All language subtitles for Theevandi bsub by Nayem sarker

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian Download
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada Download
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam Download
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese Download
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
tt Tatar
te Telugu Download
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

বাংলা সাবটাইটেল এবং সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি সম্পর্কে যেকোন তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের মুভি গ্রুপে

ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস গ্রুপ। (https://m.facebook.com/groups/378630595659289)

অনুবাদ এবং সম্পাদনায়ঃ নাঈম সরকার। (facebook.com/farhanul68)

সুগুনান?

এতো দেরি করলে কেনো?

সুগুনান......গাড়ির কি ব্যাবস্থা হলো?

গাড়ি পাইনি.....

আমরা এখন আর কোন গাড়িই পাবো না।

কেন? - কে জানি রাজিব গান্ধি কে খুন করেছে..

শহরে এই নিয়ে অনেক ঝামেলা হচ্ছে।

ওহ.. রাজিব গান্ধী খুন হয়েছে? - হ্যাঁ।

বিশেষ ধন্যবাদ মাহির মুনিম ভাইকে সাবের কাজে হেল্প করার জন্য।

এই সুগুনান... - হুম

সারাসুকে আমাদের এখনি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে...

আর তুমি এখানে এভাবে দাঁড়িয়ে আছো?

দামুদার, শত চেষ্টা করলেও এখন হাসপাতালে যেতে পারবো না...

শানকুন্নি আপাকে আসতে বলেছি..

লাক্সমি কে নিয়ে চলে আসলো বলে।

সুগুনান, এসব কি ধরনের চিন্তাভাবনা?

এখন ১৯৩০সাল না..

যত্তসব

হাসপাতালেই নিয়ে যেতে হবে।

তাহলে এক কাজ করো,

এই মুশলধারা বৃষ্টির মধ্যে তুমি পুল্লিনাদ বাজারে যেয়ে গাড়ি খুঁজে আসো...

ততক্ষণ আমি এই বারান্দায় উদিগ্ন হয়ে হাটতে থাকি...

মজা করতেছো নাকি?

তামাশা না এটাই সত্যি..

আমাদের বিনা তো হাসপাতালেই জন্মেছিলো......

কিন্তু এখন তো প্রসব বেদনা শুরু হয়ে গেছে?

তার উপরে শহরের ঝামেলা...

রাজিব গান্ধীকে এখনি মারতে হলো কেনো!!!

সুগানা.....কোনভাবে কি...

আপনি চিন্তা করবেন না...

আমি আমার বোন সবাইতো একই ভাবে হয়েছি তাই না...

কিচ্ছু হবে না...... আপনি শান্ত থাকুন...

[Lady cries]

[Cries]

চেষ্টা করো..

পা টা হালকা একটু উপরে তোল...

হালকা..

আমার হাত তো ছাড়বি...

হুম এভাবেই করতে থাক...

বাচ্চাটাকে বেড়িয়ে আসতে দে

[Cries]

আস্তে... আস্তে চেষ্টা কর

তুই শান্ত হ...

আমি বলছি তো...

আমি মনে হয় মারা যাবো!

তুই শান্ত হ তো...

হাসপাতালে নিয়ে চলো আমাকে!

নিয়ে চলো..

হাসপাতালে যাওয়ার কোন দরকার নেই... তুই একটু শান্ত হ।

ধাক্কা দে...এভাবেই দিতে থাক..

কি খবর?

বাচ্চা...বাচ্চা কান্না করতেছে না।

সুগুন্না...

ধুর.....দরজা বন্ধ কর

কাউকে ভিতরে আসতে দিছ না। যেতে বল।

লাক্সমি মা চেষ্টা করতেছে।

কিন্তু অনেক সমস্যা আছে।

বাচ্চাটা?

বাচ্চা...

বেঁচে নেই..

কপাল আমার...

[Lightning and thunder]

পিকাসোর পরে...

...আরেকটা বাচ্চা জন্ম নিলো যে মায়ের দুধ খাবার আগেই সিগারেটের স্বাদ গ্রহন করলো।

Secretary... today Bob Marley and Rasputin are performing well...

Will the party needs a reshuffle?

Dear Narayan...

The sesame is being dried for making oil

But what's the use of dried poop of mice?

No use...

When the sun arises from the horizon...

Flock of birds started flying around

Mists shine like pearls on the grass

Everyone in the villlage are now awake

There are people who came here to say this village's tale

There are people who know everything about Pullinad

There are many brave people here in the village

There are many hardworkers also

Someone created a story

And which became a grapevine

that completely affected the future of this village

Enacted as a good person all over the village in the daylight...

As he found a comfort in that

He roamed around with full of fakeness

He masked it out from the reality

Those who live in the shades of ego

Will definitely fall at once

Now truth is being rejected

Fakeness dominated the world

কেউ আছেন....

ছেলেধরা আসছে?

ভাই....

দয়া করে আমাকে কিছু দিবেন...

বাসায় কেউ নাই...

আপনি আসতে পারেন এখন...

এক মিনিট দাড়ান। আমি বাবাকে ডাকছি।

আচ্ছা...

আমার কথা কি আপনার কানে যায় না?

[sings]

বাবা..

যাও ...

হ্যাঁ... - কে জানি আসছে?

কে আসছে?

একজন আনকেল আসছে। - এহ!

আনকেল?

যাও দেখে আসো। - কে আবার আসলো।

গত দুই দিন ধরে আমি কিচ্ছু খাই নি।

দিয়ে আসো....আচ্ছা....চলো।

এই সেই আনকেল?

নেও। - মাত্র এক টাকা!

ভাইয়া, আমার খুব ক্ষিদে পেয়েছে।

দয়া করে যদি কিছু খাবার দিতেন...

নাই...অন্যদিকে দেখো।

আমার অনেক ক্ষিদে লেগেছে। - যাও অন্যদিকে যাও।

এরকম কেউ যদি আবার আসে

বক্স থেকে টাকা দিয়ে দিয়ো।

কোন বক্স?

আরে টেবিলের উপরের বক্স যেখানে কয়েন থাকে।

হাঁ - হ্যাঁ ঐটাই...

অহ....তুই এখানে বিড়ি খাচ্ছিস?

দুপুরের খাবার খেয়েছিস?

খুব ভালো...

এই দে...

তোর বাসায় টাকা কোথায় রাখে? বক্সে?

না...

তাহলে? - রামায়ণের ভিতরে।

কি? - হ্যাঁ।

সাফার এর পরে তুই।

না...ভিনেশ এর।

খা.... খা.... একটান দে..

আমরা কাউকে বলবো না।

তুই খা...

সুগু মামা.... ভিনেশ সিগারেট খাচ্ছে।

এই.. কুত্তা...

এহ!

ভিনেশ এদিকে আয়।

কাউকে কুত্তা বলে ডাকবি না।

খারাপ ছেলেরা এসব বলে।

তুই চাইলে...

সোয়ানা বলে ডাকতে পারিস (কুকুরের সংস্কৃত শব্দ)

সোয়ানা...

সোয়ানা.... খুব সুন্দর নাম।

চকলেট খাবি? - হ্যাঁ।

আমার জন্য এক প্যাকেট বিড়ি এনে দে।

বাকি টাকা দিয়ে চকলেট কিনে নিস।

যদি বিড়ি দিতে না চায়...

আমার নাম বলে দিবি... ওকে?

তাড়াতাড়ি যা।

তুই এখানেই থাক....গোলি খেলি চল।

তোকেও যদি ছেড়ে দেই, তাহলে তোরা তাড়াতাড়ি আসবি না।

ভাই, এক প্যাকেট বিড়ি আর বাকি টাকার আচার।

ভাই, এক প্যাকেট বিড়ি আর বাকি টাকার চকলেট।

এই নে।

ভাই, এক প্যাকেট বিড়ি আর বাকি টাকার চকলেট।

ভাই, এক প্যাকেট বিড়ি আর বাকি টাকার মাঞ্চ।

ভাই, এক প্যাকেট বিড়ি আর বাকি টাকার...

বাকি কোন টাকা নাই... বিড়ির দাম বাড়ছে।

ভিনেশ...আমাদের সাফার না বিড়ি খাওয়া শুরু করছে।

কোন সাফার?

আমাদের কয়টা সাফার আছে?

আরে ভাই আমাদের সাফার...

সম্ভব না, মিথ্যা বলিস না...

আমি মিথ্যা বলতেছি না.... সত্যিই বিড়ি খাওয়া শুরু করছে।

হ্যাঁ... তোর বাবার বন্ধু মাধু আছে না? - হ্যাঁ।

সাফার মাধু আনকেলের বাড়ির পিছনে বিড়ি খায়।

মি. সোয়ান.... আদালত প্রমান চায়!!!

মহামান্য আদালত আমার কাছে প্রমান আছে।

কে?

লিবাস আর সুসিজ।

ও মাই গড।

এই মাসে পূজা হচ্ছে ভাই,

বাসার থেকে টাকা চুরি করতে পারবো না।

হুম... কিন্তু....

আহ মা, আমি টাকা নিচ্ছি .. ওকে

দাড়া..... তোর বাবাকে বলে নিয়েছিস নাকি?

না... উনাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না তো।

তুমি বলে দিয়ো।

আমি তো রান্নাঘরে ছিলাম। অন্তত আমাকে তো বলতে পারতি!

আহ.....তুমি তো রান্নাঘরে ছিলে!!!

ভিনেশ টাকা দিয়ে কি করবি তুই?

আমার বন্ধু সুসিজ আছে না, ওর বাবা অসুস্থ....

তাই স্যার বলেছে উনার জন্য সবাই টাকা তুলবে।

কি হইছে উনার?

ফিস্টুলা!!!

আমাকে একটা মেয়ে ভালোবাসে।

তোকে? আচ্ছা।

সাফার...ভিনেশ চলে এসেছে।

ভাই এক প্যাকেট বিড়ি।

না...দুইটা সিগারেট।

ভাই....দুই না তিন।

মামা তো আমাকে দুইটাই কিনতে বলছে

কিন্তু ৩ টা হইলেও সমস্যা নাই।

সে তার মত খাক!!

হটাত করে বিড়ি খাওয়া কমিয়ে দিলো কেন?

মামার কাশি হইছে তো!

হয়তো বা তাই... - তাহলে তো বিড়ি খাওয়া উচিৎ হবে না।

নেও

ওকে ভাই

পাইছি পাইছি... ভাগ ভাগ

আয় - তাড়াতাড়ি যা

চুপচাপ ভিতরে চলে যা

সাফার..

কোথায় যাচ্ছি ? - ভাই আগে ভিতরে যা

সাবধানে আয়.. - এই বলদেরে আনা উচিৎ হয় নাই।

ভাই শব্দ করিছ না।

ভিতরে আয়...

শব্দ করিস না।

আরে বলদ!

দরজা বন্ধ কর।

জায়গাটা কেমন?

কেউ আসবে না তো?

আসবে না.... অস্থির জায়গা কি বলিস?

হ্যাঁ।

ম্যাচ দে..

অহ!

ম্যাচ আনতে ভুলে গেছি!

অহ!

প্রিয় নাদান বাচ্চারা...

এই সাফার এর পক্ষ থেকে একটা সারপ্রাইজ আছে..

মানে?

কি?

ম্যাচ এখানে...

দেখলি

অসাধারণ।

একটা দে।

ভাই এটা কিন্তু আগুন নিয়ে খেলা। আমাদের একটু সতর্ক থাকতে হবে।

আচ্ছা, শুখটান শুরুর আগে শুখটান দেয়ার গল্পটা তোদের শুনাই।

একদিন দুপুরের খাবার খাওয়ার পরে পানির দেবতা বাতাসের...

দেবতাকে বললো চলো শুখটান দেই।

কিন্তু আগুনের দেবতা তাদের কথা বার্তা পছন্দ করলো না।

..

তোদের ভালো লাগছে না?

না?

সব কিছু বাদ দিয়ে তারা বিড়ি ধরিয়ে ফেললো।

আর সেই ধোয়া থেকে মেঘের সৃষ্টি।

ভাই তো এই গল্প শেষ হলে আমাকে বলিস।

কেন? - তখন থেকে আমি শুনবো।

তুই কি বলিস? - সাফার তুই আগে সিগারেট ধরা।

সাঁতার শিখতে গেলে যেমন পানি খেতে হয়!!!

ঠিক তেমনি,বিড়ি টানা শিখতে গেলে প্রথম প্রথম কাশি আসবে।

আমাকে দেখ।

টান দে, দে...

শেষ হওয়ার আগে টান দে...

মা গো...

টান দে... টান দে...

এরকম নাকি...

আমারে দে

আমি এখনো টান দেই নাই। আমারে দে।

ভিনেশ... খাইস না।

আরে দে তো একটান। কিচ্ছু হবে না। - না রে ভাই টান দিছ না।

টান দিছ না রে ভাই

আরেকবার...

দেখ, আমার কাশি আসে নাই।

আমারে দেখতে দে তো, বিড়ি চেঞ্জ হইয়া গেলো নাকি?

ভিনেশ বিড়িটা আমারে দে তো। - না দিমু না।

কে রে এখানে? - ভাই চল পালা এখান থেকে।

পালা পালা...

আহ... আমার শার্ট ...

সাওয়ান... তাড়াতাড়ি আয়...

পালা পালা...

সেদিন থেককে মামার নাম দিয়ে সিগেরেট কিনা শুরু হয়

আস্তে আস্তে সিগারেটের পরিমান বাড়তে থাকে।

পরে আর হিসাব ছিলো না কি পরিমান কিনেছিলাম।

এখন যাস নে, ধোয়া বের হলে পরে যাস।

আরে মামা সমস্যা নাই।

কিসের ধোয়া আসছে ভিতর থেকে?

