচে যাই, তাহলে আমরা ভাগ্যবান।

কিন্তু আমি তাকে বিয়ে করার পর বিপদে পরেছি।

ঠিক আছে। মজা নাও।

কি বলতে চাস তুই?

প্রথমে, আমার তাকে মারা উচিৎ।

যেভাবেই হোক, আমার তাকে ভয় দেখানো দরকার

যাতে সে কাছে এসে বাড়ি থেকে বের হওয়ার প্রস্তাব দিবে।

এটা তুই ছিলি,

কে বলেছিল আমায় ভদ্র ছেলেকে সাথে বিয়ে করতে...

ঐ ডাক্তারকেও। তাই না?

তুই বলেছিলি যে সে ব্যস্ত হয়ে পড়বে...

তার নিজের জীবন, তার হাসপাতাল ও তার কাজ নিয়ে।

কিন্তু... -কিন্তু?

জানা সত্যেও, আমি এটা হতে দিই নি।

যাই হোক আমি এর পরোয়া করি না...

আজ, আমি সবকিছুর শেষ করব।

হতে পারে, আমি তাকে মারতেও পাড়ি।

আমি আমার জীবন নিয়ে কতো পরিকল্পনা করেছিলাম

কিন্তু এই বদমাশ লোকটা, সবকিছু নষ্ট করে দিল।

দেখ, বন্ধুরা, তার সাথে যদি কোনো ছোট সমস্যা থাকত

তাহলে আমি ঐটার সমাধান করার চেষ্টা করতাম।

কিন্তু এই ব্যাপারে, সে নিজেই একটা সমস্যা।

এখন, আমি তাকেই সমাধান করে ফেলব!

এটা সে হবে।

আমি এখন তাকে একটা উপযুক্ত শিক্ষা দেব।

তুই মদ খেয়েছিস,তাই না?

তোরা তোদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান কর।

তোদের মতো মানুষরা কেন আমাদের বারবার ডাক দেয়?

বেশি সাহসি হয়ে গেছোস নাকি?

বিরক্তিকর!

কেউ এটা করে নাকি?

কিন্তু ঈশ্বর সবার সাথে নিষ্ঠুর মজা অবশ্যই করে।

দূর্ভিক্ষ এবং অন্যান্য স্বাভাবিক দূর্ঘটনা হয়ই

কারন, মানুষরা তারই মতো।

এখানে কেউ একজন মদ পান করে এসেছে। -হ্যা, আমি।

তুমি কি করবে? ঘোড়া ডিম!

তুমি আমাকে এখানে ডেকেছিলে কিছু বলার জন্য...

কি?

কথাটা হলো... -না, না, দাঁড়াও।

মেয়েরা প্রথম। তাই, আমি আগে বলব।

তোমাকে তো দেখতে ডাক্তার মনে হয় না।

তোমাকে খচ্চরের মতো দেখা যায়।

অই।

আমি তোমাকে এখানে ডেকেছি কিছু আলোচনা করার জন্য

তাই ভদ্র ভাবে বলো।

যদি তুমি খারাপ ভাবে কথা বলো, আমি এটা সহ্য করব না।

আমি তোমাকে জোরে একটা থাপ্পর দিব।

আমি পেশাগতভাবে একজন জাক্তার।

একটা সময়, আমি একজন সন্ত্রাস ছিলাম।

একজন সন্ত্রাস! -স্যার.. স্যার, আমাকে কিছু করবেন না, স্যার।

স্যার, আমি আমার বাবা-মায়ের একটি মাত্র মেয়ে।

ঈশ্বর! দয়া করো, ঈশ্বর!

স্যার..স্যার, আমাকে কিছু করবেন না, স্যার।

হেয়, নগন্য মহিলা! -হেয়!

হেয়! নগন্য মহিলা! আমরা তোমাদের বাড়ি এসেছিলাম

তোমার দাদিমা একবার হাচি দিয়েছিল এবং বলেছিল এটা একটা ভালো মেয়ে।

তখন আমাদের বুঝে নেয়া উচিৎ ছিল যে তোমাদের কোনো সাধারণ পরিবার না।

কিন্তু ছিল একটা বড় নাটকের ফাঁদ।

যেটা মিথ্যা দিয়ে পরিপূর্ণ।

আমি অনুমান করেছিলাম যে তুমি ভগবান রামের স্ত্রী

পবিত্র সীতার মতো।

কিন্তু, না, তুমি হলে সুর্পনেখার মতো!

আর তোমার মামা টাইগার প্রভাকরের মতো কোনো সাহসী ব্যাক্তি না

সে একটা কাপুরুষ।

তোমার বাবা

'বাহুবালি' মুভির কাটাপ্পার মতো।

না, সে একটা চালাক বিড়াল! একটা খারাপ বাবা!

একটা খারাপ বাবা! -এটা যেন...

এটা যেন সবসময়ই হয়

আমরা একে অপরের সীমা অতিক্রম করছি।

আমি হার মানব না এবং তুমি তোমার কাজের ধরন বন্ধ করবে না।

তাহলে... -তাহলে, কি?

ডিভোর্স, হ্যা।

চলো আমরা ডিভোর্স নেয়ার সিদ্ধান্তটাকে পালন করি? -অবশ্যই।

হে, তুমি কোথায় যাচ্ছো?

মদ আনতে।

আমার কাছে আগে থেকেই আছে। হ্যা।

আমি গিয়ে নিয়ে আসি। -ঠিক আছে।

আগে থেকেই ছিল!

দারুন!

মানে এটা?

কি হয়েছে?

আমি তেলের বোতলটা রাখছিলাম।

বাহ, তেল আর কোহল শব্দটা একই রকম। কেন না ওর কাছ থেকেই পরিষ্কার হয়ে নেই।

আমি দিশাহারা হয়ে গেছি।

আমি তৈরি।

ডিভোর্সের কাগজে আমি সাইন করে ফেলেছি...

আমি ডিভোর্সের কাগজে সাইন করে ফেলেছি।

যদি তুমি হালকা ভাবে খাও তাহলে কি কোনো প্রভাব পড়বে?

না।

আমি হালকা খাচ্ছি কারন, আমি তোমার সম্পর্কে ভুলতে চাই।

ধুর..

আমি ওকে ভুলার জন্য হালকা খাবো।

চিয়ার্স! শুভ ব্রেক-আপ দিবস!

যদি আমরা ঝগড়া করি এবং বাড়িটা ছেড়ে দেই...

তারা আমাদের মিলানোর চেষ্টা করবে...

যে বিয়ের মধ্যে সাধারন ঝগড়া হয়েই থাকে।

তাই, আমাদের বুদ্ধির সাথে এটা করতে হবে।

আমরা কেন একজন আরেক জনকে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখছি?

আমার কাছে একটা বুদ্ধি আছে।

আমার কাছে একটা বুদ্ধি আছে।

আয়।

কি হয়েছে?

তুই কি কান্না করছিস?

হায়, ঈশ্বর! হ্যা, সে কান্না করছে!

তুই কান্না করছিস। আমি বুঝতে পেরেছি।

তুই যদি এভাবেই কাঁদতেই থাকিস, তাহলে আমি কি করব?

বল। কি হয়েছে?

আমি... আমি কোনো ভাবেই কুশের সাথে থাকতে চাই না।

তুমি যদি অন্য কারো সাথে থাকো, তাহলে কুশ কি তা মেনে নেবে? -হেয়..

চুপ থাক! -ওহ না। -তুই সবসময় জায়গা না বুঝে কথা বলিস।

বল। কি হয়েছে?

তুমি আমাদের একটা বাড়ি কিনে দিয়েছিলে।

যাতে আমি আর কুশ ভালোভাবে থাকতে পারি, তাই না?

কিন্তু ওর ভাই আমাদের সাথে থাকতে চায়। -থাকতে দাও।

তুমি বিয়ে করেছো বলে আমি বাড়িটা উপহারে দিয়েছিলাম

কারন, আমি চাই সবাই সুখে থাকুক।

বাবা, তুমি বুঝতে পারছো না।

যখন কুশ থাকে না, তখন সে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে।

আমি কুশকে এই ব্যাপারে বলেছিলাম।

কিন্তু সে এটা বিশ্বাস করে নি।

তাই আমি এখানে এসে পড়েছি।

আমি জানতাম! -কি!

আমি তোমাকে বলতে চেয়েছিলাম। -কি?

স্বাগতম...!

স্বাগতম...!

হেয়, দুষ্টু লোক... -স্যার...

আপনি সবাইকে জরিয়ে ধরছেন কেন?

আমার বিষয়টা পছন্দ হয়েছে। -কি?

কিন্তু আমি করতে পারি না।

ভালো, যদি আমরা মেয়েদের হাত মিলিয়ে স্বাগতম করি

তাহলে শুধু তাদের হাত ধরতে পারি।

কিন্তু যদি আমরা তাদের জরিয়ে ধরি..

তাহলে আপনি তাদের পুরো শরীর স্পর্শ করতে পারবেন। -না...!

সাথে আরও কিছু অনুভব করতে পারবেন।

আপনি!

আমারও আপনার সাথে কোলাকুলি করতে ভাল লাগে। -আস্তে। ধন্যবাদ

তুই এখন কি পরিকল্পনা করছিস?

তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেওয়া উচিৎ। -ওই গাধা! চুপ থাক!

মানে, কুশকে তার ভাইয়ের সাথে থাকার ফল পাওয়া দরকার।

চুপ থাক!

তুই একা কেন এসেছিস? খুশি আসে নি?

মা, খুশি বলেছে, সে পরে আসবে। -হ্যা।

কিন্তু তার মামা বলেছে, সে ওর সাথে আসবে।

আসুক।

আমি ফিশ-কারি বানিয়েছি সে এসে খাওয়া-দাওয়া করে যেতে পারবে।

মা, ভুলে যাও এর সম্পর্কে।

আমি তার লক্ষ হতে চাই না তাই, আমি এসব থেকে মুক্তি চাই।।

পরিষ্কার করে বল।

মা, কিছুটা পিছনের দিকে যাওয়া যাক। তুমি আমার আঙ্গুলের দিকে তাকাও...

খুশি, আমার পিঠটা মেজে দিতে পারবে?

' অহ, সুদর্শন পুরুষ "

চলো কুতকুত খেলি -চলো কুতকুত খেলি!

অহ, সুর্দশন পুরুষ। কে...

হেয়!

যদি এই ব্যাপার হয়, তাহলে তাকে বের করে দে।

আমি খুশির কাছে তাকে বের করার কথা বলেছিলাম। -হ্যা

কিন্তু সে আমাকে বিশ্বাস করে নি।

সে বলেছে, এই বাড়িটা তার বাবার উপহারে দেওয়া।

তো, আমি আমার বাবার বাড়ি এসেছি।

ঠিক আছে আয়।

ওহ! হাই!