মামা বিড়ি খেয়েছিলো ভিতরে।

দারা... এদিকে আয় তো।

আরে আমি না..... যা তো।

শুভ সকাল স্যার। - শুভ সকাল।

সানাবাস স্যার। - হ্যাঁ।

ম্যাচ আছে আপনার কাছে? - বাথরুমে আছে।

তুই নিজেই দিয়ে আয় না।

তিনটা পেত্নী আর এই সাফার একা...

শোন এই সাফার একাই ছিলো

কিন্তু আমি ভয় পাই নাই!

কিরে তোরা শুনছিস?

তারপরে...

আমি সেদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম

আমাদের বুদ্ধি তো আর পেত্নীদের সাথে কাজে লাগবে না।

পরে দাদার থেকে একটা মন্ত্র শিখেছিলাম, সেটা কাজে লাগাই

হুম এটাই বলেছিলাম। - সাফার ভাই চাপা একটু কম করে মার।

ভাই আমি চাপা মারতেছি না।

চাপা... চাপা মারতেছিস।

সাওয়ানা.. থামবি তোরা।

আবারো চাপা মারতেছিস... আজগুবি গল্প।

এখন থেকে আমার কোন গল্প তোদের বলবো না।

স্যার প্রিন্সিপ্যাল এর চিঠি...

স্যার...

ভাব দেখলি শালার?

হ্যাঁ... - বেয়াক্কেল একটা।

ভাই কোন বই?

ধুর বলদ এটা।

স্যার, পড়ে শুনান।

আমাদের স্কুল প্রাঙ্গণে,

বিশেষ করে ছেলেদের বাথরুমের সামনে।

অনেক সিগারেটের অবশিষ্ট পাওয়া গেছে

সমাজ বিরোধী লোক এর পিছনে থাকতে পারে। - এই তুই নাকি।

না।

সকল স্টাফ এবং ছাত্ররাও সন্দেহের তালিকায় থাকবে

যদি তুমি বা তোমার কোন বন্ধু এসব করে থাকে,

ক্লাসের শিক্ষককে জানিয়ে দিয়।

দয়া করে আবার করতে যেয়ো না।

যদি এরকম কাজ নজরে আসে,

স্যার। - হ্যাঁ

আমি সাফার।

কি? - আরে না কিছু না। বসে পর।

স্যার, ভিনেশ আমার সাথে ছিলো।

আমার নাম কেনো বলতে গেলি?

আমি একা সাজা খেতে রাজি নই।

তুই নিজে নিজে বলতে গেলি কেনো?

তুই শুনিস নি, উনি আমার নাম ধরে ডেকেছিলো?

তোর নাম? কখন?

উইল সাফার।

আরে ব্যাটা তোকে বলে নি।

ভাই আমিও ইংলিশ জানি।

দেখ দুই বলদ ক্লাসের বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে!

শালা খচ্চর আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসতেছে।

আমি আসছি এখনি।

স্যার। - হ্যাঁ।

স্যার আমাদের সিগারেট খাওয়ার জন্য ম্যাচ দিতো সাওয়ান।

বেড়িয়ে যাও !!!

শালারা।

এখন বেশি করে হাসো।

দেখ ভাব দেখ।

এই প্রিন্সিপ্যাল !!!

এখানে দাঁড়িয়ে আছো কেনো?

রচনা লেখি নাই। - রচনা লেখি নাই।

ওহ!! - ওরা বিড়ি খায়।

ওহ...

ক্লাস করতে চাইলে অভিভাবক নিয়ে আসবে।

এখন আমি কি করবো!!

কিচ্ছু বুঝতেছি না...

সাওয়ান আর সাফার..

স্কুলে আসা বন্ধ করে দিবো।

হ্যাঁ।

কেউ আমার ফিলিংসটা বুঝলো না।

কে বলেছে?

মামা...

একটা বিড়ি টেনে তারপরে জানিয়ে দিবো।

তাহলে শুরু করবো? - শুরু করো।

শুরু করলাম তাহলে।

আমি জুয়ান একটা মাইয়া, বুড়া বেডার কাছে বাবায় আমায় দিছে বিয়া...

এবার তাহলে 'আ' দিয়ে শুরু করো।

আমায় বেবি ওয়ালায় খাইছে রে সামনে বসায়া, বারে বারে ব্রেক মারে....

চুমকি চলেছে একা পথে...

চোর...

চোর!! - কি?

কে রে?

দারা ওখানে। -পালাবি না বলছি

ওরে বাবা রে। - এই থাম বলছি।

কে রে ভাই। - দৌড়াবি না বলছি।

বাছা উঠে পড়ো। - আমি চোর না।

আমি চোর না। চোর এদিকে গেছে।

তুই থাম।

আপনারা ভুল করছেন।

তুই থাম।

আব্বা.....আম্মা...

লুঙি দিয়ে হাতটা বেঁধে ফেল।

স্যার দয়া করে আমার কথা শুনেন।

বাবা। - আমরা তোকেই খুজছিলাম।

আমি চোর না। তুই আয় আমাদের সাথে।

চোর এদিকে চলে গেছে। - মূর্তি কোথায়?

মূর্তি মন্দিরে আছে! - বাবা...

চিৎকার করো না।

আমার শালারে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। - কি?

কি?

কে এসেছিলো?

পুল্লিনাদের বিখ্যাত চোর দেখতে..

এতো রাত্রেও এলাকার সব লোক থানায় চলে আসলো।

শুধু এলাকাবাসী না, আমার পরিবারো চলে আসলো।

জিজ্ঞাসা কর...

মেয়ে সংক্রান্ত মামলা নাকি? - কি?

না। - তাহলে কি?

তাহলে কি ডাকাতি কেস হওয়া দরকার না। - ছেলেদের মামলা।

ধুর!!! - যা ভাগ।

ছেলেটা খারাপ না।

উনি ছেলের বাবা।

আমি উনাদের সবাইকে খুব ভালো করে চিনি।

এই জন্য আমি ফোন করি নাই,

সরাসরি চলে আসলাম,

আরে ধুর, তেমন বড় কোন সমস্যা না।

রাভুথার আর থোমাস ভুল করে ধরে এনেছে।

আমরা এমনিতেই ছেড়ে দিতাম। এই ছেড়ে দাও।

কিন্তু এই রাতের বেলা বাহিরে কি করছিলো?

আপনারাই জিজ্ঞাসা করুন।

বাহিরে গিয়েছিলি কেনো?

হুহ?

ভয় পাওয়ার কিছু নেই!

সত্যি টা বলে দাও।

এটা বলো না যে প্রসাব কর বের হয়েছো

আমাদের যা বলেছো সেটাই বলো।

কি বলেছে?

বাহিরে কেনো বেড়িয়েছিলি?

না মানে-

আসলে একটা সিগারেট খাওয়ার জন্য বের হয়েছিলাম।

কি?

সিগারেট খাওয়ার জন্য বাহিরে বেরিয়েছিলাম...

আয় চল...

আচ্ছা তুমি যেতে পারো...

ওকে স্যার... আরে ব্যাপার না।

আসছি.. - ওকে।

সেদিন রাত্রে পুল্লিনাদে বড় দুইটা পরিবর্তন এসেছে,

প্রথমটা হচ্ছে,

আমি প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়ার লাইসেন্স পেয়েছিলাম।

আর দ্বিতীয়টা হচ্ছে

কৃত কর্মের জন্য...

এলাকার লোকের থেকে একটা ডাক নাম পেয়েছিলাম।

Theevandi(বিড়িখোড়)

কান্নান এদিকে আয় গোছল করবি।

মা, আরেকটু খেলি না।

আমি আসতে বলছি না।

একটু পরে আসি, এসেই গোছল করবো।

ভিনেশ...

ভিনেশ...

মা কাপড় ধুতে যাচ্ছেন। তোর কোন কাপড় থাকলে দে?

কিরে আছে?...

কোনটা?

এটা?

গান্দা একটা!!!

বীণা...

বীণা...

কি?

এক কাপ চা দাও তো।

চা তো এখানেই?

ঠাণ্ডা হয়ে গেছে!!! - সবসময় খালি চা?

মা... - কি?

এগুলু একটু ধুয়ে দাও না... - তুই কেনো ধুচ্ছিস না?

এগুলা বিজিথের না, ভিনেশ এর।

অহ?

সবসময় বলে আমি নাকি ভালো মতো পরিষ্কার করি না।

এই জন্য তুমিই পরিষ্কার করো, ঝামেলা শেষ।

আমার ছেলেমেয়ে নাকি বড় হয়েছে, সব কাজ তো আমাকেই করতে হয়,

তার উপরে জামাকাপড় সহ ধুতে হয়।

এটা খাস নে...

চা খাবি? -হ্যাঁ

যা ভিতরে যেয়ে মাকে বল। -ওকে।

সরস্বতী...

সরস্বতী ঐখানে... - আচ্ছা আমি যাচ্ছি।

আরে সুধা...

কতদিন পরে আমাদের আবার দেখা হলো। - হ্যাঁ

এখান থেকে যাবার পরে তো আর দেখাই যায় না?

কেমন আছো তুমি?

আছি ভালোই, দরকার পরলে শুধু এদিক দিয়ে আসা যাওয়া করি শুধু।

এম.এল.এ বালাচন্দ্রনের কাছে এসেছিলাম।

কিসের জন্য?

আমার নাতি ২ বছর বয়স।

দুই বছর পরে তো স্কুলে ভর্তি করতে হবে।

আচ্ছা...

আচ্ছা তোমার ছেলেমেয়ে তো সবাই সেটেল হয়ে গেছে তাই না।

এটাই হলো বড় পাওয়া।

ভিনেশ আর বীণার কি খবর?

ভিনেশ বিইএড শেষ করেছে পিএসসি পরিক্ষা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তাই কোন কাজে যায় নি।

কোন কিছুর উপরে মন বসে না,

এখন আবার বিজিথ এর পিছনে ঘুরতেছে রাজনীতিতে যোগ দেয়ার জন্য।

মা, চা দাও...

মা...

চা কোথায়???

মা কাপড় পরিষ্কার করতেছে, চা লাগলে নিচে আয়...

মুখের মধ্যে ভালো করে তেল দেও...। বাকি আছে এখনো..

তাই নাকি?

আয়

আয়

এখন গোছল করার সময়।

এই... এই...

ভিনেশ কে এই চা দিয়ে আমারে আবার নতুন করে চা দাও না।

লাভ হলো না!!!

কই যে গেলো?

আয় হায়...

আপু... আমার শার্ট নিয়ে গেছিস নাকি?

মা পরিষ্কার করে দিচ্ছে!!!

পরিষ্কার করে দিচ্ছে???

পরিষ্কার করতেছে??? আয় হায়...

ভিনেশ না?

হ্যাঁ ভিনেশ...

কিরে কি খুঁজছিস?

বাইকের চাবি!!!

ভিনেশ...

আমাকে চিনতে পেরেছো?

তোমার জন্মের পরে প্রথম আমি তোমাকে কোলে নিয়েছিলাম!!!

হ্যাঁ...

ওয়াও অসাধারন প্রশ্ন?

আমার এখনো মনে আছে...

কেউ কি তার জন্মের দিনের কথা ভুলে যায়?

আমার এখনো মনে আছে আপনি কেক নিয়ে এসেছিলেন,

আপনার পড়নে ফুলের কাজ করা সিল্কের শাড়ি ছিলো,

আপনার প্রথম জন্মদিনের কথাও আমার মনে আছে

কি দিন ছিলো সেদিন!

এই জামানার কারো কি মনে আছে? কি বলো মা?

আমি তাহলে আসি আপু?

আমি কোথায় সিগারেট রেখেছি সেটাই আমার মনে নেই!!!

আসছি তাহলে।

আমার স্বামী অপেক্ষা করে আছে, আচ্ছা।

আমাদের আলোচনার বিষয় জানি কি?

রাজ্যবিরোধী বাজেটের বিপক্ষে...

অর্থমন্ত্রী কোন প্রকার চিন্তাভাবনা না করেই এই বাজেট পাশ করিয়েছে,

আর এখন আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য চাল তেলের দাম হু হু করে বেড়েই চলছে,

সেক্রেটারি, আমাদের এম.এল.এ কে এই ব্যাপারে আপনি জানাবেন।

অবশ্যই।

হ্যাঁ ভিশালাম, আমি বালান বলছি।

কি হচ্ছে সেখানে?

আমরা মাত্র শুরু করেছি,

আপনি এখন কোথায়? - আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে সেখানে আসছি।

তারপরে...

তোমার কথা শুনে ফেলতে পারে, তাই উত্তর দিয়ো না। - ওকে।

শুধু হ্যাঁ বা না বলবে।

হ্যাঁ হলে মাহেন্দ্র মোদি,

আর না হলে রোহান গান্ধী।

ওকে...

সবাই কি নতুন বাজেট নিয়ে কথা বলছে?

মাহেন্দ্র মোদি!“

বাজেট কি সমর্থন করছে?

রোহান গান্ধী

মাধু আর ভিজিথ কি দুই পক্ষে আছে?

রোহান গান্ধী

দিল্লি থেকে ফোন এসেছিলো।

কি? - বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে।

সরকার দলের নজরে আসার সুযোগ পেয়েছি ,

তাই নাকি? - হ্যাঁ

তাই এখন বাজেট টাকে সমর্থন করো।

মোদি!“

অনেক খুশির খবর আছে

আমরা যেই ফান্ডের জন্য মানববন্ধন করেছিলাম সেটা পাশ হয়েছে।

সবাইকে এই ফান্ডের ব্যাপারে কি জানাবো? - এই... রোহান গান্ধী।

তাহলে আমরা টাকাটা মেরে দিবো?

হা... মোদি

ওকে... আমি কিছুক্ষনের মধ্যেই চলে আসছি।

ওকে।

উনি কি বললেন?

রাজনীতি সম্পর্কে, দিল্লি রাজনীতি।

আমাদের টপিক জানি কি ছিলো?

বাজেট...বাজেট।

হ্যাঁ...বাজেট।

আমরা জনগন সমর্থন বাজেটের কথা আলোচনা করছিলাম।

এখানে... - আপনি ভুল করছেন... আমরা এর বিপক্ষে ছিলাম।

মিঃ ইম্বাচিকয়া, এটা বিশ্লেষণ করার জন্য বোর্ড বসাতে হবে।

আমাদের বিএসিএল এসব ছোট খাটো ব্যাপারে মাথা গলায় না।

সমস্যা যেহেতু আপনি বের করেছেন সমাধানও আপনি বের করুন।

উদাহরণস্বরূপ...

মনে করেন উদাহন হিসেবে...

বিমানে এল্যুমিনিয়াম ফয়েল ব্যাবহার হয়,

আমাদের ফার্নিচারের জন্য পিন,

জোতার মধ্যে ফিতা,

টিস্যু পেপার...

আমাকে দেখেই সিগারেট ফেলে দিলে! ভালো ছেলে।

প্লিজ পারা মারবেন না।

তুমি তো ফেলে দিয়েছিলে...

আমি ফেলে দেই নি, আসলে হাত থেকে পরে গেছিলো।

তাই নাকি?

হ্যালো... - বালান স্যার চলে এসেছে।

আসতে দেরি হওয়ায় দুঃখিত।

আশা করি সবাই ভালো আছেন।

স্যার, প্লিজ বসেন। - সমস্যা নাই, আপনারা সবাই বসুন।

বন্ধুরা...

আজ থেকে...

প্রতেক বিএসসিএল সদস্যরা খুশি এবং নিজেকে গর্বিত মনে করবে।

পুল্লিনাদ এর ক্ষমতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেখানোর জন্য...

সেন্ট্রাল কমিটি আমাদের একটা সুবর্ণ সুযোগ দিয়েছে।

অনেক রাজ্যের দাবিকে বাদ দিয়ে...

সেন্ট্রাল কমিটি আমাদের সুযোগ দিয়েছে, পুল্লিনাদের সকল কর্মঠ কর্মীদের জানাচ্ছি আন্তরিক মোবারকবাদ।

ওকে

আর এই অফারটা অন্যান্য স্টেট কে চমকিয়ে দিয়েছে।

যারা এর জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করতে রাজি ছিলো।

আচ্ছা অফারটা কিসের? - আমাকে বলতে দাও।

আগামি ১৯ তারিখে...

আমাদের পুল্লিনাদের সমুদ্র সৈকতে

আমরা বন্ধন করতে যাচ্ছি।

কি?

ওহ, মানব বন্ধন।

বিদেশি বিমানবন্ধরের করুন অবস্থা সমাধানের জন্য এই প্রতিবাদ।

আমরা এখান থেকেই প্রতিবাদ করবো।

আর সেখানে পুল্লিনাদের সকল জনগন একত্রিত হবে।

আমি আশা করবো আপনারা সবাই এর জন্য কাজ করবেন।

তাহলে টাকার ব্যাপারে?

আমাদের এলাকার জনগন থেকে

সহায়তা নিতে হবে।

ভিক্ষা ব্যাতিত কিছুই না।

আমাকে একটু শহরে যেতে হবে। আসছি আমি।

স্যার বাজেটের ব্যাপারে...

আরে এখনো এই ব্যাপারে কথা বলো নি?

মধু তোমার আবার কি হলো? আমরা কথা বলেছি.. বেশিরভাগের সমর্থন আছে এখানে।

আমার মনে হয় না বাজেটে দৈনন্দিন কোন সামগ্রীর কথা বাদ পরেছে,

সভাপতি মনে হয় কিছু বাদ দিছে?

সিগারেট। - কি?

সিগারেটের মুল্যবৃদ্ধি নিয়ে আমার আপত্তি আছে।

এই বাজেটে এই ব্যাপারে নাই, প্রতি বছর একই কাজ হয়।

আর এই সুযোগে, প্রক্রিয়াজাতকারীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

আমাদের পক্ষে কথা বলার জন্য কেউ নেই।

গত বছর এক প্যাকেটে আমার যা খরচ হতো তা এবার একটা সিগারেট কিনতে খরচ হচ্ছে।

নগদ টাকায়।

পুল্লিনাদের গুদাম ঘরে সিগারেটের জন্য কোন আলাদা জায়গা নেই।

কি অবস্থা!

তার উপরে...

সিগারেটের প্যাকেটে বিশাল একটা সতর্ক বার্তা দেয়া থাকে...

সাথে আবার ছবিও দিয়ে দিয়েছে।

এর চেয়ে সমুদ্রে ভেসে আসা লাশের ছবিও ভালো আছে।

এতেই শেষ হয় নি,

সিনেমা হলে ছবি দেখতে গেলে...

সেখানেও সতর্ক বার্তা 'ধূমপান ক্যান্সারের কারণ'...

একেবারে বর্বরতা।

এসব দেখে আমি অনেক চিন্তিত হয়ে পরি,

আর চিন্তায় চিন্তায় সিগারেট টানি,

আমরা ধূমপায়িরা কি ভারতীয় জনগন না?

নাকি আমরা বানের জলে ভেসে এসেছি?

এই বিড়িখোর...

ভিজিথ তুই লিখে রাখ,

এই ছেলের জন্য তোর রাজনৈতিক জীবন এখানেই শেষ।

চলো যাওয়া যাক।

আসি তাহলে, কালকে দেখা হবে।

ধুর...

আমি খেলতেছি দেখ।

দেখ ভালো করে।

ওকে দেখাও দেখি।

এভাবে...

টিকেট বাকি আছে কারো?

আন্টি...

আরে দেবি...

এখানে চাকরি করো নাকি? - গ্রাম অফিসে কাজ পেয়েছি।

খুব ভালো।

ওহ বীণা না ভিনেশ কে জানি এই ব্যাপারে বলেছিলো।

[Murmuring]

আন্টি কোথায় গিয়েছিলেন?

শহরে গেছিলাম... জর্জের বেকারিতে। -ওহ।

আমরা সেখানে চিপস সাপ্লাই দেই।

তাই টাকা পয়সার ব্যাপারে সেখানে যেতে হয়।

ভিনেশ এর কি খবর?

ওহ। ওরে আসতে বললে অর্ধেক টাকা কমিশন হিসেবে নিয়ে যাবে।

কপালে যদি থাকতে তাহলে তো আরাম আয়েস করতে পারতাম।

বিড়িখোর...

চল খেলতে যাবো। - দাঁরা এক মিনিট।

তোরা শুরু কর।

আমি আসছি তাহলে।

🎶তোকে রডে বসিয়ে বেল বাজাবো🎶

মামা... সিগারেটের একটান দেও না।

ওকে...

দুর্গন্ধ।

🎶তোকে রডে বসিয়ে বেল বাজাবো🎶

এতোক্ষন হয়ে গেলো, কোথায় ছিলে?

তাহলে এখন স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিচ্ছিস তাহলে?

তাই নাকি? - হ্যাঁ।

না...সারাদিন দেখি ক্যারাম খেলিস।

হাহ হাহ।

এখনো তুই গোলকিপার দারাস?

হ্যাঁ...

দাঁড়ায় বলেই তো সিগারেট খেতে পাচ্ছে।

ভাই বিড়ি খাওয়া বাদ দে, চল খেলতে যাই।

ওহ... ভুলে গেছি...

ঈশ্বর অন্তত বল ধরার সুযোগ দিয়ো প্লিজ।

এক সপ্তাহ কোথায় ছিলে?

এডিসন আইসল্যান্ডে । কখনো গেছিস?

না। - চল একবার যাওয়া যাক।

না আমার ইচ্ছা নাই।

আধপাগল লোকেরাও তো সেখানে আছে?

রাশপুতিন আর বব মারলি।

আসলে...

ওরা পাগল না।

ওরা প্রকৃতিপ্রেমি।

আর সিগারেট নাই? - না।

ভাই শুন না।

সাফার ভাই তুই তোর গান বন্ধ করবি?

আমার গান ভালো লাগে নাই? - এই সামনে মার

বিড়িখোর চলে আসছে।

গোলকিপার চেঞ্জ...

আসলে পার্টি অফিসে কাজ টা কি তোর? - বাদ দে সাফার।

তুই তো খালি বলেই খালাস।

কিন্তু আমাকেও তো অনেককে বলতে হয়।

তুই কেনো বলতে যাবি?

আমি? - হ্যাঁ তুই বলার কে?

আমি সমস্যার সমাধান করেছি?

কি করেছিস তুই?

আরে ভাই খেল না।

এখন ভালো লাগতেছে?

হ্যাঁ...

আমারে দে...

সব কিছু বাদ দিয়ে দিলাম...

শোন...এই সাফার আজ থেকে পুল্লিনাদের সকলকে সাহায্য করা থেকে বিরত থাকবে।

চাপাবাজ ভাই...

আমি সাফার।

ভাই ঠিক করে খেল.. - যা ভাগ শালা।

সাফার...

আমি নিজে যদি সত্যি বলি...

দেখ তুই যদি সত্যি কথা বলিস তাহলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে...

ধুর বাল...

খেল তো ভাই.. - সাফার তুই আয়

তোরে লাত্থি দিয়া বের করে দিমু.. যা ভাগ - কি কইলাম ।

বাদ দে, মাধু তোকে বলতে বললো।

He was very MQTV

পানি খাবি?

এই ঝামেলা কে সমাধান করবে?

আমরা কেনো করবো?

তাই তো, আমরা কেনো করবো?

মাধু মামার মেয়েরে নাকি বিয়ে করতে যাচ্ছে?

সত্যি নাকি? - না।

না? - তাহলে চল খেলা শুরু কর।

সাফার... - তোকেই খুজতেছিলাম...

লিবেশ সামনে যা...

পাস দে...

ইয়া---

ধুর গোল...

ভাই তুই কাদের দলে খেলতেছিস? সর‍্যি...

চুপ কর

আমি বলছি তো,

কি?

মেয়ের জন্য একটা বিয়ের প্রস্তাব এসেছিলো।

ভালো... মেয়ে কি বলেছে?

ঠিক আছে বলছে...

তোমার কি মত?

আমারো পছন্দ হয়েছে,

কে প্রস্তাব দিয়েছে,

রাজি বলেছে,

ছেলেটা কে?

ভি...ভিনেশ।

ভি...নেশ???

হ্যাঁ...

কোথাকার ভিনেশ?

আমাদের দামুদার ভাইয়ের ছেলে

বিড়িখোড় টা? - হ্যাঁ।

সামনে খেল...

কি উদ্দেশ্য তোর?

প্লান কি করেছিস?

কি?

দেবীকে বিয়ে করতে চাস?

আমার মেয়েকে বিয়ে করার ইচ্ছা? - না।

কোন সমস্যা?

আরে নাহ!!!

ভিজিথ...

জাউটা এদিকে দে তো।

ঘুমাতে যাবার আগে প্রসাব করে যেয়ো...

হু হু, নাহলে আবার বিছানায় হিসু করে দিবে।

দাত ব্রাশ করতে ভুলো না আবার।

মাধুর সাথে তোমার দেখা হয়েছিলো না?

হ্যাঁ...

কি বললো?

বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলো। - কার?

ভিজিথ তরকারিটা এদিকে দাও তো...

প্রস্তাব? কার প্রস্তাব?

উনার মেয়ের,

উনার মেয়ের প্রস্তাব তোমার কাছে বলতে আসবে কেনো?

আজকে বিকালে উনার সাথে দেখা হলো,

আমি জানি না।

না? - উনার মেয়েকে বিয়ে করবো নাকি এটা জিজ্ঞাসা করেছিলো।

তারপরে?

তারপরে...

আমি মানা করে দিলাম।

তারমানে...

তোদের দুইজনের মধ্যে কিছু নেই?

আচারটা দে তো। - আমি আগে কথা বলে নেই।

কিছুই নেই...

শুভ রাত্রি। - ভিনেশ...

আচার পাইনি এখনো। - ওহ...

আরে মামা... পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মধ্যে এরকম বাম হাত ঢুকিয়ে দাও কেনো?

..

...

...

...

এই,

ফোন ধরতেছো না কেনো?

কে বলছেন?

আমার ফোন ধরতেছো না কেনো?

কে বলছেন? - তোমার আব্বা...

এদিকে আসো...

এদিকে আসো...

কোথায় আসবো?

জানালার কাছে আসো...

জানালা!!!

এদিকে দেখো...

এখানে কি করতেছো?

আমার বাবাকে কি বলেছো তুমি? - আস্তে।

বাবাকে কি বলেছো তুমি???

ছাড়ো বলছি...... আমি বলতেছি...

আরে ছাড়ো না।

কি হইছে?

আসলে আমি তো হ্যাঁ বলেছিলাম।

আর উনিও তো অনেক খুশি ছিলো। তাহলে আবার কি হলো?

দেখো... আমি কিন্তু তোমার মুখে এসিড ছুড়ে মারব...

সত্যি কথা বলো...