কি হয়েছে তোর, খুশি?

তোর বাবা বলেছিল যে তোর মন খারাপ।

আরে না! বাদ দে।

তুই পিজ্জা এনেছিস, তাই না? -হ্যা, তাই।

হ্যা!

তো, এটাই হয়েছে।

তো, তুই ওকে ডিভোর্স দিচ্ছিস কবে?

সে বলেছে, সে এটার ব্যাপারে দেখবে।

ওহ, তাছাড়া, বল তুই এখানে এসেছিস কেন?

আমি তোকে বলেছিলাম আমার ফ্রেন্ডের বিয়ের পুর্তীতে যাচ্ছি।

তোর মনে নেই? -হ্যা

তো, আমি একা যেতে চাই না। একা হয়ে যাবো।

আমি তোকে জিজ্ঞাসা করতে এসেছিলাম তুই আমার সাথে যাবি নাকি?

আমি একজন পার্টি মেয়ে। কেন তুই আমাকে জিজ্ঞাসা করছিস? অবশ্যই আমি আসব না।

আচ্ছা, ঠিক আছে। আমি এখন চলে যাবো।

দাঁড়াও, আমিও নিচে আসছি...

পূজার নতুন ঢিনচাক গানটা রিলিজ হতে যাচ্ছে।

আমি শুধু এইটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। অপেক্ষা করতে পারছি না...

পূজা, তুমি কখন এসেছো?

আসো, আমাদের সাথে খেয়ে নাও... -আমি আগে থেকেই বাড়ি থেকে খেয়ে এসেছি।

খুশি -হ্যা

আসো, খেয়ে নাও। -না, বাবা। আমার ইচ্ছে নেই।

কেন?

শুধু মন খারাপের জন্য ক্ষুধাকে মারছো কেন?

যদি কিছু না খাও, তাহলে তুমি অসুস্থ হয়ে পড়বে।

তুমি যদি না খাও, আমিও খাবো না।

হেয়...

বাটিটা দাও...

ভাবি,এখানে তো খাবার নেই?

আমি তিন জন লোকের জন্য খাবার বানিয়েছিলাম।

সব খাবার শেষ।

আমি বুঝতে পারছি না, তুমি এখানে কেন এসেছো?

পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করো।

আমি তোমার জন্য ভাত রান্না করে দিচ্ছি।

কোনো প্রয়োজন নেই...

এতকিছু বলে দিয়েছে... এখন কেন রান্না করবে?

যদি এমন কিছু হয় আমি বিষ খেয়ে নেব। -কি!

শুধু কিছু কারনের জন্য

একটি নতুন নায়ক তার স্বামী হিসেবে চরিত্র পালন করবে।

আমরা পুরোনো দর্শকদের কাছে অনুরোধ করছি তার চরিত্রটি গ্রহন করার জন্য

আরে, না। এখন বিকাল সারে পাঁচটা

স্টার জলসার সিরিয়াল শুরু হয়ে গিয়েছে।

ভাবি মায়ের মতো।

কিন্তু সে মাকে সরিয়ে মায়ের জায়গা নিতে পারে না।

শুধু স্ত্রীই তোর যত্ন নিতে পারে।

মন খারাপ লাগছে

কারন তুই তোর জীবনে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিস?

তেমনটা না -কি?

সে আমার বিয়ের আগেই বিষ খেয়ে ফেলেছিল...

সে এখন পর্যন্ত এটা করে নি।

আমি যদি তাকে পেতাম, তাহলে জোর করে খাওয়াইতাম।

না, কেউ আমাকে পাবে না।

কুশ যদি ফ্রি থাকে, তাহলে আমি ওকে জিজ্ঞাসা করব। কুশ তুমি কি ফ্রি আসো?

হ্যা, আমি ফ্রি। বলে ফেল।

হেয়!

ওর ভালো লাগছে না।

তাহলে তুমি রাকেশ ও মেঘনার সাথে যাও।

মা, আমার কিছু কাজ আছে। আমি আসছি।

আমি বিষ খেয়ে ফেলব! -মেঘনা!

আমি আসছি।

আমি পৌছে যাবো তুমি তৈরি হও, ঠিক আছে?

বাই...

কার সাথে কথা বলছ?

মা, আমি আজ রাতে বাইরে খাবার খাবো।

ভাবি, শুধু তিন জনের জন্যই খাবার বানাবেন, ঠিক আছে?

আর কে? সে তোমার বোনের সাথে কথা বলছে।

তোমাকে লাল ড্রেসটাতে অনেক সুন্দর লাগছে। -আমি জানি...

সবাই এটাই বলে, নতুন কিছু বলো। -হেলো...

হাই..

হেয়, কুশ। -হ্যা

এইটা হলো বিবাহিত জোড়া, পাভানা আর অর্জুন।

বিবাহিত লোকেরাই বেশি মিথ্যা কথা বলে। -হাই..

কিন্তু আমার জীবনটা কিছু মিথ্যার কারনে বরবাদ হয়ে গেছে

কি বললে তুমি?

আমি বার খুঁজছি।

ওইটা ওই খানে। -বার!

আমি আসছি। তুমি চালিয়ে যাও... -কুশ!

হ্যা..

আসো ছেলে-মেয়েরা, আমরা সবাই নাচি।

হেয়, খুশি। -হ্যা..

চলো নাচি। -ওকে.. -না...

সে বিবাহিত। -ওহ, খুশি। আমি ভুলেই গেছিলাম।

আমি দুঃখিত। -চলো নাচি।

আসো নাচি। -হ্যা, অবশ্যই। -হ্যা।

আসো, যাই..

মজা করব।

বিবাহিত অবস্থা আর নাচের মধ্যে আবার কি সম্পর্ক?

আমি জ্বলছিলাম বলে ওকে এখানে নিয়ে আসলাম

আর এখানে সে অন্যের সাথে নাচ্ছে।

আমি জ্বলছি। কেউ দামই দিচ্ছে না।

রাজ...

কুশ...

হেয়, কি চলছে? মেঘনা! -হেয়..

ওহ..

কুশ! -হ্যা..

তুমি তো লম্বা আর তাছাড়া

তুমি বিবাহিত।

চালিয়ে, যাও।

ধুর। -হেয়..

এখানে মেয়েটা একা দাঁড়িয়ে আছে।

পটানো যাক।

একটি নারী যদি পেছন থেকে এতট সুন্দর হয়,

তাহলে তো তাকে জীবন সঙ্গিনী বানাতে হয়।

ব্যাপার না, যেখানে যাই তার সাথে দেখা হবেই! সব দোষ কপাল!

নমস্কার।

হাই!

তুমি কি এখানে কি করছো?

আমি পুলে মাছ খুঁজছিলাম। -অহ।

তুমি?

আমি তো পুলে মুক্তার দানা খুঁজছিলাম।

অহ,এখানে না খুঁজে।

বারান্দায় যাও।

তুমি যা চাচ্ছিলে ঐখানে পেয়ে যাবে।

আমার এর জন্য কোনো অনুশোচনা নেই।

কেমন আছো? -ভাল।

তোমার কি অবস্থা? -ভাল।

আমার পরিবার আমার কারণে বিরক্ত হয়ে গেছে।

খুশি...

আমরা এখন যেরকম আছি...

সেটা কি আমাদের খুশির জন্য? -অহ...

তাহলে তুমিও তোমার বাড়িতে একই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছো? -হ্যাঁ।

আমার মা ও ভাই দুজনেই খুশী নয়।

আমার ভাবীও ঠিকমতো খাবার দেয় না।

এমনকি আমিও এই একই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।

তারা তাদের থালায় খাবার নেয়...

..আর এরপর না খেয়ে উঠে যায়।

আমাকে তোমার প্রয়োজন নেই।

আমারও তোমার প্রয়োজন নেই -ঠিক।

কিন্তু আমাদের পরিবার চায় আমরা একসাথে থাকি।

কেননা আমরা... - বন্ধু হই?

হ্যা। -তাই না?

আমি তোমার সম্পর্কে কোনো কিছু না করবো না,

তুমিও আমার সম্পর্কে কোনো কিছু করবে না।

তাহলে আমরা একসাথে থাকতে পারি।

আমরা দুজনে আলাদা থাকবো। -অবশ্যই।

আমার ভাল দম্পতি হতে পারলাম না,

কিন্তু বাজী রেখে বলব, আমরা ভালো বন্ধু হতে পারবো।

হ্যা... -বিশ্বাস করো.. খুব মজা হবে।

হ্যা...

তারপর?

দ্বিতীয় পর্ব শুরু করা যাক।

'সেও নির্লজ্জ। এখানে এসেছে আবার আমার সামনে বসে আছে।'

'আমার ভাইয়ের পরে হলো এই বদমাইশ '

ঝগড়া করা বন্ধ করো।

পরে,এই মূর্খতা বিষয়গুলো দেখা যাবে।

এটা কোনো বিষয় নয়, যে কি কারণ হতে পারে...

এই প্রজন্মটা....

আপনি পুরাতন হয়ে গেছেন।

এসব মূর্খতা বিষয়গুলো নিয়ে আজকাল দিনগুলিতে ঝগড়া হয়।

আরেকবার বিয়ে করেন।

আপনি দাদাজী থেকে আলাদা হয়ে যেতে চাইবেন।

আজকাল সবাই শিক্ষিত...

কিন্তু তারা সংস্কারের মূল্য বুঝে না।

মুর্খ!

তুমি জানো গলাতে তিনটি গিঁট...

মঙ্গল সূত্র হার পড়াতে কেন দিতে হয়?

যাতে এটা অক্ষত থাকে।

কেন তারা সাতপাঁকে ঘুরে?

কারণ তাদেরকে সংখ্যা দেয় হয়...

...ঘুরে একই জায়গায় বসার জন্য।

তাই তাদেকে ঘুরায়।

তুমি জানো তাদেরকে কেন অরুন্ধতী ও আলকোর তারা কেন দেখতে বলা হয়?

আমি জানি। সুন্দর ছবি তোলার জন্য পোজ দেওয়ার জন্য...

আর ফেসবুকে বেশি লাইক পাবার জন্য। -হে!

ভুল। আমি জানি এটার উত্তর।

আলকোর তারা অরুন্ধতী তারাকে কেন্দ্র করে ঘুরবে।

তারা একে অপরকে রক্ষা করবে।

যেমনটা, একজন স্বামী তার স্ত্রীকে রক্ষা করে।

এবং বিপরীত ভাবেও,

ঐ অরুন্ধতী ও আলকোর তারা দেখানো হয়।

তাই না, দাদীমা?