সত্যি কথা বলতে আমি না বলেছিলাম, কারণ তোমার বাবা অনেক রেগে ছিলো।

সিরিয়াসলি নেয়ার কিছু নেই।

আমি উনার সাথে দেখা করে...

...সত্যিটা জানিয়ে দিবো

ওকে?

প্রমিস? - হ্যাঁ।

কবে?

কবে মানে...

আরে আমি বলবো, এখন যাও তো।

চলে যাবো? তুমি নিচে আসো।

আবার কোথায়? আমরা তো সব কথা বলেই দিলাম। আবার নিচে কি করবো।

শুভ রাত্রি। - তোমাকে নিচে আসতে হবে।

আচ্ছা আসতেছি...

আচ্ছা আসো...

একটু ধরো...

সাবধানে...

হাই...শুভ সন্ধ্যা...

হ্যাঁ...

হুম বলো...

প্রতিদিনই কি আসো নাকি?

আসলে...

এই প্রথম বার...

আয়... আয় তুইও এদিকে আয়।

রাত্রে কি এখানেই থাকবে না চলে যাবে?

আমি চলে যাচ্ছি।

ওকে...

যাও... যাও...

ওহ...

আসলে...

একটা কারণে এখানে এসেছিলাম...

ভিনেশ যা ওরে বাড়িতে দিয়ে আয়...

আরে লাগবে না, এখানে একাই তো এসেছিলো...

তাহলে একাই যেতে পারবে? - না না।

যা বাড়িতে দিয়ে আয়...

You have been in me since ages and ages

You have been raining in me like moist mist

Like a butterfly goes in search of a garden of flowers

I have been wandering in search of your footsteps

My hidden desire has now sprouted golden wings

Your love brushes my eyelids like the first rays of the sun

Your love is like the breeze that em braces and it flows like the gurgling river Nila

I will keep you safe like the undying flame in my eyes

I will hold you close like the warmth of my chest

Every night will become day

And every pain will become joy

Like the colourful rainbow with your bright smile light up my sky

Your love brushes my eyelids like the first rays of the sun

Your love is like the breeze that em braces and it flows like the gurgling river Nila

এখানে কিভাবে আসলে?

বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে...

সমস্যা নাই...

কি?

বাজে গন্ধ আসতেছে!!!

আগে তুমি সিগারেট খাওয়া থামাও, তার পরে কিস দিতে এসো।

ছেড়ে দিলাম...

সত্যি সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দিয়েছো?

না, চুমু খাওয়া ছেড়ে দিলাম।

You have been in me since ages and ages

I will write your name with my fingers on every wall

I will seek your fragrance in every breeze that wafts through the corridor

With each word you become a river

With each look you become the moonlight

My heart seeks the depths of the ocean in your eyes

এই জানু তোমাকে সিগারেট খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

কি?

তোমার সিগারেট খাওয়া..ছেড়ে দিতে হবে...

কখন থেকে?

এখন থেকে...

আচ্ছা আমি রাজি...

সত্যি?

যদি আবার সিগারেট খেতে দেখি?

যদি আমি সিগারেট খাই...

তুমি আমার গালে থাপ্পর মেরো...

আমি সেটাই করবো...

সমস্যা নাই...

You have been in me since ages and ages

You have been raining in me like moist mist

Like a butterfly goes in search of a garden of flowers

I have been wandering in search of your footsteps

My hidden desire has now sprouted golden wings

Your love brushes my eyelids like the first rays of the sun

Your love is like the breeze that em braces and it flows like the gurgling river Nila

ভাই এইটা দেখ...

ওহ...

কি হইছে?

কি?

আমরা এখানে কি করছি?

চেইন দিতে এসেছি না? - হ্যাঁ।

নিয়ে আসিস নি? - না!!!

অসাধারণ...

এখন কি করবি?

কি আর করবো, কিছু একটা বলে দিবো। - ভালো

সমস্যা নাই এটাই ভাবছিলাম আরকি।

ভাই...

আচ্ছা এখানে কি কোন আচার রীতি আছে? - হ্যাঁ।

কিসের হ্যাঁ? - কি জিজ্ঞাসা করেছিস?

সন্ধেহ থাকলে ভালো ভাবে জিজ্ঞাসা কর।

ভাই...

এই মঙ্গলসূত্র মেয়ের পরিবার কিনে...

... ছেলের পরিবারে দেয়। -হ্যাঁ।

এর পিছনে কি কোন রীতি আছে?

না...

আসলে এখানে বিচার করে যে মঙ্গলসূত্রটা গোত্র অনুযায়ী ঠিক আছে কিনা।

জাতি গোত্র?

হ্যাঁ, এটা তোর মাথার মধ্যেই রাখ, কাউকে বলিস না। - ওকে।

ওকে.. - ফোন কি দিবো?

বাবা...

বাবা...

দেবী...চিপস খাবে? - হ্যালো।

ভাই... - বাবা বলো।

ওকে... বাবা...

আচ্ছা, আমি বিকালে বাসায় নিয়ে আসবো।

সবার সাথে দেখাও হয়ে যাবে!!!

আচ্ছা বাবা...

তোমার মোবাইল...

মঙ্গলসূত্র আনতে ভুলে গেছো?

ভিনেশ...

তোর শ্বশুর কিন্তু আমাদের মত এরকম শান্ত মানুষ না,

পরে কান্নাকাটি করে কোন লাভ হবে না।

ওহ...

ট্যাক্স রিসিটের জন্য আসছি...

আমার মঙ্গলসূত্রটা অনেক পছন্দ হইছে...

আমার পছন্দ মতই হয়েছে।

আমি... - সর‍্যি।

আজকে বাসায় নিয়ে আসবো সত্যি। - ওকে।

প্রতিদিন নিয়ে আসার কথা ভুলে যাই।

কিন্তু সিগারেটের কথা তো ভুলো না?

বাহ জামাই শ্বশুর একসাথে আসছে।

বিয়ের পরে জামাই হবে।

আসো...

আসো...

আমি আসি, - ওকে...

বাবা, আমার ব্যাগ...

কি হইছে?

দিনে কয় প্যাকেট সিগারেট খায়?

না...

সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দিছে।

সত্যি জানিস?

হ্যাঁ...

আংটি বদল হয়েছে মাত্র,

এখনো তুই তোর সিদ্ধান্ত বদলাতে পারিস।

তোর জীবন, তুই ভালো বুঝিস!!!

মঙ্গলসূত্রটা নিয়ে এসেছি...

ওকে...

ভিতরে এসো...

এই শুনছো...

হ্যাঁ...

এদিকে আসো, - হাই ভিনেশ...

দেবী... - হ্যাঁ।

এদিকে আয়,

দেখ কে এসেছে!!!

নিয়ে এসেছো?

আনো নি... -এনেছি।

আজকেও ভুলে গেছো নাকি? - আরে নাহ, আজকে এনেছি।

এই যে নাও...

পালটে গেছে নাকি?

কি?

আরে সিগারেটের প্যাকেটে করে আনা নতুন সিস্টেম?

অন্য কোথাও রাখলে আমি ভুলে জেতাম, তাই এখানে রেখেছি,

দেবী... - আমাকে ছুবে না।

কি হইছে?

মঙ্গলসূত্র এভাবে আনে? কি?

এভাবে আনে?

ভুলে যেন না যাই সেজন্য রেখেছি।

বালের স্বরণশক্তি!!!

দেবী।

তোমার বিড়ির নেশা এর জন্য দায়ী।

নাও বেশি করে খাও। -সিগারেট নষ্ট করো না।

যাও এখান থেকে।

দেবী।

আমি তোমাকে চলে যেতে বলছি।

আমার কথাটা বুঝার চেষ্টা করো। - চলে যাও এখান থেকে।

দেবী, - যাও এখান থেকে।

এই,

এই রিংটাও নিয়ে যাও।

মাধু প্লিজ যেয়ো না। - ছেড়ে দাও আমাকে।

বাবা।

বাবা, প্লিজ কিছু করো না।

বেরিয়ে যা এখান থেকে।

বাবা প্লিজ, - মাধু প্লিজ ছেড়ে দাও।

আমার ভদ্রতার সুযোগ নিয়ে মাথায় চরে বসেছে,

ভাই, আমি।

দেবী সর‍্যি... আমি ভুল করেছি।

তুমি তো অন্তত বুঝবে,

ওয়াদা করছি, এরকম আর কখনো করবো না।

আমি সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেয়ার চেষ্টা করতেছি।

চেষ্টাই করে যাচ্ছো... আর কিছু?

না আমি ছেড়ে দিবো!

তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারবো না ।

তুমি সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দিলেও আমি আর তোমার কাছে আসবো না!

চলে যাও...

আরে তুই? - ওহ।

হ্যাঁ আমি... কোন সমস্যা?

না...

চিপস খাইতে চাইলে ওর থেকে দূরে রাখ, নাহলে একটাও পাবি না।

ভাই দে তো।

ভাই আমি চিপস চাইছি মাত্র,

এমন ভাব ধরতাছোস যে আমি পুরা বোতল সাবার করে দিচ্ছি,

ভাই... তুই যদি বেশি রিকুয়েস্ট করছ,

বেশি হলে ৩ পেগ দিতে পারি।

কিন্তু এখানে এক প্যাকেট চিপস আর আমরা মানুষ ৫ জন।

এই জন্য দেয়া যাবে না। - পাঁচজন কই পাইলি?

হ্যাঁ.. - আরেকজন কে?

আমরা তিনজন, - ওকে,

সাফার আর তোর মামা।

কি? মামা এখানে আসা শুরু করছে?

হ্যাঁ... - মামার টাকায় এসব কিনেছি।

উনার মত একজন তোর বাসায় থাকতে,

মানে মামার কথা বলছি।

তুই মাল খাওয়া শুরু করিস নি কেনো?

আমি সিগারেট ছাড়তে পারলাম না, আর মদ শুরু করতে বলছিস।

চেষ্টা তো করে দেখবি?

বেচারা গোলকিপার।

এমন না যে আমি পারবো না...

কিন্তু আমার বিপক্ষে সে আছে

কি?

আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারছি না।

তাহলে ঠিক আছে।

ভাই, দেখ বিদেশি বিড়িখোর।

কি? কোথায়?

কি বলছিস?

এক মিনিট দাঁরাও...

দেখাচ্ছি,

ভিনেশ...

দেবী কি তোমার ফেসবুক এর পাসওয়ার্ড জানে?

জানে।

হইছে তাহলে।

সে এই মাত্র সিঙ্গেল থেকে কমিটেড করে দিছে।

সিঙ্গেল?

সত্যি?

মনে হয় ভুল দেখেছিস। - আরে নাহ আমি ঠিক দেখেছি।

সন্দেহ হলে চেক করে নাও।

এটা দিয়ে এখন আর চলছে না।

কি করবো এখন।

কারে আর দোষ দিবো?

ঠেলেই নিয়ে যেতে হবে।

হ্যালো। - তোমাকে যে কল করবো এটা আশা করো নি, তাই তো?

জানতাম করবে, কিন্তু এতো তারাতারি তা ভাবিনী।

বলো, কি সমস্যা?

তোমাকে শুনতে হবে?

আমার স্ট্যাটাস চেঞ্জ করার অধিকার কে দিয়েছে তোমাকে?

তাহলে এই সমস্যা?

তোমারে?

তাহলে এখানেই সমস্যা,

এক মিনিট... আমি স্টেটাসের সাথে তোমার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দিছি।

কি পাসওয়ার্ড শুনবে?

আই হেট ইউ...

তোমারে...

খাইছে রে?

তারিফ পাওয়ার যোগ্য।

১৫৪ টা সিগারেট একসাথে খেয়েছে!

অসাধারণ স্টাইল।

ওহ..

হেট ইউর ওয়াই বড় হাতের।

কতো গুলা সিগারেট খাইছে সে?

গাঁজার নৌকা পাহাড়তলি যায় ও মীরাবাঈ...

মামা... ফোন বাজতেছে। ধরেন তো।

কোথায় রাখছিস?

আরে পাছার উপরে আছে।

তোর ফোন বাজতেছে না? - আরে ধরো তো।

ফোন ধরে আমার কানে ধরো।

ভাই আমি গাড়ী চালাচ্ছি, অস্থির একটা গল্প শোনাবো তোদের।

মামাকে ফোনটা দে তো। -ওকে।

নাও তোমার সাথে কথা বলবে।

সিগারেট?

বিড়িখোর চলে এসেছে?

হালায় স্লো মোশনে যাচ্ছে...

আমি বিড়ি নিয়ে আসছি...... তুমি এখানে থাকো।

ওকে.. - তাহুলে আমি নামলাম কেনো?

সিগারেট কিনতে...

সাফার সাফার।

কেমন আছো তুমি?

এরকম মন মরা কেনো ভাই?

এই নিয়ে পাঁচটা লেবুর শরবত।

কয় প্যাকেট সিগারেট?

১৬

১৬? - হ্যাঁ।

এতোগুলা কেনো? - জানি না।

মোবাইলটা দাও তো।

লিবাশ রে ফোন দেই...

সাফার...

কয় প্যাকেট সিগারেট আনবো?

জুস, পরেরটা আমি নেই?

১৬ প্যাকেট?

এতো সিগারেট কেনো?

বিশেষ কাজের জন্য।

তুই কিনে নিয়ে আয়...

তুই থাক... আমি আসছি... নিয়ে আসছি।

১৬ প্যাকেট? দাম হবে ২০০০ টাকার মতো।

তোমার ভাগ্নের জন্য... তুমি বিল দিবে? - না।

না কেনো? - আমি তো মালের জন্য সব দিয়ে দিয়েছি।

তাহলে এক প্যাকেট নিয়ে যাই...

তোর ইচ্ছা।

ভাই... সিগারেট আছে না? - আছে।

এক প্যাকেট।

এক প্যাকেট? - হ্যাঁ।

ভাই ১৬ প্যাকেট সিগারেট।

কি?

এটা নে,

আমার জুসের টাকা ও দিবে।

ওকে।

ধন্যবাদ...

সিগারেট কিনা যাক। - ওকে।

ভাই সিগারেট...

কি হইছে রে?

কে জানে?

ভাই...। ফোন দিয়ে দেখ কি বলে।

আমি পারবো না।

কোথায় আছে এটা তো জিজ্ঞাসা করবি!

মোবাইলে টাকা নাই।

চলে আসবে এখনি।

এই নে তোর সিগারেট।

গ্লাস দে... চলো মাল খাওয়া শুরু করি।

সাওয়ানা... গ্লাস নিয়ে আয়...

গাজা খাবো আঁটি আঁটি মদ খাবো বাটি বাটি,

ডাল এবার। - আচ্ছা চিপস কই?

ভাই সব খেয়ে নিলি আমাদের জন্য তো কিছু রাখতি!

যা ভাগ

ওহ হ্যাঁ,

দোকান শুরু করছিস কবে থেকে?

দোকান? - হ্যাঁ!!!

বিক্রির জন্য এনেছিস না?

না, খেয়ে মরে যাবার জন্য এনেছি।

মরতে চাইলে এক কাজ কর, কেকা আপার রেসিপি দেখে খাবার রান্না করে খেয়ে নে।

সবচেয়ে ভালো বুদ্ধি।

চিপস আর নাই?

চিয়ারস... আমি এখন মাল খেতে যাচ্ছি। - লাগবে না।

ড্রাইভারটা মনে হয় পাগল হয়ে গেছে।

কোন ড্রাইভার? - সোডা কিনিস নি?

আরে আমাদের এম এল এর ড্রাইভার সাঞ্জু ভাই।

কেনো কি হইছে?

সিগারেট দে...

কথা বলার সুযোগ দিলো না,

ভিনেশ। - আপনিই বলেন...

হ্যাঁ...সিগারেট সাঞ্জু কিনে দিয়েছে।

আর তারপরে...

চেইন, আংটি আর মানিব্যাগ আমাকে দিয়ে গেলো...

খুলে দে তো।

এই লোকটাকে নিয়ে পারলাম না।.. - আমি পারবো না...

এমন ভাবে বসে ছিলো যেন...

কিছুক্ষনের মধ্যেই মারা যাবে, ঈশ্বরের কাছে ক্ষমা চাচ্ছে।

আরে ধুর।

মনে হয় এমএলএর কাজের চাপে ডিপ্রেশনে আছে।

তুই বাদ দে তো।

বিড়িখোর...ভাই।

একটা সিগারেট। - এমএলএর ব্যাপারটা বুঝলাম না।

MLAIS rm

ভাই... তোদের আসতে এতো দেরি হলো কেনো?

আচ্ছা বলছি তোদের।

আরে লেভেল ক্রসিংটা আছে না... - কোন লেভেল ক্রসিং?

আরে এডিসন আইসল্যান্ডের টা...

ঐ রাস্তায় কেনো গেছিলি..

আরেকটা রাস্তা ছিলো তো। - কোন রাস্তা?

কিন্তু ঐ রাস্তায় তো পুলিশ থাকে।

আমরা তো দুই পেগ খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলাম।

এই কথা।

তারপরে...

গল্পটা শুরু করি।

কোন গল্প?

আপনার সব কাহিনী বলে দিলাম। - বয়েজ।

কি???

অসাধারণ।

পাগল হয়ে গেলো নাকি?

ভিনেশ তুই কি সিরিয়াস?

গিনেজ রেকর্ডে আমি ঐ...

বিদেশি ব্যাক্তির নাম হটিয়ে সেখানে নতুন নাম বসাবো।

আর সেই নাম হবে ভিনেশ দামুদার।

দেখ ভিনেশে...... এসবের দরকার নাই।

আয় বিড়ির মধ্যে আগুন ধরিয়ে দে।

ভাই...

আরে এভাবে বলো না, টাকাটা তো দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে।

এই টাকায় আরো কারো ভাগ আছে বিশ্বাস হয় না।

ভিশালাম আছে কেনো তাহলে,

এই প্রোগ্রামটা আমাদের সফল করতেই হবে। -ওকে।

আমি মারা গেলেও এই প্রোগ্রামটা তুমি সফল করবে।

আরে ধুর, এরকম কথা বলবেন না,

আমার এরকম কিছুই হবে না।

ভাই... আরেকটু হইলেই তো এক্সিডেন্ট হয়ে যেতো।

সাঞ্জু হিন্দিতে কি জানি বলতেছে?

দেখো তো কিছু বুঝো নাকি, বুঝলে আমাকে একটু তামিলে বলে দাও তো।

মানে? - আপনি একজন ভালো মানুষ।

এখন? - এই দুনিয়ার চেয়ে ভালো কিছু আমার জন্য অপেক্ষা করছে পরকালে...

মানে কি?

বাবা মা চাচা চাচি আরো সব মিলিয়ে,

১৫ জনের ছোট একটা পরিবার।

আহারে... তারপরে??

সে চলে গেলেও ব্যাপার না, তার পরিবার খুশি থাকলেই চলে।

কোথায় যাচ্ছে?

তোমার পরিবারের কিচ্ছু হবে না, আমি তো আছি তোমার সাথে।

মন শক্ত করো...

তারা আমার পরিবারকে মেরে ফেলবে।

সবাইকে জানাতে হবে?

এই জন্যই তো লিবাশ ভিডিও করতেছে।

কে কাকে মারতে যাচ্ছে?

আপনার তার সাথে আসা উচিত হয় নাই ।কি জানি বলছে? আবার বলতে বলেন।

এই ভিডিও ফেসবুকে আপলোড দিলে কি গিনেজ এর লোক আমাদের সাথে যোগাযোগ করবে?

না ভিডিও আমাদের প্রোমোট করতে হবে,

কে বেশি বিড়িখোর এটা জানার জন্য?

ওহ... তারা মেরে ফেলবে।

কে মেরে ফেলবে, বল শালা

ব্লু হোয়েল, হায় ঈশ্বর...

ভিশালাম...

আমার রেকর্ড! - এমএলএ চলে এসেছে।

এক্সিডেন্ট?

আমি কি?

কি?

না...

একটা গোপন কথা আছে।

এমনকি এটা এখনো কাজ করতে পারে।

কি সেটা?

ভিনেশ তোর বয়স কত??

এই ঘটনাটা ২৭ বছর আগে হয়েছিলো।

এতো দেরি হচ্ছে কেনো?

মনে হয় ট্রাফিক জ্যাম।

বিড়িখোড় টা কি ওদের সাথে আছে?

হ্যাঁ...

তাহলে সিউর বিড়ি খাওয়ার জন্য গাড়ি থামিয়েছে...

মামা এম্বুলেন্সের ভিতরে বিড়ি খেয়ো না।

মামা...না...

মামা...

কি করতে যাচ্ছো তুমি?

মামা প্লিজ থামো...

আরে...না...না...

মামা না.. -সমস্যা নাই... এর আগেও আমি এরকম করেছি।

মামা...

মামা না...

মামা কি করছো তুমি?

না...

আরে থাম...

বল না...

স্ট্রেচার নিয়ে যাও...

ওহ মাধু ভাই...

বিড়ির ধোয়া...

একজন এদিকে মারা যাচ্ছে... আর তুই বিড়ি খেয়ে যাচ্ছিস??

আমি খাইনি,

বডি... - সরে যা।

না... এমএলএ রে নিয়ে যা।

তাড়াতাড়ি।

এসব রোগীর কাছে ছিলো...

আপু রোগির কি অবস্থা? -সেটা ডাক্তার বলবে।

তার মানে সে মারা গেছে!

- তুই চুপ করবি।

রিপোর্ট নিয়ে আমার কেবিনে আসো।

ডাক্তার চলে এসেছে... - এমএলএর বন্ধু আমরা?

কেমন আছেন উনি?

সাঞ্জুকে বাচাতে পেরেছি আমরা...

কিন্তু এমএলএ কোমায় চলে গেছেন।

আশা করে লাভ নেই,

উনার শরীর উনাকে সায় দিচ্ছে না।

উনার আত্নীয় স্বজনকেও জানিয়ে দিন।

স্যার... একটা কিছু জানার জন্য কতদিন অপেক্ষা করতে হবে?

উনি কোমায় আছেন! দেখা যাক।

কোন সুযোগ আছে নাকি? -কিসের সুযোগ?

আরে আজব কিছু হওয়ার! - ধুর থাম!

আচ্ছা তুই জিজ্ঞাসা কর।

ডাক্তার...

সেরকম কিছু হবার চান্স নেই।

তাই তেমন কোন আশা নেই।

চিপস খাবে?

না!

জেলা দলের মেম্বারদের জানাতে হবে না। -হ্যাঁ হবে।

এই পরিস্থিতিতে মানববন্ধন বাতিল করলে কেমন হয়।

১০ লক্ষ টাকা আমাদের একাউন্টে চলে এসেছে!!

মানব বন্ধর প্রত্যাহার করা উচিৎ হবে না।

আমরা আরো ভালো করে এই মানববন্ধন করবো।

আসছে দিনে আমরা এই কাজ করবো।

আর বালাচন্দ্র স্যারের শেষ ইচ্ছা ছিলো এই মানব বন্ধন।

তাই এটা আমাদের করা উচিৎ।

ডাক্তারকে বলে দেই যে আরো কিছু দিন তাকে এভাবে রাখার জন্য।

হ্যাঁ...

এটাই ভালো বুদ্ধি,

তাহলে...

রাত জেগে এখানে ভিড় করার কোন মানেই হয় না।

না, দুই জন থাকলেই চলে!

চলো যাওয়া যাক?

ওকে...

আমি এখানেই আছি।

কি?

তাহলে চলো যাওয়া যাক? - ওকে।

দেখশোনা করার জন্য ডাক্তার তো আছেই এখানে।

যাওয়া যাক... চলো চলো।

আসছি ভিজিথ...

যুবকদের এসব কাজে এগিয়ে আসা ভালো।

ভাই... আপনি তো আছেন? কালকে দেখা হবে।

এই এদিকে আয়... - ওকে।

ভিনেশ... এদিকে আয়।

আরে আয়।

তোর সিগারেট খাওয়ার জন্য সব সময় আমাদের কথা শুনতে হয়।

আর এখন তো আরো বেশি।

সেখানে সিগারেট খাচ্ছিলে? এখানে আসার কি দরকার ছিলো?

এই সিগারেট নিয়ে আমি অতিস্ট হয়ে গেছি! -কি?

হটাত করে আবার কি হলো?

কি অবস্থা এখন?

আমাদের এমএলএর কি অবস্থা?

সাধারন।

কিছু দিন পরে আমরা জানিয়ে দিবো উনি আর বেঁচে নেই।

মারা গেছে নাকি?

হ্যাঁ...

তাহলে আবার কিছুদিন কেনো অপেক্ষা করছো?

শালা বাবু।

আসলে এই ব্যাপারে কাউকে কিছু বলি না!! তবে তোমাকে বলবো।

ওকে।

আমাদের মানব বন্ধন আগামি মাসে তাই তো?

হ্যাঁ।

তাই মানব বন্ধনের পরে উনার মৃত্যুর খবর আমরা সবাইকে বলবো। একেই বলে রাজনীতি।

কি বুঝো নাই ব্যাপারটা?

আরে,

আমাকে বাচ্চা মনে করো না।

কেনো? - আমি এই বুদ্ধি দিয়েছি।

সত্যি?

যদি মৃত্যুর খবর ছড়ায় তাহলে মানব বন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।

আর তোমরা টাকা পয়সা মারার সুযোগ হারাবে, তাই না?

তোমার ভিতরেতো রাজনীতির প্যাঁচ আছে শালা বাবু...

আমি এমএলএ থেকে মন্ত্রি হলে,

তোমাকে আমার স্টাফ হিসেবে কাজে রেখে দিবো।

আচ্ছা নির্বাচন তো সামনে! -হ্যাঁ।

কে দাঁড়াচ্ছে এবার? - আবার কে?

কে দাঁড়াবে?

তুমি? - হ্যাঁ।

তার মানে প্রার্থী হলো মিঃ ভিজিথ।

এমএলএ মারা গেছে এই আবেগে জন্য কিছু ভোট ফ্রিতে পাবো।

তার মানে সহজেই জিতে যাবে,

আর এমএলএ হয়ে যাবে।

তারপরে গভর্নিং পার্টির নজরে এসে মন্ত্রী হয়ে যাবো।

আরে বাহ তাই নাকি? - হ্যাঁ।

দেখা যাক।

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আমি বাড়িতে আসবো সরকারি গাড়িতে করে।

কিন্তু... - কি?

আমি নিজেকে নিয়ে ভরসা পাচ্ছি না। - কেনো?

আমাদের পার্টিতে তোমার বিপক্ষে দাঁড়ানোর লোক আছে না।

হ্যাঁ আছে তো।

সেসব কোন ব্যাপার না।

কিন্তু... একজন থেকেই যায়।

কে সে? - তোর শ্বশুর।

কি হইছে?

এরকম কোন সমস্যা হলে তুই আমাকে সমর্থন করবি না?