তুমি আমার চোখ খুলে দিয়েছো।

এরপর থেকে,আমি আমার স্ত্রীকে রক্ষা করব।

'আমাকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর'

'সে অন্য নারীদের দিকে তাকিয়ে আছে।'

কুশ -হা

আমি একটু ওয়াশরুমে যাবো এরপর চলে আসব।

আচ্ছা।

টোকেন নাম্বার ১৯। আমি আবারও বলছি টোকেন নাম্বার ১৯।

হে,আমি আসছি।

আপনি কেন তাকে তালাক দিতে চান? তাকে পছন্দ করেন না?

কেন করব না? সে তো দেখতে সুন্দর।

তাহলে তালাকের জন্য আপিল করেছেন কেন?

আমার লাগবে না। -কি?

স্যার,সে আমার স্বামী নয়। -বন্ধ করুন এসব,ম্যাডাম।

এটা আপনাদের তালাকে পর আমার বলা উচিৎ ছিল।

স্যার,আমি তো তাকে কখনো বিয়েই করি নি

কি! তাই?

তালাকে দেবার পর কি আপনি বিয়ের পরিকল্পনা করছেন?

স্যার,আমার দিব্বি আমি জানি না সে কে।

কি!

আপনার নাম কি? -প্রিয়াঙ্কা।

আর আপনার? - গান্ধী - কি?

আমি কুশ। -আপনার টোকেনটি দিন তো।

আর আপনার,ম্যাডাম।

স্যার,এখন আপনার পালা নয়।

আপনার টোকেম নাম্বার 61, আর এখানে 19।

যখন আপনার টোকেনের ডাক আসবে তখন আসবেন। এখন এটা রাখুন।

টোকেন নাম্বার 19? জলদী করুন,মিস্টার।

আপনি আরও পরে আসতেন।

আপনার স্ত্রীর আর আমার তালাক হয়ে যেত।

জলদী করুন..

টোকেন নাম্বার ৬১।

আপনার নাম? -ডক্টর কুশ।

কে এসেছে আপনার সাথে?

-সে আমার স্ত্রী। -আপনি কেন তালাক চাচ্ছেন?

আমি তাকে পছন্দ করি না।

ম্যাডাম,সে আপনার থেকে অন্য জন্যের সাথে বেশি হাসিখুশি।।

সে কি এরকমই? -জ্বী স্যার।

আপনারা বিয়ে করেছেন মাত্র দুই মাস হয়েছে।

কিসের জন্য আপনি তাকে তালাক দিতে চাচ্ছেন?

আমার স্ত্রী আর আমার মাঝে ভাল বুঝাবুঝি নেই।

তাই আমরা তালাক জন্য আপিল করেছি যাতে...

আমাদের ভবিষ্যেৎ আর কোনো ভুল বুঝাবুঝি না হয়। এটাই স্যার।

এটা কোনো উপযুক্ত কারণ নয়,স্যার।

আপনাকে এরজন্য একবছর বিবাহের সম্পর্ক অতিক্রম করতে হবে...

এরকম কেসের কারণের জন্য। -আর সেটা কি কারণ?

যেমনটা যৌতুক নির্যাতন, মানসিক নির্যাতন।

স্যার, আমি একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ।

আমি আপনাকে একটি প্রমাণস্বরুপ একটি সার্টিফিকেট দিবো যে সে এটা করবে না।

অহ,আচ্ছা। -এক্সকিউজ মি।

দরকার হলে আমি যৌতুক হয়রানি মামলা দায়ের করব।

ভাল আচ্ছা...

আমার সাথে আসো। -কি!

মানে আমার সাথে বাইরে আসো। কিছু কথা আছে।

এক সেকেন্ড।

স্যার এখন একটি কেস ফাইল তৈরি করুন যে সে একটি নিষ্ঠুর।

তো আপনি কোর্টের রায় মানতে প্রস্তুত যে আপনি একজন নিষ্ঠুর।?

হ্যা।

স্যার,আশা করছি যে এ কথাটি আমাদের মাঝে গোপন থাকবে।

শুধু আপনি, আপনার স্ত্রী, আমি আর কোর্ট জানবে।

চতুর্থ কোনো ব্যক্তি জানবে না। -আচ্ছা।

কিন্তু এটা আপনার দায়িত্ব যে,আপনার পরিবারের কেউ...

কোর্টের দেয়া নোটিশ না পড়ে।

আমি সেটা সামলে নিবো, স্যার। -সামলান

কেউ জানবে না,তাই না?

আমার সন্দেহ হচ্ছে, সে আমাদের তালাক করাতে পারবে তো?

এই যে।

২০০১ সালে আমার কাছে কোনো মামলা ছিল না।

তাই অনুশীলন করার জন্য...

আমি আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করি আর আমি জিতে যাই।

সত্যি স্যার? -হ্যাঁ।

অভিনন্দন স্যার। -ধন্যবাদ।

'যাক বাবা, আপনি একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ নন।'

'যদি এভাবে অনুশীলন চলতে থাকতো,'

'আমার মনে হয় আপনি কোনো কারণ ছাড়াই নারীদের বাচ্চা জন্মের সাহায্য করতেন।'

আমার কাজ শেষ করার জন্য এখন আমাকে কুশের কাছে অনুরোধ করতে হবে।

'আমার সন্দেহ হচ্ছে সে আসবে কিনা!

হ্যালো -হ্যালো।

কুশ, আমার গাড়ীটি নষ্ট হয়ে গেছে। -কোথায়?

একটি অনুষ্ঠান থেকে আমি বাড়ি ফিরছিলাম।

তুমি আমাকে বলো যে এখন তুমি কোথায় আছো।

আমি হেসারঘাটায় আভিনাশী জাদুঘরের কাছাকাছি আছি।

আমি খুব ভয় পাচ্ছি। কুশ, দয়া করে জলদী আসো আর আমাকে নিয়ে যাও।

তুমি একটি ট্যাক্সি বুক করে আসছো না কেন?

আমি এখানে কোনো ট্যাক্সি খুঁজে পাই নি। যদি পেতাম, তাহলে আমি বুক করে এসে যেতাম।

তাই? -হা।

আচ্ছা,আমি আসছি। -ঠিক আছে।

অহ! -অহ!

এটা আমি। -অহ ভগবান! হে!

তোমার সমস্যা কি? -এটা মাঝরাত... - হ্যা।

আমি একদম একা। যদি কোনো ইভটিজার আমাকে বিপদে ফেলত..

তো নিজে আত্মরক্ষা করা জন্য..

আসো। -আমার গাড়ীর কি হবে?

আমি এটাকে নিয়ে পরে নিয়ে আসবো। -অহ,আচ্ছা।

আমি ভয় পাই নি। -আচ্ছা, তাই যেন হয়...

অবশ্যই -হ্যা,ওওঅঅ

এই সময়ে কিসের অনুষ্ঠানে তোমাকে যেতে হয়েছে?

আগের সময়ে, যৌথ পরিবার ছিল...

আর যেখানে দাদা-দাদী, চাচা-চাচী আরও অনেক একসাথে থাকতো।

তারা সবাই তাদের দায়িত্বগুলাও পালন করত।

কিন্তু আজকাল দিনগুলোতে, শুধু বাবা-মা আর একটি সন্তান নিয়ে পরিবার।

বিবাহ তে আমরা সব আত্বীয় স্বজনদের খুঁজে পাই।

তাই তাই? - হা। - বিয়ে ছিল?

কি? তারা নিজেদের মধ্যে এটি পরিকল্পনা করেছিল।

আমি তোমার যেকোনো একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে চাই।

তাহলে সামনের সপ্তাহে আমাদের একটি হোলির অনুষ্ঠান রয়েছে। -ঠিক আছে

আমরা এটা বড় করে উদযাপিত করতে যাচ্ছি।

যদি তুমি চাও আসতে পারো।

আমি আসবো।

হে...

এটা নিয়ে তৃতীয়বারে মতো আমরা করছি।

আর এই বার ধামাকা ভাবে পালিত করব।

আসলে,এই সব...

হাই!

অভি,এটা বেশি হয়ে যাচ্ছে।

তোমার বন্ধু? -হা।

কি হয়েছে? -দিপা,আমরা গত বার..

কিছু লুচ্ছা লোকদের বের করেছিলাম,তাই না? তারা আবার এখানে এসেছে।

তারা আবার কেন এসেছে?

আমি সত্যি জানি না। -হে...হে!

কুশ...

হ্যাপি হলি!

চিন্তা করো না, সে একা আছে আমরা তাকে সামলে নিতে পারবো।

তুমি কি মারামারি করতে জানো?

আসলে তারা এখানে ১৫ জন আছে।

অহ শিট!

তুমি এদের সবাইকে জানো? -হ্যাঁ।

তাহলে,তুমি তাদের মুখে আবিরের রঙ মেরে দিয়ে আসো,ঠিকে আছে? -হে...

ওয়াও।

আচ্ছা।

হে...

তো এটা তুমি! আসো।

আয়... -আয়...আয়!

আয়...

হে... হ্যাপি হলি।

কুশ, ধন্যবাদ আমার অনুষ্ঠানটি রক্ষা করার জন্য।

আমি তাদেরকে অনুষ্ঠান রক্ষা করার জন্য মারি নি।

হারামজাদাদের! সাহস হয় কিভাবে আমার বউকে ছোঁয়ার?

আমি যেতে পারি? এক্সকিউজ মি...- হে!

খুশি, তোর স্বামী তো শুধু দক্ষ বিশেষজ্ঞ নয়।

সে তো অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ।

যাইহোক,আমার কথায় কিছু মনে করিস না।

তুই তো জানিসই আমি প্রেম করে বিয়ে করেছি,

বিয়ের পর, আমার বয়ফ্রেন্ড এখন একজন সাধারণ স্বামী..

অন্যদিকে,তোর ক্ষেত্রে তুই একটি স্বামী পেয়েছিস...

আর সে এখন একটি বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। আর কি চাস?

হারামজাদাদের! সাহস হয় কিভাবে আমার বউকে ছোঁয়ার?

"He has barged into my heart and there's a war going on here."

"I'm losing control over myself and falling in love with him."

"The blowing wind tickles me.'

"My heart is like blossoms that sway in love."

"I have started dreaming about you."

"I think, I'm in love."

"I turn my gaze downwards, I've learned how to blush"

"I blush scarlet and adorn my hair with magnolia."

"He has barged into my heart.."

তুমি কি শিস এর আওয়াজ গণনা করছো? - কই না তো,কেন?

যদি এটাকে বন্ধ না করি, তিনটি শিস দেওয়ার পর এটা বিস্ফারণ ঘটাবে।

রসিকতা বন্ধ কর। তুমি কিভাবে জানো?