আসলে আমার বোনের থেকে আমি দেবীকে বেশি ভালোবাসি।

আমি তো ঝামেলা পাকাতাম কিন্তু, যখন তুমি আমার বিয়ের ব্যাপারে এতো কিছু করলে,

আর এখানে,

আমি তোমার সাথেই থাকবো।

সাফার বলো।

তুই কি নিশ্চিত হয়ে বলছিস?

১০১ পারসেন্ট। - আমাকে ছাড়া গোপনে মিটিং করবে এটা হতে দিতে পারি না।

কি হচ্ছে এখানে? - নিজেই দেখে নাও।

আসো।

আমাদের ছাড়া এই গোপন বৈঠক করার উদ্দেশ্য কি?

কি চক্রান্ত হচ্ছে?

চক্রান্ত বলছো কেনো?

তাহলে কিসের মিটিং হচ্ছে এখানে? -সাফার! তুই থাম।

ভারাত তুই থাম...

আপনি আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন না...

আমরা বাড়ির পথেই যাচ্ছিলাম আরকি...

বালাচন্দ্রনের সাথে কে আছে?

উনার ড্রাইভার আছে উনার পাশের বিছানায়..

আসল কথায় আসেন,

এটা কোন গোপন বৈঠক না...

আমরা আসন্ন নির্বাচনের ব্যাপারে কথা বলছিলাম...

আসলে আমাদের সিনয়র নেতা এরকম পরিস্থিতিতে আছে তার জন্য কথা বলতে ডেকেছে।

আসলে আমরা আমাদের নতুন প্রার্থী ঠিক করতেছিলাম।

উনার অবর্তমানের জন্য।

তাহলে প্রার্থী ঠিক করেছো?

হ্যাঁ।

সবাই দ্বিমত পোষণ না করে একজনকেই সিলেক্ট করেছে,

কে সে?

ইম্বাচিকয়া। - উনি?

আরে ইম্বাচিকয়া বলেন।

আর কে...

আমাদের মাধু। - আরে মাধু কিভাবে হয়?

না এটা হতে পারে না। - উনি চলে এসেছেন।

কি সমস্যা?

তুমি এখানে কি করতেছো? - তুমি এখানে কি করতেছো?

উনাকে বাড়ি নামিয়ে হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলাম।

কি কাকতালীয় ব্যাপার?

ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি মনে হচ্ছে...

তুমি এখানে কি করছো? বেড়িয়ে যাও এখান থেকে। - ও আমার শালা।

তো কি হইছে?

ভাই তুমি বাদ দেও তো, এদিকে আসো।

একটা খুশির খবর আছে,

সভাপতি আপনাকে জানাবেন, - কি ব্যাপারে?

যদি নির্বাচন হয়...

মাধু আমাদের পার্টির হয়ে দাঁড়াবে, এটাই সবাই সিদ্ধান্ত।

না, বালান স্যারের অনুপস্থিতিতে আমরা কিভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি?

আমাদের তো সময় আছে?

তোমার থেকে এই ধরনের কথাই আশা করছিলাম।

মানব বন্ধনের পরেই...

আমরা আমাদের প্রতিনিধি ঘোষণা করবো।

মানে ... কারো বিরোধ আছে নাকি?

নাহ... সর্বজন স্বীকৃত সিদ্ধান্ত ।

কে বলেছে সর্বজন স্বীকৃত? তাহলে?

আমার দুলাভাই কিন্তু,

বিএসসিএল পার্টির একজন কর্মঠ সদস্য।

মিঃ ভিজিথ কিন্তু প্রার্থী হিসেবে যোগ্য।

জি... আমার পূর্ণ সমর্থন আছে।

তুমি কিন্তু পার্টির সদস্য না।

তার উপরে ভিতরে সিগারেট খাচ্ছো? যাও বেরিয়ে যাও।

এখন বুঝতে পারলে,পার্টির সদস্যের অনুমুতির সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তার উপরে ভিজিথের এই পদের জন্য কোন ইচ্ছে নেই।

হ্যাঁ? - কে বলেছে?

তার মানে আপনি বুঝেন নাই, বিড়িখোর যা বলেছে সেটা ভিজিথের সিদ্ধান্ত।

আর সিগারেট, ভিনেশ ফেলে দে ওটা।

ফেলে দে ভাই।

সম্ভব না!

এখন বলেন... - কি?

এই মাধুই প্রার্থী হবে...

সবকিছু পার্টির সিদ্ধান্ত মতই হবে।

ওহ তুমি এই জন্যই আছো । বাকিরা কি বাল ফালাবে।

অফিসে এভাবে বাজে কথা বলবে না।

ভদ্র ভাবে বলো।

আচ্ছা ভদ্র ভাবেই বলছি।

প্রার্থীকে তো যুবকদের চাওয়া পাওয়া সম্পর্কে জানতে হবে?

আমাদের মধ্যে সেটা কে ভালো জানে?

আমাদের পার্টির বিরুদ্ধে কোন ঝামেলা হলে...

এটা কি সংস্থাকে প্রভাবিত করবে না।

আমাদের বিপদের সময় কে এগিয়ে আসে?

আর কে আমাদের ভিজিথ ভাই।

কবে করলো?

রক্ষক কে দেখো!!

আপনি কিভাবে ভুলে গেলেন?

দেবীর বাবার বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য অনেক কারণ আছে,

দেবীর বাবা না। মাধু ভাই।

হ্যাঁ একই হইলো...

উনাকে বর্জন করার জন্য কারণ আছে। -কি?

বার বার নির্বাচন করিয়ে..

জনগনের ট্যাক্সের টাকা নষ্ট করবেন না।

বার বার নির্বাচন কেনো হবে? - বুঝেন নাই!!!

মাধু ভাই প্রার্থী হইলে আবার নির্বাচন হবে।

আর ভিজিথ হইলে..

আগামী ১০ বছরেও কোন সমস্যা হবে না।

মাত্র ১০ বছর?

সেটা হলেও লাভ আছে।

আচ্ছা একটা কথার উত্তর দাও?

এই পুল্লিনাদে ভিজিথ কি আসলেই জনপ্রিয়?

অন্য গ্রামের থেকে এসে দামুদারের মেয়েকে বিয়ে করে,

ঘর জামাই হিসেবে এখানেই থেকে যায়।

এই... পরিবারের সাথে রাজনীতি জড়াবি না।

আমার তেমন কোন ইচ্ছে নেই, কিন্তু সে তো এসবের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

সবচেয়ে ভালো হয় যদি তুমি তোমার অতীতের দিকে তাকাও,

আমার সহকারি হিসেবে ছিলে,

পরে তুমি বড় পদ পাওয়ার জন্য আমার সাথে দুই নাম্বারি করেছো।

আমি সেসবের ব্যাপারে কখনো কি জিজ্ঞাসা করেছি? - ওকে।

আচ্ছা আচ্ছা তুই প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবি। এখন ঠিক আছে?

আরে এখন আর পিছাতে পারবি না...

বুঝেছিস?

এই একটা বিষয় তোর মধ্যে কমতি খুঁজে পেয়েছি,

আত্নসম্মান বোধ!!!

ওহ!

আচ্ছা টস করা যাক।

এটা কি ক্রিকেট খেলা নাকি যে টস হবে?

কি এসব ভিজিথ?

ভিনেশের কি হলো আবার? - বাড়ি নিয়ে যাও।

টস?

বিড়িখোর আর টস!

ওকে...

তোমার শালার তো তোমাকে প্রার্থী বানাতে অনেক শখ, তাই না?

যাও তোমাকে একটা সুযোগ দিলাম।

কিন্তু একটা শর্ত আছে,

আজ থেকে মানব বন্ধন পর্যন্ত ভিনেশ কে সিগারেট খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

যদি সে এটা মেনে নেয় তাহলে আমি তোমাকে আগামী নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মেনে নিবো।

নাহলে পার্টির সিদ্ধান্ত আমি মেনে নিবো।

কি বলো?

টস করাটাই ভালো ছিলো।

ভিজিথ এটা কোন খেলা না যে টস করে করে ফেললাম।

তাহলে তোমার শালাকে বলো সিগারেট বাদ দিতে,

আচ্ছা আমি রাজি।

এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমি একজন বিড়িখোর ছিলাম,

কিন্তু এখন থেকে আর না।

এখন থেকে,

মানব বন্ধন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত,

ভিনেশ দামুদার কোন সিগারেট খাবে না।

চিন্তা করো না।

তুমি যেমন বলেছিলে, সরকারি গাড়ি আমাদের ঘরের সামনে থাকবে।

ভিনেশ যখন বাহিরে যাবে তখন তো সিগারেট খেতে পারে?

আবার বাথরুমে গেলেও তো সিগারেট খেতে পারে? তখন কি করবে?

এই জন্য মাধু একজন গোয়েন্দা রাখছে।

আগামী ২১ দিন সে তার সাথেই থাকবে।

গোয়েন্দা?

হ্যাঁ। - কে রে?

বলেন ভাই। - সুজিশ।

That cigarette in between his lips, still has a flame at the end

When smoke isn't coming up...

A weeping soul will be there!!!

It was his changing phase...

and then it was just a time pass activity for him...

became an addiction

Thus he lose the control over that...

As in a celestial world...

Smoke was all around there

No one needs him...

He is just a lonely smoker

Nothing needs him now

He is changing his route

আরে যা যা...

ওহ... গোলি চেঞ্জ।

নো গোলি চেঞ্জ, আমি খেলব আজকে।

বাহ, নো গোলি চেঞ্জ।

আচ্ছা ভিনেশ কি সিগারেট ছাড়তে পারবে?

পারলে সেটা তার শরিরের জন্য ভালোই হবে।

কি?

As he is losing all his hobbies He is struggling a lot

In the name of a decision came in between a dispute

His life has changed a lot

and going in a diferent direction

So dumped all his cigarettes

No one needs him..

He is just a lonely soul

Nothing needs him now

He is changing his route

That cigarette in between his lips, still has a flame at the end

When smoke isn't coming up...

A weeping soul will be there!!!

নাম?

ভিনেশ দামুদার!

বিড়ি খাইতে মন চাইলে গোল মরিচ খেয়ে দেখতে পারো।

হায় ঈশ্বর...

দয়া করে এই খারাপ স্বভাব পরিবর্তন করিয়ো না।

মা... - হ্যাঁ?

গোল মরিচ কোথায়?

গোল মরিচ? - হ্যাঁ।

Is he lighting a cigarette...

Is what everyone wants to know

Even his body parts are trying to...

snitch him...

No proper way...

Can't go ahead without smoking!!!

This poor soul has no other way!

That cigarette in between his lips, still has a flame at the end

When smoke isn't coming up...

Awheeping soul will be there!!!

It was his changing phase...

and then it was just a time pass activity for him...

became an addiction

Thus he lose the control over that...

As in a celestial world...

Smoke was all around there

No one needs him..

He is just a lonely smoker

Nothing needs him now

He is changing his route

গর..র..র..র.র

আসো আসো।

আমি ছবি তুলতেছি...

কি রে?

উরে বাবা...

ভাই... আমাদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে।

লিবাশ...

কে রে এখানে?

নিয়ে চল... - কে রে?

জানি না...

কি হইছে? - জানি না।

ভিনেশ... কে রে?

মনে হলো কে যেন পড়ে গেছে। -কোথায় থেকে?

আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে নিয়ে চল তাড়াতাড়ি।

এদিক দিয়ে আয় তাড়াতাড়ি...

ভাই!

বিড়ি খাওয়া থামাতে পারতেছিস না?

মনে কষ্ট নিছ না!

আমার একটা বুদ্ধি আছে,

ভিজিথ ভাই জানতাম না আপনার মন এতো উদার।

আরে কি রে ভাই!

সোয়ানা তুই চুপ চাপ করে নৌকা নিয়ে চল।

ওকে।

আমরা কিছুক্ষন এখানে থাকি?

কয়েকদিন ধরে যে সিগারেট খাচ্ছে না এটাই অনেক বেশি।

মাধু ভাই ভিজিথ প্রার্থী হলে কি হবে?

দেখা যাক।

বাজি জিতবে বলে কিছু দিন সিগারেট খাওয়া বন্ধ রেখেছিলো।

কিন্তু আজ থেকে তার দেহে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শুরু হবে।

এটাই হবে।

তাই নাকি? - দেখা যাক কি হয়।

এসব আবার কাউকে বলতে যেয়ো না।

আমি আর কাকে বলবো? আমি কিছু বলবো না।

ভাই... বিড়িখোর রে খুজে পাচ্ছি না। - কি?

দেবী।

দেবী অফিসে আছে... আমি দেখে এসেছি।

একটা কাজ ঠিক মতো করতে পারিস না?

আরে লিবাশ আছে না গাছ থেকে পড়ে গেলো, ওরে সাহায্য করতে গেলাম আর ফিরে এসে খুজে পাচ্ছি না।

ভিজিথ কোথায়?

ভিজিথো নাই।

...আমি বলছি দাঁরাও..

ইম্বাকচিকয়া বললো উনি নাকি লেভেল ক্রসিং এর দিকে ভিজিথ আর ভিনেশরে দেখেছে।

লেভেল ক্রসিং এর দিকে যেহেতু দেখেছে...

তাহলে নিশ্চয় কোন অন্য বুদ্ধি খেলতেছে মাথায়...

তারা ঐ দ্বীপে যাচ্ছে। - এডিসন আইসল্যান্ডে।

আমি এখনো সেখানে যাই নি।

ভিনেশ এখন থেকে তুমি প্রতিদিন এই আইসল্যান্ড দেখবে।

এখান থেকে চলে যাওয়ার আগে।

ভাই,

আমি সিগারেট খাবো কখন, আর গ্রামেই বা যাবো কখন?

আসলেই তো।

তোমার নাম যখন প্রার্থী হিসেবে বলবে তখন...

এই ভিনেশ দামুদার সেখানে যাবে।

এটাই আমার সিদ্ধান্ত। - বাহ অসাধারণ সিদ্ধান্ত।

আচ্ছা তুই কি সাতার জানিস?

না কেনো?

না, এই জানতে ইচ্ছে হলো এমনিতেই।

থাকা খাওয়ার কি হবে?

ভাই এই আইসল্যান্ডে একটা মাত্র ঘর আছে।

প্রায় ১৫ জন এখানে থাকতে পারবে।

কিন্তু,

৫ স্টার হোটেলের মত সুযোগ সুবিধা আশা করো না।

কিন্তু খাবার এর ব্যাপারে সমস্যা নাই...

বব মারলে আর রাশপুত সব সময় সেখানে আছে।

এরা এখানেই বেশি থাকে।

আরে? পাগল লোক গুলা না ?

ভাই... এভাবে বলে না..

আরে এসব গল্প বাদ দিবে,

সিগারেটের ব্যাপারে কি হলো।

আরে আমি এই ৩ সপ্তাহের জন্য ১৫০ প্যাকেট সিগারেট সেখানে রেখেছি।

আরো লাগলে আমি আনিয়ে দিবো?

ওকে...

অনেক সময় লাগবে মনে হচ্ছে,

আরে আমরা চলে এসেছি তো।

এই হলো তোর স্বর্গ,

এডিসন আইসল্যান্ড

Oh dear deserted shore

Blending with you in imagination

As a traveler

We are dream voyagers...

My weak memories are full of smoke

My lone memories are full of proverbs

Trips which give me full happiness

Fasting is there in the twon...

Don't know...

Don't know...

In the depth of the sea

when searching for fresh water

In the coral reefs...

Looking for small coral stones...

Oh dear deserted shore

Blending with you in imagination

এখন আমি নিরাপদে আছি।

কি হইলো? আবার যাবে নাকি?

কি?

না মানে ব্যাগ না দিয়েই চলে এসেছো তুমি তাই বলছিলাম।

আসার সময় একবার বিদায় বলে আসা হলো না।

তাহলে যা বিদায় বলে আয়, আমি এখানেই আছি।

Looking for small corals stones...

Oh dear deserted shore

Blending with you in imagination

আরে,

You are just a steam engine

Spitting smoke

বন্ধ করো এসব।

এই।

আরে এই।

My weak memories are full of smoke

My lone memories are full of proverbs

Trips which give me full happiness

Fasting is there in the twon...

Don't know...

মিথ্যা বিলার জন্য সাফার রে কি মাইরটাই না দিলা,

আর তুমি এখন কি করলা।

সব কিছুই পাওয়া যাবে... ফাইভ স্টার হোটেলের চেয়ে কম না কিছুতে,

অসাধারণ মানুষ তুমি।

আরো কতো কিছু যে দেখবি তুই।

আয় হায়... মাধু চলে এসেছে।

মাধু। সমস্যা নাই।

এখন তুমি কি করবে?

কি আর করবো? কথা বলবো।

ভিনেশের সাথে দেখা করতে চাইলে কি হবে?

কি হবে কিছুই না?

হবে না মানে কি, সিগারেট খেতে দেখলে?

আরে সেটাই তো বলছি। সিগারেট খাচ্ছে না?

কি দিয়ে খাবে?

তাহলে সেখানে..

মাধু...

ঐ যে আসতেছে?

হ্যাঁ...

ভিজিথের সাথে কে? বিরিখোররে তো দেখতেছি না।

তাহলে কে?

সোয়া... না

সোয়ানা

সোয়ানাই হবে।

অসাধারণ গোয়েন্দা?

বলদ একটা।

তার মানে শালারে জঙ্গলে রেখে আসছে।

হ্যাঁ। - যা করেছে সেটা মোটেও ভালো করে নি।

সেখানে যদি সিগারেট খায় তাহলে কি হবে?

আমি গুছিয়ে বলতে পারবো না, আপনিই বলবেন সবকিছু।

তাহলে আবার চ্যালেঞ্জ করলেন কেনো?

আচ্ছা দেখা যাক।

সোয়ানা... কাছে ভিড়া।

টান দে...

আরে... সবাই এসেছেন দেখছি।

সেক্রেটারি কি খবর?

ভিজিথ... - তুই এখনো যাস নি কেনো?

তুই... এখনো এখানে কেনো?

আরে তুই সুসিজ,

ভিজিথ...

এক মিনিট।

মাধু তোকে যেই কাজ দিয়েছে তা ঠিক মত করতে পারিস না কেনো?

ভিনেশ দ্বীপে যাবে বলার পরে কোথায় হাওয়া হয়ে গেছিলি?

লিবাশ রে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেছিলাম।

তোর লিবাশের খেতায় আগুন ..

এতোটা দায়িত্বজ্ঞ্যানহীন কেনো তুই?

কপাল ভালো যে আমি ছিলাম, বিড়ি খাচ্ছে কিনা দেখার জন্য!

এরকম যেন আর না হয়!

উঠ!

তুই উঠে আয়... - আয়।

আপনি জানি কি জিজ্ঞাসা করছিলেন? - আমি...

কিছুই না?

ভিজিথ... -হ্যাঁ।

একটা কথা বলতে চাই।

আজ থেকে পাঁচ দিন পরে,

যেখানেই লুকিয়ে রাখ তাকে,

তুই লিখে নে,

সবার সামনে আমি আবার তাকে বিড়িখোড় বানিয়ে ছাড়বো।

দেখা যাক। - হুম।

দেখাই যাবে।

তুই এদিকে আয়।

পাশের গ্রাম থেকে ছেলেদের নিয়ে আয়। -ওকে।

সব সময় এখানে পাহারা দিবি বিশেষ করে রাতের বেলায়।

ওকে? ওকে...

শালা হারামি...

এসব কি?

কেউ সেখানে সিগারেট নিয়ে যাবে না।

বুঝছিস? -ওকে

ভাই আমার কিছু কাজ আছে, যাবো? - হ্যাঁ যা।

.

এই... কি ?

আমাকে চর মারলেন কেনো?

আরেকটা খাবি, বুঝলি?

এই

হা...

এদিকে আসো...আসো।

আছা।

একটাও সিগারেট নাই এখানে।

কি? - সিগারেট নাই এখানে।

সিগারেট... - কথা শুনতে পারতেছি না।

তুই চুপ কর। - সিগারেট।

হ্যাঁ... সিগারেট?

হ্যাঁ, - তুই খাবি।

তুমি আসো।

আমি নিয়ে আসতেছি।

কখন?

পাঁচ দিন পরে।

প্লিজ... - পাঁচ দিন পরে।

এখানে কোন সিগারেট নাই, আসো।

আমি নিয়ে আসছি।,

তুই লাফ দে নাহলে ঝামেলা হয়ে যাবে।

এই... শালা বলদ।

আরে তোরে মারবো... লাফ দে।

আমি নিয়ে আসছি...

তুই লাফ দে। - ভাই এদিকে আসো।

সুসিজ তুই লাফ দে।

আমি নিয়ে আসব।

এই থামা উনারে।

সুসিজ থামা।

বিড়িখোর তার মাথা গরম করে নিজেকে আর থামাতে পারলো না।

তুই ঠিক আছিস?

In the depth of the sea

when searching for fresh water

In the coral reefs...

Looking for small corals stones...

Oh dear deserted shore

Blending with you in imagination

You're a steam engine

Which spits smoke

Oh dear deserted shore

Blending with you

Oh dear deserted shore

Blending with you in imagination

.

আসো... খাবার খেয়ে নাও।

আপনাদের কাছে কি সিগারেট আছে? - না।

গাঞ্জাতে মিশায় ঐ টাইপের কিছু আছে নাকি?

ওইরকম কিছু হইলেও হবে?

তোমারে কে বললো যে আমরা গাঞ্জা খাই?

তোমাদের গান গাওয়া তার উপরে বব মারলের গেঞ্জি

তোমাদের লুক দেখেই মনে হয়?

ভাই...

অনেকে আছে যারা ভালোবাসা আর ধর্ষণ এর মানে বুঝে না।

একজন শিক্ষিত ছেলে হিসেবে তোমার এই ধরনের চিন্তা ভাবনা করা উচিৎ না।

আচ্ছা ভারতের বেশিরভাগ পাবে কার গান বেশি চলে?

এ আর রহমান।

হ্যা...

তার মানে কি উনি মদ খেয়ে গান লিখে?

শুধুমাত্র সংগিত টাই উনার নেশা।

ভাই....বাহিরের চেহারা আর ব্যাক্তিত্ব দুইটা আলাদা জিনিস। বুঝলে?

আসলে ভাই আমার একটা সিগারেট প্রয়োজন।

মাফ করবেন।

আচ্ছা সিগারেট খাওয়া ছাড়া আর কোন লক্ষ আছে তোমার জীবনে?

নেই তো, তোমার মতো গিটার নিয়ে রাস্তায় বের হবো নাকি।

তোমার অনুভুতিটা আমি বুঝতে পারতেছি।

কারন তোমার মতো বন্ধু আমারো ছিলো।

তুমি যেমন এলাকার সেরা বিড়িখোর,

ঠিক তেমনি সে ছিলো পুরা শহরের মধ্যে সেরা বিড়িখোর।

তুমি তো খালি ধুমপান করো, সে বিড়ি ভাতের চেয়ে বেশি খেতো।

.

শেষে যখন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কোজিকোডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলো

তার পরিবার আত্নীয়স্বজন এমনকি ডাক্তার পর্যন্ত একটাই কথা বলেছিলো

তাকে তার কর্মের ফল ভোগ করতে দাও।

Soil where plants grown is equivalent to gold

Soil is everything for us

Breeze is coming from the snowy mountains

It is a relief for the tensed soul

Soil where plants grown is equivalent to gold

Soil is everything for us

Breeze is coming from the snowy mountains

It is a relief for the tensed soul

Singing birds have come above the paddy fields

Hey come to the world of dreams

Waves in the sea have formed a pleat

Moonlight is fading out in his soul

Processions are coming all the way

Who's behind this???

When the heart beat's tone is going up

New things have started here around

রামা“...

উনারা চলে এসেছেন,

মাল দুইটা ওদের সাথেই আছে?

আয় তোরা।

কোথায় যাচ্ছেন ?

নাম মানে ভিনেশের সাথে দেখা করতে যাবো।

গান গাইতে পারিস নাকি? গান?

কি রে এটা?

ওরে ভাই, - ভাই নিস না।

কি করছিস রে তুই?

না... কিছু না।

আমি জানি এটা কিছুই না।

ভাই এটা রাখ। - সাফার এসব কি?

আর কোথাও রেখেছিস কি? আর সিগারেট আছে নাকি তোর কাছে?

এবার যেতে পারিস - কোথায় যাবো?

যেতে পারিস। - এখন যেয়ে আর কি করবো!!!

আর কেউ আছে রে ভাই? - এরা ঘুমায় না কেনো?

এখানে আর আসবি না, ওকে?

হায় ঈশ্বর...

লিবাস...

তারা সবকিছু করার জন্য প্রস্তুত,

আমরা মনে হয় হেরে যাচ্ছি।

লিবাস...

কথা বলছিস না কেনো?

আমার কথা কি শুনতে পাচ্ছিস না?

আপনি কি চোখে দেখেন না?

দরকারের সময় তুই রেস্ট করছিস।

আমি শুয়ে থাকতে আসি নি।

আমি চিকিৎসা করাতে এসেছি।

হায় ঈশ্বর...

এর চেয়ে সাপের কামর খাওয়াটাই ভালো ছিলো,

কোন বুদ্ধি দিবি তুই।

আপনি তো শুধু তার কাছে সিগারেট পৌঁছাতে চান?

এক রাস্তা দিয়ে যেতে না পারলে অন্য রাস্তা ব্যাবহার করেন।

চেষ্টা করেছিলাম।

দ্বীপে যাবার সকল রাস্তায় লোক লাগিয়ে রেখেছে।

তাহলে আর একটাই উপায় আছে। - কি উপায়?

গুন্ডা লাগিয়ে তাদের ধোলাই করেন।

দেখ একমাত্র তুই আর আমি তাদের হাতে চর খাওয়া থেকে বাকি আছি।

ওদের লোকেরা অনেক শক্তিশালি।

শারিরীক শক্তি বড় শক্তি না,

কোন কাজ করার জন্য উৎসাহ দেয়াটাই জরুরি।

তাহলেই কাজ হবে।

এমিন কাউকে কি চিনেন আপনি?

কাজ হবে কি?

খেয়া ঘাটে কতজন লোক থাকে?

এই ৫/৬ জন।

ওকে..

১৮ তারিখের পরে হয়ে যাবে।

আমার লোকেরা বাহিরে আছে।

বেশি তাড়া নেই তো? - কিন্তু,

আমাদের তো ১৯ তারিখের মানববন্ধনের আগেই করতে হবে।

১৯ তারিখ সকালে করেন।

ওকে। - কিন্তু তাহলে তো রিস্ক থেকেই যাবে।

আপনি আপনার মতো করেন।

লিবাস।

উনাকে উনার মতো করতে দাও। খেলাটা জমতে দাও।

শেষ দিন পর্যন্ত আমার বন্ধুকে শান্তির ঘুম ঘুমাতে দাও।

জ্ঞ্যান ফিরবে কি?