হে, আমি মজা করছি না...দিব্বি খেয়ে বলছি,

আমি যখন বাচ্চা ছিলাম তখন আমি এটার বিস্ফোরণ দেখেছি।

তাহলে এখন যেয়ে বন্ধ করো।

দৌড়াও..

সে বাড়িতে সন্ধ্যায় ফিরে আসবে।

"She has barged into my heart, and there's a war going on here."

"The lines between love and friendship blur.."

"Why is this happening?"

"You're my love. You're my victory."

আমি দুঃখিত, ডক্টর।

আমি জানি আপনি অনেকগুলো অপারেশন করার পর ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

এটা জরুরী ছিল বলে আমরা আপনাকে ডেকেছি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ, ম্যাডাম। -সমস্যা নেই।

শুভ জন্মদিন,খুশি।

তুমি কিভাবে জানো?

মধ্যরাতে যদি একটি মেয়েকে এত মেসেজ,ফোন করা হয়...

এর মানে তো তার জন্মদিনই হতে পারে, তাই না?

আবারো শুভ জন্মদিন! -স্মার্ট!

তোমাকে দুঃখী মনে হচ্ছে। -না...

খুশি আমি এখনি আসছি। -আচ্ছা।

পরীর জন্য।

শুভ জন্মদিন।

কেক।

তুই কি জানো আমি তোমাকে কি উপহার দিতে যাচ্ছি,হা? -কি?

তুমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করো নাকি করো না?

"Shyness has become my speech, and there's a rhythm in my walk."

"I think, I know you inside out now."

"Oh, Poet, I'm blushing scarlet because of you."

"You are like a pristine bloom. You are like a delicate creeper."

"When you walk along"

"I forget the path and enjoy the journey."

"He has barged into my heart, and there's a war going on here."

"I'm losing control over myself and falling in love with him."

"The blowing wind tickles me.'

"My heart is like blossoms that sway in love."

"I have started dreaming about you.."

"Your beauty is enthralling, it draws me close to you"

"it's pretty addictive.."

"She has barged into my heart.."

"You are my love.. - Love.."

"You are my victory.. - Victory.."

"You are like the blue waves.. You're my path. - Waves.."

"You are like the ocean.. You're my destination. - Ocean.."

স্যার,আপনাদের খাবার।

এখানকার বিয়ার হালকা।

স্যার,এই আবহাওয়ায় বিয়ার খাওয়া উচিৎ না।

আমার কাছে কিছু সবুজ ঘাস আছে। আমি দিবো?

তুমি এটা কোথায় রেখেছো? -এখানে।

চালিয়ে যান।

কি ঘাস এটা?

আমার অনুমানে, এগুলা শুকনো ঘাস।

এটা আপনাদের গভীর নিদ্রায় ঘুমাতে সাহায্য করবেন

যদি এখানে সুনামিও আসে, আপনারা টের পাবেন না।

হে। -হা।

তুমি মদ পান করছো...

আর তা নেশাখোরের মতো মনে হচ্ছে।

মেয়েরাও নেশা করতে পারে...

যদি শীতকালীন সময় তাহলে অন্ধকার গলিতে করবে...

যদি সে জায়গাতে কেউ এসে পড়ে..

তাহলে তারা তাদের মধ্যে সাদাসিধে দেখাবে।

আমার মাথা ব্যাথা করছে।

আমার খুব ঘুমও পাচ্ছে।

রুম তো এখান থেকে অনেক দূরে।

আমি এখন কি করব?

এটা পান করো আর দেখবে সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে।

কি মিষ্টি!

তুমি যদি আমার ছোট বেলার বন্ধু হতে।

নতুবা...

তুমি আমার প্রথম দেখা ছেলে হতে।

হয়ত বা তোমার সাথে যদি দেখাই না হতো।

হে!

সে এখনো জীবিত।

হে...

মহা নায়িকা।

কুমারী...

দেখো, সে পারবে না...

শুনো...

কুমারী...

মিসের খুশি..

মিসেস কুমারী এবং মিস্টার খুশি।

তুমি আমার বন্ধু নাকি শত্রু...

নাকি স্ত্রী..নাকি গার্লফ্রেন্ড...

নাকি প্রেমিকা, নাকি আমার জানেমন...

নাকি তোমার আমার ভালবাসা, নাকি আমার প্রিয়তমা...

আমি জানি না।

কিন্তু এটা জানি।

আমি তোমার সাথে সবসময় থাকবো।

আমাকে ভুল বুঝো না।

আমি তোমার হাত কখনো ছাড়বো না।

হে... হে,কুশ...

সুনামি, কুশ - আরে। সুনামি - উঠো কুশ

সুনামি! -জলদী উঠো।

সুনামি আঘাত হেনেছে...

আরে...ঐটা সুনামি না। অইটা ঢেউ।

অহ, খুশি। -হায় ভগবান

গত রাত্রে আমি তোমাকে কিছু বলেছিলাম?

আমার মনে নেই।

আমি কি তোমায় কিছু বলেছিলাম?

'আমি কি তাকে মিথ্যা বলব যে, সে আমাকে প্রপোজ করেছিল?'

'তুমি কেন বলছো না যে, তুমি আমাকে প্রপোজ করেছিলে,'

আমি হ্যা বলব।

পেয়েছি।

মেঘনার বিয়ে।

উহু...

তুমি ঠিক বলেছে। আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম...

ওখানে মাটি লেগে আছে...

'তোমার চোখগুলো সরাও,দুষ্টু তুমি ঠিক মত কিছু দেখছো না। '

চলো।

তোমরা দুজন কোথায়?

আমরা মাত্র ল্যান্ড করলাম। আমরা ভাবছি প্রথমে আমরা বাড়িতে যাবো।

কোনো প্রয়োজন নেই। আমি পোশাক এনেছি। খুশি, সোজাসুজি এখানে চলে আসো।

আচ্ছা। আমরা ঐখানে আসছি।

সে আমাদেরকে বিবাহের মন্ডপে যেতে বলেছে।

সে আমাদের জন্য জামা-কাপড় এনে রেখেছে। -তাই?

অবশেষে,তোমরা দুজন এখানে আসলে।

তুই এরকম পোশাক পড়ে আসিছ কেন?

মা, সে তো বলেছিল যে আমরা প্রথমে যাবো তারপর আসবো

কিন্তু তুমি তাকে বললে এখানে আসতে।

আচ্ছা, আমার পোশাক কোথায়? আমার পোশাক পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

অহ, না আমি তোর জন্য পোশাক নিয়ে আসি নি। আমি শুধু তার জন্য নিয়ে এসেছি।

মা,তাহলে তুমি আগে কেন বলো নাই?

আমি ধামাকা কিছু পড়তাম এরপর মেঘনার বিয়েতে উপস্থিত হতাম।

দেখো, ঐখানে ইস্ত্রি করা ধুতি ও শেরওয়ানি...

..ওগুলো পরিধান করে মেঘনার বিয়েতে উপস্থিত হচ্ছো না কেন?

আমি জানি না তুই কি করবি...

জলদী তোর পোশাক পরিবর্তন পরিবর্তন কর, খুশি, আসো। -হ্যা।

এই পোশাকগুলো কার? - বরের.. - বরের?

সে এসব পরিধান করবে না।

সে শার্ট পরিধান করবে যেটা সে তার গায়ের হলুদে পরিধান করেছিল...

শেষ রাত্রে।

ঐ শার্টটা কোথায়? - ঐটা ধোপার কাছে দেওয়া হয়েছে।

অহ না, যাও গিয়ে ঐ শার্টটি নিয়ে এসো।

এটা আমাকে দাও। -এটার খেয়াল আমি রাখছি, যাও।

You know what?

আমাদের প্রথা অনুযায়ী তুমি গত রাত্রের গায়ের হলুদে...

যে শার্টটি পরিধান করেছিলে সেটা পরিধান করতে হবে। -অহ।

তুমি কি সেটা জানো না? - না।

এটা ধরো। -অহ।

সে আমাদের প্রথার সাথে পরিচিত।কিন্তু তুমি জানো না। এটা পরিধান করতে হবে

হলুদ আমাদের জন্য উপকারী, তাই না?

হ্যাঁ, এটা বেশ ভাল। এটাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ রয়েছে।

ঐ পোশাক গুলো কোথায়?

হে,এ পোশাকগুলো পরিধান করবার জন্য তুমি তো ছোট, এটা বড়দের জন্য।

I'm struggling like this.

আমার তো সন্দেহ হচ্ছে কুশ এখন কি করছে?

অহ না! কেউ দরজা খুলছে। অহ এটা তুমি।

শাড়ি পরিধান করার আগে দরজাটা বন্ধ করে নিতে পারো না।

হে, তুমি এ পোশাক কিভাবে পেয়েছো?

আমি একা দাঁড়িয়ে ছিলাম। একটি ছেলে জিজ্ঞাস করলো নাস্তা করেছি কিনা...

আর অন্য কিছু লাগবে কিনা?

আমি বললাম, এমন একটি পোশাক চাই যা পরিধান করে বিয়েতে উপস্থিত হতে পারব।

সেটা এটা দিয়েছে? - হা। আমি এটা কিভাবে পরিধান করিব? -অহ...

তুমি এখনো প্রস্তুত হও নি কেন?

আমি জানি না যে কিভাবে শাড়ি পরিধান করে?

তুমি জানো? - না...হ...

আমি পারি, এটা খুবই সহজ।

এটা ধুতির মত,কিন্তু এটা দু ভাঁজ করে পাঁঁচবার ভাঙবে...

এরপর এটা নিচে দিকে এনে ঢুকিয়ে দিবে।

অহ .. তাহলে আমাকে শাড়ী পরিধান করিতে সাহায্য করো।

গয়নাগুলো পরিধান করো আর জলদি আসো,ঠিক আছে?

কুশ,তুমি আমাকে এভাবে দেখছো কেন?

এভাবে দেখা বন্ধ করো। আমার উপর কুনজর লাগবে।

আমি তোমার দিকে দেখছি না।

হুস। -তুমি হুস।

তুমি এ ময়লা শার্টিটি পরিধন করে আছো কেন?

মা,এটা তাদের প্রথার একটি অংশ।

কেন যে আমি এই প্রেমের বিয়ে বিরুদ্ধতা করলাম না,ধ্যাৎ তেরি!

নরকে যাক তাদের প্রথা।

তুমি এই শার্টি পরিধান কতে আছো কেন?

আমি জানি। এটা এটা তোমাদের প্রথার একটি অংশ,তাই না?

ভোজন প্রস্তুত? আসো। আমরা এখন ভোজন করতে যাবো,ঠিক আছে।

সে আমাকে বলল যে খাবার প্রস্তুত। -আচ্ছা।

হে, তুমি তো সুমিত্রার ছেলে, কুশ,তাই না? -হ্যাঁ।

যখন তুমি বাচ্চা ছিলে তোমাকে দেখতে হাবা লেগেছে,

আর এখন তুমি তো দেখতে সুদর্শন।

যদি আমি জানতাম যে তুমি বড় হয়ে দেখতে সুদর্শন হবে....

তাহলে আমার মেয়ের বিয়ে তোমার সাথে করাতাম।

সে আপনার মেয়ে? -হ্যা।

যখন সে বাচ্চা ছিল দেখতে তো পুরো বোকা ছিল,

এখন তো অসাধারণ।

আমি এখন তাকে বিয়ে করব, তুমি কি বল?

তুমি শুনেছো... -স্যার,আপনার খাবার হয়েছে?

আমি তোমার সাথে কিছু কথা বলব.. আসো..

তোমার বাবা আসে নাই? - 'আমার মনে হচ্ছে সে বিরক্ত হয়ে গেছে।'

'আমাকে আমার অনুভূতি প্রকাশ করতে দিয়ো'

ম্যাডাম,আপনি কি ভোজন করেছেন? -এখনো করি নাই।

আপনি আমার খাবার থেকে খেতে পারেন।

'আমি যদি তাকে থামাই, তাহলে সে ফ্লার্ট করে যাবে'

প্রথমে, আমার অনুভূতি গুলো বের করা উচিত।

অহ,শ্রীমতী খুশি...

আমি তো এভাবে শাড়ি পরিধান করিয়ে দেই নি।

আসলে, মিঃ কুশ...

আমি শাড়ি পরিধান করতে জানি। -অহ

তো,তুমি জানো কিভাবে শাড়ি পরিধান করতে হয়।

তা স্বত্তেও,তুমি ভান করে আমাকে দিয়ে শাড়ি পরিধান করিয়েছো...

তোর সাহস কত বড়... - কে...

এখানে কি করছেন? - তো কি?

বলুন,হে। -কি?

সে তো মহিলা হওয়ার যোগ্য!

কি হয়েছে? - সে এভাবে কথা বলেছে?

তুমি দেখছো, আবার আমাকে জিজ্ঞেস করছো কি হয়েছে।

আমি জানি না...

বাবা... -কি?

নম্রভাবে কথা বলুন। -কেন বলব...

আমি রাজনীতি ভাষায় কথা বলব। শুনোন বা...

এর ফলাফল ভাল হবে না...

দাদীমা,কি হয়েছে? -হে!

কি হয়েছে? -কেন - তার কি হয়েছে?

দেখুন.. -না... -ঐ..

চল। -আয় - হে - কুশ!

শালা বজ্জাত! নিয়ে যান তাকে - গাধা বোকা!

হে... -মামা.. - অভদ্র পরিবার।

আমি তাকে একটি শিক্ষা দিয়েই ছাড়বো! -কি...

ভাইয়া! - কি হয়েছে? -কিছু না আয়...

আয় আমি বলছি। -মামা,কি হয়েছে?

বলছি তোকে কি হয়েছে।

আয়োজন তো ভালো। - নমস্কার...

হে! - স্যার - নমস্কার - কেমন আছেন? - ভালো।

নমস্কার... সামনে যান।

কেমন আছো... - তুমি কেমন আছো?

তোমার সাথে কোলাকুলি করতে আমার খুব ভাল লাগে। -আরে!

ভূড়িটা তো বেড়িয়ে গেছে। -আরে...

আরে... - উহু...

হে,আমার মনে হচ্ছে তুমি নিচে জাইঙ্গা পরিধান করো নাই। -হে..

আমার স্বামী থেকে আপনার হাত সরান।

কেন? ম্যাডাম,কি হয়েছে?

আমি জানি যে আপনি হিজড়া।

অহ... আমি ভুলে গেছি।

হে! আপনার সাহস হয় কিভাবে আমাকে হিজড়া বলা?

আমি জানি আমার যৌনতা কিরকম।

আমার যৌন নিয়ে আপনাকে মাথা ঘামাতে হবে না।

একজন মাইগা বউ এর বলার দরকার নেই যে, আমি কি! [মাইগা - মেয়েদের মতো স্বভাব]

আপনি কি ভাবেন আমাকে?

হে! কাকে আপনি মাইগা বলছেন?

তাকে... - আপনি আমার স্বামীকে মাইগা বলেছেন?

তো কি হয়েছে? -আপনার সাহস কিভাবে হয়?

আমি এখনো নারীর উপর হাত তুলি নি। -হে দাঁড়ান।

...আমাকে এটা করতে বাধ্য করবে না। - আমি জানি যে..

আপনি পুরুষদের ছোঁয়ে থাকেন।

ইতর!

কি বললেন?

মা,আমরা বিয়ে আগে উপস্থিত হলে এখানে আগে আসতে পারতাম।

তারা আমাদেরকে তালাকে নোটিশ দিয়েছে।

কি এটা,ভাইয়া? -তালাকের নোটিশ।

এখন আমরা কি করব?

'আমি তার ফোনের জবাব দেই নাই, তাই শালায় দরজায় এ নোটিশ লাগিয়ে গেছে।'

'এখন আমি কি করব?' - আমরা কি করব?

আমি আমার ছেলের জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছি।

সে বলেছিল, সে এখন বিয়ে করবে না।

কিন্তু আমরা তাকে জোর করে করিয়েছি।

যখন তারা এতটা বেপরোয়া হতে পারে, আমরা কেন পিছু হব?

কুশ, কোর্টে চল।

আমি মাইগা? আমি...

আমি একটি মাইগা?

দুই পরিবারের ঝগড়াতে আমি দুঃখী নই।

কিন্তু তাকে মাইগা বলেছে। অইটা অন্যায় ছিল।

আমি জানি শুধু যে আমার উপর দিয়ে কি যাচ্ছে।

কুশ,আমি এসব তোয়াক্কা করি না।

সে এখানে আর আসবে না।

ভাইয়া, তার সাথে কথা বলে আমাকে কিছু করতে দাও।

না। তাকে ছেড়ে দাও।

তুমি তাকে তালাক দিচ্ছো, এটাই শেষ কথা।

আমি ঠিক বলেছি না, মা?

ভেতরে যাও।

তাদের সাহস কিভাবে হয় আমাদের সাথে এরকম করার? খচ্চর কোথাকার।

"সে এত খুশি কেন?"

'সে কি আমাদের তালাক স্বীকার গ্রহণ করে নিয়েছে?'

মহাপ্রভু, সে মোবাইল ব্যবহার করছে।

কি মোবাইল,ম্যাডাম? - এটা আইফোন,স্যার।

আপনি আপনার চার্জারটি দিন দয়া করে...

যদি থাকে?

অবশ্যই,স্যার। আমি আপনাকে দিব।

'স্যার,জানা আছে কি..'

'যে তালাকের জন্য কি কারণ দিবেন?'

তারা অযথা কথা বলছে কেন...

নাকি চাচ্ছে যে আমি তাদের চুপ করিয়ে দিই।

এই নিন,স্যার।

অর্ডার...

অর্ডার...

অর্ডার...

আবেদনকারী খুশি, যে কিনা সাক্ষী বাক্সে দাঁড়িয়ে রয়েছে...

কুশের মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে।

তাদের মধ্য দিয়ে যাবার পর, আদালত রায়কে সমর্থন করে আসছে...

যে তারা দম্পতি হিসেবে একে অন্যের জন্য উপযুক্ত নয়।

যদি তারা উভয় সহমত হয়ে...

এবং কাগজে স্বাক্ষর করে..

তাহলে তালাক মঞ্জুর করা হবে...

তাদেরকে ফেব্রুয়ারির ২৯ তারিখ পর্যন্ত সময় দেওয়া হলো।

কোর্ট এখানেই স্থগিত করা হলো।

দাদীমা, আমার মাথা ভীষণ ব্যাথা করছে।

দয়া করে আমাকে এক কাপ কফি এনে দাও।

ঠিক আছে,সোণা, আমি এনে দিচ্ছি, এখনি।

কেন? কি হয়েছে, মা?

ফোন ধরবে না। আমি দেখি।

এইটা একটি অনাবশ্যক ফোন।

আমি কেটে দিয়েছি ফোন।

কে ফোন করেছিল? - সে খচ্চর টা।

জানিস আমি কি ভাবছি? -কি?

যাইহোক, তার তো তালাক হয়ে গেছে।

কেননা আমরা তাকে পুনরায় বিয়ে দেই। - কি!!

তুই একদম ঠিক বলেছিস।

এমনকি এটা আমিও ভাবছিলাম।

কি হয়েছে, মা?

মা!

খুশি! হে!

কি হয়েছে,সোনা?

হায়,ভগবান।

কি হয়েছে? -সে বমি করছে।

আর কি হবে?

সে সকাল থেকে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিছু না খেয়ে..

আর সে অনেক চাপেও রয়েছে।

মা,তাকে কিছু খেতে দাও।

না।

খুশি, তুই গর্ভবতী, সোনা।

তুই গর্ভবতী?

অহ! সে না খাওয়ার জন্য বমি করে নাই।

সে বমি করেছে কারণ সে গর্ভবতী!

খুশি, এসব কি,মা?

তুমি কি বোঝাতে চাচ্ছো?

সম্ভবত, সে অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্ক ছিল..

বা কুশে তাকে গর্ভবতী করেছে। সে তো আর পুরুষত্বহীন নয়।

খুশি এমন মেয়ে নয় যে তার স্বামীকে ধোকা দিবে। ছাড় এসব!

তো, কুশে পুরুষত্বহীন নয়। সে তাকে গর্ভবতী বানিয়েছে।

দেখো,এটার আমাদের প্রয়োজন নেই।

চিন্তা করো যে সবকিছু ভালোর জন্য ঘটেছে।

বাচ্চাকে নষ্ট করে দাও এবং পুনরায় বিয়ের জন্য প্রস্তুত হও।

কি! দাদীমা...

বাবা, দয়া করে বাচ্চাকে নষ্ট করো না।

পুনরায় বিয়ের কথা ভাবো।

দয়া করে আমাকে বাচ্চা নষ্ট করার জন্য বলবে না, বাবা।

কি বলছিস তুই?

এটা কিভাবে সম্ভব?

একজন পুরুষ খুশি খুশি মেনে নিবে..

যদি দুটি স্ত্রীকে খেয়াল রাখতে বলা হয়।

কিন্তু সে যদি মেনেও যায় বিয়ে করার জন্য...

আর যদি তাকে তোমার বাচ্চাকে খেয়াল রাখতে বলা হয়...