লিবাস।

ঈশ্বর।

এই,

আপনি ঠিক আছেন তো?

কি? - ভালো আছেন তো।

ভালো থাকা,

কি দরকার?

সমাজের বেশিরভাগ লোক ভালো থাকাকে পছন্দ করে না।

তারা খারাপটাকে পছন্দ করে।

কেনো?

পাগল বানানোর জন্য

তাহলে এর শেষ কোথায়?

নেশার বিকল্প কিছু কোথায় পাবে তারা!

এমন কাউকে কি জানো যে হাসি মুখে ঘুমাতে যায়, আবার হাসি মুখ নিয়ে ঘুম থেকে উঠে?

যদি এরকম করতে পারো তাহলে তোমার আর নেশার দরকার পরবে না।

Soil where plants are grown is equivalent to gold

Soil is everything for us

Breeze is coming from the snowy mountains

It is a relief for the tensed soul

তুমি কি বাহিরে যাচ্ছো? - হ্যাঁ।

চা নিয়ে আসবো? - না।

এই, শুভ কামনা রইলো।

কি?

বেস্ট...অফ...লাক..

ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ জানু।

কি ...ভাই..

এদিকে নিয়ে আয়,

মাধু ভাই আমি।

সাফার।

পতাকা বাধতেছি।

আচ্ছা মাধুর কাছে কতজন গুন্ডা আছে?

ভাই... চিন্তা করো না।

সাফার তার দল দিয়ে এখানে আছে।

কালারি আসান বললো লোক নাকি রেডি করে রেখেছে।

জানিস তো ওদেরো লোক আছে।

কিন্তু সব দিক দিয়েই আমাদের দল বেশি শক্তিশালী।

তাহলে তো সব ঠিকই আছে।

থিভান্ডি এখানে না আসা পর্যন্ত কেউ যেতে পারবে না।

কেউ যদি যায় তাহলে যেতে হবে আমাদের লাশের উপর দিয়ে।

ঠিক আছে তো? -অবশ্যই বস।

ঠিক আছে... এই কথাটাই শুনতে চাচ্ছিলাম।

রাখি তাহলে... আচ্ছা...

লিবাস...

কাজ শেষ?

না হবে।

মাধু কোথায়?

উম...ফোন দাও নি তুমি?

না।

আমি জানি না। - আচ্ছা।

ধর এটা।

লাগবে তোর?

কি?

সাফার ভাই... এদের সাথে তো মাধু নাই।

সতর্ক থাকিস।

দ্বীপে চলে গেল নাকি?

আরে নাহ যায় নি।

এই.. তোরা এদিকটা দেখ।

আমি কথা বলে আসি।

খা খা।

চিফ সেক্রেটারির অফিস থেকে বলছিলাম,

মাধু কি বাসায় আছে?

সাফার ভাই কি লাগবে তোমার?

চিনে ফেলেছো তাহলে?

দ্বীপে যেতে চাই...

যাবেন কোন সমস্যা নেই..

মানব বন্ধন শেষে যাবেন...

আমাদের ব্যাপারে নাক গলাতে আসিস না।

দেখো ভিনেশ তোমার জন্য সিগারেট খাওয়া ছাড়ার জন্য দ্বীপে গেছে,

আর তোমার বাবা সেখানে লোক দিয়ে সিগারেট পাঠানোর চেষ্টা করতেছেন!!

এই ব্যাপারে তোমার কি মত?

ভিনেশ যদি সিগারেট খাবে না বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাহলে লোক পাঠালে সমস্যা কি?

ঠিক তোমার বাবার মতই কথা বলতেছো

দেখো আমি যদি উনার মেয়ে নাও হতাম,

সাফার সবাই জানে...

যে জিতবে সেই দূর্নীতি করবে।

আচ্ছা... একটা প্রশ্ন আছে।

আচ্ছা এই লোকগুলোকে যেতে দিলাম আর ভিনেশ সিগারেট খেলো না তাহলে কি হবে?

তুমি কি ভিনেশকে একটা শেষ সুযোগ দিবে?

না...

কেন?

সে সিগারেট না খেলে, তার পরিবারের একজন মন্ত্রি হবে।

আচ্ছা।

কিন্তু আমাকে বুঝার মতো বোধ বুদ্ধি এখনো তার হয় নি।

অহ...

কি?

আমি কি তাদের যেতে দিবো, কি বলো তুমি?

ফোন রাখো তো।

দেবী, আমি কি তোমার মনে কষ্ট দিয়েছি?

না মজা করছিলাম, তাদের যেতে দিলাম তাহলে।

আমি নিশ্চিত ভিনেশ সিগারেট খাবে না, আর তোমার মত পাল্টাবে।

ভিজিথরে কি বলবো এখন।

ভাগ শালা...

মাধু.. সেক্রেটারি - এটাই তো।

ভিজিথ সব ঠিকঠাক আছে তো? - হ্যাঁ সব ঠিক আছে...

১১টার দিকে শুরু হবে। - ওকে..

মানববন্ধন শেষ পর্যন্ত কি অপেক্ষা করতে হবে?

কি? - না মানে এখনি নাম ঘোষনা করা যায় না?

প্রথমে বাকি মন্ত্রিদের আমাদের মন্ত্রির পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে হবে।

তার পরে আমরা নতুন নাম ঘোষনা করতে পারি।

তার মানে এখনো নাম ঠিক হয় নি।

আর কে হবে... আমি আছি না।

ভাই একটু এদিকে আসেন।

সেক্রেটারি ...আপনার শাড়ি কে ধুয়ে দেয়?

কাজের সময় এসব আকাজের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করছেন কেন?

অযথা কথা... - না মানে এমনেই জিজ্ঞাসা করলাম।

হ্যাঁ সাফার...বলো

ভিনেশ ঠিক আছে তো?

থিভান্ডি. সুসিজ...কইরে তুই...

ভাই আজকে তো রবিবার, আজকে একটু মদ খাওয়া যায় না?

আরে থিভান্ডি...

কেমন আছিস তুই?

সুসিজ কোথায়?

কোথায় তুই? - লিবাস...

কি খবর তোর?

ভালো আছিস তুই? - হ্যাঁ।

চল ভাই যাই।

ভিনেশ...

ভাই...

আসি তাহলে?

ভালো থাকবেন।

আসছি তাহলে। - আপনার দাওয়াত রইলো...

অবশ্যই - সুসিজ...

এতো তারাহুরা করার কি আছে?

যাওয়ার আগে একটু মাল পানি আর কার্ড খেলে যাই...

মদ এনেছিস? - হ্যাঁ...

ভিনেশ..

আয় বস...

একটা মাদুর নিয়ে আয়...

ভাই.... নে তো।

লিবাশ। -দেখি আমার কাছে দে।

এই নে।

ভাই... যদি বিড়ি খেতে চাস.. তাহলে এটাই তোর শেষ সুযোগ।

পরে বলতে পারবি না বিদেশি সিগারেট তোকে দেই নি।

এক টান দে...

কিরে ভাই।

বুঝতে পারছিস না কেনো?

বেশি বারাবাড়ি করতেছিস কিন্তু...

তুই কি কম করতেছিস।

তুই তাহলে তার দলে যোগ দিয়েছিস?

লিবাস..

আমি কোথাও যোগ দেই নি, আমি তোকে পরিস্থিতি বুঝাতে চাইলাম।

তোর দুলাভাইয়ের মত খারাপ কাজ কিন্তু মাধু করে নি,

মনে রাখিস।

লিবাস...

আমার দুলাভাই আমাকে ধোকা দেয়াতে তাকে আমার মেরে ফেলতে মনে চাচ্ছে।

এমনকি উনার স্বপ্ন নষ্ট করার জন্য আমি সিগারেট খাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম।

পরে সব কিছু পাল্টে গেলো...

আমার চাল চলন পরিবর্তন হয়ে গেলো,

আমি জানি না কেউ তোকে জিজ্ঞাসা করেছি নাকি...

একজন ধুমপায়িকে সাধারন মাবুষ যা জিজ্ঞাসা করে,

সিগারেট খেয়ে কি পাই?

কি পাই? কিচ্ছু পাই না।

তবুও সবখানে এটা পাওয়া যায়।

পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাদকের মধ্যে এটা অন্যতম।

আর এর জন্য সবখানেই বিড়িখোর দেখতে পাওয়া যায়।

ঠিক?

এখনো..

আমার অন্তর আমাকে সিগারেট খেতে বলতেছে,

কিন্তু আমি নিজের সাধ্যমতো নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি।

তবুও তোরা আমাকে সমর্থন করছিস না, দেখ আর বাধা দিছ না।

Oh dear deserted shore

Blending with you in imagination

As a traveller

dream voyager

ভাই সব..

বাহিরের দেশের বিমানবন্ধরের করুন দশা দেখে,

বিএসসিএল পার্টি মানববন্ধন আয়োজন করেছে।

আপনাদের সকলকে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি

ভাই। - হ্যাঁ..

আরে ভিনেশ...

ক্লান্ত দেখাচ্ছে তোকে?

আরে নাহ উপোশ করেছি।

আমাকে দেখ...

আমার ওজনো কমে গেছে?

সুসিজ তুই চুপ কর...

আরে বাদ দে না। - কেন?

এই প্রখর তাপ উপেক্ষা করে,

এই মানববন্ধনকে সার্থক করতে,

এসেছেন এই জন্য সকলে জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ। - ভিজিথ ভাইয়ের মন খারাপ কেনো?

ভিজিথ ভাই।

কি? - আমাদের থিভান্ডি এখনো কোন সিগারেট খায় নি!

সত্যি? - হ্যাঁ।

কই সে? - ঐ যে...

কি? কখন?

ভিনেশ.. - আস্তে!

ভাই আমার,

আমাদের সম্মান রক্ষা করেছিস তুই।

ঘরের সামনে সরকারি গাড়ি পাক্কা...

এখনি আসছি।

সবাইকে জানাতে হবে - অস্থির কাজ করেছিস।

এখন জানিয়ে দিবেন নাকি পরে? সেক্রেটারি।

আমার শালা তার কথা রেখেছে।

কি? - ভিনেশ এখনো সিগারেট খায় নি।

তাহলে এটা নিশ্চিত তো?

সাফার... আতসবাজি কোথায়?

খুব ভালো করেছিস।

আয়...আয়...

বার বার এই আন্দোলনের কারন বলার প্রয়োজন নেই।

যদিও ভারতীয় সোসিয়ালিস্ট কংগ্রেস পার্টি এই মানববন্ধন এর কারন জানে,

তারপরেও এই ব্যাপারে আমি দুটি কথা বলতে চাই,

সরকারের দূর্বল আইন ব্যাবস্থার কারনে,

দেশের বিমানবন্দরে যাত্রীদের করুন পরিস্থিতিতে পরতে হচ্ছে।

ডেমক্রেটিক এবং

রি...রি... - রিপাব্লিক

'রিপাবলিক পার্টি,

তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুবিধার কথা চিন্তা করে...

আমরা একত্রিত হয়েছি,

এবং একতাবদ্ধ থাকবো যতদিন না বিমানবন্দর গুলো তাদের যাত্রীদের প্রতি সদয় হয়।

আজকে যেটা আফ্রিকান দেশে হয়েছে...

কালকে সেটা আমাদের পুল্লিনাদে হতে কতক্ষণ!

আমাদের দাবি জাতিসংঘ পর্যন্ত পৌছাতে হবে।

প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করার আগ পর্যন্ত চলুন,

একতাবদ্ধ থাকি.... জয় হিন্দ।

খবরটা বলে দেন।

এখন আমি একটা খুশির খবর ঘোষনা করতে যাচ্ছি।

আমাদের মাননীয় মন্ত্রি মহোদয় কিছুদিন যাবত খুবই অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন...

উনি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের মাঝে ফিরে এসেছেন।

আগামী নির্বাচনে আমাদের দল থেকে দাঁড়ানোর মত নেতা আমরা পেয়ে গেছি।

সকলে করতালির মাধ্যমে আজকের এই অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রন জানাই।

মন্ত্রি বালান স্যারের জয়

মন্ত্রি বালান স্যারের জয়।

আমাদের কি আর কোন সুযোগ আছে?

এই বছরের জন্য তো গেলো।

মামা...

আমি? - হ্যাঁ এদিকে আসো...

কি? - সিগারেট দাও..

আচ্ছা...

ভালো।

সঙ্গী পাওয়া গেলো একজন।

ভালোই হলো।

সবাই খাবার খেয়ে ফেলেছো?

আরেকটু ভাত দাও। - আচারটা এদিকে দাও তো।

অনেক স্বাদ হয়েছে! স্পেশাল কিছু দিয়েছো নাকি রান্নায়?

তুই খা। বলছি আমি।

আমার কাছে তো আলাদা লাগতেছে না।

অন্যান্য দিনের মতই লাগতেছে।

আমার মনে হয় সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেয়ায় খাবারের স্বাদ পাচ্ছিস।

যাই হোক।

মা...

মা গতকালকের টাকা পুরানো ছাই দানিতে আছে।

এটাই কি তোমার অভ্যাস নাকি?

সরো, আমাকে যেতে দাও।

সত্যি?

এখানে এসেছো কেনো?

না মানে

এখন আমি বুঝতে পারলাম,

হাজারটা সিগারেট খাওয়ার থেকে প্রেমিকার

ঠোটের চুম্বন খাওয়া হলো সবচেয়ে মধুর।

বাংলা সাবটাইটেল বাই নাঈম সরকার।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.