তাহলে আমার মনে হয় না সে মানবে। তাই তোকে এটাকে নষ্ট করে ফেলতে হবে।

তুমি কি বলো,দুলাভাই? -তুই তার সাথে এভাবে...

কথা বলছিস কেন?

তাকে একা থাকতে দে।

সে তার জীবনে অনেক পেয়েছে।

মা,চুপ থাকো।

খুশি,আগামীকাল আমরা হাসপাতালে যাচ্ছি

বাচ্চাকে ফেলে দেয়ার জন্য।

ঠিক আছে,বাবা।

আয়।

'বাবা, এখন আমার বাচ্চা আমার কাছে মহামূল্যবান।'

' এই পুরো পৃথিবীর মধ্যে '

'তুমি আমাকে এই পৃথিবীতে নিয়ে এসেছা।'

'এখন আমিও বাচ্চাকে এই পৃথিবীতে নিয়ে আসছি।'

'তাই,আমি এই বাচ্চাকে বাঁচাতে চাচ্ছি।'

'দয়া করে আমাকে খোঁজার চেষ্টা করো না।'

'আর তা নাহলে, তুমি আমাকে হারিয়ে ফেলবে।'

'সবাইকে জানিয়ে দিয়ো আমি ঠিক আছি।'

'সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ বিদায়,বাবা।'

"I'm done playing hide-and-seek."

"My dreams have been lost on the way."

"It's time for me to live in solitude."

"My loneliness has become my enemy."

"My wishes are being washed away"

"by my tears."

"The full moon has flaws.."

"She was like fire, even fire can be doused with tears."

খুশি,আমি তোকে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি?

তুই কুশকে কেন তোর গর্ভবতীর কথাটা জানাচ্ছিস না?

আমি আমার পরিবারের বিরুদ্ধতা করেছি।

আমি কুশকে তালাক দিয়েছি। যদি সে বলে...

বাচ্চাকে নষ্ট করে ফেলতে?

না,আমি এটা ভেবেই ভয় পাচ্ছি।

আমি গর্ভাবস্থায় এখানে সাত মাস ধরে এখানে আছি।

পরে, চাইলেও আমি বাচ্চাটিকে ফেলে দিতে পারবো না।

চিন্তা করিস না।

"There are hundreds of emotions"

"I'm overwhelmed by these emotions."

"I'm not able to stop my tears."

"And those tears are yearning for your presence."

দাদীমা,এইমাত্র আমি আমার চেক-আপ করিয়েছি।

আমি ঠিক আছি। তুমি চিন্তা করো না।

আচ্ছ... ঠিকাছে, সোনা।

এখন ' হালুয়া ' তৈরি করার সময়।

জ্বী, ডাক্তার। -আচ্ছা।

I'll take your leave. - I'll take your leave, sir.

সবকিছু ভাল,ঠিক আছে?

আপনি আসতে পারেন। যত্নশীল হোন।

হাম্পা। -স্যার?

আপনার স্ত্রীকে বাহিরে বসিয়ে রেখে ভেতরে আসুন।

অবশ্যই স্যার।

আমি আপনাকে কি বলছিলাম?

আমি আপনাকে বারণ করেছিলাম না, যে তাকে দিয়ে কোনো কাজ না করাতে,করি নাই?

কি হয়েছদ আপনার?

আমি আপনাকে কতবার বলেছিলাম?

কি হয়েছে,ডক্টর? -প্লাসেন্টা প্রেভিয়া,অহ।

আপনি জানেন সমস্যাটি কি? - কি সমস্যা, স্যার?

বাচ্চা... উলটো...

যখন এটি গর্ভে থাকে এটি এভাবে দেখায়।

অবাঞ্ছিত বর্জ্য এখানে থাকা উচিত...

আপনা স্ত্রীর গর্ভে। কিন্তু বর্জ্য এই জায়গায়।

এ ক্ষেত্রে,বাচ্চার জন্য শ্বাস নেওয়া খুবই কষ্টকর।

প্রসবের সময়, মায়ের রক্তপাত হবে....

তার অঝোর রক্তপাত হবে।

আমি আপনাকে তাকে কাজ না করতে এবং টানাটানি করতে না করেছিলাম,তাই না?

তো এটা আপনি কেন করলেন?

স্যার,আপনি যে টাকা দিয়েছিলেন...

তা শুধু ঔষধের খরচ যোগাতে লেগে গেছে।

আমি আর আপনাএ থেকে চাইতে পারি নি,

বাড়ি ভাড়া, ঔষধের খরচ...

ও অপারেশনের খরচ...

তাই আমরা দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই যে...

বাচ্চা জন্মগ্রহণ করার পর আপনাকে কিছু দেওয়ার জন্য...

আমরা পাথর ভাঙ্গা কাজ করছি।

বাচ্চা ও মা লি সুরক্ষিত আছে?

তার খেয়াল রাখবেন।

তাকে দিয়ে ভারী জিনিসপত্র উঠাবেন না,ঠিক আছে?

আচ্ছা,স্যার।

দাদীমা... -খুশি।

আমার সোনামণি, কেমন আছিস,সোনা?

সোনা... -অহ, তুই।

ফিরে এসেছিস কেন?

তুই এখন এই বাচ্চাটাকে বহন করছিস!

আমি তোকে সুখীভাবে দেখতে চেয়েছিলাম...

তাই,আমি তোকে বাচ্চাটিকে ফেলে দিতে বলেছিলাম।

আর তুই বাচ্চাটিকে এখনো বহন করে ঘুরে বেড়াচ্ছিস।

তুই জানিস আমি তোকে কিভাবে জন্ম দিয়েছি পৃথিবীতে?

আমি তোকে একই ভাবে জন্ম দিয়েছি।

তোমার যা ইচ্ছা তাই করো!

সে কখনো বদলাবে না তুই এখানেই থাক।

আমি তোর উপর থেকে খারাপ নজরটা উঠিয়ে নিই,ঠিম আছে?

দাদীমা।

আমার মোবাইলটা দাও।

এটা অনেকদিন ধরে এখানে পড়েছিল, কেউ ব্যবহার করে নাই।

এই নে।

এটা তো বন্ধ হয়ে গেল,

মা,সে আমার মেসেজ দেখেছে।

'আপনি যে নাম্বার ফোন করেছেন তা এখন বন্ধ আছে।'

'পরবর্তীতে আবার চেষ্টা করুন।:

সে মোবাইল বন্ধ করে রেখেছে।

সম্ভবত, সে আমাকে এড়িয়ে চলছে।

তুই কি তোর স্বামীকে তোর গর্ভাবস্থার বিষয়ে জানিয়েছিস?

না,দাদীমা। আমি খুব ভয় পাচ্ছি।

ভয় পাস না।

তাকে আজ না বা কাল জানাতেই হবে।

আজ তাকে জানা।

ফোনের মধ্যে সবকিছুর সমাধান হয় না।

আগের সময়ে,আমাদের মোবাইল ফোন ছিল না...

বা ইন্টারনেট ছিল না।

এমনকি তখন, যোগাযোগের জন্য কোনো রাস্তাই ছিল না।

আজকাল,তোরা নিজেদের অনুভূতি..

ওয়াটএপ্সের মাধ্যমে প্রকাশ করিছ।

কিন্তু তোরা ব্যর্থ হয়ে যাস যা তোদের কি চাই।

পুরোনো দিনগুলিতে, আমাদের চোখগুলিই ছিল আমাদের অনুভূতির প্রকাশ করার মাধ্যম।

কিন্তু এখন, তারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে...

তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে।

যা তার সাথে সরাসরি কথা বল।

সে মিথ্যা হতে পারে। তার অনুভূতি গুলো মিথ্যা হতে পারে।

কিন্তু তার চোখ মিথ্যা বলতে পারবে না।

'তুমি ঠিক বলেছো, মা'

'আগের , মানুষরা তাদের হৃদয় দিয়ে যোগাযোগ করতেন '

'আর এখন, তারা মোবাইল ফোন দিয়ে যোগাযোগ করে'

ঠিক আছে, মা।

আমার হাসপাতালে জরুরী কাজ আছে।

আমি সেটা শেষ করে, খুশির বাড়িতে যাবো।

কেমন আছো?

আশা করছি, তুমি ভালো আছো।

আমি ভালো আছি। -ভাল!

তোমাকে সবসময় হাসিখুশি থাকা উচিৎ।

যদি তুই হাসিখুশি থাকিস, তাহলে বাচ্চাও হাসিখুশি থাকবে।

হ্যালো। -হ্যালো, মা।

কেমন আছেন?

খুশি! কেমন আছো,মা?

ভাল। কুশ বাড়িতে আছে?

তার কাছে ফোন যাচ্ছে না।

সে বলেছিল যে, তোমার সাথে দেখা করতে চায়।

সে তোমাকে জরুরী কিছু কথা বলতে চাচ্ছিল।

সে হাসপাতালে চলে গেছে।

সে কাজ শেষ করে তোমার কাছে আসবে। -তাই?

আচ্ছা, মা ধন্যবাদ।

কি বলল সে?

কুশ আমার সাথে দেখা করতে আসছে... - দারুণ।

'অহ, এটা তুই!'

'তুই আমার হাত ধরে আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলি '

'রাস্তার সবার মাঝে' তাই না?

'আমি তোকে শিক্ষা দিয়েই ছাড়ব অপেক্ষা কর আর দেখ!'

কি হচ্ছে এখানে? ঐখানের টিউবওয়েলের সামনে এত ভিড়।

সবাই এই দিকে তাকিয়ে আছে কেন?

কি হয়েছে?

তাদের আর শক্তি নেই...

টিউবওয়েল থেকে পানি তোলার জন্য।

তাই,তারা অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। - অহ না।

কে আমাদের সাহায্য করবে?

তুমি এভাবে বলছো কেন?

আমি আছি না?

ভিজেরাথ থাকতে চিন্তা কিসের।

আমি একজন সমাজকর্মী।

আমি আছি!

তোমাদের চিন্তা করতে করতে হবে না।

এটা কি? -তোমার তো শক্তি বাহু আছে।

প্রথমে, আমাকে টিউবওয়েল থেকে পানি পাম্প করতে দাও

এরপরে আমি তোমাদের সাথে দেখা করব।

আয়... অহ,না।

অহ,সোনা!

তুমি চিন্তা করো না।

আমি আছি তোমাদের জন্য... - দুই পাত্র পানি...

আমি তোমাদের জন্য টিউবওয়েল থেকে পানি তোলে দিবো।

এই টিউবওয়েল খুব পুরনো। -তুমি ঠিক বলেছো...

তোমরা চিন্তা করো না।

চলো করে দেখানো যাক!

তোমার বাহুতে শক্তি আছে...

আমার এখানে ঘাম ঝরছে।

কিন্তু টিউবওয়েল থেকে পানি বের ঝরছে না।

আমি পারবোই।

এখানে পাঁচ বছর ধরে এটাতে পানি আসে না।

তুমি ভাবছো এখন আসবে?

আমাকে ভরতে দাও.. - জলদী..

স্যার। - চলো। - জলদী - আপনি দিবেন?

আমি কি দিবো? - স্যার, দান।

কি দান করব? - কিডনি স্থাপন করার জন্য টাকা,স্যার।

কি! টিউবওয়েল চাপতে চাপতে আমার ঘাম বেরোচ্ছে...

আপনি কি মনে করেন আমি কিডনি দিবো? - না স্যার।

কার কিডনি লাগবে? - আমার ভাইয়ের,স্যার।

কোনো দাতাকে খুঁজে পেয়েছেন? - এখনো পাই নি,স্যার।

প্রথমে, দাতা খুঁজুন। আমি পরে দান করবো।

আপনি এখন আসতে পারেন।

স্যার। - হে! এখানে দাঁড়িয়ে থাকবেন না।

টিউবওয়েল থেকে পানি তোলার পর আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি।

আমি ১০০ রুপি নেব এবং একটি নরম নারকেল কিনব। -না স্যার।

এটা আমাকে দাও।

এটা আমার! -বাচ্চারা দৌড়াদৌড়ি করো না।

হ্যালো, কি চাই?

আমি খুশির সাথে দেখা করতে চাই।

তুমি তার সাথে দেখা করতে পারবে না। -কেন?

হে,এখানে আসো। -হা?

খুশি ছাদে কি করছে?

শ্রীমতী খুশি তার হবু স্বামীর সাথে ছাদে কথা বলছে।

বুঝতে পেরেছো?

আজ তার আংটি বদল।

খুশি এটা মেনে নিয়েছে?

তোমার কি মনে হয় তার আংটি বদলের আয়োজন আমাদের ইচ্ছেতে করেছি ?

তার ইচ্ছেতেই আমরা এসব আয়োজন করেছি।

তুমি যেতে পারো!

এই যে।

দাঁড়াও।

যাইহোক, তুমি এখানে আছো...

তাই, এই কোর্টের এই কাগযে সাক্ষর করে দাও

কারণ আমরা সবাই বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকবো।

তাই আমাদের এসব করার সময় নেই।

'সাহস কিভাবে হয় আমাকে হিজড়া বলা?'

'আমি তোদের এক শিক্ষা দিয়েই ছাড়ব!'

আমি তোমাকে তোমার বিয়ের জন্য বুদ্ধি দিয়েছি।

তাই আমাকে ট্রিট দাও। - কুশ...

দাঁড়াও, আমি আসছি।

আস্তে হাঁটো, সোনা। - জ্বী,দাদীমা।

মামা। - হ্যা? -কুশ এখানে এসেছিল, তাই না? - হা।

সে আমার সাথে কথা না বলেই চলে যাচ্ছে।

আমি তার সাথে কথা বলতে যাবো।

থামো!

তার তুমি কেন কথা বলতে যাবে?

কুশ ও বাচ্চার প্রতি তোমার অনেক অনুভূতি আছে।

দেখো,সে কি করেছে।

He has signed the judgement letter.

He wants you to sign it, too.

I can't bear to see all this.

'He has sent the documents for me to sign..'

'So, I think, there's no place for me in his life.'

হ্যালো?

আচ্ছা।

আমি সেখানে ২০মিনিটের মধ্যে থাকবো।

হাম্পা।

আমি দুঃখিত!

আমি বাচ্চাকে বাঁচাতে পারলাম না।

আমার বউ কেমন আছে?

সে বিপদ থেকে বাইরে।

দুঃখিত, হাম্পা।

ঠিক আছে,স্যার।

মন খারাপ করবেন না।

আমার সন্তানের হারানোর কোনো দুঃখ নেই...

...যে তুলনায় আপনি আমাকে খুশি দিয়েছেন...

শেষ নয় মাসের জন্য...

আমার বউ যে আশা করেছিল...

ঐটাই আমার জন্য অনেক।

বাচ্চা হওয়াটা সবার জন্য ভাগ্যবান নাও হতে পারে।

ঈশ্বরের কাছে যদি প্রার্থনা করি, তা সে সব পূরণ করে না।

আমরা জিজ্ঞাসা না করলেও আপনি আমাদের জন্য অনেক কিছু করেছেন।

আপনি মহান, স্যার।

সুখে থাক!

আমি বলতে চাচ্ছি, স্যার।

আপনার জন্য হালুয়া এনেছি,স্যার।

দয়া করে এটি রাখুন।

আমার এটা চাই না,হাম্পা।

এটা ফিরিয়ে দিবেন না,স্যার।

আমরা কষ্ট পাবো, স্যার।

কুশ, কোথায় তুই?

তুই আমার ফোন ধরছিস না।

রাখো, আমি রেখে দিচ্ছি..

কি হয়েছে, বাবা?

খুশির সাথে কথা হয় নি?

কি হয়েছে?

মা, আমি নিজেকে খুশি মনে করতাম..

যখন আমি বাচ্চাগুলোকে কোলে নিতাম।

কিন্তু আজ...

একটি বাচ্চা কাঁদলো না হাসলো না। - ঠিক আছে।

বাচ্চাটি শান্ত ছিল,মা।

এটা দেখে আমার মন ভেঙ্গে যায়, মা।

মা,আমি ভয় পাচ্ছি যদি এটা আমার বাচ্চার সাথেও হয়?

মা,চুপ করে থাকাটা আরও ভয়ানক হয়...

কারো হাসি বা কান্নার শব্দ থেকে।

খুশিও চুপ ছিল।

আমি ভয় পাচ্ছি, মা।

মা,আমি কয়েকদিনের জন্য শহরের বাইরে যাবো।

দাঁড়া, বাবা... আমাকে তার সাথে একবার কথা বলতে দে।

দাঁড়াও - মা, তোমাকে কিছু করতে হবে না..

...তাকে খুশী থাকতে দাও। - দাঁড়া,বাব।

দয়া করে আমার কথা শুনো,মা। - তাকে বিরক্ত করো না।

আমি তার সাথে একবার কথা বলব। - ম...

হ্যালো? -হ্যালো।

আপনি কি মিসেস সাবেত্রী? আপনাকে বর খঁজতে হবে না।

আমরা ভাল পাত্র পেয়ে গেছি। - না...

আপনি কি বলছে? - ধন্যবাদ।

হ্যালো...

তাদের কোনো লজ্জা নেই...

সাবাশ। আমরা ভালো কিছু পাত্র পেয়েছি..

খুশির বিয়ে দিয়ে দেবার জন্য।

তুমি ঠিক বলেছো..

আপনি কি বিবাহিত খুশিকে বিয়ে করাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?

তাহলে, এই খুশিতে আমার জন্যও পাত্রী খুজুন...

আর একই মন্ডপে আমার বিয়ে দিয়ে দিন।

যদি দরকার হলে, আমি আরও একবার বিয়ে করব..

বোন! -হে!

কিন্তু তোর বিয়ে দিবো না। - কিন্তু কেন?

তুই একটি অকোজো লোক। [ অকোজো - নষ্ট জিনিষ ]

আমি অন্য অকোজোকে কিভাবে খাওয়া বো?

প্রথমত, কিছু কর...

যাতে কারো কাজে আসতে পারিস।

সে চলেছে বিয়ে করবে।

অপদার্থ।

'সে কি মনে করে আমি অকোজো'?

'আমি তাদের দেখাবো আমি কি করতে সক্ষম।'

'আপনি কার জন্য কিডনি চান?'

'স্যার, আমার ভাইয়ের জন্য।'

'আপনি কোনো দাতাকে খুঁজে পেয়েছেন? - এখনো পাই নি, স্যার। '

'আমি নিজেকে প্রমাণ করবো।'

কুশ...

আমাদের পেশা বেশ সাধারণ।

তুমি তোমার সব ভালো টুকু সব সময়েই দিয়েছো।

তুমি পুরোপুরিভাবে ভেঙ্গে পড়েছো।

তুমি কেন স্থান পরিবর্তনের দিক দিয়ে বিবেচনা করছো না?

তুমি আমাদের ইতালির শাখা ঘুরে আসতে পারো।

আমি সব ব্যবস্থা করে দিবো।

নতুন চেনামুখ... নতুন পরিবেশ...

যদিও তুমি তোমার অতীত ভুলে যেতে সক্ষম নাও হতে পারো।

তুমি আশাবাদী হলে, নতুন ভাবে শুরু করতে পারো।

ধন্যবাদ,ডক্টর।

"Oh, evening flower.."

"Don't hope for the moonlight."

"The lamp I had lit"

"has taken away my breath."

"The anger I nurtured"

"is killing me."

"We took the seven circumambulations, together"

"now, we are walking away from each other.."

"A rift.."

"Even a statue that has no cracks"

"has stopped yearning to be venerated."

"The water drops.."

"Tears are"

"shed in sorrow."

"The destiny that can't be shared"

"has put us into this dilemma."

"In the battle of love"

"we're left all alone."

আমাকে এখানে নিয়ে এসেছিস কেন?

কুশ আর আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে এখানে।

এখানে কিছুদিনের জন্য থাকবো, দাদীমা

ঠিক আছে। আয়।

"I bid a farewell"

"to these tears."

"My heart is filled"

"with the sorrows, forever."

"I am going to a destination"

"my journey will be laced with tears."

"Breath is the essence of life"

"taking each breath feels terrible."

"If I didn't get you"

"your memories will remain in the form of tears in my eyes."

"I safeguarded my dreams"

"you are shattering them."

হে দোস্তরা, কুশে ফোন করেছে।

কুশ,তুই কোথায়? - বেঙ্গলর এয়ারপোর্ট।

তুই এখানে? চলে আয়, দোস্ত...

তোরা কোথায়? - আমারা পাবে। [ পাব - মদের দোকান ]

জলদী আয়।

আচ্ছা,আমি আসছি।

হে! -কুশ ফিরে এসেছে।

শুভ নববর্ষ, বন্ধু! -শুভ নববর্ষ, বন্ধু!

আসো।

হে,কেন? ঠিকাছে।

হে..?

হে কুশ.. - হে কুশ

হা বন্ধু। - কোথায় যাচ্ছিস, বন্ধু?

কি হয়েছে বন্ধু?

আমি চলে যাবো। চাবি দে। - আচ্ছা,আমি তোকে পৌঁছে দিবো।

না ঠিকাছে, আমি যেতে পারবো।

কি হয়েছে তোর?

দাদীমা... - আর কিছুক্ষণের জন্য ধৈর্য ধর।

আমি তোর বাবাকে জানিয়ে দিয়েছি,সোনা।

দাদীমা,আমি আর কোনোভাবেই ধৈর্য ধরতে পারছি না। - সে আসছে।

হ্যালো। - কোথায় তুই, বাবা?

মা, আমি এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসছি। - আরে জলদী কর।

আমি জলদী আসছি, মা।

দাদীমা.. - আমি তোর বাবাকে জানিয়ে দিয়েছি,সোনা।

সে রাস্তায় আছে। - আর কিছুক্ষণের জন্য ধৈর্য ধর।

আর কিছুক্ষণের জন্য ধৈর্য ধর। -দাদীমা...

সে এখানে চলে আসবে যেকোনো সময়। - দাদীমা.. - আর কিছুক্ষণ, সোনা।

কান্না করিস না।

মিসেস কুমারী এবং মিস্টার খুশি।

দাদীমা। - 'আমি জানি না'

তুমি বন্ধু নাকি শত্রু...

'নাকি স্ত্রী..নাকি গার্লফ্রেন্ড...'

'নাকি প্রেমিকা, নাকি আমার জানেমন...'

'নাকি তোমার আমার ভালবাসা, নাকি আমার প্রিয়তমা...'

কিন্তু এটা জানি।

আমি তোমার সাথে সবসময় থাকবো।

তোর বাবা এখানেই, সোনা।

আমি একবার কুশকে দেখতে চাই,দাদীমা।

কান্না করিস না,সে আসবে। যেহেতু সে তোকে ভালবাসে - আচ্ছা।

শুভ নববর্ষ স্যার।

আশা করি আপনি ঠিকা আছেন। - হ্যাঁ, আমি ঠিক আছি।

তাহলে এম্বুলেন্সকে কেন ফোন করেছেন?

যেহেতু এই সময়ে ট্যাক্সি পাওয়া যাবে না..

তাই আমি এম্বুলেন্স ডেকেছি।

আচ্ছা।

খুশি...আর কিছুক্ষণ। - আমি আর নিতে পারছি না.. দাদীমা

আমরা শীঘ্রই হাসপাতালে পৌঁছে যাবো।

মা,তাকে কিছু সান্ত্বনা দাও।

আমরা এম্বুলেন্সে রয়েছি আর এমনকি আমাদের রোগীও রয়েছে।

দ্রতু গাড়ী চালা। - হে, আমি ঠিক আছি।

তাদেরও রোগী থাকতে পারে। যাদের খুব জরুরী চিকিৎসার প্রয়োজন।

তাদেরকে রাস্তা দাও। প্রথমে তাদের যেতে দাও।

ডাক্তার, জলদী..

স্ট্রেচার নিয়ে আসুন। জলদী...

দাদীমা, - সাবধানে! - আমি নিতে পারছি না।

আস্তে... সাবধানে মিস্টার।

বাবা!

আমি নিতে পারছি না। আমি কুশকে একবার দেখতে চাই।

ডাক্তার আমার মনে হয়, আপনি হালকা মদ্যপান করেছেন। - ওরকম কিছু না।

আমি আঘাত পেয়েছি। -ডক্টর মহেশ...

আমি আপনাকে সবজায়গায় খুঁজেছি। আপনি এখানে কেন?

ডক্টর, আপনি কখন এসেছেন? -এইমাত্র।

কি হয়েছে,ডক্টর? -ম্যাডাম..

শুভ নববর্ষ । - ঐ চুপ!

আপনি একটা সামান্য জখম নিয়ে চিন্তিত হচ্ছেন কেন? -ডক্টর।

আমাদের কাছে একটি জরুরী প্রসবের কেস রয়েছে।

আমাদের এখানে কোনো সার্জন নেই। -চক্রপানির কি হয়েছে?

সে ফোন ধরছে না।

ড: ত্রিভেনী?

স্যার,আমার সন্দেহ হচ্ছে যে সে একবছর ধরে কোথাও যাচ্ছে।

ব্যবস্থা করেন। আমি ঐখানে যাবো।

আপনি নিশ্চিত,কুশ? -হ্যাঁ।

কিন্তু, ডাক্তার এটি প্লাসেন্টা প্রিয়াভিয়ার কেস।

ব্যবস্থা করুন।

স্যার, অপারেশন জন্য ব্যবস্থা করা হয়ে হয়ে গিয়েছে।

দাদীমা! -কুশ!

আমি ঠিক আছি,আপনি এখানে কেন এসেছেন? -স্যার, আপনার স্ত্রীই রোগী।

দয়া করে জলদী করুন।

খুশি শুধু তোমার নাম বলেই যাচ্ছে,বাবা।

দাদীমা...

কুশ এ হাসপাতালে সার্জন হিসেবে কাজ করে, তাই না?

দয়া করে আমি তার সাথে একবার দেখা করতে চাই।

দয়া করে কুশকে ডেকে দিন।

দয়া করে তাকে ডেকে দিন। দয়া করে।

ডক্টর, আমি মনে হয় না বাঁঁচব...

কিন্তু আমি আমার মৃত্যুর আগে একবার হলেও আমি তাকে দেখতে চাই।

আচ্ছা ঠিকাছে। আমার মৃত্যুর...

পর না হয় তাকে জানিয়ে দিয়েন।

কুশ..

কুশ...

সে আমাদের সন্তান..

আমাদের সন্তান...

অভিনন্দন।

অবশেষে তুমি বাচ্চা গ্রহণ করেছো।

একজন গর্ভবতী মহিলার সবসময় কিছু ইচ্ছে থাকে।

কিছু আমার সে ইচ্ছে গুলো তোমাকে জুড়ে রয়েছে।

এমনকি আমি যখন গর্ভবতী ছিলাম।

এক পর্যায়ে, আমি খুব চিন্তায় পরে গিয়েছিলাম।

যদি আমার বাচ্চা তার বাবাকে কখনো দেখতে না পায়।

কিন্তু অবশেষে, তুমিই তার বাবা।

যেকিনা তাকে এই পৃথিবীতে নিয়ে এসেছে।

আমি নিশ্চিত যে তুমিও এই বাচ্চাকে গ্রহণ করবে।

ঠিক আছে,তাহলে।

বাচ্চা আমার সাথেই থাকবে।

যাইহোক, তুমি তো আবার বিয়ে করছো।

কি?

এটা তুমিই ছিলে যেকিনা আমাকে তালাক কাগজে স্বাক্ষর করতে বলেছিলে।

'সে বিচারকের পত্রতে স্বাক্ষর করে দিয়েছে।'

'সে তোমাকেও স্বাক্ষর করে দিতে বলেছে।'

'আমি আর এসব সহ্য করতে পারছি না'

আরে না!

এটা কি হলো?

আমি ঐ বদমাইশকে একবার দেখতে চাই।

তুমি এখানে কি করছো?

আমি কখনো কাউকে বলি নি...

ডোনেশনের ব্যাপারে। দুলাভাই।

এখানে খুশির আত্বীয়দের মধ্যে কে আছেন?

আপনাকে ভেতরে ডাকছে। দয়া করে আসুন।

তুই এখানে। ভেতরে আয়,দোস্ত।

আয়...

খুশি...

কুশ...

তুমি কি তাকে কাছে আনতে পারবে? -ঠিক আছে।

মামা...

অহ না! - ম্যাডাম।

কেন, ব্যাটা?

তুই প্রত্যেকের জীবনে একটি কমেডিয়ান ছিলি। [কমেডিয়ান - যে সবাইকে হাসিয়ে থাকে]

কিন্তু তুই আমার জীবনে ভিলেন হয়েছিস কেন?

আসলে... -তাকে মারবেন না,ম্যাডাম।

কেন?

লোক সাধারণত তাদের একটি কিডনি দান করে,

কিন্তু সে দুটি দান করে দিয়েছে..

আর এখনো টিকে আছে। এটা চিকিৎসা ইতিহাসে অভাবনীয় ব্যাপার।

আমি কখন দুটি কিডনি দান করলাম? আমি তো একটি কিডনি দান করেছে..

...তাম্মান্নাকে। - স্যার, তাম্মান্না এক ব্যক্তি নয়।

তারা দুই ভাই। - অহ না।

আরে না! - আপনি আপনার দুটি কিডনি দান করেছেন।

অহ, তারা ভাইবোন।

স্যার,আপনি তো মহান দানবীর।

'বসে থাকুন। গল্প এখনি শেষ হয় নি।'

'আমি অবশ্যই বিষ খেয়ে ফেলব। - এই গল্প কখনো শেষ হবে না।'

'এখন আপনি যান।'

'আমি এটাই সারা বছর ধরে শুনে আসছি।'

'দয়া করে আজকে খেয়ে ফেল।'

'আরে খাও' - ধন্যবাদ ভগবানকে।

আমার মনে হচ্ছে এই সিরিয়াল আজকে শেষ হবে।

'আরে খাও'

সূর্য উঠেছে।

সে সবজায়গায় আলোকিত করেছে।

তার উপস্থিতিতে ভোর হয়।

মনে হচ্ছে যেন, সে আমাদেরকে সকালে জেগে উঠতে বলেছে।

মা! তুমি আমাকে কেন ডেকেছো,মা?

রাত্রের খাবার প্রস্তুত। তোমার বাবাকে ডাকো।

মা,তুমি কি বাবাকে তালাক দিয়েছিলে?

তোমাকে কে বলেছে? -বাবা বলেছে।

তাই? আমি তাকে আজ দেখে ছাড়বো,আসো।

তুমি কেন তাকে তালাকের ব্যাপারে বলেছো?

'কেন?'

'আসলে সে বলেছিলো যে তার ভাই চাই।'

'তাই আমি তাকে বললাম, আমি যদি তোমার মাকে এটা বলি সে আমাকে আবার তালাক দিবে।'

'সে তো চালাক, তাই সে বুঝে গেছে।'

'তোমার যা ইচ্ছে তাই করো'

'আসো, মা'

'তুমি কি একই মায়ের থেকে বাচ্চা চাও?'

'নাকি তোমার সৎমা থেকে হলেও চলবে।'

'মা, আমার বাবাকে মেরো না তাহলে এর ফলাফল ভালো হবে না।'

একদম আমার মেয়ের মতো। - তোমারা দুজনে থাকো, আমি চলে যাচ্ছি।

না আমরা তোমাকেও চাই। -আমার ভাই চাই।

আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক ফ্যান পেজ: wwww.Facebook.com/subhunters

'ধন্যবাদ' আমাদের বাংলা সাবটাইটেলটি দিয়ে পুরো মুভিটি দেখার জন্য।

আমাদের পরবর্তী সাবটাইটেল দিয়ে অন্যান্য মুভি দেখবার জন্য আমন্ত্রণ রইল।❤

'সমাপ্তি'

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.